বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Evidence Act, 1872

মোট প্রশ্ন১,৬৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Evidence Act, 1872

PrepBank · পাতা / ১৭ · ৭০১৮০০ / ১,৬৬৪

৭০১.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার অধীনে কোন ক্ষেত্রে দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. যখন একজন অভিযুক্ত নিজের দোষ স্বীকার করে
  2. যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচার করা হচ্ছে
  3. যখন একজন অভিযুক্ত শুধুমাত্র নিজের বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তি দেয়
  4. যখন একজন অভিযুক্ত অন্য মামলার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেয়
সঠিক উত্তর:
যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচার করা হচ্ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচার করা হচ্ছে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩০- যখন দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের [co-accused) বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়:

সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে অন্যকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম।

সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

শর্তসমূহ:
১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে:
২. উক্ত একই অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Tried jointly) করা হবে:
৩. উক্ত অভিযুক্তদের মধ্যে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকেসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করবে;
৪. এমন দোষ স্বীকারোক্তি প্রমাণিত হলে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে আমলে নিতে পারে।
৭০২.
সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন না উঠলে মৌখিক স্বীকৃতি কী হবে?
  1. শুনানিযোগ্য হবে
  2. গ্রহণযোগ্য হবে
  3. প্রাসঙ্গিক হবে না
  4. বাধ্যতামূলক হবে
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক (Section 22A) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে না – যদি না ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা/সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে।”
- অর্থাৎ সাধারণত কেউ মুখে বলল যে “এই অডিও/ভিডিও/চ্যাটে আমি এটা বলেছি” – এই মৌখিক স্বীকৃতি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না ডিজিটাল রেকর্ডটির সত্যতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।
----------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.

৭০৩.
সাক্ষ্য আইনের ১৪৯ ধারার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. আদালতকে প্রশ্ন করার স্বাধীনতা দেওয়া
  2. সাক্ষীর চরিত্র যাচাই করা
  3. সব ধরনের প্রশ্ন অনুমোদন করা
  4. যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন প্রতিরোধ করা
সঠিক উত্তর:
যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন প্রতিরোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন প্রতিরোধ করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন করা প্রতিরোধ করা।

ধারা ১৪৯ – যুক্তিসঙ্গত কারণে প্রশ্ন না করা হলে করা যাবে না:
ধারা ১৪৮-এ যে ধরণের প্রশ্ন উল্লেখ করা হয়েছে, সেই প্রশ্ন শুধুমাত্র তখনই করা উচিত, যখন প্রশ্নকারী ব্যক্তির কাছে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে মনে করার জন্য যে, প্রশ্নে যে অভিযোগ বা ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা সঠিক বা ভিত্তিসম্পন্ন।

Section 149- Question not to be asked without reasonable grounds:
No such question as is referred to in section 148 ought to be asked, unless the person asking it has reasonable grounds for thinking that the imputation which it conveys is well-founded.

৭০৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৯ক কোন বিষয়ের উপর আদালতকে অনুমান করার অধিকার দেয়?
  1. ডিজিটাল রেকর্ড
  2. ফরেনসিক প্রমাণ
  3. ডিজিটাল স্বাক্ষর
  4. ডিজিটাল চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ফরেনসিক প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেনসিক প্রমাণ
ব্যাখ্যা

ধারা ৮৯ক: শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:
আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।

Section- 89A. Presumption as to physical or forensic evidence-
The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.

৭০৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, বিবাহকালীন স্বামী বা স্ত্রীকে পারস্পরিক বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. ধারা ১২০
  2. ধারা ১২২
  3. ধারা ১২৩
  4. ধারা ১২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২২ অনুযায়ী, বিবাহকালীন স্বামী বা স্ত্রীকে পারস্পরিক বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না। তবে একজন পক্ষের বিরুদ্ধে অপরজনের দোষে বা দেওয়ানি মামলায় এই তথ্য আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রকাশ করা যেতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 122- Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.

৭০৬.
The Evidence Act 1872 এর ১৫৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ করা যায়?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৫৫ ধারার বিধান মতে বিরোধী পক্ষ/ যে পক্ষ সাক্ষী আহ্বান করে সে পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে চারটি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ করতে পারে।
- যথা- বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার মাধ্যমে, পূর্বের বক্তব্য বিরোধী সাক্ষ্য দেওয়ার মাধ্যমে, সাক্ষী প্রলোভনে পড়েছে তা প্রমানের মাধ্যমে, সাক্ষীর চরিত্র খারাপ তা প্রমানের মাধ্যমে।
৭০৭.
ধারা ২৮-এর অধীনে কোন পরিস্থিতিতে স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. যখন এটি একজন পুলিশ কর্মকর্তার সামনে করা হয়
  2. যখন এটি প্রলোভন বা ভয় প্রদর্শনের মাধ্যমে আদায় করা হয়
  3. যখন প্রলোভন বা ভয়ের প্রভাব দূর হয়ে যায় এবং স্বেচ্ছায় করা হয়
  4. যখন এটি প্রধান সাক্ষীর সামনে করা হয়
সঠিক উত্তর:
যখন প্রলোভন বা ভয়ের প্রভাব দূর হয়ে যায় এবং স্বেচ্ছায় করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন প্রলোভন বা ভয়ের প্রভাব দূর হয়ে যায় এবং স্বেচ্ছায় করা হয়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ২৮ ধারা অনুযায়ী,
"যদি ২৪ ধারায় উল্লিখিত এমন কোনো স্বীকারোক্তি, যেকোনো প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির ফলে সৃষ্ট প্রভাব, আদালতের মতে, সম্পূর্ণরূপে দূরীভূত হওয়ার পর করা হয়, তবে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য হবে।"

⇒ যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রথমে প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে কোনো ধারণা দেওয়া হয়, কিন্তু পরবর্তীতে সেই ধারণা আদালতের মতে পূর্ণরূপে অপসারিত হয়ে গেলে এবং তার পরে অভিযুক্ত স্বেচ্ছায় কোনো স্বীকারোক্তি করেন, তাহলে সেই স্বীকারোক্তিটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে।

Section 28- Confession made after removal of impression caused by inducement, threat or promise, relevant:
If such a confession as is referred to in section 24 is made after the impression caused by any such inducement, threat or promise has, in the opinion of the Court, been fully removed, it is relevant.
৭০৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৫ অনুযায়ী, যদি আসামি দাবি করে যে তার মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. পুলিশ
  2. আদালত
  3. বাদীপক্ষ
  4. আসামিপক্ষ
সঠিক উত্তর:
আসামিপক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামিপক্ষ
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১০৫ অনুযায়ী, যদি আসামি দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে প্রমাণের দায়িত্ব আসামিপক্ষের উপর বর্তায়।

⇒ আইনে স্পষ্ট বলা আছে যে, আদালত ধরে নেবে যে কোনো ব্যতিক্রম প্রযোজ্য নয়, যতক্ষণ না আসামি সেই ব্যতিক্রম প্রমাণ করতে পারে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপক্ষ (Prosecution) কেবল অপরাধ প্রমাণের দায়িত্ব পালন করবে, কিন্তু যদি আসামি কোনো আইনি ব্যতিক্রম দাবি করে, তাহলে সেই ব্যতিক্রম প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তার নিজেরই থাকবে।

উদাহরণ:
১. আত্মরক্ষা (Right of Private Defence):
যদি কোনো আসামি দাবি করে যে সে আত্মরক্ষার জন্য কাউকে আঘাত করেছে, তাহলে শুধু দাবি করলেই হবে না। সে নিজেই প্রমাণ দিতে হবে যে সে বাস্তবে আত্মরক্ষার জন্যই কাজ করেছে।
মানসিক ভারসাম্যহীনতা (Insanity):
যদি কোনো আসামি দাবি করে যে সে অপরাধ সংঘটনের সময় মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল (IPC ৮৪), তাহলে তাকে প্রমাণ করতে হবে যে সে সত্যিই মানসিকভাবে সুস্থ ছিল না এবং সে অপরাধ করার সময় নিজের কাজ সম্পর্কে সচেতন ছিল না।

মূলনীতি:
- রাষ্ট্রপক্ষ (Prosecution) অপরাধ প্রমাণ করবে।
- কিন্তু আসামি যদি কোনো ব্যতিক্রম দাবি করে, তবে সেটি প্রমাণের দায়িত্ব তার নিজের উপর বর্তাবে।
- আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো ব্যতিক্রম মেনে নেবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ধারা ১০৫ - আসামির ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব:
যখন কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হন, তখন দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমগুলোর আওতায় তার মামলা আসে কিনা, অথবা একই বিধির অন্য কোনো বিশেষ ব্যতিক্রম বা শর্তাধীন বিধান তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা, তা প্রমাণ করার দায়িত্ব আসামির উপর বর্তায়।
এছাড়াও, আদালত ধরে নেবে যে এমন কোনো ব্যতিক্রম প্রযোজ্য নয়, যদি না আসামি নিজে তার উপস্থিতি প্রমাণ করতে সক্ষম হয়।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.
৭০৯.
'A' একজন অত্যন্ত নীতিবান এবং ধার্মিক মানুষ। 'A' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আদালতে উঠেছে। সেখানে তার আইনজীবী সাক্ষ্য শুনানীর সময় 'A' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইলে ক্ষেত্রে কী ঘটবে?
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া বলা যাবে না
  2. আদালত বাধা প্রদান করবে
  3. সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই আদালতে
  4. বিপক্ষ আইনজীবী তাকে বাধা প্রদান করবে
সঠিক উত্তর:
সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

তবে ৫৪ ধারা অনুসারে, অভিযুক্তের পূর্বাচারের প্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয়। অর্থাৎ তার আগের অপরাধমূলক কাজকর্ম বা খারাপ চরিত্র প্রমাণ করা যাবে না।
-অর্থাৎ, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সচ্চরিত্র বা ভালচরিত্র তার পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে গণ্য।
-এটি আইনগতভাবে স্বীকৃত এবং সাক্ষ্য আইনে ব্যবস্থা রয়েছে।

তাই উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'A' এর আইনজীবী কর্তৃক 'A' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরার আইনগত অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।
--------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-53: In criminal cases, previous good character relevant:
 In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-54: Previous bad character not relevant, except in reply:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant. 
Explanation 1.–This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue. 
Explanation 2.–A previous conviction is relevant as evidence of bad character.
৭১০.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারা অনুসারে, কখন অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জনের কারণে নতুন বিচারের দাবি করা যাবে না?
  1. যদি আদালত সাক্ষ্য গ্রহণে বিলম্ব করে
  2. যদি আপত্তিকৃত সাক্ষ্যটি মামলার একমাত্র প্রমাণ হয়
  3. যদি কোনো সাক্ষ্যই আদালতে উপস্থাপন না করা হয়
  4. যদি আপত্তিকৃত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্তের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ থাকে
সঠিক উত্তর:
যদি আপত্তিকৃত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্তের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি আপত্তিকৃত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্তের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৬৭ এর মূল কথা হলো: কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোনো সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে—এই যুক্তিতে মামলার রায় বাতিল বা নতুন বিচার (new trial) দাবি যথেষ্ট নয়, যদি: - আপত্তিকৃত সাক্ষ্য বাদ দিয়েও আদালতের রায় যথাযথ প্রমাণের ভিত্তিতে সমর্থিত হয়, অথবা প্রত্যাখ্যান করা সাক্ষ্য রায়ে কোনো বাস্তব পরিবর্তন আনত না।
- আদালতের মূল লক্ষ্য হলো সত্য উদ্ঘাটন এবং ন্যায্য বিচার। তাই সাক্ষ্যগ্রহণে ত্রুটি হলেও যদি ন্যায়বিচার হয়, তবে মামলার ফলাফলে তা প্রভাব ফেলে না।

⇒ তাই সঠিক উত্তর: "ঘ) যদি আপত্তিকৃত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্তের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ থাকে" — তখন কেবলমাত্র সেই সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জনের অজুহাতে নতুন বিচার চাওয়া যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
- আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
----
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
৭১১.
এজাহারকারীকে এজাহার বিষয়ে জেরা করা যায় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে?
  1. ১৪১
  2. ১৪২
  3. ১৪৪
  4. ১৪৫
সঠিক উত্তর:
১৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫
ব্যাখ্যা
১৪৫ ধারা অনুসারে কোনো ব্যক্তি মামলার বিচার্য  বিষয় সম্পর্কে পূর্বে কোনো বক্তব্য দিলে তার বিষয়ে জেরা করা সুযোগ আছে এবং এই বিষয়ে তাঁর বক্তব্যর মধ্যে বৈপরীত্ব আছে মর্মে দেখাতে চাইলে তাঁকে উক্ত পূর্বোক্ত বক্তব্য দেখাতে হবে।
৭১২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাটি Judgment in personam?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩৯ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে। এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে- তাহলো:

i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১)

ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

-----------------
⇒ Previous judgments relevant to bar a second suit or trial:
Section 40. The existence of any judgment, order or decree which by law prevents any Court from taking cognizance of a suit or holding a trial, is a relevant fact when the question is whether such Court ought to take cognizance of such suit or to hold such trial.
৭১৩.
নিম্নের কোনটি জুডিশিয়াল নোটিসের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ
  2. স্থল বা সমুদ্র পথে নিয়মাবলি
  3. পত্রিকার সংবাদ
  4. নোটারি পাবলিকের সিল
সঠিক উত্তর:
পত্রিকার সংবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রিকার সংবাদ
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী ১১ টি বিষয়ের উপর বিচারক দৃষ্টিগোচর রাখা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। যথা:-
(i) বাংলাদেশের সকল আইনসমূহ।
(ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যাবতীয় অস্ত্র ও রসদ।
(iii) আইনসভার কার্যসমূহ।
(iv) নিম্নলিখিত সীল:-
           a) বাংলাদেশ সকল আদালত সমূহের সীল।
           b) এডমিডালটি ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত সমূহের সীল।
           c) নোটারি পাবলিকের সীল।
           d) সকল সীল যেটা বাংলাদেশে বলবৎ কোন আইনের দ্বারা কোন ব্যক্তি ব্যবহারের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
(v) বাংলাদেশে কোন সরকারি পদে কাহারো যোগদানের বিষয়ে সরকারি গ্যাজেট।
(vi) সরকার কর্তৃক স্বীকৃত প্রত্যেক রাষ্ট্র বা সার্বভৌম বা রাজা বা রাণীর অস্তিত্ব, উপাধি ও জাতীয় পতাকা।
(vii) সময়ের বিভাগসমূহ, পৃথিবীর ভৌগোলিক বিভাগসমূহ এবং সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত সর্বসাধারণের উৎসব, উপবাস এবং ছুটিসমূহ।
(viii) বাংলাদেশের ভূখণ্ডসমূহ।
(ix) বাংলাদেশের সাথে অপর রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ আরম্ভ হওয়া, চলতে থাকা ও অবসান হওয়া।
(x)  আদালতের সদস্য ও কর্মকর্তাগণ এবং তাদের অধীনস্থ অফিসার এবং সহকারীগণ এবং আদালতের কার্য সম্পাদনকারী অন্যান্য কর্মকর্তাগণের এবং আইন অনুসারে আদালতে উপস্থিত হয়ে মোকাদ্দমা পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল এডভোকেট এবং অনন্য ব্যক্তিদের নাম।
(xi) স্থল বা সমুদ্র পথের নিয়মাবলী।
♦৫৭ ধারার অধীন ১১ টি বিষয়কে জুডিশিয়াল নোটিসের হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে তন্মধ্যে পত্রিকার সংবাদ নেই।
৭১৪.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় "স্বীকারোক্তি" (Admission) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ১৭ ধারায়
  2. ১৯ ধারায়
  3. ২১ ধারায়
  4. ২৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় "স্বীকারোক্তি" (Admission) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এটি একটি মৌখিক বা দলিলমূলক (লিখিত) বক্তব্য যা কোনো বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে এবং যা উক্ত বিষয়ে বা ঘটনার সম্পর্কিত সত্যতা বা উপসংহার প্রমাণে সহায়ক হতে পারে।

→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ধারার বিধান ১৭- স্বীকারোক্তি সংজ্ঞায়িত:
একটি স্বীকারোক্তি হল একটি বক্তব্য, মৌখিক বা দলিলমূলক বা ডিজিটাল রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত, যা কোনো বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কে কোনো উপসংহার বা ধারণা প্রদান করে, এবং যা যে কোনো ব্যক্তির দ্বারা এবং নিম্নোক্ত বর্ণিত পরিস্থিতিতে করা হয়।
------------ 
→The Evidence Act, 1872: Section- 17. Admission defined
An admission is a statement, oral or documentary or contained in the digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
৭১৫.
যে ক্রমানুযায়ী সাক্ষী উপস্থিত করা ও তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, তা নির্ধারিত হবে-
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির প্রচলিত আইন ও রীতি অনুযায়ী
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির আইন ও রীতি অনুযায়ী
  3. কোন আইন না থাকলে আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অনুযায়ী
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যে ক্রমানুযায়ী সাক্ষী উপস্থিত করা ও তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, তা দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধি সম্পর্কিত প্রচলিত আইন ও রীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। কোন আইন না থাকলে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা [Discretionary power] বলে তা নির্ধারিত হবে[১৩৫ ধারা]।
৭১৬.
বিচারক উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে কখন প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. মামলার যে কোন সময়
  2. বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণের সময়
  3. অভিযুক্ত পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণের সময়
  4. রায় প্রদানের সময়
সঠিক উত্তর:
মামলার যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৭১৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বিশেষজ্ঞের মতামত (Expert Opinion) এর বিধান আছে?
  1. ৪২ ধারা
  2. ৪৫ ধারা
  3. ৫২ ধারা
  4. ৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act, Section- 45. Opinion of Experts:
- When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.
Such persons are called experts.
৭১৮.
Under Section 25 of The Evidence Act, 1872, which of the following is considered inadmissible?
  1. Dying declaration
  2. Admission in a civil suit
  3. Confession made in court
  4. Confession made to a police officer
সঠিক উত্তর:
Confession made to a police officer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Confession made to a police officer
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872, ধারা ২৫- Confession to police-officer not to be proved (পুলিশ অফিসারের কাছে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয়):
"No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence."
“কোনো পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করা যাবে না।”

মূল বক্তব্য:
যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধে অভিযুক্ত হন, এবং তিনি কোনো স্বীকারোক্তি পুলিশ অফিসারকে দিয়ে থাকেন, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

⇒ এটি একজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশি বলপ্রয়োগ বা প্রলোভনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় থেকে সুরক্ষা দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত বিধান।
৭১৯.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে আদালত কীভাবে ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে পারেন?
  1. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  2. নিয়ন্ত্রক বা সেই ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  3. অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ যাচাই করতে আদেশের প্রদানের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
-------------------
⇒The Evidence Act, 1872: Section-73A. Proof as to verification of digital signature:
 -In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৭২০.
সাক্ষ্য আইনে Dumb witness এর সাক্ষ্য প্রদানের কয়টি পদ্ধতিকে গ্রহণযোগ্যতা দেয়া হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ১টি
  3. ২টি
  4. নির্দিষ্ট পদ্ধতির কথা উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses):
যে সাক্ষী কথা বলতে অক্ষম, তিনিই হচ্ছেন বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses)।

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারায় বলা আছে-
কোনো বোবা সাক্ষী লিখে বা ইশারায় প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারবেন যা আদালতে মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

অর্থাৎ বোবা সাক্ষী দুই ভাবে সাক্ষ্য দিতে পারবে-
⇒ লিখিত ভাবে; বা
⇒ ইশারার মাধ্যমে।

এভাবে বোবা সাক্ষী যে সাক্ষ্য প্রদান করে, তা মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
৭২১.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে সাক্ষীকে কোন ক্ষেত্রে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষী নিজ পক্ষের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে
  2. সাক্ষী বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দিলে
  3. সাক্ষী পূর্বের সাক্ষ্য থেকে বিপরীত সাক্ষ্য দিলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে 
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা ও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে, নিম্নলিখিত যেকোনো একটি বা একাধিক অবস্থা দেখা দিলে আদালতের কাছে সাক্ষীকে "বৈরী সাক্ষী" (Hostile Witness) ঘোষণা করার জন্য আবেদন করা যায় এবং আদালত প্রাসঙ্গিক শর্ত সাপেক্ষে তাকে বৈরী সাক্ষী ঘোষণা করতে পারেন:
১. সাক্ষী নিজ পক্ষের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে:
যে পক্ষ সাক্ষীকে ডেকেছে, সেই পক্ষের স্বার্থের বিরুদ্ধে যদি সাক্ষী সাক্ষ্য দেন, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করার যৌক্তিক কারণ থাকে।
২. সাক্ষী বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দিলে:
যদি সাক্ষী মামলার বিরুদ্ধ পক্ষের বক্তব্যের সমর্থনে এমন সাক্ষ্য দেন যা সাক্ষীকে আহ্বানকারী পক্ষের জন্য ক্ষতিকর, তাহলেও সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে।
৩. সাক্ষী পূর্বের সাক্ষ্য থেকে বিপরীত সাক্ষ্য দিলে:
যদি সাক্ষী আদালতে তার পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য (যেমন: ইনভেস্টিগেশন অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া বক্তব্য) থেকে স্পষ্টভাবে সরে এসে বিপরীত বা অসংগতিপূর্ণ সাক্ষ্য দেন, তাহলে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়েছে ধরে নেওয়া হয় এবং বৈরী সাক্ষী ঘোষণার আবেদন গৃহীত হয়।

এসব ক্ষেত্রে সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা (Cross-examine) করতে পারে, যা সাধারণ নিয়মে (নিজ সাক্ষীকে জেরা করা) নিষিদ্ধ।

৭২২.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "ডিজিটাল রেকর্ড" এর সংজ্ঞায় নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ডিভিডি রেকর্ড
  2. সিসিটিভি রেকর্ড
  3. হস্তলিখিত চিঠি
  4. কম্পিউটার মেমোরি
সঠিক উত্তর:
হস্তলিখিত চিঠি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তলিখিত চিঠি
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রনিক রেকর্ড" বলতে এমন রেকর্ড, ডেটা বা তথ্য বোঝায় যা ম্যাগনেটিক, ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমোরি, মাইক্রোফিল্ম, ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (ডিভিডি), সিসিটিভি রেকর্ড, ড্রোন ডেটা, সেল ফোনের রেকর্ড, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার বা অন্য কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে তৈরি, প্রস্তুত, প্রেরিত, গৃহীত বা সংরক্ষিত হয়, যেমনটি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, ২০১৮-এ সংজ্ঞায়িত।
- হস্তলিখিত চিঠি একটি ডিজিটাল মাধ্যম নয়, তাই এটি "ডিজিটাল রেকর্ড"-এর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
--------
- [“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)]

৭২৩.
আদালত কোন ক্ষেত্রে কুৎসাজনক প্রশ্ন করার অনুমতি প্রদান করতে পারে?
  1. সাক্ষীর চরিত্র সম্পর্কিত হলে
  2. অভিযুক্তের সম্পর্কিত হলে
  3. বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
 
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
 
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
৭২৪.
মালিকের অনুমতি নিয়ে ‘ক’ একটি বাড়ীতে অবস্থানকালে বাড়ীর মালিকানা দাবি করে। এক্ষেত্রে আইনগত বাধাকে কি বলে?
  1. স্বীকৃতি
  2. স্বকার্যজনিত বাঁধা
  3. দাবী
  4. মৌনসম্মতি
সঠিক উত্তর:
স্বকার্যজনিত বাঁধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বকার্যজনিত বাঁধা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ১১৬ ধারার বিধান ভাড়াটিয়া ও দখলে থাকার অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধ (Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession) : কোন স্থাবর সম্পত্তির ভাড়াটিয়া অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তিকে ভাড়াটিয়া সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ভাড়ার শুরুতে তার বাড়িওয়ালার ঐ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করতে অনুমতি দেওয়া হবে না; কোন স্থাবর সম্পত্তির দখলদারের অনুমতি নিয়ে যে ব্যক্তি ঐ সম্পত্তিতে এসেছে সেই ব্যক্তিকে যখন এরূপ অনুমতি প্রদান করা হয়েছে তখনকার ঐরূপ ব্যক্তির ঐরূপ দখল অস্বীকার করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
এই  আইনগত বাধাকে স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel) বলে।
৭২৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে, শুধুমাত্র সাক্ষ্য ভুলভাবে গ্রহণ বা বর্জনের কারণে কোনো রায় বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য নতুন করে বিচার করার আবেদন করা যাবে না?
  1. ধারা ১৬৩
  2. ধারা ১৬৫
  3. ধারা ১৬৬
  4. ধারা ১৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৭
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারা অনুসারে, যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আপত্তিকর সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত ন্যায্যতা প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ ছিল, অথবা বর্জিত সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলেও সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হতো না, তাহলে শুধুমাত্র সাক্ষ্য ভুলভাবে গ্রহণ বা বর্জনের কারণে কোনো মামলায় নতুন করে বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে না। এই বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় প্রকার মামলায় সমভাবে প্রযোজ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান, আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

৭২৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারার বিধান অনুসারে আদালত কোন ক্ষেত্রে অশ্লীল ও কুৎসিত প্রশ্ন করার অনুমতি প্রদান করতে পারে?
  1. অভিযুক্তের সম্পর্কিত হলে
  2. বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে
  3. সাক্ষীর চরিত্র সম্পর্কিত হলে
  4. মামলার দুই পক্ষের সম্মতি থাকলে
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।

সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালত যে কোনো প্রশ্ন বা অনুসন্ধানকে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে যদি সেই প্রশ্নগুলো অশোভন (অশ্লীল) বা কেলেঙ্কারিপূর্ণ (কুৎসিত) হয়। যদিও সেই প্রশ্নগুলো মামলার প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে কিছুটা সম্পর্কিত হতে পারে, তবুও আদালত যদি মনে করে যে প্রশ্নগুলো অশোভন বা অনৈতিক, তাহলে সেগুলো নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।

তবে, যদি প্রশ্নগুলো বিতর্কিত বা প্রকৃত ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত হয়, অর্থাৎ মামলার মূল বিষয় নির্ধারণের জন্য জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে সেগুলো নিষিদ্ধ করা যাবে না। আদালতকে সেই পরিস্থিতিতে এমন প্রশ্নগুলোকে অনুমোদন দিতে হবে কারণ তা মামলার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের জন্য প্রয়োজনীয়।

সুতরাং, ধারা ১৫১-এর মাধ্যমে আদালতকে একটি ভারসাম্য রক্ষা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যেখানে একদিকে অশোভন বা কেলেঙ্কারিপূর্ণ প্রশ্নগুলোকে নিষিদ্ধ করার সুযোগ থাকে এবং অন্যদিকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলিকে অনুমোদন করা বাধ্যতামূলক।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারার বিধান অনুসারে আদালত বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে অশ্লীল ও কুৎসিত প্রশ্ন করার অনুমতি প্রদান করতে পারে।
---------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

৭২৭.
List of facts of which the judicial notice has to be taken under section 57 of The Evidence Act, 1872-
  1. is exhaustive
  2. is illustrative only
  3. is both (a) & (b)
  4. is neither (a) nor (b)
সঠিক উত্তর:
is illustrative only
উত্তর
সঠিক উত্তর:
is illustrative only
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) কেবল উদাহরণমূলক (illustrative only)।

বিচারিক স্বীকৃতি-
বিচারিক স্বীকৃতি হলো আদালতের এমন কিছু তথ্য সত্য বলে গ্রহণ করা, যা সাধারণত সবার জানা থাকে বা সহজেই প্রমাণ করা যায়। এসব তথ্য প্রমাণ প্রদর্শনের প্রয়োজন হয় না। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে- আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে।

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]

তালিকার প্রকৃতি:
১. তালিকা চূড়ান্ত নয় (Not exhaustive);
২. তালিকা উদাহরণমূলক (Illustrative only)।

ধারা ৫৭-এর তালিকা উদাহরণমূলক (illustrative) এবং আদালত প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যও বিচারিক স্বীকৃতি দিতে পারে।
৭২৮.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে একটি "fact in issue" কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. সাক্ষীর বক্তব্য দ্বারা
  2. আইনজীবীর অভিমত দ্বারা
  3. আদালতের অনুমান দ্বারা
  4. আদালতে উত্থাপিত ও অস্বীকারকৃত বিষয় দ্বারা
সঠিক উত্তর:
আদালতে উত্থাপিত ও অস্বীকারকৃত বিষয় দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে উত্থাপিত ও অস্বীকারকৃত বিষয় দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ "Fact in issue" (বিচার্য বিষয় বা বিতর্কিত সত্য) বলতে সেই সমস্ত তথ্য বা ঘটনাকে বোঝায়, যা কোনো মামলা বা আইনি প্রক্রিয়ায় আসামি বা পক্ষগণ দ্বারা দাবি বা অস্বীকার করা হয় এবং যার উপর মামলার সিদ্ধান্ত নির্ভর করে। এটি আদালত কর্তৃক নির্ধারিত হয়, নিম্নলিখিত উপায়ে:
→ মামলার পক্ষগুলোর দাবি বা প্রতিবাদ দ্বারা: উদাহরণ: 'A' যদি 'B' কে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, তাহলে "A কি B কে হত্যা করেছে?" এটি একটি fact in issue, কারণ এটি মামলার মূল বিবাদী বিষয়।
→ আইনের প্রাসঙ্গিক ধারা অনুসারে: দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে কিছু বিষয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে fact in issue হয়ে থাকে। যেমন: ফৌজদারি মামলায় আসামির অপরাধী মনোভাব (mens rea) বা দেওয়ানি মামলায় চুক্তি ভঙ্গের ঘটনা।
→ আদালত কর্তৃক ইস্যু ফ্রেমিং-এর মাধ্যমে: দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, আদালত মামলার প্রাসঙ্গিক ইস্যু (issues) নির্ধারণ করে, যেগুলো fact in issue হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ Fact in issue বা বিতর্কিত সত্য বলতে এমন কোনো বিষয় বোঝায়- যার অস্তিত্ব, অনস্তিত্ব, প্রকৃতি বা মাত্রা থেকে কোনো আইনি অধিকার, দায় বা অক্ষমতা নির্ধারিত হয়, এবং যা কোনো মামলায় পক্ষগণ দাবি করে বা অস্বীকার করে।
- সাক্ষ্য আইন, ধারা ৩ অনুযায়ী:
“The expression ‘facts in issue’ means and includes any fact from which, either by itself or in connection with other facts, the existence, non-existence, nature or extent of any right, liability or disability, asserted or denied in any suit or proceeding, necessarily follows.”
- এছাড়াও, ব্যাখ্যা অংশে বলা হয়েছে:
“...the fact to be asserted or denied in the answer to such issue is a fact in issue.”

উদাহরণ:
- ধরা যাক, A-কে B হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তখন নিচের বিষয়গুলো "fact in issue" হতে পারে:
 A কি B-কে হত্যা করেছে?
 A-এর কি হত্যার অভিপ্রায় ছিল?
 A কি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল?
- এ সকল বিষয় আদালতে উত্থাপিত হয় এবং আসামী অস্বীকার করে বা পক্ষসমর্থন করে—এই বিতর্কিত বিষয়গুলোই হয় fact in issue।

⇒ "Fact in issue" নির্ধারিত হয় আদালতে উত্থাপিত ও অস্বীকারকৃত বিষয়ে ভিত্তি করে, সাক্ষীর বক্তব্য, আইনজীবীর অভিমত বা আদালতের অনুমান দিয়ে একে নির্ধারণ করা হয় না।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) আদালতে উত্থাপিত ও অস্বীকারকৃত বিষয় দ্বারা।
৭২৯.
হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' দাবি করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না। এই দাবি প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. 'ক' এর
  2. আদালতের
  3. পুলিশের
  4. অভিযোগকারীর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্ব:
কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।

উদাহরণ:
(ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' দাবি করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

(খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। বিশেষভাবে যে ঘটনা কারও অবগতির মধ্যে রয়েছে।
৭৩০.
একজন সাক্ষী হিসেবে শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের কর্তব্য কী হবে?
  1. অভিযোগকারীকে সাহায্য করা
  2. আদালতকে সাহায্য করা
  3. অভিযুক্তকে শাস্তি থেকে বাঁচানো
  4. নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করা
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয়, যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে;
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৭৩১.
ড্রোনের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য, ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) রেকর্ডিং, কম্পিউটার মেমরি, বা মাইক্রোফিল্মে ধারণকৃত কোন রেকর্ড বা ডাটা কোন ধরনের সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. শারীরিক সাক্ষ্য
  3. দালিলিক সাক্ষ্য
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
দালিলিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দালিলিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
The Evidence Act (Amendment), 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ইলেকট্রনিক সাক্ষ্য বা ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে।
অর্থাৎ ড্রোনের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য, ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) রেকর্ডিং, কম্পিউটার মেমরি, বা মাইক্রোফিল্মে ধারণকৃত কোন রেকর্ড বা ডাটা দালিলিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা তে যুক্ত: The Evidence Act (Amendment), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
- ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
- অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
- ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৭৩২.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা প্রযোজ্য হতে হলে নিম্নলিখিত কোন শর্তটি পূরণ অপরিহার্য না ?
  1. পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি অবশ্যই দোষ স্বীকারোক্তি হতে হবে
  2. পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত সংবাদটি প্রদান করবে 
  3. প্রদত্ত সংবাদ অনুসারে আলামত উদ্ধার হতে হবে
  4. সংবাদটি অবশ্যই পুলিশের নিকট প্রদত্ত হতে হবে
সঠিক উত্তর:
পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি অবশ্যই দোষ স্বীকারোক্তি হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি অবশ্যই দোষ স্বীকারোক্তি হতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুসারে পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা অবসস্থায় অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি কতৃক পুলিশের নিকট প্রদত্ত কোন তথ্য অনুযায়ী যদি এমন বিষয় বা আলামত উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত  তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে। সুতরাং পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি দোষ স্বীকারোক্তি না হলেও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ২৭: আসামির নিকট হইতে প্রাপ্ত তথ্য যতখানি প্রমাণ করা যাইতে পারে: কোনো ঘটনা সম্পর্কে যদি সাক্ষ্য পাওয়া যায় যে, কোনো অপরাধে অপরাধী কোনো লোক পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকাকালে তাহার নিকট হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ফলে ঘটনাটি উদঘাটিত হইয়াছে, তবে তথ্যের যে অংশ উদঘাটিত ঘটনার সহিত স্পষ্টরূপে সংশ্লিষ্ট তাহা স্বীকারোক্তি হউক বা না হউক প্রমাণ করা যাইতে পারে।
---------------
The Evidence Act, 1872, Section 27,How much of information received from accused may be proved: Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.]

৭৩৩.
What is the legal status of evidence given by a dumb witness through signs or writing?
  1. It is considered oral evidence
  2. It is considered secondary evidence
  3. It is considered documentary evidence
  4. It is not considered as evidence
সঠিক উত্তর:
It is considered oral evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It is considered oral evidence
ব্যাখ্যা
Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
৭৩৪.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারা অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. কম্পিউটার সঠিকভাবে কাজ করেছে
  3. তথ্য নিয়মিত কম্পিউটারে ইনপুট করা হয়েছে
  4. ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু মূল তথ্য থেকে তৈরি বা উদ্ধার করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ক) মৌখিক সাক্ষ্য।
- সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারার অধীনে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে যেসব শর্ত পূর্ণ করতে হয়, তার মধ্যে মৌখিক সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক নয়। ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য যা প্রাসঙ্গিক তা হলো:
- কম্পিউটার সঠিকভাবে কাজ করেছে
- তথ্য নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে ইনপুট করা হয়েছে
- ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু মূল তথ্য থেকে তৈরি বা উদ্ধার করা হয়েছে
এখানে মৌখিক সাক্ষ্য কোনো প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে না, কারণ ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কম্পিউটার ও তার সিস্টেমের নির্ভুলতা সম্পর্কিত তথ্যই গুরুত্বপূর্ণ।
৭৩৫.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর আওতায় পড়ে না?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা
  2. সাক্ষীর জবানবন্দি
  3. উইলে করা বিবৃতি
  4. দৈনন্দিন কাজের রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) সাক্ষীর জবানবন্দি।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হয়, তখন তার কিছু নির্দিষ্ট বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। এই ধারায় নিম্নলিখিত ৮টি পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত:
১) মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration) — যখন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পূর্বে কোনো ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য করেন।
২) ব্যবসার কার্যক্রমে বিবৃতি (statement made in course of business) — যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিবৃতি দেন।
৩) স্বার্থবিরোধী বিবৃতি (statement against interest) — যে বিবৃতি ব্যক্তির নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে।
৪) জনস্বার্থ বা প্রথা সংক্রান্ত বিবৃতি (opinion as to public right or custom) — যখন কোনো ব্যক্তি সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা সম্পর্কিত বিবৃতি দেন।
৫) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (relates to existence of relationship) — আত্মীয়তার অস্তিত্বের ব্যাপারে বিবৃতি।
৬) পারিবারিক দলিল বা উইলে করা বিবৃতি (statement made in will or deed relating to family affairs) — উইল বা পারিবারিক দলিলে করা বিবৃতি।
৭) লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি- "transaction mentioned in section 13, clause (a)"ধারা ১৩-এর (ক) অংশে উল্লেখিত লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি।
৮) কিছু ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি (statement made by several persons) — যখন একাধিক ব্যক্তি একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একই মতামত দেন।

- এছাড়া, "সাক্ষীর জবানবন্দি" সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর আওতায় পড়ে না, কারণ এটি সাধারণত আদালতে সরাসরি সাক্ষী দ্বারা প্রদত্ত বিবৃতি যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জীবিত থাকে, এবং তা সাধারণত ক্রস-এক্সামিনেশন এর মাধ্যমে যাচাই করা হয়।

এজন্য, সঠিক উত্তর হল খ) সাক্ষীর জবানবন্দি।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
৭৩৬.
যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে-
  1. নিয়ন্ত্রককে
  2. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে
  3. যে ব্যক্তির স্বাক্ষর তাকে
  4. উল্লিখিত যে কোন একজনকে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোন একজনকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোন একজনকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।
ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
-------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section  73A: Proof as to verification of digital signature:
  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.
Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৭৩৭.
সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় নিচের কোনটির সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. প্রমাণিত (proved)
  2. মিথ্যা প্রমাণিত (disproved)
  3. অপ্রমাণিত (not to be proved)
  4. 'ক' 'খ' ও 'গ' সবগুলো
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' ও 'গ' সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' ও 'গ' সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় কতিপয় শব্দের ব্যাখ্যা রয়েছে যার, ঐ গুলাতে প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
⇒ প্রমাণিত (proved): কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন। 
⇒ মিথ্যা প্রমানিত (disproved): কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।
⇒ অপ্রমাণিত (not to be proved): কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না। (A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved).
----------------
The Evidence Act,1872: Section 3- Interpretation-clause:
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.
⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.
৭৩৮.
ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণের ক্ষেত্রে আদালত নিম্নের কাকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে
  2. নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে
  3. যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ:
যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।
 
ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
 
Section  73A⇒ Proof as to verification of digital signature:
In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.
 
Explanation- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৭৩৯.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা মতে টিপসহি সনাক্তকরণের বিষয়ে বিশেষজ্ঞের অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. 45
  2. 48
  3. 50
  4. 47
সঠিক উত্তর:
45
উত্তর
সঠিক উত্তর:
45
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872)-এর ধারা ৪৫ বিশেষজ্ঞের মতামত (Expert Opinion) সম্পর্কে বিধান দেয়।
- এই ধারা অনুযায়ী, টিপসহি (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সনাক্তকরণ-এর মতো বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট বা সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য।
- ধারা ৪৫-এ স্পষ্টভাবে "finger impression" (আঙুলের ছাপ)-এর কথা উল্লেখ আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒ Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 45. Opinion of Experts:
 When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.
Such persons are called experts.
৭৪০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুসারে আদালত ৫ বছরের বেশি পুরোনো এবং সঠিকভাবে সংরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ডকে সঠিক বলে অনুমান করতে পারে?
  1. ধারা ৭৩ক
  2. ধারা ৮৫ক
  3. ধারা ৯০ক
  4. ধারা ৯২ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯০ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক অনুযায়ী,
যে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি পাঁচ বছর পুরোনো হয় এবং আদালত মনে করে যে এটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তবে আদালত এটি সঠিক বলে ধরে নিতে পারে এবং অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।

Section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

৭৪১.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৫৭ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি আদালত বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিতে পারে না?
  1. সংসদের কার্যক্রম
  2. সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি
  3. ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
  4. বাংলাদেশের সকল আইনসমূহ
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ৫৭ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত চিঠিপত্র বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিতে পারে না।
বিচারিক দৃষ্টিগোচর অর্থ হলো প্রমাণ ছাড়া কোন কিছু বিদ্যমান আছে বা কোন কিছু সত্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া। আদালত যে সকল বিষয় বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিতে পারে তা সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধরায় উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ;
iii) সংসদের কার্যসমূহ;
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা;
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

⇒The Evidence Act 1872, Section 57, Facts of which Court must take judicial notice: The Court shall take judicial notice of the following facts:-
 1 All Bangladesh Laws
 2. Articles of War for the Armed Forces:
 3. The course of proceeding of Parliament and of [any Legislature which had Power to legislate in respect of territories now  comprised in Bangladesh
 4. The seals of all the Courts in Bangladesh: the seals of Courts of Admiralty and Maritime Jurisdiction and of Notaries Public, and all seals which any person is authorized to use by any law in force in Bangladesh:]
 5. The accession to office, names, titles, functions and signatures of the persons filling for the time being any public office in Bangladesh, if the fact of their appointment to such office is notified in any official Gazette:
 6. The existence, title and national flag of every State or Sovereign recognized by the Government:
 7. The divisions of time, the geographical divisions of the world, and public festivals, fasts and holidays notified in the official Gazette:
 8. The territories of Bangladesh:
 9. The names of the members and officers of the Court and of their deputies and subordinate officers and assistants, and also of all officers acting in execution of its process, and of all advocates and other persons authorized by law to appear or act before it:
10. The commencement, continuance and termination of hostilities between Bangladesh and any other State or body of persons:
11. The rule of the road on land or at sea.

৭৪২.
সকল দেওয়ানী কার্যক্রমে কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে-
  1. যোগ্য সাক্ষী
  2. অযোগ্য সাক্ষী
  3. নিশ্চিত সাক্ষী
  4. সাক্ষী সংশ্লিষ্ট
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রীঃ সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।

------------------------------------------
⇒ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
 In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৭৪৩.
সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারার বিধান হলো-
  1. Opinion on relationship, when relevant
  2. Grounds of opinion, when relevant
  3. Opinion as to digital signature where relevant
  4. Opinion of Experts
সঠিক উত্তর:
Grounds of opinion, when relevant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Grounds of opinion, when relevant
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারার বিধান: মতামতের কারণ কখন প্রাসঙ্গিক (Grounds of opinion, when relevant)- কখন মতামতের কারণ প্রাসঙ্গিক হতে পারে, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒  ৫১ ধারা অনুযায়ী কোন জীবিত ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক হলে, তার অভিমত যে সকল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলো অর্থাৎ মতামতের কারণও প্রাসঙ্গিক হয়।

যেমন- কোন বিশেষজ্ঞ কোন অভিমতে উপনীত হবার জন্য তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিবরণ দিতে পারে।

----------
⇒ Grounds of opinion, when relevant:
Section 51. Whenever the opinion of any living person is relevant the grounds on which such opinion is based are also relevant. 
 
⇒ Illustration 
An expert may give an account of experiments performed by him for the purpose of forming his opinion.
৭৪৪.
মৌখিক সাক্ষ্য যদি কোনো বস্তুগত জিনিসের অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কিত হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. বিষয়টি উপেক্ষা করতে পারে
  2. শুধুমত্র লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ করতে অস্বীকার করতে পারে
  4. বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো বস্তুগত জিনিসের অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কিত হয়, তবে আদালত সেই বস্তুটির পরিদর্শন করতে চাইলে, আদালত সেই বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে।
এই ধারার উদ্দেশ্য হল, যদি একটি বস্তু বা সামগ্রী প্রমাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়, এবং সেই বস্তুর অবস্থা বা অস্তিত্বকে প্রমাণ করার জন্য মৌখিক সাক্ষ্য দেওয়া হয়, তবে আদালত সেই বস্তুটির বাস্তব পরিদর্শন করে দেখতে পারে যাতে প্রমাণের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা যায়।

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬০-এর দ্বিতীয় প্রভিজো অনুসারে:
"যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো বস্তুগত জিনিসের (ডকুমেন্ট ছাড়া) অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে হয়, তবে আদালত ইচ্ছা করলে সংশ্লিষ্ট বস্তুটি নিজে পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের আদেশ দিতে পারে।"

- "Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection."
অর্থাৎ, যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো বস্তুগত জিনিস (দলিল ব্যতীত) এর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কিত হয়, তবে আদালত তার বিবেচনার ভিত্তিতে সেই বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করার নির্দেশ দিতে পারে। এটি আদালতের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে, তবে এই ক্ষমতা আদালতের আছে।
৭৪৫.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি কয়টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৮ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);

ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);

iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);

vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা

viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

-------------------
⇒  Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
Section 32. Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–

⇒ When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.

⇒ or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.

⇒ or against interest of maker;
(3) When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.

⇒ or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
(4) When the statement gives the opinion of any such person as to the existence of any public right or custom or matter of public or general interest, of the existence of which, if it existed, he would have been likely to be aware, and when such statement was made before any controversy as to such right, custom or matter has arisen.

⇒ or relates to existence of relationship;
(5) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between person as to whose relationship by blood, marriage or adoption the person making the statement had special means of knowledge, and when the statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or is made in will or deed relating to family affairs;
(6) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
(7) When the statement is contained in any deed, will or other document which relates to any such transaction as is mentioned in section 13, clause(a).

⇒ or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
(8) When the statement was made by a number of persons, and expressed feelings or impressions on their part relevant to the matter in question.
৭৪৬.
সাক্ষ্য আইনে একজন স্বাক্ষীকে পুন: জেরা করা যায়?
  1. ১৩৫ ধারায়
  2. ১৩৮ ধারায়
  3. ১৩৭ ধারায়
  4. ১৩৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ মতে- প্রথমে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হবে। তারপর (বিরুদ্ধপক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করবে, তারপর (সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করাতে পারবে। সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে হতে হবে। কিন্তু সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে সকল বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, কেবল সেই সকল বিষয়েই জেরা করা চলবে, এমন নয়। জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দীতে সেইগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে, পুনঃজবানবন্দী গ্রহণের সময় যদি আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন নতুন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে বিরুদ্ধপক্ষ সেই সকল বিষয়ে স্বাক্ষীকে আরও জেরা করতে বা পুন: জেরা করতে পারবে।

⇒  অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায়  একজন স্বাক্ষীকে পুন: জেরা করা যায়।
৭৪৭.
‘খ’ দাবি করে যে, ৩০ বছর ধরে নিখোঁজ থাকা ‘ক’ জীবিত আছে। ‘ক’ যে জীবিত আছে, এটা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. ‘ক’ এর
  2. ‘খ’ এর
  3. আদালতের
  4. ‘ক’ এর আত্মীয়দের
সঠিক উত্তর:
‘খ’ এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘খ’ এর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তির গত ৭ বছরের মধ্যে কোনো খোঁজ না পাওয়া যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় যারা তার খবর পাওয়ার কথা তারা যদি কোনো খবর না পায়, তবে আদালত সেই ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করতে পারে। তবে, যদি কেউ সেই ব্যক্তিকে জীবিত বলে দাবি করে, তাহলে তার প্রমাণের দায়িত্ব দাবিদারের ওপর বর্তাবে।

এক্ষেত্রে, ‘খ’ এর এই দাবির প্রমাণের ভার ‘খ’-এর ওপরই বর্তায়।

Section- 108: Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৭৪৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৫ অনুযায়ী, যখন দলিলের ভাষা স্পষ্ট হলেও তা বাস্তব পরিস্থিতির সাথে মানানসই না হয়, তখন–
  1. দলিল অবৈধ
  2. মৌখিক সাক্ষ্য অগ্রহণযোগ্য
  3. দলিল বাতিল বলে গণ্য হবে
  4. সাক্ষ্য দ্বারা বিশেষ অর্থে ব্যবহার প্রমাণ করা যাবে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য দ্বারা বিশেষ অর্থে ব্যবহার প্রমাণ করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য দ্বারা বিশেষ অর্থে ব্যবহার প্রমাণ করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৫ অনুসারে, ভাষা স্পষ্ট হলেও যদি বাস্তবতার সাথে মিল না খায়, তখন ভাষাটি কোনো "বিশেষ অর্থে" ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৫ – বিদ্যমান বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দলিলের ভাষা অর্থহীন হলে প্রমাণ:
যখন কোনো দলিলে ব্যবহৃত ভাষা আপাতদৃষ্টিতে পরিষ্কার ও নির্ভুল হলেও বিদ্যমান বাস্তবতার সাথে তা অর্থবোধক না হয়, তখন এটি প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য প্রদান করা যেতে পারে যে ভাষাটি বিশেষ কোনো অর্থে ব্যবহার করা হয়েছিল।
উদাহরণ:
- ক ‘খ’-কে একটি দলিলের মাধ্যমে বলে “আমার ঢাকা শহরের বাড়ি খ’-কে বিক্রি করলাম”।
- কিন্তু ক-এর ঢাকায় কোনো বাড়ি নেই, তবে দেখা যায় যে তার নারায়ণগঞ্জে একটি বাড়ি ছিল, এবং খ দলিল সম্পাদনের পর থেকে সেই বাড়ির দখলে ছিল।
- এসব বিষয় প্রমাণ করা যেতে পারে, যেন বোঝা যায় দলিলটি মূলত নারায়ণগঞ্জের বাড়ির জন্য প্রযোজ্য।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 95. Evidence as to document unmeaning in reference to existing facts:
When language used in a document is plain in itself, but is unmeaning in reference to existing facts, evidence may be given to show that it was used in a peculiar sense.

Illustrations:
- A sells to B, by deed "my house in [Dhaka]".
- A had no house in [Dhaka], but it appears that he had a house at [Narayanganj], of which B had been in possession since the execution of the deed.
- These facts may be proved to show that the deed related to the house at [Narayanganj].
৭৪৯.
"শুধুমাত্র বিচার্য ঘটনা এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কিত সাক্ষ্য দেওয়া যাবে"- এই বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লিখিত?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৫ ধারায়
  3. ৭ ধারায়
  4. ৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
-কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
ব্যাখ্যা: দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারায় উল্লিখিত "শুধুমাত্র বিচার্য ঘটনা এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কিত সাক্ষ্য দেওয়া যাবে"।
--------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 5. Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation: This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
৭৫০.
"ফ্যাক্ট প্রমাণিত" (Fact Proved) হওয়ার অর্থ কী?
  1. আদালত বিশ্বাস করে যে এটি সত্য
  2. আদালত মনে করে এটি সত্য হওয়া সম্ভব
  3. কোনো যুক্তিসঙ্গত ব্যক্তি এটিকে সত্য বলে মেনে নিতে পারে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।
→ সাক্ষ্য আইন অনুসারে, "ফ্যাক্ট প্রমাণিত" (Fact Proved) হওয়ার মানে হলো, আদালত যখন যেসব প্রমাণ এবং তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে সেগুলি পর্যালোচনা করে বিশ্বাস করে যে, ঐ ঘটনা বা বিষয়টি সত্য। এই প্রক্রিয়ায় আদালত মনে করতে পারে যে এটি সত্য হওয়া সম্ভব এবং একটি যুক্তিসঙ্গত ব্যক্তি বিশেষ পরিস্থিতিতে তা সত্য বলে মেনে নিতে পারে।
তাহলে, এই তিনটি বিষয়ই ফ্যাক্ট প্রমাণিত হওয়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:
১) আদালত বিশ্বাস করে যে এটি সত্য।
২) এটি সত্য হওয়ার সম্ভাবনা আদালতের কাছে গ্রহণযোগ্য।
৩) একটি যুক্তিসঙ্গত ব্যক্তি এটি সত্য বলে মেনে নিতে পারে।

→ একটি ঘটনা প্রমাণিত বলা হয় যখন, তা নিয়ে যেসব বিষয় আদালতের সামনে উপস্থাপিত হয়, সেগুলি পর্যালোচনা করার পর আদালত বিশ্বাস করে যে তা অস্তিত্বে রয়েছে, অথবা তার অস্তিত্ব এতটা সম্ভাব্য মনে হয় যে, একটি সুবিবেচক ব্যক্তি বিশেষ পরিস্থিতিতে এটি অস্তিত্বে রয়েছে বলে ধারণা করে তার উপর ভিত্তি করে কাজ করবে।
-------
→ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
৭৫১.
বোবা সাক্ষী [Dumb Witness] লিখে বা ইশারায় যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা_________সাক্ষ্য নামে পরিচিত?
  1. বোবা সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. লিখিত সাক্ষ্য
  4. দালিলিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা মতে বোবা সাক্ষী লেখা বা ইশারায় দ্বারা সাক্ষী দিতে পারে এবং এমন লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে হতে হবে। বোবা সাক্ষী এইরূপ ভাবে যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। 
৭৫২.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার মতে স্বীকৃতি ______ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
  1. Estoppel
  2. Confession
  3. Conclusive Proof
  4. Secondary evidence
সঠিক উত্তর:
Estoppel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Estoppel
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩১ অনুসারে, স্বীকৃতি (Admissions) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) নয়, কিন্তু সেগুলি প্রতিবন্ধক (Estoppel) হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
--------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.

৭৫৩.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার অধীনে স্বীকৃতি কীভাবে কার্যকর হতে পারে?
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে
  2. মৌখিক প্রমাণ হিসেবে
  3. প্রতিবন্ধক হিসেবে
  4. সন্দেহাতীত সাক্ষ্য হিসেবে
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধক হিসেবে
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী, কোনো স্বীকৃতি (Admission) চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে এটি প্রতিবন্ধক (Estoppel) হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যা পরবর্তী সময়ে উক্ত স্বীকৃতি প্রদানকারী ব্যক্তিকে বিপরীত বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে।

⇒ স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।
- সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে:
কোনো বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৭৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল গেজেট যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল করা হলে আদালত তা কী হিসেবে গ্রহণ করবে?
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
Shall presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shall presume
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-81A. Presumption as to Gazettes in digital forms:
 - The Court shall presume the genuineness of every digital record purporting to be the Official Gazette, or purporting to be digital record directed by any law to be kept by any person, if such digital record is kept substantially in the form required by law and is produced from proper custody.

Explanation.-Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
-------------------
সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারার বিধান: ডিজিটাল আকারে গেজেট হিসাবে অনুমান:
আদালত সরকারী গেজেট বলে অভিহিত প্রতিটি ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা অনুমান করবে, বা কোনও ব্যক্তির দ্বারা রাখা হবে এমন কোনও আইন দ্বারা নির্দেশিত ডিজিটাল‌ রেকর্ডও হতে পারে, সত্যতা অনুমান করবে যদি এই জাতীয় ডিজিটাল রেকর্ড যথেষ্ট পরিমানে রাখা হয় আইন দ্বারা প্রয়োজনীয় কোন ফর্মে এবং যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল হয়।

ব্যাখ্যা: ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে বলা হবে যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে যেখানে এবং যার সাথে সেগুলি স্বাভাবিকভাবেই থাকে, তবে কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি প্রমাণিত হয় যে এটির বৈধ উৎস ছিল বা বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি এমন যে এমন একটি উৎপত্তি সম্ভাব্যতা প্রদান করা।

অর্থাৎ ডিজিটাল গেজেট যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল করা হলে আদালত তা অবশ্যই সঠিক হিসেবে অনুমান করবে। ডিজিটাল আকারে গেজেট হিসেবে আদালত 'shall presume' ধরে নিবেন।
৭৫৫.
"Oral evidence must be direct." সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত। সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে। অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে। জনশ্রুত সাক্ষ আদালতে গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ এখানে 'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখে তাহলে নিয়ম হলো, 'খ'-নিজে ৬০ ধারার অধীনে আদালতে এসে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। কিন্তু 'খ' না এসে 'গ' এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে তাহলে এটি জনশ্রুত সাক্ষ বল্যে গণ্য হবে, যা গ্রহনযোগ্য নয়।
----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
৭৫৬.
কোন সাক্ষ্য সাধারনত গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. দেখার ভিত্তিতে প্রদত্ত সাক্ষ্য
  2. অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য
  3. অবস্থাগত সাক্ষ্য
  4. গৌণ সাক্ষ
সঠিক উত্তর:
অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী কোন জনশ্ৰুত সাক্ষ্য আদালত গ্রহণ করবে না। একজনের শোনা, দেখা বা অভিমত প্রসঙ্গে আদালতে এসে অন্য আরেকজন সাক্ষ্য দিতে পারেন না।
♦ অর্থাৎ অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য-সাক্ষ্য সাধারনত গ্রহণযোগ্য নয়।
৭৫৭.
'ক' বলে যে, 'খ' একটি অপরাধ করেছে এবং সেই অপরাধের জন্য 'খ' দণ্ডিত হবে, এই মর্মে 'ক' আদালতের রায় কামনা করে। 'খ' যে অপরাধ করেছে তা প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. 'খ' এর উপর
  2. আসামী পক্ষের
  3. 'ক' এর উপর
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর এর উপর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব: যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করিয়া তদুপরি নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করিবেন।

কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করিতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত।

উদাহরণঃ

(ক) 'ক' বলে যে 'খ' একটি অপরাধ করিয়াছে এবং সেই অপরাধের জন্য 'খ' দণ্ডিত হইবে; এই মর্মে 'ক' আদালতের রায় কামনা করে। 'খ' যে সেই অপরাধ করিয়াছে, 'ক'-এর তাহা অবশ্যই প্রমাণ করিতে হইবে।

(খ) 'ক' এই মর্মে আদালতে রায় কামনা করেন যে, 'খ'- এর দখলভূক্ত কোন একটি জমি তিনি পাইবার অধিকারী। ইহার সমর্থন কতকগুলি বিষয়ের অস্তিত্ব দাবি করেন এবং 'খ' এই সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অস্বীকার করেন। উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই ক - এর প্রমাণ করিতে হইবে।
৭৫৮.
সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারায় কয় ধরনের ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৪ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধরনের
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি (Admission by party to proceeding or his agent)- সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-

ⅰ)) মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি;

ii) প্রতিনিধিত্বমূলক মামলার ক্ষেত্রে মামলার বাদী বা বিবাদীর প্রতিনিধি হিসেবে প্রদত্ত স্বীকৃতি;

iii) মামলার বিষয় বস্তুতে মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য অথবা তাদের নিকট থেকে স্বার্থ প্রাপ্ত ব্যক্তিতে বক্তব্য অর্থাৎ মামলার বিষয়বস্তুতে কোনভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি; অথবা

iv) মামলার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে যার অবস্থান বা দায় রয়েছে তেমন ব্যক্তির স্বীকৃতি বা বক্তব্য।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারায় ৪ ধরণের ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হয়েছে।

-----------
⇒ Admission -by party to proceeding or his agent;
Section18. Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.
by suit or in representative character;
Statements made by parties to suits suing or sued in a representative character, are not admissions, unless they were made while the party making them held that character.
by party interested in subject-matter;
Statements made by– 
(1) persons who have any proprietary or pecuniary interest in the subject-matter of the proceeding, and who make the statement in their character of persons so interested, or
by person from whom interest derived
(2) persons from whom the parties to the suit have derived their interest in the subject-matter of the suit, are admissions, if they are made during the continuance of the interest of the persons making the statements.
৭৫৯.
ধারা ১০৭ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি মৃত হওয়ার প্রমাণের দায়ভার কিভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. আদালতের সিদ্ধান্ত দ্বারা
  2. জীবিত বলে দাবী করা ব্যক্তি দ্বারা
  3. মৃত বলে দাবী করা ব্যক্তি দ্বারা
  4. সংশ্লিষ্ট এলাকার আইন দ্বারা
সঠিক উত্তর:
মৃত বলে দাবী করা ব্যক্তি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বলে দাবী করা ব্যক্তি দ্বারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায়,
বিগত ৩০ বৎসরের মধ্যে জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।

Section 107- Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:
When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
৭৬০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ কোন তারিখে কার্যকর হয়েছিল?
  1. ১লা জানুয়ারি, ১৮৭২
  2. ১লা মার্চ, ১৮৭২
  3. ১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
  4. ১লা ডিসেম্বর, ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872) ব্রিটিশ শাসনামলে উপমহাদেশে প্রণীত হয়।
-আইনটি ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ পাশ হয়, তবে এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়নি।
আইনের "Commencement of Act" (কার্যকারিতার তারিখ) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
- "It shall come into force on the first day of September, 1872."

অর্থাৎ, আইনটি ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

সাক্ষ্য আইনের পূর্ব ইতিহাস ও গঠন:
১৮৭২ সালের আগে উপমহাদেশে পূর্ণাঙ্গ কোনো সাক্ষ্য আইন ছিল না।
১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি সামার একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিলেন, তবে সেটি কার্যকর হয়নি।
১৮৭১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়।
উৎপত্তি: Latin শব্দ Evidere বা Evidence থেকে এসেছে।
মূল উদ্দেশ্য: সাক্ষ্যের মাধ্যমে কোনো ঘটনা বা বিষয় প্রমাণ করা।
আইনের ধরন: এটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law/Adjective Law)।
আইন প্রণয়ন: ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ।
কার্যকর: ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর।
প্রণেতা: স্যার জেমস স্টিফেন (Fitz-James Stephen), যাকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।
সংগঠন: ৩টি ভাগ (Part), ১১টি অধ্যায় (Chapter), ১৬৭টি ধারা (Section) আছে।

সাক্ষ্য আইন এককভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, কারণ এর কিছু বিধান ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানি কার্যবিধি, রেজিস্ট্রেশন আইন, উত্তরাধিকার আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন এবং স্ট্যাম্প আইনেও রয়েছে।
৭৬১.
সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত কী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা
  2. প্রমাণের দায়ভার
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি
  4. বিশেষ সাক্ষী সংক্রান্ত বিধান
সঠিক উত্তর:
প্রমাণের দায়ভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমাণের দায়ভার
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
⇒ প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) -
দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।
৭৬২.
ধারা-১০৩ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতকে একটি বিষয় বিশ্বাস করাতে চায়, তখন তার কী করতে হবে?
  1. আইনজীবী নিয়োগ করতে হবে
  2. অন্য পক্ষের বক্তব্য শুনতে হবে
  3. আদালতে পিটিশন জমা দিতে হবে
  4. সেটি প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সেটি প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেটি প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৩- কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব:
কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

উদাহরণ:
⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।
⇒ আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।
৭৬৩.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে ধারা ১৫৪ কী বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. আদালতের সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা
  2. নিজের সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি
  3. প্রতিপক্ষের সাক্ষী প্রত্যাহার
  4. সত্য গোপন করা সাক্ষীদের শাস্তি দেওয়া
সঠিক উত্তর:
নিজের সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: গ) নিজের সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি। 
⇒ সাধারণত একজন পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে বন্ধুত্বপূর্ণ সাক্ষী ধরে নেয় এবং তাকে জেরা (cross-examination) করা যায় না।
তবে ধারা ১৫৪ অনুযায়ী যদি আদালত মনে করে যে, সাক্ষীটি পক্ষদ্বারাই ডাকা হলেও সে বৈরী (hostile) হয়ে গেছে বা সত্য গোপন করছে,  তাহলে আদালত নিজের বিবেচনায় (in its discretion) সেই পক্ষকে জেরার মতো প্রশ্ন করার অনুমতি দিতে পারে,  যা সাধারণত প্রতিপক্ষই করে থাকে।

⇒সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা Hostile Witness বা বৈরী সাক্ষী সম্পর্কিত। সাধারণত একটি পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না, কারণ সাক্ষীকে সেই পক্ষই আনে এবং ধরে নেওয়া হয়, সে তার পক্ষে কথা বলবে।
কিন্তু ধারা ১৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে বা বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে — যেভাবে একটি পক্ষ সাধারণত প্রতিপক্ষের সাক্ষীকে করে।
এ ধরনের সাক্ষীকে বলে "বৈরী সাক্ষী" বা "Hostile Witness"। আদালতের বিচার বিবেচনায় অনুমতি দেওয়া হয় (discretionary)।

উদাহরণ:
আসামী তার পক্ষে যে সাক্ষীকে এনেছে, সে যদি হঠাৎ বিপরীত কথা বলতে শুরু করে, তাহলে আদালত আসামীকে তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে দিতে পারে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 154. Question by party to his own witness:
 The Court may, in its discretion, permit the person who calls a witness to put any questions to him which might be put in cross-examination by the adverse party.
৭৬৪.
‘রহিম করিমকে খুন করার জন্য অভিযুক্ত'- রহিমের বিরূদ্ধে করিমকে খুনের বিচারে নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক?
  1. ঘটনাস্থলে রক্তরঞ্জিত ছুরি
  2. ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন
  3. ঘটনাস্থলে রক্তের দাগ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts) - যে ঘটনাটি অন্য কোন ঘটনার অস্তিত্ব ও অস্তিত্বহীনতা প্রমাণ করে, তাই প্রাসঙ্গিক ঘটনা বা Relevant Fact। কোন বিষয়কে প্রাসঙ্গিক হতে হলে উক্ত ঘটনাকে কোন না কোন দিক হতে বিচার্য বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে। সাক্ষ্য আইনের ৫ থেকে ৫৫ ধারায় বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevance of Facts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
♦যেমন- সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে সকল বিষয় বিচার্য বিষয় নয় কিন্তু তা যদি কোন বিচার্য বিষয়ের সাথে এরূপভাবে সংশ্লিষ্ট হয় যে, তা একই কার্যের অংশ রূপে গণ্য হতে পারে, তবে উক্ত বিষয় বা ঘটনা দুটি একই সময়ে এবং একই স্থানে সংঘটিত না হয়ে ভিন্ন সময় ও ভিন্ন স্থানে সংঘটিত হলেও প্রাসঙ্গিক হবে।

♦উদাহরণস্বরূপ, খ-কে প্রহার করে হত্যা করার অপরাধে 'ক' অভিযুক্ত হয়েছে। প্রহারের সময় বা প্রহারের পূর্বে-পরে অথবা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিরা যাই করে থাকুক বা বলে থাকুক, সেগুলি যদি উক্ত প্রহারের ঘটনার সাথে একই ঘটনার অংশরূপে বিবেচনা করা যায়, তবে সেগুলি প্রাসঙ্গিক বিষয়।

♦ রহিমের বিরূদ্ধে করিমকে খুনের বিচারে- ঘটনাস্থলে রক্তরঞ্জিত ছুরি, ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন, ঘটনাস্থলে রক্তের দাগ সব প্রাসঙ্গিক।
৭৬৫.
কোন ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য,
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)
  3. জনশ্রুত সাক্ষ্য,
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জনশ্রুত সাক্ষ্য,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনশ্রুত সাক্ষ্য,
ব্যাখ্যা
⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত। সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে। অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে।

⇒ যেমন- যদি 'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখে তাহলে নিয়ম হলো, 'খ'-নিজে ৬০ ধারার অধীনে আদালতে এসে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। কিন্তু 'খ' না এসে 'গ' এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে তাহলে এটি জনশ্রুত সাক্ষ বল্যে গণ্য হবে, যা গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়।
----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
৭৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কাকে সরবরাহ করা আবশ্যক?
  1. শুধুমাত্র বাদীপক্ষকে
  2. শুধুমাত্র পুলিশকে
  3. শুধুমাত্র বিবাদীপক্ষকে
  4. মামলার সকল পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন (Expert's Report) মামলার সকল পক্ষকে সরবরাহ করা আবশ্যক। এই ধারার উদ্দেশ্য হলো মামলার সকল পক্ষকে বিশেষজ্ঞের মতামত ও প্রতিবেদন সম্পর্কে জানানো, যাতে তারা প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করতে পারে এবং প্রয়োজন হলে আদালতের কাছে প্রশ্ন বা আপত্তি উত্থাপন করতে পারে।

- বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে জমা দেওয়ার পাশাপাশি মামলার সকল পক্ষকে সরবরাহ করা আবশ্যক।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো মামলার সকল পক্ষকে বিশেষজ্ঞের মতামত ও প্রতিবেদন সম্পর্কে জানানো এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
- বিশেষজ্ঞের মূল দায়িত্ব হলো আদালতকে সাহায্য করা, এবং তার প্রতিবেদন নিরপেক্ষ ও সত্যনিষ্ঠ হতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৭৬৭.
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় কোনটি প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion)
  2. বিচার্য বিষয়ের কারণ (cause)
  3. বিচার্য বিষয়ের পরিণাম (effect)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারার বিধান: বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম (Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue)-
⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion), কারণ (cause) বা পরিণাম (effect); সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। এছাড়া যে অবস্থার প্রেক্ষাপটে কোন বিষয় ঘটেছে সেই অবস্থা গঠন করে এমন বিষয় বা কোন কার্য ঘটতে যে বিষয় সুযোগ করে দিয়েছে, সেই সকল বিষয়ও সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক।

যেমন- রহিম করিমকে খুন করার জন্য অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন প্রাসঙ্গিক ঘটনা। কারণ তা বিবেচ্য ঘটনার ফল বুঝাচ্ছে।
-----------------
⇒Section 7: Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
- Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
৭৬৮.
The Evidence Act, 1872 এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পূর্ববর্তী সচ্চরিত্র কোন মামলায় প্রাসঙ্গিক?
  1. দেওয়ানি
  2. ফৌজদারী
  3. দেওয়ানি ও ফৌজদারি
  4. কেবল আর্থিক প্রতারণা সংশ্লিষ্ট ফৌজদারী
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।
৭৬৯.
কোন ব্যক্তি সাক্ষী হতে পারবেন?
  1. ফৌজদারী মামলার আসামীর স্ত্রী
  2. বিচার বুদ্ধি সম্পন্ন, কিন্তু বোবা ব্যক্তি
  3. অপরিণত বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক
  4. সকলেই
সঠিক উত্তর:
সকলেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলেই
ব্যাখ্যা
⇒ কে সাক্ষ্য দিতে পারে (Who may testify)- আদালতের বিচার কার্যক্রমে কারা সাক্ষ্য দিতে পারবে সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।

⇒ সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না;
- তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে ফৌজদারী মামলার আসামীর স্ত্রী, বিচার বুদ্ধি সম্পন্ন, কিন্তু বোবা ব্যক্তি, অপরিণত বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক এরা সকলেই সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে।
৭৭০.
হত্যা করার অভিপ্রায়ে মুগুর (Club] দিয়ে আঘাত করে B কে হত্যা করার অপরাধে A অভিযুক্ত হয়। বিচারকালে নিম্নলিখিত কোন কোন ঘটনা বিচার্য বিষয় হতে পারে?
  1. A, B কে মুগুর [Club) দিয়ে আঘাত করেছে কিনা?
  2. এমন আঘাত দ্বারা A, B -এর মৃত্যু ঘটিয়েছে কিনা?
  3. B-এর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় (Intention) A এর ছিল কিনা?
  4. উপরোক্ত সব ঘটনা
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব ঘটনা
ব্যাখ্যা
♦বিচার্য বিষয় (Facts in Issue) - বিচার্য বিষয় হলো এমন কোন ঘটনা যাকে কোন মামলার মূল বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যভাবে বলা যায়, যে বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আদালত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করে তাকে বিচার্য বিষয় বলে। কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় মামলার এক পক্ষ স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। যে কোন মামলার প্রকৃত বিষয় ও সত্যতা উদ্ঘাটনে বিচার্য বিষয়ের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।
♦প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts) - যে ঘটনাটি অন্য কোন ঘটনার অস্তিত্ব ও অস্তিত্বহীনতা প্রমাণ করে, তাই প্রাসঙ্গিক ঘটনা বা Relevant Fact। কোন বিষয়কে প্রাসঙ্গিক হতে হলে উক্ত ঘটনাকে কোন না কোন দিক হতে বিচার্য বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে। সাক্ষ্য আইনের ৫ থেকে ৫৫ ধারায় বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevance of Facts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

♦উপরোক্ত ঘটনার বিচার্য বিষয় হলঃ
A, B কে মুগুর [Club) দিয়ে আঘাত করেছে কিনা? 
এমন আঘাত দ্বারা A, B -এর মৃত্যু ঘটিয়েছে কিনা?
B-এর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় (Intention) A এর ছিল কিনা?
♦অর্থাৎ সব গুলাই।
৭৭১.
যখন কোনো ঘটনা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই ঘটনা প্রমাণ করার দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত থাকে?
  1. আদালতের উপর
  2. বাদী পক্ষের উপর
  3. সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর
  4. আসামী পক্ষের উপর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ১০৬: যে ঘটনা বিশেষভাবে কারো গোচরে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব
যখন কোনো ঘটনা বিশেষভাবে কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই ঘটনা প্রমাণ করার দায়িত্ব ওই ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত থাকে।

উদাহরণ- 
(ক) কোন ব্যক্তি যখন এমন ইচ্ছা প্রণােদিত হয়ে একটি কার্য করে, যে ইচ্ছা উক্ত কার্যের প্রকৃতি ও পরিস্থিতি হতে অনুমিত ইচ্ছা অপেক্ষা ভিন্ন, তখন ইচ্ছা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত থাকে।

(খ) যদি কোনো ব্যক্তি বিনা টিকেটে রেলগাড়ীতে ভ্রমণের দায়ে অভিযুক্ত হন, তার কাছে টিকেট ছিল তা প্রমাণের দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত।
৭৭২.
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারানুযায়ী কি কি ভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে?
  1. ঘোষণা দ্বারা,
  2. কর্মের দ্বারা,
  3. কর্ম বিরতি দ্বারা,
  4. 'ক', 'খ' এবং 'গ'-এ বর্ণিত যেকোন ভাবে
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' এবং 'গ'-এ বর্ণিত যেকোন ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' এবং 'গ'-এ বর্ণিত যেকোন ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। 
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ অর্থাৎ ঘোষণা টি কোন আইন সম্পর্কে হতে পারে না।
৭৭৩.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী ০৭ বছর ধরে নিখোঁজ ব্যক্তিকে কেউ জীবিত দাবী করলে তা প্রমাণের দায় দাবি কারীর তার উপর বর্তায়?
  1. ১০৬ ধারা
  2. ১০৯ ধারা
  3. ১০৭ ধারা
  4. ১০৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৮ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১০৮ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি ০৭ বছর ধরে নিখোঁজ থাকলে যদি উক্ত ব্যক্তিকে কেউ জীবিত দাবী করলে প্রমাণের দায় দাবি কারীর উপর বর্তায়।
৭৭৪.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারা অনুসারে, যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সে পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. Witness hearing
  2. Re-examination
  3. Examination-in-chief
  4. Cross-examination
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: জবানবন্দি গ্রহণ (Examination-in-chief).
- সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারা অনুসারে, যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন প্রথমবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জবানবন্দি গ্রহণ (Examination-in-chief) বলা হয়।
- এটি সাক্ষ্য গ্রহণের প্রথম ধাপ যেখানে সাক্ষীর কাছ থেকে তার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এখানে সাধারণত সাক্ষীর বক্তব্য বা তথ্য পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে বিরুদ্ধ পক্ষ তখনো তাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
-------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.
৭৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার অধীনে কোন ধরনের ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. শুধুমাত্র ঘটনার পূর্ববর্তী ঘটনা
  2. যেসব ঘটনা প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা করে
  3. যেসব ঘটনা অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়
  4. যেসব ঘটনা সরাসরি অপরাধ প্রমাণ করে
সঠিক উত্তর:
যেসব ঘটনা প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেসব ঘটনা প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা করে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts):
যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
৭৭৬.
Section 75 of the Evidence Act, 1872 deals with:
  1. Primary evidence
  2. Secondary evidence
  3. Public document
  4. Private document
সঠিক উত্তর:
Private document
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Private document
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৫ ধারায় বেসরকারি দলিল (Private Document) সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৫ ধারা অনুযায়ী,
প্রাইভেট ডকুমেন্ট (Private Document) হলো সেই সকল নথি বা দলিল যা পাবলিক ডকুমেন্টের অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ, সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা সংরক্ষিত বা প্রকাশিত নয় এমন নথি প্রাইভেট ডকুমেন্ট হিসেবে গণ্য হয়।

উদাহরণ: ব্যক্তিগত চিঠিপত্র, বিক্রয় চুক্তি, উইল, দানপত্র, কবলা দলিল ইত্যাদি।

৭৭৭.
ধারা ৪৮ অনুযায়ী, কোন বিষয়ে আদালত অভিমত গ্রহণ করতে পারে?
  1. অপরাধীর শাস্তি নির্ধারণ
  2. সাধারণ আইন সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত
  3. সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব
  4. সাক্ষীর সাক্ষ্য বিশ্বাসযোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ-
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration-
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৭৭৮.
নিচের কোন বিষয়টি Shall presume এর অন্তর্ভূক্ত?
  1. Presumption as to physical or forensic evidence.
  2. Presumption as to digital communication.
  3. Presumption as to Gazettes in digital forms.
  4. Presumption as to telegraphic messages.
সঠিক উত্তর:
Presumption as to Gazettes in digital forms.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presumption as to Gazettes in digital forms.
ব্যাখ্যা
⇒ Section 81A Presumption as to Gazettes in digital forms.- The Court shall presume the genuineness of every digital record purporting to be the Official Gazette, or purporting to be digital record directed by any law to be kept by any person, if such digital record is kept substantially in the form required by law and is produced from proper custody.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.

⇒ Section 89A. Presumption as to physical or forensic evidence.- The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.

⇒ Section 88 Presumption as to telegraphic messages: The Court may presume that a message, forwarded from a telegraph office to the person to whom such message purports to be addressed, corresponds with a message delivered for transmission at the office from which the message purports to be sent; but the Court shall not make any presumption as to the person by whom such message was delivered for transmission.

⇒ Section 88A. Presumption as to digital communication.- The Court may presume that a digital communication forwarded by the originator through a digital communication or message server to the addressee to whom the message purports to be addressed corresponds with the message as fed into his computer or fed into other forms of digital device for transmission; but the Court shall not make any presumption as to the persons by whom such message was sent.

Explanation.- For the purposes of this section, the expressions “addressee” and “originator” shall have the same meanings respectively assigned to them in clauses (22) and (24) of section 2 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৭৭৯.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায় কয় শ্রেণীর লোককে সাক্ষী রূপে আহ্বান করা যায় না তবুও তাদের সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ২ শ্রেণীর
  2. ৩ শ্রেণীর
  3. ৪ শ্রেণীর
  4. ৫ শ্রেণীর
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণীর
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী ৪ শ্রেণীর ব্যক্তির (মৃত ব্যক্তি, নিখোঁজ ব্যক্তি, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, যে অযৌক্তিক বিলম্ব দ্বারা আদালতে হাজির হয় না) ৮ ধরনের সাক্ষী সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক হবে।
৭৮০.
Section 25 of the Evidence Act, 1872, deals with confessions made to:
  1. Lawyer
  2. Magistrate
  3. Police officer
  4. Friend
সঠিক উত্তর:
Police officer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Police officer
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
- No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী -
কেউ যদি পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করে তাহলে তা গ্রহনযোগ্য হবে না।
৭৮১.
যে সকল ঘটনা বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম, সে গুলো প্রাসঙ্গিক হবে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৭
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ১৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় নিম্নলিখিত ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। যথা-

*যে সকল ঘটনা (Fact), বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের উপলক্ষ্য (Occasion) বা কারণ (Cause)

*যে সকল ঘটনা (Fact), বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের প্রভাব (Effect)

*যে অবস্থার প্রেক্ষাপটে কোন বিষয় ঘটেছে সেই অবস্থা গঠন করে এমন বিষয়

*কোন কার্য ঘটতে যে বিষয় সুযোগ করে দিয়েছে, সেই সকল বিষয় [সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭]
৭৮২.
নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি প্রমাণের প্রয়োজন নেই?
  1. আসামীর পরিচয়
  2. বাংলাদেশের সীমা রেখা
  3. উকিলের বক্তব্য
  4. পুলিশের নিকট আসামীর দোষস্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সীমা রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সীমা রেখা
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]

⇒ কিন্তু আসামীর পরিচয়, উকিলের বক্তব্য ও পলিশের নিকট আসামীর দোষস্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণের প্রয়োজন হয়।
৭৮৩.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে দেখা নকল কী ধরনের সাক্ষ্য?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য
  4. অপ্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৩ অনুযায়ী, মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে দেখা অনুলিপি বা নকল হলো মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence)।
- এই ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিতগুলো মাধ্যমিক সাক্ষ্যর অন্তর্ভুক্ত হয়: মূল দলিল থেকে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত অনুলিপি, মূল দলিলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা কপি, সত্যায়িত অনুলিপি ইত্যাদি।

উদাহরণ:
- ধরা যাক, একটি জমির বিক্রয় চুক্তিপত্রের মূল কপি না পাওয়া গেলেও তার স্ক্যান করা ফটোকপি যদি মূল কপির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় এবং তার নির্ভুলতা প্রমাণিত হয়— তবে সেটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে গৃহীত হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্য- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলি অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section - 63. Secondary evidence:
Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.
৭৮৪.
যদি মূল দলিলটি একটি সরকারি দলিল হয়, তবে কোন ধরনের গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য?
  1. মৌখিক বিবরণ
  2. প্রত্যয়িত অনুলিপি
  3. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি অনুলিপি
  4. মূলের সাথে তুলনা না করা অনুলিপি
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়িত অনুলিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়িত অনুলিপি
ব্যাখ্যা
⇒ যখন মূল দলিলটি একটি সরকারি দলিল (public document) হয়, তখন প্রত্যয়িত অনুলিপি (certified copy) একটি গ্রহণযোগ্য গৌণ সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- এটা ধারা 65 এর বিধান অনুযায়ী, যেখানে বলা হয়েছে যে, যখন কোনো দলিল একটি সরকারি দলিল হয়, তখন সেই দলিলের প্রত্যয়িত (certified) কপি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে। সরকারি দলিলের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ধরনের গৌণ সাক্ষ্য, যেমন মৌখিক বিবরণ, যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি কপি বা মূলের সাথে তুলনা না করা অনুলিপি গ্রহণযোগ্য নয়।

- সরকারি দলিলের ক্ষেত্রেও ফটোকপি বা যান্ত্রিক কপি যদি প্রত্যয়িত না হয়, তবে তা আইনত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা 65(e) অনুযায়ী, গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত দেওয়া আছে। এর মধ্যে একটি শর্ত হলো:
- "When the original is a public document within the meaning of section 74."
এবং এর পরে উল্লেখ আছে:
- "In case (e) or (f), a certified copy of the document, but no other kind of secondary evidence, is admissible."

⇒ অর্থাৎ, যদি মূল দলিলটি একটি সরকারি দলিল (public document) হয়, যেমন ধারা 74-এ সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, তবে শুধুমাত্র প্রত্যয়িত অনুলিপি (certified copy) গৌণ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। অন্য কোনো ধরনের গৌণ সাক্ষ্য (যেমন মৌখিক বিবরণ বা অন্যান্য অনুলিপি) এই ক্ষেত্রে গ্রহণ করা যাবে না।
৭৮৫.
"Special provisions as to evidence relating to digital record" এই বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৭৩খ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা মতে ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের জন্য বিশেষ বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬৫খ এর বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে।

------------
⇒ Special provisions as to evidence relating to digital record:
Section 65A.  The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B. 

⇒  Section 65B- Admissibility of Digital Records: (1) Notwithstanding anything contained in this Act, any information contained in a digital record which is printed on a paper, stored, recorded or copied in optical or magnetic media produced by a computer (hereinafter referred to as the computer output) shall be deemed to be also a document, if the conditions mentioned in this section are satisfied in relation to the information and computer in question and shall be admissible in any proceedings, without further proof or production of the original, as evidence of any contents of the original or of any fact stated therein of which direct evidence would be admissible.
(2) The conditions referred to in sub-section (1) in respect of a computer output shall be the following, namely :¾
(a) the computer output containing the information was produced by the computer during the period over which the computer was used regularly to store or process information for the purposes or any activities regularly carried on over that period by the person having lawful control over the use of the computer;
(b) during the said period, information of the kind contained in the digital record or of the kind from which the information so contained is derived was regularly fed into the computer in the ordinary course of the said activities;
(c) throughout the material part of the said period, the computer was operating properly or, if not, then in respect of any period in which it was not operating properly or was out of operation during that part of the period, was not such as to affect the digital record or the accuracy of its contents; and
(d) the information contained in digital record reproduces or is derived from such information fed into the computer in the ordinary course of the said activities.
(3) Where over any period, the function of storing or processing information for the purposes of any activities regularly carried on over that period as mentioned in clause (a) of sub-section(2) was regularly performed by computers, whether-
(a) by a combination of computers operating over that period; or
(b) by different computers operating in succession over that period; or
(c) by different combinations of computers operating in succession over that period; or
(d) in any other manner involving the successive operation over that period, in whatever order, of one or more computers and one or more combinations of computers,
all the computers used for that purpose during that period shall be treated for the purposes of that section as constituting a single computer; and references in this section to a computer shall be construed accordingly.

(4) In any proceedings where it is desired to give a statement in evidence by virtue of this section, a certificate containing any of the following things, that is to say,-
(a) identifying the digital record containing the statement and describing the manner in which it was produced;
(b) giving such particulars of any device involved in production of that digital record as may be appropriate for the purpose of showing that the digital record was produced by a computer;
(c) dealing with any of the matters to which the conditions mentioned in sub-section (2) relate,
and purporting to be signed by a person occupying a responsible official position in relation to the operation of the relevant device or the management of the relevant activities (whichever is appropriate) shall be evidence of any matter stated in the certificate; and for the purposes of this sub-section it shall be sufficient for a matter to be stated to the best of the knowledge and belief of the person stating it.

(5) For the purposes of this section,-
(a) information shall be taken to be supplied to a computer if it is supplied thereto in any appropriate form and whether it is so supplied directly or (with or without human intervention) by means of any appropriate equipment;
(b) whether in the course of activities carried on by any official, information is supplied with a view to its being stored or processed for the purposes of those activities by a computer operated otherwise than in the course of those activities, that information, if duly supplied to the computer, shall be taken to be supplied to it in the course of those activities;
(c) a computer output shall be taken to have been produced by a computer whether it was produced by it directly or (with or without human intervention) by means of any appropriate equipment.

Explanation:-For the purposes of this section any reference to information being derived from other information shall be a reference to its being derived therefrom by calculation, comparison or any other process.]
৭৮৬.
Inculpatory Confessional Statement কী ধরনের বিবৃতি?
  1. যেখানে অভিযুক্ত তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধ স্বীকার করে
  2. যেখানে অভিযুক্ত কোনো অপরাধী নয় বলে দাবি করে
  3. যেখানে অভিযুক্ত অন্য কাউকে অপরাধে জড়িত বলে স্বীকার করে
  4. যেখানে অভিযুক্ত কোনো অপরাধ স্বীকারই করে না
সঠিক উত্তর:
যেখানে অভিযুক্ত তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধ স্বীকার করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে অভিযুক্ত তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধ স্বীকার করে
ব্যাখ্যা
• কোন ফৌজদারী মামলার অভিযুক্ত তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে স্বীকারোক্তি বা Confession বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ Inculpatory Confessional Statement এর অর্থ হল এমন একটি স্বীকারোক্তি বা বিবৃতি যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্পষ্টভাবে তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধের স্বীকারোক্তি করেন।
এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ:
১/ স্বীকারোক্তির মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার নিজের বিরুদ্ধেই অপরাধের কথা স্বীকার করেন।
২/ এটি একটি আত্ম-অপরাধমূলক (self-incriminatory) বিবৃতি যা অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করতে সহায়তা করে।
৩/ Inculpatory Confessional Statement কে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা হয় যদি এটি যথাযথভাবে এবং আইনগতভাবে গৃহীত হয়।

⇒ আর অভিযুক্ত নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে, অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।
৭৮৭.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার অধীন প্রদত্ত বিবৃতি কয়টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী-
-কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
-When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
৭৮৮.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায় কোন বিষয় বর্ণিত আছে?
  1. অ্যাডভোকেটের নিকট স্বীকারোক্তি
  2. স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার হলে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণীয়
  3. জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)
  4. মৃত্যুকালিন ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার হলে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার হলে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণীয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান:  আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
---------------
How much of information received from accused may be proved:
Section 27. Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
৭৮৯.
সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারার অধীনে কিসের মাধ্যমে সরকারি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যায়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে।
  2. মূল দলিল দাখিলের মাধ্যমে।
  3. অনুমান নির্ভর প্রমাণের মাধ্যমে।
  4. প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি উপস্থাপনের মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি উপস্থাপনের মাধ্যমে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি উপস্থাপনের মাধ্যমে।
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, সরকারি দলিল বা এর কোনো অংশের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দলিলের প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা যেতে পারে। এই অনুলিপিগুলোই প্রমাণ হিসাবে গৃহীত হতে পারে যদি তা সংশ্লিষ্ট দলিলের যথাযথ প্রত্যয়ন করে।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আনুষ্ঠানিক বা সরকারি কাগজপত্রের নকল তৈরি করা হয়, তাহলে সেই নকল কাগজকে মূল কাগজের প্রমাণ হিসাবে আদালতে দাখিল করা যাবে।
এই ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
১. একটি দলিলের অনুমোদিত/জাবেদা নকলকে সেই মূল দলিলের প্রতিনিধিত্বকারী হিসাবে গণ্য করা হয়।
২. এই নকল মূল দলিলের সম্পূর্ণ নকল হতে পারে অথবা আংশিক নকল হতে পারে।
৩. এই অনুমোদিত/জাবেদা নকল দলিলকে আদালতে মূল দলিলের বিষয়বস্তুর প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করা হবে।

সহজ কথায়, এই ধারা অনুসারে যেকোনো সরকারি বা আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানের জারি করা দলিলের অনুমোদিত/জাবেদা নকলকে মূল দলিলের প্রতিনিধি হিসাবে আদালতে গ্রহণ করা হবে। এটি আদালতের প্রক্রিয়াকে সহজতর করে।

সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা: "অনুরূপ জাবেদা নকল সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে বুঝতে দেয়া হয়, সে দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"
------------------
⇒ The Evidence Act,1872: section- 77.Proof of documents by production of certified copies:
- Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.

৭৯০.
ধারা ১২ অনুযায়ী কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক?
  1. অধিকার বা প্রথা প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক তথ্য
  2. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়ক তথ্য
  3. ঘটনা দৈবিক না ইচ্ছাকৃত নির্ধারণে সহায়ক তথ্য
  4. দেহের অবস্থা বা শারীরিক অনুভূতি প্রদর্শনকারী তথ্য
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়ক তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়ক তথ্য
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।

অর্থাৎ, সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী,
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.

৭৯১.
কোন ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যায় না?
  1. মূল দলিল স্থানান্তরযোগ্য না হলে
  2. মূল দলিলের অস্তিত্ব স্বীকার করা হলে
  3. মূল দলিলটি ৭৪ ধারায় বর্ণিত সরকারি দলিল হলে
  4. মূল দলিল সাক্ষ্য প্রদানকারীর দখলে থাকলে
সঠিক উত্তর:
মূল দলিল সাক্ষ্য প্রদানকারীর দখলে থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল দলিল সাক্ষ্য প্রদানকারীর দখলে থাকলে
ব্যাখ্যা
মাধ্যমিক সাক্ষ্য প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত হল যতক্ষণ প্রাথমিক সাক্ষ্য পাওয়া যায়, ততক্ষণ মাধ্যমিক সাক্ষ্য গৃহীত হয়না। দলিলের বিষয়ে কখন মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেয়া যায় সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুসারে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন দলিলের বিষয়ে মাধ্যমিক সাক্ষ্য প্রদান করা যায়-
i) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা হবে আসল দলিলটি তার দখলে থাকলে বা উক্ত ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিতভাবে স্বীকার করলে অথবা দলিলটি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে হলে।
ii) ৬৬ ধারায় নোটিশ পাওয়ার পরও দলিল দাখিল না করলে।
iii) আসল দলিলটি হারিয়ে গেলে, স্থানান্তর যোগ্য না হলে অথবা সরকারি দলিল হলে।
iv) আইনে সত্যায়িত কপি ব্যবহারের বিধান থাকলে; অথবা
v) আসল দলিলে বহুসংখ্যক দলিলের বিবরণ থাকলে দলিলের বিষয়ে মাধ্যমিক সাক্ষ্য প্রদান করা যায় ।

♦ সুতরাং মূল দলিল সাক্ষ্য প্রদানকারীর দখলে থাকলে সে ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যায় না
৭৯২.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি-
  1. কখনোই প্রাসঙ্গিক নয়
  2. রেকর্ড হারিয়ে গেলে প্রাসঙ্গিক হবে
  3. রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে প্রাসঙ্গিক হবে
  4. রেকর্ড ১০ বছরের পুরানো হলে প্রাসঙ্গিক হবে
সঠিক উত্তর:
রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে প্রাসঙ্গিক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে প্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 এর ২২ক ধারায় বলা হয়েছে-

ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
[Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].

অর্থাৎ, ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে।
৭৯৩.
সাক্ষ্য গ্রহণ করার ক্রম আইনে নির্দিষ্ট করে বলা না থাকলে, এর ক্রম আদালত কীভাবে তা নির্ধারণ করে থাকেন?
  1. বাধ্যতামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  2. বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  3. আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  4. মামলার পক্ষগণের আবেদন অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারা: সাক্ষীদের উপস্থাপনের ও পরীক্ষা করার ক্রম:
সাক্ষীদের উপস্থাপন এবং পরীক্ষা করার যে ক্রম তা দেওয়ানী ও ফৌজদারী কার্যক্রমের জন্য প্রযোজ্য আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। যদি কোন আইন না থাকে, তবে আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করবে।

[The order in which witnesses are produced and examined shall be regulated by the law and practice for the time being relating to civil and criminal procedure respectively, and, in the absence of any such law, by the discretion of the Court.]
৭৯৪.
একজন মৃত ব্যক্তির আর্থিক বিষয়ে কোনো বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হবে, যদি উক্ত বিবৃতিটি-
  1. উক্ত ব্যক্তির স্বার্থের অনুকূলে হয়
  2. প্রতিপক্ষ উক্ত বিবৃতি অস্বীকার করলে
  3. উক্ত ব্যক্তির আর্থিক স্বার্থের পরিপন্থি হয়
  4. প্রতিপক্ষের আর্থিক স্বার্থের প্রতিকূলে হয়
সঠিক উত্তর:
উক্ত ব্যক্তির আর্থিক স্বার্থের পরিপন্থি হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত ব্যক্তির আর্থিক স্বার্থের পরিপন্থি হয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি।

অর্থাৎ একজন মৃত ব্যক্তির আর্থিক বিষয়ে কোনো বিবৃতি নিজ স্বার্থের পরিপন্থি হলে, উক্ত বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হবে।
৭৯৫.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় ভিকটিমের সাধারণ _______সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
  1. তার পরিচয় মর্যাদা জানার প্রশ্ন
  2. সত্যবাদিতা পরীক্ষা করার প্রশ্ন
  3. অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ প্রশ্ন
  4. উল্লিখিত কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ১৪৬ ধারা অনুযায়ী জেরায় তিন ধরনের প্রশ্ন করা বৈধ। যে সকল প্রশ্ন যা দ্বারা সাক্ষীর
   (i)  সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়
   (ii)  তার পরিচয় মর্যাদা জানা যায়
   (iii) তার চরিত্র আঘাত করে বিশ্বাতযোগ্যতা সম্পর্কে দুর্বলতা সৃষ্টি করা যায়

-তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায় ক্লজ(৩) এর অধীন ভিকটিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-146: Questions lawful in cross-examination:
-When a witness is cross-examined, he may, in addition to the questions hereinbefore referred to, be asked any questions which tend –
(1) to test his veracity,
(2) to discover who he is and what is his position in life, or
(3) to shake his credit, by injuring his character, although the answer to such questions might tend directly or indirectly to criminate him or might expose or tend directly or indirectly to expose him to a penalty or forfeiture

Provided that in a prosecution for an offence of rape or attempt to rape, no question under clause (3) can be asked in the cross-examination as to general immoral character or previous sexual behaviour of the victim:

Provided further that such question can only be asked with the permission of the Court, if it appears to the Court necessary for the ends of justice.
৭৯৬.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি কখন সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে?
  1. একই অপরাধের জন্য বিচার হলে 
  2. ভিন্ন ভিন্ন অপরাধের জন্য বিচার হলে
  3. অভিযুক্তের অনুরোধে
  4. আদালতের অনুমতিতে
সঠিক উত্তর:
একই অপরাধের জন্য বিচার হলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই অপরাধের জন্য বিচার হলে 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: একই অপরাধের জন্য বিচার হলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হন এবং তাদের বিরুদ্ধে যৌথ বিচার পরিচালিত হয়, তবে যদি কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যদের জড়িয়ে  দোষ-স্বীকারোক্তি দিলে উক্ত দোষ-স্বীকারোক্তি আদালত অন্যান্য অভিযুক্তদেরে বিরুদ্ধে বিবেচনায় নিতে পারেন।
⇒ শর্তসমূহ:
- একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়।
- তাদের যৌথভাবে বিচার করা হয়।
- একজন অভিযুক্ত নিজের দোষ স্বীকার করে এবং তা অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ৩০: একজন অপরাধী লোকের অপরাধ স্বীকারোক্তি যখন অপর অপরাধী লোকের বিরুদ্ধে প্রমাণ করিবার জন্য ব্যবহার করা যায়: যেইক্ষেত্রে একই অপরাধে একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে বিচার হইতেছে এবং তাহাদের মধ্যে একজনের স্বীকারোক্তি, যাহা দ্বারা সে নিজেকে ও অন্যকে জড়িত করিয়াছে বলিয়া তাহা প্রমাণ করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্ত স্বীকারোক্তিকারী ও অপর লোকের বিরুদ্ধে সেই স্বীকারোক্তি বিবেচনা করিতে পারেন।
-----------------
The Evidence Act, 1872,Section 30: Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence: When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.

৭৯৭.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারা অনুসারে, কত বছর পুরানো ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) ৫ বছর।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার অনুসারে, পাঁচ বছর পুরনো কোন ডিজিটাল রেকর্ডের ক্ষেত্রে আদালত এটি presume করতে পারে যে, যে ডিজিটাল সিগনেচারটি রেকর্ডে রয়েছে, তা ঐ ব্যক্তির বা তার অনুমোদিত অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা সঠিকভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৭৯৮.
বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি অর্থ হলো-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার
  2. জনগণের নিকট দোষ স্বীকার
  3. পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার
ব্যাখ্যা

বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি অর্থ হলো- ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ এবং ৩৬৪ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর যে দোষস্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য লিপিবব্ধ করে তাই বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ২৪: প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন কিংবা প্রতিশ্রুতির দ্বারা স্বীকারোক্তি আদায় করা হইলে ফৌজদারি মোকদ্দমায় যখন তাহা অপ্রাসঙ্গিক: কোনো ফৌজদারি মোকদ্দমার আসামি তাহার বিরুদ্ধে আনীত কোনো অভিযোগ সম্পর্কে কোনো স্বীকারোক্তি করিলে আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো লোকের দ্বারা প্রলোভন, ভীতিপ্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি দানের ফলে আসামি উক্ত স্বীকারোক্তি করিয়াছে এবং আদালত যদি মনে করেন যে, উহার ফলে আসামি মোকদ্দমায় পার্থিব কোনো সুবিধা পাইবে বা কোনো অসুবিধা এড়াইতে পারিবে বলিয়া তাহার ধারণা হইবার যথেষ্ট কারণ ঘটিয়াছিল তবে আসামির সেই স্বীকারোক্তি অপ্রাসঙ্গিক। 
----------------------------------
The Evidence Act 1872,Section 24,Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding: A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.

৭৯৯.
বোবা সাক্ষীর সাক্ষ্যকে কোন সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়?
  1. দালিলিক সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য 
  3. পরোক্ষ সাক্ষ্য
  4. লিখিত সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য 
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী: 
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৮০০.
একজন মক্কেল তার নিযুক্তীর আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণকালে স্বীকার করে যে- সে একটি দখল জাল করেছে। এক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্যে গ্রহণযোগ্য
  2. উক্ত স্বীকারোক্তি আইনতঃ অগ্রহণযোগ্য
  3. উক্ত আইনজীবী সাক্ষ্য দিয়ে স্বীকারোক্তি প্রমাণ করতে পারবে
  4. উক্ত স্বীকারোক্তি প্রমাণে অন্য সাক্ষীর সমর্থন প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
উক্ত স্বীকারোক্তি আইনতঃ অগ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত স্বীকারোক্তি আইনতঃ অগ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুযায়ী অ্যাডভোকেট এবং মক্কেলের মধ্যে তথ্যের আদান প্রদান অ্যাডভোকেট প্রকাশ করতে বাধ্য না অথবা অ্যাডভোকেট মক্কেলের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করবে না।

মক্কেল স্বীকার করে যে, সে দলিল জাল করেছে। মক্কেল যেহেতু তার আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিষয়টি স্বীকার করেছে, তাই তার এই তথ্য উক্ত আইনজীবী প্রকাশ করতে বাধ্য না বা মক্কেলের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করবেনা এবং এমন স্বীকারোক্তি আইনত অগ্রহণযোগ্য। মক্কেল যদি বেআইনী উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে [In furtherance of a criminal purpose) ভবিষৎ এ দলিল জাল করবে এমন কোন কথা বলতো তাহলে সেই তথ্য ১২৬ ধারায় প্রকাশ হতে সুরক্ষা পেত না এবং অ্যাডভোকেট মক্কেলের অনুমতি ছাড়া তা প্রকাশ করতে পারবে।