বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Evidence Act, 1872

মোট প্রশ্ন১,৬৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Evidence Act, 1872

PrepBank · পাতা / ১৭ · ৫০১৬০০ / ১,৬৬৪

৫০১.
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা অনুযায়ী, যে দলিল সত্যায়নের প্রয়োজন, তা প্রমাণ করতে সাধারণত কী করতে হয়?
  1. দলিল রেজিস্ট্রি করতে হয়
  2. দলিলটি আদালতে জমা দিতে হয়
  3. কমপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করতে হয়
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করতে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করতে হয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি- রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
৫০২.
নিম্নের কোনটি পাবলিক দলিল (Public documents)?
  1. চিঠি
  2. রায়
  3. কবলা
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। 

⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ। 
৫০৩.
Previous judgments relevant to bar a second suit or trial- সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার এই বিধানের ব্যতিক্রম কী?
  1. পূর্বোক্ত মোকদ্দমার ডিক্রি প্রতারণা ও যোগসাজসীভাবে নেওয়া
  2. পূর্বোক্ত মোকদ্দমায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা
  3. পূর্বোক্ত মোকদ্দমার ফলাফল সম্পর্কে না জানা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
পূর্বোক্ত মোকদ্দমার ডিক্রি প্রতারণা ও যোগসাজসীভাবে নেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বোক্ত মোকদ্দমার ডিক্রি প্রতারণা ও যোগসাজসীভাবে নেওয়া
ব্যাখ্যা
♦ একই বিষয়ে পূর্বে কোনো ডিক্রি থাকলে ঐ বিষয়ে নতুন মামলা করার ক্ষেত্রে পূর্বোক্ত মামলার ডিক্রি প্রাসঙ্গিক হবে এবং নতুন মামলাটি করতে দেওয়া হবে না। তবে যদি দাবি করা হয় যে fraud or collusion এর মাধ্যমে পূর্বের ডিক্রি হাসিল করা হয়েছে তবে সেই বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার সুযোগ থাকবে, অর্থাৎ মোকদ্দমা দায়ের বারিত নয়।
৫০৪.
নিম্নে সাক্ষ্য গ্রহণের কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. জেরা, জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি
  2. জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি, জেরা
  3. জেরা, পুনঃজবানবন্দি, জবানবন্দি
  4. জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ মতে- প্রথমে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হবে। তারপর (বিরুদ্ধপক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করবে, তারপর (সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করাতে পারবে। সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে হতে হবে। কিন্তু সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে সকল বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, কেবল সেই সকল বিষয়েই জেরা করা চলবে, এমন নয়। জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দীতে সেইগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে, পুনঃজবানবন্দী গ্রহণের সময় যদি আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন নতুন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে বিরুদ্ধপক্ষ সেই সকল বিষয়ে আরও জেরা করতে পারবে।

অর্থাৎ জবানবন্দী- জেরা- পুনঃজবানবন্দি।
৫০৫.
মেট্রোরেলে বিনা টিকিটে ভ্রমণের দায়ে X অভিযুক্ত হল। তার নিকট টিকিট ছিল তা প্রমাণের দায়িত্ব _______ ।
  1. অভিযুক্তের
  2. মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের
  3. কর্তব্যরত আনসারের
  4. কর্তব্যরত পুলিশের
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কাজ করেন যা তার উদ্দেশ্য বা কার্যকলাপের প্রকৃতি এবং পরিস্থিতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তখন তার উপর সেই উদ্দেশ্য বা ইচ্ছা প্রমাণের দায় থাকে। তাই অভিযুক্তকে প্রমাণ করতে হবে যে তার কাছে টিকিট ছিল।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১০৬ অনুসারে:
"যখন কোনো সত্য বিশেষভাবে কোনো ব্যক্তির জ্ঞানের মধ্যে থাকে, তখন সেই সত্য প্রমাণের দায়িত্ব তার উপর বর্তায়।"
প্রযোজ্য উদাহরণ (Illustration b to Section 106):
"A কে রেলওয়েতে বিনা টিকিটে ভ্রমণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। A-এর উপরই প্রমাণ করতে হবে যে তার কাছে টিকিট ছিল।"

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge
When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.
Illustrations-
(a) When a person does an act with some intention other than that which the character and circumstances of the act suggest, the burden of proving that intention is upon him.
(b) A is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that he had a ticket is on him.
৫০৬.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী আদালতের অনুমান কার্যকর হওয়ার জন্য দলিলটির বয়স কত হতে হবে?
  1. কমপক্ষে ১০ বছর
  2. কমপক্ষে ২০ বছর
  3. কমপক্ষে ৩০ বছর
  4. ৫০ বছর বা তার বেশি
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ (Section 90: Presumption as to documents thirty years old) স্পষ্টভাবে বলে—
"Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume..."
অর্থাৎ: দলিলটি কমপক্ষে ৩০ বছর পুরনো হতে হবে, এবং তা সঠিক হেফাজত (proper custody) থেকে আদালতে উপস্থাপিত হতে হবে।
→ তাহলেই আদালত অনুমান করতে পারে যে—
- দলিলের স্বাক্ষর যে ব্যক্তির নামে আছে, সেটি তাঁরই হস্তাক্ষর।
- দলিলটি যথাযথভাবে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারার বিধান ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান:
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।
ব্যাখ্যা: দলিল যেস্থানে ও যে ব্যক্তির হেফাজতে থাকা স্বাভাবিক, যদি উহা সেই স্থানে এবং সেই ব্যক্তির হেফাজতে থাকে, তবে উহা উপযুক্ত হেফাজতে আছে বলিয়া বুঝাইবে। কিন্তু দলিলটি যে হেফাজতে আছে, সেখানে থাকিবার আইন সঙ্গত কারণ আছে বলিয়া যদি প্রমাণিত হয় অথবা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে অনুরূপ কারণ থাকা সম্ভব বলিয়া যদি বিবেচিত হয়, তবে সেই হেফাজত অনুপযুক্ত বলিয়া গণ্য হইবে না।
এই ব্যাখ্যা ৮১ ধারার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
-------------------
⇒ The Evidence Act 1872, Section 90. Presumption as to documents thirty years old:
Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested.

- Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
- This explanation applies also to section 81.
৫০৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪৬(১)-এর অধীনে জেরায় (cross-examination) জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ডকুমেন্ট উপস্থাপন করা
  2. পক্ষের মোটিভ প্রমাণ করা
  3. সাক্ষীর সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা
  4. অপরাধের বিবরণ বর্ণনা করা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪৬(১) অনুসারে, জেরায় সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা যায় এমন প্রশ্ন যা তার সত্যবাদিতা (veracity) পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে হয়। এর মাধ্যমে সাক্ষীর বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করা হয়, যাতে তার দেওয়া তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করা যায়। অন্য অপশনগুলো (ডকুমেন্ট উপস্থাপন, মোটিভ প্রমাণ বা অপরাধের বিবরণ) ধারা ১৪৬-এর অধীনে জেরার প্রশ্নের উদ্দেশ্য নয়; এগুলো অন্যান্য ধারা বা প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারার বিধান জেরায় আইনসঙ্গত প্রশ্ন: যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রশ্নসমূহ ছাড়াও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা দ্বারা:
১) তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়।
২) তার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা
৩) তার চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও এরূপ প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সাথে জড়িত হতে পারে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায়, দফা (৩) এর অধীনে ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-146. Questions lawful in cross-examination:
 When a witness is cross-examined, he may, in addition to the questions hereinbefore referred to, be asked any questions which tend –
(1) to test his veracity,
(2) to discover who he is and what is his position in life, or
(3) to shake his credit, by injuring his character, although the answer to such questions might tend directly or indirectly to criminate him or might expose or tend directly or indirectly to expose him to a penalty or forfeiture:
Provided that in a prosecution for an offence of rape or attempt to rape, no question under clause (3) can be asked in the cross-examination as to general immoral character or previous sexual behaviour of the victim:
Provided further that such question can only be asked with the permission of the Court, if it appears to the Court necessary for the ends of justice.

৫০৮.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার অধীনে শনাক্তকরণ প্যারেড (Test Identification Parade) একটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ এজাহারে অনেক সময় আসামির নাম উল্লেখ না করে অভিযোগকারী আসামিকে দেখলে চিনবেন এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন। তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা এই আসামি সনাক্তকরণ মহড়ার জন্য আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন।

⇒ P.R.B-282 অনুযায়ী TI Parade বলতে বুঝায় যে, “কোন সন্দেহভাজন আটককৃত অপরাধের সাথে জড়িত অভিযুক্ত আসামিকে জেলখানার  ভিতরে বাদী এবং সাক্ষী কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে  নির্ধারিত দিন ও তারিখে সনাক্তকরণের জন্য যে মহড়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয় তাহাকেই টি আই প্যারেড বা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেড বা সনাক্তকরণ মহড়া বলে।”

⇒ নির্ধারিত তারিখে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারীকে হাজির করার এবং সেই সাথে যারা সন্দেহজনক ভাবে অভিযুক্ত (একাধিক ব্যক্তি) তাদের হাজির করার নির্দেশ দেন আদালত। তখন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জেলহাজতে রাখার আদেশ প্রদান পূর্বক সনাক্তকরণ মহড়ার তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করে আদেশ দেন। লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এখানে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারী যেন টিআই প্যারেড এরপূর্বে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কে কোনক্রমে দেখার সুযোগ না পায়। শুধুমাত্র এই টি আই প্যারেড চলাকালীন সময়ে তাদেরকে দেখবেন। তারপর সাক্ষী বা ভিকটিম বা অভিযোগকারী শনাক্ত করবেন আসল অপরাধী কে? এই মহড়াকে টি আই প্যারেড বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারা অনুসারে, প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়। এই ধারার আওতায় শনাক্তকরণ প্যারেড (Test Identification Parade) পরিচালনা করা হয়, যার মাধ্যমে কোনো সাক্ষী বা ভিকটিম অপরাধের সাথে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা সম্পত্তি সনাক্ত করতে পারে। এই পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য হলো আদালতের সামনে সাক্ষীর সনাক্তকরণ ক্ষমতা যাচাই করা এবং এটি একটি প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃত।

৫০৯.
কখন সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে?
  1. জবানবন্দির সময় 
  2. পুনঃজবানবন্দির সময় 
  3. জেরার সময় 
  4. সাক্ষী বৈরি হলে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী বৈরি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী বৈরি হলে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনে বৈরী সাক্ষীর কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার বিধান মতে স্বীয় সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষের মত জেরা করার বিধান আছে। আদালতের প্রচলিত ভাষায় স্বীয় সাক্ষীকে জেরা করার পূর্বে শত্রু বা বৈরী সাক্ষী বলা হয়। বৈরী সাক্ষীকে জেরা করতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। সাক্ষীকে জেরা করতে দেওয়ার অধিকার আদলতের বিবেচনার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী- আদালত, তার বিবেচনায়, অনুমতি দিলে যে কোনো পক্ষ তার নিজ ডাকা সাক্ষীকে প্রতিকূল (hostile) হিসেবে ঘোষণা করে জেরা (cross-examine) করতে পারে।
-------------------------------
The Evidence Act 1872, Section154, Question by party to his own witness: The Court may, in its discretion, permit the person who calls a witness to put any questions to him which might be put in cross-examination by the adverse party.

৫১০.
'ক' চুরির দায়ে 'খ'-কে ফৌজদারীতে সৌপর্দ করে। 'ক' আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'খ' চুরির কথা 'গ' এর নিকট স্বীকার করেছিল। স্বীকৃতির বিষয়টি প্রমাণের দায়ভার কার উপর বর্তায়?
  1. 'খ' এর উপর
  2. আসামী পক্ষের
  3. 'ক' এর উপর
  4. মামলা যে করেছে তার উপরে
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-১০৩। কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্বঃ- কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

⇒ উদাহরণ:

⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।

⇒ আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।
৫১১.
নিচের কোন বিষয়টি প্রমান করার প্রয়োজন হয় না?
  1. অনুমিত বিষয়াদি
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. স্বীকৃতি
  4. 'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ Presumption বা অনুমান হল এমন একটি পারলা যার মাধ্যমে আদালত কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা সাক্ষ্য সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট ধারণা করবে যতক্ষণ পর্যন্ত না উক্ত ধারণার সভ্যত আশ্রমাণিত হয়। আইনে প্রাক্-প্রত্যয় বা অনুমান এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে একটি ঘটনা অন্য একটি ঘটনার প্রমাণ হিসেরে স্বীকৃত হয় (Presumption means an inference drawn from a particular fact about another fact)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায় 'Presumption' সম্বন্ধে বিধান বর্ণিত আছে। তাছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪১, ৭৯ থেকে ৯০ এবং ১১৪ ধারাতেও 'Presumption'-এর বিধান রয়েছে।Presumption বা অনুমান প্রমানের প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
৫১২.
রাজস্ব অফিসার B একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগে তদন্ত করছেন। আদালত তাকে প্রশ্ন করে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন। ধারা ১২৫ অনুযায়ী তিনি কী করবেন?
  1. তথ্য প্রকাশ করবেন
  2. তথ্য প্রকাশে বাধ্য নন
  3. শুধু ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তি চাইলে তথ্য প্রকাশ করবেন
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রকাশে বাধ্য নন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রকাশে বাধ্য নন
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৫: অপরাধ সংঘটনের তথ্য সম্পর্কে জানানো-
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে বাধ্য করা যাবে না যে, তিনি কোথা থেকে অপরাধ সংঘটনের তথ্য পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে। একইভাবে, কোনো রাজস্ব অফিসারকেও বাধ্য করা যাবে না যে, তিনি সরকারি রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা জানাতে।

ব্যাখ্যা:
এই ধারায় "রাজস্ব অফিসার" বলতে বোঝানো হয়েছে – এমন কোনো অফিসার যিনি সরকারি রাজস্ব বিভাগের কোনো শাখার কাজে নিযুক্ত।
৫১৩.
সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. ঐতিহাসিক সত্য
  2. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
  3. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  4. অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
অর্থাৎ এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত।
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
৫১৪.
কোন পরিস্থিতিতে সাক্ষ্য আইন কার্যকর হয় না?
  1. ফৌজদারি মামলার শুনানিতে
  2. দেওয়ানি মামলার শুনানিতে
  3. প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত মামলায়
  4. সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
সঠিক উত্তর:
সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army Act, 1952 অথবা The Naval Discipline Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act, 1953 এর ক্ষেত্রে;
ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;
iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে।

Section 1 ⇒ Extent:
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator.
৫১৫.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় কোনটি সম্পর্কে বলা আছে?
  1. Criminal Conspiracy
  2. Common Intention
  3. A & B
  4. none of them
সঠিক উত্তর:
A & B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A & B
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ (Things said or done by conspirator in reference to common design): দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

----------------------
Things said or done by conspirator in reference to common design:
Section 10. Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
৫১৬.
একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য কমপক্ষে কত জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয়?
  1. কমপক্ষে ১ জন
  2. কমপক্ষে ২ জন
  3. আদালত যতজন বলবেন তত জন
  4. কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ Number of witnesses:
Section 134. No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।

⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
৫১৭.
The Evidence Act 1872 এর ১৪৩ ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ Leading Questions করবে?
  1. সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ
  2. বিবাদী/বিরোধী পক্ষ
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোন পক্ষই নয়
সঠিক উত্তর:
বিবাদী/বিরোধী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী/বিরোধী পক্ষ
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৪৩ ধারার বিধান মতে জেরায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়। যেহেতু জেরা করে বিরোধী পক্ষ সেহেতু বিবাদী বা বিরোধী পক্ষই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করবে।
৫১৮.
Tender of pardon to accomplice অর্থ কী?
  1. রাজসাক্ষীকে ক্ষমা করে দেওয়া
  2. অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করে দেওয়া
  3. সহযোগী অপরাধীকে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব
  4. লঘু অপরাধকারী আসামীকে ক্ষমা করে দেওয়া
সঠিক উত্তর:
সহযোগী অপরাধীকে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহযোগী অপরাধীকে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
♦ tendering pardon to accomplice –বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারায় বিধান দেওয়া হয়েছে।

♦ কোনো অপরাধের সহ-অপরাধীকে অপরাধ সংক্রান্তে তাঁর জ্ঞানে থাকা সকল বিষয়ে সাক্ষ্য দিলে তাঁকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে – এই প্রক্রিয়াকে tendering pardon to accomplice বলা হয়।
৫১৯.
A হত্যার দায়ে অভিযুক্ত। সে দাবি করে, গুরুতর এবং মারাত্মক উস্কানির কারণে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার হারিয়ে, সে খুন করে ফেলে। এটা প্রমানের দায়িত্ব কার?
  1. A এর উপর
  2. রাষ্ট্রের
  3. A এর পরিচিত ব্যক্তির
  4. আসামী পক্ষের
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত দণ্ডের সাধারণ ব্যতিক্রম দাবী করে, তাহলে সে যে দণ্ডবিধির অধীন বর্ণিত সাধারণ ব্যতিক্রমের অধীন পড়ে তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে। তাই A কে প্রমাণ করতে হবে যে, সে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার হারিয়ে ফেলেছিল।
৫২০.
পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) কার ইচ্ছায় করা যায়?
  1. সাক্ষীর
  2. প্রতিপক্ষ
  3. আদালতের আদেশে
  4. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২এর ধারা ১৩৮ : সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম:
- সাক্ষীদের প্রথমে মূল জবানবন্দি (Examination-in-chief) গ্রহণ করা হবে,
- তারপর (যদি প্রতিপক্ষ পক্ষ ইচ্ছা করে) জেরা (Cross-examination) করা হবে,
- এরপর (যদি সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইচ্ছা করে) পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) করা হবে।

⇒ জবানবন্দি ও জেরা উভয়ই প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে।
তবে জেরা (Cross-examination) কেবলমাত্র মূল জবানবন্দিতে (Examination-in-chief) প্রদত্ত তথ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

৫২১.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী একই ঘটনার বিষয়ে সাক্ষীর পরবর্তী সাক্ষ্য সমর্থন করানোর জন্য পূর্ববর্তী সাক্ষ্য প্রমাণ করা যায়?
  1. ১৫৩ ধারা
  2. ১৫৪ ধারা
  3. ১৫৬ ধারা
  4. ১৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৫৭ ধারার বিধান মতে একই ঘটনার বিষয়ে সাক্ষীর পরবর্তী সাক্ষ্য সমর্থনের জন্য পূর্ববর্তী সাক্ষ্য প্রমাণ করা যেতে পারে।
- এমন বক্তব্য শুধুমাত্র গ্রহণযোগ্য হবে যদি, ঘটনাটি যখন সংঘটিত হয়েছিল তখন বক্তব্যটি প্রদান করা হয়, বক্তব্যটি আইনগত এখতিয়ার সম্পন্ন কোন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদত্ত হয়।
- এটি লিখিত ও মৌখিক উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৫২২.
যে দলিল সত্যায়ন করা আবশ্যক তার সম্পাদন কখন আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই?
  1. রেজিস্টার্ড দলিল হলে
  2. দলিলের দাতা অস্বীকার না করলে
  3. রেজিস্টার্ড দলিল হলে ও দলিলের দাতা সম্পাদন অস্বীকার না করলে
  4. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হলে এবং সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে আসলে
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল হলে ও দলিলের দাতা সম্পাদন অস্বীকার না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল হলে ও দলিলের দাতা সম্পাদন অস্বীকার না করলে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার প্রোভিসো তে উল্লেখ আছে যে সম্পাদনকারী যদি সম্পাদন অস্বীকার না করে তবে তার সম্পাদন আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। ৩০ বছরের পুরাতন দলিল হলেও আদালত এর সম্পাদন সঠিকভাবে হয়েছে মর্মে অনুমান করতে পারেন ৯০ ধারার বিধান মোতাবেক। তবে, এটি করতে আদালত বাধ্য নয়। এই কারণে গ অপশনই সঠিক।
৫২৩.
কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য?
  1. মানসিক ব্যাধিসম্পন্ন ব্যক্তি
  2. অতি বৃদ্ধ বয়সী ব্যক্তি
  3. প্রশ্ন বুঝতে বা উত্তর দিতে অক্ষম
  4. যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে অনিচ্ছুক
সঠিক উত্তর:
প্রশ্ন বুঝতে বা উত্তর দিতে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্ন বুঝতে বা উত্তর দিতে অক্ষম
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Section 118- Who may testify:
All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 
Explanation.– A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
৫২৪.
কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড থেকে প্রাপ্ত কোনো প্রকার সাক্ষ্য প্রদান করতে পারবে, যদি ________ তার অনুমতি প্রদান করেন।
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা
  4. সরকার এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা উভয়ে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৩: রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির বিষয়ে সাক্ষ্য
কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড থেকে প্রাপ্ত কোনো প্রকার সাক্ষ্য প্রদান করতে পারবে না, যদি না সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা তার অনুমতি প্রদান করেন। এই অনুমতি দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে ঐ কর্মকর্তার বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল; তিনি উপযুক্ত মনে করলে অনুমতি দেবেন, বা  withheld (প্রতিবন্ধকতা) করতে পারবেন।

[No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.]
৫২৫.
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারায় "তলব করা" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. দলিলের একটি কপি সরবরাহ করা
  2. দলিলের সত্যতা যাচাই করা
  3. আদালতে সাক্ষীকে হাজির করতে বলা
  4. দলিলটি রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো
সঠিক উত্তর:
আদালতে সাক্ষীকে হাজির করতে বলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে সাক্ষীকে হাজির করতে বলা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
 
Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৫২৬.
কোনটি মূল দালিলীক সাক্ষ্য Primary evidence ?
  1. ফটোস্ট্যাট কপি
  2. দৈনিক পত্রিকা
  3. কোন বাস্তব ফটোগ্রাফ
  4. সত্যায়িত কপি
সঠিক উত্তর:
দৈনিক পত্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈনিক পত্রিকা
ব্যাখ্যা
♦১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬২ শুরু হয়েছে প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞায়নের মাধ্যমে। ‘Primary Evidence means the document itself produced for the inspection of the court.
 ♦ প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বোঝায়, এমন মূল দলিল; যা পরিদর্শনের [inspection) জন্য আদালতের নিকট উপস্থাপন করা হয়েছে।" একবাক্যে বললে: স্বয়ং মূল দলিলই হচ্ছে প্রাথমিক সাক্ষ্য। অর্থাৎ 'মূল দলিল আদালতের নিকট উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে। ৬২ ধারার ব্যতিক্রম ৬৫ ধারা অর্থাৎ- ৭ ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারাও দলিল প্রমাণ করা যায়।
৫২৭.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী নিম্নের কোন ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে?
  1. বিচার্য ঘটনা
  2. প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  3. সম্ভাব্য ঘটনা
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
⇒ কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।ঃ
⇒ ব্যাখ্যা: দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।
--------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 5. Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others. 
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
৫২৮.
সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুসারে, একজন উকিল কোন বিষয়ে গোপনীয়তা বজায় রাখতে বাধ্য নন?
  1. বেআইনি উদ্দেশ্যে প্রদত্ত বার্তা
  2. মক্কেলের দেওয়া ব্যক্তিগত পরামর্শ
  3. মক্কেলের দেওয়া আইনি পরামর্শ
  4. পেশাগত কার্যকালে পরিচিত দলিলের বিষয়বস্তু
সঠিক উত্তর:
বেআইনি উদ্দেশ্যে প্রদত্ত বার্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনি উদ্দেশ্যে প্রদত্ত বার্তা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৬ অনুযায়ী,
একজন ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল তাঁর মক্কেলের পক্ষ থেকে বা মক্কেলের উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত পেশাগত যোগাযোগের তথ্য গোপন রাখতে বাধ্য, তবে এর দুইটি ব্যতিক্রম রয়েছে:
১. যদি মক্কেলের সঙ্গে যোগাযোগ বেআইনি উদ্দেশ্যে করা হয়।
২. যদি আইনজীবী তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এমন কিছু লক্ষ করেন, যা প্রমাণ করে যে নিযুক্তির পরে কোনো অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না।
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 126 Professional communications:
- No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:

Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.

৫২৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৯ অনুযায়ী কোন বিষয় মৌখিক সাক্ষ্যে প্রমাণ করা যায় না?
  1. দৃশ্যমান ঘটনা
  2. শ্রবণযোগ্য ঘটনা
  3. দলিলের বিষয়বস্তু
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।


⇒ দলিলের বিষয়বস্তু দলিল দ্বারাই প্রমাণ করতে হবে, মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা নয়। দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সমস্ত বিষয় বা ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 59- Proof of facts by oral evidence: 
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.

৫৩০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৮ অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা আদালত কী করতে পারে?
  1. তা প্রত্যাখ্যান করতে পারে
  2. ইচ্ছাধীন ক্ষমতায় তা প্রমাণ চেয়ে নিতে পারে
  3. সেই ঘটনায় নতুন সাক্ষ্য আহ্বান করতে পারে না
  4. সেই ঘটনা বাদ দিয়ে মামলার নিষ্পত্তি করতে হয়
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন ক্ষমতায় তা প্রমাণ চেয়ে নিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন ক্ষমতায় তা প্রমাণ চেয়ে নিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫৮ অনুযায়ী, যে ঘটনা পক্ষগণ স্বীকার করেছে, তা সাধারণভাবে প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। তবে আদালত তার ইচ্ছাধীন (discretionary) ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই স্বীকৃত ঘটনার অতিরিক্ত প্রমাণ চাইতে পারেন।
- ধারা ৫৮ বলছে: “...Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.”
অর্থাৎ: স্বীকৃত ঘটনা সাধারণত প্রমাণ করতে হয় না। কিন্তু আদালত চাইলে, এমনকি স্বীকার করার পরেও, সেই বিষয়ে প্রমাণ চেয়ে নিতে পারেন। এটি আদালতের স্বাধীন বিচারিক ক্ষমতা বা inherent discretion এর অংশ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:
- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
৫৩১.
এ্যাডভোকেট কর্তৃক কোন ধরনের তথ্য প্রকাশ করতে মক্কেলের অনুমতি লাগবে না?
  1. বেআইনী উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন তথ্য
  2. এমন তথ্য যা অপরাধ বা প্রতারণার জন্য
  3. মক্কেলের এবং অ্যাডভোকেটের মধ্যে পেশাগত তথ্য
  4. ক+খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক+খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
------------
Section 126 Professional communications: No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment: 
 
Provided that nothing in this section shall protect from disclosure– 
 
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose: 
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment. 
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client. 

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
৫৩২.
'Nemo moriturus praesumitur mentiri' নীতি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ২৭
  2. ধারা ৩২
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৪১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২
ব্যাখ্যা

⇒ 'মৃত্যুকালীন ঘোষণা' ধারণাটি এসেছে ল্যাটিন বাক্যাংশ “Extremum Letem Mortem” থেকে, যার অর্থ— “মৃত্যুর পূর্বে উচ্চারিত কথা”। মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে এমন একটি বিবৃতিকে বোঝায়, যা কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর আগে তার মৃত্যুর কারণ বা সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণনা করে প্রদান করেন। একজন ব্যক্তি যখন মৃত্যুর সন্নিকটে, তখন তার মৃত্যুর কারণ বা পরিস্থিতি সম্পর্কে যে কোনো বক্তব্যকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়।

⇒ এই নীতির ভিত্তি গড়ে উঠেছে প্রাচীন বৈধ নীতিবাক্য “Nemo Moriturus Praesumitur Mentiri”—যার অর্থ, “যে মানুষ মৃত্যুর প্রান্তে পৌঁছেছে, সে মিথ্যা বলে না।” Evidence Act, 1872-এর ধারা ৩২ মৃত্যুকালীন ঘোষণা বিষয়ে আইনগত বিধান প্রণয়ন করা হয়। মৃত্যু আসন্ন হলে মিথ্যা বলার সব প্রলোভন লোপ পায়, এবং মানুষ সত্য বলার প্রতি প্রবলভাবে প্রবণ হয়ে ওঠে। জীবনের শেষ মুহূর্তে দেওয়া বক্তব্য তাই একটি গভীর বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে, যা আইনকে এর সত্যতা গ্রহণে বাধ্য করে। 

মৃত্যুকালীন ঘােষণা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণীয় হওয়ার ক্ষেত্রসমূহ-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

⇒ মৃত্যুকালীন ঘােষণা দানকারী যদি দৈবাৎ বেঁচে যায় তাহলে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনে অনুযায়ী তার ঘােষণা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণীয় হবে না। কারণ উক্ত ব্যক্তি বেঁচে থাকলে পরবর্তীতে তার ঘােষণা পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু মৃত্যুকালীন ঘােষণা দানকারী দৈবাৎ বেঁচে গেলে বাংলাদেশী আইন অনুযায়ী তার ঘােষণা একেবারে বাতিল হয় না। উক্ত বিবৃতি বা ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারানুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

৫৩৩.
'ক' কে বিষ প্রয়োগ করার মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে, এই বিষয়ে কার মতামত প্রাসঙ্গিক হিসেবে আদালত আমলে নিতে পারে?
  1. যে বিষ দিয়েছিল
  2. পিতা মাতার অভিমত
  3. মৃত ব্যক্তির অভিমত
  4. বিশারদগণের অভিমত
সঠিক উত্তর:
বিশারদগণের অভিমত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশারদগণের অভিমত
ব্যাখ্যা
- সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে বিশারদগণের অভিমত প্রাসঙ্গিক।
- এই প্রশ্নের মধ্যে বিশারদগণের অভিমত প্রাসঙ্গিক কেননা বিষ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে কিনা এটা বিশারদই ভালো বলতে পারেন।
৫৩৪.
Estoppel এর ক্ষেত্রে কোনটি সত্য নয়?
  1. আইনের বিরুদ্ধে Estoppel দাবি করা যায় না
  2. Estoppel এর নীতি দ্বারা শুধুমাত্র পক্ষদ্বয় বাধ্য তৃতীয় কোন ব্যক্তি নয়
  3. Estoppel ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  4. Estoppel দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
Estoppel ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Estoppel ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে Estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।
-----------------
⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।
৫৩৫.
মাহি, মাহবুব এর বৈধসন্তান কী না, এই প্রশ্নে কোনটি প্রাসঙ্গিক?
  1. আইনজীবীর অভিমত
  2. বন্ধুদের অভিমত
  3. পরিবারের সদস্যদের বিবেচনা
  4. মাহির শিক্ষকের অভিমত
সঠিক উত্তর:
পরিবারের সদস্যদের বিবেচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবারের সদস্যদের বিবেচনা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ধারা৫০ (আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক) অনুযায়ী- যখন এক ব্যক্তির সাথে অপর এক ব্যক্তির সম্পর্কের ব্যাপারে আদালতকে অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন পরিবারের সদস্য হিসাবে অথবা অন্যভাবে এই ব্যাপারে যার জ্ঞান লাভের বিশেষ সুযোগ আছে উক্ত সস্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কে তার আচরণের মাধ্যেমে যে অভিমত ব্যক্ত হয়, তা প্রাসঙ্গিক বিষয়
৫৩৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৫: ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রভাব:
দেওয়ানি মামলায়, যদি কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন হয় যা তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে, তাহলে তা প্রাসঙ্গিক (relevant) হিসেবে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা: ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫–তে "চরিত্র" শব্দটি দ্বারা বোঝানো হয় উভয়ই — একজন ব্যক্তির খ্যাতি (reputation) ও স্বভাব (disposition)। তবে, ধারা ৫৪-তে যেভাবে বলা হয়েছে, তা ছাড়া, কেবলমাত্র সাধারণ খ্যাতি ও সাধারণ স্বভাব সম্পর্কে প্রমাণ উপস্থাপন করা যাবে; কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা আচরণের মাধ্যমে খ্যাতি বা স্বভাব প্রমাণ করা যাবে না।
--------- 
⇒ The Evidence Act, 1872: Section 55, Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant.
Explanation: In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.

৫৩৭.
মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায়?
  1. দলিলের বিষয়বস্তু
  2. লিখিত বক্তব্য
  3. দলিলের বিষয় বস্তু ছাড়া সকল বিষয়
  4. আদালতের দলিলসমূহ
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয় বস্তু ছাড়া সকল বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয় বস্তু ছাড়া সকল বিষয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ: দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ দলিলের বিষয়বস্তু দলিল দ্বারাই প্রমাণ করতে হবে, মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা নয়। দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সমস্ত বিষয় বা ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
⇒ দলিলের বিষয়বস্তু, লিখিত বক্তব্য, আদালতের দলিলসমূহ এই সবগুলা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় না।
-------------
⇒ Section-59. Proof of facts by oral evidence: All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
৫৩৮.
সাধারণভাবে নিচে বর্ণিত কোন পরিস্থিতিতে দোষ স্বীকার গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
  2. দায়রা জজের কাছে দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি
  3. পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি 
  4. পুলিশের কাছে দেওয়া দোষ স্বীকার অনুযায়ী আলামত উদ্ধার করলে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৫ অনুযায়ী-
“কোনো ব্যক্তির দ্বারা পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়।”

অর্থাৎ, যদি কোনো আসামি পুলিশ অফিসারের কাছে দোষ স্বীকার করে, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য (inadmissible) হবে — আদালতে প্রমাণ হিসেবে তা ব্যবহার করা যায় না।

তবে ব্যতিক্রম (Exception):
ধারা ২৭ (Discovery under police confession):
যদি পুলিশের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তির ফলে কোনো আলামত (evidence or object) উদ্ধার হয়, তাহলে শুধু সেই উদ্ধার সম্পর্কিত অংশটুকু আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে। (যেমন: অভিযুক্ত বলল “আমি ছুরিটা গাছের নিচে লুকিয়েছি,” এবং ছুরি উদ্ধার হলো - তবে শুধু সেই অংশই প্রাসঙ্গিক।)

৫৩৯.
ক একটি দলিল বাতিলের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করেন। ক-এর দাবি এই যে, দলিলের দাতা হিসেবে ক এর নাম থাকলেও প্রকৃতপক্ষে ক এই দলিল সম্পাদন করেনি। বিবাদী খ দলিল টি কে সঠিক এবং ক তাতে স্বাক্ষর করেছে মর্মে দাবি করেন। দলিলের সম্পাদন প্রমাণের বিষয়ে নিম্নের কোনটি সত্য।
  1. যেহেতু দলিলটি নিবন্ধিত, সুতরাং এর সম্পাদন প্রমাণ করার দরকার নাই।
  2. বাদী সম্পাদন অস্বীকার করায় এর সম্পাদন attesting witness দিয়ে প্রমাণ করতে হবে
  3. দলিলের আসল দাখিল করলে সম্পাদন প্রমাণ করতে হবে না
  4. উপরের সবগুলো সত্য
সঠিক উত্তর:
বাদী সম্পাদন অস্বীকার করায় এর সম্পাদন attesting witness দিয়ে প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী সম্পাদন অস্বীকার করায় এর সম্পাদন attesting witness দিয়ে প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারায় বলা হয়েছে যেসকল দলিল সত্যায়নকারী সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত সেগুলোর সম্পাদন প্রমাণ করার জন্য অন্তত একজন সত্যায়নকারীকে আদালতে এসে দলিলের সম্পাদনের বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে হবে। তবে নিবন্ধিত দলিলের ক্ষেত্রে এইরূপে প্রমাণের দরকার নাই। নিবন্ধিত দলিলের দাতা যদি এর সম্পাদন অস্বীকার করলে এটি নিবন্ধিত হওয়া সত্ত্বেও উক্তরূপে প্রমাণ করতে হয়।
৫৪০.
সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারার আলোচ্য বিষয়-
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  3. গৌণ সাক্ষ্য
  4. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary evidence) বিধান রয়েছে।
⇒ প্রাথমিক সাক্ষ্য: প্রাথমিক সাক্ষ্যের মানে সংশ্লিষ্ট দলিলটিই আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।
ব্যাখ্যা-১: কোন দলিল কতিপয় খন্ডে সম্পাদিত হইলে প্রত্যেক খন্ডই ঐ দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য।
কোন দলিল যখন প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয়, এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন মাত্র কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি উহার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।
ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল একই পদ্ধতিতে প্রস্তুত হয়, যথা মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হইয়া থাকে, সেইক্ষেত্রে উহার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য কিন্তু যেক্ষেত্রে সেইগুলি একই মূল দলিলের নকল সেই ক্ষেত্রে ঐগুলি মূল দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য হইবে না।
-----------
⇒Section 62: Primary evidence:
Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court. 
Explanation 1.-Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document. 
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it. 
Explanation 2.-Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original.
৫৪১.
Leading questions may be asked in _____________.
  1. Examination-in-chief.
  2. Cross-examination.
  3. Re-examination.
  4. Further-Cross-examination.
সঠিক উত্তর:
Cross-examination.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cross-examination.
ব্যাখ্যা
⇒ When they may be asked
Section 143. Leading questions may be asked in cross-examination.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান উত্তরূপে প্রশ্ন যখন করা যাইতে পারে:- জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।

--------------

⇒ ধারাঃ ১৪১। ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ- প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তাহার ইঙ্গিত দেওয়া হইতে তাহাকে ইঙ্গিত বাহী প্রশ্ন বলা হয়।

⇒ ধারাঃ ১৪২। উত্তরূপে প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাইবে নাঃ- বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ঐতিহ্যবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।

⇒ যেসকল বিষয় ভুমিকামূলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হইয়াছে বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই সকল বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করিবার অনুমতি আদালত অবশ্যই দিবেন।
৫৪২.
পুনঃজবানবন্দি কখন করা হয়?
  1. জেরার পরে
  2. সাক্ষী হাজির করার আগে
  3. মামলার রায় ঘোষণার পরে
  4. জবানবন্দি গ্রহণের আগে
সঠিক উত্তর:
জেরার পরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরার পরে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]:
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]:
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]:
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে
৫৪৩.
'Proof of documents by primary evidence' সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৬০ ধারার
  2. ৬৪ ধারার
  3. ৬৫ ধারার
  4. ৭০ ধারার
সঠিক উত্তর:
৬৪ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৪ ধারার বিধান প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ: এই আইনে অতঃপর যে সকল ব্যতিক্রমের উল্লেখ করা হইয়াছে উহা ভিন্ন অন্য সকল ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই মুখ্য সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করিতে হইবে।

-----------------------------
 ⇒ Proof of documents by primary evidence
Section 64. Documents must be proved by primary evidence except in the cases hereinafter mentioned.

 ⇒ প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence)
প্রাথমিক সাক্ষ্য হল এমন সাক্ষ্য যা কোনও ঘটনা বা বিষয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর কাছ থেকে প্রাপ্ত। প্রাথমিক সাক্ষ্য এক প্রকারের মৌল সাক্ষ্য। কোন বিচার্য বিষয়ে প্রাথমিক সাক্ষ্যের অস্তিত্ব থাকলে সেটাই প্রমাণ করতে হয়। এই ধরনের সাক্ষ্য সাধারণত মৌখিক বা দালিলিক আকারে থাকে।
৫৪৪.
কোনো চিঠি পাঠানো হয়েছে কিনা তা প্রমাণের জন্য নিম্নলিখিত কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক?
  1. চিঠির বিষয়বস্তু
  2. চিঠি লেখকের নাম
  3. চিঠি লেখার তারিখ
  4. চিঠিটি ডাকবাক্সে রাখা হয়েছিল
সঠিক উত্তর:
চিঠিটি ডাকবাক্সে রাখা হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিঠিটি ডাকবাক্সে রাখা হয়েছিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬ অনুসারে, কোনো নির্দিষ্ট কাজ (যেমন চিঠি পাঠানো) করা হয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে, সেই কাজটি স্বাভাবিকভাবে করার ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার (course of business) অস্তিত্ব প্রাসঙ্গিক হয়। সাক্ষ্য আইনের ১৬ ধারার ইলাস্ট্রেশন (illustration) (a)-এ উল্লেখ আছে যে, নির্দিষ্ট চিঠি পাঠানো হয়েছে কিনা তা প্রমাণের জন্য, সেই স্থানে চিঠি রাখার সাধারণ ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া এবং সেই চিঠিটি সেই স্থানে রাখা হয়েছে কিনা—এই তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক।

এখানে "চিঠিটি ডাকবাক্সে রাখা হয়েছিল" তথ্যটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চিঠি পাঠানোর প্রমাণে সাহায্য করে, কারণ ডাকবাক্সে রাখা মানে স্বাভাবিকভাবে এটি ডাকঘরে যাবে এবং পাঠানো হবে। অন্য অপশনগুলো (চিঠির বিষয়বস্তু, লেখকের নাম বা লেখার তারিখ) চিঠির পাঠানোর অস্তিত্ব প্রমাণ করে না, বরং এগুলো চিঠির সত্যতা বা বিষয়বস্তুর সাথে যুক্ত হতে পারে, কিন্তু ধারা ১৬-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-16.  Existence of course of business when relevant:
When there is a question whether a particular act was done, the existence of any course of business, according to which it naturally would have been done, is a relevant fact.

Illustrations: 
(a) The question is, whether a particular letter was dispatched.
The facts that it was the ordinary course of business for all letters put in a certain place to be carried to the post, and that that particular letter was put in that place are relevant.
(b) The question is, whether particular letter reached A.
The facts that it was posted in due course, and was not returned through the Dead Letter office, are relevant.

৫৪৫.
A disputed handwriting can be proved:
  1. by examining a person acquainted with the handwriting of the writer of the questioned.
  2. by comparison of the two-admitted & disputed handwritings.
  3. by calling an expert.
  4. All the above.
সঠিক উত্তর:
All the above.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All the above.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারার বিধান: হস্তলিপি সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক (Opinion as to handwriting, when relevant): হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তির দ্বারা দলিল লিখিত হয়েছে সে ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ ৪৭ ধারা হাতের লেখা বা হস্তলিপির সাথে পরিচিতি কোন লোকের মতামত প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য করেছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারায় একজন ব্যক্তির অভিমত অন্য ব্যক্তির হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে তখন প্রাসঙ্গিক হবে যখন কোন ব্যক্তি-
- অপর ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে
- অপর ব্যক্তির লিখিত কোন দলিল পেয়েছে।
- স্বাভাবিক কাজকর্ম হিসেবে যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত হয়েছে।

------------------
⇒ Opinion as to handwriting, when relevant

Section 47. When the Court has to form an opinion as to the person by whom any document was written or signed, the opinion of any person acquainted with the handwriting of the person by whom it is supposed to be written or signed that it was or was not written or signed by that person, is a relevant fact. 
 
Explanation.–A person is said to be acquainted with the handwriting of another person when he has seen that person write, or when he has received documents purporting to be written by that person in answer to documents written by himself or under his authority and addressed to that person, or when, in the ordinary course of business, documents purporting to be written by that person have been habitually submitted to him.
৫৪৬.
নিম্নলিখিত কোনটি বিচার বহিভূর্ত দোষ স্বীকারোক্তি [Extra-judicial Confession]?
  1. আদালতের নিকট দোষ স্বীকার
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  3. আদালতের বাহিরে ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  4. ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
সঠিক উত্তর:
ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার:
-কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।


⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.
⇒ আসামি নিজেকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Inculpatory Confessional Statement বলা হয়।
⇒ আর আসামী নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বীকারোক্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথা-
i) বিচারিক (Judicial) স্বীকারোক্তি;
ii) বিচার বহির্ভূত (Extra-judicial) স্বীকারোক্তি; ও
iii) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।

⇒ আসামী তার দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি যদি কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করে, তবে তাকে বলা হয় বিচারিক স্বীকারোক্তি।
⇒ আর তা যদি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রদান করা হয়, তবে তাকে বলা হয় বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি।
⇒ এছাড়া দেখা যায়, আসামী প্রথমে বিচারিক বা বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি করার পর পরবর্তীতে তার ঐ পূর্বের স্বীকারোক্তি আদালতে অস্বীকার করছে। এটাকে বলা হয় প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।
৫৪৭.
"দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে" সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে (Character as affecting damages)- সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারামতে দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ Character as affecting damages:
Section 55. In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
 
Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
৫৪৮.
মৃত্যুর কারন সংবলিত মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক হবে তা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায়?
  1. ৩২(২) ধারায়
  2. ৩১(২) ধারায়
  3. ৩১(৩) ধারায়
  4. ৩২(১) ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);

ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);

iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);

vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা

viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

-------------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা: যে ব্যক্তি মৃত অথবা যাকে খুঁজে পাওয়া যায় না অথবা যে সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়েছে অথবা যাকে হাজির করা এরূপ সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ যে, সংশ্লিষ্ট মামলার অবস্থা বিবেচনায় আদালতের মতে তা অযৌক্তিক; সেইরূপ ব্যক্তির প্রাসঙ্গিক বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নিজেরাই প্রাসঙ্গিক বিষয়:

(১) যখন এটি মৃত্যুর কারণের সাথে সংশ্লিষ্ট (When it relates to cause of death): যখন মামলায় কোন মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে, তখন সেই মামলায় ঐ ব্যক্তি কর্তৃক তার মৃত্যু সম্পর্কে অথবা যে পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু ঘটেছে তার কোন একটি সম্পর্কে দেওয়া বিবৃতি; এরূপ বিবৃতি দেওয়ার সময় ঐ ব্যক্তি মৃত্যুর আশঙ্কা করুক বা না করুক এবং যে কার্যক্রমে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে তার প্রকৃতি যাই হোক না কেন উক্ত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক।

(২) সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনার সময় প্রদত্ত (Made in course of business) : যখন বিবৃতিটি ঐ ব্যক্তি কর্তৃক কাজের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় (in the ordinary course of business) দেয়া হয়, এবং বিশেষভাবে যখন তা কাজের স্বাভাবিক রীতিতে, বা পেশাগত দায়িত্ব পালনে রক্ষিত বইয়ে ঐ ব্যক্তি কর্তৃক প্রস্তুত কোনো লিখন (entry) বা স্মারকের (memorandum) অন্তর্ভূক্ত হয়; অথবা যখন তা অর্থ, মালামাল, জামানত বা যে কোনো সম্পত্তি গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত বা স্বাক্ষরিত স্বীকারোক্তি (acknowledgment) হয়; অথবা যখন তা ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত বা স্বাক্ষরিত কোন ব্যবসায়িক ব্যবহৃত দলিলে লেখা হয়; অথবা তা সাধারণভাবে ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত বা তারিখ প্রদত্ত চিঠি বা অন্য দলিলের তারিখ প্রসঙ্গে লেখা হয়।
৫৪৯.
নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে
  2. দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবে
  3. দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
  4. কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা- দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
সকল দেওয়ানী মামলায় পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষী হবে। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে।

⇒ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৫৫০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান আছে?
  1. ৫২ ধারায়
  2. ৫৮ ধারায়
  3. ৫৭ ধারায়
  4. ৫৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।
[বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিক স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
৫৫১.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় নিম্নলিখিত কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. বিবাহের বৈধতা
  2. সন্তানের বৈধতা
  3. দত্তক সন্তানের বৈধতা
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সন্তানের বৈধতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্তানের বৈধতা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার [Legitimacy of Child] অনুমান সম্পর্কে আলোচন করা হয়েছে। কোন সন্তানের বৈধতার প্রশ্ন উঠলে, তা নির্ধারণের সাক্ষ্যগত দিক ১১২ ধারায় উল্লেখ করাহয়েছে। ১১২ ধারায় আদালত কোন সন্তানকে বৈধ বলে অনুমান করবে যদি সন্তানটি-

১. তার পিতা ও মাতার মধ্যে বৈধ বিবাহ স্থির থাকাকালীন অবস্থায় জন্ম গ্রহণ করে; অথবা
২. পিতা মাতার বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে জন্মগ্রহণ করে এবং উক্ত সময়ে তার মাতা অবিবাহিত ছিল।
৫৫২.
স্বীকৃতি (Admission) কি হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. প্রতিবন্ধকতা বা বাধা (estoppel)
  2. চূড়ান্তপ্রমাণ (Conclusive Proof)
  3. সাক্ষ্য (Evidence)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধকতা বা বাধা (estoppel)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধকতা বা বাধা (estoppel)
ব্যাখ্যা
⇒ স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

---------------
⇒ Section-31. Admissions not conclusive proof, but may stop: Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৫৫৩.
Plea of Alibi-কে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ২৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
ব্যাখ্যা
Plea of Alibi অর্থ:
- "Alibi" একটি লাতিন শব্দ যার অর্থ "অন্যত্র"। ফৌজদারি মামলায় আসামি যদি দাবি করে যে, অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থলে ছিল না, বরং অন্যত্র ছিল, তাহলে সেটিই Plea of Alibi।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১: “যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ বা যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্বকে অধিকতর অসম্ভব বা সম্ভব করে তোলে, সেসব ঘটনা প্রাসঙ্গিক।”
- অর্থাৎ, যদি কোনো আসামি প্রমাণ করতে পারে যে, সে অপরাধ সংঘটনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না (অন্যত্র ছিল), তবে সেই তথ্য বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্বকে অসম্ভব করে তোলে, ফলে সেটা ধারা ১১ অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হয়।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 11. When facts not otherwise relevant become relevant:
- Facts not otherwise relevant are relevant–
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact;
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.
৫৫৪.
প্রশ্ন হলো ক” কোন অপরাধ করেছে কিনা? এই ক্ষেত্রে নিম্মলিখিত কোনটি প্রাসঙ্গিক না?
  1. অপরাধ সংঘটনের পর ক” পালিয়ে যায়
  2. অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি ক” এর দখলে ছিল
  3. ক” কোন বিষয় লুকানোর চেষ্টা করে
  4. ক” কর্তৃক পুলিশের নিকট প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
ক” কর্তৃক পুলিশের নিকট প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক” কর্তৃক পুলিশের নিকট প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
♦পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত কোন দোষস্বীকারোক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবেনা।
৫৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:

⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ

১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।

২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।

৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।

৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।

৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায়না।

৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।

৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
৫৫৬.
একজন ব্যক্তি আদালতে বললেন- “আমি ঐ লেখকের চিঠির উত্তর পেয়েছি, তাই তার লেখা চিনতে পারি।” এটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারার অধীনে প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৪৫
  2. ধারা ৪৬
  3. ধারা ৪৭
  4. ধারা ৪৭ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ অনুযায়ী-
যখন আদালতকে কারো লেখা বা স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন এমন ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক (relevant) বলে গণ্য হয়, যিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত।

ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে- যদি কেউ ঐ ব্যক্তির লেখা চিঠির উত্তরস্বরূপ কোনো চিঠি পেয়ে থাকে, তবে তিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে গণ্য হবেন।

অতএব, যে ব্যক্তি বলেন “আমি ঐ লেখকের চিঠির উত্তর পেয়েছি, তাই তার লেখা চিনতে পারি,” তার মতামত ধারা ৪৭-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ (হস্তলিপি সম্পর্কে মতামত):
যখন আদালতকে কোনো নথি কে লিখেছে বা স্বাক্ষর করেছে — সে বিষয়ে মতামত গঠন করতে হয়, তখন এমন কোনো ব্যক্তির মতামত, যিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত, এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক (Relevant) বলে গণ্য হবে।

অর্থাৎ- যে ব্যক্তি ঐ লেখকের লেখার ধরন বা স্বাক্ষরের সঙ্গে পরিচিত, তার মতামত আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

ব্যাখ্যা (Explanation): কোনো ব্যক্তি অন্য একজনের হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত (acquainted) বলে গণ্য হবে যদি সে ব্যক্তিকে নিজ চোখে লিখতে দেখেছে, অথবা সে ঐ ব্যক্তির লেখা চিঠির উত্তরস্বরূপ চিঠি পেয়েছে, যা সে নিজে বা তার কর্তৃত্বে লেখা এবং ঐ ব্যক্তির উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, অথবা  ব্যবসার সাধারণ নিয়মে, ঐ ব্যক্তির লেখা বলে ধারণা করা হয় এমন নথিপত্র নিয়মিতভাবে তার কাছে জমা দেওয়া হয় এবং সে সেগুলো দেখে অভ্যস্ত।

৫৫৭.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "Evidence" বলতে কী বোঝায়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. লিখিত সাক্ষ্য
  3. ফরেনসিক উপাদান
  4. উল্লিখিত সবগুলা
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন (Evidence Act), ধারা ৩ অনুযায়ী "Evidence" বা সাক্ষ্য বলতে বোঝানো হয়েছে তিনটি বিষয়কে:
(১) মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence): “all statements which the Court permits or requires to be made before it by witnesses, in relation to matters of fact under inquiry”
- অর্থাৎ: যেসব বক্তব্য আদালত সাক্ষীর মাধ্যমে গ্রহণ করে, তা মৌখিক সাক্ষ্য।
(২) লিখিত সাক্ষ্য বা নথিপত্র (Documentary Evidence): “all documents produced for the inspection of the Court”
- অর্থাৎ: মামলার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো কাগজপত্র বা নথি যা আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তা লিখিত সাক্ষ্য।
(৩) ফরেনসিক বা শারীরিক উপাদান (Physical or Forensic Evidence):  এই অংশটি একটি সংশোধনী (Amendment) দ্বারা যুক্ত হয়েছে এবং এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে: রক্ত, চুল, বীর্য, DNA, অঙ্গ বা তার অংশ, আঙুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের মণির ছাপ, পায়ের ছাপ ইত্যাদি এমন বস্তু যা অপরাধ প্রমাণে বা অপরাধী ও ভুক্তভোগীর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে সহায়ক।
- এদের বলা হয়: physical or forensic evidence.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী: "Evidence includes—
(1) all oral statements which the Court permits as testimony (oral evidence),
(2) all documents produced for inspection (documentary evidence), and
(3) forensic materials like DNA, fingerprints, etc."

⇒ সাক্ষ্য আইন অনুসারে, "Evidence" বলতে বোঝায়: মৌখিক সাক্ষ্য , লিখিত সাক্ষ্য, ফরেনসিক উপাদান। 
তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) উল্লিখিত সবগুলা।
৫৫৮.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অভিন্ন অভিপ্রায়ের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১২ ধারায়
  4. ১৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।
 
ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:

দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
 
Section 10-Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
৫৫৯.
What does Section 140 state about 'witnesses to character'?
  1. They cannot be cross-examined.
  2. They can only be examined once.
  3. They may be cross-examined and re-examined.
  4. They must provide character references in writing.
সঠিক উত্তর:
They may be cross-examined and re-examined.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They may be cross-examined and re-examined.
ব্যাখ্যা
Section 140- Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.

ধারা ১৪০: চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষী:
চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষীদের জেরা (cross-examination) এবং পুনরায় জেরা (re-examination) করা যেতে পারে। অর্থাৎ, যদি কোনো সাক্ষী কারো চরিত্রের পক্ষে বা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে সেই সাক্ষীকে জেরা এবং পুনরায় জেরা করার অধিকার দুই পক্ষেরই থাকে।
৫৬০.
The Evidence Act 1872 এর বিধান অনুসারে বিবাহ বিচ্ছেদের পর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী বা বিধবা স্ত্রী কত দিনের মধ্যে সন্তান প্রসব করলে পূর্বের স্বামীর বৈধ সন্তান হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২০৮ দিন
  2. ১৮০ দিন
  3. ২১০ দিন
  4. ২৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
২৮০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮০ দিন
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১১২ ধারা অনুসারে কোন বিবাহ  বজায়/বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে কোন নারী সন্তান প্রসব করলে তা পূর্বের স্বামীর  বৈধ সন্তান হিসেবে গণ্য হবে। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ।
৫৬১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬ অনুযায়ী, নিচের কোন ক্ষেত্রে নোটিশ দেওয়া প্রয়োজন নেই?
  1. যখন দলিলটি নিজেই একটি নোটিশ
  2. যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা হয়
  3. যখন বিরোধী পক্ষ জানে যে তাকে দলিল দেখাতে হবে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬৬ অনুযায়ী, গৌণ সাক্ষ্য (secondary evidence) গ্রহণযোগ্য করার জন্য সাধারণভাবে মূল দলিল যিনি দখলে রেখেছেন, তাকে পূর্বে "notice to produce" দিতে হয়।
তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে যেখানে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না, যেমন:
১.দলিলটি নিজেই একটি নোটিশ হলে
২.মামলার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রতিপক্ষ জানে যে দলিল চাওয়া হবে
৩.দলিল যদি আদালতেই থাকে বা বিরোধী পক্ষের কাছেই থাকে
- এই তিনটি অবস্থাতেই নোটিশ না দিয়েও গৌণ সাক্ষ্য উপস্থাপন করা আইনসম্মত ও গ্রহণযোগ্য, তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬-এর প্রোভাইসোতে দলিল উপস্থাপনের জন্য নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা থেকে ছয়টি নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম বা ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলোতে গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। নিচে ছয়টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র উল্লেখ করা হলো:
১) যখন প্রমাণ করার জন্য দলিলটি নিজেই একটি নোটিশ (When the document to be proved is itself a notice):
- যদি যে দলিলটি প্রমাণ করতে হবে তা নিজেই একটি নোটিশ হয়, তবে আলাদাভাবে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
২) যখন মামলার প্রকৃতি থেকে বিপক্ষীয় পক্ষ জানে যে তাকে দলিলটি উপস্থাপন করতে হবে (When, from the nature of the case, the adverse party must know that he will be required to produce it):
- যদি মামলার পরিস্থিতি এমন হয় যে বিপক্ষীয় পক্ষ স্বাভাবিকভাবেই বুঝতে পারে যে তাকে দলিলটি দেখাতে হবে, তবে নোটিশের প্রয়োজন হয় না।
৩) যখন দেখা যায় বা প্রমাণিত হয় যে বিপক্ষীয় পক্ষ জালিয়াতি বা জোর করে মূল দলিলটি দখল করেছে (When it appears or is proved that the adverse party has obtained possession of the original by fraud or force):
- যদি বিপক্ষীয় পক্ষ মূল দলিলটি প্রতারণা বা জোরপূর্বক দখল করে থাকে, তবে নোটিশ দেওয়ার দরকার নেই।
৪) যখন বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার এজেন্টের কাছে মূল দলিলটি আদালতে থাকে (When the adverse party or his agent has the original in Court):
- যদি মূল দলিলটি বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার প্রতিনিধির কাছে আদালতে উপস্থিত থাকে, তবে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
৫) যখন বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার এজেন্ট দলিলটি হারিয়ে গেছে বলে স্বীকার করে (When the adverse party or his agent has admitted the loss of the document):
- যদি বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার প্রতিনিধি স্বীকার করে যে মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে, তবে নোটিশের প্রয়োজনীয়তা বাদ যায়।
৬) যখন দলিলের দখলে থাকা ব্যক্তি আদালতের নাগালের বাইরে বা আদালতের প্রক্রিয়ার আওতাধীন নয় (When the person in possession of the document is out of reach of, or not subject to, the process of the Court):
- যদি যে ব্যক্তির কাছে দলিলটি আছে তিনি আদালতের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকেন বা আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় না পড়েন, তবে নোটিশ দেওয়া প্রয়োজন নেই।
৫৬২.
Under the Evidence Act, "Fact" means and includes-
  1. any mental condition of which any person is conscious.
  2. anything capable of being perceived by the senses;
  3. A & B
  4. None of the above.
সঠিক উত্তর:
A & B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A & B
ব্যাখ্যা
⇒ "Fact" means and includes-

(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;

(2) any mental condition of which any person is conscious.

⇒ ঘটনা (Fact): 'ঘটনা' এর অর্থ -

১। কোন কিছু, কোন কিছুর অবস্থা বা কোন কিছুর সম্পর্ক, যা ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভবযোগ্য।

২। কোন মানসিক অবস্থা, যে সম্পর্কে কোন ব্যক্তি সচেতন।
৫৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান হলো-
  1. ঘটনা সম্পর্কিত অনুমান
  2. অখণ্ডননযোগ্য আইনগত অনুমান
  3. খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
  4. আইন ও ঘটনার মিশ্র অনুমান
সঠিক উত্তর:
খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারার অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ। ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান চূড়ান্ত প্রমাণ হলেও এটা খণ্ডনযোগ্য আইনসম্পর্কিত অনুমান। যেমন কোন সন্তানের পিতা ও মাতার মধ্যে বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন সময়ে উক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ করে থাকলে ১১২ ধারার অধীন আইনসম্পর্কিত অনুমান হলো উক্ত সন্তানটি বৈধ এবং এই অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ কিন্তু খণ্ডনযোগ্য।
৫৬৪.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে সরকারি ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড কী ধরনের দলিল?
  1. গোপন দলিল
  2. সরকারি দলিল
  3. অস্থায়ী দলিল
  4. ব্যক্তিগত দলিল
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪(১)(ii) অনুসারে, সরকারি ট্রাইব্যুনালের (official bodies and tribunals) কার্যাবলির রেকর্ড সরকারি দলিল (public documents) হিসেবে গণ্য হয়। এই দলিলগুলো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা বা অফিসিয়াল বডিজের অ্যাক্টস বা রেকর্ডসের অংশ, যা প্রমাণ হিসেবে সহজে গ্রহণযোগ্য এবং সেকেন্ডারি এভিডেন্সের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

৫৬৫.
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যক্তি ও তার আইনজীবীর মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  2. ব্যক্তি ও তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  3. ব্যক্তি ও তার স্বামী/স্ত্রীর মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  4. ব্যক্তি ও তদন্তকারী কর্মকর্তার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি ও তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি ও তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:
কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সে ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান-প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।

Section 129: Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.
৫৬৬.
"Testes ponderantur, non numerantur" এই নীতি সাক্ষ্য আইনের নিম্নের কোন ধারার বিষয়বস্তুর সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ২৫ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ১১০ ধারা
  4. ১৩৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

Section 134: Number of witnesses-
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

অপরদিকে,
"Testes ponderantur, non numerantur" একটি ল্যাটিন বাক্যাংশ যার বাংলা অর্থ হল: "সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়।"
এই বাক্যাংশটি প্রাচীন রোমান আইনের একটি নীতি থেকে উদ্ভূত। এটি সাক্ষীদের গুণগত মূল্যায়নের গুরুত্বকে তুলে ধরে। এর তাৎপর্য হল, একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সময় সাক্ষীদের গুণগত মান এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই বিবেচনা করা উচিত, তাদের সংখ্যাকে নয়। অর্থাৎ, আদালতে শুধুমাত্র অনেকগুলো সাক্ষীকে উপস্থিত করলেই চলবে না, বরং প্রত্যেক সাক্ষীর সাক্ষ্যের গুরুত্ব, যথার্থতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একজন সত্যবাদী এবং বিশ্বস্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য অনেক সাক্ষীর থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই বলা যায়, "Testes ponderantur, non numerantur" এই নীতি সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট।
৫৬৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩ মূলত কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. অপরাধের উদ্দেশ্য প্রমাণ
  2. অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব প্রমাণ
  3. সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ধারণ
  4. দণ্ডযোগ্য অপরাধের স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩ বলছে: “Where the question is as to the existence of any right or custom, the following facts are relevant…”
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলায় অধিকার (right) বা প্রথা (custom)-এর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে যেসব ঘটনা ওই অধিকার বা প্রথার সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তন, স্বীকৃতি, প্রয়োগ বা বিরোধিতার সঙ্গে সম্পর্কিত—সেসব ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক (relevant) বিবেচনা করা হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩-এ অধিকার বা প্রথা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যেসকল ক্ষেত্রে কোনো অধিকার বা প্রথা সংক্রান্ত বিষয় প্রমাণিত হওয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ প্রাসঙ্গিক হবে:
১) যেকোনো লেনদেন বা কার্যক্রম যা ওই অধিকার বা প্রথার সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তন, স্বীকৃতি বা বিরোধিতা করার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক হবে।
২) কোনো অধিকার বা প্রথার প্রয়োগ বা বিরোধিতা সংক্রান্ত বিশেষ ঘটনা, যা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, সেটিও প্রাসঙ্গিক।
এটি মূলত অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব বা তার প্রয়োগের ইতিহাস প্রমাণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
এবং ধারা ১০, ধারা ৭, বা ধারা ১২ এসবের মধ্যে কোনোটি অধিকার বা প্রথার প্রমাণের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-13. Facts relevant when right or custom is in question:
Where the question is as to the existence of any right of custom, the following facts are relevant:–
(a) any transaction by which the right or custom in question was created, claimed, modified, recognized, asserted or denied, or which was inconsistent with its existence;
(b) particular instances in which the right or custom was claimed, recognized or exercised, or in which its exercise was disputed, asserted or departed from.
৫৬৮.
কয় প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যায়?
  1. তিন প্রকার
  2. দুই প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
দুই প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই প্রকার
ব্যাখ্যা
দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দলিলের বিষয়বস্তু দুই প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় -
১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং
২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
 
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 61⇒ Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
৫৬৯.
নিচের কোনটি আদালত জুডিসিয়াল নোটিশে নিতে পারে না?
  1. বাংলাদেশের আইন
  2. বাংলাদেশের সীমানা
  3. আদালতের সীল
  4. বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় যে সকল বিষয়ে আদালত প্রমাণ ছাড়াই নিজ নোটিশে নিবেন তাঁর তালিকা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতি এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫৭০.
ব্রিটিশ আমলে Evidence সম্পর্কিত আইন সংকলনের প্রথম প্রচেষ্টা কবে হয়?
  1. ১৮৩৫ সালে
  2. ১৮৫৭ সালে
  3. ১৮৬৮ সালে
  4. ১৮৩৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৩৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩৫ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ ব্রিটিশ আমলে ভারতে সাক্ষ্য আইনের (Law of Evidence) কোডিফিকেশনের প্রথম উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা হিসেবে ১৮৩৫ সালে একটি আইন পাস করা হয়েছিল। এই আইনটি ছিল সাক্ষ্য আইনের নিয়মাবলীকে সুসংগঠিত করার প্রাথমিক প্রয়াস। তবে, এই আইন এবং পরবর্তী সময়ে ১৮৩৫ থেকে ১৮৫৩ সালের মধ্যে প্রণীত প্রায় এগারোটি আইন অপর্যাপ্ত এবং ভারতীয় প্রেক্ষাপটের জন্য উপযুক্ত নয় বলে বিবেচিত হয়েছিল।

- ব্রিটিশ ভারতে প্রেসিডেন্সি আদালতগুলো (বোম্বাই, মাদ্রাস এবং কলকাতায়) ইংরেজি সাক্ষ্য আইনের নিয়ম অনুসরণ করত, কিন্তু মফস্সিল আদালতগুলোতে (প্রেসিডেন্সি শহরের বাইরের আদালত) সাক্ষ্য আইনের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না। এর ফলে মফস্সিল আদালতগুলোতে সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে অবাধ স্বাধীনতা ছিল, যা বিচার প্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল। এই বিশৃঙ্খলা দূর করার জন্য সাক্ষ্য আইনের কোডিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

- ১৮৩৫ সালের আইনটি ছিল এই দিকে প্রথম পদক্ষেপ। তবে, এটি ভারতীয় প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ কার্যকর ছিল না। পরবর্তীতে, ১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি মেনের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়, যার খসড়াও ভারতীয় পরিস্থিতির জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়নি। অবশেষে, ১৮৭০ সালে স্যার জেমস ফিটজ জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের কোডিফিকেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি একটি খসড়া তৈরি করেন, যা হাইকোর্ট, বারের সদস্য এবং সিলেক্ট কমিটির মতামতের ভিত্তিতে পরিমার্জন করা হয়। এই খসড়ার ভিত্তিতেই ১৮৭২ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সাক্ষ্য আইন (Indian Evidence Act, 1872) কার্যকর হয়।

অর্থাৎ ১৮৩৫ সালে সাক্ষ্য আইনটি ছিল ব্রিটিশ আমলে সাক্ষ্য আইনের প্রথম কোডিফিকেশন প্রয়াস, যদিও এটি পরবর্তীতে অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হয়। এটি শেষ পর্যন্ত ১৮৭২ সালে ভারতীয় সাক্ষ্য আইনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ এবং কার্যকর কোডিফিকেশনে পরিণত হয়।

There was a dire necessity for the codification of the rules of law. In 1835 the first attempt was made to codify the rules of evidence by passing the Act, 1835. Between 1835 and 1853 about eleven enactments were passed dealing with the law of evidence. But all these enactments were found inadequate.



তথ্যসূত্র: HISTORICAL BACKGROUND OF THE INDIAN EVIDENCE ACT, 1872 by Vepa P. Sarathi. [লিঙ্ক]

৫৭১.
আইনে যদি কোন দলিল প্রত্যয়ন (Attested) করার বিধান থাকে, তবে উহা প্রমাণে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসরণ করতে হবে?
  1. ৬৮
  2. ৬৯
  3. ৭০
  4. ৭১
সঠিক উত্তর:
৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:

যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৫৭২.
The Evidence Act, 1872 এর ৬৪ ধারার বিধান অনুসারে-
  1. দলিলসমূহ অবশ্যই গৌণ সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
  2. দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
  3. দলিলসমূহ অবশ্যই মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
  4. দলিলসমূহ অবশ্যই পরোক্ষ সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর:
দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৪ ধারা- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ: 
এই আইনে অতঃপর যে সকল ব্যতিক্রমের উল্লেখ করা হইয়াছে উহা ভিন্ন অন্য সকল ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করিতে হইবে।

Section 64- Proof of documents by primary evidence:
Documents must be proved by primary evidence except in the cases hereinafter mentioned.
৫৭৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারাসমূহের মধ্যে সাক্ষ্য এবং সাক্ষীর ক্রম কোনটি?
  1. যথাক্রমে ১৩৮ ও ১৩৫
  2. যথাক্রমে ১৩৭ ও ১৩৫
  3. যথাক্রমে ১৩৮ ও ১৩৬
  4. যথাক্রমে ১৩৭ ও ১৩৪
সঠিক উত্তর:
যথাক্রমে ১৩৮ ও ১৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাক্রমে ১৩৮ ও ১৩৫
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা সমূহের মধ্যে ১৩৫ ধারায় সাক্ষীর ক্রম ও ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্যের ক্রম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
৫৭৪.
ধারা ৪৫ক (১) অনুসারে, বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর প্রতিবেদন কাকে প্রদান করতে হয়?
  1. কেবল আদালতকে
  2. কেবল মামলার বাদীকে
  3. কেবল আসামিকে
  4. সকল পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
সকল পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল পক্ষকে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক: বিশেষজ্ঞের মতামত শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে:
(১) আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যতক্ষণ না তার প্রতিবেদনটি (উপ-ধারা ২ অনুযায়ী) সমস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়।

(২) বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হবে এবং কোনো পক্ষের পক্ষে নয়, এবং বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হচ্ছে আদালতকে সাহায্য করা।

৫৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৪ কোন বিশেষ ধরনের সাক্ষীর সাথে সম্পর্কিত?
  1. বোবা সাক্ষী
  2. বৈরী সাক্ষী
  3. নাবালক সাক্ষী
  4. বিশেষজ্ঞ সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
বৈরী সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈরী সাক্ষী
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৪ বিশেষভাবে বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) এর সাথে সম্পর্কিত।
- ধারা ১৫৪ অনুসারে, আদালত যখন দেখে যে, একজন সাক্ষী নিজের পক্ষের বিপরীতে বা বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তখন তাকে বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) বলা হয়। সাধারণত, একটি পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না, কারণ সাক্ষী ওই পক্ষের পক্ষেই সাক্ষ্য দেবে। তবে, যদি সাক্ষী বিরুদ্ধ অবস্থান নেয় বা সত্য গোপন করতে থাকে, তখন আদালত অনুমতি দেয় সেই পক্ষকে তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করার জন্য, যা সাধারণত প্রতিপক্ষ করে থাকে।
- এই বিধানটি বৈরী সাক্ষী সম্পর্কিত এবং ধারা ১৫৪ অনুযায়ী, আদালত তার বিচারিক বিবেচনায় অনুমতি দেয় যে, সাক্ষীকে জেরা করার জন্য।
- সঠিক উত্তর: খ) বৈরী সাক্ষী। 

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 154. Question by party to his own witness:
 - The Court may, in its discretion, permit the person who calls a witness to put any questions to him which might be put in cross-examination by the adverse party.

৫৭৬.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর কত ধারা অনুযায়ী শোনা সাক্ষ্য ( Hearsay Evidence) সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য না?
  1. ধারা ৫৯
  2. ধারা ৬০
  3. ধারা ৬১
  4. ধারা ৬২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬০
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অথাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
৫৭৭.
পুলিশ 'ক' কে অবৈধ মাদক আমদানির জন্য গ্রেফতার করে। 'ক' পুলিশের নিকট বলে যে, তার উত্তরার বাড়িতে আরও ১০ বস্তা মাদক আছে। পুলিশ 'ক' এর বাড়ি তল্লাশী করে ১০ বস্তা মাদক উদ্ধার করে। এই ক্ষেত্রে ক-এর স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে-
  1. অপ্রাসঙ্গিক হবে
  2. প্রাসঙ্গিক হবে
  3. আদলতে গ্রহণযোগ্য হবে না
  4. আংশিক প্রাসঙ্গিক ও আংশিক অপ্রাসঙ্গিক হবে
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।


⇒ ধারাঃ-২৫। পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদান করা স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা হবে নাঃ- পুলিশ কর্মকর্তার নিকট অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি দেয় স্বীকার করে থাকলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।
⇒ পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি- সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারামতে পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) অগ্রহনযোগ্য হবে, তবে সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারামতে পুলিশের নিকট আসামীর প্রদত্ত confession বা তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত উদ্ধার হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
---------------
How much of information received from accused may be proved:
Section 27. Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
৫৭৮.
আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা-
  1. বেআইনী হবে
  2. বেআইনী হবে না
  3. বাতিল হবে
  4. পর্যালোচনা করা হবে
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৫৭৯.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় কয় শ্রেণীর দলিলকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ২ শ্রেণীর 
  2. ৩ শ্রেণীর 
  3. ৪ শ্রেণীর 
  4. ৫ শ্রেণীর 
সঠিক উত্তর:
৫ শ্রেণীর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ শ্রেণীর 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ,৬৩ ধারায় ৫ শ্রেণীর দলিলকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সাক্ষ্যআইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি
আদালতে উপস্থাপন করার মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ধারা ৬৩, মাধ্যমিক সাক্ষ্য: মাধ্যমিক বলিতে নিম্নলিখিতগুলিকে বুঝায়:
(১) এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুযায়ী প্রদত্ত জাবেদা নকল।
(২) মুল দলিল হইতে এইরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত করা নকল যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল।
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা কিংবা দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল।
(৪) কোনো দলিলের প্রতিলিপি, যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে।
(৫) যে লোক কোনো দলিল দেখাইয়াছে, তাহার দেওয়া ঐ দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ ।
-------------------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 63, Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.

৫৮০.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৪৫ অনুসারে একজন সাক্ষীকে পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরার উদ্দেশ্য হলো এর _______।
  1. বৈপরীত্য প্রমাণ
  2. সমর্থন
  3. গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করা
  4. সত্যতা প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
বৈপরীত্য প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈপরীত্য প্রমাণ
ব্যাখ্যা
 ধারা: ১৪৫ মতে পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা: : কোন সাক্ষী কর্তৃক পূর্বে প্রদত্ত লিখিত বিবৃতি অথবা তার করা পূর্বে প্রদত্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ হয়ে থাকলে, তা যদি বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উক্ত লেখা তাকে না দেখিয়ে অথবা তা প্রমাণ না করেও সেই সম্পর্কে সেই সাক্ষীকে জেরা করা যেতে পারে।

তবে যদি এরকম ইচ্ছা করা হয় যে, ঐ লেখা দ্বারা সাক্ষীর কথার বৈপরীত্য প্রদর্শিত হবে তাহলে ঐ লেখা প্রমাণের পূর্বে সাক্ষীর কথার যে অংশ বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হবে, সেই অংশের প্রতি সাক্ষীর দৃষ্টি অবশ্যই আকর্ষণ করতে হবে।
৫৮১.
সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে জেরায় কয় ধরণের প্রশ্ন বৈধ করা হয়ছে?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-১৪৬: জেরায় আইনসঙ্গত প্রশ্ন: যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রশ্নসমূহ ছাড়াও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা দ্বারা:

১) তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়।

২) তার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা

৩) তার চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও এরূপ প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সাথে জড়িত হতে পারে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।

তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায়, দফা (৩) এর অধীনে ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না:

আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।

⇒অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারা অনুযায়ী জেরায় ৩ ধরনের প্রশ্ন বৈধ বা আইনসম্মত।
৫৮২.
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে কয় ধরনের সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. এক ধরনের
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যায় দুই ধরনের সাক্ষ্য দ্বারা—
১) প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence)
২) গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence)
- সঠিক উত্তর: ক) দুই ধরনের।

→ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হচ্ছে মূল দলিল, যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। অন্যদিকে, মাধ্যমিক সাক্ষ্য তখন ব্যবহার করা হয় যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, এবং তখন তার প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary Evidence):
দালিলিক সাক্ষ্য বলতে আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয়, তা বোঝানো হয়। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে, দলিলের বিষয়বস্তু দুই প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে:
১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং
২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য এর মাধ্যমে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 61 - Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.

৫৮৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬ অনুযায়ী, যদি বিপক্ষীয় পক্ষ মূল দলিলটি জালিয়াতি বা জোর করে দখল করে, তবে কী হবে?
  1. নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক
  2. মূল দলিল উপস্থাপন করতে হবে
  3. নোটিশ ছাড়াই গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য
  4. কোনো সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
নোটিশ ছাড়াই গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ ছাড়াই গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬৬ অনুযায়ী:
যদি বিপক্ষীয় পক্ষ মূল দলিলটি জালিয়াতি বা জোর করে দখল করে থাকে, তবে সেই ক্ষেত্রে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
এর মানে, গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যতটুকু প্রয়োজন মূল দলিলের অস্তিত্ব বা বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬ অনুযায়ী, দলিলের গৌণ সাক্ষ্য দেওয়ার আগে সাধারণত যে পক্ষের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে মূল দলিলটি আছে, তাকে নোটিশ দিতে হয়। তবে, প্রোভাইসোতে ছয়টি ব্যতিক্রম উল্লেখ আছে, যেখানে নোটিশের প্রয়োজন হয় না। এর মধ্যে তৃতীয় ব্যতিক্রমটি হলো:
"When it appears or is proved that the adverse party has obtained possession of the original by fraud or force."
অর্থাৎ, যদি দেখা যায় বা প্রমাণিত হয় যে বিপক্ষীয় পক্ষ (adverse party) মূল দলিলটি জালিয়াতি বা জোর করে দখল করেছে, তবে গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
৫৮৪.
বিগত _______ বৎসরের মধ্যে যে লোক জীবিত ছিল সে লোককে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
  1. ৭ বৎসরের
  2. ১২ বৎসরের
  3. ২০ বৎসরের
  4. ৩০ বৎসরের
সঠিক উত্তর:
৩০ বৎসরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বৎসরের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
⇒ অন্যদিকে ১০৮ ধারা অনুযায়ী ৭ বৎসর যাবৎ খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবী করে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে।
-----------
⇒  Section 107 Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:  When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
⇒  Section 108 Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years: Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৫৮৫.
একজন ব্যক্তি কিসের কারণে সাক্ষ্য দিতে অযোগ্য হতে পারেন?
  1. একজন শিশু
  2. একজন শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি
  3. বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
  4. বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১১৮ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দানে যোগ্য কিনা সেটা নির্ভর করে, তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সে সক্ষম কিনা, বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম অল্প বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত এবং বোবা ব্যক্তি ১১৯ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দানে যোগ্য। । বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের উপযুক্ত না। কিন্তু কোন ব্যক্তি বয়স্ক হওয়ার পরও যদি তার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে সেও সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত।

অর্থাৎ বার্ধক্যের কারণে যিনি প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম, তিনি সাক্ষ্য প্রদান করতে উপযুক্ত নন। তবে, একজন শিশু, শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি বা মানসিকভাবে বিকৃত ব্যক্তি, যদি আদালতের মতে তারা প্রশ্ন বুঝতে এবং যৌক্তিক উত্তর দিতে সক্ষম হন, তবে তারা সাক্ষ্য দিতে সক্ষম বা যোগ্য সাক্ষী।
-------------------
⇒ The Evidence Act, Section-118. Who may testify:
- All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 
Explanation.–A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
৫৮৬.
ধারা ৫৪ প্রযোজ্য হবে না কোন ক্ষেত্রে?
  1. ভালো চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
  2. খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
  3. সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হলে
  4. ভালো বা খারাপ যেকোনো চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
সঠিক উত্তর:
খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪:
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক, যদি না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ দেওয়া হয়, যার ফলে তার খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।

৫৮৭.
Nemo debet bis vexari নীতির সাথে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা সম্পর্কিত?
  1. ৩২ ধারা
  2. ৪০ ধারা
  3. ৪৫ ধারা
  4. ৪৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
• "Nemo Debet Bis Vexari" অর্থ হলো:
"No man should be vexed twice" অর্থাৎ একই অপরাধের জন্য কাউকে দুবার বিচার করা যাবে না বা দুইবার সাজা দেওয়া যাবে না: এটাই Doctrine of Double Jeopardy.

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata;
ii) Double Jeopardy.

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান:
দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৫৮৮.
পুলিশের কাছে দোষ স্বীকার করলে ২৫ ধারা অনুযায়ী তা সাক্ষ্য হিসেবে _______
  1. গ্রহণযোগ্য হবে
  2. গ্রহণযোগ্য হবে না
  3. আংশিক গ্রহনযোগ্য হবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী কেউ যদি পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করে  তাহলে তা গ্রহনযোগ্য হবে না বরং এটি CRPC-১৬১ ধারার সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হবে। কেননা পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করা হয় না বরং CRPC -১৬৪ ধারা মতে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার করা হয়।
৫৮৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৮ অনুযায়ী, কী তথ্য প্রমাণ করা যেতে পারে?
  1. অপরাধের স্থান
  2. সাক্ষীর যোগ্যতা
  3. সাক্ষীর অসংগতি
  4. অপরাধের সঠিক সময়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর অসংগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর অসংগতি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৮ (Section 158 of the Evidence Act, 1872) অনুযায়ী, যখন ধারা ৩২ বা ৩৩ এর অধীন কোনো বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হিসেবে প্রমাণ করা হয়, তখন—
- নিম্নলিখিত বিষয়গুলো প্রমাণ করা যেতে পারে:
১) উক্ত বিবৃতিকে খণ্ডন (contradict) করার জন্য,
২) উক্ত বিবৃতিকে সমর্থন (corroborate) করার জন্য,
৩) বিবৃতি প্রদানকারী ব্যক্তির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করা (impeach) অথবা সমর্থন করা (confirm) —
যা করা যেত যদি সে ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে হাজির হয়ে জেরা চলাকালে উক্ত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করত।
অর্থাৎ, ধারা ১৫৮ মূলত যেসব তথ্য সাক্ষীর বক্তব্যের অসঙ্গতি দেখাতে বা তার বক্তব্য সমর্থন করতে সহায়ক, সেগুলো প্রমাণযোগ্য করে তোলে।

উদাহরণস্বরূপ:
- যদি কেউ মৃত্যুশয্যায় দেওয়া কোনো বিবৃতি (ধারা ৩২) প্রমাণ করে, তবে প্রতিপক্ষ চাইলে সেই ব্যক্তির পূর্বের বিপরীত বক্তব্য, অসঙ্গত তথ্য, অথবা তার চরিত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রমাণ দিতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৮ সাক্ষীর দেওয়া পূর্ব বিবৃতি প্রমাণ করার মাধ্যমে তার বক্তব্যের অসঙ্গতি, খণ্ডন বা সমর্থন করার সুযোগ দেয়।
তাই উত্তর: "সাক্ষীর অসংগতি" (গ) সঠিক, কারণ ধারা ১৫৮ মূলত সে রকম তথ্য প্রমাণের সুযোগ দেয়।

⇒ The Evidence Act, 1872 Section- 158. What matters may be proved in connection with proved statement relevant under section 32 or 33: 
Whenever any statement, relevant under section 32 or 33, is proved, all matters may be proved either in order to contradict or to corroborate it, or in order to impeach or confirm the credit of the person by whom it was made, which might have been proved if that person had been called as a witness and had denied upon cross-examination the truth of the matter suggested.
৫৯০.
বিশারদের মতামত আদালতের উপর-
  1. বাধ্যকর
  2. বিবেচনামূলক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু বিশারদের দায়িত্ব হলো মতামত দেওয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা না এবং বিশারদের দায়িত্ব হলো প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত দিয়ে আদালতকে কোন সিদ্ধান্ত উপনীত হতে সক্ষম করে তোলা। এই মতামত আদালতের উপর কোন বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে না।
৫৯১.
বিগত _______ বৎসরের মধ্যে যে লোক জীবিত ছিল সে লোককে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
  1. ১২
  2. ৩০
  3. ১৫
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
⇒ অন্যদিকে ১০৮ ধারা অনুযায়ী ৭ বৎসর যাবৎ খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবী করে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে।
-----------
⇒  Section 107: Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:  When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
⇒  Section 108 Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years: Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৫৯২.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য" এর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. রক্ত, বীর্য, চুল
  2. ডিএনএ, আঙুলের ছাপ
  3. ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক
  4. আইরিস ইমপ্রেশন, পায়ের ছাপ
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য" (Physical or Forensic Evidence) বলতে এমন উপাদান বা বস্তু বোঝায় যা রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, আইরিস ইমপ্রেশন, শরীরের উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ ইত্যাদি, যা কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।
- ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (ডিভিডি) একটি ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ধারা ৩-এর অধীনে "দলিলি সাক্ষ্য" (Documentary Evidence) হিসেবে গণ্য, কিন্তু ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।

- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) রক্ত, বীর্য, চুল: এগুলো ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ, কারণ এগুলো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
খ) ডিএনএ, আঙুলের ছাপ: এগুলো ফরেনসিক সাক্ষ্যের সুস্পষ্ট উদাহরণ।
ঘ) আইরিস ইমপ্রেশন, পায়ের ছাপ: এগুলোও ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ, কারণ এগুলো অপরাধী বা অপরাধের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act,1872, Section-3(3) all materials or objects relating to blood, semen, hair, all body material, organ or part of organ, Deoxyribo Nucleic Acid (DNA), finger impression, palm impression, iris impression and foot print or any other similar material or object which may- (i) establish that an offence has been committed or establish a link or relation between an offence and its victim or an offence and its offender; and
(ii) prove or disprove a fact:
such materials or objects are called physical or forensic evidence.]

⇒ [“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)]

৫৯৩.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে সাক্ষীকে যে পক্ষ আদালতে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তাকে কী বলে?
  1. জেরা
  2. জবানবন্দি
  3. পুনঃজেরা
  4. ক এবং খ উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৭ অনুযায়ী: যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তাকে জবানবন্দি বা Examination-in-chief বলে।
- অন্যদিকে, বিরোধী পক্ষের প্রশ্নকে জেরা (Cross-examination) বলে।
- জেরার পর আবার হাজিরকারী পক্ষের প্রশ্নকে পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

৫৯৪.
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without-
  1. the consent of the other party.
  2. the order of the Court.
  3. the consent of the other party and the order of the Court.
  4. the consent of the other party or the order of the Court.
সঠিক উত্তর:
the consent of the other party or the order of the Court.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the consent of the other party or the order of the Court.
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না।
অর্থাৎ অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।
এখানে  অপশন গ তে 'the consent of the other party and the order of the Court.' অপর পক্ষ এবং আদালত দুইজনের অনুমতি নেয়ার কথা বলা হয়নি, যে কোন একজনের অনুমতি থাকলেই হবে।
এই জন্য অপশন ঘ 'the consent of the other party or the order of the Court.' সঠিক।
----------------
The Evidence Act 1872, Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
-When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.

Illustration
A sues B on an agreement and gives B notice to produce it. At the trail A calls for the document and B refuses to produce it. A gives secondary evidence of its contents. B seeks to produce the document itself to contradict the secondary evidence given by A, or in order to show that the agreement is not stamped. He cannot do so.
৫৯৫.
The Evidence Act, 1872 এ Admission সম্পর্কে বলা হয়েছে ______ধারায়?
  1. ১৭ থেকে ৩২
  2. ১৭ থেকে ৩১
  3. ১৭ থেকে ৩৩
  4. ১৬ থেকে ৩১
সঠিক উত্তর:
১৭ থেকে ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ থেকে ৩১
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারামতে মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি যা মামলার বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তের সূচনা করে,তাকে স্বীকৃতি বা admission বলে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারা এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান রয়েছে।
♦স্বীকৃতির প্রকারভেদ- স্বীকৃতি সাধারনত ২ প্রকার। যথা-
i) মৌখিক স্বীকৃতি (oral admission); এবং
ii) লিখিত স্বীকৃতি (written admission)।
৫৯৬.
সাক্ষ্য আইনের ৫০ ধারায় কোন বিষয়ে অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. হাতের লেখা
  2. আত্মীয়তার সম্পর্ক
  3. প্রথা বা রীতিনীতি
  4. ডিজিটাল স্বাক্ষর
সঠিক উত্তর:
আত্মীয়তার সম্পর্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মীয়তার সম্পর্ক
ব্যাখ্যা

ধারা ৫০- সম্পর্ক বিষয়ক মতামত কখন প্রাসঙ্গিক:
যখন আদালতকে একজন ব্যক্তির সঙ্গে অন্যজনের সম্পর্ক (যেমন— স্বামী–স্ত্রী, পিতা–পুত্র, ভাই–বোন ইত্যাদি) সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন এমন ব্যক্তির আচরণ দ্বারা প্রকাশিত মতামত (opinion expressed by conduct) প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে,
যিনি পরিবারের সদস্য বা অন্যভাবে ঐ সম্পর্ক বিষয়ে বিশেষ জ্ঞানের অধিকারী।

তবে এই মতামত, Divorce Act-এর অধীনে বিবাহ সংক্রান্ত মামলা, অথবা দণ্ডবিধির ধারা ৪৯৪, ৪৯৫, ৪৯৭, বা ৪৯৮ (প্রতারণামূলক বিবাহ, ব্যভিচার ইত্যাদি অপরাধ)–এর মামলায় বিবাহ প্রমাণের একমাত্র ভিত্তি হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) প্রশ্ন হলো- “A ও B কি বিবাহিত?”
যদি দেখা যায় যে A ও B-কে সমাজে সবাই স্বামী–স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ ও আচরণ করেছে, তাহলে এই তথ্য প্রাসঙ্গিক (relevant)।

(খ) প্রশ্ন হলো- “A কি B-এর বৈধ পুত্র?”
যদি দেখা যায় যে পরিবারের সদস্যরা সর্বদা A-কে B-এর বৈধ সন্তান হিসেবে আচরণ করেছে, তাহলে সেটিও প্রাসঙ্গিক তথ্য।

৫৯৭.
সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায় সরকারি দায়িত্বে প্রস্তুতকৃত রেকর্ড কী হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. চূড়ান্ত সত্য
  2. প্রাসঙ্গিক তথ্য
  3. অনুমানমূলক তথ্য
  4. অবিশ্বাস্য প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক তথ্য
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫- সরকারি বা সরকারি দায়িত্বে প্রস্তুতকৃত রেকর্ডের প্রাসঙ্গিকতা:
যে কোনো সরকারি বা অন্যান্য অফিসিয়াল বই, রেজিস্টার বা রেকর্ড (বা ডিজিটাল রেকর্ড)–এ  যদি কোনো বিতর্কিত বা প্রাসঙ্গিক ঘটনা (fact in issue or relevant fact) সম্পর্কিত তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে, এবং তা- কোনো সরকারি কর্মচারী (public servant) তার সরকারি দায়িত্ব পালনের সময়, অথবা আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট দায়িত্বে থাকা অন্য কোনো ব্যক্তি, দ্বারা তৈরি বা রেকর্ড করা হয়ে থাকে, তাহলে সেই রেকর্ড নিজেই প্রাসঙ্গিক তথ্য (relevant fact) হিসেবে গণ্য হবে।

৫৯৮.
অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রাহ্য বা অগ্রাহ্য করা হলে তজ্জন্য নতুন করে বিচার হবে না এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১৬৭ ধারায়
  2. ১০৬ ধারায়  
  3. ১৫৭ ধারায়
  4. ১৬৫ ধারায় 
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন ১৬৭ ধারার বিধান অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রাহ্য বা অগ্রাহ্য করা হইলে এই জন্য নতুন করিয়া বিচার হইবে না।

♦ সাক্ষ্যের অবৈধ গ্রহণ বা বর্জন হইয়া থাকিলে যে আদালতে উহার বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়, সেই আদালত যদি মনে করেন যে, যে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে ও তাহার বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হইয়াছে, সেই সাক্ষ্য ব্যতীতও এমন সাক্ষ্য প্রমাণ আছে যদ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তে ন্যায্যতা প্ৰতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হইয়াছে, তাহা গ্রাহ্য করা হইলেও আদালতের সিদ্ধান্তের কোন তারতম্য হইত না তবে, কেবলমাত্র অন্যয়রূপে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করিবার অজুহাতেই কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাইবে না।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রাহ্য বা অগ্রাহ্য করা হলে এর জন্য নতুন করে বিচার হবেনা।
৫৯৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিচারক কোন সাক্ষীকে কোন প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. ধারা ১৫৩
  2. ধারা ১৫৫
  3. ধারা ১৬৫
  4. ধারা ১৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আছে- বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদ্ঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

♦ তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

♦ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
৬০০.
একজন মৃত ব্যক্তির উইলে বা পারিবারিক দলিলে লিখিত বক্তব্য সাক্ষ্য আইনের কোন উপ-ধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৩২(৫)
  2. ধারা ৩২(৬)
  3. ধারা ৩২(৭)
  4. ধারা ৩২(৮)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(৬)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(৬)-এ স্পষ্টভাবে বিধান করা হয়েছে যে, মৃত ব্যক্তির উইল বা পারিবারিক বিষয়ক দলিলে (will or deed relating to family affairs) লিখিত বক্তব্য প্রাসঙ্গিক হিসেবে গৃহীত হবে। এটি পারিবারিক সম্পর্ক, সম্পত্তি বণ্টন বা অনুরূপ বিষয়ে প্রমাণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

অন্য অপশনগুলো:
ক) ধারা ৩২(৫) → আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বক্তব্য (relates to existence of relationship)।
গ) ধারা ৩২(৭) → ধারা ১৩(ক)-এ উল্লিখিত লেনদেন সম্পর্কিত দলিলে বক্তব্য।
ঘ) ধারা ৩২(৮) → একাধিক ব্যক্তির অনুভূতি প্রকাশকারী বক্তব্য।
সুতরাং, মৃত ব্যক্তির উইল বা পারিবারিক দলিলে লিখিত বক্তব্য সরাসরি ধারা ৩২(৬) এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
(6) or is made in will or deed relating to family affairs;
When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.
------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question