বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Evidence Act, 1872

মোট প্রশ্ন১,৬৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Evidence Act, 1872

PrepBank · পাতা / ১৭ · ৪০১৫০০ / ১,৬৬৪

৪০১.
'ক', 'খ' কে হত্যা করেছে। এই হত্যাকাণ্ড সকলের অগোচরে হলেও, 'গ' তার অবস্থান থেকে গুলির শব্দ এবং 'খ'- এর আর্তনাদ শুনতে পেয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে 'গ' রক্তের দাগ ও বন্দুক দেখতে পেয়েছে। এক্ষেত্রে 'গ' যদি সাক্ষ্য দেয়, তবে তার সাক্ষ্য-
  1. গ্রহণযোগ্য হবে না
  2. শোনা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
  3. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
  4. অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
এখানে 'গ' যদি সাক্ষ্য দেয়, তবে তার সাক্ষ্য অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

অবস্থাগত সাক্ষ্য (Circumstantial Evidence) হল এমন প্রকার প্রমাণ বা সাক্ষ্য যা প্রত্যক্ষভাবে কোনো ঘটনাকে প্রমাণিত না করলেও পরোক্ষভাবে সেই ঘটনার অস্তিত্বকে ইঙ্গিত করে।

উদাহরণ:
আলাদা বস্তু: যেমন রক্তাক্ত কাপড়, অস্ত্র, গাড়ির ট্র্যাক মার্ক ইত্যাদি যা ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়।
আচরণগত সাক্ষ্য: অপরাধীর সন্দেহজনক আচরণ, পলাতক অবস্থা ইত্যাদি।
সাক্ষী বক্তব্য: প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা যা পরোক্ষভাবে ঘটনার সাথে জড়িত।
মোটিভ: অপরাধের কারণ বা উদ্দেশ্য যা অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসাবে কাজ করতে পারে।

অবস্থাগত সাক্ষ্য সাধারণত ফরেনসিক বা প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের সাথে যুক্ত হয়ে একটি শক্তিশালী প্রমাণের সৃষ্টি করে। তবে একক অবস্থাগত সাক্ষ্য দ্বারা কোনো রায় দেওয়া সম্ভব হয় না।
৪০২.
কোন দলিলটি পাবলিক দলিল Public document?
  1. প্রকাশিত কবিতা
  2. প্রকাশিত পত্র
  3. মামলার আরজি
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
মামলার আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার আরজি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।
♦ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে ।
♦বাংলাদেশ সরকারের হেফাজতে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের নথিপত্র যেমন- রেজিস্ট্রি দলিলের বিবরণ, আদালতের রায়, ডিক্রি, আদেশ, মামলার আরজির জবাব, খতিয়ান, Crpc ১৬৪ ধারার confessional statement সবই সরকারী দলিল বা Public Document.
♦ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
৪০৩.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে 'Facts _______ need not be proved'।
  1. asserted
  2. confessed
  3. acknowledged
  4. admitted
সঠিক উত্তর:
admitted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
admitted
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:

- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:

Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
--------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
 
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন। 
৪০৪.
Fact judicially noticeable _______________________.
  1. need be proved
  2. need not be proved
  3. must be proved
  4. should not be proved
সঠিক উত্তর:
need not be proved
উত্তর
সঠিক উত্তর:
need not be proved
ব্যাখ্যা
⇒ Fact judicially noticeable need not be proved.

জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)-

যে-সব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে।
- সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী- যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
--------------
⇒ The Evidence Act, Section 56. Fact judicially noticeable need not be proved:
- No fact of which the Court will take judicial notice need be proved.
৪০৫.
যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি এইরুপ দাবী উত্থাপন করে যে অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থল হইতে এত দূরে অবস্থান করিয়াছিল যে তাহার পক্ষে এই অপরাধে অংশগ্রহণ সম্ভব নয়, এইরুপ আর্জিকে কী বলা হয়?
  1. Admission
  2. Plea of Alibi
  3. Plea of Credibility
  4. Plea of immunity
সঠিক উত্তর:
Plea of Alibi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plea of Alibi
ব্যাখ্যা
⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে।
-নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৪০৬.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যাবে না?
  1. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে 
  2. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি নষ্ট হয়েছে
  3. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি সরকারি দলিল 
  4. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে
সঠিক উত্তর:
যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে সেসকল ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের ৬৫ধারা অনুসারে মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যাবে না।
কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৬৫: যে সকল দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে: নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কোনো দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
(ক) দলিলটি যাহার বিরুদ্ধে প্রমাণ করিতে চাওয়া হইতেছে, মূল দলিলটি তাহার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে, কিংবা আদালতের সমনের আওতার বাহিরে এখতিয়ারের বাহিরে কোনো লোকের দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে বলিয়া যদি দেখান হয় বা প্রতীয়মান হয়, কিংবা যদি এমন লোকের দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে উহা থাকে, যে লোক উপস্থাপিত করিতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারায় বর্ণিত নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও সেই লোক যদি উহা উপস্থাপিত না করে।
(খ) দলিলটি যাহার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা হইবে, সেই লোকের বা তাহার কোনো স্বার্থসংশিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে স্বীকার করিয়াছে বলিয়া যখন প্রমাণ করা হয়।
(গ) মূল দলিল যেইক্ষেত্রে বিনষ্ট হইয়াছে বা হারাইয়া গিয়াছে, কিংবা যেইক্ষেত্রে মূল দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক লোক তাহার নিজের ত্রুটি বা অবহেলা ব্যতীত অন্য কোনো কারণে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে উহা উপস্থাপিত করিতে পারে না।
(ঘ) মূল দলিলটির প্রকৃতি সেইক্ষেত্রে এইরূপ যে সহজে উহা স্থানান্তর করা যায় না।
(ঙ) মূল দলিলটি যেইক্ষেত্রে ৭৪ ধারায় উল্লিখিত সর্বসাধারণের দলিলের আওতাভুক্ত।
(চ) মূল দলিলটি যেইক্ষেত্রে এমন যে, এই আইন বা বাংলাদেশে বলবৎ অপর কোনো আইনে উহার জাবেদা নকল
সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করিবার বিধান আছে।
(ছ) কোনো মূল দলিলে যখন অন্যান্য এমন বহু সংখ্যক দলিলের বিবরণ যেইগুলি আদালতে পরীক্ষা করিয়া দেখা সুবিধাজনক নহে এবং যেই ঘটনা প্রমাণ করিতে হইবে, তাহা ঐ সমস্ত দলিলের সাধারণ ফলস্বরূপ।
------------------------------------
⇒ The Evidence Act 1872, Section 65, Cases in which secondary evidence relating to documents may be given: Secondary
evidence may be given of the existence, condition or contents of a document in the following cases:-
(a) when the original is shown or appears to be in the possession or power- of the person against whom the document is sought to be proved, or of any person out of reach of, or not subject to, the process of the Court, or of any person legally bound to produce it, and when, after the notice mentioned in section 66, such person does not produce it:
(b) when the existence, condition or contents of the original have been proved to be admitted in writing by the person against whom it is proved or by his representative in interest;
(c) when the original has been destroyed or lost, or when the party offering evidence of its contents cannot, for any other reason not arising from his own default or neglect, produce it in reasonable time;
(d) when the original is of such a nature as not to be easily moveable;
(e) when the original is a public document within the meaning of section 74;
(f) when the original is a document of which a certified copy is permitted by this Act, or by any other law in force in Bangladesh to be given in evidence;
(g) when the originals consist of numerous accounts or other documents which cannot conveniently be examined in Court, and the fact to be proved is the general result of the whole collection.

৪০৭.
সাক্ষ্য আইনে একজন স্বাক্ষীকে পুন: জেরা করা যায়
  1. ১৩৫ ধারায়
  2. ১৩৬ ধারায়
  3. ১৩৭ ধারায়
  4. ১৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ মতে- প্রথমে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হবে। তারপর (বিরুদ্ধপক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করবে, তারপর (সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করাতে পারবে। সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে হতে হবে। কিন্তু সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে সকল বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, কেবল সেই সকল বিষয়েই জেরা করা চলবে, এমন নয়। জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দীতে সেইগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে, পুনঃজবানবন্দী গ্রহণের সময় যদি আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন নতুন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে বিরুদ্ধপক্ষ সেই সকল বিষয়ে স্বাক্ষীকে আরও জেরা করতে বা পুন: জেরা করতে পারবে। 
♦অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায়  একজন স্বাক্ষীকে পুন: জেরা করা যায়।
৪০৮.
পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি The Evidence Act, 1872 এর ধারা অনুযায়ী প্রহণযোগ্য নয়?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. ২৭
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারামতে পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) অগ্রহনযোগ্য হবে, তবে সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারামতে পুলিশের নিকট আসামীর প্রদত্ত confession বা তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত উদ্ধার হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে।

♦ যেমন- আসামীর দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করলে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

♦ পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত Confession প্রাসঙ্গিক হবে, যাকে Judicial confession বলে।
৪০৯.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে 'Plea of Alibi' প্রমাণের ভার কার উপর বর্তায়?
  1. সাক্ষীর উপর
  2. আদালতের উপর
  3. অভিযোগকারীর উপর
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৩ অনুসারে, যখন কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি 'Plea of Alibi' (অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত ছিল) এর দাবি করে, তখন সেই দাবি প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজের উপরই বর্তায়। এটি একটি মৌলিক আইনি নীতি যে, যে ব্যক্তি কোনো বিশেষ তথ্য বা অবস্থা দাবি করে, সে-ই তার প্রমাণ উপস্থাপনের দায়িত্ব বহন করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 - প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof)-
দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং, প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৩-এর অধীন, 'Plea of Alibi' (অন্যত্র অবস্থানের দাবি) প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়। অর্থাৎ, অভিযুক্তকে প্রমাণ করতে হয় যে অপরাধের সময় সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না। এটি একটি বিশেষ তথ্যের প্রমাণের ভার, যা সাধারণত অভিযোগকারীর উপর থাকে না।

৪১০.
কোন অবস্থায় একজন সাক্ষীর পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তী মামলায় প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই হতে হবে
  2. সাক্ষী প্রতিপক্ষের প্রতিনিধি হতে হবে
  3. মামলাটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির হতে হবে
  4. সাক্ষীকে পুনরায় জেরা করতে হবে
সঠিক উত্তর:
উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই হতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩: যখন পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তীতে মামলায় প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে:
কোন মামলায় কেউ আইন অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার পর যদি তার-
ক) মৃত্যু হয়; বা
খ) সন্ধান পাওয়া না যায়; বা
গ) যে পরে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হয়ে পড়ে; বা
ঘ) প্রতিপক্ষ তাকে আটকিয়ে রাখে;
ঙ) যুক্তিসংগত কারনে তাকে আদালতে উপস্থিত করা সময় এবং ব্যয়সাপেক্ষ;

তাহলে এই ধরনের সাক্ষীর পূর্বে দেওয়া প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য পরবর্তী পর্যায়ে প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হবে। তবে নিম্নে বর্ণিত ৩টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
১। পরবর্তী মামলা একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে অথবা তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
২। পূর্বে সাক্ষ্য দেয়া সাক্ষীকে প্রতিপক্ষ জেরা করার সুযােগ পেতে হবে; এবং
৩। উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই ধরনের হতে হবে।
৪১১.
আদালত যখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করে, তখন কোনটি প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. স্বাক্ষীর বক্তব্য
  2. অভিযোগকারীর অভিযোগ
  3. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
  4. অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক:
যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

Section 47A- Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
৪১২.
যদি কোনো পক্ষকে দলিল পেশ করার নোটিশ দেওয়া হয় এবং সেই পক্ষ তা উপস্থাপনা করতে অস্বীকার করে, তবে ঐ পক্ষ পরবর্তীতে উক্ত দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে-
  1. প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
  2. দলিল রেজিস্ট্রি‑কৃত হলে
  3. সরকারি দলিল হলে
  4. ব্যক্তিগত দলিল হলে
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬৪ – নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও না‑উপস্থাপিত দলিল‑প্রমাণ পরে ব্যবহার‑নিষেধ:
যদি কোনো পক্ষকে দলিল পেশ করার নোটিশ দেওয়া হয় এবং সেই পক্ষ তা উপস্থাপনা করতে অস্বীকার করে, তবে ঐ পক্ষ পরবর্তীতে ওই দলিলকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না- যতক্ষণ না
(‌i) প্রতিপক্ষের সম্মতি অথবা
(ii) আদালতের আদেশ পাওয়া যায়।

[When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.]
৪১৩.
বিবাহ অথবা জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩৬ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারার বিধান: কর্তব্য সম্পাদন প্রসঙ্গে সরকারী দলিলে বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিপিবদ্ধ বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty)- সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী কোন সরকারী বা অন্য অফিসের কোন খাতায়, রেজিস্টারে বা নথিতে যদি কোন বিচার্য ঘটনা বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকে এবং কোন সরকারী কর্মচারী যদি তার চাকরির কর্তব্য পালনকালে তা লিখে থাকে অথবা অপর কোন ব্যক্তি যদি যে দেশে উক্ত খাতা, রেজিষ্টার বা নথি রাখা হয়েছে সেখানকার আইনের বিধান অনুসারে তার উপর আরোপিত কর্তব্য পালন প্রসঙ্গে তা লিখে থাকে তবে উক্ত লেখাই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা। 

⇒ যেমন- সরকারী বই, এজাহার বা এফ, আই, আর বিবরণ, বিবাহ, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড, বিদ্যালয়ের খাতা, নথি ও প্রমাণপত্র, মিউটেশন, বেতার বার্তা প্রভৃতি সরকারী দলিলের বিষয় ৩৫ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক।

----------------
⇒ Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty.
Section 35. An entry in any public or other official book, register or record ,or digital record, stating a fact in issue or relevant fact, and made by a public servant in the discharge of his official duty, or by any other person in performance of a duty specially enjoined by the law of the country in which such book, register , record or digital record is kept, is itself a relevant fact.
৪১৪.
"কোনো ব্যক্তির মানসিক অবস্থা (যেমন ইচ্ছা, জ্ঞান, বিশ্বাস) যখন মামলার বিষয়বস্তু হয়, তখন সেই অবস্থা প্রমাণকারী তথ্য প্রাসঙ্গিক" — এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার মূলনীতি?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪-এর মূলনীতি হলো: যখন কোনো ব্যক্তির মানসিক অবস্থা (যেমন ইচ্ছা/intention, জ্ঞান/knowledge, সদ্ভাব/good faith, অবহেলা/negligence, দুরাগ্রহ/ill-will ইত্যাদি) বা শারীরিক অবস্থা/অনুভূতি ইস্যুতে (fact in issue) বা প্রাসঙ্গিক (relevant) হয়, তখন সেই অবস্থা প্রমাণকারী ফ্যাক্টগুলো প্রাসঙ্গিক হয়। এই ধারা স্পষ্টভাবে মানসিক অবস্থা (state of mind) প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যগুলোকে প্রাসঙ্গিক করে তোলে, যাতে কোর্ট নির্দিষ্ট বিষয়ের সাপেক্ষে (not generally) সেই অবস্থা বিশ্লেষণ করতে পারে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-14. Facts showing existence of state of mind, or of body, or bodily feeling:
Facts showing the existence of any state of mind, such as intention, knowledge, good faith, negligence, rashness, ill-will, or good-will towards any particular person, or showing the existence of any state of body or bodily feeling, are relevant, when the existence of any such state of mind or body or bodily feeling is in issue or relevant.

Explanation 1.– A fact relevant as showing the existence of a relevant state of mind must show that the state of mind exists, not generally, but in reference to the particular matter in question.
Explanation 2.–But where, upon the trial of a person accused of an offence, the previous commission by the accused of an offence is relevant within the meaning of this section, the previous conviction of such person shall also be a relevant fact.

৪১৫.
একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যোগ্য সাক্ষী। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৩২ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৩৬ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৪০ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান: দুষ্কর্মের সহযোগীঃ-আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।

-------------------
Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৪১৬.
Confession বা স্বীকারোক্তি কখন গ্রহনযোগ্য নয়?
  1. পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
  2. প্ররোচনা বা ভয় বা ভীতির মাধ্যমে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার: কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারামতে প্ররোচনা বা ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে গৃহীত স্বীকারোক্তি (Confession caused by inducement, threat or promise) গ্রহনযোগ্য হবে না।

⇒ তবে সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারামতে প্ররোচনা বা ভীতি অপসারনের পর গৃহীত স্বীকারোক্তি (confession) প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারামতে পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) অগ্রহনযোগ্য হবে, তবে সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারামতে পুলিশের নিকট আসামীর প্রদত্ত confession বা তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত উদ্ধার হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে।

যেমন- আসামীর দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করলে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত Confession প্রাসঙ্গিক হবে, যাকে Judicial confession বলে।
৪১৭.
"জনসাধারণের অধিকার বা প্রথা" সম্পর্কে মৃত ব্যক্তির মতামত কোন উপধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৩) ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৪) ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৭) ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩২(৪) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩২(৪) ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর উপধারা (৪) অনুযায়ী, জনসাধারণের অধিকার, প্রথা, বা সাধারণ স্বার্থসম্পন্ন বিষয়ে মৃত বা অনুপস্থিত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক বিবেচিত হয়।
- এই ধারা জনসাধারণের অধিকারের বিষয়ে দেওয়া মতামতকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
১) মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration) — যখন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পূর্বে কোনো ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য করেন।
২) ব্যবসার কার্যক্রমে বিবৃতি (statement made in course of business) — যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিবৃতি দেন।
৩) স্বার্থবিরোধী বিবৃতি (statement against interest) — যে বিবৃতি ব্যক্তির নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে।
৪) জনস্বার্থ বা প্রথা সংক্রান্ত বিবৃতি (opinion as to public right or custom) — যখন কোনো ব্যক্তি সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা সম্পর্কিত বিবৃতি দেন।
৫) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (relates to existence of relationship) — আত্মীয়তার অস্তিত্বের ব্যাপারে বিবৃতি।
৬) পারিবারিক দলিল বা উইলে করা বিবৃতি (statement made in will or deed relating to family affairs) — উইল বা পারিবারিক দলিলে করা বিবৃতি।
৭) লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি- "transaction mentioned in section 13, clause (a)"ধারা ১৩-এর (ক) অংশে উল্লেখিত লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি।
৮) কিছু ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি (statement made by several persons) — যখন একাধিক ব্যক্তি একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একই মতামত দেন।
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
- When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question.
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.
- or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.
- or against interest of maker;
(3) When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.
- or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
(4) When the statement gives the opinion of any such person as to the existence of any public right or custom or matter of public or general interest, of the existence of which, if it existed, he would have been likely to be aware, and when such statement was made before any controversy as to such right, custom or matter has arisen.

- or relates to existence of relationship;
(5) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between person as to whose relationship by blood, marriage or adoption the person making the statement had special means of knowledge, and when the statement was made before the question in dispute was raised.
- or is made in will or deed relating to family affairs;
(6) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.
- or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
(7) When the statement is contained in any deed, will or other document which relates to any such transaction as is mentioned in section 13, clause(a).
- or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
(8) When the statement was made by a number of persons, and expressed feelings or impressions on their part relevant to the matter in question.

৪১৮.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে কী বোঝায়?
  1. দলিলের ফটোকপি
  2. দলিলের মৌখিক বিবরণ
  3. দলিলের মূল কপি আদালতে উপস্থাপন
  4. দলিলের অনুলিপি যা যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি
সঠিক উত্তর:
দলিলের মূল কপি আদালতে উপস্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের মূল কপি আদালতে উপস্থাপন
ব্যাখ্যা
⇒ প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) বলতে আসল বা মূল দলিল যা আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তাকে বোঝায়।
অন্যদিকে, ফটোকপি, মৌখিক বিবরণ বা যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি অনুলিপি সবই গৌণ সাক্ষ্য (secondary evidence) হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এগুলো মূল দলিলের পরিবর্তে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬২ অনুসারে:
"প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত দলিল নিজেই।"

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬২ অনুযায়ী, প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence) এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে:
"Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court."
অর্থাৎ, প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বোঝায় দলিলের মূল কপি, যা আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। এটি দলিলের সবচেয়ে প্রামাণিক রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়।
৪১৯.
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মৌখিক সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা
  2. ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণের প্রাসঙ্গিকতা
  3. সাক্ষীর পূর্ববর্তী সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা
  4. পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রির প্রাসঙ্গিকতা
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রির প্রাসঙ্গিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রির প্রাসঙ্গিকতা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪০ অনুযায়ী যে কোনো পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রি, যা আইন অনুযায়ী একটি নতুন মামলা বা বিচার আরম্ভে বাধা সৃষ্টি করে, তা আদালতের কাছে প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে।
 অর্থাৎ, এই ধারা মূলত দ্বিতীয়বার একই বিষয় নিয়ে মামলা বা বিচার শুরুর প্রশ্নে প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে (যাকে Res Judicata ধারণার সাথে যুক্ত করা যায়)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক:
যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 40. Previous judgments relevant to bar a second suit or trial:
The existence of any judgment, order or decree which by law prevents any Court from taking cognizance of a suit or holding a trial, is a relevant fact when the question is whether such Court ought to take cognizance of such suit or to hold such trial.
৪২০.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে আদালত কত প্রকার অনুমান করতে পারে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:-
১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত।
২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত।
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইন অনুসারে আদালত তিন প্রকার অনুমান করতে পারে।
-----------------------------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।
⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।
⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৪২১.
সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারা অনুযায়ী স্বীকৃতি/Admission কয় ধরনের হয়?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা

স্বীকৃতির (Admission) প্রকারভেদ:
Evidence (Amendment) Act, 2022 অনুসারে, ধারা ১৭-এর অধীনে স্বীকৃতি এখন তিন প্রকার হতে পারে—
১) মৌখিক স্বীকৃতি (Oral Admission) – মুখে বলা স্বীকারোক্তি।
২) দালিলিক স্বীকৃতি (Documentary Admission) – লিখিত নথিপত্রে থাকা স্বীকারোক্তি।
৩) ডিজিটাল রেকর্ডে ধারণকৃত স্বীকৃতি (Statement contained in Digital Record) – ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত বা রেকর্ড করা স্বীকারোক্তি।

এটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (Evidence Act, 1872)-এর সংশোধনের (Amendment, 2022) মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে।
----------

The Evidence Act, 1872 Section-17. Admission defined:
An admission is a statement, oral or documentary or contained in digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.

৪২২.
নিম্নের কোনটিকে প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct Evidence) হিসাবে গণ্য করা যায়?
  1. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা দেখেন নাই বা শুনেন নাই
  2. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা দেখেন নাই
  3. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী স্বয়ং উহা দেখেছেন
  4. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা অন্যকে অভিমতের ভিত্তিতে প্রাপ্ত
সঠিক উত্তর:
যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী স্বয়ং উহা দেখেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী স্বয়ং উহা দেখেছেন
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে-

মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct)। অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।

Section 60- Oral evidence must be direct: Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৪২৩.
'সাক্ষ্য কে বা কারা দিতে পারেন'- এ বিষয়ে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১১৮ ধারা
  2. ১১৯ ধারা
  3. ১৩৪ ধারা
  4. ১৩৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Section 118- Who may testify:
All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 

Explanation- A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
৪২৪.
ডিজিটাল রেকর্ডের মৌখিক স্বীকৃতি কখন প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. মৌখিক স্বীকৃতি কখনই প্রাসঙ্গিক হবে না
  2. যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
  3. ডিজিটাল রেকর্ড পুরানো হলে
  4. ডিজিটাল রেকর্ডের কোনো অংশ হালনাগাদ করা হলে
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
ব্যাখ্যা
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

২২ক ধারায় বলা হয়েছে,
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
[Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].
৪২৫.
সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড কোথায় সংরক্ষিত থাকতে পারে?
  1. ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক মিডিয়া
  2. কম্পিউটার মেমরি
  3. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।

⇒ সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড বলতে এমন তথ্য, উপাত্ত বা রেকর্ড বোঝায়, যা ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক মিডিয়া, কম্পিউটার মেমরি, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারে সংরক্ষিত থাকতে পারে।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে সিসিটিভি রেকর্ড, ড্রোন ডেটা, মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত তথ্য, ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটারে সংরক্ষিত নথি ইত্যাদিও দলিলগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। ফলে, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সংগৃহীত বা সংরক্ষিত রেকর্ডও এখন আইনগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
------
[“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)];
৪২৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২২-এর অধীনে কোন ব্যতিক্রম অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর বার্তা প্রকাশ করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র যদি আদালত তা জিজ্ঞাসা করে
  2. যদি পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকে
  3. যদি কোন পক্ষ আবেদন করে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
যদি পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

Section 122⇒ Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৪২৭.
নিচের কোনটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের উদাহরণ?
  1. তুমি কোথায় ছিলে?
  2. ঘটনাটি কখন ঘটেছিল?
  3. তুমি কার সঙ্গে ছিলে?
  4. তুমি তো ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলে, তাই না?
সঠিক উত্তর:
তুমি তো ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলে, তাই না?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুমি তো ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলে, তাই না?
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।

Section 141. Leading questions:
Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
- এখানে, সঠিক উত্তর: ঘ) তুমি তো ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলে, তাই না?
- এই প্রশ্নে প্রশ্নকারী নিজেই একটি ধারণা বা উত্তর দিয়ে দিয়েছেন (যে, তুমি ঘটনাস্থলে ছিলে), এবং সাক্ষীর কাছ থেকে শুধু সেই ধারণার পক্ষে সম্মতি আশা করছেন। এটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) এর মূল বৈশিষ্ট্য।
৪২৮.
বিচার্য বিষয় ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মাধ্যমে সাক্ষ্য প্রদানের বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫ (Section 5) – "Evidence may be given of facts in issue and relevant facts" — এই ধারাটিতে বলা হয়েছে যে:
"Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other facts as are hereinafter declared to be relevant, and of no others."
অর্থাৎ, যেকোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলায় কেবলমাত্র বিচার্য বিষয় (fact in issue) এবং প্রাসঙ্গিক বিষয় (relevant fact) সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য। এ ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়া যাবে না।

→ সাক্ষ্য শুধু বিচার্য বিষয় এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়ে গ্রহণযোগ্য — এই মূল নীতিটি ধারা ৫-তেই নির্ধারিত।
- তাই সঠিক উত্তর: ক) ধারা ৫।
৪২৯.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী ফৌজদারি মামলায় আসামির পূর্বের ভালো চরিত্র:
  1. প্রাসঙ্গিক
  2. প্রাসঙ্গিক নয়
  3. শুধুমাত্র জরিমানা নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক
  4. শুধুমাত্র বাদী পক্ষ প্রমাণ করলে প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৫৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, ফৌজদারি মামলায় আসামির পূর্বের ভালো চরিত্র একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়। এর কারণ হলো, একজন ব্যক্তির সুনাম (reputation) ও স্বভাবগত প্রবৃত্তি (disposition) তার নির্দোষ হওয়ার সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে। আদালত এটি বিবেচনায় নিতে পারে, বিশেষ করে যখন অপরাধের ধরন এমন যে, কোনো নৈতিক চরিত্রের বিষয়বস্তু রয়েছে।

অর্থাৎ ফৌজদারি মামলায় আসামির পূর্বের ভালো চরিত্র প্রাসঙ্গিক এবং এটি আসামির পক্ষে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪৩০.
স্বীকৃত বিষয় প্রমাণের আবশ্যকতা নেই এ বিধান সাক্ষ্য আইনের কোথায় আছে?
  1. ৫২
  2. ৫৪
  3. ৫৮
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৮
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ বা তার প্রতিনিধি শুনানীর সময় কোন বিষয় স্বীকার করলে অপরপক্ষকে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এছাড়াও আইনের মাধ্যমে অনুমানযোগ্য বিষয়সমূহও প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই (৮৬-৯০ ধারা)। উল্লেখ্য উপরোক্ত বিষয়সমূহ প্রমাণ না করলেও আদালত উহা প্রমাণিত হিসাবে ধরে নিবেন।
৪৩১.
'একটি মামলার রায়ে বলা হয়েছে যে, আদালত এই বিষয়ে পুনরায় বিচার করতে পারবে না কারণ একই বিষয়ে আগে রায় হয়েছে।' এটি কোন নীতির উদাহরণ?
  1. Prima Facie Evidence
  2. Res Gestae
  3. Res Judicata
  4. Burden of Proof
সঠিক উত্তর:
Res Judicata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Res Judicata
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata;
ii) Double Jeopardy (দোবারা সাজা নীতি)।

Res Judicata:
এটি এমন একটি নীতি যেখানে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আদালতে একবার চূড়ান্ত রায় হয়ে গেলে, সেই একই বিষয়ে পুনরায় মামলা করা যায় না। অর্থাৎ, একটি মামলার রায় একবার চূড়ান্ত হলে, তা নতুন করে আরেকটি মামলা হিসেবে আদালতে আনা যাবে না।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক:
যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৪৩২.
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারার অধীনে, আদালত কিসের ভিত্তিতে একটি প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে?
  1. প্রশ্নের মৌলিক গুরুত্ব না থাকা
  2. প্রশ্নের প্রাসঙ্গিকতা না থাকা
  3. প্রশ্নের বিষয় স্পষ্ট না হওয়া
  4. প্রশ্ন অশ্লীল বা কেলেঙ্কারীজনক মনে হওয়া
সঠিক উত্তর:
প্রশ্ন অশ্লীল বা কেলেঙ্কারীজনক মনে হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্ন অশ্লীল বা কেলেঙ্কারীজনক মনে হওয়া
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
 যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
 
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
৪৩৩.
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৯ ধারা 
  2. ১০ ধারা
  3. ১১ ধারা 
  4. ১২ ধারা 
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ধারা, ১২, ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় যেইসব আদালত কর্তৃক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে সেইগুলি প্রাসঙ্গিক: যেই সমস্ত মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেইক্ষেত্রে যেই ঘটনা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করিতে সহায়তা করিবে, তাহা প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
--------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section-12, In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.

৪৩৪.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী, স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৫৫ ধারা
  2. ১৫৭ ধারা
  3. ১৫৪ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৫৯ ধারা অনুযায়ী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing Memory) বলতে বোঝায়, সাক্ষী তার অতীত অভিজ্ঞতা বা দেখা-শোনা সংক্রান্ত বিষয় সঠিকভাবে মনে করতে নিজের লেখা বা অন্য কারো লেখা নথি দেখতে পারে।
⇒ ধারা ১৫৯ অনুযায়ী মূল বিষয়গুলো:
-নিজের লেখা দেখে স্মৃতি রিফ্রেশ: সাক্ষ্য প্রদানের সময় সাক্ষী এমন কোনো লেখা (Writing) দেখতে পারেন যা তিনি ঘটনার সময় বা ঘটনার পরে তাড়াতাড়ি লিখেছিলেন—যাতে ঘটনাটি তখনো তার মনে ছিল।
- অন্যের লেখা ব্যবহার: সাক্ষী অন্য কারও লেখা দেখতে পারেন, যদি তিনি সেই লেখা পড়েছেন এবং সেটিকে সঠিক বলেই জেনেছেন।
- নকল দলিল (Copy of Document): যদি মূল দলিল উপস্থিত না থাকে, এবং আদালত সেটি অনুমোদন করে, তাহলে নকল দলিল দিয়েও স্মৃতি রিফ্রেশ করা যায়।
- বিশেষজ্ঞ (Expert) সাক্ষী: তিনি পেশাগত বইপত্র দেখে স্মৃতি রিফ্রেশ করতে পারেন।

উদাহরণ:
একজন পুলিশ কর্মকর্তা যদি মামলার তদন্তকালীন সময় লিখে রাখা নিজের ডায়েরি দেখে আদালতে সেই ঘটনার বিস্তারিত মনে করে, তাহলে সেটা ধারা ১৫৯ অনুযায়ী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার বৈধ উদাহরণ।
৪৩৫.
'ক' একটি অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত। অপরাধের পরে তার পলাতক হওয়া, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখা বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকাবার চেষ্টা করা হল:
  1. দুর্বল প্রমাণ
  2. প্রাসঙ্গিক তথ্য
  3. অপ্রাসঙ্গিক তথ্য
  4. চূড়ান্ত প্রমাণিত তথ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক তথ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872)-এর ধারা ৮ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি অপরাধের পর যে আচরণ করে, তা প্রাসঙ্গিক (Relevant) হিসেবে গণ্য হতে পারে যদি তা অপরাধ সংঘটিত হওয়া বা অপরাধের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়।
- অভিযুক্তের এই ধরনের আচরণ প্রাসঙ্গিক তথ্য (Relevant Fact) হিসেবে বিচারিক কার্যক্রমে বিবেচিত হয় এবং এটি আদালতের রায়ে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, এটি একমাত্র ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট নয়, বরং অন্যান্য প্রমাণের সাথে মিলিয়ে বিচার করা হয়।

- সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা অনুসারে, কোনো ব্যক্তির আচরণ (Conduct) যা কোনো ফ্যাক্টস ইন ইস্যু বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক (Relevant) বলে বিবেচিত হয়। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তির আচরণ, যেমন পলায়ন, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখা বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকানোর চেষ্টা করা, তা প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হয়।
ক) দুর্বল প্রমাণ: এটি ভুল, কারণ পলায়ন বা সম্পত্তি লুকানোর চেষ্টা দুর্বল প্রমাণ নয়, বরং তা প্রাসঙ্গিক তথ্য।
খ) প্রাসঙ্গিক তথ্য: এটি সঠিক, কারণ অপরাধের পর পলায়ন, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখা বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকানোর চেষ্টা করা প্রাসঙ্গিক আচরণ হিসেবে গণ্য হয়।
গ) অপ্রাসঙ্গিক তথ্য: এটি ভুল, কারণ এই ধরনের আচরণ প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
ঘ) চূড়ান্ত প্রমাণিত তথ্য: এটি ভুল, কারণ এই ধরনের আচরণ চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, বরং তা প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হয়।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) প্রাসঙ্গিক তথ্য।

উদাহরণ:
যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধের পর পলায়ন করে, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখে বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকানোর চেষ্টা করে, তবে এই আচরণ আদালতের কাছে প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তা অপরাধের প্রমাণে সহায়ক হতে পারে।
৪৩৬.
১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত কোন আইনের অধীন গঠিত সামরিক আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না?
  1. The Army Act, 1962.
  2. The Naval Discipline Ordinance, 1961.
  3. The Air Force Act, 1953.
  4. All of the above.
সঠিক উত্তর:
All of the above.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না:

⇒ সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army (সেনাবাহিনী) Act, 1962 অথবা The Naval Discipline (নৌ-শৃঙ্খলা) Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act (বিমান বাহিনী আইন), 1953 এর ক্ষেত্রে;

ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;

iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে;

iv) তদন্ত বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে; এবং

ⅳ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়।

---------------------------
⇒ Extent
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the [Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953] but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator;
৪৩৭.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারায় Dumb Witnesses এর বিধান আছে?
  1. ১১৫ ধারা
  2. ১১৬ ধারা
  3. ১১৮ ধারা
  4. ১১৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১১৯ ধারা অনুসারে বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে/ইশারায় সাক্ষ্য দিবেন।
- বোবা সাক্ষীর এই সাক্ষ্য মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।
৪৩৮.
ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান কী হবে?
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Shall presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shall presume
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:- বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
-----------------------------
⇒ Section 85C Presumption as to Digital Signature Certificates.- The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.
৪৩৯.
'অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই ঘটনা প্রাসঙ্গিক?
  1. ৭ ধারায়
  2. ৮ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।

অভিপ্রায়, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য মামলার প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে কাজ করে এবং এগুলি ঘটনার প্রকৃতি নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪৪০.
একটি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে-
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  2. গৌণ সাক্ষ্য দ্বারা
  3. স্বয়ং দলিলটি দ্বারা
  4. উপরের যে কোন একটির দ্বারা
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোন একটির দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোন একটির দ্বারা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী কোন দলিলের বিষয় বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক গৌণ সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে । যেহেতু স্বয়ং দলিলটি একটি প্রাথমিক দলিল, তাই কোন দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা, গৌন সাক্ষ্য দ্বারা বা স্বয়ং দলিলটি দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে প্রাথমিক/মুখ্য সাক্ষ্য: প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা
ব্যাখ্যা-১ কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য 
কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২ঃ যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথাঃ মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য, কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল , সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মাধ্যমিক/গৌণ সাক্ষ্য (Secondary evidence): মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তার অন্তর্ভুক্ত হলঃ বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল, মূল দলিল হতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সাথে মিলিয়ে নেওয়া অন্য নকল; মূল দলিল হতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে নেওয়া নকল কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তার বিরুদ্ধে তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে, যে ব্যক্তি নিজে কোন দলিল দেখেছে, তার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।
৪৪১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামতের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৫ক
  2. ধারা ৬৫ক
  3. ধারা ৪৭ক
  4. ধারা ৬৫খ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭ক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ক (Section 47A) অনুযায়ী, যখন আদালতের কারো ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন প্রয়োজন হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের মতামতকে প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সাইবার প্রমাণ সংশ্লিষ্ট মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৭ক: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক:
যখন আদালতের কোন ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন করা প্রয়োজন হয়, তখন যেই ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রস্তুতকারী কর্তৃপক্ষ উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ ইস্যু করেছে, তার মতামত প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
৪৪২.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায়না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
৪৪৩.
একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বিদ্যমান থাকলে, সেই কাজটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে কোন ধারায়?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৫
  3. ধারা ১৬
  4. ধারা ১৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৬ অনুসারে, যখন কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা হয়েছিল কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে, তখন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বা রুটিন একটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

- ধারা ১৬ অনুযায়ী, যদি কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য একটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বিদ্যমান থাকে, তাহলে সেই কাজটি করার প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, যে কাজটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্বাভাবিকভাবে হওয়ার কথা, তার প্রমাণ সাপেক্ষে সেই কাজের হওয়া বা না হওয়া প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৬ অনুসারে, কোনো কাজ স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া (course of business) অনুযায়ী সম্পাদিত হলে, সেই প্রক্রিয়ার অস্তিত্বই প্রমাণ করে যে কাজটি করা হয়েছিল।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 16. Existence of course of business when relevant:
- When there is a question whether a particular act was done, the existence of any course of business, according to which it naturally would have been done, is a relevant fact.

৪৪৪.
নিচের কোনটি দোষ স্বীকারোক্তির গ্রহণযোগ্যতার শর্ত নয়?
  1. তা স্বেচ্ছামূলক হতে হবে
  2. তা পুলিশের হেফাজতে হতে হবে
  3. তা ভীতি বা প্রলোভন ছাড়া হতে হবে
  4. তা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হতে হবে
সঠিক উত্তর:
তা পুলিশের হেফাজতে হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তা পুলিশের হেফাজতে হতে হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তা পুলিশের হেফাজতে হতে হবে।
⇒ দোষ স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য যেসব শর্ত পূরণ হতে হয়, তা হল—
স্বেচ্ছামূলক হতে হবে → (ধারা ২৪, সাক্ষ্য আইন): কোনো প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি ছাড়া স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেওয়া হলে তা গ্রহণযোগ্য। 
ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতি ছাড়া হতে হবে → (ধারা ২৪): অন্যথায়, তা আদালতে অগ্রহণযোগ্য। 
ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হলে গ্রহণযোগ্য হয় → (ধারা ২৬): যদি পুলিশ হেফাজতে থেকে স্বীকারোক্তি দেয়, তবে তা কেবল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বৈধ হয়। 

কিন্তু "পুলিশের হেফাজতে হতে হবে" — এটি কোনো গ্রহণযোগ্যতার শর্ত নয়, বরং এই অবস্থায় স্বীকারোক্তি সন্দেহজনক বলে বিবেচিত হয় এবং ম্যাজিস্ট্রেট না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য নয়। (ধারা ২৫ ও ২৬, সাক্ষ্য আইন)

অর্থাৎ দোষ স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হওয়ার শর্ত হচ্ছে: স্বেচ্ছায়, ভয়ভীতি ও প্রলোভন ছাড়া, এবং ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে হতে হবে। পুলিশের হেফাজত কোনো শর্ত নয়, বরং তা হলে স্বীকারোক্তি সাধারণত অগ্রহণযোগ্য।
৪৪৫.
সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারায়, নথি গ্রহণযোগ্যতা বা উপস্থাপনের আপত্তি নির্ধারণ করবে-
  1. সাক্ষী নিজে
  2. আদালত
  3. আইনজীবী
  4. পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারার বিধান: নথি উপস্থাপন:
যদি কোনো সাক্ষীকে কোনো নথি আদালতে উপস্থাপনের জন্য ডাকা হয়, তবে সেই নথিটি তার অধিকারে বা হেফাজতে থাকলে, তিনি তা আদালতে আনতে বাধ্য থাকবেন, যদিও সেই নথি উপস্থাপন করা বা তা গ্রহণযোগ্য হওয়া নিয়ে কোনো আপত্তি থাকলেও। আপত্তির বৈধতা আদালতই নির্ধারণ করবে।
আদালত যদি মনে করে, তবে নথিটি পর্যালোচনা করতে পারে, যদি না সেটি রাষ্ট্র সম্পর্কিত কোনো বিষয়বস্তু হয়। এছাড়াও, নথির গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের জন্য আদালত অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারে।

৪৪৬.
Estoppel সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বর্ণিত হইয়াছে?
  1. ৫২-৫৫ ধারায়
  2. ১০১-১১২ ধারায়
  3. ১১৫-১১৭ ধারায়
  4. ২৪-৩০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১৫-১১৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫-১১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না"।

⇒ প্রতিবন্ধঃ- যেক্ষেত্রে এক ঘোষণা, কার্য বা কার্যবিররিত দ্বারা স্বেচ্ছায় অপর ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন অতবা বিশ্বাস করতে দিয়েছেন এবং সে বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করতে দিয়েছেন, সেক্ষেত্রে এদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মোকদ্দমায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি উক্ত প্রসঙ্গের সত্যতা অস্বীকার করতে পারবেন না।

Section-115. Estoppel: When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing.
৪৪৭.
সন্তানের জন্ম বৈধ বলে প্রমাণিত হয়, যদি সন্তানের জন্ম হয় বিবাহবিচ্ছেদের:
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ১৮০ দিনের মধ্যে
  3. ২৮০ দিনের মধ্যে
  4. ১ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২৮০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা: সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ-
কোন ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অবিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।
 
Section 112: Birth during marriage conclusive proof of legitimacy-
The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.
৪৪৮.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী নিচের কোনটি আদালতে প্রমাণের কোনো প্রয়োজন নেই?
  1. রাষ্ট্রপক্ষের দাবি
  2. স্বীকৃত ঘটনা
  3. সাক্ষীর সাক্ষ্য
  4. আইনজীবীর বক্তব্য
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত ঘটনা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : স্বীকৃত ঘটনা।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।

৪৪৯.
ক-এর বিরুদ্ধে খ-এর স্বর্ণের চেইন চুরির অভিযোগে আদালতে বিচার চলছে। নীচের কোনটি ক-এর বিচারের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক?
  1. সে যে সম্পত্তি চুরি করেছে সেটি অত্যন্ত মূল্যবান
  2. চেইনটির মালিক ‘খ’ নয়
  3. চেইনটি সে গোপনে নাকি প্রকাশ্যে চুরি করেছে?
  4. ক এর আগেও চুরির অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে।
সঠিক উত্তর:
ক এর আগেও চুরির অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এর আগেও চুরির অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে।
ব্যাখ্যা
♦মূলনীতি এই যে, fact in issue ও relevant issue ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যায় না। কী বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যায় তাঁর বিস্তারিত আছে ৫-৫৫ ধারা পর্যন্ত। ৪১ ধারায় বলা হয়েছে পূর্বোক্ত মামলার রায় কখন প্রাসঙ্গিক হবে। ‘ক’ একই অপরাধে আগেও দণ্ডিত হয়েছে এই বিষয়টি প্রাসঙ্গিক। উদাহরণ (e) দ্রষ্টব্য।
৪৫০.
নিম্নলিখিত কোনটি "ডকুমেন্ট" (Document) হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. একটি ফটোগ্রাফ
  2. একটি মানচিত্র
  3. মৌখিক বক্তব্য
  4. খোদাই করা ধাতব ফলক
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বক্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বক্তব্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ডকুমেন্ট" বলতে এমন কোনো বিষয় বোঝানো হয় যা কোনো পদ বা চিহ্ন দ্বারা লেখা, অঙ্কিত বা বর্ণিত হয়ে থাকে, এবং তা রেকর্ড হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এটি ফটোগ্রাফ, মানচিত্র, বা খোদাই করা ধাতব ফলক এর মতো বস্তু হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এগুলি তথ্য ধারণ করে এবং সেগুলি ডকুমেন্ট হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা যায়।
তবে, মৌখিক বক্তব্য একটি ডকুমেন্ট হিসেবে গণ্য হয় না, কারণ এটি কোনো লিখিত বা চিহ্নিত রেকর্ড নয়, বরং মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।

- অতএব, সঠিক উত্তর "গ) মৌখিক বক্তব্য"।

"ডকুমেন্ট" মানে হলো কোনো বিষয় যা যেকোনো পদ, চিহ্ন বা অঙ্ক দ্বারা বা এইগুলোর একাধিক মাধ্যমে কোনো পদার্থের ওপর প্রকাশিত বা বর্ণিত হয়, যেটি ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় বা যা ব্যবহৃত হতে পারে সেই বিষয়টি রেকর্ড করার জন্য। [এবং এতে যেকোনো ডিজিটাল রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত।]

উদাহরণসমূহ:
একটি লেখা একটি ডকুমেন্ট।
শব্দগুলি যা মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফ করা হয়েছে তা ডকুমেন্ট।
একটি মানচিত্র বা পরিকল্পনা একটি ডকুমেন্ট।
একটি ধাতব প্লেট বা পাথরের ওপর খোদাই করা লেখা একটি ডকুমেন্ট।
একটি ক্যারিকেচার একটি ডকুমেন্ট।
-----------
 "Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter and includes any digital record.

Illustrations

A writing is a document:
Words printed, lithographed or photographed are documents:
A map or plan is a document:
An inscription on a metal plate or stone is a document:
A caricature is a document.
৪৫১.
কোনো একটি দলিল ‘ক’-এর উইল কি না তার বিচারে, তর্কিত উইলের তারিখে ‘ক’ এর সম্পত্তি ও তার পরিবারের অবস্থা- সাক্ষ্য হিসেবে কত ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন (ধারা ৯): প্রাসঙ্গিক তথ্য ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য:
যে তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক তথ্য বা বিরোধপূর্ণ বিষয় ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করতে সহায়তা করে, অথবা- কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর পরিচয় নির্ধারণ করে, কোনো ঘটনা সংঘটিত হওয়ার সময় বা স্থান নির্ধারণ করে, যে পক্ষগুলোর মাধ্যমে ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে, তাদের সম্পর্ক স্পষ্ট করে, সেই সকল তথ্য প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে, যদি তা এই উদ্দেশ্যের জন্য অপরিহার্য হয়।

উদাহরণ:
(ক) প্রশ্ন হলো, একটি নির্দিষ্ট নথি A-এর উইল কিনা।
উইল তৈরির সময় A-এর সম্পত্তি ও পরিবারের অবস্থা প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

(খ) A, B-এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছে। B দাবি করেছে যে অভিযোগ সত্য।
মানহানির সময় A ও B-এর পারস্পরিক সম্পর্ক প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি মূল বিষয়টি বোঝাতে সাহায্য করবে।
কিন্তু A ও B-এর পূর্ববর্তী অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিতর্ক প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না তা তাদের সম্পর্ককে প্রভাবিত করে থাকে।

(গ) A একটি অপরাধের জন্য অভিযুক্ত।
অপরাধ সংঘটনের পর A-এর আকস্মিকভাবে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া প্রাসঙ্গিক। যদি প্রমাণিত হয় যে জরুরি ব্যবসার কারণে সে চলে গিয়েছিল, তাহলে সেটিও প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে ব্যাখ্যা করতে পারে। তবে ব্যবসার বিস্তারিত বিবরণ প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না তা প্রমাণ করে যে ব্যবসাটি হঠাৎ ও জরুরি ছিল।
৪৫২.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালতে উপস্থিতি ব্যতিরেকে কোনো ব্যক্তির মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. ব্যক্তি মৃত হলে
  2. ব্যক্তি নিখোঁজ হলে
  3. ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হয়।

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২ অনুযায়ী, কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোনো ব্যক্তির মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি আদালতে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদিও সেই ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত নেই। এই পরিস্থিতিগুলো হলো—
→ ব্যক্তি মৃত হলে – যদি কোনো ব্যক্তি মারা যান, তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বা মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিবৃতি আদালতে "মৃত্যুকালীন ঘোষণা" (Dying Declaration) হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
→ ধারা ৩২-এর প্রাথমিক শর্ত মতে ব্যক্তি নিখোঁজ হলে – যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া না যায় বা তার অবস্থান অনির্ধারিত থাকে, তবে তার পূর্বে করা কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
→ ধারা ৩২-এর শর্ত মতে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হলে – যদি কেউ শারীরিক বা মানসিক কারণে সাক্ষ্য দিতে অপারগ হন, যেমন— পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা কোমায় থাকেন, তাহলে তার পূর্বে করা লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। 

অর্থাৎ উপরোক্ত তিনটি শর্তের যে কোনো একটির উপস্থিতিতে আদালত ব্যক্তির মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি গ্রহণ করতে পারে। তাই, "উপরের সবগুলো" (ঘ) সঠিক উত্তর।
৪৫৩.
"Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, _____________ , legally authorized to take evidence.
  1. except Court Martial Judges
  2. except Village Court members
  3. except Arbitrators
  4. none of them
সঠিক উত্তর:
except Arbitrators
উত্তর
সঠিক উত্তর:
except Arbitrators
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত (Court): বলতে সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশ ব্যতীত সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভূক্ত করবে।

⇒ Interpretation-clause:
⇒ Section 3. In this Act the following words and expressions are used in the following senses, unless a contrary intention appears from the context:-

⇒ "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.

⇒ "Fact" means and includes-
(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.
৪৫৪.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কয়টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপ:
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায়না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
৪৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক অনুযায়ী, ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
  2. গ্রাহককেই প্রমাণ করতে হবে
  3. আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন
  4. সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রমাণিত
সঠিক উত্তর:
গ্রাহককেই প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাহককেই প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক (67A) অনুযায়ী, যদি কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষর একটি ডিজিটাল রেকর্ডে সংযুক্ত করা হয়, তবে সেটি প্রমাণ করতে হবে যে, এটি সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের (Subscriber) স্বাক্ষর। সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর (Secure Digital Signature) ছাড়া, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি গ্রাহকই প্রমাণ করতে হবে, এবং আদালত কোনো বিশেষ অনুমোদন ছাড়াই এটি গ্রহণ করবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক - ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সম্পর্কিত বিধান:
সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ব্যতীত, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে কোনো গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়, তবে এটি প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সেই গ্রাহকের স্বাক্ষর।
৪৫৬.
What is meant by "not proved" under the Evidence Act, 1872?
  1. The fact is partially proved
  2. The fact is disproved by the Court
  3. The fact is neither proved nor disproved
  4. The fact is accepted without evidence
সঠিক উত্তর:
The fact is neither proved nor disproved
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The fact is neither proved nor disproved
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act,1872 এর ৩ ধারায় প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
 
প্রমাণিত (proved):
কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
 
মিথ্যা প্রমানিত (disproved):
কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.
 
অপ্রমাণিত (not to be proved):
কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না।
⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.
৪৫৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪ অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি সরকারী দলিল (Public Document) হিসেবে গণ্য হবে? 
  1. ব্যক্তিগত চিঠি
  2. আদালতের রায়
  3. কবিতা বা উইল
  4. উল্লিখিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুসারে, সরকারী দলিল (Public Document) বলতে সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলগুলোকে বোঝায়, যেমন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনালের নথিপত্র, বিচার বা শাসন বিভাগের লিখিত রেকর্ড। এর মধ্যে আদালতের রায় অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি সরকারী রেকর্ডে রক্ষিত হয়। অন্যান্য অপশনগুলো (ব্যক্তিগত চিঠি, কবিতা বা উইল) ধারা ৭৫-এর অধীনে বেসরকারী দলিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

৪৫৮.
"স্বীকারোক্তি হলো মৌখিক বা লিখিত (অথবা ডিজিটাল রেকর্ডে রয়েছে) বক্তব্য যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন ধারণার সূত্রপাত করে" সাক্ষ্য আইনের কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ১৮ ধারায়
  2. ১৭ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ১৭ ধারার বিধান- স্বীকারোক্তি সংজ্ঞায়িত:
একটি স্বীকারোক্তি হল একটি বক্তব্য, মৌখিক বা দলিলমূলক বা ডিজিটাল রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত, যা কোনো বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কে কোনো উপসংহার বা ধারণা প্রদান করে, এবং যা যেকোনো ব্যক্তির দ্বারা এবং নিম্নোক্ত বর্ণিত পরিস্থিতিতে করা হয়।

Section- 17. Admission defined
An admission is a statement, oral or documentary or contained in the digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
৪৫৯.
নিম্নলিখিত কোনটি পাবলিক ডকুমেন্ট না?
  1. খতিয়ান
  2. আদালতের রায়
  3. উইল
  4. গ্রেফতারী পরোয়ানা
সঠিক উত্তর:
উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল।

⇒কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒ খতিয়ান, গেজেট নোটিফিকেশন বা গ্রেফতারী পরোয়ানা ও আদালতের আদেশ ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ এগুলো সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের কাজের অংশ। উইল পাবলিক দলিল নয়।

⇒ ৭৪(২) ধারা অনুসারে বেসরকারী যে সকল দলিল সরকার নিজের কাছে সংরক্ষণ রাখে সেগুলোও সরকারী দলিল।
৪৬০.
Who bears the burden of proving that the case falls within any of the general or special exceptions according to Section 105 of The Evidence Act, 1872?
  1. The judge
  2. The accused
  3. The prosecutor
  4. The investigating officer
সঠিক উত্তর:
The accused
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The accused
ব্যাখ্যা
Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামী দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে আসামী পক্ষের। বলা আছে-
"দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম যে সমস্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেই সমস্ত ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যতিক্রম প্রযোজ্য এই দাবি করাই যথেষ্ট নয়, বরং এই ব্যতিক্রমের উপস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।"

অর্থাৎ, যদি আসামীপক্ষ দাবি করে যে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে শুধু দাবি করা যথেষ্ট নয়, বরং তাদেরকে সেই দাবি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে আসামীপক্ষের।
৪৬১.
আদালতে কোন ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত তৈরির ক্ষেত্রে কার মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. বিশেষজ্ঞের
  2. সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
  3. যার ডিজিটাল স্বাক্ষর সেই ব্যক্তির
  4. বাদী ও বিবাদির আইনজীবীর
সঠিক উত্তর:
সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারামতে ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
--------------
“Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant.- When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact."
৪৬২.
একটি মামলার প্রমাণের জন্য আদালতে কি নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষী বাধ্যতামূলক?
  1. হ্যাঁ, কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী প্রয়োজন
  2. শুধুমাত্র একজন প্রয়োজন
  3. না, নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
  4. কমপক্ষে ৩ জন সাক্ষী প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
না, নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
না, নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

Section 134: Number of witnesses
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৪৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী, আদালত কখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের তথ্য সঠিক বলে অনুমান করবে?
  1. যখন বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন না করা হয়
  2. যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক গৃহীত হয়
  3. যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক প্রত্যাখ্যান করা হয়
  4. যখন আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনদ যাচাই করে
সঠিক উত্তর:
যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক গৃহীত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক গৃহীত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫(গ) ধারা, আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান: আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের তথ্য সঠিক বলে অনুমান করবে যখন সনদটি গ্রাহক (সাবস্ক্রাইবার) কর্তৃক গৃহীত হয়। অর্থাৎ, গ্রাহক যদি স্বেচ্ছায় সনদটি গ্রহণ করে, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে সনদের উল্লিখিত তথ্য (গ্রাহকের যাচাইকৃত নয় এমন তথ্য ছাড়া) সঠিক, যতক্ষণ না বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।
--------------------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 85C: Presumption as to Digital Signature Certificates: "The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber."

৪৬৪.
“Motive, preparation and previous or subsequent conduct” এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় আলোচনা রয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦৮ ধারা অনুযায়ী যেকোন বিষয় যা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের জন্য অভিপ্রায় বা প্রস্তুতি বা আচরণ দেখায় বা গঠন করে তা প্রাসঙ্গিক। 
♦ধারা ৮ মতে উদ্দেশ্য;; প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণঃ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সংঘটনে অভিপ্রায় বা উদ্যোগ যে বিষয়ের দ্বারা সৃষ্টি হয় বা যে বিষয় হইতে দৃষ্ট হয়, তাহা প্রাসঙ্গিক বিষয়।কোন মামলা বা বিচার কার্যক্রম সম্পর্কে অথবা উহাতে বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক কোন বিষয় সম্পর্কে উক্ত মামলা বিচার যা কার্যক্রমের কোন পক্ষ বা কোন পক্ষের প্রতিনিধির আচরণ এবং যে ব্যাক্তির বিরুদ্ধে সংঘটিত কোন অপরাধ কোন ফৌজদারী কার্যক্রমের বিষয়বস্তু, তাহার আচরণ যদি কোন বিচাৰ্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে প্রভাবিত করে বা তদ্দারা প্রভাবিত হয় তরে সেই আচরণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পূর্ববর্তী হউক বা পরবর্তীই হউক, তাহা প্রাসঙ্গিক।
৪৬৫.
Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. দেওয়ানি
  2. ফৌজদারি
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি
ব্যাখ্যা
• ‘যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র দ্বারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করায় এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করতে বলে, তখন উক্ত ২ পক্ষের মধ্যে কোন মামলায় ১ম পক্ষ তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না।’- একে ‘Estoppel' বা 'স্বকার্যজনিত বাধা’ নীতি বলা হয়।

সাক্ষ্য আইনের এই নীতি শুধুমাত্র দেওয়ানী কার্যক্রমে প্রয়োগ করা হয়। ফৌজদারি কার্যক্রমে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার কোন ব্যবহার নেই।
৪৬৬.
'জবানবন্দি গ্রহণ' বলা হয়-
  1. বিরোধী পক্ষের সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
  2. সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করাকে
  3. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
  4. বিচারকের নির্দেশে সাক্ষীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করাকে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]-
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]-
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]-
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
৪৬৭.
'ক' একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি 'খ' এর দখলে আছে 'ক' দাবি করে যে, 'খ'-এর পিতা 'গ'-উইল করে ঐ জমি 'ক'-কে দিয়ে গেছে। এখানে প্রমানের দাযয়িত্ব-
  1. ক-এর উপর
  2. খ-এর উপর
  3. গ-এর উপর
  4. কারও উপর নয়
সঠিক উত্তর:
ক-এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক-এর উপর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে: মামলায় বা কার্যক্রমে কোন পক্ষ হইতেই সাক্ষ্য দেওয়া না হইলে যেপক্ষ মামলার ঠকিবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত।
 
⇒ উদাহরণঃ

(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে।
এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে।

⇒ সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
৪৬৮.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী একজন শিশু স্বাক্ষীর যোগ্যতা নির্ভর করে তার-
  1. বোধশক্তির উপর
  2. লিঙ্গের উপর
  3. ধর্মের উপর
  4. জাতীয়তার উপর
সঠিক উত্তর:
বোধশক্তির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোধশক্তির উপর
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়। ১১৮ ধারা অনুযায়ী- প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে সক্ষম সকল ব্যক্তি যোগ্য সাক্ষী। যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এমন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি, যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তরদানে সক্ষম।
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারার বিধান যে সাক্ষ্য দিতে পারেঃ সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

♦ব্যাখ্যাঃ কোন বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Md. Abdul Haque Vs. The State মামলায় আপিল বিভাগ বলেছে যে, প্রশ্ন বুঝতে পারে এবং প্রাসঙ্গিক ও যৌক্তিক উত্তর দিতে পারে এমন শিশুর সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য। আদালত উক্ত শিশুর সাক্ষ্য সতর্কতার সাথে বিবেচনা করবে।
৪৬৯.
প্রতিপক্ষ কর্তৃক জেরাকৃত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য একই বিষয় এবং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পরবর্তী যে কোন বিচারিক কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত সাক্ষী হন-
  1. সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য
  2. মৃত ব্যক্তি
  3. সরকারী কর্মচারী
  4. জীবিত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারার বিধান কখন পূর্ববর্তী সাক্ষ্যে প্রদত্ত বিবৃতি পরবর্তীতে মামলা প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারেঃ- কোন মামলার সাক্ষী মামলার কোন পর্যায়ে সাক্ষ্য দেয়ার পর যদি মারা যায়, নিখোঁজ হয়, সাক্ষ্য প্রদানে অসমর্থ হয়, প্রতিপক্ষ দ্বারা আটক হয় অথবা উক্ত সাক্ষীর হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে; এই ধরনের সাক্ষীর পূর্বে দেওয়া সাক্ষ্য পরবর্তী কোন মামলায় বা ঐ একই মামলার পরবর্তী পর্যায়ে কোন ঘটনার সত্যতা প্রমানের জন্য নিম্নলিখিত কিছু শর্ত সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক হবে।
শর্তগুলো হল- ১. পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলা একই বিচার্য বিষয়ে এবং একই পক্ষদ্বয়ের বা প্রতিনিধিদের মধ্যে হবে; এবং
২. পূর্ববর্তী মামলার সাক্ষ্যে জেরার (cross-examination) সুযোগ বিদ্যমান ছিল।
৪৭০.
নিম্নের কোন বিষয়টি 'Shall Presume' এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Presumption as to documents thirty years old
  2. Presumption as to digital records five years old
  3. Presumption as to physical or forensic evidence
  4. Presumption as to due execution, etc., of documents not produced
সঠিক উত্তর:
Presumption as to due execution, etc., of documents not produced
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presumption as to due execution, etc., of documents not produced
ব্যাখ্যা
⇒ Section 89 Presumption as to due execution, etc., of documents not produced (উপস্থাপিত হয়নি এরূপ দলিলের যথাযথ সম্পাদন ইত্যাদি সম্পর্কে অনুমান) (Shall Presume)
⇒ Section 89A Presumption as to physical or forensic evidence (শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসাবে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90 Presumption as to documents thirty years old (৩০ বছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90A Presumption as to digital records five years old (May Presume) পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান) (May Presume)

-----------
⇒ Presumption as to due execution, etc., of documents not produced:

Section 89. The Court shall presume that every document, called for and not produced after notice to produce, was attested, stamped and executed in the manner required by law.
⇒ Presumption as to physical or forensic evidence:
Section 89A. The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.
⇒ Presumption as to documents thirty years old:
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81. 
 
⇒ Presumption as to digital records five years old:
Section 90A. Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

⇒ Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৪৭১.
দুষ্কর্মের সহযোগীর বিবৃতি যদি প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সহ সমর্থিত না হয়, সেক্ষেত্রে আদালত বিবৃতিটি সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৪ অনুযায়ী কী অনুমান করতে পারে?
  1. বিশ্বাসের যোগ্য
  2. বিশ্বাসের যোগ্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে
  3. বিশ্বাসের অযোগ্য 
  4. আদালতের বিচক্ষণতার উপর নির্ভর করে যেমনটা অনুমান করতে পারে।
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসের অযোগ্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসের অযোগ্য 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কতিপয় বিষয়ের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে:
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারা অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত ৯ টি ক্ষেত্রে ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে -

(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;
(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;
(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।

৪৭২.
'An accomplice shall be a competent witness against an accused person' The Evidence Act, 1872 এর কত ধারার বিধান?
  1. ১৩২ ধারায়
  2. ১৩৩ ধারায়
  3. ১৩৪ ধারায়
  4. ১৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 133. Accomplice:
- An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান:
- দুষ্কর্মের সহযোগীঃ-আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামিকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধু সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।
৪৭৩.
A এর বিরুদ্ধে চোরাই মাল রাখার অভিযোগ করা হয়েছে এবং প্রমাণিত হয়েছে যে, সে একটি নির্দিষ্ট চোরাই জিনিসের দখলে ছিল। একই সময়ে তার কাছে আরো অনেক চোরাই মাল পাওয়া যায়। এই বিষয়টি কী প্রমাণ করে?
  1. A জানত যে, তার দখলের সব মাল চোরাই
  2. A চোরাই মাল পাওয়ার বিষয়ে অবগত ছিল না
  3. A চোরাই মালকে আসল মাল বলে বিশ্বাস করত
  4. উল্লিখিত কোনো কিছু প্রমাণ করে না
সঠিক উত্তর:
A জানত যে, তার দখলের সব মাল চোরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A জানত যে, তার দখলের সব মাল চোরাই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারা: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করে:
ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়।

ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে।

ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।

উদহারন:
A-কে চোরাই মাল রাখার অভিযোগ করা হয়েছে, এবং প্রমাণ হয়েছে যে সে একটি নির্দিষ্ট চোরাই জিনিসের দখলে ছিল। এখন, এই সময়ে তার কাছে আরও অনেক চোরাই মাল পাওয়া গেছে—এই বিষয়টি প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি ইঙ্গিত করে যে, সে যে সব জিনিসের দখলে ছিল, প্রতিটিরই চোরাই হওয়ার ব্যাপারে সে জানত। অর্থাৎ, একাধিক চোরাই মাল পাওয়া গেলে তার প্রতিটি জিনিস সম্পর্কে জ্ঞাত থাকা ধারণা করা যেতে পারে।
৪৭৪.
সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, একজন সরকারি কর্মকর্তা তার দায়িত্ব পালনকালে তৈরি করা এন্ট্রির অবস্থা কী?
  1. এটি অপ্রাসঙ্গিক
  2. এটি চূড়ান্ত প্রমাণ
  3. এটি নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  4. এটির জন্য সমর্থনকারী প্রমাণ প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
এটি নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) এটি নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা তার দায়িত্ব পালনকালে কোনো বই, রেজিস্টার বা রেকর্ডে একটি ঘটনা বা বিষয় সম্পর্কে এন্ট্রি তৈরি করেন, তবে তা নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা হিসেবে গণ্য হবে। এর জন্য অন্য কোনো সমর্থনকারী প্রমাণের প্রয়োজন নেই।
- এই ধরনের এন্ট্রি প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে, কারণ এটি সরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তার দায়িত্ব পালনকালে তৈরি করা হয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 35. Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty:
An entry in any public or other official book, register or record ,or digital record, stating a fact in issue or relevant fact, and made by a public servant in the discharge of his official duty, or by any other person in performance of a duty specially enjoined by the law of the country in which such book, register , record or digital record is kept, is itself a relevant fact.
৪৭৫.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় Plea of Alibi কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে।
 ⇒ নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৪৭৬.
'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখেছে, 'খ'-নিজে আদালতে না এসে 'গ' কে এটি বলে। 'গ' আদালতে এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে। তাহলে 'গ' এর সাক্ষ্য আদালতে-
  1. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
  2. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য
  3. মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য
  4. গ্রহনযোগ্যতা আদালতের বিবেচনামূলক
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে। অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে। জনশ্রুত সাক্ষ আদালতে গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ এখানে 'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখে তাহলে নিয়ম হলো, 'খ'-নিজে ৬০ ধারার অধীনে আদালতে এসে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। কিন্তু 'খ' না এসে 'গ' এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে তাহলে এটি জনশ্রুত সাক্ষ বল্যে গণ্য হবে, যা গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়।
----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
৪৭৭.
যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান বা তলব করেছে, সেই পক্ষের সপক্ষে উক্ত সাক্ষী সত্যনিষ্ঠভাবে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অস্বীকার করলে, উক্ত সাক্ষী হলো
  1. বৈরী সাক্ষী
  2. অবাধ্য সাক্ষী
  3. প্রতিকূল সাক্ষী
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা অনুযায়ী বৈরী বা প্রতিকূল সাক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে এ রকম সাক্ষীকে সে সকল প্রশ্ন করতে পারবে যে সকল প্রশ্ন বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় করতে পারে।
৪৭৮.
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা সাক্ষ্য আইনের কত ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে?
  1. ৩ ধারা
  2. ১৩ ধারা
  3. ৪৮ ধারা
  4. ৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:

When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.

Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৪৭৯.
According to Section 120, in civil proceedings, who is considered a competent witness?
  1. Only the parties to the suit
  2. Only the spouses of the parties
  3. The parties to the suit and their spouses
  4. Neither the parties nor their spouses
সঠিক উত্তর:
The parties to the suit and their spouses
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The parties to the suit and their spouses
ব্যাখ্যা
Section 120: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trial:
In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা- দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।
৪৮০.
The Evidence Act 1872 এর কত ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ১৩১ ধারায়
  2. ১৩২ ধারায়
  3. ১৩৩ ধারায়
  4. ১৩৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৩৩ ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য অর্থাৎ একই অপরাধে অভিযুক্ত একাধিক ব্যক্তির মধ্যে কেউ যদি নিজেকে এবং অন্য অভিযুক্তদের জড়িয়ে দোষ স্বীকার করে সে বিষয়ে বলা হয়েছে।
- ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনী হবে না।
৪৮১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা আদালতকে বিচারিক নোটিশ নেওয়ার জন্য বাধ্য করে?
  1. ধারা ৫৭
  2. ধারা ৭৫
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ১২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৭ আদালতকে নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে বিচারিক নোটিশ (judicial notice) নিতে বাধ্য করে।
- এর অধীনে আদালত কিছু সাধারণ বা স্বীকৃত বিষয়, যেমন বাংলাদেশের সকল আইন, সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধবিধি, সংসদের কার্যক্রম, সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে প্রকাশিত নাম, স্বীকৃত রাষ্ট্রের নাম, জাতীয় পতাকা, এবং সময় ও ভূগোল সম্পর্কিত বিষয়াবলী, সম্পর্কে স্বপ্রমাণ গ্রহণ করতে বাধ্য থাকে। এই ধরনের বিষয়গুলি আদালতে যুক্ত করা হলে, আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে এগুলোকে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করবে এবং এর জন্য কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে না।
এটি আদালতের কার্যক্রম সহজ করে এবং সময় বাঁচাতে সহায়ক।

ধারা ৫৭ এর উদ্দেশ্য:
আদালতের কার্যপদ্ধতি সহজ ও দ্রুততর করা।
অপ্রয়োজনীয় প্রমাণের বোঝা কমানো।
সর্বজনবিদিত বা আইন দ্বারা স্বীকৃত বিষয়গুলো প্রমাণের প্রয়োজন ছাড়াই আদালতের বিবেচনায় আনা।
-----------
⇒The Evidence Act,1872, Section 57 of the Evidence Act outlines the facts that the Court must take judicial notice of, including:
1. All Bangladesh Laws.
2. Articles of War for the Armed Forces.
3. The proceedings of Parliament and any legislature with power over Bangladesh's territories.
4. The seals of all courts in Bangladesh, including Admiralty and Maritime Courts and Notaries Public.
5. Names, titles, functions, and signatures of public officeholders, as published in the official Gazette.
6. The existence, title, and national flag of recognized States.
7. Geographical divisions, public festivals, fasts, and holidays notified in the official Gazette.
8. The territories of Bangladesh.
9. Hostilities between Bangladesh and other States or entities.
10. The names of court members, officers, advocates, and authorized persons.
11. The rule of the road on land and sea.
The Court may refer to books or documents of reference for these facts. If any person requests judicial notice, the Court may refuse unless the necessary documents are presented.
৪৮২.
According to Section 65A of the Evidence Act, 1872, the contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of __________.
  1. section 64
  2. section 65
  3. section 65B
  4. section 65C
সঠিক উত্তর:
section 65B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
section 65B
ব্যাখ্যা
Evidence Act, 1872: Section 65A- Special provisions as to evidence relating to digital record:
The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.

ধারা ৬৫ক: ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের বিশেষ বিধান-
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬খ-এর বিধান অনুযায়ী প্রমাণ করা যেতে পারে।
৪৮৩.
কয়টি ক্ষেত্রে দেওয়ানি মামলায় স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ১টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ২৩ ধারা মতে দুইটি ক্ষেত্রে দেওয়ানী মামলায় স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক নয়। যথা:-
(i)  যদি স্বীকৃতিটা এই শর্তে করা হয় যে, উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না।
(ii)  যদি এইরূপ পরিস্থিতিতে স্বীকারোক্তি দেওয়া হয় যে, তাদের মধ্যে কোন চুক্তি ছিল যে তারা এই স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দিবে না।
৪৮৪.
সাক্ষ্য আইনের ৯৯ ধারায়, দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ প্রদান করতে সক্ষম-
  1. আদালত
  2. শুধুমাত্র দলিলের পক্ষ
  3. শুধুমাত্র দলিলের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
  4. দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯৯- দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ কে দিতে পারবে:
যে ব্যক্তিরা দলিলের পক্ষ নন বা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধি নন, তারা এমন যে কোনো তথ্যের প্রমাণ দিতে পারেন যা দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী সমসাময়িক চুক্তির অস্তিত্ব প্রদর্শন করে।

[Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.]
৪৮৫.
বণ্ডে বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য A,B এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। B বন্ডের বিষিয়টি স্বীকার করে কিন্তু দাবী করে যে, প্রতারণার মাধ্যমে A বন্ডটি সম্পাদন করে। A প্রতারণার বিষিয়টি অস্বীকার করে। প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব বর্তায়
  1. যেহেতু A জয়ী হবে সেহেতু A এর উপর
  2. যেহেতু B বন্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছে সেহেতু B এর উপর
  3. প্রতারণা প্রমাণ করতে না পারলে যেহেতু A জয়ী হবে সেহেতু A এর উপর
  4. কোন পক্ষ সাক্ষ্য না দিলে যেহেতু B পরাজিত হবে সেহেতু B এর উপর
সঠিক উত্তর:
কোন পক্ষ সাক্ষ্য না দিলে যেহেতু B পরাজিত হবে সেহেতু B এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন পক্ষ সাক্ষ্য না দিলে যেহেতু B পরাজিত হবে সেহেতু B এর উপর
ব্যাখ্যা
♦প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণ করার জন্য যদি কোন পক্ষই সাক্ষ্য না দেয় তাহলে B পরাজিত হবে কারণ B বণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছে। সুতরাং প্রতারনা প্রমাণের ভার B এর উপর বর্তায়।
৪৮৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১১ ধারায় দোবারা দোষ  এবং ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা নীতির প্রতিফলন ঘটেছে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ৪০
  2. ধারা  ৪১
  3. ধারা ৪২
  4. ধারা ৪৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় দেওয়ানী কার্যবিধির দোবারা দোষ এবং ফৌজদারী কার্যবিধির দোবারা সাজা নীতির প্রতিফলন হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারার দোবারা দোষ অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে সমাপ্ত মামলা পুনরায় একই বিষয়ে এবং একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আদালতে শুরু করে যাবে না। যদি কোন ব্যক্তি এমন মামলা দায়ের করে তাহলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দিবে। আবর ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা নীতি অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য দুইবার বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না।
৪৮৭.
সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারায় কোন ধরনের ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. যে ঘটনা আদালতকে মামলার সাক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা করে
  2. যে ঘটনা আদালতকে মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণে সহায়তা করে
  3. যে ঘটনা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে
  4. যে ঘটনা আদালতকে মামলার গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণে সহায়তা করে
সঠিক উত্তর:
যে ঘটনা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ঘটনা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী,
যেকোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

কিছু প্রাসঙ্গিক ঘটনার উদাহরণ:
১. ক্ষতির প্রকৃতি ও আকার সম্পর্কিত ঘটনা (শারীরিক ক্ষতি, আর্থিক ক্ষতি ইত্যাদি);
২. ক্ষতিগ্রস্থের আর্থিক অবস্থা বুঝতে সাহায্যকারী ঘটনা (আয়, খরচ ইত্যাদি);
৩. দায়ী পক্ষের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কিত ঘটনা;

৪. দায়িত্বের প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্যকারী ঘটনা;
৫. ক্ষতির ফলাফল সম্পর্কিত ঘটনা (শারীরিক/মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি);
৬. ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কিত ঘটনা।
৪৮৮.
ডিজিটাল স্বাক্ষর (Digital Signature) আদালত কীভাবে যাচাই করতে পারেন?
  1. নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  2. সেই ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  3. অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে আদেশের প্রদানের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৪৮৯.
ধারা ১৩০ অনুযায়ী কোন ধরনের সাক্ষীকে দলিল উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. যে সাক্ষী মামলার পক্ষ
  2. যে ব্যক্তি সম্পত্তি বন্ধক রেখেছে
  3. যে সাক্ষী মামলার পক্ষ নয়
  4. যে ব্যক্তি মামলা শুরু করেছে
সঠিক উত্তর:
যে সাক্ষী মামলার পক্ষ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সাক্ষী মামলার পক্ষ নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩০ অনুসারে,
যে সাক্ষী মামলার পক্ষ নয়, তাকে জোর করে তার সম্পত্তির মালিকানা সংক্রান্ত দলিল বা অন্য কোনো দলিল, যা দ্বারা সে বন্ধকী বা প্রতিজ্ঞা করা সম্পত্তি ধারণ করে, আদালতে উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না। এছাড়াও, যদি কোনো দলিল উপস্থাপন করলে তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগ ওঠার সম্ভাবনা থাকে, তাও উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না। তবে যদি ওই সাক্ষী লিখিতভাবে সম্মতি দিয়ে থাকে যে, তিনি দলিল উপস্থাপন করবেন, তখন তিনি তা আদালতে জমা দিতে বাধ্য থাকবেন।

[No witness who is not a party to a suit shall be compelled to produce his title-deeds to any property or any document in virtue of which he holds any property as pledgee or mortgagee or any document the production of which might tend to criminate him, unless he has agreed in writing to produce them with the person seeking the production of such deeds or some person through whom he claims.]
৪৯০.
The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় বিবাহ সংক্রান্ত রায় চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. ৩৯ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা- প্রবেট, এখতিয়ার ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা:
প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগকালে কোন উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি বলে যখন কোন আইনগত চরিত্র কাহারও উপর আরোপ করে বা কাহাকেও উহা হইতে বঞ্চিত করে, অথবা কোন ব্যাক্তিকে অনুরূপচরিত্রের অধিকারী অথবা নিদিষ্ট কোন কিছুর অধিকারী বলিয়া ঘোষণা করে এবং সেই অধিকার কোন ব্যাক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নহে, বরং সবাত্মাক বলিয়া ঘোষণা করে তখন অনুরূপকোন আইনগত চরিত্র বা অনুরূপকোন কিছুর উপর কোন ব্যাক্তির অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উহা চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি প্রাসঙ্গিক।

- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি চূড়ান্তরুপে প্রমাণ করে যে, উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবৎ হইবার সময় তাহা উদ্ভুত হইয়াছিল।
- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যাক্তিকে আইন ভিত্তিক সত্তা হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় উক্ত ব্যক্তি উক্ত সত্তা হারাইয়াছিল।
- এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তির অধিকারী ছিল বা থাকা উচিত বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির উক্ত সময় তাহারই সম্পত্তি ছিল।
৪৯১.
সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় নিচের কোন নীতিটি সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. Res Gestae
  2. Test Identification Parade
  3. Doctrine of admission
  4. Nemo tenetur seipsum accusare
সঠিক উত্তর:
Test Identification Parade
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Test Identification Parade
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
৪৯২.
বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. বেসরকারী দলিল
  2. বিভাগীয় দলিল
  3. সরকারী দলিল
  4. সরকারী এবং বেসরকারী উভয়
সঠিক উত্তর:
সরকারী দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী দলিল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

----------------
⇒ Public documents:
Section 74. The following documents are public documents:– 
 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৪৯৩.
What is the time period mentioned in Section 107 for presumption of life?
  1. 7 years
  2. 10 years
  3. 20 years
  4. 30 years
সঠিক উত্তর:
30 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
30 years
ব্যাখ্যা
Section 107- Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:
When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.

ধারা ১০৭ – যিনি গত ত্রিশ বছরের মধ্যে জীবিত ছিলেন, তার মৃত্যুর প্রমাণের দায়িত্ব:
যখন কোনো ব্যক্তির জীবিত না মৃত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং দেখা যায় যে তিনি গত ত্রিশ বছরের মধ্যে জীবিত ছিলেন, তখন যিনি দাবি করেন যে ঐ ব্যক্তি মৃত, প্রমাণের দায়িত্ব তাঁর ওপর বর্তায়।
৪৯৪.
একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা ________ প্রমাণ করতে হবে।
  1. 'ক' এর
  2. আদালতের
  3. দলিল স্বাক্ষরকারীর
  4. দলিল রেজিস্টারের
সঠিক উত্তর:
'ক' এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরে বর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible:
The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.
(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death. 
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
৪৯৫.
The Evidence Act, 1872–এর সংগঠন (Structure) কীভাবে বিভক্ত?
  1. ২টি ভাগ, ১০টি অধ্যায়, ১৫৫টি ধারা
  2. ৩টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৭টি ধারা
  3. ৪টি ভাগ, ১২টি অধ্যায়, ১৬৫টি ধারা
  4. ৫টি ভাগ, ১৫টি অধ্যায়, ১৭০টি ধারা
সঠিক উত্তর:
৩টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৭টি ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৭টি ধারা
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: খ) ৩টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৭টি ধারা।
⇒ The Evidence Act, 1872 অর্থাৎ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ একটি পদ্ধতিগত (procedural/adjective) আইন যা আদালতে প্রমাণ উপস্থাপনের বিধান নির্ধারণ করে।
→ এই আইনটির গঠন বা সংগঠন (Structure)- ভাগ (Parts): ৩টি, অধ্যায় (Chapters): ১১টি, ধারা (Sections): মোট ১৬৭টি।

খণ্ড (Parts): মোট ৩টি
- Part 1: ধারা ১-৫৫ — Relevancy of facts (ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা)
- Part 2: ধারা ৫৬-১০০ — Proof of facts (ঘটনার প্রমাণ)
- Part 3: ধারা ১০১-১৬৭ — Production and effect of evidence (সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ফলাফল)
- অধ্যায় (Chapters): মোট ১১টি
- ধারা (Sections): মোট ১৬৭টি
- আইন প্রণয়ন: ১৫ই মার্চ, ১৮৭২।
- কার্যকর: ১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
- প্রণেতা: স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: আদালতে সত্য উদঘাটনের জন্য প্রাসঙ্গিক ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ নির্ধারণ করা।
৪৯৬.
The Evidence Act-এর ৫ ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি এমন কোনো বিষয়ের সাক্ষ্য দিতে পারে না যা -
  1. আদালতের অনুমতিসাপেক্ষ
  2. নথি দ্বারা প্রমাণ করা যায় না
  3. সাক্ষীর বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিষিদ্ধ
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিষিদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিষিদ্ধ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫-এর ব্যাখ্যায় (Explanation) অনুসারে, এই ধারা কোনো ব্যক্তিকে এমন কোনো ফ্যাক্টের সাক্ষ্য দেওয়ার অধিকার প্রদান করে না যা সে বর্তমানে কার্যকর দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের (Code of Civil Procedure) যেকোনো বিধান দ্বারা প্রমাণ করতে অযোগ্য বা নিষিদ্ধ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
ব্যাখ্যা: দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।
--------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 5. Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others. 
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.

৪৯৭.
X চুরির দায়ে Y কে ফৌজদারিতে সোপর্দ করেন। বিচারের সময় Y আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, মামলায় চুরির যে সময়ের কথা বলা হয়েছে সে সময়ে Y অন্যত্র ছিল। বিষয়টি প্রমানের দায়ভার কার?
  1. X - এর
  2. আদালতের
  3. Y - এর
  4. X ও Y উভয়ের
সঠিক উত্তর:
Y - এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Y - এর
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১০৩ ধারায় নির্দিষ্ট ঘটনা প্রমাণের দায়িত্ব তথা যদি কোন ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট ঘটনা প্রমাণ করতে চায় তাহলে তা প্রমাণের দায়িত্ব তার উপরেই বর্তায়।
- এই প্রশ্নে Y চুরির ঘটনার সময় অন্যত্র ছিল বলে দাবী করায় তা তাকেই  প্রমাণ করতে হবে।
৪৯৮.
'যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি শুধুমাত্র তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে, অন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে না'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম?
  1. ২৭ ধারা
  2. ২৪ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ৩০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
•ধারা ৩০- যখন দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের [co-accused) বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়:

সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো- যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে অন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম।

সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

শর্তসমূহ:
১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে:
২. উক্ত একই অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Tried jointly) করা হবে:
৩. উক্ত অভিযুক্তদের মধ্যে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকেসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করবে;
৪. এমন দোষ স্বীকারোক্তি প্রমাণিত হলে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে আমলে নিতে পারে।
৪৯৯.
'স্বীকৃত বিষয় প্রমাণের আবশ্যকতা নেই' এই বিধান সাক্ষ্য আইনের কোথায় আছে?
  1. ৫৬ ধারায়
  2. ৫৪ ধারায়
  3. ৫৮ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
৫০০.
‘A’ ‘B’-কে একটি দলিল সম্পর্কে বলে, “যাও ‘C’-কে জিজ্ঞাসা করো, সে সব জানে।” এই পরিস্থিতিতে ‘C’-এর বিবৃতি কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. Evidence
  2. Admission
  3. Confession
  4. Hearsay Evidence
সঠিক উত্তর:
Admission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Admission
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২০ অনুযায়ী, যখন কোনো পক্ষ অন্য কাউকে একটি বিষয়ে তথ্য জানার জন্য স্পষ্টভাবে রেফার করে, তাহলে ওই ব্যক্তির বিবৃতিটি Admission হিসেবে গণ্য হবে।
এখানে ‘A’ ‘B’-কে ‘C’কে রেফার করছে, ফলে ‘C’-এর বক্তব্য Admission হিসেবে গণ্য হবে।
- সঠিক উত্তর: খ) স্বীকারোক্তি (Admission)

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২০ (Section 20) এই পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য। ধারা ২০-তে বলা হয়েছে: "Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions."
অর্থাৎ, যদি মামলার কোনো পক্ষ (এখানে ‘A’) কোনো বিষয়ে তথ্যের জন্য স্পষ্টভাবে অন্য কোনো ব্যক্তিকে (‘C’) রেফার করে, তবে সেই ব্যক্তির (‘C’) বিবৃতি একটি Admission হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 20. Admissions by persons expressly referred to by party to suit:
- Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions.
Illustrations:
- The question is whether a horse sold by A to B is sound.
- A says to B–"Go and ask C; C knows all about it." C's statement is an admission.