বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Evidence Act, 1872

মোট প্রশ্ন১,৬৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Evidence Act, 1872

PrepBank · পাতা ১৫ / ১৭ · ১,৪০১১,৫০০ / ১,৬৬৪

১,৪০১.
X আদালতে দাবি করেন যে, Y এর দখলাধীন জমিতে তার অধিকার আছে। এর সমর্থনে X কতক বিষয়ের অস্তিত্ব দাবি করেন, যা Y অস্বীকার করেন। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণের দায় কার?
  1. শুধু X এর
  2. শুধু Y এর
  3. স্বীয় দাবীর সমর্থনে উভয়ের
  4. এটি Judicial Notice এর বিষয়
সঠিক উত্তর:
শুধু X এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু X এর
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০১ এ প্রমাণের দায়িত্ব সংক্রান্ত বিধান আছে।  ১০১ ধারা অনুযায়ী  প্রমাণের দায়িত্ব হল  যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করিয়া তদুপরি নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করিবেন।
♦  কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্ৰমাণ করিতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত।
১,৪০২.
"Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, _____________ , legally authorized to take evidence.
  1. except mediators
  2. except Court Martial Judges
  3. except Arbitrators
  4. except Village Court members
সঠিক উত্তর:
except Arbitrators
উত্তর
সঠিক উত্তর:
except Arbitrators
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত (Court): বলতে সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশ ব্যতীত  সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভূক্ত করবে।
⇒ Interpretation-clause:
 
⇒ Section 3. In this Act the following words and expressions are used in the following senses, unless a contrary intention appears from the context:-
⇒ "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.
 
⇒ "Fact" means and includes-
(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.
১,৪০৩.
কোন অবস্থায় পুলিশের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. সবসময়
  2. যদি তা স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়
  3. যদি ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকেন
  4. যদি তা আদালতের আদেশে দেওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
যদি ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যদি ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকেন।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৫ ও ধারা ২৬ অনুযায়ী—
ধারা ২৫: কোনো ব্যক্তির পুলিশের নিকট করা স্বীকারোক্তি, তা যতই স্বেচ্ছায় দেওয়া হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য নয়।
ধারা ২৬: যদি কোনো ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় স্বীকারোক্তি দেয়, তাহলে সেটি তখনই সাক্ষ্যরূপে গ্রহণযোগ্য, যদি তা ম্যাজিস্ট্রেটের সরাসরি উপস্থিতিতে প্রদান করা হয়।
অতএব, পুলিশের কাছে করা স্বীকারোক্তি সাধারণত অগ্রহণযোগ্য, তবে যদি ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকেন, তখন তা গ্রহণযোগ্য হয়।
১,৪০৪.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান করতে পারে?
  1. ৮৫ক ধারা
  2. ৮৫খ ধারা
  3. ৮৫গ ধারা
  4. ৮৯ক ধারা
সঠিক উত্তর:
৮৫গ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫গ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
-বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
 
⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
 ---------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-85C- Presumption as to Digital Signature Certificates.-
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.
১,৪০৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কাকে উদ্দেশ্য করে তৈরি করা হবে?
  1. আদালত
  2. বাদী পক্ষ
  3. বিবাদী পক্ষ
  4. উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক: বিশেষজ্ঞের মতামত শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে:
(১) আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যতক্ষণ না তার প্রতিবেদনটি (উপ-ধারা ২ অনুযায়ী) সমস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়।
(২) বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হবে এবং কোনো পক্ষের পক্ষে নয়, এবং বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হচ্ছে আদালতকে সাহায্য করা।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 45A. Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১,৪০৬.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ______এর বিধান অনুযায়ী প্রমাণ করা যেতে পারে।
  1. ৬৫
  2. ৬৫খ
  3. ৬৬
  4. ৬৭
সঠিক উত্তর:
৬৫খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৫ক: ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের বিশেষ বিধান-
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬খ-এর বিধান অনুযায়ী প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 65A- Special provisions as to evidence relating to digital record:
The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.
১,৪০৭.
সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি বিষয় সাক্ষ্য দেওয়া যাবে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী ২টি বিষয় সাক্ষ্য দেওয়া যাবে।
১। বিচার্য বিষয় (Fact in issue)
২। প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts)।
উল্লিখিত দুইটি বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে।
১,৪০৮.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার কার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষীর
  2. অভিযুক্তের
  3. অভিযোগকারীর
  4. আদালতের
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়।
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন। 

Section 155: Impeaching credit of witness:
The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;

Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
১,৪০৯.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারানুযায়ী একজন সাক্ষী নিজের লিখিত দেখে তথ্য আদালতে জবানবন্দী দিতে পারবেন?
  1. ১৫৬ ধারা
  2. ১৫৭ ধারা
  3. ১৫৮ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল দেখে উত্তর দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাক্ষী তার নিজের লেখা, অন্যের লেখা বা দলিলের নকল দেখেও উত্তর দিতে পারেন। এটাই হল Refreshing memory। সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করন বা Refreshing memory এর বিধান রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ থেকে ১৬১ ধারায় এ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-

i) সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখিয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

ii) সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তার মামলা তদন্তকালে কেস ডায়েরীতে লিপিবদ্ধকৃত বিষয়াবলী সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

iii) সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় বিবাদী পক্ষ জেরা করতে পারবেন। অর্থাৎ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোন সাক্ষী কর্তৃক যে লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, বিরোধী পক্ষ উক্ত লিখিত বিবৃতি দেখতে চাইতে পারে, উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে বা উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
১,৪১০.
A তার স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করে ঢাকায়। মামলায় রায়ে অসন্তুষ্ট হয়ে সে তার বাবার বাড়িতে গিয়ে একই বিষয়ে আরেকটি মামলা করে। উক্ত স্বামী আদালতকে জানায় যে, এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে তাই এই মামলা চলতে পারে না। এক্ষেত্রে, উক্ত স্বামীর দাবি করা বিষয় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আদালতে প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৮ ধারা
  2. ৩৯ ধারা
  3. ৪০ ধারা
  4. ৪২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১);
ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান:
দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
১,৪১১.
মামলার কোনো পর্যায়ে নোটিশ দেয়া সত্ত্বেও কোন পক্ষ দলিল দাখিল করতে অস্বীকৃতি জানালে, পরবর্তীতে উক্ত দলিল-
  1. দাখিল করা যাবে না
  2. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  3. অপর পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না। অর্থাৎ অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।

Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.
১,৪১২.
সাক্ষ্য আইন, ১৯৭২ সর্বশেষ কবে সংশোধিত হয়?
  1. ২০২৩
  2. ২০২২
  3. ২০২১
  4. ২০১২
সঠিক উত্তর:
২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন সর্বশেষ ২০২২ সালের সংশোধনের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়।
১,৪১৩.
সর্বপ্রথম ১৮৫০ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন কে?
  1. স্যার হেনরি সামার মেইন
  2. স্যার জেমস ফিট্জ জেমস স্টিফেন
  3. প্রফেসর তেইর
  4. জন ম্যাকলে
সঠিক উত্তর:
স্যার হেনরি সামার মেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার হেনরি সামার মেইন
ব্যাখ্যা
- ১৮৫০ সালে স্যার হেনরি মেইন প্রথমবার সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেছিলেন।
- পরবর্তীতে ১৮৭২ সালে স্যার জেমস ফিট্জ জেমস স্টিফেন সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন।
- ১লা সেপ্টেম্বর ১৮৭২ সালে তা কার্যকর হয়।
১,৪১৪.
`No new trial for improper admission or rejection of evidence’ - এই বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. কেবল ফৌজদারি কার্যধারায়
  2. কেবল দেওয়ানি কার্যধারায়
  3. কেবল প্রশাসনিক কার্যধারায়
  4. সকল বৈচারিক কার্যধারায়
সঠিক উত্তর:
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না।

- সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
১,৪১৫.
নিম্নলিখিত কোনটি শারীর সম্বন্ধীয় সাক্ষ্যের উদাহরণ নয়?
  1. চুল
  2. ডিএনএ
  3. হস্তাক্ষর
  4. পায়ের ছাপ
সঠিক উত্তর:
হস্তাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তাক্ষর
ব্যাখ্যা
ধারা-৩: শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য:
রক্ত, বীর্য, চুল, সকল দৈহিক উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিএনএ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ; এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরুপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ-
i. প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে; বা
ii. অপরাধ এবং এর ভুক্তভোগীর মধ্যে বা অপরাধ এবং এর অপরাধীর মধ্যেকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে; এবং 
iii. কোন ঘটনা প্রমাণ করে বা মিথ্যা প্রমাণ করে।

হস্তাক্ষর (Handwriting) শারীরিক বা বস্তুগত প্রমাণের উদাহরণ নয়, কারণ এটি মূলত একটি লিখিত নিদর্শন বা ডকুমেন্টারি প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
১,৪১৬.
পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন কার অনুমতি সাপেক্ষে করতে হয়?
  1. প্রতিপক্ষের আইনজীবীর
  2. আদালতের অনুমতি
  3. পিপি’র অনুমতি
  4. প্রতিপক্ষের অনুমতি
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা- ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) :
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
১,৪১৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের নিয়ম উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ৬১
  3. ধারা ৯০
  4. ধারা ১৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬১
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬১ (Section 61 – Proof of contents of documents)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
“The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.”
অর্থাৎ, কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার নিয়ম এই ধারায় বলা হয়েছে, এবং এতে উল্লেখ আছে যে —
এটি হতে পারে
- প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) দ্বারা অথবা
- মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) দ্বারা।

→ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হচ্ছে মূল দলিল, যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। অন্যদিকে, মাধ্যমিক সাক্ষ্য তখন ব্যবহার করা হয় যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, এবং তখন তার প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য এর মাধ্যমে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 61 - Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.

১,৪১৮.
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ধরনের ঘটনা বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক?
  1. ঘটনার উপলক্ষ
  2. ঘটনার কারণ
  3. ঘটনার পরিণাম
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ধরনের ঘটনা বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক:
উপলক্ষ (Occasion): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার উপলক্ষ হিসেবে কাজ করে।
কারণ (Cause): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
পরিণাম (Effect): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার পরিণাম হিসেবে দেখা যায়।

Section 7: Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
১,৪১৯.
সাক্ষ্য আইনের বিধান মতে নিচের কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন?
  1. স্বীকৃত বিষয়সমূহ
  2. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  3. অনুমিত বিষয়াদি
  4. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে, অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
১,৪২০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩৮ অনুযায়ী আদালত কোন ধরনের প্রতিবেদন প্রাসঙ্গিক মনে করে?
  1. সংবাদপত্রের প্রতিবেদন
  2. টেলিভিশনের সংবাদ প্রতিবেদন
  3. আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮:
যখন আদালতের কোনো দেশের আইন সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন সেই দেশের সরকারের কর্তৃত্বে মুদ্রিত বা প্রকাশিত যে কোনো আইনের বিবৃতি, এবং সেই দেশের আদালতের কোনো রায়ের প্রতিবেদন, যা একটি বইয়ে প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে, তা প্রাসঙ্গিক

[When the Court has to form an opinion as to a law of any country, any statement of such law contained in a book purporting to be printed or published under the authority of the Government of such country and to contain any such law, and any report of a ruling of the Courts of such country contained in a book purporting to be a report of such rulings, is relevant.]
১,৪২১.
‘এ’ বলে যে ‘বি’ একটি অপরাধ করেছে। এখন ‘এ' বলে আদালতের রায়ে ‘বি’ এর সাজা হোক। কোন বক্তব্যটি সঠিক?
  1. ‘বি’ কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, সে অপরাধটি করেনি
  2. আদালতকে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে ‘বি’ অপরাধটি করেছে
  3. ‘এ' কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেছে
  4. ‘এ’ কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেনি
সঠিক উত্তর:
‘এ' কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘এ' কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেছে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ‘Burden of Proof” শিরোনামে ১০১ ধারার মূল বিধান হলোঃ যিনি কোনো বিষয়ের অস্তিত্ব দাবি করবেন তিনিই তা প্রমাণ করবেন; যদি দাবিটি সঠিক, যৌক্তিক ও আইনানুগ হয় । সংক্ষেপে বললে: ‘যে যা দাবি করবে সে তা প্রমাণ করবে”।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা মতে প্রমাণের দায়িত্বঃ
যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করিয়া তদুপরি নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করিবেন।
কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্ৰমাণ করিতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত।
১,৪২২.
অধিকার বা প্রথা প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১০
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩-এ অধিকার বা প্রথা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যেসকল ক্ষেত্রে কোনো অধিকার বা প্রথা সংক্রান্ত বিষয় প্রমাণিত হওয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ প্রাসঙ্গিক হবে:
১) যেকোনো লেনদেন বা কার্যক্রম যা ওই অধিকার বা প্রথার সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তন, স্বীকৃতি বা বিরোধিতা করার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক হবে।
২) কোনো অধিকার বা প্রথার প্রয়োগ বা বিরোধিতা সংক্রান্ত বিশেষ ঘটনা, যা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, সেটিও প্রাসঙ্গিক।
এটি মূলত অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব বা তার প্রয়োগের ইতিহাস প্রমাণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
এবং ধারা ১০, ধারা ৭, বা ধারা ১২ এসবের মধ্যে কোনোটি অধিকার বা প্রথার প্রমাণের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒The Evidence Act, 1872, Section-13. Facts relevant when right or custom is in question:
Where the question is as to the existence of any right of custom, the following facts are relevant:–
(a) any transaction by which the right or custom in question was created, claimed, modified, recognized, asserted or denied, or which was inconsistent with its existence;
(b) particular instances in which the right or custom was claimed, recognized or exercised, or in which its exercise was disputed, asserted or departed from.
১,৪২৩.
Under Section 61, how can the contents of a document be proven?
  1. Only by oral testimony
  2. Only by primary evidence
  3. By primary or secondary evidence
  4. By physical inspection of the document only
সঠিক উত্তর:
By primary or secondary evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By primary or secondary evidence
ব্যাখ্যা
• দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দলিলের বিষয়বস্তু দুই প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় -
১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং
২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
 
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 61⇒ Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
১,৪২৪.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী _________ ব্যতীত সকল বিষয় মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
  1. দলিলের বিষয়বস্তু
  2. দলিল
  3. প্রচলিত রীতি সম্পর্কে অভিমত
  4. এক ব্যক্তির সাথে অপর ব্যক্তির সম্পর্ক
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা
ধারা: ৫৯ মতে মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণঃ দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে ।

• দলিলের বিষয়বস্তু দলিল দ্বারাই প্রমাণ করতে হবে, মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা নয়। দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সমস্ত বিষয় বা ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
১,৪২৫.
গৌণ সাক্ষ্যের (Secondary evidence) সংজ্ঞা সম্পর্কিত সাক্ষ্য আইনের ধারা কত?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬১ ধারা
  3. ৬২ ধারা
  4. ৬৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) বিধান রয়েছে। সাক্ষ আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করার মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒  গৌণ সাক্ষ্যঃ গৌণ সাক্ষ্য বলিতে নিম্নলিখিতগুলি বুঝায়-

১) এই আইনে অতঃপর বর্ণিত পরবর্তী ৭৬ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে প্রদত্ত সহিমোহরকৃত নকল।

২) মূল দলিল হইতে এইরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়, এবং এইরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল।

৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;

৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহার ব্যবহারের ক্ষেত্রে;

৫) যে ব্যক্তি কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া ঐ দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

----------------------------
⇒ Secondary evidence:

Section 63. Secondary evidence means and includes- 
 
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained; 
 
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies; 
 
(3) copies made from or compared with the original; 
 
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them; 
 
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.
১,৪২৬.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী নিচের কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন?
  1. স্বীকৃত বিষয়সমূহ
  2. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  3. অনুমিত বিষয়াদি
  4. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।
⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে,
অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
১,৪২৭.
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ অনুযায়ী সাক্ষী হিসেবে যোগ্যতার মানদণ্ড কী?
  1. মামলা সম্পর্কে জ্ঞান
  2. প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া
  3. জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
  4. খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারার বিধান- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।
সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না; তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা।
১,৪২৮.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়,যদি না-
  1. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় 
  2. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ না হয় 
  3. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিনষ্ট হয়
  4. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিনষ্ট না হয়
সঠিক উত্তর:
দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক  অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি তখনই প্রাসঙ্গিক হবে যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা/ বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। 

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ২২ক ধারা, যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক: দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872-Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.

১,৪২৯.
নিম্নলিখিত কোনটি বিচার বহিভূর্ত দোষ স্বীকারোক্তি [Extra-judicial Confession]?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  2. আদালতের নিকট দোষ স্বীকার
  3. ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার: কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।


⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-

i) Inculpatory Confessional Statement; ও

ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ আসামি নিজেকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Inculpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ আর আসামী নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বীকারোক্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথা-

i) বিচারিক (Judicial) স্বীকারোক্তি;

ii) বিচার বহির্ভূত (Extra-judicial) স্বীকারোক্তি; ও

iii) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।

⇒ আসামী তার দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি যদি কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করে, তবে তাকে বলা হয় বিচারিক স্বীকারোক্তি।

⇒ আর তা যদি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রদান করা হয়, তবে তাকে বলা হয় বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি।

⇒ এছাড়া দেখা যায়, আসামী প্রথমে বিচারিক বা বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি করার পর পরবর্তীতে তার ঐ পূর্বের স্বীকারোক্তি আদালতে অস্বীকার করছে। এটাকে বলা হয় প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।
১,৪৩০.
'ক' বলছে 'খ' অপরাধী এবং আদালতের কাছে বিচার প্রার্থনা করে। তাহলে 'খ' যে সত্যিই অপরাধটি করেছে, তা এর প্রমাণ করার দায়িত্ব-
  1. 'ক' এর
  2. 'খ' এর
  3. আদালতের
  4. 'ক' এবং আদালত উভয়ের
সঠিক উত্তর:
'ক' এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ১০১ ধারা অনুযায়ী প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায়- যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। অর্থাৎ, যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো আইনগত অধিকার বা দায়িত্বের বিষয়ে আদালতের রায় চান, যা তার দাবীকৃত কিছু ঘটনার উপর নির্ভরশীল, তাহলে তাকেই সেই ঘটনাগুলির অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হবে।

এই ধারা অনুযায়ী,
যে ব্যক্তি অভিযোগ করেছে, তারই দায়িত্ব সেই অভিযোগের প্রমাণ পেশ করা। অর্থাৎ, 'ক' যদি বলে যে 'খ' অপরাধী, তাহলে তা 'ক' এর দায়িত্ব প্রমাণ করার যে 'খ' সত্যিই ওই অপরাধটি করেছে। তাহলেই আদালত 'খ'-কে সেই অপরাধের জন্য শাস্তি দিতে পারবে।

Section 101- Burden of proof:
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist. When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person.

Illustration-
(a) A desires a Court to give judgment that B shall be punished for a crime which A says B has committed. A must prove that B has committed the crime.
১,৪৩১.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, কোনটি প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়?
  1. মূল দলিল
  2. স্বাক্ষরিত নথিপত্র
  3. দলিলের প্রতিলিপি
  4. আদালতে উপস্থাপিত লিখিত চুক্তি
সঠিক উত্তর:
দলিলের প্রতিলিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের প্রতিলিপি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৬১ ও ৬২ ধারার আলোকে, প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বোঝায় মূল দলিল বা প্রামাণ্য নথি যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
 ৬২ ধারা:
"Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court."
অর্থাৎ, প্রাথমিক সাক্ষ্য হল সেই মূল দলিল যা আদালতে সরাসরি উপস্থাপিত হয়।

⇒ প্রাথমিক সাক্ষ্যের উদাহরণ:
- মূল দলিল (যেমন: চুক্তিপত্র, উইল, বিক্রয় চুক্তি ইত্যাদি) 
- স্বাক্ষরিত নথিপত্র (যেমন: নিজ হাতে স্বাক্ষরিত চুক্তি বা দলিল) 
- আদালতে উপস্থাপিত লিখিত চুক্তি (মূল নথি যদি আদালতে জমা দেওয়া হয়) 

⇒ মাধ্যমিক সাক্ষ্যের উদাহরণ:
- দলিলের প্রতিলিপি (যেমন: ফটোকপি, টাইপকপি, সার্টিফায়েড কপি) 
- অনুলিপি বা ট্রান্সক্রিপ্ট 

⇒ দলিলের প্রতিলিপি শুধুমাত্র মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়, যা তখনই গ্রহণযোগ্য যখন—
- মূল দলিল হারিয়ে গেছে বা ধ্বংস হয়েছে।
- দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়।
- দলিল এমন ব্যক্তির দখলে আছে, যিনি তা আদালতে আনতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।

অর্থাৎ
 - মূল দলিল (Primary Document) → প্রাথমিক সাক্ষ্য।
 - দলিলের প্রতিলিপি (Copy/Photocopy) → মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
- তাই, ‘গ) দলিলের প্রতিলিপি’ প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।
১,৪৩২.
খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসাবে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারা মতে পূর্ববর্তী অসৎ চরিত্র উত্তরদান প্রসঙ্গে ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নহেঃ ফৌজদারী মামলায় আসামীর চরিত্র যে খারাপ, ইহা অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। তবে তাহার চরি এ ভাল এই মর্মে সাক্ষ্য দেওয়া হইয়া থাকিলে তাহার চিরত্র খারাপ ইহা প্রাসঙ্গিক হইয়া পড়ে।
♦ব্যাখ্যা ১ঃ যে মামলায় কোন ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেই ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নহে।
♦ব্যাখ্যা ২ঃ খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসাবে পূর্ববর্তী দন্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক।
১,৪৩৩.
কোন দেশের আইন সম্পর্কে যখন আদালতকে কোন অভিমতে উপনীত হতে হয় তখন নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. সরকারের কর্তৃত্বে প্রকাশিত আইন সম্বলিত কোন পুস্তক
  2. কোন পুস্তকে প্রকাশিত আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট
  3. ক ও খ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী কোন দেশের কোন আইন সম্পর্কে যখন আদালতকে কোন অভিমতে উপনীত হতে হয়, তখন উক্ত আইন সম্পর্কে ঐ দেশের সরকারের কর্তৃত্বে মুদ্রিত ও প্রকাশিত উক্ত আইন সম্বলিত কোন পুস্তকে এবং ঐ দেশের আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট বলে কথিত কোন পুস্তকে প্রকাশিত কোন সিদ্ধান্তের রিপোর্ট প্রাসঙ্গিক হবে।

---------------------
⇒ Relevancy of statements as to any law contained in law-books:
Section 38. When the Court has to form an opinion as to a law of any country, any statement of such law contained in a book purporting to be printed or published under the authority of the Government of such country and to contain any such law, and any report of a ruling of the Courts of such country contained in a book purporting to be a report of such rulings, is relevant.
১,৪৩৪.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমানের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ধারাঃ ৭২ হল যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন নয়, তার প্রমাণ: কোন একটি দলিলের সত্যায়ন আইনত আবশ্যকীয় না হলেও যদি তা সত্যায়িত হয়ে থাকে তাৰে। অসত্যায়িত দলিল হিসাবেই তা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ দলিল দাতা যখন কোন দলিল লিখিত হওয়ার পর দলিলের মর্ম অবগত হয়ে তাতে দলি দাতারূপে স্বাক্ষর দান করে দলিল বিষয়ে দাতার কাজ শেষ করেন তখন বলা যায় দলিলটি সম্পাদিত হল।

⇒ যে ব্যক্তি নিজের নাম দস্তখত করতে পারেন তিনি নিজের নাম দস্তখত করে দলিল সম্পাদন করবেন। দাতা নিরক্ষর হলে টিপসহি দিয়ে অথবা দলিল স্বাক্ষরের স্থানে একটি চিহ্ন দিয়ে দলিলের স্বাক্ষর এবং সম্পাদনের কাজ সম্পন্ন করতে পারেন এই জাতীয় স্বাক্ষর টিপসহি বা টানসহি নামে পরিচিত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭২ ধারার বিধান: অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমানের পদ্ধতি (Method of Proof of Execution of documents not requiring attestation)- কোন অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন নিম্নলিখিতভাবে প্রমান করা যায়। যথা-

ⅰ) দলিলটি যে লিখেছে তার সাক্ষ্য দ্বারা;

ii) দলিল লেখক ও স্বাক্ষরকারীর হস্তলিপির সাথে প্রমানিত বা স্বীকৃত হস্তলিপির তুলনা করে ঐ তর্কিত হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির সাক্ষ্য কিংবা বিশেষজ্ঞের মতামত দ্বারা অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমান করা যায়।

------------------------
⇒ Proof of document not required by law to be attested:
Section 72. An attested document not required by law to be attested may be proved as if it was unattested.
১,৪৩৫.
Which of the following defines a “not proved” fact?
  1. A fact that is definitely proved
  2. A fact that is definitely disproved
  3. A fact that is legally irrelevant
  4. A fact that is neither proved nor disproved
সঠিক উত্তর:
A fact that is neither proved nor disproved
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A fact that is neither proved nor disproved
ব্যাখ্যা

• The Evidence Act,1872 এর ৩ ধারায় প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
 
অপ্রমাণিত (not to be proved):
কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না।
⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.

অন্যদিকে,
প্রমাণিত (proved):
কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
 
মিথ্যা প্রমানিত (disproved):
কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.

১,৪৩৬.
'বৈরী সাক্ষী' বলতে সাধারণত বুঝায়-
  1. যে সাক্ষী নীরবতা পালন করে
  2. যে সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয় না
  3. যে সাক্ষী আদালতের নির্দেশ অমান্য করে
  4. যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
সঠিক উত্তর:
যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়।
⇒ ‘বৈরী সাক্ষী’ (Hostile Witness) বলতে বোঝায়— যে সাক্ষীকে কোনো পক্ষ (বাদী/বিবাদী) নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আদালতে হাজির করে, কিন্তু সে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে বা প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে, পূর্ববর্তী জবানবন্দি (যেমন ১৬৪ দঃবিপ্র) থেকে সরে আসে বা বিপরীত কথা বলে।
- সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৪ অনুযায়ী এই ধরনের সাক্ষীকে আদালত বৈরী ঘোষণা করলে, যে পক্ষ তাকে হাজির করেছে, সেই পক্ষই আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা (cross-examine) করতে পারে।

⇒ বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী যাকে কোনো পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপস্থাপন করে, কিন্তু সে যদি নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে বা প্রতিপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে যদি সাক্ষী বৈরী হয়ে যায়। সাধারণত, জেরা করার অধিকার প্রতিপক্ষের থাকে, তবে যদি আদালত মনে করে যে একজন সাক্ষী ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীতমুখী বক্তব্য দিচ্ছে, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষও তাকে জেরা করতে পারে।

 কখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়?
১) যখন সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়।
২) যখন সাক্ষী প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে।
৩) যখন সাক্ষী তার আগের দেওয়া বক্তব্য থেকে সরে আসে বা বিপরীত কথা বলে।

উদাহরণ:
- একজন সাক্ষী যদি পুলিশের সামনে একরকম বক্তব্য দেয়, কিন্তু আদালতে এসে তার বিপরীত কথা বলে, তাহলে সে বৈরী সাক্ষী বলে গণ্য হতে পারে।

⇒ অর্থাৎ যদি একজন সাক্ষী তার পক্ষের বিরুদ্ধে কথা বলে অথবা প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী বলা হয় এবং সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা করতে পারে।
- এটি আদালতের বিবেচনার বিষয় যে সাক্ষী সত্যিই বৈরী কি না।

১,৪৩৭.
যদি কোনো ব্যক্তি আদালতকে কোনো বিষয়ের অস্তিত্বে বিশ্বাস করাতে চায়, তাহলে প্রমাণের দায়িত্ব -
  1. আদালতের
  2. আসামির
  3. ঐ ব্যক্তির নিজের
  4. বাদী পক্ষের
সঠিক উত্তর:
ঐ ব্যক্তির নিজের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐ ব্যক্তির নিজের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারার বিধান: কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব:
কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

উদাহরণ:
খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে। অন্যদিকে, যদি আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা 'খ' কে প্রমাণ করতে হবে।
১,৪৩৮.
'ক' আদালতে এমন একটি দলিলের অস্তিত্বের কথা উপস্থাপন করলো, যেই দলিলটি স্থানান্তরযোগ্য নয়। এরূপ অবস্থায় আদালত এটি কীভাবে প্রমাণ করার নির্দেশ দেবেন?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  3. বিচারক দলিলটি নিজেই পরিদর্শন করবেন
  4. বর্ণিত যেকোনো উপায় অনুসারে
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
১,৪৩৯.
পুলিশের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট এর উপস্থিতিতে
  2. নিরপেক্ষ সাক্ষীর উপস্থিতিতে
  3. স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আলামত উদ্ধার হলে
  4. স্বীকারোক্তি জোরপূর্বক আদায় করা না হলে।
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আলামত উদ্ধার হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আলামত উদ্ধার হলে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৭ মোতাবেক, কোন বিষয় সম্পর্ক যদি এরুপ সাক্ষ্য পাওয়া যায় যে, অপরাধে অভিযুক্ত ব্যাক্তি পুলিশ অফিসারের হেফাজতে ছিল এবং তার নিকট হতে প্রাপ্ত খবরের ফলে একটা বিষয় উদঘাটিত হয়েছে, তা হলে খবরের যে অংশ উদঘাটিত বিষয়ের সাথে স্পষ্ট রূপে সংশ্লিষ্ট, তা স্বীকারোক্তী হোক বা না হোক, প্রমাণ করা যেতে পারে।
১,৪৪০.
পুলিশ 'ক' কে অবৈধ মাদক আমদানির জন্য গ্রেফতার করে। 'ক' পুলিশের নিকট বলে যে, তার উত্তরার বাড়িতে আরও ১০ বস্তা মাদক আছে। পুলিশ 'ক' এর বাড়ি তল্লাশী করে ১০ বস্তা মাদক উদ্ধার করে। এই ক্ষেত্রে ক-এর স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক হবে।
  1. সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২৬ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ধারাঃ-২৫। পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদান করা স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা হবে নাঃ- পুলিশ কর্মকর্তার নিকট অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি দেয় স্বীকার করে থাকলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।

⇒ পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি- সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারামতে পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) অগ্রহনযোগ্য হবে, তবে সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারামতে পুলিশের নিকট আসামীর প্রদত্ত confession বা তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত উদ্ধার হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
---------------
How much of information received from accused may be proved:
Section 27. Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
১,৪৪১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের জন্য আদালত কিসের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেবে?
  1. দলিলের শর্তাবলী 
  2. দলিলের ভাষা এবং তার ব্যাখ্যা
  3. দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল 
  4. দলিলের স্বাক্ষরের তারিখ
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত নিম্নের বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন:
- দলিলের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং দলিলের ফলাফল কী।
- শুধুমাত্র দলিলের ভাষা কী হতে চেয়েছিল, এ বিষয়ে অনুসন্ধানে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৩, সংশোধনের নীতিসমূহ: একটি দলিল সংশোধন করিবার সময় আদালত অনুসন্ধান করিতে পারিবে যে, দলিলটি কী অর্থে ছিল, এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে কী অভিপ্রায় ছিল, এবং দলিলের ভাষা কিরূপ ছিল এই বিষয়ের মধ্যে অনুসন্ধান সীমিত থাকিবে না।
----------
The Specific Relief Act,1877, Section 33, Principles of rectification: In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.

১,৪৪২.
কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সংশ্লিষ্ট লেনদেন ও পূর্বতন ব্যবহার প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ধারা ১১
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩ বলছে, যখন কোনো অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন নিম্নলিখিত বিষয়গুলো প্রাসঙ্গিক (relevant) হিসেবে গণ্য হয়:
(ক) লেনদেন যার মাধ্যমে সেই অধিকার বা প্রথা সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তিত, স্বীকৃত বা অস্বীকৃত হয়েছে
(খ) নির্দিষ্ট ঘটনা বা দৃষ্টান্ত যেখানে সেই অধিকার প্রয়োগ, স্বীকৃতি বা বিতর্কিত হয়েছে
এটি মূলত Customary Right বা Usage প্রমাণের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রস্তাব করতে সহায়তা করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩: অধিকার বা প্রথা সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যখন কোনো অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন নিম্নলিখিত তথ্যসমূহ প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে—
(ক) যে কোনো লেনদেন যার মাধ্যমে উক্ত অধিকার বা প্রথা সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তিত, স্বীকৃত, প্রতিষ্ঠিত বা অস্বীকৃত হয়েছে, অথবা যা এর অস্তিত্বের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
(খ) নির্দিষ্ট ঘটনা যেখানে উক্ত অধিকার বা প্রথা দাবি, স্বীকৃত বা প্রয়োগ করা হয়েছিল, অথবা যেখানে এর প্রয়োগ বিতর্কিত, প্রতিষ্ঠিত বা পরিত্যাগ করা হয়েছিল।

⇒ The Evidence Act, 1872 Section 13- Facts relevant when right or custom is in question:
Where the question is as to the existence of any right of custom, the following facts are relevant:–
(a) any transaction by which the right or custom in question was created, claimed, modified, recognized, asserted or denied, or which was inconsistent with its existence;
(b) particular instances in which the right or custom was claimed, recognized or exercised, or in which its exercise was disputed, asserted or departed from.

Illustration-
The question is whether A has a right to a fishery. A deed conferring the fishery on A's ancestors, a mortgage of the fishery by A's father, a subsequent grant of the fishery by A's father, irreconcilable with the mortgage, particular instances in which A's father exercised the right, or in which the exercise of the right was stopped by A's neighbours, are relevant facts.
১,৪৪৩.
সাক্ষ্য আইনে ঘটনা (Fact) এর অর্থ-
  1. কোন মানসিক অবস্থা, যে সম্পর্কে কোন ব্যক্তি সচেতন।
  2. কোন কিছু, কোন কিছুর অবস্থা বা কোন কিছুর সম্পর্ক, যা ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভবযোগ্য।
  3. যে কোন ঘটনা যার সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় ঘটনা (Fact) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
- ঘটনা (Fact): 'ঘটনা' এর অর্থ -
১। কোন কিছু, কোন কিছুর অবস্থা বা কোন কিছুর সম্পর্ক, যা ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভবযোগ্য।
২। কোন মানসিক অবস্থা, যে সম্পর্কে কোন ব্যক্তি সচেতন।
-------------------
⇒The Evidence Act,1872: Section-3: Interpretation-clause:
 "Fact" means and includes-
(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.
১,৪৪৪.
দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের ভার (Burden of Proof) কার উপর থাকে?
  1. সাক্ষীর উপর
  2. বাদীর উপর
  3. বিবাদীর উপর
  4. বিচারকের উপর
সঠিক উত্তর:
বাদীর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর উপর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০১ এবং ১০২ অনুসারে, দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের ভার (Burden of Proof) সাধারণত বাদী (Plaintiff) বা যিনি মামলা দায়ের করেন তার উপর থাকে। এর কারণ হলো, বাদীই আদালতে কোনো আইনি অধিকার বা দায়িত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নির্দিষ্ট তথ্যের অস্তিত্ব দাবি করেন। তিনি যে তথ্য বা দাবি উপস্থাপন করেন, তা প্রমাণ করার দায়িত্ব তারই। যদি কোনো পক্ষ কোনো প্রমাণ না দেয়, তবে যিনি মামলায় ব্যর্থ হবেন, প্রমাণের ভার তার উপর বর্তায়। দেওয়ানি মামলায় এটি সাধারণত বাদী হন, কারণ তিনিই মামলার দাবি নিয়ে আদালতে আসেন।

দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের ভারের মানদণ্ড:
দেওয়ানি মামলায় বাদীকে সাধারণত প্রাধান্যের প্রমাণ (Preponderance of the Evidence) প্রদান করতে হয়, অর্থাৎ তাদের দাবি ৫০% এর বেশি সম্ভাব্য সত্য বলে প্রমাণ করতে হয়। এটি ফৌজদারি মামলার তুলনায় কম কঠোর মানদণ্ড, যেখানে প্রসিকিউশনকে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের ঊর্ধ্বে (Beyond a Reasonable Doubt) প্রমাণ করতে হয়।

অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের ভার সাধারণত বাদীর উপর থাকে, কারণ তিনিই আদালতে দাবি উত্থাপন করেন এবং সেই দাবির সমর্থনে তথ্য প্রমাণ করার দায়িত্ব তার। এটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০১ ও ১০২-এর মূলনীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।

১,৪৪৫.
নিম্নলিখিত কোনটি বেসরকারি দলিলের উদাহরণ?
  1. সংসদের আইন
  2. সরকারি গেজেট
  3. দানপত্র বা উইল
  4. আদালতের রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
দানপত্র বা উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দানপত্র বা উইল
ব্যাখ্যা
⇒ বেসরকারি দলিল (Private Document) হলো সেই সমস্ত দলিল যা সরকারি সংস্থা বা ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের অংশ নয়, বরং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি বা ব্যবহৃত হয়।
- দানপত্র বা উইল একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি সাধারণত ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে সম্পাদিত হয় এবং এর সাথে কোনো সরকারি সংস্থার সংশ্লিষ্টতা থাকে না।

- বেসরকারি দলিল হলো সেইসব দলিল, যা ব্যক্তি বা বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে সম্পাদিত হয় এবং সরকারি কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। দানপত্র (Gift Deed) বা উইল (Will) এই ধরনের দলিলের উদাহরণ।
অর্থাৎ দানপত্র বা উইল হলো একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি ব্যক্তিগত লেনদেনের অংশ। 
তাই সঠিক উত্তর: (গ) দানপত্র বা উইল।

অন্যদিকে:
সংসদের আইন এবং সরকারি গেজেট সরকারি দলিলের উদাহরণ।
আদালতের রেকর্ডও সরকারি নথির মধ্যে পড়ে।
১,৪৪৬.
ইয়ামিন স্বেচ্ছায় এবং মিথ্যা ভাবে আলমকে বিশ্বাস করায় যে, ইয়ামিন কোন একটি জমির মালিক এবং সে ভাবে আলমকে উক্ত জমি ক্রয় করতে ও তার মূল্য দিতে প্রলুদ্ধ করে। পরবর্তীতে উক্ত জমি ইয়ামিনের সম্পত্তিতে পরিণত হয়। বিক্রয়ের সময় উক্ত জমিতে তার কোন স্বত্ব ছিল না, এই অজুহাতে ইয়ামিন বিক্রয় নাকচ করার চেষ্টা করে। এই ক্ষেত্রে তার স্বত্বহীনতা অবশ্যই প্রমাণ করতে দেওয়া যাবে না। এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সমর্থন করা হয়েছে?
  1. ১১৩
  2. ১১৪
  3. ১১৫
  4. কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী- যখন এক ব্যক্তি তার ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির দ্বারা স্বেচ্ছায় অন্য ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন বা বিশ্বাস করতে দিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করতে দিয়েছেন, তখন তাদের মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি উক্ত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করতে পারবে না।
১,৪৪৭.
সাক্ষ্য আইনের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণের কয়টি ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে।
- সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।
 
⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপ:
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
-------------------
⇒ Section-65. Cases in which secondary evidence relating to documents may be given:
Secondary evidence may be given of the existence, condition or contents of a document in the following cases:–
 
(a) when the original is shown or appears to be in the possession or power-
of the person against whom the document is sought to be proved, or of any person out of reach of, or not subject to, the process of the Court, or
 of any person legally bound to produce it, and when, after the notice mentioned in section 66, such person does not produce it;
 
(b) when the existence, condition or contents of the original have been proved to be admitted in writing by the person against whom it is proved or by his representative in interest;
(c) when the original has been destroyed or lost, or when the party offering evidence of its contents cannot, for any other reason not arising from his own default or neglect, produce it in reasonable time;
(d) when the original is of such a nature as not to be easily moveable;
(e) when the original is a public document within the meaning of section 74;
(f) when the original is a document of which a certified copy is permitted by this Act, or by any other law in force in Bangladesh to be given in evidence;
(g) when the originals consist of numerous accounts or other documents which cannot conveniently be examined in Court, and the fact to be proved is the general result of the whole collection.
১,৪৪৮.
তহবিল আত্মসাৎ করার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' তার পক্ষে মোকদ্দমা পরিচালনা করার জন্য 'খ' কে নিযুক্ত করে। মোকদ্দমা চলাকালে 'খ' লক্ষ্য করে যে, আত্মসাস্কৃত যে পরিমাণ অর্থ 'ক'-এর নিকট হতে আদায় দেখিয়ে হিসাব খাতায় একটি হিসাব দেখানো হয়েছে, যা তার নিযুক্তির শুরুতে লেখা ছিলনা। উক্ত ক্ষেত্রে খ' এর এমন যোগাযোগ-
  1. অ্যাটর্নী ইচ্ছা করলে এটা প্রকাশ করতে পারে
  2. ১২৬ ধারায় প্রকাশ করা হতে সুরক্ষিত
  3. অ্যাটর্নী এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে না
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নী ইচ্ছা করলে এটা প্রকাশ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নী ইচ্ছা করলে এটা প্রকাশ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা:
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
১,৪৪৯.
কোন আইনে Special Rules of Evidence সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ থেকে ৫১২ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ থেকে ৫১২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ থেকে ৫১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ Special Rules of Evidence- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ থেকে ৫১২ ধারায় Special Rules of Evidence সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারায় মেডিকেল উইটনেস ও ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১০ ধারায় কেমিক্যাল এগজামিনার ও সেরোলোজিস্টের সাক্ষ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।
১,৪৫০.
'Res Gestae' বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. মূল দলিল
  2. মৌখিক স্বীকারোক্তি
  3. অনুমানভিত্তিক সাক্ষ্য
  4. একই ঘটনার অংশ হিসেবে প্রাসঙ্গিক ঘটনা
সঠিক উত্তর:
একই ঘটনার অংশ হিসেবে প্রাসঙ্গিক ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই ঘটনার অংশ হিসেবে প্রাসঙ্গিক ঘটনা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে 'Res Gestae' একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। যখন একাধিক ঘটনা অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত এবং একই ঘটনার ধারাবাহিক অংশ হয়, তখন তাদের বক্তব্য বা আচরণকে Res Gestae সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। অর্থাৎ Res Gestae এর মাধ্যমে এমন কথা বা আচরণকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা হয় যা কোনো ঘটনার সময় বা ঘটনার পূর্বে বা পরবর্তীতে বলা বা করা হয়েছিল এবং যা সেই ঘটনার প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্য করে।

উদাহরণস্বরূপ:
⇒ একজন ব্যক্তি আঘাত পেয়ে "X আমাকে আঘাত করেছে" বলে কিছুক্ষণ পরেই মারা গেলে, এই বক্তব্যটি Res Gestae হিসাবে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হবে।
⇒ অপরাধের পর দ্রুত পালিয়ে যাওয়া অপরাধীর বক্তব্য বা আচরণ Res Gestae হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
⇒ দুর্ঘটনার পর অবিলম্বে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের আতঙ্কিত বা উদ্বিগ্ন বক্তব্য Res Gestae হিসেবে গৃহীত হতে পারে।
১,৪৫১.
আদালতে কোন ঘটনা প্রমানের জন্য সর্বনিম্ন কয়জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৪ জন
  4. নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের  ১৩৪ ধারার বিধান সাক্ষীর সংখ্যাঃ মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।
-----------------------------
⇒ Evidence Act Section 134. Number of witness: No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
১,৪৫২.
কোনো ব্যক্তি এবং তার আইন উপদেষ্টার মধ্যকার গোপন যোগাযোগ কখন আদালতে প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে?
  1. আদালতের ইচ্ছাক্রমে
  2. সাক্ষ্য ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে
  3. আইন উপদেষ্টার আবেদনক্রমে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই বাধ্য করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারামতে, কোন ব্যক্তি এবং তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপন যোগাযোগ আদালতে প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না। তবে উক্ত ব্যক্তি যদি কোন মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে, তবে আদালতে তার দেওয়া সাক্ষ্য ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপন যোগাযোগ প্রকাশ করতে তাকে বাধ্য করা যাবে।

সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:
কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সে ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।

Section 129: Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.
১,৪৫৩.
'পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়'- এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ২৩ ধারা
  2. ২৪ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারা
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ২৬ – পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়-
কোনো ব্যক্তি যদি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন স্বীকারোক্তি দেয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না তা ম্যাজিস্ট্রেটের সরাসরি উপস্থিতিতে প্রদান করা হয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় “ম্যাজিস্ট্রেট” বলতে কোনো গ্রামের প্রধানকে বোঝানো হয় না, যদি না তিনি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।

Confession by accused while in custody of police not to be proved against him-
No confession made by any person whilst he is in the custody of a police-officer, unless it be made in the immediate presence of a Magistrate, shall be proved as against such person.
Explanation.– In this section "Magistrate" does not include the head of a village discharging magisterial functions unless such headman is a Magistrate exercising the powers of a Magistrate under the Code of Criminal Procedure, 1898.
১,৪৫৪.
'উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিচারের বিষয়ীভূত না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ডের বিবৃতি বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক না' The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৮ক ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২২ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩২খ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক [When oral admissions as to contents of digital records are relevant]:

⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। ২২ক ধারায় বলা হয়েছে, উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিচারের বিষয়ীভূত না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ডের বিবৃতি বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক না [Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].
১,৪৫৫.
স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার (Refreshing memory) সুবিধা নেয়া যায় সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৫০ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৫৮ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল দেখে উত্তর দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাক্ষী তার নিজের লেখা, অন্যের লেখা বা দলিলের নকল দেখেও উত্তর দিতে পারেন। এটাই হল Refreshing memory। সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করন বা Refreshing memory এর বিধান রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ থেকে ১৬১ ধারায় এ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-

i) সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখিয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

ii) সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তার মামলা তদন্তকালে কেস ডায়েরীতে লিপিবদ্ধকৃত বিষয়াবলী সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

iii) সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় বিবাদী পক্ষ জেরা করতে পারবেন। অর্থাৎ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোন সাক্ষী কর্তৃক যে লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, বিরোধী পক্ষ উক্ত লিখিত বিবৃতি দেখতে চাইতে পারে, উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে বা উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
১,৪৫৬.
______ ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
  1. উইল
  2. বিক্রয় চুক্তি
  3. দানপত্র
  4. কবলা
সঠিক উত্তর:
উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
 যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
 
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৮ অনুযায়ী,
যেসব দলিল আইনের অধীনে সত্যায়ন করা প্রয়োজন, সেগুলোর জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা বাধ্যতামূলক। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হল: উইল ছাড়া অন্য কোনো রেজিস্ট্রি করা দলিল যদি সম্পাদনকারী দ্বারা অস্বীকার করা না হয়, তাহলে সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব করার প্রয়োজন নেই।

উইলের ক্ষেত্রে, যদিও দলিলটি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে, তারপরও অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে আদালতে তলব করা বাধ্যতামূলক। উইলের প্রমাণের জন্য এই বাধ্যবাধকতা রয়েছে, কারণ উইলের ক্ষেত্রে সম্পাদনকারী সাধারণত মৃত থাকেন এবং তার ইচ্ছার যথাযথ প্রমাণের জন্য সত্যায়নকারী সাক্ষীর জবানবন্দী অপরিহার্য বলে ধরা হয়।
১,৪৫৭.
The burden of proof as to ownership under the Evidence Act lies on:
  1. The owner
  2. The tenant
  3. The person in possession
  4. The person who claims the possessor is not the owner
সঠিক উত্তর:
The person who claims the possessor is not the owner
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The person who claims the possessor is not the owner
ব্যাখ্যা
Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
১,৪৫৮.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী Plea of Alibi অন্যত্র থাকার অজুহাত বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ৯ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ১১ ধারা
  4. ১২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় অন্যত্র থাকার অজুহাতের বিষয়ে বলা হয়েছে অর্থাৎ যাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে সে ঐ ঘটনার সময় অন্যত্র ছিল বলে দাবী করা হলে সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা অনুযায়ী তা প্রমাণ অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১,৪৫৯.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩(৪) ধারার আওতায় "counterparts of documents"  গৌণ সাক্ষ্য হিসেবে কাদের বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক? 
  1. যারা দলিলটি লিখেছে।
  2. যারা দলিলটির সাক্ষী।
  3. যারা দলিলটি সম্পাদন করেছে।
  4. যারা দলিলটি সম্পাদন করেনি।
সঠিক উত্তর:
যারা দলিলটি সম্পাদন করেনি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যারা দলিলটি সম্পাদন করেনি।
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৩(৪) অনুসারে, "counterparts of documents" (দলিলের প্রতিলিপি বা প্রতিরূপ) গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence) হিসেবে গণ্য হবে শুধুমাত্র সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যারা দলিলটি সম্পাদন (execute) করেনি।
- সুতরাং, ধারা ৬৩(৪) বিশেষভাবে দলিলটি সম্পাদন করেনি এমন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োগ হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence) বলতে বোঝায় এমনসব তথ্য বা কপি, যা মূল দলিল উপস্থিত না থাকলে তার বিকল্প হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
- সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) বিধান রয়েছে।
-সাক্ষ আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করার মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ গৌণ সাক্ষ্য বলিতে নিম্নলিখিতগুলি বুঝায়-
১) এই আইনে অতঃপর বর্ণিত পরবর্তী ৭৬ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে প্রদত্ত সহিমোহরকৃত নকল।
২) মূল দলিল হইতে এইরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়, এবং এইরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল।
৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহার ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
৫) যে ব্যক্তি কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া ঐ দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ। 
-------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 63. Secondary evidence:
- Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.

১,৪৬০.
Which one is primary evidence?
  1. Daily newspaper
  2. Attested copy
  3. Photograph of a materials
  4. Photocopy
সঠিক উত্তর:
Daily newspaper
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Daily newspaper
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে মূল দলিল সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বা Primary evidence বলে। এছাড়া নিম্নলিখিত সাক্ষ্যগুলোও প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে-

i) সাক্ষ্য আইনের ৬২ ও ৯১ ধারা অনুযায়ী লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে খোদ দলিলটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ii) একটি দলিল কয়েক খন্ডে সম্পাদিত হলে, প্রত্যেক খন্ডই একে অন্যের প্রাথমিক সাক্ষ্য ।

iii) যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় (executed in counterpart), তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

iv) যেক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে একই পদ্ধতিতে হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি অন্যগুলির প্রাথমিক সাক্ষ্য। কিন্তু মূল দলিলের নকল হলে, তা মূল দলিলের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবেনা যেমন- এক ব্যক্তির দখলে এমন কতগুলি প্রচার পত্র (placards) আছে বলে দেখান হল, যার সবগুলি একটি মূল দলিল হতে একই সময়ে মুদ্রিত হয়েছে। প্রচার পত্রগুলির যে কোন একটি অপর একটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য, কিন্তু সেগুলির একটিও মূল প্রচার পত্রের বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য নয়।

⇒ মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য- সাক্ষী নিজে দেখে-শুনে বা অনুভব করে যে সাক্ষ্য দেয় তা প্রাথমিক সাক্ষ্য। তার নিকট থেকে অন্য জন শুনে সাক্ষ্য দিলে তা হয় মাধ্যমিক (Secondary) বা পরোক্ষ তথা জনশ্রুতি সাক্ষ্য ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারার বিধান প্রাথমিক/মূখ্য সাক্ষ্য:
প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।

ব্যাখ্যা-১: কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য  কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথাঃ মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য (each is primary evidence of the contents of the rest), কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল (copies of a common original), সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।

--------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(i) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(ii) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(iii) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(iv) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(v) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

⇒ উদাহরণ:
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
১,৪৬১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫১ অনুযায়ী, কোন ধরনের প্রশ্ন আদালত নিষিদ্ধ করতে পারে?
  1. যেগুলি অপরাধ সংক্রান্ত
  2. যেগুলি অবান্তর বা সস্তা
  3. যেগুলি অশালীন বা কুকীর্তি মূলক
  4. যেগুলি মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
যেগুলি অশালীন বা কুকীর্তি মূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেগুলি অশালীন বা কুকীর্তি মূলক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫১ অনুযায়ী, আদালত এমন কোন প্রশ্ন বা অনুসন্ধান নিষিদ্ধ করতে পারে যা অশালীন বা কুকীর্তি মূলক মনে করা হয়। যদিও এসব প্রশ্ন মামলার বিষয়বস্তু বা প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, তবুও যদি সেগুলি অশালীন বা কুকীর্তি (scandalous) হয়ে থাকে, তখন আদালত সেগুলিকে নিষিদ্ধ করার অধিকার রাখে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫১ অশালীন এবং কুকীর্তি মূলক প্রশ্ন :
- আদালত যেকোনো প্রশ্ন বা অনুসন্ধান নিষিদ্ধ করতে পারে, যেগুলি আদালত অশালীন বা কুকীর্তি মূলক মনে করে, যদিও এসব প্রশ্ন বা অনুসন্ধান আদালতের সামনে থাকা প্রশ্নগুলির সাথে কিছুটা সম্পর্কিত হতে পারে, তবুও এগুলি নিষিদ্ধ হবে যদি তা মূল বিষয় বা যেসব তথ্য প্রয়োজনীয়, সেগুলির সঙ্গে সম্পর্কিত না হয়।

⇒ The Evidence Act, 1872 Section- 151. Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
১,৪৬২.
আইনজীবীর সাথে পেশাগত বার্তার গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা কোন আইন অনুযায়ী নির্ধারিত?
  1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  2. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৬ (Professional communications):
কোনো আইনজীবীকে কখনোই অনুমতি দেওয়া হবে না- যতক্ষণ না তার মক্কেল স্পষ্টভাবে অনুমতি দেন- সে তার মক্কেলের পক্ষ থেকে বা মক্কেলের পক্ষে তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময়, এবং সেই উদ্দেশ্যে করা যেকোনো কথোপকথন (communication) প্রকাশ করতে পারবেন না। তেমনকি কোনো দলিলপত্র (document) সম্পর্কে যা তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় জেনেছেন, তার বিষয়বস্তু বা অবস্থা তিনি প্রকাশ করতে পারবেন না। তদ্ব্যতীত, তিনি মক্কেলকে যে পরামর্শ দিয়েছেন তাও প্রকাশ করতে পারবেন না।

এই ধারা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষা করে না:
(১) যদি মক্কেল অবৈধ উদ্দেশ্যে কোনো যোগাযোগ করে, তাহলে তা গোপন রাখা যাবে না।
(২) যদি আইনজীবী পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এমন কিছু দেখেন বা জানেন, যা থেকে স্পষ্ট হয় যে কোনো অপরাধ বা জালিয়াতি (fraud) সংঘটিত হয়েছে, এবং তা তার নিযুক্তির পর থেকে ঘটেছে— তবে তা গোপন রাখা যাবে না।

ব্যাখ্যা: এই গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা (obligation) আইনজীবীর নিযুক্তি শেষ হওয়ার পরেও বহাল থাকে।
১,৪৬৩.
বৈরী সাক্ষীকে জেরা করার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. উপস্থিতি নিশ্চিত করা
  2. বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করা
  3. বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা
  4. সাক্ষ্য আরও সুস্পষ্ট করা
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে- নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
i) সাক্ষীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদ্ঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা;
ii) বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা;
iii) সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা;
iv) সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খণ্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দেশ্যে; এবং
v) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দেশ্য।

• সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।
১,৪৬৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৭ অনুযায়ী, জেরা (Cross-Examination) কোন পক্ষ কর্তৃক পরিচালিত হয়?
  1. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
  2. বিরুদ্ধ পক্ষ
  3. আদালত
  4. সাক্ষী নিজে
সঠিক উত্তর:
বিরুদ্ধ পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরুদ্ধ পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৭ অনুযায়ী, জেরা (Cross-Examination) হলো সেই পর্যায় যেখানে বিরুদ্ধ পক্ষ (adverse party) সাক্ষীকে প্রশ্ন করে।
যে পক্ষ আদালতে একজন সাক্ষীকে হাজির করে, সেই পক্ষের জবানবন্দি গ্রহণের পরেই বিরুদ্ধ পক্ষ (অপর পক্ষ) যদি চায়, তবে সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারে। এই প্রশ্ন করাকে জেরা (Cross-Examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.
⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
১,৪৬৫.
Section 110 of The Evidence Act, 1872 applies when-
  1. There is a criminal accusation
  2. Ownership of an item is disputed
  3. The possessor voluntarily gives up the item
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Ownership of an item is disputed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ownership of an item is disputed
ব্যাখ্যা
Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
১,৪৬৬.
নিম্নের কোন উপায়ে একজন সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়?
  1. সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে
  2. সাক্ষীর পূর্ববর্তী সাক্ষ্যের অসামঞ্জস্যতা প্রমান দ্বারা
  3. সাক্ষীর ঘুষের প্রস্তাবে রাজী হওয়ার প্রমান দ্বারা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ১৫৫ ধারা অনুযায়ী বর্তমানে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ করা যায় তিনটি উপায়ে। যথা:-
(i) সাক্ষী যে বিশ্বাসের অযোগ্য তা ব্যক্তিদের সাক্ষ্য দ্বারা;
(ii) সাক্ষীকে যে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা সাক্ষী যে ঘুষের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে, অথবা অন্যকোন দুর্নীতিমূলক প্রলোভনের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে তা প্রমাণ করে;
(iii) বর্তমান সাক্ষের সাথে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষের অসামঞ্জসতা প্রমাণ করে।
---------------
⇒ Impeaching credit of witness
Section 155. The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;

Explanation.–A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
১,৪৬৭.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার অধীন প্রদত্ত বিবৃতি কয়টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী-
কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
১,৪৬৮.
'ক' তার সাবেক স্বামী 'খ' এর বিরুদ্ধে নাবালক সন্তানের খোরপোষের দাবিতে একটি পারিবারিক মোকদ্দমা করেছে। 'খ' তার জবাবে বিবাহ, তালাক এবং সন্তানের দাবি অস্বীকার করেনি। এক্ষেত্রে উক্ত সন্তান যে 'ক' ও 'খ' এর- এ বিষয়ে নিচে বর্ণিত কোন কারণে আদালতে কোনো প্রমাণের প্রয়োজন পড়ে না?
  1. বিবাহের কাগজ পরীক্ষা করে তা চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য করার কারণে
  2. বিবাহের বৈধতার কারণে তা প্রমাণের কোনো প্রয়োজন পড়ে না
  3. কোনো আইনজীবী এ বিষয়ে বিরোধিতা না করলে বা না করার কারণে
  4. উভয় পক্ষ কর্তৃক আরজি ও জবাবে তা স্বীকৃত বিধায় প্রমাণের প্রয়োজন পড়ে না
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষ কর্তৃক আরজি ও জবাবে তা স্বীকৃত বিধায় প্রমাণের প্রয়োজন পড়ে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষ কর্তৃক আরজি ও জবাবে তা স্বীকৃত বিধায় প্রমাণের প্রয়োজন পড়ে না
ব্যাখ্যা
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষাপটে, 'ক' তাঁর সাবেক স্বামী 'খ' বিরুদ্ধে সন্তানের খোরপোষ দাবি করে একটি পারিবারিক মামলা দায়ের করেন। 'খ' মামলার জবাবে সন্তান, বিবাহ ও তালাক সম্পর্কিত বিষয়ে কোনো বিরোধ প্রকাশ করেননি, বরং স্বীকার করেন যে তিনি তালাকের সময় থেকেই সন্তানের খোরপোষ প্রদান করে আসছেন। এই পরিস্থিতিতে আদালত "উক্ত সন্তান 'ক' ও 'খ' এর সন্তান" – এই বিষয়টি প্রমাণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে না।

এর কারণ হচ্ছে, সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে-
মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। ৫৮ ধারার আলোকে, যদি কোনো বিষয় উভয় পক্ষ দ্বারা আরজি (Plaint) ও জবাবের (Written Statement) মাধ্যমে স্বীকৃত হয়, তবে সে বিষয়ে প্রমাণ হাজির করার প্রয়োজন পড়ে না।
১,৪৬৯.
'ক' চুরির দায়ে 'খ'-কে ফৌজদারীতে সৌপর্দ করে। 'ক' আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'খ' চুরির কথা 'গ' এর নিকট স্বীকার করেছিল। স্বীকৃতির বিষয়টি প্রমাণের দায়ভার কার উপর বর্তায়?
  1. আসামী পক্ষের
  2. 'ক' এর উপর
  3. 'খ' এর উপর
  4. পুলিশের উপর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারার বিধান: কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব:- কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

⇒ উদাহরণ:
⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।
অন্যদিকে যদি আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা 'খ' কে প্রমাণ করতে হবে।
১,৪৭০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯০ক অনুযায়ী, কত বছর পুরানো ডিজিটাল রেকর্ডকে সঠিক বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক অনুযায়ী, যে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি পাঁচ বছর পুরোনো হয় এবং আদালত মনে করে যে এটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তবে আদালত এটি সঠিক বলে ধরে নিতে পারে এবং অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।

⇒ The Evidence Act,1872, section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
১,৪৭১.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৪ অনুযায়ী একজন সরকারি কর্মকর্তা যদি মনে করেন, যোগাযোগ প্রকাশ করলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তবে—
  1. আদালত তাকে প্রকাশে বাধ্য করতে পারে
  2. আদালত তাকে প্রকাশে বাধ্য করতে পারে না
  3. আদালত তার মতামত উপেক্ষা করতে পারে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আদালত তাকে প্রকাশে বাধ্য করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত তাকে প্রকাশে বাধ্য করতে পারে না
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872- ধারা ১২৪: সরকারি যোগাযোগ:
কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে তাঁর কাছে সরকারি গোপনীয়তায় করা যোগাযোগ প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না, যখন তিনি মনে করেন যে এই প্রকাশের ফলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

[No public officer shall be compelled to disclose communications made to him in official confidence, when he considers that the public interests would suffer by the disclosure.]
১,৪৭২.
শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দিতে-
  1. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
  2. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
  3. আদালতকে সাহায্য করাই তার (বিশেষজ্ঞের) কর্তব্য হবে।
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: -
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------
⇒ Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.- ( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.

(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১,৪৭৩.
কোনটি সরকারি দলিল নয়?
  1. রেজিস্ট্রিকৃত সাবকবলা দলিলের আসল
  2. আদালতের আদেশের জাবেদা কপি
  3. আদালতে দাখিলকৃত আরজি
  4. সমনের আসল
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত সাবকবলা দলিলের আসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত সাবকবলা দলিলের আসল
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে। সাব কবলা দলিলের আসল সরকারি দলিল নয়, কারণ এটি সরকারি অফিস সংরক্ষণ করে না, রেজিস্ট্রেশনের পর গ্রহীতাকে হস্তান্তর করা হয়। তবে এই দলিলের বিষয়বস্তু যেহেতু বালাম বইয়ের সংরক্ষিত থাকে সেটা সরকারি দলিল এবং সেখান থেকে যে জাবেদা নকল দেওয়া হয় সেটি সরকারি দলিল।
১,৪৭৪.
টিকেট ছাড়া ট্রেনে ভ্রমণের অভিযোগে 'A'-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তার কাছে টিকেট ছিল তা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. 'A' এর নিজের
  2. আদালতের
  3. টিকেট চেকারের
  4. রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের
সঠিক উত্তর:
'A' এর নিজের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' এর নিজের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে। এই ধারা অনুসারে, 'A'-কেই প্রমাণ দিতে হবে যে, তার কাছে টিকেট ছিল।

Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge
When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

Illustrations-
(a) When a person does an act with some intention other than that which the character and circumstances of the act suggest, the burden of proving that intention is upon him.
(b) 'A' is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that he had a ticket is on him.
১,৪৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান হলো-
  1. ঘটনা সম্পর্কিত অনুমান
  2. অখণ্ডননযোগ্য আইনগত অনুমান
  3. খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
  4. আইন ও ঘটনার মিশ্র অনুমান
সঠিক উত্তর:
খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারার অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ। ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান চূড়ান্ত প্রমাণ হলেও এটা খণ্ডনযোগ্য আইনসম্পর্কিত অনুমান। যেমন কোন সন্তানের পিতা ও মাতার মধ্যে বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন সময়ে উক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ করে থাকলে ১১২ ধারার অধীন আইনসম্পর্কিত অনুমান হলো উক্ত সন্তানটি বৈধ এবং এই অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ কিন্তু খণ্ডনযোগ্য।
১,৪৭৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন শর্তে স্বীকৃতি দেয়া হলে, তা প্রাসঙ্গিক হবে না?
  1. স্বীকৃতিটি শর্তহীন হলে
  2. সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হলে
  3. উক্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য
  4. উক্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না
সঠিক উত্তর:
উক্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যাঃ কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
১. স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
২. সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।
১,৪৭৭.
‘A’ একটি গাড়ি দুর্ঘটনার কারণে ‘B’-এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করে। দুর্ঘটনায় ‘A’-এর গাড়ির ক্ষতি এবং চিকিৎসা ব্যয়ের প্রমাণ পেশ করা হয়। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১২ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণের মামলায় যে তথ্য আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে, তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এখানে ‘A’-এর গাড়ির ক্ষতি এবং চিকিৎসা ব্যয়ের প্রমাণ ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সরাসরি সহায়ক, তাই এটি ধারা ১২-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।
- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ধারা ১০: ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কিত।
ধারা ১১: কোনো ঘটনার সম্ভাব্যতা বা অসম্ভাব্যতা প্রমাণে তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে।
ধারা ১৩: সম্পত্তির অধিকার বা দাবি সম্পর্কিত মামলায় প্রাসঙ্গিক তথ্য নির্ধারণ করে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
------------ 
⇒The Evidence Act,1872, Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
 In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.

১,৪৭৮.
মামলার পক্ষ নন কোনো সাক্ষীকে তার মালিকানার দলিল (title deed) আদালতে পেশ করতে বাধ্য করা যাবে-
  1. সর্বদা
  2. আদালতের আদেশে
  3. বাদীপক্ষের আবেদনে
  4. লিখিতভাবে সম্মতি প্রকাশ করলে
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে সম্মতি প্রকাশ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে সম্মতি প্রকাশ করলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: লিখিতভাবে সম্মতি প্রকাশ করলে।

Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৩০- সাক্ষী যদি মামলার পক্ষ না হয়, তবে তার দলিল পেশে বাধ্য করা যাবে না:

যে ব্যক্তি কোনো মামলার পক্ষ নয় (অর্থাৎ শুধু সাক্ষী), তাকে তার সম্পত্তির মালিকানার দলিল (title-deed) অথবা যে দলিলের দ্বারা সে কোনো সম্পত্তি বন্ধক বা প্রতিশ্রুতিতে (pledgee/mortgagee) ধারণ করে, সে দলিল আদালতে পেশ করতে বাধ্য করা যাবে না,

এছাড়াও, যে দলিল আদালতে উপস্থাপন করলে সে নিজে অপরাধী (self-incrimination) বলে প্রমাণিত হতে পারে, সে দলিলও পেশ করতে বাধ্য নয়- যদি না সে ব্যক্তি লিখিতভাবে সম্মতি দেয় যে, সে নিজেই বা যার মাধ্যমে সে দাবি করছে, তাদের মধ্যে কেউ দলিলটি পেশ করবে।

১,৪৭৯.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার অধীনে প্রদত্ত বিবৃতি কোন ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা
  2. দলিল বা উইল সম্বন্ধীয়
  3. আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations: 
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.

(e) The question is, whether rent was paid to A for certain land.
A letter from A's deceased agent to A saying that he had received the rent on A's account and held it at A's orders, is a relevant fact.

(f) The question is, whether A and B were legally married.
The statement of a deceased clergyman that he married them under such circumstances that the celebration would be a crime, is relevant.
১,৪৮০.
All facts, except the contents of documents, may be proved by _________.
  1. oral evidence
  2. primary evidence
  3. digital evidence
  4. forensic evidence
সঠিক উত্তর:
oral evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
oral evidence
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 59- Proof of facts by oral evidence: 
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.


⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
১,৪৮১.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী কোনো জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষ্য দিতে পারবেন?
  1. ১২০ ধারা
  2. ১২১ ধারা
  3. ১২২ ধারা
  4. ১২৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১ ধারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২১: জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ [Judges and Magistrates]:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেট যোগ্য সাক্ষী এবং তারা ইচ্ছা করলে সাক্ষ্য দিতে পারে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট এবং জজ হিসাবে সম্পাদন করেছে এমন কোন কার্যসম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে তাদের বাধ্য করা যাবে না। কারণ ১২১ ধারায় জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

১২১ ধারা অনুযায়ী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে, আদালতের অধীন, সেই আদালতের বিশেষ আদেশ ব্যতীত নিম্নলিখিত ২টি বিষয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে তাকে বাধ্য করা যাবে নাঃ
১. জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে উক্ত আদালতে তার নিজস্ব কোনো কার্য সম্পর্কে; বা
২. যে কোনো কিছু যা বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে সে আদালতে জানতে পারে।

⇒ যে ক্ষেত্রে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যায়:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে আদালতে তার নিজস্ব কার্য ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা যেতে পারে বা উক্ত পদের কর্তব্য পালনের সময় যে সব ঘটনা তার উপস্থিতিতে ঘটেছে, সেই গুলি সম্পর্কে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে। যেমন আদালতে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে খুন সংঘটিত হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত খুন সম্পর্কে যেকোন প্রশ্নের উত্তর দিতে উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যেতে পারে।

১,৪৮২.
What does Section 31 of the Evidence Act state about admissions?
  1. Admissions are irrelevant in judicial proceedings
  2. Admissions are conclusive proof of the matters admitted
  3. Admissions must be proved again to be considered evidence
  4. Admissions are not conclusive proof but may operate as estoppels
সঠিক উত্তর:
Admissions are not conclusive proof but may operate as estoppels
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Admissions are not conclusive proof but may operate as estoppels
ব্যাখ্যা
• স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।
 
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
 
Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
১,৪৮৩.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী কখন আদালত একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে সঠিক মনে করবে?
  1. দলিলটি ২০ বছরের পুরাতন এবং সরকারি অফিস হতে দাখিল করতে হবে
  2. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন এবং সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে দাখিল করতে হবে
  3. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন এবং সরকারি কর্মচারির হেফাজত হতে দাখিল করতে হবে
  4. দলিলটি ২৫ বছরের পুরাতন এবং সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে দাখিল করতে হবে
সঠিক উত্তর:
দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন এবং সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে দাখিল করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন এবং সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে দাখিল করতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে, যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।
 
এ ধারার বিধান অনুযায়ী-
১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে;
২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।
 
৯০ ধারা: ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান-
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।

Section 90: Presumption as to documents thirty years old:
Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
Explanation- Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
১,৪৮৪.
'Conclusive Proof' এর সংজ্ঞা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।

অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।

১,৪৮৫.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী জুরি/এসেসর কর্তৃক প্রশ্ন করার ক্ষমতা বিষয়ে উল্লেখ আছে?
  1. ১৫৬ ধারা
  2. ১০৬ ধারা
  3. ১২৬ ধারা
  4. ১৬৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৬ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৬৬ ধারা মতে জুরি/এসেসর বলতে এমন একটি শপথ প্রাপ্ত লোকদের সংস্থা বোঝায় যা নিরপেক্ষ রায় প্রদানের জন্য আহ্বান করা হয়। বিচারক যে প্রশ্ন করতে পারবেন, তারাও একই  প্রশ্ন করতে পারবেন।
১,৪৮৬.
যদি একটি দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হয়, তাহলে প্রত্যেক খণ্ড কী বলে গণ্য হবে?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. পরোক্ষ সাক্ষ্য
  4. গৌণ সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুযায়ী, যদি একটি দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হয়, তাহলে প্রত্যেক খণ্ডই সেই দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ, প্রতিটি খণ্ডই মূল দলিলের অংশ হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রতিটি খণ্ড আদালতে উপস্থাপন করা হলে তা প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হল দলিলের মূল অথবা অগ্রিম প্রস্তুতকৃত প্রতিলিপি, যা বিশ্বাসযোগ্য এবং প্রকৃত তথ্য সরবরাহ করে।
⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী সর্বোত্তম সাক্ষ্য (Best Evidence) হলো প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary evidence). সাক্ষ্য আইনের ৬০ এবং ৬৪ ধারায় Best Evidence নীতির উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। আদালতের পরিদর্শনের জন্য যখন সংশ্লিষ্ট দলিলটি স্বয়ং আদালতে উপস্থাপন করা হয় তখন তাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে। কোন দলিল যদি কতিপয় খন্ডে সম্পাদিত হয় তাহলে প্রত্যেক খন্ডই এই দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য। কোন দলিল যখন প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি এর সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।
⇒ প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য বা (Direct Evidence): প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য বলতে বোঝায় কোন দলিল বা সাক্ষীর যে সমস্ত বিবৃতি মামলার বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতা সম্পর্কে সরাসরি সমর্থণ যোগায়।
⇒ মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence): বাংলাদেশের সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, বিচার্য বা তদন্তাধীন বিষযয়ে সাক্ষীকে যে সমস্ত বিবৃতি প্রদান করার অনুমতি আদালত দেয় বা সাক্ষীদের যেসব বিবৃতি আদালতের প্রয়োজন হয়, সেসব বিবৃতিকে মৌখিক সাক্ষ্য বলা হয়।
১,৪৮৭.
A তার স্ত্রী B কে হত্যার জন্য অভিযুক্ত। B কিভাবে মৃত্যুবরণ করেছে তা প্রমানের বাধ্যবাধকতা সাক্ষ্য আইনের ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী কার উপর বর্তায়-
  1. অভিযোগকারী পক্ষের
  2. রাষ্ট্রপক্ষের 
  3. A এর উপর 
  4. যে ব্যক্তি হত্যাকাণ্ড দেখেছে তার উপর 
সঠিক উত্তর:
A এর উপর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীকে ব্যাখ্যা করতে হয় কিভাবে তার স্ত্রী মারা গেল। কারণ কিভাবে কোন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলো সেটা স্বামী বা স্ত্রীর বিশেষ অবগতির মধ্যে থাকে।

ধারা ১০৬: যে ঘটনা বিশেষভাবে কাহারও জানা থাকে তাহা প্রমাণের দায়িত্ব: কোনো ঘটনা যখন বিশেষ করিয়া কোনো লোকের জানার মধ্যে থাকে তখন সেই ঘটনা প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই লোকের উপরই ন্যস্ত থাকে।
------------------
The Evidence Act, Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge: When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

১,৪৮৮.
'ক' কোন একটি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে। অপরাধটি সংঘটিত হওয়ার অব্যবহিত পর 'ক' তার গৃহ থেকে ফেরারী হল। এটি কোন ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।

⇒ এই প্রশ্নের ঘটনাটি ৮ ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত।

----------------
⇒ Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
Section 8. Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
 
The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.
১,৪৮৯.
আদালতের রায়ের প্রতিবেদন কোন ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে?
  1. যদি এটি কোনো সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হয়
  2. যদি এটি কোনো আইনজীবীর ব্যাখ্যা সম্বলিত হয়
  3. যদি এটি কোনো অনুমোদিত বইতে প্রকাশিত হয়
  4. যদি এটি কেবলমাত্র কোনো ব্যক্তির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তৈরি হয়
সঠিক উত্তর:
যদি এটি কোনো অনুমোদিত বইতে প্রকাশিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি এটি কোনো অনুমোদিত বইতে প্রকাশিত হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮ - আইনগ্রন্থে থাকা কোনো আইনের বিবৃতি কতটা প্রাসঙ্গিক:
যখন কোনো আদালতকে কোনো দেশের আইনের বিষয়ে মতামত গঠন করতে হয়, তখন সেই দেশের সরকারের অনুমোদনে মুদ্রিত বা প্রকাশিত কোনো আইনগ্রন্থে উক্ত আইন সম্পর্কিত বিবৃতি থাকলে তা প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

এছাড়াও,
সেই দেশের আদালতের কোনো রায়ের প্রতিবেদন যদি এমন কোনো গ্রন্থে থাকে যা আদালতের রায়ের প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, তবে সেটিও প্রাসঙ্গিক বিবেচিত হবে।
১,৪৯০.
কোন মামলা প্রমাণের জন্য কত জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের প্রয়োজন?
  1. অন্যূন ২ জন
  2. অন্যূন ৪ জন
  3. অন্যূন ৩ জন
  4. কোন নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
ব্যাখ্যা
• Section 134- Number of witnesses:

No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল- 'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।
১,৪৯১.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না-
  1. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিনষ্ট হয়
  2. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ না হয় 
  3. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ২২ক: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু  হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ সাধারণভাবে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু মৌখিক স্বীকৃতি দ্বারা প্রমাণ করা যায় না। তবে ডিজিটাল রেকর্ডটি জাল বা কৃত্রিম কিনা সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক [When oral admissions as to contents of digital records are relevant]:

⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। ২২ক ধারায় বলা হয়েছে, উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিচারের বিষয়ীভূত না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ডের বিবৃতি বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক না [Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].
১,৪৯২.
'Plea of alibi' প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. আসামীর
  2. সাক্ষী
  3. পুলিশের
  4. ফরিয়াদীর
সঠিক উত্তর:
আসামীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীর
ব্যাখ্যা
♦যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।
ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

♦সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।

- বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ কিন্তু আলোচ্য ঘটনার অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে সম্ভব বা অসম্মান করে তোলে এমন ঘটনা প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

ত সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় উদাহরণের মাধ্যমে অপরাধের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র থাকার অজুহাতকে প্রাসঙ্গিক বলা হয়েছে।

যখন কোন ব্যক্তি কোন ঘটনা সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত হয় এবং সে যদি আদালতে উপস্থাপন করে যে সে অপরাধ সংঘটনের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র ছিল তখন সে অজুহাতকে Plea of Alibi (Elsewhere) বলে।

Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১,৪৯৩.
দলিলের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন পরিস্থিতিতে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে?
  1. দলিলটি আদালতের সমনের আওতায় থাকলে
  2. দলিলটি সরকারি দপ্তরে সংরক্ষিত থাকলে
  3. দলিলটি কোনো বিশেষ আইন দ্বারা রক্ষিত থাকলে
  4. দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, তার দখলে থাকলে
সঠিক উত্তর:
দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, তার দখলে থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, তার দখলে থাকলে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ৬৫ - যে সমস্ত ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:

(ক) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, মূল দলিলটি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে, অথবা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা এখতিয়ারের বাইরে কোন ব্যক্তির দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে বলে যদি দেখানো হয় বা প্রতীয়মান হয়, অথবা যদি এমন ব্যক্তির দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে তা থাকে, যে ব্যক্তি তা হাজির করতে আইনত বাধ্য, কিন্তু ৬৬ ধারায় উল্লেখিত নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও সে ব্যক্তি যদি তা হাজির না করে।

(খ) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা হবে, সে ব্যক্তি বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে স্বীকার করেছে বলে যখন প্রমাণ করা হয়।

(গ) মূল দলিল যেক্ষেত্রে বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে, অথবা যেক্ষেত্রে মূল দলিলে বিষয়বস্তু সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তি তার নিজের ত্রুটি বা অবহেলা ছাড়া অপর কোন কারণে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে তা হাজির করতে পারে না।

(ঘ) মূল দলিলটির প্রকৃতি যেক্ষেত্রে এরূপ যে সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।

(ঙ) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারায় বর্ণিত সর্বসাধারণের দলিলের আওতাভুক্ত।

(চ) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, এ আইন বা বাংলাদেশে কার্যকরী অন্য কোন আইনে তার জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করার বিধান আছে।

(ছ) কোন মূল দলিলে যখন অপরাপর এমন বহু সংখ্যক দলিলের বিবরণ থাকে যেগুলি আদালতের পরীক্ষা করে দেখা সুবিধাজনক নয়, এবং যে ঘটনা প্রমাণ করতে হবে, তা ঐ সকল দলিলের সাধারণ ফলস্বরূপ।

উপরোক্ত (ক), (গ) ও (ঘ) উদাহরণের ক্ষেত্রে দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে যে কোন মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে।
উপরোক্ত (খ) উদাহরণের ক্ষেত্রে উল্লিখিত স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হবে।
(ঙ) অথবা (চ) উদাহরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দলিলের জাবেদা নকল মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, কিন্তু অন্য কোন মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
(ছ) উদাহরণের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দলিলগুলি পরীক্ষা করে দেখেছে এবং অনুরূপ দলিল পরীক্ষা করে দেখার ব্যাপারে যে পারদর্শী, দলিলগুলির সাধারণ ফল সম্পর্কে তার দ্বারা সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে।
১,৪৯৪.
The Evidence Act 1872 এর ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা/ ঘটনা প্রমাণের জন্য কতজন সাক্ষী প্রয়োজন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
ব্যাখ্যা
-  The Evidence Act 1872 এর ১৩৪ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার কোন ঘটনা প্রমাণ করার জন্য নির্দিষ্ট কোন সাক্ষীর প্রয়োজন নেই।
- দেওয়ানি কিংবা ফৌজদারি মামলা যাই হোক না কেন তা প্রমাণের জন্য কোন নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর সাক্ষ্য আবশ্যক নয়।
১,৪৯৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রমাণের দায়িত্ব সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৯৩ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৯৬ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৯৮ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১০১ অনুযায়ী- যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করে এর উপর নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করবেন।

⇒ প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) - দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।

⇒ কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- যে বিষয় বিরূদ্ধ পক্ষের ভাল জানা আছে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
১,৪৯৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান কোন ধরনের মামলায় প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র দেওয়ানি আদালতের মামলায়
  2. শুধুমাত্র ফৌজদারি আদালতের মামলায়
  3. শুধুমাত্র পারিবারিক আদালতের মামলায়
  4. দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় আদালতের মামলায়
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় আদালতের মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় আদালতের মামলায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না।

- সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
-------------------- 
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-167: No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
১,৪৯৭.
দলিলের বিষয়বস্তু  প্রমাণের জন্য মাধ্যমিক সাক্ষ্য কখন গ্রহণযোগ্য?
  1. সবসময় গ্রহণযোগ্য
  2. যখন দলিলের বিষয়বস্তু অপ্রাসঙ্গিক
  3. যখন আদালত বিশেষ অনুমতি না দেয়
  4. যখন মূল দলিল উপস্থাপন করা সম্ভব নয়
সঠিক উত্তর:
যখন মূল দলিল উপস্থাপন করা সম্ভব নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন মূল দলিল উপস্থাপন করা সম্ভব নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী, ধারা ৬১–৬৫-এর আলোকে দলিলের বিষয়বস্তু মূলত প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence) দ্বারা প্রমাণ করতে হয় (ধারা ৬১–৬৪)।
তবে, ধারা ৬৫ বলছে:
যখন মূল দলিল হারিয়ে যায়, নষ্ট হয়ে যায়, আদালতের অধিকারভুক্ত নয়, বা যেকোনো উপযুক্ত কারণে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়, তখন মাধ্যমিক সাক্ষ্য (secondary evidence) গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬১ (Proof of contents of documents) এ বলা হয়েছে যে, দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়। তবে, ধারা ৬৫ (Cases in which secondary evidence relating to documents may be given) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, মাধ্যমিক সাক্ষ্য তখনই গ্রহণযোগ্য হবে যখন মূল দলিল (প্রাথমিক সাক্ষ্য) উপস্থাপন করা সম্ভব নয়।

ধারা ৬৫-এর শর্তাবলী:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত পরিস্থিতিগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি প্রযোজ্য হতে হবে:
→ মূল দলিল হারিয়ে গেছে বা ধ্বংস হয়ে গেছে: যদি প্রমাণিত হয় যে মূল দলিল হারিয়ে গেছে বা ধ্বংস হয়েছে।
→  মূল দলিল উপস্থাপন করা সম্ভব নয়: যদি মূল দলিল কোনো ব্যক্তির দখলে থাকে যিনি এটি দিতে অস্বীকার করেন বা এটি এমন স্থানে আছে যেখান থেকে সহজে আনা সম্ভব নয়।
→  মূল দলিলের অস্তিত্ব স্বীকৃত: যদি বিপক্ষীয় পক্ষ মূল দলিলের অস্তিত্ব বা বিষয়বস্তু স্বীকার করে।
→  অন্যান্য আইনি কারণ: যেমন, মূল দলিল যদি সরকারি রেকর্ড হয় এবং তার প্রতিলিপি দেওয়ার অনুমতি থাকে।

সুতরাং, মাধ্যমিক সাক্ষ্য শুধুমাত্র ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য, এবং এটি সাধারণত মূল দলিল উপস্থাপন করা সম্ভব না হলে প্রযোজ্য হয়।
১,৪৯৮.
বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন তা ____________সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।
  1. ইশারা
  2. লিখিত
  3. মৌখিক
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মৌখিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারার বিধান বোবা সাক্ষী: যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
- অর্থাৎ বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।


⇒The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:
লিখিত সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
---------------------------
Section-119. Dumb witnesses: A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
১,৪৯৯.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুসারে বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তিগুলোও (Grounds of opinion) প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ৪৮ ধারা
  2. ৪৯ ধারা
  3. ৫০ ধারা
  4. ৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫১ (Section 51 of the Evidence Act, 1872) অনুযায়ী, “যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত কোনো মামলায় প্রাসঙ্গিক হয়, তখন সেই মতামতের উপর ভিত্তি করে যে কারণ বা ভিত্তি গঠিত হয়েছে, তা-ও প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।”

উদাহরণ হিসেবে, যদি একজন বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য দেয় যে তিনি একটি রাসায়নিক পরীক্ষা করে ফলাফল পেয়েছেন, তাহলে তিনি কেবল ফলাফলই বলবেন না, সেই পরীক্ষাটি কীভাবে করেছেন, সেটিও বলতে পারবেন। কারণ তা তার মতামতের ভিত্তি।

- অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারাই নিশ্চিত করে যে, বিশেষজ্ঞ বা প্রাসঙ্গিক মতামতের ভিত্তিগুলোও (Grounds of opinion) আদালতে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হতে পারে।


⇒The Evidence Act, 1872, Section- 51. Grounds of opinion, when relevant:
- Whenever the opinion of any living person is relevant the grounds on which such opinion is based are also relevant.

Illustration:
An expert may give an account of experiments performed by him for the purpose of forming his opinion.
১,৫০০.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য?
  1. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে দেখে নি
  2. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে শোনে নি
  3. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে দেখেছে
  4. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা অন্যের মতামত
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে দেখেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে দেখেছে
ব্যাখ্যা
♦ প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct evidence)- সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা মতে মৌখিক সাক্ষ্যকে অবশ্যই প্রতক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct) অর্থাৎ উপস্থিত সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা সে নিজে দেখেছে, শুনেছে বা উপলব্ধি করেছে।

♦ এছাড়া সাক্ষ্যে উল্লেখিত ঘটনা যদি কারো অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই অভিমত পোষণ করে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; তবে, বিশেষজ্ঞের অভিমত সম্পর্কিত গ্রন্থ (treatise) যদি সাধারণভাবে বাজারে বিক্রয় হয়, সেক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর তা প্রতিষ্ঠিত তা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যেতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হয়ে থাকে, অথবা যদি তার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হয়ে থাকেন, অথবা যদি তাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করতে বিলম্ব ও অযৌক্তিক ব্যয় হয়।

♦ এছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তুর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়, তবে আদালত উপযুক্ত মনে করলে সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।