উত্তর
ব্যাখ্যা
♦ কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্ৰমাণ করিতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৫ / ১৭ · ১,৪০১–১,৫০০ / ১,৬৬৪
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬১ (Section 61 – Proof of contents of documents)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
“The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.”
অর্থাৎ, কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার নিয়ম এই ধারায় বলা হয়েছে, এবং এতে উল্লেখ আছে যে —
এটি হতে পারে
- প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) দ্বারা অথবা
- মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) দ্বারা।
→ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হচ্ছে মূল দলিল, যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। অন্যদিকে, মাধ্যমিক সাক্ষ্য তখন ব্যবহার করা হয় যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, এবং তখন তার প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য এর মাধ্যমে।
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 61 - Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি তখনই প্রাসঙ্গিক হবে যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা/ বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ২২ক ধারা, যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক: দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.
• The Evidence Act,1872 এর ৩ ধারায় প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
অপ্রমাণিত (not to be proved):
কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না।
⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.
অন্যদিকে,
প্রমাণিত (proved):
কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
মিথ্যা প্রমানিত (disproved):
কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.
- সঠিক উত্তর: ঘ) যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়।
⇒ ‘বৈরী সাক্ষী’ (Hostile Witness) বলতে বোঝায়— যে সাক্ষীকে কোনো পক্ষ (বাদী/বিবাদী) নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আদালতে হাজির করে, কিন্তু সে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে বা প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে, পূর্ববর্তী জবানবন্দি (যেমন ১৬৪ দঃবিপ্র) থেকে সরে আসে বা বিপরীত কথা বলে।
- সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৪ অনুযায়ী এই ধরনের সাক্ষীকে আদালত বৈরী ঘোষণা করলে, যে পক্ষ তাকে হাজির করেছে, সেই পক্ষই আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা (cross-examine) করতে পারে।
⇒ বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী যাকে কোনো পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপস্থাপন করে, কিন্তু সে যদি নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে বা প্রতিপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে যদি সাক্ষী বৈরী হয়ে যায়। সাধারণত, জেরা করার অধিকার প্রতিপক্ষের থাকে, তবে যদি আদালত মনে করে যে একজন সাক্ষী ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীতমুখী বক্তব্য দিচ্ছে, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষও তাকে জেরা করতে পারে।
কখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়?
১) যখন সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়।
২) যখন সাক্ষী প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে।
৩) যখন সাক্ষী তার আগের দেওয়া বক্তব্য থেকে সরে আসে বা বিপরীত কথা বলে।
উদাহরণ:
- একজন সাক্ষী যদি পুলিশের সামনে একরকম বক্তব্য দেয়, কিন্তু আদালতে এসে তার বিপরীত কথা বলে, তাহলে সে বৈরী সাক্ষী বলে গণ্য হতে পারে।
⇒ অর্থাৎ যদি একজন সাক্ষী তার পক্ষের বিরুদ্ধে কথা বলে অথবা প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী বলা হয় এবং সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা করতে পারে।
- এটি আদালতের বিবেচনার বিষয় যে সাক্ষী সত্যিই বৈরী কি না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত নিম্নের বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন:
- দলিলের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং দলিলের ফলাফল কী।
- শুধুমাত্র দলিলের ভাষা কী হতে চেয়েছিল, এ বিষয়ে অনুসন্ধানে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৩, সংশোধনের নীতিসমূহ: একটি দলিল সংশোধন করিবার সময় আদালত অনুসন্ধান করিতে পারিবে যে, দলিলটি কী অর্থে ছিল, এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে কী অভিপ্রায় ছিল, এবং দলিলের ভাষা কিরূপ ছিল এই বিষয়ের মধ্যে অনুসন্ধান সীমিত থাকিবে না।
----------
The Specific Relief Act,1877, Section 33, Principles of rectification: In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০১ এবং ১০২ অনুসারে, দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের ভার (Burden of Proof) সাধারণত বাদী (Plaintiff) বা যিনি মামলা দায়ের করেন তার উপর থাকে। এর কারণ হলো, বাদীই আদালতে কোনো আইনি অধিকার বা দায়িত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নির্দিষ্ট তথ্যের অস্তিত্ব দাবি করেন। তিনি যে তথ্য বা দাবি উপস্থাপন করেন, তা প্রমাণ করার দায়িত্ব তারই। যদি কোনো পক্ষ কোনো প্রমাণ না দেয়, তবে যিনি মামলায় ব্যর্থ হবেন, প্রমাণের ভার তার উপর বর্তায়। দেওয়ানি মামলায় এটি সাধারণত বাদী হন, কারণ তিনিই মামলার দাবি নিয়ে আদালতে আসেন।
দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের ভারের মানদণ্ড:
দেওয়ানি মামলায় বাদীকে সাধারণত প্রাধান্যের প্রমাণ (Preponderance of the Evidence) প্রদান করতে হয়, অর্থাৎ তাদের দাবি ৫০% এর বেশি সম্ভাব্য সত্য বলে প্রমাণ করতে হয়। এটি ফৌজদারি মামলার তুলনায় কম কঠোর মানদণ্ড, যেখানে প্রসিকিউশনকে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের ঊর্ধ্বে (Beyond a Reasonable Doubt) প্রমাণ করতে হয়।
অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের ভার সাধারণত বাদীর উপর থাকে, কারণ তিনিই আদালতে দাবি উত্থাপন করেন এবং সেই দাবির সমর্থনে তথ্য প্রমাণ করার দায়িত্ব তার। এটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০১ ও ১০২-এর মূলনীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৩(৪) অনুসারে, "counterparts of documents" (দলিলের প্রতিলিপি বা প্রতিরূপ) গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence) হিসেবে গণ্য হবে শুধুমাত্র সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যারা দলিলটি সম্পাদন (execute) করেনি।
- সুতরাং, ধারা ৬৩(৪) বিশেষভাবে দলিলটি সম্পাদন করেনি এমন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োগ হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence) বলতে বোঝায় এমনসব তথ্য বা কপি, যা মূল দলিল উপস্থিত না থাকলে তার বিকল্প হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
- সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) বিধান রয়েছে।
-সাক্ষ আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করার মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ গৌণ সাক্ষ্য বলিতে নিম্নলিখিতগুলি বুঝায়-
১) এই আইনে অতঃপর বর্ণিত পরবর্তী ৭৬ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে প্রদত্ত সহিমোহরকৃত নকল।
২) মূল দলিল হইতে এইরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়, এবং এইরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল।
৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহার ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
৫) যে ব্যক্তি কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া ঐ দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 63. Secondary evidence:
- Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১২ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণের মামলায় যে তথ্য আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে, তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এখানে ‘A’-এর গাড়ির ক্ষতি এবং চিকিৎসা ব্যয়ের প্রমাণ ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সরাসরি সহায়ক, তাই এটি ধারা ১২-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।
- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ধারা ১০: ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কিত।
ধারা ১১: কোনো ঘটনার সম্ভাব্যতা বা অসম্ভাব্যতা প্রমাণে তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে।
ধারা ১৩: সম্পত্তির অধিকার বা দাবি সম্পর্কিত মামলায় প্রাসঙ্গিক তথ্য নির্ধারণ করে।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
------------
⇒The Evidence Act,1872, Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.
সঠিক উত্তর: লিখিতভাবে সম্মতি প্রকাশ করলে।
Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৩০- সাক্ষী যদি মামলার পক্ষ না হয়, তবে তার দলিল পেশে বাধ্য করা যাবে না:
যে ব্যক্তি কোনো মামলার পক্ষ নয় (অর্থাৎ শুধু সাক্ষী), তাকে তার সম্পত্তির মালিকানার দলিল (title-deed) অথবা যে দলিলের দ্বারা সে কোনো সম্পত্তি বন্ধক বা প্রতিশ্রুতিতে (pledgee/mortgagee) ধারণ করে, সে দলিল আদালতে পেশ করতে বাধ্য করা যাবে না,
এছাড়াও, যে দলিল আদালতে উপস্থাপন করলে সে নিজে অপরাধী (self-incrimination) বলে প্রমাণিত হতে পারে, সে দলিলও পেশ করতে বাধ্য নয়- যদি না সে ব্যক্তি লিখিতভাবে সম্মতি দেয় যে, সে নিজেই বা যার মাধ্যমে সে দাবি করছে, তাদের মধ্যে কেউ দলিলটি পেশ করবে।
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২১: জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ [Judges and Magistrates]:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেট যোগ্য সাক্ষী এবং তারা ইচ্ছা করলে সাক্ষ্য দিতে পারে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট এবং জজ হিসাবে সম্পাদন করেছে এমন কোন কার্যসম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে তাদের বাধ্য করা যাবে না। কারণ ১২১ ধারায় জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
১২১ ধারা অনুযায়ী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে, আদালতের অধীন, সেই আদালতের বিশেষ আদেশ ব্যতীত নিম্নলিখিত ২টি বিষয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে তাকে বাধ্য করা যাবে নাঃ
১. জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে উক্ত আদালতে তার নিজস্ব কোনো কার্য সম্পর্কে; বা
২. যে কোনো কিছু যা বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে সে আদালতে জানতে পারে।
⇒ যে ক্ষেত্রে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যায়:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে আদালতে তার নিজস্ব কার্য ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা যেতে পারে বা উক্ত পদের কর্তব্য পালনের সময় যে সব ঘটনা তার উপস্থিতিতে ঘটেছে, সেই গুলি সম্পর্কে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে। যেমন আদালতে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে খুন সংঘটিত হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত খুন সম্পর্কে যেকোন প্রশ্নের উত্তর দিতে উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যেতে পারে।
• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।
অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।
অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।
চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীকে ব্যাখ্যা করতে হয় কিভাবে তার স্ত্রী মারা গেল। কারণ কিভাবে কোন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলো সেটা স্বামী বা স্ত্রীর বিশেষ অবগতির মধ্যে থাকে।
ধারা ১০৬: যে ঘটনা বিশেষভাবে কাহারও জানা থাকে তাহা প্রমাণের দায়িত্ব: কোনো ঘটনা যখন বিশেষ করিয়া কোনো লোকের জানার মধ্যে থাকে তখন সেই ঘটনা প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই লোকের উপরই ন্যস্ত থাকে।
------------------
The Evidence Act, Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge: When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.