বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Evidence Act, 1872

মোট প্রশ্ন১,৬৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Evidence Act, 1872

PrepBank · পাতা ১৪ / ১৭ · ১,৩০১১,৪০০ / ১,৬৬৪

১,৩০১.
'Admissibility of Digital Records' - সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ধারা ৬৫
  2. ধারা ৬৫ক
  3. ধারা ৬৫খ
  4. ধারা ৬৫গ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৫খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৫খ
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৫খ- ডিজিটাল রেকর্ডের গ্রহণযোগ্যতা (Admissibility of Digital Records):
(১) এই আইনে অন্য কোনো বিধান থাকলেও, যদি কোনো তথ্য ডিজিটাল রেকর্ডে (Digital Record) থাকে—
এবং সেই তথ্য যদি কাগজে প্রিন্ট করা হয়, অথবা অপটিক্যাল (CD, DVD ইত্যাদি) বা ম্যাগনেটিক মিডিয়া (Hard Disk, Pen Drive ইত্যাদি) তে সংরক্ষিত, রেকর্ডকৃত বা কপি করা হয়, তাহলে সেটি “কম্পিউটার আউটপুট (computer output)” হিসেবে গণ্য হবে, এবং নির্দিষ্ট শর্তগুলো পূরণ হলে, সেটিকে আদালতে মূল প্রমাণ (primary evidence) হিসেবে গ্রহণ করা যাবে - মূল ডকুমেন্ট হাজির করার প্রয়োজন হবে না।

(২) শর্তাবলি (Conditions):
একটি কম্পিউটার আউটপুট আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে হলে নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে হবে —
(a) কম্পিউটারটি নিয়মিত ব্যবহৃত হত সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দ্বারা, যারা আইনগতভাবে কম্পিউটার ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
(b) সংশ্লিষ্ট সময়কালে, তথ্যগুলো নিয়মিতভাবে ওই কম্পিউটারে সংরক্ষিত বা প্রক্রিয়াজাত করা হত।
(c) সেই সময়কালে কম্পিউটারটি ঠিকভাবে কাজ করছিল; যদি কোনো সময় ঠিকভাবে না চলে, তবে তা যেন রেকর্ডের যথার্থতায় প্রভাব না ফেলে।
(d) ডিজিটাল রেকর্ডে যে তথ্য আছে, তা কম্পিউটারে সংরক্ষিত তথ্যের সঠিক পুনরুৎপাদন (reproduction) বা তার থেকেই উদ্ভূত (derived)।

(৩) যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তথ্য সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াজাতকরণ একাধিক কম্পিউটার দ্বারা বা ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন কম্পিউটারে সম্পন্ন হয়,
তাহলে সেই সব কম্পিউটারগুলোকে একত্রে একটি কম্পিউটার হিসেবে গণ্য করা হবে।

(৪) সার্টিফিকেট (Certificate):
যখন আদালতে ডিজিটাল প্রমাণ উপস্থাপন করা হবে, তখন একটি সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে যাতে উল্লেখ থাকবে —
(a) কোন ডিজিটাল রেকর্ডে তথ্যটি আছে এবং কীভাবে তা তৈরি হয়েছে;
(b) রেকর্ড তৈরিতে ব্যবহৃত যন্ত্র বা ডিভাইসের বিবরণ;
(c) উপরের (২) নং উপধারার শর্তগুলো পূরণের প্রমাণ;
এবং এটি এমন ব্যক্তির স্বাক্ষরে হতে হবে যিনি দায়িত্বশীল অফিসিয়াল পদে অধিষ্ঠিত।

এই সার্টিফিকেটটি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে, যদি তা দায়িত্বশীলভাবে এবং সৎ বিশ্বাসে প্রদান করা হয়।

(৫) সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা:
(a) কোনো তথ্য কম্পিউটারে সরবরাহ করা হয়েছে বলা হবে, যদি তা সরাসরি বা যেকোনো উপযুক্ত যন্ত্রের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

(b) কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহারের জন্য অন্য কারও কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণ করা হলেও, সেটি ঐ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গণ্য হবে।

(c) কোনো কম্পিউটার আউটপুট কম্পিউটার দ্বারা উৎপন্ন বলে গণ্য হবে, তা সরাসরি হোক বা অন্য কোনো ডিভাইসের সহায়তায় (মানব হস্তক্ষেপ থাকুক বা না থাকুক)।

১,৩০২.
রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র হতে উদ্ভূত তথ্যের ভিত্তিতে কেউ সাক্ষ্য দিতে চাইলে কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. সরকারের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. আদালতের
  4. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারার বিধান: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্যঃ-কাউকেও রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রাকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। যে মত উক্ত অফিসার উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, অনুমতি সে মত নিবেন বা দেয়া হতে বিরত থাকবেন।

⇒ অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র (unpublished official records) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কাউকে সাক্ষ্য প্রদানে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে প্রধান কর্মকর্তা অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।
-------------------
⇒ Section-123. Evidence as to affairs of State: No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
১,৩০৩.
সরকারী দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য জাবেদা নকল (certified copy) দাখিল করা যেতে পারে-
  1. ৬৪ ধারায়
  2. ৭৫ ধারায়
  3. ৬৬ ধারায়
  4. ৭৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের  ৭৭ ধারার বিধানঃ প্রত্যায়িত অনুলিপি উপস্থিত করে দলিল প্রমাণঃ অনুরূপ প্রত্যায়িত অনুলিপি যে সরকারী দলিলের অনুলিপি বা যে সরকারী দলিলের অংশবিশেষের অনুলিপি বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, সেই দলিলের বা তাহার অংশ বিশেষের বিষয় বস্তু প্রমানস্বরুপ ইহা দাখিল করা যাইতে পারে।

♦সাক্ষ্য আইনের  ৭৭ ধারা জাবেদার নকল উপস্থাপন করে দলিল প্রমাণ (Proof of documents by production of certified copies):
জোবেদা নকল যে সরকারী দলিলের অনুলিপি বলে বুঝানো হয়, সেই দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণে তা দাখিল করা যেতে পারে।
♦যেসব ব্যক্তিগত দলিল সরকারি দলিল হিসেবে বিবেচিত সেসব দলিলও জাবেদা নকলের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়।
১,৩০৪.
সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারার অধীনে, কোন দলিল যদি কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হয়, তাহলে—
  1. কেবল এক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
  2. প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
  3. শুধু প্রধান খণ্ড প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
  4. খণ্ডিত দলিল সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary evidence) বিধান রয়েছে।

প্রাথমিক সাক্ষ্য:
প্রাথমিক সাক্ষ্যের মানে সংশ্লিষ্ট দলিলটিই আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।

ব্যাখ্যা-১: কোন দলিল কতিপয় খন্ডে সম্পাদিত হইলে প্রত্যেক খন্ডই ঐ দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য।
কোন দলিল যখন প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয়, এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন মাত্র কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি উহার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল একই পদ্ধতিতে প্রস্তুত হয়, যথা মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হইয়া থাকে, সেইক্ষেত্রে উহার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য কিন্তু যেক্ষেত্রে সেইগুলি একই মূল দলিলের নকল সেই ক্ষেত্রে ঐগুলি মূল দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য হইবে না।

Section 62⇒ Primary evidence:
Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court. 
 
Explanation 1.- Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document. 
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it. 
 
Explanation 2.- Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original.
১,৩০৫.
'ক' একজন অতি ন্যায়বান, নিরীহ এবং ধার্মিক মানুষ। 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আদালতে উঠেছে। সেখানে তার আইনজীবী সাক্ষ্য শুনানীর সময় 'ক' এর সচ্চরিত্রের পরিচয় বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইলে এর পরিণতি হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. আদালতে সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই
  2. সচ্চরিত্র তুলে ধরতে আদালত বাধা প্রদান করবে
  3. সচ্চরিত্র তুলে ধরতে বিপক্ষ আইনজীবী তাকে বাধা প্রদান করবে
  4. কোনটি সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
আদালতে সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারার- ফৌজদারী মোকদ্দমায় পূর্ববর্তী সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক:
ফৌজদারী মোকদ্দমার অপরাধী ব্যক্তির চরিত্র যে উত্তম, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয়।

Section 53: In criminal cases, previous good character relevant:
In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী,
ফৌজদারি মামলায় আসামি তার সচ্চরিত্র আদালতে পেশ করতে পারেন। অর্থাৎ, আসামি চাইলে তার সচ্চরিত্র আদালতে তুলে ধরতে পারেন, এতে আদালত বা বিপক্ষ আইনজীবীর সরাসরি বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে বিপক্ষ আইনজীবী তখন তার চরিত্রের বিরুদ্ধেও প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবে।
১,৩০৬.
“No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact” – এই বিধান কোন ধারায় আছে? 
  1. ধারা ১১৮
  2. ধারা ১৩৩
  3. ধারা ১৩৪
  4. ধারা ১৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৪-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.”
অর্থাৎ, যেকোনো তথ্য বা ঘটনা প্রমাণ করতে সাক্ষীর কোনো নির্দিষ্ট বা সর্বনিম্ন সংখ্যার প্রয়োজন নেই। একজন সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য দিয়েও ঘটনা প্রমাণিত হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ঘটনার প্রমাণে সাক্ষীর নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রয়োজন নয়।
- কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই; সাক্ষীর সংখ্যা বিচারক বা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে, তবে সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ The Evidence Act,1872, section-134. Number of witnesses:
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

১,৩০৭.
কোন অবস্থায় সাক্ষীকে 'বৈরী সাক্ষী' হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হলে
  2. সাক্ষী মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে
  3. সাক্ষী নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর না দিলে
  4. সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী, যাকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতে তার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আনে, কিন্তু সাক্ষী আদালতে এসে তার সাক্ষ্য বিপরীত দিক নির্দেশ করে বা নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়। এমন অবস্থায়, আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দেওয়া হয় এবং তখন তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে। এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
১,৩০৮.
"Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum"- নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. 115
  2. 111
  3. 114
  4. 112
সঠিক উত্তর:
112
উত্তর
সঠিক উত্তর:
112
ব্যাখ্যা

ল্যাটিন নীতি: “Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum”
বাংলা অর্থ: সর্বদা সন্তানের বৈধতা অনুমান করা হবে।

⇒ নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর ১১২ ধারার (Section 112) সাথে সম্পর্কিত।

Section 112– Birth during marriage, conclusive proof of legitimacy:
The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.

বাংলা অর্থ:
যদি কোনো শিশু বৈধ বিবাহ চলাকালীন জন্মগ্রহণ করে, অথবা বিবাহ বিচ্ছেদের পর ২৮০ দিনের মধ্যে জন্মগ্রহণ করে, এবং মা ঐ সময় পর্যন্ত পুনরায় বিবাহ না করে, তবে আইন ধরে নেবে যে শিশুটি বৈধ সন্তান (legitimate child) - যতক্ষণ পর্যন্ত প্রমাণ না হয় যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিলন (access) সম্ভব ছিল না।

অর্থাৎ, এই ধারা অনুযায়ী আদালত সবসময় ধরে নেয়- বিবাহিত দম্পতির ঘরে জন্ম নেয়া সন্তান বৈধ। এটি “Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum” (সন্তান সর্বদা বৈধ বলে অনুমান করা হবে) নীতিরই প্রতিফলন।

১,৩০৯.
সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় কোন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অভিপ্রায় (Motive)
  2. প্রস্তুতি (Preparation)
  3. পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।

⇒ এই প্রশ্নের ঘটনাটি ৮ ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত।

----------------
⇒ Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
Section 8. Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
 
The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.
১,৩১০.
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের মূল দায়িত্ব কী?
  1. আদালতকে সাহায্য করা
  2. আসামিকে দোষী প্রমাণ করা
  3. সরকারি পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়া
  4. যে পক্ষ তার সাক্ষ্য উপস্থাপন করেছে, তাদের সাহায্য করা
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১,৩১১.
"The Court may presume that judicial and official acts have been regularly performed" এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. Section 114(a)
  2. Section 114(c)
  3. Section 114 (e)
  4. Section 114 (g)
সঠিক উত্তর:
Section 114 (e)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 114 (e)
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-114: Court may presume existence of certain facts: The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case.  
 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 
(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 
(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 
(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 
(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 
(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 
(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 
(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 
(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it:– 
as to illustration (a) –A shop-keeper has in his till a marked Taka soon after it was stolen, and cannot account for its possession specifically, but is continually receiving Taka in the course of his business: 
---------------
সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;
(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;
(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।
তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।
১,৩১২.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৩৪ ধারা অনুযায়ী, একজন সাক্ষী দ্বারা কি মামলা প্রমাণ করা যায়?
  1. না
  2. হ্যাঁ
  3. শুধুমাত্র দেওয়ানি মামলায়
  4. শুধুমাত্র গুরুতর মামলায়
সঠিক উত্তর:
হ্যাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যাঁ
ব্যাখ্যা
• সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল- 'witnesses are weighed, not numbered'.- বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়। এক্ষেত্রে মামলার ধরন অপ্রাসঙ্গিক।
১,৩১৩.
কোন ধারায় সাক্ষ্য আইনে ইঙ্গিতবাহী (Leading) প্রশ্নের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪০
  3. ধারা ১৪১
  4. ধারা ১৪২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪১
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪১-এই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading Question) সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না: বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।
যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে: জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 142.When they must not be asked:
- Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
- The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 143. When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.

১,৩১৪.
কোন ক্ষেত্রে বিষেজ্ঞর মতামত (expert opinion) প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. বিদেশী আইন
  2. বিজ্ঞান
  3. হস্তরেখা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ The Evidence Act 1872 এর ৪৫ ধারায় বলা হয়েছে বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, কলা বিজ্ঞান, হস্তরেখা, আঙ্গুলের ছাপ ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষ ব্যক্তিদের সাক্ষ্য মোকদ্দমায় প্রাসঙ্গিক হবে।
১,৩১৫.
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়_______এর ক্ষেত্রে-
  1. examination-in-chief
  2. re-examination
  3. cross-examination
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
cross-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
cross-examination
ব্যাখ্যা
♦প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করে প্রশ্নের মধ্যে তার ইঙ্গিত থাকলে, সেই প্রশ্নকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলে। সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারায় বলা হয়েছে, জেরায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যেতে পারে leading questions may be asked in cross-examination.
১,৩১৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার অধীনে বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে?
  1. ৩ ধারার
  2. ৫ ধারার
  3. ৭ ধারার
  4. ৯ ধারার
সঠিক উত্তর:
৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
- কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।ঃ
- ব্যাখ্যা: দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।

⇒ বিচার্য বিষয় (Facts in Issue)- বিচার্য বিষয় হলো এমন কোন ঘটনা যাকে কোন মামলার মূল বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যভাবে বলা যায়, যে বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আদালত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করে তাকে বিচার্য বিষয় বলে। কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় মামলার এক পক্ষ স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। যে কোন মামলার প্রকৃত বিষয় ও সত্যতা উদঘাটনের বিচার্য বিষয়ের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

⇒ প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts)- যে ঘটনাটি অন্য কোন ঘটনার অস্তিত্ব ও অস্তিত্বহীনতা প্রমাণ করে, তাই প্রাসঙ্গিক ঘটনা বা Relevant Fact। কোন বিষয়কে প্রাসঙ্গিক হতে হলে উক্ত ঘটনাকে কোন না কোন দিক হতে বিচার্য বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে। সাক্ষ্য আইনের ৫ থেকে ৫৫ ধারায় বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevance of Facts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
--------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 5. Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
১,৩১৭.
একজন স্বাক্ষীর আচরণ সংক্রান্ত মন্তব্য প্রাসঙ্গিক হলে তা লিপিবদ্ধ করাবে-
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. বিচারক
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  4. আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক
ব্যাখ্যা
♦ একজন স্বাক্ষীর আচরণ সংক্রান্ত মন্তব্য প্রাসঙ্গিক হলে তা লিপিবদ্ধ করাবে-বিচারক।

♦ যদিও প্রশ্নটি সাক্ষ্য আইনের কিন্তু এই বিষয়ে সাক্ষ্য আইনে সরাসরি কোথায়ও উল্লেখ নাই। 

♦ তবে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৬৩ ধারা মতে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে মন্তব্য:
- যেক্ষেত্রে কোন দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যদি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন, সাক্ষীর জবানবন্দীর সময়ের তার আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে কোন মন্তব্য (যদি থাকে) লিপিবদ্ধ করবেন।

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি-১২ মতে সাক্ষীর আচরণ (Demeanour of witnesses):
- গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে আদালত সাক্ষীর আচরণ মন্তব্য আকারে লিখে রাখবেন।

Sections 363 of Code of Criminal Procedure, 1898:
Remarks respecting demeanor of witness:
- When a Sessions Judge or Magistrate has recorded the evidence of a witness, he shall also record such remarks (if any) as he thinks material respecting the demeanour of such witness whilst under examination.

Order 18 Rule 12-Code of Civil Procedure, 1908.
Remarks on demeanour of witnesses.
- The court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.
১,৩১৮.
পুলিশের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হলে
  2. স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
  3. নিরপেক্ষ স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান:  আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
১,৩১৯.
একজন শিশুকে কীসের ভিত্তিতে যোগ্য সাক্ষী হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. বয়স
  2. বোধশক্তি
  3. শিক্ষাগত যোগ্যতা
  4. সবগুলোর উপর
সঠিক উত্তর:
বোধশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোধশক্তি
ব্যাখ্যা
•  সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়।

সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।
ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

উক্ত ধারা অনুযায়ী প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে সক্ষম সকল ব্যক্তি যোগ্য সাক্ষী। যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবে না।
১,৩২০.
According to Section 138 of The Evidence Act, 1872, what is the correct order of examining a witness?
  1. Cross-examination → Re-examination → Examination-in-chief
  2. Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
  3. Re-examination → Cross-examination → Examination-in-chief
  4. Cross-examination → Examination-in-chief → Re-examination
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872- Section 138: Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়। জবানবন্দি গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে, তবে জেরা কেবল মূল সাক্ষ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
১,৩২১.
প্রয়োজনীয় নোটিশ দেয়ার পরও কোনো নথি উপস্থাপন না করলে, সাক্ষ্য আইনের ৮৯ ধারা অনুযায়ী আদালত কি অনুমান করবে?
  1. নথিটি বাতিল
  2. নথিটির বৈধতা নিশ্চিত নয়
  3. নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয় নি
  4. নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়েছিল
সঠিক উত্তর:
নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়েছিল
ব্যাখ্যা
• Section 89⇒ Presumption as to due execution, etc., of documents not produced:
The Court shall presume that every document, called for and not produced after notice to produce, was attested, stamped and executed in the manner required by law.

যদি আদালত কোনো নথি দেখতে চায় এবং প্রয়োজনীয় নোটিশ দিয়েও তা উপস্থাপন না করা হয়, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে উক্ত নথিটি আইনগত  প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সাক্ষ্যযুক্ত, মুদ্রাঙ্কিত এবং সম্পাদিত হয়েছিল।

অর্থাৎ, আদালত থেকে নথি দেখার নির্দেশ থাকলেও যদি তা উপস্থাপন না করা হয়, তাহলে আদালত নিজে থেকেই ধরে নেবে যে সেই নথিটি আইনগতভাবে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছিল। এটি একটি গৃহীত ধারণা যা প্রতিপক্ষের উল্টো প্রমাণ না থাকলে বলবৎ থাকবে।
১,৩২২.
একটি বন্ড মূলে পাওনা টাকা দাবী করে ‘খ’-এর বিরুদ্ধে ‘ক’-একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। বন্ডটির সম্পাদন স্বীকৃত। কিন্তু ‘খ’-বলে যে প্রতারণার মাধ্যমে বন্ডটি সম্পাদিত হয়েছে, যা ‘ক’- অস্বীকার করে। প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণের দায় কার উপরে ন্যস্ত?
  1. ‘ক’
  2. ‘খ’
  3. আদালত
  4. তৃতীয় কোনো ব্যক্তি যিনি ঘটনাটি দেখেছেন
সঠিক উত্তর:
‘খ’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘খ’
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে:
মামলায় বা কার্যক্রমে কোন পক্ষ হইতেই সাক্ষ্য দেওয়া না হইলে যে পক্ষ মামলায় ঠকিবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত।

⇒ প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণের দায় ‘খ’-এর ওপর বর্তাবে। কারণ, ‘খ’ এই প্রতারণার দাবি উত্থাপন করেছে, এবং সে তা প্রমাণে ব্যর্থ হলে মামলায় পরাজিত হবে।

 
⇒ উদাহরণ:
(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে। এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে। সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
১,৩২৩.
কোন ধরনের মামলায় অভিযুক্তের ভাল চরিত্র প্রাসঙ্গিক?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. উভয় ধরনের মামলায়
  4. কোন মামলায় প্রাসঙ্গিক নয়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

⇒ The Evidence Act, 1872-Section-53: In criminal cases, previous good character relevant:
 In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
১,৩২৪.
According to Section 152 of The Evidence Act, 1872: The Court ______ any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which appears to the Court needlessly offensive in form.
  1. may allow
  2. shall forbid
  3. may forbid
  4. can allow
সঠিক উত্তর:
shall forbid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
shall forbid
ব্যাখ্যা
• Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো প্রশ্ন সাক্ষীকে অপমানিত বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে আদালত সেই প্রশ্নকে অগ্রাহ্য করতে পারে। অর্থাৎ এরকম প্রশ্নের প্রয়োজন নেই এবং আদালত এই ধরনের প্রশ্ন প্রসঙ্গে বর্জন করতে পারে।
১,৩২৫.
কোনো কাজের Motive সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৮ ধারায়
  3. ১০ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮-উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ:
বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সংঘটনে অভিপ্রায় বা উদ্যোগ যে বিষয়ের দ্বারা সৃষ্টি হয় বা যে বিষয় হইতে দৃষ্ট হয়, তাহা প্রাসঙ্গিক বিষয়।কোন মামলা বা বিচার কার্যক্রম সম্পর্কে অথবা উহাতে বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক কোন বিষয় সম্পর্কে উক্ত মামলা বিচার যা কার্যক্রমের কোন পক্ষ বা কোন পক্ষের প্রতিনিধির আচরণ এবং যে ব্যাক্তির বিরুদ্ধে সংঘটিত কোন অপরাধ কোন ফৌজদারী কার্যক্রমের বিষয়বস্তু, তাহার আচরণ যদি কোন বিচাৰ্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে প্রভাবিত করে বা তদ্দারা প্রভাবিত হয় তরে সেই আচরণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পূর্ববর্তী হউক বা পরবর্তীই হউক, তাহা প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় ৩টি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
(i) অভিপ্রায় (Motive);
(ii) প্রস্তুতি (Preparation);
(iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct).
১,৩২৬.
''An accomplice shall be a competent witness against an accused person''. বিধানটি The Evidence Act,1872 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৩২ ধারা 
  2. ১৩৩ ধারা 
  3. ১১৪ ধারা 
  4. ১২০ ধারা 
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারা 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনে ১৮৭২,ধারা ১৩৩, সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবার উপযুক্ত লোক বলিয়া বিবেচিত হইবে; সহযোগীর সমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে শান্তি দেওয়া হইলে কেবলমাত্র সেই কারণেই উক্ত শাস্তি বেআইনি হইবে না।
---------------------------------
The Evidence Act 1872, Section133, Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

১,৩২৭.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান কী?
  1. Opinion as to handwriting, when relevant
  2. Facts bearing upon opinions of experts
  3. Opinion of experts on physical or forensic evidence
  4. Opinion as to digital signature where relevant
সঠিক উত্তর:
Opinion of experts on physical or forensic evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Opinion of experts on physical or forensic evidence
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: -
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষী দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------
⇒ Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.- ( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১,৩২৮.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন শ্রেণীর ব্যক্তির সাক্ষ্য, সাক্ষ্য হিসেবে অপ্রাসঙ্গিক?
  1. মৃত বা খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তি
  2. সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে গেছে এমন ব্যক্তি
  3. অযৌক্তিক বিলম্ব বা ব্যয় ছাড়া যে ব্যক্তিকে হাজির করা যায় না
  4. বিপক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে সরিয়ে রাখা ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে সরিয়ে রাখা ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে সরিয়ে রাখা ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী ৪ শ্রেণীর ব্যক্তির সাক্ষ্য, সাক্ষ হিসেবে প্রাসঙ্গিক যদিও তাদেরকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে আহ্বান করা যায় না। যথা:-
(i) মৃত ব্যক্তি;
(ii) খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তি;
(iii) সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে গেছে এমন ব্যক্তি; বা
(iv) অযৌক্তিক বিলম্ব বা ব্যয় ছাড়া যে ব্যক্তিকে হাজির করা যায় না।
১,৩২৯.
সাক্ষ্য আইনের ৯৯ ধারায় কে দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ দিতে পারে?
  1. আদালত
  2. দলিলের পক্ষগণ
  3. দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯৯- দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ কে দিতে পারবে:
যে ব্যক্তিরা দলিলের পক্ষ নন বা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিরা, তারা এমন যে কোনো তথ্যের প্রমাণ দিতে পারেন যা দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী সমসাময়িক চুক্তির অস্তিত্ব প্রদর্শন করে।

[Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.]
১,৩৩০.
সাক্ষ্য আইনে ধারা ২৪ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হতে হবে
  2. স্বীকারোক্তি পুলিশের কাছে করা হতে হবে
  3. স্বীকারোক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে করা হতে হবে
  4. স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ উত্তর: ঘ) স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে।

- সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৪ অনুযায়ী, যদি কোনো স্বীকারোক্তি ভীতি প্রদর্শন, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার মাধ্যমে আদায় করা হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না। অর্থাৎ, যদি স্বীকারোক্তি কোনো ধরনের চাপ বা প্রতারণা দ্বারা নেওয়া হয়, তবে তা প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করা হবে না। তবে, যদি স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলকভাবে এবং কোনো প্রলোভন বা ভীতি ছাড়া করা হয় এবং তা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বা পুলিশের উপস্থিতিতে হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা - প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি, যখন ফৌজদারি কার্যবিধিতে অপ্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো আসামী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন এবং আদালত মনে করেন যে, এই স্বীকারোক্তি কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আসামীকে লাভ বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানোর জন্য প্রদান করা হয়েছে, তবে সেই স্বীকারোক্তি ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রাসঙ্গিক হবে না।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding:
A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
১,৩৩১.
সাক্ষ্য আইনের অধীন T.I.P অর্থ কি?
  1. Test Identification by Police
  2. Test Identification Parade
  3. Identification Test for Parade
  4. Police Identification Test
সঠিক উত্তর:
Test Identification Parade
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Test Identification Parade
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

 ⇒ সাক্ষ্য আইনের অধীন T.I.P অর্থ Test Identification Parade.


⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,

২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
১,৩৩২.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান অনুসারে, দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য যদি অসমর্থিত (un-corroborated) হয়, তবে-
  1. তার সাক্ষ্য বাতিল
  2. তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া বেআইনি হবে
  3. তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া বেআইনি হবে না
  4. তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া বেআইনি হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া বেআইনি হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।

Section-133- Accomplice: 

An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
১,৩৩৩.
"শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত" সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪৬ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: -
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষী দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------
⇒ Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.- ( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১,৩৩৪.
"Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, _____________ , legally authorized to take evidence.
  1. except Village Court members
  2. except Arbitrators
  3. except Court Martial Judges
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
except Arbitrators
উত্তর
সঠিক উত্তর:
except Arbitrators
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত (Court): বলতে সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশ ব্যতীত  সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভূক্ত করবে।

⇒ Interpretation-clause:


⇒ Section 3. In this Act the following words and expressions are used in the following senses, unless a contrary intention appears from the context:-

⇒ "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.

⇒ "Fact" means and includes-

(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.
১,৩৩৫.
A নির্দিষ্ট দিনে চট্টগ্রামে একটি অপরাধ করেছে কিনা তা নির্ধারণে, Plea of alibi নীতি অনুসারে কোন তথ্যটি প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. A একজন সৎ ব্যক্তি
  2. A ঐ দিন ঢাকায় ছিল
  3. A এর কোনো শত্রু নেই
  4. A অতীতে কখনো অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
A ঐ দিন ঢাকায় ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A ঐ দিন ঢাকায় ছিল
ব্যাখ্যা
⇒ 'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়। সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।

সাক্ষ্য আইন, ধারা ১১:
যে ঘটনা সাধারণত প্রাসঙ্গিক নয়, তা তখনই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে—
- যদি এটি কোনো মূল বিতর্কিত বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়।
- যদি এটি এককভাবে বা অন্যান্য ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে কোনো মূল বিতর্কিত বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার অস্তিত্ব বা অনস্তিত্বকে অত্যন্ত সম্ভাব্য বা অসম্ভাব্য করে তোলে।

উদাহরণ:
(ক) প্রশ্ন উঠেছে, A নির্দিষ্ট দিনে চট্টগ্রামে কোনো অপরাধ করেছে কিনা।
যদি প্রমাণিত হয় যে ওই দিনে A ঢাকায় ছিল, তাহলে এটি একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
এছাড়াও, যদি দেখা যায় যে অপরাধ সংঘটনের সময় A এমন একটি স্থানে ছিল, যেখান থেকে অপরাধস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত অসম্ভব, তবে সেটিও প্রাসঙ্গিক হবে।

(খ) প্রশ্ন উঠেছে, A কোনো অপরাধ করেছে কিনা।
পরিস্থিতি এমন যে, অপরাধটি হয় A, B, C অথবা D—এদের মধ্যে কেউ করেছে।
যে কোনো ঘটনা যা প্রমাণ করে যে অপরাধটি B, C বা D করেনি এবং অপরাধী শুধুমাত্র A হতে পারে, তা প্রাসঙ্গিক হবে।
১,৩৩৬.
যদি কোনো পক্ষ আদালতকে অনুরোধ করে কোনো বিষয় বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর করার জন্য, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. অবশ্যই তা মানতে হবে
  2. শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
  3. অস্বীকার করতে পারবে না
  4. প্রয়োজন মনে করলে বই বা দলিল চাইতে পারে
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজন মনে করলে বই বা দলিল চাইতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজন মনে করলে বই বা দলিল চাইতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২–এর ধারা ৫৭ অনুসারে, আদালত যখন কোনো বিষয় বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর (judicial notice) করার জন্য একটি অনুরোধ গ্রহণ করে, তখন আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে সেটি গ্রহণযোগ্য কিনা। যদি আদালত মনে করে, তাহলে বিষয়টি বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর করার জন্য প্রয়োজনীয় বই বা দলিল চেয়ে নিতে পারে।

ধারা ৫৭ (অন্যথা কিছু না বলা হলে) বলে যে, আদালত প্রাসঙ্গিক বই বা দলিল দেখতে পারে যদি কোনো পক্ষ আদালতকে সেই বিষয়টি বিচারিকভাবে গ্রহণের জন্য অনুরোধ করে। অর্থাৎ, আদালত যদি প্রয়োজন মনে করে তবে বই বা দলিল চাইতে পারে যা সে বিষয়ের প্রমাণ করতে সহায়ক হতে পারে।

তবে ক) অবশ্যই তা মানতে হবে বা গ) অস্বীকার করতে পারবে না এই ধরনের ধারণা সঠিক নয়, কারণ আদালত তার বিচারিক বিবেচনা অনুযায়ী বিষয়টি গ্রহণ বা অস্বীকার করতে পারে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫৭-এর শেষ অংশ অনুযায়ী:
"If the Court is called upon by any person to take judicial notice of any fact, it may refuse to do so unless and until such person produces any such book or document as it may consider necessary to enable it to do so."
অর্থাৎ, যদি কোনো পক্ষ আদালতকে কোনো বিষয় বিচারিকভাবে লক্ষণীয় (Judicial Notice) হিসেবে গ্রহণ করার অনুরোধ করে, তাহলে আদালত:
- প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট বই বা দলিল দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারে,
- এবং তা না দিলে অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
১,৩৩৭.
সরকারি দলিলপত্র আদালতে প্রাসঙ্গিক হয় কোন ধারা মতে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৭৪ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার অনুযায়ী সরকারি দলিলপত্র আদালতে প্রাসঙ্গিক করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

----------------
⇒ Public documents:

Section 74. The following documents are public documents:– 
 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
 
(i) of the sovereign authority, 
 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
১,৩৩৮.
নিম্নের কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য নয়?
  1. প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি
  2. বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যে প্রশ্নের ধরণ বুঝতে পারে ।
  3. অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু
  4. বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি আদালতের মতে যে প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর দিতে অক্ষম
সঠিক উত্তর:
বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি আদালতের মতে যে প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর দিতে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি আদালতের মতে যে প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর দিতে অক্ষম
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা অনুযায়ী শিশু বা পাগল বা মানসিক রোগী সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য। কোন মানসিক রোগী যোগ্য সাক্ষী হবে যদি সে এমন কোনো মানসিক অবস্থায় থাকে যখন সে তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে বা তার যুক্তি সংগত উত্তর দিতে সক্ষম, সেই ক্ষেত্রে উক্ত মানসিক রোগী যোগ্য সাক্ষী হবে।
১,৩৩৯.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৬২ ধারা অনুসারে, কোনটি সঠিক?
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো নথি হাজির করা যাবে না
  2. সাক্ষী আপত্তি জানালে দলিল আদালতে হাজির করার প্রয়োজন নেই
  3. আপত্তি থাকলে আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে দলিল বাতিল ঘোষণা করবে
  4. সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীকে তার দখলস্থ দলিল আদালতে হাজির করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীকে তার দখলস্থ দলিল আদালতে হাজির করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীকে তার দখলস্থ দলিল আদালতে হাজির করতে হবে
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ১৬২ ধারা অনুসারে,
আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে হবে। দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে তা পরবর্তীতে বিবেচনা করা হবে।

যদি কোনো সাক্ষী আদালতের সমনকে অমান্য করেন এবং দলিল হাজির না করেন, তাহলে তিনি আদালতের অবমাননার দায়ে দণ্ডিত হতে পারেন। সুতরাং, দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে যেকোনো আপত্তি থাকলেও, সাক্ষীকে আদালতের সমন অনুসারে দলিল হাজির করতে হবে।

Section-162. Production of documents:
A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court. 

The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.

Translation of documents:
If for such a purpose it is necessary to cause any document to be translated, the Court may, if it thinks fit, direct the translator to keep the contents secret, unless the document is to be given in evidence: and, if the interpreter disobeys such direction, he shall be held to have committed an offence under section 166 of the Penal Code.
১,৩৪০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ২ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় কতিপয় শব্দের ব্যাখ্যা রয়েছে যার, ঐ গুলাতে প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে।

⇒ প্রমাণিত (proved):
কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন। 

⇒ মিথ্যা প্রমানিত (disproved): কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।

⇒ অপ্রমাণিত (not to be proved): কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না। (A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved).

----------------
The Evidence Act,1872: Section 3- Interpretation-clause:
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.

⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.

⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.
১,৩৪১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৪ অনুযায়ী, কোন ধরনের স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য?
  1. পুলিশের কাছে করা স্বীকারোক্তি
  2. স্বেচ্ছামূলক স্বীকারোক্তি
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে করা স্বীকারোক্তি
  4. ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায়কৃত স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায়কৃত স্বীকারোক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায়কৃত স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৪ অনুযায়ী, যে স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন, বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা আদায় করা হয়, সেটি আদালতে অগ্রহণযোগ্য হবে। যদি স্বীকারোক্তি এমনভাবে আদায় করা হয় যা আসামীর উপর অবৈধ চাপ সৃষ্টি করে, যেমন ভয় দেখানো বা মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া, তবে তা আইনি প্রক্রিয়ায় গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারায় দেয়া আছে:
"দোষ স্বীকারোক্তি তখনই গ্রহণযোগ্য হইবে না যখন এইরূপ প্রতীয়মান হইবে যে, ইহা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলক আশ্বাস প্রদান করিয়া আদায় করা হইয়াছে।"
অর্থাৎ, যদি দোষ স্বীকার করানোর জন্য কোনো ভীতি দেখানো হয়, বা মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।
অন্যদিকে,
যদি দোষ স্বীকার স্বেচ্ছামূলক এবং ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হয় বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশের নিকট হয়, তাহলে সেগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। তবে প্রমাণিত হলে যে স্বীকারোক্তি ভীতি বা প্রতারণার মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে, তখন তা অগ্রহণযোগ্য হবে।

সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা - প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি, যখন ফৌজদারি কার্যবিধিতে অপ্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো আসামী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন এবং আদালত মনে করেন যে, এই স্বীকারোক্তি কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আসামীকে লাভ বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানোর জন্য প্রদান করা হয়েছে, তবে সেই স্বীকারোক্তি ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রাসঙ্গিক হবে না।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding:
A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
১,৩৪২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ______-এ ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতির বিষয় উল্লেখ আছে।
  1. ২২ক 
  2. ৪৫ক 
  3. ৪৭ক 
  4. ৬৫ক
সঠিক উত্তর:
২২ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ক 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক (Section 22A) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে না – যদি না ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা/সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে।”
- অর্থাৎ সাধারণত কেউ মুখে বলল যে “এই অডিও/ভিডিও/চ্যাটে আমি এটা বলেছি” – এই মৌখিক স্বীকৃতি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না ডিজিটাল রেকর্ডটির সত্যতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।
----------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.

১,৩৪৩.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য উপযুক্ত নয়?
  1. বোবা
  2. অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক
  3. বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম
  4. এমন বিকৃত মস্তিষ্কের ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দানে যোগ্য কিনা সেটা নির্ভর করে, তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সে সক্ষম কিনা, বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম অল্প বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত এবং বোবা ব্যক্তি ১১৯ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দানে যোগ্য। । বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের উপযুক্ত না। কিন্তু কোন ব্যক্তি বয়স্ক হওয়ার পরও যদি তার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে সেও সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত।

⇒ অর্থাৎ বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি  সাক্ষ্য প্রদানের জন্য উপযুক্ত নয়।
১,৩৪৪.
'A previous conviction is relevant as evidence of bad character'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৫২ ধারায়
  2. ৫৩ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৫৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
Section 54:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1- This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2- A previous conviction is relevant as evidence of bad character.

ধারা ৫৪:
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক, যদি না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ দেওয়া হয়, যার ফলে তার খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।
ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।

→ এই ধারার অর্থ হলো,
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্তের খারাপ চরিত্র বিচারে গৃহীত হবে না, যদি না তিনি নিজের ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেন। যদি তিনি ভালো চরিত্রের দাবি করেন, তাহলে তার খারাপ চরিত্র বিচার্য হবে। তবে যেখানে কাউকে খারাপ চরিত্রের অভিযোগ আনা হচ্ছে, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ খারাপ চরিত্রটাই মামলার মূল বিষয়বস্তু। পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসাবে গৃহীত হবে।
১,৩৪৫.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী, সরকারি কাগজপত্রের জাবেদা নকল ঐ কাগজের প্রমাণ হিসাবে আদালতে দাখিল করা যাবে?
  1. ৭২ ধারা
  2. ৭৫ ধারা
  3. ৭৩ ধারা
  4. ৭৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আনুষ্ঠানিক বা সরকারি কাগজপত্রের নকল তৈরি করা হয়, তাহলে সেই নকল কাগজকে মূল কাগজের প্রমাণ হিসাবে আদালতে দাখিল করা যাবে।

সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা:
"অনুরূপ জাবেদা নকল সর্বসাধারণের যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে বুঝতে দেয়া হয়, সে দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"
[Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.]

এই ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
১. একটি দলিলের অনুমোদিত/জাবেদা নকলকে সেই মূল দলিলের প্রতিনিধিত্বকারী হিসাবে গণ্য করা হয়।
২. এই নকল মূল দলিলের সম্পূর্ণ নকল হতে পারে অথবা আংশিক নকল হতে পারে।
৩. এই অনুমোদিত/জাবেদা নকল দলিলকে আদালতে মূল দলিলের বিষয়বস্তুর প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করা হবে।

সহজ কথায়,
এই ধারা অনুসারে যেকোনো সরকারি বা আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানের জারি করা দলিলের অনুমোদিত/জাবেদা নকলকে মূল দলিলের প্রতিনিধি হিসাবে আদালতে গ্রহণ করা হবে। এটি আদালতের প্রক্রিয়াকে সহজতর করে।
১,৩৪৬.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান কী?
  1. Opinion of third persons
  2. Opinion of Experts
  3. Opinion as to handwriting, when relevant
  4. Dying declaration
সঠিক উত্তর:
Opinion of Experts
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Opinion of Experts
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
-------------------
⇒ Opinion of Experts:
Section 45.  When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.
Such persons are called experts.
১,৩৪৭.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে স্বীকৃতি হলো স্বীকৃত বিষয় সম্পর্কে ________।
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
  2. চূড়ান্ত প্রমাণ
  3. প্রামাণ্য প্রমাণ নয়
  4. সাধারণ প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
ব্যাখ্যা
ধারা: ৩১ মতে স্বীকৃতি চুড়ান্ত প্রমাণ নহে; তবে প্রমাণে প্রতিবন্ধ সৃষ্টি করিতে পারে।

স্বীকৃতি স্বীকৃত বিষয় সম্পর্কে চূড়ান- প্রমাণ নহে। তবে তাহা এই আইনের বর্ণিত বিধান সমূহ অনুসারে প্রতিবন্ধ হিসাবে কার্যকারী হইতে পারে।
১,৩৪৮.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী Refreshing Memory/ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ১৫৪ ধারা
  2. ১৫৫ ধারা
  3. ১৫৯ ধারা
  4. ১৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল দেখে উত্তর দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাক্ষী তার নিজের লেখা, অন্যের লেখা বা দলিলের নকল দেখেও উত্তর দিতে পারেন। এটাই হল Refreshing memory। সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করন বা Refreshing memory এর বিধান রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ থেকে ১৬১ ধারায় এ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ- সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখিয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারার বিধান মতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা বলতে বুঝায় সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রদান কালে তাহার নিজের লেখা দেখে স্মৃতি মনে করা। তবে সাক্ষী অন্যের লেখা কিছু দেখেও স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারবে যদি তিনি পূর্বে উক্ত লেখা পড়ে/পড়ার সময় সত্য বলে জেনে থাকেন।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারার মতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing memory). সাক্ষ্য প্রদানের সময় কোন সাক্ষী কোন লেখা দ্বারা তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। মূল লেখা দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা যায়। আদালত অনুমতি দিলে সাক্ষী দলিলের নকল দেখেও স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক/বই দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে করতে পারে।
--------------------------
Section 159 Refreshing memory: A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory. 
 
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.
১,৩৪৯.
সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায় কোন ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ভাড়াটিয়া এবং মালিক
  2. অপরাধী এবং আদালত
  3. বীমা দাবি ও রাজস্ব প্রদান
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ভাড়াটিয়া এবং মালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাড়াটিয়া এবং মালিক
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।

Section 116- Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession:
No tenant of immovable property, or person claiming through such tenant, shall, during the continuance of the tenancy, be permitted to deny that the landlord of such tenant had, at the beginning of the tenancy, a title to such immovable property; and no person who came upon any immovable property by the license of the person in possession thereof shall be permitted to deny that such person had a title to such possession at the time when such license was given.
১,৩৫০.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তু আদালত সঠিক মনে করবে, যদি দলিলটি
  1. রেজিষ্ট্রিকৃত হয়
  2. সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
  3. গণ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট হয়
  4. স্ট্যাম্পযুক্ত হয়
সঠিক উত্তর:
সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।
১,৩৫১.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিচারক কোন সাক্ষীকে কোন প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. ১৫১
  2. ১৫৭
  3. ১৬৫
  4. ১৬৭
সঠিক উত্তর:
১৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৫
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর-১৬৫ ধারায়- বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা- বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।
♦তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।
♦পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
১,৩৫২.
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার প্রেক্ষিতে, উইল ব্যতীত কোন ধরনের দলিলের ক্ষেত্রে সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব করা প্রয়োজন নয়?
  1. মৌখিক দলিল
  2. রেজিস্ট্রি করা দলিল
  3. হস্তাক্ষরহীন দলিল
  4. দলিলটি স্বাক্ষরিত না হলে
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রি করা দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রি করা দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, উইল ব্যতীত কোনো রেজিস্ট্রি করা দলিলের ক্ষেত্রে যদি তার সম্পাদনকারী তার সম্পাদন অস্বীকার না করেন, তবে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হয় না। এই শর্তে, রেজিস্ট্রি করা দলিলগুলোকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার জন্য সত্যায়নকারী সাক্ষীকে হাজির করতে হবে না যদি না তার সম্পাদন অস্বীকার করা হয়।

যদি কোনো দলিল আইন অনুসারে সাক্ষী দ্বারা সাক্ষ্যদানের প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার আগে কমপক্ষে একজন সাক্ষীকে ডাকতে হবে (যদি সেই সাক্ষী জীবিত, আদালতের আওতায় এবং সাক্ষ্য দিতে সক্ষম হন)। তবে, যদি দলিলটি উইল না হয় এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী নিবন্ধিত হয়, তাহলে সাক্ষী ডাকার প্রয়োজন নেই, যতক্ষণ না দলিলটি যে ব্যক্তির দ্বারা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়, সেই ব্যক্তি বিশেষভাবে এটি অস্বীকার করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান দলিলের সত্যায়নের প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধান:
যদি কোনো দলিল আইন অনুযায়ী সত্যায়িত হওয়া আবশ্যক হয়, তবে এটি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারবে না যতক্ষণ না অন্তত একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে উপস্থিত করা হয়, যে সাক্ষী জীবিত, আদালতের প্রক্রিয়ার অধীন এবং সাক্ষ্য দিতে সক্ষম:
এবং proviso অনুযায়ী:
যদি দলিলটি উইল না হয় এবং এটি রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে, তবে সেই দলিলের সত্যায়ন প্রমাণের জন্য সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করার প্রয়োজন নেই, যদি না তার সম্পাদনকারী ব্যক্তি তার সম্পাদন অস্বীকার করেন।
------------ 
- The Evidence Act, 1872: Section- 68. Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.

১,৩৫৩.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু কোন ধারার বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৫ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
  4. সাক্ষ্য আইন ৬৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা মতে ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের জন্য বিশেষ বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬৫খ এর বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে।

------------
⇒ Special provisions as to evidence relating to digital record:
Section 65A.  The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.
১,৩৫৪.
আদালত ১৫২ ধারা অনুযায়ী কী করতে পারে?
  1. অপমানজনক প্রশ্ন বর্জন করতে পারে
  2. শুধুমাত্র আইনজীবীকে প্রশ্ন করতে দিতে পারে
  3. সাক্ষীকে প্রশ্ন করার জন্য সময় বৃদ্ধি করতে পারে
  4. সাক্ষীকে বাধ্য করতে পারে প্রশ্নের উত্তর দিতে
সঠিক উত্তর:
অপমানজনক প্রশ্ন বর্জন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপমানজনক প্রশ্ন বর্জন করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত যে কোনো প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে যা তার কাছে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে হয়, অথবা যা, নিজে যথাযথ হলেও, আদালতের কাছে অনাবশ্যকভাবে আপত্তিকর রূপে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.

১৫২ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো প্রশ্ন সাক্ষীকে অপমানিত বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে আদালত সেই প্রশ্নকে অগ্রাহ্য করতে পারে। অর্থাৎ, এরকম প্রশ্নের প্রয়োজন নেই এবং আদালত এই ধরনের প্রশ্ন প্রসঙ্গে বর্জন করতে পারে।
১,৩৫৫.
ক আদালতে ১৯৭৫ সালের একটি পুরাতন দলিলের ভিত্তিতে স্বত্ব দাবি করে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু দলিলের আসল হারিয়ে যাওয়ায় ক উক্ত দলিলের একখানা ফটোকপি দাখিল করতে আদালতে প্রার্থনা করেন।
  1. ক-কে ফটোকপি দাখিল করতে দেওয়া হবে না
  2. ক-এর মামলা খারিজ হবে
  3. ক-কে মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ার বিষয় আগে প্রমাণ করতে হবে
  4. সরাসরি ফটোকপি দাখিল করতে অনুমতি দেওয়া হবে।
সঠিক উত্তর:
ক-কে মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ার বিষয় আগে প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক-কে মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ার বিষয় আগে প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦১০৪ ধারার বিধান এই যে, একটি সাক্ষ্য যদি আদালতে admissible হওয়ার জন্য পূর্বে কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে হয় তবে সেটি আগে প্রমাণ করতে হবে। মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ায় ফটোকপি গ্রহণ করা হবে তবে পূর্বে হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রমাণ করতে হবে।
১,৩৫৬.
স্বীকৃতি [Admission] চূড়ান্ত প্রমাণ নয় কিন্তু প্রমাণের প্রতিবন্ধক [Estoppel] তৈরী করতে পারে। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

---------------
⇒ Section-31. Admissions not conclusive proof, but may stop: Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
১,৩৫৭.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারায় দলিল উপস্থাপনের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১৪৯ ধারা
  2. ১৬২ ধারা
  3. ১৬০ ধারা
  4. ১৬১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬২ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৬২ ধারা মতে সাক্ষীকে দলিল দাখিলের জন্য সমন দেয়া হলে যদি তা সাক্ষীর দখলে থাকে তাহলে দলিল দাখিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে যতই আপত্তি থাকুক সে সাক্ষী দলিল আদালতে হাজির করবেন।
১,৩৫৮.
ফৌজদারি মামলায় বিবাহ বজায় থাকাকালে স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে-
  1. বাধ্য করা যাইবে।
  2. তৃতীয় ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে।
  3. বাধ্য করা যাইবে না।
  4. কোনটাই নয়।
সঠিক উত্তর:
বাধ্য করা যাইবে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্য করা যাইবে না।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারার বিধান: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা: কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে। 
--------------
⇒ Communications during marriage:
Section 122. No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
১,৩৫৯.
সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য ব্যক্তি কে?
  1. দৈহিক বা মানসিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি
  2. নাবালক বা অতি বৃদ্ধ ব্যক্তি
  3. ক এবং খ উভয়ে
  4. ক বা খ কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ কেউ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ কেউ নয়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

অর্থাৎ, জিজ্ঞাসাকৃত প্রশ্ন বুঝতে বা তার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হলে, কোনো ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হবে না।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

১,৩৬০.
নিম্নের কোন বিধানটি স্বীকারোক্তি ও স্বীকৃতির ক্ষেত্রে সঠিক নয়?
  1. স্বীকৃতি শুধু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  2. স্বীকারোক্তির ক্ষেত্রে শাস্তি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
  3. স্বীকৃতিতে দোষ স্বীকার থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে
  4. সকল স্বীকারোক্তিই স্বীকৃতি এর অন্তর্ভুক্ত কিন্তু সকল স্বীকৃতি স্বীকারোক্তি নয়
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি শুধু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি শুধু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
স্বীকারোক্তি ও স্বীকৃতি:

⇒ কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্বীকার করে বিবৃতি প্রদান করলে তাকে স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার বলে; কিন্তু কোন মামলার বিষয়ে কোনো বিবৃতি প্রদান করা হলে, উক্ত বিবৃতি যদি সেই মামলার বিচার্য বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিত বহন করে তাহলে তাকে স্বীকৃতি বলে।
⇒ স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার কে ইংরেজিতে confession এবং স্বীকৃতি কে ইংরেজিতে admission বলে।

সকল স্বীকারোক্তি অবশ্যই স্বীকৃতি কিন্তু সকল স্বীকৃতি স্বীকারোক্তি নয়।
⇒ স্বীকারোক্তির ক্ষেত্রে প্রমাণের প্রয়োজন কিন্তু স্বীকৃতির ক্ষেত্রে প্রমাণের প্রয়োজন হয় না।

স্বীকারোক্তির ক্ষেত্রে শাস্তি হওয়ার আশঙ্কা থাকে কিন্তু স্বীকৃতিতে দোষ স্বীকার না থাকলে শাস্তি হয় না।
স্বীকারোক্তি শুধু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিন্তু স্বীকৃতি ফৌজদারি ও দেওয়ানী উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

⇒ স্বীকারোক্তি সংকীর্ণ অর্থে ব্যবহৃত হয় কিন্তু স্বীকৃতি ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
স্বীকারোক্তিতে অবশ্যই দোষ স্বীকার থাকে কিন্তু স্বীকৃতিতে দোষ স্বীকার থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে।
১,৩৬১.
সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুসারে, একজন উকিল কখন মক্কেলের বার্তা প্রকাশ করতে পারেন?
  1. আদালতের নির্দেশ ছাড়া
  2. শুধুমাত্র মক্কেলের স্পষ্ট সম্মতি থাকলে
  3. মক্কেলের স্পষ্ট অনুমতি ছাড়া যেকোনো সময়
  4. পেশাগত কার্য শেষ হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মক্কেলের স্পষ্ট সম্মতি থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মক্কেলের স্পষ্ট সম্মতি থাকলে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৬ অনুযায়ী,
- একজন ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের হয়ে কাজ করার সময় মক্কেলের পক্ষ থেকে বা উদ্দেশ্যে পাওয়া যে কোনো বার্তা, পরামর্শ বা দলিলের তথ্য - গোপন রাখতে বাধ্য, যতক্ষণ না মক্কেল নিজে স্পষ্টভাবে তা প্রকাশে সম্মতি দেন।
 এই ধারার মূল বক্তব্য হলো:
“No Advocate shall… be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication…”
অর্থাৎ, মক্কেলের স্পষ্ট সম্মতি ছাড়া কোনো তথ্য প্রকাশ আইনত বৈধ নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না।
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 126 Professional communications:
- No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:

Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.

১,৩৬২.
অনুমান কত প্রকারের হতে পারে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।

অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
১,৩৬৩.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অভিন্ন অভিপ্রায়ের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১২
  2. ১১
  3. ১০
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাৰ্যঃ দুই বা ততোধিক ব্যাক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করিবার ষড়যন্ত্র করিয়াছে, এইরুপ বিশ্বাস করিবার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাহাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করিবার পর তাহাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাহাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলিয়া মনে করা হইতেছে, এইরুপপ্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করিবার জন্য উহা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যাক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তাহা প্রমাণ করিবার জন্য উহাও প্রাসঙ্গিক।
১,৩৬৪.
সাক্ষীগণকে উপস্থিত করা এবং সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম নির্ধারিত হবে-
  1. শুধুমাত্র ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
  2. সাক্ষীদের নিজের ইচ্ছামত
  3. প্রচলিত দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবীর ইচ্ছা অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
প্রচলিত দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রচলিত দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ১৩৫- সাক্ষীগণকে উপস্থিত করা ও সাক্ষ্য গ্রহন করার ক্রম:
যে ক্রমানুসারে সাক্ষী হাজির করা ও তাদের সাক্ষ্য গ্রহন করা হবে দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধি সে সম্পর্কে প্রচলিত আইন ও রীতি মােতাবেক তা নির্ধারিত হবে। কোন আইন না থাকলে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে তা নির্ধারিত হবে।

[The order in which witnesses are produced and examined shall be regulated by the law and practice for the time being relating to civil and criminal procedure respectively, and, in the absence of any such law, by the discretion of the Court.]
১,৩৬৫.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী সর্বোত্তম সাক্ষ্য কী?
  1. গৌণ সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. পরোক্ষ সাক্ষ্য
  4. প্রাথমিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী সর্বোত্তম সাক্ষ্য (Best Evidence) হলো প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence)। কারণ, প্রাথমিক সাক্ষ্য মূল দলিল বা নথি যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয় এবং এতে তথ্য বিকৃতির সম্ভাবনা কম থাকে।
সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এটি সেই দলিল বা নথি যা আদালতে সরাসরি উপস্থাপিত হয় এবং যা থেকে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়। প্রাথমিক সাক্ষ্য যেহেতু মূল নথি বা প্রত্যক্ষ উপস্থাপিত প্রমাণ, তাই এটিকে সর্বোত্তম সাক্ষ্য বলা হয়।

অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
- (ক) গৌণ সাক্ষ্য: গৌণ সাক্ষ্য বলতে সাধারণত পরোক্ষ সাক্ষ্য বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য বোঝায়, যা কোনো ঘটনার প্রত্যক্ষ প্রমাণ নয়, বরং অন্য কোনো উৎস থেকে পাওয়া তথ্য। এটি আদালতে গৃহীত হতে পারে, তবে প্রাথমিক সাক্ষ্যের চেয়ে কম নির্ভরযোগ্য।
- (খ) মাধ্যমিক সাক্ষ্য: মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) তখনই গ্রহণযোগ্য হয়, যখন প্রাথমিক সাক্ষ্য আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব হয় না। উদাহরণস্বরূপ, কোনো মূল দলিলের অনুলিপি বা ফটোকপি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হবে। যেহেতু এটি সরাসরি আদালতে উপস্থাপিত মূল দলিল নয়, তাই এটি সর্বোত্তম সাক্ষ্য নয়।
- (গ) পরোক্ষ সাক্ষ্য: পরোক্ষ সাক্ষ্য (Circumstantial Evidence) হল এমন সাক্ষ্য যা কোনো ঘটনার সরাসরি প্রমাণ দেয় না, বরং ঘটনার পারিপার্শ্বিক প্রমাণ থেকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। এটি সরাসরি প্রমাণ নয়, তাই এটি সর্বোত্তম সাক্ষ্য নয়।

- যেহেতু প্রাথমিক সাক্ষ্যই (Primary Evidence) মূল দলিল বা প্রত্যক্ষ উপস্থাপিত নথি, যা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, তাই সর্বোত্তম সাক্ষ্য হলো প্রাথমিক সাক্ষ্য।
⇒ সঠিক উত্তর: (ঘ) প্রাথমিক সাক্ষ্য। 
১,৩৬৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় 'শনাক্তকরণ প্যারেড' নীতি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
১,৩৬৭.
কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারার অধীনে "Admission" দিতে পারে?
  1. মামলার পক্ষ নিজে
  2. মামলার পক্ষের অনুমোদিত প্রতিনিধি
  3. মামলার ৩য় পক্ষ
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা

ধারা ১৮- কার্যধারার পক্ষ বা তার প্রতিনিধির স্বীকৃতি (Admission):
যেকোনো বিচারিক কার্যধারার পক্ষ (Party to the proceeding) বা তার কোনো প্রতিনিধি (Agent), যাকে আদালত উক্ত পরিস্থিতিতে স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে অনুমোদিত ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করে, তার দ্বারা প্রদত্ত কোনো বক্তব্য (Statement) স্বীকৃতি (Admission) হিসেবে গণ্য হবে।

[Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.]

অর্থাৎ, মামলার পক্ষ নিজে বা তার অনুমোদিত প্রতিনিধি যদি কোনো তথ্য স্বীকার করে, তবে তা আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
১,৩৬৮.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩৫ অনুযায়ী, কোন ধরনের রেকর্ড প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. জমির খতিয়ান
  2. ব্যক্তিগত ডায়েরি
  3. ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
  4. সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট
সঠিক উত্তর:
জমির খতিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির খতিয়ান
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩৫ অনুযায়ী, "যেকোনো সরকারি বা অন্যান্য অফিসিয়াল বই, রেজিস্টার বা রেকর্ড [বা ডিজিটাল রেকর্ড],
যা সরকারি কর্মচারী তাঁর দায়িত্ব পালনকালে অথবা আইন দ্বারা নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ব্যক্তি রক্ষণ করেন,
এবং সেই রেকর্ডে উল্লিখিত কোনো তথ্য যদি কোনো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক তথ্য হয়—তাহলে তা সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হবে।"
→ সরকারি বা আইনগত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের সময় প্রণীত ও সংরক্ষিত রেকর্ড-ই ধারা ৩৫-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য হয়।
- অর্থাৎ অপশন ক) জমির খতিয়ান এটি সরকারি রেকর্ড, ভূমি অফিসে সরকারি কর্মচারী কর্তৃক রক্ষণ করা হয়। তাই এটি ধারা ৩৫ অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য।
------
⇒The Evidence Act, 1872, Section- 35.Relevancy of entry in public record 24[or digital record], made in performance of duty:
- An entry in any public or other official book, register or record 25[,or digital record], stating a fact in issue or relevant fact, and made by a public servant in the discharge of his official duty, or by any other person in performance of a duty specially enjoined by the law of the country in which such book, register 26[, record or digital record] is kept, is itself a relevant fact.
১,৩৬৯.
সজল ও মিনা ২০১৫ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ২০১৭ সালের নভেম্বরে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। ২০১৮ সালের ১লা জানুয়ারি মিনার একটি সন্তান জন্মগ্রহণ করে। এক্ষেত্রে শিশুটি সজলের বৈধ সন্তান হিসেবে-
  1. চূড়ান্তভাবে গণ্য হবে
  2. অনুমান করা যেতে পারে
  3. অনুমান করা যেতে পারে না
  4. আদালত কোনো অনুমান করবে না
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্তভাবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্তভাবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা: সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ-

কোন ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অবিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।
 
Section 112: Birth during marriage conclusive proof of legitimacy-
The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.

এক্ষেত্রে, শিশুটি জন্মগ্রহণ করেছে মিনার বিবাহবিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে এবং প্রমাণও নেই যে গর্ভধারণের সময় সজল ও মিনার মিলন সম্ভব ছিল না। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা মোতাবেক, শিশুটি সজলের বৈধ সন্তান বলেই চূড়ান্তভাবে গণ্য হবে।
১,৩৭০.
A conviction based solely on the testimony of an accomplice is-
  1. illegal
  2. invalid
  3. valid
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
valid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
valid
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী:
“An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.”

ধারা ১৩৩ বলছে: যদি একজন দুষ্কর্মের সহযোগী (accomplice) আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন এবং সেই সাক্ষ্য কোনো অতিরিক্ত প্রমাণ ছাড়া (i.e., uncorroborated) হয়, তবুও শুধু এই কারণে আদালতের দেওয়া সাজা বেআইনী (illegal) বলা যাবে না।

আদালত যদি একমাত্র সহযোগীর সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে, সেটা আইনত valid বা বৈধ। যদিও বাস্তবে আদালত সাধারণত corroboration (অর্থাৎ, অন্য কোনো প্রমাণ বা সাক্ষ্যের মাধ্যমে সমর্থন) খোঁজে - কারণ accomplice-এর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ থাকতে পারে। কিন্তু আইনগতভাবে আদালত একা সেই সাক্ষ্যের ভিত্তিতেই সাজা দিতে পারে।
১,৩৭১.
সাক্ষ্য আইন কতটি অধ্যায়ে বিভক্ত?
  1. ১০টি অধ্যায়
  2. ১১টি অধ্যায়
  3. ১৩টি অধ্যায়
  4. ১৫টি অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
১১টি অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি অধ্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872) ভারতীয় উপমহাদেশে প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন, যা সাক্ষ্য সংক্রান্ত বিধানাবলী নির্ধারণ করে।
- প্রণয়ন তারিখ: ১৫ মার্চ, ১৮৭২
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ মোট ১১টি অধ্যায়ে বিভক্ত।
- এতে মোট ১৬৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে।
- এই আইনে ৩টি ভাগ (Part) রয়েছে।
- সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।
- প্রযোজ্য ক্ষেত্র: এটি সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য এবং সমস্ত বিচারিক কার্যক্রমে প্রয়োগ করা হয়, তবে সামরিক আদালত বা সালিশি কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
- এই আইনের মাধ্যমে আদালতে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য ও প্রমাণের ধরন, সাক্ষ্যগ্রহণের পদ্ধতি এবং প্রমাণের মূল্যায়ন সম্পর্কে বিধান নির্ধারিত হয়।
১,৩৭২.
আদালতে যদি কাউকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন দেয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র সে নথি উপস্থাপন করার কারণেই-
  1. তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে
  2. তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না
  3. তাকে জেরা করা যাবে
  4. নথি গ্রহণের পর সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না
ব্যাখ্যা
• Section 139: Cross-examination of person called to produce a document:
A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.

বাংলা অর্থ:
যদি কাউকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন দেয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র সে নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না। আর যতক্ষণ না তাকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করা হয়, ততক্ষণ তার বিরুদ্ধে জেরা করা যাবে না।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
নথি উপস্থাপনকারী ব্যক্তি সাক্ষী নয়, শুধুমাত্র নথি উপস্থাপনকারী। তাকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান না করা পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে জেরা করা যাবে না। নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে স্বতঃই সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না।
১,৩৭৩.
দলিল যথাযথ হেফাজত থেকে আদালতে দাখিল হলে তা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত বলে অনুমান করা যাবে _______ পুরাতন হলে।
  1. ৩০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৯০ অনুযায়ী, ৩০ বছর পুরনো দলিল যদি যথাযথ হেফাজত থেকে আদালতে দাখিল করা হয়, তবে তা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত (properly executed) বলে অনুমান করা যাবে।
- এটি নিশ্চিত করে যে, ৩০ বছরের পুরনো দলিলের ক্ষেত্রে আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমান করতে পারে যে, এটি সঠিকভাবে সম্পাদিত হয়েছে এবং এর তথ্য সঠিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।
⇒ ৩০ বছরের পুরোনো দলিল সম্পর্কে আদালত May presume করেন।
⇒ ৯০ ধারার অনুমান শুধুমাত্র মূল দলিলের জন্য। কোন প্রত্যয়িত কপি বা জাবেদা নকলের জন্য নয়।
⇒ এ ধারার বিধানের অনুযায়ী- ১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে। ২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।
------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 90: Presumption as to documents thirty years old:
-Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested.

⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
This explanation applies also to section 81.
১,৩৭৪.
Comparison of physical or forensic evidence with others,-
  1. Admitted
  2. Proved
  3. Not proved
  4. A or B
সঠিক উত্তর:
A or B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A or B
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৩খ:- অন্যদের সাথে শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য তুলনা, স্বীকৃত বা প্রমাণিত:-

(১) রক্ত, বীর্য, চুলের নমুনা, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ বা চোখের কনীনিকার ছাপ বা পায়ের ছাপ যেই ব্যক্তির কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় সেই ব্যক্তির কি না তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারেন যে এটিকে যেকোন নমুনার সাথে তুলনা করা হবে যা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য স্বীকার করা হয়েছে বা প্রমাণিত হয়েছে যে ব্যক্তিটি থেকে এসেছে বা তৈরি করেছে, যদিও সেই রক্ত, বীর্যের নমুনা, চুল, ডিএনএ নমুনা, জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোনো অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ বা অন্য কোনো বন্ধু অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তৈরি বা প্রমাণিত হয়নি।

(২) যদি এমন কোন দাবি থাকে যে রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ এর অন্তর্গত বা তার তৈরি করা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি দ্বারা আদালত সেই ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে যাতে আদালত তুলনা করতে সক্ষম হয়।

(৩) শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য প্রমাণের সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে, এই আইনের ধারা ৬০ এবং ১৬৫-এর কোন কিছুই আদালতকে তার সনাক্তকরণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ সহ একটি প্রদর্শনী হিসাবে আদালতে উপস্থাপন করতে বাধা দেবে না।

---------------
⇒ Comparison of physical or forensic evidence with others, admitted or proved:
Section 73B. (1) In order to ascertain whether a sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression or iris impression or foot impression belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected, the Court may order that it be compared with any sample which is admitted or proved to the satisfaction of the Court to have come from or been made by the person, although that sample of blood, semen, hair, DNA sample, biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression or any other substance has not been produced or proved for any other purpose.

(2) If there is any claim that the sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression belongs to or is created by any person, the Court may direct that person to be present in Court for the purpose of enabling the Court to make that comparison.

(3) In relation to proving the authenticity of physical or forensic evidence, nothing in sections 60 and 165 of this Act, should prevent the Court from seeking its production in Court as an exhibit, along with any other necessary evidence concerning its identification.
১,৩৭৫.
ধারা ৭০ অনুযায়ী দলিলের সম্পাদনের জন্য কোন প্রমাণ যথেষ্ট?
  1. মূল দলিলের উপস্থাপন
  2. শুধুমাত্র সাক্ষীর উপস্থিতি
  3. স্বাক্ষরকর্তার স্বীকারোক্তি
  4. দলিলের তারিখ
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষরকর্তার স্বীকারোক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষরকর্তার স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা

ধারা ৭০: স্বাক্ষরিত দলিলের সম্পাদন স্বীকারোক্তি:
"যে ব্যক্তি কোন সাক্ষীকৃত দলিলে স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিজে দলিলটি সম্পাদন করেছেন তা যদি স্বীকার করেন, তবে এটি তার বিরুদ্ধে দলিলটির সম্পাদনের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে—যদিও আইন অনুযায়ী দলিলটিতে সাক্ষী থাকা আবশ্যক।"

১,৩৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার অনুসারে, যদি 'A' এবং 'B' কে 'C' এর হত্যার জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং 'A' স্বীকার করে, "'B' এবং আমি 'C' কে হত্যা করেছি," তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. স্বীকৃতিটি উপেক্ষা করতে পারে
  2. স্বীকৃতিটি শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
  3. স্বীকৃতিটি শুধুমাত্র B এর বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
  4. স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার অনুসারে, যখন একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচারাধীন থাকে এবং একজন ব্যক্তি তার স্বীকারোক্তিতে অন্যদের অন্তর্ভুক্ত করে, তখন আদালত ঐ স্বীকারোক্তি উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে।

⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা অনুসারে, যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং তাদের মধ্যে একজন তার নিজের এবং অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি স্বীকৃতি দেয়, তখন আদালত সেই স্বীকৃতিকে সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
- এই ধারার উদ্দেশ্য হলো, যখন একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তিকে একসাথে বিচার করা হয়, তখন একজন অভিযুক্তের স্বীকৃতি শুধুমাত্র তার নিজের বিরুদ্ধে নয়, বরং অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। তবে এই স্বীকৃতিকে অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার আগে আদালতকে সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হবে এবং অন্যান্য প্রমাণের সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে।

উদাহরণ:
যদি A এবং B কে C এর হত্যার জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং A স্বীকার করে, "B এবং আমি C কে হত্যা করেছি," তবে আদালত এই স্বীকৃতিকে শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে নয়, বরং B এর বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
-----------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section- 30. Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence:
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.
Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.

Illustrations: 
(a) A and B are jointly tried for the murder of C. It is proved that A said-"B and I murdered C." The Court may consider the effect of this confession as against B.
(b) A is on his trial for the murder of C. There is evidence to show that C was murdered by A and B, and that B said- "A and I murdered C".
This statement may not be taken into consideration by the Court against A, as B is not being jointly tried.
১,৩৭৭.
সাক্ষ্য আইনের সর্বশেষ সংশোধনী অনুসারে, সাক্ষ্য কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ২০২২ সালের সংশোধনী অনুসারে সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় সাক্ষ্য ৩ প্রকার। যথা:
১) দালিলিক সাক্ষ্য,
২) মৌখিক সাক্ষ্য,
৩) শারীরিক বা ফরেনসিক।

⇒  সাক্ষ্য (Evidence): 'সাক্ষ্য' শব্দের অর্থে অন্তর্ভুক্ত হবে-

(১) বিচার্য বিষয়ের অনুসন্ধানের সাথে সম্পর্কিত যে সকল বিবৃতি দেওয়ার জন্য আদালত অনুমতি দেন বা সাক্ষীর যে সকল বিবৃতি আদালতের প্রয়োজন হয়; এ ধরনের বিবৃতিকে মৌখিক সাক্ষ্য বলে।

(২) যে সকল দলিল আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত করা হয়, এ ধরণের দলিলপত্রকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে।

(৩) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য: রক্ত, বীর্য, চুল, সকল দৈহিক উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিএনএ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ; এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরুপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ-
i. প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে; বা
ii. অপরাধ এবং এর ভুক্তভোগীর মধ্যে বা অপরাধ এবং এর অপরাধীর মধ্যেকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে; এবং 
iii. কোন ঘটনা প্রমাণ করে বা মিথ্যা প্রমাণ করে।
১,৩৭৮.
নিম্নলিখিত কোনটি সরকারি দলিলের উদাহরণ?
  1. ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
  2. একটি ব্যক্তিগত উইল
  3. একটি ব্যক্তিগত বিক্রয় চুক্তি
  4. আদালতের আদেশ বা ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
আদালতের আদেশ বা ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের আদেশ বা ডিক্রি
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৪ ধারার মতে, সরকারি দলিল (Public Document) হলো সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত বা প্রণীত দলিল, যা সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা, ট্রাইব্যুনাল, বা বিচার বিভাগীয়, শাসন বিভাগীয়, ও আইন প্রণয়নকারী সংস্থার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংরক্ষিত হয়।
- আদালতের আদেশ বা ডিক্রি সরকারি দলিলের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের অংশ এবং সরকারি রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত হয়।

অন্য অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
 (ক) ব্যক্তিগত চিঠিপত্র:
- ব্যক্তিগত চিঠিপত্র কোনো সরকারি সংস্থার কার্যক্রমের অংশ নয়, তাই এটি সরকারি দলিল নয়। এটি বেসরকারি দলিল (Private Document)।
(খ) একটি ব্যক্তিগত উইল:
- উইল ব্যক্তিগত সম্পত্তির বণ্টনসংক্রান্ত একটি দলিল, যা ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত সরকারি সংস্থার দ্বারা সংরক্ষিত হয় না। তাই এটি সরকারি দলিল নয়।
(গ) একটি ব্যক্তিগত বিক্রয় চুক্তি:
- কোনো ব্যক্তি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পাদিত বিক্রয় চুক্তি বেসরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এটি সরকারি কর্তৃপক্ষের অধীনে সংরক্ষিত নথা

- অর্থাৎ আদালতের আদেশ বা ডিক্রি বিচার বিভাগের রেকর্ডের অংশ, যা সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয়।

তাই সঠিক উত্তর: (ঘ) আদালতের আদেশ বা ডিক্রি।

→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
১,৩৭৯.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৪০ মূলত কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন
  2. উত্তর প্রদানে সাক্ষী বাধ্যবাধকতা
  3. চরিত্র সম্পর্কিত সাক্ষ্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চরিত্র সম্পর্কিত সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চরিত্র সম্পর্কিত সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪০: চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষী:
চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষীদের জেরা (cross-examination) এবং পুনরায় জেরা (re-examination) করা যেতে পারে। অর্থাৎ, যদি কোনো সাক্ষী কারো চরিত্রের পক্ষে বা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে সেই সাক্ষীকে জেরা এবং পুনরায় জেরা করার অধিকার দুই পক্ষেরই থাকে।

Section 140- Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.
১,৩৮০.
'Plea of alibi' এর অর্থ কী?
  1. অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করা
  2. অপরাধের সময় অন্যত্র উপস্থিতি
  3. অপরাধে জড়িত থাকার জন্য অপরাধীকে দোষী সাব্যস্ত করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সময় অন্যত্র উপস্থিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সময় অন্যত্র উপস্থিতি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।

যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না। 'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কাউকে খুনের অভিযোগ আনা হয়, তাহলে সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে খুনের সময় অন্য কোথাও ছিল এবং তার অনুপস্থিতির প্রমাণ দেখাতে পারে। এটি তাকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
১,৩৮১.
নিচের কোন বিষয়টি প্রমান করার প্রয়োজন হয় না?
  1. স্বীকৃতি
  2. অনুমিত বিষয়াদি
  3. জুডিশিয়াল নোটিশ
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ Presumption বা অনুমান হল এমন একটি পারলা যার মাধ্যমে আদালত কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা সাক্ষ্য সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট ধারণা করবে যতক্ষণ পর্যন্ত না উক্ত ধারণার সভ্যত আশ্রমাণিত হয়। আইনে প্রাক্-প্রত্যয় বা অনুমান এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে একটি ঘটনা অন্য একটি ঘটনার প্রমাণ হিসেরে স্বীকৃত হয় (Presumption means an inference drawn from a particular fact about another fact)
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায় 'Presumption' সম্বন্ধে বিধান বর্ণিত আছে। তাছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪১, ৭৯ থেকে ৯০ এবং ১১৪ ধারাতেও 'Presumption'-এর বিধান রয়েছে।Presumption বা অনুমান প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
১,৩৮২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৩ অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে দলিলের অস্পষ্টতা দূর করার জন্য প্রমাণ দেওয়া যাবে না?
  1. দলিলের ভাষা স্পষ্ট হলে
  2. দলিলের তারিখ ভুল হলে
  3. দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করতে
  4. দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হলে
সঠিক উত্তর:
দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হলে
ব্যাখ্যা

→ উত্তর: ঘ) দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হলে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯৩ বলছে:
“যখন কোন দলিলের ভাষা তার নিজের মধ্যেই (on its face) অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তখন তথ্য বা সাক্ষ্য উপস্থাপন করে সেই অর্থ পরিষ্কার করা বা ত্রুটি পূরণ করা যাবে না।”
অর্থাৎ, দলিলটি যদি প্রথম দেখাতেই এমন হয় যে তাতে দ্ব্যর্থবোধকতা বা ভুল রয়েছে,
তাহলে আদালত বাইরের কোনো প্রমাণ গ্রহণ করবে না সেই অস্পষ্টতা দূর করতে।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 93. Exclusion of evidence to explain or amend ambiguous document:
- When the language used in a document is, on its face, ambiguous or defective, evidence may not be given of facts which would show its meaning or supply its defects.

Illustrations:
(a) A agrees, in writing, to sell a horse to B for Taka 1,000 or Taka 1,500. Evidence cannot be given to show which price was to be given.
(b) A deed contains blanks. Evidence cannot be given of facts which would show how they were meant to be filled.

১,৩৮৩.
সত্যায়িত অবিকল নকল বিষয়ে আদালতের অনুমান কেমন হবে?
  1. আদালত এটির সঠিকতা নিয়ে অনুমান করবে না
  2. আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক এবং এর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ দেওয়া যাবে না
  3. আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক যতক্ষণ না এটিকে ভুল প্রমাণ করতে পারে
  4. আদালত ইচ্ছে করলে এটিকে সঠিক বলে ধরে নিতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক যতক্ষণ না এটিকে ভুল প্রমাণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক যতক্ষণ না এটিকে ভুল প্রমাণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৭৯ ধারায় সত্যায়িত কপির presumptive value উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত এটিকে অবশ্যই সঠিক বলে ধরে নিবে। এই ধারায় shall presume শব্দমালা ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ অবশ্যই অনুমান করবে। তবে এটি ভুল প্রমাণে সাক্ষ্যপ্রমাণ দেওয়ার সুযোগও দিবে। তাই উত্তর ক,খ, ঘ ভুল।
১,৩৮৪.
'Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence' - এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার শিরোনাম?
  1. ৪৬ ধারা
  2. ৩৮ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৩০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
• Section 30- Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.

Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
১,৩৮৫.
The Evidence Act, 1872 এর ৪১ ধারার বিধানমতে কয় শ্রেণির এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতের রায় চূড়ান্ত প্রমাণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২ শ্রেণির
  2. ৪ শ্রেণির
  3. ৫ শ্রেণির
  4. ৮ শ্রেণির
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ৪১ ধারার বিধানমতে  ৪ শ্রেণির এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতের রায়কে চূড়ান্ত প্রমাণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো – Probate, matrimamonial, Admiralty এবং Insolvency jurisdiction.
১,৩৮৬.
নিম্নের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায় অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. স্বার্থের বিরুদ্ধে বিবৃতি
  2. আইনজীবীর মতামত
  3. আত্মীয়তার অস্তিত্ব বিষয়ক বিবৃতি
  4. প্রথা বা জনস্বার্থ সংক্রান্ত মতামত
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর মতামত
ব্যাখ্যা

⇒ সঠিক উত্তর: খ) আইনজীবীর মতামত।
“আইনজীবীর মতামত”:  আইনজীবীর মতামত কোনো ঘটনার বিবৃতি নয়, বরং একটি পেশাগত ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, যা ৩২ ধারার কোনো অবস্থাতেই অন্তর্ভুক্ত নয়।
- ৩২ ধারা ব্যক্তি বিশেষের বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়াকে লক্ষ্য করে, যা ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

অন্যান্য অপশন গুলো:
ক) স্বার্থের বিরুদ্ধে বিবৃতি — ৩২(৩) ধারায় বলা হয়েছে
গ) আত্মীয়তার অস্তিত্ব বিষয়ক বিবৃতি — ৩২(৫) ধারায় অন্তর্ভুক্ত
ঘ) প্রথা বা জনস্বার্থ সংক্রান্ত মতামত — ৩২(৪) ধারায় অন্তর্ভুক্ত

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩২ ধারা সেই সব পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য যখন কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ, বা সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হন। এ অবস্থায় তাঁর পূর্বে করা বিবৃতি ৮টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এই ৮টি হলো:
১. মৃত্যুর কারণ সংক্রান্ত বিবৃতি (dying declaration) — ৩২(১)
২. দৈনন্দিন বা ব্যবসায়িক কাজে প্রদত্ত বিবৃতি — ৩২(২)
৩. নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে দেওয়া বিবৃতি — ৩২(৩)
৪. জনসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ে মতামত — ৩২(৪)
৫. আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি  — ৩২(৫)
৬. পারিবারিক দলিল বা উইল সংক্রান্ত বিবৃতি — ৩২(৬)
৭. ধারা ১৩(ক)-এর অধীন লেনদেনসংক্রান্ত বিবৃতি — ৩২(৭)
৮. বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতায় একাধিক ব্যক্তির সম্মিলিত বিবৃতি — ৩২(৮)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations:
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.

১,৩৮৭.
ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমানের দায়িত্ব কার?
  1. অভিযোগকারীর
  2. রাষ্ট্রের
  3. উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর
  4. ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির
সঠিক উত্তর:
উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর
ব্যাখ্যা
♦ সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- যে বিষয় বিরূদ্ধ পক্ষের ভাল জানা আছে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই ।
♦অর্থাৎ ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমানের দায়িত্ব উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর।
♦সাক্ষ্য আইন, ধারা ১০৩ অনুসারে B চুরির কথা C এর নিকট স্বীকার করেছে। স্বীকারোক্তির বিষয়টি যেহেতু A দাবী করেছে সেহেতু স্বীকারোক্তির বিষয়টি A অবগত। সুতরাং স্বীকারোক্তি প্রমাণের ভার A এর উপর বর্তাবে।
১,৩৮৮.
সাক্ষ্য আইনের ১০ নং ধারায় নিচের কোনটি সম্পর্কে বলা আছে?
  1. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
  2. শনাক্তকরণ প্যারেড
  3. অভিন্ন অভিপ্রায়
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০ নং ধারায় মতে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

♦ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention(অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।
১,৩৮৯.
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য 'ক' তার হিসাবের খাতা দেখালো। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই হিসাবের খাতা প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪৭ ধারা
  4. ৪৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, ব্যবসায়িক কারণে হিসেবের খাতায় যা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য।

৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন-
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে, তবে 'খ' এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

Section 34⇒ Entries in books of account or digital record when relevant:
Entries in books of account or digital record, regularly kept in the course of business, are relevant whenever they refer to a matter into which the Court has to inquire, but such statements shall not alone be sufficient evidence to charge any person with liability.

Illustration-
A sues B for Taka 1,000, and shows entries in his account books showing B to be indebted to him to this amount. The entries are relevant, but are not sufficient, without other evidence, to prove the debt.
১,৩৯০.
নিচের কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. সালিশী আদালতে
  2. স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
  3. আপীল বিভাগীয় বিচারে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সালিশী আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশী আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না:

⇒ সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army (সেনাবাহিনী) Act, 1962 অথবা The Naval Discipline (নৌ-শৃঙ্খলা) Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act (বিমান বাহিনী আইন), 1953 এর ক্ষেত্রে;

ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;

iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে;

iv) তদন্ত বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে; এবং

ⅳ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়।

---------------------------
⇒ Extent
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the [Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953] but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator;
১,৩৯১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪-এর অধীনে নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. আদালতের রায়
  2. ব্যবসায়িক চুক্তি
  3. সরকারের আদেশ
  4. ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
ব্যবসায়িক চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবসায়িক চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪-এর অধীনে সরকারি দলিল (Public Documents) বলতে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা, ট্রাইব্যুনাল বা আইন প্রণয়নকারী/বিচার বিভাগীয়/শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার কার্যাবলি বা রেকর্ডকে বোঝায়। আদালতের রায় (ক), সরকারের আদেশ (গ) এবং ট্রাইব্যুনালের রেকর্ড (ঘ) সরকারি দলিলের অন্তর্গত। কিন্তু ব্যবসায়িক চুক্তি (খ) একটি ব্যক্তিগত দলিল, যা সরকারিভাবে সংরক্ষিত না হলে সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

১,৩৯২.
প্রশ্নের মধ্যেই তার উত্তর দেওয়া হলে তাকে কী বলে?
  1. প্রমানিত প্রশ্ন
  2. ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন
  3. পুনঃজবানবন্দী
  4. জেরার
সঠিক উত্তর:
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তাহার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয় ৷

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাইবে নাঃ বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।

যেসকল বিষয় ভুমিকামূলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হইয়াছে বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই সকল বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করিবার অনুমতি আদালত অবশ্যই দিবেন।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন করা যাইতে পারেঃ জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।

♦ অর্থাৎ প্রশ্নের মধ্যেই তাহার উত্তর দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলে।
১,৩৯৩.
সাক্ষ্য আইনে কয়টি বিষয়কে জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice) হিসেবে তালিকায় অন্তর্গত করা হয়ছে?
  1. ৩ টি
  2. ৭ টি
  3. ৯ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে।

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
------------------------
Facts of which Court must take judicial notice:
Section 57. The Court shall take judicial notice of the following facts:- 
(1) All Bangladesh Laws:
(2) Articles of War for the Armed Forces: 
(3) The course of proceeding of Parliament and of any Legislature which had Power to legislate in respect of territories now comprised in Bangladesh. 
(4) The seals of all the Courts in Bangladesh: the seals of Courts of Admiralty and Maritime Jurisdiction and of Notaries Public, and all seals which any person is authorized to use by any law in force in Bangladesh:
(5) The accession to office, names, titles, functions and signatures of the persons filling for the time being any public office in Bangladesh, if the fact of their appointment to such office is notified in any official Gazette: 
(6) The existence, title and national flag of every State or Sovereign recognized by the Government: 
(7) The divisions of time, the geographical divisions of the world, and public festivals, fasts and holidays notified in the official Gazette: 
(8) The territories of Bangladesh: 
(9) The commencement, continuance and termination of hostilities between Bangladesh and any other State or body of persons: 
(10) The names of the members and officers of the Court and of their deputies and subordinate officers and assistants, and also of all officers acting in execution of its process, and of all advocates  and other persons authorized by law to appear or act before it: 
(11) The rule of the road on land or at sea. 

In all these cases and also on all matters of public history, literature, science or art, the Court may resort for its aid to appropriate books or documents of reference. 
If the Court is called upon by any person to take judicial notice of any fact, it may refuse to do so unless and until such person produces any such book or document as it may consider necessary to enable it to do so.
১,৩৯৪.
সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত কয়টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে?
  1. ৫ টি
  2. ৮ টি
  3. ১১ টি
  4. ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে।

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
------------------------
Facts of which Court must take judicial notice:
Section 57. The Court shall take judicial notice of the following facts:- 
(1) All Bangladesh Laws:
(2) Articles of War for the Armed Forces: 
(3) The course of proceeding of Parliament and of any Legislature which had Power to legislate in respect of territories now comprised in Bangladesh. 
(4) The seals of all the Courts in Bangladesh: the seals of Courts of Admiralty and Maritime Jurisdiction and of Notaries Public, and all seals which any person is authorized to use by any law in force in Bangladesh:
(5) The accession to office, names, titles, functions and signatures of the persons filling for the time being any public office in Bangladesh, if the fact of their appointment to such office is notified in any official Gazette:
(6) The existence, title and national flag of every State or Sovereign recognized by the Government:
(7) The divisions of time, the geographical divisions of the world, and public festivals, fasts and holidays notified in the official Gazette:
(8) The territories of Bangladesh:
(9) The commencement, continuance and termination of hostilities between Bangladesh and any other State or body of persons: 
(10) The names of the members and officers of the Court and of their deputies and subordinate officers and assistants, and also of all officers acting in execution of its process, and of all advocates  and other persons authorized by law to appear or act before it: 
(11) The rule of the road on land or at sea. 

In all these cases and also on all matters of public history, literature, science or art, the Court may resort for its aid to appropriate books or documents of reference. 
If the Court is called upon by any person to take judicial notice of any fact, it may refuse to do so unless and until such person produces any such book or document as it may consider necessary to enable it to do so.
১,৩৯৫.
প্রত্যয়িত করার বাধ্যতা আছে এমন প্রত্যয়িত দলিল প্রমাণ করতে হলে অবশ্যই কার উপস্থিতি না থাকলে সেটি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না?
  1. দলিলটির সুবিধাভোগী
  2. দলিলটির দাবিদার
  3. দলিলটির প্রত্যয়নকারী সাক্ষী
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
দলিলটির প্রত্যয়নকারী সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটির প্রত্যয়নকারী সাক্ষী
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
১,৩৯৬.
যারা মামলায় পক্ষ নয় সাধারণত তাদের বিবৃতি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হয় না। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম?
  1. ১৭, ১৮
  2. ১৮, ১৯
  3. ১৯, ২০
  4. ২০, ২১
সঠিক উত্তর:
১৯, ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯, ২০
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৯ মোতাবেক মামলার বিরুদ্ধে পক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠাযোগ্য লোকের বিবৃতি স্বীকৃতি। এই ধারা অনুসারে আগন্তুক বা Stranger এর সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক বলে ঘোষণা করা হয়।

♦আবার সাক্ষ্য আইন এর ২০ ধারায় বলা হয়েছে মামলার কোন পক্ষ কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করা হলে উক্ত ব্যক্তির বিবৃতি প্রাসঙ্গিক।

♦ অর্থাৎ যারা মামলায় পক্ষ নয় সাধারণত তাদের বিবৃতি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হয় না। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৯ ধারা ও ২০ ধারা  এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম।
১,৩৯৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক এই বিধান রয়েছে?
  1. ৪৫ক ধারার
  2. ৪৬ক ধারার
  3. ৪৭ক ধারার
  4. ৪৮ক ধারার
সঠিক উত্তর:
৪৭ক ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
⇒ ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে।
-----------
⇒ Section 47A: Opinion as to digital signature where relevant:
-When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
১,৩৯৮.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাবলে একজন স্বাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারা
  2. ১৫৫ ধারা
  3. ১৫৬ ধারা
  4. ১৬০ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

♦The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা অনুযায়ী বৈরী বা প্রতিকূল সাক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে এ রকম সাক্ষীকে সে সকল প্রশ্ন করতে পারবে যে সকল প্রশ্ন বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় করতে পারে।

♦ যেমনঃ মামলার অভিযোগকারী পক্ষ A -কে সাক্ষী হিসাবে তলব করলো। সাধারণত A অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। কিন্তু A ইচ্ছাকৃতভাবে অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করলো। এই ক্ষেত্রে A -কে বৈরী সাক্ষ্য হিসাবে ঘোষণা করা যেতে পারে।

♦ অর্থাৎ The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা বৈরী সাক্ষী সম্পর্কিত বিধান আছে।
১,৩৯৯.
ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ২ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৬ ধারা
  4. ১২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
ব্যাখ্যা
- সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক রেকর্ডের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং এগুলো দালিলিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী, ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড, যেমন ড্রোন ডেটা, সিসিটিভি রেকর্ডিং, কম্পিউটার মেমরি, বা মাইক্রোফিল্মে ধারণকৃত রেকর্ড বা ডাটা, দালিলিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। এগুলো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংরক্ষিত হয় এবং সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী দলিলের অন্তর্ভুক্ত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা তে যুক্ত: The Evidence Act (Amendment), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
- ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
- অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
- ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
১,৪০০.
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারার বিধানকে কি বলে ধরা হয়?
  1. May Presume
  2. Shall Presume
  3. Conclusive proof
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
Conclusive proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conclusive proof
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ সংক্রান্ত কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা-

ⅰ) ৪১ ধারায় প্রবেট (উইল সংক্রান্ত), ম্যাট্রিমোনিয়াল (বিবাহ সংক্রান্ত), এডমিরালটি (নৌ-সংক্রান্ত), bankruptcy (দেউলিয়া) বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কোন আইনগত চরিত্র কারো ওপর আরোপ করা হয় বা কারো নিকট থেকে নিয়ে ফেলা হয় বা কাউকে কোন আইনগত চরিত্রের বা সম্পত্তির অধিকারী বলে ঘোষণা করা হয়।

ii) এই ধারায় Judgement in rem নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কেননা এই ধারার অন্তর্গত প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ বিষয়ে যে আইনগত চরিত্র নির্ধারন করা হয় যা কোন বিশেষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে কার্যকর নয় বরং বিশ্বের সকলের বিরুদ্ধে কার্যকর।

iii) এই ধারার অন্তর্ভুক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত সমূহকে চূড়ান্ত প্রমাণ (conclusive proof) বলে ধরা হয়।

iv) ৪১ ধারা অনুযায়ী Probate, Matrimonial, Admiralty, Insolvency সম্পর্কে যে ডিক্রি বা আদেশ দেওয়া হয় তা পরবর্তী মামলায় পক্ষ এক না থাকলেও অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা- প্রবেট, এখতিয়ার ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা: প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগকালে কোন উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি বলে যখন কোন আইনগত চরিত্র কাহারও উপর আরোপ করে বা কাহাকেও উহা হইতে বঞ্চিত করে, অথবা কোন ব্যাক্তিকে অনুরূপচরিত্রের অধিকারী অথবা নিদিষ্ট কোন কিছুর অধিকারী বলিয়া ঘোষণা করে এবং সেই অধিকার কোন ব্যাক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নহে, বরং সবাত্মাক বলিয়া ঘোষণা করে তখন অনুরূপকোন আইনগত চরিত্র বা অনুরূপকোন কিছুর উপর কোন ব্যাক্তির অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উহা চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি প্রাসঙ্গিক।

উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি চূড়ান্তরুপে প্রমাণ করে যে, উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবৎ হইবার সময় তাহা উদ্ভুত হইয়াছিল।

উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যাক্তিকে আইন ভিত্তিক সত্তা হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় উক্ত ব্যক্তি উক্ত সত্তা হারাইয়াছিল।

এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তির অধিকারী ছিল বা থাকা উচিত বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির উক্ত সময় তাহারই সম্পত্তি ছিল।
---------------- 
⇒ Section 41. Relevancy of certain judgments in probate, etc., jurisdiction
 A final judgment, order or decree of a competent Court, in the exercise of probate, matrimonial, admiralty or insolvency jurisdiction, which confers upon or takes away from any person any legal character, or which declares any person to be entitled to any such character, or to be entitled to any specific thing, not as against any specified person but absolutely, is relevant when the existence of any such legal character, or the title of any such person to any such thing, is relevant. 
 
Such judgment, order or decree is conclusive proof- 
that any legal character which it confers accrued at the time when such judgment, order or decree come into operation; 
 
that any legal character, to which it declares any such person to be entitled, accrued to that person at the time when such judgment, order or decree declares it to have accrued to that person; 
 
that any legal character which it takes away from any such person ceased at the time from which such judgment, order or decree declared that it had ceased or should cease; 
 
and that anything to which it declares any person to be so entitled was the property of that person at the time from which such judgment, order or decree declares that it had been or should be his property.