বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Evidence Act, 1872

মোট প্রশ্ন১,৬৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Evidence Act, 1872

PrepBank · পাতা ১১ / ১৭ · ১,০০১১,১০০ / ১,৬৬৪

১,০০১.
সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়,  _________ ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।
১,০০২.
বিচার্য বিষয় ও প্রাসঙ্গিক বিষয় হওয়া সত্ত্বেও কোনটি প্রমাণ করার দরকার নাই?
  1. স্বীকৃত বিষয়
  2. যে বিষয়ে আদালত judicial notice নিতে পারেন
  3. বাংলাদেশের আইন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবংযে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
১,০০৩.
যে ঘটনা বিশেষভাবে কারও অবগতির মধ্যে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব তার উপর ন্যাস্ত এই বিধানটি কত ধারার?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা অনুযায়ী যে ঘটনা বিশেষভাবে কারও অবগতির মধ্যে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব: কোন ঘটনা যখন বিশেষভাবে কোন ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপর ন্যাস্ত।

♦ কোন ব্যক্তি যখন এমন ইচ্ছা প্রণোদিত হয়ে একটি কাজ করে, যা উক্ত কাজের প্রকৃতি ও পরিস্থিতি হতে অনুমিত ইচ্ছা অপেক্ষা ভিন্ন, তখন ঐ ইচ্ছা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যাস্ত।
১,০০৪.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admissions) কী হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
  1. Confession
  2. Estoppel
  3. Conclusive Proof
  4. Shall presume
সঠিক উত্তর:
Estoppel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Estoppel
ব্যাখ্যা
⇒ স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।
- সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে:
কোনো বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admissions) প্রতিবন্ধক (Estoppel) হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
১,০০৫.
একটি নির্দিষ্ট দলিল উপস্থাপনের জন্য একজন সাক্ষীকে তলব করা হয়েছে। দলিলটি তার অধীনেই রয়েছে, কিন্তু তিনি উপস্থাপনে আপত্তি করছেন। এধরনের আপত্তির বৈধতা কে নির্ধারন করবে?
  1. আদালত
  2. পক্ষদ্বয়
  3. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবী
  4. সাক্ষী নিজে
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৬২: দলিলের উপস্থাপন:

একজন সাক্ষীকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন জারি করা হলে, যদি সে নথিটি তার কাছে থাকে বা তার নিয়ন্ত্রণাধীন হয়, তাহলে সে সেটি আদালতে উপস্থিত করবে, এর বিরুদ্ধে যে কোনো আপত্তি থাকলেও। এই ধরনের আপত্তির বৈধতা আদালত নির্ধারন করবে। আদালত যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে রাষ্ট্রীয় বিষয়সমূহ ব্যতীত নথিটি পরীক্ষা করতে পারবে অথবা এর গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের জন্য অন্যান্য প্রমাণ গ্রহণ করতে পারবে।

[A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court.
The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.]
১,০০৬.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটির ডেটা ইলেকট্রনিক রেকর্ড হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ড্রোন ডেটা
  2. সিসিটিভি ডেটা
  3. সেলফোন ডেটা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-

⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম,
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি)
;
সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
১,০০৭.
মৃত্যুকালীন ঘোষণা আদালতে প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজন-
  1. ভিডিও রেকর্ড
  2. পুলিশি তদন্ত রিপোর্ট
  3. ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন
  4. যিনি শুনেছেন বা লিখেছেন তার সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
যিনি শুনেছেন বা লিখেছেন তার সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যিনি শুনেছেন বা লিখেছেন তার সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
মৃত্যুকালীন ঘোষণা:
১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) মৃত ব্যক্তি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রদত্ত বিবৃতিকে সাধারণত মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়৷ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা মতে, কোন ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে যদি তার মৃত্যুর কারণ, অবস্থা এবং পরিস্থিতি বর্ণনা করে কোন বিবৃতি বা জবানবন্দি প্রদান করে থাকেন তবে তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়। মৃত্যুর সময় সাধারণত কোন মানুষ মিথ্যা কথা বলে না, সুতরাং এই ঘােষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।

মৃত্যুকালীন ঘােষণা কিভাবে প্রমাণ করা যায়-
কোন মানুষ তার মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুর কারণ বা আংশকা প্রকাশ করে যদি প্রাসঙ্গিক ঘােষণা প্রদান করে তাহলে তা মৃত্যুকালীন ঘােষণা হিসেবে গণ্য হয়। মৃত্যুকালীন ঘােষণা পুলিশ অফিসারের নিকট দেয়া হােক বা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট দেয়া হােক বা সাধারণ মানুষের নিকট দেয়া হােক সকল ক্ষেত্রেই তা গ্রহণীয় হবে। এক্ষেত্রে যিনি মৃত্যুকালীন ঘােষণা লিখেছেন তাকে আদালতে সাক্ষ্য দিতে হবে। সাক্ষ্য যদি মৌখিক হয় তাহলে যিনি তা শুনেছেন মর্মে আদালতে সাক্ষ্য দিতে হবে। এভাবে মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করা যায়।

মৃত্যুকালীন ঘােষণা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণীয় হওয়ার ক্ষেত্রসমূহ-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

⇒ মৃত্যুকালীন ঘােষণা দানকারী যদি দৈবাৎ বেঁচে যায় তাহলে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনে অনুযায়ী তার ঘােষণা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণীয় হবে না। কারণ উক্ত ব্যক্তি বেঁচে থাকলে পরবর্তীতে তার ঘােষণা পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু মৃত্যুকালীন ঘােষণা দানকারী দৈবাৎ বেঁচে গেলে বাংলাদেশী আইন অনুযায়ী তার ঘােষণা একেবারে বাতিল হয় না। উক্ত বিবৃতি বা ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারানুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
১,০০৮.
'The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case.'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৬২ ধারায়
  2. ১৬৫ ধারায়
  3. ১৬৬ ধারায়
  4. ১৬৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
Section 167⇒ No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
১,০০৯.
কোন সাক্ষীকে মামলার উভয়পক্ষ জেরা করতে পারে?
  1. পুনরায় তলবকৃত সাক্ষী
  2. চিকিৎসক সাক্ষী
  3. ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ডকারী সাক্ষী
  4. বৈরী ঘোষিত সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
বৈরী ঘোষিত সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈরী ঘোষিত সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ঘ) বৈরী ঘোষিত সাক্ষী।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যখন কোন সাক্ষী বৈরী (Hostile) সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তখন তার বিরুদ্ধে উভয়পক্ষ (অর্থাৎ, সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এবং বিরোধী পক্ষ) জেরা করতে পারে। বৈরী সাক্ষী সাধারণত সেই সাক্ষী হয়, যিনি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে উল্টো কথা বলেন বা বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয়: 
- বৈরী সাক্ষী হতে পারে যদি সে তার দেওয়া সাক্ষ্য থেকে সরে আসে, অথবা বিপরীত সাক্ষ্য দেয় বা বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়।
- সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, আদালত যদি সাক্ষীকে বৈরী হিসেবে ঘোষণা করে, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তাকে জেরা করতে পারে এবং একইভাবে বিরুদ্ধ পক্ষও তাকে জেরা করতে পারে।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।
⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।
⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
১,০১০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৯৩ অনুযায়ী, কোন ধরনের দলিল সাক্ষ্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা বা সংশোধন করা যায় না?
  1. নকল দলিল
  2. আদালতে জমাকৃত দলিল
  3. সরকারি দলিল
  4. অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ দলিল
সঠিক উত্তর:
অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ দলিল
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ধারা ৯৩ – অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ দলিল ব্যাখ্যা বা সংশোধনের জন্য সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়:
যখন কোনো দলিলে ব্যবহৃত ভাষা নিজে থেকেই অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ (অর্থাৎ, দলিলের ভাষা দেখে বুঝা যায় যে সেখানে অস্পষ্টতা বা ভুল রয়েছে), তখন তথ্যপ্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয় যা ঐ অস্পষ্টতার অর্থ বোঝাতে বা ত্রুটি সংশোধনে ব্যবহৃত হতে পারে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A লিখিতভাবে B-কে একটি ঘোড়া ১,০০০ টাকা বা ১,৫০০ টাকায় বিক্রি করতে রাজি হয়।
→ এখানে মূল্য দুটি দেওয়া আছে – সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না কোন মূল্যটি ঠিক ছিল তা প্রমাণ করতে।

(খ) একটি দলিলে কিছু ফাঁকা জায়গা (blanks) আছে।
→ সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না এই ফাঁকাগুলো কীভাবে পূরণ করা ছিল তা দেখানোর জন্য।
১,০১১.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে কোনটি প্রমাণিত হতে পারে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী
  3. মূল দলিলের প্রতিলিপি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মূল দলিলের প্রতিলিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল দলিলের প্রতিলিপি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মূল দলিলের প্রতিলিপি।

সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুযায়ী, মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলতে মূল দলিলের প্রতিলিপি, ফটোগ্রাফ, অথবা অন্য কোনো বিকল্প উপায়ে প্রস্তুত করা যে কোনও প্রমাণ বোঝানো হয় যা মূল দলিলের উপস্থিতি ছাড়াই প্রমাণিত হতে পারে।
তবে মৌখিক সাক্ষ্য এবং ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী মূলত প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) হিসেবে গণ্য হয়, তাই এগুলি ৬৩ ধারার অধীনে মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্য- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলি অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

উদাহরণ:
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
---------
The Evidence Act, 1872: Section- 63. Secondary evidence:
Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.

Illustrations:
(a) A photograph of an original is secondary evidence of its contents, though the two have not been compared, if it is proved that the thing photographed was the original.
১,০১২.
রেজিনা একটি গাড়ির দখলে আছেন। সাহেল বলছেন যে, রেজিনা গাড়ির মালিক নন। ১১০ ধারার অধীনে, এই দাবির প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. রেজিনার
  2. সাহেলের
  3. আদালতের
  4. সাক্ষীর
সঠিক উত্তর:
সাহেলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাহেলের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার মালিক কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।

Section-110. Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
১,০১৩.
ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দেয়ার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন শর্ত পূরণ করা আবশ্যক নয়?
  1. আদালতের অনুমতি নেয়া
  2. পক্ষদ্বয়ের অনুমতি নেয়া
  3. প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো
  4. প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করা
সঠিক উত্তর:
পক্ষদ্বয়ের অনুমতি নেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষদ্বয়ের অনুমতি নেয়া
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:

(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
 
অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে;
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
 
Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১,০১৪.
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারার বিধান মতে প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ সংক্রান্ত কোন রায়কে কী বলে ধরা হয়?
  1. May Presume
  2. Shall Presume
  3. Conclusive proof
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
Conclusive proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conclusive proof
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ সংক্রান্ত কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা-
ⅰ) ৪১ ধারায় প্রবেট (উইল সংক্রান্ত), ম্যাট্রিমোনিয়াল (বিবাহ সংক্রান্ত), এডমিরালটি (নৌ-সংক্রান্ত), bankruptcy (দেউলিয়া) বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কোন আইনগত চরিত্র কারো ওপর আরোপ করা হয় বা কারো নিকট থেকে নিয়ে ফেলা হয় বা কাউকে কোন আইনগত চরিত্রের বা সম্পত্তির অধিকারী বলে ঘোষণা করা হয়।
ii) এই ধারায় Judgement in rem নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কেননা এই ধারার অন্তর্গত প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ বিষয়ে যে আইনগত চরিত্র নির্ধারন করা হয় যা কোন বিশেষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে কার্যকর নয় বরং বিশ্বের সকলের বিরুদ্ধে কার্যকর।
iii) এই ধারার অন্তর্ভুক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত সমূহকে চূড়ান্ত প্রমাণ (conclusive proof) বলে ধরা হয়।
iv) ৪১ ধারা অনুযায়ী Probate, Matrimonial, Admiralty, Insolvency সম্পর্কে যে ডিক্রি বা আদেশ দেওয়া হয় তা পরবর্তী মামলায় পক্ষ এক না থাকলেও অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা- প্রবেট, এখতিয়ার ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা: প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগকালে কোন উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি বলে যখন কোন আইনগত চরিত্র কাহারও উপর আরোপ করে বা কাহাকেও উহা হইতে বঞ্চিত করে, অথবা কোন ব্যাক্তিকে অনুরূপচরিত্রের অধিকারী অথবা নিদিষ্ট কোন কিছুর অধিকারী বলিয়া ঘোষণা করে এবং সেই অধিকার কোন ব্যাক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নহে, বরং সবাত্মাক বলিয়া ঘোষণা করে তখন অনুরূপকোন আইনগত চরিত্র বা অনুরূপকোন কিছুর উপর কোন ব্যাক্তির অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উহা চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি প্রাসঙ্গিক।
উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি চূড়ান্তরুপে প্রমাণ করে যে, উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবৎ হইবার সময় তাহা উদ্ভুত হইয়াছিল।
উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যাক্তিকে আইন ভিত্তিক সত্তা হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় উক্ত ব্যক্তি উক্ত সত্তা হারাইয়াছিল।
এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তির অধিকারী ছিল বা থাকা উচিত বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির উক্ত সময় তাহারই সম্পত্তি ছিল।
---------------- 
⇒ The Evidence Act,1872: Section 41. Relevancy of certain judgments in probate, etc., jurisdiction:
- A final judgment, order or decree of a competent Court, in the exercise of probate, matrimonial, admiralty or insolvency jurisdiction, which confers upon or takes away from any person any legal character, or which declares any person to be entitled to any such character, or to be entitled to any specific thing, not as against any specified person but absolutely, is relevant when the existence of any such legal character, or the title of any such person to any such thing, is relevant. 
 
-Such judgment, order or decree is conclusive proof-
that any legal character which it confers accrued at the time when such judgment, order or decree come into operation; 
that any legal character, to which it declares any such person to be entitled, accrued to that person at the time when such judgment, order or decree declares it to have accrued to that person; 
that any legal character which it takes away from any such person ceased at the time from which such judgment, order or decree declared that it had ceased or should cease;
and that anything to which it declares any person to be so entitled was the property of that person at the time from which such judgment, order or decree declares that it had been or should be his property.
১,০১৫.
বিশেষজ্ঞের মতামত কোন প্রকার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. সরাসরি প্রমাণ
  2. চূড়ান্ত প্রমাণ
  3. সহায়ক প্রমাণ
  4. লিখিত প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
সহায়ক প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহায়ক প্রমাণ
ব্যাখ্যা
• যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন এই বিষয়ে বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।
 
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ এবং ৪৫ক ধারায় বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। পূর্বে পাঁচটি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক ছিল। কিন্তু সাক্ষ্য আইন (সংশোধন) ২০২২ এর ফলে ৪৫ ধারাটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। নতুন ৪৫ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-

(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;

(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;

(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।

⇒ Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
১,০১৬.
সাক্ষ্য আইনের অনুযায়ী নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল (Public documents)?
  1. কবলা দলিল
  2. আদালতের রায়
  3. উইল
  4. দানপত্র
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। 
⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ। 
১,০১৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় 'Principle of Estoppel' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১১৫
  2. ১১৬
  3. ১১৭
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে Estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ, Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।
১,০১৮.
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারা অনুসারে, কার উপর মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণের দায়িত্ব থাকে?
  1. আদালত
  2. অভিযুক্ত পক্ষ
  3. প্রধান সাক্ষীর
  4. যে পক্ষ মামলা দায়ের করে
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ মামলা দায়ের করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ মামলা দায়ের করে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে:
মামলায় বা কার্যক্রমে কোন পক্ষ হইতেই সাক্ষ্য দেওয়া না হইলে যে পক্ষ মামলায় ঠকিবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত।
 
⇒ উদাহরণঃ
(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে। এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে। সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
১,০১৯.
'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে 'ক' কে কী প্রমাণ করতে হবে?
  1. অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
  2. অবশ্যই 'খ'-এর ঘোষণাটি প্রমাণ করতে হবে
  3. অবশ্যই 'ক' এর কাছে যে বক্তব্য দিয়েছে তা প্রমাণ করতে হবে
  4. উপরের সবগুলো প্রমাণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।

⇒ যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্বঃ- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ উদাহরণ:

(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

--------------------
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.

(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
১,০২০.
ফৌজদারি মামলায় কার ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষীর
  2. অভিযুক্তের
  3. নালিশকারীর
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

Section 53 ⇒ In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
১,০২১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী, Leading questions কী?
  1. দীর্ঘ প্রশ্ন
  2. সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
  3. অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন
  4. উত্তর সূচিত করে এমন প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
উত্তর সূচিত করে এমন প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর সূচিত করে এমন প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উত্তর সূচিত করে এমন প্রশ্ন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী:- "যে প্রশ্ন এমন উত্তর দেয়ার ইঙ্গিত দেয় যেটা প্রশ্নকারী চায় বা প্রত্যাশা করে, তাকে বলা হয় লিডিং প্রশ্ন।"
(“Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.”)

 উদাহরণ:
- প্রশ্ন: "তুমি তো ঘটনাস্থলে ছিলে, তাই না?" — এটি একটি লিডিং প্রশ্ন, কারণ এতে উত্তর "হ্যাঁ" বা "না" হবে এবং প্রশ্নকারীর প্রত্যাশিত উত্তরটি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
- প্রশ্ন: "তুমি কোথায় ছিলে?" — এটি লিডিং প্রশ্ন নয়, কারণ এতে কোনো নির্দিষ্ট উত্তর ইঙ্গিত করা হয়নি।

অর্থাৎ লিডিং প্রশ্ন হলো এমন প্রশ্ন যা উত্তরদাতার কাছে একটি নির্দিষ্ট উত্তর "ইঙ্গিত" করে। এই ধরনের প্রশ্ন বিশেষত জেরা (cross-examination)-তে অনুমোদিত, কিন্তু প্রধান জেরা বা পুনরায় জেরা-তে আদালতের অনুমতি ছাড়া করা যায় না (ধারা ১৪২)।
১,০২২.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় নিম্নের কোন ব্যক্তিকে মামলা চলাকালীন যেকোনো সময় সাক্ষীকে প্রশ্ন করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. বিচারককে
  2. বাদীপক্ষের আইনজীবীকে
  3. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবীকে
সঠিক উত্তর:
বিচারককে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারককে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-

বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ এই ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
১,০২৩.
Digital Signature আদালত কয়ভাবে যাচাই করতে পারে?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
১,০২৪.
ধারা ১৫৫-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোনো সাক্ষী যদি অন্য সাক্ষীকে অবিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করে, তবে-
  1. তার মতামত অগ্রহণযোগ্য
  2. সে জবানবন্দীতে কারণ জানাতে বাধ্য
  3. জেরাতে তাকে কারণ জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে
  4. তাকে কারণ আদালতে লিখিতভাবে জানাতে হবে
সঠিক উত্তর:
জেরাতে তাকে কারণ জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরাতে তাকে কারণ জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫৫- সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা খণ্ডন (Impeaching the credit of a witness):
কোনো সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা (বিশ্বাসের যোগ্যতা) প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে, অথবা আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, যিনি সাক্ষীকে উপস্থাপন করেছেন, তিনিও নিম্নলিখিত উপায়ে খণ্ডন (চ্যালেঞ্জ) করতে পারেন—

(১) এমন ব্যক্তির সাক্ষ্যের দ্বারা, যারা সাক্ষীকে চেনে এবং নিজেদের জ্ঞানের ভিত্তিতে মনে করে যে সাক্ষী বিশ্বাসযোগ্য নয় বা অবিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তি।

(২) প্রমাণের মাধ্যমে দেখানো যেতে পারে যে, সাক্ষী ঘুষ নিয়েছে, অথবা ঘুষের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, অথবা অন্য কোনো দুর্নীতিপূর্ণ প্রণোদনা (corrupt inducement) গ্রহণ করেছে তার সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য।

(৩) প্রমাণের মাধ্যমে দেখানো যেতে পারে যে, সাক্ষী পূর্বে এমন কোনো বক্তব্য দিয়েছে যা তার বর্তমান সাক্ষ্যের সাথে অসঙ্গত বা পরস্পরবিরোধী।

ব্যাখ্যা (Explanation):
যখন কোনো সাক্ষী আরেকজন সাক্ষীকে অবিশ্বাসযোগ্য বলে ঘোষণা করে, তখন তার জবানবন্দীতে (examination-in-chief) পর্যায়ে সে কেন এমন মনে করে, তার কারণ জানাতে বাধ্য নয়। কিন্তু জেরা (cross-examination)-এর সময় তাকে তার বিশ্বাসের কারণ জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে। যে উত্তর সে দেবে, তা প্রমাণ দ্বারা খণ্ডন করা যাবে না, তবে যদি সেই উত্তর মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অপরাধে (false evidence) অভিযুক্ত হতে পারে।

১,০২৫.
'ক' কে পুলিশ আটক করে অবৈধ মাদক রাখার দায়ে। 'ক' পুলিশকে জানায় যে, তার বাড়ীতে আরো অবৈধ মাদক আছে। পুলিশ 'ক' এর বাড়ী থেকে মাদক উদ্ধার করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য আইনের কত ধারা প্রাসঙ্গিক হবে।
  1. ২৪ ধারা
  2. ২৬ ধারা
  3. ২৭ ধারা
  4. ২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয় তাহালে আলামত গুলো সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। পুলিশ এখানে 'ক' এর তথ্য অনুসারে অবৈধ মাদক উদ্ধার করেছে তাই এই মাদক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হইবে।
১,০২৬.
আইনে যদি কোনো দলিল প্রত্যয়ন করার বিধান থাকে, তবে উহা প্রমাণে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসরণ করতে হবে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৬৯ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭০ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ (Proof of execution of document required by law to be attested):

⇒  যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

⇒  রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
১,০২৭.
"যে ক্ষেত্রে আসামির মামলা ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, সে ক্ষেত্রে তাহা প্রমাণের দায়িত্ব ঐ আসামীর উপর ন্যস্ত" ইহা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্বঃ- কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ উদাহরণ:

⇒ (ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ (খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। বিশেষভাবে যে ঘটনা কারও অবগতির মধ্যে রয়েছে।
১,০২৮.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী মামলার কোনো পর্যায়ে নোটিশ দেয়া সত্ত্বেও কোন পক্ষ দলিল দাখিল করতে অস্বীকৃতি জানালে, পরবর্তীতে উক্ত দলিল-
  1. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  2. অপর পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  3. দাখিল করা যাবে না
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না।
অর্থাৎ অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court. 
 
Illustration:
A sues B on an agreement and gives B notice to produce it. At the trail A calls for the document and B refuses to produce it. A gives secondary evidence of its contents. B seeks to produce the document itself to contradict the secondary evidence given by A, or in order to show that the agreement is not stamped. He cannot do so.
১,০২৯.
সাক্ষ্য আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন ধরনের মোকদ্দমায় পক্ষগণের চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক ও অগ্রহণযোগ্য?
  1. দেওয়ানি মোকদ্দমায়
  2. ফৌজদারি মোকদ্দমায়
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমায়
ব্যাখ্যা
- সাক্ষ্য আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানি মোকদ্দমায় পক্ষগণের চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক ও অগ্রহনযোগ্য কেননা দেওয়ানি মোকদ্দমায় অধিকার নির্ধারন হয় ডকুমেন্টের উপর ভিত্তি করে।
- তবে ৫৫ ধারা মতে ক্ষতিপূরনের মামলা হলে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।
১,০৩০.
যথাযথ কারণ ছাড়া প্রশ্ন করা হলে, প্রশ্নকারী আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে রিপোর্ট দিতে পারেন?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৪৯ ধারা
  3. ১৫০ ধারা
  4. ১৫৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫০ - যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে আদালতের পদ্ধতি:
যদি আদালত মনে করে যে, কোন প্রশ্ন যথাযথ কারণ ছাড়া করা হয়েছে, তবে সে প্রশ্ন যদি কোনো অ্যাডভোকেট দ্বারা করা হয়, তাহলে আদালত ঐ প্রশ্নের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তা উক্ত অ্যাডভোকেটের পেশাগত দায়িত্বের অধীন হাইকোর্ট বিভাগ বা অন্য যে কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করতে পারে।
১,০৩১.
করিমকে পুলিশ কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধ স্বীকার করায়। আদালতে প্রসিকিউশন এই স্বীকারোক্তি প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে। আইন অনুযায়ী আদালত কী করবে?
  1. বিনা শর্তে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করবে
  2. স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করবে
  3. যদি দুইজন সাক্ষী উপস্থিতিতে করে তাহলে গ্রহণ করবে
  4. লিখিতভাবে উপস্থাপন করলে গ্রহণ করবে
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (খ) স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করবে।

কারণ:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫ স্পষ্টভাবে বলছে—
"No confession made to a police officer shall be proved as against a person accused of any offence."
অর্থাৎ পুলিশের নিকট কোনো স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে এর ব্যতিক্রম আছে ধারা ২৬ ও ২৭-এ, যেখানের
ধারা ২৬- হেফাজতে দেওয়া স্বীকারোক্তি আদালতের সামনে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট রেকর্ড করা হলে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। আর ধারা ২৭ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তির মাধ্যমে পাওয়া তথ্য (discovery of fact) সীমিতভাবে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য।

১,০৩২.
ধারা ৩৩ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী সাক্ষ্য কখন প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. সাক্ষী মৃত হলে
  2. সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হলে
  3. সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া না গেলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩- পরবর্তী বিচারকার্যে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা:
যে কোনো সাক্ষী পূর্বে কোনো বিচারকার্যে বা আইনি ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির সামনে সাক্ষ্য দিয়েছেন, তার সেই সাক্ষ্য পরবর্তী বিচারকার্যে (subsequent proceeding) বা একই বিচারকার্যের পরবর্তী ধাপে (later stage) প্রাসঙ্গিক (relevant) বলে গণ্য হবে, যখন সেই সাক্ষী:
- মৃত (dead), অথবা
- খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না (cannot be found), অথবা
- সাক্ষ্য দিতে অক্ষম (incapable of giving evidence), অথবা
- বিরোধী পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে উপস্থিত হতে বাধা দিয়েছে (kept out of the way by the adverse party), অথবা
- তাকে হাজির করতে এত বেশি বিলম্ব বা ব্যয় হবে, যা আদালত অযৌক্তিক বলে মনে করে (presence cannot be obtained without unreasonable delay or expense).

তবে নিম্নোক্ত শর্তগুলো থাকতে হবে (Proviso):
- দুই বিচারকার্য একই পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে। অর্থাৎ, প্রথম মামলার পক্ষ ও দ্বিতীয় মামলার পক্ষ একই হতে হবে বা একই স্বার্থে থাকতে হবে।
- প্রথম বিচারকার্যে বিরোধী পক্ষের জেরা করার অধিকার ও সুযোগ থাকতে হবে।
- প্রথম ও দ্বিতীয় বিচারকার্যে বিতর্কিত প্রশ্ন (questions in issue) মূলত একই হতে হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation): কোনো ফৌজদারি বিচার (criminal trial) বা তদন্ত (inquiry) কে ধারা ৩৩ অনুযায়ী “proceeding between the prosecutor and the accused” বলে গণ্য করা হবে।

১,০৩৩.
নিচের কোনটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) এর উদাহরণ?
  1. "ঘটনাটি কখন ঘটেছিল?"
  2. "আপনি কি স্কুলে পড়তেন?"
  3. "আপনার নাম কি সালমান?"
  4. "আপনি গতকাল কোথায় ছিলেন?"
সঠিক উত্তর:
"আপনার নাম কি সালমান?"
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"আপনার নাম কি সালমান?"
ব্যাখ্যা

⇒ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question হলো এমন প্রশ্ন যা সরাসরি উত্তরের ইঙ্গিত প্রদান করে। এই ধরনের প্রশ্নের মধ্যে প্রশ্নকারী যেই উত্তর চান, তা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে উপস্থিত থাকে। সাধারণত, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নে সাক্ষী হ্যাঁ বা না উত্তরে উত্তর দেয়। উদাহরণস্বরূপ: "আপনার নাম কি সালমান?"—এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত (সালমান) দেওয়া আছে, তাই এটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question)।
- এ ধরনের প্রশ্ন সাধারণত সাক্ষীর জবানবন্দি বা সাক্ষ্য প্রদানের সময় আদালতের অনুমতি ছাড়া করা যায় না, বিশেষত যখন সাক্ষীকে জেরা (Cross-examination) করা হচ্ছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
⇒ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

১,০৩৪.
'ক', 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে, 'খ'-এর মৃত্যু কে প্রমাণ করবে?
  1. 'ক'
  2. আদালত
  3. 'খ'-এর সাক্ষী
  4. মৃত্যুকালীন ঘোষণা যাকে প্রদান করেছে
সঠিক উত্তর:
'ক'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক'
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরে বর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

১,০৩৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় অনুমান (presume) এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৪ নম্বর ধারায় অনুমান (Presume) সম্পর্কিত বিধান দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় "May Presume," "Shall Presume," এবং "Conclusive Proof"—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।
⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।
⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।

ধারা ৪-এর মূল বিষয়বস্তু:
- May Presume (সাধারণ অনুমান): আদালত কোনো বিষয়কে প্রমাণিত বলে ধরে নিতে পারে, তবে তা পাল্টে দেওয়ার জন্য প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে।
- Shall Presume (আবশ্যিক অনুমান): আদালত অবশ্যই নির্দিষ্ট বিষয়কে প্রমাণিত ধরে নেবে, যতক্ষণ না তা খণ্ডন করা হয়।
- Conclusive Proof (চূড়ান্ত প্রমাণ): কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় একবার প্রমাণিত হলে আদালত সেটিকে সত্য ধরে নেবে এবং তার বিপরীতে কোনো প্রমাণ গ্রহণ করবে না।
---------
The Evidence Act, 1872: Section- 4:
"May presume" - Whenever it is provided by this Act that the Court may presume a fact, it may either regard such fact as proved, unless and until it is disproved, or may call for proof of it:
“Shall presume” - Whenever it is directed by this Act that the Court shall presume a fact, it shall regard such fact as proved, unless and until it is disproved:
“Conclusive proof” - When one fact is declared by this Act to be conclusive proof of another, the Court shall, on proof of the one fact, regard the other as proved, and shall not allow evidence to be given for the purpose of disproving it.
১,০৩৬.
'স্বীকৃতিকারীর বিপক্ষে স্বীকৃতি প্রমাণ করা যায় কিন্তু পক্ষে প্রমাণ করা যায় না'- এই নীতির ব্যতিক্রম সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৩ ধারায়
  2. ২০ ধারায়
  3. ২১ ধারায়
  4. ২২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাধারণ নিয়ম হলো- 'স্বীকৃতিকারীর বিপক্ষে স্বীকৃতি প্রমাণ করা যায় কিন্তু পক্ষে প্রমাণ করা যায় না' এই নীতির ব্যতিক্রম আছে। সাক্ষ্য আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী উক্ত ব্যতিক্রম গুলি নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

⇒ স্বীকৃতিকারীর স্বীকৃতি যদি এমন হয় যে স্বীকৃতিকারী মৃত্যু হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে তাহলে স্বীকৃতিকারী বা তার প্রতিনিধির পক্ষে তা ব্যবহার করা যাবে।
⇒ স্বীকৃতিতে যদি মানসিক বা দৈহিক সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক কোন বিষয় উল্লেখ থাকে, তাহলে উক্ত মানসিক বা দৈহিক বিশেষ অবস্থা বিদ্যমান থাকাকালীন কোন বিবৃতি প্রদান করলে এবং উক্ত বিবৃতি মিথ্যা মনে করা অসম্ভব হলে স্বীকৃতিকারীর পক্ষে তা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
⇒ স্বীকৃতি টি যদি স্বীকৃতি হিসেবে প্রাসঙ্গিক না হয়ে ভিন্নভাবে প্রাসঙ্গিক হয়, তাহলে স্বীকৃতিকারী পক্ষে তা ব্যবহার করা যাবে।
১,০৩৭.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে Judicial Confession হলো-
  1. পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার
  2. জনগণের নিকট দোষ স্বীকার
  3. পুলিশের চার্জশিট গঠনের সময় দোষ স্বীকার
  4. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ আসামীর দোষ স্বীকার
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ আসামীর দোষ স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ আসামীর দোষ স্বীকার
ব্যাখ্যা
⇒ স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার (Confession)- কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের দোষ স্বীকার করে যে বক্তব্য দেয়, তাকে স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার (Confession) বলে। ল্যাটিন প্রবচন nemo tenetur seipsum accusare এর বাংলা অর্থ হল কোন ব্যক্তিকে নিজেকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে বাধ্য করা যায় না। সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারাতেও বলা হয়েছে "কোন ব্যক্তিকে দোষ স্বীকার করতে বাধ্য করা হলে তা অপ্রাসঙ্গিক হবে।"

⇒ সুতরাং কোন আসামী যদি ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন প্রকার ভয় ভীতি প্রদর্শন, প্রলোভন ও প্রতিশ্রুতি ব্যতীত স্বেচ্ছায় নিজের দোষ স্বীকার করে, তবে তাকে স্বীকারোক্তি বা Confession বলা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৪ থেকে ৩০, ৮০, ১১৪ (বি), ১৩৩; ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪, ৩৬৪, ৩৩৭ ধারা: দন্ডবিধির ৩৩০, ৩৪৮ ধারা এবং সংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদে Confession বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
১,০৩৮.
ডিজিটাল আকারে চুক্তির অনুমানের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. may presume
  2. shall presume
  3. conclusive proof
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
shall presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
shall presume
ব্যাখ্যা
• Section 85A- Presumption as to agreements in digital forms:
The Court shall presume that every digital record purporting to be an agreement containing the digital signatures of the parties was so concluded by affixing the digital signature of the parties.

ধারা-৮৫ক: ডিজিটাল আকারে চুক্তির অনুমান:
আদালত অনুমান করবে, যে প্রতিটি ডিজিটাল রেকর্ড পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্বলিত একটি চুক্তি যা পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত করে সম্পন্ন করা হয়েছিলো।
১,০৩৯.
একজন ব্যক্তি মৃত্যুর আগে বলেন, "আমাকে X হত্যা করেছে।" এই বিবৃতিটি কোন ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ৩২(১) ধারা
  2. ৩২(২) ধারা
  3. ৩২(৩) ধারা
  4. ৩২(৮) ধারা
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;
১,০৪০.
কোন বিষয়ে আদালত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার অনুমতি দিতে পারে-
  1. undisputed
  2. documentary evidence
  3. controversial
  4. oral evidence
সঠিক উত্তর:
undisputed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
undisputed
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা অনুযায়ী সাধারণত জবানবন্দী বা পুনঃজবানবন্দীতে নির্দেশক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায় না, বিরুদ্ধ পক্ষ আপত্তি না তুললে অথবা আদালতের অনুমতি নিয়ে জবানবন্দী বা পুনঃজবানবন্দীতেও ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা যায়।
কখন নির্দেশক বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন [Leading qustion] জিজ্ঞেস করা যায়:
i) ভূমিকামূলক বিষয়ে (introductory matters);
ii) অবিতর্কিত বা স্বীকৃত বিষয়ে (undisputed matters);
iii) যথেষ্টমানে প্রমানিত বিষয়ে (matters that have been sufficiently proved); এবং
iv) নির্দিষ্ট পরিচয় দানকারী, বৈসাদৃশ্যমূলক,স্মৃতিচারনমূলক বিষয়ে Leading qustion করা যায়।
১,০৪১.
The Evidence Act, 1872 প্রণয়ন করেন-
  1. James Stephen
  2. James Stuart
  3. James Steven
  4. James Spenser
সঠিক উত্তর:
James Stephen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
James Stephen
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৭২ সালের আগে উপমহাদেশে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষ্য আইন ছিল না। ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেন সাক্ষ্য আইন প্রণয়ন করার আগে ১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি সামারও একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিলেন তা সহায়ক ছিল না বলে বর্জন করা হয়।

⇒ বর্তমান সাক্ষ্য আইন (১৮৭২ সালের ১ নং আইন) পাশ হয় ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ। কার্যকর হয় একই বছরের পহেলা সেপ্টেম্বর।

⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।


⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের ১নং আইন। The Evidence Act, 1872 ( ACT NO. I OF 1872 )

⇒ ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনটি ১১টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৬৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনে ৩টি ভাগ (Part) রয়েছে।
⇒ ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।
১,০৪২.
যখন আদালত কোনো ঘটনাকে __________ হিসেবে গণ্য করবেন, তখন সেই ঘটনাকে মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য আদালত সাক্ষ্যদানের অনুমতি দেবেন না।
  1. Conclusive Proof
  2. Shall presume
  3. May presume
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
Conclusive Proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conclusive Proof
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।

অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
১,০৪৩.
সাক্ষীর পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) কে করতে পারে?
  1. প্রতিপক্ষ
  2. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
  3. বিচারক
  4. মামলার উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২এর ধারা ১৩৮ : সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম:
- সাক্ষীদের প্রথমে মূল জবানবন্দি (Examination-in-chief) গ্রহণ করা হবে,
- তারপর (যদি প্রতিপক্ষ পক্ষ ইচ্ছা করে) জেরা (Cross-examination) করা হবে,
- এরপর (যদি সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইচ্ছা করে) পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) করা হবে।

⇒ জবানবন্দি ও জেরা উভয়ই প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে।
তবে জেরা (Cross-examination) কেবলমাত্র মূল জবানবন্দিতে (Examination-in-chief) প্রদত্ত তথ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

১,০৪৪.
সাক্ষ্য আইনের সংজ্ঞা অনুসারে, 'ফ্যাক্টস ইন ইস্যু' (Facts in Issue) এর উদাহরণ কী?
  1. A, B কে হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত
  2. A এর ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য
  3. A এর মানসিক অবস্থা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সংজ্ঞা অনুসারে, 'ফ্যাক্টস ইন ইস্যু' (Facts in Issue) বলতে সেই সমস্ত তথ্য বা ঘটনাকে বোঝায়, যা কোনো মামলার মূল বিষয়বস্তু গঠন করে এবং যা থেকে কোনো অধিকার, দায় বা অক্ষমতার অস্তিত্ব বা প্রকৃতি প্রমাণিত হয়।
ক) A, B কে হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত: এটি একটি ফ্যাক্ট ইন ইস্যু, কারণ এটি মামলার মূল বিষয়বস্তু।
খ) A এর ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য: এটি একটি ফ্যাক্ট ইন ইস্যু, কারণ A এর ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য হত্যার অভিযোগের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
গ) A এর মানসিক অবস্থা: এটি একটি ফ্যাক্ট ইন ইস্যু, কারণ A এর মানসিক অবস্থা (যেমন, মানসিক ভারসাম্যহীনতা) হত্যার অভিযোগের প্রমাণ বা খণ্ডনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

উদাহরণ:
যদি A, B কে হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, তবে নিম্নলিখিত ফ্যাক্টস ইন ইস্যু হতে পারে:
- A কি B কে হত্যা করেছে?
- A এর হত্যার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য ছিল কি?
- A কি মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ছিল?
এই সমস্ত তথ্য বা ঘটনা মামলার মূল বিষয়বস্তু গঠন করে এবং আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒  সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরের সবকটি।
১,০৪৫.
সাক্ষ্য আইনে তৃতীয় পক্ষের অভিমত (Opinion of third party) বা মতামতের প্রাসঙ্গিকতা বিষয়টি মূলত আলোচনা করা হয়েছে-
  1. ৩০-৪১ ধারায়
  2. ৪০-৫১ ধারায়
  3. ৪৫-৫১ ধারায়
  4. ৫০-৫৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৫-৫১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫-৫১ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনে তৃতীয় পক্ষের অভিমত (Opinion of third party) বা মতামতের প্রাসঙ্গিকতা বিষয়টি মূলত আলোচনা করা হয়েছে: ধারা ৪৫ থেকে ৫১ পর্যন্ত।

এই ধারাগুলোর মধ্যে:
ধারা ৪৫: Expert opinion (বিশেষজ্ঞ মতামত);
ধারা ৪৬: Facts bearing upon expert opinion;
ধারা ৪৭: Opinion as to handwriting;
ধারা ৪৮: Opinion as to custom or usage;
ধারা ৪৯: Opinion as to relationships;
ধারা ৫০: Opinion as to existence of right or custom;
ধারা ৫১: Grounds of opinion when relevant.

এই ধারাগুলোতে বলা হয়েছে কোন কোন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞ, সাধারণ ব্যক্তি বা তৃতীয় পক্ষের মতামত আদালতের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
১,০৪৬.
ধারা ১৩২ অনুযায়ী, একজন সাক্ষী কোন কারণে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার থেকে অব্যাহতি পাবে না?
  1. সাক্ষীর উত্তর তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে
  2. উত্তরটি গোপন তথ্য প্রকাশ করতে পারে
  3. উত্তরটি সাক্ষীকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে
  4. উত্তরটি আদালতের ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে
সঠিক উত্তর:
উত্তরটি সাক্ষীকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরটি সাক্ষীকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩২ অনুসারে,
একজন সাক্ষীকে কোনো মামলার বা ফৌজদারি বা দেওয়ানি কার্যক্রমের বিষয় সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে অব্যাহতি পাবে না, যদিও সেই উত্তর দেওয়ার ফলে সাক্ষী নিজেকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে অথবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা হতে পারে। কিন্তু, যে উত্তর তাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই উত্তর তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে যদি সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মামলা করা যেতে পারে।

Section-132: Witness not excused from answering on ground that answer will criminate:
A witness shall not be excused from answering any question as to any matter relevant to the matter in issue in any suit or in any civil or criminal proceeding, upon the ground that the answer to such question will criminate, or may tend directly or indirectly to criminate, such witness, or that it will expose, or tend directly or indirectly to expose, such witness to a penalty or forfeiture of any kind: 
 
Provided that no such answer, which a witness shall be compelled to give, shall subject him to any arrest or prosecution, or be proved against him in any criminal proceeding, except a prosecution for giving false evidence by such answer.
১,০৪৭.
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারায় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে কোন বিষয়টি বিবেচিত হয়?
  1. সাক্ষীর পরিচয়
  2. ব্যক্তির চরিত্র
  3. মামলার জটিলতা
  4. অপরাধের ধরন
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির চরিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির চরিত্র
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারা অনুসারে,
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।
 
Section 55⇒ Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
১,০৪৮.
রাষ্ট্রীয় বিষয় সংক্রান্ত অপ্রকাশিত দলিলপত্রের তথ্যের ভিত্তিতে সাক্ষ্য দিতে হলে কী করতে হবে?
  1. সরকারি আইনজীবীর অনুমতি নিতে হবে
  2. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  3. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে
  4. উল্লিখিত যে কেউর অনুমতি নিলে হবে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারা: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য:
কাউকে রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। এক্ষেত্রে তিনি যথাযথ মনে করলে, অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।

Section-123: Evidence as to affairs of State:
No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
১,০৪৯.
'Confidential communications with legal advisers' — এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১২৭ ধারা
  2. ১২৮ ধারা
  3. ১২৯ ধারা
  4. ১৩০ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
Section 129: Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.

সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:

কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সেই ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।
১,০৫০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়ে মৌখিক স্বীকারোক্তির প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ২২ক
  2. ধারা ৪৫ক
  3. ধারা ৪৭ক
  4. ধারা ৭৩ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২ক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক (Section 22A) ২০২২ সালের সংশোধনী দ্বারা যুক্ত হয়। এই ধারায় বলা হয়েছে যে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকারোক্তি সাধারণত প্রাসঙ্গিক নয়, তবে যদি প্রদর্শিত ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব (genuineness) প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে সেই মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হবে।
- অর্থাৎ, ডিজিটাল প্রমাণ যতক্ষণ না সন্দেহজনক হয়, ততক্ষণ তা নিয়ে মৌখিক বক্তব্য আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হবে না, যতক্ষণ না প্রদর্শিত ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
---------------
⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 section: 22A. When oral admissions as to contents of digital records are relevant:
Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant unless the genuineness of the digital record produced is in question.
১,০৫১.
সাক্ষ্য আইনের Res Gestae সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হয় কেন?
  1. এটি শুধুমাত্র অপরাধীর স্বীকারোক্তি
  2. এটি আদালতের রায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
  3. এটি সবসময় লিখিতভাবে উপস্থাপন করা হয়
  4. এটি ঘটনার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত ও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
এটি ঘটনার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত ও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি ঘটনার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত ও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) এটি ঘটনার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত ও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।

⇒ Res Gestae শব্দটি লাতিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ — "ঘটনার অংশ"।
⇒ সাক্ষ্য আইনে (বিশেষ করে ৬ থেকে ৯ ও ১৪ ধারায়) Res Gestae সাক্ষ্য সেই ধরনের তথ্য বা বক্তব্যকে বোঝায়, যা কোনো অপরাধ বা ঘটনার সময় বা অব্যবহিত পূর্বে বা পরে এমনভাবে বলা বা করা হয়েছে যে, তা ঘটনার স্বাভাবিক, আকস্মিক ও অপরিকল্পিত অংশ হয়ে পড়ে।
- এই বক্তব্য বা আচরণগুলো এমন সময় ঘটে, যখন ঘটনার কারণে মানসিক উত্তেজনা বা অবস্থা এতটাই প্রবল থাকে যে, ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলার মতো অবকাশ পায় না।
- এর ফলে, আদালত ধরে নেয় — এই ধরণের বক্তব্যে মিথ্যার আশ্রয় নেয়ার সম্ভাবনা খুবই কম, তাই তা গ্রহণযোগ্য।

 উদাহরণ:
- একজন ব্যক্তি আঘাত পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বলে — “X আমাকে আঘাত করেছে” — এটি একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও ঘটনাসংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া, এবং তাই Res Gestae সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ তাই, 'Res Gestae' সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হয় কারণ— "এটি ঘটনার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত ও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।"

১,০৫২.
'Test Identification Parade' কী?
  1. ভিকটিম শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
  2. অপরাধী শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
  3. অপরাধের স্থান নির্ধারণকরণ প্রক্রিয়া
  4. মামলার পক্ষদ্বয়ের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
অপরাধী শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধী শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সাক্ষীরা একজন অপরাধীকে শনাক্ত করতে সাহায্য করেন।

এই প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ:
১. একটি গ্রুপ তৈরি করা হয় যেখানে অপরাধী সন্দেহভাজন এবং অন্যান্য কিছু লোকদের রাখা হয়। সকলের বয়স, চেহারা ও পোশাক প্রায় একই ধরনের হয়।
২. সাক্ষীদের এই গ্রুপের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়।
৩. সাক্ষীদের অনুরোধ করা হয় যে তারা যদি সত্যিকারের অপরাধীকে দেখতে পান তাহলে তাকে শনাক্ত করবেন।
৪. সাক্ষীরা যদি কাউকে শনাক্ত করেন তাহলে সেটাই রেকর্ড করা হয়। আর যদি না করেন তাহলে তাও রেকর্ড করা হয়।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে শনাক্তকরণ প্যারেড বা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেডকে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। ৯ ধারায় "প্রাসঙ্গিক তথ্য" (Facts Relevant) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে:
"Facts necessary to be proved are those which are...facts which establish their design or conduct, tending to show a particular knowledge or intent of any person."
অর্থাৎ, প্রাসঙ্গিক তথ্যগুলি সেই সব তথ্য যা কোনো ব্যক্তির জ্ঞান বা উদ্দেশ্যমূলক আচরণ প্রমাণ করে।

এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হলো সাক্ষীদের কাছে একটি বাস্তবিক পরিস্থিতি তৈরি করে দেখানো যাতে তারা নিঃসন্দেহে অপরাধীকে শনাক্ত করতে পারেন। এই প্রক্রিয়াটি বিশেষত চুরি, ডাকাতি, খুন ইত্যাদি মামলায় অপরাধীর পরিচয় নির্ণয়ের জন্য অনুসৃত হয়। আদালতসমূহও শনাক্তকরণ প্যারেডের ফলাফলকে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করে থাকেন।
১,০৫৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুসারে অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে কাদের মতামত প্রাসঙ্গিক?
  1. অভিজ্ঞদের মতামত
  2. আইনজীবীর মতামত
  3. আদালত মতামত
  4. যাদের জানার সম্ভাব্যতা আছে তাদের মতামত
সঠিক উত্তর:
যাদের জানার সম্ভাব্যতা আছে তাদের মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাদের জানার সম্ভাব্যতা আছে তাদের মতামত
ব্যাখ্যা

 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুসারে অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে যাদের জানার সম্ভাব্যতা আছে তাদের মতামত প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা ৪৮,অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক: কোনো সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যখন আদালতকে কোনো অভিমতে উপনীত হইতে হয় তখন উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকিলে যে সকল লোকের জানা সম্ভব, উহার অস্তিত্ব সম্পর্কে তাহাদের অভিমতা প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যা: সাধারণ প্রথা বা অধিকার কথাটি বলিতে যথেষ্ট সংখ্যক লোকের একটি শ্রেণির মধ্যে সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
উদাহরণ: কোনো একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্দিষ্ট কোনো একটি কূপের জল ব্যবহার করিবার অধিকার থাকিলে, তাহা এই ধারার অর্থ অনুসারে সাধারণ অধিকার।
------------------------
⇒ The Evidence Act,1872,Section 48, Opinion as to existence of right or custom when relevant: When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation: The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.
Illustration: The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.

১,০৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান কী?
  1. "Professional communications"
  2. "Official communications"
  3. "Information as to commission of offences"
  4. "Communications during marriage"
সঠিক উত্তর:
"Professional communications"
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"Professional communications"
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
------------
Section 126 Professional communications: No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment: 
 
Provided that nothing in this section shall protect from disclosure– 
 
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose: 
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment. 
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client. 

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
১,০৫৫.
যখন একটি দলিলের প্রত্যয়ন আইন অনুসারে প্রয়োজন নেই, তবুও যদি তা প্রত্যায়িত হয়ে থাকে, তবে সে ক্ষেত্রে উক্ত দলিল কী হিসেবে প্রমাণ করা যাবে?
  1. প্রত্যায়িত দলিল
  2. খাঁটি দলিল
  3. অপ্রত্যায়িত দলিল
  4. কোনো ক্ষেত্রেই প্রমাণ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যায়িত দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যায়িত দলিল
ব্যাখ্যা
ধারা ৭২: আইনের দ্বারা প্রত্যয়ন (attestation) আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ-
যে দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যয়ন আবশ্যক নয়, তা প্রত্যায়িত হলেও, সেটিকে এমনভাবে প্রমাণ করা যাবে যেন সেটি অপ্রত্যায়িত দলিল।
[An attested document not required by law to be attested may be proved as if it was unattested.]
১,০৫৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষীর বিধান আছে?
  1. ধারা ১১৪
  2. ধারা ১৩১
  3. ধারা ১৩৩
  4. ধারা ১৩৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৩
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৩৩ ধারা অনুযায়ী, দুষ্কর্মের সহযোগী (Accomplice) একজন উপযুক্ত সাক্ষী হিসেবে গণ্য হন।
ধারা ১৩৩:
"An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice."
অর্থাৎ, দুষ্কর্মের সহযোগী একজন স্বীকৃত সাক্ষী, এবং তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আদালত আসামীকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে, এমনকি যদি তার সাক্ষ্য অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত না হয়।
- তবে, সাধারণত আদালত সতর্ক থাকে এবং সহযোগীর সাক্ষ্যের সাথে অন্য প্রমাণ থাকা উচিত বলে ধরে নেয় (ধারা ১১৪)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
১,০৫৭.
ধারা ৭৩খ(২) অনুযায়ী, আদালত কাকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তাকে
  2. বিশেষজ্ঞ সাক্ষীকে
  3. যে ব্যক্তি নমুনা সংগ্রহ করেছে
  4. যে ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

উত্তর: ঘ. যে ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

• সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৩খ: অন্যদের সাথে শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য তুলনা, স্বীকৃত বা প্রমাণিত:
(১) রক্ত, বীর্য, চুলের নমুনা, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ বা চোখের কনীনিকার ছাপ বা পায়ের ছাপ যেই ব্যক্তির কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় সেই ব্যক্তির কি না তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারেন যে, এটিকে যেকোন নমুনার সাথে তুলনা করা হবে যা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য স্বীকার করা হয়েছে বা প্রমাণিত হয়েছে যে ব্যক্তিটি থেকে এসেছে বা তৈরি করেছে, যদিও সেই রক্ত, বীর্যের নমুনা, চুল, ডিএনএ নমুনা, জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোনো অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ বা অন্য কোনো বন্ধু অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তৈরি বা প্রমাণিত হয়নি।

(২) যদি এমন কোন দাবি থাকে যে রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ যার অন্তর্গত বা তা তৈরি করা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি দ্বারা আদালত সেই ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে আদালত তুলনা করতে সক্ষম হয়।

(৩) শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য প্রমাণের সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে, এই আইনের ধারা ৬০ এবং ১৬৫-এর কোন কিছুই আদালতকে তার সনাক্তকরণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ সহ একটি প্রদর্শনী হিসাবে আদালতে উপস্থাপন করতে বাধা দেবে না।

১,০৫৮.
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর অধীন 'আদালত' বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে না-
  1. বিচারক
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সালিসকারী বা সালিসী বিচারক
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি 
সঠিক উত্তর:
সালিসকারী বা সালিসী বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিসকারী বা সালিসী বিচারক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩-এ 'আদালত' শব্দের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, "আদালত" বলতে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য ব্যক্তি যারা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা রাখেন, তাদেরকে বোঝায়। এর মধ্যে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি সকলেই অন্তর্ভুক্ত। তবে সালিসকারী বা সালিসী বিচারক আদালতের অন্তর্ভুক্ত নয়।  
------------------------------
⇒ Section 3, Interpretation clause- "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally
authorized to take evidence.

১,০৫৯.
ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল যদি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে বের করা হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি মনে করবে?
  1. যে ব্যক্তি কর্তৃক দলিলটি লেখা হয়েছে বা স্বাক্ষরিত সেই ব্যক্তি কর্তৃক দলিলটি লেখা এবং স্বাক্ষরিত হয়েছে
  2. যে ব্যক্তি কর্তৃক এটা সম্পাদিত এবং সত্যায়িত সেই ব্যক্তি কর্তৃক এটা সম্পাদিত এবং সত্যায়িত
  3. দলিলটি জাল দলিল যা আদালতে গ্রহণ যোগ্য নয়
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।
⇒ ৩০ বছরের পুরোনো দলিল সম্পর্কে আদালত May presume করেন। 

 ⇒৯০ ধারার অনুমান শুধুমাত্র মূল দলিলের জন্য। কোন প্রত্যয়িত কপি বা জাবেদা নকলের জন্য নয়।
⇒ এ ধারার বিধানের অনুযায়ী-
১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে।
২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।
-----------------
⇒ Presumption as to documents thirty years old:
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81.
১,০৬০.
সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারার অনুসারে, যদি একটি ডিজিটাল রেকর্ড অফিসিয়াল গেজেট হিসেবে দাবি করা হয়, তবে আদালত কী ধরে নেবে?
  1. ডিজিটাল রেকর্ডটি অপ্রাসঙ্গিক
  2. ডিজিটাল রেকর্ডটি আদালতে প্রমাণ করতে হবে
  3. ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারার অনুসারে, যদি একটি ডিজিটাল রেকর্ড অফিসিয়াল গেজেট হিসেবে দাবি করা হয়, তাহলে আদালত এটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে থাকা হিসেবে ধরে নেবে, যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটি আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে সংরক্ষিত এবং যথাযথ হেফাজতে রয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 81A. Presumption as to Gazettes in digital forms
The Court shall presume the genuineness of every digital record purporting to be the Official Gazette, or purporting to be digital record directed by any law to be kept by any person, if such digital record is kept substantially in the form required by law and is produced from proper custody.

Explanation.-Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
১,০৬১.
_______ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করা হলে, উক্ত রেকর্ড সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে।
  1. তিন
  2. পাঁচ
  3. দশ
  4. সাত
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
ব্যাখ্যা
ধারা ৯০ক: পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান:

যেখানে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড, পাঁচ বছরের পুরানো বলে প্রমাণিত এবং যে হেফাজত থেকে দাখিল করা হয় তা বিশেষ ক্ষেত্রে আদালত যথাযথ বিবেচনা করে, আদালত অনুমান করতে পারে যে, ডিজিটাল স্বাক্ষর কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর হতে পারে যা এই জন্য তার দ্বারা বা তার দ্বারা অনুমোদিত যে কোন ব্যক্তি দ্বারা সংযুক্ত।
ব্যাখ্যা- ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে আছে বলা হয় যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে সেখানে, এবং যার তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিকভাবেই থাকে; কিন্তু কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটির একটি বৈধ উৎস ছিল, বা বিশেষ মামলার পরিস্থিতি এমন হয় যে এই জাতীয় উৎসকে সম্ভাব্য গণ্য করা যায়।

অর্থাৎ,
⇒ পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন।
⇒ ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে।
⇒ ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
১,০৬২.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা মতে হস্তরেখা সম্পর্কে বিশারদের অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. ৪২
  2. ৫০
  3. ৪৮
  4. ৪৭
সঠিক উত্তর:
৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারার- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকঃ- একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্ববারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যাঃ এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।
---------------
• Section  47. Opinion as to handwriting, when relevant:
 When the Court has to form an opinion as to the person by whom any document was written or signed, the opinion of any person acquainted with the handwriting of the person by whom it is supposed to be written or signed that it was or was not written or signed by that person, is a relevant fact. 
 
Explanation.–A person is said to be acquainted with the handwriting of another person when he has seen that person write, or when he has received documents purporting to be written by that person in answer to documents written by himself or under his authority and addressed to that person, or when, in the ordinary course of business, documents purporting to be written by that person have been habitually submitted to him.
১,০৬৩.
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক ধরা হয়েছে?
  1. উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ
  2. অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
  3. যে সব ঘটনা বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ, কারণ বা ফলাফল
  4. যে সব ঘটনা দেহের অবস্থা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, অনুভূতি প্রকাশ করে
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন- অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি দখল করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন- পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।

অভিপ্রায়, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য মামলার প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে কাজ করে এবং এগুলি ঘটনার প্রকৃতি নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১,০৬৪.
নিচের কোন বিষয়টি প্রমান করার প্রয়োজন হয়?
  1. অনুমিত বিষয়াদি
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. বিচার্য বিষয়ে বাদীর দাবী
  4. স্বীকৃতি
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয়ে বাদীর দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয়ে বাদীর দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ Presumption বা অনুমান হল এমন একটি পারলা যার মাধ্যমে আদালত কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা সাক্ষ্য সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট ধারণা করবে যতক্ষণ পর্যন্ত না উক্ত ধারণার সভ্যত আশ্রমাণিত হয়। আইনে প্রাক্-প্রত্যয় বা অনুমান এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে একটি ঘটনা অন্য একটি ঘটনার প্রমাণ হিসেরে স্বীকৃত হয় (Presumption means an inference drawn from a particular fact about another fact)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায় 'Presumption' সম্বন্ধে বিধান বর্ণিত আছে। তাছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪১, ৭৯ থেকে ৯০ এবং ১১৪ ধারাতেও 'Presumption'-এর বিধান রয়েছে।Presumption বা অনুমান প্রমানের প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
১,০৬৫.
"The Court may presume that judicial and official acts have been regularly performed" এইটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. Section 114(a)
  2. Section 114(c)
  3. Section 114 (e)
  4. Section 114 (g)
সঠিক উত্তর:
Section 114 (e)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 114 (e)
ব্যাখ্যা
⇒ Section 114 Court may presume existence of certain facts: The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case. 
 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 
(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 
(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 
(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 
(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 
(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 
(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 
(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 
(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it:– 
as to illustration (a) –A shop-keeper has in his till a marked Taka soon after it was stolen, and cannot account for its possession specifically, but is continually receiving Taka in the course of his business: 
as to illustration (b)–A, a person of the highest character, is tried for causing a men's death by an act of negligence in arranging certain machinery. B, a person of equally good character, who also took part in the arrangement, describes precisely what was done, and admits and explains the common carelessness of A and himself: 
as to illustration (b)–a crime is committed by several persons. A, B and C, three of the criminals, are captured on the spot and kept apart from each other. Each gives an account of the crime implicating D, and the accounts corroborate each other in such a manner as to render previous concert highly improbable: 
as to illustration (c)–A, the drawer of a bill of exchange, was a man of business. B, the acceptor, was a young and ignorant person, completely under A's influence: 
as to illustration (d)–it is proved that a river ran in a certain course five years ago, but it is known that there have been floods since that time which might change its course: 
as to illustration (e)–a judicial act, the regularity of which is in question, was performed under exceptional circumstances: 
as to illustration (f)–the question is, whether a letter was received. It is shown to have been posted, but the usual course of the post was interrupted by disturbances: 
as to illustration (g)–a man refuses to produce document which would bear on a contract of small importance on which he is sued, but which might also injure the feelings and reputation of his family: 
as to illustration (h)–a man refuses to answer a question which he is not compelled by law to answer, but the answer to it might cause loss to him in matters unconnected with the matter in relation to which it is asked: 
as to illustration (i)–a bond is in possession of the obligor, but the circumstances of the case are such that he may have stolen it.
১,০৬৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে পাঁচ বছর পুরোনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে অনুমান করা হয়?
  1. ধারা ৮৯ক
  2. ধারা ৯০ক
  3. ধারা ৯০খ
  4. ধারা ৯১ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯০ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক (Section 90A)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ড পাঁচ বছরের বেশি পুরোনো হয় এবং যথাযথ হেফাজত (proper custody) থেকে উপস্থাপিত হয়, তাহলে আদালত অনুমান (may presume) করতে পারে যে, ঐ রেকর্ডে থাকা ডিজিটাল স্বাক্ষর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তি দিয়েছেন।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক অনুযায়ী,
যে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি পাঁচ বছর পুরোনো হয় এবং আদালত মনে করে যে এটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তবে আদালত এটি সঠিক বলে ধরে নিতে পারে এবং অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।

⇒ The Evidence Act,1872, section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

১,০৬৭.
শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞের মতামত দেওয়ার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া
  3. রিপোর্টের কপি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দেওয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞের মতামত দেওয়ার জন্য নিম্নলিখিত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে হয়:
ক) আদালতের অনুমতি: বিশেষজ্ঞকে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত হতে হয় বা আদালতের অনুমোদন নিয়ে তার মতামত প্রদান করতে হয়।
খ) বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া: বিশেষজ্ঞের বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত একটি লিখিত রিপোর্ট আকারে আদালতে পেশ করতে হয়।
গ) রিপোর্টের কপি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দেওয়া: অভিযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক পক্ষগুলোর আইনী অধিকার রয়েছে বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট পরীক্ষা করার, তাই তাদেরকে রিপোর্টের কপি সরবরাহ করতে হয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরের সবগুলো।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক: বিশেষজ্ঞের মতামত শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে:
(১) আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যতক্ষণ না তার প্রতিবেদনটি (উপ-ধারা ২ অনুযায়ী) সমস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়।
(২) বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হবে এবং কোনো পক্ষের পক্ষে নয়, এবং বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হচ্ছে আদালতকে সাহায্য করা।

The Evidence Act, 1872 Section 45A. Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১,০৬৮.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতির প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারা দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতির প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে। এটি বলে যে, কোন স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে না যদি তা এমন শর্তে দেওয়া হয় যে, তার সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বা পক্ষগণ একে অপরকে সাক্ষ্য না দেওয়ার জন্য চুক্তি করে।
------------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation.– Nothing in this section shall be taken to exempt any Advocate from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
১,০৬৯.
আদালত মামলার বিবাদীকে দলিল প্রকাশ করতে আদেশ দিয়েছিল। কিন্তু বিবাদী তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন আদেশ দিতে পারে?
  1. তার মামলা খারিজ আদেশ
  2. তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিলের আদেশ
  3. তার আারজি খারিজের আদেশ
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিলের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিলের আদেশ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ২১ নং বিধিতে উদ্ঘাটন/আবিষ্কার (Discovery), প্রশ্নমালা এবং পরিদর্শন (Inspection) সংক্রান্ত আদালতের আদেশ অমান্যের ফলাফল আলোচনা করা হয়েছে।

♦ যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ মোকদ্দমা সম্পর্কিত প্রশ্নমালার উত্তর প্রদানে ব্যর্থ হয়, বা দলিল প্রকাশে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে বা বিবাদীর ক্ষেত্রে তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বাতিলের আদেশ দিতে পারে। এক্ষেত্রে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে। 

♦ সুতরাং আদালত মামলার বিবাদীকে দলিল প্রকাশ করতে আদেশ দিয়েছিল কিন্তু বিবাদী তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিলের আদেশ দিতে পারে
১,০৭০.
মৌখিক সাক্ষ্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে-
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫৭ এবং ৫৮ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৫৯ এবং ৬০ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫৬ এবং ৫৭ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৬২ এবং ৬৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ এবং ৬০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ এবং ৬০ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৫৯ এবং ৬০ ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

৫৯ ধারায় বলা হয়েছে:
"All facts, except the contents of documents or electronic records, may be proved by oral evidence."
অর্থাৎ, দলিল বা ইলেকট্রনিক রেকর্ডের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য সব তথ্য মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা যাবে।

৬০ ধারায় বলা হয়েছে:
"Oral evidence must, in all cases whatsoever, be direct."
অর্থাৎ, যেকোনো ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

সুতরাং, উপরোক্ত এই দুই ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং তার প্রকৃতি ও পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। কিছু বিষয় যেমন দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য যেকোনো ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণযোগ্য। এছাড়াও মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই সরাসরি হতে হবে। এসব নিয়মাবলী ৫৯ এবং ৬০ ধারায় বর্ণিত হয়েছে।
১,০৭১.
যদি কোনো অভিযুক্ত দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব ______ থাকবে।
  1. আদালতের
  2. ফরিয়াদী পক্ষের
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তার
  4. অভিযুক্ত পক্ষের
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত পক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত পক্ষের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী,
যদি কোনো অভিযুক্ত দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে অভিযুক্ত পক্ষের।

বলা আছে-
যদি আসামীপক্ষ দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে শুধু দাবি করা যথেষ্ট নয়, বরং সেই দাবি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে আসামীপক্ষের।

Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.
১,০৭২.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী, একজন accomplice-
  1. incompetent witness
  2. competent witness
  3. illegal witness
  4. untrustworthy witness
সঠিক উত্তর:
competent witness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
competent witness
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী:
“An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.”

ধারা ১৩৩ বলছে: যদি একজন দুষ্কর্মের সহযোগী (accomplice) আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন এবং সেই সাক্ষ্য কোনো অতিরিক্ত প্রমাণ ছাড়া (i.e., uncorroborated) হয়, তবুও শুধু এই কারণে আদালতের দেওয়া সাজা বেআইনী (illegal) বলা যাবে না।

আদালত যদি একমাত্র সহযোগীর সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে, সেটা আইনত valid বা বৈধ। যদিও বাস্তবে আদালত সাধারণত corroboration (অর্থাৎ, অন্য কোনো প্রমাণ বা সাক্ষ্যের মাধ্যমে সমর্থন) খোঁজে - কারণ accomplice-এর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ থাকতে পারে। কিন্তু আইনগতভাবে আদালত একা সেই সাক্ষ্যের ভিত্তিতেই সাজা দিতে পারে।

১,০৭৩.
আসামি ‘B’ পুলিশ হেফাজতে বলে, “আমি ছুরিটি নদীর ধারে ফেলেছি যা দিয়ে আমি অপরাধ করেছি।” পুলিশ সেই স্থান থেকে ছুরিটি উদ্ধার করে। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই ঘটনা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ২৭ ধারা অনুসারে, পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির দেওয়া তথ্যের সেই অংশটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, যা সরাসরি কোনো আলামত (যেমন ছুরি) উদ্ধারের সাথে সম্পর্কিত। এই ক্ষেত্রে, আসামি ‘B’-এর তথ্যের ভিত্তিতে ছুরিটি উদ্ধার হয়েছে, তাই এটি ২৭ ধারার অধীনে গ্রহণযোগ্য।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ধারা ২৪: জোরপূর্বক বা প্রলোভনের মাধ্যমে প্রাপ্ত স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য।
ধারা ২৫: পুলিশের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তি সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়।
ধারা ২৬: পুলিশ হেফাজতে দেওয়া স্বীকারোক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে না হলে গ্রহণযোগ্য নয়।

- সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী- আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যেতে পারে।
- সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে, যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।
------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 27: How much of information received from accused may be proved:
Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.

১,০৭৪.
বিচারক মামলা চলাকালীন কোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণকে প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র মূল ঘটনা
  2. শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  3. প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
  4. শুধুমাত্র অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।
 
উল্লেখ্য,
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ এই ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
১,০৭৫.
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে কত জন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. নিদিষ্ট কোন সংখ্যা নেই
সঠিক উত্তর:
১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ (Proof of execution of document required by law to be attested):

 যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

⇒  রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
----------------------------
Proof of execution of document required by law to be attested
Section 68. If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
১,০৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম
  2. ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্নের সংজ্ঞা
  3. ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন কখন করা যাবে
  4. কখন ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন কখন করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন কখন করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারা- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।

⇒ ১৪২ ধারা- ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না:
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।

⇒ ১৪৩ ধারা- যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে:
জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
১,০৭৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination] এর বিধান আছে?
  1. ১৩৭ ধারায়
  2. ১৩৮ ধারায়
  3. ১৩৯ ধারায়
  4. ১৩৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
-------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137: 
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations: 
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
১,০৭৮.
সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায় ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়ে মৌখিক স্বীকারোক্তি কখন প্রাসঙ্গিক ?
  1. যখন উত্থাপিত রেকর্ডটি নতুন হয়
  2. যখন রেকর্ডটি আইনিভাবে স্বীকৃত হবে
  3. যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে
  4. যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব সন্দেহাতীতভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে
সঠিক উত্তর:
যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

⇒ মৌখিক স্বীকারোক্তি শুধুমাত্র তখন প্রাসঙ্গিক হবে যখন ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে, অন্যথায় তা প্রাসঙ্গিক নয়।
- সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায় বলা হয়েছে যে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি কেবল তখনই প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা বা প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়। অন্যথায়, মৌখিক স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। ২২ক ধারায় বলা হয়েছে, উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিচারের বিষয়ীভূত না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ডের বিবৃতি বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক না।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হবে না, যতক্ষণ না প্রদর্শিত ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
-----------------
⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 sections 22A. When oral admissions as to contents of digital records are relevant:
Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant unless the genuineness of the digital record produced is in question.
১,০৭৯.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারায় কত বছরের পুরোনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত অনুমানের বিধান দেওয়া আছে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার বিধান:পাঁচ বছর পুরোনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত অনুমান:
-যখন কোনও ডিজিটাল রেকর্ড, যা পাঁচ বছর পুরোনো বলে প্রমাণিত বা দাবী করা হয়, এমন কোনও হেফাজত থেকে উপস্থাপিত হয় যা আদালত সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে উপযুক্ত বলে মনে করে, তখন আদালত ধারণা করতে পারে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি যেই ব্যক্তির বলে দাবি করা হয়েছে, তিনি নিজে বা তার দ্বারা অনুমোদিত কোনও ব্যক্তি সেই স্বাক্ষরটি করেছেন।

ব্যাখ্যা:-ডিজিটাল রেকর্ডগুলোকে সঠিক হেফাজতে বলা হয় যদি সেগুলো সেই জায়গায় থাকে যেখানে স্বাভাবিকভাবে থাকার কথা, এবং সেই ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে থাকে যার সাথে থাকা স্বাভাবিক। তবে যদি দেখা যায় যে হেফাজতের উৎস বৈধ ছিল বা সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি এমন যে বৈধ উৎস থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সেই হেফাজতকে অযৌক্তিক বলা যাবে না।

অর্থাৎ,
⇒ পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন।
⇒ ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে।
⇒ ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
--------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 90A: Presumption as to digital records five years old:
-Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.]
১,০৮০.
কেবল দলিল উপস্থাপনের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি কখন জেরার সম্মুখীন হতে পারে?
  1. উচ্চ আদালতের অনুমতি পেলে
  2. শুধুমাত্র মামলার রায়ের পর
  3. আদালত চাইলে যেকোন সময়
  4. সাক্ষী হিসেবে ডাকা হলে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হিসেবে ডাকা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হিসেবে ডাকা হলে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৯: দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তির জেরা:
কেবলমাত্র দলিল উপস্থাপনের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বয়ং সাক্ষী হয়ে যান না। তিনি তখনই জেরার (cross-examination) সম্মুখীন হতে পারেন, যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়।

[A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.]
১,০৮১.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৫২ অনুযায়ী আদালত কোন ধরনের প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে?
  1. আইনগত প্রশ্ন
  2. চরিত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন
  3. অশ্লীল বা কুৎসাজনক প্রশ্ন
  4. অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত এমন কোনো প্রশ্ন করতে নিষেধ করবে, যা তার দৃষ্টিতে কাউকে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, অথবা যা প্রশ্ন হিসাবে যথাযথ হলেও, তার ভাষা বা উপস্থাপন অপ্রয়োজনীয়ভাবে আক্রমণাত্মক বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.

১,০৮২.
`No new trial for improper admission or rejection of evidence'- এই বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?   
  1. ১৬৪ ধারা
  2. ১৬৫ ধারা
  3. ১৬৬ ধারা
  4. ১৬৭ ধারা 
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারা 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২, ধারা ১৬৭: অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রাহ্য কিংবা অগ্রাহ্য করা হইলে তজ্জন্য নতুন করিয়া বিচার হইবে না: অন্যায়ভাবে কোনো সাক্ষ্য গ্রাহ্য কিংবা অগ্রাহ্য করা হইয়া থাকিলে যে আদালতে উহার বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়, সেই আদালত যদি মনে করেন যে, যে সাক্ষ্য গ্রাহ্য করা হইয়াছে, এবং তাহার বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হইয়াছে, সেই সাক্ষ্য ব্যতীতও এমন সাক্ষ্য প্রমাণ আছে যদ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, কিংবা, যে সাক্ষ্য অগ্রাহ্য করা হইয়াছে, তাহা গ্রাহ্য করা হইলেও আদালতের সিদ্ধান্তের কোনো তারতম্য হইত না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোনো সাক্ষ্য গ্রাহ্য বা অগ্রাহ্য করিবার অজুহাতেই কোনো মোকদ্দমার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা যাইবে না।
-------------------------------------------
The Evidence Act 1872,Section167: No new trial for improper admission or rejection of evidence: The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

১,০৮৩.
A, B এবং C একটি ডাকাতির ঘটনায় যৌথভাবে অভিযুক্ত এবং তাদের একসাথে বিচার করা হচ্ছে। বিচারের সময় A তার স্বীকারোক্তিতে নিজের দোষ স্বীকার করার পাশাপাশি বলে যে, B ও C ও ডাকাতিতে অংশগ্রহণ করেছে। A এর এই স্বীকারোক্তি-
  1. শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
  2. B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
  3. B ও C এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩০ ধারা:
"When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the court may take into consideration such confession as against such other person as well as against the person who makes such confession."

অর্থাৎ, যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করা হয় এবং তাদের একজন যে স্বীকারোক্তি দেয়, সেখানে তিনি নিজের সাথে অন্য কাউকে যদি জড়িয়ে ফেলেন, তাহলে আদালত সেই স্বীকারোক্তিকে সেই অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে। যেমন, স্বীকারোক্তিটিকে অন্য প্রমাণাদি দ্বারা সমর্থন করতে হবে ইত্যাদি।

A, B এবং C একটি ডাকাতির ঘটনায় যৌথভাবে অভিযুক্ত এবং তাদের একসাথে বিচার করা হচ্ছে। বিচারের সময় A তার স্বীকারোক্তিতে নিজের দোষ স্বীকার করার পাশাপাশি বলে যে, B ও C ও ডাকাতিতে অংশগ্রহণ করেছে। A এর এই স্বীকারোক্তিতে B ও C এর নাম উল্লেখ থাকায়, সেটি B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে। তবে B বা C এর বিরুদ্ধে শুধুমাত্র A এর স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না। A এর স্বীকারোক্তির সত্যতা যাচাই করতে আরও অন্যান্য প্রমাণাদির সমর্থন প্রয়োজন।
যেমন, ডাকাতির স্থান থেকে B ও C এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া, B ও C এর কাছ থেকে চুরিকৃত মালামাল উদ্ধার ইত্যাদি। এরকম অতিরিক্ত প্রমাণের ভিত্তিতেই A এর স্বীকারোক্তিকে সমর্থন করে B ও C এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব।
১,০৮৪.
ধারা ৪৮-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, "সাধারণ প্রথা বা অধিকার" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অধিকারের বিষয়
  2. শুধুমাত্র ঐতিহাসিক অধিকার
  3. শুধুমাত্র আদালতের দ্বারা স্বীকৃত অধিকার
  4. যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ-
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration-
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
১,০৮৫.
একটি দলিলে কিছু ফাঁকা ঘর বা শূন্যস্থান (blanks) রয়েছে। এই ফাঁকা স্থানগুলো কীভাবে পূরণ করার উদ্দেশ্যে ছিল, তা বোঝার জন্য-
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য দেওয়া যাবে
  2. লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে শুধু
  3. দলিলের পক্ষের মৌখিকভাবে সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে
  4. কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না
ব্যাখ্যা

Evidence Act, 1872 এর ধারা ৯৩-অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ দলিলের অর্থ ব্যাখ্যা বা সংশোধনের জন্য সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়:
যখন কোনো দলিলের ভাষা নিজেই অস্পষ্ট (ambiguous) বা ত্রুটিপূর্ণ (defective) হয়, তখন এমন কোনো তথ্যের সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না, যা সেই অস্পষ্টতার অর্থ স্পষ্ট করে বা ত্রুটি পূরণ করে দিতে পারে।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A লিখিতভাবে সম্মত হয়েছে যে, সে একটি ঘোড়া বিক্রি করবে B-কে, মূল্য ১০০০ টাকা বা ১৫০০ টাকা।
→ এখানে দলিলের ভাষাই অস্পষ্ট (দুটি দাম উল্লেখ আছে)। তাই কোন দামে ঘোড়া বিক্রি হবে তা প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।

(খ) একটি দলিলে কিছু ফাঁকা ঘর বা শূন্যস্থান (blanks) রয়েছে। 
→ এই ফাঁকা স্থানগুলো কীভাবে পূরণ করার উদ্দেশ্যে ছিল, তা বোঝানোর জন্য কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।

১,০৮৬.
সাক্ষ্য আইনকে কী ধরনের আইন বলা হয়?
  1. Civil Law
  2. Criminal Law
  3. Substantive Law
  4. Procedural Law
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law), যাকে Adjective Law বলেও উল্লেখ করা হয়।
- Procedural Law হলো সেই আইন যা আদালতে মামলা পরিচালনার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।
- এটি বলে দেয় কোন তথ্য, কিভাবে ও কখন আদালতে উপস্থাপন করা যাবে, এবং কীভাবে বিচারক বা আদালত সেই তথ্য গ্রহণ ও বিচার করবেন।

→ সাক্ষ্য আইন কোন অধিকার সৃষ্টি করে না, বরং
- আদালতে সত্য প্রমাণ করার নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
- এটি বলে দেয় প্রমাণ কীভাবে উপস্থাপন করতে হবে, কোন সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য, এবং কোনটি অগ্রহণযোগ্য।
- তাই, এটি মূল অধিকারের (Substantive Rights) প্রয়োগে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

অন্যদিকে,
→ Substantive Law (সাবস্ট্যানটিভ আইন) হলো সেই আইন যা ব্যক্তির অধিকার ও দায়িত্ব নির্ধারণ করে, যেমন—দণ্ডবিধি (Penal Code), চুক্তি আইন ইত্যাদি।
- কিন্তু সাক্ষ্য আইন কোনো অধিকার সৃষ্টি করে না, শুধু সত্য উদঘাটনের পথ দেখায়।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইন = Procedural Law, কারণ এটি কেবল আইনি প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণের নিয়ম নির্ধারণ করে, নতুন কোনো অধিকার সৃষ্টি করে না।
১,০৮৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় 'Plea of Alibi' কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ২৪
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে।
 ⇒ নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১,০৮৮.
সাক্ষ্য আইনের ২৪ ও ২৮ ধারায় বর্ণিত বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে
  3. দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে
  4. উপরের কোনোটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ২৪ ও ২৮ ধারা মূলত ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এগুলো স্বীকারোক্তির গ্রহণযোগ্যতা সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করে, যা সাধারণত অপরাধমূলক কার্যকলাপের স্বীকারোক্তি সংক্রান্ত।

সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা:
এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো স্বীকারোক্তি প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হয় এবং তা যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা (পুলিশ বা বিচারক) দ্বারা প্রভাবিত হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

মূল পয়েন্ট:
- যদি আসামি ভয় পান যে স্বীকারোক্তি দিলে ক্ষতি হবে বা না দিলে সুবিধা পাবে, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
- শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য, কারণ দেওয়ানি মামলায় সাধারণত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দণ্ড দেওয়া হয় না।

সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারা:
এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো স্বীকারোক্তি প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির ফলে দেওয়া হয় এবং পরে তা স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়, তবে আদালত তা গ্রহণ করতে পারে।

মূল পয়েন্ট:
- যদি কোনো ব্যক্তি প্রথমে ভয় বা প্রতিশ্রুতির কারণে স্বীকারোক্তি দেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
- কিন্তু পরে যদি তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বীকারোক্তি দেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
- এটি শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার জন্য প্রযোজ্য, কারণ দেওয়ানি মামলায় সাধারণত অপরাধমূলক স্বীকারোক্তির প্রশ্ন আসে না।
১,০৮৯.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার কয়টি পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়-
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।
 
Section 155⇒ Impeaching credit of witness:
The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;
 
Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
১,০৯০.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তুর সম্পর্কে মৌখিক স্বীকারোক্তি কখন সাক্ষ্য আইনে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য হয়?
  1. যখন আদালত তা লিখিত আকারে চায়
  2. যখন উক্ত ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা বিতর্কিত হয়
  3. যখন স্বীকারোক্তি প্রত্যক্ষদর্শীর কাছ থেকে আসে
  4. যখন মৌখিক স্বীকারোক্তি কোনো পুলিশ অফিসার গ্রহণ করেন
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা বিতর্কিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা বিতর্কিত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক(Section 22A) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question."
অর্থাৎ, সাধারণভাবে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। তবে, যদি সেই ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা নিয়ে আদালতে প্রশ্ন ওঠে বা তা বিতর্কিত হয়, তখন সেই মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক বা গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২২ক অনুযায়ী,

"Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question."
অর্থাৎ, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু নিয়ে মৌখিক স্বীকারোক্তি সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়, যতক্ষণ না সেই রেকর্ডের সত্যতা বা প্রামাণ্যতা চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।
১,০৯১.
কখন আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করা যাবে না?
  1. জেরা-এর সময়
  2. জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দীর সময়
  3. লিখিত সাক্ষ্যগ্রহণের সময়
  4. উল্লিখিত যেকোনো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দীর সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দীর সময়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা- ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) :
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।

১,০৯২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাটি ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞা প্রদান করে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act (Amendment), 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে।

ধারা ৩: The Evidence Act (Amendment), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
১,০৯৩.
নিম্নে সাক্ষ্য গ্রহণের কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. জেরা, জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি
  2. জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি, জেরা
  3. জেরা, পুনঃজবানবন্দি, জবানবন্দি
  4. জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ মতে- প্রথমে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হবে। তারপর (বিরুদ্ধপক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করবে, তারপর (সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করাতে পারবে। সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে হতে হবে। কিন্তু সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে সকল বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, কেবল সেই সকল বিষয়েই জেরা করা চলবে, এমন নয়। জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দীতে সেইগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে, পুনঃজবানবন্দী গ্রহণের সময় যদি আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন নতুন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে বিরুদ্ধপক্ষ সেই সকল বিষয়ে আরও জেরা করতে পারবে।
♦অর্থাৎ সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে ক্রমটি হল জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি।
১,০৯৪.
সাক্ষ্য আইনে সাক্ষ্য গ্রহণের কয়টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৬ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা
♦তিনটি ক্রম হলো জবানবন্দি, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি।
১,০৯৫.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত কখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না?
  1. জেরায়
  2. পুনঃজবানবন্দীকালে
  3. পুনঃজেরাকালে
  4. পূর্বে প্রমাণিত বিষয়ে জবানবন্দীতে
সঠিক উত্তর:
পুনঃজবানবন্দীকালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনঃজবানবন্দীকালে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না: বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।
যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে: জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
-------------
Section 141. Leading questions:

- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
Section 142.When they must not be asked:
- Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
- The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
Section 143. When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.
১,০৯৬.
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, কোন ধরনের মামলায় সাধারণত চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ফৌজদারি যেকোনো মামলায়
  2. দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মামলায়
  3. চরিত্র সম্পর্কিত ফৌজদারি মামলায়
  4. দেওয়ানি কোনো মামলায়
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মামলায়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৫: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রাসঙ্গিকতা:
দেওয়ানি মামলায়, কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন হতে পারে যা তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে, এবং এ সংক্রান্ত বিষয়টি প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা: ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫-এ "চরিত্র" বলতে খ্যাতি (reputation) ও স্বভাব (disposition) উভয়কেই বোঝায়। তবে, ৫৪ ধারায় নির্দিষ্ট যে ব্যতিক্রম রয়েছে তা ছাড়া, শুধুমাত্র সাধারণ খ্যাতি ও সাধারণ স্বভাব সম্পর্কিত সাক্ষ্য দেওয়া যাবে, বিশেষ কোনো কার্য বা আচরণের মাধ্যমে প্রমাণিত খ্যাতি বা স্বভাবের সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।

১,০৯৭.
নিচের কোন শব্দটি সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় ব্যবহৃত হয়নি?
  1. Re-examination
  2. Examination in Chief
  3. Cross Examination
  4. Re-cross examination
সঠিক উত্তর:
Re-cross examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Re-cross examination
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

Section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.
১,০৯৮.
The Evidence Act 1872 এর কত ধারা মতে অশালীন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন করা যায় না?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৫০ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৫১ ধারার বিধান মতে সাক্ষীকে অশালীন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন করা যায় না। তবে নিম্ন লিখিত ক্ষেত্রে অশালীন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন করা যায়- প্রশ্নটি সরাসরি বিচার্য্য বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত, প্রশ্নটি এমন বিষয়ের সাথে জড়িত যা বিচার্য্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারনের জন্য জানা প্রয়োজনীয়।
১,০৯৯.
একটি সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে সোহেল ব্যবহার করছেন। হঠাৎ একদিন রফিক দাবি করলেন যে, এই সম্পত্তি তার বাবার নামে ছিল এবং সোহেল অবৈধভাবে এটি দখল করেছেন। এই পরিস্থিতিতে—
  1. রফিককে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
  2. সোহেলকে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
  3. আদালত তদন্ত করে মালিক নির্ধারণ করবে
  4. উভয় পক্ষকেই সমানভাবে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
রফিককে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিককে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো ব্যক্তি যদি কোনো সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া হয় যে সে-ই মালিক, যদি না অন্য কেউ প্রমাণ করতে পারে যে দখলকারী প্রকৃত মালিক নয়। সুতরাং, যেহেতু রফিক দাবি করছেন যে সম্পত্তিটি তার বাবার ছিল, তাই মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব রফিকের উপর বর্তাবে।

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:

যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।

Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
১,১০০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা আদায়কৃত স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ২৩
  2. ধারা ২৪
  3. ধারা ২৫
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, যদি কোনো স্বীকারোক্তি প্রলোভন, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আদায় করা হয় এবং যদি আদালত মনে করে যে, এই প্রভাবের কারণে স্বীকারোক্তিটি দেওয়া হয়েছে, তবে তা অগ্রহণযোগ্য ও অপ্রাসঙ্গিক বিবেচিত হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, যদি কোনো আসামী প্রলোভন (inducement), ভয়ভীতি (threat) বা প্রতিশ্রুতি (promise) দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি দেয় এবং আদালতের মতে সেই প্রভাব এমন যে আসামী যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করতে পারে যে, স্বীকারোক্তি দিলে সে লাভবান হবে বা ক্ষতি এড়াতে পারবে, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য এবং ফৌজদারি কার্যধারায় প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872-এর ধারা ২৪ প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি কখন ফৌজদারি মামলায় অপ্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো আসামী ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত স্বীকারোক্তির প্রমাণ থেকে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, তা কোনো প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে, যা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত এবং কোনো ক্ষমতাবান ব্যক্তির পক্ষ থেকে এসেছে, এবং তা আদালতের মতে এমন পর্যায়ের যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তা থেকে যুক্তিসঙ্গতভাবে ধারণা করতে পারে যে, এই স্বীকারোক্তি প্রদান করলে সে কোনো পার্থিব (অর্থাৎ, জাগতিক বা বাস্তব) লাভ পাবে বা কোনো ক্ষতি এড়াতে পারবে, তাহলে ঐ স্বীকারোক্তি ফৌজদারি মামলায় গ্রহণযোগ্য বা প্রাসঙ্গিক হবে না।

⇒ The Evidence Act, 1872 section 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding:A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.