বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Evidence Act, 1872

মোট প্রশ্ন১,৬৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Evidence Act, 1872

PrepBank · পাতা ১২ / ১৭ · ১,১০১১,২০০ / ১,৬৬৪

১,১০১.
'No particular number of witness shall in any case be required for the proof of any fact' বাক্যটি The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৩২ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ Number of witnesses:
Section 134. No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।

⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
১,১০২.
সাক্ষ্য আইনের সর্বশেষ সংশোধনীতে ১৫৫ ধারার কোন বিষয়বস্তুটি বাতিল করা হয়েছে?
  1. চরিত্র সম্পর্কিত কোনো সাক্ষ্য দেবার বিধান
  2. দেওয়ানি মোকদ্দমায় চরিত্রের অপ্রাসঙ্গিকতার বিধান
  3. ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর দুশ্চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
  4. ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর সত্যবাদিতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর দুশ্চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর দুশ্চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
ব্যাখ্যা
​সাক্ষ্য আইনের সর্বশেষ সংশোধনীতে ১৫৫ ধারার (৪) উপধারা বাতিল করা হয়েছে। এই উপধারায় বলা ছিল যে, ধর্ষণ বা শ্লীলতাহানির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগকারী নারীর চরিত্র সম্পর্কে প্রশ্ন করা যেতে পারে। এই বিধানটি বাতিলের ফলে ধর্ষণ মামলায় অভিযোগকারিণীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা আইনত নিষিদ্ধ হয়েছে, যা নারীর মর্যাদার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৫: সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা:

একজন সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিম্নলিখিত উপায়ে বিরোধী পক্ষ বা, আদালতের অনুমতি নিয়ে, যে পক্ষ তাকে আহ্বান করেছে, দ্বারা নষ্ট (Impeach) করা যেতে পারে:
(১) এমন লোকদের সাক্ষ্য দ্বারা যারা সাক্ষীকে জানেন এবং বিশ্বাস করেন যে সে বিশ্বাসযোগ্য নয়।
(২) প্রমাণের মাধ্যমে যে, সাক্ষী ঘুষ গ্রহণ করেছে, অথবা ঘুষ গ্রহণের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, অথবা তার সাক্ষ্য প্রদান করার জন্য অন্য কোনো দুর্নীতিপূর্ণ প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।
(৩) প্রমাণের মাধ্যমে যে, সাক্ষী পূর্বে এমন কোনো বক্তব্য দিয়েছে যা তার বর্তমান সাক্ষ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং যা তার সাক্ষ্যকে খণ্ডিত করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যা - যে সাক্ষী অন্য একজন সাক্ষীকে বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে ঘোষণা করবে, তাকে তার প্রধান জবানবন্দির সময় তার বিশ্বাসের কারণ উল্লেখ করতে হবে না। তবে, তাকে ক্রস-এক্সামিনেশনে তার কারণগুলো প্রশ্ন করা যেতে পারে, এবং তার দেওয়া উত্তরগুলো খণ্ডন করা যাবে না, যদিও যদি তারা মিথ্যা হয়, তাহলে পরে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দায়ী করা যেতে পারে।
১,১০৩.
‘ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী আদালত প্রদত্ত নিম্নের কোন রায়টি প্রাসঙ্গিক?
  1. ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় খালাস পেয়েছে
  2. ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  3. ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  4. ক' অন্য একটি চুরি মামলায় খালাস পেয়েছে
সঠিক উত্তর:
ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
♦ সাধারণভাবে অভিযোগের সারমর্মকে চার্জ বলে। চার্জ হচ্ছে একটি লিখিত বিবরণ যাতে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক কৃত অপরাধের সময়, স্থান, প্রকৃতি এবং যে ব্যক্তি বা বস্তুর বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে তার বর্ণনা ও আইনের যে ধারার অধীনে আসামীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে তার উল্লেখ থাকে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির২২১(৭) ধারামতে পরবর্তী অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধির জন্য চার্জে পূর্ববর্তী দন্ডের ঘটনা, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২২১(৭) ধারা অনুযায়ী আসামী পূর্বে একই ধরনের কোন অপরাধে দন্ডপ্রাপ্ত হলে চার্জে তা উল্লেখ করতে হবে। পুর্বেও যেহেতু চুরির অপরাধে দন্ডিত হয়েছিল তাই উহা বর্তমানের চার্জ গঠনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক।
১,১০৪.
সাক্ষীকে Hostile ঘোষণা করার ক্ষমতা কার?
  1. পুলিশের
  2. সাক্ষী আহবানকারী পক্ষের
  3. অভিযুক্ত পক্ষের
  4. আদালতের
সঠিক উত্তর:
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আদালত।

 বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী যাকে কোনো পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপস্থাপন করে, কিন্তু সে যদি নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে বা প্রতিপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে গণ্য করা হয়।

কখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়?
১) যখন সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়।
২) যখন সাক্ষী প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে।
৩) যখন সাক্ষী তার আগের দেওয়া বক্তব্য থেকে সরে আসে বা বিপরীত কথা বলে।

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে যদি সাক্ষী বৈরী হয়ে যায়। সাধারণত, জেরা করার অধিকার প্রতিপক্ষের থাকে, তবে যদি আদালত মনে করে যে একজন সাক্ষী ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীতমুখী বক্তব্য দিচ্ছে, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষও তাকে জেরা করতে পারে।

১,১০৫.
আদালত কখন ভিক্টিমের অনৈতিক চরিত্র ও পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে প্রশ্ন করার অনুমতি প্রদান করবে?
  1. ন্যায়বিচারের স্বার্থে
  2. অভিযুক্তের আবেদনক্রমে
  3. প্রতিপক্ষ আইনজীবির আবেদনক্রমে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারের স্বার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারের স্বার্থে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৬(৩) এ বলা হয়েছে-
ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না: আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।

এখানে বলা হয়েছে,
সাক্ষীর চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে জেরায় ভিক্টিমের অনৈতিক চরিত্র ও পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে প্রশ্ন করা যাবে না। তবে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালতের অনুমতি নিয়ে করা যাবে।
১,১০৬.
বিচারিক দোষ স্বীকার [Judicial Confession] অর্থ হলো-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  2. অভিযোগকারীর নিকট দোষ স্বীকার
  3. তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার: কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-

i) Inculpatory Confessional Statement; ও

ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ আসামি নিজেকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Inculpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ আর আসামী নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বীকারোক্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথা-

i) বিচারিক (Judicial) স্বীকারোক্তি;

ii) বিচার বহির্ভূত (Extra-judicial) স্বীকারোক্তি; ও

iii) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।

⇒ আসামী তার দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি যদি কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করে, তবে তাকে বলা হয় বিচারিক স্বীকারোক্তি।

⇒ আর তা যদি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রদান করা হয়, তবে তাকে বলা হয় বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি।

⇒ এছাড়া দেখা যায়, আসামী প্রথমে বিচারিক বা বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি করার পর পরবর্তীতে তার ঐ পূর্বের স্বীকারোক্তি আদালতে অস্বীকার করছে। এটাকে বলা হয় প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।
১,১০৭.
কোন স্বাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে-
  1. তার মর্যাদা পরীক্ষা
  2. তার ব্যক্তিত্বের ধরার পরীক্ষা
  3. ভিন্ন দাবী প্রতিষ্ঠা করা
  4. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
ব্যাখ্যা
⇒ জেরার সংজ্ঞা (Cross- Examination)- আহবানকারী পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে তাকে বলা হয় জেরা। অন্যভাবে বলা যায়, কোন সাক্ষী যে পক্ষের সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসে, সে পক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের পর বিপরীত পক্ষ যে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাই জেরা বা Cross- Examination হিসেবে পরিচিত।
সাক্ষ্য আইনের ১৩৯, ১৪০, ১৪৩, ১৪৫, ১৪৬ ও ১৪৭ ধারায় জেরার বিধান রয়েছে।

সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে নিম্নলিখিত উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
i) আসামীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদ্ঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা;
ii) বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা;
iii) সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা; এবং
iv) সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খন্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়।
v) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দ্যেশ্যে।
১,১০৮.
দলিল যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে তার কাছেই যদি মূল দলিলটি থাকে এবং নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও তা সে দাখিল না করে, সেক্ষেত্রে কোনো দলিল প্রমাণের পদ্ধতি কী?
  1.  প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  3. দলিল অফিসের রেজিস্ট্রার পরীক্ষা দ্বারা
  4. দলিল প্রমাণ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ৬৫ - যে সমস্ত ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:

(ক) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, মূল দলিলটি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে, অথবা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা এখতিয়ারের বাইরে কোন ব্যক্তির দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে বলে যদি দেখানো হয় বা প্রতীয়মান হয়, অথবা যদি এমন ব্যক্তির দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে তা থাকে, যে ব্যক্তি তা হাজির করতে আইনত বাধ্য, কিন্তু ৬৬ ধারায় উল্লেখিত নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও সে ব্যক্তি যদি তা হাজির না করে।

(খ) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা হবে, সে ব্যক্তি বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে স্বীকার করেছে বলে যখন প্রমাণ করা হয়।

(গ) মূল দলিল যেক্ষেত্রে বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে, অথবা যেক্ষেত্রে মূল দলিলে বিষয়বস্তু সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তি তার নিজের ত্রুটি বা অবহেলা ছাড়া অপর কোন কারণে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে তা হাজির করতে পারে না।

(ঘ) মূল দলিলটির প্রকৃতি যেক্ষেত্রে এরূপ যে সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।

(ঙ) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারায় বর্ণিত সর্বসাধারণের দলিলের আওতাভুক্ত।

(চ) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, এ আইন বা বাংলাদেশে কার্যকরী অন্য কোন আইনে তার জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করার বিধান আছে।

(ছ) কোন মূল দলিলে যখন অপরাপর এমন বহু সংখ্যক দলিলের বিবরণ থাকে যেগুলি আদালতের পরীক্ষা করে দেখা সুবিধাজনক নয়, এবং যে ঘটনা প্রমাণ করতে হবে, তা ঐ সকল দলিলের সাধারণ ফলস্বরূপ।

উপরোক্ত (ক), (গ) ও (ঘ) উদাহরণের ক্ষেত্রে দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে যে কোন মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে।
উপরোক্ত (খ) উদাহরণের ক্ষেত্রে উল্লিখিত স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হবে।
(ঙ) অথবা (চ) উদাহরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দলিলের জাবেদা নকল মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, কিন্তু অন্য কোন মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
(ছ) উদাহরণের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দলিলগুলি পরীক্ষা করে দেখেছে এবং অনুরূপ দলিল পরীক্ষা করে দেখার ব্যাপারে যে পারদর্শী, দলিলগুলির সাধারণ ফল সম্পর্কে তার দ্বারা সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে।
১,১০৯.
সাক্ষ্য আইন এর ধারা ৮৪ অনুযায়ী, কোন ধরনের গ্রন্থ বা গেজেট সম্পর্কে আদালত অবশ্যই অনুমান করবে?
  1. যে গ্রন্থে বিদেশি আইনের আলোচনা করা হয়েছে
  2. যে গ্রন্থে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে
  3. যে গ্রন্থে শুধু ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করা হয়েছে
  4. যে গ্রন্থে কেবল ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে গ্রন্থে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে গ্রন্থে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ৮৪- আইন ও আদালতের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট সংকলন সম্পর্কে অনুমান:
কোন দেশের সরকারের কর্তৃত্বাধীনে যে গ্রন্থ মুদ্রিত বা প্রকাশিত এবং যাতে সে দেশের কোন আইন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে বুঝতে দেওয়া হয় এরূপ প্রত্যেকটি পুস্তকের বা গেজেটের যথার্থ ও আদালত অবশ্যই অনুমান করবেন এবং সংশ্লিষ্ট দেশের আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের বিবরণ যে পুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে বুঝতে দেওয়া হয় তার যথার্থতাও আদালত অবশ্যই অনুমান করবেন।

[The Court shall presume the genuineness of every book or Gazette purporting to be printed or published under the authority of the Government of any country, and to contain any of the laws of that country, and of every book or Gazette purporting to contain reports of decisions of the Courts of such country.]
১,১১০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা ডিজিটাল স্বাক্ষর (Digital Signature) এর সত্যতা যাচাইয়ের বিধান করে?
  1. ধারা ৭২ক 
  2. ধারা ৭৩ক 
  3. ধারা ৭৪ক 
  4. ধারা ৭৬ক 
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৩ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৩ক 
ব্যাখ্যা

⇒ The Evidence Act, 1872-এর ৭৩এ (Section 73A) ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ের বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালত নির্ধারণ করতে পারে কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে কি না। এর জন্য আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, কন্ট্রোলার বা সার্টিফাইং অথরিটিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে অথবা পাবলিক কি (Public Key) প্রয়োগ করে যাচাই করতে পারে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872- section-73A. Proof as to verification of digital signature:
- In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).]

১,১১১.
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে এটি প্রমাণ করার জন্য 'ক' তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে-
  1. খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক নয়
  2. খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক
  3. কিন্তু প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারার বিধান হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ অথবা ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয় যখন প্রাসঙ্গিক - সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা বা ডিজিটাল রেকর্ড রাখা হয় , উক্ত খাতায় লিখিত বা ডিজিটাল রেকর্ড কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ অথবা ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

⇒  যেমন- ক ১০০০ টাকার দাবিতে খ এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। খ এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে তবে খ এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারামতে ব্যবসার স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিতভাবে কোন হিসাবের খাতা বা ডিজিটাল রেকর্ড রাখা হয় এবং তাতে যদি এমন কিছু থাকে যে বিষয়ে আদালত বিচার্য বিষয় হিসেবে অনুসন্ধান করে তাহলে তা প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। কিন্তু এরূপ বিবৃতি কোন ব্যক্তির উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।
১,১১২.
সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় নিম্নলিখিত কোন নীতিটি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. Principal of Res gestae
  2. Doctrine of Alibi
  3. Doctrine of Estoppel
  4. Dying Declaration
সঠিক উত্তর:
Principal of Res gestae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Principal of Res gestae
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় Principal of Res gestae নীতিটি আলোচনা করা হয়েছে।

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৬,যে সকল ঘটনা একই কার্যের অংশ সেইগুলির প্রাসঙ্গিকতা: যে ঘটনা বিচার্য নয়, তাহা যদি কোনো
বিচার্য ঘটনার সহিত এরূপভাবে সংশ্লিষ্ট হয় যে, উহারা একই কার্যের অংশরূপে বিবেচিত হইতে পারে [as to form part of the same transaction), তবে উক্ত ঘটনা দুইটি একই সময়ে ও একই স্থানে সংঘটিত হইয়া থাকুক, কিংবা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ও স্থানে সংঘটিত হইয়া থাকুক, প্রথমোক্ত ঘটনা প্রাসঙ্গিক।
উদাহরণসমূহ:
(ক) খ-কে পিটাইয়া হত্যা করিবার অপরাধে ক অভিযুক্ত হইয়াছে। পিটাইবার সময় কিংবা পিটাইবার অব্যবহিত পূর্বে বা পরে ক, খ কিংবা ঘটনাস্থলে অপেক্ষমান লোকেরা [the by-standers at the beating) যাহাই করিয়া থাকুক বা বলিয়া থাকুক, সেইগুলিকে যদি উক্ত পিটাইবার ঘটনার সহিত একই কার্যের অংশরূপে বিবেচনা করা যায়, তাহা হইলে সেইগুলি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
(খ) ক- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হইবার অপরাধে অভিযুক্ত হইয়াছে। সে একটি সশস্ত্র গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে। উক্ত অভ্যুত্থানে সম্পত্তি ধ্বংস হয়, সৈন্যবাহিনী আক্রান্ত হয় এবং জেলখানা ভাঙ্গা হয়। ক উক্ত ঘটনাগুলির সবগুলিতে উপস্থিত না থাকিলেও একটি সাধারণ কার্যের অংশ হিসেবে সকল ঘটনাই প্রাসঙ্গিক।
-------------------------
The Evidence Act 1872, Section 6,Relevancy of facts forming part of same transaction: Facts which, though not in issue, are so connected with a fact in issue as to form part of the same transaction, are relevant, whether they occurred at the same time and place or at different times and places.
Illustrations:
(a) A is accused of the murder of B by beating him. Whatever was said or done by A or B or the by-standers at the beating, or so shortly before or after it as to form part of the transaction, is a relevant fact.
(b) A is accused of waging war against Bangladesh by taking part in an armed insurrection in which property is destroyed, troops are attacked, and goals are broken open. The occurrence of these facts is relevant, as forming part of the general transaction, though A may not have been present at all of them.

১,১১৩.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৩ মতে, 'দলিল' বা 'Document' বলতে কী বোঝায়?
  1. লিখিত কোন বিষয়
  2. ধাতু খন্ডে খোদাইকৃত বিষয়
  3. মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত বিষয়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৩ অনুযায়ী, 'দলিল' বা 'Document' বলতে লিখিত কোন বিষয়, ধাতু খন্ডে খোদাইকৃত বিষয়, এবং মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত বিষয় সবগুলোই বোঝায়। সুতরাং, এই সবগুলোই দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী-
- যে কোন লিখনই দলিল বলে গণ্য হয়;
- মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত যে কোন কথাও দলিল বলে গণ্য হবে (Words printed, lithographed or photographed are documents);
- কোন মানচিত্র বা নকশা, কোন ধাতু খন্ড বা প্রস্তর খন্ডের উপর খোদাইকৃত কোন বিষয় অথবা কোন ব্যঙ্গচিত্র (caricature) দলিল বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ অপশনে উল্লিখিত সবগুলো দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Evidence Act,1872 এর ধারা ৩ মতে-
'দলিল বা Document' বলতে কোন পদার্থের উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের (letters, figures or marks) সাহায্যে প্রকাশিত বা বর্ণিত কোন বিষয়কে বোঝায়।
"Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter.
১,১১৪.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে বোবা সাক্ষীর ইশারা বা লেখা কোথায় দিতে হবে?
  1. বন্ধ কক্ষে
  2. পুলিশ স্টেশনে
  3. প্রকাশ্য আদালতে
  4. বিচারকের খাস কামরায়
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১৯ অনুসারে, যদি কোনো সাক্ষী কথা বলতে না পারেন (যেমন বোবা ব্যক্তি), তিনি তার সাক্ষ্য লিখে বা ইশারার মাধ্যমে দিতে পারেন।
→ তবে: এই লেখা বা ইশারা অবশ্যই “প্রকাশ্য আদালতে” (Open Court) হতে হবে।
- কারণ এতে আদালত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো তাঁর বক্তব্য যাচাই ও পর্যবেক্ষণ করতে পারে, যা ন্যায়বিচারের মৌলিক শর্ত।
- বোবা সাক্ষীর সাক্ষ্য—লেখা বা ইশারা যাই হোক না কেন, তা প্রকাশ্য আদালতে প্রদর্শিত হতে হবে, যাতে তা সঠিকভাবে বিচার ও মূল্যায়ন করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

১,১১৫.
'সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনকালে অশ্লীল বা কুৎসাজনক প্রশ্ন করিতে আদালত নিষেধ করিতে পারে' এই কথা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ১৫১ ধারায়
  2. ১৫২ ধারায়
  3. ১৫৪ ধারায়
  4. ১৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্নঃ-যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন, প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।

-----------------
⇒ Section-151. Indecent and scandalous questions: The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
১,১১৬.
'Feeding the grant by estoppel' নীতিটি the Evidence Act, 1872 এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ১১৪
  2. ১১৫
  3. ১১৮
  4. ১১৭
সঠিক উত্তর:
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-১১৫: স্বকার্যজনিত বাধা বা প্রতিবন্ধক (Estoppel) - সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

♦আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

♦ কোন আইনের বিধান বা আইন বলে পাওয়া অধিকারকে Estoppel নীতি প্রভাবিত করে না।


এছাড়া সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারার এ নীতিটি Transfer of Property Act এর ৪৩ ধারায় Feeding the grant by estoppel হিসেবে রয়েছে।
১,১১৭.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী একজন শিশু সাক্ষীর যোগ্যতা নির্ভর করে তার-
  1. লিঙ্গের উপর
  2. ধর্মের উপর
  3. বোধশক্তির উপর
  4. বয়সের উপর
সঠিক উত্তর:
বোধশক্তির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোধশক্তির উপর
ব্যাখ্যা
⇒ কে সাক্ষ্য দিতে পারে (Who may testify)- আদালতের বিচার কার্যক্রমে কারা সাক্ষ্য দিতে পারবে সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।

⇒ সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না; তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা।

⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী একজন শিশু সাক্ষীর যোগ্যতা নির্ভর করে তার বোধশক্তির উপর।
১,১১৮.
'ক' এবং তার তিন বন্ধু মিলে 'গ' কে গুরুতর জখম করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় 'গ' মারা যায়। মৃত্যুর পূর্বে 'গ' তার মৃত্যুর কারণ হিসাবে 'ক' কে দায়ী করে পুলিশের নিকট বিবৃতি দেয়। 'গ' এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা সম্পর্কে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. ' গ' এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা ৩২ ধারা অনুযায়ী সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণা পুলিশের নিকট দিলেও তা ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক
  3. 'গ' যেহেতু পুলিশের নিকট মৃত্যুকালীন ঘোষণা দিয়েছে তাই তা অপ্রাসঙ্গিক ।
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী- যদিও মৃত্যুর পূর্বে 'গ' তার মৃত্যুর কারণ হিসাবে 'ক' কে দায়ী করে পুলিশের নিকট বিবৃতি দেয়। 'গ' এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য।
১,১১৯.
সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান মতে সকল দেওয়ানী কার্যক্রমে কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে-
  1. সাক্ষী সংশ্লিষ্ট
  2. যোগ্য সাক্ষী
  3. অযোগ্য সাক্ষী
  4. অতিরিক্ত সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
- সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।
-----------------------------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section 120: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
 In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
১,১২০.
আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী সাক্ষীকে জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করছেন। এই পরিস্থিতিতে এটি-
  1. অবৈধ, কারণ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায় না।
  2. শুধুমাত্র বিচারকের অনুমতি থাকলে বৈধ।
  3. বৈধ, কারণ জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।
  4. সাক্ষী ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের উত্তর না দিলে প্রশ্ন বাতিল হয়ে যাবে।
সঠিক উত্তর:
বৈধ, কারণ জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ, কারণ জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।
ব্যাখ্যা
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তাহার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয় ৷ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান মতে, বিরুদ্ধপক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দি ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না। যে-সকল বিষয় ভুমিকামূলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হইয়াছে বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই সকল বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করিবার অনুমতি আদালত অবশ্যই দিবেন।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৪৩ ধারা অনুযায়ী,
জেরা করার সময় (cross-examination) ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (leading questions) করা বৈধ।

সঠিক উত্তর: (খ) বৈধ, কারণ জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।
১,১২১.
যদি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৫খ-এর শর্ত পূরণ করা হয়, তাইলে কম্পিউটার আউটপুট কী হিসেবে গণ্য হয়?
  1. একটি দলিল হিসেবে
  2. একটি গৌণ সাক্ষ্য হিসেবে
  3. একটি মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে
  4. একটি অপ্রমাণিত তথ্য হিসেবে
সঠিক উত্তর:
একটি দলিল হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি দলিল হিসেবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৫খ(১) অনুসারে:
"কম্পিউটার থেকে প্রাপ্ত ডিজিটাল রেকর্ড (যেমন: প্রিন্টকৃত কপি, ইমেইল, ডিজিটাল ফাইল) একটি দলিল হিসেবে গণ্য হবে, যদি ধারা ৬৫খ-এর শর্তাবলী পূরণ করা হয়।"

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা 65B(1) অনুযায়ী, ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত বিশেষ বিধানে বলা আছে:
"Notwithstanding anything contained in this Act, any information contained in a digital record which is printed on a paper, stored, recorded or copied in optical or magnetic media produced by a computer (hereinafter referred to as the computer output) shall be deemed to be also a document, if the conditions mentioned in this section are satisfied in relation to the information and computer in question and shall be admissible in any proceedings, without further proof or production of the original, as evidence of any contents of the original or of any fact stated therein of which direct evidence would be admissible."
অর্থাৎ, যদি ধারা 65B-এ উল্লেখিত শর্তগুলো (যেমন কম্পিউটারের নিয়মিত ব্যবহার, তথ্যের সঠিকতা ইত্যাদি) পূরণ করা হয়, তবে কম্পিউটার আউটপুট (যেমন কাগজে মুদ্রিত তথ্য, অপটিক্যাল বা ম্যাগনেটিক মিডিয়ায় সংরক্ষিত তথ্য) একটি দলিল (document) হিসেবে গণ্য হবে। এটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে, এবং মূল দলিল উপস্থাপনের প্রয়োজন হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৫খ (Section 65B) অনুযায়ী,
যদি কম্পিউটারের মাধ্যমে উৎপাদিত কোনো ডিজিটাল রেকর্ড বা কম্পিউটার আউটপুট — যেমন: প্রিন্ট কপি, অপটিক্যাল ডিস্ক, বা ম্যাগনেটিক মিডিয়ায় সংরক্ষিত তথ্য — ধারা ৬৫খ-এর শর্তাবলি পূরণ করে, তাহলে তা একটি "দলিল (document)" হিসেবে গণ্য হবে এবং তা:
"মূল দলিল ছাড়াই, আদালতে সাক্ষ্যরূপে গ্রহণযোগ্য হবে।"
এতে প্রমাণের জন্য মূল তথ্য বা দলিল হাজির করার প্রয়োজন নেই — বরং কম্পিউটার আউটপুট-ই প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।
১,১২২.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী দোষ স্বীকার (Confession) কখন গ্রহণযোগ্য হয় না?
  1. যদি তা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়
  2. যদি তা ভয় বা প্রলোভনের কারণে করা হয়
  3. যদি তা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করা হয়
  4. যদি তা পুলিশের সামনে কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে করা হয়
সঠিক উত্তর:
যদি তা ভয় বা প্রলোভনের কারণে করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তা ভয় বা প্রলোভনের কারণে করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারায় দেয়া আছে:
"দোষ স্বীকারোক্তি তখনই গ্রহণযোগ্য হইবে না যখন এইরূপ প্রতীয়মান হইবে যে, ইহা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলক আশ্বাস প্রদান করিয়া আদায় করা হইয়াছে।"
অর্থাৎ, যদি দোষ স্বীকার করানোর জন্য কোনো ভীতি দেখানো হয়, বা মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

অন্যদিকে,
যদি দোষ স্বীকার স্বেচ্ছামূলক এবং ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হয় বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশের নিকট হয়, তাহলে সেগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। তবে প্রমাণিত হলে যে স্বীকারোক্তি ভীতি বা প্রতারণার মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে, তখন তা অগ্রহণযোগ্য হবে।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding:
A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
১,১২৩.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র হতে উদ্ভূত তথ্যের ভিত্তিতে কেউ সাক্ষ্য দিতে চাইলে কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সরকারের
  3. আদালতের
  4. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারার বিধান: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্যঃ-কাউকেও রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রাকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। যে মত উক্ত অফিসার উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, অনুমতি সে মত নিবেন বা দেয়া হতে বিরত থাকবেন।

⇒ অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র (unpublished official records) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কাউকে সাক্ষ্য প্রদানে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে প্রধান কর্মকর্তা অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।
-------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section-123. Evidence as to affairs of State:
-No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
১,১২৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৬ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা
  2. স্বীকৃত ঘটনার প্রমাণ
  3. সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা
  4. পেশাগত বার্তার গোপনীয়তা
সঠিক উত্তর:
পেশাগত বার্তার গোপনীয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেশাগত বার্তার গোপনীয়তা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) পেশাগত বার্তার গোপনীয়তা।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২৬ মূলত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিলের (অ্যাডভোকেট) সঙ্গে তাদের মক্কেলের মধ্যকার পেশাগত যোগাযোগের গোপনীয়তা সংরক্ষণ করে। এই ধারা অনুযায়ী, একজন আইনজীবী তার মক্কেলের কাছ থেকে যে তথ্য বা পরামর্শ পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় পেয়েছেন, তা মক্কেলের সম্মতি ছাড়া আদালতে প্রকাশ করতে পারবেন না। এটি শুধু কথাবার্তা নয়, বরং যেকোনো ডকুমেন্ট বা দলিলের বিষয়বস্তুও গোপন রাখতে হয়। এমনকি এই গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা নিযুক্তি শেষ হওয়ার পরেও অব্যাহত থাকে।
তবে দুটি ব্যতিক্রম আছে:
১. যদি সেই বার্তা অবৈধ উদ্দেশ্যে আদান-প্রদান হয়ে থাকে, অথবা
২. যদি উকিল দেখেন যে নিযুক্তির পরে কোনো অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হয়েছে, তবে তা গোপন রাখার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।
তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না।
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 126 Professional communications:
- No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:
Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.
Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
১,১২৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী দুজন ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য তৃতীয় একজন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫০ ধারার বিধান: আত্মীয়তা সম্পর্কে মতামত যখন প্রাসঙ্গিক (Opinion on relationship, when relevant) : যখন এক ব্যক্তির সাথে অপর এক ব্যক্তির সম্পর্কের ব্যাপারে আদালতকে অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন পরিবারের সদস্য হিসাবে অথবা অন্যভাবে এই ব্যাপারে যার জ্ঞানলাভের বিশেষ সুযোগ আছে উক্ত সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কে তার আচরণের মাধ্যমে যে মতামত ব্যক্ত হয়, তা প্রাসঙ্গিক বিষয়।
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির সাথে অন্য কোন ব্যক্তির আত্মীয়তার সম্পর্কের ব্যাপারে বিশেষ জ্ঞান আছে এমন কোন তৃতীয় ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, তালাক আইনের কোন মামলায় বিবাহ প্রমাণ করার জন্য অথবা দণ্ডবিধির ৪৯৪, ৪৯৫,৪৯৭ বা ৪৯৮ ধারার কোন ফৌজদারি মামলায় এরূপ অভিমত যথেষ্ট বিবেচিত হবে না।

----------
⇒  Opinion on relationship, when relevant:
Section 50. When the Court has to form an opinion as to the relationship of one person to another the opinion, expressed by conduct, as to the existence of such relationship, of any person who, as a member of the family or otherwise, has special means of knowledge on the subject, is a relevant fact: 
 
Provided that such opinion shall not be sufficient to prove a marriage in proceedings under the Divorce Act, or in prosecutions under section 494, 495, 497 or 498 of the Penal Code.
১,১২৬.
'Accomplice' সাক্ষ্য আইনে কী অর্থে ব্যবহার হয়?
  1. দুষ্কর্মের সহযোগী
  2. তদন্তকার্যের সহযোগী
  3. সরল মনে বিশ্বাসকারী
  4. ইচ্ছাকৃত প্রতারণাকারী
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।

Section-133- Accomplice: 

An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
১,১২৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ে Certifying Authority-এর মতামতকে প্রাসঙ্গিক তথ্য বলা হয়েছে?
  1. ৪৫ক
  2. ৪৭ক
  3. ৬৫ক
  4. ৮৫ক
সঠিক উত্তর:
৪৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ক (Section 47A)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, যখন আদালতকে কোনো ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন যে Certifying Authority ঐ ব্যক্তির Digital Signature Certificate জারি করেছে, তার মতামত একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য (relevant fact) বলে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
--------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant.- When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.

১,১২৮.
'ক' একটি জমির দখলে আছে। 'খ' দাবি করে 'ক' উক্ত জমির মালিক না। এখানে 'ক' যে উক্ত জমির মালিক না তা প্রমাণের দাযয়িত্ব-
  1. 'ক' এর উপর
  2. 'খ' এর উপর
  3. দখলকারীর উপর
  4. সরকারী অ্যাডভোকেটের উপর
সঠিক উত্তর:
'খ' এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' এর উপর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:- যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
-----------
Section-110. Burden of proof as to ownership: When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
১,১২৯.
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য দিতে চাইলে প্রথমে কী প্রয়োজন?
  1. পুলিশের অনুমতি
  2. আদালতের অনুমতি
  3. তদন্ত কর্মকর্তার লিখিত আবেদন
  4. পক্ষদ্বয়ের অনুমতি
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান: শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
১,১৩০.
মামলার বিষয়বস্তুতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন ধরনের ব্যক্তির স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক?
  1. মালিকানাধারী ব্যক্তির
  2. আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তির
  3. ক ও খ উভয়ের
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-

ⅰ)) মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি;
ii) প্রতিনিধিত্বমূলক মামলার ক্ষেত্রে মামলার বাদী বা বিবাদীর প্রতিনিধি হিসেবে প্রদত্ত স্বীকৃতি;
iii) মামলার বিষয় বস্তুতে মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য অথবা তাদের নিকট থেকে স্বার্থ প্রাপ্ত ব্যক্তিতে বক্তব্য অর্থাৎ মামলার বিষয়বস্তুতে কোনভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি; অথবা
iv) মামলার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে যার অবস্থান বা দায় রয়েছে তেমন ব্যক্তির স্বীকৃতি বা বক্তব্য।

Section- 18:
Admission -by party to proceeding or his agent-
Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.

by suit or in representative character-
Statements made by parties to suits suing or sued in a representative character, are not admissions, unless they were made while the party making them held that character.

by party interested in subject-matter;Statements made by–
(1) persons who have any proprietary or pecuniary interest in the subject-matter of the proceeding, and who make the statement in their character of persons so interested, or

by person from whom interest derived-
(2) persons from whom the parties to the suit have derived their interest in the subject-matter of the suit, are admissions, if they are made during the continuance of the interest of the persons making the statements.
১,১৩১.
বাংলাদেশে ব্যক্তিগত দলিলের সরকারি রেকর্ড কী হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ব্যক্তিগত দলিল
  2. সরকারি দলিল
  3. অস্থায়ী দলিল
  4. গোপনীয় দলিল
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪(২) অনুসারে, বাংলাদেশে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের সরকারি রেকর্ড (public records of private documents) পাবলিক ডকুমেন্ট (সরকারি দলিল) হিসেবে গণ্য হয়। যদিও মূল দলিলটি ব্যক্তিগত, তবে যখন তা সরকারি রেজিস্টার বা রেকর্ডে সংরক্ষিত হয় (যেমন রেজিস্ট্রি করা দলিল, আদালতের নথিভুক্ত কাগজপত্র ইত্যাদি), তখন সেগুলো পাবলিক ডকুমেন্টের মর্যাদা পায়।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) সরকারি দলিল। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-74. Public documents:
The following documents are public documents:–
(1) documents forming the acts or records of the acts-
(i) of the sovereign authority,
(ii) of official bodies and tribunals, and
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country;
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
১,১৩২.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় নিম্নলিখিত কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. বিবাহের বৈধতা
  2. সন্তানের বৈধতা
  3. বিবাহ বিচ্ছেদের বৈধতা
  4. দত্তক নেয়ার বৈধতা
সঠিক উত্তর:
সন্তানের বৈধতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্তানের বৈধতা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা: সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ-
কোনো ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অবিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।

সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমানের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে বৈধ বিবাহ বলবৎকালে অথবা বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর মাতা অবিবাহিত থাকা অবস্থায় বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে কোন সন্তানের জন্ম হলে তাকে ঐ পিতা-মাতার বৈধ সন্তান হিসেবে চূড়ান্ত প্রমান বলে গন্য করা হয়। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে কোন সন্তান বৈধ বলে অনুমান করা হবে যদি-
i) বিবাহ থাকাকালীন অবস্থায় উক্ত সন্তান জন্ম গ্রহণ করে, অথবা
ii) বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে উক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ করে এবং উক্ত সময়ে সন্তানটির মাতা অবিবাহিত থাকে।
১,১৩৩.
সাক্ষ্য আইনের ________ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের (Impeaching credit of witness) পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
  1. ১৫০
  2. ১৫৫
  3. ১৫৭
  4. ১৫৮
সঠিক উত্তর:
১৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৫
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়-
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।

Section 155⇒ Impeaching credit of witness:
The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;
 
Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
১,১৩৪.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে সন্তান বৈধতার অনুমান হবে-
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. A & B Both
সঠিক উত্তর:
Conclusive proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conclusive proof
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমানের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে বৈধ বিবাহ বলবৎকালে অথবা বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর মাতা অবিবাহিত থাকা অবস্থায় বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে কোন সন্তানের জন্ম হলে তাকে ঐ পিতা-মাতার বৈধ সন্তান হিসেবে চূড়ান্ত প্রমান বলে গন্য করা হয়। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে কোন সন্তান বৈধ বলে অনুমান করা হবে যদি-

i) বিবাহ থাকাকালীন অবস্থায় উক্ত সন্তান জন্ম গ্রহণ করে, অথবা
ii) বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে উক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ করে এবং উক্ত সময়ে সন্তানটির মাতা অবিবাহিত থাকে।

⇒ তবে যদি দেখানো হয় যে উক্ত সন্তান যে সময়ে গর্ভে আসে সে সময় উক্ত স্বামী ও স্ত্রীর একে অন্যের নিকট গমনের সুযোগ ছিলনা, তাহলে সন্তানটি উক্ত মায়ের স্বামীর বৈধ সন্তান বলে গন্য হবে না। অর্থাৎ "Presumption of Paternity" খন্ডনযোগ্য এবং এটি non-access প্রমাণের মাধ্যমে খন্ডন করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা অনুযায়ী সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার ছড়ান্ত প্রমাণঃ কোন ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অভিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।

-----------------
⇒ Birth during marriage conclusive proof of legitimacy:
Section 112. The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.
১,১৩৫.
নিম্নের কোনটি 'Public Document?'
  1. কবলা
  2. আরজি
  3. উইল
  4. কবিতা
সঠিক উত্তর:
আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি
ব্যাখ্যা
• সমগ্র দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document).

• ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং তা সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

• ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)-
সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
১,১৩৬.
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামির প্রদত্ত স্বীকারোক্তি-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. অপ্রাসঙ্গিক হবে
  3. চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে প্রাসঙ্গিক
  4. আংশিক প্রাসঙ্গিক ও আংশিক অপ্রাসঙ্গিক হবে
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৬ ধারামতে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামীর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না (Confession by accused while in custody of police not to be proved against him): পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকাকালে কোন ব্যক্তি দোষ স্বীকার করলে, তা যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেটের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে না হয়, তাহলেতা ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।
অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামির প্রদত্ত স্বীকারোক্তি-অপ্রাসঙ্গিক হবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় 'ম্যাজিস্ট্রেট' বলতে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্য সম্পাদনকারী গ্রামপ্রধানকে বুঝাবে না। তবে গ্রামপ্রধান যদি ১৮৯৮ সালে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন, তবে তাকে বুঝাবে।
-----------
⇒ Section 26: Confession by accused while in custody of police not to be proved against him:
-No confession made by any person whilst he is in the custody of a police-officer, unless it be made in the immediate presence of a Magistrate, shall be proved as against such person.
⇒ Explanation:– In this section "Magistrate" does not include the head of a village discharging magisterial functions unless such headman is a Magistrate exercising the powers of a Magistrate under the Code of Criminal Procedure,1898.
১,১৩৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৩ অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় কোন বিষয়টি প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হয়?
  1. আসামীর পূর্বের খারাপ চরিত্র
  2. আসামীর পূর্বের ভালো চরিত্র
  3. আসামীর পূর্বের দোষী সাব্যস্তি
  4. আসামীর নির্দিষ্ট কাজের বিবরণ
সঠিক উত্তর:
আসামীর পূর্বের ভালো চরিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীর পূর্বের ভালো চরিত্র
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৩ অনুসারে, ফৌজদারি মামলায় আসামীর পূর্বের ভালো চরিত্র প্রাসঙ্গিক হতে পারে। এটি প্রমাণিত হলে তা আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে, আসামীর খারাপ চরিত্র সাধারণত ফৌজদারি মামলায় প্রাসঙ্গিক নয়, যতক্ষণ না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে কোনো সাক্ষ্য প্রদান করা না হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৫৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, ফৌজদারি মামলায় আসামির পূর্বের ভালো চরিত্র একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়। এর কারণ হলো, একজন ব্যক্তির সুনাম (reputation) ও স্বভাবগত প্রবৃত্তি (disposition) তার নির্দোষ হওয়ার সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে। আদালত এটি বিবেচনায় নিতে পারে, বিশেষ করে যখন অপরাধের ধরন এমন যে, কোনো নৈতিক চরিত্রের বিষয়বস্তু রয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872 section- 53. In criminal cases, previous good character relevant:
- In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.

১,১৩৮.
'ক', 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে 'খ'-এর মৃত্যু কে প্রমাণ করবে?
  1. 'ক'
  2. আদালত
  3. 'খ'-এর পরিবারের সদস্য
  4. যেকোনো ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
'ক'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক'
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গ মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

Section 104- Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible:
The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

Illustrations:
(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death. 
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
১,১৩৯.
'Criminal Conspiracy' এবং 'Common Intention' কে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ৭ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১২ ধারায়
  4. ১৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।

ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

Section 10- Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
১,১৪০.
'Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant'. বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৩২
  2. ৩৩
  3. ৩৪
  4. ৩৫
সঠিক উত্তর:
৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুসারে, ৪ শ্রেণীর ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে যথা ১) মৃত ব্যক্তি [Who is dead]; বা ২) খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তি [Who cannot be found]; বা ৩) যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়েছে [Who has become incapable of giving evidence]; বা ৪) অযৌক্তিক বিলম্ব বা বায় ছাড়া যে ব্যক্তিকে হাজির করা যায় না [Whose attendance cannot be procured without unreasonable delay and expense].
১,১৪১.
এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. অপরপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
  2. ঐতিহাসিক সত্য
  3. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  4. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
সঠিক উত্তর:
অপরপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ বা তার প্রতিনিধি শুনানীর সময় কোন বিষয় স্বীকার করলে অপরপক্ষকে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এছাড়াও আইনের মাধ্যমে অনুমানযোগ্য বিষয়সমূহও প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই (৮৬-৯০ ধারা)। উল্লেখ্য উপরোক্ত বিষয়সমূহ প্রমাণ না করলেও আদালত উহা প্রমাণিত হিসাবে ধরে নিবেন।
১,১৪২.
According to Section 139 of the Evidence Act, a person who is summoned only to produce a document:
  1. Automatically becomes a witness
  2. Can be cross-examined even if not called as a witness
  3. Cannot be cross-examined unless called as a witness
  4. Must testify regarding the contents of the document
সঠিক উত্তর:
Cannot be cross-examined unless called as a witness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cannot be cross-examined unless called as a witness
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৯: দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তির জেরা:
কেবলমাত্র দলিল উপস্থাপনের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বয়ং সাক্ষী হয়ে যান না। তিনি তখনই জেরার (cross-examination) সম্মুখীন হতে পারেন, যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়।

[A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.]
১,১৪৩.
কোন ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. বিক্রয় দলিল
  2. ডিজিটাল রেকর্ড
  3. ফরেনসিক সাক্ষ্য
  4. হস্তলিপি বা হাতের লেখা
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ি, নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;
(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;
(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;
(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।

⇒ উল্লেখ্য যে, 'বিক্রয় দলিল' প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত।
১,১৪৪.
রমেশ ও সুমন একসাথে ডাকাতি করেছিল। পরে তাদের আটক করা হয়। বিচারকালীন সময়ে রমেশ আদালতে হাজির হয়ে সুমনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয় এবং বলে যে সুমনই মূল অপরাধী ছিল এবং সে শুধুমাত্র সুমনের সহযোগী ছিল। এক্ষেত্রে রমেশের সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে সুমনকে-
  1. সাজা দেয়া যাবে না
  2. সাজা দিলে অবৈধ হবে
  3. সাজা দিলে বেআইনী হবে না
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
সাজা দিলে বেআইনী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাজা দিলে বেআইনী হবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

এক্ষেত্রে, রমেশকে সুমনের 'দুষ্কর্মের সহযোগী' বলে গণ্য করা যায়। যদিও রমেশই একমাত্র সাক্ষী এবং তার সাক্ষ্য অসমর্থিত, তবুও শুধুমাত্র এই কারণে সুমনের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা বেআইনী হবে না। কারণ আদালত রমেশের সাক্ষ্যকে গুরুত্ব দিয়ে এবং অন্যান্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে সুমনকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে। এক্ষেত্রে শুধু এই কারণে যে রমেশের সাক্ষ্য অসমর্থিত ছিল তা সাজাকে বেআইনী করবে না। অবশ্য এটা আদালতের বিবেচনার বিষয় যে, রমেশের সাক্ষ্যকে কতটুকু গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং অন্যান্য প্রমাণসমূহকে বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
১,১৪৫.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক ধরা হয়েছে?
  1. উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ
  2. অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
  3. যে সব ঘটনা বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ, কারণ বা ফলাফল
  4. যে সব ঘটনা দেহের অবস্থা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, অনুভূতি প্রকাশ করে
সঠিক উত্তর:
অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।

ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

Section 10- Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
১,১৪৬.
সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. স্থানান্তরযোগ্য সম্পত্তি
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২ টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন, বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।
১,১৪৭.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোন ভিত্তিতে একজন শিশুকে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হয়?
  1. শিশুর বয়স
  2. শিশুর বোধশক্তি
  3. শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা
  4. উল্লিখিত সবগুলোর উপর
সঠিক উত্তর:
শিশুর বোধশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুর বোধশক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী শিশুর বোধশক্তির ভিত্তিতে একজন শিশুকে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

⇒ সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়।
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতিবৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসংগত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।
ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসংগত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

উক্ত ধারা অনুযায়ী প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে সক্ষম সকল ব্যক্তি যোগ্য সাক্ষী।
যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 118. Who may testify:
-All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind.
Explanation.–A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
১,১৪৮.
নিচের কোনটি ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড (electronic record) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সফটওয়্যার
  2. ভিডিও
  3. ডিএনএ
  4. অপটিক্যাল
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
ব্যাখ্যা
⇒ দলিল (Document): ব্যবহার হতে পারে অথবা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোন পদার্থের উপর কোন অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের সাহায্যে বর্ণিত কোন বিষয়কে দলিল বলে এবং এটি ডিজিটাল রেকর্ডকেও অন্তর্ভুক্ত করবে।

⇒ ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড (Digital record or electronic record): ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড অর্থ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমোরি, মাইক্রো ফিল্ম, কম্পিউটার দ্বারা উদ্ধৃত মাইক্রোফিস, যা অন্তর্ভুক্ত করে অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের (সিসিটিভি) রেকর্ডসমূহ, ড্রোন উপাত্ত, সেল ফোন দ্বারা রেকর্ডসমূহ, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এ বর্ণিত যেকোনো ডিজিটাল ডিভাইসে উদ্ভূত, প্রস্তুতকৃত, প্রদত্ত, প্রাপ্ত বা মজুদকৃত যেকোন রেকর্ড, উপাত্ত বা তথ্য।

⇒ যে কোন প্রকারের লেখা একটি দলিল। মুদ্রিত, লিথোগ্রাফকৃত অথবা ফটোগ্রাকৃত সকল শব্দই দলিল। কোন মানচিত্র বা নকশা একটি দলিল; কোন ধাতুখণ্ড বা প্রস্তর খণ্ডের কিছু খোদিত থাকলে তা দলিল; একটি ব্যঙ্গচিত্রও দলিল।

⇒  শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য: রক্ত, বীর্য, চুল, সকল দৈহিক উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিএনএ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ; এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরুপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ-
i. প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে; বা
ii. অপরাধ এবং এর ভুক্তভোগীর মধ্যে বা অপরাধ এবং এর অপরাধীর মধ্যেকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে; এবং 
iii. কোন ঘটনা প্রমাণ করে বা মিথ্যা প্রমাণ করে।

⇒ অর্থাৎ চোখের কনীনিকার ছাপ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য যা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড (electronic record) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।
১,১৪৯.
মৃত্যুকালীন ঘোষণার প্রাসঙ্গিকতার আবশ্যকীয় উপাদান কোনটি?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণাটি লিখিত ও যথাযথভাবে সংরক্ষিত হতে হবে
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়া ব্যক্তির বর্ণিত কারণটিই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ হতে হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ধারা ৩২(১) এর অধীন মৃত্যুকালীন ঘোষনা দেয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে। 
- Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

-মৃত্যুকালীন ঘোষণা [Dying Declaration); কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পূর্বে তার  মৃত্যুর কারণ,  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা যে সকল ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা/বিবৃতি প্রদান করে, তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলে। 

-মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
-মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয়ক্ষেত্রেই
-মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
-মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

-মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। 
১,১৫০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৪১
  2. ১৪৯
  3. ১৫১
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫১
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন: যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
------------------------------------
Section 151- Indecent and scandalous questions: The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
১,১৫১.
কোনো বিচার্য ঘটনার উদ্দেশ্য (motive), প্রস্তুতি (preparation) এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (conduct) সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার অধীনে প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।
⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় ৩টি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-(i) অভিপ্রায় (Motive) (ii) প্রস্তুতি (Preparation) (iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct).
⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।
----------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 8. Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
- Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
- The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.

১,১৫২.
সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুযায়ী, ব্যারিস্টার বা এটর্নি মক্কেলের পক্ষ থেকে কোন বার্তা প্রকাশ করতে পারবেন না, যদি না-
  1. আদালত নির্দেশ দেয়
  2. মক্কেল তার অনুমতি দেন
  3. মামলাটি নিষ্পত্তি হয়
  4. মক্কেল আদালতে উপস্থিত থাকে
সঠিক উত্তর:
মক্কেল তার অনুমতি দেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেল তার অনুমতি দেন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা- পেশা সম্পর্কিত বার্তা:
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না।
অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
১,১৫৩.
‘A’ একটি মামলায় দাবি করে যে ‘B’ তাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। ‘A’ মারা যাওয়ার আগে লিখিতভাবে বলে, “ ‘B’ আমার খাবারে বিষ মিশিয়েছে, যার ফলে আমি অসুস্থ হয়েছি।” সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই বক্তব্য প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ৩২(১)
  2. ধারা ৩২(২)
  3. ধারা ৩২(৩)
  4. ধারা ৩২(৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(১)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(১) অনুসারে, যে ব্যক্তি মৃত বা সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, তার মৃত্যুর কারণ বা সংশ্লিষ্ট ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য প্রাসঙ্গিক, যদি মৃত্যুর কারণ মামলায় প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এখানে ‘A’ মারা যাওয়ার আগে লিখিতভাবে বলেছে, “‘B’ আমার খাবারে বিষ মিশিয়েছে, যার ফলে আমি অসুস্থ হয়েছি,” যা তার মৃত্যুর কারণ বা সংশ্লিষ্ট ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কিত। তাই এই বক্তব্য ধারা ৩২(১)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

-The Evidence Act, 1872, Section-32:Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

১,১৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার সামগ্রিক বিষয়বস্তু কী?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা
  2. মৃত বা যে ব্যক্তিকে পাওয়া যাচ্ছে না বা যার সাক্ষ্য নেওয়া যাচ্ছে না এমন ব্যক্তির পূর্বোক্ত বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা (relevancy)
  3. স্বীকৃতির গ্রহণযোগ্যতা
  4. দোষ স্বীকারের গ্রহণযোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
মৃত বা যে ব্যক্তিকে পাওয়া যাচ্ছে না বা যার সাক্ষ্য নেওয়া যাচ্ছে না এমন ব্যক্তির পূর্বোক্ত বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা (relevancy)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বা যে ব্যক্তিকে পাওয়া যাচ্ছে না বা যার সাক্ষ্য নেওয়া যাচ্ছে না এমন ব্যক্তির পূর্বোক্ত বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা (relevancy)
ব্যাখ্যা
♦ ৩২ ধারায় মৃত্যুকালীন ঘোষণার আলোচনা থাকলেও সামগ্রিকভাবে এই ধারার আলোচ্য বিষয় হলো- Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant অর্থাৎ মৃত বা যে ব্যক্তিকে পাওয়া যাচ্ছে না বা যার সাক্ষ্য নেওয়া যাচ্ছে না এমন ব্যক্তির পূর্বোক্ত বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা (relevancy)।
১,১৫৫.
'কোনো অপরাধ সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্য বা সংবাদ কোনো পুলিশ বা ম্যাজিস্ট্রেট প্রকাশ করতে বাধ্য নয়' - এই বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১২০ ধারা
  2. ১২৩ ধারা
  3. ১২৫ ধারা
  4. ১২৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারা:
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো অপরাধের সংঘটনের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, এবং কোনো রাজস্ব কর্মকর্তাকেও এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে বোঝানো হয়েছে রাজস্বের যেকোনো শাখায় নিযুক্ত যেকোনো কর্মকর্তাকে।

Section 125: Information as to commission of offences-
No Magistrate or Police-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence, and no Revenue-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence against the public revenue.
Explanation.–"Revenue-officer" in this section means any officer employed in or about the business of any branch of the public revenue.
১,১৫৬.
'Estoppel' নীতি প্রযোজ্য হবে-
  1. ঘোষণার ক্ষেত্রে
  2. কাজের ক্ষেত্রে
  3. কার্য বিরতির ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• 'Estoppel' নীতি যার বাংলা অর্থ ‘স্বকার্যজনিত বাধা’।

‘Estoppel' বা 'স্বকার্যজনিত বাধা’ শব্দটি একটি আইনি নীতিকে বোঝায় যা কাউকে কিছু অস্বীকার করতে বা এমন একটি অধিকার জাহির করতে বাধা প্রদান করে যা কিনা তারা পূর্বে বলেছিল বা আইন দ্বারা সম্মত হয়েছিল কিন্তু বর্তমানে পূর্বের কর্মের বিরোধিতা করছে। সহজ ভাষায় বললে, Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা একজন ব্যক্তিকে অতীতের কোনো কর্ম বা বিবৃতিকে বিরোধিতা করতে বাধা দেয়। এটি সাধারণ আইনের অংশ এবং অন্য ব্যক্তির কথা বা কাজের অসঙ্গতি দ্বারা মানুষকে অন্যায়ভাবে অবিচার করা থেকে বিরত রাখার জন্য।

সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
‘যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র দ্বারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করায় এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করতে বলে, তখন উক্ত ২ পক্ষের মধ্যে কোন মামলায় ১ম পক্ষ তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না।’

সাক্ষ্য আইনের এই নীতি শুধুমাত্র দেওয়ানী কার্যক্রমে প্রয়োগ করা হয়। ফৌজদারি কার্যক্রমে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার কোন ব্যবহার নেই।
১,১৫৭.
নিম্নে বর্ণিত কোন পরিস্থিতিতে দোষ স্বীকার গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. দায়রা জজের কাছে দেয়া দোষ স্বীকারোক্তি
  2. পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি
  3. পুলিশের কাছে দেয়া দোষ স্বীকার অনুযায়ী আলামত উদ্ধার করলে
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা: পুলিশ অফিসারের নিকট স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা যাবে না:
যে কোন অপরাধে অভিযুক্ত, পুলিশ অফিসারের নিকট দোষ স্বীকার করলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।

Section 25⇒ Confession to police-officer not to be proved:
No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

তবে ২৭ ধারা অনুযায়ী, আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যেতে পারে। তাছাড়া আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি সকল ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য অর্থাৎ বিরুদ্ধ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
১,১৫৮.
যিনি কোন ঘটনা নিজ চোখে দেখিয়াছেন, তাহাকে কি সাক্ষ্য বলা হয়?
  1. জনশ্রুত সাক্ষ্য,
  2. গৌণ সাক্ষ্য,
  3. অবস্থাগত সাক্ষ্য,
  4. প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য,
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য,
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ অর্থাৎ যিনি কোন ঘটনা নিজ চোখে দেখিয়াছেন, তাহাকে প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য বলা হয়।

----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
১,১৫৯.
'Relevancy of facts forming part of same transaction' সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-৬: একই কার্যক্রমের অংশরূপে গণ্য বিষয়সমূহ (Relevancy of facts forming part of same transaction)- "একই কার্যের অংশ যে সমস্ত বিষয় সেগুলোর প্রাসঙ্গিকতা" সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় বলা হয়েছে। যে বিষয়সমূহ বিচার্য বিষয় নয়, কিন্তু এগুলো বিচার্য বিষয়ের সাথে এমনভাবে জড়িত যে, উভয় বিষয়ই একই কার্যক্রমের অংশরূপে গণ্য হতে পারে সেক্ষেত্রে ঐ বিষয়সমূহ একই সময়ে এবং একই স্থানে অথবা বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হোক না কেন উত্ত বিষয়সমূহ সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারামতে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে। সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারা Res Gestae নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

⇒ Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ'- Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা।

⇒ অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬ থেকে ৯ এবং ১৪ ধারায় Res Gestae (রেস গেস্টাই) নীতির বিধান রয়েছে।
------------
⇒ Relevancy of facts forming part of same transaction:
Section 6. Facts which, though not in issue, are so connected with a fact in issue as to form part of the same transaction, are relevant, whether they occurred at the same time and place or at different times and places.
১,১৬০.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন নিজ পক্ষের সাক্ষীর-
  1. জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়
  2. জেরা করা হয়
  3. পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা হয়
  4. বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করা হয়
সঠিক উত্তর:
জেরা করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরা করা হয়
ব্যাখ্যা
• যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে।
 
⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।
 
⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
১,১৬১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ২২ক অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি কখন প্রাসঙ্গিক?
  1. সবসময় প্রাসঙ্গিক
  2. যখন আদালত ইচ্ছা করে
  3. যখন ডিজিটাল রেকর্ড হারিয়ে গেছে
  4. যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক (22A) অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি তখনই প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য, যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা (genuineness) প্রশ্নবিদ্ধ।
- অর্থাৎ, যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা (genuineness) প্রশ্নবিদ্ধ হয়, কেবলমাত্র তখনই ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.

১,১৬২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪ অনুসারে, অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র সাধারণত:
  1. সর্বদা প্রাসঙ্গিক
  2. কেবলমাত্র সাক্ষীর মাধ্যমে প্রমাণযোগ্য
  3. অপ্রাসঙ্গিক, যদি না ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেওয়া হয়
  4. কখনোই আদালতে উপস্থাপনযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক, যদি না ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেওয়া হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক, যদি না ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেওয়া হয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪:
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক, যদি না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ দেওয়া হয়, যার ফলে তার খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
১,১৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার অধীনে কোন শর্ত পূরণ হলে তথ্য গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. তথ্য আসামির কাছ থেকে পাওয়া যেতে হবে
  2. তথ্যের ভিত্তিতে কিছু উদ্ধার হতে হবে
  3. উদ্ধারকৃত বস্তু অপরাধের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির কাছ থেকে পাওয়া কোনো তথ্য তখনই গ্রহণযোগ্য হবে, যদি তা দ্বারা কোনো বস্তু বা আলামত উদ্ধার হয় এবং সেই বস্তু অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত হয়।
- ২৭ ধারার অধীনে তথ্য গ্রহণযোগ্য হতে হলে নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ হতে হবে:
১) তথ্য আসামির কাছ থেকে পাওয়া যেতে হবে।
২) তথ্যের ভিত্তিতে কিছু উদ্ধার হতে হবে।
৩) উদ্ধারকৃত বস্তু অপরাধের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে হবে।
-  তিনটি শর্তই পূরণ হলে আদালতে তথ্য গ্রহণযোগ্য হবে। 

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী, কেবলমাত্র আসামির দেওয়া তথ্যই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না সেই তথ্যের ভিত্তিতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার হয় এবং সেটি অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হয়। তাই "উপরের সবগুলো" (উত্তর 'ঘ') একমাত্র সঠিক উত্তর।
১,১৬৪.
যখন কোনো ব্যক্তি নিজের আর্থিক স্বার্থের পরিপন্থী বিবৃতি প্রদান করে যা মামলার কারণ হতে পারে, এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ৩২(৩)
  2. ৩২(৫)
  3. ৩২(৭)
  4. ৩২(৮)
সঠিক উত্তর:
৩২(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(৩)
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩২(৩) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি এমন একটি লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি প্রদান করেন যা তার নিজের স্বার্থের পরিপন্থী (against the interest of the maker), এবং ফৌজদারি বা দেওয়ানি মামলা সৃষ্টির কারণ হতে পারে, তখন সেই বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হিসেবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হয় — যদিও ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations:
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.
১,১৬৫.
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায় নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালতের চূড়ান্ত রায় বা আদেশ প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. বিবাহ সম্পর্কিত মামলায়
  2. দেউলিয়াত্ব সংক্রান্ত মামলায়
  3. স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
  4. প্রবেট সংক্রান্ত মামলায়
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা - প্রবেট, এখতিয়ার ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোনো রায়ের প্রাসঙ্গিকতা:
প্রবেট, অ্যাডমিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগকালে কোনো উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যখন কোনো আইনগত চরিত্র কারও উপর আরোপ করে বা কাউকে উহা হতে বঞ্চিত করে, অথবা কোনো ব্যক্তিকে অনুরূপ চরিত্রের অধিকারী অথবা নির্দিষ্ট কোনো কিছুর অধিকারী বলে ঘোষণা করে এবং সেই অধিকার কোনো ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নহে, বরং সর্বজনীন বলে ঘোষণা করে, তখন অনুরূপ কোনো আইনগত চরিত্র বা অনুরূপ কোনো কিছুর উপর কোনো ব্যক্তির অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উহা চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি প্রাসঙ্গিক।

- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি চূড়ান্তরুপে প্রমাণ করে যে,
 উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবৎ হইবার সময় তাহা উদ্ভুত হইয়াছিল।
- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যাক্তিকে আইন ভিত্তিক সত্তা হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় উক্ত ব্যক্তি উক্ত সত্তা হারাইয়াছিল।
- এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তির অধিকারী ছিল বা থাকা উচিত বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির উক্ত সময় তাহারই সম্পত্তি ছিল।
১,১৬৬.
According to Evidence Act 1872, Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a-
  1. Direct Question
  2. Indirect Question
  3. Misleading Question
  4. Leading Question
সঠিক উত্তর:
Leading Question
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Leading Question
ব্যাখ্যা

- যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে।
- সাধারণত হ্যাঁ অথবা না এর মাধ্যমেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
----------------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 141, Leading questions: Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

১,১৬৭.
দালিলিক সাক্ষ্য কতভাবে প্রমাণ করা যায়?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ: দলিলের বিষয়বস্তু  প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দালিলিক সাক্ষ্য আবার দুই প্রকার- ১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং ২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

--------------
⇒ Proof of contents of documents:
Section 61. The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
১,১৬৮.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রবেটের প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
  1. ৪০
  2. ৪১
  3. ৪২
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায় (প্রবেট, বিবাহ, অ্যাডমিরালটির ক্ষেত্রে কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা) প্রবেটের প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারা মোতাবেক কোন রায় প্রাসঙ্গিক হওয়ার জন্য অন্যান্য বিষয়সমূহ হলো বিবাহ, অ্যাডমিরালটি ও দেউলিয়াত্ব।
১,১৬৯.
"Court" শব্দটি Evidence Act অনুযায়ী কাকে অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. সকল বিচারক
  2. সকল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. আইনত সাক্ষ্য গ্রহণে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872-এর ধারা ৩ (Interpretation-clause) অনুযায়ী-
"Court" শব্দের অর্থ: “সকল বিচারক (Judges), সকল ম্যাজিস্ট্রেট (Magistrates), এবং সকল ব্যক্তি, যাঁরা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা রাখেন, তবে arbitrator (মধ্যস্থতাকারী) বাদে।”
অর্থাৎ, বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট, যেকোনো আইনত সাক্ষ্যগ্রহণে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি.
- arbitrator (তাঁরা "Court" এর অন্তর্ভুক্ত নন)

→ অর্থাৎ Evidence Act অনুযায়ী "Court" বলতে বোঝায়— সকল বিচারক + সকল ম্যাজিস্ট্রেট + যাঁরা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণে অধিকারপ্রাপ্ত, তবে arbitrator বাদে।
→ এই তিন উপাদানই একত্রে "Court" শব্দের অন্তর্ভুক্ত, তাই সঠিক উত্তর ঘ) উল্লিখিত সকলে।
১,১৭০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. ৪৮ ধারায়
  2. ৪৯ ধারায়
  3. ৫০ ধারায়
  4. ৫১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০- যখন আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত প্রাসঙ্গিক:

যখন আদালতকে একজন ব্যক্তির অন্য একজনের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে মতামত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে পারিবারিক সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি যার এ বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান আছে, তার আচরণ দ্বারা প্রকাশিত এমন সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
তবে এমন মতামত ডিভোর্স আইনের অধীনে মামলা বা দণ্ডবিধির ৪৯৪, ৪৯৫, ৪৯৭ বা ৪৯৮ ধারার অধীনে অভিযোগের ক্ষেত্রে বিবাহ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট হবে না।

উদাহরণ:
(ক) প্রশ্নটি হল, A এবং B কি বিবাহিত ছিলেন? তাদের বন্ধুবান্ধব স্বামী-স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ ও আচরণ করেছেন, এটি একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
(খ) প্রশ্নটি হল, A কি B এর বৈধ সন্তান? পরিবারের সদস্যরা A কে তাই হিসাবে গ্রহণ করেছেন, এটি একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

Section 50: Opinion on relationship, when relevant-
When the Court has to form an opinion as to the relationship of one person to another the opinion, expressed by conduct, as to the existence of such relationship, of any person who, as a member of the family or otherwise, has special means of knowledge on the subject, is a relevant fact:
Provided that such opinion shall not be sufficient to prove a marriage in proceedings under the Divorce Act, or in prosecutions under section 494, 495, 497 or 498 of the 38[* * *] Penal Code.

Illustrations-
(a) The question is, whether A and B were married. The fact that they were usually received and treated by their friends as husband and wife, is relevant.
(b) The question is, whether A was the legitimate son of B. The fact that A was always treated as such by members of the family, is relevant.
১,১৭১.
যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করলে আদালত ধারা ১৫০ অনুযায়ী কী করতে পারে?
  1. সাক্ষীর জবানবন্দি বাতিল করবে
  2. হাইকোর্ট বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করবে
  3. আইনজীবীকে লিখিত নোটিশ দিবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করবে
ব্যাখ্যা

ধারা ১৫০ - যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে আদালতের পদ্ধতি:
যদি আদালত মনে করে যে, কোন প্রশ্ন যথাযথ কারণ ছাড়া করা হয়েছে, তবে সে প্রশ্ন যদি কোনো অ্যাডভোকেট দ্বারা করা হয়, তাহলে আদালত ঐ প্রশ্নের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তা উক্ত অ্যাডভোকেটের পেশাগত দায়িত্বের অধীন হাইকোর্ট বিভাগ বা অন্য যে কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করতে পারে।

১,১৭২.
মৌখিক সাক্ষ্য সরাসরি হবে এই বিধান আইনের কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪২ ধারা
  2. ৪৪ ধারা
  3. ৫১ ধারা
  4. ৬০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬০ অনুযায়ী- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে অর্থাৎ সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে হবে বা শুনতে হবে বা উপলব্ধি করতে হবে। অন্যের মারফত শোনা ঘটনা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।
♦ Oral evidence must, in all cases whatever, be direct.
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অথাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
১,১৭৩.
কখন ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
The Evidence(Amendment) Act, 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ধারা ৩: ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
১,১৭৪.
বোবা ব্যক্তি তার বক্তব্য লিখে বা ইশারা দ্বারা বোঝালে তার সাক্ষ্য __________ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. বোবা সাক্ষ্য
  2. লিখিত সাক্ষ্য
  3. মৌখিক সাক্ষ্য
  4. কোন সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses)- সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারামতে বোবা ব্যক্তি যদি প্রকাশ্য আদালতে তার বক্তব্য লিখে বা ইশারার মাধ্যমে বুঝাতে পারে, তাহলে বোবা ব্যক্তিও সাক্ষ্য দিতে পারবে।

⇒ বোবা ব্যক্তির সাক্ষ্য সর্বদা মৌখিক সাক্ষ্য (oral evidence) হিসেবে গ্রহনযোগ্য হবে অর্থাৎ বোবা ব্যক্তি তার বক্তব্য লিখে বোঝালেও তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।

⇒  বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses):
যে সাক্ষী কথা বলতে অক্ষম তিনি তার বক্তব্য অন্য কোন ভাবে অর্থাৎ লিখে বা ইশারা দ্বারা বুঝাতে পারেন এবং সেইভাবে প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষ্য দিতে হবে। এইভাবে সাক্ষ্য দিলে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। 

⇒  বোবা সাক্ষী লিখে বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে পারবে, তা অবশ্যই প্রকাশ্য আদালতে হতে হবে। বোবা সাক্ষী যোগ্য সাক্ষী হিসেবে বিবেচিত হবে।
⇒  এভাবে বোবা সাক্ষী যে সাক্ষ্য প্রদান করে তা মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। বোবা সাক্ষী কানা হলে অর্থাৎ সাক্ষী যদি বোবা হয় এবং কানেও শুনতে না পায় তাহলে সে যোগ্য সাক্ষী নয়। যে ব্যক্তি একই সাথে বোবা ও বধির সে সাক্ষ্য দেয়ার অযোগ্য। (53 DLR 123)
১,১৭৫.
নিচের কোন ডিভাইস থেকে প্রাপ্ত রেকর্ড ডিজিটাল সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ড্রোন
  2. ডিভিডি
  3. স্মার্টফোন
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
 সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকয়টি।

⇒ সাক্ষ্য (সংশোধন) আইন, ২০২২ অনুযায়ী, সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩-এ "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রিক রেকর্ড" এর সংজ্ঞা বিস্তৃত করে বলা হয়েছে যে, প্রযুক্তিগত যন্ত্র বা ডিভাইসের মাধ্যমে প্রস্তুত, ধারণ, গৃহীত বা প্রেরিত রেকর্ড—যেমন ভিডিও, অডিও, ছবি, টেক্সট ইত্যাদি—ডিজিটাল সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

নিচের প্রতিটি ডিভাইসই সেই সংজ্ঞার আওতায় পড়ে:
• ড্রোন:
→ ড্রোন দ্বারা তোলা ছবি ও ভিডিও ড্রোন ডেটা হিসেবে স্বীকৃত, যা ডিজিটাল রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত।
• ডিভিডি (DVD):
→ Digital Versatile Disk-এ সংরক্ষিত ভিডিও/অডিও রেকর্ড একটি ডিজিটাল মাধ্যম; এটি পরিষ্কারভাবে সংশোধিত সংজ্ঞায় রয়েছে। 
• স্মার্টফোন:
→ ফোনে ধারণকৃত ছবি, ভিডিও, ভয়েস রেকর্ড, বার্তা ইত্যাদি ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হয়।

অর্থাৎ এই তিনটি ডিভাইস থেকেই প্রাপ্ত রেকর্ড The Evidence (Amendment) Act, 2022 অনুযায়ী ডিজিটাল সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপনযোগ্য এবং গ্রহণযোগ্য।
তাই সবগুলোই ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে গণ্য হবে।
১,১৭৬.
বিবাহ অথবা জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৫
  2. ৩৬
  3. ৩৭
  4. ৩৮
সঠিক উত্তর:
৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারার বিধান: কর্তব্য সম্পাদন প্রসঙ্গে সরকারী দলিলে বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিপিবদ্ধ বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty)-
-সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী কোন সরকারী বা অন্য অফিসের কোন খাতায়, রেজিস্টারে বা নথিতে যদি কোন বিচার্য ঘটনা বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকে এবং কোন সরকারী কর্মচারী যদি তার চাকরির কর্তব্য পালনকালে তা লিখে থাকে অথবা অপর কোন ব্যক্তি যদি যে দেশে উক্ত খাতা, রেজিষ্টার বা নথি রাখা হয়েছে সেখানকার আইনের বিধান অনুসারে তার উপর আরোপিত কর্তব্য পালন প্রসঙ্গে তা লিখে থাকে তবে উক্ত লেখাই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা। 
⇒ যেমন- সরকারী বই, এজাহার বা এফ, আই, আর বিবরণ, বিবাহ, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড, বিদ্যালয়ের খাতা, নথি ও প্রমাণপত্র, মিউটেশন, বেতার বার্তা প্রভৃতি সরকারী দলিলের বিষয় ৩৫ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক।
----------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 35: Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty.
- An entry in any public or other official book, register or record ,or digital record, stating a fact in issue or relevant fact, and made by a public servant in the discharge of his official duty, or by any other person in performance of a duty specially enjoined by the law of the country in which such book, register , record or digital record is kept, is itself a relevant fact.
১,১৭৭.
'গ'-কে হত্যা করার অপরাধে 'ক' ও 'খ'-এর যৌথভাবে বিচার হচ্ছে। প্রমাণ করা হয়েছে যে, 'ক' বলেছিল 'খ' ও আমি 'গ'-কে হত্যা করেছি। The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী আদালতে 'ক' এর এই স্বীকারোক্তি কার্যকারিতা করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারামতে দোষ স্বীকার শুধুমাত্র দোষ স্বীকারকারীর নিজের বিরুদ্ধে নয়, বরং তা একই অপরাধে যৌথ-ভাবে অভিযুক্ত অন্য অপরাধীর (co-accused) বিরুদ্ধেও প্রমান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার বিধান: প্রমাণিত দোষ স্বীকার উক্ত দোষ স্বীকার প্রদানকারী ও তার সাথে একই অপরাধে যৌথভাবে বিচারাধীন অন্যদেরকেও যে প্রভাবিত করে তা বিবেচনা: যখন একই অপরাধে একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে বিচার হচ্ছে এবং তাদের মধ্যে একজনের দোষ স্বীকার দ্বারা সে নিজেকে ও অন্যকে জড়িত করেছে, তা প্রমাণিত হয়েছে, তখন আদালত উক্ত দোষস্বীকারকারী ও অপর ব্যক্তির বিরুদ্ধে সেই দোষস্বীকার বিবেচনা করতে পারেন।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারায় ব্যবহৃত "অপরাধ" বলতে সেই অপরাধ করার সহায়তা ও অপরাধ করার প্রচেষ্টাও অন্তর্ভূক্ত হবে।

⇒ সাধারণত সহ-আসামীর অপরাধের স্বীকারোক্তি অন্য আসামীদের বিরুদ্ধে কোন সাক্ষ্য নয় তবে ৩০ ধারায় এর ব্যতিক্রম বলা আছে। ৩০ ধারায় প্রদত্ত শর্তগুলো পূরণ হলে আদালত এরূপ স্বীকারোক্তি সহ-আসামী ও স্বীকারোক্তি প্রদানকারী আসামীর বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে।

⇒শর্তগুলো হলো-

১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে।

২. উক্ত অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Joint Trial) হতে হবে।

৩. একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে ও অন্যদের জড়িয়ে দোষ স্বীকার করবে।

⇒ ব্যাখ্যা: এ ধারায় অপরাধ বলতে অপরাধে সহায়তা করা ও অপরাধ করার চেষ্টাও বুঝাবে।

⇒ যেমন- গ-কে হত্যা করার অপরাধে ক ও খ-এর যৌথভাবে বিচার হচ্ছে। প্রমাণ করা হয়েছে যে, ক বলেছিল খ ও আমি গ-কে হত্যা করেছি। আদালত খ-এর বিরুদ্ধে এই স্বীকারোক্তির কার্যকারিতা বিবেচনা করতে পারেন।
১,১৭৮.
যদি কোনো দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যাক্ষীকরণ (attested) হওয়া বাধ্যতামূলক হয়, তবে সেটি প্রমাণের জন্য কী করতে হবে?
  1. দলিলের ফটোকপি দিলেই হবে
  2. দলিল উপস্থাপন করলেই চলবে
  3. সরকারি অফিসের সিল দেখালেই হবে
  4. অন্তত একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীকে ডাকতে হবে
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীকে ডাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীকে ডাকতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬৮ অনুযায়ী— যদি কোনো দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যাক্ষীকরণ (attestation) বাধ্যতামূলক হয় (যেমন: উইল বা অন্য কোনো দলিল যা আইনত স্বাক্ষ্যদানে প্রত্যাক্ষীকৃত হতে হয়), তবে সেই দলিল সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না যতক্ষণ না অন্তত একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী (attesting witness) তার স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণে আদালতে সাক্ষ্য দেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৮ অনুযায়ী, যদি কোনো দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যাক্ষীকরণ (attested) হওয়া বাধ্যতামূলক হয়, তবে তার সম্পাদন (execution) প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট শর্ত পালন করতে হবে। ধারায় বলা আছে:
"If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence."
অর্থাৎ, যদি দলিলটি আইনত সত্যায়িত হওয়া প্রয়োজন হয়, তবে তা সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না যতক্ষণ না অন্তত একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীকে (attesting witness) তার সম্পাদন প্রমাণের জন্য ডাকা হয়। তবে, এটি তখনই প্রযোজ্য যদি সেই সাক্ষী জীবিত থাকেন, আদালতের আওতাধীন হন এবং সাক্ষ্য দিতে সক্ষম হন।

তবে একটি ব্যতিক্রম:
যদি দলিলটি নিবন্ধিত হয় (Registration Act, 1908 অনুযায়ী) এবং এর স্বাক্ষরকারী ব্যক্তি সেই স্বাক্ষর অস্বীকার না করে, তাহলে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীকে ডাকার প্রয়োজন নেই।
১,১৭৯.
নিম্নের কোন বিষয়ে নিজের সাক্ষীকে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন Leading Question করা যায়?
  1. স্বীকৃত বিষয়ে
  2. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
  3. তর্কিত বিষয়ে
  4. যে কোন বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়। ⇒ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) : বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।

⇒ যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
১,১৮০.
The Evidence Act, 1872 এর ৬১ ধারা অনুযায়ী কোন দলিল প্রমাণ করার জন্য আদালতে কয় ধরনের/প্রকারের সাক্ষ্য দেওয়া যায়?
  1. ১ ধরনের
  2. ২ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872-এর ৬১ ধারা অনুযায়ী (১) প্রাথমিক সাক্ষ্য (মূল দলিল) (২) মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়।

সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 61⇒ Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.

সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা স্পষ্টভাবে বলে যে, একটি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য হয় প্রাথমিক সাক্ষ্য নতুবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। অর্থাৎ দলিলের মূল কপি দ্বারা (প্রাথমিক) অথবা মূল কপির যথাযথ অনুলিপি বা উদ্ধৃতি দ্বারা (মাধ্যমিক) তা প্রমাণ করা সম্ভব। কিন্তু শুধুমাত্র প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের একটি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না করে আইনটি উভয় ধরণের সাক্ষ্যকেই দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের বৈধ উপায় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
১,১৮১.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র __________।
  1. অপ্রাসঙ্গিক
  2. প্রাসঙ্গিক হবে
  3. প্রাসঙ্গিক নয়
  4. চূড়ান্ত প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারা অনুসারে,
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

Section 55⇒ Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant.
১,১৮২.
বৈরী সাক্ষী হল এমন এক ধরনের সাক্ষী, যারা আদালতে নিজ পক্ষের __________ সাক্ষ্য প্রদান করে।
  1. পক্ষে
  2. বিপক্ষে
  3. অনুকূলে
  4. গুরত্বপূর্ণ
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষে
ব্যাখ্যা
• বৈরী সাক্ষী হল এমন এক ধরনের সাক্ষী যারা আদালতে নিজ পক্ষের বিপক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে। বৈরী সাক্ষীর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

১. বৈরী সাক্ষী সাধারণত একপক্ষের স্বপক্ষে ডাকা হলেও, পরবর্তীতে সে অপরপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে।
২. একজন বৈরী সাক্ষীকে ভিন্ন প্রশ্নগুলো দ্বারা পরীক্ষা করা যেতে পারে এবং তার বিশ্বস্ততা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যায়।
৩. যে পক্ষের স্বপক্ষে সে ডাকা হয়েছিল সেই পক্ষের আইনজীবী বৈরী সাক্ষীকে তার নিজস্ব সাক্ষ্য দ্বারা আক্রমণ করতে পারবেন।
৪. জেরা চলাকালীন বৈরী সাক্ষীকে অস্বীকারযোগ্য প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায়।
৫. বৈরী সাক্ষীর সাক্ষ্য পৃথকভাবে বিবেচনা করা হবে এবং সাক্ষী সমর্থন করলেও মূল পক্ষের জন্য সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

সুতরাং, বৈরী সাক্ষী হল এক পক্ষের স্বপক্ষে ডাকা সাক্ষী যিনি পরবর্তীতে বিপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাদের সাক্ষ্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।
১,১৮৩.
“The Court may presume that a man who is in possession of stolen goods after the he can account for his possession”. বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কোন Section এ উল্লেখ আছে?
  1. 114 (a)
  2. 114 (b)
  3. 114 (c)
  4. 114 (e)
সঠিক উত্তর:
114 (a)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
114 (a)
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান আদালত কিছু ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন: (Court may presume existence of certain facts): একটি বিশেষ মামলার ঘটনা বিবেচনা করে যা ঘটে থাকা সম্ভব বলে মনে করেন, সেই ঘটনার অস্তিত্ব আদালত অনুমান করে নিতে পারেন।
আদালত অনুমান করতে পারেন যে (May Presume)
114 (a) চুরির পর পরই চোরাইমাল যে ব্যক্তির দখলে থাকে সে যদি তার দখলের কারণ দর্শাতে না পারে তবে সেই ব্যক্তি চোর অথবা চোরাইমাল বলে জানা সত্ত্বেও সে তা গ্রহণ করেছে।
____________________________________________________________________________________
Court may presume existence of certain facts
114. The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case. 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 
(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 
(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 
(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 
(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 
(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 
(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 
(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 
(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it.
১,১৮৪.
সকল ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য হবে-
  1. লিখিত
  2. দালিলিক
  3. পরোক্ষ
  4. প্ৰত্যক্ষ
সঠিক উত্তর:
প্ৰত্যক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ৰত্যক্ষ
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে [Oral evidence must be direct]। অর্থাৎ যে বিষয় দেখা যায়, সেই বিষয়ে কোন সাক্ষ্য দিতে হলে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারবে যে বিষয়টি দেখেছে বলে দাবি করে।
১,১৮৫.
নিম্নের কোনটি "Conclusive Proof" এর বৈশিষ্ট্য?
  1. আদালত অনুমান করবে না
  2. আদালত অনুমানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন
  3. আদালত অনুমিত বিষয় যাচাই করার অনুমতি দেবেন
  4. আদালত অনুমানকৃত বিষয়কে মিথ্যা প্রমাণের সুযোগ দেবেন না
সঠিক উত্তর:
আদালত অনুমানকৃত বিষয়কে মিথ্যা প্রমাণের সুযোগ দেবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত অনুমানকৃত বিষয়কে মিথ্যা প্রমাণের সুযোগ দেবেন না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।

অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
১,১৮৬.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ২৮ অনুযায়ী প্রতিশ্রুতি, ভীতি ও প্রলোভনজনিত ধারণা অপসারণের পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি _________।
  1. অপ্রাসঙ্গিক
  2. বেআইনী
  3. অগ্রহণযোগ্য
  4. প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
ধারা: ২৮ মতে প্রলোভন ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা অপসারণের পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক।

যেরূপ দোষ স্বীকারের বিষয় ২৪ ধারায় উল্লেখ করা হইয়াছে তদ্রুপ দোষস্বীকার যদি প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতিদানের ফলে সৃষ্ট ধারণা আদালতের মতে পূর্ণভাবে অপসারিত হইবার পর করা হয়, তবে তাহা প্রাসঙ্গিক।
১,১৮৭.
কোনটি এস্টোপেলের উপাদান নয়?
  1. এক ব্যক্তি কোন ঘোষণা, কর্ম অথবা কর্মবিরতি দ্বারা আপন কোন ব্যক্তিকে কোন কিছু বিশ্বাস করায়াছেন,
  2. এরূপ ঘোষণা, কর্ম অথবা কর্মবিরতি দ্বারা প্রভাবিত হইয়া অপরপক্ষ কোন কাজ করিয়াছেন,
  3. এরূপ ঘোষণা, কর্ম অথবা অথবা কর্মবিরতি দ্বারা প্রভাবিত ব্যক্তি প্রকৃত ঘটনা জানিতেন না, 
  4. ঘোষণা টি কোন আইন সম্পর্কে হতে পারে।
সঠিক উত্তর:
ঘোষণা টি কোন আইন সম্পর্কে হতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণা টি কোন আইন সম্পর্কে হতে পারে।
ব্যাখ্যা
⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ অর্থাৎ ঘোষণা টি কোন আইন সম্পর্কে হতে পারে না।
১,১৮৮.
যদি পক্ষগণ কোন ঘটনা মোকদ্দমার শুনানির সময়কালে স্বীকার করে নেয়, তবে তাদের সেই ঘটনাটি কি প্রমাণ করতে হবে?
  1. হ্যাঁ, প্রমাণ করতে হবে
  2. না, প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
  3. আদালত যদি মনে করে তবে প্রমাণ করতে হবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
 
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।

Section-58- Facts admitted need not be proved:
No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
১,১৮৯.
'যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে'- সাক্ষ্য আইনে তাদেরকে বলা হয়?
  1. Factual question
  2. Common question
  3. Leading question
  4. Informative question
সঠিক উত্তর:
Leading question
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Leading question
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারা- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
 
অর্থাৎ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
 
যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি 'ক'?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম 'ক'। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.
১,১৯০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে কেবল দলিল দাখিল করলেই কাউকে জেরা করা যাবে না?
  1. ১৪১ ধারায়
  2. ১৩৯ ধারায়
  3. ১৩৮ ধারায়
  4. ১৩৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১৩৯ ধারায়
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৯ (Section 139) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
- “A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.”
- অর্থাৎ যদি কাউকে শুধু দলিল (document) আদালতে জমা দেওয়ার জন্য তলব করা হয়, এবং তিনি শুধু সেই দলিল উপস্থাপন করেন, তাহলে তিনি "সাক্ষী" হিসেবে গণ্য হবেন না।
- তাই, তাকে জেরা (cross-examination) করা যাবে না, যতক্ষণ না তাকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে ডাকা হয় এবং শপথ নিয়ে জবানবন্দি নেওয়া হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ – ধারা ১৩৯: দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তির জেরা:
কোনো ব্যক্তি যদি কেবলমাত্র একটি দলিল উপস্থাপন করার জন্য তলব করা হয়, তাহলে শুধুমাত্র সেই দলিল উপস্থাপনের মাধ্যমে তিনি সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন না এবং তাকে জেরা করা যাবে না, যতক্ষণ না তাকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে ডাকা হয় এবং সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

⇒ The Evidence Act, 1872-Section-139. Cross-examination of person called to produce a document:
- A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.
১,১৯১.
Evidence(amendment) Act, 2022 দ্বারা সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় নিম্নলিখিত কোন সাক্ষ্যটি নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য 
  2. দালিলিক সাক্ষ্য 
  3. ফরেনসিক সাক্ষ্য 
  4. পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য 
সঠিক উত্তর:
ফরেনসিক সাক্ষ্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেনসিক সাক্ষ্য 
ব্যাখ্যা

Evidence(amendment) Act, 2022 দ্বারা সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় ফরেনসিক সাক্ষ্যকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য" (Physical or Forensic Evidence) বলতে এমন উপাদান বা বস্তু বোঝায় যা রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, আইরিস ইমপ্রেশন, শরীরের উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ ইত্যাদি, যা (i) প্রতিষ্ঠা করে যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা অপরাধ এবং ভুক্তভোগীর মধ্যে অথবা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
এবং (ii) কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।
----------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section-3(3): All materials or objects relating to blood, semen, hair, all body material, organ or part of organ, Deoxyribo Nucleic Acid (DNA), finger impression, palm impression, iris impression and foot print or any other similar material or object which may- (i) establish that an offence has been committed or establish a link or relation between an offence and its victim or an offence and its offender; and
(ii) prove or disprove a fact.

১,১৯২.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারায় Leading Questions সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৩৮ ধারা
  2. ১৪১ ধারা
  3. ১৪২ ধারা
  4. ১৪০ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৪১ ধারার বিধান মতে Leading Questions বলতে বুঝায় প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছে করে প্রশ্নের মধ্যে তার ইঙ্গিত থাকলে অথবা যে প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বা না করা যায়, তাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন।
- ১৪২ ধারায় কখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায় না এবং ১৪৩ ধারায় কখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায় এ সম্পর্কে বলা আছে।
১,১৯৩.
ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান কী হবে?
  1. Shall presume
  2. Conclusive proof
  3. May presume
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Shall presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shall presume
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:- বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 

⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।

⇒ Section 85C Presumption as to Digital Signature Certificates.- The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.
১,১৯৪.
সাক্ষ্য আইনে কত প্রকার অনুমান (Presumption) এর বিধান আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:-
১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত।

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত।

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।

-----------------------------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।

-------------
"May presume"  Whenever it is provided by this Act that the Court may presume a fact, it may either regard such fact as proved, unless and until it is disproved, or may call for proof of it:
“Shall presume” Whenever it is directed by this Act that the Court shall presume a fact, it shall regard such fact as proved, unless and until it is disproved:
“Conclusive proof” When one fact is declared by this Act to be conclusive proof of another, the Court shall, on proof of the one fact, regard the other as proved, and shall not allow evidence to be given for the purpose of disproving it.
১,১৯৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৫ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ব্যক্তিকে তথ্য প্রকাশ করতে সুরক্ষা হয়নি?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. রাজস্ব কর্মকর্তা
  4. সকল সরকারী কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
সকল সরকারী কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল সরকারী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান,অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য: কোনও ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না। তেমনি, কোনও রাজস্ব কর্মকর্তা জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনও অপরাধের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনো শাখায় নিযুক্ত বা কাজরত কর্মকর্তাকে বোঝায়।
-----------------------------------------------------
The Evidence Act,1872, Section125, Information as to commission of offences: No Magistrate or Police-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence, and no Revenue-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence against the public revenue.
Explanation.-"Revenue-officer" in this section means any officer employed in or about the business of any branch of the public revenue.

১,১৯৬.
'Estoppel' নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. আইনের প্রশ্নে
  2. তথ্যগত প্রশ্নে
  3. ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে
  4. ক ও খ উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
আইনের প্রশ্নে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের প্রশ্নে
ব্যাখ্যা
• 'Estoppel' নীতি যার বাংলা অর্থ ‘স্বকার্যজনিত বাধা’। সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
‘যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র দ্বারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করায় এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করতে বলে, তখন উক্ত ২ পক্ষের মধ্যে কোন মামলায় ১ম পক্ষ তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না।’

সহজ ভাষায় বললে,
Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা একজন ব্যক্তিকে অতীতের কোনো কর্ম বা বিবৃতিকে বিরোধিতা করতে বাধা দেয়। এটি সাধারণ আইনের অংশ এবং অন্য ব্যক্তির কথা বা কাজের অসঙ্গতি দ্বারা মানুষকে অন্যায়ভাবে অবিচার করা থেকে বিরত রাখার জন্য।

আইনের বিষয়ে Estoppel নীতি:
প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নীতিটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবে না।

আইনের বিষয়ে Estoppel নীতি প্রযোজ্য হয় না কারণ:
১. আইন একটি সার্বজনীন নিয়ম যা সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। আইন অনুযায়ী কাউকে কোন অধিকার দেওয়া হলে, কেউ এই অধিকার অস্বীকার করতে পারবে না বা এর বিরোধিতা করতে পারবে না।
২. Estoppel হলো এমন একটি নীতি যা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং এটি ঘটনাগত তথ্য ও আচরণের উপর প্রযোজ্য। কিন্তু আইন একটি নিরপেক্ষ নিয়ম যা কারো অনুমতি বা আচরণের উপর নির্ভরশীল নয়।
৩. যদি আইন অনুযায়ী কোন অধিকার প্রদত্ত হয়, তাহলে এই অধিকারকে Estoppel এর মাধ্যমে প্রতিবন্ধিত করা যাবে না, কারণ আইন প্রধানতর এবং সার্বজনীন রূপ বহন করে।
১,১৯৭.
Leading Question বলতে নিচের কোনটিকে বুঝাবে?
  1. যে প্রশ্নের পূর্বে উত্তর বলা থাকে
  2. যে প্রশ্নের পরে উত্তর বলা থাকে
  3. যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর বলা থাকে
  4. যে প্রশ্নে প্রশ্নকারী হা বা না সূচক প্রশ্ন করে থাকে
সঠিক উত্তর:
যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর বলা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর বলা থাকে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
♦ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়। ♦ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading question) বিধান রয়েছে।
♦ যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি সালমান ?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম সালমান। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত (সালমান) রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.
১,১৯৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৭ এর শর্তানুযায়ী, তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তিকে কী অবস্থায় থাকতে হবে?
  1. মুক্ত অবস্থায়
  2. আদালতে উপস্থিতিতে
  3. পুলিশ অফিসারের হেফাজতে
  4. আইনজীবীর উপস্থিতিতে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুসারে, যদি কোনো আসামি পুলিশের হেফাজতে থেকে এমন কোনো তথ্য দেয়, যা দ্বারা কোনো বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার হয়, তবে সেই তথ্যের প্রাসঙ্গিক অংশ আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে। তবে সম্পূর্ণ স্বীকারোক্তি নয়, শুধুমাত্র যে অংশটি উদ্ধারকৃত আলামতের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত, সেটি প্রাসঙ্গিক ও গ্রহণযোগ্য হবে।

- সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে, যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 27: How much of information received from accused may be proved:
Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.

১,১৯৯.
'A' গুরতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং 'A' তার চিকিৎসকে জানায় এই আঘাত 'B' দিয়েছে। কয়েকদিন পর 'A' মারা যায়। এক্ষেত্রে 'A' এর বিবৃতি সাক্ষ্য আইনে কত ধারা অনুসারে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. ৩২(১)
  2. ৩২(২)
  3. ৩২(৩)
  4. ৩২(৪)
সঠিক উত্তর:
৩২(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(১)
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়।
- ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়।
-মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 
- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
 
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে 'A' এর বক্তব্য ৩২(১) ধারায় বর্ণিত শর্ত অনুসারে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।
১,২০০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ (২) ধারা অনুসারে যদি দাবি করা হয় যে কোনো জৈবিক নমুনা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা সৃষ্ট, তবে তা প্রমানের জন্য আদালত কি নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ঐ ব্যক্তির মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করতে
  2. নমুনাটি আদালতে জমা দিতে
  3. ঐ ব্যক্তির লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে
  4. সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হতে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হতে
ব্যাখ্যা

→ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ (২) অনুযায়ী, যদি কোনো জৈবিক নমুনার সাথে সম্পর্কিত পরিচয়ের দাবি করা হয়, তাহলে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে নমুনাটি তুলনা করা যেতে পারে।
অর্থাৎ, যদি দাবি করা হয় যে কোনো জৈবিক নমুনা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির বা তার দ্বারা সৃষ্ট, তবে আদালত সেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে তুলনা করা সম্ভব হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা 73B (2) Comparison of physical or forensic evidence with others admitted or proved:
"If there is any claim that the sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression belongs to or is created by any person, the Court may direct that person to be present in Court for the purpose of enabling the Court to make that comparison."