বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Evidence Act, 1872

মোট প্রশ্ন১,৬৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Evidence Act, 1872

PrepBank · পাতা ১০ / ১৭ · ৯০১১,০০০ / ১,৬৬৪

৯০১.
'হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল এবং পালিয়ে গিয়েছিল।' সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উক্ত কার্য প্রাসঙ্গিক?
  1. ৯ ধারায়
  2. ৮ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে-

ধারা ৮: মোটিভ, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কার্যক্রম-
যে কোন সত্য যার কারণে বা যার প্রতিক্রিয়ায় কোন ঘটনা ঘটেছে বা ঘটে, অথবা যার উদ্দেশ্য থেকে বা যার প্রতিক্রিয়ায় কোন ঘটনা ঘটে, তা প্রাসঙ্গিক, যদি সেই উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি বা পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কার্যক্রম প্রাসঙ্গিক ঘটনা হয়।

উদাহরণ:
A একটি অপরাধ সংঘটিত করার জন্য B এর বাড়িতে গিয়েছিল। A এর বাড়ি থেকে B এর বাড়ি পর্যন্ত তার যাত্রাপথ এবং B এর বাড়িতে তার কার্যকলাপ প্রাসঙ্গিক।
A এর খুনের আগে এবং পরে B এর আচরণ প্রাসঙ্গিক।
যদি A এর অপরাধ করার উদ্দেশ্য প্রমাণ করতে হয়, তাহলে সেই উদ্দেশ্যের সকল প্রস্তুতি প্রাসঙ্গিক।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
যেমন:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
৯০২.
The Evidence : Act, 1872 অনুযায়ী নিম্নের কোনটি সঠিক নয়?
  1. মানচিত্র একটি দলিল
  2. মুদ্রিত বই একটি দলিল
  3. ব্যঙ্গচিত্র দলিল নয়।
  4. বে-সরকারি দপ্তরের হিসাব বই একটি দলিল
সঠিক উত্তর:
ব্যঙ্গচিত্র দলিল নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঙ্গচিত্র দলিল নয়।
ব্যাখ্যা
♦ The Evidence : Act, 1872 এরে ধারা ৩ মতে দলিল (Document)- দলিল বা Document বলতে কোন পদার্থের উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের (letters, figures or marks) সাহায্যে প্রকাশিত বা বর্ণিত কোন বিষয়কে বোঝায়।
♦ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী যে কোন লিখনই দলিল বলে গণ্য হয়। মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত যে কোন কথাও দলিল বলে গণ্য হবে (Words printed, lithographed or photographed are documents)।
♦ কোন মানচিত্র বা নকশা, কোন ধাতু খন্ড বা প্রস্তর খন্ডের উপর খোদাইকৃত কোন বিষয় অথবা কোন ব্যঙ্গচিত্র (caricature) দলিল বলে গণ্য হবে।
৯০৩.
_____________ রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সাক্ষ্য প্রদান করা যাবে না।
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  2. তথ্য প্রমাণ যথেষ্ট না হলে
  3. তদন্ত কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া
  4. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ছাড়া
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ছাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ছাড়া
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারা: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য:
কাউকেও রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। যেই মত উক্ত অফিসার উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, সেই মত দিবেন বা দেয়া হতে বিরত থাকবেন।

অর্থাৎ, রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র (unpublished official records) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কাউকে সাক্ষ্য প্রদানে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে প্রধান কর্মকর্তা অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।

Section 123- Evidence as to affairs of State:
No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
৯০৪.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে?
  1. জবানবন্দী গ্রহণকালে
  2. লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণকালে
  3. পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে
  4. জেরা কালে
সঠিক উত্তর:
জেরা কালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরা কালে
ব্যাখ্যা
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
- সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান- জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।

- সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান-
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-140. Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.

⇒ The Evidence Act, 1872-Section- 141.Leading questions:
 Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

⇒ The Evidence Act, 1872-Section-142.When they must not be asked
 Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
 
The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.

⇒ The Evidence Act, 1872-Section-143.  When they may be asked:
-Leading questions may be asked in cross-examination.
৯০৫.
কোনো সাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হইতেছে-
  1. তাহার ব্যক্তিত্বে ধরণ পরীক্ষা,
  2. বিভিন্ন দাবি প্রতিষ্টা কর,
  3. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদ্‌ঘাটন,
  4. তাহার মর্যাদা পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদ্‌ঘাটন,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদ্‌ঘাটন,
ব্যাখ্যা
⇒ জেরা (Cross examination): সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, কোন পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ পরীক্ষা করলে তাকে জেরা বলে। মামলার কোন পক্ষ নিজ সাক্ষীকে পরীক্ষার মাধ্যমে জবানবন্দি সম্পন্ন করে। এরপর বিরুদ্ধ পক্ষ এসে উক্ত সাক্ষীকে পরীক্ষা করে, এটিই জেরা। জেরার মাধ্যমে বিরুদ্ধ পক্ষ জবানবন্দির বক্তব্য খন্ডন করে। এছাড়া জেরার মাধ্যমে বিরুদ্ধ পক্ষ তার বক্তব্য উপস্থাপন করে।

জেরার উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব:

⇒ কাজী মাহবুবউদ্দিন আহমেদ ওরফে মাহবুব বনাম রাষ্ট্র ৩৮২ এই মামলা অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় জেরা হলো একজন ব্যক্তির দেওয়া বক্তব্যের সত্যতা পরীক্ষা করার অন্যতম দুর্দান্ত আধুনিক অস্ত্র। সাক্ষীদের জেরা করে সত্যতা আবিষ্কারের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আইনি ইঞ্জিন। সত্য বা মিথ্যা বের করে আনার জন্য এটি সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এক পক্ষের সাক্ষী যে বিষয়টি গোপন করতে চেয়েছে, সেসব বিষয় স্পষ্ট করে সত্য প্রকাশের মাধ্যমে নিজ বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য জেরা করা হয়। এজন্য একে আক্রমণের তরবারি এবং নিজপক্ষের সমর্থনের ঢাল দুটোই বলা হয় (both a sword of attack & a shield of defence)।

জেরার উদ্দেশ্য নিচে দেয়া হল-

⇒ সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে সন্দেহ তৈরি করা

⇒ অপর পক্ষের মামলা নিয়ন্ত্রণ করা

⇒ অপর পক্ষের মামলা দুর্বল করে নষ্ট করা

⇒ অপর পক্ষের মামলার অসামঞ্জস্যতা শনাক্ত করে প্রকাশ করা

⇒ নিজ পক্ষের মামলা প্রতিষ্ঠা করা

⇒ আদালতের সামনে মিথ্যাচার থামানো

⇒ সত্য উন্মোচন করা বা তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দ্যেশ্যে।
৯০৬.
ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত প্রমাণের জন্য বিশেষ বিধান কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৫ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
  4. সাক্ষ্য আইন ৬৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা মতে ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের জন্য বিশেষ বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬৫খ এর বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে।

------------
⇒ Special provisions as to evidence relating to digital record:
Section 65A.  The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.
৯০৭.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারা অনুযায়ী, কোন অনুপযুক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান কখন মামলার পুনর্বিচারের কারণ হতে পারে না?
  1. যখন সাক্ষ্যটি আদালতের আদেশ অনুযায়ী উপস্থাপিত হয়
  2. যখন সাক্ষ্যটি প্রধান সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়
  3. যখন উক্ত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল
  4. যখন উক্ত সাক্ষ্যের কারণে মামলার রায় পুরোপুরি পরিবর্তিত হতে পারত
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
যদি কোন মামলায় কোন সাক্ষ্য অনুপযুক্তভাবে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করা হয়, তবুও শুধুমাত্র এই কারণে মামলাটির পুনরায় বিচার বা কোন সিদ্ধান্ত বাতিল করা যাবে না—যদি আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, যেই সাক্ষ্যকে নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে তা ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল, অথবা যে সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল, তা গ্রহণ করা হলেও সিদ্ধান্তে কোন পরিবর্তন আসত না।

Section 167⇒ No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
৯০৮.
সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারা নিম্নের কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. যেখানে কোনো ব্যক্তির ভালো চরিত্র বিচার্য বিষয়
  2. যেখানে কোনো ব্যক্তির চরিত্র বিচার্য বিষয় নয়
  3. যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয়
  4. যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় নয়
সঠিক উত্তর:
যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪:
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক, যদি না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ দেওয়া হয়, যার ফলে তার খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।

Section 54:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1- This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2- A previous conviction is relevant as evidence of bad character.

→ এই ধারার অর্থ হলো,
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্তের খারাপ চরিত্র বিচারে গৃহীত হবে না, যদি না তিনি নিজের ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেন। যদি তিনি ভালো চরিত্রের দাবি করেন, তাহলে তার খারাপ চরিত্র বিচার্য হবে। 
৯০৯.
ফৌজদারি মামলা প্রমাণের জন্য সর্বনিম্ন কতজন সাক্ষীর প্রয়োজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
সঠিক উত্তর:
কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
ব্যাখ্যা

ল্যাটিন নীতি: "Testes ponderantur, non numerantur"
অর্থ: "সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়।"
মানে: সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় সাক্ষীর সংখ্যা নয়, তার বিশ্বাসযোগ্যতা, সত্যবাদিতা ও সাক্ষ্যের যথার্থতা বিবেচনা করা হবে।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৪ অনুসারে,
কোনো মামলার প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী থেকেও কোনো ঘটনা প্রমাণ করা যায়, যদি তার সাক্ষ্য বিশ্বাসযোগ্য হয়।

৯১০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৯ অনুসারে কোনো সাক্ষী তাহার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে:
  1. পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করে 
  2. পূর্ববর্তী মৌখিক বিবৃতি ব্যবহার করে 
  3. পূর্ববর্তী লিখিত এবং মৌখিক বিবৃতি ব্যবহার করে 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করে 
ব্যাখ্যা

ধারা ১৫৯: স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা:
কোনো সাক্ষী সাক্ষীদানের সময় তাহার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করিবার জন্য যে ঘটনা সম্পর্কে তাহাকে প্রশ্ন করা হইতেছে, সেই ঘটনার সময় অথবা উহার নিকটবর্তী সময় তাহার নিজের লেখা এমন কিছু দেখিয়া লইতে পারে, যাহাতে আদালত মনে করিতে পারেন যে, উহা লিখিবার সময় ঘটনাটি তাহার স্মৃতিতে সম্পূর্ণ জাগ্রত ছিলো।
সাক্ষী অন্যের দ্বারা লিখিত কিছু দেখিবারও তাহার স্মৃতি জাগ্রত করিয়া লইতে পারে, যাহা ঘটনার সময় বা তাহার নিকটবর্তী সময় সে পড়িয়াছিল, যদি উহা এমন হয় যে, পড়ার সময় উহা সত্য বলিয়া সে জানিত।
---------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 159, Refreshing memory:
A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory.
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.

৯১১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে, একজন আইনজীবী তার মক্কেলের সাথে হওয়া পেশাগত যোগাযোগের বিষয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করতে বাধ্য?
  1. ধারা ১২২
  2. ধারা ১২৪
  3. ধারা ১২৫
  4. ধারা ১২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুসারে, একজন ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল তার মক্কেলের পক্ষে কাজ করার সময় এবং উদ্দেশ্যে মক্কেল কর্তৃক বা তার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত কোনো বার্তা, দলিলের বিষয়বস্তু বা প্রদত্ত পরামর্শ মক্কেলের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করতে পারবেন না। এই গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা তাদের নিয়োগ শেষ হওয়ার পরও বহাল থাকে।
তবে এই ধারায় কিছু ব্যতিক্রমও উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন: কোনো বেআইনি উদ্দেশ্যে সংঘটিত যোগাযোগ বা নিয়োগ শুরুর পরে সংঘটিত কোনো অপরাধ বা প্রতারণা সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ থেকে সুরক্ষা দেওয়া হয়নি।


⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না।
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
-------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 126 Professional communications:
- No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:

Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.

৯১২.
একটি মামলায় প্রশ্ন ওঠে যে ‘C’ কবে জন্মগ্রহণ করেছে। ‘C’-এর মৃত ডাক্তারের ডায়েরিতে একটি এন্ট্রি পাওয়া যায়, যেখানে লেখা আছে যে তিনি একটি নির্দিষ্ট দিনে ‘C’-এর মাকে সন্তান প্রসবের জন্য সহায়তা করেছিলেন। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই এন্ট্রি প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৩২(১)
  2. ধারা ৩২(২)
  3. ধারা ৩২(৩)
  4. ধারা ৩২(৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(২)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(২) অনুসারে, কোনো মৃত ব্যক্তির বক্তব্য যদি ব্যবসায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বা পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় লিখিত হয়, তবে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এখানে ‘C’-এর মৃত ডাক্তারের ডায়েরিতে লিখিত এন্ট্রি, যেখানে তিনি ‘C’-এর মাকে সন্তান প্রসবের জন্য সহায়তা করার কথা উল্লেখ করেছেন, তা তার পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে ব্যবসায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে লিখিত। তাই এই এন্ট্রি ধারা ৩২(২)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- ধারা ৩২(১): মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ বা সংশ্লিষ্ট ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কিত বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে, যা ‘C’-এর জন্মতারিখের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- ধারা ৩২(৩): মৃত ব্যক্তির বক্তব্য যদি তার আর্থিক বা সম্পত্তিগত স্বার্থের বিরুদ্ধে হয় বা তাকে মামলার জন্য দায়ী করতে পারে, তবে তা প্রাসঙ্গিক। এই এন্ট্রি এই শ্রেণিতে পড়ে না।
- ধারা ৩২(৪): জনসাধারণের অধিকার, রীতি বা সাধারণ স্বার্থ সম্পর্কিত মৃত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।

⇒The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.
or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.
---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

৯১৩.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী বিশারদের মতামত আদালতের উপর-
  1. obligatory
  2. imperative
  3. compulsory
  4. discretionary
সঠিক উত্তর:
discretionary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
discretionary
ব্যাখ্যা
• যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন এই বিষয়ে বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-

(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;
(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;
(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;
(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।

⇒ উল্লেখ্য যে,
Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক (discretionary) ক্ষমতা।
৯১৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৫ অনুযায়ী, পুলিশ অফিসারের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কী ধরনের প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. গ্রহণযোগ্য নয়
  4. গ্রহণযোগ্য প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫ অনুযায়ী: “কোনো পুলিশ অফিসারের নিকট আসামীর করা স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।”
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আসামীকে পুলিশি হেফাজতে চাপ, ভয়ভীতি বা নির্যাতনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা থেকে রক্ষা করা। এই ধারা বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায় নিশ্চিত করে।
- তাই, পুলিশ অফিসারের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য প্রমাণ নয় এবং আদালতে তা প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো আসামী যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এই ধারা বাস্তবিকভাবে পুলিশকে সন্ত্রাস বা চাপের মাধ্যমে আসামীর স্বীকারোক্তি নেয়ার প্রচেষ্টা থেকে বিরত রাখে। এর উদ্দেশ্য হলো আসামীর উপর অযাচিত চাপ না দেওয়া এবং স্বীকারোক্তি সঠিক ও স্বতঃস্ফূর্ত হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা।
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
- No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

৯১৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৩ কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. প্রতিলিপির সাক্ষ্য
  2. মৌখিক স্বীকারোক্তি
  3. সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা
  4. অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ ভাষার দলিল
সঠিক উত্তর:
অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ ভাষার দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ ভাষার দলিল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৩ অনুযায়ী, যখন কোনো দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তখন তার অর্থ বা ঘাটতি পূরণ করার জন্য বাহ্যিক কোনো প্রমাণ গ্রহণ করা যাবে না। অর্থাৎ, যে দলিলের ভাষা নিজেই অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ, সেই দলিলের অর্থ ব্যাখ্যা করার জন্য বাহ্যিক তথ্য বা প্রমাণ ব্যবহার করা অনুমোদিত নয়। দলিলের ভাষায় কোনো ঘাটতি বা অস্পষ্টতা থাকলে, তা সংশোধন করার জন্য আদালত কোনো বাহ্যিক প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে না।
এটি দলিলের স্বতন্ত্রতা রক্ষা করে, যাতে দলিলের অন্তর্নিহিত ভাষার সাথে কোনো বাইরের তথ্যকে মিলিয়ে অর্থ নির্ধারণ না করা হয়।

→ অতএব, ধারা ৯৩ মূলত "অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ ভাষার দলিল"–এর প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য, যেখানে আদালত বাহ্যিক কোনো প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে না।
-  সঠিক উত্তর: ঘ) অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ ভাষার দলিল

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 93. Exclusion of evidence to explain or amend ambiguous document:
- When the language used in a document is, on its face, ambiguous or defective, evidence may not be given of facts which would show its meaning or supply its defects.
Illustrations:
(a) A agrees, in writing, to sell a horse to B for Taka 1,000 or Taka 1,500. Evidence cannot be given to show which price was to be given.
(b) A deed contains blanks. Evidence cannot be given of facts which would show how they were meant to be filled.
৯১৬.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারা অনুসারে - 'Admissions are __________ of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.'
  1. final proof
  2. conclusive proof
  3. not conclusive proof
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
not conclusive proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
not conclusive proof
ব্যাখ্যা
⇒ Section-31- Admissions not conclusive proof, but may stop: 
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.

সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
৯১৭.
ড্রোন ডেটাকে কোন ধরনের সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. ফরেনসিক সাক্ষ্য
  3. ডিজিটাল রেকর্ড
  4. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ড
ব্যাখ্যা
The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৯১৮.
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় কোন কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে?
  1. অভিপ্রায় (Motive)
  2. প্রস্তুতি (Preparation)
  3. পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous & Subsequent Conduct)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে।

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
৯১৯.
সাক্ষ্য আইনে যেখানে Shall Presume ব্যবহার করা হয়েছে সেই ক্ষেত্রে আদালত-
  1. বিষয়টি প্রমাণিত বলে অনুমান করতে বাধ্য।
  2. বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।
  3. আদালত কোন সাক্ষ্য দিয়ে বিষয়টি প্রমাণ করতে অনুমোদন করবে না।
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৯২০.
সাক্ষ্য গ্রহণের কোন ক্রমটি ভুল নয়?
  1. জবানবন্দি গ্রহণ, পুন:জবানবন্দি এবং জেরা
  2. জেরা, জবানবন্দি গ্রহণ এবং পুন:জবানবন্দি
  3. জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
 
সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]:
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
 
জেরা [Cross Examination]:
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
 
পুন: জবানবন্দি [Re-examination]:
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।
 
ধারা ১৩৮: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
৯২১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়?
  1. আদালতের উদ্দেশ্যে
  2. মামলার একটি পক্ষের উদ্দেশ্যে
  3. সরকারি কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে
  4. বিশেষজ্ঞের নিজস্ব সংস্থার উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
আদালতের উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৫ক(২) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined…”
অর্থাৎ, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যেই প্রণীত হবে, কোনো পক্ষের জন্য নয়। বিশেষজ্ঞের প্রধান দায়িত্ব হলো আদালতকে সহায়তা করা, পক্ষপাতিত্ব নয়।
- প্রতিবেদন কোনো পক্ষের হয়ে তৈরি করা যাবে না। এটি আদালতের নিকট প্রদান করতে হবে। বিশেষজ্ঞ সাক্ষী আদালতের সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করেন, কোনো পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক: বিশেষজ্ঞের মতামত শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে:
(১) আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যতক্ষণ না তার প্রতিবেদনটি (উপ-ধারা ২ অনুযায়ী) সমস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়।
(২) বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হবে এবং কোনো পক্ষের পক্ষে নয়, এবং বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হচ্ছে আদালতকে সাহায্য করা।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 45A. Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৯২২.
ফৌজদারী মামলায় চরিত্র সম্পর্কে কোনটি প্রাসঙ্গিক?
  1. পূর্ববর্তী খারাপ চরিত্র
  2. পূর্ববর্তী সৎচরিত্র
  3. খারাপ চরিত্র
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী সৎচরিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী সৎচরিত্র
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি মামলায় পূর্ববর্তী সৎ চরিত্র প্রাসঙ্গিক।
৯২৩.
আইনত প্রত্যায়িত হতে হয় এমন দলিলের সম্পাদন প্রমানের জন্য-
  1. প্রত্যেক প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
  2. কোন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন নেই।
  3. অন্তত একজন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
  4. কমপক্ষে তিনজন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ (Proof of execution of document required by law to be attested): 
 যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-
⇒  রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
-----------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 68: Proof of execution of document required by law to be attested:
- If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
⇒ Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৯২৪.
'ক' তার জমিতে 'খ' ও 'গ'-এর অনধিকার প্রবেশের কারণে মামলা করে। 'খ' দাবি করে, ওই জমিতে সাধারণের চলাচলের অধিকার আছে; কিন্তু 'ক' তা অস্বীকার করে। অথচ পূর্বে 'ক' ও 'গ'-এর এক মামলায় আদালত ডিক্রি দিয়েছিল যে, সেখানে সাধারণের চলাচলের অধিকার রয়েছে। আদালতের এই ডিক্রি বর্তমানে 'ক' এবং 'খ' এর মধ্যেকার মামলায়-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. চূড়ান্ত প্রমাণ হবে না
  3. প্রাসঙ্গিক হবে না
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায় জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির [Public Nature] বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো রায়ের পক্ষ নয় এমন কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে উক্ত রায় বাধ্যকর হবেনা। কিন্তু এই নিয়মের প্রথম ব্যতিক্রম ৪১ ধারায় এবং দ্বিতীয় ব্যতিক্রম সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, একই পক্ষ হোক বা না হোক, জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির বিষয় যেমন প্রথা, প্রেসক্রিপশন (অনুমতি সাপেক্ষে ব্যবহার অধিকার) ইত্যাদি বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক।

⇒ উদাহরণ
'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে তার জমিতে অনধিকার প্রবেশের কারণে মামলা করে। 'খ' উক্ত জমিতে সাধারণ জনগণের চলাচলের অধিকার আছে বলে দাবী করে। 'ক' এই দাবী অস্বীকার করে। 'ক' এবং 'গ' এর মধ্যে উক্ত জমি নিয়ে পূর্বের কোন এক মামলায় আদালত উক্ত জমিতে সাধারণের চলাচলের অধিকার আছে বলে ডিক্রি প্রদান করেছিল। আদালতের এই ডিক্রি বর্তমানে 'ক' এবং 'খ' এর মধ্যেকার মামলায় প্রাসঙ্গিক হবে। কিন্তু এটা চলাচলের অধিকার যে আছে তার চূড়ান্ত প্রমাণ না।
৯২৫.
‘ক’,‘খ’- কে হত্যার অভিযোগে পুলিশ কতৃর্ক গ্রেফতার হলে সে পুলিশের কাছে হত্যার কথা স্বীকার করে এবং তার দেওয়া তথ্যমতে পুলিশ হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করে। ‘ক’-এর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি কত ধারায় প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ২৫ ধারায়
  2. ২৬ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ২৭: অভিযুক্তের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য:
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় কোনো তথ্য প্রদান করে এবং তার ফলে কোনো নতুন তথ্য বা প্রমাণ আবিষ্কৃত হয়, তাহলে শুধুমাত্র সেই অংশটুকু প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে, যা সরাসরি উক্ত আবিষ্কৃত তথ্যের সাথে সম্পর্কিত।

মূল ব্যাখ্যা:
- অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকলে তার দেওয়া পুরো স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নয়।
- তবে যদি তার দেওয়া তথ্যের মাধ্যমে কোনো বস্তু (যেমন: অস্ত্র, লাশ বা চুরি যাওয়া দ্রব্য) উদ্ধার করা হয়, তাহলে শুধুমাত্র সেই উদ্ধার সংক্রান্ত অংশটুকু আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

উদাহরণ ১:
একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে বলে— "আমি হত্যার অস্ত্রটি লুকিয়ে রেখেছি" এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ অস্ত্র উদ্ধার করে।
- এখানে "অস্ত্রটি লুকিয়ে রেখেছি" এই তথ্যটি গ্রহণযোগ্য, কারণ এর ফলে অস্ত্র পাওয়া গেছে।

উদাহরণ ২:
একজন অভিযুক্ত পুলিশকে বলে— "আমি লুকিয়ে রাখা টাকা বের করতে পারি" এবং তার নির্দেশনায় পুলিশ টাকা উদ্ধার করে।
- এখানে শুধুমাত্র টাকা উদ্ধার সংক্রান্ত তথ্যটি গ্রহণযোগ্য, কিন্তু তার আগে দেওয়া কোনো অপরাধ স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নয়।
৯২৬.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী, কোনটি বেসরকারি দলিলের উদাহরণ?
  1. দানপত্র বা উইল
  2. সংসদের আইন
  3. আদালতের রেকর্ড
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
দানপত্র বা উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দানপত্র বা উইল
ব্যাখ্যা

⇒ বেসরকারি দলিল (Private Document) হলো সেই সমস্ত দলিল যা সরকারি সংস্থা বা ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের অংশ নয়, বরং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি বা ব্যবহৃত হয়।
- দানপত্র বা উইল একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি সাধারণত ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে সম্পাদিত হয় এবং এর সাথে কোনো সরকারি সংস্থার সংশ্লিষ্টতা থাকে না।

- বেসরকারি দলিল হলো সেইসব দলিল, যা ব্যক্তি বা বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে সম্পাদিত হয় এবং সরকারি কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। দানপত্র (Gift Deed) বা উইল (Will) এই ধরনের দলিলের উদাহরণ।
অর্থাৎ দানপত্র বা উইল হলো একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি ব্যক্তিগত লেনদেনের অংশ। 
তাই সঠিক উত্তর: (ক) দানপত্র বা উইল।

৯২৭.
The Evidence Act, 1872 এর ১৪৬ ধারার বিধান মতে জেরায় কোন ধরনের প্রশ্নের মাধ্যমে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা বিনষ্ট করা যায়?
  1. অশালীন
  2. কুৎসাজনক
  3. বিভ্রান্তিকর
  4. চরিত্র আঘাত করে এমন
সঠিক উত্তর:
চরিত্র আঘাত করে এমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চরিত্র আঘাত করে এমন
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারা অনুসারে, চরিত্রে আঘাত করে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে দূর্বলতা সৃষ্টি করার জন্য বা সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা বিনষ্ট করার জন্য জেরায় প্রশ্ন করা বৈধ।
♦সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ১৪৬ ধারা অনুযায়ী জেরায় তিন ধরনের প্রশ্ন করা বৈধ। যে সকল প্রশ্ন যা দ্বারা সাক্ষীর
(i)  সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়
(ii)  তার পরিচয় মর্যাদা জানা যায়
(iii) তার চরিত্র আঘাত করে বিশ্বাতযোগ্যতা সম্পর্কে দুর্বলতা সৃষ্টি করা যায
♦তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায় ক্লজ(৩) এর অধীন ভিকটিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
৯২৮.
‘মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে’ - এই সাধারণ নীতির ব্যতিক্রম সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আছে?
  1. ৩০ ধারায়
  2. ৩১ ধারায়
  3. ৩৩ ধারায়
  4. ৩৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হতে হয়, অর্থাৎ সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত হয়ে স্বচক্ষে দেখা বা শোনা ঘটনা বর্ণনা করতে হয়। কিন্তু ৩৩ ধারার অধীনে, যদি সাক্ষী উপস্থিত হতে না পারে, তবে পূর্ববর্তী বিচারিক কার্যক্রমে প্রদত্ত তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদিও এটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য নয়।

সাক্ষ্য আইন, ধারা ৩৩: পরবর্তী মামলায় পূর্বে দেওয়া সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা-
যদি কোনো সাক্ষী পূর্বে কোনো বিচারিক কার্যধারায় বা আইনের দ্বারা স্বীকৃত কোনো ব্যক্তির সামনে সাক্ষ্য প্রদান করে থাকেন, তবে সেই সাক্ষ্য পরবর্তী বিচারিক কার্যধারায় বা একই বিচারিক কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে প্রাসঙ্গিক হবে, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলোর যেকোনো একটি প্রযোজ্য হয়—
- সাক্ষী মারা গেছেন,
- সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না,
- সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে অক্ষম,
- প্রতিপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়া থেকে বিরত রেখেছে,
- সাক্ষীকে হাজির করতে এত বিলম্ব বা খরচ হবে, যা আদালতের দৃষ্টিতে অযৌক্তিক।

শর্তাবলী:
এই ক্ষেত্রে, নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ হলে পূর্ববর্তী সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে—
- প্রথম ও পরবর্তী মামলাটি একই পক্ষ বা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে।
- প্রথম মামলায় প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে সাক্ষীকে জেরা করার সুযোগ থাকতে হবে।
- প্রথম ও পরবর্তী মামলার বিষয়বস্তু মূলত একই হতে হবে।

এটি মৌখিক সাক্ষ্যের ব্যতিক্রম কারণ এতে সাক্ষীর অনুপস্থিতিতে তার পূর্ববর্তী সাক্ষ্য প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হয়। তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর "৩৩ ধারায়"।
৯২৯.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ না হলেও প্রমাণে কী ধরনের বাধা সৃষ্টি করে?
  1. স্বকার্য জনিত
  2. দোবারা দোষ
  3. মামলা স্থগিত
  4. উপরের সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
স্বকার্য জনিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বকার্য জনিত
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩১ মতে- স্বীকৃতি স্বকার্য জনিত বিষয় সম্পর্কে চূড়ান্ত- প্রমাণ নয় তবে তা এই আইনের বর্ণিত বিধান সমূহ অনুসারে প্রতিবন্ধ হিসাবে কার্যকারী হতে পারে। যে সকল লোককে স্বাক্ষী রুপে আহ্বান করা যায় না, তাদের বিবৃতিও এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

♦  সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারামতে স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ বা conclusive proof না হলেও estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা সৃষ্টি করতে পারে। 
৯৩০.
অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার: কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ আসামি নিজেকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Inculpatory Confessional Statement বলা হয়।
⇒ আর আসামী নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বীকারোক্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথা-

i) বিচারিক (Judicial) স্বীকারোক্তি;
ii) বিচার বহির্ভূত (Extra-judicial) স্বীকারোক্তি; ও
iii) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।

⇒ আসামী তার দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি যদি কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করে, তবে তাকে বলা হয় বিচারিক স্বীকারোক্তি।
⇒ আর তা যদি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রদান করা হয়, তবে তাকে বলা হয় বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি।
⇒ এছাড়া দেখা যায়, আসামী প্রথমে বিচারিক বা বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি করার পর পরবর্তীতে তার ঐ পূর্বের স্বীকারোক্তি আদালতে অস্বীকার করছে। এটাকে বলা হয় প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।
৯৩১.
Evidence Act applies to:
  1. Courts-martial convened under the Army Act, 1952
  2. Courts-martial
  3. proceedings before the arbitrator
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Courts-martial
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Courts-martial
ব্যাখ্যা
⇒ Extent: It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator;

⇒ এই আইন সমগ্র বাংলাদেশে বলবৎ হবে ও ১৯৮২ সালের সেনাবাহিনী আইন বা ১৯৬১ সালের নৌ- শৃঙ্খলা আইন বা ১৯৫৩ সালের বিমান বাহিনী আইন অনুসারে গঠিত সামরিক আদালত ব্যতীত সকল আদালত এবং সামরিক আদালতে যাবতীয় বিচার কার্যে প্রযোজ্য হবে। তবে অত্র আইন কোন আদালতে অথবা কোন কর্মকর্তার নিকট উপস্থিত হলফনামা অথবা সালিসের কার্যধারায় প্রযোজ্য হবে না।

⇒ Case Law:
Judicial proceedings-The term "Judicial proceedings" is not defined by the Evidence Act, but it is defined by section 4(m) of the Criminal Procedure Code as a "proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath. "An enquiry is judicial if the object of it is to determine a jural relation between one person and another or a group of persons or between him and the community.
-QE vs Tulja. 12 ILR (BOM) 36. P42.

Departmental enquiries-In departmental enquiries the strict laws of evidence according to the Evidence Act are not applicable.
-Sisir Kumar Das vs State, 1955 AIR (Cal) 183.
৯৩২.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারামতে বিচারক নিজ গোচরে আসা কোনো বিষয়ে ঊর্ধ্বতন আদালতের আদেশ ব্যতীত উত্তর দিতে বাধ্য নয়? 
  1. ১২৭
  2. ১২১
  3. ১৩৩
  4. ১১৯
সঠিক উত্তর:
১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১
ব্যাখ্যা
ধারা-১২১: জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য- বিচারকগন বিচারিক কার্যক্রম বা বিচারক হিসেবে তাঁদের জানার মধ্যে যা আসে তার জন্য উর্দ্ধতন আদালতের বিশেষ আদেশ ছাড়া সাক্ষ্য দিতে বাধ্য নন ।

তবে বিচারক হিসেবে নয় বরং অন্য যোগ্যতায় তার জানার মধ্যে থাকলে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য। এছাড়া বিচারকের সামনে কিছু ঘটলে তার জন্য তিনি সাক্ষী হতে পারেন ।
৯৩৩.
'মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব '-এই সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০৯ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১১১ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:- যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
-----------
Section-110. Burden of proof as to ownership: When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
৯৩৪.
'জবানবন্দি ও পুনঃ জবানবন্দির সময় আদালতের অনুমতি ছাড়া ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না'- সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ১৪২ ধারায়
  2. ১৪৩ ধারায়
  3. ১৪১ ধারায়
  4. ১৪০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারা- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
 
অর্থাৎ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
 
যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি 'ক'?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম 'ক'। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.
 
১৪২ ধারার বিধান- বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
 
১৪৩ ধারার বিধান- জেরায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।
৯৩৫.
সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান কী?
  1. Admissions in civil cases when relevant
  2. Confession to police officer not to be proved
  3. Admission by party to proceeding or his agent
  4. Admissions not conclusive proof, but maybe stop
সঠিক উত্তর:
Admissions in civil cases when relevant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Admissions in civil cases when relevant
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
- স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
- সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।
--------------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation.– Nothing in this section shall be taken to exempt any Advocate from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
৯৩৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৮ অনুযায়ী আদালত কত বছর খোঁজখবর না পাওয়ার পর ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করতে বাধ্য?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১০৮-এর প্রভিশন অনুসারে, যখন কোনো ব্যক্তি জীবিত কিনা মৃত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থাকে এবং প্রমাণিত হয় যে সে ৭ (সাত) বছর ধরে যাদের কাছে স্বাভাবিকভাবে খবর পাওয়া যেত তাদের কাছ থেকে কোনো খবর পাওয়া যায়নি, তখন ব্যক্তিটিকে মৃত বলে অনুমান করা হয়। এই অনুমানের ফলে জীবিত বলে দাবি করলে প্রমাণের বোঝা (burden of proof) সেই দাবিকারীর উপর স্থানান্তরিত হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 108: Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.

৯৩৭.
'Dying Declaration' (মৃত্যুকালীন বিবৃতি) করা যায় ____ এর নিকট-
  1. শুধু ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধু পুলিশ
  3. শুধু ডাক্তার
  4. যে-কারও
সঠিক উত্তর:
যে-কারও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে-কারও
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 
- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।

⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;
৯৩৮.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী, ধারা ১৬৬ কোন বিষয়ে সম্পর্কিত?
  1. জুরি বা অ্যাসেসরের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
  2. আদালতের সাক্ষ্য রেকর্ড করার পদ্ধতি
  3. আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন
  4. সাক্ষী সুরক্ষা
সঠিক উত্তর:
জুরি বা অ্যাসেসরের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুরি বা অ্যাসেসরের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) জুরি বা অ্যাসেসরের প্রশ্ন করার ক্ষমতা।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬৬ বলছে, যখন কোনো মামলা জুরি (jury) বা অ্যাসেসরদের (assessors) উপস্থিতিতে বিচারাধীন থাকে, তখন তারা সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারে।
তবে এই প্রশ্নগুলো করতে হবে—
- বিচারকের মাধ্যমে বা তাঁর অনুমতি নিয়ে (through or by leave of the Judge),
- প্রশ্ন হতে হবে এমন, যা বিচারক নিজেও করতে পারতেন, এবং
- বিচারক যদি মনে করেন প্রশ্নটি উপযুক্ত, তখনই তা করা যাবে।

 উদাহরণস্বরূপ:
একটি ফৌজদারি মামলায় যদি জুরি বোর্ড থাকে এবং কোনো সাক্ষীর জবানবন্দিতে দ্ব্যর্থতা থাকে, তাহলে জুরি সদস্যরা বিচারকের অনুমতি নিয়ে সেই বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারেন।

মূল উদ্দেশ্য: এই ধারা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়ক, কারণ এতে জুরি বা অ্যাসেসরদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় এবং তারা বিচার প্রক্রিয়ার সত্য উদঘাটনে ভূমিকা রাখতে পারেন।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 166. Power of jury or assessors to put questions:
- In cases tried by jury or with assessors, the jury or assessors may put any questions to the witnesses, through or by leave of the Judge, which the Judge himself might put and which he considers proper.

৯৩৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৫খ অনুসারে কোন ক্ষেত্রে আদালতের মনে হতে পারে যে, দলিলে সংযুক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি স্বাক্ষরকারীর ইচ্ছাকৃত ছিল?
  1. অস্বাক্ষরিত দলিল
  2. অজানা উৎসের দলিল
  3. সাধারণ ডিজিটাল স্বাক্ষর
  4. সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর
সঠিক উত্তর:
সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫B(২)(ক) অনুযায়ী, যদি কোনো Secure Digital Signature (সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর) কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে যুক্ত থাকে, তাহলে: "The Court shall presume, unless the contrary is proved, that (a) the secure digital signature is affixed by the subscriber with the intention of signing or approving the digital record."
অর্থাৎ, আদালত ধারণা (Presume) করবে যে: স্বাক্ষরকারী নিজেই ইচ্ছাকৃতভাবে স্বাক্ষর করেছেন বা অনুমোদন দিয়েছেন।
- অর্থাৎ ধারা ৮৫খ (2)(a) অনুসারে, যদি এটি সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর হয়, তবে আদালত ধরে নেবে যে স্বাক্ষরকারী তা নিজের ইচ্ছায় যুক্ত করেছে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫খ : ডিজিটাল রেকর্ড এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কিত অনুমান:
(১) কোনো কার্যক্রমে যদি একটি সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ড জড়িত থাকে, তবে আদালত, বিপরীত প্রমাণিত না হলে, অনুমান করবে যে সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ডটি যে সময় থেকে সুরক্ষিত অবস্থায় ছিল, তারপর থেকে তাতে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
(২) কোনো কার্যক্রমে যদি সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর জড়িত থাকে, তবে আদালত, বিপরীত প্রমাণিত না হলে, নিম্নলিখিতগুলি অনুমান করবে যে:
(ক) ডিজিটাল রেকর্ডে স্বাক্ষরকারী (subscriber) কর্তৃক স্বাক্ষরের বা অনুমোদনের অভিপ্রায়ে সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত করা হয়েছে;
(খ) একটি সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ড বা সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতীত, এই ধারার কোনো কিছুই ডিজিটাল রেকর্ড বা কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা এবং অখণ্ডতা সম্পর্কিত কোনো অনুমান তৈরি করবে না।
--------
⇒ The Evidence Act,1872: Section- 85B. Presumption as to digital record and digital signatures:
(1) In any proceedings involving a secure digital record, the Court shall presume unless contrary is proved, that the secure digital record has not been altered since the point of time to which the secure status relates.
(2) In any proceedings, involving secure digital signature, the Court shall presume unless the contrary is proved that-
(a) the secure digital signature is affixed by subscriber with the intention of signing or approving the digital record;
(b) except in the case of a secure digital record or a secure digital signature, nothing in this section shall create any presumption relating to authenticity and integrity of the digital record or any digital signature.

৯৪০.
সাক্ষ্য হিসেবে স্বীকৃতি কোন অর্থে ব্যবহার করা যায়?
  1. Estoppel
  2. Evidence
  3. Confession
  4. Conclusive Proof
সঠিক উত্তর:
Estoppel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Estoppel
ব্যাখ্যা
• স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।
 
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
 
Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৯৪১.
'ক' গুরতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং তার চিকিৎসকে জানায় এই আঘাত 'খ' দিয়েছে। ৩ দিন পর 'ক' মারা যায়। এক্ষেত্রে 'ক' এর বিবৃতি মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে-
  1. গ্রহণযোগ্য হবে
  2. গ্রহণযোগ্য নয়
  3. পুলিশের কাছে দিলে গ্রহণযোগ্য হতো
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 

- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
 
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে 'ক' এর বক্তব্য ৩২ ধারায় বর্ণিত শর্ত অনুসারে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।
৯৪২.
The Evidence Act, 1872 এর ৫১ ধারা অনুযায়ী নিচের কোনটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণযোগ্য
  2. সাধারণ সাক্ষীদের মতামত আদালতে গৃহীত হবে
  3. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তার মতামত গ্রহণযোগ্য
  4. বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তি বা কারণও আদালতে প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তি বা কারণও আদালতে প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তি বা কারণও আদালতে প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৫১ ধারা- মতামতের ভিত্তি, কখন প্রাসঙ্গিক:
যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়, তখন সেই মতামতের ভিত্তি বা কারণও প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হবে।

উদাহরণ:
একজন বিশেষজ্ঞ (Expert) তার মতামত গঠনের জন্য যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন, তা আদালতে ব্যাখ্যা করতে পারেন।
৯৪৩.
নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল (Public Document) হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ব্যক্তিগত ডায়েরি
  2. পারিবারিক চিঠিপত্র
  3. দুই বন্ধুর মধ্যে চুক্তিপত্র
  4. আদালতের ডিক্রি বা আদেশ
সঠিক উত্তর:
আদালতের ডিক্রি বা আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ডিক্রি বা আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী, আদালতের আদেশ বা ডিক্রি সরকারি দলিলের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এগুলো বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের অংশ এবং সরকারি রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

৯৪৪.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় জুরি বা এসেসগণ কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার ক্ষমতা সর্ম্পকে বলা হয়েছে?
  1. ১৬৫ ধারা
  2. ১৬৭ ধারা
  3. ১৬৮ ধারা
  4. ১৬৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৬ ধারায় জুরি বা এসেসর সম্পর্কে বলা আছে। ১৬৬ ধারার অধীন জুরি কোনো সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারে।

⇒ বর্তমানে জুরি বা এসেসর সিস্টেম বিলুপ্ত।
-------------------
⇒ Power of jury or assessors to put questions
Section 166. In cases tried by jury or with assessors, the jury or assessors may put any questions to the witnesses, through or by leave of the Judge, which the Judge himself might put and which he considers proper.
৯৪৫.
বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যকার যোগাযোগ কোন ক্ষেত্রে প্রকাশ করা যেতে পারে?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
  2. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দেওয়ানি মামলায়
  3. একজনের বিরুদ্ধে অপরজনের ফৌজদারি মামলায়
  4. খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোনো ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

Section 122⇒ Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৯৪৬.
ডিজিটাল স্বাক্ষর আদালত কীভাবে যাচাই করতে পারেন?
  1. নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  2. সেই ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  3. অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে আদেশের প্রদানের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৯৪৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমতের প্রাসঙ্গিকতা বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৫
  2. ধারা ৪৮
  3. ধারা ৫০
  4. ধারা ৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
উদাহরণ: কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.
Illustration: The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section. 

৯৪৮.
যদি একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত হয়, তবে কোনটি প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. শুধুমাত্র প্রথম অংশ
  2. শুধুমাত্র শেষ অংশ
  3. প্রতিটি অংশ
  4. কোনো অংশই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি অংশ
ব্যাখ্যা
⇒ যদি একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত হয়, তবে প্রত্যেকটি অংশই প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। এর কারণ, প্রমাণের ক্ষেত্রে প্রতিটি অংশ নিজস্বভাবে সেই দলিলের একটি মূল অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬২ (ব্যাখ্যা ১) অনুসারে:
"যখন একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত হয়, প্রতিটি অংশই দলিলটির প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।"

- এটি সাধারণত সেইসব দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে একই দলিলের একাধিক কপি বিভিন্ন পক্ষের কাছে রাখার জন্য তৈরি করা হয় (যেমন: লিজ ডিড, চুক্তিপত্র)।
- প্রতিটি কপিই মূলের সমতুল্য এবং স্বতন্ত্রভাবে প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬২-এ প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence) সম্পর্কে বলা আছে:
"Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court."
এরপরে "Explanation 1" এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document."

- অর্থাৎ, যদি একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত (executed) হয়, তবে প্রতিটি অংশ সেই দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। এর কারণ হলো, প্রতিটি অংশই দলিলের একটি অংশ হিসেবে সমানভাবে বৈধ এবং মূল দলিলের প্রতিনিধিত্ব করে।
৯৪৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ অনুসারে একজন বোবা সাক্ষী কীভাবে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন?
  1. কেবল অন্যের মাধ্যমে
  2. লিখে বা ইশারার মাধ্যমে
  3. ভিডিও কলের মাধ্যমে
  4. তার আইনগত প্রতিনিধির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
লিখে বা ইশারার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখে বা ইশারার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১৯ অনুযায়ী- যদি কোনো সাক্ষী কথা বলতে অক্ষম হন (যেমন বোবা ব্যক্তি), তাহলে তিনি সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন এমন কোনো পদ্ধতিতে যাতে তার বক্তব্য বোধ্য হয়।
- এই পদ্ধতিগুলো হতে পারে:  লেখার মাধ্যমে, অথবা  ইশারা বা সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে।
তবে শর্ত হলো, এই লিখিত বা ইঙ্গিতভিত্তিক সাক্ষ্য অবশ্যই আদালতের উন্মুক্ত কক্ষে (Open Court) প্রদর্শিত হতে হবে, যেন বিচারক এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ তা বুঝতে পারেন।
- এই ধরণের সাক্ষ্যকে “মৌখিক সাক্ষ্য” (Oral Evidence) হিসেবেই গণ্য করা হয়, যদিও সাক্ষী কথায় তা প্রকাশ করতে অক্ষম।

উদাহরণ:
যদি একজন বোবা ব্যক্তি আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে ইশারায় বা লিখে জানান যে তিনি কী দেখেছেন বা জানেন — তা তখন সম্পূর্ণ বৈধ ও গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

অর্থা ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৯৫০.
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি বেঁচে গেলে ঐ ঘোষণা কী হবে?
  1. সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
  2. সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হবে
  3. জীবিতকালীন ঘোষণা বলে গণ্য হবে
  4. আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ধারা ৩২(১) এর অধীন মৃত্যুকালীন ঘোষনা দেয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে।

⇒ Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ মৃত্যুকালীন ঘোষণা [Dying Declaration); কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পূর্বে তার  মৃত্যুর কারণ,  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা যে সকল ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা/বিবৃতি প্রদান করে, তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলে।

⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয়ক্ষেত্রেই।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। 
৯৫১.
The Army Act, 1952 এর অধীন বিচার-প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য কিনা?
  1. প্রযোজ্য
  2. প্রযোজ্য নয়
  3. আংশিক প্রযোজ্য
  4. শুধুমাত্র বিশেষ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
প্রযোজ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রযোজ্য নয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ১: সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army Act, 1952 অথবা The Naval Discipline Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act, 1953 এর ক্ষেত্রে;
ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;
iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে।

Section 1 ⇒ Extent:
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator.
৯৫২.
নিচের কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন?
  1. স্বীকৃত বিষয়
  2. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  3. অনুমিত বিষয়
  4. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে, অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
৯৫৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় জুডিসিয়াল নোটিশ (Judicial Notice) সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৫৬ ধারায়
  2. ৫৭ ধারায়
  3. ৫৮ ধারায়
  4. 'ক' এবং 'খ' উভই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভই
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
৯৫৪.
The Evidence Act, 1872 এর ________ ধারায় অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারার বিধান বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায়, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্যসমূহ (Motive, preparation and previous or subsequent conduct)- যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।
৯৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার অনুসারে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণের উপর একজন বিশেষজ্ঞ সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার আগে কী প্রয়োজন?
  1. সংশ্লিষ্ট পক্ষের অনুমতি
  2. পুলিশের অনুমোদন
  3. আদালতের অনুমতি
  4. উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:-
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত, কোনও সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবে না, যদি না তার প্রতিবেদন, উপ-ধারা (২) অনুযায়ী, সমস্ত পক্ষকে সরবরাহ করা হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের উদ্দেশ্যে হতে হবে এবং যে পক্ষের পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হচ্ছে তার উদ্দেশ্যে নয়। বিশেষজ্ঞের দায়িত্ব হবে আদালতকে সহায়তা করা।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার অনুসারে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণের উপর একজন বিশেষজ্ঞ সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার আগে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন।
------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence: 
 (1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৯৫৬.
A একজন মক্কেল, অ্যার্টনী B কে বলে যে, ‘আমি জাল দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করতে চাই যে জন্যে আপনাকে মামলা করতে অনুরোধ করছি’। অ্যার্টনীর সাথে মক্কেলের এমন যোগাযোগ কোন বেআইনি
  1. ১২৬ ধারায় প্রকাশ করা হতে সুরক্ষিত
  2. অ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
  3. অ্যাটর্নী এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে না
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
অ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
৯৫৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা মতে আদালত ১১টি বিষয় অবশ্যই দৃষ্টি গোচরে নিবেন?
  1. ৫৬ ধারা
  2. ৫৭ ধারা
  3. ৫৮ ধারা
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী ১১ টি বিষয় আদালত অবশ্যই বিবেচনা করতে বাধ্য। এই গুলো প্রমাণ করতে হয় না।
৯৫৮.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী বোবা ব্যক্তি আদালতে কীভাবে সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. ইশারায়
  2. প্রকাশ্যে লিখে
  3. 'ক' অথবা 'খ'
  4. সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য হবেন
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারার বিধান বোকা সাক্ষী:
একজন সাক্ষী যিনি কথা বলতে অক্ষম, তিনি যে কোনও অন্য উপায়ে তার সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন যা দ্বারা তিনি তা বোঝানো সম্ভব, যেমন লেখা বা চিহ্নের মাধ্যমে; তবে সেই লেখা আদালতে উন্মুক্তভাবে লেখা উচিত এবং চিহ্নগুলি আদালতে তৈরি করা উচিত। এভাবে প্রদত্ত সাক্ষ্য মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:

লিখিত সাক্ষ্য:
বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।

ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য:
বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
--------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section- 119.Dumb witnesses:
-A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible,  as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৯৫৯.
ক” একটি জমির দখলে আছে। খ” দাবি করে ক” উক্ত জমির মালিক না। এখানে ক” যে উক্ত জমির মালিক না তা প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. ক” এর উপর
  2. খ” এর উপর
  3. দখলকারীর উপর
  4. মালিকের উপর
সঠিক উত্তর:
খ” এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ” এর উপর
ব্যাখ্যা
♦যে ব্যক্তির দখলে কিছু আছে বলে দেখানো আছে, সেই ব্যক্তি উক্ত জিনিসের মালিক কিনা এই প্রশ্ন উঠলে, দখলকারী ব্যক্তি যে মালিক না তা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর বর্তায়, যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সেই জিনিসের মালিক না। যেহেতু খ” দাবি করে যে, ক” উক্ত জমকির মালিক না, তাই তা প্রমাণের দায়িত্ব খ” এর উপর বর্তায়।
৯৬০.
নিম্নের কোনটি গৌণ সাক্ষ্য নহে?
  1. মূল দলিলের সার্টিফাইড কপি
  2. মুল দলিলের প্রতিলিপি
  3. সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল
  4. দলিল দেখেছেন এমন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত দলিল সম্পর্কিত মৌখিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে প্রাথমিক/মুখ্য সাক্ষ্য: প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা
ব্যাখ্যা-১ কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য 
কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২ঃ যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথাঃ মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য, কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল , সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মাধ্যমিক/গৌণ সাক্ষ্য (Secondary evidence) : মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তার অন্তর্ভুক্ত হলঃ বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল, মূল দলিল হতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সাথে মিলিয়ে নেওয়া অন্য নকল; মূল দলিল হতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে নেওয়া নকল কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তার বিরুদ্ধে তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে, যে ব্যক্তি নিজে কোন দলিল দেখেছে, তার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।
 
♦ প্রশ্নে কোনটি গৌণ্য সাক্ষ্য নহে অর্থ কোনটি প্রাথমিক সাক্ষ্য তা জানতে চাওয়া হয়েছে। মূল দলিলের সার্টিফাইড কপি বা জাবেদা নকল, দলিল দেখেছেন এমন ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল হলো গৌণ সাক্ষ্য বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারা অনুসারে, সাব রেজিষ্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল বা জাবেদা নকল ৬৩ ধারার (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
অন্যদিকে, ৬২ ধারার ব্যাখ্যা-০১ অনুসারে, যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ [counterparts] সম্পাদিত হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি প্রতিলিপি এর সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে।
সুতরাং, মূল দলিলের প্রতিলিপি বা মূল দলিলের অনুরূপ কপি প্রস্তুত করা হলে, এবং পক্ষগণ মূল দলিলটিসহ প্রস্তুতকৃত প্রতিলিপি স্বাক্ষর করে সম্পাদন করলে, অনুরূপ প্রতিলিপি প্রাথমিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে।
৯৬১.
যে সকল ঘটনা বা বিষয় একই কার্যের অংশ সেগুলো __________ নামে পরিচিত।
  1. অন্যত্র থাকার দাবী (Plea of Alibil)
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying Declaration)
  3. স্বীকৃতি (Admission)
  4. সংঘটিত ব্যাপার (Res Gestae)
সঠিক উত্তর:
সংঘটিত ব্যাপার (Res Gestae)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংঘটিত ব্যাপার (Res Gestae)
ব্যাখ্যা
♦Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ - Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা। অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় Res gestae নীতিটি কি সেটা উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৭, ৮, ৯ এবং ১৪ ধারায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সংঘটিত ব্যাপার বা Res gestae সেই সকল বিষয়কে বোঝায় যেগুলো একই কার্যের (Same Transaction) অংশ গঠন করে।
৯৬২.
অভিযুক্ত দাবি করে যে, গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে আত্মসংযম হারিয়েছিল। এটি প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. ভুক্তভোগীর
  2. আদালতের
  3. রাষ্ট্রপক্ষের
  4. অভিযুক্তের
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্ব:
কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।

উদাহরণ:
(ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' দাবি করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

(খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। 

৯৬৩.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী Estoppel কোন ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র আইনগত প্রশ্ন
  2. শুধুমাত্র ঘটনাভিত্তিক প্রশ্ন
  3. ঘটনাভিত্তিক এবং আইনগত উভয় প্রশ্ন
  4. কোনো প্রশ্নেই প্রযোজ্য নয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ঘটনাভিত্তিক প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ঘটনাভিত্তিক প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

⇒ Estoppel (স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা) একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি যা সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৫ অনুযায়ী প্রযোজ্য। এই নীতি অনুসারে, যদি কেউ কোনো বক্তব্য, আচরণ বা নীরবতার মাধ্যমে অন্যকে একটি ঘটনা বিশ্বাস করাতে সক্ষম হয় এবং সেই ব্যক্তি সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে কোনো কার্য করে, তবে প্রথম ব্যক্তি ভবিষ্যতে তার আগের বক্তব্য বা অবস্থান অস্বীকার করতে পারে না।
⇒  Estoppel কেবল ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য; আইনগত অধিকার বা বিধান বিষয়ে এটি প্রযোজ্য নয়।
- Estoppel (স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা) হলো এমন একটি নীতি, যা কাউকে তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির পরিপন্থী কথা বলার বা দাবি করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যদি সেই পূর্ববর্তী আচরণ বা কথার ভিত্তিতে অন্য ব্যক্তি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।
⇒ তবে এই নীতির প্রযোজ্যতা কিছু নির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ:
- ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে (Questions of fact): যেমন, কে কী বলেছিল, কে কী কাজ করেছিল, কোনো জমি কার দখলে ছিল ইত্যাদি।
- দেওয়ানি মামলায় (Civil cases): বিশেষত অধিকার ও মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে।

⇒ “আইনগত প্রশ্ন” (Questions of Law) - যেমন কার আইনগত অধিকার আছে, আইন কী বলে ইত্যাদি বিষয়ের ক্ষেত্রে Estoppel প্রযোজ্য নয়। কেউ যদি ভুল করে বলে যে তার কোনো অধিকার নেই, তবুও আইনের চোখে যদি তার অধিকার থাকে, সে তা দাবি করতে পারে।

৯৬৪.
জনাব 'ক' একজন অত্যন্ত নীতিবান এবং ধার্মিক মানুষ। 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আদালতে উঠেছে। সেখানে তার আইনজীবী সাক্ষ্য শুনানীর সময় 'ক' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইলে-
  1. আদালত বাধা প্রদান করবে
  2. বিপক্ষ আইনজীবী তাকে বাধা প্রদান করবে
  3. আদালতের অনুমতি ছাড়া বলা যাবে না
  4. সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই আদালতে
সঠিক উত্তর:
সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই আদালতে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

তবে ৫৪ ধারা অনুসারে, অভিযুক্তের পূর্বাচারের প্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয়। অর্থাৎ তার আগের অপরাধমূলক কাজকর্ম বা খারাপ চরিত্র প্রমাণ করা যাবে না। অর্থাৎ, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সচ্চরিত্র বা ভালচরিত্র তার পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে গণ্য। এটি আইনগতভাবে স্বীকৃত এবং সাক্ষ্য আইনে ব্যবস্থা রয়েছে। তাই উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' এর আইনজীবী কর্তৃক 'ক' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরার আইনগত অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।
৯৬৫.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী মাধ্যমিক সাক্ষ্য সম্পর্কিত বিধান কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬২ ধারা
  3. ৬৩ ধারা
  4. ৬৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলি রয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
----------- 
⇒ The Evidence Act, 1872 section 63. Secondary evidence:
-"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."
৯৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত কোন ধরনের অনুমান করতে পারে?
  1. জীবিত থাকার অনুমান
  2. মৃত অনুমান
  3. বৈধতার অনুমান
  4. সম্পর্কের অনুমান
সঠিক উত্তর:
মৃত অনুমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত অনুমান
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী: যে ব্যক্তি সম্পর্কে সাত বছর যাবৎ কোনো খবর পাওয়া যায় নাই সে জীবিত আছে, তাহা প্রমাণের দায়িত্ব: যখন প্রশ্ন হইতেছে, কোনো ব্যক্তি জীবিত বা মৃত এবং প্রতীয়মান হইয়াছে যে, সেই লোক জীবিত থাকিলে স্বাভাবিকভাবে যাহারা তাহার খবর পইত, তাহারা সাত বছর যাবৎ তাহার কোনো খবর নাই, তখন সেই লোক জীবিত বলিয়া যে দাবি করে, উহা প্রমাণ করিবার দায়িত্ব তাহার উপর ন্যস্ত হয়।
অর্থ্যাৎ আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়।
এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।   
---------
Section 108 → Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years: Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.

৯৬৭.
সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব
  2. শারীরিক অবস্থার অস্তিত্ব
  3. শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব
  4. সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারা মতে:যেসব ঘটনা হতে ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, উগ্রতা অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি সদিচ্ছা/অসদিচ্ছা (intention, knowledge, good faith, negligence, rashness, ill-will, or good-will towards any particular person) প্রভৃতি মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব প্রতীয়মান হয়; অথবা কোন শারীরিক অবস্থা বা শারীরিক অনুভূতির (any state of body or bodily feeling) অস্তিত্ব প্রতীয়মান হয়, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসিক বা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারার বিধান: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করেঃ- ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়।

⇒ ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে।

⇒ ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।
৯৬৮.
The Evidence Act, 1872 অনুযায়ী কোনটি সরকারি দলিল নয়?
  1. বিভাগীয় অনুসন্ধানে ম্যাজিট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি
  2. সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্ট রিপোর্ট
  3. জন্ম সনদ
  4. আরজি
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় অনুসন্ধানে ম্যাজিট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় অনুসন্ধানে ম্যাজিট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document).

♦ ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ
(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

♦ ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
৯৬৯.
'Oral evidence must be direct.' সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৫৮ ধারার
  2. ৫৯ ধারার
  3. ৬০ ধারার
  4. ৬১ ধারার
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে অর্থাৎ সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে হবে বা শুনতে হবে বা উপলব্ধি করতে হবে। অন্যের মারফত শোনা ঘটনা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অথাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।

-------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা - Oral evidence must be direct.

Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৯৭০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৬ অনুযায়ী কোনটি সঠিক?
  1. দলিল ছাড়া আদালত কোনো প্রমাণ গ্রহণ করবে না
  2. আদালতে সকল প্রমাণ উপস্থাপন করা আবশ্যক
  3. সাক্ষীর বক্তব্য ছাড়া আদালত প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে না
  4. কিছু ঘটনা প্রমাণের প্রয়োজন নেই, কারণ আদালত তা নিজেই জানে
সঠিক উত্তর:
কিছু ঘটনা প্রমাণের প্রয়োজন নেই, কারণ আদালত তা নিজেই জানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিছু ঘটনা প্রমাণের প্রয়োজন নেই, কারণ আদালত তা নিজেই জানে
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)-
যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী- যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
--------------
⇒ The Evidence Act, Section 56. Fact judicially noticeable need not be proved: No fact of which the Court will take judicial notice need be proved.
৯৭১.
সকল দেওয়ানী কার্যক্রমে কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে-
  1. অযোগ্য সাক্ষী
  2. যোগ্য সাক্ষী
  3. সাক্ষী সংশ্লিষ্ট
  4. বৈরী সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী: সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।
------------------------------------------
⇒ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
 In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৯৭২.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী (Accomplice) সাক্ষীর বিধান আছে?
  1. ১১৪
  2. ১৩১
  3. ১৩৩
  4. ১৩৪
সঠিক উত্তর:
১৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice: 
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৯৭৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবন (Refreshing Memory) সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ১৪৯
  2. ধারা ১৫৯
  3. ধারা ১৪৬
  4. ধারা ১৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৯
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৯ এ স্মৃতি পুনরুজ্জীবন (Refreshing Memory) সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, একজন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদানের সময় তার স্মৃতি সতেজ করার জন্য নির্দিষ্ট লিখিত দলিল বা উপকরণ দেখতে পারেন। এই বিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
নিজের লেখা দলিল: সাক্ষী তার নিজের লিখিত দলিল দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন, যদি দলিলটি ঘটনার সময় বা তার অল্প সময় পরে লেখা হয় এবং আদালত মনে করে যে ঘটনাটি তখন সাক্ষীর স্মৃতিতে সতেজ ছিল।
অন্যের লেখা দলিল: সাক্ষী অন্য কোনো ব্যক্তির লিখিত দলিল দেখে স্মৃতি সতেজ করতে পারেন, যদি তিনি সেই দলিল পড়ার সময় তা সঠিক বলে জানতেন এবং ঘটনার সময় বা অল্প সময় পরে তা পড়েছিলেন।
দলিলের নকল: আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, যদি মূল দলিল উপস্থাপনের যথেষ্ট কারণ না থাকে (যেমন, মূল দলিল হারিয়ে গেছে), তবে সাক্ষী দলিলের নকল দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন।
বিশেষজ্ঞের ক্ষেত্রে: একজন বিশেষজ্ঞ (যেমন, তদন্তকারী পুলিশ অফিসার) তার পেশাগত পুস্তক, রেফারেন্স উপকরণ, বা কেস ডায়েরি দেখে স্মৃতি সতেজ করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, একজন পুলিশ অফিসার কেস ডায়েরি দেখে তার সাক্ষ্যের বিষয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন।
⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৯ স্মৃতি পুনরুজ্জীবন সম্পর্কিত বিধান প্রদান করে, যা সাক্ষীকে দলিল বা উপকরণের সাহায্যে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্য প্রদানে সহায়তা করে। অন্যান্য ধারাগুলো (১৪৯, ১৪৬, ১৫৫) এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারার বিধান মতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা বলতে বুঝায় সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রদান কালে তাহার নিজের লেখা দেখে স্মৃতি মনে করা। তবে সাক্ষী অন্যের লেখা কিছু দেখেও স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারবে যদি তিনি পূর্বে উক্ত লেখা পড়ে/পড়ার সময় সত্য বলে জেনে থাকেন।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারার মতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing memory). সাক্ষ্য প্রদানের সময় কোন সাক্ষী কোন লেখা দ্বারা তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। মূল লেখা দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা যায়। আদালত অনুমতি দিলে সাক্ষী দলিলের নকল দেখেও স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক/বই দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে করতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act 1872, Section 159 Refreshing memory: A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory.
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.

৯৭৪.
নিম্নের কোনটি 'Judicial Notice' এর বিষয় নয়?
  1. রোহিঙ্গা বিষয়ে বাংলাদেশ-মায়ানমার বিরোধ
  2. বাংলাদেশের সীমানা
  3. সনদপ্রাপ্ত সকল আইনজীবীর নাম
  4. ইসরাইলের জাতীয় প্রতাকা
সঠিক উত্তর:
ইসরাইলের জাতীয় প্রতাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরাইলের জাতীয় প্রতাকা
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।
[বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিক স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
♦ব্যাখ্যা : বাংলাদেশের সাথে অপর রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ আরম্ভ হওয়া, চলতে থাকা ও অবসান হওয়া আদালত বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিতে বাধ্য। যেহেতু রোহিঙ্গা নিয়ে বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের বিরোধ শুরু হয়েছে এবং চলমান আছে সেহেতু এটা বিচারিক দৃষ্টিগোচরের বিষয়। বাংলাদেশের সীমানা এবং আইন অনুসারে আদালতে উপস্থিত হয়ে মোকদ্দমা পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল অ্যাডভোকেটের নামও বিচারিক দৃষ্টিগোচরের বিষয়। সুতরাং ক, খ এবং গ উত্তর হবে না কারণ প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি বিচারিক দৃষ্টিগোচরের বিষয় না। সরকার কর্তৃক স্বীকৃত প্রত্যেক রাষ্ট্র বা সার্বভৌম বা রাজা বা রাণীর অস্তিত্ব, উপাধি ও জাতীয় পতাকা আদালত বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিবে। যেহেতু ইসরাইলকে বাংলাদেশ স্বীকৃতি দেয়নি এবং ইসরাইলের পতাকাও বাংলাদেশ স্বীকৃতি দেয়নি, সেহেতু এটা বিচারিক দৃষ্টিগোচরের বিষয় না। সুতরাং সঠিক উত্তর (ঘ)।
৯৭৫.
According to Section 31, admissions can be used in what capacity?
  1. As conclusive evidence
  2. To operate as estoppels
  3. As preliminary evidence only
  4. To determine guilt in criminal cases
সঠিক উত্তর:
To operate as estoppels
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To operate as estoppels
ব্যাখ্যা
Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
 
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
৯৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান প্রয়োগ করার পূর্বে আদালতকে কোন মৌলিক বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে? 
  1. ষড়যন্ত্রকারীরা একটি লিখিত চুক্তি করেছে কিনা
  2. সকল ষড়যন্ত্রকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে কিনা
  3. অপরাধটি সফলভাবে সংঘটিত হয়েছে কিনা
  4. ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব আছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে কিনা
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব আছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব আছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে কিনা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০ প্রয়োগের জন্য আদালতকে প্রথমে এই মৌলিক বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে যে, "যুক্তিসঙ্গত কারণে বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো অপরাধ বা নালিশযোগ্য অন্যায় সংঘটনের জন্য ষড়যন্ত্র করেছে"। এটি একটি প্রাক-শর্ত (pre-condition) যা পূরণ না হলে ধারা ১০-এর অধীনে ষড়যন্ত্রকারীদের কথা, কাজ বা লেখা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না। অর্থাৎ, "যুক্তিসঙ্গত কারণ" (reasonable ground) থাকলেই কেবল এই ধারা প্রয়োগ করা যাবে।
সুতরাং, ধারা ১০ প্রয়োগের পূর্বে আদালতকে ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত কারণ নিশ্চিত হতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ (Things said or done by conspirator in reference to common design): দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 10. Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.

৯৭৭.
নিম্নলিখিত কোনটি সাক্ষ্য আইনের অধীনে ‘ডিজিটাল রেকর্ড’ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. সিসিটিভি রেকর্ড
  3. কার্টুন বা ব্যঙ্গচিত্র
  4. কাগজে লেখা চুক্তিপত্র
সঠিক উত্তর:
সিসিটিভি রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিসিটিভি রেকর্ড
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩ (ডিজিটাল রেকর্ডের ব্যাখ্যা) অনুযায়ী, ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড এমন কোনো রেকর্ড, তথ্য বা ডেটা যা ম্যাগনেটিক বা ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, ভিডিও রেকর্ড, সিসিটিভি রেকর্ড ইত্যাদির মাধ্যমে সংরক্ষিত বা ট্রান্সফার করা হয়।
-  সিসিটিভি রেকর্ড ডিজিটাল রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি ভিডিও ডেটা যা ডিজিটাল ফর্মে সংরক্ষিত বা রেকর্ড করা হয়। এটি প্রমাণ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা যেতে পারে।
৯৭৮.
মৃত্যুর কারণ সংবলিত মৃত্যুকালীন ঘোষনা সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩২(১) ধারায়
  2. ৩২(২) ধারায়
  3. ৩২(৩) ধারায়
  4. ৩২(৪) ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী-
কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষনা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
৯৭৯.
একটি হত্যার মামলায় ‘E’ এবং ‘F’ অভিযুক্ত। ‘F’ দুষ্কর্মের সহযোগী হিসেবে সাক্ষ্য দেয় যে ‘E’ হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। ‘F’-এর সাক্ষ্যের সমর্থনে অন্য কোনো প্রমাণ নেই। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে ‘F’-এর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য এবং এর ভিত্তিতে সাজা বেআইনি হবে না?
  1. ধারা ১১৫
  2. ধারা ১৩০
  3. ধারা ১৩২
  4. ধারা ১৩৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুসারে, দুষ্কর্মের সহযোগী (accomplice) একজন আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপযুক্ত সাক্ষী হিসেবে গণ্য। তার অসমর্থিত (uncorroborated) সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেওয়া হলেও কেবল এই কারণে সাজা বেআইনি হবে না। এখানে ‘F’ দুষ্কর্মের সহযোগী হিসেবে ‘E’-এর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছে, এবং তার সাক্ষ্যের সমর্থনে অন্য কোনো প্রমাণ না থাকলেও ধারা ১৩৩-এর অধীনে এটি গ্রহণযোগ্য এবং এর ভিত্তিতে সাজা বৈধ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলিয়া গণ্য হইবেন। দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেওয়া হইলে কেবল সেই কারণেই উক্ত সাজা বেআইনি হইবে না।

⇒ ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনি হবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

৯৮০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বিশারদের অভিমত (Expert Opinion) কে প্রাসঙ্গিক করার কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৩৩ ধারা
  3. ৪৪ ধারা
  4. ৪৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী বিশারদগণের অভিমত বলতে বুঝায় যে সকল ব্যক্তি বিশেষ বিষয়ে পারদর্শী। তাদের অভিমত ৫টি ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
যথা-
বিদেশী আইন,বিজ্ঞান, চারুকলা, হস্তলিপি সনাক্ত করণের প্রশ্নে এবং টিপ সহি সনাক্তে ।
৯৮১.
যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত তৈরি করতে হয়, তখন কার মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. বিশেষজ্ঞের
  2. যার ডিজিটাল স্বাক্ষর সেই ব্যক্তির মতামত
  3. সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারামতে ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
--------------
“Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant.- When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact."
৯৮২.
সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় নিম্নলিখিত কোন বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে?
  1. উপলক্ষ ও অকারণ
  2. অভিপ্রায় ও কার্য
  3. উপলক্ষ, কারণ ও পরিণতি
  4. অভিপ্রায়, প্রস্তুতি ও কার্য
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়, প্রস্তুতি ও কার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়, প্রস্তুতি ও কার্য
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা মতে যে কোনো বিষয় যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের জন্য অভিপ্রায় বা প্রস্তুতি দেখায় বা গঠন করে তা প্রাসঙ্গিক। সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় তিনটি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। যথা:-

   (i) অভিপ্রায়     (ii) প্রস্তুতি এবং        (iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য
৯৮৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩০ অনুযায়ী, একাধিক ব্যক্তির যৌথ বিচারে একজনের স্বীকারোক্তি অন্যদের বিরুদ্ধে কখন বিবেচনা করা যায়?
  1. যখন পুলিশ তা নিশ্চিত করে
  2. যখন সবাই একই অপরাধে অভিযুক্ত
  3. যখন স্বীকারোক্তি লিখিতভাবে দেওয়া হয়
  4. যখন স্বীকারোক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে নেওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
যখন সবাই একই অপরাধে অভিযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সবাই একই অপরাধে অভিযুক্ত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩০ অনুসারে, যদি একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে যৌথভাবে বিচারের সম্মুখীন হন, এবং তাদের মধ্যে একজন স্বীকারোক্তি দেন, তবে আদালত সেই স্বীকারোক্তি স্বীকারোক্তিদাতা ব্যক্তি ও অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
শর্তসমূহ:
যৌথ বিচার হতে হবে: অভিযুক্তরা একই অপরাধের জন্য একসঙ্গে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে।
স্বীকারোক্তিতে অন্য অভিযুক্তের নাম থাকতে হবে: স্বীকারোক্তি এমন হতে হবে যাতে নিজের পাশাপাশি অন্য অভিযুক্তদেরও সংশ্লিষ্টতা থাকে।
স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় ও গ্রহণযোগ্য হতে হবে: স্বীকারোক্তিটি যদি ভয়, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে নেওয়া হয়, তবে এটি অগ্রহণযোগ্য হবে (ধারা ২৪ অনুসারে)।

উদাহরণ:
A এবং B যৌথভাবে C-কে খুনের অভিযোগে বিচারের সম্মুখীন।
বিচার চলাকালে A আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়—
"আমি এবং B একসঙ্গে C-কে হত্যা করেছি।"
এই স্বীকারোক্তি আদালত B-এর বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে, যদিও এটি সরাসরি B-এর দেওয়া স্বীকারোক্তি নয়।
- তবে, শুধুমাত্র এই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে অন্য অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না। এটি কেবল অতিরিক্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

অর্থাৎ যখন অভিযুক্তরা একই অপরাধে যৌথ বিচারের সম্মুখীন হন, তখন একজনের স্বীকারোক্তি অন্যদের বিরুদ্ধেও আদালত বিবেচনা করতে পারে।
- সঠিক উত্তর: (খ) যখন সবাই একই অপরাধে অভিযুক্ত।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 30. Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence:
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.

Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.

Illustrations
(a) A and B are jointly tried for the murder of C. It is proved that A said-"B and I murdered C." The Court may consider the effect of this confession as against B.
৯৮৪.
সাক্ষ্য (সংশোধন) আইন, ২০২২ অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. কম্পিউটার মেমরি
  2. সিসিটিভি রেকর্ড
  3. ম্যাগনেটিক রেকর্ড
  4. হাতে লেখা দলিল
সঠিক উত্তর:
হাতে লেখা দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতে লেখা দলিল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য (সংশোধন) আইন, ২০২২ (The Evidence [Amendment] Act, 2022) অনুসারে "ডিজিটাল রেকর্ড" বলতে বোঝানো হয়েছে—
- কম্পিউটার, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার বা অন্য কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে প্রস্তুতকৃত, সংরক্ষিত, পাঠানো, গৃহীত বা ধারণকৃত যেকোনো তথ্য বা উপাত্ত।
- এর মধ্যে রয়েছে:
- কম্পিউটার মেমরি
- সিসিটিভি রেকর্ড
- ম্যাগনেটিক, ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল ডিভাইস
- মোবাইল ফোনে ধারণকৃত অডিও-ভিডিও
- ড্রোন ফুটেজ
- ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি
- তবে, "হাতে লেখা দলিল" একটি প্রচলিত / প্রচলিত কাগজে লেখা দলিল, যা ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়।
- এটি সাধারণত কাগজ-কলমে তৈরি হওয়ায় "ইলেকট্রনিক" বা "ডিজিটাল" নয়।

অর্থাৎ হাতে লেখা দলিল ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রস্তুত নয়, তাই ডিজিটাল রেকর্ড নয়।
-অন্য তিনটি (কম্পিউটার মেমরি, সিসিটিভি রেকর্ড, ম্যাগনেটিক রেকর্ড) ডিজিটাল রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত।
৯৮৫.
'Proof as to verification of digital signature' এই বিধান সাক্ষ্য আইনের কোথায় আছে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭৩ক ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭৩খ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৩ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৩ক ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৯৮৬.
'কোন জিনিসের মালিকানা' প্রমাণের দায়িত্ব কার'?
  1. বিষয়বস্তু যার দখলে আছে,
  2. যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী নিজেই সেই জিনিসের মালিক না,
  3. অভিযোগকারীর উকিলের,
  4. অভিযোগকারীর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী নিজেই সেই জিনিসের মালিক না,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী নিজেই সেই জিনিসের মালিক না,
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:- যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
-----------
⇒ Section-110. Burden of proof as to ownership: When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
৯৮৭.
'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। এখানে-
  1. 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
  2. আদালতকে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
  3. 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
  4. পুলিশকে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
 সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে,
একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।

যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।
৯৮৮.
If a lawyer asks an indecent question that does not relate to the facts in issue, the court:
  1. Must allow the question since it is part of cross-examination
  2. Should let the witness decide whether to answer
  3. May forbid the question under Section 151
  4. Must remove the lawyer from the case
সঠিক উত্তর:
May forbid the question under Section 151
উত্তর
সঠিক উত্তর:
May forbid the question under Section 151
ব্যাখ্যা
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন, প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
৯৮৯.
একটি দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়া হলে এবং তা দাখিল না করা হলে, তবে সেই দলিল কিভাবে আদালতে দাখিল করা যাবে?
  1. দাখিল করা যাবে না
  2. শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়ে
  3. শুধুমাত্র অপর পক্ষের অনুমতি নিয়ে
  4. অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না। অর্থাৎ, অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।

Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.
৯৯০.
The Evidence Act, 1872 এর ৬০ ধারা অনুযায়ী Oral evidence must be _______
  1. direct
  2. indirect
  3. Circumstantial
  4. সবগুলো হতে পারবে।
সঠিক উত্তর:
direct
উত্তর
সঠিক উত্তর:
direct
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে [Oral evidence must be direct]। অর্থাৎ যে বিষয় দেখা যায়, সেই বিষয়ে কোন সাক্ষ্য দিতে হলে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারবে যে বিষয়টি দেখেছে বলে দাবি করে।
৯৯১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ অফিসারের নিকট করা স্বীকারোক্তি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫ (Section 25) অনুযায়ী, “কোনো পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো ব্যক্তি যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।”
- এ ধারা প্রণয়ন করা হয়েছে যেন পুলিশ জোর বা নির্যাতনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় করতে না পারে। এর ফলে আসামিকে দেওয়া স্বীকারোক্তি স্বতঃস্ফূর্ত ও বিশ্বাসযোগ্য না হলে তা আদালতে গ্রহণযোগ্য হয় না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো আসামী যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এই ধারা বাস্তবিকভাবে পুলিশকে সন্ত্রাস বা চাপের মাধ্যমে আসামীর স্বীকারোক্তি নেয়ার প্রচেষ্টা থেকে বিরত রাখে। এর উদ্দেশ্য হলো আসামীর উপর অযাচিত চাপ না দেওয়া এবং স্বীকারোক্তি সঠিক ও স্বতঃস্ফূর্ত হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা।
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.
৯৯২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় মৃত্যুকালীন ঘোষনাকে (Dying Declaration) প্রাসঙ্গিক বলা হয়েছে?
  1. ৩২ (১)
  2. ৩২ (২)
  3. ৩২ (৩)
  4. ৩২ (৪)
সঠিক উত্তর:
৩২ (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ (১)
ব্যাখ্যা
• মৃত্যুকালীন ঘোষনা (Dying Declaration) হলো কোন ব্যক্তি কর্তৃক মৃত্যুর পূর্বে নিজ মৃত্যুর কারন সম্পর্কে এমন মৌখিক/লিখিত বিবৃতি যার ফলে তার মৃত্য হয়েছে।
• এটি সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার ব্যতিক্রম এবং উক্ত বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হতে হলে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু হতে হবে।
৯৯৩.
কোনটি subsequent conduct–এর উদাহরণ?
  1. অপরাধীর পরিকল্পনা করা
  2. ঋণগ্রস্ত থাকার কারণে হত্যা
  3. অপরাধ সংঘটনের পূর্বে অস্ত্র সংগ্রহ
  4. হত্যার পর অপরাধীর পালিয়ে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
হত্যার পর অপরাধীর পালিয়ে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হত্যার পর অপরাধীর পালিয়ে যাওয়া
ব্যাখ্যা

• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।

উল্লেখ্য,
অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন- অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।যেমন- ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে। যেমন- বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।

৯৯৪.
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে হবে—এ নিয়মটি কোথায় বলা আছে?
  1. ধারা ৬০
  2. ধারা ৬১
  3. ধারা ৬৫
  4. ধারা ৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬১
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬১ (Section 61 – Proof of contents of documents) বলছে:
- “The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.”
- অর্থাৎ, কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কেবল মৌখিকভাবে বলা চলবে না,
- বরং তা করতে হবে— প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) দ্বারা।

→ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হচ্ছে মূল দলিল, যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। অন্যদিকে, মাধ্যমিক সাক্ষ্য তখন ব্যবহার করা হয় যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, এবং তখন তার প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য এর মাধ্যমে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 61 - Proof of contents of documents:
- The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
৯৯৫.
'ক' এর বিরুদ্ধে আদালতে চুরির অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মামলার সাক্ষ্য শুনানীর সময় তার আইনজীবী 'ক' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইলে-
  1. আদালত বাধা প্রদান করবে
  2. বিপক্ষ আইনজীবীর অনুমতি নিতে হবে
  3. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  4. আদালত বাধা প্রদান করবে না
সঠিক উত্তর:
আদালত বাধা প্রদান করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বাধা প্রদান করবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

অর্থাৎ, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সচ্চরিত্র বা ভালচরিত্র তার পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে গণ্য। এটি আইনগতভাবে স্বীকৃত এবং সাক্ষ্য আইনে ব্যবস্থা রয়েছে। তাই উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' এর আইনজীবী কর্তৃক 'ক' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরার আইনগত অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। তবে ৫৪ ধারা অনুসারে, অভিযুক্তের পূর্বাচারের প্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয়। অর্থাৎ তার আগের অপরাধমূলক কাজকর্ম বা খারাপ চরিত্র প্রমাণ করা যাবে না।
৯৯৬.
কোন ধরনের সাক্ষীদের 'বৈরী সাক্ষী' বলা হয়?
  1. যারা সাক্ষ্য দিতে অক্ষম
  2. যারা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
  3. যারা সত্য সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানায়
  4. যারা নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
সঠিক উত্তর:
যারা নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যারা নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষী হল এমন একধরণের সাক্ষী যারা আদালতে নিজ পক্ষের বিপরীতে সাক্ষ্য প্রদান করে। বৈরী সাক্ষীর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

১. বৈরী সাক্ষী সাধারণত একপক্ষের সপক্ষে ডাকা হলেও, পরবর্তীতে সে অপরপক্ষের সপক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে।
২. একজন বৈরী সাক্ষীকে ভিন্ন প্রশ্নগুলো দ্বারা পরীক্ষা করা যেতে পারে এবং তার বিশ্বস্ততা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যায়।
৩. যে পক্ষের সপক্ষে সে ডাকা হয়েছিল সেই পক্ষের আইনজীবী বৈরী সাক্ষীকে তার নিজস্ব সাক্ষ্য দ্বারা আক্রমণ করতে পারবেন।
৪. জেরা চলাকালীন বৈরী সাক্ষীকে অস্বীকারযোগ্য প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায়।
৫. বৈরী সাক্ষীর সাক্ষ্য পৃথকভাবে বিবেচনা করা হবে এবং সাক্ষী সমর্থন করলেও মূল পক্ষের জন্য সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

সুতরাং, বৈরী সাক্ষী হল এক পক্ষের সপক্ষে ডাকা সাক্ষী যিনি পরবর্তীতে বিপক্ষের সপক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাদের সাক্ষ্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।
৯৯৭.
Evidence given by dumb witnesses shall be deemed to be _____ evidence.
  1. oral
  2. primary
  3. documentary
  4. written
সঠিক উত্তর:
oral
উত্তর
সঠিক উত্তর:
oral
ব্যাখ্যা
Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible,  as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
কথা বলতে যে সাক্ষী অক্ষম, তিনি তার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়ে বা ইশারা করে বুঝাতে পারেন এবং সেভাবে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন, তবে সে লেখা অথবা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখতে বা ইশারায় করতে হবে। এমনভাবে যে সাক্ষ্য দেয়া হলে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে।
৯৯৮.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, যদি সাক্ষ্য কোনো ঘটনা সম্পর্কে হয় যা দেখা যায়, তাহলে সাক্ষ্য কে দেবে?
  1. যে ব্যক্তি তা শুনেছে
  2. যে ব্যক্তি তা দেখেছে
  3. যে ব্যক্তি তা অনুমান করেছে
  4. যে ব্যক্তি তা লিখিতভাবে জানিয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি তা দেখেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি তা দেখেছে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬০ অনুযায়ী, যদি সাক্ষ্য কোনো ঘটনা সম্পর্কে হয় যা দেখা যায়, তাহলে সেই সাক্ষ্য তবে ওই ব্যক্তি দিতে হবে, যিনি তা দেখেছেন।
অর্থাৎ, যদি ঘটনা এমন কিছু হয় যা চোখে দেখা যেতে পারে, তখন সেই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারবেন, যিনি ওই ঘটনাটি নিজের চোখে দেখেছেন এবং সরাসরি অভিজ্ঞতা পেয়েছেন। অন্যের কাছ থেকে শোনা বা অনুমান করা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।
এখানে সঠিক উত্তর খ) যে ব্যক্তি তা দেখেছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬০ অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। অর্থাৎ,
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা দেখা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে এটি দেখেছে;
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে এটি শুনেছে;
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা অন্য কোনো অনুভূতি বা পদ্ধতিতে অনুভব করা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে সেই অনুভূতির মাধ্যমে এটি অনুভব করেছে;
যদি এটি কোনো মতামত বা সেই মতামতের ভিত্তি সম্পর্কে হয়, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি ওই মতামতটি ধারণ করেছে এবং তার ভিত্তি জানে।
এছাড়া, বিশেষজ্ঞদের মতামত যে কোনো বইয়ে প্রকাশিত থাকে, সেটি যদি সাধারণভাবে বিক্রয়ের জন্য পাওয়া যায় এবং সেই লেখক মৃত অথবা পাওয়া না যায়, অথবা সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়, বা সাক্ষীকে ডাকার জন্য সময় ও খরচ অধিক হয়, তাহলে আদালত সেই বইটির উত্থাপন করার মাধ্যমে সেই মতামত প্রমাণ করতে পারে।
এছাড়া, যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো পদার্থের অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে হয়, যা একটি দলিল ছাড়া অন্য কোনো বস্তু, তবে আদালত, যদি তা প্রযোজ্য মনে করে, তখন সেই বস্তুটির পরিদর্শনের জন্য উত্থাপন করতে পারে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৯৯৯.
সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ৪৫ দ্বারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ মতামত প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৪৫ দাঁড়ায় পাঁচটি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের মতামত সাক্ষী হিসেবে প্রাসঙ্গিক ছিল। কিন্তু সাক্ষ্য আইন (সংশোধন) ২০২২ এর ফলে ৪৫ ধারাটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। নতুন ৪৫ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে;

   (i) বিদেশী আইন                 (ii) বিজ্ঞান              (iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য

   (iv) ডিজিটাল রেকর্ড             (v) চারুকলা             (vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা

   (vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি    (viii) পায়ের ছাপ        (ix) তালুর ছাপ

   (x) চোখের কনীনিকার ছাপ       (xi) টাইপ রাইটিং        (xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার

        (xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি
১,০০০.
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা মতে, কোন ধরনের যোগাযোগ আদালতে প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. পারিবারিক যোগাযোগ
  2. কোনো প্রতিষ্ঠানিক যোগাযোগ
  3. ভূমির মালিক এবং ভাড়াটিয়ার মধ্যকার যোগাযোগ
  4. আইন উপদেষ্টার সাথে যোগাযোগ
সঠিক উত্তর:
আইন উপদেষ্টার সাথে যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন উপদেষ্টার সাথে যোগাযোগ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারার বিধান: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:
কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সে ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।

Section 129- Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.