বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৯৩ / ১৫৫ · ৯,২০১৯,৩০০ / ১৫,৪৭০

৯,২০১.
পেনাল কোড হলো একটি-
  1. Adjective law
  2. Substantive law
  3. Preventive law
  4. Procedural law
সঠিক উত্তর:
Substantive law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive law
ব্যাখ্যা
♦যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদিদণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন বা Substantive law.

♦ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
৯,২০২.
মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে _______বলা হয়।
  1. Wrong- Joinder of Parties
  2. Mis- Joinder of Parties
  3. Non- Joinder of Parties
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Non- Joinder of Parties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Non- Joinder of Parties
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)- 

মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ভুল ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• ১ নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে, বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।
১ নং আদেশের ১০(২) নং বিধিমতে, ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।

অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও,বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
৯,২০৩.
X, Y এর নিকট একটি জমি বিক্রয় করল। উক্ত জমির উপর দিয়ে অন্যের চলাচলের অধিকার আছে জানা সত্ত্বেও X তা গোপন করে। Y চুক্তিটি কী করতে পারে?
  1. বাতিল
  2. স্থগিত
  3. রদ
  4. সংশোধন
সঠিক উত্তর:
রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রদ
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়: লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যে কোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেনঃ

ক. যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;

খ. যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ, এবং বাদীর চাইতে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি।

গ, যেখানে একটি বিক্রয় চুক্তি অথবা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা, ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। যা আদালত তাকে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিসেবে গৃহীত খাজনা এবং লাভ বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদান করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায় আদেশের মাধ্যমে যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদানুযায়ী কাজ করা হয়নি , হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় অথবা সম্পূর্ণ চুক্তিই মামলায় ন্যায়বিচারের আবশ্যক অনুযায়ী রদ করে দিতে পারেন।

♦ অর্থাৎ ধারা ৩৫-এর বিধান মোতাবেক চুক্তি অবসানের মামলা করতে পারেন। ৩৫ ধারার উদাহরণ দ্রষ্টব্য। 
৯,২০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, এই কোড কোনো বিশেষ আইন, বিশেষ এখতিয়ার বা বিশেষ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ধারা ১(১)
  2. ধারা ১(২)
  3. ধারা ২
  4. ধারা ৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১(২)
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ধারা ১(২)
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১(২) অনুযায়ী বলা হয়েছে যে, এই কোড বাংলাদেশে সর্বত্র প্রযোজ্য হলেও এটি কোনো বিশেষ আইন (special law), বিশেষ এখতিয়ার বা ক্ষমতা (special jurisdiction or power), অথবা অন্য কোনো আইন দ্বারা নির্ধারিত বিশেষ কার্যপ্রণালী (special form of procedure) কে প্রভাবিত করবে না।
- অর্থাৎ, যদি অন্য কোনো বিশেষ আইন কার্যকর থাকে বা কোনো বিশেষ আদালত/প্রক্রিয়া নির্ধারিত থাকে, তবে ফৌজদারি কার্যবিধি সেই আইন বা প্রক্রিয়ার উপর প্রভাব বিস্তার করবে না।
- এটি মূলত একটি সাধারণ পদ্ধতিগত আইন (procedural law), যা সাধারণ ফৌজদারি মামলার জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু যেখানে বিশেষ আইন বা বিশেষ আদালতের বিধান আছে, সেখানে সেই বিশেষ বিধানই কার্যকর হবে।

- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: "It extends to the whole of Bangladesh; but, in the absence of any specific provision to the contrary, nothing herein contained shall affect any special law now in force, or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by any other law for the time being in force."

৯,২০৫.
চেক ডিজঅনারের নোটিশ পাঠানোর বৈধ মাধ্যম কোনটি নয়?
  1. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে
  2. মৌখিকভাবে অবহিত করা
  3. রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
মৌখিকভাবে অবহিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিকভাবে অবহিত করা
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ - চেক ডিজঅনার (প্রত্যাখ্যান) সংক্রান্ত:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
৯,২০৬.
একজন ব্যক্তি দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করেন এবং ডিক্রি লাভ করেন, কিন্তু বিবাদী তা পালন করতে অস্বীকৃতি জানায়। আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. কেবলমাত্র সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  2. কেবলমাত্র দেওয়ানি কারাগারে আটক করতে পারে
  3. আটক করতে পারে অথবা সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে অথবা উভয়
  4. আদালত কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
কেবলমাত্র সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবলমাত্র সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
৯,২০৭.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩(২) ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  2. তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
  3. সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
  4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
সঠিক উত্তর:
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩ ধারা- অধ্যাদেশের প্রযোজ্যতা:
(১) এই অধ্যাদেশের কোনো বিধানের সহিত অন্য কোনো আইনের কোনো বিধান যদি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহা হইলে উক্ত আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানের সহিত এই অধ্যাদেশের বিধানটি যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয় ততখানির ক্ষেত্রে এই অধ্যাদেশের বিধান কার্যকর থাকিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ২০ নং আইন) এর বিধানাবলি কার্যকর থাকিবে।
৯,২০৮.
অক্ষম ব্যক্তির ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ হিসেবে বোঝাবে-
  1. আইন সম্মত অভিভাবক
  2. কমিটি
  3. ম্যানেজার
  4. উল্লিখিত সবাইকে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাইকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাইকে
ব্যাখ্যা
ধারা ২১: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি (Agent of person under disability)

যথাবিহিতরূপে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলিতে অপারগতাগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
আইন সম্মত অভিভাবক;
কমিটি বা ম্যানেজারকে; অথবা
অনুরূপ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝাইবে।
৯,২০৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৩, বিধি ৮ অনুযায়ী, আদালত মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট কী আটক করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র পণ্যের নমুনা
  2. উদ্ধারকৃত ও চোরাই সম্পত্তি
  3. যেকোনো ধরনের দলিল বা বই
  4. শুধু মূল্যবান অস্থাবর সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ধরনের দলিল বা বই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ধরনের দলিল বা বই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১৩, বিধি ৮ অনুযায়ী, আদালত যেকোনো ধরনের দলিল বা বই (any document or book) আটক (Impound) করার আদেশ দিতে পারে। 
- এটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ধরনের দলিল বা সম্পত্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
- মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট যেকোনো দলিল বা বই আদালত প্রয়োজন মনে করলে আটক করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১৩, বিধি ৮ – আদালত যেকোনো নথি জব্দের নির্দেশ দিতে পারে:
- এই আদেশের বিধি ৫ বা বিধি ৭ অথবা আদেশ ৭-এর বিধি ১৭-এর যেকোনো কিছুতে যা-ই থাকুক না কেন, যদি আদালত যথেষ্ট কারণ মনে করে, তবে কোনো মোকদ্দমায় আদালতে উপস্থাপিত যেকোনো নথি বা বই জব্দ করার এবং আদালতের কোনো কর্মচারীর হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিতে পারে, এবং এটি যতদিন এবং যেসব শর্তে আদালত উপযুক্ত মনে করে, ততদিন তা বজায় থাকবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order XIII, Rule 8 – Court may order any document to be impounded:
- Notwithstanding anything contained in Rule 5 or Rule 7 of this Order or in Rule 17 of Order VII, the Court may, if it sees sufficient cause, direct any document or book produced before it in any suit to be impounded and kept in the custody of an officer of the Court, for such period and subject to such conditions as the Court thinks fit.

৯,২১০.
দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারা অনুসারে, কোন অবস্থায় সহিংসতা বা বল প্রয়োগ করা হলে তা "Rioting" হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের ক্ষেত্রে
  2. অবৈধ সমাবেশের মাধ্যমে
  3. আইনত অনুমোদিত দল
  4. সাধারণ মানুষের প্রতিবাদে
সঠিক উত্তর:
অবৈধ সমাবেশের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ সমাবেশের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারা অনুযায়ী, Rioting (দাঙ্গা) তখনই সংঘটিত হয় যখন:
- অবৈধ সমাবেশ (Unlawful Assembly) - অর্থাৎ ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি (ধারা ১৪১)
- সম্মিলিত উদ্দেশ্য (Common Object) বাস্তবায়নের জন্য
- বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা ব্যবহার করে।

- দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় "Rioting" (দাঙ্গা) গঠনের শর্ত হলো যে, যদি কোনো অবৈধ সমাবেশ বা সমাবেশের কোনো সদস্য সহিংসতা বা বল প্রয়োগ করে, এবং সেটি সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য (common object) বাস্তবায়নের জন্য হয়, তাহলে সেটি "Rioting" হিসেবে গণ্য হবে।
- অর্থাৎ, অবৈধ সমাবেশ যেখানে মানুষ একত্রিত হয় কোনো অপরাধ বা সহিংসতা সংঘটিত করার উদ্দেশ্যে, সেখানে সহিংসতা বা বল প্রয়োগ হলে তা Rioting হিসেবে গণ্য হবে।
- এখানে অবৈধ সমাবেশ বা লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ একটি বৈধ বা অনুমোদিত সমাবেশে সহিংসতা ঘটলেই তা "Rioting" হবে না, যদি না সেই সহিংসতা অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে হয়।
৯,২১১.
‘বলপ্রয়োগ’ (Force) এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. 348
  2. 349
  3. 350
  4. 351
সঠিক উত্তর:
349
উত্তর
সঠিক উত্তর:
349
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ (Section 350)–তে ‘বলপ্রয়োগ’ (Force) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে কাউকে বলপ্রয়োগ বলতে বোঝায় – কারো শরীরের গতির পরিবর্তন ঘটানো, থামিয়ে দেওয়া বা চলাচলের জন্য বল প্রয়োগ করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়: 
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 349. Force:
A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৯,২১২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কতটি ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধি ৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার শরীর ও সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়।
-৯৭ দ্বারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে।
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।
--------------
- The Penal Code, 1860, Section 97: Right of private defence of the body and of property:
Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend 
Firstly.-His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body; 
Secondly.-The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
৯,২১৩.
সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়,  _________ ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।
৯,২১৪.
মুসলিম আইনজ্ঞরা দেনমোহরকে বিবেচনা করেছে-
  1. বিক্রয় মূল্য হিসাবে
  2. প্রতিদান হিসাবে
  3. উপহার হিসাবে
  4. সম্মানের প্রতীক হিসাবে
সঠিক উত্তর:
সম্মানের প্রতীক হিসাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মানের প্রতীক হিসাবে
ব্যাখ্যা
- মুসলিম আইন মোতাবেক দেনমোহর স্ত্রীর প্রতি সম্মান প্রদর্শনস্বরূপ স্বামীর প্রতি অর্পিত একটি গুরু দায়িত্ব।  আসাদ বনাম সালমা মামলায় বিচারপতি আসাদুজ্জামান বলেন যে, দেনমোহরকে বিক্রয় চুক্তির মূল্যের সাথে তুলনা করা হয়েছে; কারণ বিবাহ একটি দেওয়ানী চুক্তি এবং বিক্রয় হলো একটি রূপক বা প্রতিরূপ চুক্তি, যা সেলমান আইনবিদ কর্তৃক সমতা বা সদৃশ্য হিসাবে বর্ণিত হয়েছে।
দেনমোহরটি যদি স্ত্রীর মূল্য হয়, তা হলে এটি পরিশোধের বিষয়ে বিবাহোত্তর চুক্তিটি অবৈধ কারণ, এতে প্রতিদানের অভাব রয়েছে; কিন্তু এই জাতীয় চুক্তি বৈধ ও আইনে বলবৎযোগ্য বলে ঘাষণা করা হয়েছে।
৯,২১৫.
কমিশনের মাধ্যমে কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য যথাযথ ভাবে গৃহীত হওয়ার পর উক্ত কমিশন কার নিকট ফেরত দিতে হবে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা আদালত
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  4. যে আদালত কর্তৃক কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
সঠিক উত্তর:
যে আদালত কর্তৃক কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত কর্তৃক কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
 
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হবার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহিত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
 
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।
 
Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record. 
 
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
৯,২১৬.
স্বামী কোন যুক্তসঙ্গত কারণ ব্যতীত কত বছর যাবত্‍ তার দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে কোন মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি লাভের অধিকারী হবেন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
১৯৩৯ সালের মুসলমান বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারার বিধান: বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রির হেতুবাদ:
নিম্নলিখিত যে কোন এক বা একাধিক হেতুবাদে মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহিতা কোন মহিলা তাহার বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি লাভের অধিকারিণী হইবেন, যথা:

i) চার বছর যাবত্‍ স্বামী নিরুদ্দেশ হইলে;
ii) স্বামী দুই বত্সছর যাবত্‍ স্ত্রীর ভরণ-পোষণ দানে অবহেলা প্রদর্শন করিলে অথবা ব্যর্থ হইলে;
ii-ক) স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ব্যবস্থা লঙ্খন করিরা অতিরিক্ত স্ত্রী গ্রহণ করলে;
iii) স্বামী সাত বত্সার বা তদুর্ধ্ব সময়ের জন্য কারাদন্ডে দন্ডিত হইলে;
iv) স্বামী কোন যুক্তসঙ্গত কারণ ব্যতীত তিন বছর যাবত্‍ তাহার দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হইলে;
v) বিবাহকালে স্বামীর পুরুষত্বহীনতা থাকিলে এবং উহা বর্তমানেও চলিতে থাকলে;
vi) দুই বছর  যাবত্‍ স্বামী পাগল হইয়া থাকিলে অথবা কুষ্ঠ ব্যাধিতে কিংবা ভয়ানক ধরণের উপদংশ রোগে ভুগিতে থাকলে;
vii) আঠার বত্সরর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেতাহাকে তাহার পিতা অথবা অন্য অভিভাবক বিবাহ করাইয়া থাকিলে এবং উণিশ বত্সiরবয়স পূর্ণ হইবার পূর্বেই সে উক্ত বিবাহ অস্বীকার করিয়া থাকিলে; তবে, অবশ্য ঐসময়ের মধ্যে যদি দাম্পত্য মিলন অনুষ্ঠিত না হইয়া থাকে;
viii) স্বামী তাহার (স্ত্রীর) সহিত নিষ্ঠুর আচরণ করিলে, অর্থাত্
ক) অভ্যাসগতভাবে তাহাকে আঘাত করিলে বানিষ্ঠুর আচরণ দ্বারা, উক্ত আচরণ দৈহিক পীড়নের পর্যায়ে না পড়িলও, তাহার জীবনশোচনীয় করিয়া তুলিয়াছে এমন হইলে;.
খ) স্বামীর দূর্নাম রহিয়াছে বা কলঙ্কিত জীবন যাপন করে এমন স্ত্রীলোকদের সহিত মেলামেশা করিলে, অথবা
গ) তাহাকে দূর্ণীত জীবন যাপনে বাধ্য করিবার চেষ্টা করিলে, অথবা
ঘ) তাহার সম্পত্তি হস্তান্তর করিলে অথবা উহার উপর তাহার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান করিলে, অথবা
ঙ) তাহার ধর্মীয় কর্তব্য পালনে বাধা সৃষ্টি করিলে, অথবা
চ) একাধিক স্ত্রী থাকিলে, সে কোরানের নির্দেশ অনুযায়ী ন্যায়পরায়নতার সহিত তাহার সঙ্গে আচরণ না করিলে;
ix) মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য বৈধ হেতু হিসাবে স্বীকৃত অন্য যে কোন কারণেঃ
তবে অবশ্য-
ক) কারাদন্ডাদেশ চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ৩ নং হেতু বাদে কোন ডিক্রি প্রদান করা যাইবে না,
খ) ১ নং হেতুবাদে প্রদত্ত ডিক্রিটি উহারপ্রদানের তারিখ হইতে ৬ মাস পর্যন্ত কার্যকরী হইবে না এবং স্বামী উক্ত সময়েরমধ্যে স্বয়ং অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কো এজেন্টের মাধ্যমে উপস্থিত হইয়া এইমর্মে যদি আদালতকে খুশী করিতে পারে যে, দাম্পত্য কর্তব্য পালনে প্রস্তুতরহিয়াছে, তাহা হইলে আদালত ডিক্রিটি রদ করিবেন; এবং
গ) ৫ নং হেতুবাদে ডিক্রি প্রদানের পূর্বে, স্বামীর আবেদনক্রমে আদালতের আদেশের এক বত্স রের মধ্যে যে পুরুষত্বহীনতাহইতে মুক্তি লাভ করিয়াছে বা তাহার পুরুষত্বহীনতার অবসান ঘটিয়াছে এই মর্মেআদালতকে সন্তুষ্ট করিবার জন্য আদালত তাহাকে আদেশ দান করিতে পারেন এবং যদিসে উক্ত সময়ের মধ্যে আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করিতে পারে, তাহা হইলে উক্তহেতুবাদে কোন ডিক্রি প্রদান করা যাইবে না।
৯,২১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭(২) অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে খালাসের আদেশ প্রদান করা হয় এবং সেই আদেশে আইনগত ভুল থাকে, তাহলে কোন পক্ষ আপিল করতে পারবে?
  1. আসামীর পক্ষ
  2. অভিযোগকারী
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. কোনো পক্ষই পারবে না
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারী
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭(২) (Section 417(2)) অনুযায়ী, যদি কোনো আদালত খালাসের আদেশ দেয় এবং সেই আদেশে আইনগত ভুল থাকে, তবে অভিযোগকারী আপিল করতে পারবেন।
এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য যখন খালাসের আদেশ অভিযোগের ভিত্তিতে দেওয়া হয় এবং সেই আদেশে কোনো আইনগত ভুল রয়েছে, ফলে অভিযোগকারী (যিনি মামলাটি দায়ের করেছেন) আইনগত ভুলের কারণে আপিল করার অধিকারী হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-১- হাইকোর্ট বিভাগে ২- দায়রা জজের নিকট।
খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর
২. অভিযোগকারী
৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
- পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে।
- অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal.
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
৯,২১৮.
কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রদত্ত লিখিত এজাহার স্বাক্ষর করবে
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. অভিযুক্ত আসামী
  3. সংবাদ দাতা
  4. নালিশকারী
সঠিক উত্তর:
সংবাদ দাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবাদ দাতা
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদঃ আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

 ♦154. Information in cognizable cases: Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
৯,২১৯.
নাবালক বাদী হলে প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা কার দ্বারা দায়ের করতে হবে?
  1. সরকার
  2. পুলিশ
  3. আসন্ন বন্ধু
  4. সরকারি আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
আসন্ন বন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসন্ন বন্ধু
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩২, বিধি ১: আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়:
নাবালক বাদী হলে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.
৯,২২০.
মহানগর এলাকার বে-আইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন কে?
  1. Police Commissioner
  2. Executive Magistrate
  3. Chief Judicial Magistrate
  4. Chief Metropolitan Magistrate
সঠিক উত্তর:
Police Commissioner
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Police Commissioner
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১২৯ ধারায় সামরিক শক্তি প্রয়োগের বিধান আছে। ১২৯ ধারা মতে অন্য কোনভাবে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা না গেলে মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনার এবং মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামরিক শক্তি প্রয়োগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।
♦ তবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতেপারেন।
♦বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত বা নন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন।
৯,২২১.
অগ্রক্রয় অধিকারের মধ্যে কার দাবী অগ্রগণ্য?
  1. শাফি-ই-জার
  2. মুকাররারীদার
  3. শাফি-ই-শরিক
  4. শাফি-ই-খালিত
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
ব্যাখ্যা
⇒ যে ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে:
- ৩ শ্রেণির ব্যক্তি আছে যারা অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এই ৩ শ্রেণির ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, তারা হলো
ক. Shafi sharik বা সহ অংশীদার।
খ. Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক; যেমন: Easement সুবিধা।
গ. Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

- Shafi sharik বা সহ অংশীদার: Shafi Sharik শব্দের অর্থ হল সহ-অংশীদার। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে কিংবা ক্রয় সূত্রে কোনো স্থাবর সম্পত্তির যৌথ মালিক হয়, তাদের যে কারো অন্যজন বা অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে অগ্রক্রয়ের অধিকার রয়েছে।

- Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক: Shafi Khalit অর্থ হল কোনো সম্পত্তির সুবিধাদিতে শরিক। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো স্থাবর সম্পত্তিতে সুবিধাদির শরিক হয়, তাহলে যেকোনো ব্যক্তি যার সেরকম সুবিধা রয়েছে, অন্যান্য ব্যক্তি যারা সেরকম সুবিধাদি ভোগ করে এর বিরূদ্ধে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। অর্থাৎ যারা সম্পত্তির সুবিধাদিতে শরিক তারাও অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক: Shafi Jar অর্থ হল সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক। হানাফি আইন অনুসারে বিক্রিত ভূমির সংলগ্ন ভূমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

⇒ অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের জন্য শর্ত:
১) অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে, ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে।
২) ক্রমিকানুসারে একশ্রেণির বর্তমানে পরের শ্রেণিগুলো এ অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।
৩) একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে- প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন বা সমান ভাগ পাবে।
৪) এই ৩ শ্রেণীর ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।

অর্থাৎ- উক্ত ৩ শ্রেণির মধ্যে ১ম শ্রেণির কেউ থাকলে ২য় শ্রেণির দাবি থাকবে না। আবার, ২য় শ্রেণির কেউ থাকলে ৩য় শ্রেণির দাবী থাকবে না। কিন্তু যে ক্ষেত্রে একই শ্রেণিভুক্ত একাধিক দাবিদার থাকে সে ক্ষেত্রে তারা সবাই সমান অংশে অগ্রক্রয় করতে পারবে।
৯,২২২.
একটি বাড়িতে ৬ জন মিলে ডাকাতি করতে যায়। ডাকাতির সময় তাদের একজন গৃহস্বামীকে মারধর করে হত্যা করে। এই ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী কী দণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. প্রত্যেকেরই মৃত্যুদণ্ড হতে পারে
  2. কেবল হত্যাকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  3. বাকি সদস্যদের শুধু অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেকেরই মৃত্যুদণ্ড হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেকেরই মৃত্যুদণ্ড হতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) প্রত্যেকেরই মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

⇒ ধারা ৩৯৬ বলছে:
যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি সম্মিলিতভাবে ডাকাতি করে এবং সেই সময়ে তাদের মধ্যেকার কেউ খুন করে, তবে সবাই সমানভাবে দায়ী হবে। সুতরাং, শুধু হত্যাকারী নয়, বাকিরাও ডাকাতি ও খুনের ঘটনার জন্য সমানভাবে দণ্ডনীয়, কারণ তারা সংঘবদ্ধভাবে অপরাধে অংশগ্রহণ করেছে।
৯,২২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারার অনুযায়ী আপিল আদালত কখন আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন?
  1. আপিলকারীকে শুনানির সুযোগ না দিয়ে
  2. আপিলকারীর জরিমানা পরিশোধের পর
  3. আপিলকারীর জামিন আবেদন মঞ্জুর করার পর
  4. আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়ার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়ার পর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা অনুযায়ী, আপিল আদালত আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন, তবে শর্ত থাকে যে, আপিলকারী বা তার আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
মূল বিষয়বস্তু:
- আপিল আদালত যখন ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর অধীনে দাখিল করা আপিল পর্যালোচনা করেন, তখন যদি দেখেন যে আপিলে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তিনি সংক্ষিপ্তভাবে আপিল খারিজ করতে পারেন।
- তবে, ধারা ৪১৯ অনুযায়ী দাখিল করা আপিলের ক্ষেত্রে, আপিলকারী বা তার আইনজীবীকে শুনানির সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।
- আদালত চাইলে মামলার নথি তলব করতে পারেন, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা অনুযায়ী, আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে হলে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়ার পর।
৯,২২৪.
বিচার্য বিষয় ও প্রাসঙ্গিক বিষয় হওয়া সত্ত্বেও কোনটি প্রমাণ করার দরকার নাই?
  1. স্বীকৃত বিষয়
  2. যে বিষয়ে আদালত judicial notice নিতে পারেন
  3. বাংলাদেশের আইন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবংযে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
৯,২২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার ক্ষমতা নীচের কোনটি?
  1. Power to issue order
  2. Power to issue curfew
  3. Power to issue emergency
  4. Power to issue 144
সঠিক উত্তর:
Power to issue order
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Power to issue order
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শান্তিভঙ্গ রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারেন। এই ধারার শিরোনামে এই ক্ষমতা কে power to issue order হিসেবে লেখা হয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

-------------------------
♦ Power to issue order
Sesction 144.(1) In cases where, in the opinion of a District Magistrate, or any other Executive Magistrate specially empowered by the Government or the District Magistrate to act under this section, there is sufficient ground for proceeding under this section and immediate prevention or speedy remedy is desirable, 
such Magistrate may, by a written order stating the material facts of the case and served in manner provided by section 134, direct any person to abstain from a certain act or to take certain order with certain property in his possession or under his management, if such Magistrate considers that such direction is likely to prevent, or tends to prevent, obstruction, annoyance or injury, or risk or obstruction, annoyance or injury, to any person lawfully employed, or danger to human life, health or safety, or a disturbance of the public tranquillity, or a riot, or an affray.
৯,২২৬.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বলবতযোগ্য নয় যেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গের দরুণ ক্ষতিপূরণ _______।
  1. যথেষ্ট নয়
  2. নির্ণয় করা যায় না
  3. পাওয়া সম্ভব নয়
  4. যথেষ্ট হয়
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট হয়
ব্যাখ্যা
 ♦ ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে 
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে ।
৯,২২৭.
প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings] হবে-
  1. প্লিডিংস এর উপরে বাম পাশে
  2. প্লিডিংস এর নিচে
  3. প্লিডিংস এর উপরে ডান পাশে
  4. প্লিডিংস এর অপর পৃষ্ঠায়
সঠিক উত্তর:
প্লিডিংস এর নিচে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লিডিংস এর নিচে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায়। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সই হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জনাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

Order 6 Rule 15: Verification of pleadings-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.

2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.

3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
৯,২২৮.
সহকারী জজের কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে-
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. দায়রা আদালতে
  4. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
- রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে।
-দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
- দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে। 

- অর্থাৎ ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে। জেলা জজ আদালত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনানীর এখতিয়ার রাখে না।
সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ ও যুগ্ম জেলা জজের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন জেলা জজের আদালতে দাখিল করতে হয়, তবে এই সকল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
৯,২২৯.
এক গ্রামে ৮/১০ জন লোক জমায়েত হয়েছিল এবং তাদের উদ্দেশ্য ছিল যে, তারা একজন ব্যক্তিকে তার জমি থেকে বেদখল করবে এবং সেই জমি নিজেরা দখল করবে। এই সমাবেশটি দণ্ডবিধির কত ধারার অধীন বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৪৮ ধারা
  3. ১৪১ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে 'বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly' বলে।

দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে, ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে। যথা-
i) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
ii) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা;
iii) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন;
iv) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত;
v) কোনো ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

অর্থাৎ এই সমাবেশটি উল্লেখিত উদ্দেশ্যের কারনে দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার অধীন বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হবে।

Section 141: Unlawful assembly:

An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First- To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second- To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth- By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth- By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation- An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৯,২৩০.
“আপীল হচ্ছে মূল মোকদ্দমার ধারাবাহিকতা”- এই বিধানটি The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারার ব্যাখ্যায় অনুমিত?
  1. ৯৬;
  2. ৯৭;
  3. ১০৬;
  4. ১০৭
সঠিক উত্তর:
১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭
ব্যাখ্যা
♦ধারা ১০৭(২) অনুযায়ী ‘দেওয়ানি আদালতে দায়েরকৃত কোন মোকদ্দমার বিষয়ে বিচারিক আদালতের একই ক্ষমতা থাকবে এবং বিচারিক আদালতের যেরুপ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তদরুপ দায়িত্বের প্রায় কাছাকাছি দায়িত্ব আপীল আদালত প্রতিপালন করবে’। সুতরাং আপীল করা হয়েছে এমন রায় রা ডিক্রি চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়না এবং সম্পূর্ণ মোকদ্দমাটি বিচারাধীন মর্মে গণ্য হবে। তাই বলা যায়, “আপীল হচ্ছে মূল মোকদ্দমার ধারাবাহিকতা”।
৯,২৩১.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য, মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে কত দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. ৯ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-

১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১]
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ  [বিধি-২]
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]

• আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
৯,২৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৮ ধারায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে মামলা তুলে নেয়ার অধিকার দিতে পারে-
  1. হাইকোর্ট সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে
  2. সরকার হাইকোর্ট এর অনুমোদন সাপেক্ষে
  3. দায়রা আদালত হাইকোর্ট এর অনুমোদন সাপেক্ষে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
সরকার হাইকোর্ট এর অনুমোদন সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার হাইকোর্ট এর অনুমোদন সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৮- দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছে থেকে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেন

(১) দায়রা জজ তার অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপীল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপীলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।

(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপীল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপীল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।

(৫) কোন ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার অধীন কোন আদেশ দেবার সময় তার এরূপ আদেশ প্রদানের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
৯,২৩৩.
নিম্নলিখিত কে সমন জারিকারক হতে পারে?
  1. আদালতের নির্ধারিত অফিসার
  2. কোন সরকারি কর্মচারী
  3. পুলিশ অফিসার
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮(১) ধারামতে প্রত্যেকটি সমন প্রতিলিপিসহ লিখিত হতে হবে এবং আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বা সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃক নির্দেশিত অপর কোন অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত এবং সীলমোহরকৃত হবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮(২) ধারা অনুযায়ী সমন জারি করতে পারেন  i) পুলিশ অফিসার, ii) আদালতের নির্ধারিত অফিসার, অথবা iii) অপর কোন সরকারি কর্মচারী সমন জারি করবে।
৯,২৩৪.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারা অনুযায়ী, আপিলের পূর্বে চেকের টাকার কত শতাংশ বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৬০%
  4. ৭৫%
সঠিক উত্তর:
৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০%
ব্যাখ্যা

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

⇒ আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
--------------------
⇒ Negotiable Instruments Act, 1881- Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

৯,২৩৫.
যে ঘটনা বিশেষভাবে কারও অবগতির মধ্যে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব তার উপর ন্যাস্ত এই বিধানটি কত ধারার?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা অনুযায়ী যে ঘটনা বিশেষভাবে কারও অবগতির মধ্যে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব: কোন ঘটনা যখন বিশেষভাবে কোন ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপর ন্যাস্ত।

♦ কোন ব্যক্তি যখন এমন ইচ্ছা প্রণোদিত হয়ে একটি কাজ করে, যা উক্ত কাজের প্রকৃতি ও পরিস্থিতি হতে অনুমিত ইচ্ছা অপেক্ষা ভিন্ন, তখন ঐ ইচ্ছা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যাস্ত।
৯,২৩৬.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admissions) কী হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
  1. Confession
  2. Estoppel
  3. Conclusive Proof
  4. Shall presume
সঠিক উত্তর:
Estoppel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Estoppel
ব্যাখ্যা
⇒ স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।
- সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে:
কোনো বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admissions) প্রতিবন্ধক (Estoppel) হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৯,২৩৭.
আপিল আদালত যদি নিম্ন আদালতের কোনো ডিক্রি রদ করে, সেক্ষেত্রে আদেশ-৪১ বিধি-২৩ অনুযায়ী আপিল আদালত-
  1. নতুন ডিক্রি জারি করতে পারে
  2. মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
  3. মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারে
  4. সাক্ষীকে পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩- বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রি রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

Order 41 Rule 23- Remand of case by Appellate Court:
Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand.
৯,২৩৮.
একটি নির্দিষ্ট দলিল উপস্থাপনের জন্য একজন সাক্ষীকে তলব করা হয়েছে। দলিলটি তার অধীনেই রয়েছে, কিন্তু তিনি উপস্থাপনে আপত্তি করছেন। এধরনের আপত্তির বৈধতা কে নির্ধারন করবে?
  1. আদালত
  2. পক্ষদ্বয়
  3. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবী
  4. সাক্ষী নিজে
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৬২: দলিলের উপস্থাপন:

একজন সাক্ষীকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন জারি করা হলে, যদি সে নথিটি তার কাছে থাকে বা তার নিয়ন্ত্রণাধীন হয়, তাহলে সে সেটি আদালতে উপস্থিত করবে, এর বিরুদ্ধে যে কোনো আপত্তি থাকলেও। এই ধরনের আপত্তির বৈধতা আদালত নির্ধারন করবে। আদালত যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে রাষ্ট্রীয় বিষয়সমূহ ব্যতীত নথিটি পরীক্ষা করতে পারবে অথবা এর গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের জন্য অন্যান্য প্রমাণ গ্রহণ করতে পারবে।

[A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court.
The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.]
৯,২৩৯.
All _______ are equal before law and are entitled to equal protection of law.
  1. persons
  2. citizens
  3. public
  4. people
সঠিক উত্তর:
citizens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
citizens
ব্যাখ্যা
• Article 27: Equality before law-
All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা-
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

• ২৭ অনুচ্ছেদে, আইনের দৃষ্টিতে সমান এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে- প্রচলিত আইন কোন ব্যক্তি বিশেষের অনুকূলে কোন বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে না। দেশের প্রচলিত আইনের শর্ত সাপেক্ষে সকলে সমভাবে সমান এবং কোন ব্যক্তি তার মর্যাদা বা অবস্থা যা হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে না এই মর্মে ২৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ আইনের শাসন [Rule of Law] নীতি প্রতিফলন করে।

আইনের সমান আশ্রয় লাভ বলতে বোঝায়, একই অবস্থায় বিদ্যমান সকল ব্যক্তির জন্য একই আইন অভিন্নভাবে এবং কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতীত প্রয়োগ করা। অর্থাৎ সমান প্রেক্ষাপটে সমান আচরণ বা সমভাবে বিবেচনা করা। সমানদের মধ্যে আইনও সমান হবে এবং সমভাবে প্রয়োগ হবে।
৯,২৪০.
Common object কোন ধারার অপরাধের উপাদান?
  1. ১৩৪
  2. ৩৪
  3. ১৪৯
  4. ৩৫
সঠিক উত্তর:
১৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ১৪৯ ধারা মতে বে-আইনি সমাবেশের কোনো সদস্য যদি common object বাস্তবায়নে কোনো অপরাধ করে তবে উক্ত সমাবেশের সকল সদস্য ব্যক্তিগতভাবে উক্ত অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে। সকল সদস্যের সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object ছিল এটি প্রমাণ করতে না পারলে ১৪৯ ধারায় সকলকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ি করা যাবে না।
৯,২৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন মৃত আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭৬ এর বিধান: মৃত বাদী অথবা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বাদী বা আপিলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
- অন্যদিকে, তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুযায়ী-মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৯,২৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিন প্রদান
  2. সাক্ষ্য গ্রহণ
  3. সাক্ষীর হাজিরা নিশ্চিতকরণ
  4. আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার
সঠিক উত্তর:
আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৩৯খ ধারা মূলত আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia) সম্পর্কিত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৭ এবং ধারা ৮৮-তে যা কিছুই থাকুক না কেন, যদি আদালতের বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক অথবা নিজেকে এমনভাবে গোপন করে রেখেছে যাতে তাকে গ্রেফতার করে বিচারার্থে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না এবং তাকে দ্রুত গ্রেফতার করার সম্ভাবনা নেই, তবে অভিযোগের বিষয়ে বিচার গ্রহণকারী আদালত, জাতীয়ভাবে ব্যাপক প্রচারিত দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত এক আদেশের মাধ্যমে, উক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেবে। এবং যদি উক্ত ব্যক্তি ওই নির্দেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

শর্তসাপেক্ষে, আদালত প্রয়োজনে আরও নির্দেশ দিতে পারে যে অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজিরার আদেশটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত, প্রধান বিচারিক হাকিম আদালত, প্রধান মহানগর হাকিম আদালত, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বাংলাদেশ পুলিশ বা অন্য কোনো সরকারি ওয়েবসাইট—যার জনসাধারণের কাছে ব্যাপক প্রবেশাধিকার রয়েছে—সেখানে প্রকাশ করা হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Notwithstanding anything contained in section 87 and section 88, where the Court has reason to believe that an accused person has absconded or is concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in one national daily Bangla Newspaper having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence:
Provided that the Court may, in addition, direct that the order for appearance of the accused be published on the official website of the District and Sessions Judge Court, the Chief Judicial Magistrate Court, the Chief Metropolitan Magistrate Court, the office of the Deputy Commissioner, the Bangladesh Police, or any other government website having wide public accessibility.

(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৯,২৪৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় "যিনি দখলে আছেন, তিনিই দখলে থাকিবেন"-এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ৮ ধারার
  2. ১২ ধারার
  3. ৯ ধারার
  4. ৪২ ধারার
সঠিক উত্তর:
৯ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোন প্রয়োগযোগ্য নেই। আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
ক) কোন সম্পত্তিতে জনসাধারণের যত ভাল স্বত্ব থাকে না কেন তাদেরকে আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া হতে নিরুৎসাহ করাই এই ধারার লক্ষ্য।
খ) এই ধারায় ফরিয়াদীকে কোন স্বত্ব প্রদান করা হয়নি। আইনের মাধ্যম ছাড়া কেউ কাউকে সম্পত্তি হতে দখলচ্যুত করলে অধিকার বিচার না করে দখলচ্যুত ব্যক্তি বর্তমান ধারার মাধ্যমে দখল লাভ করতে পারে। শান্তিভঙ্গ রোধই এই ধারার অন্যতম লক্ষ্য।
গ) বর্তমান ধারার লক্ষ্য হল, বলপ্রয়োগ করে বেদখল নিরুৎসাহিত করা। এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার নীতি: দখলদারই দখলে থাকবেন, এটিই সাধারণ নীতি। তবে যার স্বত্ব আছে কিন্তু দখল নেই, তিনি আইন হাতে তুলে নিয়ে বলপ্রয়োগ করে দখলদারকে দখলচ্যুত না করে বরং প্রচলিত আইনের বিধান মতে স্বত্বের মোকদ্দমা রুজুর মাধ্যমে দখলে আসতে পারেন। মূলত এটিই আলোচ্য আইনের প্রধান নীতি।
⇒ বেদখল বলতে কি বুঝ?
বেদখল অর্থ প্রকৃত উচ্ছেদ বা তাড়ানো অর্থাৎ যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে ছিল তাকে দখল থেকে উচ্ছেদ করাই হল বেদখল। একজন প্রজাকে ইজারার শেষে দখলে থাকা শুধুমাত্র আইনের মাধ্যমে উচ্ছেদ করা যাবে।
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১১৬ ধারার আওতায় হোল্ডিন ওভার বিশিষ্ট একজন প্রজা বা টেন্যান্টের দখল বৈধ। অবৈধ নয় এরূপ প্রজাকে বেদখল করলে ৯ ধারা অনুসারে তা পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারে। আইনের যথার্থ মাধ্যম অর্থ নিয়মিত, স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা দ্বারা কোন কিছু সিদ্ধান্তের জন্য আদালতে উত্থাপন করা হয়।
⇒ বেদখল বাস্তবে হতে হবে, শুধুমাত্র কাগজপত্রে বেদখল হলে তাকে ৯ ধারা মোতাবেক বেদখল বলা যায় না। ৯ ধারার অধীন দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বেদখল অবশ্যই আইনের পরিপন্থি হতে হবে। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তির ঘর বাড়ী বা সম্পত্তি থেকে আইনগত পদ্ধতিতে উচ্ছেদ হলে তাকে বেদখল বলা যায় না।
৯,২৪৪.
সরকার মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৫ক ধারায়
  4. ৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
♦ সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে । দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ করবে না।
৯,২৪৫.
নিচের কোনটি শিশু-আদালত আদেশ প্রদানের সময় বিবেচনার বিষয় নয়?
  1. শিশুর অভিমত
  2. শিশুর আর্থিক অবস্থা
  3. শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা
  4. শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা
সঠিক উত্তর:
শিশুর আর্থিক অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুর আর্থিক অবস্থা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) শিশুর আর্থিক অবস্থা।

শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৩০: শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:

এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :- 
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ; 
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা; 
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন্ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত; 
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা; 
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা; 
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি; 
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতার তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি; 
(জ) শিশুর অভিমত; 
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।
৯,২৪৬.
একটি দেওয়ানি মামলার অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হবে কোন আদালতে?
  1. জেলা জজ
  2. আপিল বিভাগ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. স্পেশাল জজ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
♦১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
♦দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে।
♦অর্থাৎ ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হবে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৯,২৪৭.
দেওয়ানি মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে হবে রায়ের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে?
  1. ২০
  2. ৩০
  3. ৬০
  4. ৯০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, যেকোন দেওয়ানী আদালতের নিকট দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
৯,২৪৮.
A, B-কে বছরে ৫,০০০ টাকা ভাড়ায় একটি বাড়ি ভাড়া দিল। ২০০৫, ২০০৬ ও ২০০৭ সালের ভাড়া বাকি আছে। A, ২০০৮ সালে শুধু ২০০৬ সালের ভাড়ার জন্য মামলা করলো। এক্ষেত্রে, A পরে ২০০৫ বা ২০০৭ সালের ভাড়ার জন্য-
  1. আলাদা মামলা করতে পারবে
  2. আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলা করতে পারবে
  3. আলাদা মামলা করতে পারবে না
  4. আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরায় বিচার করবে
সঠিক উত্তর:
আলাদা মামলা করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাদা মামলা করতে পারবে না
ব্যাখ্যা

Order II Rule 2 of the Code of Civil Procedure (CPC):
প্রতিটি মামলা এমনভাবে দায়ের করতে হবে যাতে তা মামলাকারীর (plaintiff) পুরো দাবি (claim) অন্তর্ভুক্ত করে, যা তিনি ঐ একই কারণ (cause of action) থেকে করার অধিকার রাখেন।
তবে, মামলাকারী চাইলে তার দাবির কোনো অংশ ত্যাগ করতে পারেন, যদি তা করার মাধ্যমে মামলাটি কোনো নির্দিষ্ট আদালতের এখতিয়ারের (jurisdiction) মধ্যে আনা সম্ভব হয়।

(২) যদি কোনো মামলাকারী তার দাবির কোনো অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেন বা সেই অংশের জন্য মামলা না করেন, তাহলে তিনি পরে সেই বাদ দেওয়া অংশের জন্য আবার মামলা করতে পারবেন না।
অর্থাৎ: একবার কোনো অংশ বাদ দিলে বা ত্যাগ করলে, পরে সেই অংশের জন্য পুনরায় মামলা করা যাবে না।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি একই “cause of action” (অর্থাৎ একই ঘটনার ভিত্তিতে) একাধিক প্রতিকার (relief) পাওয়ার অধিকারী হন, তাহলে তিনি চাইলে সবগুলো প্রতিকার বা যেকোনো একটি প্রতিকারের জন্য মামলা করতে পারেন। তবে যদি তিনি আদালতের অনুমতি (leave of Court) ছাড়া কোনো প্রতিকার বাদ দেন, তাহলে তিনি পরে সেই বাদ দেওয়া প্রতিকারের জন্য আলাদা করে মামলা করতে পারবেন না।

Explanation (ব্যাখ্যা):
একটি বাধ্যবাধকতা (obligation), তার সাথে সম্পর্কিত জামানত বা সিকিউরিটি, এবং সেই বাধ্যবাধকতা থেকে ক্রমাগত উদ্ভূত দাবিগুলো — সব মিলিয়ে একটি cause of action বলে গণ্য হবে।

Illustration (উদাহরণ):
A, B-কে বছরে ১,২০০ টাকা ভাড়ায় একটি বাড়ি ভাড়া দিল। ১৯০৫, ১৯০৬ ও ১৯০৭ সালের ভাড়া বাকি আছে। A, ১৯০৮ সালে শুধু ১৯০৬ সালের ভাড়ার জন্য মামলা করলো। তাহলে A পরে ১৯০৫ বা ১৯০৭ সালের ভাড়ার জন্য আলাদা মামলা করতে পারবে না।

৯,২৪৯.
যদি রাতের বেলায় কেউ একটি বাড়িতে চুরি করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে, তবে সেই বাড়ির মালিক আত্মরক্ষার অধিকারের সর্বোচ্চ সীমা কতদূর পর্যন্ত প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. চোরকে ধরিয়ে দিতে পারেন
  2. চোরকে কেবল ভয় দেখাতে পারেন
  3. চোরকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে পারেন
  4. চোরের মৃত্যু ঘটাতে পারেন যদি পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়
সঠিক উত্তর:
চোরের মৃত্যু ঘটাতে পারেন যদি পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোরের মৃত্যু ঘটাতে পারেন যদি পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১০৩ ধারার মতে, সম্পত্তি রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়, এমনকি আক্রমণকারীর মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত, যদি অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর হয়।
রাতের বেলায় বেআইনিভাবে ঘরে প্রবেশ (House-breaking by night) এই চারটি গুরুতর অপরাধের মধ্যে একটি, যার ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো বৈধ হতে পারে।
তবে, এই অধিকার দণ্ডবিধির ৯৯ ধারার শর্ত সাপেক্ষে প্রযোজ্য। যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে আত্মরক্ষা না করলে বাড়ির মালিক বা পরিবারের সদস্যদের জীবন বা গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তখন প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করা আইনসিদ্ধ হতে পারে।

অতএব, যদি রাতের বেলায় কেউ বেআইনিভাবে চুরি করার উদ্দেশ্যে বাড়িতে প্রবেশ করে এবং সেই পরিস্থিতি প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের আশঙ্কা তৈরি করে, তাহলে আত্মরক্ষার সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত (অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো) যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৩ :- যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
- সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা ঘর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাঁবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-103: When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;
৯,২৫০.
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ এর প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময়সীমা কত কার্যদিবস?
  1. ৬০
  2. ৩০
  3. ৯০
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮- আপিল

(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আপীল আদালত হিসাবে গণ্য হইবে। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে যে কোন সংক্ষুব্ধ পক্ষ আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপীল করিতে পারিবে। 
 
(৩) আপিল দায়েরের ৬০ (ষাট) কার্যদিবসের মধ্যে আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করিতে হইবে এবং উপযুক্ত কারণ ব্যতীত আপিল একাধিকবার বদলী করা যাইবে না।
৯,২৫১.
অন্যান্য আইনজীবী এর উপর কার প্রাক-শ্রোতা অধিকার (Right of Pre-audience) রয়েছে?
  1. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
  2. সংশ্লিষ্টবার এসোসিয়েশনের সভাপতি
  3. এনরোলমন্ট কমিটির চেয়ারম্যান
  4. বাংলাদেশের অ্যাটর্নী জেনারেল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের অ্যাটর্নী জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের অ্যাটর্নী জেনারেল
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ এর অনুচ্ছেদ ২৬(১)  এর বিধান মতেঃ অন্যান্য আইনজীবী এর উপর বাংলাদেশের অ্যাটর্নী জেনারেল প্রাক-শ্রোতা অধিকার (Right of Pre-audience) রয়েছে। 
৯,২৫২.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ২৬ এর বিধান অনুযায়ী কমিশন ইস্যুর আদেশ দেয়া যায় না?
  1. স্থাবর সম্পত্তির ভাগ বণ্টন
  2. নালিশী জমি কোন নির্দিষ্ট দাগভুক্ত কিনা তা নির্ধারণ
  3. কোন দলিলে বর্ণিত জমি নির্দিষ্ট কোন দাগভুক্ত কিনা তা নির্ধারণ
  4. নালিশি জমিতে কোন পক্ষের স্বত্ব আছে কিনা তা নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
নালিশি জমিতে কোন পক্ষের স্বত্ব আছে কিনা তা নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশি জমিতে কোন পক্ষের স্বত্ব আছে কিনা তা নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ২৬ অনুযায়ী আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কমিশন ইস্যু করতে পারে-
- সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য,
- স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য,
- স্থানীয় তদন্ত যেমন নালিশী জমি কোন নির্দিষ্ট দাগভুক্ত কিনা এবং কোন দলিলে বর্ণিত জমি নির্দিষ্ট কোন দাগভূক্ত কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য, এবং
- হিসাব পরীক্ষা করার জন্য।

অর্থাৎ ২৬ আদেশের অধীন, আদালত নালিশী জমিতে কোন পক্ষের স্বত্ব আছে কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারে না।
৯,২৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার অধীনে নথি পর্যালোচনার সময় হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নের কোনটি করতে পারে?
  1. দণ্ড কার্যকর স্থগিত করা
  2. আটককৃত আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া
  3. আটককৃত আসামিকে তার নিজস্ব মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫ অনুসারে, নথি তলব ও পর্যালোচনার সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ চাইলে দণ্ড কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ দিতে পারে এবং যদি আসামি আটক থাকে, তবে তাকে জামিনে অথবা নিজ দায়িত্বে (মুচলেকায়) মুক্তির নির্দেশ দিতে পারে।
→ সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলোই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:-
-(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.
৯,২৫৪.
দণ্ডবিধির ১১৪ ধারা অনুসারে, প্ররোচনাকারী যখন অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, তখন তাকে কী শাস্তি প্রদান করা হতে পারে?
  1. কোনো শাস্তি নয়
  2. সাক্ষী হিসেবে শাস্তি
  3. অপরাধী হিসেবে শাস্তি
  4. প্ররোচনাকারী হিসেবে শাস্তি
সঠিক উত্তর:
অপরাধী হিসেবে শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধী হিসেবে শাস্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৪: অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত প্ররোচনাকারী:
যখন কোনো ব্যক্তি, যে অনুপস্থিত থাকলে প্ররোচনাকারী হিসেবে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হতো, সেই ব্যক্তি যদি সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, যার জন্য সে প্ররোচনার কারণে শাস্তিযোগ্য হতো, তখন তাকে সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে গণ্য করা হবে।

Section 114- Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed, he shall be deemed to have committed such act or offence.
৯,২৫৫.
'Factum valet' নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. নির্দেশাত্মক বিধানের ক্ষেত্রে
  2. সুপারিশমূলক বিধানের ক্ষেত্রে
  3. অবশ্য পালনীয় বিধানের ক্ষেত্রে
  4. ক ও খ ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অবশ্য পালনীয় বিধানের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশ্য পালনীয় বিধানের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• Quod fieri non debet factum valet (বিধিমত যা অকর্তব্য, তা করা হলে বিধিসম্মত বলে ধরা হয়) এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করে factum valet মতবাদের উৎপত্তি হয়েছে। ফ্যাকটাম ভ্যালেট হিন্দু দায়ভাগা আইনের একটি নীতি। হিন্দু আইনে এই মতবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ হিসেবে পরিচিত। যে কাজ করা উচিৎ নয় বা করা হয়েছে, তাকে বৈধ হিসেবে গণ্য করার নীতি ‘factum valet’ নামে পরিচিত।

আইনের বিধানগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়-
- নির্দেশাত্মক বিধান (Directory provision of law), 
- অবশ্য পালনীয় বিধান (mandatory provision of law) বলা হয়।

অবশ্য পালনীয় বিধান অমান্য করলে সেই কাজটি বেআইনী বলে গণ্য হবে এবং অন্য কোন সূত্র প্রয়োগ করে তা বৈধ করা যায় না। তবে আইনের সুপারিশমূলক/নির্দেশাত্মক বিধান উপেক্ষা করেও কোন একটি কাজ করা হলে, এরূপ কৃত কার্যকে আইনতঃ সিদ্ধ বলে গ্রহণ করাকে ফ্যাকটাম ভ্যালেট নীতি বলা হয়। অর্থাৎ ‘directory’ নির্দেশের পরিপন্থী কাজ অনুচিত হলেও উক্ত কাজকে সরাসরি বেআইনী বলা যায় না। হিন্দু আইনে অনুরূপ কাজ factum valet নীতি অনুযায়ী বৈধ করা যায়।

যেমন- হিন্দু ধর্ম মতে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া কোন বিয়ে হতে পারে না। কিন্তু অনুরূপ বিধান লংঘন করে কোন বিয়ে হয়ে গেলে তা ফ্যাকটাম ভ্যালেট নীতি অনুযায়ী বৈধ গণ্য হয়ে থাকে। একইভাবে শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে কোন ব্যক্তি তার একমাত্র সন্তানকে দত্তক দিতে পারেন না। কিন্তু ঐ বিধি উপক্ষো করে যদি কেউ তার একমাত্র পুত্রকে দত্তক দিয়েই ফেলেন তাহলে তা অসিদ্ধ বলে বিবেচিত হয় না। তবে উভয়ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করতে হয়। এছাড়াও ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতির কারণে এক বা একাধিক স্ত্রী থাকা সত্তে¡ও একজন হিন্দু পুনরায় বিবাহ করতে পারে।
৯,২৫৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান অনুসারে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে দায়িককে-
  1. দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে
  2. তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে
  3. তার সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করে যাবে
  4. উল্লিখিত সবগুলো করে যাবে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো করে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো করে যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান: অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে। 
------------
Order-21 Rule-30.Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both. 
৯,২৫৭.
কোন আদালত বা ব্যক্তিরা দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৩৯–এর অধীনে হলফনামার শপথ পরিচালনা করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র জেলা জজ
  2. কেবলমাত্র আইনজীবী
  3. যেকোনো আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
যেকোনো আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান হলফনামার শপথ যার দ্বারা পরিচালিত হবে: এই আইন মোতাবেক কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে-
ক) যেকোনো আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
খ) যেকোনো অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রিমকোর্ট এতদুদ্দেশ্যে নিয়োগ করতে পারেন; অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন আদালতে যে ব্যক্তিকে এই কার্যের জন্য নিযুক্ত করতে পারেন, তিনি শপথ গ্রহণকারীর প্রতি শপথ পরিচালনা করতে পারবেন।
------------
⇒ CPC Section: 139. Oath on affidavit by whom to be administered:
 In the case of any affidavit under this Code- 
(a) any Court or Magistrate, or 
(b) any officer or other person whom 107[the Supreme Court] may appoint in this behalf, or 
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf,
may administer the oath to the deponent.

৯,২৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন অর্ডারে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত আছে?
  1. অর্ডার ৪৫
  2. অর্ডার ৪৬
  3. অর্ডার ৪৭
  4. অর্ডার ৪৮
সঠিক উত্তর:
অর্ডার ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ডার ৪৭
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর অর্ডার ৪৭ রিভিউ সম্পর্কিত বিধান বর্ণনা করে। 
​-
এই অর্ডারের বিধি ১-এ রিভিউ আবেদনের শর্তগুলি উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন:
- নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কার হওয়া।
- মামলার নথিতে স্পষ্ট ভ্রান্তি বা ত্রুটি থাকা।
- অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণ থাকা।
এই অর্ডারটি নির্দিষ্ট করে যে রিভিউ আবেদন শুধুমাত্র সেই আদালতে দায়ের করা যাবে যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে।

⇒ ​দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা-১১৪ ও অর্ডার ৪৭ দেওয়ানি রিভিউ (Review):
ধারা ১১৪ অনুযায়ী: যদি কোনো ব্যক্তি নিম্নলিখিত কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হন—
১. এমন ডিক্রি বা আদেশ যার বিরুদ্ধে আপীল করা যেত কিন্তু করা হয়নি,
২. এমন আদেশ যার বিরুদ্ধে আপীলের সুযোগ নেই, অথবা
৩. Small Causes Court-এর রেফারেন্সের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হন—
তবে তিনি সেই আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারবেন, যিনি ঐ আদেশ বা ডিক্রি জারি করেছেন।

​অর্ডার ৪৭ অনুযায়ী: ধারা ১১৪-এর অধীনে রিভিউ আবেদনের নিয়ম ও প্রক্রিয়া বর্ণিত।
রিভিউ শুধুমাত্র তখনই করা যাবে যখন—
১. নতুন বা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়া যায় যা আগে সম্ভব ছিল না,
২. রেকর্ডে স্পষ্ট ভুল বা ত্রুটি থাকে, অথবা
৩. অন্য কোনো যৌক্তিক কারণ থাকে।
এছাড়া, অর্ডার ৪৭-এ রিভিউ মঞ্জুরি বা নামঞ্জুরের পদ্ধতি, আবেদন আদালত, শুনানির আগে নোটিশ, এবং পুনঃশুনানি প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে বর্ণিত।

৯,২৫৯.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটির ডেটা ইলেকট্রনিক রেকর্ড হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ড্রোন ডেটা
  2. সিসিটিভি ডেটা
  3. সেলফোন ডেটা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-

⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম,
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি)
;
সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৯,২৬০.
মৃত্যুকালীন ঘোষণা আদালতে প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজন-
  1. ভিডিও রেকর্ড
  2. পুলিশি তদন্ত রিপোর্ট
  3. ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন
  4. যিনি শুনেছেন বা লিখেছেন তার সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
যিনি শুনেছেন বা লিখেছেন তার সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যিনি শুনেছেন বা লিখেছেন তার সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
মৃত্যুকালীন ঘোষণা:
১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) মৃত ব্যক্তি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রদত্ত বিবৃতিকে সাধারণত মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়৷ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা মতে, কোন ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে যদি তার মৃত্যুর কারণ, অবস্থা এবং পরিস্থিতি বর্ণনা করে কোন বিবৃতি বা জবানবন্দি প্রদান করে থাকেন তবে তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়। মৃত্যুর সময় সাধারণত কোন মানুষ মিথ্যা কথা বলে না, সুতরাং এই ঘােষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।

মৃত্যুকালীন ঘােষণা কিভাবে প্রমাণ করা যায়-
কোন মানুষ তার মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুর কারণ বা আংশকা প্রকাশ করে যদি প্রাসঙ্গিক ঘােষণা প্রদান করে তাহলে তা মৃত্যুকালীন ঘােষণা হিসেবে গণ্য হয়। মৃত্যুকালীন ঘােষণা পুলিশ অফিসারের নিকট দেয়া হােক বা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট দেয়া হােক বা সাধারণ মানুষের নিকট দেয়া হােক সকল ক্ষেত্রেই তা গ্রহণীয় হবে। এক্ষেত্রে যিনি মৃত্যুকালীন ঘােষণা লিখেছেন তাকে আদালতে সাক্ষ্য দিতে হবে। সাক্ষ্য যদি মৌখিক হয় তাহলে যিনি তা শুনেছেন মর্মে আদালতে সাক্ষ্য দিতে হবে। এভাবে মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করা যায়।

মৃত্যুকালীন ঘােষণা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণীয় হওয়ার ক্ষেত্রসমূহ-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

⇒ মৃত্যুকালীন ঘােষণা দানকারী যদি দৈবাৎ বেঁচে যায় তাহলে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনে অনুযায়ী তার ঘােষণা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণীয় হবে না। কারণ উক্ত ব্যক্তি বেঁচে থাকলে পরবর্তীতে তার ঘােষণা পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু মৃত্যুকালীন ঘােষণা দানকারী দৈবাৎ বেঁচে গেলে বাংলাদেশী আইন অনুযায়ী তার ঘােষণা একেবারে বাতিল হয় না। উক্ত বিবৃতি বা ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারানুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
৯,২৬১.
চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনিক কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ কয়টি মোকদ্দমা ধার্য্য করতে পারে?
  1. ১০০ টি
  2. ৭০ টি
  3. ৫ টি
  4. ১০ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুযায়ী চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনিক কার্যতালিকায় ৫টির বেশি মোকদ্দমা ধার্য্য করবেন না এবং আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় মোকদ্দমার চূড়ান্ত পর্যায়ে ১০০ টির অধিক মোকদ্দমা ধার্য্য করবে না।
♦ যদি চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা ৭০ টির নীচে আসে তাহলে আবার চূড়ান্ত পর্যায়ে আরো মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করবেন।
৯,২৬২.
আদেশ-১১ বিধি-৮ অনুযায়ী, প্রশ্নমালার উত্তর দাখিল করতে কত দিন সময় দেওয়া হয়েছে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ-১১ বিধি-৮ অনুযায়ী, প্রশ্নমালার উত্তর দাখিল করতে ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।
- এতে বলা হয়েছে যে, প্রশ্নমালার উত্তর শপথনামার মাধ্যমে ১০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
- শপথনামার মাধ্যমে প্রশ্নমালার উত্তরের যথার্থতা নিশ্চিত করা হয়, এবং ১০ দিনের মধ্যে তা দাখিল করা বাধ্যতামূলক।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-8. Affidavit in answer, filing:
Interrogatories shall be answered by affidavit to be filed within ten days.
৯,২৬৩.
ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তকে নির্দোষ বলে মনে করেন, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী তিনি খালাসের আদেশ দেবেন?
  1. ২৪২ ধারা
  2. ২৪৩ ধারা
  3. ২৪৪ ধারা
  4. ২৪৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৪৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৫ ধারার বিধান - খালাস:
(১) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি ২৪৪ ধারায় উল্লেখিত সাক্ষ্যগ্রহণ করে এবং তিনি স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে যে অতিরিক্ত সাক্ষ্য (যদি থাকে) হাজির করতে বলেন তা গ্রহণ করে এবং (যদি তিনি উপযুক্ত মনে করেন) আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করে আসামীকে নির্দোষ বলে সাব্যস্ত করেন, তাহলে তিনি খালাসের আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন।
শাস্তি:
(২) যদি ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ৩৪৯ অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ না করেন, তবে যদি তিনি অভিযুক্তকে দোষী মনে করেন, তাহলে তিনি আইন অনুযায়ী অভিযুক্তের উপর দণ্ড আরোপ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 245. Acquittal:
(1) If the Magistrate upon taking the evidence referred to in section 244 and such further evidence (if any) as he may, of his own motion, cause to be produced, and (if he thinks fit) examining the accused, finds the accused not guilty, he shall record an order of acquittal.
Sentence:
(2) Where the Magistrate does not proceed in accordance with the provisions of section 349 , he shall, if he finds the accused guilty, pass sentence upon him according to law.
৯,২৬৪.
'The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case.'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৬২ ধারায়
  2. ১৬৫ ধারায়
  3. ১৬৬ ধারায়
  4. ১৬৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
Section 167⇒ No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
৯,২৬৫.
কোন সাক্ষীকে মামলার উভয়পক্ষ জেরা করতে পারে?
  1. পুনরায় তলবকৃত সাক্ষী
  2. চিকিৎসক সাক্ষী
  3. ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ডকারী সাক্ষী
  4. বৈরী ঘোষিত সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
বৈরী ঘোষিত সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈরী ঘোষিত সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ঘ) বৈরী ঘোষিত সাক্ষী।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যখন কোন সাক্ষী বৈরী (Hostile) সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তখন তার বিরুদ্ধে উভয়পক্ষ (অর্থাৎ, সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এবং বিরোধী পক্ষ) জেরা করতে পারে। বৈরী সাক্ষী সাধারণত সেই সাক্ষী হয়, যিনি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে উল্টো কথা বলেন বা বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয়: 
- বৈরী সাক্ষী হতে পারে যদি সে তার দেওয়া সাক্ষ্য থেকে সরে আসে, অথবা বিপরীত সাক্ষ্য দেয় বা বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়।
- সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, আদালত যদি সাক্ষীকে বৈরী হিসেবে ঘোষণা করে, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তাকে জেরা করতে পারে এবং একইভাবে বিরুদ্ধ পক্ষও তাকে জেরা করতে পারে।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।
⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।
⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৯,২৬৬.
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 অনুসারে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা দিতে পারেন?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ২,০০,০০০ টাকা
  3. ৩,০০,০০০ টাকা
  4. ৫,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩২: ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডের ক্ষমতা:

(সংশোধনের পরে)
• মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট / প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ বছর
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা
- চাবুক মারা — বিলুপ্ত
• দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ বছর
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ টাকা
• তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ বছর
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ টাকা

(সংশোধনের পূর্বে)
• মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট / প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ বছর (আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাসসহ)
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা
- চাবুক মারা (Whipping) — (বর্তমানে বিলুপ্ত)
• দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ বছর (আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাসসহ)
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা
• তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ বছর
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা
৯,২৬৭.
'একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করার যাতে ঐ আইনের সবগুলো বিধান একসাথে কার্যকর করা যায়' এই নীতিকে কী বলা হয়? 
  1. Rule of Ejusdem Generis
  2. Rule of Literal Interpretation
  3. Rule of Strict Construction
  4. Rule of Harmonious Construction
সঠিক উত্তর:
Rule of Harmonious Construction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule of Harmonious Construction
ব্যাখ্যা

⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত বিবৃতিটি "Rule of Harmonious Construction" বা "আইন ব্যাখ্যার সামঞ্জস্যমূলক নীতি"-এর মূল সংজ্ঞা।
- Rule of Harmonious Construction: এই নীতি অনুযায়ী, যদি কোনো আইনের দুটি বা ততোধিক বিধান পরস্পরবিরোধী মনে হয়, তবে সেই বিধানগুলোকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যাতে সেগুলো পরস্পরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে এবং একই সাথে কার্যকর হতে পারে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনের কোনো অংশকে বাতিল বা অকার্যকর না করে সম্পূর্ণ আইনটিকে একটি সুসংবদ্ধ পুরোটা হিসেবে প্রয়োগ করা।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট Rule of Harmonious Construction নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।
(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।

অন্যান্য অপশনগুলো:
ক) Rule of Ejusdem Generis: এই নীতি প্রয়োগ করা হয় যখন কিছু নির্দিষ্ট শব্দের পরে 'অন্যান্য' বা 'প্রভৃতি' জাতীয় সাধারণ শব্দ ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে সাধারণ শব্দটিকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শব্দগুলোর মতো একই প্রকৃতির বা জাতীয় বস্তুকে বোঝাতে ব্যাখ্যা করা হয়।
খ) Rule of Literal Interpretation: এই নীতি অনুযায়ী, আইনের শব্দগুলোকে তাদের সাধারণ, সাধারণ ও ব্যাকরণগত অর্থে বুঝতে হবে। যদি শব্দের অর্থ পরিষ্কার থাকে, তবে আদালতকে সেই অর্থ অনুযায়ীই রায় দিতে হবে, ফলাফল যাই হোক না কেন।
গ) Rule of Strict Construction: এই নীতিতে আইনের বিধানকে সংকীর্ণভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। সাধারণত ফৌজদারি আইন, কর আইন বা কোনো ব্যক্তির অধিকার হরণকারী আইনের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রয়োগ করা হয়।

৯,২৬৮.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৯৩ অনুযায়ী, কোন ধরনের দলিল সাক্ষ্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা বা সংশোধন করা যায় না?
  1. নকল দলিল
  2. আদালতে জমাকৃত দলিল
  3. সরকারি দলিল
  4. অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ দলিল
সঠিক উত্তর:
অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ দলিল
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ধারা ৯৩ – অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ দলিল ব্যাখ্যা বা সংশোধনের জন্য সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়:
যখন কোনো দলিলে ব্যবহৃত ভাষা নিজে থেকেই অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ (অর্থাৎ, দলিলের ভাষা দেখে বুঝা যায় যে সেখানে অস্পষ্টতা বা ভুল রয়েছে), তখন তথ্যপ্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয় যা ঐ অস্পষ্টতার অর্থ বোঝাতে বা ত্রুটি সংশোধনে ব্যবহৃত হতে পারে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A লিখিতভাবে B-কে একটি ঘোড়া ১,০০০ টাকা বা ১,৫০০ টাকায় বিক্রি করতে রাজি হয়।
→ এখানে মূল্য দুটি দেওয়া আছে – সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না কোন মূল্যটি ঠিক ছিল তা প্রমাণ করতে।

(খ) একটি দলিলে কিছু ফাঁকা জায়গা (blanks) আছে।
→ সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না এই ফাঁকাগুলো কীভাবে পূরণ করা ছিল তা দেখানোর জন্য।
৯,২৬৯.
কোনো ব্যক্তি মিথ্যা এজাহার দায়ের করলে তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২২০ ধারা
  2. ৩০৫ ধারা
  3. ২১১ ধারা
  4. ৪১২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগ:
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, এবং
-যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৯,২৭০.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ‘শোষণ’ বা ‘নিপীড়ন’-এর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পতিতাবৃত্তি
  2. শিক্ষা প্রদান
  3. জবরদস্তিমূলক শ্রম
  4. ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ২(১৫)-এ ‘শোষণ’ বা ‘নিপীড়ন’-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় শোষণ বা নিপীড়নের মধ্যে নিম্নলিখিত কার্যক্রমগুলো অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এটি শুধু এই বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়:
- পতিতাবৃত্তি বা যৌন শোষণ বা নিপীড়ন
- পতিতাবৃত্তি বা পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন/বিতরণে নিয়োজিত করে মুনাফা অর্জন
- জবরদস্তিমূলক শ্রম বা সেবা আদায়
- ঋণ-দাসত্ব, দাসত্ব, সার্ভিচিউড বা গৃহস্থালীতে সার্ভিচিউড
- প্রতারণামূলক বিবাহের মাধ্যমে শোষণ
- জোরপূর্বক বিনোদন ব্যবসায় ব্যবহার
- ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা
- ব্যবসার উদ্দেশ্যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহানি বা বিকলাঙ্গ করা
এই তালিকা থেকে স্পষ্ট যে, পতিতাবৃত্তি, জবরদস্তিমূলক শ্রম, এবং ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা শোষণ বা নিপীড়নের অংশ হিসেবে গণ্য হয়। কিন্তু শিক্ষা প্রদান এই তালিকায় বা শোষণ/নিপীড়নের সংজ্ঞার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ শিক্ষা প্রদান একটি ইতিবাচক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, যা শোষণ বা নিপীড়নের সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ২(১৫) ‘‘শোষণ’’ বা ‘‘নিপীড়ন’’ (exploitation) অর্থ কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাহার সম্মতিক্রমে বা বিনা সম্মতিতে কৃত নিম্নলিখিত কার্যসমূহ, তবে কেবল এইসব বিষয়েই ইহার অর্থ সীমিত হইবেনাঃ— 
(ক) পতিতাবৃত্তি বা যৌন শোষণ বা নিপীড়নের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে শোষণ বা নিপীড়ন; 
(খ) কোন ব্যক্তিকে পতিতাবৃত্তি অথবা পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন বা বিতরণে নিয়োজিত করিয়া মুনাফা ভোগ; 
(গ) জবরদস্তিমূলক শ্রম বা সেবা আদায়; 
(ঘ) ঋণ-দাসত্ব (debt-bondage), দাসত্ব বা সার্ভিচিউড্(servitude) , দাসত্বরূপ কর্মকাণ্ড, বা গৃহস্থালীতে সার্ভিচিউড্; 
(ঙ) প্রতারণামূলক বিবাহের মাধ্যমে শোষণ বা নিপীড়ন; 
(চ) কোন ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বিনোদন ব্যবসায় ব্যবহার; 
(ছ) কোন ব্যক্তিকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা; এবং 
(জ) ব্যবসা করিবার উদ্দেশ্যে অপরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহানী বা কাউকে বিকলাঙ্গ করা; 

৯,২৭১.
দায়রা আদালতের রায় ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি অগ্রবর্তী করতে হবে_______।
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৭৩ ধারা অনুযায়ী দায়রা কোন মামলার বিচারে প্রদত্ত রায়ের ও দন্ডাদেশের কপি চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে প্রেরণ করবেন।
৯,২৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশের অধীনে রিসিভার নিয়োগের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-৩৭
  2. আদেশ-৩৯
  3. আদেশ-৪০
  4. আদেশ-৪৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ (Order XL)-এর অধীনে রিসিভার (Receiver) নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
→ এই আদেশ অনুযায়ী, আদালত যদি মনে করে যে কোনো সম্পত্তির বিষয়ে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক (just and convenient), তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে পারে:
- রিসিভার নিয়োগ করতে পারে – ডিক্রির পূর্বে বা পরে।
- সম্পত্তি থেকে কোনো ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারে।
- সম্পত্তিটি রিসিভারের হেফাজত, দখল বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে।
রিসিভারকে এমন সব ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন:
- মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা
- সম্পত্তি উদ্ধার, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন
- ভাড়া/মুনাফা সংগ্রহ ও প্রয়োগ
- দলিল সম্পাদন ইত্যাদি
→ রিসিভারের পারিশ্রমিকও আদালত নির্ধারণ করে (বিধি ২ অনুযায়ী)।
- অর্থাৎ, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত বিধান আদেশ ৪০-এর অধীনে দেওয়া হয়েছে।

আদেশ ৪০ – রিসিভার নিয়োগ:

১. রিসিভার নিয়োগ:
১.(১) যদি আদালতের নিকট এটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা—
(ক) যে কোনো সম্পত্তির (ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে) রিসিভার নিয়োগ করতে পারে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে ঐ সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করতে পারে;
(গ) উক্ত সম্পত্তি রিসিভারের দখল, হেফাজত বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে; এবং
(ঘ) রিসিভারকে এমন সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ, সম্পত্তি উদ্ধার, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ, সেগুলোর প্রয়োগ ও ব্যয়, এবং দলিল সম্পাদন—যেমন মালিক নিজে করতে পারতেন, অথবা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে সেই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
১.(২) এই বিধানের কিছুই আদালতকে কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা প্রদান করে না, যদি না মামলার কোনো পক্ষ সেই ব্যক্তিকে বর্তমানে অপসারণ করার অধিকার রাখে।
২. পারিশ্রমিক: রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।
-------------- 
The Code of Civil Procedure, 1908, Order XL – Appointment of Receivers:
1. Appointment of Receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order—
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property;
(c) commit the same to the possession, custody, or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation, and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

2. Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
৯,২৭৩.
দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কেউ অন্যকে তার ব্যক্তিগত, মর্যাদার বা সম্পত্তির ক্ষতি বা ক্ষতি হতে পারে এমন হুমকি দেয়, তাহলে সে কী অপরাধে দোষী হবে?
  1. ডাকাতি
  2. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার বিধান অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।
ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে। 

⇒ উদাহরণ:
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
------------
⇒ The Penal Code,1860- Section 503. Criminal Intimidation:
- Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

⇒ Illustration:
A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
৯,২৭৪.
জালিয়াতির সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪৬২ ধারায়
  2. ৪৬৩ ধারায়
  3. ৪৬৪ ধারায়
  4. ৪৬৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৬৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী জালিয়াতির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
• ৪৬৪ ধারায় মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করণ,
• ৪৬৬ ধারায় আদালতের নথিপত্র ও সরকারী রেটিষ্টার জালিয়াতি,
• ৪৬৬ ধারায় বিবাহের রেজিষ্ট্রি জালিয়াতি এবং
• ৪৬৭ ধারার মূল্যবান জামানত ও উইল জামানত ও উইল জালিয়াতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
৯,২৭৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় “শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল” গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২৫
  2. ধারা ২৫ক
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৬ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬ক
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক: শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সরকার এই আইনের অধীন শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের নিমিত্ত প্রত্যেক জেলায় ও মহানগর এলাকায় এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে এবং এইরূপ ট্রাইব্যুনাল শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা ও দায়রা জজ বলিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও অন্তর্ভুক্ত।

(৫) শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে অনুসরণ করিবে।

(৬) এই ধারার অধীন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ধারা ২৬ এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনাল এই ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করিতে পারিবে।]
৯,২৭৬.
একটি দেওয়ানি মামলার যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হবে কোন আদালতে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপিল বিভাগ
  3. জেলা জজ
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
- দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে - জেলা জজ আদালতে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

- অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হবে- জেলা জজ আদালতে।

অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে সরাসরি রিভিশন দায়ের করা যায় না, জেলা জজ আদালতে কোন রিভিশন দায়ের করলে জেলা জজ এটি অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে প্রেরণ করেন। 
৯,২৭৭.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসার জন্য আদালত কোন মোকদ্দমা মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে বা মধ্যস্থতা করতে পারে?
  1. আরজি দাখিলের সময়
  2. লিখিত জবাব দাখিলের আগে
  3. মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার পর
  4. লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৯ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে / আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয় তাহলে আদালত শুনানী মুলতবী রেখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
⇒ মধ্যস্থতার ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে আদালত পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
⇒ মধ্যস্থতার সময় হবে ৬০ দিন তবে সর্বাধিক ৯০ দিনের বেশি নয়।

⇒ মধ্যস্থতার সংজ্ঞা (Definition of Mediation)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতার সংজ্ঞা রয়েছে। ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতা বলতে প্রসারিত অনানুষ্ঠানিক, অবাধ্যতামূলক, গোপনীয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং সমঝোতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী মীমাংসার কোন শর্তে নির্দেশ না করে কিংবা তৎসম্পর্কে কোন আদেশ না দিয়ে পক্ষগণের মধ্যকার বিরোধগুলো নিষ্পত্তির সুযোগ করে দেন।
⇒ কখন মধ্যস্থতার কার্যক্রম শুরু হয়- লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালত শুনানী মুলতবি রেখে মোকদ্দমার বিরোধটি আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা উক্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একজন মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে। সুতরাং লিখিত জবাব দাখিলের পরই মধ্যস্থতার কার্যক্রম শুরু হয়।
⇒ বর্তমানে মধ্যস্থতার (Mediation) জন্য মামলার বিরোধীয় বিষয়টি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে পাঠানো আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
⇒ বিচারক নিজেই অথবা পক্ষগণ বা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী (mediator) মধ্যস্থতা করতে পারে।
৯,২৭৮.
এজেন্ট তার দায়িত্ব পালনের সময় কোনো তথ্য পেলে, তা কাকে জানানো হয়েছে ধরে নেওয়া হয়?
  1. আদালতকে
  2. প্রিন্সিপালকে
  3. তৃতীয় পক্ষকে
  4. কেবল এজেন্টকে
সঠিক উত্তর:
প্রিন্সিপালকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিন্সিপালকে
ব্যাখ্যা
ধারা ২২৯: প্রতিনিধিকে (Agent) দেওয়া নোটিশের পরিণতি-
যেকোনো নোটিশ বা তথ্য যদি কোনো প্রতিনিধি (Agent) তার কাজের সময় বা ব্যবসার প্রয়োজনে পায় বা গ্রহণ করে, তাহলে সেটি এমনভাবে গণ্য করা হবে যেন নোটিশ বা তথ্যটি প্রিন্সিপাল (Principal)-কে সরাসরি দেওয়া বা সে নিজে তা পেয়েছে।

উদাহরণ (a):
A হল B-এর প্রতিনিধি এবং তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে C-এর কাছ থেকে কিছু পণ্য কেনার। C বাহ্যিকভাবে মালিক বলে মনে হলেও, A জানে আসলে মালিক D। কিন্তু B জানে না আসল মালিক কে।
যেহেতু A তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এই তথ্য জেনেছে, এটি B জানে এমন ধরে নেওয়া হবে। তাই B, C-এর কাছে কোনো পাওনা থাকলেও সেই পাওনা C-এর থেকে পণ্যের দামের সঙ্গে সমন্বয় (set off) করতে পারবে না।

উদাহরণ (b):
A আগে C-এর কর্মচারী ছিল এবং তখন জানতে পেরেছিল, পণ্যের মালিক আসলে D। পরে A-কে B নিয়োগ দেয় সেই পণ্য কিনতে। এই ক্ষেত্রে, যেহেতু A এই তথ্য আগে থেকে জানত, এবং সেটা B-এর হয়ে কাজ করার সময় জানে নি, তাই B সেই তথ্যের জন্য দায়ী নয় এবং C-এর কাছে পাওনা থাকলে সেটি পণ্যের দামের সঙ্গে set off করতে পারবে।
৯,২৭৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নিম্নোক্ত কোন শব্দটির প্রয়োগ নেই?
  1. Inquiry
  2. Investigation
  3. Re-investigation
  4. Further investigation
সঠিক উত্তর:
Re-investigation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Re-investigation
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে।
- ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই। অর্থাৎ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর মাঝে Re-investigation শব্দটির প্রয়োগ নেই।

• তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

• ১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
৯,২৮০.
নিম্নলিখিত কোনটি হিন্দু আইনের প্রথার একটি প্রকার নয়?
  1. স্থানীয় প্রথা
  2. আধুনিক প্রথা
  3. পারিবারিক প্রথা
  4. জাতি বা সম্প্রদায় প্রথা
সঠিক উত্তর:
আধুনিক প্রথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধুনিক প্রথা
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনের প্রথা (Custom) হলো এমন একটি উৎস যা দীর্ঘকাল ধরে সমাজে পালিত হয়ে আসছে এবং আইনের মর্যাদা পেয়েছে। হিন্দু আইনে প্রথাগুলি সাধারণত প্রাচীন এবং ঐতিহ্যগতভাবে পালিত হয়। প্রথাগুলিকে সাধারণত চারটি প্রকারে ভাগ করা হয়:

১) স্থানীয় প্রথা (Local Customs): এগুলি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় পালিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা নিয়ম যা আইনি মর্যাদা পায়।
২) পারিবারিক প্রথা (Family Customs): এগুলি একটি পরিবারের মধ্যে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে পালিত হয়। এটি পরিবারের নির্দিষ্ট ঐতিহ্য বা নিয়মের উপর ভিত্তি করে।
৩) জাতি বা সম্প্রদায় প্রথা (Caste or Community Customs): এগুলি নির্দিষ্ট জাতি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে পালিত হয় এবং তাদের জন্য বাধ্যতামূলক হয়। উদাহরণস্বরূপ, পাঞ্জাবের কিছু সম্প্রদায়ের মধ্যে ভাইয়ের বিধবার পুনর্বিবাহের প্রথা।
৪) গিল্ড প্রথা (Guild Customs): এগুলি ব্যবসায়ী বা পেশাগত গোষ্ঠীর মধ্যে পালিত হয়।

"আধুনিক প্রথা" হিন্দু আইনের প্রথার একটি প্রকার নয়:
- হিন্দু আইনে প্রথা হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়, যেমন এটি প্রাচীন, ধারাবাহিক, যুক্তিসঙ্গত, নৈতিক এবং আইনের সাথে সাংঘর্ষিক না হওয়া। "আধুনিক প্রথা" বলতে কোনো নতুন বা সম্প্রতি প্রচলিত অভ্যাস বোঝায়, যা দীর্ঘকাল ধরে পালিত হয়নি এবং তাই হিন্দু আইনের প্রথার মর্যাদা পায় না। হিন্দু আইনের প্রথাগুলি ঐতিহ্যগত এবং দীর্ঘস্থায়ী হতে হবে, যা "আধুনিক প্রথা" ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

অন্যদিকে, স্থানীয় প্রথা, পারিবারিক প্রথা এবং জাতি বা সম্প্রদায় প্রথা হিন্দু আইনের ঐতিহ্যগত উৎস হিসেবে স্বীকৃত এবং দীর্ঘকাল ধরে পালিত হয়ে আসছে। সুতরাং, আধুনিক প্রথা হিন্দু আইনের প্রথার একটি প্রকার নয়।

৯,২৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে "গ্রেপ্তার স্মারক" (Memorandum of Arrest) ফর্মটি কোন SCHEDULE-এ যুক্ত করা হয়েছে?
  1. SCHEDULE-I
  2. SCHEDULE-II
  3. SCHEDULE -IV
  4. SCHEDULE-V
সঠিক উত্তর:
SCHEDULE-V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SCHEDULE-V
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,(Act No. V of 1898)-এর SCHEDULE V-এ নতুন Form IA, যা "গ্রেপ্তার স্মারক" (Memorandum of Arrest) নামে পরিচিত, ধারা ৪৬ক (Section 46A)-এর অধীনে উল্লেখিত হয়েছে। এই ফর্মটি গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থানে প্রস্তুত করতে হয় এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হয়। ফর্মটির উদ্দেশ্য হলো গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য (যেমন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, গ্রেপ্তারের কারণ, শারীরিক অবস্থা, পরিবারকে অবহিত করার তথ্য) রেকর্ড করা, যাতে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,-এর SCHEDULE V-তে নতুন Form IA সন্নিবেশিত হয়েছে যা "MEMORANDUM OF ARREST" নামে পরিচিত এবং এটি ধারা 46A অনুসারে প্রস্তুত করতে হবে। এই ফর্মে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম, পিতার নাম, স্বামীর নাম (যদি থাকে), ঠিকানা ও বয়স
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির NID/পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন নম্বর (যদি থাকে)
- গ্রেফতারের স্থান
- গ্রেফতারের তারিখ ও সময়
- গ্রেফতারের কারণ (সম্পর্কিত আইন ও ধারা উল্লেখসহ)
- নিশ্চয়তা প্রদানকারী/অভিযোগকারীর নাম ও ঠিকানা (যদি থাকে)
- মামলা/জিডি নম্বর
- গ্রেফতারের পরিপত্র নম্বর ও তারিখ (যদি প্রযোজ্য হয়)
- গ্রেফতারের সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
- শরীরে কোন আঘাতের কারণ থাকলে তা উল্লেখ
- উপস্থিত নিবন্ধিত চিকিৎসকের নাম ও শংসাপত্র (যদি আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাহলে এর একটি কপি সংযুক্ত করতে হবে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য/আত্মীয়/বন্ধু/প্রতিবেশীকে জানানো হয়েছে কিনা - হ্যাঁ/না
- গ্রেফতারের তথ্য জানানো ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা
- তথ্য প্রাপ্ত ব্যক্তির যোগাযোগ নম্বর
- সেই আদালতের নাম যেখানে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তোলা হবে
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ (যদি অস্বীকার না করে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তির স্বাক্ষর (যদি না পাওয়া যায় তবে কারণ উল্লেখ করতে হবে)
- গ্রেফতার কর্মকর্তার নাম, পদবী, আইডি নম্বর ও স্বাক্ষরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নির্দেশনা:
এই মেমো গ্রেফতারের সময় ও স্থানে প্রস্তুত করা হবে এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শংসাপত্র ও মুক্তির দলিল সংযুক্ত করতে হবে। মেমো এর একটি কপি মামলার ডায়েরিতে সংরক্ষণ করতে হবে ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য।

৯,২৮২.
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড বা ২,০০০ টাকা জরিমানা
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড বা ৩,০০০ টাকা জরিমানা
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ৫,০০০ টাকা জরিমানা
  4. কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা ৩,০০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা ৩,০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫(৪) অনুসারে যদি কোনো ব্যক্তি বিবাহ নিবন্ধন না করেন বা নির্দিষ্ট সময়ে (৩০ দিনের মধ্যে) নিকাহ রেজিস্ট্রারকে জানান না, তাহলে এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
- এর শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অথবা ৩,০০০ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫ এর বিধান বিবাহ সম্পাদনের রিপোর্ট ও নিবন্ধন:
(১) যদি নিকাহ রেজিস্ট্রার নিজে বিবাহ সম্পাদন করেন, তাহা হইলে তিনি অবিলম্বে বিবাহ নিবন্ধন করিবেন।
(২) যদি নিকাহ রেজিস্ট্রার অন্য কোন ব্যক্তি বিবাহ সম্পাদন করেন, তাহা হইলে বিবাহের বরকে উক্ত সম্পাদনের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রারকে ইহা রিপোর্ট করিতে হইবে।
(৩) যদি নিকাহ রেজিস্ট্রারের নিকট বিবাহ সম্পাদনের রিপোর্ট করা হয়, তাহা হইলে তিনি অবিলম্বে বিবাহ নিবন্ধন করিবেন।
(৪) এই ধারার কোন বিধান লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং তিনি দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
----------------
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974-Section 5. Solemnization of a marriage to be reported and registered:
(1) Where a marriage is solemnized by the Nikah Registrar himself, he shall register the marriage at once.
(2) Where a marriage is solemnized by a person other than the Nikah Registrar, the bridegroom of the marriage shall report it to the concerned Nikah Registrar within thirty days from the date of such solemnization.
(3) Where solemnization of a marriage is reported to a Nikah Registrar under sub-section (2), he shall register the marriage at once.
(4) A person who contravenes any provision of this section commits an offence and he shall be liable to be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years or with fine which may extend to three thousand taka, or with both.

৯,২৮৩.
'দণ্ডবিধি' ১৮৬০ সালের কত নং আইন?
  1. ১ নং আইন
  2. ৫ নং আইন
  3. ৩৫ নং আইন
  4. ৪৫ নং আইন
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।

⇒ এই আইন সামান্য কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে প্রচলিত আছে।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
৯,২৮৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা কী বিষয়ের উপর আলোকপাত করে?
  1. চুক্তির বৈধতা নির্ধারণ
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের নিয়ম
  3. চুক্তি বলবৎ করার বিষয়ে আইনসম্মত বাধ্যবাধকতা
  4. চুক্তি বলবৎকরণের আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বলবৎকরণের আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বলবৎকরণের আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদান করা আইনসম্মত হলেও এটি বাধ্যতামূলক নয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদির প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরনের কোন কঠোরতায় জড়াবে না,
সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ২২: চুক্তি বলবৎকরণের বিষয়ে আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা: 
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানের ক্ষমতা বিচারিক বিবেচনার উপর নির্ভরশীল, এবং কেবলমাত্র এটি আইনগতভাবে করা সম্ভব বলেই আদালত বাধ্যতামূলকভাবে এ ধরনের ডিক্রি প্রদান করবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আদালতের এই বিবেচনা স্বেচ্ছাচারী হতে পারে না; এটি অবশ্যই যথাযথ ও যুক্তিসঙ্গত হতে হবে, যা বিচারিক নীতিমালা দ্বারা পরিচালিত এবং আপিল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে পারে।
নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি না দেওয়ার জন্য তার বিবেচনাধিকার প্রয়োগ করতে পারে—
১. যখন চুক্তির প্রেক্ষাপট এমন যে, তাতে বাদী প্রতিপক্ষের তুলনায় অন্যায্য সুবিধা লাভ করে, যদিও বাদীর পক্ষে কোনো প্রতারণা বা মিথ্যা উপস্থাপন নেই।
২. যখন চুক্তি কার্যকর করলে বিবাদীর জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত কষ্ট বা অসুবিধার সৃষ্টি হয়, যা পূর্বানুমান করা সম্ভব হয়নি, তবে চুক্তি কার্যকর না করলে বাদীর জন্য তেমন কোনো অসুবিধা সৃষ্টি হবে না।
৩. যখন বাদী চুক্তি কার্যকর করার উপযোগী উল্লেখযোগ্য কার্য সম্পাদন করেছে বা এর ফলে কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.

৯,২৮৫.
'লিসপেনডেন্স নীতি' (Lis Pendens) সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে? 
  1. ধারা ৫১
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫৩
  4. ধারা ৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
ব্যাখ্যা

⇒ "লিসপেনডেন্স নীতি (The doctrine of lis pendens)" এর মূল কথা হলো- Pendente lite nihil invatur অর্থাৎ মামলা রুজু অবস্থায় নতুন কোনো অবস্থার সৃষ্টি করা উচিত হবে না। এই নীতি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে।

-  সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারা  অনুযায়ী, কোন স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও সুনির্দিষ্টভাবে ঐ সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন অধিকারের প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, মামলার কোন পক্ষই আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে তা হস্তান্তর করা যাবে। মামলা চলাকালীন হস্তান্তর মামলার ফলাফলকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না বা মামলার কোনো পক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।
 
- Section 52: Transfer of property pending suit relating thereto:
During the pendency in any Court in Bangladesh, of any suit or proceeding which is not collusive and in which any right to immoveable property is directly and specifically in question, the property cannot be transferred or otherwise dealt with by any party to the suit or proceeding so as to affect the rights of any other party thereto under any decree or order which may be made therein, except under the authority of the Court and on such terms as it may impose. 
 
Explanation.-For the purposes of this section, the pendency of a suit or proceeding shall be deemed to commence from the date of the presentation of the plaint or the institution of the proceeding in a Court of competent jurisdiction, and to continue until the suit or proceeding has been disposed of by a final decree or order and complete satisfaction or discharge of such decree or order has been obtained, or has become unobtainable by reason of the expiration of any period of limitation prescribed for the execution thereof by any law for the time being in force.

৯,২৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪(৪) অনুসারে, ৩৬৪ ধারার বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ধারা ১৬৪ এর ক্ষেত্রে
  2. ধারা ২৬৩ এর ক্ষেত্রে
  3. ধারা ৩৬২ এর ক্ষেত্রে
  4. ধারা ৩৬৮ এর ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৩ এর ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৩ এর ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪(৪)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।"
- অর্থাৎ ধারা ৩৬৪-এর সম্পূর্ণ পদ্ধতি (জবানবন্দি পূর্ণাঙ্গভাবে লিপিবদ্ধকরণ, স্বাক্ষর করানো, সার্টিফিকেট প্রদান ইত্যাদি)  ধারা ২৬৩ (Summary trial-এ অভিযুক্তের পরীক্ষা)-র অধীন নেওয়া জবানবন্দির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখ্যা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।
(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।
(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরি করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরি করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 364. Examination of accused how recorded:
(1) Whenever the accused is examined by any Magistrate, or by any Court other than High Court Division the whole of such examination, including every question put to him and every answer given by him, shall be recorded in full, in the language in which he is examined, or, if that is not practicable, in the language of the Court or in English: and such record shall be shown or read to him, or, if he does not understand the language in which it is written, shall be interpreted to him in a language which he understands, and he shall be at liberty to explain or add to his answers.
(2) When the whole is made conformable to what he declares is the truth, the record shall be signed by the accused and the Magistrate or Judge of such Court, and such Magistrate or Judge shall certify under his own hand that the examination was taken in his presence and hearing and that the record contains a full and true account of the statement made by the accused.
(3) In cases in which the examination of the accused is not recorded by the Magistrate or Judge himself, he shall be bound, as the examination proceeds, to make a memorandum thereof in the language of the Court, or in English, if he is sufficiently acquainted with the latter language; and such memorandum shall be written and signed by the Magistrate or Judge with his own hand, and shall be annexed to the record. If the Magistrate or Judge is unable to make a memorandum as above required, he shall record the reason of such inability.
(4) Nothing in this section shall be deemed to apply to the examination of an accused person under section 263.

৯,২৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে অভিযোগ মিথ্যা বা উৎপীড়নমূলক, তাহলে তিনি কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আদেশ করতে পারেন?
  1. সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা
  3. সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর অভিযোগ - 
(১) যদি কোনো মামলা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অথবা পুলিশ কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো তথ্যের ভিত্তিতে শুরু হয় এবং ওই মামলা একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বিচারাধীন থাকে, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মামলাটি শুনে আসামিদের মধ্যে এক বা একাধিককে খালাস বা মুক্তি দেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তার খালাস বা মুক্তির আদেশে, যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা আদালতে উপস্থিত থাকে, তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কারণ দর্শানোর জন্য বলবেন কেন তিনি এমন অভিযোগে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন না। এবং যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা উপস্থিত না থাকে, তবে তাকে হাজির হতে এবং কারণ দর্শানোর summon জারি করার নির্দেশ দিতে পারেন।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারী বা তথ্যদাতার প্রদত্ত কারণ রেকর্ড করে এবং যদি তিনি সন্তুষ্ট হন যে অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে তিনি রেকর্ডকৃত কারণের ভিত্তিতে এমন ক্ষতিপূরণ আদায় করার নির্দেশ দিতে পারেন, যার পরিমাণ ১,০০০ টাকা (যদি ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় শ্রেণির বা তৃতীয় শ্রেণির হন, তবে ৫০০ টাকা) পর্যন্ত হতে পারে এবং সেই ক্ষতিপূরণ আসামি বা তাদের মধ্যে এক বা একাধিককে প্রদান করতে হতে পারে।
(২ক) ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়ার পর, যদি অভিযোগকারী ক্ষতিপূরণ প্রদান না করেন, তবে তিনি আরও আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদান না করা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি এক মাসের বেশি না হওয়া পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাবাস ভোগ করবেন।
(২খ) যখন কোনো ব্যক্তি ২(এ) উপধারার অধীনে কারাবাসে যাবেন, তখন দণ্ডবিধির ৬৮ ও ৬৯ ধারা অনুযায়ী সেই ব্যক্তির ওপর প্রযোজ্য শর্তাবলী অনুসৃত হবে।
(২গ) যিনি এই ধারার অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য নির্দেশিত হয়েছেন, তিনি এই আদেশের কারণে তার করা অভিযোগ বা প্রদত্ত তথ্যের জন্য কোনো সিভিল বা ফৌজদারি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাবেন না। তবে, যদি এই পরিমাণ কোনো আসামিকে প্রদান করা হয়, তা পরবর্তী সিভিল মামলায় ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে গণনা করা হবে।
(৩) যে অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা ২(২) উপধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশিত হয়েছেন, এবং যদি ক্ষতিপূরণ ১০০ টাকা বা তার বেশি হয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন, যেমন যদি তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
(৪) যদি এমন কোনো আদেশ থাকে যা আপিলযোগ্য, তবে ক্ষতিপূরণ তখন প্রদান করা হবে না, যতক্ষণ না আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ না হয়, অথবা যদি আপিল হয়, ততক্ষণ না আপিল নিষ্পত্তি হয়। এবং যদি আপিলযোগ্য না হয়, তবে ওই আদেশের এক মাস পরে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।
(৫) এই ধারায় যা কিছু উল্লেখ করা হয়েছে, তা সত্ত্বেও ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ আদায়ের আদেশের সাথে অতিরিক্তভাবে নির্দেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ ব্যক্তি ছয় মাসের কারাবাসে দণ্ডিত হবেন অথবা তিন হাজার টাকা জরিমানা করবেন।
-------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 False, frivolous or vexatious accusations:
(1) If in any case instituted upon complaint or upon information given to a police-officer or to a Magistrate, one or more persons is or are accused before a Magistrate or any offence triable by a Magistrate, and the Magistrate by whom the case is heard discharges or acquits all or any of the accused, and is or opinion that the accusation against them or any of them was false and either frivolous or vexatious, the Magistrate may, by his order of discharge or acquittal, if the person upon whose complaint or information the accusation was made is present, call upon him forthwith to show cause why he should not pay compensation to such accused or to each or any of such accused when there are more than one, or, if such person is not present direct the issue of a summons to him to appear and show cause as aforesaid. 
(2) The Magistrate shall record and consider any cause which such complainant or information may show and if he is satisfied that the accusation was false and either frivolous or vexatious may, for reasons to be recorded, direct that compensation to such amount not exceeding one thousand Taka or, if the Magistrate is a Magistrate of the third Class, not exceeding five hundred Taka, as he may determine be paid by such complainant or informant to the accused or to each or any of them. 
(2A) The Magistrate may, by the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that, in default of payment, the person ordered to pay such compensation shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days. 
(2B) When any person is imprisoned under sub-section (2A), the provisions of sections 68 and 69 of the Penal Code shall, so far as may be, apply. 
(2C) No person who has been directed to pay compensation under this section shall, by reason of such order, be exempted from any civil or criminal liability in respect of the complaint made or information given by him: 
Provided that any amount paid to an accused person under this section shall be taken into account in awarding compensation to such person in any subsequent civil suit relating to the same matter. 
(3) A complainant or informant who has been ordered under sub-section (2) by a Magistrate of the second or third class to pay compensation or has been so ordered by any other Magistrate to pay compensation exceeding one hundred taka may appeal from the order, in so far as the order relates to the payment of the compensation, as if such complainant or informant had been convicted on a trial held by such Magistrate. 
(4) When an order for payment of compensation to an accused person is made in a case which is subject to appeal under sub-section (3), the compensation shall not be paid to him before the period allowed for the presentation of the appeal has elapsed, or, if any appeal is presented, before the appeal has been decided and, where such order is made in a case which is not so subject to appeal, the compensation shall not be paid before the expiration of one month from the date of the order. 
(5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.]

৯,২৮৮.
সরকারি চাকরি হতে নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত একজন ব্যক্তি কত দিন অতিবাহিত না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
-------------------------------------------
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.
৯,২৮৯.
When the person summoned cannot be found despite due diligence, the summons can be served on:
  1. Any neighbor
  2. Any member of the family
  3. Adult member of the family
  4. Adult male member of the family
সঠিক উত্তর:
Adult male member of the family
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adult male member of the family
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০ ধারার বিধান খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তির কাছে সমন জারির পদ্ধতি:-
-যার উপর সমন জারী করা হবে, সঠিক পদ্ধতিতে চেষ্টা করেও যেক্ষেত্রে তাকে খুঁজে পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে সমনের দুই কপির মধ্যে একটি তার পরিবারের একজন সাবালক পুরুষ সদস্য বরাবর দিয়া সমন জারী করতে হবে এবং জারীকারী অফিসার দাবী করলে, যার নিকট সমন জারী করা হল, তিনি সমনের দুটি নকলের অপর পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর করে প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 70: Service when person summoned cannot be found:
-Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult male member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.
৯,২৯০.
'Doctrine of Cy-pres' নীতির অর্থ কী?
  1. পূর্বশর্ত অগ্রাহ্য করা যায়
  2. সব শর্ত পূরণ করতই হবে
  3. একাধিক ব্যক্তির সমান অধিকার
  4. যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব
সঠিক উত্তর:
যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব
ব্যাখ্যা

⇒ 'Doctrine of Cy-pres' (যাকে কখনও 'Doctrine of Cypress' বলেও উল্লেখ করা হয়) একটি আইনি নীতি, যার ফরাসি অর্থ 'cy pres' হলো "as near as possible" বা বাংলায় "যথাসম্ভব কাছাকাছি"। এই নীতিটি মূলত 'সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২'-এর ধারা ২৬-এ প্রতিফলিত, যা সম্পত্তির হস্তান্তরের পূর্বশর্ত (condition precedent) পালনের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়।

- ধারা ২৬ অনুসারে, যদি কোনো সম্পত্তির হস্তান্তরের শর্তাবলীতে এমন কোনো শর্ত আরোপ করা হয় যে, লাভগ্রহী ব্যক্তি সম্পত্তিতে স্বার্থ লাভ করার পূর্বে সেই শর্তটি পালন করতে হবে, তবে যদি শর্তটি মোটামুটি (substantially) পালিত হয় (অর্থাৎ, পুরোপুরি না হলেও যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব), তাহলে তা সম্পূর্ণ পালিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।

- ধারা ২৬: পূর্বশর্ত পূরণ:
যেক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তির হস্তান্তরের শর্তাবলিতে এরূপ কোনো শর্ত আরোপ করে যে, ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ লাভ করার পূর্বে ঐ শর্ত পালন করতে হবে, সেক্ষেত্রে ঐ শর্তটি যদি মোটামুটি ভাবে প্রতিপালিত হয়, তাহলে তা সম্পৃরূপে প্রতিপালিত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

- Section 26: Fulfilment of condition precedent:
Where the terms of a transfer of property impose a condition to be fulfilled before a person can take an interest in the property, the condition shall be deemed to have been fulfilled if it has been substantially complied with.

৯,২৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫ অনুযায়ী কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি দেওয়া যাবে না?
  1. যিনি তদন্তে অংশ নেননি
  2. যিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত
  3. যিনি অপরাধের তদন্তে অংশ নিয়েছেন
  4. যিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে কাজ করেন
সঠিক উত্তর:
যিনি অপরাধের তদন্তে অংশ নিয়েছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যিনি অপরাধের তদন্তে অংশ নিয়েছেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(৪) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.”
 অর্থাৎ, যদি কোনো পুলিশ অফিসার অপরাধের তদন্তে অংশগ্রহণ করেন, তাহলে তাকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি দেওয়া যাবে না।
- এটি পক্ষপাতমূলক পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য এবং নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়া বজায় রাখার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) যিনি অপরাধের তদন্তে অংশ নিয়েছেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

৯,২৯২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান কী?
  1. When rescission may be adjudged
  2. Presumption as to intent of parties
  3. When instrument may be rectified
  4. Principles of rectification
সঠিক উত্তর:
Presumption as to intent of parties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presumption as to intent of parties
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
-For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
----------------------------------
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
-লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা। 
৯,২৯৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২০ আদেশের ১৪ বিধির অধীন কোন ধরনের মোকদ্দমার ডিক্রির বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. সম্পত্তি বাটোয়ারা সংক্রান্ত
  2. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত
  3. দখল এবং অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা সংক্রান্ত
  4. প্রশাসনিক মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ২০ আদেশের ১৪ বিধি: অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমার ডিক্রি:
অগ্রক্রয় মোকদ্দমার সম্পত্তি বিক্রয় এর বিরুদ্ধে আদালত ডিক্রি প্রদান করলে, যদি উক্ত সম্পত্তির মূল্য আদালতে জমা দেয়া না হয় তাহলে আদালত টাকা জমা দেয়ার দিন অথবা সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। ডিক্রিতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে বাদী যদি সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দেয় তাহলে টাকা জমা দেয়ার তারিখ থেকে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। ডিক্রিতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে বাদী যদি সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা না দেয় বা ব্যর্থ হয় তাহলে আদালত উক্ত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারেন।
আদালত যদি দুই বা ততোধিক দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান করেন তাহলে প্রত্যেক দাবিদারকে আনুপাতিক হারে সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দিতে হবে। সকল দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান না করে আদালত বিশেষ দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দিতে সক্ষম হলে অন্যান্য দাবিদারের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে না।
৯,২৯৪.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে কোনটি প্রমাণিত হতে পারে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী
  3. মূল দলিলের প্রতিলিপি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মূল দলিলের প্রতিলিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল দলিলের প্রতিলিপি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মূল দলিলের প্রতিলিপি।

সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুযায়ী, মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলতে মূল দলিলের প্রতিলিপি, ফটোগ্রাফ, অথবা অন্য কোনো বিকল্প উপায়ে প্রস্তুত করা যে কোনও প্রমাণ বোঝানো হয় যা মূল দলিলের উপস্থিতি ছাড়াই প্রমাণিত হতে পারে।
তবে মৌখিক সাক্ষ্য এবং ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী মূলত প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) হিসেবে গণ্য হয়, তাই এগুলি ৬৩ ধারার অধীনে মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্য- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলি অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

উদাহরণ:
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
---------
The Evidence Act, 1872: Section- 63. Secondary evidence:
Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.

Illustrations:
(a) A photograph of an original is secondary evidence of its contents, though the two have not been compared, if it is proved that the thing photographed was the original.
৯,২৯৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admission) হতে পারে-
  1. মৌখিক ভাবে
  2. আরজি বা লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  3. লিখিত অন্য কোনো উপায়ে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি (Admission) বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষের দাবির সত্যতা সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে স্বীকার করলে তা আদালতকে ৩ ভাবে জানানো যেতে পারে অর্থাৎ ৩ ভাবে স্বীকৃতি (Admission) হতে পারে। যথা-

i) আরজি বা লিখিত জবাবের মাধ্যমে লিখিত স্বীকৃতি দিয়ে;
ii) সম্মতি দ্বারা স্বীকৃতির মাধ্যমে; এবং
iii) নোটিশ দ্বারা স্বীকৃতি দিয়ে।

আদেশ ১২ বিধি ১ঃ মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ-
মোকদ্দমার যেকোন পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।
৯,২৯৬.
দণ্ডবিধির ২০১ ধারা অনুযায়ী, যদি মূল অপরাধটি দশ বছরের কম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্যকারী বা ধ্বংসকারী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক
  4. মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২০১ এর তৃতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি মূল অপরাধ দশ বছরের কম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সাক্ষ্য অদৃশ্যকারী বা ধ্বংসকারী ব্যক্তি মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-
-যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):-
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imrisonment for life):-
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with less thatn ten year’s imprisonment):-
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোনো দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
'খ', 'চ'-কে খুন করেছে জানা সত্ত্বেও 'ক', 'খ'-কে সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে 'খ'-কে 'চ' এর মৃতদেহটি লুকিয়ে ফেলিতে সহায়তা করে। 'ক' সাত বৎসর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false,
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with [imprisonment for life], or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both.

Illustration:
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.

৯,২৯৭.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচার বিধি, ১৯৬৯ অনুযায়ী, কোনটি পেশাদার আচরণের বিরুদ্ধে হবে?
  1. পেশাদারির মর্যাদা রক্ষা করা
  2. পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া
  3. ডিরেক্টরিতে নাম তালিকাভুক্ত করা
  4. পেশাগত যোগ্যতা বা সরকারি পদসমূহের তালিকা প্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: (খ) পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া।
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচার বিধি, ১৯৬৯-এর প্রথম অধ্যায়ের ২ নম্বর বিধি অনুযায়ী, কোনো আইনজীবী পেশাগত বিজ্ঞাপন বা অন্য কোনো উপায়ে মামলা পাওয়ার জন্য প্রচারণা চালাতে পারবেন না। এটি আইন পেশার মর্যাদা ও শিষ্টাচারের পরিপন্থী।

তবে, এই বিধিতে ব্যতিক্রমও উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে আইনজীবীরা সাধারণ পেশাগত কার্ড, নামপ্লেট বা ডিরেক্টরির তালিকায় নিজের নাম, পেশাগত ও একাডেমিক যোগ্যতা, এবং সরকারি পদবির তথ্য সংযোজন করতে পারবেন, যতক্ষণ না তা ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপনের পর্যায়ে পড়ে।

অতএব, "ডিরেক্টরিতে নাম তালিকাভুক্ত করা" ও "পেশাগত যোগ্যতা বা সরকারি পদসমূহের তালিকা প্রকাশ করা" অনুমোদিত হলেও, "পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া" সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৯,২৯৮.
রেজিনা একটি গাড়ির দখলে আছেন। সাহেল বলছেন যে, রেজিনা গাড়ির মালিক নন। ১১০ ধারার অধীনে, এই দাবির প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. রেজিনার
  2. সাহেলের
  3. আদালতের
  4. সাক্ষীর
সঠিক উত্তর:
সাহেলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাহেলের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার মালিক কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।

Section-110. Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
৯,২৯৯.
দেওয়ানি আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে কোন ধরনের দলিলের বিষয়বস্তু বিবেচনা করতে পারে?
  1. আদালতের নিজস্ব দলিল
  2. শুধুমাত্র বাদীর দাখিলকৃত দলিল
  3. শুধুমাত্র বিবাদীর দাখিলকৃত দলিল
  4. উভয় পক্ষের দাখিলকৃত দলিল
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের দাখিলকৃত দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের দাখিলকৃত দলিল
ব্যাখ্যা
• কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৩ মতে-
আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন [Materials from which issues may be framed]—

ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উত্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ,
[allegations made on faith by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties]

খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূ্‌হ,
[allegations made in the pleadings or in answers to interrogatories delivered in the suit]

গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু। 
[the contents of documents produced by either party]
৯,৩০০.
আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন করতে পারে _______।
  1. রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোনো সময়
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  3. যুক্তিতর্ক শুনানীর পূর্বে
  4. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোনো সময়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ আদেশের ৫ বিধি অনুসারে- প্রথম শুনানী বা লিখিত জবাব দাখিলের ১৫ দিনের মধ্যে (যেটা আগে হয়) 

বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করতে হয়। যে সকল বিষয় বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা হয় না সে সকল বিষয়ে আদালতের উচিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করা। আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন বা পরিবর্তন করতে পারেন ডিক্রী প্রদানের পূর্বে যে কোন সময়। বিচার্য বিষয় নির্ধারনের ১২০ দিনের মধ্যে আদালত মামলার চূড়ান্ত শুনানীর দিন ধার্য করবেন।

♦ অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ আদেশের ৫ বিধি মতে আদালাত পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয়ের জন্য ডিক্রী প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় বিচার্য বিষয় সংশোধন বা পরিবর্তন ,কর্তন করতে পারেন বা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয়  গঠন করতে পারেন।