বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৯৪ / ১৫৫ · ৯,৩০১৯,৪০০ / ১৫,৪৭০

৯,৩০১.
‘ক’ নিজের মনে করে ‘খ’ এর ঘর হতে তাঁকে না জানিয়ে একটি ঘড়ি নিয়ে গেলো। পেনাল কোডের অধীনে ‘ক’ কী অপরাধ করেছে?
  1. ক চুরির অপরাধ করেছে
  2. ক কোনো অপরাধ করেনি
  3. ক বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ করেছে
  4. ক বিনা অনুমতিতে বস্তু সরানোর অপরাধ করেছে।
সঠিক উত্তর:
ক কোনো অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক কোনো অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ চুরির অপরাধ সংঘটনের জন্য অসৎ উদ্দেশ্য থাকা লাগে। এখানে ক ঘড়িটি তাঁর নিজের ঘড়ি ভেবে সৎ বিশ্বাসে তা নিয়ে যাওয়ায় তা চুরি হয় নি। এখানে বিশ্বাসভঙ্গের কোনো উপাদানও নাই।
৯,৩০২.
আদেশ ৪৭, বিধি ২ অনুসারে, নিম্নের কোনটি 'পুনর্বিবেচনার' জন্য গ্রহণযোগ্য সাধারণ কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় না?
  1. বিচারকের ব্যক্তিগত মত
  2. নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান ভ্রান্তি
  3. ক্লারিক্যাল বা গাণিতিক ভুল
  4. নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ উদ্ভাবন
সঠিক উত্তর:
বিচারকের ব্যক্তিগত মত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকের ব্যক্তিগত মত
ব্যাখ্যা

⇒ আদেশ ৪৭, বিধি ২ (Order 47, Rule 2, CPC) অনুযায়ী, পুনর্বিবেচনার আবেদন করার জন্য গ্রহণযোগ্য সাধারণ কারণ হলো:
- নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ উদ্ভাবন (New and important matter or evidence)
- ক্লারিক্যাল বা গাণিতিক ভুল (Clerical or arithmetical mistake)
- নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান ভ্রান্তি (Error apparent on the face of the record)
কিন্তু বিচারকের ব্যক্তিগত মত বা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ নয়।

⇒ আদেশ ৪৭ বিধি ২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি ১ এ উল্লেখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।
-------
⇒ Order 47 Rule 2: To whom applications for review may be made:
An application for review of a decree or order of a Court, not being a the High Court Division, upon some ground other than the discovery of such new and important matter or evidence as is referred to in rule 1 or the existence of a clerical or arithmetical mistake or error apparent on the face of the decree, shall be made only to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed, but any such application may, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to issue under rule 4, sub-rule (2), proviso (a), be disposed of by his successor.

৯,৩০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক অনুযায়ী, তিন বারের বেশি মুলতবি নেওয়া হলে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে কত টাকা পরিশোধ করতে হবে?
  1. ন্যূনতম ১০০ টাকা, সর্বাধিক ৫০০ টাকা
  2. ন্যূনতম ২০০ টাকা, সর্বাধিক ১০০০ টাকা
  3. ন্যূনতম ৫০০ টাকা, সর্বাধিক ১০০০ টাকা
  4. ন্যূনতম ১০০০ টাকা, সর্বাধিক ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ন্যূনতম ২০০ টাকা, সর্বাধিক ১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যূনতম ২০০ টাকা, সর্বাধিক ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক(১) অনুসারে, আপিলের শুনানিতে কোনো পক্ষ যদি তিন বারের বেশি মুলতবি চায়, তাহলে আদালত তাকে ন্যূনতম ২০০ (দুইশ) টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ (এক হাজার) টাকা পর্যন্ত খরচ (cost) অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে। এই খরচ আদালত উপযুক্ত মনে করলে নির্ধারণ করবেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধি ১২ক অনুসারে, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে আদালত কোনো পক্ষের অনুরোধে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বার মুলতবি (adjournment) দিতে পারবেন।
- তবে ৩ বারের বেশি মুলতবি দেওয়া হলে, আদালত ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দেবেন।
- যদি আপিলকারী এই খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- আর যদি প্রতিবাদী খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি হলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষ খারিজের তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পুনরুজ্জীবনের আবেদন করতে পারবে।
- এই আবেদনের সঙ্গে আদালতের নির্ধারিত ন্যূনতম ২০০ টাকা ও সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- প্রত্যেক পক্ষ এইরকম পুনরুজ্জীবনের সুযোগ একবারই পাবে।
- তবে আদালত যদি নিজে থেকে আপিল শুনানি মুলতবি করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে, নইলে মুলতবির আদেশ দেবেন না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.
(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.
(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.

৯,৩০৪.
উইলের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. মৃত্যুর পর কার্যকর হয়
  2. সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করা যায় না
  3. উইলকারী মৃত্যুর আগে উইল প্রত্যাহার করতে পারে
  4. সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালতের সম্মতি লাগবে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালতের সম্মতি লাগবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালতের সম্মতি লাগবে
ব্যাখ্যা
• কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।
আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চুড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

- যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

- উইলকারী মৃত্যুর আগে চাইলে উইল পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারেন।

- একজন মুসলমান তার দাফন-কাফনের ব্যয়ভার এবং ঋণ পরিযোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির ১/৩ অংশের অধিক উইলের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে না। যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না। অর্থাৎ সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালত নয়, উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে।
৯,৩০৫.
ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দেয়ার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন শর্ত পূরণ করা আবশ্যক নয়?
  1. আদালতের অনুমতি নেয়া
  2. পক্ষদ্বয়ের অনুমতি নেয়া
  3. প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো
  4. প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করা
সঠিক উত্তর:
পক্ষদ্বয়ের অনুমতি নেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষদ্বয়ের অনুমতি নেয়া
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:

(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
 
অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে;
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
 
Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৯,৩০৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫ মূলত কোন আদালতের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. শ্রম আদালত
  2. ফৌজদারি আদালত
  3. রাজস্ব আদালত
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।

২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
৯,৩০৭.
বিবাদীর হাজির হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করার সময় আদালতকে কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হয়?
  1. বিবাদীর বাসস্থান
  2. আদালতের চলমান কার্যাবলী
  3. সমন পরিবেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সময়
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি Order V Rule 6-এর স্পষ্ট বিধান: Fixing day for appearance of defendant: “The day for the appearance of the defendant shall be fixed with reference to the current business of the Court, the place of residence of the defendant and the time necessary for the service of the summons; and the day shall be so fixed as to allow the defendant sufficient time to enable him to appear and answer on such day.”

অর্থাৎ বিবাদীর হাজিরার তারিখ নির্ধারণ করতে গেলে আদালতকে বাধ্যতামূলকভাবে ৩টি বিষয় বিবেচনা করতে হবে:
- আদালতের চলমান কার্যাবলী / ব্যস্ততা (current business of the Court)
- বিবাদীর বাসস্থানের দূরত্ব (place of residence of the defendant)
- সমন সার্ভ করতে যে সময় লাগবে (time necessary for service of summons)
তাই আদালতকে সবগুলোই বিবেচনা করতে হবে।

৯,৩০৮.
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারার বিধান মতে প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ সংক্রান্ত কোন রায়কে কী বলে ধরা হয়?
  1. May Presume
  2. Shall Presume
  3. Conclusive proof
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
Conclusive proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conclusive proof
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ সংক্রান্ত কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা-
ⅰ) ৪১ ধারায় প্রবেট (উইল সংক্রান্ত), ম্যাট্রিমোনিয়াল (বিবাহ সংক্রান্ত), এডমিরালটি (নৌ-সংক্রান্ত), bankruptcy (দেউলিয়া) বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কোন আইনগত চরিত্র কারো ওপর আরোপ করা হয় বা কারো নিকট থেকে নিয়ে ফেলা হয় বা কাউকে কোন আইনগত চরিত্রের বা সম্পত্তির অধিকারী বলে ঘোষণা করা হয়।
ii) এই ধারায় Judgement in rem নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কেননা এই ধারার অন্তর্গত প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ বিষয়ে যে আইনগত চরিত্র নির্ধারন করা হয় যা কোন বিশেষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে কার্যকর নয় বরং বিশ্বের সকলের বিরুদ্ধে কার্যকর।
iii) এই ধারার অন্তর্ভুক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত সমূহকে চূড়ান্ত প্রমাণ (conclusive proof) বলে ধরা হয়।
iv) ৪১ ধারা অনুযায়ী Probate, Matrimonial, Admiralty, Insolvency সম্পর্কে যে ডিক্রি বা আদেশ দেওয়া হয় তা পরবর্তী মামলায় পক্ষ এক না থাকলেও অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা- প্রবেট, এখতিয়ার ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা: প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগকালে কোন উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি বলে যখন কোন আইনগত চরিত্র কাহারও উপর আরোপ করে বা কাহাকেও উহা হইতে বঞ্চিত করে, অথবা কোন ব্যাক্তিকে অনুরূপচরিত্রের অধিকারী অথবা নিদিষ্ট কোন কিছুর অধিকারী বলিয়া ঘোষণা করে এবং সেই অধিকার কোন ব্যাক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নহে, বরং সবাত্মাক বলিয়া ঘোষণা করে তখন অনুরূপকোন আইনগত চরিত্র বা অনুরূপকোন কিছুর উপর কোন ব্যাক্তির অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উহা চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি প্রাসঙ্গিক।
উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি চূড়ান্তরুপে প্রমাণ করে যে, উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবৎ হইবার সময় তাহা উদ্ভুত হইয়াছিল।
উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যাক্তিকে আইন ভিত্তিক সত্তা হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় উক্ত ব্যক্তি উক্ত সত্তা হারাইয়াছিল।
এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তির অধিকারী ছিল বা থাকা উচিত বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির উক্ত সময় তাহারই সম্পত্তি ছিল।
---------------- 
⇒ The Evidence Act,1872: Section 41. Relevancy of certain judgments in probate, etc., jurisdiction:
- A final judgment, order or decree of a competent Court, in the exercise of probate, matrimonial, admiralty or insolvency jurisdiction, which confers upon or takes away from any person any legal character, or which declares any person to be entitled to any such character, or to be entitled to any specific thing, not as against any specified person but absolutely, is relevant when the existence of any such legal character, or the title of any such person to any such thing, is relevant. 
 
-Such judgment, order or decree is conclusive proof-
that any legal character which it confers accrued at the time when such judgment, order or decree come into operation; 
that any legal character, to which it declares any such person to be entitled, accrued to that person at the time when such judgment, order or decree declares it to have accrued to that person; 
that any legal character which it takes away from any such person ceased at the time from which such judgment, order or decree declared that it had ceased or should cease;
and that anything to which it declares any person to be so entitled was the property of that person at the time from which such judgment, order or decree declares that it had been or should be his property.
৯,৩০৯.
বিশেষজ্ঞের মতামত কোন প্রকার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. সরাসরি প্রমাণ
  2. চূড়ান্ত প্রমাণ
  3. সহায়ক প্রমাণ
  4. লিখিত প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
সহায়ক প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহায়ক প্রমাণ
ব্যাখ্যা
• যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন এই বিষয়ে বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।
 
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ এবং ৪৫ক ধারায় বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। পূর্বে পাঁচটি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক ছিল। কিন্তু সাক্ষ্য আইন (সংশোধন) ২০২২ এর ফলে ৪৫ ধারাটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। নতুন ৪৫ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-

(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;

(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;

(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।

⇒ Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
৯,৩১০.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে সর্বনিম্ন তামাদি মেয়াদ কত দিন?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলে সর্বনিম্ন তামাদি মেয়াদ হলো ৭ দিন, যা অনুচ্ছেদ ১৫০-এ উল্লেখিত। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল দায়েরের জন্য তামাদি মেয়াদ ৭ দিন, যা রায় ঘোষণার তারিখ থেকে গণনা করা হয়। এটি প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে (আপিল) অন্তর্ভুক্ত।
অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে সর্বনিম্ন তামাদি মেয়াদ হলো ৭ দিন, যা অনুচ্ছেদ ১৫০-এ মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

৯,৩১১.
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন অফিসের অদাবিকৃত ডকুমেন্ট ধ্বংস করার জন্য ন্যূনতম কত বছর অপেক্ষা করতে হয়?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮৫ অনুযায়ী, ডকুমেন্টটি অবশ্যই সর্বনিম্ন ২ বছর অদাবিকৃত থাকতে হবে। এর আগে ধ্বংস করা যাবে না।

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮৫ (Section 85) অনুযায়ী:
“Documents (other than wills) remaining unclaimed in any registration office for a period exceeding two years may be destroyed.”
অর্থাৎ, উইল ব্যতীত অন্য যেকোনো দলিল যদি ২ বছরের বেশি সময় ধরে রেজিস্ট্রেশন অফিসে অনাদায়ী (unclaimed) অবস্থায় থাকে, তাহলে তা ধ্বংস (destroy) করা যেতে পারে।
তবে এর মানে এই নয় যে ২ বছর পরই সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংস করা হবে—এটা হলো সর্বনিম্ন সংরক্ষণকাল, এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে তা নষ্ট করতে পারেন।

→ অতএব, ধারা ৮৫ অনুযায়ী, উইল ছাড়া অন্য ডকুমেন্ট ২ বছরের বেশি অদাবিকৃত থাকলে ধ্বংস করা যেতে পারে।

৯,৩১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১১
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০-এ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ, তাঁদের ক্ষমতা, এবং তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে সরকার প্রতিটি জেলার জন্য এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করবেন। এছাড়া, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (DM), অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ADM), সহকারী কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) এর সদস্যদেরও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারার বিধান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।
(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।
(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।
(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।
(৫) সরকার সমীচীন প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।
(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-10. Executive Magistrates: 
(1) In every district and in every Metropolitan Area, the Government shall appoint as many persons as it thinks fit to be
Executive Magistrates and shall appoint one of them to be the District Magistrate.
(2) The Government may also appoint any Executive Magistrate to be an Additional District Magistrate, and such Additional District Magistrate shall have all or any of the powers of a District Magistrate under this Code or under any other law for the time being in force, as the Government may direct.
(3) Whenever in consequence of the office of a District Magistrate becoming vacant, any officer succeeds temporarily to the chief executive in the administration of the district, such officer shall, pending the orders of the Government, exercise all the powers and perform all the duties respectively conferred and imposed by this Code on the District Magistrate.
(4) The Government may, or subject to the control of the Government, the District Magistrate may, from time to time, by order define local areas within which the Executive Magistrate may exercise all or any of the powers with which they may be invested under this Code and, except as otherwise provided by such definition, the jurisdiction and powers of every such Executive Magistrate shall extend throughout the district.
(5) The Government may, if it thinks expedient or necessary, appoint any persons employed in the Bangladesh Civil Service (Administration) to be an Executive Magistrate and confer the powers of an Executive Magistrate on any such member.
(6) Subject to the definition of the local areas under sub-section (4) all persons appointed as Assistant Commissioners, Additional Deputy Commissioners or Upazila Nirbahi Officer in any District or Upazila shall be Executive Magistrates and may exercise the power of Executive Magistrate within their existing respective local areas.
(7) Nothing in this section shall preclude the Government from conferring, under any law for the time in force, on a Commissioner of Police, all or any of the powers of an executive Magistrate in relation to a Metropolitan area.
৯,৩১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার মামলার ক্ষেত্রে বাদীকে কী প্রমাণ করতে হবে?
  1. স্থাবর সম্পত্তির দখল
  2. স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব
  3. স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব এবং দখল দুটোই
  4. কোনো কিছু প্রমাণ করতে হবে না
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব এবং দখল দুটোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব এবং দখল দুটোই
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে।

৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।

Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
৯,৩১৪.
The Penal Code, 1860 এর ধারা ৮২ কাদের সুরক্ষা দেয়?
  1. ৯–১২ বছরের শিশুদের
  2. কেবল ৯ বছরের নিচের শিশুদের
  3. মানসিক অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তিদের
  4. কিশোর অপরাধীদের
সঠিক উত্তর:
কেবল ৯ বছরের নিচের শিশুদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবল ৯ বছরের নিচের শিশুদের
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৮২ ধারার বিধান- নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:
নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।

Section 82- Act of a child under nine years of age:
Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

৯,৩১৫.
পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবে না নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে?
  1. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী হলে
  2. কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হলে
  3. পিতা-মাতার সাথে ঝগড়া করলে
  4. আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে
সঠিক উত্তর:
পিতা-মাতার সাথে ঝগড়া করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতা-মাতার সাথে ঝগড়া করলে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা-
i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable
suspicion) থাকলে;

ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে;

iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender);

iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে;

v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful
custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে;

vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter);

vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে;

viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা 

ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

♦ অর্থাৎ শুধুমাত্র পিতা-মাতার সাথে ঝগড়া করলে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবে না। বাকি তিন ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।
৯,৩১৬.
সাক্ষ্য আইনের অনুযায়ী নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল (Public documents)?
  1. কবলা দলিল
  2. আদালতের রায়
  3. উইল
  4. দানপত্র
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। 
⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ। 
৯,৩১৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় 'Principle of Estoppel' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১১৫
  2. ১১৬
  3. ১১৭
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে Estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ, Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।
৯,৩১৮.
জনাব 'ক' এবং জনাব 'খ' -এর মধ্যে একটি জমি বিক্রির লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তি হয় ১ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে। এই লিখিত চুক্তিভঙ্গের জন্য জনাব 'খ' যদি ক্ষতিপূরণের মামলা করতে চান, তাহলে তাকে কয় বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৬ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিল- অনুচ্ছেদ ১১৬:
লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
তামাদি সময়সীমা: ৬ বছর।
তামাদি সময়সীমা গণনা শুরু হবে: যখন চুক্তি নিবন্ধিত না হয় এবং মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

এক্ষেত্রে, জনাব খ যদি ক্ষতিপূরণের মামলা করতে চান, তাহলে তাকে ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৯,৩১৯.
আদেশ ১০ বিধি ৪ অনুযায়ী নির্দেশিত দিনে কোনো পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হলে, আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. তার বিরুদ্ধে রায় দিতে পারে
  3. উক্ত পক্ষকে নোটিশ পাঠাবে
  4. শুনানি পুনরায় শুরু করবে
সঠিক উত্তর:
তার বিরুদ্ধে রায় দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার বিরুদ্ধে রায় দিতে পারে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) তার বিরুদ্ধে রায় দিতে পারে।

আদেশ ১০ বিধি ৪: আইনজীবী (pleader) গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারলে ফলাফল:

(১) যে পক্ষ আইনজীবীর মাধ্যমে উপস্থিত হয়েছে, যদি সেই আইনজীবী (pleader) অথবা আইনজীবীর সাথে থাকা ব্যক্তি (Rule 2 অনুযায়ী), মামলার সাথে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে অথবা উত্তর দিতে অক্ষম হয়,
এবং আদালতের মত অনুযায়ী- সেই প্রশ্নের উত্তর পক্ষ নিজে দিতে পারতেন (যদি তাকে ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞেস করা হতো), তাহলে আদালত মামলার শুনানি স্থগিত করতে পারে, এবং ঐ পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ তারিখে।

(২): যদি ঐ পক্ষ বৈধ অজুহাত ছাড়াই ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয়, তাহলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় (judgment) দিতে পারে, অথবা মামলার স্বার্থে প্রয়োজনীয় অন্য কোনো আদেশ দিতে পারে।

৯,৩২০.
আদেশ ৩ বিধি ১ অনুযায়ী- আদালত যদি নির্দেশ প্রদান করে যে পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে, তাহলে-
  1. পক্ষকে অবশ্যই আদালতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে
  2. পক্ষ তার স্বীকৃত প্রতিনিধি দ্বারা উপস্থিত থাকতে পারবে
  3. উকিলের মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত থাকতে পারবে
  4. পক্ষের অন্য কোনো প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত থাকা যাবে
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে অবশ্যই আদালতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে অবশ্যই আদালতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩ বিধি ১: উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে:

মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারে-

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।
৯,৩২১.
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারা অনুসারে, কার উপর মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণের দায়িত্ব থাকে?
  1. আদালত
  2. অভিযুক্ত পক্ষ
  3. প্রধান সাক্ষীর
  4. যে পক্ষ মামলা দায়ের করে
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ মামলা দায়ের করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ মামলা দায়ের করে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে:
মামলায় বা কার্যক্রমে কোন পক্ষ হইতেই সাক্ষ্য দেওয়া না হইলে যে পক্ষ মামলায় ঠকিবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত।
 
⇒ উদাহরণঃ
(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে। এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে। সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
৯,৩২২.
নিম্নের কোনটি বৈধ দানের অত্যাবশ্যক শর্ত নয়?
  1. দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা প্রদান
  2. গ্রহীতা কর্তৃক দান গ্রহণ
  3. দানকৃত সম্পত্তির দখল হস্তান্তর
  4. দাতার ওয়ারিশগনের সম্মতি
সঠিক উত্তর:
দাতার ওয়ারিশগনের সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাতার ওয়ারিশগনের সম্মতি
ব্যাখ্যা
• দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। সাধারণত দানের মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তাঁর ওয়ারিশ কিংবা অন্য যে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এটি আইন স্বীকৃত। দান করতে হলে দাতার এবং গ্রহীতার সম্পূর্ণ ইচ্ছা ও সম্মতি থাকতে হয়।
 
দান বৈধ হতে হলে ৩টি শর্ত পূরণ করতে হয় –
> দাতা কর্তৃক দানের (ইজাব) ঘোষণা প্রদান।
> গ্রহীতা তার পক্ষ হতে দান গ্রহণ করা বা স্বীকার করা।
> দাতা কর্তৃক গ্রহীতাকে দানকৃত সম্পত্তির দখল প্রদান।

উল্লেখ্য,
দানের ক্ষেত্রে ওয়ারিশগনের সম্মতি আবশ্যক নয়। একজন তার সম্পত্তি যাকে ইচ্ছা এবং যতটুকু পরিমাণ ইচ্ছা জীবদ্দশায় দান করে যেতে পারে। কিন্তু উইলের ক্ষেত্রে ১/৩ অংশের বেশি হস্তান্তর করতে চাইলে, ওয়ারিশগনের সম্মতি নিতে হয়।
৯,৩২৩.
'ক' ও 'খ' পৃথকভাবে এবং বিভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে 'গ' কে খুন করার জন্য একমত হয়। 'ক' ও 'খ', 'গ' কে খুন করার লক্ষ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। 'গ' এর প্রতি অনুরূপভাবে প্রযুক্ত কতিপয় মাত্রায় বিষ প্রয়োগের কারণে তার মৃত্যু হয়। উক্ত খুনের দায়ে দায়ী হবে____।
  1. ক ও খ
  2. ক অথবা খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৭ ধারা মতে যদি কতিপয় ব্যক্তি একাধিক কাজের মাধ্যমে কোন অপরাধ করে, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি উক্ত অপরাধ সংঘটনের সকল বা যে কোন একটি কাজের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনে সহায়তা করে, সে সহায়তাকারী ব্যক্তি অন্য অপরাধীদের সাথে সমানভাবে দায়ী হবে।

♦ এক্ষেত্রে “ক' ও 'খ' ইচ্ছাপূর্বকভাবে খুন সংঘটনে সহযোগিতা করে এবং তাদের প্রত্যেকেই এ ধরণের একটি কাজ সম্পাদন করে যাদ্বারা মৃত্যু সংঘটিত হয়। যদিও তাদের কাজসমূহ স্বাতন্ত্র্য তবুও উভয়েই উক্ত অপরাধের জন্য দোষী হবে।
৯,৩২৪.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার আলোকে নিম্নলিখিত কোনটি "গুরুতর আঘাত" হিসেবে গণ্য হবে?
  1. সামান্য রক্তপাত
  2. অস্থি ভঙ্গ হওয়া
  3. কেবল অস্থায়ী আঁচড়
  4. ত্বকে সামান্য লাল হয়ে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
অস্থি ভঙ্গ হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থি ভঙ্গ হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩২০ গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt) এর সংজ্ঞা নির্ধারণ করে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে:
“অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ” — এটি গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, কারো হাড় ভেঙে গেলে (fracture) বা দাঁত ভেঙে গেলে অথবা স্থানচ্যুত হলে, সেটা গুরুতর আঘাত হিসেবে আইনের চোখে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্যদিকে, সামান্য রক্তপাত, অস্থায়ী আঁচড়, ত্বকে সামান্য লাল হওয়া – এগুলো সাধারণ আঘাত (Simple hurt) হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ধারা ৩২০ এর অধীনে পড়ে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৯,৩২৫.
'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে 'ক' কে কী প্রমাণ করতে হবে?
  1. অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
  2. অবশ্যই 'খ'-এর ঘোষণাটি প্রমাণ করতে হবে
  3. অবশ্যই 'ক' এর কাছে যে বক্তব্য দিয়েছে তা প্রমাণ করতে হবে
  4. উপরের সবগুলো প্রমাণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।

⇒ যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্বঃ- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ উদাহরণ:

(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

--------------------
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.

(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
৯,৩২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা সম্পূরক চার্জশিট (Supplementary Charge Sheet) দাখিল করতে পারে?
  1. ১৭৩(৪)
  2. ১৭৩(৩খ)
  3. ১৭২(৩খ)
  4. ১৭৩(৩ক)
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ)
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে অধিকতর তদন্ত [Further Investigation) এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)
⇒ অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।
- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।
-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173. Report of police-officer:
(1) Every investigation under this Chapter shall be completed without unnecessary delay, and, as soon as it is completed, the officer in charge of the police-station shall- 
(a) forward to a Magistrate empowered to take cognizance of the offence on a police-report a report, in the form prescribed by the Government, setting forth the names of the parties, the nature of the information and the names of the persons who appear to be acquainted with the circumstances of the case, and stating whether the accused (if arrested) has been forwarded in custody or has been released on his bond, and, if so, whether with or without sureties, and 
(b) communicate, in such manner as may be prescribed by the Government, the action taken by him to the person, if any, by whom the information relating to the commission of the offence was first given. 
(2) Where a superior officer of police has been appointed under section 158, the report shall in any cases in which the Government by general or special order so directs, be submitted through that officer, and he may, pending the orders of the Magistrate, direct the officer-in-charge of the police-station to make further investigation. 
(3) Whenever it appears from a report forwarded under this section that the accused has been released on his bond, the Magistrate shall make such order for the discharge of such bond or otherwise as he thinks fit. 
(3A) When such report is in respect of a case to which section 170 applies, the police-officer shall forward to the Magistrate along with the report- 
(a) all documents or relevant extracts thereof on which the prosecution proposes to rely other than those already sent to the Magistrate during investigation; 
(b) the statements recorded under sub-section (3) of section 161 of all the persons whom the prosecution proposes to examine as its witnesses. 
 
(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
 
(4) a copy of any report forwarded under this section shall on application, be furnished to the accused before the commencement of the inquiry or trial: 
Provided that the same shall be paid for unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost.
৯,৩২৭.
যদি এজেন্টের কাছে প্রিন্সিপালের পক্ষে অন্য ব্যক্তিকে নিযুক্ত করার express বা implied authority থাকে এবং তিনি সেই অনুসারে নিযুক্ত করেন, তাহলে সেই ব্যক্তি কী হবেন?
  1. প্রিন্সিপাল
  2. প্রিন্সিপালের উপ-এজেন্ট
  3. প্রিন্সিপালের এজেন্ট
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
প্রিন্সিপালের এজেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিন্সিপালের এজেন্ট
ব্যাখ্যা

⇒ যখন এজেন্টের প্রিন্সিপালের পক্ষে অন্য ব্যক্তি নিয়োগের ক্ষমতা থাকে এবং তিনি তা প্রয়োগ করেন, তখন নিযুক্ত ব্যক্তি প্রিন্সিপালের সরাসরি এজেন্ট হন, সাব-এজেন্ট নন। 

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৯৪ খুব স্পষ্টভাবে বলে যে— যখন কোনো এজেন্ট মূল কর্তৃপক্ষ (প্রিন্সিপাল) থেকে স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (express বা implied authority) পায় যে সে অন্য কাউকে দিয়ে নির্দিষ্ট কাজ করাতে পারবে, তখন সেই ব্যক্তি উপ-প্রতিনিধি (Sub-agent) নয়, বরং সরাসরি মূল কর্তৃপক্ষের (প্রিন্সিপাল) প্রতিনিধি (Agent) হয়।

Illustration (a) —
যদি A, B-কে বলে যে— “তুমি আমার জমি নিলামে বিক্রি করবে এবং এজন্য তুমি একজন নিলামকারী নিয়োগ করবে।”
তখন B, C-কে নিলামকারী নিয়োগ করলে C হয় A-এর প্রতিনিধি।
C কখনোই B-এর অধীনস্থ উপ-প্রতিনিধি নয়।
--------
⇒ The Contract Act,1872, Section- 194. Relation between principal and person duly appointed by agent to act in business of agency:
 Where an agent, holding an express or implied authority to name another person to act for the principal in the business of the agency, has named another person accordingly, such person is not a sub-agent, but an agent of the principal for such part of the business of the agency as is entrusted to him.

Illustrations
(a) A directs B, his solicitor, to sell his estate by auction, and to employ an auctioneer for the purpose. B names C, an auctioneer, to conduct the sale. C is not a sub-agent, but is A's agent for the conduct of the sale. 
(b) A authorizes B, a merchant in Chittagong, to recover the moneys due to A from C & Co. B instructs D, a solicitor, to take legal proceedings against C & Co. for the recovery of the money. D is not a sub-agent, but is solicitor for A.

৯,৩২৮.
নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল __________ অধীন হইবেন।
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সংবিধানের
  3. মন্ত্রিপরিষদের
  4. সংবিধান ও আইনের
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮- নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
৯,৩২৯.
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি বিচার কার্যক্রমের কোনো পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী সরকারি কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করে, তবে তাকে _____ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা- বিচার বিষয়ক কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তি:
কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 228- Intentional insult or interruption to public servant sitting in judicial proceeding:
Whoever intentionally offers any insult, or causes any interruption to any public servant, while such public servant is sitting in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৯,৩৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-32, Rule-9 এর বিধান কী?
  1. Retirement of next friend
  2. Removal of next friend
  3. Minor to sue by next friend
  4. Unreasonable or improper suit
সঠিক উত্তর:
Removal of next friend
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Removal of next friend
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২ বিধি-৯ এর বিধান: আসন্ন বন্ধু অপসারণ (Removal of next friend): নাবালকের আসন্ন বন্ধুকে অপসারণ করা যায়- যখন আসন্ন বন্ধর স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে হয়; অথবা যখন আসন্ন বন্ধর স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে যায় এমন ব্যক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট হয়; অথবা যখন সে তার কর্তব্য পালন করে না; অথবা মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকাকালে বাংলাদেশে বসবাস না করে অথবা  অন্য কোন যথেষ্ট কারণে নাবালকের পক্ষ হতে বা বিবাদী কর্তৃক তার অপসারণের জন্য আবেদন করা হয়।
-------------- 
⇒ CPC Order-32 Rule-9. Removal of next friend:

(1) Where the interest of the next friend of a minor is adverse to that of the minor or where he is so connected with a defendant whose interest is adverse to that of the minor as to make it unlikely that the minor's interest will be properly protected by him, or where he does not do his duty, or, during the pendency of the suit, ceases to reside within Bangladesh, or for any other sufficient cause, application may be made on behalf of the minor or by a defendant for his removal; and the Court, if satisfied of the sufficiency of the cause assigned, may order the next friend to be removed accordingly, and make such other order as to costs as it thinks fit.

(2) Where the next friend is not a guardian appointed or declared by an authority competent in this behalf, and an application is made by a guardian so appointed or declared, who desires to be himself appointed in the place of the next friend, the Court shall remove the next friend unless it considers, for reasons to be recorded by it, that the guardian ought not to be appointed the next friend of the minor, and shall thereupon appoint the applicant to be next friend in his place upon such terms as to the costs already incurred in the suit as it thinks fit.
৯,৩৩১.
দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা কোন অপরাধের শাস্তির সাথে সম্পর্কিত?
  1. খুন
  2. ধর্ষণ
  3. চুরি
  4. অবৈধ অবরোধ
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণ
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা বাংলাদেশ দণ্ডবিধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা, যা ধর্ষণ (Rape) অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান দেয়।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, ধর্ষণের দায়ে দোষী ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
- তবে যদি ভিকটিম তার নিজ স্ত্রী হন এবং স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম না হয়, তাহলে শাস্তি সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:
- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 376. Punishment for rape:
-Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৯,৩৩২.
যদি কেউ অবৈধ সমাবেশে যোগদানের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিজের বাড়িতে রাখেন, তবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ জানেন যে কিছু ব্যক্তি অবৈধ সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত, নিযুক্ত বা কাজে লাগানো হয়েছে এবং তারপরও তাদের নিজের বাড়ি বা নিয়ন্ত্রণাধীন জায়গায় আশ্রয় দেন, তবে তার সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-157. Harbouring persons hired for an unlawful assembly:
Whoever harbours, receives or assembles, in any house or premises in his occupation or charge, or under his control any persons, knowing that such persons have been hired, engaged or employed, or are about to be hired, engaged or employed, to join or become members of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৯,৩৩৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, কত বছর কম-বয়সী ব্যক্তির ক্ষেত্রে সম্মতিসহ যৌন সম্পর্ক “ধর্ষণ” হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২১ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ১৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯- ধর্ষণ ও ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

ব্যাখ্যা-
(১) যদি কোন ব্যক্তি বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন শিশুর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনকর্ম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “ধর্ষণ” অর্থে বলাৎকারও অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৯,৩৩৪.
The Specific Relief Act,1877 এর ৫৩ ধারা অনুসারে কোন প্রতিকারটি The Code Of Civil Procedure,1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  3. প্রতিরোধমূলক নিষেধাজ্ঞা 
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা 
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৩ অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা - অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হইল এইরূপ নিষেধাজ্ঞা যাহা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো সময় ইহা মঞ্জুর করা যাইবে, এবং দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।- কেবল শুনানির পর এবং মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাইবে: ইহার মাধ্যমে বিবাদিকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ, অথবা এমন একটি কাজ করা হইতে বিরত থাকিবার নির্দেশ দেওয়া হয় যাহা বাদির অধিকারের বিপরীতে হইবে।
-----------------
Temporary injunctions section ,53. Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunction: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

৯,৩৩৫.
ফৌজদারি মামলায় কার ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষীর
  2. অভিযুক্তের
  3. নালিশকারীর
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

Section 53 ⇒ In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
৯,৩৩৬.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোন ধরনের সম্পত্তি চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে?
  1. মেধা সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. অস্থাবর সম্পত্তি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, চুরি (Theft) হলো কোনো ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি (Movable Property) তার সম্মতি ছাড়া অসৎ উদ্দেশ্যে গ্রহণ করা, যাতে সেই সম্পত্তি তার দখল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
- মেধা সম্পত্তি (Intellectual Property): এটি চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে না, কারণ এটি অস্থাবর সম্পত্তি নয়। মেধা সম্পত্তি, যেমন কপিরাইট বা পেটেন্ট, অন্য আইনের (যেমন কপিরাইট আইন) অধীনে সুরক্ষিত থাকে।
- স্থাবর সম্পত্তি (Immovable Property): যেমন জমি বা বাড়ি, চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে না, কারণ চুরির সংজ্ঞা অনুযায়ী সম্পত্তি অবশ্যই অস্থাবর হতে হবে।
- অস্থাবর সম্পত্তি (Movable Property): দণ্ডবিধির ধারা ২২-এ সংজ্ঞায়িত, যা শারীরিকভাবে স্থানান্তরযোগ্য এবং যা চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে, যেমন টাকা, গয়না, গাড়ি ইত্যাদি।
- কোনটি নয়: এটি সঠিক নয়, কারণ অস্থাবর সম্পত্তি চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

৯,৩৩৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৫, বিধি-১ অনুযায়ী, ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার আরজিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. আদালতের পূর্ববর্তী রায়ের বক্তব্য
  2. বিবাদীদের মধ্যে চুক্তিবদ্ধ সম্পর্ক
  3. বাদীর সম্পত্তিতে পূর্ণ মালিকানা দাবি
  4. বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোনো স্বার্থ নেই
সঠিক উত্তর:
বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোনো স্বার্থ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোনো স্বার্থ নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৫, বিধি-১ অনুযায়ী, ইন্টারপ্লিডার (স্বার্থবিহীন) মোকদ্দমা তখনই দায়ের করা যায়, যখন একাধিক ব্যক্তি (বিবাদী) একটি সম্পত্তি বা অধিকার দাবী করে, অথচ বাদীর নিজে ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বত্ব বা অধিকার নেই, শুধুমাত্র তিনি মামলার খরচের জন্য কিছু দাবি করতে পারেন।
বিধি-১ অনুযায়ী, আরজিতে যা যা থাকতে হবে:
→ বাদী মামলার খরচ ছাড়া অন্য কোনো স্বার্থ দাবি করেন না।
→ বিবাদীদের দাবিসমূহ পৃথকভাবে এবং পরস্পরবিরোধী।
→ বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে কোনো ষড়যন্ত্র বা যোগসাজশ নেই।

- এখানে অপশন “ঘ) বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোনো স্বার্থ নেই” — একমাত্র সঠিক উত্তর, কারণ এটি আদেশ ৩৫, বিধি ১-এর প্রথম এবং প্রধান শর্ত।

→ ইন্টারপ্লিডার মামলা বাদীকে দায়মুক্তি দিয়ে আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত দাবিদার নির্ধারণের সুযোগ দেয়, যেখানে বাদী শুধু সম্পত্তি আদালতে জমা দেয় ও নিজেকে বিরত রাখে।
৯,৩৩৮.
Search to be made in presence of witness- কার্যবিধির কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০২ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার বিধান সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবেঃ (১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দু বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

-------------------------------
♦  Search to be made in presence of witnesses:
Section 103.(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do. 
 
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
৯,৩৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশির সময় প্রস্তুতকৃত জবরদখলকৃত দ্রব্যের তালিকা কী করতে হবে?
  1. মিডিয়ায় প্রকাশ করা
  2. শুধুমাত্র পুলিশ রেকর্ডে রাখা
  3. সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত করা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশীর সময় বাজেয়াপ্ত করা সমস্ত জিনিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করতে হবে এবং এই তালিকায় সাক্ষীদের স্বাক্ষর থাকতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

৯,৩৪০.
অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ হবেন কে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
  2. আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
  3. রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে যাকে দায়িত্ব দিবেন তিনি
  4. আপীল বিভাগের বিচারকের মধ্যে যে কোন একজন
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদের বিধান: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে প্রধান বিচারপতি তাঁহার দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে ক্ষেত্রমত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ পদে যোগদান না করা পর্যন্ত কিংবা প্রধান বিচারপতি স্বীয় কার্যভার পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম, তিনি অনুরূপ কার্যভার পালন করিবেন।
-------
⇒ Article 97. Temporary appointment of Chief Justice:
If the office of the Chief Justice becomes vacant, or if the President is satisfied that the Chief Justice is, on account of absence, illness, or any other cause, unable to perform the functions of his office, those functions shall, until some other person has entered upon that office, or until the Chief Justice has resumed his duties, as the case may be, be performed by the next most senior Judge of the Appellate Division.
৯,৩৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশে “বিচার্য বিষয় (Issues)” সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. আদেশ ১২
  2. আদেশ ১৩
  3. আদেশ ১৪
  4. আদেশ ১৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা। কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৪-এ "বিচার্য বিষয়" (Issues) সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই আদেশের বিধি ১ অনুসারে বিচার্য বিষয় প্রধানত দুই প্রকার:
১. তথ্যগত বিচার্য বিষয় (Issues of Fact)
২. আইনগত বিচার্য বিষয় (Issues of Law)

- বিচার্য বিষয় নির্ধারণের মাধ্যমে মামলার প্রকৃত বিবাদী বিষয় স্পষ্ট হয় এবং পক্ষগুলি তাদের প্রমাণ ও যুক্তি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর কেন্দ্রীভূত করতে পারে, যা মামলার দক্ষ ও কার্যকর নিষ্পত্তিতে সহায়তা করে।

- কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

৯,৩৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিদেশি আদালত কর্তৃক কমিশন প্রেরণের বিধান রয়েছে?
  1. ৭৫ ধারায়
  2. ৭৬ ধারায়
  3. ৭৭ ধারায়
  4. ৭৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারার বিধান: বিদেশি আদালত কর্তৃক প্রেরিত কমিশন-
নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, সাক্ষীদের পরীক্ষার নিমিত্তে কমিশন নির্বাহ এবং ফেরত সম্পর্কীয় বিধান নিম্নবর্ণিত আদালত কর্তৃক বা তার অনুরোধে নিযুক্ত কমিশনের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হবে-
ক) বাংলাদেশ বহির্ভূত স্থানে অবস্থিত এবং সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরিচালিত আদালতসমূহ; বা
গ) বাংলাদেশ বহির্ভূত যে কোন রাজ্য বা দেশের কোন আদালত।

Section 78- Commissions issued by foreign Courts:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the provisions as to the execution and return of commissions for the examination of witnesses shall apply to commissions issued by or at the instance of-
(a) Courts situate beyond the limits of Bangladesh and established or continued by the authority of Government, or
(c) Courts of any State or country outside Bangladesh.
৯,৩৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে নিম্নোক্ত কোন শব্দটির প্রয়োগ নেই?
  1. Inquiry
  2. Investigation
  3. Re-investigation
  4. Further investigation
সঠিক উত্তর:
Re-investigation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Re-investigation
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে। [do further investigation]

- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে। তবে ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের [Re-investigation] কোন বিধান নেই।

Re-investigation (পুনঃতদন্ত): এই শব্দটির কোনো নির্দিষ্ট উল্লেখ ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই। যদিও পুনঃতদন্তের ধারণা থাকতে পারে, কিন্তু এই বিশেষ শব্দটি আইনগতভাবে ব্যবহার করা হয়নি।

৯,৩৪৪.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের দায়ে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একই চুক্তি ভঙ্গের দায়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে?
  1. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা খারিজ
  2. পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত
  3. পরবর্তী মোকদ্দমা খারিজ
  4. যেকোনো একটি
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত
ব্যাখ্যা
আদালত পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করার নির্দেশ দিতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা অনুযায়ী বলা যায়, দেওয়ানি আদালত সকল প্রকার দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করতে পারে। কিন্তু দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ এবং ১১ ধারায় দেওয়ানি আদালত নিম্নলিখিত দুইটি ক্ষেত্রে দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করতে পারবে না-
ক. বিচারাধীন মোকদ্দমা/ মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (Res sub judice) (ধারা-১০)
খ. দোবারা দোষ বা বিচারিত বিষয় (Res Judicata) (ধারা-১১)

দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ১০ ধারার নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-

⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা দায়ের করেছে।

১০ ধারার বিধান মান্য করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ উপরের শর্ত পূরণ হলে আদালত উল্লেখিত পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিত করার নির্দেশ দিবেন।

Section 10: Stay of suit-

No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in a previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court. 
Explanation.-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

৯,৩৪৫.
এক তরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল শর্ত কি?
  1. বিরুদ্ধ পক্ষকে নোটিশ
  2. বিরুদ্ধ পক্ষকে হাজির
  3. উভয় পক্ষকে নোটিশ
  4. উভয় পক্ষের হাজির
সঠিক উত্তর:
বিরুদ্ধ পক্ষকে নোটিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরুদ্ধ পক্ষকে নোটিশ
ব্যাখ্যা
• ৯ নং আদেশের ১৪ নং বিধি অনুযায়ী বিরুদ্ধ পক্ষকে নোটিশ প্রদান না করে, কোন এক তরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল করা যাবে না।

• ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

• আদেশ-৯, বিধি-১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১০ নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি;
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারেনি।

• আদেশ-৯, বিধি-১৩কঃ
সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল ( Directly setting-aside exparte decree)- বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য নেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
৯,৩৪৬.
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারে-
  1. সংবিধান লংঘনের জন্য
  2. গুরুতর অসদারচরণের জন্য
  3. গুরুতর অসুস্থ হলে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারে ২টি কারণে-
ক) সংবিধান লংঘনের জন্য [For Violating Constitution]
খ) গুরুতর অসদারচরণের জন্য [Of grave misconduct] 

অভিশংসনের পদ্ধতি:
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুক্ষণ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে। স্পীকারের নিকট অনুরুপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ (১৪) দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহ্বান করবে। অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকার এবং প্রতিনিধি প্রেরণের অধিকার থাকবে। অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলে ঘোষণা করে সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে, প্রস্তাব গ্রহণ হওয়ার তারিখ হতে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।


অনুচ্ছেদ ৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন
(১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন।

(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।

(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।

(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।

Article 52: Impeachment of the President
(1) The President may be impeached on a charge of violating this Constitution or of grave misconduct, preferred by a notice of motion signed by a majority of the total number of members of Parliament and delivered to the Speaker, setting out the particulars of the charge, and the motion shall not be debated earlier than fourteen nor later than thirty days after the notice is so delivered; and the Speaker shall forthwith summon Parliament if it is not in session. 

(2) The conduct of the President may be referred by Parliament to any court, tribunal or body appointed or designated by Parliament for the investigation of charge under this article. 
 
(3) The President shall have the right to appear and to be represented during the consideration of the charge. 
 
(4) If after the consideration of the charge a resolution is passed by Parliament by the votes of not less than two thirds of the total number of members declaring that the charge has been substantiated, the President shall vacate his office on the date on which the resolution is passed. 
 
(5) Where the Speaker is exercising the functions of the President under article 54 the provisions of this article shall apply subject to the modifications that the reference to the Speaker in clause (1) shall be construed as a reference to the Deputy Speaker, and that the reference in clause (4) to the vacation by the President of his office shall be construed as a reference to the vacation by the Speaker of his office as Speaker; and on the passing of a resolution such as is referred to in clause (4) the Speaker shall cease to exercise the functions of President.
৯,৩৪৭.
অর্থ ডিক্রি জারির মামলায় নিম্নের কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দেয়া যাবে না?
  1. একজন মহিলা
  2. একজন কৃষক
  3. একজন নিঃস্ব ব্যক্তি
  4. একজন সরকারী কর্মচারী
সঠিক উত্তর:
একজন মহিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন মহিলা
ব্যাখ্যা
 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৬ ধারার বিধান- টাকার ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ: 
এই খণ্ডে অন্য কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও আদালত টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেপ্তার বা আটক রাখার আদেশ প্রদান করবে না।

Section-56: Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
৯,৩৪৮.
কোনো মামলায় দুই বা ততোধিক অভিযুক্তের মধ্যে এক বা একাধিক অভিযুক্ত অনুপস্থিত থাকলে, আদালত এক্ষেত্রে কোন ধরনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখার
  2. মামলা পৃথক ভাবে গ্রহণ করার
  3. মামলা পৃথক ভাবে বিচারের
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান

(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
৯,৩৪৯.
ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ কী শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৪- ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
(১) ভূমি হস্তান্তর, জরিপ, রেকর্ড হালনাগাদকরণ বা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে নিম্নবর্ণিত কোনো কার্য ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে, যথা:-

(ক) অন্যের মালিকানাধীন ভূমি স্বীয় মালিকানাধীন ভূমি হিসাবে প্রচার করা;
(খ) তথ্য গোপন করিয়া কোনো ভূমি, সম্পূর্ণ বা উহার অংশবিশেষ, কোনো ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর বা সমর্পণ করা:
(গ) স্বীয় মালিকানাধীন ভূমির অতিরিক্ত ভূমি বা অন্যের মালিকানাধীন ভূমি, তদ্‌কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হইয়া, কোনো ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর বা সমর্পণ করা;
(ঘ) কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তি বলিয়া মিথ্যা পরিচয় প্রদান করিয়া বা জ্ঞাতসারে এক ব্যক্তিকে অপর ব্যক্তিরূপে প্রতিস্থাপিত করিয়া কোনো ভূমি সম্পূর্ণ বা উহার অংশবিশেষ হস্তান্তর বা সমর্পণ করা;
(ঙ) মিথ্যা বিবরণ সংবলিত কোনো দলিল স্বাক্ষর বা সম্পাদন করা;
(চ) কর্তৃপক্ষের নিকট মিথ্যা বা অসত্য তথ্য প্রদান করা; এবং
(ছ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো কার্য সম্পাদন।

(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে তজ্জন্য তিনি অনধিক ৭(সাত) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
৯,৩৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩৯খ অনুসারে কে সরেজমিনে পরিদর্শনের স্মারকলিপির নকল বিনা মূল্যে পেতে পারে?
  1. অভিযুক্ত
  2. ফরিয়াদি
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ(২) অনুযায়ী, যদি পাবলিক প্রসিকিউটর, ফরিয়াদি বা অভিযুক্ত অনুরোধ করেন, তবে সরেজমিনে পরিদর্শনের স্মারকলিপির একটি নকল বিনা মূল্যে তাদের সরবরাহ করতে হবে। অর্থাৎ, এই তিন পক্ষের যে কেউ চাইলে, তাঁকে বিনামূল্যে স্মারকলিপির কপি দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরবরাহ করতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:

৯,৩৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে কত দিনের মধ্যে বিচার নিষ্পত্তি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?
  1. ১২০ দিনের মধ্যে
  2. ১৮০ দিনের মধ্যে
  3. ২৭০ দিনের মধ্যে
  4. ৩৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-
 ⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।
 
• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
৯,৩৫২.
আদেশ ১৭ বিধি ১(৪) এর অধীন মোকদ্দমা একতরফা নিষ্পত্তি হলে, বিবাদী যদি পুনর্বহালের আবেদন করতে চান, তাহলে তাকে কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৪ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৭ বিধি ১(৭):
উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে।

[A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or dispossed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte, disposal, an application fogether with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for bearing without any further proceeding, and cost deposited into Court shall be paid to the other party.]
৯,৩৫৩.
'Substituted Service of Summon' বলতে কি বুঝায়?
  1. ব্যক্তিগত ভাবে সমন জারি
  2. বিকল্পভাবে সমন জারি
  3. সাক্ষীর নিকট সমন জারি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বিকল্পভাবে সমন জারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্পভাবে সমন জারি
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে। ক্ষেত্র বিশেষে সাক্ষীর প্রতিও সমন জারি করা যায়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশে, ২১ নং আদেশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বিধিতে এবং ১৬ নং আদেশের ৮ নম্বর বিধিতে সমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। ২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায়না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে।

Order 5 Rule 20: Substituted service
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.

(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.

Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.

Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require. 
৯,৩৫৪.
'A', 'B' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'B' সেখান থেকে বালি উত্তোলন না করার বিষয়ে 'A' এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু 'B' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করে। এক্ষেত্রে 'A', 'B' কে খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে -
  1. 'A' এর কোনো প্রতিকার নেই
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  3. নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  4. চুক্তি বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাধীন, আবেদনকারীর পক্ষে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা, সুস্পষ্ট বা গোপনীয়ভাবে ভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এমন বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালতকে এই আইনের অধ্যায় ২-এ অন্তর্ভুক্ত নিয়ম ও বিধানগুলিই অনুসরণ করতে হবে।
যখন বিবাদী পক্ষ বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা উপভোগ আক্রমণ করে বা আক্রমণের হুমকি দেয়, তখন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে আদালত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যথাঃ
ক) যদি বিবাদী বাদীর জন্য সেই সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
খ) যদি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান না থাকে;
গ) যদি আক্রমণটি এমন হয় যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে কাজ না করে;
ঘ) যদি আক্রমণের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে;
ঙ) যদি বহু আদালতি কার্যক্রম এড়াতে নিষেধাজ্ঞাটি প্রয়োজন হয়।

এখানে, 'B' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং 'A' আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে 'B'কে এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারবেন। আদালত যথাযথ বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
৯,৩৫৫.
দণ্ডবিধির ৩৯৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, ডাকাতি করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কতটুকু হতে পারে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, ডাকাতি করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
- এটি উল্লেখযোগ্য যে, চেষ্টা করা অপরাধও শাস্তিযোগ্য এবং এটি শেষ পর্যন্ত ডাকাতি সংঘটিত না হলেও শাস্তির আওতায় আসবে। তবে শাস্তির মেয়াদ ৭ বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং জরিমানা আরোপিত হতে পারে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-393. Attempt to commit robbery:
Whoever attempts to commit robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৯,৩৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুসারে, ফরিয়াদী বা সাক্ষীর ব্যয় প্রদানের জন্য কোন তহবিল ব্যবহৃত হয়?
  1. সরকারি তহবিল
  2. আদালতের নিজস্ব তহবিল
  3. অভিযুক্তের ব্যক্তিগত তহবিল
  4. ফরিয়াদীর জমাকৃত অর্থ তহবিল
সঠিক উত্তর:
সরকারি তহবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি তহবিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী: ফৌজদারি আদালত, সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধির অধীনে, যদি উপযুক্ত মনে করেন, তাহলে ফরিয়াদী বা সাক্ষীর আদালতে হাজিরা বাবদ যুক্তিসংগত ব্যয় সরকারি তহবিল থেকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায় এবং সাক্ষী বা ফরিয়াদীদের আর্থিক কষ্ট লাঘব হয়।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফরিয়াদী বা সাক্ষীর খরচ সরকারি তহবিল থেকে প্রদান করা হয়, আদালতের আদেশ সাপেক্ষে। তাই সঠিক উত্তর: ক) সরকারি তহবিল।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:-
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
৯,৩৫৭.
শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হতে __________ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে। 
  1. ৯০
  2. ১২০
  3. ১৮০
  4. ৩৬০
সঠিক উত্তর:
৩৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২: বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
 (১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত 15[ যতদূর সম্ভব,] একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।
৯,৩৫৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় চূড়ান্ত শুনানিকালে উভয়পক্ষ সময়ের আবেদন করলে মুলতুবি খরচার টাকা পাবেন-
  1. বাদী দরখাস্তকারী
  2. বিবাদী দরখাস্তকারী
  3. আদালত
  4. রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ আদেশ, বিধি ১(৫)-তে বলা হয়েছে: যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার উভয়পক্ষ মুলতবির দরখাস্ত দাখিল করে এবং আদালত খরচসহ মুলতবির দরখাস্ত মঞ্জুর করেন; সে ক্ষেত্রে আদালত উভয়পক্ষকে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে মুলতবির খরচ প্রদান/জমা করার আদেশ দিবেন।
♦ খরচের টাকার অধিকারী হবে:
 i. বাদী মুলতবি চাইলে- বিবাদী পাবে।
ii. বিবাদী মুলতবি চাইলে- বাদী পাবে।
iii. উভয়পক্ষ মুলতবি চাইলে- রাষ্ট্র পাবে।
৯,৩৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ মামলার FIR রেকর্ড করে?
  1. ধারা ১৫২
  2. ধারা ১৫৪
  3. ধারা ১৫৬
  4. ধারা ১৫৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
ব্যাখ্যা
এফআইআর (FIR- First Information Report)
অপরাধমূলক কোনো কিছু ঘটার পর সে বিষয়ে প্রতিকার পাওয়ার জন্য থানায় যে সংবাদ দেওয়া বা জানানো হয়, তাকে এজাহার বা এফআইআর বলে। প্রকৃতপক্ষে, এজাহারের মাধ্যমে থানায় মামলা করা হয়। এজাহারের ক্ষেত্রে পিআরবি বা পুলিশ রেগুলেশন বেঙ্গল ১৯৪৩ এর ২৪৩ প্রবিধান এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় এজাহারের বিষয়বস্তু গুলো অনুসরণ করা হয়। 

এজাহার মৌখিক এবং লিখিত উভয়ই হতে পারে। মৌখিকভাবে এজাহার দেওয়া হলেও সেটি লেখার পর এজাহারকারীর সই নিতে হবে। লেখার পর দায়িত্বরত কর্মকর্তা এজাহারকারীকে পড়ে শুনানোর পর নির্ধারিত ফরম অনুসারে রক্ষিত একটি বইতে লিপিবদ্ধ করবেন। এজাহারকে মূলত কোনো মৌলিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয় না। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে এজাহারের যথেষ্ট মূল্য আছে। এজাহার হলো জিআর মামলার মূলভিত্তি।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫৪: আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ:
যখন কেউ কোনো আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সংবাদ থানায় জানায়, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেই তথ্য গ্রহণ করতে বাধ্য। যদি সেই তথ্য মৌখিকভাবে জানানো হয়, তাহলে তিনি নিজে বা তার নির্দেশে কেউ তা লিখে নেবেন। এরপর সেই লিখিত বক্তব্য সংবাদদাতাকে পড়ে শুনাতে হবে যেন সে নিশ্চিত হতে পারে, তার কথাই ঠিকভাবে লেখা হয়েছে। এরপর সেই ব্যক্তি স্বাক্ষর করবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা সরকার নির্ধারিত রেজিস্টারে ঐ বিবরণ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

⇒ এভাবেই পুলিশের কাছে কোনো গুরুতর অপরাধের প্রথম তথ্য প্রতিবেদন (FIR) গ্রহণ ও রেকর্ড করা হয়। এটি মামলা শুরুর একটি আনুষ্ঠানিক ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
৯,৩৬০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী, Leading questions কী?
  1. দীর্ঘ প্রশ্ন
  2. সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
  3. অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন
  4. উত্তর সূচিত করে এমন প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
উত্তর সূচিত করে এমন প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর সূচিত করে এমন প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উত্তর সূচিত করে এমন প্রশ্ন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী:- "যে প্রশ্ন এমন উত্তর দেয়ার ইঙ্গিত দেয় যেটা প্রশ্নকারী চায় বা প্রত্যাশা করে, তাকে বলা হয় লিডিং প্রশ্ন।"
(“Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.”)

 উদাহরণ:
- প্রশ্ন: "তুমি তো ঘটনাস্থলে ছিলে, তাই না?" — এটি একটি লিডিং প্রশ্ন, কারণ এতে উত্তর "হ্যাঁ" বা "না" হবে এবং প্রশ্নকারীর প্রত্যাশিত উত্তরটি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
- প্রশ্ন: "তুমি কোথায় ছিলে?" — এটি লিডিং প্রশ্ন নয়, কারণ এতে কোনো নির্দিষ্ট উত্তর ইঙ্গিত করা হয়নি।

অর্থাৎ লিডিং প্রশ্ন হলো এমন প্রশ্ন যা উত্তরদাতার কাছে একটি নির্দিষ্ট উত্তর "ইঙ্গিত" করে। এই ধরনের প্রশ্ন বিশেষত জেরা (cross-examination)-তে অনুমোদিত, কিন্তু প্রধান জেরা বা পুনরায় জেরা-তে আদালতের অনুমতি ছাড়া করা যায় না (ধারা ১৪২)।
৯,৩৬১.
অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য ফৌজদারী আদালতের নির্দেশে বিক্রি করার বিধান আছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ________।
  1. ৫২২ ধারায়
  2. ৫২৩ ধারায়
  3. ৫২৪ ধারায়
  4. ৫২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
♦ অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
৯,৩৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীর হাজির হবার জন্য যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের জন্য নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ২৪১ক ধারা
  2. ২৪৩ ধারা
  3. ২৪৪ ধারা
  4. ২৪৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৪৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী-
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না।

(২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোন জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন।

(৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে।


Section-244. Procedure when no such admission is made:
(1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence: 
Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court. 

(2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing. 

(3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
৯,৩৬৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় "Judgment" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২(৭) ধারায়
  2. ২(৮) ধারায়
  3. ২(৯) ধারায়
  4. ২(১০) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২(৯) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(৯) ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৯):

"Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order:
''রায়" (Judgment): বলতে ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসেবে বিচারক যে বিবৃতি দেন, তা বুঝায়।

⇒ রায় বলতে বুঝায় কোন দেওয়ানী মামলায় প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসেবে বিচারক যে বর্ণনা দেন। সাধারণত, দেওয়ানী মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষণা করেন এবং রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করেন।
৯,৩৬৪.
"Settlement" দলিলের মাধ্যমে কী নির্ধারন করা হয়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা
  2. স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা
  3. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার
ব্যাখ্যা
• "settlement" means any instrument (other than a will or codicil as defined by the [Succession Act, 1925] whereby the destination or devolution of successive interests in moveable or immoveable property is disposed of or is agreed to be disposed of:

"settlement" শব্দটি কোনো এমন নথিকে বোঝায় (উইল বা কোডিসিল ব্যতীত যা Succession Act, 1925 এ সংজ্ঞায়িত হয়েছে) যার মাধ্যমে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার বা প্রকৃতির বিনিময় বা উক্ত বিনিময়ের সম্মতির বিষয়বস্তু নির্ধারিত হয়েছে।

অর্থাৎ, যে নথি উইল বা কোডিসিল ছাড়া হয়ে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার বা প্রকৃতি নির্ধারণ করে বা সেরকম নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে সম্মতি প্রকাশ করে, সেটিকে "settlement" বলা হয়েছে।
৯,৩৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি (১) অনুসারে, যখন বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজের দখলে থাকা দলিলের ওপর নির্ভর করে, তখন তা উপস্থাপন করতে হবে-
  1. শুনানির সময়
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের সময়
  3. লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময়
  4. মামলার রায় ঘোষণার সময়
সঠিক উত্তর:
লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৯,৩৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় নিম্নের কোন ব্যক্তিকে মামলা চলাকালীন যেকোনো সময় সাক্ষীকে প্রশ্ন করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. বিচারককে
  2. বাদীপক্ষের আইনজীবীকে
  3. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবীকে
সঠিক উত্তর:
বিচারককে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারককে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-

বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ এই ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৯,৩৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬ অনুযায়ী, প্রতিটি আরজিতে তথ্য কীভাবে প্রমাণ করতে হবে?
  1. হলফনামার মাধ্যমে
  2. সাক্ষীর বিবরণীর মাধ্যমে
  3. মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে
  4. আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
হলফনামার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলফনামার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ ২০২৫ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধন) অধ্যাদেশের ধারা ২ অনুযায়ী, Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 26-এ নতুন উপ-ধারা (2) যোগ করা হয়েছে, যা নির্দেশ করে:
"In every plaint, facts shall be proved by affidavit."
(প্রতিটি আরজিতে তথ্য হলফনামার মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।)
- এটি ঐতিহ্যগত মৌখিক সাক্ষ্য পদ্ধতির পরিবর্তে লিখিত ও শপথবদ্ধ বিবরণীর মাধ্যমে প্রমাণের একটি আধুনিক পদ্ধতি চালু করেছে।
- অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬ এর সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, প্রতিটি আরজিতে (প্লেইন্ট বা অভিযোগপত্র) উল্লেখিত তথ্য প্রমাণ করতে হবে হলফনামার মাধ্যমে। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২৬: মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি:
(১) প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো উপায়ে দায়ের করতে হবে।
(২) প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ অবশ্যই এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 26 of the Code of Civil Procedure, 1908: Institution of suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.
৯,৩৬৮.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে সরকারের বকেয়া রাজস্বের জন্য জমির বিক্রয়ের মামলায় তামাদি মেয়াদ ১২ বছর উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৫
  2. অনুচ্ছেদ ১১৬
  3. অনুচ্ছেদ ১২০
  4. অনুচ্ছেদ ১২১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২১
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে অনুচ্ছেদ ১২১ তে বলছে যখন কোনো সম্পূর্ণ জমিদারী (entire estate), পত্নি তালুক (patni taluq) বা অন্য কোনো বিক্রয়যোগ্য অধিকার সরকারি রাজস্ব বা খাজনার বকেয়ার জন্য বিক্রি করা হয়, এবং কেউ এই বিক্রয় বাতিল করতে চায় কারণ এতে জটিলতা বা অধীন ভোগদারির (incumbrances/under-tenures) সমস্যা আছে তখন বিক্রয় চূড়ান্ত ও চূড়ান্তভাবে কার্যকর হওয়ার দিন থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।

⇒ অর্থাৎ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২১-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: সরকারি বকেয়া রাজস্বের জন্য বিক্রীত জমিদারি/পত্তনী সম্পর্কিত মামলার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর, এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় বিক্রয় চূড়ান্ত ও সিদ্ধান্তমূলক হওয়ার তারিখ থেকে।
৯,৩৬৯.
ধারা ২৫০(৫) অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি আর কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. সর্বোচ্চ ১ মাসের কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ২ মাসের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৩ মাসের কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 –এর ধারা ২৫০(৫): মিথ্যা, তুচ্ছ বা হয়রানিমূলক অভিযোগ:
এই ধারায় অন্য যাই বলা থাকুক না কেন, উপ-ধারা (২) অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ করার পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট আরও আদেশ দিতে পারেন, যে- যে ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে, সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ভোগ করবে, অথবা তার নিকট থেকে সর্বোচ্চ এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড আদায় করা হবে।

অর্থাৎ, শুধু ক্ষতিপূরণই নয়— প্রয়োজনে কারাদণ্ড বা অতিরিক্ত জরিমানাও ম্যাজিস্ট্রেট দিতে পারেন, যদি অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন বা হয়রানিমূলক (vexatious) প্রমাণিত হয়।

৯,৩৭০.
দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী কোনটি দস্যুতা বলে গণ্য হবে না?
  1. চুরির উগ্রতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায়
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯০ অনুসারে, দস্যুতা (Robbery) বলতে বোঝায় যখন চুরি (Theft) বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় (Extortion)-এর সাথে নির্দিষ্ট কিছু উগ্রতা (violence) যুক্ত থাকে। তবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) দস্যুতা বলে গণ্য হয় না।
- অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে চুরির উগ্রতা, বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা ও তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ দস্যুতা বলে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
- Explanation. -The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.

৯,৩৭১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় ভুলের জন্য চুক্তি বাতিলের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩০
  2. ধারা ৩৪
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৬-এ ভুলের জন্য চুক্তি বাতিল (Rescission for mistake) এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যদি না যার বিরুদ্ধে চুক্তিটি বাতিল করা হবে তাকে চুক্তি-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

৯,৩৭২.
Digital Signature আদালত কয়ভাবে যাচাই করতে পারে?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৯,৩৭৩.
একজন অ্যাডভোকেট তার সনদ স্থগিত রাখার জন্য কোন অবস্থায় আবেদন করতে পারেন?
  1. আদালতের বিরুদ্ধে মামলা করতে চাইলে
  2. বার কাউন্সিলের বিরোধিতা করতে চাইলে
  3. অন্য দেশে পড়াশোনা করতে চাইলে
  4. ব্যবসা বা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হতে চাইলে
সঠিক উত্তর:
ব্যবসা বা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হতে চাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবসা বা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হতে চাইলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ব্যবসা বা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হতে চাইলে।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৭০:
একজন অ্যাডভোকেট আবেদন করতে পারেন যেন তাঁর সনদ (certificate) স্থগিত করা হয়, যদি তিনি আইন পেশা বিচ্ছিন্ন করে অন্য কোনো ব্যবসা, পেশা বা পেশাগত কাজে যুক্ত হতে চান।
তিনি পরবর্তীতে চাইলে এই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্যও আবেদন করতে পারেন। একজন অ্যাডভোকেট চাইলে এও আবেদন করতে পারেন যে, তাঁর নাম সম্পূর্ণভাবে অ্যাডভোকেটদের রোল থেকে বাদ দেওয়া হোক।
৯,৩৭৪.
ধারা ১৫৫-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোনো সাক্ষী যদি অন্য সাক্ষীকে অবিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করে, তবে-
  1. তার মতামত অগ্রহণযোগ্য
  2. সে জবানবন্দীতে কারণ জানাতে বাধ্য
  3. জেরাতে তাকে কারণ জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে
  4. তাকে কারণ আদালতে লিখিতভাবে জানাতে হবে
সঠিক উত্তর:
জেরাতে তাকে কারণ জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরাতে তাকে কারণ জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫৫- সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা খণ্ডন (Impeaching the credit of a witness):
কোনো সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা (বিশ্বাসের যোগ্যতা) প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে, অথবা আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, যিনি সাক্ষীকে উপস্থাপন করেছেন, তিনিও নিম্নলিখিত উপায়ে খণ্ডন (চ্যালেঞ্জ) করতে পারেন—

(১) এমন ব্যক্তির সাক্ষ্যের দ্বারা, যারা সাক্ষীকে চেনে এবং নিজেদের জ্ঞানের ভিত্তিতে মনে করে যে সাক্ষী বিশ্বাসযোগ্য নয় বা অবিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তি।

(২) প্রমাণের মাধ্যমে দেখানো যেতে পারে যে, সাক্ষী ঘুষ নিয়েছে, অথবা ঘুষের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, অথবা অন্য কোনো দুর্নীতিপূর্ণ প্রণোদনা (corrupt inducement) গ্রহণ করেছে তার সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য।

(৩) প্রমাণের মাধ্যমে দেখানো যেতে পারে যে, সাক্ষী পূর্বে এমন কোনো বক্তব্য দিয়েছে যা তার বর্তমান সাক্ষ্যের সাথে অসঙ্গত বা পরস্পরবিরোধী।

ব্যাখ্যা (Explanation):
যখন কোনো সাক্ষী আরেকজন সাক্ষীকে অবিশ্বাসযোগ্য বলে ঘোষণা করে, তখন তার জবানবন্দীতে (examination-in-chief) পর্যায়ে সে কেন এমন মনে করে, তার কারণ জানাতে বাধ্য নয়। কিন্তু জেরা (cross-examination)-এর সময় তাকে তার বিশ্বাসের কারণ জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে। যে উত্তর সে দেবে, তা প্রমাণ দ্বারা খণ্ডন করা যাবে না, তবে যদি সেই উত্তর মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অপরাধে (false evidence) অভিযুক্ত হতে পারে।

৯,৩৭৫.
'ক' কে পুলিশ আটক করে অবৈধ মাদক রাখার দায়ে। 'ক' পুলিশকে জানায় যে, তার বাড়ীতে আরো অবৈধ মাদক আছে। পুলিশ 'ক' এর বাড়ী থেকে মাদক উদ্ধার করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য আইনের কত ধারা প্রাসঙ্গিক হবে।
  1. ২৪ ধারা
  2. ২৬ ধারা
  3. ২৭ ধারা
  4. ২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয় তাহালে আলামত গুলো সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। পুলিশ এখানে 'ক' এর তথ্য অনুসারে অবৈধ মাদক উদ্ধার করেছে তাই এই মাদক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হইবে।
৯,৩৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. আইনগত সহায়তা সেবা সম্প্রসারণ
  2. মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা
  3. বিচার ব্যবস্থায় স্বার্থের সংঘাত এড়ানো
  4. অভিজ্ঞ আইনজীবীদের ম্যাজিস্ট্রেট করার সুযোগ বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থায় স্বার্থের সংঘাত এড়ানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থায় স্বার্থের সংঘাত এড়ানো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭ অনুযায়ী “কোনো আইনজীবী (pleader) যদি কোনো জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্র্যাকটিস করেন, তবে তিনি ঐ জেলার ঐ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ঐ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এখতিয়ারাধীন অন্য কোনো আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না।”
- অর্থাৎ, এর উদ্দেশ্য হলো  বিচার ব্যবস্থায় পক্ষপাত বা স্বার্থের সংঘাত (conflict of interest) এড়ানো এবং বিচারপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা রক্ষা করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না
যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts:
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.

৯,৩৭৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে ______ টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
  1. ১১
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৯,৩৭৮.
Who can present the petition of appeal according to Section 419 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. The court
  2. The respondent
  3. A police officer
  4. The appellant or his pleader
সঠিক উত্তর:
The appellant or his pleader
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The appellant or his pleader
ব্যাখ্যা
Section 419- Petition of appeal:
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.

ধারা ৪১৯:
প্রত্যেকটি আপীল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপীলের পিটিশন আপীলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হচ্ছে তার কপি আপীলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।
৯,৩৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক Court GD করা হয়?
  1. ৪০
  2. ৪১
  3. ৪৩
  4. ৪৪
সঠিক উত্তর:
৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা-৪৪ মোতাবেক Court GD করা হয়।
• এই ধারা মোতাবেক জনসাধারণ নির্দিষ্ট কিছু অপরাধীদের (দণ্ডবিধির ১২১, ১২১ক, ১২২-১২৪ক, ৩০২-৩০৪ এবং অন্যান্য ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য) বা অপরাধ করার অভিপ্রায় আছে এমন কোন তথ্য জানতে পারলে অবিলম্বে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে এই সম্পর্কে তথ্য বা সংবাদ দিবেন।
৯,৩৮০.
যখন ইসলামি আইনের প্রথম তিনটি উৎস অর্থাৎ কুরআন, হাদিস এবং ইজমা কোন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না তখন ঐগুলি হতে তুলনামূলক আলোচনার মাধ্যমে প্রাপ্ত যে সাদৃশ্যমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাকে বলা হয়-
  1. ইসতিহসান
  2. ইসতিসলাহ
  3. কিয়াস
  4. তকলিদ 
সঠিক উত্তর:
কিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়াস
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি।
১. পবিত্র কোরআন
২. হাদিস
৩. ইজমা
৪. কিয়াস

অন্যান্য উৎসগুলো হলো
ক. ইসতিহসান [Istihsan]
খ. ইসতিসলাহ [Istislah]
গ. ইসতিদলাল
ঘ. ইজতিহাদ
ঙ. তকলিদ 

ইসলামিক শরীয়া আইনের মূল উৎস হল ইসলাম ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন শরীফ, যা মুসলমানদের পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হিসেবে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। 

দ্বিতীয়ত, ইসলাম ধর্মের দূত বা বার্তা বাহক হিসেবে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ), তার জীবদ্দশায় কোরআন এর প্রতিটি নীতি ও বিধান অনুসারে যেভাবে জীবন যাপন করতেন এবং জীবন-যাত্রায় কোরআনের ব্যাখ্যাগুলোর সংকলনই হলো আল-হাদিস। এছাড়া, কোন প্রশ্নের উত্তর যদি সরাসরি পবিত্র কোরআন বা সুন্নাহ তে না পাওয়া গেলে তার মীমাংসার জন্য মহানবী (সাঃ) এর সঙ্গী ও শিষ্যদের মধ্যে ঐক্য মৈত্যের ভিত্তিতে যে সকল সমাধান দেয়া আছে তার সংকলনকে ইজমা বলা হয়। এবং আলোচ্য এই তিনটি উৎসের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনায় সাদৃশ্য মূলক সিদ্ধান্তগুলোই কিয়াস।
এরপরও অনেক অমিমাংসিত প্রশ্নের সমাধান বা সন্দেহ দূর করণ কিংবা স্পষ্টতা আনয়নের জন্য যুগ যুগ ধরে ইসতিহসান , ইসতিসলাহ এবং ইসতিহাদ বা যৌক্তিক ও বাস্তব সম্মত ব্যাখ্যার মাধ্যমে এই আইনটিকে সমৃদ্ধ করা হয়ে থকে।

পৃথিবীতে ইসলামিক আইন অনুসারে পরিচালিত কিছু রাষ্ট্রের সকল আইনই শরীয়া আইন অনুসারে পরিচালিত হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে যদিও ইসলামিক শরীয়া আইনের ব্যাপক সমালোচনা করা হয়ে থাকে কিন্তু পশ্চিম বিশ্বেও এখন ইসলামিক আইনের অনেক ব্যবহার দেখা।

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগ এর বিভিন্ন রায়ের পর্যালোচনায় ইসলামিক আইনের নানা দিকের উপর আলোক পাত করা হয়েছে।

মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশ একটি নতুন রাষ্ট্র হলেও এর একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। তত্কালীন বৃহৎ সমগ্র ভারত উপমহাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলেও ইসলামিক শাসন ব্যবস্থার কয়েক শতকের সমৃদ্ধতা পরিলক্ষিত হয়। এর ধারাবাহিকতা হিসেবে এদেশের আইন ব্যবস্থায় পারিবারিক আইনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শরীয়া আইনের প্রতিফলন ঘটেছে, যার মধ্যে ১৯৬১ সনের মুসলিম পারিবারিক আইন অন্যতম।
৯,৩৮১.
জামিননামা বাতিল এবং জামিনদার অব্যাহতি পেলে, আদালত-
  1. জামিনে মুক্ত অভিযুক্তকে হাজির করার নির্দেশ দিবেন
  2. অভিযুক্তকে শাস্তি দিবেন
  3. অভিযুক্তকে জরিমানা করবেন
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
জামিনে মুক্ত অভিযুক্তকে হাজির করার নির্দেশ দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনে মুক্ত অভিযুক্তকে হাজির করার নির্দেশ দিবেন
ব্যাখ্যা
ধারা-৫০২ জামিনদারের অব্যাহতি

জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502- Discharge of sureties
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 

(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৯,৩৮২.
এক ব্যক্তি একজন নারীর সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে তার সম্ভ্রমহানি করল। এই ঘটনার কারণে অপমানিত হয়ে সেই নারী আত্মহত্যা করলেন। এই পরিস্থিতিতে অপরাধীর সর্বনিম্ন কত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. দুই বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ৯ক- নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা, ইত্যাদির শাস্তি:
কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত (Wilful) কোন কার্য দ্বারা সম্ভ্রমহানি হইবার প্রত্যক্ষ কারণে কোন নারী আত্মহত্যা করিলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপ কার্য দ্বারা আত্মহত্যা করিতে প্ররোচিত করিবার অপরাধে অপরাধী হইবেন এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

Section 9A - Punishment for Abetment of Suicide of a Woman:
If a woman commits suicide as a direct result of any deliberate (willful) act by any person that violates her dignity without her consent or against her will, that person shall be guilty of abetting her to commit suicide through such act. For this offense, the offender shall be punishable with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years but not less than five years, and shall also be liable to a fine.
৯,৩৮৩.
“লিজের” মাধ্যমে দেওয়া যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র নগদ অর্থ
  2. সম্পত্তির মালিকানা
  3. ভোগের অধিকার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভোগের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোগের অধিকার
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৫: “লিজ” বা ইজারার সংজ্ঞা:
একটি স্থাবর সম্পত্তির “লিজ” হলো- উক্ত সম্পত্তি ভোগ করার অধিকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (স্পষ্ট বা আপেক্ষিকভাবে নির্ধারিত) অথবা চিরস্থায়ীভাবে হস্তান্তরের একটি প্রক্রিয়া, যা কিছু মূল্য প্রদান বা প্রদানের প্রতিশ্রুতি, ফসলের অংশ, সেবা অথবা অন্য কোনো মূল্যবান উপকরণের বিনিময়ে সম্পাদিত হয়। এসব প্রদেয় বস্তু নির্দিষ্ট সময় অন্তর বা নির্দিষ্ট কোনো উপলক্ষে হস্তান্তরকারীর (লিজদাতা) কাছে হস্তান্তর করা হয় হস্তান্তরপ্রাপ্ত (লিজগ্রহীতা) ব্যক্তি দ্বারা, যিনি নির্দিষ্ট শর্তে উক্ত হস্তান্তর গ্রহণ করেন।

সংজ্ঞাসমূহ:
লিজদাতা (Lessor): যিনি সম্পত্তির অধিকার হস্তান্তর করেন।
লিজগ্রহীতা (Lessee): যিনি সম্পত্তির অধিকার গ্রহণ করেন।
পূর্বপ্রদানমূল্য (Premium): লিজ বাবদ এককালীন প্রদত্ত মূল্য।
ভাড়া (Rent): অর্থ, ফসলের অংশ, সেবা বা অন্যান্য বস্তু যা নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রদান করতে হয়।
৯,৩৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৭ অনুযায়ী আদালত নিম্নের কোনটি করার ক্ষমতা রাখেন না?
  1. জমিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া
  2. নমুনা সংগ্রহের অনুমতি দেওয়া
  3. অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া
  4. পরিদর্শনের আদেশ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া।

আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি:
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত—
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
৯,৩৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান মোতাবেক পুলিশ কার বক্তব্য বা জবানবন্দি নিতে পারে?
  1. সাক্ষীর
  2. অভিযোগকারীর
  3. অপরাধের বিষয়ে জ্ঞান আছে এমন যে কোনো ব্যক্তির
  4. উপরের সকল কে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল কে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান মোতাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা অপরাধ তদন্তের সময় অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা এই বিষয়ে জ্ঞাত যে কোনো ব্যক্তির বক্তব্য রেকর্ড করতে পারে। অর্থাৎ সাক্ষী, অভিযুক্ত বা অভিযোগকারী সকলকেই জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ আছে এই ধারার অধীনে।
৯,৩৮৬.
আদেশ ৪১ বিধি-২৭(২) অনুযায়ী কোনটি বাধ্যতামূলক?
  1. সাক্ষীকে জেরা করা
  2. মামলার পুনঃতদন্ত করা
  3. উপস্থাপিত দলিলের তালিকা করা
  4. অতিরিক্ত প্রমাণ গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করা
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত প্রমাণ গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত প্রমাণ গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করা
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা
খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করার অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।

৯,৩৮৭.
'ক' ২০,০০,০০০ টাকার মূল্যমানের একটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা সহকারী জজ আদালতে দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্তটি নিতে পারে?
  1. আরজি প্রত্যাখান
  2. আরজি ফেরত
  3. আরজি সংশোধন
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
• এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে, আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য আরজি ফেরত পাঠাবে।

• যেহেতু মোকদ্দমাটির মূল্যমান ২০ লক্ষ টাকা, তাই তা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করা উচিত ছিল।কারণ সহকারি জজ আদালতের এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা। [The Civil Courts Act,1887]

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২.আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১ (ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
৯,৩৮৮.
২৮ লাখ টাকা মূল্যমানের বাড়ির মালিকানা নিয়ে যে বিরোধে আছে, তা নিষ্পত্তির জন্য কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. Court of Assistant Judge
  2. Court of Senior Assistant Judge
  3. Court of Joint District Judge
  4. Court of District Judge
সঠিক উত্তর:
Court of Joint District Judge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of Joint District Judge
ব্যাখ্যা
⇒ কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করবেন সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
i) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
ii) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
⇒ The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
- সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
- সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
- যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ ২৮ লাখ টাকা মূল্যমানের বাড়ির মালিকানা নিয়ে বিরোধ উক্ত মোকদ্দমা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দায়ের করবে।
 
আপিল সংক্রান্ত বিধান:
- যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge) এর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল—যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে যাবে।
- যদি ৫ কোটির বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে।
৯,৩৮৯.
সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর করাদণ্ড
  2. ২ বছর করাদণ্ড
  3. ৩ বছর করাদণ্ড
  4. ৫ বছর করাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর করাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর করাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান: ভুয়া সরকারী কর্মচারী বলিয়া পরিচয় দেওয়া:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম করাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code,1860: Section-170: Personating a public servant:
- Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৯,৩৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানীর যেকোন পর্যায়ে সাক্ষীকে তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৩৭
  2. ৫৪০
  3. ৫৪৩
  4. ৫৪৫
সঠিক উত্তর:
৫৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪০
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪০ মতে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্য ধারার কোন পর্যায়ে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী হিসাবে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবান বন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায় বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
৯,৩৯১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অধ্যায়ে 'বিচার বিভাগ' অন্তর্ভুক্ত?
  1. পঞ্চম অধ্যায়
  2. ষষ্ঠ অধ্যায়
  3. সপ্তম অধ্যায়
  4. অষ্টম অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
প্রথম অধ্যায়- প্রজাতন্ত্র (The Republic);
দ্বিতীয় অধ্যায়- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (Principles of State Policy);
তৃতীয় অধ্যায়- মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights);
চতুর্থ অধ্যায়- নির্বাহী বিভাগ (The Executive);
পঞ্চম অধ্যায়- আইনসভা (The Legislature);
ষষ্ঠ অধ্যায়- বিচার বিভাগ (The Judiciary);
সপ্তম অধ্যায়- নির্বাচন (Elections);
অষ্টম অধ্যায়- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (Comptroller and Auditor General);
নবম অধ্যায়- বাংলাদেশের কর্মবিভাগ (Public Service of Bangladesh);
নবম-ক ভাগ- জরুরী বিধানাবলী (Emergency Provisions);
দশম অধ্যায়- সংবিধানের সংশোধন (Amendment of the Constitution);
একাদশ অধ্যায়- বিবিধ (Miscellaneous).

৯,৩৯২.
নিচের কোনটি দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে
  2. ডিক্রিদারকে আদালতের বাইরে টাকা দিয়ে
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়
  4. দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
সঠিক উত্তর:
দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে 'দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে' ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে।
৯,৩৯৩.
আদালত কর্তৃক রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুরের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. আপত্তি দায়ের করা যায়
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান এবং মঞ্জুর বিরুদ্ধে প্রতিকার:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ (১) আদেশ অনুযায়ী বলা যায়, যে পক্ষ রিভিউ আবেদন করে, আদালত যদি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেয়, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। অর্থাৎ রিভিউ আবেদন মঞ্জুর একটি আপীলযোগ্য আদেশ।

কিন্তু আদেশ-৪৭ বিধি ৭(১) অনুসারে,
রিভিউ আবেদন না মঞ্জুরের বিরুদ্ধে আপিল বা আপত্তি দায়ের করা যায় না । যেহেতু রিভিউ আবেদন নামঞ্জুর করে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয় তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন করা যাবে। ৪৭ আদেশের ৭ (২) বিধির অধীনে রিভিউ আবেদনকারীর অনুপস্থিতি বা হাজির না হওয়ার কারণে আদালত রিভিউ আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। উক্ত ৪৭ আদেশের ৭ (২) বিধির অধীনে রিভিউটি পুনঃবহালের আবেদন করা যেতে পারে।
৯,৩৯৪.
Section 4(k) of The Code of Criminal Procedure,1898 defines-
  1. Charge
  2. Inquiry
  3. Investigation
  4. Complaint
সঠিক উত্তর:
Inquiry
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inquiry
ব্যাখ্যা
• Section 4(k) of The Code of Criminal Procedure,1898:
"inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.

ফৌজদারি প্রক্রিয়ায়, "বিচার" ব্যতীত অন্যান্য কাজগুলি ইনকোয়ারি বা তদন্তের অন্তর্ভুক্ত হয়। "বিচার" হল আদালতের মূল কার্যক্রম যেখানে বিচারক সরাসরি জড়িত থাকেন এবং পক্ষদ্বয়ের যুক্তি শুনে ও প্রমাণ বিচার করে রায় দেন।

⇒ Other Options:
Section 4(c)- "charge" includes any head of charge when the charge contains more heads than one.

Section 4(H)- "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer.

Section 4(L)- "investigation" includes all the proceedings under this Code for the Collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by Magistrate in this behalf.
৯,৩৯৫.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে –
  1. হাইকোর্ট বিচারক
  2. আপীল বিভাগের বিচারক
  3. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
  4. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের যে কোন একজন
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী তিন জন সদস্য নিয়ে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে। ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ, সেই বার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে।
৯,৩৯৬.
আইনে যদি কোনো দলিল প্রত্যয়ন করার বিধান থাকে, তবে উহা প্রমাণে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসরণ করতে হবে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৬৯ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭০ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ (Proof of execution of document required by law to be attested):

⇒  যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

⇒  রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
৯,৩৯৭.
'BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363)' মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা সংশ্লিষ্ট?
  1. ৪৪ ধারা
  2. ৫০ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:

পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
৯,৩৯৮.
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্র সম্পর্কে The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৫৩
  2. ৫৪
  3. ৫৫
  4. ৫৬
সঠিক উত্তর:
৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬
ব্যাখ্যা
♦ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্র সম্পর্কে The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৬ ধারায় বলা হয়েছে।
৫৬ ধারামতে আদালত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
= নিম্নেবর্ণিত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না-
১. বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য ২. অধীনস্থ আদালত ছাড়া অন্য কোন আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;
৩. কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য।
৪. সরকারের কোন বিভাগের সরকারি কর্তব্যে বা বিদেশী সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য।
৫. কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য ।
৬. যে চুক্তির কার্য সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যায় না এমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্য।
৭. উৎপাত নয় এমন কাজ নিরোধ করার জন্য ।
৮. এমন একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য যেটাতে বাদী মৌন সম্মতি প্রাদান করেছে।
৯. ট্রাস্ট ভঙ্গের মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোন সাধারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমপরিমাণ যথার্থ প্রতিকার নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারী বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন যে, যা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে।
১১. যেখানে আবেদনকারীর মামলার বিষয়বস্তুতে কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
৯,৩৯৯.
সাধারনত কোন ধরনের হিন্দু ব্যক্তিদের উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে?
  1. হত্যাকারী
  2. অসতী বিবাহিত স্ত্রীলোক
  3. সন্ন্যাসী
  4. উল্লিখিত সকল ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে কিছু লোককে উত্তরাধিকার হিসেবে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে-

প্রথমত, ধর্মচ্যুত হলেও অর্থাৎ কেউ হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করলে, তাকে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা হবে।

দ্বিতীয়ত, অসতী স্ত্রী অর্থাৎ যদি কোন বিবাহিত স্ত্রীলোক অসতী হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীলোকটি উত্তরাধিকার সূত্রে কোন সম্পত্তি পাবে না।

তৃতীয়ত, যার কাছ থেকে সম্পত্তি পাবে তাকেই যদি হত্যা করা হয় সেক্ষেত্রে তার কাছ থেকে উত্তরাধিকার হিসেবে কোন সম্পত্তি পাবে না।

চতুর্থত, প্রতিবন্ধীদেরকে সাধারণত সম্পত্তি দেওয়া হয় না। যেমন, অন্ধ, বধির, মূক, পুরুষত্বহীন, অঙ্গহীন, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, দুরারোগ্য ব্যক্তিদেরকে উত্তরাধিকার হিসেবে সম্পত্তি দেয়া হয় না, কেননা তাদেরকে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে উত্তরাধিকার হিসেবে গণ্য করা হয় না। যার ফলে তারা উত্তরাধিকার হিসেবে কোন সম্পত্তি পায় না।

পঞ্চমত, সন্ন্যাসীরা যেহেতু সংসার ছাড়া হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে সন্ন্যাসীদেরকেও হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে সম্পত্তি দেওয়া হয় না।
৯,৪০০.
কোন পরিস্থিতিতে স্বীকৃতির ফলে নতুন তামাদির মেয়াদ গণনা করা হবে?
  1. যখন আদালত আদেশ দেয়
  2. যখন সম্পত্তির মালিক চুক্তি ভঙ্গ করে
  3. যখন লিখিতভাবে দায় স্বীকার করা হয়
  4. যখন অন্য কোন ব্যক্তি মামলা দায়ের করে
সঠিক উত্তর:
যখন লিখিতভাবে দায় স্বীকার করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন লিখিতভাবে দায় স্বীকার করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারার বিধান লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল:
(১) যেহেতু, কোনো সম্পত্তি বা অধিকার সংক্রান্ত মামলা বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে, যেই পক্ষের বিরুদ্ধে উক্ত সম্পত্তি বা অধিকার দাবি করা হচ্ছে, সেই পক্ষের দ্বারা লিখিতভাবে দায় স্বীকার করা হয়েছে, অথবা যার মাধ্যমে তিনি অধিকার বা দায় প্রাপ্ত হয়েছেন, সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি স্বীকৃতি হলে, তাহলে স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করা হবে।

(২) যদি স্বীকৃতির লিখিত নথিতে তারিখ উল্লেখ না থাকে, তবে এটি স্বাক্ষর করার সময় সম্পর্কিত মৌখিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে; কিন্তু, ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের বিধানের সাপেক্ষে, এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে না।

ব্যাখ্যা I - এই ধারার উদ্দেশ্যে, একটি স্বীকৃতি যথেষ্ট হতে পারে যদিও এটি সম্পত্তি বা অধিকারটির সঠিক প্রকৃতি উল্লেখ না করে, অথবা দাবি করে যে অর্থ প্রদান, বিতরণ, সম্পাদন বা উপভোগের সময় এখনও আসেনি, অথবা এটি অর্থ প্রদান, বিতরণ, সম্পাদন বা উপভোগ করতে অস্বীকৃতি জানায়, অথবা এটি শোধবাদের দাবি সহিত জড়িত থাকে, অথবা এটি ওই ব্যক্তির উদ্দেশ্যে লেখা হয় যে সম্পত্তি বা অধিকার পাওয়ার অধিকারী নয়।

ব্যাখ্যা II - এই ধারার উদ্দেশ্যে, "স্বাক্ষরিত" শব্দের অর্থ হলো ব্যক্তিগতভাবে অথবা এই ক্ষেত্রে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট দ্বারা স্বাক্ষরিত।

ব্যাখ্যা III - এই ধারার উদ্দেশ্যে, ডিক্রী বা আদেশ কার্যকর করার জন্য আবেদন করা একটি অধিকার সম্পর্কিত আবেদন হিসেবে গণ্য হবে।
----------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-19.Effect of acknowledgement in writing: 
 (1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed. 
 
(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received. 
 
Explanation I - For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time 
 
for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right. 
 
Explanation II - For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf. 
 
Explanation III - For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.