বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৯২ / ১৫৫ · ৯,১০১৯,২০০ / ১৫,৪৭০

৯,১০১.
বিশেষ আইনের অধীন কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে তামাদি আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৪
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ৯-১৮
  4. উল্লিখিত সকল ধারা
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ধারা
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন

বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
৯,১০২.
লিখিত জবাব দাখিলের পূর্বেই যে দরখাস্ত করা উচিৎ ছিল সে দরখাস্তটি যদি লিখিত জবাব দাখিলের পর করা হয়, তাহলে আদালত উক্ত পক্ষকে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫খ ধারায় বিলম্বের জন্য খরচ প্রদানের বিধান রয়েছে। মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন পক্ষ কোন দরখাস্ত বা আবেদন অথবা লিখিত আপত্তি দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ ২০০০ (দুই হাজার) টাকা খরচের আদেশ দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের পূর্বেই যে দরখাস্ত করা উচিৎ ছিল সে দরখাস্তটি যদি লিখিত জবাব দাখিলের পর করা হয়, তাহলে আদালত অপর পক্ষকে অনধিক ৩০০০ (তিন হাজার) টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা-৩৫খ:
১) কোন মোকদ্দমা বা কার্যপ্রক্রিয়ার যে কোন স্তরে আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত কিংবা লিখিতভাবে কোন আপত্তি যদি পেশ করা না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত উক্ত পক্ষ অন্য পক্ষকে খরচা প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা লিখিত আপত্তি শুনানির নিমিত্তে গ্রহণকৃত হবে না।

২) লিখিত জবাব পেশের পর মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি এমন কোন বিষয়ে দরখাস্ত পেশ করেন, যা আদালতের মতানুযায়ী পূর্বেই পেশ করতে পারতেন বা পেশ করা সমীচীন ছিল এবং তাতে মূল মোকদ্দমার কার্যক্রমে দেরী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তদকারণে আদালত দরখাস্ত নিবে কিন্তু তা শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে না, যদি না ঐ পক্ষ আদালত যেরূপে নির্দিষ্ট এবং নির্দেশ করবে এবং সেরূপে অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচা দিবে এবং উক্ত খরচা দিতে না পারলে দরখাস্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908- Section 35B:
1) If at any stage of a suit or proceeding an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka

2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which in the opinion of the Court could and ought to have been made earlier and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit but shall not hear and dispose of the application without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.
৯,১০৩.
The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা কোন অবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. উন্মাদনা
  2. নাবালকতা
  3. জড়বুদ্ধিতা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা অনুসারে, তামাদির মেয়াদ গণনার সময় যদি কোনো ব্যক্তি নাবালক (অপ্রাপ্তবয়স্ক), উন্মাদ (মানসিকভাবে অসুস্থ), বা জড়বুদ্ধি (মন্দবুদ্ধি বা মানসিক অক্ষমতা) অবস্থায় থাকে, তাহলে এই অপারগতার কারণে তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকে। অপারগতা অবসানের পর (যেমন নাবালক প্রাপ্তবয়স্ক হলে, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি ব্যক্তি সুস্থ হলে), সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার আইনানুগ প্রতিনিধি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের বা ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করতে পারবে।

- এই ধারাটি নাবালকতা, উন্মাদনা এবং জড়বুদ্ধিতা—এই তিনটি অবস্থার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) উপরের সবগুলো।
৯,১০৪.
অভিযুক্ত মানসিকভাবে অসুস্থ এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপারগ হলে, আদালত কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. জামিনযোগ্য মামলায় খালাস দিতে পারে
  2. জামিনঅযোগ্য বা জামিনযোগ্য মামলায় অব্যাহতি দিতে পারে
  3. জামিনযোগ্য মামলায় অব্যাহতি দিতে পারে
  4. জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য উভয় ধরনের মামলার ক্ষেত্রে মুক্তি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য উভয় ধরনের মামলার ক্ষেত্রে মুক্তি দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য উভয় ধরনের মামলার ক্ষেত্রে মুক্তি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৬ অনুসারে-
অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক অসুস্থ ও আত্মপক্ষ সমর্থনে অপারগ হলে তিনি জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য মামলার ক্ষেত্রেও পর্যাপ্ত জামানত প্রদান সাপেক্ষে মুক্তি পাবেন। যেক্ষেত্রে উন্মাদকে জামিন প্রদান করা যায় না, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত তাকে নিরাপদ হেফাজতে আটক রাখার নির্দেশ দিবেন।

Section 466: Release of lunatic pending investigation or trial
(1) Whenever an accused person is found to be of unsound mind and incapable of making his defence, the Magistrate or Court, as the case may be, whether the case is one on which bail may be taken or not, may release him on sufficient security being given that he shall be properly taken care of and shall be prevented from doing injury to himself or to any other person, and for his appearance when required before the Magistrate or Court or such officer as the Magistrate or Court appoints in this behalf. 
 
(2) If the case is one in which, in the opinion of the Magistrate or Court, bail should not be taken, or if sufficient security is not given, the Magistrate or Court, as the case may be, shall order the accused to be detained in safe custody in such place and manner as he or it may think fit, and shall report the action taken to the Government:
৯,১০৫.
'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। এখানে-
  1. 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
  2. আদালতকে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
  3. 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
  4. পুলিশকে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
 সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে,
একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।

যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।
৯,১০৬.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্তকার্য সম্পন্ন করার বিধানটি-
  1. নির্দেশনামূলক
  2. বিচার-বিবেচনামূলক
  3. বাধ্যতামূলক
  4. নিষেধাজ্ঞামূলক
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৬৭ অনুযায়ী- পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় হচ্ছে ১২০ দিন। ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারলে ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য সকল অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন এবং দায়রা আদালত মৃত্যুদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধসহ সকল ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন।

♦উল্লেখ্য ফৌজদারী কার্যবিধির এ বিধানটি আদালতের প্রতি নির্দেশনামূলক, বাধ্যতামূলক নয়
৯,১০৭.
If a lawyer asks an indecent question that does not relate to the facts in issue, the court:
  1. Must allow the question since it is part of cross-examination
  2. Should let the witness decide whether to answer
  3. May forbid the question under Section 151
  4. Must remove the lawyer from the case
সঠিক উত্তর:
May forbid the question under Section 151
উত্তর
সঠিক উত্তর:
May forbid the question under Section 151
ব্যাখ্যা
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন, প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
৯,১০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার সময় কী রেকর্ড করতে হবে?
  1. তদন্ত প্রতিবেদন
  2. অব্যাহতির কারণ
  3. ফরিয়াদির জবানবন্দি
  4. অভিযুক্তের জবানবন্দি
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতির কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতির কারণ
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: খ) অব্যাহতির কারণ।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে তিনি চার্জ গঠনের আগে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন। তবে, এই আদেশ দেওয়ার সময় ম্যাজিস্ট্রেটকে অব্যাহতির কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে।
- ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথিপত্র ও দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন।
- আদালত তদন্ত প্রতিবেদন, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও অন্যান্য তথ্য বিবেচনায় নিয়ে যদি দেখেন যে অভিযোগ ভিত্তিহীন, তখন অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
- এক্ষেত্রে অব্যাহতির কারণ লিখিত আকারে রেকর্ড করতে হয়।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো আসামিকে অব্যাহতি দেন, তাহলে তাকে অব্যাহতির কারণ স্পষ্টভাবে রেকর্ড করতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.
৯,১০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩০ ধারা অনুযায়ী, আদালত কোনটি আদেশ দিতে পারে না?
  1. জিজ্ঞাসাবাদের উত্তর দানের জন্য
  2. দলিলাদি প্রদান ও পরিদর্শনের জন্য
  3. কোনো তথ্যকে হলফনামা মাধ্যমে প্রমাণ করার জন্য
  4. মামলার বিচারকার্য অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখার জন্য
সঠিক উত্তর:
মামলার বিচারকার্য অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার বিচারকার্য অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখার জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩০ আদালতকে "উদঘাটন ও অনুরূপ বিষয়ের আদেশ দানের ক্ষমতা" (Power to order discovery and the like) প্রদান করেছে। এই ধারা অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত আদেশ দিতে পারে:
(ক) জিজ্ঞাসাবাদের (interrogatories) উত্তর দানের জন্য।
(খ) দলিলাদি প্রদান ও পরিদর্শনের জন্য।
(গ) কোনো তথ্যকে হলফনামা (affidavit) মাধ্যমে প্রমাণ করার জন্য।
তবে মামলার বিচারকার্য অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখার জন্য আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা ধারা ৩০-এর অধীন দেওয়া হয়নি।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৩০: উদঘাটন ও অনুরূপ বিষয়ের আদেশ দানের ক্ষমতা:
- নির্ধারণ শর্ত এবং সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে আদালতে যে কোন সময় স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অথবা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে-
ক) প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান, দলিল ও তথ্যাবলীর স্বীকৃতি, এবং উদ্ঘাটন, পরিদর্শন, দাখিল, দলিল অন্তরীণ বা প্রত্যর্পণ অথবা সাক্ষ্য হিসাবে দাখিলযোগ্য অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী সম্পর্কিত সকল বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও যুক্তিপূর্ণ হতে পারে এরূপ আদেশ প্রদান করতে পারেন;
খ) সাক্ষ্যদান, অথবা দলিল দাখিল অথবা উপরোক্ত অন্য উদ্দেশ্যে যাদের হাজির হওয়ার প্রয়োজন, তাদের প্রতি সমন প্রেরণ করতে পারেন;
গ) কোন তথ্য এফিডেভিট (শপথ পত্র) দ্বারা প্রমাণের আদেশ করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-30: Power to order discovery and the like:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, at any time, either of its own motion or on the application of any party,-
a) make such orders as may be necessary or reasonable in all matters relating to the delivery and answering of interrogatories, the admission of documents and facts, and the discovery, inspection, production, impounding and return of documents or other material objects producible as evidence;
b) issue summonses to persons whose attendance is required either to give evidence or to produce documents or such other objects as aforesaid;
c) order any fact to be proved by affidavit.

৯,১১০.
একটি দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়া হলে এবং তা দাখিল না করা হলে, তবে সেই দলিল কিভাবে আদালতে দাখিল করা যাবে?
  1. দাখিল করা যাবে না
  2. শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়ে
  3. শুধুমাত্র অপর পক্ষের অনুমতি নিয়ে
  4. অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না। অর্থাৎ, অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।

Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.
৯,১১১.
The Evidence Act, 1872 এর ৬০ ধারা অনুযায়ী Oral evidence must be _______
  1. direct
  2. indirect
  3. Circumstantial
  4. সবগুলো হতে পারবে।
সঠিক উত্তর:
direct
উত্তর
সঠিক উত্তর:
direct
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে [Oral evidence must be direct]। অর্থাৎ যে বিষয় দেখা যায়, সেই বিষয়ে কোন সাক্ষ্য দিতে হলে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারবে যে বিষয়টি দেখেছে বলে দাবি করে।
৯,১১২.
যদি তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার সময় শেষ হয়, তবে মামলাটি কবে দায়ের করা যাবে?
  1. যেকোনো তারিখে
  2. আদালত পুনরায় খোলার দিন
  3. তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৭ দিনের মধ্যে
  4. তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
আদালত পুনরায় খোলার দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত পুনরায় খোলার দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়:
যেইক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয় সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।
৯,১১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারায় মামলা বা আপিল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত কে নিতে পারে?
  1. দায়রা আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারার বিধান:- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারি আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তরিত আপিল, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলত সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল আপিল করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।

৯,১১৪.
'Qui prior est tempore est jure'- সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় এই নীতির প্রতিফলন হয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ৪৮ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Qui priorest tempore priorest jure
অর্থ- He who is prior in time is better in law- সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী হবেন আইনের দিক হতে তিনিই সুবিধা পাবেন।
- ১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৮ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়।
- এ ধারাটি Doctrine of Priority (অগ্রাধিকার নীতি) ধারা নামে পরিচিত।

ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার:
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

Section 48: Priority of rights created by transfer-
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created.
৯,১১৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির হতে পারে-
  1. শুধুমাত্র ব্যক্তিগতভাবে
  2. শুধুমাত্র আইনজীবীর মাধ্যমে
  3. শুধুমাত্র স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে
  4. ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩ বিধি ১ (উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে)-
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।

Order 3 Rule 1: Appearances, etc. may be in person, by recognized agent or by pleader-
Any appearance, application or act in or to any Court, required or authorised by law to be made or done by a party in such Court, may, except where otherwise expressly provided by any law for the time being in force, be made or done by the party in person, or by his recognized agent, or by a pleader appearing, applying or acting, as the case may be, on his behalf:
Provided that any such appearance shall, if the Court so directs, be made by the in person.
৯,১১৬.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৬ অনুযায়ী মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি পক্ষভুক্ত করার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৯০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. যে কোন সময়ে
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
♠ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৬ অনুযায়ী মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি পক্ষভুক্ত করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন
৯,১১৭.
দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে কারাদণ্ড ভোগের সময় আসামি মারা গেলে তার আরোপিত অর্থদণ্ডের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
  1. সরকারের কোষাগার থেকে পরিশোধিত হবে
  2. আসামির অর্থদণ্ডের অর্ধেক আদায় করা হবে
  3. আসামির সম্পত্তি থেকে অর্থদণ্ড আদায় করা হবে
  4. আসামির মৃত্যুর কারণে অর্থদণ্ড মওকুফ হবে
সঠিক উত্তর:
আসামির সম্পত্তি থেকে অর্থদণ্ড আদায় করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামির সম্পত্তি থেকে অর্থদণ্ড আদায় করা হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে।
অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান-অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য:
- মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়,
- তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে;
- অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
--------
- The penal code section-70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.

৯,১১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় নালিশ খারিজ করার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নের কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন?
  1. ২০২ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট
  2. ফরিয়াদী কর্তৃক শপথপূর্বক প্রদত্ত বিবৃত্তি (যদি থাকে)
  3. ২০২ ধারার অধীন অনুসন্ধান রিপোর্ট
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজ করে দিতে পারেন। যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হয়েছিল বা যার নিকট নালিশটি বদলি করা হয়েছিল, শুধুমাত্র সেই ম্যাজিস্ট্রেট ২০৩ ধারায় নালিশ খারিজ করতে পারেন।

নালিশ খারিজ করতে ম্যাজিস্ট্রেট যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-

ক) ২০০ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য (যদি থাকে) এবং
খ) ২০২ ধারার অধীন তদন্ত বা অনুসন্ধানের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করবে।

• নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য (যদি থাকে) এবং ২০২ ধারার অধীন তদন্ত বা অনুসন্ধানের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করার পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করে যে, মামলা পরিচালনা বা অগ্রসর হওয়ার কোন কারণ নেই তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজ করতে পারে। ২০০ ধারায় নালিশ খারিজ বলতে অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি বা খালাস বোঝায় না।

• প্রতিকার :
- ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজের আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। যেক্ষেত্রে ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ খারিজ করে, সেই ক্ষেত্রে দায়রা জজ বা হাইকোর্ট বিভাগ ৪৩৬ এবং ৪০৯ ধারায় অধিকতর অনুসন্ধানের [further inquiry] নির্দেশ দিতে পারে।

 - ২০৩ বা ২০৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজ করলেও একই বিষয়ে নতুন অভিযোগ দায়ের করা যাবে। এই ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার দোবারা সাজার (double jeoparty) নীতি প্রযোজ্য হবে না।
৯,১১৯.
'An Advocate shall not represent conflicting interests.' এটি _________ এর প্রতি একজন আইনজীবীর আচরণ সম্পর্কিত নীতি।
  1. আদালত
  2. অন্যান্য আইনজীবী
  3. সাধারণ জনগণ
  4. মক্কেল
সঠিক উত্তর:
মক্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেল
ব্যাখ্যা
♦ BBC chapter 2 (4) এর বিধান মতে একজন আইনজীবী পরস্পর বিরোধী কোন ব্যাপারে কোন মক্কেলের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেনা।
৯,১২০.
৯ বছরের নিচের শিশুকে কোন পরিস্থিতিতে গ্রেফতার করা যাবে?
  1. গুরুতর অপরাধে
  2. আদালতের আদেশে
  3. অভিভাবকের অনুমতিতে
  4. কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা যাবে না
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৪৪: গ্রেফতার, ইত্যাদি:
(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না। 
 
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না। 
 
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্ত্ত, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন : 
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন: 
 তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে। 
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে : 
 তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
৯,১২১.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর বিধান অনুযায়ী, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কে নিয়োগ দেন?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. জাতীয় পরিচালনা বোর্ড 
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, "সংস্থার একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবেন এবং তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন৷"
- অর্থাৎ, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্বাহী পরিচালককে নিয়োগ দেন সরকার। ধারা ২১(৪) এ আরও উল্লেখ আছে যে নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত চেয়ারম্যান কর্তৃক একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনের জন্য মনোনীত করা যায়, কিন্তু নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হচ্ছে সরকার।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১- নির্বাহী পরিচালক:
(১) সংস্থার একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবেন এবং তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন৷
(২) নির্বাহী পরিচালক, সংস্থার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন এবং বোর্ডের নির্দেশ মোতাবেক সংস্থার কার্য সম্পাদন করিবেন।
(৩) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্য হইতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কর্মকর্তা নির্বাহী পরিচালক]রূপে কাজ করিবেন৷
(৫) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় উহার বিদ্যমান কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্য হইতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কার্য সম্পাদনে 52[নির্বাহী পরিচালক]কে সহায়তা প্রদান করিবে।

৯,১২২.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে ভূমি থেকে উচ্ছেদ বিষয়ে মামলা করা যাবে না?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৯ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি সরকারের বিরুদ্ধে স্থাবর সম্পত্তি (immovable property) থেকে উচ্ছেদ বা দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারবে না। এই ধারাটি সরকারের বিরুদ্ধে দখল সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৯ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, "No suit under this section shall be brought against the Government." অর্থাৎ, এই ধারার অধীনে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
-আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৯,১২৩.
'ক', 'খ'-কে বিয়ে করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়; উক্ত চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
  4. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
যথা- 
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব। 
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল ; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে  সম্পাদন করা যায় না। 
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য। 
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত। 
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত। 
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা। 
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়। 
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে। 
 
উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক', 'খ'-কে বিয়ে করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়; উক্ত চুক্তিটি-সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
 
-যেহেতু  চুক্তিটি ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। 
-------------------
SR Act: Section-21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৯,১২৪.
দণ্ডবিধির ২৩২ ধারা অনুযায়ী, বাংলাদেশ coin জাল করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. শুধু জরিমানা
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩২ ধারা বলছে:
"যে ব্যক্তি বাংলাদেশ coin জাল করে, বা জাল করার প্রক্রিয়ার কোনো অংশ জেনে-বুঝে সম্পাদন করে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা দেওয়া যেতে পারে।"
- অর্থাৎ এই অপরাধটি অত্যন্ত গুরুতর বলে বিবেচিত হয়, কারণ এটি রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তাই সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে "যাবজ্জীবন কারাদণ্ড" নির্ধারিত আছে। 
------ 
⇒The Penal Code, 1860-Section- 232. Counterfeiting Bangladesh coin:
Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting Bangladesh coin, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৯,১২৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ অফিসারের নিকট করা স্বীকারোক্তি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫ (Section 25) অনুযায়ী, “কোনো পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো ব্যক্তি যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।”
- এ ধারা প্রণয়ন করা হয়েছে যেন পুলিশ জোর বা নির্যাতনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় করতে না পারে। এর ফলে আসামিকে দেওয়া স্বীকারোক্তি স্বতঃস্ফূর্ত ও বিশ্বাসযোগ্য না হলে তা আদালতে গ্রহণযোগ্য হয় না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো আসামী যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এই ধারা বাস্তবিকভাবে পুলিশকে সন্ত্রাস বা চাপের মাধ্যমে আসামীর স্বীকারোক্তি নেয়ার প্রচেষ্টা থেকে বিরত রাখে। এর উদ্দেশ্য হলো আসামীর উপর অযাচিত চাপ না দেওয়া এবং স্বীকারোক্তি সঠিক ও স্বতঃস্ফূর্ত হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা।
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.
৯,১২৬.
তামাদি আইনের বিধান অনুযায়ী, 'ক' তার বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৪৮ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮:
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা;
তামাদি- ৬০ বৎসর;
তামাদি শুরু - যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয়।

৯,১২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৭ ধারা অনুসারে, যদি কেউ প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করে, তাহলে—
  1. মামলাটি পুনরায় বিচার করা হবে
  2. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে
  3. উচ্চ আদালতে রিভিউ আবেদন করা যাবে
  4. প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৭ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, যদি কোনো পক্ষ প্রাথমিক ডিক্রির (preliminary decree) বিরুদ্ধে আপিল না করে, তাহলে সে পরবর্তীতে চূড়ান্ত ডিক্রির (final decree) আপিলে সেই প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবে না। অর্থাৎ, প্রাথমিক ডিক্রি চূড়ান্ত ডিক্রির ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে এবং আপিলের সময় সেটিকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

উদাহরণ:
ধরা যাক, একটি মামলায় আদালত সম্পত্তির বিভাজন (partition) সংক্রান্ত প্রাথমিক ডিক্রি প্রদান করেছে, যেখানে নির্ধারণ করা হয়েছে যে কে কত অংশ পাবে। এই ডিক্রির বিরুদ্ধে যদি কোনো পক্ষ আপিল না করে, তাহলে পরবর্তী চূড়ান্ত ডিক্রিতে (যেখানে বিভাজন কার্যকর করা হবে) সেই পক্ষ আর দাবি করতে পারবে না যে প্রাথমিক ডিক্রি ভুল ছিল।

অর্থাৎ ধারা ৯৭ মূলত প্রাথমিক ও চূড়ান্ত ডিক্রির পার্থক্য এবং আপিলের সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করে। এটি নিশ্চিত করে যে, প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে সেটি নিয়ে বিতর্ক করা যাবে না। 

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-97. Appeal from final decree where no appeal from preliminary decree.
Where any party aggrieved by a preliminary decree passed after the commencement of this Code does not appeal from such decree, he shall be precluded from disputing its correctness in any appeal which may be preferred from the final decree.
৯,১২৮.
নিম্নের কোন বিষয় সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট হবে?
  1. সম্পত্তির সহ-মালিকের বক্তব্য
  2. সম্পত্তির পূর্ববর্তী দখলের স্থায়ী অধিকার
  3. সম্পত্তির পূর্ববর্তী দখলের অধিকারী ব্যক্তির বক্তব্য
  4. সম্পত্তির বর্তমান দখলের অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকার
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকার
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৯,১২৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় মৃত্যুকালীন ঘোষনাকে (Dying Declaration) প্রাসঙ্গিক বলা হয়েছে?
  1. ৩২ (১)
  2. ৩২ (২)
  3. ৩২ (৩)
  4. ৩২ (৪)
সঠিক উত্তর:
৩২ (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ (১)
ব্যাখ্যা
• মৃত্যুকালীন ঘোষনা (Dying Declaration) হলো কোন ব্যক্তি কর্তৃক মৃত্যুর পূর্বে নিজ মৃত্যুর কারন সম্পর্কে এমন মৌখিক/লিখিত বিবৃতি যার ফলে তার মৃত্য হয়েছে।
• এটি সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার ব্যতিক্রম এবং উক্ত বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হতে হলে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু হতে হবে।
৯,১৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. পুলিশি তদন্ত পরিচালনা
  2. অভিযুক্তের জামিন বাতিল করা
  3. পলাতক আসামিকে সাজা দেওয়া
  4. পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১২ মূলত এমন একটি পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য যেখানে আসামি পলাতক, এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই। এই পরিস্থিতিতে, মামলার বিচারক আসামির অনুপস্থিতিতেই বাদীপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করে তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন। এই জবানবন্দি পরবর্তীকালে আসামি ধরা পড়লে বা বিচারে উপস্থাপন করলে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, যদি সাক্ষী মারা যান, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হন, অথবা বাংলাদেশের বাইরে চলে যান এবং সাক্ষ্য গ্রহণে অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হয়।
- অর্থাৎ, এই ধারার প্রধান লক্ষ্য হলো পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য সংরক্ষণ করে ভবিষ্যতের বিচারে সহায়তা করা।
- এটি আসামির বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে, যাতে প্রমাণ নষ্ট না হয় এবং সাক্ষীর মৃত্যু বা অনুপস্থিতির কারণে বিচার প্রভাবিত না হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামি পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারি বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে ।
(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারি করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দি পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown:-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.
৯,১৩১.
দায়রা আদালত আসামীকে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ________ ধারায় অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন।
  1. 241A
  2. 265D
  3. 265C
  4. 241
সঠিক উত্তর:
265C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
265C
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
 
• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
৯,১৩২.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী বলপ্রয়োগের উপায় কতটি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা-এ বলপ্রয়োগের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং বলপ্রয়োগের উপায় তিনটি উল্লেখ করা হয়েছে:
১. প্রথমত: নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
২. দ্বিতীয়ত: কোনো বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির কোনো কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
৩. তৃতীয়ত: কোনো পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ৩টি।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোনো একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
------
The Penal Code,1860: Section 349: Force:
-A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling: Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly, By his own bodily power.
Secondly, By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly, By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.

৯,১৩৩.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভূক্তির পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন এর মেয়াদ হবে-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ৫ বছর।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬০(৩):
(i) কোনো আইনজীবী বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতিরেকে একসাথে চারজনের বেশি শিক্ষানবিশ নিতে পারবেন না।

(ii) আইনজীবী ও শিক্ষানবিশের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি থাকতে হবে, যা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে সম্পাদিত হবে। এই চুক্তি সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট তা দাখিল করতে হবে, সেই সঙ্গে শিক্ষানবিশ কর্তৃক শপথপত্র দাখিল করতে হবে যাতে সে উক্ত চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে। যদি তা না করা হয়, তবে পিউপিলেজ চুক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

[চুক্তির সঙ্গে ৮০০ টাকা নিবন্ধন ফি, আইন ডিগ্রির সত্যায়িত কপি এবং বার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন ফরম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (যেমন: পিউপিলেজ রেজিস্ট্রেশন ফরম, লিখিত পরীক্ষার ফরম [ফরম-A], পুনরায় অংশগ্রহণের আবেদনপত্র ইত্যাদি) দাখিল করতে হবে, যেগুলো বার কাউন্সিল অফিস থেকে নির্ধারিত ফি দিয়ে সংগ্রহ করতে হবে।]

(iii) পিউপিলেজ শুরু হবে চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে, তবে কেবল সেই সময় হিসেব করা হবে যখন আইনজীবী প্রকৃতপক্ষে বার-এ প্র্যাকটিস করছিলেন।
শর্তসাপেক্ষে, একজন শিক্ষানবিশ একাধিক আইনজীবীর কাছে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন মোট ছয় মাসের জন্য, যা যথাসম্ভব ধারাবাহিকভাবে হতে হবে।

(iv) যদি কোনো আইনজীবী উক্ত উপনিয়ম অনুযায়ী চুক্তিতে মিথ্যা তথ্য দেন বা উপ-নিয়ম (২)-এর অধীনে মিথ্যা সার্টিফিকেট দেন, তবে তিনি পেশাগত অসদাচরণে (Professional Misconduct) দোষী হবেন।

(v) যদি কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে তার অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেন, তবে তিনি ৫ (পাঁচ) বছরের জন্য তালিকাভুক্তি থেকে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

[(vi) হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য এবং অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। যদি প্রার্থী রেজিস্ট্রেশনের ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারেন, তবে তার রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।]

(vii) অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ও হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য বার কাউন্সিল কর্তৃক এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষা সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত হবে, যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ।
৯,১৩৪.
দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিপূরণ দেবার নির্দেশ দিলে ক্ষতিপূরণটি কে দেবেন?
  1.  যার পক্ষে দলিল বাতিল মঞ্জুর করা হয়েছে
  2. যার পক্ষে দলিল বাতিল মঞ্জুর করা হয়েছে তার প্রতিপক্ষ
  3. দলিলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো পক্ষ
  4. দলিল জালিয়াতিকারী পক্ষ
সঠিক উত্তর:
 যার পক্ষে দলিল বাতিল মঞ্জুর করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 যার পক্ষে দলিল বাতিল মঞ্জুর করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪১- যে পক্ষের জন্য দলিল বাতিল করা হইয়াছে সেই পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশদানের ক্ষমতা: 
দলিল বাতিলের রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে এইরূপ প্রতিকার প্রদান করিয়াছে, সেই পক্ষকে ন্যায়বিচারের স্বার্থে অপরপক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ প্রদান করিতে পারবে।

৯,১৩৫.
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ___________ নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
  1. অস্থায়ী
  2. চিরস্থায়ী
  3. বাধ্যতামূলক
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

⇒ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
৯,১৩৬.
দণ্ডবিধিতে কয় ধরনের আঘাতকে গুরুতর আঘাত (Grievous hurt) বলা হয়েছে?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৯,১৩৭.
'ক' তাহার প্রতিবেশীর স্ত্রী 'খ' এর ঘরে অন্ধকারে প্রবেশ করে এবং নিজে 'খ'-এর স্বামীর কণ্ঠ ধারণ করে ও 'খ'-এর সাথে যৌনসহবাস করে। 'ক' জানিত যে, 'খ' তাহাকে স্বামী ভাবিয়া ভুল করিয়া যৌনসহবাসে সম্মতি দিয়াছে। এইক্ষেত্রে 'ক' কি অপরাধ করিয়াছে?
  1. ব্যভিচার
  2. ধর্ষণ
  3. যৌন সহবাস
  4. সম্মতিতে যৌন সহবাস
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারার বিধান ধর্ষণ (Rape):- কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত:- স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।
তৃতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।
চতুর্থত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে।
পঞ্চমত:- স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা:-
ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম
:- কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
---------------
Rape
Section 375. A man is said to commit "rape" who except in the case hereinafter excepted, has sexual intercourse with a woman under circumstances falling under any of the five following descriptions: 
Firstly. Against her will. 
Secondly. Without her consent. 
Thirdly. With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt. 
Fourthly. With her consent, when the man knows that he is not her husband, and that her consent is given because she believes that he is another man to whom she is or believes herself to be lawfully married. 
Fifthly. With or without her consent, when she is under fourteen years of age. 
 
Explanation. Penetration is sufficient to constitute the sexual intercourse necessary to the offence of rape. 
Exception. Sexual intercourse by a man with his own wife, the wife not being under thirteen years of age, is not rape.
৯,১৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় অপরাধজনক অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩ ধারায় আটককারী অফিসারকে অপরাধজনক অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
 
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৩ ধারা: আপত্তিকর অস্ত্রশস্ত্র আটক করার ক্ষমতা-
এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে আটককারী অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি আটককৃত ব্যক্তির নিকট কোন আক্রমণাত্মক অস্ত্র থাকলে তা তার কাছ থেকে নিতে পারবেন এবং এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে যে আদালত বা অফিসার বরাবর তাকে ঐ আটকরকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করতে হবে সেই আদালত বা অফিসার বরাবর তিনি উক্তরূপে গৃহীত সমস্ত অস্ত্র প্রত্যর্পণ করবেন।

Section 53: Power to seize offensive weapons-
The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.
৯,১৩৯.
কোনটি subsequent conduct–এর উদাহরণ?
  1. অপরাধীর পরিকল্পনা করা
  2. ঋণগ্রস্ত থাকার কারণে হত্যা
  3. অপরাধ সংঘটনের পূর্বে অস্ত্র সংগ্রহ
  4. হত্যার পর অপরাধীর পালিয়ে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
হত্যার পর অপরাধীর পালিয়ে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হত্যার পর অপরাধীর পালিয়ে যাওয়া
ব্যাখ্যা

• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।

উল্লেখ্য,
অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন- অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।যেমন- ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে। যেমন- বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।

৯,১৪০.
ডিক্রির দাবি পূরণের জন্য ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারের মধ্যে পর্যাপ্ত সম্পত্তি না থাকলে, আদালত ডিক্রি-
  1. বাতিল করবে
  2. মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  3. অন্য এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে প্রেরণ করতে পারে
  4. কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না
সঠিক উত্তর:
অন্য এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে প্রেরণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে প্রেরণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ ধারার বিধান: ডিক্রি জারির জন্য স্থানান্তর:

১) কোন ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে উক্ত ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য অন্য আদালতে প্রেরণ করতে পারে, যদি-

ক. যার বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে, তিনি যদি উক্ত অন্য আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে স্বেচ্ছায় বসবাস করে কিংবা ব্যবসা পরিচালনা করে;
খ. যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে ডিক্রির দাবি পূরণের জন্য পর্যাপ্ত সম্পত্তি না থাকলে এবং অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমায় তার সম্পত্তি থাকে;
গ. ডিক্রিতে ডিক্রি দানকারী আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাহিরে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা প্রদানের জন্য নির্দেশ থাকলে;
ঘ. ডিক্রি দানকারী অন্য কোন কারণে ডিক্রিটি অন্য আদালতে প্রেরণ করা প্রয়োজনীয় মনে করলে। 

২) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন কোন অধঃস্তন আদালতে তা জারির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।

Section 39: Transfer of decree:
(1) The Court which passed a decree may, on the application of the decree-holder, send it for execution to another Court,- 
 
(a) if the person against whom the decree is passed actually and voluntarily resides or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or 
(b) if such person has not property within the local limits of the jurisdiction of the Court which passed the decree sufficient to satisfy such decree and has property within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or 
(c) if the decree directs the sale or delivery of immovable property situate outside the local limits of the jurisdiction of the Court which passed it, or 
(d) if the Court which passed the decree considers for any other reason, which it shall record in writing, that the decree should be executed by such other Court. 
 
(2) The Court which passed a decree may of its own motion send it for execution to any subordinate Court of competent jurisdiction.
৯,১৪১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী আদালত কখন দলিল বাতিলের আদেশ দিতে পারেন?
  1. দলিলটি বাতিল হলে।
  2. দলিলটি বাতিলযোগ্য হলে।
  3. দলিলটি অনিষ্পন্ন অবস্থায় রেখে দিলে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায় আশংকা থাকলে।
  4. সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো।
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী, আদালত নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারে-
১. কোন লিখিত দলিল বাতিল [Void] বা বাতিলযোগ্য [Voidable] হলে;
২. যদি বাদীর যুক্তিসঙ্গত আশংকা থাকে যে, এরুপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' জমিটি 'গ' এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পরে 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এই মর্মে একটি জাল দলিল পেশ করে এই মর্মে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবে 'খ' কে উক্ত জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল বাতিলের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

৯,১৪২.
যদি আদালত চার্জ পরিবর্তন করে, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার অধীন উভয়েই পক্ষের সাক্ষী পুনরায় ডাকতে পারবে?
  1. ২৩০
  2. ২৩১
  3. ২৩৩
  4. ২৩৪
সঠিক উত্তর:
২৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩১
ব্যাখ্যা
অভিযোগ পরিবর্তন হলে সরকার পক্ষ ও অভিযুক্ত পক্ষের যে সকল সাক্ষীর জবানবন্দি ইতঃপূর্বে গ্রহণ করা হয়েছে, এরূপ পরিবর্তন ও সংযোজনের ভিত্তিতে তাদের ধারা ২৩১ এর অধীন পুনঃতলব, পুনঃসমন এবং পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করার অনুমতি দিতে হবে এবং আদালত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করলে অতিরিক্ত সাক্ষীকেও তলবের অনুমতি দিবেন।
 
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩১: চার্জ পরিবর্তিত হলে সাক্ষী পুনরায় ডাকানো:
যখন কোনো মামলা শুরুর পর আদালত চার্জ পরিবর্তন বা সংযোজন করে, তখন প্রসিকিউটর এবং অভিযুক্তকে অনুমতি দেওয়া হবে পূর্বে জিজ্ঞাসাবাদকৃত সাক্ষীদের পুনরায় ডাকতে বা পুনরায় তলব করতে এবং সংশোধিত বা সংযোজিত চার্জের প্রেক্ষিতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে। এছাড়াও, আদালত যে কোনো অতিরিক্ত সাক্ষীকে প্রাসঙ্গিক মনে করলে তাকে ডাকতে পারবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 231. Recall of witnesses when charge altered:
Whenever a charge is altered or added to by the Court after the commencement of the trial, the prosecutor and the accused shall be allowed to re-call or re-summon, and examine with reference to such alteration or addition, any witness who may have been examined and also to call any further witness whom the Court may think to be material.
৯,১৪৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭৮(৩) অনুযায়ী, ভূমির মালিক বা কৃষক কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে কোথায় হস্তান্তর করতে হবে?
  1. অভিযুক্তের আত্মীয়কে
  2. স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে
  3. আদালতের রেজিস্ট্রারকে
  4. নিকটস্থ পুলিশ কর্মকর্তাকে
সঠিক উত্তর:
নিকটস্থ পুলিশ কর্মকর্তাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটস্থ পুলিশ কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৭৮(৩) অনুসারে ভূমির মালিক বা কৃষক কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করতে হবে।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭৮(৩) অনুযায়ী- "When the person against whom such warrant is issued is arrested, he shall be made over with the warrant to the nearest police-officer, who shall cause him to be taken before a Magistrate having jurisdiction in the case, unless security is taken under section 76."
- অর্থাৎ, ভূমির মালিক, কৃষক বা ম্যানেজার কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে পরোয়ানাসহ নিকটস্থ পুলিশ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করতে হবে। সেই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে এজকেসের অধিকারী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করবেন (ধারা ৭৬ অনুযায়ী জামিন না নেওয়া ছাড়া)।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-78. Warrant may be directed to landholders, etc.
(1)Magistrate of the first class may direct a warrant to any landholder, farmer or manager of land within his 88[local Jurisdiction] for the arrest of any escaped convict, proclaimed offender or person who has been accused of a non-bailable offence, and who has eluded pursuit. 
(2) Such landholder, farmer or manager shall acknowledge in writing the receipt of the warrant, and shall execute it if the person for whose arrest it was issued, is in, or enters on, his land or farm, or the land under his charge. 
(3) When the person against whom such warrant is issued is arrested, he shall be made over with the warrant to the nearest police-officer, who shall cause him to be taken before a Magistrate having jurisdiction in the case, unless security is taken under section 76.

৯,১৪৪.
দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের ক্ষেত্রে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আর্থিক এখতিয়ার কত টাকা পর্যন্ত?
  1. ১৫ লক্ষ টাকা
  2. ২০ লক্ষ টাকা
  3. ২৫ লক্ষ টাকা
  4. ৩০ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
উত্তর: ২৫ লক্ষ টাকা।

• দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণ:

দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করার জন্য আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং আঞ্চলিক এখতিয়ার—এই দুটি বিষয় বিবেচনা করা হয়। নিচে এই বিষয়গুলো আলোচনা করা হলো:

⇒ ১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary Jurisdiction):
আর্থিক এখতিয়ার বলতে মামলার মূল্যমান অনুযায়ী কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে, তা নির্ধারণ করা হয়। The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে, বাংলাদেশের দেওয়ানি আদালতগুলোর আর্থিক এখতিয়ার নিম্নরূপ:
→ সহকারী জজ আদালত (The Court of Assistant Judge):
সর্বোচ্চ এখতিয়ার: ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
অর্থাৎ, মামলার মূল্যমান ১৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হলে সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
→ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (The Court of Senior Assistant Judge):
সর্বোচ্চ এখতিয়ার: ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
অর্থাৎ, মামলার মূল্যমান ১৫ লক্ষ টাকার বেশি কিন্তু ২৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হলে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
→ যুগ্ম জেলা জজ আদালত (The Court of Joint District Judge):
সর্বোচ্চ এখতিয়ার: ২৫ লক্ষ টাকার উপরে।
অর্থাৎ, মামলার মূল্যমান ২৫ লক্ষ টাকার বেশি হলে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

⇒ ২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার (Territorial Jurisdiction):
আঞ্চলিক এখতিয়ার বলতে মামলার বিষয়বস্তু বা পক্ষগণের অবস্থান অনুযায়ী কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে, তা নির্ধারণ করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৫ থেকে ২৩ পর্যন্ত আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ধারাগুলো হলো:
ধারা ১৫: সাধারণ নিয়ম হলো, মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যেখানে প্রতিবাদী (Defendant) বসবাস করে বা ব্যবসা পরিচালনা করে।
ধারা ১৬: স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা সম্পত্তি যেখানে অবস্থিত, সেই আদালতে দায়ের করতে হবে।
ধারা ১৭: যদি স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত হয়, তাহলে সম্পত্তির অংশ বিশেষ যেখানে অবস্থিত, সেই আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।
ধারা ১৮: যদি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হয়, তাহলে যেকোনো একটি আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।
ধারা ২০: চুক্তি ভঙ্গের মামলায় চুক্তি সম্পাদনের স্থান বা চুক্তি ভঙ্গের স্থানে মামলা দায়ের করা যাবে।
৯,১৪৫.
যদি কাউকে আইনসম্মত প্রক্রিয়া ব্যতীত তার স্থাবর সম্পত্তি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, তবে তিনি কীভাবে তা পুনরুদ্ধার করতে পারেন
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করে
  2. সরকারি প্রশাসনের মাধ্যমে
  3. ফৌজদারি মামলার মাধ্যমে
  4. দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে।
→ যদি কোনো ব্যক্তিকে আইনসম্মত প্রক্রিয়া ব্যতীত তার স্থাবর সম্পত্তি থেকে সরিয়ে ফেলা হয়, তাহলে সে দেওয়ানি মোকদ্দমা (Civil Suit) দায়ের করে তার সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৯ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অন্যায়ভাবে তার স্থাবর সম্পত্তি থেকে সরিয়ে ফেলা হয়, তাহলে তিনি বা তার প্রতিনিধি ওই সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করতে পারেন।
এটি একটি দেওয়ানি মামলা হবে, যেখানে সরকার বা ফৌজদারি মামলা সংশ্লিষ্ট নয়।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) সরকারি প্রশাসনের মাধ্যমে: এটি সঠিক নয়, কারণ এটি আইনসংগত নয়। এই ধরনের মামলা আদালতে হতে হবে, সরকারি প্রশাসনের মাধ্যমে নয়।
গ) ফৌজদারি মামলার মাধ্যমে: এটি শুধুমাত্র তখন প্রযোজ্য হতে পারে, যখন সম্পত্তি হরণের সঙ্গে কোনো অপরাধ বা ফৌজদারি কার্য involved থাকে।
ঘ) আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করে: এটি সঠিক নয়, কারণ এই ধরনের পরিস্থিতিতে প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা মূল উদ্দেশ্য হয়, ক্ষতিপূরণ নয়।
৯,১৪৬.
'খ' যদি 'ক'-এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে চায় এবং 'ক' চট্টগ্রামের বাসিন্দা হয় কিন্তু মানহানিকর বক্তব্য ঢাকায় প্রকাশিত হয়, তাহলে কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. শুধু ঢাকায়
  2. কুমিল্লা
  3. ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে
  4. হাইকোর্টে বিভাগে
সঠিক উত্তর:
ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, 'ক' ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে যেকোনো এক আদালতে মামলা করতে পারবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান- ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
কোনো ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে অনিষ্ট সাধন করা হলে এবং বিবাদী অপর আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করলে, বাদী তার ইচ্ছা অনুসারে দুই আদালতের যেকোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে ‘খ’-কে ঢাকায় মারধর করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'ক’, এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
(খ) 'ক' চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং ঢাকায় ‘খ’ সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে “ক” এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-19. Suits for compensation for wrongs to person or movables:
- Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts.

Illustrations:
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka. B may sue A either in Dhaka or in Chittagong.
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
৯,১৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কত প্রকার বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা: (ক) দায়রা আদালত; এবং (খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা: (ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথা:
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-6: Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 

(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class.

Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
৯,১৪৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোন শাস্তিটি বৈধ নয়?
  1. নির্জন কারাবাস
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
---------------------------------------------------
⇒  Punishments
Section 53. The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted by the Criminal Law (Extinction of Discriminatory Privileges) Act 1949 (Act No. II of 1950]. 
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 
(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine. 

⇒ Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
৯,১৪৯.
হিন্দু আইনে 'Factum valet' নীতিটির প্রবর্তক-
  1. মনু
  2. নারদ
  3. জীমুতবাহন
  4. যাজ্ঞবল্ক্য
সঠিক উত্তর:
জীমুতবাহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীমুতবাহন
ব্যাখ্যা
হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum valet] নীতিটির প্রবর্তক হলো জীমুতবাহন।

Factum valet quod fieri non debuit অর্থ হলো উচিৎ নয় এমন কোন কাজ কেউ করে ফেললে সেটাকে অবৈধ গণ্য করা হবে না। এটা বর্তমানে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষর উভয় মতবাদে স্বীকৃত নীতি। এই নীতির আলোকে আদালত হিন্দু আইনের কতিপয় ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করে।
যেমন অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া একটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো। বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি বিধি মোতাবেক একটি দিক নির্দেশক পন্থা মাত্র, সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে সেটি অবৈধ হবে না।
৯,১৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় কী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি
  2. আপসযোগ্য অপরাধসমূহ
  3. দণ্ডবিধির বিশেষ বিধান
  4. জামিনযোগ্য অপরাধসমূহ
সঠিক উত্তর:
আপসযোগ্য অপরাধসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপসযোগ্য অপরাধসমূহ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা মূলত আপসযোগ্য অপরাধসমূহ (compoundable offences) সম্পর্কে আলোচনা করে।
এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে—
- যে সকল অপরাধ আপসযোগ্য, তাদের তালিকা দেওয়া হয়েছে।
- কোন অপরাধ কোন ব্যক্তির সাথে আপসযোগ্য, সেটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- কিছু অপরাধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতিতেই আপস করা যায়, আবার কিছু অপরাধে আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস করা যায়।
আপসযোগ্য অপরাধ বলতে বোঝায় এমন অপরাধ, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও ভুক্তভোগী পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারেন।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে কোন অপরাধ আপসযোগ্য এবং কীভাবে আপস করা যাবে। এটি সাক্ষ্য গ্রহণ বা জামিনের সাথে সম্পর্কিত নয়, বরং আপসযোগ্য অপরাধ সম্পর্কেই আলোচনা করে।
৯,১৫১.
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আপীল বিভাগ কোন বিষয়ে ক্ষমতা রাখে?
  1. নতুন মামলা শোনার
  2. অন্য আদালতের রায় বাতিল করার
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশ কার্যকর করার
  4. নিজেদের ঘোষিত রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার
সঠিক উত্তর:
নিজেদের ঘোষিত রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজেদের ঘোষিত রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ- আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.
৯,১৫২.
হেবার জন্য প্রথম আবশ্যক শর্ত কী?
  1. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ
  2. বিষয়বস্তুর দখল প্রদান 
  3. দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা
  4. দানগ্রহীতা কর্তৃক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা
ব্যাখ্যা

হেবা:
এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তির কাছে স্বেচ্ছায় এবং বিনা প্রতিদানে কতিপয় বিদ্যমান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তরকে দান বলে। দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। নাবালক নয় এমন সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমান হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।

মুসলিম আইনে বৈধ দানের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
(১) দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা বা প্রস্তাব (Offer).
(২) দানগ্রহীতা কর্তৃক উহা গ্রহণ (Acceptance).
(৩) দাতা কর্তৃক দানগ্রহীতাকে দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে। 

৯,১৫৩.
ডিক্রি জারির সময় নিচের কোন সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না?
  1. ব্যাংক নোট
  2. হিসেবের খাতাপত্র
  3. প্রমিসরি নোট
  4. কোম্পানির শেয়ার
সঠিক উত্তর:
হিসেবের খাতাপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিসেবের খাতাপত্র
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ও ৬১ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না যা নিম্নরূপ-

⇒ ধারা-৬০: ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে (property liable to attachment & sale in execution of decree)- ৬০ ধারামতে নিম্নলিখিত সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে। যথা-জমি, গৃহ, দালান-কোঠা, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, Bill of Exchange, প্রমিসরি নোট, বন্ড, কোম্পানির শেয়ার। এছাড়া যে কোন বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি ক্রোকযোগ্য, যেমন- equity of redemption.

⇒ ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না- ৬০ ধারামতে চাষীর বাসগৃহ, হিসেবের খাতাপত্র, সরকারী পেনশন ভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরীকৃত বৃত্তি ও আনুতোষিক, দেনাদার (Judgement debtor) এবং তার স্ত্রী ও সন্তানগণের পরিধেয় বস্ত্র, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন- রান্নার বাসন, বিছানা ইত্যাদি সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬১ ধারামতে যে সব কৃষিজাত উৎপাদিত দ্রব্য কৃষকের জীবিকার জন্য প্রয়োজন সরকার তা ক্রোক থেকে মুক্তি দিতে পারে।
৯,১৫৪.
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে হবে—এ নিয়মটি কোথায় বলা আছে?
  1. ধারা ৬০
  2. ধারা ৬১
  3. ধারা ৬৫
  4. ধারা ৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬১
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬১ (Section 61 – Proof of contents of documents) বলছে:
- “The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.”
- অর্থাৎ, কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কেবল মৌখিকভাবে বলা চলবে না,
- বরং তা করতে হবে— প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) দ্বারা।

→ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হচ্ছে মূল দলিল, যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। অন্যদিকে, মাধ্যমিক সাক্ষ্য তখন ব্যবহার করা হয় যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, এবং তখন তার প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য এর মাধ্যমে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 61 - Proof of contents of documents:
- The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
৯,১৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুযায়ী কোন আদালত নিম্ন আদালতের নথি তলব করতে পারে?
  1. দায়রা জজ আদালত
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত
  3. ক্ষমতাবান মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ আদালত নিম্ন আদালতের নথি তলব করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারী আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।

[চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক এ সম্পর্কে ক্ষমতাবান মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট শব্দ গুলো Section 83(a) of the Code of Criminal Procedure (Amendment) Act, 2009 দ্বারা বাতিল করা হয়।]
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 435 Power to call for records of inferior Courts-
(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record. 
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial,] shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section
 
[The words and comma “Chief Metropolitan Magistrate or District Magistrate, or any Sub-divisional Magistrate empowered by Government in this behalf” were omitted by section 83(a) of the Code of Criminal Procedure (Amendment) Act, 2009 (Act No. XXXII of 2009) (with effect from 1st November, 2007).]
৯,১৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৪ অনুসারে ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ শুনানির তারিখের কত দিন আগে দিতে হবে?
  1. ৬ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৯ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ৪ অনুযায়ী কোনো পক্ষ ঘটনা স্বীকারের জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিতে পারে। তবে এই নোটিশ শুনানির তারিখের কমপক্ষে ৯ দিন আগে পাঠাতে হবে। নোটিশ পাওয়ার পর ৬ দিনের মধ্যে বা আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর দিতে হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 4 অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ লিখিতভাবে অপর পক্ষকে নির্দিষ্ট ঘটনা বা ঘটনাবলী স্বীকার করার জন্য নোটিশ দিতে পারে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে দিতে হবে।
- এ ধরনের নোটিশ পাওয়ার পর ছয় (৬) দিনের মধ্যে বা আদালতের অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে উত্তর প্রদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বীকারোক্তি না করা হয় বা উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঘটনা প্রমাণ করার জন্য যে ব্যয় হবে, তা সেই পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোনো নির্দেশ দেন।
- এছাড়া, এই স্বীকারোক্তি কেবল সংশ্লিষ্ট মামলার জন্যই প্রযোজ্য হবে এবং এটি অন্য কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। আদালত উপযুক্ত মনে করলে, শর্তসাপেক্ষে স্বীকারোক্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-4: Notice to Admit Facts:
- Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice.
- In case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs.
Provided that any admission made in pursuance of such notice shall be deemed to be made only for the purposes of the particular suit and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favor of any person other than the party giving the notice.
Provided also that the Court may, at any time, allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.

৯,১৫৭.
ফেনী হতে বাসযোগে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার ভ্রমণকালে একটি ফৌজদারী অপরাধ সংঘটিত হলে নিম্নের কোন জেলার আদালতের অপরাধটি বিচারের এখতিয়ার রয়েছে?
  1. ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার
  2. চট্টগ্রাম
  3. ফেনী ও কক্সবাজার
  4. ফেনী
সঠিক উত্তর:
ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা  ১৮৩- যাত্রার সময় সংঘটিত অপরাধ:
যখন অপরাধী কোনো যাত্রা বা সমুদ্রযাত্রার মধ্যে থাকাকালীন কোনো অপরাধ সংঘটন করে, তখন যে আদালতের এখতিয়ার সীমার মধ্য দিয়ে অপরাধী, বা যার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে, বা যে বিষয়ের ক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে, সেই যাত্রা বা সমুদ্রযাত্রার সময় অতিক্রম করেছে, সেই আদালত দ্বারা অপরাধটি তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

(CrPC) এর ধারা ১৮৩ অনুযায়ী, যদি কোনো অপরাধ ভ্রমণকালে সংঘটিত হয়, তাহলে সেই অপরাধের বিচার সেইসব এলাকার আদালত করতে পারে, যেগুলোর মধ্য দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি, ভুক্তভোগী বা অপরাধ-সম্পর্কিত বস্তুটি যাত্রাকালে অতিক্রম করেছে।

ফেনী থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত যাত্রাপথে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে —
- ফেনী,
- চট্টগ্রাম, এবং
- কক্সবাজার - এই তিন জেলার যেকোনো আদালতের এখতিয়ার থাকবে মামলাটি আমলে নেওয়ার ও বিচার করার জন্য।
৯,১৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কোন বিষয়ের বিধান আছে?
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার
  3. ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা
  4. সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা অংশ বিভাজন
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা অংশ বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা অংশ বিভাজন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিধান সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ (Partition of estate or separation of share):
-সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-54: Partition of estate or separation of share:
- Where the decree is for the partition of an undivided estate assessed to the payment of revenue to the Government, or for the separate possession of a share of such an estate, the partition of the estate or the separation of the share shall be made by the Collector or any gazetted subordinate of the Collector deputed by him in this behalf, in accordance with the law (if any) for the time being in force relating to the partition, or the separate possession of shares, of such estates.
৯,১৫৯.
বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসার কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করবে –
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  3. অনাবিশ্যক বিলম্ব ছাড়া
  4. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦বিনা গ্রেফতারী  পরোয়ানা (Arrest Without Warrant)আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারামতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার সময় বাদ দিয়ে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না।
♦তদন্তকার্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করা না গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অগ্রবর্তী বা প্রেরণ করতে হবে।
৯,১৬০.
পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার করলে কত ঘণ্টার বেশি আটক রাখতে পারবে না?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ২৪ ঘণ্টা
  3. ৪৮ ঘণ্টা
  4. ৭২ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬১ অনুসারে, কোনো পুলিশ অফিসার ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখতে পারবেন না। এই ২৪ ঘণ্টার গণনায় গ্রেপ্তারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাতায়াতের প্রয়োজনীয় সময় বাদ দেওয়া হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘণ্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.

৯,১৬১.
আদেশ ৩৮ বিধি ২ এর অধীনে বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে, উক্ত আদেশের বিধি ৪ অনুযায়ী আদালত-
  1. বিবাদীকে জরিমানা করবে
  2. বিবাদীর সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করবে
  3. বিবাদীকে দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে পারে
  4. বিবাদীর বিরুদ্ধে এক তরফা রায় ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
বিবাদীকে দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীকে দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি ৪: যেক্ষেত্রে বিবাদী জামানত দিতে বা নতুন জামানত দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বিবাদী ২ বা ৩ বিধির অধীনে কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমায় সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বা যেক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে,সেক্ষেত্রে ডিক্রি না মিটানো অবধি তাকে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করতে পারেঃ তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীনে কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক মেয়াদের জন্য জেলে আটক রাখা চলবে না, অথবা মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য পঞ্চাশ টাকার অনূর্ধ্ব হলে সেক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহের অধিক মেয়াদের জন্যঃ তবে আরো শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি অনুরূপ আদেশ পালন করার পর তাকে এই বিধির অধীনে জেলে আটক রাখা যাবে না।

Order 38 Rule 4: Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security:
Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied: Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months nor for period a longer than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka: Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
৯,১৬২.
দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী ডাকাতি করা কালে খুন সংঘটিত হলে, সে খুনের জন্য কে দায়ী?
  1. যে খুন করে
  2. যে খুন করে ও যারা খুনে সাহায্য করে
  3. ডাকাতের সর্দার ও যে খুন করে
  4. ডাকাতিতে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকে
সঠিক উত্তর:
ডাকাতিতে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতিতে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতি:- যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 396: Dacoity with murder: If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৯,১৬৩.
বিলম্বিত মোহর পরিশোধের জন্য মামলা করতে হবে -
  1. ১ বছরের মধ্যে
  2. ২ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. যে কোন সময়
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♠ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৪ অনুযায়ী মৃত্যু/তালাক কার্যকরের পরবর্তী ৩ বছরের মধ্যে দেন মোহর আদায়ের মামলা করতে হবে।
৯,১৬৪.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় 'Non-Joinder of parties' কোন বিষয়কে বলা হয়?
  1. প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত করাকে
  2. প্রয়োজনীয় প্রমাণ অন্তর্ভুক্ত না করা
  3. প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে
  4. মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় সাক্ষী অন্তর্ভুক্ত না করা
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)-

মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে।
অন্যদিকে, কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে,
বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।

১০(২) নং বিধিমতে,
ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।

অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও, বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
৯,১৬৫.
When a Court wants to serve summons outside its jurisdiction, it should send the summons to:
  1. Local police station
  2. Post office of that area
  3. Magistrate of that area
  4. District Court of that area
সঠিক উত্তর:
Magistrate of that area
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Magistrate of that area
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৩ ধারার বিধান স্থানীয় সীমার বাহিরে সমন জারী:
-যেক্ষেত্রে কোন আদালত উক্ত আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সমন উক্ত আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরের কোন স্থানে জারী করতে চান, সেক্ষেত্রে সমনকৃত ব্যক্তি যে ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকে বা বাস করে, উক্ত আদালত সাধারণ অবস্থায় দুই কপি সমন সেই ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন এবং সেখানে উক্ত সমন জারী হবে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 73: Service of summons outside local limits:
-When a Court desires that a summons issued by it shall be served at any place outside the local limits of its jurisdiction, it shall ordinarily send such summons in duplicate to a Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the person summoned resides or is, to be there served.
৯,১৬৬.
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিন
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।

৯,১৬৭.
মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা আঘাতের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

The Penal Code,1860 এর ধারা ৩২৪ – বিপজ্জনক অস্ত্র বা উপায় ব্যবহার করে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা:
যে কোনো ব্যক্তি, ধারা ৩৩৪ দ্বারা নির্দিষ্ট কিছু ব্যতীত, যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কারো শরীরে আঘাত (hurt) করে, এবং তা নিম্নলিখিত যেকোনো মাধ্যমে ঘটায়- কোনো অস্ত্র বা যন্ত্র যা ফায়ারিং, ছেদ বা কোপ দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, কোনো অস্ত্র যা আঘাতের জন্য ব্যবহৃত হলে মৃত্যুর সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে, আগুন বা গরম পদার্থ ব্যবহার করে, জৈব বা রাসায়নিক বিষ বা দাহ্য পদার্থ, বিস্ফোরক পদার্থ, এমন কোনো পদার্থ যা মানবদেহে শ্বাস, গ্রহণ বা রক্তে প্রবেশ করলে ক্ষতিকর, কোনো প্রাণী ব্যবহার করে,

তাহলে তার শাস্তি হবে-
কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ৩ বছর, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই।

৯,১৬৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে কত টাকা খরচ প্রদান করতে হবে?
  1. অনধিক ১০০০
  2. অনধিক ৫০০
  3. অনধিক ৩০০০
  4. অনধিক ৫০০০
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।
⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)- 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি; 
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।

⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
৯,১৬৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় পুলিশ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে অস্ত্র জব্দ করতে পারে?
  1. ধারা ৫৩
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫১
  4. ধারা ৪৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ধারা ৫৩।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে যে কোনো পুলিশ অফিসার বা ব্যক্তি যদি কাউকে গ্রেফতার করে, তাহলে তার কাছে থাকা অস্ত্র বা বিপজ্জনক জিনিস জব্দ করতে পারেন।
এবং জব্দকৃত অস্ত্রগুলো সংশ্লিষ্ট আদালত বা অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে, যার সামনে আসামিকে হাজির করা হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৩ অনুযায়ী: Power to seize offensive weapons:
“The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.”
৯,১৭০.
'ক' এর বিরুদ্ধে আদালতে চুরির অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মামলার সাক্ষ্য শুনানীর সময় তার আইনজীবী 'ক' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইলে-
  1. আদালত বাধা প্রদান করবে
  2. বিপক্ষ আইনজীবীর অনুমতি নিতে হবে
  3. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  4. আদালত বাধা প্রদান করবে না
সঠিক উত্তর:
আদালত বাধা প্রদান করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বাধা প্রদান করবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

অর্থাৎ, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সচ্চরিত্র বা ভালচরিত্র তার পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে গণ্য। এটি আইনগতভাবে স্বীকৃত এবং সাক্ষ্য আইনে ব্যবস্থা রয়েছে। তাই উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' এর আইনজীবী কর্তৃক 'ক' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরার আইনগত অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। তবে ৫৪ ধারা অনুসারে, অভিযুক্তের পূর্বাচারের প্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয়। অর্থাৎ তার আগের অপরাধমূলক কাজকর্ম বা খারাপ চরিত্র প্রমাণ করা যাবে না।
৯,১৭১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ চাওয়া যায় কতদিনের মধ্যে?
  1. কারাদণ্ড আরম্ভের তারিখ থেকে ১ বছর
  2. মামলা নিষ্পত্তির তারিখ থেকে ৬ মাস
  3. অভিযোগ দায়েরের তারিখ থেকে ১ বছর
  4. কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে ১ বছর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে ১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৯ অনুসারে: মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড (False Imprisonment) ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ হলো ১ বছর।
- কারাদণ্ড শেষ হওয়ার পর থেকেই ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি গণনা শুরু হয়।

- অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী যদি কেউ অন্যায়ভাবে বা মিথ্যা মামলায় কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে থাকে এবং সে ঐ কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবী করতে চায়, তবে তাকে কারাদণ্ড শেষ হওয়ার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলাটি দায়ের করতে হবে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে ১ বছর।
৯,১৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনযোগ্য অপরাধে কে জামিন দিতে বাধ্য?
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. অদালত
  3. ক বা খ
  4. কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন

বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে যখন কাউকে গ্রেপ্তার অথবা আটক করা হয়, তখন অভিযুক্ত ব্যক্তি অধিকার বলে জামিন চাইতে পারেন। এক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা অদালত সেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিন দিতে আইনত বাধ্য থাকেন। Mia Nuruddin Vs. State and Ors. 68 DLR(AD) (2016) 290 মামলার রায়ে বলা হয় যে, জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালত কোনো ধরনের বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। এটি একটি বিধিবদ্ধ অধিকার এবং আদালত এ জাতীয় অধিকারকে হ্রাস করতে পারে না। 

ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জামিন চান, তাহলে সেই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিন দিতে বাধ্য থাকবেন। Dharmu Naik vs Rabindranath Acharya 1978 CriLJ 864 মামলায় একজন ব্যক্তি জামিনযোগ্য অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ছিলেন, যার জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে নিয়ে নেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি পরবর্তী সময়ে জামিনের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট আবেদন করলেও তিনি জামিন প্রদান না করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করেন। রায়ে বলা হয়, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে বাধ্য ছিলেন, কারণ জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ধরনের বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন না এবং উক্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অন্যায়ভাবে হেফাজতে রাখার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং জরিমানাও করা হয়। সুতরাং কোনো জামিনযোগ্য অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি জামিন চাওয়ার পরেও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে জামিন প্রদান না করেন, তাহলে উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি অন্যায়ভাবে হেফাজতে রাখার জন্য মামলা করতে পারবেন। 
৯,১৭৩.
89A ধারার অধীন ঘোষণাকৃত আদেশ বা ডিক্রীর বিরুদ্ধে নিচের কোন প্রতিকার গ্রহণ করা যাবে?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. উভয়ই
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation)
২- সালিশী (Arbitration)

দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে। উক্ত সময়ের মধ্যে না পারলে আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিতে হবে। নিয়োগ দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করবে। তাও সম্পন্ন না হলে আরও ৩০ দিন বাড়াবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবেন। সোলে ডিক্রি এর বিরুদ্ধে কোনো আপিল কিংবা রিভিশন করা যাবে না।

⇒ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে কোন মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক কখনও কেউ উকিল নিযুক্ত হয়ে থাকলে পক্ষগণের মধ্যে তিনি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করবেন না। কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধগুলি এই ধারার অধীনে নিষ্পত্তি হলে আরজি-জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত প্রদানের নির্দেশ প্রদান করে, আদালত একটি প্রত্যয়নপত্র ইস্যু করবে এবং প্রত্যয়নপত্র ইস্যুর তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে পক্ষগণ তা ফেরত পাবে।

 ⇒ এই ধারানুসারে নিষ্পত্তির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না (No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ আদেশের অধীন মোকদ্দমা উঠিয়ে নেওয়া, সমন্বয় এবং মীমাংসা করার পক্ষগণের ইচ্ছাকে এই ধারা অন্যভাবে সীমিত করেছে বলে কোন কিছুই মনে করা যাবেনা।
৯,১৭৪.
'ক', 'চ'-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে 'চ'-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে 'চ' সেই দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। 'ক' কী অপরাধ করেছে?
  1. অপহরণ
  2. অবৈধ বাধা
  3. অবৈধ অবরোধ
  4. বলপূর্বক বাধা
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অবরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অবরোধ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারা- অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে 'চ' সেই দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। 'ক', 'চ'-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।

(খ) 'ক' কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে 'চ'-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা 'চ'-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। 'ক' অবৈধভাবে 'চ'-কে অবরোধ করেছে।
৯,১৭৫.
১৯৭১ সালের কত তারিখ থেকে Laws Continuance Enforcement Order কার্যকর হয়েছে?
  1. ২৬ মার্চ
  2. ১০ এপ্রিল
  3. ২৬ মে
  4. ১০ জুন
সঠিক উত্তর:
২৬ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৭১ সালের ১০শে এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র [Proclamation of Independence] জারি করার পরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি তথা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেশে বিদ্যমান সকল আইনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার জন্য ১৯৭১ সালের ১০শে এপ্রিল 'The Laws Continuance Enforcement Order, 1971 - আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ, ১৯৭১' প্রণয়ন করেন।
- এই আইনটিকে ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা (retrospective effect) দিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়েছে বলে ঘোষণা করেন।
৯,১৭৬.
উইল কখন কার্যকর হয়?
  1. উইলকারীর মৃত্যুর পর
  2. যখন করা হয় তখনই
  3. উইলের সম্পত্তি দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
  4. উইল নিবন্ধনের সাথে সাথে
সঠিক উত্তর:
উইলকারীর মৃত্যুর পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলকারীর মৃত্যুর পর
ব্যাখ্যা
⇒ কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।

⇒ আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

⇒ যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়

⇒ উইলের অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো-

ক. যে ব্যক্তি উইল করে তাকে অবশ্যই তার জীবনকালের মধ্যেই উইলের ঘোষণা দিতে হবে। উইলকারীকে অবশ্যই উইল করার যোগ্য হতে হবে।

খ. উইলকারীকে অবশ্যই উইলগ্রহীতার পূর্বে মৃত্যুবরণ করতে হবে। অর্থাৎ উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকরী হয়।

গ. উইলকারী মৃত্যুর পর যার বরাবর উইল করা হয়েছে তাকে অবশ্যই উইলটি গ্রহণ করতে হবে। এ তিনটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একটি উইল কার্যকর হয়।
৯,১৭৭.
Under Section 43, a declaration made is binding on which of the following parties?
  1. Only the plaintiff
  2. Any interested third party
  3. The general public
  4. The parties to the suit and their claimants
সঠিক উত্তর:
The parties to the suit and their claimants
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The parties to the suit and their claimants
ব্যাখ্যা
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
৯,১৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫(২) অনুসারে, একটি অপরাধমূলকে কার্য যদি দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অধীনে পড়ে, তবে-
  1. শুধুমাত্র গুরুতর অপরাধে বিচার হবে
  2. একাধিক মামলায় বিচার করতে হবে
  3. একটি চার্জ গঠন করে একাধিক মামলায় বিচার করতে হবে
  4. একাধিক চার্জ গঠন করে একই মামলায় বিচার করা যাবে
সঠিক উত্তর:
একাধিক চার্জ গঠন করে একই মামলায় বিচার করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক চার্জ গঠন করে একই মামলায় বিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩৫: একাধিক অপরাধের বিচার (Trial more than one offence):

(১) পর পর সংঘটিত কতিপয় কার্য যদি পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কার্যগুলি একটিমাত্র কার্যের শামিল এবং একই ব্যক্তি উক্ত কার্য সম্পর্কিত বিষয়ে একাধিক অপরাধ সংঘটিত করে থাকলে এ ধরণের প্রত্যেক অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে একটিমাত্র মামলায় তার বিচার সম্পন্ন করা যেতে পারে।

(২) দুটি সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত অপরাধঃ
অভিযোগকৃত কার্যসমূহ যেক্ষেত্রে এরূপ একটি অপরাধ সৃষ্টি করে, যা বর্তমানে কার্যকর এরূপ কোন আইনের, যা দ্বারা অপরাধের সংজ্ঞা দণ্ড প্রদান করা হয় তার দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় বিচার করা যেতে পারে।

(৩) একাধিক কার্য যেক্ষেত্রে একই ধরণের অপরাধ,কিন্তু একত্রিত করা হলে ভিন্নরূপ অপরাধে পরিণত হয়ঃ
কতিপয় কার্যের মধ্যে একটি কার্য একটি কার্য এককভাবে বা একাধিক কার্য একত্রে একটি অপরাধের সৃষ্টি করলে উক্ত অপরাধসমূহে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত মিলিত কার্যাদির অপরাধ বা একটি কার্যের একক অপরাধ বা সংযুক্ত একাধিক কার্যের অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যেতে পারে।

(৪) এই ধারায় এরূপ কিছু নেই যা দণ্ডবিধির ধারা ৭১ এর বিধানকে প্রভাবিত করে।
৯,১৭৯.
কোন ধরনের সাক্ষীদের 'বৈরী সাক্ষী' বলা হয়?
  1. যারা সাক্ষ্য দিতে অক্ষম
  2. যারা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
  3. যারা সত্য সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানায়
  4. যারা নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
সঠিক উত্তর:
যারা নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যারা নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষী হল এমন একধরণের সাক্ষী যারা আদালতে নিজ পক্ষের বিপরীতে সাক্ষ্য প্রদান করে। বৈরী সাক্ষীর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

১. বৈরী সাক্ষী সাধারণত একপক্ষের সপক্ষে ডাকা হলেও, পরবর্তীতে সে অপরপক্ষের সপক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে।
২. একজন বৈরী সাক্ষীকে ভিন্ন প্রশ্নগুলো দ্বারা পরীক্ষা করা যেতে পারে এবং তার বিশ্বস্ততা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যায়।
৩. যে পক্ষের সপক্ষে সে ডাকা হয়েছিল সেই পক্ষের আইনজীবী বৈরী সাক্ষীকে তার নিজস্ব সাক্ষ্য দ্বারা আক্রমণ করতে পারবেন।
৪. জেরা চলাকালীন বৈরী সাক্ষীকে অস্বীকারযোগ্য প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায়।
৫. বৈরী সাক্ষীর সাক্ষ্য পৃথকভাবে বিবেচনা করা হবে এবং সাক্ষী সমর্থন করলেও মূল পক্ষের জন্য সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

সুতরাং, বৈরী সাক্ষী হল এক পক্ষের সপক্ষে ডাকা সাক্ষী যিনি পরবর্তীতে বিপক্ষের সপক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাদের সাক্ষ্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।
৯,১৮০.
দণ্ডবিধির ২৬৫ ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি ভুয়া ওজন বা পরিমাপ প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহার করে, তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ২৬৫ অনুযায়ী বলা হয়েছে,
- "যে ব্যক্তি প্রতারণার উদ্দেশ্যে ভুয়া ওজন বা পরিমাপ (দৈর্ঘ্য বা আয়তনের) ব্যবহার করে, অথবা প্রকৃত ওজন/পরিমাপকে ভিন্ন হিসেবে ব্যবহার করে, সে ব্যক্তি দণ্ডিত হবে সর্বোচ্চ এক বছর মেয়াদে কারাদণ্ডে, বা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে।"
- অর্থাৎ, দণ্ডবিধির ২৬৫ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি ভুয়া ওজন বা পরিমাপ প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহার করে, তাকে ১ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয় দণ্ড প্রদান করা হতে পারে।

সুতরাং, এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।
৯,১৮১.
যদি অর্থ আদায়ের মামলায় দাবিকৃত অর্থ অমিমাংসীত বা অনিশ্চিত হয়, তাহলে আরজিতে কী লিখতে হবে?
  1. যথাযথ পরিমাণ
  2. আনুমানিক পরিমাণ
  3. বাদীর ইচ্ছামত কোনো পরিমাণ
  4. আদালতের অনুমান অনুযায়ী কোনো পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
আনুমানিক পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনুমানিক পরিমাণ
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৭, বিধি ২:
অর্থ আদায়ের মামলা (Money Suit)–এ আরজিতে:
১. যদি অর্থের পরিমাণ সুস্পষ্ট (precise) হয়:
→ আরজিতে সঠিক পরিমাণ লিখতে হবে।

২. যদি অর্থ অমিমাংসিত বা অনিশ্চিত (uncertain/approximate) হয়:
→ আরজিতে আনুমানিক অর্থ (approximate amount) উল্লেখ করতে হবে।

৯,১৮২.
'লিখিত চুক্তি সংশোধনের মূলনীতি'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৪
  4. ধারা ৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877: ধারা ৩৩ – লিখিত চুক্তি সংশোধনের মূলনীতি (Principles of Rectification):
লিখিত কোনো দলিল বা চুক্তি সংশোধন করার সময়, আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলো তদন্ত করতে পারে:
- সেই দলিল বা চুক্তি কী অর্থ বোঝাতে চেয়েছিল।
- সেই দলিল বা চুক্তির আইনি পরিণতি কী হওয়া উচিত ছিল।

আদালত কেবলমাত্র এই বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয় যে, দলিলের ভাষা কোনভাবে লেখা হয়েছে; বরং উদ্দেশ্য ও আইনি প্রভাব বিবেচনায় নিতে পারে।

সহজভাবে বলা যায়:
যদি কোনো লিখিত চুক্তি ভুল বা অসঙ্গতভাবে লেখা হয়ে থাকে, আদালত তার মূল উদ্দেশ্য ও আইনি প্রভাব অনুসারে তা সংশোধন করতে পারে, শুধু ভাষার ভিত্তিতে নয়।

৯,১৮৩.
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের (Senior Assistant Judge) সর্বোচ্চ আর্থিক এখতিয়ার কত টাকা?
  1. ১৫ লক্ষ টাকা 
  2. ২০ লক্ষ টাকা
  3. ২৫ লক্ষ টাকা
  4. ৩০ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণ: দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করার জন্য আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং আঞ্চলিক এখতিয়ার—এই দুটি বিষয় বিবেচনা করা হয়। নিচে এই বিষয়গুলো আলোচনা করা হলো:

⇒ ১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary Jurisdiction):
আর্থিক এখতিয়ার বলতে মামলার মূল্যমান অনুযায়ী কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে, তা নির্ধারণ করা হয়। The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে, বাংলাদেশের দেওয়ানি আদালতগুলোর আর্থিক এখতিয়ার নিম্নরূপ:
•সহকারী জজ আদালত (The Court of Assistant Judge):
- সর্বোচ্চ এখতিয়ার: ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
- অর্থাৎ, মামলার মূল্যমান ১৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হলে সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (The Court of Senior Assistant Judge):
- সর্বোচ্চ এখতিয়ার: ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
- অর্থাৎ, মামলার মূল্যমান ১৫ লক্ষ টাকার বেশি কিন্তু ২৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হলে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

• যুগ্ম জেলা জজ আদালত (The Court of Joint District Judge):
- সর্বোচ্চ এখতিয়ার: ২৫ লক্ষ টাকার উপরে।
- অর্থাৎ, মামলার মূল্যমান ২৫ লক্ষ টাকার বেশি হলে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

⇒ ২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার (Territorial Jurisdiction):
আঞ্চলিক এখতিয়ার বলতে মামলার বিষয়বস্তু বা পক্ষগণের অবস্থান অনুযায়ী কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে, তা নির্ধারণ করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৫ থেকে ২৩ পর্যন্ত আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ধারাগুলো হলো:
ধারা ১৫: সাধারণ নিয়ম হলো, মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যেখানে প্রতিবাদী (Defendant) বসবাস করে বা ব্যবসা পরিচালনা করে।
ধারা ১৬: স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা সম্পত্তি যেখানে অবস্থিত, সেই আদালতে দায়ের করতে হবে।
ধারা ১৭: যদি স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত হয়, তাহলে সম্পত্তির অংশ বিশেষ যেখানে অবস্থিত, সেই আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।
ধারা ১৮: যদি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হয়, তাহলে যেকোনো একটি আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।
ধারা ২০: চুক্তি ভঙ্গের মামলায় চুক্তি সম্পাদনের স্থান বা চুক্তি ভঙ্গের স্থানে মামলা দায়ের করা যাবে।

৯,১৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় পার্লামেন্ট সদস্যকে পার্লামেন্ট সভা চলাকালীন দেওয়ানী প্রক্রিয়ায় গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৩৩ ধারায়
  2. ১৩৫ ধারায়
  3. ১৩৫ক ধারায়
  4. ১৩৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৫ক ধারার বিধান: দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে সংসদ সদস্যদের অব্যাহতি:
-১) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার অথবা জেলে আটক রাখা যাবে না-

ক) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের সদস্য হন, তবে সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; খ) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের কোন কমিটির একজন সদস্য হন, তবে এরূপ কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; এবং এরূপ অধিবেশন বা বৈঠকের পূর্বের বা পরের চৌদ্দ দিন সময় পর্যন্ত।

২) উপ-ধারা (১) অনুসারে আটকাদেশ হতে মুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই উপ-ধারায় উল্লেখিত 7 বিধান সাপেক্ষে পুনঃ গ্রেফতার করা যাবে এবং তিনি (১) উপ-ধারার বিধানের অধীনে মুক্ত না হলে আরও যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যাবে।
--------------------------------
⇒ CPC Section: 135A. Exemption of members of legislative bodies from arrest and detention under civil process:
(1) No person shall be liable to arrest or detention in prison under civil process- 
(a) if he is a member of Parliament during the continuance of any meeting of Parliament; 
(b) if he is a member of any committee of Parliament, during the continuance of any meeting of such committee; 
 and during the fourteen days before and after such meeting or sitting.

(2) A person released from detention under sub-section (1) shall, subject to the provisions of the said sub-section, be liable to re-arrest and to the further detention to which he would have been liable if he had not been released under the provisions of sub-section (1).
৯,১৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় দায়রা আদালতের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা দেয়া আছে?
  1. ৫২৬ ধারায়
  2. ৫২৬খ ধারায়
  3. ৫২৫ক ধারায়
  4. ৫২৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২৬খ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৬খ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলা এক ফৌজদারি আদালত হতে অন্য ফৌজদারি আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারি আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারি মামলা বা আপিল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারি মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-
১. আপিল বিভাগের (ধারা- ৫২৫ক),
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা- ৫২৬),
৩. দায়রা জজের (ধারা- ৫২৬খ)।
৯,১৮৬.
দেওয়ানী মামলায় তদবির অভাবে প্রদত্ত খারিজের আদেশ সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ (Cost) প্রদান সাপেক্ষে সরাসরি রদ ও রহিত করা যায়?
  1. পাঁচশত টাকা
  2. এক হাজার টাকা
  3. দুই হাজার টাকা
  4. পাঁচ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
এক হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৮ নং বিধিমতে শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে, বাদী উক্ত বিষয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করতে পারবে না।

• খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার- শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে, বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে ২ ধরনের প্রতিকার পেতে পারে। যথা-
i) খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল; অথবা
ii) সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল ।

i) আদেশ-৯, বিধি-৯: খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Set-aside dismissal)-
শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে বাদী ৯ নং আদেশের ৯ নং বিধিমতে মোকদ্দমা শ্রবণের সন্তোষজনক কারণ দর্শাতে পারলে, উক্ত খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারবে।

ii) আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal)-
বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
- খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
- অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
৯,১৮৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, সেই ক্ষেত্রে আসামীকে প্রদত্ত কারাবাস-
  1. শুধুমাত্র সশ্রম হতে পারে
  2. শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে
  4. আদালত নির্ধারণ করবেন
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি অনুযায়ী যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় সেই ক্ষেত্রে আসামীকে প্রদত্ত কারাবাস-শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী, অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:-
- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না,
⇒ যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; 
⇒ অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং
⇒ এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।
৯,১৮৮.
লিগ্যাল এইড অফিসার যখন মিমাংসা সভা (মেডিয়েশন) আয়োজন করেন, তখন জারিকারক নোটিশ গ্রহণের কত দিনের মধ্যে পক্ষগুলোর ঠিকানায় জারি করতে হবে?
  1. অনধিক ৫ দিন
  2. অনধিক ৭ দিন
  3. অনধিক ১০ দিন
  4. অনধিক ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের খ) অনধিক ৭ দিন-এর মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন। 
- জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রেরিত নোটিশ জারির জন্য জারিকারক নোটিশ প্রাপ্তির অনধিক সাত দিনের মধ্যে তা পক্ষগণের নিকট জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫  বিধি- ৬: পক্ষগণের প্রতি নোটিশ।
(১) লিগ্যাল এইড অফিসার, মিমাংসা সভায় হাজির হইবার জন্য, পক্ষগণ বরাবর ফরম-২(ক) মোতাবেক নোটিশ প্রেরণ করিবেন।
(২) পক্ষগণের ঠিকানা নোটিশে উল্লেখপূর্বক লিগ্যাল এইড অফিসের অফিস সহকারী এতদ্‌সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতঃ উক্ত নোটিশ জারীকারক বরাবর হস্তান্তর করিবেন।
(৩) জারীকারক, নোটিশ গ্রহণের তারিখ হইতে অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে, পক্ষগণের ঠিকানায় নোটিশ জারীর ব্যবস্থা করিবেন।
(৪) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত জারীকারক নিয়োগ না হওয়া অবধি জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখা উহার জারীকারক দ্বারা জারীকার্য সম্পাদনে লিগ্যাল এইড অফিসকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে নোটিশ জারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে এতদসংক্রান্ত ব্যয়ভার বহন করিতে হইবে।

৯,১৮৯.
বাংলাদেশের সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রকে গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫ 
  2. অনুচ্ছেদ ১৮ক 
  3. অনুচ্ছেদ ১৮(২)
  4. অনুচ্ছেদ ২১(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮(২)
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮(২)-এ (স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে) যে, "গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।"
- এই অনুচ্ছেদটি "জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা" বিষয়কের অধীনে অন্তর্ভুক্ত, যেখানে রাষ্ট্রকে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষার জন্য এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে এবং বিশেষত: আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
 --------- 
Article 18: Public health and morality:
(1) The State shall regard the raising of the level of nutrition and the improvement of public health as among its primary duties, and in particular shall adopt effective measures to prevent the consumption, except for medical purposes or for such other purposes as may be prescribed by law, of alcoholic and other intoxicating drinks and of drugs which are injurious to health. 

(2) The State shall adopt effective measures to prevent prostitution and gambling.

৯,১৯০.
Evidence given by dumb witnesses shall be deemed to be _____ evidence.
  1. oral
  2. primary
  3. documentary
  4. written
সঠিক উত্তর:
oral
উত্তর
সঠিক উত্তর:
oral
ব্যাখ্যা
Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible,  as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
কথা বলতে যে সাক্ষী অক্ষম, তিনি তার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়ে বা ইশারা করে বুঝাতে পারেন এবং সেভাবে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন, তবে সে লেখা অথবা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখতে বা ইশারায় করতে হবে। এমনভাবে যে সাক্ষ্য দেয়া হলে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে।
৯,১৯১.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, যদি সাক্ষ্য কোনো ঘটনা সম্পর্কে হয় যা দেখা যায়, তাহলে সাক্ষ্য কে দেবে?
  1. যে ব্যক্তি তা শুনেছে
  2. যে ব্যক্তি তা দেখেছে
  3. যে ব্যক্তি তা অনুমান করেছে
  4. যে ব্যক্তি তা লিখিতভাবে জানিয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি তা দেখেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি তা দেখেছে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬০ অনুযায়ী, যদি সাক্ষ্য কোনো ঘটনা সম্পর্কে হয় যা দেখা যায়, তাহলে সেই সাক্ষ্য তবে ওই ব্যক্তি দিতে হবে, যিনি তা দেখেছেন।
অর্থাৎ, যদি ঘটনা এমন কিছু হয় যা চোখে দেখা যেতে পারে, তখন সেই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারবেন, যিনি ওই ঘটনাটি নিজের চোখে দেখেছেন এবং সরাসরি অভিজ্ঞতা পেয়েছেন। অন্যের কাছ থেকে শোনা বা অনুমান করা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।
এখানে সঠিক উত্তর খ) যে ব্যক্তি তা দেখেছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬০ অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। অর্থাৎ,
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা দেখা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে এটি দেখেছে;
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে এটি শুনেছে;
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা অন্য কোনো অনুভূতি বা পদ্ধতিতে অনুভব করা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে সেই অনুভূতির মাধ্যমে এটি অনুভব করেছে;
যদি এটি কোনো মতামত বা সেই মতামতের ভিত্তি সম্পর্কে হয়, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি ওই মতামতটি ধারণ করেছে এবং তার ভিত্তি জানে।
এছাড়া, বিশেষজ্ঞদের মতামত যে কোনো বইয়ে প্রকাশিত থাকে, সেটি যদি সাধারণভাবে বিক্রয়ের জন্য পাওয়া যায় এবং সেই লেখক মৃত অথবা পাওয়া না যায়, অথবা সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়, বা সাক্ষীকে ডাকার জন্য সময় ও খরচ অধিক হয়, তাহলে আদালত সেই বইটির উত্থাপন করার মাধ্যমে সেই মতামত প্রমাণ করতে পারে।
এছাড়া, যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো পদার্থের অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে হয়, যা একটি দলিল ছাড়া অন্য কোনো বস্তু, তবে আদালত, যদি তা প্রযোজ্য মনে করে, তখন সেই বস্তুটির পরিদর্শনের জন্য উত্থাপন করতে পারে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৯,১৯২.
What is the legal status of a person who finds goods belonging to another and takes them into custody?
  1. Bailee
  2. Seller
  3. Agent of the owner
  4. Owner of the goods
সঠিক উত্তর:
Bailee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bailee
ব্যাখ্যা
ধারা ৭১: Responsibility of Finder of Goods (খোয়া যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধারকারীর দায়িত্ব)-
যে ব্যক্তি অন্য কারো মালামাল খুঁজে পান এবং তা নিজের হেফাজতে নেন, তিনি একজন জিম্মাদারের (Bailee) মতো একই দায়িত্বের অধীন হন। অর্থাৎ, তিনি সেই মাল নিরাপদে রক্ষা করবেন এবং যথাযথভাবে মালিককে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

[A person who finds goods belonging to another and takes them into his custody, is subject to the same responsibility as a bailee.]
৯,১৯৩.
'Factum valet' নীতি অনুসারে উচিৎ নয় এমন কোন কাজ করা হলে-
  1. বৈধ গণ্য করা হবে না
  2. অবৈধ গণ্য করা হবে না
  3. অবৈধ গণ্য করা হবে
  4. বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
অবৈধ গণ্য করা হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ গণ্য করা হবে না
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum valet] নীতিটির প্রবর্তক হলো জীমুতবাহন। Factum valet quod fieri non debuit অর্থ হলো উচিৎ নয় এমন কোন কাজ কেউ করে ফেললে সেটাকে অবৈধ গণ্য করা হবে না। এটা বর্তমানে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষর উভয় মতবাদে স্বীকৃত নীতি। এই নীতির আলোকে আদালত হিন্দু আইনের কতিপয় ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করে।

যেমন- অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া একটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো। বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি বিধি মোতাবেক একটি দিক নির্দেশক পন্থা মাত্র, সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে সেটি অবৈধ হবে না।
৯,১৯৪.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮ অনুযায়ী দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন নিষ্পত্তি হতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮(৪) অনুযায়ী,
- দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন প্রাপ্তির পর ৩ (তিন) মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।
- এ সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
অন্যান্য অপশনগুলো (১ মাস, ২ মাস, ৬ মাস) এই আইনে উল্লেখিত সময়সীমার সাথে মেলে না।

⇒ উদ্ধৃতি (আইনের ধারা ৮(৪)):
"উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো আবেদন প্রাপ্তির পর হইতে ৩(তিন) মাসের মধ্যে উহার নিষ্পত্তি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, দখল পুনরুদ্ধার করিতে হইবে..."
৯,১৯৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় কিশোর অপরাধীর বিচারের এখতিয়ার বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ২৯ক ধারায়
  2. ২৯ ধারায়
  3. ২৯খ ধারায়
  4. ২৯গ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৯খ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯খ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ২৯খ ধারার বিধান কিশোরদের বেলায় এখতিয়ার: কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।
-----------------------------------
⇒ CrPC-29B-Jurisdiction in the case of juveniles:
 Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
৯,১৯৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯ বিধি-৩ক অনুসারে যদি নোটিশ ফেরত আসে, তবে নোটিশ পুনরায় প্রেরণের জন্য কত দিনের সময়সীমা নির্ধারিত আছে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৪ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৩ক (Rule 3A) অনুযায়ী বলা হয়েছে, যদি আদালত কর্তৃক প্রেরিত নিষেধাজ্ঞার নোটিশ পরিষেবা ছাড়াই ফেরত আসে, তাহলে সেই নোটিশ আদালতে ফেরত আসার পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে আদালতকে আবার পাঠানোর নির্দেশ দিতে হবে।
- এই পুনরায় পাঠানো নোটিশ আদেশ ৫-এর বিধি ২০ অনুসারে সম্পাদিত হবে এবং এটি বৈধ সার্ভিস (due service) হিসেবে গণ্য হবে।

- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ- XXXIX, বিধি- ৩ক এর বিধান:
বিধি-৩ক এ বলা হয়েছে: "Any notice directed to be served under rule 3 shall be returned, with or without service, to the Court within seven days of issuance; and if the notice is returned without service, the Court shall cause the notice to be served again within seven days thereof in accordance with the provision of rule 20 of Order V, so far as may be applicable, and such service shall be deemed as due service of the notice."

- বিধি ৩ এর অধীনে জারি করা নোটিশ, তা প্রদান করা হোক বা না হোক, জারির ৭ দিনের মধ্যে আদালতে ফেরত দিতে হবে।
যদি নোটিশ প্রদান না করে ফেরত আসে (অর্থাৎ, বিপক্ষ পক্ষের কাছে পৌঁছানো না যায়), তবে আদালত নোটিশটি পুনরায় প্রেরণের ব্যবস্থা করবে, এবং এই পুনঃপ্রেরণের জন্য ৭ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত আছে।
পুনরায় প্রেরণের ক্ষেত্রে, আদেশ-৫, বিধি-২০ এর বিধান অনুসরণ করা হয়, যতদূর প্রযোজ্য। এই পুনঃপ্রেরিত নোটিশের প্রদানকে যথাযথ প্রদান হিসেবে গণ্য করা হয়।
৯,১৯৭.
"তামাদির মেয়াদ গণনায় ইংরেজি ক্যালেন্ডার ব্যবহার হবে" এটি তামাদি আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ২৩ ধারা
  2. ২৪ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনে ধারা ২৫ উল্লেখ করে: তামাদি আইন, ১৯০৮ এর সকল সময় গণনা করা হবে গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জীকা বা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে।

⇒ The Limitation Act, 1908: Section 25:- Computation of time mentioned in instruments:
- All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.

Illustrations
(a) A Hindu makes a promissory note bearing a Native date only, and payable four months after date. The period of limitation applicable to a suit on the note runs from the expiration of four months after date computed according to the Gregorian calendar.
(b) A Hindu makes a bond, bearing a Native date only, for the repayment of money within one year. The period of limitation applicable to a suit on the bond runs from the expiration of one year after date computed according to the Gregorian Calendar.
৯,১৯৮.
সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ৪৫ দ্বারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ মতামত প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৪৫ দাঁড়ায় পাঁচটি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের মতামত সাক্ষী হিসেবে প্রাসঙ্গিক ছিল। কিন্তু সাক্ষ্য আইন (সংশোধন) ২০২২ এর ফলে ৪৫ ধারাটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। নতুন ৪৫ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে;

   (i) বিদেশী আইন                 (ii) বিজ্ঞান              (iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য

   (iv) ডিজিটাল রেকর্ড             (v) চারুকলা             (vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা

   (vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি    (viii) পায়ের ছাপ        (ix) তালুর ছাপ

   (x) চোখের কনীনিকার ছাপ       (xi) টাইপ রাইটিং        (xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার

        (xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি
৯,১৯৯.
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা মতে, কোন ধরনের যোগাযোগ আদালতে প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. পারিবারিক যোগাযোগ
  2. কোনো প্রতিষ্ঠানিক যোগাযোগ
  3. ভূমির মালিক এবং ভাড়াটিয়ার মধ্যকার যোগাযোগ
  4. আইন উপদেষ্টার সাথে যোগাযোগ
সঠিক উত্তর:
আইন উপদেষ্টার সাথে যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন উপদেষ্টার সাথে যোগাযোগ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারার বিধান: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:
কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সে ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।

Section 129- Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.
৯,২০০.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ডের বিধান আছে?
  1. ১৯
  2. ২১
  3. ২২
  4. ২৩
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান: মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।