দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ অনুযায়ী, কমিশন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কী করতে পারবে?
ক
পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া
খ
আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
গ
সাক্ষীর লিখিত বিবৃতি নেওয়া
ঘ
আদালতকে অনুরোধ করা
সঠিক উত্তর: খ
আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
খ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ – অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা: (১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- (ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; (খ) কোন দলিল উদ্ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; (গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; (ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; (ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং (চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৬,৭০২.
দায়ভাগ মতবাদ নিম্নলিখিত কোন এলাকায় প্রযোজ্য?
ক
বাংলাদেশ
খ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ
গ
পশ্চিমবঙ্গ ব্যতীত ভারতের অন্যান্য অংশে
ঘ
ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর: ঘ
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ক এবং খ উভয়
ঘ
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইন হিন্দুদের ধর্মীয় এবং ব্যক্তিগত আইন। এ আইন যারা জন্মসূত্রে হিন্দু, হিন্দু ধর্মে দীক্ষিত, হিন্দু পিতা মাতার অবৈধ সন্তান এবং যে ক্ষেত্রে পিতা খ্রীষ্টান এবং মাতা হিন্দু সেই ক্ষেত্রে অবৈধ সন্তান যদি মায়ের কাছে হিন্দু আচার অনুযায়ী লালিত পালিত হয়, তবে এসব ক্ষেত্রে হিন্দু আইন প্রযোজ্য।
বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- ১- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং ২- মিতাক্ষরা পদ্ধতি।
দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে। যদিও বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দায়ভাগ মতবাদ প্রযোজ্য, কিন্তু যে সকল ক্ষেত্রে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরার মধ্যে কোন বিরোধ নেই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই অঞ্চলেও মিতাক্ষর মতবাদ প্রয়োগ করা হয়।
৬,৭০৩.
স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সমন কার বরাবর জারি করা যাবে?
ক
মালিকের বরাবর
খ
দখলদারের বরাবর
গ
সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিবাদির প্রতিনিধির উপর
ঘ
যে কোন ব্যক্তি বরাবর
সঠিক উত্তর: গ
সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিবাদির প্রতিনিধির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিবাদির প্রতিনিধির উপর
গ
ব্যাখ্যা
• সমনের উদ্দেশ্য- সমন জারি করা হয় বিবাদীকে মোকদ্দমার বিষয়টি অবহিত করে আদালতে বিবাদীর হাজিরা নিশ্চিত করা এবং মোকদম্মা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে তার বক্তব্য পেশের সুযোগ দেয়া।
• আদেশ ৫ বিধি-১৪ অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক কোন প্রতিকার বা এর ক্ষতিপূরণ পাওয়ার উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, যদি বিবাদির উপর ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা না যায় এবং যদি বিবাদির ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি সমন গ্রহণের জন্য না থাকে, তাহলে সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিবাদির যে কোন প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা যাবে।
Rule-14: Service on agent in charge in suits for immovable property- Where in a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property, service cannot be made on the defendant in person, and the defendant has no agent empowered to accept the service, it may be made on any agent of the defendant in charge of the property.
৬,৭০৪.
দণ্ডবিধির ১০০ ধারার মতে, কোন ধরনের আক্রমণের ফলে শরীর বা দেহ রক্ষা করতে আক্রমণকারীর মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে?
ক
অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ করলে
খ
কোন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে
গ
এমন আক্রমণ যা অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায়ে সংঘটিত হয়
ঘ
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর: ঘ
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা: (i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে। (ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে। (iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ। (iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ। (v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ। (vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
Section 100- When the right of private defence of the body extends to causing death: The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:- Firstly.- Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault; Secondly.- Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault; Thirdly.- An assault with the intention of committing rape; Fourthly.- An assault with the intention of gratifying unnatural lust; Fifthly.- An assault with the intention of kidnapping or abducting; Sixthly.- An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.
৬,৭০৫.
সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে দায়েরকৃত রিভিশন দায়রা জজ কার নিকট শুনানির জন্য হস্তান্তর করতে পারেন?
ক
যুগ্ম জেলা জজের কাছে
খ
অতিরিক্ত দায়রা জজের কাছে
গ
অতিরিক্ত জেলা জজের কাছে
ঘ
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
সঠিক উত্তর: খ
অতিরিক্ত দায়রা জজের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
অতিরিক্ত দায়রা জজের কাছে
খ
ব্যাখ্যা
রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে- ১. হাইকোর্ট বিভাগ, ২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।
• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না। ধারা ৪৩৯ক(৩) অনুযায়ী, অতিরিক্ত দায়রা জজও রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, যদি দায়রা জজ সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে কোনো রিভিশন মামলা তাদের কাছে প্রেরণ করেন। এ ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত দায়রা জজ দায়রা জজের মতো একই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
৬,৭০৬.
'ক', 'খ' এর বৈধ চলাচলের রাস্তার অর্ধেক অংশে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেন এবং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এক্ষেত্রে The Specific Relief Act, 1877 অনুসারে 'খ' এর সর্বোত্তম প্রতিকার কী?
ক
ঘোষণা ও খাস দখল পুনরুদ্ধার
খ
খাস দখল পুনরুদ্ধার
গ
বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ঘ
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর: গ
বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
গ
ব্যাখ্যা
-'ক', 'খ' এর বৈধ চলাচলের রাস্তার অর্ধেক অংশে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেন এবং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এক্ষেত্রে 'খ' এর সর্বোত্তম প্রতিকার হচ্ছে আদালত থেকে The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৪ এবং ৫৫ এর অধীন বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর পক্ষে কোন বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা, যা ভঙ্গ করাকে প্রতিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হতে পারে। নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী করার অর্থ ইহা নয় যে, উক্ত নিষেধাজ্ঞা চিরকালের জন্য চলতে থাকবে এবং উক্ত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন কিছু করা যাবে না। কোন উপর্যুক্ত আদালত যতদিন পর্যন্ত স্বত্বের মীমাংসা না করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি রদ না করেন ততদিন পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে। অপরদিকে, কোন ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনগত ভাবে বাধ্য থাকা শর্তেও তা করা থেকে বিরত থাকলে আদালত তাকে কাজটি সম্পাদন করতে বাধ্য করে তথা কোন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে তা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় এই সম্পর্কে বলা হয়েছে। বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সে যে কাজ করতে বাধ্য তাকে তা করতে আদেশ দেয়া হয়। সেজন্য ৫৫ ধারার বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা আদালতে প্রার্থনা করা হলে আদালত তার বিবেচনামূলক স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সন্তুষ্টচিত্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মঞ্জুর করে থাকেন।
- এক্ষেত্রে আদালত ‘ক’ কে বাড়ি নির্মাণের কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য নিষেধাজ্ঞা এবং ‘খ’ কে উক্ত পথে চলার আদেশ দিতে পারে।
৬,৭০৭.
একটি বিক্রয় চুক্তি সম্পাদনের কত দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হয়?
ক
৩০
খ
৬০
গ
৯০
ঘ
১২০
সঠিক উত্তর: খ
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৬০
খ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৭ক- বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন:
(১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
Section 17A- Registration of contract for sale, etc: (1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered.
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.
৬,৭০৮.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার পূর্বের আদেশ পর্যালোচনা (review) করতে পারে কীভাবে?
ক
নিজ উদ্যোগে
খ
আবেদনের ভিত্তিতে
গ
উচ্চ আদালতের নির্দেশে
ঘ
ক অথবা খ
সঠিক উত্তর: ঘ
ক অথবা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ক অথবা খ
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (রিভিউ) করার ক্ষমতা: অনুচ্ছেদ ৩৪(৮) অনুযায়ী: বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে তার পূর্বের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (review), পরিবর্তন (vary) বা বাতিল (rescind) করতে পারে। ⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার নিজস্ব উদ্যোগে বা কোন আবেদনের প্রেক্ষাপটে তার সিদ্ধান্ত রিভিউ করতে পারে বা পরিবর্তন করতে পারে বা বাতিল করতে পারে। ------------------ ⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 Article-34(8): The Tribunal may, of its own motion or on application made to it in this behalf, review any order passed under clause (4) or (6) and maintain, vary or rescind the same, as it thinks fit.
৬,৭০৯.
কখন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রদত্ত ক্রোক প্রত্যাহার (Withdraw the attachment) করিবেন?
ক
যে কোন সময়ে
খ
ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হইলে
গ
রোধীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে আর কোন প্রকার শান্তি ভঙ্গের আশংকা না থাকিলে
ঘ
উপরে বর্ণিত সবগুলি
সঠিক উত্তর: ঘ
উপরে বর্ণিত সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
উপরে বর্ণিত সবগুলি
ঘ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
৬,৭১০.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তি বণ্টনের সঠিক ক্রম কোনটি?
ক
ঋণ → ওয়ারিসদের অংশ → অসিয়াত
খ
ঋণ → অসিয়াত → ওয়ারিসদের অংশ
গ
অসিয়াত → ঋণ → ওয়ারিসদের অংশ
ঘ
ওয়ারিসদের অংশ → ঋণ → অসিয়াত
সঠিক উত্তর: খ
ঋণ → অসিয়াত → ওয়ারিসদের অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ঋণ → অসিয়াত → ওয়ারিসদের অংশ
খ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঋণ → অসিয়াত → ওয়ারিসদের অংশ। ⇒ প্রথমে ঋণ পরিশোধ করতে হবে, তারপর অসিয়াত (যা সর্বোচ্চ ১/৩ পর্যন্ত) কার্যকর করতে হবে, তারপর অবশিষ্ট সম্পত্তি ওয়ারিসদের মধ্যে বণ্টন করতে হবে।
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তি বণ্টনের সঠিক ক্রম নিম্নরূপ: ১) প্রথমে ঋণ পরিশোধ: মৃত ব্যক্তির সকল ঋণ (দেনা) প্রথমে পরিশোধ করতে হবে। এতে ব্যক্তিগত ঋণ, দেনমোহর ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। ২) তারপর অসিয়ত (উইল) কার্যকর: ঋণ পরিশোধের পর অসিয়ত অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১/৩ সম্পত্তি বণ্টন করা যায় (শর্তসাপেক্ষে)। অসিয়ত শুধুমাত্র অ-ওয়ারিসদের জন্য প্রযোজ্য। ৩) সর্বশেষ ওয়ারিসদের অংশ: অবশিষ্ট সম্পত্তি কোরআন-সুন্নাহর বিধান অনুযায়ী ওয়ারিসদের মধ্যে বণ্টিত হবে।
উল্লেখ্য যে, অসিয়ত ওয়ারিসদের ক্ষতি করে না (অসিয়তের মাধ্যমে ওয়ারিসদের বঞ্চিত করা নিষিদ্ধ)। যদি ঋণ বা অসিয়ত সম্পত্তির সমস্ত অংশ নিয়ে যায়, তবে ওয়ারিসরা কিছুই পাবেন না।
উদাহরণ: মৃত ব্যক্তির ১ লক্ষ টাকা সম্পত্তি, ২০,০০০ টাকা ঋণ ও ১০,০০০ টাকা অসিয়ত থাকলে: - প্রথমে ২০,০০০ টাকা ঋণ পরিশোধ → অবশিষ্ট ৮০,০০০ টাকা। - তারপর ১০,০০০ টাকা অসিয়ত দেওয়া → অবশিষ্ট ৭০,০০০ টাকা। - শেষে ৭০,০০০ টাকা ওয়ারিসদের মধ্যে বণ্টন।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ঋণ → অসিয়াত → ওয়ারিসদের অংশ।
৬,৭১১.
উত্তরকালীন অসম্ভবতা (supervening impossibility) এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোন শর্তটি প্রযোজ্য নয়?
ক
চুক্তি করার সময় চুক্তি পালন সম্ভব ছিল
খ
চুক্তি পরবর্তী কার্যসম্পাদন অসম্ভব হয়
গ
অসম্ভবতা অঙ্গীকারকারীর অবহেলার কারণে হয়
ঘ
অসম্ভবতা প্রাকৃতিক বা রাষ্ট্রীয় কারণে হয়
সঠিক উত্তর: গ
অসম্ভবতা অঙ্গীকারকারীর অবহেলার কারণে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
অসম্ভবতা অঙ্গীকারকারীর অবহেলার কারণে হয়
গ
ব্যাখ্যা
• চুক্তি করার পর কোন ঘটনা দ্বারা চুক্তি পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়লে তাকে উত্তরকালীন অসম্ভবতা (Supervening impossibility) বলে। পরবর্তীকালে কোন ঘটনা দ্বারা চুক্তি পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়লে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটে। চুক্তি সৃষ্টির সময় যা করা সম্ভব ছিল পরবর্তীকালে কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনার জন্য তা যদি অসম্ভব হয়ে পড়ে এরূপ ঘটনাকে উত্তরকালীন অসম্ভবতা (Supervening impossibility) বলে। তাই অসম্ভবতা অঙ্গীকারবদ্ধকারীর অবহেলার কারণে হয় এই শর্তটি Supervening impossibility এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার ১ম অংশে বলা হয়েছে, যে কাজ এর প্রকৃতির জন্য করা অসম্ভব সে কাজ করার সম্মতি বাতিল। উদাহরণ-ক খ-এর সাথে যাদু বলে ধন আবিষ্কার করতে সম্মত হন। সম্মতিটি বাতিল। কারণ, যাদু বলে ধন আবিষ্কার সম্ভব নয়।
উদাহরণ- ১ রোকেয়া বেগম একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠান করার জন্য সাদমান মুশরিফাতের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দিয়ে এক দিনের জন্য একটি ঘর ভাড়া করলো। জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আগের দিন ঘরটি আগুনে পুড়ে গেলো।উত্তরকালীনঅসম্ভবতার কারণে রোকেয়া বেগম এবং সাদমান মুশরিফাতের মধ্যকার চুক্তিটি পরিসমাপ্তি হয়ে গেলো।এই চুক্তির জন্য সাদমান মুশরিফাত দায়ী থাকবে না।
৬,৭১২.
'An injunction cannot be granted to stay proceedings in any criminal matter'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা আছে?
ক
৫৪ ধারায়
খ
৫৫ ধারায়
গ
৫৬ ধারায়
ঘ
৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর: গ
৫৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৫৬ ধারায়
গ
ব্যাখ্যা
• Section 56: An injunction cannot be granted- (a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; (b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; (c) to restraint persons from applying to any legislative body; (d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; (e) to stay proceedings in any criminal matter; (f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; (g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; (h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; (i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; (j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; (k) where the applicant has no personal interest in the matter.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত; ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত; iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা; iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ; v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত; vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে; vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য; viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে; ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে; x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা xi) মামলার বিষয়বস্তুতে দরখাস্তকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ না থাকলে।
৬,৭১৩.
'Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
ক
ধারা ৪৮৬
খ
ধারা ৪৮৫
গ
ধারা ৪৮৯
ঘ
ধারা ৪৮৫ক
সঠিক উত্তর: ঘ
ধারা ৪৮৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ধারা ৪৮৫ক
ঘ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।
Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons-
(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty.
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
৬,৭১৪.
A নতুন ভবন নির্মাণ করে এমনভাবে যে, তাতে B-এর আলো-প্রবেশের অধিকার (যা B তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে অর্জন করেছে) বাধাগ্রস্ত হয়। এক্ষেত্রে B আদালতের মাধ্যমে কী নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে?
ক
শুধু A-কে নির্মাণ বন্ধ রাখার
খ
শুধুমাত্র বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলার
গ
নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং আলো বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলা উভয়
ঘ
কোনো নিষেধাজ্ঞা পাবে না
সঠিক উত্তর: গ
নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং আলো বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং আলো বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলা উভয়
গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunctions): যখন কোনো বাধ্যবাধকতা (obligation) ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু কাজ করানো প্রয়োজন হয় এবং আদালত সেই কাজ করাতে সক্ষম হয়, তখন আদালত তার বিবেচনা অনুযায়ী এমন একটি নিষেধাজ্ঞা (injunction) দিতে পারে যা— ১. উক্ত ভঙ্গ (breach) রোধ করে, এবং ২. প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে বাধ্য করে।
উদাহরণসমূহ (Illustrations)-
(ক) A নতুন ভবন নির্মাণ করে এমনভাবে যে তাতে B-এর আলো-প্রবেশের অধিকার (যা B তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে অর্জন করেছে) বাধাগ্রস্ত হয়। → B আদালতের মাধ্যমে এমন নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে যা কেবল A-কে নির্মাণ বন্ধ রাখতে বলে না, বরং যতটুকু অংশ আলো বাধাগ্রস্ত করছে, তা ভেঙে ফেলতেও আদেশ দেয়।
৬,৭১৫.
আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির কত বিধি অনুযায়ী হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় (examine or adjust accounts) করার জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
ক
আদেশ ২৬ বিধি-৯
খ
আদেশ ২৬ বিধি-১০
গ
আদেশ ২৬ বিধি-১১
ঘ
আদেশ ২৬ বিধি-১৩
সঠিক উত্তর: গ
আদেশ ২৬ বিধি-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
আদেশ ২৬ বিধি-১১
গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১১: হিসাব পরীক্ষা কিংবা সমন্বয় করার জন্য কমিশন: কোন মোকদ্দমায় হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়নের প্রয়োজন হলে আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার নিকট কমিশন প্রেরণ করে উক্ত পরীক্ষা বা সমন্বয়নের নির্দেশ প্রদান করতে পারে।
Rule.-11: Commission to examine or adjust accounts: In any suit in which an examination or adjustment of accounts is necessary, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such examination or adjustment.
৬,৭১৬.
দণ্ডবিধির ২৪২ ধারা অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি কখন শাস্তিযোগ্য হবে?
ক
যদি সে জাল মুদ্রা তৈরি করে
খ
যদি সে অজান্তে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে
গ
যদি সে জেনেশুনে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে
ঘ
যদি সে জাল মুদ্রা অন্যের কাছে হস্তান্তর করে
সঠিক উত্তর: গ
যদি সে জেনেশুনে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
যদি সে জেনেশুনে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে
গ
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪২: জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখা, যখন সে জানত যে এটি জাল: যে কেউ প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা প্রতারণা সংঘটিত হওয়ার অভিপ্রায়ে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে, এবং যখন সে এই মুদ্রা নিজের কাছে গ্রহণ করে তখন জানত যে এটি জাল, তবে সে ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও প্রদান করতে হবে।
[Whoever, fraudulently or with intent that fraud may be committed, is in possession of counterfeit coin, having known at the time when he became possessed thereof that such coin was counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.]
৬,৭১৭.
যদি আদালতে বিবাদী উপস্থিত না হয় এবং প্রমাণিত না হয় যে সমন যথারীতি জারি হয়েছে, তাহলে আদালত কী করবেন?
ক
বাদীকে জরিমানা করবেন
খ
মামলাটি খারিজ করে দেবেন
গ
বিবাদীর ওপর দ্বিতীয়বার সমন জারি করার নির্দেশ দেবেন
ঘ
মামলাটি একতরফা বিচার করতে পারবেন
সঠিক উত্তর: গ
বিবাদীর ওপর দ্বিতীয়বার সমন জারি করার নির্দেশ দেবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বিবাদীর ওপর দ্বিতীয়বার সমন জারি করার নির্দেশ দেবেন
গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৬: ১) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বাদী উপস্থিত হয় এবং বিবাদী উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে আদালত- ক) যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে, একতরফা বিচার করতে পারবেন।
খ) যদি প্রমাণিত না হয় যে, যথারীতি জারি হয়েছে, তবে আদালত বিবাদীর উপর দ্বিতীয়বার সমন প্রেরণ এবং জারি করার নির্দেশ দান করবেন।
গ) যেক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারি হয়, কিন্তু উপযুক্ত সময়ের মধ্যে নয়ঃ যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে, তবে বিবাদীকে সমনে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হয়ে জবাব দেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয়নি, তবে আদালত পরবর্তী কোনো নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মূলতবি রাখবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করবে।
৬,৭১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুযায়ী ভুলের জন্য চুক্তি রদ করার জন্য নিচের কোনটি একটি শর্ত নয়?
ক
চুক্তিতে ভুল থাকা
খ
চুক্তিটি লিখিত হওয়া
গ
চুক্তিতে একজন স্বাক্ষী থাকা
ঘ
বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হওয়া
সঠিক উত্তর: গ
চুক্তিতে একজন স্বাক্ষী থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
চুক্তিতে একজন স্বাক্ষী থাকা
গ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুযায়ী, শুধুমাত্র ভুলের কারণে লিখিত চুক্তি রদ করার জন্য নিম্নলিখিত শর্তগুলো প্রয়োজন: (ক) চুক্তিতে ভুল থাকা: এটি মূল ভিত্তি। (খ) চুক্তিটি লিখিত হওয়া: ধারা ৩৬ শুধুমাত্র লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। (ঘ) বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হওয়া: চুক্তি রদ করলে অপর পক্ষকে চুক্তির আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যাবে কিনা তা বিবেচ্য। কিন্তু (গ) চুক্তিতে একজন স্বাক্ষী থাকা – ৩৬ ধারায় এটি কোনও শর্ত হিসেবে উল্লেখ নেই। লিখিত চুক্তির জন্য স্বাক্ষরের প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু একজন স্বাক্ষীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ: কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই। ------------ ⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 36. Rescission for mistake: Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
৬,৭১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করার গ্রহণযোগ্যতা দেয়া হয়েছে?
ক
১৭৬(২) ধারায়
খ
৫০৮ ধারায়
গ
৫০৯ক ধারায়
ঘ
৫০৫ ধারায়
সঠিক উত্তর: গ
৫০৯ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৫০৯ক ধারায়
গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৬,৭২০.
তামাদি আইনের কত ধারায় 'নিলাম গ্রহীতার সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে, নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে'- এই বিধান দেয়া আছে?
ক
১৫ ধারায়
খ
১৬ ধারায়
গ
১৭ ধারায়
ঘ
১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর: খ
১৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৬ ধারায়
খ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৬ ধারায় নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে- - ’ডিক্রি জারির জন্য কোন সম্পত্তি বিক্রয়’ অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহিতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। ------------------------------------- ⇒ The Limitation Act, 1908, Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending: In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৬,৭২১.
'হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকগণের উপর মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন এর সাধারণ তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকিবে' হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “মহাপরিদর্শক” অর্থ কোন আইনের অধীন নিযুক্ত মহাপরিদর্শকে বুঝাবে?
ক
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২
খ
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিষ্ট্রীকরণ) আইন, ১ঌ৭৪
গ
রেজিস্ট্রেশন আইন ১ঌ০৮
ঘ
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩
সঠিক উত্তর: গ
রেজিস্ট্রেশন আইন ১ঌ০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
রেজিস্ট্রেশন আইন ১ঌ০৮
গ
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ১৩ ধারার বিধান তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি:
(১) প্রত্যেক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা রেজিস্ট্রারের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে থাকিয়া তাহার দাপ্তরিক ও অর্পিত দায়িত্ব সম্পন্ন করিবেন।
(২) হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকগণের উপর মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন এর সাধারণ তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকিবে।
(৩) জেলা রেজিস্ট্রার তাহার স্থানীয় অধিক্ষেত্র এলাকায় যে কোন সময় যে কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের কার্যালয় পরিদর্শন করিতে পারিবেন।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “মহাপরিদর্শক” অর্থ Registration Act, 1908 এর অধীন নিযুক্ত মহাপরিদর্শক নিবন্ধন, বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।
৬,৭২২.
কোন পরিস্থিতিতে দেওয়ানি আদালত প্রথম শুনানির দিনই রায় ঘোষণা করতে পারে?
ক
উভয় পক্ষ সাক্ষী পেশে ব্যর্থ হলে
খ
আদালত মনে করলে যে, মামলাটি গুরুতর নয়
গ
একমাত্র বিবাদী আদালতে উপস্থিত না থাকলে
ঘ
আইনগত বা ঘটনা সম্পর্কিত বিচার্য বিষয় না থাকলে
সঠিক উত্তর: ঘ
আইনগত বা ঘটনা সম্পর্কিত বিচার্য বিষয় না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
আইনগত বা ঘটনা সম্পর্কিত বিচার্য বিষয় না থাকলে
ঘ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে। [Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
৬,৭২৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১৩৫(১) কাদেরকে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দিয়েছে?
ক
সাক্ষী
খ
বাদী ও বিবাদী
গ
পুলিশ কর্মকর্তা
ঘ
বিচারক
সঠিক উত্তর: ঘ
বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
বিচারক
ঘ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি: ১) কোনো জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।
২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।
৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।
৬,৭২৪.
কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে সরকার কার সাথে পরামর্শ করবেন?
ক
রাষ্ট্রপতির সাথে
খ
প্রধানমন্ত্রীর সাথে
গ
অ্যাটর্নি জেনারেলের সাথে
ঘ
হাইকোর্ট বিভাগের সাথে
সঠিক উত্তর: ঘ
হাইকোর্ট বিভাগের সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
হাইকোর্ট বিভাগের সাথে
ঘ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১(৪) ধারার বিধান হল: এই ধারায় যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, সরকার হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে পরামর্শসাপেক্ষে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বাদি পালন করার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ নির্ধারিত মেয়াদকালে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বসমূহ পালন করবেন না।
অর্থাৎ, সরকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যাবলী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সম্পাদনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শ করে থাকেন।
Section 11(4)- Notwithstanding anything contained in this section, the Government may require any Executive Magistrate to perform the functions of a Judicial Magistrate for a period to be determined in consultation with the High Court Division and during such period, the Magistrate shall not perform the functions of an Executive Magistrate.
৬,৭২৫.
পেনাল কোডে কত প্রকারের গৃহপ্রবেশকে 'অপথে গৃহপ্রবেশ' (House- breaking) হিসেবে চিহ্নিত করা হইয়াছে?
ক
৫ প্রকারের,
খ
৬ প্রকারের,
গ
৭ প্রকারের,
ঘ
৮ প্রকারের।
সঠিক উত্তর: খ
৬ প্রকারের,
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৬ প্রকারের,
খ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for ); ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him); iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে। ---------------- ⇒ Section 445 House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
৬,৭২৬.
রাকিব একটি বিতর্কিত জমি নিয়ে রফিকের বিরুদ্ধে মামলা করে, যা একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য। এক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীনে কে অন্য কোন দায়েরযোগ্য আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে?
ক
রাকিব
খ
রফিক
গ
আদালত স্বেচ্ছায়
ঘ
রাকিব এবং রফিক উভয়
সঠিক উত্তর: খ
রফিক
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
রফিক
খ
ব্যাখ্যা
ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• যে আবেদন করতে পারে: ২২ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।
এক্ষেত্রে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন শুধুমাত্র বিবাদী (এখানে রফিক) করতে পারে।
• যখন আবেদন করতে পারে: যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।
Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court- Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court, and the Court to which such application is made, after considering the objections of the other parties (if any), shall determine in which of the several Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
৬,৭২৭.
"কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে”- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
ক
ধারা ২৩৩
খ
ধারা ২৩৫
গ
ধারা ২৩৭
ঘ
ধারা ২৩৬
সঠিক উত্তর: গ
ধারা ২৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ধারা ২৩৭
গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
• ধারা ২৩৭এবলা আছে- ২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো,তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে। [If, in the case mentioned in section 236, the accused is charged with one offence, and it appears in evidence that he committed a different offence for which he might have been charged under the provisions of that section, he may be convicted of the offence which he is shown to have committed, although he was not charged with it.]
উদহারণ-'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল।কিন্তু দেখা গেল যে,সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে।উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও,অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।
৬,৭২৮.
'মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।'- এই বিধান Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর আইনজীবীদের কোন কর্তব্যের মধ্যে পড়ে?
ক
জনসাধারণের প্রতি কর্তব্য
খ
অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি কর্তব্য
গ
আদালতের প্রতি কর্তব্য
ঘ
মক্কেলদের প্রতি কর্তব্য
সঠিক উত্তর: গ
আদালতের প্রতি কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
আদালতের প্রতি কর্তব্য
গ
ব্যাখ্যা
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:
১. মর্যাদা ও সুরক্ষা: - আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত। - বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
২. সাক্ষীর পরিচয়: - মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।
৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি: - বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত। - বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
৪. বিচারকের সাথে আচরণ: - বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত। - বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব: - আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব। - সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।
৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা: - বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়। - মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।
৭. বিচারক নিয়োগ: - রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত। - বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।
৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি: - আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব। - উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।
৯. মতামত প্রদান: - নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়। - প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।
৬,৭২৯.
হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' দাবি করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না। এই দাবি প্রমাণের দায়িত্ব কার?
ক
'ক' এর
খ
আদালতের
গ
পুলিশের
ঘ
অভিযোগকারীর
সঠিক উত্তর: ক
'ক' এর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
'ক' এর
ক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্ব: কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।
উদাহরণ: (ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' দাবি করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।
(খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। বিশেষভাবে যে ঘটনা কারও অবগতির মধ্যে রয়েছে।
৬,৭৩০.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমায় চুক্তি রদের প্রার্থনাটি কী হিসেবে করা হয়?
ক
মূল প্রার্থনা
খ
স্বতন্ত্র মোকদ্দমা
গ
বিকল্প প্রার্থনা
ঘ
আপীল আবেদনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর: গ
বিকল্প প্রার্থনা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বিকল্প প্রার্থনা
গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি: লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance: A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল- পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন- (ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং (খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
Section 494: Effect of withdrawal from prosecution- Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal- (a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences; (b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৬,৭৩২.
জারজ সন্তান মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে কী অবস্থায় থাকে?
ক
বৈধ উত্তরাধিকারী
খ
আংশিক উত্তরাধিকারী
গ
উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত
ঘ
আদালতের অনুমতির উপর নির্ভর করে
সঠিক উত্তর: গ
উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত
গ
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফিকহ) অনুযায়ী, জারজ সন্তান বা অবৈধ সম্পর্ক থেকে জন্মগ্রহণকারী সন্তান তার পিতা বা পিতার আত্মীয়দের কাছ থেকে কোন উত্তরাধিকার পায় না। এর প্রধান কারণ হলো: ১. বংশধারা স্বীকৃতি: মুসলিম আইনে বংশধারা কেবল বৈধ বিবাহের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়। জারজ সন্তানের সাথে তার জৈবিক পিতার কোনো আইনি পিতৃত্বের সম্পর্ক থাকে না। ২. হাদিসের নির্দেশনা: ইসলামি শরিয়তে জারজ সন্তানের উত্তরাধিকার অস্বীকার করা হয়েছে। ৩. মাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার: তবে উল্লেখ্য, কিছু ফিকহি মতে জারজ সন্তান তার মাতা এবং মাতার আত্মীয়দের কাছ থেকে উত্তরাধিকার পেতে পারে, কারণ মাতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় জন্মের মাধ্যমে। কিন্তু পৈতৃক দিক থেকে সে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত। ৪. শাস্তিমূলক দিক: এই বিধান অবৈধ যৌন সম্পর্ক নিরুৎসাহিত করার একটি আইনি ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত। - অতএব, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে "উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত"-ই সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর।
৬,৭৩৩.
একজন সাক্ষী হিসেবে শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের কর্তব্য কী হবে?
ক
অভিযোগকারীকে সাহায্য করা
খ
আদালতকে সাহায্য করা
গ
অভিযুক্তকে শাস্তি থেকে বাঁচানো
ঘ
নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করা
সঠিক উত্তর: খ
আদালতকে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
আদালতকে সাহায্য করা
খ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: (১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়। (২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয়, যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দিতে- ১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে; ২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে; ৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.- (1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties. (2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৬,৭৩৪.
The term “Judge" is explained in The Penal Code under Section-
ক
Section-21
খ
Section-17
গ
Section-19
ঘ
Section-20
সঠিক উত্তর: গ
Section-19
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Section-19
গ
ব্যাখ্যা
The penal Code,1860: Section-19. “Judge”: The word “Judge” denotes not only every person who is officially designed as a Judge, but also every person,- -who is empowered by law to give, in any legal proceeding, civil or criminal, a definitive judgment, or a judgment which, if not appealed against, would be definitive, or a judgment -which, if confirmed by some other authority, would be definitive, or -who is one of a body of persons, which body of persons is empowered by law to give such a judgment. Illustration: (a) A Collector exercising jurisdiction in a suit under Act X of 1859, is a Judge. (b) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power to sentence to fine or imprisonment with or without appeal, is a Judge. (d) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power only to commit for trial to another Court, is not a Judge. ---------------------------- দণ্ডবিধির ১৯ ধারার বিধান- জজ: বিচারক অর্থ শুধু সরকারীভাবে বিচারক বলে আখ্যাত বা নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকেই বোঝায় না, বরং যেকোন আইনগত কার্যব্যবস্থা, কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী যা হোক, চুড়ান্ত রায়দান বা আপীল না করা না হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এইরূপ বায়দান বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সমর্থিত হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এমন কোন রায়দান করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রদত্ত প্রত্যেক ব্যক্তি, অথবা অনুরূপ রায়দান করার জন্য আইনবলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তি সংস্থাভুক্ত ব্যক্তিকেও বুঝাবে। উদাহরণ: (ক) ১৮৫৯ সালের ১০নং আইন মোতাবেক কোন মোকদ্দমায় বিচার-ক্ষমতা প্রয়োগে একজন কালেক্টরই বিচারক। (খ) যে অভিযোগের বিচারে ম্যাজিস্ট্রেটের অর্থ বা কারাদণ্ডদানের ক্ষমতা রয়েছে-তার দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাক বা না যাক- সে অভিযোগে বিচার ক্ষমতা প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক। (ঘ) যে অভিযোগে ম্যাজিস্ট্রেট কেবলমাত্র কোন আদালতে বিচারের জন্য সোপর্দ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত, সে অভিযোগের ব্যাপারে এখতিয়ার প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক নয়।
৬,৭৩৫.
মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
ক
মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
খ
কারাদণ্ড শুরু হওয়ার তারিখ থেকে
গ
কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
ঘ
ক্ষতিপূরণের দাবি জানানোর তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর: গ
কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
গ
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: খ) কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে।
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর। এই মেয়াদ কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
অর্থাৎ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
৬,৭৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারায় ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে, উক্ত সম্পত্তির মালিক কর্তৃক কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
ক
৩ মাস
খ
৬ মাস
গ
১ বছর
ঘ
২ বছর
সঠিক উত্তর: ঘ
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
২ বছর
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার: - যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে। ------------------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-89: Restoration of attached property: If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
৬,৭৩৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৬খ অনুসারে গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে কী উল্লেখ করতে হবে না?
ক
গ্রেফতারের কারণ
খ
হেফাজতকারী অফিসারের নাম
গ
মামলা নম্বর ও আইনের ধারা
ঘ
অভিযোগকারীর নাম ও তথ্য
সঠিক উত্তর: গ
মামলা নম্বর ও আইনের ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
মামলা নম্বর ও আইনের ধারা
গ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৬খ(১) অনুসারে গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে: - গ্রেফতারের কারণ - অভিযোগকারীর নাম ও তথ্য - আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও তথ্য (যাকে গ্রেফতারের তথ্য দেওয়া হয়েছে) - হেফাজতকারী অফিসারের নাম ও তথ্য তবে মামলা নম্বর ও আইনের ধারা-এর উল্লেখ এই ধারায় বাধ্যতামূলক করা হয়নি। অতএব, মামলা নম্বর ও আইনের ধারা উল্লেখ করা এই ধারায় বাধ্যতামূলক নয়।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ- সরকারি রেজিস্টার, সাধারণ ডায়েরিতে গ্রেপ্তার লিপিবদ্ধকরণ এবং গ্রেপ্তার সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ: (১) গ্রেপ্তারকারী অফিসার কর্তৃক সরকারি রেজিস্টারে একটি ভুক্তি করা হবে, যেখানে গ্রেপ্তারের কারণ, তথ্য প্রদানকারী বা অভিযোগকারীর নাম ও বিবরণ, ক্ষেত্রমত যে আত্মীয় বা বন্ধুকে গ্রেপ্তার সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে তার নাম ও বিবরণ, এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির হেফাজতে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ উল্লেখ থাকবে। (২) একটি পুলিশ স্টেশনের এখতিয়ারের মধ্যে করা প্রতিটি গ্রেপ্তার অবিলম্বে ওই স্টেশনের সাধারণ ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করা হবে, এবং যেখানে গ্রেপ্তারকারী অফিসার উক্ত পুলিশ স্টেশনের সাথে সংযুক্ত নন, সেখানে তিনি গ্রেপ্তার করার পরপরই গ্রেপ্তারের স্মারকলিপির একটি অনুলিপি উক্ত পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সরবরাহ করার ব্যবস্থা করবেন, যিনি তখন এটি সাধারণ ডায়েরিতে ভুক্তির ব্যবস্থা করবেন। (৩) উপ-ধারা (১) এবং (২) এর অধীনে রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার, চাহিদা অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীর কাছে এই ধরনের গ্রেপ্তার সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবেন।
৬,৭৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় রায়ের পূর্বে গ্রেফতার এবং সম্পত্তি ক্রোক এর বিধান আছে?
ক
Order XXVIII
খ
Order XXXVII
গ
Order XXXVIII
ঘ
Order XXXV
সঠিক উত্তর: গ
Order XXXVIII
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Order XXXVIII
গ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ (Order XXXVIII )এর বিধান হলো রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক ও আটক করা। ⇒ অনেক সময় রায় প্রদানের পূর্বেই বিবাদীকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন হতে পারে এবং সম্পত্তি ক্রোক করার প্রয়োজন হতে পারে যেন বাদীর প্রতিকারে কোন বিলম্ব না হয়। ⇒ আদেশ ৩৮ অনুযায়ী ২ ধরনের আদেশ হতে পারে- ১) রায়ের পূর্বে গ্রেফতার, ২) রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক।
৬,৭৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিধান মতে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যেতে পারে-
ক
নিলাম বিক্রির আদেশ দ্বারা
খ
ক্রোকাদেশ দ্বারা
গ
নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা
ঘ
ঘোষণামূলক আদেশ দ্বারা
সঠিক উত্তর: গ
নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা
গ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়। - The Specific Relief Act,1877-Section 52. Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. - কোন ব্যক্তি যে বেআইনি কাজ (Wrongful Act) করতে অধিকারী নয়, সেই কাজ করা, চালিয়ে যাওয়া, পুনরায় করা থেকে বিরত (Prevent) রাখতে, আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে যে আদেশ দেয় তাই নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Prevent relief). - প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন। ১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা ২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে। - সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার। - সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) হলো সর্বোত্তম পন্থা।
৬,৭৪০.
জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন জড়িত থাকলে তার প্রতিকার ও খতিয়ান সংশোধনের আদেশ কে দিতে পারেন?
ক
সহকারী কমিশনার (ভূমি)
খ
দেওয়ানী আদালত
গ
ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল
ঘ
সেটেলমেন্ট অফিসার
সঠিক উত্তর: খ
দেওয়ানী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
দেওয়ানী আদালত
খ
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর ১৪৫ক ধারার সরকার সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্য হতে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবেন। এভাবে বিচারক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সরকার যুগ্ম জেলা জজদের ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের ক্ষমতা দিতে পারবে। (উপধারা- ৩ক) এরূপভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা জজ ট্রাইব্যুনালের নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে গণ্য হবেন। (উপধারা- ৩খ) এ ছাড়া ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল থেকে স্থানান্তরিত মামলা নিষ্পত্তির জন্য সরকার এক বা একাধিক সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ বা ক্ষমতা দিতে পারবে। (উপধারা- ৩গ)
- মালিকানার প্রশ্ন এবং খতিয়ান সংশোধনের উদ্দেশ্যে দেওয়ানী আদালতে The Specific Relief Act, 1877'র ৪২ ধারার অধীনে মালিকানা তথা স্বত্বের ঘোষণা কিংবা ঐ সম্পত্তিতে দখলের অধিকার আছে মর্মে ঘোষণার মামলায় ডিক্রি প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ডিক্রি বলে SAT Act, 1950'র ৫৪ ধারানুসারে খতিয়ানের ভুল সংশোধন করে নেওয়া হয়।
৬,৭৪১.
একজন অকৃষি প্রজা কোন উদ্দেশ্যে জমি ব্যবহার করতে পারেন না?
ক
ব্যবসায়িক কাজে
খ
ধর্মীয় উদ্দেশ্যে
গ
চা চাষের উদ্দেশ্যে
ঘ
আবাসিক উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর: গ
চা চাষের উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
চা চাষের উদ্দেশ্যে
গ
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 ধারা ৪: অকৃষি প্রজা যে সকল উদ্দেশ্যে অকৃষি জমি ব্যবহার করতে পারেন- (ক) গৃহস্থালি বা আবাসিক উদ্দেশ্যে; (খ) শিল্প বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে; (গ) ধর্মীয় বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে।
⇒ 'চা চাষ' কৃষি কাজের (agricultural) অন্তর্গত, তাই এটি অকৃষি প্রজার জমি ব্যবহারের বৈধ উদ্দেশ্য নয়।
৬,৭৪২.
কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে _______ পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।
ক
৭ দিন
খ
১০ দিন
গ
১৫ দিন
ঘ
২১ দিন
সঠিক উত্তর: গ
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১৫ দিন
গ
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারা- লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।
এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।
Section 106- Duration of certain leases in absence of written contract or local usage:
In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy.
Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.
৬,৭৪৩.
কোন ধরণের মোকদ্দমায় পারস্পরিক দায়শোধ বা Set off দাবি করা যায়?
ক
নিষেধাজ্ঞা
খ
অর্থ আদায়ের
গ
স্বত্বের
ঘ
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর: খ
অর্থ আদায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
অর্থ আদায়ের
খ
ব্যাখ্যা
• পারস্পরিক দায়শোধ বা Set off "অর্থ আদায়ের" মোকদ্দমায় দাবি করা যায়।
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
• ৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে— ১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।
২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।
৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
• বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায় তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন- i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের মধ্যে হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
৬,৭৪৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী 'Review' এর দরখাস্ত মনঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
ক
রিভিশন
খ
আপিল
গ
রেফারেন্স
ঘ
কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর: খ
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
আপিল
খ
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় ও ৪৩আদেশে "আদেশ হতে আপীল" এর বিধান আছে । এইখানে বলা আছে ৪৭ আদেশের ৪ বিধির আধিনে রিভিউ আবেদন বা দরখাস্ত মনঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। ♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪ তে রিভিউর বিধান আছে । আদালত রিভিউ আবেদন মনঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপীল চলে , তবে রিভিউ না-মনঞ্জুর করলে তার বিরদ্ধে রিভিশন চলবে।
৬,৭৪৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১, বিধি-২২ অনুযায়ী, পাল্টা আপত্তি দাখিল করতে হলে কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
ক
১০ দিন
খ
১৫ দিন
গ
৩০ দিন
ঘ
৬০ দিন
সঠিক উত্তর: গ
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৩০ দিন
গ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১, বিধি-২২ অনুযায়ী, যদি কোন এক পক্ষ (যেমন: বিবাদী) আপীলের মাধ্যমে ডিক্রি বা রায়ের কিছু অংশের বিরুদ্ধে আপত্তি জানাতে চায়, তবে তাকে নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রীর কোনো অংশকে সমর্থন না করেও, সেই ডিক্রীর বিরুদ্ধে পাল্টা আপত্তি দাখিল করার সুযোগ দেওয়া হয়। - এই পাল্টা আপত্তি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাখিল করতে হবে, যা নোটিশ জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।
- যদি আপীল আদালত তার পক্ষের নোটিশ জারি করে, তবে পাল্টা আপত্তি দাখিল করার জন্য আবেদনকারীকে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে আবেদন করতে হবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২২ এর বিধান: শুনানিকালে উত্তরদায়ক তৎকর্তৃক ডিক্রীতে আপত্তি দিতে পারে, যেন সে স্বাতন্ত্র্য আপিল দায়ের কয়েছে। ১) কোন উত্তরদায়ক যদিও কোন ডিক্রীর অংশ হতে আপিল করেনি, তথাপি সে শুধুমাত্র নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকৃত ডিক্রীর কোন সঙ্গত কারণ শুধু সমর্থন করেনি, বরং সে আপিলক্রমে যেভাবে পারত ঠিক সেভাবে উক্ত ডিক্রীর পাল্টা আপত্তি উত্থাপন করতে পারবে এ শর্তে যে, আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন সম্পর্কে তার উপর বা তার উকিলের উপর নোটিশ জারির তারিখ হতে সে আপিল আদালতে এক মাসের মধ্যে কিংবা আপিল আদালত মঞ্জুর করতে উপযুক্ত মনে করে এরূপ মঞ্জুরীকৃত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে অনুরূপ পাল্টা আপত্তি দাখিল করেছে। ২) আপত্তির ফরম এবং তাতে প্রযোজ্য বিধানসমূহ: অনুরূপ পাল্টা আপত্তি স্মারকের আকারে হতে হবে এবং আপিলের স্মারকের ফরম এবং বিষয়বস্তু সঙ্গে যতদূর সম্পর্কিত হয়, ততদূর ১ বিধির বিধানাবলী তাতে প্রযোজ্য হবে। ৩) আপত্তির নকল গ্রহণ সম্পর্কে ঐ আপত্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের বা তার উকিল কর্তৃক এটির নকল গ্রহণের লিখিত স্বীকৃতিপত্র উত্তরদায়ক আপত্তির সঙ্গে দাখিল না করলে আপিল আদালত এটির একটি নকল আপত্তি দাখিল হওয়ার পর যথা সম্ভব শীঘ্র উত্তরদায়কের খরচে উক্ত পক্ষের বা তার উকিলের প্রতি এটির নকল প্রদান করাবে। ৪) যে কোন ক্ষেত্রে এই বিধির অধীনে উত্তরদায়ক আপত্তির স্মারক দাখিল করে থাকলে যেক্ষেত্রে মূল আপিলটি প্রত্যাহৃত বা তদ্বিরের অভাবে খারিজ হলেও উপরোক্ত মতে দাখিলকৃত আপত্তির, অন্য পক্ষকে উপযুক্ত নোটিশ দেয়ার পর শুনানি এবং সিদ্ধান্ত করা যাবে। ৫) নিঃস্ব আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ যতদূর সম্ভব এ বিধির অধীনে আপত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
৬,৭৪৬.
নিচে উল্লেখিত কোন আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
ক
হাইকোর্ট বিভাগ
খ
দায়রা জজ
গ
যুগ্ম দায়রা জজ
ঘ
অতিরিক্ত দায়রা জজ
সঠিক উত্তর: গ
যুগ্ম দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
যুগ্ম দায়রা জজ
গ
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ, ২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।
• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।
ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
৬,৭৪৭.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা অনুসারে pre-emption-এর ক্ষেত্রে উক্ত আইনের ২৩ ধারার নোটিশ জারির কতদিনের ভিতর আদালতে মামলা দায়ের কত হবে?
ক
দুই মাস
খ
তিন মাস
গ
চার মাস
ঘ
ছয় মাস
সঠিক উত্তর: গ
চার মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
চার মাস
গ
ব্যাখ্যা
• The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ধারা ২৪ এর অধীন অকৃষি ভূমির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয়ের আবেদন করা হয়-
আবেদন করতে পারবে: কোন প্রজা অ-কৃষি জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/বিক্রয় করলে, ঐ জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার [co-sharer] ঐ জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/ক্রয় করতে আবেদন করতে পারবে।
আবেদনের সময়সীমা: ১. নোটিশ প্রদান করা হলে- নোটিশ জারি/প্রদানের তারিখ হইতে ৪ মাসের মধ্যে। ২. নোটিশ প্রদান করা না হলে- হস্তান্তর/বিক্রয় সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে।
৬,৭৪৮.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় একই গ্রামে রায়তের জোতের সংযুক্তকরণ বিধান আলোচনা করা হয়েছে?
ক
১১৬ ধারা
খ
১১৭ ধারা
গ
১১৮ ধারা
ঘ
১১৯ ধারা
সঠিক উত্তর: ক
১১৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১১৬ ধারা
ক
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারার বিধান একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ: -একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে। ---------- Section 116. Amalgamation of holdings of a tenant in the same village: - Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
৫০ টাকার অধিক অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে দেওয়ানী কারাগারে কোন ব্যক্তিকে কতদিন পর্যন্ত আটক রাখা যাবে?
ক
২ মাস
খ
৩ মাস
গ
৪ মাস
ঘ
৬ মাস
সঠিক উত্তর: ঘ
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৬ মাস
ঘ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৫৮: আটক ও মুক্তি: (১) কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য যে ব্যক্তিকে দেওয়ানী কারাগারে আটক করা হবে, তাকে নিম্নরূপভাবে আটক রাখা হবে— (ক) যদি ডিক্রি পঞ্চাশ টাকা-এর বেশি অর্থ প্রদানের জন্য হয়, তবে ছয় মাস পর্যন্ত; এবং (খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত।
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ছয় মাস বা ছয় সপ্তাহের (যেটি প্রযোজ্য) মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নিম্নলিখিত যেকোনো কারণে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে- (i) তার আটকাদেশের ওয়ারেন্টে উল্লিখিত অর্থ দেওয়ানী কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পরিশোধ করলে; অথবা (ii) তার বিরুদ্ধে ডিক্রি অন্যভাবে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হলে; অথবা (iii) যার আবেদনে তাকে আটক করা হয়েছিল, সেই ব্যক্তির অনুরোধে;
আরও শর্ত থাকে যে, (ii) বা (iii) দফার অধীনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ ব্যতীত তাকে মুক্তি দেওয়া যাবে না।
(২) এই ধারার অধীনে আটক থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত কোনো রায়সিদ্ধ দেনাদার শুধুমাত্র মুক্তির কারণে ঋণমুক্ত বলে গণ্য হবেন না; তবে যে ডিক্রির কার্যকরকরণের জন্য তাকে দেওয়ানী কারাগারে আটক করা হয়েছিল, সেই ডিক্রির অধীনে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।
৬,৭৫১.
A, B কে C এর ঘর পোড়ানোর জন্য প্ররোচিত করে। B, C এর ঘরে আগুন দেয় ও চুরি করে। A ________?
ক
চুরি ও ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
খ
চুরিতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
গ
ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
ঘ
কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: গ
ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
গ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১১১ ধারা মতে যখন একটি কাজের জন্য সহায়তা করা হয়েছে কিন্তু সে কাজটি ভিন্ন অপর একটি কাজ সম্পাদিত হয়েছে, তখন যে কাজটি সম্পাদিত হয়েছে তার জন্য প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করা হলে যে অপরাধ হত সে অপরাধের জন্য যেভাবে এবং যতটুকু পর্যন্ত দণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সহায়তাকারী সেভাবে এবং ততটুকু পর্যন্ত দণ্ডে দণ্ডিত হবে, ♦তবে শর্ত থাকে যে, যে কাজটি সম্পাদিত হয়েছে সে কাজটি সহায়তার একটি সম্ভাব্য পরিণতি হতে হবে, এবং যে প্ররোচনা, সাহায্য বা ষড়যন্ত্র কর্তৃক সহায়তা করা হয়েছে কাজটি সে প্ররোচনা, সাহায্য বা ষড়যন্ত্রের প্রভাবেই সম্পাদিত হতে হবে। ♦আলোচ্য প্রশ্নে A, B কে C এর ঘর পোড়ানোর জন্য প্ররোচিত করে। B, C এর ঘরে আগুন দেয় এবং চুরি করে। এখানে প্ররোচনা করা হয়েছিল ঘরে আগুন দেওয়ার কিন্তু B চুরিও করে। এখানে চুরি হলো আগুন দেওয়া হতে ভিন্ন অপরাধ। যেহেতু ঘরে আগুন দেওয়ার সম্ভাব্য ফলাফল চুরি না, ♦সেহেতু শুধুমাত্র ঘরে আগুন দেওয়ার প্ররোচনার জন্য A দায়ী হবে কিন্তু চুরি বা চুরি করতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবেনা। B ঘরে আগুন দেওয়া ও চুরি উভয় অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
৬,৭৫২.
অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাগুলোর বিধান পালন করতে হয়?
ক
ধারা ৮৫ এবং ৮৬
খ
ধারা ৮৭ এবং ৮৮
গ
ধারা ৮৯ এবং ৯০
ঘ
ধারা ৯১ এবং ৯২
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ৮৭ এবং ৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ৮৭ এবং ৮৮
খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী "অনুপস্থিতিতে বিচার" (Trial in absentia) শুরু করার আগে কিছু পূর্বশর্ত মানতে হয়। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, বিচার শুরুর আগে ধারা ৮৭ ও ৮৮ এর আবশ্যিক বিধান অবশ্যই পালন করতে হবে।
→ ধারা ৮৭ – Proclamation for person absconding: - যখন আদালত বিশ্বাস করে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মগোপন করেছে অথবা তাকে গ্রেফতার করা যাচ্ছে না, তখন আদালত প্রকাশ্য আদেশ (proclamation) জারি করে তাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দেয়। → ধারা ৮৮ – Attachment of property of person absconding: - যদি অভিযুক্ত ধারা ৮৭ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির না হয়, তবে আদালত তার সম্পত্তি জব্দের আদেশ দিতে পারে।
এরপর: যদি অভিযুক্তকে এখনো গ্রেপ্তার করা না যায় এবং তার অনুপস্থিতির যথেষ্ট ভিত্তি থাকে, এবং দুইটি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে হাজিরার আদেশ প্রকাশ করা হয়, তবেই ৩৩৯খ ধারার অধীনে অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করা যায়।
⇒ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে। উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়- - ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে; - আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই। - অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো- অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে। একে বলা হয় ''Trial in absentia'' বা অনুপস্থিতিতে বিচার। ------------------------------ ⇒ The Code of Criminal Procedure-Section 339B: Trial in absentia- (1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence. (2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৬,৭৫৩.
আদেশ ৪১ বিধি ২১ এর অধীন একতরফা (Ex parte) ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল পুনঃশুনানি সর্বোচ্চ কয়বার করা যাবে?
ক
৩ বার
খ
২ বার
গ
১ বার
ঘ
আদালতে ইচ্ছানুযায়ী
সঠিক উত্তর: গ
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১ বার
গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি ২১ – একতরফা (Ex parte) ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনঃশুনানি: যখন কোনো আপিল একতরফা (ex parte) শুনানি করা হয় এবং ডিক্রি বা রায় রেসপন্ডেন্টের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়, তখন রেসপন্ডেন্ট আপিল আদালতে আবেদন করতে পারে যে আপিল পুনঃশুনানি করা হোক। যদি রেসপন্ডেন্ট আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে- নোটিশ যথাযথভাবে দেওয়া হয়নি, অথবা যথাযথ কারণে উপস্থিত হতে পারেননি যখন আপিল শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল, তাহলে আদালত আপিলটি পুনঃশুনানি করবে এবং প্রযোজ্য খরচ বা অন্য শর্ত সে অনুযায়ী আরোপ করতে পারে।
এই নিয়মের অধীনে একই আপিল একবারের বেশি পুনঃশুনানি করা যাবে না।
৬,৭৫৪.
'ক' ও 'খ' এক মালিকের বাড়িতে ভাড়াটে থাকে। ভাড়ার চুক্তিতে উল্লেখ আছে বাড়িটির যত্ন নেওয়ার। কিন্তু 'ক' ও 'খ' অবহেলা করে বাড়িটির ক্ষতি করছে। এক্ষেত্রে মালিক আদালতে গিয়ে তাদেরকে বাড়ির ক্ষতি না করতে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন এবং বাড়ির প্রয়োজনীয় যত্ন নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার অধীন এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
ক
৫৭ ধারায়
খ
৪২ ধারায়
গ
৫৫ ধারায়
ঘ
৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর: গ
৫৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৫৫ ধারায়
গ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে, বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ, যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে। অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার অধীন আদালত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা: যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
Section 55: Mandatory injunctions: When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
৬,৭৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপসযোগ্য অপরাধের বিধান রয়েছে?
ক
ধারা ৩৪০
খ
ধারা ৩৪৫
গ
ধারা ৩৫০
ঘ
ধারা ৩৫৫
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ৩৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ৩৪৫
খ
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা অনুযায়ী, আপসযোগ্য (compoundable) অপরাধসমূহের তালিকা একটি টেবিল আকারে দেওয়া হয়েছে। এই টেবিলের— প্রথম কলামে: অপরাধের নাম বা প্রকৃতি দ্বিতীয় কলামে: দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধ তৃতীয় কলামে: কোন ব্যক্তি সেই অপরাধ আপস করতে পারেন— তা উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। - ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। - দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা। ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে। ⇒ প্রতিকার- যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
৬,৭৫৬.
ক্রোককৃত সম্পত্তি প্রাণী অথবা পচনশীল প্রকৃতির হলে সেক্ষেত্রে আদালতের করণীয় কী?
ক
যার সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে তাকে ফিরিয়ে দেয়া।
খ
ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিক পলাতক হলে তার উত্তরাধিকার বা নিকটাত্মীয় এর নিকট হস্তান্তর করা।
গ
বিক্রি করে দেয়া।
ঘ
ক অথবা খ।
সঠিক উত্তর: গ
বিক্রি করে দেয়া।
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বিক্রি করে দেয়া।
গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৮৮(৫) মোতাবেক ক্রোককৃত সম্পত্তি প্রাণী বা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত প্রয়োজন মনে করলে অবিলম্বে তা বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারবেন।
৬,৭৫৭.
সাক্ষীর জবানবন্দির সময় তার আচরণ সম্পর্কিত মন্তব্য কে লিপিবদ্ধ করতে পারেন?
ক
আসামি
খ
পুলিশ কর্মকর্তা
গ
সরকারী কৌঁসুলি
ঘ
দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর: ঘ
দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
ঘ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৬৩ ধারা- সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে মন্তব্য: যেক্ষেত্রে কোন দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যদি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন, সাক্ষীর জবানবন্দীর সময়ের তার আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে কোন মন্তব্য (যদি থাকে) লিপিবদ্ধ করবেন।
Section 363: Remarks respecting demeanor of witness: When a Sessions Judge or Magistrate has recorded the evidence of a witness, he shall also record such remarks (if any) as he thinks material respecting the demeanour of such witness whilst under examination.
৬,৭৫৮.
ইন্টার-প্লিডার মোকদ্দমার অর্থ হচ্ছে-
ক
কোন নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলা
খ
কতিপয় বাদীর পক্ষে মামলা
গ
একজন দাবিদারের বিরুদ্ধে মামলা
ঘ
একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা
সঠিক উত্তর: ঘ
একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৮ এবং আদেশ ৩৫ মতে- ইন্টার-প্লিডার মামলায় বাদীর নয় বরং সম্পত্তিতে বিবাদীর স্বার্থ নির্ধারিত হয়। এই সম্পত্তিতে বাদীর কোন দাবী থাকে না। ইন্টার-প্লিডার মামলা হচ্ছে একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা।
- ইন্টার-প্লিডার মামলা হতে পারে টাকা, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দাবী নিয়ে। এই মামলার উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্পত্তি সঠিক মালিকের নিকট অর্পণ করা।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।
⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
অর্থাৎ ইন্টার-প্লিডার মোকদ্দমার অর্থ হচ্ছে-একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা।
৬,৭৫৯.
অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
ক
২০১ ধারা
খ
২০২ ধারা
গ
২০৩ ধারা
ঘ
২০৪ ধারা
সঠিক উত্তর: ক
২০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
২০১ ধারা
ক
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-
(i) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। (ii) যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। (iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
---------------------------------------- ♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৬,৭৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন অবস্থায় সাক্ষ্য দিতে পারেন?
ক
শপথ ব্যতীত
খ
শপথ গ্রহণপূর্বক
গ
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়
ঘ
'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর: খ
শপথ গ্রহণপূর্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
শপথ গ্রহণপূর্বক
খ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) শপথ গ্রহণপূর্বক। ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় বলা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের অস্বীকৃতি বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন, তবে তা শুধুমাত্র শপথ গ্রহণের মাধ্যমে। অর্থাৎ, অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি সাক্ষ্য দিতে চান, তবে তাকে শপথ নিতে হবে, না হলে তিনি সাক্ষ্য দিতে পারবেন না। এই ধারার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: - আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষার অধিকার: প্রতিটি অভিযুক্ত ব্যক্তি ফৌজদারি আদালতে নিজেকে আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা করার অধিকার রাখে (ধারা ৩৪০(১))। - সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা: অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের বা সহ-অভিযুক্তের পক্ষে শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন (ধারা ৩৪০(৩))। - সুরক্ষা বিধান: তাকে শুধুমাত্র নিজের লিখিত অনুরোধে সাক্ষী হিসেবে ডাকা যাবে। সাক্ষ্য না দিলে তা তার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অনুমানের কারণ হবে না।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে। তবে শর্ত এই যে- - সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা - সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness- (1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. (2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. (3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: Provided that- (a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or (b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
৬,৭৬১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় মানহানির শাস্তির বিধান আছে?
ক
৪০০
খ
৪৯৯
গ
৫০০
ঘ
৫১১
সঠিক উত্তর: গ
৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৫০০
গ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।
-দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৬,৭৬২.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় শাসনতান্ত্রিক ব্যাখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন জড়িত থাকলে আদালত কাকে নোটিশ দিবে?
ক
রাষ্ট্রপতি
খ
অ্যাটর্নি-জেনারেল
গ
সুপ্রীম কোর্ট
ঘ
আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর: খ
অ্যাটর্নি-জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
অ্যাটর্নি-জেনারেল
খ
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৭ক বিধি-১- এ্যাটনি জেনারেলকে নোটিশ: যদি কোন মোকদ্দমায় আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, শাসনতান্ত্রিক আইনের ব্যাখ্যা সম্পর্কে কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত আছে, তবে আইনের প্রশ্নটি সরকার সম্পর্কিত হলে বাংলাদেশের এ্যাটর্নি জেনারেলকে নোটিশ না দেয়া পর্যন্ত আদালত প্রশ্নটি নিষ্পত্তি করতে অগ্রসর হবে না।
৬,৭৬৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২) অনুযায়ী, আদালত পক্ষ যুক্ত বা বাদ দিতে পারেন-
ক
শুধুমাত্র পক্ষের আবেদনের মাধ্যমে
খ
কেবলমাত্র বিবাদীর আবেদনের ভিত্তিতে
গ
শুধুমাত্র বাদীর সম্মতির ভিত্তিতে
ঘ
কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে
সঠিক উত্তর: ঘ
কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন: মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।
Order-1 Rule-10(2): The Court may strike out or add parties: The court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out, and that the name of any person who ought to have been joined, whether as plaintiff or defendant or whose presence before the Court may be necessary in order to enable the Court effectually and completely to adjudicate upon and settle all the questions involved in the suit, be added.
৬,৭৬৪.
‘ইজমা’ শব্দের অর্থ কী?
ক
মতভেদ
খ
যুক্তি প্রদান
গ
চুক্তি ভঙ্গ
ঘ
ঐকমত্যে পৌঁছা
সঠিক উত্তর: ঘ
ঐকমত্যে পৌঁছা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঐকমত্যে পৌঁছা
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি- ১. পবিত্র কোরআন; ২. হাদিস; ৩. ইজমা; ৪. কিয়াস।
ইজমা: ‘ইজমা’ আরবি শব্দ। এর অর্থ ঐকমত্যে পৌঁছা। কোরআন হাদিসের মৌলিক বিষয়কে সামনে রেখে নতুন কোনো বিষয়ের ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছার নাম ইজমা। সুতরাং রাসুল (সা.)-এর ইন্তেকালের পর মুসলিম সমাজে শরিয়াহর কোনো বিধান সম্পর্কে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে মুজতাহিদদের মধ্যে সম্পাদিত সর্বসম্মত চুক্তির নাম ইজমা। উদাহরণস্বরূপ ‘নবী করিম (সা.) আমল অনুসরণে স্থিরীকৃত ইজমার ভিত্তিতে বাই আল-মুজাইয়াদাহ বৈধ বলে স্বীকৃত। বাই আল-মুজাইয়াদাহ হলো পণ্যের বিক্রেতা কর্তৃক ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী বাজারে সরবরাহ, যা ক্রেতা প্রতিযোগিতামূলক সর্বোচ্চ মূল্যে ক্রয় করবে। যে ক্রেতা সর্বোচ্চ মূল্য পরিশোধ করতে রাজি হয়, বিক্রেতা তার কাছে পণ্য হস্তান্তরের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।’
৬,৭৬৫.
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে _________ আদালত হিসেবে গন্য করতে হবে।
ক
উন্মুক্ত
খ
বদ্ধ
গ
গোপন
ঘ
সংরক্ষিত
সঠিক উত্তর: ক
উন্মুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
উন্মুক্ত
ক
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
৬,৭৬৬.
কত বছর বয়স্ক অপরিণত বোধ শক্তিসম্পন্ন শিশুর কাজ অপরাধ নয়?
ক
৭ থেকে ১২ বছর
খ
৯ বৎসরের অধিক কিন্তু ১২ বৎসরের কম
গ
৫ থেকে ১০ বৎসর
ঘ
১০ থেকে ১২ বৎসর
সঠিক উত্তর: খ
৯ বৎসরের অধিক কিন্তু ১২ বৎসরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৯ বৎসরের অধিক কিন্তু ১২ বৎসরের কম
খ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৩ ধারামতে ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ সম্পন্ন (immature understanding) শিশুর কাজ অপরাধ নয়।
♦ তবে পরিপক্কতা অর্জন করলে অর্থাৎ কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে উক্ত ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
৬,৭৬৭.
What is the maximum punishment for violating a curfew order under Section 24 of The Special Powers Act, 1974?
ক
6 months imprisonment
খ
1 year imprisonment
গ
2 years imprisonment
ঘ
3 years imprisonment
সঠিক উত্তর: খ
1 year imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
1 year imprisonment
খ
ব্যাখ্যা
Correct Answer: খ) 1 year imprisonment.
• বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪: ধারা ২৪: সান্ধ্য আইন: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনার সান্ধ্য আইন [Curfew] জারি করতে পারে। উক্ত কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া সান্ধ্য আইন এর আদেশে নির্ধারিত কোন এলাকা বা এলাকাসমূহের মধ্যে এবং নির্ধারিত সময়ের ভিতর কোন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে পারবে না। যদি কেউ এই আদেশ ভঙ্গ করে তাহলে সে ১ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
Section 24: Curfew: (1) The District Magistrate or the Police Commissioner in a Metropolitan Area may, subject to the control of the Government, by order direct that, subject to any exemption specified in the order, no person present within any area or areas specified in the order shall, between such hours as may be specified in the order, be out of doors except under the authority of a written permit granted by a specified authority or person.
(2) If any person contravenes any order made under this section, he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৬,৭৬৮.
একজন দায়রা জজ কোন আসামীকে বিচারে খালাস প্রদান করেন। উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আসামী মারা যায়। সেক্ষেত্রে আপিলটির ফলাফল কি হবে?
ক
আপিলটি মেধাতে নিষ্পত্তি হবে
খ
প্রসিকিউশনকে শুনানী করে আদেশ প্রদান করা হবে
গ
আপিলটি অ্যাবেট হবে
ঘ
আপিলটি খারিজ হবে
সঠিক উত্তর: গ
আপিলটি অ্যাবেট হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
আপিলটি অ্যাবেট হবে
গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। ৪৩১ ধারায় বলা হয়েছে-
৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপিল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত) আপিলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।
• অর্থাৎ যখন আপিল চূড়ান্তভাবে পণ্ড [Abate] হবে: ⇒ খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭) এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ধারা ৪১৭(ক) আপিল চলাকালে অভিযুক্ত তথা আসামির মৃত্যু হলে; ⇒ অন্যান্য আপিলে অর্থাৎ, জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ছাড়া আপিলকারীর মৃত্যু হলে।
• যখন আপিল পণ্ড [Abate] হবে না:
⇒ জরিমানা/অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল হলে, আপিল বাতিল [Abate] হবে না।
কারণ, জরিমানা/অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে আপিলকারীর অর্থাৎ অভিযোগকারীর মৃত্যু হলে; আপিলকারীর প্রতিনিধি স্থলাভিষিক্ত হবে। পেনাল কোডের ৭০ ধারা অনুযায়ী, আসামির রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে তা আদায় করা যাবে।
৬,৭৬৯.
দেওয়ানি মোকদ্দমাটি তামাদিতে বারিত না এটি প্রমাণের দায়িত্ব কার?
ক
বিবাদীর
খ
আদালতের
গ
বাদীর
ঘ
সরকারী আইনজীবীর
সঠিক উত্তর: গ
বাদীর
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বাদীর
গ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ৩ ধারা মতে বাদীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের পরে মামলা দায়ের করলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দিবে।
♦ তামাদি আইনের ধারা ৫ মতে ক্ষেত্র বিশেষে মেয়াদ বৃদ্ধিকরণের বিধান, বলা আছে যে কোনো আপিল বা রায় পুনর্বিচার বা পুনরীক্ষণের দরখাস্ত বা আপিল করিবার অনুমতি প্রার্থনার দরখাস্ত বা অন্য কোনো দরখাস্ত, যাহার উপর এই ধারা বর্তমানে বলবৎ কোনো আইনের দ্বারা বা অধীনে প্রযোজ্য করা হয়, উহার নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পর গৃহীত হইতেপারে, যদি আপিলকারী বা দরখাস্তকারী এই মর্মে আদালতের সন্তুষ্টি সাধন করিয়া থাকে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে আপিল বা দরখাস্তটি দাখিল না করিবার যথেষ্ট কারণ ছিল।
♦ অর্থাৎ বাদীকেই প্রমাণ করতে হবে বা আদালতকে সন্তুষ্টি করাতে হবে যে মামলাটি তামাদিতে বারিত না ।
♦ দেওয়ানি মোকদ্দমা যিনি দায়ের করবেন তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে, তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের করেছেন।
৬,৭৭০.
ড্রোনের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য, ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) রেকর্ডিং, কম্পিউটার মেমরি, বা মাইক্রোফিল্মে ধারণকৃত কোন রেকর্ড বা ডাটা কোন ধরনের সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে?
ক
মৌখিক সাক্ষ্য
খ
শারীরিক সাক্ষ্য
গ
দালিলিক সাক্ষ্য
ঘ
কোনটি নয়
সঠিক উত্তর: গ
দালিলিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
দালিলিক সাক্ষ্য
গ
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act (Amendment), 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ইলেকট্রনিক সাক্ষ্য বা ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে। অর্থাৎ ড্রোনের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য, ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) রেকর্ডিং, কম্পিউটার মেমরি, বা মাইক্রোফিল্মে ধারণকৃত কোন রেকর্ড বা ডাটা দালিলিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা তে যুক্ত: The Evidence Act (Amendment), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে- - ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম; - অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; - ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা - ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৬,৭৭১.
ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সদাচরণের মুচলেকার সময়সীমা সর্বাধিক কত দিন হতে পারে?
ক
৬ মাস
খ
১ বছর
গ
২ বছর
ঘ
৩ বছর
সঠিক উত্তর: খ
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১ বছর
খ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারা: ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সদাচরণের মুচলেকা: যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে- ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা
খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না,
সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যেরূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দিবার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
৬,৭৭২.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ সাজা কি?
ক
৬ মাসের কারাদণ্ড
খ
৩ মাসের কারাদণ্ড
গ
১ বছরের কারাদণ্ড
ঘ
শুধুমাত্র জরিমানা
সঠিক উত্তর: ক
৬ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৬ মাসের কারাদণ্ড
ক
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-২(৩) অনুসারে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের শাস্তি হলো: সম্পত্তি ক্রোক অথবা উক্ত অমান্যকারীকে ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটক অথবা উভয় প্রকার দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
৬,৭৭৩.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা প্রযোজ্য হতে হলে নিম্নলিখিত কোন শর্তটি পূরণ অপরিহার্য না ?
ক
পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি অবশ্যই দোষ স্বীকারোক্তি হতে হবে
খ
পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত সংবাদটি প্রদান করবে
গ
প্রদত্ত সংবাদ অনুসারে আলামত উদ্ধার হতে হবে
ঘ
সংবাদটি অবশ্যই পুলিশের নিকট প্রদত্ত হতে হবে
সঠিক উত্তর: ক
পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি অবশ্যই দোষ স্বীকারোক্তি হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি অবশ্যই দোষ স্বীকারোক্তি হতে হবে
ক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুসারে পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা অবসস্থায় অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি কতৃক পুলিশের নিকট প্রদত্ত কোন তথ্য অনুযায়ী যদি এমন বিষয় বা আলামত উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে। সুতরাং পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি দোষ স্বীকারোক্তি না হলেও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ২৭: আসামির নিকট হইতে প্রাপ্ত তথ্য যতখানি প্রমাণ করা যাইতে পারে: কোনো ঘটনা সম্পর্কে যদি সাক্ষ্য পাওয়া যায় যে, কোনো অপরাধে অপরাধী কোনো লোক পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকাকালে তাহার নিকট হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ফলে ঘটনাটি উদঘাটিত হইয়াছে, তবে তথ্যের যে অংশ উদঘাটিত ঘটনার সহিত স্পষ্টরূপে সংশ্লিষ্ট তাহা স্বীকারোক্তি হউক বা না হউক প্রমাণ করা যাইতে পারে। --------------- The Evidence Act, 1872, Section 27,How much of information received from accused may be proved: Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.]
৬,৭৭৪.
আদালত ৮ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ গঠন করে। কিন্তু মামলার শুনানী শেষে আদালত ৪ জনকে খালাস প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে আদালত বাকী ৪ জনকে-
ক
ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে
খ
দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
গ
ডাকাতি বা দস্যুতা উভয়ের জন্য দণ্ডিত করতে পারে
ঘ
চুরির জন্য দণ্ডিত করতে পারে
সঠিক উত্তর: খ
দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
খ
ব্যাখ্যা
♦ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ম ৫ জনকে দণ্ডিত করতে হয়। যেহেতু ৪ জন দোষী প্রমাণিত হয়েছে তাই আদালত তাদেরকে ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে না কিন্তু দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।
৬,৭৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান রিভিউ আবেদনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত?
ক
আদেশ-৪১ এবং ধারা-১০৪
খ
আদেশ-৪৭ এবং ধারা-১১৪
গ
আদেশ-৪৩ এবং ধারা-১০৪
ঘ
আদেশ-৪৪ এবং ধারা-১১৪
সঠিক উত্তর: খ
আদেশ-৪৭ এবং ধারা-১১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
আদেশ-৪৭ এবং ধারা-১১৪
খ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ এবং আদেশ ৪৭ সরাসরি রিভিউ আবেদন (Review of Judgment)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি - এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হন যার বিরুদ্ধে আপীল করা যেত কিন্তু করা হয়নি, - অথবা এমন আদেশ যার বিরুদ্ধে আপীলের সুযোগ নেই, - অথবা Small Causes Court থেকে Reference এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে তিনি সেই আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারবেন, যিনি সেই আদেশ বা ডিক্রি দিয়েছেন।
⇒ আদেশ ৪৭ হলো ধারা ১১৪-এর অধীনে রিভিউ আবেদনের নিয়ম ও প্রক্রিয়া বর্ণনাকারী বিধান। এখানে বলা হয়েছে, রিভিউ তখনই করা যাবে যদি: - নতুন তথ্য বা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়া যায় যা আগে পাওয়া সম্ভব ছিল না, রেকর্ডে স্পষ্ট ভুল বা ত্রুটি থাকে, অথবা অন্য কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে। এছাড়া আদেশ ৪৭-এ বলা আছে- রিভিউ মঞ্জুর বা নামঞ্জুরের পদ্ধতি, কোন আদালতে আবেদন করতে হবে, শুনানির আগে নোটিশ দেওয়া, কিভাবে পুনঃশুনানি হবে ইত্যাদি।
অর্থাৎ রিভিউ করার ক্ষেত্রে দুটি বিধান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: - ধারা ১১৪ → রিভিউয়ের অধিকার দেয়। - আদেশ ৪৭ → রিভিউ করার নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারণ করে। তাই সঠিক উত্তর: খ) আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪।
৬,৭৭৬.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীনে 'সুবিধাবঞ্চিত শিশু' এর সংজ্ঞা কোন ধারায় দেওয়া আছে?
ক
ধারা ৮৪
খ
ধারা ৮৫
গ
ধারা ৮৯
ঘ
ধারা ৯২
সঠিক উত্তর: গ
ধারা ৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ধারা ৮৯
গ
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর অধীনে 'সুবিধাবঞ্চিত শিশু' এর সংজ্ঞা ধারা ৮৯-এ দেওয়া আছে। - ধারা ৮৯(১): এই ধারায় 'সুবিধাবঞ্চিত শিশু' হিসেবে বিভিন্ন শ্রেণির শিশুদের তালিকা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: → মাতা-পিতার একজন বা উভয়ের মৃত্যুবরণকারী শিশু। → আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবকহীন শিশু। → গৃহহীন বা জীবনধারণের অবলম্বনহীন শিশু। → ভিক্ষাবৃত্তি বা শিশুর মঙ্গলের পরিপন্থী কাজে লিপ্ত শিশু। → যৌন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার শিশু। → প্রতিবন্ধী শিশু, মাদকাসক্ত শিশু, অসৎ সঙ্গে পতিত শিশু, বস্তিবাসী শিশু, রাস্তায় বসবাসকারী শিশু, হিজড়া শিশু, বেদে ও হরিজন শিশু, এইচআইভি-এইডসে আক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত শিশু, এবং শিশু-আদালত বা বোর্ড কর্তৃক বিশেষ সুরক্ষা প্রয়োজন বলে বিবেচিত শিশু। ধারা ৮৯(২): সরকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা, এবং উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। ------ ⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ৮৯ ধারা সুবিধাবঞ্চিত শিশু: (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত শিশুগণ সুবিধাবঞ্চিত শিশু হিসাবে গণ্য হইবে, যথা:- (ক) যে শিশুর মাতা-পিতার যেকোন একজন বা উভয় মৃত্যুবরণ করিয়াছে; (খ) আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবকহীন শিশু; (গ) নির্দিষ্ট কোন গৃহ বা আবাসস্থলহীন এবং জীবনধারণের জন্য দৃশ্যমান অবলম্বনহীন কোন শিশু; (ঘ) ভিক্ষাবৃত্তি বা শিশুর মঙ্গলের পরিপন্থী কোন কার্যে লিপ্ত শিশু; (ঙ) কারাভোগরত মাতা-পিতার ওপর নির্ভরশীল বা কারাভোগরত মাতার সহিত কারাগারে অবস্থানরত শিশু; (চ) যৌন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার শিশু; (ছ) যৌনবৃত্তি বা সমাজবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি বা অপরাধীর বাসস্থান বা কর্মস্থলে অবস্থানকারী বা গমনাগমনকারী শিশু; (জ) যে কোন ধরনের প্রতিবন্ধী শিশু; (ঝ) মাদক বা অন্য কোন কারণে অস্বাভাবিক আচরণগত সমস্যাযুক্ত শিশু; (ঞ) অসৎ সঙ্গে পতিত বা নৈতিক অবক্ষয়ের সম্মুখীন হইতে পারে অথবা অপরাধ জগতে প্রবেশের ঝুঁকির সম্মুখীন শিশু; (ট) বস্তিতে বসবাসকারী শিশু; (ঠ) রাস্তা-ঘাটে বসবাসকারী গৃহহীন শিশু; (ড) হিজড়া শিশু; (ঢ) বেদে ও হরিজন শিশু; (ণ) এইচআইভি-এইড্স এ আক্রান্ত (infected) বা ক্ষতিগ্রস্ত (affected) শিশু; অথবা (ত) শিশু-আদালত বা বোর্ড কর্তৃক বিবেচিত কোন শিশু, যাহার বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। (২) সরকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবে।
৬,৭৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (১) উপধারা অনুসারে কে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি দিতে পারে?
ক
সরকার
খ
ম্যাজিস্ট্রেট
গ
পুলিশ সুপার
ঘ
অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর: খ
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ম্যাজিস্ট্রেট
খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (১) উপধারা অনুসারে, কোনো মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোনো পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি: (১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না। (২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে। (৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন। (৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution: (1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission. (2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer. (3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader. (4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.
৬,৭৭৮.
An appeal may lie on a __________.
ক
matter of fact
খ
matter of law
গ
Both A + B
ঘ
None of them
সঠিক উত্তর: গ
Both A + B
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Both A + B
গ
ব্যাখ্যা
Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
• ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।
৬,৭৭৯.
What is the legal status of evidence given by a dumb witness through signs or writing?
ক
It is considered oral evidence
খ
It is considered secondary evidence
গ
It is considered documentary evidence
ঘ
It is not considered as evidence
সঠিক উত্তর: ক
It is considered oral evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
It is considered oral evidence
ক
ব্যাখ্যা
Section 119- Dumb witnesses: A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী: যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
৬,৭৮০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 249 এর অধীনে বিচার বন্ধ হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি-
ক
খালাস পাবে
খ
মুক্তি পাবে
গ
অব্যহতি পাবে
ঘ
উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর: খ
মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
মুক্তি পাবে
খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে ফরিয়াদী না থাকে, সেক্ষেত্রে কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতাঃ
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যে কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবেন।
• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ বলতে মামলাটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত বোঝায় না বরং মামালাটি বহাল আছে বোঝায়। সাক্ষী পর্যাপ্ত হলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে। যে কারণে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করলো উক্ত কারণ যখন বিদ্যামান থাকেনা তখন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে পারে।
• মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ বা নালিশকারী বিচারিক আদালতে উক্ত মামলার বিচার পুনরুজ্জীবিত বা পুনরায় চালুর জন্য আবেদন করতে পারে এবং উক্ত ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম যেখান থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেখান থেকে শুরু হবে।
• যে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সে উক্ত বন্ধের আদেশ বাতিল করতে পারে এবং মামলার কার্যক্রম শুরু করতে পারে যদি সাক্ষী পাওয়া যায়।
• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। একই অভিযোগের জন্য একই অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুনরায় মামলা দায়ের করা যাবে।
৬,৭৮১.
দণ্ডবিধির কত ধারা ডাকাতি (Dacoity) সম্পর্কিত ?
ক
৩৯১ ধারা
খ
৩৯২ ধারা
গ
৩৯৩ ধারা
ঘ
৩৯৭ ধারা
সঠিক উত্তর: ক
৩৯১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৩৯১ ধারা
ক
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে। -------- Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৬,৭৮২.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার হুমকি দিলে(criminal intimidation) সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
ক
২ বছর
খ
৫ বছর
গ
৭ বছর
ঘ
১০ বছর
সঠিক উত্তর: গ
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৭ বছর
গ
ব্যাখ্যা
• ৫০৬ ধারা: "অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি"
যে কেউ অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করবে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে; এবং যদি ভীতি প্রদর্শন নিম্নলিখিত বিষয়গুলির যেকোনো একটি সম্পর্কিত হয়:
⇒ মৃত্যু ঘটানোর হুমকি; ⇒ গুরুতর আঘাত করার হুমকি; ⇒ আগুন দ্বারা কোনো সম্পত্তি ধ্বংস করার হুমকি; ⇒ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার হুমকি; ⇒ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার হুমকি; ⇒ কোনো মহিলার সতীত্বে কলঙ্ক আরোপের হুমকি;
তাহলে অপরাধীকে সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৬,৭৮৩.
যেক্ষেত্রে বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
ক
মোকদ্দমা খারিজ
খ
মোকদ্দমা স্থগিত
গ
বিবাদীকে হাজিরা থেকে অব্যাহতি
ঘ
বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদান
সঠিক উত্তর: ক
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
মোকদ্দমা খারিজ
ক
ব্যাখ্যা
• বাদী খরচ প্রদান না করার দরুন সমন জারি না হলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে।
• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে,বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমন জারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে, যেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা দেয়া যায় সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হলে, অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।
Order 9 Rule 2: Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs- Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed: Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
৬,৭৮৪.
প্রতারণামূলক উদ্দেশ্য নিয়ে আইনতঃ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে না জানা সত্ত্বেও, বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
ক
৫ বছর কারাবাস
খ
৭ বছর কারাবাস
গ
১০ বছর কারাবাস
ঘ
১৪ বছর কারাবাস
সঠিক উত্তর: খ
৭ বছর কারাবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৭ বছর কারাবাস
খ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৯৬ ধারা- আইনসম্মত বিবাহ সম্পাদন ছাড়াই প্রতারণামূলক ভাবে বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা: কোনো ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলক উদ্দেশ্য নিয়ে সে আইনতঃ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে না জানা সত্ত্বেও বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
Section 496- Marriage ceremony fraudulently gone through without lawful marriage: Whoever, dishonestly or with a fraudulent intention, goes through the ceremony of being married, knowing that he is not thereby lawfully married, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৬,৭৮৫.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করলে শাস্তির বিধান রয়েছে?
ক
৩৯৫ ধারা
খ
৩৯৬ ধারা
গ
৩৯৯ ধারা
ঘ
৩৯৮ ধারা
সঠিক উত্তর: গ
৩৯৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৩৯৯ ধারা
গ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩৯৯ ধারা অনুযায়ী “যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ড, যা দশ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।”
অন্য ধারা সমূহ: → ৩৯৫ ধারা: ডাকাতির সংজ্ঞা → ৩৯৬ ধারা: খুনসহকারে ডাকাতি → ৩৯৮ ধারা: অস্ত্রসহ চুরির উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি অর্থাৎ ৩৯৯ ধারা স্পষ্টভাবে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ সংক্রান্ত বিধান প্রদান কথা তাই সঠিক উত্তর: গ) ৩৯৯ ধারা।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা: ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি: যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
⇒ The Penal Code, 1860, Section 399- Making preparation to commit dacoity: Whoever makes any preparation for committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৬,৭৮৬.
বেআইনি সমাবেশ গঠন করতে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে হবে?
ক
৩ জন
খ
৫ জন
গ
৭ জন
ঘ
১০ জন
সঠিক উত্তর: খ
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৫ জন
খ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।
- বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়- প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা। ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
৬,৭৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে-
ক
২য় তফসিলে
খ
৩য় তফসিলে
গ
৪র্থ তফসিলে
ঘ
৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর: খ
৩য় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৩য় তফসিলে
খ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারার বিধান ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতাঃ সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
----------------------------------- Section 36. Ordinary powers of Magistrates: All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".
৬,৭৮৮.
রফিক চেক প্রত্যাখ্যানের পর নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন। এই ক্ষেত্রে চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ কত গুণ অর্থদণ্ড হতে পারে?
ক
২ গুণ
খ
৩ গুণ
গ
৫ গুণ
ঘ
১০ গুণ
সঠিক উত্তর: খ
৩ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৩ গুণ
খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান: যদি কোনো ব্যক্তি তার ব্যাংক হিসাব থেকে অন্য ব্যক্তিকে অর্থ প্রদানের জন্য চেক প্রদান করে এবং ব্যাংক সেই চেক অর্থের ঘাটতি বা ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সীমা অতিক্রমের কারণে অবৈধ ঘোষণা করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবেন।
শাস্তি: - সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা - চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা - উভয়ই।
শর্তাবলী: (ক) চেকটি অবশ্যই প্রদানের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বা চেক বৈধ থাকা পর্যন্ত ব্যাংকে উপস্থাপন করতে হবে, যা আগে আসে। (খ) চেক প্রত্যাখ্যানের তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে। (গ) চেকদাতা নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ধারা প্রযোজ্য হবে।
৬,৭৮৯.
কোন ব্যক্তির ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন অগ্রাহ্য হলে, ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আপিল করতে পারে?
ক
ধারা ৪০৫
খ
ধারা ৪০৭
গ
ধারা ৪০৪
ঘ
ধারা ৪০৮
সঠিক উত্তর: ক
ধারা ৪০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ধারা ৪০৫
ক
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০৫- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন অগ্রাহ্য হলে উহার বিরুদ্ধে আপিল
কোন আদালত সম্পত্তি বা সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ প্রদানের জন্য কোন ব্যক্তির ধারা-৮৯ অনুসারে দায়েরকৃত আবেদনপত্র নাকচ করলে তিনি সেই আদালতে আপিল করতে পারেন যে আদালতে পূর্ববর্তী আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে সাধারণতঃ আপিল করা চলে।
Section 405- Appeal from order rejecting application for restoration of attached property Any person whose application under section 89 for the delivery of property or the proceeds of the sale thereof has been rejected by any Court may appeal to the Court to which appeals ordinarily lie from the sentences of the former Court.
৬,৭৯০.
'প্রত্যেকে যোগ্যতানুসারে ও কর্মানুযায়ী স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে'- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
ক
অনুচ্ছেদ ২০(২)
খ
অনুচ্ছেদ ১৯(১)
গ
অনুচ্ছেদ ২০(১)
ঘ
অনুচ্ছেদ ২১(২)
সঠিক উত্তর: গ
অনুচ্ছেদ ২০(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
অনুচ্ছেদ ২০(১)
গ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২০ অনুচ্ছেদে কর্মের (work) সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং পারিশ্রমিক লাভের নীতি কি হবে বলা হয়েছে। ২০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, পারিশ্রমিক লাভের নীতি হলো 'প্রত্যেকের নিকট হতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী'-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে।
অনুচ্ছেদ ২০: অধিকার এবং কর্তব্যরুপে কর্ম (১) কর্ম হচ্ছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং প্রত্যেকের নিকট হতে যোগ্যতানুসারে এ প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে।
(২) রাষ্ট্র এমন অবস্থা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করতে সমর্থ হবে না এবং যেখানে ব্যক্তি বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক-সকল প্রকার শ্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হবে।
Article 20: Work as a right and duty (1) Work is a right, a duty and a matter of honour for every citizen who is capable of working, and everyone shall be paid for his work on the basis of the principle “from each according to his abilities, to each according to his work.
(2) The State shall endeavour to create conditions in which, as a general principle, persons shall not be able to enjoy unearned incomes, and in which human labour in every form, intellectual and physical, shall become a fuller expression of creative endeavour and of the human personality.
⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর ধারা ৩ অনুসারে বাংলাদেশে নিম্নলিখিত ৫ শ্রেণীর দেওয়ানি আদালত রয়েছে: ১. জেলা জজ আদালত ২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত ৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত ৪. সিনিয়র সিভিল জজ আদালত ৫. সিভিল জজ আদালত
- দায়রা জজ আদালত একটি ফৌজদারি আদালত (Criminal Court), যা ফৌজদারি কার্যবিধি (Criminal Procedure Code) এর আওতায় গঠিত হয়। তাই এটি দেওয়ানি আদালতের শ্রেণীভুক্ত নয়।
৬,৭৯২.
শুধুমাত্র খুনের উদ্যোগের (Attempt to murder) শাস্তি কী?
ক
সাত বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
খ
দশ বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
গ
তিন বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ঘ
কোনটি নয়
সঠিক উত্তর: খ
দশ বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
দশ বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
খ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে। ⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে। -------- ⇒ Attempt to murder Attempts by life-convicts: Section 307. Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. ⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৬,৭৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার আওতায় যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর প্রমাণিত হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
ক
আসামির জামিন বাতিল করতে পারে
খ
আসামির শাস্তি ঘোষণা করতে পারে
গ
অভিযোগকারীকে কারাগারে পাঠাতে পারে
ঘ
অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
সঠিক উত্তর: ঘ
অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
ঘ
ব্যাখ্যা
উত্তর: অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর অভিযোগ - (১) যদি কোনো মামলা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অথবা পুলিশ কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো তথ্যের ভিত্তিতে শুরু হয় এবং ওই মামলা একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বিচারাধীন থাকে, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মামলাটি শুনে আসামিদের মধ্যে এক বা একাধিককে খালাস বা মুক্তি দেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তার খালাস বা মুক্তির আদেশে, যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা আদালতে উপস্থিত থাকে, তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কারণ দর্শানোর জন্য বলবেন কেন তিনি এমন অভিযোগে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন না। এবং যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা উপস্থিত না থাকে, তবে তাকে হাজির হতে এবং কারণ দর্শানোর summon জারি করার নির্দেশ দিতে পারেন। (২) ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারী বা তথ্যদাতার প্রদত্ত কারণ রেকর্ড করে এবং যদি তিনি সন্তুষ্ট হন যে অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে তিনি রেকর্ডকৃত কারণের ভিত্তিতে এমন ক্ষতিপূরণ আদায় করার নির্দেশ দিতে পারেন, যার পরিমাণ ১,০০০ টাকা (যদি ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় শ্রেণির বা তৃতীয় শ্রেণির হন, তবে ৫০০ টাকা) পর্যন্ত হতে পারে এবং সেই ক্ষতিপূরণ আসামি বা তাদের মধ্যে এক বা একাধিককে প্রদান করতে হতে পারে। (২ক) ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়ার পর, যদি অভিযোগকারী ক্ষতিপূরণ প্রদান না করেন, তবে তিনি আরও আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদান না করা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি এক মাসের বেশি না হওয়া পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাবাস ভোগ করবেন। (২খ) যখন কোনো ব্যক্তি ২(এ) উপধারার অধীনে কারাবাসে যাবেন, তখন দণ্ডবিধির ৬৮ ও ৬৯ ধারা অনুযায়ী সেই ব্যক্তির ওপর প্রযোজ্য শর্তাবলী অনুসৃত হবে। (২গ) যিনি এই ধারার অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য নির্দেশিত হয়েছেন, তিনি এই আদেশের কারণে তার করা অভিযোগ বা প্রদত্ত তথ্যের জন্য কোনো সিভিল বা ফৌজদারি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাবেন না। তবে, যদি এই পরিমাণ কোনো আসামিকে প্রদান করা হয়, তা পরবর্তী সিভিল মামলায় ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে গণনা করা হবে। (৩) যে অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা ২(২) উপধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশিত হয়েছেন, এবং যদি ক্ষতিপূরণ ১০০ টাকা বা তার বেশি হয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন, যেমন যদি তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। (৪) যদি এমন কোনো আদেশ থাকে যা আপিলযোগ্য, তবে ক্ষতিপূরণ তখন প্রদান করা হবে না, যতক্ষণ না আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ না হয়, অথবা যদি আপিল হয়, ততক্ষণ না আপিল নিষ্পত্তি হয়। এবং যদি আপিলযোগ্য না হয়, তবে ওই আদেশের এক মাস পরে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে। (৫) এই ধারায় যা কিছু উল্লেখ করা হয়েছে, তা সত্ত্বেও ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ আদায়ের আদেশের সাথে অতিরিক্তভাবে নির্দেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ ব্যক্তি ছয় মাসের কারাবাসে দণ্ডিত হবেন অথবা তিন হাজার টাকা জরিমানা করবেন। -------------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 False, frivolous or vexatious accusations: (1) If in any case instituted upon complaint or upon information given to a police-officer or to a Magistrate, one or more persons is or are accused before a Magistrate or any offence triable by a Magistrate, and the Magistrate by whom the case is heard discharges or acquits all or any of the accused, and is or opinion that the accusation against them or any of them was false and either frivolous or vexatious, the Magistrate may, by his order of discharge or acquittal, if the person upon whose complaint or information the accusation was made is present, call upon him forthwith to show cause why he should not pay compensation to such accused or to each or any of such accused when there are more than one, or, if such person is not present direct the issue of a summons to him to appear and show cause as aforesaid. (2) The Magistrate shall record and consider any cause which such complainant or information may show and if he is satisfied that the accusation was false and either frivolous or vexatious may, for reasons to be recorded, direct that compensation to such amount not exceeding one thousand Taka or, if the Magistrate is a Magistrate of the third Class, not exceeding five hundred Taka, as he may determine be paid by such complainant or informant to the accused or to each or any of them. (2A) The Magistrate may, by the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that, in default of payment, the person ordered to pay such compensation shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days. (2B) When any person is imprisoned under sub-section (2A), the provisions of sections 68 and 69 of the Penal Code shall, so far as may be, apply. (2C) No person who has been directed to pay compensation under this section shall, by reason of such order, be exempted from any civil or criminal liability in respect of the complaint made or information given by him: Provided that any amount paid to an accused person under this section shall be taken into account in awarding compensation to such person in any subsequent civil suit relating to the same matter. (3) A complainant or informant who has been ordered under sub-section (2) by a Magistrate of the second or third class to pay compensation or has been so ordered by any other Magistrate to pay compensation exceeding one hundred taka may appeal from the order, in so far as the order relates to the payment of the compensation, as if such complainant or informant had been convicted on a trial held by such Magistrate. (4) When an order for payment of compensation to an accused person is made in a case which is subject to appeal under sub-section (3), the compensation shall not be paid to him before the period allowed for the presentation of the appeal has elapsed, or, if any appeal is presented, before the appeal has been decided and, where such order is made in a case which is not so subject to appeal, the compensation shall not be paid before the expiration of one month from the date of the order. (5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.]
৬,৭৯৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় প্রতারণা সংজ্ঞা রয়েছে?
ক
৪০৫
খ
৪১০
গ
৪১৫
ঘ
৪০৩
সঠিক উত্তর: গ
৪১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৪১৫
গ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে। ---------------------- ⇒ The Penal Code, 1860- Section 415: Cheating: - Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".
Explanation:- A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৬,৭৯৫.
যেখানে কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ উল্লেখযোগ্য, আদালত কখন সম্পাদনযোগ্য অংশ যতটুকু আছে তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন?
ক
বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে
খ
বাদী অসম্পাদিত অংশ সম্পাদনের দাবি পরিত্যাগ করলে
গ
বিবাদী অসম্পাদিত অংশ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানালে
ঘ
ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর: ঘ
ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
ঘ
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুসারে, কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে বাদী চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে, আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে। -------------------------------- Section 15- Specific performance of part of contract where part unperformed is large: Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.
৬,৭৯৬.
প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিল প্রকাশ ও নিরীক্ষণের আদেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে-
ক
বিবাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল হবে
খ
বাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে একতরফা নিষ্পত্তি হবে
গ
বাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে মামলা খারিজ ও বিবাদীর ক্ষেত্রে একতরফা নিষ্পত্তি হবে
ঘ
ক এবং খ
সঠিক উত্তর: ক
বিবাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
বিবাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল হবে
ক
ব্যাখ্যা
• যদি কোন পক্ষ যাকে মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার (to answer Interrogatories) বা কোন দলিল প্রকাশ (discovery of documents) বা দলিল নিরীক্ষণের (inspection of documents) আদেশ দেয়া হয়েছে, যদি সে বাদী হয় এবং সে যদি উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালততার মামলা খারিজ(Dismissed the suit) করে দিবে এবং যদি সে বিবাদী হয় তাহলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন (Right to defence) বাতিল করবে।
• আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)- যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদি হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদি হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে
Rule 21: Non-compliance with order for discovery- Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
৬,৭৯৭.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারা অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক নয়?
ক
মৌখিক সাক্ষ্য
খ
কম্পিউটার সঠিকভাবে কাজ করেছে
গ
তথ্য নিয়মিত কম্পিউটারে ইনপুট করা হয়েছে
ঘ
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু মূল তথ্য থেকে তৈরি বা উদ্ধার করা হয়েছে
সঠিক উত্তর: ক
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
মৌখিক সাক্ষ্য
ক
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ক) মৌখিক সাক্ষ্য। - সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারার অধীনে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে যেসব শর্ত পূর্ণ করতে হয়, তার মধ্যে মৌখিক সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক নয়। ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য যা প্রাসঙ্গিক তা হলো: - কম্পিউটার সঠিকভাবে কাজ করেছে - তথ্য নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে ইনপুট করা হয়েছে - ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু মূল তথ্য থেকে তৈরি বা উদ্ধার করা হয়েছে এখানে মৌখিক সাক্ষ্য কোনো প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে না, কারণ ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কম্পিউটার ও তার সিস্টেমের নির্ভুলতা সম্পর্কিত তথ্যই গুরুত্বপূর্ণ।
৬,৭৯৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়টি বলা হয়েছে?
ক
ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকার
খ
চুক্তি রদ করার অধিকার
গ
সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার অধিকার
ঘ
আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার ঘোষণা
সঠিক উত্তর: ঘ
আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার ঘোষণা
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি তার আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির উপর অধিকার অস্বীকার করা হয়, তাহলে সে ঘোষণামূলক মামলা (Declaratory Suit) দায়ের করতে পারে। এই মামলার মাধ্যমে আদালত ওই ব্যক্তির অধিকার বা আইনগত পরিচয় ঘোষণা করতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে। - ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration: Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief: Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so. Explanation - A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
৬,৭৯৯.
যখন মামলাকারী নিশ্চিত নয় যে কার কাছ থেকে প্রতিকার প্রাপ্য, তখন তিনি আদেশ ১ এর বিধি ৭ অনুসারে-
ক
মামলা দায়ের করতে পারবেন না
খ
মামলাটি স্থগিত রাখতে হবে
গ
আদালতের নির্দেশমতে যেকোনো একজন বিবাদীকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
ঘ
একাধিক বিবাদীকে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
সঠিক উত্তর: ঘ
একাধিক বিবাদীকে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
একাধিক বিবাদীকে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
ঘ
ব্যাখ্যা
আদেশ ১ এর বিধি ৭: যখন মামলাকারী (plaintiff) নিশ্চিত নন যে, কার (কোন ব্যক্তির) কাছ থেকে তিনি প্রতিকার বা ক্ষতিপূরণ (redress) পাওয়ার অধিকারী, তখন তিনিদুই বা ততোধিক ব্যক্তিকে বিবাদী (defendant) হিসেবে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন—যাতে আদালত সব পক্ষের মধ্যে নির্ধারণ করতে পারে, কোন বিবাদী দায়ী এবং কতটুকু পরিমাণে দায়ী।
সহজভাবে বললে, যদি মামলাকারীর সন্দেহ থাকে যে কার বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত, তাহলে তিনি একাধিক ব্যক্তিকে একসঙ্গে বিবাদী করতে পারেন, যাতে আদালত ঠিক করতে পারে কে দায়ী এবং কতটা দায়ী।
৬,৮০০.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর আওতায় পড়ে না?
ক
মৃত্যুকালীন ঘোষণা
খ
সাক্ষীর জবানবন্দি
গ
উইলে করা বিবৃতি
ঘ
দৈনন্দিন কাজের রেকর্ড
সঠিক উত্তর: খ
সাক্ষীর জবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
সাক্ষীর জবানবন্দি
খ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) সাক্ষীর জবানবন্দি। ⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হয়, তখন তার কিছু নির্দিষ্ট বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। এই ধারায় নিম্নলিখিত ৮টি পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত: ১) মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration) — যখন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পূর্বে কোনো ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য করেন। ২) ব্যবসার কার্যক্রমে বিবৃতি (statement made in course of business) — যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিবৃতি দেন। ৩) স্বার্থবিরোধী বিবৃতি (statement against interest) — যে বিবৃতি ব্যক্তির নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে। ৪) জনস্বার্থ বা প্রথা সংক্রান্ত বিবৃতি (opinion as to public right or custom) — যখন কোনো ব্যক্তি সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা সম্পর্কিত বিবৃতি দেন। ৫) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (relates to existence of relationship) — আত্মীয়তার অস্তিত্বের ব্যাপারে বিবৃতি। ৬) পারিবারিক দলিল বা উইলে করা বিবৃতি (statement made in will or deed relating to family affairs) — উইল বা পারিবারিক দলিলে করা বিবৃতি। ৭) লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি- "transaction mentioned in section 13, clause (a)"ধারা ১৩-এর (ক) অংশে উল্লেখিত লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি। ৮) কিছু ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি (statement made by several persons) — যখন একাধিক ব্যক্তি একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একই মতামত দেন। - এছাড়া, "সাক্ষীর জবানবন্দি" সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর আওতায় পড়ে না, কারণ এটি সাধারণত আদালতে সরাসরি সাক্ষী দ্বারা প্রদত্ত বিবৃতি যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জীবিত থাকে, এবং তা সাধারণত ক্রস-এক্সামিনেশন এর মাধ্যমে যাচাই করা হয়। এজন্য, সঠিক উত্তর হল খ) সাক্ষীর জবানবন্দি। ----------- ⇒ The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant. - When it relates to cause of death; or is made in course of business; or against interest of maker; or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest; or relates to existence of relationship; or is made in will or deed relating to family affairs; or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a); or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question