বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৬৯ / ১৫৫ · ৬,৮০১৬,৯০০ / ১৫,৪৭০

৬,৮০১.
সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ___________ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে, সেক্ষেত্রে  নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
  1. ৫০০
  2. ১০০০
  3. ৫০০০
  4. ১০০০০
সঠিক উত্তর:
৫০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০০
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৩ বিধি-১: নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে:
আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়। কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।

৬,৮০২.
নিচের কোনটি চোরাই মাল সংক্রান্ত বিধানে বর্ণিত অপরাধ নয়?
  1. প্রতারণা
  2. জোরপূর্বক আদায়
  3. চুরি
  4. দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৪১০ অনুযায়ী, চোরাই মাল বলতে সেই সকল সম্পত্তিকে বুঝায় যা চুরি, জোরপূর্বক আদায়, দস্যুতা, অপরাধমূলক আত্মসাৎ বা বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে অর্জিত হয়। তবে প্রতারণা (Fraud) চোরাই মাল সংক্রান্ত বিধানে অন্তর্ভুক্ত নয়।
প্রতারণা দ্বারা অর্জিত সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হয় না, কারণ এটি একটি আলাদা ধরনের অপরাধ, যেখানে প্রতারণার মাধ্যমে কোনো কিছু অর্জন করা হয়, তবে তা চুরি বা দস্যুতার মাধ্যমে পাওয়া নয়।
অন্যদিকে, চুরি, জোরপূর্বক আদায়, দস্যুতা বা বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি চোরাই মাল হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৬,৮০৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় দস্যুতার শাস্তির বিধান আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারামতে দস্যুতার শাস্তি (Punishment for robbery)- অনধিক ১০ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে দস্যুতার অপরাধ সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় সংঘটিত হলে দস্যুতার শাস্তি ১৪ বৎসর পর্যন্ত 'সশ্রম' কারাদণ্ড হতে পারে।
 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান দস্যুতার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ Section 392. Punishment for robbery:- Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৬,৮০৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য কী?
  1. সহায়-সম্বলহীন জনগণকে সহায়তা প্রদান
  2. নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদান
  3. আর্থিকভাবে অসচ্ছল জনগণকে সহায়তা প্রদান
  4. উল্লিখিত সব গুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব গুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব গুলো
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর প্রস্তাবনায় এই আইনের উদ্দেশ্য দেয়া আছে। বলা আছে যে 'আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদানকল্পে প্রণীত আইন।'
-
যেহেতু আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদান সমীচীন ও প্রয়োজনীয়।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান: “আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান;
৬,৮০৫.
Res Sub-Judice নীতি প্রয়োগ করলে পরবর্তী মোকদ্দমার কী হয়?
  1. খারিজ করা হবে
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে
  3. কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে
  4. পূর্ববর্তী মামলার কার্যক্রম স্থগিত করা হবে
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারা মোতাবেক কোনো একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদের মধ্যে পূর্বেই একটি মোকদ্দমা চলমান থাকলেল পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করার বিধান রয়েছে।
- ধারা ১০ অনুযায়ী মামলা স্থগিত রাখাবে। এই ধারায় বলা আছে যে, কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার চালিয়ে যাবেন না, যার বিচার বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষভাবে এবং মূলত পূর্বে দায়েরকৃত অপর একটি মামলাও বিচার্য বিষয়, তা একই পক্ষগণের মধ্যে অথবা এমন পক্ষগণের মধ্যে যাদের অধীনে তারা বা তাদের মধ্যে কোন একজনের সূত্রে পরবর্তী মামলার পক্ষগণ বা পক্ষগণের মধ্যে কোন একজন স্বত্ব দাবি করেন, যেখানে এরূপ মামলা একই অথবা বাংলাদেশের অন্য কোন আদালতে বিচারাধীন আছে, যে আদালতের প্রার্থীত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে অথবা বাংলাদেশের বাইরে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা চলতি কোন আদালত যার এরূপ এখতিয়ার আছে, অথবা সুপ্রীমকোটে বিচারাধীন কোন মামলা।
ব্যাখ্যা: কোন বিদেশি আদালতে দায়েরকৃত মামলা যদি বাংলাদেশের কোন আদালতে দায়েরকৃত মামলার সাথে একই কারণযুক্ত হয়, তবুও ইহা বাংলাদেশের আদালতে উক্ত মামলা বিচারে বাধা হবে না।
- ১০ ধারার অধীন আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করতে পারে না বরং বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে পারে।
⇒ এই Doctrine বা নীতিটি Res-Subjudice নামে পরিচিত। এই Doctrine প্রয়োগ করার শর্তসমূহ হলো:
১- প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই বিচার্য বিষয়ে দুটি মোকদ্দমা থাকতে হবে।
২-উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হবে।
৩-পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকবে
৪- উক্ত মোকদ্দমার দাবিকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার আদালতে থাকতে হবে।
৫- উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্বের জন্য মোকদ্দমা করেছে।

⇒ এই নীতিটি প্রয়োগ করতে আদালত বাধ্য।
- বিদেশি আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে Res-Subjudice নীতি প্রযোজ্য হবে না ।
- যে মামলাটি প্রথমে দায়ের করা হয়েছে তা চলমান থাকবে এবং দ্বিতীয় মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। খারিজ হবে না। বা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত ১৫১ ধারা প্রয়োগ করে ১ম মামলাটি স্থগিত রাখার আদেশ দিতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-10. Stay of suit:
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in a previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court. 
Explanation. -The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.
৬,৮০৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ আদেশে কতটি বিধি আছে?
  1. ৪ টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি-১৯০৮ সালের ৫নং আইন, প্রকাশিত হয়-১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী, এটি মুল ও পদ্ধতিগত আইনের মিশ্রন। ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি আইনটি ১১টি ভাগে (Part) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৫৮টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধিতে ১৫৮টি ধারার পাশাপাশি ৫১টি আদেশ (Order) রয়েছে।  ধারা সংশোধন করে জাতীয় সংসদ, বিধি সংশোধন করতে পারে সুপ্রিম কোট।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ এর বিধান হলো আদালতে জমা প্রদান। এই আদেশের মোট ৪টি বিধি রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-১ এর বিধান দাবী মিটানোর জন্য বিবাদি কর্তৃক টাকা আদালতের জমা দেয়া। ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদি মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তার বিবেচনা মত দাবীর সম্পূর্ণ মিটানোর অনুরূপ পরিমাণ অর্থ আদালত জমা প্রদান করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-২ এর বিধান জমা প্রদানের নোটিশ। আদালতে টাকা জমা দেয়ার বিষয়ে বিবাদি কর্তৃক বাদি বরাবর আদালতের মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং বাদির আবেদনক্রমে উক্ত জমা দেয়া টাকা (আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে) বাদিকে পরিশোধ করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-৩ এর বিধান নোটিশের পর বাদিকে জমার উপর সুদ নামঞ্জুর। বিবাদির জমা দেয়া টাকা দ্বারা দাবীর পূরণ হোক কিংবা কম হোক, অনুরূপ নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে বাদিকে উক্ত জমাকৃত টাকার উপর কোন সুদ মঞ্জুর করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি ৪ এর বিধান আংশিক পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি এবং সম্পূর্ণ পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি।
৬,৮০৭.
কোরানিক অংশীদার কত জন?
  1. ৭ জন
  2. ১০ জন
  3. ১৫ জন
  4. ১২ জন
সঠিক উত্তর:
১২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ জন
ব্যাখ্যা
⇒ শরীয়া আইন অনুযায়ী মোট ১২ জন কোরানিক অংশীদার রয়েছে।
যথা- অংশীদার বলতে কোরানিক অংশীদারদেরকে বুঝানো হয়।
কোরানিক অংশীদার সর্বমোট ১২ জন। এর মধ্যে ৮ জন মহিলা ও ৪ জন পুরুষ। যথা-
১. স্বামী (Husband)
২. স্ত্রী (Wife)
৩. বাবা (Father)
৪. মা (Mother)
৫. কন্যা (Daughter)
৬. পুত্রের কন্যা (Son's Daughter)
৭. দাদা (True Grandfather)
৮. দাদী (True Grandmother)
৯. আপন বোন (Full Sister)
১০. বৈমাত্রেয় বোন (Consanguine Sister)
১১. বৈপিত্রেয় বোন (Uterine Sister)
১২. বৈপিত্রেয় ভাই (Uterine Brother)
৬,৮০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির সাক্ষ্য এফিডেভিট আকারে দেওয়া যেতে পারে?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫১০
  3. ধারা ৫১০ক
  4. ধারা ৫১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১০ক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১০ক এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির (formal character) হয়, তবে তা শপথপত্র (Affidavit) আকারে দেওয়া যেতে পারে। এই শপথপত্রটি, সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে, কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে প্রমাণ হিসেবে পড়া যায়। এছাড়াও, ধারা ৫১০ক(২) অনুসারে, আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে বা প্রসিকিউশন বা অভিযুক্তের আবেদনের ভিত্তিতে, শপথপত্রে উল্লিখিত তথ্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সমন করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
অতএব, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১০ক এ বলা হয়েছে যে আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির সাক্ষ্য শপথপত্র আকারে দেওয়া যেতে পারে।
---------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 510A. Evidence of formal character on Affidavit:
(1) The evidence of any person whose evidence is of a formal character may be given by affidavit and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code.
(2) The Court may, if it thinks fit, and shall, on the application of the prosecution or the accused, summon and examine any such person as to the facts contained in his affidavit.

৬,৮০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯২ ধারায় যদি মামলা হস্তান্তরিত হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট বাদীর এবং সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে থাকেন, তাহলে পরবর্তী ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. সাক্ষীর পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য
  2. বাদীর পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য
  3. বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার বিধান বাদীর জবানবন্দি:
নালিশের প্রেক্ষিতে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট যত দ্রুত সম্ভব বাদীর এবং উপস্থিত যদি থাকে, সাক্ষীবৃন্দের মধ্যে যে কয়জনকে সঠিকরূপে গণ্য করেন তাহাদের শপথ গ্রহণ করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারবস্তু নথিবদ্ধ করবেন এবং বাদী বা যে-সব সাক্ষীর জবানবন্দি গৃহীত হয়েছে, তারা ও ম্যাজিস্ট্রেট তাতে সই করবেন:
(ক) লিখিত নালিশ দায়ের করা হলে ধারা-১৯২ এর বিধানমতে মামলাটি হস্তান্তরের পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্তভাবে জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই;

(কক) যখন লিখিত নালিশ দায়ের করা হয় এবং আদালত বা সরকারি কর্মচারী তাঁদের সরকারি কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় বা সরকারি হিসাবে কথিত কর্তব্য সম্পাদনের সময় এই নালিশ দায়ের করেন, সেক্ষেত্রে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই।

(গ) যখন ধারা-১৯২ এর বিধান মতে মামলা হস্তান্তরের করা হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট আগেই বাদীর ও সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে যে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলা হস্তান্তরিত হয়, তিনি পুনরায় তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন না।
৬,৮১০.
চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলার তামাদির মেয়াদ-
  1. চুক্তি লিখিত এবং অনিবন্ধিত হলে ১ বছর
  2. চুক্তি লিখিত এবং নিবন্ধিত না হলে ৩ বছর
  3. চুক্তি লিখিত এবং নিবন্ধিত হলে ৬ বছর
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত না হলে, চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর এবং

অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হলে, উক্ত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর হবে।

অপরদিকে,
অনুচ্ছেদ ১১৩ এবং ১১৪ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মামলা এবং চুক্তি প্রত্যাহার/রদের মামলা তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
৬,৮১১.
নিম্নলিখিত কোন শর্তটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্যতা নয়?
  1. পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হওয়া
  2. সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হওয়া
  3. পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা
  4. অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হওয়া
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হবেন না যদি তিনি—
১) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন— (অযোগ্যতার শর্ত)
২) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হন— (অযোগ্যতার শর্ত)
৩) অতীতে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকেন— (অযোগ্যতার শর্ত)

- তবে "পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা" রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য কোনো অযোগ্যতার শর্ত নয়।
→ সংবিধানের ৫০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুটি মেয়াদে রাষ্ট্রপতি থাকতে পারেন, কিন্তু তৃতীয়বার নির্বাচন করা যাবে না।
- তবে এটি রাষ্ট্রপতি হওয়ার অযোগ্যতার শর্ত নয়, বরং একটি মেয়াদ সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা।

→ অর্থাৎ সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তিনটি নির্দিষ্ট অযোগ্যতার শর্ত রয়েছে।
- কিন্তু ৫০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি হওয়া যাবে না, যা মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান, তবে এটি নির্বাচনের অযোগ্যতা নয়।
 তাই সঠিক উত্তর: গ) পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা।
৬,৮১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দোভাষী সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ৫৪৪ ধারা
  2. ৫৪৩ ধারা
  3. ৫৪০ক ধারা
  4. ৫৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪৩-এ দোভাষী (Interpreter) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন কোনো ক্রিমিনাল কোর্টে সাক্ষ্য বা বক্তব্য অনুবাদের জন্য দোভাষীর প্রয়োজন হয়, তখন দোভাষী বাধ্য থাকবেন:
- উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির সত্য ও সঠিক অনুবাদ আদালতের সামনে উপস্থাপন করতে, এবং কোনোভাবেই বক্তব্য বিকৃত বা পরিবর্তন না করতে।
- এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, বিশেষ করে যখন কোনো সাক্ষী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের ভাষা বুঝতে অক্ষম হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, যখন কোনো ক্রিমিনাল কোর্টে দোভাষী (Interpreter) প্রয়োজন হয়, তার প্রধান দায়িত্ব হল সঠিকভাবে সাক্ষ্য বা বক্তব্যের অনুবাদ প্রদান করা, এবং এই অনুবাদটি সত্যানুগ হতে হবে। দোভাষীকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, তিনি যে কোনো সাক্ষ্য বা বিবৃতি সঠিকভাবে, এবং কোনোরূপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই অনুবাদ করবেন।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 543. Interpreter to be bound to interpret truthfully:
 When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
৬,৮১৩.
Under section 162 of The Contract Act, 1872, which circumstance causes the termination of a gratuitous bailment?
  1. On expiry of time
  2. On death of bailor or bailee
  3. On insolvency of bailee only
  4. On breach of contract
সঠিক উত্তর:
On death of bailor or bailee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
On death of bailor or bailee
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬২: বিনা প্রতিদানে জিম্মা (gratuitous bailment) মৃত্যু দ্বারা সমাপ্ত হয়-

[A gratuitous bailment is terminated by the death either of the bailor or of the bailee.]
যদি জিম্মা চুক্তি বিনা প্রতিদানে (gratuitous) হয়ে থাকে, তবে জিম্মাদার (Bailor) বা জিম্মাদাতা (Bailee)- যে কোনো একজনের মৃত্যুর ফলে জিম্মা চুক্তি সমাপ্ত হয়ে যায়।
৬,৮১৪.
স্বামী কত বছর যাবত কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে একজন বিবাহিতা স্ত্রীলোক বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
৬,৮১৫.
গর্ভপাতের জন্য দণ্ডবিধির ৩১২ এবং ৩১৩ ধারার মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  1. ৩১২ ধারায় শুধু জরিমানা আছে, ৩১৩ ধারায় কারাদণ্ড আছে।
  2. ৩১২ ধারায় শাস্তি কঠোর, ৩১৩ ধারায় শাস্তি তুলনামূলকভাবে কম।
  3. ৩১২ ধারায় নারীর সম্মতি থাকতে পারে, ৩১৩ ধারায় নারীর সম্মতি ব্যতীত কাজ করা হয়।
  4. ৩১২ ধারা শুধুমাত্র 'দ্রুতগর্ভবতী' নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ৩১৩ ধারা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
সঠিক উত্তর:
৩১২ ধারায় নারীর সম্মতি থাকতে পারে, ৩১৩ ধারায় নারীর সম্মতি ব্যতীত কাজ করা হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১২ ধারায় নারীর সম্মতি থাকতে পারে, ৩১৩ ধারায় নারীর সম্মতি ব্যতীত কাজ করা হয়।
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩১২ ও ৩১৩ ধারার মূল পার্থক্য হলো—
- ধারা ৩১২ – স্বেচ্ছায় গর্ভপাত ঘটানো (Voluntarily causing miscarriage):
এখানে গর্ভবতী নারীর সম্মতি থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে, তবে অপরাধটি সাধারণভাবে গর্ভপাত ঘটানোর জন্য প্রযোজ্য। শাস্তি – ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়।
- ধারা ৩১৩ – নারীর সম্মতি ব্যতীত গর্ভপাত ঘটানো (Causing miscarriage without woman’s consent):
এখানে নারীর সম্মতি ছাড়াই জোরপূর্বক বা প্রতারণার মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটানো হয়। শাস্তি – যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

- মূল পার্থক্য হলো ৩১৩ ধারা নারীর সম্মতি ব্যতীত গর্ভপাতের জন্য কঠোর শাস্তি নির্ধারণ করে, যেখানে ৩১২ ধারা মূলত স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের জন্য প্রযোজ্য। অর্থাৎ ৩১২ ধারা মূলত গর্ভবতী নারীর সম্মতি থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে। 
- সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ৩১২ ধারায় নারীর সম্মতি থাকতে পারে, ৩১৩ ধারায় নারীর সম্মতি ব্যতীত কাজ করা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১২ ধারা- গর্ভপাত করান:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভবতী স্ত্রীলোকের গর্ভপাত করায়, এবং যদি সে গর্ভপাত সরল বিশ্বাসে উক্ত স্ত্রীলোকের জীবন বাঁচাবার উদ্দেশ্যে না করা হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং যদি স্ত্রীলোকটি শিশুর বিচরণ অনুভব করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা: যে স্ত্রীলোক নিজেই নিজের অকাল গর্ভপাত করায়, সে স্ত্রীলোকও এই ধারার অর্থের অন্তর্ভুক্ত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান- স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:
কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

৬,৮১৬.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে কী বিষয়ে তামাদির সময়সীমা অন্তর্ভুক্ত?
  1. আপিল দায়ের
  2. দরখাস্ত দায়ের
  3. মামলা দায়ের
  4. রিভিশন দায়ের
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগ (First Division of the First Schedule of the Limitation Act, 1908) মূলত "Suit" বা "মামলা দায়ের" সংক্রান্ত বিষয়াদি নির্ধারণ করে।
-এই বভাগে বলা হয়েছে বিভিন্ন প্রকার মামলার জন্য তামাদির নির্দিষ্ট সময়সীমা (Limitation Period) কত হবে এবং কারণ সৃষ্টি হওয়ার (cause of action) কোন তারিখ থেকে সময় গণনা শুরু হবে।

⇒ প্রথম তফসিলের গঠন:
তামাদি আইনের প্রথম তফসিল তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
⇒ প্রথম বিভাগ – Suit (মামলা দায়ের)
- বিভিন্ন ধরনের দেওয়ানি মামলার জন্য সময়সীমা ও তার শুরুর দিন কী হবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
⇒ দ্বিতীয় বিভাগ – Appeals (আপিল দায়ের)
- বিভিন্ন আদালতে আপিল করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা।
⇒ তৃতীয় বিভাগ – Applications (দরখাস্ত দায়ের)
- বিভিন্ন প্রকার দরখাস্ত, যেমনঃ রিভিশন, রিভিউ ইত্যাদির জন্য সময়সীমা।
৬,৮১৭.
বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু আইন অনুযায়ী, স্বাভাবিক পুত্র জন্মালে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার ত্যাজ্যবিত্তের কত ভাগ পায়?
  1. সমান অংশ
  2. অর্ধেক
  3. ১/৩ অংশ
  4. কিছু পাবে না
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে হিন্দু আইন অনুযায়ী, যদি দত্তকী পুত্রের দত্তক গ্রহণকারী পিতার নিজস্ব (স্বাভাবিক) পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তাহলে দত্তকী পুত্র তার দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) পায়।

বাংলাদেশে হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দত্তকী পুত্র (Adopted Son) সাধারণত দত্তক গ্রহণকারী পিতার স্বাভাবিক পুত্রের মতোই সম্পত্তির অধিকারী হন। তবে এই অধিকারে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রম ও মতপার্থক্য রয়েছে:
১. স্বাভাবিক পুত্র থাকলে:
যদি দত্তক গ্রহণের পর দত্তকী পিতার নিজস্ব (স্বাভাবিক) পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তাহলে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) উত্তরাধিকার সূত্রে পান।

২. স্বাভাবিক পুত্র না থাকলে:
যদি দত্তকী পুত্র ছাড়া দত্তকী পিতার আর কোনো পুত্র না থাকে, তাহলে দত্তকী পুত্রই সম্পত্তির পূর্ণ উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হন।

৩. বর্ণভেদে সম্পত্তির অংশের ভিন্নতা:
শুদ্র শ্রেণির দত্তকী পুত্র:
দত্তকী পিতার সম্পত্তিতে সমান অংশ পাওয়ার অধিকারী হন।

অন্যান্য বর্ণভুক্ত দত্তকী পুত্র:
দত্তকী পিতার ত্যাজ্যবিত্তের তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) পান।
৬,৮১৮.
ওজনের জন্য মিথ্যা যন্ত্রের ব্যবহারের সর্বোচ্চ শাস্তি কি হবে?
  1. অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড
  4. অনধিক ৩ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ২৬৪ ধারায় ওজনের জন্য মিথ্যা যন্ত্রের ব্যবহারের শাস্তি বিধান হিসেবে অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের উল্লেখ আছে।

♦ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারার বিধান ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:- কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------
♦ Section 264. Fraudulent use of false instrument for weighing:- Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

♦ দণ্ডবিধির ২৬৫ ধারার বিধান প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা ওজন কিংবা মাপ ব্যবহার করা:- কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে কোন মিথ্যা ওজন কিংবা দৈর্ঘ্যের বা ধারণশক্তির মাপ ব্যবহার করে, অথবা প্রতারণামূলকভাবে কোন ওজনকে কিংবা দৈর্ঘ্যের বা ধারণশক্তির মাপকে উহা অপেক্ষা ভিন্ন ওজন কিংবা দৈর্ঘ্য বা ধারণশক্তির মাপ হিসেবে ব্যবহার করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৬,৮১৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারা অনুসারে, যদি বিক্রেতা বিক্রয় বা ইজারা দেওয়ার পর সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব অর্জন করে, তাহলে ক্রেতা কী করতে পারে?
  1. চুক্তি বাতিল করতে পারে
  2. বিক্রেতাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে
  3. বিক্রেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে পারে
  4. বিক্রেতাকে উক্ত স্বত্ব অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে পারে
সঠিক উত্তর:
বিক্রেতাকে উক্ত স্বত্ব অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রেতাকে উক্ত স্বত্ব অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার বিধান: ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার:
- যেখানে এক ব্যক্তি এমন নির্দিষ্ট সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, যাতে তার শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব রয়েছে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদারের (যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান প্রদান করা হয়) নিম্নোক্ত অধিকার রয়েছে:
(ক) যদি বিক্রেতা অথবা ইজারাদাতা বিক্রয় বা ইজারা প্রদানের পরপরই সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব অর্জন করে, তবে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন স্বত্বের জন্য চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারে;
(খ) যেখানে স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতা বা ইজারাদাতার অনুরোধে তা করতে বাধ্য, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারে;
(গ) যেখানে বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রয়ের কথা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করে কিন্তু বাস্তবে সম্পত্তি এমন পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে যা ক্রয়মূল্যকে অতিক্রম করে না এবং কার্যত বিক্রেতার শুধু তা মুক্ত রাখার অধিকার রয়েছে সেখানে ক্রেতা তাকে তা বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারে;
(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ইজারাদাতা চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করে এবং মামলা তার ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বের অজুহাতে খারিজ হয়ে যায়, সেখানে প্রতিবাদীর অধিকার রয়েছে, সুদসহ জমাকৃত অর্থ (যদি জমা করে থাকে) এবং মামলার খরচ ফেরত পাবার এবং তেমন জমাকৃত অর্থ সুদ ও খরচের জন্য বিক্রেতা বা ইজারাদার যে জমি বিক্রয় বা ইজারা দিতে সম্মত তাতে বিক্রেতা বা ইজারাদাতার স্বত্বের উপর পূর্বস্বত্ব অধিকার থাকবে।
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 18. Purchaser's rights against vendor with imperfect title:
Where a person contracts to sell or let certain property, having only an imperfect title thereto, the purchaser or lessee (except as otherwise provide by this Chapter) has the following rights:- 
(a) if the vendor or lessor has subsequently to the sale or lease acquired any interest in the property, the purchaser or lessee may compel him to make good the contract out of such interest; 
(b) where the concurrence of other persons is necessary to validate the title, and they are bound to convey at the vendor's or lessor's request, the purchaser or lessee may compel him to procure such concurrence; 
(c) where the vendor professes to sell unincumbered property, but the property is mortgaged for an amount not exceeding the purchase-money, and the vendor has in fact only a right to redeem it, the purchaser may compel him to redeem the mortgage and to obtain a conveyance from the mortgagee ; 
(d) where the vendor or lessor sues for specific performance of the contract, and the suit is dismissed on the ground of his imperfect title, the defendant has a right to a return of his deposit (if any) with interest thereon, to his costs of the suit, and to a lien for such deposit, interest and costs on the interest of the vendor or lessor in the property agreed to be sold or let.

৬,৮২০.
দণ্ডবিধিতে মোট কয়টি অধ্যায় আছে?
  1. ১৮ টি
  2. ২১ টি
  3. ২৩ টি
  4. ২৫ টি
সঠিক উত্তর:
২৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
-গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
৬,৮২১.
যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে-
  1. নিয়ন্ত্রককে
  2. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে
  3. যে ব্যক্তির স্বাক্ষর তাকে
  4. উল্লিখিত যে কোন একজনকে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোন একজনকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোন একজনকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।
ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
-------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section  73A: Proof as to verification of digital signature:
  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.
Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৬,৮২২.
সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় নিচের কোনটির সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. প্রমাণিত (proved)
  2. মিথ্যা প্রমাণিত (disproved)
  3. অপ্রমাণিত (not to be proved)
  4. 'ক' 'খ' ও 'গ' সবগুলো
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' ও 'গ' সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' ও 'গ' সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় কতিপয় শব্দের ব্যাখ্যা রয়েছে যার, ঐ গুলাতে প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
⇒ প্রমাণিত (proved): কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন। 
⇒ মিথ্যা প্রমানিত (disproved): কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।
⇒ অপ্রমাণিত (not to be proved): কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না। (A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved).
----------------
The Evidence Act,1872: Section 3- Interpretation-clause:
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.
⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.
৬,৮২৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণের ব্যয় সাধারণত কত বয়স পর্যন্ত প্রদান করা হয়?
  1. ১৪ বছর পর্যন্ত
  2. ১৮ বছর পর্যন্ত
  3. ২১ বছর পর্যন্ত
  4. ২৫ বছর পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
২১ বছর পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৩(১)(ঘ) অনুসারে, ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণের ব্যয় সাধারণত বয়স একুশ (২১) বছর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হয়। তবে দুটি বিশেষ ক্ষেত্রে এই সময়সীমা আরও বর্ধিত হতে পারে:
১. একুশ বছরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে – তার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত।
২. পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে – তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত।
- সুতরাং, সাধারণ নিয়মে ভরণপোষণ ২১ বছর বয়স পর্যন্ত প্রদান করা হয়।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৩ ধারার বিধান: ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মলাভকারী শিশু সংক্রান্ত বিধান:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধর্ষণের কারণে কোন সন্তান জন্মলাভ করিলে-
(ক) উক্ত সন্তানকে তাহার মাতা কিংবা তাহার মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাবধানে রাখা যাইবে;
(খ) উক্ত সন্তান তাহার পিতা বা মাতা, কিংবা উভয়ের পরিচয়ে পরিচিত হইবার অধিকারী হইবে;
(গ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহণ করিবে;
(ঘ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় তাহার বয়স একুশ বৎসর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হইবে, তবে একুশ বত্সরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তাহার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত এবং পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত প্রদেয় হইবে।
(২) সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন কোন সন্তানকে ভরণপোষণের জন্য প্রদেয় অর্থ সরকার ধর্ষকের নিকট হইতে আদায় করিতে পারিবে এবং ধর্ষকের বিদ্যমান সম্পদ হইতে উক্ত অর্থ আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে উহা আদায়যোগ্য হইবে।

৬,৮২৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১৫ অনুযায়ী পক্ষগণের মধ্যে কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে প্রথম শুনানীর দিন মামলা?
  1. মামলা স্থগিত
  2. রায় ঘোষণা
  3. খারিজ
  4. ক ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ১৫ বিধি-১ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় আদালত মোকদ্দমা নিষ্পত্তি বা রায় ঘোষণা করতে পারেন,
⇒ যদি দেখেন যে পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা বা আইন বিষয়ক কোন বিরোধ নেই (Parties not at issue)।
⇒ অর্থাৎ পক্ষগণের মধ্যে যদি কোন বিচার্য্য বিষয় না থাকে তাহলে আদালত ১ম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা দিতে পারেন। 
⇒ তবে বিধি ২ অনুযায়ী কতিপয় বিবাদীর মধ্যে যদি ১ জন সম্পর্কে কোন বিচার্য্য বিষয় না থাকে তাহলে ঐ বিবাদী পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষনা করে অন্যান্য বিবাদীগণের বিরুদ্ধে মামলা চলবে।
৬,৮২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুসারে পলাতক ব্যক্তির জন্য আদালত কর্তৃক জারি করা হুলিয়ায় সময়সীমা সর্বনিম্ন কত দিন হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুযায়ী, যখন আদালত মনে করে যে কোনো ব্যক্তি পলাতক হয়েছে বা আত্মগোপন করছে যার কারণে তার বিরুদ্ধে ইস্যু করা পরোয়ানা কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না, তখন সেই ব্যক্তির জন্য একটি হুলিয়া (প্রকৃতির বিজ্ঞপ্তি) জারি করা হয়।
এই হুলিয়ায় তাকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এই সময়সীমা সর্বনিম্ন ৩০ দিন হতে হবে, যাতে পলাতক ব্যক্তি পর্যাপ্ত সময় পায় হাজির হতে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারার বিধান (১) যদি কোন আদালতের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে (সাক্ষ্য গ্রহণ করার পরে অথবা পূর্বে) যে, উক্ত আদালত যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রদান করেছেন সেই ব্যক্তি পলাতক হয়েছে অথবা পরোয়ানা কার্যকর না হতে পারে সেজন্য আত্মগোপন করছে, তাহলে উক্ত আদালত তাকে একটি নিদিষ্ট স্থানে এবং হুলিয়া জারীর তারিখ হতে ত্রিশ দিনের কম নহে, এমন নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত হুলিয়া জারি করতে পারবেন।
(২) হুলিয়া নিম্নলিখিতভাবে জারি করতে হবে:
ক) উক্ত ব্যক্তি সাধারণত যেখানে বাস করে সেই শহরে অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা প্রকাশ্যভাবে পাঠ করতে হবে;
খ) উক্ত ব্যক্তি সাধারণত যেখানে বাস করে, সেই বাড়ি অথবা বস্তু অথবা শহর অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা লটকায়ে দিতে হবে; এবং
গ) উহার একটি কপি আদালত ভবনের প্রকাশ্য স্থানে লটকায়ে দিতে হবে।
(৩) হুলিয়া প্রদানকারী আদালত যদি এই মর্মে একটি লিখিত বিবৃতি দেন যে, হুলিয়া একটি নির্দিষ্ট দিনে যথাযথভাবে জারি হয়েছে তাহলো উহা চূড়ান্ত সাক্ষ্য হবে যে, এই ধারার নির্দেশ সম্বলিত হিসাবে এবং উক্ত দিনে হুলিয়া প্রকাশিত হয়েছে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 87. Proclamation for person absconding:
(1) If any Court has reason to believe (whether after taking evidence or not) that any person against whom a warrant has been issued by it has absconded or is concealing himself so that such warrant cannot be executed, such Court may publish a written proclamation requiring him to appear at a specified place and at a specified time not less than thirty days from the date of publishing such proclamation.
(2) The proclamation shall be published as follows:- 
(a) it shall be publicly read in some conspicuous place of the town or village in which such person ordinarily resides; 
(b) it shall be affixed to some conspicuous part of the house or homestead in which such person ordinarily resides or to some conspicuous place of such town or village; and 
(c) a copy thereof shall be affixed to some conspicuous part of the Court-house. 
(3) A statement in writing by the Court issuing the proclamation to the effect that the proclamation was duly published on a specified day shall be conclusive evidence that the requirements of this section have been complied with, and that the proclamation was published on such day.
৬,৮২৬.
ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণের ক্ষেত্রে আদালত নিম্নের কাকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে
  2. নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে
  3. যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ:
যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।
 
ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
 
Section  73A⇒ Proof as to verification of digital signature:
In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.
 
Explanation- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৬,৮২৭.
জরুরি পরিস্থিতিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ কেমনভাবে দেয়া যায়?
  1. আদালতে শুনানি শেষে
  2. একতরফাভাবে
  3. উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে
  4. প্রতীকী আদেশ হিসেবে
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান-
(১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুই মাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
৬,৮২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Negative Injunction' এর বিধান আছে?
  1. ৫২
  2. ৫৩
  3. ৫৬
  4. ৫৭
সঠিক উত্তর:
৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত যে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে তাকে Negative Injunction বলে।

- নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
--------------------------------
SR Act Section-57. Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

Illustrations:
(a) A contracts to sell to B for taka 1,000 the good-will of a certain business unconnected with business-premises, and further agrees not to carry on that business in Chittagong. B pays A the taka 1,000 but A carries on the business in Chittagong. The Court cannot compel A to send his customers to B, but B may obtain an injunction restraining A from carrying on the business in Chittagong.
(b) A contracts to sell to B the good-will of a business. A then sets up similar business close by B's shop and solicits his old-customers to deal with him. This is contrary to his implied contract, and B may obtain an injunction to restrain A from soliciting the customers, and from doing any act whereby their good-will may be withdrawn from B.

(c) A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

(d) B contracts with A that he will serve him faithfully for twelve months as a clerk. A is not entitled to a decree for specific performance of the contract. But he is entitled to an injunction restraining B from serving a rival house as clerk.
(e) A contracts with B that, in consideration of taka 1,000 to be paid to him by B on a day fixed, he will not set up a certain business within a specified distance. B fails to pay the money. A cannot be restrained from carrying on the business within the specified distance.
৬,৮২৯.
তামাদি আইনের ২১ ধারায় বর্ণিত ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলতে কাকে বোঝাবে না?
  1. কমিটি বা ম্যানেজার
  2. আইনসম্মত অভিভাবক
  3. আদালতের কর্মকর্তাকে
  4. কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্মকর্তাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারার: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি (Agent of person under disability):
যথাবিহিতরূপে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলিতে অপারগতাগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
- আইন সম্মত অভিভাবক;
- কমিটি বা ম্যানেজারকে; অথবা
- অনুরূপ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝাইবে।

- উল্লিখিত প্রশ্নে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলতে আদালতের কর্মকর্তাকে বোঝাবে না।

⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারার বিধান: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি:
(১) “তাঁহার পক্ষ থেকে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট” শব্দবন্ধটি, ধারাঃ ১৯ ও ২০-এর ক্ষেত্রে, একজন অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে, তাঁর আইনগত অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপক, অথবা এমন একজন এজেন্টকে অন্তর্ভুক্ত করবে যিনি এই অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপকের দ্বারা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান স্বাক্ষরের জন্য যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
(২) উল্লিখিত ধারাগুলোর অধীনে একাধিক যৌথ চুক্তিকারক, অংশীদার, নির্বাহী বা বন্ধকী কর্তাকে শুধুমাত্র অন্য একজন বা তাঁদের এজেন্টের দ্বারা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদানের কারণে দায়বদ্ধ করবে না।

(৩) উল্লিখিত ধারাগুলোর উদ্দেশ্যে-
(a) একজন বিধবা বা অন্য সীমিত মালিকের দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি স্বীকৃতি, অথবা কোনো দায়ের জন্য অর্থ প্রদান, অথবা যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা, যিনি হিন্দু আইন দ্বারা পরিচালিত, তা সংশ্লিষ্ট পুনঃসূত্রের বিরুদ্ধে একটি বৈধ স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসেবে গণ্য হবে;

(b) যখন একটি হিন্দু অখণ্ড পরিবারের পক্ষে কোনো দায়ভার সৃষ্টি করা হয়, তখন বর্তমান ব্যবস্থাপক বা তাঁর যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা করা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান সম্পূর্ণ পরিবারের পক্ষে করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
----------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-21. Agent of persons under disability:
(1) The expression “agent duly authorised in his behalf,” in sections 19 and 20, shall, in the case of a person under disability, include his lawful guardian, committee or manager, or an agent duly authorised by such guardian, committee or manager to sign the acknowledgement or make the payment. 
 
(2) Nothing in the said sections renders one of several joint contractors, partners, executors or mortgagees chargeable by reason only of a written acknowledgment signed or of a payment made by, or by the agent of, any other or others of them. 
 
(3) For the purposes of the said sections- 
(a) an acknowledgment signed, or a payment made, in respect of any liability, by, or by the duly authorised agent of, any widow or other limited owner of property who is governed by the Hindu law, shall be a valid acknowledgment or payment, as the case may be, as against a reversioner succeeding to such liability; and 
 
(b) where a liability has been incurred by, or on behalf of, a Hindu undivided family as such, an acknowledgment or payment made by, or by the duly authorised agent of, the manager of the family for the time being shall be deemed to have been made on behalf of the whole family.
৬,৮৩০.
“Doctrine of Holding Over” এর অর্থ কী?
  1. উপ-ইজারা প্রদান করা
  2. জমি বিক্রির পর মালিকানা হস্তান্তর
  3. ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও দখল বজায় রাখা
  4. আদালতের আদেশে দখল বজায় রাখা
সঠিক উত্তর:
ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও দখল বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও দখল বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882, ধারা ১১৬: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া-
যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।

উদাহরণ
• পাঁচ বছরের জন্য A, B-কে একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C-এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো।
• A, C-এর জীবন কালের জন্য B-কে একটি খামার ইজারা দিলেন। C মারা গেলেন, কিন্তু B, A-এর সম্মতিতে দখল বজায় রাখলেন। B-এর ইজারা বছর হতে বছরে নবায়িত হলো। 

এই ধারানুযায়ী, কোন ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি কোন ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার সম্মতিতে ইজারা সম্পত্তির দখল বজায় রাখে তা (Holding over) বা মেয়াদ উত্তীর্ণ দখল বলে পরিগণিত হবে। একেই Doctrine of Holding over বলে। এই রকম দখলের অনুমতি দেওয়া হলে তা বছর হতে বছর বা মাস হতে মাস ভিত্তিতে নবায়িত হবে। এরূপ ইজারাগ্রহীতাকে Tenant at will, Tenant holding over বলে।
৬,৮৩১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন তফশিলে শপথ ও ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. প্রথম তফশিল
  2. দ্বিতীয় তফশিল
  3. তৃতীয় তফশিল
  4. চতুর্থ তফশিল
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফশিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফশিল
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তফশিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফশিল সংযোজন করা হয়েছে।
- প্রথম তফশিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফশিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফশিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফশিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলি।
- পঞ্চম তফশিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফশিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফশিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

৬,৮৩২.
কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে-
  1. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ নিয়ে পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  2. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  3. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  4. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
সঠিক উত্তর:
তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারা মতে কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতারঃ কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

---------------------------------------
♦ Section 151. Arrest to prevent such offences: A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.
৬,৮৩৩.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৯
  2. অনুচ্ছেদ ১৫০
  3. অনুচ্ছেদ ১৫১
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫০
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫০-এ মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ১৫০- দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫০ অনুসারে, দায়রা আদালত কর্তৃক বা হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- আপিলের ধরন: মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল। 
- তামাদি মেয়াদ: ৭ দিন। 
- সময় গণনার শুরু: দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে। 
এটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লিখিত সর্বনিম্ন তামাদি মেয়াদগুলোর মধ্যে একটি। মৃত্যুদণ্ড একটি গুরুতর বিষয় হওয়ায় এর বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য খুব সীমিত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

৬,৮৩৪.
লিখিত জবাব দাখিলের ________ দিনের মধ্যে ইস্যু গঠন করতে হয়?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২১
সঠিক উত্তর:
১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ আদেশের বিধি ১ অনুযায়ী যখন ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যখন একপক্ষ দৃড়ভাবে ঘোষণা করে এবং অন্য পক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয় উদ্ভব হয়। মামলার প্রথম শুনানীর সময় কিংবা লিখিত জবাব দাখিলের (যেটা পরে ঘটে) তার ১৫ দিনের মধ্যে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে হবে।
৬,৮৩৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোনো দলিলপত্র উদঘাটন বা দাখিল করার আদেশ দিতে পারেন -
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  4. জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের বিধান: আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ:
- কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 104. Issue and execution of processes of Appellate Division:
- The Appellate Division shall have power to issue such directions, orders, decrees or writs as may be necessary for doing complete justice in any cause or matter pending before it, including orders for the purpose of securing the attendance of any person or the discovery or production of any document.
৬,৮৩৬.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'খ' দাবি করে যে 'খ' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি 'খ'-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর প্রতিকার-
  1. দখল উদ্ধারের মামলা
  2. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
- সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।
- অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ) বলে।

-উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'A' এর  প্রতিকার হল ঘোষণামূলক মামলা দায়ের।
যেহেতু ক' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। 'খ' ঐ সম্পত্তির মালিকনা দাবি করে তার বরাবর দখল হস্তান্তর করতে বললে 'ক' ঐ জমির দখলে থাকার জন্য The Specific Relief Act, 1877 এর ৪২ ধারায় মামলা করতে পারেন। 
৬,৮৩৭.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা মতে টিপসহি সনাক্তকরণের বিষয়ে বিশেষজ্ঞের অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. 45
  2. 48
  3. 50
  4. 47
সঠিক উত্তর:
45
উত্তর
সঠিক উত্তর:
45
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872)-এর ধারা ৪৫ বিশেষজ্ঞের মতামত (Expert Opinion) সম্পর্কে বিধান দেয়।
- এই ধারা অনুযায়ী, টিপসহি (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সনাক্তকরণ-এর মতো বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট বা সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য।
- ধারা ৪৫-এ স্পষ্টভাবে "finger impression" (আঙুলের ছাপ)-এর কথা উল্লেখ আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒ Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 45. Opinion of Experts:
 When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.
Such persons are called experts.
৬,৮৩৮.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুসারে আদালত ৫ বছরের বেশি পুরোনো এবং সঠিকভাবে সংরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ডকে সঠিক বলে অনুমান করতে পারে?
  1. ধারা ৭৩ক
  2. ধারা ৮৫ক
  3. ধারা ৯০ক
  4. ধারা ৯২ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯০ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক অনুযায়ী,
যে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি পাঁচ বছর পুরোনো হয় এবং আদালত মনে করে যে এটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তবে আদালত এটি সঠিক বলে ধরে নিতে পারে এবং অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।

Section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

৬,৮৩৯.
সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্ত অনুযায়ী যদি আয় সঞ্চিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে সঞ্চয়ের সময়সীমা কত পর্যন্ত হতে পারে?
  1. হস্তান্তরের পর ২৫ বছর পর্যন্ত
  2. হস্তান্তরের পর ১০ বছর পর্যন্ত
  3. হস্তান্তরগ্রহীতার জীবনকাল পর্যন্ত
  4. হস্তান্তরকারীর জীবনকাল বা হস্তান্তরের ১৮ বছর পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরকারীর জীবনকাল বা হস্তান্তরের ১৮ বছর পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরকারীর জীবনকাল বা হস্তান্তরের ১৮ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৭: সঞ্চিত করার নির্দেশ (Direction for accumulation)
১) যখন কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্ত অনুযায়ী সেই সম্পত্তির আয় সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে সঞ্চিত (accumulated) হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, এবং সঞ্চয়ের সময়সীমা কোনও একের বেশি সময়ের জন্য নির্ধারিত থাকে, যেমন-
(ক) হস্তান্তরকারীর জীবনকাল, বা
(খ) হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত,
তাহলে সঞ্চয়ের এই নির্দেশ অকার্যকর হবে, যদি সঞ্চয়ের সময়সীমা উল্লিখিত সময়ের মধ্যে বেশি হয়ে থাকে। এই সময়ের পর, সম্পত্তি এবং তার আয় যেমন ছিল তেমনই হস্তান্তর করা হবে, যেন সঞ্চয়ের নির্দেশ আগেই শেষ হয়ে গেছে।

২) এই ধারা নিচের কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়:
(i) হস্তান্তরকারীর দেনা পরিশোধের উদ্দেশ্যে, অথবা
(ii) হস্তান্তরকারীর সন্তান বা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য অর্থ বরাদ্দের উদ্দেশ্যে, অথবা
(iii) হস্তান্তরিত সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ বা সংরক্ষণ উদ্দেশ্যে; এমন পরিস্থিতিতে সঞ্চয়ের নির্দেশ বৈধ থাকবে।

• এই ধারায় Doctrine of Accumulation নীতির প্রয়োগ ঘটেছে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য- হস্তান্তরিত সম্পত্তির আয় সঞ্চিত করার নির্ধারিত সময়কে দীর্ঘ হতে না দেওয়া। গচ্ছিত রাখার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যথা-
১. হস্তান্তরকারীর জীবনকাল;
২. হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১৮ বছর। এই ২টির মধ্যে যেটি দীর্ঘতর সেই সময়ের জন্য আয় গচ্ছিত রাখা যাবে।
৬,৮৪০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৫৭ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি আদালত বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিতে পারে না?
  1. সংসদের কার্যক্রম
  2. সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি
  3. ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
  4. বাংলাদেশের সকল আইনসমূহ
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ৫৭ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত চিঠিপত্র বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিতে পারে না।
বিচারিক দৃষ্টিগোচর অর্থ হলো প্রমাণ ছাড়া কোন কিছু বিদ্যমান আছে বা কোন কিছু সত্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া। আদালত যে সকল বিষয় বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিতে পারে তা সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধরায় উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ;
iii) সংসদের কার্যসমূহ;
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা;
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

⇒The Evidence Act 1872, Section 57, Facts of which Court must take judicial notice: The Court shall take judicial notice of the following facts:-
 1 All Bangladesh Laws
 2. Articles of War for the Armed Forces:
 3. The course of proceeding of Parliament and of [any Legislature which had Power to legislate in respect of territories now  comprised in Bangladesh
 4. The seals of all the Courts in Bangladesh: the seals of Courts of Admiralty and Maritime Jurisdiction and of Notaries Public, and all seals which any person is authorized to use by any law in force in Bangladesh:]
 5. The accession to office, names, titles, functions and signatures of the persons filling for the time being any public office in Bangladesh, if the fact of their appointment to such office is notified in any official Gazette:
 6. The existence, title and national flag of every State or Sovereign recognized by the Government:
 7. The divisions of time, the geographical divisions of the world, and public festivals, fasts and holidays notified in the official Gazette:
 8. The territories of Bangladesh:
 9. The names of the members and officers of the Court and of their deputies and subordinate officers and assistants, and also of all officers acting in execution of its process, and of all advocates and other persons authorized by law to appear or act before it:
10. The commencement, continuance and termination of hostilities between Bangladesh and any other State or body of persons:
11. The rule of the road on land or at sea.

৬,৮৪১.
মোহরানা আদায়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ কত বছর?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- The Limitation Act, 1908 এর ১০৩ অনুচ্ছেদে তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য (Promt/মু’অজ্জল) মোহরানা আদায়ের জন্য আর  ১০৪ অনুচ্ছেদে বিলম্বিত (Differed/মু’আজ্জল) মোহরানা আদায়ে জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে। উভয়ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
মুয়াজ্জল মোহরের ক্ষেত্রে স্ত্রী দাবী করে ব্যার্থ হওয়ার ০৩ বছরের মধ্যে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

অর্থাৎ মুসলিম আইন অনুযায়ী মোহরানা আদায়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর 
৬,৮৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(২) অনুযায়ী অভিযুক্ত যদি আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করেন, তখন বিচারক কী করতে পারেন?
  1. অভিযুক্তকে জামিন দিতে পারেন
  2. মামলাটি বাতিল করতে পারেন
  3. তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন 
  4. মামলাটি অন্য আদালতে পাঠাতে পারেন
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(২) অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করে বা আদালত তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজন মনে করে, তবে বিচারক কারণ লিপিবদ্ধ করে তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন, অথবা প্রয়োজন মনে করলে ওই অভিযুক্তের মামলা আলাদাভাবে গ্রহণ বা বিচার করার নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক: নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে তদন্ত ও বিচার পরিচালনার বিধান:
(১) এই কোডের অধীনে তদন্ত বা বিচারের যে কোনো পর্যায়ে  যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট, কারণ লিপিবদ্ধ করে সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের মধ্যে যে কেউ বা একাধিক জন আদালতে উপস্থিত থাকার জন্য অক্ষম, তবে তিনি, যদি ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করেন, তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং তার অনুপস্থিতিতে ওই তদন্ত বা বিচার পরিচালনা করতে পারেন, এবং পরবর্তী যে কোনো পর্যায়ে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত উপস্থিতি নির্দেশ দিতে পারেন।
(২) যদি এই ধরনের কোনো মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করেন, অথবা যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজনীয় মনে করেন, তবে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে, ওই তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন, অথবা ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির মামলা আলাদাভাবে গ্রহণ বা বিচার করার আদেশ দিতে পারেন।
(৩) এই কোডের অধীনে তদন্তের পর্যায়ে, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে, যে অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিনে আছেন এবং একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করছেন, তদন্ত প্রতিবেদন শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section- 540A. Provision for inquiries and trial being held in the absence of accused in certain cases:
(1) At any stage of an inquiry or trial under this Code,  if the Judge or Magistrate is satisfied, for reasons to be recorded, that any one or more of the accused is or are incapable of remaining before the Court, he may, if such accused is represented by an advocate, dispense with his attendance and proceed with such inquiry or trial in his absence, and may, at any subsequent stage of the proceedings, direct the personal attendance of such accused.
(2) If the accused in any such case is not represented by an advocate, or if the Judge or Magistrate considers his personal attendance necessary, he may, if he thinks fit, and for reasons to be recorded by him, either adjourn such inquiry or trial, or order that the case of such accused be taken up or tried separately.
(3) At the stage of investigation under this Code, the Judge or Magistrate may, for reasons to be recorded in writing, dispense with the personal attendance of an accused person who is on bail and represented by an advocate, until the date fixed for hearing of the investigation report.

৬,৮৪৩.
রেহেন পুনরুদ্ধারের জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ৬ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনে ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রেহেন পুনরুদ্ধারের (redemption) জন্য মামলা করতে হবে; রেহেন পুনরুদ্ধার (redemption) করার অধিকার সৃষ্টি হওয়ার দিন থেকে ৬০ বছরের মধ্যে।
৬,৮৪৪.
সকল দেওয়ানী কার্যক্রমে কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে-
  1. যোগ্য সাক্ষী
  2. অযোগ্য সাক্ষী
  3. নিশ্চিত সাক্ষী
  4. সাক্ষী সংশ্লিষ্ট
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রীঃ সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।

------------------------------------------
⇒ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
 In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৬,৮৪৫.
মুলতবি খরচ প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত বিবাদীর মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি করে। সংক্ষুদ্ধ বিবাদীর প্রতিকার হতে পারে
  1. রিভিশন করা
  2. একতরফা নিষ্পত্তির আদেশ বাতিল করা
  3. পুনরায় মোকদ্দমার কার্যক্রম চালুর জন্য আবেদন করা
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦মুলতবি খরচ প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করলে বা বিবাদীর মোকদ্দমা একতরফা নিষ্পত্তি করলে সংক্ষুদ্ধ বাদী বা বিবাদী (যেমন প্রযোজ্য হয়) ১৭ আদেশের ১ (৭) বিধির অধীন মোকদ্দমা পুনবহালের বা পুনরূজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে [Restoration or Revival of the proceeding] বা ১১৫ ধারায় রিভিশন করতে পারে।
৬,৮৪৬.
সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারার বিধান হলো-
  1. Opinion on relationship, when relevant
  2. Grounds of opinion, when relevant
  3. Opinion as to digital signature where relevant
  4. Opinion of Experts
সঠিক উত্তর:
Grounds of opinion, when relevant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Grounds of opinion, when relevant
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারার বিধান: মতামতের কারণ কখন প্রাসঙ্গিক (Grounds of opinion, when relevant)- কখন মতামতের কারণ প্রাসঙ্গিক হতে পারে, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒  ৫১ ধারা অনুযায়ী কোন জীবিত ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক হলে, তার অভিমত যে সকল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলো অর্থাৎ মতামতের কারণও প্রাসঙ্গিক হয়।

যেমন- কোন বিশেষজ্ঞ কোন অভিমতে উপনীত হবার জন্য তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিবরণ দিতে পারে।

----------
⇒ Grounds of opinion, when relevant:
Section 51. Whenever the opinion of any living person is relevant the grounds on which such opinion is based are also relevant. 
 
⇒ Illustration 
An expert may give an account of experiments performed by him for the purpose of forming his opinion.
৬,৮৪৭.
নিম্নোক্ত কোন উপায়ে বলপ্রয়োগ করা যায়?
  1. গতি পরিবর্তন করার মাধ্যমে
  2. দৈহিক শক্তি প্রয়োগ করার মাধ্যমে
  3. কোন পশু বা জন্তুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন করার মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা: বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-

তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
৬,৮৪৮.
ধারা ২৯ অনুযায়ী, যদি একটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়, তাহলে বাদীর পরবর্তীতে কোন ধরনের মামলা করা সম্ভব নয়?
  1. চুক্তি সংশোধনের মামলা
  2. চুক্তির অবশিষ্ট অংশের জন্য মামলা
  3. চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলা
  4. নতুন চুক্তি করার জন্য মামলা
সঠিক উত্তর:
চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৬,৮৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির  ১৯০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কয়ভাবে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
ব্যাখ্যা
আমলে নেয়া অর্থ হলো -অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।

• যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:
i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট

• ম্যাজিস্ট্রেট ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে (Cognizance) নিতে পারেন। যথা-
i. অভিযোগ (Complaint ) [ধারা ১৯০ (১)(ক)]
ii. পুলিশের লিখিত রিপোর্ট (Report) [ধারা ১৯০ (১)(খ)]
iii. তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান ( knowledge ) বা সন্দেহবশত (suspicion) কোন তথ্য পেলে [ধারা ১৯০ (১)(গ)]

• ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট অভিযোগ ও রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন। [ধারা ১৯০(৩)]
• ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান (knowledge) বা সন্দেহ (suspicion) এর উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন না।
• সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। (Government may empower any Executive Magistrate to take cognizance) [ধারা ১৯০ (৪)]
৬,৮৫০.
বিক্রয়ের আদেশদানকারী আদালতে ইশতেহার লটকিয়ে দেয়ার পর কত দিন পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হবে না?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান- বিক্রয়ের সময়:
বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

Order-21 Rule-68. Time of sale:
Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
৬,৮৫১.
'X', 'Y' এর মুখে ঘুষি মারলে তার একটি দাঁত পড়ে যায়। 'X' এর কৃত অপরাধ হলো?
  1. সাধারন জখম
  2. হত্যা চেষ্টা
  3. মারাত্মক জখম
  4. ইচ্ছাকৃত জখম
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৬,৮৫২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'Nemo tenetur seipsum accusare'- এই ল্যাটিন ম্যাক্সিমের প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৩৫(১)
  2. ৩৫(২)
  3. ৩৫(৩)
  4. ৩৫(৪)
সঠিক উত্তর:
৩৫(৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫(৪)
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না।"
- এই বিধানটি "Nemo tenetur seipsum accusare" (কেউ নিজেকে অভিযুক্ত করতে বাধ্য নয়) এই লাতিন আইনি নীতির সরাসরি প্রতিফলন। এটি আত্ম-অভিযোগ থেকে মুক্তির অধিকার (Right against self-incrimination) হিসাবে পরিচিত।
- অর্থাৎ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(৪) অনুচ্ছেদে 'Nemo tenetur seipsum accusare' বা 'Doctrine of Self-Incrimination' প্রতিফলিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বিধান বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

৬,৮৫৩.
কোন অপরাধের কারাদণ্ড বিনাশ্রম হবে?
  1. খুন
  2. ডাকাতি
  3. অবৈধ বাধা দান
  4. মনুষ্যহরণ
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধা দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধা দান
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪১ মতে অবৈধ বাধাদানের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৩০২ ধারা মতে খুনের শাস্তি, ৩৯৫ ধারা মতে ডাকাতির শাস্তি এবং ৩৬৩ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণের শাস্তি সশ্রম কারাদণ্ড।
৬,৮৫৪.
আদালত কর্তৃক বিক্রয়ের ঘোষণা আদালত প্রাঙ্গনে লটকিয়ে দেওয়ার সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে দায়িকের অনুমতি ছাড়া অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময় (Time of sale): বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে-  স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান: বিক্রয়ের সময়। ৪৩ বিধির শর্তে বর্ণিতরূপ সম্পত্তির ক্ষেত্র ব্যতীত নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল সংযুক্ত দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ত্রিশ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে পনের দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে এ আইনের অধীনে কোন নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
--------
⇒ Order 21 Rule.-68: Time of sale. --Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of moveable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
৬,৮৫৫.
চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩০ কোন দণ্ডবিধির ধারাকে প্রভাবিত করে না?
  1. দণ্ডবিধি ধারা ২৯৪
  2. দণ্ডবিধি ধারা ২৯৪ক
  3. দণ্ডবিধি ধারা ২৯৫
  4. দণ্ডবিধি ধারা ২৯৬
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ধারা ২৯৪ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ধারা ২৯৪ক
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩০-এর শেষ অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: "Nothing in this section shall be deemed to legalize any transaction connected with horse-racing, to which the provisions of section 294A of the Penal Code apply."
(এই ধারার কোনো কিছুই ঘোড়দৌড় সংক্রান্ত কোনো লেনদেনকে বৈধতা দিয়েছে বলে গণ্য হবে না, যার ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারা প্রযোজ্য।)
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ২৯৪ক-এ জুয়া ও জুয়ার অফিস রাখার অপরাধ ও শাস্তি বর্ণিত আছে। চুক্তি আইনের ধারা ৩০-এ ঘোড়দৌড়ের পুরস্কার সংক্রান্ত ব্যতিক্রম দেওয়া হলেও, তা দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারাকে প্রভাবিত করে না—অর্থাৎ ধারা ২৯৪ক-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ থাকলে তা বহাল থাকে।
- সুতরাং, চুক্তি আইনের ধারা ৩০ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৪ক-কে প্রভাবিত করে না।

⇒ চুক্তি আইনের ৩০ ধারার বিধান বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল:
- বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল এবং
- বাজিতে জেতা হয়েছে এমন কিছু উদ্ধার করার জন্য অথবা কোন খেলা বা অনিশ্চিত ঘটনা যার উপর বাজি ধরা হয়েছে তার ফলাফল আনার উদ্দেশ্যে কারো কাছে গচ্ছিত কোন জিনিস আদায় করার জন্য কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।
- ঘোড় দৌড়ের নির্দিষ্ট পুরস্কারের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম- এ ধারা অনুসারে কোন ঘোড় দৌড়ে জয়লাভকারী বা জয়লাভকারীগণকে পুরস্কার হিসাবে ৫০০ টাকা বা তার বেশি কোন মূল্যের কোন প্লেট, পুরস্কার বা কোন অর্থ, চাঁদা বা কোন কিছু দান করার সম্মতি দেয়া হলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে না।
- দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারা প্রভাবিত হবে না: এ ধারার কোন কিছু ঘোড় দৌড় সম্পর্কিত যে লেনদেনের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারার বিধানাবলি প্রয়োগযোগ্য সে সকল লেনদেনকে বৈধতা প্রদান করেছে বলে গণ্য হবে না।
-----
⇒ The Contract Act, 1872- section 30. Agreements by way of wager void Exceptions in favour of certain prizes for horse-racing. Section 294A of the Penal Code not affected:
 Agreements by way of wager are void; and no suit shall be brought for recovering anything alleged to be own on any wager, or entrusted to any person to abide the result of any game or other uncertain event on which wager is made. 

This section shall not be deemed to render unlawful a subscription, or contribution, or agreement to subscribe or contribute, made or entered into for or toward any plate, prize or sum of money, of the value or amount of five hundred Taka or upwards, to be awarded to the winner or winners of any horse race. 

Nothing in this section shall be deemed to legalize any transaction connected with horse-racing, to which the provisions of section 294A of the Penal Code apply.

৬,৮৫৬.
আপিল খারিজ আদেশের কত দিনের মধ্যে আবেদন করা হলে তা সরাসরি পুনঃগ্রহণ (Re-admit) করা যায়?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-১৯ক এর বিধান আপিল সরাসরি পুনঃগ্রহণ:
- বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে আপিলকারীকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করেই সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করতে পারেন; এজন্য খারিজের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাফিডেভিটসহ আবেদন করতে হবে।
- এই বিধির অধীন সর্বোচ্চ ১ বার আপিল পুনঃগ্রহণের আবেদন করা যাবে।
--------------------------------------
CPC Order-41 Rule-19A. Direct readmission of appeal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 19 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly re-admit without requiring the appellant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 19:

Provided that the appeal under this rule shall not be readmitted unless an application, supported by affidavit, praying for such re-admission is made to the Court within thirty days of the date on which the appeal is dismissed for default:

Provided further that no appeal shall be re-admitted more than once under this rule.

(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made to readmit an appeal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the appellant upon the respondent who appeared in the appeal.
৬,৮৫৭.
নিম্নের কোনটি "চোরাই সম্পত্তি" হিসেবে গণ্য হবে?
  1. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  2. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান- চোরাই সম্পত্তি:
চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
-------------------------------
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
৬,৮৫৮.
বিবাদী কত দিনের মধ্যে একতরফা ডিক্রি সরাসরি রহিতকরণের (Directly setting aside ex-parte decree) জন্য প্রার্থনা করতে পারে?
  1. ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ডিক্রির তারিখ হতে ১৫ দিনের মধ্যে
  4. লিখিত জবাব দাখিলের ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ১৩(ক)- একতরফা ডিক্রি সরাসরি রহিতকরণ :

১) বিধি ১৩ বা অন্য কোন আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালতে বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর উদ্দেশ্যে, বিধি ১৩ এর অধীন আদালতকে পর্যান্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করানোর উদ্দেশ্যে বাদিকে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান করে, সরাসরি ডিক্রি খারিজ করে দিতে পারেন, তবে আদালত উপযুক্ত ও নির্ধারণ করা সাপেক্ষে বাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির আওতায় কোন একতরফা ডিক্রি রহিত করা যাবে না, যদি না যে বিবাদী হাজির হয়েছিল এবং লিখিত বর্ণনাপত্র দাখিল করেছে সে বিবাদী কর্তৃক একতরফা ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উক্ত একতরফা ডিক্রী রহিতকরণের জন্য প্রার্থনা করে এফিডেভিট সহকারে আদালতের নিকট আবেদন করে: তবে আরো শর্ত থাকে যে, একই বিবাদির অনুরোধে কোন ডিক্রিই একাধিকবার রহিত করা যাবে না।

২) কোন একতরফা ডিক্রি রহিতকরণের আদেশ প্রদানের সঙ্গে সঙ্গেই আদালতে বিবাদির খরচায় বাদির উপর নোটিশ জারি করাবেন।

• অর্থাৎ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
৬,৮৫৯.
পুলিশ হেফাজতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ বিষয়ে The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে অনুসন্ধান করবেন ______।
  1. উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সংশ্লিষ্ট আমলী আদালত
  4. সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করতে পারে:
 -যখন কোন ব্যক্তি পুলিশ কাস্টডিতে বা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে বা
- ধারা ১৭৪(আত্মহত্যা,কোন ব্যক্তি/ প্রাণী/ যন্ত্র দ্বারা বা দুর্ঘটনায় নিহত, বা ধারায় উল্লিখিত অন্য কোন সন্দেহজনক কারণে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে)
 
- এই অনুসন্ধান করবে ১৭৪ (৫) ধারায় সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্টেট তথা-
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
 
- ১৭৬ ধারার উপধারা (২) অনুসারে , উল্লিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের [disinter corpses] আদেশ দিতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
- (১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
 
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------------
The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:

(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
Power to disinter corpses(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৬,৮৬০.
রেজু ঋণের একটি অংশ পরিশোধ করেছে। তামাদির নতুন সময়সীমা কখন থেকে গণনা শুরু হবে?
  1. ঋণ গ্রহণের তারিখ থেকে
  2. ঋণের আংশিক পরিশোধের তারিখ থেকে
  3. ঋণের শেষ অংশ পরিশোধের তারিখ থেকে
  4. আদালতে মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
ঋণের আংশিক পরিশোধের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণের আংশিক পরিশোধের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২০ ধারামতে কোন দেনা তামাদি হবার পূর্বেই যদি দেনাদার দেনার স্বীকৃতিস্বরূপ কোন অর্থ পাওনাদারকে দিয়ে থাকে তাহলে, সেক্ষেত্রে যে তারিখ উক্ত অর্থ প্রদান করা হয়েছিল সে তারিখ হতেই তামাদির সময়সীমা নতুনভাবে হিসাব করতে হবে।

সুতরাং ২০ ধারা অনুযায়ী-
ঋণ বা দেনার ক্ষেত্রে তামাদির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই আংশিকভাবে কোন ঋণ বা সুদ পরিশোধ করলে, উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির সময় শুরু হয়। অর্থাৎ কোন দেনা আংশিক পরিশোধ করলে পরিশোধের তারিখ হতে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। তবে এই ক্ষেত্রে দেনা পরিশোধ অবশ্যই লিখিত এবং স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 20: Effect of payment on account of debt as of interest on legacy-
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made: 
 
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
৬,৮৬১.
যদি এক বা একাধিক কাজের প্রকৃতি এমন হয় যে,তার দ্বারা কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে তার বিচার ___ সময়ে করা যাবে।
  1. ভিন্ন ভিন্ন
  2. একই
  3. অভিযুক্তের আবেদনকৃত
  4. অভিযোগকারীর আবেদনকৃত
সঠিক উত্তর:
একই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই
ব্যাখ্যা
• যদি এক বা একাধিক কাজের প্রকৃতি এমন হয় যে, তার দ্বারা কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে তার বিচার একই সময়ে করা যাবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।
এই ধারা অনুসারে, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

তবে ধারা ২৩৬ অনুযায়ী-

যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে, যেসকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, তাহলে আসামিকে এরূপ সকল অথবা কোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।
[If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute, the accused may be charged with having committed all or any of such offences and any number of such charges may be tried at once;or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.]
৬,৮৬২.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
তৃতীয় তফসিল:

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-

স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;

রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি;

প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।
৬,৮৬৩.
Criminal Conspiracy কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ১২০
  2. ১২০ক
  3. ১২১
  4. ১২১ক
সঠিক উত্তর:
১২০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ক
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ তথা কোন অবৈধ কাজ করার জন্য অথবা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার জন্য দুই বা ততোধিক ব্যক্তির সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বা Criminal Conspiracy বলে।

♦ ১২০ক ধারামতে ২ ভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অপরাধ হতে পারে। যথা:

      (i) কোন অবৈধ কাজ করার জন্য সম্মতির মাধ্যমে

      (ii) কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার সম্মতির মাধ্যমে
৬,৮৬৪.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division) কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ
  2. মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ
  3. আপীল দায়েরের মেয়াদ
  4. জরিমানা প্রদানের মেয়াদ
সঠিক উত্তর:
আপীল দায়েরের মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল দায়েরের মেয়াদ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিল তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
→ প্রথম বিভাগ (First Division):
বিষয়: মোকদ্দমা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ: ১ থেকে ১৪৯।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ: ১৫০ থেকে ১৫৭।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
বিষয়: দরখাস্ত (Application) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ: ১৫৮ থেকে ১৮৩।

অর্থাৎ দ্বিতীয় বিভাগ হচ্ছে সেই বিভাগ যেখানে আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) আপীল দায়েরের মেয়াদ।
৬,৮৬৫.
‘ভুল তথ্য ইচ্ছাকৃত গোপন করা’- এটি কোন অপরাধের অংশ?
  1. জালিয়াতি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অনিষ্ট সাধন
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪১৫ - প্রতারণা (Cheating):
যে কেউ, কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণা করে এবং সেই প্রতারণার মাধ্যমে সেই প্রতারিত ব্যক্তিকে কাউকে কোনো সম্পত্তি দিতে বা কাউকে সেই সম্পত্তি ধরে রাখতে সম্মতি জানাতে প্ররোচিত করে, অথবা এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করে, যা সে প্রতারিত না হলে করত না বা বাদ দিত না, এবং যার ফলে সেই ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি বা ক্ষতির সম্ভাবনা ঘটে, তাহলে ঐ ব্যক্তিকে “প্রতারক” বলা হয়।

ব্যাখ্যা: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে, তবে সেটিও এই ধারার অধীনে প্রতারণা হিসেবে বিবেচিত হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বলে যে সে সরকারি চাকরিজীবী। এভাবে সে Z-কে প্রতারিত করে এবং Z তাকে পণ্য দেয়, যা A আসলে পরিশোধ করার ইচ্ছা রাখে না। → A প্রতারণা করেছে।

(খ) A একটি জিনিসে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে এই বিশ্বাসে ঠকায় যে এটা কোনো বিখ্যাত কোম্পানির তৈরি, এবং Z সেটি কিনে ফেলে। → A প্রতারণা করেছে।

(গ) A একটি ভুয়া নমুনা দেখিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে পুরো মাল সে রকমই, এবং Z তাকে দাম দিয়ে পণ্য কিনে। → A প্রতারণা করেছে।

৬,৮৬৬.
রেজিস্ট্রেশন আইনে নিবন্ধিত দলিলকে অনিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে কত ধারায়?
  1. ৪৯ ধারায়
  2. ৫০ ধারায়
  3. ৫১ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত দলিল:

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারা মোতাবেক একই স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দলিল থাকলে নিবন্ধিত দলিল প্রাধান্য পাবে।

⇒ নিবন্ধিত দলিল এবং অনিবন্ধিত দলিল একই প্রকৃতির হোক বা না হোক আদালতের ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তবে অনিবন্ধিত দলিলের অধীন কোন ব্যক্তি যদি The Transfer of Property Act, 1882 এর 53.A (আংশিক সম্পাদন নীতি) ধারার অধীনে দখলে থাকে এবং সকল শর্ত পূরণ করে তাহলে পরবর্তীতে কোন দলিল নিবন্ধন হলে তা পূর্ববর্তী অনিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে না।
৬,৮৬৭.
বিক্রয়ের চুক্তির ফলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে-
  1. দায় বা স্বত্ব সৃষ্টি হয় না
  2. দায় সৃষ্টি হয় কিন্তু স্বত্ব সৃষ্টি হয় না
  3. স্বত্ব এবং দায় সৃষ্টি হয়
  4. দায় সৃষ্টি হয় না কিন্তু স্বত্ব সৃষ্টি হয়
সঠিক উত্তর:
দায় বা স্বত্ব সৃষ্টি হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায় বা স্বত্ব সৃষ্টি হয় না
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪ বিক্রয়ের চুক্তিঃ
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি বলতে এই মর্মে চুক্তি বুঝায় যে, ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে নির্ধারিত শর্তে সম্পত্তিটি বিক্রয় হবে। বিক্রয়ের চুক্তির ফলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব বা দায় সৃষ্টি হয় না।

Contract for sale
A contract for the sale of immoveable property is a contract that a sale of such property shall take place on terms settled between the parities. It does not, of itself, create any interest in or charge on such property.
৬,৮৬৮.
According to Section 3(26) of The General Clauses Act, 1897, “Imprisonment” means:
  1. Only a fine
  2. Any imprisonment as defined in the Penal Code
  3. Any imprisonment as defined in the Code of Criminal Procedure
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Any imprisonment as defined in the Penal Code
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Any imprisonment as defined in the Penal Code
ব্যাখ্যা
• The General Clauses Act,1897- ধারা ৩(২৬): কারাদণ্ড-
"Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in the Penal Code:
"কারাদণ্ড” অর্থে দণ্ডবিধি (সনের ৪৫ নং আইন) তে সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
৬,৮৬৯.
মামলার বাদী আদালতে নিঃস্ব হিসেবে মামলা পরিচালনা করলেও তদন্তে দেখা যায়, তার যথেষ্ট আর্থিক সংস্থান রয়েছে। এ অবস্থায় আদালত Order 33 Rule 9 এর অধীন কী করতে পারে?
  1. বাদীকে জরিমানা করবে
  2. বাদীর মামলা খারিজ করবে
  3. বাদীর নিঃস্ব মুক্তির আদেশ দিতে পারে
  4. বাদীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর নিঃস্ব মুক্তির আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর নিঃস্ব মুক্তির আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৯: নিঃস্ব মুক্তি
আদালত বিবাদী বা সরকারি উকিলের আবেদনক্রমে, যে সম্পর্কে বাদীকে কমপক্ষে সাত দিনের লিখিত স্পষ্ট নোটিশ দিয়ে, বাদী নিঃস্ব নয় মর্মে আদেশ দিতে পারে-
ক) যদি মোকদ্দমা চলাকালে সে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী হয়; বা
খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে, যাতে তার নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা পরিচালনা করা উচিত নয়; বা
গ) যদি সে মোকদ্দমার অধীনে বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোনো চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকে, যাতে অন্য কোনো ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে একটি স্বার্থ অর্জন করেছে।

Order 33 Rule 9: Dispaupering:

The Court may, on the application of the defendant, or of the Government pleader, of which seven days' clear in writing has been given to the plaintiff, order the plaintiff to be dis-paupered-
a) if he is guiltyof vexatious or improper conduct in the course of the suit;
b) if it appears that his means are such that he ought not to continue to sue as a pauper, or
c) if he has entered into any agreement with reference to the subject-matter ofthe suit under which any other person has obtained an interest in such subject- matter.
৬,৮৭০.
"Gratuitous transfer" অর্থ কী?
  1. বন্ধক রাখা
  2. সম্পত্তি বিক্রয় করা
  3. বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর
  4. সরকারি অনুমতিসাপেক্ষে হস্তান্তর
সঠিক উত্তর:
বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
Gratuitous Transfer:
Gratuitous শব্দটির অর্থ হলো বিনা পারিশ্রমিকে, উপহারস্বরূপ, বা বিনা মূল্যেই কিছু দেওয়া। আর transfer মানে হলো হস্তান্তর বা স্থানান্তর করা।

সুতরাং, Gratuitous transfer মানে হলো-
যে হস্তান্তরে কোনো মূল্য (consideration) নেই, অর্থাৎ কোনো আর্থিক বিনিময় ছাড়াই এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদান করেন।

উদাহরণ:
উপহার (Gift): বাবা তার ছেলেকে একটি জমি উপহার দিলেন। এখানে কোনো টাকার বিনিময় হয়নি।
- এটি gratuitous transfer।

দান (Donation): কেউ মন্দির বা এতিমখানায় সম্পত্তি দান করল বিনিময় ছাড়া।
- এটিও gratuitous transfer।

দেনার বিনিময়ে নয়: যদি কারো কাছে দেনা না থাকলেও সে কাউকে কোনো জমি দিয়ে দেয়, তাহলেও এটি gratuitous transfer।
৬,৮৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী কর্তৃক আদালতে টাকা জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ১
  2. আদেশ ২০ বিধি ১
  3. আদেশ ২৪ বিধি ১
  4. আদেশ ২৬ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৪ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৪ বিধি ১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-১ এর বিধান- দাবী মিটানোর জন্য বিবাদি কর্তৃক টাকা আদালতের জমা দেয়া:
ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদি মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তার বিবেচনা মত দাবীর সম্পূর্ণ মিটানোর অনুরূপ পরিমাণ অর্থ আদালত জমা প্রদান করতে পারে।

Rule-1: Deposit by defendant of amount in satisfaction of claim
The defendant in any suit to recover a debt or damages may, at any stage of the suit, deposit in Court such sum of money as he considers a satisfaction in full of the claim.
৬,৮৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন সর্বমোট কত জন সদস্য নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়?
  1. ৩ জন সদস্য
  2. ৬ জন সদস্য
  3. ৫ জন সদস্য
  4. ৯ জন সদস্য
সঠিক উত্তর:
৬ জন সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জন সদস্য
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে নিম্নলিখিত ২টি ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১- সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগের (হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপীল বিভাগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধি প্রণয়ণের ক্ষমতা;
২- দেওয়ানী আদালতের পদ্ধতি সম্পর্কে এবং প্রথম তফসিলের যেকোন নিয়ম বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করার ক্ষমতা।

ধারা-১২৩ অনুযায়ী, সর্বমোট ৬ জন সদস্য নিয়ে বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। সদস্যগণ হলো-
ক. সুপ্রীম কোর্টের তিন (৩) জন বিচারক নিয়ে যাদের মধ্যে একজন সর্বনিম্ন (৩ বছর জেলা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে;
খ. উক্ত আদালতে অ্যাডভোকেট হিসাবে প্রেক্টিস করছে এমন ২ জন অ্যাডভোকেট;
গ. হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ দেওয়ানি আদালতের একজন বিচারক।

• সদস্যগণের নিয়োগ:
এই কমিটির সদস্যরা প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে এবং তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করবে এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দিবে। এই কমিটির প্রত্যেক সদস্য প্রধান বিচারপতি কর্তৃক উল্লেখিত মেয়াদ পর্যন্ত পদে বহাল থাকবে।
৬,৮৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধি অনুযায়ী আপিল আদালত নতুন ইস্যু নির্ধারণ করে মামলা মূল আদালতে ফিরিয়ে দিতে পারে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ২১ 
  2. আদেশ ৪১, বিধি ২৫
  3. আদেশ ৪১, বিধি ১২
  4. আদেশ ৪১, বিধি ২৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪১, বিধি ২৫ (Order XLI Rule 25) অনুযায়ী আপিল আদালতের এই বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, মূল আদালত যদি মামলার মেরিট নিষ্পত্তির জন্য অপরিহার্য কোনো ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল আদালত:
- নিজে নতুন ইস্যু নির্ধারণ করতে পারবে,
- প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে
- সেই ইস্যুগুলো বিচারের জন্য মামলাটি যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে, সেই একই আদালতে ফেরত পাঠাতে পারবে। মূল আদালত বিচার করে তার ফাইন্ডিংস ও কারণসহ আপিল আদালতে প্রতিবেদন পাঠাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫ অনুযায়ী যদি সেই আদালত, যার রায় থেকে আপিল করা হয়েছে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার না করে থাকে যা মামলার মূল বিবেচনার জন্য অপরিহার্য, তাহলে আপিল আদালত সেই ইস্যুগুলো নির্ধারণ করে মামলা ফের সেই আদালতে বিচারার্থে পাঠাতে পারে।
এই ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
বিচারিক আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে তার রায় ও কারণসহ আপিল আদালতে ফেরত পাঠাবে।
অতএব, নতুন ইস্যু নির্ধারণ ও মামলাকে ফেরত পাঠানোর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫-এ রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-25. Where Appellate Court may frame issues and refer them for trial to Court whose decree appealed from:
Where the Court from whose decree the appeal is preferred has omitted to frame or try any issue, or to determine any question of fact, which appears to the Appellate Court essential to the right decision of the suit upon the merits, the Appellate Court may, if necessary, frame issues, and refer the same for trial to the Court from whose decree the appeal is preferred,
and in such case shall direct such Court to take the additional evidence required; and such Court shall proceed to try such issues, and shall return the evidence to the Appellate Court together with its findings thereon and the reasons therefor.

৬,৮৭৪.
মৌখিক সাক্ষ্য যদি কোনো বস্তুগত জিনিসের অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কিত হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. বিষয়টি উপেক্ষা করতে পারে
  2. শুধুমত্র লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ করতে অস্বীকার করতে পারে
  4. বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো বস্তুগত জিনিসের অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কিত হয়, তবে আদালত সেই বস্তুটির পরিদর্শন করতে চাইলে, আদালত সেই বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে।
এই ধারার উদ্দেশ্য হল, যদি একটি বস্তু বা সামগ্রী প্রমাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়, এবং সেই বস্তুর অবস্থা বা অস্তিত্বকে প্রমাণ করার জন্য মৌখিক সাক্ষ্য দেওয়া হয়, তবে আদালত সেই বস্তুটির বাস্তব পরিদর্শন করে দেখতে পারে যাতে প্রমাণের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা যায়।

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬০-এর দ্বিতীয় প্রভিজো অনুসারে:
"যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো বস্তুগত জিনিসের (ডকুমেন্ট ছাড়া) অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে হয়, তবে আদালত ইচ্ছা করলে সংশ্লিষ্ট বস্তুটি নিজে পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের আদেশ দিতে পারে।"

- "Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection."
অর্থাৎ, যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো বস্তুগত জিনিস (দলিল ব্যতীত) এর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কিত হয়, তবে আদালত তার বিবেচনার ভিত্তিতে সেই বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করার নির্দেশ দিতে পারে। এটি আদালতের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে, তবে এই ক্ষমতা আদালতের আছে।
৬,৮৭৫.
'বিবাদী যতদিন দেশের বাইরে থাকবে, ততোদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে'- তামাদি আইনের কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ১৫ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৬,৮৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি কয়টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৮ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);

ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);

iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);

vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা

viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

-------------------
⇒  Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
Section 32. Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–

⇒ When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.

⇒ or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.

⇒ or against interest of maker;
(3) When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.

⇒ or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
(4) When the statement gives the opinion of any such person as to the existence of any public right or custom or matter of public or general interest, of the existence of which, if it existed, he would have been likely to be aware, and when such statement was made before any controversy as to such right, custom or matter has arisen.

⇒ or relates to existence of relationship;
(5) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between person as to whose relationship by blood, marriage or adoption the person making the statement had special means of knowledge, and when the statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or is made in will or deed relating to family affairs;
(6) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
(7) When the statement is contained in any deed, will or other document which relates to any such transaction as is mentioned in section 13, clause(a).

⇒ or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
(8) When the statement was made by a number of persons, and expressed feelings or impressions on their part relevant to the matter in question.
৬,৮৭৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে কী সংক্রান্ত তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. আপীল দায়ের
  2. দরখাস্ত দায়ের
  3. মামলা দায়ের
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) এর প্রথম তফসিল (First Schedule)-এ ৩টি বিভাগ আছে:
→ প্রথম বিভাগ (First Division):
- মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এটি অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এখানে বিভিন্ন ধরনের মামলা (যেমন, জমি পুনরুদ্ধার, দেনা-পাওনা, প্রতারণা, চুক্তি লঙ্ঘন ইত্যাদি)-র তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন, ১ বছর, ২ বছর, ৩ বছর, ৬ বছর, ১২ বছর, ৩০ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬০ বছর পর্যন্ত হতে পারে।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
- আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ – অনুচ্ছেদ ১৫০–১৫৭।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
- দরখাস্ত বা আবেদন দায়েরের তামাদি মেয়াদ – অনুচ্ছেদ ১৫৮–১৮৩।

অর্থাৎ প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে শুধু মামলা (Suit) দায়েরের মেয়াদই নির্ধারণ করা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) মামলা দায়ের।
৬,৮৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৩ অনুযায়ী, আসামিকে তার জ্ঞাত তথ্য প্রকাশে প্ররোচিত করার জন্য নিম্নলিখিত কোনটি নিষিদ্ধ?
  1. উপহার প্রদান
  2. আইনগত পরামর্শ
  3. সাক্ষী প্রদান
  4. প্রভাব প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
প্রভাব প্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রভাব প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৩ - প্রকাশে প্ররোচিত করার জন্য কোনো প্রভাব প্রয়োগ নিষিদ্ধ:
ধারা ৩৩৭ ও ৩৩৮-এ যেভাবে বলা হয়েছে, তা ব্যতীত অন্য কোনোভাবে- বলা দিয়েই হোক বা ভয় দেখিয়েই হোক কিংবা অন্য কোনো পন্থায়—কোনো আসামির ওপর এমন কোনো প্রভাব প্রয়োগ করা যাবে না, যার ফলে সে তার জানা কোনো তথ্য প্রকাশ বা গোপন করতে প্ররোচিত হয়।
৬,৮৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫ এর উপধারা (৪) অনুযায়ী, ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৫ ধারার মাধ্যমে কোন বিধানকে প্রভাবিত করা যাবে না?
  1. সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদকে
  2. দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে
  3. দণ্ডবিধির ১২৩ ধারাকে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারাকে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫ এর উপধারা (৪) অনুযায়ী, ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৫ ধারার মাধ্যমে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার বিধানকে প্রভাবিত করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৫ ধারার বিধান:
- একাধিক অপরাধের বিচার:
(১) পর পর সংঘটিত কতকগুলি কার্যাদি পরম্পরের সাথে এরূপ সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কার্যগুলি একটিমাত্র ব্যাপারের সামিল এবং একই ব্যক্তি উক্ত ব্যাপারে একাধিক অপরাধ করে থাকে তাহলে এরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।
- দুইটি সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত অপরাধ:
(২) তর্কিত কার্যগুলি যদি এমন একটি অপরাধ গঠন করে যা বর্তমানে বলবৎ যে, আইনের দ্বারা অপরাধের সংজ্ঞা ও দণ্ড দেয়া। সেই আইনের দুই বা ততোধিক পৃথক ংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হয়, তাহলে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্তরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যাবে এবং একই মামলায় বিচার করা যাবে।
- যে কার্যের দ্বারা একটি অপরাধ হয় কিন্তু একত্রিত হলে ভিন্ন অপরাধ হয়:
(৩) কতকগুলি কার্যের মধ্যে একটি কার্য যদি এককভাবে বা একাধিক কার্যাদি একত্রে একটি অপরাধ গঠন করে এবং সমস্ত কার্যগুলি সম্মিলিতভাবে একটি পৃথক অপরাধ গঠন করে তাহলে উক্ত অপরাধসমূহে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত কার্যসমূহের সম্মিলিত অপরাধ বা একটি কার্যের একক অপরাধ বা একাধিক কার্যের একত্রি অপরাধের জন্য অভিযোগ প্রণয়ন করা যাবে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যাবে।
(৪) এই ধারায় এমন কিছু নাই যা দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে প্রভাবিত করবে।
--------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 235:
-Trial for more than one offence:

(1) If, in one series of acts so connected together as to form the same transaction, more offences than one are committed by the same person, he may be charged with, and tried at one trial for, every such offence.
-Offence falling within two definitions
(2) If the acts alleged constitute an offence falling within two or more separate definitions of any law in force for the time being by which offences are defined or punished, the person accused of them may be charged with, and tried at one trial for, each of such offences.
-Acts constituting one offence, but constituting when combined a different offence
(3) If several acts, of which one or more than one would by itself or themselves constitute an offence, constitute when combined a different offence, the person accused of them may be charged with, and tried at one trial for, the offence constituted by such acts when combined, and for any offence constituted by anyone, or more, of such acts. 
(4) Nothing contained in this section shall affect the Penal Code, section 71.
৬,৮৮০.
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর Article 8 অনুযায়ী, Ad-hoc Bar Council কিভাবে গঠিত হবে?
  1. নির্বাচনের মাধ্যমে
  2. সরকারী গেজেটের মাধ্যমে
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে 
  4. প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সরকারী গেজেটের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী গেজেটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-৮(২) অনুসারে Ad-hoc Bar Council গঠিত হবে  সরকারী গেজেটের মাধ্যমে।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order,1972 এর অনুচ্ছেদ-৮(২): যখন নির্ধারিত সময়ে বার কাউন্সিলের নির্বাচন মহামারি, অতিমারি, দৈব দুর্বিপাক বা অন্য অনিবার্য কারণবশত সম্ভব না হয়, তখন সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে একটি Ad-hoc Bar Council গঠন করতে পারে। এই Ad-hoc Bar Council: সর্বোচ্চ এক বছর মেয়াদে কার্যকর থাকবে, এবং মেয়াদ বর্ধিতযোগ্য নয়, এতে Attorney-General সদস্য হিসেবে থাকবেন এবং তিনিই হবেন চেয়ারম্যান।
---------------------------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article- 8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
Article,8(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended. The Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.
(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.

৬,৮৮১.
Mutah under Mohammedan law means-
  1. a temporary marriage
  2. a permanent marriage
  3. a joint venture marriage
  4. an illegal marriage.
সঠিক উত্তর:
a temporary marriage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a temporary marriage
ব্যাখ্যা
- Mutah Marriage is a kind of marriage among the Muslims recognized only by Ithna Asharia Shias.
- Mutah in general sense can be defined as a temporary union of male and female for a specific time period after payment of certain consideration.
- The literal meaning of word ‘Mutah’ is ‘enjoyment’.
- Therefore, Mutah Marriage may also be regarded as marriage for the purpose of pleasure. In earlier days of Islam, when the Arabs had to live away from their homes for a considerably longer period of time either on account of wars or on trade-journeys, they used to satisfy their sexual desires through prostitutes.
- However, in order to avoid the growth of prostitution in society and to confer legitimacy upon children of such unions, temporary marriage was recognized and permitted by Prophet for some time.
৬,৮৮২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩১ এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
  2. সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো
  3. আপিল প্রক্রিয়া সহজ করা
  4. ট্রাস্টি মামলার জটিলতা কমানো
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্টি মামলার জটিলতা কমানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্টি মামলার জটিলতা কমানো
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ট্রাস্টি মামলার জটিলতা কমানো।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩১-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ট্রাস্টি, এক্সিকিউটর বা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর (প্রশাসক) সংক্রান্ত মামলাগুলোকে সহজ ও সুসংগঠিত করা। এই আদেশের মাধ্যমে:
প্রতিনিধিত্বের সুবিধা:
- ট্রাস্টি/এক্সিকিউটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের (beneficiaries) প্রতিনিধিত্ব করেন।
- ফলে, প্রতিটি সুবিধাভোগীকে আলাদাভাবে মামলার পক্ষ করতে হয় না, যা মামলার জটিলতা ও সময় কমায়।
পক্ষগঠনের সরলীকরণ:
- একাধিক ট্রাস্টি থাকলে সাধারণত সকলকে পক্ষ করতে হয় (বিধি ২), তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে (যেমন: বিদেশি ট্রাস্টি বা অপ্রমাণিত উইলের এক্সিকিউটর)।
- আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত পক্ষ যুক্ত করতে পারে (বিধি ১)।
বিবাহিত ট্রাস্টির স্বামী/স্ত্রীর বিষয়:
- বিবাহিত ট্রাস্টির স্বামী/স্ত্রী স্বয়ংক্রিয়ভাবে পক্ষ হন না (বিধি ৩), যাতে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়ানো যায়।
মামলার কার্যকারিতা:
- এই বিধিগুলো ট্রাস্ট সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিকে দ্রুততর ও দক্ষ করে তোলে।
৬,৮৮৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৬১ অনুযায়ী সাক্ষীদের পরীক্ষা (Examine) করতে পারেন-
  1. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সকলেই
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬১ মোতাবেক- তদন্ত পরিচালনাকারী কোন পুলিশ কর্মকর্তা এমন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে পারেন, যে ব্যক্তি ঘটনা ও এর অবস্থা সম্পর্কে জানে।এরূপ ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ঘটনা সম্পর্কে সকল প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য থাকবে। তবে যে সকল প্রশ্নের জবাব তাকে ফৌজদারি অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি বাধ্য নন।

• এরূপ পরীক্ষাকালে পুলিশ কর্মকর্তা তার নিকট প্রদত্ত বিবৃতি লিখে নিতে পারেন এবং একাধিক ব্যক্তির বিবৃতি পৃথকভাবে রেকর্ড করবেন।
৬,৮৮৪.
নিম্নোক্তদের মধ্যে কে হিন্দু পিতার সম্পত্তিতে অগ্রাধিকারভিত্তিক দাবি করতে পারেন?
  1. বন্ধ্যা কন্যা
  2. বিধবা কন্যা
  3. অবিবাহিত কন্যা
  4. পুত্রবতী কন্যা
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিত কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিত কন্যা
ব্যাখ্যা
সম্পত্তিতে হিন্দু নারীর অধিকার:
পিতা বা স্বামীর সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের একচ্ছত্র অধিকার নেই, জীবনস্বত্ব আছে। স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী তাঁর জীবদ্দশায় স্বামীর সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন, এটাকে বলা হয় জীবনস্বত্ব। তবে এ সম্পত্তি তিনি কোনোভাবেই বিক্রি করতে পারেন না, অন্যের কাছে হস্তান্তরও করতে পারেন না। এমনকি নিজের সন্তানকেও দান করতে পারবেন না। তাঁর মৃত্যুর পর এটা বিধবা সম্পত্তি বা ‘উইডোজ এস্টেট’ হিসেবে মৃত স্বামীর পুরুষ উত্তরাধিকারের দখলে চলে যায়। দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তির সম্পূর্ণ উত্তরাধিকার হন জীবিত পুত্র বা পুত্রেরা। পুত্রের উপস্থিতিতে কন্যা সম্পত্তি পান না। অর্থাৎ কন্যার অধিকার নির্ভর করবে পুত্র থাকা বা না থাকার ওপর।

১. কন্যা হিসেবে: মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র ও স্ত্রী থাকলে কন্যা তাঁর পিতার সম্পত্তি পান না। তাঁদের কেউ না থাকলে মৃত ব্যক্তির কন্যাদের মধ্যে অবিবাহিত কন্যা ও পরে পুত্রবতী কন্যা সম্পত্তি পাবেন। তবে বিধবা কন্যা, বন্ধ্যা কন্যা ও যে কন্যার পুত্রসন্তান নেই, শুধু কন্যাসন্তান আছে, তিনি কিছু পাবেন না।

২. স্ত্রী (বিধবা) হিসেবে: সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭ পাস হওয়ার পর মৃত ব্যক্তির বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ জীবনস্বত্ব পান।

৩. মা হিসেবে: মৃত ব্যক্তির স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, দৌহিত্র ও পিতা জীবিত থাকলে মা কিছু পান না।

৪. বোন হিসেবে: কোনো অবস্থাতেই বোন তাঁর ভাইয়ের সম্পত্তি পান না।
৬,৮৮৫.
The Code of Criminal Procedure এর ১৭৪ ধারা অনুযায়ী কে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন?
  1. পুলিশ
  2. সিভিল সার্জন
  3. এখতিয়ারাধীন আদালত
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার বিধান অনুযায়ী:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে—
- কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে।
- অন্য কারও দ্বারা, কোনো প্রাণী বা যন্ত্রের কারণে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে।
এরূপ অবস্থায় মারা গেছে, যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে এটি অপরাধজনিত মৃত্যু।
- তখন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি অবহিত করবেন।
- এরপর তিনি মৃত ব্যক্তির লাশের স্থানে উপস্থিত হয়ে তদন্ত পরিচালনা করবেন।
- তদন্তে স্থানীয় দুই বা ততোধিক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে।
- পুলিশ মৃতদেহের জখম, হাড় ভাঙা, থেঁতলানো ও অন্যান্য আঘাতের চিহ্ন পর্যবেক্ষণ ও বর্ণনা করবেন।
- সেইসঙ্গে কোনো অস্ত্র, যন্ত্র বা উপায়ে ওই চিহ্নগুলো সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয়, তা উল্লেখ করবেন।
- তদন্ত শেষে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ উল্লেখ করে একটি লিখিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে, যা সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report) নামে পরিচিত।
--------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc.
(1) The officer in charge of a police station or some other police officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person-
(a) has committed suicide, or
(b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or
(c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence,
shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted:

Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests.
(2) The report shall be signed by such police officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate.
(3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless.

(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.
৬,৮৮৬.
'A', 'B'-কে ১২ দিন যাবৎ একটি কক্ষে আটকে রাখে, দণ্ডবিধি অনুসারে 'A'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কত হতে পারে?
  1. দুই বছরের কারাদণ্ড
  2. এক বছরের কারাদণ্ড
  3. তিন বছরের কারাদণ্ড
  4. ছয় মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ধারা ৩৪৪ অনুযায়ী, যদি কেউ কাউকে দশ দিন বা তার বেশি সময় ধরে অবৈধভাবে আটকায়, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম)।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে আটক:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে আটক করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:
Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

৬,৮৮৭.
কোন ধরনের দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ধর্মীয় আইনের বিধান অনুসরণ করা হবে?
  1. উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে
  2. ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট বিষয়ে
  3. বিবাহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে
  4. উল্লিখিত সকল বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল বিষয়ে
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

৩৭ ধারায় বলা হয়েছে- "কোন মামলা বা কার্যধারায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশী, বিবাহ বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়ে পক্ষগন হিন্দু হলে হিন্দু আইন এবং মুসলিম হলে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে।"

Section: 37- Certain decisions to be according to local law
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished. 
 
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.
৬,৮৮৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে?
  1. ১১২ অনুচ্ছেদ
  2. ১২০ অনুচ্ছেদ
  3. ১২৫ অনুচ্ছেদ
  4. ১০২ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।
→ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়েরের জন্য তামাদির মেয়াদ ৬ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মানে, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৬,৮৮৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১০৪(২) অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে আপিলে প্রদত্ত আদেশ-
  1. পুনরায় আপিলযোগ্য
  2. পুনরায় আপিলযোগ্য নয়
  3. শুধুমাত্র সর্বোচ্চ আদালতে পুনর্বিবেচনাযোগ্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পুনরায় আপিলযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরায় আপিলযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৪: কোন আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে:
(১) নিম্নলিখিত আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে, এবং যদি এই কোডের মূল অংশে বা বর্তমানে কার্যকর কোনো আইনে অন্যথায় স্পষ্টভাবে প্রদান না করা হয়, তবে অন্য কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না:
(ff) ধারা ৩৫ক এর অধীনে একটি আদেশ;
(g) ধারা ৯৫ এর অধীনে একটি আদেশ;
(h) এই কোডের কোনো ধারা অনুযায়ী একটি আদেশ যা কোনো ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান বা দেওয়ানি কারাগারে আটক বা আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে এমন আটক বা আটককরণ যদি কোনো ডিক্রির কার্যকরীকরণের জন্য না হয়;
(i) নিয়মের অধীনে করা কোনো আদেশ যা থেকে নিয়ম অনুযায়ী আপিল স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে ধারা (ff) এ উল্লিখিত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদি না এই ভিত্তিতে যে কোনো আদেশ, বা কম পরিমাণ প্রদানের জন্য আদেশ করা উচিত ছিল না।

(২) এই ধারার অধীনে আপিলে দেয়া কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না।
৬,৮৯০.
সাক্ষ্য আইনে একজন স্বাক্ষীকে পুন: জেরা করা যায়?
  1. ১৩৫ ধারায়
  2. ১৩৮ ধারায়
  3. ১৩৭ ধারায়
  4. ১৩৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ মতে- প্রথমে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হবে। তারপর (বিরুদ্ধপক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করবে, তারপর (সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করাতে পারবে। সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে হতে হবে। কিন্তু সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে সকল বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, কেবল সেই সকল বিষয়েই জেরা করা চলবে, এমন নয়। জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দীতে সেইগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে, পুনঃজবানবন্দী গ্রহণের সময় যদি আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন নতুন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে বিরুদ্ধপক্ষ সেই সকল বিষয়ে স্বাক্ষীকে আরও জেরা করতে বা পুন: জেরা করতে পারবে।

⇒  অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায়  একজন স্বাক্ষীকে পুন: জেরা করা যায়।
৬,৮৯১.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৩৪ ধারার অধীনে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. সাধারণ মৌখিক চুক্তি
  2. সংশোধিত মৌখিক চুক্তি
  3. বাতিলযোগ্য লিখিত চুক্তি
  4. সংশোধিত লিখিত চুক্তি
সঠিক উত্তর:
সংশোধিত লিখিত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশোধিত লিখিত চুক্তি
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।

৬,৮৯২.
নিচের কোন অপরাধের মৃত্যুদণ্ড ছাড়া কোন শাস্তি নাই?
  1. খুন
  2. গণহত্যা
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক খুন
  4. খুন সহকারে ডাকাতি
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক খুন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা মতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক খুন এবং দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা মতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি খুনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে এবং উক্ত কার্যের ফলে কোন ব্যক্তি আহত হয় এই অপরাধ প্রমাণিত হলে একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে।
---------------
⇒ Punishment for murder by life-convict
Section 303. Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.
৬,৮৯৩.
আদেশ ৪৪ বিধি-১ অনুসারে, আদালত কখন নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল আবেদন অগ্রাহ্য করবেন?
  1. যদি আপিলকারী আদালতে উপস্থিত না হন
  2. যদি আপিলকারী আদালতের শর্ত না মানেন
  3. যদি ডিক্রি আইনের ন্যায় প্রচলিত রীতিবিরুদ্ধ না হয়
  4. যদি আপিলকারী সাক্ষ্যপ্রমাণ দিতে না পারেন
সঠিক উত্তর:
যদি ডিক্রি আইনের ন্যায় প্রচলিত রীতিবিরুদ্ধ না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি ডিক্রি আইনের ন্যায় প্রচলিত রীতিবিরুদ্ধ না হয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-১: কে নিঃস্বভাবে আপিল করতে পারে:
১) আপিল করার অধিকার যার আছে, যদি আপিলের স্মারকলিপির জন্য এধরণের যে কোন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অপারগ হয়, তাহলে স্মারকলিপির সাথে সে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে আপিল করার জন্য একটি আবেদন পেশ করতে পারবে এবং এরূপ ক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তি নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সম্বন্ধীয় এই আইনের বিধানসমূহ যতদূর প্রযোজ্য তৎসাপেক্ষে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে আপিল করার অনুমতি প্রদান করা যাবেঃ

আপিল গ্রহণের জন্য দরখাস্তের পদ্ধতিঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আপিলের আবেদন এবং যে রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সেগুলো দেখে আদালত যদি মনে করেন যে, উক্ত ডিক্রি আইনবিরুদ্ধ বা আইনের ন্যায় প্রচলিত রীতিবিরুদ্ধে নয় বা অন্য কোন কারণেও অসঙ্গত নয়, তবে আদালত ঐ আবেদন অগ্রাহ্য করবেন।
৬,৮৯৪.
‘ম’ একটি দোকানদারকে ভয় দেখায় যে, যদি সে তাকে বাকিতে জিনিস না দেয়, তাহলে তার দোকানে আগুন লাগিয়ে দেবে। 'ম' এর এই আচরণ কোন ধরনের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. মানহানি
  2. অবৈধ অনুপ্রবেশ
  3. দস্যুতা
  4. অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৩: অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন-
যদি কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে তার ব্যক্তি, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতির হুমকি দেয়, অথবা সেই ব্যক্তির আগ্রহসম্পন্ন অন্য কারো ব্যক্তি বা সুনামের ক্ষতির হুমকি দেয়, এবং এর মাধ্যমে তাকে ভীত করার উদ্দেশ্যে, অথবা তাকে এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে যা সে আইনত বাধ্য নয়, অথবা তাকে এমন কোনো কাজ না করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে যা সে আইনত করতে অধিকারী, তাহলে তা অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন হিসেবে গণ্য হবে।​

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সুনাম ক্ষতির হুমকি দেয়, এবং সেই মৃত ব্যক্তি হুমকিপ্রাপ্ত ব্যক্তির আগ্রহসম্পন্ন হন, তবে সেটিও এই ধারার অন্তর্ভুক্ত হবে।​

ধারা ৫০৬: অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শনের শাস্তি-
যে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন করেন, তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
৬,৮৯৫.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসার জন্য আদালত কোন মোকদ্দমা মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে বা মধ্যস্থতা করতে পারে?
  1. লিখিত জবাব দাখিলের আগে
  2. আরজি দাখিলের সময়
  3. মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার পর
  4. লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৯ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে / আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয় তাহলে আদালত শুনানী মুলতবী রেখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
⇒ মধ্যস্থতার ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে আদালত পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
⇒ মধ্যস্থতার সময় হবে ৬০ দিন তবে সর্বাধিক ৯০ দিনের বেশি নয়।

⇒ মধ্যস্থতার সংজ্ঞা (Definition of Mediation)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতার সংজ্ঞা রয়েছে। ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতা বলতে প্রসারিত অনানুষ্ঠানিক, অবাধ্যতামূলক, গোপনীয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং সমঝোতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী মীমাংসার কোন শর্তে নির্দেশ না করে কিংবা তৎসম্পর্কে কোন আদেশ না দিয়ে পক্ষগণের মধ্যকার বিরোধগুলো নিষ্পত্তির সুযোগ করে দেন।

⇒ কখন মধ্যস্থতার কার্যক্রম শুরু হয়- লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালত শুনানী মুলতবি রেখে মোকদ্দমার বিরোধটি আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা উক্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একজন মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে। সুতরাং লিখিত জবাব দাখিলের পরই মধ্যস্থতার কার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ বর্তমানে মধ্যস্থতার (Mediation) জন্য মামলার বিরোধীয় বিষয়টি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে পাঠানো আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
⇒ বিচারক নিজেই অথবা পক্ষগণ বা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী (mediator) মধ্যস্থতা করতে পারে।
৬,৮৯৬.
বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য কার তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করার এখতিয়ার নেই?
  1. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। অর্থাৎ ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এর এখতিয়ার নেই।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।
 
প্রতিকার: ১০০ ধারার অধীন জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
৬,৮৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারা অনুযায়ী, আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ কীভাবে রেকর্ড করা হয়?
  1. প্রাথমিক তথ্য প্রতিবেদন (FIR) হিসেবে
  2. সাধারণ ডায়েরি (GD) হিসেবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে অনুসারে
  4. কোন রেকর্ড করা প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
সাধারণ ডায়েরি (GD) হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ ডায়েরি (GD) হিসেবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারা অনুযায়ী, যখন কোন অ-আমলযোগ্য (Non-Cognizable) অপরাধের সংবাদ থানায় প্রদান করা হয়, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OIC) এটি সাধারণ ডায়েরি (GD) হিসেবে রেকর্ড করবেন। এই ধরনের অপরাধের জন্য FIR (প্রাথমিক তথ্য প্রতিবেদন) দায়ের করা হয় না, কারণ এটি পুলিশ কর্তৃক সরাসরি তদন্তের আওতায় আসে না।
তবে, অভিযোগকারীকে বা সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হবে, যাতে তিনি সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারা: আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ (Information in non-cognizable cases)- 
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারামতে থানায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে,থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিষয়টিকে থানায় রক্ষিত ফরম নং ৬৫-তে জি.ডি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে বা অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।অর্থাৎ আমল অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অপরাধের সংবাদটি জিডি এন্ট্রি বা সাধারণ ডায়েরিতে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-155.Information in non-cognizable cases:
(1) When information is given to an officer in charge of a police station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.

Investigation into non-cognizable cases:
(2) No police officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or send the same for trial. 
(3) Any police officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police station may exercise in a cognizable case.
৬,৮৯৮.
কোন পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষের অ্যাডভোকেট অনুপস্থিত থাকলেও মামলা উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. মক্কেল চাইলে
  2. ফৌজদারি মামলা হলে
  3. আপিলের সময়
  4. একতরফা বিচারাধীন বিষয় হলে
সঠিক উত্তর:
একতরফা বিচারাধীন বিষয় হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা বিচারাধীন বিষয় হলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: একতরফা বিচারাধীন বিষয় হলে।

Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায় অনুযায়ী, একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য মোট ১১টি।  এই বিধিগুলো আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ, শিষ্টাচার এবং সহ-আইনজীবিদের প্রতি সম্মান ও সহযোগিতার নীতিমালা নির্ধারণ করে।

বিধি ৫:
একজন আইনজীবী প্রতিপক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে প্রকাশ্য আদালত ব্যতীত বিরোধপূর্ণ বিষয়ে কোন বিচারক কিংবা বিচারিক কর্মকর্তার নিকট কোন বক্তব্য প্রদান কিংবা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করিতে পারিবেন না। এমনকি প্রতিপক্ষের আইনজীবীকে কপি সরবরাহ না করিয়া বিরোধপূর্ণ বিষয়ে কোন লিখিত বক্তব্য প্রদান করিতে পারিবেন না। তবে অত্র বিধি কোন একতরফা বিচারাধীন বিষয়ে এবং সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক ও বিচারিক কর্মকর্তার নিকট বিচারাধীন নহে এমন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
৬,৮৯৯.
মিতা জীবন বাঁচানো জনিত কোনোরূপ উদ্দেশ্যে ছাড়াই নিজেই নিজের গর্ভপাত করায়। এক্ষেত্রে, মিতা-
  1. কোনো শাস্তি পাবে না
  2. ৩১২ ধারার অধীনে শাস্তি পাবে
  3. ৩২১ ধারার অধীনে শাস্তি পাবে
  4. ৩১৯ ধারার অধীনে মামলা দায়ের করা যাবে
সঠিক উত্তর:
৩১২ ধারার অধীনে শাস্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১২ ধারার অধীনে শাস্তি পাবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩১২ ধারা- গর্ভপাত করান:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভবতী স্ত্রীলোকের গর্ভপাত করায়, এবং যদি সে গর্ভপাত সরল বিশ্বাসে উক্ত স্ত্রীলোকের জীবন বাঁচাবার উদ্দেশ্যে না করা হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং যদি স্ত্রীলোকটি শিশুর বিচরণ অনুভব করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: যে স্ত্রীলোক নিজেই নিজের অকাল গর্ভপাত করায়, সে স্ত্রীলোকও এই ধারার অর্থের অন্তর্ভুক্ত হবে।

দণ্ডবিধির ৩১২ ধারা অনুযায়ী,
যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত করায় এবং এটি জীবন বাঁচানোর উদ্দেশ্যে না হয়, তবে তার বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে।

শাস্তি:
- যদি গর্ভপাতের ফলে শিশুর বিচরণ অনুভূত হয়: মিতা সাত বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডও হতে পারে।
- যদি শিশুর বিচরণ অনুভূত না হয়: মিতা তিন বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডও হতে পারে।
৬,৯০০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ৫০০ ধারায়
  2. ৫০১ ধারায়
  3. ৫০৯ ধারায়
  4. ৫১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.