উত্তর
ব্যাখ্যা
• কিন্তু এমন ভুল কার্যক্রমের কারণে যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়, তাহলে উক্ত কার্যক্রম বাতিল হবে।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৫৪ / ১৫৫ · ৫,৩০১–৫,৪০০ / ১৫,৪৭০
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪ক (১)(a) অনুযায়ী বলা হয়েছে যে, এই কোডে কোনো qualifying word ছাড়া “Magistrate” শব্দটি ব্যবহৃত হলে সেটি Judicial Magistrate বোঝাবে।
- অর্থাৎ, যদি “Executive Magistrate” বা “District Magistrate” এর মতো কোনো বিশেষণ যুক্ত না থাকে, তবে “Magistrate” বলতে সরাসরি বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটকে বোঝানো হয়।
- তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো: Judicial Magistrate.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪ক(১)(a) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "In this Code, unless the context otherwise requires, any reference— (a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;"
- অর্থাৎ, কোডে যখন কোনো qualifying word (যেমন Executive, District, Chief ইত্যাদি) ছাড়া শুধু "Magistrate" শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তখন তা Judicial Magistrate কে বোঝাবে।
- এই ধারা (Construction of references) মূলত Judicial Magistrate এবং Executive Magistrate-এর মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করার জন্য যুক্ত করা হয়েছে।
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না: নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;
(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;
(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।
---------------------------
Section 28: Against whom Contracts cannot be specifically enforced:
What parties cannot be compelled to perform: Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:-
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff;
(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled;
(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced.
⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর সর্বশেষ সংশোধনী মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন, ২০১৫ (২০১৫ সনের ২৫ নং আইন) এর মাধ্যমে ২০১৫ সালে কার্যকর হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে আইনের কিছু ধারা এবং বিধানে পরিবর্তন ও পরিমার্জন আনা হয়েছে, যাতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করা যায়। এই সংশোধনীতে বিশেষ করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU)-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য সংগ্রহ ও সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টিং প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত করা, এবং শাস্তির বিধানে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
- ২০১৫ সালের সংশোধনী: এই সংশোধনীতে মানিলন্ডারিং অপরাধের সংজ্ঞা, তদন্ত প্রক্রিয়া, এবং সম্পত্তি অবরুদ্ধকরণ ও বাজেয়াপ্তকরণের বিধান আরও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া, রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার দায়িত্ব এবং জরিমানার পরিমাণ সংক্রান্ত বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট প্রদানে ব্যর্থতার জন্য জরিমানার পরিমাণ এবং নিবন্ধন বাতিলের বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে।
- আইনের প্রেক্ষাপট: মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ প্রণীত হয়েছিল পূর্ববর্তী মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০১২ রহিত করে। ২০১৫ সালের সংশোধনী এই আইনকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করার জন্য প্রণীত হয়। এরপর আর কোনো সংশোধনী (২০২৫ সাল পর্যন্ত) কার্যকর হয়নি।
- অর্থাৎ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর সর্বশেষ সংশোধনী ২০১৫ সালে (২০১৫ সনের ২৫ নং আইন) কার্যকর হয়েছে। এই সংশোধনী আইনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ২০১৫ সালে।
• পারিবারিক আদালতের ডিক্রিকৃত টাকা আদায়ের জন্য দায়িক (judgement debtor)-কে ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যায়।
• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ প্রনীত হয়। এটি ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন।
ধারা ১৭- ডিক্রি বলবৎকরণ
(১) পারিবারিক আদালত নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে ডিক্রি প্রদান করিবে এবং উহার বিবরণ নির্ধারিত ডিক্রি রেজিস্টার বহিতে লিপিবদ্ধ করিবে।
(২) যদি ডিক্রির দাবি পূরণকল্পে আদালতের সম্মুখে কোনো অর্থ পরিশোধ করা হয় বা কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, তাহা হইলে উপরিউক্ত রেজিস্ট্রারে অনুরূপ পরিশোধ বা হস্তান্তরের বিষয় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সম্পর্কিত হয় এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে ডিক্রিকৃত অর্থ পরিশোধিত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্তরূপ নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হইবার ১ (এক) বৎসরের মধ্যে ডিক্রিদার কর্তৃক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিক্রিটি বাস্তবায়ন করা হইবে, যথা:
(ক) দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন কোনো দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত অর্থের ডিক্রির ন্যায়; অথবা
(খ) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত জরিমানা প্রদানের আদেশের ন্যায় এবং উক্তরূপে বাস্তবায়নের পর ডিক্রির আদায়কৃত অর্থ ডিক্রিদারকে প্রদান করিতে হইবে।
(৪) উপধারা (৩) এর দফা (ক) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে, পারিবারিক আদালত দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।
(৫) উপধারা (৩) এর দফা (খ) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে পারিবারিক আদালতের বিচারক একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সকল ক্ষমতা তাহার থাকিবে এবং তিনি ডিক্রিকৃত বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য উক্ত কার্যবিধিতে এ জরিমানা আদায়ের জন্য বর্ণিত পদ্ধতিতে ওয়ারেন্ট জারি করিতে পারিবেন এবং ওয়ারেন্ট জারির পর অপরিশোধিত সম্পূর্ণ ডিক্রিকৃত অর্থ বা উহার কোনো অংশের জন্য রায় দেনাদারকে অনধিক ৩ (তিন) মাস অথবা পরিশোধ হওয়া পর্যন্ত, যাহা পূর্বে ঘটে, কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৬) যেক্ষেত্রে কোনো ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি দেওয়ানি আদালতের অর্থ সংক্রান্ত ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিক্রির ন্যায় বাস্তবায়ন করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে আদালত একটি দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন উক্ত আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।
(৭) ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালত স্বয়ং ডিক্রি বাস্তবায়ন করিবে অথবা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য অন্য কোনো পারিবারিক আদালতে উহা বদলি করিতে পারিবে এবং উক্ত ডিক্রি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে আদালতে বদলি করা হইয়াছে সেই আদালতের ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালতের সকল ক্ষমতা থাকিবে, যেন উক্ত আদালতই ডিক্রি প্রদান করিয়াছে।
(৮) আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, তৎকর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ কিস্তির সংখ্যা নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৯(১)(ঘ) যে, ডিক্রি প্রদানকারী আদালত যদি অন্য যেকোনো কারণেই (which it shall record in writing) মনে করেন যে ডিক্রিটি অন্য আদালত দ্বারা কার্যকর করা উচিত, তাহলে তাঁকে সেই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে। এটি একটি বাধ্যতামূলক শর্ত।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৯: ডিক্রি স্থানান্ত:
(১) যে আদালত একটি ডিক্রি জারি করেছেন, সেই আদালত ডিক্রিদারের (decree-holder) আবেদনের ভিত্তিতে, ডিক্রিটি জারির (execution) জন্য অন্য একটি আদালতে প্রেরণ করতে পারেন, যদি—
(ক) যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি পাস করা হয়েছে তিনি প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় সেই অন্য আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে বসবাস করেন বা ব্যবসা পরিচালনা করেন, অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করেন, অথবা
(খ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে সেই ব্যক্তির পর্যাপ্ত সম্পত্তি না থাকে যা ডিক্রিটি সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ট, কিন্তু সেই অন্য আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে তার সম্পত্তি থাকে, অথবা
(গ) ডিক্রিটি এমন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের নির্দেশ দেয় যা ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার বাইরে অবস্থিত, অথবা
(ঘ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোনো কারণে, যা তিনি লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন, মনে করেন যে ডিক্রিটি সেই অন্য আদালত কর্তৃক জারি করা উচিত।
(২) যে আদালত একটি ডিক্রি পাস করেছেন, তিনি স্বতঃপ্রণোদিতভাবে (of its own motion) উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন যেকোনো অধস্তন আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 39. Transfer of decree:
(1) The Court which passed a decree may, on the application of the decree-holder, send it for execution to another Court,-
(a) if the person against whom the decree is passed actually and voluntarily resides or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or
(b) if such person has not property within the local limits of the jurisdiction of the Court which passed the decree sufficient to satisfy such decree and has property within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or
(c) if the decree directs the sale or delivery of immovable property situate outside the local limits of the jurisdiction of the Court which passed it, or
(d) if the Court which passed the decree considers for any other reason, which it shall record in writing, that the decree should be executed by such other Court.
(2) The Court which passed a decree may of its own motion send it for execution to any subordinate Court of competent jurisdiction.
⇒ "Caveat Emptor" একটি ল্যাটিন আইনি সংকীর্ণ, যার অর্থ "ক্রেতা সাবধান" (Let the buyer beware)। এই ম্যাক্সিমটি বোঝায় যে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার দায়িত্ব হলো পণ্যের গুণমান, উপযোগিতা এবং প্রকৃতি যাচাই করা। বিক্রেতা যদি পণ্য সম্পর্কে কোনো তথ্য গোপন না করে বা প্রতারণা না করে, তবে পণ্যের ত্রুটির জন্য ক্রেতা দায়ী থাকেন। এই নীতি বিশেষত বাণিজ্যিক লেনদেনে ক্রেতার সতর্কতার উপর জোর দেয়।
অর্থাৎ "Caveat Emptor" ম্যাক্সিমটি ক্রেতার জন্য প্রযোজ্য। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ক্রেতার জন্য।
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (ধারা ২(ক)) অনুযায়ী, আইনগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত করে:
- কোনও আদালতে দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান (ধারা ২(ক)(অ))
- মধ্যস্থতা বা সালিশ কার্য পরিচালনার জন্য সম্মানী প্রদান (ধারা ২(ক)(আ))
- মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্যান্য সহায়তা (ধারা ২(ক)(ই))
- উপরের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য আইনজীবীকে নির্ধারিত হারে সম্মানী প্রদান (ধারা ২(ক)(ঈ))
তাই এই তিনটি কার্যই আইনগত সহায়তার অংশ।
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর প্রস্তাবনায় এই আইনের উদ্দেশ্য দেয়া আছে। বলা আছে যে 'আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদানকল্পে প্রণীত আইন।'
-যেহেতু আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদান সমীচীন ও প্রয়োজনীয়।
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান: “আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান।
অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা-
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;
(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮-এর ধারা ১৬-এর শিরোনামই হলো: “Power to frame rules for guidance of Benches”
- এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'ম্যাজিস্ট্রেটদের বেঞ্চের' (Bench of Magistrates) জন্য নিম্নলিখিত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন:
- বিচারযোগ্য মামলার শ্রেণি।
- আদালতের বসার সময় ও স্থান।
- বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বেঞ্চ গঠন।
- ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে মতপার্থক্য নিষ্পত্তির পদ্ধতি।
অতএব, ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা ধারা ১৬-এ দেওয়া আছে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-16. Power to frame rules for guidance of Benches:
- The Government may, or, subject to the control of the Government, the Chief Judicial Magistrate] may, from time to time, make rules consistent with this Code for the guidance of Magistrates' Benches in any district respecting the following subjects:-
(a) the classes of cases to be tried;
(b) the times and places of sitting;
(c) the constitution of the Bench for conducting trials;
(d) the mode of settling differences of opinion which may arise between the Magistrates in session.
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোনো আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতীত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখপূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
___________
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৭- বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।
Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৩ বিধি ৭(২) অনুসারে, যে দলিলগুলো প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি, সেগুলো মোকদ্দমার রেকর্ডের অংশ হবে না এবং যিনি দলিলটি উৎপাদন করেছেন, (উপস্থাপনকারীকে) তাকে ফেরত দেওয়া হবে। এটি নিশ্চিত করে যে অগ্রহণযোগ্য দলিলগুলো আদালতের রেকর্ডে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংরক্ষিত না হয় এবং উৎপাদনকারীর অধিকার সুরক্ষিত থাকে।
অর্থাৎ, সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হয়নি এমন দলিল মামলার রেকর্ডের অংশ হবে না এবং সেগুলি যিনি উপস্থাপন করেছেন, তাঁকেই ফেরত দেওয়া হবে।
-----
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-7.Recording of admitted and return of rejected documents:
(1) Every document which has been admitted in evidence, or a copy thereof where a copy has been substituted for the original under rule 5, shall form part of the record of the suit.
(2) Documents not admitted in evidence shall not form part of the record and shall be returned to the persons respectively producing them.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (The Specific Relief Act, 1877) এর ধারা ৬-এ প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, ধারা ৫(গ) এর অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়, তাকে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। এটি মূলত নিষেধাজ্ঞা (Injunction) এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়, যেখানে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
⇒ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়।
যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
- অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief).
⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা-এ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal Conspiracy) স্পষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী:
"যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো অবৈধ কাজ করতে অথবা বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে সম্মত হয়, তখন তা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে।"
শর্ত:- অপরাধ ছাড়া অন্যান্য ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে শুধু সম্মতি যথেষ্ট নয়, ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে অন্তত একটি কাজ প্রমাণ করতে হবে।
উদাহরণ: A ও B চুরি করার পরিকল্পনা করে এবং A চাবি কিনলে তা "কাজ" হিসেবে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অবৈধ কাজটি ষড়যন্ত্রের প্রধান উদ্দেশ্য হোক বা গৌণ উদ্দেশ্য হোক, তা বিবেচ্য নয়।
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy.
When two or more persons agree to do, or cause to be done,-
(1) an illegal act, or
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy:
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান- লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
- কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
- অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।
- এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।
২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা মতে যে সকল চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল সে সকল চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১,যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করিবার যোগ্য নহে।- নিম্নবর্ণিত চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না-
(ক) যে চুক্তির কার্য সম্পাদন না করিলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়;
(খ) যে চুক্তি এইরূপ সুক্ষ্ম বা অসংখ্য বিবরণের সমষ্টি অথবা পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল অথবা অন্য কোনোভাবে ইহার প্রকৃতি এইরূপ যে, আদালত ইহার উল্লেখযোগ্য শর্তাবলির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন কার্যকর করিতে পারে না;
(গ) যে চুক্তির শর্তাবলি আদালত যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সঙ্গে নির্ধারণ করিতে পারে না;
(ঘ) যে চুক্তি উহার প্রকৃতির কারণেই বাতিলযোগ্য;
(ঙ) ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি, যাহা তাহাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত বা ট্রাস্ট ভঙ্গ করিয়া করা হইয়াছে;
(চ) বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির দ্বারা বা পক্ষে অথবা এইরূপ কোম্পানির উদ্যোক্তাগণ কর্তৃক সম্পাদিত ক্ষমতা বহির্ভূত চুক্তি;
(ছ) যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করিতে হইলে কাজ আরম্ভ করিবার তারিখ হইতে ক্রমাগত তিন বৎসরের বেশি সময় ধরিয়া কাজ করিতে হয়;
(জ) যে চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশের অস্তিত্ব উভয়পক্ষ বিদ্যমান ধরিয়া লইলেও স্বাক্ষরিত হইবার পূর্বেই উহার বিলুপ্তি ঘটিয়াছে।
--------------
The Specific Relief Act,1877, Section: 21, Contracts not specifically enforceable . The following contracts cannot be specifically enforced:-
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য" (Physical or Forensic Evidence) বলতে এমন উপাদান বা বস্তু বোঝায় যা রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, আইরিস ইমপ্রেশন, শরীরের উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ ইত্যাদি, যা কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।
- ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (ডিভিডি) একটি ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ধারা ৩-এর অধীনে "দলিলি সাক্ষ্য" (Documentary Evidence) হিসেবে গণ্য, কিন্তু ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।
- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) রক্ত, বীর্য, চুল: এগুলো ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ, কারণ এগুলো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
খ) ডিএনএ, আঙুলের ছাপ: এগুলো ফরেনসিক সাক্ষ্যের সুস্পষ্ট উদাহরণ।
ঘ) আইরিস ইমপ্রেশন, পায়ের ছাপ: এগুলোও ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ, কারণ এগুলো অপরাধী বা অপরাধের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act,1872, Section-3(3) all materials or objects relating to blood, semen, hair, all body material, organ or part of organ, Deoxyribo Nucleic Acid (DNA), finger impression, palm impression, iris impression and foot print or any other similar material or object which may- (i) establish that an offence has been committed or establish a link or relation between an offence and its victim or an offence and its offender; and
(ii) prove or disprove a fact:
such materials or objects are called physical or forensic evidence.]
⇒ [“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)]
⇒ দণ্ডবিধি ৭৩ ধারার অনুযায়ী, যদি কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের বেশি না হয়, তবে আদালত সেই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্জন কারাবাসে রাখতে পারে সর্বাধিক এক মাস পর্যন্ত।
⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 73: Solitary confinement:
Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year:
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.
⇒ The Penal Code, 1860 Section 74: Limit of solitary confinement:
In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯(২) এ বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার উপর নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপের বিধান রয়েছে: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতা, আদালত-অবমাননা, মানহানি, অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা।
তবে ধর্মীয় স্বাধীনতা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। ধর্মীয় স্বাধীনতা সংবিধানের অন্য অনুচ্ছেদে (৪১ নং অনুচ্ছেদ) স্বতন্ত্রভাবে স্বীকৃত।
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল।
⇒ The Constitution of Bangladesh, Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech:
(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed.
(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence–
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, are guaranteed.
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৭ অনুযায়ী: যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তাকে জবানবন্দি বা Examination-in-chief বলে।
- অন্যদিকে, বিরোধী পক্ষের প্রশ্নকে জেরা (Cross-examination) বলে।
- জেরার পর আবার হাজিরকারী পক্ষের প্রশ্নকে পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.
⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ঠগ (Thug) হয়, তাহলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। ঠগ হওয়ার জন্য, ব্যক্তিকে অভ্যাসগতভাবে খুন বা শিশু অপহরণ করে দস্যুতা সংঘটনের উদ্দেশ্যে মেলামেশা করতে হবে, যা ৩১০ ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে। খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে দুষ্টু মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। সমস্ত ঠগই দস্যু এবং ডাকাত কিন্তু সমস্ত দস্যু বা ডাকাত ঠগ নয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 310: Thug:
-Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ The Penal Code, 1860: Section 311:Punishment:
- Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
⇒ জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ৩(৩৯) অনুসারে, "ব্যক্তি" (Person) বলিতে নিগমিত হউক বা না হউক, কোনো কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে (body of individuals) অন্তর্ভুক্ত করিবে। অর্থাৎ, সমিতি, কোম্পানি এবং ব্যক্তি সমষ্টি এই সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত।
- কিন্তু "মাতৃগর্ভস্থ শিশু" (unborn child) এই ধারায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়; এটি দণ্ডবিধির ১১ ধারা বা অন্যান্য বিশেষ আইনে (যেমন: ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট) স্বীকৃতি পায়, কিন্তু জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট-এর এই সাধারণ সংজ্ঞায় পড়ে না।
• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
(১) প্রতিটি পুলিশ কর্মকর্তা, যে কোনো তদন্ত পরিচালনা করছেন, প্রতিদিন তার তদন্তের অগ্রগতি একটি ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।
ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে:
- কখন তথ্য বা খবর পৌঁছেছে;
- কখন তিনি তদন্ত শুরু ও শেষ করেছেন;
- কোন কোন স্থান পরিদর্শন করেছেন;
- তদন্তের মাধ্যমে কোন কোন ঘটনা বা পরিস্থিতি তিনি শনাক্ত করেছেন তার বিবরণ;
(২) যে কোনো ফৌজদারী আদালত তদন্ত বা বিচারাধীন মামলার জন্য পুলিশ ডায়েরী চাইতে পারে। ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে নয়, শুধুমাত্র মামলার তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হবে। অভিযুক্ত বা তার প্রতিনিধি ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখতে পারবে না, শুধুমাত্র আদালতের উল্লেখের কারণে নয়।
তবে, যদি পুলিশ কর্মকর্তা নিজে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ডায়েরী ব্যবহার করেন, বা আদালত পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যকে বিপরীত করতে ডায়েরী ব্যবহার করেন, তাহলে Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৬১ বা ১৪৫ প্রযোজ্য হবে।