বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৫৫ / ১৫৫ · ৫,৪০১৫,৫০০ / ১৫,৪৭০

৫,৪০১.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ২১-এ কোন নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. Delegation of power
  2. Doctrine of Severability
  3. Doctrine of Locus Poenitentiae
  4. Res Ipsa Loquitur
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
ব্যাখ্যা

⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।

⇒জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

৫,৪০২.
“No suit shall be defeated by reason of misjoinder or non-joinder of parties” – এই বিধানটি দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ -এর কোথায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. Order-1 Rule-8
  2. Order-1 Rule-9
  3. Order-1 Rule-10
  4. Order-1 Rule-13
সঠিক উত্তর:
Order-1 Rule-9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-1 Rule-9
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 1 Rule-9: Misjoinder and nonjoinder:
No suit shall be defeated by reason of the misjoinder or nonjoinder of parties, and the Court may in every suit deal with the matter in controversy so far as regards the rights and interests of the parties actually before it.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৯: অপসংযোগ এবং অ-সংযুক্তি:
কাউকে ভ্রান্তভাবে মোকদ্দমার পক্ষ করা হলে অথবা পক্ষ থেকে বাদ দেয়া হলে তজ্জন্য মোকদ্দমার কোন ক্ষতি হবে না; এবং আদালত এটির সামনে আনিত প্রত্যেকটি মোকদ্দমায় বিরোধীয় বিষয়টি পক্ষগণের অধিকার ও স্বার্থসমূহের সঙ্গে যতটুকু সম্পর্কিত ততটুকু বিবেচনা করতে পারবে।

৫,৪০৩.
মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিরক্তিকর অভিযোগ দাখিলের জন্য অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে বিচারিক আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পার?
  1. জরিমানার আদেশ দিতে পারে
  2. গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারে
  3. ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
  4. মামলা দায়েরের নির্দেশ দিতে পারে।
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন তার নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি বা খালাসের আদেশ দিবেন এবং পাশাপাশি, অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন আসামিকে বা আসামিদের ক্ষতিপূরণ দিবে না।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মোতাবেক বিচারিক আদালত মিথ্যা অভিযোগ দাখিলকারীকে ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ ও তা অনাদায়ে অনধিক ৩০ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারেন। মনে রাখতে হবে, জরিমানা আর ক্ষতিপূরণ এক নয়। জরিনামা এক প্রকার দণ্ড যা সরকার পাবে, অন্যদিকে ক্ষতিপূরণ পাবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ।
৫,৪০৪.
দণ্ডবিধি কত ধারায় সরকারি কর্মচারী (Public servant) সংজ্ঞা দেয়া রয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারা সমূহের মাঝে 'সাধারণ ব্যাখ্যা' (General explanations) দেয়া আছে।
• ১৪ ধারায় রাষ্ট্রীয় কর্মচারী (Servant of The State), ২১ ধারায় সরকারি কর্মচারী (Public Servant), ১১ ধারায় ব্যক্তি (Person) এবং ১২ ধারায় জনসাধারণ (Public) এর সংজ্ঞা দেয়া আছে।
৫,৪০৫.
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without-
  1. the consent of the other party.
  2. the order of the Court.
  3. the consent of the other party and the order of the Court.
  4. the consent of the other party or the order of the Court.
সঠিক উত্তর:
the consent of the other party or the order of the Court.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the consent of the other party or the order of the Court.
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না।
অর্থাৎ অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।
এখানে  অপশন গ তে 'the consent of the other party and the order of the Court.' অপর পক্ষ এবং আদালত দুইজনের অনুমতি নেয়ার কথা বলা হয়নি, যে কোন একজনের অনুমতি থাকলেই হবে।
এই জন্য অপশন ঘ 'the consent of the other party or the order of the Court.' সঠিক।
----------------
The Evidence Act 1872, Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
-When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.

Illustration
A sues B on an agreement and gives B notice to produce it. At the trail A calls for the document and B refuses to produce it. A gives secondary evidence of its contents. B seeks to produce the document itself to contradict the secondary evidence given by A, or in order to show that the agreement is not stamped. He cannot do so.
৫,৪০৬.
রেজিস্ট্রার কর্তৃক ধারা ৭৬ বা ৭২-এর অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. উচ্চ আদালতে আপিল করা যায়
  2. ভূমি অফিসে আপিল করা যায়
  3. দায়রা জজ আদালতে আপিল করা যায়
  4. কোন আপিল চলবে না
সঠিক উত্তর:
কোন আপিল চলবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন আপিল চলবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৬- রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশ:
(১) প্রত্যেক রেজিস্ট্রার-
(ক) দলিলটি যে সম্পত্তি সম্পর্কিত উহা তাহার জেলায় অবস্থিত নহে, বা দলিলটি সাব-রেজিস্ট্রার এর কার্যালয়ে নিবন্ধিত হওয়া উচিত, এইরূপ কারণ ব্যতীত, অন্য কোন কারণে উহা নিবন্ধন অস্বীকার করিলে, বা

(খ) ধারা ৭২ বা ধারা ৭৫ এর অধীন কোন দলিল নিবন্ধীকরণের নির্দেশ প্রদানে অস্বীকার করিলে, অস্বীকৃতির একটি আদেশ প্রদান করিবেন এবং তাহার ২ নং বহিতে উক্তরূপ আদেশের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করিবেন, এবং দলিলের অধীন সম্পাদনকারী বা গ্রহীতাগণের মধ্যে কেহ আবেদন করিলে, অহেতুক বিলম্ব ব্যতীত, তাহাকে উক্তরূপ লিপিবদ্ধ কারণসমূহের নকল প্রদান করিবেন।

(২) এই ধারা বা ধারা ৭২ এর অধীন রেজিস্ট্রার কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল চলিবে না।
৫,৪০৭.
The Evidence Act, 1872 এ Admission সম্পর্কে বলা হয়েছে ______ধারায়?
  1. ১৭ থেকে ৩২
  2. ১৭ থেকে ৩১
  3. ১৭ থেকে ৩৩
  4. ১৬ থেকে ৩১
সঠিক উত্তর:
১৭ থেকে ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ থেকে ৩১
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারামতে মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি যা মামলার বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তের সূচনা করে,তাকে স্বীকৃতি বা admission বলে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারা এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান রয়েছে।
♦স্বীকৃতির প্রকারভেদ- স্বীকৃতি সাধারনত ২ প্রকার। যথা-
i) মৌখিক স্বীকৃতি (oral admission); এবং
ii) লিখিত স্বীকৃতি (written admission)।
৫,৪০৮.
কোনো আরজিতে মোকদ্দমার কারণ ব্যক্ত না করলে, তার ফলাফল কী হতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত
  2. আরজি ফেরত
  3. আরজি নাকচ
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-
(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে,
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে,
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে,
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।

৫,৪০৯.
আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ কোন আর্টিকেলের মধ্যে উল্লেখ আছে? 
  1. ১–১৪৯
  2. ১৫০–১৫৭
  3. ১৪৮–১৫৮
  4. ১৫৮–১৮৩
সঠিক উত্তর:
১৫০–১৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০–১৫৭
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিল মোট ৩টি বিভাগে বিভক্ত। এই তিনটি বিভাগ অনুযায়ী, তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের বিধানগুলি মোকদ্দমা (Suit), আপীল (Appeal), এবং দরখাস্ত (Application/Petition) সংক্রান্ত।
অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের মোট ৩টি বিভাগ রয়েছে, যেগুলি হল: ১) মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি ২) আপীল দায়েরের তামাদি ৩) দরখাস্ত দায়েরের তামাদি।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৩টি বিভাগ:
১) প্রথম বিভাগ (First Division):
→ মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Suits)
- এই বিভাগের অধীনে ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
২) দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
→ আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Appeals)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত বিভিন্ন আপীলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
৩)  তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
→ বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Applications and Petitions)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিভিন্ন দরখাস্ত বা পিটিশনের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

৫,৪১০.
'Nemo est supra leges' নীতিটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ ধারণ করে?
  1. ২৭
  2. ২৯
  3. ৩১
  4. ১৮
সঠিক উত্তর:
২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

Article 27: Equality before law
All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

• সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে, আইনের দৃষ্টিতে সমান এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে- প্রচলিত আইন কোন ব্যক্তি বিশেষের অনুকূলে কোন বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে না। দেশের প্রচলিত আইনের শর্ত সাপেক্ষে সকলে সমভাবে সমান এবং কোন ব্যক্তি তার মর্যাদা বা অবস্থা যা হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে না এই মর্মে ২৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ 'Nemo est supra leges' নীতিটি প্রতিফলন করে।

আইনের সমান আশ্রয় লাভ বলতে বোঝায়, একই অবস্থায় বিদ্যমান সকল ব্যক্তির জন্য একই আইন অভিন্নভাবে এবং কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতীত প্রয়োগ করা। অর্থাৎ সমান প্রেক্ষাপটে সমান আচরণ বা সমভাবে বিবেচনা করা। সমানদের মধ্যে আইনও সমান হবে এবং সমভাবে প্রয়োগ হবে।
৫,৪১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান নিচের কোন ধারার বিধানকে প্রভাবিত করে না?
  1. ১০৭ ধারার (৪) উপধারা
  2. ১১৭ ধারার (৩) উপধারা
  3. ৪৯৭ ধারা (২) উপধারা
  4. ক এবং খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৪৯৬-এর (শেষ প্রবিধান) অনুযায়ী, এই ধারার বিধান ধারা ১০৭(৪) বা ধারা ১১৭(৩)-এর প্রভাবিত করবে না। অর্থাৎ এই ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধে স্বাভাবিক জামিন পাওয়ার যে সাধারণ বিধান আছে, তা ১০৭ ধারার (৪) উপধারা (শান্তিভঙ্গ রোধে জামিন সম্পর্কিত) এবং ১১৭ ধারার (৩) উপধারা (শান্তিভঙ্গ রোধে প্রক্রিয়া চলাকালীন সাময়িক আদেশ) এর বিশেষ বিধানগুলোর ওপর প্রাধান্য পাবে না বা সেগুলোকে খর্ব করবে না। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো—উভয়ই (ক এবং খ)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।
এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 496. In what cases bail to be taken:
When any person other than a person accused of a non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, and is prepared at any time while in the custody of such officer or at any stage of the proceedings before such Court to give bail, such person shall be released on bail:
Provided that such officer or Court, if he or it thinks fit, may, instead of taking bail from such person, discharge him on his executing a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided:
Provided, further, that nothing in this section shall be deemed to affect the provisions of section 107, sub-section (4), or section 117, sub-section (3).

৫,৪১২.
আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১০৪
  2. ধারা ১০৬
  3. আদেশ ৪১
  4. আদেশ ৪৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

⇒ আদেশ ৪৩ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ উভয়ই আপীলযোগ্য আদেশগুলোর বর্ণনা দিয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

ধারা ১০৪:
অন্যদিকে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।

সুতরাং, আদেশ ৪৩ প্রধানত আপীলযোগ্য আদেশগুলোর একটি তালিকা দিয়েছে আর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা ও বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছে। এভাবে আদেশ ৪৩ ও ধারা ১০৪ পরস্পরকে পরিপূরক করে আদালতের আপীলযোগ্য আদেশগুলো সম্পর্কে পুরোপুরি চিত্র দিয়েছে।

উল্লিখিত প্রশ্নেমতে আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর মাঝে উল্লেখ আছে।
৫,৪১৩.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ২৬ এর বিধান অনুযায়ী Commission ইস্যুর আদেশ দেয়া যায় না?
  1. স্থাবর সম্পত্তির ভাগ বন্টন
  2. নালিশী জমি কোনো নির্দিষ্ট দাগভুক্ত কিনা তা নির্ধারণ
  3. কোনো দলিলে বর্ণিত জমি নির্দিষ্ট কোনো দাগভুক্ত কিনা তা নির্ধারণ
  4. নালিশী জমিতে কোনো পক্ষের স্বত্ব আছে কিনা তা নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
নালিশী জমিতে কোনো পক্ষের স্বত্ব আছে কিনা তা নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশী জমিতে কোনো পক্ষের স্বত্ব আছে কিনা তা নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।

উল্লেখ্য, আদেশ ৩৯ বিধি ৭ এর অধীনে Local inspection-এর জন্য কমিশন গঠন করা যায়।
আদালতের প্রাথমিক ডিক্রি মোতাবেক সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কিংবা কোনো সম্পত্তির সরেজমিনে তদন্তের জন্য কমিশন নিয়োগ করা হয়ে থাকে।

- কিন্তু বিভিন্ন দলিলাদির উপর নির্ভর করে নালিশী জমিতে কোনো পক্ষের স্বত্ব আছে কি না তা নির্ধারণ করবে আদালত।

-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
৫,৪১৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৩৮ আদেশের কত বিধি অনুযায়ী বিবাদী কর্তৃক জামানত প্রদান করা হলে, আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. বিধি-৩
  2. বিধি-৯
  3. বিধি-১০
  4. বিধি-১১
সঠিক উত্তর:
বিধি-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৯
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
৫,৪১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা' দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫০
  2. ধারা ৫৫৪
  3. ধারা ৫৫২
  4. ধারা ৫৫১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫২
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
৫,৪১৬.
নিচের কোন সম্পত্তিকে দণ্ডবিধি অনুযায়ী “চোরাই মাল” বলা হয় না?
  1. বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি
  2. বলপূর্বক আদায়কৃত সম্পত্তি
  3. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  4. বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১০-এর অধীন, চোরাই মাল (stolen property) বলতে চুরি, বলপূর্বক আদায় (extortion), দস্যুতা (robbery), অপরাধমূলক আত্মসাতকরণ (criminal misappropriation) বা বিশ্বাসভঙ্গ (criminal breach of trust)-এর দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে বোঝায়, যা বাংলাদেশের মধ্যে বা বাইরে সংঘটিত হোক না কেন। বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি এই সংজ্ঞার অন্তর্গত নয়, এবং যদি চোরাই মাল আইনানুগভাবে দখলের অধিকারীর কাছে ফিরে আসে, তাহলে তা আর চোরাই মাল থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
----------
⇒The Penal Code, 1860- Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৫,৪১৭.
সাক্ষ্য আইনের ৫০ ধারায় কোন বিষয়ে অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. হাতের লেখা
  2. আত্মীয়তার সম্পর্ক
  3. প্রথা বা রীতিনীতি
  4. ডিজিটাল স্বাক্ষর
সঠিক উত্তর:
আত্মীয়তার সম্পর্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মীয়তার সম্পর্ক
ব্যাখ্যা

ধারা ৫০- সম্পর্ক বিষয়ক মতামত কখন প্রাসঙ্গিক:
যখন আদালতকে একজন ব্যক্তির সঙ্গে অন্যজনের সম্পর্ক (যেমন— স্বামী–স্ত্রী, পিতা–পুত্র, ভাই–বোন ইত্যাদি) সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন এমন ব্যক্তির আচরণ দ্বারা প্রকাশিত মতামত (opinion expressed by conduct) প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে,
যিনি পরিবারের সদস্য বা অন্যভাবে ঐ সম্পর্ক বিষয়ে বিশেষ জ্ঞানের অধিকারী।

তবে এই মতামত, Divorce Act-এর অধীনে বিবাহ সংক্রান্ত মামলা, অথবা দণ্ডবিধির ধারা ৪৯৪, ৪৯৫, ৪৯৭, বা ৪৯৮ (প্রতারণামূলক বিবাহ, ব্যভিচার ইত্যাদি অপরাধ)–এর মামলায় বিবাহ প্রমাণের একমাত্র ভিত্তি হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) প্রশ্ন হলো- “A ও B কি বিবাহিত?”
যদি দেখা যায় যে A ও B-কে সমাজে সবাই স্বামী–স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ ও আচরণ করেছে, তাহলে এই তথ্য প্রাসঙ্গিক (relevant)।

(খ) প্রশ্ন হলো- “A কি B-এর বৈধ পুত্র?”
যদি দেখা যায় যে পরিবারের সদস্যরা সর্বদা A-কে B-এর বৈধ সন্তান হিসেবে আচরণ করেছে, তাহলে সেটিও প্রাসঙ্গিক তথ্য।

৫,৪১৮.
A, B-এর কাছ থেকে একটি মৃত চিত্রশিল্পীর আঁকা ছবি কেনার জন্য সম্মত হয়। এই চুক্তিতে B-ও সম্মত হয় বিক্রির জন্য। পরে B ছবি হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানায়। এক্ষেত্রে, A আদালতের মাধ্যমে B-কে-
  1. ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে না
  2. ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করতে পারে
  3. বিকল্প প্রতিকার দিতে বাধ্য করতে পারে
  4. ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে
সঠিক উত্তর:
ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ এই ধরনের বস্তু (বিরল ও অদ্বিতীয় জিনিস) সহজে প্রতিস্থাপনযোগ্য নয়, এবং এর ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য কোনো মানদণ্ড নেই। তাই A আদালতের মাধ্যমে B-কে specific performance (চুক্তি অনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তরের আদেশ) দিতে বাধ্য করতে পারে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ১২ অনুসারে,
এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে-
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা:
যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমন ভাবে করা যায়।
৫,৪১৯.
কখন অধিকতর তদন্ত করা যায়?
  1. কেবল সাক্ষ্য অপর্যাপ্ত হলে
  2. তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হলে
  3. আসমী আবেদন করলে
  4. মামলার যে-কোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মামলার যে-কোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যে-কোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩ মতে ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট না হন, তাহলে তিনি মামলাটি আমলে নেয়ার পূর্বে পুলিশকে আরও তদন্তের (Further Investigation) নির্দেশ দিতে পারেন। এছাড়া তদন্তকারী পুলিশ অফিসার পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও ১৭৩(৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (Do Further Investigation)। এই অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে আরও কোন সাক্ষ্য পেলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৭৩(৩খ) ধারার আওতায় পুনরায় যে চার্জ শীট দাখিল করে তাকে সম্পূরক চার্জ শীট (Supplementary charge sheet) বলে। সম্পূরক চার্জ শীট তদন্ত প্রক্রিয়ার একটি অংশ।

♦ পূর্বে দাখিলকৃত চার্জ শীটের আসামীকে সম্পূরক চার্জ শীট থেকে বাদ দেয়া যায়না; তবে সম্পূরক চার্জ শীটে নতুন করে আসামী যুক্ত করা যায়।

♦ অর্থাৎ মামলার যে-কোনো পর্যায়ে অধিকতর তদন্ত করা যায়
৫,৪২০.
A একটি বিচারালয়ের অফিসার। উক্ত আদালত কর্তৃক Y কে আটক করার আদেশ প্রাপ্ত হয়ে এবং যথাযথ অনুসন্ধান করার পর জানা যায় Z কে Y মনে করে Z কে আটক করে। এই ক্ষেত্রে A এর অপরাধ
  1. কোন অপরাধ করেনি
  2. অবৈধ আটক করেছে
  3. বেআইনী বাধা প্রদান করেছে
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦Y কে আটক করার আদেশ ছিল কিন্তু Z কে Y মনে করে A কে আটক করে। এটা একটি ঘটনাগত ভুল বা (Mistake of Fact) এবং A আটক করতে আইনবলে বাধ্য ছিল। যদি এই ক্ষেত্রে তিনি সরল বিশ্বাসে কোন প্রকার অবহেলা ছাড়া আটক করে, তাহলে এটা কোন অপরাধ না।
৫,৪২১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় গুরুতর আঘাতের বিধান আছে?
  1. ৩১৯
  2. ৩২০
  3. ৩২১
  4. ৩২২
সঠিক উত্তর:
৩২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒The penal Code,1860: Section-320. Grievous hurt:
-The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৫,৪২২.
দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে-
  1. যেকোন ব্যক্তি যার জন্য দলিলটি ক্ষতিকর
  2. যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য
  3. স্থানীয় চেয়ারম্যান
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের প্রতিকার শুধুমাত্র দলিলের পক্ষসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ না। অর্থাৎ একমাত্র দলিলের পক্ষরা যে দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবে তা না বরং যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সে দলিলটি বাতিলের জন্য ৩৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৩৯ ধারায় নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
১. দলিলের পক্ষ
২. যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা
৩. যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের পক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই বরং সে যদি প্রমাণ করতে পারে যে বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিলটির কারণে সে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে তাহলে সে মামলা দায়েরের অধিকারী।
৫,৪২৩.
ফৌজদারী কার্যবিধি কত সালের আইন?
  1. ১৮৬০
  2. ১৮৬১
  3. ১৮৯৮
  4. ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৮
ব্যাখ্যা
 ♦ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের আইন। ফৌজদারী কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন। কারণ এই আইনে ফৌজদারী আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, মামলার তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়। পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারী কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়। ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।
৫,৪২৪.
সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায় সরকারি দায়িত্বে প্রস্তুতকৃত রেকর্ড কী হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. চূড়ান্ত সত্য
  2. প্রাসঙ্গিক তথ্য
  3. অনুমানমূলক তথ্য
  4. অবিশ্বাস্য প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক তথ্য
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫- সরকারি বা সরকারি দায়িত্বে প্রস্তুতকৃত রেকর্ডের প্রাসঙ্গিকতা:
যে কোনো সরকারি বা অন্যান্য অফিসিয়াল বই, রেজিস্টার বা রেকর্ড (বা ডিজিটাল রেকর্ড)–এ  যদি কোনো বিতর্কিত বা প্রাসঙ্গিক ঘটনা (fact in issue or relevant fact) সম্পর্কিত তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে, এবং তা- কোনো সরকারি কর্মচারী (public servant) তার সরকারি দায়িত্ব পালনের সময়, অথবা আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট দায়িত্বে থাকা অন্য কোনো ব্যক্তি, দ্বারা তৈরি বা রেকর্ড করা হয়ে থাকে, তাহলে সেই রেকর্ড নিজেই প্রাসঙ্গিক তথ্য (relevant fact) হিসেবে গণ্য হবে।

৫,৪২৫.
রহিম একটি জমি কেনার জন্য করিমের সাথে চুক্তি করেন। পরবর্তীতে করিম জমিটি অন্য কাউকে বিক্রি করে দেন। রহিম চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য আদালতে মামলা করেন, কিন্তু আদালত মামলাটি খারিজ করে দেয়। এই পরিস্থিতিতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুযায়ী রহিম পরবর্তীতে-
  1. চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন
  2. চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
  3. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য আবার মামলা করতে পারবেন
  4. চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ফৌজদারি মামলা করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৫,৪২৬.
কোন অপরাধটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়?
  1. যৌতুকের জন্য সাধারণ জখম
  2. ভিক্ষাবৃত্তির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানি
  3. ধর্ষণের চেষ্টা
  4. দাসত্বমূলক শ্রম
সঠিক উত্তর:
দাসত্বমূলক শ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাসত্বমূলক শ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দাসত্বমূলক শ্রম অপরাধটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯ ধারায় ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি,  ১১ ধারায় যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি এবং ১২ ধারায় ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তির বিধান রয়েছে।
---------------------
ধারা ৯ ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি:
 (১) যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

ব্যাখ্যা৷- যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তাহা হইলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(৫) যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষণের শিকার] হন, তাহা হইলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষণের শিকার] নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, তিনি বা তাহারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

⇒ ধারা ১১-যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
 যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম simple hurt) করেন তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
 
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
ধারা ১২-ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি:
 যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অংগ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনভাবে বিকলাংগ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৫,৪২৭.
সরকারি চাকরি হতে নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত একজন ব্যক্তি এ্যাডভোকেট হবার জন্য অযোগ্য হবে, যদি না সে অতিবাহিত করে
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারী চাকরী হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে এবং নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে এবং ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
৫,৪২৮.
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ৩৬৭
  2. ৩৬৬
  3. ৩৬৯
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৩৬৮ মোতাবেক। অর্থাৎ উপরের কোন উত্তরই সঠিক নয়। তাই উত্তর হবে (ঘ)।
৫,৪২৯.
A wrongfully strikes B with a cane. A may be separately charged with and convicted of offences under section _________ and ____________ of the Penal Code.
  1. 323, 324
  2. 352, 324
  3. 351, 323
  4. 323, 352
সঠিক উত্তর:
323, 352
উত্তর
সঠিক উত্তর:
323, 352
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৩৫ ধারার বিধান একাধিক অপরাধের বিচার (Trial for more than one offence): পর পর সংঘটিত কতকগুলো কাজ পরস্পরের সাথে এরূপ সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কাজগুলো একটিমাত্র কাজের সামিল এবং একই ব্যক্তি যদি উক্ত ব্যাপারে একাধিক অপরাধ করে থাকে তাহলে এরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৩৫-এর ২ নং উপধারায় একই অপরাধ ২ টি ধারায় শাস্তিযোগ্য হলে পৃথক চার্জ করে একসাথে বিচার করা যাবে। বোতল দিয়ে আঘাত করলে ৩২৩ ধারার আঘাতের অপরাধ ও ৩৫২ ধারার আক্রমণের অপরাধ হয়। তবে এই ক্ষেত্রে যে কোন একটি ধারায় শাস্তি দিতে হবে। ২৩৫ ধারার (২) উপ-ধারার (i) নং উদাহরণ দ্রষ্টব্য।
৫,৪৩০.
অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রাহ্য বা অগ্রাহ্য করা হলে তজ্জন্য নতুন করে বিচার হবে না এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১৬৭ ধারায়
  2. ১০৬ ধারায়  
  3. ১৫৭ ধারায়
  4. ১৬৫ ধারায় 
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন ১৬৭ ধারার বিধান অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রাহ্য বা অগ্রাহ্য করা হইলে এই জন্য নতুন করিয়া বিচার হইবে না।

♦ সাক্ষ্যের অবৈধ গ্রহণ বা বর্জন হইয়া থাকিলে যে আদালতে উহার বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়, সেই আদালত যদি মনে করেন যে, যে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে ও তাহার বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হইয়াছে, সেই সাক্ষ্য ব্যতীতও এমন সাক্ষ্য প্রমাণ আছে যদ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তে ন্যায্যতা প্ৰতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হইয়াছে, তাহা গ্রাহ্য করা হইলেও আদালতের সিদ্ধান্তের কোন তারতম্য হইত না তবে, কেবলমাত্র অন্যয়রূপে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করিবার অজুহাতেই কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাইবে না।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রাহ্য বা অগ্রাহ্য করা হলে এর জন্য নতুন করে বিচার হবেনা।
৫,৪৩১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারেন?
  1. যেক্ষেত্রে চুক্তিটি অবৈধ হওয়ার কারণ চুক্তি হতে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান নয় 
  2. চুক্তিটি অবৈধ হওয়ার কারণের জন্য বাদী অপেক্ষা বিবাদী অধিক দায়ী 
  3. চুক্তিটি অবৈধ হওয়ার কারণ স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান এবং বিবাদী অপেক্ষা বাদী অধিক দায়ী 
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
⇒ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
⇒ একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।

৫,৪৩২.
'A' জানে যে 'Z' একটি ঝোপের পেছনে আছে, কিন্তু 'B' তা জানে না। 'A', 'Z'-কে মারার উদ্দেশ্যে 'B'-কে ঝোপের দিকে গুলি করতে প্ররোচিত করে এবং 'Z'-এর মৃত্যু হয়। এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান অনুযায়ী কে দোষী হবে?
  1. শুধুমাত্র B
  2. শুধুমাত্র A
  3. A এবং B উভয়েই
  4. A এবং B কেউই নয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র A
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক' একটি কূপের মুখে আড়াআড়িভাবে বাঁশের কঞ্চি পেতে তার উপর ঘাস পাতা বিছিয়ে দেয়- এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে অথবা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে তা জানা সত্ত্বেও তা করে। 'চ' শক্ত মাটি মনে করে উহার উপর দিয়ে চলতে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে যায় এবং নিহত হয়। 'ক' শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(খ) একটি ঝোপের একপাশে 'ক' ও 'খ' রয়েছে এবং অন্য পাশে 'চ' রয়েছে 'ক' জানে যে, 'চ' অন্য পাশে রয়েছে, কিন্তু 'খ' তা জানে না। ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করলে যাতে 'চ'-এর মৃত্যু হয় সে। উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ গুলিবর্ষণ করলে 'চ'-এর মৃত্যু হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও 'ক' ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করার জন্য 'খ'-কে অনুরোধ করে। 'খ' অনুরোধ রক্ষা করে গুলিবর্ষণ করে এবং তার গুলিবর্ষণের ফলে 'চ' এর মৃত্যু হয়। এইক্ষেত্রে 'খ' কোন দোষে দোষী না হতে পারে, কিন্তু 'ক' শাস্তি যোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(গ) 'ক' একটি মুরগি হত্যা করে উহা চুরি করার উদ্দেশ্যে উহার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, কিন্তু গুলিবর্ষণের ফলে ঝোপের অন্য পাশে 'খ'-এর মৃত্যু হয়। 'ক' জানত না যে, 'খ' সেখানে ছিল। এই ক্ষেত্রে 'ক' যদিও একটি বেআইনী কাজই করতেছিল, তথাপি সে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী নয়, কেননা সে 'খ'-কে হত্যা করতে চায় নাই, অথবা যে কার্য মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, জ্ঞাতসারে সে কার্য করে সে মৃত্যু ঘটায় নাই।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
- Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
Illustrations:
(a) A lays sticks and turf over a pit, with the intention of thereby causing death, or with the knowledge that death is likely to be thereby caused. Z, believing the ground to be firm, treads on it, falls in and is killed. A has committed the offence of culpable homicide. 
(b) A knows Z to be behind a bush. B does not know it. A, intending to cause, or knowing it to be likely to cause Z's death induces B to fire at the bush. B fires and kills Z. Here B may be guilty of no offence; but A has committed the offence of culpable homicide. 
(c) A, by shooting at a fowl with intent to kill and steal it, kills B, who is behind a bush; A not knowing that he was there. Here, although A was doing an unlawful act, he was not guilty of culpable homicide, as he did not intend to kill B or cause death by doing an act that he knew was likely to cause death. 
 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.

৫,৪৩৩.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না
  2. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয় না, অধিকার নষ্ট হয়
  3. তামাদির দরুন প্রতিকার ও অধিকার উভয়ই নষ্ট হয়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না
ব্যাখ্যা
♦তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না: তামাদি আইন একটি পদ্ধতিগত আইন। তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধানবলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না। ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত তামাদি আইনের অন্যান্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে মামলা করে প্রতিকার লাভ করা নিষিদ্ধ হয় বটে; কিন্তু সংশ্লিষ্ট অধিকার বিদ্যমান থেকেই যায়। মামলা-মোকদ্দমা ব্যতিত অন্য কোন উপায়ে যদি সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারা যায়, তবে তামাদি আইন সেক্ষেত্রে কোন বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে না।
৫,৪৩৪.
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান কী?
  1. ডাকাতির সাজা
  2. দস্যুতা সাজা
  3. খুনসহকারে ডাকাতি সাজা
  4. ডাকাত দলে থাকার সাজা
সঠিক উত্তর:
খুনসহকারে ডাকাতি সাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনসহকারে ডাকাতি সাজা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতির সাজাঃ যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে, অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারায় ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি করতে গেলে এবং সে ঘটনায় কোনো একজন খুন করলে “খুনসহ ডাকাতি”-এর অপরাধে সকল ডাকাতকে শাস্তি দেওয়া যাবে যদিও তারা প্রত্যেকে খুনে অংশগ্রহণ করেনি।
৫,৪৩৫.
'চ' খুনের মামলায় দায়রা আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত হয়। উক্ত আদেশ হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করা হয় এবং হাইকোর্ট বিভাগ 'চ' কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। এই ঘটনা ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা সমর্থন করে?
  1. ৩৭৪ ধারা
  2. ৩৮১ ধারা
  3. ৩৭৬ ধারা
  4. ৩৮৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৭৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৬ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে। দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে, কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। 

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন, বা
অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন, বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

এক্ষেত্রে আদালত মৃত্যুদণ্ড আদেশ বাতিল করে অন্য দণ্ড অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। তাই বলা যায়, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে।
৫,৪৩৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিচারক কোন সাক্ষীকে কোন প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. ধারা ১৫৩
  2. ধারা ১৫৫
  3. ধারা ১৬৫
  4. ধারা ১৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আছে- বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদ্ঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

♦ তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

♦ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
৫,৪৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৭ অনুযায়ী আদালত কর্তৃক আদেশকৃত জরিমানা ছাড়া অন্য অর্থ কীভাবে আদায়যোগ্য?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে
  2. দেওয়ানি মামলা দায়ের করে
  3. জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য
  4. পুলিশি হেফাজতের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৭ অনুযায়ী, আদালত যদি জরিমানা ব্যতীত কোনো অর্থ প্রদানের আদেশ দেন এবং তার জন্য অন্য কোনো নির্দিষ্ট আদায়ের পদ্ধতি উল্লেখ না থাকে, তবে সেই অর্থ জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ, সাধারণ জরিমানার আদায়ের নিয়ম অনুযায়ীই সেই টাকা আদায় করা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৭ ধারার বিধান:- টাকা প্রদানের আদেশ প্রদত্ত হলে তা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য:
এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ অনুসারে কোন অর্থ জরিমানা ছাড়া দেয়া হলে এবং তা আদায়ের পন্থা সম্পর্কে অন্য কোন বিধান না থাকলে উক্ত অর্থ জরিমানা বলে ধরে নিয়ে আদায় করতে হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-547: Moneys ordered to be paid recoverable as fines:
Any money (other than a fine) payable by virtue of any order made under this code, and the method of recovery of which is not otherwise expressly provided for shall be recoverable as if it were a fine.

৫,৪৩৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৮ক-এ বর্ণিত অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৩৮ক অনুযায়ী, যদি কেউ জনপথে বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে অন্য কাউকে গুরুতর আঘাত করে, যাতে মানুষের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে সে অপরাধী হবে।
- এই অপরাধের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
-  তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ২ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারা: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 338A- Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৫,৪৩৯.
কোনো ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে আত্মসমর্পণ না করলে, বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৪(৪) ধারা অনুসারে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ১৪: আটক ব্যক্তিদের সাময়িক মুক্তি:
(১) সরকার যেকোনো সময় নির্দেশ দিতে পারেন যে, কোনো ব্যক্তি যাকে আটকাদেশের মাধ্যমে আটক করা হয়েছে, তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া হবে, হয় শর্তবিহীন অথবা এমন শর্তের অধীনে যা ওই ব্যক্তি মেনে নেবেন, এবং যেকোনো সময় তার মুক্তি বাতিল করতে পারেন।

(২) কোনো ব্যক্তিকে উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মুক্তি দেওয়ার সময়, সরকার তাকে শর্তাবলী পূরণের জন্য বন্ডে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করতে পারেন, যা শর্তসাপেক্ষে বা শর্তবিহীন হতে পারে।

(৩) উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মুক্তি পাওয়া কোনো ব্যক্তি, মুক্তির আদেশ বা মুক্তি বাতিলের আদেশে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে এবং কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন।

(৪) যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে আত্মসমর্পণ না করেন, তবে তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

(৫) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মুক্তি পাওয়ার পর শর্তাবলী বা বন্ডের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হন, তবে বন্ড বাতিল করা হবে এবং বন্ডের অধীনে দায়বদ্ধ ব্যক্তি শাস্তির জন্য দায়ী হবেন।
৫,৪৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়?
  1. ৮৬ ধারা
  2. ৮৬ ক ধারা
  3. ৮৭ ধারা
  4. ৭৬ ক ধারা
সঠিক উত্তর:
৮৬ ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৬ ক ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৬ ক ধারা অনুযায়ী কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা করা যায়।
৫,৪৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালত চার্জ গঠন করে?
  1. ২৪৫ক ধারা
  2. ২৬৫ক ধারা
  3. ২৬৫খ ধারা
  4. ২৬৫ঘ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঘ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঘ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা- ২৬৫ঘ: চার্জ গঠন করা:
(১) যদি উক্ত পর্যালোচনা এবং শুনানির পর আদালত এই মতামত ব্যক্ত করে যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধ করার জন্য সন্দেহ সৃষ্টি করার যথেষ্ট কারণ আছে, তবে আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত চার্জ গঠন করবে।

(২) যখন আদালত উপধারা (১) অনুযায়ী একটি চার্জ গঠন করে, তখন ওই চার্জটি অভিযুক্তকে পড়া এবং ব্যাখ্যা করা হবে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে, সে অভিযুক্ত অপরাধে দোষী কিনা, অথবা সে বিচার প্রার্থনা করে।
৫,৪৪২.
বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য [deferred dower] একজন মুসলিম মহিলা মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির সময়কাল তামাদি আইনের কত অনুছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০২
  2. অনুচ্ছেদ ১০৩
  3. অনুচ্ছেদ ১০১
  4. অনুচ্ছেদ ১০৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০৪
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৩ এবং ১০৪ অনুযায়ী মুসলিম আইনের অধীন দেনমোহর আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর।

অর্থাৎ বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য [deferred dower] একজন মুসলিম মহিলা মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির ৩ বৎসর যা তামাদি আইনের ১০৪ অনুছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।
৫,৪৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা রয়েছে কার?
  1. সরকারের
  2. কারা কর্তৃপক্ষের
  3. কারাদণ্ড প্রদানকারী আদালতের
  4. হাইকোর্ট বিভাগের
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪১ ধারার বিধান কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।
(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-
(ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানী জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
৫,৪৪৪.
ফরিয়াদী কর্তৃক আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর ফি প্রদান করা না হলে, আদালত কি শাস্তি দিতে পারে?
  1. অনধিক ১৫ দিন সশ্রম কারাদণ্ড
  2. অনধিক ৩০ দিন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. অনধিক ৬০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৬ক- আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদী কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ

(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামী সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থ দানের জন্য আসামীকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদীর জবানবন্দীর জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং 
(খ) ফরিয়াদী কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।

(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপীল আদালত বা হইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন ।
৫,৪৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের কোন ধরনের ক্ষমতার বিধান রয়েছে?
  1. ordinary powers
  2. original powers
  3. inherent powers
  4. review powers
সঠিক উত্তর:
inherent powers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
inherent powers
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
৫,৪৪৬.
ল্যাটিন শব্দ "res judicata" এর অর্থ কী?
  1. A judgment open to appeal
  2. A case dismissed for lack of evidence
  3. A dispute yet to be adjudicated
  4. A thing settled by judicial decision
সঠিক উত্তর:
A thing settled by judicial decision
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A thing settled by judicial decision
ব্যাখ্যা
ল্যাটিন শব্দ "res judicata" এর অর্থ হলো: "A thing settled by judicial decision"

অর্থাৎ, একটি বিষয় যা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দ্বারা নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তা পুনরায় একই পক্ষের মধ্যে আদালতে তোলা যাবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়। ১১ ধারার নিয়ম অনুসরণ করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।

শর্তসমূহ:
⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় একই;
⇒ পরবর্তী মোকদ্দমাটি যারা দায়ের করেছে, পূর্ববর্তী চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমাটি সেই একই পক্ষগণের মধ্যে ছিল বা সেই পক্ষগণের মধ্যে ছিল যাদের মাধ্যমে তারা বা তাদের কোন একজন প্রতিকার দাবী করে;
⇒ উক্ত পক্ষগণ পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় একই বিষয়বস্তু নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করেছে;
⇒ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করেছে।

• এই নীতি আরো পাওয়া যায়:
- সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা;
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারা;
- সাংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদ।
৫,৪৪৭.
Marbury vs Madison (1803) মামলায় প্রধান বিচারপতি জন মার্শাল কোন তত্ত্বের জন্ম দেন যা আইনের শাসনের ভিত্তি হয়ে ওঠে?
  1. Habeas Corpus
  2. Due Process
  3. Judicial Review
  4. Separation of Powers
সঠিক উত্তর:
Judicial Review
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Review
ব্যাখ্যা

⇒ Marbury v. Madison (1803) মামলাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এই মামলার রায়ের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতি জন মার্শাল Judicial Review বা বিচার পর্যালোচনা তত্ত্বের জন্ম দেন।

 Judicial Review কী?

- এটি এমন একটি নীতি যার অধীনে আদালতের ক্ষমতা থাকে কোনো আইন, নির্বাহী আদেশ বা সরকারি কার্যকলাপ দেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক কিনা পরীক্ষা করার। যদি কোনো আইন বা কার্যকলাপ সাংবিধান-পরিপন্থী বলে প্রমাণিত হয়, তবে আদালত তা বাতিল ঘোষণা করতে পারে।

⇒ Marbury v. Madison মামলায় কী ঘটেছিল? 

- এই মামলায়, প্রধান বিচারপতি মার্শাল রায় দেন যে, কংগ্রেস কর্তৃক প্রণীত ১৭৮৯ সালের Judiciary Act-এর একটি ধারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিত। সংবিধান সুপ্রিম আইন হওয়ায়, সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিত কোনো সাধারণ আইন বাতিল হবে। এই রায়ের মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্ট কংগ্রেসের প্রণীত আইন বাতিল করে এবং Judicial Review-এর ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করে।

⇒ Judicial Review তত্ত্বটি আইনের শাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, কারণ এটি নিশ্চিত করে যে:
- সরকারের তিনটি শাখা—আইন প্রণেতা (কংগ্রেস), নির্বাহী (রাষ্ট্রপতি) এবং বিচার বিভাগ—সবাইকে সংবিধানের অধীনে থাকতে হবে।
- কোনো আইন বা সরকারি সিদ্ধান্তই সংবিধানের ঊর্ধ্বে নয়।
- বিচার বিভাগ সংবিধান রক্ষার প্রহরী হিসেবে কাজ করে এবং সংবিধান লঙ্ঘনকারী যেকোনো কাজ বন্ধ করতে পারে।
 
অন্যান্য অপশন:
Habeas Corpus: এটি একটি প্রাচীন আইনি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে কিনা তা আদালতের কাছে প্রশ্ন করা যায়। এটি Marbury মামলায় প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
Due Process: এই ধারণাটি মার্কিন সংবিধানের ৫ম ও ১৪তম সংশোধনীতে রয়েছে, কিন্তু Marbury মামলার মূল অবদান ছিল আদালতের ক্ষমতা নির্ধারণ করা, Due Process নয়।
Separation of Powers: ক্ষমতার বিভাজনের তত্ত্বটি Montesquieu-এর মতো চিন্তাবিদদের থেকে এসেছে এবং মার্কিন সংবিধান এটি বাস্তবায়ন করেছে। Marbury মামলা এই তত্ত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে, কিন্তু এর জন্ম দেয়নি।

৫,৪৪৮.
তামাদি আইনে বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bill of Exchange) হিসেবে কোনটি অর্ন্তভুক্ত হবে?
  1. চেক
  2. হুন্ডি
  3. ক ও খ উভয়
  4. ক বা খ কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ২(২) অনুযায়ী-
হুন্ডি এবং চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ-এর অন্তর্ভুক্ত হয়।

Section 2(2)
“bill of exchange” includes a hundi and a cheque.
৫,৪৪৯.
The Special Powers Act, 1974 এর তফসিলে কোন আইনের উল্লেখ নেই?
  1. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫
  2. বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪
  3. জরুরি ক্ষমতা আইন, ১৯৭৫
  4. বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪
ব্যাখ্যা

⇒ বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪ তফসিলে উল্লেখিত নয়।

⇒ ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের তফসিল:
১. এই আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৩. অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ (Arms Act, 1878) এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৪. বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮ (Explosive Substances Act, 1908) এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৪ক. জরুরি ক্ষমতা আইন, ১৯৭৫ (Emergency Powers Act, 1975) অনুযায়ী গৃহীত নিয়ম বা সেই নিয়মের অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৫ক. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ (Formalin Control Act, 2015) এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৬. উপরোক্ত যেকোনো শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা বা প্রস্তুতি।

৫,৪৫০.
"Canons of Professional Conduct and Etiquette"-এর চতুর্থ অধ্যায়ের কোন বিধি অনুযায়ী একজন আইনজীবী তার পেশা ব্যতীত অন্য কোনো ব্যবসা বা চাকরির সাথে জড়িত হতে পারবেন না?
  1. বিধি-৫
  2. বিধি-৬
  3. বিধি-৭
  4. বিধি-৮
সঠিক উত্তর:
বিধি-৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৮
ব্যাখ্যা

⇒ "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য;
২য় অধ্যায়- মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব।
------------------------------
-একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য: “Canons of Professional Conduct and Etiquette” অংশের চতুর্থ অধ্যায়ের ১-৮ বিধি অনুযায়ী একজন আইনজীবীর জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কী তা উল্লেখ করা হয়েছে-
- একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ৮টি:
[বিধি-১]-কোন ব্যক্তিকে হয়রানির উদ্দেশ্যে নিযুক্তি না নেওয়া: কোন ব্যক্তিকে বিরক্ত করা, হয়রানি করা বা মোকদ্দমা বিলম্বিত করা ইত্যাদি উদ্দেশ্যে বাদী বা বিবাদী কোন পক্ষে একজন আইনজীবী নিযুক্ত হবেন না।
[বিধি-২]- ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করা: একজন আইনজীবী সর্বদা তার ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করবেন। বিচার চলাকালে আইন বহির্ভুত কাজ করবেন না।
[বিধি-৩]- ক্ষতির উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মোকদ্দমা দায়ের বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।
[বিধি ৪]- পরামর্শ প্রদানে বাধ্যবাধকতা: কোন আইনজীবী প্রত্যেককে পরামর্শ প্রদান করতে বা আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য নন।
[বিধি-৫]-  মোকদ্দমা গ্রহণ বা বর্জন করতে পারেন: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তি বা সংস্থা যতই ক্ষমতাবান হোক অথবা রাজনৈতিক মোকদ্দমা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক তিনি পেশাগত নিযুক্তি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন।
[বিধি-৬]- পরিচয় প্রকাশ করা: কোন আইনজীবী কোন সরকারি অফিসার, বোর্ড কমিটি ইত্যাদির নিকট পেশাগত দায়িত্বে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি তার পরিচয় দিবেন।
[বিধি-৭]- পূর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে: কোন আইনজীবী যদি কোন বিষয়ে পূর্বে বিচারক পদমর্যাদায় কাজ করেন তাহলে তিনি সেই বিষয়ে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ লাভ করবেন না।
[বিধি-৮]- ব্যবসা, চাকুরি বা অন্য পেশার সাথে জড়িত না হওয়া: একজন আইনজীবী নিজের আইন পেশা ব্যতীত অন্য কোন ব্যবসা, চাকুরি বা পেশার সাথে জড়িত হবে না।

৫,৪৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৬(৩) অনুযায়ী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কত শ্রেণিতে বিভক্ত?
  1. ২ শ্রেণি
  2. ৩ শ্রেণি
  3. ৪ শ্রেণি
  4. ৫ শ্রেণি
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৬(৩) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, Judicial Magistrate-দের চারটি শ্রেণি রয়েছে। এই শ্রেণিগুলো হলো: 
(ক) Chief Metropolitan Magistrate (মেট্রোপলিটন এলাকায়) এবং Chief Judicial Magistrate (অন্যান্য এলাকায়);
(খ) Magistrate of the first class, যিনি মেট্রোপলিটন এলাকায় Metropolitan Magistrate নামে পরিচিত;
(গ) Magistrate of the second class;
(ঘ) Magistrate of the third class।

Explanation অংশে আরও বলা হয়েছে যে, “Chief Metropolitan Magistrate” এবং “Chief Judicial Magistrate” শব্দের মধ্যে Additional Chief Metropolitan Magistrate এবং Additional Chief Judicial Magistrate-কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-6(3): There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

৫,৪৫২.
আপীল পেশের জন্য স্মারকলিপি (memorandum) কে স্বাক্ষর করতে হবে?
  1. সরকারি কৌঁসুলি
  2. নিম্ন আদালতের রেজিস্ট্রার
  3. আপীলকারী বা তার উকিল
  4. আপীল আদালতের বিচারক
সঠিক উত্তর:
আপীলকারী বা তার উকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীলকারী বা তার উকিল
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪১, বিধি ১(১) অনুসারে, আপীল পেশ করার জন্য স্মারকলিপি (memorandum) আপীলকারী (appellant) বা তার উকিল (pleader) কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। এটি আপীলের আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করে। অন্যান্য অপশনগুলো (সরকারি কৌঁসুলি, নিম্ন আদালতের রেজিস্ট্রার বা আপীল আদালতের বিচারক) এই বিধির সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
-(১) প্রত্যেকটি আপীল আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপির আকারে পেশকরতে হবে এবং আদালত বা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মচারীর নিকট দাখিল করতে হবে। যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে এবং (যদি না আপীল আদালত ইহার প্রয়োজনীয়তা শেষ করেন) যে রায়ের উপর উহা প্রতিষ্ঠিত, তার একটি নাকল স্বারকলিপির সঙ্গে প্রদান করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির সারমর্মঃ যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে, সেই ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির সঙ্গত কারণগুলি সংক্ষেপে এবং স্পষ্ট শিরোনামে স্বারকলিপিতে কোন তর্ক বা ধারাবাহিক বর্ণনা ব্যতিত ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং এরূপ সঙ্গত কারণগুলি ধারাবাহিক নম্বর যুক্ত হতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-1.Form of appeal. What to accompany memorandum:
(1) Every appeal shall be preferred in the form of a memorandum signed by the appellant or his pleader and presented to the Court or to such officer as it appoints in this behalf. The memorandum shall be accompanied by a copy of the decree appealed from and (unless the Appellate Court dispenses therewith) of the Judgment on which it is founded. 

- Contents of memorandum:
(2) The memorandum shall set forth, concisely and under distinct heads, the grounds of objection to the decree appealed from without any argument or narrative; and such grounds shall be numbered consecutively. 

৫,৪৫৩.
অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. সরকারের অনুমতিতে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুমতিতে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস [Acquittal] দিবে।

• অপরদিকে,৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে[Discharge] দিতে পারে এবং অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস[Acquittal] দিতে পারে।
৫,৪৫৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ ধারা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলা সাধারণত কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. বাদীর বাসস্থানের আদালতে
  2. বিবাদীর বাসস্থানের আদালতে
  3. সম্পত্তি অবস্থিত স্থানের আদালতে
  4. মামলার কারণ উদ্ভবের স্থানের আদালতে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি অবস্থিত স্থানের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি অবস্থিত স্থানের আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, ভাগ বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তির বিনা সংক্রান্ত মামলা, সেই আদালতে দায়ের করাতে হবে, যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান- বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, মামলা সেখানেই দায়ের করতে হবে:
- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য এখতিয়ার সাপেক্ষ -
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য,
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা জন্য,
গ) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা দায় (charge) উদ্ধারের অধিকার, হরণ, বিক্রয় বা
ঘ) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোনো প্রকার অধিকার বা স্বার্থ নির্ণয়ের জন্য,
ঙ) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে,
চ) আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য -
আনীত মামলাগুলি যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, ‘গ’ দফায় বর্ণিত মামলার ক্ষেত্রে যে স্থানে মামলার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়, সেসব আদালতেই দায়ের করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী কর্তৃক বা তার পক্ষে দাখিলী কোন স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত প্রতিকার বা উহার অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা, প্রার্থতি প্রতিকার যদি সম্পূর্ণরূপে বিবাদির ব্যক্তিগতভাবে আনুগতভাবে আনুগত্যের ফলে লাভ করা যায়, তবে তাহলে যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা (ঙ) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রে যে স্থানে পূর্ণ বা আংশিকভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হয়েছে অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে প্রকৃত পক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বিবাদী বাস করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় বা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কর্ম করে সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-16. Suits to be instituted where subject-matter situate: 
Subject to the pecuniary or other limitations prescribed by any law, suits- 
(a) for the recovery of immovable property with or without rent or profits, 
(b) for the partition of immovable property, 
(c) for foreclosure, sale or redemption in the case of a mortgage of or charge upon immovable property, 
(d) for the determination of any other right to or interest in immovable property, 
(e) for compensation for wrong to immovable property, 
(f) for the recovery of movable property actually under distraint or attachment, 
shall be instituted in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen: 
Provided that a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property held by or on behalf of the defendant may, where the relief sought can be entirely obtained through his personal obedience, be instituted either in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen, or in the Court within the local limits of whose jurisdiction the defendant actually and voluntarily resides, or carries on business, or personally works for gain. 
Explanation.-In this section "property' means property situate in Bangladesh.

৫,৪৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারার অধীনে কোন পরিস্থিতিতে তদন্ত করা যাবে না?
  1. যদি বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে চায়
  2. যদি আসামির পরিচয় অজানা থাকে
  3. যদি তদন্তের উপযুক্ত কারণ না থাকে
  4. যদি অভিযোগ মৌখিকভাবে দায়ের করা হয়
সঠিক উত্তর:
যদি তদন্তের উপযুক্ত কারণ না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তদন্তের উপযুক্ত কারণ না থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭(১)(খ) ধারার বিধান অনুসারে, যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer-in-Charge) দেখেন যে তদন্ত শুরু করার জন্য পর্যাপ্ত কারণ নেই, তাহলে তিনি মামলাটি তদন্ত করবেন না। এই ক্ষেত্রে, তিনি সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি জানাবেন এবং সংবাদদাতাকে (informant) অবহিত করবেন যে, তিনি এই মামলাটি তদন্ত করবেন না বা করাবেন না।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
(ক) যদি বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে চায় →
- বাদী মামলা প্রত্যাহার করলেও আমলযোগ্য অপরাধ হলে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যেতে পারে।
(খ) যদি আসামির পরিচয় অজানা থাকে →
- আসামির পরিচয় অজানা হলেও পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যেতে পারে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধী শনাক্ত করার চেষ্টা করবে।
(ঘ) যদি অভিযোগ মৌখিকভাবে দায়ের করা হয় →
- মৌখিক অভিযোগ গ্রহণ করার পর পুলিশ সেটি লিখিতভাবে রেকর্ড করতে পারে এবং তদন্ত শুরু করতে পারে।

সুতরাং, তদন্ত বন্ধ করার একমাত্র বৈধ কারণ হলো "যথেষ্ট তদন্তের কারণ না থাকা" যা ১৫৭(১)(খ) ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
৫,৪৫৬.
It shall be the duty of all ______ authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.
  1. judiciary
  2. legislative
  3. executive
  4. all of mentioned
সঠিক উত্তর:
executive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
executive
ব্যাখ্যা
Article 126: Executive authorities to assist Election Commission

It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.

অনুচ্ছেদ ১২৬: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।
৫,৪৫৭.
একজন মুসলিম মহিলা তার এক পুত্র এবং পিতাকে রেখে মারা গেছেন। এক্ষেত্রে, তার সম্পত্তিতে পিতা কত অংশ পাবে?
  1. ১/৬ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/২ অংশ
  4. ২/৩ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
ব্যাখ্যা
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে, পিতার অংশ তিন ধরনের হয়ে থাকে–
- যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র, পুত্রের পুত্র- রেখে মারা যান তবে পিতার অংশ হবে ১/৬ অংশ।
- যদি মৃত ব্যক্তির কন্যা, পুত্রের কন্যা রেখে মারা যায় এবং কোন পুত্র বা পুত্রের পুত্র- না থাকে তবে পিতার অংশ হবে ১/৬+অবশিষ্টাংশ।
- যদি কোন সন্তান-সন্ততি না থাকে তবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে পিতা অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে অংশ পাবে।

এক্ষেত্রে, পুত্রের উপস্থিতিতে পিতা (১/৬) অংশ পাবেন এবং পুত্র বাকি সম্পত্তি পাবেন।
৫,৪৫৮.
'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের দায়ে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায়, 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে একই চুক্তি ভঙ্গের দায়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. পরবর্তী মোকদ্দমা বাতিল করতে বাধ্য
  2. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা খারিজ আদেশ করতে বাধ্য
  3. পরবর্তী মোকদ্দমার বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে বাধ্য
  4. উভয় মোকদ্দমার বিচার চালিয়ে যেতে বাধ্য
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমার বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে বাধ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমার বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে বাধ্য
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা স্থগিতকরণ [Res sub judice]:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ [stay of suit] বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। রেস-সাবজুডিসের বা ১০ ধারার নীতি প্রয়োগ করতে হলে-
১. অবশ্যই দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে-
i. পরবর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেখানে; বা
ii. বাংলাদেশের কোন আদালতে যার দাবীকৃত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে; বা
iii.সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা পরিচালিত বাংলাদেশের বাইরের কোন আদালতে যার এমন এখতিয়ার আছে; বা
iv. সুপ্রীম কোর্টে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্বের অধীন মোকদ্দমা দায়ের করেছে।

এখানে, ১০ ধারায় আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করতে পারে না বরং পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে পারে। ১০ ধারার বিধান মান্য করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ উপরে উল্লেখিত শর্ত পূরণ হলে আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিত করতে বাধ্য। 
উদাহরণ: 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের দায়ে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায়, 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে একই চুক্তি ভঙ্গের দায়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে বাধ্য

উল্লেখ্য, বিদেশী আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে রেস সাব-জুডিস নীতি প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন মামলা বিদেশী আদালতে বিচারাধীন থাকলেও উক্ত মামলার বিচার বাংলাদেশের আদালতে করা যাবে।
৫,৪৫৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৫৯ ধারার অধীন আদালত কর্তৃক দেনাদারকে মুক্তি দেয়ার কারণ-
  1. গুরুতর অসুস্থতা
  2. মুচলেকা প্রদান
  3. দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক
  4. জামানত প্রদান
সঠিক উত্তর:
গুরুতর অসুস্থতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুতর অসুস্থতা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে।

• দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান- অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।

৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।

Section 59- Release on ground of illness:
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness.
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison.

(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom-
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness.

(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
৫,৪৬০.
তামাদি আইনের কোন ধারার বিধান কোনো পক্ষ অধিকার হিসেবে আদালতে দাবি করতে পারবে না?
  1. ১২ ধারার
  2. ১৪ ধারার
  3. ৫ ধারার
  4. উল্লিখিত সকল বিধান
সঠিক উত্তর:
৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারার
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। একে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।

তামাদি আইনের কঠোরতা লাঘবের জন্য এই আইনে যুক্ত করা হয়েছে ‘কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে মেয়াদ বৃদ্ধিকরণ’ শিরোনামে ৫ ধারা। যেখানে বলা হয়েছে, কোন পক্ষ শুধুমাত্র আপীল, রিভিউ, রিভিশন, লিভ টু আপীল এবং বিভিন্ন প্রকার দরখাস্ত দায়েরে ক্ষেত্রে তামাদির সময় বৃদ্ধি করার আবেদন করতে পারে। এই সকল আবেদন করার সময় উল্লেখ করতে হবে ‘কেন সঠিক সময় আবেদন দায়ের করা যায়নি তার কারণ’। আদালত উক্ত ‘কারণ’ বিবেচনায় নিয়ে সন্তুষ্টচিত্তে ক্ষেত্র বিশেষে সময় বৃদ্ধির আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন। তবে মূল মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা কখনো গ্রহণযোগ্য হয় না।

এই ৫ ধারায় মূলত ’Equity will not suffer a wrong to be without a remedy’- অর্থাৎ ‘ইকুইটিতে ভুলের প্রতিকার বিদ্যমান’ নীতির প্রকাশ পেয়েছে। তামাদি আইনের ৫ ধারার বক্তব্য বুঝার জন্য এই ধারার ব্যাখ্যা অংশে বলা আছে- হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা কিংবা সিদ্ধান্তের দ্বারা তামাদির সময়কাল হিসাব কিংবা নির্ধারণে বিভ্রান্ত হলে তা বর্তমান ধারা অনুযায়ী ‘যথার্থ কারণ’ বলে বিবেচিত হতে পারে। তবে বর্তমান আইনে বা আরও যেসব আইনে ‘যথার্থ কারণ/Sufficient cause’ শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়েছে সে সকল কোন আইনেই শব্দ গুলোর ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত থেকে বলা যায় ১.অসুস্থতা (অবশ্যই গুরুতর বা মারাত্মক) ২.কারাবাস ৩.সরল বিশ্বাসে ভুল ৪.কৌসুলি বা উকিলের ভুল ৫.আদালতের সংঘাতপূর্ণ সিদ্ধান্ত ৬.রায় বা ডিক্রি তুলতে আদালতের কর্মচারীর ভুল ইত্যাদি ‘যথার্থ কারণ/Sufficient cause’ হিসেবে আদালত বিবেচনায় নিতে পারে। তবে কোন ভাবেই এই ৫ ধারার সময় বৃদ্ধির আবেদন কোন পক্ষ অধিকার হিসেবে আদালতে দাবি করতে পারবে না।
৫,৪৬১.
বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কখন পুলিশ তল্লাশি ও বাজেয়াপ্ত করতে পারে?
  1. কোনো অবস্থাতেই নয়
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত মুক্তি দেয়া গেলে
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে সক্ষম হলে
  4. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত জামিনে মুক্তি দেয়া না গেলে
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত জামিনে মুক্তি দেয়া না গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত জামিনে মুক্তি দেয়া না গেলে
ব্যাখ্যা
• Section 51- Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail,
the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him.

ধারা ৫১:
যখনই কোন ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসার দ্বারা গ্রেফতার করা হয় এমন ওয়ারেন্ট দ্বারা যাতে জামিন গ্রহণের বিধান নেই, অথবা এমন ওয়ারেন্ট যাতে জামিন গ্রহণের বিধান আছে কিন্তু গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে অক্ষম, এবং যখনই কোন ব্যক্তিকে বিনা ওয়ারেন্টে বা কোন ব্যক্তি কর্তৃক ওয়ারেন্ট সাপেক্ষে গ্রেফতার করা হয় এবং আইনত তাকে জামিনে মুক্তি দেয়া যায় না বা সে জামিন দিতে অক্ষম,
তখন গ্রেফতারকারী অফিসার, বা যখন গ্রেফতার কোন ব্যক্তি কর্তৃক করা হয়, যে পুলিশ অফিসারের নিকট গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করা হয়, তিনি ঐ ব্যক্তির তল্লাশি নিতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পোশাক-পরিচ্ছদ ব্যতীত তার কাছ থেকে পাওয়া অন্যান্য সমস্ত জিনিষপত্র নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।
৫,৪৬২.
অ্যাডভোকেট সনদের জন্য আবেদনকারীর Pupilage Diary তে অন্যূন কয়টি মামলার নোট থাকতে হবে-
  1. ৫ টি
  2. ১০ টি
  3. ১২ টি
  4. ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
১০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টি
ব্যাখ্যা
⇒বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।

-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
-অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
-শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
-হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
৫,৪৬৩.
একজন মৃত ব্যক্তির উইলে বা পারিবারিক দলিলে লিখিত বক্তব্য সাক্ষ্য আইনের কোন উপ-ধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৩২(৫)
  2. ধারা ৩২(৬)
  3. ধারা ৩২(৭)
  4. ধারা ৩২(৮)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(৬)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(৬)-এ স্পষ্টভাবে বিধান করা হয়েছে যে, মৃত ব্যক্তির উইল বা পারিবারিক বিষয়ক দলিলে (will or deed relating to family affairs) লিখিত বক্তব্য প্রাসঙ্গিক হিসেবে গৃহীত হবে। এটি পারিবারিক সম্পর্ক, সম্পত্তি বণ্টন বা অনুরূপ বিষয়ে প্রমাণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

অন্য অপশনগুলো:
ক) ধারা ৩২(৫) → আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বক্তব্য (relates to existence of relationship)।
গ) ধারা ৩২(৭) → ধারা ১৩(ক)-এ উল্লিখিত লেনদেন সম্পর্কিত দলিলে বক্তব্য।
ঘ) ধারা ৩২(৮) → একাধিক ব্যক্তির অনুভূতি প্রকাশকারী বক্তব্য।
সুতরাং, মৃত ব্যক্তির উইল বা পারিবারিক দলিলে লিখিত বক্তব্য সরাসরি ধারা ৩২(৬) এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
(6) or is made in will or deed relating to family affairs;
When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.
------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

৫,৪৬৪.
A ধোঁয়া দ্বারা বাতাসকে এত দূষিত করে যে তা পার্শ্ববর্তী বাড়িতে বসবাসরত B ও C এর দৈনন্দিন আরাম-আয়েশে উল্লেখযোগ্যভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। B ও C সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় প্রতিকার পেতে পারে?
  1. এই আইনে প্রতিকার নেই
  2. ধারা ৫৪
  3. ধারা ৫৫
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৫৪ অনুসারে,এই অধ্যায়ের অন্তর্ভূক্ত বা এই বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।

♦ যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন। যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর পারেন :
 
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার; 

(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই; 

(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;

(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;

(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
৫,৪৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২১ এর কত বিধিতে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকর করার বিশেষ বিধান সংযুক্ত করা হয়েছে?
  1. বিধি ৩০
  2. বিধি ৩০ক
  3. বিধি ৩১
  4. বিধি ৩১ক
সঠিক উত্তর:
বিধি ৩০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ৩০ক
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২১, বিধি ৩০ক- অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিশেষ বিধান: 
(১) এই বিধিতে যা কিছুই বলা থাকুক না কেন, ডিক্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তির (decree-holder) আবেদনক্রমে, আদালত রায়প্রাপ্ত ব্যক্তিকে (judgment-debtor) সিভিল কারাগারে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে- যতদিন না সম্পূর্ণ বা আংশিক বকেয়া ডিক্রির অর্থ পরিশোধ করা হয় বা সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত, এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে।

(২) এই বিধি অনুযায়ী সিভিল কারাগারে আটক রায়প্রাপ্ত ব্যক্তির জীবিকা নির্বাহের জন্য যে খরচ হবে, তা সরকার বহন করবে।

(৩) নিম্নোক্ত রায়প্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সিভিল কারাগারে আটক রাখার বিধান প্রযোজ্য হবে না:
- যিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক,
- মানসিক ভারসাম্যহীন,
- যথাযথ আদালতের মাধ্যমে দেউলিয়া ঘোষিত,
- অথবা যিনি মূল রায়প্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে প্রতিস্থাপিত হয়েছেন।

(৪) যদি রায়প্রাপ্ত ব্যক্তি কারাগারে থাকাকালীন ডিক্রির মোট অর্থের ন্যূনতম ২৫% পরিশোধ করেন এবং বাকি অর্থ ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধের জন্য একটি বন্ড দেন, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দেবে। তবে যদি বন্ড অনুযায়ী বাকি অর্থ প্রদান না করা হয়, তাহলে তাকে পুনরায় সিভিল কারাগারে আটক করা যেতে পারে, এবং তা সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত হতে পারে।

(৫) যদি কোনো রায়প্রাপ্ত ব্যক্তি উপ-নিয়ম (১) বা (৪) অনুযায়ী পূর্ণ মেয়াদে সিভিল কারাগারে আটক থাকেন, তাহলে তাকে একই ডিক্রির আওতায় বা একই ডিক্রি থেকে উদ্ভূত অন্য কোনো কার্যক্রমে পুনরায় আটক করা যাবে না।

(৬) যদি রায়প্রাপ্ত ব্যক্তি পুরো বা আংশিক সময়ের জন্য সিভিল কারাগারে আটক থাকেন, তবুও তিনি ডিক্রির বাকি অর্থ পরিশোধ থেকে অব্যাহতি পাবেন না।

⇒ এই বিধান Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 দ্বারা সংযুক্ত করা হয়েছে।
৫,৪৬৬.
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ অনুযায়ী নিম্ন লিখিত কোন বিষয়টি আদালত বিচারক দৃষ্টিগোচরে নিতে পারে না?
  1. বাংলাদেশের ভূখণ্ড
  2. বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কোন পদবীর অস্তিত্ব
  3. সংবাদপত্রে প্রকাশিত কোন সংবাদ
  4. সমুদ্র এবং স্থল পথের নিয়ম কানুন
সঠিক উত্তর:
সংবাদপত্রে প্রকাশিত কোন সংবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবাদপত্রে প্রকাশিত কোন সংবাদ
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী ১১ টি বিষয়ের উপর বিচারক দৃষ্টিগোচর রাখা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। যথা:-
(i) বাংলাদেশের সকল আইনসমূহ।
(ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যাবতীয় অস্ত্র ও রসদ।
(iii) আইনসভার কার্যসমূহ।
(iv) নিম্নলিখিত সীল:-
           a) বাংলাদেশ সকল আদালত সমূহের সীল।
           b) এডমিডালটি ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত সমূহের সীল।
           c) নোটারি পাবলিকের সীল।
           d) সকল সীল যেটা বাংলাদেশে বলবৎ কোন আইনের দ্বারা কোন ব্যক্তি ব্যবহারের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
(v) বাংলাদেশে কোন সরকারি পদে কাহারো যোগদানের বিষয়ে সরকারি গ্যাজেট।
(vi) সরকার কর্তৃক স্বীকৃত প্রত্যেক রাষ্ট্র বা সার্বভৌম বা রাজা বা রাণীর অস্তিত্ব, উপাধি ও জাতীয় পতাকা।
(vii) সময়ের বিভাগসমূহ, পৃথিবীর ভৌগোলিক বিভাগসমূহ এবং সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত সর্বসাধারণের উৎসব, উপবাস এবং ছুটিসমূহ।
(viii) বাংলাদেশের ভূখণ্ডসমূহ।
(ix) বাংলাদেশের সাথে অপর রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ আরম্ভ হওয়া, চলতে থাকা ও অবসান হওয়া।
(x)  আদালতের সদস্য ও কর্মকর্তাগণ এবং তাদের অধীনস্থ অফিসার এবং সহকারীগণ এবং আদালতের কার্য সম্পাদনকারী অন্যান্য কর্মকর্তাগণের এবং আইন অনুসারে আদালতে উপস্থিত হয়ে মোকাদ্দমা পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল এডভোকেট এবং অনন্য ব্যক্তিদের নাম।
(xi) স্থল বা সমুদ্র পথের নিয়মাবলী।
৫,৪৬৭.
আপীলের শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে আপীলকারী উপস্থিত না হলে, আপীল আদালত আপীলটি খারিজ করে দেয়। উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে__________করা যাবে-
  1. রিভিউ
  2. রিভিশন
  3. আপীল
  4. উপরের যে কোন একটি
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু আপীল খারিজ কোন ডিক্রি বা আপীলযোগ্য আদেশ না, তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিশন করা যায়। যেহেতু কোন মোকদ্দমার বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে এবং সেই আপীল শুনানীতে আপীল খারিজের সিদ্ধান্ত দেওয়া হচ্ছে, সুতরাং দ্বিতীয় আপীল করার সুযোগ নাই। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নাই।
৫,৪৬৮.
আদেশ ১৩ বিধি ৩ এর অধীন মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে, একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহনযোগ্য তাহলে কারন লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল ______ করতে পারবেন।
  1. গ্রহণ
  2. প্রত্যাখ্যান
  3. বাজেয়াপ্ত
  4. অবৈধ ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এ দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে।

• বিধি ৩- দলিল প্রত্যাখ্যান:
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যকোনভাবে অগ্রহনযোগ্য, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।

বিধি ৩ অনুসারে,
যদি মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত মনে করে যে কোনো একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্য কোনোভাবে অগ্রহণযোগ্য, তাহলে আদালত নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে সেই দলিলটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে:
১. প্রথমেই আদালতকে কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে যে কেন তারা সংশ্লিষ্ট দলিলটি অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে করছেন। কারণগুলি সুস্পষ্ট ও যুক্তিসঙ্গত হওয়া আবশ্যক।
২. কারণগুলি লিপিবদ্ধ করার পর, আদালতকে একটি আদেশ বা রায় দ্বারা সেই দলিলটি প্রত্যাখ্যান করতে হবে।
৩. এই আদেশ/রায়ে আদালতকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে যে তারা বিধি ৩ অনুসরণ করে দলিলটি প্রত্যাখ্যান করছেন।
৪. সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এই আদেশ/রায়ের কপি প্রদান করতে হবে যাতে তারা আদালতের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত হতে পারে।
৫,৪৬৯.
বার কাউন্সিলের ভোটার তালিকা ভোট গ্রহণের কতদিন পূর্বে প্রকাশ করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর : ৩০ দিন।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ১১:
১) বার কাউন্সিল ভোটারদের একটি তালিকা প্রকাশ করবে, যাতে বলা থাকবে কোন ভোটার কোন ভোটকেন্দ্রে তার ভোট প্রদান করবে। এই তালিকাটি ভোটগ্রহণের কমপক্ষে ত্রিশ (৩০) দিন আগে প্রকাশ করতে হবে।
শর্তসাপেক্ষ, ভোটগ্রহণ পর্যন্ত বার কাউন্সিল তালিকায় নতুন ভোটার যোগ করার ক্ষমতা রাখবে।
আরও শর্তসাপেক্ষ, যে ব্যক্তি ভোটের সময় পর্যন্ত আইনজীবী না থাকবেন, তিনি ভোট দেওয়ার অধিকার পাবেন না।

(২) সমস্ত ভোটার তালিকায় উল্লেখিত ভোটকেন্দ্রে ভোট দিবেন, তবে যেসব ব্যক্তি ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত, তারা তাদের নিয়োগপ্রাপ্ত কেন্দ্রেই ভোট দিতে পারবেন।
একজন প্রার্থী যে কোনো ভোটকেন্দ্রে তার ভোট দিতে পারবেন।
৫,৪৭০.
'Joinder of Parties' বলতে কী বোঝায়?
  1. Joinder of Plaintiffs
  2. Joinder of defendants
  3. Joinder of legal representatives of parties
  4. Joinder of Plaintiffs & defendants
সঠিক উত্তর:
Joinder of Plaintiffs & defendants
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joinder of Plaintiffs & defendants
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১ বিধি ১-৩ [মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)]-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

উদহারণ-
'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে। এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
৫,৪৭১.
অকৃষি ভূমিতে কে উন্নয়ন করবে বা কোন কার্য উন্নয়ন কিনা সেই সম্পর্কে কোন বিরোধ দেখা দিলে তা কে নির্ধারণ করবে?
  1. জেলা জজ
  2. কমিশনার
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. ডেপুটি কমিশনার
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
-----------------------------------------------------
Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc. 
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 
(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৫,৪৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XXIII এর বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
  2. বাদীর দাবী পরিত্যাগের ক্ষেত্রে
  3. ডিক্রি জারির কার্যক্রমের ক্ষেত্রে
  4. মামলার আপোষ মীমাংসার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির কার্যক্রমের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির কার্যক্রমের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ (ORDER XXIII) মূলত নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর জন্য প্রযোজ্য:
১) মামলা প্রত্যাহার – বাদী নিজে মামলা তুলে নিতে পারে।
২) দাবির আংশিক পরিত্যাগ – বাদী তার দাবির কিছু অংশ বাদ দিতে পারে।
৩) আদালতের অনুমতি নিয়ে নতুন মামলা দায়ের – নির্দিষ্ট শর্তে অনুমতি নিয়ে।
৪) মামলার আপোষ মীমাংসা – আইনগত আপোষ হলে আদালত সেটি রেকর্ড করে ডিক্রি দেয়।
→ কিন্তু বিধি ৪ (Rule 4) স্পষ্টভাবে বলে: "এই আদেশের কোনো কিছুই ডিক্রি বা আদেশের জারির কোন কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে না।"
অর্থাৎ, একবার ডিক্রি হয়ে গেলে সেটি কার্যকর করার বা execution চালানোর জন্য আদেশ ২৩-এর বিধান প্রযোজ্য নয়। এ জন্য আলাদা বিধান রয়েছে।

সুতরাং ORDER XXIII কেবল মামলার প্রত্যাহার, পরিত্যাগ এবং আপোষে নিষ্পত্তি নিয়ে, কিন্তু ডিক্রি কার্যকর (execution) নিয়ে নয়।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-4. Proceedings in execution of decrees not affected:
 Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.
৫,৪৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী একতরফাভাবে কোনো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ প্রদত্ত হলে, অপরপক্ষের হাজির হওয়ার কত দিনের মধ্যে আদালত কর্তৃক বিষয়টি নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯, বিধি ৫(ক)(৩):
যদি কোনো বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে অপর কোনো বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে একতরফা (ex-parte) অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করা হয়, তবে—
- বিপক্ষ পক্ষ আদালতে হাজির হওয়ার দিন থেকে সাত (৭) দিনের মধ্যে আদালতকে বিষয়টি মূল বিষয়ের উপর শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে, যতক্ষণ না বিপক্ষ পক্ষের অনুরোধে সময় বৃদ্ধি করা হয়।
- যদি যেই পক্ষের অনুরোধে একতরফা আদেশটি দেওয়া হয়েছিল, সে পক্ষ শুনানির জন্য স্থগিতাদেশ (adjournment) চায়, অথবা আদালতের ডাকে সাড়া না দিয়ে শুনানিতে অনুপস্থিত থাকে, তাহলে অন্য কোনো আদেশ ছাড়াই উক্ত অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞার আদেশটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল (vacated) বলে গণ্য হবে।

Order-39 Rule-5A.(3)-
If any order of ad interim or temporary injunction is passed ex-parte at the instance of a private party against another private party, the Court shall hear and dispose of the matter on merit within seven days of appearance of the opposite party, unless the period is extended further at the instance of the opposite party; and any such order of ad interim or temporary injunction shall stand vacated, if the party at whose instance it was passed, prays for adjournment, or on being called upon by the Court, fails to attend hearing.
৫,৪৭৪.
ফৌজদারী আদালতের রায় অনুযায়ী জল্লাদ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ফাঁসি কার্যকর করলে তা-
  1. অপরাধ বলে গণ্য হবে না
  2. অপরাধ বলে গণ্য হবে
  3. নরহত্যা
  4. খুন
সঠিক উত্তর:
অপরাধ বলে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ বলে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা মতে আদালতের আদেশে কৃত কাজ অপরাধ নয় অর্থাৎ আদালতের রায় বা আদেশ মোতাবেক সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ নয় আদালতের আদেশ বাস্তবায়িত করার জন্য সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ যে সমস্ত কার্য করবেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:- কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।

-------------------
Act done pursuant to the judgment or order of Court:
Section 78. Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
৫,৪৭৫.
খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ কত দিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১৫৭ নং আর্টিকেল অনুসারের খালাসের বিরুদ্ধে আদেশ প্রচারের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করার বিধান আছে।
৫,৪৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২১ অনুযায়ী এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি কখন উত্থাপন করতে হবে?
  1. যেকোনো সময়
  2. প্রাথমিক পর্যায়ে
  3. মামলার নিষ্পত্তির পর
  4. ডিক্রি কার্যকরের সময়
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক পর্যায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২১ অনুযায়ী, এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি অবশ্যই প্রাথমিক পর্যায়ে উত্থাপন করতে হবে। বিশেষভাবে, এটি নিম্নলিখিত সময়ের মধ্যে উত্থাপন করতে হবে:
- আদালতে প্রথম উপস্থিত হওয়ার সময়।
- বিচার্য বিষয় (issues) নির্ধারণের সময় বা তার আগে।
- যেকোনো প্রক্রিয়ার শুরুতে।
যদি এই সময়ের মধ্যে এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি না তোলা হয়, তবে পরবর্তীতে সাধারণত আপিল বা রিভিশন আদালতে এ ধরনের আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে যদি প্রাথমিক আদালতে আপত্তি না তোলার ফলে ন্যায় বিচারের ব্যত্যয় (failure of justice) ঘটে থাকে, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত বিশেষ ক্ষেত্রে এ আপত্তি বিবেচনা করতে পারে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ ধারার বিধান: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, section - 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.

৫,৪৭৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার ভিত্তি কী?
  1. আইনের বিধান
  2. ক্ষতির পরিমাণ
  3. ন্যায় ও ইক্যুইটি
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ থেকে ৫৭ এর অধীনে নিষেধাজ্ঞা (Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার ভিত্তি একাধিক বিষয়ের উপর নির্ভর করে। নিম্নে এই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

আইনের বিধান: নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৪-এর বিধান দ্বারা পরিচালিত হয়। ধারা ৫৪ উল্লেখ করে যে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) প্রদান করা যেতে পারে যখন বাধ্যবাধকতার লঙ্ঘন রোধ করা প্রয়োজন, যেমন চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন বা সম্পত্তির অধিকারে হস্তক্ষেপ। চুক্তি থেকে উদ্ভূত বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রে, আদালত আইনের অধ্যায় II-এর নিয়ম ও বিধান অনুসরণ করে ধারা ৫৭-এ নেগেটিভ চুক্তি (Negative Agreement) পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিধান রয়েছে।

ক্ষতির পরিমাণ:
ধারা ৫৪-এর উপ-ধারা (খ), (গ), এবং (ঘ) অনুসারে, নিষেধাজ্ঞা প্রদানের জন্য ক্ষতির প্রকৃতি ও পরিমাণ বিবেচনা করা হয়। যেখানে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মানদণ্ড নেই।যেখানে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার প্রদান করতে পারে না। যেখানে ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব নয়। এই ক্ষেত্রগুলোতে ক্ষতির পরিমাণ বা তার অনুপস্থিতি নিষেধাজ্ঞা প্রদানের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

ন্যায় ও ইক্যুইটি:
নিষেধাজ্ঞা একটি ইক্যুইটেবল প্রতিকার (Equitable Remedy), তাই আদালত ন্যায়, ন্যায্যতা এবং সৎ বিবেকের (Justice, Equity, and Good Conscience) নীতি অনুসরণ করে। ধারা ৫৫ অনুসারে, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার (Discretion) উপর জোর দেওয়া হয়। যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণ বাদীর অধিকার রক্ষা করতে অপর্যাপ্ত হয়, তবে আদালত ন্যায়ের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে। তদুপরি, ধারা ৫৬ অনুসারে, আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রদান থেকে বিরত থাকে যদি বাদীর আচরণ (Conduct) ইক্যুইটির সহায়তার জন্য অযোগ্য হয় (যেমন, ধারা ৫৬(জ))।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে আদালত আইনের বিধান, ক্ষতির পরিমাণ এবং ন্যায় ও ইক্যুইটির নীতি—এই সবগুলোই বিবেচনা করে। অতএব, আদালতের সিদ্ধান্ত এই তিনটি উপাদানের সমন্বয়ের উপর নির্ভর করে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (ধারা ৫৪–৫৭) অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার মূল ভিত্তি (আদালত নিষেধাজ্ঞা দেবেন কি না) তা নির্ভর করে –আইনের বিধান, ক্ষতির প্রকৃতি ও ন্যায়-ইক্যুইটি—এই তিনটির সমন্বয়ের উপর।

৫,৪৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল সংক্ষিপ্তভাবে (summary) খারিজ করার বিধান রয়েছে?
  1. ৪১৯ ধারা
  2. ৪২০ ধারা
  3. ৪২১ ধারা
  4. ৪২৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২১ অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত মনে করে যে আপিলে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তবে সে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে (summarily) খারিজ করতে পারে। তবে, ধারা ৪১৯ এর অধীনে দাখিলকৃত আপিলে আপিলকারী বা তার উকিলকে শুনানির যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে খারিজ করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারামতে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাওয়ার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।
(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-421: Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily:
-Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.
(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
৫,৪৭৯.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান মোতাবেক কতদিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শাস্তি বিধানের বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিধান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলে এবং উক্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, অনুরূপ আদেশ প্রাপ্তির দিন হতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে উক্ত সংক্ষুব্ধ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
- অনুরূপ আপিল হাই কোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক শ্রবণ করতে হবে এবং ঐ বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.

৫,৪৮০.
শিশু আইনের ১৫ ধারা অনুযায়ী, কার জন্য পৃথকভাবে পুলিশ রিপোর্ট প্রস্তুত করতে হয়?
  1. শুধুমাত্র শিশুদের জন্য
  2. শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য
  3. প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু উভয়ের জন্য আলাদা আলাদা
  4. রিপোর্ট একটাই যথেষ্ট
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু উভয়ের জন্য আলাদা আলাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু উভয়ের জন্য আলাদা আলাদা
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ১৫: পুলিশ রিপোর্ট (investigation report) বা অনুসন্ধান প্রতিবেদন (inquiry report) বা তদন্ত প্রতিবেদন (enquiry report) পৃথকভাবে প্রস্তুত ও আমলে গ্রহণ:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকিলে, পুলিশ রিপোর্ট (জি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা ক্ষেত্রমত, অনুসন্ধান প্রতিবেদন (সি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করিয়া দাখিল করিতে হইবে। 

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু কর্তৃক একত্রে সংঘটিত কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে তাহাদের অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ করিতে হইবে।]
৫,৪৮১.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা কোন প্রকার বিবৃতিকে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করে?
  1. সব ধরনের নকল দলিল
  2. সাক্ষ্যদানে অনিচ্ছুক ব্যক্তির বিবৃতি
  3. কেবলমাত্র জীবিত ব্যক্তির মৌখিক বক্তব্য
  4. মৃত, নিখোঁজ, বা সাক্ষ্যদানে অযোগ্য ব্যক্তির বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
মৃত, নিখোঁজ, বা সাক্ষ্যদানে অযোগ্য ব্যক্তির বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত, নিখোঁজ, বা সাক্ষ্যদানে অযোগ্য ব্যক্তির বিবৃতি
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ঘ) মৃত, নিখোঁজ, বা সাক্ষ্যদানে অযোগ্য ব্যক্তির বিবৃতি।
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২–এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, এমন ব্যক্তির বিবৃতি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হয়— যিনি: মারা গেছেন (dead), নিখোঁজ (cannot be found), সাক্ষ্যদানে অযোগ্য (incapable of giving evidence) বা যাঁর উপস্থিতি আদালতের জন্য অত্যন্ত সময় ও ব্যয়সাপেক্ষ (attendance cannot be procured without unreasonable delay or expense)
এই ধরনের পরিস্থিতিতে, তাদের পূর্বে দেওয়া মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি (যেমন: মৃত্যুকালীন ঘোষণা, ব্যবসায়িক দলিল, স্বার্থবিরোধী বক্তব্য ইত্যাদি) ৮টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক ও সাক্ষ্যযোগ্য হিসেবে ধারা ৩২-এ স্বীকৃত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations:
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.
৫,৪৮২.
দণ্ডবিধি ১০০ ধারায় উল্লেখিত কোনটি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের শর্ত নয়?
  1. গুরুতর আঘাতের আশঙ্কা।
  2. অপহরণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
  3. চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
  4. ধর্ষণ করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
সঠিক উত্তর:
চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
ব্যাখ্যা
→ "চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ" দণ্ডবিধি ১০০ ধারায় উল্লেখিত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের শর্ত নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:  
      (i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
      (ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
      (iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
      (vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
-------------------
The Penal Code, 1860- Section 100. When the right of private defence of the body extends to causing death:
-The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:- 
Firstly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault; 
Secondly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault; 
Thirdly.-An assault with the intention of committing rape; 
Fourthly.-An assault with the intention of gratifying unnatural lust; 
Fifthly.-An assault with the intention of kidnapping or abducting; 
Sixthly.-An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.
৫,৪৮৩.
রাষ্ট্রপতি কোন ধরনের দণ্ড কমাতে বা মওকুফ করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড
  2. কেবল কারাদণ্ড
  3. যে কোনো দণ্ড
  4. প্রশাসনিক শাস্তি ছাড়া অন্য কিছু নয়
সঠিক উত্তর:
যে কোনো দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো দণ্ড
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) যে কোনো দণ্ড।

​অনুচ্ছেদ ৪৯: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:
কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।

​Article 49: Prerogative of mercy-
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority.

৫,৪৮৪.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৩-এ কারাদণ্ডের কত প্রকার উল্লেখ আছে?
  1. দুটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
দুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি (১৮৬০), ধারা ৫৩-এ শাস্তির প্রকারভেদের মধ্যে 'কারাদণ্ড' (Imprisonment) দুই প্রকারের উল্লেখ করা হয়েছে:
- সশ্রম কারাদণ্ড (Rigorous Imprisonment: কঠিন শ্রমসহ)
- বিনাশ্রম কারাদণ্ড (Simple Imprisonment: শ্রম ছাড়া)
- এছাড়া, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদা সশ্রম হিসেবে বিবেচিত হয়, কিন্তু এটি কারাদণ্ডের পৃথক প্রকার নয়। 
- তাই মোট কারাদণ্ডের প্রকার দুটি।


⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন।
- দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)
- দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও বিনাশ্রম।
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 53. Punishments:
The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted].
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:-
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;
Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.
Explanation: -In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.

৫,৪৮৫.
একই মামলায় প্রদত্ত বিবৃতি পরবর্তী মামলায় প্রাসঙ্গিক হবে যদি উক্ত ব্যক্তি _
  1. মৃত হয়।
  2. নিরুদ্দেশ হয়
  3. সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হলে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা ৩৩ অনুযায়ী- সাক্ষী মামলার বিচারক্রমে বা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা সম্পন্ন কোন ব্যাক্তির নিকট যে সাক্ষ্য দেয়, উক্ত সাক্ষীর মৃত্যু হলে, সন্ধান পাওয়া না গেলে, সে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হয়ে পড়লে, বিরুদ্ধ পক্ষ তাকে সরিয়ে রাখলে অথবা তাকে উপস্থিত করার জন্য সে সময় ও অর্থের প্রয়োজন, মামলার অবস্থা বিবেচনায় আদালত তা অযৌক্তিক বলে মনে করলে, উক্ত সাক্ষীর পুর্বোক্ত সাক্ষ্যে বর্ণিত কোন ঘটনার সত্যতা পরবর্তী কোন মামলায় বা একই মামলায় পরবর্তী পর্যায়ে প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হবে (শর্তসাপেক্ষে)।
৫,৪৮৬.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় মোট কয়টি ব্যাখ্যা (Explanation) রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ৩টি।
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় ৩টি ব্যাখ্যা রয়েছে: ১) অসুস্থ বা অপারগ ব্যক্তির মৃত্যু ত্বরান্বিত করা শাস্তিযোগ্য। ২) দৈহিক আঘাতের কারণে মৃত্যু ঘটলে, আঘাতকারীকে দায়ী করা হবে। ৩) মাতৃগর্ভে শিশুর মৃত্যু নরহত্যা নয়, তবে জন্মের পর মৃত্যু ঘটানো শাস্তিযোগ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা:- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক, জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
- Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.
Explanation-1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation-2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
Explanation-3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৫,৪৮৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দানের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩০৫
  2. ৩০৬
  3. ৩০৭
  4. ৩০৮
সঠিক উত্তর:
৩০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৬
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করে এবং অন্য কোনো ব্যক্তি তাকে আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচিত করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবে।
- এই অপরাধের জন্য দণ্ডবিধিতে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years and shall also be liable to fine.
৫,৪৮৮.
খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ কর্তৃক আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ, তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ১৫১
  2. ১৫৩
  3. ১৫৭
  4. ১৬৩
সঠিক উত্তর:
১৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

⇒ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
- The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।

অর্থাৎ খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ, তামাদি আইনের ১৫৭ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
৫,৪৮৯.
স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রদত্ত রায় পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬১

[Court of Small Causes] স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের রায় অথবা স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হিসাবে বিচার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন আদালত কর্তৃক অনুরূপ এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায় পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত

তামাদি- ১৫ দিন
সময় গণনা শুরু- ডিক্রি বা আদেশের তারিখ হতে।
৫,৪৯০.
'ক' এবং 'খ' কে যৌথভাবে 'গ' এর হত্যার জন্য বিচার করা হচ্ছে। 'ক' এর স্বীকারোক্তি যে "আমি এবং 'খ' 'গ' কে হত্যা করেছি" - আদালত এই স্বীকারোক্তি কার বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারবে?
  1. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে
  2. শুধুমাত্র 'খ' এর বিরুদ্ধে
  3. 'ক' এবং 'খ' উভয়ের বিরুদ্ধে
  4. কারও বিরুদ্ধেই না
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ের বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩০ অনুসারে, যখন একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের (যেমন হত্যা) জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং একজনের স্বীকারোক্তি (কনফেশন) যা নিজেকে এবং অন্যদের প্রভাবিত করে (অর্থাৎ, অন্যদের অপরাধের সাথে জড়িত দেখায়), তখন আদালত সেই স্বীকারোক্তি অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে। এখানে 'ক'-এর স্বীকারোক্তি ("আমি এবং 'খ' 'গ'-কে হত্যা করেছি") নিজেকে এবং 'খ'-কে প্রভাবিত করে, এবং যেহেতু তারা যৌথভাবে বিচারাধীন, তাই এটি উভয়ের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে বিবেচ্য।

ধারার ইলাস্ট্রেশন (a)-এও একইভাবে উল্লেখ আছে: A এবং B যৌথভাবে C-এর হত্যার জন্য বিচার। A-এর স্বীকারোক্তি ("B এবং আমি C-কে হত্যা করেছি") B-এর বিরুদ্ধেও বিবেচ্য। যদি যৌথ বিচার না হয় (ইলাস্ট্রেশন b), তাহলে অন্যের বিরুদ্ধে বিবেচনা করা যায় না।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 30. Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence:
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.
Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.

Illustrations:
(a) A and B are jointly tried for the murder of C. It is proved that A said-"B and I murdered C." The Court may consider the effect of this confession as against B.
(b) A is on his trial for the murder of C. There is evidence to show that C was murdered by A and B, and that B said- "A and I murdered C".
This statement may not be taken into consideration by the Court against A, as B is not being jointly tried.

৫,৪৯১.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর কোন ধারা অনুসারে বিবাদীর বাংলাদেশের বাইরে অবস্থানকালীন সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দেওয়া হয়?
  1. ধারা ১৫
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৩ অনুযায়ী, বিবাদী যদি বাংলাদেশের বাইরে থাকে, তার অনুপস্থিতির সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে।
উদাহরণ: বিবাদী ২ বছর বিদেশে থাকলে, সেই ২ বছর তামাদি মেয়াদের হিসাবে গণনা হবে না।
 - এই বিধান শুধু মামলা (Suit)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য (আপিল/দরখাস্ত নয়)।
-  সুতরাং, বিবাদীর বিদেশ অবস্থানকালীন সময় বাদ দেওয়ার বিধানটি ধারা ১৩-তে বর্ণিত।

⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী, যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকে, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনার সময় তার অনুপস্থিতির সময় বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, বিবাদী যতদিন অনুপস্থিত থাকবে, সেই সময় তামাদি গণনার মধ্যে পড়বে না, বরং সে ফিরে আসার পর তামাদি গণনা চলবে।
- এই বিধান বাদীর স্বার্থ রক্ষার জন্য রাখা হয়েছে, যাতে বিবাদির বিদেশে থাকার কারণে বাদী মামলা দায়েরের সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।
--------
⇒ The Limitation Act:- Section 13. Exclusion of the time of the defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.

৫,৪৯২.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুসারে, নিম্নের কোনটি অপথে গৃহে প্রবেশ (House Breaking) এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. তালা ভেঙে গৃহে প্রবেশ করা
  2. নতুন পথ তৈরি করে প্রবেশ করা
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা 'House breaking' বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
৫,৪৯৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী কোন ধরনের সম্পত্তির জন্য মামলা দায়ের করা যায়?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. অর্থ ও ক্ষতিপূরণ
  4. চুক্তিভিত্তিক সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১০ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির (specific moveable property) দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। এটি স্থাবর সম্পত্তি (immoveable property) বা আর্থিক ক্ষতিপূরণের জন্য প্রযোজ্য নয়, বরং অস্থাবর যেমন গাড়ি, জুয়েলারি ইত্যাদির জন্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ১:- এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ২:- সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

৫,৪৯৪.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় কোন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. জোরপূর্বক গ্রহণ
  2. ক্ষতিসাধন বা অনিষ্টসাধন
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে (criminal conspiracy) কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে to do a legal act by illegal means] সম্মত হয় তখন উক্ত ব্যক্তিরা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে বলে গণ্য হবে।

শর্ত বা উপাদান:
১. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দুই (২) বা ২ এর অধিক ব্যক্তি বা সদস্য থাকতে হবে;
২. যাদেরকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে অপরাধ করার একটি সম্মতি [Agreement] থাকতে হবে;
৩. সম্মতি [Agreement] টি হতে হবে-
1. কোন অবৈধ কাজ করতে বা
II. কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে।
৫,৪৯৫.
A Family Court may, if it so deems fit, hold the whole or any part of the proceedings under the Ordinance in camera, বিধানটি The Family Courts Ordinance, 1985 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
  4. ১৩
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
A Family Court may, if it so deems fit, hold the whole or any part of the proceedings under the Ordinance in camera, বিধানটি The Family Courts Ordinance, 1985 এর ১১ ধারায় বর্ণিত ছিল।

• বর্তমানে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ প্রনীত হয়। এটি ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন।

এই আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী-

(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
৫,৪৯৬.
According to Section 60 of The Evidence Act, 1872, Oral evidence must be ______.
  1. proved
  2. direct
  3. accurate
  4. disproved
সঠিক উত্তর:
direct
উত্তর
সঠিক উত্তর:
direct
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে-
মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct)।

অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৫,৪৯৭.
কোনটি ব্যভিচারের উপাদান?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তি নারীর সহিত সঙ্গম করে থাকে
  2. উক্ত নারী বিবাহিত থাকে
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তি জানেন যে যৌন সঙ্গমকারী নারী অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী
  4. উপরে বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচার:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

⇒ Section 497. Adultery:- Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.
৫,৪৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার সম্পত্তি কখন ক্রোক করা যেতে পারে?
  1. ডিক্রি জারির সময়
  2. নোটিশ প্রদানের সময়
  3. মামলা দায়েরের সময়
  4. কখনোই ক্রোক করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী, যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার পদাধিকারবলে (official capacity) কৃত কাজের কারণে মামলা দায়ের করা হয়, তাহলে তার সম্পত্তি কেবলমাত্র ডিক্রি কার্যকর করার সময় (i.e., execution of decree) ক্রোক করা যেতে পারে।

- আইনের ভাষা (ধারা ৮১ এর (a) অংশ): "the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree"
অর্থাৎ, ডিক্রি ছাড়া অন্য কোনো কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক (attachment) করা চলবে না।
→ সুতরাং সরকারি কর্মকর্তার পদাধিকারবলে কৃত কার্য সংক্রান্ত মামলায় তার সম্পত্তি শুধুমাত্র ডিক্রি কার্যকর করতে গিয়ে ক্রোক করা যায়, এর বাইরে নয়।
তাই সঠিক উত্তর: ক) ডিক্রি জারির সময়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ - গ্রেফতার ও হাজিরা হতে অব্যাহতি:
পদাধিকারে বলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করা হয়ে থাকলে—
ক) বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রিজারী ব্যতিত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং
খ) যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে নিঃসন্দিহান হন যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেক্ষেত্রে ইহা তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিবে।
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 81. Exemption from arrest and personal appearance:
-In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity- 
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and, 
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
৫,৪৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারায় বিদেশি আদালতের কোন কার্যক্রম সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে?
  1. বিদেশি সাক্ষীর বক্তব্য গ্রহণ
  2. বিদেশি আদালত থেকে কমিশন জারি
  3. বিদেশি আদালতের আদালত ফি নির্ধারণ
  4. বিদেশি আদালতের জন্য আইনি ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
বিদেশি আদালত থেকে কমিশন জারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি আদালত থেকে কমিশন জারি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারায় বিদেশি আদালত থেকে কমিশন জারি সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, বিদেশে অবস্থিত এবং বাংলাদেশ সরকারের কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বা অনুমোদিত কোনো আদালত, অথবা বিদেশী কোনো রাষ্ট্রের আদালত, যদি সাক্ষীদের পরীক্ষার জন্য বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কমিশন জারি করে, তবে সেই কমিশনটির নির্বাহী এবং ফেরত আনা প্রক্রিয়া বাংলাদেশে প্রযোজ্য হবে, তবে নির্দিষ্ট শর্তাবলী এবং সীমাবদ্ধতার অধীনে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো (খ) বিদেশি আদালত থেকে কমিশন জারি।

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 78. Commissions issued by foreign Courts.
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the provisions as to the execution and return of commissions for the examination of witnesses shall apply to commissions issued by or at the instance of- 
(a) Courts situate beyond the limits of Bangladesh and established or continued by the authority of Government, or 
(c) Courts of any State or country outside Bangladesh.
৫,৫০০.
'খ' একজন পুলিশ কর্মকর্তা আদালতের নির্দেশে 'ক'-কে আইনানুগভাবে গ্রেফতার করে। এতে 'ক' প্রচণ্ডভাবে উত্তেজিত হয়ে 'খ' কে হত্যা করে। 'ক' পেনাল কোডের কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ৩০০
  2. ৩০২
  3. ৩০৪
  4. ৩০৪-এ
সঠিক উত্তর:
৩০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০২
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নটি দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১- এর উদাহরণ (গ) এ দেয়া আছে।

ব্যতিক্রম ১ এ বলা আছে-
মারাত্মক বা আকস্মিক প্ররোচনায় সংযম হারাইয়া প্ররোচনাকারীকে বা ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাক্রমে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে তা খুন বলে গণ্য হবে না। কিন্তু এখানে 'খ' একজন সরকারি কর্মচারী এবং সে তার দায়িত্ব পালন করেছে। এক্ষেত্রে তার হত্যা 'খুন' বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য যে,
আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের সময় আসামি কোন ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধটি করেছে, তার উল্লেখ করতে হয়। অর্থাৎ যে ধারাতে অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া আছে সে ধারা উল্লেখ করতে হয় না; যে ধারাতে অপরাধের শাস্তির উল্লেখ আছে সে ধারা উল্লেখ করতে হয়।

বর্ণিত ঘটনাটি ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম অনুযায়ী একটি খুন। আর খুনের শাস্তি (Punishment of Murder] উল্লেখ আছে ৩০২ ধারায়। সুতরাং প্রশ্নের ঘটনাটি ৩০২ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।