বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৫৩ / ১৫৫ · ৫,২০১৫,৩০০ / ১৫,৪৭০

৫,২০১.
ধারা ৪৫ক (১) অনুসারে, বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর প্রতিবেদন কাকে প্রদান করতে হয়?
  1. কেবল আদালতকে
  2. কেবল মামলার বাদীকে
  3. কেবল আসামিকে
  4. সকল পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
সকল পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল পক্ষকে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক: বিশেষজ্ঞের মতামত শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে:
(১) আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যতক্ষণ না তার প্রতিবেদনটি (উপ-ধারা ২ অনুযায়ী) সমস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়।

(২) বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হবে এবং কোনো পক্ষের পক্ষে নয়, এবং বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হচ্ছে আদালতকে সাহায্য করা।

৫,২০২.
এক ফৌজদারি মামলায় 'A' বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়। উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল চলাকালীন 'A' মারা যায়। এক্ষেত্রে উক্ত আপিল-
  1. পণ্ড হবে
  2. বাতিল হবে
  3. বাতিল হবে না
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 
 
অর্থাৎ জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।
 
Section 431- Abatement of appeals-
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
৫,২০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. চুক্তি অবৈধ হলে
  2. ক্ষতি নির্ধারণের মানদন্ড থাকলে
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে
  4. ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে, নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়: যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে (when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust);
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে (when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done);
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে (when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief); এবং
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে (when it is probable that pecuniary compensationcannot be got for the non-performance of the act agreed to be done) চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৫,২০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা অনুযায়ী, ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য কত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ক্রোকী সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের সময়সীমা- ৮৯ ধারামতে যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি ক্রোকের তারিখ থেকে ২ বৎসরের মধ্যে অথবা উক্ত ব্যক্তি ব্যতীত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কোন ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারে।
- পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না;
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার :
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 89.Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the net proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the net proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying there out all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
৫,২০৫.
সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন প্রথম কত সালে বিধিবদ্ধ হয়েছিল?
  1. ১৮৫৯ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৯১ সালে
  4. ১৯০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা

• সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়। বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি। এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে, মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কিভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে, মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে, সমন জারি,পক্ষসমূহের শুনানীর সময় উপস্থিতি, মোকদ্দমার শুনানী, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি এবং বলবৎকরণ,আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।

৫,২০৬.
মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন কে?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কমিশনার
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৪৪(৭) ধারার বিধান মহানগর এলাকার জন্য প্রযোজ্য নয় অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে পারেন না কিন্তু মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনারকে ১৪৪ ধারা জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

- আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  
-১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
- ১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌
৫,২০৭.
ফৌজদারি মামলার সমনে কার স্বাক্ষর থাকা আবশ্যক?
  1. অভিযোগকারীর
  2. সমন প্রাপ্ত ব্যক্তির
  3. পুলিশ অফিসারের
  4. আদালতের বিচারকের
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারকের
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম: 
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে
 
(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 68- Form of summons:
(1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.

Summons by whom served:
(2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.

৫,২০৮.
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৪ ধারায় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধান সংযোজনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন নীতি অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. Per se
  2. Per capita
  3. Per stripes
  4. Per diem
সঠিক উত্তর:
Per stripes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Per stripes
ব্যাখ্যা
⇒ Per stripes:
The doctrine of per stirpes refers to the system of distributing an inheritance when a beneficiary who is entitled to receive it has died before receiving their share. 
Under per stirpes:
- If a beneficiary dies before the inheritance is distributed, their children will "step into their shoes". The beneficiary's children will inherit the share their parent would have received, dividing it equally between them.
So in short, if a named beneficiary in a will or trust has already died when distribution occurs, the per stirpes system allows their lineal descendants to inherit in their place, keeping the inheritance distribution aligned to the family tree structure.

⇒ Section 4. Succession

 In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.

⇒অর্থাৎ যার সম্পত্তি বণ্টন হবে তার মৃত্যুর পূর্বে তার কোন পুত্র বা কন্যা মারা গেলে এবং উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি বণ্টনের সময় উক্ত মৃত পুত্র বা কন্যার কোন সন্তানাদি জীবিত থাকলে তারা সেই হারে সম্পত্তি পাবে, যা তাদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতো। এটাকে প্রতিনিধিত্বের মতবাদ বা Doctrine of Representation বলা হয়।
- Per stripes নীতি এবং প্রতিনিধিত্বের মতবাদের মূল বক্তব্য একই। 

-তাইলে আমরা বলতে পারি যে The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৪ ধারায় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধান সংযোজনের ক্ষেত্রে Per stripes নীতি অনুসরণ করা হয়েছে। 
৫,২০৯.
'Subordination of Executive, Judicial and Metropolitan Magistrates'- এটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১১ ধারা
  2. ১২ ধারা
  3. ১৬ ধারা
  4. ১৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারা
ব্যাখ্যা
Section 17- Subordination of Executive,Judicial and Metropolitan Magistrates:
(1) All Executive Magistrate appointed under section 10 and 12 (1) shall be subordinate to the District Magistrate who, from time to time, give special order consistent with this Code as to the distribution of business among such Magistrates.

(2) All Judicial Magistrates appointed under section 11 and 12 (3) and all Benches constituted under section 15 shall be subordinate to the Chief Judicial Magistrate who may, from time to time give special orders consistent with this Code and rules made by the Government under section 16 as to the distribution of business among Magistrates and Benches.

(3) All Metropolitan Magistrates including Additional Chief Metropolitan Magistrate, and Special Metropolitan Magistrate appointed under section 12 (5) and Benches constituted under section 19, shall be subordinate to the chief Metropolitan Magistrate, who may, from time to time, give special orders consistent with this Code and rules made by the Government under section 16 as to the distribution of business among such Magistrates and Benches.

(4) All Judicial Magistrates including the Chief Judicial Magistrate shall be subordinate to the Sessions Judge and all Metropolitan Magistrates including the Chief Metropolitan Magistrate shall be subordinate to the Metropolitan Sessions Judge.

বাংলা অর্থ:
(১) ধারা ১০ এবং ১২(১) এর অধীনে নিযুক্ত সকল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন থাকবেন, যিনি সময় সময় এই কোডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে কাজের বন্টন সম্পর্কে।

(২) ধারা ১১ এবং ১২(৩) এর অধীনে নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ধারা ১৫ এর অধীনে গঠিত সকল বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন থাকবেন, যিনি সময় সময় এই কোড এবং সরকার কর্তৃক ধারা ১৬ এর অধীনে প্রণীত বিধিমালার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলির মধ্যে কাজের বন্টন সম্পর্কে।

(৩) ধারা ১২(৫) এর অধীনে নিযুক্ত সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সহ অতিরিক্ত প্রধান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ধারা ১৯ এর অধীনে গঠিত বেঞ্চসমূহ প্রধান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন থাকবে, যিনি সময় সময় এই কোড এবং সরকার কর্তৃক ধারা ১৬ এর অধীনে প্রণীত বিধিমালার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলির মধ্যে কাজের বন্টন সম্পর্কে।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেশন জজের অধীন থাকবেন এবং প্রধান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন সেশন জজের অধীন থাকবেন।
৫,২১০.
‘C’ ‘Z’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়ে যায়, ‘Z’-এর সম্মতি ছাড়া। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. অপহরণ
  2. চুরি
  3. প্রতারণা
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৪ অনুসারে, পশুকে প্রলোভন দিয়ে নিয়ে যাওয়া চুরি। এখানে, ‘C’ ‘Z’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়েছে, যা ধারা ৩৭৮-এর অধীনে চুরি।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

৫,২১১.
‘ক’ নতুন দালান নির্মাণের মাধ্যমে ‘খ’-এর আলোর গমনাগমন ও ব্যবহারের অধিকারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে, যা ‘খ’-এর অধিকার লঙ্ঘন করছে। আদালত ‘ক’-কে বাধা সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখার এবং দালান ভাঙার আদেশ দেন। আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় এই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে?
  1. ৫৩ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।

৫৫ ধারার মূল বক্তব্য:
যদি কোনো বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন হয়ে থাকে এবং তা রোধ করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা প্রয়োজন হয়, তবে আদালত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) প্রদান করতে পারেন।

এই ক্ষেত্রে, ‘ক’ নতুন দালান নির্মাণের মাধ্যমে ‘খ’-এর আলোর গমনাগমনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে, যা ‘খ’-এর অধিকার লঙ্ঘন করছে। আদালত ‘ক’-কে শুধু বাধা দেওয়া নয়, বরং দালান ভেঙে ফেলারও নির্দেশ দিয়েছেন, যা ৫৫ ধারার আওতাভুক্ত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার বিষয়।
৫,২১২.
মামলার শুনানি শেষে আদালত কী প্রদান করে?
  1. রায়
  2. সমন
  3. নোটিশ
  4. অভিযোগপত্র
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,
কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে।

Section 33- Judgment and decree:
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment and on such judgment a decree shall follow.
৫,২১৩.
দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার অধীনে কোনটি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া
  2. মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান
  3. মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে দাঙ্গা করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা- মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান করা:
কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 144- Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:
Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৫,২১৪.
"Intention of causing death is not essential" দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কত নম্বর অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১ম অনুচ্ছেদে
  2. ২য় অনুচ্ছেদ
  3. ৩য় অনুচ্ছেদে
  4. ৪র্থ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৪র্থ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

অর্থাৎ যে কার্য সকল সম্ভাব্য ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটাবে, সেই কার্যের দ্বারা মৃত্যু ঘটানো হলে তা খুন বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে খুনের জন্য মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় থাকা আবশ্যক না।
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার চতুর্থ নম্বর অনুচ্ছেদে 'Intention of causing death is not essential' বিধানটি ফোটে উঠেছে।

যেমন- ক কোন অজুহাত ছাড়াই একটি গুলি ভর্তি কামান হতে জনতার প্রতি গুলিবর্ষণ করে এবং জনতার একজনকে হত্যা করে। এখানে ক খুনের দায়ে অপরাধী হবে, যদিও কোন বিশেষ লোককে নিহত করার জন্য ক-এর কোনরূপ পূর্বকল্পিত অভিপ্রায় ছিল না। কেননা কোন আসন্ন বিপদজনক কার্য যা সকল সম্ভাব্য ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটাবে, সে ধরনের কার্যের দ্বারা মৃত্যু ঘটানো হলে তা খুন বলে গণ্য হবে।
৫,২১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারায় কোন ধরনের সমন জারির বিধান উল্লেখ আছে?
  1. স্থানীয় সমন
  2. বিদেশি সমন
  3. ফৌজদারি সমন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারা- বিদেশি সমন জারি:
বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোন দেওয়ানি অথবা রাজস্ব আদালতের সমন এবং অন্যান্য ওয়ারেন্ট বাংলাদেশের আদালতসমূহে প্রেরণ করা যেতে পারে এবং উক্ত সমন অনুরূপ আদালত মারফত প্রদত্ত সমন হিসাবে জারি করা যেতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে অনুরূপ আদালত সমূহে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে ঘোষণা করবে।

Section 29: Service of foreign summons:
Summons and other processes issued by any Civil or Revenue Court situate outside Bangladesh may be sent to the Courts in Bangladesh and served as if they were summonses issued by such Courts:
Provided that the Government has by notification in the official Gazette declared the provisions of this section to apply to such Courts.
৫,২১৬.
A, B এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে, মাঠটির উপর দিয়ে সবার চলাচলের অধিকার ছিল যা সম্পর্কে A এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে তা B এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল, এই ক্ষেত্রে-
  1. A চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  2. B চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  3. B চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
B চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইন ১৮৭২ এর ১৯ ও ১৯(ক) ধারার বিধান মতে
জবরদস্তি, প্রতারনা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা সম্মতি আদায় করা হলে সম্মতি দানকারী পক্ষ চুক্তি বাতিল করতে পারবে
(সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী চুক্তিটি বাতিল যোগ্য) যেহেতু B এর নিকট তথ্য গোপন/মিথ্যা বলে মাঠ বিক্রয় করা হয়েছে।
৫,২১৭.
বাদী আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মুলতবির খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে, আদালত-
  1. মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
  2. মোকদ্দমাটি একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তি করতে পারে
  3. ক বা খ
  4. মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতুবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতুবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে।আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

খরচ প্রদানে ব্যর্থতার ফলাফল- [আদেশ ১৭ বিধি ১(৩) এবং ১(৪) বিধি]

⇒ ১৭ আদেশের ১নং বিধির অধীন আদালত বাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ [Dismissed the suit] করে দিতে পারে;

⇒ আবার, বিবাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তির [Disposed of ex parte] আদেশ দিতে পারে।
৫,২১৮.
নিম্নের কোন কাজ অকৃষি ভূমির “উন্নয়ন” হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. রাস্তা নির্মাণ করা
  2. ড্রেনেজ সংযোগ দেয়া
  3. বায়ু চলাচলের খোলা জায়গা রাখা
  4. যে কাজ সম্পত্তির মূল্য হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
যে কাজ সম্পত্তির মূল্য হ্রাস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কাজ সম্পত্তির মূল্য হ্রাস করে
ব্যাখ্যা
NAT Act, 1949- ধারা ৬৪: "Improvement" (উন্নয়ন)-
এই আইনের উদ্দেশ্যে "উন্নয়ন" (Improvement) বলতে এমন কোনো কাজকে বোঝায়- যা কোনো অকৃষি জমির মূল্য বৃদ্ধি করে, যা সেই জমির জন্য উপযোগী, এবং ধারা ৪-এ উল্লিখিত যেকোনো নির্ধারিত ব্যবহার অনুযায়ী কাজটি উপযুক্ত, এবং কাজটি যদি সরাসরি সেই জমির ওপর করা না হয়, তবুও তা যদি সেই জমির উপকারে আসে, তাহলে সেটি "উন্নয়ন" হিসেবে গণ্য হবে।

এইরূপ উন্নয়নমূলক কাজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে, যথা-
(ক) পথ বা রাস্তা তৈরি করা,
(খ) বায়ু চলাচলের জন্য খোলা স্থান রাখা,
(গ) পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা,
(ঘ) ড্রেনেজ (পয়নিষ্কাশন) সংযোগ স্থাপন করা।

তবে, কোনো অকৃষি প্রজার দ্বারা সম্পাদিত এমন কোনো কাজ, যা জমিদারের সম্পত্তির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে, তা "উন্নয়ন" হিসেবে গণ্য হবে না।
৫,২১৯.
The General Clauses Act, 1897 এর ১৮ ধারার বিধান কী?
  1. Gender and number
  2. Substitution of functionaries
  3. Successors
  4. Computation of time
সঠিক উত্তর:
Successors
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Successors
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ১৮ ধারার বিধান ১৮ ধারার বিধান: উত্তরাধিকারী (Successors):
- সংসদের কোন আইন বা প্রবিধিতে, কোন কর্মভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গের বা স্থায়ী ধারাবাহিকতা সম্পন্ন কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে, কোন আইনের সম্পর্ক প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে, কর্মভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ বা কর্পোরেশনের সম্পর্ক ব্যক্ত করতে হবে।
--------------------
- Section 18. Successors:
(1) In any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, it shall be sufficient, for the purpose of indicating the relation of a law to the successors of any functionaries or of corporations having perpetual succession, to express its relation to the functionaries or corporations.
(2) This section applies also to all Acts of Parliament made after the third day of January, 1868, and to all Regulations made on or after the fourteenth day of January, 1887.
৫,২২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় নালিশ খারিজ করতে ম্যাজিস্ট্রেট বিবেচনা করবেন না-
  1. ২০০ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য
  2. ২০২ ধারার অধীন তদন্ত বা অনুসন্ধানের ফলাফল
  3. ১৯২ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
১৯২ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজ করে দিতে পারেন। যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হয়েছিল বা যার নিকট নালিশটি বদলি করা হয়েছিল, শুধুমাত্র সেই ম্যাজিস্ট্রেট ২০৩ ধারায় নালিশ খারিজ করতে পারে্ন।

• নালিশ খারিজ করতে ম্যাজিস্ট্রেট যে সকল বিষয় বিবেচনা করবেন-

ক) ২০০ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য (যদি থাকে) এবং

খ) ২০২ ধারার অধীন তদন্ত বা অনুসন্ধানের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করবেন

• নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য (যদি থাকে) এবং ২০২ ধারার অধীন তদন্ত বা অনুসন্ধানের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করার পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করে যে, মামলা পরিচালনা বা অগ্রসর হওয়ার কোন কারণ নেই, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজ করতে পারেন।
৫,২২১.
কখন একটি প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যাবে?
  1. প্রস্তাবটি গ্রহণের পরে যেকোনো সময়
  2. প্রস্তাবটি গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছানোর আগে
  3. প্রস্তাবটি গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছানোর পর
  4. প্রস্তাবকারীর ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো সময়
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবটি গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছানোর আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবটি গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছানোর আগে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫- প্রস্তাব এবং গ্রহণের প্রত্যাহার:
একটি প্রস্তাব তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর গ্রহণকারীকে প্রস্তাবের গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না। একইভাবে, একটি গ্রহণ তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর প্রস্তাবককে গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না।

উদাহরণ:
- A একটি চিঠি পোস্টের মাধ্যমে তার বাড়ি B-কে বিক্রি করার প্রস্তাব দেয়।
- B একটি চিঠি পোস্টের মাধ্যমে প্রস্তাবটি গ্রহণ করে।
- A তার প্রস্তাবকে প্রত্যাহার করতে পারে যে *কোনো সময় B তার গ্রহণের চিঠি পোস্ট করার আগে বা ঠিক সেই সময়েই, কিন্তু পরে না।
- B তার গ্রহণকে প্রত্যাহার করতে পারে যে কোনো সময় বা ঠিক সেই সময়েই, যখন চিঠিটি A-র কাছে পৌঁছায়, কিন্তু পরে না।

Section 5- Revocation of proposals and acceptances:
A proposal may be revoked at any time before the communication of its acceptance is complete as against the proposer, but not afterwards.
An acceptance may be revoked at any time before the communication of the acceptance is complete as against the acceptor, but not afterwards.

Illustrations-
- A proposes, by a letter sent by post, to sell his house to B.
- B accepts the proposal by a letter sent by post.
- A may revoke his proposal at any time before or at the moment when B posts his letter of acceptance, but not afterwards.
- B may revoke his acceptance as any time before or at the moment when the letter communicating it reaches A, but not afterwards.
৫,২২২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৪ কোন বিশেষ ধরনের সাক্ষীর সাথে সম্পর্কিত?
  1. বোবা সাক্ষী
  2. বৈরী সাক্ষী
  3. নাবালক সাক্ষী
  4. বিশেষজ্ঞ সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
বৈরী সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈরী সাক্ষী
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৪ বিশেষভাবে বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) এর সাথে সম্পর্কিত।
- ধারা ১৫৪ অনুসারে, আদালত যখন দেখে যে, একজন সাক্ষী নিজের পক্ষের বিপরীতে বা বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তখন তাকে বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) বলা হয়। সাধারণত, একটি পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না, কারণ সাক্ষী ওই পক্ষের পক্ষেই সাক্ষ্য দেবে। তবে, যদি সাক্ষী বিরুদ্ধ অবস্থান নেয় বা সত্য গোপন করতে থাকে, তখন আদালত অনুমতি দেয় সেই পক্ষকে তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করার জন্য, যা সাধারণত প্রতিপক্ষ করে থাকে।
- এই বিধানটি বৈরী সাক্ষী সম্পর্কিত এবং ধারা ১৫৪ অনুযায়ী, আদালত তার বিচারিক বিবেচনায় অনুমতি দেয় যে, সাক্ষীকে জেরা করার জন্য।
- সঠিক উত্তর: খ) বৈরী সাক্ষী। 

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 154. Question by party to his own witness:
 - The Court may, in its discretion, permit the person who calls a witness to put any questions to him which might be put in cross-examination by the adverse party.

৫,২২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১(ছ)-এর অধীনে, কোন চুক্তির কার্য সম্পাদন যদি ৩ বছরের বেশি সময় ধরে চলে, তাহলে তা—
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাধ্যতামূলক হবে
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  4. আদালতের অনুমতি প্রাপ্ত হলে কার্যকর হবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২১(ছ)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যে চুক্তির কার্য সম্পাদন একটি অবিরত দায়িত্ব পালনের সাথে জড়িত যা তার তারিখ থেকে তিন বছরের বেশি সময়কাল বিস্তৃত, সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। এর কারণ হলো, এ ধরনের চুক্তির তত্ত্বাবধান এবং নির্বাহ আদালতের জন্য অসম্ভবভাবে জটিল হয়ে পড়ে, যা সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.

৫,২২৪.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর কত ধারা অনুযায়ী শোনা সাক্ষ্য ( Hearsay Evidence) সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য না?
  1. ধারা ৫৯
  2. ধারা ৬০
  3. ধারা ৬১
  4. ধারা ৬২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬০
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অথাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
৫,২২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order XXI-এর কোন বিধি (Rule) তে "Execution in case of Cross-claims under same decree" সংক্রান্ত বিধান রয়েছে? 
  1. Rule-11
  2. Rule-19
  3. Rule-26
  4. Rule-35
সঠিক উত্তর:
Rule-19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule-19
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর Order XXI ডিক্রি ও আদেশের জারি (Execution) সম্পর্কিত বিধান প্রদান করে। এই আদেশের Rule 19-এ একই ডিক্রির অধীনে দুই পক্ষ পরস্পরের নিকট অর্থ পাওয়ার দাবির (Cross-claims) ক্ষেত্রে কিভাবে জারি কার্য পরিচালিত হবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
⇒ পাল্টা দাবী (Cross claims)- ২১ নং আদেশের ১৯ নং বিধি অনুযায়ী, যে ডিক্রি অনুসারে দুইপক্ষ পরষ্পরের নিকট টাকা আদায়ের অধিকার লাভ করে, সেই ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করা হলে, তখন-
ⅰ)যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে উভয়টির পরিতুষ্টি ডিক্রির উপর লিখতে হবে; এবং
ii) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে যে পক্ষ বৃহত্তর পরিমাণ অংকের অধিকারী, ঐ পক্ষ ক্ষুদ্রতর অংশ বাদে শুধু অবশিষ্ট অংকের টাকার জন্য ডিক্রি জারি করাতে পারবে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের জন্য ডিক্রিতে পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করতে হবে।
⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Order-21 Rule-19. Execution in case of cross-claims under same decree:
Where application is made to a Court for the execution of a decree under which two parties are entitled to recover sums of money from each other, then−
(a) if the two sums are equal, satisfaction for both shall be entered upon the decree; and,
(b) if the two sums are unequal, execution may be taken out only by the party entitled to the larger sum and for so much only as remains after deducting the smaller sum, and satisfaction for the smaller sum shall be entered upon the decree.
৫,২২৬.
দণ্ডবিধ ১৮৬০ অনুযায়ী নির্জন কারাবাস এককালীন কত দিনের অধিক হতে পারবে না?
  1. এককালীন ১৪ দিন
  2. এককালীন ১ মাস
  3. এককালীন ৭ দিন
  4. সর্বমোট ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
এককালীন ১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এককালীন ১৪ দিন
ব্যাখ্যা
• শুধুমাত্র সশ্রম কারাদন্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়।
• ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদন্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না।
• নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।
৫,২২৭.
পুলিশ 'ক' কে অবৈধ মাদক আমদানির জন্য গ্রেফতার করে। 'ক' পুলিশের নিকট বলে যে, তার উত্তরার বাড়িতে আরও ১০ বস্তা মাদক আছে। পুলিশ 'ক' এর বাড়ি তল্লাশী করে ১০ বস্তা মাদক উদ্ধার করে। এই ক্ষেত্রে ক-এর স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে-
  1. অপ্রাসঙ্গিক হবে
  2. প্রাসঙ্গিক হবে
  3. আদলতে গ্রহণযোগ্য হবে না
  4. আংশিক প্রাসঙ্গিক ও আংশিক অপ্রাসঙ্গিক হবে
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।


⇒ ধারাঃ-২৫। পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদান করা স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা হবে নাঃ- পুলিশ কর্মকর্তার নিকট অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি দেয় স্বীকার করে থাকলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।
⇒ পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি- সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারামতে পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) অগ্রহনযোগ্য হবে, তবে সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারামতে পুলিশের নিকট আসামীর প্রদত্ত confession বা তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত উদ্ধার হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
---------------
How much of information received from accused may be proved:
Section 27. Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
৫,২২৮.
আদেশ ২৩ বিধি-১ অনুযায়ী, কতিপয় বাদীর মধ্যে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতীত মোকদ্দমা প্রত্যাহারের অনুমতি আদালত-
  1. দিতে পারে
  2. দিতে পারে না
  3. শুধু বিশেষ ক্ষেত্রে পারে
  4. আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে
সঠিক উত্তর:
দিতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৩ বিধি-১: মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:

১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট এটি সন্তোষজনক হয় যে,-
ক) কিছু রীতিসিদ্ধ ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে; অথবা
খ) মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর জন্য বা কোন দাবীর অংশের জন্য নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজুর জন্যবাদিকে অনুমতি প্রদান করার অন্যান্য যথেষ্ট অজুহাত থাকে,সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বাদিকে উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা কোন বাদির উক্ত অংশ সম্পর্কে নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজু করার স্বাধীনতাসহ উক্ত মোকদ্দমা থেকে প্রত্যাহার করার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে উপবিধি (২) এ দায়েরে অনুমতি ব্যতীত বাদি মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করে সেক্ষেত্রে সে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা আংশিক দাবী সম্পর্কে নতুনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করতে বারিত হবে।

৪) এই বিধির কোন কিছুই আদালতকে কতিপয় বাদির মধ্যে থেকে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতীত মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।

Rule-1: Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.-
1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.

2) Where the Court is satisfied-
a) that a suit must fail by reason of some formal defect, or
b) that there are other sufficient grounds for allowing the plantiff to institute afresh suit for the subject-matter of a suit or part of a claim,it may, on such terms as it thinks fit, grant the plaintiff permission to withdraw from such suit or abandon such part of a claim with liberty to institute a fresh suit in respect of the subject-matter of such suit or such part of a claim.

3) Where the plaintiff withdraws from a suit, or abandons part of a claim, without the permission referred to in sub-rule (2), he shall be liable for such costs as the Court may award and shall be precluded from instituting any fresh suit in respect of such subject-matter or such part art of the claim.

4) Nothing in this rule shall be deemed to authorise the Court to permit one of several plaintiffs to withdraw without the consent of the others.
৫,২২৯.
'ক' এবং 'খ' এর মধ্যে একটি দলিল সম্পাদিত হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালত সেই দলিলটি বাতিল করে দেয়। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী-
  1. কোনো পক্ষই ক্ষতিপূরণ পাবে না
  2. বাদীপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাবে
  3. বিবাদীপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাবে
  4. ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাবে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত কোনো দলিল বিলুপ্ত বা বাতিল করার রায় প্রদান করে, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো করতে পারবে:
১. আদালত যে পক্ষের অনুকূলে দলিল বাতিলের রায় দিয়েছে, সে পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ন্যায্য ও  প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে।
২. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে বিচারিক ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী।

অর্থাৎ, আদালত নিজস্ব বিবেচনায় যে পক্ষের অনুকূলে দলিলটি বাতিল করেছে, সে পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে।। এটি করতে হবে ন্যায়বিচারের দাবী মোতাবেক। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো দলিল বাতিলের ফলে যে পক্ষের ক্ষতি হয়েছে, সে পক্ষকে প্রতিকারস্বরূপ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা।
৫,২৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারায় ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে, উক্ত সম্পত্তির মালিক কর্তৃক কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ২ বছরের মধ্যে
  4. ৩ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারঃ

যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে,
সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
৫,২৩১.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত কোন শর্তে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা "খুন" হিসেবে গণ্য হবে?
  1. শুধুমাত্র দুর্ঘটনাবশত মৃত্যু ঘটলে
  2. শুধুমাত্র আত্মরক্ষার জন্য মৃত্যু ঘটলে
  3. কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হলে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হলে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারা অনুসারে, খুনের শাস্তি তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন একটি কাজ এমন উদ্দেশ্যে করা হয় যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সেক্ষেত্রে, কার্যটি মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে করা হলে, সেটি শাস্তিযোগ্য "খুন" হিসেবে গণ্য হবে।
এই ধারায় ৪টি শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে:
১) মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করা: যদি কেউ মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে এবং তার কাজের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটে, তবে সেটি খুন হবে।
২) মৃত্যুর আশঙ্কা জানানো: যদি কাজটি এমনভাবে করা হয় যে, অপরাধী জানে বা বুঝতে পারে যে তার কাজটি মৃত্যুর কারণ হবে, তবে সেটি খুনের মধ্যে পড়বে।
৩) দৈহিক আঘাতের অভিপ্রায়: যে কাজটি করা হয়, তা এমন আঘাত সৃষ্টি করবে যা প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম হবে।
৪) বিপজ্জনক কাজ: এমন কোনো কাজ করা, যা এমন বিপজ্জনক এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে, এবং অপরাধী সেই ঝুঁকি গ্রহণ করে।
অন্যদিকে, দুর্ঘটনাবশত মৃত্যু বা আত্মরক্ষার জন্য মৃত্যু ঘটানো খুনের আওতায় পড়বে না, কারণ সেখানে মৃত্যুর উদ্দেশ্য ছিল না বা আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে ছিল।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 300: Murder:
-Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.

Illustration:
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.
৫,২৩২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের সিদ্ধান্ত কে নিতে পারেন?
  1. আদালত
  2. সরকারি কর্মকর্তা
  3. বাদীর আইনজীবী
  4. বিবাদীর আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক (রিসিভার) নিয়োগের সিদ্ধান্ত আদালত নিতে পারেন। আদালত যদি মনে করেন যে বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে রিসিভার নিয়োগ করা প্রয়োজন, তাহলে তিনি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন এবং আদালতের বিচারিক ক্ষমতার মধ্যে পড়ে।
- অতএব, রিসিভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত আদালত নিতে পারেন।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৫,২৩৩.
আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা-
  1. বেআইনী হবে
  2. বেআইনী হবে না
  3. বাতিল হবে
  4. পর্যালোচনা করা হবে
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৫,২৩৪.
ধারা ৩৭৭ অনুযায়ী অপরাধ সংঘটনের জন্য কী প্রয়োজনীয়?
  1. ইচ্ছাকৃতভাবে শারীরিক আঘাত করা
  2. ইচ্ছাকৃতভাবে যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করা
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পদ চুরি করা
  4. ইচ্ছাকৃতভাবে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃতভাবে যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃতভাবে যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা- অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ:
কোনো ব্যক্তি যদি প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কোন পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দেশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌন সঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট হবে।

Section 377⇒ Unnatural offences:
Whoever voluntarily has carnal intercourse against the order of nature with any man, woman or animal, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
Explanation- Penetration is sufficient to constitute the carnal intercourse necessary to the offence described in this section.
৫,২৩৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. এখতিয়ার সম্পন্ন যেকোনো আদালতে
  2. এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে
  3. এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ধারা ১৫ অনুযায়ী দেওয়ানি মোকদ্দমা, বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
৫,২৩৬.
আপিল করার অনুমতি (Leave to Appeal) দিতে অস্বীকার করলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ২০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ২ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫৩ এর বিধান: অধীনস্ত কোন আদালত আপীল বিভাগে লিভ-টু-আপীল প্রত্যাখ্যানের কোন আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীলের তামাদি মেয়াদ আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিন।

-অর্থাৎ তামাদি আইনের ১৫৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে আপিল করার অনুমতি দিতে অস্বীকার করলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল (Leave to Appeal) করার তামাদি মেয়াদ ৩০ দিন।
৫,২৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'জামিনদারের অব্যাহতি' আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৫০১
  2. ৫০২
  3. ৫০৩
  4. ৫০৫
সঠিক উত্তর:
৫০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি: জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।
-------------------------------
CrPC-Section 502: Discharge of sureties:-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৫,২৩৮.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় কয় শ্রেণীর দলিলকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ২ শ্রেণীর 
  2. ৩ শ্রেণীর 
  3. ৪ শ্রেণীর 
  4. ৫ শ্রেণীর 
সঠিক উত্তর:
৫ শ্রেণীর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ শ্রেণীর 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ,৬৩ ধারায় ৫ শ্রেণীর দলিলকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সাক্ষ্যআইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি
আদালতে উপস্থাপন করার মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ধারা ৬৩, মাধ্যমিক সাক্ষ্য: মাধ্যমিক বলিতে নিম্নলিখিতগুলিকে বুঝায়:
(১) এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুযায়ী প্রদত্ত জাবেদা নকল।
(২) মুল দলিল হইতে এইরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত করা নকল যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল।
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা কিংবা দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল।
(৪) কোনো দলিলের প্রতিলিপি, যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে।
(৫) যে লোক কোনো দলিল দেখাইয়াছে, তাহার দেওয়া ঐ দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ ।
-------------------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 63, Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.

৫,২৩৯.
দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি অপরাধীর স্বামী বা স্ত্রী তাকে আশ্রয় দেয়, তাহলে স্বামী বা স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোন বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড প্রযোজ্য হবে
  2. অর্থদণ্ড প্রযোজ্য হবে
  3. সাধারণ শাস্তি প্রযোজ্য হবে
  4. কোনো শাস্তি প্রযোজ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো শাস্তি প্রযোজ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো শাস্তি প্রযোজ্য হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা- অপরাধীকে আশ্রয় দান করার বিষয়ের বিধান রয়েছে-
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment):-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে

ব্যতিক্রম (Exception): দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৫,২৪০.
কোন ধরনের রিট যেকোনো নাগরিক করতে পারে?
  1. Prohibition, Mandamus
  2. Certiorari, Prohibition
  3. Mandamus, Certiorari
  4. Habeas Corpus, Quo-Warranto
সঠিক উত্তর:
Habeas Corpus, Quo-Warranto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Habeas Corpus, Quo-Warranto
ব্যাখ্যা

• রিট [Writ]
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

৫,২৪১.
দণ্ডবিধির ধারা ৫০৩ অনুযায়ী অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড 
  2. ২ বছর কারাদণ্ড 
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড 
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড 
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫০৩ অনুসারে, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন (Criminal Intimidation) হলো কোনো ব্যক্তিকে তার ব্যক্তি, সুনাম, বা সম্পত্তির ক্ষতির হুমকি দেওয়া, অথবা তার কোনো আগ্রহী ব্যক্তির ক্ষতির হুমকি দেওয়া, যাতে সে ভীত হয়, বা এমন কাজ করতে বাধ্য হয় যা করতে সে আইনত বাধ্য নয়, বা এমন কাজ না করতে বাধ্য হয় যা করার জন্য সে আইনত অধিকারী। ধারা ৫০৬ অনুসারে, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সাধারণ শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।
তবে, যদি হুমকিটি মৃত্যু, গুরুতর আঘাত, সম্পত্তির অগ্নিসংযোগ, বা নারীর সতীত্বের অপবাদের হয়, তবে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে এই ধরনের গুরুতর হুমকির উল্লেখ নেই, তাই সাধারণ শাস্তি প্রযোজ্য। তাছাড়া ৭ বছর অপশনে না থাকায় '২ বছর কারাদণ্ড' সঠিক উত্তর।

অর্থাৎ ধারা ৫০৩ এবং ৫০৬ অনুসারে, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সাধারণ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছর কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ বছর কারাদণ্ড।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 503. Criminal intimidation:
Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause to alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation.-A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this section.

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 506-Punishment for criminal intimidation:
 Whoever commits the offence of criminal intimidation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both;
and if the threat be to cause death or grievous hurt, or to cause the destruction of any property by fire, or to cause an offence punishable with death or imprisonment for life, or with imprisonment for a term which may extend to seven years, or to impute unchastity to a woman, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both.

৫,২৪২.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৪৫ অনুসারে একজন সাক্ষীকে পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরার উদ্দেশ্য হলো এর _______।
  1. বৈপরীত্য প্রমাণ
  2. সমর্থন
  3. গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করা
  4. সত্যতা প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
বৈপরীত্য প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈপরীত্য প্রমাণ
ব্যাখ্যা
 ধারা: ১৪৫ মতে পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা: : কোন সাক্ষী কর্তৃক পূর্বে প্রদত্ত লিখিত বিবৃতি অথবা তার করা পূর্বে প্রদত্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ হয়ে থাকলে, তা যদি বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উক্ত লেখা তাকে না দেখিয়ে অথবা তা প্রমাণ না করেও সেই সম্পর্কে সেই সাক্ষীকে জেরা করা যেতে পারে।

তবে যদি এরকম ইচ্ছা করা হয় যে, ঐ লেখা দ্বারা সাক্ষীর কথার বৈপরীত্য প্রদর্শিত হবে তাহলে ঐ লেখা প্রমাণের পূর্বে সাক্ষীর কথার যে অংশ বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হবে, সেই অংশের প্রতি সাক্ষীর দৃষ্টি অবশ্যই আকর্ষণ করতে হবে।
৫,২৪৩.
মানসিকভাবে অসুস্থ থাকা অবস্থায় হস্তান্তরিত হওয়া সম্পত্তির জন্য মোকদ্দমায় তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি (Limitation) আইন এর ৯৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
মানসিক অসুস্থ অবস্থায় সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে মোকদ্দমার মেয়াদ থাকে ৩ বছর। এটি ওই ব্যক্তির সুস্থ হওয়ার পর ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। এই মেয়াদের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি তার মানসিক সুস্থতা ফিরে পায় এবং সে জানে যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে, তখন সে তিন বছরের মধ্যে আদালতে মামলা করতে পারে।

৫,২৪৪.
কোনো অ্যাডভোকেট ধারাবাহিকভাবে কত বারের বেশি বার কাউন্সিলের সদস্য পদে থাকিবে না?
  1. ২ বারের
  2. ৩ বারের
  3. ৪ বারের
  4. ৫ বারের
সঠিক উত্তর:
২ বারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বারের
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ- ৫ক: কোন অ্যাডভোকেট পরপর বা ধারাবাহিকভাবে ২ বারের বেশি সদস্য পদে থাকবেন না।

-The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-5A. (1) No Advocate shall hold office of member of the Bar Council for more than two consecutive terms.
-(2) An Advocate who has been elected for two consecutive terms as a member of the Bar Council immediately before this Article comes into force shall not be eligible to be elected as a member of the Bar Council for the next term.
৫,২৪৫.
তামাদি আইন অনুযায়ী মামলার সময় গণনা কখন শুরু হয়?
  1. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  2. বিচারকের আদেশের দিন থেকে
  3. মামলার কারণ উদ্ভব হবার দিন থেকে
  4. অপর পক্ষের প্রতিক্রিয়া পাওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
মামলার কারণ উদ্ভব হবার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার কারণ উদ্ভব হবার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অধীনে, মামলার সময় গণনা সাধারণত মামলার কারণ উদ্ভব (Cause of Action) হওয়ার দিন থেকে শুরু হয়। এটি তামাদি আইনের মূল নীতি, যা নির্ধারণ করে যে কোনো মামলা, আপিল বা আবেদন দায়েরের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা কখন থেকে গণনা করা হবে। “Cause of Action” বলতে সেই ঘটনা বা পরিস্থিতিকে বোঝায়, যা মামলা দায়েরের অধিকার সৃষ্টি করে।

তামাদি আইনের ধারা ১২(১) অনুযায়ী, মামলার তামাদি মেয়াদ গণনার সময় সেই দিনটি বাদ দেওয়া হয়, যেদিন মামলার কারণ উদ্ভব হয়। অর্থাৎ, মামলার কারণ উদ্ভবের পরের দিন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো চুক্তি ভঙ্গের ঘটনা ১ জানুয়ারি, ২০২৫-এ ঘটে, তবে তামাদি মেয়াদ ২ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে গণনা শুরু হবে।

- তামাদি আইনের ১ম তফসিলে বিভিন্ন ধরনের মামলার জন্য নির্দিষ্ট তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা আছে, এবং এই মেয়াদগুলো সাধারণত কারণ উদ্ভবের সময় থেকে গণনা করা হয়।
- কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে, যেমন ধারা ৬ (বৈধ অপারগতা) বা ধারা ১৮ (প্রতারণা), তামাদি মেয়াদ গণনার শুরু বিলম্বিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ প্রতারণা জানার দিন থেকে শুরু হবে (ধারা ১৮)।
- ধারা ১৫ অনুযায়ী, যদি আদালতের নির্দেশে কোনো মামলা স্থগিত থাকে বা নোটিশ প্রদানের প্রয়োজন হয়, তবে সেই সময় তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যায়।
⇒ অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী, মামলার সময় গণনা মামলার কারণ উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে শুরু হয়, এবং এটি আইনের মূল নীতি। এই নীতি নিশ্চিত করে যে বিচারপ্রার্থী তার অধিকার দ্রুত আদায়ের জন্য পদক্ষেপ নেয়, যা তামাদি আইনের “শান্তির আইন” হিসেবে পরিচিতির একটি প্রধান কারণ।

৫,২৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-৩ অনুযায়ী দেওয়ানি মোকদ্দমার রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
  1. ১৫২ ধারা
  2. ১৫৭ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
৫,২৪৭.
যে সকল ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা নামঞ্জুর করতে পারে সেগুলো The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ৫৬
  4. ৫৭
সঠিক উত্তর:
৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬
ব্যাখ্যা
♦ The Specific Relief Act, 1877 এর  ৫৬ ধারামতে আদালত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
 নিম্নেবর্ণিত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না-
১. বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য
২. অধীনস্থ আদালত ছাড়া অন্য কোন আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য
৩. কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য 
৪. সরকারের কোন বিভাগের সরকারি কর্তব্যে বা বিদেশী সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য। ৫. কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য।
৬. যে চুক্তির কার্য সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যায় না এমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্য।
৭. উৎপাত নয় এমন কাজ নিরোধ করার জন্য ।
৮. এমন একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য যেটাতে বাদী মৌন সম্মতি প্রাদান করেছে
৯. ট্রাস্ট ভঙ্গের মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোন সাধারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমপরিমাণ যথার্থ প্রতিকার নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারী বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন যে, যা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে ।
১১. যেখানে আবেদনকারীর মামলার বিষয়বস্তুতে কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই ।
৫,২৪৮.
তামাদি আইনের ২১ ধারা অনুসারে, যৌথ বা অবিভক্ত হিন্দু পরিবারের ম্যানেজারের দ্বারা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. অবৈধ স্বীকৃতি হিসেবে
  2. ব্যক্তিগত স্বীকৃতি হিসেবে
  3. পরবর্তী উত্তরাধিকারীর বিরুদ্ধে অকার্যকর হিসেবে
  4. পুরো পরিবারের পক্ষে স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসেবে
সঠিক উত্তর:
পুরো পরিবারের পক্ষে স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরো পরিবারের পক্ষে স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসেবে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২১(৩)(b) ধারা অনুযায়ী “যখন একটি হিন্দু অবিভক্ত (Undivided) পরিবারের পক্ষে কোন দায়ভার সৃষ্টি হয়, তখন বর্তমান ম্যানেজার বা তাঁর যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা করা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান পুরো পরিবারের পক্ষে করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।”
অর্থাৎ যৌথ বা অবিভক্ত হিন্দু পরিবারের ম্যানেজারের স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান পুরো পরিবারের পক্ষে বৈধ ও কার্যকর — এটি তামাদি আইনের ২১ ধারার মূল উদ্দেশ্য। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) পুরো পরিবারের পক্ষে স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসেবে।

⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারার বিধান: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি:
(১) “তাঁহার পক্ষ থেকে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট” শব্দবন্ধটি, ধারাঃ ১৯ ও ২০-এর ক্ষেত্রে, একজন অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে, তাঁর আইনগত অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপক, অথবা এমন একজন এজেন্টকে অন্তর্ভুক্ত করবে যিনি এই অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপকের দ্বারা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান স্বাক্ষরের জন্য যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
(২) উল্লিখিত ধারাগুলোর অধীনে একাধিক যৌথ চুক্তিকারক, অংশীদার, নির্বাহী বা বন্ধকী কর্তাকে শুধুমাত্র অন্য একজন বা তাঁদের এজেন্টের দ্বারা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদানের কারণে দায়বদ্ধ করবে না।
(৩) উল্লিখিত ধারাগুলোর উদ্দেশ্যে-
(a) একজন বিধবা বা অন্য সীমিত মালিকের দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি স্বীকৃতি, অথবা কোনো দায়ের জন্য অর্থ প্রদান, অথবা যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা, যিনি হিন্দু আইন দ্বারা পরিচালিত, তা সংশ্লিষ্ট পুনঃসূত্রের বিরুদ্ধে একটি বৈধ স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসেবে গণ্য হবে;
(b) যখন একটি হিন্দু অখণ্ড পরিবারের পক্ষে কোনো দায়ভার সৃষ্টি করা হয়, তখন বর্তমান ব্যবস্থাপক বা তাঁর যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা করা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান সম্পূর্ণ পরিবারের পক্ষে করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
-------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-21. Agent of persons under disability:
(1) The expression “agent duly authorised in his behalf,” in sections 19 and 20, shall, in the case of a person under disability, include his lawful guardian, committee or manager, or an agent duly authorised by such guardian, committee or manager to sign the acknowledgement or make the payment.
(2) Nothing in the said sections renders one of several joint contractors, partners, executors or mortgagees chargeable by reason only of a written acknowledgment signed or of a payment made by, or by the agent of, any other or others of them.
(3) For the purposes of the said sections-
(a) an acknowledgment signed, or a payment made, in respect of any liability, by, or by the duly authorised agent of, any widow or other limited owner of property who is governed by the Hindu law, shall be a valid acknowledgment or payment, as the case may be, as against a reversioner succeeding to such liability; and
(b) where a liability has been incurred by, or on behalf of, a Hindu undivided family as such, an acknowledgment or payment made by, or by the duly authorised agent of, the manager of the family for the time being shall be deemed to have been made on behalf of the whole family.
৫,২৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারায় কীসের সর্বোচ্চ মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. একাধিক বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
  2. একই বিচারে কতিপয় অপরাধে একাধিক দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
  3. একাধিক বিচারে একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
  4. একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
সঠিক উত্তর:
একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
 
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
 
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
৫,২৫০.
নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দিয়ে যে সময়ে জন্য মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত থাকে তা বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। তামাদি আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবেঃ
(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হইয়াছে, তাহার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উহা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেইদিন উহা প্রদত্ত হইয়াছিল এবং যেইদিন উহা প্রত্যাহার করা হইয়াছিল, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হইয়াছে, তাহার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হইবে।
৫,২৫১.
অর্থবিল রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপিত বা পেশ করার সময় কোনটি অপরিহার্য?
  1. প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর
  2. স্পিকারের সম্মতি
  3. প্রধানমন্ত্রীর সার্টিফিকেট
  4. স্পিকারের সার্টিফিকেট
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের সার্টিফিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদের বিধান: অর্থবিল: (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে: 
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টি দান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
-----------
⇒ Article 81 Money Bills: (1) In this Part “Money Bill” means a Bill containing only provisions dealing with all or any of the following matters –
(a) the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax; 
(b) the borrowing of money or the giving of any guarantee by the Government, or the amendment of any law relating to the financial obligations of the Government; 
(c) the custody of the Consolidated Fund, the payment of money into, or the issue or appropriation of moneys from, that Fund; 
(d) the imposition of a charge upon the Consolidated Fund or the alteration or abolition of any such charge; 
(e) the receipt of moneys on account of the Consolidated Fund or the Public Account of the Republic, or the custody or issue of such moneys, or the audit of the accounts of the Government; 
(f) any subordinate matter incidental to any of the matters specified in the foregoing sub clauses.
(2) A Bill shall not be deemed to be a Money Bill by reason only that it provides for the imposition or alteration of any fine or other pecuniary penalty, or for the levy or payment of a licence fee or a fee or charge for any service rendered, or by reason only that it provides for the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax by a local authority or body for local purposes.
(3) Every Money Bill shall, when it is presented to the President for his assent, bear a certificate under the hand of the Speaker that it is a Money Bill, and such certificate shall be conclusive for all purposes and shall not be questioned in any court.

৫,২৫২.
তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কার্যক্রমের জন্য তামাদির নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই?
  1. দরখাস্ত
  2. আপিল
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই।

- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

⇒ সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৩০ দিনের মধ্যে।
৫,২৫৩.
ওজনের জন্য মিথ্যা যন্ত্রের ব্যবহারের শাস্তি বিধান কোথায় আছে?
  1. ২৬৪
  2. ২৬৬
  3. ২৬৭
  4. ২৬৮
সঠিক উত্তর:
২৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৪
ব্যাখ্যা
• ২৬৪ ধারায় ওজনের জন্য মিথ্যা যন্ত্রের ব্যবহারের শাস্তি বিধান হিসেবে অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের উল্লেখ আছে।
৫,২৫৪.
Which of the following is not required to constitute an affray under Section 159?
  1. Fighting in a public place
  2. Disturbance of public peace
  3. Intent to cause serious harm
  4. Involvement of two or more people
সঠিক উত্তর:
Intent to cause serious harm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intent to cause serious harm
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 
___________________________________________
⇒ The Penal Code, 1860-Section 159:- Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

So, 'Intent to cause serious harm' is not required to constitute an affray under Section 159.

⇒ The Penal Code, 1860-Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৫,২৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১(১) অনুযায়ী কোন কর্তৃপক্ষ কারাবাসের স্থান নির্ধারণ করতে পারে?
  1. সরকার
  2. আদালত
  3. পুলিশ সুপার
  4. জেল সুপারিনটেনডেন্ট
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১(১) অনুযায়ী, যদি বর্তমানে কার্যরত কোনো আইনে ভিন্নরূপ কিছু না বলা থাকে, তাহলে "সরকার" এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোন স্থানে আটক রাখা হবে, সে বিষয়ে নির্দেশ প্রদান করার অধিকার রাখে। এটি সরকারের নির্বাহী ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত এবং কারা ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ - কারাবাসের স্থান নির্ণয়ের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী অথবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই বিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতে রাখার আদেশপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যদি দেওয়ানী জেলে আটক থাকেন, তবে যিনি তার কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশ দিয়েছেন সেই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে, তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত করা হবে।
(৩) কোন ব্যক্তি (২) উপধারার অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা হতে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না
ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে দেওয়ানী জেল হতে অব্যাহতি পেয়েছে বলে গণ্য করতে হবে, অথবা
খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়াছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে অব্যাতি পাবার অধিকারী।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 541.Power to appoint place of imprisonment:
(1) Unless when otherwise provided by any law for the time being in force, the Government may direct in what place any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code shall be confined.
Removal to criminal jail of accused or convicted persons who are in confinement in civil jail, and their return to the civil jail:
(2) If any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code is in confinement in a civil jail, the Court or Magistrate ordering the imprisonment or committal may direct that the person be removed to a criminal jail. 
(3) When a person is removed to a criminal jail under sub-section (2), he shall, on being released therefrom, be sent back to the civil jail, unless either– 
(a) three years have lapsed since he was removed to the criminal jail, in which case he shall be deemed to have been discharged from the civil jail under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908; or
(b) the Court which ordered his imprisonment in the civil jail has certified to the officer in charge of the criminal jail that he is entitled to be discharged under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908.
৫,২৫৬.
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক ভূখণ্ডসমূহকে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন কে?
  1. আদালত
  2. ভূমি কমিশনার
  3. রাজস্ব কর্মকর্তা
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
৫,২৫৭.
কোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে ভীতি প্রদর্শক তথ্য প্রকাশের অপরাধের বিচার করবেন ______ ট্রাইব্যুনাল।
  1. জননিরাপত্তা
  2. সাইবার নিরাপত্তা
  3. ডিজিটাল
  4. সাইবার
সঠিক উত্তর:
সাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ধারা ২(১) এরে (ঝ) তে বলা আছে- “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন,২০০৬ এর ৬৮ ধারার বিধান: সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন:
 (১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের দ্রুত ও কার্যকর বিচারের উদ্দেশ্যে, এক বা একাধিক সাইবার ট্রাইব্যুনাল, অতঃপর সময় সময় ট্রাইব্যুনাল বলিয়া উল্লিখিত, গঠন করিতে পারিবে৷ 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন দায়রা জজ বা একজন অতিরিক্ত দায়রা জজের সমন্বয়ে গঠিত হইবে; এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত একজন বিচারক “বিচারক, সাইবার ট্রাইব্যুনাল” নামে অভিহিত হইবেন৷
(৩) এই ধারার অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের স্থানীয় অধিক্ষেত্র অথবা এক বা একাধিক দায়রা ডিভিশনের অধিক্ষেত্র প্রদান করা যাইতে পারে; এবং উক্ত ট্রাইব্যুনাল কেবল এই আইনের অধীন অপরাধের মামলার বিচার করিবে৷
(৪) সরকার কর্তৃক পরবর্তীতে গঠিত কোন ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের অথবা এক বা একাধিক দায়রা বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত উহার অংশ বিশেষের স্থানীয় অধিক্ষেত্র ন্যস্ত করিবার কারণে ইতঃপূর্বে কোন দায়রা আদালতে এই আইনের অধীন নিস্পন্নাাধীন মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত, বা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্রের ট্রাইব্যুনালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলী হইবে না, তবে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা আদালতে নিষ্পন্নাধীন এই আইনের অধীন কোন মামলা বিশেষ স্থানীয় অধিক্ষেত্রসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে বদলী করিতে পারিবে৷
(৫) কোন ট্রাইব্যুনাল, ভিন্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করিলে, যে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনঃগ্রহণ, বা পুনঃশুনানী গ্রহণ করিতে, অথবা উপ-ধারা (৪) এর অধীন গৃহীত কার্যধারা পুনরায় আরম্ভ করিতে বাধ্য থাকিবে না, তবে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে যে সাক্ষ্য গ্রহণ বা উপস্থাপন করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষের ভিত্তিতে কার্য করিতে এবং মামলা যে পর্যায়ে ছিল সেই পর্যায় হইতে বিচারকার্য অব্যাহত রাখিতে পারিবে৷
(৬) সরকার, আদেশ দ্বারা, যে স্থান বা সময় নির্ধারণ করিবে সেই স্থান বা সময়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আসন গ্রহণ করিতে পারিবে এবং উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারিবে৷
৫,২৫৮.
অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভূক্তির অযোগ্যতা সংক্রান্ত বিষয়ে বার কাউন্সিল অর্ডারের কত অনুচ্ছেদে বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২১
  2. অনুচ্ছেদ ২৭
  3. অনুচ্ছেদ ২৯
  4. অনুচ্ছেদ ৩১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৭: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:
(১) এই আদেশ এবং এর অধীনে প্রণীত বিধিমালার বিধানাধীনভাবে, একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্য হবেন যদি তিনি নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করেন:
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক;

(খ) তিনি ২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করেছেন;

(গ) তিনি নিচের যেকোনো একটি যোগ্যতা অর্জন করেছেন:
(i) বাংলাদেশ ভূখণ্ডের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা

(ii) ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ তারিখের পূর্বে পাকিস্তানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বার কাউন্সিল যদি সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তি ২৫শে মার্চ, ১৯৭১-এর পর বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন এবং অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতির কারণে দেশে ফিরতে পারেননি, তাহলে কাউন্সিল ঐ ডিগ্রিকে স্বীকৃতি দিতে পারে; অথবা

(iii) ১৪ই আগস্ট, ১৯৪৭-এর পূর্বে, ভারত শাসন আইন, ১৯৩৫ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত ভারতের অন্তর্ভুক্ত যেকোনো এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা

(iv) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা
তিনি ব্যারিস্টার।

(ঘ) তিনি বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছেন; এবং

(ঙ) তিনি নির্ধারিত ভর্তি ফি প্রদান করেছেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত পূরণ করেছেন।

(১ক) উপধারা (১) সত্ত্বেও, যে ব্যক্তি কমপক্ষে সাত বছর মোক্তার (Mukhtar) হিসেবে কর্মরত ছিলেন, এবং যদি তিনি উপধারা (১)-এর (ক), (খ), (ঘ) ও (ঙ) দফাগুলো পূরণ করেন, তাহলে তাঁকেও অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা যেতে পারে, তবে অন্যান্য প্রযোজ্য বিধির আলোকে।

(২) কাউকে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পূর্বে, বার কাউন্সিল চাইলে তাঁকে কোনো নির্ধারিত প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করতে পারে।

(৩) একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি:
(ক) তিনি সরকার বা কোনো সরকারি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চাকরি থেকে নৈতিক স্খলন সংক্রান্ত অভিযোগে বরখাস্ত হন এবং বরখাস্তির পর কমপক্ষে দুই বছর অতিক্রান্ত না হয়; অথবা
(খ) তিনি নৈতিক স্খলন সংক্রান্ত কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন এবং দণ্ডভোগের পর কমপক্ষে পাঁচ বছর (বা সরকার কর্তৃক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্ধারিত কম সময়) অতিক্রান্ত না হয়।
৫,২৫৯.
Penal Code এর কোন ধারায় 'Dacoity' এর সংজ্ঞা আছে?
  1. ৩৯০
  2. ৩৯১
  3. ৩৯৪
  4. ৩৯৫
সঠিক উত্তর:
৩৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 391- Dacoity:
When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৫,২৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারা অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে অভিযোগপত্রে তথ্যের ভুল বা অসম্পূর্ণতা মামলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হবে?
  1. যদি ভুলটি ছোটখাটো হয়
  2. যদি ম্যাজিস্ট্রেট তা নির্দেশ দেন
  3. যদি প্রসিকিউশন আপত্তি তোলে
  4. যদি অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে
সঠিক উত্তর:
যদি অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারা অনুযায়ী, যদি অভিযোগপত্রে তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ থাকে এবং এর কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভ্রান্ত হয় বা ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে সেই ভুল বা অসম্পূর্ণতা মামলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ, অভিযোগপত্রে সঠিক এবং পূর্ণ তথ্য না থাকলে তা ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং আদালত এটিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারার বিধান: ভুলের প্রভাব:
 - অভিযোগপত্রে অপরাধ বা অপরাধের বিবরণ উল্লেখ করার ক্ষেত্রে কোনো ভুল বা কোনো তথ্য উল্লেখ করতে অসমর্থতা, মামলার যে কোনো পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য হবে না, যদি না এই ভুল বা অসম্পূর্ণতার কারণে অভিযুক্ত প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে।
-------------
→ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 225. Effect of errors: 
- No error in stating either the offence or the particulars required to be stated in the charge, and no omission to state the offence or those particulars, shall be regarded at any stage of the case as material, unless the accused was in fact misled by such error or omission, and it has occasioned a failure of justice.
৫,২৬১.
স্ত্রীলোকের সতীত্ব নষ্টের দুর্নামের ভয় দেখানো দণ্ডবিধির কত ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ৫০৩
  2. ধারা ৫০৬
  3. ধারা ৫০৭
  4. ধারা ৫০৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারার বিধান: অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

মৃত্যু অথবা গুরুতর আঘাত ইত্যাদির ভীতি প্রদর্শন করা:- এবং যদি হুমকিটি মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটাবার অথবা অগ্নি সংযোগে কোন সম্পত্তি ধ্বংস করার কিংবা মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের অথবা সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ অনুষ্ঠানের অথবা কোন স্ত্রীলোকের সতীত্ব নষ্ট হয়েছে বলে দুর্নাম আরোপের হুমকি হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ Section 506. Punishment for criminal intimidation. Whoever commits the offence of criminal intimidation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both;
 
and if the threat be to cause death or grievous hurt, or to cause the destruction of any property by fire, or to cause an offence punishable with death or imprisonment for life, or with imprisonment for a term which may extend to seven years, or to impute unchastity to a woman, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both.
৫,২৬২.
হলফনামায় মিথ্যা বিবৃতি দিলে সর্বোচ্চ শাস্তি হবে?
  1. ২ বৎসর পর্যন্ত করাদন্ড
  2. ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড
  3. ১ বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড
  4. ৩০০০ টাকা অর্থদন্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৮১ ধারা অনুযায়ী, হলফ বা শপথনামায় মিথ্যা বিবৃতি দিলে তার শাস্তি হতে পারে ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৫,২৬৩.
A, B-এর মুখে এসিড নিক্ষেপ করে, যার ফলে B-এর মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়। A-এর শাস্তি কোন ধারায় নির্ধারিত হবে?
  1. ধারা ৩২৫
  2. ধারা ৩২৬
  3. ধারা ৩২৬ক
  4. ধারা ৩২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২৬ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২৬ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ধারা ৩২৬ক অনুযায়ী, কেউ উভয় চোখ বা মুখ এর স্থায়ী বিকৃতি ঘটায় বা corrosive পদার্থ ব্যবহার করে গুরুতর আঘাত করে, এমন আঘাতের জন্য মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন ও জরিমানা প্রযোজ্য।
- প্রশ্নে উল্লিখিত, A B-এর মুখে এসিড নিক্ষেপ করেছে, ফলে মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়েছে। এটি সরাসরি ধারা ৩২৬ক-এর আওতায় আসে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারা: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:
যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে-
(ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা
(খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code,1860, Section 326A- Voluntarily causing grievous hurt in respect of both eyes, head or face by means of corrosive substance, etc:
Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt of the kind mentioned in-
(a) clause secondly of section 320 in respect of both the eyes either by gouging out the same or by means of any corrosive substance; or
(b) clause sixthly of section 320 by means of any corrosive substance, shall be punished with death, or imprisonment for life and shall also be liable to fine.

৫,২৬৪.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক ক্ষমতা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১০৭
  2. ১০৮
  3. ১১০
  4. ১১১
সঠিক উত্তর:
১১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা: 
- আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।
৫,২৬৫.
‘‘Continuing breaches and wrongs’’ তামাদি আইনের কত ধারায় রয়েছে?
  1. ২২ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ২৪ ধারায়
  4. ২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২৩ ধারায় অবিরামভাবে চুক্তি ভঙ্গ বা অনিষ্টের ফলাফল (Continuing breaches and wrongs) সম্পর্কে বলা হয়েছে। ২৩ ধারাটি বিশ্লেষণ করলে প্রতিয়মান হয় যে, এমন কিছু চুক্তির অস্তিত্ব রয়েছে যা লংঙ্ঘন করা হলে প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণ উদ্ভব হয়ে থাকে। এছাড়া চুক্তি বহির্ভূত এমন কিছু ক্ষতি বা লোকসান রয়েছে যা প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এ সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ নতুন করে বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ কোন চুক্তি ক্রমাগত ভঙ্গ করা হতে থাকলে বা অবিরত অন্যায় আচরণ অব্যাহত রাখা হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধ সংঘটনের প্রতি মুহূর্তেই নতুন ভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হবে।
৫,২৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে জেরায় কয় ধরণের প্রশ্ন বৈধ করা হয়ছে?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-১৪৬: জেরায় আইনসঙ্গত প্রশ্ন: যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রশ্নসমূহ ছাড়াও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা দ্বারা:

১) তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়।

২) তার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা

৩) তার চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও এরূপ প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সাথে জড়িত হতে পারে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।

তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায়, দফা (৩) এর অধীনে ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না:

আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।

⇒অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারা অনুযায়ী জেরায় ৩ ধরনের প্রশ্ন বৈধ বা আইনসম্মত।
৫,২৬৭.
'Presumption as to intent of parties'- সংক্রান্ত বিধান উল্লেখিত হয়েছে The Specific Relief Act, 1877 এর ________ ধারায়।
  1. ৩৬
  2. ৩৪
  3. ৩৮
  4. ৩২
সঠিক উত্তর:
৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩২–এ "Presumption as to intent of parties" সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো লিখিত চুক্তি সংশোধনের (Rectification) জন্য আদালত তখনই ব্যবস্থা নিতে পারে, যদি এটি প্রমাণিত হয় যে চুক্তির সমস্ত পক্ষই একটি ন্যায্য ও বিবেকবান চুক্তি করতে চেয়েছিল।
- অর্থাৎ, পক্ষগণ আসলেই কী চেয়েছিল—সেই উদ্দেশ্যকে গুরুত্ব দিয়ে আদালত চুক্তি সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে।
- এখানে পক্ষের মনের অভিপ্রায় (intent) সম্পর্কে একটি 'presumption' বা অনুমান গৃহীত হয়।
- এই বিধান মূলত চুক্তির ন্যায্য বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতেই ব্যবহৃত হয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান: একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

The Specific Relief Act, 1877 Section 32- Presumption as to intent of parties- For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
৫,২৬৮.
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সরেজমিন পরিদর্শনের স্মারকলিপির নকল কে চাইলে তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে?
  1. অভিযুক্ত
  2. ফরিয়াদি
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ: সরেজমিনে পরিদর্শন-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
৫,২৬৯.
মানিলন্ডারিং আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার অধীনে মানিলন্ডারিং অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. যাবজ্জীবন
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৪(২) অনুযায়ী, মানিলন্ডারিং অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। মানিলন্ডারিং অপরাধ, অথবা এর চেষ্টা, সহায়তা, বা ষড়যন্ত্রের জন্য সাজা হলো অন্যূন ৪ বছর এবং অনধিক ১২ বছর কারাদণ্ড। 
⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা-৪ মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

৫,২৭০.
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে কয় ধরনের সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. এক ধরনের
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যায় দুই ধরনের সাক্ষ্য দ্বারা—
১) প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence)
২) গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence)
- সঠিক উত্তর: ক) দুই ধরনের।

→ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হচ্ছে মূল দলিল, যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। অন্যদিকে, মাধ্যমিক সাক্ষ্য তখন ব্যবহার করা হয় যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, এবং তখন তার প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary Evidence):
দালিলিক সাক্ষ্য বলতে আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয়, তা বোঝানো হয়। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে, দলিলের বিষয়বস্তু দুই প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে:
১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং
২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য এর মাধ্যমে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 61 - Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.

৫,২৭১.
'ক', 'খ' এর বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে 'খ' এর কাছে ধরা পড়ে।সে 'খ' কে লাঠি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'ক' এর অপরাধ-
  1. Theft
  2. Robbery
  3. Dacoity
  4. Extortion
সঠিক উত্তর:
Robbery
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Robbery
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী-
চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

এক্ষেত্রে 'ক' চুরি করতে গিয়ে 'খ' কে লাঠি দিয়ে আঘাত করে বিধায় তা ৩৯০ ধারা অনুযায়ী 'দস্যুতা বা Robbery' বলে গণ্য হবে।
 
উল্লেখ্য, দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i) এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
 
এছাড়া,
⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
৫,২৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার অধীন আদালত কর্তৃক পরীক্ষাকালীন অভিযুক্ত মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে-
  1. অতিরিক্ত শাস্তি দেয়া হবে
  2. জরিমানা করা হবে
  3. কোনো শাস্তি দেয়া হবে না
  4. মূল কারাদণ্ড বৃদ্ধি করা হবে
সঠিক উত্তর:
কোনো শাস্তি দেয়া হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো শাস্তি দেয়া হবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং অভিযুক্তকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তর নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused.
৫,২৭৩.
হিন্দু আইনে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে পৃথক অবস্থায় স্বামী হতে স্ত্রীর ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে?
  1. স্বামী যদি ধর্মান্তর গ্রহণ করে
  2. স্বামী যদি স্ত্রীর বর্তমানে পুনরায় বিবাহ করে
  3. স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইনটি ১৯৪৬ সালের।
১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন অনুযায়ী নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণ পাওয়ার অধিকারিণী -
- স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়,
- স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
- স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
- স্বামী যদি ধর্মান্তর গ্রহণ করে,
- স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে,
- স্বামী যদি স্ত্রীর বর্তমানে পুনরায় বিবাহ করে,
এই ধরনের অন্যান্য যৌক্তিকতাপূর্ণ কারণে।
 
তবে নিম্নলিখিত কারণে স্ত্রী স্বামীর নিকট হতে আইনত ভরণপোষণ পেতে পারে না-
 
- স্ত্রী যদি অসৎ চরিত্রের অথবা অসতী হয়,
- স্ত্রী যদি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়,
- স্ত্রী যদি আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত স্বামীর সাথে স্ত্রীরূপে বসবাস করতে অনিচ্ছুক হয়।
--------------------------------------------
এই আইনে বিবাহিতা হিন্দু নারী বিচ্ছেদ ছাড়াও, স্বামী হতে পৃথক থাকতে পারে। উক্ত আইনে উল্লেখিত ক্ষেত্রসমূহে স্ত্রী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে। ক্ষেত্রগুলো হলো-
⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
if he (husband) is suffering from any loathsome disease not contracted from her;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
if he is gulity of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him;
⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine;
⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish;
⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
if he marries again; এবং
⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
for any other justifiable cause
৫,২৭৪.
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক হলে, কত দিনের মধ্যে কর্তনের জন্য আবেদন করতে হয়?
  1. ১০ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
• আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে।বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবেনা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১নং আদেশে এই সংক্রান্ত বিধি-বিধান রয়েছে।

• ১১ নং আদেশ বিধি-৭ঃ প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন-

কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে—এ অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, কিংবা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন আবেদন করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের মধ্যে পেশ করা যেতে পারে।

[Rule.-7: Setting aside and striking out interrogatories-
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.]
৫,২৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় কোন ধরণের মামলার জন্য স্থানীয় অনুসন্ধানের প্রয়োজন হতে পারে?
  1. পারিবারিক মামলা
  2. অপহরণ সংক্রান্ত মামলা
  3. জমি সংক্রান্ত বিরোধ
  4. যৌতুক মামলা
সঠিক উত্তর:
জমি সংক্রান্ত বিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি সংক্রান্ত বিরোধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে উক্ত অনুসন্ধান করতে প্রেরণ করতে পারবেন।

- ১৪৮ ধারার অধীন স্থানীয় অনুসন্ধানের রিপোর্ট মামলার সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
-------------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 148: Local inquiry:
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid.

(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
৫,২৭৬.
মুসলিম উইলকারী যদি ১/৩ অংশের বেশি সম্পত্তি হস্তান্তর করতে চান, তবে কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. সরকারের অনুমতি
  3. উত্তরাধিকারীদের সম্মতি
  4. অনুমতির প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের সম্মতি
ব্যাখ্যা

উইল বা অছিয়ত একটি আইনি দলিল, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি কিভাবে বণ্টন করা হবে তা নির্ধারণ করে দেন। উইল লিখনকারীকে উইলকারক বা “testator” বলা হয় এবং উইলে যার নাম উল্লেখ করা হয়, তাকে বলা হয় উত্তরাধিকারী বা “beneficiary”। উইলে সম্পত্তি ছাড়াও আর্থিক সঞ্চয়, অলঙ্কার, জমি, বাড়ি এবং অন্যান্য বস্তু উল্লেখ করা যায়। উইলের মাধ্যমে সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করা যায় যা মৃত্যুর পর আইনি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়।

উইল তৈরি করার জন্য উইলকারককে অবশ্যই মানসিকভাবে সুস্থ এবং আইনি প্রাপ্তবয়স্ক (১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী) হতে হবে। মানসিক অসুস্থ ব্যক্তি বা অপ্রাপ্তবয়স্ক কেউ উইল তৈরি করতে পারবে না। উইলকারককে তার সম্পদের মালিকানা এবং তার ইচ্ছার প্রতি সম্পূর্ণ সচেতন থাকতে হবে।

কোনো মুসলিম ব্যক্তি তার দাফন-কাফন ব্যয় ও দেনা পরিশোধের পর, উদ্বৃত্ত সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের অধিক উইল করতে পারে না। যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না। 

৫,২৭৭.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর কোথায় অ্যাডভোকেটগণের শপথ গ্রহণ করার বিধান আছে?
  1. বিধি-৬১(২)
  2. বিধি-৬২(২)
  3. বিধি-৬০ক
  4. বিধি-৬০গ
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
ব্যাখ্যা
অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2) The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
৫,২৭৮.
হাইকোর্ট বিভাগ কোন আইনের অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি এখতিয়ারসম্পন্ন নয়?
  1. এডমিরালটি কোর্ট আইন, ২০০০
  2. কোম্পানী আইন, ১৯৯৪
  3. ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১
  4. The Contract Act, 1872
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১০১ অনুচ্ছেদের বিধান: হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার:
-এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর যেরূপ আদি, আপীল ও অন্যপ্রকার এখতিয়ার ও ক্ষমতা অর্পিত হইয়াছে, উক্ত বিভাগের সেইরূপ এখতিয়ার ও ক্ষমতা থাকিবে।

হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার:
বাংলাদেশ সংবিধান এবং অন্য কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর আদি, আপিল ও অন্য প্রকার এখতিয়ার, ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে-
ক) আদি এখতিয়ার- রিট, কোম্পানি অ্যাডমিরালটি ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়াদি,
খ) আপিল ও রিভিশনালএখতিয়ার- জেলা ও দায়রা জজ আদালত,অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, বিশেষ জজ, অর্থঋণ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি আদালতের রায় ও আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আপিল অথবা বিভিশন দায়ের করা যায়।
গ) আদালত অবমাননা সংক্রান্ত বিষয়াদি

- 'The Contract Act, 1872'  এই আইনটি চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে। যা দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ারের সাথে সম্পর্কিত। 
⇒ হাইকোর্টের বিভাগ The Contract Act, 1872 এর অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি এখতিয়ারসম্পন্ন নয়। The Contract Act, 1872 এর আইনের অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি রয়েছে দেওয়ানী আদালতের।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় বলা হয়েছে, বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকার দেওয়ানী মামলার বিচার করবে। যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা।
-এখানে দেওয়ানী আদালতের সাধারণ এখতিয়ার বলতে দেওয়ানী আদালতসমূহের দেওয়ানী মামলার বিচার করার এখতিয়ার কে বোঝানো হয়েছে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়। ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it" অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
উল্লিখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর 'ঘ' The Contract Act, 1872।
৫,২৭৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬ অনুযায়ী, যদি বিপক্ষীয় পক্ষ মূল দলিলটি জালিয়াতি বা জোর করে দখল করে, তবে কী হবে?
  1. নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক
  2. মূল দলিল উপস্থাপন করতে হবে
  3. নোটিশ ছাড়াই গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য
  4. কোনো সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
নোটিশ ছাড়াই গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ ছাড়াই গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬৬ অনুযায়ী:
যদি বিপক্ষীয় পক্ষ মূল দলিলটি জালিয়াতি বা জোর করে দখল করে থাকে, তবে সেই ক্ষেত্রে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
এর মানে, গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যতটুকু প্রয়োজন মূল দলিলের অস্তিত্ব বা বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬ অনুযায়ী, দলিলের গৌণ সাক্ষ্য দেওয়ার আগে সাধারণত যে পক্ষের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে মূল দলিলটি আছে, তাকে নোটিশ দিতে হয়। তবে, প্রোভাইসোতে ছয়টি ব্যতিক্রম উল্লেখ আছে, যেখানে নোটিশের প্রয়োজন হয় না। এর মধ্যে তৃতীয় ব্যতিক্রমটি হলো:
"When it appears or is proved that the adverse party has obtained possession of the original by fraud or force."
অর্থাৎ, যদি দেখা যায় বা প্রমাণিত হয় যে বিপক্ষীয় পক্ষ (adverse party) মূল দলিলটি জালিয়াতি বা জোর করে দখল করেছে, তবে গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
৫,২৮০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রমাণ করতে হবে-
  1. শুধু স্বত্ব
  2. শুধু দখল
  3. স্বত্ব এবং দখলের অধিকার
  4. বেআইনী ভাবে বেদখল
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব এবং দখলের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব এবং দখলের অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কোনো স্থাবর সম্পত্তির বৈধ দখল দাবি করেন, তিনি আদালতের মাধ্যমে সেই সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য দেওয়ানি মামলা করতে পারবেন এবং এই মামলার সকল কার্যক্রম দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে। এই ক্ষেত্রে বাদীকে স্বত্ব এবং দখলের অধিকারী হতে হয়।

----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
৫,২৮১.
আদালত কার আবেদনের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. আদালতের স্বপ্রণোদিত সিদ্ধান্তে
  2. মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  3. সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিকের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. সম্পত্তিতে স্বার্থ আছে এরকম ৩য় কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movbale property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
৫,২৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভিযোগের মিথ্যা বা তুচ্ছতার জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়া যেতে পারে?
  1. ২৪৮ ধারায়
  2. ২৫০ ধারায়
  3. ২৫২ ধারায়
  4. ২৫৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৫০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারায় অভিযোগের মিথ্যা বা তুচ্ছতার জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়া যেতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে- কারো বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়া হবে না।
ফরিয়াদি/সংবাদদাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন,অভিযােগটি মিথ্যা,তুচ্ছ ও বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৫) ধারা অনুসারে- এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়াও,ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 (5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.
৫,২৮৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “No one should be condemned unheard” নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৩৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৫(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)
ব্যাখ্যা

⇒ "No one should be condemned unheard" নীতিটি Natural Justice এর একটি মৌলিক বিধান, যা Audi alteram partem (অন্য পক্ষকে শোনার সুযোগ দান) নামেও পরিচিত। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)-এ এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে, যা সিভিল সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত, অপসারণ বা পদাবনমনের ক্ষেত্রে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে।
- অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)–এ অসামরিক সরকারি কর্মচারীকে বরখাস্ত বা অপসারণ করার আগে কারণ দেখানোর সুযোগ দেওয়ার বিধান রয়েছে, যা এই নীতির সরাসরি প্রতিফলন।

অনুচ্ছেদ ১৩৫-এর অন্যান্য দফার বিষয়:
ক) ১৩৫(১): নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের চেয়ে অধস্তন কর্তৃপক্ষ দ্বারা শাস্তি প্রদান নিষিদ্ধ।
গ) ১৩৫(৩): কারণ দর্শানো সুযোগ দেয়া যুক্তিসঙ্গত কিনা, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
ঘ) ১৩৫(৪): চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে নোটিশ দিয়ে চুক্তি সমাপ্তির বিধান।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান হলো: অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি:
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে অসামরিক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তাঁহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ-অপেক্ষা অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষের দ্বারা বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত হইবেন না।
(২) অনুরূপ পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে তাঁহার সম্পর্কে প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগ্রহণের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগদান না করা পর্যন্ত তাঁহাকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফা সেই সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(অ) কোন ব্যক্তি যে আচরণের ফলে ফৌজদারী অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছেন, সেই আচরণের জন্য তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করা হইয়াছে; অথবা
(আ) কোন ব্যক্তিকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, কোন কারণে- যাহা উক্ত কর্তৃপক্ষ লিপিবদ্ধ করিবেন- উক্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব নহে; অথবা
(ই) রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ সুযোগদান সমীচীন নহে।
(৩) অনুরূপ কোন ব্যক্তিকে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব কি না, এইরূপ প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই সম্পর্কে তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
(৪) যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন লিখিত চুক্তির অধীন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত হইয়াছেন এবং উক্ত চুক্তির শর্তাবলী-অনুযায়ী যথাযথ নোটিশের দ্বারা চুক্তিটির অবসান ঘটান হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তিটির অনুরূপ অবসানের জন্য তিনি এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে পদ হইতে অপসারিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে না

৫,২৮৪.
মুনিয়া’কে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা যৌতুকের জন্য হত্যার চেষ্টা করে, কিন্তু সে বেঁচে যায়। এক্ষেত্রে, হত্যাচেষ্টার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১: যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

৫,২৮৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধান কী?
  1. আদেশ হতে আপীল
  2. রিসিভার
  3. মূল ডিক্রী হতে আপীল
  4. আদেশ হতে রিভিশন
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রী হতে আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রী হতে আপীল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১  এর মাঝে মূল ডিক্রী হতে আপীল বিষয় বিধান আছে।
⇒ আদেশ ৪১-৪৫ এবং ধারা ৯৬-১১২ পর্যন্ত আপীল সংক্রান্ত বিধান আছে।

আপীল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপীল বলে।
- আপীল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার।
- অর্থাৎ আপীল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। নিম্নে দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধানসমূহ আলোচনা করা হলো-

ⅰ) মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-৯৬ থেকে ৯৯, আদেশ-৪১;

ii) আদেশের বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-১০৪ থেকে ১০৬, আদেশ-৪৩;

iii) আপীলের সাধারণ বিধানমসূহ: ধারা-১০৭ থেকে ১০৮;

iv) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল: ধারা-১০৯ থেকে ১১২; এবং

v) নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল: আদেশ-৪৪।
৫,২৮৬.
প্রতারণামূলক ডিক্রি রদ-রহিতের জন্য আনীত মামলার তামাদি কত?
  1. ১২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৫ এর বিধান প্রতারণামূলক ডিক্রি রদ-রহিতের জন্য আনীত মামলার তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
৫,২৮৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১১ সাধারণত কী প্রতিকার প্রদান করে?
  1. ক্ষতিপূরণ
  2. দখল হস্তান্তর
  3. মালিকানা হস্তান্তর
  4. বিকল্প চুক্তি
সঠিক উত্তর:
দখল হস্তান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল হস্তান্তর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) দখল হস্তান্তর।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১১ মূলত অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Specific delivery of movable property) সংক্রান্ত প্রতিকার প্রদান করে। এটি ক্ষতিপূরণের বিকল্প নয়; বরং যেখানে ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয় বা অনুপযুক্ত, সেখানে সম্পত্তি সরাসরি দখলে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়াই এ ধারার উদ্দেশ্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ১১: অধিকারী না হওয়া সত্ত্বেও দখলে থাকা ব্যক্তির দায়:
যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণ রাখে, তবে সে যদি তার মালিক না হয়, তাকে সুনির্দিষ্টভাবে ওই সম্পত্তি তার দখলে থাকা ব্যক্তি থেকে উদ্ধার করতে বাধ্য করা যেতে পারে, তবে নিম্নলিখিত যে কোনো ক্ষেত্রে:
(ক) যখন প্রতিপক্ষ ওই সম্পত্তি বাদী হিসেবে এজেন্ট বা ট্রাস্টি হিসেবে দখলে রাখে;
(খ) যখন মুদ্রায় ক্ষতিপূরণ বাদীকে ওই সম্পত্তি হারানোর জন্য যথেষ্ট প্রতিকার প্রদান করতে সক্ষম নয়;
(গ) যখন ওই সম্পত্তি হারানোর ফলে সৃষ্ট প্রকৃত ক্ষতি নির্ধারণ করা অত্যন্ত কঠিন হবে;
(ঘ) যখন ওই সম্পত্তির দখল অসৎভাবে বাদীর কাছ থেকে প্রতিপক্ষের কাছে স্থানান্তরিত হয়েছে।

৫,২৮৮.
বিগত _______ বৎসরের মধ্যে যে লোক জীবিত ছিল সে লোককে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
  1. ৭ বৎসরের
  2. ১২ বৎসরের
  3. ২০ বৎসরের
  4. ৩০ বৎসরের
সঠিক উত্তর:
৩০ বৎসরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বৎসরের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
⇒ অন্যদিকে ১০৮ ধারা অনুযায়ী ৭ বৎসর যাবৎ খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবী করে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে।
-----------
⇒  Section 107 Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:  When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
⇒  Section 108 Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years: Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৫,২৮৯.
বার কাউন্সিলের নির্বাচনের উদ্দেশ্যে সরকার স্থানীয় বার এ্যাসোসিয়েশন বা বার সমিতিকে কয়টি ভাগে বিভক্ত করবে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ৯ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972  এর ৫ অনুচ্ছেদ মতে আঞ্চলিক বার সমিতি হতে ৭ জন অ্যাডভোকেটকে নির্বাচিত করার জন্য সরকার বার সমিতি [Bar Assocaition] কে ৭টি গ্রুপে বিভক্ত করবে।
--------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-5. (1) The Bar Council shall consist of fifteen members, of whom-
(a) one shall be the Attorney-General for Bangladesh ex-officio;
(b) seven shall be elected in the prescribed manner by the advocates on the roll from amongst their members; and
(c) seven shall be elected by the Advocates who are members of the Local Bar Associations included in each group under clause (2), from amongst themselves.
(2) For the purpose of sub-clause (c) of clause (1), the bar associations shall be divided by the Government, by notification in the official Gazette, into seven groups.
৫,২৯০.
দেওয়ানী কার্যবিধি আইন ১৯০৮ একটি_____?
  1. মূল আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. ক+খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
• যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে l
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ একটি পদ্ধতিগত আইন।
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে বিধিবদ্ধ হয়।
• বর্তমানে ১৯০৮ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আইন হিসাবে পরিচিত।
• ১৯০৯ সালে ১লা জানুয়ারী এই আইন কার্যকর হয়।
৫,২৯১.
একজন ব্যক্তি কিসের কারণে সাক্ষ্য দিতে অযোগ্য হতে পারেন?
  1. একজন শিশু
  2. একজন শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি
  3. বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
  4. বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১১৮ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দানে যোগ্য কিনা সেটা নির্ভর করে, তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সে সক্ষম কিনা, বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম অল্প বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত এবং বোবা ব্যক্তি ১১৯ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দানে যোগ্য। । বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের উপযুক্ত না। কিন্তু কোন ব্যক্তি বয়স্ক হওয়ার পরও যদি তার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে সেও সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত।

অর্থাৎ বার্ধক্যের কারণে যিনি প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম, তিনি সাক্ষ্য প্রদান করতে উপযুক্ত নন। তবে, একজন শিশু, শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি বা মানসিকভাবে বিকৃত ব্যক্তি, যদি আদালতের মতে তারা প্রশ্ন বুঝতে এবং যৌক্তিক উত্তর দিতে সক্ষম হন, তবে তারা সাক্ষ্য দিতে সক্ষম বা যোগ্য সাক্ষী।
-------------------
⇒ The Evidence Act, Section-118. Who may testify:
- All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 
Explanation.–A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
৫,২৯২.
কোন পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার সংবাদ কার নিকট জানাবেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
  3. জেলা পুলিশ সুপারকে
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারা মতে  আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার (design) সংবাদ গ্রহণকারী পুলিশ অফিসার উক্ত সংবাদ তার উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে জানাবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদঃ কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ পেলে তিনি তাঁর উপরস্থ কোন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এরূপ কোন অপরাধ নিবারণ করা বা আমলে আনা যে কর্মকর্তার কর্তব্য সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।

-------------------------------------------
♦ Section 150. Information of design to commit such offences: Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.
৫,২৯৩.
পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
  1. রিলিজ রিপোর্ট
  2. ডিসচার্জ রিপোর্ট
  3. ফাইনাল রিপোর্ট
  4. চার্জ শিট
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
• পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-

১. Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

২. Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
৫,২৯৪.
কোন পরিস্থিতিতে স্ত্রীর ঋণের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে স্বামীর বিরুদ্ধেও ডিক্রি জারি হতে পারে?
  1. সব সময়
  2. কখনোই নয়
  3. যখন আইনত দায়ী
  4. যখন স্ত্রী অনুমতি দেন
সঠিক উত্তর:
যখন আইনত দায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আইনত দায়ী
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে কোন মোকদ্দমায় বিলুপ্ত হয় না-
১) কোন মহিলা বাদি বা বিবাদির বিবাহ কোন মোকদ্দমাকে বিলুপ্ত করাবে না, কিন্তু মোকদ্দমাটি এতসত্ত্বেও রায় পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে এবং মহিলা বিবাদির বিরুদ্ধে জারি করা যাবে।

২) যেক্ষেত্রে স্বামী আইনত স্ত্রীর ঋণের জন্য দায়ী, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে স্বামীর বিরুদ্ধেও ডিক্রি জারি হতে পারে; এবং স্ত্রীর পক্ষে রায়ের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে স্বামী কর্তৃক আবেদন করা হলে ডিক্রি জারি করা যাতে পারে, অন্যথায় আইনত স্বামীকে ডিক্রির বিষয়বস্তুতে অধিকারী হতে হবে।

Rule.-7: Suit not abated by marriage of female party.-
1) The marriage of a female plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate, but the suit may notwithstanding be proceeded with to judgment, and, where the decree is against a female defendant, it may be executed against her alone.

2) Where the husband is by law liable for the debts of his wife, the decree may, with the permission of the Court, be executed against the husband also; and, in the case of judgment for the wife, execution of the decree may, with such permission, be issued upon the application of the husband, where the husband is by law entitled to the subject-matter of the decree.
৫,২৯৫.
পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি কিভাবে গ্রহণ করতে পারে?
  1. ব্যক্তিগতভাবে
  2. এডভোকেট কর্তৃক
  3. ৩য় যেকোনো ব্যক্তি কর্তৃক
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৫ (পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন)-

(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।

(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী জেরা ও পুনঃ জবানবন্দী, যেখানে যেরূপ গ্রহণ করতে পারবেন।

Parties may examine witnesses-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories. 
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
৫,২৯৬.
ধারা ৫৪ প্রযোজ্য হবে না কোন ক্ষেত্রে?
  1. ভালো চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
  2. খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
  3. সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হলে
  4. ভালো বা খারাপ যেকোনো চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
সঠিক উত্তর:
খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪:
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক, যদি না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ দেওয়া হয়, যার ফলে তার খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।

৫,২৯৭.
পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করেন কে?
  1. সরকার
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার, সাধারণভাবে বা কোনো নির্দিষ্ট মামলা, বা মামলার কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণীর জন্য, এবং কোনো নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকার জন্য, “পাবলিক প্রসিকিউটর” নামে একজন বা একাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে পারবেন।

(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, অথবা যেখানে কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করা হয়নি, সেখানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারের নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচের কোনো পুলিশ অফিসার না হন — এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন।

The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492: Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.

(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
৫,২৯৮.
স্থানীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য কার পরোয়ানা বা সমন জারির ক্ষমতা (Power to issue summons or warrant for offence committed beyond local jurisdiction) আছে?
  1. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় এবং ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৬ তে দেয়া আছে,
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বাস করেন যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি উক্ত সীমার বাইরে বাংলাদেশের ভিতরে বা বাইরে এমন কোন অপরাধ করেছে যা বাংলাদেশে বিচার্য, তখন তিনি অপরাধটি তার স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়েছে বলে ধরে নিয়ে সেই সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারবেন এবং উক্ত ব্যক্তিকে তার নিকট হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন এবং এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট তাকে প্রেরণ করতে পারবেন অথবা অপরাধটি জামিনযোগ্য হলে তাকে হাজির হওয়ার জন্য মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন।

• এরূপ ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে একাধিক এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট থাকলে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে হবে বা হাজির হতে বাধ্য করা হবে তা এই ধারানুসারে কার্যরত ম্যাজিস্ট্রেট ঠিক করতে না পারলে তিনি উপযুক্ত আদেশের জন্য বিষয়টি হাইকোর্টে প্রেরণ করবেন।
৫,২৯৯.
'Obiter Dictum' means-
  1. a thing decided
  2. a thing said by the way
  3. a thing to be corrected
  4. a thing to be beyed
সঠিক উত্তর:
a thing said by the way
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a thing said by the way
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Ratio decidendi-
যেসব Legal Basis বা Legal Principles উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে এবং নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

Obiter Dictum- "A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
৫,৩০০.
বেশ্যাবৃত্তি (Prostitution) ইত্যাদির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের (minor) বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
  2. বারো বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
  3. সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড।
  4. তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
সঠিক উত্তর:
দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারার বিধান বেশ্যাবৃত্তি, প্রভৃতির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন ব্যক্তিকে বিক্রয় করে, ভাড়া দেয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করে এই উদ্দেশ্যে যে অথবা এটা জানা সত্ত্বেও যে, অনুরূপ ব্যক্তিকে কোন বিশেষ বয়সে বেশ্যাবৃত্তিতে বা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে কিংবা কোন বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত বা নিয়োজিত করা হবে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন নারীকে কোন বেশ্যার কাছে অথবা এমন কোন ব্যক্তি, যে কোন পতিতালয় রাখে বা পরিচালনা করে, তার কাছে বিক্রয় করা হয় বা ভাড়া দেওয়া হয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করা হয়, তবে যে পর্যন্ত না বিপরীত প্রমাণিত হয় সে পর্যন্ত যে ব্যক্তি অনুরূপ নারীর বিলিব্যবস্থা করেছে। সে ব্যক্তি যাতে সে নারী পতিতাবৃত্তিতে ব্যবহৃত হয় সে উদ্দেশ্যেই তাকে বিলিব্যবস্থা করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।
ব্যাখ্যা ২:- এই ধারার উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে "অবৈধ সহবাস” বলতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্যে যৌনসঙ্গম বুঝাবে; কিন্তু নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ইহার ব্যতিক্রম হবে যথা: এমন কোন মিলন বা বন্ধন যা ঠিক বিবাহ নয় কিন্তু ব্যক্তিগত আইন অথবা তারা যে সম্প্রদায়ভুক্ত বা যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত সে সব সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে বিবাতূল্য সম্পর্ক বলে স্বীকৃত।
--------------
Selling minor for purposes of prostitution, etc.
Habitual dealing in slaves 
 Section 372. Whoever sells, lets to hire, or otherwise disposes of any person under the age of eighteen years with intent that such person shall at any age be employed or used for the purpose of prostitution of illicit intercourse with any person or for any unlawful and immoral purpose, or knowing it to be likely that such person will at any age be employed or used for any such purpose, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. Selling minor for purposes on prostitution, etc. 

Explanation I.- When a female under the age of eighteen years is sold, let for hire, or otherwise disposed of to a prostitute or to any person who keeps or manages a brothel, the person so disposing of such female shall, until the contrary is proved, be presumed to have disposed of her with the intent that she shall be used for the purpose of prostitution. 
Explanation II.- For the purposes of this section "illicit intercourse" means sexual intercourse between person not united by marriage or by any union or tie which, though not amounting to a marriage, is recognized by the personal law or custom of the community to which they belong or, where they belong  to different communities, of both such communities, as constituting between them a quasi-marital relation.