বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৩৮ / ১৫৫ · ৩,৭০১৩,৮০০ / ১৫,৪৭০

৩,৭০১.
দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা কত?
  1. অপরাধ সংঘটনের ১০ বছরের মধ্যে।
  2. অপরাধীর মৃত্যুর ৫ বছরের মধ্যে।
  3. দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে।
  4. কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার ২ বছরের মধ্যে।
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে।
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে।
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
------------------
⇒ Section 70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
 The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
৩,৭০২.
রবি এক ব্যক্তিকে আত্মহত্যা করতে বলে এবং তাকে বিষ কিনে দেয়। উক্ত ব্যক্তি বিষ পান করে মারা যায়। ধারা ৩০৬ এর অধীন রবির সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান- আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306- Abetment of suicide:
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৩,৭০৩.
"জনসাধারণের অধিকার বা প্রথা" সম্পর্কে মৃত ব্যক্তির মতামত কোন উপধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৩) ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৪) ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৭) ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩২(৪) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩২(৪) ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর উপধারা (৪) অনুযায়ী, জনসাধারণের অধিকার, প্রথা, বা সাধারণ স্বার্থসম্পন্ন বিষয়ে মৃত বা অনুপস্থিত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক বিবেচিত হয়।
- এই ধারা জনসাধারণের অধিকারের বিষয়ে দেওয়া মতামতকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
১) মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration) — যখন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পূর্বে কোনো ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য করেন।
২) ব্যবসার কার্যক্রমে বিবৃতি (statement made in course of business) — যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিবৃতি দেন।
৩) স্বার্থবিরোধী বিবৃতি (statement against interest) — যে বিবৃতি ব্যক্তির নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে।
৪) জনস্বার্থ বা প্রথা সংক্রান্ত বিবৃতি (opinion as to public right or custom) — যখন কোনো ব্যক্তি সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা সম্পর্কিত বিবৃতি দেন।
৫) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (relates to existence of relationship) — আত্মীয়তার অস্তিত্বের ব্যাপারে বিবৃতি।
৬) পারিবারিক দলিল বা উইলে করা বিবৃতি (statement made in will or deed relating to family affairs) — উইল বা পারিবারিক দলিলে করা বিবৃতি।
৭) লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি- "transaction mentioned in section 13, clause (a)"ধারা ১৩-এর (ক) অংশে উল্লেখিত লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি।
৮) কিছু ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি (statement made by several persons) — যখন একাধিক ব্যক্তি একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একই মতামত দেন।
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
- When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question.
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.
- or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.
- or against interest of maker;
(3) When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.
- or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
(4) When the statement gives the opinion of any such person as to the existence of any public right or custom or matter of public or general interest, of the existence of which, if it existed, he would have been likely to be aware, and when such statement was made before any controversy as to such right, custom or matter has arisen.

- or relates to existence of relationship;
(5) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between person as to whose relationship by blood, marriage or adoption the person making the statement had special means of knowledge, and when the statement was made before the question in dispute was raised.
- or is made in will or deed relating to family affairs;
(6) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.
- or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
(7) When the statement is contained in any deed, will or other document which relates to any such transaction as is mentioned in section 13, clause(a).
- or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
(8) When the statement was made by a number of persons, and expressed feelings or impressions on their part relevant to the matter in question.

৩,৭০৪.
যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর ইচ্ছা ছিল তার মৃত্যু না ঘটিয়ে, অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর মাধ্যমে অপরাধজনক নরহত্যা ঘটালে- এর বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
Section 301. If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৩,৭০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে রায়ে নিচের কোন বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে না?
  1. সিদ্ধান্তের কারণ
  2. বিচার্য বিষয়সমূহ
  3. আইনের যে ধারায় শাস্তি পেল
  4. যে সাক্ষ্যের কারণে শাস্তি পেল
সঠিক উত্তর:
যে সাক্ষ্যের কারণে শাস্তি পেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সাক্ষ্যের কারণে শাস্তি পেল
ব্যাখ্যা
⇒বিচার সমাপ্ত হবার অব্যাহত পর অথবা নোটিশ দিয়ে নির্ধারিত দিনে প্রকাশ্য আদালতে বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়। ভিন্নরুপ বিধান না থাকলে প্রত্যেকটি রায় আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক লিখিত হবে বা তার দ্রুত লিখন হতে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় লিখিত হবে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারার বিধান রায়ে যে সকল বিষয় উল্লেখ করতে হবে-
১. বিচার্য বিষয়সমূহ [points for determination]
২. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ [the decision and reasons for the decision]
৩. আসামী যে অপরাধে(যদি থাকে) দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় শাস্তি পেল [section]
৪. শাস্তি [punishment]

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে 'যে সাক্ষ্যের কারণে শাস্তি পেল' রায়ে এই বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারার বিধান: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু:
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।
(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-367- Language of judgment Contents of judgment:
(1) Every such judgment shall, except as otherwise expressly provided by this Code, be written by the presiding officer of the Court or form the dictation of such presiding officer in the language of the Court, or in English; and shall contain the point or points for determination, the decision thereon and the reasons for the decision; and shall be dated and signed by the presiding officer in open Court at the time of pronouncing it and where it is not written by the presiding officer with his own hand, every page of such judgment shall be signed by him.

(2) It shall specify the offence (if any) of which, and the section of the Penal Code or other law under which, the accused is convicted, and the punishment to which he is sentenced.
৩,৭০৬.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে কী বোঝায়?
  1. দলিলের ফটোকপি
  2. দলিলের মৌখিক বিবরণ
  3. দলিলের মূল কপি আদালতে উপস্থাপন
  4. দলিলের অনুলিপি যা যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি
সঠিক উত্তর:
দলিলের মূল কপি আদালতে উপস্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের মূল কপি আদালতে উপস্থাপন
ব্যাখ্যা
⇒ প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) বলতে আসল বা মূল দলিল যা আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তাকে বোঝায়।
অন্যদিকে, ফটোকপি, মৌখিক বিবরণ বা যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি অনুলিপি সবই গৌণ সাক্ষ্য (secondary evidence) হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এগুলো মূল দলিলের পরিবর্তে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬২ অনুসারে:
"প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত দলিল নিজেই।"

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬২ অনুযায়ী, প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence) এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে:
"Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court."
অর্থাৎ, প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বোঝায় দলিলের মূল কপি, যা আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। এটি দলিলের সবচেয়ে প্রামাণিক রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩,৭০৭.
কোন পরিস্থিতিতে ধারা ১৭৭ অনুযায়ী সাজা দেওয়া হয়?
  1. সংবাদমাধ‍্যমে ভুল তথ্য প্রকাশ করলে
  2. ব্যক্তিগত বিবাদে মিথ্যা অভিযোগ করলে
  3. আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া হলে
  4. সরকারী কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য দিলে
সঠিক উত্তর:
সরকারী কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য দিলে
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৩,৭০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারার ৩৫(২)(ক) অনুযায়ী, একাধিক দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫(২)(ক) অনুযায়ী, একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত পরপর কারাদণ্ডের (consecutive sentences) সর্বোচ্চ মেয়াদ ১৪ বছর-এর বেশি হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন;
এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-35: Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate, the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.

৩,৭০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮০ ধারা মতে, গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করার সময় পুলিশ অফিসার কী করবেন?
  1. গ্রেফতারী পরোয়ানা পুনরায় যাচাই করবেন
  2. আদালতে অভিযোগ দায়ের করবেন
  3. গ্রেফতারী পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করবেন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারী পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারী পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করবেন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮০ ধারা- পরোয়ানার সারমর্ম নোটিশকরণ:
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করতেছেন এরূপ কোন পুলিশ অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি, যাকে গ্রেফতার করা হবে, তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।

Section 80- Notification of substance of warrant:
The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall notify the substance thereof to the person to be arrested, and, if so require, shall show him the warrant.
৩,৭১০.
দণ্ডবিধি অনুসারে কোনটি "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পুরুষত্বহরণ
  2. অস্থিভঙ্গ বা স্থানচ্যুতি
  3. মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি 
  4. চোখের দৃষ্টিশক্তি অস্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া
সঠিক উত্তর:
চোখের দৃষ্টিশক্তি অস্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখের দৃষ্টিশক্তি অস্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুসারে, "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt) হিসেবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচিত হয়:
- পুরুষত্বহরণ (Emasculation)
- যেকোনো চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি হ্রাস
- যেকোনো কানের স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস
- কোনো অঙ্গ বা জয়েন্টের হ্রাস
- কোনো অঙ্গ বা জয়েন্টের ক্ষমতার স্থায়ী ক্ষতি
- মাথা বা মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
- অস্থিভঙ্গ বা স্থানচ্যুতি
- এমন আঘাত যা জীবনের জন্য বিপজ্জনক বা ২০ দিনের জন্য তীব্র শারীরিক ব্যথা সৃষ্টি করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অক্ষম করে।

ঘ) অপশনে উল্লিখিত "চোখের দৃষ্টিশক্তি অস্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া" এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ ধারা ৩২০-এ কেবল চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়াকেই গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্য তিনটি বিকল্প (ক, খ, গ) এই ধারার অধীনে গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৩,৭১১.
শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী অনুপস্থিত থাকার কারণে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে খারিজ আদেশটি বাতিলের আবেদন করে। আদালত আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে। এই ক্ষেত্রে বাদী নিম্মলিখিত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি না
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশ ১ বিধি অনুযায়ী; আদেশ ৯ এর ৯ বিধির অধীন যদি আপীলযোগ্য মোকদ্দমায়, মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করা হলে এবং আদালত উক্ত আবেদন প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করলে, উক্ত প্রত্যাখ্যান আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
৩,৭১২.
দেওয়ানি মামলায় তামাদির বিষয়টি-
  1. শুধুমাত্র আইনের প্রশ্ন
  2. শুধুমাত্র ঘটনার প্রশ্ন
  3. অধিকারের প্রশ্ন
  4. আইনের ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
আইনের ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মোকদ্দমায় তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন। আইনে উল্লিখিত কোনো বিষয় দ্বারা যখন কোনো সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয় বা নির্দিষ্ট হয় তখন তা আইনের প্রশ্ন। আর, আইনে উল্লেখ থাকা বিষয়ের সাথে যখন কোনো প্রাসঙ্গিক ঘটনা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্ত প্রভাবিত বা নির্দিষ্ট হয় তখন তাকে ঘটনার প্রশ্ন বলে।

যেমন, তামাদি আইনের ৩ ধারায় উল্লেখ আছে যে, নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত ইত্যাদি দায়ের করা হলে তা খারিজ হয়ে যাবে। এই খারিজ হয়ে যাবার বিষয়টি সরাসরি আইনের প্রশ্ন। কিন্তু অন্যদিকে ৫ ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পরেও আদালতে তা গৃহীত হতে পারে, যদি আপিলকারী বা দরখাস্তকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত আপিল বা দরখাস্ত দাখিল না করার যথেষ্ট যুক্তিসংগত কারণ ছিল।

অর্থাৎ, আপিলকারী বা দরখাস্তকারী অসুস্থতা, ভ্রান্তি, আইনজীবীর ভুল ইত্যাদি ঘটনাগত কারণে নির্ধারিত সময়ের ভেতরে আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে না পারলে তা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদের পরেও গৃহীত হতে পারে। ফলে, এই ৫ ধারায় একটি ঘটনার প্রশ্ন। তাই বলা হয়- তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন।
৩,৭১৩.
একাধিক অভিযোগের একটিতে দণ্ডিত হলে অবশিষ্টগুলির কী ঘটবে?
  1. আদালত উক্ত অভিযোগসমূহের বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
  2. সরকারপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন।
  3. ক এবং খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ২৪০ (একাধিক চার্জের একটিতে দন্ডিত হওয়ার পর অবশিষ্টগুলি প্রত্যাহার) মোতাবেক-
- যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়, তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অফিসার অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন, অথবা আদালত স্বত্বঃপ্রবৃত্ত হয়ে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
- এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে; যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।
৩,৭১৪.
নিম্নের কোন অবস্থায় ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে না?
  1. সে যদি চুক্তির বিষয়বস্তু ভালোভাবে বোঝে
  2. সে যদি চুক্তির সব শর্ত মান্য করে
  3. যে যদি আদালতে প্রতিকার না চায়
  4. যে যদি চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে
সঠিক উত্তর:
যে যদি চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে যদি চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
৩,৭১৫.
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মৌখিক সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা
  2. ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণের প্রাসঙ্গিকতা
  3. সাক্ষীর পূর্ববর্তী সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা
  4. পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রির প্রাসঙ্গিকতা
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রির প্রাসঙ্গিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রির প্রাসঙ্গিকতা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪০ অনুযায়ী যে কোনো পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রি, যা আইন অনুযায়ী একটি নতুন মামলা বা বিচার আরম্ভে বাধা সৃষ্টি করে, তা আদালতের কাছে প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে।
 অর্থাৎ, এই ধারা মূলত দ্বিতীয়বার একই বিষয় নিয়ে মামলা বা বিচার শুরুর প্রশ্নে প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে (যাকে Res Judicata ধারণার সাথে যুক্ত করা যায়)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক:
যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 40. Previous judgments relevant to bar a second suit or trial:
The existence of any judgment, order or decree which by law prevents any Court from taking cognizance of a suit or holding a trial, is a relevant fact when the question is whether such Court ought to take cognizance of such suit or to hold such trial.
৩,৭১৬.
সালিশি পরিষদের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে মোহরানা কীভাবে আদায়যোগ্য হবে?
  1. আদালতের মাধ্যমে
  2. স্বেচ্ছায় পরিশোধ করতে হবে
  3. জরিমানার মতো আদায়যোগ্য
  4. ভূমি রাজস্বের বকেয়ার মতো আদায়যোগ্য
সঠিক উত্তর:
ভূমি রাজস্বের বকেয়ার মতো আদায়যোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি রাজস্বের বকেয়ার মতো আদায়যোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬ (৫) অনুযায়ী, যে পুরুষ সালিশি পরিষদের অনুমতি ছাড়াই আরেকটি বিবাহ করবেন, তাকে তার বিদ্যমান স্ত্রীর বা স্ত্রীরদের সমস্ত মোহরানা (দেউর) পরিশোধ করতে হবে। যদি তা পরিশোধ না করা হয়, তবে সেটি ভূমি রাজস্বের বকেয়া হিসেবে আদায়যোগ্য হবে।

অর্থাৎ, দেউর পরিশোধ না করলে, রাষ্ট্র এটি ভূমি রাজস্বের মতো আদায় করবে।
৩,৭১৭.
জারির জন্য মৌখিক আবেদন কখন করা যায়?
  1. সকল ধরণের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. দাম্পত্য পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  3. মানি মোকদ্দমার (money suit) ক্ষেত্রে
  4. চুক্তি প্রবলের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
মানি মোকদ্দমার (money suit) ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানি মোকদ্দমার (money suit) ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ২১ বিধি-১১ তে মৌখিক আবেদন (Oral application): অর্থ পরিশোধের ডিক্রি হলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে ডিক্রি দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত আদালত তাকে গ্রেফতারের মাধ্যমে তৎক্ষনাৎ ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারবেন।

♦ ডিক্রি জারির জন্য প্রত্যেকটি আবেদনপত্র লিখিত হতে হবে এবং আবেদনকারী বা মোকদ্দমার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে।

♦ অর্থাৎ Money suit হলে এবং রায় ঘোষণার দিন বিবাদী উপস্থিত থাকলে বাদী মৌখিক আবেদন করবেন।
৩,৭১৮.
দণ্ডবিধির ৪০২ ধারা অনুযায়ী, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে তাদের সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০২ ধারা অনুযায়ী, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে তাদের প্রত্যেকেই অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি: সাত (৭) বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৪০২: ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া:
যে কোনো ব্যক্তি, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে একজন হন যারা ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছে, তবে তিনি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদে হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 402. Assembling for purpose of committing dacoity:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall be one of five or more persons assembled for the purpose of committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৩,৭১৯.
দণ্ডবিধি অনুসারে ডাকাতি সংঘটনের জন্য সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তি প্রয়োজন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯১ অনুযায়ী, পাঁচ বা তার বেশি ব্যক্তি একসঙ্গে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করলে তাদেরকে "ডাকাতি" বলা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code Section 391- Dacoity:
- When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".

৩,৭২০.
সাইবার ট্রাইব্যুনাল কোন ধরণের অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধী কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. ডিজিটাল জালিয়াতি
  2. ডিজিটাল প্রতারণা
  3. পরিচয় প্রতারণা
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৩৬- ক্ষতিপূরণের আদেশ দানের ক্ষমতা

কোনো ব্যক্তি ধারা ২২ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি, ধারা ২৩ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক প্রতারণা বা ধারা ২৪ এর অধীন পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণের মাধ্যমে অপর কোনো ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে, ট্রাইব্যুনাল, সৃষ্ট ক্ষতির সমতুল্য অর্থ বা তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারিবে।
৩,৭২১.
The 24-hour detention period under Section 61 of The Code of Criminal Procedure,1898-
  1. Only applies in urban areas
  2. Includes journey time to court
  3. Excludes journey time to court
  4. Can never be extended
সঠিক উত্তর:
Excludes journey time to court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Excludes journey time to court
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
-কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
----------------------------------------
The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
৩,৭২২.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৪ ধারা অনুসারে বণ্ড বাজেয়াপ্ত আদেশের বিরুদ্ধে আাপিল না করলে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. মিস আপিল
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫১৫ অনুযায়ী- কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ৫১৪ ধারার অধীন প্রদত্ত সকল আদেশ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীলযোগ্য হবে, অথবা এরূপভাবে আপীল করা না হলে তার দ্বারা রিভাইসড হবে।
৩,৭২৩.
মোকদ্দমা খারিজের আদেশের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. সবসময় আপীলযোগ্য
  2. সকল ক্ষেত্রে আপীলঅযোগ্য
  3. আপীলযোগ্যতা বাদীর ইচ্ছার উপর নির্ভর করে
  4. আপীলযোগ্য বা আপীলঅযোগ্য উভয় হতে পারে
সঠিক উত্তর:
আপীলযোগ্য বা আপীলঅযোগ্য উভয় হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীলযোগ্য বা আপীলঅযোগ্য উভয় হতে পারে
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা খারিজ:
মোকদ্দমা খারিজ হলো একটি আদেশ। এটা আপীলযোগ্য হতে পারে আবার নাও হতে পারে। মোকদ্দমা খারিজের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে কি যাবে না তা নির্ভর করে, নির্দিষ্ট কোন বিধিতে মোকদ্দমা খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার বিধান করা হয়েছে কিনা।

যেমন- ৯ আদেশের অধীন মোকদ্দমা খারিজ করা হলে, তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কারণ এই ক্ষেত্রে আপীলের বিধান দেওয়ানী কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু ১১ আদেশের ২১ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে কারণ ৪৩ আদেশের ১(চ) বিধি অনুযায়ী, ১১ আদেশের ২১ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
৩,৭২৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা "Double Jeopardy" নীতি প্রতিষ্ঠা করে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ১৬১
  3. ধারা ৩০২
  4. ধারা ৪০৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৩
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০৩ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে একবার উপযুক্ত আদালতে বিচারিত হয়ে দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত হন, তাহলে তাকে আবার একই অপরাধে বা সেই অপরাধসংক্রান্ত ঘটনায় বিচার করা যাবে না। এটিই "Double Jeopardy" নীতির বিচারিক প্রয়োগ।
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০৩ (Person once convicted or acquitted not to be tried for same offence) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা Double Jeopardy নীতি অনুসরণ করে। এর মানে হল যে, একবার একটি অপরাধের জন্য একজন ব্যক্তি দণ্ডিত বা খালাস হলে, তাকে আবার সেই একই অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে না। 


- Nemo debet bis vexari নীতি: ধারা ৪০৩ "Nemo debet bis vexari" (একই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার বিচারাধীন হতে পারে না) নীতির উপর ভিত্তি করে প্রণীত। এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করার চেষ্টা করা থেকে রক্ষা করা হয়, যেটি তার জন্য অন্যায় হতে পারে। এর উদ্দেশ্য হলো বিচার ব্যবস্থায় অতিরিক্ত নির্যাতন থেকে ব্যক্তির রক্ষা।

- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৩ প্রযোজ্য হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত পূর্ণ হতে হবে:
অপরাধ: অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের জন্য অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটি সেই অপরাধ হতে হবে, যার জন্য তাকে প্রথমে বিচার করা হয়েছিল।
এখতিয়ার: বিচারের জন্য অবশ্যই এখতিয়ারপ্রাপ্ত আদালত হতে হবে। অন্যথায় ধারা ৪০৩ প্রযোজ্য হবে না।
খালাস বা দণ্ড: বিচারের ফলস্বরূপ, খালাস (Acquittal) বা দণ্ড (Conviction) প্রদান করা থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না।

- ধারা ৪০৩ এর অধীনে Double Jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না যদি:
অভিযোগ খারিজ: যদি আদালত কোন অভিযোগ খারিজ করে এবং এতে কোনো খালাস আদেশ না থাকে, তাহলে অভিযুক্তকে দ্বিতীয়বার বিচার করার সুযোগ থাকবে।
২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ: ২৪৯ ধারার অধীনে যদি মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ হয় এবং অভিযুক্ত মুক্তি পায়, তাহলে তাকে দ্বিতীয়বার বিচারের সম্মুখীন করা যেতে পারে।
অব্যাহতি: যদি আদালত অভিযোগ বা মামলার বিরুদ্ধে অব্যাহতি দেয়, তাহলে এটি খালাসের মতো গণ্য হবে না এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার বিচারের সম্মুখীন করা যাবে।

- ধারা ৪০৩ এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে অভিযোগ খারিজ, ২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ বা অব্যাহতি একটি খালাস হিসেবে গণ্য হবে না। এর মানে হল যে, এই ধরনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে Double Jeopardy প্রযোজ্য হবে না এবং অভিযুক্তকে দ্বিতীয়বার বিচারের সম্মুখীন করা সম্ভব হবে।
৩,৭২৫.
খুনের অপরাধের জন্য ক-এর বিচার করা হলো এবং খালাস দেওয়া হলো। তার বিরুদ্ধে দস্যুতার কোন অভিযোগ ছিল না। তবে ঘটনা হতে প্রতীয়মান হয় যে, খুনের সময় ক দস্যুতা করেছিল। এই ক্ষেত্রে ক এর-
  1. পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।
  2. দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হওয়ায় দস্যুতার জন্য ক এর বিচার করা যাবে না।
  3. এই ক্ষেত্রে দোবারা সাজার নীতি প্রযোজ্য হবে না।
  4. ক এবং গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৩ মতে আলোচ্য প্রশ্ন অনুযায়ী খুন এবং দস্যুতা দুইটি স্বতন্ত্র অপরাধ। যেহেতু ক-কে খুনের জন্য দণ্ডিত করা হয়েছিল তাই তাকে পুনরায় খুনের জন্য বিচার করা যাবে না। কিন্ত দস্যুতা অপর একটি অপরাধ যার জন্য ক-কে পূর্বে বিচার এবং দণ্ডিত করা হয় নি। তাই তাকে দস্যুতার জন্য পরবর্তীতে বিচার করা যাবে। এই ক্ষেত্রে  Principle of double jeopardy প্রযোজ্য হবে না।
৩,৭২৬.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে আদালত কত প্রকার অনুমান করতে পারে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:-
১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত।
২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত।
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইন অনুসারে আদালত তিন প্রকার অনুমান করতে পারে।
-----------------------------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।
⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।
⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৩,৭২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১-এর অধীনে কোন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট ধর্ষণের অভিযোগ আমলে নিতে পারবেন না?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সকল ম্যাজিস্ট্রেট আমলে নিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৬১ (স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান)-
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট -
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

Section 561: Special provisions with respect to offence of rape by a husband
(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.

(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
৩,৭২৮.
সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারা অনুযায়ী স্বীকৃতি/Admission কয় ধরনের হয়?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা

স্বীকৃতির (Admission) প্রকারভেদ:
Evidence (Amendment) Act, 2022 অনুসারে, ধারা ১৭-এর অধীনে স্বীকৃতি এখন তিন প্রকার হতে পারে—
১) মৌখিক স্বীকৃতি (Oral Admission) – মুখে বলা স্বীকারোক্তি।
২) দালিলিক স্বীকৃতি (Documentary Admission) – লিখিত নথিপত্রে থাকা স্বীকারোক্তি।
৩) ডিজিটাল রেকর্ডে ধারণকৃত স্বীকৃতি (Statement contained in Digital Record) – ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত বা রেকর্ড করা স্বীকারোক্তি।

এটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (Evidence Act, 1872)-এর সংশোধনের (Amendment, 2022) মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে।
----------

The Evidence Act, 1872 Section-17. Admission defined:
An admission is a statement, oral or documentary or contained in digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.

৩,৭২৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় ব্যক্তির সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ১২ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২য় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারার সাধারণ ব্যাখ্যা (General Explanation) অংশে দণ্ডবিধিতে ব্যবহৃত কতিপয় শব্দের সংজ্ঞা রয়েছে।
→ দণ্ডবিধির ১১ ধারায় ব্যক্তির সংজ্ঞা রয়েছে। ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যক্তি বা Person বলতে যে কোন কোম্পানি বা সমিতি (Association) অথবা ব্যক্তি সমষ্টিকে (সমিতিভুক্ত হোক বা না হোক) বুঝাবে।
---------------
→ “Person” Section 11. The word “person” includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not.
৩,৭৩০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া যেতে পারে-
  1. অগ্রক্রয় আদেশের মাধ্যমে
  2. বাটোয়ারা ডিক্রি প্রদানের মাধ্যমে
  3. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  4. অ্যাডভোকেট কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫ ধারায় মতে রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়া যেতে পারে। 
৩,৭৩১.
মুসলিম উত্তরাধিকারের নিয়মানুযায়ী মৃত ব্যক্তির একজন কন্যা এবং একাধিক পুত্রের কন্যা থাকলে, পুত্রের কন্যাগণ সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/৩ অংশ
  2. ২/৩ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. বঞ্চিত হবে
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
ব্যাখ্যা
• পুত্রের কন্যার সম্পত্তি লাভের ক্ষেত্রে চারটি অবস্থা লক্ষ্য করা যায়:

ক) মৃত ব্যক্তির পুত্র বা একাধিক কন্যা থাকলে, পুত্রের কন্যা সম্পূর্ণরূপে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

খ) মৃত ব্যক্তির পুত্র-কন্যা না থাকলে, পুত্রের কন্যা একা হলে ১/২ অংশ এবং একাধিক হলে ২/৩ অংশ সম্পত্তি পায়।

গ) মৃত ব্যক্তির যদি একমাত্র কন্যা থাকে, তবে পুত্রের কন্যা একা বা একাধিক যাই থাকুক একা বা সবাই শুধুমাত্র ১/৬ অংশ পাবে। একাধিক হলে এই ১/৬ অংশ সবাই সমানভাবে পাবে।

ঘ) মৃত ব্যক্তির পুত্রের পুত্র থাকলে, পুত্রের কন্যা অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে তার বা তার সাথে ২:১ সম্পত্তি লাভ করবে।
৩,৭৩২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে পদাধিকারবলে কৃত কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তা গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি পাবেন?
  1. ৭৯
  2. ৮০
  3. ৮১
  4. ৮২
সঠিক উত্তর:
৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮১ ধারার বিধান: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যহতি: পদাধিকারবলে কৃত কোন কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-তাকে ডিক্রি জারি ব্যতীত গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না। আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারে।
-----------
CPC Section 81. Exemption from arrest and personal appearance.
In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity- 
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and, 
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
৩,৭৩৩.
ভবঘুরে, দস্যু, চোরাইমাল গ্রহণকারীকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করা যায় কত ধারায়?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ১৫৪
  4. ১৫৫
সঠিক উত্তর:
৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫
ব্যাখ্যা
♦ সাধারনত পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধ ছাড়া কাউকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করতে পারে না। তবে ৫৪ ধারায় ৯টি ক্ষেত্রে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী পুলিশ ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যুকে বিনা ওয়ারেন্টে বা বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধের উদ্দেশ্যে নিজের পরিচয় গোপন করে, যে উক্ত থানা এলাকায় নিজের অবস্থান সম্পর্কে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারে না এবং অভ্যাসগত ডাকাত, গৃহভঙ্গকারী, চোর বা চোরাইমাল গ্রহণে যার বদনাম রয়েছে পুলিশ তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে। [ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৫]
৩,৭৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারায় কী উল্লেখ আছে?
  1. Mediation
  2. Mediation in Appeal
  3. Arbitration
  4. Special provisions for mediation
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒  Section 89C Mediation in Appeal: (1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from the original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৩,৭৩৫.
দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারীকে আইনসম্মতভাবে সহায়তা না দেয়, তাকে সর্বোচ্চ _____ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
  1. ২০০
  2. ৩০০
  3. ১০০০
  4. ২০০০
সঠিক উত্তর:
২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:

কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 187- Omission to assist public servant when bound by law to give assistance:
Whoever, being bound by law to render or furnish assistance to any public servant in the execution of his public duty, intentionally omits to give such assistance, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to two hundred taka, or with both;
and if such assistance be demanded of him by a public servant legally competent to make such demand for the purposes of executing any process lawfully issued by a Court of Justice, or of preventing the commission of an offence, or of suppressing a riot, or affray, or of apprehending a person charged with or guilty of an offence, or of having escaped from lawful custody, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৩,৭৩৬.
নিম্নের কোনটিকে প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct Evidence) হিসাবে গণ্য করা যায়?
  1. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা দেখেন নাই বা শুনেন নাই
  2. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা দেখেন নাই
  3. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী স্বয়ং উহা দেখেছেন
  4. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা অন্যকে অভিমতের ভিত্তিতে প্রাপ্ত
সঠিক উত্তর:
যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী স্বয়ং উহা দেখেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী স্বয়ং উহা দেখেছেন
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে-

মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct)। অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।

Section 60- Oral evidence must be direct: Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৩,৭৩৭.
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি চার লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরদিন 'খ' ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে মারা গেল। এই পরিস্থিতিতে 'ক' এর কী প্রতিকার থাকতে পারে?
  1. চুক্তি বাস্তবায়ন করা যাবে না।
  2. 'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে।
  3. 'খ'-এর প্রতিনিধিরা 'ক'-এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে।
  4. 'খ'-এর প্রতিনিধিকে চুক্তির অধীনে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যাবে।
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর প্রতিনিধিকে চুক্তির অধীনে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর প্রতিনিধিকে চুক্তির অধীনে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যাবে।
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত প্রশ্নে এই চুক্তিটি একটি সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি (contract for sale of immovable property)। সাধারণত, ব্যক্তিগত দক্ষতা (personal skill) বা ব্যক্তিগত কার্য সম্পাদনের (personal service) চুক্তি হলে তা ব্যক্তির মৃত্যুর সাথে সাথে বিলুপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে, চুক্তির অধিকার ও বাধ্যবাধকতা উত্তরাধিকারীদের ওপর বর্তায়, যদি না চুক্তিতে ভিন্ন কোনো শর্ত উল্লেখ থাকে।
- তাই, 'খ'-এর উত্তরাধিকারীরা ('খ'-এর প্রতিনিধি) এই চুক্তির অধীন দায়বদ্ধ থাকবে, এবং 'ক' তাদের বিরুদ্ধে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে।

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে:
- চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘুর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে খ-কে চুক্তিতে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করা যেতে পারে।
(খ) খ কর্তৃক দেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ক, খ- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন খ ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন খ-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 13. Contract of which the subject has partially ceased to exist:
Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance.

Illustrations:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase money. 
(b) In consideration of a sum of money payable by B, A contracts to grant an annuity to B for B's life. The day after the contract has been made, B is thrown from his horse and killed. B's representative may be compelled to pay the purchase money.
৩,৭৩৮.
'সাক্ষ্য কে বা কারা দিতে পারেন'- এ বিষয়ে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১১৮ ধারা
  2. ১১৯ ধারা
  3. ১৩৪ ধারা
  4. ১৩৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Section 118- Who may testify:
All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 

Explanation- A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
৩,৭৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে কোন ক্ষেত্রে একটি আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে
  2. প্রতিরোধমূলক প্রতিকারের ক্ষেত্রে
  3. দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে
  4. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary power বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে কোন আদেশ প্রদান করতে আদালত বাধ্য নয়; অর্থাৎ আদালত সন্তুষ্ট হলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারে আবার নাও পারে। বিচারকের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই আইন ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজের অধিকারের সীমার মধ্যে থেকে প্রয়োগ করতে হবে। বিবেচনামূলক ক্ষমতা যথেচ্ছা বা খুশিমত ব্যবহার করা যায় না।
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (ধারা-১২);
ii) দলিল সংশোধন, বাতিল, এবং রদ (ধারা ৩১-৩৯);
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি বা ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩);
iv) রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (ধারা-৪৪);
v) প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা-৫২); এবং
vi) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা-৫৩ থেকে ৫৫)

⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। যথা-
i) সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা-৮); এবং
ii) স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা-৯)।
⇒ যেহেতুে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।

⇒ উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্র ব্যতীত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় অন্যান্য প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

৩,৭৪০.
কোন আদালতে রেফারেন্স (reference) প্রেরণ করা যায়?
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. আপিল বিভাগে
  3. হাইকোর্টে
  4. কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্টে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্টে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
- ৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।

- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

- ৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।
- অর্থাৎ Reference কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে।

- ৪৬ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার বিধান রয়েছে। ৬ নং বিধি অনুযায়ী যেক্ষেত্রে মামলা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।
৩,৭৪১.
খাদ্য বা পানীয়ের ভেজাল মেশানোর অপরাধে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী হয়, তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড বা ২ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ২ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ২৭২: খাদ্য বা পানীয়ের ভেজাল-
যে ব্যক্তি কোনো খাদ্য বা পানীয়ের দ্রব্যে ভেজাল মিশায়, যাতে ওই দ্রব্যটি খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ক্ষতিকর হয় এবং সে ওই দ্রব্যটি খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে বা জানার পরেও যে এটি খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রি হতে পারে, তাকে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডের শাস্তি প্রদান করা হবে যা সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত হতে পারে, অথবা সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় শাস্তি

[Whoever adulterates any article of food or drink, so as to make such article noxious as food or drink, intending to sell such article as food or drink, or knowing it to be likely that the same will be sold as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.]
৩,৭৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী ডিক্রির অধিকারী যদি তার ডিক্রি অন্যের কাছে হস্তান্তর করে, তবে নতুন অধিকারী কীভাবে ডিক্রি গ্রহণ করবে?
  1. সম্পূর্ণ নতুন শর্তে
  2. কেবলমাত্র বিবাদীর সম্মতির ভিত্তিতে
  3. কেবল আদালতের অনুমোদন পেলে
  4. পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তবে নতুন ডিক্রি-ধারী (transferee) পুরাতন ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত ও বাধ্যবাধকতা মেনে ডিক্রিটি গ্রহণ করবে। অর্থাৎ, নতুন অধিকারী কোনো অতিরিক্ত সুবিধা বা পরিবর্তিত শর্তের দাবি করতে পারবে না।
এছাড়া, বিবাদী (judgment-debtor) পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে যে প্রতিরক্ষা (defense) গ্রহণ করতে পারত, সেটিই নতুন ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধেও প্রয়োগ করতে পারবে। অর্থাৎ, নতুন ডিক্রি-ধারী আগের শর্তের বাইরের কোনো সুবিধা দাবি করতে পারবেন না।

ডিক্রি হস্তান্তরের ফলে নতুন অধিকারী পূর্ববর্তী অধিকারীর মতোই ডিক্রিটি কার্যকর করতে পারবে, তবে নতুন শর্ত আরোপ করতে পারবে না। তাই সঠিক উত্তর হলো "ঘ) পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে"।
------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-49. Transferee: 
 Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.
৩,৭৪৩.
স্বামী কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন তালাক দেয়, তখন সেটাকে বলা হয়-
  1. ইলা
  2. জিহার
  3. তালাক-ই-তাওহিদ
  4. তালাক-ই-তাওফিজ
সঠিক উত্তর:
তালাক-ই-তাওফিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালাক-ই-তাওফিজ
ব্যাখ্যা
'Talak e Tafwid' বা 'তালাক-ই-তাওফিজ':

সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা কোন স্ত্রী-এর নেই। কোন স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে, যদি স্বামী তাকে এমন ক্ষমতা অর্পন করে। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন স্বামীকে তালাক দেয়, তখন সেটাকে Talak e Tafwid 'তালাক-ই-তাওফিজ' বলে। আমাদের দেশে নিকাহনামায় বা বিবাহের চুক্তিপত্রের ১৮ নং অনুচ্ছেদে এই সংক্রান্ত বিধান আছে। অর্থাৎ নিকহানামার ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী- স্ত্রী, স্বামীর নিকট হতে তালাক প্রদানের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে স্বামীকে তালাক দিতে পারে যা Talak e Tafwid নামে পরিচিত।

উদাহরণ:
বিবাহের কাবিননামায় শর্ত দেওয়া হলো যে- কাবিননামায় উল্লেখিত তাৎক্ষণিক দেনমোহর [Prompt Dower] স্বামী দিতে ব্যর্থ হলে, স্ত্রী বিবাহ বাতিল করতে পারবে। কিন্তু স্ত্রী উক্ত দেনমোহর চাইলেও স্বামী তা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে। এইক্ষেত্রে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে।
৩,৭৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুসারে তল্লাশী করার পূর্বে কমপক্ষে কতজন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করতে হবে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ১ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী, তল্লাশী কার্যক্রম শুরু করার আগে, তল্লাশীকারী অফিসারকে যে স্থানে তল্লাশী হবে সেই এলাকার অন্তত দুইজন নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করতে হবে।
→ অর্থাৎ, আইনের ন্যূনতম শর্ত হল— ২ জন সাক্ষী।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

৩,৭৪৫.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে করা পুনর্বিবেচনা নিষ্পত্তির সময়সীমা কত?
  1. ৯০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:

(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৩,৭৪৬.
প্লিডিং থেকে বিচ্যুতি [Departure from pleading]বা প্লিডিংস এ পরিবর্তন-
  1. করা যাবে না
  2. আদালত অনুমতি ছাড়া করা যাবে
  3. সংশোধন আকারে করা যেতে পারে
  4. ওপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
সংশোধন আকারে করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশোধন আকারে করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ বিধি ৭ অনুযায়ী সাধারণত সংশোধন ছাড়া প্লিডিংস থেকে বিচ্যুতি [Departure from pleading] বা প্লিডিংস এ পরিবর্তন করা অনুমদিত না। কোন পক্ষ প্লিডিংসে দাবীর এমন কোন নতুন ভিত্তি উপস্থাপন করতে পারে না বা কোন নতুন অজুহাত উপস্থাপন করতে পারে না যা তার পূর্বে দায়েরকৃত প্লিডিংসের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। শুধু নতুন দাবির ভিত্তি উপস্থাপন সংশোধনীর মাধ্যমে করা যাবে।
৩,৭৪৭.
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a ­­_____ law.
  1. Penal
  2. Civil
  3. Personal
  4. Tort law
সঠিক উত্তর:
Penal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Penal
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দন্ড বা Penal  কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
৩,৭৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] আপিলের বিধান নিষিদ্ধ?
  1. ধারা ৪১১
  2. ধারা ৪১২
  3. ধারা ৪১৩
  4. ধারা ৪১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৩
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৩ স্পষ্টভাবে বলে—যদি দায়রা আদালত (Court of Session) ১ মাসের বেশি নয় এমন কারাদণ্ড দেয়, অথবা যদি দায়রা আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর অন্য ম্যাজিস্ট্রেট ৫০০০ টাকার বেশি নয় এমন অর্থদণ্ড আরোপ করে, তাহলে সেই তুচ্ছ মামলার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০০০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding five thousand Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.

৩,৭৪৯.
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে-
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং

-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
-------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-193: Punishment for false evidence:
Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine. 

Explanation 1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding. 
Explanation 2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice. 
Explanation 3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
৩,৭৫০.
যদি কয়েদীকে জেলে আটক রাখতে হয়, তাহলে কার কাছে পরোয়ানা প্রেরণ করা হবে?
  1. পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের নিকট
  2. জেলারের নিকট
  3. কয়েদীর নিকট
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসারের নিকট
সঠিক উত্তর:
জেলারের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলারের নিকট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৩ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশ ব্যতীত অন্যকোনো কারাদণ্ডাদেশ কার্যকর করতে হবে পরোয়ানা জারির মাধ্যমে।দণ্ডদানকারী আদালত এমন পরোয়ানা জারি করবে।

কারাবাসের শাস্তি কার্যকর করার প্রত্যেকটি ওয়ারেন্ট বা পরোয়ানা কয়েদী (Prisoner) যে জেলে আটক আছে বা আটক থাকবে সেই জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের নিকট নির্দেশিত হতে হবে (ধারা ৩৮৪)।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৫ অনুসারে-
যখন কয়েদীকে জেলে আটক রাখতে হবে,তখন পরোয়ানাটি জেলার (Jailor) কে যথাযথভাবে জানাতে হবে।

Section 385: Warrant with whom to be lodged
When the prisoner is to be confined in a jail, the warrant shall be lodged with the jailor.
৩,৭৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কখন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত
  2. আদালত কর্তৃক বাতিল না করা পর্যন্ত
  3. তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত
  4. ক  অথবা খ
সঠিক উত্তর:
ক  অথবা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক  অথবা খ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ধারা ৭৫(২) অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক জারিকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা লিখিতভাবে থাকবে এবং এটি ততক্ষণ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে যতক্ষণ না আদালত সেটি বাতিল করে বা এটি সম্পাদিত হয়। অর্থাৎ, পরোয়ানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয় না; শুধু আদালতের রদ বা গ্রেপ্তারের বাস্তবায়নের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা শেষ হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৭৫ গ্রেফতারি পরোয়ানা ও তার স্থায়িত্বের ধরন:
(১) ফরম (Form of warrant of arrest): এই বিধির (কোডের) অধীনে আদালত কর্তৃক জারিকৃত প্রতিটি গ্রেফতারি পরোয়ানা অবশ্যই লিখিত হতে হবে, presiding officer (প্রিজাইডিং অফিসার) কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে, অথবা যদি ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চ হয় তবে সেই বেঞ্চের কোনো সদস্য কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং তাতে আদালতের সীলমোহর থাকতে হবে।
(২) স্থায়িত্ব (Continuance of warrant of arrest): এই ধরনের প্রতিটি পরোয়ানা দুটি অবস্থার যেকোনো একটি না ঘটা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে:
- যে আদালত এটি জারি করেছিল, সেই আদালত কর্তৃক বাতিল না হওয়া পর্যন্ত; অথবা
- পরোয়ানাটি কার্যকর (executed) না হওয়া পর্যন্ত।
----------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-  75. Form of warrant of arrest Continuance of warrant of arrest:
(1) Every warrant of arrest issued by a Court under this Code shall be in writing, signed by the presiding officer, or in the case of a Bench of Magistrates, by any member of such Bench, and shall bear the seal of the Court. 
(2) Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.

৩,৭৫২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় “General power to amend” এর বিধান আছে?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারা-তে আদালতের জন্য "General power to amend" বা "সাধারণ সংশোধনের ক্ষমতা" প্রদান করা হয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত যেকোনো সময় এবং উপযুক্ত শর্তে, মোকদ্দমার কার্যক্রমে যেকোনো ভুল বা ত্রুটি সংশোধন করতে পারবে, যাতে মামলার প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে - কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।
- অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
৩,৭৫৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুসারে পুলিশের তদন্ত সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে শেষ না হলে, ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তির আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৬০
  2. ৯০
  3. ১২০
  4. ১৮০
সঠিক উত্তর:
১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটি নির্দেশনামূলক। যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হলে:
- যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন; যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয়; অথবা
- দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।
৩,৭৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী আদালত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে যদি তা কী রোধ করতে সাহায্য করে?
  1. শাস্তির প্রয়োগ
  2. বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ
  3. সম্পত্তির লঙ্ঘন
  4. অপরাধমূলক কার্যকলাপ
সঠিক উত্তর:
বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা এমন একটি নিষেধাজ্ঞা যা কোনো ব্যক্তিকে তার বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করতে না পারে, সেই উদ্দেশ্যে আদালত নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করে।
- এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি তার আইনগত বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে অস্বীকার করে এবং আদালত মনে করে যে, এটি রোধ করতে হলে সেই ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে। এর মাধ্যমে আদালত বাধ্য করে সেই ব্যক্তি বা পক্ষকে নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে।

অতএব, ৫৫ ধারা মূলত বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ রোধ করার জন্য কাজ করে এবং এটি শুধুমাত্র বাধ্যতামূলক কাজ সম্পাদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যে ক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে এবং এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযােগ করা হয়েছে তা রােধ করা এবং সে সঙ্গে‌ প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
৩,৭৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, সহকারী জজের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন কে নিষ্পত্তি করেন?
  1. জেলা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ অনুযায়ী, যদি কোন আদেশ যেটির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান না থাকে, সেটি সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদান করা হয়, তখন সেই আদেশ সংশোধনের জন্য রিভিশন আবেদন জেলা জজ আদালতে করা হয়। জেলা জজ সেই আদেশের নথি তলব করে, ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ও আইনগত ভুল থাকলে আদেশ সংশোধন করে। তাই সহকারী জজের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন নিষ্পত্তির দায়িত্ব জেলা জজের।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫(২) এ উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, বা সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান না থাকে, তবে সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত মোকদ্দমার নথি তলব করতে পারে।
- জেলা জজ আদালত এই আদেশ বা ডিক্রিতে আইনগত ভ্রান্তি বা এখতিয়ারের অপব্যবহার পরীক্ষা করে এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করতে প্রয়োজনীয় আদেশ বা সংশোধন করতে পারে।
- তবে, ধারা ১১৫(৩) অনুসারে, জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে হস্তান্তর করতে পারেন, এবং তখন অতিরিক্ত জেলা জজের জেলা জজের মতো একই ক্ষমতা থাকবে।
- যদি জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের রিভিশন আদেশে আইনগত ভ্রান্তি থাকে, তবে ধারা ১১৫(৪) অনুসারে সংক্ষুব্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।
৩,৭৫৬.
ক-এর মামলা করার অধিকার আছে একটি দলিলের অনুবলে। কিন্তু বিবাদী খ উক্ত দলিল ক-এর দখল হতে প্রতারণামূলকভাবে লুকিয়ে রাখে। ক-এর মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে কখন?
  1. প্রতারণার বিষয়ে জানার পর
  2. যখন উক্ত দলিলের দখল প্রাপ্ত হবে
  3. যখন বিবাদীকে পাওয়া যাবে
  4. দলিল হাতছাড়া হওয়ার পর থেকে
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত দলিলের দখল প্রাপ্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত দলিলের দখল প্রাপ্ত হবে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৮ ধারায় বলা হয়েছে যে কারও মামলা করার অধিকার যদি প্রতারণামূলকভাবে তাঁর কাছ থেকে গোপন করা হয় অথবা যে দলিলের ভিত্তিতে মামলা করবে তা যদি প্রতারণামূলকভাবে তাঁর থকে লুকানো হয় তবে অধিকার সম্পর্কে জানা বা দলিলের হেফাজত পাওয়ার পর থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে। প্রতারণা করবে এমন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে এই অধিকার সৃষ্টি হয়েছে।
৩,৭৫৭.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী “নাগরিক” (Citizen) বলতে কী বোঝায়?
  1. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা
  2. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ করেছে
  3. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী নাগরিক
  4. উল্লিখিত সবাইকে
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী নাগরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী নাগরিক
ব্যাখ্যা
Article 152:
“citizen” means a person who is a citizen of Bangladesh according to the law relating to citizenship;

"নাগরিক" অর্থ নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইনানুযায়ী যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক।
৩,৭৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ১৭ অনুসারে, দলিল পরিদর্শনের নোটিশ প্রাপ্তির পর জবাবের নোটিশ কোন ফর্মে হতে হবে? 
  1. Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৭
  2. Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮
  3. Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৯
  4. কোনো নির্দিষ্ট ফর্ম নেই
সঠিক উত্তর:
Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ১৭-এর শেষাংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "Such notice shall be in Form No. 8 in Appendix C, with such variations as circumstances may require."
অর্থাৎ, দলিল পরিদর্শনের জন্য প্রাপ্ত নোটিশের জবাব Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮ অনুযায়ী দিতে হবে (পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে)।
সুতরাং, আদেশ ১১, বিধি ১৭ অনুসারে দলিল পরিদর্শনের নোটিশ প্রাপ্তির পর জবাবের নোটিশ Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮-এ হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১১ বিধি ১৭: পরিদর্শনের সময় যখন নোটিশ দেওয়া হয়: যে পক্ষকে এরূপ নোটিশ দেওয়া হয়েছে, সে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে নোটিশ প্রদানকারী পক্ষকে একটি নোটিশ প্রদান করবে। এই নোটিশে একটি সময় উল্লেখ করতে হবে (নোটিশ প্রদানের তারিখ থেকে তিন দিনের মধ্যে), যে সময়ে দলিলগুলি তার উকিলের অফিসে পরিদর্শনের জন্য উপলব্ধ হবে। তবে ব্যাংকের বই, হিসাবের অন্যান্য বই বা ব্যবসায়িক কাজে নিয়মিত ব্যবহার্য বইগুলির ক্ষেত্রে সেগুলি তাদের সাধারণ সংরক্ষণস্থলে পরিদর্শন করতে হবে। এছাড়া, নোটিশে উল্লেখ করতে হবে যে কোন দলিলগুলি (যদি থাকে) উপস্থাপনে তিনি আপত্তি করছেন এবং কী কারণে আপত্তি করছেন। এই নোটিশ Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮ অনুযায়ী হবে, তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 11 Rule-17. Time for inspection when notice given: 
The party to whom such notice is given shall, within ten days from the receipt of such notice, deliver to the party giving the same a notice stating a time within three days from the delivery thereof at which the documents, or such of them as he does not object to produce, may be inspected at the office of his pleader, or in the case of bankers' books or other books of account or books in constant use for the purposes of any trade or business, at their usual place of custody, and stating which (if any) of the documents he objects to produce, and on what ground. Such notice shall be in Form No. 8 in Appendix C, with such variations as circumstances may require.

৩,৭৫৯.
নিম্নলিখিত কোন পরিস্থিতিতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করা যাবে না?
  1. যদি চুক্তির শর্ত পূরণ করা অসম্ভব হয়
  2. যদি চুক্তির বিষয়বস্তু পূর্বেই নিষ্পত্তি হয়ে যায়
  3. যদি ব্যক্তি ইতোমধ্যে ক্ষতিপূরণ পেয়ে থাকে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা: চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না:
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেচে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী, চুক্তি পালনে ৪টি ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে। যথা-
⇒ যার পক্ষে ক্ষতিপূরণ আদায় অসম্ভব;
⇒ যে পূর্বে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে;
⇒ যে চুক্তি পালনে অক্ষম;
⇒ যে চুক্তির বিষয়বস্তু পূর্বেই নিষ্পত্তি হয়েছে।

অর্থাৎ, অপশনে উল্লিখিত সকল ব্যক্তির পক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করা যায় না।

Section 24- Personal bars to the relief: Specific performance of a contract cannot be enforced in favour of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject-matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
৩,৭৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় "Nemo judex in causa sua in propria causa" নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ৫৫৪
  2. ৫৫৬
  3. ৫৫৯
  4. ৫৬২
সঠিক উত্তর:
৫৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫৬
ব্যাখ্যা
⇒ "Nemo judex in causa sua in propria causa" is the complete Latin maxim, which translates to "no one should be a judge in their own case or cause."

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে, যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
--------------------  
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 556- Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
৩,৭৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন সর্বশেষ সংশোধিত হয় কত সালে?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:
⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭; (১নং আইন)
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারাটি ২০০৪ সালের সংশোধনী দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে যা ১লা জুলাই ২০০৫ থেকে কার্যকর রয়েছে অর্থাৎ ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পূর্বে সম্পাদিত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি অরেজিস্ট্রিকৃত বা অনিবন্ধিত হলেও সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেত, কিন্তু ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পর ২১ক ধারার শর্তাবলি পূরণ করতে হবে।

৩,৭৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী তদন্তকারী পুলিশ সাক্ষীর মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. ১৬০ ধারা
  2. ১৬১ ধারা
  3. ১৬২ ধারা
  4. ১৭৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তবে, সাক্ষী এমন কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়, যা তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ, দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা,
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারি অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case.
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture.
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
৩,৭৬৩.
তালাক-ই-তাফফিজের বিধান নিকাহনামার কত নম্বর কলামে উল্লেখ থাকে?
  1. ৮ নম্বর
  2. ১২ নম্বর
  3. ১৮ নম্বর
  4. ২৮ নম্বর
সঠিক উত্তর:
১৮ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ নম্বর
ব্যাখ্যা

• 'Talak e Tafwid' বা 'তালাক-ই-তাওফিজ':
সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা কোন স্ত্রী-এর নেই। কোন স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে, যদি স্বামী তাকে এমন ক্ষমতা অর্পন করে। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন স্বামীকে তালাক দেয়, তখন সেটাকে Talak e Tafwid 'তালাক-ই-তাওফিজ' বলে।

ইসলামিক বিবাহ নিবন্ধনের সময়, নিকাহনামার ১৮ নম্বর কলামে তালাকের ক্ষমতা অর্পণের বিষয়টি উল্লেখ করার সুযোগ থাকে। যদি স্বামী এই কলামে স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করেন, তবে স্ত্রী নির্দিষ্ট শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে নিজেই তালাক নিতে পারেন। অতএব, তালাক-ই-তাফফিজের ক্ষমতা কার্যকর করার জন্য এই ধারাটিতে শর্তগুলি স্পষ্টভাবে লেখা থাকা জরুরি। 

৩,৭৬৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তির পক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করা যায় না?
  1. যে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে না
  2. যে চুক্তির কোন শর্ত ভঙ্গ করেছেন
  3. যে চুক্তিভঙ্গের জন্য ইতিমধ্যেই ক্ষতিপূরণ পেয়েছে
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা, ২৪: প্রতিকারের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা। চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যিনি চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করিতে পারেন না;
(খ) যিনি নিজের পক্ষের চুক্তির কোনো প্রয়োজনীয় শর্ত পালন করিতে অসমর্থ হন বা শর্ত-ভঙ্গ করেন যাহাতে তাহার নিজের অংশেরই কার্য সম্পাদন বাকি থাকে;
(গ) যিনি ইতোমধ্যে তাহার প্রতিকার পচ্ছন্দ করিয়াছেন এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরণ পাইয়াছেন। অথবা
(ঘ) যিনি চুক্তির পূর্বেই অবগত ছিলেন যে, চুক্তির বিষয়বস্তু (যদিও উহা কোনো মূল্যবান পণভিত্তিক নহে) সম্পর্কে বন্দোবস্ত করা হইয়াছে এবং উহা তখন কার্যকর ছিল।
--------------------------------------
Section 24, Personal bars to the relief: Specific performance of a contract cannot be enforced in favour of a person-(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject-matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was.

৩,৭৬৫.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা যদি আদালত মঞ্জুর না করে, তাহলে ৩৭ ধারার অধীনে আদালত কী করতে পারেন?
  1. ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তি রদ
  3. চুক্তি সংশোধন
  4. নতুন চুক্তির আদেশ
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৭ অনুযায়ী, যদি আদালত কোনও লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (Specific Performance) মঞ্জুর না করে, তবে বিকল্পভাবে চুক্তিটি রদ (Rescission) করে বাতিল (Cancel) করে দিতে পারে।
- ধারা ৩৭: "A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled."
- অর্থাৎ, বাদী মামলা দায়েরের সময় যদি বিকল্পভাবে চুক্তি রদের প্রার্থনা করেন, তবে আদালত যদি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরী করতে অস্বীকার করেন, তখন আদালত চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৩,৭৬৬.
‘উমরিয়াতিন’-এর আওতায় মা কত ভাগ পাবেন যখন বাবার সাথে স্ত্রী বা স্বামী থাকেন?
  1. ১/৩ ভাগ
  2. ১/২ ভাগ
  3. ১/৪ ভাগ
  4. পিতার অংশের দ্বিগুণ
সঠিক উত্তর:
১/৩ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ ভাগ
ব্যাখ্যা
উত্তর: ক) ১/৩ ভাগ
⇒ ‘উমরিয়াতিন’ নীতির আওতায়, যদি মা, বাবা এবং স্বামী বা স্ত্রী একত্রে থাকেন, তাহলে মা সম্পত্তির ১/৩ ভাগ পাওয়ার পরিবর্তে পিতার অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট অংশ পাবেন।
- অর্থাৎ, মা প্রথমে ১/৩ ভাগ পাওয়ার অধিকারী হলেও, পিতার অংশ দেওয়ার পর বাকি অংশ তাঁর দিকে চলে আসে।
- এটি হজরত উমর (রা.)-এর ঘোষণা অনুযায়ী, যাতে মা পিতার অংশের দ্বিগুণ না পান এবং উমরিয়াতিন নীতির আওতায় সম্পত্তি বণ্টন সঠিকভাবে হয়।

Doctrine of Umariyatan (উমরিয়াতান নীতি):
উমরিয়াতান বা উমরিয়াতিন হলো ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের একটি বিশেষ নীতি, যা ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো মায়ের অংশকে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, যাতে মা পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান। এটি মূলত দুইটি বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেগুলোকে আল-ঘররাওয়ানি বা "দুই প্রতারক" বলা হয়।

উমরিয়াতান নীতির উদ্দেশ্য:
১. মায়ের অংশকে ১/৩ থেকে কমিয়ে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্য করা।
২. পিতা যেন মায়ের অংশের দ্বিগুণ পান, তা নিশ্চিত করা।
৩. মায়ের অংশের অসঙ্গতি দূর করা, যাতে তিনি পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান।

মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার শর্ত:
মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার অধিকারী হবেন যদি নিম্নলিখিত দুটি শর্ত পূরণ হয়:
১. মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান (যেমন: নাতি-নাতনি) না থাকে।
২. মৃত ব্যক্তির একাধিক ভাই বা বোন না থাকে (এক ভাই বা এক বোন থাকলে মাতা ১/৩ পাবেন)।

উমরিয়াতান নীতির প্রয়োগ:
উমরিয়াতান নীতি বিশেষভাবে প্রয়োগ হয় যখন নিম্নলিখিত দুটি পরিস্থিতি তৈরি হয়:
১. বাবা, মা, স্বামী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।
২. বাবা, মা, স্ত্রী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।

- এই পরিস্থিতিতে মাতা সরাসরি ১/৩ অংশ না পেয়ে, পিতার অংশ বণ্টনের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি থেকে ১/৩ অংশ পাবেন।
- এই নিয়ম প্রয়োগ না করলে মাতা পিতার চেয়ে বেশি অংশ পেতে পারেন, যা ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের মূল নীতির সাথে সাংঘর্ষিক।
৩,৭৬৭.
লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের কতদিনের মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন?
  1. অনধিক ১৫ দিন
  2. অনধিক ৭ দিন
  3. অনধিক ১০ দিন
  4. অনধিক ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের খ) অনধিক ৭ দিন-এর মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন। 
- জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রেরিত নোটিশ জারির জন্য জারিকারক নোটিশ প্রাপ্তির অনধিক সাত দিনের মধ্যে তা পক্ষগণের নিকট জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫  বিধি- ৬: পক্ষগণের প্রতি নোটিশ।
(১) লিগ্যাল এইড অফিসার, মিমাংসা সভায় হাজির হইবার জন্য, পক্ষগণ বরাবর ফরম-২(ক) মোতাবেক নোটিশ প্রেরণ করিবেন।
(২) পক্ষগণের ঠিকানা নোটিশে উল্লেখপূর্বক লিগ্যাল এইড অফিসের অফিস সহকারী এতদ্‌সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতঃ উক্ত নোটিশ জারীকারক বরাবর হস্তান্তর করিবেন।
(৩) জারীকারক, নোটিশ গ্রহণের তারিখ হইতে অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে, পক্ষগণের ঠিকানায় নোটিশ জারীর ব্যবস্থা করিবেন।
(৪) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত জারীকারক নিয়োগ না হওয়া অবধি জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখা উহার জারীকারক দ্বারা জারীকার্য সম্পাদনে লিগ্যাল এইড অফিসকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে নোটিশ জারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে এতদসংক্রান্ত ব্যয়ভার বহন করিতে হইবে।

৩,৭৬৮.
'আদেশ ২২ এর অধীনে খারিজকৃত মোকদ্দমা একই কার্যকারণে নতুন করে রুজু করা যাবে না।'- কোন বিধিতে বলা আছে?
  1. আদেশ ২২ বিধি ৭
  2. আদেশ ২২ বিধি ৮
  3. আদেশ ২২ বিধি ৯
  4. আদেশ ২২ বিধি ১০
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২২ বিধি ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২২ বিধি ৯
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি ৯- বিলুপ্তি কিংবা খারিজের ফলাফল:
১) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্তি বা খারিজ হয় সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার একই কার্যকারণে নতুন কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

২) বাদি কিংবা মৃত বাদির বৈধ প্রতিনিধি হিসাবে দাবীদার ব্যক্তি বা অসচ্ছলতা বাদির ক্ষেত্রে বা রিসিভার বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করার আদেশের জন্য আবেদন করতে পারে এবং যদি এটি প্রমাণিত হয় যে, সে মোকদ্দমা পরিচালনা পর্যাপ্ত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খরচাদি সম্পর্কে তার বিবেচনায় এরূপ শর্তাধীনে বা অন্য কোনভাবে বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করবে।

৩) উপবিধি (২) এর অধীনে আবেদন পত্রের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৪ এবং ৫ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।

৩,৭৬৯.
কোনো ব্যক্তির মৃত্যুকালে তার সম্পত্তি তার চাকর বা কর্মচারী কর্তৃক অসাধুভাবে আত্মসাৎকরণের সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি?
  1. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৪: মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তাঁর অধিকারে থাকা সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ-
যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের কাজে ব্যবহার করে, এই জেনে যে উক্ত সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তার অধিকারে ছিল এবং এখনো সেই সম্পত্তি কোনো আইনগতভাবে অধিকারে থাকা ব্যক্তির হেফাজতে যায়নি—তাহলে সে ব্যক্তি অনধিক তিন বছর মেয়াদের যেকোনো প্রকার কারাদণ্ডে (সশ্রম বা বিনাশ্রম) দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে। যদি অপরাধী ঐ মৃত ব্যক্তির চাকর বা কর্মচারী হয়ে থাকে, তাহলে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে।

উদাহরণ:
Z মারা যায় এবং তার মৃত্যুর সময় তার হেফাজতে আসবাবপত্র ও অর্থ ছিল। তার চাকর A, সেই অর্থ এমন অবস্থায় অসৎভাবে আত্মসাৎ করে যখন তা এখনো কোনো বৈধ উত্তরাধিকারীর হেফাজতে যায়নি। এই অবস্থায়, A দণ্ডবিধির ৪০৪ ধারায় অপরাধ করেছে।
৩,৭৭০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা পরিবর্তন করিতে পারেন কে?
  1. সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগ
  2.  জাতীয় সংসদ
  3. সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ
  4.  কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
 জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে।  প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয় সংশোধন করতে পারে।  বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সকল আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।

 ♦অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১২২ ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়নসহ বিধিসমূহ বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে। ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও, সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি। কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন। জাতীয় সংসদ যে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদেশ ও বিধিসমূহ সংশোধন করতে পারে তার বড় উদাহরণ হলো ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির সংশোধন।
৩,৭৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিচার চলাকালীন হাজতে থাকার সময় দণ্ড থেকে বাদ দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ৩৫ ধারায়
  3. ৩৫ক ধারায়
  4. ৩৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে।
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫ক: কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে হেফাজতকাল বাদ দেওয়ার বিধান:
(১) মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ ছাড়া, যখন কোনো আদালত কোনো অভিযুক্তকে অপরাধের দোষী সাব্যস্ত করে এবং দণ্ডাদেশ প্রদান করে কারাদণ্ড (সাধারণ বা কঠোর) প্রদান করে, তখন আদালত উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে অভিযুক্তের হেফাজতে থাকা মোট সময়কাল বাদ দেবে। এই হেফাজতকাল উক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকবে।

(২) যদি উপধারা (১) এ উল্লিখিত হেফাজতকাল অভিযুক্তের প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে অভিযুক্তকে কারাদণ্ড সম্পূর্ণরূপে ভোগ করেছেন বলে গণ্য করা হবে এবং তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে (যদি তিনি হেফাজতে থাকেন), যদি না অন্য কোনো অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার কারণে তাকে আটক রাখা প্রয়োজন হয়। এছাড়া, যদি অভিযুক্তকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি জরিমানা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়, তাহলে উক্ত জরিমানা মওকুফ করা হবে।

- ধারা ৩৫ক অনুযায়ী, আদালত কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে অভিযুক্তের হেফাজতে থাকা সময় বাদ দেবে।
- যদি হেফাজতকাল কারাদণ্ডের মেয়াদের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং জরিমানা মওকুফ করা হবে।
- এই বিধান মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.

৩,৭৭২.
'চ' ৫ লক্ষ টাকা মূল্যে 'ম' এর কাছে একটি বাড়ী বিক্রয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু চুক্তি হওয়ার পরের দিন আগুনে বাড়ীটি ধ্বংস প্রাপ্ত হলে 'ম' টাকা দিতে অস্বীকার করে। এই অবস্থায়-
  1. চুক্তি বাতিল হবে
  2. 'ম' কে টাকা প্রদানে বাধ্য করা যাবে না
  3. 'ম' কে টাকা প্রদানে বাধ্য করা যাবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
'ম' কে টাকা প্রদানে বাধ্য করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ম' কে টাকা প্রদানে বাধ্য করা যাবে
ব্যাখ্যা
ধারা-১৩: চুক্তির বিষয়বস্তুর বিলুপ্তি (Contract of which the subject has partially ceased to exist)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী চুক্তির বিষয়বস্তু চুক্তির তারিখে বিদ্যমান ছিল, কিন্তু চুক্তি সম্পাদনের সময় বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হলেও চুক্তিটির কার্য সম্পাদন সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব হয় না এবং এরূপ ক্ষেত্রে ১৮৭২ সালের চুক্তির আইনের ৫৬ ধারা (চুক্তি পরবর্তী অসম্ভবতা) প্রযোজ্য হবে না।

সুতরাং, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারামতে চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্য সম্পাদনের সময় চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হলেও উক্ত চুক্তির কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে। ১৩ ধারার মূল বিষয় হচ্ছে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হলেও সমগ্র চুক্তিটি নষ্ট হয় না। 
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারা চুক্তির আগ হতে বিরাজমান অসম্ভবতা এবং চুক্তির পরবর্তীতে সৃষ্ট অসম্ভবতা দুই ধরনের অসম্ভবতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারা চুক্তির পরবর্তীকালে সৃষ্ট সম্ভাবতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সুতরাং বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারা চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার ব্যতিক্রম।

এক্ষেত্রে, 'চ' ৫ লক্ষ টাকা মূল্যে 'ম' এর কাছে একটি বাড়ী বিক্রয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু চুক্তি হওয়ার পরের দিন আগুনে বাড়ীটি ধ্বংস প্রাপ্ত হলে 'ম' টাকা দিতে অস্বীকার করে। এই অবস্থায় 'চ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী 'ম' এর কাছ থেকে চুক্তি মোতাবেক ৫ লক্ষ টাকা আদায়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৩,৭৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর কত বিধির অধীন আপিল আদালত মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ করতে পারে?
  1. বিধি-২৩
  2. বিধি-২৪
  3. বিধি-২৫
  4. বিধি-২৭
সঠিক উত্তর:
বিধি-২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-২৩
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩: বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
যেখানে আদালত, যার ডিক্রি বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে, মোকদ্দমা কোনো প্রাথমিক বিষয়ে নিষ্পত্তি করেছে এবং সেই ডিক্রি আপিলে রদ হয়েছে, সেখানে আপিল আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে, মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণ (remand) করার আদেশ দিতে পারে।

এছাড়া, আপিল আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন বিষয় বা বিষয়াবলী বিচার করতে হবে। আপিল আদালত তার রায় ও আদেশের একটি নকল সেই আদালতে পাঠাবে, যার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে। মূল আদালত মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি পুনরায় রেজিস্টার করবে এবং বিচার চলমান অবস্থায় মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে। মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য (যদি থাকে), সমস্ত যৌক্তিক ব্যতিক্রম বিবেচনা করে, পুনঃপ্রেরণের পরের বিচারে গ্রহণযোগ্য হবে।

৩,৭৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী 'সত্যাখ্যান' কী?
  1. আদালতের নথির যাচাইকরণ
  2. মামলার পক্ষসমূহের সমঝোতা আদেশ
  3. মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা স্বীকার
  4. মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা স্বীকার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে,তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে,অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে,সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।

যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন,যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।
৩,৭৭৫.
ডিজিটাল রেকর্ডের মৌখিক স্বীকৃতি কখন প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. মৌখিক স্বীকৃতি কখনই প্রাসঙ্গিক হবে না
  2. যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
  3. ডিজিটাল রেকর্ড পুরানো হলে
  4. ডিজিটাল রেকর্ডের কোনো অংশ হালনাগাদ করা হলে
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
ব্যাখ্যা
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

২২ক ধারায় বলা হয়েছে,
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
[Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].
৩,৭৭৬.
সংবিধানের মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত তৃতীয় ভাগের বিধানাবলী অপ্রযোজ্য হবে-
  1. শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে
  2. মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে
  3. গণহত্যাজনিত অপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। ২৬ অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের সাথে অসমঞ্জস আইন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মোট ১৮টি অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করার অধিকার ৪৪ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে এবং এই কারণে ৪৪ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার বলবৎ সংক্রান্ত বিধানটিও মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য হবে।

৪৫ অনুচ্ছেদে শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত তৃতীয় ভাগের বিধানাবলী অপ্রযোজ্য, করা হয়েছে। ৪৬ অনুচ্ছেদে কতিপয় ক্ষেত্রে দায়মুক্তি-বিধান প্রণয়নে সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ৪৭ অনুচ্ছেদে কতিপয় আইনের হেফাজত করা হয়েছে এবং উক্ত হেফাজতকৃত আইন মৌলিক অধিকারের সাথে অসমঞ্জস হলেও বাতিল বলে গণ্য হবেনা। অর্থাৎ ৪৭ অনুচ্ছেদটি ২৬ অনুচ্ছেদের ব্যতিক্রম।

৪৭ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ৪৭ অনুচ্ছেদের ৩ দফায় উল্লিখিত গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ বলবৎকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৩,৭৭৭.
মহানগর এলাকায় সামরিক শক্তির মাধ্যমে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করাতে পারেন কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. দায়রা আদালত
  4. যেকোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ ধারায় দেয়া আছে:
কোন বেআইনি সমাবেশ যদি অন্য কোনোভাবে ছত্রভঙ্গ করা না যায় এবং জন নিরাপত্তার জন্য যদি উহা ছত্রভঙ্গ করা দরকার মর্মে গণ্য হয়, সেক্ষেত্রে উপস্থিত সর্বোচ্চ পদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগর এলাকা হলে, সেখানকার পুলিশ কমিশনার সামরিক শক্তির মাধ্যমে উহা ছত্রভঙ্গ করাতে পারবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 129- Use of military force:
If any such assembly cannot be otherwise dispersed. and if it is necessary for the public security that it should be dispersed, the Executive Magistrate of the highest rank who is present or the Police Commissioner in a Metropolitan Area may cause it to be dispersed by military force.

৩,৭৭৮.
সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড কোথায় সংরক্ষিত থাকতে পারে?
  1. ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক মিডিয়া
  2. কম্পিউটার মেমরি
  3. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।

⇒ সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড বলতে এমন তথ্য, উপাত্ত বা রেকর্ড বোঝায়, যা ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক মিডিয়া, কম্পিউটার মেমরি, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারে সংরক্ষিত থাকতে পারে।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে সিসিটিভি রেকর্ড, ড্রোন ডেটা, মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত তথ্য, ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটারে সংরক্ষিত নথি ইত্যাদিও দলিলগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। ফলে, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সংগৃহীত বা সংরক্ষিত রেকর্ডও এখন আইনগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
------
[“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)];
৩,৭৭৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VIII, rule (1) অনুযায়ী বিবাদী প্রথম শুনানীর দিন জবাব দাখিল না করলে কত দিনের মধ্যে তা দাখিল করতে হবে?
  1. ষাট দিন
  2. তিন মাস
  3. দুই মাস
  4. নব্বই দিন
সঠিক উত্তর:
ষাট দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষাট দিন
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না। আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৩,৭৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সাজা রদবদলের ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪০০
  2. ধারা ৪০১
  3. ধারা ৪০২
  4. ধারা ৪০২ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০২-এ সাজা রদবদলের (Commutation of punishment) ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারা অনুসারে: সরকার আসামীর সম্মতি ছাড়াই সাজা রদবদল করতে পারেন। 
- মৃত্যুদণ্ড যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সশ্রম কারাদণ্ড, বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা জরিমানায় রূপান্তর করা যেতে পারে। 
- দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ ও ৫৫-এর বিধান অক্ষুণ্ণ থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লিখিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামি যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 402: Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.

৩,৭৮১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৩০ কোন ধরনের ডিক্রি জারির বিধান বর্ণনা করে?
  1. নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
  2. অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
  3. সম্পত্তি দখলের ডিক্রি
  4. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৩০-এ অর্থ পরিশোধের ডিক্রি (Decree for payment of money) জারির বিধান বর্ণিত হয়েছে। এই বিধি অনুসারে, টাকা আদায়ের ডিক্রি জারির তিনটি পদ্ধতি রয়েছে:
১. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করা
২. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় করা
৩. উভয় পদ্ধতি একসাথে প্রয়োগ করা
- সুতরাং, আদেশ ২১, বিধি ৩০ শুধুমাত্র অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির বিধান বর্ণনা করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান: অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-30- Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.

৩,৭৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, সমঝোতা হলে আদালত কত দিনের মধ্যে ডিক্রি জারি করবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (Section 89A of the Code of Civil Procedure, 1908) অনুযায়ী, যদি মধ্যস্থতার মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে সমঝোতা (settlement) হয়, তবে মধ্যস্থতা প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার পর আদালতকে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে একটি আদেশ বা ডিক্রি (order or decree) জারি করতে হবে।
এই ডিক্রি জারির পর এর বিরুদ্ধে আপিল, রিভিশন বা রিভিউ গ্রহণযোগ্য নয়—অর্থাৎ তা চূড়ান্ত ও বাধ্যতামূলক।
-  তাই সঠিক উত্তর: খ) ৭ দিন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-89A (5) The Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, shall, without violating the confidentiality of the parties to the mediation proceedings, submit to the court a report of result of the mediation proceedings; and if the result is of compromise of the dispute or disputes in the suit, the terms of such compromise shall be reduced into writing in the form of an agreement, bearing signatures or left thumb impressions of the parties as executants, and signatures of the pleaders, if any, and the Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, as witnesses; and the Court shall, within seven days from receiving the said report, pass an order or a decree in accordance with relevant provisions of Order XXIII of the Code.
(6) When the Court itself mediates, it shall prepare a report and pass an order in the manner to that as stated in sub-section (5).
-----------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি পন্থা বর্ণিত হয়েছে, যথা— (১) মধ্যস্থতা (Mediation) এবং (২) সালিশি (Arbitration)। দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান প্রদান করা হয়েছে। এ ধারার অধীনে আদালত যদি পক্ষগণকে মধ্যস্থতার জন্য নির্দেশ দেয়, তবে আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ আদালতকে জানাবে তারা মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত নিজে ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে। মধ্যস্থতার জন্য নির্ধারিত ফি সাধারণত পক্ষগণ নিজেরা নির্ধারণ করে; কিন্তু এতে তারা ব্যর্থ হলে আদালত মধ্যস্থতাকারীর পারিশ্রমিক নির্ধারণ করবে এবং তা পক্ষগণের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারীকে ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তবে আদালত স্বপ্রণোদিতভাবে অথবা পক্ষগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে অতিরিক্ত ৩০ দিন সময় বাড়াতে পারে। অর্থাৎ সর্বাধিক ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা শেষ করতে হবে। যদি মধ্যস্থতার মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে সমঝোতা হয়, তবে আদালত সমঝোতা প্রতিবেদন পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে একটি আদেশ বা ডিক্রি জারি করবেন। এই ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল, রিভিশন বা পুনর্বিবেচনার সুযোগ নেই। তবে উল্লেখযোগ্য যে, দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ অপরদিকে, দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশি পদ্ধতির উল্লেখ রয়েছে। এই ধারার অধীনে আদালত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিষয়টি সালিশে প্রেরণের অনুমতি দিতে পারেন। এর জন্য মামলা চলাকালীন যেকোনো পর্যায়ে পক্ষগণ আদালতের কাছে সালিশে যাওয়ার জন্য আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে মামলা তুলে নেওয়ার অনুমতি দেন। এরপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধ নিষ্পত্তি করতে হয়। তবে যদি কোনো কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হয় বা সালিশের রোয়েদাদ (Award) প্রদান না হয়, তাহলে পূর্বের মামলা নতুনভাবে আবার দায়ের করা যাবে।
৩,৭৮৩.
সম্পত্তি হন্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর কোন ধারা অনুযায়ী বন্ধকদাতার রেহেন উদ্ধারের অধিকার স্বীকৃত?
  1. ধারা ৫৮
  2. ধারা ৬০
  3. ধারা ৬২
  4. ধারা ৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬০
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হন্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ৬০ ধারায় বন্ধকদাতার রেহেন উদ্ধারের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
বন্ধকদাতার একটি অধিকার হলো বন্ধক উদ্ধারের অধিকার। যখন বন্ধকী অর্থ বকেয়া হয়ে যায়, তখন বন্ধকদাতার অধিকার আছে বকেয়া বন্ধকী-অর্থ পরিশোধ করার এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে ভূমির দখল ও সংশ্লিষ্ট দলিল পাওয়ার। বন্ধকদাতার এই অধিকার রেহেন বা বন্ধক উদ্ধারের অধিকার [Right to Redemption] বলা হয় এবং এই সংক্রান্ত মোকদ্দমা রেহেন উদ্ধারের মোকদ্দমা [Suit for redemption] নামে পরিচিত। Right to Redemption এর মধ্যে রেহেন সম্পত্তি সম্পর্কিত রেহেনের দলিল এবং স্বত্ত্ব সম্পর্কিত কাগজপত্র হস্তান্তরের, রেহেন সম্পত্তির দখল ফেরত পাওয়ার ইত্যাদি অধিকার রয়েছে।

ধারা ৬০: মর্টগেজ পরিশোধের অধিকার (Right of mortgagor to redeem)-
যখন মূলধনের টাকা পরিশোধযোগ্য হয়ে যায়, তখন বন্ধকদাতা অর্থাৎ ঋণগ্রহীতা, নির্ধারিত সময় ও স্থানে মর্টগেজের টাকা পরিশোধ বা প্রদানের মাধ্যমে নিম্নলিখিত অধিকার ভোগ করে:
(ক) বন্ধকদাতার নিকট মর্টগেজ-সংক্রান্ত দলিলপত্র ও যাবতীয় সম্পত্তিসংক্রান্ত নথিপত্র হস্তান্তরের দাবি করতে পারে, যদি সেগুলো বন্ধকগ্রহীতার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
(খ) যদি বন্ধকগ্রহীতা বন্ধকী সম্পত্তির দখলে থাকে, তবে সেই দখল ফিরিয়ে দিতে হবে বন্ধকদাতাকে।
(গ) বন্ধকদাতার খরচে সম্পত্তি আবার তার নিজের নামে বা তার নির্দেশিত তৃতীয় পক্ষের নামে হস্তান্তর করতে হবে, অথবা (যদি বন্ধক নিবন্ধিত দলিল দ্বারা হয়ে থাকে) তাহলে একটি লিখিত স্বীকৃতি দিতে হবে এবং তা রেজিস্ট্রি করাতে হবে, যা দ্বারা বন্ধকগ্রহীতার স্বার্থ বিলুপ্ত হয়েছে বলে স্বীকার করা হয়।

শর্ত: এই অধিকার কেবল তখনই প্রযোজ্য যদি তা কোনো পক্ষের কর্ম বা আদালতের আদেশ দ্বারা বিলুপ্ত না হয়।
এই অধিকারকে “মুক্তির অধিকার (Right to redeem)” বলা হয় এবং এই অধিকার প্রয়োগের জন্য যে মামলা করা হয়, তাকে “মুক্তির মামলা (Suit for redemption)” বলা হয়।

অতিরিক্ত বিধান: যদি চুক্তিতে উল্লেখ থাকে যে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলে বা যদি কোনো নির্ধারিত সময় না থাকে, তবে বন্ধকগ্রহীতা টাকা পরিশোধ বা প্রদানের পূর্বে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ পাওয়ার অধিকারী হবে—তাহলেও তা বৈধ থাকবে।

আংশিক মুক্তি: যদি কেউ কেবলমাত্র বন্ধককৃত সম্পত্তির একটি অংশে আগ্রহী হয়, তাহলে সে কেবল নিজের অংশের টাকা পরিশোধ করে নিজের অংশ মুক্ত করতে পারবে না—শুধুমাত্র তখনই তা সম্ভব হবে, যদি বন্ধকগ্রহীতা বা সব বন্ধকগ্রহীতা মিলে বন্ধকদাতার ওই অংশের মালিকানা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অধিগ্রহণ করে থাকেন।
৩,৭৮৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৮ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মামলা প্রত্যাহার
  2. জব্দকৃত সম্পত্তি বিক্রি
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ
  4. অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখা
সঠিক উত্তর:
অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৮ ধারা, ধারা ৫০৩ বা ৫০৬-এর অধীন কমিশন জারির ক্ষেত্রে অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখার বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। এই মুলতবি রাখার সময়কাল কমিশন কার্যকর ও ফেরত দেওয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত হতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

৩,৭৮৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, বিচারকার্য মুলতবির সর্বোচ্চ সময়সীমা কত দিন?
  1. তিন কার্য দিবস
  2. পাঁচ কার্য দিবস
  3. সাত কার্য দিবস
  4. দশ কার্য দিবস
সঠিক উত্তর:
তিন কার্য দিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন কার্য দিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলবে। তবে, যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহলে বিচারকার্য স্বল্পকালীন সময়ের জন্য মুলতবি করা যাবে, যা তিন কার্য দিবসের অধিক হবে না। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে বিচারকার্যে অযথা বিলম্ব না হয় এবং ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সীমিত সময়ের মধ্যে মুলতবি করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) তিন কার্য দিবস।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারার বিধান বিচারকার্য মুলতবি:
- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য আরম্ভ হইলে উহা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলিবে, তবে উক্ত আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহা হইলে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য, যাহা তিন কার্য দিবসের অধিক হইবে না, বিচারকার্য মুলতবি করা যাইবে।

৩,৭৮৬.
অগ্রক্রয় (Pre-emption) শব্দটির আরবি প্রতিশব্দ কী?
  1. হুদুদ
  2. শুফা
  3. মোহর
  4. নাফাকা
সঠিক উত্তর:
শুফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুফা
ব্যাখ্যা
• Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

• অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ
এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।
৩,৭৮৭.
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা জজ হিসেবে নিয়োগ করা হয়-
  1. সরকারি বিধি অনুযায়ী
  2. সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী
  3. সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী
  4. জাতীয় সংসদে পাশকৃত আইন অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারার বিধান দায়রা আদালত:
(১) সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবেন এবং এই আদালতে একজন জজ নিয়োগ করবেন; এবং মহানগরীর জন্য সৃষ্ট দায়রা আদালত মহানগরী দায়রা আদালত নামে অভিহিত হবে।
(২) সরকার সরকারী গেজেটে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ জারী করে নির্দেশ দিতে পারেন যে কোন স্থানে বা স্থানসমূহে দায়রা আদালত বসবে; কিন্তু এরূপ আদেশ না দেয়া পর্যন্ত দায়রা আদালতসমূহ পূর্বের ন্যায় বসবে।
(৩) এরূপ এক বা একাধিক আদালতে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করার জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজ ও নিয়োগ করতে পারবেন।

(৩ক) - অনুরূপ এক বা একাধিক এলাকার দায়িত্ব পালনের জন্য সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যগণ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ নিযুক্ত হইবেন।
(৪) সরকার এক দায়রা বিবাগের দায়রা জজকে অপর একটি বিভাগের অতিরিক্ত দায়রা জজ নিয়োগ করতে পারেন, এবং এরূপ ক্ষেত্রে তিনি সরকারের নির্দেশানুসারে দুইটি বিভাগের যে কোন একটির এক বা একাধিক স্থানে মামলা নিস্পত্তির জন্য বসতে পারবেন।
(৫) এই আইন বলবৎ হবার সময় যে সকল দায়রা আদালত বিদ্যমান ছিল তার সমস্ত গুলিই এই আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে ধরতে হবে।
------------------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 9. Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court; and the Court of Session for a Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
৩,৭৮৮.
কত সালে 'Secretary, Ministry of Finance vs Masdar Hossain (1999)' মামলার রীট দায়ের হয়?
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৭
  3. ১৯৯৯
  4. ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫
ব্যাখ্যা
Masder Hossain vs Secretary Ministry of Finance (1999) 52 DLR (AD) 82.

Author Judge: Mr. Justice Mustafa kamal (CJ)

নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয় এই মামলার মাধ্যমে।
 এই মামলায় ৪৪১ জন বিচার বিভাগীয় অফিসার রীট পিটিশন দায়ের করেছিল। অনুচ্ছেদ ২২ এর বাস্তবায়ন হয়।

- এই মামলার রীট দায়ের হয় ১৯৯৫ সালে। হাইকোর্ট বিভাগ রায় দেয় ৭ মে ১৯৯৭ সালে। আপিল বিভাগ রায় দেয় ২ ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালে।

২০০৭ সালে ১লা নভেম্বর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সৃষ্টি করে। এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ১২টি নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
৩,৭৮৯.
দণ্ডবিধির অধীন আদালত নিম্নের কোন অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দিতে পারে?
  1. বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হলে
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক জখম করে খুনের চেষ্টা করলে
  3. এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর জখম করলে
  4. উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• যে সকল ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ: দণ্ডবিধির অধীন আদালত নিম্নলিখিত ১০টি ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দিতে পারে-

১. বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া বা লিপ্ত হওয়ার উদ্যোগ করা বা সহায়তা করার (ধারা ১২১);
২. বিদ্রোহে (বিশেষত সৈনিক এবং নাবিক সম্বন্ধে) সহায়তা এবং সেটার ফলে বিদ্রোহ সংঘটিত হলে (ধারা ১৩২);
৩. মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা উদ্ভাবন করা যার উপর ভিত্তি করে নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে, যে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া যাবে (ধারা ১৯৪);
৪. খুন (ধারা ৩০২);
৫. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুন করলে (ধারা ৩০৩);
৬. নাবালক, উন্মাদ বা মদপ্য ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করলে এবং তার ফলে আত্মহত্যা করলে (ধারা ৩০৫)
৭. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক জখম করে খুনের চেষ্টা করলে (ধারা ৩০৭);
৮. এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর জখম করলে (ধারা ৩২৬ক);
৯. দশ বৎসরের নিচের কোন ব্যক্তিকে খুন, গুরুতর আঘাত ইত্যাদি উদ্দেশ্যে অপহরণ বা বলপূর্বক অপহরণ করলে (ধারা ৩৬৪ক);
১০. খুনসহ ডাকাতি করলে (ধারা ৩৯৬)।
৩,৭৯০.
Under Section 100, which Magistrates can issue a search warrant for a wrongfully confined person?
  1. Executive Magistrate
  2. Metropolitan Magistrate
  3. Magistrate of the First Class
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
All of above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of above
ব্যাখ্যা
Section 100- Search for persons wrongfully confined:
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।
৩,৭৯১.
ডিক্রি জারির নিলামে ক্রয়কৃত কোনো সম্পত্তির দখল নেওয়ার জন্য ক্রেতা যখন মামলা করে, তখন তামাদি গণনায় বিক্রয় বাতিলের মামলার সময়কাল কীভাবে বিবেচিত হবে?
  1. অন্তর্ভুক্ত হবে
  2. বাদ দেওয়া হবে
  3. দ্বিগুণ গণনা হবে
  4. আলাদা গণনা হবে
সঠিক উত্তর:
বাদ দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদ দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ১৬- ডিক্রি জারিকৃত বিক্রয় বাতিলের কার্যক্রম চলাকালে সময় বাদ দেওয়া:
যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ডিক্রি জারির ভিত্তিতে নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতা হয়ে দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের করে, সেই ক্ষেত্রে তামাদি সময় গণনার সময় বিক্রয় বাতিল করার জন্য যে সময়কাল মামলা বা কার্যক্রম চালানো হয়েছে, তা তামাদি সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending-
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৩,৭৯২.
মুসলিম আইনে যদি বৈধ বিবাহ হয় এবং দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় কিন্তু দাম্পত্য সম্পর্ক পালন না হয়, স্ত্রী কী পরিমাণ দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী?
  1. নির্ধারিত পুরো দেনমোহর
  2. নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক
  3. উপযুক্ত দেনমোহর
  4. কোন দেনমোহর পাবে না
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক
ব্যাখ্যা

দেনমোহর হলো একটি বৈধ বিবাহে স্বামী তার স্ত্রীকে মর্যাদার প্রতীক হিসাবে যা প্রদান করে তাকেই দেনমোহর বলে। উপমহাদেশের বিখ্যাত আইনবিদ D.F MOLLAH বলেন, “Mahr or dower is a sum of money of the other property which the wife is entitled to receive from the husband in consideration of the marriage.” অর্থাৎ মোহর হলো এমন কোন সম্পদ বা অর্থ যা স্ত্রী তার স্বামীর নিকট হতে বিবাহের প্রতিদান হিসাবে পাওয়ার অধিকার রাখে।

এটি স্ত্রীর অধিকার এবং সম্মানের স্বীকৃতি। সাধারণত বৈধ বিয়ের পর দেনমোহর দিতেই হবে। স্বামী যদি দেনমোহর প্রদান না করে মারাও যান তবুও স্ত্রী স্বামীর সম্পদ থেকে দেনমোহর আদায় করতে পারেন বা আদায় না হওয়া পর্যন্ত তার অধিকারে রাখতে পারেন। তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে যখন কিনা স্ত্রী কোন দেনমোহর পান না বা অর্ধেক দেনমোহর প্রাপ্য হোন।

­যখন স্ত্রী অর্ধেক দেনমোহর পাবেঃ
যদি বৈধ বিবাহ হয় এবং দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় কিন্তু যদি স্ত্রীয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক কিংবা দাম্পত্য নির্জনতা না পালন হয় সেক্ষেত্রে অর্ধেক দেনমোহর দিতে হবে। এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন-

“আর যদি মোহর সাব্যস্ত করার পর স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও, তাহলে যে, মোহর সাব্যস্ত করা হয়েছে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে।” (আল কুরআন ২:২৩৭)

এছাড়া Taibi vs Nathai Sharif (1940)2MLJ345=191IC728 এই মামলায়ও আদালত এই বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন- If the marriage was not consummated and the amount of dower was specified in the contract she is entitled to half of the amount the amount.

স্ত্রী কখন কোন দেনমোহর নাও পেতে পারেনঃ
যদি বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সহবাস অথবা দাম্পত্য নির্জনতা পালিত হওয়ার পূর্বে স্বামী স্ত্রীকে তালাক দেয় এবং যদি দেনমোহর নির্ধারিত না থাকে তাহলে কোন দেনমোহর পাওয়া থেকে স্ত্রী বঞ্চিত হতে পারেন।

৩,৭৯৩.
একটি খুনের মামলায় 'ক' অভিযুক্ত। উক্ত অপরাধের চার্জ গঠনের শুনানীর দিন তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে সুরতহাল রিপোর্ট দাখিল করে এবং অভিযুক্ত 'ক' অব্যাহতির আবেদন করে। এক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্তের আবেদন সাপেক্ষে কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট অগ্রহণযোগ্য
  2. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট বিবেচনা করে 'ক' কে দণ্ড দিবে
  3. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট বিবেচনা করে 'ক' কে অব্যাহতি দিতে পারে
  4. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট বিবেচনা করে 'ক' কে খালাস দিবে
সঠিক উত্তর:
প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট বিবেচনা করে 'ক' কে অব্যাহতি দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট বিবেচনা করে 'ক' কে অব্যাহতি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে;
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ:
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
৩,৭৯৪.
মামলার বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, সেখানে মামলা দায়ের করতে হবে—এই বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৫ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৯ ধারায়
  4. ২০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, ভাগ বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তির বিনা সংক্রান্ত মামলা, সেই আদালতে দায়ের করাতে হবে, যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান- বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, মামলা সেখানেই দায়ের করতে হবে:
- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য এখতিয়ার সাপেক্ষ -
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য,
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা জন্য,
গ) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা দায় (charge) উদ্ধারের অধিকার, হরণ, বিক্রয় বা
ঘ) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোনো প্রকার অধিকার বা স্বার্থ নির্ণয়ের জন্য,
ঙ) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে,
চ) আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য -

আনীত মামলাগুলি যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, ‘গ’ দফায় বর্ণিত মামলার ক্ষেত্রে যে স্থানে মামলার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়, সেসব আদালতেই দায়ের করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী কর্তৃক বা তার পক্ষে দাখিলী কোন স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত প্রতিকার বা উহার অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা, প্রার্থতি প্রতিকার যদি সম্পূর্ণরূপে বিবাদির ব্যক্তিগতভাবে আনুগতভাবে আনুগত্যের ফলে লাভ করা যায়, তবে তাহলে যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা (ঙ) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রে যে স্থানে পূর্ণ বা আংশিকভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হয়েছে অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে প্রকৃত পক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বিবাদী বাস করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় বা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কর্ম করে সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-16. Suits to be instituted where subject-matter situate.
Subject to the pecuniary or other limitations prescribed by any law, suits- 
(a) for the recovery of immovable property with or without rent or profits, 
(b) for the partition of immovable property, 
(c) for foreclosure, sale or redemption in the case of a mortgage of or charge upon immovable property, 
(d) for the determination of any other right to or interest in immovable property, 
(e) for compensation for wrong to immovable property, 
(f) for the recovery of movable property actually under distraint or attachment, 
shall be instituted in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen: 
Provided that a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property held by or on behalf of the defendant may, where the relief sought can be entirely obtained through his personal obedience, be instituted either in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen, or in the Court within the local limits of whose jurisdiction the defendant actually and voluntarily resides, or carries on business, or personally works for gain. 
Explanation.-In this section "property' means property situate in Bangladesh.
৩,৭৯৫.
লিখিত জবাব [written statement] কে সত্যাখ্যান [Verification] করবে?
  1. বাদী এবং বিবাদী
  2. বিবাদী
  3. আদালত
  4. বিবাদীর উকিল
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সই হলে, অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন, যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

[Verification of pleadings.-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2 ) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.]
৩,৭৯৬.
'An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means.'- এই বিধান 'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর ১ম অধ্যায়ের কয় নং বিধিতে দেয়া আছে?
  1. ১নং
  2. ২নং
  3. ৩নং
  4. ৪নং
সঠিক উত্তর:
২নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং
ব্যাখ্যা
CHAPTER-1: CONDUCT WITH REGARD TO OTHER ADVOCATES:

Rule- 2:
An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means. This clause shall not be construed as prohibiting the publication or use of ordinary professional cards, name plates or conventional listings in directories, so long as the information contained therein is limited to professional and academic qualifications and public offices currently held, and does not contain any matter which savours of personal advertisement.

এই অনুচ্ছেদ অনুসারে,
একজন আইনজীবী বিজ্ঞাপন দিয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে গ্রাহক আনার চেষ্টা করতে পারবেন না। তবে নিজের পরিচয়পত্র, নামফলক বা ডিরেক্টরিতে নামের সাধারণ তালিকা দেওয়া যাবে। সেখানে শুধু নিজের পেশাগত ও শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বর্তমানে অধ্যুষিত সরকারি পদের তথ্য থাকতে পারবে।
৩,৭৯৭.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর অধীনে অকৃষি প্রজার প্রধান দুটি শ্রেণি কী?
  1. কৃষক ও শ্রমিক
  2. মালিক ও অধীন-মালিক
  3. প্রজা ও অধীন-প্রজা
  4. কৃষক ও মালিক
সঠিক উত্তর:
প্রজা ও অধীন-প্রজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজা ও অধীন-প্রজা
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ধারা ৩-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্যে নিম্নলিখিত শ্রেণির অকৃষি ভাড়াটিয়া থাকবে, যথা—
(ক) প্রজা (Tenant), এবং
(খ) অধীন-প্রজা (Under-tenant)।

(২) “প্রজা” বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি কোনো মালিক বা করপ্রদায়ী (tenure-holder) থেকে অকৃষি জমি এই আইনে নির্ধারিত যেকোনো উদ্দেশ্যে ধারনের অধিকার অর্জন করেছেন এবং এই অধিকার অর্জনকারীদের উত্তরাধিকারীরাও এতে অন্তর্ভুক্ত।

(৩) “অধীন-প্রজা” বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি কোনো প্রজার অধীন (সরাসরি বা পরোক্ষভাবে) অকৃষি জমি এই আইনে উল্লিখিত যেকোনো উদ্দেশ্যে ধারনের অধিকার অর্জন করেছেন এবং এরূপ অধিকার অর্জনকারীদের উত্তরাধিকারীরাও এতে অন্তর্ভুক্ত।
৩,৭৯৮.
'ক' প্রতি বাক্স নীল ১,০০০ টাকা দরে ৪০ বাক্স নীল বিক্রয় করতে এবং 'খ' তা ক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। উক্ত চুক্তির প্রতিকার কী?
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. আংশিকভাবে কার্যকর করা যাবে
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  4. ঘোষণামূলক প্রতিকার দেয়া যাবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)-

চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।

প্রশ্নে উল্লেখিত চুক্তির ক্ষেত্রে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট তাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।
৩,৭৯৯.
দেওয়ানী আদালত কমিশন ইস্যু করতে পারে-
  1. সাক্ষীকে পরীক্ষা করার জন্য
  2. স্থানীয় তদন্ত করার জন্য
  3. স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য
  4. উপরের যে কোনোটির জন্য
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনোটির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনোটির জন্য
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৫ এবং আদেশ ২৬ অনুযায়ী আদালত নিম্নোক্ত ৪টি ক্ষেত্রে কমিশন ইস্যু করতে পারে-

i) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে: কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশনের নিয়মাবলি আদেশ ২৬ এর ১-৮ বিধিতে বর্ণিত আছে। হাজিরা হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি বা অসুস্থ বা অচল ব্যক্তি আদালতে হাজির হতে না পারলে তাদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারে ।

ii) স্থানীয় তদন্তের জন্য: আদালত মোকদ্দমার বিরোধীয় বিষয় ব্যাখ্যা করতে বা কোন সম্পত্তির বাজারমূল্য, মধ্যবর্তী মুনাফা বা ক্ষতিপূরণ বা বার্ষিক নীট মুনাফা নির্ণয় করতে স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারে। বিধি ৯, ১০ এর মধ্যে স্থানীয় তদন্ত সম্পর্কে বলা হয়েছে।

iii) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয়: বিধি ১১, ১২ এর মধ্যে এ সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে। কোন মোকদ্দমায় হিসাবপত্র পরীক্ষা বা সমন্বয় সাধনের প্রয়োজন হলে আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন তার নিকট কমিশন প্রেরণ করে উক্ত হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

iv) স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন: বিধি ১৩, ১৪ এর মধ্যে এ সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে। যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি দেয়া হয়েছে, তা ৫৪ ধারার আওতাধীন না হলে, আদালত বাটোয়ারার জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

♦ উপরের তিনটি বিষয়ে কমিশন ইস্যু করা যায়।
৩,৮০০.
The Specific Relief, 1877 এর কোন প্রতিকারটি The Code of Civil Procedure, 1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত?
  1. অস্থায়ী নিষোধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. প্রতিকোধমূলক প্রতিকার
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী নিষোধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী নিষোধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
♦ The Specific Relief, 1877 এর ধারাঃ ৫৩ তে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিধান মতে: অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হল এমন যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যে কোন অবস্থাতেই এগুলি মঞ্জুর করা যায়, এবং দেওয়ানী কার্যবিধি দ্বারা তা নিয়ন্ত্রিত হয়।

♦ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলার যেকোন অবস্থাতেই মঞ্জুর করা যায় এবং এটি দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।