বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৩৭ / ১৫৫ · ৩,৬০১৩,৭০০ / ১৫,৪৭০

৩,৬০১.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় রিভিউ আবেদন মঞ্জুর হলে, এর বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. পুনঃবহালের আবেদন করা যাবে
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপীল করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল করা যাবে
ব্যাখ্যা
রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান এবং মঞ্জুরের বিরুদ্ধে প্রতিকার:

রিভিউ আবেদন মঞ্জুর হলে:
আদালত যদি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ (১) আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে। অর্থাৎ, রিভিউ আবেদন মঞ্জুর একটি আপীলযোগ্য আদেশ।

রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে:
যদি রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা আপত্তি দায়ের করা যায় না। তবে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয়, তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারার অধীনে রিভিশন করা যেতে পারে।

অনুপস্থিতির কারণে রিভিউ প্রত্যাখ্যান:
যদি রিভিউ আবেদনকারী আদালতে উপস্থিত না হন এবং আদালত রিভিউ আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে, তবে ৪৭ আদেশের ৭(২) বিধির অধীনে রিভিউটি পুনঃবহালের জন্য আবেদন করা যেতে পারে।
৩,৬০২.
আঠারো বছরের কম বয়সী শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যার সহায়তা বা প্ররোচনা দিলে, দণ্ডবিধির কোন ধারার আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ৩০৪
  2. ৩০৫
  3. ৩০৬
  4. ৩০৮
সঠিক উত্তর:
৩০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫-এ শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় প্ররোচনা বা সহায়তা-কে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যদি কোনো ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু, উন্মাদ, প্রলাপগ্রস্ত, নির্বোধ বা মদ্যপ অবস্থায় থাকা ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত বা সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
 
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305. Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৩,৬০৩.
পাওনাদারকে ঠকানোর উদ্দেশ্যে সম্পত্তি প্রতারণামূলকভাবে হস্তান্তর বা গোপনের শাস্তি রয়েছে কত ধারায়?
  1. ৪২০ ধারায়
  2. ৪২১ ধারায়
  3. ৪২২ ধারায়
  4. ৪২৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪২১ ধারা অনুযায়ী  পাওনাদারকে ঠকানোর উদ্দেশ্যে সম্পত্তি প্রতারনামূলকভাবে হস্তান্তর বা গোপনের শাস্তি হলো অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩,৬০৪.
'Right to foreclosure' কার অধিকার?
  1. আদালতের
  2. বন্ধকদাতার
  3. বন্ধকগ্রহীতার
  4. খ এবং গ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
বন্ধকগ্রহীতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকগ্রহীতার
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৭: ফোরক্লোজার [Foreclosure]:
যদি বিপরীত কোনো চুক্তি না থাকে, তাহলে বন্ধকদাতা যখন বন্ধক টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হন, এবং বন্ধক সম্পত্তি মুক্ত করার জন্য এখনো কোনো ডিক্রি (আদালতের রায়) প্রদান করা হয়নি কিংবা বন্ধক টাকা পরিশোধ বা আমানত রাখা হয়নি, সেই পরিস্থিতিতে বন্ধকগ্রহীতা (mortgagee) আদালতের মাধ্যমে একটি ডিক্রির আবেদন করতে পারেন, যাতে বলা হয় যে বন্ধকদাতার আর কোনো অধিকার থাকবে না উক্ত সম্পত্তি মুক্ত করার, অথবা একটি ডিক্রি চাইতে পারেন যাতে সম্পত্তিটি বিক্রি করার নির্দেশ দেয়া হয়।

একটি মামলা যার মাধ্যমে বলা হয় যে বন্ধকদাতার অধিকার চিরতরে হরণ করা হবে বন্ধক সম্পত্তি মুক্ত করার, সেটিকে বলা হয় "ফোরক্লোজারের মামলা"।

এই ধারায় নিম্নলিখিত কিছু ব্যতিক্রম প্রযোজ্য:
(ক) এই ধারা এমন কোনো বন্ধকগ্রহীতাকে ফোরক্লোজারের মামলা করার অধিকার দেয় না, যে একজন শর্তসাপেক্ষ বিক্রয় বন্ধকগ্রহীতা নন অথবা যিনি এমন একটি অসাধারণ বন্ধক চুক্তির আওতায় পড়েন না, যার শর্তে ফোরক্লোজারের অধিকার দেওয়া আছে। একইভাবে, উপভোগাধিকারী বন্ধকগ্রহীতা (usufructuary mortgagee) বা শর্তসাপেক্ষ বিক্রয় বন্ধকের অধীনে থাকা ব্যক্তিও বিক্রয়ের মামলা করতে পারবেন না।

(খ) যদি বন্ধকীদাতা, বন্ধকগ্রহীতার ট্রাস্টি বা আইনি প্রতিনিধি হিসেবে তার অধিকার ধারণ করেন এবং বিক্রয়ের জন্য মামলা করতে পারেন, তাহলে তিনি ফোরক্লোজারের মামলা করতে পারবেন না।

(গ) রেলপথ, খাল বা অন্য যে কোনো জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার বন্ধকগ্রহীতা ফোরক্লোজার বা বিক্রয়ের মামলা করতে পারবেন না।

(ঘ) যদি কেউ বন্ধক অর্থের কেবল একটি অংশে আগ্রহী হন, তাহলে তিনি শুধুমাত্র সেই অংশ সম্পর্কিত সম্পত্তির উপর মামলা করতে পারবেন না, যতক্ষণ না সমস্ত বন্ধকগ্রহীতারা বন্ধকীদাতার সম্মতিতে তাদের স্বার্থ ভাগাভাগি করে নেন।
৩,৬০৫.
বেঞ্চ সহকারী কর্তৃক আদালতের রায় পরিবর্তন করে নথিতে সামিল করলে তার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ধারা ২১৯ মতে বিচার বিষয়ক কার্যক্রম আইন বিরোধী বলিয়া জানা সত্ত্বেও সরকারী কর্মচারী কর্তৃক দুর্নীতিমূলক উপায়ে আদেশ, রির্পোট, রায় বা সিদ্ধান্ত প্রণয়ন বা ঘোষণা করাঃ
♦ কোন ব্যক্তি যদি কর্মচারী হিসেবে কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে কোন রিপোর্টক, আদেশ, রায় বা দুর্নীতিমূলকভাবে বা দুরভিসন্ধিমূলকভাবে প্রণয়ন করে বা ঘোষণা করে, যা আইন বিরুদ্ধ বলে সে জানে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৩,৬০৬.
নি:স্ব ব্যক্তির আপিল করার অনুমতি চেয়ে দরখাস্ত দাখিলের তামাদি-
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭০:

বিষয়: নি:স্ব হিসাবে আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত [for leave to appeal as pauper];
তামাদির মেয়াদ- ৩০ দিন;
গণনা শুরু- যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হবে, সেই তারিখ হতে।
৩,৬০৭.
কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে কোনো কাজ করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ গ্রহণ করলে তিনি The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটন করেন?
  1. 161
  2. 165A
  3. 162
  4. 163
সঠিক উত্তর:
162
উত্তর
সঠিক উত্তর:
162
ব্যাখ্যা
কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে কোনো কাজ করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ গ্রহণ করলে তিনি The Penal Code, 1860 এর ১৬২ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটন করেন।

ধারা ১৬২ অনুযায়ী,
সরকারি কর্মচারীকে যে ঘুষ প্রদান করবে সে (দালাল/ঘুষ প্রদানকারী) অভিযুক্ত হবে এবং শাস্তি পাবে: ৩ বছর কারাদণ্ড/অর্থদণ্ড/উভয়দণ্ড।

এছাড়া,
সরকারি কর্মচারি (নিজে/অন্যজনের মাধ্যমে) ঘুষ/পারিতোষিক পারিশ্রমিক গ্রহণ করলে ১৬১ ধারা অনুযায়ী, ৩ বছর কারাদণ্ড/অর্থদণ্ড/উভয়দণ্ড এ দণ্ডিত হতে পারে।
৩,৬০৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘Doctrine of Pleasure’ নীতির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৫৬
  2. ১০৪
  3. ১৩৪
  4. ১৪১
সঠিক উত্তর:
১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ-
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

Article 134: Tenure of office-
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

কিছু কিছু পদের মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে থাকে। রাষ্ট্রপতি যতদিন চাইবেন কোন ব্যক্তি উক্ত পদে ততদিন বহাল থাকতে পারবেন। সংবিধানের ভাষায় একে 'Doctrine of Pleasure'. সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবে। তাই বলা যায়, ১৩৪ অনুচ্ছেদেই 'Doctrine of pleasure' নীতিটি বর্ণিত হয়েছে।
৩,৬০৯.
দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুসারে, অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী _____ এর মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে।
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
৩,৬১০.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যাবে না?
  1. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে 
  2. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি নষ্ট হয়েছে
  3. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি সরকারি দলিল 
  4. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে
সঠিক উত্তর:
যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে সেসকল ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের ৬৫ধারা অনুসারে মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যাবে না।
কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৬৫: যে সকল দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে: নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কোনো দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
(ক) দলিলটি যাহার বিরুদ্ধে প্রমাণ করিতে চাওয়া হইতেছে, মূল দলিলটি তাহার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে, কিংবা আদালতের সমনের আওতার বাহিরে এখতিয়ারের বাহিরে কোনো লোকের দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে বলিয়া যদি দেখান হয় বা প্রতীয়মান হয়, কিংবা যদি এমন লোকের দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে উহা থাকে, যে লোক উপস্থাপিত করিতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারায় বর্ণিত নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও সেই লোক যদি উহা উপস্থাপিত না করে।
(খ) দলিলটি যাহার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা হইবে, সেই লোকের বা তাহার কোনো স্বার্থসংশিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে স্বীকার করিয়াছে বলিয়া যখন প্রমাণ করা হয়।
(গ) মূল দলিল যেইক্ষেত্রে বিনষ্ট হইয়াছে বা হারাইয়া গিয়াছে, কিংবা যেইক্ষেত্রে মূল দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক লোক তাহার নিজের ত্রুটি বা অবহেলা ব্যতীত অন্য কোনো কারণে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে উহা উপস্থাপিত করিতে পারে না।
(ঘ) মূল দলিলটির প্রকৃতি সেইক্ষেত্রে এইরূপ যে সহজে উহা স্থানান্তর করা যায় না।
(ঙ) মূল দলিলটি যেইক্ষেত্রে ৭৪ ধারায় উল্লিখিত সর্বসাধারণের দলিলের আওতাভুক্ত।
(চ) মূল দলিলটি যেইক্ষেত্রে এমন যে, এই আইন বা বাংলাদেশে বলবৎ অপর কোনো আইনে উহার জাবেদা নকল
সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করিবার বিধান আছে।
(ছ) কোনো মূল দলিলে যখন অন্যান্য এমন বহু সংখ্যক দলিলের বিবরণ যেইগুলি আদালতে পরীক্ষা করিয়া দেখা সুবিধাজনক নহে এবং যেই ঘটনা প্রমাণ করিতে হইবে, তাহা ঐ সমস্ত দলিলের সাধারণ ফলস্বরূপ।
------------------------------------
⇒ The Evidence Act 1872, Section 65, Cases in which secondary evidence relating to documents may be given: Secondary
evidence may be given of the existence, condition or contents of a document in the following cases:-
(a) when the original is shown or appears to be in the possession or power- of the person against whom the document is sought to be proved, or of any person out of reach of, or not subject to, the process of the Court, or of any person legally bound to produce it, and when, after the notice mentioned in section 66, such person does not produce it:
(b) when the existence, condition or contents of the original have been proved to be admitted in writing by the person against whom it is proved or by his representative in interest;
(c) when the original has been destroyed or lost, or when the party offering evidence of its contents cannot, for any other reason not arising from his own default or neglect, produce it in reasonable time;
(d) when the original is of such a nature as not to be easily moveable;
(e) when the original is a public document within the meaning of section 74;
(f) when the original is a document of which a certified copy is permitted by this Act, or by any other law in force in Bangladesh to be given in evidence;
(g) when the originals consist of numerous accounts or other documents which cannot conveniently be examined in Court, and the fact to be proved is the general result of the whole collection.

৩,৬১১.
ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত ফৌজদারি কার্যধারার কারণে কোনো আদেশ বাতিল হবে না যদি-
  1. বিচারক ভুল স্বীকার করেন
  2. আপিলকারী লিখিত আপত্তি তোলে
  3. ন্যায়বিচারকে প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত না করে
  4. বিচার প্রক্রিয়া ন্যায়সঙ্গত না হয়
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারকে প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত না করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারকে প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত না করে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮‑এর ধারা ৫৩১ বলছে—
মামলা ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা অন্য স্থানীয় এলাকায় চললেও কেবল সেই কারণেই রায়, আদেশ বা তদন্ত বাতিল হবে না, যতক্ষণ না দেখা যায় যে এই ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত (failure of justice) হয়েছে। অর্থাৎ বিচার প্রক্রিয়া ন্যায়সঙ্গত ও পক্ষসমূহ পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েছে—এটা নিশ্চিত হলে শুধুমাত্র স্থানের ত্রুটি রায় বাতিল করে না।
৩,৬১২.
নিচের কোন ক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন?
  1. কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
  2. কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে
  3. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ২য় অধ্যায়ে বিধি-১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা।

অর্থাৎ মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-১৩ অনুযায়ী কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে, কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে, অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে, একজন অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করতে হয় না।
-------------------------
⇒ Rule-13. When an Advocate is a witness for his client except as to merely formal matters, such as the attestation or custody, of an instrument and the like, he should leave the trial of the case to other Advocates. Except when essential to the ends of justice, an Advocate should avoid testifying in court on behalf of his client.
৩,৬১৩.
সাক্ষ্য আইনে একজন স্বাক্ষীকে পুন: জেরা করা যায়
  1. ১৩৫ ধারায়
  2. ১৩৬ ধারায়
  3. ১৩৭ ধারায়
  4. ১৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ মতে- প্রথমে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হবে। তারপর (বিরুদ্ধপক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করবে, তারপর (সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করাতে পারবে। সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে হতে হবে। কিন্তু সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে সকল বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, কেবল সেই সকল বিষয়েই জেরা করা চলবে, এমন নয়। জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দীতে সেইগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে, পুনঃজবানবন্দী গ্রহণের সময় যদি আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন নতুন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে বিরুদ্ধপক্ষ সেই সকল বিষয়ে স্বাক্ষীকে আরও জেরা করতে বা পুন: জেরা করতে পারবে। 
♦অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায়  একজন স্বাক্ষীকে পুন: জেরা করা যায়।
৩,৬১৪.
পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি The Evidence Act, 1872 এর ধারা অনুযায়ী প্রহণযোগ্য নয়?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. ২৭
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারামতে পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) অগ্রহনযোগ্য হবে, তবে সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারামতে পুলিশের নিকট আসামীর প্রদত্ত confession বা তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত উদ্ধার হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে।

♦ যেমন- আসামীর দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করলে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

♦ পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত Confession প্রাসঙ্গিক হবে, যাকে Judicial confession বলে।
৩,৬১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ______ ধারায় বলা আছে বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের অপরাধের বিচার করতে পারবে এবং _______ ধারায় বলা আছে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কতটুকু সাজা দিতে পারবে।
  1. ২৯, ২৯গ
  2. ২৯খ, ৩৩
  3. ২৯গ, ৩৩ক
  4. ২৯গ, ৩৩খ
সঠিক উত্তর:
২৯গ, ৩৩ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯গ, ৩৩ক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৯গ ধারায় বলা আছে বিশেষক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের অপরাধের বিচার করতে পারবে
• ৩৩ক ধারায় বলা আছে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কতটুকু সাজা দিতে পারবে।
• ২৯গ ধারায় ক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন।
৩,৬১৬.
Habeas Corpus এর আদেশ দিতে পারে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. সরকার
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করতে পারে। যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাব আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট [ writ of habeas corpus] পিটিশন দায়ের করা যায়। যে কোন ব্যক্তি বন্দী হাজির রিট দায়ের করতে পারবে। বন্দী হাজির অর্থ হলো বন্দীকে আদালতে হাজির করা।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধানঃ (১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং
চ) বাদ দেয়া হয়েছে।

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।

♦ অর্থাৎ ৪৯১ ধারামতে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির আদেশ প্রদান করতে পারে, যথা 
i) আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করতে।
ii) বেআইনী বা অযৌক্তিকভাবে সরকারি বা বেসরকারী হেফাজতে আটক ব্যক্তির মুক্তিত
iii) জেলখানা বা কারাগারে আটক কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দী দেয়ার জন্য আদালতে হাজির করতে
iv) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট বিচার বা সাক্ষাৎ দেয়ার জন্য হাজির;
v) এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে বিচারের জন্য কোন বন্দিকে স্থানান্তর।
৩,৬১৭.
চার্জে পূর্ববর্তী মামলার দণ্ডের বিষয় কেন উল্লেখ করতে হবে?
  1. পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য
  2. চার্জ গঠনে জন্য
  3. অভিযোগকারী আবেদন করার জন্য
  4. উল্লেখ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য
ব্যাখ্যা
পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়ােজন হলে অভিযােগে বা চার্জে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী- চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারী বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর যা অনুসন্ধান (inquiry) এবং বিচার (trial) কে পৃথক করে। একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে। সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।ধারা-২২১ এ চার্জের বিষয়বস্তু উল্লেখ করা আছে।একটি চার্জে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো থাকবে-

> অপরাধের নাম।
> অপরাধের নির্দিষ্ট নাম না থাকলে উক্ত অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে।
> উক্ত অপরাধ যে আইনে এবং কত ধারায় আওতায় পড়ে তা উল্লেখ করতে হবে।
> অভিযােগ গঠন হলে ধরে নেওয়া হবে অপরাধটি সংঘটিত করার সকল উপাদান বিদ্যমান বা শর্ত পূরণ হয়েছে।
> অভিযােগ ইংরেজিতে বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয় ।
> পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়ােজন হলে অভিযােগে বা চার্জে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে। চার্জে আদালত শাস্তিদানের পূর্বে যে কোন সময় পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন।
৩,৬১৮.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুযায়ী, নিচের কোনটি হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন সংক্রান্ত ফিসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. বিবাহ নিবন্ধন ফিস
  2. নিবন্ধন বহি পরিদর্শন ফিস
  3. প্রতিলিপি সরবরাহ ফিস
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ৭ ধারা অনুযায়ী, সরকার সময়ে সময়ে বিধি দ্বারা তিন ধরনের ফিস নির্ধারণ করতে পারে—
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন ফিস – বিবাহ নিবন্ধনের সময় প্রদেয় ফিস।
নিবন্ধন বহি পরিদর্শন ফিস – নিবন্ধন রেকর্ড দেখতে হলে প্রদেয় ফিস।
প্রতিলিপি সরবরাহ ফিস – নিবন্ধনের কপি সংগ্রহ করতে হলে প্রদেয় ফিস।

অর্থাৎ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭ এ নিবন্ধন ফিস, পরিদর্শন ফিস ও প্রতিলিপি ফিস - তিনটিরই উল্লেখ আছে।
যেহেতু আইন অনুযায়ী এই তিনটি ফিসই নিবন্ধন সংক্রান্ত, তাই সঠিক উত্তর "ঘ) উপরের সবগুলো"।

৩,৬১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক থাকলে অনুপস্থিতিতে বিচারের জন্য কোন শর্তটি আবশ্যক?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ও ৭৮ ধারার শর্তপূরণ
  2. যেকোনো একটি বাংলা দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
  3. কমপক্ষে দুটি জাতীয় বাংলা দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
  4. সরকারি গেজেটে প্রকাশ করে তা পত্রিকার বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে দুটি জাতীয় বাংলা দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে দুটি জাতীয় বাংলা দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে। উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
- আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

- অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো-
অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে। একে বলা হয় ''Trial in absentia'' বা অনুপস্থিতিতে বিচার।
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure-Section 339B: Trial in absentia-
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.

(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৩,৬২০.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে 'Plea of Alibi' প্রমাণের ভার কার উপর বর্তায়?
  1. সাক্ষীর উপর
  2. আদালতের উপর
  3. অভিযোগকারীর উপর
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৩ অনুসারে, যখন কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি 'Plea of Alibi' (অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত ছিল) এর দাবি করে, তখন সেই দাবি প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজের উপরই বর্তায়। এটি একটি মৌলিক আইনি নীতি যে, যে ব্যক্তি কোনো বিশেষ তথ্য বা অবস্থা দাবি করে, সে-ই তার প্রমাণ উপস্থাপনের দায়িত্ব বহন করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 - প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof)-
দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং, প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৩-এর অধীন, 'Plea of Alibi' (অন্যত্র অবস্থানের দাবি) প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়। অর্থাৎ, অভিযুক্তকে প্রমাণ করতে হয় যে অপরাধের সময় সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না। এটি একটি বিশেষ তথ্যের প্রমাণের ভার, যা সাধারণত অভিযোগকারীর উপর থাকে না।

৩,৬২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯(৩ক) অনুসারে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয় কোন অনুচ্ছেদের অধীনে?
  1. সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ
  2. সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ
  3. সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদ
  4. সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৯(৩ক) এ বলা হয়েছে:
“...সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যগণ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ নিযুক্ত হইবেন।”
 অর্থাৎ, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের নিয়োগ ও তাদের কর্মস্থল নির্ধারণের জন্য রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিধি তৈরি করেন, এবং সেই বিধির আলোকে তাদের দায়রা আদালতে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (The Code of Criminal Procedure), ১৮৯৮–এর ধারা ৯(৩ক) (Subsection 3A) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে:
“The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the Constitution...”
অর্থাৎ, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের অধীন রাষ্ট্রপতির দ্বারা প্রণীত বিধি অনুসরণ করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারার বিধান দায়রা আদালত:
(১) সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবেন এবং এই আদালতে একজন জজ নিয়োগ করবেন; এবং মহানগরীর জন্য সৃষ্ট দায়রা আদালত মহানগরী দায়রা আদালত নামে অভিহিত হবে।
(২) সরকার সরকারি গেজেটে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ জারী করে নির্দেশ দিতে পারেন যে কোন স্থানে বা স্থানসমূহে দায়রা আদালত বসবে; কিন্তু এরূপ আদেশ না দেয়া পর্যন্ত দায়রা আদালতসমূহ পূর্বের ন্যায় বসবে।
(৩) এরূপ এক বা একাধিক আদালতে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করার জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজ ও নিয়োগ করতে পারবেন।

(৩ক) - অনুরূপ এক বা একাধিক এলাকার দায়িত্ব পালনের জন্য সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যগণ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ নিযুক্ত হইবেন।
(৪) সরকার এক দায়রা বিবাগের দায়রা জজকে অপর একটি বিভাগের অতিরিক্ত দায়রা জজ নিয়োগ করতে পারেন, এবং এরূপ ক্ষেত্রে তিনি সরকারের নির্দেশানুসারে দুইটি বিভাগের যে কোন একটির এক বা একাধিক স্থানে মামলা নিস্পত্তির জন্য বসতে পারবেন।
(৫) এই আইন বলবৎ হবার সময় যে সকল দায়রা আদালত বিদ্যমান ছিল তার সমস্ত গুলিই এই আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে ধরতে হবে।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 9. Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court; and the Court of Session for a Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore.
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
৩,৬২২.
কোন অবস্থায় একজন সাক্ষীর পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তী মামলায় প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই হতে হবে
  2. সাক্ষী প্রতিপক্ষের প্রতিনিধি হতে হবে
  3. মামলাটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির হতে হবে
  4. সাক্ষীকে পুনরায় জেরা করতে হবে
সঠিক উত্তর:
উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই হতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩: যখন পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তীতে মামলায় প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে:
কোন মামলায় কেউ আইন অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার পর যদি তার-
ক) মৃত্যু হয়; বা
খ) সন্ধান পাওয়া না যায়; বা
গ) যে পরে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হয়ে পড়ে; বা
ঘ) প্রতিপক্ষ তাকে আটকিয়ে রাখে;
ঙ) যুক্তিসংগত কারনে তাকে আদালতে উপস্থিত করা সময় এবং ব্যয়সাপেক্ষ;

তাহলে এই ধরনের সাক্ষীর পূর্বে দেওয়া প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য পরবর্তী পর্যায়ে প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হবে। তবে নিম্নে বর্ণিত ৩টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
১। পরবর্তী মামলা একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে অথবা তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
২। পূর্বে সাক্ষ্য দেয়া সাক্ষীকে প্রতিপক্ষ জেরা করার সুযােগ পেতে হবে; এবং
৩। উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই ধরনের হতে হবে।
৩,৬২৩.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর কত ধারায় "উইল" (Will) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ৩(৫৫)
  2. ৩(৫৭)
  3. ৩(৫৯)
  4. ৩(৫৬)
সঠিক উত্তর:
৩(৫৭)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩(৫৭)
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section- 3(57) "Will" shall include a codicil and every writing making a voluntary posthumous disposition of property.
-----------------------
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ৩(৫৭) উইল  ধারার বিধান:- “উইল" বলিতে শেষ ইচ্ছাপত্র এবং স্বেচ্ছায় সম্পপ্তির মরনোত্তর বন্টন সংক্রান্ত সব ধরনের লেখা অন্তর্ভূক্ত হইবে।
৩,৬২৪.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, যুদ্ধ ঘোষণা করতে কার সম্মতি আবশ্যক?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সেনাবাহিনী
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৩(১) অনুযায়ী, সংসদের সম্মতি ছাড়া যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না, এবং প্রজাতন্ত্র কোনো যুদ্ধে অংশ নিতে পারবে না।
- অর্থাৎ, যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য সংসদের অনুমোদন আবশ্যক।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৬৩ যুদ্ধ:
 (১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।
৩,৬২৫.
'ফৌজদারী মামলা শুরুর ক্ষেত্রে তামাদি প্রযোজ্য নয়'- এই বক্তব্যের ব্যতিক্রম কোনটি?
  1. এজাহার দায়ের
  2. চার্জশীট দাখিল
  3. চার্জ গঠন
  4. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল-দায়ের
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল-দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল-দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনটি হচ্ছে পদ্ধতিগত আইন।
⇒ ১৮৫৯ সালে প্রথম তামাদি আইন প্রণয়ন করা হয় এবং ১৮৬২ সালে তা কার্যকর করা হয়।
⇒ পরবর্তীতে ১৯০৮ সালে বর্তমান তামাদি আইন প্রণয়ন করা হয় এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়।
⇒ এই আইনটি বিশেষ আইনের তামাদির জন্য এবং ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না।
⇒ যেহেতু তামাদি আইন ফৌজদারী মূল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না এবং যেহেতু এজাহার দায়ের বা অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে ফৌজদারী মূল মামলা দায়ের করা হয়, তাই এজাহার, এফআইআর বা অভিযোগ (সিআর)এর ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়।
তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়।
যেমন
-তামাদি আইনের ১৫৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ফৌজদারী মামলায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল-দায়ের করতে হয় ৬০ দিনের মধ্যে।
- কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে তামাদি আইনের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সে ৭ দিনের মধ্যে আপীল করতে হবে।
৩,৬২৬.
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রীর কোন কারণে আদালতে তালাক চাওয়ার অধিকার রয়েছে?
  1. চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে
  2. দুই বছর স্বামী স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে
  3. স্বামী যদি সাত বছর বা তার বেশি সময় কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
৩,৬২৭.
দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ অনুসারে, কয়টি উপায়ে কোনো ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ২৯৯ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি তিনটি উপায়ে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হতে পারে-
১) মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কাজ করা → যদি কারও উদ্দেশ্যই হয় মৃত্যু ঘটানো এবং সেই কাজের ফলে মৃত্যু ঘটে।
২) মৃত্যু ঘটাতে পারে এমন দৈহিক জখম ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করা → যদি কারও উদ্দেশ্য হয় এমন আঘাত দেওয়া যা মৃত্যু ঘটাতে পারে এবং সেই আঘাতের ফলে মৃত্যু ঘটে।
৩) মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জেনে কাজ করা → যদি কেউ জানে যে তার কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে, তবুও তা করে এবং মৃত্যু ঘটে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ৩টি উপায়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
- ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
- ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
- ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 299. Culpable homicide:
Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
- Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
- Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
- Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.

৩,৬২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে, ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা (wrong place of trial) শুধুমাত্র সেই কারণে বাতিল হবে না, যদি না ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫৩১
  3. ধারা ৫৩৩
  4. ধারা ৫৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩১ ধারা অনুসারে, কোনো ফৌজদারি আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যদি না প্রতীয়মান হয় যে এই ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা:
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 531: Proceedings in wrong place:
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.

৩,৬২৯.
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (inherent power) ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সংরক্ষিত আছে?
  1. ৫৬১
  2. ৫৬১ক 
  3. ৫৬০ 
  4. ৫৬৫ 
সঠিক উত্তর:
৫৬১ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬১ক 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (inherent power) সংরক্ষণের বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে ধারা ৫৬১ক-এ উল্লেখ আছে, যার শিরোনামই হলো "Saving of inherent power of High Court Division"।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ক-এ হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (inherent power) সংরক্ষণ করা হয়েছে, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার প্রতিরোধ করা এবং কোডের অধীনে প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারার বিধান হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ:
- এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য, বা কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য বা অন্য কোন ভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন আদেশ প্রদানের নিমিত্ত হাইকোর্ট বিভাগের যে সহজাত ক্ষমতা আছে এই বিধির কোন কিছু তা সীমাবদ্ধ বা ক্ষুণ্ন বা প্রভাবিত করবে বলে অভিহিত করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- section 561A. Saving of inherent power of High Court Division:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

৩,৬৩০.
হিন্দু আইনে শ্রুতি কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. রাষ্ট্রীয় আইনের উৎস
  2. আধুনিক আইনের উৎস
  3. প্রাচীনতম ও পবিত্র উৎস
  4. সামাজিক রীতিনীতির উৎস
সঠিক উত্তর:
প্রাচীনতম ও পবিত্র উৎস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাচীনতম ও পবিত্র উৎস
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে শ্রুতি (বেদ) হলো সবচেয়ে প্রাচীন এবং পবিত্র উৎস হিসেবে বিবেচিত।
- শ্রুতি শব্দটি এসেছে সংস্কৃত শব্দ "শ্রু" থেকে, যার অর্থ "যা শোনা গেছে"।
- হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, বেদগুলো (ঋক্বেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ ও অথর্ববেদ) দেবতাদের দ্বারা ঋষিদের কাছে প্রকাশিত হয়েছিল, অর্থাৎ এগুলো অপৌরুষেয় (মানুষের দ্বারা রচিত নয়)।
- এ কারণে শ্রুতিকে হিন্দু ধর্ম ও আইনের মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়, যা ধর্ম, নৈতিকতা, এবং আইনগত নির্দেশনার অলঙ্ঘনীয় উৎস।

৩,৬৩১.
দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে-
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. দায়রা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭ ধারার বিধানঃ ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল- ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হয়। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট স্বয়ং নিজে আপিলটি শুনানী ও নিষ্পত্তি করতে পারেন অথবা অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হস্তান্তর করতে পারবেন। উক্ত হস্তান্তরিত আপিল প্রয়োজনে তিনি প্রত্যাহার করতে পারবেন।
৩,৬৩২.
আদালত যখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করে, তখন কোনটি প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. স্বাক্ষীর বক্তব্য
  2. অভিযোগকারীর অভিযোগ
  3. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
  4. অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক:
যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

Section 47A- Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
৩,৬৩৩.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. ৪৩ ধারায়
  2. ৪২ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৪২- মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল

(১) এই আইন বলবৎ হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ নামে একটি তহবিল গঠন করিবে এবং উক্ত তহবিল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত ও ব্যবহৃত হইবে।

(২) মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথাঃ— 
(ক) সরকারের মঞ্জুরী বা অনুদান; 
(খ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; বা 
(গ) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; এবং 
(ঘ) মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনের উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত অন্য যে কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত 
অর্থ।
৩,৬৩৪.
নির্দিষ্ট বর্ণনার কিছু সংখ্যক রেলওয়ের শেয়ার A বিক্রয় করতে এবং B ক্রয় করতে চুক্তি করেছে। A বিক্রয় করতে অস্বীকার করে। এই ক্ষেত্রে B এর প্রতিকার হতে পারে-
  1. B শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাবে।
  2. B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
  3. চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
  4. B, A-কে শেয়ার বিক্রয় করতে বাধ্য করতে পারেনা।
সঠিক উত্তর:
B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা-১২. ব্যাখ্যা গ  অনুযায়ী, এই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করতে A কে বাধ্য করতে পারে। কারণ শেয়ারগুলোর সংখ্যা সীমিত এবং সর্বদা মার্কেটে পাওয়া যায় না এবং শেয়ারগুলোর দখল শেয়ারের মালিকানা নির্ধারণ করে যা অন্যকোনভাবে অর্জন করা সম্ভব না।

♦ সুতরাং যেহেতু শেয়ার দুষ্প্রাপ্য প্রকৃতি, তাই এই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য, যদিও শেয়ার অস্থাবর সম্পত্তি এবং B, A-কে শেয়ার বিক্রয় করতে বাধ্য করতে পারে।
৩,৬৩৫.
পাঁচজন ব্যক্তি একটি ব্যাংকে ডাকাতি করার জন্য একত্রিত হয়। ডাকাতির সময় তাদের একজন নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যা করে। এই পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 396- Dacoity with murder:
If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৩,৬৩৬.
রিসিভারের নিয়োগ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব কোন আইনে বিস্তারিত বলা আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪০-১৬৫ ধারা
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ১৮ অধ্যায়ে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, রিসিভার নিয়োগের বিষয়টি আদালতের বিবেচনাধীন। তবে রিসিভারের নিয়োগের ধরন, তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া আছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
অতএব, রিসিভারের নিয়োগ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশে।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৩,৬৩৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৬ অনুসারে, প্রতিরোধমূলক প্রতিকার কোন ধারার অধীনে পড়ে?
  1. ধারা ৫(ঘ)
  2. ধারা ৫(গ)
  3. ধারা ৫(খ)
  4. ধারা ৫(ক)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(গ)
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫(গ) ধারার অধীনে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) প্রদান করা হয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫(গ) ধারা অনুযায়ী:
- “কোনো পক্ষকে এমন কিছু করা থেকে বিরত রাখা, যা করা তার জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতার পরিপন্থী।”
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৬ অনুযায়ী:
- এই প্রতিরোধমূলক প্রতিকার-কে "Preventive Relief" বলা হয়। এটি সাধারণত আদালতের আদেশের (Injunction) মাধ্যমে প্রদান করা হয় যাতে কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ অন্যের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে।

⇒ উদাহরণ:
- কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে অন্যের জমিতে প্রবেশ করতে চায়, আদালত প্রতিরোধমূলক আদেশ জারি করে তাকে তা করতে নিষেধ করতে পারে।
- কোনো সংস্থা যদি অবৈধভাবে কপিরাইট লঙ্ঘন করে, আদালত প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হিসাবে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করতে পারে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
 Specific relief is given- 
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.

⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-6. Preventive relief:
- Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

৩,৬৩৮.
রাষ্ট্রদ্রোহিতা সংঘটিত করতে হলে, কোন ধরনের উক্তি বা প্রকাশ ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. মৌখিক উক্তি
  2. লিখিত উক্তি
  3. দৃশ্যমান প্রতীক
  4. উপরের সবই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান- রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।

ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না। 
৩,৬৩৯.
যদি কোনো পক্ষকে দলিল পেশ করার নোটিশ দেওয়া হয় এবং সেই পক্ষ তা উপস্থাপনা করতে অস্বীকার করে, তবে ঐ পক্ষ পরবর্তীতে উক্ত দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে-
  1. প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
  2. দলিল রেজিস্ট্রি‑কৃত হলে
  3. সরকারি দলিল হলে
  4. ব্যক্তিগত দলিল হলে
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬৪ – নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও না‑উপস্থাপিত দলিল‑প্রমাণ পরে ব্যবহার‑নিষেধ:
যদি কোনো পক্ষকে দলিল পেশ করার নোটিশ দেওয়া হয় এবং সেই পক্ষ তা উপস্থাপনা করতে অস্বীকার করে, তবে ঐ পক্ষ পরবর্তীতে ওই দলিলকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না- যতক্ষণ না
(‌i) প্রতিপক্ষের সম্মতি অথবা
(ii) আদালতের আদেশ পাওয়া যায়।

[When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.]
৩,৬৪০.
বিবাহ অথবা জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩৬ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারার বিধান: কর্তব্য সম্পাদন প্রসঙ্গে সরকারী দলিলে বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিপিবদ্ধ বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty)- সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী কোন সরকারী বা অন্য অফিসের কোন খাতায়, রেজিস্টারে বা নথিতে যদি কোন বিচার্য ঘটনা বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকে এবং কোন সরকারী কর্মচারী যদি তার চাকরির কর্তব্য পালনকালে তা লিখে থাকে অথবা অপর কোন ব্যক্তি যদি যে দেশে উক্ত খাতা, রেজিষ্টার বা নথি রাখা হয়েছে সেখানকার আইনের বিধান অনুসারে তার উপর আরোপিত কর্তব্য পালন প্রসঙ্গে তা লিখে থাকে তবে উক্ত লেখাই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা। 

⇒ যেমন- সরকারী বই, এজাহার বা এফ, আই, আর বিবরণ, বিবাহ, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড, বিদ্যালয়ের খাতা, নথি ও প্রমাণপত্র, মিউটেশন, বেতার বার্তা প্রভৃতি সরকারী দলিলের বিষয় ৩৫ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক।

----------------
⇒ Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty.
Section 35. An entry in any public or other official book, register or record ,or digital record, stating a fact in issue or relevant fact, and made by a public servant in the discharge of his official duty, or by any other person in performance of a duty specially enjoined by the law of the country in which such book, register , record or digital record is kept, is itself a relevant fact.
৩,৬৪১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় কিশোর অপরাধীর বিচারের এখতিয়ার বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ২৮ ধারায়
  2. ২৯ ধারায়
  3. ২৯গ ধারায়
  4. ২৯খ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৯খ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯খ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির  ২৯খ ধারার বিধান কিশোরদের বেলায় এখতিয়ারঃ কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

-----------------------------------
Jurisdiction in the case of juveniles
29B. Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
৩,৬৪২.
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কোন শ্রেণিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় "মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" হিসেবে পরিচিত?
  1. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দ্বিতীয় শ্রেনির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC), 1898 অনুসারে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মূলত তিন শ্রেণিতে বিভক্ত—প্রথম শ্রেণি, দ্বিতীয় শ্রেণি ও তৃতীয় শ্রেণি। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় এই শ্রেণিবিভাগে কিছু পরিবর্তন রয়েছে। সেখানে "প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট" কে বলা হয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। অর্থাৎ, মেট্রোপলিটন শহরে যারা বিচার কার্য পরিচালনা করেন, তারা মূলত প্রথম শ্রেণির বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট হলেও তাদের আইন অনুযায়ী "মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" নামে উল্লেখ করা হয়। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটরা মেট্রোপলিটন এলাকায় নেই। এছাড়া, জেলার জন্য যিনি প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকেন, মেট্রোপলিটন এলাকায় তিনি "চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" নামে পরিচিত।
সুতরাং, প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো— ক) প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে;
যথা: (ক) দায়রা আদালত; এবং (খ) ম্যাজিস্ট্রেট-এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা: (ক) বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।ঃ
(৩) চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথা:
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
(খ) মহানগর এলাকায় স্থাপিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 6. Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 

Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

৩,৬৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারায় অনুসন্ধানের আদেশ কে দিতে পারেন?
  1. দায়রা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. শুধুমাত্র জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারার বিধান- অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা:
৪৩৫ ধারা অনুসারে অথবা অন্যভাবে পরীক্ষা করে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা ২০৩ ধারা বা ২০৪ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে খারিজক্ত যেকোনো নালিশ বা কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আরও তদন্ত করবেন, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ তদন্ত করতে পারবেন বা তার অধস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে এরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত এই যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কোন উক্তরূপ আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শানোর সুযোগ দেয়া হয়।
৩,৬৪৪.
তামাদি আইনের ধারা ২০ অনুসারে নিচের কোনটি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য?
  1. মৌখিক প্রতিশ্রুতি
  2. ঋণের সুদ পরিশোধ
  3. ভবিষ্যতে পরিশোধের আশ্বাস
  4. ঋণ আছে তা আস্বীকার
সঠিক উত্তর:
ঋণের সুদ পরিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণের সুদ পরিশোধ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২০(১) অনুযায়ী:
- ঋণ বা লিগ্যাসির সুদের অর্থপ্রদান যদি তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে করা হয়, তাহলে তা একটি বৈধ স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে।
- এই অর্থপ্রদানের ফলে তামাদি মেয়াদ পুনরায় গণনা শুরু হবে (Payment refreshes the limitation period)।

- ধারা ২০ তে বলা হয়েছে, যদি কোনো ঋণগ্রহীতা তার ঋণের সুদ পরিশোধ করে, তবে এটি ঋণ সম্পর্কিত দায় স্বীকার করার সমতুল্য এবং এর ফলে তামাদি মেয়াদ পুনরায় শুরু হতে পারে। অর্থাৎ, ঋণের সুদ পরিশোধে ঋণগ্রহীতা তার দায় স্বীকার করেছে এবং তামাদি আইনের অধীনে এই পদক্ষেপকে স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

অর্থাৎ, ঋণের সুদ পরিশোধ হলো তামাদি আইনের ধারা ২০ এর অধীনে সঠিক স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হওয়া পদক্ষেপ।

COMPUTATION OF PERIOD OF LIMITATION 
⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made: 
 
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
৩,৬৪৫.
যে সিভিল সার্জন বা চিকিৎসক ময়না তদন্তের প্রতিবেদন প্রদান করে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে তার অনুপস্থিতিতেও উক্ত প্রতিবেদন সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. যদি তিনি মারা যায়,
  2. সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে যায়
  3. বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করে এবং তাকে আনা সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক মতে- এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা দরকার হয় এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন অথবা অন্য মেডিকেল অফিসার মারা গেলে অথবা সাক্ষ্য দিতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাইরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী হিসাবে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৩,৬৪৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪২১ ধারার আওতায় আপিল সংক্ষিপ্ত খারিজ করার পূর্বে-
  1. নতুন সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে
  2. আপিলকারীকে অবশ্যই আদালতে হাজির থাকতে হবে
  3. নতুন অভিযোগ দায়ের করতে হবে
  4. আপিলকারীকে বক্তব্যের সুযোগ দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
আপিলকারীকে বক্তব্যের সুযোগ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারীকে বক্তব্যের সুযোগ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-

শর্ত থাকে যে,
ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
৩,৬৪৭.
একই পক্ষ একই বিষয়ে দুটি মামলা একই সঙ্গে চালাতে পারবে না—এটি কোন নীতি?
  1. Estoppel
  2. Res Judicata
  3. Res Sub Judice
  4. Constructive Res Judicata
সঠিক উত্তর:
Res Sub Judice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Res Sub Judice
ব্যাখ্যা

⇒ "Res Sub Judice" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ "a matter under judgment" বা "বিচারাধীন বিষয়"। এই নীতিটি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০-এ বর্ণিত আছে।
- Res Sub Judice নীতির মূল কথা: একই পক্ষদের মধ্যে একই কারণ থেকে উদ্ভূত একই বিষয় নিয়ে একই সময়ে একাধিক মামলা চলতে পারে না। যদি একই বিষয়ে একটি মামলা ইতিমধ্যে কোনো উপযুক্ত আদালতে বিচারাধীন থাকে, তাহলে অন্য কোনো আদালত পরবর্তীতে দায়ের করা একই রকম মামলা পরিচালনা করতে পারবে না।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল:
বিরোধপূর্ণ সিদ্ধান্ত রোধ করা: ভিন্ন ভিন্ন আদালত থেকে একই বিষয়ে ভিন্ন রায় না আসা।
আদালতের সময় ও সম্পদের সদ্ব্যবহার: একই মামলা বারবার বিচার করা থেকে বিরত থাকা।
- অর্থাৎ Res Sub Judice নীতিটি মামলা চলাকালীন সময়ে প্রযোজ্য হয় এবং একই সাথে একাধিক মামলা চলা বন্ধ করে। অন্যদিকে, Res Judicata নীতিটি মামলা শেষ হওয়ার পর প্রযোজ্য হয় এবং একই মামলা আবার দায়ের করা বন্ধ করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।
- এই নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-
১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হতে হবে;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

- বিদেশি আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে Res-Subjudice নীতি প্রযোজ্য হবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Section 10: Stay of suit-
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh Established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court.

Explanation-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

৩,৬৪৮.
কোন বিচারপ্রার্থীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে, মামলা পরিচালনার জন্য কমিটি তালিকাভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্যে থেকে কয় জন আইনজীবীকে মনোনীত করবে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ এর ৫ ধারা মতে,

কোন বিচারপ্রার্থীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে মামলা পরিচালনার জন্য কমিটি তালিকাভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্যে থেকে ৩ জন আইনজীবীকে মনোনীত করবে এবং বিচার প্রার্থীর সম্মতি সাপেক্ষে তাদের মধ্য থেকে একজনকে মামলা পরিচালনার জন্য নিয়োগ করা হবে।
৩,৬৪৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(৫) ধারার
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(৯) ধারার
  3. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
  4. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১৩) ধারার
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা।

⇒ ধারা-৮৯ক(৫): মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
⇒ আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
------------------
⇒ Section 89A(12) No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
৩,৬৫০.
তামাদি আইনের অনুসারে মিথ্যা কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বৎসর
  3. ২ বৎসর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বৎসর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৯ মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড [False Imprisonment] ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা।
- তামাদি- ১ বৎসর।
- সময় গণনা শুরু- কারাদণ্ড যখন সমাপ্ত হয়।

৩,৬৫১.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে ৩০৭ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ১২ বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------
⇒ Attempt to murder Attempts by life-convicts
Section 307.
Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
 
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৩,৬৫২.
'চ', তার প্রতিবেশি 'ছ' এর ৮ বছরের বাচ্চাকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে নিজের বাসায় আটকে রাখে। পরবর্তীতে 'ছ' এর কাছে পরিচয় গোপন করে ফোনে 'চ' ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চায়। এক্ষেত্রে 'চ' সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ৮: মুক্তিপণ আদায়ের শাস্তি-

যদি কোন ব্যক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৩,৬৫৩.
কোনো রায়ত যদি উইল না করে মারা যান, তবে তার হোল্ডিং-
  1. উত্তরাধিকারসূত্রে বণ্টিত হবে
  2. রাষ্ট্র রক্ষণাবেক্ষণ করবে
  3. মালিকের কাছে ফেরত যাবে
  4. আদালতের মাধ্যমে বাজেয়াপ্ত করা হবে
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারসূত্রে বণ্টিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারসূত্রে বণ্টিত হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৪: রায়তের মৃত্যুর পর জমির উত্তরাধিকার (Devolution of holding on the death of a raiyat):
যদি কোনো রায়ত তার জীবদ্দশায় উইল বা অছিয়তপত্র না রেখে মারা যান (intestate), তাহলে তার হোল্ডিং (চাষযোগ্য জমির অধিকার)- এই আইনের বিধানগুলোর পরিপন্থী না হয়ে- তার অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির মতো উত্তরাধিকারসূত্রে বণ্টিত হবে।

তবে, যদি এমন কোনো ক্ষেত্রে উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী তার অন্য সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে যায়, তাহলে তার হোল্ডিং-এর অধিকার বিলুপ্ত (extinguished) হয়ে যাবে, অর্থাৎ সেই জমির ওপর তার বা তার উত্তরাধিকারীদের কোনো অধিকার থাকবে না।
৩,৬৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৮ ধারা অনুযায়ী, আদালত কোন ক্ষেত্রে অভিযোগ পরিবর্তনের পর বিচার অবিলম্বে চালিয়ে যেতে পারে?
  1. যদি অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করে
  2. যদি বিচারক নতুন অভিযোগ গ্রহণ করেন
  3. যদি প্রসিকিউশন নতুন অভিযোগে রাজি হয়
  4. যদি অভিযুক্ত বা প্রসিকিউশন পক্ষের অসুবিধা না হয়
সঠিক উত্তর:
যদি অভিযুক্ত বা প্রসিকিউশন পক্ষের অসুবিধা না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি অভিযুক্ত বা প্রসিকিউশন পক্ষের অসুবিধা না হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৮ ধারা অনুযায়ী, যদি অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজনের ফলে অভিযুক্ত বা প্রসিকিউশনের কোনো অসুবিধা না হয়, তাহলে আদালত নতুন বা পরিবর্তিত অভিযোগকে মূল অভিযোগ ধরে বিচার চালিয়ে যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৮ ধারার বিধান: পরিবর্তনের পর বিচার অবিলম্বে চলতে পারার শর্ত:
যদি কোনো অভিযোগ গঠন বা ২২৭ ধারার অধীনে কোনো পরিবর্তন বা সংযোজন করা হয় এবং আদালতের মতে, তৎক্ষণাৎ বিচারকার্য চালিয়ে গেলে অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনে বা প্রসিকিউশনের মামলা পরিচালনায় কোনো অসুবিধা হবে না, তাহলে আদালত তার বিবেচনামতো, নতুন বা পরিবর্তিত অভিযোগকে মূল অভিযোগ হিসেবে ধরে বিচার চালিয়ে যেতে পারে।
---------
→ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 228. When trial may proceed immediately after alteration:
If the charge framed or alteration or addition made under section 227 is such that proceeding immediately with the trial is not likely, in the opinion of the Court, to prejudice the accused in his defence or the prosecutor in the conduct of the case, the Court may, in its discretion, after such charge or alteration or addition has been framed or made proceed with the trial as if the new or altered charged had been the original charge.
৩,৬৫৫.
"ক" একজন ফরিয়াদি ১ম শ্রেনির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে "খ"-এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযুক্ত হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে ''খ'' হাজির থাকলেও,ফরিয়াদি ''ক'' হাজির হননি।এক্ষেত্রে আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. "খ" কে অব্যাহতি দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
  2. "ক" কে পরের দিন উপস্থিত হতে বলবেন
  3. "খ" কে খালাস দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
  4. "খ" কে মুক্তি দিবে
সঠিক উত্তর:
"খ" কে খালাস দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"খ" কে খালাস দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে, নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে,অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট,অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।
শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে,অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

[If the summons has been issued on complaint,and upon the day appointed for the appearance of the accused,or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned,the complainant does not appear,the Magistrate shall,notwithstanding anything herein before contained,acquit the accused,unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that,where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required,the Magistrate may dispense with his attendance,and proceed with the case.]
৩,৬৫৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন কোনো সরকারী কর্মকর্তা কোন সম্পত্তি বিক্রয়ে কোন দায়িত্বে থাকলে উক্ত সরকারী কর্মকর্তা উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করবে না। ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫৬
  2. ধারা ৫৫৭
  3. ধারা ৫৬০
  4. ধারা ৫৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬০
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ ধারা ৫৬০ মতে- কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের ব্যাপারে যে সরকারী কর্মচারীকে কোন কর্তব্য সম্পাদনের দায়িত্ব দেয়া হয় তিনি উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করবেন না বা উহার নীলাম ডাকবেন না।
৩,৬৫৭.
দণ্ডবিধির অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. পাঁচজন
সঠিক উত্তর:
দুইজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (Criminal Conspiracy) সংজ্ঞায়িত হয়েছে যে, যখন দুই বা তার বেশি ব্যক্তি (two or more persons) কোনো অবৈধ কাজ করার বা অবৈধ উপায়ে আইনসম্মত কাজ করার জন্য চুক্তি করে, তখন তা ষড়যন্ত্র হয়। একজন ব্যক্তির একক চুক্তি ষড়যন্ত্র হতে পারে না, কারণ এতে চুক্তির উপাদান (agreement) থাকে না। তাই ন্যূনতম দুইজন ব্যক্তির প্রয়োজন। অন্য অপশনগুলো (একজন, তিনজন বা পাঁচজন) এই সংজ্ঞার সাথে মিলে না।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।

শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

৩,৬৫৮.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা- এটি সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২ক
  2. অনুচ্ছেদ-৩
  3. অনুচ্ছেদ-৪
  4. অনুচ্ছেদ-৪ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা সংবিধানের প্রথম ভাগ এর অনুচ্ছেদ-৩ তে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা হবে।
- এটি বাংলাদেশের ভাষাগত পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং দেশের সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষার প্রতিষ্ঠা এবং স্বীকৃতির প্রতি একটি শক্তিশালী অঙ্গীকার।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ রাষ্ট্রভাষা:
- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
৩,৬৫৯.
আদেশ ৪৭ বিধি-৭ অনুযায়ী, পুনর্বিবেচনার (Review) প্রার্থনা অগ্রাহ্য হলে, তার বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. আপিল করা যাবে না
  4. নতুন মামলা দায়ের করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৭ বিধি-৭: প্রত্যাখ্যাত আদেশ আপিলযোগ্য নয়, আবেদন মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি:
১) আদালত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না; কিন্তু প্রার্থনা কবুলের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত কারণে আপত্তি পেশ করা যাবে-
ক) বিধি-২ তে বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
খ) বিধি-৪ এ বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
গ) আবেদনের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ অতীত হওয়ার পর এবং যথেষ্ট কারণ ব্যতীত সেটি করা হয়েছিল বলে আপত্তি উত্থাপন করা যেতে পারে; আবেদন মঞ্জুর করে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে, বা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় প্রদত্ত চূড়ান্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করে ঐরূপ আপত্তি উত্থাপন করা চলবে।

৩,৬৬০.
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ?
  1. PRESIDENT'S ORDER NO. 36 OF 1972
  2. PRESIDENT'S ORDER NO. 46 OF 1972
  3. PRESIDENT'S ORDER NO. 56 OF 1972
  4. PRESIDENT'S ORDER NO. 26 OF 1972
সঠিক উত্তর:
PRESIDENT'S ORDER NO. 46 OF 1972
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PRESIDENT'S ORDER NO. 46 OF 1972
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ।
♦ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের পূর্ব পর্যন্ত অস্থায়ী সংবিধান আদেশের অধীনে রাষ্ট্রপতি অনেক আইন প্রণয়ন করেছেন। এই সময়ের আইনগুলো President’s Order বা PO হিসেবে পরিচিত।
৩,৬৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ১০৬ ধারা
  3. আদেশ ৪১ বিধি ১
  4. আদেশ ৪৩ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩ বিধি ১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে।
- সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে।আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

অর্থাৎ সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না তবে আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫ টি আদেশ উল্লেখ আছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল চলে। 
৩,৬৬২.
The Specific Relief Act, 1877 এর ১২ ধারানুসারে কতটি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বলবতযোগ্য?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
 ♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৩,৬৬৩.
According to Section 3(15) of The General Clauses Act, 1897, "District Judge" means:
  1. The judge of a principal Civil Court of original jurisdiction.
  2. The High Court Division exercising its civil jurisdiction.
  3. Any judge appointed to hear civil cases in a district court.
  4. The judge of any high court dealing with civil cases.
সঠিক উত্তর:
The judge of a principal Civil Court of original jurisdiction.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The judge of a principal Civil Court of original jurisdiction.
ব্যাখ্যা
Section 3(15) of The General Clauses Act,1897,
"District Judge" shall mean the Judge of a principal Civil Court of original jurisdiction, but shall not include the High Court Division in the exercise of its ordinary or extraordinary original civil jurisdiction:

ধারা ৩(১৫) -
"জেলা বিচারক" অর্থ হবে একটি প্রধান দেওয়ানি আদালতের বিচারক, তবে এর মধ্যে উচ্চ আদালত বিভাগের সাধারণ বা বিশেষ দেওয়ানি বিচারিক ক্ষমতার অধীনে কার্যরত বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৩,৬৬৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক(১) অনুযায়ী, সরকার কোন ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে?
  1. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
  2. শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  3. নারী ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  4. শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক- শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সরকার এই আইনের অধীন শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের নিমিত্ত প্রত্যেক জেলায় ও মহানগর এলাকায় এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে এবং এইরূপ ট্রাইব্যুনাল শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা ও দায়রা জজ বলিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও অন্তর্ভুক্ত।

(৫) শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে অনুসরণ করিবে।

(৬) এই ধারার অধীন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ধারা ২৬ এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনাল এই ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করিতে পারিবে।]

৩,৬৬৫.
সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ কোন ধরনের অপরাধের তদন্ত করতে পারে?
  1. আমলযোগ্য অপরাধের
  2. আমলঅযোগ্য অপরাধের
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধের
ব্যাখ্যা
• সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে।

• প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে।এমনকি যদি প্রয়োজনীয় হয় অপরাধীকে গ্রেফতার এবং আটকের ব্যবস্থা করতে পারবে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ ঘোষণা করলে সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন।প্রয়োজন হলে অপরাধীকে খুঁজে বের ও গ্রেফতার করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন বা অধস্তন অফিসারকে দায়িত্ব দিবেন।তবে অপরাধ সংঘটনকারীর নাম উল্লেখ করে সংবাদ দিলে এবং ঘটনাটি গুরুতর প্রকৃতির না হলে তখন সরেজমিনে তদন্তের প্রয়োজন নেই।তবে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে,তখন ঘটনাটি সম্পর্কে তদন্ত করবেন না।

[If,from information received or otherwise,an officer in charge of a police-station has reason to suspect the commission of an offence which he is empowered under section 156 to investigate,he shall forthwith send a report of the same to a Magistrate empowered to take cognizance of such offence upon a police-report,and shall proceed in person,or shall depute one of his subordinate officers not being below such rank as the Government may,by general or special order,prescribe in this behalf to proceed,to the spot,to investigate the facts and circumstances of the case,and,if necessary,to take measures for the discovery and arrest of the offender]
৩,৬৬৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের ক্ষেত্রে খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশে আদালত সর্বোচ্চ কত দিন সময় দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
  4. ৯০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং
(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
৩,৬৬৭.
স্বত্বের দাবী উত্থাপন ব্যতিরেকে দখল পুনরুদ্ধারের মামলার কোন আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:

যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।

[এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.]

রিভিশন দায়েরে শর্ত: কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।

৯ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
৩,৬৬৮.
ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০ টাকার বেশি হলে সাব্যস্ত দেনাদারকে কত দিন আটক রাখা যাবে?
  1. ৬ সপ্তাহ
  2. ৩মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫৮ অনুসারে,ডিক্রি জারির জন্য সাব্যস্ত দেনাদারকে আটক করার ক্ষেত্রে ২টি ভাগ রয়েছে। যথা:

ক) ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০ টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং 

খ) ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০ টাকার বেশি হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।

♦ তবে উক্ত ব্যক্তিকে আটকের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্বে মুক্তি দেয়া যাবে যদি- যেকোন উপায়ে ডিক্রির দেনা পরিশোধ করে দেয় কিংবা যাহার আবেদনের প্রেক্ষিতে আটক রাখা হয়েছে তিনি অনুরোধ করলে।

♦ এই ক্ষেত্রে যে ডিক্রি জারিতে মুক্তি দেয়া হবে সেই বিষয়ে তাকে পুনরায় আটক করা যাবে না।
৩,৬৬৯.
"কোনো ব্যক্তির মানসিক অবস্থা (যেমন ইচ্ছা, জ্ঞান, বিশ্বাস) যখন মামলার বিষয়বস্তু হয়, তখন সেই অবস্থা প্রমাণকারী তথ্য প্রাসঙ্গিক" — এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার মূলনীতি?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪-এর মূলনীতি হলো: যখন কোনো ব্যক্তির মানসিক অবস্থা (যেমন ইচ্ছা/intention, জ্ঞান/knowledge, সদ্ভাব/good faith, অবহেলা/negligence, দুরাগ্রহ/ill-will ইত্যাদি) বা শারীরিক অবস্থা/অনুভূতি ইস্যুতে (fact in issue) বা প্রাসঙ্গিক (relevant) হয়, তখন সেই অবস্থা প্রমাণকারী ফ্যাক্টগুলো প্রাসঙ্গিক হয়। এই ধারা স্পষ্টভাবে মানসিক অবস্থা (state of mind) প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যগুলোকে প্রাসঙ্গিক করে তোলে, যাতে কোর্ট নির্দিষ্ট বিষয়ের সাপেক্ষে (not generally) সেই অবস্থা বিশ্লেষণ করতে পারে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-14. Facts showing existence of state of mind, or of body, or bodily feeling:
Facts showing the existence of any state of mind, such as intention, knowledge, good faith, negligence, rashness, ill-will, or good-will towards any particular person, or showing the existence of any state of body or bodily feeling, are relevant, when the existence of any such state of mind or body or bodily feeling is in issue or relevant.

Explanation 1.– A fact relevant as showing the existence of a relevant state of mind must show that the state of mind exists, not generally, but in reference to the particular matter in question.
Explanation 2.–But where, upon the trial of a person accused of an offence, the previous commission by the accused of an offence is relevant within the meaning of this section, the previous conviction of such person shall also be a relevant fact.

৩,৬৭০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা মতে কিছু অনিয়ম সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রম বাতিল হয় না?
  1. ৫৬০
  2. ৫৬১
  3. ৫৩০
  4. ৫২৯
সঠিক উত্তর:
৫২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৯ ধারার বিধান: যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না:
যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-
(ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন;
(খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন;
(গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন;
(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন;
(চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন;
(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
(জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা
(ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,

তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না।
৩,৬৭১.
নিচের কোন ক্ষেত্রে মিউটেশন বা নামজারি করা প্রয়োজন হয় না? 
  1. ভূমির বিক্রি করলে
  2. ভূমি দান করলে
  3. ভূমি লিজ দিলে
  4. ভূমির উত্তরাধিকার পরিবর্তন হলে
সঠিক উত্তর:
ভূমি লিজ দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি লিজ দিলে
ব্যাখ্যা
খতিয়ান মিউটেশন:
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ধারায় মিউটেশন সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। মিউটেশনের আভিধানিক অর্থ হলো নামজারি বা পরিবর্তন।
- কোন জমি হস্তান্তর হলে পুরাতন মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম প্রতিস্থাপন করাই মিউটেশন। মিউটেশন নামজারি ও জমা খারিজ হিসাবে পরিচিত।
- মিউটেশনের মাধ্যমে যে খতিয়ানের সৃষ্টি করা হয় তাকে মিউটেশন খতিয়ান বলা হয়।সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তনের সাথে সাথে খতিয়ানে পরিবর্তন করতে হয়।
 
- মূলত: জরিপের মাধ্যমে খতিয়ান সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু জরিপের পর বিক্রি, এওয়াজ-বদল, দান, হেবা, ওয়াকফ, দেবোত্তর, অধিগ্রহণ, মালিকের মৃত্যু ইত্যাদি কারণে মালিকানা প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। মালিকানা পরিবর্তনের ফলে যে ব্যক্তি নতুনভাবে মালিকানাস্বত্ব অর্জন করেছে খতিয়ান সংশোধন করে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
সুতরাং জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মিউটেশন বলতে কোন জমি হস্তান্তর হলে পুরাতন মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম প্রতিস্থাপন।

উল্লিখিত প্রশ্নে ভূমি লিজ দিলে মালিকানা পরিবর্তন হয় না তাই এর জন্য মিউটেশন প্রয়োজন নেই।
৩,৬৭২.
Volante non-fit injuria মতবাদটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৮৭ ধারায়
  2. ৮৮ ধারায়
  3. ৮৯ ধারায়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ধারা ৮৭, ৮৮ এবং ৮৯ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত  ব্যক্তি বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির অভিভাবকের সম্মতি নিয়ে গঠিত কোনো ক্ষতি অপরাধ বলে গণ্য হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
• সম্মতি বা ভলেনটি নন্ ফিট ইনজুরিয়া (Consent or Volante non-fit injuria): কারো সম্মতিক্রমে কোন কার্য সম্পাদিত হলে এবং এর ফলে কোন ক্ষতি হলে সম্মতিদানকারী কোন অভিযোগ করতে পারে না।
• এটা যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তাকে বলে ভলেন্টি নন্ ফিট্ ইনজুরিয়া।
• বাদী যে অধিকার স্বেচ্ছা প্রণোদিত ভাবে পরিত্যাগ করেছে সে অধিকার আর সে বলবৎ করতে পারে না।
• তাই মুষ্ঠিযুদ্ধে আহত হলে বা ডাক্তার অস্ত্রোপচার করলে টর্ট আইনে কাউকে দায়ী করা যায় না।
• এ মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বাদীর অবগতি ও সম্মতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
৩,৬৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে Legal Set-off সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. আদেশ ৮, বিধি ৬
  2. আদেশ ৯, বিধি ৬
  3. আদেশ ১১, বিধি ৭
  4. আদেশ ১১, বিধি ৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির Set-off দুই প্রকার যথা:
ক) Legal Set-off [Order VIII, Rule 6],
খ) Equitable Set-off

যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট, সেক্ষেত্রে Legal Set-off দাবি করা যায়। কিন্তু, যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট সেক্ষেত্রে Equitable Set-off মঞ্জুর করা যেতে পারে (আদালতের Discretion-এর উপর)।
৩,৬৭৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় খরচ (Costs) বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৬ ধারা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
৩৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী আদালত সাধারন খরচের আদেশ দিতে পারে।
• যে খরচ নির্ধারন করা হবে তার উপর সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক সুদ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।
• ৩৫ (ক) ধারায় মিথ্যা বা হয়রানী মূলক মোকদ্দমার ক্ষতিপূরন সর্বোচ্চ ২০০০০ টাকা। ৩৫ (খ)/১ বিলম্বের জন্য খরচ ২০০০ টাকা এবং ৩৫(খ)/২ অনুযায়ী ৩,০০০ টাকা জরিমানা করা যায়।
৩,৬৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুসারে, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের নকল কোথায় প্রেরণ করবে না?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. পুলিশ সুপারের কাছে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ সুপারের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ সুপারের কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুযায়ী, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি কপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং মহানগর হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য ক্ষেত্রে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করে। তবে পুলিশ সুপারের কাছে এই নকল প্রেরণের বিধান নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ- দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন। অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.

৩,৬৭৬.
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ২য় অধ্যায় 'মক্কেলের প্রতি আচরণ' অধ্যায়ে মোট কয়টি বিধি রয়েছে?
  1. 11 টি
  2. 14 টি
  3. 9 টি
  4. 8 টি
সঠিক উত্তর:
14 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14 টি
ব্যাখ্যা

উত্তর:14 টি 

Canons of Professional Conduct and Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় এবং ৪২টি বিধি আছে।
অধ্যায় ও বিধি সংখ্যা:
→ ১ম অধ্যায়: অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ – ১১টি বিধি।
→ ২য় অধ্যায়: মক্কেলদের প্রতি আচরণ– ১৪টি বিধি।
→ ৩য় অধ্যায়: আদালতের প্রতি কর্তব্য– ৯টি বিধি।
→ ৪র্থ অধ্যায়: জনসাধারণের প্রতি আচরণ– ৮টি বিধি।

৩,৬৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ অনুযায়ী আদালত কাকে সমন করতে পারে?
  1. কেবল ফরিয়াদিকে
  2. কেবল অভিযুক্তকে
  3. যেকোনো আইনজীবীকে
  4. যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে
সঠিক উত্তর:
যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার ক্ষমতা:
এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোনো ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোনো ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দি গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন। 

৩,৬৭৮.
Under The Special Powers Act, 1974, how many members constitute the Advisory Board?
  1. Two
  2. Three
  3. Five
  4. Seven
সঠিক উত্তর:
Three
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Three
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 9: Constitution of Advisory Board:
(1) The Government shall, whenever necessary, constitute an Advisory Board for the purposes of this Act. 
 
(2) The Advisory Board shall consist of three persons, of whom two shall be persons who are, or have been, or are qualified to be appointed as, Judges of the High Court and the other shall be a person who is a senior officer in the service of the Republic, and such persons shall be appointed by the Government. 

(3) The Government shall appoint one of the members of the Advisory Board who is, or has been, or is qualified to be appointed as, a Judge of the 4[High Court] to be its Chairman.

উপদেষ্টা পরিষদ গঠন-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করিবে।

(২) তিন জন ব্যক্তির সমন্বয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হইবে, যাহাদের মধ্যে দুই জন হইবেন এইরূপ ব্যক্তি যাহারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ছিলেন, বা আছেন, বা নিযুক্ত হইবার যোগ্য এবং অন্য একজন হইবেন প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিযুক্ত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এবং উক্ত ব্যক্তিগণ সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।

(৩) সরকার উপদেষ্টা পরিষদের একজন সদস্যকে উহার চেয়ারম্যান নিযুক্ত করিবে যিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ছিলেন, বা আছেন, বা নিযুক্ত হইবার যোগ্য।
৩,৬৭৯.
'এই গাছে এই বছর যে ফল ধরবে তা তোমাকে দান করলাম।'-মুসলিম আইনানুযায়ী এরূপ দানের ফলাফল কী?
  1. বাতিল
  2. বাতিলযোগ্য
  3. বৈধ
  4. ফল ধরা সাপেক্ষে বৈধ
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা
- মুসলিম আইন অনুযায়ী সম্পত্তি দান করা হলে তাকে দান বা হেবা বলে।
মুসলিম আইনে দানের জন্য কিছু শর্ত রয়েছে:
- দানের বিষয়বস্তুর ওপর থেকে দানদাতা সম্পূর্ণ রূপে মালিকানাস্বত্ব ও কর্তৃত্ব ত্যাগ করতে হয়। 
- দানের বিষয়ে দানগ্রহীতাকে দখল বুঝিয়ে দেওয়া আবশ্যক। স্থাবর সম্পত্তির দখল দানগ্রহীতাকে সম্পূর্ণরূপে বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত দান সম্পূর্ণ হয় না। তবে দানদাতা ও দান গ্রহীতা যদি দানকৃত সম্পত্তিতে একত্রে বসবাস করে তাহলে দানের বিষয়বস্তু/দানকৃত সম্পত্তির দখল দান গ্রহীতার বরাবরে হস্তান্তরের প্রয়োজন নেই। 
- ভবিষ্যতে দান সম্পূর্ণ করা হবে বা অনিশ্চিত কিছু ঘটলে দান কার্যকর হবে এমন কোনো দান বৈধ নয়; দানের বিষয়বস্তু স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট হতে হবে।

উল্লিখিত উদাহরণটিতে, গাছে যে ফল ধরবে তা অনিশ্চিত। এটি আগামী দিনের ঘটনার উপর নির্ভরশীল। তাই এ ধরনের দান মুসলিম আইনে বাতিল বলে গণ্য হয়। গাছের বর্তমান ফলগুলো নির্দিষ্ট করে দান করা হলে তা বৈধ হতো।

অতএব, মুসলিম আইনানুযায়ী, "এই গাছে এই বছর যে ফল ধরবে তা তোমাকে দান করলাম" এরূপ দান বাতিল।
৩,৬৮০.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অধীন আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তি আইনচর্চা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ডাদেশ পেতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে,
আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তির আইনচর্চা করলে অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ডাদেশ।

Article- 41:
Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.
৩,৬৮১.
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করা যাবে?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশন
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. যুগ্ম দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান -যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।

নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় (রাষ্ট্রদ্রোহিতা) উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

৩,৬৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪(২) ধারার বিধান অনুযায়ী, _______________ ব্যতিরেকে, অন্য কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেকটি স্থগিত বা মুলতবি সংক্রান্ত আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল বিভাগ
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৩,৬৮৩.
প্রাণীর প্রতি অবহেলার কারণে মানবজীবন বিপন্ন হলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

ধারা ২৮৯ – প্রাণীর প্রতি অবহেলার কারণে মানবজীবন বিপন্ন করা:
যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে তার দখলে থাকা কোনো প্রাণীর ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, যা মানবজীবনের সম্ভাব্য বিপদ বা গুরুতর আঘাতের সম্ভাব্য বিপদ রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয়, তাহলে তিনি দোষী বলে গণ্য হবেন।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা
- সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা, অথবা
- উভয় দণ্ড।

৩,৬৮৪.
একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যোগ্য সাক্ষী। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৩২ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৩৬ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৪০ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান: দুষ্কর্মের সহযোগীঃ-আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।

-------------------
Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৩,৬৮৫.
আদালতের এখতিয়ারের বিষয়ে কোন পক্ষের আপত্তি থাকলে তা কখন উত্থাপন করা যায়?
  1. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
  2. ডিক্রি ঘোষণার পর্যায়ে
  3. প্রথম সম্ভব‍্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে 
  4. আপত্তি করা যায় না
সঠিক উত্তর:
প্রথম সম্ভব‍্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সম্ভব‍্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে 
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা- ২১ মতে আদালতের এখতিয়ারের বিষয়ে কোন পক্ষের আপত্তি থাকলে যে আদালতে প্রথম মামলা করা হয়, সে আদালতে প্রথম সম্ভব‍্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে উথাপন করতে হবে।

♦ আদালতের আর্থিক এখতিয়ার সম্পর্কে শীঘ্রতম সন্ধিক্ষণে বা প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (as earliest as possible opportunity) আপত্তি উথাপন না করলে তা পরিত্যক্ত (waived) হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। এমনকি পরিবর্তীতে আপিল বা রিভিশন বা আদালত মামলা দায়েরের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি মঞ্জুর করবে না। তবে ন্যায় বিচার বিঘ্ন হলে বা ন‍্যায় বিচারের স্বার্থে  আপিল বা  রিভিশন আদালত দায়েরের স্থান সম্পর্কে আপত্তি করতে পারে।
৩,৬৮৬.
বন্ধকদাতার দ্বারা বন্ধক সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১ম তফসিলের ১৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদ:
বন্ধকদাতার দ্বারা বন্ধকগ্রাহকের বিরুদ্ধে বন্ধক সম্পত্তি মুক্ত করার বা দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের;
তামাদি মেয়াদ: ৬০ (ষাট) বছর;
সময় গণনার শুরু: যেদিন বন্ধক সম্পত্তি মুক্ত করার বা দখল পুনরুদ্ধারের অধিকার সৃষ্টি হয়, সেদিন থেকে।
৩,৬৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে রায় ঘোষণা করতে আদালতকে সর্বোচ্চ কত দিন সময় দেওয়া আছে?
  1. শুনানি শেষে তৎক্ষণাৎ
  2. শুনানি শেষে ৭ দিনের মধ্যে
  3. শুনানি শেষে ১৫ দিনের মধ্যে
  4. শুনানি শেষে ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
শুনানি শেষে ৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুনানি শেষে ৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার XX, রুল ১ অনুযায়ী, মামলার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ বা অনধিক সাত (৭) দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবেন।
- এটি বিচারিক কার্যক্রমকে দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার জন্য নির্ধারিত একটি সময়সীমা, যাতে পক্ষগণ অযথা বিলম্বের সম্মুখীন না হন। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে আদালত কিছু ব্যতিক্রম করতে পারেন।

→ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার-২০, বিধি-১ (Order XX, Rule 1) অনুযায়ী: আদালতকে মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পর অনধিক ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে হবে।
এই সময়সীমা বাধ্যতামূলক, তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখিয়ে আদালত এটি বাড়াতে পারেন।
- রায় প্রকাশ্য আদালতে ঘোষণা করতে হবে। পক্ষদের বা তাদের আইনজীবীকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে (যদি রায় পরবর্তী কোনো দিনে ঘোষণা করা হয়)।

- পূর্ববর্তী বিচারক লিখিত রায় না দিয়ে থাকলে, নতুন বিচারক তা ঘোষণা করতে পারেন (বিধি-২)। 
- তবে জটিল মামলায় আদালত লিখিত কারণ দর্শিয়ে সময় বাড়াতে পারেন।
- রায়ে স্বাক্ষর ও তারিখ দিতে হবে (বিধি-৩)।
- ৭ দিনের বেশি বিলম্ব করলে বিলম্বের কারণ রেকর্ড করতে হবে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) শুনানি শেষে ৭ দিনের মধ্যে।
৩,৬৮৮.
হাইকোর্ট বিভাগ কি কি কারণে ফৌজাদারী মামলা স্থানান্তরের কার্যক্রম গ্রহণ করেন?
  1. ন্যায় বিচার ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে
  2. আইনের জটিল প্রশ্ন থাকলে
  3. বিচার দ্রুত হওয়ার জন্য
  4. ক, খ, গ-এ বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক, খ, গ-এ বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক, খ, গ-এ বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা-৫২৬ এ হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে।যার উপর ভিত্তি করে মামল হস্তান্তরের আদেশ দিবেন-

১. নিম্ন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে, অথবা
২. মামলার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, অথবা
৩. হাইকোর্ট বিভাগ Suo motu এরূপ আদেশ দিতে পারবেন।

মামলা হস্তান্তরের শর্তসমূহ-

১. অধস্তন কোন ফৌজদারি আদালতে ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
২. কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে।
৩. কোন স্থান বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হলে।
৪. এই ধারায় প্রদত্ত কোন আদেশে পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগনের সাধারণ সুবিধার দিকে নিয়ে যাবে।
৫. ন্যায় উদ্দেশ্যে বা এই কার্যবিধির কোন বিধান অনুসারে এরূপ কোন আদেশ প্রয়োজন হলে
৩,৬৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতে কয়টি স্তরের বিচারক থাকতে পারে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ২টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।

-অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।

- ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.] 

(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
 (3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.] 
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct. 
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
৩,৬৯০.
'ম' জানে যে, 'ক' মোবাইল ফোন চুরি করেছে। তবুও সে সেই ফোনটি বিক্রি করে দিতে 'ক' কে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে 'ম' সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে (voluntarily), চুরিকৃত সম্পত্তি লুকানো, অপসারণ বা বিক্রয়ে সহায়তা করে, এ সময় জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে সম্পত্তিটি চুরিকৃত, তাহলে তার শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 414: Assisting in concealment of stolen property:
Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৩,৬৯১.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ এর কোন ব্যতিক্রমে বলা হয়েছে “সরকারি কর্মচারী বা তার সহায়তাকারী সরল মনে দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করলে খুন হবে না”?
  1. ব্যতিক্রম-১
  2. ব্যতিক্রম-২
  3. ব্যতিক্রম-৩
  4. ব্যতিক্রম-৫
সঠিক উত্তর:
ব্যতিক্রম-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যতিক্রম-৩
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ এর ব্যতিক্রম-৩ এ উল্লেখ্য করা হয়েছে যে, যদি একজন সরকারি কর্মচারী বা তার সহায়তাকারী তার আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে, কিন্তু সরল মনে (in good faith) বিশ্বাস করে যে তার কাজটি দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত, এবং সেই কাজের ফলে কারও মৃত্যু ঘটে, তবে তা খুন (Murder) হবে না। তবে এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable Homicide not amounting to murder) হতে পারে।
- এই ব্যতিক্রমের উদ্দেশ্য হল সরকারি কর্মচারীদের তাদের দায়িত্ব পালনকালে সরল বিশ্বাসে (good faith) করা কাজকে কিছুটা সুরক্ষা প্রদান করা, যাতে তারা ভয় ছাড়াই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ করতে পারে।
- সুতরাং, সরকারি কর্মচারীদের ক্ষমতা অতিক্রমের বিষয়টি শুধুমাত্র ব্যতিক্রম-৩ এ উল্লেখিত হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

৩,৬৯২.
সালমা তার স্বামীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু রায় প্রদানকালে ট্রাইব্যুনালে প্রমাণ হয়, অভিযোগ মিথ্যা ছিল। এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারবে?
  1. শুধু ক্ষতিপূরণের আদেশ
  2. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারা ১৭(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক প্রমাণিত হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনাল—
- অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করবে, এবং
- অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে,
- প্রয়োজন মনে করলে অভিযোগকারীকে অনধিক ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির মর্যাদাহানি বা ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। 

(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজন মনে করিলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

৩,৬৯৩.
তামাদি আইনের ধারা ১৫(২) অনুযায়ী, কোন সময় বাদ দেওয়া হবে?
  1. আপিল নিষ্পত্তির সময়
  2. নোটিশ প্রদানের সময়কাল
  3. আদালত বন্ধ থাকার সময়
  4. প্রতিবাদী অনুপস্থিত থাকার সময়
সঠিক উত্তর:
নোটিশ প্রদানের সময়কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ প্রদানের সময়কাল
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ১৫ ধারা- কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে:
(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন তা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেই দিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেই দিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।

(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।

৩,৬৯৪.
যে চুক্তির শর্তাবলী আদালত যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সঙ্গে নির্ধারণ করতে পারে না, সেসকল চুক্তি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয় 
  3. আদালত অনিষ্পন্ন অবস্থায় রেখে দিতে পারে
  4. চুক্তিটিকে বাতিল বলে ঘোষণা করবেন
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয় 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে, নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।

৩,৬৯৫.
রিভিউ বা পুনরীক্ষণের দরখাস্ত অনুমোদন করতে হলে আদালতকে প্রথমে কী করতে হবে?
  1. ডিক্রি পরিবর্তন করতে হবে
  2. আবেদনকারীকে নোটিশ পাঠাতে হবে
  3. বিপরীত পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে হবে
  4. আবেদনকারী এবং বিপরীত পক্ষ উভয়কে নোটিশ প্রদান করতে হবে
সঠিক উত্তর:
বিপরীত পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপরীত পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৭ বিধি ৪- যেক্ষেত্রে দরখাস্ত অগ্রাহ্য হয়:
১) যদি আদালতের কাছে দৃষ্টিগােচর হয় যে, রিভিউ বা পুনরীক্ষণের করার মত যথেষ্ট অজুহাত নাই, তবে আদালত রিভিউ বা পুনরীক্ষণের দরখাস্ত অগ্রাহ্য করতে পারবে।

২) দরখাস্ত অনুমােদন হওয়ার ক্ষেত্রে-
যদি আদালত মনে করেন যে, রিভিউ বা পুনরীক্ষণের দরখাস্ত অনুমােদন করা উচিত, তবে শর্ত হল যে,
ক) যে ডিক্রী বা আদেশ রিভিউ বা পুনরীক্ষণের আবেদন করা হয়েছে, সে ডিক্রী বা আদেশ সম্পর্কে বিপরীত পক্ষকে হাজির হয়ে বক্তব্য পেশ করার সুযােগ প্রদানের জন্য আগে নােটিশ প্রদান করা না হলে রিভিউ বা পুনরীক্ষণের আবেদন অনুমােদন করা যাবে না; এবং

খ) দরখাস্তকারী এমন ধরনের নতুন তথ্য বা প্রমাণের উদঘাটন করেছে যা ডিক্রী বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাতসারে ছিল না বা হাজির করা সম্ভব হয় নাই, উক্ত অভিযােগের কারণে রিভিউ বা পুনরীক্ষণের আবেদন দরখাস্ত করা হলে উক্তরূপ নালিশ সম্বন্ধে দৃঢ় প্রমাণ ছাড়া পুনরীক্ষণের আবেদন অনুমােদন করা যাবে না।

Order-47 Rule-4: Application where rejected:
(1) Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a review, it shall reject the application.

Application where granted:
(2) Where the Court is of opinion that the application for review should be granted, it shall grant the same: Provided that−
(a) no such application shall be granted without previous notice to the opposite party, to enable him to appear and be heard in support of the decree or order, a review of which is applied for: and

(b) no such application shall be granted on the ground of discovery of new matter or evidence which the applicant alleges was not within his knowledge, or could not be adduced by him when the decree or order was passed or made, without strict proof of such allegation.
৩,৬৯৬.
What is the maximum term of simple imprisonment that can be imposed under Section 480 if the offender fails to pay the fine?
  1. Three months
  2. Two months
  3. One month
  4. Two weeks
সঠিক উত্তর:
One month
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One month
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 480: Procedure in certain cases of contempt: 
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
------------------------- 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান-অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
-কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
৩,৬৯৭.
আদালত কখন মোকদ্দমার বিষয়বস্তু পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. স্ব-উদ্যোগে
  2. শুধুমাত্র বিবাদীর অনুরোধে
  3. শুধুমাত্র বাদীর অনুরোধে
  4. যেকোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
সঠিক উত্তর:
যেকোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি:
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত—

ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
৩,৬৯৮.
Confession বা স্বীকারোক্তি কখন গ্রহনযোগ্য নয়?
  1. পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
  2. প্ররোচনা বা ভয় বা ভীতির মাধ্যমে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার: কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারামতে প্ররোচনা বা ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে গৃহীত স্বীকারোক্তি (Confession caused by inducement, threat or promise) গ্রহনযোগ্য হবে না।

⇒ তবে সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারামতে প্ররোচনা বা ভীতি অপসারনের পর গৃহীত স্বীকারোক্তি (confession) প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারামতে পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) অগ্রহনযোগ্য হবে, তবে সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারামতে পুলিশের নিকট আসামীর প্রদত্ত confession বা তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত উদ্ধার হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে।

যেমন- আসামীর দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করলে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত Confession প্রাসঙ্গিক হবে, যাকে Judicial confession বলে।
৩,৬৯৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে না?
  1. ৩০২ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৩০৪ ধারা
  4. ৩৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের জন্য, ৩০৩ ধারায় যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত খুনের জন্য এবং ৩৯৬ ধারায় ডাকাতির সময় খুনের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
♦ কিন্তু ৩০৪ ধারায় খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ।
 ♦ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে না।
৩,৭০০.
অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে সাক্ষী হতে চাইলে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে?
  1. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে
  2. নিজে লিখিতভাবে আদালতে অনুরোধ জানাতে হবে
  3. নিজে মৌখিকভাবে আদালতে জানাতে হবে
  4. নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে মৌখিকভাবে আবেদন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
নিজে লিখিতভাবে আদালতে অনুরোধ জানাতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজে লিখিতভাবে আদালতে অনুরোধ জানাতে হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজ পক্ষে উপযুক্ত সাক্ষী (competent witness for the defence) হওয়ার অধিকার দেয়া হয়েছে।
 
উক্ত ধারায় বলা হয়েছে-
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
 
তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবেনা।
 
Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 

Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.