বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৩৯ / ১৫৫ · ৩,৮০১৩,৯০০ / ১৫,৪৭০

৩,৮০১.
যদি শিশু আদালত যুক্তিসঙ্গত কারণে ৩৬০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে না পারে, তাহলে উক্ত আদালত সর্বাধিক কত দিনের জন্য বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা বর্ধিত করতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩২ ধারার বিধান- বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত  যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

৩,৮০২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না -
  1. দণ্ডমূলক প্রতিকার প্রদানে
  2. সম্পত্তির দখল উদ্ধারের জন্য
  3. চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে
  4. দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডমূলক প্রতিকার প্রদানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডমূলক প্রতিকার প্রদানে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডমূলক প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্র সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারামতে নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
i) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (Specific Relief Act) এর ৫ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ:
১) দখল প্রদান: সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদান।
২) বাধ্যকরণ আদেশ কোনো পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করার আদেশ।
৩) নিষেধাজ্ঞা আদেশ: কোনো পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ।
৪) ঘোষণামূলক রায়: ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে।
৫) রিসিভার নিয়োগ: সম্পত্তি বা বিষয়ের তত্ত্বাবধানের জন্য রিসিভার নিয়োগ।
এই ৫টি উপায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের জন্য প্রযোজ্য।

৩,৮০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ ধারা অনুসারে আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে কোথায় বা কীভাবে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়?
  1. মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না
  2. হাইকোর্টে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়
  3. যেকোনো একটি সংশ্লিষ্ট আদালতে দায়ের করা যায়
  4. হাইকোর্টের অনুমতিতে যেকোন আদালতে দায়ের করা যায়
সঠিক উত্তর:
যেকোনো একটি সংশ্লিষ্ট আদালতে দায়ের করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো একটি সংশ্লিষ্ট আদালতে দায়ের করা যায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain): স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
- আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।
------------
The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
৩,৮০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে পুলিশ রিপোর্ট সংক্রান্ত বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ১৭১ ধারা
  2. ১৭৩ ধারা
  3. ১৭২ ধারা
  4. ১৭৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে আদালতে যে প্রতিবেদন দাখিল করে, তা পুলিশ রিপোর্ট হিসেবে পরিচিত। এটি দুই প্রকার হতে পারে—
১) চার্জশিট (Charge Sheet): অভিযোগ প্রমাণিত হলে দাখিল করা হয়।
২) ফাইনাল রিপোর্ট (Final Report): অভিযোগ মিথ্যা হলে বা প্রমাণ না পেলে দাখিল করা হয়।

⇒ পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
- সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
i) Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।
ii) Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
৩,৮০৫.
কোন ক্ষেত্রে ফৌজদারি আপিল করা যাবে না?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিধান না থাকলে
  2. বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে বিধান না থাকলে
  3. আদালতের অনুমতি না নিলে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• মামলার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে তাকে আপিল বলে। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারা হতে ৪৩১ যারা পর্যন্ত আপিলের বিধিবিধান বর্ণিত হয়েছে।

• ধারা-৪০৪: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না- 

উক্ত কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।
৩,৮০৬.
আপিল বিভাগে একটি দেওয়ানি আপিল করার জন্য মোকদ্দমাটির মূল্যমান কমপক্ষে কত টাকা হতে হবে?
  1. ৫০ হাজার
  2. ১০ হাজার
  3. ৩০ হাজার
  4. ২০ হাজার
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান: বিষয়বস্তুর মূল্য:
১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে;

অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে;
এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারা অনুযায়ী,
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

Section 110- Value of subject-matter:
In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards,
or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value,
and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substantial question of law.
৩,৮০৭.
'A' নামের একজন যুবক 'B' নামের ১৭ বছরের মেয়েকে “আমি তোকে বিয়ে করবই” বলে প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। এখানে 'A' নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর কোন ধারায় অভিযুক্ত হবে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ৯ক ধারায়
  3. ৯খ ধারায়
  4. ১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৯খ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯খ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ অনুযায়ী কেউ যদি বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ঘটনাস্থলে পারস্পরিক আস্থা বা সম্পর্ক থাকে, এবং যদি নারী ষোল বছরের বেশি বয়সী হয়, তবে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

৩,৮০৮.
নিম্নলিখিত কোন ধরনের সম্পত্তি বলপূর্বক গ্রহণের বিষয়বস্তু হতে পারে?
  1. স্থাবর সম্পত্তি 
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. জমি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ উদাহরণ
(ক) ক, গ-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, গ তাকে টাকা না দিলে ক গ-এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে গ-কে বাধ্য করে। ক 'বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion)- কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।

⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের উপাদান-
 স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তির ক্ষেত্রে বলপূর্বক গ্রহণ হয়; এবং অপরাধী স্বয়ং উপস্থিত না থেকেও বলপূর্বক আদায় বা গ্রহণের অপরাধ করতে পারে।
যে ব্যক্তিকে ভয় দেখানো হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি অর্পণ করার সঙ্গেই বলপূর্বক গ্রহণের অপরাধ সংঘটিত হয়। বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের ক্ষেত্রে দূরবর্তী ক্ষতির ভয় থাকলেও তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি হয়না।

Section 383 - Extortion: Whoever intentionally puts any person in fear of any injury to that person, or to any other, and thereby dishonestly induces the person so put in fear to give donation or subscription of any kind or to deliver to any person any property or valuable security or anything signed or sealed which may be converted into a valuable security, commits "extortion". 
 
Illustrations 
 
(a) A threatens to publish a defamatory libel concerning Z unless Z gives him money. He thus induces Z to give him money. A has committed extortion. 
 
(b) A threatens Z that he will keep Z's child in wrongful confinement unless Z will sign and deliver to A a promissory note binding Z to pay certain money to A. Z signs and delivers the note. A has committed extortion. 
 
(c) A threatens to send club-men to plough up Z's field unless Z will sign and deliver to B and bond binding Z under a penalty to deliver certain produce to B, and thereby induces Z to sign and deliver the bond. A has committed extortion. 
 
(d) A, by putting Z in fear of grievous hurt, dishonestly induces Z to sign or affix his seal to a blank paper and deliver it to A. Z signs and delivers the paper to A. Here, as the paper so signed may be converted into a valuable security, A has committed extortion.
৩,৮০৯.
গুরুতর এবং আকস্মিক উসকানির কারণে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদান করার ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৩২৩
  2. ধারা ৩২৬
  3. ধারা ৩৩৫
  4. ধারা ৩৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৫
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৫: উসকানির কারণে স্বেচ্ছায় দেওয়া গুরুতর আঘাত-
যে ব্যক্তি গুরুতর এবং আকস্মিক উসকানির কারণে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদান করবে, যদি সে এই আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্য না থাকে বা তার জানা না থাকে যে, সে অন্য কোনো ব্যক্তিকে আঘাত করতে পারে, যিনি উসকানি দিয়েছেন, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ চার বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়ই দণ্ড দেওয়া হতে পারে।

⇒ মাহিন সহকর্মীর কাছ থেকে গভীর এবং আকস্মিক উসকানি পেয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে সে সহকর্মীকে আঘাত করে গুরুতর ক্ষতি করেছে (চোয়াল ভাঙা = grievous hurt)। তবে মাহিনের উদ্দেশ্য ছিল না গুরুতর ক্ষতি করা, এবং সে কেবল উসকানিতে তা করেছে — এ পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির ৩৩৫ ধারা প্রযোজ্য।
৩,৮১০.
'A' অজ্ঞাত মালিকের একটি সোনার আংটি পায়। মালিককে খুজে বের করার চেষ্টা না করেই 'A' তা বিক্রি করে। 'A' যে অপরাধে দোষী হবে,তা-
  1. চুরি
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. দস্যুতা
  4. অসাধুভাবে আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে আত্মসাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
⇒ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
৩,৮১১.
ডিক্রির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তি সঠিক?
  1. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার উল্লেখ থাকবে
  2. মোকদ্দমার যাবতীয় ব্যয় বিবৃত থাকবে
  3. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ (Contents of decree)-

১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে। এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিষ্কার উল্লেখ থাকবে।
[The decree shall agree with the judgment, it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.]

২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
[The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.]

৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
[The Court may direct that the costs payable to one party by the other shall be set-off against any sum which is admitted or found to be due from the former to the latter.]
৩,৮১২.
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৪৪৮
  2. ৪৪৯
  3. ৪৪৭
  4. ৪৪৬
সঠিক উত্তর:
৪৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৭ ধারা মতে- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি হলো অনধিক ৩ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৭ ধারার বিধান অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 447- Punishment for criminal trespass:
Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৩,৮১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৮ এর বিধান কি?
  1. কমিশন নিয়োগ
  2. ট্রাস্টি কর্তৃক মামলা
  3. রিসিভার
  4. রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক ও আটক
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক ও আটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক ও আটক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৮ এর বিধান হলো রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক ও আটক করা।
⇒ অনেক সময় রায় প্রদানের পূর্বেই বিবাদীকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন হতে পারে এবং সম্পত্তি ক্রোক করার প্রয়োজন হতে পারে যেন বাদীর প্রতিকারে কোন বিলম্ব না হয়।
⇒  আদেশ ৩৮ অনুযায়ী ধরনের আদেশ হতে পারে- ১) রায়ের পূর্বে গ্রেফতার, ২) রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক।
৩,৮১৪.
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারায় আদালত কোন বিষয়ে অনুমান করবে?
  1. পক্ষসমূহের কার্য
  2. পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
  3. পক্ষসমূহের পারস্পারিক সম্পর্ক
  4. পক্ষসমূহের পারস্পারিক দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
৩,৮১৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীনে সাক্ষ্য গ্রহণ কোন অধ্যায়ের বিধান অনুসারে পরিচালিত হবে?
  1. অধ্যায়-১৮
  2. অধ্যায়-২০
  3. অধ্যায়-১৫
  4. অধ্যায়-২৫
সঠিক উত্তর:
অধ্যায়-২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যায়-২৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২৮(৪)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “এই ধারার অধীনে যেভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, তা হবে যেন এটি একটি অনুসন্ধান (inquiry), এবং তা হবে অধ্যায় ২৫-এর বিধান অনুযায়ী।”
→ অর্থাৎ: ধারা ৪২৮ মূলত আপিল আদালতকে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা দেয়; কিন্তু সেই সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি যেন স্বেচ্ছাচারিতা না হয়, তাই এটিকে একটি নিয়মতান্ত্রিক অনুসন্ধানের মতোভাবে অধ্যায় ২৫-এর বিধান মেনে সম্পন্ন করতে হবে।
অধ্যায় ২৫:
অধ্যায় ২৫ (Chapter XXV) হলো: "OF THE MODE OF TAKING AND RECORDING EVIDENCE IN INQUIRIES AND TRIALS" অর্থাৎ "অনুসন্ধান ও বিচারে সাক্ষ্য গ্রহণ ও তা লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি"
- এখানে সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামির উপস্থিতি, জেরা, প্রামাণ্যতা ইত্যাদি বিষয়গুলোর বিধান রয়েছে— যেগুলো অনুসরণ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.

৩,৮১৬.
কোন আদালতের জরিমানার ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধিতে সীমায়িত বা নির্দিষ্ট করা নেই?
  1. দায়রা আদালতের
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩১- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

৩২ ধারার বিধান- ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গে অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দশ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা; বেত্রদণ্ড।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; পাঁচ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দুই হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে (CrPC) ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষেত্রে জরিমানার সীমা নির্ধারিত রয়েছে:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা।
দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা।
তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা।

কিন্তু দায়রা আদালতের জরিমানার পরিমাণ নির্দিষ্ট করে সীমাবদ্ধ করা হয়নি। তারা বিচারাধীন অপরাধ অনুযায়ী সাজা নির্ধারণ করেন, যা সংশ্লিষ্ট আইনে উল্লেখ থাকে।
৩,৮১৭.
সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় আরজি বা লিখিত জবাব কার দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে?
  1. মোকদ্দমার বাদী
  2. মোকদ্দমার বিবাদী
  3. আদালতের বিচারক
  4. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৭ বিধি-১: সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা:
সরকার কর্তৃক কিংবা সেটির বিরুদ্ধে রান মোকদ্দমায় সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্য সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক আরজি বা লিখিত জবাব স্বাক্ষরিত হবে এবং সরকার কর্তৃক এরূপে নিযুক্ত এবং মোকদ্দমার কার্যাবলীর সাথে পরিচিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক সত্যায়িত হবে।

Rule-1: Suits by or against Government.
In any suit by or against the Government, the plaint or written statement shall be signed by such person as the Government may, by general or special order, appoint in this behalf, and shall be notified by any person whom the Government may so appoint and who is acquainted with the facts of the case.
৩,৮১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১০৪ ধারার বিধান কি?
  1. ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল
  2. মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল
  3. আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
  4. আপীলের বিরুদ্ধে আপীল
সঠিক উত্তর:
আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।

• কোন্ কোন্ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩।
৩,৮১৯.
তামাদি আইন ১৯০৮ এর ১৪ ধারা প্রযোজ্য হয়-
  1. মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. রেফারেন্সের ক্ষেত্রে
  3. রিভিশনের ক্ষেত্রে
  4. রিভিউ এর ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন ১৪ ধারার বিধান: এখতিয়ারবিহীন আদালতে সদুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
১৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, এখতিয়ারবিহীন কোনো আদালতে যদি মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, তবে সেই আদালতে মোকদ্দমাটি করার জন্য যে সময় ব্যয় করা হয় তা মূল গণনা থেকে বাদ যাবে। তবে এক্ষেত্রে ৩টি বিষয় প্রমাণ করতে হবে।যেমন,
১. বাদীর সদবিশ্বাস,
২. মোকদ্দমার কারণের অভিন্নতা, মানে, এখতিয়ারবিহীন আদালতে যে কারণে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো পরবর্তীতে ঠিক একই কারণে এখতিয়ারাধীন আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছে বা হচ্ছে; এবং
৩. প্রথমে যেই আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো, সেই আদালতের সেই মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আদালতের এখতিয়ারের অপর্যাপ্ততা বা অনুপস্থিতি।
১৪ ধারার বিধান শুধু উপধারা ১ অনুসারে স্যুট বা মোকদ্দমা এবং উপধারা ২ অনুসারে দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। মোকদ্দমা দায়েরের পর যদি আরজি ফেরত দেওয়া হয় এবং ইতিমধ্যে তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তাহলে এখতিয়ারবান আদালতে পুনরায় আরজি দাখিলের ক্ষেত্রে আরজির সাথে তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।
---------------------
The Limitation Act,1908, Section 14: Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.

৩,৮২০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২২-এর অধীনে কোন ব্যতিক্রম অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর বার্তা প্রকাশ করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র যদি আদালত তা জিজ্ঞাসা করে
  2. যদি পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকে
  3. যদি কোন পক্ষ আবেদন করে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
যদি পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

Section 122⇒ Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৩,৮২১.
সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত কোন দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই আপিল করা যাবে না
  2. অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
  3. ২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে
  4. সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
অর্থাৎ ২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
৩,৮২২.
নিচের কোনটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের উদাহরণ?
  1. তুমি কোথায় ছিলে?
  2. ঘটনাটি কখন ঘটেছিল?
  3. তুমি কার সঙ্গে ছিলে?
  4. তুমি তো ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলে, তাই না?
সঠিক উত্তর:
তুমি তো ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলে, তাই না?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুমি তো ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলে, তাই না?
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।

Section 141. Leading questions:
Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
- এখানে, সঠিক উত্তর: ঘ) তুমি তো ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলে, তাই না?
- এই প্রশ্নে প্রশ্নকারী নিজেই একটি ধারণা বা উত্তর দিয়ে দিয়েছেন (যে, তুমি ঘটনাস্থলে ছিলে), এবং সাক্ষীর কাছ থেকে শুধু সেই ধারণার পক্ষে সম্মতি আশা করছেন। এটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) এর মূল বৈশিষ্ট্য।
৩,৮২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-১৪ অনুযায়ী কমিশনারের প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪ (২) অনুযায়ী:
- যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তবে তারা পৃথক পৃথক প্রতিবেদন তৈরি করে স্বাক্ষর করবেন।
- এই প্রতিবেদনসমূহ আদালতের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে।
- তবে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা ৩ (তিন) মাস অতিক্রম করতে পারবে না।
- যদি যথার্থ কারণ দেখিয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়, তাহলে আদালত সেই সময়সীমা বর্ধিত করতে পারেন।
 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-26, Rule-14: -Procedure of Commissioner-
(2) Preparation of Report:
The Commissioner (or Commissioners, if the commission was issued to multiple persons and they cannot agree) will prepare and sign a report. The report will detail the share of each party, distinguishing each share with specific boundaries (if directed by the order). If multiple reports are prepared, they will be annexed to the commission and transmitted to the Court within the time fixed by the Court, not exceeding three months. After receiving the report(s), the Court will hear any objections from the parties and may confirm, vary, or set aside the report(s).
Provision for Extension of Time: The Court may extend the time upon a request from the Commissioner and upon sufficient cause being shown.
৩,৮২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৭ ধারা অনুযায়ী, কমিশন-এর ফেরত প্রদান এবং সাক্ষ্য কে পরিদর্শন করতে পারবে?
  1. শুধুমাত্র বিচারক
  2. শুধুমাত্র বাদী পক্ষ
  3. মামলার উভয় পক্ষ
  4. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
মামলার উভয় পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার উভয় পক্ষ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭ অনুযায়ী, কমিশন ফেরত দেওয়ার পরে উক্ত কমিশন এবং এতে অন্তর্ভুক্ত সাক্ষ্য সব যুক্তিসংগত সময়ে মামলার উভয় পক্ষের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৭ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী, কমিশন-এর ফেরত প্রদান এবং সাক্ষ্য মামলার উভয় পক্ষের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হওয়ার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record.
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.

৩,৮২৫.
'Judges not to try suits in which they are interested'- in which section the rule is specified?
  1. Section 36 of Civil Courts Act,1887
  2. Section 39 of Code of Civil Procedure,1908
  3. Section 38 of Civil Courts Act,1887
  4. Section 39 of Civil Courts Act,1887
সঠিক উত্তর:
Section 38 of Civil Courts Act,1887
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 38 of Civil Courts Act,1887
ব্যাখ্যা
Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-

(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested. 
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
৩,৮২৬.
বিচার্য বিষয় ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মাধ্যমে সাক্ষ্য প্রদানের বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫ (Section 5) – "Evidence may be given of facts in issue and relevant facts" — এই ধারাটিতে বলা হয়েছে যে:
"Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other facts as are hereinafter declared to be relevant, and of no others."
অর্থাৎ, যেকোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলায় কেবলমাত্র বিচার্য বিষয় (fact in issue) এবং প্রাসঙ্গিক বিষয় (relevant fact) সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য। এ ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়া যাবে না।

→ সাক্ষ্য শুধু বিচার্য বিষয় এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়ে গ্রহণযোগ্য — এই মূল নীতিটি ধারা ৫-তেই নির্ধারিত।
- তাই সঠিক উত্তর: ক) ধারা ৫।
৩,৮২৭.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী ফৌজদারি মামলায় আসামির পূর্বের ভালো চরিত্র:
  1. প্রাসঙ্গিক
  2. প্রাসঙ্গিক নয়
  3. শুধুমাত্র জরিমানা নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক
  4. শুধুমাত্র বাদী পক্ষ প্রমাণ করলে প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৫৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, ফৌজদারি মামলায় আসামির পূর্বের ভালো চরিত্র একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়। এর কারণ হলো, একজন ব্যক্তির সুনাম (reputation) ও স্বভাবগত প্রবৃত্তি (disposition) তার নির্দোষ হওয়ার সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে। আদালত এটি বিবেচনায় নিতে পারে, বিশেষ করে যখন অপরাধের ধরন এমন যে, কোনো নৈতিক চরিত্রের বিষয়বস্তু রয়েছে।

অর্থাৎ ফৌজদারি মামলায় আসামির পূর্বের ভালো চরিত্র প্রাসঙ্গিক এবং এটি আসামির পক্ষে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৩,৮২৮.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত ক্রোক আদেশ দিলে তা সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধে নিষেধাজ্ঞা (Injunction to restrain repetition or continuance of breach): চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
 ⇒যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

  ⇒এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।

 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা।

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
৩,৮২৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী নিম্ন আদালতের দৈনিক শুনানির তালিকায় (Daily cause list) চূড়ান্ত শুনানীর পর্যায়ে কতগুলো মামলা থাকবে?
  1. ৫টি;
  2. ৮টি;
  3. ১০ টি;
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি;
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি;
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, Order XVIII, Rule 20 দোতরফা শুনানীর মামলাসহ চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনন্দিন কার্যতালিকায় ৫ টির অধিক মোকদ্দমা রাখবে না।
♦অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুযায়ী চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনিক কার্যতালিকায় ৫টির বেশি মোকদ্দমা ধার্য্য করবেন না।
♦তবে আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় মোকদ্দমার চূড়ান্ত পর্যায়ে ১০০ টির অধিক মোকদ্দমা ধার্য্য করবে না।
♦যদি চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা ৭০ টির নীচে আসে তাহলে আবার চূড়ান্ত পর্যায়ে আরো মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করবেন।
৩,৮৩০.
জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির জামিন প্রাপ্তির সুযোগটি -
  1. মৌলিক অধিকার
  2. সাংবিধানিক অধিকার
  3. নাগরিক অধিকার
  4. আইনগত অধিকার
সঠিক উত্তর:
আইনগত অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত অধিকার
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৯৬ ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধে কাউকে আটক করা হলে কিংবা বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে আটক করা হলে জামিন দেওয়া হবে (Shall be released on bail)। এখানে Shall শব্দটি ব্যবহার করায় এই ধারার অধীন জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার হিসেবে গণ্য।
♦অর্থাৎ জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির জামিন প্রাপ্তির সুবিধা হল আইনগত অধিকার।
৩,৮৩১.
স্বীকৃত বিষয় প্রমাণের আবশ্যকতা নেই এ বিধান সাক্ষ্য আইনের কোথায় আছে?
  1. ৫২
  2. ৫৪
  3. ৫৮
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৮
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ বা তার প্রতিনিধি শুনানীর সময় কোন বিষয় স্বীকার করলে অপরপক্ষকে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এছাড়াও আইনের মাধ্যমে অনুমানযোগ্য বিষয়সমূহও প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই (৮৬-৯০ ধারা)। উল্লেখ্য উপরোক্ত বিষয়সমূহ প্রমাণ না করলেও আদালত উহা প্রমাণিত হিসাবে ধরে নিবেন।
৩,৮৩২.
বেসরকারি ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন, যদি অপর ব্যক্তিটি_________
  1. জামিনযোগ্য ও অ-আমলযোগ্য অপরাধ করেন
  2. কোনো অপরাধ করেছেন মর্মে সন্দেহ হয়
  3. আমলযোগ্য ও অ-আমলযোগ্য যে-কোনো অপরাধ করেন
  4. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
সঠিক উত্তর:
জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে
ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender].

৫৯ ধারা তে বলা আছে-

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৩,৮৩৩.
According to Section 185 of the Contract Act, Which of the following is true about the creation of agency?
  1. Registration is compulsory
  2. Consideration is essential
  3. Consent of third party is necessary
  4. Consideration not necessary to create an agency
সঠিক উত্তর:
Consideration not necessary to create an agency
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Consideration not necessary to create an agency
ব্যাখ্যা
Section 185 of the Contract Act, 1872: Consideration not necessary:
"No consideration is necessary to create an agency."

ধারা ১৮৫: প্রতিদান অনাবশ্যক:
প্রতিনিধিত্ব সৃষ্টির জন্য প্রতিদান আবশ্যক নহে।
৩,৮৩৪.
Y-এর রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে X সে পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে Y এর চলাচল বাধাগ্রস্থ হয়। X এর কৃত অপরাধ-
  1. ন্যায় আটক
  2. অন্যায় অর্পণ
  3. অন্যায় বাধা
  4. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
অন্যায় বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায় বাধা
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৩৯ ধারায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তির যেদিকে যাওয়ার অধিকার আছে তাকে সেইদিকে যেতে ইচ্ছাকৃত ভাবে বাঁধা দেওয়া হলে তাকে অন্যায়ভাবে বাঁধা বা অবৈধ বাঁধা (Wrongful restraint) প্রদান করা হয়েছে বলা হবে।
♦এখানে X এর কৃত অপরাধ হল অন্যায় বাধা বা অবৈধ বাঁধা।

♦ দন্ডবিধির ৩৩৯ ধারাযর বিধান অবৈধ বাধা
:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম (Exception):-
যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয় । ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

♦ দন্ডবিধির ৩৪০ ধারার বিধান অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, চ-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে চ সে দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। ক চ-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।
(খ) ক কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে চ-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা চ-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। ক অবৈধভাবে চ-কে অবরোধ করেছে।
৩,৮৩৫.
দণ্ডবিধির ধারা ৪৮২ অনুসারে, মিথ্যা ট্রেড মার্ক বা মালিকানা চিহ্ন ব্যবহারের সর্বোচ্চ শাস্তি কত বছর কারাদণ্ড?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৪৮২ অনুযায়ী, যদি কেউ মিথ্যা ট্রেড মার্ক বা মিথ্যা মালিকানা চিহ্ন ব্যবহার করে, তবে সে অপরাধী হবে।
এই অপরাধের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড। তবে অভিযুক্ত যদি প্রমাণ করতে পারে যে তার প্রতারণার উদ্দেশ্য ছিল না, তাহলে সে দায়মুক্ত হতে পারে।
-  তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) ১ বছর।

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৮০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি এমনভাবে পণ্য বা প্যাকেজে মার্ক ব্যবহার করে, যা যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করায় যে পণ্যটি অন্য কারো তৈরি বা ব্যবসায়িক, তবে তা মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৮২ অনুসারে, মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহারের শাস্তি হলো ১ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই, যদি না অভিযুক্ত প্রমাণ করতে পারে যে তার প্রতারণার উদ্দেশ্য ছিল না। 

⇒ The Penal Code, 1860-Section- 482.Punishment for using a false trade mark or property mark:
Whoever use any false trade mark or any false property mark shall, unless he proves that he acted without intent to defraud, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৩,৮৩৬.
'একটি মামলার রায়ে বলা হয়েছে যে, আদালত এই বিষয়ে পুনরায় বিচার করতে পারবে না কারণ একই বিষয়ে আগে রায় হয়েছে।' এটি কোন নীতির উদাহরণ?
  1. Prima Facie Evidence
  2. Res Gestae
  3. Res Judicata
  4. Burden of Proof
সঠিক উত্তর:
Res Judicata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Res Judicata
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata;
ii) Double Jeopardy (দোবারা সাজা নীতি)।

Res Judicata:
এটি এমন একটি নীতি যেখানে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আদালতে একবার চূড়ান্ত রায় হয়ে গেলে, সেই একই বিষয়ে পুনরায় মামলা করা যায় না। অর্থাৎ, একটি মামলার রায় একবার চূড়ান্ত হলে, তা নতুন করে আরেকটি মামলা হিসেবে আদালতে আনা যাবে না।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক:
যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৩,৮৩৭.
On what grounds can a sale in execution of a decree be set aside under Order XXI Rule 90?
  1. Dispute over the ownership of the property
  2. The highest bidder refusing to take possession
  3. Material irregularity in conducting the sale
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Material irregularity in conducting the sale
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Material irregularity in conducting the sale
ব্যাখ্যা
Order XXI Rule 90-
Where any immovable property has been sold in Execution of a decree, the decree - holder, or any person entitled to share in a rateable distribution of assets, or whose interests are affected by the sale, may apply to the court to set aside the sale on the ground of a material irregularity or fraud in publishing or conducting it.

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯০- অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:
যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিজারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৩,৮৩৮.
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারার অধীনে, আদালত কিসের ভিত্তিতে একটি প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে?
  1. প্রশ্নের মৌলিক গুরুত্ব না থাকা
  2. প্রশ্নের প্রাসঙ্গিকতা না থাকা
  3. প্রশ্নের বিষয় স্পষ্ট না হওয়া
  4. প্রশ্ন অশ্লীল বা কেলেঙ্কারীজনক মনে হওয়া
সঠিক উত্তর:
প্রশ্ন অশ্লীল বা কেলেঙ্কারীজনক মনে হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্ন অশ্লীল বা কেলেঙ্কারীজনক মনে হওয়া
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
 যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
 
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
৩,৮৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়, গ্রেফতারী কার্যক্রম পরিচালনাকারী কাকে তল্লাশি করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. যে কোনো ব্যক্তিকে
  3. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. গ্রেফতারী পরোয়ানায় কার্যরত ব্যক্তি বা পুলিশ অফিসার
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারী পরোয়ানায় কার্যরত ব্যক্তি বা পুলিশ অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারী পরোয়ানায় কার্যরত ব্যক্তি বা পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারা- যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:-
গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।
৩,৮৪০.
মুসলিম মৃত ব্যক্তির যদি আপন ভাই থাকে, তবে আপন বোন কীভাবে সম্পত্তি পাবে?
  1. ১:১ হারে
  2. অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ২:১ অনুপাতে
  3. অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ৩:১ অনুপাতে
  4. কোনো অংশ পাবে না
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ২:১ অনুপাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ২:১ অনুপাতে
ব্যাখ্যা

মুসলিম মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার আপন বোন বা পূর্ণ বোনের অধিকার (Full Sister):
বোন বা সহোদর বোন থাকলে তারা পাঁচটি অবস্থায় অংশ প্রাপ্ত হয়ে থাকে। মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মৃত ব্যক্তির পূর্ণ বোন বা
যেমন -
ক) মৃত ব্যক্তির যদি একজন আপন বোন থাকে তাহলে সে ঐ ব্যক্তির সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবে।
খ) যদি দুইবা ততোধিক সহোদর বোন থাকে তাহলে তারা ঐ সম্পত্তির ২/৩ অংশ পাবে।
গ) আপন ভাইয়ের উপস্থিতিতে আপন বোন অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ২:১ হারে সম্পত্তি পেতে পারে
ঘ) আপন বোন মৃত ব্যক্তির সন্তান, পুত্রের সন্তান যত নীচের হোক, বা পুত্রের উপস্থিতিতে ও সে অংশীদার হতে বাদ পড়ে অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে সম্পত্তি পেতে পারে। কিন্তু ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবরিক আইনের বিধান মোতাবেক আপন বোন কোন অংশ পাবেনা। পুত্রের কন্যাই সব অংশ পাবে।
ঙ) মৃত ব্যক্তির পিতা বা দাদা বর্তমান থাকলে সহোদর বোন বঞ্চিত হবে।

৩,৮৪১.
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৯ ধারা 
  2. ১০ ধারা
  3. ১১ ধারা 
  4. ১২ ধারা 
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ধারা, ১২, ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় যেইসব আদালত কর্তৃক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে সেইগুলি প্রাসঙ্গিক: যেই সমস্ত মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেইক্ষেত্রে যেই ঘটনা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করিতে সহায়তা করিবে, তাহা প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
--------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section-12, In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.

৩,৮৪২.
স্বামী কত বছর ধরে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে, স্ত্রী মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর অধীনে তালাকের জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. তিন বছর
  2. এক বছর
  3. দুই বছর
  4. চার বছর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর অধীনে স্ত্রী যে যে কারণের ভিত্তিতে আদালতে বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাকের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কারণগুলো হলো—
১. স্বামী চার বছরের বেশি সময় নিরুদ্দেশ থাকলে;
২. দুই বছর ধরে স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
৩. ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত বিয়ে করলে;
৪. সাত বছর বা তার বেশি সময় স্বামী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে;
৫. কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর ধরে স্বামী তার দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
৬. বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা করার সময় পর্যন্ত স্বামীর পুরুষত্বহীনতা বজায় থাকলে;
৭. স্বামী দুই বছর ধরে পাগল থাকলে অথবা মারাত্মক যৌনব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
৮. নাবালিকা অবস্থায় বিয়ে হয়ে থাকলে অথবা সাবালকত্ব লাভের পর, অর্থাৎ ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর স্ত্রী বিয়ে অস্বীকার করলে (কিন্তু এ ক্ষেত্রে স্বামীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে থাকলে এ রকম মামলা করা যাবে না)-
৯. স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করলে, যেমন- স্ত্রীকে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করলে, স্বামীর কোনো অবৈধ সম্পর্ক থাকলে, নৈতিকতাবর্জিত জীবনযাপনের জন্য স্ত্রীকে বাধ্য করলে, স্ত্রীর অমতে তার সম্পত্তি হস্তান্তর করলে কিংবা স্ত্রীকে তার সম্পত্তির ওপর বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা দিলে, স্ত্রীকে তার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনে বাধা দেওয়া, পবিত্র কোরআনের নির্দেশে একাধিক স্ত্রীদের সঙ্গে সমান ব্যবহার না করলে।
৩,৮৪৩.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারার নিচের কোন নীতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. The doctrine of ultra vires
  2. Doctrine of Locus poenitentiae
  3. Doctrine of Efficacy
  4. The doctrine of Legitimate Expectation
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus poenitentiae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus poenitentiae
ব্যাখ্যা
⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।

জেনারেল ক্লাউজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারাটি Doctrine of Locus poenitentiae নীতির সাথে সম্পর্কিত।
 
Locus poenitentiae একটি লাতিন শব্দ যার অর্থ হল "পাল্টানোর সুযোগ"। এই নীতি অনুযায়ী, যখন একটি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার আগে একজন পক্ষ তা থেকে প্রত্যাহার করতে চান, তখন তিনি তা করতে পারবেন। অর্থাৎ চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পূর্বে যে কোনো সময় একজন পক্ষ তা থেকে সরে আসতে পারবেন। 
 
জেনারেল ক্লাউজেস অ্যাক্টের ২১ ধারা এই নীতিকেই প্রতিফলিত করে। সেখানে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো নিরাপত্তা প্রদানের জন্য হিসাব বা অন্য দলিলপত্র সম্পাদিত হতে না পারে, তবে দাতা চাইলে তা প্রত্যাহার করতে পারবেন। অর্থাৎ সেক্ষেত্রে দাতাকে Locus poenitentiae বা প্রত্যাহারের সুযোগ দেওয়া হবে।
 
অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) The doctrine of ultra vires একটি কোম্পানি আইনের নীতি যা বলে যে একটি কোম্পানি তার গঠনপত্রে বর্ণিত ক্ষমতার বাইরে কোনো কাজ করতে পারবে না।
গ) Doctrine of Efficacy হল কোনো আইনের প্রভাব বা কার্যকারিতা সম্পর্কিত নীতি।
ঘ) The doctrine of Legitimate Expectation হল একটি প্রশাসনিক আইনের নীতি যা বলে যে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষকে রাজনৈতিক বা অন্যান্য বৈষম্যমূলক মনোভাব প্রদর্শন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
--------------------
- ধারা-২১: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে:-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপবিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------------------------------
- Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws: 
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
৩,৮৪৪.
'কোন আদালতে রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশ বা চুক্তিপত্রের বৈধতা প্রশ্ন করা যাবে না'- এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৮(৫)
  2. অনুচ্ছেদ ৫৫(৫)
  3. অনুচ্ছেদ ৫৬(২)
  4. অনুচ্ছেদ ৫৮(১)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫(৫)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫(৫)
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৫৫: মন্ত্রিসভা:
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 

(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 

(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 

(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 

(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 

(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

৩,৮৪৫.
What are the two kinds of kidnapping defined in Section 359 of the Penal Code, 1860?
  1. Kidnapping from home and kidnapping from public places
  2. Kidnapping for trafficking and kidnapping for revenge
  3. Kidnapping from Bangladesh and kidnapping for ransom
  4. Kidnapping from lawful guardianship and kidnapping from Bangladesh
সঠিক উত্তর:
Kidnapping from lawful guardianship and kidnapping from Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kidnapping from lawful guardianship and kidnapping from Bangladesh
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860: Section-359: Kidnapping:
Kidnapping is of two kinds: kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.

⇒ The Penal Code, 1860: Section-360: Kidnapping from Bangladesh, etc.:
 Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ The Penal Code, 1860: Section-361: Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৩,৮৪৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৪১ অনুযায়ী, আদালত কার বিরুদ্ধে মৌখিক পরীক্ষার আদেশ দিতে পারে?
  1. judgment-debtor
  2. কর্পোরেশনের অফিসার
  3. অন্য কোনো ব্যক্তি
  4. উপরোক্ত সকল
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৪১ অনুযায়ী, যদি কোনো টাকা পরিশোধের জন্য আদেশ (decree) দেয়া হয়, তাহলে decree-holder আদালতে আবেদন করতে পারে যেন আদালত আদেশ দেয় judgment-debtor বা কর্পোরেশনের অফিসার অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে হাজির করে তাদের সম্পত্তি, দেনা-পাওনা এবং আদেশ পূরণ করার উপায় সম্পর্কে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য।
- অতএব, আদালত এই তিন ধরনের ব্যক্তির যেকোনো একজন বা একাধিকজনকে হাজির করে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো — “উপরোক্ত সকল”।
------------- 
Attachment of Property
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-41. Examination of judgment-debtor as to his property:
Where a decree is for the payment of money, the decree-holder may apply to the Court for an order that—
(a) the judgment-debtor, or
(b) In the case of a corporation, any officer thereof, or
(c) any other person,
be orally examined as to whether any or what debts are owing to the judgment-debtor and whether the judgment-debtor has any and what other property or means of satisfying the decree; and the Court may make an order for the attendance and examination of such judgment-debtor, or officer or other person, and for the production of any books or documents.
৩,৮৪৭.
একজন ব্যক্তি যদি দাঙ্গা দমনকালে পুলিশকে আক্রমণ করে, তাহলে দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে দণ্ডিত হবে?
  1. ধারা ১৪৯
  2. ধারা ১৫১
  3. ধারা ১৫২
  4. ধারা ১৫৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫২
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ধারা ১৫২।
→ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা (Section 152 of the Penal Code, 1860) অনুযায়ী: যদি কোনো ব্যক্তি দাঙ্গা দমন বা অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গের সময় দায়িত্বরত সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ করে, বাধা দেয়, হুমকি দেয় অথবা বল প্রয়োগ করে, তাহলে সে এই ধারায় দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both.
৩,৮৪৮.
কোন ব্যক্তি খুন করার বা খুন সহকারে দস্যুতা অনুষ্ঠান বা শিশু অপহরণের উদ্দেশ্যে অভ্যাসগতভাবে এক বা একাধিকব্যক্তির সাথে মেলামেশা করলে; উক্ত ব্যক্তি নিম্ন লিখিত কোন ধরনের অপরাধে অপরাধী হবে-
  1. খুন করার অপরাধে
  2. ঠগ
  3. শিশু পাচার
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
ঠগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠগ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারার বিধান ঠগ:- কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরে কোন সময় খুনের মাধ্যমে বা খুন সহ দস্যুতা সাধন বা শিশু অপহরণের জন্য অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির সাথে অভ্যাসগতভাবে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি একজন ঠগ।
-------------
⇒ Section 310. Thug:- Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
৩,৮৪৯.
জমিলা খাতুনকে খুনের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার পর মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গেলো যে, সে গর্ভবতী। পরবর্তীতে হাইকোর্ট বিভাগ তার সাজা হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা এই ঘটনাকে সমর্থন করে?
  1. ৩৮৩ ধারা
  2. ৩৮২ ধারা
  3. ৩৮৪ ধারা
  4. ৩৯৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা এই ঘটনাকে সমর্থন করে।

 • ধারা ৩৮২ মোতাবেক-
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life

৩,৮৫০.
Who has the authority to question the accused under Section 342 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. The Court
  2. Police Officer
  3. Public Prosecutor
  4. Complainant
সঠিক উত্তর:
The Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Court
ব্যাখ্যা
Section 342- Power to examine the accused:
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence.

(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just.

(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed.

(4) No oath shall be administered to the accused.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।উল্লেখ্য, এই ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
৩,৮৫১.
একজন অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয় না, যদি অভিযোগকারী হয় একটি-
  1. আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  2. বার কাউন্সিল
  3. বার সমিতি
  4. আদালত
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার বিধান বাদীর জবানবন্দিঃ নালিশের প্রেক্ষিতে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট যত দ্রুত সম্ভব বাদীর এবং উপস্থিত যদি থাকে, সাক্ষীবৃন্দের মধ্যে যে কয়জনকে সঠিকরূপে গণ্য করেন। তাহাদের শপথ গ্রহণ করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারবস্তু নথিবদ্ধ করবেন এবং বাদী বা যেসব সাক্ষীর জবানবন্দি গৃহীত হয়েছে, তারা ও ম্যাজিস্ট্রেট তাতে সই করবেনঃ

(ক) লিখিত নালিশ দায়ের করা হলে ধারা-১৯২ এর বিধানমতে মামলাটি হস্তান্তরের পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্তভাবে জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই;

(কক) যখন লিখিত নালিশ দায়ের করা হয় এবং আদালত বা সরকারি কর্মচারী তাঁদের সরকারি কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় বা সরকারি হিসাবে কথিত কর্তব্য সম্পাদনের সময় এই নালিশ দায়ের করেন, সেক্ষেত্রে বাদীর জবানবন্দি গ্রহনের দরকার নেই।

(গ) যখন ধারা-১৯২ এর বিধান মতে মামলা হস্তান্তর করা হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট আগেই বাদীর ও সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে যে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলা হস্তান্ত রিত হয়, , তিনি পুনরায় তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন না।

♦ অর্থাৎ সাধারণ নিয়ম হলো ফরিয়াদী/ অভিযোগকারী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অভিযোগ দায়ের করলে, ম্যাজিস্ট্রেট ২০০ ধারার অধীন ফরিয়াদী, অভিযোগকারীকে এবং উপস্থিত সাক্ষীদের শপথপূর্বক পরীক্ষা করবে। কিন্তু অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই যদি অভিযোগকারী লিখিতভাবে নালিশ করে বা যখন আদালত বা সরকারী কর্মকর্তা সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সময় লিখিতভাবে নালিশ করে।
৩,৮৫২.
চুক্তি আইন অনুযায়ী নিচের কোন ক্ষেত্রে এজেন্সি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাপ্ত হয় না?
  1. এজেন্টের মৃত্যু
  2. প্রিন্সিপালের উন্মাদ হওয়া
  3. এজেন্টের বেতন বৃদ্ধির দাবি
  4. প্রিন্সিপালের দেউলিয়া ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
এজেন্টের বেতন বৃদ্ধির দাবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজেন্টের বেতন বৃদ্ধির দাবি
ব্যাখ্যা
 চুক্তি আইনের ধারা ২০১ অনুযায়ী এজেন্সি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাপ্ত হওয়ার প্রধান কারণগুলো হল:
১. প্রিন্সিপাল কর্তৃক কর্তৃত্ব প্রত্যাহার
২. এজেন্ট কর্তৃক এজেন্সি ব্যবসা পরিত্যাগ
৩. এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হওয়া
৪. প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মৃত্যু
৫. প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের উন্মাদ হওয়া
৬. প্রিন্সিপালের দেউলিয়া ঘোষণা
- এজেন্টের বেতন বৃদ্ধির দাবি এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি একটি চাকরি সংক্রান্ত দাবি, যা এজেন্সি সমাপ্তির কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় না।
- এজেন্সি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাপ্ত হয় না যদি এজেন্ট বেতন বৃদ্ধি দাবি করে। এটি একটি সাধারণ চুক্তিগত বিষয় এবং এজেন্টের ক্ষমতা বা এজেন্সি সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়গুলো প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
৩,৮৫৩.
'A', একজন নারীর সম্ভ্রমহানি করার অভিপ্রায়ে, জনসমক্ষে তার শাড়ি টেনে নামায়। এই কাজ দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ৩৫২ ধারা
  2. ৩৫৩ ধারা
  3. ৩৫৪ ধারা
  4. ৩৫৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, কোনো নারীর শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। এছাড়া অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য হতে পারে।
- 'A' একজন নারীর সম্ভ্রমহানি করার অভিপ্রায়ে জনসমক্ষে তার শাড়ি টেনে নামানো—এটি স্পষ্টভাবে দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪-এর আওতাভুক্ত অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৩,৮৫৪.
দেওয়ানি আদালতের রায় বাস্তবায়নের জন্য কোনো স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা হলে, উক্ত সম্পত্তি কখন ক্রেতার মালিকানাধীন বলে গণ্য হবে?
  1. দখল গ্রহণের পর
  2. বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার সাথে
  3. বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার পর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার সাথে
ব্যাখ্যা
Section 65- Purchaser's title:
Where immovable property is sold in execution of a decree and such sale has become absolute, the property shall be deemed to have vested in the purchaser from the time when the property is sold and not from the time when the sale becomes absolute.

ধারা ৬৫- ক্রেতার স্বত্ব:
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিক্রি করা হয় এবং এই বিক্রয় চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখন এই সম্পত্তি ক্রেতার অধিকারে গিয়েছে বলে গণ্য হবে সেই সময় থেকে যখন সম্পত্তিটি বিক্রি করা হয়েছিল, না কি সেই সময় থেকে যখন বিক্রয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।
৩,৮৫৫.
দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা কখন প্রযোজ্য হয়?
  1. আদালতের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে
  2. আইন লঙ্ঘন করে আদেশ দেয়ার ক্ষেত্রে
  3. আদালতের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করতে
  4. আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)

• Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
৩,৮৫৬.
ঘোষণামূলক মামলা কে করতে পারে?
  1. আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তি
  2. কোন সম্পত্তিতে অধিকার আছে এমন ব্যক্তি
  3. মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে অধিকারী ব্যক্তি
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ এখানে আইনানুগ পরিচয় বলতে আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝায়।

⇒ ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।

⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।

⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩,৮৫৭.
দণ্ডবিধির ৪৭৮ ধারা অনুযায়ী ট্রেডমার্ক (Trade mark) কী?
  1. ব্যক্তি পরিচয় চিহ্ন
  2. পণ্যের গুণমান চিহ্ন
  3. স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা চিহ্ন
  4. পণ্যের উৎপাদনকারী বা বাণিজ্যিক মালিকের চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
পণ্যের উৎপাদনকারী বা বাণিজ্যিক মালিকের চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পণ্যের উৎপাদনকারী বা বাণিজ্যিক মালিকের চিহ্ন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৪৭৮ ধারার বিধান: পণ্য-প্রতীক (Trade mark): কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে। অর্থাৎ কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য- প্রতীক বা Trade mark বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৭৮- ট্রেডমার্ক: যে চিহ্নটি কোন পণ্য বা মালামাল নির্দিষ্ট ব্যক্তির উৎপাদন বা বাণিজ্যের নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে ট্রেডমার্ক বলা হয়, এবং এই কোডের উদ্দেশ্যে "ট্রেডমার্ক" শব্দের মধ্যে যেকোনো ট্রেডমার্ক অন্তর্ভুক্ত থাকবে যা ১৮৮৩ সালের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক আইন অনুযায়ী ট্রেডমার্ক রেজিস্টারে নিবন্ধিত, এবং যেকোনো ট্রেডমার্ক যা নিবন্ধন থাকা বা না থাকা সত্ত্বেও কোনো ব্রিটিশ অধিভুক্ত অঞ্চল বা বিদেশী রাষ্ট্রে আইন দ্বারা সুরক্ষিত, যেখানে ১৮৮৩ সালের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক আইনের ১০৩ ধারা, সরকারি আদেশের মাধ্যমে, সংশ্লিষ্ট সময়ে প্রযোজ্য হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা-৪৭৯: প্রোপার্টি মার্ক: যে চিহ্নটি চলন্ত সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রোপার্টি মার্ক বলা হয়।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-478. Trade mark: 
- A mark used for denoting that goods are the manufacture or merchandise of a particular person is called a trade mark, and for the purposes of this Code the expression "trade mark" includes any trade mark which is registered in the register of trade marks kept under the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, and any trade mark which, either with or without registration, is protected by law in any British possession or Foreign State to which the provisions of the one hundred and third section of the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, are, under Order-in-Council, for the time being applicable.
⇒ The Penal Code, 1860, Section-479:
- Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.
৩,৮৫৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় কোন আইনের কত ধারা অনুযায়ী ?
  1. আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. ধারা ১৪৮ এবং আদেশ ১৪ বিধি ১
  3. ধারা ৪৪
  4. আদেশ ৬ বিধি ১৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৭ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৭ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ এর বিধি ১ অনুয়ায়ী আদালত সময় মঞ্জুর করিতে এবং শুনানি মুলতবি রাখিতে পারে।
♦ আদালত পক্ষসমূহের আবেদনক্রমে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) পক্ষগণের সময় আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন এবং শুনানি মুলতুবি রাখতে পারেন।
♦ আদেশ 17 বিধি ১ অনুযায়ী যদি মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয় তবে সেই পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে ২,০০০ টাকা ব্যয়সহ খরচ জয়া দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহালের ( Revival of Proceedings) আবেদন করতে পারেন।
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৭ বিধি ১ (৭) অনুযায়ী মুলতুবির খরচ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কারণে যদি ১৭ আদেশের বিধি ১ এর ৩ এবং ৪ উপ-বিধির অধীন কোন মোকদ্দমা খারিজ কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, যে পক্ষের কারণে খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে সেই পক্ষ খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির তারিখ হতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা খরচা জমা দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনরায় চালুর জন্য বা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করলে, আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করতে পারে।
৩,৮৫৯.
আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত কোন আদালতে দাখিল করা যাবে?
  1. আপিল আদালত
  2. উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
  3. রিভিশন আদালত
  4. রেফারেন্স আদালত
সঠিক উত্তর:
উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪১ নং আদেশের ৫ ও ৬ নং বিধিতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখা সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হলেই ডিক্রিটির জারি কর্ম স্থগিত থাকবেনা, তবে নিম্নলিখিত কারণে আদালত ডিক্রি জারির কাজ স্থগিত রাখতে পারে। যথা-
i) আবেদনকারীর গুরুতর ক্ষতির আংশকা;
ii) যথাসময়ে আবেদন করলে;
iii) আবেদনকারী চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য যথাযথ জামানত দাখিল করেছে;
iv) আবেদনকারীর শুনানী সাপেক্ষে আদালত একতরফাভাবেও ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

- আদেশ ৪১ বিধি-৫ মতে আপিল আদালত কর্তৃক স্থগিত রাখা (Stay by appellate Court): আপিল চললে বা আপিল করা হলেই কোন ডিক্রির কার্যকারিতা স্থগিত হবে না। বরং ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা আপিল চলাকালে আপিল আদালতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য প্রার্থনা করা হলে তখন উল্লেখিত আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

- এছাড়া ২১ আদেশের ২৬ থেকে ২৯ বিধিমতেও ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি জারি কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে। ২৬ বিধি অনুসারে শুধুমাত্র দেনাদার ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা আপিল আদালতে কোন ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করতে পারেন। দেনাদার আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।

- যে ক্ষেত্রে আপীল করার জন্য নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই কোন আপীলযোগ্য ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়, তখন উপযুক্ত কারণ থাকলে ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত করার আদেশ দিতে পারে।

সুতরাং আপীলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত উক্ত ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে দাখিল করা যাবে।
৩,৮৬০.
'nemo judex in causa sua' বা 'nemo debet esse judex in propria causa' এর অর্থ কী?
  1. একজন বিচারক কেবল একটি মামলার বিচার করতে পারবেন
  2. একজন বিচারক নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হতে পারবেন না
  3. একজন বিচারক যেকোনো মামলার বিচার করতে পারেন
  4. একজন বিচারক নিজের আদেশ পরিবর্তন করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
একজন বিচারক নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন বিচারক নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
• 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি হচ্ছে- 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa, যার অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

৫৫৬ ধারা অনুসারে,
যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।
 
Section 556- Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
৩,৮৬১.
ধারা ৯৮(২) অনুযায়ী যদি বিচারকদের কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত না থাকে যা ডিক্রি পরিবর্তন বা বাতিল করে, তখন কী হবে?
  1. আপিল খারিজ হবে
  2. মামলা পুনরায় শুনানি হবে
  3. ডিক্রি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে
  4. পূর্বের ডিক্রি বহাল থাকবে
সঠিক উত্তর:
পূর্বের ডিক্রি বহাল থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বের ডিক্রি বহাল থাকবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৯৮: দুই বা ততোধিক বিচারক দ্বারা আপিল শুনানি হলে সিদ্ধান্ত:
(১) যদি কোনো আপিল দুই বা ততোধিক বিচারকের একটি বেঞ্চ দ্বারা শুনানি হয়, তাহলে সেই আপিলের সিদ্ধান্ত হবে- ওই বিচারকদের মতামত অনুযায়ী, অথবা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারক কোনো এক মতের পক্ষে থাকেন, তবে সেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত অনুযায়ী।

(২) যদি ডিক্রি পরিবর্তন বা বাতিল করার বিষয়ে বিচারকদের মধ্যে কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত না থাকে, তাহলে- আপিলকৃত ডিক্রি পূর্বের মতোই বহাল (confirmed) থাকবে।

প্রদত্ত শর্ত (Proviso):
যখন আপিল শুনানি করা বেঞ্চে দুইজন বিচারক থাকবেন, এবং আদালতে মোট বিচারকের সংখ্যা দুইয়ের বেশি, এবং ওই দুই বিচারকের মধ্যে আইনগত বিষয়ে (point of law) মতানৈক্য দেখা দেবে, তখন তারা যে আইনি বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করছেন, সেটি লিখিতভাবে উল্লেখ করবেন।
এরপর সেই নির্দিষ্ট আইনি বিষয়টি আদালতের অন্য এক বা একাধিক বিচারক শুনবেন। এবং এই পুনঃশুনানিতে অংশগ্রহণকারী সকল বিচারকের মধ্যে যাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মত (প্রথম দুই বিচারকসহ) সেই মত অনুযায়ী সেই আইনি বিষয়টির সিদ্ধান্ত হবে।

(৩) এই ধারা হাইকোর্ট ডিভিশনের লেটারস পেটেন্টের কোনো বিধান পরিবর্তন বা প্রভাবিত করে না।

৩,৮৬২.
আটককৃত ব্যক্তির হাজিরার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধানটি সঠিক নয়?
  1. বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে
  2. গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে
  3. গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারায় বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং ৮১ ধারায় গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।

ধারা ৬১-
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়া ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

Section 61: Person arrested not to be detained more than twenty-four hours-
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.

ধারা ৮১-
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবেঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
৩,৮৬৩.
বৈধ ইজমার শর্ত নয় কোনটি?
  1. ইজমা কোনো সময় কোরআন ও হাদিসের বিপরীত হবে না;
  2. কোনো এক বিষয়ে ঐকমত্য স্থাপিত হলে এটি পুনরায় আলোচিত বা রদ হবে না;
  3. একটি ইজমা পরবর্তী কোনো সুবিবেচিত ইজমা দ্বারা বাতিল হতে পারে;
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
 ইজমার শর্তসমূহ: বৈধ ইজমার শর্তসমূহ নিম্নরূপ- 

(১) ইজমা কোনো সময় কোরআন ও হাদিসের বিপরীত হবে না;
(২) কোনো এক বিষয়ে ঐকমত্য স্থাপিত হলে এটি পুনরায় আলোচিত বা রদ হবে না;
(৩) একটি ইজমা পরবর্তী কোনো সুবিবেচিত ইজমা দ্বারা বাতিল হতে পারে এবং
(৪) কোনো যুগের মুসলিম আইন-বিজ্ঞানীগণ বিশেষ প্রশ্নে দুই রকমের ইজমা প্রতিষ্ঠিত করলে, এর পর তৃতীয় মত গ্রহণযোগ্য নয়।

উল্লিখিত প্রশ্নে সবগুলো অপশন বৈধ ইজমার শর্ত। তাই সঠিক উত্তর 'ঘ'(কোনটি নয়)। 
৩,৮৬৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে?
  1. ৫১
  2. ৫৩
  3. ৫৩ক
  4. ৫৫
সঠিক উত্তর:
৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে
- দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property) 
(v) অর্থদণ্ড (fine)
-ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
-------------------
⇒ Section-53: The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;
Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.
Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
৩,৮৬৫.
দেনমোহরের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. তিন বৎসর
  2. ছয় বৎসর
  3. এক বৎসর
  4. কোনো তামাদি মেয়াদ নেই
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৩ এবং ১০৪ অনুযায়ী মুসলিম আইনের অধীন দেনমোহর আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর।

অর্থাৎ বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য [deferred dower] একজন মুসলিম মহিলা মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির ৩ বৎসর যা তামাদি আইনের ১০৪ অনুছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।
৩,৮৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারা অনুযায়ী আদালত অবমাননার শাস্তি হিসেবে কী প্রদান করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র তিরস্কার
  2. সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা
  4. সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারা অনুযায়ী: যদি দণ্ডবিধির ধারা ১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ বর্ণিত কোনো অপরাধ আদালতের সম্মুখে বা উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়, তবে: সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালত অপরাধীকে দ্রুত বিচার করে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা দিতে পারে, এবং জরিমানা না দিলে সর্বোচ্চ ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হওয়ার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section - 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
৩,৮৬৭.
চুক্তি আইন অনুসারে নিচের কোন ধরনের ব্যক্তি চুক্তির করার অযোগ্য?
  1. নাবালক
  2. মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি
  3. নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন। [Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]।
অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।
 
• চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
৩,৮৬৮.
দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারা অনুযায়ী, "নির্বাচনী অধিকার" (electoral right) কী?
  1. প্রার্থী হওয়া
  2. প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা
  3. ভোট দেওয়া বা ভোট না দেওয়ার অধিকার
  4. উপরের সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার (খ) উপধারা অনুযায়ী, "নির্বাচনী অধিকার" বলতে বোঝানো হয়েছে—
- প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর অধিকার
- প্রার্থী না হওয়ার অধিকার
- প্রার্থী হওয়ার পর মনোনয়ন প্রত্যাহারের অধিকার
- ভোট দেওয়ার অধিকার
- ভোটদান থেকে বিরত থাকার অধিকার
→ অতএব, উল্লিখিত প্রশ্নে 'উপরের সবগুলো ' সঠিক।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার বিধান 'নির্বাচন প্রার্থী' 'নির্বাচনী অধিকার' কথা দুইটির সংজ্ঞা :- এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে- (ক) 'নির্বাচন প্রার্থী' বলতে কোন নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিকে বুঝাবে এবং যে ব্যক্তি কোন নির্বাচনের জল্পনা-কল্পনা চলাকালে উহাতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিভাত করেন সে ব্যক্তিকেও বুঝাবে। তবে সে ব্যক্তিকে পরে অনুরূপ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হতে হবে;
(খ) নির্বাচনী অধিকার' বলতে কোন ব্যক্তির কোন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার অথবা না দাঁড়াবার অথবা প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অথবা ভোট দেওয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকার বুঝায়।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-171A- “Candidate”, “Electoral right” defined:
- For the purposes of this Chapter -
- (a) "candidate" means a person who has been nominated as a candidate at any election and includes a person who, when an election is in contemplation, holds himself out as a prospective candidate thereat; provided that he is subsequently nominated as a candidate at such election;
- (b) "electoral right" means the right of a person to stand, or not to stand as, or to withdraw from being, a candidate or to vote or refrain from voting at an election.

৩,৮৬৯.
দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারায় “Voluntarily causing grievous hurt” এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড 
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩২৫ অনুসারে, যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt) করে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার শাস্তি দেওয়া যেতে পারে। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা- স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের (Voluntarily causing grievous hurt) শাস্তি:
- কোন ব্যক্তি, যদি ৩৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860 Section-325: Punishment for voluntarily causing grievous hurt:
- Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৩,৮৭০.
প্রতারণার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে কোন ধারায়?
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪১৭ ধারায়
  3. ৪১৯ ধারায়
  4. ৪২০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪১৫ ধারায় প্রতারণার সংজ্ঞা রয়েছে। প্রতারণা বলতে ফাঁকি দিয়ে বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা কাউকে এমনভাবে প্রভাবিত করা যে, প্রতারিত ব্যক্তি যেন প্রতারণাকারীর ইচ্ছামাফিক কোন কাজ করে যা প্রতারিত ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি করে (damage or harm to that person in body,mind,reputation or property) অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা না করতে বা সম্পত্তি অর্পনে বাধ্য করে।
৩,৮৭১.
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলার নির্ধারিত মেয়াদ-
  1. ১২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৬২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১৯০৮ এর ১ম তফসিল, অনুচ্ছেদ ১৪৮-

বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সময়সীমা, যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বছর।

উল্লেখ্য যে, তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ হলো ৬০ বছর। সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ ১৪৭ থেকে ১৪৯ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
৩,৮৭২.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় কোন বিধানটি রয়েছে?
  1. Criminal trespass
  2. House-trespass
  3. House-breaking
  4. Lurking house-trespass
সঠিক উত্তর:
House-breaking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
House-breaking
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);

iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);

v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
----------------
⇒ Section 445 House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building.
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened.
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass.
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault.
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass.
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
৩,৮৭৩.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
  1. ১৫৩ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৭ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-

রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-

> করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
> আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

• উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
৩,৮৭৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির প্রথম তফসিলে মোট কতটি আদেশ (Order) রয়েছে?
  1. ৪৫টি
  2. ৫০টি
  3. ৫১টি
  4. ৫৫টি
সঠিক উত্তর:
৫১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলে মোট ৫১টি আদেশ (Order I থেকে Order LI পর্যন্ত) রয়েছে।
- এই আদেশগুলো দেওয়ানি মামলার বিভিন্ন প্রক্রিয়া যেমন— সমন জারি, প্লিডিং, ডিক্রি পাস, আপিল ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে।
- প্রথম তফসিল হলো প্রক্রিয়াগত (procedural) দিক নির্দেশনার অংশ, এবং এর প্রতিটি আদেশ আবার এক বা একাধিক বিধি (Rules)-তে বিভক্ত।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ (Sections) শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে।
- কিন্তু প্রথম তফসিলের আদেশ ও বিধিসমূহ সংসদ ছাড়াও সুপ্রিম কোর্ট (High Court Division) নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী সংশোধন করতে পারে (ধারা ১২২ অনুসারে)।

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির প্রথম তফসিলে মোট ৫১টি আদেশ বিদ্যমান, যা আদালতের দেওয়ানি কার্যধারার একটি বিস্তৃত কাঠামো নির্ধারণ করে।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) ৫১টি।
৩,৮৭৫.
'ক' একজম মুসলিম এক সম্পত্তি প্রথমে 'খ' বরাবর উইল করে এবং কিছুদিন পর 'গ' এর নিকট বিক্রি করে দেয়। এক্ষেত্রে -
  1. উইলটি কার্যকর হবে
  2. উইলটি প্রত্যাহার হবে
  3. বিক্রয় অবৈধ হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উইলটি প্রত্যাহার হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলটি প্রত্যাহার হবে
ব্যাখ্যা
⇒ কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত। আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে। যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

⇒ উইলের অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো-
ক. যে ব্যক্তি উইল করে তাকে অবশ্যই তার জীবনকালের মধ্যেই উইলের ঘোষণা দিতে হবে। উইলকারীকে অবশ্যই উইল করার যোগ্য হতে হবে।
খ. উইলকারীকে অবশ্যই উইলগ্রহীতার পূর্বে মৃত্যুবরণ করতে হবে। অর্থাৎ উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকরী হয়।
গ. উইলকারী মৃত্যুর পর যার বরাবর উইল করা হয়েছে তাকে অবশ্যই উইলটি গ্রহণ করতে হবে। এ তিনটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একটি উইল কার্যকর হয়।

মুসলিম আইনে,
একজন ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় যে সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন, সেটি তার সম্পূর্ণ অধিকার। তবে, যদি তিনি ওই সম্পত্তির কিছু অংশ উইল করেন, তবে ওই উইলটি মৃত্যুর পর কার্যকর হবে। কিন্তু, যদি ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় ওই সম্পত্তি বিক্রি করেন, তাহলে উইলটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রত্যাহৃত হয়ে যাবে, কারণ বিক্রি একটি কার্যকর আইনগত কাজ, যা সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করে।
৩,৮৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারা অনুসারে কোন সময় বা পরিস্থিতিতে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার সীমিত করতে পারেন?
  1. মামলার রায় ঘোষণার সময়
  2. মামলার আবেদন গ্রহণের সময়
  3. মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর
  4. মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে
সঠিক উত্তর:
মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২-এর শর্তাংশ অনুযায়ী: বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যেকোনো পর্যায়ে (অনুসন্ধান/বিচার) যথাযথ কারণ থাকলে (যেমন: ন্যায়বিচার, নাগরিক শৃঙ্খলা, ভিকটিমের সুরক্ষা ইত্যাদি) আদেশ দিতে পারেন যে সর্বসাধারণ বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি আদালত কক্ষে প্রবেশ বা অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে:
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 352: Courts to be open:
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
৩,৮৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XVII, Rule 1-এর sub-rule (3) অনুসারে, একটি পক্ষ সর্বোচ্চ কতবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবির আবেদন করতে পারে?
  1. ছয়বার
  2. চারবার
  3. তিনবার
  4. পাঁচবার
সঠিক উত্তর:
চারবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারবার
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XVII, Rule 1-এর sub-rule (3) অনুসারে, ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে একটি পক্ষ সর্বোচ্চ চারবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবির আবেদন করতে পারে। 

- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XVII, Rule 1 এর সংশোধন অনুসারে,
যা Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর মাধ্যমে সংশোধিত হয়েছে, স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, sub-rule (3)-তে "six" শব্দটির পরিবর্তে "four" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ হলো, কোনো পক্ষ একটি মোকদ্দমা সর্বোচ্চ চারবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবি করতে পারে।

- এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হলো মোকদ্দমার প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করা এবং অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব রোধ করা। পূর্বে এই বিধানে একটি পক্ষ সর্বোচ্চ ছয়বার মুলতবির আবেদন করতে পারত, কিন্তু ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে এই সংখ্যা কমিয়ে চারবার করা হয়েছে।

৩,৮৭৮.
তামাদি আইনের কোন ধারায় দলিলে বর্ণিত সময় গণনা করার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ২১
  2. ২৩
  3. ২৫
  4. ২৭
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা

⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা :তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-------------
- The Limitation Act, 1908, Section-25, Computation of time mentioned in instruments: All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.

৩,৮৭৯.
মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত কোন দলিল পরিদর্শনের জন্য বিবাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত উক্ত দলিলটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাখিল করার জন্য বাদীকে নির্দেশ প্রদান করে কিন্তু বাদী আদালতের নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হয়। এই ক্ষেত্রে-
  1. মামলার ক্ষতি হবে না
  2. মামলা খারিজ হবে
  3. মামলা স্থগিত থাকবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১১ এর বিধি ২১ অনুযায়ী যদি বাদীর কোন দলিল দাখিলের জন্য আদেশ দেয় এবং বাদী যদি আদেশ পালনে ব্যর্থ হয় তাহলে মামলা খারিজ হবে
⇒  এটি আপীলযোগ্য আদেশ তাই সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপীল করতে পারবে।
⇒ আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুসারে আপীল করতে হবে।
৩,৮৮০.
বার কাউন্সিলের সাধারণ সভা আহ্বান করবে কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
  3. বার কাউন্সিলের সচিব
  4. বার কাউন্সিলের প্রবীণ সদস্য
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ২৯:
বার কাউন্সিলের সাধারণ সভাগুলো চেয়ারম্যান আহ্বান করতে পারেন, অথবা যদি তিনি কোনো কারণে তা করতে অক্ষম হন, তাহলে ভাইস-চেয়ারম্যান সভা আহ্বান করতে পারেন।

"Ordinary meetings of a Bar Council may be convened by Chairman or in case he is, for some reason, unable to act the Vice-Chairman."
৩,৮৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় এই আইনের অপ্রযোজ্যতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ২ ধারা 
  2. ৩ ধারা
  3. ৪ ধারা 
  4. ৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধারা 
ব্যাখ্যা

ধারা ৪: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা: যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে-
(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;
(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা
(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
--------------------
Section 4: Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.

৩,৮৮২.
গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসার কোনো বাড়ি সার্চ করতে চাইলে বাড়ির মালিক কী করতে বাধ্য?
  1. নিকটস্থ থানায় খবর নিয়ে যাচাই করবেন
  2. পুলিশকে বাঁধা দেবেন
  3. পুলিশের পরিচয়ত্র দেখবেন
  4. সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন
সঠিক উত্তর:
সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারার বিধান যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:- গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।
৩,৮৮৩.
কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ (Force) করে বলে বিবেচিত হবে যদি সে উক্ত ব্যক্তিকে-
  1. গতিশীল করায় (cause of motion)
  2. তার গতি পরিবর্তন করায় (change of motion)
  3. গতি রোধ করায় (cessation of motion)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-

তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------
Force:
Section 349. A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:

Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৩,৮৮৪.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কোন অনুচ্ছেদটি 'লিঙ্গ বৈষম্য বিরোধী'?
  1. ৩০
  2. ৩২
  3. ২৭
  4. ২৮
সঠিক উত্তর:
২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972
Article 28. No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex.
৩,৮৮৫.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী, স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৫৫ ধারা
  2. ১৫৭ ধারা
  3. ১৫৪ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৫৯ ধারা অনুযায়ী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing Memory) বলতে বোঝায়, সাক্ষী তার অতীত অভিজ্ঞতা বা দেখা-শোনা সংক্রান্ত বিষয় সঠিকভাবে মনে করতে নিজের লেখা বা অন্য কারো লেখা নথি দেখতে পারে।
⇒ ধারা ১৫৯ অনুযায়ী মূল বিষয়গুলো:
-নিজের লেখা দেখে স্মৃতি রিফ্রেশ: সাক্ষ্য প্রদানের সময় সাক্ষী এমন কোনো লেখা (Writing) দেখতে পারেন যা তিনি ঘটনার সময় বা ঘটনার পরে তাড়াতাড়ি লিখেছিলেন—যাতে ঘটনাটি তখনো তার মনে ছিল।
- অন্যের লেখা ব্যবহার: সাক্ষী অন্য কারও লেখা দেখতে পারেন, যদি তিনি সেই লেখা পড়েছেন এবং সেটিকে সঠিক বলেই জেনেছেন।
- নকল দলিল (Copy of Document): যদি মূল দলিল উপস্থিত না থাকে, এবং আদালত সেটি অনুমোদন করে, তাহলে নকল দলিল দিয়েও স্মৃতি রিফ্রেশ করা যায়।
- বিশেষজ্ঞ (Expert) সাক্ষী: তিনি পেশাগত বইপত্র দেখে স্মৃতি রিফ্রেশ করতে পারেন।

উদাহরণ:
একজন পুলিশ কর্মকর্তা যদি মামলার তদন্তকালীন সময় লিখে রাখা নিজের ডায়েরি দেখে আদালতে সেই ঘটনার বিস্তারিত মনে করে, তাহলে সেটা ধারা ১৫৯ অনুযায়ী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার বৈধ উদাহরণ।
৩,৮৮৬.
'সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে'- সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১১০ অনুচ্ছেদে
  2. ১১১ অনুচ্ছেদে
  3. ১১৫ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৬ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১১১ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা:
 আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।

Article 111- Binding effect of Supreme Court judgments:
The law declared by the Appellate Division shall be binding on the High Court Division and the law declared by either division of the Supreme Court shall be binding on all courts subordinate to it.
৩,৮৮৭.
ফৌজদারি আদালত কখন অভিযোগ (charge) সংশোধন বা পরিবর্তন করতে পারে?
  1. বিচার শুরুর পূর্বে যেকোনো সময় 
  2. অভিযোগ দায়েরের সময়
  3. মামলার রায় ঘোষণার পরেও যেকোনো সময়
  4. মামলার রায় ঘোষণার আগে যেকোনো সময়
সঠিক উত্তর:
মামলার রায় ঘোষণার আগে যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার রায় ঘোষণার আগে যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে: "Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced."
- অর্থাৎ, মামলার রায় ঘোষণার আগে যেকোনো সময় ফৌজদারি আদালত অভিযোগ (charge) সংশোধন বা পরিবর্তন করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 227: Court may alter charge:-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

৩,৮৮৮.
নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রদত্ত সম্পত্তির অপব্যবহার করা হলে, ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি কত দিনের মধ্যে আদালতে মামলা (Suit) দায়ের করতে পারেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী,
যদি কেউ এমন কোনো সম্পত্তি নির্দিষ্ট একটি উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অধিকার পায়, কিন্তু সে সেই উদ্দেশ্য ভঙ্গ করে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করে, তাহলে এটি "misuse of property" বা "অধিকার লঙ্ঘন" হিসেবে গণ্য হয়।

এই ধরনের পরিস্থিতিতে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি ক্ষতির বিষয়টি যেদিন জানতে পারেন, সেদিন থেকেই ২ বছরের মধ্যে আদালতে মামলা (Suit) দায়ের করতে পারবেন।

৩,৮৮৯.
'ক' একটি অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত। অপরাধের পরে তার পলাতক হওয়া, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখা বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকাবার চেষ্টা করা হল:
  1. দুর্বল প্রমাণ
  2. প্রাসঙ্গিক তথ্য
  3. অপ্রাসঙ্গিক তথ্য
  4. চূড়ান্ত প্রমাণিত তথ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক তথ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872)-এর ধারা ৮ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি অপরাধের পর যে আচরণ করে, তা প্রাসঙ্গিক (Relevant) হিসেবে গণ্য হতে পারে যদি তা অপরাধ সংঘটিত হওয়া বা অপরাধের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়।
- অভিযুক্তের এই ধরনের আচরণ প্রাসঙ্গিক তথ্য (Relevant Fact) হিসেবে বিচারিক কার্যক্রমে বিবেচিত হয় এবং এটি আদালতের রায়ে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, এটি একমাত্র ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট নয়, বরং অন্যান্য প্রমাণের সাথে মিলিয়ে বিচার করা হয়।

- সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা অনুসারে, কোনো ব্যক্তির আচরণ (Conduct) যা কোনো ফ্যাক্টস ইন ইস্যু বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক (Relevant) বলে বিবেচিত হয়। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তির আচরণ, যেমন পলায়ন, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখা বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকানোর চেষ্টা করা, তা প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হয়।
ক) দুর্বল প্রমাণ: এটি ভুল, কারণ পলায়ন বা সম্পত্তি লুকানোর চেষ্টা দুর্বল প্রমাণ নয়, বরং তা প্রাসঙ্গিক তথ্য।
খ) প্রাসঙ্গিক তথ্য: এটি সঠিক, কারণ অপরাধের পর পলায়ন, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখা বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকানোর চেষ্টা করা প্রাসঙ্গিক আচরণ হিসেবে গণ্য হয়।
গ) অপ্রাসঙ্গিক তথ্য: এটি ভুল, কারণ এই ধরনের আচরণ প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
ঘ) চূড়ান্ত প্রমাণিত তথ্য: এটি ভুল, কারণ এই ধরনের আচরণ চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, বরং তা প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হয়।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) প্রাসঙ্গিক তথ্য।

উদাহরণ:
যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধের পর পলায়ন করে, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখে বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকানোর চেষ্টা করে, তবে এই আচরণ আদালতের কাছে প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তা অপরাধের প্রমাণে সহায়ক হতে পারে।
৩,৮৯০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের জন্য আদালত কিসের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেবে?
  1. দলিলের নির্দিষ্ট শর্ত
  2. দলিলের ভাষা এবং তার ব্যাখ্যা
  3. দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল
  4. দলিলের স্বাক্ষরের তারিখ
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত নিম্নের বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন:
- দলিলের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং দলিলের ফলাফল কী।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, শুধুমাত্র দলিলের ভাষা কী হতে চেয়েছিল, এ বিষয়ে অনুসন্ধানে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
------------------------
The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
-In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
৩,৮৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(২) ধারা অনুযায়ী, যদি আসামীর জেল হাজতে থাকার সময় কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশি হয়, তবে কী হবে?
  1. আসামীকে নতুন করে দণ্ড প্রদান করা হবে
  2. আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে, তবে অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে হবে
  3. আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে এবং অর্থদণ্ড মওকুফ করা হবে
  4. আসামির বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করা হবে
সঠিক উত্তর:
আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে এবং অর্থদণ্ড মওকুফ করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে এবং অর্থদণ্ড মওকুফ করা হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে এবং অর্থদণ্ড মওকুফ করা হবে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(২) ধারার অধীনে, যদি আসামি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকেন এবং তার জেল হাজতে থাকার সময় কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশি হয়ে যায়, তবে তাকে "পূর্ণ কারাদণ্ড ভোগ করা" হিসেবে গণ্য করা হবে। এর ফলে, তাকে মুক্তি দেয়া হবে এবং যদি তার বিরুদ্ধে কোনো অর্থদণ্ড থাকে, তবে সেটি মওকুফ হয়ে যাবে।
এটি একটি প্রক্রিয়া যা নিশ্চিত করে যে, কোনো ব্যক্তির অনাকাঙ্ক্ষিত দীর্ঘ সময়ের জেল হাজতকে "কারাদণ্ড" হিসেবে গণ্য করা হয়, এবং সেই সময়ের জন্য তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। 
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৩,৮৯২.
মোকদ্দমার শুনানীর সময় বাদী অনুপস্থিত থাকার কারণে সহকারী জজ মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ প্রদান করে। বাদী উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করে। জেলা জজ রিভিশনটি প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১১৫(৪) ধারা মতে উপরোক্ত প্রেক্ষাপটে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে।
৩,৮৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫গ অনুসারে কোন অবস্থায় আসামিকে খালাস দেওয়া যায়?
  1. যখন আসামি জামিন চায়
  2. যখন প্রমাণ অপর্যাপ্ত থাকে
  3. যখন সাক্ষীরা জবানবন্দি দেয় না
  4. যখন অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকে
সঠিক উত্তর:
যখন প্রমাণ অপর্যাপ্ত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন প্রমাণ অপর্যাপ্ত থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫গ অনুযায়ী, যদি মামলার নথি ও দলিলাদি এবং আসামী ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত মনে করে যে আসামীর বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার যথেষ্ট কারণ নেই, তখন আদালত তাকে খালাস (discharge) দিতে পারে।
সুতরাং, প্রমাণ অপর্যাপ্ততাই হলো ধারা ২৬৫গ অনুসারে খালাস দেওয়ার মূল ভিত্তি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫গ: অব্যাহতি:
যদি মোকদ্দমার নথিপত্র এবং তৎসহ দাখিলকৃত দলিলাদি বিবেচনা করার পর এবং এই সম্পর্কে আসামী ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শ্রবণের পর আদালত মনে করেন যে, আসামীর বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য যথেষ্ট কারণ নেই, তাহলে আদালত আসামীকে অব্যাহতি দেবেন এবং তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
-----
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265C. Discharge:
 If, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith, and after hearing the submissions of the accused and the prosecution in this behalf, the Court considers that there is no sufficient ground for proceeding against the accused, it shall discharge the accused and record the reasons for so doing.

৩,৮৯৪.
কোন পরিস্থিতিতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. যখন অভিযোগকারী আবেদন করে
  2. যখন আসামি এর বিরুদ্ধে আপত্তি তোলে
  3. যদি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক উপস্থিত থাকতে না পারেন
  4. শুধুমাত্র যখন তদন্তকারী কর্মকর্তা অনুমতি দেন
সঠিক উত্তর:
যদি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক উপস্থিত থাকতে না পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক উপস্থিত থাকতে না পারেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
 
Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৩,৮৯৫.
‘A’-কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, এবং শাস্তির ভগ্নাংশ গণনায় ধারা ৫৭ প্রযোজ্য। তাহলে যাবজ্জীবনকে কত বছরের সমান ধরা হবে?
  1. ১৫ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. যাবজ্জীবনই
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৫৭ অনুসারে, শাস্তির মেয়াদের ভগ্নাংশ গণনার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সমতুল্য ধরা হয়।
- সুতরাং, 'A'-এর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শাস্তির ভগ্নাংশ (যেমন- remission, parole ইত্যাদি) গণনা করার সময় ৩০ বছর হিসেবে বিবেচিত হবে।
---------
 ⇒ The Penal Code,1860- Section 57: Fractions of terms of punishment:
- In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.

৩,৮৯৬.
১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত কোন আইনের অধীন গঠিত সামরিক আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না?
  1. The Army Act, 1962.
  2. The Naval Discipline Ordinance, 1961.
  3. The Air Force Act, 1953.
  4. All of the above.
সঠিক উত্তর:
All of the above.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না:

⇒ সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army (সেনাবাহিনী) Act, 1962 অথবা The Naval Discipline (নৌ-শৃঙ্খলা) Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act (বিমান বাহিনী আইন), 1953 এর ক্ষেত্রে;

ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;

iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে;

iv) তদন্ত বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে; এবং

ⅳ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়।

---------------------------
⇒ Extent
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the [Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953] but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator;
৩,৮৯৭.
সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যাপ্ত হলে কে অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের বরাবর প্রেরণ করবে?
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. মামলার তদন্ত কর্মকর্তা
  3. কর্তৃত্বসম্পন্ন যেকোন ব্যক্তি
  4. ম্যাজিস্ট্রেট যাকে আদেশ দিবেন
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭০ অনুযায়ী-
তদন্তে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,পর্যাপ্ত সাক্ষ্য আছে তাহলে অভিযুক্তকে বিচারের জন্য পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য হলে এবং অভিযুক্ত জামানত দিতে সমর্থ হলে কোন নির্ধারিত দিনে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হওয়ার জন্য জামানত গ্রহণ করবেন।

• সেই সাথে যখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করেন,তখন তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ কোন অস্ত্র বা অন্যান্য দ্রব্য তার নিকট প্রেরণ করবেন এবং অভিযুক্তর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পরিচালনা বা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ফরিয়াদি (যদি থাকে) এবং ঘটনার অবস্থা সম্পর্কে জানেন এরূপ যেকোন সংখ্যক লোককে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হওয়ার উদ্দেশ্যে একটি মুচলেকা সম্পাদন করতে বলবেন।
৩,৮৯৮.
ডিক্রি জারির সময় নিচের কোন সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না?
  1. কোম্পানির শেয়ার
  2. জমি
  3. দালান-কোঠা
  4. পরিধেয় বস্ত্র
সঠিক উত্তর:
পরিধেয় বস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিধেয় বস্ত্র
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ও ৬১ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না যা নিম্নরূপ-

⇒ ধারা-৬০: ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে (property liable to attachment & sale in execution of decree)- ৬০ ধারামতে নিম্নলিখিত সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে। যথা-জমি, গৃহ, দালান-কোঠা, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, Bill of Exchange, প্রমিসরি নোট, বন্ড, কোম্পানির শেয়ার। এছাড়া যে কোন বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি ক্রোকযোগ্য, যেমন- equity of redemption.

⇒ ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না- ৬০ ধারামতে চাষীর বাসগৃহ, হিসেবের খাতাপত্র, সরকারী পেনশন ভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরীকৃত বৃত্তি ও আনুতোষিক, দেনাদার (Judgement debtor) এবং তার স্ত্রী ও সন্তানগণের পরিধেয় বস্ত্র, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন- রান্নার বাসন, বিছানা ইত্যাদি সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬১ ধারামতে যে সব কৃষিজাত উৎপাদিত দ্রব্য কৃষকের জীবিকার জন্য প্রয়োজন সরকার তা ক্রোক থেকে মুক্তি দিতে পারে।
৩,৮৯৯.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারায় Dumb Witnesses এর বিধান আছে?
  1. ১১৫ ধারা
  2. ১১৬ ধারা
  3. ১১৮ ধারা
  4. ১১৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১১৯ ধারা অনুসারে বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে/ইশারায় সাক্ষ্য দিবেন।
- বোবা সাক্ষীর এই সাক্ষ্য মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।
৩,৯০০.
ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান কী হবে?
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Shall presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shall presume
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:- বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
-----------------------------
⇒ Section 85C Presumption as to Digital Signature Certificates.- The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.