বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ২০ / ১৫৫ · ১,৯০১২,০০০ / ১৫,৪৭০

১,৯০১.
The Evidence Act, 1872 অনুযায়ী প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) অর্থ _______
  1. আদালতে সরাসরি উপস্থাপিত মৌলিক সাক্ষ্য
  2. আদালতে উপস্থাপিত আসল দলিল
  3. মামলার ঘটনা সম্পর্তিত সাধারণ প্রমাণ
  4. শ্রুত সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থাপিত আসল দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থাপিত আসল দলিল
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে মূল দলিল সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বা Primary evidence বলে। এছাড়া নিম্নলিখিত সাক্ষ্যগুলোও প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে-

i) সাক্ষ্য আইনের ৬২ ও ৯১ ধারা অনুযায়ী লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে খোদ দলিলটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ii) একটি দলিল কয়েক খন্ডে সম্পাদিত হলে, প্রত্যেক খন্ডই একে অন্যের প্রাথমিক সাক্ষ্য ।

iii) যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় (executed in counterpart), তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

iv) যেক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে একই পদ্ধতিতে হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি অন্যগুলির প্রাথমিক সাক্ষ্য। কিন্তু মূল দলিলের নকল হলে, তা মূল দলিলের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবেনা যেমন- এক ব্যক্তির দখলে এমন কতগুলি প্রচার পত্র (placards) আছে বলে দেখান হল, যার সবগুলি একটি মূল দলিল হতে একই সময়ে মুদ্রিত হয়েছে। প্রচার পত্রগুলির যে কোন একটি অপর একটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য, কিন্তু সেগুলির একটিও মূল প্রচার পত্রের বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য নয়।

♦ মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য- সাক্ষী নিজে দেখে-শুনে বা অনুভব করে যে সাক্ষ্য দেয় তা প্রাথমিক সাক্ষ্য। তার নিকট থেকে অন্য জন শুনে সাক্ষ্য দিলে তা হয় মাধ্যমিক (Secondary) বা পরোক্ষ তথা জনশ্রুতি সাক্ষ্য ।
১,৯০২.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ অনুযায়ী, কে টাউট গ্রেফতারের লিখিত আদেশ দিতে পারেন?
  1. সিভিল জজ
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার 
  4. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮০চ(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
- অর্থাৎ, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা নিজেই লিখিত আদেশ দ্বারা টাউট গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারেন। এটি নিবন্ধন কার্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য তাঁর বিশেষ ক্ষমতা।

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার-
(১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।
(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।
উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।
 ----------------
The Registration Act, 1908, Section 80F- Arrest and trial of touts:
(1) Any registering officer may, by an order in writing, direct any person named in the order to arrest any such tout found within the precincts of the registration office. Such tout may be arrested accordingly and shall be forthwith produced before the registering officer. 
(2) If the tout admits his offence the provisions of section 480 and 481 of the Code of Criminal Procedure, 1898, shall be applicable, so far as may be, to his detention, trial and punishment. 
If the tout does not admit his offence the provisions of section 480 of the said Code shall be similarly applicable to his detention, trial and punishment. 
(3) A registering officer shall be deemed to be a Civil Court for the purposes of sections 480, 481 and 482 of the said Code.

১,৯০৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৬৭ অনুযায়ী, কেবলমাত্র ভুলভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জনের কারণে কী করা যাবে না?
  1. আপিল করা যাবে না
  2. সাক্ষীকে জেরা করা যাবে না
  3. আদালতের আদেশ খারিজ করা যাবে না
  4. পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬৭ বলছে যদি আদালত ভুলভাবে কোনো সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে, তবুও যদি মামলায় এমন যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যার ভিত্তিতে রায় দেওয়া সম্ভব, তাহলে শুধু এই কারণে পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে:
- আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
১,৯০৪.
একজন অ্যাডভোকেট কোনো সনদ প্রার্থীকে শিক্ষানবিশ (Pupil) হিসাবে গ্রহণ করতে ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন?
  1. ৫ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
-অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
-শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
-হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
১,৯০৫.
একজন প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট কারাদন্ড দিতে পারে অনধিক-
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধানঃ (১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ

(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।

♦ ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
১,৯০৬.
দোষ স্বীকার কখন গ্রহণযোগ্য হয় না?
  1. দোষ স্বীকার যদি স্বেচ্ছামূলক হয়
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  3. দোষ স্বীকার যদি কোনো ভীতির কারণে হয়
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
দোষ স্বীকার যদি কোনো ভীতির কারণে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোষ স্বীকার যদি কোনো ভীতির কারণে হয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, 1872 এর ধারা ২৪ এ দেয়া আছে:

"দোষ স্বীকারোক্তি তখনই গ্রহণযোগ্য হইবে না যখন এইরূপ প্রতীয়মান হইবে যে, ইহা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলক আশ্বাস প্রদান করিয়া আদায় করা হইয়াছে।"

অর্থাৎ, যদি দোষ স্বীকার করানোর জন্য কোনো ভীতি দেখানো হয়, বা মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

অন্যদিকে,
যদি দোষ স্বীকার স্বেচ্ছামূলক এবং ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হয় বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশের নিকট হয়, তাহলে সেগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। তবে প্রমাণিত হলে যে স্বীকারোক্তি ভীতি বা প্রতারণার মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে, তখন তা অগ্রহণযোগ্য হবে।
১,৯০৭.
What does Section 43 of the Specific Relief Act primarily deal with?
  1. Effect of declaration
  2. Cause of declaration
  3. Execution of declaration
  4. Conditions of declaration
সঠিক উত্তর:
Effect of declaration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Effect of declaration
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.
------------
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।
১,৯০৮.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮ ধারার মামলার কারণ কখন উদ্ভব হয়? যে দিন-
  1. চেক ইস্যু করা হয়
  2. চেকটি অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে প্রত্যাখ্যাত হয়
  3. চেক দাতা নোটিশ গ্রহণ করেন
  4. চেক দাতার নোটিস প্রাপ্তির পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হয়
সঠিক উত্তর:
চেক দাতার নোটিস প্রাপ্তির পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক দাতার নোটিস প্রাপ্তির পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হয়
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

 উক্ত আইনের ১৩৮ ধারার বিধান মোতাবেক চেক গ্রহীতা বা ধারক চেক ডিজঅনারের বিষয়টি জানার পর ৩০ দিন সময় দিয়ে টাকা পরিশোধের জন্য চেক দাতাকে নোটিশ দিতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতা চেকগ্রহীতাকে চেকে উল্লেখিত টাকা পরিশোধ করতে না পারলে, তার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে চেকগ্রহীতা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।
১,৯০৯.
অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন কী জারি করতে পারে?
  1. রুল
  2. সমন
  3. নোটিশ
  4. ওয়ারেন্ট
সঠিক উত্তর:
নোটিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ – অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ;
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা;
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
১,৯১০.
দণ্ডবিধির ৩১১ ধারা অনুযায়ী, একজন ঠগের (Thug) জন্য সর্বোচ্চ কী শাস্তি নির্ধারিত আছে?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩১১ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি 'ঠগ' (Thug) হিসেবে সাব্যস্ত হন (অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে খুন বা শিশু অপহরণের মাধ্যমে ডাকাতিতে জড়িত থাকেন), তাহলে তার শাস্তি হলো: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অতিরিক্তভাবে অর্থদণ্ড। এই ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড-এর বিধান রয়েছে।
অতএব, সঠিক উত্তর: ঘ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 310: Thug: -Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ The Penal Code, 1860: Section 311:Punishment: - Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
১,৯১১.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক অনুসারে, স্পেশাল মেডিয়েটরদের তালিকা প্রস্তুত করবে-
  1. সরকার
  2. জেলা আদালত
  3. জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা
  4. চীফ লিগ্যাল এড অফিসার
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক: স্পেশাল মেডিয়েটরগণের (Special Mediators) তালিকা:
(১) এই আইনের অধীনে স্পেশাল মেডিয়েটর হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবং মধ্যস্থতা বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে স্পেশাল মেডিয়েটরগণের একটি তালিকা প্রস্তুত করিবে।

⇒ “সংস্থা” অর্থ এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা;

(২) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, উক্ত তালিকা হইতে প্রত্যেক লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্পেশাল মেডিয়েটর নিয়োগ প্রদান করিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরগণ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্মানি বা ফি প্রদান করা হইবে।

১,৯১২.
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কোন পক্ষ নিজে না এসে কোন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত হাজিরা দেয় এবং আইনজীবী যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন, তাহলে আদালত-
  1. আইনজীবীকে জরিমানা করতে পারে
  2. মোকদ্দমার শুনানি মুলতুবি রাখতে পারে
  3. পক্ষকে বাধ্যতামূলকভাবে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১০ বিধি ৪(১,২) অনুসারে,
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কোন পক্ষ নিজে না এসে কোন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত হাজিরা দেয়, সেই ক্ষেত্রে আইনজীবী কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে অক্ষম হলে বা উত্তর দিতে অস্বীকার করলে, আদালত মোকদ্দমার শুনানী মুলতুবি রেখে উক্ত পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারে। উক্ত নির্ধারিত দিনে এমন পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে।

• উল্লেখ্য যে,
আদেশ ১০ এর ৪ বিধির অধীন কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার আদেশ হলো একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
১,৯১৩.
বসতবাড়ি বা অনুরূপ স্থানে চুরি করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
বসতবাড়ি বা অনুরূপ স্থানে চুরি – ধারা ৩৮০ (The Penal Code, 1860):
যে কেউ কোনো ভবন, তাঁবু বা জাহাজে চুরি করে — যা মানুষের বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় — সে ব্যক্তি যেকোনো ধরণের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং তিনি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ারও যোগ্য হবেন।
১,৯১৪.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ১৪ ধারার বিধান বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি-না?
  1. প্রযোজ্য নয় যদি না সেই আইনে প্রযোজ্যতা দেওয়া হয়
  2. প্রযোজ্য যদি সেই আইনে এই ধারার প্রযোজ্যতা বারিত করা না হয়
  3. এটি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা
  4. খ+গ
সঠিক উত্তর:
প্রযোজ্য যদি সেই আইনে এই ধারার প্রযোজ্যতা বারিত করা না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রযোজ্য যদি সেই আইনে এই ধারার প্রযোজ্যতা বারিত করা না হয়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ২৯ ধারায় বলা হয়েছে তামাদি আইনের ৪, ৬-১৮ ধারার বিধান অন্য বিশেষ আইনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য যদি সেই আইনে এই ধারাগুলোর প্রযোজ্যতা কে বারিত না করে।
১,৯১৫.
যে ক্ষেত্রে অপরাধী কারাবাস এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়, কিন্তু অর্থদণ্ড পরিশোধ না করার কারণে আদালত অপরাধীকে যে কারাদণ্ড প্রদান করে তা
  1. সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে
  2. অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে তার যেকোন বর্ণনার
  3. শুধুমাত্র সশ্রম
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦এখানে যেকোন বর্ণনার বলতে সশ্রম বা বিনাশ্রম উভয়কে বোঝানো হয়েছে। ৬৬ ধারা প্রযোজ্য হবে যেক্ষেত্রে অপরাধী কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ডে প্রদানে ব্যর্থ হয়। ৬৭ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং অর্থদণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে কারাবাস বিনাশ্রম হবে। অর্থাৎ ৬৭ ধারা প্রযোজ্য হবে শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে।
১,৯১৬.
দেওয়ানি আদালত কখন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন?
  1. সম্পত্তির বিক্রয়ের পরে
  2. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
  3. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রদানের পরে
  4. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি ১- রিসিভার নিয়োগ:

(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া-
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরূপ ভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।
১,৯১৭.
রেজিস্ট্রেশন আইনে আবশ্যক দলিল রেজিস্ট্রেশন না করার ফলাফল কোনটি?
  1. দত্তক গ্রহনের ক্ষমতা দিবে না
  2. স্থাবর সম্পত্তির অধিকার বর্তাবে
  3. অধিকার সৃষ্টি হয়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দত্তক গ্রহনের ক্ষমতা দিবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দত্তক গ্রহনের ক্ষমতা দিবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯:  নিবন্ধনযোগ্য দলিল নিবন্ধন না হওয়ার ফল।- এই আইনের অধীন বা দলিল নিবন্ধনের বিধান-সংবলিত বা সম্পর্কিত পূর্ববর্তী কোন আইনের অধীন কোন দলিলের নিবন্ধন প্রয়োজন হইলে, যদি উহা নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে-
(ক) উক্ত দলিল স্থাবর সম্পত্তিতে কায়েমি বা সম্ভাব্য কোন অধিকার, স্বত্ব বা স্বার্থ বর্তমানে বা ভবিষ্যতে সৃজন, ঘোষণা, অর্পণ বা সীমিত করিতে বা অবসান ঘটাইতে কার্যকর হইবে না: বা
(খ) উক্ত দলিল দত্তকগ্রহণের কোন ক্ষমতা অর্পণ করিবে না।

- এই আইনের অধীন বা পূর্ববর্তী কোন আইনের অধীন (যথা, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২) বাধ্যতামূলক নিবন্ধীকরণের বিধানসমূহ এই ধারার মাধ্যমে কার্যকর করা হইয়াছে। নিবন্ধিত না হইলে এইরূপ দলিল কার্যকর হয় না এবং উহাতে অন্তর্ভুক্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত বিষয়াদি বাতিল বলিয়া গণ্য হয়।
----
- Section 49. Effect of non-registration of documents required to be registered:
No document required to be registered under this Act or under any earlier law providing for or relating to registration of documents shall- 
(a) operate to create, declare, assign, limit or extinguish, whether in present or in future, any right, title or interest, whether vested or contingent, to or in immoveable property, or 
(b) confer any power to adopt, 
unless it has been registered.
১,৯১৮.
অনাগত (ভবিষ্যতের) ব্যক্তিকে দেওয়া দান ইসলামি আইনে-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. প্রতিদান সাপেক্ষে অনুমোদিত
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা

• মুসলিম আইনে হেবা একটি বিশেষ চুক্তি, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায়, কোনো প্রকার বিনিময় বা প্রতিদান ছাড়া, নিজের সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে। এটি মূলত একটি দান বা উপহার, যা স্থাবর (যেমন জমি, বাড়ি) এবং অস্থাবর (যেমন টাকা, গহনা) – উভয় প্রকার সম্পত্তির ক্ষেত্রেই করা যায়।

একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব);
খ. Acceptance (গ্রহণ);
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)।

দান বৈধ হওয়ার শর্তাবলি:
- দাতাকে সম্পূর্ণ অধিকার ও সক্ষমতার মালিক হতে হবে।
- গ্রহীতাকে অবশ্যই তখন জীবিত এবং বিদ্যমান (in existence) হতে হবে।
- সম্পত্তি অবশ্যই বিদ্যমান, চিহ্নিত এবং হস্তান্তরযোগ্য হতে হবে।
- দাতা থেকে গ্রহীতার কাছে একটি স্পষ্ট প্রস্তাব দিতে হবে এবং গ্রহীতা তা গ্রহণ করতে হবে।
- সম্পত্তির দখল প্রকৃতভাবে গ্রহীতার কাছে স্থানান্তর করতে হবে।

ইসলামী আইনের শর্ত অনুযায়ী,
গ্রহীতাকে অবশ্যই তখন জীবিত থাকতে হবে। অনাগত ব্যক্তি এখনও অস্তিত্ব লাভ করেনি, তাই তাকে কিছু প্রদান করা সম্ভব নয়। যেহেতু অনাগত ব্যক্তি এখনও অস্তিত্ব লাভ করেনি, তাই তার পক্ষে দখল গ্রহণ বা তা ব্যবহার করা সম্ভব নয়। অনাগত ব্যক্তিকে আইনগতভাবে কোনো অধিকার দেওয়া সম্ভব নয়। একারণে ইসলামী আইনে অনাগত ব্যক্তিকে দেওয়া উপহার বাতিল (void) হিসেবে গণ্য হয়। এটি সম্পূর্ণ অকার্যকর এবং এর কোনো আইনি বৈধতা নেই।

১,৯১৯.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ দিতে পারে?
  1. কোন পক্ষের প্রতারণার কারণে;
  2. পক্ষদের পারস্পরিক ভুলের কারণে;
  3. কোন পক্ষের ভুলের কারণে;
  4. উপরোক্ত সব।
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব।
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে।-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুণ কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
♦অর্থাৎ যে সব ক্ষেত্রে আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ মঞ্জুর করে থাকেন তা হলো-
i) প্রতারনা (fraud);
ii) পারষ্পরিক ভুল (mutual mistakes); অথবা
iii) চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ না পেলে।
১,৯২০.
দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে, অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ বা দাঙ্গা দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে বাধা দিলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. এক বছর কারাদণ্ড
  2. দুই বছর কারাদণ্ড
  3. তিন বছর কারাদণ্ড
  4. পাঁচ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ সরকারি কর্মচারীকে অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে, বা দাঙ্গা দমন করতে গিয়ে আক্রমণ করে, বাধা দেয়, বা হুমকি দেয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both.
১,৯২১.
মারামারির অপরাধে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান- মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

১,৯২২.
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায় কোন বয়সসীমার নিচে ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
 যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
১,৯২৩.
ম্যাজিস্ট্রেট একসঙ্গে কত দিনের বেশি আসামীকে রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এমর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

Section 344- Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
১,৯২৪.
সংক্ষিপ্ত বিচারের কোন দণ্ডের ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে না?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই আপিল করা যাবে না
  2. অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
  3. ২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে
  4. সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]

অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 

২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
১,৯২৫.
কোন পক্ষ নিজ সাক্ষীকে একবার পরীক্ষা করার পর কোনো কারণে পূণঃপরীক্ষা (Re-examination) করিতে পারে?
  1. পূর্বের বক্তব্য ভুল শোধরানো
  2. পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ,
  3. কোনো কিছু মিথ্যা প্রমাণ
  4. বিশেষজ্ঞদের মতামতের বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ,
ব্যাখ্যা
⇒  পুনঃজবানবন্দীর সংজ্ঞা (Re-Examination)- জেরার পরে জবানবন্দী গ্রহণকারী পক্ষ পুনরায় যখন জবানবন্দী নেন তখন তাকে পুনঃজবানবন্দী বলে। অর্থাৎ জেরার পর আহবানকারী পক্ষ আবার নিজের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করলে তাকে বলা হয় পুনঃজবানবন্দি বা Re-Examination।

⇒  পুনঃজবানবন্দীর মূল উদ্দেশ্য হবে জেরার উল্লেখিত সাক্ষ্যের ব্যাখ্যা। অর্থাৎ জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করে, পুনঃজবানবন্দীতে সেগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে।  আদালত অনুমতি দিলে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয়ে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা যায়।

⇒ পুনঃ জবানবন্দীর সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে নতুন কোন বিষয়ের অবতারণা করে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা হলে, বিরুদ্ধ পক্ষ অধিকতর জেরা বা Further cross-examination করতে পারে।

⇒  সুতরাং আমরা বলতে পারি, কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করলে তাকে বলা হয় জবানবন্দী, বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে বলা হয় জেরা; অন্যদিকে নিজের সাক্ষীর পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণ করাকে পুনঃজবানবন্দী বলে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম, পুনসাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ: প্রথমে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। অতঃপর (বিরুদ্ধে পক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করা হবে, তৎপর (সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃসাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে।

⇒ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ এবং জেরা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্বন্ধে হতে হবে। তবে সাক্ষী তার জবানবন্দিতে যে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জবানবন্দি দিয়েছেন, সে সকল বিষয়ে কেবলমাত্র জেরা করা চলবে এমন নয়।

⇒ সাক্ষী জেরা প্রসঙ্গে যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দিতে সেগুলোর ব্যাখ্যা চাইতে হবে, যদি পুনঃজবানবন্দি গ্রহণের সময় আদালতের সম্মতি নিয়ে কোন নূতন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে সে সকল বিষয়ে বিরুদ্ধপক্ষ আরো জেরা করতে পারবেন।
--------------
⇒ Order of examinations
Section 138. Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined. 
 
⇒ The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.

⇒ Direction of re-examination

The re-examination shall be directed to the explanation of matters referred to in cross-examination; and, if new matter is, by permission of the Court, introduced in re-examination, the adverse party may further cross-examine upon that matter.
১,৯২৬.
পারিবারিক আদালতে খারিজ হওয়া মোকদ্দমা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আবেদন কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ২১ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ১০(৫) অনুসারে স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে: "বাদী, খারিজ আদেশ প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, আদেশ প্রদানকারী আদালতে উক্ত আদেশ রহিত করিবার জন্য আবেদন করিতে পারিবেন"
- অর্থাৎ, পারিবারিক আদালতে খারিজ হওয়া মোকদ্দমা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আবেদন খারিজ আদেশ প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ১০ পক্ষগণের অনুপস্থিতির ফলাফল:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য ধার্যকৃত তারিখে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাকা হইলে উক্ত সময়ে কোনো পক্ষই উপস্থিত না থাকিলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করিয়া দিতে পারিবে।
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা শুনানির জন্য ডাকা হইলে বাদী উপস্থিত হন, তবে বিবাদী অনুপস্থিত থাকেন, সেইক্ষেত্রে-
(ক) যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদীর প্রতি সমন বা নোটিশ যথাযথভাবে জারি করা হইয়াছে, তাহা হইলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফাভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে;
(খ) যদি সমন বা নোটিশ বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি করা হইয়াছে মর্মে প্রমাণিত না হয়, তাহা হইলে আদালত বিবাদীর উপর নূতনভাবে সমন ও নোটিশ জারি কারিবার আদেশ প্রদান করিবে;
(গ) যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদীর প্রতি সমন বা নোটিশ জারি করা হইয়াছে, তবে তাহার উপস্থিতির জন্য ধার্যকৃত তারিখে তাহাকে উপস্থিত হইয়া জবাব প্রদানের যথেষ্ট সময় দেওয়া হয় নাই, তাহা হইলে আদালত পরবর্তী অনধিক ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে নির্ধারিত কোনো তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি স্থগিত রাখিবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ সম্পর্কে নোটিশ প্রদান করিবে।
(৩) যেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি করিয়া একতরফা শুনানির জন্য ধার্য করে এবং বিবাদী শুনানিকালে বা তৎপূর্বে আদালতে হাজির হইয়া পূর্বে হাজির না হইবার উপযুক্ত কারণ উল্লেখ করে, সেইক্ষেত্রে আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, শর্তসাপেক্ষে বিবাদীকে জবাব দাখিলের সুযোগ প্রদান করিয়া এইরূপে শুনানি করিবে যেন তিনি তাহার হাজির হইবার জন্য ধার্যকৃত দিনেই উপস্থিত হইয়াছেন।
(৪) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা শুনানির জন্য ডাকা হইলে বিবাদী উপস্থিত হন, তবে বাদী অনুপস্থিত থাকেন, সেইক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমা খারিজ করিবে, তবে বিবাদী যদি দাবির সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষ স্বীকার করে, তাহা হইলে বিবাদীর উক্তরূপ স্বীকৃতির উপর আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করিবে এবং যেক্ষেত্রে দাবির অংশবিশেষ স্বীকার করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি ততটুকু খারিজ করিবে যতটুকু দাবির অবশিষ্টাংশের সহিত সম্পর্কিত।
(৫) যেক্ষেত্রে কোনো মোকদ্দমা উপধারা (১) এর অধীন খারিজ করা হয় অথবা উপধারা (৪) এর অধীন সম্পূর্ণ বা আংশিক খারিজ করা হয়, সেইক্ষেত্রে বাদী, খারিজ আদেশ প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, আদেশ প্রদানকারী আদালতে উক্ত আদেশ রহিত করিবার জন্য আবেদন করিতে পারিবেন এবং যদি তিনি আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করিতে সক্ষম হন যে, মোকদ্দমাটি শুনানির সময় তাহার অনুপস্থিতির জন্য যথেষ্ট কারণ ছিল, তাহা হইলে আদালত খারিজ আদেশ রহিত করিয়া একটি আদেশ প্রদান করিবে এবং মোকদ্দমাটি চালাইয়া যাইবার জন্য একটি তারিখ ধার্য করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার খরচ বা অন্য কোনো বিষয়ে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ শর্তে উপধারা (৪) এর অধীন মোকদ্দমার খারিজ আদেশ রহিত করিতে পারিবে :
আরও শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর আবেদনের নোটিশ জারি না করা পর্যন্ত উপধারা (৪) এর অধীন মোকদ্দমার খারিজ আদেশ রহিত করা যাইবে না।
(৬) বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফাভাবে ডিক্রি প্রদান করা হইলে, তিনি ডিক্রি প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে উহা বাতিলের আদেশ দানের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন এবং তিনি যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করিতে সক্ষম হন যে, মোকদ্দমার শুনানির সময় তাহার আদালতে অনুপস্থিত থাকিবার যথেষ্ট কারণ ছিল, তাহা হইলে আদালত খরচ বা অন্য কোনো বিষয়ে যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে, সেইরূপ শর্তে তাহার বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রি বাতিল করিবার আদেশ প্রদান করিবে এবং মোকদ্দমাটি পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ ধার্য করিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি এমন হয় যে, তাহা কেবল উক্ত বিবাদীর বিরুদ্ধেই বাতিল করা যায় না, তাহা হইলে সকল বা অন্য যেকোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রি বাতিল করা যাইবে :
আরও শর্ত থাকে যে, বাদীর উপর আবেদনের নোটিশ জারি না করিয়া এই উপধারার অধীন কোনো আদেশ প্রদান করা যাইবে না।
(৭) Limitation Act, 1908 (Act No. IX of 1908) এর section 5 এর বিধানাবলি উপধারা (৬) এর অধীন আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

১,৯২৭.
বিশেষজ্ঞদের মতামত আদালতের উপর-
  1. বিবেচনামূলক
  2. নির্দেশনামূলক
  3. উপদেশমূলক
  4. বাধ্যকর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত:-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

-------------------
Opinion of Experts:
Section 45.
 When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.

Such persons are called experts.
১,৯২৮.
বিবাদী খ-এর হাতে একটি দলিল আছে, কিন্তু খ উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করেনি। অন্যদিকে বাদী ক উক্ত দলিল আদালতে দাখিলের জন্য খ-কে বললেও সে তা দাখিল করেনি। এই দলিলের বিষয়ে আদালত কী অনুমান করতে পারেন?
  1. দলিলটি বিবাদীর বিরুদ্ধে যাবে
  2. দলিল টি বাদীর অনুকূলে যাবে
  3. দলিলটি বিবাদীর অনুকূলে যাবে
  4. দলিলের বিষয়ে আদালত কোনো অনুমান করতে পারবে না।
সঠিক উত্তর:
দলিলটি বিবাদীর বিরুদ্ধে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি বিবাদীর বিরুদ্ধে যাবে
ব্যাখ্যা
১১৪ ধারার বলা হয়েছে-the Court may presume- that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it;

♦ অর্থাৎ, যে পক্ষ কোনো দলিল দাখিলে বাঁধা দিবে উক্ত দলিল তাঁর বিরুদ্ধে যাবে এইমর্মে অনুমান করা যাবে।
১,৯২৯.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, নিচের কোন বিষয়টি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত নয়?
  1. দেনমোহর
  2. বিবাহ বিচ্ছেদ
  3. দাম্পত্য সম্পত্তি বন্টন
  4. শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান
সঠিক উত্তর:
দাম্পত্য সম্পত্তি বন্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাম্পত্য সম্পত্তি বন্টন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫ অনুযায়ী পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে:
- বিবাহ বিচ্ছেদ (খ)
- দেনমোহর (ক)
- শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান (ঘ)
- দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার
- ভরণপোষণ
যেখানে দাম্পত্য সম্পত্তি বন্টন এই আইনের অধীনে উল্লেখিত নয়, তাই এটি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত নয়।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫ পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা:-
(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

১,৯৩০.
The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হলে দলিলের একটি অংশ বাতিলযোগ্য হলে-
  1. পুরো দলিল বাতিল হবে
  2. দলিলটি বাতিলযোগ্য হবে
  3. দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে
  4. দলিলটির দ্বারা দায় সৃষ্টি হলেও অধিকার সৃষ্টি হবে না
সঠিক উত্তর:
দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৪০ ধারার বিধান যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য: যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।
উদাহরণঃ
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৪১ ধারার বিধান যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা। দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হলে দলিলের একটি অংশ বাতিলযোগ্য হলে দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে।
১,৯৩১.
হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের সাধারণত কত দিনের মধ্যে করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ৯০ দিন।
- রিভিশনের তামাদির মেয়াদ সরাসরি তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ নেই। তবে আদালতের রীতি ও প্রথা অনুযায়ী, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়। 
এ ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সময়সীমা অনুসরণ করা হয়:
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়েরের সময়সীমা: সংশ্লিষ্ট আদেশ বা রায় পাওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজ আদালতে রিভিশন দায়েরের সময়সীমা: সংশ্লিষ্ট আদেশ বা রায় পাওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।
১,৯৩২.
‘E’ একটি বই বিক্রি করে, যাতে Z-এর সম্পর্কে মানহানিকর বিষয় রয়েছে, এবং তিনি জানেন যে এটি মানহানিকর। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫০২ অনুসারে, যে কেউ জেনেশুনে মানহানিকর বিষয় সম্বলিত কোনো মুদ্রিত বা খোদিত উপাদান বিক্রি করে বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, সে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘E’ জেনেশুনে Z-এর সম্পর্কে মানহানিকর বিষয় সম্বলিত একটি বই বিক্রি করেছে, যা ধারা ৫০২-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য।

অর্থাৎ ‘E’-এর কাজ ধারা ৫০২-এর অধীনে মানহানিকর বিষয় বিক্রি হিসেবে গণ্য, এবং সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছরের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৫০২ ধারা – মানহানিকর বিষয়সম্বলিত মুদ্রিত বা খোদিত বস্তু বিক্রয়:
যে ব্যক্তি জানে যে কোনো মুদ্রিত বা খোদিত বস্তুতে মানহানিকর বিষয় রয়েছে এবং সে সেই বস্তু বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, তাকে দুই বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 502-Sale of printed or engraved substance containing defamatory matter:
- Whoever sells or offers for sale any printed or engraved substance containing defamatory matter, knowing that it contains such matter, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৯৩৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে, একটি স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় প্রদত্ত হলে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদিও পূর্বে তা প্ররোচনার মাধ্যমে আদায় করা হয়েছিল?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. ধারা ২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৮ অনুযায়ী, “If such a confession as is referred to in section 24 is made after the impression caused by any such inducement, threat or promise has, in the opinion of the Court, been fully removed, it is relevant.”
অর্থাৎ, যদি আদালতের মতামতে ধারা ২৪-এর অধীনে দেওয়া কোনো স্বীকারোক্তির ক্ষেত্রে প্ররোচনা, ভয়, বা প্রতিশ্রুতির প্রভাব সম্পূর্ণরূপে দূর হয়ে যায়, এবং পরে আসামি স্বতঃস্ফূর্তভাবে (স্বেচ্ছায়) সেই স্বীকারোক্তি দেয়, তাহলে সেটি প্রাসঙ্গিক ও গ্রহণযোগ্য হবে।
- ধারা ২৪ বলছে, যদি কোনো স্বীকারোক্তি কোনো কর্তৃপক্ষের (যেমন পুলিশ) প্ররোচনা, ভয় দেখানো, বা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার মাধ্যমে আদায় করা হয়, এবং তা আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নয়।
- ধারা ২৮ বলছে, যদি আদালতের মতে সেই প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির প্রভাব সম্পূর্ণরূপে দূর হয় এবং আসামি পরে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি প্রদান করে, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক (relevant) হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৮ বলছে, অর্থাৎ,যদি কোনো স্বীকারোক্তি প্রথমে ভয়, প্ররোচনা বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হয়ে থাকে এবং পরে আদালতের মতে সেই ভয় বা প্ররোচনার প্রভাব সম্পূর্ণভাবে দূর হয়, এবং আসামি পরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বীকারোক্তি দেয় — তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য (relevant) হতে পারে।
১,৯৩৪.
রায়ের পূর্বে ক্রোকের আবেদন আদালত প্রত্যাখ্যান করলে সংক্ষুদ্ধ বাদীর প্রতিকার হতে পারে-
  1. কোন প্রতিকার নাই
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. আপীল
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ হলো আপীলযোগ্য আদেশ, তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু রায়ের পূর্বে ক্রোকের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে প্রদত্ত আদেশ আপীলযোগ্য না। তাই এই ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
১,৯৩৫.
কোন মামলায় যে কোন পক্ষে একজনের অধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, মামলা পরিচালনার অধিকার থাকবে-
  1. অ্যাডভোকেট যিনি পক্ষ কর্তৃক মনোনীত
  2. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
  3. অ্যাডভোকেট যিনি সর্বপ্রথম নিযুক্ত
  4. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যে কোন একজন
সঠিক উত্তর:
নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette]  ১ম অধ্যায় আইনজীবীদের পারস্পরিক আচরণ[Conduct with regard to other Advocates] বিধি ১১ এর বিধান যদি কোন মামলায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে অধিকার বলে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উক্ত মামলা পরিচালনা করবে এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী তাকে সহযোগিতা করবে।
অর্থাৎ কোন মামলায় একপক্ষে একাধিক আইনজীবী নিয়োজিত হলে, সেই ক্ষেত্রে জৈাষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবে।
---------------------
Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.
১,৯৩৬.
‘D’, ‘Z’-এর চাকর হিসেবে কাজ করত, এবং ‘Z’-এর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি (টাকা ও আসবাব) অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারের জন্য নিয়ে নেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৪ অনুসারে, যে কেউ জেনেশুনে মৃত ব্যক্তির অধিকারে থাকা সম্পত্তি, যা মৃত্যুর সময় তার অধিকারে ছিল এবং পরবর্তীতে কোনো বৈধ অধিকারীর অধিকারে আসেনি, অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারের জন্য রূপান্তর করে, সে অপরাধমূলক সম্পত্তি অপচয়ের জন্য দায়ী। এই অপরাধের শাস্তি সাধারণত ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, যদি অপরাধী মৃত ব্যক্তির চাকর বা ক্লার্ক হয়, তবে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে। এখানে, ‘D’ ‘Z’-এর চাকর ছিল এবং ‘Z’-এর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়েছে, তাই ধারা ৪০৪-এর অধীনে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘D’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৪ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section 404. Dishonestly misappropriation of property possessed by deceased person at the time of his death:
Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use property, knowing that such property was in the possession of a deceased person at the time of that person's decease and has not since been in the possession of any person legally entitled to such possession, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years and shall also be liable to fine; and if the offender at the time of such person's decease was employed by him as a clerk or servant, the imprisonment may extend to seven years. 

Illustration:
Z dies in possession of furniture and money. His servant A, before the money comes into possession of any person entitled to such possession dishonestly misappropriates it. A has committed the offence defined in this section.

১,৯৩৭.
ডিক্রি রদের আবেদন সম্পর্কে _______ নোটিশ জারি করা না হলে, উক্ত আবেদনক্রমে ডিক্রি রদ করা যাবে না।
  1. আদালতকে
  2. উভয় পক্ষকে
  3. অপর পক্ষকে
  4. উল্লেখিত সকলকে
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষকে
ব্যাখ্যা
অপর পক্ষকে নোটিশ প্রদান না করে কোন ডিক্রি রদ করা যাবে না।
[No decree to be set aside without notice to opposite party]

আদেশ ৯ বিধি ১৪ অনুযায়ী-
ডিক্রি রদের আবেদন সম্পর্কে অপর পক্ষকে নোটিশ জারি করা না হলে্‌ উক্ত আবেদনক্রমে ডিক্রি রদ করা যাবে না।
[No decree shall be set aside on any such application as aforesaid unless notice thereof has been served on the opposite party.]
১,৯৩৮.
'ক' খ-এর পকেট থেকে মানিব্যাগ ছিনতাই করার সময় খ-কে ছুরিকাঘাতের ভয় দেখায়। দণ্ডবিধি অনুসারে ক-এর অপরাধ কী?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. অপহরণ
  4. অপরাধমূলক আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত পরিস্থিতিতে, 'ক' খ-এর পকেট থেকে মানিব্যাগ ছিনতাই (snatching) করার সময় খ-কে ছুরিকাঘাতের ভয় দেখিয়েছে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৯০ অনুসারে, এটি দস্যুতা (Robbery) হিসেবে গণ্য হয়, কারণ চুরি (theft) করার সময় অপরাধী ইচ্ছাকৃতভাবে আশু আঘাত বা মৃত্যুর ভয় দেখিয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
- Explanation. -The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.

১,৯৩৯.
নিম্নোক্ত কোন ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ করতে পারে না?
  1. হিসাব সংশোধনের জন্য
  2. হিসাব সমন্বয় করা জন্য
  3. স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
  4. স্থানীয় তদন্তের জন্য
সঠিক উত্তর:
হিসাব সংশোধনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিসাব সংশোধনের জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।

অর্থাৎ হিসাব সংশোধনের জন্য আদালত কমিশন নিয়োগ করতে পারে না। 
-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
১,৯৪০.
আলম ও রানা একটি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তি করেছেন। চুক্তি লঙ্ঘনের কারণে রানা ক্ষতিপূরণের মামলা করতে চায়। এই ক্ষেত্রে মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত না হলে, চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর এবং

অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হলে, উক্ত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর হবে।

অপরদিকে,
অনুচ্ছেদ ১১৩ এবং ১১৪ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মামলা এবং চুক্তি প্রত্যাহার/রদের মামলা তামাদির মেয়াদ ১ বছর।

১,৯৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৫৮ ধারার বিষয়বস্তু কি?
  1. গ্রেফতার ও আটক
  2. আটক ও মুক্তি
  3. খোরপোষ ভাতা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
আটক ও মুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটক ও মুক্তি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮  আইনের  ৫৮ ধারা অনুযায়ী কোন দেনাদারকে আটক ও মুক্তির বিষয়ে বলা হয়েছে।
• ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের জন্য ৬ মাস এবং ৫০ টাকার কম পরিশোধের জন্য  ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে ।
• তবে দেনাদার অর্থ পরিশোধ করলে তাকে মুক্তি দিবেন।
১,৯৪২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় মারামারির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪৭
  3. ধারা ১৫৯
  4. ধারা ১৬০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৫৯-এ বলা হয়েছে: “যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে ও শান্তিভঙ্গ ঘটায়, তখন বলা হয় যে তারা ‘মারামারি’ করেছে (commit an affray)।”

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১,৯৪৩.
নিচের কোনটি পুলিশ ডায়েরি এর ব্যবহার নয়?
  1. ফৌজদারি আদালতে পুলিশ ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  2. ফৌজদারি আদালত অনুসন্ধান বা বিচারের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে পুলিশ ডায়েরি তলব করতে পারে।
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুযায়ী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে।
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারা অনুযায়ী জেরায় ব্যবহার করা যাবে।
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালতে পুলিশ ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালতে পুলিশ ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭২(২) মোতাবেক যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশ ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে পারেন এবং এই ডায়েরি সংশ্লিষ্ট মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ হিসাবে নয়, তবে মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের সহায়ক হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।

• আদালত কেবল এই ডায়েরি দেখেছেন বা এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন বলেই আসমী বা তার প্রতিনিধি তাচেয়ে পাঠাবার বা দেখার অধিকারী হবেন না; তবে এই ডায়েরি প্রণয়নকারী পুলিশ অফিসার যদি তার স্মৃতি সজীব করার জন্য ব্যবহার করেন, অথবা আদালত যদি উক্ত অফিসারের বিরোধিতা করার জন্য উহা ব্যবহার করেন, তাহলে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা বা ১৪৫ ধারা, যেখানে যেরূপ প্রযোজ্য হবে।
১,৯৪৪.
পুলিশ কর্মকর্তা 'Police Diary' তে কী লিপিবদ্ধ করে থাকেন?
  1. জামিননামার শর্তসমূহ
  2. তদন্ত কার্যক্রমের তথ্য
  3. বিচারিক কার্যক্রমের তথ্য
  4. পক্ষদ্বয়ের পারিবারিক তথ্য
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কার্যক্রমের তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কার্যক্রমের তথ্য
ব্যাখ্যা
• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী । ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
 
• ১৭২ ধারায় বলা হয়েছে,
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবে এবং কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।
 
• পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।
 
• এখানে উল্লেখ্য যে, আসামী বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
১,৯৪৫.
৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
  3. আসামীর সম্মতি
  4. আইনজীবীর অনুমতি
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
- ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
- ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
১,৯৪৬.
আদেশপত্র [Precept] এর অধীন কোন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ _____ মাসের বেশি বলবৎ থাকবে না।
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।
• ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
---------
• Section 46. Precepts:
(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept. 

(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree: 
 
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.
১,৯৪৭.
'আদালত সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩৫০
  2. ধারা ৩৫১
  3. ধারা ৩৫২
  4. ধারা ৩৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
১,৯৪৮.
নিম্নের কোন বিষয়টি 'Shall Presume' এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Presumption as to documents thirty years old
  2. Presumption as to digital records five years old
  3. Presumption as to Digital Signature Certificates
  4. Presumption as to physical or forensic evidence
সঠিক উত্তর:
Presumption as to Digital Signature Certificates
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presumption as to Digital Signature Certificates
ব্যাখ্যা
⇒ Section 85C Presumption as to Digital Signature Certificates (ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান) (Shall Presume) 

⇒ Section 89A Presumption as to physical or forensic evidence (শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসাবে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90 Presumption as to documents thirty years old (৩০ বছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90A Presumption as to digital records five years old (May Presume) পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান) (May Presume)

-----------
⇒ Presumption as to Digital Signature Certificates
Section 85C. The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.]
⇒ Presumption as to physical or forensic evidence:
Section 89A. The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.
⇒ Presumption as to documents thirty years old:
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81. 
 
⇒ Presumption as to digital records five years old:
Section 90A. Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

⇒ Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
১,৯৪৯.
নিচের কোন ধারায় বলা হয়েছে, “একটি দলিল যদি একাধিক অংশে সম্পাদিত হয়, তবে প্রতিটি অংশই প্রাথমিক সাক্ষ্য”?
  1. ধারা ৬১
  2. ধারা ৬২
  3. ধারা ৬৫
  4. ধারা ৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬২
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬২-এ প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই ধারার Explanation-1 অনুযায়ী: “Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document.”
অর্থাৎ, যখন একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত হয় (যেমন: চুক্তির প্রতিলিপি দুই পক্ষের জন্য করা হয়), তখন প্রতিটি অংশই মূল দলিলের মতো প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
- এটাই ধারা ৬২-এর মূল ব্যাখ্যার অংশ।
তাই সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৬২। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে প্রাথমিক/মুখ্য সাক্ষ্য: প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।
ব্যাখ্যা-১ কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য: কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।
ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথা: মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য, কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল , সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 62- Primary evidence: Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court.
Explanation 1.- Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document.
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it.
Explanation 2.- Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original.
Illustration
A person is shown to have been in possession of a number of placards, all printed at one time prove one original. Any one of the placards is primary evidence of the contents of any other, but no one of them is primary evidence of the contents of the original.
১,৯৫০.
গাজীপুরে অবস্থিত একটি কারখানার একজন শ্রমিককে তার পাওনা মজুরি থেকে বঞ্চিত করলে, উক্ত শ্রমিক তামাদি আইনের বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ কতদিনের ভেতরে মজুরি আদায়ের জন্য মোকদ্দমা করতে পারবেন?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৭ অনুসারে,
গৃহ-ভৃত্য, কারিগর বা শ্রমিকের মজুরী বকেয়া হলে তার মামলা করার সময়সীমা হলো ১ বছর।

⇒ অর্থাৎ, শ্রমিকের মজুরী যে তারিখে বকেয়া হবে সেই তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে তাকে মামলা করতে হবে।
১,৯৫১.
What type of information is not assumed to be correct in a Digital Signature Certificate?
  1. Date of issue
  2. Verified subscriber information
  3. Information about the certificate authority
  4. Subscriber information that has not been verified
সঠিক উত্তর:
Subscriber information that has not been verified
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Subscriber information that has not been verified
ব্যাখ্যা
⇒ Section 85C- Presumption as to Digital Signature Certificates:
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.

সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
১,৯৫২.
Limitation Act, 1908- এর অনুচ্ছেদ ১০ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. Right to sue
  2. Right of damage
  3. Right of Pre-emption
  4. Right to adverse possession
সঠিক উত্তর:
Right of Pre-emption
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Right of Pre-emption
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১০ অনুচ্ছেদ- অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) প্রয়োগের জন্য,
যেই অধিকার আইন, প্রথা/রেওয়াজ, অথবা বিশেষ চুক্তি-র উপর ভিত্তি করেই হোক না কেন –
তামাদি মেয়াদ: এক (১) বছর।

সময়সীমা গণনার শুরু:
- যেদিন বিক্রেতার কাছ থেকে সম্পত্তির দখল (physical possession) ক্রেতা গ্রহণ করে, অথবা,
- যদি বিক্রিত সম্পত্তির প্রকৃতি এমন হয় যে তার শারীরিক দখল সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল নিবন্ধিত হওয়ার দিন থেকে সময় গণনা শুরু হবে।
১,৯৫৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির শপথ বাক্য পাঠ করানোর দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী:
→ স্পিকার রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
→ রাষ্ট্রপতি স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
→ রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
→ স্পিকার সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
→ রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

১,৯৫৪.
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে বাদী এই ক্ষেত্রে-
  1. মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে পারবে না
  2. পুনরায় যেদিন আদালত খুলবে তার ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করবে
  3. পুনরায় যেদিন আদালত খুলবে ঐদিন দায়ের করবে
  4. নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে
সঠিক উত্তর:
পুনরায় যেদিন আদালত খুলবে ঐদিন দায়ের করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরায় যেদিন আদালত খুলবে ঐদিন দায়ের করবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৪ ধারার বিধান: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়: যেইক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয় সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।
-----------------
⇒ Section-4. Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
১,৯৫৫.
তামাদি আইনের সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১২ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ১২০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের আইনি কার্যক্রমের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা বা তামাদির মেয়াদ ভিন্ন ভিন্ন হয়। এই মেয়াদগুলি প্রথম তফসিলের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।
→ সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ: অনুচ্ছেদ ১৪৭ থেকে ১৪৯ এ বন্ধক (mortgage) সংক্রান্ত মামলা ও অন্যান্য নির্দিষ্ট সিভিল দাবির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ ৬০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

 উদাহরণ:
- যদি কেউ কোনো স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক দিয়ে থাকে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা ফেরত না পায়, তাহলে সে ৬০ বছরের মধ্যে আদালতে মামলা করতে পারবে।
১,৯৫৬.
মামলা চলাকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত রিসিভারের দায়দায়িত্ব নিয়ন্ত্রিত হয় ________ দ্বারা।
  1. The direction of the court
  2. The Limitation Act, 1908
  3. The Specific Relief Act, 1877
  4. The Code of Civil Procedure,1908
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure,1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure,1908
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, রিসিভার নিয়োগের বিষয়টি আদালতের বিবেচনাধীন। তবে রিসিভারের নিয়োগের ধরন, তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া আছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
অতএব,মামলা চলাকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত রিসিভারের দায়দায়িত্ব এবং কর্তব্য The Code of Civil Procedure, 1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
বিশেষ করে, দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশ (Order 40) তে রিসিভারের নিয়োগ, তার ক্ষমতা, অধিকার এবং দায়দায়িত্বের বিষয়ে বিস্তারিত বিধান রয়েছে।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
১,৯৫৭.
"It is the judges who are the guardians of justice in this land" -উক্তিটি কার?
  1. Charles Dickens
  2. Lord Diplock
  3. Lord Denning (M.R)
  4. Lord Byron
সঠিক উত্তর:
Lord Denning (M.R)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Denning (M.R)
ব্যাখ্যা
'It is the judges who are the guardians justice in this land' - উক্তিটি  Lord Denning (M.R) - এর।

- Lord Denning was a British barrister and judge.
১,৯৫৮.
ক একটি বক্স থেকে সোনা চুরির উদ্দেশ্যে বক্সটি ভেঙ্গে দেখলো বক্সটি খালি। ক-এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য।
  1. ক কোনো অপরাধ করেনি
  2. ক চুরির অপরাধ করেছে
  3. ক চুরির প্রচেষ্টার অপরাধ করেছে
  4. ক চুরির প্রস্তুতির অপরাধ করেছে
সঠিক উত্তর:
ক চুরির প্রচেষ্টার অপরাধ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক চুরির প্রচেষ্টার অপরাধ করেছে
ব্যাখ্যা
♦ আলোচ্য সমস্যাতে ক চুরির চেষ্টা বা attempt to commit theft করেছে।  পেনাল কোড-এর ৫১১ ধারার (a) নং উদাহরণ দ্রষ্টব্য।
১,৯৫৯.
পারিবারিক আদালত কর্তৃক আরজি খারিজের কারণ নয় কোনটি?
  1. সমন জারির খরচা না দেওয়া
  2. তফসিলসহ আরজির অবিকল নকল দাখিল না করা
  3. কোর্ট ফি পরিশোধ না করা
  4. প্রতিকারের মূল্যায়ন উল্লেখ না করা
সঠিক উত্তর:
প্রতিকারের মূল্যায়ন উল্লেখ না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিকারের মূল্যায়ন উল্লেখ না করা
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালতে আইন, ২০২৩ এর ৬ ধারার উপ ধারা (৮) এ আরজি খারিজের কারণসমূহ উল্লেখ আছে।
উক্ত ধারা মতে,নিম্নলিখিত যেকোনো কারণে আরজি খারিজ হইবে, যথা:-
(ক) উপধারা (৭) এর অধীন আবশ্যকতা অনুসারে তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ আরজির অবিকল নকলসমূহ উহার সহিত সংযুক্ত না থাকে;
(খ) ধারা ৭ এর উপধারা (৫) অনুযায়ী সমন জারির খরচ এবং নোটিশের জন্য ডাক খরচ পরিশোধিত না হয়;
(গ) আরজি উপস্থাপনের সময় ধারা ২৫ অনুযায়ী প্রদেয় ফি পরিশোধ করা না হয়।

তাহলে দেখা যাচ্ছে, উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে ‘প্রতিকারের মূল্যায়ন উল্লেখ না করা’ পারিবারিক আদালত কর্তৃক আরজি খারিজের কারণ নয়।
১,৯৬০.
X একটি গুদামে স্টোর কিপারের দায়িত্বে আছে। Y-এর কিছু পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার জন্য X কে দায়িত্ব দেওয়া হলো। পণ্যগুলো X এর দখল হতে জনৈক B গ্রহণ করলে X উক্ত পন্যগুলো ফেরত পাবার জন্য B এর বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা করবে?
  1. ৮ ধারায়
  2. ৯ ধারায়
  3. ১০ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• X উক্ত পন্যের জিম্মাদার হওয়ায় উক্ত  পণ্যের বর্তমান দখলের অধিকারী, সে পণ্যের মালিক না হলেও পণ্যটি দখলে রাখার বিশেষ অধিকার রাখে।
• তাই উক্ত পণ্য উদ্ধার করার জন্য X সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় B এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে।
১,৯৬১.
ধারা ২৬৪ক অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচার (summary trial)-এ কোনটি এক সেশনে করা যেতে পারে?
  1. চার্জ গঠন
  2. সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ
  3. রায় ঘোষণা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

ধারা ২৬৪ক – সংক্ষিপ্ত বিচার: বিশেষ প্রক্রিয়া (Special Procedure for Summary Trials)
সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত মামলায়, আদালতের এখতিয়ারাধীন যেকোনো স্থানে এবং যদি তা সম্ভব হয়, তখন নিম্নলিখিত কার্যক্রমগুলো একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে:
- অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ প্রবর্তন (Framing of charges);
- সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ (Recording of evidence);
- অভিযুক্তের পরীক্ষা (Examination of the accused);
- রায় ঘোষণা (Pronouncement of judgment).

১,৯৬২.
ধারা ৫৩ঘ অনুযায়ী বন্ধককৃত স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করতে হলে কী লাগবে?
  1. সরকারের অনুমতি
  2. আদালতের আদেশ
  3. বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি
  4. দাতা ও গ্রহীতার মৌখিক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩ঘ: বন্ধককৃত স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না-
বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি ব্যতীত নিবন্ধনকৃত বন্ধকী সম্পত্তিকে পুনরায় বন্ধক করা যাবে না অথবা বিক্রয় করা যাবে না, এবং অন্যথায় যে কোন পুনঃবন্ধক বা বিক্রয় বাতিল হবে।

Section 53D: Immoveable Property under mortgage not to be transferred-
No immoveable property under registered mortgage shall be re-mortgaged or sold without the written consent of the mortgagee, and any re-mortgage or sale made otherwise shall be void.
১,৯৬৩.
কোন ব্যক্তিকে _______ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়।
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২০
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
-The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা: 
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত
----------
Section 320. Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
১,৯৬৪.
‘ক' ' খ ' কে খুন করার জন্য ‘গ’ -কে প্ররোচিত করে । গ কাজটি করতে অস্বীকার করে। এই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন বক্তব্যটি সত্য?
  1. যেহেতু খুন সংঘটিত হয়নি, তাই ক প্ররোচনার এর জন্য দোষী হবে না
  2. ক এবং খ উভয় অপরাধজনক ষড়যন্ত্রের জন্য দায়ী হবে
  3. যদিও গ কাজটি অস্বীকার করেছে, তবুও ক প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
  4. ক এবং গ এর সমান শাস্তি হবে
সঠিক উত্তর:
যদিও গ কাজটি অস্বীকার করেছে, তবুও ক প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদিও গ কাজটি অস্বীকার করেছে, তবুও ক প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ১০৮, ব্যাখ্যা ২ অনুযায়ী,  যে অপরাধটি সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে তা না হলেও প্ররোচিত করার জন্য প্ররোচনাকারী [Abettor ] দোষী সাব্যস্ত হবে।
♦ তাই গ কাজটি করতে অস্বীকার করলেও ক খুন করার প্ররোচনার জন্য শাস্তি পাবে। যেহেতু গ কাজটি করেনি, তাই সে দায়ী হবে না।
১,৯৬৫.
তামাদি আইনের ৪ ধারার শিরোনামের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. আদালত খোলা থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়
  2. আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ শুরু হয়
  3. আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়
  4. আদালত খোলা থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ শুরু হয়
সঠিক উত্তর:
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়:
যেক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।

Section 4- Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
১,৯৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-26, Rule-17(1) অনুসারে কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের জন্য কোন বিষয়গুলো প্রযোজ্য?
  1. সাক্ষীদের হাজিরা, জবানবন্দি গ্রহণ এবং দলিল উপস্থাপন
  2. সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর দণ্ড আরোপ
  3. কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-১৭(১) অনুযায়ী, কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের হাজিরা, জবানবন্দি গ্রহণ, দলিল উপস্থাপন, সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান এবং সাক্ষীর উপর দণ্ড আরোপ সংক্রান্ত বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে এবং কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীর হাজিরা ও জবানবন্দি প্রদান:
(১) সাক্ষীদের সমন প্রদান, হাজিরা এবং জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীর পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর দণ্ড আরোপ সংক্রান্ত অত্র কোডের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক, না কেন, উক্ত কমিশন কর্তৃক অত্র আদেশ অনুসারে সাক্ষ্য দানের জন্য বা দলিল উপস্থিত করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, এবং অত্র বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসাবে গণ্য করা হবে।
(২) যে আদালতের স্থানীয় সীমানার ভিতর কোন সাক্ষী বসবাস করে, তিনে প্রয়োজনীয়তা খুঁজিয়া পেলে সে সাক্ষীর প্রতি বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগ নহে) কমিশনার আবেদন করতে পারেন, এবং উক্ত আদালত ইচ্ছা করলে যুক্তিসংগত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারেন।
---------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-26, Rule-17. Attendance and Examination of Witnesses before Commissioner:
(1) The provisions of this Code relating to the summoning, attendance and examination of witnesses, and to the remuneration of, and penalties to be imposed upon, witnesses, shall apply to persons required to give evidence or to produce documents under this order whether the commission in execution of which they are so required has been issued by a Court situate within or by a Court situate beyond the limits of Bangladesh, and for the purposes of this rule the commissioner shall be deemed to be a Civil Court.
(2) A Commissioner may apply to any Court (not being the High Court Division) within the local limits of whose jurisdiction a witness resides for the issue of any process which he may find it necessary to issue to or against such witness, and such Court may, in its discretion, issue such process as it considers reasonable and proper.
১,৯৬৭.
দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কোর্ট ফি কখন পরিশোধ করতে হবে?
  1. মামলা শেষ হওয়ার পর
  2. আরজি দাখিল করার সময়
  3. পরোয়ানা জারি করার পর
  4. মামলার শুনানির সময়
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিল করার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিল করার সময়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
১,৯৬৮.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তি কার পক্ষে মামলা দায়ের করেন?
  1. কেবল নিজের পক্ষে
  2. শুধু আদালতের পক্ষে
  3. নিজের এবং আদালতের পক্ষে
  4. নিজের এবং অন্য সকলের পক্ষে
সঠিক উত্তর:
নিজের এবং অন্য সকলের পক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের এবং অন্য সকলের পক্ষে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১,৯৬৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৪ ধারা অনুসারে কয়টি ক্ষেত্রে রিসিভার নিয়োগ দেওয়া যাবে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালত ২টি ক্ষেত্রে রিসিভার/ তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ দিতে পারে (সম্পত্তি সংরক্ষনের জন্য, ডিক্রী জারির জন্য)।
• রিসিভারের দায় দায়িত্ব ও অধিকার CPC অনুসারে নিয়ন্ত্রিত হয়।
১,৯৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব কী?
  1. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা
  2. ষড়যন্ত্রকারীকে গ্রেফতার করা
  3. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আদালতকে অবহিত করা
  4. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে উপরস্থ কর্মকর্তাকে অবহিত করা
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্র সম্পর্কে উপরস্থ কর্মকর্তাকে অবহিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্র সম্পর্কে উপরস্থ কর্মকর্তাকে অবহিত করা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান- অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ:
কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ পেলে তিনি তাঁর উপরস্থ কোন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এরূপ কোন অপরাধ নিবারণ করা বা আমলে আনা যে কর্মকর্তার কর্তব্য সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।

Section 150- Information of design to commit such offences:
Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.
১,৯৭১.
বাংলাদেশের সংবিধান কত তারিখে গৃহীত হয়?
  1. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
১,৯৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার অধীনে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত হচ্ছে-
  1. দায়রা আদালত ও জেলা আদালত
  2. জেলা আদালত ও হাইকোর্ট
  3. সুপ্রীম কোর্ট ও জেলা আদালত
  4. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

৬ ধারা:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
১,৯৭৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় ডিক্রী জারি সম্পর্কিত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৩৫ ধারা
  2. ৩৭ ধারা
  3. ৩৮ ধারা
  4. ৪০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ডিক্রি জারি করা যাবে: ১) যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত দ্বারা, অথবা ২) যে আদালতে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়েছে, সেই আদালত দ্বারা।
অর্থাৎ, ডিক্রি কার্যকর বা জারি করার ক্ষেত্রে এই ধারা নির্দেশিকা প্রদান করে যে, ডিক্রি প্রেরিত বা মূল আদালত উভয়ই ডিক্রি জারি করতে পারে। এটি ডিক্রি জারি সম্পর্কিত মূল বিধান।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী জারি অর্থ আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন ডিক্রী বা আদেশ বলবৎ করা যেন ডিক্রীদার ডিক্রীর ফল ভোগ করবে। দুটি আদালত ডিক্রী জারী করবে।
১) যে আদালত ডিক্রী জারী করেছে সে আদালত
২) যে আদালতে ডিক্রী জারী করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সে আদালত।

- আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন: ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।
- ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি ডিক্রি জারিকারক আদালতই নিষ্পত্তি করবে।
- ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই ডিক্রি জারি করবে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 38. Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.

১,৯৭৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার বিধান রয়েছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩২ ধারা 
  3. ৩৩ ধারা
  4. ৩৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।
উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।
------------------
Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.

১,৯৭৫.
বার কাউন্সিলের 'ত্রাণ তহবিল' এর গঠন বিষয়ক বিধান রয়েছে The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর-
  1. ১০ অনুচ্ছেদে
  2. ১৫ অনুচ্ছেদে
  3. ১৭ অনুচ্ছেদে
  4. ১৯ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর অনুচ্ছেদ ১৫:
(১) যখন প্রয়োজন হবে, বার কাউন্সিল কোনো বিপদগ্রস্ত অ্যাডভোকেট, তার পরিবার ও নির্ভরশীলদের সাহায্যার্থে, অথবা যুদ্ধবিধ্বস্ত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বার অ্যাসোসিয়েশনসমূহকে সহায়তা প্রদানের জন্য একটি ত্রাণ তহবিল গঠন করতে পারবে।

(২) ধারা (১)-এর অধীনে গঠিত ত্রাণ তহবিল নিম্নলিখিত উৎস থেকে গঠিত হতে পারে:
(ক) বার কাউন্সিলের অন্য কোনো তহবিল থেকে স্থানান্তরিত অর্থ;
(খ) সরকারের অনুদান;
(গ) অ্যাডভোকেটদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অনুদান বা চাঁদা;
(ঘ) জনসাধারণ, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত দান।

(৩) ত্রাণ তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান নিম্নোক্তভাবে হতে পারে:
- ঋণ প্রদান,
- ঋণ পরিশোধের জন্য গ্যারান্টি,
- এককালীন অনুদান,
- পণ্য/উপকরণ ক্রয় ও বিতরণ।

(৪) এই অনুচ্ছেদের অধীনে যেভাবে এবং যেসব শর্তে সহায়তা প্রদান করা হবে, তা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত হবে।
১,৯৭৬.
Under Criminal Procedure Code, 1898 what is the period of limitation prescribed for taking cognizance of an offence which is punishable with imprisonment for a term exceeding 3 years?
  1. 2 years
  2. 3 years
  3. 5 years
  4. No limit of period prescribed
সঠিক উত্তর:
No limit of period prescribed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No limit of period prescribed
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) No limit of period prescribed.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী ফৌজদারি (Criminal) মামলার জন্য সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা তামাদি মেয়াদ (limitation period) নির্ধারিত নেই।
অর্থাৎ, যদি অপরাধের শাস্তি ৩ বছরের বেশি কারাদণ্ডযোগ্য হয়, আদালত যে কোনো সময় সেই অপরাধের বিচার শুরু করতে পারে।
কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করে, তবে যতদিন পর্যন্ত অপরাধের বিষয়ে মামলা দায়ের না হয়, ততদিনও মামলা করা যেতে পারে,
যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত মনে করে ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলা গ্রহণযোগ্য।

- এছাড়াও, তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908) মূলত দেওয়ানি (Civil) মামলার জন্য প্রযোজ্য। এটি মূলত দেওয়ানি (Civil) মামলা বা বৈধ দাবির জন্য প্রযোজ্য। ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত এই আইন প্রযোজ্য নয়।

উল্লেখ্য, ফৌজদারী কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, CrPC) অনুসারে, কোনো ফৌজদারী ঘটনার (অপরাধ) প্রথম তথ্য প্রতিবেদন (First Information Report, FIR) দায়ের করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। অর্থাৎ, কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি, প্রত্যক্ষদর্শী বা সংশ্লিষ্ট কেউ ঘটনার পর যেকোনো সময় থানায় গিয়ে FIR দায়ের করতে পারেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী ৩ বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা নেই। আদালত ন্যায়ের স্বার্থে যে কোনো সময় cognizance নিতে পারে।

১,৯৭৭.
'Rule of Harmonious Construction' এর উদ্দেশ্য কী?
  1. পরস্পর বিরোধী বিধান বাতিল করা
  2. বিরোধী বিধানগুলো উপেক্ষা করা
  3. একটিকে বাতিল করা এবং অন্যটিকে কার্যকর করা
  4. পরস্পর বিরোধী বিধানগুলোকে একসাথে কার্যকর করা
সঠিক উত্তর:
পরস্পর বিরোধী বিধানগুলোকে একসাথে কার্যকর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরস্পর বিরোধী বিধানগুলোকে একসাথে কার্যকর করা
ব্যাখ্যা
Rule of Harmonious Construction:
- একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায়

- আইন ব্যাখ্যার এই নীতিই 'Rule of Harmonious Construction' (আইন ব্যাখ্যার বৈরিতামুক্ত নীতি/সামঞ্জস্যমূলক নীতি) নামে পরিচিত।
- যখন দুটি বা ততোধিক বিধান একে অপরের সাথে বিরোধপূর্ণ মনে হয়, তখন এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনগুলো একে অপরের পরিপূরক হয়ে কাজ করুক, এবং কোনো বিধান অপরটির বিরুদ্ধে না গিয়ে একত্রে কার্যকর থাকুক।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট 'Rule of Harmonious Construction' নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।

(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
১,৯৭৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১২ অনুসারে, সাক্ষীর অনুপস্থিতির জন্য আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারেন?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১২ এর বিধান অনুযায়ী, কোনো সাক্ষী আদালতের সমন পাওয়ার পরও যদি উপস্থিত না হন বা সন্তোষজনক কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হন, তাহলে আদালত তার জীবনযাত্রার অবস্থা ও মামলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ ৫০০ (পাঁচশ) টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ বিধি-১২: সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়  কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 16 Rule-12-Procedure if witness fails to appear: 
- The Court may, where such person does not appear, or appears but fails so to satisfy the Court, impose upon him such fine not exceeding five hundred Taka as it thinks fit, having regard to his condition in life and all the circumstances of the case, and may order his property, or any part thereof, to be attached and sold or, if already attached under rule 10, to be sold for the purpose of satisfying all costs of such attachment, together with the amount of the said fine, if any: Provided that, if the person whose attendance is required pays into Court the costs and fine aforesaid, the Court shall order the property to be released from attachment.

১,৯৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৪ ধারায়
  2. ১৪৫ ধারায়
  3. ১৪৬ ধারায়
  4. ১৪৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦  ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।

♦  ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।

♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
১,৯৮০.
একটি আরজিতে সত্যপাঠে স্বাক্ষর করবে কে?
  1. সম্পাদনকারী
  2. বাদীর উকিল
  3. পুলিশ
  4. বিবাদীর উকিল
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনকারী
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৫ নং বিধিতে প্লিডিংস সত্যাখ্যানের (Verification of pleadings) বিধান রয়েছে। ১৫ নং বিধিমতে প্রত্যেক Pleadigns-এর শেষে সংশ্লিষ্ট পক্ষ অর্থাৎ আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী সত্যপাঠে স্বাক্ষর করবে, যাকে প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন (Verification of pleadigns) বলে। অর্থাৎ আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখান বা সত্যতা প্রতিপাদন করবে।
১,৯৮১.
Which article of the Constitution protects individuals from 'Self-incrimination'?
  1. Article 33(2)
  2. Article 35(4)
  3. Article 35(2)
  4. Article 33(4)
সঠিক উত্তর:
Article 35(4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 35(4)
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত সুরক্ষার বিধান দেয়া হয়েছেে। নিম্নলিখিত ৫টি বিষয়ে সুরক্ষার বিধান দেয়া হয়েছে-

অনুচ্ছেদ ৩৫(১)- ভূতাপেক্ষ আইনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা;
অনুচ্ছেদ ৩৫(২)- দোবারা সাজার বিরুদ্ধে সুরক্ষা; 
অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)- দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচারের নিশ্চয়তা;
অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)- নিজের বিরুদ্ধে দোষ-স্বীকারের ক্ষেত্রে সুরক্ষা;
অনুচ্ছেদ ৩৫(৫)- যন্ত্রণা, নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ডের বিরুদ্ধে সুরক্ষা।

নিজের দোষ স্বীকারের [Self-incremination] বিরুদ্ধে সুরক্ষাঃ অনুচ্ছেদ ৩৫ (৪)

৩৫ (৪) অনুচ্ছেদে অভিযুক্তকে নিজের দোষ-স্বীকারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়া হয়েছে। ৩৫ (৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না। যদি কোন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজের দোষ-স্বীকার করে কোন বিবৃতি প্রদান করে, সেক্ষেত্রে এমন দোষ-স্বীকারোক্তি গ্রহণে কোন আইনত বাধা নেই। তবে অভিযুক্তকে রিমান্ডে নিয়ে জোরপূর্বক বা বল প্রয়োগ করে দোষ স্বীকার করতে বাধ্য করা যাবে না।

অনুচ্ছেদ ৩৫: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ

(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

Article 35: Protection in respect of trial and punishment

(1) No person shall be convicted of any offence except for violation of a law in force at the time of the commission of the act charged as an offence, nor be subjected to a penalty greater than, or different from, that which might have been inflicted under the law in force at the time of the commission of the offence. 
(2) No person shall be prosecuted and punished for the same offence more than once. 
(3) Every person accused of a criminal offence shall have the right to a speedy and public trial by an independent and impartial Court or tribunal established by law. 
(4) No person accused of any offence shall be compelled to be a witness against himself. 
(5) No person shall be subjected to torture or to cruel, inhuman, or degrading punishment or treatment. 
(6) Nothing in clause (3) or clause (5) shall affect the operation of any existing law which prescribes any punishment or procedure for trial.
১,৯৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১০ বিধি ৪ (২) অনুসারে আদালত কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষনা করে কোন আদেশ দিলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার হলো?
  1. আপীল করতে পারবে
  2. রিভিউ করতে পারবে
  3. রিভিশন করতে পারবে
  4. রেফারেন্স পাঠাতে পাারবে
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি  আদেশ ১০ বিধি ৪ (২) অনুযায়ী শুনানীর নির্ধারিত দিনে পক্ষ হাজির না হলে আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষনা করতে পারে।
⇒ সংক্ষুব্ধ পক্ষ উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করবে
১,৯৮৩.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে কোন সময় টা বাদ দেওয়ার বিধান নেই?
  1. যেদিন তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে সেদিন
  2. যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন
  3. রায়-ডিক্রির কপি প্রাপ্ত হতে যে সময় লাগে
  4. রোয়েদাদের কপি প্রাপ্ত হতে ব্যয়কৃত সময়
সঠিক উত্তর:
যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১২ ধারায় বলা আছে তামাদির মেয়াদ হিসাব করার সময় কোন কোন সময় বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে। যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন বাদ দেওয়ার বিধান নেই।
♦তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন।
রায় ঘোষণার দিন।
রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়।
রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।
১,৯৮৪.
ফৌজদারী মামলার কোন পর্যায়ে আসামী ডিসচার্জের আবেদন করতে পারেন?
  1. অপরাধ আমলে নেওয়ার সময়
  2. চার্জ গঠনের সময়
  3. চার্জ গঠনের পরে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামী পরীক্ষাকালে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।
- উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।
- অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রতীয়মাণ হলে,  আদালত চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

⇒ অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
- অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র
- প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং
- প্রসিকিউশন এবং অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে

⇒ মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
- মামলার রেকর্ড অর্থ হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা, মেডিকেল রিপোর্ট ইত্যাদি।
১,৯৮৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী নিম্নের কাকে শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা দেওয়া হয়নি?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ তৃতীয় তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা ৩ জন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়ছে।
- যথা- স্পীকার , রাষ্ট্রপতি , প্রধান বিচারপতি।

⇒ স্পীকার কর্তৃক - রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;
⇒ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক - প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি; 
⇒ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক - সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফশিলে প্রধানমন্ত্রীকে শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।
১,৯৮৬.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কত বছর ধরা হয়?
  1. ২০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ যদিও প্রাথমিক অর্থে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে আমৃত্যু কারাদণ্ডকে বোঝায়, কিন্তু দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে (In calculating fractions of terms of Punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years)।
- সুতরাং দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরতে হবে।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হল-
কোন অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার পাশাপাশি দশ হাজার (১০,০০০/-) টাকা জরিমানা করা হলে। যদি অপরাধী জরিমানা দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড কত বছর হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না, কারণ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই কেননা কোন ব্যক্তি কতদিন বাঁচবে তা কেউ বলতে পারে না।
- এ রকম অনিশ্চয়তা দূর করতে অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড করা হলে উক্ত ব্যক্তির অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড কীভাবে নির্ধারিত হবে সে বিষয়ে দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা রয়েছে যে, শুধুমাত্র শাস্তির ভগ্নাংশ হিসেব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হবে।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-57: Fractions of terms of punishment:
-In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.
১,৯৮৭.
চুক্তি রদের ক্ষেত্রে আদালত কোন পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. তৃতীয় পক্ষকে
  2. যে পক্ষ চুক্তি কার্যকর করতে চায়
  3. যে পক্ষ চুক্তি রদ করেছে
  4. কোনো পক্ষকে নয়
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ চুক্তি রদ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ চুক্তি রদ করেছে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
১,৯৮৮.
'চ' কর্তৃক দায়েরকৃত মোকদ্দমায় আদালত 'ম' এর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। 'ম' উক্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। এক্ষেত্রে আদালত Order 39 Rule 2 এর অধীন-
  1. 'ম' এর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  2. 'ম' কে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারে
  3. ক এবং খ উভয়
  4. ক বা খ কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে, সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। বিধি ১ অনুযায়ী যখন নালিশী সম্পত্তি কোন পক্ষ কর্তৃক ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিমূলে অন্যায়ভাবে বিক্রি হতে পারে, অথবা বিবাদী যখন পাওনাদারকে বঞ্চিত, প্রতারিত করার জন্য তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার হুমকি প্রদান করে বা ইচ্ছা পোষণ করে, তখন আদালত উক্ত নালিশী সম্পত্তি ধ্বংসকরণ, ক্ষতিগ্রস্থকরণ, হস্তান্তর, নিলাম, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে বা আদালত কর্তৃক যেরূপ উপযুক্ত বিবেচিত হবে সেরূপ আদেশ দিতে পারেন।

আদেশ ৩৯ বিধি ২-
১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

অর্থাৎ আদালত নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোক এবং অনধিক ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে।
১,৯৮৯.
'ক' ও 'খ' এরুপ ভ্রান্ত বিশ্বাসের ভিত্তিতে একটি চুক্তি করে যে, বিশেষ কোনো একটি ঋণ বাংলাদেশের তামাদি আইন দ্বারা বাতিল হয়েছে। চুক্তিটি -
  1. বাতিল হবে
  2. বাতিলযোগ্য হবে
  3. বাতিলযোগ্য হবে না
  4. ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের ইচ্ছানুযায়ী বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য হবে না
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২১ ধারায় আইনগত ভুলের প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে,

বাংলাদেশে বলবৎ কোন আইন বিষয়ে ভুলের কারণে চুক্তি সম্পাদিত হলে, উক্ত চুক্তি বাতিলযোগ্য হবে না। কিন্তু বাংলাদেশে বলবৎ নয় এমন কোন আইন বিষয়ে ভুলের কারণে চুক্তি সম্পাদিত হলে, উক্ত চুক্তিটি বাতিল হবে।
 
উদাহরণ-
'ক' ও 'খ' এরুপ ভ্রান্ত বিশ্বাসের ভিত্তিতে একটি চুক্তি করে যে, বিশেষ কোনো একটি ঋণ বাংলাদেশের তামাদি আইন দ্বারা বাতিল হয়েছে। চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হবে না কারণ এখানে ভ্রান্ত ধারণ হলো বাংলাদেশী তামাদি আইনের ব্যাপারে।

Section 21- Effect of mistakes as to law:

A contract is not voidable because it was caused by a mistake as to any law in force in Bangladesh; but a mistake as to a law not in force in Bangladesh has the same effect as a mistake of fact.
১,৯৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বিকল্প রায় (Judgment in Alternative) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩৬৭(৩)
  2. ৩৬৯(২)
  3. ৩৬৭(১)
  4. ৩৬৯(১)
সঠিক উত্তর:
৩৬৭(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৭(৩)
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

Section 367(3)- Judgment in alternative
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
১,৯৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ-৪৭ , বিধি-২ অনুসারে নিচের কোনটি পুনর্বিবেচনার আবেদনের ভিত্তি নয়?
  1. ক্লারিক্যাল ভুল
  2. নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
  4. গাণিতিক ভুল
সঠিক উত্তর:
বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ-৪৭, বিধি-২ অনুযায়ী, পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যেতে পারে যদি:
- ক্লারিক্যাল ভুল (যেমন, টীকা বা ভাষাগত ভুল),
- গাণিতিক ভুল (যেমন, গাণিতিক হিসাবের ভুল),
- নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ আবিষ্কার হওয়া, এছাড়া, বিচারকের ব্যক্তিগত মতামতের ভিত্তিতে কোন আবেদন পুনর্বিবেচনা করা যাবে না।
অতএব, বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত পুনর্বিবেচনার আবেদনের বৈধ ভিত্তি নয়।

আদেশ-৪৭ বিধি-২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি-১ এ উল্লিখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।

Order 47, Rule 2: To Whom Applications for Review May Be Made: 
An application for review of a decree or order of a Court (other than the High Court Division) may be made on grounds other than the discovery of new and important matter or evidence, or the existence of a clerical or arithmetical mistake or an error apparent on the face of the decree. Such an application must be made to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed. However, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to be issued under Rule 4, Sub-rule (2), proviso (a), the application may be disposed of by his successor.
১,৯৯২.
C.S খতিয়ান প্রস্তুত শুরু হয় কোথায়?
  1. দিনাজপুর
  2. কক্সবাজার
  3. সিলেট
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
সি.এস খতিয়ান [C.S Khatian]:
CS'র পূর্ণরূপ Cadastral Survey। Cada শব্দের অর্থ ভূখন্ড বা মাঠ। এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই C.S Khatian নামে পরিচিত।
- সর্বপ্রথম ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজার জেলার রামু থানা থেকে এ সার্ভে শুরু হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়।
- সি.এস খতিয়ান লম্বালম্বিভাবে লেখা থাকে।
- সি.এস খতিয়ানে জমিদারদের নাম, ভোগদখলকারী রায়তের নাম, জমির পরিমাণ, খাজনার পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ আছে।
-C.S Khatian সর্বাধিক সঠিক; যা মালিকানা ও দখল উভয়ের অনুমানের প্রমাণ দেয়।
- খতিয়ানগুলোর মধ্যে এ খতিয়ান সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। কারণ, এটি সরেজমিনে গিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
১,৯৯৩.
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার অর্থ অনুযায়ী ____________ বলে বিবেচিত হবে।
  1. সাধারণ অধিকার
  2. ব্যক্তিগত অধিকার
  3. বিশেষ অধিকার
  4. ব্যতিক্রমী অধিকার
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অধিকার
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

১,৯৯৪.
মুসলিম উইলকারী জীবিত অবস্থায় সম্পত্তি বিক্রি করলে কী ঘটে?
  1. উইল অপরিবর্তিত থাকে
  2. বিক্রয় বাতিল হয়
  3. উইল বাতিল হয়
  4. আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে উইল কার্যকর হয়
সঠিক উত্তর:
উইল বাতিল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল বাতিল হয়
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে,
একজন ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় যে সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন, সেটি তার সম্পূর্ণ অধিকার। তবে, যদি তিনি ওই সম্পত্তির কিছু অংশ উইল করেন, তবে ওই উইলটি মৃত্যুর পর কার্যকর হবে। কিন্তু, যদি ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় ওই সম্পত্তি বিক্রি করেন, তাহলে উইলটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রত্যাহৃত হয়ে যাবে, কারণ বিক্রি একটি কার্যকর আইনগত কাজ, যা সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করে।

কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত। আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে। যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়

⇒ উইলের অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো-
ক. যে ব্যক্তি উইল করে তাকে অবশ্যই তার জীবনকালের মধ্যেই উইলের ঘোষণা দিতে হবে। উইলকারীকে অবশ্যই উইল করার যোগ্য হতে হবে।
খ. উইলকারীকে অবশ্যই উইলগ্রহীতার পূর্বে মৃত্যুবরণ করতে হবে। অর্থাৎ উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকরী হয়।
গ. উইলকারী মৃত্যুর পর যার বরাবর উইল করা হয়েছে তাকে অবশ্যই উইলটি গ্রহণ করতে হবে। এ তিনটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একটি উইল কার্যকর হয়।

১,৯৯৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৯ ধারার মামলায় নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না-
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  3. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলাকরেছে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশী সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে। এই ধারায় স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।
১,৯৯৬.
তামাদি আইনের ৬ ধারা কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে
  2. আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে
  3. ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে 
  4. উল্লিখিতর সকল ক্ষেত্রে 
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908-এর ৬ ধারা শুধুমাত্র মোকদ্দমা দায়ের, আদালতের কার্যধারা পরিচালনা, এবং ডিক্রি জারির আবেদন সংক্রান্ত তামাদি গণনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এটি আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নাবালক, উন্মাদ, বা জড়বুদ্ধি হয়, তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি গণনা শুরু হবে তখনই, যখন সে এই অপারগতা থেকে মুক্ত হবে। তবে এটি কেবল প্রাথমিক মামলা (suit), আদালতের কার্যধারা (proceeding), বা ডিক্রি জারির আবেদন সংক্রান্ত বিষয়ে প্রযোজ্য।
- আপিল দায়ের একটি পৃথক অধিকার: মোকদ্দমা (suit) বা কার্যধারা (proceeding) দায়ের করার অধিকার এবং আপিল দায়ের করার অধিকার আলাদা। আপিল সাধারণত একটি আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়, যা স্বতন্ত্র এবং The Limitation Act-এর অন্যান্য ধারা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
- তামাদির গণনার প্রভাব: ৬ ধারায় উল্লেখিত বৈধ অপারগতার কারণে যে সময় গণনা বন্ধ রাখা হয়, তা শুধুমাত্র মূল মামলা বা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, আপিলের ক্ষেত্রে নয়।

অর্থাৎ আপিলের জন্য নির্ধারিত সময়: আপিল দায়েরের জন্য The Limitation Act-এ স্বতন্ত্র সময়সীমা নির্ধারিত আছে (যেমন, ৩০ বা ৯০ দিন, নির্ভর করে আদেশ বা ডিক্রির ধরন অনুযায়ী)। এই সময়সীমা ৬ ধারার বিধান দ্বারা প্রভাবিত হয় না।

সুতরাং, The Limitation Act, 1908-এর ৬ ধারা মোকদ্দমা দায়ের, কার্যধারা পরিচালনা, এবং ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কিন্তু আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ, আপিল দায়েরের জন্য আলাদা সময়সীমা নির্ধারিত আছে এবং তা ৬ ধারার আওতাভুক্ত নয়।

১,৯৯৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের (Impeaching credit of witness) বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৫০ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ১৫৫ ধারা অনুযায়ী বর্তমানে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ করা যায় তিনটি উপায়ে। যথা:-
(i) সাক্ষী যে বিশ্বাসের অযোগ্য তা ব্যক্তিদের সাক্ষ্য দ্বারা;
(ii) সাক্ষীকে যে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা সাক্ষী যে ঘুষের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে, অথবা অন্যকোন দুর্নীতিমূলক প্রলোভনের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে তা প্রমাণ করে;
(iii) বর্তমান সাক্ষের সাথে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষের অসামঞ্জসতা প্রমাণ করে।

---------------
⇒ Impeaching credit of witness
Section 155. The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;

⇒ Explanation.–A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
১,৯৯৮.
'ক' ৫০ কেজি চাল 'খ' এর নিকট বিক্রয় করার চুক্তি করে। কোন কারণ ব্যতিরেকেই উক্ত চাল 'খ'-কে সরবরাহ করা হয় নাই। 'খ'-এর প্রতিকার কী?
  1. শুধুমাত্র সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে
  2. ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
  3. শুধুমাত্র চুক্তির ক্রয়মূল্য ফেরত পাবে
  4. কোনো ক্ষতিপূরণ পাবে না
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ ধারা ১৯: কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা

এই ধারা অনুযায়ী বাদী ২ রকম প্রতিকার চাইতে পারে:
১. চুক্তি সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ;
২. চুক্তি সম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ।

এ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা-
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের পরিবর্তে [In Substitution of] ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবেন, অথবা
২. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের আদেশসহ অতিরিক্ত হিসেবে [In Addition to] ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবেন।

প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী,
চুক্তির বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি এবং বৈধ চুক্তি। যেহেতু একটি বৈধ চুক্তি কোনো কারণ ছাড়াই 'ক' ভঙ্গ করে 'খ'-এর ক্ষতি করেছে, সেহেতু সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনই এর জন্য উপযুক্ত প্রতিকার নয়। বরং পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষতিপূরণও পাবে। সুতরাং 'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করবে।
১,৯৯৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় ‘মাদকাসক্ত’ এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২(১৫) ধারায়
  2. ২(৩১) ধারায়
  3. ২(২৭) ধারায়
  4. ২(৩৪) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২(৩১) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(৩১) ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮

ধারা ২(৩১)-
‘মাদকাসক্ত’ অর্থ শারীরিক অথবা মানসিকভাবে মাদকদ্রব্যের উপর নির্ভরশীল কোনো ব্যক্তি অথবা অভ্যাসবশে মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারী অথবা সেবনকারী কোনো ব্যক্তি।
২,০০০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে Land Survey Tribunal এর বিচারক হবে-
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৫ক(৩) ধারার বিধান ট্রাইব্যুনালের বিচারক:
সরকার সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্য হতে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবেন।
উপধারা- ৩ক: এভাবে বিচারক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সরকার যুগ্ম জেলা জজদের ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের ক্ষমতা দিতে পারবে। 
উপধারা-৩খ: এরূপভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা জজ ট্রাইব্যুনালের নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে গণ্য হবেন।
উপধারা- ৩গ: এ ছাড়া ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল থেকে স্থানান্তরিত মামলা নিষ্পত্তির জন্য সরকার এক বা একাধিক সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ বা ক্ষমতা দিতে পারবে।
-----------
- Section 145A. (3) The Government shall, in consultation with the Supreme Court, appoint the judge of the Land Survey Tribunal from among persons who are Joint District Judges.
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower a Joint District Judge in each district as the judge of the Land Survey Tribunal of the district.
(3B) The Joint District Judge empowered under sub-section (3A) shall be deemed to be the judge of the Land Survey Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Senior Assistant judge or Assistant Judge as a judge of the Land Survey Tribunal to dispose of the suits transferred by the judge of the Land Survey Tribunal appointed or empowered under this section.