বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ২১ / ১৫৫ · ২,০০১২,১০০ / ১৫,৪৭০

২,০০১.
১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীর নিকট থেকে ভরণপোষণ পেতে পারবেন না?
  1. স্বামী ধর্মান্তর হলে
  2. স্বামী স্ত্রীর বর্তমানে পুনরায় বিবাহ করলে
  3. স্ত্রী ধর্মান্তরিত হলে
  4. স্বামী স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া তাকে পরিত্যাগ করলে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী ধর্মান্তরিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী ধর্মান্তরিত হলে
ব্যাখ্যা

১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন অনুযায়ী নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণ পাওয়ার অধিকারিণী -
- স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়,
- স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশঙ্কা থাকে;
- স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
- স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়,
- স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে,
- স্বামী যদি স্ত্রীর বর্তমানে পুনরায় বিবাহ করে,
এই ধরনের অন্যান্য যৌক্তিকতাপূর্ণ কারণে।

তবে নিম্নলিখিত কারণে স্ত্রী স্বামীর নিকট হতে আইনত ভরণপোষণ পেতে পারে না-
- স্ত্রী যদি অসৎ চরিত্রের অথবা অসতী হয়,
- স্ত্রী যদি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়,
- স্ত্রী যদি আইনসংগত কারণ ব্যতীত স্বামীর সাথে স্ত্রীরূপে বসবাস করতে অনিচ্ছুক হয়।

২,০০২.
বার কাউন্সিলে কোন এডভোকেটের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের সাথে প্রদত্ত ফি-এর পরিমাণ হবে-
  1. ১০০ টাকা
  2.  ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর ৪১ক বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলে কোন এডভোকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করতে হলে ১০০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
----------------------------------------
The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972, 41(A )The petition of complaint against an Advocate shall be filed with the Bar Council along with payment of a fee of Tk.1,000.

২,০০৩.
নিম্নের কোন ক্ষেত্র 'মানহানির' অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে
  2. কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে
  3. অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
মানহানি:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম (Exception):
৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে;
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে;
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে, যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে;
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে;
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে;
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে;
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে।
২,০০৪.
তামাদি আইন অনুযায়ী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

⇒ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
- The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
২,০০৫.
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০-এ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ, তাঁদের ক্ষমতা, এবং তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া হয়েছে।
- এতে বলা হয়েছে, সরকার প্রতিটি জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করবে এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটও নিয়োগ করবে। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিধান, স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রদান সম্পর্কেও এখানে নির্দেশনা রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারার বিধান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।
(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।
(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।
(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।
(৫) সরকার সমীচীন প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।
(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-10. Executive Magistrates: 
(1) In every district and in every Metropolitan Area, the Government shall appoint as many persons as it thinks fit to be
Executive Magistrates and shall appoint one of them to be the District Magistrate.
(2) The Government may also appoint any Executive Magistrate to be an Additional District Magistrate, and such Additional District Magistrate shall have all or any of the powers of a District Magistrate under this Code or under any other law for the time being in force, as the Government may direct.
(3) Whenever in consequence of the office of a District Magistrate becoming vacant, any officer succeeds temporarily to the chief executive in the administration of the district, such officer shall, pending the orders of the Government, exercise all the powers and perform all the duties respectively conferred and imposed by this Code on the District Magistrate.
(4) The Government may, or subject to the control of the Government, the District Magistrate may, from time to time, by order define local areas within which the Executive Magistrate may exercise all or any of the powers with which they may be invested under this Code and, except as otherwise provided by such definition, the jurisdiction and powers of every such Executive Magistrate shall extend throughout the district.
(5) The Government may, if it thinks expedient or necessary, appoint any persons employed in the Bangladesh Civil Service (Administration) to be an Executive Magistrate and confer the powers of an Executive Magistrate on any such member.
(6) Subject to the definition of the local areas under sub-section (4) all persons appointed as Assistant Commissioners, Additional Deputy Commissioners or Upazila Nirbahi Officer in any District or Upazila shall be Executive Magistrates and may exercise the power of Executive Magistrate within their existing respective local areas.
(7) Nothing in this section shall preclude the Government from conferring, under any law for the time in force, on a Commissioner of Police, all or any of the powers of an executive Magistrate in relation to a Metropolitan area.
২,০০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোথায় ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতার কথা উল্লেখ আছে?
  1. ২য় তফসিলে
  2. ৩য় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
 
১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা।
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
২,০০৭.
একতরফা শুনানিকৃত আপিল পুনঃশুনানির তামাদি সম্পর্কিত বিধান The Limitation Act, 1908- এর কত Article-এ বর্ণিত আছে?
  1. 169
  2. 170
  3. 173
  4. 181
সঠিক উত্তর:
169
উত্তর
সঠিক উত্তর:
169
ব্যাখ্যা
•  তামাদি আইনের ১৬৯ অনুচ্ছেদে একতরফা শুনানিকৃত আপিল পুনঃশুনানির তামাদি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

- একতরফাসূত্রে আপিল শুনানী হলে পুনঃশুনানীর জন্য আবেদনের সময়সীমা হল ৩০ দিন।
২,০০৮.
দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা অনুসারে, চুরির সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা অনুসারে, চুরি করার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ বছর হতে পারে। এছাড়া, শাস্তি হিসেবে অর্থ দণ্ডও প্রদান করা যেতে পারে বা উভয় দণ্ডও হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
২,০০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর বিধান অনুসারে Chief Judicial Magistrate-এর অধীনে কারা থাকবে?
  1. Sessions Judge
  2. Executive Magistrates
  3. Judicial Magistrates
  4. Metropolitan Magistrates
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrates
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrates
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭(২) অনুসারে, গ) Judicial Magistrates সঠিক উত্তর।
- ধারা ১৭(২) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “All Judicial Magistrates appointed under section 11 and 12 (3) and all Benches constituted under section 15 shall be subordinate to the Chief Judicial Magistrate...”
অর্থাৎ, Chief Judicial Magistrate-এর অধীনে থাকবে: অন্যান্য Judicial Magistrates (প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণির) এবং Benches of Judicial Magistrates.

ফৌজদারি কার্যবিধির কাঠামো অনুযায়ী:
Chief Judicial Magistrate (CJM): তিনি জেলার প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং তার প্রশাসনিক ও ব্যবসায়িক বন্টন (distribution of business) ক্ষমতা তার অধীনস্থ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর প্রযোজ্য। তার অধীনে থাকেন অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ।
Sessions Judge: জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতসমূহ (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সহ) প্রশাসনিকভাবে সেশন জজের (Sessions Judge) অধীনস্থ। তবে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজস্ব বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশাসনিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন।
Executive Magistrates: ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের পর, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ সরকারের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকেন এবং তারা মূলত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ইত্যাদি নির্বাহী কাজ করেন। তারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে নন।
Metropolitan Magistrates: মহানগর এলাকার জন্য সমান্তরাল পদ হলো চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), যার অধীনে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ থাকেন। তারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে নন, বরং মেট্রোপলিটন সেশন জজের অধীনে থাকেন। 
- সুতরাং, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সরাসরি অধীনস্থ হলেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ।

২,০১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, যখন ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, আদালত কী করতে পারে?
  1. চুক্তি বলবৎ করতে পারে
  2. চুক্তি সংশোধন করতে পারে
  3. ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে
  4. চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার অধীনে, যদি কোনো ক্রেতা বা ইজারাদার আদালতের আদেশ অনুসারে চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত চুক্তি রদের (Rescission) নির্দেশ দিতে পারে।
এই ধারা অনুযায়ী, যদি ক্রেতা বা ইজারাদার অর্থ পরিশোধে বা অন্য কোনো শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, এবং সে সম্পত্তির দখলে থাকে, তাহলে—
১) আদালত চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারে
২) দখলকারীর দখলকে অবৈধ ঘোষণা করতে পারে
৩) বিক্রেতা বা ইজাদাতার ক্ষতিপূরণের জন্য ভাড়া বা লভ্যাংশ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে

উদাহরণ:
→ কোনো ব্যক্তি যদি সম্পত্তি কেনার চুক্তি করে, কিন্তু অর্থ পরিশোধ না করে, তাহলে বিক্রেতা চুক্তি রদের জন্য আদালতে যেতে পারেন।
→ কোনো ইজারাদার (Lessee) যদি ইজারার শর্ত মেনে চলতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মালিক চুক্তি রদের দাবি করতে পারেন।

অর্থাৎ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত চুক্তি রদের নির্দেশ দিতে পারে। তাই সঠিক উত্তর "ঘ) চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে"।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 

Illustrations:
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)- 
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
২,০১১.
একজন ব্যক্তি জীবিত মর্মে যে দাবী করে তা তাকেই প্রমান করতে হবে, যদি ঐ ব্যক্তির কোন সংবাদ পাওয়া না যায়-
  1. ০৭ বছর যাবৎ
  2. ১০ বছর যাবৎ
  3. ১৫ বছর যাবৎ
  4. ৩০ বছর যাবৎ
সঠিক উত্তর:
০৭ বছর যাবৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৭ বছর যাবৎ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
⇒ অন্যদিকে ১০৮ ধারা অনুযায়ী ৭ বৎসর যাবৎ খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবী করে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে।
-----------
⇒  Section 107 Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:  When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
⇒  Section 108 Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years: Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
২,০১২.
কোন ধরনের কাজের জন্য বার কাউন্সিল বা এর ট্রাইব্যুনাল, কমিটি, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না?
  1. বেআইনি উদ্দেশ্যে করা
  2. সৎ উদ্দেশ্যে করা
  3. রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা
  4. ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে করা
সঠিক উত্তর:
সৎ উদ্দেশ্যে করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৎ উদ্দেশ্যে করা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৮-
বার কাউন্সিল বা কোনো ট্রাইব্যুনাল, কমিটি, কর্মকর্তা বা বার কাউন্সিলের কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে এই আদেশের বা এর অধীনে প্রণীত বিধির কোনো বিধানের অধীনে সৎ উদ্দেশ্যে করা বা করার উদ্দেশ্যে করা কোনো কাজের জন্য কোনো মামলা বা অন্যান্য আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।

Article 18-
No suit or other legal proceeding shall lie against the Bar Council or any Tribunal, Committee, officer or servant of the Bar Council for any act in good faith done or intended to be done in pursuance of the provisions of this Order or rules made thereunder.
২,০১৩.
'The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court'- কত বিধিতে বলা আছে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ২
  2. আদেশ ১৮ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৮ বিধি ৬
  4. আদেশ ১৮ বিধি ৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
ব্যাখ্যা

Order 18, Rule 4- Witnesses to be examined in open Court:
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪- প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি:
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

২,০১৪.
মামলা প্রমাণের দায়ভার কার উপর?
  1. আদালত
  2. বাদীর
  3. সাক্ষীর
  4. বিবাদীর
সঠিক উত্তর:
বাদীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২-এর ১০১ ধারা অনুযায়ী,
মামলা প্রমাণ করার দায়িত্ব সর্বদা বাদীপক্ষের ওপর থাকবে। এর মানে হলো, যিনি আদালতকে কোনো বিষয়ের সত্যতা আছে বলে বিশ্বাস করাতে চান, তিনিই তা প্রমাণ করবেন। সুতরাং বিবাদীর প্রতি আনা অভিযোগ বাদীকেই প্রমাণ করতে হবে।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, মামলা চলাকালে অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার প্রয়োজনীয়তা আছে কি না। আইনে বলা আছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ বলে গণ্য হবেন। তাই মামলার শুরুতে আসামি বা অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন নেই। মামলা প্রতিষ্ঠা করার সম্পূর্ণ ভার বাদীপক্ষের ওপর বর্তায়। তবে বাদী যদি মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে সক্ষম হন, তখন বাদীর দেওয়া তথ্য-প্রমাণ খণ্ডনের জন্য বিবাদীকে সাক্ষ্যপ্রমাণ দিতে হবে।
২,০১৫.
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ এর ক্ষেত্রে অপরাধী প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে-
  1. বিশ্বাসভরে
  2. অসাধুভাবে
  3. সরল বিশ্বাসে
  4. প্রতারণামূলকভাবে
সঠিক উত্তর:
সরল বিশ্বাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল বিশ্বাসে
ব্যাখ্যা
⇒ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, সরল বিশ্বাসে বা সৎ উদ্দেশ্যে প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে পরে সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করাই অসাধুভাবে আত্মসাৎ।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
২,০১৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ধারা ১৪৫ক(৩) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মূলত কোন কর্মকর্তা হতে পারবেন?
  1. জেলা জজ
  2. সহকারী জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ধারা ১৪৫ক(৩) অনুযায়ী, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারককে সরকার সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্যে নির্বাচন করবে।
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৫ক(৩) ধারার বিধান ট্রাইব্যুনালের বিচারক:
সরকার সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্য হতে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবেন।
উপধারা- ৩ক: এভাবে বিচারক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সরকার যুগ্ম জেলা জজদের ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের ক্ষমতা দিতে পারবে। 
উপধারা-৩খ: এরূপভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা জজ ট্রাইব্যুনালের নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে গণ্য হবেন।
উপধারা- ৩গ: এ ছাড়া ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল থেকে স্থানান্তরিত মামলা নিষ্পত্তির জন্য সরকার এক বা একাধিক সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ বা ক্ষমতা দিতে পারবে।
-----------
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950, Section 145A. (3) The Government shall, in consultation with the Supreme Court, appoint the judge of the Land Survey Tribunal from among persons who are Joint District Judges.
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower a Joint District Judge in each district as the judge of the Land Survey Tribunal of the district.
(3B) The Joint District Judge empowered under sub-section (3A) shall be deemed to be the judge of the Land Survey Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Senior Assistant judge or Assistant Judge as a judge of the Land Survey Tribunal to dispose of the suits transferred by the judge of the Land Survey Tribunal appointed or empowered under this section.

২,০১৭.
কোন আদালতে একটি দেওয়ানী আদালত প্রদত্ত রায়ের বিষয়ে রিভিউ মামলা দায়ের করা যায়?
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. যে আদালত রায় দেয়
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত রায় দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত রায় দেয়
ব্যাখ্যা
⇒ যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। যেমন সহকারী জজ ডিক্রি দিলে, সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে উক্ত সহকারী জজের নিকট রিভিউ আবেদন করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
২,০১৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি এর ৯৯ক ধারা মোতাবেক বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিল করার জন্য কত দিনের ভিতর হাইকোর্ট বিভাগের নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
•[ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৯৯ক ধারা] মোতাবেক বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিল করার জন্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বাজেয়াপ্তির আদেশের তারিখ থেকে ২ মাসের ভিতর হাইকোর্ট বিভাগের নিকট আবেদন করতে হবে।
২,০১৯.
রায় একবার স্বাক্ষরিত হয়ে গেলে-
  1. পরিবর্তন করা যায়
  2. যেকোনো ভুল সংশোধন করা যায়
  3. করণিক ভুল সংশোধন করা যায়
  4. রিভিউ করা যায়
সঠিক উত্তর:
করণিক ভুল সংশোধন করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করণিক ভুল সংশোধন করা যায়
ব্যাখ্যা
• বিচার সমাপ্ত হবার পর নির্ধারিত দিনে প্রকাশ্য আদালতে বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়। ভিন্নরুপ বিধান না থাকলে প্রত্যেকটি রায় আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক লিখিত হবে বা তার দ্রুত লিখন হতে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় লিখিত হবে।

ধারা ৩৬৯ অনুসারে,
আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করলে পরিবর্তন বা রিভিউ করতে পারবে না কিন্তু করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে

Section 369: Court not to alter judgment
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force,no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
২,০২০.
Pleadings সংশোধন করা যায়-
  1. অনুসন্ধানের যে কোন পর্যায়ে
  2. তদন্তের যে কোন পর্যায়ে
  3. প্রসিডিংস এর যে কোন পর্যায়ে
  4. ডিক্রি জারির কোন পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
প্রসিডিংস এর যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসিডিংস এর যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।

♦প্লিডিংস সংশোধনের সময়- ৬ নং আদেশের ১৮ নং বিধিমতে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অথবা সময় নির্ধারণ করে না দিলে আদালতের প্লিডিংস সংশোধনীর আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত সময় বর্ধিত না করলে প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।

♦অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ বিধি ১৭ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস বা আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে-
   (i) যদি সংশোধনটি পক্ষগণের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হয়।
   (ii) যদি সংশোধনটি অপর পক্ষের জন্য অবিচার না হয়।
২,০২১.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারানুসারে আনীত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না
  2. বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন
  3. এটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
  4. বাদী সম্পত্তি থেকে বেদখল হয়েছেন
সঠিক উত্তর:
বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারায় বলা আছেঃ যথাযথ আইগত পন্থা ব্যতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।

♦এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না ।

♦এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।

♦এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যাবে না, অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রী পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

অর্থাৎ, The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারানুসারে আনীত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে "বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন" কথাটি সঠিক নয়।
২,০২২.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ প্রণয়নের পর কোন ঘটনা ঘটে?
  1. কৃষকরা ভূমিহীন হয়
  2. জমিদারি প্রথা চালু হয়
  3. জমিদারি প্রথা বিলোপ হয়
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
জমিদারি প্রথা বিলোপ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমিদারি প্রথা বিলোপ হয়
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ (State Acquisition and Tenancy Act, 1950) পূর্ববঙ্গ সরকার কর্তৃক প্রণীত হয়েছিল কৃষকদের দীর্ঘদিনের শোষণ ও জমিদারি প্রথার অত্যাচারের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে। এই আইনের মাধ্যমে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে:
জমিদারি প্রথার বিলোপ: এই আইনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জমিদারি প্রথা সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করা। ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস কর্তৃক প্রবর্তিত স্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে জমিদাররা ভূমির মালিকানা পেয়েছিল এবং কৃষকরা (রায়তরা) তাদের অধীনে শোষিত হতো। ১৯৫০ সালের এই আইনের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়, এবং জমিদারদের মধ্যস্থতা বাদ দিয়ে কৃষকরা রাষ্ট্রের সরাসরি ভাড়াটিয়া হিসেবে স্বীকৃত হয়।
কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা: আইনটি কৃষকদের (রায়তদের) জমির উপর অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। এর ফলে কৃষকরা ভূমিহীন হওয়ার পরিবর্তে তাদের জমির মালিকানার অধিকার পায় এবং রাষ্ট্রের সরাসরি ভাড়াটিয়া হিসেবে জমি ভোগ করার সুযোগ পায়।
জমির সিলিং ও বিতরণ: আইনটি জমির মালিকানার সর্বোচ্চ সীমা (Ceiling) নির্ধারণ করে। অতিরিক্ত জমি রাষ্ট্র অধিগ্রহণ করে ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা করে। এটি কৃষকদের ভূমিহীনতা দূর করার পরিবর্তে তাদের জমির মালিকানা প্রদানে সহায়ক ছিল।

- অর্থাৎ  রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ প্রণয়নের পর জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়, যা ছিল এই আইনের প্রধান কৃতিত্ব। এটি কৃষকদের জমির অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ভূমিহীনদের মধ্যে জমি বিতরণের পথ সুগম করে। অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) জমিদারি প্রথা বিলোপ হয়।

২,০২৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী কোন ধরনের মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে?
  1. যেখানে শুধু অর্থদণ্ড প্রযোজ্য
  2. যেখানে শাস্তি ২ বছরের বেশি নয়
  3. যেখানে শাস্তি ৩ বছরের বেশি নয়
  4. যেখানে শাস্তি ৫ বছরের বেশি নয়
সঠিক উত্তর:
যেখানে শাস্তি ৫ বছরের বেশি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে শাস্তি ৫ বছরের বেশি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৮ অনুসারে: "বিচারের বিশেষ পদ্ধতি:-  এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক কারাদণ্ড না হইলে, সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হইবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, অনুসরণ করিতে হইবে।"
অর্থাৎ, যে সকল মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড নয় (মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন বা ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড না হলে), সেসব মামলার বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে।
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে যদি অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা ৫ (পাঁচ) বছরের অধিক কারাদণ্ড না হয়। এই ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২-এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ, যেসব অপরাধের শাস্তি ৫ বছর বা তার কম হয়, সেগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হবে।

২,০২৪.
দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির "prerogative" বা বিশেষ অধিকারের মধ্যে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক্ষমা প্রদান
  2. দণ্ড স্থগিত করা
  3. শাস্তি হ্রাস করা
  4. রায় বাতিল করা
সঠিক উত্তর:
রায় বাতিল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় বাতিল করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ক-এ রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার হিসেবে ক্ষমা প্রদান (grant pardons), দণ্ড স্থগিত (reprieves), মুলতুবি (respites) বা শাস্তি হ্রাস/মওকুফ (remissions of punishment)-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। রায় বাতিল করা রাষ্ট্রপতির এই বিশেষ অধিকারের আওতাভুক্ত নয়। রায় বাতিল বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা আদালতের এখতিয়ারভুক্ত (যেমন: আপিল, পুনর্বিবেচনা ইত্যাদি)।
রাষ্ট্রপতি শাস্তি হ্রাস বা ক্ষমা করতে পারেন, কিন্তু আদালতের দেওয়া রায় বা দণ্ডাদেশ আইনগতভাবে বাতিল করতে পারেন না।
- সুতরাং, ঘ) রায় বাতিল করা সঠিক উত্তর, কারণ এটি রাষ্ট্রপতির "prerogative" অধিকারের অংশ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না। 
--------- 
⇒ The Penal Code,1860- Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

২,০২৫.
'All other documents are private.' এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইন ৭৪ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইন ৭৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৫ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার অনুযায়ী বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒ Private documents

Section 75. All other documents are private.

⇒ Public documents
Section 74. The following documents are public documents:– 
 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
 
(i) of the sovereign authority, 
 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
২,০২৬.
বার কাউন্সিলের প্রাতিষ্ঠানিক নাম কী?
  1. Bangladesh Legal Council
  2. National Bar Council
  3. Bangladesh Bar Council
  4. Bangladesh Legal Practitioner's Council
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Bar Council
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Bar Council
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: C) Bangladesh Bar Council.

The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩:
(1) There shall be constituted in accordance with the provisions of this Order a Bar Council to be called the Bangladesh Bar Council.
(১) এই আদেশের বিধান অনুযায়ী একটি বার কাউন্সিল গঠিত হবে, যার নাম হবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।

(2) The Bar Council shall be a body corporate having perpetual succession and a common seal, with power to acquire and hold property, both movable and immovable, and to contract, and shall by the said name sue and be sued.
(২) বার কাউন্সিল একটি আইনগত সত্তা (body corporate) হিসেবে বিবেচিত হবে, যার থাকবে চিরস্থায়ী উত্তরাধিকার (perpetual succession) এবং একটি সাধারণ সিল (common seal)। এটি অস্থাবর ও স্থাবর উভয় সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও ধারণ করার, চুক্তি সম্পাদনের, এবং উক্ত নামেই মামলা করার ও মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা রাখবে।
২,০২৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়জন ব্যক্তিকে শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা দেওয়া আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় তফসিল:

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা ৩ জন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়ছে। যথা- স্পীকার , রাষ্ট্রপতি , প্রধান বিচারপতি।

- স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;

- রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি; 

- প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।
২,০২৮.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ৫টি ব্যতিক্রম রয়েছে, যখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ২য় অংশ বা ব্যতিক্রম (Exception) অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবে না।
২,০২৯.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোন অপরাধে অর্থদণ্ডের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ নাই?
  1. অবৈধ বাধাদান
  2. স্বেচ্ছাকৃত আঘাত দান
  3. মারামারি
  4. দাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
ব্যাখ্যা
• ধারা: ৩৪১ - অবৈধ বাধাদানের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

• ধারা: ৩২৩ - স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি:
যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

• ধারা: ১৬০- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা: ১৪৭ - দাঙ্গার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

সুতরাং, The Penal Code, 1860 অনুসারে দাঙ্গার অপরাধে অর্থদণ্ডের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ নাই।
২,০৩০.
সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারায় স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যকার নিম্নলিখিত কোন ধরণের যোগাযোগ প্রকাশ করতে স্বামী বা স্ত্রীকে বাধ্য করা যাবে না?
  1. বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন কোন যোগাযোগ
  2. স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যকার কোন মামলায়
  3. বিবাহ পূর্বকালীন বা পরবর্তী কালীন যে কোন যোগাযোগ
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন কোন যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন কোন যোগাযোগ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী মোকদ্দমায় স্বামী এবং স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী এবং ফৌজদারী মামলায় স্বামী এবং স্ত্রী অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যোগ্য সাক্ষী।  তবে ১২২ ধারায় স্বামী এবং স্ত্রীর সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়নি বরং স্বামী এবং স্ত্রী কোন ধরণের যোগাযোগ প্রকাশ করতে বাধ্য না, তা ১২২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

উক্ত ধারানুযায়ী, বিবাহ বলবৎ থাকাকালে স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে পত্র আলাপ (যোগাযোগ) প্রকাশ করতে তারা বাধ্য না।

কিন্তু নিম্নলিখিত স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে পত্র আলাপ বা যোগাযোগ প্রকাশে কোন পক্ষকে বাধ্য করা যাবে-

১. যখন যে ব্যক্তি এমন যোগাযোগ করেছিল সে বা তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি সম্মতি প্রদান করে এবং

২. বিবাহিত ব্যক্তিদের মধ্যে কোন মামলায় তা ফৌজদারী হোক বা দেওয়ানী হোক যেক্ষেত্রে একজনকে অন্যজনের প্রতি সংঘটিত কোনো অপরাধের জন্য বিচার করা হচ্ছে। যেমন- তালাক মামলায় স্বামী বা স্ত্রী তাদের মধ্যেকার যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে বা তাদের বাধ্য করা যাবে।
২,০৩১.
'দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর তৎক্ষণাৎ বা সাতদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে'- উক্ত বিধান আদালতের জন্য-
  1. ঐচ্ছিক
  2. বাধ্যতামূলক
  3. ঐচ্ছিক তবে গুরুত্বপূর্ণ
  4. আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে যা সাতদিনের বেশি হবে না, পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

[The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court either at once or on some future day, not beyond seven days of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.]

• উক্ত বিধিতে ''shall'' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। যার দরুণ এই বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
২,০৩২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৭৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগের আদেশ দেওয়া যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি 1908 সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারবে।
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
২,০৩৩.
নিম্নের কোনটি নালিশযোগ্য দাবি (actionable claim)?
  1. যেকোনো ঋণ দাবি
  2. বন্ধক দ্বারা সুরক্ষিত ঋণ
  3. জামানতবিহীন ঋণ
  4. অঙ্গীকার দ্বারা সুরক্ষিত ঋণ
সঠিক উত্তর:
জামানতবিহীন ঋণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামানতবিহীন ঋণ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩: নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim)
অনিরাপদ ঋণের দাবীকে নালিশযোগ্য দাবী বলা হয়েছে। অনিরাপদ ঋণ অর্থ যে ঋণের বিপরীতে কোন জামানত থাকে না বা জামানতবিহীন ঋণ।

"Actionable claim" বা মামলা করা যায় এমন দাবি বলতে এমন কোনো ঋণের দাবি বোঝায়, যা—
- অস্থাবর সম্পত্তির বন্ধক, হাইপোথিকেশন বা অঙ্গীকার দ্বারা সুরক্ষিত নয়, এবং
- এমন কোনো অস্থাবর সম্পত্তিতে উপকারজনক স্বত্ব (beneficial interest), যা দাবি কারীর প্রকৃত বা আনুমানিক (constructive) দখলে নেই,
- এই ধরনের দাবি যদি এমন হয় যা দেওয়ানি আদালত (Civil Court) স্বীকার করে এবং যার ভিত্তিতে প্রতিকার বা সহায়তা চাওয়া যায়— তাহলে তা actionable claim হিসেবে গণ্য হবে।

এমন দাবি হতে পারে-
- বর্তমানে বিদ্যমান (existent),
- ভবিষ্যতে প্রাপ্য (accruing),
- শর্তসাপেক্ষ (conditional), অথবা
- সম্ভাব্য (contingent)।

Section 3:

“Actionable claim” means a claim to any debt, other than a debt secured by mortgage of immoveable property or by hypothecation or pledge of moveable property, or to any beneficial interest in moveable property not in the possession, either actual or constructive, of the claimant, which the Civil Courts recognize as affording grounds for relief, whether such debt or beneficial interest be existent, accruing, conditional or contingent:
২,০৩৪.
'ক' তার বন্ধু 'খ' কে ত্রিশ হাজার টাকা ধার দেয়। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেওয়ার সময় 'খ', 'ক' কে চেক দিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিতে বলেন। 'ক' ব্যাংকে গিয়ে দেখেন একাউন্টে কোনো টাকা নেই। 'ক' যথাযথ কার্যক্রম সম্পন্ন করে 'খ' এর বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের মামলা করে। এক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী 'খ' কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. চেকে উল্লেখিত টাকার ২ গুন জরিমানা
  3. চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
২,০৩৫.
রাজস্ব আদালতে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন অংশ প্রযোজ্য হবে না তা কীভাবে নির্ধারণ করে হয়?
  1. সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে
  2. জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে 
  3. রাজস্ব বোর্ডের অনুমোদনের মাধ্যমে
  4. সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫(১) ধারা অনুযায়ী, রাজস্ব আদালতের কার্যপ্রণালীর ক্ষেত্রে যদি কোনো বিশেষ আইনে কোনো বিষয় উল্লেখ না থাকে, তবে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানগুলো রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য হবে। তবে সরকার যদি মনে করে যে, এই বিধানগুলোর কিছু অংশ রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য হওয়া উচিত নয় বা কিছু সংশোধনীর মাধ্যমে প্রযোজ্য হওয়া উচিত, তাহলে সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করতে পারে।

→ অর্থাৎ রাজস্ব আদালতে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন অংশ প্রযোজ্য হবে না তা সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নির্ধারণ করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
২,০৩৬.
The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. প্রতারণার ফলাফল
  2. বৈদেশিক রায়
  3. অবিরাম চুক্তিভঙ্গ
  4. ক্ষতিপূরণ মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারা: অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-

যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs-
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
২,০৩৭.
The Code of Civil Procedure,1908 এর ৯৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে-
  1. প্রাথমিক ডিক্রি বাতিল হয়ে যাবে
  2. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না
  3. প্রাথমিক ডিক্রির সঠিকতা নিয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে
  4. প্রাথমিক ডিক্রির সঠিকতা নিয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক ডিক্রির সঠিকতা নিয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক ডিক্রির সঠিকতা নিয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না
ব্যাখ্যা
Section-97. Appeal from final decree where no appeal from preliminary decree:
Where any party aggrieved by a preliminary decree passed after the commencement of this Code does not appeal from such decree, he shall be precluded from disputing its correctness in any appeal which may be preferred from the final decree.

এ ধারার সারমর্ম হচ্ছে-
প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রি উভয় ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
২,০৩৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading question) কখন জিজ্ঞাসা করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র জেরায়
  2. শুধুমাত্র জবানবন্দিতে
  3. শুধুমাত্র পুনঃজবানবন্দিতে
  4. শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র জেরায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র জেরায়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) শুধুমাত্র জেরায়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading question) সাধারণত জেরা (Cross-examination) পর্বে জিজ্ঞাসা করা যাবে। জেরার সময়, প্রশ্নকারী পক্ষ বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে, যেগুলোর মধ্যে উত্তর দেওয়ার ইঙ্গিত থাকে, অর্থাৎ প্রশ্নটি এমনভাবে করা হয় যাতে সাক্ষী সহজে "হ্যাঁ" বা "না" উত্তর দিতে পারে।
তবে, জবানবন্দি বা পুনঃজবানবন্দি পর্বে সাধারণত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা নিষিদ্ধ থাকে, কারণ সেই সময় সাক্ষীর বক্তব্য স্পষ্টভাবে শোনা এবং সত্যতা যাচাই করা দরকার, এবং জেরার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের মাধ্যমে সাক্ষীকে প্রভাবিত করা সম্ভব হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন সেগুলো জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে:
নির্দেশক বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নসমূহ জেরা (cross-examination) এর সময় জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 143.When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.

২,০৩৯.
'A', 'B'- এর বিরুদ্ধে জমির দখলের একটি রায় পেয়েছে। 'B' এর পুত্র 'C', এর প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে 'A'- কে হত্যা করে। উক্ত খুনের ক্ষেত্রে প্রদত্ত দেওয়ানি রায়ের অস্তিত্ব-
  1. অপ্রাসঙ্গিক
  2. প্রাসঙ্গিক
  3. কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪৩ ধারা অনুযায়ী,
৪০, ৪১ এবং ৪২ ধারায় উল্লিখিত রায়, আদেশ বা নির্দেশনা ব্যতীত অন্য সকল রায়, আদেশ বা নির্দেশনা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে। তবে যদি এমন রায়, আদেশ বা নির্দেশনার অস্তিত্বই মামলার বিচার্য বিষয় হয়, অথবা এই আইনের অন্য কোনো বিধানে তা প্রাসঙ্গিক হয়, তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গৃহীত হবে।

উদাহরণটিতে দেখা যাচ্ছে, A কর্তৃক B'র বিরুদ্ধে জমির দখল নেওয়ার রায়ের অস্তিত্ব প্রাসঙ্গিক কারণ এটি B এর পুত্র C এর A-কে হত্যা করার উদ্দেশ্য দেখায়। অর্থাৎ, এই রায়ের অস্তিত্ব অপরাধের প্রেরণা বা মোটিভকে প্রদর্শন করায় তা প্রাসঙ্গিক বিবেচিত হবে।

Section 43:

Judgments, orders or decrees, other than those mentioned in sections 40, 41 and 42, are irrelevant, unless the existence of such judgment, order or decree is a fact in issue, or is relevant under some other provision of this Act.

Illustration-
(d) A has obtained a decree for the possession of land against B. C, B's son, murders A in consequence. The existence of the judgment is relevant, as showing motive for a crime.
২,০৪০.
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ২০,০০০ টাকা
  2. ২৫,০০০ টাকা
  3. ৩০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ২৫০: মিথ্যা, অমূলক বা হয়রানিমূলক অভিযোগ:
(১) যদি কোনো মামলা অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা পুলিশ/ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দায়ের হয় এবং মামলায় অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেট খালাস বা অব্যাহতি দেন, এবং তাঁর মত হয় যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক/অমূলক ছিল—
তাহলে, অভিযোগকারী (বা তথ্যদাতা) উপস্থিত থাকলে, ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে সাথে সাথে কারণ দর্শানোর জন্য বলবেন কেন তিনি অভিযুক্তকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন না।
যদি অভিযোগকারী উপস্থিত না থাকেন, তবে তাঁকে হাজির করার জন্য সমন জারি করা হবে।

(২) অভিযোগকারী যদি কারণ দর্শান, ম্যাজিস্ট্রেট তা বিবেচনা করবেন।
যদি সন্তুষ্ট হন যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক/অমূলক ছিল, তবে তিনি লিখিত কারণ উল্লেখ করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেবেন।

ক্ষতিপূরণের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা হতে পারবে। তবে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় শ্রেণির হন, তবে সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে পারবেন।

(২ক) যদি ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান না করা হয়, তবে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের সাধারণ কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।

(২খ) এ ধরনের কারাদণ্ড হলে দণ্ডবিধির ৬৮ ও ৬৯ ধারা প্রয়োগ হবে।

(২গ) ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়া মানে এই নয় যে অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা অন্য কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন।
তবে, পরবর্তীতে একই বিষয়ে কোনো দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের সময়, এখানে প্রদত্ত টাকার পরিমাণ বিবেচনা করা হবে।

(৩) যদি দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কারও বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন, অথবা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন, তবে অভিযোগকারী সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

(৪) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বা আপিল মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের টাকা আসামিকে প্রদান করা যাবে না।
যেসব ক্ষেত্রে আপিল করার সুযোগ নেই, সেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের টাকা এক মাস পর প্রদান করা যাবে।

(৫) ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট আরও আদেশ দিতে পারেন যে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ টাকা জরিমানা প্রদান করতে হবে।

২,০৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৭, বিধি ৬
  2. আদেশ ৭, বিধি ৯
  3. আদেশ ৮, বিধি ৬
  4. আদেশ ৯, বিধি ৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি সংহিতা (CPC) ১৯০৮-এর আদেশ ৮, বিধি ৬-এ পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিস্তারিত বিধান রয়েছে। এই বিধি অনুসারে, অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী বাদীর দাবীর বিরুদ্ধে নিজের পূর্বের নির্দিষ্ট পাওনা (Legal Set-off) দাবি করতে পারে, যাতে দায়শোধ সম্ভব হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির Set-off দুই প্রকার যথা: ক) Legal Set-off [Order VIII, Rule 6], খ) Equitable Set-off.

যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট, সেক্ষেত্রে Legal Set-off দাবি করা যায়। কিন্তু, যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট সেক্ষেত্রে Equitable Set-off মঞ্জুর করা যেতে পারে (আদালতের Discretion-এর উপর)।

Equitable Set-off একটি বিশেষ ধরনের প্রতিরক্ষা, যা নিম্নলিখিত পরিস্থিতিগুলোতে প্রযোজ্য:
⇒ যখন বাদী ও বিবাদীর মধ্যে পারস্পরিক দাবী-দাওয়া থাকে এবং উভয় দাবীই একই উত্স থেকে উদ্ভূত হয়েছে। অর্থাৎ উভয়ের দাবী একই চুক্তি, লেনদেন বা ঘটনার সাথে জড়িত।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী বাদীর দাবীর চেয়ে কম। কারণ যদি বিবাদীর দাবী বেশি হয়, তাহলে বিবাদীকে ক্রস-মামলা দায়ের করতে হবে।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী নগদ টাকার নয়, বরং কোন অনিষ্পন্ন কাজের জন্য। যেমন - বাদী যদি বাকি বেতনের দাবী করে আর বিবাদী দাবী করে কিছু অসম্পূর্ণ কাজের জন্য।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী সুস্পষ্টভাবে অর্থগত মান নির্ণয় করা সম্ভব নয়। যেমন - ক্ষতিপূরণের চাহিদা ইত্যাদি।

২,০৪২.
Land Survey Tribunal এর কোন রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি কোথায় আপীল করতে পারে?
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. কালেক্টরের নিকট
  4. ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে
সঠিক উত্তর:
ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার বিধান: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত, অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে চলিবে না।
(৫) উপ-ধারা (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্তরূপ রায়, ডিক্রি বা আদেশের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন।
(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরেও পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হইতে পারে, যদি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিলকারী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট হন।
-----------
Section 145B. Land Survey Appellate Tribunal:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Appellate Tribunals as may be required to hear the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunals.
(2) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the territorial limits of the jurisdiction of any Land Survey Appellate Tribunal.
(3) The Government shall appoint the judge of the Land Survey Appellate Tribunal from among the persons who are District judges.]
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower the District Judge as the judge of the Land Survey Appellate Tribunal of the district.
(3B) The District Judge, empowered under sub-section (3A), shall be deemed to be the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Additional District Judges as a judge of the Land Survey Appellate Tribunal to hear appeals transferred by the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed or empowered under this section.]
(4) No appeal other than the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal shall lie in the Land Survey Appellate Tribunal.
(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
(6) An appeal may be admitted within next three months even after the expiry of the period specified in sub-section (5), if the Land Survey Appellate Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the appellant.
২,০৪৩.
'গ'-কে গুরুতর জখম করার জন্য 'ক', 'খ'-কে প্ররোচিত করে। 'খ' উক্ত প্ররোচনার ফলে 'গ'-কে গুরুতর জখম করে ফলে 'গ' মারা যায়, 'ক' জানতো যে প্ররোচিত গুরুতর জখমের কার্যটি সম্ভাব্য মৃত্যু ঘটাবে। এই ক্ষেত্রে-
  1. ক শুধুমাত্র গুরুতর জখমে প্ররোচনার জন্য দণ্ডিত হবে
  2. ক খুনের জন্য দণ্ডিত হবেনা শুধুমাত্র জখমের জন্য দণ্ডিত হবে
  3. ক গুরুতর জখম এবং খুন উভয়ের জন্য দণ্ডিত হবে
  4. ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦ যেহেতু ক জানতো যে প্ররোচিত গুরুতর জখমের কার্যটি সম্ভাব্য মৃত্যু ঘটাবে তাই ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে এবং ক খুনের জন্য নির্ধারিত শাস্তি পাবে।

♦ দণ্ডবিধির ১১৩ ধারার বিধান সাহায্যকৃত কার্যের কারণে দুষ্কর্মে সহায়তাকারী কর্তৃক অভিপ্রেত পরিণতি হইতে ভিন্ন পরিণতির ক্ষেত্রে দুষমের্মে সহায়তাকারীর দায়িত্ব:
- একটি কাজের জন্য সহায়তা করার ফলে-এবং সে কাজটি যদি এমন হয় যে, তাতে সহায়তা করলে সহায়তাকারী সহায়তার জন্য দায়ী হবেসহায়তাকার কাজটি সম্পাদনে যে ফল সৃষ্ট হবে বলে প্রত্যাশা বা উদ্দেশ্য করেছিল সৃষ্ট ফল যদি তার সে উদ্দিষ্ট বিশেষ ফল হতে ভিন্ন হয়, তবে সৃষ্ট ফল প্রত্যাশা বা উদেম পর্যন্ত দণ্ডিত হত, এই ক্ষেত্রেও সে সেভাবে ততদূর পর্যন্তই দণ্ডিত হবে। তবে শর্ত থাকে যে, যে কার্যটিতে সহায়তাকারী সহায়তা করেছে তার কর্তৃক যে ফল সৃষ্ট হয়েছে সহায়তাকৃত কাজটি সম্পাদনে সে ফল সৃষ্টি হতে পারে বলে সহায়তাকারীর জানা ছিল।

♦ উদাহরণ:
- চ-কে গুরুতররূপে আঘাত করার জন্য ক খ-কে প্ররোচনা দেয়। তার প্ররোচনায় প্ররোচিত হয়ে খ চ- কে গুরুতর আঘাত করে এবং ফলে চ-এর মৃত্যু ঘটে। এই ক্ষেত্রে খ কে প্ররোচনা দেওয়ার সময় ক-এর যদি জানা থেকে থাকে যে, গুরুতররূপে আঘাত করার জন্য প্ররোচিত কাজটি সম্পাদনের ফলে চ-এর মৃত্যু হতে পারে, তবে ক খুনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
২,০৪৪.
Documents must be proved by primary evidence except in cases hereinafter mentioned. বিধানটি The Evidence Act,1872 এর কত ধারার বিধান?
  1. ৬৫ ধারা
  2. ৬৪ ধারা
  3. ৬৩ ধারা 
  4. ৬২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা

উত্তর:৬৪ ধারা

সাক্ষ্য আইনের ৬৪ ধারা, প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ: এই আইনে অতঃপর যে সকল ব্যতিক্রমের উল্লেখ করা হইয়াছে উহা ভিন্ন অন্য সকল ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করিতে হইবে।
-----------
Section 64, Proof of documents by primary evidence: Documents must be proved by primary evidence except in the cases hereinafter mentioned.

২,০৪৫.
১৫ বছর বয়সী রিপন একজন উন্মাদ ব্যক্তি। তার চাচা সজীব তাকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বিষ খেতে সহায়তা করে। রিপন সেই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে। সজীব এই কাজের জন্য কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. উপরের যে কোনোটিই হতে পারে
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনোটিই হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনোটিই হতে পারে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
২,০৪৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায়-
  1. শুধু অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
  2. শুধু স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
  3. স্থায়ী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
-------------
Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

⇒ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে
প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।

২,০৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী কে জামিনযোগ্য অপরাধে আটক ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে?
  1. আদালত
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী, জামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত যেকোনো ব্যক্তি যদি পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকেন বা আদালতে হাজির হন এবং জামিন দিতে প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
এই মুক্তি দিতে পারে, আদালত অথবা পুলিশ অফিসার (ওসি বা দায়িত্বরত অফিসার)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন: যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
- তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।
- এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 496. In what cases bail to be taken:
When any person other than a person accused of a non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, and is prepared at any time while in the custody of such officer or at any stage of the proceedings before such Court to give bail, such person shall be released on bail:
Provided that such officer or Court, if he or it thinks fit, may, instead of taking bail from such person, discharge him on his executing a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided:
Provided, further, that nothing in this section shall be deemed to affect the provisions of section 107, sub-section (4), or section 117, sub-section (3).
২,০৪৮.
কোন ধারায় সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষকে নিজের সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দেয়?
  1. ধারা ১৩৭
  2. ধারা ১৩৮
  3. ধারা ১৫০
  4. ধারা ১৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষীর সংজ্ঞা:
সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীনে, যখন কোনো সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিপরীতে বক্তব্য প্রদান করে বা বিরোধী পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়, তখন সেই সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী বলে ঘোষণা করা হয়। বৈরী সাক্ষীর প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বৈরী সাক্ষ্য বলা হয়। সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। সাক্ষীকে তখনই বৈরী ঘোষণা করা হয়, যখন:
- নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করে;
- বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে;
- পূর্বের বক্তব্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ সাধারণত জেরা করার অধিকার বিরুদ্ধ পক্ষের থাকে, তবে বৈরী সাক্ষীর ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। কোনো সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য, সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষকে আদালতে আবেদন করতে হয়। আদালত যদি সেই আবেদন মঞ্জুর করে, তবে সাক্ষী বৈরী হিসেবে গণ্য হয়। বৈরী সাক্ষীকে জেরা করার মূল উদ্দেশ্য হলো তার বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা।

উদাহরণস্বরূপ:
ধরা যাক, একজন সাক্ষী মামলার একটি পক্ষের সমর্থনে আদালতে হাজির হয়। কিন্তু সাক্ষী যখন সাক্ষ্য প্রদান শুরু করে, তখন সে এমন বক্তব্য দেয় যা তার নিজপক্ষের স্বার্থের বিরোধিতা করে এবং অপর পক্ষের পক্ষে যায়। এই পরিস্থিতিতে, সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করতে পারে এবং তাকে জেরা করতে পারে।
২,০৪৯.
তামাদি আইনের ৫ ধারার বিলম্ব মওকুফের জন্য দরখাস্তে কী দাবি/উল্লেখ করতে হয়?
  1. বিলম্বের কারণ
  2. বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
  3. মামলার গুরুত্ব
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপীলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমান করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপীল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তোষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
♦অর্থাৎ ৫ ধারায় দরখাস্তকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে যথাসময়ে আদালতে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে যথোপযুক্ত কারণ (sufficient cause) ছিলো।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবরমাত্র আপীল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লেখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারী মামলার আপীলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
২,০৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পরও অধিকতর তদন্ত করতে পারে?
  1. ১৭৩(১) ধারা
  2. ১৭৩(২) ধারা
  3. ১৭৩(৩খ) ধারা
  4. ১৯০(১) ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ) ধারা
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] এবং ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
২,০৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারার বিধান কী?
  1. Power of Court to issue commissions.
  2. Suits by or against the Government.
  3. Commissions issued by foreign Courts.
  4. Letter of request.
সঠিক উত্তর:
Commissions issued by foreign Courts.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Commissions issued by foreign Courts.
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারার বিধান: বিদেশি আদালত কর্তৃক প্রেরিত কমিশন। নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, সাক্ষীদের পরীক্ষার নিমিত্তে কমিশন নির্বাহ এবং ফেরত সম্পর্কীয় বিধান নিম্নবর্ণিত আদালত কর্তৃক বা তার অনুরোধে নিযুক্ত কমিশনের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হবে-
ক) বাংলাদেশ বহির্ভূত স্থানে অবস্থিত এবং সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরিচালিত আদালতসমূহ; বা
গ) বাংলাদেশ বহির্ভূত যে কোন রাজ্য বা দেশের কোন আদালত।
----------
- Section 78. Commissions issued by foreign Courts:

Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the provisions as to the execution and return of commissions for the examination of witnesses shall apply to commissions issued by or at the instance of- 
(a) Courts situate beyond the limits of Bangladesh and established or continued by the authority of Government, or 
(c) Courts of any State or country outside Bangladesh.
২,০৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, যদি ছয় মাসের মধ্যে সম্পত্তির কোনো দাবিদার না আসে, তবে সম্পত্তি কার নিয়ন্ত্রণে থাকে?
  1. পুলিশের নিয়ন্ত্রণে
  2. সরকারের নিয়ন্ত্রণে
  3. আদালতের নিয়ন্ত্রণে
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণে
সঠিক উত্তর:
সরকারের নিয়ন্ত্রণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের নিয়ন্ত্রণে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, যদি ছয় মাসের মধ্যে জব্দকৃত সম্পত্তির কোনো দাবিদার না আসে এবং যে ব্যক্তির কাছ থেকে সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে সে যদি প্রমাণ করতে না পারে যে সম্পত্তিটি বৈধভাবে অর্জিত হয়েছে, তবে সেই সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এই সম্পত্তি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে বিক্রি করা যেতে পারে।

- ধারা ৫২৩(২) অনুসারে, যদি সম্পত্তির মালিক অজ্ঞাত থাকে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট এক মাসের মধ্যে দাবিদারকে হাজির হওয়ার জন্য প্রকাশনা জারি করেন।
- ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, ছয় মাসের মধ্যে কোনো দাবিদার না এলে এবং সম্পত্তির বৈধতা প্রমাণ না হলে, সম্পত্তি সরকারের হয়ে যায় এবং বিক্রির নির্দেশ দেওয়া যায়।
- ধারা ৫২৪(২) অনুসারে, এই ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, যেখানে আপিল সংশ্লিষ্ট আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা হয় সেখানে দায়ের করা যায়।
অতএব, ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, ছয় মাসের মধ্যে সম্পত্তির কোনো দাবিদার না আসলে সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে।

২,০৫৩.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে কোন মামলা এ্যাবেট হবার কারণ উদ্ভব হয়?
  1. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের মৃত্যু
  2. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেশান্তর
  3. বিবাদী দেওলিয়াত্ব
  4. মোকদ্দমার মহিলা পক্ষের বিবাহের কারণে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী দেওলিয়াত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী দেওলিয়াত্ব
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ নং আদেশের, বিধি-৮ মতে যখন বাদীর দেউলিয়াত্ব/অস্বচ্ছলতা মোকদ্দমায় বাধা হয় (When plaintiff's insolvency bars suit):
কোন বাদীর অস্বচ্ছলতা মোকদ্দমা বাতিল করবে না, যদি বাদীর স্বত্বনিয়োগী (assignee) বা রিসিভার (receiver) তার পাওনাদারদের উপকারার্থে মোকদ্দমা চালাতে থাকে।
স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মোকদ্দমা চালু রাখতে বা জামানত দিতে ব্যর্থ হলে, তখন বিবাদী বাদীর অস্বচ্ছলতার অজুহাতে মোকদ্দমা খারিজ করার জন্য আবেদন করতে পারে ।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ নং আদেশের ৮ নং বিধিতে বলা হয়েছে বাদীর দেওলিয়াত্ব মামলাটি বাতিল হবে না এবং এই ক্ষেত্রে বাদীর স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মামলাটি চালিয়ে নিতে পারে। কিন্তু এই নিয়মটি প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের (বিবাদীর) দেওলিয়াত্ত্বর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ বিবাদী যদি দেওলিয়া হয়ে যায়, তাহলে মামলা এ্যাবেট হতে পারে।
২,০৫৪.
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি মুদ্রা নয়?
  1. বাংলাদেশি টাকা
  2. কড়ি
  3. স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতবদ্রব্য
  4. ফারুখাবাদ টাকা
সঠিক উত্তর:
কড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কড়ি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুসারে, 'মুদ্রা' বলতে সেই ধাতব দ্রব্যকে বোঝায় যা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়।
ক) বাংলাদেশি টাকা: এটি মুদ্রা, কারণ এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়।
খ) কড়ি: এটি মুদ্রা নয়, কারণ এটি ধাতব দ্রব্য নয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়নি।
গ) স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতবদ্রব্য: এটি মুদ্রা হতে পারে যদি এটি কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয় এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) ফারুখাবাদ টাকা: এটি মুদ্রা, কারণ এটি পূর্বে ভারত সরকার কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়েছিল এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো।

উদাহরণ:
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার উদাহরণ (Illustration) অনুসারে, কড়ি (Cowries) মুদ্রা নয়, কারণ এটি ধাতব দ্রব্য নয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়নি।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) কড়ি।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
বাংলাদেশি মুদ্রা (Bangladesh Coin):-
বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরুপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে, এবং অর্থরুপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) কড়িগুলো মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখণ্ড অর্থরুপে ব্যবহৃত হয়ে থাকলেও মুদ্রা নয়।
(গ) পদকগুলো মুদ্রা নয়, যেহেতু উহা অর্থরুপে ব্যবহারের জন্য নির্মিত হয় নাই।
(ঘ) কোম্পানির টাকা বলে অঙ্কিত মুদ্রা রানীর মুদ্রা বলে পরিগণিত হবে।
(ঙ) "ফারুখাবাদ” টাকা যা পূর্বে ভারত সরকারের ক্ষমতাধীনে অর্থরুপে ব্যবহৃত হত-তবুও বাংলাদেশি মুদ্রা, যদিও এটা আজও অনুরূপভাবে ব্যবহৃত হয় না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 230: “Coin” defined Bangladesh coin: Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used.
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustration:
(a) Cowries are not coin.
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin.
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money.
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin.
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
২,০৫৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ৬ অনুযায়ী জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সদস্য-সচিব কে হবেন?
  1. নির্বাহী পরিচালক
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. রেজিস্ট্রার জেনারেল
  4. আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী পরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী পরিচালক
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ৬(১)(দ) অনুসারে, জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সদস্য-সচিব হলেন নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা। 
- "(দ) নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।"

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ৬-জাতীয় পরিচালনা বোর্ড:
(১) জাতীয় পরিচালনা বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(ক) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী/উপদেষ্টা, যিনি বোর্ডের চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) জাতীয় সংসদের স্পিকার মনোনীত ২ (দুই) জন সংসদ-সদস্য, যাহাদের একজন সরকারদলীয় এবং অপরজন বিরোধীদলীয় হইবেন;
(গ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল;
(ঘ) সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়;
(ঙ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ;
(চ) সচিব, অর্থ বিভাগ;
(ছ) সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ;
(জ) সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়;
(ঝ) সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়;
(ঞ) রেজিস্ট্রার জেনারেল, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট;
(ট) মহা-পুলিশ পরিদর্শক;
(ঠ) মহা-কারা পরিদর্শক;
(ড) ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল;
(ঢ) সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতি;
(ণ) চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা;
(ত) সরকার কর্তৃক মনোনীত আইন ও অধিকার সম্পর্কিত বেসরকারি সংস্থার ৩ (তিন) জন প্রতিনিধি;
(থ) সরকার কর্তৃক নারী সংস্থা হইতে মনোনীত ৩ (তিন) জন প্রতিনিধি; এবং
(দ) নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের প্রত্যেকে স্ব স্ব মনোনয়ন প্রাপ্তির তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উপযুক্ত কারণ উদ্ভব হইলে সরকার উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের যে কাহারো মনোনয়ন মেয়াদপূর্তির পূর্বেই বাতিল করিতে পারিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণ সরকার বরাবর পদত্যাগপত্র প্রেরণপূর্বক স্বীয় পদ হইতে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করিতে পারিবেন।

২,০৫৬.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারেনা?
  1. To examine any person
  2. To arrest any person
  3. To make a partition
  4. To make a local investigation
সঠিক উত্তর:
To arrest any person
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To arrest any person
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাঃ ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:  
নির্ধারিত শর্তাবলী ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত  উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।

-অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে (To arrest any person) দেওয়ানী আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারেনা। 
--------------------------------
⇒  Section-75: Power of Court to issue commissions. Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
২,০৫৭.
আপিল আদালত কত দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে?
  1. রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  2. রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
  3. আপিল আবেদন দাখিলের ৯০ দিনের মধ্যে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৪২ক- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়

(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision

(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
২,০৫৮.
দেওয়ানি আদালতের মামলা বিচার করার এখতিয়ার (jurisdiction) না থাকলে, উক্ত আদালত মামলার ব্যয় নির্ধারণের ক্ষমতা-
  1. প্রয়োগ করতে পারে
  2. প্রয়োগ করতে পারে না
  3. কেবল পক্ষদ্বয়ের আবেদনে প্রয়োগ করতে পারে
  4. কেবল হাইকোর্টের নির্দেশে প্রয়োগ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
প্রয়োগ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োগ করতে পারে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫- Costs (খরচের বিধান):
(১) যে নিয়ম বা সীমাবদ্ধতা বিধিবদ্ধ আছে, এবং বর্তমানে কার্যকর যে কোনো আইনের বিধানের অধীনে সব ধরনের মামলা এবং মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত সব ব্যয় (costs) আদালতের বিবেচনাধীন থাকবে।
আদালত সম্পূর্ণ ক্ষমতা রাখে- কার দ্বারা ব্যয় প্রদান করতে হবে, কোন সম্পত্তি থেকে ব্যয় আদায় করা হবে, এবং কোন মাত্রায় তা প্রদান করতে হবে- এসব নির্ধারণ করার জন্য, এবং এই উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সব নির্দেশ দেওয়ার জন্য।

আদালতের মামলাটি বিচার করার এখতিয়ার না থাকলেও, ব্যয় নির্ধারণের এই ক্ষমতা ব্যবহার করতে আদালত বাধাগ্রস্ত হবে না।

(২) যদি আদালত নির্দেশ দেয় যে ব্যয় মামলার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হবে না (costs shall not follow the event),
তাহলে আদালতকে অবশ্যই লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করতে হবে।

(৩) আদালত চাইলে ব্যয়ের ওপর বার্ষিক সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ হারে সুদ প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ ব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে এবং ব্যয় হিসেবে আদায়যোগ্য হবে।

২,০৫৯.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৭ অনুযায়ী, তালাকের ঘোষণার পর তা কার্যকর হতে কত দিন সময় লাগে?
  1. ১২০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৭(৩) এ বলা হয়েছে: “তালাক, যদি এর আগে প্রত্যাহার না করা হয় (স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে), তবে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ প্রদানের তারিখ থেকে নব্বই (৯০) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর হবে না।
অর্থাৎ স্বামী তালাক উচ্চারণ করার পর যত দ্রুত সম্ভব ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে এবং স্ত্রীর কাছেও একটি কপি পাঠাতে হবে।
- চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে একটি সালিশি পরিষদ (Arbitration Council) গঠন করবেন, যার মূল উদ্দেশ্য হলো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পুনর্মিলন ঘটানো।
- তালাকের নোটিশ দেওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিন পার হওয়ার আগে তালাক কার্যকর হয় না। এই সময়টিকে এক ধরনের “Cooling-off Period” বা সমঝোতার সুযোগ বলা যায়।
- যদি স্ত্রী নোটিশ দেওয়ার সময় গর্ভবতী থাকেন, তবে ৯০ দিন পূর্ণ হওয়ার পরেও গর্ভকাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান: তালাক (Talaq):
১) কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ইচ্ছা করলে সে কোন প্রকারেই হোক তালাক উচ্চারণ করার পরেই সে তালাক দিয়েছে বলে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাবে এবং তার স্ত্রীকেও একটি কপি পাঠাবে।
২) উপর্যুক্ত বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩) অন্য কোনোভাবে প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কোন তালাক প্রত্যাহার না করা হলে চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরিত নোটিশের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৪) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের ভিতরে চেয়ারম্যান পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করবেন ও এই কাউন্সিল পুনর্মিলন ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৫) তালাক প্রদানের সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৩নং উপধারায় উল্লিখিত মেয়াদ বা গর্ভকাল এই দুই এর মধ্যে যা পরে শেষ হবে, তা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৬) এই ধারা অনুযায়ী কার্যকর তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে সেই স্ত্রীর তৃতীয় কোনো ব্যক্তির সাথে মধ্যবর্তী বিবাহ ছাড়া তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহে কোনো বাধা থাকবে না, যদি না বিবাহবিচ্ছেদ তৃতীয়বারের মত কার্যকর হয়ে থাকে।

২,০৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৬৮ অনুযায়ী, অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়ের জন্য ইশতেহার লাগানোর পর কত দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে?
  1. ৭ দিন পর্যন্ত
  2. ১৫ দিন পর্যন্ত
  3. ২১ দিন পর্যন্ত
  4. ৩০ দিন পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৬৮ এর সরাসরি বিধান অনুযায়ী, অস্থাবর সম্পত্তির (movable property) ক্ষেত্রে ইশতেহারের নকল আদালত ভবনে লাগানোর তারিখ থেকে অন্তত ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত Judgment-debtor-এর লিখিত সম্মতি ছাড়া নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
- অন্যদিকে, স্থাবর সম্পত্তির (immovable property) ক্ষেত্রে এই সময়সীমা অন্তত ৩০ দিন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান- বিক্রয়ের সময়:
বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতাহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-68. Time of sale:
Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.

২,০৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ৫(১) অনুযায়ী, সমন ফেরত আসার পর কত দিনের মধ্যে পুনরায় সমন জারির জন্য আবেদন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ৫(১) অনুযায়ী, যদি কোন বিবাদীর কাছে জারিকৃত সমন (summons) অজারি (unserved) অবস্থায় ফেরত আসে, তাহলে আদালতের কর্মকর্তা কর্তৃক ফেরত সংক্রান্ত রিপোর্ট পাওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিন (এক মাস) এর মধ্যে বাদীকে নতুন সমন জারির জন্য আবেদন করতে হবে। যদি বাদী এই সময়ের মধ্যে আবেদন না করে, তাহলে আদালত ওই বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজ (dismissed) করার আদেশ দিতে পারেন।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-9 Rule-5: Dismissal of suit where plaintiff, after summons returned unserved, fails for one month to apply for fresh summons:
(1) Where, after a summons has been issued to the defendant, or to one of several defendants, and returned unserved, the plaintiff fails, for a period of one month from the date of return made to the Court by the officer ordinarily certifying to the Court returns made by the serving officers, to apply for the issue of a fresh summons the Court shall make an order that the suit be dismissed as against such defendant, unless the plaintiff has within the said period satisfied the Court that:
(a) he has failed after using his best endeavours to discover the residence of the defendant who has not been served, or
(b) such defendant is avoiding service of process, or
(c) there is any other sufficient cause for extending the time, in which case the Court may extend the time for making such application for such period as it thinks fit.
(2) In such case the plaintiff may (subject to the law of limitation) bring a fresh suit.

২,০৬২.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হলে সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য মামলা করার জন্য তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১২ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হলে সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য মামলা করার তামাদি ১২ বছর।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী: যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিল, কিন্তু পরে বেদখল হয়ে যায় বা নিজে থেকে দখল ত্যাগ করে, তখন সেই সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য (সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায়) মামলা করতে হয় ১২ বছরের মধ্যে। এই সময় গণনা শুরু হয় বেদখল হওয়ার বা দখল ত্যাগের তারিখ থেকে।
__________________
⇒ The Limitation Act 1908, Article 142: The period of limitation of a suit for the recovery of possession of an immoveable property when the plaintiff, while in possession of the property, has been dispossessed or has discontinued the possession.
 is 12 years. The period begins from the date of the dispossession or discontinuance.

২,০৬৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করানোর শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩০৩ ধারা
  2. ৩১৩ ধারা
  3. ১৩৩ ধারা
  4. ৩১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩১৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:- কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------------------
⇒ Section 313: Causing miscarriage without women's consent:
Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
২,০৬৪.
জাতীয় সংসদ বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের অধিকারবলে 'Delegated Legislation' এর ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৬৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৬৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৬৫(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৫(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৫(১)
ব্যাখ্যা
• অর্পিত আইন প্রণয়ন [Delegated Legislation]:
 
অনুচ্ছেদ ৬৫(১) এর অধীন জাতীয় সংসদ তার আইন প্রণয়ন ক্ষমতা অন্য কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে অর্পণ করতে পারে। যে ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, উক্ত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ উক্ত অর্পিত ক্ষমতাবলে যে আইন প্রণয়ন করে তাকে অর্পিত আইন বা Delegated Legislation বলে।

অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:

(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
 
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।
 
(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।
 
(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।
 
(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।
 
(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
২,০৬৫.
একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ কী সাজা দিতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৮: বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা (Powers of Special Tribunals):

যেকোনো প্রচলিত আইনে ভিন্নরূপ কিছু থাকলেও, এই ধারার অধীন নিম্নরূপ ব্যবস্থা করা হয়েছে:
(ক) যদি কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয় সেশন জজ, অতিরিক্ত সেশন জজ, অথবা সহকারী সেশন জজ দ্বারা, তবে
- উক্ত ট্রাইব্যুনাল যে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে,
- তার জন্য আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে।

(খ) যদি কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা, তবে
- উক্ত ট্রাইব্যুনাল যে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে, তার জন্য
- আইনে অনুমোদিত দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে, তবে নিম্নোক্ত দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে না:
• মৃত্যুদণ্ড;
• যাবজ্জীবন কারাদণ্ড;
• সাত বছরের বেশি মেয়াদে কারাদণ্ড;
• ১০,০০০ টাকার বেশি অর্থদণ্ড।
২,০৬৬.
'বিশেষজ্ঞদের মতামত' এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক?
  1. আদালতের জন্য বাধ্যকর
  2. এটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়
  3. অনুসমর্থন প্রকৃতির সাক্ষ্য
  4. পক্ষদ্বয় মানতে বাধ্য
সঠিক উত্তর:
অনুসমর্থন প্রকৃতির সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুসমর্থন প্রকৃতির সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
• যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন এই বিষয়ে বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।
 
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ এবং ৪৫ক ধারায় বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। পূর্বে পাঁচটি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক ছিল। কিন্তু সাক্ষ্য আইন (সংশোধন) ২০২২ এর ফলে ৪৫ ধারাটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। নতুন ৪৫ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-

(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;
(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;

(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;

(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।

⇒ Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
২,০৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন কমিটিতে কতজন সুপ্রীম কোর্টের বিচারক থাকবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৬ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১২৩ অনুযায়ী, সর্বমোট ৬ জন সদস্য নিয়ে বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। সদস্যগণ হলো-

ক. সুপ্রীম কোর্টের তিন (৩) জন বিচারক নিয়ে যাদের মধ্যে একজন সর্বনিম্ন (৩ বছর জেলা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে);
খ. উক্ত আদালতে অ্যাডভোকেট হিসাবে চর্চা করছে এমন ২ জন অ্যাডভোকেট;
গ. হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ দেওয়ানি আদালতের একজন বিচারক।

• সদস্যগণের নিয়োগ:
এই কমিটির সদস্যরা প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে এবং তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করবে এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দিবে।এই কমিটির প্রত্যেক সদস্য প্রধান বিচারপতি কর্তৃক উল্লেখিত মেয়াদ পর্যন্ত পদে বহাল থাকবে।
২,০৬৮.
অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ কোন আইন অনুযায়ী ধরে নিতে হবে?
  1. দণ্ড বিধি অনুযায়ী
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
  3. প্রচলিত সাধারণ আইন অনুযায়ী
  4. যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোনো অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.
২,০৬৯.
সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য নিম্নলিখিত কাকে কমিশন দেয়া যায়?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবায়
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৩- সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগ

ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহন করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,

উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
২,০৭০.
বার কাউন্সিলে কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের সময় প্রদত্ত ফি এর পরিমাণ-
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ. ১,০০০ টাকা।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৪১:
কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রে উক্ত আইনজীবীর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ বা একাধিক অভিযোগ থাকতে হবে এবং অভিযোগকারীর হাতে যেসব দলিল বা দলিলের কপি রয়েছে, তা অভিযোগপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

যদি অভিযোগটি কোনো আদালত বা সরকারি কর্মকর্তার দ্বারা তাদের দাপ্তরিক ক্ষমতাবলে করা না হয়ে থাকে, তবে অভিযোগের সঙ্গে ঘটনার বিবরণ সম্বলিত একটি হলফনামাও দাখিল করতে হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, বার কাউন্সিল প্রয়োজনে হলফনামা দাখিলের শর্ত মওকুফ করতে পারবে।

বিধি ৪১ক:
একজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বার কাউন্সিলে দাখিল করতে হবে এবং সঙ্গে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা ফি প্রদান করতে হবে।
২,০৭১.
'Ubi jus ibi remedium' এর বাংলা অর্থ কী?
  1. যেখানে আইন সেখানে শাস্তি
  2. যেখানে ক্ষতি সেখানে প্রতিকার
  3. যেখানে আদালত সেখানে বিচার
  4. যেখানে অধিকার সেখানে প্রতিকার
সঠিক উত্তর:
যেখানে অধিকার সেখানে প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে অধিকার সেখানে প্রতিকার
ব্যাখ্যা

⇒ "Ubi jus ibi remedium" একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাক্সিম (Legal Maxim) যার অর্থ "Where there is a right, there is a remedy". 
- বাংলায়: "যেখানে অধিকার আছে, সেখানে প্রতিকারও আছে"।
- এটি আইনের মৌলিক নীতি, যা বলে যে কোনো আইনি অধিকারের সাথে তার লঙ্ঘনের জন্য প্রতিকারের অধিকারও যুক্ত। অন্যান্য অপশনগুলো এই ম্যাক্সিমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

২,০৭২.
কারফিউ আদেশ অমান্য করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৪: কারফিউ (Curfew):
(১) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণে, আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারবেন যে—যে কোনো এলাকা বা এলাকায়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে, কোনো ব্যক্তি বাইরে থাকতে পারবে না, তবে যে ব্যক্তির কাছে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত লিখিত পারমিট থাকবে তার ব্যতীত। আদেশে নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হতে পারে।

(২) এই ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করলে, অপরাধীকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়ই দেওয়া যেতে পারে।

২,০৭৩.
'Fraudulently’- এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ২২ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ২৪ ধারায়
  4. ২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ - ধারা ২৫: "প্রতারণাপূর্বক" (Fraudulently)-
যদি কোন ব্যক্তি কোন কাজ প্রতারণার অভিপ্রায়ে করে, তবে এবং কেবলমাত্র তখনই সেই ব্যক্তি উক্ত কাজটি ‘প্রতারণাপূর্বক’ করেছে বলে গণ্য হবে।
[A person is said to do a thing fraudulently if he does that thing with intent to defraud but not otherwise.]
২,০৭৪.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭০ অনুসারে নি:স্ব হিসাবে আপীল করার অনুমতি দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-১৭০ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নিজেকে নি:স্ব বা দরিদ্র (pauper) দাবি করে এবং কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করতে চান, তাহলে তাকে ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে "leave to appeal as a pauper" দরখাস্ত দাখিল করতে হবে।
- এই ধারা দরিদ্র বা আর্থিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিকে ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সময়সীমা দিয়ে সহযোগিতা করে।

উদাহরণস্বরূপ:
- একজন দরিদ্র ব্যক্তি যদি কোনো দেওয়ানি মামলায় হেরে যান এবং রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে চান, কিন্তু আদালতের ফি দিতে অক্ষম হন — তাহলে তিনি ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত দাখিল করে বিনা খরচে আপিল করার অনুমতি চাইতে পারেন।
২,০৭৫.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে সহকারি জজ আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে, সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. জেলা জজ আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
  3. জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান-
মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে। আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে,
মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

• Section 89A(12):
No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
২,০৭৬.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী আদালত কয়ভাবে ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে পারে?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

অর্থাৎ  সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী আদালত দুইভাবে ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে পারে।
-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
২,০৭৭.
'ক' ঘুসি মেরে 'খ' এর দাঁত ফেলে দেয়। 'ক' এর কৃত অপরাধ হল-
  1. সাধারণ জখম
  2. হত্যার চেষ্টা
  3. মারাত্মক জখম
  4. অনিচ্ছাকৃত জখম
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
২,০৭৮.
‘A’ একজন ১২ বছর বয়সী ছেলেকে তার আইনি অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া তাদের বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৩ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশ থেকে বা আইনি অভিভাবকের তত্ত্বাবধান থেকে অপহরণ করলে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘A’ একজন ১২ বছর বয়সী ছেলেকে তার আইনি অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নিয়ে গেছে, যা ধারা ৩৬১-এর অধীনে আইনি অভিভাবকের তত্ত্বাবধান থেকে অপহরণ হিসেবে গণ্য। তাই, ধারা ৩৬৩ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

২,০৭৯.
জিজ্ঞাসার মাধ্যমে উদঘাটন (Discovery by interrogatories) করতে পারে-
  1. বিবাদী কর্তৃক বাদীকে
  2. বাদী কর্তৃক বিবাদীকে
  3. ক এবং খ
  4. কোনটি নহে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।

বিধি ১ঃ প্রশ্নাবলী দ্বারা আবিষ্কার-
কোন মোকদ্দমায় বাদি কিংবা বিবাদিপক্ষ অপর পক্ষসমূহকে অথবা তাদের মধ্যে একজন বা একাধিক জনকে পরীক্ষা করার জন্য আদালতের অনুমতিক্রমে, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে লিখিতরূপে প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারে এবং অনুরূপ প্রশ্নমালা প্রদান করা হলে এর মধ্যে কোন কোন প্রশ্নের উত্তর অনুরূপ ব্যক্তির কাউকে প্রদান করতে হবে তা প্রশ্নমালার পাদটিকায় লিখিত থাকবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন পক্ষ অপর পক্ষকে আদালতের আদেশ ব্যতিরেকে এক প্রস্থের অধিক প্রশ্নমালা প্রদান করবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার সাথে কোনভাবেই সম্পর্কীত নয়, এরূপ প্রশ্নমালা সাক্ষীর মৌখিক জেরায় জিজ্ঞাসা করা চললেও এক্ষেত্রে তা অবান্তর বলে গণ্য হবে।
২,০৮০.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় অসাধুভাবে আদালতে মিথ্যা দাবি উথাপন করার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ২০৭
  2. ২০৮
  3. ২০৯
  4. ২১৩
সঠিক উত্তর:
২০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৯
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২০৯ ধারা অনুসারে, অসাধুভাবে আদালতে মিথ্যা দাবী উত্থাপন করার জন্য কোন ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ২ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
২,০৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার (২) উপ-ধারা অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে কে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৪৯২(২) অনুযায়ী, যদি পাবলিক প্রসিকিউটর অনুপস্থিত হন বা নিযুক্ত না হন, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সেই মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে অন্য কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারেন, তবে এটি নিয়মিত পুলিশ কর্মকর্তার নিম্নপদস্থ নয় এমন ব্যক্তি হতে হবে, যা সরকার দ্বারা নির্ধারিত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492:Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.

২,০৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় 'Limit of Time for Execution' এর বিধান আছে?
  1. ৪৬
  2. ৪৮
  3. ৪৯
  4. ৪৭
সঠিক উত্তর:
৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনামতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
------------------
⇒ Limit of Time for Execution
Section 48 Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from 
(a) the date of the decree sought to be executed, or, 
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree. 
 
(2) Nothing in this section shall be deemed
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or 
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.
২,০৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯২(২) অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে বা কোন পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ না থাকলে, কে অন্য কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট
  3. পুলিশ সুপার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৯২(২) অনুযায়ী, যদি কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত না থাকেন, অথবা তিনি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামলার জন্য একজন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন। তবে শর্ত হলো, যাকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, তিনি যেন সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা না হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492:Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
২,০৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার (২) উপধারা অনুসারে আদালত জামিন দেওয়ার সময় কী করতে পারে?
  1. আসামিকে জরিমানা আরোপ করতে পারে
  2. তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারে
  3. যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার (২) উপধারা অনুসারে, কোনো আদালত আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার সময় যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারে যাতে আসামির পলায়ন রোধ করা যায় বা তার সৎ আচরণ নিশ্চিত করা যায়। এই শর্তগুলো মামলার পরিস্থিতি এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে আরোপ করা হয়, যেমন নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেওয়া, নির্দিষ্ট এলাকা ত্যাগ না করা ইত্যাদি।

- অর্থাৎ ৪৯৮ ধারার (২) উপধারা স্পষ্টভাবে জামিনের শর্ত আরোপের ক্ষমতার কথা উল্লেখ করে, যা ন্যায়বিচার এবং আসামির উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয়।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 498. Power to direct admission to bail or reduction of bail:
(1) The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
(2) Any Court, while releasing the accused on bail, may impose reasonable and fair conditions to prevent his abscondence or to ensure his good behaviour.

২,০৮৫.
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যায় কোন দুটি সাক্ষ্যের মাধ্যমে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য এবং দালিলিক সাক্ষ্য
  2. প্রাথমিক সাক্ষ্য এবং মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য এবং পরোক্ষ সাক্ষ্য
  4. কোনো সাক্ষ্য নয়
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য এবং মাধ্যমিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য এবং মাধ্যমিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হচ্ছে মূল দলিল, যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। অন্যদিকে, মাধ্যমিক সাক্ষ্য তখন ব্যবহার করা হয় যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, এবং তখন তার প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

- সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারায় বলা হয়েছে, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
তাই সঠিক উত্তর: খ) প্রাথমিক সাক্ষ্য এবং মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary Evidence):
দালিলিক সাক্ষ্য বলতে আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয়, তা বোঝানো হয়। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে, দলিলের বিষয়বস্তু দুই প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে:
১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং
২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য এর মাধ্যমে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 61 - Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
২,০৮৬.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে মেয়াদ উত্তীর্ণের পর মামলা দায়ের করলে তা খারিজ হবে?
  1. ৩ ধারা
  2. ৪ ধারা
  3. ৫ ধারা
  4. ৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩ (Section 3 of the Limitation Act, 1908) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারা। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে: "যদি কোনো মামলা, আপীল বা দরখাস্ত নির্ধারিত তামাদির মেয়াদের পর দাখিল করা হয়, তবে তা খারিজ করে দিতে আদালত বাধ্য থাকবে— এমনকি প্রতিপক্ষ (বিবাদী) যদি তামাদির প্রশ্ন না-ও তোলে, তবুও।"
অর্থাৎ, মামলা, আপিল বা দরখাস্ত যদি তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দায়ের করা হয়, তাহলে আদালত নিজ থেকেই সেটি খারিজ করে দেবে, এটি আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক (mandatory)।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩ মোতাবেক- প্রথম তফসিলে এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু, দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদীপক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে, তারপরও উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

⇒ যা যা খারিজ হবে:
- Suit (মামলা)
- Appeal (আপিল)
- Application (আবেদন)
২,০৮৭.
মোকদ্দমার একাধিক বিবাদীর মধ্যে কেউ অনুপস্থিত থাকলে কী হবে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত হবে
  2. মোকদ্দমা অগ্রসর হবে
  3. মোকদ্দমা বাতিল হবে
  4. শুধুমাত্র উপস্থিতদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা চলবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা অগ্রসর হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা অগ্রসর হবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯ বিধি ১১: কতিপয় বিবাদীর এক বা একাধিক অনুপস্থিত থাকলে কার্য পদ্ধতি [Procedure in case of nonattendance of one or more of several defendants]:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী রয়েছে, সেক্ষেত্রে একজন বা কয়েকজন বিবাদী উপস্থিত হয় এবং অন্যরা উপস্থিত না হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি অগ্রসর হবে এবং রায় ঘোষণার সময় আদালত অনুপস্থিত বিবাদীদের সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোনো আদেশ দান করবেন।

২,০৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ আদেশ অনুযায়ী ঋণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৬৪ক অনুযায়ী, দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ আদেশ মোতাবেক ঋণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৩ বছর। এই মেয়াদ ঋণ পরিশোধযোগ্য হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
- ৩৭ আদেশ দেওয়ানী কার্যবিধিতে ঋণ আদায়ের মামলার প্রক্রিয়া ও সময়সীমা সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
- ঋণ পরিশোধযোগ্য হওয়ার তারিখ বলতে সেই তারিখকে বোঝায় যখন ঋণ পরিশোধের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়।
যদি এই ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের না করা হয়, তবে মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না।
২,০৮৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে?
  1. ৫১ ধারায়
  2. ৫৩ ধারায়
  3. ৫৩ক ধারায়
  4. ৭৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)
-দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
 - যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
---------------------------------------------------
⇒ Section 53. Punishments
 The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted by the Criminal Law (Extinction of Discriminatory Privileges) Act 1949 (Act No. II of 1950]. 
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 
(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine.
- Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
২,০৯০.
A transfer of immovable property made with the intent to defeat or delay the creditors of the transferor shall be:
  1. Void
  2. Voidable at the discretion of the court
  3. Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
ব্যাখ্যা
• শঠতামূলক হস্তান্তর (Fraudulent transfer):

৫৩ ধারা অনুসারে,
হস্তান্তরকারী তার পাওনাদারদের (creditors) ঠকানো বা পাওনা আদায়ে বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি কোন স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করে, তাহলে যেকোন পাওনাদারের দাবী অনুযায়ী উক্ত হস্তান্তর বাতিলযোগ্য বিবেচিত হবে।

⇒ পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতাকে ঠকানাের উদ্দেশ্যে পূর্বে সম্পাদিত প্রত্যেকটি বিনামূল্যের হস্তান্তর পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতার দাবিক্রমে বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
⇒ পরবর্তী কোনো একটি হস্তান্তর মূল্যের বিনিময়ে করা হয়েছে, কেবল এ কারণেই ধরে নেয়া হবে না যে, পূর্বের বিনামূল্যের হস্তান্তরটি পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতাকে ঠকানাের জন্য করা হয়েছিল।

Section 53: Fraudulent transfer

(1) Every transfer of immoveable property made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor shall be voidable at the option of any creditor so defeated or delayed. Nothing in this sub-section shall impair the rights of a transferee in good faith and for consideration. Nothing in this sub-section shall affect any law for the time being in force relating to insolvency. 
 
A suit instituted by a creditor (which term includes a decree-holder whether he has or has not applied for execution of his decree) to avoid a transfer on the ground that it has been made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor, shall be instituted on behalf, or for the benefit of, all the creditors. 
 
(2) Every transfer of immoveable property made without consideration with intent to defraud a subsequent transferee shall be voidable at the option of such transferee. 
For the purposes of this sub-section, no transfer made without consideration shall be deemed to have been made with intent to defraud by reason only that a subsequent transfer for consideration was made.
২,০৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. দেওয়ানি আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  2. বেআইনীভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের
  3. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  4. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটক ব্যক্তিদের
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 

ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-

(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
২,০৯২.
বন্ধুত্বের সম্পর্কের ভিত্তিতে A, Z এর লাইব্রেরীতে যায়। উক্ত সময় Z লাইব্রেরীতে ছিলনা। Z এর অনুপস্থিতিতে এবং Z এর কোন বাক্ত সম্মতি ছাড়া শুধুমাত্র পড়ার উদ্দেশ্যে এবং ফেরত প্রদানের অভিপ্রায়ে A একটি বই নিয়ে আসে। A এর অপরাধ হলে-
  1. চুরি
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. সম্মতি ছাড়া গ্রহণ
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারার উদাহরণ-(ড): গ-এর সাথে ক-এর হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। এই সম্পর্কের সুবাদে ক গ-এর অনুপস্থিতিতে গ-এর গ্রন্থাগারে গিয়ে গ-এর প্রকাশ্য অনুমতি ব্যতীত কেবল পড়ার উদ্দেশ্যে এবং পড়ে ফেরত দেওয়ার অভিপ্রায়ে একখানি বই নিয়ে যায়। এখানে ইহা সম্ভব যে, ক মনে করেছে যে, গ-এর এই ব্যবহার করার জন্য তার প্রতি গ-এর অব্যক্ত সম্মতি আছে। যদি ইহাই ক-এর ধারণা হয়ে থাকে, তবে ক চুরি করেছে বলে পরিগণিত হবে না।

♦ অর্থাৎ A এর যদি এমন ধারণা থাকে যে, উক্ত বই ব্যবহারে Z এর পরোক্ষ সম্মতি ছিল, তাহলে A কোন অপরাধ করেনি।
২,০৯৩.
বেআইনী সমাবেশ সংঘটিত হতে হলে সর্বনিম্ন কতজন সদস্য থাকতে হবে?
  1. ৫ জন সদস্য
  2. ৩ জন সদস্য
  3. ১০ জন সদস্য
  4. এ সংক্রান্ত বিধান নেই
সঠিক উত্তর:
৫ জন সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন সদস্য
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪১- বেআইনী সমাবেশ অর্থ:

দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। পাঁচ (৫) বা পাঁচের অধিক ব্যক্তির সমাবেশ বেআইনী সমাবেশ নামে পরিচিত যদি তাদের মধ্যে ১৪১ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ উদ্দেশ্য Common Objects| থাকে।

বেআইনী সমাবেশ সংঘটিত হতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হবে:
১. সর্বনিম্ন ৫ বা ৫ এর অধিক সদস্য থাকতে হবে;
২. সমাবেশের উদ্দেশ্য অবশ্যই ১৪১ ধারায় উল্লেখিত সাধারণ উদ্দেশ্যসমূহের common objects) যেকোন একটি হতে হবে।

সাধারণ উদ্দেশ্যসমূহ [Common Objects]
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় যে সকল উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো সাধারণ উদ্দেশ্য বলে গণ্য হবে। ১৪১ ধারায় ধরণের সাধারণ উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়েছে। যদি বেআইনী সমাবেশটি হয়-

১. বলপ্রয়োগ করে সরকার বা সরকারী কর্মকর্তাকে ভীত করতে [To overawe government or legislature or public servant by criminal force];

২. আইন বা আইনী প্রক্রিয়া বলবৎকরণে বাধা দেওয়া [to resist execution of law or legal process];

৩. ক্ষতি, অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা অন্যান্য অপরাধ সংঘটন [to commit mischef, trespass or other offences];

৪. সম্পত্তির বলপূর্বক দখল গ্রহণ করতে [to obtain possession of property by criminal force];

৫. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে কোন ব্যক্তি যে কাজ করতে বাধ্য না তা করতে বা যে কাজ করতে অধিকারী তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করা [to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do]
২,০৯৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ অনুসারে কয়টি পদ্ধতিতে ডিক্রির টাকা পরিশোধের বিধান আছে?
  1. ৫ টি
  2. ৪ টি
  3. ৩ টি
  4. ২ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলি আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোনো উপায়ে।
-------------------------
CPC Order-21 Rule-1:Payment under Decree:
Modes of paying money under decree:
(1) All money payable under a decree shall be paid as follows, namely:−
(a) into the Court whose duty it is to execute the decree; or
(b) out of Court to the decree-holder; or
(c) otherwise as the Court which made the decree directs.

(2) where any payment is made under clause (a) of subrule (1), notice of such payment shall be given to the decreeholder.
২,০৯৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ অনুযায়ী, আয়ের সীমা বিবেচনা করা ব্যতীত কোন সকল ব্যক্তি আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য?
  1. শিশু
  2. ব্যবসায়ী
  3. সরকারি কর্মকর্তা
  4. বৈদেশিক শিক্ষার্থী
সঠিক উত্তর:
শিশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশু
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪-এর অনুচ্ছেদ ২(২) এ আয়ের সীমা বিবেচনা না করে কিছু বিশেষ শ্রেণির ব্যক্তিদের সরাসরি আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এদের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে "শিশু"।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪-এর অনুচ্ছেদ ২-এর উপ-অনুচ্ছেদ (২)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, আয়ের সীমা বিবেচনা না করেই (অর্থাৎ আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন) নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য বলে গণ্য হবেন:
- শিশু
- মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি
- শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু
- নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে
- ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত ব্যক্তি
- পারিবারিক সহিংসতার শিকার বা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি
- বয়স্ক ভাতাভোগী ব্যক্তি
- ভিজিডি কার্ডধারী দুস্থ মাতা
- এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু
- অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা ও দুস্থ মহিলা
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তি
- আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অধিকার প্রতিষ্ঠায় অক্ষম ব্যক্তি
- বিনা বিচারে আটক ব্যক্তি
- আদালত বা জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অসচ্ছল বলে বিবেচিত ব্যক্তি
- সংস্থা কর্তৃক চিহ্নিত অন্যান্য দুর্যোগকবলিত বা অসচ্ছল ব্যক্তি

অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র “শিশু” এই তালিকায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত। অন্য অপশনসমূহ (ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তা, বৈদেশিক শিক্ষার্থী) আয়ের সীমা বিবেচনা ব্যতীত যোগ্যতার তালিকায় নেই; তাদের ক্ষেত্রে সাধারণত আয়ের সীমা (অথবা অন্যান্য শর্ত) যাচাই করা হয়।


২,০৯৬.
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর Article 8 এর নতুন সংশোধন অনুযায়ী Bar Council নির্বাচনের তারিখ কেমন হবে?
  1. নির্বাচন নভেম্বর মাসের মধ্যে শেষ হবে
  2. নির্বাচন সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে শেষ হবে
  3. নির্বাচন মে মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে শেষ হবে
  4. নির্বাচন জানুয়ারি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে শেষ হবে
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন মে মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে শেষ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন মে মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে শেষ হবে
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর সংশোধিত Article 8(1) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
"Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires."
অর্থাৎ, বার কাউন্সিলের যেই বছরে মেয়াদ শেষ হবে, সেই বছরের ৩১ মে বা তার আগে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর: গ) নির্বাচন মে মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে শেষ হবে।

Article- 8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended.
The Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.
(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.
২,০৯৭.
ধারা-৭৭ অনুসারে যদি কোনো সাক্ষী বাংলাদেশের বাইরে থাকে, আদালত কী করবে?
  1. নোটিশ পাঠাবে
  2. ডিক্রি জারি করবে
  3. অনুরোধপত্র প্রেরণ করবে
  4. কমিশন প্রেরণ করবে
সঠিক উত্তর:
অনুরোধপত্র প্রেরণ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুরোধপত্র প্রেরণ করবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৭: অনুরোধপত্র:
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, এরূপ যে কোন দেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার নিমিত্তে আদালত কমিশন প্রেরণ করার বিপরীতে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।

Sec.-77: Letter of request.
In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.
২,০৯৮.
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে, তাকে কত সময় পর্যন্ত দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ১ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১২ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বা ক্রোক এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না হলে, জামিননামার অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে। 

ধারা ৫১৪- জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি

(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে, অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দর্শাতে বলতে পারবেন ।

(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।

(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।

(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।

(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।

(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।

(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
২,০৯৯.
ধর্ষণ সংঘটনের উপাদান হলো-
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ২ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
• দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারামতে ৫টি ক্ষেত্রে কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করলে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে। যথা-
(i) ইচ্ছার বিরুদ্ধে
(ii) সম্মতি ব্যতীত
(iii) মৃত্যু বা আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা হলে
(iv) প্রতারণামূলকভাবে সম্মতিক্রমে (যখন নারীটি পুরুষটিকে নিজের স্বামী বলে বিশ্বাস করে) অথবা
(v) সম্মতিসহ বা ছাড়া ১৪ বছরের কম বয়স্ক নারীর সাথে (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী ১৬ বছর) অর্থাৎ ১৪ বছরের কম বয়স্ক মেয়ের সাথে যৌন সহবাস করলেই তা ধর্ষণ হবে এ ক্ষেত্রে মেয়েটির সম্মতি থাকা না থাকা অপ্রাসঙ্গিক।

• ধারা-৩৭৫, ব্যাখ্যা (Explanation)- ধর্ষণের অপরাধের জন্য প্রয়োজনীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবেশ করাই যথেষ্ট বলে বিবেচিত হবে।
২,১০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারার অধীনে যুগ্ম দায়রা জজ কোন ধরনের দণ্ড প্রদান করতে পারেন না?
  1. অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কম কারাদণ্ড
  4. কোনো দণ্ডই দিতে পারেন না
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যে-সব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোনো দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

- অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবে না।

---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.