বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১৯ / ১৫৫ · ১,৮০১১,৯০০ / ১৫,৪৭০

১,৮০১.
ধারা ৩৭ অনুযায়ী, চুক্তি রদ করার আবেদন কখন করা যায়?
  1. চুক্তি লিখিত না হলে
  2. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর সম্ভব হলে
  3. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হলে
  4. ক্ষতিপূরণের বিকল্প হিসেবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হলে
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

১,৮০২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিচারক সাক্ষীকে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন?
  1. ধারা ১৬৪
  2. ধারা ১৬৫
  3. ধারা ১৬৬
  4. ধারা ১৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার অধীন প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে যথাযথ প্রমাণ পেতে আদালত কোন সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারেন।
১,৮০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি যদি করা হয়, তবে তা কোন ধারায় লিপিবদ্ধ বা স্বাক্ষরিত হবে?
  1. ২৬১ ধারা
  2. ২৬৪ ধারা
  3. ৩৬৪ ধারা
  4. ৩৬১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৬৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায়, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দোষস্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারেন। ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকারকারীকে জানিয়ে দেবেন যে, তিনি স্বীকারোক্তি করতে বাধ্য নন এবং তা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হতে পারে। স্বীকারোক্তি ৩৬৪ ধারার পদ্ধতিতে রেকর্ড করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪. ধারায় বিবৃতি এবং দোষ স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার ক্ষমতা:
(১) যে কোন মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট এবং যে কোন দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, যাকে সরকার এই বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রদান করেছে, যদি তিনি পুলিশ কর্মকর্তা না হন, তবে তিনি তদন্তের সময় বা তদন্তের পরবর্তী সময়ে, তদন্ত শুরু বা বিচারের পূর্বে, যে কোন বিবৃতি বা দোষ স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারবেন।

(২) উক্ত বিবৃতিগুলি এমনভাবে রেকর্ড করা হবে, যা পরিস্থিতির জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন। উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি, ধারা ৩৬৪ অনুযায়ী রেকর্ড এবং স্বাক্ষরিত হবে, এবং এই বিবৃতি বা দোষ স্বীকারোক্তি পরবর্তীতে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, যিনি মামলাটি তদন্ত বা বিচারের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 164: Power to record statements and confessions:
(1) Any Metropolitan Magistrate, any Magistrate of the first class] and any Magistrate of the second class specially empowered in this behalf by the Government may if he is not a police officer record any statement or confession made to him in the course of an investigation under this Chapter or at any time afterward before the commencement of the inquiry or trial.
(2) Such statements shall be recorded in such of the manners hereinafter prescribed for recording evidence as is, in his opinion best fitted for the circumstances of the case. Such confessions shall be recorded and signed in the manner provided in section 364, and such statements or confessions shall then be forwarded to the Magistrate by whom the case is to be inquired into or tried.
১,৮০৪.
তামাদি আইনের তফসিলে যে সকল আবেদনে দাখিলের জন্য কোন তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নেই সে সকল আবেদন দাখিলের জন্য তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর 
  2. ২ বছর 
  3. ৩ বছর 
  4. ৬ বছর 
সঠিক উত্তর:
৩ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১: দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।
---------------
The Limitation Act,1908, Article181: Applications for which no period of limitation is provided elsewhere in this schedule or by section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908 is 3 years from the day when the right to apply accrues.

১,৮০৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৩৫ ধারায় কোন আদালতকে নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগকে
  2. শুধু দায়রা জজকে
  3. চীফ মেট্রোপলিটন/ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩৫- নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা:
১) হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তার অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন নিম্নতর ফৌজদারি আদালত কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বা প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত, দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা এবং উক্ত আদালতের কোন কার্যক্রমের নিয়মানুগতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হইবার জন্য উক্ত আদালতের কোন মােকদ্দমার নথিপত্র তলব করতে ও তা পরীক্ষা করতে পারবেন, এবং অনুরূপ নথি তলবের সময় নির্দেশ দিতে পারবেন যে, নথিপত্রের পরীক্ষা সাপেক্ষে কোন দণ্ড কার্যকরিকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামি আটক থাকলে তাকে জামিনে বা তার নিজের দেয়া বন্ডে মুক্তি দিতে হবে।

ব্যাখ্যা- নির্বাহী অথবা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, যাই হউক, সকল ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দায়রা জজের অধঃস্তন বলে গণ্য হবে।
১,৮০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. দায়রা আদালতে আপিল
  2. দায়রা আদালতে রিভিশন
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিভিউ
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশীট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশী কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
 
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার-
২৪১(ক) ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দিলে, ফরিয়াদী উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের করতে পারে।

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ৩ ক্ষেত্রে আপিলের বিধান রয়েছে-
- দণ্ডাদেশ (ধারা ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০);
- অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশ (ধারা ৪১৭ক); এবং
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭)।

যেহেতু অব্যাহতির ক্ষেত্রে আপিলের বিধান নেই এবং যেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না সেক্ষেত্রে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে, সেহেতু উক্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.
১,৮০৭.
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারার মূল অপরাধ কোনটি?
  1. ব্যভিচার
  2. অবৈধ বিবাহ করা
  3. স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা
  4. প্রতারণার মাধ্যমে বিবাহ করা
সঠিক উত্তর:
স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

১,৮০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮-এর ধারা ৫৫৮ অনুসারে আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা কার?
  1. সরকার
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জাতীয় সংসদের
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮-এর বিধান অনুযায়ী, এই কোডের উদ্দেশ্যে সরকার (Government) তার প্রশাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেক আদালতের ভাষা কী হবে তা নির্ধারণ করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা: 
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.

১,৮০৯.
দণ্ডবিধি অনুসারে, মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পরিবর্তন সম্পর্কিত ধারা কোনগুলো?
  1. ৫৩ ও ৫৩ক
  2. ৫৪ ও ৫৫
  3. ৫৫ক ও ৫৬
  4. ৫৫ ও ৫৭
সঠিক উত্তর:
৫৪ ও ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ও ৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি অনুসারে, মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পরিবর্তন (commutation) সম্পর্কিত ধারা হলো ৫৪ এবং ৫৫।
- ধারা ৫৪: মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হলে, সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই এই দণ্ডকে দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অন্য যেকোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে।
- ধারা ৫৫: যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হলে, সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই এই দণ্ডকে দুই ধরনের যেকোনো কারাদণ্ডে (কঠোর বা সাধারণ) পরিবর্তন করতে পারে, যার মেয়াদ ২০ বছরের বেশি হবে না।
সঠিক উত্তর: খ) ৫৪ ও ৫৫

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

১,৮১০.
মামলার কোনো বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হবে না- এটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারার বিধান?
  1. ১৩৩
  2. ১৩৪
  3. ১৪৫
  4. ১৩৫
সঠিক উত্তর:
১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৩৪ অনুযায়ী, মামলার কোনো বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হবে না।
- এটি প্রতিষ্ঠিত করে যে, একটি মামলার কোনো বিষয় প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং সাক্ষীর গুণগত মান এবং প্রমাণের সত্যতা প্রধান বিষয়।
এই ধারায় বলা হয়েছে: "No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact."
অর্থাৎ, এক বা একাধিক সাক্ষী দ্বারা মামলার প্রমাণ সম্ভব হতে পারে এবং সংখ্যার চেয়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং সাক্ষ্যের সঠিকতা বেশি গুরুত্ব পায়।

- তাহলে, ধারা ১৩৪ হল সঠিক উত্তর।
১,৮১১.
আমানতি অর্থের জন্য মামলা করতে হবে -
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ১২ বছরের মধ্যে
  4. যে কোন সময়ে
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♠ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৬০ অনুযায়ী আমানতের অর্থ উদ্ধরের মামলা ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।
১,৮১২.
'একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।'- এই নীতির ব্যতিক্রম কখন হয়?
  1. নাবালকের সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  2. বৈদেশিক চুক্তির ক্ষেত্রে
  3. দেনাদার পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
  4. পাওনাদার দেনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
সঠিক উত্তর:
দেনাদার পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেনাদার পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯- সময়ের অবিরাম চলন:
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।

ব্যতিক্রম:
যদি কোনো পাওনাদারের সম্পত্তির পরিচালনার পত্রনামা তার দেনাদারকে দেওয়া হয়, তাহলে ঐ দেনা আদায়ের জন্য মামলা করার নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ পরিচালনা চলাকালীন স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

⇒ এই ধারা অনুযায়ী,
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তীকালে যে কোনো অপারগতা বা অক্ষমতা এসে পড়লেও তা তামাদির গণনাকে বন্ধ করবে না। অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ অবিরত চলতে থাকবে। যখন দেনাদারই পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা করছে, সেক্ষেত্রে পাওনার টাকা আদায়ের মামলা করার মেয়াদ বা সময়সীমা স্থগিত বা বন্ধ হয়ে যায়। কারণ এক্ষেত্রে দেনাদারের হাতেই আসলে পাওনাদারের সম্পত্তি থাকে। সুতরাং মামলার প্রয়োজনীয়তা কিছুটা কমে যায়।
১,৮১৩.
প্রত্যেকটি সমন স্বাক্ষরিত হবে কার দ্বারা?
  1. আইনজীবী দ্বারা
  2. বিচারক
  3. স্বাক্ষরের উদ্দেশ্যে বিচারক কর্তৃক নিয়োগকৃত কোনো অফিসার দ্বারা
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৫ বিধি ১  মোতাবেক মামলা দায়ের হওয়ার পর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে বিবাদীর প্রতি সমন ইস্যু করা হবে। সমনে বিচারক বা তাঁর দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বাক্ষর করবেন এবং সমনে আদালতের সীল থাকবে।
১,৮১৪.
কোন পুলিশ অফিসারের নিকট নির্দেশিত পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক কার্যকর হতে পারে, যদি-
  1. একই পুশিল ষ্টেশনের হয়।
  2. পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
  3. পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের একই পদমর্যাদা লিখা থাকেন।
  4. দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার অসুস্থ থাকেন।
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৯ ধারামতে কোন পুলিশ অফিসারের নিকট নির্দেশিত পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক কার্যকর হতে পারে, যদি পরোয়ানার উপর অপর কোন পুলিশ অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৯ ধারার বিধান পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশিত পরোয়ানাঃ কোন পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত কোন পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃকও কার্যকরী হতে পারে, যদি নির্দেশ অথবা অনুমোদনপ্রাপ্ত অফিসার পরোয়ানার উপর তাঁর নাম লিখিতভাবে অনুমোদন করে।

♦ Section 79. Warrant directed to police-officer: A warrant directed to any police- officer may also be executed by any other police-officer whose name is endorsed upon the warrant by the officer to whom it is directed or endorsed.
১,৮১৫.
ডিক্রি জারিতে বাধাদানের ক্ষেত্রে ডিক্রিদারের আবেদনে আদালত দেনাদার বা অপর কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত মেয়াদে দেওয়ানী কয়েদে আটকের আদেশ দিতে পারিবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান: যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
১,৮১৬.
Canons of Professional Conduct & Etiquette-এর প্রথম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু কি?
  1. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  2. মক্কেলদের প্রতি আচরণ
  3. জনসাধারণের প্রতি আচরণ
  4. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
সঠিক উত্তর:
অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct & Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় আছে। যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ।
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ।
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ।
১,৮১৭.
ফৌজদারি মামলায় যুগ্ম দায়রা জজ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিলে, উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. আপিলকারীর ইচ্ছানুযায়ী যেকোন আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
---------------------
⇒ CrPC-Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
১,৮১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিশেষ আইনসমূহকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৪ ধারায়
  3. ৫ ধারায়
  4. ৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪ ধারা অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধি বিশেষ আইনগুলির কোনো ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না।

ধারা ৪: সংরক্ষণ-
১) বিপরীত কোন সুস্পষ্ট বিধান না থাকলে, বর্তমানে চলমান কোন বিশেষ আইন বা ন্যস্তকৃত কোন বিশেষ এখতিয়ার ক্ষমতা, অথবা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত কোন বিশেষ ফরম বা পদ্ধতিকে এই আইনের কোন বিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনভাবে প্রভাবিত করবে না।

২) বিশেষত, এবং (১) উপধারায় বর্ণিত সাধারণ নীতিকে ক্ষুণ্ণ না করে সমকালীন চলমান কোন আইনের অধীন চাষের জমির জন্য উক্ত জমির ফসল হতে খাজনা আদায়ের ব্যাপারে কোন জমিদারের কোন প্রতিকার থাকলে এই আইনের কোন বিধান তা সীমাবদ্ধ বা প্রভাবিত করবে না।

Sec 4: Savings-
1) In the absence of any specific provision to the contrary, nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special law now in force or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force.

2) In particular and without prejudice to the generality of the proposition contained in sub-section (1), nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any remedy which a land-holder or landlord may have under any law for the time being in force for the recovery of rent of agricultural land from the produce of such land.
১,৮১৯.
দায়রা আদালত কোন অপরাধের বিচার করতে পারে না?
  1. হত্যা
  2. ডাকাতি
  3. অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখা
  4. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখা
ব্যাখ্যা
• অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার বিচার ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারা অনুযায়ী হয়, যা বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর আওতাধীন। বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী এই আইনে উল্লেখিত ও এই আইনের সিডিউলে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার এই আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত বিশেষ ট্রাইবুনালে অনুষ্ঠিত হবে।
 
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ (২) ধারা অনুসারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের তফসিলে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তফসিলে উল্লেখিত নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বা নিম্নলিখিত আইনে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে-
 
১. ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন বর্ণিত অপরাধসমূহ;
২. the Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৩. the Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৪. the Emergency Powers Act, 1975 এর অধীন অপরাধসমূহ;
৫. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ [Formalin Control Act, 2015] এর অধীন অপরাধসমূহ;
৬. Any attempt or conspiracy to commit, or any abetment of, or any preparation for commission of, any of the above offences.
 
অর্থাৎ অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার অপরাধ স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচার্য বিষয়।
১,৮২০.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, স্বামী কত বছর পাগল বা অপ্রকৃতিস্থ থাকলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ চেয়ে আদালতে আবেদন করতে পারেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর ধারা ২(৬) অনুসারে, যদি স্বামী অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল হয়ে যায় অথবা কুষ্ঠরোগ বা মারাত্মক যৌন রোগে আক্রান্ত হয় এবং এই অবস্থা ২ বছর ধরে চলতে থাকে, তাহলে স্ত্রী আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি চাইতে পারেন।

⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যে-সব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
- চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
- দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
- স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
- স্বামী কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
- বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
- স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
- বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
- স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
- স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

১,৮২১.
কোনো ব্যক্তি যদি দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, তবে তার অপরাধ কী হবে?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. জালিয়াতি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

Section 405- Criminal breach of trust:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১,৮২২.
সরকারি কর্মচারী কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 অনুযায়ী কারাদণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ কী?
  1. ১০ বছর
  2. ৭ বছর
  3. যাবজ্জীবন
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
ধারাঃ ৪০৯ সরকারী কর্মচারী বা ব্যাংকার, বণিক বা প্রতিভূ কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গকরণ:

কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার পদমর্যাদা বলে অথবা ব্যাংকার, ব্যবসায়, ফ্যাক্টর, দালাল, এটর্নী বা প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবসায় সূত্রে কোনভাবে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার হয়ে বা উক্ত সম্পত্তির পরিচালনের ভারপ্রাপ্ত হয়ে সে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
১,৮২৩.
'Contract of indemnity' সংজ্ঞায়িত হয়েছে-
  1. ১২২ ধারায়
  2. ১২৪ ধারায়
  3. ১২৮ ধারায়
  4. ১২০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১২৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১২৪ ধারার বিধান "ক্ষতিপূরণের চুক্তি”-এর সংজ্ঞা (Contract of indemnity defined):
- যে চুক্তির মাধ্যমে এক পক্ষ অপর পক্ষকে স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর আচরণ বা অন্য কোন ব্যক্তির আচরণ হতে সৃষ্ট ক্ষতি হতে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেন, তাকে ক্ষতিপূরণের চুক্তি বলে।
উদাহরণ:
ক কোন বিশেষ ২০০ টাকা সম্পর্কে খ-এর বিরুদ্ধে গ-এর সম্ভাব্য আইনগত কার্যধারা পরিচালনার বিরুদ্ধে খ-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য চুক্তি করেন। তা একটি ক্ষতিপূরণের চুক্তি।
---------------------
• Section 124.  "Contract of indemnity" defined:

A contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself, or by the conduct of any other person, is called a "contract of indemnity". 
Illustration 
A contracts to indemnify B against the consequences of any proceedings which C may take against B in respect of a certain sum of 200 Taka. This is a contract of indemnity.
১,৮২৪.
বেনামী চিঠিপত্রের সাহায্যে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে-
  1. ৫০৭ ধারায়
  2. ৫০৫ ধারায়
  3. ৫০৯ ধারায়
  4. ৫১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৭:
 • বেনামী চিঠিপত্রের সাহায্যে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি (Criminal intimidation by an anonymous communication)- নাম ঠিকানা গোপন করে বা বেনামী চিঠির মাধ্যমে (by an anonymous communication) অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা হলে ৫০৬ ধারায় উল্লেখিত শাস্তিসহ আরও অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড হবে।
১,৮২৫.
'The Attorney-General for Bangladesh shall have the right of pre-audience over all other advocates.'- বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৬
  4. অনুচ্ছেদ ২৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৬
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৬ :
(1) The Attorney-General for Bangladesh shall have the right of pre-audience over all other advocates.
(১) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সকল অ্যাডভোকেটের উপর প্রাক-শ্রবণের (pre-audience) অধিকার রাখবেন। অর্থাৎ, আদালতে শুনানির সময় তিনি অন্যদের আগে বক্তব্য পেশ করতে পারবেন।

(2) The right of pre-audience among other advocates shall be determined by seniority interse.
(২) অন্যান্য অ্যাডভোকেটদের মধ্যে প্রাক-শ্রবণের অধিকার নির্ধারিত হবে সিনিয়রিটির ভিত্তিতে।
১,৮২৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী একজন কতবার সরাসরি একতরফা ডিক্রি বাতিলের প্রতিকার পেতে পারে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৬ বিধির ১(ক) অনুযায়ী শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বিবাদী হাজির না হলে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিতে পারে। উক্ত একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

 ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

⇒ ঐ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
১,৮২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৪ক কোন ধারার ব্যতিক্রম হিসেবে প্রযোজ্য?
  1. ধারা ২৬১
  2. ধারা ২৬২
  3. ধারা ২৪৫
  4. ধারা ৩৪২ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৪ক সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করে, যা ধারা ২৬২–এর সাধারণ বিধানের ব্যতিক্রম হিসেবে প্রযোজ্য।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৪ক: সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য বিশেষ পদ্ধতি:
- ২৬২ ধারায় যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ, ৩৪২ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পরীক্ষা এবং রায় ঘোষণা, যদি সম্ভব হয়, আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে যে কোনো স্থানে একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 264A. Special procedure for summary trials:
Notwithstanding anything contained in section 262, the framing of charges, recording of evidence, examination of the accused under section 342, and pronouncement of judgment may, if practicable, be completed in the same session at any place within the jurisdiction of the Court.

১,৮২৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি কয় ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. ৯ ধরনের
  2. ৫ ধরনের
  3. ২ ধরনের
  4. ৩ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender]।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১,৮২৯.
"When rescission may be adjudged" এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৩১
  2. ৩৫
  3. ৩৭
  4. ৩৯
সঠিক উত্তর:
৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

- যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
 
- একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।
উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।
 
উপধারা-খ এর-
একজন অ্যাটর্নি 'ক' তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং 'খ' হস্তান্তরের দলিল রদ করিয়ে নেয়ার অধিকারী।
----------------
⇒ SR Act Section-35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:-
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff;
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff;
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay.
 
When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor.
 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require.
 
Illustrations:
to (a)-
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)-
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
১,৮৩০.
'ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল গ্রহণযোগ্য হবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪১৮ ধারায়
  2. ৪১৯ ধারায়
  3. ৪২০ ধারায়
  4. ৪২১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
- ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
- ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.

১,৮৩১.
তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তা ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না করলে,ম্যাজিস্ট্রেট কি আদেশ দিতে পারেন?
  1. কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
  2. যেকোনো অপরাধে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
  3. যেকোনো অপরাধের অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিতে পারেন
  4. পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জরিমানার শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটা নির্দেশনামূলক।যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হয় তাহলে-
যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে সে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন,যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয় অথবা
দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ,যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে ।
১,৮৩২.
সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে নোটিশ দিয়ে মামলা করলে সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য কত সময় পাবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮০ ধারার বিধান নোটিশ (Notice)- 
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮০ ধারা অনুযায়ী লিখিত নোটিশ জারির ২ মাস পর সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হয়।
- যদি ২ মাসের নোটিশ দিয়ে মামলা করা হয় তাহলে সরকার বা সরকারী কর্মচারীও (বিবাদী হিসেবে) লিখিত জবাবের জন্য ৬০ দিনের বেশি সময় পাবে না,

- কিন্তু উক্ত নোটিশ না দিয়ে মামলা করলে সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অন্যূন ৩ মাস সময় পাবে।

 - সরকারের বিরুদ্ধে (রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মামলা করতে হলে সরকারের কোন সচিবের অফিসে অথবা জেলার কালেক্টরের অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারের অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- কোন সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তাকে বা তার অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- রেল-সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে মামলার নোটিশে মামলার কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে, তা উল্লেখ করতে হবে; এবং নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।
------------------
CPC Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,- 
 
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and 
 
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway, 
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left. 
 
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit: 
 
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
১,৮৩৩.
একজন উইলদাতা তার সম্পত্তির কত শতাংশ অংশ উইলমূলে আগন্তুক ব্যক্তিকে দান করতে পারেন?
  1. ১/২
  2. ১/৩
  3. ২/৩
  4. ১/৪
সঠিক উত্তর:
১/৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩
ব্যাখ্যা
উইল বা অছিয়ত:
মুসলিম আইনে উইলকে অছিয়ত বলা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহপাক এ সম্পকে মুসলমানদের অনুমতি দিয়েছেন তা করার জন্য। মৃত্যুকালে  কিংবা মুত্যুর আগে পরের জন্য নিজ মালিকানার কিছু অংশ নিঃস্বার্থভাবে কাউকে দান করার নাম ওসিয়ত বা উইল।

মুসলিম আইন অনুযায়ী উইল বা অছিয়ত এর সংজ্ঞা বিশ্লষণ করলে যে বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষ্য করা যায়, সেগুলো নীচে উল্লেখ করা হলো:
১) মুসলিম আইন আনুযায়ী প্রত্যেক সাবালক ও সুস্থমনা ব্যক্তিই উইল বা অছিয়ত করতে পারে।
২) মুসলিম উইলকে বৈধ করবার জন্য বিশেষ কোন আনুষ্ঠিকতার প্রয়োজন নেই। এটি লিখিত দলিল দ্বারা বা মৌখিক হতে পারে। এ সম্পকে প্রয়োজনীয় বিষয় হলো উইলকারীর ইচ্ছা সুস্পস্টভাবে প্রকাশিত এবং সঠিকভাবে নির্ভরযোগ্য  হতে হবে।
৩) উইলকারী তার যে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি উইল করতে পারে। কিন্তু উইল যেহেতু উইলকারীর মৃত্যুর পর বলবত হয়, সেহেতু উইলকারী মৃত্যুর সময় অবশ্যই উইলে বর্ণিত সম্পত্তির অস্বিত্ব হবে।

ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা:
১) মুসলিম আইনের বিধান মোতাবেক একজন উইলদাতা যে কোনো আগন্তুক ব্যক্তিকে তার সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশী উইলমূলে দান করতে পারে না। উইলকারী ১/৩ অংশের বেশী উইল করলেও ১/৩ অংশ কাযকর হবে এবং বাকী অংশ আইনে অগ্রাহ্য হবে। যে অবশিষ্ট ২/৩ অংশ থাকবে তা স্বাভাবিক ওয়ারিশদের মধ্যে বণ্টন করা যাবে।

২) মুসলিম আইনের বিধান মতে উইলদাতার মৃত্যুর পর যারা ওয়ারিশ বলে গন্য হবে, তাদের বরাবরে কোনো সম্পত্তি উইল করতে পারবেন না। কোনো সম্পত্তি ওয়ারিশের বরাবরে উইল করলে তা বৈধ হবে না, তবে উইলদাতার মৃত্যুর পর তার অন্যান্য ওয়ারিশেরা অনুমোদন বা সম্মতি দিলে উইলটি কাযকর বা বৈধ হবে।

৩) আবার উইলদাতার ওইরূপ কোনো উইলে সব ওয়ারিশ যদি অনুমোদন বা সম্মতি না দেয়, তাহলে যারা অনুমোদন বা সম্মতি না দেয় তারা ব্যতীত যারা অনুমোদন করবে বা মেনে নিবে, কেবলমাত্র তাদের অংশই সংশ্লিষ্ট উইলগ্রহীতা প্রাপ্ত হবে। উত্তরাধিকারীদের সম্মতি অবশ্যই উইলকারীর মৃত্যুর পরে প্রদান করতে হবে এবং উইলকারীর জীবদ্দশায় প্রদত্ত সম্মতি অবৈধ হবে। উইল দলিল রেজিস্ট্রি করলেই তা বৈধ বলে ধরে নেয়া যায় না। উইলে সম্মতি দানের ক্ষেত্রে নীরবতা সম্মতি বলে ধরে নেয়া যাবে না। উইল করা হয়নি এবং উইল করার সময় বিদ্যমান ছিল না, তাতে সম্মতির প্রয়োজন নেই।

যদি কিছু উত্তরাধিকারী নাবালক থাকে, তবে তারা সাবালক হওয়ার পর উইলে সম্মতি বা অসন্মতি দিতে পারে। তাদের নাবালকত্বের সময় অভিভাবকগণ কর্তৃক প্রদত্ত সম্মতির কোনো বৈধতা নেই এবং এ অবস্থায় তারা সাবালক হওয়ার পর উইলের বৈধতা সম্পর্কে বিবাদ করতে পারে। অতএব, কোনো মা যদি নাবালক সন্তানের পক্ষে সম্মতি দেয়, তবে যতদূর সন্তান সংশ্লিষ্ট, ততদূর পর্যন্ত উইলটি অকাযকর হবে। একমাত্র উইলকারীর মৃত্যুর পরেই সম্মতি কাযকর হবে; সুতরাং উইলের উদ্দেশ্যে উইলকারীর মৃত্যুর সময় যারা উত্তরাধিকারী থাকেন, তারাই উত্তরাধিকারী বলে গন্য হবেন, এবং উইল করার সময় যারা ছিলেন তারা নয়।
১,৮৩৪.
কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে আদালত কী অনুমান করতে পারে?
  1. উত্তরটি উক্ত ব্যক্তির পক্ষে অনুকূল হতো
  2. উত্তরটি আদালতে প্রকাশ করার যোগ্য নয়
  3. উক্ত ব্যক্তি আদালত অবমাননাকারী
  4. উত্তরটি উক্ত ব্যক্তির পক্ষে অনুকূল হতো না
সঠিক উত্তর:
উত্তরটি উক্ত ব্যক্তির পক্ষে অনুকূল হতো না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরটি উক্ত ব্যক্তির পক্ষে অনুকূল হতো না
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৪: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে।

আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;

(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;

(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।
তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।
১,৮৩৫.
খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও জরিমানা
  2. ১৪ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা
  3. ১০ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা
  4. ৭ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও জরিমানা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার বিধান খুন বলিয়া গণ্য নহে এইরূপ অপরাধজনক নরহত্যার শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি খুন নয় এমন শাস্তি যোগ্য নরহত্যা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, ,যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, অথবা এমন দৈহিক জখম করার উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, যে দৈহিক জখমের দরুণ মৃত্যু ঘটতে পারে,

অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি সম্পাদনের দরুণ মৃত্যু অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা থাকে, অথচ কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হয় নাই যে দৈহিক জখম করার কারণে মৃত্যু ঘটতে পারে।

♦ অর্থাৎ ৩০৪ ধারায় নিন্দনীয় নরহত্যার জন্য ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে। যথা-
১)মৃত্যুর অভিপ্রায় নিয়ে নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড।
২) মৃত্যুর অভিপ্রায় ব্যতীত নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড।
 
♦তাইলে বলা যায় যে খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড।
১,৮৩৬.
ধারা ৩৯ অনুসারে, ডিক্রিদানকারী আদালত স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে ডিক্রি জারির জন্য অন্য কোন আদালতে ডিক্রি স্থানান্তরিত করতে পারে?
  1. এখতিয়ার সম্পন্ন উচ্চ আদালতে
  2. এখতিয়ার সম্পন্ন কোন অধঃস্তন আদালতে
  3. এখতিয়ার বহির্ভূত কোনো আদালতে
  4. এখতিয়ার সম্পন্ন সম পর্যায়ের অন্য আদালতে
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার সম্পন্ন কোন অধঃস্তন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার সম্পন্ন কোন অধঃস্তন আদালতে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯: ডিক্রি স্থানান্তরিতকরণ:
১) কোন ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রিদারের আবেদন ক্রমে তা জারির জন্য আদালতে প্রেরণ করতে পারেন,-
ক) যার বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে তিনি যদি উক্ত অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে স্বোচ্ছায় বসবাস করেন কিংবা ব্যবসা পরিচালনা করেন অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভজনক কাজ করেন: বা

খ) যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ডিক্রির দাবি পূরণের জন্য উক্ত ব্যক্তির পর্যাপ্ত সম্পত্তি না থাকলে এবং অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমায় তার সম্পত্তি থাকলে; বা

গ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাহিরে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের জন্য নির্দেশ থাকলে; বা
ঘ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত যদি অন্য কোন কারণ লিপিবদ্ধ করে বিবেচনা করে যে, ডিক্রিটি অন্য আদালত কর্তৃক জারি হওয়া উচিত।

২) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন কোন অধঃস্তন আদালতে তা জারির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
১,৮৩৭.
দেওয়ানী আদালতের ২০ ধারার বিধান অনুযায়ী মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. আরজি দাখিলের দিন বিবাদীকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে
  2. মোকদ্দমার শুনানির দিন বাদীকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে
  3. বিবাদী যেখানে ব্যবসা করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়
  4. বিবাদী যেখানে বসবাস করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না
সঠিক উত্তর:
বিবাদী যেখানে ব্যবসা করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী যেখানে ব্যবসা করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার বিষয়ে ২০ ধারার বিধান:
যে সকল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ থেকে ১৯ ধারায় উল্লিখিত বিধান প্রযোজ্য হয়না, সেই সকল অন্যান্য মোকদ্দমার ক্ষেত্রে বিবাদী যেখানে বসবাস করে অথবা যেখানে মোকদ্দমার কারণ উৎপত্তি হয়, সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে

সুতরাং-
১. যেখানে বিবাদী বসবাস করে, ব্যবসা পরিচালনা করে, বা ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে; অথবা
২. যেখানে মোকদ্দমার কারণ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে উৎপত্তি হয়, সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
৩. যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে, সেই ক্ষেত্রে তাদের প্রত্যেকে বা যে কোন একজন যেখানে বসবাস করে বা ব্যবসা করে বা লাভজনক কাজ করে, সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
১,৮৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে, মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকোয়ারি রিপোর্ট দাখিল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
সঠিক উত্তর:
আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬-এ মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট যেভাবে ইনকোয়ারি করবেন তার ক্ষমতা এবং কার্যপ্রণালী বর্ণিত আছে, তবে সেখানে রিপোর্ট দাখিলের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses: Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১,৮৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি মতে ডিক্রি (decree ) সম্পর্কে নিম্নের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. ডিক্রি সর্বদা চূড়ান্ত হবে
  2. ডিক্রি প্রাথমিক হতে পারে না
  3. ডিক্রি চূড়ান্ত বা প্রাথমিক হতে পারে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি চূড়ান্ত বা প্রাথমিক হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি চূড়ান্ত বা প্রাথমিক হতে পারে
ব্যাখ্যা
• ধারাঃ ২(২) এ ডিক্রির সংজ্ঞা হিসেবে দেয়া আছে:

ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় → সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

• ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞায় প্রাথমিক ডিক্রি ও চূড়ান্ত ডিক্রি উল্লেখ করা হয়েছে এবং ২(২) ধারার ব্যাখায় প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রির উল্লেখ করা হয়েছে।

২(২) ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-
ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে। যখন এমন বিচারিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করে, তখন এটা চূড়ান্ত ডিক্রি। এটা আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে [A decree is preliminary when further proceedings have to be taken before the suit can be completely disposed of. It is final when such adjudication completely disposes of the suit. It may be partly preliminary and partly final]
১,৮৪০.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ১৯৪০ সালের সালিশী আইনের অধীনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি সময় কত দিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১৫৮ এর বিধান The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ রোয়েদাদ দাখিলের নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৩০ দিন।

- তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।

অর্থাৎ তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়।
১,৮৪১.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) কখন দেয়া হয়?
  1. ডিক্রির মাধ্যমে,
  2. মোকদ্দমার শুরুতে,
  3. মোকদ্দমার শেষে আদেশের মাধ্যমে,
  4. মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোন সময়ে,
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে,
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
 
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১,৮৪২.
The Evidence Act, 1872 এর ২৪ ধারা অনুযায়ী The Penal Code, 1860 'Confession' caused by ________ is irrelevant in criminal proceeding.
  1. Inducement
  2. Threat
  3. Promise
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ধারা ২৪ অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্তৃক প্রদত্ত অপরাধমূলক স্বীকারোক্তি ফৌজদারী কার্যধারায় অপ্রাসঙ্গিক, যদি আদালতের নিকট মন হয় যে, অপরাধমূলক স্বীকারোক্তি প্ররোচনা [inducement], হুমকি [threat] বা প্রতিশ্রুতি [promise] দ্বারা গ্রহণ করা হয়েছে।
১,৮৪৩.
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যায়। এই ২৪ ঘণ্টা হিসাব করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন সময় বাদ দিতে হব? 
  1. কোন সময় বাদ দিতে হবে না
  2. গ্রেফতারের পর থেকে FIR লিখা পর্যন্ত সময়
  3. গ্রেফতারের স্থান হতে থানাতে যাওয়ার সময়
  4. গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে নাঃ কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

----------------------------------------
Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
১,৮৪৪.
Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "__________".
  1. honestly
  2. dishonestly
  3. legally
  4. fraudulently
সঠিক উত্তর:
dishonestly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
dishonestly
ব্যাখ্যা
• Section 24- “Dishonestly”:
Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "dishonestly".

- কোনো ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির প্রতি অবৈধ লাভ বা অবৈধ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে কোন কিছু করলে, উক্ত ব্যক্তি উক্ত কাজটি অসাধুভাবে করেছে বলে গণ্য হবে।
১,৮৪৫.
কোন পরিস্থিতিতে বিবাদীর শুনানি শুরু করার অধিকার থাকে?
  1. বাদী অনুপস্থিত থাকলে
  2. বাদী সাক্ষী না আনলে
  3. যখন বিবাদীর আইনজীবী উপস্থিত থাকে না
  4. বিবাদী বাদীর তথ্য স্বীকার করে বাদীর প্রতিকার চ্যালেঞ্জ করলে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী বাদীর তথ্য স্বীকার করে বাদীর প্রতিকার চ্যালেঞ্জ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী বাদীর তথ্য স্বীকার করে বাদীর প্রতিকার চ্যালেঞ্জ করলে
ব্যাখ্যা

শুরু করার অধিকার (Order 18, Rule 1):
সাধারণভাবে মামলার শুনানি শুরু করার অধিকার বাদীর (plaintiff) রয়েছে। তবে, যদি বিবাদী (defendant) বাদীর উত্থাপিত তথ্যসমূহ স্বীকার করে এবং দাবি করে যে, আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে (point of law) অথবা বিবাদীর উল্লেখিত অতিরিক্ত কোনো তথ্যের ভিত্তিতে বাদী তার চাওয়া কোনও প্রতিকার (relief) পাওয়ার অধিকারী নন, তাহলে এই বিশেষ পরিস্থিতিতে শুনানি শুরু করার অধিকার বিবাদীর (defendant) থাকবে।

Right to Begin (Order 18 Rule 1)
The plaintiff has the right to begin unless the defendant admits the facts alleged by the plaintiff and contends that either in point of law or on some additional facts alleged by the defendant the plaintiff is not entitled to any part of the relief which he seeks, in which case the defendant has the right to begin.

১,৮৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারাটি General Clauses Act এর কোন ধারাকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৩: একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না

(১) যে ব্যক্তি কোনো আদালতের আইনি অধিকারভুক্ত বিচারাধীন কোন অপরাধে একবার বিচারিত হয়ে দণ্ডিত বা খালাস প্রাপ্ত হয়েছে, তার এই দণ্ড বা খালাস প্রযোজ্য থাকা অবস্থায়, তাকে একই অপরাধের জন্য আবার বিচার করা যাবে না, এবং একে বাদ দিয়ে যে কোনো অপরাধের জন্যও বিচার করা যাবে না, যা তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারত, যা ধারা ২৩৬ অনুযায়ী পৃথক অভিযোগের মাধ্যমে করা যেত, অথবা যা সে ধারা ২৩৭ অনুযায়ী দণ্ডিত হতে পারত।

(২) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে, তাকে পরবর্তীতে অন্য কোনো আলাদা অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি সেই অপরাধটি তার পূর্ববর্তী বিচারাধীন মামলায় ধারা ২৩৫(১) অনুযায়ী আলাদা অভিযোগ হিসেবে তার বিরুদ্ধে আনা হতে পারত।

(৩) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধের ফলে কোনো অন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যা তার প্রথম দণ্ডিত অপরাধ থেকে পৃথক ছিল, তাকে পরবর্তীতে সেই অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি অপরাধের ফলাফল তখন ঘটেনি বা আদালত জানত না যে তা ঘটেছে।

(৪) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধটি যে কোনো কাজ দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল, তাকে সেই একই কাজ দ্বারা সংঘটিত অন্য কোনো অপরাধের জন্য পরবর্তীতে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে, যদি প্রথমে বিচারকারী আদালত সেই অপরাধের বিচার করার জন্য যোগ্য না ছিল।

(৫) এই ধারায় কোনো কিছুই General Clauses Act, ১৮৯৭ এর ধারা ২৬ বা এই কোডের ধারা ১৮৮ এর বিধানকে প্রভাবিত করবে না।
১,৮৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় নিম্নের কোন বিষয়টি বিবেচনায় আনা যাবেনা?
  1. স্বত্ব
  2. দখলের অধিকার
  3. মালিকানা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
♦ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন দখলের অধিকার, স্বত্ব, মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।
১,৮৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারা অনুযায়ী অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার শর্ত কী?
  1. কোন পক্ষের আবেদনক্রমে দিতে হবে
  2. উচ্চতর আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  3. কমপক্ষে ৩ মাসের সময় দিতে হবে
  4. অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারার বিধান অনুসন্ধানের আদেশ দিবার ক্ষমতা: 
৪৩৫ ধারা অনুসারে অথবা অন্যভাবে পরীক্ষা করে হইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট নিজে অথবা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা ২০৩ ধারা বা ২০৪ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে খারিজক্ত যেকোন নালিশ বা কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আরও তদন্ত করবেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এরূপ তদন্ত করতে পারবেন বা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে এরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত এই যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কোন উক্তরূপ আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হয়।
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 436- Power to order inquiry:
On examining any record under section 435 or otherwise, the High Court Division or the Sessions Judge may direct the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate by himself or by any of the Magistrates subordinate to him to make, and the 3 Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate may himself make, or direct any Sub-ordinate Magistrate to make, further inquiry into any complaint which has been dismissed under section 203 or sub-section (3) of section 204, or into the case of any person accused of an offence who has been discharged:

Provided that no Court shall make any direction under this section for inquiry into the case of any person who has been discharged unless such person has had an opportunity of showing cause why such direction should not be made.
১,৮৪৯.
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারার অধীনে, সরকারী স্ট্যাম্প জাল করার অপরাধে সর্বোচ্চ কী ধরনের শাস্তি প্রদান করা হয়?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা: সরকারী স্ট্যাম্প জালকরণ:
কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:
এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।

Section 255- Counterfeiting Government stamp:
Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation:
A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
১,৮৫০.
কোন একটি আঘাতেই মারা যেতে পারে Z এমন একটি রোগে ভুগছে। এরূপ অবস্থায় A একদিন Z কে আঘাত করে। ফলে Z এর মৃত্যু ঘটে, যদিও এরূপ একটিমাত্র আঘাত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সুস্থ সবল দেহের অধিকারী একজন লোককে মেরে ফেলার মতো যথেষ্ট ছিল না। Z এর রোগ বিষয়ে A অবগত ছিলো না। A এর কৃত কাজটি কোন ধরনের অপরাধ?
  1. খুন করেছে
  2. অপরাধমূলক নরহত্যা
  3. কোন অপরাধ করেনি
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক নরহত্যা
ব্যাখ্যা
• ২৯৯ ধারা মতে যদি কোন ব্যক্তির মারাত্মক অসুস্থতা বা দৈহিক বৈকল্যে ভোগার অবস্থা জানার পরেও আঘাত করে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয় তাহলে তা খুন হবে কিন্তু এ অসুস্থতার কথা না জেনে যদি তাকে আঘাত দ্বারা হত্যা করা হয় তা নিন্দনীয় নরহত্যা বা অপরাধমূলক নরহত্যা হবে।
১,৮৫১.
ধারা ১৪৮-এর অধীনে স্থানীয় তদন্তের আদেশ কে দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র আদালত
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ১৪৮: স্থানীয় তদন্ত:
(১) যখন এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন হয়, তখন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এই তদন্ত পরিচালনার জন্য নিয়োগ করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার জন্য তাকে লিখিত নির্দেশনা সরবরাহ করতে পারেন। তিনি নির্ধারণ করতে পারেন যে, তদন্তের সমস্ত বা আংশিক ব্যয় কার দ্বারা পরিশোধিত হবে।

(২) এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রতিবেদন মামলায় প্রমাণ হিসেবে পড়া যেতে পারে।

Section-148: Local inquiry:
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 

(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
১,৮৫২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত কোন উদ্দেশ্যে কমিশন নিয়োগ করতে পারে?
  1. কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে পরীক্ষা
  2. স্থানীয় তদন্ত
  3. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয়
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
১,৮৫৩.
কোন ম্যাজিস্ট্রেট শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল দায়ের করতে পারবে না
  2. দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে
  3. শুধু রিভিশন করতে পারবে
  4. আপিল বা রিভিশনের সুযোগ নেই
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪০৬- শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল

কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ধারা-১১৮ অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে-
শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারেন যে, প্রজ্ঞাপনে বর্ণিত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট,যেখানে যা প্রযোজ্য, আপিল চলবে; দায়রা আদালতে নয়।

আরও শর্ত থাকে যে, যাদের বিরুদ্ধে ধারা-১২৩ এর উপ-ধারা (২) বা (৩ক) এর বিধানানুসারে দায়রা জজ বরাবর মামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।

Section 406- Appeal from order requiring security for keeping the peace or for good behaviour:
Any person who has been ordered by a Magistrate under section 118 to give security for keeping the peace or for good behaviour may appeal against such order to the Court of Session:
Provided, that nothing in this section shall apply to persons the proceedings against whom are laid before a Sessions Judge in accordance with the provisions of sub-section (2) or sub-section (3A) of section 123.
১,৮৫৪.
কোন অবস্থায় স্বামী বা স্ত্রী রাদের নীতির মাধ্যমে সম্পত্তি পেতে পারে?
  1. একমাত্র অংশীদার না হলে
  2. একমাত্র অংশীদার হলে
  3. যদি সন্তান থাকে
  4. কোনো অবস্থাতেই তারা রদে সম্পত্তি পাবে না
সঠিক উত্তর:
একমাত্র অংশীদার হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একমাত্র অংশীদার হলে
ব্যাখ্যা
রাদ বা প্রত্যর্পণ নীতি
মুসলিম সুন্নি আইনের বিধানমতে, অংশীদারগণের নির্ধারিত অংশ বা দাবি পূরণ করার পর ক্ষেত্র বিশেষে যদি সম্পত্তির কোনো অংশ অবশির থাকে তবে উক্ত অবশিষ্ট সম্পত্তি ঐ সব অংশীদারদের মধ্যে আনুপাতিক হারে পুনঃবণ্টন করা হবে, অর্থাৎ সমস্ত সম্পতি অংশীদারদের প্রাপ্য আংশ হারে বণ্টন করার পর বন্টিত অংশের সমষ্টি সব অপেক্ষা হর বেশি হলে অবশিষ্ট অংশ অংশীদারদের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করে দেয়া হয় যার ফলে অংশীদারদের পূর্ব প্রাপ্ত অংশ বৃদ্ধি পায়, এই নীতিকে রাদ বা প্রত্যর্পণ নীতি বলে।

• রাদের নীতি
⇒ সম্পদের অবশিষ্ট অংশ অংশীদারগণের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করা হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক অংশীদারের অংশ আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।
⇒ স্বামী এবং স্ত্রী রদের মাধ্যমে কোনো সম্পদ পাবে না। কিন্তু স্বামী বা স্ত্রী যদি একমাত্র অংশীদার হয়, তাহলে সে রাদের মাধ্যমে সম্পত্তি পেতে পারে।
১,৮৫৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোথায় প্লিডিংস সংশোধনের বিধান আছে?
  1. আদেশ ৬ বিধি ৪
  2. আদেশ ৬ বিধি ১৬
  3. আদেশ ৬ বিধি ১৭
  4. আদেশ ৬ বিধি ১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ বিধি ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ বিধি ১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের বিধান আছে।
⇒ আদেশর ৬ বিধি ১ অনুযায়ী প্রিডিং বলতে আরজি বা লিখিত জৰাৰ বুঝাবে। 
⇒ মামর্লা যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধণ হতে পারে।
⇒  প্লিডিংস সংশোধন করা বা না করা আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী আরজি জবাব সংশোধন বা প্লিডিংস সংশোধন বলতে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে ন্যায় সঙ্গত পদ্ধতিতে ও শর্তে তার আরজি জবাবে পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন এবং উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের উদ্দেশ্যেই এরূপ যাবতীয় প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যাবে।
⇒ তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর , সংশোধনের কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
⇒ যদি  আদালত অভিমত পোষণ করেন যে, পরিশ্রম করা সত্ত্বেও পার্টি  বিচারকার্য শুরু হওয়ার পূর্বে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেননি সেক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে।
⇒ আরো শর্ত থাকে যে, বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর যদি সংশোধনের আবেদন করা হয় এবং আদালত এই মত পোষণ করেন যে, বিচারকার্য পরিচালনাকে বিলম্ব করার জন্য এটি করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত আপত্তিকারীকে যেরূপ উপযুক্ত মনে তদ্রুপ ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধ করতে আদেশ দিবেন।
⇒ আদেশের বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন করা যাবে।
-------------------
ORder-6 Rule-17:Amendment of pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings allow either party to alter or amend his pleadings in such manner and on such terms as may be just, and all such amendments shall
be made as may be necessary for the purpose of determining the real questions in controversy between the parties:
 Provided that no application for amendment shall be allowed after the trial has commenced, unless the Court is of opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial:
Provided further that if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as it thinks fit.
১,৮৫৬.
নিম্নের কোন বিধির অধীনের আদেশ আপিলঅযোগ্য?
  1. আদেশ-৮ এর বিধি-১০
  2. আদেশ-১০ এর বিধি-৪
  3. আদেশ-১১ এর বিধি-২১ 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ-৪৩ বিধি-১ অনুযায়ী-
খ) আদেশ-৮ বিধি-১০ → পক্ষের বিরুদ্ধে রায়সহ আদেশ → আপিলযোগ্য;
ঙ) আদেশ-১০ বিধি-৪ → পক্ষের বিরুদ্ধে রায়সহ আদেশ → আপিলযোগ্য;
চ) আদেশ-১১ এর বিধি-২১ → মোতাবেক আদেশ → আপিলযোগ্য।

সুতরাং কোনোটিই আপিলঅযোগ্য নয়। তাই সঠিক অপশন: ঘ) কোনটিই নয়।

১,৮৫৭.
A চুক্তি করে যে, যদি C, B-এর বিরুদ্ধে মামলা করে তবে সে B-কে ক্ষতিপূরণ দেবে - এটি কী ধরনের চুক্তি?
  1. দান চুক্তি
  2. জিম্মা চুক্তি
  3. বন্ধক চুক্তি
  4. ক্ষতিপূরণ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ চুক্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৪: "ক্ষতিপূরণ চুক্তি" (Contract of Indemnity) সংজ্ঞা-
যে চুক্তিতে একজন পক্ষ প্রতিশ্রুতি দেয় অন্য পক্ষকে কোনো ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য— (যে ক্ষতি হতে পারে প্রতিশ্রুতিদাতার নিজের কার্যকলাপ থেকে, অথবা অন্য কোনো ব্যক্তির কার্যকলাপ থেকে), সে চুক্তিকে বলা হয় "ক্ষতিপূরণ চুক্তি" (Contract of Indemnity)।

উদাহরণ (Illustration):
A, B-কে এই মর্মে চুক্তি করে যে, C যদি B-এর বিরুদ্ধে ২০০ টাকার কোনো মামলা করে, তবে সে (A) এর পরিণতির ক্ষতি থেকে B-কে রক্ষা করবে। এটি একটি ক্ষতিপূরণ চুক্তি (Contract of Indemnity)।
১,৮৫৮.
ফৌজদারি মামলায় আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না?
  1. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে।
  2. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে।
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
  4. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
ব্যাখ্যা
⇒ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
অর্থাৎ কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
১,৮৫৯.
"Forgery" শব্দটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত?
  1. ৪৬৩ ধারা
  2. ৪৬৪ ধারা
  3. ৪৬৫ ধারা
  4. ৪৬৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৬৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা-তে "Forgery" (জালিয়াতি) শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। "যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তি বা জনগণের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে বা মিথ্যা দাবি সমর্থনের উদ্দেশ্যে বা কাউকে প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন মিথ্যা চুক্তিতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে কোন মিথ্যা দলিল তৈরি করে, সে Forgery করেছে।" এ ধারা মূলত Forgery এর সাধারণ ধারণা ব্যাখ্যা করে, অর্থাৎ কাগজপত্র বা দলিল জাল করে প্রতারণা করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery:
- Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
১,৮৬০.
The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১৫৮ এর বিধান The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ রোয়েদাদ দাখিলের নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।
অর্থাৎ তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়।
১,৮৬১.
একটি নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকায় শুধুমাত্র পুরুষ ভোটারদের আলাদা করে রাখা হয়েছে। এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন?
  1. অনুচ্ছেদ ১২০
  2. অনুচ্ছেদ ১২১
  3. অনুচ্ছেদ ১২২
  4. অনুচ্ছেদ ১২৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২১
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) অনুচ্ছেদ ১২১।
→ সংবিধানের ১২১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: প্রতিটি সংসদীয় নির্বাচনী এলাকার জন্য মাত্র একটি ভোটার তালিকা থাকবে।

অনুচ্ছেদ ১২১- প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা:
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।

১,৮৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে কোন বিষয়ে বিধান নেই?
  1. রিভিউ
  2. রিভিশন
  3. আগাম জামিন
  4. হেবিয়াস কর্পাস
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধিতে রিভিউ এর কোনো বিধান নেই। রিভিশনের বিধান ৪৩৫, ৪৩৯ ও ৪৩৯ক ধারায় আছে। ৪৯১ ধারায় হেবিয়াস কর্পাসের বিধান আছে। ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের বিধান আছে।
১,৮৬৩.
A, Z এর দখলে থাকা একটি সম্পত্তি তার নিজের মনে করে সরল বিশ্বাসে নিয়ে যায়। A এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. চুরি
  2. অর্থ আত্মসাৎ
  3. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  4. কোন অপরাধ হয় নাই
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয় নাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয় নাই
ব্যাখ্যা
♦ অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা ‘Mens rea' নামে পরিচিত। এটা 'অপরাধীর দুষ্টমন নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয়না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.

♦ লর্ড গোড়ার্ডের মতে, জনগণের স্বাধীনতা সংরক্ষণের জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, আদালত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করবে না, যতক্ষণ না তার একটি দোষী মন থাকে। যদি অপরাধীর মনে অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য না থাকে,তাহলে তার কার্যকে অপরাধ বলে বিবেচনা করা যাবেনা (The act itself does not constitute guilt, unless with a guilty intent).

♦ফৌজদারি মামলায় আসামীকে শাস্তি দিতে হলে প্রসিকিউসন পক্ষকে আসামীর দুষ্ট মন প্রমাণ করতে হয়।

♦ দণ্ডবিধি অনুযায়ী সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। চুরি, অর্থ আত্মসাৎ এবং জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়সহ অন্য যে কোন ফৌজদারী অপরাধে কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করার প্রথম শর্ত হলো উক্ত ব্যক্তির উক্ত অপরাধ করার দুষ্ট মন ( Guilty Mind) ছিল কিনা। যেহেতু A, Z এর দখলীয় সম্পত্তিটি সরল বিশ্বাসে নিয়ে যায়, তাই সে কোন অপরাধ করেনি এবং তার এমন কর্ম দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমে মধ্যে পড়ে।
১,৮৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এ মোট কয়টি তফসিল আছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এ মোট ৫টি তফসিল আছে।
• বর্তমানে বলবৎ ৩টি তফসিল এর মধ্যে ১ম তফসিলে ৫১ টি আদেশ আছে।
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় এবং ৫ম তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে।
• এই আইনে অধ্যায় ১১টি, ধারা ১৫৮ টি, প্রস্তাবনা ১টি।
• দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা সমূহ সংশোধন করতে পারে জাতীয় সংসদ এবং আদেশ ও বিধি সমূহ সংশোধন করতে পারে জাতীয় সংসদ ও সুপ্রীম কোর্ট উভয়ে।
১,৮৬৫.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "বছর" ও "মাস"-এর গণনা পদ্ধতি ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী করার বিধান রয়েছে?
  1. ৪৭ ধারায়
  2. ৪৯ ধারায়
  3. ৫১ ধারায়
  4. ৫৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৯-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, “year” বা “month” শব্দ ব্যবহৃত হলে তা ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) অনুযায়ী গণনা করতে হবে।
- সুতরাং, "বছর" ও "মাস" এর গণনা পদ্ধতি সম্পর্কিত একমাত্র সুনির্দিষ্ট বিধান ধারা ৪৯-এ রয়েছে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 49.“Year” “Month”:
- Wherever the word "year" or the word "month" is used, it is to be understood that the year or the month is to be reckoned according to the British calendar.

১,৮৬৬.
সরেজমিনে পরিদর্শন [Local inspection] ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৫৩৮
  2. ৫৩৯
  3. ৫৩৯ক
  4. ৫৩৯খ
সঠিক উত্তর:
৫৩৯খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩৯খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৫৩৯খ অনুসারে- কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারার কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়া যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে সেই স্থান অথবা উক্ত অনুসন্ধান বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, এবং অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি প্রস্তুত করবেন।
১,৮৬৭.
'ক' একটি বাড়ী ১ লক্ষ টাকায় 'খ' এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তি করে। পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়ীটি ধ্বংস হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক হবে?
  1. ক, খ এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
  2. খ, ক বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন
  3. খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
  4. খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তুর আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছেঃ

চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন 'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
১,৮৬৮.
Res Gestae বক্তব্য কোন অবস্থায় গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. স্বতঃস্ফূর্ত হলে
  2. পূর্বপরিকল্পিত হলে
  3. বাহ্যিক চাপবিহীন হলে
  4. ঘটনার সাথে সম্পর্কিত হলে
সঠিক উত্তর:
পূর্বপরিকল্পিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বপরিকল্পিত হলে
ব্যাখ্যা

⇒ রেস গেস্তে (Res Gestae) বিবৃতি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬-এর অধীনে গ্রহণযোগ্য হয় যখন এটি ঘটনার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত, স্বতঃস্ফূর্ত, এবং ঘটনার সমসাময়িক বা তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়া হয়। এই বিবৃতি হিয়ারসে (hearsay) নিয়মের ব্যতিক্রম হিসেবে গ্রহণযোগ্য, কারণ এটি সাধারণত নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। তবে, রেস গেস্তে বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয়, এবং এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো বিবৃতিটি পূর্বপরিকল্পিত বা পরিকল্পিতভাবে দেওয়া যাবে না।

অপশন গুলির বিশ্লেষণ:
ক) স্বতঃস্ফূর্ত হলে: রেস গেস্তে বিবৃতির একটি প্রধান শর্ত হলো এটি স্বতঃস্ফূর্ত হতে হবে। অর্থাৎ, বিবৃতিটি ঘটনার সময় বা তাৎক্ষণিকভাবে, কোনো পূর্বপরিকল্পনা বা চিন্তাভাবনা ছাড়াই দেওয়া হয়। সুতরাং, স্বতঃস্ফূর্ত হলে বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হয়, এটি অগ্রহণযোগ্যতার কারণ নয়।
খ) পূর্বপরিকল্পিত হলে: রেস গেস্তে বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য এটি অবশ্যই স্বতঃস্ফূর্ত হতে হবে এবং বিবৃতিদাতার মিথ্যা বলার বা তথ্য বিকৃত করার সুযোগ থাকতে পারবে না। যদি বিবৃতিটি পূর্বপরিকল্পিত বা চিন্তাভাবনা করে দেওয়া হয়, তবে এটি রেস গেস্তের মানদণ্ড পূরণ করে না, কারণ এতে মিথ্যা বা বানোয়াট তথ্য থাকার সম্ভাবনা থাকে। ফলে, পূর্বপরিকল্পিত বিবৃতি রেস গেস্তে হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
গ) বাহ্যিক চাপবিহীন হলে: রেস গেস্তে বিবৃতি বাহ্যিক চাপ, প্রভাব বা জবরদস্তি ছাড়া দেওয়া হতে হবে। যদি বিবৃতিটি বাহ্যিক চাপবিহীন হয়, তবে এটি নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচিত হয় এবং গ্রহণযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। সুতরাং, বাহ্যিক চাপবিহীন হওয়া অগ্রহণযোগ্যতার কারণ নয়।
ঘ) ঘটনার সাথে সম্পর্কিত হলে: রেস গেস্তে বিবৃতির আরেকটি শর্ত হলো এটি অবশ্যই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত হতে হবে এবং ঘটনার প্রেক্ষাপট, পরিস্থিতি বা আবেগ বোঝাতে সহায়ক হতে হবে। ঘটনার সাথে সম্পর্কিত হওয়া বিবৃতির গ্রহণযোগ্যতার জন্য অপরিহার্য, তাই এটি অগ্রহণযোগ্যতার কারণ নয়।

প্রেক্ষাপট: রেস গেস্তে বিবৃতি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬-এর অধীনে গ্রহণযোগ্য হয় যখন এটি ঘটনার সাথে সময় ও পরিস্থিতির দিক থেকে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত হয় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেওয়া হয়।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনার পরপরই বলেন, “সে আমাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছে!” এটি রেস গেস্তে হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। কিন্তু যদি একই ব্যক্তি ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর পরিকল্পিতভাবে বা চিন্তাভাবনা করে বিবৃতি দেন, তবে তা রেস গেস্তে হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না, কারণ এতে মিথ্যা বা বিকৃত তথ্য থাকার সম্ভাবনা থাকে।

অর্থাৎ রেস গেস্তে বিবৃতি তখনই গ্রহণযোগ্য নয় যখন এটি পূর্বপরিকল্পিত বা চিন্তাভাবনা করে দেওয়া হয়, কারণ এটি স্বতঃস্ফূর্ততা ও নির্ভরযোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) পূর্বপরিকল্পিত হলে।

১,৮৬৯.
একটি চায়ের দোকানে দুইজন ব্যক্তির ছুরিকাঘাতের ঘটনায়, পুলিশ সেখানকার প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে তথ্য নেবার জন্য ক্ষমতাবান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ১৫৯ ধারা 
  2. ১৬০ ধারা
  3. ১৬১ ধারা
  4. ১৬২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। 

• ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা এবং ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

১৬০ ধারা অনুযায়ী তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করতে পারে। এই ধারায় যে ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে তলব করা হয়, সে হাজির হতে বাধ্য কিন্তু পুলিশ তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না। যদি কোন ব্যক্তি তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সে দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায় দণ্ডিত হতে পারে যা ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বা জরিমানাসহ যা ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বা উভয়।
১,৮৭০.
'আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু' বলতে বোঝায়-
  1. বিদ্যমান কোন আইনের অধীন অপরাধে অভিযুক্ত
  2. বিদ্যমান কোন আইনের অধীনে কোন অপরাধের শিকার
  3. শিশু আইনের অধীনে কোন অপরাধে অভিযুক্ত
  4. উল্লিখিত সকল শিশু
সঠিক উত্তর:
বিদ্যমান কোন আইনের অধীনে কোন অপরাধের শিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যমান কোন আইনের অধীনে কোন অপরাধের শিকার
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩

ধারা ২(৪)-
‘আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু (Children in Contact with the Law)’ অর্থ এমন কোন শিশু, যে বিদ্যমান কোন আইনের অধীনে কোন অপরাধের শিকার বা সাক্ষী;
১,৮৭১.
What is the minimum age requirement for a wife under Section 376 to not be considered under the exception?
  1. 9 years
  2. 12 years
  3. 13 years
  4. 16 years
সঠিক উত্তর:
12 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 years
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 376. Punishment for rape:- Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৮৭২.
'Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds' - দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান?
  1. ৯৪ ধারার
  2. ৯৫ ধারার
  3. ৯৭ ধারার
  4. ৯৯ ধারার
সঠিক উত্তর:
৯৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫ ধারার
ব্যাখ্যা

ধারা ৯৫- Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds (অযৌক্তিক বা অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্তির জন্য ক্ষতিপূরণ):
(১) যদি কোনো মোকদ্দমায় গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করা হয় এবং—
(ক) আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে উক্ত গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা নিষেধাজ্ঞার আবেদন অপ্রতুল বা অযৌক্তিক ভিত্তিতে করা হয়েছে, অথবা
(খ) মামলাটি ব্যর্থ হয় এবং আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে মামলাটি দায়ের করার জন্য কোনো যৌক্তিক বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না,

তবে বিবাদী আদালতে আবেদন করতে পারবেন এবং আদালত, উক্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, আদেশের মাধ্যমে বিবাদীর খরচ বা ক্ষতির জন্য যথাযথ বলে গণ্য পরিমাণ ক্ষতিপূরণ (সর্বাধিক দশ হাজার টাকা) আদায়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করে কোনো ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে না।

(২) উক্ত আবেদনের বিষয়ে আদালতের আদেশ হলে, সংশ্লিষ্ট গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ক্ষতিপূরণের পৃথক কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না।

১,৮৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারায় কাদের ক্ষেত্রে বিশেষ এখতিয়ারের বিধান করা হয়েছে?
  1. কিশোরদের
  2. অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তিদের
  3. সরকারি কর্মচারীদের
  4. জামিনঅযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্তদের
সঠিক উত্তর:
কিশোরদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিশোরদের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
১,৮৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারানুসারে একজন আসামীর দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার ক্ষমতা কার?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন জজ
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীর বিবৃতি এবং আসামীর স্বীকারোক্তি উভয়ই রেকর্ড করতে পারেন। তবে, এরূপ দোষ স্বীকারোক্তি ৩৬৪ ধারার নিয়ম অনুযায়ী লিপিবদ্ধ ও স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরিত হবে।
১,৮৭৫.
রফিক একজন পুলিশ অফিসার। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখার তথ্য প্রদানে বাধ্য করার জন্য সে সোহেলকে পীড়ন করে। এখানে রফিক দণ্ডবিধির কত ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ৩৩০ ধারা
  2. ৩২৯ ধারা
  3. ৩৩২ ধারা
  4. ৩২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারা মতে জোরপূর্বক দোষ স্বীকারোক্তি আদায় করা অথবা কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত প্রত্যর্পণ বা প্রত্যর্পণের ব্যাপারে সহায়ক তথ্য সরবরাহ করার জন্য শারীরিক নিপীড়ন বা আঘাতের শাস্তির বিধান রয়েছে।
১,৮৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭ অনুযায়ী কমিশন সম্পাদিত হওয়ার পর তা কোথায় ফেরত দিতে হয়?
  1. দায়রা আদালতে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  3. পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে
  4. যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
সঠিক উত্তর:
যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হওয়ার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।

(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record.

(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
১,৮৭৭.
'ক' এবং 'খ' দুই ভাই। 'ক' ফেনী এবং 'খ' ঢাকায় বাস করে। যৌথ মালিকানায় তাদের একটি জমি কুমিল্লায় রয়েছে। 'ক', সেই জমিতে তার ভাই 'খ' এর স্বত্ব অস্বীকার করে। এমতাবস্থায় 'খ', কোন আদালতে তার স্বত্বের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করবে?
  1. ঢাকার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  2. কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  3. ফেনীর এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  4. উপরে উল্লিখিত যেকোনো একটি আদালতে
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

⇒ ধারা ১৬ অনুযায়ী- যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়। উক্ত ধারায় দেয়া আছে- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) হাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই রুজু করতে হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে 'খ', কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে তার স্বত্বের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করবে।
১,৮৭৮.
তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করলে, উক্ত ব্যক্তি-
  1. হাজির হতে বাধ্য
  2. হাজির হতে বাধ্য নয়
  3. হাজির হতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
হাজির হতে বাধ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজির হতে বাধ্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ১৬০ ধারা অনুযায়ী,
তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করতে পারে। এই ধারায় যে ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে তলব করা হয়, সে হাজির হতে বাধ্য কিন্তু পুলিশ তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না।

Section 160- Police-officer's power to require attendance of witnesses:
Any police-officer making an investigation under this Chapter may, by order in writing, require the attendance before himself of any person being within the limits of his own or any adjoining station who, from the information given or otherwise, appears to be acquainted with the circumstances of the case; and such person shall attend as so required.

যদি কোনো ব্যক্তি তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সে দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায় দণ্ডিত হতে পারে যা ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বা জরিমানাসহ যা ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বা উভয়।
১,৮৭৯.
'ক' কে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'খ' দাবি করে যে আত্মরক্ষার্থে সে এই কাজটি করেছে, অনুরুপ অবস্থা প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত?
  1. 'ক'-এর উপর,
  2. 'খ'-এর উপর,
  3. 'ক' ও 'খ' উভয়ের উপরে,
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর এর উপর,
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর উপর,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর উপর,
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্বঃ- কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ উদাহরণ

⇒ (ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ (খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। বিশেষভাবে যে ঘটনা কারও অবগতির মধ্যে রয়েছে।
১,৮৮০.
মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে ধারা ৩৬৮ অনুযায়ী দণ্ডাদেশে কী নির্দেশ থাকতে হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা
  2. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আসামির গলায় ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ
  3. মৃত্যুদণ্ডের জন্য আসামির শারীরিক পরীক্ষা
  4. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আসামির গলায় ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আসামির গলায় ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

Section-368: Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
১,৮৮১.
নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি
  2. অন্যায় কাজকে বারিত করা
  3. বিরোধীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করা
  4. অন্যায় কাজকে উৎসাহিত করা
সঠিক উত্তর:
অন্যায় কাজকে বারিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায় কাজকে বারিত করা
ব্যাখ্যা
নিষেধাজ্ঞা:
নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে আইনে সুনির্দিষ্ট কোন বিধান নেই, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫২-৫৭ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ এর বিধি ১ থেকে ৫ এ নিষেধাজ্ঞার বিধান বর্ণিত রয়েছে। সাধারণভাবে, নিষেধাজ্ঞা বলতে বোঝায়, আদালত কর্তৃক প্রদত্ত একটি আদেশ যা কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করে বা কোন কাজ থেকে বিরত রাখে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কার্যকরকরণ, মামলার বিষয়বস্তু সংরক্ষণ এবং বিচার নিষ্পত্তির স্বার্থে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা।

বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি বিচার বিষয়ক কার্যধারা।
- এর মাধ্যমে কোন পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
- অন্য পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করা যেতে পারে।
- নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

উদ্দেশ্য:
নিষেধাজ্ঞার সাধারণ উদ্দেশ্য হলো অন্যায় কাজকে প্রতিরোধ করা। অর্থাৎ, অনুচিত অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত রাখা, সম্ভাব্য ক্ষতি নিবারণ করা, দখল পুনরুদ্ধার করা এবং স্থায়ী ভোগের অধিকার রক্ষা করা। অধিকারকে চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ না করা পর্যন্ত, বিরোধীয় সম্পত্তি ক্ষতি থেকে রক্ষা করা এবং তা অন্য পক্ষের দখলে যাওয়া রোধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়। এর মাধ্যমে বৈধ অধিকার রক্ষা, মামলা চলাকালীন ভবিষ্যৎ ক্ষতি এড়ানো এবং চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিষয়বস্তু বজায় রাখা হয়।
১,৮৮২.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন যাদের অনুকূলে করা যায় না তাদের সম্পর্কে বর্ণনা কোন ধারায় দেয়া আছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা-২৪ অনুসারে প্রতিকারের পথে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন নিম্নোক্ত ৪ ধরনের ব্যক্তিদের পক্ষে করা যায় নাঃ

(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না:

(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;

(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেচে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা

(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পর্ণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
১,৮৮৩.
বিনিময় পত্র (Bill of Exchange) কে তৈরি করে?
  1. বাহক (Bearer)
  2. ধারক (Holder)
  3. গ্রহীতা (Acceptor)
  4. প্রদানকারী (Drawer)
সঠিক উত্তর:
প্রদানকারী (Drawer)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রদানকারী (Drawer)
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৭ অনুযায়ী, বিনিময় পত্র (Bill of Exchange) তৈরি করে প্রদানকারী (Drawer)। প্রদানকারী হলেন সেই ব্যক্তি যিনি বিনিময় পত্রে স্বাক্ষর করে এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে (প্রদানকারী বা Drawee) নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য শর্তহীন নির্দেশ দেন।

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৭ অনুসারে:
- প্রদানকারী (Drawer) হলেন তিনি যিনি বিনিময় পত্র তৈরি করেন বা টানেন (draws the bill)
- গ্রহীতা (Acceptor) হলেন তিনি যিনি বিনিময় পত্রে সম্মতি প্রকাশ করেন
- ধারক (Holder) হলেন তিনি যিনি দলিলের দখলে থাকেন
- বাহক (Bearer) হলেন তিনি যিনি বাহকের নামে প্রদানযোগ্য দলিলের দখলে থাকেন
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৫ এ বিনিময় পত্রের সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে এটি একটি লিখিত দলিল যাতে নির্মাতা (maker) দ্বারা স্বাক্ষরিত শর্তহীন নির্দেশ থাকে। বিনিময় পত্রের ক্ষেত্রে এই নির্মাতাই হলেন প্রদানকারী (Drawer)।

⇒ Section-5. “Bill of exchange”
 A “bill of exchange” is an instrument in writing containing an unconditional order, signed by the maker, directing a certain person to pay on demand or at fixed or determinable future time a certain sum of money only to, or to the order of, a certain person or to the bearer of the instrument.

⇒ Section-7. The maker of a bill of exchange or cheque is called the “drawer;” the person thereby directed to pay is called the “drawee.”

১,৮৮৪.
THE BANGLADESH LEGAL PRACTITIONERS AND BAR COUNCIL RULES, 1972 এর ৭৫ক বিধিতে কয়টি কমিটির কথা উল্লেখ আছে?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি
ব্যাখ্যা
THE BANGLADESH LEGAL PRACTITIONERS AND BAR COUNCIL RULES, 1972

বিধি ৭৫ক - বার কাউন্সিল কর্তৃক কমিটি গঠন:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল, তার বিদ্যমান কার্যাবলি ও দায়িত্বসমূহ কার্যকরভাবে সম্পাদনের জন্য নিম্নলিখিত কমিটিসমূহ গঠন করতে পারে, যথা—

১। আইন সংস্কার কমিটি (Law Reform Committee) –
যার সদস্য সংখ্যা হবে সর্বাধিক নির্ধারিত, এবং কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত হবে। (উল্লেখিত অনুচ্ছেদে সংখ্যাটি অসম্পূর্ণ আছে, মূল আইনে নির্ধারিত)

২। মানবাধিকার ও আইন সহায়তা কমিটি (Human Rights & Legal Aid Committee) –
যার সদস্য সংখ্যা হবে সর্বাধিক ৫ জন, কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত।

৩। হাউস কমিটি (House Committee) –
সর্বাধিক ৫ জন সদস্য, কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত।

৪। রিলিফ কমিটি (Relief Committee) –
সর্বাধিক ৫ জন সদস্য, কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত।

৫। রোল ও প্রকাশনা কমিটি (Roll and Publication Committee) –
সর্বাধিক ৫ জন সদস্য, কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত।

৬। অভিযোগ ও নজরদারি কমিটি (Complaint and Vigilance Committee) –
সর্বাধিক ৫ জন সদস্য, কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত।
১,৮৮৫.
অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ করার ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি সময়-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৯ অনুচ্ছেদের বিধান-
আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার
তামাদি মেয়াদ- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ থেকে।

The limitation Act-1908- Schedule-1 Article 29: 
For compensation for wrongful seizure of moveable property under legal process - One year from the date of Seizure.

১,৮৮৬.
Who can apply to the Court to order the plaintiff to be dis-paupered under Order 33 Rule 9 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. Only the defendant
  2. Only the Government pleader
  3. Only the plaintiff
  4. Either the defendant or the Government pleader
সঠিক উত্তর:
Either the defendant or the Government pleader
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Either the defendant or the Government pleader
ব্যাখ্যা
Order 33 Rule 9: Dispaupering:
The Court may, on the application of the defendant, or of the Government pleader, of which seven days' clear in writing has been given to the plaintiff, order the plaintiff to be dis-paupered-
a) if he is guiltyof vexatious or improper conduct in the course of the suit;
b) if it appears that his means are such that he ought not to continue to sue as a pauper, or
c) if he has entered into any agreement with reference to the subject-matter ofthe suit under which any other person has obtained an interest in such subject- matter.

আদেশ ৩৩ বিধি-৯- নিঃস্ব মুক্তি:
আদালত বিবাদি বা সরকারি উকিলের আবেদনক্রমে যে সম্পর্কে বাদিকে কমপক্ষে সাত দিনের লিখিত স্পষ্ট নোটিশ দিয়ে বাদি নিঃস্ব নয় মর্মে আদেশ দিতে পারে-
ক) যদি মোকদ্দমা চলাকালে সে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী হয়; বা
খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে যাতে তার নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা পরিচালনা করা উচিত নয়; বা
গ) যদি সে মোকদ্দমার অধীনে বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকে যাতে অন্য হোন ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে একটি স্বার্থ অর্জন করেছে।
১,৮৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারেন ________?
  1. আদালত সমন জারি করে।
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা লিখিত আদেশ দ্বারা।
  3. ক এবং খ উভয়।
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সমন দ্বারা।
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৯৪(১) (দলিলাদি অথবা অন্য জিনিস দাখিল করার সমন) মোতাবেক যখন কোন আদালত বা কেস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই কার্যবিধির অধীন কোন তদন্ত অনুসন্ধান এই কার্যবিধি অধীন কোন তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং চলাকালে মনে করেন যে, উক্ত কার্যের জন্য কোন দলিল বা কোন জিনিস প্রয়োজনীয় বা বাঞ্চনীয় তখন উক্ত আদালত বা অফিসার সমন বা লিখিত আদেশ দ্বারা যে ব্যক্তির নিকট দলিল বা বস্তু রয়েছে বলে অনুমতি হয়, তাকে সমন বা আদেশে লিখিত সময়ে ও স্থানে হাজির হতে এবং উহা হাজির করতে অথবা উহা দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবেন।
১,৮৮৮.
A ধোঁয়া দ্বারা বাতাসকে এতো দূষিত করে যে তা পাশ্ববর্তী বাড়িতে বসবাসরত B ও C এর দৈনন্দিন আরাম-আয়েশে উল্লেখযোগ্যভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। B ও C সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় প্রতিকার পেতে পারে?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৭ ধারায়
  4. এই আইনে প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ উক্ত বিষয়টি নিষেধাত্মক নিষেধাজ্ঞা আওতাধীন হবে। যে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত কোন পক্ষকে কোন অন্যায় কার্য করা হতে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দেয়, তাকে নিষেধাত্মক নিষেধাজ্ঞা বা Prohibitory injunction বলে। সাধারনত কোন চুক্তিভঙ্গ রোধ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা যেতে পারে।নিষেধাত্মক নিষেধাজ্ঞা SR Act এর ৫৪ ধারা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে
১,৮৮৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় দলিল সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ৩১
  4. ধারা ৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল ও
ii) লিখিত চুক্তি।
⇒ ৩ কারণে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হইলে।
অর্থাৎ দলিল সংশোধন করতে হলে উক্ত ৩টি বিষয়ের যে কোন ১টি থাকতে হবে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and
if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

১,৮৯০.
যদি একজন পুলিশ কর্মকর্তা সাত বছরের কম মেয়াদের অপরাধে কাউকে গ্রেপ্তার না করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে নতুন বিধান অনুযায়ী তার কী করতে হবে?
  1. কিছুই করার প্রয়োজন নেই, এটি তার বিবেচনার বিষয়।
  2. গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
  3. ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে জানাতে হবে।
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকার নিতে হবে যে সে আবার অপরাধ করবে না।
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪(১) দ্বিতীয়ত অংশের প্রদত্ত শর্তাংশ (Proviso) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;"
"তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;"

সুতরাং, সাত বছরের কম মেয়াদের অপরাধের ক্ষেত্রে যদি পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাকে গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। এটি একটি বাধ্যতামূলক বিধান।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ "কখন পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে" (When police may arrest without warrant)
(১) যেকোনো পুলিশ অফিসার ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং ওয়ারেন্ট ছাড়াই নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারেন:
প্রথমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে একটি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেন;
দ্বিতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে, বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের কম মেয়াদের বা সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হয়, যথা:—
(i) পুলিশ অফিসারের কাছে এই ধরনের অভিযোগ, তথ্য বা সন্দেহের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন; এবং
(ii) পুলিশ অফিসার সন্তুষ্ট হন যে এই ধরনের গ্রেপ্তার করা নিম্নলিখিত কারণে প্রয়োজনীয়:—
(ক) ওই ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করা থেকে বিরত রাখা; বা
(খ) অপরাধের যথাযথ তদন্তের জন্য; বা
(গ) ওই ব্যক্তিকে অপরাধের প্রমাণ অদৃশ্য করা বা কোনোভাবে সেই প্রমাণ নষ্ট করা থেকে বিরত রাখা; বা
(ঘ) ওই ব্যক্তিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে পরিচিত কোনো ব্যক্তিকে প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত রাখা, যাতে তিনি আদালতে বা পুলিশ অফিসারের কাছে সেই ঘটনা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকেন; বা
(ঙ) যেহেতু ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার না করলে, যখনই প্রয়োজন হবে তখন আদালতে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে না;
এবং পুলিশ অফিসার এই ধরনের গ্রেপ্তার করার সময় তার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;
তৃতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, বা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং পুলিশ অফিসারের কাছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন;
চতুর্থত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে বৈধ অজুহাত ব্যতীত, যে অজুহাত প্রমাণের ভার তার উপর বর্তাবে, ঘর ভাঙার কোনো সরঞ্জাম থাকে;
পঞ্চমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে এই কোডের অধীনে বা সরকারের আদেশ দ্বারা অপরাধী হিসাবে ঘোষিত করা হয়েছে;
ষষ্ঠত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে এমন কিছু পাওয়া যায় যা যুক্তিসঙ্গতভাবে চুরি করা সম্পত্তি বলে সন্দেহ করা যেতে পারে এবং যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে সেই জিনিস সম্পর্কিত অপরাধ করার জন্য সন্দেহ করা যেতে পারে;
সপ্তমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, বা যিনি আইনানুগ হেফাজত থেকে পালিয়েছেন বা পালানোর চেষ্টা করছেন;
অষ্টমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একজন পলাতক সৈনিক বলে সন্দেহ করা হয়;
নবমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের বাইরের কোনো স্থানে সংঘটিত কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, বা যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, এবং যার জন্য তিনি কোনো প্রত্যর্পণ আইন (extradition law) বা অন্য কোনো আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে গ্রেপ্তার বা আটক হওয়ার যোগ্য;
দশমত, কোনো মুক্ত দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যিনি ৫৬৫ ধারার উপ-ধারা (৩) এর অধীনে প্রণীত কোনো বিধি লঙ্ঘন করেন;
একাদশত, যে কোনো ব্যক্তি যার গ্রেপ্তারের জন্য অন্য একজন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে চাহিদা (requisition) পাওয়া গেছে, যদি ওই চাহিদা পত্রে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তির বিবরণ এবং যে অপরাধ বা অন্য কারণে গ্রেপ্তার করতে হবে তা নির্দিষ্ট করা থাকে এবং তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যে অফিসার চাহিদা পত্রটি জারি করেছেন তিনি ওয়ারেন্ট ছাড়াই আইনত ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারতেন।
(২) কোনো পুলিশ অফিসার এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে প্রতিরোধমূলক আটকের (preventive detention) বিধানকারী কোনো আইনের অধীনে আটক করার উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করবেন না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 54.  When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without warrant, arrest-
firstly, any person who commits, in the presence of a police-officer, a cognizable offence;
secondly, any person against whom a reasonable complaint has been made, or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may be less than seven years or which may extend to seven years, whether with or without fine, if the following conditions are satisfied, namely:-
    (i) the police-officer has reason to believe, on the basis of such complaint, information, or suspicion that such person has committed the said offence; and
    (ii) the police-officer is satisfied that such arrest is necessary-
        (a) to prevent such person from committing any further offence; or
        (b) for proper investigation of the offence; or 
      (c) to prevent such person from causing the evidence of the offence to disappear or tampering with such evidence in any manner; or
        (d) to prevent such person from making any inducement, threat or promise to any person acquainted with the facts of the case so as to dissuade him from disclosing such facts to the Court or to the police-officer; or
        (e) as unless such person is arrested, his presence in the Court whenever required cannot be ensured;
        and the police-officer shall record while making such arrest, his reasons in writing:
            Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;
thirdly, any person against whom credible information has been received that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may extend to more than seven years whether with or without fine, or with death sentence and the police-officer has reason to believe, on the basis of that information, that such person has committed the said offence;
fourthly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
fifthly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
sixthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
seventhly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
eighthly, any person who is reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
ninthly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
tenthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
eleventhly, any person for whose arrest a requisition, has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.(2) No police-officer shall arrest a person under this section for the purpose of detaining him under any law providing for preventive detention.

১,৮৯১.
ট” তার ছেলের মঙ্গলের জন্য একজন সার্জনকে দিয়ে অপারেশন করাতে চায়। সার্জন শিশুটির পিতার নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে অপারেশন করে। শিশুটি মারা যায়। সার্জনের অপরাধ কি?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. খুন
  3. ভুলবশত খুন
  4. কোন অপরাধ হয়নি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৯ ধারা মতে সার্জনের অপরাধ না হবার কারণ হলো শিশুটির অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে এবং শিশুর মঙ্গলার্থে সরল বিশ্বাসে কার্যটি করেছে। এই ক্ষেত্রে শিশুটির বয়স ১২ বৎসরের কম হতে হবে।
১,৮৯২.
Execution of a 30 years old document may be presumed to be correct , if it is-
  1. Produced from a Lawyer
  2. Produced from any custody
  3. Produced from a proper custody
  4. Produced from a Judge
সঠিক উত্তর:
Produced from a proper custody
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Produced from a proper custody
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারার বিধান ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান:
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।

⇒ ব্যাখ্যা: দলিল যেস্থানে ও যে ব্যক্তির হেফাজতে থাকা স্বাভাবিক, যদি উহা সেই স্থানে এবং সেই ব্যক্তির হেফাজতে থাকে, তবে উহা উপযুক্ত হেফাজতে আছে বলিয়া বুঝাইবে। কিন্তু দলিলটি যে হেফাজতে আছে, সেখানে থাকিবার আইন সঙ্গত কারণ আছে বলিয়া যদি প্রমাণিত হয় অথবা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে অনুরূপ কারণ থাকা সম্ভব বলিয়া যদি বিবেচিত হয়, তবে সেই হেফাজত অনুপযুক্ত বলিয়া গণ্য হইবে না।
এই ব্যাখ্যা ৮১ ধারার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

-------------------
⇒ Presumption as to documents thirty years old.
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 
⇒ This explanation applies also to section 81.
১,৮৯৩.
দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ এর ব্যাখ্যা-১ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে মৃত্যু ঘটানো শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে?
  1. যদি কেউ আত্মহত্যা করে
  2. যদি কোনো সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু হয়
  3. যদি অসাবধানতাবশত মৃত্যু ঘটে
  4. যদি রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়
সঠিক উত্তর:
যদি রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) যদি রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ এর ব্যাখ্যা-১ অনুযায়ী, যদি কোনো রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়, তবে এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা:- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক, জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
- Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.
Explanation-1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation-2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
Explanation-3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
১,৮৯৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় যখন-
  1. চুক্তিটি প্রাকৃতিকভাবে প্রত্যাহারযোগ্য হলে
  2. চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়
  3. চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
  4. চুক্তির শর্তাবলি আদালত নিশ্চয়তার সঙ্গে নির্ধারণ করিতে পারে না 
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২,যে সকল ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন কার্যকরযোগ্য: এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, যে কোনো চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কার্যকর করা যাইবে-
(ক) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে একটি ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করিলে প্রকৃতপক্ষে যে ক্ষতি সাধিত হইবে উহা নির্ণয় করিবার কোনো মানদণ্ড নাই;
(গ) যখন চুক্তিভুক্ত কাজটি এইরূপ হয় যে, উহা সম্পাদন না করিয়া আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যায় না;
(ঘ) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করিবার জন্য কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা নাই।
-------------
The Specific Relief Act,1877, Section: 12, Cases in which specific performance enforceable: Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief;
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

১,৮৯৫.
নারী সপিণ্ডের মধ্যে কোন ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত?
  1. কন্যা, বোন, মাতা, মায়ের বোন, পিতার বোন
  2. পুত্রবধূ, কন্যা, মাতা, ভাইয়ের স্ত্রী, দিদি
  3. মাতা, মায়ের মা, স্ত্রী, কন্যা, বোন
  4. বিধবা স্ত্রী, কন্যা, মাতা, পিতার মাতা, পিতার পিতার মাতা
সঠিক উত্তর:
বিধবা স্ত্রী, কন্যা, মাতা, পিতার মাতা, পিতার পিতার মাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধবা স্ত্রী, কন্যা, মাতা, পিতার মাতা, পিতার পিতার মাতা
ব্যাখ্যা
⇒ মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:
১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা।
১,৮৯৬.
দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৬ অনুসারে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust) করলে শাস্তি হলো যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড যা ৩ বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ৩ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 406. Punishment for criminal breach of trust:- Whoever commits criminal breach of trust shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১,৮৯৭.
নিম্নলিখিত কোন অধিকারটি কোন প্রকার বাধা-নিষেধ ব্যতীত সংবিধানে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা
  2. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
  3. বাক ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে নিশ্চয়কৃত চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা চূড়ান্ত প্রকৃতির অর্থাৎ এই অধিকার কোন প্রকার বাধা-নিষেধ ছাড়াই নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
 
৩৯ (২) অনুচ্ছেদে ২টি স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হলো। এই অনুচ্ছেদে স্বীকৃত বাক স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কতিপয় বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে মঞ্জুর করা হয়েছে।

নিম্নলিখিত বিষয় সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাক স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকবে-
⇒ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা (Secutiry of state),
⇒ বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক (Friendly relations with foreign states),
⇒ জনশৃঙ্খলা (public order),
⇒ শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে (decency or morality),
⇒ আদালত অবমাননা (contempt of court),
⇒ মানহানি (defamation), বা
⇒ অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা (Incitement to an offence)।

অনুচ্ছেদ-৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা:

(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল।
১,৮৯৮.
৫২৩ ধারায় জব্দকৃত সম্পত্তির দাবীদার কত দিনের মধ্যে হাজির না হলে, তা সরকারের হেফাজতে চলে যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ১২ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৪ -

ক্রোকের আদেশ হতে ১ মাসের মধ্যে হাজির হয়ে দাবীদার এমন সম্পত্তিতে দাবী প্রতিষ্ঠা করতে পারবে এবং এই ১ মাসের মধ্যে দাবী প্রতিষ্ঠা না করলে এবং যদি কোন দাবীদার ৬ মাসের মধ্যে হাজির না হয়, তখনই সম্পত্তিটি সরকারের হেফাজতে চলে যাবে।

Section 524- Procedure where no claimant appears within six months

(1) If no person within such period establishes his claim to such property, and if the person in whose possession such property was found, is unable to show that it was legally acquired by him, such property shall be at the disposal of the Government, and may be sold under the orders of the Chief Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate], or of a Magistrate of the first class empowered by the Government in this behalf. 
 
(2) In the case of every order passed under this section, an appeal shall lie to the Court to which appeals against sentences of the Court passing such order would lie.
১,৮৯৯.
'ক' একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে জনতার উপর গুলি চালায়। এতে করে ৫ জন ব্যক্তি গুরুতরভাবে জখম হয়। 'ক' কোন ধরণের অপরাধ করেছে?
  1. সাধারণ জখম
  2. গুরুতর জখম
  3. গুরুতর জখমের চেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষে কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:

⇒ যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশতঃ কাজটি করতে আইনত বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

♦ উদাহরণসমূহ

⇒ (ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

⇒ (খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর; 'খ'- কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
১,৯০০.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে, অপরাধীকে আশ্রয়দানে আশ্রয়দাতার সর্বোচ্চ সাজা কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম: দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।