বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১৩২ / ১৫৫ · ১৩,১০১১৩,২০০ / ১৫,৪৭০

১৩,১০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬(২) ধারার বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য, কে লাশ উত্তোলনের আদেশ দিতে পারে?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিচারকারী আদালত
  4. পুলিশ কমিশনার
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করতে পারে:
-যখন কোন ব্যক্তি পুলিশ কাস্টডিতে বা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে বা
- ধারা ১৭৪(আত্মহত্যা,কোন ব্যক্তি/ প্রাণী/ যন্ত্র দ্বারা বা দুর্ঘটনায় নিহত, বা ধারায় উল্লেখিত অন্য কোন সন্দেহজনক কারণে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে)
 এই অনুসন্ধান করবে ১৭৪ (৫) ধারায় সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্টেট তথা-
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা 
-সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
- ১৭৬ ধারার উপধারা (২) অনুসারে , উল্লেখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের [disinter corpses] আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা সম্পন্ন নিকটতম ম্যাজিষ্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করবেন এবং ১৭৪ ধারার (১) উপধারার (ক), (খ) ও (গ) অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ করেন তাহলে কোন অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে তার যেরূপ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার সেরূপ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ তদন্ত পরিচালনার সময় ম্যাজিষ্ট্রেট অবস্থা অনুসারে অতঃপর বর্ণিত পদ্ধতিসমূহের যে কোন একটি পদ্ধতিতে গৃহীত সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করবেন।
-কবর হতে লাশ তুলিবার ক্ষমতা:
(২) যে লাশ ইতোমধ্যে কবরস্থ করা হয়েছে, উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মৃত্যুর কারণ আবিস্কারের জন্য তা পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তাহলে তিনি লাশটি কবর হতে তুলিবার এবং উহা পরীক্ষা করে দেখিবার ব্যবস্থা করতে পারেন।
---------------
CrPC-Section-176: Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence. The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
-Power to disinter corpses
(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১৩,১০২.
পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন কার অনুমতি সাপেক্ষে করতে হয়?
  1. প্রতিপক্ষের আইনজীবীর
  2. আদালতের অনুমতি
  3. পিপি’র অনুমতি
  4. প্রতিপক্ষের অনুমতি
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা- ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) :
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
১৩,১০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে দণ্ডিত ব্যক্তি নিজে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন?
  1. ৪১০
  2. ৪৩১
  3. ৪১৭
  4. ৪১৭ক
সঠিক উত্তর:
৪১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১০
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১০ অনুযায়ী, দণ্ডিত ব্যক্তি নিজে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন। এই ধারাটি সাধারণভাবে দণ্ডিত ব্যক্তির আপিলের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়।
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১০ অনুযায়ী: “একজন দণ্ডিত ব্যক্তি যিনি কোনো বিচারকের আদালতে বিচারশেষে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তিনি সেই দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন...”
অর্থাৎ, দণ্ডিত ব্যক্তি নিজেই যদি মনে করেন যে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায় বা দণ্ড অন্যায্য হয়েছে, তবে তিনি ধারা ৪১০ অনুযায়ী যথাযথ আপিল আদালতে আপিল করতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 410. Appeal from sentence of Court of Session:
Any person convicted on a trial held by a Sessions Judge, or an Additional Sessions Judge, may appeal to the High Court Division.
১৩,১০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩ অনুসারে, শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা _______ হবে।
  1. বিনাশ্রম
  2. সশ্রম
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম
  4. আংশিক সশ্রম এবং আংশিক বিনাশ্রম
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩- কারাদণ্ডের প্রকার:
(৫) শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা বিনাশ্রম হবে।

(৬) সদাচরণের মুচলেকা প্রদানে অক্ষমতার জন্য কারাদণ্ড ধারা-১০৮ অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া থাকলে বিনাশ্রম এবং ১০৯ বা ১১০ ধারামতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকলে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশে সশ্রম বা বিনাশ্রম হবে।

Section 123- Kind of imprisonment:
(5) Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple.
 
(6) Imprisonment for failure to give security for good behaviour shall, where the proceedings have been taken under section 108 be simple and, where the proceedings have been taken under section 109 or section 110, be rigorous or simple as the Court or Magistrate in each case directs.
১৩,১০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ সম্পর্কিত সম্পত্তি বিচারাধীন অবস্থায় দ্রুত নষ্ট হয়ে গেলে আদালত বিক্রি বা নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৫১৬
  2. ধারা ৫১৬ক 
  3. ধারা ৫১৭
  4. ধারা ৫১৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১৬ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১৬ক 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১৬ক এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সম্পত্তি, যার সাথে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে মনে হয় বা যা কোনো অপরাধে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হয়, তদন্ত বা বিচার চলাকালীন কোনো ফৌজদারি আদালতে উপস্থাপিত হয়, তবে আদালত সেই সম্পত্তির যথাযথ হেফাজতের জন্য আদেশ দিতে পারে। এছাড়াও, যদি সম্পত্তিটি দ্রুত বা স্বাভাবিকভাবে পচনশীল হয়, তবে আদালত প্রয়োজনীয় প্রমাণ রেকর্ড করার পর সেই সম্পত্তি বিক্রি বা অন্যভাবে নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে।
- ধারা ৫১৬ক এর উদ্দেশ্য হলো তদন্ত বা বিচার চলাকালীন সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে যদি সম্পত্তি দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে (যেমন, খাদ্যদ্রব্য বা অন্যান্য পচনশীল জিনিস)।
আদালত এই ধরনের সম্পত্তির নিষ্পত্তির আগে প্রয়োজনীয় প্রমাণ রেকর্ড করে, যাতে পরবর্তীতে বিচারে কোনো সমস্যা না হয়।
এই ধারা সম্পত্তির মূল্য বা অবস্থা রক্ষার জন্য ব্যবহারিক সমাধান প্রদান করে।
- অতএব, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৬ক এ বলা হয়েছে যে, অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ সম্পর্কিত সম্পত্তি বিচারাধীন অবস্থায় দ্রুত নষ্ট হলে বিক্রি বা নিষ্পত্তির আদেশ দেওয়া যায়।

১৩,১০৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫ অনুযায়ী, কতটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে গৃহে প্রবেশ বা প্রস্থান করলে অপথে গৃহে প্রবেশ হয়?
  1. ১১টি
  2. ৬টি
  3. ৯টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় এই ৬ ধরনের গৃহপ্রবেশকে 'অপথে গৃহপ্রবেশ' (House- breaking) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
-------------------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section- 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building.
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened.
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass.
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault.
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass.
Explanation.- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.

১৩,১০৭.
দণ্ডবিধির ১২০ ধারা অনুসারে, যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে শাস্তি কত হতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের সমান
  2. সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত
  3. সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত
  4. সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের অর্ধেক পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি কারাবিধেয় অপরাধ সংঘটনের ডিজাইন (পরিকল্পনা) গোপন করে এবং সেই অপরাধটি সংঘটিত না হয়, তবে সেই ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত।

- যে ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা গোপন করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, সে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে তাকে শাস্তির এক চতুর্থাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।
- যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে তাকে এক অষ্টমাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-120. Concealing design to commit offence punishable with imprisonment
Whoever, intending to facilitate or knowing it to be likely that he will thereby facilitate the commission of an offence punishable with imprisonment, 
voluntarily conceals, by any act or illegal omission, the existence of a design to commit such offence, or makes any representation which he knows to be false respecting such design,
if offence be committed; if offence be not committed
shall, if the offence be committed, be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth, and, if the offence be not committed, to one-eighth, of the longest term of such imprisonment, or with such fine as is provided for the offence, or with both.
১৩,১০৮.
যদি কোনো অনিবন্ধিত ব্যক্তি আইনচর্চা করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে,
আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তির আইনচর্চা করলে অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ডাদেশ।

Article- 41:
Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.
১৩,১০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XV এর Rule-1 অনুযায়ী, আদালত যদি দেখে যে পক্ষগুলির মধ্যে কোনো বিরোধ নেই, তাহলে তিনি কী করতে পারেন?
  1. মামলা খারিজ করতে পারেন
  2. তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
  3. মামলা স্থগিত রাখতে পারেন
  4. পক্ষগুলিকে শাস্তি দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৫ বিধি-১ অনুযায়ী যদি প্রথম শুনানিতে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে কোনো আইনগত বা তথ্যগত বিরোধ নেই, তাহলে আদালত দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে রায় ঘোষণা করতে পারে। এর মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় বিচার প্রক্রিয়ার সময় নষ্ট রোধ করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-XV এর Rule-1 অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন পক্ষগণ কোন আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
১৩,১১০.
একজন আইনজীবীর জন্য নিম্নের কোন কাজটি আচরণ বিধির লংঘন?
  1. মামলা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণে সম্মত না হওয়া
  2. নিজে অপরাগ হলে অন্য কোনো সন্তোষজনক ব্যসস্থাপনায় শুনানী সম্পন্ন করা
  3. আইন পেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা
  4. ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সময় ও শ্রমকে বিবেচনায় নেওয়া
সঠিক উত্তর:
আইন পেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন পেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা
ব্যাখ্যা
BBC chapter 4 (8) এর বিধান মতেঃ  স্বাভাবিক বিধি এই যে, একজন আইনজীবী অন্য কোন পেশা অবলম্বন কিংবা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না। এমনকি অংশীদার হিসাবেও কোন পেশা অবলম্বন কিংবা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেনা কিংবা বেতনভুক্ত কর্মচারী হিসাবেও কোথাও কোন দায়িত্ব পালন করতে পারবেনা।
১৩,১১১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে "Simultaneous execution"–এর বিষয়টি সম্পর্কে বিধান দেওয়া আছে?
  1. আদেশ-২১, বিধি-২০
  2. আদেশ-২১, বিধি-২১
  3. আদেশ-২০, বিধি-২১
  4. আদেশ-২২, বিধি-২১
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-২১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ২১ অনুযায়ী, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় একই সময়ে দায়িকের ব্যক্তি (ব্যক্তিগত স্বাধীনতা) এবং সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই নীতিকে বলা হয় Simultaneous execution।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২১ অনুসারে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় (in its discretion) সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে, একই সময়ে দায়িকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা (গ্রেফতার ও কারাবাস) এবং তার সম্পত্তির বিরুদ্ধে একযোগে (simultaneous) ডিক্রি কার্যকর না করাও যেতে পারে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-21. Simultaneous execution:
The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment-debtor.
১৩,১১২.
বর্তমানে নিম্নে লিখিত কোন পদ্ধতিতে সমন জারি করা যায়?
  1. পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে
  2. কুরিয়ার সার্ভিস
  3. বার্তা /ই-মেইল
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  ( সংশোধন ২০১২) অনুযায়ী আদেশ ৫ এর বিধি ৯ মতে আদালত তার অধঃস্তন অফিসার বা জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভূক্ত ডাকযোগে বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে, বার্তা বা ই মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট প্রেরণ করে সমন জারি করার আদেশ দিতে পারে।
⇒ উলে­খ্য যে, কোন কুরিয়ার সার্ভিস সমন প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে বিবাদীর নিকট তা প্রেরণ করতে হবে।
⇒ যদি ব্যর্থ হয় তাহলে তার অসদাচরনের জন্য তালিকা থেকে উক্ত কোরিয়ার সার্ভিসের নাম বাদ দিবে।
১৩,১১৩.
দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্যমান ন্যূনতম কত হলে আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করা যায়?
  1. ২০ হাজার টাকা
  2. ৫০ হাজার টাকা
  3. ২০ লক্ষ টাকা
  4. ২৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান: বিষয়বস্তুর মূল্য:
- ১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে;
অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে;
এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে। 
---------------
⇒ CPC Section-110. Value of subject-matter.
 In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards, 
or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value, 
and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substantial question of law.
১৩,১১৪.
A, B-কে এক খণ্ড জমি প্রতি মাসে ৮০০০ টাকা ভাড়ায় ভাড়া দেন। পরে A, জমিটি C-কে হস্তান্তর করেন। কিন্তু B এই হস্তান্তরের কোনো খবর না জেনে সরল বিশ্বাসে A-কে ভাড়া প্রদান করে। এক্ষেত্রে-
  1. 'B', C-কে ক্ষতিপূরণ দিবে
  2. 'A', C-কে ক্ষতিপূরণ দিবে
  3. 'B' পুনরায় C-কে ভাড়া প্রদানের জন্য দায়ী হবে
  4. 'B' পুনরায় C-কে ভাড়া প্রদানের জন্য দায়ী হবে না
সঠিক উত্তর:
'B' পুনরায় C-কে ভাড়া প্রদানের জন্য দায়ী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'B' পুনরায় C-কে ভাড়া প্রদানের জন্য দায়ী হবে না
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882, ধারা ৫০: সরল বিশ্বাসে ভাড়া প্রদান করা-
কোন ব্যক্তি কোনো অস্থাবর সম্পত্তির জন্য সরল বিশ্বাসে (bona fide) যে ব্যক্তির অধীনে তিনি সেই সম্পত্তি ধারণ করেছেন, তাঁকে যদি সরল বিশ্বাসে ভাড়া বা লাভ প্রদান করেন, তবে এমনকি পরবর্তীতে যদি এটি প্রকাশ পায় যে সেই ব্যক্তি আসলে ভাড়া গ্রহণের অধিকারী ছিলেন না, তবুও উক্ত ব্যক্তি ভাড়া বা লাভের জন্য দায়ী হবেন না।

উদাহরণ:
A, B-কে এক খণ্ড জমি প্রতি মাসে ৫০ টাকা ভাড়ায় ভাড়া দেন। পরে A, জমিটি C-কে হস্তান্তর করেন। কিন্তু B এই হস্তান্তরের কোনো খবর না জেনে প্রকৃত বিশ্বাসে A-কে ভাড়া প্রদান করে। এক্ষেত্রে, B যেহেতু প্রকৃত বিশ্বাসে কাজ করেছে, তাই সে পুনরায় ভাড়ার জন্য দায়ী নয়।
১৩,১১৫.
ধারা ১৮(২) অনুসারে, আপিল আদালত কখন এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করবে?
  1. যখন এখতিয়ার নিয়ে যুক্তিসঙ্গত অনিশ্চয়তা ছিল
  2. যখন এখতিয়ার নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না
  3. যখন আপিলকারী পক্ষ পরিবর্তন করেছে
  4. যখন ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে নাই
সঠিক উত্তর:
যখন এখতিয়ার নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন এখতিয়ার নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ. যখন কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না।

ধারা ১৮(২) – Code of Civil Procedure, 1908 অনুসারে:
যদি কোনো মামলা দায়ের করা হয় যেখানে সম্পত্তির অবস্থান নিয়ে স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত ছিল, এবং উপধারা (১) অনুসারে কোনো বিবৃতি রেকর্ড করা হয়নি, এবং পরে আপিল বা পুনর্বিবেচনা আদালতে আপত্তি তোলা হয় যে মূল আদালত যার এখতিয়ার ছিল না, সেই মামলা নিষ্পত্তি করেছে- তাহলে আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না দেখা যায় যে:
- মামলা দায়েরের সময় এখতিয়ার নিয়ে কোনো যৌক্তিক অনিশ্চয়তা ছিল না,
- এবং এর ফলে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটেছে (failure of justice)।

অর্থাৎ, যদি পূর্বেই যৌক্তিক অনিশ্চয়তা থাকত, আপিল আদালত আপত্তি গ্রহণ করবে না। শুধুমাত্র ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ও অনিশ্চয়তার অনুপস্থিতি থাকলে আপত্তি গ্রহণযোগ্য।

ধারা ১৮- যেখানে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমা অনিশ্চিত, সেই ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান:
(১) যদি এ বিষয়ে অনিশ্চয়তা থাকে যে, কোনো অস্থাবর সম্পত্তি (immovable property) দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে কোথায় অবস্থিত, তাহলে ঐ আদালতগুলোর যেকোনো একটি আদালত, যদি সে অনিশ্চয়তার যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হয়, তবে সে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি (statement) রেকর্ড করতে পারবে এবং পরবর্তীতে সেই সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমাটি শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারবে। এবং সেই আদালতের প্রদত্ত ডিক্রি (decree) এমনভাবে কার্যকর হবে যেন সম্পত্তিটি তার এখতিয়ারভুক্ত এলাকায়ই অবস্থিত।
তবে শর্ত হলো- মামলাটির প্রকৃতি ও মূল্যের বিচারে আদালতটি এখতিয়ারপ্রাপ্ত হতে হবে।

(২) যদি উপধারা (১) অনুসারে কোনো বিবৃতি রেকর্ড করা না হয়, এবং পরবর্তীতে আপিল বা পুনর্বিবেচনা আদালতে আপত্তি তোলা হয় যে, মূল আদালত যার এখতিয়ার ছিল না সে মামলা নিষ্পত্তি করেছে - তাহলে আপিল বা পুনর্বিবেচনা আদালত সেই আপত্তি গ্রহণ করবে না, যদি না দেখা যায় যে - মামলা দায়েরের সময় এখতিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল না, এবং এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে।

১৩,১১৬.
Under section 167 of The Criminal Procedure Code,1898 the longest period for which an accused can be remanded to police custody is-
  1. 07 days
  2. 14 days
  3. 15 days
  4. 20 days
সঠিক উত্তর:
15 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15 days
ব্যাখ্যা

⇒ The Criminal Procedure Code-এর Section 167 অনুযায়ী, একজন অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে (police custody) সর্বোচ্চ ১৫ দিন পর্যন্ত রিমান্ডে রাখা যেতে পারে।
- এই ১৫ দিনের বেশি সময় পুলিশ হেফাজত আইনসম্মত নয়। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনে আদালত অভিযুক্তকে জেল হেফাজতে (judicial custody) পাঠাতে পারেন, কিন্তু পুলিশ হেফাজত আর বাড়ানো যায় না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারায় রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে:-
(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।
- মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-167: 
(2) The Magistrate to whom an accused person is forwarded under this section may, whether he has or has not jurisdiction to try the case from time to time authorize the detention of the accused in such custody as such Magistrate thinks fit, for a term not exceeding fifteen days in the whole. If he has not jurisdiction to try the case or send it for trial, and considers further detention unnecessary, he may order the accused to be forwarded to a Magistrate having such jurisdiction:
Provided that no Magistrate of the third class, and no Magistrate of the second class not specially empowered in this behalf by the Government shall authorize detention in the custody of the police.

১৩,১১৭.
দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত সর্বনিম্ন কারাবাসের মেয়াদ কত?
  1. ২০ ঘন্টা
  2. ২৪ ঘন্টা
  3. ৪৮ ঘন্টা
  4. ৭২ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন শাস্তি:

⇒ সর্বোচ্চ শাস্তি বা দণ্ড- মৃত্যুদণ্ড; (১০টি ক্ষেত্রে)
⇒ সর্বোচ্চ কারাবাস- ২০ বছর;

⇒ সর্বনিম্ন কারাবাসের মেয়াদ- ২৪ ঘন্টা;
⇒ সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড- ১০ টাকা।
[দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশোভন আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বা জরিমানাসহ যার পরিমান ১০ টাকা পর্যন্ত বা উভয়ই।
১৩,১১৮.
দণ্ডবিধির ১১ ধারায় 'ব্যক্তি' বলতে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. স্বতন্ত্র ব্যক্তি
  2. সমিতি
  3. আদালত
  4. কোম্পানি
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২য় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারার সাধারণ ব্যাখ্যা (General Explanation) অংশে দণ্ডবিধিতে ব্যবহৃত কতিপয় শব্দের সংজ্ঞা রয়েছে।

-ব্যক্তি (Person)- দণ্ডবিধির ১১ ধারায় ব্যক্তির সংজ্ঞা রয়েছে। ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যক্তি বা Person বলতে যে কোন কোম্পানী বা সমিতি (Association) অথবা ব্যক্তি সমষ্টিকে (সমিতিভুক্ত হোক বা না হোক) বুঝাবে।
-----------------------------------
-The Penal Code, 1860, Section 11. The word “person” includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not.
১৩,১১৯.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের নিয়ম উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ৬১
  3. ধারা ৯০
  4. ধারা ১৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬১
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬১ (Section 61 – Proof of contents of documents)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
“The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.”
অর্থাৎ, কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার নিয়ম এই ধারায় বলা হয়েছে, এবং এতে উল্লেখ আছে যে —
এটি হতে পারে
- প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) দ্বারা অথবা
- মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) দ্বারা।

→ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হচ্ছে মূল দলিল, যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। অন্যদিকে, মাধ্যমিক সাক্ষ্য তখন ব্যবহার করা হয় যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, এবং তখন তার প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য এর মাধ্যমে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 61 - Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.

১৩,১২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে ফরিয়াদি সরকারি কর্মচারী হলে,ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ২৪৫
  2. ২৪৭
  3. ২৪৮
  4. ২৪৯
সঠিক উত্তর:
২৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী-
নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবী করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।
শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন।
--------------
CrPC- Section-247.Non-appearance of complainant:
 If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
১৩,১২১.
সর্বনিম্ন কত দিন কোন ব্যক্তিকে আটক রাখলে আটককারী ব্যক্তি অনধিক ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ২ দিন
  2. ৩ দিন
  3. ৪ দিন
  4. ৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারার বিধান তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ Section 343. Wrongful confinement for three or more days:- Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১৩,১২২.
আপোষমূলক ডিক্রির [Compromise Decree] বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায়-
  1. আপীলে
  2. রিভিউতে
  3. রেফারেন্সে
  4. রিভিশনে
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপোষমূলক বা সোলে ডিক্রি [Compromise Decree] দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
- অন্যদিকে ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে মূল মোকদ্দমায় বা আপীলে প্রদত্ত যে সকল আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না, সেই সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। যেহেতু আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করা যায় না তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারায় রিভিশন দায়ের করা যায়।
--------------
⇒ CPC Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.

⇒ CPC Section-115.Revision:
(1) The High Court Division may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceedings, in which a decree or an order has been passed by a Court of District Judge or Additional District Judge, or a decree has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeal lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such decree or order occasioning failure of justice, the High Court Division may, revise such decree or order and, make such order in the suit or proceedings, as it thinks fit. 
 
(2) The Court of District Judge may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceeding, in which an order has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeals lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such order occasioning failure of justice, the Court of District Judge may, revise such order and, make such order as it thinks fit. 
 
(3) A Court of Additional District Judge shall have all the powers of the District Judge under sub-section (2) in respect of revision case which may be transferred to it by the District Judge.
১৩,১২৩.
‘D’ অসাধুভাবে তার সম্পত্তি গোপন করে, যাতে তার ঋণদাতারা তা পেতে না পারে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪২৪ অনুসারে, যে কেউ অসাধুভাবে বা জালিয়াতিমূলকভাবে নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি গোপন বা অপসারণ করে, বা এতে সহায়তা করে, অথবা তার প্রাপ্য কোনো দাবি বা অধিকার অসাধুভাবে মুক্তি দেয়, সে এই অপরাধের জন্য দায়ী। এই অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। এখানে, ‘D’ অসাধুভাবে তার সম্পত্তি গোপন করেছে, যাতে ঋণদাতারা তা পেতে না পারে, যা ধারা ৪২৪-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড।

- ‘D’-এর কাজ ধারা ৪২৪-এর অধীনে জালিয়াতিমূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন হিসেবে গণ্য, এবং এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছরের কারাদণ্ড। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
--------
⇒The Penal Code, 1860- Section-424 Dishonest or fraudulent removal or concealment of property:
-Whoever dishonestly or fraudulently conceals or removes any property of himself or any other person, or dishonestly or fraudulently assists in the concealment or removal thereof, or dishonestly releases any demand or claim to which he is entitled, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১৩,১২৪.
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ধরনের ঘটনা বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক?
  1. ঘটনার উপলক্ষ
  2. ঘটনার কারণ
  3. ঘটনার পরিণাম
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ধরনের ঘটনা বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক:
উপলক্ষ (Occasion): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার উপলক্ষ হিসেবে কাজ করে।
কারণ (Cause): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
পরিণাম (Effect): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার পরিণাম হিসেবে দেখা যায়।

Section 7: Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
১৩,১২৫.
'ক' একজন নিঃস্ব বাদী হিসেবে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। মামলার চলাকালীন, 'ক' মারা যায় এবং মামলাটি বাতিল হয়। আদালত আদেশ দেয় যে, 'ক'-এর সম্পত্তি থেকে সরকার কোর্ট ফি আদায় করতে পারবে। এই সিদ্ধান্ত কোন আদেশ ও বিধির অধীনে দেওয়া হয়েছে?
  1. আদেশ ৩৩, বিধি ৫
  2. আদেশ ৩৩, বিধি ৬
  3. আদেশ ৩৩, বিধি ৭
  4. আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক
ব্যাখ্যা
• এই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক বিধির অধীনে।

আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বাদী বা সহবাদী হিসাবে যুক্ত কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে মোকদ্দমাটি বাতিল হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এ মর্মে আদেশ প্রদান করবে যে, যদি বাদীকে নিঃস্ব হিসাবে মামলা করার অনুমতি না দেওয়া হতো, তবে যে পরিমাণ কোর্ট ফি পরিশোধ করতে হতো, তা সরকারের পক্ষ থেকে মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে আদায়যোগ্য হবে।

Order 33 Rule 11A- Procedure where pauper suit abates:
Where the suit abates by reason of the death of the plaintiff or of any person added as a co-plaintiff the Court shall order that the amount of court-fees which would have been paid bythe plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper shall be recoverable by the Government from the estate of the deceased plaintiff.
১৩,১২৬.
রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে কে?
  1. আদালত
  2. মামলার বাদী
  3. সম্পত্তির মালিক
  4. বাদী ও বিবাদীর সম্মতিতে
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-২ পারিশ্রমিক:
রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।

Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
১৩,১২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারা অনুসারে কে পুলিশ ডায়েরী দেখার অধিকারী হবেন না?
  1. আদালত
  2. ফরিয়াদি
  3. অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি
  4. কেউই অধিকারী নয়
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী নয়।

• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়,সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী।ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে,তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন-কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন,কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন,কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

• পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে।পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে,আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।

• তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
১৩,১২৮.
অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তির সদাচরণের জন্য মুচলেকার মেয়াদ?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦ অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তির সদাচরণের জন্য মুচলেকা - জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তি কেন ৩ বৎসরের অধিক নয় এমন মেয়াদের জন্য জামিনদার সহ অথবা ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করবে না তার কারন দর্শাতে বলতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
১৩,১২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুসারে নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৫
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত যে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে তাকে Negative Injunction বলে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৭-এ নেতিবাচক চুক্তি (Negative Agreement) পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction) প্রদানের বিধান রয়েছে।
- এই ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
কোন চুক্তিতে যদি একটি ইতিবাচক অঙ্গীকার (কোনো কাজ করা) এবং একটি নেতিবাচক অঙ্গীকার (কোনো কাজ না করা) একসাথে থাকে, এবং আদালত যদি সেই ইতিবাচক অঙ্গীকারটি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করানোর আদেশ (Specific Performance) দিতে না পারে,
তবুও আদালত চুক্তির নেতিবাচক অংশটি (কাজটি না করা) ভঙ্গ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী নিজে চুক্তির(যে অংশটি তার উপর বাধ্যবাধকতা তৈরি করে) পালনে ব্যর্থ হয়নি।

- নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

Illustrations:
(a) A contracts to sell to B for taka 1,000 the good-will of a certain business unconnected with business-premises, and further agrees not to carry on that business in Chittagong. B pays A the taka 1,000 but A carries on the business in Chittagong. The Court cannot compel A to send his customers to B, but B may obtain an injunction restraining A from carrying on the business in Chittagong.
(b) A contracts to sell to B the good-will of a business. A then sets up similar business close by B's shop and solicits his old-customers to deal with him. This is contrary to his implied contract, and B may obtain an injunction to restrain A from soliciting the customers, and from doing any act whereby their good-will may be withdrawn from B.

(c) A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

(d) B contracts with A that he will serve him faithfully for twelve months as a clerk. A is not entitled to a decree for specific performance of the contract. But he is entitled to an injunction restraining B from serving a rival house as clerk.
(e) A contracts with B that, in consideration of taka 1,000 to be paid to him by B on a day fixed, he will not set up a certain business within a specified distance. B fails to pay the money. A cannot be restrained from carrying on the business within the specified distance.

১৩,১৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  2. বিচারপ্রার্থীর ব্যয় কমানো
  3. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা
সঠিক উত্তর:
বিচারপ্রার্থীর ব্যয় কমানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপ্রার্থীর ব্যয় কমানো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা (Section 561A, CrPC) হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সংরক্ষণ করে এবং এই ধারা তিনটি উদ্দেশ্যে হাইকোর্টকে ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ দেয়:
১। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ কার্যকর করা
২। কোনো আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
৩। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
কিন্তু "বিচারপ্রার্থীর ব্যয় কমানো" — এই উদ্দেশ্য ৫৬১ক ধারার উদ্দেশ্যের মধ্যে নেই।
- এটি একটি সামাজিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের বিষয় হতে পারে, কিন্তু এই ধারার অধীনে হাইকোর্টের inherent power প্রয়োগের কোনো উদ্দেশ্য নয়।

-একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)। 

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 561A: Saving of inherent power of High Court Division:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
১৩,১৩১.
সমন যদি আদালতের স্থানীয় সীমার বাইরে জারি করতে হয়, তবে উক্ত সমন কার কাছে পাঠানো হবে?
  1. স্থানীয় থানায়
  2. সরাসরি ব্যক্তির নিকট
  3. সেই এলাকার এখতিয়ারভুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. সমন বাতিল করা হবে
সঠিক উত্তর:
সেই এলাকার এখতিয়ারভুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেই এলাকার এখতিয়ারভুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৩ ধারার বিধান- স্থানীয় সীমার বাহিরে সমন জারী:
যেক্ষেত্রে কোন আদালত উক্ত আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সমন উক্ত আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরের কোন স্থানে জারী করতে চান, সেক্ষেত্রে সমনকৃত ব্যক্তি যে ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকে বা বাস করে, উক্ত আদালত সাধারণ অবস্থায় দুই কপি সমন সেই ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন এবং সেখানে উক্ত সমন জারী হবে।

Section: 73: Service of summons outside local limits:
When a Court desires that a summons issued by it shall be served at any place outside the local limits of its jurisdiction, it shall ordinarily send such summons in duplicate to a Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the person summoned resides or is, to be there served.
১৩,১৩২.
বার কাউন্সিলের মেয়াদ উত্তীর্ণের বছরে বার কাউন্সিল নির্বাচন যে তারিখে বা তারিখের পূর্বে সম্পন্ন করতে হবে তা হলো-
  1. ৩১ জানুয়ারী
  2. ১ ডিসেম্বর
  3. ৩১ মে
  4. ৩১ জুলাই
সঠিক উত্তর:
৩১ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ মে
ব্যাখ্যা
♦ নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হবার বছরে ৩১ শে মে অথবা তার পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য বার কাউন্সিল গঠিত হবে।

♦ অর্থাৎ বার কাউন্সিলের মেয়াদ উত্তীর্ণের বছরে বার কাউন্সিল নির্বাচন ৩১ শে মে বা তার পূর্বে সম্পন্ন করতে হবে।
১৩,১৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ১৫ অনুযায়ী, সরাসরি বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা সম্ভব না হলে কাকে সমন প্রদান করা যাবে?
  1. যেকোনো পরিচিত ব্যক্তিকে
  2. শুধু পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যকে
  3. পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
  4. বিবাদীর ভৃত্যকে
সঠিক উত্তর:
পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ১৫: বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর সমন জারি:
আদেশ ৫, বিধি ১৫ অনুসারে, যদি বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর সরাসরি সমন জারি করা সম্ভব না হয়, তাহলে তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের (নারী বা পুরুষ) কাছে সমন জারি করা যেতে পারে। পরিবারের কোনো ভৃত্য (Servant) সদস্য হিসেবে গণ্য হবে না এবং তার কাছে সমন দেওয়া যাবে না।

২০১২ সালের সংশোধনী:
পূর্বে শুধুমাত্র পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যের (Adult Male Member) কাছে সমন দেওয়ার বিধান ছিল। তবে ২০১২ সালের সংশোধনের মাধ্যমে এখন পরিবারের যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের নিকট সমন প্রদান করা যেতে পারে।
১৩,১৩৪.
কোন পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যক্রম বাতিল হবে না?
  1. ভুলক্রমে অপরাধ আমলে নিলে
  2. ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে এখতিয়ারের বাহিরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে
  3. ক্ষমতাবান না হলেও সরল বিশ্বাসে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২৯- যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না:
যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-
 
(ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন;
(খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন;
(গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন;

(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন;
(চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন;

(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
(জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা
(ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,
 
তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না। অর্থাৎ উল্লেখিত কোনো কারনে কার্যক্রম বাতিল হবে না।
১৩,১৩৫.
A একজন গুদামরক্ষক। Z কে কিছু পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার জন্য A কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পণ্য গুলো A এর দখল হতে B গ্রহণ করেছে। এই ক্ষেত্রে A,B এর বিরুদ্ধে পণ্যগুলো প্রাপ্তির জন্য মামলা করতে পারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের _______ ধারায়।
  1. ১০ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦A হলো উক্ত পণ্যের জিম্মাদার [Bailee] এবং এই কারণে A উক্ত পণ্য বর্তমান দখলের অধিকারী। A উক্ত পণ্যের মালিক না হলেও যেহেতু পণ্যটির দখলে রাখার বিশেষ অধিকার A এর আছে, তাই উক্ত পণ্য উদ্ধার করার জন্য A,B এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় মামলা দায়ের করতে পারে।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ এর ১০ ধারায় বলা আছে সুনির্দিস্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধারঃ
♦সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানী কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় উহার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
♦ব্যাখ্যা-১ঃ এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সেই ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
♦ব্যাখ্যা-২ঃসম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
১৩,১৩৬.
এক ব্যক্তি ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত ও ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে। দণ্ডাদেশ দানের কত বছরের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
১৩,১৩৭.
Easement Right কয়ভাবে অর্জন করা যায়?
  1. ১ ভাবে
  2. ২ ভাবে
  3. ৩ ভাবে
  4. ৬ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী ২ ভাবে (ভোগ দখল ও ব্যবহার) Easement Right অর্জন হয়।
১৩,১৩৮.
নিচের কোনটি সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের অধীনে স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের উপায় নয়?
  1. দান
  2. বিনিময়
  3. কর প্রদান
  4. লিজ বা ইজারা
সঠিক উত্তর:
কর প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫ ধারায় স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের উপায় নির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে। এগুলো হলো:
১) বিক্রয়
২) বন্ধক (রেহেন)
৩) ইজারা (লিজ)
৪) দান
৫) বিনিময়
আইনের আওতায় এই পাঁচটি পদ্ধতির মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তি অন্য জীবিত ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করতে পারে।

- কর প্রদান হল সরকার বা কর্তৃপক্ষকে দেওয়া অর্থ এবং এটি কোনো ব্যক্তির মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তরের উপায় নয়। তাই এটি আইনের আওতাভুক্ত নয়।

১৩,১৩৯.
দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি একটি অবৈধ সমাবেশ বা তার সদস্য কোন সহিংসতা বা বলপ্রয়োগ করে, তবে সেই সমাবেশের সদস্যদের কী অপরাধ হবে?
  1. ডাকাতি
  2. দাঙ্গা
  3. অপহরণ
  4. বলপ্রয়োগের অপরাধ
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার অনুযায়ী, যদি একটি অবৈধ সমাবেশ বা তার সদস্যরা ঐ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনে সহিংসতা বা বলপ্রয়োগ করে, তবে সেই সমাবেশের প্রতিটি সদস্য দাঙ্গা (Rioting) এর অপরাধে দোষী হবে। "দাঙ্গা" হল এমন একটি অপরাধ যেখানে একটি অবৈধ সমাবেশ বা তার সদস্যরা অন্যদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বা বলপ্রয়োগ করে।
- এটি "ডাকাতি", "অপহরণ", বা "বলপ্রয়োগের অপরাধ" নয়, কারণ দাঙ্গা এক ধরনের গ্রুপ ভিত্তিক অপরাধ যেখানে বড় সংখ্যক ব্যক্তি আইন ভঙ্গ করতে সহিংসতার মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান: দাঙ্গা:
যখন কোনো অবৈধ সমাবেশ বা তার কোনো সদস্য দ্বারা বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা ব্যবহার করা হয়, এবং তা সেই সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য করা হয়, তখন সেই সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার অপরাধে দোষী বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারার বিধান: দাঙ্গার শাস্তি:
যে কোনো ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে, তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে, বা জরিমানা করা যেতে পারে, বা উভয় শাস্তি একসাথে দেওয়া যেতে পারে।
-----
⇒ The Penal Code, 1860-Section- 146. Rioting:
Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.

⇒ The Penal Code, 1860-Section- 147. Punishment for rioting:
 Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১৩,১৪০.
কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে কোন ব্যক্তির অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকার পাওয়া সম্ভব?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।

⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।

⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
১৩,১৪১.
একটি চুক্তির সংশোধনের জন্য আদালত কী বিষয়ে নিশ্চিত করতে হবে?
  1. চুক্তি আইনের সব শর্ত পূরণ করে
  2. সকল পক্ষ চুক্তি সম্পর্কে একমত
  3. চুক্তির নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে
  4. চুক্তি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত করার উদ্দেশ্য ছিল
সঠিক উত্তর:
চুক্তি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত করার উদ্দেশ্য ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত করার উদ্দেশ্য ছিল
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
১৩,১৪২.
'দণ্ডবিধি' ১৮৬০ সালের কত নং আইন?
  1. ১ নং আইন
  2. ৩৫ নং আইন
  3. ৪৫ নং আইন
  4. ৫ নং আইন
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন  দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।

⇒ এই  আইন সামান্য কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে প্রচলিত আছে।
⇒ দণ্ডবিধি  ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
১৩,১৪৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২২ এর অধীনে মামলা হস্তান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে-
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. বিচারিক আদালত
  4. বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২২- একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য মামলা হস্তান্তর করার ক্ষমতা:
যদি কোনো মামলা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়ের করা যায় এবং তা এক আদালতে দায়ের করা হয়, তবে যে কোনো বিবাদী (defendant), অন্যান্য পক্ষকে নোটিশ দিয়ে, সর্বোত্তম সুযোগে (যখন মামলার ইস্যু স্থির হয় বা স্থির করার আগে), আবেদন করতে পারবে মামলাটি অন্য কোনো আদালতে হস্তান্তরের জন্য।
যে আদালতকে এই আবেদন করা হয়, সে অন্য পক্ষের আপত্তি বিবেচনা করার পর, নির্ধারণ করবে কোন আদালত যথাযথ এখতিয়ারসম্পন্ন, এবং মামলাটি সেই আদালতে স্থানান্তর করা হবে।

১৩,১৪৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী চুক্তি পালনে কয়টি ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী চুক্তি পালনে ৪টি ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে।
যথা-
- ক্ষতিপূরণ আদায় অসম্ভব,
- পূর্বে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে,
- চুক্তি পালনে অক্ষম,
- পূর্বেই বিষয় বস্তু নিষ্পত্তি হয়েছে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
-চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না:
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেচে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
-----------------
⇒ SR Act Section-24.Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favour of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject-matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
১৩,১৪৫.
Who has power to decide language of Courts?
  1. The Court itself
  2. The Government
  3. Presiding Officer of Court
  4. High Court Division
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।

• ধারা ৫৫৮ (আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা)-
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

Section 558- Power to decide language of Courts
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
১৩,১৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোন ম্যাজিস্ট্রেট নিজের জ্ঞান বা সন্দেহের ভিত্তিতে কোনো অপরাধের আমলে গ্রহণ করতে পারেন?
  1. Chief Metropolitan Magistrate
  2. Chief Judicial Magistrate
  3. Magistrate of the first class
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০(১)(গ)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ নিজের জ্ঞান বা সন্দেহের ভিত্তিতে কোনো অপরাধের আমলে (cognizance) গ্রহণ করতে পারেন:
ক) Chief Metropolitan Magistrate
খ) Chief Judicial Magistrate
গ) Magistrate of the first class
এছাড়াও বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট। 
সুতরাং, উপরের সবগুলো শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটই এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন। অর্থাৎ সঠিক উত্তর হল All of the above.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-190-Cognizance of offences by Magistrates:
(1) Except as hereinafter provided, any Chief Metropolitan Magistrate, Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Magistrate of the first class, and any other Magistrate specially empowered in this behalf under sub-section (2) or (3)], may take cognizance of any offence- 
(a) upon receiving a complaint of facts which constitute such offence; 
(b) upon a report in writing of such facts made by any police-officer; 
(c) upon information received from any person other than a police-officer, or upon his own knowledge or suspicion, that such offence has been committed.
(2) the Government may, and subject to any general or special order issued in this behalf by the High Court Division, the Chief Judicial Magistrate may empower any Magistrate of the second or third class to take cognizance under sub-section (1) clause (a) or clause (b) of offences which he may try or send for trial.
(3) The Government may empower any Magistrate of the second class to take cognizance under sub-section (1), clause (c), of offences for which he may try or send for trial. 
(4) Notwithstanding anything contained to the contrary in this section or elsewhere in this Code, the Government may, by an order specifying the reasons and period stated therein, empower any Executive Magistrate to take cognizance under clause (a), (b) or (c) or sub-section (1), of offences and the Executive Magistrate shall send it for trial to the court of competent jurisdiction.

১৩,১৪৭.
হিন্দু আইনে কোন বিবাহে বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করা হতো?
  1. দৈব বিবাহ
  2. আর্য বিবাহ
  3. অসুর বিবাহ
  4. প্রজাপত্য বিবাহ
সঠিক উত্তর:
আর্য বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্য বিবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে আর্য বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন। এটি আট প্রকার বিবাহের মধ্যে অনুমোদিত চারটির একটি।

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।

অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।

১৩,১৪৮.
বাদী আরজির সাথে পেশকৃত দলিলসমূহ কোন পদ্ধতিতে জমা দিবে?
  1. আরজির উপর তালিকা লিখে
  2. আরজির সাথে সংযুক্ত করে
  3. ক বা খ
  4. আরজি জমা দেয়ার পর দলিল জমা দিবে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• বাদী আরজির সাথে যেসকল দলিল পেশ করে (যদি থাকে),আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে।

• দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে প্রথমে যে দলিল প্রস্তুত করতে হয়, সেটা হলো আরজি। আরজি দাখিলের মধ্য দিয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১ থেকে ১৮নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ নং বিধিতে আরজিতে কি কি বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তা  বলা হয়েছে। এই বিধি অনুসারে আরজিতে ৯টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়।
এছাড়া আদালতের এখতিয়ার ও কোর্ট ফি নির্ধারণের জন্য আরজিতে মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হয়। অর্থের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, আরজিতে দাবীকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ [Precise Amount] উল্লেখ হবে।স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সম্পত্তি সনাক্ত করার জন্য সম্পত্তির বর্ণনা, সীমানা, বা সেটেলমেন্ট পর্যায় উল্লেখিত নম্বর উল্লেখ করতে হবে।বাদী তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করে, সেক্ষেত্রে আরজিতে বাদী তামাদি হতে অব্যাহতির কারণ [Grounds for exemption] উল্লেখ করবে। [বিধি ২-৬]

• আদেশ ৭ বিধি ৯ (আরজি গ্রহণের পদ্ধতি)-

যেসকল দলিল বাদী আরজির সাথে পেশ করে (যদি থাকে), আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে। আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল পেশ করবে। বাদী আরজির সাথে যে তালিকা, সংক্ষিপ্ত বিবৃতি, নকল দাখিল করে তা আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষাপূর্বক সেগুলো সঠিক থাকলে সেইগুলোতে স্বাক্ষর করবে।

Order 7 Rule 9: Procedure of admitting plaint-
(1) The plaintiff shall endorse on the plaint, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or for any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.

Concise statements-
(2) Where the plaintiff sues, or the defendant or any of the defendants is sued, in a representative capacity, such statements shall show in what capacity the plaintiff or defendant sues or is sued.

(3) The plaintiff may, by leave of the Court, amend such statements so as to make them correspond with the plaint.

(4) The chief ministerial officer of the Court shall sign such list and copies or statements if, on examination, he finds them to be correct. 
১৩,১৪৯.
সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল রাজস্ব, সরকার কর্তৃক সংগৃহীত সকল ঋণ এবং কোন ঋণ পরিশোধ হইতে সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল অর্থ একটি মাত্র তহবিলের অংশে পরিণত হইবে এবং তাহা "___________" নামে অভিহিত হইবে। 
  1. প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব
  2. সংযুক্ত তহবিল
  3. প্রধান মন্ত্রীর তহবিল
  4. রাষ্ট্রীয় তহবিল
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত তহবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত তহবিল
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৪ অনুচ্ছেদের বিধান: সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব: 
(১) সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল রাজস্ব, সরকার কর্তৃক সংগৃহীত সকল ঋণ এবং কোন ঋণ পরিশোধ হইতে সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল অর্থ একটি মাত্র তহবিলের অংশে পরিণত হইবে এবং তাহা "সংযুক্ত তহবিল" নামে অভিহিত হইবে। 

(২) সরকার কর্তৃক বা সরকারের পক্ষে প্রাপ্ত অন্য সকল সরকারী অর্থ প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে জমা হইবে।
--------------
⇒ Article 84. Consolidated Fund and the Public Account of the Republic: 
(1) All revenues received by the Government, all loans raised by the Government, and all moneys received by it in repayment of any loan, shall form part of one fund to be known as the Consolidated Fund. 

(2) All other public moneys received by or on behalf of the Government shall be credited to the Public Account of the Republic.
১৩,১৫০.
আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০-৪৮৬ ধারায় আদালত অবমাননা (Contempt of Court) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে।

ধারা ৪৮০: অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

Section 480: Procedure in certain cases of contempt
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
১৩,১৫১.
কোন আইন অনুসারে সিলেটে সি এস (CS) খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়?
  1. The State Acquisition and Tenancy Act, 1950
  2. The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949
  3. The Sylhet Tenancy Act, 1936
  4. The Bengal Tenancy Act, 1885
সঠিক উত্তর:
The Sylhet Tenancy Act, 1936
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Sylhet Tenancy Act, 1936
ব্যাখ্যা
CS Khatian: 
CS অর্থ Cadastral Survey. এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই CS খতিয়ান নামে পরিচিত।
- এটি The Bengal Tenancy Act, 1885'র ১০১ ধারা অনুসারে প্রণয়ন করা হয়।
- CS খতিয়ান প্রণয়নের কাজ ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজারের রামু থানায় শুরু হয়ে ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় এসে শেষ হয়।
- তবে, সিলেট জেলায় CS খতিয়ান প্রণয়ন করা হয় The Sylhet Tenancy Act, 1936'র ১১৭ ধারার অধীনে।
- SAT Act'র ১৫৭(২) ধারায় স্পষ্ট বলা আছে যে, The Sylhet Tenancy Act, 1936 অনুসারেই সিলেট অঞ্চলের খতিয়ান প্রস্তুত করতে হবে।
১৩,১৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী WARRANT OF ARREST বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কতদিন কার্যকর থাকবে?
  1. তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত
  2. কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত
  3. আদালত কর্তৃক বাতিল না করা পর্যন্ত
  4. খ অথবা গ
সঠিক উত্তর:
খ অথবা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ অথবা গ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ধারা ৭৫(২) অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক জারিকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা লিখিতভাবে থাকবে এবং এটি ততক্ষণ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে যতক্ষণ না আদালত সেটি বাতিল করে বা এটি সম্পাদিত হয়। অর্থাৎ, পরোয়ানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয় না; শুধু আদালতের রদ বা গ্রেপ্তারের বাস্তবায়নের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা শেষ হয়।
----------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-  75. Form of warrant of arrest Continuance of warrant of arrest:
(1) Every warrant of arrest issued by a Court under this Code shall be in writing, signed by the presiding officer, or in the case of a Bench of Magistrates, by any member of such Bench, and shall bear the seal of the Court. 
(2) Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.

১৩,১৫৩.
'ক' 'খ' কে একটি নকল গহনা দেখিয়ে বলে যে, এটি আসল হীরা এবং এই বলে টাকা নেয় যে 'খ' যদি এটি কিনে, তবে লাভবান হবে। 'খ' প্রতারিত হয়ে গহনাটি কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 'ক' এর এই কাজটি দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে অপরাধ?
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৫
  3. ধারা ৪১৫
  4. ধারা ৪৬৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৫ অনুসারে, প্রতারণা (Cheating) তখনই সংঘটিত হয় যখন কেউ ছলনা বা প্রতারণার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে:
- সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে, অথবা
- এমন কোনো কাজ করতে বা না করতে প্ররোচিত করে, যা সে প্রতারিত না হলে করত না বা বন্ধ করত না, এবং যার ফলে তার শরীর, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি হয় বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- এখানে 'ক' 'খ'-কে একটি নকল গহনাকে আসল হীরা বলে প্রতারণা করেছে, যার ফলে 'খ' গহনাটি কিনে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি ধারা ৪১৫-এর সংজ্ঞার সাথে পুরোপুরি মিল আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415: Cheating:
- Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".
Explanation:- A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.

১৩,১৫৪.
The Registration Act, 1908 এর কোন Section মোতাবেক স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিক্রয় চুক্তির নিবদ্ধন ২০০৪ সন থেকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. 16
  2. 17
  3. 17A
  4. 18
সঠিক উত্তর:
17A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17A
ব্যাখ্যা

Registration (Amendment) Act, 2004 -এর মাধ্যমে 17A ধারা নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। এই 17A ধারার মাধ্যমে স্থাবর সম্পত্তির বায়নাপত্র বা বিক্রয়চুক্তি'র নিবন্ধন [Registration] বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ধারা ১৭এ অনুসারে-
বিক্রয়চুক্তি (বায়নাপত্র) অবশ্যই লিখিত, পক্ষগণের দ্বারা সম্পাদিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে এবং বিক্রয়চুক্তি সম্পাদনের ৬০ দিনের মধ্যে তা রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে।

১৩,১৫৫.
সাক্ষ্য আইনের বিধান মতে নিচের কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন?
  1. স্বীকৃত বিষয়সমূহ
  2. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  3. অনুমিত বিষয়াদি
  4. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে, অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
১৩,১৫৬.
মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সাথে নিম্নের কোন আইনের অপরাধ জড়িত?
  1. মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
  2. এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২
  3. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
ব্যাখ্যা

⇒ মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সাথে মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২-এর অপরাধ সরাসরি জড়িত। অতএব, সঠিক উত্তর ক)।

মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ এবং মাদক অপরাধের সম্পর্ক:
- মানি লন্ডারিং হলো অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থকে বৈধ আয় হিসেবে প্রদর্শনের প্রক্রিয়া।
- মাদক অপরাধ (যেমন মাদক পাচার, বিক্রি, উৎপাদন) থেকে প্রাপ্ত অর্থ সাধারণত অবৈধ এবং এই অর্থকে বৈধ করার জন্য মানি লন্ডারিং করা হয়।
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(২) অনুযায়ী, মাদক দ্রব্য পাচার একটি "পূর্বশর্ত অপরাধ" (Predicate Offence) হিসেবে স্বীকৃত। অর্থাৎ, মাদক পাচারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ পাচার করা মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে দণ্ডনীয় অপরাধ।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তি মাদক বিক্রি করে অর্জিত অর্থ ব্যাংকে জমা রেখে বা সম্পত্তি ক্রয় করে তা বৈধ করলে, তা মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট: জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয় (UNODC) এবং ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) মাদক অপরাধকে মানি লন্ডারিংয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
 
অন্যান্য অপশনগুলির ব্যাখ্যা:
খ) এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২: এই আইনটি এসিড নিক্ষেপ, এসিড বহন বা এসিড সংক্রান্ত অন্যান্য অপরাধ (যেমন হত্যা, শারীরিক আঘাত) নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মাদক অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। এসিড অপরাধ সাধারণত ব্যক্তিগত শত্রুতা, সন্ত্রাস বা সামাজিক দ্বন্দ্বের সাথে জড়িত।
গ) ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫: এই আইনটি খাদ্যদ্রব্য, ফলমূল বা অন্যান্য পণ্যে ফরমালিন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে। ফরমালিন একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ যা খাদ্য সংরক্ষণে অবৈধভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি মাদক অপরাধের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না। ফরমালিন মাদক তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না এবং এই আইন শুধুমাত্র খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত।
ঘ) উপরের কোনটিই নয়: এই অপশনটি ভুল, কারণ মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ মাদক অপরাধের সাথে সরাসরি জড়িত।

সুতরাং, মাদক অপরাধ থেকে প্রাপ্ত অর্থকে বৈধ করার জন্য মানি লন্ডারিং করা হয়, যা মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২-এর অধীনে দণ্ডনীয়।
এসিড অপরাধ দমন আইন এবং ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন মাদক অপরাধের সাথে সম্পর্কিত নয়।
তাই সঠিক উত্তর: ক) মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২।

১৩,১৫৭.
SAT Act, 1950 এর ধারা ৩০(২) অনুযায়ী, কোন বিষয়ে সিভিল কোর্টে মামলা করা যাবে না?
  1. ঋণ চুক্তি
  2. জমি ক্রয়ের চুক্তি
  3. জমির মালিকানা পরিবর্তন
  4. রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত সংক্রান্ত আদেশ
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত সংক্রান্ত আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত সংক্রান্ত আদেশ
ব্যাখ্যা
SAT Act, 1950 ধারা ৩০: সিভিল কোর্টের বিচারাধীন ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা-
(১) ধারা ১৭ অনুযায়ী যদি কোনো এলাকায় রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত বা সংশোধনের আদেশ দেয়া হয়, তাহলে সেই এলাকার কোনো ভাড়ার পরিবর্তন, প্রজার মর্যাদা, বা সম্পত্তির অধিকার-অধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে সিভিল কোর্ট কোনো মামলা বা আবেদন গ্রহণ করবে না।
যদি আদেশের দিন যেকোনো সিভিল কোর্টে এমন মামলা চলমান থাকে, তবে তা আর চলবে না এবং অবসান ঘটবে।

ব্যাখ্যা: এখানে ‘মামলা’ শব্দের মধ্যে আপিলও অন্তর্ভুক্ত।

(২) এই অধ্যায়ের অধীনে রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত বা সংশোধনের আদেশ, অথবা এর ফ্রেমিং, প্রকাশনা, স্বাক্ষর বা স্বীকৃতি বিষয়ক কোনো আদেশের বিরুদ্ধে সিভিল কোর্টে মামলা করা যাবে না।

(৩) কোনো সিভিল কোর্ট বা হাইকোর্টে জমি সম্পর্কিত মামলা, আপিল বা বিচার কোনোভাবেই রেকর্ড-অফ-রাইটস বা ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের কাজকে বাধা দিতে পারবে না।
১৩,১৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার অধীন আদালত কখন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ পরস্পর নির্ভরশীল হলে
  2. সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
  3. সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ একে অপরের সাথে সম্পর্কিত হলে
  4. সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে বড় হলে
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারা- কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন:
যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

Section 16- Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে,
কোনো চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
১৩,১৫৯.
According to The General Clauses Act, 1897 "Person" shall include-
  1. body of individuals
  2. association
  3. company
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
all of above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
all of above
ব্যাখ্যা
Section 3(39) of The General Clauses Act,1897-

"Person" shall include any company or association or body of individuals, whether incorporated or not: 
"ব্যক্তি" বলিতে, নিগমিত হউক বা না হউক, কোন কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।

• ব্যক্তি (Person) বলতে নিগমবদ্ধ (Incorporated) করা হউক বা না হউক, কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টিকে বুঝায়। দণ্ডবিধির ১১ ধারার বিধান মতে 'ব্যক্তি' বলতে সমিতিভূক্ত হউক বা না হউক, যে কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হওয়া বুঝায়। মানুষ ছাড়াও কোম্পানী, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সমিতি, মাতৃগর্ভস্থ শিশু ইত্যাদিও ব্যক্তি হিসেবে আইনে স্বীকৃতি পায়।

Conforce Limited v. Titas Gas Transmission মামলায় বর্ণিত হয়েছে- "Person occuring in section 3(39) of General clauses Act, 1897 shall include any company or association or body of individuals whether incorporated or not."

একইভাবে Farzana Moazzem v. Security and Exchange Commission and others মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ 'ব্যক্তি' শব্দটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যে মন্তব্য করেন উহা উল্লেখযোগ্য। ঐ আদালতের ভাষায়-
"In view of Article 152(2) of the Constitution read with section 3(39) of the General Clauses Act, the word 'Person' in Article 102(2) (i) and (ii) of the Constitution would include a juristic person like a company."
১৩,১৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক অনুযায়ী, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদানের পর শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক অনুযায়ী, যদি এক বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করা হয়, তবে আদালতকে সেই প্রতিপক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
- এটি করার উদ্দেশ্য হলো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার অপব্যবহার রোধ করা এবং প্রতিপক্ষকে ন্যায়সঙ্গতভাবে তার বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া।

- অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ হলে প্রতিপক্ষের উপস্থিতির পর ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
১৩,১৬১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩৮ অনুযায়ী আদালত কোন ধরনের প্রতিবেদন প্রাসঙ্গিক মনে করে?
  1. সংবাদপত্রের প্রতিবেদন
  2. টেলিভিশনের সংবাদ প্রতিবেদন
  3. আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮:
যখন আদালতের কোনো দেশের আইন সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন সেই দেশের সরকারের কর্তৃত্বে মুদ্রিত বা প্রকাশিত যে কোনো আইনের বিবৃতি, এবং সেই দেশের আদালতের কোনো রায়ের প্রতিবেদন, যা একটি বইয়ে প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে, তা প্রাসঙ্গিক

[When the Court has to form an opinion as to a law of any country, any statement of such law contained in a book purporting to be printed or published under the authority of the Government of such country and to contain any such law, and any report of a ruling of the Courts of such country contained in a book purporting to be a report of such rulings, is relevant.]
১৩,১৬২.
The Registration Act, 1908 অনুযায়ী উইল ব্যতীত অন্যান্য দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে কত বৎসরের অধিককাল পড়ে থাকলে তা ধ্বংস করা যেতে পারে?
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিষ্ট্রেশন আইনের  ৮৫ ধারার বিধান দাবিকৃত নয় এরূপ দলিল নষ্ট করা: উইল ব্যতীত অন্যান্য দলিলপত্র কোন রেজিস্ট্রি অফিসে দুই বছরের অধিককাল অদাবিকৃত অবস্থায় পড়ে থাকলে তা ধ্বংস বা নষ্ট করে ফেলা হবে।

⇒ অর্থাৎ উইল ছাড়া অন্য কোন দলিল দাবিবিহীন ২ বছরের বেশি সময় রেজিস্ট্রি অফিসে পড়ে থাকলে তা ধ্বংস বা নষ্ট হবে।
১৩,১৬৩.
দলিলের সময় গণনা ক্ষেত্রে কোন বর্ষপঞ্জি অনুসরণ করতে হবে?
  1. গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জি
  2. বাংলা বর্ষপঞ্জি
  3. আরবী বর্ষপঞ্জি
  4. শাস্ত্রীয় বর্ষপঞ্জি
সঠিক উত্তর:
গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জি
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লেখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জী (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচীত হবে।
১৩,১৬৪.
যদি কোন দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখিত না থাকে, তবে কখন থেকে তামাদি মেয়াদ শুরু হবে?
  1. দরখাস্ত দায়েরের তারিখ থেকে
  2. অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
  3. আদালতের আদেশের তারিখ থেকে
  4. দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১:
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।
১৩,১৬৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩ক ধারার অধীন চুক্তির আংশিক পালনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তি সঠিক নয়?
  1. স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হবে
  2. মৌখিক ও লিখিত উভয় চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  3. দান বা প্রতিদানবিহীন চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
মৌখিক ও লিখিত উভয় চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক ও লিখিত উভয় চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩ক ধারায় চুক্তির আংশিক পালন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। চুক্তির আংশিক পালন মতবাদ প্রযোজ্য করতে হলে নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে-
 
১. আংশিক সম্পাদন নীতি প্রয়োগের জন্য প্রথমত একটি সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি থাকতে হবে।
২. এই চুক্তি অবশ্য স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হবে। অস্থাবর বা অন্য প্রকারের সম্পত্তি হলে চলবে না।
৩. এই চুক্তিটি মূল্যের বিনিময়ে বা উপযুক্ত প্রতিদানের বিনিময়ে হতে হবে। দান বা প্রতিদানবিহীন চুক্তির ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না।
৪. এই চুক্তিটি লিখিত হতে হবে। মৌখিক চুক্তির ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না।
৫. হস্তান্তরকারী কর্তৃক বা তার উপযুক্ত প্রতিনিধি কর্তৃক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে হবে।
৬. হস্তান্তর গ্রহীতা কর্তৃক সম্পত্তির দখল গ্রহণ করতে হবে।
৭. দখল গ্রহণ অবশ্য চুক্তির সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে হবে। অর্থাৎ তার দখল চুক্তির সাথে আংশিক সম্পাদন হিসেবে গণ্য হতে হবে।
৮. চুক্তি অনুযায়ী হস্তান্তর গ্রহীতা তার নিজ দায়িত্ব সম্পূর্ণ পালন করবে বা পালন করতে ইচ্ছুক থাকতে হবে।

৫৩ক ধারা- আংশিক সম্পাদন:

যেখানে কোন ব্যক্তি লিখিত ও তার দ্বারা স্বাক্ষরিত বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত দলিল দ্বারা মূল্যের বিনিময়ে কোন স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য চুক্তি সম্পাদন করে যা হতে হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলি যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ধারণ করা যেতে পারে এবং হস্তান্তর গ্রহীতা চুক্তির আংশিক প্রতিপালনের জন্য সম্পত্তি বা এর অংশবিশেষের দখল গ্রহণ অথবা পূর্বে দখলে থাকলে দখল বজায় রেখে চুক্তিটি আংশিক ভাবে পালন করে এবং চুক্তি অনুসারে আরও কোন কাজ
করে, এবং হস্তান্তরগ্রহীতা চুক্তিতে তার অংশ পালন করে বা করতে ইচ্ছুক থাকে,
সেখানে হস্তান্তরের দলিল থাকলে হস্তান্তর তৎকালীন আইন অনুসারে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ করা না হলেও হস্তান্তরকারী বা তার কোন ওয়ারিশ চুক্তিপত্রে সুস্পষ্টরূপে উল্লিখিত অধিকার ছাড়া সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির ব্যাপারে অন্য কোন অধিকার হস্তান্তরগ্রহীতা বা তার ওয়ারিশগণের উপর প্রয়োগ করতে পারবে না।

তবে এই ধারার কোন বিধান মূল্যের বিনিময়ে এবং এই চুক্তি বা এর আংশিক পালন সম্পর্কে অনবহিত হস্তান্তর গ্রহীতার কোন অধিকারকে প্রভাবিত করবে না।
১৩,১৬৬.
আপিল আদালত সরাসরি আপিল খারিজ করতে পারে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ৪১৭ ধারায়
  2. ৪২০ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২১ধারার বিধান আপীল খারিজের সারবস্তুঃ (১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপীল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপীল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপীলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপীল খারিজ করা যাবে না ।
(২) এই ধারার আওতায় আপীল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না ।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal) - ৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
১৩,১৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতির জন্য আদেশ ৩৭ কোন আদালতে প্রযোজ্য?
  1. হাইকোর্টে
  2. জেলা আদালতে
  3. সকল দেওয়ানি আদালতে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৩৭ বিধি-১ অনুসারে, হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতে প্রযোজ্য। এটি সকল দেওয়ানী আদালতে প্রযোজ্য নয়, কারণ এর সীমাবদ্ধতা নির্দিষ্ট আদালতের ক্ষেত্রে সীমিত।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-Summary Procedure on Negotiable Instruments:
Rule-1: Application of Order: This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.

১৩,১৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪ক কোন বিষয়ে বিধান প্রদান করে?
  1. গ্রেপ্তারের পর জামিনের অধিকার
  2. গ্রেপ্তারের পর শারীরিক পরীক্ষা 
  3. গ্রেপ্তারের পর ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা
  4. ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারের সময় গ্রেপ্তারের কারণ অবহিত করা 
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারের সময় গ্রেপ্তারের কারণ অবহিত করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারের সময় গ্রেপ্তারের কারণ অবহিত করা 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর (Act No. V of 1898) দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর মাধ্যমে ধারা ৫৪ক (Section 54A) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার করার সময় গ্রেপ্তারের সময়ে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কারণ অবহিত করতে হবে। এটি গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির অধিকার রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪ক (Section 54A)-এ স্পষ্টভাবে বিধান করা হয়েছে যে, যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ারেন্ট ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করলে গ্রেপ্তারের সময়েই (at the time of making arrest) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কারণ (reasons for arrest) অবহিত করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54A. Person arrested to be informed of reason of arrest:
- Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

১৩,১৬৯.
দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী "Injury" বলতে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. শারীরিক ক্ষতি
  2. মানসিক ক্ষতি
  3. সম্পত্তির ক্ষতি
  4. পরিবেশগত ক্ষতি
সঠিক উত্তর:
পরিবেশগত ক্ষতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশগত ক্ষতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী "Injury" বলতে শারীরিক ক্ষতি, মানসিক ক্ষতি ও সম্পত্তির ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত কিন্তু পরিবেশগত ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত নয়।
- পরিবেশগত ক্ষতি (Environmental Injury): প্রাকৃতিক সম্পদ বা পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব। যেমন: বন উজাড়, জলদূষণ।
- দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান ক্ষতি:- যদি কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয় তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।
- দণ্ডবিধির ধারা ৪৪: "ক্ষতি": "ক্ষতি" শব্দটি এমন যে কোনো ধরনের ক্ষতি বা হানি বোঝায়, যা অবৈধভাবে কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, খ্যাতি বা সম্পত্তির ওপর ঘটানো হয়।
----------------------
- The Penal Code, 1860 Section-44: “Injury”- The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
১৩,১৭০.
Under Order 16, who can request the Court to issue summons to witnesses?
  1. Only the plaintiff
  2. Only the defendant
  3. Any party to the suit
  4. Any third party to the suit
সঠিক উত্তর:
Any party to the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Any party to the suit
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আইন, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ এ সাক্ষীদের সমন জারি এবং হাজিরা নিশ্চিত করার বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশে বিস্তারিত নিম্নরূপ বিষয়গুলি আলোচিত হয়েছে-

১. সমন জারি করার প্রক্রিয়া (Summoning witnesses)
⇒ যে কোনো পক্ষ আদালতকে অনুরোধ করে সাক্ষীদের সমন জারি করতে পারবে।
⇒ সমনে সাক্ষীর নাম, ঠিকানা এবং হাজিরা দেওয়ার তারিখ ও সময় উল্লেখ থাকবে।

২. সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু (Form and contents of summons)
⇒ সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু আইনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত আছে।
⇒ সাক্ষীকে সমনের বিষয়বস্তু বুঝিয়ে দিতে হবে।

৩. সমন প্রেরণ ও তামিল (Serving and sending summons)
⇒ সমন প্রেরণ করার সঠিক পদ্ধতি আইনে বর্ণিত আছে।
⇒ প্রেরণ না করলে বা অনিয়মিতভাবে প্রেরণ করলে সমনের বৈধতা নেই।

৪. সাক্ষী উপস্থিত না হওয়া (Non-attendance of witnesses)
⇒ যদি সাক্ষী যথাযথভাবে সমন প্রাপ্ত হয়েও উপস্থিত না হয়, তাহলে তাকে শাস্তি হতে পারে।
⇒ তবে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে আদালত ক্ষমা করতে পারে।

৫. সাক্ষীদের ভাতা (Expenses of witnesses)
⇒ সাক্ষীরা প্রাপ্য ভাতা/খরচা আদালত থেকে পাবে।
⇒ এর নিয়ম আইনে নির্ধারিত করা আছে।
১৩,১৭১.
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আপীল বিভাগ কোনটি পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা রাখে?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশ
  2. হাইকোর্ট বিভাগের ঘোষিত রায় বা আদেশ
  3. স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ- আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.

১৩,১৭২.
মুসলিম শরিয়াহ আইন অনুসারে, বাবার অনুপস্থিতিতে কাকে অভিভাবকত্ব দেওয়া হবে?
  1. মা
  2. আদালত
  3. দাদা বা পরিবারের অন্য পুরুষ
  4. সমাজের প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
দাদা বা পরিবারের অন্য পুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাদা বা পরিবারের অন্য পুরুষ
ব্যাখ্যা
দেশে প্রচলিত আইন এবং মুসলিম শরিয়াহ আইন অনুযায়ী অভিভাবকত্ব মূলত তিন ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
ক) নাবালকের জীবনের,
খ) সম্পত্তির এবং
গ) জীবন ও সম্পত্তি উভয়ের।

অভিভাবকত্ব ও প্রতিপাল্য আইন, ১৯৮০ এ অভিভাবকত্ব ও জিম্মাকে আলাদাভাবে দেখানো হয়নি। যদিও মুসলিম শরিয়াহ আইনে বিষয় দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। অভিভাবত্ব ও প্রতিপাল্য আইন, ১৯৮০ এর ধারা ৪(২) এ বলা হয়েছে, অভিভাবক বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যার উপর কোন নাবালকের শরীর, সম্পত্তি বা শরীর ও সম্পত্তি উভয়ের তত্বাবধানের ভার রয়েছে। এ আইনের ধারা ২৪ অনুযায়ী প্রতিপাল্যের শরীরের অভিভাবকের উপর অভিরক্ষা ন্যস্ত থাকবে। অর্থাৎ, অভিভাবক একইসাথে অভিভাবকত্ব এবং তত্বাবধান বা নাবালকের ও নাবালকের সম্পত্তির দেখাশুনা করবেন।

মুসলিম শরিয়াহ আইন অনুযায়ী মা সন্তানের জিম্মা পাবেন তবে তিনি অভিভাবক হবেন না। অপরদিকে বাবা সন্তানের অভিভাবকত্ব একইসাথে জিম্মা লাভ করতে পারেন। তবে, বাবা যদি ওসিয়ত করে বা আদালত যদি ঘোষণা করে সেক্ষেত্রে মা অভিভাবক হতে পারে। অভিভাবকত্ব ও প্রতিপাল্য আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী একমাত্র আদালতই পারে নাবালকের অভিভাবকত্ব ঘোষণা এবং নিয়োগ করতে। মুসলিম শরিয়াহ আইন অনুসারে বাবার অনুপস্থিতিতে দাদা বা পরিবারের অন্য পুরুষ অভিভাবকত্ব লাভ করবেন। তবে সন্তান জিম্মায় রাখার ক্ষেত্রে মা সব সময় প্রাধান্য পাবে।
১৩,১৭৩.
According to Section 265E under The Criminal Procedure Code, 1898 who can plead guilty? 
  1. The Public Prosecutor
  2. The Investigating Officer
  3. The Victim of the Offence
  4. The Accused of the Offence
সঠিক উত্তর:
The Accused of the Offence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Accused of the Offence
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) The Accused of the Offence.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC 1898)-এ plea bargaining শব্দটি সরাসরি নেই, তবে Plea of Guilty সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- Section 265D → দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করবে সে অপরাধ স্বীকার করে কিনা।
- Section 265E → যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করে (pleads guilty), আদালত তা রেকর্ড করবে এবং বিবেচনার ভিত্তিতে তাকে দণ্ডিত করতে পারে।
- Section 265F → যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার না করে, তবে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করবে।
- Section 412 → অভিযুক্ত যদি অপরাধ স্বীকার করে এবং সেই ভিত্তিতে দণ্ডিত হয়, তবে সাধারণত আপিল করা যাবে না, শুধু শাস্তির মাত্রা বা বৈধতা নিয়ে আপিল করা যাবে।
 
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তি (Accused) আদালতে অপরাধ স্বীকার করতে পারে এবং সেই ভিত্তিতে আদালত তাকে দণ্ডিত করতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265E. Conviction of plea of guilty:
 If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265F.Date for prosecution evidence: 
 If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.

১৩,১৭৪.
বিলম্বিত দেনমোহর প্রদানের প্রশ্ন কখন আসে?
  1. স্ত্রী যখন দাবী করে
  2. স্বামীর মৃত্যুর পর
  3. বিবাহ বিচ্ছেদের পর
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেনমোহর [Dower]-
বিবাহ বন্ধনের বিনিময়ে স্ত্রী স্বামীর নিকট শরিয়ত সম্মতভাবে যে অর্থ-সম্পদ লাভের অধিকারী হয় সে অর্থ সম্পদকে দেনমোহর বলে। দেনমোহরের পরিমাণ বিবাহের পূর্বে বা বিবাহের সময় কিংবা বিবাহের পর নির্দিষ্ট করা যায়। বিবাহের পর দেনমোহরের পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায়। পরিশোধের সময়ের উপর ভিত্তি করে Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরকে আবার দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

ক. তাৎক্ষণিক দেনমোহর (Prompt dower):
যে দেনমোহর স্ত্রী কর্তৃক দাবি করা মাত্রই স্বামী তা দিতে বাধ্য থাকে তা Prompt dower বা তাৎক্ষণিক দেনমোহর বলে। তাৎক্ষণিক দেনমোহরের ক্ষেত্রে স্ত্রী যেকোনো সময় দেনমোহর দাবি করতে পারে, সেক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি অনুসারে স্বামী দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য।

খ. বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred dower):
যে দেনমোহর বিবাহবিচ্ছেদের সময় বা কোনো নির্দিষ্ট তারিখে বা ঘটনা সাপেক্ষে পরিশোযোগ্য তাকে বিলম্বিত দেনমোহর বা Deferred dower বলে। যেমন- যদি স্বামী মারা যান বা বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে, তখন স্ত্রী বিলম্বিত মোহর দাবি করতে পারেন।
১৩,১৭৫.
'Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯২
  2. ধারা ৪৯৩
  3. ধারা ৪৯৪
  4. ধারা ৪৯৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৫
ব্যাখ্যা
Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.

(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

• ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:

(১) কোন মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদবিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোন ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু এটর্নি জেনারেল, সরকারী সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।

(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লেখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তি তা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন এডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে, কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।
১৩,১৭৬.
আদেশ ১৬ বিধি ১৪ অনুসারে, কোন ব্যক্তিকে আদালত সমন দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমার পক্ষকে
  2. মোকদ্দমার আইনজীবীকে
  3. শুধুমাত্র স্বীকৃত সাক্ষীকে
  4. মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশের বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে।

আদেশ ১৬ বিধি ১৪-
হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল 

Order 16 Rule 14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document
১৩,১৭৭.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা অনুযায়ী, কোন সম্পদের উপর কোনো মালিককে অধিকার প্রদান করা হয় না? 
  1. জমির উপরিভাগের ফসল
  2. জমিতে নির্মিত স্থাপনা
  3. জমির ভাড়া আদায়ের অধিকার
  4. খনিজ সম্পদ বা ভূ-অভ্যন্তরীণ সম্পদ
সঠিক উত্তর:
খনিজ সম্পদ বা ভূ-অভ্যন্তরীণ সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খনিজ সম্পদ বা ভূ-অভ্যন্তরীণ সম্পদ
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ৮১-এর প্রথম শর্তাংশে (প্রথম প্রভাইজো) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না।"
অর্থাৎ, এই আইন মালিককে খনিজ সম্পদ (যেমন: কয়লা, গ্যাস, তেল, অন্যান্য খনিজ) এবং ভূ-অভ্যন্তরীণ অন্যান্য সম্পদের অধিকার প্রদান করে না। এই অধিকার রাষ্ট্র সংরক্ষণ করে।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- Section 81- Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities:
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 
Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:
Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.

১৩,১৭৮.
৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া আদালতের জন্য
  1. বিবেচনামূলক
  2. নিদর্শনামূলক
  3. বাধ্যতামূলক
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৩৫ক মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবী কিংবা আত্মপক্ষ সমর্থন সম্পর্কে আদালত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে যা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক
১৩,১৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-৬ এর বিধান মতে ডিক্রিতে কোন বিষয়সমূহ উল্লেখ থাকবে?
  1. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার উল্লেখ থাকবে
  2. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে
  3. মোকদ্দমার যাবতীয় ব্যয় বিবৃত থাকবে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ (Contents of decree)-
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে। এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিষ্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
----------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order-20 Rule-6: Contents of decree:
-(1) The decree shall agree with the judgment; it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit. 
-(2) The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.
-(3) The Court may direct that the costs payable to one party by the other shall be set-off against any sum which is admitted or found to be due from the former to the latter.
১৩,১৮০.
রাশেদ ১ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে করিমের জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে। করিম ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করতে চান। সর্বোচ্চ কোন তারিখের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২১
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২২
  3. ১ জানুয়ারি, ২০২৩
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৩
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- গ) ১ জানুয়ারি ২০২৩।

The Limitation Act, 1908–এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass)–এর জন্য-
ক্ষতিপূরণ দাবির তামাদি মেয়াদ = ৩ বছর
তামাদি গণনা শুরু হবে = অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে

এখানে,
অনধিকার প্রবেশের তারিখ: ১ জানুয়ারি ২০২০;
তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর;
সুতরাং সর্বশেষ মামলা দায়েরের তারিখ হবে: ১ জানুয়ারি ২০২৩।

১৩,১৮১.
'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে দুইটি জমি বিক্রয়ের বায়নাপত্র সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করে। জমি একটি অংশ নারায়ণগঞ্জে এবং অপর অংশ ঢাকাতে অবস্থিত। 'খ' যদি মোকদ্দমাটি স্থানান্তর করতে চায়, তাহলে 'খ' এর উকিল হিসেবে, আপনি কোথায় মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করবেন?
  1. ঢাকা জেলা জজের নিকট
  2. নারায়ণগঞ্জ জেলা জজের নিকট
  3. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  4. ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা

♦ দেওয়ানী মামলা বা আপিল স্থানান্তর ও প্রত্যাহার- যে কোন সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ আদালত অধঃস্তন আদালতের কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অপর কোন কার্যক্রম স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করতে পারেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২, ২৩ ও ২৪ ধারা এবং The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমা ও আপিল স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ও ২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র বিবাদী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যখন কোন মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়েরযোগ্য বা বিচারযোগ্য। কিন্তু ২৪ ধারার আওতায় মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা আদালত স্বতঃ প্রবৃত্ত হয়ে নিজে (own motion) কোন মামলা বা আপিল স্থানান্তর করতে পারে।

♦সুতরাং বিবাদী হলে ২২ ধারা, অন্যদিকে মামলার যে কোন পক্ষ অথবা আদালত নিজে হলে ২৪ ধারা প্রযোজ্য হবে।

♦ যেহেতু জমির দুইটি অংশ দুইটি জেলায় অবস্থিত তাই যে কোন একটি জেলার দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে। যেহেতু বাদী 'ক' ঢাকাতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে এবং ‘খ’ মোকদ্দমাটি স্থানান্তর করে নারায়ণগঞ্জের দেওয়ানী আদালতে নিতে চাই, তাহলে আমাকে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। 
১৩,১৮২.
পেনাল কোডের যে ধারায় ‘ডাকাতি' সংজ্ঞায়িত হয়েছে তা হলো-
  1. ৩৯০
  2. ৩৯১
  3. ৩৯২
  4. ৩৭৮
সঠিক উত্তর:
৩৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯১
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
♦ ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
১৩,১৮৩.
‘এ’ বলে যে ‘বি’ একটি অপরাধ করেছে। এখন ‘এ' বলে আদালতের রায়ে ‘বি’ এর সাজা হোক। কোন বক্তব্যটি সঠিক?
  1. ‘বি’ কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, সে অপরাধটি করেনি
  2. আদালতকে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে ‘বি’ অপরাধটি করেছে
  3. ‘এ' কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেছে
  4. ‘এ’ কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেনি
সঠিক উত্তর:
‘এ' কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘এ' কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেছে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ‘Burden of Proof” শিরোনামে ১০১ ধারার মূল বিধান হলোঃ যিনি কোনো বিষয়ের অস্তিত্ব দাবি করবেন তিনিই তা প্রমাণ করবেন; যদি দাবিটি সঠিক, যৌক্তিক ও আইনানুগ হয় । সংক্ষেপে বললে: ‘যে যা দাবি করবে সে তা প্রমাণ করবে”।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা মতে প্রমাণের দায়িত্বঃ
যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করিয়া তদুপরি নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করিবেন।
কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্ৰমাণ করিতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত।
১৩,১৮৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা-১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে, এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা-২:
 সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

The Specific Relief Act, 1877-Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.

Explanation 1-
 A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.

Explanation 2-
 A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

১৩,১৮৫.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদের হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. ১৫০
  2. ১৫১
  3. ১৫৩
  4. ১৫৫
সঠিক উত্তর:
১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫১
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদের বিধান: হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ২০ দিন।

-অর্থাৎ তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১৫১ অনুচ্ছেদের হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ২০ দিন উল্লেখ আছে।

-তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগ করে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার নির্ধারিত সময়সীমা হলো ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ২০ দিন।

-অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগের আদি এখতিয়ার প্রয়োগে কোনো মামলার ক্ষেত্রে যে চূড়ান্ত রায় বা আদেশ দেওয়া হয়, সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে আবেদনকারীকে সেই রায় বা আদেশের তারিখ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। ২০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার কারণে আবেদনটি গ্রহণযোগ্য হবে না বা তামাদি হয়ে যাবে।

১৩,১৮৬.
অধিকার বা প্রথা প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১০
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩-এ অধিকার বা প্রথা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যেসকল ক্ষেত্রে কোনো অধিকার বা প্রথা সংক্রান্ত বিষয় প্রমাণিত হওয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ প্রাসঙ্গিক হবে:
১) যেকোনো লেনদেন বা কার্যক্রম যা ওই অধিকার বা প্রথার সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তন, স্বীকৃতি বা বিরোধিতা করার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক হবে।
২) কোনো অধিকার বা প্রথার প্রয়োগ বা বিরোধিতা সংক্রান্ত বিশেষ ঘটনা, যা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, সেটিও প্রাসঙ্গিক।
এটি মূলত অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব বা তার প্রয়োগের ইতিহাস প্রমাণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
এবং ধারা ১০, ধারা ৭, বা ধারা ১২ এসবের মধ্যে কোনোটি অধিকার বা প্রথার প্রমাণের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒The Evidence Act, 1872, Section-13. Facts relevant when right or custom is in question:
Where the question is as to the existence of any right of custom, the following facts are relevant:–
(a) any transaction by which the right or custom in question was created, claimed, modified, recognized, asserted or denied, or which was inconsistent with its existence;
(b) particular instances in which the right or custom was claimed, recognized or exercised, or in which its exercise was disputed, asserted or departed from.
১৩,১৮৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ১৭৮
  2. ২৭৮
  3. ২৬৮
  4. ১৫৮
সঠিক উত্তর:
২৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারার বিধান জনসাধারণের উপদ্রব :- যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

- কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।
---------------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 268-Public nuisance:
-A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right.A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.
১৩,১৮৮.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ দাখিলকৃত জারীর বিরুদ্ধে ৩য় পক্ষের আপত্তি দাখিলের ক্ষেত্রে ডিক্রিকৃত অর্থের কত ভাগের সমপরিমাণ জামানত দাখিল করতে হয়?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ২৫%
  4. ৫০%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২- জারীর বিরুদ্ধে আপত্তি:

(১) অর্থ ঋণ আদালতের ডিক্রী বা আদেশ হইতে উদ্ভুত জারী মামলায় কোন তৃতীয় পক্ষ দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের বিধানমতে দাবী পেশ করিলে, আদালত প্রাথমিক বিবেচনায় উক্ত দাবী সরাসরি খারিজ না করিলে, ডিক্রীদার অনূর্ধ্ব ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহার বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি দায়ের করিয়া শুনানী দাবী করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপরোক্ত মতে দাবী পেশ করিবার ক্ষেত্রে, দরখাস্তকারী, ডিক্রীকৃত অর্থের, অথবা ডিক্রীকৃত অর্থের আংশিক ইতিমধ্যে আদায় হইয়া থাকিলে অনাদায়ী অংশের, ১০% এর সমপরিমাণ জামানত বা বন্ড দাখিল করিবে, এবং অনুরূপ জামানত বা বন্ড দাখিল না করিলে উক্ত দাবী অগ্রাহ্য হইবে।
 
(৩) অর্থ ঋণ আদালত, উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোন দাবী বিবেচনার্থ গ্রহণ করিলে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে লিখিত আপত্তি দাখিল হওয়ার ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিবে এবং কোন কারণে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে, কারণ লিপিবদ্ধ করতঃ, উক্ত সময়সীমা অনূর্ধ্ব আরো ৩০ (ত্রিশ) দিবস বর্ধিত করিতে পারিবে। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন দাখিলকৃত লিখিত আপত্তি নিষ্পন্ন করিয়া আদালত যদি অবধারণ করিতে পারে যে, উপ-ধারা (১) এর অধীন দাবী সম্বলিত দরখাস্তটি ডিক্রীদারের পাওনা বিলম্বিত বা প্রতিহত করিবার অসাধু উদ্দেশ্যে দায়ের করা হইয়াছিল, তাহা হইলে আদালত উক্ত দরখাস্ত খারিজ করিবার সময় একই আদেশ দ্বারা উপ-ধারা (২) এর অধীন দাখিলকৃত জামানত বা বন্ড বাজেয়াপ্ত করিবে এবং ডিক্রীকৃত টাকা যে পদ্ধতিতে আদায় করা হয়, বাজেয়াপ্ত জামানত বা বন্ডের অধীন টাকা একই পদ্ধতিতে আদালত আদায় করিবে এবং আদায়কৃত অর্থ ডিক্রীদারকে প্রদান করিবে।
১৩,১৮৯.
নিম্নের কোনটি দেওয়ানি আদালত নয়?
  1. Court of District Judge
  2. Court of Assistant Judge
  3. Court of Metropolitan Magistrate
  4. Court of Senior Assistant Judge
সঠিক উত্তর:
Court of Metropolitan Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of Metropolitan Magistrate
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন, এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge];
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge];
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge];
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge];
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge].

অপশনে উল্লিখিত 'Court of Metropolitan Magistrate' ফৌজদারি আদালতের অন্তর্ভুক্ত।
১৩,১৯০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১ এপ্রিল ২০০২
  2. ১০ এপ্রিল ২০০২
  3. ১৫ এপ্রিল ২০০২
  4. ১ জানুয়ারি ২০০৩
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল ২০০২
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১(২) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আইন ১০ এপ্রিল, ২০০২ তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে। এটি আইনটি প্রণয়নের তারিখ বা সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির তারিখ হিসাবে বিবেচ্য।
- আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ বাংলাদেশের একটি বিশেষ আইন, যা ১০ এপ্রিল ২০০২ তারিখে কার্যকর হয়।
- আইনটি প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য ছিল আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (যেমন: চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাচলে বাধা, সম্পত্তি ধ্বংস, ছিনতাই, সন্ত্রাসী তৎপরতা ইত্যাদি) দ্রুত বিচার করার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা।
আইনের ধারা ১(১) এ আইনের নাম উল্লেখ রয়েছে এবং ধারা ১(২) এ কার্যকর হওয়ার তারিখ দেওয়া আছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ১০ এপ্রিল ২০০২।

১৩,১৯১.
কোন ক্ষেত্রে চুরির অপরাধ সম্ভব নয়?
  1. নগদ টাকা
  2. আসবাবপত্র
  3. জমি
  4. অলংকার
সঠিক উত্তর:
জমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
 (iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।
১৩,১৯২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৪
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৪২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪-এর অধীন, কতিপয় ব্যক্তি সাধারণ অভিপ্রায়ে (common intention) অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করলে, প্রত্যেকে অপরাধের জন্য সমানভাবে দায়ী হবে, যেন অপরাধটি সে এককভাবে করেছে। এই ধারায় সাধারণ অভিপ্রায়ের পূর্ব পরিকল্পনা এবং অংশগ্রহণের উপাদানগুলো উল্লেখিত, কিন্তু সকল ব্যক্তির একসাথে উপস্থিতি আবশ্যক নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় (Common Intention) এর বিধান রয়েছে:
(i) সাবধান অভিপ্রায় প্রমাণের ক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে।
(ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা থাকবে উক্ত অপরাধ সংঘটিত করতে।
(iii) অপরাধটি সফল করার জন্য তারা অপরাধে অংশগ্রহণ করবে।

এখানে, সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা এই শর্তটি প্রয়োজন নয়। কারণ, সাধারণ অভিপ্রায় থাকতে হবে, কিন্তু অপরাধ সংঘটিত করতে সকল ব্যক্তি একসাথে উপস্থিত থাকা আবশ্যক নয়। তারা আলাদাভাবে অংশ নিতে পারে, তবে তাদের অভিপ্রায় ও পরিকল্পনা এক হতে হবে।
অতএব,সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention)  প্রমাণের জন্য আবশ্যক নয়।
-----
⇒ The Penal Code, 1860 Section-34: Acts done by several persons in furtherance of common intention: 
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.

১৩,১৯৩.
যদি বাদী উপস্থিত না থাকে এবং বিবাদী বাদীর দাবি স্বীকার না করে, তাহলে আদালত কী করবেন?
  1. বিবাদীর পক্ষে রায় দেবেন
  2. মোকদ্দমা খারিজ করে দেবেন
  3. নতুন সাক্ষ্যগ্রহণের নির্দেশ দেবেন
  4. মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য স্থগিত করবেন
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ করে দেবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ করে দেবেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।

Order 9 Rule 8: Procedure where defendant only appears:
Where thedefendant appears and the plaintiff does not appear when the suit is called on for hearing, the Court shall make an order that the suit be dismissed, unless the defendant admits the claim, or part thereof, in which case the Court shall pass a decree against the defendant upon such admission, and, where part only of the claim has been admitted, shall dismiss the suit so far as it relates to the remainder.
১৩,১৯৪.
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে, মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে তাকে কত সময় পর্যন্ত আটক রাখা যাবে?
  1. ফৌজদারি কারাগারে ৩ মাস
  2. দেওয়ানী কারাগারে ৩ মাস
  3. দেওয়ানী কারাগারে ৬ মাস
  4. ফৌজদারি কারাগারে ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কারাগারে ৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কারাগারে ৬ মাস
ব্যাখ্যা
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বা ক্রোক এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না হলে, জামিননামার অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে। 

ধারা ৫১৪: জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি-

(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে,অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দশাতে বলতে পারবেন ।

(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।

(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।

(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।

(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।

(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।

(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
১৩,১৯৫.
Under Section 61, how can the contents of a document be proven?
  1. Only by oral testimony
  2. Only by primary evidence
  3. By primary or secondary evidence
  4. By physical inspection of the document only
সঠিক উত্তর:
By primary or secondary evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By primary or secondary evidence
ব্যাখ্যা
• দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দলিলের বিষয়বস্তু দুই প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় -
১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং
২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
 
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 61⇒ Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
১৩,১৯৬.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ প্রদান করা হলে, নোটিশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে?
  1. ১০ দিনের মধ্যে
  2. ২১ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমার কোন পক্ষ,অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে,নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে। তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে,অস্বীকারকারী বা অবহেলাকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে।

• আদেশ ১২ বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে,তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।

Order 12 Rule 2: Notice to admit documents-
Either party may call upon the other party  to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
১৩,১৯৭.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী _________ ব্যতীত সকল বিষয় মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
  1. দলিলের বিষয়বস্তু
  2. দলিল
  3. প্রচলিত রীতি সম্পর্কে অভিমত
  4. এক ব্যক্তির সাথে অপর ব্যক্তির সম্পর্ক
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা
ধারা: ৫৯ মতে মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণঃ দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে ।

• দলিলের বিষয়বস্তু দলিল দ্বারাই প্রমাণ করতে হবে, মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা নয়। দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সমস্ত বিষয় বা ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
১৩,১৯৮.
গৌণ সাক্ষ্যের (Secondary evidence) সংজ্ঞা সম্পর্কিত সাক্ষ্য আইনের ধারা কত?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬১ ধারা
  3. ৬২ ধারা
  4. ৬৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) বিধান রয়েছে। সাক্ষ আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করার মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒  গৌণ সাক্ষ্যঃ গৌণ সাক্ষ্য বলিতে নিম্নলিখিতগুলি বুঝায়-

১) এই আইনে অতঃপর বর্ণিত পরবর্তী ৭৬ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে প্রদত্ত সহিমোহরকৃত নকল।

২) মূল দলিল হইতে এইরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়, এবং এইরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল।

৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;

৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহার ব্যবহারের ক্ষেত্রে;

৫) যে ব্যক্তি কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া ঐ দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

----------------------------
⇒ Secondary evidence:

Section 63. Secondary evidence means and includes- 
 
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained; 
 
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies; 
 
(3) copies made from or compared with the original; 
 
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them; 
 
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.
১৩,১৯৯.
তামাদি আইন ১৯০৮-এর Section 14-এর অধীনে সময়সীমা বাদ দেওয়ার জন্য কোন শর্ত বাধ্যতামূলক? 
  1. মামলা ফৌজদারি হতে হবে
  2. বাদী অবশ্যই আপিল করতে হবে
  3. মামলা সরকারের বিরুদ্ধে হতে হবে 
  4. বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৪ এর মূল উদ্দেশ্য হল যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ যত্ন (due diligence) এবং সৎ বিশ্বাসে (good faith) একটি দেওয়ানি মামলা বা দরখাস্ত এমন কোনো আদালতে দায়ের করেন যেটি এখতিয়ারগত ত্রুটির কারণে সেই মামলার বিচার করতে অক্ষম, তবে উক্ত মামলায় যে সময় ব্যয় হয়, তা বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

এখানে "সৎ বিশ্বাসে" দায়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
- কারণ যদি বাদী জানার পরও ভুল আদালতে মামলা করেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে এখতিয়ারবিহীন আদালতে মামলা করেন, তাহলে সেটা “সৎ বিশ্বাসে” ধরা হবে না।
- সৎ বিশ্বাসের মানে হলো যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ সহকারে, ভুল না করে, বিশ্বাসযোগ্য ও ন্যায্য উদ্দেশ্যে মামলা করা।

⇒ তামাদি আইনের ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় যেই সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে:
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, বাদী মূল বা আপিল আদালতে বিবাদির বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানি কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যে আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয়, সেই আদালতে যদি সৎবিশ্বাসে তা দায়ের করা হয়ে থাকে, তবে কার্যক্রমে যে সময় ব্যয়িত হয়, মামলার মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।
(২) কোন দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে দরখাস্তকারী মূল বা আপিল আদালতে একই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যধারা যথোপযুক্ত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে এবং তাতে একই প্রতিকার দাবি করা হয়ে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে এখতিয়ার নিয়ে ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে যে আদালতে শেষোক্ত কার্যধারার বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয় সেই আদালতে সৎবিশ্বাসে উপরোক্ত কার্যধারা দায়ের করা হয়ে থাকলে শেষোক্ত কার্যধারায় যে সময় ব্যয়িত হয়, উপরোক্ত দরখাস্তের মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।
ব্যাখ্যা-১: যে সময়ের জন্য পূর্ববর্তী মামলা বা দরখাস্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল তা বাদ দিতে, যে ঐ মামলা বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হয়েছিল এবং যে দিন তাদের কার্যধারা শেষ হয়েছিল, উভয় দিনই গণনা করতে হবে।
ব্যাখ্যা-২: এ ধারার উদ্দেশ্যে যে বাদী বা দরখাস্তকারী আপিলে বিরোধিতা করছে, সে কার্যধারা চালাচ্ছে বলে গণ্য হবে ।
ব্যাখ্যা-৩: এ ধারার উদ্দেশ্যে ভুল পক্ষভুক্তি বা মামলার কারণভুক্তি, এখতিয়ারগত ত্রুটির ন্যায় একই প্রকৃতির কারণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act:- Section- 14. Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it. 
Explanation I: - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted. 
Explanation II: - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.  
Explanation III: - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction.

১৩,২০০.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৬ ধারায় নিষেধাজ্ঞার প্রতিকার নামঞ্জুর করার ক্ষেত্র কয়টি?
  1. ৯ টি
  2. ৭ টি
  3. ১০ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
• কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। ৫৬ ধারা অনুসারে ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।