বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১৩৩ / ১৫৫ · ১৩,২০১১৩,৩০০ / ১৫,৪৭০

১৩,২০১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment to suicide) শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

------------
⇒ Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১৩,২০২.
‘A’ প্রতারণার মাধ্যমে ‘Z’-কে, যিনি তার সাথে বৈধভাবে বিবাহিত নন, বিশ্বাস করায় যে তারা বৈধভাবে বিবাহিত এবং সেই বিশ্বাসে ‘Z’ তার সাথে সহবাস করে। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ৪৯৩
  2. ধারা ৪৯৫
  3. ধারা ৪৯৬
  4. ধারা ৪৯৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৩
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৩ অনুসারে, কোনো পুরুষ যদি প্রতারণার মাধ্যমে কোনো নারীকে, যিনি তার সাথে বৈধভাবে বিবাহিত নন, বিশ্বাস করান যে তারা বৈধভাবে বিবাহিত এবং সেই বিশ্বাসে তাকে সহবাস বা যৌন সম্পর্কে প্ররোচিত করেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন। এই অপরাধের শাস্তি হলো ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘A’ প্রতারণার মাধ্যমে ‘Z’-কে বৈধ বিবাহের বিশ্বাসে সহবাসে প্ররোচিত করেছে, যা ধারা ৪৯৩-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
খ) ধারা ৪৯৫: এটি পূর্ববর্তী বিবাহের তথ্য গোপন করে বিগ্যামি করার জন্য প্রযোজ্য, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
গ) ধারা ৪৯৬: এটি প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে জেনেশুনে অবৈধ বিবাহের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু এখানে সহবাসের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
ঘ) ধারা ৪৯৭: এটি ব্যভিচারের জন্য প্রযোজ্য, যেখানে কোনো পুরুষ অন্যের স্ত্রীর সাথে তার স্বামীর সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে।
অর্থাৎ: ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৯৩-এর অধীনে প্রতারণামূলক সহবাস হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ধারা ৪৯৩।
---------
⇒The Penal Code, 1860- Section-493. Cohabitation caused by a man deceitfully inducing a belief of lawful marriage:
Every man who by deceit causes any woman who is not lawfully married to him to believe that she is lawfully married to him and to cohabit or have sexual intercourse with him in that belief, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১৩,২০৩.
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে কাকে উল্লেখ করতে হবে?
  1. প্রজাতন্ত্র
  2. বাংলাদেশ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারা- সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা:
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদি বা বিবাদি হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'।


Section 79- Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.

১৩,২০৪.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী নিচের কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন?
  1. স্বীকৃত বিষয়সমূহ
  2. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  3. অনুমিত বিষয়াদি
  4. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।
⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে,
অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
১৩,২০৫.
মুসলিম আইনানুযায়ী ধর্মীয় উদ্দেশ্যে অছিয়ত কয় শ্রেণির?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
উইল বা অছিয়ত: 
মুসলিম আইনে উইলকে অছিয়ত বলা হয়েছে । উইলের আরবী প্রতিশব্দ ওয়াসিয়াত । এর অর্থ ভার অর্পণ, নিদেশ, উপদেশ মিলানো বা কোন জিনিস অন্যদের পর্যন্ত পৌছানো। মৃত্যুকালে কিংবা মুত্যুর আগে পরের জন্য নিজ মালিকানার কিছু অংশ নিস্বাথভাবে কাউকে দান করার নাম ওসিয়ত বা উইল।

মুসলিম আইনানুযায়ী ধর্মীয় উদ্দেশ্যে অছিয়ত মূলত তিন শ্রেণির:

১. সাদাকাতুল ফিতর বা জাকাত: এটি বার্ষিক আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ যা প্রতিটি মুসলিম পরিবারের জন্য বাধ্যতামূলক। এটি গরীবদের সাহায্য করার জন্য দেওয়া হয়।
২. সাদাকাতুন্নাফল বা ধর্মীয় দান: এটি স্বেচ্ছামূলক দান যা মুসলিমদের নৈতিক দায়িত্ব। সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. ওয়াকফ: এটি স্থায়ী অনুদান যা সামাজিক, ধর্মীয় এবং শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। জমি, অর্থ বা অন্য সম্পদ ওয়াকফ করা যায়।
১৩,২০৬.
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃত ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ বা নকল করলে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৮১- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ত্রুটিপূর্ণভাবে দলিলের পৃষ্ঠাঙ্কনকরণ, নকলকরণ, অনুবাদকরণ বা নিবন্ধীকরণের শাস্তি:
এই আইনের অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা এবং, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, তাহার কার্যালয়ে এই আইনের বিধানাবলির অধীন দাখিলকৃত বা জমাকৃত কোন দলিলের পৃষ্ঠাঙ্কনকরণ, নকলকরণ, অনুবাদকরণ বা নিবন্ধীকরণের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি যদি দণ্ডবিধিতে সংজ্ঞায়িত অর্থে কোন ব্যক্তির ক্ষতি করিবার অভিপ্রায়ে বা ক্ষতি হইতে পারে জানিয়া উক্তরূপ কোন পদ্ধতিতে কোন দলিলের পৃষ্ঠাঙ্কন, নকল, অনুবাদ বা নিবন্ধন করেন যাহা তিনি ত্রুটিপূর্ণ বলিয়া জ্ঞাত আছেন বা বিশ্বাস করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ৭ (সাত) বৎসরের কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

⇒ "ক্ষতি (injury)" শব্দটি, বেআইনিভাবেই হউক বা না হউক, কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে সংঘটিত ক্ষতিকে নির্দেশ করে (দণ্ডবিধির ধারা ৪৪ দ্রষ্টব্য)।
১৩,২০৭.
The Code of Civil Procedure,1908 এর Order IX Rule II অনুসারে, আদালত নিম্নলিখিত কোন কারণে মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে?
  1. বাদী বা বিবাদী হাজির না হলে
  2. বিবাদী হাজির না হলে
  3. বাদী হাজির না হওয়ার কারণে
  4. বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে
সঠিক উত্তর:
বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ

নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed: 
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
১৩,২০৮.
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ অনুযায়ী সাক্ষী হিসেবে যোগ্যতার মানদণ্ড কী?
  1. মামলা সম্পর্কে জ্ঞান
  2. প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া
  3. জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
  4. খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারার বিধান- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।
সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না; তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা।
১৩,২০৯.
প্রশ্নমালা কর্তন (Strike out) করা যেতে পারে যদি প্রশ্নমালাটি-
  1. দীর্ঘ শব্দবহুল হয় (profix)
  2. অপ্রয়োজনীয় হয় (unreasonably)
  3. যাতনাদায়ক হয় (oppressive)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
> প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
> দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

• ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে।বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।

• ১১ নং আদেশ বিধি-৭ঃ প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন-

কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে—এ অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, কিংবা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন আবেদন করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের মধ্যে পেশ করা যেতে পারে।

Rule.-7: Setting aside and striking out interrogatories-
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
১৩,২১০.
A, Z সম্পর্কে একটি বদনাম ছড়াবে বলে ভয় দেখায়, যদি না Z তাকে টাকা দেয়। এতে Z বাধ্য হয়ে টাকা দেয়। এক্ষেত্রে, A _________ করেছে।
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধমূলকভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion)-
কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ উদাহরণ-
(ক) ক, গ-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, গ তাকে টাকা না দিলে ক গ-এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে গ-কে বাধ্য করে। ক 'বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
১৩,২১১.
দেবোত্তর সম্পত্তির আইনি মালিক কে?
  1. দানকারী
  2. সেবায়েত
  3. বিগ্রহ বা দেবমূর্তি
  4. মন্দির কমিটি
সঠিক উত্তর:
বিগ্রহ বা দেবমূর্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিগ্রহ বা দেবমূর্তি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) বিগ্রহ বা দেবমূর্তি।

- দেবোত্তর সম্পত্তির আইনি মালিক হলো বিগ্রহ বা দেবমূর্তি। এটি আইনের দৃষ্টিতে একটি বৈধ আইনি সত্তা বা জুডিশিয়াল পারসন হিসেবে বিবেচিত হয়।
- অর্থাৎ, দেবতার উদ্দেশ্যে দান করা সম্পত্তির আইনি মালিক সেই দেবতা বা বিগ্রহ।
- যদিও দেবতার পক্ষে সম্পত্তি পরিচালনা করার ক্ষমতা নেই, তাই দেবতার সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব সেবায়েত এর উপর থাকে।
- সেবায়েত দেবতার প্রতিনিধির মতো কাজ করেন, তবে তিনি দেবতার আইনি মালিকানা ধারণ করেন না, সেটি বরং বিগ্রহ বা দেবমূর্তি এরই থাকে।
১৩,২১২.
তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
  1. চুক্তি আইন,১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. বিবাহ বিচ্ছেদ আইন,১৯৬৯ এর ক্ষেত্রে
  3. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-

⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
⇒ চুক্তি আইন,১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভূক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

ধারা ২৯-

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
১৩,২১৩.
মুচলেকা, বিনিময়পত্র, প্রত্যয়নপত্র বা প্রতিজ্ঞাপত্ৰ সম্পর্কে যে কোন মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ৬৬ থেকে ৮০ পর্যন্ত মুচলেকা [bond], বিনিময়পত্র [bill of exchange], প্রত্যয়নপত্র বা প্রতিজ্ঞাপত্ৰ [promissory note] সম্পর্কে কোন মামলা দায়েরের সময় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিনিময়পত্র, প্রত্যয়নপত্র, প্রতিজ্ঞাপত্র এবং মুচলেকা সম্পর্কে যে কোন মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর হবে।
১৩,২১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আদালত কোন বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দেন?
  1. দলিল সম্পাদনের সময়কালে
  2. দলিলের শব্দ ও বাক্য গঠনে
  3. দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে
  4. দলিলের আনুষ্ঠানিক প্রয়োজনীয়তায়
সঠিক উত্তর:
দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী, আদালত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্য ও দলিলের আইনি ফলাফল সর্বাধিক গুরুত্ব দেন। আদালতের অনুসন্ধান শুধু দলিলের ভাষা বা আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দলিলের প্রকৃত অর্থ কী হওয়া উচিত ছিল, সেটি নিশ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য।
অতএব, দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আদালত সর্বাধিক গুরুত্ব দেন দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র দলিলের ভাষা কী ছিল সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
- In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
১৩,২১৫.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়,যদি না-
  1. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় 
  2. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ না হয় 
  3. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিনষ্ট হয়
  4. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিনষ্ট না হয়
সঠিক উত্তর:
দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক  অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি তখনই প্রাসঙ্গিক হবে যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা/ বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। 

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ২২ক ধারা, যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক: দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872-Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.

১৩,২১৬.
'ইসতিহসান' কী নির্দেশ করে?
  1. সর্বাধিক কঠিন সমাধান গ্রহণ করা
  2. পূর্ববর্তী সমাধান প্রত্যাখ্যান করা
  3. সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সমাধান গ্রহণ করা
  4. ব্যক্তিগত মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া
সঠিক উত্তর:
সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সমাধান গ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সমাধান গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
ইসতিহসান:
'ইসতিহসান' অর্থ সমর্থন বা অনুমোদন। এ শব্দটি 'কোরআন এবং হাদিসের ব্যাখ্যা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ইসলামী আইনের অপ্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ইমাম আবু হানিফা একেও একটি উৎসরূপে গণ্য করেন। কোন নির্দিষ্ট সমস্যার একাধিক সমাধান থাকলে তখন ইসলামী আইনজ্ঞগণ সর্বাধিক গ্রহণীয় যে সমাধান গ্রহণ করেন তা হলো ইসতিহসান।

যখন কতিপয় আইন কোনো ক্ষেত্রে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রযোজ্য বলে প্রতীয়মান হয়, তখন দুর্বলভিত্তিক আইনের ওপর দৃঢ়ভিত্তিক আইন প্রাধান্য লাভ করবে এবং সমর্থনীয় বা অনুমোদনযোগ্য হবে, এটাই 'ইসতিহসান। এখানে দুর্বলভিত্তিক আইন বলতে কোরআন ও হাদিসের তুলনায় দুর্বলভিত্তিক 'ইজমা' বা কিয়াসের আইনকে বুঝানো হয়েছে। কোরআন এবং হাদিস হলো দৃঢ়ভিত্তিক আইন। ইসতিহসান দ্বারা কিয়াস প্রত্যাখ্যান এবং যুক্তিযুক্ততার আইনকে সমর্থন করা বুঝায়।

যে নীতির বলে আইনবিদগণ তাদের ব্যক্তিগত বিচার বুদ্ধির ওপর নির্ভর করতে পারেন, সে নীতিকেই হানাফীগণ ইসতিহসান বলে। তাদের মতে কিয়াসভিত্তিক আইন অভ্রান্ত নয়। এমনকি ইজমাকেও অভ্রান্ত বলা যায় না। প্রয়োজনবোধে ঐগুলোর পরিবর্তে স্বাধীন বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করাই ইসতিহসানের মূল মর্ম। হানাফীগণ বলেন যে, ইসতিহসানও এক প্রকার কিয়াস, তবে কিয়াস অপেক্ষা ইসতিহসানের এখতিয়ার ব্যাপক।
১৩,২১৭.
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে তাকে কত সময় পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগরে আটক রাখা যাবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৪ ধারা অনুযায়ী জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বা ক্রোক এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না হলে, জামিননামার অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়া কারাগারে আটক রাখা যাবে।
১৩,২১৮.
'প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা' এর বিধান The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 1 এর কোন বিধিতে উল্লেখ আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৮  মতে একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest)।

♦ যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।

♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
১৩,২১৯.
বাদী প্রশ্নোত্তর প্রদানের আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে তার মামলা-
  1. ডিক্রি হবে
  2. প্রত্যাখ্যাত হবে
  3. খারিজ হবে
  4. ফেরত দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি-২১ এর বিধান আদেশ পালন না করা (Inspection of documents referred to in pleadings or affidavits): যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ মোকদ্দমা সম্পর্কিত প্রশ্নমালার উত্তর প্রদানে ব্যর্থ হয়, বা দলিল প্রকাশে ব্যর্থ হয়, বা দলিল পরিদর্শনে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে বা বিবাদীর ক্ষেত্রে তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বাতিলের আদেশ দিতে পারে।
১৩,২২০.
No appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than ______ per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.
  1. 5
  2. 10
  3. 30
  4. 50
সঠিক উত্তর:
50
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881

Section 138A- Restriction in respect of appeal:

Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

অর্থাৎ ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।
১৩,২২১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ______ আদালতে হাজির করবেন।
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. যাতায়াত সময় বাদে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
ব্যাখ্যা
- The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবেঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

- Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
১৩,২২২.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের কোন মামলায় যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে-
  1. অস্বীকৃতির বিষয় জানায় তারিখ হতে
  2. আইন জানার তারিখ থেকে
  3. চুক্তির বিষয়ে জানার তারিখ হতে
  4. চুক্তি নিবন্ধনের তারিখ হতে
সঠিক উত্তর:
অস্বীকৃতির বিষয় জানায় তারিখ হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্বীকৃতির বিষয় জানায় তারিখ হতে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা দায়েরর তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
♦তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে চুক্তি পালনের জন্য নির্ধারিত তারিখ হতে অথবা যখন অনুরুপ কোন তারিখ নির্দিষ্ট না থাকে, তখন বাদী যখন অবগত হয় যে চুক্তি পালন অস্বীকৃত হয়েছে তখন হতে। 
১৩,২২৩.
নাবালকের মোকদ্দমায় নতুন নেক্সট ফ্রেন্ড নিয়োগের ক্ষেত্রে শপথপত্রে কী দেখাতে হবে?
  1. ব্যক্তির পূর্বের অভিজ্ঞতা
  2. ব্যক্তির আর্থিক স্থিতি
  3. ব্যক্তির আইনি যোগ্যতা
  4. ব্যক্তির নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোন স্বার্থ নেই
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোন স্বার্থ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোন স্বার্থ নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৮: নেক্সট ফ্রেন্ড এর অবসর গ্রহণ:
১) আদালত ভিন্নরূপ কোন আদেশ প্রদান না করলে কোন নেক্সট ফ্রেন্ড তার স্থলে সমাসীন হওয়ার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি সংগ্রহ করে না দিয়ে এবং ইতোপূর্বে ব্যয়িত খরচাদির জন্য জামানত না দিয়ে অবসর গ্রহণ করতে পারবে না।

২) নতুন নেক্সট ফ্রেন্ডর নিয়োগের জন্য আবেদন প্রস্তাবিত ব্যক্তির যোগ্যতা দেখিয়ে একটি শপথপত্র দ্বারা সমর্থিত হতে হবে এবং নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে তার কোন স্বার্থ নেই এটারও দেখাতে হবে।
১৩,২২৪.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের কোন ধারানুযায়ী Additional Special Tribunal গঠন করা হয়?
  1. ২৫গ
  2. ২৬
  3. ২৭
  4. ২৮
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার বিধান:  এই আইন অনুসারে অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করা হবে:
-এই আইনের তফসিলে নির্দিষ্ট অপরাধসমূহ শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে।

-এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচারের জন্য দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবে। দায়রা জজকে নিয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল বিচারের যেকোন স্তরে তার নিজের দায়রা বিভাগের মধ্যে একটি স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হতে অপর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল যেকোন মামলা হস্তান্তর করতে পারবেন।

- সরকার এই আইনের তফসিলের ৩য় এবং ৪র্থ প্যারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচারের জন্য একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে।
----------------------------------------
⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:

(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2). 

(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21:

Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.
 
(3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.
১৩,২২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী, তল্লাশী কার্যক্রমে কমপক্ষে কতজন সাক্ষীর উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. এক বা ততোধিক
  2. দুই বা ততোধিক
  3. তিন বা ততোধিক
  4. পাঁচ বা ততোধিক
সঠিক উত্তর:
দুই বা ততোধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বা ততোধিক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৩(১) অনুসারে তল্লাশী কার্যক্রমে কমপক্ষে দুই বা ততোধিক সাক্ষীর উপস্থিতি প্রয়োজন।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সার্চ-ওয়ারেন্টের অধীনে কোনো স্থানে তল্লাশি শুরু করার আগে, তল্লাশি পরিচালনাকারী কর্মকর্তা বা ব্যক্তিকে সেই এলাকার দুজন বা তার বেশি সম্মানিত বাসিন্দাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য ডাকতে হবে। এই সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশি পরিচালনা করতে হবে এবং তল্লাশির সময় জব্দকৃত জিনিসপত্রের একটি তালিকা তৈরি করতে হবে, যা এই সাক্ষীরা স্বাক্ষর করবেন। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো তল্লাশি প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ রাখা, যাতে কোনো অনিয়ম বা অভিযোগের সুযোগ না থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

১৩,২২৬.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর কোন ধারা বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর মামলা সংক্রান্ত?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908)-এর ধারা ১১ (Section 11) হলো:
- "Suits on foreign contracts" অর্থাৎ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলা সংক্রান্ত ধারা।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
- তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

(১) উপধারা:
বাংলাদেশে দায়েরকৃত সেই সব মামলা যেগুলি বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে হয়, তাদের তামাদি গণনা হবে বাংলাদেশের তামাদি আইন অনুযায়ী।  অর্থাৎ, বাংলাদেশের আইনই প্রযোজ্য, বিদেশি তামাদি আইন নয়।
(২) উপধারা: কোনো বিদেশি তামাদি বিধান সাধারণভাবে প্রতিরক্ষা (defence) হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে, যদি সেই বিদেশি আইন চুক্তিটিকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত (extinguished) করে দেয় এবং চুক্তির উভয় পক্ষ সেই বিদেশি দেশে বসবাসরত (domiciled) থাকে তামাদি মেয়াদের পুরো সময়কাল, তবে সেই ক্ষেত্রে বিদেশি তামাদি আইন গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section-11. Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act. 
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

১৩,২২৭.
নিম্নলিখিত কোনটি বিচার বহিভূর্ত দোষ স্বীকারোক্তি [Extra-judicial Confession]?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  2. আদালতের নিকট দোষ স্বীকার
  3. ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার: কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।


⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-

i) Inculpatory Confessional Statement; ও

ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ আসামি নিজেকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Inculpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ আর আসামী নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বীকারোক্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথা-

i) বিচারিক (Judicial) স্বীকারোক্তি;

ii) বিচার বহির্ভূত (Extra-judicial) স্বীকারোক্তি; ও

iii) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।

⇒ আসামী তার দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি যদি কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করে, তবে তাকে বলা হয় বিচারিক স্বীকারোক্তি।

⇒ আর তা যদি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রদান করা হয়, তবে তাকে বলা হয় বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি।

⇒ এছাড়া দেখা যায়, আসামী প্রথমে বিচারিক বা বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি করার পর পরবর্তীতে তার ঐ পূর্বের স্বীকারোক্তি আদালতে অস্বীকার করছে। এটাকে বলা হয় প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।
১৩,২২৮.
স্বাভাবিক অভিভাবক কোন ক্ষেত্রে নাবালকের সম্পত্তির হস্তান্তর করতে পারে?
  1. আইনসঙ্গত প্রয়োজনীয় কারণে
  2. নাবালকের সম্পত্তির মঙ্গলার্থে
  3. ক ও খ
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
স্বাভাবিক অভিভাবক আইনসঙ্গত প্রয়োজনীয় কারণে অথবা নাবালকের সম্পত্তির মঙ্গলার্থে নাবালকের সম্পত্তি হস্তান্তর অথবা দায়বদ্ধ করতে পারে। আইনসঙ্গত কারণ এবং নাবালকের সম্পত্তির মঙ্গলার্থে বলিতে কি বুঝায় তাহার বিশদ আলোচনা আছে প্রিভি কাউন্সিলে উত্থাপিত হনুমান প্রসাদ বনাম মুসাম্মত বাবুই নামক অনুসরণীয় মামলায়। যদি কোন স্বাভাবিক অথবা কার্যতঃ অভিভাবক আইনসঙ্গত প্রয়োজন অথবা নাবালকের সম্পত্তির মঙ্গলার্থ ব্যতীত নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী অন্য কোন কারণে নাবালকের পক্ষে তাহার সম্পত্তি হস্তান্তর করে, তবে নাবালক সাবালকয়য়ে তিন বৎসরের মধ্যে এই প্রকার হস্তান্তর রদের জন্য মামলা করতে পারে।

আদালতের নিযুক্তীয় অভিভাবক নাবালকের পক্ষে হস্তান্তর করতে হলে, আদালতের আগাম অনুমতি নিতে হয়। অনুমতি দেয়ার সময় হস্তান্তরের আইনত প্রয়োজন আছে কিনা এবং প্রস্তাবিত হস্তান্তর নাবালকের সম্পত্তির হিতার্থে হবে কিনা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে আদালত অনুমতি দেন আর সেই কারণেই এইসব হস্তান্তর সাধারণত নাবালক সাবালক হয়ে রদ করতে পারে না। তবে আদালত হইতে যদি প্রতারণামূলকভাবে অনুমতি নেয়া হয়ে থাকে, তবে সেই ক্ষেত্রে হস্তান্তর রদের মামলা চলতে পারে।
১৩,২২৯.
The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. শুধু মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা  করতে 
  2. শুধু আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  3. আপীলের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  4. মোকদ্দমা বা আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বা আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বা আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
ব্যাখ্যা

ধারা-১৭। মামলা করিবার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:
(১) যেই ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হইতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি উক্ত মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার যোগ্যতাসম্পন্ন হইবার সময় হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(২) যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে তাহার বিরুদ্ধে কেহ একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকার লাভ করিতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে যখন মৃত ব্যক্তির এইরূপ কোনো আইনানুগ প্রতিনিধি থাকিবে, যাহার বিরুদ্ধে বাদী মামলা দায়ের বা দরক্ষাস্ত দাখিল করিতে পারিবে, তখন হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(৩) সম্পত্তি প্রয়োগের অগ্রাধিকার প্রয়োগের মামলা অথবা স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দখল বা বংশগত কোনো পদলাভ সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে উপরোক্ত (১) ও (২) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য নহে।
----------
17, Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.

১৩,২৩০.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে সাক্ষীর সাক্ষ্য লিখিত ভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই?
  1. সকল ক্ষেত্রে বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে
  2. যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
  3. যে সকল মোকদ্দমায় রিভিউ অনুমোদিত নয়
  4. যে সকল মোকদ্দমায় আপিল এবং রিভিউ অনুমোদিত নয়
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো- আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• বিধি-১৩ (আপিল অযোগ্য মোকদ্দমায় সাক্ষীর স্মারক)-
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত হয় না, সে সকল মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে লিখিত, সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন হবে না, কিন্তু প্রত্যেক সাক্ষীর পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিচারক তার জবানবন্দির সারাংশের স্মারকলিপি তৈরী করবে এবং এরূপ স্মারকলিপি বিচারক কর্তৃক লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং সেটা নথির অংশভুক্ত হবে।

Order 18 Rule 13: Memorandum of evidence in unappealable cases-
In cases in which an appeal is not allowed, it shall not be necessary to take down the evidence of the witness in writing at length; but the Judge, as the examination of each witness proceeds, shall make a memorandum of the substance of what he diposes, and such memorandum shall be written and signed by the Judge and shall form part of the record.
১৩,২৩১.
'ক' বলছে 'খ' অপরাধী এবং আদালতের কাছে বিচার প্রার্থনা করে। তাহলে 'খ' যে সত্যিই অপরাধটি করেছে, তা এর প্রমাণ করার দায়িত্ব-
  1. 'ক' এর
  2. 'খ' এর
  3. আদালতের
  4. 'ক' এবং আদালত উভয়ের
সঠিক উত্তর:
'ক' এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ১০১ ধারা অনুযায়ী প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায়- যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। অর্থাৎ, যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো আইনগত অধিকার বা দায়িত্বের বিষয়ে আদালতের রায় চান, যা তার দাবীকৃত কিছু ঘটনার উপর নির্ভরশীল, তাহলে তাকেই সেই ঘটনাগুলির অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হবে।

এই ধারা অনুযায়ী,
যে ব্যক্তি অভিযোগ করেছে, তারই দায়িত্ব সেই অভিযোগের প্রমাণ পেশ করা। অর্থাৎ, 'ক' যদি বলে যে 'খ' অপরাধী, তাহলে তা 'ক' এর দায়িত্ব প্রমাণ করার যে 'খ' সত্যিই ওই অপরাধটি করেছে। তাহলেই আদালত 'খ'-কে সেই অপরাধের জন্য শাস্তি দিতে পারবে।

Section 101- Burden of proof:
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist. When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person.

Illustration-
(a) A desires a Court to give judgment that B shall be punished for a crime which A says B has committed. A must prove that B has committed the crime.
১৩,২৩২.
Presumption as to correctness of record of rights সংক্রান্ত বিধানটি The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. 144
  2. 144A
  3. 144B
  4. 145B
সঠিক উত্তর:
144A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
144A
ব্যাখ্যা
Section 144A: Presumption as to Correctness of Record of Rights

খতিয়ানের বিশুদ্ধতার অনুমান বা Presumption as to correctness of record of rights' শিরোনামে ১৪৪ক ধারার অধীন প্রণীত এবং পরিমার্জিত খতিয়ানে প্রত্যেকটি বিষয়ের লিখন অনুরূপ লিখনে বর্ণিত বিষয়ের সাক্ষ্য হিসাবে বিবেচিত হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত সাক্ষ্য প্রমাণ দ্বারা অশুদ্ধ প্রমাণিত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত পরিশুদ্ধ বলে Presumption বা অনুমান করা হবে।
১৩,২৩৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ক ধারা অনুসারে, যদি একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জামানত নাকচের আদেশ দেন, তবে কোথায় আপীল করা যাবে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালতে
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক (Section 406A) অনুযায়ী, ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা জামানত নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে নিম্নরূপ:
(c) যদি আদেশটি অন্য কোনো নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (i.e. neither Chief Metropolitan Magistrate nor Chief Judicial Magistrate nor District Magistrate) দেন,
তাহলে আপীল করা যাবে— জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট।
এখানে প্রশ্নে বলা হয়েছে আদেশটি দিয়েছেন একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কাজেই তিনি "any other Magistrate" হিসেবে গণ্য হবেন।
- অতএব, তিনি যদি জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান বা নাকচ করেন, তবে আপীল করা যাবে: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (Option ক) অথবা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Option খ)
- এজন্য সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' বা 'খ'।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক: জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
- ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা জামানত নাকচ করার যে কোনো আদেশে যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারবেন—
(ক) যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে;
(খ) যদি আদেশটি প্রদান করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে;
(গ) যদি আদেশটি যেকোনো অন্য নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে।
১৩,২৩৪.
মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. এক তরফা নিষ্পত্তি
  4. মোকদ্দমা চালিয়ে নেয়ার
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে, মোকদ্দমার কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে-

মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (বিধি ৪) :
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২- খারিজ আদেশ রদ করতে আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারে। 
১৩,২৩৫.
'A' puts jewels into a box belonging to 'Z', with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause 'Z' to be convicted of theft. What crime did 'A' commit?
  1. Theft
  2. Cheating
  3. Criminal conspiracy
  4. Fabricating false evidence
সঠিক উত্তর:
Fabricating false evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fabricating false evidence
ব্যাখ্যা
Section 192⇒  Fabricating false evidence:
Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations-
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence.

(ক) A, Z এর মালিকানাধীন একটি বাক্সে রত্নপাথর রেখে দেয়, এই উদ্দেশ্যে যে সেই বাক্সে রত্নপাথর পাওয়া গেলে Z-কে চুরির অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে। এই কাজের মাধ্যমে A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে। এখানে A ইচ্ছাকৃতভাবে প্রমাণ তৈরির জন্য Z এর বাক্সে রত্নপাথর রেখে দেয়, যাতে Z-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা যায়। এটি আইনত মিথ্যা প্রমাণ বা false evidence তৈরির অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।
১৩,২৩৬.
সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে ইজমেন্ট অধিকার অর্জনের জন্য কত বছরের শান্তিপূর্ণ ভোগ প্রয়োজন?
  1. ২০ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৯০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৬(২) অনুসারে, সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে ইজমেন্ট (সুবিধাভোগী অধিকার) অর্জনের জন্য ২০ বছর শান্তিপূর্ণ, নিরবচ্ছিন্ন ও অধিকার হিসেবে ভোগ করতে হয়। তবে যদি সম্পত্তিটি সরকারি হয়, সেক্ষেত্রে ৬০ বছর ভোগ করতে হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৬ ‘সুখাধিকার’ (Easement) সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। 
এই ধারা অনুযায়ী:
সুখাধিকারের সংজ্ঞা ও অর্জন: সুখাধিকার বলতে এমন অধিকার বোঝায় যা কোনো চুক্তি ছাড়াই উদ্ভূত হয়, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যের সম্পত্তির কোনো অংশ (যেমন, মাটি, গাছপালা, বা অন্য কিছু) নিজের লাভের জন্য ব্যবহার বা অপসারণ করতে পারে। ধারা ২৬(১) বলে, যদি কেউ শান্তিপূর্ণভাবে, প্রকাশ্যে এবং অধিকার হিসেবে ২০ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে আলো, বাতাস, পথ, পানি বা অন্য কোনো সুখাধিকার উপভোগ করে, তবে তা পরম ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার হিসেবে গণ্য হবে।
সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে: ধারা ২৬(২) অনুযায়ী, যদি সুখাধিকার সরকারি সম্পত্তির উপর দাবি করা হয়, তবে ২০ বছরের পরিবর্তে ৬০ বছরের সময় প্রয়োজন।
মামলার সময়সীমা: সুখাধিকার দাবি করার জন্য মামলা দায়ের করতে হলে, ২০ বছরের উপভোগের সময়টি মামলা দায়েরের ২ বছরের মধ্যে শেষ হতে হবে।
-------- 
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 26: Acquisition of right to easements-
(1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an easement, and as of right, without interruption, and for twenty years, and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years, the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible.
Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested.
(2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words “twenty years” the words “sixty years” were substituted.
Explanation - Nothing is an interruption within the meaning of this section, unless where there is an actual discontinuance of the possession or enjoyment by reason of an obstruction by the act of some person other than the claimant, and unless such obstruction is submitted to or acquiesced in for one year after the claimant has notice thereof and of the person making or authorising the same to be made.

১৩,২৩৭.
What does the term "injury" denote under Section 44 of the Penal Code?
  1. Only bodily harm
  2. Only harm to property
  3. Only psychological harm
  4. Harm to mind, body, reputation, or property
সঠিক উত্তর:
Harm to mind, body, reputation, or property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harm to mind, body, reputation, or property
ব্যাখ্যা
⇒ যদি কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয় তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।

দণ্ডবিধির ধারা ৪৪: "ক্ষতি":
"ক্ষতি" শব্দটি এমন যে কোনো ধরনের ক্ষতি বা হানি বোঝায়, যা অবৈধভাবে কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, খ্যাতি বা সম্পত্তির ওপর ঘটানো হয়।

Section-44: “Injury”-
The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
১৩,২৩৮.
বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো
  1. অ্যাটর্নী জেনারেল
  2. সচিব
  3. ভাইস- চেয়ারম্যান
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা
♦বিধি ৫৫ মতে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো সচিব।
১৩,২৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি-৩ অনুযায়ী, রিসিভার যদি ইচ্ছাকৃত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলা করে সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে, তবে-
  1. আদালত তাকে দায়মুক্ত রাখবে
  2. ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
  3. তাকে শুধুমাত্র সতর্ক করা হবে
  4. দেওয়ানি কারাদণ্ড দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি-৩: দায়িত্ব:
অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক রিসিভার-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত কর্তৃক উপযুক্তবিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করবে;
গ) আদালতের নির্দেশ মত তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুন সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে তজ্জন্য দায়ী হবে।

Rule 3: Duties.
Every receiver so appointed shall-
a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
c) pay the amount due from him as the Court directs; and
d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.
১৩,২৪০.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দেহ বা শরীর সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায় না?
  1. ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণের ক্ষেত্রে
  2. দুইব্যক্তির মারামারি করার সময়
  3. মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণের ক্ষেত্রে
  4. আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিয়ে অবৈধভাবে আটক রাখলে
সঠিক উত্তর:
দুইব্যক্তির মারামারি করার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইব্যক্তির মারামারি করার সময়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা মতে যখন নিজ দেহ রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করে মৃত্যু ঘটানো যা:- উপরে বর্ণিত সর্বশেষ ধারণাটিতে আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে দেহ রক্ষার প্রয়োজনে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করে স্বেচ্ছাক্রমে আক্রমণকারী প্রতিপক্ষের মৃত্যু সংঘটন বা অপর যে কোন প্রকার ক্ষতি সাধন করা যেতে পারে যদি যে অপরাধটির বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করার আবশ্যকীয়তা দেখা দিয়েছে সে অপরাধটি নিম্নোক্ত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়। যথা:-

প্রথমত:- এইরূপ আক্রমণ যার ফলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই এমন আশঙ্কার সৃষ্টি হয় যে, ব্যক্তিগত আত্মরক্ষামূলক অধিকারের অবাধ প্রয়োগ না করলে সে আঘাতে সে আসন্ন মৃত্যু অনিবার্য;

দ্বিতীয়ত:- এইরূপ আক্রমণ যার ফলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই এমন আশঙ্কার সৃষ্টি হয় যে, প্রতিরোধ না করলে সে আঘাতের বা আক্রমণের ফলে আসন্ন মৃত্যু অনিবার্য;

তৃতীয়ত:- ধর্ষণের উদ্দেশ্যে আঘাত বা আক্রমণ;

চতুর্থত:- অস্বাভাবিক কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আঘাত বা আক্রমণ;

পঞ্চমত:- শিশু অপহরণ বা ব্যক্তি হরণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা আঘাত;

ষষ্ঠত:- কোন ব্যক্তিকে অন্যায় বা বেআইনীভাবে আটক করার উদ্দেশ্যে এমন পরিস্থিতিতে *অর উপর হামলা, যে পরিস্থিতিতে ন্যায়সঙ্গতভাবেই সে ব্যক্তির মনে এই আশঙ্কার সৃষ্টি হয় যে, সে মুক্তির জন্য সরকারী কর্তৃপক্ষের আশ্রয় নিতে সমর্থন হবে না।


♦ অর্থাৎ ধারা ১০০ অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:

      (i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
      (ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
      (iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
      (vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।

♦ অর্থাৎ দুইব্যক্তির মারামারি করার সময় দেহ বা শরীর সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায় না।
১৩,২৪১.
সংবিধান সংশোধন বিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর পর কতদিনের মধ্যে তিনি সম্মতি প্রদান করবেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২- সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
১৩,২৪২.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী নিচের কোন আদালত রিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে?
  1. সহকারী জজ
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. 'খ' এবং 'গ'
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে।
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ ও ২) হাইকোর্ট বিভাগ

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে সহকারী জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা নেই। তাই সঠিক উত্তর 'খ' এবং 'গ'।
 
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী বিধান হলো রিভিশন । রিভিশন বলতে বুঝায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিশন করতে হয় উচ্চ আদালতে।
-এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। 
- যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না । আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয়।
১৩,২৪৩.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারা অনুসারে সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামির সম্মতি ব্যতীত উক্ত দণ্ডকে অন্য যেকোনো দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে?
  1. 44
  2. 54
  3. 64
  4. 74
সঠিক উত্তর:
54
উত্তর
সঠিক উত্তর:
54
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ অনুসারে, সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামির সম্মতি ব্যতীত উক্ত দণ্ডকে দণ্ডবিধিতে উল্লিখিত অন্য যেকোনো দণ্ডে (যেমন: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সশ্রম কারাদণ্ড ইত্যাদি) রূপান্তর (Commute) করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

১৩,২৪৪.
অভ্যাসগত দাস ব্যবসায় পরিচালনা করার শাস্তি কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ৩৭০ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩৭১ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩৭৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৭১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৭১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: অভ্যাসগত দাস ব্যবসায় পরিচালনা করা:- কোন ব্যক্তি যদি অভ্যাসগতভাবে দাসদের আমদানি করে, রপ্তানি করে, অপসারণ করে, ক্রয় করে, বিক্রয় করে, বা ব্যবসায় পরিচালনা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা অনধিক ১০ বৎসরের যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------
⇒ Section 371. Habitual dealing in slaves:- Whoever habitually imports, exports, removes, buys, sells, traffics or deals in slaves, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
১৩,২৪৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর খসড়া প্রণয়ন করে কে?
  1. Lord Macaulay
  2. James Stephen
  3. Dr. Whitley Stokes
  4. G.W Anderson
সঠিক উত্তর:
Dr. Whitley Stokes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dr. Whitley Stokes
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:

⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭ (১নং আইন);
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।
⇒ খসড়া প্রণয়নকারী: The New York Civil Code, 1862 এর আদলে বা অনুকরণে Dr. Whitley Stokes ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটির খসড়া প্রণয়ন করেন।
১৩,২৪৬.
নিচে বর্ণিত কোন ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তেই বাড়তে পারে?
  1. নাবালকের ক্ষেত্রে
  2. উন্মাদ ব্যক্তির ক্ষেত্রে
  3. প্রতারণা করার ক্ষেত্রে
  4. অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-

যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
১৩,২৪৭.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার পরও উক্ত আসামি খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-

(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
অর্থাৎ সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

- দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

- যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
______________________________________________________
 Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
-and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
১৩,২৪৮.
দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারায় "সম্পত্তি চিহ্ন" [Property mark] কোন ধরনের সম্পত্তির জন্য প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি
  4. সকল ধরনের সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারার বিধান সম্পত্তি চিহ্ন:-কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝাবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারায় "সম্পত্তি চিহ্ন" অস্থাবর সম্পত্তির জন্য প্রযোজ্য।
-----------------------  
⇒ The Penal Code, 1860- Section-479. Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.
১৩,২৪৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৩ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ঘোষণা সংক্রান্ত বিধান
  2. চুক্তি কার্যকর করার বিধান
  3. ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধান
  4. নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধান
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধান
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৩ সরাসরি নিষেধাজ্ঞা (Injunctions) সংক্রান্ত বিধানের সাথে সম্পর্কিত। এই ধারাটি বিশেষভাবে দু'ধরনের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে আলোচনা করে: 
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction)
- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction)

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
-চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------------
⇒ The Specific Relief Act,1877, Section-53: Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
-Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

১৩,২৫০.
Persona-non-grata কোন শ্রেণির ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. রাজনীতিবিদ
  2. ক্রীড়াবিদ
  3. ব্যবসায়ী
  4. কূটনীতিক
সঠিক উত্তর:
কূটনীতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কূটনীতিক
ব্যাখ্যা
- Persona-non-grata একটি Latin Term আক্ষরিক অর্থ Unwelcomed Person বা অবাঞ্চিত/অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।
- Persona-non-grata বলতে অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে বোঝায়।
- দেশে দেশে প্রেরিত ব্যক্তি বা নিযুক্ত দূত যদি সে দেশের আস্থাভাজন না হয়, তবে তাকে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। শব্দটি সাধারণত কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং এটি কূটনীতিক শ্রেনির ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অগ্রহণযোগ্য কূটনৈতিক প্রতিনিধি বা Persona-non-grata হলো এমন একজন কূটনীতিক প্রতিনিধি যিনি আমন্ত্রণকারী রাষ্ট্রের নিকট অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধি এবং এই ক্ষেত্রে প্রেরক রাষ্ট্র উক্ত অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে ফেরত নেওয়া উচিত।
- যদি না করে, তাহলে আমন্ত্রণকারী রাষ্ট্র উক্ত কূটনীতিক প্রতিনিধিকে অগ্রাহ্য করতে বা বহিষ্কার করতে পারে।
১৩,২৫১.
'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৫
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৬
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক : আন্তর্জাতিক চুক্তি

বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন। তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ১৪৩ : প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
অনুচ্ছেদ-১৪৫: চুক্তি ও দলিল।
অনুচ্ছেদ ১৪৬ : বাংলাদেশের নামে মামলা।
১৩,২৫২.
The functions relating to Local Government include-
  1. maintenance of public order
  2. preparation and implementation of plans relating to public services
  3. preparation and implementation of plans relating to economic development
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
all of above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
all of above
ব্যাখ্যা
Article 59: Local government

(1) Local government in every administrative unit of the Republic shall be entrusted to bodies, composed of persons elected in accordance with law. 

(2) Everybody such as is referred to in clause (1) shall, subject to this Constitution and any other law, perform within the appropriate administrative unit such functions as shall be prescribed by Act of Parliament, which may include functions relating to – 
(a) administration and the work of public officers; 
(b) the maintenance of public order; 
(c) the preparation and implementation of plans relating to public services and economic development.

অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন
 
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।

(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
১৩,২৫৩.
রোয়েদাদ (award) নাকচ করার দরখাস্তের তামাদি সময় গণনায় কোন সময় বাদ দিতে হবে?
  1. রায় ঘোষণার দিন
  2. নকল নিতে যে সময় লাগে
  3. মামলার নোটিশের সময়
  4. তামাদি সময় গণনার শুরুর দিন
সঠিক উত্তর:
নকল নিতে যে সময় লাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নকল নিতে যে সময় লাগে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।

(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।


(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।


(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।

১৩,২৫৪.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, কোনটি প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়?
  1. মূল দলিল
  2. স্বাক্ষরিত নথিপত্র
  3. দলিলের প্রতিলিপি
  4. আদালতে উপস্থাপিত লিখিত চুক্তি
সঠিক উত্তর:
দলিলের প্রতিলিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের প্রতিলিপি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৬১ ও ৬২ ধারার আলোকে, প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বোঝায় মূল দলিল বা প্রামাণ্য নথি যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
 ৬২ ধারা:
"Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court."
অর্থাৎ, প্রাথমিক সাক্ষ্য হল সেই মূল দলিল যা আদালতে সরাসরি উপস্থাপিত হয়।

⇒ প্রাথমিক সাক্ষ্যের উদাহরণ:
- মূল দলিল (যেমন: চুক্তিপত্র, উইল, বিক্রয় চুক্তি ইত্যাদি) 
- স্বাক্ষরিত নথিপত্র (যেমন: নিজ হাতে স্বাক্ষরিত চুক্তি বা দলিল) 
- আদালতে উপস্থাপিত লিখিত চুক্তি (মূল নথি যদি আদালতে জমা দেওয়া হয়) 

⇒ মাধ্যমিক সাক্ষ্যের উদাহরণ:
- দলিলের প্রতিলিপি (যেমন: ফটোকপি, টাইপকপি, সার্টিফায়েড কপি) 
- অনুলিপি বা ট্রান্সক্রিপ্ট 

⇒ দলিলের প্রতিলিপি শুধুমাত্র মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়, যা তখনই গ্রহণযোগ্য যখন—
- মূল দলিল হারিয়ে গেছে বা ধ্বংস হয়েছে।
- দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়।
- দলিল এমন ব্যক্তির দখলে আছে, যিনি তা আদালতে আনতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।

অর্থাৎ
 - মূল দলিল (Primary Document) → প্রাথমিক সাক্ষ্য।
 - দলিলের প্রতিলিপি (Copy/Photocopy) → মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
- তাই, ‘গ) দলিলের প্রতিলিপি’ প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।
১৩,২৫৫.
বিক্রয়ের ক্ষেত্রে মালিকানা হস্তান্তরের পর সম্পত্তির উপর সরকারি কর ও সুদের দায় কে বহন করবে?
  1. ক্রেতা
  2. বিক্রেতা
  3. উভয়েই সমানভাবে
  4. বিক্রেতা বা তার মনোনীত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882, ধারা ৫৫(৫)- ক্রেতা নিম্নলিখিত দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য:
(ক) যদি কোনো তথ্য বিক্রেতার সম্পত্তিতে তার অধিকার বা স্বার্থের প্রকৃতি বা পরিসরের সাথে সম্পর্কিত হয়, এবং যদি ক্রেতা সেই তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকে কিন্তু বিশ্বাস করে যে বিক্রেতা তা জানেন না, এবং সেই তথ্য বিক্রেতার স্বার্থের মূল্য অনেকটাই বাড়িয়ে দেয় — তাহলে ক্রেতার দায়িত্ব সেই তথ্য বিক্রেতাকে জানানো।

(খ) নির্ধারিত সময় ও স্থানে বিক্রয় সম্পন্ন করার সময়, ক্রেতা ক্রয়মূল্য বিক্রেতা বা তার মনোনীত ব্যক্তিকে প্রদান বা দান করতে বাধ্য; তবে যদি সম্পত্তিটি দায়মুক্ত অবস্থায় বিক্রি হয়, তাহলে ক্রেতা বিদ্যমান দায় (incumbrance) বাবদ কিছু অর্থ কেটে রাখতে পারে এবং তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পরিশোধ করবে।

(গ) যদি মালিকানা ক্রেতার নিকট হস্তান্তরিত হয়ে যায়, তবে সম্পত্তির ধ্বংস, ক্ষতি, বা মূল্যে পতনের জন্য- যা বিক্রেতা দ্বারা ঘটিত নয়- সেই ক্ষতির দায় ক্রেতার।

(ঘ) যদি মালিকানা ক্রেতার নিকট হস্তান্তরিত হয়, তাহলে ক্রেতা সরকারি কর, খাজনা, এবং যেকোন দায়-দেনা বা সুদ পরিশোধ করতে বাধ্য, যা বিক্রির তারিখে বিদ্যমান ছিল এবং পরবর্তীতে প্রযোজ্য হয়।
১৩,২৫৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারায় কত ধরনের আদালতকে ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. এক ধরনের
  2. দুই ধরনের
  3. তিন ধরনের
  4. চার ধরনের
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী, দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।
 
Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.

১৩,২৫৭.
বর্তমানে তামাদি আইনের কয়টি ধারা বলবৎ আছে?
  1. ৩২ টি
  2. ২৯ টি
  3. ৩১ টি
  4. ২৮ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।
⇒ আইনটি ১৯০৮ সালের ৭ ই আগস্ট প্রণীত হয়।
⇒ এটি কার্যকর হয় ১৯০৯ সালের ১ লা জানুয়ারী।
⇒ এটি একটি পদ্ধতিগত আইন।
তামাদি আইনের মোট ধারা ৩২ টি , ৩ টি ধারা বাতিল করা হয়েছে এবং বর্তমানে বলবৎ রয়েছে ২৯ টি ধারা।
⇒মোট তফসিল ৩ টি ( ২য় ও ৩য় তফসিল বাতিল করা হয়েছে)। বর্তমানে বলবৎ আছে ১টি তফসিল। 
⇒ তামাদি আইনের ১ম তফসিলে মোট অনুচ্ছেদ রয়েছে ১৮৩ টি।
১৩,২৫৮.
খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসাবে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারা মতে পূর্ববর্তী অসৎ চরিত্র উত্তরদান প্রসঙ্গে ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নহেঃ ফৌজদারী মামলায় আসামীর চরিত্র যে খারাপ, ইহা অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। তবে তাহার চরি এ ভাল এই মর্মে সাক্ষ্য দেওয়া হইয়া থাকিলে তাহার চিরত্র খারাপ ইহা প্রাসঙ্গিক হইয়া পড়ে।
♦ব্যাখ্যা ১ঃ যে মামলায় কোন ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেই ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নহে।
♦ব্যাখ্যা ২ঃ খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসাবে পূর্ববর্তী দন্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক।
১৩,২৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি কে করতে পারে?
  1. উক্ত স্ত্রীলোকের পরিবারের যেকোন সদস্য
  2. শালীনতা বজায় রেখে নারী পুলিশ
  3. শালীনতা বজায় রেখে যেকোন স্ত্রীলোক
  4. শালীনতা বজায় রেখে নারী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে যেকোন স্ত্রীলোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে যেকোন স্ত্রীলোক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

অর্থাৎ শালীনতা বজায় রেখে যেকোন মহিলা স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করতে পারে। 

Section 52: Mode of searching women-
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১৩,২৬০.
মামলার এখতিয়ার সম্পর্কিত আপত্তি যথাসময়ে না তোলার ফলে, আপীল বা রিভিশন আদালত তখনই তা গ্রহণ করবে যদি-
  1. ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
  2. বাদী ও বিবাদী উভয়ে সম্মত হয়
  3. নিম্ন আদালত ভুল স্বীকার করে
  4. আদালত নিজে থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২১- এখতিয়ারে আপত্তি:
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি থাকলে তা উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপীল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না।
কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপীল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

Sec.-21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
১৩,২৬১.
আরজি সংশোধন করা যাবে -
  1. ইস্যু গঠনের আগে
  2. চূড়ান্ত শুনানীর আগে
  3. যে কোন পর্যায়ে
  4. যুক্তিতর্কের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।
♦প্লিডিংস সংশোধনের সময়- ৬ নং আদেশের ১৮ নং বিধিমতে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অথবা সময় নির্ধারণ করে না দিলে আদালতের প্লিডিংস সংশোধনীর আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত সময় বর্ধিত না করলে প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।
১৩,২৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় না
  1. কোন পক্ষকে কোন বে-আইনী কাজ করা থেকে বারিত করার জন্য
  2. আংশিক চুক্তি পালনের জন্য
  3. শুধুমাত্র দন্ড সংক্রান্ত আইন বলবৎ করার জন্য
  4. সম্পত্তির দখল উদ্ধারের জন্য
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দন্ড সংক্রান্ত আইন বলবৎ করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দন্ড সংক্রান্ত আইন বলবৎ করার জন্য
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দন্ড বা Penal  কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
১৩,২৬৩.
তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো বিশেষ আইনে তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা থাকে, তাহলে তামাদি আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো বিশেষ আইনে তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা থাকে, তাহলে তামাদি আইনের ধারা ৩ প্রযোজ্য হবে। ধারা ৩ বলে, যদি কোনো বিশেষ আইন অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা থাকে, তাহলে সেই বিশেষ আইনটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রযোজ্য হবে এবং তামাদি আইনের অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিধান, যেমন ধারা ৪, ৯, ১৮, প্রযোজ্য হবে না যদি সেগুলি বিশেষ আইনে এক্সক্লুড করা না থাকে।

⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা সংরক্ষণ:
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Limitation Act:- Section- 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
১৩,২৬৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারায় আদালত কখন বিচারাধীন কোনো মামলা স্থানান্তরিত করতে পারে?
  1. বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
  2. প্রথম শুনানির পূর্বে
  3. চূড়ান্ত শুনানির আগে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যেকোনো স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা

খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
১৩,২৬৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী, যদি চুক্তির শর্ত এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এটি কাঙ্খিত আইনি ফলাফল দিতে পারে না, তাহলে কী হবে?
  1. চুক্তি কার্যকর হবে না
  2. চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে
  3. চুক্তি পুনরায় সংশোধন করা হবে না
  4. পক্ষরা সমস্যা উপেক্ষা করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী, যদি চুক্তির শর্ত এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এটি কাঙ্খিত আইনি ফলাফল দিতে পারে না, তবে চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে।
অর্থাৎ, যদি কোনো চুক্তি এমনভাবে তৈরি হয় যে তা একটি নির্দিষ্ট আইনি ফলাফল অর্জন করতে পারে না, তাহলে আদালত চুক্তির শর্তাবলীতে পরিবর্তন করতে পারে, যাতে তা কাঙ্খিত আইনি ফলাফল প্রদান করে। তবে, চুক্তিটি পুরোপুরি বাতিল করা হবে না; পরিবর্তে, সেটি সংশোধন সহ কার্যকর হতে পারে।
সঠিক উত্তর: খ) চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭-এর ধারা ২৬: পরিবর্তন ছাড়া কার্যকরী করা যাবে না:
যখন কোনো বাদী লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চায় এবং প্রতিরোধকারী তা পরিবর্তনের দাবি জানায়, তখন বাদী সেই কার্যসম্পাদন লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না সেই পরিবর্তনটি কার্যকর করা হয়, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে:
(ক) যেখানে প্রতারণা বা সত্যের ভুলের কারণে চুক্তির শর্তগুলো এমনভাবে তৈরি হয়েছে যা প্রতিরোধকারী যখন চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন তখন তিনি যেভাবে এটি ভাবছিলেন তেমন ছিল না;
(খ) যেখানে প্রতারণা, সত্যের ভুল বা বিস্ময়ের কারণে প্রতিরোধকারী চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন, যখন তিনি সঠিকভাবে চুক্তির ফলাফল বোঝেননি এবং বাদীর সঙ্গে চুক্তির সম্পর্কেও ভুল ধারণা করেছিলেন;
(গ) যেখানে প্রতিরোধকারী চুক্তির শর্তগুলো জানতেন এবং তার প্রভাব বুঝতেন, এবং চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন বাদীর কিছু ভুল বিবৃতি বা বাদীর শর্তের ভিত্তিতে যা চুক্তিতে সংযোজন ছিল, কিন্তু বাদী সেই শর্ত পূর্ণ করতে অস্বীকার করেছিলেন;
(ঘ) যেখানে পক্ষদের উদ্দেশ্য ছিল একটি নির্দিষ্ট আইনি ফলাফল অর্জন করা, কিন্তু চুক্তির বর্তমান শর্তগুলো সেই ফলাফল অর্জন করার জন্য উপযুক্ত নয়;
(ঙ) যেখানে পক্ষরা চুক্তি সম্পাদনের পরে চুক্তির শর্তাবলী পরিবর্তন করতে চুক্তি করেছেন।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 26. Non-enforcement except with variation:
Where a plaintiff seeks specific performance of a contract in writing, to which the defendant sets up a variation, the plaintiff cannot obtain the performance sought, except with the variation so set up, in the following cases (namely):- 
(a) where by fraud or mistake of fact the contract of which performance is sought is in terms different from that which the defendant supposed it to be when he entered into it; 
(b) where by fraud, mistake of fact, or surprise the defendant entered into the contract under a reasonable misapprehension as to its effect as between himself and the plaintiff; 
(c) where the defendant, knowing the terms of the contract and understanding its effect, has entered into it relying upon some misrepresentation by the plaintiff, or upon some stipulation on the plaintiff's part, which adds to the contract, but which he refuses to fulfil; 
(d) where the object of the parties was to produce a certain legal result, which the contract as framed is not calculated to produce; 
(e) where the parties have, subsequently to the execution of the contract, contracted to vary it.
১৩,২৬৬.
কোন দেশের আইন সম্পর্কে যখন আদালতকে কোন অভিমতে উপনীত হতে হয় তখন নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. সরকারের কর্তৃত্বে প্রকাশিত আইন সম্বলিত কোন পুস্তক
  2. কোন পুস্তকে প্রকাশিত আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট
  3. ক ও খ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী কোন দেশের কোন আইন সম্পর্কে যখন আদালতকে কোন অভিমতে উপনীত হতে হয়, তখন উক্ত আইন সম্পর্কে ঐ দেশের সরকারের কর্তৃত্বে মুদ্রিত ও প্রকাশিত উক্ত আইন সম্বলিত কোন পুস্তকে এবং ঐ দেশের আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট বলে কথিত কোন পুস্তকে প্রকাশিত কোন সিদ্ধান্তের রিপোর্ট প্রাসঙ্গিক হবে।

---------------------
⇒ Relevancy of statements as to any law contained in law-books:
Section 38. When the Court has to form an opinion as to a law of any country, any statement of such law contained in a book purporting to be printed or published under the authority of the Government of such country and to contain any such law, and any report of a ruling of the Courts of such country contained in a book purporting to be a report of such rulings, is relevant.
১৩,২৬৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমানের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ধারাঃ ৭২ হল যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন নয়, তার প্রমাণ: কোন একটি দলিলের সত্যায়ন আইনত আবশ্যকীয় না হলেও যদি তা সত্যায়িত হয়ে থাকে তাৰে। অসত্যায়িত দলিল হিসাবেই তা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ দলিল দাতা যখন কোন দলিল লিখিত হওয়ার পর দলিলের মর্ম অবগত হয়ে তাতে দলি দাতারূপে স্বাক্ষর দান করে দলিল বিষয়ে দাতার কাজ শেষ করেন তখন বলা যায় দলিলটি সম্পাদিত হল।

⇒ যে ব্যক্তি নিজের নাম দস্তখত করতে পারেন তিনি নিজের নাম দস্তখত করে দলিল সম্পাদন করবেন। দাতা নিরক্ষর হলে টিপসহি দিয়ে অথবা দলিল স্বাক্ষরের স্থানে একটি চিহ্ন দিয়ে দলিলের স্বাক্ষর এবং সম্পাদনের কাজ সম্পন্ন করতে পারেন এই জাতীয় স্বাক্ষর টিপসহি বা টানসহি নামে পরিচিত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭২ ধারার বিধান: অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমানের পদ্ধতি (Method of Proof of Execution of documents not requiring attestation)- কোন অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন নিম্নলিখিতভাবে প্রমান করা যায়। যথা-

ⅰ) দলিলটি যে লিখেছে তার সাক্ষ্য দ্বারা;

ii) দলিল লেখক ও স্বাক্ষরকারীর হস্তলিপির সাথে প্রমানিত বা স্বীকৃত হস্তলিপির তুলনা করে ঐ তর্কিত হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির সাক্ষ্য কিংবা বিশেষজ্ঞের মতামত দ্বারা অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমান করা যায়।

------------------------
⇒ Proof of document not required by law to be attested:
Section 72. An attested document not required by law to be attested may be proved as if it was unattested.
১৩,২৬৮.
কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা কোন আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সালিশ আইন, ২০০১
  3. আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  4. বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে

⇒ তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।

Section 89B- Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:
 
Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section. 
 
(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).
১৩,২৬৯.
কোনো কোম্পানি Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮ ধারার অধীনে অপরাধ করলে, কারা দায়ী বলে গণ্য হবে?
  1. শুধুমাত্র কোম্পানি
  2. শুধুমাত্র ব্যবস্থাপক
  3. শুধুমাত্র শেয়ারহোল্ডাররা
  4. কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই।

Negotiable Instruments Act, 1881– ধারা ১৪০ (কোম্পানির দ্বারা সংঘটিত অপরাধ)-
(১) যদি ধারা ১৩৮ অনুযায়ী কোনো কোম্পানি অপরাধ করে, তবে যিনি ওই সময় কোম্পানির ব্যবসার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি এবং কোম্পানিটি উভয়ই অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে:
- তিনি অপরাধ সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন, অথবা
- তিনি যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন, তাহলে তিনি দণ্ড থেকে অব্যাহতি পাবেন।

(২) যদি প্রমাণিত হয় যে কোম্পানির কোনো পরিচালক/ম্যানেজার/সেক্রেটারি/কর্মকর্তা জানিয়ে সম্মতি দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, বা অবহেলা করেছেন, তাহলে তিনিও অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।

ব্যাখ্যা (Explanation):
- “কোম্পানি” বলতে বোঝায়: বডি কর্পোরেট, ফার্ম, বা বিভিন্ন ব্যক্তির সমিতি।
- ফার্মের ক্ষেত্রে “ডিরেক্টর” বলতে বোঝায় অংশীদার।
১৩,২৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা মূলত কী সম্পর্কে?
  1. দলিল হস্তান্তর
  2. দলিল সংশোধন
  3. দলিল নিবন্ধন
  4. দলিল বাতিলকরণ
সঠিক উত্তর:
দলিল সংশোধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা মূলত দলিল সংশোধন (Rectification of Instruments) সম্পর্কিত। এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো দলিল ভুলবশত বা অসাবধানতাবশত ভুলভাবে রচিত হয় এবং এতে চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য ও আইনগত ফলাফল প্রতিফলিত না হয়, তবে আদালত দলিল সংশোধনের জন্য আদেশ দিতে পারেন।
→ এখানে মূলত আদালতের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে তিনি দলিলের ভাষার পরিবর্তে চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য ও আইনগত পরিণতি বিবেচনা করতে পারেন এবং সেই অনুযায়ী দলিল সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
-In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
১৩,২৭১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান মতে আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করার কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে?
  1. সরাসরি জরিমানা
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
  3. সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর করা
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান: বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা: (Enforcement of decree against legal representative)
কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য যদি উক্ত মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি দেয়া হয়, তাহলে অনুরূপ কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের দ্বারা উক্ত ডিক্রি জারি করা যেতে পারে।
 যখন ডিক্রি দায়িকের দখলে এরূপ কোন সম্পত্তি না থাকে এবং মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার দখলে এসেছে বলে প্রমাণ থাকে এবং তার যথাযথ ব্যবহার করেছে বলে যদি আদালতকে সন্তষ্ট করতে ব্যর্থ হয়, তখন সম্পত্তির যে পরিমাণের ব্যাপারে সে আদালতকে সন্তষ্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই পরিমাণ সম্পত্তির জন্য ডিক্রি দায়িকের বিরুদ্ধে ডিক্রিটি জারি করা যাবে, যেন ডিক্রিটি ব্যক্তিগতভাবে তারই উপর প্রদত্ত হয়েছিল।
-------------------
- Section 52. Enforcement of decree against legal representative.
(1) Where a decree is passed against a party as the legal representative of a deceased person, and the decree is for the payment of money out of the property of the deceased, it may be executed by the attachment and sale of any such property. 
 
(2) Where no such property remains in the possession of the judgment-debtor and he fails to satisfy the Court that he has duly applied such property of the deceased as is proved to have come into his possession, the decree may be executed against the judgment-debtor to the extent of the property in respect of which he has failed so to satisfy the Court in the same manner as if the decree had been against him personally.
১৩,২৭২.
যখন আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয়, তখন সংশোধনীতে কার স্বাক্ষর থাকতে হবে?
  1. আপিলকারীর
  2. কেবল বিচারকের
  3. নোটারি পাবলিকের
  4. বিচারক অথবা এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
বিচারক অথবা এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক অথবা এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।

১৩,২৭৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী বিনা পরোয়ানায় পুলিশ একজন ব্যক্তিকে কয়টি ক্ষেত্রে গ্রেফতার করতে পারবেন?
  1. ৮টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা-
(i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable suspicion) থাকলে।
(ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে।
(iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender)।
(iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে।
(v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে।
(vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter)।
(vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে।
(viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা
(ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
১৩,২৭৪.
তামাদি আইন অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি কত?
  1. ১ মাস
  2. ২ বছর 
  3. ৩ বছর 
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি- ৬ মাস।

⇒ তামাদি আইনের ৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে হয় ছয় মাসের মধ্যে, এবং এই ছয় মাসের সময়সীমা শুরু হয় যেদিন দখলচ্যুতি (dispossession) ঘটে, সেদিন থেকে। 
- যে কেউ যদি বেআইনিভাবে কাউকে স্থাবর সম্পত্তি (যেমন: জমি-বাড়ি) থেকে দখলচ্যুত করে, তাহলে দখলচ্যুত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে আদালতে গিয়ে দখল ফেরত চেয়ে মামলা করতে পারবেন।
-------------------
 ⇒ According to Section 3 of the Limitation Act: Under the Specific Relief Act, 1877, section 9, the period of limitation to institute a suit to recover possession of immoveable property is six months. The period of limitation begins from the when the dispossession occurs.

১৩,২৭৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে জরুরি অবস্থা জারির বিধান সংযোজন করা হয়েছিল?
  1. প্রথম সংশোধনী
  2. দ্বিতীয় সংশোধনী
  3. তৃতীয় সংশোধনী
  4. চতুর্থ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী:
- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।
১৩,২৭৬.
দেওয়ানি আদালতকে কয় শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ৩ অনুযায়ী ৫ প্রকারের দেওয়ানি আদালত আছে।
১. জেলা জজের আদালত (The Court of District Judge)
২. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত (The Court of Additional District Judge)
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালত (The Court of Joint District Judge)
৪. সিনিয়র সহকারী জজের আদালত (The Court of Senior Assistant Judge)
৫. সহকারী জজের আদালত (The Court of Assistant Judge)

⇒ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-(ধারা-১৮ ও ১৯)
১.সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge)- ১৫ লক্ষ পর্যন্ত
২. সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)- ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)-২৫ লক্ষ এর উপরে
১৩,২৭৭.
বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত হবে না যদি:
  1. রায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদত্ত হলে
  2. রায়ে কোনো প্রমাণের অভাব থাকলে
  3. মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া হলে
  4. উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১৩ঃ যখন বিদেশি রায় চূড়ান্ত হয় না-

কোন বিদেশি আদালত কোন বিষয়ে বিচার করলে এবং তা একই পক্ষসমূহ অথবা তাদের সূত্রে এক বা একের অধিক স্বত্ব দাবিকারীর মধ্যে একই বিষয় সম্পর্কিত মোকদ্দমা হলে বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে; তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত-

ক) যখন উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত হয় নি;
খ) মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া না হলে;
গ) আন্তর্জাতিক আইনের ভ্রান্ত ব্যাখা অথবা মোকদ্দমাটির প্রতি প্রযোজ্য বাংলাদেশের আইন অস্বীকার করে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে কার্যধারাসমূহ হতে বুঝা গেলে;
ঘ) যে রায় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে, তাতে অনুসৃত পদ্ধতি ও কার্যক্রম ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হলে;
ঙ) প্রবঞ্চনা দ্বারা রায় সংগ্রহ করা হলে;
চ) বাংলাদেশে প্রচলিত কোন আইনের বিরোধী কোন দাবি রায়ে বজায় রাখা হলে।
১৩,২৭৮.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর কত অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন?
  1. ২১
  2. ২৩
  3. ২৪
  4. ২৭
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর ২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন।
--------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 23. (1) Entries in the roll shall be made in the order of seniority and such seniority shall be determined as follows, namely:-
(a) all such persons as are referred to in clause (a) of Article 20 shall be entered first in the order in which they were respectively entitled to seniority immediately before the commencement of this Order; and
(b) the seniority of any other person admitted to be an advocate under this Order after the commencement of this Order shall be determined by the date of his admission.
(2) Where the date of seniority of two or more persons is the same, the one senior in age shall rank as senior to the other.

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 24. The Bar Council shall issue a certificate of enrolment in the prescribed form to every person enrolled under Article 23.
১৩,২৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ময়নাতদন্ত(Post-mortem) এর কথা উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৭৪ (৩)
  2. ধারা ১৭৬ (২)
  3. ধারা ১৭৫ (২)
  4. ধারা ১৭৬ (১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪ (৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪ (৩)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪(৩) ধারায় ময়নাতদন্ত (Post-mortem) এর কথা বলা হয়েছে।কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
> আত্মহত্যা করেছে,অথবা
> অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে,অথবা
> এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে

অর্থ্যাৎ মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে বা অন্য কোন কারণে এই সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম সাপেক্ষে পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪(৩) অনুসারে ময়নাতদন্তের(Post mortem) জন্য লাশটি নিকটতম সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিৎসকের নিকট প্রেরণ করবেন।তবে আবহাওয়ার অবস্থা ও দূরত্বের জন্য লাশটি রাস্তায় পঁচে যাবার আশঙ্কা থাকলে ময়নাতদন্ত করা অর্থহীন হয়ে যাবে।সেক্ষেত্রে লাশ প্রেরণের প্রয়োজন নেই।
১৩,২৮০.
আবেদন সাপেক্ষে আসামী পক্ষকে কতদিনের মধ্যে রায়ের নকল দিতে হবে?
  1. অনতিবিলম্বে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
অনতিবিলম্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনতিবিলম্বে
ব্যাখ্যা
• ফৌজাদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুযায়ী,
আসামি আবেদন করলে আদালত অনতিবিলম্বে রায়ের নকল খরচ ছাড়া উক্ত পক্ষকে দিতে বাধ্য থাকবে।
 
Section 371- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application
 
⇒ On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a case under Chapter XX, be given free of cost. 

⇒ When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
১৩,২৮১.
আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত কোন আদালতে দাখিল করা যাবে?
  1. রিভিশন আদালত
  2. রেফারেন্স আদালত
  3. আপিল আদালত
  4. উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
সঠিক উত্তর:
উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪১ নং আদেশের ৫ ও ৬ নং বিধিতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখা সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হলেই ডিক্রিটির জারি কর্ম স্থগিত থাকবেনা, তবে নিম্নলিখিত কারণে আদালত ডিক্রি জারির কাজ স্থগিত রাখতে পারে। যথা-
i) আবেদনকারীর গুরুতর ক্ষতির আংশকা;
ii) যথাসময়ে আবেদন করলে;
iii) আবেদনকারী চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য যথাযথ জামানত দাখিল করেছে;
iv) আবেদনকারীর শুনানী সাপেক্ষে আদালত একতরফাভাবেও ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

♦ আদেশ ৪১ বিধি-৫ মতে আপিল আদালত কর্তৃক স্থগিত রাখা (Stay by appellate Court): আপিল চললে বা আপিল করা হলেই কোন ডিক্রির কার্যকারিতা স্থগিত হবে না। বরং ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা আপিল চলাকালে আপিল আদালতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য প্রার্থনা করা হলে তখন উল্লেখিত আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

♦এছাড়া ২১ আদেশের ২৬ থেকে ২৯ বিধিমতেও ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি জারি কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে। ২৬ বিধি অনুসারে শুধুমাত্র দেনাদার ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা আপিল আদালতে কোন ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করতে পারেন। দেনাদার আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।

♦ যে ক্ষেত্রে আপীল করার জন্য নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই কোন আপীলযোগ্য ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়, তখন উপযুক্ত কারণ থাকলে ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত করার আদেশ দিতে পারে। সুতরাং আপীলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত উক্ত ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে দাখিল করা যাবে।
১৩,২৮২.
‘ক’ আত্মহত্যার জন্য ১৬ বছর বয়সী তরুণী ‘খ’ কে প্ররোচিত করে তাঁকে দিয়ে আত্মহত্যা করালো। এখানে ‘ক’-এর অপরাধ কী?
  1. আত্মহত্যার প্ররোচনা
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা
  3. খুনের প্ররোচনা
  4. খুন
সঠিক উত্তর:
খুনের প্ররোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের প্ররোচনা
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ৫: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হিসেবে গণ্য হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বছর উপ হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
♦ ৫ নং ব্যতিক্রম হলো প্রাপ্ত বয়স্ক কোনো ব্যক্তি যদি নিজেই মৃত্যুর ঝুঁকি নেয় তাহলে মৃত্যুর সংঘটনকারী ব্যক্তি খুনের দায়ে নয়, শুধু নিন্দনীয় নরহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হবে এবং ৩০৪ ধারায় শাস্তি প্রাপ্ত হবে। কিন্তু ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে এই ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, এই ক্ষেত্রে সে খুনের প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে।
♦ উদাহরণঃ A প্ররোচনা দিয়ে, ইচ্ছাকৃতভাবে C- কে আত্মহত্যা করতে প্ররোচনা করে, C- এর বয়স আঠারো বছর অপেক্ষ কম। এক্ষেত্রে C যেহেতু অপ্রাপ্ত বয়স্ক তাই সে তার নিজের মৃত্যুকে সম্মতি দানে অপারগ ছিল; সুতরাং এ খুনে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা বা প্ররোচনা দান করেছে।
১৩,২৮৩.
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারায় "অপরাধমূলক বল প্রয়োগ" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. অনুমতি নিয়ে শারীরিক শক্তি প্রয়োগ
  2. শখের বশে কোন ধরনের শারীরিক আঘাত
  3. অন্যের সম্মতি ছাড়া শারীরিক শক্তি প্রয়োগ
  4. নিজের অধিকার আদায়ের জন্য শক্তি প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
অন্যের সম্মতি ছাড়া শারীরিক শক্তি প্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যের সম্মতি ছাড়া শারীরিক শক্তি প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ:
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

Section 350- Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.
১৩,২৮৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৩৩ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. গণ-উপদ্রব অপসারণ
  2. রাজনৈতিক সন্তোষ
  3. জমির দখলজনিত বিরোধ
  4. ভূমি বিরোধ জনিত শান্তি ভংগের আশঙ্কা
সঠিক উত্তর:
গণ-উপদ্রব অপসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণ-উপদ্রব অপসারণ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারার বিধান অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোন ভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গণউপদ্রব অপসারনের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন-
i) জনসাধারনের আইনসঙ্গত ব্যবহৃত পথ, নদী, খাল, প্রকাশ্য স্থান (public place) থেকে বেআইনী বাধা বা উৎপাত অপসারণ।
ii) জনসাধারনের স্বাস্থ্য বা শারীরিক আরামের জন্য ক্ষতিকর ব্যবসা, পেশা বা পণ্যদ্রব্যকে নিষিদ্ধ, নিয়ন্ত্রন বা অপসারণ।
iii) অগ্নিকান্ড বা বিস্ফোরণের আশংকাযুক্ত দ্রব্যের নিরাপদ সংরক্ষণের আদেশ।
iv) যে কোন সময় পড়ে যেতে পারে এরকম ঘর, তাবু বা গাছ প্রভৃতির অপসারণ বা ঠেস দেয়ার নির্দেশ। v) সর্বসাধারণের স্থানে (public place) পুকুর, কূপ বা গর্তের চারদিকে বেড়া দেয়ার নির্দেশ।
vi) বিপজ্জনক পশু বা প্রাণীকে আটক বা ধ্বংসের নির্দেশ।
১৩,২৮৫.
রাজন একজন সরকারি কর্মচারীকে হুমকি দিয়েছিল যে, যদি সে রাজনের মেয়েকে তার অফিসে চাকরি না দেয়, তবে তার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেবে। রাজন কর্তৃক উক্ত কাজ-
  1. শাস্তিযোগ্য নয়
  2. সর্বোচ্চ ২ বছর শাস্তিযোগ্য
  3. সর্বোচ্চ ৩ বছর শাস্তিযোগ্য
  4. সর্বোচ্চ ৫ বছর শাস্তিযোগ্য
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২ বছর শাস্তিযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২ বছর শাস্তিযোগ্য
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১৩,২৮৬.
একজন এ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করবে,যদি তাকে মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে হয় নিম্নোক্ত কোন বিষয়ে?
  1. কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
  2. কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে
  3. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
  4. মামলায় উক্ত আইনজীবীর নিযুক্তি বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
মামলায় উক্ত আইনজীবীর নিযুক্তি বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলায় উক্ত আইনজীবীর নিযুক্তি বিষয়ে
ব্যাখ্যা

উত্তর: মামলায় উক্ত আইনজীবীর নিযুক্তি বিষয়ে।

⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা ,২য় অধ্যায়ে বিধি-১৩: যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা।

অর্থাৎ মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-১৩ অনুযায়ী কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে, কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে, অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে, একজন অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করতে হয় না।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette,Rule-13: When an Advocate is a witness for his client except as to merely formal matters, such as the attestation or custody, of an instrument and the like, he should leave the trial of the case to other Advocates. Except when essential to the ends of justice, an Advocate should avoid testifying in court on behalf of his client.

১৩,২৮৭.
নিচের কোন আইনে সরাসরি Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত বিধান নেই?
  1. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩
  2. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ Alternative Dispute Resolution (ADR) বলতে বোঝায় আদালতের বাইরে আইনি স্বীকৃত উপায়ে (যেমন: মধ্যস্থতা, সালিশ, আপস) বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধ মেটাতে পারেন।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) সংক্রান্ত বিধান উল্লিখিত প্রশ্নের নিম্নলিখিত আইনগুলোতে রয়েছে:
- অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ – এই আইনে মামলা নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে ADR-এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
- পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ – এই আইনের ধারা ১১ ও ১৪-তে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে আপস ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে ADR পদ্ধতির বিধান রয়েছে।
- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ – ধারা ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) অনুযায়ী আদালতের সহায়তায় মধ্যস্থতা, সালিশ, সমঝোতার মাধ্যমে ADR বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অন্যদিকে, 
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ সাধারণভাবে Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত কোনো স্পষ্ট বা সরাসরি বিধান নেই।
- কারণ এটি মূলত অপরাধ সংক্রান্ত বিচারপ্রক্রিয়া পরিচালনা করে। কিছু ক্ষেত্রে আপস (compounding of offences) করার সুযোগ থাকলেও তা ADR নয়, বরং আইনসিদ্ধ নির্দিষ্ট আপসযোগ্য অপরাধের একটি সীমিত ক্ষেত্র।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৫-এ যেসব অপরাধ আপসযোগ্য, এটি ADR নয়, বরং ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার অংশ।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮।
১৩,২৮৮.
অভিযোগ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতিতে কোনো মামলা প্রত্যাহার করলে আসামীকে ________ দিতে হবে।
  1. মুক্তি
  2. দণ্ড
  3. খালাস
  4. অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১৩,২৮৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. আদেশ
  2. ডিক্রি
  3. আপিল
  4. অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.
১৩,২৯০.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুসারে চুরির সংজ্ঞায় কোনটি অপরিহার্য শর্ত নয়?
  1. অসাধু উদ্দেশ্য
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. সম্পত্তির দখল থেকে স্থানান্তর
  4. সম্পত্তির মালিকের লিখিত সম্মতি
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির মালিকের লিখিত সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির মালিকের লিখিত সম্মতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির (Penal Code, 1860) ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী চুরির জন্য পাঁচটি মূল উপাদান অপরিহার্য:
১) অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে;
২) সম্পত্তিটি কারো দখলে থাকতে হবে;
৩) দখলদারের সম্মতি ছাড়া নিতে হবে;
৫) অসাধু উদ্দেশ্যে নিতে হবে;
ঐ সম্পত্তিকে স্থানান্তর করতে হবে।
কিন্তু "সম্মতি" শব্দটি আইন অনুযায়ী প্রকাশ্য (express) অথবা পরোক্ষ (implied) হতে পারে। এটি লিখিত হওয়া আবশ্যক নয়।
অতএব, "লিখিত সম্মতি" চুরির সংজ্ঞায় অপরিহার্য নয়। এজন্য লিখিত সম্মতি চুরির অপরিহার্য শর্ত নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১৩,২৯১.
The Limitation Act, 1908 এ 'Bill of Exchange'-এর সংজ্ঞায় কোনগুলো অন্তর্ভুক্ত?
  1. কেবল হুন্ডি
  2. কেবল প্রমিসরি নোট
  3. কেবল চেক
  4. হুন্ডি ও চেক উভয়ই
সঠিক উত্তর:
হুন্ডি ও চেক উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুন্ডি ও চেক উভয়ই
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908 এর সংজ্ঞাসমূহ (ধারা ২):
এই আইনে, যদি প্রেক্ষাপট বা বিষয়বস্তুর সাথে অসামঞ্জস্য না থাকে, তাহলে—

১. “আবেদনকারী” (Applicant): আবেদনকারীর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে আবেদনকারী তার আবেদন করার অধিকার লাভ করেছে।

২. “বিল অব এক্সচেঞ্জ” (Bill of Exchange): এর মধ্যে হুন্ডি ও চেক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

৩. “বন্ড” (Bond): এমন কোনো দলিল, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যজনকে টাকা পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে, এই শর্তে যে, নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পাদিত হলে বা না হলে (যথাযথ ক্ষেত্রে), সেই অঙ্গীকার অকার্যকর হবে।

৪. “বিবাদী” (Defendant): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে কোনো বিবাদী তার দায়-দায়িত্ব অর্জন করেছে, অর্থাৎ যার কারণে তাকে মামলা করা যেতে পারে।

৫. “সুখাধিকার” (Easement): এমন একটি অধিকার যা চুক্তি থেকে উদ্ভূত নয়, কিন্তু যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যের জমি থেকে নিজের স্বার্থে মাটি, গাছপালা বা অন্য কোনো জিনিস অপসারণ করে ব্যবহার করতে পারেন।

৬. “বিদেশি দেশ” (Foreign Country): বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য যেকোনো দেশ।

৭. “সদ্ভাব” (Good Faith): কোনো কাজ যদি যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া সম্পাদিত হয়, তবে সেটি সদ্ভাবে (good faith) সম্পাদিত বলে গণ্য হবে না।

৮. “বাদী” (Plaintiff): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে মামলাকারী তার মামলা করার অধিকার অর্জন করেছে।

৯. “প্রমিসরি নোট” (Promissory Note): এমন একটি দলিল, যার মাধ্যমে নির্মাতা (maker) নিঃশর্তভাবে প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নির্দিষ্ট সময়ে, অথবা দাবির ভিত্তিতে, অথবা দর্শনের ভিত্তিতে অপর পক্ষকে পরিশোধ করবেন।

১০. “মোকদ্দমা” (Suit): এর মধ্যে আপিল বা আবেদন অন্তর্ভুক্ত নয়।

১১. “ট্রাস্টি” (Trustee): এর মধ্যে বেনামি মালিক (benamider), ঋণ পরিশোধের পরও দখলে থাকা বন্ধকগ্রহীতা (mortgagee), বা অবৈধভাবে দখলকারী (wrong-doer) অন্তর্ভুক্ত নয়।

১৩,২৯২.
ফৌজদারী কার্যবিধি আইন কার্যকর হয়-
  1. ১লা মার্চ ১৯৯৮
  2. ১লা জুলাই ১৮৯৮
  3. ১লা জুলাই ১৮৬০
  4. ২২ মার্চ ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের আইন। ফৌজদারী কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন।
- কারণ এই আইনে ফৌজদারী আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, মামলার তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে।
- ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারী কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়।
- ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।

- অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধিটি প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এবং কার্যকর হয় ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই।
১৩,২৯৩.
আদালত নিম্নের কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন?
  1. পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  2. পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  3. পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন।

• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
১৩,২৯৪.
দণ্ডবিধিতে বর্ণিত সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড কত টাকা?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
১৩,২৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির __________ অনুসারে রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে হয়।
  1. আদেশ-৪০, বিধি-১
  2. আদেশ-৪০, বিধি-২
  3. আদেশ-৪০, বিধি-৩
  4. আদেশ-৪০, বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-২
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) আদেশ-৪০, বিধি-২।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-২ এ বলা হয়েছে:
"The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver."
অর্থাৎ, আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের সেবার জন্য যে পরিমাণ অর্থ পারিশ্রমিক হিসেবে প্রদান করা হবে তা নির্ধারণ করতে পারে।
- এটি স্পষ্টভাবে রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান।

আদেশ ৪০ – রিসিভার নিয়োগ:
১. রিসিভার নিয়োগ:
১.(১) যদি আদালতের নিকট এটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা—
(ক) যে কোনো সম্পত্তির (ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে) রিসিভার নিয়োগ করতে পারে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে ঐ সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করতে পারে;
(গ) উক্ত সম্পত্তি রিসিভারের দখল, হেফাজত বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে; এবং
(ঘ) রিসিভারকে এমন সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ, সম্পত্তি উদ্ধার, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ, সেগুলোর প্রয়োগ ও ব্যয়, এবং দলিল সম্পাদন—যেমন মালিক নিজে করতে পারতেন, অথবা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে সেই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
১.(২) এই বিধানের কিছুই আদালতকে কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা প্রদান করে না, যদি না মামলার কোনো পক্ষ সেই ব্যক্তিকে বর্তমানে অপসারণ করার অধিকার রাখে।

২. পারিশ্রমিক: রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।

Order XL – Appointment of Receivers
1. Appointment of Receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order—
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property;
(c) commit the same to the possession, custody, or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation, and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

2. Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
১৩,২৯৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে কোনটি সঠিক?
  1. Rescission for mistake
  2. Principles of rectification
  3. What instruments may be partially cancelled
  4. Alternative prayer for rescission in suit for specific performance
সঠিক উত্তর:
Principles of rectification
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Principles of rectification
ব্যাখ্যা
Section 33- Principles of rectification:
In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.

৩৩ ধারা: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
লিখিত দলিল সংশোধন করার সময়, আদালত শুধুমাত্র এ বিষয়টি অনুসন্ধান করতে সীমাবদ্ধ থাকবে না যে, দলিলের ভাষার অর্থ কী হওয়ার কথা ছিল। বরং আদালত এও অনুসন্ধান করতে পারবে যে, দলিলটির উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর আইনগত পরিণতি কী হওয়ার কথা ছিল।

এর বিস্তারিত অর্থ হলো: লিখিত দলিল সংশোধন বা ব্যাখ্যা করার সময়, আদালত কেবলমাত্র দলিলের শব্দগুলির অর্থ কী ছিল সে বিষয়টি অনুসন্ধান করতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আদালত এ ছাড়াও অনুসন্ধান করতে পারবে যে:
১) দলিলটির মূল অভিপ্রায় বা উদ্দেশ্য কী ছিল;
২) দলিলটির আইনগত প্রভাব বা পরিণতি কী হওয়ার কথা ছিল।

অর্থাৎ আদালত দলিলটির শুধু শব্দগত অর্থই নয়, বরং দলিলের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য এবং আইনগত পরিণামও বিবেচনা করতে পারবে। এটি আদালতকে দলিলটির প্রকৃত অর্থ এবং উদ্দেশ্য অনুধাবন করতে সহায়তা করবে।
১৩,২৯৭.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে কোন দণ্ডে পরিবর্তন করা যেতে পারে?
  1. অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  2. অনূর্ধ্ব ১৫ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  3. অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  4. অনূর্ধ্ব ৩০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির  ৫৫ ধারার বিধান- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ডাজ্ঞা হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
১৩,২৯৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণের বিধান আছে?
  1. ৩৫৯
  2. ৩৬২
  3. ৩৬০
  4. ৩৬১
সঠিক উত্তর:
৩৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০
ব্যাখ্যা
 দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান- বাংলাদেশ হইতে মনুষ্যহরণ:
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
-------------------------
Section-360: Kidnapping from Bangladesh, etc.
-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.
১৩,২৯৯.
হোল্ডিং ওভার (Holding over) কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. বন্ধক
  2. ইজারা
  3. ট্রাস্ট
  4. দান
সঠিক উত্তর:
ইজারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইজারা
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ১১৬ ধারায় হোল্ডিং ওভার (Holding Over) সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত আছে; যা ইজারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১১৬ ধারার বিধান: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া:
যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।
১৩,৩০০.
আদালত কোন কারণে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতির আবেদন অগ্রাহ্য করবে?
  1. যদি আবেদনকারীর সম্পত্তি কম থাকে
  2. আবেদনকারী অভিযোগের কারণ প্রদর্শন না করলে
  3. আবেদনকারী সম্পত্তির বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করলে
  4. আবেদনের পূর্বের ৩ মাসের মধ্যে তঞ্চকতামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারী অভিযোগের কারণ প্রদর্শন না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারী অভিযোগের কারণ প্রদর্শন না করলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৫: আবেদনপত্র অগ্রাহ্য:

নিম্নোক্ত উপায়ে নিঃস্ব ব্যক্তির ন্যায় আদালতে অভিযুক্ত করারআবেদন আদালত অগ্রাহ্য করতে পারে-
ক) যেক্ষেত্রে ২ এবং ৩ বিধিসমূহের নির্ধারিত পদ্ধতিতে এটি প্রণয়ন ও দাখিল করা হয়নি; বা
খ) যেক্ষেত্রে আবেদনকারী নিঃস্ব নয়; বা
গ) যেক্ষেত্রে সে আবেদনপত্র উপস্থাপনের অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে তঞ্চকতা-মূলকভাবে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে সমর্থ হওয়ার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে; বা
ঘ) যেক্ষেত্রে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ দেখানো হয় না; বা
ঙ) যেক্ষেত্রে যে প্রস্তাবিত মোকদ্দমার অধীনে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌঁছেছে, যার ফলে উক্ত বিষয়বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তি স্বার্থ অর্জন করেছে সে সকল ক্ষেত্রে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি লাভের প্রার্থনা আদালত অগ্রাহ্য করবে।