বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১৩১ / ১৫৫ · ১৩,০০১১৩,১০০ / ১৫,৪৭০

১৩,০০১.
কোনো দলিল গোপন করার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির তামাদির মেয়াদ গণনা কখন শুরু হবে?
  1. দলিল গোপন করার দিন থেকে
  2. দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে
  3. দলিল তৈরি করার দিন থেকে
  4. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে কোনো দলিল গোপন করা হয়, এবং সেই দলিল তার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে: যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় অথবা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করতে বাধ্য করতে সক্ষম হয়, সেই দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
১৩,০০২.
'সময়ের অবিরাম চলন' The Limitation Act, 1908 এর কত ধারার বিধান?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তি কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্বপালঙ্কালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
♦অর্থাৎ 'সময়ের অবিরাম চলন' হল তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান।
১৩,০০৩.
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called _______ relief.
  1. temporary
  2. preventive
  3. mandatory
  4. substantive
সঠিক উত্তর:
preventive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
preventive
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।

-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান: নিরোধক প্রতিকার: ৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 6- Preventive relief:
-Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
১৩,০০৪.
কোন অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ চুরি বলে গণ্য হবে যদি সম্পত্তিটি যেকোন ব্যক্তির দখল হতে-
  1. ভয় দেখিয়ে গ্রহণ করা হয়
  2. জোরপূর্বক (Extortion) গ্রহণ করা হয়
  3. অসাধুভাবে (Dishonestly) গ্রহণ করা হয়
  4. প্রতারণামূলকভাবে (Fraudulently) গ্রহণ করা হয়
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে (Dishonestly) গ্রহণ করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে (Dishonestly) গ্রহণ করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১৩,০০৫.
নিচের কোন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি আইন অনুসারে চুক্তির করার অযোগ্য?
  1. নাবালক
  2. নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি
  3. মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন।
- অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
- এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।
- চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
----------------------
⇒ The Contract Act, 1872: Section-11: Who are competent to contract:
-Every person is competent to contract who is of the age of majority according to the law to which he is subject, and who is of sound mind, and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.
১৩,০০৬.
তামাদি মেয়াদের পরে দেওয়ানি মামলা দায়ের করার ফল হচ্ছে-
  1. আরজি নাকচ
  2. আরজি ফেরৎ
  3. মামলা খারিজ
  4. কোর্ট ফি বাতিল
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মোকদ্দমার ফলাফল: ৩ ধারার মূল বিধান হলো তামাদির মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত দেওয়ানি মোকদ্দমা খারিজ হবে।
♦ অর্থাৎ, প্রথম তফসিলে বর্ণিত নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত দায়ের করলে বিবাদীপক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন না করলেও মোকদ্দমা খারিজ হবে।
১৩,০০৭.
Can a police officer act without prior authorization under Section 152 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. No, they must wait for a court order
  2. Yes, but only after informing the local magistrate
  3. No, they need permission from a superior officer
  4. Yes, the officer can act on their own authority
সঠিক উত্তর:
Yes, the officer can act on their own authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Yes, the officer can act on their own authority
ব্যাখ্যা
• Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
১৩,০০৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কোন ধারায় “মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরে ক্ষমতা” বিধান রয়েছে?
  1. ২১ ধারা
  2. ২০ ধারা
  3. ২৪ ধারা
  4. ২২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ২২ ধারায় বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারবে।
• যদি মোকদ্দমাটি ২ বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।
• বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে সম্ভাব্য ১ম সুযোগে বা যে ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় বা পূর্বে মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়।
১৩,০০৯.
According to Article 121, how many electoral rolls should there be for each constituency?
  1. One
  2. Two
  3. Multiple based on religion and caste
  4. Determined by the Election Commission
সঠিক উত্তর:
One
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One
ব্যাখ্যা
Article 121: Single electoral roll for each constituency-
There shall be one electoral roll for each constituency for the purposes of elections to Parliament, and no special electoral roll shall be prepared so as to classify electors according to religion, race, caste or sex.

১২১- প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা:
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।
১৩,০১০.
হেবা গ্রহণের পূর্বে দানগ্রহীতা মৃত্যুবরণ করলে, উক্ত হেবা-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে বৈধ
  4. দাতার অনুমোদন সাপেক্ষে বৈধ
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা

• দান বা হেবা:
আইনের সরল ভাষায়, এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তির কাছে স্বেচ্ছায় এবং বিনা প্রতিদানে কতিপয় বিদ্যমান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তরকে দান বলে। মুসলিম আইনে একে 'হেবা' বলা হয়।

কোনো হেবা আইনানুগ হতে হলে অবশ্যই সেখানে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। সেগুলো হলো-
(১) দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা বা প্রস্তাব (Offer);
(২) দানগ্রহীতা কর্তৃক উহা গ্রহণ (Acceptance);
(৩) দাতা কর্তৃক দানগ্রহীতাকে দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে। এই শর্তগুলো যদি পালন করা হয়, তাহলে হেবাটি আইনানুগভাবে সিদ্ধ হবে ।

হেবা করার যোগ্যতা-
নাবালক নয় এমন সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমান হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।
 
কে হেবা গ্রহণ করতে পারে-
একজন মুসলিম তার সমগ্র ভূ-সম্পত্তি যেকোনো ব্যক্তি, হোক সে অমুসলিম বরাবর দান করতে পারেন। অর্থাৎ গ্রহীতার ক্ষেত্রে সাবালক, নাবালক, পুত্র, অপুত্র, স্বামী কিংবা স্ত্রী, ধনী-নির্ধন বালাই নেই, যে কাউকে দান করা যায় এবং তিনি বা তারা নির্বিবাদে দান গ্রহণ করতে পারেন। যদি হেবা গ্রহণের পূর্বে গ্রহীতা (Donee) মৃত্যুবরণ করেন, তবে হেবা গ্রহণের শর্ত পূরণ করা সম্ভব হয় না। এর ফলে গিফট কার্যকর হয় না এবং সেটি বাতিল (Void) হিসেবে বিবেচিত হয়।

১৩,০১১.
'A', residing in Chittagong, publishes defamatory statements about 'B' in Dhaka. Where can 'B' file a lawsuit against 'A'?
  1. In any district court
  2. Only in Dhaka
  3. Only in Chittagong
  4. Either in Dhaka or in Chittagong
সঠিক উত্তর:
Either in Dhaka or in Chittagong
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Either in Dhaka or in Chittagong
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯: ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা:
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
উদাহরণঃ
ক) 'এ'-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে 'বি'-কে ঢাকায় মারধর করে। 'বি' ঢাকায় বা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
খ) চট্টগ্রামে বসবাসকারী 'এ' ঢাকায় 'বি' সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। 'বি' ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plaintiff in either of the said Courts.

Illustrations-
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka. B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
১৩,০১২.
কোন ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযোগ গঠনে সুস্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা আবশ্যক নয়?
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
• অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ বা অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাত অপরাধের অভিযোগ গঠনের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করলেও চলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২২ অনুসারে অভিযোগে সময়, স্থান ও ব্যক্তি সম্পর্কে যে যে বিবরণ থাকবে-

(১) চার্জে অপরাধের সময় ও স্থান এবং যার বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি অথবা যে জিনিস সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে সেই বস্তু সম্বন্ধে এমন তথ্য থাকবে,যার ফলে অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয় সম্পর্কে যুক্তিসংগতভাবে জানতে পারে।

(২) যখন অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ বা অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়,তখন সুষ্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করে যে পরিমাণ টাকা সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে মোটামুটিভাবে তা এবং যে তারিখগুলির মধ্যে অপরাধ করা হয়েছে,তা উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে এবং এরূপে গঠিত অভিযোগ ২৩৪ ধারার অর্থানুসারে একটি মাত্র অপরাধের অভিযোগ বলে গণ্য হবে।তবে শর্ত এই যে,উক্ত প্রথম ও শেষ তারিখের মধ্যবর্তী সময় এক বছর অতিক্রম করবে না।
১৩,০১৩.
একটি দেওয়ানি মামলায় বিবাদী সমনের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়। আদালত তাকে আরও ৩০ কার্যদিবস সময় দেয়, কিন্তু সে তাতেও লিখিত জবাব দাখিল করেনি। এই পরিস্থিতিতে আদালত কী পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করে দেবে
  2. পুনরায় সময় বৃদ্ধি করবে
  3. বিবাদীকে জরিমানা করবে
  4. একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
সঠিক উত্তর:
একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না। আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
১৩,০১৪.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রস্তাবনায় কোনটি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে?
  1. সামরিক শাসন
  2. বাণিজ্যিক স্বার্থ সংরক্ষণ
  3. মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার
  4. রাজনৈতিক দলগুলোর আধিপত্য
সঠিক উত্তর:
মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা (Preamble)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো:
“গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা - যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে।”
- এখানে সরাসরি মৌলিক মানবাধিকার (fundamental human rights) এবং সুবিচার (justice) নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার।

১৩,০১৫.
"Doctrine of Double Possibilities" বা দ্বৈত সম্ভাবনার বিরোধী বিধি সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
ব্যাখ্যা

⇒ "Doctrine of Double Possibilities" বা দ্বৈত সম্ভাবনার বিরোধী বিধি সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১৩ এর সাথে সম্পর্কিত। এই নীতি অনুসারে, একের অধিক প্রজন্ম পর্যন্ত সম্পত্তি হস্তান্তর অযোগ্য করে কোনো অজাত ব্যক্তির সুবিধার জন্য সম্পত্তি হস্তান্তর করা হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। ধারা ১৩ এ বলা হয়েছে, অজাত ব্যক্তির জন্য স্বত্ব সৃষ্টি করতে হলে একই দলিলে জীবনস্বত্ব সৃষ্টি করতে হবে এবং শুধুমাত্র এক সম্ভাবনা পর্যন্ত হস্তান্তর মঞ্জুর করা যায়।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১৩: অজাত ব্যক্তির সুবিধার জন্য হস্তান্তর (Transfer for Benefit of Unborn Person)
- নীতি: একই হস্তান্তর দ্বারা পূর্ববর্তী কোনো স্বত্ব সৃষ্টি সাপেক্ষে, হস্তান্তরের তারিখ পর্যন্ত জন্মগ্রহণ করেনি এমন কোনো ব্যক্তির সুবিধার জন্য স্বত্ব সৃষ্টি করা হলে, সম্পত্তিতে দাতার অবশিষ্ট সমগ্র স্বত্ব অন্তর্ভুক্ত না হলে অজাত ব্যক্তি বরাবর স্বত্ব কার্যকর হবে না।
- গুরুত্বপূর্ণ: কোনো অজাত ব্যক্তি বরাবর সরাসরি সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না। জীবনস্বত্ব সৃষ্টি করা গেলে তা বাতিল গণ্য হবে।

- শর্ত সাপেক্ষে হস্তান্তর করা যায় (অজাত ব্যক্তির বরাবর):
একই দলিলে এক বা একাধিক ব্যক্তি বরাবর জীবনস্বত্ব/ট্রাস্ট সৃষ্টি করতে হবে।
 জীবন স্বত্বের পরে অজাত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ/চূড়ান্ত স্বত্ব দান করতে হবে।
শেষ জীবনস্বত্বের পরিসমাপ্তির পূর্বেই অজাত ব্যক্তিকে জন্মগ্রহণ করতে হবে।
হস্তান্তর স্থগিত রাখার সময়কাল: এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল + মায়ের গর্ভে থাকাকালীন সময়।

দ্বৈত সম্ভাবনার বিরোধী বিধি (Doctrine of Double Possibilities): একের অধিক প্রজন্ম পর্যন্ত সম্পত্তি হস্তান্তর অযোগ্য করে কোনো অজাত ব্যক্তি বরাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। আইন শুধুমাত্র এক সম্ভাবনা পর্যন্ত হস্তান্তর মঞ্জুর করে।

উদাহরণ: A তার নিজের এবং তার হবু স্ত্রীর জীবনে লাভের জন্য সম্পত্তি B-এর নিকট অছিমূলে হস্তান্তর করলো, এই শর্তে যে তাদের মৃত্যুর পর বিবাহজাত প্রথম পুত্র জীবন স্বত্ব পাবে এবং তার মৃত্যুর পর A-এর দ্বিতীয় পুত্র সম্পত্তি লাভ করবে। এক্ষেত্রে অজাত প্রথম পুত্রের স্বত্ব কার্যকর হবে না কারণ A-এর সমগ্র স্বার্থ তাতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

১৩,০১৬.
দণ্ডবিধির ৯৭ ধারায় ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র নিজের দেহ রক্ষার অধিকার আছে
  2. শুধুমাত্র নিজের সম্পত্তি রক্ষার অধিকার রয়েছে
  3. ক এবং খ
  4. নিজের এবং অন্যের দেহ ও সম্পত্তি রক্ষার অধিকার রয়েছে
সঠিক উত্তর:
নিজের এবং অন্যের দেহ ও সম্পত্তি রক্ষার অধিকার রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের এবং অন্যের দেহ ও সম্পত্তি রক্ষার অধিকার রয়েছে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা অনুযায়ী, ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে;
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।

Section 97- Right of private defence of the body and of property:
Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend-
Firstly.-His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body;
Secondly.-The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
১৩,০১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আপীলের স্মারকলিপির সাথে কোন নথি অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে?
  1. মামলার সমস্ত দলিল
  2. সাক্ষীদের হলফনামা
  3. নিম্ন আদালতের রেকর্ড 
  4. আপীলকৃত ডিক্রির নকল
সঠিক উত্তর:
আপীলকৃত ডিক্রির নকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীলকৃত ডিক্রির নকল
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪১, বিধি ১(১) অনুসারে, আপীলের স্মারকলিপির (memorandum) সাথে অবশ্যই যে ডিক্রি থেকে আপীল করা হচ্ছে তার একটি নকল (copy of the decree appealed from) সংযুক্ত করতে হবে। এছাড়া, (যদি না আপীল আদালত ছাড় দেয়) সেই রায়ের নকলও যার উপর ডিক্রি প্রতিষ্ঠিত, তা সংযুক্ত করতে হয়। অন্যান্য অপশনগুলো (মামলার সমস্ত দলিল, সাক্ষীদের হলফনামা বা নিম্ন আদালতের সম্পূর্ণ রেকর্ড) এই বিধির অধীনে বাধ্যতামূলক নয়; সেগুলো পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুসারে দাখিল করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
-(১) প্রত্যেকটি আপীল আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপির আকারে পেশকরতে হবে এবং আদালত বা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মচারীর নিকট দাখিল করতে হবে। যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে এবং (যদি না আপীল আদালত ইহার প্রয়োজনীয়তা শেষ করেন) যে রায়ের উপর উহা প্রতিষ্ঠিত, তার একটি নাকল স্বারকলিপির সঙ্গে প্রদান করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির সারমর্মঃ যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে, সেই ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির সঙ্গত কারণগুলি সংক্ষেপে এবং স্পষ্ট শিরোনামে স্বারকলিপিতে কোন তর্ক বা ধারাবাহিক বর্ণনা ব্যতিত ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং এরূপ সঙ্গত কারণগুলি ধারাবাহিক নম্বর যুক্ত হতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-1.Form of appeal. What to accompany memorandum:
(1) Every appeal shall be preferred in the form of a memorandum signed by the appellant or his pleader and presented to the Court or to such officer as it appoints in this behalf. The memorandum shall be accompanied by a copy of the decree appealed from and (unless the Appellate Court dispenses therewith) of the Judgment on which it is founded. 

- Contents of memorandum:
(2) The memorandum shall set forth, concisely and under distinct heads, the grounds of objection to the decree appealed from without any argument or narrative; and such grounds shall be numbered consecutively. 

১৩,০১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারার অধীনে সদাচরণের জন্য মুচলেকার সময়সীমা কত হতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ছয় মাস
  2. সর্বোচ্চ এক বছর
  3. সর্বোচ্চ দুই বছর
  4. সর্বোচ্চ তিন বছর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ এক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ এক বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারায় বলা হয়েছে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সন্দেহভাজন বা ভবঘুরে ব্যক্তির কাছ থেকে তার সদাচরণের নিশ্চয়তা হিসেবে একটি মুচলেকা নিতে পারেন। এই মুচলেকার সময়সীমা এক বছরের বেশি হতে পারবে না। অর্থাৎ, ম্যাজিস্ট্রেট যেকোনো মেয়াদ নির্ধারণ করতে পারেন এক বছরের মধ্যে, যা এই ব্যক্তির ভাল আচরণ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োগ করা হয়। তাই, সময়সীমা সর্বোচ্চ এক বছর ধরা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সদাচরণের মুচলেকা: যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে-
ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা
খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না,
সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যে-রূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দেওয়ার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 109. Security for good behaviour from vagrants and suspected persons:
Whenever a District Magistrate or an Executive Magistrate receive information- 
(a) that any person is taking precautions to conceal his presence within the local limits of such Magistrate's jurisdiction, and that there is reason to believe that such person is taking such precautions with a view to committing any offence, or 
(b) that there is within such limits a person who has no ostensible means of subsistence, or who cannot give a satisfactory account of himself,
such a Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding one year, as the Magistrate thinks fit to fix.
১৩,০১৯.
আপীল আদালত আপীল পুনঃশুনানীর [Re hearing of Appeal] আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, আপীলকারী-
  1. আপীল করতে পারবে
  2. রিভিশন করতে পারবে
  3. রিভিউ করতে পারবে
  4. পুনরায় শুনানী করত
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৪১ বিধি-১৯ আনুযায় বিধি ১১, ১৫, ১৭ বা ১৮ এর অধীন আপিল খারিজ করা হলে আপিলকারী আপিল আদালতে আপিল পুনঃগ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারে; এবং আদালত খরচ সম্পর্কিত শর্ত সাপেক্ষে আপিলটি পুনঃগ্রহণ করবেন।
আপিল পুনঃগ্রহণের আবেদন- নামঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান করা হলে- আপিল করা যাবে এবং মঞ্জুর করা হলে- রিভিশন করা যাবে।

♦ আদেশ ৪১ বিধি-২১ আনুযায় আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি করা হলে এবং রায় ঘোষণা করা হলে আপিলটি পুনঃশুনানির জন্য প্রতিবাদী (Respondent) যদি আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করে যে নোটিশটি যথারীতি জারি হয়নি বা যথেষ্ট কারণে উপস্থিত হতে পারেনি তাহলে আদালত আপিলটি পুনরায় শ্রবণ করবেন। আপিল পুনঃশুনানির আবেদন- প্রত্যাখ্যান হলে- আপিল করা যাবে এবং  মঞ্জুর হলে- রিভিশন করা যাবে

♦ আদেশ ৪৩ বিধি অনুযায়ী আপীল পুনঃগ্রহণ বা আপীল পুন:শুনানীর আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপীলযোগ্য আদেশ এবং ৪৩ বিধি অনুযায়ী এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। কিন্তু আপীল পুনঃগ্রহণ বা পুন:শুনানীর আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না। 
১৩,০২০.
No ___________ shall lie from any order passed in appeal under section 104 of The Code of Civil Procedure, 1908.
  1. revision
  2. appeal
  3. review
  4. reference
সঠিক উত্তর:
appeal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
appeal
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।
- কোন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩ তে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৪ ধারায় এবং ৪৩ আদেশে আপীলযোগ্য আদেশ  এর তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ যদি ১০৪ ধারায় বা ৪৩ আদেশে উল্লেখিত কোন আপীলযোগ্য আদেশ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০৪(২) অনুসারে আপিলে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল চলবে না। অর্থাৎ ২য় আপিলের সুযোগ নেই।
--------------------------------
⇒ CPC Section-104. Orders from which appeal lies.
(1) An appeal shall lie from the following orders, and save as otherwise expressly provided in the body of this Code or by any law for the time being in force, from no other orders:
(ff) an order under section 35A;
(g) an order under section 95; 
(h) an order under any of the provisions of this Code imposing a fine or directing the arrest or detention in the civil prison of any person except where such arrest or detention is in execution of a decree; 
(i) any order made under rules from which an appeal is expressly allowed by rules: 
Provided that no appeal shall lie against any order specified in clause (ff) save on the ground that no order, or an order for the payment of a less amount, ought to have been made. 
 
(2) No appeal shall lie from any order passed in appeal under this section.
১৩,০২১.
কত বছরের মধ্যে দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের করতে হয়?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
-The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
 
- প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়।
 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে।
- দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
- চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
-  দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।
---------------------------------
SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
১৩,০২২.
হিন্দু আইনে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে কন্যাদের মধ্যে অগ্রাধিকার পাবে-
  1. অবিবাহিত কন্যা
  2. পুত্রবর্তী কন্যা
  3. বিধবা কন্যা
  4. সন্তানহীন কন্যা
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিত কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিত কন্যা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকার সম্পর্কিত কিছু সাধারণ নিয়ম-

(১) পুত্র পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী;
(২) পুত্র একাধিক হলে সমান হারে সম্পত্তি পাবে; 
(৩) পুত্র মারা গিয়ে থাকলে পৌত্র উত্তরাধিকারী হবে (পিতার অংশ পাবে);
(৪) বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ ‘জীবন স্বত্ব পাবে। (সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের অধিকার আইনের ৩(১) ধারা);
(৫) একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে;
(৬) মৃতের বিধবা পুত্রবধূ/প্রপৌত্রবধূ থাকলে সে এক পুত্রের সমান ‘জীবন স্বত্ত্ব’ পাবে;
(৭) কন্যার পূর্বের কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে কন্যা পিতার সম্পত্তি পাবে;
(৮) কন্যাদের মধ্যে ‘কুমারী কন্যার’ দাবি প্রথম এবং সে-ই সব সম্পত্তি পাবে;
(৯) কুমারী কন্যা না থাকলে পুত্রবর্তী কন্যা উত্তরাধিকারী হবে;
(১০) বন্ধ্যাকন্যা, বিধবা কন্যা, সন্তানহীন কন্যা এবং যে সব কন্যার শুধু কন্যা সন্তান আছে তারা উত্তরাধিকারী হবে না। তবে এরূপ কন্যাদের মধ্যে যে, কোন দত্তকপুত্র গ্রহণ করেছে সে বঞ্চিত হবে না।
১৩,০২৩.
'ফৌজদারি আদালতের বিচার কার্যক্রমে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারে।'- The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৩৫১ ধারায়
  2. ৩৫৩ ধারায়
  3. ৩৫২ ধারায়
  4. ৩৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
 
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
 
Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
১৩,০২৪.
A তার স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করে ঢাকায়। মামলায় রায়ে অসন্তুষ্ট হয়ে সে তার বাবার বাড়িতে গিয়ে একই বিষয়ে আরেকটি মামলা করে। উক্ত স্বামী আদালতকে জানায় যে, এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে তাই এই মামলা চলতে পারে না। এক্ষেত্রে, উক্ত স্বামীর দাবি করা বিষয় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আদালতে প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৮ ধারা
  2. ৩৯ ধারা
  3. ৪০ ধারা
  4. ৪২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১);
ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান:
দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
১৩,০২৫.
ধারা ৫১ অনুযায়ী, আদালত কোন পদ্ধতিতে ডিক্রি কার্যকর করতে পারে না?
  1. সম্পত্তি অপর্ণের মাধ্যমে
  2. সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করে
  3. মীমাংসার মাধ্যমে
  4. দেনাদারকে গ্রেফতারের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
মীমাংসার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীমাংসার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫১ অনুযায়ী, মীমাংসার মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা সম্ভব নয়। মীমাংসা মূলত একটি সমঝোতা বা সমাধানের প্রক্রিয়া, যা আদালতের দ্বারা নির্ধারিত রায়কে কার্যকর করতে সহায়তা করে না।

ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা:

নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণসাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোন উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অপর্ণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেনঃ
ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা
২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা

খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সঙ্গতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপণ করেছে বা করতেছে; বা

গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায়সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল।
ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সঙ্গতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না।
১৩,০২৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১৩৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের আবেদন করা হয় এবং তিনি সংশ্লিষ্ট আদালতের এলাকার বাইরে অবস্থান করেন, তবে-
  1. গ্রেপ্তারের আবেদন অগ্রাহ্য হবে
  2. হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  4. সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 ধারা ১৩৬ – যেখানে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তি বা জব্দযোগ্য সম্পত্তি ভিন্ন জেলার মধ্যে অবস্থান করছে, সেই ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া:
(১) যদি কোন আবেদন এই মর্মে করা হয় যে, কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হোক বা কোন সম্পত্তি জব্দ করা হোক—এবং সেই আবেদন এমন কোনও বিধানের অধীনে হয় যা ডিক্রির বাস্তবায়ন সম্পর্কিত নয়—তাহলে, যদি ঐ ব্যক্তি বা সম্পত্তি আবেদনকৃত আদালতের এলাকার বাইরে অবস্থান করে, তবে আদালত তার বিবেচনায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে বা সম্পত্তি জব্দের আদেশ দিতে পারে এবং উক্ত পরোয়ানা বা আদেশের একটি অনুলিপি সেই জেলা আদালতে পাঠাতে পারে, যার বিচারিক এলাকার মধ্যে উক্ত ব্যক্তি বা সম্পত্তি অবস্থান করে, সেইসাথে সম্ভাব্য খরচের পরিমাণও পাঠাবে (গ্রেপ্তার বা জব্দ করার জন্য প্রযোজ্য)

(২) জেলা আদালত সেই অনুলিপি ও খরচ পাওয়ার পর নিজস্ব অফিসার বা তার অধীনস্থ আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তার বা জব্দ কার্য সম্পাদন করবে এবং যে আদালত পরোয়ানা বা আদেশ দিয়েছে তাকে বিষয়টি অবহিত করবে।

(৩) যে আদালত এই ধারা অনুযায়ী গ্রেপ্তার কার্য সম্পাদন করেছে, সে আদালত সেই গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে প্রেরণ করবে যেখান থেকে পরোয়ানা জারি হয়েছিল, যদি না ব্যক্তি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, তাকে সেখানে প্রেরণ করা অনুচিত; অথবা সে যদি যথাযথ জামিন দেয় তার হাজিরা নিশ্চিত করার জন্য কিংবা সম্ভাব্য ডিক্রি পূরণের জন্য, তবে সেই ক্ষেত্রে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারে।
১৩,০২৭.
কয়জন বিচারকের সমন্বয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন
ব্যাখ্যা
ধারা ২৬- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধ বিচারের জন্য প্রত্যেক জেলা সদরে একটি করিয়া ট্রাইব্যুনাল থাকিবে এবং প্রয়োজনে সরকার উক্ত জেলায় একাধিক ট্রাইব্যুনালও গঠন করিতে পারিবে; এইরূপ ট্রাইব্যুনাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযু্‌ক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা জজ ও দায়রা জজ বলিতে [অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও] অন্তর্ভুক্ত।
১৩,০২৮.
কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র ঘটনার প্রশ্নে
  2. শুধুমাত্র আইনের প্রশ্নে
  3. ঘটনা ও আইনের প্রশ্নে উভয়েই
  4. শুধুমাত্র সাক্ষ্যের প্রশ্নে
সঠিক উত্তর:
ঘটনা ও আইনের প্রশ্নে উভয়েই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনা ও আইনের প্রশ্নে উভয়েই
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:

ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।

Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
১৩,০২৯.
তামাদি আইনের ধারা ২৮ কোন নীতিকে প্রতিফলিত করে?
  1. Criminal liability never ends
  2. Delay defeats equity
  3. Justice delayed is justice denied
  4. Possession is nine-tenths of the law
সঠিক উত্তর:
Delay defeats equity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Delay defeats equity
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ধারা ২৮ “Delay defeats equity” নীতিকে প্রতিফলিত করে।

এই নীতির অর্থ হলো-
যে ব্যক্তি দীর্ঘসময় ধরে নিজের অধিকার দাবি করেন না, আইনও আর তাকে সহায়তা করে না। তাই সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য নির্ধারিত তামাদি সময়সীমা (limitation period) অতিক্রম করলে— শুধু মামলা করার অধিকার নয়, সম্পত্তির অধিকারই বিলুপ্ত হয়ে যায়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

১৩,০৩০.
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার মতে, কত বছরের কম বয়সী নাবালিকাকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নিয়ে গেলে তা মনুষ্যহরণ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৬ বছর
  4. ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা অনুসারে, যদি ১৪ বছরের কম বয়সী নাবালক (ছেলে) অথবা ১৬ বছরের কম বয়সী নাবালিকা (মেয়ে) অথবা বিকৃত মস্তিষ্কের ব্যক্তি-কে তার আইনগত অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে তা মনুষ্যহরণ (Kidnapping from lawful guardianship) বলে গণ্য হবে।
এখানে ১৬ বছরের কম বয়সী মেয়েদের (নাবালিকা) ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য, তাই সঠিক উত্তর গ) ১৬ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্য হরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্য হরণ।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 359.Kidnapping:
Kidnapping is of two kinds: kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 360. Kidnapping from Bangladesh, etc:
Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 361. Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
১৩,০৩১.
দেওয়ানী মামলায় সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ দেয়া যায়?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ১৫,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-

 i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ;  এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ। 

ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
১৩,০৩২.
How is preventive relief granted?
  1. By the choice of the plaintiff
  2. By the discretion of the Court
  3. By the discretion of the defendant
  4. By mutual agreement of both parties
সঠিক উত্তর:
By the discretion of the Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By the discretion of the Court
ব্যাখ্যা
Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
১৩,০৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট এবং দায়রা আদালত অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন?
  1. ২৪১ এবং ২৬৫গ
  2. ২৪৩ এবং ২৬৫ঘ
  3. ২৪১ক এবং ২৬৫গ
  4. ২৪১ক এবং ২৬৫চ
সঠিক উত্তর:
২৪১ক এবং ২৬৫গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪১ক এবং ২৬৫গ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারেন।
অর্থাৎ  ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। এই আদালতগুলো অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস অথবা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার প্রক্রিয়া ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় বর্ণিত, এবং দায়রা আদালতের বিচার প্রক্রিয়া ২৬৫ক-২৬৫জ ধারায় বিবৃত।

- ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানির জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করে। এই ধারাগুলির আওতায় অভিযুক্ত ব্যক্তি চার্জ গঠনের শুনানির দিন অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠন এবং অব্যাহতির আবেদন একই দিনে শোনা যাবে।

- যদি আদালত মামলার নথি এবং দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মনে করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করেই, অর্থাৎ চার্জ গঠনের পূর্বেই অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে।
১৩,০৩৪.
ডিক্রিতে কোন কোন বিষয় উল্লেখ থাকবে?
  1. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ
  2. মোকদ্দমার নম্বর
  3. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার
  4. উল্লেখিত সকল বিষয়
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

আদেশ ২০ বিধি ৬ঃ ডিক্রির বিষয়সমূহ (Contents of decree)-

১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে। এতে মোকদ্দমার নম্বর,পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিষ্কার উল্লেখ থাকবে।
[The decree shall agree with the judgment, it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.]

২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
[The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.]

৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
[The Court may direct that the costs payable to one party by the other shall be set-off against any sum which is admitted or found to be due from the former to the latter.]
১৩,০৩৫.
ধারা-১২২ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্ট কোন বিষয়ে বিধিমালা প্রণয়ন করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের কার্যপদ্ধতি
  2. শুধুমাত্র অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
  3. নতুন আদালত প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত কার্যপদ্ধতি
  4. সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ধারা-১২২: বিধিমালা প্রণয়নে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা:
সুপ্রিমকোর্ট সময়ে সময়ে পূর্বকালীন প্রকাশনার পর তার প্রত্যেক বিভাগের কার্যপদ্ধতি এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণপূর্বক বিধি প্রণয়ন ও প্রকাশ করতে পারেন এবং এরূপ প্রণীত বিধিবলে প্রথম তফসিলের সমস্ত বা যে কোন বিধি রদ, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে।

[The Supreme Court may, from time to time after previous publication, make rules regulating the procedure of each Division of the Supreme Court and the procedure of Civil Courts subject to its Superintendence and may by such rules annul, alter or add to all or any of the rules in the First Schedule.]
১৩,০৩৬.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে না?
  1. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশি কোন নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধে
  2. আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যা হলে
  3. বাংলাদেশের অভ্যন্তর বাংলাদেশ বা বিদেশি নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  4. বাংলাদেশের নিবন্ধিত জাহাজে বা বিমানে সংঘটিত অপরাধে
সঠিক উত্তর:
আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যা হলে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।

অর্থাৎ 'আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যার' ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে না।
১৩,০৩৭.
১ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম সময় অকৃষি ভূমির দখলে থাকলে, কোনটি করা যাবে না?
  1. বৃক্ষ রোপণ
  2. বৃক্ষের ফুল, ফল ভোগ
  3. পাকা অবকাঠামো নির্মাণ
  4. পাকা অবকাঠামো ব্যতীত যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ
সঠিক উত্তর:
পাকা অবকাঠামো নির্মাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকা অবকাঠামো নির্মাণ
ব্যাখ্যা
• 'পাকা অবকাঠামো নির্মাণ' করা যাবে না।

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯: ধারা ৬- অকৃষি ভূমি ব্যবহারের পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসর বা তার অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে উক্ত অকৃষি ভূমিতে সে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-
ক. পাকা অবকাঠামোসহ যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ করতে;
খ. মসজিদ, মন্দির বা অন্য যেকোন উপাসানালয়ের স্থান নির্মাণ করতে;
গ. যেকোন পুকুর খনন করতে; এবং
ঘ. এমন ভূমিতে গাছ রোপণ, উক্ত বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে এবং উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে;

অন্যদিকে,
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসরের কম কিন্তু ১ বৎসরের অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে সে উক্ত অকৃষি ভূমিতে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-
ক. পাকা অবকাঠামো ব্যতীত যেকোন অবকাঠামো নির্মাণে;
খ. যেকোন বৃক্ষ রোপন করতে, এবং এমন বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে;
গ. উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে।
১৩,০৩৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কোন আইনে প্রদত্ত সব সংজ্ঞা সমভাবে প্রযোজ্য বলে গণ্য করতে হয়?
  1. The Registration Act, 1908
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Contract Act, 1872
  4. The Evidence Act, 1872
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩ ব্যাখামূলক অনুচ্ছেদে বলা আছে,
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এ যেসব শব্দের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে এমন যেসব শব্দ এই আইনে ব্যবহৃত হয়েছে, তার অর্থ উক্ত আইনে অনুরূপ শব্দগুলোর যে অর্থ করা হয়েছে সেরূপ একই অর্থবোধক গণ্য করা হবে।
[all words occurring in this Act, which are defined in the Contract Act, 1872, shall be deemed to have the meanings respectively assigned to them by that Act.]
১৩,০৩৯.
Under which clause of Section 5 of The Specific Relief Act, 1877 is preventive relief granted?
  1. Clause (a)
  2. Clause (b)
  3. Clause (c)
  4. Clause (d)
সঠিক উত্তর:
Clause (c)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clause (c)
ব্যাখ্যা
Section 6- Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

৬ ধারা: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
১৩,০৪০.
Usufructuary Mortgage-এ বন্ধকদাতার ব্যক্তিগত দায় কেমন থাকে?
  1. সম্পূর্ণ দায়ী
  2. আংশিক দায়ী
  3. ব্যক্তিগত দায় নেই
  4. শুধুমাত্র সুদ পরিশোধের দায় থাকে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত দায় নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত দায় নেই
ব্যাখ্যা

উত্তর: c) ব্যক্তিগত দায় নেই।

Usufructuary Mortgage (খাই খালাসি বন্ধক) সংজ্ঞা (Section 58(d), Transfer of Property Act):

“যেখানে বন্ধকদাতা (mortgagor) বন্ধকী সম্পত্তির দখল প্রদান করে অথবা স্পষ্টভাবে বা নিকটসিদ্ধভাবে দখল প্রদান করতে বাধ্য হয় এবং বন্ধকী গ্রহণকারী (mortgagee) কে দখল রাখতে অনুমতি দেয় যতক্ষণ পর্যন্ত বন্ধকী অর্থ প্রদান হয়, এবং সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা লাভ (rents & profits) গ্রহণ করে সেই অর্থ বন্ধকী অর্থ বা সুদের স্থলে গ্রহণ করতে পারে, সেই লেনদেনকে Usufructuary Mortgage বলা হয় এবং গ্রহণকারীকে Usufructuary Mortgagee বলা হয়।”

Usufructuary Mortgage-এর প্রধান উপাদানসমূহ:

Delivery of Possession (দখল প্রদান): 
বন্ধকদাতা অবশ্যই সম্পত্তির দখল বন্ধকী গ্রহণকারীকে প্রদান করবে বা স্পষ্টভাবে/নৈরাশ্রিতভাবে তা করতে বাধ্য হবে।

Retention of Possession (দখল রাখা):
বন্ধকী গ্রহণকারী সম্পত্তির দখল রাখে যতক্ষণ পর্যন্ত বন্ধকী অর্থ পরিশোধ হয় বা সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া/লাভ দ্বারা সেটি পরিশোধ করা হয়।

No Personal Liability (ব্যক্তিগত দায় নেই):
বন্ধকদাতার উপর ব্যক্তিগত দায় আরোপিত হয় না।

No Foreclosure or Sale (উদ্ধার বা বিক্রির অধিকার নেই):
বন্ধকী গ্রহণকারী সম্পত্তি জব্দ বা বিক্রির জন্য মামলা করতে পারে না।

Right of Redemption (মুক্তির অধিকার):
বন্ধকদাতা Section 62 অনুযায়ী দেনা পরিশোধের মাধ্যমে সম্পত্তি উদ্ধার করতে পারে, অথবা বন্ধকী গ্রহণকারী থেকে প্রাপ্ত ভাড়া/লাভ দিয়ে দেনা পরিশোধ করতে পারে।

No Fixed Time Limit (নির্দিষ্ট সময় সীমা নেই):
বন্ধকী অর্থ পরিশোধের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় সীমা নেই।

Registration Requirement (নিবন্ধনের শর্ত):
বন্ধকী অর্থ ১০০ টাকা বা তার বেশি হলে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। এর কম হলে, নিবন্ধিত দলিল বা সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে করা যেতে পারে।

১৩,০৪১.
সেট অফ কে দাবি করতে পারে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. মোকদ্দমায় স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো পক্ষ
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত পক্ষ
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

• ৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—
১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদীর নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদী তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।

২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
১৩,০৪২.
যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে আইনসম্মত অভিভাবক মনে করে এবং কোন বেআইনী উদ্দেশ্য ছাড়া দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার অধীন বর্ণিত মনুষ্যহরণের অপরাধ করে, তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম: যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।

Section 361- Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 

Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 

Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
১৩,০৪৩.
আদেশ ৪৬ বিধি ১ অনুসারে, আদালত কোন ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারে?
  1. আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
  2. আপিলযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
  3. উভয় ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে
  4. আবেদনকারী যে ডিক্রির ক্ষেত্রে আবেদন করে
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-১: হাইকোর্ট বিভাগে প্রশ্নের রেফারেন্স:
যেক্ষেত্রে ডিক্রি আপিলযোগ্য নয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় বা আপিলের শোননির সময় বা যেক্ষেত্রে ঐরূপ কোন ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত এমন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়, যার উপর মোকদ্দমা বা আপিল বিচারকারী বা ডিক্রি নির্বাহী আদালত যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ পোষণ করে, সেক্ষেত্রে এটা স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন পক্ষদের কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে মোকদ্দমাটির ঘটনাবলী ও সন্দেহের বিষয়সমূহ সম্বলিত একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগে সিদ্ধান্তের জন্য ঐ বিষয় নিজস্ব অভিমতসহ একই ধরণের বিবৃতি প্রেরণ করতে পারে।

সহজ ভাষায় বলা যায়:
যখন কোনো ডিক্রি (সিদ্ধান্ত) আপিল করা যায় না, তখন আদালতে বা আপিলের শুনানির সময় কিছু আইন বা আইনের নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। যদি বিচারক বা নির্বাহী আদালত সেই প্রশ্নে সন্দেহে থাকে, তাহলে তারা স্বতঃপ্রবৃত্তভাবে বা কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে মামলার ঘটনা ও সন্দেহগুলো লিখে রাখতে পারে। এরপর সেই বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে নিজের মতামতসহ পাঠাতে পারে।
১৩,০৪৪.
সম্পত্তি সম্পর্কিত অপরাধ নয় কোনটি?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি সম্পর্কিত অপরাধ [Offences Relating to Property]-
১। চুরি;
২। জোরপূর্বক গ্রহণ;
৩। দস্যুতা;
৪। ডাকাতি;
৫। অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ;
৬। অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ;
৭। চোরাই মাল;
৮। প্রতারণা;
৯। প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর;
১০। ক্ষতিসাধন বা অনিষ্টসাধন;
১১। অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ ধারা।

উল্লিখিত সবগুলো সম্পত্তি সম্পর্কিত অপরাধ।
১৩,০৪৫.
আদেশ ৭ বিধি ১১ এ আরজি প্রত্যাখ্যানের কয়টি কারণ উল্লেখ আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ নং বিধি অনুযায়ী আদালত ৪ (চার) টি কারণে আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান- আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-
ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;
খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে:
গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;

তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
১৩,০৪৬.
'A' 'C' কে হত্যা করতে 'B'কে প্ররোচিত করে। কিন্তু 'B' 'C' কে হত্যা করতে রাজি হয় না। 'A' কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্ররোচনার অপরাধ করেছে
  2. নৈতিক অপরাধ করেছে
  3. হত্যার চেষ্টার অপরাধ করেছে
  4. কোন অপরাধ করে নাই
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার অপরাধ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার অপরাধ করেছে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী প্ররোচিত কাজটি সংঘটিত না হলেও প্ররোচনার অপরাধ হবে।
• যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে সেই অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র প্ররোচনা প্রমাণিত হলেই প্ররোচনাকারীকে বা দোষ কর্মের
• সহায়তাকারী উক্ত অপরাধের অপরাধমূলক কাজের প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে।
• অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক তাতে কিছু আসে যায় না দোষ কর্মের সহায়তার অপরাধ প্ররোচনার সাথে সাথেই সম্পূর্ণ হয়ে যায়।
১৩,০৪৭.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল রুদ্ধ-কক্ষে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার আদেশ প্রদান করতে পারে-
  1. বিচারকার্য দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য
  2. ন্যায়বিচারের স্বার্থে
  3. নারী বা শিশু ভিকটিমের সুরক্ষার জন্য
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫- রুদ্ধ-কক্ষ বিচার (trial in-camera):
ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং নারী কিংবা শিশু ভিকটিমের সুরক্ষার প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনাল কারণ উল্লেখ করিয়া এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারকার্য কেবল মামলার পক্ষগণ এবং তাহাদের নিযুক্ত আইনজীবীগণ বা ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে অন্যান্য প্রতিনিধিগণের উপস্থিতিতে রুদ্ধ-কক্ষে অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

Section 25 - Trial in Camera:
In the interest of justice and for the protection of female or child victims, the tribunal may, by stating the reasons, order that the trial of any offense under this law be conducted in-camera, in the presence of only the parties to the case and their appointed lawyers, or other representatives, subject to the permission of the tribunal.
১৩,০৪৮.
একজন মুসলিম ১৯৬৯ সনে এক কন্যা ও এক মৃত ছেলের কন্যাকে রেখে মারা যান। কন্যার অংশ-
  1. (১/৩)
  2. (১/২)
  3. (২/৩)
  4. (১/৪)
সঠিক উত্তর:
(১/৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(১/৩)
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নমতে, একজন মুসলিম ব্যক্তি ১৯৬৯ সনে এক কন্যা ও এক মৃত ছেলের কন্যাকে রেখে মারা যান। অর্থাৎ ঘটনাটি 'Muslim Family Laws ordinance, 1961' আইন প্রণয়নের পরের।
- Muslim Family Laws ordinance, 1961 -এর ৪ ধারার "Doctrine of Representation" নীতি অনুযায়ী মৃত ছেলের কন্যা, তার পিতার প্রতিনিধিত্ব (Representation) করবে অর্থাৎ, উক্ত ছেলে বেঁচে থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত, মৃত ছেলের কন্যা সেই পরিমাণ সম্পত্তি পাবে। 
উল্লিখিত প্রশ্নে, যেহেতু পুত্রের কন্যা, পুত্রের সমান অংশ পাবে Doctrine of Representation অনুসারে এজন্য কন্যা ও পুত্র ধরে হিসাব করলে ২:১ অনুপাতে সম্পত্তিতে কন্যা ও পুত্রের কন্যার অংশ যা হবে।যথা:
ক) কন্যা পাবে সম্পত্তির ১/৩ অংশ।
খ) পুত্র পাবে মোট সম্পত্তির ২/৩ অংশ।
(Doctrine of Representation অনুসারে পুত্র মৃত তাই পুত্রের কন্যা পাবে পুত্রের সম্পত্তি)
১৩,০৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ এর অধীন নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. উক্ত ধারায় শুধু বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
  2. উক্ত ধারায় বাদী এবং বিবাদী উভয়ে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
  3. একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়েরযোগ্য মোকদ্দমা হবে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
উক্ত ধারায় বাদী এবং বিবাদী উভয়ে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত ধারায় বাদী এবং বিবাদী উভয়ে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে, যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে,সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে,এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।

Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts,any defendant,after notice to the other parties, may,at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement,apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made,after considering the objections the other parties(if any), shall determine which of the several Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
১৩,০৫০.
ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক করা যায় না? 
  1. চাষীর বাসগৃহ,
  2. কৃষিজাত দ্রব্য,
  3. গৃহভৃত্যের বেতন,
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ও ৬১ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না যা নিম্নরূপ-

⇒ ধারা-৬০: ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে (property liable to attachment & sale in execution of decree)- ৬০ ধারামতে নিম্নলিখিত সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে। যথা-জমি, গৃহ, দালান-কোঠা, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, Bill of Exchange, প্রমিসরি নোট, বন্ড, কোম্পানির শেয়ার। এছাড়া যে কোন বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি ক্রোকযোগ্য, যেমন- equity of redemption.

⇒ ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না- ৬০ ধারামতে চাষীর বাসগৃহ, হিসেবের খাতাপত্র, সরকারী পেনশন ভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরীকৃত বৃত্তি ও আনুতোষিক, দেনাদার (Judgement debtor) এবং তার স্ত্রী ও সন্তানগণের পরিধেয় বস্ত্র, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন- রান্নার বাসন, বিছানা ইত্যাদি সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬১ ধারামতে যে সব কৃষিজাত উৎপাদিত দ্রব্য কৃষকের জীবিকার জন্য প্রয়োজন সরকার তা ক্রোক থেকে মুক্তি দিতে পারে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ধারামতে ডিক্রি জারিতে ক্রোকযোগ্য এবং নিলামে বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি (Property liable to attachment and sale in execution of decree):  ডিক্রি জারির জন্য যে সকল সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে- জমি, বাসগৃহ অথবা অন্যান্য দালান কোঠা, মালপত্র, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ, হুন্ডি, প্রমিসরি নোট, সরকারি সিকিউরিটি বণ্ড বা অর্থের অন্য কোন প্রকার সিকিউরিটিস, দেনা, কর্পোরেশনের শেয়ার এবং দেনাদারের সকল বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি।

⇒ যে সকল সম্পত্তি ক্রোক বা বিক্রয় করা যাবে না- ডিক্রি দায়িকের, তার স্ত্রী এবং সন্তানগণের প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র, রান্নার বাসন-পত্রাদি, বিছানাপত্র, গহনাপত্র যা ধর্মীয় বিধান অনুসারে কোন মহিলার পক্ষে খুলে ফেলা উচিৎ নয়, দেনাদার কারিগর হলে কারিগরের যন্ত্রপাতি বা কৃষক হলে কৃষকের বা চাষির বাসগৃহ ও অন্যান্য গৃহ (তার সরঞ্জামসহ অবস্থান, তার সাথে সম্পর্কযুক্ত অন্য ভূমি) চাষের যন্ত্রপাতি, গো-মহিষাদি, বীজ ও হিসাবের খাতা-পত্র, ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার, ব্যক্তিগত সেবার অধিকার, সরকারি পেনশনভোগীদের বৃত্তি, এককালীন সাহায্য ইত্যাদি।
১৩,০৫১.
রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল(Certified copies) দেয়া হবে-
  1. পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
  2. পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং আদালতের খরচে
  3. পক্ষগণের আবেদন ছাড়া এবং আদালতের খরচে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে। কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করা হয়।

• আদেশ ২০ বিধি-২০ঃ
আদালতে পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচায় রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল সরবরাহ করা হবে।
[Certified copies of the judgment and decree shall be furnished to the parties on application to the Court and at their expense.]
১৩,০৫২.
The High Court Division shall have______ over all courts and triburiats subordinate to it.
  1. superintendence
  2. supreintendence and control
  3. control
  4. control and governance
সঠিক উত্তর:
supreintendence and control
উত্তর
সঠিক উত্তর:
supreintendence and control
ব্যাখ্যা
⇒ Article 109. Superintendence and control over courts:
The High Court Division shall have superintendence and control over all courts and tribunals subordinate to it.
----------
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদের বিধান: আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ:
- হাইকোর্ট বিভাগের অধঃস্তন সকল 69[আদালত ও ট্রাইব্যুনালের] উপর উক্ত বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ-ক্ষমতা থাকিবে।
১৩,০৫৩.
কোন ক্ষেত্রে ৪৯১ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়?
  1. বেআইনীভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  2. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  3. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
 
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
 
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
১৩,০৫৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী কাউকে ইচ্ছাপূর্বক পথরোধ করা “অবৈধ বাধা” হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৩৩৮
  2. ধারা ৩৩৯
  3. ধারা ৩৪০
  4. ধারা ৩৪১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৯-এ "অবৈধ বাধা" (Wrongful Restraint)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
→ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধা দেয় যার ফলে উক্ত ব্যক্তির অধিকারপ্রাপ্ত দিকে যাওয়ার পথ রুদ্ধ হয়, তবে তাকে অবৈধ বাধা (Wrongful Restraint) দেওয়া হয়েছে বলে গণ্য হয়।
→ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৩৯ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাপূর্বক অন্য কোনো ব্যক্তিকে এমনভাবে বাধা দেয় যাতে সে ব্যক্তি তার চলাচলের অধিকারের যেকোনো দিকে যেতে না পারে, তবে সেটিকে "অবৈধ বাধাদান" (Wrongful Restraint) বলা হয়।

- দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint): যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।
- ব্যতিক্রম: যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
- উদাহরণ: যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 339- Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person.
- Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
- Illustration: A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১৩,০৫৫.
জেলা জজ আদালতে নিচের কোন কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের হতে পারে?
  1. সহকারি জজ
  2. সিনিয়র সহকারি জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ এর মাধ্যমে কোনো যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত আপিলঅযোগ্য কোনো আদেশ প্রদান করলে, সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালতকে রিভিশন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
১৩,০৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭, বিধি-১০ অনুযায়ী আদালত কখন আরজি ফেরত দিতে পারে?
  1. যদি আরজিতে ত্রুটি থাকে
  2. যদি বিবাদী অনুপস্থিত থাকে
  3. যদি আদালতের আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার না থাকে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
যদি আদালতের আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি আদালতের আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার না থাকে
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ১০(১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, যদি আরজিটি এমন একটি আদালতে দায়ের করা হয়, যার মোকদ্দমাটি বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তাহলে আদালত যেকোনো পর্যায়ে আরজিটি ফেরত দিতে পারবে, যাতে তা সঠিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করা যায়।

অন্যান্য অপশনগুলো এই বিধির আওতায় পড়ে না:
ক) আরজিতে ত্রুটি থাকলে আদালত সংশোধনের সুযোগ দিতে পারেন বা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন (আদেশ ৭, বিধি ১১)।
খ) বিবাদীর অনুপস্থিতি আরজি ফেরতের কারণ নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
(২) যখন আরজি ফেরত দেওয়া হয়, বিচারক তার ওপর আরজির দাখিলের এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারী পক্ষের নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-7, Rule-10. Return of plaint:
(1) The plaint shall at any stage of the suit be returned to be presented to the Court in which the suit should have been instituted.
-(2) Procedure on returning plaint: On returning a plaint the Judge shall endorse thereon the date of its presentation and return, the name of the party presenting it, and a brief statement of the reasons for returning it.

১৩,০৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১২(২) অনুসারে, অজ্ঞাত অপরাধীর ক্ষেত্রে কে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে 
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১২(২) অনুসারে, যদি এমন কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়, যা মৃত্যুদণ্ড বা পরিবহন দণ্ডে (transportation) দণ্ডনীয় এবং অপরাধী অজ্ঞাত থাকে, তবে হাইকোর্ট বিভাগ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্ত পরিচালনা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের এই ক্ষমতা রয়েছে।
- অতএব, ধারা ৫১২(২) অনুসারে, অজ্ঞাত অপরাধীর ক্ষেত্রে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown:-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.

১৩,০৫৮.
আদেশ ৪১ বিধি ৩ অনুসারে, যদি আপিলের স্মারকলিপি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে প্রণীত না হয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র প্রত্যাখ্যান করতে পারে
  2. শুধুমাত্র সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
  3. আদালতের কোন এখতিয়ার নেই
  4. প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
১৩,০৫৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুযায়ী, কমিশনাররা পৃথক প্রতিবেদন কখন প্রণয়ন করবেন?
  1. তাদের কার্য সম্পাদনে ব্যর্থ হলে
  2. তারা একমত না হলে
  3. আদালত নির্দেশ দিলে
  4. সময়সীমা অতিক্রম করলে
সঠিক উত্তর:
তারা একমত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারা একমত না হলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তারা একমত না হলে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুসারে, যদি একাধিক কমিশনার নিয়োগ করা হয় এবং তারা নিজেদের মধ্যে একমত না হন, অর্থাৎ কেউ কেউ একটি ভাগ বা সীমানা নির্ধারণের পক্ষে থাকেন, আর অন্যরা বিপক্ষে অবস্থান নেন, তখন তারা প্রত্যেকে পৃথক পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন করবেন।
এই পৃথক প্রতিবেদনগুলোতে, সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশ, প্রতিটি অংশের পরিমাণ ও সীমানা (যদি আদালতের আদেশে তা উল্লেখ থাকে), সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং প্রতিবেদনগুলো নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে।
- অর্থাৎ কমিশনারদের মধ্যে মতভেদ হলে প্রতিবেদন বিলম্বিত না করে প্রত্যেকে পৃথকভাবে প্রতিবেদন তৈরি ও দাখিল করবেন, যাতে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুযায়ী, যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তবে তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন ও স্বাক্ষর করবেন। প্রতিটি পৃথক প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশ এবং (যদি আদেশে উল্লেখ থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও সীমানা নির্ধারণ করবে এবং পরে এই প্রতিবেদনসমূহ আদালতে দাখিল করতে হবে।
এতে বলা হয়েছে যে, একাধিক কমিশনারের মধ্যে একমত না হলে, তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন এবং আদালতে তা দাখিল করবেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-26, Rule-14: -Procedure of Commissioner-
(1) Dividing Property and Allotting Shares:
The Commissioner, after conducting the necessary inquiry, will divide the property into as many shares as directed by the order under which the commission was issued. The Commissioner will allot these shares to the parties involved and may, if authorized by the order, award sums to equalize the value of the shares.

(2) Preparation of Report:
The Commissioner (or Commissioners, if the commission was issued to multiple persons and they cannot agree) will prepare and sign a report. The report will detail the share of each party, distinguishing each share with specific boundaries (if directed by the order). If multiple reports are prepared, they will be annexed to the commission and transmitted to the Court within the time fixed by the Court, not exceeding three months. After receiving the report(s), the Court will hear any objections from the parties and may confirm, vary, or set aside the report(s).
Provision for Extension of Time: The Court may extend the time upon a request from the Commissioner and upon sufficient cause being shown.

(3) Court's Action on the Report:
If the Court confirms or varies the report(s), it will pass a decree based on the report as confirmed or varied. However, if the Court sets aside the report(s), it may either issue a new commission or make any other order it deems fit.
১৩,০৬০.
একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদ (Direct set aside) এর দরখাস্ত প্রত্যাখ্যান করা হলে এর বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রেফারেন্স
  3. রিভিশন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)- 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি; 
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।

⇒ আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে আপিল করা যাবে (বিধি-১, আদেশ-৪৩); আবেদন মঞ্জুর হলে রিভিশন করা যায়।

⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

⇒ আদেশ ৯ বিধি- ১৩ক অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের আবেদন মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান হলে রিভিশন দায়ের করা যায়।

অর্থাৎ একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদ (Direct set aside) এর দরখাস্ত প্রত্যাখ্যান করা হলে এর বিরুদ্ধে প্রতিকার রিভিশন দায়ের।
১৩,০৬১.
সাইবার নিরাপত্তা আইনের ৪৩ ধারার বিধান মতে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল তথ্য-উপাত্ত সর্ব্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারবে?
  1. ৬০
  2. ৯০
  3. ১৮০
  4. ৩৬০
সঠিক উত্তর:
১৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৪৩ ধারার বিধান তথ্য সংরক্ষণ:
(১) মহাপরিচালক, স্বীয় বিবেচনায়, বা তদন্তকারী অফিসারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, যদি এইরূপে বিশ্বাস করেন যে, কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত কোনো তথ্য-উপাত্ত এই আইনের অধীন তদন্তের স্বার্থে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং এইরূপ তথ্য-উপাত্ত নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন অথবা দুষ্প্রাপ্য করিয়া দেওয়ার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ তথ্য-উপাত্ত ৯০ (নব্বই) দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
 
(২) ট্রাইব্যুনাল, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারিবে, তবে তাহা সর্বমোট ১৮০ (একশত আশি) দিনের অধিক হইবে না।
১৩,০৬২.
কোন আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় কয়টি মামলা চূড়ান্ত শুনানীর জন্য ধার্য করতে পারে?
  1. ০৩টি
  2. ০৫টি
  3. ০৭টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
০৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৫টি
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, Order XVIII, Rule 20 দোতরফা শুনানীর মামলাসহ চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনন্দিন কার্যতালিকায় ৫ টির অধিক মোকদ্দমা রাখবে না।
♦অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুযায়ী চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনিক কার্যতালিকায় ৫টির বেশি মোকদ্দমা ধার্য্য করবেন না।
♦তবে আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় মোকদ্দমার চূড়ান্ত পর্যায়ে ১০০ টির অধিক মোকদ্দমা ধার্য্য করবে না।
♦যদি চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা ৭০ টির নীচে আসে তাহলে আবার চূড়ান্ত পর্যায়ে আরো মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করবেন।
১৩,০৬৩.
হিন্দু আইনের প্রধান কতটি উৎস রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ হিন্দু আইনের মূল উৎস চারটি। এগুলো হলো—
১) শ্রুতি (Shruti) – এটি হিন্দু ধর্মের মৌলিক ভিত্তি। বেদসমূহ (ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ, অথর্ববেদ) শ্রুতি শাস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত।
২) স্মৃতি (Smriti) – প্রাচীন ঋষিদের লিপিবদ্ধ করা সামাজিক ও ধর্মীয় বিধি-নিষেধ, যেমন মনুস্মৃতি, যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি, নারদ স্মৃতি, পরাশর স্মৃতি ইত্যাদি।
৩) ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ (Commentaries and Digests) – বিভিন্ন স্মৃতি ও শাস্ত্রের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ। এর দুটি প্রধান মতবাদ হলো মিতাক্ষরা মতবাদ ও দায়ভাগ মতবাদ।
৪) প্রথা (Custom) – দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রীতিনীতি, যা আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি তিন ধরনের— স্থানীয় প্রথা, শ্রেণি প্রথা ও পারিবারিক প্রথা।

এছাড়া, আধুনিক সময়ে আদালতের রায়, বিধিবদ্ধ আইন ও সুবিচার হিন্দু আইনের নতুন উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে মূল ঐতিহ্যগত উৎস চারটিই।
১৩,০৬৪.
কোন তারিখ থেকে আপিল আদালত ৯০ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে?
  1. অভিযোগের তারিখ
  2. নোটিশ জারির তারিখ
  3. আদালতের আদেশের তারিখ
  4. মামলার রেকর্ড প্রেরণের তারিখ
সঠিক উত্তর:
নোটিশ জারির তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ জারির তারিখ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision: 
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
১৩,০৬৫.
Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ৯ ধারা অনুসারে কোন ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়?
  1. বহুবিবাহে নিষেধাজ্ঞা
  2. দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ
  3. ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ৯- ভরণপোষণ (Maintenance):
(১) যদি কোন স্বামী তার স্ত্রীকে যথাযথভাবে ভরণপোষণ না করেন, অথবা একাধিক স্ত্রী থাকলে তাদের প্রতি সমভাবে ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন না করেন, তবে স্ত্রী বা স্ত্রীগণ, আইনানুগ অন্য যে কোনো প্রতিকার চাওয়ার পাশাপাশি, চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করতে পারেন।
তখন চেয়ারম্যান একটি আরবিট্রেশন কাউন্সিল (মধ্যস্থতা পরিষদ) গঠন করবেন, এবং ঐ কাউন্সিল বিষয়টি নির্ধারণ করবে। আরবিট্রেশন কাউন্সিল একটি সনদ (certificate) প্রদান করতে পারবে, যেখানে স্বামীর প্রদেয় ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ করা থাকবে।

(২) নির্ধারিত পদ্ধতি, সময়সীমা এবং ফি প্রদানপূর্বক স্বামী বা স্ত্রী উভয়েই এই সনদের বিরুদ্ধে সহকারী জজের নিকট আপিল করতে পারবেন। সহকারী জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে এবং কোনো আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) বা (২)-এর অধীনে প্রদেয় যে কোনো অর্থ সময়মতো পরিশোধ না হলে, তা ভূমি রাজস্ব বকেয়ার ন্যায় আদায়যোগ্য হবে।
১৩,০৬৬.
‘ক’ নিজেকে সরকারি ঠিকাদার পরিচয় দিয়ে ‘খ’-এর কাছ থেকে একটি বড় প্রকল্পে কাজ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৫ লক্ষ টাকা নেয়। পরে জানা যায় ‘ক’ কোনো ঠিকাদার নয় এবং শুরু থেকেই তার উদ্দেশ্য ছিল টাকা আত্মসাৎ করা। ‘ক’-এর অপরাধ কোন ধারায় পড়বে?
  1. দণ্ডবিধি ৪০৩
  2. দণ্ডবিধি ৪১৫
  3. দণ্ডবিধি ৪২০
  4. দণ্ডবিধি ৪২৪
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ৪২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ৪২০
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) দণ্ডবিধি ৪২০।

দণ্ডবিধি, ১৮৬০- ধারা ৪২০ : প্রতারণা ও অসাধুভাবে সম্পত্তি প্রদান করানো:
- যে ব্যক্তি প্রতারণা করে এবং সেই প্রতারণার মাধ্যমে প্রতারিত ব্যক্তিকে অসাধুভাবে প্ররোচিত করে-
- কোনো ব্যক্তির নিকট কোনো সম্পত্তি প্রদান করতে, অথবা
- কোনো মূল্যবান জামানত (valuable security) অথবা
- এমন কোনো স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু তৈরি করতে, পরিবর্তন করতে বা সম্পূর্ণ কিংবা আংশিকভাবে ধ্বংস করতে,
- যা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য, সে ব্যক্তি দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে।

শাস্তি:
উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

১৩,০৬৭.
তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুসারে, পরিশোধের স্বীকৃতি কীভাবে প্রদান করতে হবে?
  1. ঋণদাতার মৌখিক স্বীকৃতি
  2. আদালতের অনুমোদন
  3. পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
  4. কোনো স্বীকৃতি প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি।

তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুসারে, সুদ পরিশোধের পর তামাদি মেয়াদ নবায়নের জন্য একটি লিখিত স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে।
- এটি হতে হবে পরিশোধকারী ব্যক্তির হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত একটি লিখিত স্বীকৃতি।
- এটা মৌখিক বা অন্য কোনো অপ্রমাণিত উপায়ে হতে পারবে না।
- এটি সুদের পরিশোধের প্রমাণ হিসাবে ব্যবহৃত হবে, যা তামাদি মেয়াদ নবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ The Limitation Act:- Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made: 
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
১৩,০৬৮.
যদি কোনো চুক্তির একটি বড় অংশ অপূর্ণ থাকে বা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত যেটুকু সম্ভব সেই অংশের জন্য চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে যদি বাদী পক্ষ-
  1. বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে
  2. বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি না করে
  3. বাকি অংশের বাস্তবায়নের দাবি না করে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৫:
যদি একটি চুক্তির কোনো পক্ষ তার দায়িত্বের সবটুকু পালন করতে না পারে এবং যেই অংশটুকু অপূর্ণ থাকবে, সেটি চুক্তির একটি বড় অংশ হয় অথবা অর্থ প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে সেই পক্ষ সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের জন্য রায় পাওয়ার যোগ্য নয়। তবে অন্য পক্ষের মামলায়, আদালত বিলম্বকারী পক্ষকে যেটুকু সম্ভব তাই সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার নির্দেশ দিতে পারে, যদি বাদী পক্ষ আরো কোনো বাস্তবায়নের দাবি না করে এবং বিবাদী পক্ষের বিলম্বের কারণে হওয়া ক্ষতি বা ক্ষয়ের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি না করে।

[Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.]

এই নীতি অনুসারে,
যদি একটি চুক্তির একটি বড় অংশ অপূর্ণ থাকে বা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত পুরোপুরি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের রায় দিতে পারবে না। কারণ এক্ষেত্রে পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তবে আদালত যেটুকু সম্ভব, সেইটুকুর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে, যদি বাদী পক্ষ বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি না করে এবং আরো কোনো বাস্তবায়নের দাবি না করে। অর্থাৎ বাদীকে সীমিত বাস্তবায়নই গ্রহণ করতে হবে।
১৩,০৬৯.
If a member of a parliamentary party votes against their party it is called "_________."
  1. 'Floor Planning'
  2. 'Floor Crossing'
  3. 'Double membership'
  4. 'Free Vote'
সঠিক উত্তর:
'Floor Crossing'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'Floor Crossing'
ব্যাখ্যা
⇒ If a member of a parliamentary party votes against their party it is called ‘crossing the floor’.
⇒ floor planning: a method of financing a retail sales business in which the retailer gives a security interest in all of the inventory to the lender or seller.
⇒  A conscience vote or free vote is a type of vote in a legislative body where legislators are allowed to vote according to their own personal conscience rather than according to an official line set down by their political party.

⇒ Floor-Crossing বা 'political defection' অর্থ হলো অন্যদলে যোগদান করার জন্য বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য নিজের দল হতে পদত্যাগ করা বা সংসদে নিজের দলের বিপক্ষে ভোটদান করা। Floor- Crossing এর কারণে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে। কার্যকরী সরকার এবং সরকারের কার্যাবলী সহজতর করার জন্য ৭০ অনুচ্ছেদে Floor-Crossing বিধানযুক্ত করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
------------------
⇒ Article 70 of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: Vacation of seat on resignation or voting against political party
 A person elected as a member of Parliament at an election at which he was nominated as a candidate by a political party shall vacate his seat if he – 
(a) resigns from that party ; or 
(b) votes in Parliament against that party ; 
 but shall not thereby be disqualified for subsequent election as a member of Parliament.
১৩,০৭০.
সহকারী জজ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, সংক্ষুদ্ধ পক্ষ জেলা জজের নিকট আপীল দায়ের করে। জেলা জজ উক্ত আপীল শুনানীর জন্য যুগ্ম জেলা জজের নিকট প্রেরণ করে। যুগ্ম জেলা জজ উক্ত আপীল খারিজ করে দেয়। এই ক্ষেত্রে-
  1. হাইকোর্টে আপীল দায়ের করতে হবে
  2. জেলা জজের নিকট আপীল দায়ের করতে হবে
  3. হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে
  4. জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু একবার আপীল খারিজ করে দেওয়া হয়েছে, তাই দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই। যেহেতু দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই, তাই যুগ্ম জেলা জজের উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে। এই ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে কারণ এখানে যুগ্ম জেলা জজের আদেশ জেলা জজের সমান। কারণ জেলা জজটি আপীলটি যুগ্ম জেলা জজ প্রেরণ করেছে এবং এই ক্ষেত্রে যুগ্ম জেলা জজ, জেলা জজের ক্ষমতা প্রয়োগ করে আপীলটি খারিজ করেছে।
অর্থাৎ হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
১৩,০৭১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীনে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে-
  1. স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ববান ব্যক্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব এবং মালিকানা আছে এমন কোনো ব্যক্তি
  3. স্থাবর সম্পত্তি থেকে অবৈধভাবে বেদখল হয়েছে এইরূপ ব্যক্তি
  4. স্থাবর সম্পত্তিতে দখলে আছে এইরূপ ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি থেকে অবৈধভাবে বেদখল হয়েছে এইরূপ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি থেকে অবৈধভাবে বেদখল হয়েছে এইরূপ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
১৩,০৭২.
'ক' যদি 'চ'-এর বাড়ির সামনের রাস্তায় গাড়ি পার্কিং করে 'চ'-এর যাতায়াতে বাধা সৃষ্টি করে, তবে দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক'-এর অপরাধ কী?
  1. অবৈধ আটক
  2. জনদুর্ভোগ সৃষ্টি
  3. অবৈধ বাধাদান
  4. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধাদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধাদান
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত পরিস্থিতিতে, 'ক' 'চ'-এর বাড়ির সামনের রাস্তায় গাড়ি পার্কিং করে 'চ'-এর যাতায়াতে বাধা সৃষ্টি করেছে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৩৯ অনুসারে, এটি অবৈধ বাধাদান (Wrongful Restraint) হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এতে ইচ্ছাপূর্বকভাবে কোনো ব্যক্তির চলাচলের অধিকারপ্রাপ্ত পথ রুদ্ধ করা হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint): যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।
- ব্যতিক্রম: যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
- উদাহরণ: যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 339- Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person.
- Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
- Illustration: A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.

১৩,০৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫০৯ক
  3. ধারা ৫১০
  4. ধারা ৫১০ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৯ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক-এ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের বিশেষ বিধান দেওয়া হয়েছে, যেখানে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক যদি মারা যান, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হন বা দেশের বাইরে থাকেন এবং তাকে আদালতে তলব করা অযৌক্তিক হয়, তখন তার রিপোর্টকে তলব ছাড়াই সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, Section 509A: Report of post-mortem examination:-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
১৩,০৭৪.
বিশেষ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী নাশকতার সর্বনিম্ন শাস্তি কত?
  1. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১২ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Special Powers Act, 1974 এর ১৫ ধারার বিধান অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):

১) কোন ব্যক্তি কার্যক্ষমতাকে বিকল করার, কার্য ব্যাহত করার বা ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করতে পারবে না যা:ঃ
(এ) কোন ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, কলকব্জা বা অন্য কোন সম্পত্তি বা সরকারের বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বা কোন জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হতে পারে;
(বি) কোন রেলপথ, শূন্যে ঝুলন্ত রজ্জুপথ, রাস্তা, খাল, সেতু কালভার্ট, বাঁধ, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমান বন্দর, টেলিগ্রাম লাইন বা পোস্ট বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনা;
(সি) কোন রেলওয়ে বা নৌযান বা বিমানপোতের কোন রোলিং স্টোক; (ডি) কোন অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যের বা ময়লা নিষ্কাশন কাজে বা খনি বা কারখানার সরবরাহ বন্টন, উৎপাদনের সাথে জড়িত কোন ভবন বা অন্য সম্পত্তি;
(ই) এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে কোন নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত স্থান বা এলাকা; অথবা (এফ) পাট, পাটজাত দ্রব্য, পাটের গুদাম, পাটকল অথবা পাটের গাইট বাঁধার কল।
 
২) উপধারা (১) এর বিধান কোন ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাজ না করার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যে সকল কাজ করা সরকারের বা কোন সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোন ব্যক্তির প্রতি উপরিউক্ত ব্যক্তির কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।
 
৩) এ ধারার বিধান লঙ্ঘনের শাস্তি- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

Section 15. Sabotage:
(1) No person shall do any act with intent to impair the efficiency or impede the working of, or to cause damage to,- 
(a) any building, vehicle, machinery, apparatus or other property used, or intended to be used, for the purposes of the Government or of any local authority or nationalised commercial or industrial undertaking ;
(b) any railway, aerial ropeway, road, canal, bridge, culvert, causeway, port, dockyard, light-house, aerodrome, telegraph or telephone line or post, or television or wireless installation; 
(c) any rolling-stock of any railway or any vessel or aircraft; 
(d) any building or other property used in connection with the production, distribution or supply of any essential commodity, any sewage works, mine or factory ; 
(e) any place or area prohibited or protected under this Act or any other law for the time being in force ; or
(f) any jute, jute product, jute godown, jute mill or jute bailing press.

(2) The provisions of sub-section (1) shall apply in relation to any omission on the part of any person to do anything which he is under a duty, either to Government or to any public authority or to any person, to do, as they apply to the doing of any act by a person. 

(3) If any person contravenes any of the provisions of this section, he shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
১৩,০৭৫.
মামলার কোনো পর্যায়ে নোটিশ দেয়া সত্ত্বেও কোন পক্ষ দলিল দাখিল করতে অস্বীকৃতি জানালে, পরবর্তীতে উক্ত দলিল-
  1. দাখিল করা যাবে না
  2. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  3. অপর পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না। অর্থাৎ অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।

Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.
১৩,০৭৬.
'ক' একটি নিলামে অংশগ্রহণ করে এবং আদালতের ডিক্রি জারির মাধ্যমে একটি সম্পত্তি ক্রয় করে। তবে, বিক্রয়টি বাতিলের জন্য তৃতীয় পক্ষ একটি মামলা দায়ের করে, যা ২ বছর ধরে চলে। 'ক' এই সময়ের পর দখল নিতে চাইলে তামাদি আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী সময় গণনা কীভাবে হবে?
  1. ২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
  2. নিলামের তারিখ থেকেই তামাদির সময় গণনা হবে
  3. বিক্রয় বাতিলের মামলা থাকলেও তামাদির মেয়াদ পরিবর্তন হবে না
  4. ক্রেতার দখল পাওয়ার জন্য নতুন করে সময় নির্ধারণ করা হবে না
সঠিক উত্তর:
২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১৬ ধারা নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
ডিক্রি জারির বিক্রয়ে ক্রেতা কর্তৃক দখল লাভের জন্য দায়েরকৃত মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করার সময়, যে সময়কাল ধরে বিক্রয় বাতিলের জন্য কার্যধারা চালানো হয়েছে, সেই সময়কাল বাদ দেওয়া হবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending-
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
১৩,০৭৭.
সাক্ষ্য আইন, ১৯৭২ সর্বশেষ কবে সংশোধিত হয়?
  1. ২০২৩
  2. ২০২২
  3. ২০২১
  4. ২০১২
সঠিক উত্তর:
২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন সর্বশেষ ২০২২ সালের সংশোধনের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়।
১৩,০৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কখন অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন?
  1. চার্জ গঠনের পরে
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রমাণ পর্যাপ্ত হলে
  3. অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে
  4. অভিযুক্তের জামিন আবেদন মঞ্জুর হলে
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুযায়ী, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই, তাহলে চার্জ গঠনের আগে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে।
এক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করেন—
- মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র
- এফআইআর, চার্জশিট ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক দলিল
- তদন্তকারী কর্মকর্তার রিপোর্ট ও সাক্ষ্যপ্রমাণ

অর্থাৎ অভিযোগ যদি ভিত্তিহীন হয় এবং চার্জ গঠনের মতো যথেষ্ট কারণ না থাকে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠনের আগেই অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন (ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.
১৩,০৭৯.
Every _______ has the right to profess, practise or propagate any religion.
  1. person
  2. citizen
  3. people
  4. community
সঠিক উত্তর:
citizen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
citizen
ব্যাখ্যা
Article 41: Freedom of religion:

(1) Subject to law, public order and morality – 
(a) every citizen has the right to profess, practise or propagate any religion; 
(b) every religious community or denomination has the right to establish,maintain and manage its religious institutions. 

(2) No person attending any educational institution shall be required to receive religious instruction, or to take part in or to attend any religious ceremony or worship, if that instruction, ceremony or worship relates to a religion other than his own.

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা:

(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে -
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে; 
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে। 
 
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।
১৩,০৮০.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪২
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৫
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

Article 143: Property of the Republic

(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested – 

(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.
১৩,০৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কী ধরনের সার্টিফিকেট দাখিল করা যায়?
  1. সংশ্লিষ্ট থানার ওসির সুপারিশ
  2. জেলার জজের ব্যক্তিগত মতামত
  3. আদালতের বাইরের কোনো সাক্ষীর বিবৃতি
  4. কারাগারের ইনচার্জ কর্তৃক স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ইনচার্জ কর্তৃক স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ইনচার্জ কর্তৃক স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির পূর্ববর্তী দণ্ড (previous conviction) প্রমাণ করতে হয়, তাহলে তার একটি উপায় হলো:
- যে কারাগারে সাজা কার্যকর করা হয়েছিল, সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer-in-charge) কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি সার্টিফিকেট আদালতে দাখিল করা।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫১১- পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস কীভাবে প্রমাণ করতে হবে:-
এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় বর্তমান কার্যকর অন্য কোন আইনে বর্ণিত পদ্ধতি ছাড়া নিম্নোক্তভাবে পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে-
(ক) যে আদালত উক্ত দণ্ড বা খালাস দিয়েছিলেন সেই আদালতের নথিপত্র যে অফিসারের হেফাজতে থাকে সেই অফিসারের স্বহস্তের স্বাক্ষর কর্তৃক সত্যায়িত উক্ত দণ্ডাদেশ বা আদেশের উদ্ধৃতি কর্তৃক, কিংবা
(খ) দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে যে কারাগারে সাজা বা তার অংশ বিশেষ দেয়া হয়েছিল সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট কর্তৃক কিংবা যে আটকের পরোয়ানা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল তা পেশ করে;
উপরোক্ত দুটি ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যে একই, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 511- Previous conviction or acquittal how proved:
In any inquiry, trial or other proceeding under this Code, a previous conviction or acquittal may be proved, in addition to any other mode provided by any law for the time being in force- 
(a) by an extract certified under the hand of the officer having the custody of the records of the Court in which such conviction or acquittal was had to be a copy of the sentence or order; or 
(b) in case of a conviction, either by a certificate signed by the officer in charge of the jail in which the punishment or any part thereof was inflicted, or by production of the warrant of commitment under which the punishment was suffered; 
together with, in each of such cases, evidence as to the identity of the accused person with the person so convicted or acquitted.
১৩,০৮২.
সর্বপ্রথম ১৮৫০ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন কে?
  1. স্যার হেনরি সামার মেইন
  2. স্যার জেমস ফিট্জ জেমস স্টিফেন
  3. প্রফেসর তেইর
  4. জন ম্যাকলে
সঠিক উত্তর:
স্যার হেনরি সামার মেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার হেনরি সামার মেইন
ব্যাখ্যা
- ১৮৫০ সালে স্যার হেনরি মেইন প্রথমবার সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেছিলেন।
- পরবর্তীতে ১৮৭২ সালে স্যার জেমস ফিট্জ জেমস স্টিফেন সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন।
- ১লা সেপ্টেম্বর ১৮৭২ সালে তা কার্যকর হয়।
১৩,০৮৩.
অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলার তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮- অনুচ্ছেদ ৪৮- হারানো, চুরি বা অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার বা ক্ষতিপূরণের মামলা:

প্রযোজ্য ক্ষেত্র: এমন অস্থাবর সম্পত্তি যেটি-
▸ হারিয়ে গেছে,
▸ চুরি হয়েছে,
▸ অসাধুভাবে আত্মসাৎ (dishonest misappropriation) করা হয়েছে,
▸ অন্যায়ভাবে নেওয়া বা আটক রাখা হয়েছে।

মামলার ধরন: উক্ত সম্পত্তি ফেরত পাওয়া বা ক্ষতিপূরণ দাবিতে মামলা।
তামাদির মেয়াদ: ৩ বছর;
সময় গণনার শুরু: যেদিন সম্পত্তির অধিকারী প্রথমবার জানতে পারেন যে, ওই সম্পত্তি বর্তমানে কার নিকট আছে।

১৩,০৮৪.
কোন বিধান অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোনো বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না?
  1. Muslim Family Laws Ordinance, 1961, ধারা ৬
  2. Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939, ধারা ২
  3. The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974, ধারা ৩
  4. Muslim Family Laws Ordinance, 1961, ধারা ৯
সঠিক উত্তর:
Muslim Family Laws Ordinance, 1961, ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Muslim Family Laws Ordinance, 1961, ধারা ৬
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:

১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।

৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।

৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয়দণ্ড।
১৩,০৮৫.
`No new trial for improper admission or rejection of evidence’ - এই বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. কেবল ফৌজদারি কার্যধারায়
  2. কেবল দেওয়ানি কার্যধারায়
  3. কেবল প্রশাসনিক কার্যধারায়
  4. সকল বৈচারিক কার্যধারায়
সঠিক উত্তর:
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না।

- সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
১৩,০৮৬.
সাধারণভাবে বার কাউন্সিলের নির্বাচন হবে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার বছরের-
  1. মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
  2. মে মাসের ৩০ তারিখে বা তার আগে
  3. মার্চ মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
  4. মার্চ মাসের ৩০ তারিখে বা তার আগে
সঠিক উত্তর:
মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
ব্যাখ্যা
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যে বছর বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হয়, সেই বছরের মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে বার কাউন্সিলের নির্বাচন হবে ।
১৩,০৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত কোন উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারে না?
  1. স্থানীয় তদন্ত পরিচালনা
  2. সম্পত্তি বাটোয়ারা
  3. সম্পত্তি বিক্রি
  4. হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ এর বিধান: কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।

⇒ সম্পত্তি বিক্রি–এর জন্য ধারা ৭৫–এ কমিশন ইস্যু করার ক্ষমতা নেই।

The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.

- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.

১৩,০৮৮.
The Penal Code এর কোন ধারায় প্রতারণার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪১০ ধারায়
  2. ৪১২ ধারায়
  3. ৪১৫ ধারায়
  4. ৪১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় প্রতারণার বিধান রয়েছে।
• প্রতারণা বলতে ফাঁকি দিয়ে বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা কাউকে এমনভাবে প্রভাবিত করা যে, প্রতারিত ব্যক্তি যেন প্রতারণাকারীর ইচ্ছামাফিক কোন কাজ করে যা প্রতারিত ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি করে অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা না করতে বা সম্পত্তি অর্পনে বাধ্য করে।
১৩,০৮৯.
একজন আইনজীবী কোন মামলায় তার মক্কেলের জন্য আনুষ্ঠানিক বিষয় ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষী হলে তিনি মামলাটি(র) ___________।
  1. নিজের কাছে রাখলেও স্বাক্ষ্য দিবেন না
  2. ছেড়ে দিলেও সাক্ষ্য দিবেন
  3. নিজের কাছে রাখবেন ও সাক্ষা দিবেন
  4. বিচারকার্য অন্য আইনজীবীর নিকট ছেড়ে দিবেন
সঠিক উত্তর:
বিচারকার্য অন্য আইনজীবীর নিকট ছেড়ে দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকার্য অন্য আইনজীবীর নিকট ছেড়ে দিবেন
ব্যাখ্যা
♦পেশাগত সদাচারণ ও নিয়মানুবর্তিতা এর ২য় অধ্যায় (CHAPTER-II)-মক্কেলেদের প্রতি আচরণ (CONDUCT WITH REGARD TO CLIENTS)-বিধি-১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা ।

♦অর্থাৎ কোন আইনজীবী মক্কেলের মামলায় সাক্ষী হলে, সেই মামলার দায়িত্ব অন্য আইনজীবীর উপর অর্পণ করতে হবে। তবে সাক্ষ্য যদি দলিল বা জিম্মাদার বিষয়ে হয় তাহলে, তিনি নিজেই মামলা চালাতে পারবেন।
১৩,০৯০.
কোন ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হলে তিনি কোন নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করতে ইচ্ছুক তা তিনি তার সর্বশেষ নির্বাচনের কত দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জ্ঞাপন করবে?
  1. ১৫ দিনের
  2. ৩০ দিনের
  3. ৪৫ দিনের
  4. ৬০ দিনের
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭১ অনুচ্ছেদের বিধান: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা:
(১) কোন ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকার সংসদ-সদস্য হইবেন না।

(২) কোন ব্যক্তির একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচনপ্রার্থী হওয়ায় এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বর্ণিত কোন কিছুই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিবে না, তবে তিনি যদি একাধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচিত হন তাহা হইলে-

(ক) তাঁহার সর্বশেষ নির্বাচনের ত্রিশ দিনের মধ্যে তিনি কোন্ নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করিতে ইচ্ছুক, তাহা জ্ঞাপন করিয়া নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণা প্রদান করিবেন এবং তিনি অন্য যে সকল নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচিত হইয়াছিলেন, অতঃপর সেই সকল এলাকার আসনসমূহ শূন্য হইবে;

(খ) এই দফার (ক) উপ-দফা মান্য করিতে অসমর্থ হইলে তিনি যে সকল আসনে নির্বাচিত হইয়াছিলেন, সেই সকল আসন শূন্য হইবে; এবং

(গ) এই দফার উপরি-উক্ত বিধানসমূহ যতখানি প্রযোজ্য, ততখানি পালন না করা পর্যন্ত নির্বাচিত ব্যক্তি সংসদ-সদস্যের শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে পারিবেন না।
---------------
⇒ Article  71 of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: Bar against double membership:

(1) No person shall at the same time be a member of Parliament in respect of two or more constituencies. 

(2) Nothing in clause (1) shall prevent a person from being at the same time a candidate for two or more constituencies, but in the event of his being elected for more than one – 

(a) within thirty days after his last election the person elected shall deliver to the Chief Election Commissioner a signed declaration specifying the constituency which he wishes to represent, and the seats of the other constituencies for which he was elected shall thereupon fall vacant; 
 
(b) if the person elected fails to comply with sub clause (a) all the seats for which he was elected shall fall vacant; and 

(c) the person elected shall not make or subscribe the oath or affirmation of a member of Parliament until the foregoing provisions of this clause, so far as applicable, have been complied with.
১৩,০৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য কে আবেদন করতে পারে?
  1. যার আবেদনের ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে সেই ব্যক্তি
  2. উক্ত সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি
  3. যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারামতে-
যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি ক্রোকের তারিখ থেকে ২ বৎসরের মধ্যে অথবা উক্ত ব্যক্তি ব্যতীত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কোন ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারে।

পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে এবং আদালত উপযুক্ত মনে করলে, যে কোন সময় ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হুলিয়া জারির ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত এবং কোন আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দেয়া হয় না। কিন্তু ক্রোকের সম্পত্তি প্রাণী সম্পদ অথবা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত তা অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিবেন।

পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না,
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

Section 89: Restoration of attached property-
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
১৩,০৯২.
আদালতের কোন ক্ষমতাবলে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়?
  1. বাধ্যতামূলক
  2. ইচ্ছাধীন
  3. আইনগত
  4. আবশ্যিক
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
১৩,০৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আসামির বিচার চলাকালে মানসিক সুস্থতা এবং অপরাধ সংঘটনের সময় মানসিক অসুস্থতা বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৬৭
  2. ধারা ৪৬৯
  3. ধারা ৪৭১
  4. ধারা ৪৭৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৯ (Section 469) নির্ধারণ করে, যখন কোনো আসামি বিচার চলাকালে মানসিকভাবে সুস্থ প্রতীয়মান হয়, কিন্তু আদালতের কাছে প্রমাণিত হয় যে অপরাধ সংঘটনের সময় সে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল এবং তার অপরাধমূলক কাজের প্রকৃতি বুঝতে অক্ষম ছিল, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
- অর্থাৎ, আসামির বর্তমান মানসিক সুস্থতার ভিত্তিতে বিচার চলবে, অপরাধের সময় তার মানসিক অবস্থা আদালত পরবর্তী পর্যায়ে বিবেচনা করবে।
- এ ধারা মূলত মানসিক অবস্থা সংক্রান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে বিচার চালানোর নির্দেশনা প্রদান করে, যাতে বিচার প্রক্রিয়া থেমে না যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৯- আসামিকে যখন বিচার চলাকালে মানসিকভাবে সুস্থ বলে মনে হয় কিন্তু অপরাধ করার সময় মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল বলে প্রতীয়মান হয় সেক্ষেত্রে করণীয়
অনুসন্ধান বা বিচারের সময় আসামি যখন মানসিক সুস্থ বলে প্রতীয়মান হয় এবং আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আসামি যখন অপরাধমূলক কাজটি করেছিল তখন মানসিক অসুস্থতার দরুন অপরাধমূলক কাজটির প্রকৃতি জানতে অসমর্থ ছিল, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত মামলার কাজ চালিয়ে যাবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 469- When accused appears to have been insane:
- When the accused appears to be of sound mind at the time of inquiry or trial, and the Magistrate or, as the case may be, the Court is satisfied from the evidence given before him or it that there is reason to believe that the accused committed an act which, if he had been of sound mind, would have been an offence, and that he was, at the time when the act was committed, by reason of unsoundness of mind, incapable of knowing the nature of the act or that it was wrong or contrary to law, the Magistrate or, as the case may be, the Court shall proceed with the case.
১৩,০৯৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৬খ ধারায় কার মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতার বিধান রয়েছে?
  1. আপিল বিভাগের
  2. দায়রা জজের
  3. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. হাইকোর্ট বিভাগের
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী মামলা এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারী আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারী মামলা বা আপীল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারী মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-

১. আপীল বিভাগের (ধারা-৫২৫ক)
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা-৫২৬)
৩. দায়রা জজের (ধারা-৫২৬খ)।
১৩,০৯৫.
Factum Valet নীতি অনুযায়ী, একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া হলে তা কী হবে?
  1. বৈধ
  2. অবৈধ
  3. শর্তসাপেক্ষে বৈধ
  4. আদালতের অনুমতি প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ
ব্যাখ্যা
→ Factum Valet নীতি অনুযায়ী, শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া নিষিদ্ধ, তবে যদি এই বিধান উপেক্ষা করে একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া হয়, তবে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে না। তবে এ ধরনের কাজ করতে হলে প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করতে হয়।
অর্থাৎ Factum Valet নীতি অনুযায়ী, একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া হলে তা বৈধ হবে। 

- Factum Valet মতবাদ, হিন্দু আইন অনুসারে, এমন একটি নীতি যা নির্দেশ করে যে, কোনো কার্য বা কাজ আইনত নিষিদ্ধ হলেও তা যদি বাস্তবে সংঘটিত হয়, তবে তা বৈধ বলে গণ্য হতে পারে।
- অর্থাৎ, যে কাজটি আইনত বা শাস্ত্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ বা অশুদ্ধ বলে ধরা হয়, সেটি যদি বাস্তব জীবনে ঘটতে থাকে, তবে তা ওই সময়ের পরিস্থিতি অনুযায়ী বৈধতা লাভ করে।
১৩,০৯৬.
অ্যাডভোকেটের পাবলিক অফিসারের সাথে পেশাগত ক্ষমতায় যোগাযোগের পূর্বে নিজের পরিচয় প্রকাশ করার নির্দেশ কোন অধ্যায় এবং বিধিতে দেয়া হয়েছে?
  1. অধ্যায় ৪, বিধি ২
  2. অধ্যায় ৪, বিধি ৪
  3. অধ্যায় ৪, বিধি ৬
  4. অধ্যায় ৩, বিধি ৬
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ৪, বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ৪, বিধি ৬
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের ক্যাননস, ১৯৬৯-এর অধ্যায় ৪, বিধি ৬-এ উল্লেখ আছে যে, একজন অ্যাডভোকেট পেশাগত ক্ষমতায় কোনো পাবলিক অফিসার, বোর্ড, কমিটি বা সংস্থার সাথে যোগাযোগ করার পূর্বে অথবা তাদের সামনে উপস্থিত হওয়ার পূর্বে প্রথমে প্রকাশ করবেন যে তিনি একজন অ্যাডভোকেট এবং এমন স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করছেন যা উক্ত অফিসার, বোর্ড, কমিটি বা সংস্থার কার্যক্রম দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।

⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের ক্যাননস, ১৯৬৯-এর অধ্যায় ৪ (Conduct with Regard to the Public Generally) বিধি ৬-এ বলা হয়েছে যে, একজন অ্যাডভোকেট তার পেশাগত ক্ষমতায় কোনো পাবলিক অফিসার, বোর্ড, কমিটি বা body-এর কাছে উপস্থিত হওয়ার পূর্বে অবশ্যই প্রকাশ করতে হবে যে তিনি একজন অ্যাডভোকেট এবং তিনি যে স্বার্থগুলি প্রতিনিধিত্ব করছেন, সেগুলি উক্ত অফিসার, বোর্ড, কমিটি বা body-এর কার্যক্রম দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।

- এই বিধির উদ্দেশ্য হল স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং স্বার্থের দ্বন্দ্ব (conflict of interest) এড়ানো। এটি অ্যাডভোকেটদের পেশাগত নৈতিকতা এবং সম্মান বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১৩,০৯৭.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন মিথ্যা মামলাকারীর সর্বনিম্ন কারাদণ্ড কত বছর হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৫: মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিলে বা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করিলে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহা করিতে বাধ্য করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার শুরু করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, মূল মামলার বিচার স্থগিত করিতে পারিবে।
১৩,০৯৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কত ধারা অনুযায়ী আদালত যে পক্ষকে চুক্তি রদের প্রতিকার মঞ্জুর করে তাকে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরন দেওয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৩৫ ধারায়
  2. ৩৬ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে,
• আদালত চুক্তি বাতিলের রায় মঞ্জুর করলে যে পক্ষের অনুকূলে রায় মঞ্জুর করবেন তাদের নিকট থেকে অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরন প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
১৩,০৯৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "অন্যায় লাভ" (Wrongful Gain) এবং "অন্যায় ক্ষতি" (Wrongful Loss) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৩-এ “অন্যায় লাভ” (Wrongful gain) এবং “অন্যায় ক্ষতি” (Wrongful loss) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে:
অন্যায় লাভ (Wrongful gain): এটি হলো অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তি অর্জন করা, যার উপর অর্জনকারী ব্যক্তির আইনি অধিকার নেই।
অন্যায় ক্ষতি (Wrongful loss): এটি হলো অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তি থেকে কোনো ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা, যার উপর তার আইনি অধিকার রয়েছে।
- তাই, সঠিক উত্তর হলো ধারা ২৩।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-23:
→ “Wrongful gain”
 "Wrongful gain" is gain by unlawful means of property to which the person gaining is not legally entitled.
→ “Wrongful loss”
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
→ Losing wrongfully.
- A person is said to gain wrongfully when such person retains wrongfully, as well as when such person acquires wrongfully.
- A person is said to loss wrongfully when such person is wrongfully kept out of any property, as well as when such person is wrongfully deprived of property.

১৩,১০০.
নিম্নলিখিত কোনটি শারীর সম্বন্ধীয় সাক্ষ্যের উদাহরণ নয়?
  1. চুল
  2. ডিএনএ
  3. হস্তাক্ষর
  4. পায়ের ছাপ
সঠিক উত্তর:
হস্তাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তাক্ষর
ব্যাখ্যা
ধারা-৩: শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য:
রক্ত, বীর্য, চুল, সকল দৈহিক উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিএনএ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ; এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরুপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ-
i. প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে; বা
ii. অপরাধ এবং এর ভুক্তভোগীর মধ্যে বা অপরাধ এবং এর অপরাধীর মধ্যেকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে; এবং 
iii. কোন ঘটনা প্রমাণ করে বা মিথ্যা প্রমাণ করে।

হস্তাক্ষর (Handwriting) শারীরিক বা বস্তুগত প্রমাণের উদাহরণ নয়, কারণ এটি মূলত একটি লিখিত নিদর্শন বা ডকুমেন্টারি প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।