বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১২১ / ১৫৫ · ১২,০০১১২,১০০ / ১৫,৪৭০

১২,০০১.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. দায়রা জজ আদালতের অনধিক ১ মাসের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  2. দায়রা জজ আদালতের অনধিক ৫০ টাকা অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  3. কেবল অর্থদন্ডাদেশ দিলে উক্ত অর্থ অনাদায়ে দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  4. সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপীল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যকোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
♦অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত দন্ড আরোপ করে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আপীল করা যাবেনা।  
♦ধারা ৪১৪ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেই। যেমনঃ ২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
১২,০০২.
একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে কে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. মক্কেলের পছন্দ অনুযায়ী
  2. আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী
  3. সিনিয়র অ্যাডভোকেট
  4. জুনিয়র অ্যাডভোকেট
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) সিনিয়র অ্যাডভোকেট।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, যদি একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হয়, তবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলাটি পরিচালনা করবেন।
- Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায়ের বিধি-১১ অনুসারে, একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন।
- এটি পেশাগত শিষ্টাচার এবং নিয়মের অংশ, যেখানে সিনিয়রিটি এবং অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette CHAPTER 1 - CONDUCT WITH REGARD TO OTHER ADVOCATES:
- Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.
১২,০০৩.
Under Section 125 of The Code of Criminal Procedure, 1898, who has the power to cancel a bond for keeping the peace or good behaviour?
  1. High Court
  2. Sessions Judge
  3. District Magistrate
  4. Superintendent of Police
সঠিক উত্তর:
District Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
District Magistrate
ব্যাখ্যা
Section 125- Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.

ধারা ১২৫: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের মুচলেকা বাতিলের ক্ষমতা:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যথাযথ কারণ প্রদর্শন সাপেক্ষে, যেটি লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে, যে কোনো সময় তার অধিক্ষেত্রের অধীন কোনো আদালত কর্তৃক এই অধ্যায়ের অধীনে শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের জন্য সম্পাদিত কোনো মুচলেকা বাতিল করতে পারেন, যদি সংশ্লিষ্ট আদালত তার আদালতের চেয়ে উচ্চতর না হয়।
১২,০০৪.
ইসতিদলাল বলতে কী বোঝায়?
  1. জনকল্যাণ
  2. ধর্মীয় অনুশীলন
  3. শরিয়া বাতিল করা
  4. যুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
যুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
ব্যাখ্যা
’মুসলিম আইনের প্রধান উৎস চারটি- কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াস। আরও কিছু বিষয়কেও ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেগুলো হলো-

ইজতিহাদ:
ইজতেহাদ অর্থ গবেষণা করা। ইসলামি পরিভাষায় শরিয়তের কোনো নির্দেশ সম্পর্কে সুষ্ঠু জ্ঞানলাভের উদ্দেশ্যে সর্বাঙ্গীণ চেষ্টা ও সমাধানের নাম ইজতেহাদ। সাধারণ লোকের চিন্তাধারায় ইজতেহাদ হয় না। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে কিয়াস প্রয়োগ করে ইজতেহাদ করতে হয়।

ইসতিহসান:
পরবর্তী শতাব্দীতে কোনো বিধান কিয়াসের চাহিদা থেকে পৃথক হলে তাকে ইসতিহসান বলা হতো। ইসতিহসান অর্থ বিচার-বিবেচনায় যা মঙ্গলজনক। কিয়াসের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান কঠিন মনে হলে জনসাধারণের সাহায্যের জন্য ইসতিহসান করা হয়।

ইসতিসলাহ:
ইসতিহসানের থেকে সহজ ইসতিসলাহ। ইসতিসলাহ অর্থ জনকল্যাণ। এটা জনসাধারণের কল্যাণে সমস্যা সমাধানের সহজ মাধ্যম।

ইসতিদলাল:
ইসলামী আইনে যুক্তিনির্ণীত সিদ্ধান্তকে ‘ইসতিদলাল’ বলে। অন্য কথায় কোনো একটি বিষয় হতে যুক্তি-তর্কের সাহায্যে অন্য একটি অনুরূপ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণকে ইসতিদলাল বলে। ইসতিদলালের মাধ্যমে এক নীতি থেকে যুক্তি-তর্কের সাহায্যে অন্য নীতির প্রবর্তন করা হয়।
১২,০০৫.
'De facto' অর্থ কী?
  1. In Law
  2. In deed
  3. In action
  4. In fact
সঠিক উত্তর:
In fact
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In fact
ব্যাখ্যা
De facto: শাব্দিক অর্থ- In fact বা According to fact. 'প্রকৃতপক্ষে' বা 'বাস্তবতায়'।
এই শব্দটি আইনি ও রাজনৈতিক প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয় এবং কোনও পরিস্থিতি, অবস্থা বা অবস্থান যা আইনগতভাবে স্বীকৃত নয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বিদ্যমান সেটিকে 'de facto' অবস্থা বলা হয়।

কূটনৈতিক (Diplomacy) ক্ষেত্রে: রাষ্ট্র হিসেবে জনসমষ্টি, সরকার, ভূ-খণ্ড, সম্পদের উপর কর্তৃত্ব, চলাচলের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের সকল আনুষ্ঠানিকতা সবই আছে, কিন্তু সার্বভৌমত্ব নেই। এককথায় সার্বভৌমত্বহীন হচ্ছে De facto. উদাহরণ- তাইওয়ান, হংকং ও গ্রিনল্যান্ড।

উদাহরণস্বরূপ:
- কোনও দেশে সামরিক বিদ্রোহের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হলে, নতুন সরকার 'de facto' ক্ষমতায় থাকতে পারে, যদিও আইনগতভাবে তারা স্বীকৃত না হন।
- কোনও ব্যক্তি একটি পদে কাজ করতে থাকলে, তিনি 'de facto' সেই পদে কর্মরত বলে গণ্য হতে পারেন, যদিও আইনগতভাবে তিনি সেই পদে নিযুক্ত না হন।

অর্থাৎ, 'de facto' শব্দটি আইনগত স্বীকৃতি না থাকলেও বাস্তবতায় বিদ্যমান অবস্থা কিংবা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
১২,০০৬.
চুরির অপরাধে বিচার চলাকালে তিন মাস জেলহাজতে থাকার পর "X" জামিন পায়। বিচারের পর "X" এর ছয় মাসের কারাদণ্ড হয়। এক্ষেত্রে 'X' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৬ মাস ভোগ করতে হবে
  2. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  3. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে না
  4. ৩ মাস ভোগ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:

♦ ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

 ♦ ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাথা

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X'  তিন মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি ৬ মাস থেকে ৩ মাস বাদ দিয়ে বাকি ৩ মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
১২,০০৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের জন্য বাধ্যতামূলক হবে?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণ
  2. পক্ষগণের দাবীদার
  3. পক্ষগণের জিম্মাদার
  4. উল্লিখিত সকলের 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৪৩ অনুসারে, ঘোষণামূলক ডিক্রি নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের উপর বাধ্যকর হবে:
১. মোকদ্দমার পক্ষগণ
২. পক্ষগণের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণ
৩. পক্ষগণের জিম্মাদার (যেমন: ট্রাস্টি)
- এই বিধান অনুযায়ী, ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র সরাসরি পক্ষগণের উপরই নয়, বরং তাদের উত্তরাধিকারী, বৈধ দাবিদার এবং ট্রাস্টিগণের জন্যও বাধ্যতামূলক।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল:
- এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে এবং পক্ষগণের জিম্মাদারের উপরও বাধ্যকর হবে।
-------------
⇒ Specific Relief Act- Section 43 -Effect of declaration:- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
- A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

১২,০০৮.
'ক' এর প্ররোচনায় 'খ' খুন করার উদ্দেশ্যে 'গ' কে ছুরিকাঘাত করে। 'গ' চিকিৎসাস্ত্রে সুস্থ হইয়া উঠে। 'ক' নিম্নের কোন অপরাধ করিয়াছে?
  1. গুরুতর আঘাতের প্ররোচনা
  2. নরহত্যার প্ররোচনা
  3. খুন করার প্ররোচনা
  4. 'গ' সুস্থ হওয়ায় কোন অপরাধ হয় নাই।
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা ২ অনুযায়ী 'ক' খুন করার প্ররোচনার অপরাধ করিয়াছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।


---------------
⇒ Culpable homicide

Section 299. Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.

Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
১২,০০৯.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২১
  2. অনুচ্ছেদ ২৭
  3. অনুচ্ছেদ ৩২
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ:
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ অনুচ্ছেদ ২৭ এ আলোচনা করা আছে। অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী-
১. তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২. ২১ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে;
৩. বাংলাদেশের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে;
৪. বাংলাদেশের বাহিরে বার কাউন্সিল স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে, অথবা তাকে ব্যারিস্টার হতে হবে;
৫. তাকে বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে;
৬. নির্ধারিত পন্থায় বার কাউন্সিল নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে;
৭. যিনি ন্যূনতম ৭ (সাত) বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করেন, তিনি ২৭ অনুচ্ছেদের দফা ১ এর উপ দফা (ক), (খ), (ঘ), এবং (ঙ) দফার শর্তসমূহ পালন করে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
১২,০১০.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে সাব-এজেন্ট সরাসরি প্রিন্সিপালের কাছে দায়বদ্ধ হন?
  1. প্রতারণা করলে
  2. ইচ্ছাকৃত ক্ষতি করলে
  3. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
সাব-এজেন্ট সম্পর্কিত বিধান (ধারা ১৯২)
১. প্রতিনিধিত্ব - উপযুক্তভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত সাব-এজেন্ট-
যদি কোনো সাব-এজেন্ট যথাযথভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন, তাহলে তৃতীয় পক্ষের (third persons) ক্ষেত্রে তিনি এমনভাবে প্রিন্সিপালকে প্রতিনিধিত্ব করবেন, যেন তিনিই কর্তার দ্বারা সরাসরি নিযুক্ত একজন এজেন্ট। ফলে, সাব-এজেন্টের কার্যকলাপের জন্য কর্তাও তৃতীয় পক্ষের কাছে বাধ্য ও দায়বদ্ধ হবেন।

২. এজেন্টের দায়িত্ব-
যদিও সাব-এজেন্ট তৃতীয় পক্ষের কাছে প্রিন্সিপালকে প্রতিনিধিত্ব করেন, তথাপি তার কাজের জন্য মূল দায়িত্ব থাকে এজেন্টের ওপর।

৩. সাব-এজেন্টের দায়িত্ব-
সাব-এজেন্ট তার কার্যকলাপের জন্য এজেন্টের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন। তিনি প্রিন্সিপালের কাছে সরাসরি দায়বদ্ধ নন - শুধুমাত্র দুটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হয়:
- প্রতারণা (fraud);
- ইচ্ছাকৃত ক্ষতিসাধন বা জ্ঞাতভাবে অন্যায় (wilful wrong)।
১২,০১১.
আসামীর মৃত্যু হলে কোন আপিল পণ্ড বা বাতিল হবে?
  1. সকল আপিল
  2. জরিমানা বা অর্থদণ্ডের আপিল
  3. ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
  4. কোনো আপিলই বাতিল হবে না
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 
 
অর্থাৎ, জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।
১২,০১২.
তামাদি আইনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধানটি সঠিক?
  1. ১৭ ধারা- প্রতারণার ফলাফল
  2. ১৮ ধারা- মামলা করার অধিকার লাভের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল
  3. ১৯ ধারা- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল
  4. ২০ ধারা- অবিরাম চুক্তিভঙ্গ এর ফলাফল
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন তৃতীয় অধ্যায় - তামাদির সময় /মেয়াদ গণনা-
ধারা ১২- আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে
ধারা ১৩- বাংলাদেশ ও অনান্য কয়েকটি এলাকা থেকে বিবাদীর অনুপস্থিতকালীন সময় হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে।
ধারা ১৪- এখতিয়ারবিহীন আদালতের সুউদ্দেশ্যমূলক কার্যক্রমে যে সময় গণনা হতে বাদ দিতে হয়।
ধারা ১৫- কার্যধারা স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে।

ধারা ১৬- ডিক্রি জারীর বিক্রয় রদ করার কার্যধারা মূলতবী থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে।
ধারা-১৭- মামলা করার অধিকার লাভের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল।
ধারা-১৮- প্রতারণার ফলাফল।
ধারা-১৯- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল।
ধারা ২০- উত্তর দায় বিষয়ক ঋণ পরিশোধের কিংবা সুদ দেয়ার ফলাফল।

ধারা ২১- অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি।
ধারা-২২- নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারো স্থলাভিষিক্ত কিংবা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল।
ধারা-২৩- অবিরাম চুক্তিভঙ্গ অথবা অন্যায় করা।
ধারা-২৪- বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা।
ধারা-২৫- দলিলের উল্লিখিত সময়ের হিসাব।
১২,০১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগে সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. প্রধান বিচারপতির আদেশে
  2. সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
  3. আইন মন্ত্রণালয়ের আদেশে
  4. জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত সাধারণ নিয়ম দ্বারা নির্ধারিত হয়।সুতরাং সঠিক উত্তর হবে: খ) সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারার বিধান: হাইকোর্ট ডিভিশনে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:
- সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে সাধারণ নিয়ম প্রণয়নের দ্বারা উক্ত আদালতে আগত মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ প্রণালী নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নিয়ম অনুসারে সাক্ষ্য গৃহীত হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 365. Record of evidence in High Court Division:
- The Supreme Court shall from time to time, by general rule, prescribe the manner in which evidence shall be taken down in cases coming before the Court, and the evidence shall be taken down in accordance with such rule.

১২,০১৪.
A, B-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা হতে বিরত করার উদ্দেশ্যে B-এর ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। A এর অপরাধ কি?
  1. ঘরে আগুন দেওয়া
  2. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  3. অনিষ্ট সাধন উত্তর
  4. ভয় দেখানো
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি (injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।
♦ যেমন- ক, খ-কে একটি দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করা থেকে বিরত রাখার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়িয়ে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এখানে ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।
♦ ভীতি প্রদর্শিত লোকের স্বার্থ নিহিত রয়েছে এমন কোন মৃত লোকের সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শনও ৫০৩ ধারার অপরাধ বলে গণ্য হবে। যেমন- কামাল, রফিককে একটি কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য রফিকের মৃত বাবার নামে কুৎসা রটানের হুমকি প্রদান করে। এখানে কামাল অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।
১২,০১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০০ অনুযায়ী, যদি জামিনে মুক্তির জন্য আদালত আদেশ জারি করে, তবে কে তাকে মুক্তি দেবে?
  1. জামিনদাতা।
  2. পুলিশ কর্মকর্তা।
  3. আদালতের বিচারক।
  4. জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০০(১) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি জামিনে মুক্তির জন্য আদালত আদেশ জারি করে, তখন আদালত ওই ব্যক্তির মুক্তির জন্য জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে একটি আদেশ প্রদান করে। সেই কর্মকর্তা আদেশটি গ্রহণ করার পর ওই ব্যক্তিকে মুক্তি দেন।
- এখানে আদালত জামিনের আদেশ জারি করলেও, মুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নটি জেলের কর্মকর্তার মাধ্যমে হয়, কারণ তারা সরাসরি বন্দির মুক্তির দায়িত্বে থাকে।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫০০:
(১) যেহেতু বন্ড সম্পাদিত হয়েছে, যাদের উপস্থিতির জন্য বন্ড সম্পাদিত হয়েছে, তাদের মুক্তি প্রদান করা হবে; এবং, যদি তারা জেলে থাকে, তবে আদালত জামিন মঞ্জুরকারী আদালত মুক্তির জন্য আদেশ জারি করবে জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে, এবং ঐ কর্মকর্তা আদেশ গ্রহণের পর তাকে মুক্তি দিবে।
(২) এই ধারা, ধারা ৪৯৬ বা ধারা ৪৯৭ এর কোন কিছু এমনভাবে বিবেচিত হবে না যা কোনো ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য বাধ্য করে যদি তাকে অন্য কোনো কারণে আটক রাখা হয়, যার সঙ্গে বন্ড সম্পাদিত বিষয় সম্পর্কিত নয়।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
১২,০১৬.
রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র হতে উদ্ভূত তথ্যের ভিত্তিতে কেউ সাক্ষ্য দিতে চাইলে কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. সরকারের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. আদালতের
  4. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারার বিধান: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্যঃ-কাউকেও রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রাকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। যে মত উক্ত অফিসার উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, অনুমতি সে মত নিবেন বা দেয়া হতে বিরত থাকবেন।

⇒ অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র (unpublished official records) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কাউকে সাক্ষ্য প্রদানে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে প্রধান কর্মকর্তা অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।
-------------------
⇒ Section-123. Evidence as to affairs of State: No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
১২,০১৭.
আদি এখতিয়ার দ্বারা হাইকোর্ট ডিভিশনের দেয়া কোন রায় ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করতে হবে?
  1. আপিল করা যাবে না
  2. সুপ্রিম কোর্টে
  3. আপিল বিভাগে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------------
⇒ CPC Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
১২,০১৮.
ধারা ৪১ অনুযায়ী আদালত কাকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. সরকারকে
  2. দলিলের উভয় পক্ষকে
  3. দলিল বিলুপ্তির রায় প্রাপ্ত পক্ষকে
  4. কেউকে নয়
সঠিক উত্তর:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রাপ্ত পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রাপ্ত পক্ষকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
১২,০১৯.
সরকারী দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য জাবেদা নকল (certified copy) দাখিল করা যেতে পারে-
  1. ৬৪ ধারায়
  2. ৭৫ ধারায়
  3. ৬৬ ধারায়
  4. ৭৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের  ৭৭ ধারার বিধানঃ প্রত্যায়িত অনুলিপি উপস্থিত করে দলিল প্রমাণঃ অনুরূপ প্রত্যায়িত অনুলিপি যে সরকারী দলিলের অনুলিপি বা যে সরকারী দলিলের অংশবিশেষের অনুলিপি বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, সেই দলিলের বা তাহার অংশ বিশেষের বিষয় বস্তু প্রমানস্বরুপ ইহা দাখিল করা যাইতে পারে।

♦সাক্ষ্য আইনের  ৭৭ ধারা জাবেদার নকল উপস্থাপন করে দলিল প্রমাণ (Proof of documents by production of certified copies):
জোবেদা নকল যে সরকারী দলিলের অনুলিপি বলে বুঝানো হয়, সেই দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণে তা দাখিল করা যেতে পারে।
♦যেসব ব্যক্তিগত দলিল সরকারি দলিল হিসেবে বিবেচিত সেসব দলিলও জাবেদা নকলের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়।
১২,০২০.
'Subsequent pleadings' বলতে কী বোঝায়?
  1. প্লিডিংয়ের সাথে দলিলপত্র যুক্ত করা
  2. প্লিডিংয়ের সাথে ফিরিস্তি ফরম যুক্ত করা
  3. আপিল আদালতে রেসপন্ডেন্ট কর্তৃক ক্রস অবেজকশনের দাবি তোলা
  4. দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং 
সঠিক উত্তর:
দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো - (ঘ) দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং।

“Subsequent Pleadings” বলতে বোঝায় মূল লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিলের পর, আদালতের অনুমতিক্রমে বা বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন দাবি-সমন্বয় / Counter-claim) অতিরিক্ত বা পরবর্তী প্লিডিং (Additional Pleading) দাখিল করা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):
বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

১২,০২১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে নিম্নলিখিত কার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
ব্যাখ্যা
• পূর্বে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পীকারের কার্যালয় এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক ছিল। পরবর্তীতে সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়। ফলে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি বাধ্যতামূলক প্রদর্শন বাতিল হয়।

অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি; রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সকল সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করিতে হইবে।

Article 4A: Portrait of the Father of the Nation
The Portrait of the Father of the Nation, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman shall be preserved and displayed at the offices of the President, the Prime Minister, the Speaker and the Chief Justice and in head and branch offices of all government and semi-government offices, autonomous bodies, statutory public authorities, government and non-government educational institutions, embassies and missions of Bangladesh abroad.
১২,০২২.
সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারার অধীনে, কোন দলিল যদি কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হয়, তাহলে—
  1. কেবল এক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
  2. প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
  3. শুধু প্রধান খণ্ড প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
  4. খণ্ডিত দলিল সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary evidence) বিধান রয়েছে।

প্রাথমিক সাক্ষ্য:
প্রাথমিক সাক্ষ্যের মানে সংশ্লিষ্ট দলিলটিই আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।

ব্যাখ্যা-১: কোন দলিল কতিপয় খন্ডে সম্পাদিত হইলে প্রত্যেক খন্ডই ঐ দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য।
কোন দলিল যখন প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয়, এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন মাত্র কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি উহার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল একই পদ্ধতিতে প্রস্তুত হয়, যথা মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হইয়া থাকে, সেইক্ষেত্রে উহার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য কিন্তু যেক্ষেত্রে সেইগুলি একই মূল দলিলের নকল সেই ক্ষেত্রে ঐগুলি মূল দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য হইবে না।

Section 62⇒ Primary evidence:
Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court. 
 
Explanation 1.- Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document. 
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it. 
 
Explanation 2.- Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original.
১২,০২৩.
তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে X, Y কে গুরুতর আঘাত করলে তিনদিন পর Y মারা যায়। The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় X অপরাধ করেছে?
  1. ৩০৭
  2. ৩২৫
  3. ৩০২
  4. ৩০৪
সঠিক উত্তর:
৩০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৪
ব্যাখ্যা
♦ The Penal Code, 1860 এর  ৩০৪ ধারায় নিন্দনীয় নরহত্যার জন্য ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে। যথা- মৃত্যুর অভিপ্রায় ব্যতীত নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড মৃত্যুর অভিপ্রায় নিয়ে নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড।

♦ তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে X, Y কে গুরুতর আঘাত করলে তিনদিন পর Y মারা যায়। X মৃত্যুর অভিপ্রায় ব্যতীত নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে তাই তার অপরাধ  The Penal Code, 1860 এর ৩০৪ ধারার বিধান অনুযায়ী গণ্য হবে বা শাস্তি হবে। 
১২,০২৪.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ক্যাননস অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট, ১৯৬৯-এর ১ম অধ্যায়ের কোন বিধিতে অ্যাডভোকেটদের পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. বিধি-৪
  2. বিধি-৩
  3. বিধি-২
  4. বিধি-১
সঠিক উত্তর:
বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ক্যাননস অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট, ১৯৬৯-এর ১ম অধ্যায়ের বিধি-২ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য মাধ্যম দ্বারা পেশাগত চাকরি বা কেস তালাশ করতে পারবেন না। তবে, সাধারণ পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরিতে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়, যেখানে শুধুমাত্র পেশাগত ও একাডেমিক যোগ্যতা এবং সরকারি পদ উল্লেখ করা হয়।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায়ের বিধি-২-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, একজন অ্যাডভোকেট কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন বা অন্য কোনো মাধ্যম দিয়ে পেশাগত চাকরি/কেস তালাশ করতে পারবেন না। তবে এটি সাধারণ পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরিতে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যদি সেখানে শুধুমাত্র তার পেশাগত ও একাডেমিক যোগ্যতা এবং বর্তমান সরকারি পদ (যদি থাকে) উল্লেখ থাকে।

2. An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means. This clause shall not be construed as prohibiting the publication or use of ordinary professional cards, name plates or conventional listings in directories, so long as the information contained therein is limited to professional and academic qualifications and public offices currently held, and does not contain any matter which savours of personal advertisement.
১২,০২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্মলিখিত কোন পন্থায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে না ?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. সম্পত্তির দখল দাবীদারকে অর্পণের মাধ্যমে
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
  4. যে কাজ করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা আছে তা করার আদেশের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা 
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
♦যদিও ৫ এর ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।
১২,০২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৪৯ কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. ডিক্রি জারি
  2. ডিক্রি হস্তান্তর
  3. ডিক্রি বাতিল
  4. ডিক্রি সংশোধন
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি হস্তান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির, ১৯০৮ এর ধারা ৪৯ (Section 49) হলো "Transferee" অর্থাৎ ডিক্রি হস্তান্তর সম্পর্কিত বিধান।
- এই ধারায় বলা হয়েছে "Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder."
- অর্থাৎ, যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তাহলে নতুন ডিক্রি-ধারী (Transferee) সেই ডিক্রিটি তেমনিভাবেই গ্রহণ করবেন, যেভাবে মূল ডিক্রি-ধারী (Original Decree-holder) তা ভোগ করতেন।
- ডিক্রি-দেনাদার (Judgment-debtor) যে প্রতিরক্ষা বা অধিকার মূল ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারতেন, তা হস্তান্তরিত ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধেও প্রযোজ্য হবে।
- কোনো অতিরিক্ত সুবিধা বা অধিকারের দাবী Transferee করতে পারবেন না।

⇒ অর্থাৎ ধারা ৪৯ মূলত ডিক্রির হস্তান্তর (Transfer of Decree) ও হস্তান্তরিত ব্যক্তির অধিকার সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করে।
------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-49. Transferee: 
 Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.
১২,০২৭.
'ক' একজন অতি ন্যায়বান, নিরীহ এবং ধার্মিক মানুষ। 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আদালতে উঠেছে। সেখানে তার আইনজীবী সাক্ষ্য শুনানীর সময় 'ক' এর সচ্চরিত্রের পরিচয় বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইলে এর পরিণতি হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. আদালতে সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই
  2. সচ্চরিত্র তুলে ধরতে আদালত বাধা প্রদান করবে
  3. সচ্চরিত্র তুলে ধরতে বিপক্ষ আইনজীবী তাকে বাধা প্রদান করবে
  4. কোনটি সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
আদালতে সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারার- ফৌজদারী মোকদ্দমায় পূর্ববর্তী সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক:
ফৌজদারী মোকদ্দমার অপরাধী ব্যক্তির চরিত্র যে উত্তম, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয়।

Section 53: In criminal cases, previous good character relevant:
In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী,
ফৌজদারি মামলায় আসামি তার সচ্চরিত্র আদালতে পেশ করতে পারেন। অর্থাৎ, আসামি চাইলে তার সচ্চরিত্র আদালতে তুলে ধরতে পারেন, এতে আদালত বা বিপক্ষ আইনজীবীর সরাসরি বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে বিপক্ষ আইনজীবী তখন তার চরিত্রের বিরুদ্ধেও প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবে।
১২,০২৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৬১ অনুযায়ী, কোন শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)-
গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ২৬১ অনুযায়ী,
সরকার যে কোনো দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চকে সংক্ষিপ্তভাবে নিম্নলিখিত অপরাধসমূহ বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে:

(ক) দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারার অধীনে অপরাধসমূহ: ধারা ২৭৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৯, ২৯০, ২৯২, ২৯৩, ২৯৪, ৩২৩, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১, ৩৫২ , ৪২৬ , ৪৪৭, এবং ৫০৪।
(খ) পৌরসভা আইনের অধীনে এবং পুলিশ আইনের স্বাস্থ্যবিধির ধারাসমূহের অধীনে অপরাধসমূহ, যা শুধুমাত্র জরিমানা বা এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (জরিমানা সহ বা ছাড়া) দ্বারা শাস্তিযোগ্য।
(গ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা প্রদান।
(ঘ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধ করার চেষ্টা, যখন সেই চেষ্টা নিজেও একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
১২,০২৯.
তামাদি আইনের ধারা ১২(১) অনুযায়ী- মামলা, আপীল বা দরখাস্তের তামাদি গণনার সময় কোন দিনটি বাদ যাবে?
  1. রায় ঘোষণার দিন
  2. মামলা দায়েরের দিন
  3. যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয় সেই দিন
  4. ডিক্রী কার্যকর হওয়ার দিন
সঠিক উত্তর:
যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয় সেই দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয় সেই দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।

১২,০৩০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১২৭ অনুযায়ী, বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য কে হুকুম দিতে পারেন?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭- ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আদেশে জনসমাবেশ ভঙ্গকরণ:
কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কোন বেআইনি সমাবেশ সার্বক্ষণিক শান্তি সম্ভবতঃ বিঘ্ন করবে এমন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন কোন সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার হুকুম দিতে পারেন; এবং তখন জন সমাবেশ সদস্যদের কাজ হবে সেই অনুসারে ছত্রভঙ্গ হওয়া।

[Any Executive Magistrate or officer in charge of a police-station may command any unlawful assembly, or any assembly of five or more persons likely to cause a disturbance of the public peace, to disperse; and it shall thereupon be the duty of the members of such assembly to disperse accordingly.]
১২,০৩১.
‘E’ আগুন দিয়ে একটি বাড়ি ধ্বংস করে, যা সাধারণত মানুষের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে 'E' এর শাস্তি হবে?
  1. ধারা ৪৩৫
  2. ধারা ৪৩৬
  3. ধারা ৪৩৩
  4. ধারা ৪৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৩৬ অনুসারে, যে কেউ আগুন বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে ক্ষতিসাধন (Mischief) করে, এবং এর মাধ্যমে এমন কোনো ভবন ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে বা জেনে যে ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা আছে, যা সাধারণত উপাসনালয়, মানুষের বাসস্থান, বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সে এই অপরাধের জন্য দায়ী। শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘E’ আগুন দিয়ে একটি বাড়ি ধ্বংস করেছে, যা মানুষের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই ধারা ৪৩৬ প্রযোজ্য।
অর্থাৎ ‘E’-এর কাজ ধারা ৪৩৬-এর অধীনে বাড়ি ধ্বংসে আগুন দিয়ে ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য, এবং এর শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৪৩৬।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৩৬ ধারা- আগুন বা বিস্ফোরক দ্বারা ক্ষতি:
যে ব্যক্তি আগুন বা কোনো বিস্ফোরক পদার্থ ব্যবহার করে এমন ক্ষতি করে যা সাধারণত উপাসনাগৃহ, মানববাসস্থান বা সম্পত্তির সুরক্ষার জায়গারূপে ব্যবহৃত হয়, এবং তার উদ্দেশ্য থাকে বা সে জানে যে এইভাবে ওই স্থানের ধ্বংস সাধিত হতে পারে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডও দেওয়া হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 436- Mischief by fire or explosive substance with intent to destroy house, etc.:
Whoever commits mischief by fire or any explosive substance, intending to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, the destruction of any building which is ordinarily used as a place of worship or as a human dwelling or as a place for the custody of property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১২,০৩২.
দণ্ডবিধি কার্যকর হয় কবে থেকে?
  1. ৬ অক্টোবর, ১৮৬০
  2. ১লা জানুয়ারি, ১৮৬২
  3. ১লা জানুয়ারি, ১৮৬১
  4. ২০ অক্টোবর, ১৮৬০
সঠিক উত্তর:
১লা জানুয়ারি, ১৮৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা জানুয়ারি, ১৮৬২
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানি হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন।
-ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে।
- প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
- প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন , i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে। ii) সদস্য- মি: ম্যাকলিউড। iii) সদস্য-মি: এন্ডারসন। iv) সদস্য-মি: মিলার।
- ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে থেকে কার্যকর হয়।
- যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

⇒  অর্থাৎ ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয় যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।
১২,০৩৩.
“No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact” – এই বিধান কোন ধারায় আছে? 
  1. ধারা ১১৮
  2. ধারা ১৩৩
  3. ধারা ১৩৪
  4. ধারা ১৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৪-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.”
অর্থাৎ, যেকোনো তথ্য বা ঘটনা প্রমাণ করতে সাক্ষীর কোনো নির্দিষ্ট বা সর্বনিম্ন সংখ্যার প্রয়োজন নেই। একজন সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য দিয়েও ঘটনা প্রমাণিত হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ঘটনার প্রমাণে সাক্ষীর নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রয়োজন নয়।
- কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই; সাক্ষীর সংখ্যা বিচারক বা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে, তবে সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ The Evidence Act,1872, section-134. Number of witnesses:
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

১২,০৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভ্যাসগত গৃহভেদকারী (habitual house-breaker) অপরাধীদের কাছ থেকে সৎ আচরণের জন্য মুচলেকা (security for good behaviour) গ্রহণের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১০৬
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১০৯
  4. ধারা ১১০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১০
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০-এ Security for good behaviour from habitual offenders সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,
যদি তথ্য পান যে তাঁর এখতিয়ারাধীন কোনো ব্যক্তি অভ্যাসগতভাবে ডাকাত, গৃহভেদকারী (house-breaker), চোর বা জালিয়াত, অথবা
চোরাই মাল গ্রহণকারী, চোরদের আশ্রয়দাতা বা চোরাই মাল গোপনে রাখা/বিক্রয়ে সহায়তাকারী, কিংবা শান্তিভঙ্গকারী গুরুতর ও বিপজ্জনক প্রকৃতির অপরাধে অভ্যাসগতভাবে জড়িত, তাহলে তিনি সেই ব্যক্তিকে  কেন তিনি সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বছরের জন্য জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত সৎ আচরণের মুচলেকা (bond for good behaviour) সম্পাদন করবেন না, সে বিষয়ে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিতে পারেন।

-সুতরাং, অভ্যাসগত গৃহভেদকারী (habitual house-breaker)-এর ক্ষেত্রে ধারা ১১০ প্রযোজ্য হবে, যা সদাচরণের জন্য মুচলেকা গ্রহণের বিধান করে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 110. Security for good behaviour from habitual offenders:
Whenever a District Magistrate, or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government receives information that any person within the local limits of his jurisdiction- 
(a) is by habit a robber, house-breaker, thief, or forger, or
(b) is by habit a receiver of stolen property knowing the same to have been stolen, or
(c) habitually protects or harbours thieves or aids, in the concealment or disposal of stolen property, or
(d) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, the offence of kidnapping, abduction, extortion, cheating or mischief, or any offence punishable under Chapter XII of the Penal Code, or under section 489A, section 489B, section 489C or section 489D of that Code, or
(e) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, offences involving a breach of the peace, or (f) is so desperate and dangerous as to render his being at large without security hazardous to the community, such Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding three years, as the Magistrate thinks fit to fix.

১২,০৩৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১ম তফসিলে কয়টি আদেশ আছে?
  1. ৪৮ টি
  2. ৫১টি
  3. ৫০ টি
  4. ৪৯ টি
সঠিক উত্তর:
৫১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  মোট ৫ টি তফসিল রয়েছে।
⇒ তবে বর্তমানে বলবৎ তফসিল আছে ৩ টি।
⇒ তার মধ্যে ১ম তফসিলে মোট আদেশ রয়েছে ৫১ টি
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে।
⇒ প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয় সংশোধন করতে পারে। 
১২,০৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯ অনুযায়ী, ক্ষমা গ্রহণকারীকে অন্য অভিযুক্তদের সাথে—
  1. একত্রে বিচার করা যাবে
  2. একত্রে বিচার করা যাবে না
  3. শুধুমাত্র হাইকোর্টের অনুমতিতে একত্রে বিচার করা যাবে
  4. কেবল সরকারি কৌঁসুলির অনুমতিতে একত্রে বিচার করা যাবে
সঠিক উত্তর:
একত্রে বিচার করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্রে বিচার করা যাবে না
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯: যে ব্যক্তিকে ক্ষমা দেওয়া হয়েছে তার বিচার-
(১) যদি ৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমা দেওয়া হয়ে থাকে এবং সরকারি কৌঁসুলি (Public Prosecutor) এই মর্মে প্রত্যয়ন দেন যে উক্ত ব্যক্তি ক্ষমার শর্ত মেনে চলেননি— হয় ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গোপন করেছেন অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তবে ঐ ব্যক্তিকে সেই অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে যার জন্য তাকে ক্ষমা দেওয়া হয়েছিল, অথবা একই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে।

শর্তসাপেক্ষে—
- ব্যক্তিকে অন্য কোনো অভিযুক্তের সাথে একত্রে বিচার করা যাবে না; এবং
- তিনি বিচারে এই যুক্তি দেখাতে পারবেন যে তিনি ক্ষমার শর্ত পূরণ করেছেন।
- এই ক্ষেত্রে, প্রসিকিউশনের (অভিযোগপক্ষের) দায়িত্ব হবে প্রমাণ করা যে শর্ত মানা হয়নি।
 
(২) যিনি ক্ষমার প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন তার দেওয়া বিবৃতি সেই বিচারে তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে।

(৩) উক্ত বিবৃতির বিষয়ে মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না, যদি না হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) এর অনুমোদন থাকে।

১২,০৩৭.
কোন কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী ব্যক্তি সম্মতি বা অসম্মতি দিতে অক্ষম হলে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে কী অনুমান করতে পারে?
  1. উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল
  2. উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
  3. উক্ত কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করবে না
  4. কোনো অনুমান করতে পারে না
সঠিক উত্তর:
উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৪ক (সম্মতি সংক্রান্তে অনুমান):
যেক্ষেত্রে কোন কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে অপরাধের শিকার ব্যক্তির সম্মতি বা অসম্মতি দানের সক্ষমতা থাকে না, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ধরিয়া লইতে পারিবে যে, উক্ত কার্যে তাহার সম্মতি ছিল না
১২,০৩৮.
কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা যদি আইন অনুযায়ী নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করে, তাহলে ধারা ৪৬২ক এর অধীন তার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ আনা হবে?
  1. প্রতারণার অভিযোগ
  2. দুর্নীতির অভিযোগ
  3. অবহেলার অভিযোগ
  4. জালিয়াতির অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
অবহেলার অভিযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবহেলার অভিযোগ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৬২ক: ব্যাংক কর্মকর্তাদের এবং কর্মচারীদের অবহেলার জন্য শাস্তি:
যদি ব্যাংক কোম্পানির কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী তার কাজ করতে গিয়ে অবহেলা করে, এবং এর ফলে কোম্পানির কোনো গ্রাহক বা অন্য কোনো ব্যক্তির কারণে কোম্পানির সম্পত্তির ক্ষতি হয়, তাহলে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।

এই শাস্তি হতে পারে:
দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড;
জরিমানা;
অথবা উভয়ই।

ব্যাখ্যা: যদি ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারী আইন অনুযায়ী তার কাজ করার নিয়ম না মেনে চলে বা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে, তাকে এই ধারায় দোষী ধরা হবে।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রাহকের চেক ঠিকমতো যাচাই না করে এবং এর ফলে ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে ওই কর্মকর্তা শাস্তির মুখোমুখি হতে পারে।
১২,০৩৯.
নিম্নলিখিত কোন পরিস্থিতিতে উমরিয়াতান নীতি প্রযোজ্য নয়?
  1. বাবা, মা, স্বামী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে
  2. বাবা, মা, স্ত্রী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে
  3. পিতা ও সন্তান শুধু উত্তরাধিকারী হলে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
পিতা ও সন্তান শুধু উত্তরাধিকারী হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতা ও সন্তান শুধু উত্তরাধিকারী হলে
ব্যাখ্যা

Doctrine of Umariyatan (উমারিয়াতান নীতি):
উমারিয়াতান হলো ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের একটি বিশেষ নীতি, যা ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো মায়ের অংশকে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, যাতে মা পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান।

মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার শর্ত:
মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার অধিকারী হবেন যদি নিম্নলিখিত দুটি শর্ত পূরণ হয়:
১. মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান (যেমন: নাতি-নাতনি) না থাকে।
২. মৃত ব্যক্তির একাধিক ভাই বা বোন না থাকে (এক ভাই বা এক বোন থাকলে মাতা ১/৩ পাবেন)।

উমারিয়াতান নীতির প্রয়োগ:
উমরিয়াতান নীতি বিশেষভাবে প্রয়োগ হয় যখন নিম্নলিখিত দুটি পরিস্থিতি তৈরি হয়:
১. বাবা, মা, স্বামী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।
২. বাবা, মা, স্ত্রী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।

- এই পরিস্থিতিতে মাতা সরাসরি ১/৩ অংশ না পেয়ে, পিতার অংশ বণ্টনের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি থেকে ১/৩ অংশ পাবেন।

১২,০৪০.
Mediation-এর আদেশ হওয়ার পর সর্বোচ্চ কতদিনের মধ্যে উত্তরূপ Mediation-এর কাজ শেষ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা যাবে।

- দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে:
i) মধ্যস্থতা (Mediation);
ii) সালিশী (Arbitration)।

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। 
১২,০৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি হাজিরার জন্য নির্দেশিত জামানত প্রদান করত ব্যর্থ হলে, আদালত-
  1. লিখিত নোটিশ পাঠাবে
  2. সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা জরিমানা করতে পারে
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে
  4. দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে,
-যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারেন।
১২,০৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী ডিক্রিতে "টাকা ১০,০০০" এর পরিবর্তে "টাকা ১,০০,০০০" লেখা হয়েছে। এটি কোন ধারায় সংশোধনযোগ্য?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৪৪ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫২ অনুসারে, রায়, ডিক্রি বা আদেশে হওয়া করণিক বা গাণিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes) অথবা আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতি (accidental slip or omission) যেকোনো সময় আদালত নিজ উদ্যোগে বা কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে সংশোধন করতে পারেন।

- এখানে, ডিক্রিতে "টাকা ১০,০০০" এর পরিবর্তে "টাকা ১,০০,০০০" লেখা হয়েছে, যা একটি স্পষ্ট গাণিতিক বা করনিক ভুল এবং ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
- রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

১২,০৪৩.
তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
  2. ক্রেতার সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণের তারিখ থেকে
  3. বিক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  4. 'ক' বা 'খ' উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় নিম্নলিখিত দুটি ক্ষেত্রে:
১. ক্রেতার সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণের তারিখ থেকে: যদি ক্রেতা বিক্রয়কৃত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
২. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে: যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।

অর্থাৎ, তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয় ক্রেতার দখল গ্রহণের তারিখ বা বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ—এই দুটির যেকোনো একটি থেকে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে: এটি শুধুমাত্র আংশিক সঠিক, কারণ ক্রেতা যদি প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকেও মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
খ) ক্রেতার সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণের তারিখ থেকে: এটি শুধুমাত্র আংশিক সঠিক, কারণ ক্রেতা যদি প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
গ) বিক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে: এটি সঠিক নয়, কারণ তামাদির মেয়াদ চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে গণনা করা হয় না।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) 'ক' এবং 'খ' উভয় ক্ষেত্রে।
১২,০৪৪.
কোন অবস্থায় সাক্ষীকে 'বৈরী সাক্ষী' হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হলে
  2. সাক্ষী মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে
  3. সাক্ষী নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর না দিলে
  4. সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী, যাকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতে তার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আনে, কিন্তু সাক্ষী আদালতে এসে তার সাক্ষ্য বিপরীত দিক নির্দেশ করে বা নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়। এমন অবস্থায়, আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দেওয়া হয় এবং তখন তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে। এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
১২,০৪৫.
শুধুমাত্র অভিযোগ তৈরি না হওয়ার কারণে, কোনো দণ্ডাদেশ-
  1. বৈধ হবে না
  2. অবৈধ হবে না
  3. বাতিল হবে
  4. স্থগিত থাকবে
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৫ এ অভিযোগ তৈরী না করার ফলাফল দেয়া হয়েছে-

(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।
(২) আপীল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরী না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Effect of omission to prepare charge-
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 
(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
১২,০৪৬.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের কোন বিভাগে আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. প্রথম বিভাগ
  2. দ্বিতীয় বিভাগ
  3. তৃতীয় বিভাগ
  4. চতুর্থ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
→ প্রথম বিভাগ (First Division): অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
বিষয়: মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division): অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division): অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
বিষয়: দরখাস্ত (Applications) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।

অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে (Second Division) আপীল দায়েরের (Limitation for filing appeals) তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) দ্বিতীয় বিভাগ।

১২,০৪৭.
ফৌজদারী আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কার্যধারার নকল পেতে পারে-
  1. বিনামূল্যে
  2. খরচসহ
  3. ক বা খ
  4. কোনো ভাবেই পাবে না
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল
কোন ফৌজদারী আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবে-
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশতঃ বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

Section 548- Copies of proceedings
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
১২,০৪৮.
তামাদি আইনের ২৩ ধারার অধীনে কোনটি সঠিক?
  1. উক্ত ধারা শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
  2. অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি ঘটলেও তামাদি মেয়াদ অপরিবর্তিত থাকে।
  3. চুক্তি একবার ভঙ্গ হলে, মামলার কারণ একটি সময়েই সীমাবদ্ধ থাকে।
  4. অবিরত চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন মামলা দায়ের করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর:
অবিরত চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন মামলা দায়ের করা সম্ভব।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরত চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন মামলা দায়ের করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারায় অবিরামভাবে চুক্তি ভঙ্গ বা অনিষ্টের ফলাফল (Continuing breaches and wrongs) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৩ ধারাটি বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয় যে, এমন কিছু চুক্তির অস্তিত্ব রয়েছে যা লংঙ্ঘন করা হলে প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণ উদ্ভব হয়ে থাকে। এছাড়া চুক্তি বহির্ভূত এমন কিছু ক্ষতি বা লোকসান রয়েছে যা প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এ সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ নতুন করে বৃদ্ধি পায়।
- অর্থাৎ কোন চুক্তি ক্রমাগত ভঙ্গ করা হতে থাকলে বা অবিরত অন্যায় আচরণ অব্যাহত রাখা হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধ সংঘটনের প্রতি মুহূর্তেই নতুন ভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হবে।
---------------
⇒ The Limitation Act- Section 23.Continuing breaches and wrongs:
- In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

১২,০৪৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ আছে?
  1. ১০ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ১৫ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১১ ধারা- অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন অথবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অন্যূন কোনো সহযোগী অধ্যাপকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পান করিবার জন্য পারমিট প্রদান করা যাইবে না। 

(২) মুচি, মেথর, ডোম, চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক তাড়ি ও পচুঁই পান করিবার ক্ষেত্রে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসমূহ এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত অথবা প্রস্তুতকৃত মদ পান করিবার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন- 
(ক) লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার-এ বসিয়া বিদেশি ও পারমিটধারী দেশিয় নাগরিকগণ অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন; এবং 
(খ) কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বিদেশি নাগরিকরা শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পাস বইধারী অথবা প্রচলিত ব্যাগেজ রুলসের দ্বারা স্বীকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল আমদানি, রপ্তানি, ক্রয়, বহন, সংরক্ষণ অথবা পানের ব্যাপারে কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৪) অ্যালকোহল সংক্রান্ত সকল শুল্কমুক্ত কার্যক্রম (Duty Free Operations) এই আইনের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সবলে সম্পাদিত হইবে।
১২,০৫০.
পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত একতরফা ডিক্রি বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১০(৬) অনুযায়ী,
- যদি কোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হয়, তাহলে তিনি ডিক্রি প্রদানের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে আবেদন করে ডিক্রি বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
- আবেদনকারীকে অবশ্যই আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে যে, তার অনুপস্থিতির যথার্থ কারণ ছিল (যেমন: অসুস্থতা, সমন না পাওয়া ইত্যাদি)।
আদালত প্রয়োজন মনে করলে শর্তসাপেক্ষে (যেমন: খরচ জমা দেওয়া) ডিক্রি বাতিল করতে পারবে।

উল্লেখ্য:
- Limitation Act, 1908 এর Section 5 অনুযায়ী, বিশেষ কারণে এই ৩০ দিনের মেয়াদ আদালত বাড়াতে পারে।
- তবে সাধারণত ৩০ দিনই স্ট্যান্ডার্ড সময়সীমা।
- একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন ডিক্রি প্রদানকারী আদালতেই করতে হয়।
- বাদীকে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক (ধারা ১০(৬) এর শর্ত)।
অতএব, সঠিক উত্তর গ) ৩০ দিন।
১২,০৫১.
দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী _________ জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে, তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।
  1. আইনগত কাজের
  2. ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার
  3. কোনো অপরাধে সহায়তার
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা আছে,

ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।

"Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence."
১২,০৫২.
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়-
  1. সরকারী কর্মকমিশন হতে
  2. জুডিসিয়াল সার্ভিসে নিয়োগকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে হতে
  3. আপীল বিভাগের আইনজীবী হতে
  4. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) হতে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) হতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির  ১০ ধারার বিধান- নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন  প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
১২,০৫৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী বিবাদীকে সমন দিতে হয়।?
  1. ২১ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইনের  ২৭ ধারা অনুযায়ী সমন হলো আদালত কর্তৃক ইস্যুকৃত কোন নোটিশ যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট তারিখে আদালতে হাজির হওয়ার আদেশ থাকে এবং লিখিত জবাব দাখিল করার বিধান থাকে।

•মোকদ্দমার দায়ের করার ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে সমন ইস্যু করতে হয়। (আদেশ ৫ অনুযায়ী)
১২,০৫৪.
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা অনুযায়ী মনুষ্যহরণ(Kidnapping) কয় প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা- মনুষ্যহরণ:
মনুষ্যহরণ দুই প্রকারের:- বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণ এবং আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ।

Section 359- Kidnapping:
Kidnapping is of two kinds; kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.
১২,০৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ৩৯, রুল ২(৩) (Order 39, Rule 2(3) of CPC) অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ ভঙ্গের শাস্তি নিম্নরূপ:
- সম্পত্তি ক্রোক (Attachment of Property), অথবা
- সিভিল কারাবাস (Civil Imprisonment), যার সর্বোচ্চ মেয়াদ ৬ মাস, অথবা
- উভয় দণ্ড (ক্রোক + কারাবাস)।
- অতএব, দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৬ মাসের কারাদণ্ড।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-২(৩) অনুসারে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের শাস্তি হলো: সম্পত্তি ক্রোক অথবা উক্ত অমান্যকারীকে ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটক অথবা উভয় প্রকার দণ্ড প্রদান করতে পারেন। 
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে হয় ৩৯ আদেশের ১ এবং ২ (১) বিধির অধীন। ৩৯ আদেশের ১ বা ২(১) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে তা যদি অমান্য করা হয় সেই ক্ষেত্রে অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে ।
- মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
১২,০৫৬.
'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহণাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে উহাতে কোন গহনাপত্র নেই। সে চুরির উদ্দেশ্রে এই কাজটি করেছে। 'ক' এর কাজটি কোন ধারার আওতায় অপরাধ বলে পরিগণিত হবে?
  1. ৫১১ ধারা
  2. ৫০৭ ধারা
  3. ৫০৮ ধারা
  4. ৪৯৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১১ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫১১ ধারার অধীন অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ বা প্রচেষ্টা এর অপরাধ করেছে।
১২,০৫৭.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে কোনো ব্যক্তিকে বিবাদী পক্ষভুক্ত করা হলে তাঁর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা কোন সময় থেকে দায়ের করা হয়েছে মর্মে ধরে নেওয়া হবে?
  1. যখন তাঁকে পক্ষ করা হয়েছে
  2. যখন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে
  3. যখন তাঁকে সমন দেওয়া হয়েছে
  4. যখন সে আদালতে হাজির হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যখন তাঁকে পক্ষ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন তাঁকে পক্ষ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ধারা ২২ মতে নতুন বাদী বা বিবাদী পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত হলে স্থলাভিষিক্তের তারিখে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ কোন মামলায় নতুন করে বাদী বা বিবাদী পক্ষভুক্ত করা হলে সেই নতুন বাদী বা বিবাদীর তামাদি মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নতুন বাদী বা বিবাদীর পক্ষভুক্তির তারিখ হতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে। কিন্তু স্বত্ব স্থানান্তরের ফলে পক্ষভূক্ত বা স্থলাভিষিক্ত হলে অথবা বাদীকে বিবাদীতে এবং বিবাদীকে বাদীতে পরিণত করা হলে উক্ত বিধান কার্যকর হবে না।
১২,০৫৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোথায় Cross-objection এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XLI rule 22
  2. Order XXI rule 22
  3. Order XLVII rule 4
  4. Order XL rule 2
সঠিক উত্তর:
Order XLI rule 22
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XLI rule 22
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২২ এর বিধান: শুনানিকালে উত্তরদায়ক তৎকর্তৃক ডিক্রীতে আপত্তি দিতে পারে, যেন সে স্বাতন্ত্র্য আপিল দায়ের কয়েছে। 
১) কোন উত্তরদায়ক যদিও কোন ডিক্রীর অংশ হতে আপিল করেনি, তথাপি সে শুধুমাত্র নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকৃত ডিক্রীর কোন সঙ্গত কারণ শুধু সমর্থন করেনি, বরং সে আপিলক্রমে যেভাবে পারত ঠিক সেভাবে উক্ত ডিক্রীর পাল্টা আপত্তি উত্থাপন করতে পারবে এ শর্তে যে, আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন সম্পর্কে তার উপর বা তার উকিলের উপর নোটিশ জারির তারিখ হতে সে আপিল আদালতে এক মাসের মধ্যে কিংবা আপিল আদালত মঞ্জুর করতে উপযুক্ত মনে করে এরূপ মঞ্জুরীকৃত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে অনুরূপ পাল্টা আপত্তি দাখিল করেছে।

২) আপত্তির ফরম এবং তাতে প্রযোজ্য বিধানসমূহ: অনুরূপ পাল্টা আপত্তি স্মারকের আকারে হতে হবে এবং আপিলের স্মারকের ফরম এবং বিষয়বস্তু সঙ্গে যতদূর সম্পর্কিত হয়, ততদূর ১ বিধির বিধানাবলী তাতে প্রযোজ্য হবে।
৩) আপত্তির নকল গ্রহণ সম্পর্কে ঐ আপত্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের বা তার উকিল কর্তৃক এটির নকল গ্রহণের লিখিত স্বীকৃতিপত্র উত্তরদায়ক আপত্তির সঙ্গে দাখিল না করলে আপিল আদালত এটির একটি নকল আপত্তি দাখিল হওয়ার পর যথা সম্ভব শীঘ্র উত্তরদায়কের খরচে উক্ত পক্ষের বা তার উকিলের প্রতি এটির নকল প্রদান করাবে।
৪) যে কোন ক্ষেত্রে এই বিধির অধীনে উত্তরদায়ক আপত্তির স্মারক দাখিল করে থাকলে যেক্ষেত্রে মূল আপিলটি প্রত্যাহৃত বা তদ্বিরের অভাবে খারিজ হলেও উপরোক্ত মতে দাখিলকৃত আপত্তির, অন্য পক্ষকে উপযুক্ত নোটিশ দেয়ার পর শুনানি এবং সিদ্ধান্ত করা যাবে।
৫) নিঃস্ব আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ যতদূর সম্ভব এ বিধির অধীনে আপত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
--------------
The Code of Civil Procedure, 1908 Order 41 Rule-22. Upon hearing, respondent may object to decree as if he had preferred separate appeal:
1) Any respondent, though he may not have appealed from any part of the decree, may not only support the decree on any of the grounds decided against him in the Court below but take any cross- objection to the decree which he could have taken by way of appeal, provided he has filed such objection in the Appellate Court within one month from the date of service on him or his pleader of notice of the day fixed for hearing the appeal, or within such further time as the Appellate Court may see fit to allow.

2) Form of objection and provisions applicable thereto:
- Such cross objection shall be in the form of a memorandum, and the provisions of rule 1, so far as they relate to the form and contents of the memorandum of appeal, shall apply thereto.

3) Unless the respondent files with the objection a written acknowledgment from the party who may be affected by such objection or his pleader of having received a copy thereof, the Appellate Court shall cause a copy to be served, as soon as may be after the filing of the objections, on such party or his pleader at the expense of the respondent.

4) Where in any case in which any respondent has under this rule filed a memorandum of objection, the original appeal is withdrawn or is dismissed for default, the objection so filed may neverthless be heared and determined after such notice of the other parties as the Court thinks fit.

5) The provisions relating to pauper appeals shall, so far as they can be made applicable, apply to an objection under this rule.
১২,০৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলে জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের তালিকা পাওয়া যায়?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule) মূলত দণ্ডবিধির (Penal Code) বিভিন্ন অপরাধের ধরন, তাদের শাস্তি, এবং আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্যতার বিষয়বস্তু নির্ধারণ করে।
- দ্বিতীয় তফসিলের পঞ্চম কলামে জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের বিস্তারিত তালিকা থাকে, যার মাধ্যমে জানা যায় কোন অপরাধের জন্য জামিন দেওয়া যাবে এবং কোন অপরাধের জন্য যাবে না।
- এছাড়া, এ তফসিলে অপরাধের ধারা, গ্রেফতার করার ক্ষমতা, মীমাংসাযোগ্যতা ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন কলাম আছে।
অন্যদিকে,
- প্রথম তফসিল বাতিল করা হয়েছে।
- তৃতীয় তফসিল ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা সম্পর্কে।
- চতুর্থ তফসিল ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা সম্পর্কে।
- তাই জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের তালিকা জানতে দ্বিতীয় তফসিল দেখা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।
১২,০৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে জরিমানা ছাড়া অন্য টাকা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য বলে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৫৪৬
  2. ধারা ৫৪৬ক
  3. ধারা ৫৪৭
  4. ধারা ৫৪৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৭ অনুযায়ী, যদি আদালত কোনো ব্যক্তিকে জরিমানা ব্যতীত অন্য কোনো অর্থ প্রদানের আদেশ দেন এবং সেই অর্থ আদায়ের জন্য আলাদা কোনো পদ্ধতি নির্ধারিত না থাকে, তাহলে সেই অর্থকে জরিমানা হিসেবে ধরা হবে এবং সেই অনুযায়ী আদায়যোগ্য হবে। এটি আইনগতভাবে অর্থ আদায়ের একটি সহজীকরণ ব্যবস্থা, যাতে আদালতের আদেশ কার্যকর করা সহজ হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৭ ধারার বিধান:- টাকা প্রদানের আদেশ প্রদত্ত হলে তা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য:
এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ অনুসারে কোন অর্থ জরিমানা ছাড়া দেয়া হলে এবং তা আদায়ের পন্থা সম্পর্কে অন্য কোন বিধান না থাকলে উক্ত অর্থ জরিমানা বলে ধরে নিয়ে আদায় করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-547: Moneys ordered to be paid recoverable as fines:
Any money (other than a fine) payable by virtue of any order made under this code, and the method of recovery of which is not otherwise expressly provided for shall be recoverable as if it were a fine.
১২,০৬১.
"Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum"- নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. 115
  2. 111
  3. 114
  4. 112
সঠিক উত্তর:
112
উত্তর
সঠিক উত্তর:
112
ব্যাখ্যা

ল্যাটিন নীতি: “Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum”
বাংলা অর্থ: সর্বদা সন্তানের বৈধতা অনুমান করা হবে।

⇒ নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর ১১২ ধারার (Section 112) সাথে সম্পর্কিত।

Section 112– Birth during marriage, conclusive proof of legitimacy:
The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.

বাংলা অর্থ:
যদি কোনো শিশু বৈধ বিবাহ চলাকালীন জন্মগ্রহণ করে, অথবা বিবাহ বিচ্ছেদের পর ২৮০ দিনের মধ্যে জন্মগ্রহণ করে, এবং মা ঐ সময় পর্যন্ত পুনরায় বিবাহ না করে, তবে আইন ধরে নেবে যে শিশুটি বৈধ সন্তান (legitimate child) - যতক্ষণ পর্যন্ত প্রমাণ না হয় যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিলন (access) সম্ভব ছিল না।

অর্থাৎ, এই ধারা অনুযায়ী আদালত সবসময় ধরে নেয়- বিবাহিত দম্পতির ঘরে জন্ম নেয়া সন্তান বৈধ। এটি “Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum” (সন্তান সর্বদা বৈধ বলে অনুমান করা হবে) নীতিরই প্রতিফলন।

১২,০৬২.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ এর অধীনে অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, কোনো নারীর শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। এছাড়া অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১২,০৬৩.
বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে নিয়োগদান করেন-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
  3. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
  4. জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:

বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

Article 115- Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.
১২,০৬৪.
দখল পুনরুদ্ধারের একটি মামলা দায়েরের তামাদি ৬ মাস। কিন্তু 'ক' ৮ মাস পর উক্ত মামলা দায়ের করে। মামলার বিবাদী পক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করেনি। এক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. বিবাদীর শর্তসাপেক্ষে মামলা বিচারে নিবে
  3. বিবাদী আপত্তি না করায় মামলা গ্রহণ করে বিচার শুরু করবে
  4. বিবাদী আপত্তি না করায় তামাদি মওকুফ করে আদালত মামলা আমলে নিবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে আদালত মামলা খারিজ করবে।

• তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী-
তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর মামলা, আপীল বা দরখাস্ত দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদী পক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে তবুও উক্ত মামলা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

এই ধারা অনুযায়ী তামাদির বিষয়বস্তু ৩ টি। যথা-
১) মামলা;
২) আপিল; ও
৩) আবেদনপত্র।

এই ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
১২,০৬৫.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪৫চ ধারার বিধান-
  1. Bar to jurisdiction of Civil Courts
  2. Finality of Tribunals decisions and orders
  3. Power to abolish Tribunals, etc.
  4. Overriding effect
সঠিক উত্তর:
Bar to jurisdiction of Civil Courts
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bar to jurisdiction of Civil Courts
ব্যাখ্যা
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪৫চ ধারার বিধান: দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারে প্রতিবন্ধকতা:
- ধারা ১৪৪ এর অধীন সর্বশেষ সংশোধিত খতিয়ান চূড়ান্ত প্রকাশের ফলে সৃষ্ট কোন মোকদ্দমা ১৪৫ক ধারার অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের আঞ্চলিক এখতিয়ারের অধীন কোন দেওয়ানি আদালতে দায়ের করা যাবে না।
--------
Section 145F. Bar to jurisdiction of Civil Courts:

- No suit arising out of the final publication of the last revised record-of-rights prepared under section 144 shall lie in any civil court within the territorial limits of the jurisdiction for which a Land Survey Tribunal is established under section 145A.
১২,০৬৬.
ক নিজেকে খ হিসেবে দাবি করে যেখানে খ মৃত। ক এইভাবে নিজেকে খ দাবি করে খ-এর ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করে। ক-এর অপরাধ পেনাল কোড-এর ________ ধারায় শাস্তিযোগ্য।
  1. ৪১৫
  2. ৪১৬
  3. ৪১৯
  4. ৪২০
সঠিক উত্তর:
৪১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৯
ব্যাখ্যা
⇒ পেনাল কোডের ৪১৬ ধারায় ছদ্মবেশী প্রতারণার সংজ্ঞা (Cheating by personation)- দন্ডবিধির ৪১৬ ধারায় অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।
যে ব্যক্তির রূপ ধারন করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে । যেমন- করিম নিজেকে আলতাফ হোসেনের ৩ নম্বর পুত্র বলে রহিমের নিকট উপস্থাপন করে কিন্তু বাস্তবে আলতাফ সাহেবের ১ জন পুত্র রয়েছে। এক্ষেত্রে করিম ছদ্মবেশী প্রতারণার জন্য দায়ী হবে ।

♦ ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
♦ পেনাল কোডের ৪১৯ ধারায় শাস্তি বর্ণিত আছে তাই ৪১৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
১২,০৬৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুযায়ী আদালত স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ধারা ৮
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)
১২,০৬৮.
ধারা ২৩৪ অনুযায়ী, একই ধরনের সর্বোচ্চ কয়টি অপরাধের ক্ষেত্রে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে,
যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা, একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three. 

(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law: 

Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.

১২,০৬৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারার অধীনে, দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. কারাদণ্ডসহ বাতিল
  2. পুনরায় কার্যকর
  3. ক্ষতিপূরণসহ বাতিল
  4. সংশোধনের নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণসহ বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণসহ বাতিল
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন আদালত একটি দলিল বাতিল করার আদেশ দেয়, তখন আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে কোনো পক্ষের অন্যায়ের কারণে ক্ষতি না হয়। এর মানে হলো, আদালত বাতিলকৃত দলিলের কারণে যে পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে পারে।

এছাড়া, আদালত এই আদেশটি দেওয়ার সময় দলিলের সংশোধন বা পুনরায় কার্যকর করার ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা দেয় না, তাই "খ" এবং "ঘ" অপশন ভুল হবে। "ক" অপশনও সঠিক নয়, কারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে দলিল বাতিলের সাথে কারাদণ্ডের কোনো সম্পর্ক নেই।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা অনুসারে, আদালত যখন কোনো দলিল বাতিল করার আদেশ দেয়, তখন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আদালত দলিল বাতিলের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করার নির্দেশ দিতে পারে।

উদাহরণ: যদি কোনো প্রতারণামূলক চুক্তি বাতিল করা হয়, তবে যে পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাকে আর্থিকভাবে পুনরুদ্ধার করার জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 41. Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
১২,০৭০.
Who are 'Justices of the Peace' within their respective jurisdictions?
  1. Sessions Judges
  2. Metropolitan Magistrates
  3. Both of them
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
Both of them
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both of them
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৫ ধারায় জাস্টিসেস অব দি পিসের বিধান রয়েছে।

• ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)-
২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 

Section 25: Ex-officio Justices of the Peace-
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
১২,০৭১.
একটি প্রচন্ড অগ্নিকান্ডের সময় আগুন যাতে চারদিকে ছড়িয়ে না পড়ে এবং মানুষের জীবন ও সম্পত্তির যেন কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য ক আশপাশের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ফেলে। এখানে ক কি ধরণের অপরাধ করেছে?
  1. ক্ষতি
  2. উৎপাত
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮১ ধারার বিধান সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূক অভিপ্রায় ব্যতিরেকে এবং অন্যবিধ ক্ষতি নিবারণকল্পে সম্পাদিতঃ

কোন কাজ শুধু ক্ষতিসাধন করতে পারে এইরূপ জানা সত্ত্বেও উহা করার ফলেই অপরাধ বলে বিবেচনা করা হবে না যদি কাজটি ক্ষতিসাধন করার জন্য কোনরূপ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সম্পাদিত না হয়ে থাকে এবং উহা শরীরের বা সম্পত্তির অপর কোনরূপ ক্ষতি নিবারণ বা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত হয়ে থাকে। -
ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ক্ষতিটি নিবারণ বা প্রতিরোধ করতে হবে, উহা এতই আসন্ন বা প্রকট ছিল কিনা এবং উহা এমন প্রকৃতির ছিল কিনা যার ফলে, সম্পাদিত কাজটি ক্ষতি করতে পারে জানা সত্ত্বেও উহা করা বা করার মাধ্যমে ঝুঁকি গ্রহণ মার্জনীয় হবে, বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই প্রশ্নটির মীমাংসা করতে হবে।

♦যেহেতু ক আগুন যাতে চারদিকে ছড়িয়ে না পড়ে এবং মানুষের জীবন ও সম্পত্তির যেন কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য আশপাশের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ফেলেছে। অর্থাৎ বড় ক্ষতি বাচাতে  সরল বিশ্বাসে ছোট ক্ষতি করেছে তাই তার কাজ কোন অপরাধ হয়নি।
১২,০৭২.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৬(৫) অনুযায়ী, আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করলে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা হতে পারে?
  1. ৩,০০০ টাকা
  2. ৫,০০০ টাকা
  3. ১০,০০০ টাকা
  4. ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৬(৫) অনুসারে, যদি কোনো পুরুষ বিদ্যমান বিবাহ থাকা অবস্থায় আরবিট্রেশন কাউন্সিলের পূর্বানুমতি ছাড়া নতুন বিবাহ করেন, তবে তিনি অনধিক ১ (এক) বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
- এছাড়া, এ ক্ষেত্রে তাকে তার বিদ্যমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের সম্পূর্ণ দেনমোহর (Prompt ও Deferred) অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৬(৫) অনুযায়ী জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা ১০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

১২,০৭৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করা যায় না?
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ৮টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
যথা- 
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব। 
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল ; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে  সম্পাদন করা যায় না। 
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য। 
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত। 
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত। 
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা। 
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়। 
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে। 
 
উল্লিখিত আটটি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব না।
-------------------
SR Act: Section-21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
১২,০৭৪.
সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় কোন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অভিপ্রায় (Motive)
  2. প্রস্তুতি (Preparation)
  3. পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।

⇒ এই প্রশ্নের ঘটনাটি ৮ ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত।

----------------
⇒ Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
Section 8. Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
 
The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.
১২,০৭৫.
The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী, যদি নোটিশ দেওয়া না হয়ে থাকে, তবে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের সময়সীমা কবে থেকে গণনা হবে?
  1. বিক্রয়ের তারিখ থেকে
  2. নিবন্ধনের তারিখ থেকে
  3. বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে
  4. আদালতের আদেশের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ৯৬- অগ্রক্রয়ের অধিকার:
(১) যদি কোনো রায়তের হোল্ডিং-এর কোনো অংশ বা অংশীদারিত্ব এমন একজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়, যিনি ওই হোল্ডিং-এর সহ-প্রজা (co-sharer tenant) নন, তবে ঐ হোল্ডিং-এর একজন বা একাধিক সহ-প্রজাভোগী, ধারা ৮৯ অনুযায়ী নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, অথবা যদি এমন কোনো নোটিশ না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, আদালতে আবেদন করতে পারবেন- যাতে উক্ত অংশ বা অংশীদারিত্ব তাদের নামে বিক্রয় করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না আবেদনকারী—
(ক) উত্তরাধিকারের মাধ্যমে উক্ত হোল্ডিং-এর একজন সহ-প্রজাভোগী হন; এবং
(খ) এমন ব্যক্তি হন, যিনি ধারা ৯০ অনুযায়ী হোল্ডিং বা তার কোনো অংশ/শেয়ার ক্রয় করতে পারেন।

আরও শর্ত থাকে যে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর এই ধারা অনুযায়ী কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

১২,০৭৬.
কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পুলিশের পরোয়ানা বা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ প্রয়োজন নেই?
  1. অপরাধী ঘোষণা করা হলে
  2. ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম থাকলে
  3. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী হলে
  4. উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা-
(i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable suspicion) থাকলে।
(ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে।
(iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender)।
(iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে।
(v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে।
(vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter)।
(vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে।
(viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা
(ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
১২,০৭৭.
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
  2. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তি বিশ্বাসভরে দখলে পেয়ে থাকে 
  3. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধের বিষয়বস্তু স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি
  4. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করে 
সঠিক উত্তর:
উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ। অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোন ভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাঙ্করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় না।
- তাই উল্লিখিত প্রশ্নে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় তথ্যটি সঠিক নয়।
১২,০৭৮.
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের মূল দায়িত্ব কী?
  1. আদালতকে সাহায্য করা
  2. আসামিকে দোষী প্রমাণ করা
  3. সরকারি পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়া
  4. যে পক্ষ তার সাক্ষ্য উপস্থাপন করেছে, তাদের সাহায্য করা
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১২,০৭৯.
“No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of the parties”- এটি দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারা/আদেশের বিধান?
  1. আদেশ ৪১
  2. ধারা ৯৫
  3. ধারা ৯৬
  4. ধারা ৯৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৬
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।

♦ অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না।

♦ দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
১২,০৮০.
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায়, সরকারি কর্মচারীকে হুমকি দেওয়ার ক্ষেত্রে শাস্তির মেয়াদ কত সময় পর্যন্ত হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারীকে বা তার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেয়, এবং সেই হুমকি দেওয়ার উদ্দেশ্য যদি সরকারি কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা অথবা কোনো কাজ করতে বিলম্বিত করার জন্য হয়, তবে সেই ব্যক্তি ২ বছর পর্যন্ত মেয়াদে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি হতে পারে।
- এতে নির্দেশিত শাস্তির মেয়াদ ২ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং শাস্তি কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার সরকারি কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারি কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারি কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১২,০৮১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ বিধি ৭ এর অধীন আদালত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কী আদেশ দিতে পারে?
  1. আটক
  2. সংরক্ষণ
  3. পরিদর্শন
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি [Detention, preservation, inspection, etc., of subject-matter of suit]:

১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত—

ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
১২,০৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫১ অনুসারে আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা
  2. আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধ করা
  3. মামলার পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা বাধ্যতামূলক করা
  4. 'ক' এবং 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৫১ অনুযায়ী, আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা একটি সহজাত বা অলিখিত ক্ষমতা যা আদালত প্রয়োগ করতে পারে যখন-
(১) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন হয়, অথবা
(২) আদালতের কার্যপ্রণালীর অপব্যবহার প্রতিরোধ করতে হয়।
এই ক্ষমতা তখনই ব্যবহৃত হয় যখন দেওয়ানী কার্যবিধির কোনো নির্দিষ্ট বিধান সেই পরিস্থিতির জন্য যথেষ্ট নয় বা কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। তবে আদালত এই ক্ষমতা আইনের সীমার মধ্যে থেকে সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করবে, যেন তা স্বেচ্ছাচারিতা বা ক্ষমতার অপব্যবহারে পরিণত না হয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section:151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
১২,০৮৩.
"Continuing guarantee" is a guarantee that -
  1. Is given only once
  2. Extends to a single transaction
  3. Extends to a series of transactions
  4. Is given without any consideration
সঠিক উত্তর:
Extends to a series of transactions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Extends to a series of transactions
ব্যাখ্যা
⇒ The Contract Act, 1872- Section 129. "Continuing guarantee"-
A guarantee which extends to a series of transactions is called a "continuing guarantee".

চুক্তি আইনের ১২৯ ধারার বিধান: "ধারাবাহিক জামিন":
যে জামিন ধারাবাহিক লেনদেনে কার্যকর হয় তাকে ধারাবাহিক জামিন বলে।
১২,০৮৪.
দণ্ডবিধি অনুসারে কয় ধরনের ফলাফল বা পরিণতিকে আঘাতের সংজ্ঞাভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৬ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারা: আঘাত:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 319- Hurt:
Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.

⇒ পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৩১৯ ধারা অনুযায়ী, আঘাত বলতে বোঝায়- শরীরের যেকোনো দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা। এই ৩টি হচ্ছে আঘাতের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত ফলাফল:
- ব্যথা (Pain);
- রোগ (Disease);
- শারীরিক অক্ষমতা (Infirmity)।
১২,০৮৫.
আপিল বা রিভিশন পর্যায়ে আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে-
  1. পক্ষদ্বয় আবেদন করলে
  2. ন্যায় বিচারের স্বার্থে
  3. পক্ষদ্বয়ের সুবিধা বিবেচনা করে
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচারের স্বার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচারের স্বার্থে
ব্যাখ্যা
ধারা ২১- এখতিয়ারে আপত্তি (Objections to jurisdiction):

যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়,সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে,আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

[No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement and unless there has been a consequent failure of justice].
১২,০৮৬.
সরকার কত ধারা অনুযায়ী অশ্লীল প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৭ ধারা
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৮ ধারা
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(ক) ধারা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(গ) ধারা
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(ক) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(ক) ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিবার ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে-
(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩ক অথবা ১২৪্ক অথবা ১৫৩ক অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫্ক অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫ক মতে দণ্ডনীয়,
(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা
(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা
(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারী গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গনে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সঙ্গত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপ-ধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
১২,০৮৭.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সভাপতি কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. চীফ হুইপ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
⇒ সংসদে সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি হলেন স্পিকার। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো স্পিকারের সভাপতিত্ব। স্পিকার শুধু সভাপতিত্বকারী নন, তিনি পার্লামেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও। তাঁর কর্তৃত্ব সবাই মেনে চলেন ও শ্রদ্ধা করেন। স্পিকারকে পার্লামেন্টের অভিভাবক বলা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
 (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।
(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-

(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।

(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি [রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে] কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।

(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
১২,০৮৮.
বিচারকালীন আসামী যে মেয়াদের কারাবাস ভোগ করেছে তা যদি সে যে দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে তার মেয়াদ অপেক্ষা বেশী হয়, তাহলে আসামী-
  1. অর্থ দণ্ড যদি থাকে মওকুফ হবে
  2. তাকে কারাবাস থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে
  3. নতুন করে কারাবাস শুরু হবে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫ ক অনুযায়ী দণ্ডাদেশের পূর্বে যদি জেল হাজতে যে মোট মেয়াদে অপরাধীকে দণ্ডিত করা হয়েছে তদাপেক্ষা অধিক হয়ে থাকে, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রদত্ত কারাদণ্ড ভোগ করিয়াছে বলে গণ্য হবে এবং জেল হাজতে থাকলে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দিতে হবে এছাড়াও যদি কোন জরিমানা পরিশোধ করার দণ্ডিত করা হয়ে থাকে,তাহলে উক্ত অর্থদণ্ড জরিমানা মওকুফ হয়ে যাবে।
১২,০৮৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় শুধুমাত্র ডাকাতির শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩৯১
  2. ৩৯২
  3. ৩৯৫
  4. ৩৯৬
সঠিক উত্তর:
৩৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-------------------
⇒ Section 395:- Punishment for dacoity:- Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১২,০৯০.
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহকরণ (Bigamy) এর শাস্তি হতে পারে-
  1. অর্থদণ্ডসহ ৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস
  2. ৫ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস এবং অর্থদণ্ড 
  3. ১০ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস এবং অর্থদণ্ড
  4. ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ডসহ ৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ডসহ ৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা: কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:- অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

⇒ Section 494. Marrying again during life-time of husband or wife:- Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to finel.

Exception: This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.
১২,০৯১.
এক জন চোর এক বাড়িতে প্রবেশ করে এবং বাসিন্দাদের জীবন নাশের হুমকি দিয়ে টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে। এক্ষেত্রে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. দস্যুতা
  2. গুরতর চুরি
  3. বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  4. মারাত্মক আঘাত
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা- দস্যুতা:
প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়। যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ উল্লিখিত ঘটনায় অপরাধী মৃত্যুর ভয় দেখিয়েছে এবং চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করেছে। সুতরাং তা দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারায় দস্যুতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
১২,০৯২.
যে উদ্দেশ্য পালনের জন্য কোন চুক্তি করা হয়, সেই উদ্দেশ্য পূরণ অসম্ভব হওয়ার ফলে চুক্তি বাতিল হওয়াকে বলে-
  1. Doctrine of priority
  2. Doctrine of frustration
  3. Doctrine of election
  4. Doctrine of supervening possibility
সঠিক উত্তর:
Doctrine of frustration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of frustration
ব্যাখ্যা
• যখন একটি চুক্তি পালন অসম্ভব হয়ে পড়ে অথবা প্রতিশ্রুতিদাতার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোনো ঘটনার ফলে চুক্তিটির বাস্তবায়ন অবৈধ হয়ে দাঁড়ায়, তখন চুক্তিটি বাতিল ও বিলুপ্ত হয়ে যায় এটা Doctrine of frustration পরিচিত।

• চুক্তি আইনের ধারা ৫৬ অসম্ভব কাজ করার চুক্তি: 
-যে কাজ শুরু হতে অসম্ভব সে কাজ করার চুক্তি বাতিল।
- কোনো কাজ করার চুক্তি যা, চুক্তিটি করার পর অসম্ভব হয় বা যে ঘটনা অঙ্গীকারকারী বারণ করতে পারেনি সে ঘটনার কারণে বেআইনি হয়, সে চুক্তি যখন অসম্ভব বা বেআইনি হয় তখন বাতিল হয়।
- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কিছু করার অঙ্গীকার করেছে, যা সে জানতো বা যুক্তিসঙ্গত চেষ্টা করে জানতে পারতাে এবং যা অঙ্গীকারগ্রহীতা অসম্ভব বা বেআইনি বলে জানতে পারত না, সেক্ষেত্রে উক্ত অঙ্গীকারকারীর অঙ্গীকার অসম্পাদনের মাধ্যমে উক্ত অঙ্গীকারগ্রহীতার যে ক্ষতি হয় সেজন্য তাকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দিবে।

• ব্যর্থতা তত্ত্ব (The Doctrine of Frustration): যখন একটি চুক্তির উদ্দেশ্য আর কোনভাবেই সম্পাদন বা বাস্তবায়ন করা যায় না, তখন আদালত চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে ঘোষণা দিতে পারে, এরূপ ঘোষণাকে ব্যর্থতার তত্ত্ব বলা হয়।

এ্যানসন (Anson) সকল আইন ব্যবস্থাতেই চুক্তি পালনের নিয়মের পাশা-পাশি চুক্তি অবসানের বিধানও থাকে, যদি অবস্থা বিশেষের পরিবর্তনের ফলে চুক্তির পালন আইনত কিংবা বাস্তবে অসম্ভব হয়।

ব্যর্থতার তত্ত্ব সম্পর্কে বৃটেনের আইন: ১৮৬৩ সালের পূর্বে বৃটিশ Common Law অনুযায়ী চুক্তিতে বিপরীত মর্মে কোন শর্ত না থাকলে চুক্তির সংশিষ্ট পক্ষসমূহ চুক্তি পালনের অসম্ভাব্যতাকে চুক্তির পরিসমাপ্তির কারণ বলে আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারতো না। অর্থাৎ সকল চুক্তি আক্ষরিক অর্থে প্রযোজ্য হতো এবং সকল পক্ষই চুক্তি সম্পাদন করতে সর্বোতভাবে বাধ্য থাকতো।

১৮৬৩ সালের পর ব্যর্থতা তত্ত্বের প্রচলন শুরু হয় এবং এই তত্ত্বানুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে রেহাই দেয়। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বৃটেনের আদালত চুক্তি নষ্ট হয়েছে বলে রায় দিতে পারে:-

ক) চুক্তির অপরিহার্য বস্তুর বিনাশ হলে;
খ) কোন উদ্দেশ্য অর্জন অসম্ভব হলে;
গ) আইনের পরিবর্তন হলে;
ঘ) পূর্বশর্ত পালনে ব্যর্থ হলে:
ঙ) মৃত্যু বা ব্যক্তিগত ক্ষমতা বিনষ্ট হলে; এবং
চ) যুদ্ধ ঘোষিত হলে।

• ব্যর্থতা তত্ত্বের ভিত্তি (Basis of the Doctrine of Furstration): বৃটেনের আইন অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যর্থতা তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন :-
১. ধারণামূলক শর্ত: কোন কোন ক্ষেত্রে এই ধারণা করা হয় যে, প্রত্যেক চুক্তি পালিত না হওয়া পর্যন্ত একটি বিশেষ বস্তু বা অবস্থার উপস্থিতি বিদ্যমান থাকা আবশ্যিক বলে মনে করা হয়, ঐ অবস্থার অস্তিত্ব থাকলেই চুক্তি সম্পাদনযোগ্য অন্যথায় নয়। সুতরাং চুক্তি পালনের জন্য উক্ত বস্তু বা অবস্থা বিদ্যমান থাকা অপরিহার্য।
২. চুক্তির ভিত্তি ধ্বংস: যদি চুক্তিভুক্ত পক্ষসমূহের বিনা দোষে যে বস্তু বা অবস্থার উপর ভিত্তি করে চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল, সই ভিত্তি বস্তু বা অবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তা ব্যর্থতা তত্ত্বের আওতায় আসবে।
৩. ন্যায়সঙ্গত সমাধান: চুক্তির গঠন এবং ব্যাখ্যার প্রকৃতি দ্বারা অর্থাৎ চুক্তিতে যদি এমন শর্ত বা অবস্থার উলে-খ থাকে যা ঘটলে চুক্তি বাতিল হবে, সেক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত অর্থ দ্বারাই ন্যায়সঙ্গত সমাধান হবে অর্থাৎ চুক্তি বাতিল হবে।
৪. শর্তের পরিবর্তন: যে ক্ষেত্রে আদালত দেখতে পায় যেসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটি চুক্তি পালনীয় হবে যেসব অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে এবং এই পরিবর্তনের জন্য কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। সেক্ষেত্রে চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
১২,০৯৩.
তামাদি আইনে কয়টি আইনগত অপারগতার উল্লে­খ আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority];
২. উন্মাদ [Insanity];
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]।


⇒ মােকদ্দমা করার অধিকারী ব্যক্তি যে সময়ে মামলা করার অধিকারী হয়, তখন সে নাবালক বা উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি সম্পন্ন থাকলে, তার মামলা দায়ের করার ও তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে, যে সময় থেকে তার আইনগত অপারগতার অবসান ঘটবে।

⇒ যদি উক্ত ব্যক্তির একটি আইনগত অপারগতা থাকাকালীন সময়ে আরাে একটি অপারগতায় আক্রান্ত হয়, সেক্ষেত্রে দুটি আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ যদি উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তার আইনানুগ প্রতিনিধি, যদি তার আবার কোন অপারগতা না থাকে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

১২,০৯৪.
'যদি প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে ব্যক্তিগত নোটিশ দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে আদালত গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নোটিশ প্রকাশ করতে পারে' বিধানটি রয়েছে-
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৬
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৭
  3. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৮
  4. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৯
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তিসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।
(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
--------------  
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in the same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plaintiff's expense, notice of the institution of the suit to all such personnel either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct.
2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১২,০৯৫.
সংসদে অধ্যাদেশ উপস্থাপনের পর কতদিনের মধ্যে তা অনুমোদন না হলে কার্যকারিতা লোপ পায়?
  1. ১৪ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, অনুচ্ছেদ ৯৩(১)-এর অধীনে প্রণীত কোনো অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপনের পর, ইতঃপূর্বে বাতিল না হলে, উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হলে অথবা ত্রিশ দিনের মধ্যে সংসদ কর্তৃক অননুমোদনের প্রস্তাব গৃহীত হলে অধ্যাদেশটির কার্যকারিতা লোপ পাবে।

অর্থাৎ সংসদে অধ্যাদেশ উপস্থাপনের পর ৩০ দিনের মধ্যে তা অনুমোদন না হলে তার কার্যকারিতা লোপ পায়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৩০ দিন।

১২,০৯৬.
প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা কত ধারায় বর্নিত হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান: নিরোধক প্রতিকার: ৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
----------
-The Specific Relief Act, 1877 Section 6. Preventive relief:
- Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
১২,০৯৭.
ফৌজদারি অপরাধের সাধারণ ব্যতিক্রম দণ্ডবিধির কত থেকে কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭৬ থেকে ১০০ ধারায়
  2. ৯৬ থেকে ১০৬ ধারায়
  3. ৭৪ থেকে ১০৪ ধারায়
  4. ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৬ থেকে ১০৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ থেকে ১০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর চতুর্থ অধ্যায় ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারা পর্যন্ত সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ বা General exceptions নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয় না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না।
- পেনাল কোডের ৭৬-১০৬ ধারার মধ্যে যে সকল সাধারণ ব্যতিক্রম বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলোর কোনো একটির সুযোগ যদি কোনো অভিযুক্ত পায় তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে যে কাজের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তা আর অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে না। অভিযুক্ত ব্যক্তি এই ক্ষেত্রে নিরপরাধ হিসেবে খালাস পাবে। দোষী সাব্যস্ত করার সুযোগও নাই।
- সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লিখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১২,০৯৮.
'Negative Injunction' এর বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় আছে?
  1. ৫৫
  2. ৫৬
  3. ৫৭
  4. ৫৪
সঠিক উত্তর:
৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত যে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে তাকে Negative Injunction বলে।

- নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
--------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.
১২,০৯৯.
"The Court may presume that judicial and official acts have been regularly performed" এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. Section 114(a)
  2. Section 114(c)
  3. Section 114 (e)
  4. Section 114 (g)
সঠিক উত্তর:
Section 114 (e)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 114 (e)
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-114: Court may presume existence of certain facts: The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case.  
 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 
(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 
(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 
(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 
(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 
(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 
(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 
(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 
(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it:– 
as to illustration (a) –A shop-keeper has in his till a marked Taka soon after it was stolen, and cannot account for its possession specifically, but is continually receiving Taka in the course of his business: 
---------------
সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;
(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;
(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।
তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।
১২,১০০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৩৪ ধারা অনুযায়ী, একজন সাক্ষী দ্বারা কি মামলা প্রমাণ করা যায়?
  1. না
  2. হ্যাঁ
  3. শুধুমাত্র দেওয়ানি মামলায়
  4. শুধুমাত্র গুরুতর মামলায়
সঠিক উত্তর:
হ্যাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যাঁ
ব্যাখ্যা
• সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল- 'witnesses are weighed, not numbered'.- বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়। এক্ষেত্রে মামলার ধরন অপ্রাসঙ্গিক।