বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১২২ / ১৫৫ · ১২,১০১১২,২০০ / ১৫,৪৭০

১২,১০১.
কোন ধারায় সাক্ষ্য আইনে ইঙ্গিতবাহী (Leading) প্রশ্নের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪০
  3. ধারা ১৪১
  4. ধারা ১৪২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪১
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪১-এই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading Question) সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না: বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।
যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে: জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 142.When they must not be asked:
- Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
- The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 143. When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.

১২,১০২.
"Ex injuria jus non oritur" শব্দগুচ্ছ দ্বারা কী বোঝায়?
  1. ক্ষমতাই আইন
  2. ন্যায় বিচারই শেষ কথা
  3. অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম নেয় না
  4. আইনের চোখে সবাই সমান
সঠিক উত্তর:
অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম নেয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম নেয় না
ব্যাখ্যা
• Ex injuria jus non oritur
- একটি গুরুত্বপূর্ণ ল্যাটিন আইনগত প্রবচন (legal maxim),
- যার অর্থ হলো: “অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম হয় না।”

এটি আন্তর্জাতিক আইনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিচারব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোনো অবৈধ বা অন্যায় কাজ করে কেউ তার পক্ষে আইনি অধিকার দাবি করতে পারে না।
১২,১০৩.
নিচের কোন চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য?
  1. A, B কে বিবাহ করার চুক্তি।
  2. সাহিত্যকর্ম সম্পন্ন করতে লেখকের সাথে প্রকাশকের চুক্তি
  3. A ১০০০ টাকার বিনিময়ে B-এর ছবি আঁকবে।
  4. নির্দিষ্ট বর্ণনার কিছু সংখ্যক শেয়ার A কর্তৃক B-এর বিক্রয় করার চুক্তি
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট বর্ণনার কিছু সংখ্যক শেয়ার A কর্তৃক B-এর বিক্রয় করার চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট বর্ণনার কিছু সংখ্যক শেয়ার A কর্তৃক B-এর বিক্রয় করার চুক্তি
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২১ ধারা অনুযায়ী- যদিও শেয়ার অস্থাবর সম্পত্তি, এমন শেয়ার যেহেতু নির্দিষ্ট বর্ণনার এবং এমন শেয়ার যেহেতু সর্বদা বাজারে ক্রয় করার জন্য পাওয়া যায় না এবং এমন শেয়ার যেহেতু সংখ্যায় কম যা অন্যকোন উপায়ে সংগ্রহ করা যায় না, সেহেতু এমন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য।
♦ বাকী অপশনগুলো ২১ ধারা অনুসারে বলবৎযোগ্য নয়।
১২,১০৪.
দেওয়ানী আদালতের ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের কত সময়ের মধ্যে ডিক্রিজারী মামলা দায়ের করতে হয়?
  1. তিন বৎসর
  2. পাঁচ বৎসর
  3. বিশ বৎসর
  4. এক বৎসর
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৮২ অনুচ্ছেদমতে-
যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি সংশোধন করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে উক্ত সংশোধিত ডিক্রি জারির দরখাস্ত সংশোধনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

এছাড়া, রেজিস্ট্রিকৃত/নিবন্ধিত ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে জারি বা কার্যকর করার জন্য আবেদনের সময়সীমা ৬ বছর।
১২,১০৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ১০৪ ধারা
  3. ১০৭ ধারা
  4. ১০৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৯ ধারা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
১২,১০৬.
'An advocate on the roll may, in the manner hereinafter provided, be reprimanded, suspended or removed from practice if he is found guilty of professional or other misconduct.'- The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩০
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ৩৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩২
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর Article 32:
(1) An advocate on the roll may, in the manner hereinafter provided, be reprimanded, suspended or removed from practice if he is found guilty of professional or other misconduct.

(2) Upon receipt of a complaint made to it by any Court or by other person that any such advocate has been guilty of misconduct, the Bar Council shall, if it does not summarily reject the complaint, refer the case for disposal to a Tribunal constituted under Article 33 (hereinafter referred to as the Tribunal) and may of its own motion so refer any case in which it has otherwise reason to believe that any such advocate has been so guilty.

অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী-
ট্রাইব্যুনাল পেশাগত বা অন্য কোন অসদাচরণের জন্য সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেটকে তিরস্কার (Reprimand), সাময়িক অপসারণ (Suspend) এবং আইন পেশা হতে অব্যাহতি (Remove) প্রদান সংক্রান্ত শাস্তি প্রদান করতে পারবে।
১২,১০৭.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করলে, উক্ত ব্যক্তি-
  1. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  2. অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  3. অনূর্ধ্ব ২ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  4. অনূর্ধ্ব ৫ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
১২,১০৮.
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ [Interlocutory orders] দেয়া যেতে পারে যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু-
  1. স্থাবর সম্পত্তি হয়
  2. অস্থাবর সম্পত্তি হয়
  3. অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয় হয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale): কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
---------------------
Interlocutory Orders:
⇒ Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
১২,১০৯.
'ক' একজন মুসলিম হানাফী ব্যক্তি বাবা, স্ত্রী, দুই ভাই ও এক মেয়েকে রেখে মারা যান। এক্ষেত্রে তার সম্পত্তিতে ভাইরা কত অংশ পাবে?
  1. ৩/২৪ অংশ
  2. ৪/২৪ অংশ
  3. ৯/২৪ অংশ
  4. কোনো অংশ পাবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ পাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা

• মুসলিম আইনে উত্তরাধিকার:
উল্লিখিত প্রশ্নে,
⇒ স্ত্রী পাবে সম্পত্তির ১/৮ বা ৩/২৪ অংশ [যেহেতু সন্তান আছে];
⇒ মেয়ে পাবে সম্পত্তির ১/২ বা ১২/২৪ অংশ [যেহেতু একমাত্র কন্যা] এবং
⇒ বাবা অংশীদার হিসেবে ১/৬ বা ৪/২৪ অংশ [ যেহেতু মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান আছে];

মোট= ১/৮ + ১/২ + ১/৬ অংশ।
= ১৯/২৪ অংশ।

অবশিষ্ট= ১ - ১৯/২৪ অংশ
= ৫/২৪ অংশ।

[যদি মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান বা তাঁর পুত্রের কন্যা সন্তান থাকলে তবে পিতা সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ পাবেন। এই ক্ষেত্রে কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর অবশিষ্ট যে সম্পত্তি থাকবে তাও পিতা পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোন পুত্র-কন্যা বা পুত্রের সন্তান কিছুই না থাকে তাবে বাকী অংশীদারদের তাঁদের অংশ অনুযায়ী দেয়ার পর অবশিষ্ট যা থাকবে তার সবটুকুই বাবা পাবেন।]

অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাবা বাকি ৫/২৪ অংশ পাবে।

উল্লেখ্য, বাবা জীবিত থাকায় এক্ষেত্রে ভাইয়েরা কোন সম্পত্তি পাবে না।

১২,১১০.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি বা বিলম্ব মওকুফ (Condonation of Delay) প্রযোজ্য নয়?
  1. আপিল
  2. মূল মোকদ্দমা
  3. রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত
  4. আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত
সঠিক উত্তর:
মূল মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের-৫ ধারার বিধান তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি বা বিলম্ব মওকুফ (Condonation of Delay)- তামাদি আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোন মামলা, আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য কোন দরখাস্ত আইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাখিল করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করা না হলে আদালত সরাসরি ৩ ধারানুযায়ী মামলাটি খারিজ করে দিবে; তবে মূল মামলা ব্যতীত আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য যে কোন দরখাস্ত নির্ধারিত সময়ের পর করা হলেও দরখাস্তকারী ৫ ধারার বিধান মতে বিজ্ঞ আদালতকে সন্তুষ্ট করার মতো যথাযথ কারণ (sufficient cause) উল্লেখ পূর্বক তামাদির মেয়াদ মওকুফের (Condonation of Delay) জন্য আবেদন করতে পারবেন। আদালত ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তামাদির মেয়াদ মওকুফ করতে পারেন।
সুতরাং তামাদি আইন কঠোর হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই কঠোর বিধি লঙ্ঘনের স্বাধীনতা রয়েছে। যেটিকে আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বা Condonation of Delay বলা হয়।

তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫ টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। 
 নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য -
i) আপিল (Appeal);
ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal)
iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision)
iv) রায়ের পুনঃনিরীক্ষণের দরখাস্ত (Review)
v) অন্য কোনো দরখাস্তে ( Any other application)
এছাড়া অন্যকোনো ক্ষেত্রে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের সুযোগ নেয়া যাবে না।

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়-
১. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে।
২. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।

-১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার প্রদত্ত ব্যাখ্যা অনুযায়ী আপিলকারী বা দরখাস্তকারী হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা বা রায় দ্বারা তামাদির মেয়াদ গণনা বা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হলে তা পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে। এছাড়া উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে- মারাত্মক অসুস্থতা, কারাবাস, সরল বিশ্বাসে ভুল, আইনজীবী বা উকিলের ভুল ইত্যাদি।
-তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
১২,১১১.
নিম্ন আদালতে নূন্যতম কতদিন প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার যোগ্য হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ২১ নং আর্টিকেলে বলা আছে যে নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার অনুমতি পাবে না।
- অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার জন্য নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
-------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-21. (1) No advocate other than an advocate permitted to practise before the High Court immediately before the commencement of this Order shall be permitted to practise before the High Court unless-
(a) he has practised as an advocate before subordinate courts in Bangladesh for a period of two years;
(b) he is a law graduate and has practised as an advocate before any High Court outside Bangladesh notified by the Government in the official Gazette;
(c) he has, for reason of his legal training or experience, been exempted by the Bar Council from the foregoing requirements of this clause on the basis of the prescribed criteria.
 
(2) Permission to practise before the High Court shall be given in the form prescribed by the Bar Council on proof that the fee prescribed under Article 22 has been paid and that the relevant condition laid down in clause (1) are duly satisfied.
১২,১১২.
'Betting' on a cricket match is a-
  1. wagering contract
  2. contingent contract
  3. voidable contract
  4. lawful contract
সঠিক উত্তর:
wagering contract
উত্তর
সঠিক উত্তর:
wagering contract
ব্যাখ্যা
• The Contract Act, 1872 এর ৩০ ধারা অনুযায়ী-
বাজি সম্পর্কিত চুক্তি [Wagering contract] বাতিল বলে গণ্য হয়ে থাকে। 

'Betting' অর্থ- বাজি ধরা। অন্যদিকে, Wagering contract অর্থ- বাজি ধরা।

সুতরাং, 'Betting' on a cricket match is a- Wagering contract.'
১২,১১৩.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার সংজ্ঞা অনুযায়ী নিচের কোনটি চুরির হিসেবে গণ্য হয়?
  1. সম্পত্তি ধ্বংস করা
  2. স্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
  3. অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
  4. সম্পত্তির মালিকের সম্মতিতে সম্পত্তি গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
ব্যাখ্যা
উত্তর: অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১২,১১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ অনুযায়ী আদালত কয়টি বিষয়ে কমিশন নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. ৬টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
১২,১১৫.
কোন ক্ষেত্রে বিষেজ্ঞর মতামত (expert opinion) প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. বিদেশী আইন
  2. বিজ্ঞান
  3. হস্তরেখা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ The Evidence Act 1872 এর ৪৫ ধারায় বলা হয়েছে বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, কলা বিজ্ঞান, হস্তরেখা, আঙ্গুলের ছাপ ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষ ব্যক্তিদের সাক্ষ্য মোকদ্দমায় প্রাসঙ্গিক হবে।
১২,১১৬.
ক এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা আছে। খ এই কথা না জেনে 'ক' কে দৈহিক জখম করার অভিপ্রায়ে এমন আঘাত করে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। উক্ত আঘাতের ফলে 'ক' মারা যায়।
  1. হত্যা
  2. খুন
  3. অপরাধজনক নরহত্যা
  4. নরহত্যা
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার প্রথম অংশের অনুচ্ছেদ ২ অনুযায়ী, যদি অপরাধী জানে যে, সে যে ধরনের দৈহিক জখম করছে তা যে ব্যক্তিকে জখম করা হচ্ছে তার মৃত্যু ঘটাতে পারে এবং সে যদি এটা জেনে জখম, করে মৃত্যু ঘটায় তাহলে সেটা খুন হবে। আর যদি না জেনে জখম করে হত্যা করে, তাহলেও সেটা ৩০০ ধারার ৩য় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী খুন বলে গণ্য হতে পারে যদি জখমের প্রকৃতি এমন হয় যে, উক্ত জখম একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট। এই ক্ষেত্রে জখমের অভিপ্রায় ছিল কিনা এবং জখম করার অভিপ্রায় নিয়ে এমন আঘাত করেছে কিনা যা একজন সুস্থ ব্যক্তির প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট কিনা তা বিবেচ্য বিষয় যদি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয় তাহলে সেটা খুন হবে। প্রশ্নে যদিও বা জানতো না যে, ক এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হবার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু খ, ক-কে এমন আঘাত করে হত্যা করেছে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। তাই 'খ' খুনের দায়ে অভিযুক্ত হবে।

♦ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুনঃ
খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে যে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
১২,১১৭.
পুলিশি রিমান্ড(Police remand) বলতে বুঝায়?
  1. আদালত কর্তৃক মামলাটি পূনঃবিচারের জন্য প্রেরণ
  2. আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
  3. আদালত কর্তৃক ফরিয়াদিকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
  4. পুলিশ কর্তৃক অভিযুক্তকে আদালতে প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
ব্যাখ্যা
• গ্রেফতার ও রিমান্ড সম্পর্কে  ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ এবং ১৬৭(২) ধারায় যা বলা হয়েছে তা নিম্নরূপ-
ধারা ৬১ অনুযায়ী তদন্ত কার্য সম্পন্ন না করা গেলে,গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটক রাখা যাবে না।তাকে নিকটস্থ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রিটের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

• ধারা ১৬৭(২)এ রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে-
(১) যখনই কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং প্রতীয়মান হয় যে,৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করা যাবে না এবং এরুপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে,অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢভিত্তিক,তা হলে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসার,তিনি যদি সাব-ইন্সপেক্টর পদের নিম্নপদস্থ না হন,অবিলম্বে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরিতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত তথ্যের নকলসহ অভিযুক্তকে নিকটতম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারা অনুসারে অভিযুক্তকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে,তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক,তিনি তার বিবেচনামতে অভিযুক্তকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন,তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।

• মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন,তা হলে তিনি অভিযুক্তকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন।তবে শর্ত থাকে যে,তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন,এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
১২,১১৮.
ধারা ৩৮৬ এর অধীনে আসামির কোন ধরনের সম্পত্তিতে পরোয়ানা কার্যকর করে ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা যাবে?
  1. কেবল স্থাবর সম্পত্তি
  2. কেবল অস্থাবর সম্পত্তি
  3. স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
  4. কোন ধরনের সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮৬- জরিমানা আদায়ের পরোয়ানা (Warrant for levy of fine):
কোন আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হলে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি উপায়ে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-
১. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয়;
২. স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে পরোয়ানা কার্যকর করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন। আদালত কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করলে উক্ত ওয়ারেন্ট ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার বলে গণ্য করা হয়।

জরিমানা আদায়ের জন্য অপরাধীর স্থাবর, অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করে টাকা আদায়ের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে জরিমানা পরিশোধ করা না হলে, অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং আসামী আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে সেই ক্ষেত্রে পুনরায় কারাদণ্ডের আদেশ বা অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ বা পুনরায় আদায়ের আদেশ দিতে পারবেন না। অপরাধীকে গ্রেফতার বা কারাগারে আটক রেখেও এরূপ কোন পরোয়ানা কার্যকর করা যাবে না। অর্থাৎ, আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, এক্ষেত্রে আদালত উল্লিখিত কোনো আদেশ দিতে পারে না।
১২,১১৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সংসদের স্থায়ী কমিটির বিধান আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ:

(১) সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারী হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।

(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তরলাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।

(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের,
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।
১২,১২০.
নিম্নলিখিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করতে পারেন ?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ এর অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-

> মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট [Metropolitan Magistrate] 
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট [Magistrate of the first class]
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ [any Bench of Magistrates invested with the powers of a Magistrate of the first class]
১২,১২১.
'Health and safety of arrested person' সংশ্লিষ্ট বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৬খ
  2. ধারা ৪৬গ
  3. ধারা ৪৬ঘ
  4. ধারা ৪৬ঙ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ঘ
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৬ঘ – গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা:
যে ব্যক্তি কোনো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির হেফাজতে থাকবে, তার কর্তব্য হবে ঐ গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে যুক্তিসঙ্গত যত্ন নেওয়া।

46D. Health and safety of arrested person.-
It shall be the duty of the person having custody of an arrested person to take reasonable care of his health and safety.

১২,১২২.
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়_______এর ক্ষেত্রে-
  1. examination-in-chief
  2. re-examination
  3. cross-examination
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
cross-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
cross-examination
ব্যাখ্যা
♦প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করে প্রশ্নের মধ্যে তার ইঙ্গিত থাকলে, সেই প্রশ্নকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলে। সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারায় বলা হয়েছে, জেরায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যেতে পারে leading questions may be asked in cross-examination.
১২,১২৩.
যে মামলায় একজন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে সেই মামলার বিচার করতে হলে কার থেকে অনুমতি গ্রহণ করতে হবে?
  1. রিভিশন আদালতের
  2. হাইকোর্ট  বিভাগের
  3. আপিল আদালতের
  4. আপিল বিভাগের
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না।

♦ কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় ‘Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa.

♦ অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own cause' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
১২,১২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশ কার্যকর করা এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করার বিধান আছে?
  1. ১৪
  2. ১৫
  3. ১৬
  4. ১৭
সঠিক উত্তর:
১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে- কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান: কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
১২,১২৫.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুসারে আপিল রিভিশন ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বিধানটি আছ-
  1. ৪৪২ ধারায়
  2. ৪৪২-ক ধারায়
  3. ৪৪২-খ ধারায়
  4. ৪৪৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৪২-ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪২-ক ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক মতে- কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে আপীল নিম্পত্তি করবেন এবং রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিস্পত্তি করবেন।
১২,১২৬.
কোন পরিস্থিতিতে একজন মুসলিম স্ত্রী আদালতে তালাক চাইতে পারবেন?
  1. স্বামী পাঁচ বছর কারাদণ্ড প্রাপ্ত হলে
  2. তিন বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে
  3. দুই বছর স্বামী ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
দুই বছর স্বামী ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর স্বামী ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে
ব্যাখ্যা

১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

১২,১২৭.
ORDER-XII-এর Rule-2 অনুযায়ী দলিল স্বীকারের নোটিশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ৯ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
ORDER-XII এর Rule-2 অনুযায়ী, দলিল স্বীকারের নোটিশ পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে।
- এটি নির্দেশ করে যে, যদি এক পক্ষ অপর পক্ষকে দলিল স্বীকারের জন্য নোটিশ দেয়, তবে উক্ত নোটিশ পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই দলিল স্বীকার করার জন্য পক্ষটি বাধ্য থাকবে।
- যদি দলিলটি স্বীকার করতে অস্বীকার করা হয় অথবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো উত্তর না দেওয়া হয়, তবে সেই দলিলের প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকেই বহন করতে হবে, তবে আদালত যদি অন্য কোনো নির্দেশনা দেয়, তাহলে তা ভিন্ন হতে পারে।
------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-2. Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party, [to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document], saving all just exceptions. In case of refusal or neglect to admit the document after such notice, the costs of proving such document shall be paid by the party neglecting or refusing, regardless of the outcome of the suit, unless the Court directs otherwise. Additionally, no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the Court deems the omission to give notice as a saving of expense.
১২,১২৮.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার অধীনে বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে?
  1. ৩ ধারার
  2. ৫ ধারার
  3. ৭ ধারার
  4. ৯ ধারার
সঠিক উত্তর:
৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
- কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।ঃ
- ব্যাখ্যা: দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।

⇒ বিচার্য বিষয় (Facts in Issue)- বিচার্য বিষয় হলো এমন কোন ঘটনা যাকে কোন মামলার মূল বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যভাবে বলা যায়, যে বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আদালত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করে তাকে বিচার্য বিষয় বলে। কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় মামলার এক পক্ষ স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। যে কোন মামলার প্রকৃত বিষয় ও সত্যতা উদঘাটনের বিচার্য বিষয়ের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

⇒ প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts)- যে ঘটনাটি অন্য কোন ঘটনার অস্তিত্ব ও অস্তিত্বহীনতা প্রমাণ করে, তাই প্রাসঙ্গিক ঘটনা বা Relevant Fact। কোন বিষয়কে প্রাসঙ্গিক হতে হলে উক্ত ঘটনাকে কোন না কোন দিক হতে বিচার্য বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে। সাক্ষ্য আইনের ৫ থেকে ৫৫ ধারায় বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevance of Facts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
--------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 5. Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
১২,১২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সরকার
  3. আপিল বিভাগ
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে।

ধারা ৪১: ক্ষমতাদি প্রত্যাহরকরণ-
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

Section 41: Withdrawal of powers-
(1) The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
১২,১৩০.
How many total rules are there in the Canons of Professional Conduct and Etiquette?
  1. 4
  2. 14
  3. 24
  4. 42
সঠিক উত্তর:
42
উত্তর
সঠিক উত্তর:
42
ব্যাখ্যা

⇒Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
- "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to other advocates) 
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to clients) 
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য (Duty to the court) 
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to the public generally)

১২,১৩১.
সপ্রতিবন্ধ দায়ে উত্তরাধিকার লাভ হয়-
  1. জন্মসূত্রে
  2. মৃত্যুর পর
  3. উইল থাকলে
  4. আদালতের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর পর
ব্যাখ্যা

সপ্রতিবন্ধ দায় (Obstructed heritage):
যখন একজনের মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অপরের উত্তরাধিকার অথবা উত্তরজীবীসূত্রে অধিকার জন্মায় তখন ইহাকে সপ্রতিবন্ধ দায় বলা যাইতে পারে। এইক্ষেত্রে অপ্রতিবন্ধ দায়ের ন্যায় জন্মসূত্রে সম্পত্তিতে অধিকার জন্মায় না। অর্থাৎ যেখানে একজনের সম্পত্তি পাওয়া অপরের মৃত্যুর উপর নির্ভরশীল তাহাকেই বলা যায় সপ্রতিবন্ধ দায়। 
এইক্ষেত্রে একজনের অস্তিত্ব অপরের সম্পত্তি পাওয়ার বাধা সৃষ্টি করে। বাধা অপসারিত হইলে পরে অন্যের উপর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বর্তায়। এইভাবে প্রতিবন্ধকতা অপসারিত হওয়ার পর সম্পত্তি পাওয়াকে বলা হয় সপ্রতিবন্ধ দায়।

অপ্রতিবন্ধ দায় (Unobstructed heritage):
সংস্কৃত এবং বাংলায় দায় কথার অর্থ উত্তরাধিকার (inheritance)। যখন একজন কোন প্রতিবন্ধকতা অর্থাৎ বাধা ব্যতিরেকেই কোন সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে তখন তাহাকে অপ্রতিবন্ধ দায় বলা হয়। যেমন- মিতাক্ষরা মতে জন্মসূত্রে পুত্র পূর্বপুরুষাগত সম্পত্তিতে পিতার সহ-উত্তরাধিকারী হয়, এখানে পিতার অস্তিত্ব পুত্রের পূর্বপুরুষাগত সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হইতে কোন বাধা সৃষ্টি করে না। এইভাবে সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হওয়াকে বলে "অপ্রতিবন্ধ দায়।"

১২,১৩২.
একজন স্বাক্ষীর আচরণ সংক্রান্ত মন্তব্য প্রাসঙ্গিক হলে তা লিপিবদ্ধ করাবে-
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. বিচারক
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  4. আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক
ব্যাখ্যা
♦ একজন স্বাক্ষীর আচরণ সংক্রান্ত মন্তব্য প্রাসঙ্গিক হলে তা লিপিবদ্ধ করাবে-বিচারক।

♦ যদিও প্রশ্নটি সাক্ষ্য আইনের কিন্তু এই বিষয়ে সাক্ষ্য আইনে সরাসরি কোথায়ও উল্লেখ নাই। 

♦ তবে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৬৩ ধারা মতে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে মন্তব্য:
- যেক্ষেত্রে কোন দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যদি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন, সাক্ষীর জবানবন্দীর সময়ের তার আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে কোন মন্তব্য (যদি থাকে) লিপিবদ্ধ করবেন।

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি-১২ মতে সাক্ষীর আচরণ (Demeanour of witnesses):
- গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে আদালত সাক্ষীর আচরণ মন্তব্য আকারে লিখে রাখবেন।

Sections 363 of Code of Criminal Procedure, 1898:
Remarks respecting demeanor of witness:
- When a Sessions Judge or Magistrate has recorded the evidence of a witness, he shall also record such remarks (if any) as he thinks material respecting the demeanour of such witness whilst under examination.

Order 18 Rule 12-Code of Civil Procedure, 1908.
Remarks on demeanour of witnesses.
- The court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.
১২,১৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারানুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন-
  1. স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে
  3. হাইকোর্টের নির্দেশে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান-
(১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এই ধারার অধীনে কাজ করার জন্য বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট নয়) মতে এই ধারার অধীনে অগ্রসর হওয়ার মতো যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়—সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয়বস্তু বর্ণনা করে এবং তা ধারা ১৩৪-এ বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত থাকতে অথবা কোনো নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে না রাখতে নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিবেচনা করেন যে তাঁর নির্দেশে আইনের দ্বারা নিযুক্ত কোনো ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা জনশান্তির বিঘ্ন, কিংবা দাঙ্গা বা মারামারি প্রতিরোধের সম্ভাবনা আছে অথবা প্রতিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরি পরিস্থিতিতে অথবা যার ওপর আদেশ দেওয়া হচ্ছে, তার ওপর সময়মতো নোটিশ জারি করার সুযোগ না থাকলে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোনো ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোনো বিশেষ স্থানে ঘনঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতিও নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অথবা কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই ধারানুসারে তাঁর নিজের বা তাঁর অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা তাঁর পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোনো আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্রই ব্যক্তিগতভাবে বা কৌঁসুলীর মাধ্যমে তাঁর নিকট হাজির হওয়ার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেবেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন, তাহলে তিনি তা করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা থাকা অবস্থায় সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে, এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোনো আদেশ দুই মাসের বেশি বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগর এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

১২,১৩৪.
স্থাবর সম্পত্তি থেকে ডিক্রিদার কর্তৃক দ্বারা বেদখল হলে আদেশ ২১ বিধি-১০০ এর অধীন কে আবেদন করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র দায়িক
  2. শুধুমাত্র নিলাম বিক্রির ক্রেতা
  3. সম্পত্তির বৈধ দখলদার শুধু
  4. দায়িক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
দায়িক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

আদেশ ২১ বিধি-১০০: ডিক্রিদার বা ক্রেতা কর্তৃক বেদখল-
১) যেক্ষেত্রে দায়িক ব্যতীত কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রাপ্ত ডিক্রির মালিক কর্তৃক কিংবা যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলামে বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে উহার খরিদ্দার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ বেদখলের অভিযোগ করে আদালতে একটি আবেদন করতে পারে।

২) আদালত বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দিন ধার্য করবে এবং যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে, সে পক্ষকে হাজির হওয়ার এবং উত্তর দেয়ার জন্য সমন প্রদান করবে।

১২,১৩৫.
পুলিশের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হলে
  2. স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
  3. নিরপেক্ষ স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান:  আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
১২,১৩৬.
The Maxim 'Ignorantia facti excusat' means-
  1. Ignorance of fact is an excuse
  2. Ignorance of law is an excuse
  3. Ignorance of fact is no excuse
  4. Ignorance of law is no excuse
সঠিক উত্তর:
Ignorance of fact is an excuse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ignorance of fact is an excuse
ব্যাখ্যা
• Ignorantia facti excusat : Ignorance of fact is an excuse.

Definition: This means that if someone does something wrong because they didn't know all the facts, they might not be punished for it.

ঘটনাগত ভুল (Mistake of Fact)

ঘটনাগত ভুল বা Mistake of Fact হলো অঘটনজনিত কোন ভুল এটা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কোন ভুল না। দণ্ডবিধির ৭৬ ধারায় বলা হয়েছে-
'কোন কিছু অপরাধ না যা সম্পাদিত হয় এমন ব্যক্তি দ্বারা যে আইনগত ভুলের কারণে নয় বরং ঘটনাগত ভুলের কারণে সরল বিশ্বাসে নিজেকে কাজটি করতে আইনবলে বাধ্যবলে বিশ্বাস করে।'

যেমন- পুলিশ 'A'- কে 'B' মনে করে সরল বিশ্বাসে 'B' কে গ্রেফতার করে। এটা Mistake of Fact বা ঘটনাগত ভুল এবং এটা কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না। ঘটনার অজ্ঞতা বা ঘটনা জানি না ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতির অজুহাত হতে পারে (ignorance of fact is excusable)।

উল্লেখ্য,
আইনগত ভুল বা Mistake of Law অর্থ হলো কোন প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে বিদ্যমান আইন বা অন্যভাবে কোন আইন সম্পর্কে ভুল ধারণা এবং একই সাথে আইন কি সেই সম্পর্কে ভুল ধারণা। আইন জানিনা এই কারণে কোন ব্যক্তি ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পেতে পারে না কারণ আইন জানিনা এটা ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পাওয়ার কোন অজুহাত হতে পারে না (Ignorance of law is no excuse)।
১২,১৩৭.
একজন শিশুকে কীসের ভিত্তিতে যোগ্য সাক্ষী হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. বয়স
  2. বোধশক্তি
  3. শিক্ষাগত যোগ্যতা
  4. সবগুলোর উপর
সঠিক উত্তর:
বোধশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোধশক্তি
ব্যাখ্যা
•  সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়।

সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।
ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

উক্ত ধারা অনুযায়ী প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে সক্ষম সকল ব্যক্তি যোগ্য সাক্ষী। যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবে না।
১২,১৩৮.
De jure শব্দের অর্থ কী?
  1. In fact
  2. In law
  3. indeed
  4. in action
সঠিক উত্তর:
In law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In law
ব্যাখ্যা
De Jure: শাব্দিক অর্থ হচ্ছে In law বা According to law.

- 'de jure' একটি ল্যাটিন phrase. 
- যার বাংলা অর্থ আইনগত ভাবে বিদ্যমান।
- এটার বিপরীত De facto বা in action.
১২,১৩৯.
দলিল সংশোধন করা যায়-
  1. প্রতারণা হলে
  2. দলিলের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ না হলে
  3. পক্ষগণের পারস্পরিক ভুল থাকলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল; ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ ৩ কারনে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে। 

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
১২,১৪০.
কমিশন জারির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিষয়টি সঠিক নয়?
  1. বন্টনের মোকদ্দমায় ছাহাম নির্ধারণ;
  2. মোকদ্দমার বিরোধীয় হিসাব পরীক্ষা;
  3. বিরোধীয় সম্পত্তির চৌহদ্দি নিরূপণ;
  4. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ।
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908,এর ৭৫ ধারা মতে নির্ধারিত শর্তাবলী ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
♦অর্থাৎ আদালত ৪ টি উদ্দেশ্যে আদালত কমিশন ইস্যু করতে পারেন। তা হলো – জবানবন্দি বা সাক্ষ্য গ্রহণ, সরেজমিন তদন্ত, হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় এবং সম্পত্তির বিভাগ বা বাটোয়ারা। ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ এর জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারবেন না।
১২,১৪১.
মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরুপ গঠন বিশিষ্ট বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও মাদকের ন্যায় আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে কার্যকর বস্তুকে কী বলে?
  1. অ্যাগনিস্ট (Agonist)
  2. অ্যালকালয়েড (Alkaloid)
  3. অ্যালকোহল (Alcohol)
  4. অ্যানালগ (Analogue)
সঠিক উত্তর:
অ্যাগনিস্ট (Agonist)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাগনিস্ট (Agonist)
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২(২)-এ 'অ্যাগনিস্ট (Agonist)'-কে সুনির্দিষ্টভাবে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে: এইরূপ কোনো বস্তু যাহা তপশিলে উল্লিখিত কোনো মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরূপ গঠনবিশিষ্ট বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে উক্ত বস্তুর মতো একইভাবে কার্যকর। এটি মাদকের ফার্মাকোলজিক্যাল (pharmacological) প্রভাবের অনুরূপ কিন্তু স্ট্রাকচারাল (structural) সাদৃশ্য ছাড়া।

অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা:
খ) অ্যালকালয়েড (Alkaloid): (৪)‘অ্যালকালয়েড (Alkaloid)’ অর্থ তপশিলের উল্লিখিত কোনো বস্তু বা মাদকদ্রব্য হইতে রাসায়নিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত কোনো বস্তু যাহার আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া মূল মাদকদ্রব্য বা মাদকজাতীয় বস্তুটির অনুরূপ;
গ) অ্যালকোহল (Alcohol): (৫) ‘অ্যালকোহল (Alcohol)’ অর্থ 1[হাইড্রোকার্বনজাত হাইড্রোক্সিল (OH-] মূলকসম্বলিত কোনো জৈব যৌগ অথবা তপশিলের ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্যের ক্রমিক নং ৩ এবং ‘গ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্যের ক্রমিক নং ১ ও ২ এ উল্লিখিত কোনো তরল পদার্থ;।
ঘ) অ্যানালগ (Analogue): (৩) ‘অ্যানালগ (Analogue)’ অর্থ তপশিলের অন্তর্ভুক্ত হয় নাই এইরূপ বস্তু, যাহার রাসায়নিক সংগঠন তপশিলের অন্তর্গত কোনো মাদকের রাসায়নিক সংগঠনের অনুরূপ এবং যাহার আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক কার্যক্রম একই রকম। 

অর্থাৎ মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরূপ না হওয়া সত্ত্বেও মাদকের ন্যায় আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে কার্যকর বস্তু বলতে অ্যাগনিস্ট (Agonist) বোঝায়। সুতরাং সঠিক উত্তর ক)।

১২,১৪২.
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদ শুরু হবে-
  1. দরখাস্ত দাখিলের দিন থেকে
  2. অধিকার উদ্ভবের দিন থেকে
  3. মামলার শেষ হওয়ার দিন থেকে
  4. বিচারকের আদেশ পাওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী,
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে।
অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে।

১২,১৪৩.
সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য চুক্তির এক পক্ষ যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তাহলে চুক্তির অপর পক্ষ-
  1. শুধু ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
  2. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে না
  3. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ২০:
''একটি চুক্তি যা সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য, তা এমনভাবেও বাস্তবায়িত হতে পারে, যদিও সেখানে চুক্তি লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুত থাকে।''

এই ধারায় চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরছে। এখানে বলা হচ্ছে যে, একটি চুক্তি যদি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে সেটি বাস্তবায়নযোগ্য, যদিও চুক্তিতে লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুতি প্রকাশ করে। অর্থাৎ, যদি একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে শুধুমাত্র বিলম্বকারী পক্ষের ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব আদালতকে বাধ্য করবে না যে চুক্তিটি বাস্তবায়ন না করে শুধু ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করতে হবে। বরং আদালত চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার জন্য বিলম্বকারী পক্ষকে নির্দেশ দিতে পারবে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হল- চুক্তির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিপূরণের প্রস্তাবকে চুক্তি বাস্তবায়নের বিকল্প হিসাবে না গ্রহণ করা।

⇒ চুক্তির এক পক্ষ যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তবুও অন্য পক্ষ সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে।
১২,১৪৪.
আপীল মেমো সংশোধনের সময়-
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ২১ দিনের মধ্যে
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন: ১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule.-3: Rejection or amendment of memorandum.-1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
১২,১৪৫.
‘ক’ এবং ‘খ’ একটি চুক্তি সম্পাদন করে। পরবর্তীতে ‘ক’ চুক্তি লঙ্ঘন করে। ‘খ’ আদালতে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করে। আদালত কোন ভিত্তিতে ‘খ’-এর পক্ষে রায় দিতে পারেন?
  1. চুক্তি একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার না হলে
  3. চুক্তি লঙ্ঘনের ফলে ক্ষতির নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ণয় করা সম্ভব না হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
১২,১৪৬.
ক” খ” এর নিকট একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্ত এবং ভাড়ায় ভাড়া দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। খ” চুক্তির কাজ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়। ক” ইহার পর খ” এর চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। এই ক্ষেত্রে-
  1. ক” সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে
  2. ক” পুনরায় ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
  3. ক” সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে না
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক” সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক” সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
♦যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার অধিকারী হবে না। যেহেতু ক” চুক্তিভঙ্গের জন্য একবার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, তাই সে পুনরায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করার অধিকারী হবে না।
১২,১৪৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা অনুযায়ী, বিকল্প প্রার্থনা কোন পর্যায়ে করতে হয়?
  1. রায় প্রদানের পূর্বে
  2. মামলা শুনানির সময়
  3. মামলা দায়ের করার সময়
  4. আপিল দায়ের করার সময়
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের করার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের করার সময়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মামলা দায়ের করার সময়। 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা অনুযায়ী, যখন কোন ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করেন, তখন তিনি বিকল্প প্রার্থনা (যেমন, চুক্তি রদ করা) মামলা দায়ের করার সময়ই করতে পারেন। এটি একটি বিকল্প আবেদন হিসাবে দায়ের করা হয় এবং আদালত যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করেন, তখন সেই ভিত্তিতে চুক্তি রদ করার জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
১২,১৪৮.
এ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার আরজিতে কার দস্তখত প্রয়োজন হবে?
  1. এ্যাডভোকেট
  2. বাদীর প্রতিনিধি
  3. বাদী
  4. এ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
এ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং অর্ডারের ১৪ নং বিধিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক প্লিডিংস (আরজি এবং জবাব) সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক এবং তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। অর্থাৎ আরজি স্বাক্ষরিত (দস্তখত) হবে বাদী বা বাদীর সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি এবং বাদীর উকিল দ্বারা। আবার লিখিত জবাব স্বাক্ষরিত হবে বিবাদী বা বিবাদীর পক্ষে তার প্রতিনিধি কর্তৃক এবং বিবাদীর উকিল কর্তৃক।
১২,১৪৯.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। খ' দাবী করে যে সে উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি 'খ'-কে অর্পণ করবে। এই ক্ষেত্রে ক এর জন্য নিম্নলিখিত কোন প্রতিকারটি সঠিক?
  1. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
  2. দখল উদ্ধারের মামলা
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  4. চুক্তি বলবৎ এর মামলা
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু 'খ' দাবী করছে যে সে উক্ত সম্পত্তির মালিক সেহেতু সে সম্পত্তিতে 'ক' এর মালিকানা অস্বীকার করছে। এই ক্ষেত্রে 'ক' যে উক্ত সম্পত্তির মালিক এমন ঘোষণা চেয়ে ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করলে হবে কারণ বাদী ক সম্পত্তির দখলে আছে।
১২,১৫০.
'A' ৫০০০ টাকা 'B' বরাবর এই শর্তে হস্তান্তর করলো যে, সে 'C', 'D' এবং 'E'-এর সম্মতি নিয়ে বিবাহ করবে। 'E' মারা গেল। 'B', 'C' এবং 'D'-এর সম্মতি নিয়ে বিবাহ করলো। কোন নীতি অনুসারে 'B' শর্তটি পূরণ করেছে বলে ধরে নেওয়া হবে?
  1. Doctrine of Election
  2. Doctrine of Cy-pres
  3. Doctrine of Part Performance
  4. Doctrine of Priority
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Cy-pres
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Cy-pres
ব্যাখ্যা
• A ৫০০০ টাকা B বরাবর এই শর্তে হস্তান্তর করলো যে, সে C, D এবং E-এর সম্মতি নিয়ে বিবাহ করবে। E মারা গেল। B, C এবং D-এর সম্মতি নিয়ে বিবাহ করলো। B শর্তটি পূরণ করেছে বলে ধরে নেওয়া হবে। ধারা ২৬ অনুসারে পূর্বশর্ত যতদূর সম্ভব পূরণ করতে হবে। Doctrine of Cy-pres নীতিটি প্রয়োগ হয়েছে।

এই নীতিটি ন্যায়পরায়নতার নীতি যার অর্থ যতদূর বা যথাসম্ভব কাছাকাছি। যদি কোন সম্পত্তির হস্তান্তরকারীর প্রকৃত শর্তানুযায়ী কোন হস্তান্তর হুবহু বা অবিকলভাবে কার্যকর করা অসম্ভব বা অযৌক্তিক হয় তাহলে হস্তান্তরকারীর মূল উদ্দেশ্য বা রাজার যথাসম্ভব কাছাকাছি উক্ত হস্তান্তর কার্যকর করা যাবে। Doctrine of cy-pres নীতিটি ২৬ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে।

ধারা ২৬: পূর্বশর্ত পূরণ
যেক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তির হস্তান্তরের শর্তাবলিতে এরূপ কোনো শর্ত আরোপ করে যে, ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ লাভ করার পূর্বে ঐ শর্ত পালন করতে হবে, সেক্ষেত্রে ঐ শর্তটি যদি মোটামুটি ভাবে প্রতিপালিত হয়, তাহলে তা সম্পৃরূপে প্রতিপালিত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 26: Fulfilment of condition precedent
Where the terms of a transfer of property impose a condition to be fulfilled before a person can take an interest in the property, the condition shall be deemed to have been fulfilled if it has been substantially complied with.
১২,১৫১.
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুসারে রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়া হয়?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ৬ অনুসারে, সরকার উপযুক্ত মনে করে সরকারি কর্মকর্তা বা অন্য কোনো ব্যক্তিকে রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দিতে পারে।
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৬: রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার:
সরকার, উপযুক্ত মনে করিলে, সরকারি কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তিকে, পূর্বোল্লিখিত পদ্ধতিতে গঠিত, কতিপয় জেলায় এবং কতিপয় উপ জেলায়, যথাক্রমে রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার, হিসাবে নিয়োগ প্রদান করিতে পারিবে। 
------------
⇒ Section 6. Registrars and Sub-Registrars:
The Government may appoint such persons, whether public officers or not, as it thinks proper, to be Registrars of the several districts, and to be Sub-Registrars of the several sub-districts, formed as aforesaid, respectively.

১২,১৫২.
কোনো বিচারক কখন কোনো মোকদ্দমা বা আপিলের শুনানি করতে পারবে না?
  1. মোকদ্দমার পক্ষ হলে
  2. ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকলে
  3. নিজের ঘোষিত ডিক্রি হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-

(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested.
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
১২,১৫৩.
'Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.'- The Contract Act, 1872 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ২৩ ধারায়
  2. ২৫ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ২৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা

• The Contract Act, 1872: Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.

In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

• চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।

এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।

১২,১৫৪.
'A' obstructs a path along which 'Z' has a right to pass, 'A' not believing in good faith that he has a right to stop the path. 'Z' is thereby prevented from passing. What is the legal term used to describe 'A's action towards 'Z'?
  1. Consent
  2. Trespassing
  3. Infringement
  4. Wrongful restraint
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম: যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
Section 339- Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
Exception-
The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
Illustration-
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১২,১৫৫.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী তালাকের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দেওয়ার পর কত দিন পর তালাক কার্যকর হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৭(৩) এ বলা হয়েছে: “তালাক, যদি এর আগে প্রত্যাহার না করা হয় (স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে), তবে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ প্রদানের তারিখ থেকে নব্বই (৯০) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর হবে না।
অর্থাৎ স্বামী তালাক উচ্চারণ করার পর যত দ্রুত সম্ভব ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে এবং স্ত্রীর কাছেও একটি কপি পাঠাতে হবে।
- চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে একটি সালিশি পরিষদ (Arbitration Council) গঠন করবেন, যার মূল উদ্দেশ্য হলো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পুনর্মিলন ঘটানো।
- তালাকের নোটিশ দেওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিন পার হওয়ার আগে তালাক কার্যকর হয় না। এই সময়টিকে এক ধরনের “Cooling-off Period” বা সমঝোতার সুযোগ বলা যায়।
- যদি স্ত্রী নোটিশ দেওয়ার সময় গর্ভবতী থাকেন, তবে ৯০ দিন পূর্ণ হওয়ার পরেও গর্ভকাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান: তালাক (Talaq):
১) কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ইচ্ছা করলে সে কোন প্রকারেই হোক তালাক উচ্চারণ করার পরেই সে তালাক দিয়েছে বলে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাবে এবং তার স্ত্রীকেও একটি কপি পাঠাবে।
২) উপর্যুক্ত বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩) অন্য কোনোভাবে প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কোন তালাক প্রত্যাহার না করা হলে চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরিত নোটিশের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৪) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের ভিতরে চেয়ারম্যান পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করবেন ও এই কাউন্সিল পুনর্মিলন ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৫) তালাক প্রদানের সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৩নং উপধারায় উল্লিখিত মেয়াদ বা গর্ভকাল এই দুই এর মধ্যে যা পরে শেষ হবে, তা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৬) এই ধারা অনুযায়ী কার্যকর তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে সেই স্ত্রীর তৃতীয় কোনো ব্যক্তির সাথে মধ্যবর্তী বিবাহ ছাড়া তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহে কোনো বাধা থাকবে না, যদি না বিবাহবিচ্ছেদ তৃতীয়বারের মত কার্যকর হয়ে থাকে।

১২,১৫৬.
তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে এর ফলাফল কী হবে?
  1. আদালত বন্ধ হওয়ার আগেই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  2. আদালত খোলার ৭ দিনের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  3. আদালত যেদিন খুলবে সেদিনই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  4. যত দিন বন্ধ থাকবে ততোদিন তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে।
সঠিক উত্তর:
আদালত যেদিন খুলবে সেদিনই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত যেদিন খুলবে সেদিনই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৪ ধারার বিধান-

কোনো মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে (সরকারি ছুটির বন্ধ), উক্ত মোকদ্দমা যেদিন আদালত খুলবে সেদিন দায়ের করতে হবে।

Section 4: Where Court is closed when period expires
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
১২,১৫৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৬টি
  3. ৪টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা].
১২,১৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ কোন ধরনের শাস্তিতে প্রযোজ্য?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. কারাদণ্ড
  3. জরিমানা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত গর্ভবতী স্ত্রীলোকের শাস্তি স্থগিত করা হয়। হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড কার্যকরী করাকে বিলম্বিত করতে পারে বা তা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে। এই ধারা শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ডের জন্য প্রযোজ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার বিধান গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.

১২,১৫৯.
A transfer of immovable property made with the intent to defeat or delay the creditors of the transferor shall be:
  1. Void
  2. Voidable at the discretion of the court
  3. Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
ব্যাখ্যা
• শঠতামূলক হস্তান্তর (Fraudulent transfer):

৫৩ ধারা অনুসারে,
হস্তান্তরকারী তার পাওনাদারদের (creditors) ঠকানো বা পাওনা আদায়ে বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি কোন স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করে, তাহলে যেকোন পাওনাদারের দাবী অনুযায়ী উক্ত হস্তান্তর বাতিলযোগ্য বিবেচিত হবে।

⇒ পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতাকে ঠকানাের উদ্দেশ্যে পূর্বে সম্পাদিত প্রত্যেকটি বিনামূল্যের হস্তান্তর পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতার দাবিক্রমে বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
⇒ পরবর্তী কোনো একটি হস্তান্তর মূল্যের বিনিময়ে করা হয়েছে, কেবল এ কারণেই ধরে নেয়া হবে না যে, পূর্বের বিনামূল্যের হস্তান্তরটি পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতাকে ঠকানাের জন্য করা হয়েছিল।

Section 53: Fraudulent transfer

(1) Every transfer of immoveable property made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor shall be voidable at the option of any creditor so defeated or delayed. Nothing in this sub-section shall impair the rights of a transferee in good faith and for consideration. Nothing in this sub-section shall affect any law for the time being in force relating to insolvency. 
 
A suit instituted by a creditor (which term includes a decree-holder whether he has or has not applied for execution of his decree) to avoid a transfer on the ground that it has been made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor, shall be instituted on behalf, or for the benefit of, all the creditors. 
 
(2) Every transfer of immoveable property made without consideration with intent to defraud a subsequent transferee shall be voidable at the option of such transferee. 
For the purposes of this sub-section, no transfer made without consideration shall be deemed to have been made with intent to defraud by reason only that a subsequent transfer for consideration was made.
১২,১৬০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকারের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (The Specific Relief Act, 1877) এর ধারা ৬-এ প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।এই ধারা অনুসারে, ধারা ৫(গ) এর অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়, তাকে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। এটি মূলত নিষেধাজ্ঞা (Injunction) এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়, যেখানে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
⇒ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়।
- যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
- অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief).

১২,১৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, কখন একটি লিখিত চুক্তি রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা যায়?
  1. চুক্তিটি বাতিলযোগ্য বা সমাপ্তিযোগ্য হলে
  2. চুক্তিটি অবৈধ হলে এবং চুক্তির মুখপত্রে তা স্পষ্ট না হলে
  3. ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, আদালত কয়েকটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে একটি লিখিত চুক্তি রদের (Rescission) আদেশ দিতে পারে। সেগুলো হলো—
→ যখন চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (Voidable) বা সমাপ্তিযোগ্য (Terminable) হয়:
- যদি চুক্তি বাতিলযোগ্য হয় (যেমন প্রতারণা, বলপ্রয়োগ, প্ররোচনা বা পক্ষের ভুলের কারণে), তাহলে বাদী চুক্তি রদের জন্য মামলা করতে পারে।
উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তিতে স্বাক্ষর করায়, তাহলে ভুক্তভোগী চুক্তি বাতিলের জন্য আদালতে যেতে পারেন।

→ যখন চুক্তিটি অবৈধ হয়, তবে চুক্তির মুখপত্রে তা স্পষ্ট না থাকে:
- যদি চুক্তি বেআইনি কোনো উদ্দেশ্যে করা হয়, কিন্তু তা চুক্তির ভাষায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকে, তাহলে আদালত চুক্তি রদের রায় দিতে পারে, বিশেষ করে যখন প্রতিপক্ষ বাদীর তুলনায় বেশি দোষী হয়।
উদাহরণ: একজন উকিল যদি তার মক্কেলকে প্রতারণার মাধ্যমে এমন চুক্তিতে বাধ্য করে যা মক্কেলের ঋণদাতাদের প্রতারণার জন্য করা হয়েছে, তাহলে এই চুক্তি রদের যোগ্য।

→ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়:
- যদি আদালত কোনো সম্পত্তি বিক্রির (Sale Contract) বা লিজের (Lease) সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের আদেশ দেয়, কিন্তু ক্রেতা বা ইজারাদার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত চুক্তি রদের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি একটি সম্পত্তি কেনার জন্য চুক্তি করে এবং আদালত তাকে অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেয়, কিন্তু সে অর্থ পরিশোধ না করে, তাহলে বিক্রেতা চুক্তি রদের জন্য মামলা করতে পারেন।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার অধীনে উপরের তিনটি ক্ষেত্রেই চুক্তি রদের জন্য মামলা করা যায়, তাই সঠিক উত্তর "ঘ) উপরের সবকটি"।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 

Illustrations:
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)- 
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
১২,১৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুযায়ী, অপরাধটি যদি কোনো বিশেষ বা স্থানীয় আইনের অধীন হয়, তবে সেটি কখন “একই ধরনের অপরাধ” হিসেবে গণ্য হবে?
  1. যখন শাস্তির মাত্রা একই হয়
  2. যখন অপরাধের স্থান একই হয়
  3. যখন অভিযোগকারীর নাম এক হয়
  4. যখন অপরাধটি একই দিনে সংঘটিত হয়
সঠিক উত্তর:
যখন শাস্তির মাত্রা একই হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন শাস্তির মাত্রা একই হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪(২) তে বলা আছে:
"Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special or local law."
- অর্থাৎ যদি কোনো ব্যক্তি বিশেষ বা স্থানীয় আইনের অধীনে একাধিক অপরাধ করে,
- এবং সেই অপরাধগুলো একই ধারা অনুযায়ী একই মাত্রার শাস্তিযোগ্য হয়,
- তাহলে তা “একই ধরনের অপরাধ” হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
- যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই নামানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে।
তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোনো ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরনের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three.

(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law:
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.
১২,১৬৩.
According to Section 138 of The Evidence Act, 1872, what is the correct order of examining a witness?
  1. Cross-examination → Re-examination → Examination-in-chief
  2. Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
  3. Re-examination → Cross-examination → Examination-in-chief
  4. Cross-examination → Examination-in-chief → Re-examination
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872- Section 138: Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়। জবানবন্দি গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে, তবে জেরা কেবল মূল সাক্ষ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
১২,১৬৪.
The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১৫৮ এর বিধান The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ রোয়েদাদ দাখিলের নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।
অর্থাৎ তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়।
১২,১৬৫.
অকৃষি জমির উন্নয়ন কাজ সংক্রান্ত প্রশ্ন দেখা দিলে, কে সিদ্ধান্ত দিবেন?
  1. ভূমি রাজস্ব কর্মকর্তা
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. ভূমি জরিপ কর্মকর্তা
  4. দেওয়ানি আদালত
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
ব্যাখ্যা
• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 

তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
১২,১৬৬.
নাসিমের মামলা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ায় খারিজ হয়। তিনি খারিজের কত দিনের মধ্যে খারিজ আদেশ বাতিল করার দরখাস্ত দায়ের করতে পারেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।

১২,১৬৭.
What is meant by "Special Law" under The Penal Code,1860?
  1. A law applicable generally
  2. A law applicable only to judges
  3. A law applicable to a particular subject or area
  4. A law applicable to all citizens of the country
সঠিক উত্তর:
A law applicable to a particular subject or area
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A law applicable to a particular subject or area
ব্যাখ্যা
 - দণ্ডবিধির ৪১ ধারা মতে বিশেষ আইন:- কোন বিশেষ বিষয়ের প্রতি প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'বিশেষ আইন'।
→ The Penal Code,1860, Section 41. "Special law":- A "special law" is a law applicable to a particular subject."

- দণ্ডবিধির ৪২ ধারা মতে স্থানীয় আইন:- কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'স্থানীয় আইন' বলে।
-The Penal Code,1860- Section 42. "Local law":- A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
১২,১৬৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮(২) অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যার পক্ষে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা (Representative Suit) দায়ের করা হয়েছে, এরূপ মোকদ্দমায় পক্ষ হওয়ার জন্য-
  1. অন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  2. মোকদ্দমা দায়েরকারীর কাছে আবেদন করতে পারে
  3. মোকদ্দমা দায়েরকারীর অনুমতি নিতে পারে
  4. আদালতে আবেদন করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালতে আবেদন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তিসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।

(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।

১২,১৬৯.
দুর্নীতি দমন কমিশনারদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
"দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪" এর ধারা ৬: কমিশনারগণের নিয়োগ ও মেয়াদ-
(১) কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ধারা ৭ অনুসারে গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে নিয়োগপ্রাপ্ত হইবেন৷ 
(২) কমিশনারগণ পূর্ণকালীন সময়ের জন্য স্ব-স্ব পদে কর্মরত থাকিবেন৷ 
(৩) কমিশনারগণ, ধারা ১০ এর বিধান সাপেক্ষে, তাঁহাদের [যোগদানের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর] মেয়াদের জন্য স্ব-স্ব পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন৷ 
(৪) উক্ত মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পর কমিশনারগণ পুনঃ নিয়োগের যোগ্য হইবেন না৷
১২,১৭০.
সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন নাগরিক রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ছাড়া কী গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব
  2. বিদেশী রাষ্ট্রের সম্মান
  3. বিদেশী রাষ্ট্রের পুরস্কার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩০ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ছাড়া কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করতে পারবেন না।
- এই বিধান নাগরিকদের জন্য বিদেশী রাষ্ট্র থেকে সম্মান বা পুরস্কার গ্রহণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে।
- এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা রক্ষা করা এবং বিদেশী রাষ্ট্রের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা।

⇒ প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলো হলো:
ক) বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব: যেমন নাইটহুড, স্যার, ডেম ইত্যাদি।
খ) বিদেশী রাষ্ট্রের সম্মান: কোনো বিশেষ সম্মাননা বা পদক।
গ) বিদেশী রাষ্ট্রের পুরস্কার: কোনো আন্তর্জাতিক পুরস্কার বা স্বীকৃতি।
ঘ) উপরের সবগুলো: অর্থাৎ খেতাব, সম্মান ও পুরস্কার সবই।
⇒ যেহেতু সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদে খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ সবই উল্লেখ আছে, তাই সঠিক উত্তর হবে ঘ) উপরের সবগুলো।

সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদের মূল উদ্দেশ্য:
এই বিধানটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বিদেশী রাষ্ট্রের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি নিশ্চিত করে যে, কোনো নাগরিক বিদেশী রাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো ধরনের সম্মান বা পুরস্কার গ্রহণ করলে তা যেন রাষ্ট্রের মর্যাদা বা নিরাপত্তাকে প্রভাবিত না করে।

সুতরাং, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো নাগরিক বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব, সম্মান বা পুরস্কার গ্রহণ করতে পারবেন না।
১২,১৭১.
সম্পত্তি বাটোয়ারা সম্পর্কে আদালতকে রিপোর্ট দিতে হবে কত মাসের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৩ এর বিধান স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন (Commissions to make partition of immovable property): যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪ এর বিধান কমিশনের কার্যপদ্ধতি (Procedure of Commissioner) ১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত রে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনুর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
১২,১৭২.
দণ্ডবিধির ধারা ৪০২-এর অপরাধ প্রমাণের জন্য মূল উপাদান কোনটি?
  1. ডাকাতি সংঘটন করা
  2. ডাকাতির সরঞ্জাম সংগ্রহ করা
  3. ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া
  4. ডাকাতির পরিকল্পনা করা ও ডাকাতি করা
সঠিক উত্তর:
ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৪০২–এ বলা হয়েছে যে, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে তারা অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধ প্রমাণের জন্য মূল উপাদান হলো ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া। অর্থাৎ, ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে কিনা বা ডাকাতির সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয়েছে কিনা, তা অপরাধ প্রমাণের জন্য অপরিহার্য নয়। শুধু ডাকাতির উদ্দেশ্যে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রিত হওয়াই যথেষ্ট।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৪০২: ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া:
যে কোনো ব্যক্তি, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে একজন হন যারা ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছে, তবে তিনি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদে হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 402. Assembling for purpose of committing dacoity:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall be one of five or more persons assembled for the purpose of committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

১২,১৭৩.
UD Case সাধারণত কোন ধরণের মৃত্যুর জন্য রুজু করা হয়?
  1. আত্মহত্যা
  2. দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত
  3. সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
UD Case:
প্রাকৃতিক নিয়মের বাহিরে (যেমনঃ আত্মহত্যা, দূর্ঘটনা, খুন ইত্যাদি, অথবা এইরূপ পরিস্থিতিতে) মারা গেছে যার ফলে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ হতে পারে যে অপর কোন ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে, এ রকম কোন মৃত্যুর জন্য থানায় যে মামলা রুজু করা হয় তাকে অপমৃত্যু মামলা বা Unnatural Death Case বলে।

পুলিশ কর্মকর্তা B.P. Form No. 48-এ তথ্যটি রেকর্ড করেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ১৭৪ ধারা এবং পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল, ১৯৪৩ এর ২৯৯ বিধি অনুযায়ী অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (UD Case) শুরু করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৪: আত্মহত্যা ইত্যাদি সম্পর্কে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত ও প্রতিবেদন:
১. যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো পুলিশ অফিসার জানতে পারেন যে কোনো ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অপর কোনো ব্যক্তি, পশু, যন্ত্রপাতি বা দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মারা গেছে যা থেকে সন্দেহ হয় যে কেউ অপরাধ করেছে,
তাহলে তিনি অবিলম্বে নিকটবর্তী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন, যিনি ইনকোয়েস্ট (মৃতদেহ পরীক্ষার তদন্ত) পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

২. এরপর, যদি সরকারের কোনো নির্দেশ বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কোনো সাধারণ/বিশেষ আদেশ না থাকে, তাহলে তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন এবং এলাকার অন্তত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করবেন এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। রিপোর্টে শরীরে থাকা আঘাত, ক্ষত বা অন্য কোনো চিহ্নের বর্ণনা এবং এগুলো কীভাবে বা কী অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে তা উল্লেখ করা হবে।
বিশেষ নির্দেশ: যদি মৃত্যুর কারণ শত্রুপক্ষের আক্রমণ হয়, তাহলে সরকারের নির্দেশ ছাড়া এই ধরনের তদন্ত ও প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক নয়।

৩. প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার এবং অন্যান্য সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হবে (যারা একমত), এবং তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠানো হবে।

৪. যদি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, বা পুলিশ অফিসার মনে করেন যে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন, তবে তিনি নিকটস্থ সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যোগ্য চিকিৎসকের কাছে মৃতদেহ পাঠাবেন, যদি আবহাওয়া ও দূরত্বজনিত কারণে মৃতদেহ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে।

৫. ইনকোয়েস্ট করার ক্ষমতা রাখেন:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট;
- বা সরকার/জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
১২,১৭৪.
No person shall be deprived of life or personal liberty ____ in accordance with law.
  1. except
  2. save
  3. save & except
  4. provided
সঠিক উত্তর:
save
উত্তর
সঠিক উত্তর:
save
ব্যাখ্যা
Article 32: Protection of right to life and personal liberty

No person shall be deprived of life or personal liberty save in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ

আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।
১২,১৭৫.
কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের ইচ্ছাকৃত ভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১৯২ ধারায়
  2. ১৯৩ ধারায়
  3. ১৯৪ ধারায়
  4. ১৯৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৯৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
- ব্যাখ্যা-১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা-২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা-৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

- উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।
-------------
Section-193: Punishment for false evidence:
-Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation-1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation-2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation-3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Illustration:
A, in an enquiry before an officer deputed by a Court of Justice to ascertain on the spot the boundaries of land, makes on oath a statement which he knows to be false. As this enquiry is a stage of a judicial proceeding, A has given false evidence.
১২,১৭৬.
দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসারে, বিধবা স্ত্রী কী ভিত্তিতে সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন?
  1. দান হিসেবে
  2. জীবনস্বত্ব ভিত্তিতে
  3. অস্থায়ী ভাড়া ভিত্তিতে
  4. স্থায়ী মালিকানা ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
জীবনস্বত্ব ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনস্বত্ব ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

⇒ দায়ভাগ পদ্ধতি অনুযায়ী, বিধবা স্ত্রীর সম্পত্তির অধিকার "জীবনস্বত্ব" (Life Estate) ভিত্তিক।  এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
সীমিত স্বত্ব:
- বিধবা স্ত্রী সম্পত্তির ভোগদখল ও ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: ফসল তোলা, বাস করা)।
- জরুরি প্রয়োজনে বিক্রিও করতে পারেন (যদি আদালত অনুমোদন দেয়)।
স্থায়ী মালিকানা নয়:
- তিনি সম্পত্তির চূড়ান্ত মালিক নন।
- তাঁর মৃত্যুর পর সম্পত্তি স্বামীর উত্তরাধিকারীদের (পুত্র, পৌত্র ইত্যাদি) কাছে ফিরে যায়।
১৯৩৭ সালের আইনের প্রভাব:
- হিন্দু উইমেন্স রাইটস টু প্রপার্টি অ্যাক্ট, ১৯৩৭ অনুযায়ী বিধবা পুত্রের সমান অংশ পান, কিন্তু তা শুধু জীবনস্বত্ব হিসেবে।

উদাহরণ:
যদি স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে এক পুত্র ও এক বিধবা স্ত্রী থাকেন, তবে:
- পুত্র পাবে ৫০% (স্থায়ী মালিকানা)।
- বিধবা পাবেন ৫০% (জীবনস্বত্বে), যা তাঁর মৃত্যুর পর পুত্র বা স্বামীর অন্যান্য উত্তরাধিকারীদের কাছে ফিরে যাবে।

১২,১৭৭.
প্রয়োজনীয় নোটিশ দেয়ার পরও কোনো নথি উপস্থাপন না করলে, সাক্ষ্য আইনের ৮৯ ধারা অনুযায়ী আদালত কি অনুমান করবে?
  1. নথিটি বাতিল
  2. নথিটির বৈধতা নিশ্চিত নয়
  3. নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয় নি
  4. নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়েছিল
সঠিক উত্তর:
নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়েছিল
ব্যাখ্যা
• Section 89⇒ Presumption as to due execution, etc., of documents not produced:
The Court shall presume that every document, called for and not produced after notice to produce, was attested, stamped and executed in the manner required by law.

যদি আদালত কোনো নথি দেখতে চায় এবং প্রয়োজনীয় নোটিশ দিয়েও তা উপস্থাপন না করা হয়, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে উক্ত নথিটি আইনগত  প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সাক্ষ্যযুক্ত, মুদ্রাঙ্কিত এবং সম্পাদিত হয়েছিল।

অর্থাৎ, আদালত থেকে নথি দেখার নির্দেশ থাকলেও যদি তা উপস্থাপন না করা হয়, তাহলে আদালত নিজে থেকেই ধরে নেবে যে সেই নথিটি আইনগতভাবে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছিল। এটি একটি গৃহীত ধারণা যা প্রতিপক্ষের উল্টো প্রমাণ না থাকলে বলবৎ থাকবে।
১২,১৭৮.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় "গুরুতর আঘাত" হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. হাড় বা দাঁতের ভাঙ্গন
  2. আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি
  3. মাথা বা মুখের স্থায়ী বিকৃতি
  4. এক কানের শ্রবণ ক্ষমতা স্থায়ীভাবে হারানো
সঠিক উত্তর:
আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ শ্রেণীর জখমকে গুরুতর জখম' হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৮ শ্রেণির গুরুতর আঘাত হল। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ।
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ।
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ।
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ।
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি।
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা।
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত। 

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় "আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি" গুরুতর আঘাত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।
------------
⇒ The Penal Code Section 320.Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly. -Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly. -Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly. -Privation of any member or joint. 
Fifthly. -Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly. -Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly. -Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly. -Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits. 
১২,১৭৯.
সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকাদ্দমার তামাদির মেয়াদ বছর।
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী  সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকাদ্দমার তামাদির মেয়াদ ১ বছর । চুক্তি সম্পাদনে অস্বীকৃতির বিষয় জানতে পারার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে  সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদনের জন্য মামলা  করতে হবে।
১২,১৮০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারার মূল বক্তব্য কী?
  1. সংশোধিত চুক্তি বাতিল করতে হবে
  2. সংশোধিত চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে
  3. সংশোধনের পর নতুন দলিল তৈরি করতে হবে
  4. সংশোধিত চুক্তি কেবল আপিলে কার্যকর হবে
সঠিক উত্তর:
সংশোধিত চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশোধিত চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা অনুসারে, যদি কোনো চুক্তি সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তাহলে প্রথমে তা সংশোধন (rectification) করা যেতে পারে এবং পরে, যদি মামলাকারী (plaintiff) তার মামলার আবেদনে (plaint) চুক্তির বলবৎ (specific enforcement) প্রার্থনা করে এবং আদালত মনে করে যে এটি যুক্তিযুক্ত, তাহলে সংশোধিত চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে।
⇒ অর্থাৎ, আদালত চুক্তির ভুল সংশোধন করতে পারেন এবং পরে, যদি এটি প্রয়োজনীয় হয়, তবে সংশোধিত চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নের আদেশও দিতে পারেন।
- অতএব, ধারা ৩৪ অনুসারে, সংশোধিত চুক্তিকে আদালতের বিবেচনায় প্রয়োজনে বলবৎ করা যেতে পারে, যদি মামলাকারী তা দাবি করে এবং আদালত মনে করে এটি ন্যায়সঙ্গত ও আইনসিদ্ধ।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section- 34. Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced. 
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
১২,১৮১.
একটি বন্ড মূলে পাওনা টাকা দাবী করে ‘খ’-এর বিরুদ্ধে ‘ক’-একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। বন্ডটির সম্পাদন স্বীকৃত। কিন্তু ‘খ’-বলে যে প্রতারণার মাধ্যমে বন্ডটি সম্পাদিত হয়েছে, যা ‘ক’- অস্বীকার করে। প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণের দায় কার উপরে ন্যস্ত?
  1. ‘ক’
  2. ‘খ’
  3. আদালত
  4. তৃতীয় কোনো ব্যক্তি যিনি ঘটনাটি দেখেছেন
সঠিক উত্তর:
‘খ’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘খ’
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে:
মামলায় বা কার্যক্রমে কোন পক্ষ হইতেই সাক্ষ্য দেওয়া না হইলে যে পক্ষ মামলায় ঠকিবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত।

⇒ প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণের দায় ‘খ’-এর ওপর বর্তাবে। কারণ, ‘খ’ এই প্রতারণার দাবি উত্থাপন করেছে, এবং সে তা প্রমাণে ব্যর্থ হলে মামলায় পরাজিত হবে।

 
⇒ উদাহরণ:
(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে। এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে। সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
১২,১৮২.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম-১ এর বিধান প্রয়োগ করতে হলে উত্তেজনাটি (Provocation) হতে হবে-
  1. গুরুতর [Grave]
  2. হঠাৎ [Sudden]
  3. গুরুতর এবং হঠাৎ [Grave and Sudden]
  4. অনিচ্ছাপূর্বক [involuntarily]
সঠিক উত্তর:
গুরুতর এবং হঠাৎ [Grave and Sudden]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুতর এবং হঠাৎ [Grave and Sudden]
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের যে সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-

প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।

ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

------
⇒  Murder
Section 300. Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or- 
 
Secondly.- If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or – 
 
Thirdly.- If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or – 
 
Fourthly.- If the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.
When culpable homicide is not murder

Exception 1.-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident.

The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant. 
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence. 
Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.

Exception 2.- Culpable homicide is not murder if the offender, in the exercise in good faith of the right of private defense of person or property, exceeds the powers given to him by law and causes the death of the person against whom he is exercising such right of defense without premeditation, and without any intention of doing more harm than is necessary for the purpose of such defense.

Exception 3.- Culpable homicide is not murder if the offender, being a public servant or aiding a public servant acting for the advancement of public justice, exceeds the powers given to him by law, and causes death by doing an act which he, in good faith, believes to be lawful and necessary for the due discharge of his duty as such public servant and without ill-will towards the person whose death is caused. 
 
Exception 4.-Culpable homicide is not murder if it is committed without premeditation in a sudden fight in the heat of passion upon a sudden quarrel and without the offender's having taken undue advantage or acted in a cruel or unusual manner. 
Explanation.- It is immaterial in such cases which party offers the provocation or commits the first assault. 
 
Exception 5.- Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent.
১২,১৮৩.
তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা ১৪ প্রযোজ্য হয় -
  1. স্যুটের ক্ষেত্রে
  2. রেফারেন্সের ক্ষেত্রে
  3. রিভিশনের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা : ১৪ ‘এখতিয়ারবিহীন আদালতে সদুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে’ 

১৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, এখতিয়ারবিহীন কোনো আদালতে যদি মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, তবে সেই আদালতে মোকদ্দমাটি করার জন্য যে সময় ব্যয় করা হয় তা মূল গণনা থেকে বাদ যাবে। তবে এক্ষেত্রে ৩টি বিষয় প্রমাণ করতে হবে যেমন,
১. বাদীর সদবিশ্বাস,
২. মোকদ্দমার কারণের অভিন্নতা, মানে, এখতিয়ারবিহীন আদালতে যে কারণে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো পরবর্তীতে ঠিক একই কারণে এখতিয়ারাধীন আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছে বা হচ্ছে; এবং
৩. প্রথমে যেই আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো, সেই আদালতের সেই মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আদালতের এখতিয়ারের অপর্যাপ্ততা বা অনুপস্থিতি।

১৪ ধারার বিধান শুধু উপধারা ১ অনুসারে স্যুট বা মোকদ্দমা এবং উপধারা ২ অনুসারে দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। মোকদ্দমা দায়েরের পর যদি আরজি ফেরত দেওয়া হয় এবং ইতিমধ্যে তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তাহলে এখতিয়ারবান আদালতে পুনরায় আরজি দাখিলের ক্ষেত্রে আরজির সাথে তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।
১২,১৮৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারা অনুসারে, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত কাকে অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করে?
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. বাদী এবং বিবাদী উভয়কে
  4. ৩য় কোনো পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
বিবাদীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীকে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারা মতে, 

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে বিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়, যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

১২,১৮৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারার ব্যাখ্যা-১ অনুযায়ী কে মামলার মাধ্যমে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে?
  1. ভোক্তা
  2. ক্রেতা
  3. জিম্মাদার
  4. বিক্রেতা
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদার
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
১২,১৮৬.
বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হবেন কে?
  1. অ্যাটর্নী জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. সচিব
  4. ভাইস- চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর বিধি ৫৫ মতে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো সচিব।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972:  Rules-55. The Secretary shall be the chief executive officer of the Bar Council.
- 55 (1). The Secretary shall be the supervisory officer and Deputy Secretary shall be the executive officer of the Bar Council.
- 55(2). In case of absence or leave of the Secretary, the Deputy Secretary shall be in-charge of the Secretary and perform all functions of the Secretary.
১২,১৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারার অধীনে যে মহিলারা জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য নন, তারা কী থেকে অব্যাহতি পাবেন?
  1. মামলা দায়ের করা থেকে
  2. মামলায় আসামি হওয়া থেকে
  3. আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে
  4. কোন আইনানুগ কার্যক্রম থেকে
সঠিক উত্তর:
আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারা: কতিপয় স্ত্রীলোকের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:

১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল স্ত্রীলোককে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন স্ত্রীলোককে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ স্ত্রীলোক অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লেখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।

Section 132: Exemption of certain women from personal appearance:
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court.
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
১২,১৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৪
  4. ধারা ৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫ এর মাঝে  বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত তাকে প্রতিটি অপরাধের জন্য আলাদা দণ্ড দিতে পারে।
- যদি দণ্ড কারাদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়, তবে আদালত নির্দেশ না দিলে এগুলো ক্রমিকভাবে (consecutive) চলবে।
- তবে মোট দণ্ডের মেয়াদ কোনোভাবেই ১৪ বছরের বেশি হতে পারবে না।
- ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষেত্রে, তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে, তার দ্বিগুণের বেশি মোট শাস্তি দেওয়া যাবে না।
- আপিলের উদ্দেশ্যে, একই বিচারে একাধিক অপরাধে প্রদত্ত ক্রমিক দণ্ডগুলোকে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য করা হবে।
- তাই একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দেওয়া হয়েছে ধারা ৩৫ এর মাঝে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তারচেয়ে একাধিক দণ্ড পরপর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবল ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধারে নিতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-35. Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate , the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.

১২,১৮৯.
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারামতে ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকার করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানাসত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------------
⇒ Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১২,১৯০.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হলে আদালত সার্টিফিকেট ইস্যুর কত দিনের মধ্যে পক্ষগণ কোর্ট ফি ফেরত পাবার অধিকারী হবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৪৫
  4. ৬০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
- মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হলে আদালত পক্ষগণকে কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার (Refund of court fees) জন্য একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করবে এবং সার্টিফিকেট ইস্যুর তারিখ থেকে ষাট (৬০) দিনের মধ্যে পক্ষগণ তা ফেরত পাবার অধিকারী হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (১১) কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ (১৮৭০ সালের ৭নং আইন) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধসমূহ এই ধারার অধীনে মীমাংসায় নিষ্পত্তি হলে পক্ষসমূহের মাধ্যমে আরজি কিংবা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কোর্ট একটি সার্টিফিকেট জারি করবে এবং সার্টিফিকেট জারির তারিখ থেকে ষাট দিনের ভিতর পক্ষসমূহ তা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।
----------------
- CPC Section 89A (11) Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.
১২,১৯১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'Criminal breach of trust by clerk or servant' এর শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারার বিধান: কেরানী বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:- কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা কেরানি বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------
Section 408. Criminal breach of trust by clerk or servant:- Whoever, being a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১২,১৯২.
ফৌজদারি মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবীর প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
  1. আসামিকে সাজা দেয়া
  2. ন্যায়বিচার নিশ্চিত
  3. শুধু আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা
  4. আসামিকে নির্দোষ প্রমাণ করার
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত
ব্যাখ্যা
♦ পাবলিক প্রসিকিউটরের প্রাথমিক দায়িত্ব দায়িত্বই হচ্ছে- ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। শুধু আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা নয়। আসামিকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য ঘটনা গোপন রাখা বা সাক্ষীদের লুকিয়ে রাখা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

♦ অচরণবিধির অধ্যায় ৩, বিধি ৫ঃ ফৌজদারি মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবীর প্রাথমিক দায়িত্ব সাজা দেয়া নয় বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং এজন্য তিনি কোন ঘটনা বা সাক্ষ্য কোনভাবে লুকাবেন না।

♦ The primary duty of an Advocate engaged in public prosecution is not to convict, but to see that the justice is done. The suppression of facts or the concealing of witnesses capable of establishing the innocence of the accused is highly reprehensible.
১২,১৯৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৭ ধারায় ___________ সম্পর্কিত মোকদ্দমা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
  1. একই আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত একাধিক অস্থাবর সম্পত্তি
  2. বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি
  3. বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর এবং অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
  4. একই আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত একাধিক স্থাবর সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৭: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.
১২,১৯৪.
এক ফৌজদারি মামলায় 'খ' দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়। উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে 'খ' উচ্চতর আদালতে আপিলের আবেদন করে। আপিল চলাকালীন 'খ' মারা যায়। এক্ষেত্রে উক্ত আপিল-
  1. বাতিল হবে
  2. বাতিল হবে না
  3. পণ্ড হবে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 

অর্থাৎ জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
১২,১৯৫.
'ক' সুস্থ থাকতে মামলা করার অধিকার অর্জন করে। পরবর্তীতে সে উন্মাদ হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তামাদির-
  1. মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে 
  2. মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না 
  3. সুস্থ হওয়ার পর পুনরায় তামাদি গণনা শুরু হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না 
ব্যাখ্যা

মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি মামলা করার অধিকার লাভের সময় আইনগতভাবে সক্ষম থাকে তাহলে পরবর্তীতে সে ব্যক্তি আইনগত অক্ষম হলেও- তামাদি মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে।
- অর্থাৎ একবার তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হলে, পরবর্তীতে যদি কোনো আইনগত অপারগতা বা অক্ষমতার কারণে তা স্থগিত হবে না।

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯: সময়ের অবিরাম চলন:  অনুযায়ী, একবার তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে আরম্ভ হইলে পরবর্তী কোনো অপারগতা বা অক্ষমতার দ্বারা তাহা বন্ধ হইবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, যেইক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ন্যস্ত থাকিবে, ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকিবে।
-----------------------
The Limitation Act 1908,Section 9: Continuous running of time:   Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

১২,১৯৬.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে কোন বিভাগে ১৫০ থেকে ১৫৭ অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. প্রথম বিভাগ
  2. দ্বিতীয় বিভাগ
  3. তৃতীয় বিভাগ
  4. চতুর্থ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
→ প্রথম বিভাগ (First Division): অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
বিষয়: মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division): অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division): অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
বিষয়: দরখাস্ত (Applications) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।

অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ এর মধ্যে আপীল সংক্রান্ত তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত থাকায়, এটি দ্বিতীয় বিভাগের অন্তর্ভুক্ত।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) দ্বিতীয় বিভাগ।
১২,১৯৭.
কোন ধরনের মামলায় অভিযুক্তের ভাল চরিত্র প্রাসঙ্গিক?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. উভয় ধরনের মামলায়
  4. কোন মামলায় প্রাসঙ্গিক নয়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

⇒ The Evidence Act, 1872-Section-53: In criminal cases, previous good character relevant:
 In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
১২,১৯৮.
"যা জনকল্যাণমূলক তাই গ্রাহ্য" এটি কীসের মূল বক্তব্য?
  1. ইসতিহসান [Istihsan]
  2. ইসতিসলাহ [Istislah]
  3. ইসতিদলাল
  4. ইজতিহাদ
সঠিক উত্তর:
ইসতিসলাহ [Istislah]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসতিসলাহ [Istislah]
ব্যাখ্যা
⇒ ইসতিসলাহ : ইমাম মালেকের মতে, যা জনকল্যাণমূলক তাই গ্রাহ্য; এটি ইসতিসলাহের মূল বক্তব্য। ইমাম মালেক এ নীতির প্রবর্তক এবং এ নীতিকেই ইসতিসলাহ বলা হয়।
 
তাঁর মতে এটি আইনের একটি উৎস। মালেকী মাযহাবের আইনবিজ্ঞানীদের অনেকের মতেই এ নীতি মোটেই জনপ্রিয় হয়নি। মালিকী মাযহাবের আইনবিজ্ঞানীদের অনেকের মতেই এ নীতি এতই অস্পষ্ট এবং অনির্দিষ্ট যে, এর ওপর ভিত্তি করে কোনো আইনগত সিদ্ধান্ত সম্ভব নয়। মালেকী মাযহাবের আইন-বিজ্ঞানীগণ কখনও এ উৎসের পূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করেননি।

⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি।
১. পবিত্র কোরআন
২. হাদিস
৩. ইজমা
৪. কিয়াস

⇒  অন্যান্য উৎসগুলো হলো
ক. ইসতিহসান [Istihsan]
খ. ইসতিসলাহ [Istislah]
গ. ইসতিদলাল
ঘ. ইজতিহাদ
ঙ. তকলিদ 

⇒  ইসলামিক শরীয়া আইনের মূল উৎস হল ইসলাম ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন শরীফ, যা মুসলমানদের পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হিসেবে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
১২,১৯৯.
১০ বছর বয়সী শিশুর কাজ কখন অপরাধ বলে গণনা হবে না?
  1. অপরিণত বোধ সম্পন্ন হলে
  2. কখনো অপরাধ হবে না
  3. খুন ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে
  4. নিন্দনীয় নরহত্যা ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অপরিণত বোধ সম্পন্ন হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরিণত বোধ সম্পন্ন হলে
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৩ ধারামতে ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ সম্পন্ন (immature understanding) শিশুর কাজ অপরাধ নয় ।
♦ তবে পরিপক্কতা অর্জন করলে অর্থাৎ কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে উক্ত ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
১২,২০০.
"Principles of rectification" সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৩১
  2. ৩২
  3. ৩৩
  4. ৩৪
সঠিক উত্তর:
৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের সময় আদালত কর্তৃক অনুসৃত নীতির বিধান রয়েছে। ৩৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, একটি লিখিত দলিল সংশোধনের সময় দলিল দ্বারা কি বুঝাতে চাওয়া হয়েছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল বিষয়ে পক্ষসমূহের কি অভিপ্রায় ছিল আদালত সে সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারবেন। শুধুমাত্র দলিলের ভাষা দ্বারা পক্ষসমূহ কি অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে চেয়েছিল আদালত এই বিষয়েই অনুসন্ধান সীমিত রাখবেন না। অর্থাৎ দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আদালত পক্ষগণের ইচ্ছা কি ছিল তা খুঁজে বের করবেন এবং সে ইচ্ছা কার্যকর করবেন। এরূপ ক্ষেত্রে আদালত শুধুমাত্র দলিলের গঠনের দিকে না তাকিয়ে দলিলের মূল বিষয়ের উপর লক্ষ্য দেবেন।
--------------
The Specific Relief Act, 1877- Section 33. Principles of rectification:

 - In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.