PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
বাংলাদেশের সংবিধান
বাংলাদেশের সংবিধান
PrepBank · পাতা ২১ / ২৪ · ২,০০১–২,১০০ / ২,৩৩১
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
⇒ সংবিধানের ২৬ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগ মৌলিক অধিকরের শুরুতেই ২৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন করা যাবে না।
- আর যদি করা হয়, তবে তা স্বতঃসিদ্ধভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী পূর্বেকার সকল আইন সাংবিধানিকভাবে অবৈধ।
অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১১৩ নং অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের কর্মচারীগণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৮২ নং অনুচ্ছেদে আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের -
⇒ ২১ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ২১ (১) নং: সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
• ২১ (২) নং: সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- ওই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- বাকীগুলো পরবর্তী সংসদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
উল্লেখ্য,
-তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয়।
উৎস: বিবিসি লিংক
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- প্রথম অধিবেশন এর সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ।
- প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
- প্রথম ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ্।
- সংবিধান কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- কমিটির মোট সদস্য ছিলো ৩৪ জন।
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদে ১১৭ নং অনুচ্ছেদে 'প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১১৭ (১) যা আগে বলা হয়েছে তা সত্ত্বেও, সংসদ আইনের মাধ্যমে নিচের বিষয়গুলোর জন্য এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে:
- (ক) সংবিধানের নবম ভাগে উল্লেখিত বিষয় এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের চাকরির শর্ত, যেমন জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তি।
- (খ) রাষ্ট্রায়ত্ত কোনো উদ্যোগ বা সরকারি কর্তৃপক্ষের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা, সেই সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ বা কর্তৃপক্ষে চাকরি, কিংবা সরকারের মালিকানাধীন বা পরিচালিত সম্পত্তির ক্রয়, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বণ্টন।
- (গ) সংবিধানের ১০২(৩) অনুচ্ছেদে উল্লেখিত কোনো আইনের বিষয়।
• ১১৭ (২) যদি এই অনুচ্ছেদের অধীনে কোনো প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়, তবে সেই ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের আওতাভুক্ত কোনো বিষয়ে অন্য কোনো আদালত কোনো মামলা গ্রহণ করবে না বা কোনো আদেশ দেবে না। তবে, সংসদ আইনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের ব্যবস্থা করতে পারে।
উল্লেখ্য,
- ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে। যথা:
- ১ম পরিচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ: ৯৪ - ১১৩];
- ২য় পরিচ্ছেদ: অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ: ১১৪ থেকে ১১৬];
- ৩য় পরিচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ: ১১৭]।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
- 'আইনের দৃষ্টিতে সমতা' সংবিধানের ২৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২৬ - মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ ২৮ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ ২৯ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ৩০ - বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের একটা উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, এখানে তিন ধরনের মালিকানা নীতি স্বীকার করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এগুলো হচ্ছে-১. রাষ্ট্রীয় মালিকানা, ২. সমবায় মালিকানা এবং ৩. ব্যক্তিগত মালিকানা।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৩:
মালিকানার নীতি- “উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷”
এছাড়া,
১০ নং অনুচ্ছেদে সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি,
১২ নং অনুচ্ছেদে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা, এবং
১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান
উত্তর
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর (বাংলা সনে -১৮ কার্তিক, ১৩৭৯) গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- সংবিধানে ১১টি ভাগে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পঞ্চম ভাগ - আইনসভা (অনুচ্ছেদ ৬৫ - অনুচ্ছেদ ৯৩)।
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।
সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদের বিধান আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
- সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।
-----------
⇒ The Constitution of the People’s Republic of Bangladesh Article 105. Review of judgments or orders by Appellate Division:
- The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৪৪ নং অনুচ্ছেদে 'মৌলিক অধিকার' বলবৎকরণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ;
- ৪৪(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল।
- (২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।
অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৮৭ (১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
- ১৪১ক। জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
- ১৪১খ। জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ
- ১৪১গ। জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ
- ১০২। কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৬৪নং অনুচ্ছেদ- অ্যাটর্নি-জেনারেল সম্পর্কিত।
৬৪ (১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
৬৪ (২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
৬৪ (৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
৬৪ (৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
• অ্যাটর্নি জেনাররেল:
- তিনি হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।( নভেম্বর-২০২৫)
উল্লেখ্য,
• সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলবৃন্দ
- জনাব মোঃ সোলায়মান হোসেন।
- জনাব শাহীন সুলতানা।
- জনাব আরিফ খান।
উৎস: এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ-১০৮: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
- সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকবেন।
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৯৪(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হবে।
- অনুচ্ছেদ ১০৯: হাইকোর্ট বিভাগের অধঃস্তন সকল 1[আদালত ও ট্রাইব্যুনালের] উপর উক্ত বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ-ক্ষমতা থাকবে।
- অনুচ্ছেদ-১১০: অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।
অন্যদিকে:
অনুচ্ছেদ - ৯৫: বিচারক-নিয়োগ,
অনুচ্ছেদ - ৯৭: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ,
সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
চতুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
ষষ্ঠ তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা ।
অন্যদিকে,
• সংবিধানের ২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্ধারণ হয়।
• সংবিধানের ৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা।
• সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের সকল মালিক জনগণ।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- সংসদে বিলটি পাশ হয় ২৭ মার্চ, ১৯৯৬।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
অন্যদিকে,
একাদশ সংশোধনী:
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ৬ আগস্ট, ১৯৯১। একাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদের পূর্ববর্তী পদে ফিরে যাবার বিধান।
দ্বাদশ সংশোধনী:
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ৬ আগস্ট, ১৯৯১।
- দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার পুন:প্রবর্তন।
চতুর্দশ সংশোধনী:
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ১৬ মে, ২০০৪।
- চতুর্দশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল পরবর্তী ১০ বছরের জন্য ৪৫টি নারী আসন সংরক্ষণ।
- এছাড়াও এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি সরকারি অফিস সহ অন্যান্য নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিধান করা হয়।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ-৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।
সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ ৮৭(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হবে।
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৮৯। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি;
- অনুচ্ছেদ ৮১। অর্থবিল;
- অনুচ্ছেদ ৯১। সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।
সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ:
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।
অন্যদিকে -
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- সংবিধানের প্রথম ভাগের (প্রজাতন্ত্র) ৪ (৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।
• বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হলো উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক। তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।
- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে ৬ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকের নাগরিকত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• সংবিধানের ৬(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
• সংবিধানের ৬(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবে।
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১: বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামে পরিচিতি।
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- অনুচ্ছেদ ৫: প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা ।
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১১৮নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার ।
• সংবিধানের ১২৩নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
• সংবিধানের ১২৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
• সংবিধানের ৯৪নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ৩৩ - গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ - জবর দস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।
উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ২৬ থেকে ৪৭ অনুচ্ছেদ মৌলিক অধিকার কথা বলা হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩০- বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩১ - আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৩২ - জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৩ - গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ - জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷
• সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution]:
- সংবিধানের প্রাধান্য অর্থ হলো সংবিধানের আদেশসমূহ সকল প্রেক্ষাপটে বহাল থাকবে।
- ৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
- এছাড়া, কোন কার্য সংবিধানের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তাহলে উক্ত কার্য অবৈধ হবে এবং কোন অবস্থাতে তার বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের সময় যে কর্মকর্তা শপথ গ্রহণ করেন না, তা হলো - দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান।
অন্যদিকে প্রধান বিচারপতি, সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দায়িত্ব গ্রহণের সময় শপথ গ্রহণ করতে হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধানের ১৪০ নং অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশনের দ্বায়িত্ব সংক্রান্ত নির্দেশ' গঠনের উল্লেখ করে বলা হয়েছে
এছাড়াও-
- অনুচ্ছেদ- ১৩০: অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক।
- অনুচ্ছেদ- ১৩১: প্রজাতন্ত্রের হিসাব-রক্ষার আকার ও পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ- ১৩৭: সরকারি কর্ম কমিশন গঠন।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• উত্থাপন: ১৯৯১ সালের ২ জুলাই।
• উত্থাপনকারী: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উত্থাপন করেন।
• গৃহীত: ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
• রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ১৮ সেপ্টেম্বর।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে; যেখানে-
১। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন;
২। প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী;
৩। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়; .
৪। উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১। জাতীয়তাবাদ:
ভাষাগত এবং সংক্ষিপ্ত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালি জনগোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে, সেই জনগোষ্ঠীর ঐক্য বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি (অনুচ্ছেদ ৯)।
২। সমাজতন্ত্র:
মানুষের ওপর মানুষের শোষণ থেকে মুক্ত ন্যায়ানুগ সমাজলাভ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হলো রাষ্ট্রের লক্ষ্য (অনুচ্ছেদ ১০)।
৩। গণতন্ত্র:
বাংলাদেশ হবে একটি প্রজাতন্ত্র। এর রাজনৈতিক ব্যবস্থা হবে গণতান্ত্রিক। প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে (অনুচ্ছেদ ১১)।
৪। ধর্মনিরপেক্ষতা:
ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হলো সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতার অবসান, রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা না দেয়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মকে ব্যবহার না করা এবং ধর্মের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ বা নিপীড়নের অবসান (অনুচ্ছেদ ১২)।
উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
• সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে।
৭টি তফসিল:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রথম সংশোধনী
শিরোনাম - সংবিধান [প্রথম সংশোধন] আইন, ১৯৭৩।
উত্থাপনকারী - আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর।
সংসদে পাশের তারিখ - ১৫ জুলাই, ১৯৭৩।
বিষয়বস্তু - যুদ্ধাপরাধীসহ অন্যান্য গণবিরোধীদের বিচার নিশ্চিত করা।
প্রথম চারটি সংশোধনীর উত্থাপনকারী আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম।
- অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী।
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৭ক:সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
- অনুচ্ছেদ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে৷
- সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৮ জুলাই জাতীয় সংসদে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী পাস হয়।
- এর বিষয়বস্তু ছিলো নারীদের জন্যে সংরক্ষিত ৫০টি আসন আরও ২৫ বছরের জন্যে সংরক্ষণ করা।
অন্যদিকে,
- ২০১৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে পাশ হওয়া সংবিধানের ১৬তম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণ পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়।
- প্রথম সংশোধনীর (১৯৭৩ সালে) মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান সংবিধানে যুক্ত করা হয়।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর (২০১১ সালে) মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি সংশোধন অযোগ্য হিসেবে বিধান গৃহীত হয়।
তথ্যসূত্র - আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন। এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন
আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবু সাঈদ চৌধুরী।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান, বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
"জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসামঞ্জস্য হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।"
অর্থাৎ সংবিধানের আলোকেই প্রচলিত অন্যান্য আইন তৈরি হবে।
অন্যদিকে,
- ২ক নং অনুচ্ছেদ : রাষ্ট্রধর্ম
- ৮ নং অনুচ্ছেদ : মূলনীতিসমূহ
- ২৬ নং অনুচ্ছেদ : মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস্য আইন বাতিল।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়।
• বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'।
• সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে
• সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
• তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
• তবে রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে, প্রজাতন্ত্র কোনো যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়েছে তাহলে সংসদ আইন দ্বারা অনধিক এক বছরকাল সংসদের মেয়াদ বাড়াতে পারেন।
• তবে যুদ্ধ শেষ হলে বর্ধিত মেয়াদ ৬ মাসের অধিক করা যাবে না।
তথ্যসূত্র:- জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সংবিধান (ষোড়শ সংশোধন) আইন, ২০১৪ জাতীয় সংসদে পাস হয় ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।
- এই সংশোধনীর দ্বারা বিচারপতিদের অভিশংসন বা অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের অর্পণ করা হয়।
- বর্তমানে জাতীয় সংসদের সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিচারপতিদের অপসারণ করা হয়ে থাকে।
অনুচ্ছেদ - ৯৬: বিচারকের পদের মেয়াদ
(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।
(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।
(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।]
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬ - নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৭ - সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৮ - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- অনুচ্ছেদ ৯ - জাতীয়তাবাদ।
- অনুচ্ছেদ ১০ - সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১১ - গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
- অনুচ্ছেদ ১২ - ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ১৩ - মালিকানার নীতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪ - কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৫ - মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- অনুচ্ছেদ ১৬ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বিচারপতি পদে নিয়োগ লাভের জন্যে বাংলাদেশের যেকোন নাগরিককে সুপ্রিমকোর্টে দশ বছর অ্যাডভোকেট অথবা বিচার বিভাগীয় কোন পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকতে হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান)
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
২. বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশি।
• সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। এই সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবসে, আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। সম্পূর্ণ সংবিধান ১১টি ভাগ বা অধ্যায়ে বিভক্ত।
উল্লেখ্য,
৫৷ রাজধানী,
৬৷ নাগরিকত্ব,
৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য,
৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ,
৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য,
৮৷ মূলনীতিসমূহ,
সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদে 'গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ' বিষয়ে বলা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ১৬৷ নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিবিপ্লবের বিকাশ, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ-ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
এছাড়া,
অনুচ্ছেদ ১৪: কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
অনুচ্ছেদ ১৮: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
অনুচ্ছেদ ২০: অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ন্যায়পাল শব্দের অর্থ প্রতিনিধি বা মুখপত্র।
- ইংরেজী 'Ombudsman' থেকে ন্যায়পালের শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- ৭৭ নং অনুচ্ছেদ অনু্যায়ী ন্যায়পাল পদ প্রতিষ্ঠার বিধান রয়েছে।
- ১৯৮০ সালে জাতীয় সংসদ ন্যায়পাল পদ সৃষ্টি করে।
- সংবিধান অনুযায়ী ৩ বছরের জন্য ন্যায়পাল নিযুক্ত হবেন।
- জাতীয় সংসদের সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ন্যায়পাল নিয়োগ করবেন।
- ন্যায়পাল কে বলা হয় 'তলোয়ারহীন যোদ্ধা'।
উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় সংশোধনী আইন সংবিধান (দ্বিতীয় সংশোধনী) আইন, ১৯৭৩ গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- এই আইনের ফলে,
→ সংবিধানের ২৬, ৬৩, ৭২ ও ১৪২ নং অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়;
→ ৩৩ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত হয়, এবং
→ সংবিধানে একটি নতুন ভাগ, যথা ভাগ ৯ক সংযুক্ত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থাকালীন সময়ে নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।
অন্যদিকে:
পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।
চতুর্থ সংশোধনী:
- ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে সংবিধানের মৌলিক সংশোধন সাধিত হয়।
- সংবিধান (চতুর্থ সংশোধনী) আইন ১৯৭৫ দ্বারা সংসদীয় পদ্ধতি পরিত্যক্ত হয় এবং এক-দলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়।
তৃতীয় সংশোধনী:
- তৃতীয় সংশোধনী আইন সংবিধান (তৃতীয় সংশোধনী) আইন, ১৯৭৪ বলবৎ হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর।
- এর দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতিপয় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে একটি চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের ২ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ bdnews24.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
তিনি একাধারে সরকার প্রধান, সংসদ নেতা এবং মন্ত্রিসভার প্রধান। তার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা পরিচালিত হয় এবং সংসদে আইন প্রণীত হয়।
তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ছাড়াই এককভাবে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের সাথে সাথে মন্ত্রিসভাও বিলুপ্ত হয়ে যায়।
(সূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত সংশোধনী এটি।
- ৩ জুলাই ২০১১ সালে এই সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়।
- এর মাধ্যমে বাহাত্তরের মূল সংবিধানের অনেক বিধান, যেগুলো সামরিক সরকার দ্বারা বাতিল করা হয়েছিল, সেগুলো পুনর্বহাল করা হয়।
- যেমন প্রথম সামরিক সরকারের আমলে বিলুপ্ত ঘোষিত ৯ নম্বর ও ১০ নম্বর অনুচ্ছেদ এই সংশোধনীর মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হয়।
- তবে সমালোচনা রয়েছে যে, সামরিক সরকারগুলো কর্তৃক আনীত কিছু বিধান রেখে দিয়ে বাহাত্তরের সংবিধানের মূল চেতনাকে বিকৃত করা হয়েছে।
- সংবিধানের ৮, ৯, ১০ ও ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করায় বাহাত্তরের মূল সংবিধানের চেতনাকে ধারণ করা সম্ভব হয়েছে।
- সংবিধানে ৭ক নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত করে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, রহিতকরণ ইত্যাদিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ৭খ নামে আরেকটি নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত করে ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবিধানের মৌলিক কিছু বিধান কোনোদিনও সংশোধন করা যাবে না।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের পূর্বের ৪টি তফসিলের সঙ্গে আরো ৩টি নতুন তফসিল যুক্ত করা হয়েছে।
- ফলে, এখন সংবিধানের মোট তফসিল হলো ৭টি।
সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলাে আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়ােজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশােধন বা রদবদল করে থাকে।
আইন বিভাগের একটি অংশ হলাে আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে মনােনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে যে- বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷
অন্যদিকে,
- সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
- সংবিধানের ৪(২) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংবিধান অধিবেশন।
- রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন-১০ এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২
- গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের ডেপুটি স্পিকার ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন।
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা বর্ণিত আছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তি।
সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ:
→ অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
→ অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
→ অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
→ ২৩নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
→ ২৩(ক) অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে।
→ অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
→ অনুচ্ছেদ ২৬ - মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।
• সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন।
• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।
উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(১) এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, “অর্থবিল” বলতে সেই সব বিলকে বোঝায়, যেগুলোর মধ্যে কর আরোপ, রদবদল বা মওকুফ, সরকারি ঋণ গ্রহণ বা গ্যারান্টি দেওয়া, সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ ব্যয় বা বরাদ্দ, তহবিলের হিসাব-নিকাশ ও সরকারের আর্থিক দায়দায়িত্বের বিষয় থাকে। এ ছাড়া এসব বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় থাকলেও সেটি অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে।
(২) কোনো জরিমানা, ফি, উসুল বা স্থানীয় সরকারের কর সংক্রান্ত বিষয় থাকলেই কোনো বিলকে অর্থবিল বলা যাবে না।
(৩) অর্থবিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানোর সময় স্পীকারকে অবশ্যই একটি সনদ দিতে হবে যে, এটি একটি অর্থবিল। এই সনদ চূড়ান্ত হবে, এবং এ বিষয়ে আদালতে কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না।
সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।
সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী,
• রাষ্ট্রপতির নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন:
১। প্রধানমন্ত্রী
২। মন্ত্রী গনকে
৩। উপমন্ত্রী দেরকে
৪। প্রতিমন্ত্রী দের।
৫। স্পীকার।
৬। ডেপুটি স্পিকার
৭। প্রধান বিচারপতি কে
• প্রধানমন্ত্রীর নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন:
১। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।
২। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।
• স্পীকারের নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন:
১। রাষ্ট্রপতি
২। সকল সংসদ সদস্যদের কে।
• প্রধান বিচারপতির নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন:
১। সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের কোন বিচারককে।
২। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার
৩। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রন
৪। সরকারী কর্মকমিশনের সদস্যদেরকে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অনুচ্ছেদগুলো হল-
• ২৬। মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
• ২৭। আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
• ২৮। ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
• ২৯। সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
• ৩০। বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
• ৩১। আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
• ৩২। জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকাররক্ষণ।
• ৩৩। গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
• ৩৪। জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
• ৩৫। বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
• ৩৬। চলাফেরার স্বাধীনতা।
• ৩৭। সমাবেশের স্বাধীনতা।
• ৩৮। সংগঠনের স্বাধীনতা।
• ৩৯। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
• ৪০। পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
• ৪১। ধর্মীয় স্বাধীনতা।
• ৪২। সম্পত্তির অধিকার।
• ৪৩। গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
• ৪৪। মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
• ৪৫। শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।
• ৪৬। দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।
• ৪৭। কতিপয় আইনের হেফাজত।
• ৪৭ক। সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।
উৎস- বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২৮ মার্চ রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর করেন।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিলো অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান সন্নিবেশ করা।
- তবে পরবর্তীতে হাইকোর্ট ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করলে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্র: আইন মন্ত্রণালয় এবং বাংলা ট্রিবিউন)
উত্তর
ব্যাখ্যা
অর্থবিল:
৮১। (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না।
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
উৎস: বাংলদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে
• ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- শিরোনাম: সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬
- পাস হয়: ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ।
- বিষয়বস্তু: একটি নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করে, যা অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল।
- সংবিধানে ৫৮(ক), ৫৮(খ), ৫৮(গ), ৫৮(ঘ), ৫৮(ঙ), এই ৫টি অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়।
- জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করা হয়।
- গত ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও পত্রিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• গনপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ১০ এপ্রিল, ১৯৭২।
• সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর, ১৯৭২।
• গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় ০৪ নভেম্বর,১৯৭২ সংবিধান দিবস।
• সংবিধান বলবৎ হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
• সংবিধান প্রনয়ণ কমিটি ৩৪ জন সদস্য নিয়ে গঠন করা হয় ।
• ১৯৭২ সালের পর থেকে সংবিধানে বেশ কিছু সংশোধন ও পরিবর্তন করা হয়েছে।
• সেগুলোর মধ্যে কিছু হয়েছে সাংবিধানিক সংশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, কিছু হয়েছে সামরিক আইনের আওতায় ঘোষণা ও আদেশের দ্বারা।
• বেশ কয়েকবার সরকার পদ্ধতিরও পরিবর্তন করা হয়েছে। বাংলাদেশের সাংবিধানিক যাত্রার সূচনা হয়েছিল ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আওতায় জারিকৃত একটি অস্থায়ী সংবিধানের মাধ্যমে।
• এতে রাষ্ট্রপতিকে (মুজিবনগর সরকারের) সকল নির্বাহী ও আইন প্রণয়নের কর্তৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষমতা দেয়া হয়।
• উক্ত আদেশে ১৯৭০ সালের ডিসেম্বর ও ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত সদস্যদের সমন্বয়ে প্রজাতন্ত্রের গণপরিষদ গঠনের কথা ঘোষণা করা হয়।
• এছাড়া সরকার পদ্ধতির পরিবর্তন করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিপরিষদ সম্বলিত সংসদীয় পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়।
উৎস:- বাংলাদেশ সংবিধান ও Live Mcq Lecture.
উত্তর
ব্যাখ্যা
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।
Article 21. Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property.
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করবেন।
অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ১২৭- মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
অনুচ্ছেদ ১১২ - সুপ্রিম কোর্টের সহায়তা ।
অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ ক্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।
উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি-
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮নং অনুযায়ীঃ (১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ- সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন : তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
৪) কােন ব্যাক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যােগ্য হইবনে না,যদি তিনি
(ক) পঁয়ত্রশি বৎসররে কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নর্বিাচতি হইবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবধিানরে অধীন অভশিংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতরি পদ হইতে অপসারতি হইয়া থাকনে।
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরােধ করলি যেকোনো বিষয় মন্ত্রসিভায় বিবেচনার জন্য পাশ ক্রিবেন।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
• বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
• যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।
• সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
তথ্যসূত্র:- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে এগারোটি ভাগ ও চারটি মূলনীতি মূলনীতি বিন্যস্ত মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি চারটি - জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
- ভাগগুলো হচ্ছে: প্রজাতন্ত্র, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, মৌলিক অধিকার, নির্বাহী, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা, আইনসভা, আইন প্রণয়ন ও আর্থিক পদ্ধতি, অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা, বিচার বিভাগ, নির্বাচন, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশের কর্মবিভাগ, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, জরুরি বিধানাবলি, সংবিধান সংশোধন এবং বিবিধ।
- ১৯৭২ সালের পর থেকে সংবিধানে বেশ কিছু সংশোধন ও পরিবর্তন করা হয়েছে।
- সেগুলোর মধ্যে কিছু হয়েছে সাংবিধানিক সংশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, কিছু হয়েছে সামরিক আইনের আওতায় ঘোষণা ও আদেশের দ্বারা।
- বেশ কয়েকবার সরকার পদ্ধতিরও পরিবর্তন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সাংবিধানিক যাত্রার সূচনা হয়েছিল ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আওতায় জারিকৃত একটি অস্থায়ী সংবিধানের মাধ্যমে।
উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
→ সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদ- ’ধর্মীয় স্বাধীনতা’ সম্পর্কিত।
• ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা:
৪১(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে:
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে;
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে।
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।
অন্যদিকে,
• সংবিধানের ৪০নং অনুচ্ছেদ- পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা সম্পর্কিত।
• সংবিধানের ৩৯নং অনুচ্ছেদ- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা সম্পর্কিত।
• সংবিধানের ৪২নং অনুচ্ছেদ- সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কিত।
উৎস: বাংলাদেশে সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
⇒ সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচারবিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম-ক ভাগ: জরুরী বিধানাবলী ও নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল চারনীতি পরিবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয়।
- এই সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৭২ মূল সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথা: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার পাশাপাশি সকল ধর্মচর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
- পঞ্চদশ সংশোধনীকে আংশিক অবৈধ ঘোষণা নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন বাংলাদেশের হাইকোর্ট ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে পঞ্চদশ সংশোধনীকে আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছে।
- "আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে। ওই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো। বাকীগুলো পরবর্তী সংসদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
উৎস: বিবিসি এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে সাংবিধানিক পদ সমূহের শপথ বাক্যর ঘোষণার কথা উল্লেখ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সংবিধান:
• অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ।
- ১৪৮(১) তৃতীয় তফসিলে উল্লিখিত যে কোন পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তি কার্যভারগ্রহণের পূর্বে উক্ত তফসিল-অনুযায়ী শপথগ্রহণ বা ঘোষণা (এই অনুচ্ছেদে "শপথ" বলিয়া অভিহিত) করিবেন এবং অনুরূপ শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবেন
- ২ক (১২৩) অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি যে কোন কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-১৪১ক। জরুরী-অবস্থা ঘোষণা;
- অনুচ্ছেদ- ১৪২। সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৪৬। বাংলাদেশের নামে মামলা।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ এ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী জমির উদ্দিন সরকার এই সংশোধনীটি উত্থাপন করেন।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা এবং দশ জন উপদেষ্টা নিয়ে এই সরকার গঠিত হতো।
অন্যদিকে,
• পঞ্চদশ সংশোধনী:
⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- সেখানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে রাজনৈতিক সরকারের অধীনে নির্বাচন ব্যবস্থা।
- এই সংশোধনীতে নির্বাচিত সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার কথা বলা হয়।
- ২০১১ সালের ৩০ জুন এই সংশোধনী আনা হয়।
- পঞ্চদশ সংশোধনী বিলটি তৎকালীন আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ সংসদে এনেছিলেন।
- এছাড়াও, রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়।
- তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
• সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী:
- উত্থাপনকারী: এটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
- গৃহীত: ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।
- ৭২-এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে।
উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা
আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;
[আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল -জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে ;]
আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;
আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;
এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দ্বাদশ সংশোধনী আইন বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে খ্যাত এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন;
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী;
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়,
- জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।
তাছাড়া,
- সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই আইনে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।
অন্যদিকে -
- দশম সংশোধনীতে নারীদের জন্য সংসদে আসন ১৫ থেকে ৩০ এ বাড়ানো হয়।
- চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়;
- সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে সামরিক শাসনামলে জারি করা সব আদেশ, আইন ও নির্দেশকে বৈধতা দেওয়া হয় এবং আদালতে এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন না করার বিধান করা হয়। এ সংশোধনীতে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬২ থেকে বাড়িয়ে ৬৫ করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্থাপন: ২৫ জুন ২০১১
উত্থাপনকারী: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমদ উত্থাপন করেন।
গৃহীত: ৩০ জুন ২০১১
রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৩ জুলাই ২০১১ সালে।
- এই সংশোধনী দ্বারা প্রস্তাবনায় ‘‘বিস্মিল্লাহির-রহ্মানির রহিম (দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহের নামে)’’ এর সাথে ‘পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে’ সংযুক্ত করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- ‘‘জাতীয় স্বাধীনতার জন্য ঐতিহাসিক যুদ্ধের’’ শব্দগুলির পরিবর্তে [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] প্রতিস্থাপিত।
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯০ - নির্দিষ্টকরণ আইন।
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।
উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে ‘গণভোটের’ বিধান বাদ দিয়েছিল।
- এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান সংযোজন করা হয়।
উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১২২। (১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।
• অন্যদিকে:
- ৬৫নং অনুচ্ছেদ: সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- ১১৮নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- ১২৭নং অনুচ্ছেদ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হলো উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ৩৩নং অনুচ্ছেদ: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ:
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।
(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।
(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।
(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।
(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।]
অন্যদিকে,
৩১। আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
৩২। জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
৩৪। জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে একজন ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স হলো ১৮ বছর।
• বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী-
- বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্রনিম্ন বয়স ১৮ বছর,
- বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর,
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
- ১৪২ নং: এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও-
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে।
- তবে শর্ত থাকে যে,
- অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হবে বলে স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হলে;
- অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন।
- এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করছেন বলে গণ্য হবে।
এছাড়াও,
- ১৪৫ নং: চুক্তি ও দলিল;
- ১৪৫ক নং: আন্তর্জাতিক চুক্তি;
- ১৪৮ নং: পদের শপথ;
- ১৫০ নং: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ১৭ অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্র
(ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
(খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করিবার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য; কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
• ১৮ অনুচ্ছেদ:
১৮(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇔ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ নাগরিকদের চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতা, আদালত-অমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কিত আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি সংবাদপত্রের স্বাধীনতারও নিশ্চয়তা আছে।
• অনুচ্ছেদ ৩৯(১): চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
• অনুচ্ছেদ ৩৯(২): রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
অন্যদিকে,
⇔ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৬নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে, প্রত্যেক নাগরিকের বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধে চলাচল করার, দেশের যেকোনো স্থানে বসবাস ও বসতি স্থাপন করার এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও পুনঃপ্রবেশ করার অধিকার থাকবে।
- এটি বাংলাদেশের নাগরিকদের চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে,
⇔ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় জনসভা ও মিছিলে অংশ নেওয়ার অধিকার রয়েছে।
⇔ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের মূল বিষয় হলো সংগঠনের স্বাধীনতা।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকার রয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের,
- ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৮ নং অনুচ্ছেদে 'জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা',
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে 'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা',
- ২৩ক নং অনুচ্ছেদে 'উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি'
- ২৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন সম্পর্কে বলা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সপ্তদশ সংশোধনী
• সংসদে উত্থাপন: ৮ এপ্রিল, ২০১৮
• উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
• সংসদে পাশ/গৃহীত - ৮ জুলাই, ২০১৮
• রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ২৯ জুলাই, ২০১৮
• সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধন আইন অনুসারে, একাদশ সংসদ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ২৫ বছর করা হয়।
• ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়।
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
দশম অধ্যায়:
- সংবিধানের দশম অধ্যায়ে 'সংবিধানের সংশোধন' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবে।
- অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১১টি ভাগ
- ১৫৩টি অনুচ্ছেদ
- একটি প্রস্তাবনা
- ৭টি তফসিল।
বাংলাদেশের সংবিধান বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার সংশোধন করা হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৩৪নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
• সংবিধানের ৩৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- চলাফেরার স্বাধীনতা।
• সংবিধানের ৩৭নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- সমাবেশের স্বাধীনতা।
• সংবিধানের ৩৮নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- সংগঠনের স্বাধীনতা।
• সংবিধানের ৩৯নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩ টি।
- সংবিধানের সংশোধনী- ১৭ টি।
- সংবিধানের পরিচ্ছেদ ১৩ টি।
উল্লেখ্য:
প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)
তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা ( ১৪৮ নং অনুচ্ছেদ)
তুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী
পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭-ই মার্চের ভাষণ।
ষষ্ঠ তফসিল - ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
(২) কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হলে, এবং (ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোনো বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করে থাঢ়লে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকলে;তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোনো সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করেছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হবে।
এছাড়া,
- ৯৩ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়নের ক্ষমতা,
- ৯৪ নং অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা এবং
- ৯৬ নং অনুচ্ছেদে বিচারকদের পদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ দ্বাদশ সংশোধনীতে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
পঞ্চদশ (১৫তম) সংশোধনী এর বিষয়বস্তু:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• দলীয় সরকারের অধীন মেয়াদ শেষ হবার আগের ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• ৪৭ এর ৩ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য "অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তিসমষ্টি বা সংগঠন" এর বিচার করার বিধান সংযুক্ত করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।
⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
তথ্যসূত্র - ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা ও ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪, বিবিসি বাংলা।