বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সংবিধান

মোট প্রশ্ন২,৩৩১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সংবিধান

PrepBank · পাতা ২০ / ২৪ · ১,৯০১২,০০০ / ২,৩৩১

১,৯০১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন?
  1. ক) ৯৩
  2. খ) ৬৫
  3. গ) ৫৯
  4. ঘ) ৫৭
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৩
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
৯৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ ভেঙ্গে যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে বলে সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলে মনে করবেন, সেরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করতে পারবেন এবং জারী হওয়ার সময় হতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হবে।
অন্যদিকে,
 অনুচ্ছেদ ৬৫ - জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠা। 
অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন। 
অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
১,৯০২.
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন দিবস কোনটি?
  1. ক) ৮ মার্চ
  2. খ) ২৩ মার্চ
  3. গ) ৮ এপ্রিল
  4. ঘ) ২৩ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
এটি সংবিধানের বিধান অনুসারে, ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। এই জন্য ৮ এপ্রিলকে - বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন দিবস হিসাবে পালন করা হয়।

সুত্রঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।
১,৯০৩.
পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের শুরুতে সন্নিবেশিত হয়-
  1. জাতীয় সংগীত
  2. বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
  3. সংবিধানের প্রস্তাবনা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংশোধনী:
- পঞ্চম সংশোধনী আইন ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয়।
- এর মাধ্যমে সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয়।
- এ সংশোধনী ১৯৭৫ এর ১৫ অগাস্টে সামরিক শাসন জারির পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ঘোষিত সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধনসহ বিভিন্ন অধ্যাদেশকে বৈধতা প্রদান করা হয়।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয়।
- সংবিধানের শুরুতে "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" সন্নিবেশিত করা হয়।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসা হয়।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করার কারণে পঞ্চম সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' (সংবিধানের প্রথম বিকৃতি) বলা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৯০৪.
সংবিধানের ১৮নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র কোন দুটি সামাজিক অনৈতিকতা নিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে?
  1. বাল্যবিবাহ ও মানব পাচার
  2. দুর্নীতি ও ঘুষ
  3. গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা
  4. মাদক ও জঙ্গিবাদ
সঠিক উত্তর:
গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা
ব্যাখ্যা

জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা - ১৮: 
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। 

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

১,৯০৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কয়টি তারকা চিহ্ন রয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ২টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মনগ্রাম:  
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় পতাকা ও প্রতীক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম হলো একটি লাল বৃত্তের মধ্যে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- এর উপর "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" এবং নিচে "সরকার" লেখা থাকে।
- বৃত্তের দু’পাশে মোট চারটি তারকা রয়েছে।
-এই চারটি তারকা সংবিধানের চারটি মূলনীতি—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা—কে প্রকাশ করে।
- এই চারটি তারকা জাতীয় প্রতীকের শাপলা ফুলের উপরে পাটের পাতার পাশে এবং মনোগ্রামের দু’পাশেও ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইন করেছেন এ. এন. সাহা।

উৎস: Laws Of Bangladesh ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,৯০৬.
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন কত বছর বয়স্ক হতে হয়?
  1. ১৮ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
এই বিধান অনুসারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা সমূহ হলো:
- বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া
- বয়স ২৫ বৎসর পূর্ণ হওয়া
আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত না হওয়া
- দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ার পর দায় থেকে অব্যাহতি না পাওয়া
- বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন বা আনুগত্য ঘোষণা
- ১৯৭২ সালের যোগসাজশকারী আদেশের অধীন কোন অপরাধে দণ্ডিত না হওয়া
- আইনে উল্লিখিত নির্দিষ্ট পদাধিকারী না হওয়া
- নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে অন্যূন দুই বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবার পর পাঁচ বৎসর অতিবাহিত না হওয়া।
- রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ৩৫ বছর বয়স্ক হতে হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)

১,৯০৭.
বাংলাদেশের সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন কে?
  1. বেগম রাজিয়া বানু
  2. নীলিমা হক
  3. রাবেয়া খাতুন
  4. জাহানারা ইমাম
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,৯০৮.
বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বাক্যাংশটি কোন সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. চতুর্থ সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. ষষ্ঠ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী:
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে পঞ্চম সংশোধনী আইন অনুমোদিত হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে পরিবর্তন আনা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারি করা সকল সামরিক বিধান, সংবিধান সংশোধন ও বিভিন্ন অধ্যাদেশকে বৈধতা প্রদান করা হয়।
- এই সংশোধনীর ফলে 'বাঙালি' জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে 'বাংলাদেশী' জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান

১,৯০৯.
বাংলাদেশের সংবিধানে অধ্যায় রয়েছে -
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। 
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,৯১০.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য কয়টি?
  1. ক) ১২ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ৪ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১২ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রধানত ১২ টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
যথা-
১. প্রজাতন্ত্র
২. রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতি
৩. মৌলিক অধিকার
৪. সংসদীয় সরকার পদ্ধতি
৫. লিখিত সংবিধান
৬. জনগণের সার্বভৌমত্ব
৭. সংবিধানের সার্বভৌমত্ব
৮. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
৯. দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান
১০. এককেন্দ্রিক রাষ্ট
১১. এক কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
১২. আইনের শাসন

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯১১.
নিচের কোন জেলায় একটিমাত্র সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. শেরপুর
  2. খাগড়াছড়ি
  3. মেহেরপুর
  4. ঝালকাঠি
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- এর মধ্যে বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
(তথ্যসূত্র: নির্বাচন কমিশন)

১,৯১২.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি প্রস্তাবনা রয়েছে?
  1. ১ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি 
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনা রয়েছে ১ টি।
• প্রস্তাবনা:

- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯১৩.
সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে একচ্ছত্র ক্ষমতাবান করা হয়?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে একচ্ছত্র ক্ষমতাবান করা হয়।

চতুর্থ সংশোধনী:

- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি এ সংশোধনীর মাধ্যমেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়।
- চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করা; একদলীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করা; রাষ্ট্রপতি ও সংসদের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রপতি অপসারণ পদ্ধতি জটিল করা; সংসদকে একটি ক্ষমতাহীন বিভাগে পরিণত করা; মৌলিক অধিকার বলবৎ করার অধিকার বাতিল করা; বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে খর্ব করা ও উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি করা হয়।
- ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাতিল হয়ে যায়।

⇒ রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন:
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়।
- এই সংশোধনী অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।
- রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একাধারে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান।
- রাষ্ট্রপতিই প্রকৃত শাসক এবং আইনগত দিক থেকে তিনি প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী।
- রাষ্ট্রপতি আইনসভার সদস্য নন এবং আইন সভার নিকট দায়িত্বশীলও নন। তবে আইন সভার গৃহীত বিলে ভেটো দানের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
- সাধারণত: রাষ্ট্রপতি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি।
- কেবলমাত্র শাসনতন্ত্রের লঙ্ঘন, গুরুতর অসদাচরণের দায়ে কিংবা শারীরিক বা মানসিক অসামর্থের কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত (impeached) করা যায়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯১৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় কবে?
  1. ক) ১৫ কার্তিক, ১৩৭৯
  2. খ) ২১ কার্তিক, ১৩৭৯
  3. গ) ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯
  4. ঘ) ২৮ কার্তিক, ১৩৭৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ১৮ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে ও ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
১,৯১৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ৭৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১৭ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১২৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন আছে।
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত।

নির্বাচন কমিশনের গঠন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। 
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্রপ্রধান নিয়োগ দান করেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যান্য অপশন:
- ৭৭ নং অনুচ্ছেদ ন্যায়পাল সম্পর্কিত। 
- ১১৭ নং অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত। 
- ১২৭ নং অনুচ্ছেদ মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদ সম্পর্কিত। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯১৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে 'আইনের ব্যাখ্যা' দেওয়া আছে -
  1. ১৫১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৫৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫০ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৫২ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
• বাংলাদেশের সংবিধানে আইনের ব্যাখ্যা দেওয়া ১৫২ নং অনুচ্ছেদে।
- বিষয় বা প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই সংবিধানে “অধিবেশন” ( সংসদ-প্রসঙ্গে) অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের পর কিংবা একবার স্থগিত হইবার বা ভাঙ্গিয়া যাইবার পর সংসদ যখন প্রথম মিলিত হয়, তখন হইতে সংসদ স্থগিত হওয়া বা ভাঙ্গিয়া যাওয়া পর্যন্ত বৈঠকসমূহ।

এছাড়াও,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ রয়েছে ১৫৩ টি।
- বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয় পরিবর্তন সহজ নয় বলে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯১৭.
বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান জারি হয় কবে?
  1. ক) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭১
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ঘ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার আগে বাংলাদেশে দুইটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা ছিল। 

• ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
• স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান।
• ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন।
• এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান।
• ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হলে দ্বিতীয় অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধানের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৯১৮.
বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান কে ছিলেন?
  1. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  2. ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ
  3. ড. কামাল হোসেন
  4. আবুল ফজল
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান ছিলেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।

সংবিধান প্রণয়ন কমিটি:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য,
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। 
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,৯১৯.
রাষ্ট্র সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে। - এটি সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ২৩
  2. অনুচ্ছেদ - ২৩ (ক)
  3. অনুচ্ছেদ - ২৫
  4. অনুচ্ছেদ - ২৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

• অনুচ্ছেদ - ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন:
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র-

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে। 

অন্যদিকে:
অনুচ্ছেদ - ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি
অনুচ্ছেদ - ২৩ক: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
অনুচ্ছেদ - ২৪: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯২০.
বাংলাদেশের সংবিধানে কত নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে?
  1. ৫(১)
  2. ১৯(১)
  3. ৬(১)
  4. ১৮ক
সঠিক উত্তর:
১৮ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ক
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
• দ্বিতীয় ভাগ
• রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।

 অন্যদিকে -
- ৫(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা।
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- ১৯(১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন৷

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯২১.
সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. মোহাম্মদউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
সংবিধান:

- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন। এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন
আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। 
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবু সাঈদ চৌধুরী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান, বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
১,৯২২.
জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
♦ স্পিকার:
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
- স্পিকার সংসদ অধিবেশনের কাজকর্ম পরিচালনা করেন।
- তিনি সভার নিয়মশৃঙ্খলা রক্ষা করেন।
- কোনো সদস্য নিয়মবহির্ভূত আচরণ করলে তাকে সভাধ্যক্ষবরখাস্ত করতে পারেন।
- তিনি অনাস্থা প্রস্তাব, মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব ও নিয়মানুযায়ী দৃষ্টি-আকর্ষণী বিজ্ঞপ্তি সহ বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপনের অনুমতি দেন।
- অধিবেশনে কোন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে তাও স্পিকার স্থির করেন।
- তিনি জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
উল্লেখ্য,
বর্তমানে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট
১,৯২৩.
সংবিধানের ৩১নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার
  2. বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ
  3. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  4. ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
সঠিক উত্তর:
আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- অনুচ্ছেদ ২৩ - জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২৩(ক) - উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২৬ - মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ ২৮ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ ২৯ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ৩০- বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩১ - আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৩২ - জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯২৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্যে বিশেষ বিধান গ্রহণের বিষয়টি বর্ণিত আছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ১৯(১)
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ১৪
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ২৮(৪)
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ২৯(১)
সঠিক উত্তর:
গ) অনুচ্ছেদ - ২৮(৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনুচ্ছেদ - ২৮(৪)
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদে পিছিয়ে পড়া বা অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্যে বিশেষ বিধান গ্রহণের বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে,
“নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্যে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।”

অন্যদিকে,
- ১৯(১) নং অনুচ্ছেদ : সকল নাগরিকের জন্যে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা
- ২৯(১) নং অনুচ্ছেদ : প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভে সকলের সমতা।
- ১৪নং অনুচ্ছেদ : কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১,৯২৫.
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা কত বছর?
  1. ৬৩ বছর
  2. ৬৫ বছর
  3. ৬৭ বছর
  4. ৬২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৯৬(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রিমকোর্ট তথা আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়সসীমা ৬৭ বছর।
- ১৯৭২ সালের ‍মূল সংবিধানে বিচারকদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ছিলো ৬২ বছর।
- ১৯৮৬ সালে সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে তা ৬৫ বছরে এবং ২০০৪ সালে চতুর্দশ সংশোধনী দ্বারা অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৬৭ বছরে উন্নীত করা হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১,৯২৬.
বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭৯
  3. গ) ১৯৮২
  4. ঘ) ১৯৯২
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২
ব্যাখ্যা

স্থানীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর কিন্তু সাধারণ মানুষের খুব নিকটবর্তী ইউনিট হল উপজেলা প্রশাসন। এ কার্যক্রমকে স্থানীয় সচিবালয় বলা যায়। কেননা একই স্থানে নানামুখী সেবা প্রদান করা হয়।
পার্থক্য হল কেন্দ্রীয় সচিবালয় নীতি নির্ধারণ করে আর উপজেলা প্রশাসন সরাসরি সেগুলাে বাস্তবায়ন করে। ১৯৮২ সালে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তনের পর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকান্ডে আরও গতিশীলতা এসেছে।
উৎসঃ পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৯২৭.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক পদ?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. মহা-হিসাব রক্ষক
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সাংবিধানিক পদ:
- সংবিধান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

সাংবিধানিক পদগুলো হলো:
- রাষ্ট্রপতি,
- স্পিকার,
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ,
- ডিপুটি স্পিকার,
- প্রধান বিচারপতি,
- সংসদ সদস্য,
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার,
- মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- সরকারী কর্ম-কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৯২৮.
'নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা' এর উল্লেখ রয়েছে কোনো অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৮
  2. অনুচ্ছেদ ১২১
  3. অনুচ্ছেদ ১২৪
  4. অনুচ্ছেদ ১২৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২১ - প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৬ - নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।
- অনুচ্ছেদ ১২৭ - মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১২৮ - মহা-হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯২৯.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন করা হয়?
  1. চতুর্দশ সংশোধনী
  2. পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. একাদশ সংশোধনী
  4. দ্বাদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• দ্বাদশ সংশোধনী:
- সংবিধানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সংশোধনী দ্বাদশ সংশোধনী।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে দীর্ঘ ১৫ বছরের সামরিক, ছদ্ম সামরিক শাসন হতে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ সংসদীয়  সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ এ সংশোধনীকে বৈধতা ও অকুণ্ঠ সমর্থন দেয়।
- জাতীয় সংসদে ১৯৯০ সালের ৬ আগস্ট এ সংশোধনী গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
• একাদশ সংশোধনী:

- এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের পর বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদের স্বপদে ফিরে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- এই সংশোধন অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট এরশাদ কর্তৃক উপরাষ্ট্রপতি নিয়োগদানকে বৈধতা দেয়া হয়।
- সংবিধানের একাদশ সংশোধনী ১৯৯০ সালের ২ জুলাই গৃহীত হয়।

• ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদে খ, গ এবং ঘ ধারা সংযোজনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- একজন প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে অনধিক ১০ জন উপদেষ্টার দ্বারা নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলা হয়।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ এ সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয়।

উৎস: বাংলাদেশের  সংবিধান।

১,৯৩০.
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনীর বিষয়বস্তু কি ছিল?
  1. নারীদের জন্য ৫০টি আসন ২৫ বছরের জন্যে সংরক্ষণ
  2. সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি সংশোধন নিষিদ্ধকরণ
  3. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধানে সংশোধন
  4. বিচারপতিদের অপসারণ সংক্রান্ত বিধান সংশোধন
সঠিক উত্তর:
নারীদের জন্য ৫০টি আসন ২৫ বছরের জন্যে সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীদের জন্য ৫০টি আসন ২৫ বছরের জন্যে সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
১৭তম সংশোধনী:
- বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে৷
- সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৮ জুলাই জাতীয় সংসদে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী পাস হয়।
- এর বিষয়বস্তু ছিলো নারীদের জন্যে সংরক্ষিত ৫০টি আসন আরও ২৫ বছরের জন্যে সংরক্ষণ করা।

অন্যদিকে,
- ২০১৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে পাশ হওয়া সংবিধানের ১৬তম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণ পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়।
- প্রথম সংশোধনীর (১৯৭৩ সালে) মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান সংবিধানে যুক্ত করা হয়।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর (২০১১ সালে) মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি সংশোধন অযোগ্য হিসেবে বিধান গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র - আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৯৩১.
সংবিধান অনুসারে নির্বাচন কমিশনারদের পদের মেয়াদ কত বছর?
  1. তিন বছর
  2. চার বছর
  3. পাঁচ বছর
  4. রাষ্ট্রপতির ইচ্ছাধীন
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১১৮(৩) নং দফা অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনারদের পদের মেয়াদকাল দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চার জন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
১,৯৩২.
বাংলাদেশে ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?
  1. ক) ২৫
  2. খ) ১৮
  3. গ) ২১
  4. ঘ) ২২
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর  স্বাধীনতা লাভের পর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে- চারটি মূলনীতি,এগারটি ভাগ, মোট সাতটি তফসিল এবং ১৫৩টি অনুচ্ছেদ নিয়ে  স্বাধীন বাংলাদেশে একটি উত্তম সংবিধান রচিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগ 'নির্ববাচন' অংশে প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের কথা বলা আছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২২(১) ও (২) অনুযায়ী ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:- 
- প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 
 - কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হওয়ার অধিকারী হবেন, যদি 
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;  
(খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়; 
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষণা বহাল না থাকে; 
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং 
 (ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

উৎস:- বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৯৩৩.
সংসদে স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হলে কত দিনের মধ্যে তা পূরণ করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. পরবর্তী প্রথম বৈঠক
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + গ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান: 
• সংবিধানের ৭৪ নং অনুচ্ছেদে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার  কথা বলা হয়েছে।
- ৭৪ (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন,
- সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।৭২। সংসদের অধিবেশন

এছাড়াও, 
৭৩। সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী;
৭৩ক। সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার;
৭৪। স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার;
৭৫। কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি;
৭৬। সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৯৩৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়?
  1. ১১৮ নং
  2. ১২০ নং
  3. ১২২ নং
  4. ১২৪ নং
সঠিক উত্তর:
১২২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২ নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদ: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
- সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়।

• ১২২ (১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

• ১২২ (২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থেকে থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯৩৫.
৪৯ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
  2. খ) রাষ্ট্রপতির অভিসংশন
  3. গ) রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৪৯ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
“কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে-কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।”
অন্যদিকে,
- রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ : ৫০ নং অনুচ্ছেদ
- রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি : ৫১ নং অনুচ্ছেদ
- রাষ্ট্রপতির অভিসংশন : ৫২ নং অনুচ্ছেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
১,৯৩৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৮৫ সালে 
  2. ১৯৮৬ সালে 
  3. ১৯৮৮ সালে 
  4. ১৯৮৯ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে 
ব্যাখ্যা

• অষ্টম সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮।
- উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
- সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮।

• এ সংশোধনীর মৌলিক বিষয়গুলো হল:
- ইসলাম ধর্মকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা দান,
- হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি বেঞ্চ যথাক্রমে বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, রংপুর ও সিলেটে স্থাপন করা,
- বাংলাদেশের কোন নাগরিক রাষ্ট্রপতির অনুমতি সাপেক্ষে বিদেশ থেকে কোন উপাধি গ্রহণ করতে পারবে।
- রাজধানীর বানান Dacca এর পরিবর্তে Dhaka এবং বাংলা ভাষা ইংরেজি Bengali এর পরিবের্ত Bangla গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও  বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৩৭.
'দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭১
  2. অনুচ্ছেদ ৭২
  3. অনুচ্ছেদ ৭৩
  4. অনুচ্ছেদ ৭৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:

- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
- অনুচ্ছেদ ৮০ - আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৩৮.
একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালুর বিধান সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে কার্যকর হয়?
  1. ষষ্ঠ 
  2. দ্বিতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম 
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ সংশোধনী: 
- চতুর্থ সংশোধনীর শিরোনাম: সংবিধান [চতুর্থ সংশোধন] আইন, ১৯৭৫। 
- সংসদে পাশের তারিখ: ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫ সাল। 
- চতুর্থ সংশোধনীর দ্বারা সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসন পদ্ধতি এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন করা হয়।

এছাড়া,
দ্বিতীয় সংশোধনী: 
- দ্বিতীয় সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [দ্বিতীয় সংশোধন] আইন, ১৯৭৩। 
- সংসদে বিল পাশের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩। 
- দ্বিতীয় সংশোধনীর দ্বারা জরুরি অবস্থাকালীন নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।

পঞ্চম সংশোধনী: 
- পঞ্চম সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [পঞ্চম সংশোধন] আইন, ১৯৭৯। 
- বিলটি সংসদে পাশের তারিখ ৬ এপ্রিল, ১৯৭৯। 
- পঞ্চম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা থেকে শুরু করে ৫ এপ্রিল, ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকান্ডের বৈধতা দান।

ষষ্ঠ সংশোধনী: 
- ষষ্ঠ সংশোধনীর শিরোনাম ছিল সংবিধান [ষষ্ঠ সংশোধন] আইন, ১৯৮১। 
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ৮ জুলাই, ১৯৮১। 
- ষষ্ঠ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল উপ-রাষ্ট্রপতির পদে থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের বিধান নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৩৯.
‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন’ কততম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল? 
  1. দ্বাদশ
  2. ত্রয়োদশ
  3. চতুর্দশ
  4. পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। 
- সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে। 
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে। 
- এতে ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ এবং ১১ টি ভাগ রয়েছে। ৭টি তফসিল রয়েছে।  
- সংবিধান সংশোধন হয়েছে মোট ১৭ বার।

♣ দ্বাদশ সংশোধনী: 
- দ্বাদশ সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [দ্বাদশ সংশোধন] আইন, ১৯৯১।
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ৬ আগস্ট, ১৯৯১।
- বিষয়বস্তু রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তন। 

♣ ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬।
- সংসদে বিলটি পাশ হয় ২৭ মার্চ, ১৯৯৬।
- বিষয়বস্তু ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। 

♣ চতুর্দশ সংশোধনী:
- এ সংশোধনীর শিরোনাম [চতুর্দশ সংশোধন] আইন, ২০০৪।
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ১৬ মে, ২০০৪।
- বিষয়বস্তু ছিল পরবর্তী ১০ বছরের জন্য ৪৫টি নারী আসন সংরক্ষণ।
- রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি সরকারি অফিস সহ অন্যান্য নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিধান করা হয়।

♣ পঞ্চদশ সংশোধনী: 
- পঞ্চদশ সংশোধনীর শিরোনাম ছিল সংবিধান [পঞ্চদশ সংশোধন] আইন, ২০১১।
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ৩০ জুন, ২০১১।
- বিষয়বস্তু ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, দ্বিতীয় পত্ৰ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪০.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন?
  1. ৫০(১) নং অনুচ্ছেদ
  2. ৫০(২) নং অনুচ্ছেদ
  3. ৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ
  4. ৫০(৪) নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৫০ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ;
⇒ ৫০(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর মেয়াদে তাঁর পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন।
- তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।

⇒ ৫০(২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- একাদিক্রমে হোক বা না হোক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকবেন না।

⇒ ৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন।

⇒ ৫০(৪) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁর কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৪১.
সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্গত অনুচ্ছেদ সমূহ-
  1. ২৫-৩৫ অনুচ্ছেদ
  2. ২৬-৪৭ক অনুচ্ছেদ
  3. ৮-২৫ অনুচ্ছেদ
  4. ২৬-৪৫ক অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৬-৪৭ক অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬-৪৭ক অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের  তৃতীয় ভাগ
- বাংলাদেশেল সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার বিষয়ে বিস্তারিত লিপিবদ্ধ আছে।
- ৪৪ এবং ১০২ অনুচ্ছেদের বিধানমতে মৌলিক অধিকার বলবকরণের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা যায়।
- সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদ-অনুসারে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা জারি করলে ৩৬,
- ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদের মৌলিক অধিকার স্থগিত হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান - আরিফ খান।
১,৯৪২.
ন্যায়পালের পদ সৃষ্টির ক্ষমতা সংসদকে প্রদান করেছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ? 
  1. অনুচ্ছেদ ৭৪
  2. অনুচ্ছেদ ৭৬
  3. অনুচ্ছেদ ৭৭
  4. অনুচ্ছেদ ৮০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।

⇒ অনুচ্ছেদ - ৭৭ : ন্যায়পাল: 
১. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
২. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরকম দায়িত্ব প্রদান করবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
৩. ন্যায়পাল তার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।
 
অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ নং অনুচ্ছেদে 'স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার'-এর উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ নং অনুচ্ছেদে 'সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ'-এর উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদে 'আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি'-এর উল্লেখ আছে।
 
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯৪৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় 'মৌলিক অধিকার'?
  1. দ্বিতীয় অধ্যায়
  2. তৃতীয় অধ্যায়
  3. চতুর্থ অধ্যায়
  4. পঞ্চম অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯৪৪.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়?
  1. ৭ম সংশোধনী
  2. ৮ম সংশোধনী
  3. ৯ম সংশোধনী
  4. ১০ম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়। 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়। 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,৯৪৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “যুদ্ধাপরাধ” ও “গণহত্যার” বিচারের কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ১০৩
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ৭খ
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ৪৭(২)
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ৪৭(৩)
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুচ্ছেদ - ৪৭(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুচ্ছেদ - ৪৭(৩)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ৪৭ঃ কতিপয় আইনের হেফাজত -- এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে - “এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন]কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দন্ডদান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।”
১,৯৪৬.
গণপরিষদে চূড়ান্তভাবে গৃহীত সংবিধানের কপিতে প্রথমে স্বাক্ষর করেন-
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমান
  2. খ) এ কে এম আব্দুর রউফ
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা চূড়ান্তভাবে গৃহীত সংবিধানের কপিতে স্বাক্ষর করেন।
- সবার প্রথমে স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- তারপর যথাক্রমে - সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেন।
- তবে গণপরিষদের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের হাতে লেখা সংবিধান কপিতে মোট ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১,৯৪৭.
সংবিধানের কত নম্বর সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয়?
  1. দ্বিতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ সংশোধনী:
- চতুর্থ সংশোধনীর শিরোনাম: সংবিধান [চতুর্থ সংশোধন] আইন, ১৯৭৫।
- সংসদে পাশের তারিখ: ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫ সাল।
- চতুর্থ সংশোধনীর দ্বারা সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসন পদ্ধতি এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন করা হয়।

এছাড়া,
দ্বিতীয় সংশোধনী:
- দ্বিতীয় সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [দ্বিতীয় সংশোধন] আইন, ১৯৭৩।
- সংসদে বিল পাশের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩।
- দ্বিতীয় সংশোধনীর দ্বারা জরুরি অবস্থাকালীন নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।

পঞ্চম সংশোধনী:
- পঞ্চম সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [পঞ্চম সংশোধন] আইন, ১৯৭৯।
- বিলটি সংসদে পাশের তারিখ ৬ এপ্রিল, ১৯৭৯।
- পঞ্চম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা থেকে শুরু করে ৫ এপ্রিল, ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকান্ডের বৈধতা দান।

ষষ্ঠ সংশোধনী:
- ষষ্ঠ সংশোধনীর শিরোনাম ছিল সংবিধান [ষষ্ঠ সংশোধন] আইন, ১৯৮১।
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ৮ জুলাই, ১৯৮১।
- ষষ্ঠ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল উপ-রাষ্ট্রপতির পদে থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের বিধান নিশ্চিত করা।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪৮.
সংবিধানের ১৪৮ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে -
  1. প্রচলিত আইনের হেফাজত
  2. বাংলাদেশের নামে মামলা
  3. পদের শপথ
  4. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
সঠিক উত্তর:
পদের শপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদের শপথ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।
অনুচ্ছেদ ১৪৯ - প্রচলিত আইনের হেফাজত।
অনুচ্ছেদ ১৫০ - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৪৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসনের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৫৯নং অনুচ্ছেদে
  2. ৬১নং অনুচ্ছেদে
  3. ৬২নং অনুচ্ছেদে
  4. ৬০নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৫৯নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

স্থানীয় শাসন: 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ নং অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি প্রশাসনিক এককে আইনানুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত স্থানীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় শাসনের দায়িত্ব প্রদান করতে হবে।
- অর্থাৎ, ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে প্রশাসন পরিচালনা করা হবে।
- এই অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রশাসন পরিচালনা, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসাধারণের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে।
- এতে করে স্থানীয় পর্যায়ে গণতন্ত্র চর্চা, বিকেন্দ্রীকরণ ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।

এছাড়াও, 
- সংবিধানের ৬১নং অনুচ্ছেদে 'সর্বাধিনায়কতা' কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৬২নং অনুচ্ছেদে 'প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি' কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৬০নং অনুচ্ছেদে 'স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা' কথা বলা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১,৯৫০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণ পদ্ধতি সংক্রান্ত বিষয় বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. ক) ৯৫ (২)
  2. খ) ৯৬ (২)
  3. গ) ৯৭ (১)
  4. ঘ) ৯৮ (৩)
সঠিক উত্তর:
খ) ৯৬ (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯৬ (২)
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৯৬(২) নং অনুচ্ছেদে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণ পদ্ধতি বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে। ১৯৭২ সালের সংবিধানে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত ছিলো৷
১৯৭৮ সালে সামরিক ফরমান দ্বারা বিচারক অপসারণে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের বিধান করা হয় যা ২০১৪ সালে সংবিধানের ১৬তম সংশোধনী দ্বারা রহিত করে পুনরায় সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়।
কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট এই বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে। যার কারণে বর্তমানে বিচারকদের অপসারণ পদ্ধতির বিষয়টি অমিমাংসিত রয়ে গেছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান এবং আইন মন্ত্রণালয়)
১,৯৫১.
বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী?
  1. জরুরি অবস্থায় মৌলিক অধিকার স্থগিত
  2. রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
  3. ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত চুক্তি
  4. সামরিক শাসনের সময়কালের সকল আদেশ বৈধ ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী: 
- চতুর্থ সংশোধনী আইন সংবিধান (চতুর্থ সংশোধনী) আইন, ১৯৭৫ গৃহীত হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি। এই সংশোধনীর দ্বারা সংবিধানে কতিপয় বড় পরিবর্তন আনা হয়। সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়; বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থলে আনা হয় একদলীয় ব্যবস্থা; জাতীয় সংসদের কতক ক্ষমতা খর্ব করা হয়; বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেকটা খর্ব হয়; সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষা ও প্রয়োগের এখতিয়ার থেকে বঞ্চিত হয়।

এই আইন দ্বারা - 
(১) সংবিধানের ১১, ৬৬, ৬৭, ৭২, ৭৪, ৭৬, ৮০, ৮৮, ৯৫, ৯৮, ১০৯, ১১৬, ১১৭, ১১৯, ১২২, ১২৩, ১৪১ক এবং ১৪৮ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়;
(২) ৪৪, ৭০, ১০২, ১১৫ ও ১২৪ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করা হয়;
(৩) সংবিধানের তৃতীয় ভাগ সংশোধন করা হয়;
(৪) তৃতীয় ও চতুর্থ তফসিল পরিবর্তন করা হয়;
(৫) প্রথম জাতীয় সংসদের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়;
(৬) রাষ্ট্রপতির পদ ও এই পদের প্রার্থী সম্পর্কে বিশেষ বিধান করা হয়;
(৭) সংবিধানে একটি নতুন (একাদশ) ভাগ সংযুক্ত করা হয়; এবং
(৮) সংবিধানে ৭৩ক ও ১১৬ক অনুচ্ছেদ দুটি সংযুক্ত করা হয়।

অন্যদিকে: 
- দ্বিতীয় সংশোধনী: সংবিধানে একটি নতুন ভাগ, যথা ভাগ ৯ক সংযুক্ত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থাকালীন সময়ে নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।
- তৃতীয় সংশোধনী: এর দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতিপয় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে একটি চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের ২ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৫২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দান করেন?
  1. ক) ৫৫(১)
  2. খ) ৫৫(২)
  3. গ) ৫৬(১)
  4. ঘ) ৫৬(২)
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৬(২)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৬(২) নং অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে নিয়োগ দান করেন। 


৫৬। (১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
 
        (২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন। 
 
      (৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
 
       (৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।


সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৫৩.
ষোড়শ সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়া
  2. রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা
  3. সংসদে নারী আসন বৃদ্ধি
  4. জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়
সঠিক উত্তর:
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়া
ব্যাখ্যা

ষোড়শ সংশোধনী:
- ষোড়শ সংশোধনী সংসদে উত্থাপন করা হয় ২০১৪ সালের ৭ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টম্বর।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর।
- ৭২ এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯৫৪.
গণপরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন কে?
  1. ক) মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  2. খ) শাহ আবদুল হামিদ
  3. গ) মুহাম্মদুল্লাহ
  4. ঘ) আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ
সঠিক উত্তর:
গ) মুহাম্মদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুহাম্মদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• গণপরিষদে প্রথম স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন যথাক্রমে মাননীয় সদস্য শাহ আবদুল হামিদ ও মুহাম্মদুল্লাহ। 
• ১ মে ১৯৭২ স্পিকার শাহ আবদুল হামিদ মৃত্যুবরণ করলে একই বছরের ১২ অক্টোবর বাংলাদেশ গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে 
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন যথাক্রমে মাননীয় সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ ও মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ।    
• প্রথম অধিবেশনে সভাপতি ছিলেন - মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৯৫৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে রাজধানীর নাম Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়?
  1. ৭ম
  2. ৮ম
  3. ৯ম
  4. ১০ম
সঠিক উত্তর:
৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়। 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়। 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,৯৫৬.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ কার্যকর হয় কত সাল থেকে?
  1. ১৯৯৯
  2. ২০০০
  3. ২০০৭
  4. ২০০৯
সঠিক উত্তর:
২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭
ব্যাখ্যা

- ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা করেন তৎকালীন সাব জজ মাজদার হোসেন ।
- এই মামলাটি মাজদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ নামে পরিচিত ।
- মামলাটির বিচারক ছিলেন বিচারপতি মোস্তফা কামাল ।

- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংক্রান্ত বিতর্কের অবসান ঘটে ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাজদার হোসেন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রদত্ত রায়ের মাধ্যমে (৫২ ডিএল আর ২০০০)।
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের লক্ষ্যে ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৭ জারি করে (২০০৯ সালে আইনে পরিণত)।
- ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধি কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া ।

১,৯৫৭.
বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. গণবিপ্লব
  2. সাধারণ আইন পরিষদ
  3. গণপরিষদ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদ
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৫৮.
“সরকারি নিয়োগে সুযোগের সমতা” সংবিধানে কোন অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত?
  1. মৌলিক অধিকার
  2. নৈতিক অধিকার
  3. মানবাধিকার
  4. নিয়োগ ও কর্মের শর্ত
সঠিক উত্তর:
মৌলিক অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক অধিকার
ব্যাখ্যা

- 'সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা'-বিষয়টি সংবিধান মতে মৌলিক অধিকার।
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগ (অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭) মৌলিক অধিকারসমূহের বিষয়ে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করে। 

• তৃতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ:
- এর মধ্যে অনুচ্ছেদ ২৯ নং অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে ‘সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে।
- অনুচ্ছেদ ২৯(১): সকল নাগরিকের জন্য সরকারি নিয়োগ-লাভে সমান সুযোগ থাকবে।
- অনুচ্ছেদ ২৯(২): কোনো নাগরিককে ধর্ম, বর্ণ, জাতি, লিঙ্গ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে সরকারি নিয়োগে অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না বা তার প্রতি বৈষম্য করা যাবে না।
- অনুচ্ছেদ ২৯(৩): এই অনুচ্ছেদে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ বিধান (যেমন: কোটা ব্যবস্থা) রাখার বিষয়ে উল্লেখ আছে, তবে এটি সাধারণ সমতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৯৫৯.
পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অধ্যায়ে বর্ণিত আছে?
  1. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
  2. মৌলিক অধিকার
  3. আইনসভা
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
ব্যাখ্যা

পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন বিষয়ে সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ( রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ) ১৮ক অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে ।

অনুচ্ছেদ ১৮ক : পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) এর মাধ্যমে ১৮ক অনুচ্ছেদ সংবিধানে স্ননিবেশিত হয় ।

বাংলাদেশ সংবিধানের
তৃতীয় ভাগে ( অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭ক ) মৌলিক অধিকার,
চতুর্থ ভাগে ( অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭ক ) নির্বাহী বিভাগ ( অনুচ্ছেদ ৪৮ থেকে ৬৪ ) এবং
পঞ্চম ভাগে ( অনুচ্ছেদ ৬৫ থেকে ৯৩ ) আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন , যা ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ কার্যকর হয় । বাংলাদেশ সংবিধানে,
১ টি প্রস্তাবনা
৪ টি মূলনীতি
১১ টি ভাগ বা অধ্যায়
৭ টি তফসিল এবং
১৫৩ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে ।

তথ্যসূত্র – গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান ।
১,৯৬০.
সংবিধান অনুসারে, কয়টি নীতি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি কি সেটা আলোচনা করা হয়েছে। ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, নিম্নলিখিত ৪টি নীতি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে-
১. জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
২. অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
৩. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং
8. আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা।

আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন করতে উপরে উল্লেখিত নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র-
ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে;
খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং
গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৬১.
নিচের কোনটি সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনের নির্বাচন?
  1. পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  2. ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  3. অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  4. সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
- সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন ।
- এ নির্বাচনে বিচারপতি হাবিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মনোনয়ন পান। 
- মোহাম্মদ আবু হেনাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হয়।
- নির্বাচনে প্রার্থী ছিল ২৫৭৪ জন।
- মোট ভোটারের ৭৩.৬১% ভোটার ভোট দেয়। 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ইতিহাসের প্রথম নির্বাচনে প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন শাহাবুদ্দিন আহম্মদ । 

তথ্যসূত্র-  বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক ।
১,৯৬২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বাংলাদেশে নাগরিকদের ভােটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স উল্লেখ রয়েছে?
  1. ক) ১২৫ নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ১১৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ১৩১ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
গ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগে বর্ণিত "নির্বাচন" অধ্যায়ে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ - ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
(১) প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকার ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হোন;
(খ) তাহার বয়স আঠারো (১৮) বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইবুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৬৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৬ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৯ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৫ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়,
“রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়:
(ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা;
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার৷”

অন্যদিকে,
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ : কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ : গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
- ১৯ নং অনুচ্ছেদ : সুযোগের সমতা।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১,৯৬৪.
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ কোনটি?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সাংবিধানিক পদ:
- রাষ্ট্রপতি পদটি বাংলাদেশে সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করবেন স্পিকারের নিকট।
- আর তাকে অপসারণ করতে পারে নির্বাচিত সংসদ।
- এখন সংসদ বিলুপ্ত আবার স্পিকারও পদত্যাগ করেছেন।
- গণঅভ্যুত্থান এবং পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের পর অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রপতির থাকা না থাকার বিষয়টিকে রাজনৈতিক বিষয় হিসেবে দেখছে।

এছাড়াও,
আরও কিছু সাংবিধানিক পদ:- 
• স্পিকার
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ 
• ডিপুটি স্পিকার 
• প্রধান বিচারপতি  
• সংসদ সদস্য 
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার 
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক 
• সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ইত্তেফাক।
১,৯৬৫.
’নির্বাহী বিভাগ’ সংবিধানের কোন ভাগে উল্লেখ রয়েছে?
  1. পঞ্চম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. চতুর্থ ভাগে
  4. দ্বিতীয় ভাগে
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ভাগে
ব্যাখ্যা

- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ রয়েছে।
- এর পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে যথা: 
-
১ম পরিচ্ছেদ রাষ্ট্রপতি।
- ২য় পরিচ্ছেদ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা।
- ৩য় পরিচ্ছেদ স্থানীয় শাসন।
- ৪র্থ পরিচ্ছেদপ্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ।
- ৫ম পরিচ্ছেদ অ্যাটর্নি-জেনারেল।

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১,৯৬৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদবলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ সদস্যদের শপত বাক্য পাঠ করাতে পারেন?
  1. ১৪৮(২ক)
  2. ১১২
  3. ১৪৮(১)
  4. ১৪৭
সঠিক উত্তর:
১৪৮(২ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৮(২ক)
ব্যাখ্যা

- ১৪৮ এর ২(ক)  অনুসারে-১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি যে কোন কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।

অন্যদিকে,
- ১১২অনুচ্ছেদ, সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা সম্পর্কিত।
- ১৪৭অনুচ্ছেদ, কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি সম্পর্কিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৯৬৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী গৃহীত হয় কত সালে?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী গৃহিত হয়।
- সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে।
- ১৯৭৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৯৬৮.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল বাংলাদেশ সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  3. ষষ্ঠদশ সংশোধনী
  4. চতুর্থ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• ত্রয়োদশ সংশোধনী: 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল বাংলাদেশ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান সংবিধানে সন্নিবেশ করা হয়।

• পঞ্চদশ সংশোধনী: 
- পঞ্চদশ সংশোধনী আইন  সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন।
- এই সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্টীয় মুলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেয়া হয়।
 - এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্টীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
১,৯৬৯.
সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু হয় কততম সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ক) চতুর্থ সংশোধনী
  2. খ) পঞ্চম সংশোধনী
  3. গ) অষ্টম সংশোধনী
  4. ঘ) দ্বাদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ক) চতুর্থ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
চতুর্থ সংশোধনী-
- উত্থাপন: ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি।
- উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী শ্রী মনোরঞ্জন ধর উত্থাপন করেন।
- গৃহীত ও রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ:: ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি।
আলোচ্য বিষয়-
- সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতির প্রবর্তন।
- জাতীয় সংসদের কতক ক্ষমতা খর্ব করা হয়; বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেকটা খর্ব হয়; সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষা ও প্রয়োগের এখতিয়ার থেকে বঞ্চিত হয়।
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী গৃহিত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৭০.
প্রস্তাবনার কোন ভাগে শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে?
  1. প্রথম ভাগ
  2. দ্বিতীয় ভাগ
  3. তৃতীয় ভাগ
  4. চতুর্থ ভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা
প্রজাতন্ত্রের প্রস্তাবনা:
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগে ১নং অনুচ্ছেদের ১নং ধারায় প্রজাতন্ত্রের প্রস্তাবনা রয়েছে।
- এ প্রস্তাবনা অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যা "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" নামে পরিচিতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনা ১টি।
- প্রস্তাবনার ভাগ ৫টি।

⇒ প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা,
২. মূলনীতি গ্রহণ [জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা সংবিধানের মূলনীতি হবে],
৩. শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা,
৪. বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা [ঘোষণা],
৫ গণপরিষদে সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করার নিশ্চয়তা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৭১.
প্রজাতন্ত্রের জনগণের পক্ষে সকল ক্ষমতার প্রয়োগ কার অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে? 
  1. রাষ্ট্রপতির 
  2. আইন বিভাগের 
  3. নির্বাহী বিভাগের 
  4. সংবিধানের
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের
ব্যাখ্যা
♣ ৭ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের প্রাধান্য;
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে। 
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।  

♠ ৭ক: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ; 
- (১) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় -
• (ক) এই সংবিধান বা ইহার কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে ; কিংবা
• (খ) এই সংবিধান বা ইহার কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে-
তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে।

- (২) কোন ব্যক্তি (১) দফায় বর্ণিত-
• (ক) কোন কার্য করিতে সহযোগিতা বা উস্কানি প্রদান করিলে; কিংবা
• (খ) কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন করিলে-
তাহার এইরূপ কার্যও একই অপরাধ হইবে।

- (৩) এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

♠ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য;   
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৭২.
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী (২০১১) কী পুনরুদ্ধার করেছে? 
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা 
  2. রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা
  3. রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ
  4. পাকিস্তান-শৈলীর ফেডারেলিজম
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়
- এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৯৭৩.
বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম ___, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে। শূন্যস্থানে কি হবে?
  1. ক) প্রজাতন্ত্র
  2. খ) গণতন্ত্র
  3. গ) রাষ্ট্র
  4. ঘ) দেশ
সঠিক উত্তর:
ক) প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

প্রথম ভাগ - প্রজাতন্ত্র

১৷ বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

১,৯৭৪.
সংবিধান সংস্কার কমিশন সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার বয়স সুপারিশ করেছে ন্যূনতম কত বছর?
  1. ২০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা

- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

• সংবিধান সংস্কার কমিশন: 

- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন।

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন।

১,৯৭৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থলে একদলীয় ব্যবস্থা চালু করা হয়?
  1. তৃতীয় সংশোধনী
  2. চতুর্থ সংশোধনী
  3. ষষ্ঠ সংশোধনী
  4. সপ্তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

চতুর্থ সংশোধনী:
- চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি।
- সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।
- বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থলে আনা হয় একদলীয় ব্যবস্থা।
- জাতীয় সংসদের কর্তৃক ক্ষমতা খর্ব করা হয়।
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেকটা খর্ব হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষা ও প্রয়োগের এখতিয়ার থেকে বঞ্চিত হয়।

অপরদিকে,
- তৃতীয় সংশোধনী: ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন ও রাষ্ট্রীয় সীমানা পুনঃনির্ধারণ, বেডুবাড়িকে ভারতের কাছে হস্তান্তর।
- ষষ্ঠ সংশোধনী: উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বহাল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের নিশ্চিতকরণ।
- সপ্তম সংশোধনী: ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ই নভেম্বর পর্যন্ত সামরিক আইন 

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১,৯৭৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে নিম্নের কোন অধিকারটি মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. বাক-স্বাধীনতার অধিকার
  2. শিক্ষার অধিকার
  3. সভা সমাবেশের অধিকার
  4. ধর্মচর্চার অধিকার
সঠিক উত্তর:
শিক্ষার অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষার অধিকার
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে শিক্ষার অধিকার মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত নয়।

♦ বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায়:
→ বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় মৌলিক অধিকার।
→ বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে বাক-স্বাধীনতার অধিকার, সভা সমাবেশের অধিকার ও ধর্মচর্চার অধিকার মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত।

♦ তৃতীয় অধ্যায়ের অন্যান্য আলোচ্য বিষয়সমূহ:
→ আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য, সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা, বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ, আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার, জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ, গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ, বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ, চলাফেরার স্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা, সংগঠনের স্বাধীনতা, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা, পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার।

♦ বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯৭৭.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. ১৪১ নং
  2. ১৪২ নং
  3. ১৪৬ নং
  4. ১৪৮ নং
সঠিক উত্তর:
১৪৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬ নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা: 
- 'বাংলাদেশ'-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ-১৪১: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ-১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১,৯৭৮.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ১৫৩টি 
  2. ১৫২টি
  3. ১৫৫টি 
  4. ১৪৭টি
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি 
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দলিল।
- এটি একটি উৎকৃষ্ট, সুসংগঠিত ও সুলিখিত সংবিধান হিসেবে পরিচিত।
- রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান।
- সংবিধানে রয়েছে:
∗ ১টি প্রস্তাবনা।
∗ ১১টি ভাগ।
১৫৩টি অনুচ্ছেদ।
∗ ৪টি তফসিল।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশ সংবিধানের অভিভাবক হচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট।
• বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ৪ নভেম্বর,১৯৭২।
• এবং কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
• বাংলাদেশের সংবিধানের ভাষা দুটি— বাংলা (সাধু ভাষা) ও ইংরেজি।
• আমাদের সংবিধান ভারত ও ব্রিটেনের সংবিধানের আদলে রচিত হয়েছে।
• এতে এক-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার (জাতীয় সংসদ) ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
• জাতীয় সংসদে ৩৫০টি আসন রয়েছে। 
• নির্বাচিত আসন ৩০০টি, আর সংরক্ষিত আসন ৫০টি (মহিলাদের জন্য)।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১,৯৭৯.
সংবিধান রচনার জন্য 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন কে?
  1. মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. ড. কামাল হোসেন
  4. মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না। 
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- বহিস্কৃত ও পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য পোষণকারী সদস্যরা গণপরিষদের সদস্য পদ লাভে অযোগ্য ছিলেন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

⇒ ৪০৩ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- গণপরিষদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মনোনীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাব অনুযায়ী গণপরিষদের প্রবীনতম সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ-এর সভাপতিত্বে গণপরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়। 

⇒ ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ গণপরিষদের অধিবেশনে মনসুর আলী বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করার উদ্দেশ্যে একটি প্রস্তাব করেন।
- সেই প্রস্তাবে ছিল, 'গণপরিষদের ৩৪ জন সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত খসড়া প্রণয়ন কমিটি- যার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. কামাল হোসেন'।
- ১৯৭২ সালের ১০ জুনের মধ্যে কমিটি বিল আকারে একটি খসড়া শাসনতন্ত্রসহ রিপোর্ট পেশ করার কথা থাকলেও কমিটির পক্ষে সভাপতি কামাল হোসেন ১২ অক্টোবর ১৯৭২ 'সংবিধান বিল' গণপরিষদে উত্থাপন করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৮০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন তফসিলের বিষয়বস্তু বিদ্যমান নেই?
  1. ২য় তফসিল
  2. ৪র্থ তফসিল
  3. ৬ষ্ঠ তফসিল
  4. ৭ম তফসিল
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

⇒ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- সংবিধানের চতুর্থ সংশােধন আইন, ১৯৭৫ এর ৩০ নং ধারাবলে মূল সংবিধানের এই দ্বিতীয় তফসিলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, দ্বিতীয় তফসিল এখন আর কার্যকর নেই।
- ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- যার নাম দেয়া হয় বাকশাল।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৯৮১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির কথা বর্ণনা আছে?
  1. ৪৯ নং
  2. ৫২ নং
  3. ৫১ নং
  4. ৫৩ নং
সঠিক উত্তর:
৫১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৫১ নং অনুচ্ছেদের বর্ণিত আছে - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।

• রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ:
৫১ (১) অনুসারে, এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

৫১(২) অনুসারে, রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।

অন্যদিকে,
সংবিধানের ৪১ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
সংবিধানের ৩৫ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - সংগঠনের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৯৮২.
সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে কত শতাংশ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে?  
  1. ৮%
  2. ১০% 
  3. ১৫%
  4. ৯০% 
সঠিক উত্তর:
৯০% 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০% 
ব্যাখ্যা

• মন্ত্রিসভার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী: 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার অনধিক এক-দশমাংশ সদস্যকে সংসদ সদস্য নন এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে পারেন। তারাই টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। 
- তবে শর্ত থাকে যে, তাদের অবশ্যই সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।  অর্থাৎ, নির্বাচনে দাঁড়ালে তিনি আইনগতভাবে অযোগ্য হতেন না।

- সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীই মন্ত্রিসভার বাকি সদস্যদের মনোনীত করেন।
- তবে তাকে নির্বাচিত এমপিদের মধ্য থেকে মন্ত্রিসভার ১০ ভাগের ৯ ভাগ (অর্থাৎ ৯০ শতাংশ) সদস্য রাখতেই হবে।
- বাকি এক ভাগ তিনি চাইলে টেকনোক্র্যাট সদস্য রাখতে পারেন।
- সাধারণত বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বা বিশেষ অবদানের ভিত্তিতেই প্রধানমন্ত্রী এই নিয়োগ দিয়ে থাকেন। 
- নিয়মানুযায়ী, জাতীয় নির্বাচনের আগে বা সংসদ ভেঙে যাওয়ার ৯০ দিন আগে এই টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে হয়।
- টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীগণ যা যা সুযোগ পান: 
• তারা সংসদে বক্তব্য রাখতে পারেন, কিন্তু ভোট দিতে পারেন না।
• তারা পূর্ণ মন্ত্রীর সমান বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পান।
• সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং সামগ্রিকভাবে মন্ত্রিসভার মাধ্যমে সংসদের কাছে দায়বদ্ধ। 

উল্লেখ্য, 
- ৪৯ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী থাকছেন।
- এর মধ্যে টেকনোক্র্যাট কোটায় দুজন মন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী রাখা হয়েছে।
- মন্ত্রী হিসেবে আছেন আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এবং ড. খলিলুর রহমান। আর আমিনুল হককে করা হচ্ছে প্রতিমন্ত্রী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও ইত্তেফাক। (Link) 

১,৯৮৩.
নির্বাচন কমিশন একটি-
  1. ক) স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা
  2. খ) স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা
  3. গ) পূর্ণ সরকারি সংস্থা
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন

- নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা। জাতীয় ও স্থানীয় সরকার পর্যায়ের সকল নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।
- নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা তৈরি, ভোটগ্রহণ তত্ত্বাবধান, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা এবং নির্বাচনী অভিযোগ-মোকদ্দমা মীমাংসার লক্ষ্যে নির্বাচনী ট্রাইবুনাল গঠন করা নির্বাচন কমিশনের কাজ।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচন কমিশনের গঠন-কাঠামো, ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা আছে। বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর আওতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন স্থাপনের বিধান প্রণীত হয়েছে এবং এতে বলা হয়েছে- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক ৪ জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে এবং রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করবেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
- নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে ৫ বৎসর হবে।
- নির্বাচন কমিশন স্বাধীন হয় ৮ মার্চ , ২০০৮ সালে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৯৮৪.
অভিশংসন ব্যতীত পদ থেকে অপসারণ করা যায় না কাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।
- রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির উপর অগ্রাধিকার দেবেন এবং এই সংবিধান এবং অন্য কোন আইন দ্বারা তার উপর অর্পিত ও আরোপিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং দায়িত্ব পালন করবেন।
- কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদ বেশি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হবেন না, পদ পরপর থাকুক বা না থাকুক।
- রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য হতে পারবেন না, এবং যদি সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে তার পদে প্রবেশ করবেন সেদিন সংসদে তার আসন খালি করবেন।
- কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি তার বয়স পঁয়ত্রিশ বছরের কম হয়, সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন।
- সংবিধানের অধীনে অভিশংসন মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়ে থাকে।
- রাষ্ট্রপতিই প্রকৃত শাসক এবং আইনগত দিক থেকে তিনি প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী।
- রাষ্ট্রপতি আইনসভার সদস্য নন এবং আইন সভার নিকট দায়িত্বশীলও নন।
- কেবলমাত্র শাসনতন্ত্রের লঙ্ঘন, গুরুতর অসদাচরণের দায়ে কিংবা শারীরিক বা মানসিক অসামর্থের কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত (impeached) করা যায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, অনুচ্ছেদ-৪৮। 
         ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮৫.
'রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান করবেন' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১৩৭
  2. ১২৭
  3. ৭২ (১)
  4. ৪৮
সঠিক উত্তর:
৭২ (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২ (১)
ব্যাখ্যা

সংসদ অধিবেশন:
- ৭২ (১) নং অনুচ্ছেদে, সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করবেন।
- এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময়  স্থান নির্ধারণ করবেন।
- (২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হবে।
- (৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাবে।

উল্লেখ্য
- কর্মকমিশন: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক: ১২৭ নং অনুচ্ছেদে;
- রাষ্ট্রপতি: ৪৮ নং অনুচ্ছেদে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১,৯৮৬.
সংবিধানের কোন তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বোঝানো হয়।
- সংবিধানের ৬ষ্ঠ তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।

⇒ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী বৈদ্যনাথতলায় (পরবর্তী নাম মুজিবনগর) এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে গণপরিষদ সদস্য অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- ঘোষণার মাধ্যমে নবগঠিত আইন পরিষদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে।
- ঘোষণায় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়।
- ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর বলে ঘোষণা করা হয়।
- এ ঘোষণাবলে প্রবাসী মুজিবনগর সরকার বৈধ বলে বিবেচিত হয়।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৯৮৭.
সংবিধানের ৬৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্য স্পিকারের বিনা অনুমতিতে একাধিক্রমে কতদিন সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্যপদ বাতিল হয়?
  1. ৪৫ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

⇒ সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে, যদি -
- (ক) তার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করতে অসমর্থ হন: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তা বর্ধিত করতে পারবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না নিয়ে তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভেঙে যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হয়ে যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
- ৬৭ (২) নং অনুচ্ছেদ- কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
১,৯৮৮.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয়?
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংশোধন:
- সময়ের চাহিদা ও প্রয়োজনে জনগণের কল্যাণার্থে সংবিধানের সংশোধন, পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২ নং অনুচ্ছেদে এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও পদ্ধতির কথা উল্লেখ রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধান এ পর্যন্ত ১৭ বার সংশোধিত হয়েছে। 
- অষ্টম সংশোধনীর শিরোনাম ছিল সংবিধান [ অষ্টম সংশোধন] আইন, ১৯৮৮]   
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ৭ জুন, ১৯৮৮। 
- অষ্টম সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা। 
- এছাড়া ঢাকার ইংরেজি বানান Dacca থেকে Dhaka এবং Bengali এর নাম Bangla করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সরকারী কর্ম কমিশন' গঠনের উল্লেখ আছে?
  1. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৩৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৩৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে 'সরকারী কর্ম কমিশন' গঠনের উল্লেখ আছে।

• ১৩৭নং অনুচ্ছেদ:
কমিশন-প্রতিষ্ঠা 
- আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং 
- একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে। 

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ - ১৩৪: কর্মের মেয়াদ,
অনুচ্ছেদ - ১৩৫: অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি,
অনুচ্ছেদ - ১৩৮: সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯৯০.
’সরকারী কর্ম কমিশন’ প্রতিষ্ঠার কথা বর্ণনা আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১৩৭ নং
  2. ১২৭ নং
  3. ১৩৮ নং
  4. ১১৮ নং
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং
ব্যাখ্যা
 • সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে, ’সরকারী কর্ম কমিশন’ প্রতিষ্ঠার কথা বর্ণনা আছে। 

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে,’সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য নিয়োগ এর কথা বলা আছে।
- সংবিধানের ১২৭ নং অনুচ্ছেদে, মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠার বিষয় বর্ণনা আছে।
-  সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদে, নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার বিষয় বর্ণনা আছে। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৯৯১.
গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূর করার জন্য বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থার কথা সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ১৫ নং
  2. ১৬ নং
  3. ১৭ নং
  4. ১৮ নং
সঠিক উত্তর:
১৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ নং
ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদে গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থার কথা উল্লেখ আছে।

• সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূর করার জন্য গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়ন, কৃষি বিপ্লব, এবং কুটির শিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশসহ গ্রামাঞ্চলে আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
- সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯৯২.
সাংবিধানিক পদ কোনটি?
  1. ক) সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
  2. খ) জেলা প্রশাসক
  3. গ) বিভাগীয় কমিশনার
  4. ঘ) সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
ঘ) সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
- সরকারি কর্ম কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ সংবিধানের নবম ভাগে দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা, সদস্য-নিয়োগ, পদের মেয়াদ, কমিশনের দায়িত্ব এবং বার্ষিক রিপোর্ট সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- বার্ষিক রিপোর্ট সম্পর্ক - অনুচ্ছেদ ১৪১ (১)।
 - বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদে ১৩৭ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আইনের দ্বারা এক বা একাধিক কর্মকমিশন গঠন করার কথা বলা  আছে। 

 সাংবিধানিক পদ:- 
রাষ্ট্রপতি  
স্পিকার
প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ 
ডিপুটি স্পিকার 
প্রধান বিচারপতি  
সংসদ সদস্য 
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার 
মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক 
সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য ।

উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৯৯৩.
সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে নিচের কোনটির কথা রয়েছে?
  1. ন্যায়পাল
  2. কর্মকমিশন
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. মহা হিসাব নিরীক্ষক
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
ব্যাখ্যা
• ন্যায়পাল:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল কথা উল্লেখ্য রয়েছে।
- ৭৭(১): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
 - ৭৭(২): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়,
- সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করবে।
- ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
- (৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন।
- এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হইবে।

উল্লেখ্য
- কর্মকমিশন: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক: ১২৭ নং অনুচ্ছেদে;
- রাষ্ট্রপতি: ৪৮ নং অনুচ্ছেদে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১,৯৯৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সর্বাধিনায়কতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬১
  2. অনুচ্ছেদ ৬২
  3. অনুচ্ছেদ ৬৩
  4. অনুচ্ছেদ ৬৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬১
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ - সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬ - সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯৯৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে ‘নির্ভরযোগ্য বাংলা পাঠ এবং অনুমোদিত ইংরেজি পাঠের মধ্যে বাংলা পাঠই প্রাধান্য পাবে’?
  1. ১৫০ নং
  2. ১৫১ নং
  3. ১৫২ নং
  4. ১৫৩ নং
সঠিক উত্তর:
১৫৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫৩ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, নির্ভরযোগ্য বাংলা পাঠ এবং অনুমোদিত ইংরেজি পাঠের মধ্যে বাংলা পাঠই প্রাধান্য পাবে।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।

⇒ সংবিধানের ১৫৩ নং অনুচ্ছেদ: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ
- ১৫৩ (১) এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলে উল্লেখ করা হবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে এটি বলবৎ হবে, যাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলে অভিহিত করা হয়েছে।

 - ১৫৩ (২) বাংলায় এই সংবিধানের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরাজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য অনুমোদিত পাঠ থাকবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলে গণপরিষদের স্পীকার সার্টিফিকেট প্রদান করবেন।

 - ১৫৩ (৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা-অনুযায়ী সার্টিফিকেটযুক্ত কোন পাঠ এই সংবিধানের বিধানাবলীর চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে;  তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরাজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯৯৬.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী মৌলিক অধিকারের সংখ্যা কতটি?
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৭টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮টি
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার:
- মৌলিক অধিকারগুলো হলো এমন কিছু অধিকার যা কোনো দেশের সংবিধানে সন্নিবেশিত করে তা বাস্তবায়নের ব্যাপারে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়া হয়।
- গণতান্ত্রিক সরকার মৌলিক অধিকারকে অত্যন্ত যত্নসহকারে লালন করে এবং এগুলো বাস্তবায়নের ব্যাপারে সাধ্যমতো চেষ্টা করে।
- বর্তমান বিশ্বে শাসকশ্রেণীর সফলতা নির্ণয়ের অন্যতম মাপকাঠি হলো তারা কতটুকু মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা জনগণকে দিতে পেরেছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২য় ভাগে, ২৭ অনুচ্ছেদ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সম্বন্ধে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশী নাগরিকদের ব্যাপারেও গুরুত্বপূর্ণ ধারা সংযোজন করা হয়েছে। 
- মৌলিক অধিকার মোট ১৮টি।

[তৃতীয় ভাগে ২৬-৪৭ পর্যন্ত মোট ২২টি অনুচ্ছেদ থাকলেও অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ আছে ১৭টি এবং এদের মধ্যে মৌলিক অধিকার ১৮টি, কারণ ২৮ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার ২টি। একটি ২৮(১) এবং অপরটি ২৮(২)।]

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৯৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়বস্তু কী?
  1. প্রজাতন্ত্র
  2. মৌলিক অধিকার
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. আইনসভা
সঠিক উত্তর:
মৌলিক অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক অধিকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৯৮.
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা কোন অনুচ্ছেদে নির্ধারিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪০
  2. অনুচ্ছেদ ১৪১
  3. অনুচ্ছেদ ১৪২
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪২
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা কথা বলা হয়েছে।

» অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা
- এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,
- (অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
- (আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- (খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ: ১৪১নং -সরকারী কর্ম কমিশনের বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ: ১৪০ নং - সরকারী কর্ম কমিশনের দায়িত্ব।
-  অনুচ্ছেদ: ১৪৫ নং- চুক্তি ও দলিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৯৯৯.
”প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা” সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু?
  1. ৩নং
  2. ৫নং
  3. ৪নং
  4. ৬নং
সঠিক উত্তর:
৩নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৩নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
• সংবিধানের ৫নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা ৷
• সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু-
৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে।
৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।]
• সংবিধানের ৪নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২,০০০.
’গণতন্ত্র ও মানবাধিকার’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-১২
  2. অনুচ্ছেদ-১১
  3. অনুচ্ছেদ-৯
  4. অনুচ্ছেদ-১০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ-১১ :গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
-  প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে,
- মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে
- এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-৯। জাতীয়তাবাদ।
- অনুচ্ছেদ-১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
- অনুচ্ছেদ-১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
- অনুচ্ছেদ-১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।