বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা ১৩ / ১৪ · ১,২০১১,৩০০ / ১,৩৬৬

১,২০১.
অটোয়া কনভেনশনের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  3. অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইনের নিষিদ্ধ করা
  4. ক্লাস্টার মুনিশন নিষিদ্ধকরণ
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইনের নিষিদ্ধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইনের নিষিদ্ধ করা
ব্যাখ্যা

অটোয়া কনভেনশন (Mine Ban Treaty):
- অটোয়া কনভেনশন বা স্থল মাইন নিষিদ্ধ চুক্তি বিশ্বব্যাপী অ্যান্টি-পারসোনেল ল্যান্ডমাইন (APL)-এর ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন এবং স্থানান্তর বন্ধ করতে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষর শুরু: ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭।
- কার্যকর: ১ মার্চ ১৯৯৯।
- সদস্য: ১৬৪টি দেশ (২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত) চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ সই করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি। 
- চুক্তিটি আন্তর্জাতিকভাবে ল্যান্ডমাইন ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি মানদণ্ড তৈরি করেছে।
- অনেক অ-সদস্য দেশ স্বেচ্ছায় মজুদ ধ্বংস করছে এবং মাইন ব্যবহার বন্ধ করেছে।
- কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী এখনও আইইডি-সহ নিষিদ্ধ মাইন ব্যবহার করছে।
- আফগানিস্তান, অ্যাঙ্গোলা, কম্বোডিয়া, চাদ, ইরাক, এবং ইউক্রেনের মতো দেশগুলো মানবিক প্রভাবের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

১,২০২.
‘নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি’ কোন দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি:
- নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পররাষ্ট্রনীতি কৌশল।
- 'নেকড়ে যোদ্ধা' পরিভাষাটি চীনা অ্যাকশন চলচ্চিত্র ‘উলফ ওরিয়র–২ (Wolf Warrior 2)’ থেকে নেওয়া।
- এই কূটনৈতিক ধারা প্রথম জোরালোভাবে প্রয়োগ করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
- এর লক্ষ্য চীনের মর্যাদা ও প্রভাব বৃদ্ধি করা এবং জাতীয়তাবাদী অনুভূতি জোরদার করা।
- আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে আক্রমণাত্মক ও আত্মবিশ্বাসী কূটনৈতিক ভাষা ব্যবহারের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
- যুক্তরাষ্ট্রের চাপের প্রেক্ষিতে জি-৭ দেশগুলোর নতুন নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে চীন এই কৌশল গ্রহণ করে।

উৎস: The National Bureau of Asian Research (NBR).

১,২০৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু চুক্তি থেকে বেড়িয়ে যাওয়া কার্যকর হবে-
  1. ক) ৪ এপ্রিল ২০২০
  2. খ) ৪ অক্টোবর ২০২০
  3. গ) ৪ নভেম্বর ২০২০
  4. ঘ) ১৯ এপ্রিল ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নভেম্বর ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নভেম্বর ২০২০
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্পাদিত প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১ জুন ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেড়িয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। চুক্তি অনুযায়ী কোন দেশ এই চুক্তি থেকে প্রথম তিন বছরের মধ্যে বেড়িয়ে যেতে পারবে না এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বেড়িয়ে যাবার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে এক বছর সময় লাগবে। সে হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ২০২০ সালের ৪ঠা নভেম্বর এ চুক্তি থেকে পুরোপুরি বেড়িয়ে যেতে পারবে। (সূত্র: ইউএনও ওয়েবসাইট)
১,২০৪.
যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানে তালেবানদের মধ্যে সর্বশেষ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
ব্যাখ্যা

• যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের ঐতিহাসিক চুক্তি সই:
- আফগানিস্তানে তালেবানদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে দুপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- কাতারের রাজধানী দোহায় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে দ্বিতীয় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে তালেবান চুক্তিটির শর্তাবলী মেনে চললে ১৪ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।
- এ চুক্তির মাধ্যমে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সৈন্যবাহিনী তুলে নেয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের আগে এ দু’পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উৎস: US State Department Website. 

১,২০৫.
শেনজেন চুক্তিতে কয়টি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ রয়েছে?
  1. ২১টি
  2. ২২টি
  3. ২৩টি
  4. ২৪টি
সঠিক উত্তর:
২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩টি
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি (Schengen Treaty):
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের জাতীয় সীমানা বিলুপ্তি করে দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল সীমানাবিহীন একটি ইউরোপ তৈরি করা যা 'শেনজেন এলাকা' নামে পরিচিত হবে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮৫ সালে।
- স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- শেনজেন ভুক্ত দেশ ২৭টি।
- এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর দেশ ২৩টি।
- লিচেনস্টাইন, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ে এই চারটি দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়েও শেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকায় রয়েছে।
- শেনজেন ভুক্ত ২৭তম দেশ: ক্রোয়েশিয়া। 

উৎস: The Schengen area explained - Consilium.europa.eu ওয়েবসাইট।
১,২০৬.
অটোয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৪টি।
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,২০৭.
প্যারিস শান্তি চুক্তি কোন যুদ্ধের সাথে যুক্ত?
  1. কোরিয়ান যুদ্ধ
  2. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  3. আফগানিস্তান যুদ্ধ
  4. ইরাক যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

প্যারিস শান্তি চুক্তি (১৯৭৩):
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২৭ জানুয়ারি ১৯৭৩ সালে।
- স্থান প্যারিস, ফ্রান্স ।
- প্রধান পক্ষসমূহ : যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ভিয়েতনাম (DRV), দক্ষিণ ভিয়েতনাম (RVN), ভিয়েতকং (PRG) ।
- প্রধান উদ্দেশ্য : ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুদ্ধবিরতি, যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার, এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানগুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী- যুক্তরাষ্ট্রের সকল সৈন্য ৬০ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা। 
- দক্ষিণ ভিয়েতনামে আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে নির্বাচন প্রধান আলোচক যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে: হেনরি কিসিঞ্জার
- উত্তর ভিয়েতনামের পক্ষে: লে দুক থো ।প্রভাব- যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার (১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে সম্পূর্ণ)
- ১৯৭৫ সালে উত্তর ভিয়েতনাম সায়গন দখল করে ভিয়েতনাম পুনর্মিলিত হয় ।
- নোবেল শান্তি পুরস্কার ১৯৭৩ সালে হেনরি কিসিঞ্জার এবং লে দুক থো (কিন্তু লে দুক থো পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন)

উৎস: হিস্টোরী. কম।

১,২০৮.
'সাফটা' (SAFTA) চুক্তি কত সালে সম্পাদিত হয়?
  1. ১৯৯৮
  2. ২০০২
  3. ২০০৪
  4. ২০০৯
সঠিক উত্তর:
২০০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (SAFTA) ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি ইসলামাবাদে ১২তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৬ সালে কার্যকর হয়।

সাফটা চুক্তি: 

- 'সাফটা' (SAFTA) চুক্তি ২০০৪ সালে সম্পাদিত হয়।
- এটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) এর সদস্য দেশসমূহের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- SAFTA চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শুল্ক ও বাণিজ্য বাধা কমিয়ে আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গঠন করা।
- এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান—এই ৮টি দেশ অন্তর্ভুক্ত। [জুলাই - ২০২৫] 

SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- SAARC দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ৭টি—বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান ও মালদ্বীপ।
- এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠা ঢাকায় হয় এবং প্রথম সম্মেলনও ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- আফগানিস্তান SAARC-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয়।
- আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল ৮ম সদস্য হিসেবে সার্কে যোগ দেয়।
- এটি SAARC-এ যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ।[জুলাই - ২০২৫]
- বর্তমানে SAARC-এর মোট সদস্য সংখ্যা ৮টি।[জুলাই - ২০২৫]

সূত্র: SAARC ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।

১,২০৯.
স্নায়ু যুদ্ধ পরবর্তীকালে পূর্ব ইউরোপের যে দেশটি শান্তি পূর্ণভাবে বিভক্ত হয়েছে?
  1. ক) চেকস্লোভাকিয়া
  2. খ) হাঙ্গেরি
  3. গ) পূর্ব জার্মানি
  4. ঘ) কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) চেকস্লোভাকিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চেকস্লোভাকিয়া
ব্যাখ্যা

১৯৮৯ সালে সাবেক চেকস্লোভাকিয়া সংঘটিত সহিংস সমাজতন্ত্র বিরোধী রাজনৈতিক আন্দোলন ভেলভেট বিপ্লব নামে পরিচিত।
এই বিপ্লবকে Gentle Revolution নামে অভিহিত করা হয়।
স্নায়ু যুদ্ধ পরবর্তীকালে পূর্ব চেকস্লোভাকিয়া ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি শান্তি পূর্ণভাবে ভেঙে দুটি পৃথক রাষ্ট্রের জন্ম হয় যথা চেকপ্রজাতন্ত্র এবং স্লোভাকিয়া।

- Czechoslovakia, Czech and Slovak Československo, former country in central Europe encompassing the historical lands of Bohemia, Moravia, and Slovakia.
- Czechoslovakia was formed from several provinces of the collapsing empire of Austria-Hungary in 1918, at the end of World War I.
- In the interwar period it became the most prosperous and politically stable state in eastern Europe. It was occupied by Nazi Germany in 1938–45 and was under Soviet domination from 1948 to 1989.
- On January 1, 1993, Czechoslovakia separated peacefully into two new countries, the Czech Republic and Slovakia.

উৎস: Britannica.com

১,২১০.
আলজিয়ার্স চুক্তি অনুমোদিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে 
  2. খ) ১৯৭৬ সালে
  3. গ) ১৯৭৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:

- ১৯৭৬ সালে আলজিয়ার্স চুক্তি অনুমোদিত হয়।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি সাক্ষরিত হয় ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় আলজেরিয়ার রাজধানীতে আলজিয়ার্স চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে সাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,২১১.
CWC-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. জৈবিক অস্ত্র উৎপাদন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা
  2. রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা
  3. পারমাণবিক অস্ত্র সীমিতকরণ
  4. বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সীমিত করা
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা
ব্যাখ্যা

• Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

১,২১২.
নিচের কোন চুক্তিতে ভারত ও পাকিস্তান স্বাক্ষর করেনি?
  1. ক) স্টার্ট-১
  2. খ) স্টার্ট-২
  3. গ) এনপিটি
  4. ঘ) রিও চুক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) এনপিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এনপিটি
ব্যাখ্যা

NPT- Non -Proliferation Treaty চুক্তিতে ভারত ও পাকিস্তান স্বাক্ষর করেনি ।
- এছাড়াও ইসরায়েল এবং দক্ষিণ সুদান এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ।
- NPT চুক্তি কার্যকর হয় ৫ মার্চ ১৯৭০ সালে ।
- উত্তর কোরিয়া এই চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে ২০০৩ সালে।

সূত্র:Britannica.com

১,২১৩.
ইরাকের পক্ষে আলজিয়ার্স চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. মুহাম্মদ ফাদেল আল-জামালি
  2. আরশাদ আল-উমারি
  3. সাদউন হাম্মাদি
  4. সাদ্দাম হোসেন
সঠিক উত্তর:
সাদ্দাম হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদ্দাম হোসেন
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এই চুক্তিটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,২১৪.
১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনে কতটি চুক্তি ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
  2. ৩টি চুক্তি ও ৪টি প্রটোকল
  3. ৩টি চুক্তি ও ২টি প্রটোকল
  4. ৩টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
১,২১৫.
বসনিয়ায় যুদ্ধ বিরতি স্বাক্ষরের মধ্যস্থতাকারী কে?
  1. ক) বিল ক্লিনটন
  2. খ) জিমি কার্টার
  3. গ) নিক্সন
  4. ঘ) রিগান
সঠিক উত্তর:
ক) বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina। বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।

- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।

তথ্যসূত্রঃ হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।

১,২১৬.
কোন চুক্তির মাধ্যমে 'European Economic Community' গঠিত হয়?
  1. রোম চুক্তি
  2. ভিয়েনা চুক্তি
  3. ব্রাসেলস চুক্তি
  4. ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা
EEC:
- EEC-এর পূর্ণরূপ: European Economic Community বা ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়।
- ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ পশ্চিম ইউরোপের ৬টি দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ‘রোম চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- এই চুক্তির ফলে European Economic Community গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপিয়ান দেশগুলো তাদের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য একটি অর্থনৈতিক জোট গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করে।
• ১৮ এপ্রিল, ১৯৫১ সালে প্যারিসে একচুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয় কয়লা ও ইস্পাত পরিষদ (ECSE- European Coal and Steel Community) গঠিত হয়।
• ২৫ মার্চ, ১৯৫৭ সালে বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস্, ইতালি ফ্রান্স ও সাবেক পশ্চিম জার্মানী এ ৬টি রাষ্ট্রের মধ্যে 'রোম চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তি অনুযায়ী ১৭ জানুয়ারি, ১৯৫৮ সালে European Economic Community (EEC) এবং Euratom প্রতিষ্ঠিত হয়।
• পরবর্তীতে EEC একটি একক ইউরোপিয় অর্থনীতি গঠন করার প্রয়াস চালায়।
- ১৯৬৫ সালে সম্পাদিত 'ব্রাসেলস চুক্তি' সংগঠনটিকে European Community (EC) রূপান্তরিত করে।
• ১৯৯২ সালে স্বাক্ষরিত 'ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি'র ভিত্তিতে EC রূপান্তরিত হয়ে বর্তমান ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন European Union (EU) হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

উৎস: Britannica.
১,২১৭.
উই রিভার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ক) PLO ও ইসরায়েলের মধ্যে
  2. খ) ইরাক ও ইরানের মধ্যে
  3. গ) লিবিয়া ও সিরিয়ার মধ্যে
  4. ঘ) জর্ডান ও ইসরায়েলের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
ক) PLO ও ইসরায়েলের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) PLO ও ইসরায়েলের মধ্যে
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি
• ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি আলোচনা ভেঙ্গে গিয়ে অচলাবস্থা সৃষ্ঠি হলে ১৯৯৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় উই রিভার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
• চুক্তি স্বাক্ষরের সময়কাল - ২৩ অক্টোবর, ১৯৯৮ সাল।
• চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
• পক্ষসমূহ - PLO ও ইসরায়েল

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,২১৮.
পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী নিম্নের কোন দেশ CTBT চুক্তি অনুমোদন করেছে?
  1. ইসরায়েল
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
সিটিবিটি চুক্তি (CTBT)
CTBT - এর পূর্ণরূপ - Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty। এটি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা বন্ধের একটি বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক চুক্তি। অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তাবক্রমে জাতিসংঘের উদ্যোগে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

এক নজরে CTBT:
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- বর্তমানে চুক্তিটি স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৮৫অনুমোদনকারী দেশ - ১৭২টি
- সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী দেশ: কিউবা (৪ ফেব্রুয়ারি,২০২১), ১৮৫-তম। কিউবা একই দিন ১৬৯-তম দেশ হিসেবে চুক্তি অনুমোদন করে।
- সর্বশেষ অনুমোদনকারী দেশ: টুভ্যালু (৩১ মার্চ, ২০২২), ১৭২-তম।

- চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার জন্য দ্বিতীয় পরিশিষ্ট (Annex 2) - এর ৪৪টি দেশের অনুমোদন প্রয়োজন। এই দেশগুলো পারমাণবিক প্রযুক্তির অধিকারী দেশ হিসাবে বিবেচিত।
- কিন্তু উল্লেখিত ক্যাটাগরিভুক্ত দেশ - যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইরান, ইসরায়েল, উত্তর কোরিয়া, ভারত ও পাকিস্তান - অনুমোদন না করায় চুক্তিটি কার্যকর হয় নি।
- পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়া, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য (৩টি দেশ) চুক্তিটি স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেছে।

উৎস: CTBT ওয়েবসাইট।
১,২১৯.
মদিনা সনদে কতটি ধারা রয়েছে?
  1. ক) ২৫টি
  2. খ) ৩২টি
  3. গ) ৪২টি
  4. ঘ) ৪৭টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৭টি
ব্যাখ্যা
মদিনা সনদকে পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান বলা হয়।
মদিনা ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী ইহুদী, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক এবং ‍মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতির জন্যে হযরত ‍মুহাম্মদ (স.) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে ‘মদিনা সনদ’ স্বাক্ষর করেন।
এই সনদে ৪৭টি ধারা ছিলো।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস ১মপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১,২২০.
জেনেভা কনভেনশনে কয়টি চুক্তি রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশনে ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে। 
- জেনেভা কনভেনশন হলো ১৮৬৪ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে জেনেভাতে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের একটি সিরিজ, যা যুদ্ধের সময় সৈন্য ও বেসামরিক জনগণের মানবিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তিগুলোর মাধ্যমে যুদ্ধকালীন সময়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা যুদ্ধের সময় মানবাধিকারের সুরক্ষায় সহায়ক।
- জেনেভা কনভেনশন যুদ্ধকালীন মানবাধিকারের সুরক্ষায় একটি বৈশ্বিক মাইলফলক এবং এটি আজও আন্তর্জাতিক আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
i) জেনেভা কনভেনশন প্রথমবার গৃহীত হয় ১৮৬৪ সালে, যা রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা অঁরি দুঁনার-এর উদ্যোগে।
- আহত সৈন্যদের চিকিৎসাকেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নিরাপত্তা।
- সকল যোদ্ধার প্রতি নিরপেক্ষ আচরণ।
- আহতদের সহায়তায় নিয়োজিত বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষা।
- রেড ক্রস প্রতীককে সুরক্ষা ও শনাক্তকরণের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ।
ii) ১৯০৬: প্রথম চুক্তি সংশোধন ও সম্প্রসারণ।
iii) ১৯২৯: তৃতীয় চুক্তি, যেখানে যুদ্ধবন্দীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং তাদের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
iv) ১৯৪৯: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে চারটি নতুন কনভেনশন গৃহীত হয়:
- স্থলযুদ্ধে আহতদের জন্য।
- সমুদ্রে আহত এবং উদ্ধারকৃতদের জন্য।
- যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা।
- যুদ্ধকালীন সময়ে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা।

উৎস: Britannica.
icrc.org
১,২২১.
ভারতের পক্ষে তাসখন্দ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. রাজেন্দ্র প্রসাদ
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  4. জওহরলাল নেহরু
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।
১,২২২.
'Kellogg-Briand Pact' নামে পরিচিত কোন চুক্তি?
  1. ক) সোভিয়েত-পোলিশ প্যাক্ট
  2. খ) লন্ডন প্যাক্ট
  3. গ) প্যারিস প্যাক্ট
  4. ঘ) বলকান প্যাক্ট
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারিস প্যাক্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারিস প্যাক্ট
ব্যাখ্যা
প্যারিস প্যাক্ট  (Pact of Paris)
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার থেকে মানুষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন হয়। শান্তিরক্ষার অংশ হিসাবে প্যারিস প্যাক্ট - ১৯২৮ স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির অন্যনাম - Kellogg-Briand Pact।
⤇ তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Frank B. Kellogg ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী - Aristide Briand আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন।
- চুক্তিটি স্বাক্ষর হয় - ২৭ আগস্ট, ১৯২৮ সালে ও কার্যকর হয় - ২৪ জুলাই, ১৯২৯ সালে।
এই চুক্তির ফলে যুদ্ধ এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়।
অন্যদিকে,
প্যারিস শান্তি চুক্তি (Paris Peace Accords) - যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে ১৯৭৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ (Treaty of Paris - 1783) - ১৭৮৩ সালে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্‌ - এর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎসঃ History.com
১,২২৩.
GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. Tokyo Round
  2. Uruguay Round
  3. Kennedy Round
  4. Torquay Round
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
ব্যাখ্যা

⇒ GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

⇒ GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড Uruguay Round.

⇒ উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

১,২২৪.
গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED)-এ কয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে? 
  1. ১১টি
  2. ৩৩টি
  3. ৪০টি
  4. ৪৫টি
সঠিক উত্তর:
৪৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫টি
ব্যাখ্যা

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED):
- ICPPED-এর পূর্ণরূপ: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬। 
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০। 
- ICPPED জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা এনফোর্স ডিসএপিয়ান্সকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।
- সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ আছে। 

⇒ আগস্ট ২৯, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে। 

উল্লেখ্য,
- ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস। 

উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

১,২২৫.
ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে যে শান্তিচুক্তি হয়, তার নাম -
  1. ক্রস সার্ভিসিং চুক্তি
  2. আব্রাহাম অ্যাকর্ড
  3. এয়ার বাবল চুক্তি
  4. ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম অ্যাকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম অ্যাকর্ড
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস:
- আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হলো ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি।
- ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন এই চুক্তির মধ্যমে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করে।
- কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০।
- ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতাতেই এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তির দিনটিকে 'নতুন মধ্যপ্রাচ্যের ভোর' নামে অভিহিত করেন।

উৎস: Britannica.
১,২২৬.
ঐতিহ্যগতভাবে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন কোন মাসে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. জানুয়ারি
  2. ফেব্রুয়ারি
  3. মার্চ
  4. জুন
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
◉ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- ২০২৪ সালে ৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।

সূত্র: সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট, বাসস।
১,২২৭.
ইসরায়েল এবং পিএলও এর মধ্যে কত সালে শান্তি চুক্তি হয়েছিল?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইসরায়েল এবং পিএলও এর মধ্যে শান্তি চুক্তি: 

- ১৯৯৩ সালে পিএলও এবং ইসরায়েলের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি হয়েছিল। 
- এটি ছিল দুপক্ষের মধ্যে প্রথম শান্তি চুক্তি।
- ওয়াশিংটন ডিসিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন এবং পিএলও-এর চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন। 
- এটি অসলো অ্যাকর্ডস নামে পরিচিত। 
- এ চুক্তির ধারাবাহিকতায় মিশরের তাবায় ১৯৯৫ সালে অসলো চুক্তি ২ স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ১৯৯৯ সালের মে মাসের মধ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতের সমাধান করা। 
- ১৯৬৭ সালের যুদ্ধ শুরু হওয়ার কিছু আগে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গেনাইজেশন (পিএলও) গঠিত হয়েছিল। 
- ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী ফাতাহ এর মধ্যে সবচেয়ে বড় দল ছিল।  
- পিএলও সহিংসতা এবং সন্ত্রাসবাদের পথ পরিহার করে ইসরায়েলের অস্তিত্ব স্বীকার করে এবং শান্তির অঙ্গীকার করে এ চুক্তির মাধ্যমে। 
- হামাস কখনোই এই চুক্তি মানেনি।
- এই চুক্তির অধীনেই গঠিত হয়েছিল 'প্যালেস্টিনিয়ান ন্যাশনাল অথরিটি' বা ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষ।
- ২০১৫ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে এই শান্তি চুক্তি মেনে চলতে অপারাগতা জানান। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং বিবিসি নিউজ- ২২ অগাস্ট, ২০১৮।
১,২২৮.
যে দেশ এসডিআই প্রতিরক্ষা কর্মসূচী গ্রহণ করেছে-
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
Strategic Defense Initiative (SDI), byname Star Wars, proposed U.S. strategic defensive system against potential nuclear attacks—as originally conceived, from the Soviet Union.
The SDI was first proposed by President Ronald Reagan in a nationwide television address on March 23, 1983.

Source: Britannica
১,২২৯.
কোন দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বন্দি বিনিময় চুক্তির মধ্যস্থতা করে?
  1. সিঙ্গাপুর
  2. কাতার
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. সুইডেন
সঠিক উত্তর:
কাতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাতার
ব্যাখ্যা
চুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচিত বন্দিবিনিময়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
- এ প্রক্রিয়ার শর্তের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে জব্দ করা ইরানের ৬০০ কোটি ডলার কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়েছে।
- দক্ষিণ কোরিয়ায় জব্দ থাকা এসব অর্থ প্রথমে সুইজারল্যান্ডের একটি ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়।
- সমঝোতা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই দেশের ৫ জন করে ১০ বন্দীকে মুক্তি দেবে।
- কাতারের রাজধানী দোহায় এই বন্দিবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।
- বন্দিবিনিময়ের এই সমঝোতায় মধ্যস্থতা করছে কাতার।

উৎস: রয়টার্স ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,২৩০.
রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯১ সাল
  2. ১৯৯৩ সাল
  3. ১৯৯২ সাল
  4. ১৯৯৫ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সাল
ব্যাখ্যা

⇒ রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি (Chemical Weapons Convention)।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩।
- কার্যকর হয়েছিল: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- চুক্তিটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল Organistion for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW).
- জাতিসংঘের উদ্যোগে এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছিল।
- এই চুক্তির আওতাধীন থাকলেও মিশর, ইসরাইল, উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ সুদান এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ বাংলাদেশ OPCW চুক্তি স্বাক্ষর করে - ১৪ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে - ২৫ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- চুক্তি কার্যকর করে - ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

১,২৩১.
সমুদ্রতলের নিচে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন বন্ধে স্বাক্ষরিত চুক্তি কোনটি?
  1. Antarctic Treaty
  2. START I
  3. Seabed Arms Control Treaty
  4. Inner Ocean Treaty
সঠিক উত্তর:
Seabed Arms Control Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Seabed Arms Control Treaty
ব্যাখ্যা

• Seabed Arms Control Treaty: 
- Seabed Arms Control Treaty বা সমুদ্রতলের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আন্তর্জাতিক সংঘাত সমুদ্রতলের দিকে ছড়িয়ে পড়া রোধ করে।
- সমুদ্রতলের যেকোনো অনুসন্ধান শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে হবে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন একটি খসড়া উপস্থাপন করে যেখানে ১২ মাইলের বেশি সমুদ্রতলের সম্পূর্ণ অসামরিকীকরণের আহ্বান জানানো হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তিন মাইলের বেশি সমুদ্রতলের উপর পারমাণবিক অস্ত্র এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্র স্থাপন নিষিদ্ধ করে একটি চুক্তির খসড়া তৈরি করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে যে সম্পূর্ণ অসামরিকীকরণ সম্ভব হবে না কারণ সাবমেরিন সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রযুক্তি মার্কিন প্রতিরক্ষা স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- যাচাইকরণের ক্ষেত্রে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন আবারও দ্বিমত পোষণ করে, তবে রাষ্ট্রগুলি তাদের নিজস্ব উপায়ে যাচাইকরণ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১ সাল। 
- কার্যকর: ১৮ মে ১৯৭২ সাল। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৯ সালে স্বাক্ষরিত অ্যান্টার্কটিক চুক্তি হলএকটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি যা অ্যান্টার্কটিকাকে শান্তি ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, সামরিক কার্যকলাপ এবং খনিজ শোষণ নিষিদ্ধ করে।
- START I (কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তি) ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি

তথ্যসূত্র: Arms Control Association

১,২৩২.
সিমলা চুক্তিতে ভারতের পক্ষ থেকে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. রাজীব গান্ধী
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. মনমোহন সিং
  4. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী
ব্যাখ্যা

- স্বাক্ষরকারী: ইন্দিরা গান্ধী (ভারতের প্রধানমন্ত্রী)।

সিমলা চুক্তি:
 
- এটি ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক শান্তি চুক্তি।
- ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও পাকিস্তানের পরাজয়-এর পর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রয়াস

• চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ২ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরস্থল: Barnes Court (বর্তমানে রাজভবন), সিমলা, ভারত।
- আলোচনার সময়কাল: ২৮ জুন – ২ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- স্বাক্ষরকারী: ইন্দিরা গান্ধী (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) ও জুলফিকার আলি ভুট্টো (পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১,২৩৩.
ABM চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাজ্য
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
১,২৩৪.
নিম্নের কোন দেশগুলোতে ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল?
  1. ক) মালি, ঘানা ও লাইবেরিয়া
  2. খ) সোমালিয়া, ইরিত্রিয়া, ও দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. গ) ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওস
  4. ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও উত্তর কোরিয়ায়
সঠিক উত্তর:
গ) ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওস
ব্যাখ্যা
ডমিনো তত্ত্ব (Domino Theory)
• ডমিনো তত্ত্ব-এর মূল কথা হচ্ছে কোনো একটি দেশে যদি সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে তার পাশের এবং আশেপাশের দেশগুলোও এই মতাদেশে উদ্বুদ্ধ হবে এবং এক সময় রাষ্ট্রগুলো সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
• তবে প্রেসিডেন আইসেনহাওয়ার এর ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিলের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো পরোক্ষভাবে ডমিনো তত্ত্ব-এর কথা বলেছিলেন। মূল বিষয় ছিল কোনো অবস্থাতেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অন্যত্র সমাজতন্ত্রের প্রসারকে এগিয়ে নিজে যেতে দেয়া যাবে না। প্রয়োজনে সেইসব দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ কর হবে। 

তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১,২৩৫.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশনটি গৃহীত হয়?
  1. ২৯ অক্টোবর, ২০০৩ 
  2. ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫
  3. ৩১ অক্টোবর, ২০০৩
  4. ১২ ডিসেম্বর, ২০০৫
সঠিক উত্তর:
৩১ অক্টোবর, ২০০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ অক্টোবর, ২০০৩
ব্যাখ্যা

UNCAC:
- জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশন (UNCAC):
- UNCAC এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention Against Corruption.
- জাতিসংঘের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয়: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫।
- স্বাক্ষরস্থল: মেরিডা, মেক্সিকো।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২০০৭ সালে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১,২৩৬.
মিসর ও ইসরাইলের মধ্যে স্বাক্ষরিত ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মধ্যস্থতাকারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. রোনাল্ড রিগ্যান
  2. জিমি কার্টার
  3. জন এফ কেনেডি
  4. রিচার্ড নিক্সন
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- Camp David চুক্তি ও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব রাষ্ট্র জর্ডান ও মিশর।
- ১৯৯৪ সালে Israel-Jordan Peace Treaty স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির পরোক্ষ ফলাফল হিসেবে)।
- ১৯৯৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে জর্ডান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।

উৎস: Britannica.

১,২৩৭.
অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬৬
  2. ১৯৭৬
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৬৫
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি ১৯৬৬ সালের ১৬ই ডিসেম্বর সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত ২২০০ ক (২১) মোতাবেক স্বাক্ষরদান, অনুসমর্থন ও যোগদানের জন্য গৃহীত ও উন্মুক্ত হয়।
- চুক্তির ধারা ৪৯ অনুযায়ী ১৯৭৬ সালের ২৩শে মার্চ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: Live MCQ

১,২৩৮.
INF চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন ?
  1. ক) রিচার্ড নিক্সন ও মিখাইল গর্বাচেভ
  2. খ) রোনাল্ড রিগ্যান ও মিখাইল গর্বাচেভ
  3. গ) ব্রেজনেভ ও রোনাল্ড রিগ্যান
  4. ঘ) ব্রেজনেভ ও রিচার্ড নিক্সন
সঠিক উত্তর:
খ) রোনাল্ড রিগ্যান ও মিখাইল গর্বাচেভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রোনাল্ড রিগ্যান ও মিখাইল গর্বাচেভ
ব্যাখ্যা

INF চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন রোনাল্ড রিগ্যান ও মিখাইল গর্বাচেভ।
- INF (Intermediate - range Nuclear Forces Treaty) এটি হলো যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি।
- সেই সময় দুই পরাশক্তি সম্মত হয়েছিল যে, তারা তাদের পারমাণবিক ক্ষমতা সম্পন্ন সব মিসাইল ধ্বংস এবং পাঁচশো থেকে সাড়ে পাঁচহাজার কিলোমিটার দূরে আঘাত হানার ক্ষমতা সম্পন্ন মিসাইলগুলো স্থায়ীভাবে অকেজো করে ফেলবে।

সূত্র: Britannica.com

১,২৩৯.
৪র্থ জেনেভা কনভেনশনের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. যুদ্ধাপরাধের বিচার ও শাস্তি
  2. আহত ও অসুস্থ যোদ্ধাদের চিকিৎসা
  3. যুদ্ধবন্দীদের সাথে আচরণ
  4. যুদ্ধকালীন বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষা
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধকালীন বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধকালীন বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

১,২৪০.
কোথায় শেনজেন (Schengen) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৫ সালে ডেনমার্কে
  2. ১৯৮৪ সালে বেলজিয়ামে
  3. ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে
  4. ১৯৯৬ সালে হাঙ্গেরিতে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি (Schengen):
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- শেনজেনভুক্ত দেশ: ২৯টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাকি ২৫টি দেশ এবং ইইউর বাইরের চার দেশ সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিচেনস্টাইন শেনজেন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া।
- ২০২৪ সালের মার্চে ইউরোপে অবাধ চলাচলের শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।
১,২৪১.
নানকিং চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৮১৫ সালে
  2. ১৮৩৯ সালে
  3. ১৮৪২ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৪২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৪২ সালে
ব্যাখ্যা

নানকিং চুক্তি: 
- চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- এই চুক্তিটি আফিম যুদ্ধের পর স্বাক্ষরিত হয়।
- আফিম যুদ্ধ শুরু হয়েছিল চীনে আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে,
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল।
- কিন্তু ব্রিটিশরা আফিম আমদানিতে অব্যাহত ছিল, যার ফলে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধে চীনারা পরাজিত হয় এবং চীনে ব্রিটেনের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হয়, এর অংশ হিসেবে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা। 

১,২৪২.
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পানি প্রাপ্তির বিধান রয়েছে কত কিউসেক?
  1. ক) ৩০ হাজার
  2. খ) ৩২ হাজার
  3. গ) ৩৫ হাজার
  4. ঘ) ৩৭ হাজার
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫ হাজার
ব্যাখ্যা
• ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মেয়াদকাল ৩০ বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে এর মেয়াদ শেষ হবে।
- চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি প্রাপ্তির বিধান থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া
১,২৪৩.
শাটল ডিপ্লোমেসির ফলে কোন চুক্তির পথ প্রশস্ত হয়?
  1. অসলো চুক্তি
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. গুড ফ্রাইডে চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা

Shuttle Diplomacy:
- 'শাটল ডিপ্লোমেসি' (Shuttle Diplomacy) হলো একটি কূটনৈতিক কৌশল, যেখানে তৃতীয় পক্ষের একজন মধ্যস্থতাকারী দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা পাঠায় এবং তাদের মধ্যে আলোচনা বা সমঝোতার জন্য পরিবেশ তৈরি করে।
- এই ধরনের কূটনীতি সাধারণত সংঘর্ষ বা জটিল পরিস্থিতি সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
- 'Shuttle Diplomacy' ধারণাটি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

উল্লেখ্য,
- শাটল ডিপ্লোমেসি (Shuttle Diplomacy) শব্দটি প্রথম জনপ্রিয় হয় হেনরি কিসিঞ্জারের মাধ্যমে ১৯৭৩-৭৫ সালে ইয়োম কিপ্পুর যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে (ইসরায়েল-মিশর-সিরিয়া)।
- তিনি বিমানে বারবার যাতায়াত করে (শাটলের মতো) দুই পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চালিয়ে সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি করেন।
- এই কৌশলের ফলে যে বড় চুক্তির পথ প্রশস্ত হয় তা হলো ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords)।
- কিসিঞ্জারের শাটল ডিপ্লোমেসি মিশর-ইসরায়েলের মধ্যে ধাপে ধাপে আস্থা তৈরি করে যা পরে প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় ক্যাম্প ডেভিডে পূর্ণ শান্তি চুক্তির ভিত্তি হয়।

অন্যদিকে,
- অসলো চুক্তি (Oslo Accords): গোপন আলোচনা চুক্তি সম্পাদিত হয়, শাটল ডিপ্লোমেসি নয়।
- ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement): বসনিয়া যুদ্ধের শেষে আমেরিকার ডেটনে সরাসরি আলোচনা।
- গুড ফ্রাইডে চুক্তি (Good Friday Agreement): উত্তর আয়ারল্যান্ডে দীর্ঘ আলোচনা, শাটল ডিপ্লোমেসি নয়।

উৎস: Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট।

১,২৪৪.
‘পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ’ চুক্তি কার্যকর হয় কবে?
  1. ক) ১ জানুয়ারি ২০২১
  2. খ) ২২ জানুয়ারি ২০২১
  3. গ) ৩০ জানুয়ারি ২০২১
  4. ঘ) ২০ ডিসেম্বর ২০২০
সঠিক উত্তর:
খ) ২২ জানুয়ারি ২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২২ জানুয়ারি ২০২১
ব্যাখ্যা
পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই ‘পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি’ গৃহিত হয়।
এটি ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়। ৫০তম দেশ হিসেবে হন্ডুরাস গত ২৪ অক্টোবর ২০২০ চুক্তিটি অনুমোদন করায় ২০২১ সালের ২২শে জানুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
চুক্তিটিতে বর্তমান পর্যন্ত ৮৬টি দেশ স্বাক্ষর করেছে।
বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,২৪৫.
গুড ফ্রাইডে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্দেশ্য ছিলো-
  1. ক) উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় কনফেডারেটদের সাথে শান্তি চুক্তি
  3. গ) ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মধ্যে শান্তি স্থাপন
  4. ঘ) ফকল্যান্ড যুদ্ধের অবসান
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপন
ব্যাখ্যা
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে তিন দশক ধরে চলা সহিংসতা বন্ধে ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড সরকার এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ১৯৯৮ সালের ১০ এপ্রিল গুড ফ্রাইডে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- শুক্রবারে স্বাক্ষরিত হওয়ায় এটিকে গুডফ্রাইডে চুক্তি বলা হয়। তবে এটি অফিশিয়ালভাবে বেলফাস্ট চুক্তি নামে পরিচিত।
- এই চুক্তির মাধ্যমে উত্তর আয়ারল্যান্ডে ইউনিয়নিস্ট ও ন্যাশনালিস্টদের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির মাধ্যমে সরকার গঠনের বিধান গৃহিত হয়।
(সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
১,২৪৬.
অটোয়া চুক্তি কী সম্পর্কিত কনভেনশন?
  1. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  3. ক্ষেপণাস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট নিষিদ্ধকরণ
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি: 
- অটোয়া চুক্তি অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন নিষিদ্ধকরণ, মজুদ, উৎপাদন ও স্থানান্তর এবং সেগুলোর ধ্বংস সংক্রান্ত কনভেনশন। 
- এটি অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন ব্যান কনভেনশন, অটোয়া কনভেনশন, বা মাইন ব্যান চুক্তি নামেও পরিচিত।
- এটি হলো অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন দ্বারা সৃষ্ট দুর্ভোগ ও প্রাণহানি বন্ধের জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার মূল ভিত্তি।
- এই চুক্তির সূচনা হয় অটোয়া প্রক্রিয়া (Ottawa Process) নামক একটি উদ্যোগের মাধ্যমে, যা ছিল এক ধরনের "সাহসী পদক্ষেপ"।
- এই প্রক্রিয়া সফল হয় মূলত আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু ব্যান ল্যান্ডমাইনস এবং রেড ক্রস ইন্টারন্যাশনাল কমিটি-এর জোরালো প্রচারণা ও একদল নিষেধাজ্ঞা-সমর্থক রাষ্ট্রের অংশগ্রহণের ফলে।
- তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ১৯৯৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর নরওয়ের অসলো শহরে এই কনভেনশন গৃহীত হয়।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর শুরু হয় ৩-৪ ডিসেম্বর ১৯৯৭, কানাডার অটোয়াতে, এবং এটি খোলা থাকে যতক্ষণ না কনভেনশনটি ১ মার্চ ১৯৯৯-এ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।

উৎস: Anti-Personnel Mine Ban Convention ওয়েবসাইট।
১,২৪৭.
‘ডেটন চুক্তি’ আনুষ্ঠানিকভাবে কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. মিউনিখ
  2. প্যারিস
  3. নিউইয়র্ক
  4. আলাক্সা
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
ব্যাখ্যা

ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার যুদ্ধ ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর। 
- এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল এক ‘অসম’ শান্তিচুক্তির হাত ধরে।
- ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর সই হয় ‘জেনারেল ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট ফর পিস’ শীর্ষক সেই শান্তিচুক্তি, যা ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- চুক্তিতে বলা হয়, চুক্তি সইকারী পক্ষগুলো পরস্পরকে স্বীকৃতি দেবে, জাতিগত ঐক্য বজায় রাখবে, একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সবাই মধ্যস্থতা করবে। 
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।

⇒ প্রাথমিক স্বাক্ষর: ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: ডেটন, ওহাইও, যুক্তরাষ্ট্র)।
- আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স)।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.

১,২৪৮.
তাশখন্দ চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৫ সাল
  2. ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৫ সাল
  3. ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সাল
  4. ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সাল
ব্যাখ্যা
তাশখন্দ চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয়: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সাল। 
- স্থান: তাশখন্দ, উজবেকিস্তান (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন)। 
- স্বাক্ষরকারী: ভারতের প্রধানমন্ত্রী: লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট: মোহাম্মদ আইয়ুব খান। 
- উদ্দেশ্য: ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান। 
- ১৯৬৫ সালের আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- সেপ্টেম্বর ২২, ১৯৬৫ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়।
- লাল বাহাদুর শাস্ত্রী তাশখন্দ ঘোষণার পরদিন (১১ জানুয়ারি, ১৯৬৬) রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
- পাকিস্তানে এই চুক্তিকে জনসাধারণের অনেকাংশ "পরাজয়ের দলিল" হিসেবে দেখেছিল।
- তাশখন্দ চুক্তি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শান্তি চুক্তি হলেও, এটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আনতে ব্যর্থ হয়। 

উৎস: Britannica.
১,২৪৯.
উই রিভার চুক্তিটি কত সালে সাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি:

- উই রিভার চুক্তিটি কত সালে সাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে
- ইসরাইল ও পিএলও এর মধ্যে এই চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যে সাক্ষরিত হয়।
- বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,২৫০.
What is the content of the Treaty of Algiers?
  1. Recognition of Israel by Algeria
  2. End of conflict over Shat-il Arab
  3. PLO-Israel mutual recognition
  4. Solving the Golan Heights crisis
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
End of conflict over Shat-il Arab
উত্তর
সঠিক উত্তর:
End of conflict over Shat-il Arab
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তির বিষয়বস্তু হলো শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ইরাক এবং ইরান।
- চুক্তির বিষয়: শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ই জুন, ১৯৭৫।
- চুক্তি অনুমোদন হয়: ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।

উল্লেখ্য,
- আলজিয়ার্স চুক্তি অকার্যকর হয় ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে।

উৎস: Britannica.
১,২৫১.
'পিস অফ প্যারিস' চুক্তির আওতাধীন মোট কয়টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
ব্যাখ্যা
পিস অব প্যারিস (Peace of Paris):
প্যারিস চুক্তির অপর নাম পিস অব প্যারিস। উপনিবেশ স্থাপন সংক্রান্ত বিষয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে ইউরোপের অন্যান্য কয়েকটি সাম্রাজ্যবাদী দেশের দ্বন্দ্ব বিদ্যমান ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই দেশগুলো ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তির সময় যুক্তরাজ্য অন্যান্য দেশ (ফ্রান্স, স্পেন ও ডাচ) - এর সাথে আলাদা আলাদা চুক্তি স্বাক্ষর করে। 
এই সময় মোট চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চারটি চুক্তিকে একত্রে “পিস অব প্যারিস” (Peace of Paris) বলে।

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
১,২৫২.
ওয়াঙ্গেরি মাথাই নিম্নের কোন আন্দোলনের সূত্রপাত করেন?
  1. ক) Save Silent Valley Movement
  2. খ) Fridays For Future
  3. গ) Green Belt Movement
  4. ঘ) Let’s Save the Planet
সঠিক উত্তর:
গ) Green Belt Movement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Green Belt Movement
ব্যাখ্যা
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট (Green Belt Movement)
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট - কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন। এর মাধ্যমে গ্রাম্য অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
⤇ শুরুর সময় - ১৯৭৭ সাল।
⤇ শুরুর স্থান - নাইরোবি, কেনিয়া।
⤇ গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু করেছিলেন কেনিয়ার নাগরিক প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই। তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

 
উৎস: গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা। 
১,২৫৩.
ইসরাইল-প্যালেস্টাইন 'রোডম্যাপ' কর্মসূচির উদ্দেশ্য কি?
  1. সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
  2. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন
  3. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে অবাধ বাণিজ্য স্থাপন
  4. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ
সঠিক উত্তর:
সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
ব্যাখ্যা
ইসরাইল-প্যালেস্টাইন 'রোডম্যাপ' কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উল্লেখ্য,
- সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস তখনি অসলো চুক্তির বিরোধিতা করেছিলো।
- পরে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের জায়গায় একটি নির্বাচিত সরকার সেখানকার ক্ষমতায় আসার কথা, যারা পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা মিলিয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।
- ফিলিস্তিনিদের দাবি ছিল, তাদের এই স্বাধীন রাষ্ট্রের রাজধানী হবে পূর্ব জেরুসালেম।
- অসলো চুক্তির ধারাবাহিকতায় পরে ১৯৯৫, ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালে বিভিন্ন জায়গায় উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
- এরপরে ২০০০ সালে ক্যাম্প ডেভিডে তখনকার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক ও ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতের মধ্যে আলোচনা হয়েছিলো প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের উদ্যোগে।
- ২০০০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের এই সংগ্রাম কালকে ‘দ্বিতীয় ইন্তিফাদা’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের যৌথ প্রচেষ্টায় একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়, যার লক্ষ্য ছিলো ২০০৫ সালের মধ্যে চূড়ান্ত আলোচনার পর্যায়ে আসা।

উৎস: i) ৯ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
          ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
১,২৫৪.
কোন সম্মেলন/চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা?
  1. ক) প্যারিস চুক্তি
  2. খ) কিয়োটো প্রটোকল
  3. গ) ভিয়েনা কনভেনশন
  4. ঘ) রিও সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
ক) প্যারিস চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম UNFCCC Conference of Parties (CoP-21) সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়।
- এতে মোট ১৯৬টি দেশ ও সংস্থা অংশ নেয়৷
- ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় এবং ৪ নভেম্বর এই চুক্তি কার্যকর হয়।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে একুশ শতকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫-২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

সূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,২৫৫.
নিচের কোন দুইটি দেশ আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষর করেছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
  2. ইরাক ও ইরান
  3. রাশিয়া ও চীন
  4. জার্মানি ও পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইরাক ও ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক ও ইরান
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এই চুক্তিটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ইরাক ও ইরান।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষর করেন:
• শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী (ইরান)।
• সাদ্দাম হোসেন (ইরাক)।

- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,২৫৬.
বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ডেটন শান্তি চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ডেটন শান্তি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটন শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ: বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
১,২৫৭.
ব্রাসলেস চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা কত?
  1. ৭টি
  2. ৫টি
  3. ৯টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

ব্রাসলেস চুক্তি:
- ব্রাসলেস চুক্তি মূলত সোভিয়ত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ডানকর্ন চুক্তির সম্প্রসারণ যার ফলে একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট তৈরি হয়।
- চুক্তিটি -১৭ মার্চ ১৯৪৮ স্বাক্ষর করা হয়।
- স্বাক্ষরকারী দেশ ৫ টি :
- চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী দেশ: বেলজিয়াম, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য।
- ১৯৪৮ সালের ব্রাসেলস চুক্তির লক্ষ্য ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলি সহযোগিতা করতে পারে তা দেখানো।
- এ চুক্তির ফলে ১৯৪৯ সালে ন্যাটো প্রতিষ্ঠার সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: Nato web.site এবং Britannica.

১,২৫৮.
ANZUS গঠনের লক্ষ্যে কবে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১ জুন, ১৯৫১
  2. ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১
  3. ১ আগস্ট, ১৯৫১
  4. ১ জুলাই, ১৯৫১
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- ধরন: ANZUS চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিরাপত্তা চুক্তি’ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিরাপত্তা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে এটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১,২৫৯.
‘টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র’কোন দেশের তৈরি?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইউক্রেন
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

- টমাহক হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূমি এবং সাগর— উভয় জায়গা থেকেই ছোড়া যায়।
- সাধারণত সাগরে যুদ্ধজাহাজ থেকে এটি ছোড়া হয়।
- টমাহক সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম,
- ব্যাপক শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রকে ঠেকাতে পারে না।
- যে কোনো দেশ বা ভূখণ্ডের গভীরে হামলার জন্য টমাহক আদর্শ ক্ষেপণাস্ত্র।
- এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০ ফুট লম্বা।
- বিমানের মতো টমাহকেও দু’টি পাখা থেকে।
- ক্ষেপণাস্ত্রের মাঝামাঝি জায়গায় থাকা দুই পাখার প্রস্থ সাড়ে ৮ ফুট এবং ওজন ১ হাজার ৫১০ কেজি।
- এটি নন-নিউক্লিয়ার, অর্থাৎ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়।

উৎস: রয়টার্স এবং দৈনিক যুগান্তর [লিংক]

১,২৬০.
কিয়োটো চুক্তিতে কতটি গ্যাস নিঃসরণের হার কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
কিয়োটো চুক্তি:

- কিয়োটো চুক্তি সাক্ষরিত হয় জাপানে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটোতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের সাত বছর পর ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়।
- ওই সম্মেলনে জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত ১৯১টি দেশ উপস্থিত ছিল।
- চুক্তিভুক্ত দেশগুলো যে ছয়টি গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ নেয় সেগুলো হলো
১. কার্বন ডাই-অক্সাইড,
২. মিথেন,
৩. নাইট্রাস অক্সাইড,
৪. হাইড্রোফ্লোরোকার্বন,
৫. পারফ্লোরোকার্বন ও
৬. সালফার।

তথ্যসূত্র - UNEP ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,২৬১.
তাসখন্দ চুক্তিতে ভারতের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. গুলজারীলাল নন্দা
  2. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  3. পিভি নরসিমহা রাও
  4. অটল বিহারী বাজপেয়ী
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা
• তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চির বৈরি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- তাসখন্দ সম্মেলনে বিবদমান এই দুই রাষ্ট্রকে পূর্বের চুক্তিগুলোর বাধ্যবাধকতা মেনে চলার জন্য বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর তরফ থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে চুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হলেও এটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১০ জানুয়ারি।
- পরবর্তীতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রি রহস্যজনকভাবে তাসখন্দে মৃত্যুবরণ করলে এটি ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব হিসেবেও উপমহাদেশে পরিচিতি পেতে শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,২৬২.
১৭৮৩ সালে প্যারিস চুক্তির দ্বিতীয় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় যে দুটি দেশের মধ্যে-
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি
  2. খ) রাশিয়া ও যুক্তরাজ্য
  3. গ) ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ (Treaty of Paris - 1783)
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা/বিপ্লবী যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে ব্রিটিশদের সাথে বিবাদমান পক্ষ সমূহের যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তাকে প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ বলে।
⤇ ১৭৮৩ সালে প্যারিসে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিবাদমান পক্ষগুলোর (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্‌) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
⤇ ১৭৭৮ সাল থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের Continental Congress - এর প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা শুরু করে। এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন - জন এডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন জে, থমাস জেফারসন ও হেনরি লরেন্স। ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান এবং চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেন।
⤇ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য, চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় - ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর।
এই সময় মোট ৪টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎসঃ হিস্টরি.কম

১,২৬৩.
'শাংরি-লা ডায়ালগ ২০২৫' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. চীন
  2. সিঙ্গাপুর 
  3. মালয়েশিয়া 
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর 
ব্যাখ্যা

শাংরি-লা ডায়ালগ ২০২৫ (Shangri-La Dialogue 2025):
- শাংরি-লা ডায়ালগ ২০২৫ (Shangri-La Dialogue 2025) সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
- এই সম্মেলনটি ২০২৫ সালের ৩০ মে - ১ জুন পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের শাংরি-লা হোটেল-এ অনুষ্ঠিত হয়। 
- এটি এশিয়ার প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলন শাংরি-লা ডায়ালগের ২২তম আসর। 
- এটি এশিয়ার শীর্ষ প্রতিরক্ষা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত এবং ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (IISS) দ্বারা আয়োজিত হয়।

⇒ ২০২৫ সালের শাংরি-লা ডায়ালগে ৪৭টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ৪০টি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, ২০টি দেশের সেনাপ্রধান এবং ২০টিরও বেশি উচ্চপদস্থ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
- সম্মেলনে আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে থাকবে—আঞ্চলিক সহযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নীতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, এবং সাম্প্রতিক মার্কিন শুল্ক নীতির প্রভাব।

উৎস: The International Institute for Strategic Studies.

১,২৬৪.
"Camp David Accords" কোন দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়েছিল?
  1. ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন
  2. ইসরায়েল ও সিরিয়া
  3. মিসর ও জর্ডান
  4. ইসরায়েল ও মিসর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও মিসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও মিসর
ব্যাখ্যা
• ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- পূর্ণ নাম: Camp David Accords.
- চুক্তির ধরন: শান্তি চুক্তি / দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা।
- চুক্তির তারিখ: সেপ্টেম্বর ১৭, ১৯৭৮ সাল।
- চুক্তির স্থান: ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র (মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবকাশযাপন কেন্দ্র)।

• সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ:
- মিশরের প্রেসিডেন্ট: আনোয়ার সাদাত,
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী: মোনাখেম বেগিন,
- মধ্যস্থতা করেন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

• চুক্তির মূল বিষয়বস্তু:
- মিশর ও ইসরায়েল একে অপরকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- দুই দেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য সম্মত হয়।
- সিনাই উপত্যকা ফিরিয়ে দেয়া।
- ইসরায়েল মিশরের কাছে সিনাই উপত্যকা ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- উভয় দেশ পরস্পরের রাজধানীতে দূতাবাস স্থাপন করে।

উৎস: Britannica.
১,২৬৫.
বসনিয়া যুদ্ধের শান্তি প্রতিষ্ঠা ঘটে কোন চুক্তির ফলে?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. অসলো চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা

• ডেটন চুক্তি: 
- ডেটন চুক্তি (Dayton Accords) হলো একটি শান্তিচুক্তি যা ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সালে বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটায় এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার শান্তির জন্য একটি সাধারণ কাঠামো নির্ধারণ করে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বসনিয়াকে একটি একক রাষ্ট্র হিসেবে রাখা হয়, যা দুইটি অংশে বিভক্ত -  বসনিয়াক-ক্রোয়াট ফেডারেশন, বসনিয়ান সার্ব প্রজাতন্ত্র। 
- রাজধানী সারায়েভো অবিভক্ত রয়ে যায়।
- চুক্তির নাম ডেটন চুক্তি কারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ওহাইওর ডেটন শহরের কাছে Wright-Patterson এয়ার ফোর্স বেসে।
- এই শান্তি আলোচনার নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আলোচক রিচার্ড হোলব্রুক এবং পররাষ্ট্র সচিব ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।

উল্লেখ্য,
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হল ইসরায়েল এবং মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি। 
- অসলো চুক্তি হচ্ছে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার মধ্যে হওয়া চুক্তি।
- রোম চুক্তি বা EEC চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠার চুক্তি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১,২৬৬.
কোনটি Nuclear Non- Proliferation Treaty চুক্তি দ্বারা স্বীকৃত পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র নয়?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ফ্রান্স
  3. ভারত
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

⇒ পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি। কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।
- উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল। কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।

১,২৬৭.
পাকিস্তানের পক্ষে সিমলা চুক্তি কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আইয়ুব খান
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. পারভেজ মুশাররফ
সঠিক উত্তর:
জুলফিকার আলী ভুট্টো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলফিকার আলী ভুট্টো
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

১,২৬৮.
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি প্রধানত কোন যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. কোরীয় যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
​- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ২য় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
​- এটি কার্যকর হয় ১০ জানুয়ারি, ১৯২০ তারিখে।
​- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী।
​- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
​- এই চুক্তির জন্য জার্মানি ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
​- এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

​উৎস: History.com

১,২৬৯.
তাসখন্দ চুক্তি কোন দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ভারত ও আফগানিস্তান
  2. পাকিস্তান ও ভারত
  3. আফগানিস্তান ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান ও ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান ও ভারত
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- তাসখন্দ চুক্তি স্থান- তাসখন্দ, উজবেকিস্তান।
- এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬।
- তাসখন্দ চুক্তিটি সম্পন্ন হয় ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে।
- ভারতের পক্ষে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের পক্ষে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান স্বাক্ষর করেন।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট কোসিগান মধ্যস্থতা করেন।
- তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- তাসখন্দ চুক্তি ফলাফল ১৯৬৫ সালে সংঘটিত পাক-ভারত যুদ্ধের যুদ্ধবিরতি।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১,২৭০.
কোন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে?
  1. ক) প্রথম ভার্সাই চুক্তি
  2. খ) প্যারিস প্যাক্ট
  3. গ) দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি
  4. ঘ) জেনেভা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি
ব্যাখ্যা
২৮ জুন ১৯১৯ ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে জার্মানি এবং মিত্রপক্ষের মধ্যে ‘দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি’ স্বাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
এই চুক্তি অনুযায়ী জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ প্রদানে সম্মত করা হয়।
এর আগে ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি কর্তৃক সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটে।
(সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং হিস্টোরি ডটকম)
১,২৭১.
’মারাকেশ চুক্তি’ মাধ্যমে নিচের কোনটি প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. UN
  2. IMF
  3. WTO
  4. NAM
সঠিক উত্তর:
WTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WTO
ব্যাখ্যা
WTO: 
- এর পূর্ণ নাম: World Trade Organization (WTO).
- বাংলা নাম: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ১ জানুয়ারি ১৯৯৫।
- প্রতিষ্ঠার ভিত্তি: মারাকেশ চুক্তি (Marrakesh Agreement), ১৫ এপ্রিল ১৯৯৪।
- সদস্য সংখ্যা: ১৬৬টি দেশ (বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ৯৮%)। [মে,২০২৫]
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা (Ngozi Okonjo-Iweala)।

• মূল উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম: 
- বাণিজ্য উদারীকরণ: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পণ্যের, পরিষেবার এবং মেধাস্বত্বের বাণিজ্য সহজতর করা।
- বাণিজ্য চুক্তি: সদস্যদের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন ও বাস্তবায়ন।
- বিতর্ক নিষ্পত্তি: বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি নিরপেক্ষ ফোরাম প্রদান।
- উন্নয়ন সহায়তা: উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা।

উৎস:  World Trade Organization ওয়েবসাইট।
১,২৭২.
পিএলও ও ইসরাইলের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি-
  1. ক) অসলো চুক্তি
  2. খ) উই রিভার চুক্তি
  3. গ) ডেটন চুক্তি
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
'অসলো চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় পিএলও ও ইসরাইলের মধ্যে ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ সালে। এই চুক্তির মধ্যস্থতাকারী বিল ক্লিনটন। এই চুক্তির মাধ্যমে পিএলও ও ইসরাইল পরস্পরকে স্বীকৃতি দেয়।
'উই রিভার' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে। এই চুক্তির পক্ষদ্বয় ছিল পিএলও ও ইসরাইল।
অন্যদিকে, 'ডেটন চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় বসনিয়া সংকট নিরসনে ১৯৯৫ সালে বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,২৭৩.
কতসালে 'নাগার্নো-কারাবাখ শান্তি চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ২০২১
  2. খ) ২০২০
  3. গ) ২০১৯
  4. ঘ) ২০১৮
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২০
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশী দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া‌র মধ্যে দক্ষিণ ককেশাসের বিতর্কিত অঞ্চল নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো।
- বিবাদপূর্ণ নাগার্নো-কারাবাখের মালিকানা ঘিরে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া।
- ৯ নভেম্বর ২০২০ সালে রাশিয়া, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার 'নাগার্নো-কারাবাখ শান্তি চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়।
- মূলত রাশিয়ার মধ্যস্থতায় পূর্ণাঙ্গ এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
১,২৭৪.
যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে ABM চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে-
  1. জুন, ২০০২
  2. জুন, ২০০৩
  3. জুন, ২০০৭
  4. জুন, ২০০১
সঠিক উত্তর:
জুন, ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুন, ২০০২
ব্যাখ্যা
ABM Treaty: 
- ABM-এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty.
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে ABM চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে ১৩ জুন, ২০০২ সালে। 

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
১,২৭৫.
ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ডেটন শান্তি চুক্তির অন্য নাম- প্যারিস প্রোটোকল, ডেটন-প্যারিস চুক্তি। 
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- এই চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- ডেটন চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল।
- ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া। 
- ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরকারীর নাম -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

উৎস:  হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।

১,২৭৬.
ইরান ও ছয় জাতির মধ্যে স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা চুক্তি কী নামে পরিচিত?
  1. ক) CPNT
  2. খ) JCPOA
  3. গ) CPONA
  4. ঘ) INT
সঠিক উত্তর:
খ) JCPOA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) JCPOA
ব্যাখ্যা
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে ইরানের সাথে ছয় জাতির স্বাক্ষরিত চুক্তি Joint Comprehensive Plan Of Action (JCPOA) নামে পরিচিত।
চুক্তির অংশীদার ছয়টি দেশ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন এবং জার্মানি। তবে যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে চুক্তিটি থেকে বের হয়ে যায়।
চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারী। এই চুক্তির ফলে ২০২০ সালের ১৮ অক্টোবর ইরানের উপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হয়।
(সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
১,২৭৭.
’START-2’ চুক্তিটি কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পরিবেশ সম্পর্কিত
  2. অস্ত্র সম্পর্কিত
  3. জলবায়ু সম্পর্কিত
  4. অর্থনৈতিক সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
অস্ত্র সম্পর্কিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ত্র সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
START-2 চুক্তি  :
- START-2 এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty-2.
- এটি কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা হ্রাস করা। 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে ১৯৯৩ সালের জানুয়ারিতে স্বাক্ষর হয়েছিল।
- START-2 এর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়াকে তাদের কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রাগারগুলিকে ২০০১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিটিতে ৩,৫০০টির বেশি ওয়ারহেড কমাতে হবে।
- কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে সফল হয়নি।

START-1: 

- ১৯৯১ সালের ৩১ শে জুলাই  চুক্তি হয়েছিল ।
- এই চুক্তিটি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন উল্লেখযোগ্যভাবে অস্ত্র কমানোর জন্য  সম্মত হয়েছিল। 
- চুক্তিটি ২০০৯ সালে শেষ হয়।

উল্লেখ্য,
- New START চুক্তি ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি স্থগিত ঘোষণা দেন ভ্লাদামির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat initiative.
১,২৭৮.
পরিবেশবাদী সংস্থা‌ 'ICAN' কী নিয়ে কাজ করে?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  2. খাদ্য ও কৃষি বিষয়ক গবেষণা
  3. সমুদ্র দূষণ বিষয়ক গবেষণা
  4. বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
• ICAN:
- 'ICAN' এর পূর্ণরূপ - International Campaign to Abolish Nuclear Weapons.
- এটি একটি পরিবেশবাদী সংস্থা‌।
- এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে।
- সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে।
- ICAN হল এক শতাধিক দেশের বেসরকারী সংস্থাগুলির একটি জোট যা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণের জাতিসংঘের চুক্তি মেনে চলা এবং বাস্তবায়নে কাজ করে।

উৎস: ICAN এর ওয়েবসাইট।
১,২৭৯.
কত তারিখে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২ জুন, ১৯৭২
  2. ২ জুলাই, ১৯৭২
  3. ৪ জুন, ১৯৭২
  4. ৪ আগস্ট, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
২ জুলাই, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জুলাই, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- মূলত বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সেনাদের ভারত বন্দী বানিয়ে নিয়ে যায় তাদের দেশে।
- আর তখন পাকিস্তান ভেঙ্গে হয়ে গেল বাংলাদেশ ।
- সিমলা চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানী ৯৩ হাজার বন্দী সেনাদের ভারত ছেড়ে দিল, এই শর্তে যে তাদের বিচার পাকিস্তান নিজেই করবে যারা পূর্বপাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশে যুদ্ধকালীন অপরাধে জড়িত ছিল।
- এই চুক্তিতে ভারত ও পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরে স্থিতাবস্থা স্থাপনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।

অন্যদিকে,
- ‘ইন্ডাস ওয়াটার ট্রিটি’ (সিন্ধু জল চুক্তি) নামে পরিচিত এই সমঝোতাটি ১৯৬০ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উৎস: i) Ministry of External Affairs.
ii) UN Peacemaker.
১,২৮০.
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক সিমলা চুক্তিতে কারা স্বাক্ষর করেছিলেন?
  1. জওহরলাল নেহেরু ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. মনমোহন সিং ও পারভেজ মোশাররফ
  3. ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো
  4. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও জেনারেল ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো
ব্যাখ্যা

◉ সিমলা চুক্তি (Simla Agreement) স্বাক্ষরিত হয় ৩ জুলাই ১৯৭২ সালে। ভারতের পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, আর পাকিস্তানের পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো।

সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উৎস: i) Ministry of External Affairs.
ii) UN Peacemaker.

১,২৮১.
কোন চুক্তিটি পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধের জন্য গৃহীত হয়েছিল?
  1. CTBT
  2. NPT
  3. INF
  4. CWC
সঠিক উত্তর:
NPT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NPT
ব্যাখ্যা
নন-প্রোলিফারেশন ট্রিটি (Non-Proliferation Treaty - NPT):
- নন-প্রোলিফারেশন ট্রিটি (NPT) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ, এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত হয়েছে।
- এটি ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ কার্যকর হয়।
- NPT-তে বর্তমানে ১৯১টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে।
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল এই চুক্তিতে যোগ দেয়নি।
- উত্তর কোরিয়া চুক্তি থেকে সরে গেছে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৯ সালে NPT-তে যোগ দেয়। এটি দেশের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে।

উল্লেখ্য,
- CTBT একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি যা সকল পরিবেশে বেসামরিক ও সামরিক উভয় উদ্দেশ্যে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বিস্ফোরণ এবং অন্য যেকোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে।
- INF মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- CWC কনভেনশনের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রপক্ষগুলোর রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, অধিগ্রহণ, মজুদ, ধারণ, স্থানান্তর বা ব্যবহার নিষিদ্ধ করে গণবিধ্বংসী অস্ত্রের একটি সম্পূর্ণ শ্রেণী নির্মূল করা।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট। 
Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,২৮২.
কোন দুইটি দেশের মধ্যে ‘হেবরন চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইসরাইল ও ফিলিস্তিন
  2. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  3. ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল ও ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল ও ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
হেবরন চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ‘হেবরন চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ জানুয়ারি, ১৯৯৭ সালে।
- এ চুক্তিতে ফিলিস্তিনি চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের অধিকাংশ থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে একমত হন।
- এই চুক্তি ছিল ইসরাইলি-প্যালেস্টিনিয়ান অটোনমি চুক্তির অংশ।

উল্লেখ্য,
- চুক্তি অনুযায়ী, হেবরনের দুটি প্রধান অংশের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাগাভাগি করা হয়। হেবরনের একটি অংশ (খোলার) ফিলিস্তিনের নিরাপত্তা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে ছিল, এবং অন্য অংশ (ইহুদিবাদী বসতি) ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।

উৎস: The Washington Institute।
১,২৮৩.
CTBT - এর উদ্দেশ্য কী?
  1. সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ
  2. পারমানবিক অস্ত্র তৈরী নিষিদ্ধকরণ
  3. পারমানবিক অস্ত্র গবেষণা স্থগিতকরণ
  4. রাসায়নিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ
সঠিক উত্তর:
সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
• CTBT: 
- পূর্ণরূপ: The Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty।
- বহুপাক্ষিক চুক্তি যার উদ্দেশ্য হলো সামরিক ও বেসামরিক সকল পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ। 
- ১০ ​​সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা এটি গৃহীত হয়েছিল। 
- বাংলাদেশ ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ CTBT চুক্তি স্বাক্ষর করে। 
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ ২০০০ (৫৪ তম দেশ হিসেবে)।
- CTBTO এর সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 

উৎস: CTBTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,২৮৪.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন EU থেকে বের হয়ে যায়?
  1. ক) শেনজেন চুক্তি
  2. খ) ম্যাসট্রিচট চুক্তি
  3. গ) লিসবন চুক্তি
  4. ঘ) ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) লিসবন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লিসবন চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ২০০৭ সালে পর্তুগালের লিসবনে স্বাক্ষরিত চুক্তিকে লিসবন চুক্তি বলে।
- এই চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার চুক্তি বলা হয়।
- এই চুক্তির অনুচ্ছেদ-৫০ এ বলা আছে গণভোটের মাধ্যমে কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করতে পারবে।
- এই চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০৯ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যায়।

উৎসঃ ইইউ এর ওয়েবসাইট।
১,২৮৫.
নিচের কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট পদ সৃষ্টি হয়?
  1. শেনজেন চুক্তি
  2. ট্রিটি অব রোম
  3. ট্রিটি অব লিসবন
  4. নিস চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ট্রিটি অব লিসবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রিটি অব লিসবন
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
- ১ নভেম্বর ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট।
- ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ সালে নেদারল্যান্ড এর ম্যাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ সমূহ একক মুদ্রা ইউরো চালু হয়।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ ২৭টি। [মে,২০২৫]
- এর সদর দপ্তর - ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য-৬টি।
- যথা- বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মান, ইতালি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ড।
- ক্রোশিয়া শেনজেন এবং ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে ১ জানুয়ারি, ২০২৩ সালে।

• লিসবন চুক্তি (Treaty of Lisbon): 

- ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট পদের সৃষ্টি,
- আইন প্রণয়ন পদ্ধতি সহজ করে এবং EU-এর মৌলিক অধিকার সংহিতাকে আইনি ভিত্তি দেয়।

• ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি (Treaty of Maastricht):
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) আনুষ্ঠানিক সৃষ্টি;
- অর্থনৈতিক ও মুদ্রানীতির ভিত্তি স্থাপন করে; ইউরো মুদ্রার প্রবর্তনের পথ তৈরি।

• নিস চুক্তি (Treaty of Nice):
- সম্প্রসারিত EU-এর জন্য প্রতিষ্ঠানিক সংস্কার আনে,
- যেমন ভোটিং ও কমিশনের কাঠামোতে পরিবর্তন।

• রোম চুক্তি (Treaty of Rome):
- ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (EEC) এবং ইউরোটম (EURATOM) গঠন করে;
- অভ্যন্তরীণ বাজার ও পরমাণু সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
১,২৮৬.
বসনিয়া যুদ্ধের অবসান ঘটে কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. ওয়াশিংটন চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. আলজিয়ার্স চুক্তি
  4. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা

বসনিয়া যুদ্ধ:
- বসনিয়া যুদ্ধ ছিল সাবেক যুগোস্লাভিয়ার ভাঙনের প্রেক্ষাপটে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় সংঘটিত এক ভয়াবহ জাতিগত ও গৃহযুদ্ধ।
- সংঘটনের সময়কাল: ১৯৯২-১৯৯৫ সাল।
- ১৯৯২ সালের মার্চ মাসে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা স্বাধীনতা ঘোষণা করলে, বসনীয় সার্বরা তা প্রতিরোধ করতে চেয়েছিল এবং একটি পৃথক সার্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুদ্ধ শুরু করে, যা মূলত মুসলিম নিধনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত ছিল।
- এই যুদ্ধে সার্বদের জাতিগত নিধনযজ্ঞে প্রায় ১ লক্ষ মানুষ নিহত এবং ২০ লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।
- ন্যাটো (NATO) বসনিয়ান সার্ব বাহিনীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায় এবং যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সাহায্য করে।
- ১৯৯৫ সালে ডেটন চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটে এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে দুটি ফেডারেশনে ভাগ করা হয়।

• ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- চুক্তির প্রাথমিক স্বাক্ষর: ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: ডেটন, ওহাইও, যুক্তরাষ্ট্র)।
- চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স)।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- চুক্তিতে বলা হয়, চুক্তি সইকারী পক্ষগুলো পরস্পরকে স্বীকৃতি দেবে, জাতিগত ঐক্য বজায় রাখবে, একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সবাই মধ্যস্থতা করবে। জাতিসংঘের মধ্যস্থতাও মেনে নেবে এমন শর্ত রাখা হয় চুক্তিতে।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.

১,২৮৭.
অটোয়া চুক্তি কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. সাইবার সিকিউরিটি
  2. পারমাণবিক অস্ত্র
  3. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  4. রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- এই চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৪টি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে। 
- ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১,২৮৮.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট 'INF' চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেন?
  1. রোনাল্ড রিগান
  2. বারাক ওবামা
  3. জো বাইডেন
  4. ডোনাল্ড ট্রাম্প
সঠিক উত্তর:
ডোনাল্ড ট্রাম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোনাল্ড ট্রাম্প
ব্যাখ্যা
'INF' চুক্তি:
- INF-এর পূর্ণরূপ: The Intermediate-Range Nuclear Forces.
- এটি হলো মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮৭ সালের ৮ ডিসেম্বর।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- স্বাক্ষরকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।

উল্লেখ্য,
⇒ এই চুক্তির মাধ্যমে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

⇒ ১ জুন, ১৯৯১ তারিখ চুক্তির বাস্তবায়নের সময়সীমার মধ্যে দেশ দুটি প্রায় ২৬৯২টি মিসাইল ধ্বংস করে।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে চুক্তিটি অকার্যকর হয়ে যায়।
- ২ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে INF চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Arms Control Association.
১,২৮৯.
বেলফোর ঘোষণার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় কী ছিল?
  1. ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পুনর্গঠন
  2. ইহুদীদের জন্য রাষ্ট্র গঠন
  3. দুই জার্মানি একত্রীকরণ
  4. ইউরোপে ধর্ম যুদ্ধ বন্ধ
সঠিক উত্তর:
ইহুদীদের জন্য রাষ্ট্র গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইহুদীদের জন্য রাষ্ট্র গঠন
ব্যাখ্যা
• বেলফোর ঘোষণা (Balfour Delclaration):
- বেলফোর ঘোষণার সাথে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার প্রশ্নটি সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালিন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ জে বেলফো ব্রিটিশ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- ইতিহাসে এটা বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ওই চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
- ১৯২২ সালে জাতিপুঞ্জ 'বেলফোর ঘোষণা' অনুমোদন করে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ ফিলিস্তিন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,২৯০.
তৃতীয় আরবদেশ হিসেবে ইসরাইলের সাথে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছে কোন দেশটি?
  1. ক) বাহরাইন
  2. খ) জর্ডান
  3. গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ঘ) ওমান
সঠিক উত্তর:
গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত গত ১৫ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের সাথে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত এই শান্তিচুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে আব্রাহাম অ্যাকর্ড। এর আগে চলতি বছরের ১৩ আগস্ট সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেয়।
এছাড়া সম্প্রতি চতুর্থ দেশ হিসেবে ১১ সেপ্টেম্বর বাহরাইন ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেয়। এর আগে প্রথম আরব দেশ হিসেবে মিশর ১৯৭৯ সালে এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে জর্ডান ১৯৯৪ সালে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।
(সূত্রঃ নিউইয়র্ক টাইমস)
১,২৯১.
কোন দ্বীপটি নিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়?
  1. সেনকাকু দ্বীপ
  2. গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ
  3. হনশু দ্বীপ
  4. ফকল্যান্ড দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ফকল্যান্ড দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফকল্যান্ড দ্বীপ
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড যুদ্ধ:
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়। 
- যুদ্ধ সংঘটিত হয়- ১৯৮২ সালে।
- পক্ষসমুহ: যুক্তরাজ্য ও আজের্ন্টিনা।
- যুদ্ধ সংঘটরেন স্থান- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ  দ্বীপ।
- যুদ্ধের ফলাফল- যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
 
অন্যদিকে: 
- চীন, জাপান ও তাইওয়ানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ: সেনকাকু দ্বীপ।
- পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ হলো- গ্রিনল্যান্ড। এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- জাপান একটি দ্বীপরাষ্ট্র। জাপানের প্রধান চারটি দ্বীপ শিকোকু, কিউসু, হনসু ও হোক্কাইডো। আয়তনে বৃহত্তম দ্বীপ হনসু। রাজধানী টোকিও হনসু দ্বীপে অবস্থিত।
 
সূত্র: Britannica & History.com.
১,২৯২.
‘ডার্টি ডজন’ কি?
  1. ক) পরিবেশ দূষণকারী দেশ
  2. খ) বিপদজনক রাসায়নিক
  3. গ) পরিবেশ দূষণকারী আবর্জনা
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) বিপদজনক রাসায়নিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিপদজনক রাসায়নিক
ব্যাখ্যা
পরিবেশ দূষণের জন্য বিশেষভাবে দায়ী ১২টি মারাত্মক রাসায়নিক দ্রব্যকে একত্রে ডার্টি ডজন বা নোংরা ডজন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এই ১২টি রাসায়নিক দ্রব্যের মধ্যে ৮টি কীটনাশক অলড্রিন (aldrin), ডায়েলড্রিন (dieldrin), ক্লোরডেন (chlordane), এনড্রিন (endrin), হেপ্টাক্লোর (heptachlor), ডিডিটি (DDT), মিরেক্স (mirex), এবং টক্সাফেন (toxaphene); দুটি শিল্পজাত রাসায়নিক দ্রব্য পিসিবি (PCBs) এবং হেক্সাক্লোরোবেনজিন (hexachlorobenzene); এবং অন্য দুটো হলো কারখানায় উৎপন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত উপজাত: ডাইওক্সিন (dioxin) এবং ফিউরান (furan)। খাদ্যচক্রে প্রবেশ করে পৃথিবীব্যাপী সব পরিবেশের সব ধরনের জীবজন্তুর উপর তীব্র প্রতিক্রিয়া ঘটায় এই বিষাক্ত পদার্থগুলো। ত্রুটিপূর্ণ শিশুর জন্ম, ক্যান্সার উৎপাদন, ভ্রুণ বিকাশের নানাবিধ সমস্যার মূলেই দায়ী থাকে এই ডার্টি ডজন। রেফারেন্সঃ banglapedia
১,২৯৩.
সিন্ধু পানি চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা
সিন্ধু পানি চুক্তি:
- ভারতের উজান থেকে পাকিস্তানের সিন্ধু অববাহিকায় প্রবাহিত নদীগুলোর পানি ব্যবহার সংক্রান্ত চুক্তি হচ্ছে সিন্ধু পানি চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সাল।
- মধ্যস্থতাকারী:  বিশ্বব্যাংক।
- তাতে স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।

⇒ সিন্ধু পানি চুক্তি অনুসরণ করেই এসব নদীর পানি ব্যবহার করা হয়।
- চুক্তিটির মাধ্যমে সিন্ধু ও এর উপনদীগুলোর পানিকে দুই দেশের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয় এবং পানিবণ্টনের নিয়ম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
- সিন্ধু অববাহিকার পূর্বাঞ্চলীয় তিনটি নদী ইরাবতী, বিপাশা ও শতদ্রুর পানি ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয় ভারতকে।
- আর পাকিস্তানকে পশ্চিমাঞ্চলের তিনটি নদ-নদী সিন্ধু, ঝিলাম ও চেনাবের অধিকাংশ পানি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়।
- চুক্তিটি কোনো দেশ একতরফাভাবে স্থগিত বা বাতিল করার বিধান নেই। বরং এতে সুস্পষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

উৎস: i) Britannica. 
ii) প্রথম আলো।
১,২৯৪.
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার New START Treaty কী সংক্রান্ত?
  1. ক) পারমানবিক চুক্তি হ্রাস
  2. খ) জীবাণু অস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি
  3. গ) জেরুজালেম সমস্যা সমাধান সংক্রান্ত
  4. ঘ) বাণিজ্য বিনিময় সংক্রান্ত
সঠিক উত্তর:
ক) পারমানবিক চুক্তি হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পারমানবিক চুক্তি হ্রাস
ব্যাখ্যা
নিউ স্টার্ট (Strategic Arms Reduction Treaty) যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্রের আরও হ্রাস ও সীমাবদ্ধ ব্যবস্থাপনার আনুষ্ঠানিক চুক্তি।রেফারেন্সঃ www.state.gov/new-start
১,২৯৫.
তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

১,২৯৬.
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির নাম কী? 
  1. ইসলামিক নিরাপত্তা জোট চুক্তি 
  2. আরব-পাকিস্তান নিরাপত্তা চুক্তি
  3. উপসাগরীয় ভ্রাতৃত্ব প্রতিরক্ষা চুক্তি
  4. কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি
ব্যাখ্যা

কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির নাম 'কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি' (এসএমডিএ)।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোতে ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রতিরক্ষায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- পাকিস্তানকে বিভিন্নভাবে অর্থসহায়তা দেবে সৌদি আরব। বিনিময়ে প্রয়োজনীয় পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াবে পাকিস্তান।

উৎস: প্রথম আলো।

১,২৯৭.
INF চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট অনুমোদন করে কত সালে?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
- INF চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে।
-  Intermediate Range Nuclear Forces Treaty ছিল পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে বড় অগ্রগতি।
- ১৯৮৭ সালের ৮ ডিসেম্বর এটি ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট এটি অনুমোদন করে ১৯৮৮ সালের ২৭ মে।
- ১ জুন, ১৯৮৮ রিগান ও গর্বাচেভ এটি অনুমোদন করেন।
- চুক্তিবলে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল (যার ব্যাপী ৫০০-১০০০ কিলোমিটার ও ১০০০- ৫৫০০ কি.মি.) নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
- ১৯৯১ সালের মে মাসের মধ্যে দেশ দুটি প্রায় ২৬৯২টি মিসাইল ধ্বংস করে।
- কিন্তু এই চুক্তিটি অকার্যকর হয়ে যায় যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন।
- ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সরকারিভাবে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিটি স্থগিত করে।
- রাশিয়াও পরদিন এই চুক্তিটি স্থগিত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,২৯৮.
১৯৭৫ সালের আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষর করে কোন দুই দেশ?
  1. আলজেরিয়া এবং ইরান
  2. ইরান এবং আফগানিস্তান
  3. ইরাক এবং ইরান
  4. ইসরায়েল এবং মিশর
সঠিক উত্তর:
ইরাক এবং ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক এবং ইরান
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের বসন্ত থেকে ইরানের শাহ সরকারের সাথে ইরাকের সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে। 
- যার কারণ ছিল শাত-আল-আরব এর নিয়ন্ত্রণ ও ইরাকের কুর্দি বিদ্রোহীদের প্রতি ইরানের সমর্থন।
- ১৯৭৪-৭৫ সালে সাদ্দামের নেতৃত্বে ইরাক তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেয়।
- তরুণ সহ-রাষ্ট্রপতি উপলব্ধি করেন যে প্রায় সম্পূর্ণ কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা শাসনব্যবস্থার উপর হুমকি তৈরি করছে।

১৯৭৫ সালের আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ১৯৭৫ সালে ইরাক এবং ইরান আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষর করে। 
- ইরাক থ্যালওয়েগ লাইন-কে দুই দেশের সমুদ্রসীমা হিসেবে মেনে নেয়।
- এর বিনিময়ে ইরান ইরাকি কুর্দিদের প্রতি তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করে।
- এর ফলে ইরানের সাথে সম্পর্কের উন্নতি ঘটে এবং উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর সাথেও সম্পর্ক ভালো হয়।

উৎস: Britannica.
১,২৯৯.
ভূমির বিনিময়ে চুক্তি কোনটি?
  1. নানকিং চুক্তি
  2. উই রিভার চুক্তি
  3. আনজুস চুক্তি
  4. সিটিবিটি চুক্তি
সঠিক উত্তর:
উই রিভার চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উই রিভার চুক্তি
ব্যাখ্যা
• উই রিভার চুক্তি, ১৯৯৮:
- উই রিভার চুক্তিকে বলা হচ্ছে ভূমির বিনিময়ে চুক্তি।
- ১৯৯৮ সালে দীর্ঘ ১৯ মাসের অচলাবস্থার অবসান করে ওয়াশিংটনের অদূরে একটি স্থানে ওই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও জর্দানের প্রয়াত বাদশা হোসেনও ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।

• চুক্তির উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হচ্ছে-
- (১) ইসরাইল অধিকৃত আরব এলাকা পশ্চিম তীরের ১৩ শতাংশ এলাকা ফিলিস্তিনিদের হাতে অর্পণ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মাঝে ৩ শতাংশ এলাকা 'সবুজ বেষ্টনী' অথবা সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করবে। ওই সবুজ বেষ্টনীতে বসবাসকারী ইসরাইলিদের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমনের বিষয়টি ইসরাইল কর্তৃপক্ষের হাতে ন্যস্ত থাকবে;
- (২) সন্ত্রাস দমনের ব্যাপারে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে এবং নিজ নিজ বিচারব্যবস্থা অনুযায়ী সন্ত্রাসীদের বিচার করা হবে এবং ইহুদি ও ফিলিস্তিনিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি দুই সপ্তাহ অন্তর সন্ত্রাস দমনে গৃহীত পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করবে;
- (৩) ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সকল প্রকার সহিংসতা ও সন্ত্রাসী তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একটি ডিগ্রি জারি করবে। 

উৎস:- ব্রিটানিকা।
১,৩০০.
Organization for Security and Co-operation in Europe (OSCE)-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ভিয়েনা
  2. ব্রাসেলস
  3. কোপেনহেগেন
  4. জেনেভা
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা
ব্যাখ্যা

OSCE:
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: Organization for Security and Co-operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন। 
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: ফেরিদুন এইচ. সিনিরলিওগলু  (তুর্কিয়ে)।

⇒ ১৯৭০-এর দশকের ডিটেনটে পর্বে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংলাপের জন্য Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের হেলসিঙ্কি চুক্তি CSCE-কে একটি বহুপাক্ষিক ফোরাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল।
- ১৯৯০ সালের প্যারিস শীর্ষ সম্মেলনে CSCE নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- এরপর ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট শীর্ষ সম্মেলনে CSCE এর নাম পরিবর্তন করে OSCE রাখা হয়।

উৎস: OSCE ওয়েবসাইট।