বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা৬১প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা ১৪ / ১৪ · ১,৩০১১,৩৬১ / ১,৩৬৬

১,৩০১.
ইংল্যান্ডের কোন রাজা ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষর করেন?
  1. কিং হেনরি 
  2. পঞ্চম জর্জ
  3. কিং জন
  4. চতুর্দশ লুই
সঠিক উত্তর:
কিং জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিং জন
ব্যাখ্যা

'ম্যাগনা কার্টা':
- 'ম্যাগনা কার্টা' হল রাজার ক্ষমতা খর্ব করার একটি ঐতিহাসিক দলিল।
- যা ১২১৫ সালের ১৫ জুন স্বাক্ষরিত হয়।
- ঐতিহাসিকভাবে ম্যাগনা কার্টা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে একে বর্তমান সাংবিধানিক শাসনের সূচনা বলা যেতে পারে। 
- ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের 'রাজা জন' সামন্তদের চাপে পড়ে রাজার অধিকার সংক্রান্ত এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- মানে ১২১৫ খ্রিস্টাব্দে ম্যাগনাকার্টা প্রনীত হয়। 
- এই দলিলটি সে দেশের অন্যতম সাংবিধানিক দলিল। 

উৎস: Britannica.

১,৩০২.
কোন চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে আধুনিক গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়?
  1. বিল অব রাইটস
  2. ট্রিটি অব লন্ডন
  3. অ্যাক্ট অব ইউনিয়ন
  4. ম্যাগনা কার্টা
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনা কার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনা কার্টা
ব্যাখ্যা
ম্যাগনাকার্টা:
- যুক্তরাজ্যে সংসদীয় বা আধুনিক গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয় ১৫ জুন ১২১৫ ম্যাগনাকার্টা (Magna Carta) চুক্তির মাধ্যমে।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল এবং ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র বলা হয় ম্যাগনাকার্টাকে।
- যুক্তরাজ্যে প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্র বা পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি এর ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ম্যাগনা কার্টা (Magna Carta) নথিতে, যা ১২১৫ সালে সই করা হয়েছিল।
- ইংল্যান্ডের রাজা জন “ম্যাগনা কার্টা” (Magna Carta) নামে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন।
- এর প্রথম নাম ছিল ‘চার্টার অব রানিমেড’ (Charter of Runnymede)।
- পরে এটি ম্যাগনাকার্টা চার্টার নামে পরিচিতি লাভ করে।

এছাড়াও,
- বিল অব রাইটস (১৬৮৯): ১৬৮৮ সালের গৌরবময় বিপ্লবের (Glorious Revolution) মাধ্যমে ইংল্যান্ডে রাজতন্ত্রের ক্ষমতা অনেকাংশে সীমিত হয়ে যায় এবং পার্লামেন্টের ক্ষমতা বাড়ানো হয়। গৌরবময় বিপ্লবের পর ১৬৮৯ সালে বিল অব রাইটস (Bill of Rights) পাস হয়, যা রাজতন্ত্রের ক্ষমতা সীমিত করে এবং সংসদের ভূমিকা প্রতিষ্ঠা করে। এর মাধ্যমে পার্লামেন্টের ক্ষমতা ও জনগণের অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- ট্রিটি অব লন্ডন (১৯১৩) প্রথম বলকান যুদ্ধের পর স্বাক্ষরিত হয়, যার মাধ্যমে অটোমান সাম্রাজ্য ইউরোপের প্রায় সব অঞ্চল হারায়। এটি সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটায়নি, তবে এর ক্ষয়কে ত্বরান্বিত করে।

উৎস: Britannica.
১,৩০৩.
নিচের কোন দেশটি সিটিবিটি-তে স্বাক্ষর করেনি?
  1. পাকিস্তান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT): 
- কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার-টেস্ট-ব্যান ট্রিটি (CTBT) বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে। 
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- ১৮৭টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং ১৭৮টি দেশ এটিকে অনুমোদন (ratify) করেছে।
- চুক্তি কার্যকর হওয়ার জন্য ৪৪টি নির্দিষ্ট পারমাণবিক প্রযুক্তি-ধারী দেশের স্বাক্ষর ও অনুমোদন প্রয়োজন।
- তবে ৪৪টি নির্দিষ্ট দেশের মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া এখনো এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি, এবং মাত্র ৩৬টি দেশ এটি অনুমোদন করেছে।
- এই চুক্তি তখনই কার্যকর হবে যখন ৪৪টি নির্দিষ্ট "পারমাণবিক সক্ষম রাষ্ট্র" আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে অনুমোদন করবে এবং জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে তাদের অনুমোদনের দলিল জমা দেবে।

সূত্র: CTBTO ওয়েবসাইট।
১,৩০৪.
১৯৯৩ সালে প্যালেস্টাইন সংকট সমাধানের লক্ষে প্যালেস্টাইন ও ইসরাইলের মধ্যে যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তার নাম -
  1. ক) অসলো চুক্তি
  2. খ) প্যারিস চুক্তি
  3. গ) টেম্পল মাউন্ট চুক্তি
  4. ঘ) ক্যাম্পডেভিড চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) অসলো চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
- নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ১৯৯৩ সালে অত্যন্ত গোপনে এক আপোষ মীমাংসার মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলিদের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি সই হয়েছিল, যা অসলো চুক্তি নামে পরিচিতি পায়।

- এই চুক্তিতে বলা হয়েছে- ফিলিস্তিনিরা স্বশাসনের আংশিক অধিকার পাবে এবং ইসরায়েল প্রথমে পশ্চিম তীরের জেরিকো এবং তারপর গাজা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবে। বদলে, ইসরায়েলি রাষ্ট্রের বৈধতা স্বীকার করে নেবে পিএলও।
- এই চুক্তির জন্য ইয়াসের আরাফাত এবং তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল শান্তি পুরষ্কারও পেয়েছিলেন।

Source: BBC Bangla
১,৩০৫.
কার মধ্যস্থতায় উই রিভার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. জন এফ কেনেডি
  2. রোনাল্ড রিগ্যান
  3. বিল ক্লিন্টন
  4. এ্যালেক্সি কোসিজিন
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিন্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিন্টন
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি:
 
- উই রিভার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে।
- ইসরাইল ও পিএলও এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
 
তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৩০৬.
BWC চুক্তি কোন ধরনের অস্ত্র নিষিদ্ধ করে?
  1. পারমাণবিক
  2. রাসায়নিক
  3. জীবাণু ও টক্সিন
  4. ক্ষেপণাস্ত্র
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ও টক্সিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ও টক্সিন
ব্যাখ্যা
• BWC:
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prohibition of the Development, Production and Stockpiling of Biological and Toxin Weapons and on their Destruction.
- সংক্ষিপ্ত নাম: Biological Weapons Convention (BWC)।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ১০ এপ্রিল, ১৯৭২।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২৬ মার্চ, ১৯৭৫।
- নিষিদ্ধ অস্ত্র: জীবাণু (biological) ও টক্সিন (toxin) অস্ত্র।
- চুক্তির সদস্য সংখ্যা: ১৮৮ টি রাষ্ট্র এবং চারটি Signatory States.
- পুনর্মূল্যায়ন সম্মেলন:  প্রতি ৫ বছর পর পর।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। [Link]।
১,৩০৭.
নিচের কোন দেশের সাথে 'বোফর্স কেলেঙ্কারি' জড়িত?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
বোফোর্স কেলেঙ্কারি:

- ভারতের সাথে 'বোফর্স কেলেঙ্কারি' জড়িত।
- বোফোর্স কেলেঙ্কারির সাথে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীবগান্ধীর নাম জড়িত।
- বোফোর্স হলো সুইডেনের একটি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮৬ সালে ভারত সরকার এই কোম্পানির সাথে অস্ত্র ক্রয়ের চুক্তি সম্পাদন করে।
- এই চুক্তি সম্পাদনে গান্ধী সরকারের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠে।
- আর এটিই বোফোর্স কেলেঙ্কারি নামে পরিচিত।
- এই ঘটনায় রাজীব গান্ধীর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ধ্বস নামে।

তথ্যসূত্র - ইন্ডিয়া টাইমস।
১,৩০৮.
‘রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন’ (CWC) অনুযায়ী রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস ও তদারকির কাজ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. IAEA
  2. OPCW
  3. NATO
  4. ICC
সঠিক উত্তর:
OPCW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OPCW
ব্যাখ্যা
- CWC বাস্তবায়নের জন্য OPCW (Organization for the Prohibition of Chemical Weapons) গঠিত হয়, যারা রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস ও তদারকির কাজ করে।

রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- পূর্ণ নাম: Chemical Weapons Convention
- গৃহীত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭
- উদ্দেশ্য: রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা এবং ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত করতে "অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস" (OPCW) প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ১৯৩টি দেশ এই কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত।
- রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।

উল্লেখযোগ্য উদাহরণ:
- সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ এবং OPCW-এর তদন্ত।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য।

উৎস: i) OPCW অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) United Nations Archives
১,৩০৯.
কোন চুক্তির কারণে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয়?
  1. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  2. রোম শান্তি চুক্তি
  3. ভিয়েনা শান্তি চুক্তি
  4. অসলো শান্তি চুক্তি
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান-প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ- ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্র।
- উদ্দেশ্য: ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান।

তথ্যসূত্র - ash.harvard.edu & History.com
১,৩১০.
'ওয়েস্টফেলিয়া শান্তিচুক্তি' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. ইংল্যান্ড
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে জার্মানির ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে।
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: Britannica ও আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩১১.
কার মধ্যস্থতায় তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কনস্তান্তিন চেরনেনকো
  2. আলেক্সি কোসিগিন
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. ইউরি আন্দ্রোপভ
সঠিক উত্তর:
আলেক্সি কোসিগিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলেক্সি কোসিগিন
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চির বৈরি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রি ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- তাসখন্দ সম্মেলনে বিবদমান এই দুই রাষ্ট্রকে পূর্বের চুক্তিগুলোর বাধ্যবাধকতা মেনে চলার জন্য বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর তরফ থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে চুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হলেও এটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১০ জানুয়ারি।
- পরবর্তীতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রি রহস্যজনকভাবে তাসখন্দে মৃত্যুবরণ করলে এটি ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব হিসেবেও উপমহাদেশে পরিচিতি পেতে শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৩১২.
জাতিসংঘের সমুদ্র বিষয়ক আইন 'UNCLOS' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
UNCLOS:
- জাতিসংঘের সমুদ্র বিষয়ক আইন UNCLOS-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention on the Law of the Sea.
- UNCLOS হলো সমুদ্রের ব্যবহার, সংরক্ষণ এবং তার সম্পদের মধ্যে ন্যায্যতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য একটি চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।

⇒ UNCLOS এর প্রধান উদ্দেশ্য হল:
• সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রচার করা।
• আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সহজতর করা।
• সমুদ্র এবং মহাসাগরের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের প্রচার করা।
• সমুদ্র সম্পদের ন্যায়সঙ্গত এবং দক্ষ ব্যবহার সক্ষম করা।
• সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষা ও সংরক্ষণ করা।

উৎস: UNCLOS ওয়েবসাইট।  
১,৩১৩.
প্যারিস শান্তি চুক্তি-১৯৭৩ স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে
  2. খ) ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে
  4. ঘ) মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে প্যারিস শান্তি চুক্তি-১৯৭৩ স্বাক্ষরিত হয়। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
১,৩১৪.
GATT চুক্তির প্রথম রাউন্ড কোনটি?
  1. Geneva Round
  2. Annecy Round
  3. Torquay Round
  4. Dillon Round
  5. Tokyo Round
সঠিক উত্তর:
Geneva Round
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Geneva Round
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

১,৩১৫.
১৯৬১ সালের ভিয়েনা কনভেনশন কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত? 
  1. পরিবেশ
  2. শরণার্থী 
  3. কূটনীতি
  4. মানবাধিকার 
সঠিক উত্তর:
কূটনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কূটনীতি
ব্যাখ্যা

• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations. 
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

• মূল উদ্দেশ্য:
- রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করা।
- কূটনীতিকদের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা।
- কূটনৈতিক মিশন ও ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। 

১,৩১৬.
নিচের কোন দেশটি সম্প্রতি স্বাক্ষরিত RCEP চুক্তির অংশীদার নয়?
  1. ক) চিলি
  2. খ) নিউজিল্যান্ড
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) চিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চিলি
ব্যাখ্যা
গত ১৫ নভেম্বর ২০২০ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৫টি দেশের মধ্যে RCEP (The Regional Comprehensive Economic Partnership) নামে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো:
- চীন
- জাপান
- দক্ষিণ কোরিয়া
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- ইন্দোনেশিয়া
- মালয়েশিয়া
- ভিয়েতনাম
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন
- ব্রুনাই
- সিঙ্গাপুর
- কম্বোডিয়া
- লাওস ও
- মিয়ানমার।
এটি বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক বাণিজ্যিক ব্লক বা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
এই জোটের অধীন দেশসমূহের সম্মিলিত জিডিপি বিশ্ব জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আসিয়ান)
১,৩১৭.
অ্যান্টার্কটিক চুক্তির মূল স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ১২টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিক চুক্তি (Antarctic Treaty): 
- অ্যান্টার্কটিক চুক্তি হলো অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এটি ১ ডিসেম্বর, ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ (মূল স্বাক্ষরকারী) স্বাক্ষর করে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশকে একটি সামরিক-বর্জিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যেখানে শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদ্দেশ্যে কাজ করা যাবে।
- চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ছিল অ্যান্টার্কটিকাকে সামরিকীকরণ থেকে মুক্ত রাখা এবং সেখানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়ে যাওয়া।
- এই চুক্তি গঠিত হয় ওয়াশিংটন ডিসি-তে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনের মাধ্যমে, যেখানে অংশগ্রহণ করে নিম্নলিখিত ১২টি দেশের প্রতিনিধিরা:
১. আর্জেন্টিনা
২. অস্ট্রেলিয়া
৩. বেলজিয়াম
৪. ব্রিটেন
৫. চিলি
৬. ফ্রান্স
৭. জাপান
৮. নিউজিল্যান্ড
৯. নরওয়ে
১০. দক্ষিণ আফ্রিকা
১১. যুক্তরাষ্ট্র
১২. সোভিয়েত ইউনিয়ন

উৎস: Britannica.
১,৩১৮.
'তাসখন্দ চুক্তি' মধ্যস্থতাকারী ছিলেন -
  1. এ্যালেক্সি কোসিগিন
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. জিমি কার্টার
  4. বিল ক্লিনটন
সঠিক উত্তর:
এ্যালেক্সি কোসিগিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যালেক্সি কোসিগিন
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।
১,৩১৯.
GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. Geneva Round
  2. Torquay Round
  3. Uruguay Round
  4. Dillon Round
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
• Geneva Round,
• Annecy Round,
• Torquay Round,
• Geneva II Round,
• Dillon Round,
• Kennedy Round,
• Tokyo Round,
• Uruguay Round.

⇒ GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড 'Uruguay Round'.

⇒ উরুগুয়ে রাউন্ড:

- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- উরুগুয়ে রাউন্ড শুরু হয়: ১৯৮৬ সালে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- উরুগুয়ে রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

১,৩২০.
কোন চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার চুক্তি বলা হয়?
  1. শেনজেন চুক্তি
  2. রোম চুক্তি
  3. লিসবন চুক্তি
  4. ম্যাসট্রিচট চুক্তি
সঠিক উত্তর:
লিসবন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিসবন চুক্তি
ব্যাখ্যা
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU)।
- এটি ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ (মাস্ট্রিচ চুক্তি)।
- এটি তখন থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।
- ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ২০০৭ সালে পর্তুগালের লিসবনে স্বাক্ষরিত চুক্তিকে লিসবন চুক্তি বলে।
- এই চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার চুক্তি বলা হয়।
- এই চুক্তির অনুচ্ছেদ-৫০ এ বলা আছে গণভোটের মাধ্যমে কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করতে পারবে।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
১,৩২১.
নিচের কোনটি বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি?
  1. ক) RCEP
  2. খ) AFTA
  3. গ) COMESA
  4. ঘ) USMCA
সঠিক উত্তর:
ক) RCEP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) RCEP
ব্যাখ্যা
- গত ১৫ নভেম্বর ২০২০ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশদেগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত হওয়া RCEP (The Regional Comprehensive Economic Partnership) হলো বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য।
- মোট ১৫টি দেশ চুক্তিটির অংশীদার।
- চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মোট জিডিপি বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আসিয়ান ওয়েবসাইট)
১,৩২২.
নিচের কোন দেশ পারমাণবিক অস্ত্রধারী নয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ:
- একটি দেশের সামরিক শক্তি পরিমাপের অন্যতম মানদণ্ড এখন সে দেশের অস্ত্রাগারে থাকা পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা।
- পারমাণবিক অস্ত্র মজুদের শীর্ষে আছে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
- বর্তমান বিশ্বের মোট পারমাণবিক অস্ত্রের প্রায় ৯০ শতাংশ আছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কাছে।
- এছাড়াও চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, ভারত, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়াসহ ৯ দেশের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে।

উল্লেখ্য,
- স্নায়ুযুদ্ধের সময় শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার কাছে মজুদ পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যাই ছিল বর্তমান বিশ্বের মোট পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি।
- জার্মানি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ নয়।

উৎস: নভেম্বর ২৫, ২০২২, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। [link]
১,৩২৩.
ভিয়েতনাম এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধ নিরসনের জন্য কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি
  3. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
- আনুষ্ঠানিকভাবে "Agreement on Ending the War and Restoring Peace in Vietnam" নামে পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকাল: ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩।
- স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লি ডাক থো ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উৎস: Britannica.
১,৩২৪.
নিম্নের কোন চুক্তিটি 'অটোয়া চুক্তি' নামে পরিচিত?
  1. Anti Ballistic Missile Treaty
  2. Anti-Personnel Landmines Convention
  3. Non-Proliferation of nuclear weapons
  4. Biological Weapons Convention
সঠিক উত্তর:
Anti-Personnel Landmines Convention
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Anti-Personnel Landmines Convention
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।

⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

অন্যদিকে,
- ABM- এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty. এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- BWC: Biological Weapons Convention. জৈবিক অস্ত্র কনভেনশন বা Biological Weapons Convention (BWC) হলো একটি আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা জৈব অস্ত্র নিষিদ্ধ করে। 
- NPT: Non-Proliferation of nuclear weapons. এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,৩২৫.
কোন দেশ চেকবুক ডিপ্লোমেসি’ প্রবর্তন করে?
  1. জাপান
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
চেকবুক কূটনীতি:
- অর্থনৈতিক সাহায্য ও বিনিয়োগ করে সমর্থন পাওয়ার জন্য শক্তিশালী রাষ্ট্রসমূহ যে কূটনীতি প্রয়োগ করে তাকেই চেকবই কূটনীতি বলা হয়।
- বর্তমানে চেকবই কূটনীতির মাধ্যমে চীন কৌশলগত ও সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করছে।
- অবকাঠামো খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করে চীন বাংলাদেশকে কাছে টানতে চায়, বিশেষজ্ঞরা একে 'চেকবুক কূটনীতি' আখ্যা দিয়েছেন।

অন্যদিকে,
- বর্তমানে আলোচিত ‘ঋণ-ফাঁদ কূটনীতি (Debt-trap diplomacy)’– চীনের সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: বিবিসি নিউজ।
১,৩২৬.
অকাস চুক্তি কোন অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. পূর্ব ইউরোপ
  3. ভূমধ্যসাগরীয়
  4. ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয়
সঠিক উত্তর:
ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয়
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ অকাস চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান ও তৎপরতাকে ব্যাহত করা।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।

⇒ এই চুক্তির ফলে ফ্রান্সের সাথে অস্ট্রেলিয়ার করা ১২টি সাবমেরিন তৈরির চুক্তি অকার্যকর হয়ে যাওয়ায় ফ্রান্স অকাস চুক্তির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
- অকাস চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত কোয়াডের গুরুত্বও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).
১,৩২৭.
Which country has signed the Chemical Weapons Convention (CWC) but has not ratified it?
  1. Russia
  2. China
  3. United States
  4. Israel
  5. United Kingdom
সঠিক উত্তর:
Israel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Israel
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তির নাম - Chemical Weapons Convention (CWC)।
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- এই চুক্তি অনুসারে রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ও স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয় - ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
১,৩২৮.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অসলো-১ শান্তি চুক্তি মধ্যস্থতা করেন?
  1. জিমি কার্টার
  2. রোনাল্ড রেগান
  3. জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ
  4. বিল ক্লিনটন
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো-১ শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,৩২৯.
কত সালে 'Central Treaty Organization' চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা

Central Treaty Organization:
- CENTO এর পূর্ণরূপ: Central Treaty Organization.
- CENTO একটি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা চুক্তি, যা বাগদাদ চুক্তি (Baghdad Pact) নামেও পরিচিত।
- এই চুক্তি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং কমিউনিস্ট প্রভাব থেকে মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়াকে সুরক্ষা প্রদান করা।
- CENTO-এর সদস্য দেশগুলো ছিল: ইরান, ইরাক, তুরস্ক, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য।
- সদরদপ্তর: আঙ্কারা, তুরস্ক।

এছাড়াও,
- ১৯৫৯ সালের আগে পর্যন্ত এই সংস্থার সদরদপ্তর ছিল ইরাকের বাগদাদে।
- ইরাক ১৯৫৯ সাল সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেয়, ফলে সদরদপ্তর বাগদাদ থেকে তুরস্কের আঙ্কারায় স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং শাহ-এর পতনের পর দেশটি এই সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়।
- CENTO আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৯ সালে বিলুপ্ত হয়।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট এবং U.S. Department of State (.gov).

১,৩৩০.
CTBT চুক্তি স্বাক্ষরিত দেশের সংখ্যা কত? (এপ্রিল, ২০২৫)
  1. ১৮২টি
  2. ১৮৫টি
  3. ১৮৭টি
  4. ১৯১টি
সঠিক উত্তর:
১৮৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭টি
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি। (এপ্রিল, ২০২৫)
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,৩৩১.
'এক দেশ দুই নীতি'র প্রণেতা-
  1. ক) শিন জিং
  2. খ) দেং শিয়াও পিং
  3. গ) ইয়াং পিং
  4. ঘ) চুচুয়াং
সঠিক উত্তর:
খ) দেং শিয়াও পিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দেং শিয়াও পিং
ব্যাখ্যা
- হংকং চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও নিজস্ব বিচার বিভাগ, আইনসভা ও নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে।
- ১৯৯৭ সাল থেকে হংকং 'এক দেশ, দুই নীতি’র আওতায় স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা ভোগ করে আসছে। 
- ১৯৯৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে ৫০ বছরের জন্য হংকং চীনের শাসনের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এই নীতি ২০৪৭ সাল পর্যন্ত চালু থাকবে।
- এই 'এক দেশ দুই নীতি'র প্রণেতা দেং শিয়াও পিং।  
উল্লেখ্য,
- নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বৃটিশরা চীন থেকে হংকং দ্বীপ লাভ করেছিলো।

উৎস:- ব্রিটানিকা ও  দৈনিক প্রথম আলো।
১,৩৩২.
মার্কিন-তালেবান ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ২ মার্চ, ২০২০
  2. ২৫ জানুয়ারি, ২০২০
  3. ৩০ এপ্রিল, ২০২০
  4. ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
সঠিক উত্তর:
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
ব্যাখ্যা
তালেবান গোষ্ঠী:
- ১৯৯৪ সালে আফগান প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল তালেবান গোষ্ঠী।
- পশতু ভাষায় তালেবান মানে হচ্ছে 'ছাত্র'।
- আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত রাশিয়ার সেনারা ফিরে যাওয়ার পর ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে উত্তর পাকিস্তানে এই তালেবান আন্দোলনের জন্ম।
- এই আন্দোলনে মূলত পশতুন অর্থাৎ পশতুভাষীদের প্রাধান্য।
- এই মাদ্রাসাগুলো পরিচালিত হতো সৌদি অর্থে - এবং সেখানে খুবই কট্টর সুন্নী মতাদর্শের ইসলামই প্রচার করা হতো।
- তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামি আইনে দেশ পরিচালনা এবং যে কোনো ধরনের বিদেশি প্রভাব দূর করা।
- ১৯৯৮ সাল নাগাদ তালেবান আফগানিস্তানের প্রায় ৯০ শতাংশ অঞ্চলে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ কাণ্ড ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলে বিখ্যাত বামিয়ান বুদ্ধের মূর্তি ধ্বংস করা।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আল কায়েদার হামলার পর সারা বিশ্বের মনোযোগের কেন্দ্রে চলে আসে আফগানিস্তানের তালেবান।

⇒ যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের ঐতিহাসিক চুক্তি সই:
- আফগানিস্তানে তালেবানদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে দুপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- কাতারের রাজধানী দোহায় ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সালে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মাধ্যমে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সৈন্যবাহিনী তুলে নেয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের আগে এ দু’পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উৎস: i) National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
ii) ৫ অগাস্ট ২০২১, BBC
১,৩৩৩.
AUKUS চুক্তি "Pillar I" নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. অর্থনৈতিক বিনিয়োগ
  2. পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়ন
  4. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
-
চুক্তির নাম: AUKUS (অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র)
- প্রতিষ্ঠার তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
- মূল উদ্দেশ্য: ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, এবং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সহযোগিতা জোরদার করা।
- প্রধান স্তম্ভ (Pillars): 
• Pillar I: পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি:
- অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক চালিত, প্রচলিত অস্ত্র সজ্জিত সাবমেরিন সরবরাহ করা।
- ২০৩০-এর দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনটি ভার্জিনিয়া-শ্রেণীর সাবমেরিন ক্রয়।
- যুক্তরাজ্যের সাথে যৌথভাবে SSN-AUKUS শ্রেণীর সাবমেরিন উন্নয়ন ও নির্মাণ।
- ২০৪০-এর দশকের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ায় SSN-AUKUS সাবমেরিনের নির্মাণ শুরু।

• Pillar II: উন্নত প্রযুক্তি:
- সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, হাইপারসনিক ও প্রতিহাইপারসনিক প্রযুক্তি, এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- ২০২৪ সালে হাইপারসনিক ফ্লাইট টেস্ট ও এক্সপেরিমেন্টেশন (HyFliTE) প্রকল্পের মাধ্যমে হাইপারসনিক প্রযুক্তির পরীক্ষণ ও উন্নয়ন।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
১,৩৩৪.
প্রথম কয়টি দেশ Antarctic Treaty স্বাক্ষর করে?
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
এন্টার্কটিক ট্রিটি (Antarctic Treaty): 
- চুক্তিটি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের শান্তিপূর্ণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য একটি বিশেষ অঞ্চল হিসেবে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ ডিসেম্বর ১৯৫৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৬১ সালে। 
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তি প্রথমে স্বাক্ষর করেছিল: ১২টি দেশ।
- বর্তমানে সদস্য: ৫৮টি দেশ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭-৫৮ সালের আন্তর্জাতিক ভূ-পদার্থিক বছর (IGY) চলাকালীন অ্যান্টার্কটিকায় এবং তার আশেপাশে অবস্থিত দেশের বিজ্ঞানীরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।
- চুক্তিটি প্রথমে ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ (যারা অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছিল) দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ অ্যান্টার্কটিক চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিধান:
- শান্তিপূর্ণ ব্যবহার: অ্যান্টার্কটিকা শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে (আর্টিকেল I)।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা: অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক তদন্তের স্বাধীনতা থাকবে এবং গবেষণা ফলাফল বিনিময় করা হবে (আর্টিকেল II ও III)।
- আঞ্চলিক দাবি নিষিদ্ধ: চুক্তির অধীনে নতুন আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের দাবি বা পুরনো দাবির প্রসারণ নিষিদ্ধ (আর্টিকেল IV)।
- কোনো সামরিক কার্যকলাপ নয়: অ্যান্টার্কটিকায় কোনো সামরিক কার্যকলাপ বা পারমাণবিক পরীক্ষা করা যাবে না।

উৎস: Antarctic Treaty ওয়েবসাইট।
১,৩৩৫.
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি নিচের কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):

- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল। 
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল। 

তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট। 
১,৩৩৬.
কোন চুক্তি অনুযায়ী European Economic Community (EEC) গঠিত হয়?
  1. মাস্ট্রিন্ট চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা
EEC:
- EEC এর পূর্ণরূপ European Economic Community.
- আঞ্চলিক সংস্থা যার লক্ষ্য ছিল তার সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক একীকরণ আনা।
- এটি ১৯৫৭ সালে রোম চুক্তি অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছিল। 
- ১৯৯৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) গঠনের পর, ইইসিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র - EEC ওয়েবসাইট।
১,৩৩৭.
ভূমি মাইন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. রোম
  4. অটোয়া
সঠিক উত্তর:
অটোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অটোয়া
ব্যাখ্যা
• অটোয়া চুক্তি
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৯৯৭ সালে স্থান- কানাডার অটোয়ায়।
- অপর নাম- অটোয়া চুক্তি।
- স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ- কানাডা।
- উদ্দেশ্য- স্থলমাইন মজুদ, উৎপাদন, হস্তান্তর ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।
- স্বাক্ষর করেনি- চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইসরাইল।
- ১৯৯২ সালে, ছয়টি বেসরকারি সংস্থা বিশ্বব্যাপী ল্যান্ডমাইন নিষিদ্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে একটি সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের অক্টোবর, প্রথম অটোয়া সম্মেলনে, কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রী লয়েড অ্যাক্সওয়ার্দি অটোয়া প্রক্রিয়া চালু করেন।
- পরবর্তীতে,
১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে, দ্বিতীয় অটোয়া সম্মেলনে ১২২টি দেশ স্থল মাইন নিষিদ্ধ চুক্তি অনুমোদন করে। ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে অটোয়া চুক্তি কার্যকর হয়।
- ২০২৩ সাল পর্যন্ত, ১৬৪টি দেশ (ফিলিস্তিন সহ) চুক্তিটি অনুমোদন করেছে এবং মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এটি অনুমোদন করেনি। 

উৎস: ব্রিটানিকা।  
১,৩৩৮.
কোন দিনটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হয়?
  1. ১৭ জানুয়ারি
  2. ৫ জুন
  3. ২৪ অক্টোবর
  4. ১০ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন:
- ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights) গৃহীত ও ঘোষিত হয়।
- এদিন ঘোষিত মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে যে, 'অধিকারের প্রশ্নে মানুষ স্বাধীন ও সমান হয়ে জন্মগ্রহণ করে এবং সবসময় সেভাবেই থাকতে চায় (Men are born and always continue free and equal in respect to their rights).
- জাতিসংঘের ঘোষণায় বলা হয়েছে যে, মানবাধিকার ভোগের বেলায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব যে ধরনের নাগরিকই হোক না কেন, তার রাজনৈতিক মতামত ও পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, সে যে দেশেরই নাগরিক হোক না কেন, অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগের ক্ষেত্রে কোনো তারতম্য বা পার্থক্য করা হবে না।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

১,৩৩৯.
Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty) চুক্তিটি বাতিল হয় কত সালে?
  1. ২০০০
  2. ২০০১
  3. ২০০২
  4. ২০০৩
সঠিক উত্তর:
২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM -এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয়বস্তু: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তিটি বাতিল হয় ২০০২ সালে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।

১,৩৪০.
OPCW কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০১৩ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

• OPCW:

- এর পূর্ণরূপ: Organization for the Prohibition of Chemical Weapons:
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- সমর্থনকারী দেশ – ১৯৩ টি। -
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।
- স্বাক্ষর করেনি – দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া। -
- ইসরাইল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৭ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
লক্ষ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ।
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

১,৩৪১.
অটোয়া চুক্তি অনুমোদন করেছে কতটি দেশ?
  1. ১৬২টি
  2. ১৬৩টি
  3. ১৬৪টি
  4. ১৬৫টি
সঠিক উত্তর:
১৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৪টি
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি:

- অটোয়া চুক্তি হচ্ছে স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- এটি ০৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে কানাডার অটোয়ায় স্বাক্ষরিত হয় এবং ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- চুক্তিটি অনুমোদন করেছে ১৬৪টি দেশ।
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,৩৪২.
UNCLOS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Nations Convention on the Law of the Sea
  2. United Nations Commission on the Law of the Sea
  3. United Nations Committee on the Law of the Sea
  4. United Nations Cooperation on the Law of the Sea
সঠিক উত্তর:
United Nations Convention on the Law of the Sea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Nations Convention on the Law of the Sea
ব্যাখ্যা
সমুদ্র আইন:
- জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন UNCLOS নামে পরিচিত। UNCLOS বা United Nations Convention on the Law of the Sea আবার Law of the Sea বা সমুদ্র আইন নামেও পরিচিত।
- জ্যামাইকাতে ১৯৮২ সালের ১০ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- সমুদ্র আইনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে কী করে সমুদ্র সম্পদকে মানব জাতির কল্যাণে ব্যবহার করা জায়, সমুদ্র উপকূলীয় দেশগুলোর কতদুর পরযন্ত নিজস্ব সীমানা থাকবে, এবং পার্শ্ববর্তী দেশের সাথে কোন জটিলতা ও বিবাদ তৈরি হলে তা কোন আইন বলে সমাধান হবে।
- ১৯৮২ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলেও তা কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালের ১৬ নভেম্বের।
- সমুদ্র আইনে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত আঞ্চলিক সমুদ্র বা Territorial Sea ধরা হয়।
- ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল ধরা হয়।
 
উৎস: তারেক শামসুর রেহমান, আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ।
১,৩৪৩.
ইউরোপে আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. হেলসিঙ্কি চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ওয়াশিংটন চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
হেলসিঙ্কি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেলসিঙ্কি চুক্তি
ব্যাখ্যা

• হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords):
- ১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত সম্মেলনের (Conference on Security and Cooperation in Europe - CSCE) অংশ ছিল।

চুক্তির মূল বিষয়:
- সীমান্ত অখণ্ডতা বজায় রাখা।
- মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা।
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, এবং পরিবেশগত সহযোগিতা।

অন্যান্য চুক্তি:
প্যারিস চুক্তি: এটি মূলত জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য।
ওয়াশিংটন চুক্তি: এটি ন্যাটো (NATO) প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ভিয়েনা চুক্তি: কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।

তথ্যসূত্র: i) OSCE Official Site
ii) Helsinki Final Act

১,৩৪৪.
'ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি' ফলে কোন দেশকে আরবলীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) মিশর
  3. গ) ফিলিস্তিন
  4. ঘ) কাতার
সঠিক উত্তর:
খ) মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিশর
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ‍যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার চুক্তিটি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট - আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী - মিনাচেম বেগিন
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম আরব দেশ হিসেবে মিশর ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করে। বিনিময়ে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে এবং সেখানে মিশরের অধিকার পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে ওআইসি ও আরবলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়।

ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির আওতায় স্বাক্ষরিত পৃথক চুক্তি দুটি হচ্ছে -
1. A Framework for Peace in the Middle East ও
2. A Framework for the Conclusion of a Peace Treaty between Egypt and Israel

- এই চুক্তির ফলশ্রুতিতে মিশর ছাড়াও আরেকটি আরব দেশ—জর্ডানের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে দ্বিতীয় আরবদেশ হিসেবে জর্ডান ইসরায়েলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
১,৩৪৫.
কত সালে The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
TPNW:
- TPNW-এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- TPNW-তে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২শে জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৯৩টি।

⇒ বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
১,৩৪৬.
কার মধ্যস্থতায় 'তাসখন্দ চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) এ্যালেক্সি কোসিজিন
  2. খ) জিমি কার্টার
  3. গ) বিল ক্লিনটন
  4. ঘ) নিকোলাই পদগর্নি
সঠিক উত্তর:
ক) এ্যালেক্সি কোসিজিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এ্যালেক্সি কোসিজিন
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি 
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

অন্যদিকে,
- 'ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি' স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- 'ডেটন চুক্তি' স্বাক্ষরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
১,৩৪৭.
AUKUS জোটের সদস্য কারা?
  1. রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য
  2. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ভারত 
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• AUKUS চুক্তি:
- AUKUS চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
-  সদস্য দেশ: ৩টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধান উদ্দেশ্য: ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- অকাস হলো ২০৩০-এর শেষে বা ২০৪০-এর গোড়ার দিকে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার নতুন উচ্চপ্রযুক্তির সাবমেরিন তৈরি ও মোতায়েনের পরিকল্পনা।
- এই উন্নত প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তি অনুসারে ব্রিটিশ ও অ্যামেরিকার সাবমেরিন অস্ট্রেলিয়ায় মোতায়েন করা হবে।
- অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১,৩৪৮.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা কত সালের মধ্যে অর্জনের লক্ষ্য স্থির করা হয়?
  1. ক) ২০২০ সাল
  2. খ) ২০২৫ সাল
  3. গ) ২০৩০ সাল
  4. ঘ) ২০৩৫ সাল
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৩০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৩০ সাল
ব্যাখ্যা
২০১২ সালের ২০-২২ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩ টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন বা রিও+২০ সম্মেলন। এই সম্মেলনে পৃথিবীবাসীর জন্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয় যা ২০১৫ সালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এসডিজি সম্মেলনে চূড়ান্ত করা হয়। এতে ২০১৫ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে মোট ১৭টি লক্ষ্য স্থির করা হয়। (সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,৩৪৯.
যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ পরিচিত -
  1. 'তিনটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  2. 'দুটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  3. 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
ব্যাখ্যা

যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

প্রটোকলসমূহ:
প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

১,৩৫০.
শেনজেন ভুক্ত দেশের সংখ্যা কতটি?
  1. ২৯ টি
  2. ২৫ টি
  3. ২৭ টি
  4. ২৬ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• শেনজেন চুক্তি :
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা প্রাথমিকভাবে বেলজিয়াম , ফ্রান্স , পশ্চিম জার্মানি (পরে জার্মানি ), লুক্সেমবার্গ এবং নেদারল্যান্ডস দ্বারা ১৪ জুন, ১৯৮৫ তারিখে লুক্সেমবার্গের শেনজেনে অনুমোদিত হয়েছিল।
-  চুক্তিটির লক্ষ্য ছিল শেনজেন অঞ্চলের মধ্যে দেশগুলির মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি দেওয়া।
- শেনজেন এলাকার ২৯ টি দেশ।
- বুলগেরিয়া এবং রোমানিয়া ছিল যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ। ( ১ জানুয়ারী ২০২৫ )

উৎস : ব্রিটানিকা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।
১,৩৫১.
কোন চুক্তি অনুসারে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে হস্তান্তর করে?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি 
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. আব্রাহাম অ্যাকর্ডস 
  4. ডেটন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।
- এই চুক্তি পরবর্তী বছরে এই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে পরিণত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এতে অংশগ্রহণ করেন।
- এই চুক্তি অনুসারে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে হস্তান্তর করে। 
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ডে আলোচনা হওয়ায় এটি “ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি” নামে পরিচিত হয়।
- এই চুক্তির কারণে সাদাত ও বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আরব-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে প্রথম সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
১,৩৫২.
Sunshine Policy-র মেয়াদ ছিলো?
  1. ক) ১৯৯৮-২০০৮ সাল
  2. খ) ২০০০-২০১০ সাল
  3. গ) ১৯৯৭-২০০৭ সাল
  4. ঘ) ১৯৯৫-২০০৫ সাল
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৮-২০০৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৮-২০০৮ সাল
ব্যাখ্যা
• Sunshine Policy:
- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- এই পলিসির মেয়াদ ছিলো ১৯৯৮-২০০৮ সাল পর্যন্ত
- Sunshine Policy- তিনটি নীতির উপর ভিত্তি করে ছিল। যথা:
উত্তরের কোনো সশস্ত্র উস্কানি বরদাস্ত করা হবে না।
দক্ষিণ কোনোভাবেই উত্তরকে শুষে নেওয়ার চেষ্টা করবে না।
দক্ষিণ সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা চায়
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম
১,৩৫৩.
জীবাণুঘটিত অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত বৈশ্বিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৬২ সালে
  2. খ) ১৯৬৮ সালে
  3. গ) ১৯৬৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল জীবাণুঘটিত অস্ত্রের উৎপাদন, উন্নয়ন, মজুদ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ বিষয়ে বায়োলজিক্যাল উইপেনস কনভেনশন সাক্ষরিত হয়। ২৬ মার্চ ১৯৭৫ এটি কার্যকর হয়। ইসরাইল, ক্যামেরুন, ইরিত্রিয়া সহ বেশ কিছু দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। (সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১,৩৫৪.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. জন এফ কেনেডী
  2. জিমি কার্টার
  3. হেনরী কিসিঞ্জার
  4. বিল ক্লিনটন
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ইসরাইল ও মিশর নিজেদের মধ্যে শান্তি স্থাপনে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত অবকাশ যাপন কেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মধ্যস্থতা করেন।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে ওআইসি ও আরবলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
১,৩৫৫.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরের কারণে ১৯৭৯ সালে OIC-এর কোন সদস্য রাষ্ট্রকে স্থগিত করা হয়েছিল?
  1. ইরাক
  2. সিরিয়া
  3. মিশর
  4. জর্ডান
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

⇒  চুক্তির পর ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত OIC-এর মিশরের সদস্যপদ স্থগিত রাখা হয়। ১৯৮৪ সালে এটি পুনরায় ওআইসিতে যুক্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা। এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- ওআইসি মূলত সাতটি বিষয় নিয়ে কাজ করে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে ইসলামি সংহতি বৃদ্ধি করা, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো, বর্ণবৈষম্যের মূলোচ্ছেদ এবং উপনিবেশবাদ বিলোপের চেষ্টা অব্যাহত রাখা, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি প্রয়োজনীয় সমর্থন দেওয়া, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা বিধানের সংগ্রামকে সমন্বিত করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য সংগ্রামকে সমর্থন করা।
- ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে ইসরায়েল। আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলের অগ্নিকান্ডের প্রেক্ষিতে ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।

উৎস: Britannica. [link]
১,৩৫৬.
কোন পরিষদের সুপারিশে জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত হন?
  1. ক) অছি পরিষদ
  2. খ) সাধারণ পরিষদ
  3. গ) নিরাপত্তা পরিষদ
  4. ঘ) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
সঠিক উত্তর:
গ) নিরাপত্তা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিরাপত্তা পরিষদ
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে। নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়ােগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।

জাতিসংঘ সনদের ৯৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ মহাসচিব নিয়ােগ দিবেন। মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভােটে।

জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে উল্লেখ আছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১৫টি।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১,৩৫৭.
ভিয়েনা কনভেনশনপেরসনা (১৯৬১)-এর কত নং অনুচ্ছেদে ‘পারসোনা-নন-গ্রাটা’ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৬ নং 
  2. ৭ নং 
  3. ৮ নং 
  4. ৯ নং
সঠিক উত্তর:
৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ নং
ব্যাখ্যা

Persona non grata: 
- শব্দের আক্ষরিক অর্থ অবাঞ্ছিত বা অগ্রহণযােগ্য ব্যক্তি। 
- এটি একটি ল্যাটিন শব্দ।
- এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে কোনো দেশে প্রবেশ বা অবস্থানের জন্য অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা হয়। 
- কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে, "Persona non grata" সাধারণত কোনো বিদেশী কূটনীতিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। যদি কোনো দেশের সরকার কোনো কূটনীতিককে তাদের দেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে, তবে তাকে "Persona non grata" হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তাকে অবশ্যই সেই দেশ ত্যাগ করতে হয়।

⇒ ভিয়েনা কনভেনশন, (১৯৬১):
- Vienna Convention on Diplomatic Relations, 1961 হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনার নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৬০টি।
- পক্ষ: ১৯৩টি দেশ।
- চুক্তিটিতে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।

উলেখ্য,
- ভিয়েনা কনভেনশনের ৯ নং ধারায় 'পার্সোনা-নন-গ্রাটা' (Persona non grata) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- আর্টিকেল-৯-এ বলা হয়েছে যে, যেকোনো দেশ ওই দেশে নিযুক্ত অন্য দেশের কূটনীতিককে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ বা অগ্রহণযোগ্য বলে ঘোষণা করতে পারে। ওই কূটনীতিক সংশ্লিষ্ট দেশে পৌঁছানোর আগেই তাকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা যায়। তখন প্রেরক রাষ্ট্রকে (কুটনীতিক ব্যক্তির নিজ রাষ্ট্র) অবশ্যই একটি যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে ওই ব্যক্তিকে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় উক্ত ব্যক্তি (এ কনভেনশনের অধিনস্থ) তার কূটনৈতিক নিরাপত্তা হারাবেন। একটি দেশের কূটনীতিক মিশনের প্রধানসহ ওই মিশনে কর্মরত যেকোনো ব্যক্তিকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা যেতে পারে।

উৎস: United Nations Treaty Collection.

১,৩৫৮.
কাশ্মীর সংক্রান্ত পাক-ভারত যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত তাসখন্দ চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেন-
  1. ক) রিগান
  2. খ) কেসিগান
  3. গ) জিমি কার্টার
  4. ঘ) বিল ক্লিনটন
সঠিক উত্তর:
খ) কেসিগান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কেসিগান
ব্যাখ্যা
কাশ্মীর সংক্রান্ত পাক-ভারত যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে ১০ই জানুয়ারী ১৯৬৬ সালে স্বাক্ষরিত হয় তাসখন্দ চুক্তি। উজবেকিস্তানের তাসখন্দে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট কেসিগানের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সূত্র- লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,৩৫৯.
'Secret Intelligence Service' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. পাকিস্তান
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
SIS (Secret Intelligence Service):

- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (SIS) হলো যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গুপ্তচর বিভাগের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। 
- যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি বা জিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে থেকে নির্দিষ্ট নির্দেশনার মাধ্যমে কাজ করে সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস।
- এটি সরকারকে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক মঙ্গল প্রচার ও রক্ষা করার জন্য একটি বিশ্বব্যাপী গোপন ক্ষমতা প্রদান করে। 
- SIS ফরেন, কমনওয়েলথ ও ডেভেলপমেন্ট অফিসের সাথে কাজ করে।

অন্যদিকে -
- CIA যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- ISI পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা।
- DGSE ফ্রান্সের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।



উৎস: Secret Intelligence Service.
https://www.sis.gov.uk/home-video.html
১,৩৬০.
Chemical Weapons Convention (CWC) চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয় -
  1. ক) ১৩ জুন, ১৯৯৩
  2. খ) ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯২
  3. গ) ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭
  4. ঘ) ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC)
• রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তির নাম - Chemical Weapons Convention (CWC)। এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
• এই চুক্তি অনুসারে রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
• যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
• ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
• চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ও স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
• কার্যকর হয় - ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
• স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৯৩টি

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
১,৩৬১.
স্টার্ট-২ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ____ সালে।
  1. ক) ১৯৯১
  2. খ) ১৯৯৩
  3. গ) ১৯৯৭
  4. ঘ) ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। START -1 (Strategic Arms Reduction Treaty-1) চুক্তি ৩১ জুলাই ১৯৯১ সালে এবং START- 2 (Strategic Arms Reduction Treaty-2) চুক্তি ৩ জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।