বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা ১২ / ১৪ · ১,১০১১,২০০ / ১,৩৬৬

১,১০১.
রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত কনভেনশন (CWC) নিচের কোন দেশটি অনুমোদন করেনি?
  1. মিশর
  2. কানাডা
  3. ফ্রান্স
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত কনভেনশন (CWC)
• চুক্তির পূর্ণরূপ ও প্রবর্তন:

- পূর্ণরূপ: Convention on the Prohibition of the Development, Production, Stockpiling and Use of Chemical Weapons and on Their Destruction.
- প্রবর্তন তারিখ: ১৩ জানুয়ারি ১৯৯৩।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৫টি দেশ। [মে, ২০২৫]
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৩টি দেশ। [মে, ২০২৫]
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে, তবে অনুসমর্থন করেনি।
- স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেনি: মিশর, উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ সুদান।

•  চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার, উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুত ও স্থানান্তর নিষিদ্ধ করা।
- রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন সুবিধাসমূহ ধ্বংস করা।
- রাসায়নিক অস্ত্রের অস্তিত্ব সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা।
- শান্তিপূর্ণ রাসায়নিক প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উৎস: Britannica.
১,১০২.
'African National Congress' কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯১০ সালে
  2. খ) ১৯১২ সালে
  3. গ) ১৯১৪ সালে
  4. ঘ) ১৯১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯১২ সালে
ব্যাখ্যা
৮ জানুয়ারি, ১৯১২ সালে 'African National Congress' প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী বামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন। ১৯৯১ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন।
উৎসঃ দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারি ওয়েবসাইট।
১,১০৩.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ভিয়েতনামকে ১৭⁰ অক্ষরেখা বরাবর বিভক্ত করা হয়?
  1. পারিস্য শান্তি চুক্তি
  2. জেনেভা চুক্তি
  3. টোকিও চুক্তি
  4. হেগ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
জেনেভা চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা চুক্তি
ব্যাখ্যা
জেনেভা চুক্তির মাধ্যমে ভিয়েতনামকে ১৭ ডিগ্রি অক্ষরেখা বরাবর বিভক্ত করা হয়।

জেনেভা চুক্তি (১৯৫৪):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে বিশ্ব রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হল ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধ।
- ভিয়েতনামের মুক্তি সংগ্রামের দুটি পর্ব: প্রথমটি ফরাসি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম এবং দ্বিতীয়টি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম।
- বামপন্থী নেতা হো-চি-মিন এর নেতৃত্বে প্রবল সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রাম গড়ে ওঠে।
- হো-চি-মিন এর ভিয়েতমিন বাহিনীর কাছে ফরাসি বাহিনী পরাজিত হয়।
- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে দিয়েন-বিয়েন-ফু এর যুদ্ধে ফরাসি বাহিনী প্রধান জেনারেল গিয়াপ এর চূড়ান্ত পরাজয় এবং আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্বের অবসান ঘটে।
- এই প্রেক্ষিতে ২১ জুলাই, ১৯৫৪-এ জেনেভায় আহত এক আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্মেলনে দু'পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরোধী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ১৭⁰ অক্ষরেখা বরাবর ভিয়েতনামকে উত্তর ও দক্ষিণ দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- উত্তর ভিয়েতনামে থাকবে হো চি মিন এর ভিয়েতমিন বাহিনীর কর্তৃত্ব।
- দক্ষিণ ভিয়েতনামে আপাতত ফরাসি বাহিনী থাকবে।

অন্যদিকে,
- পারিস্য শান্তি চুক্তির উদ্দেশ্য: ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো। এবং এর মাধ্যমে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয়।

উৎস: Britannica.
১,১০৪.
'ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসরে স্বর্ণমন্দির অভিযান' কী নামে পরিচিত?
  1. অপারেশন ব্লু স্টার
  2. অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম
  3. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
  4. অপারেশন সিওর ভিক্টর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ব্লু স্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ব্লু স্টার
ব্যাখ্যা
অপারেশন ব্লু স্টার:
- ১৯৮৪ সালের ১-৮ জুন ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসরে স্বর্ণমন্দির অভিযান যা 'অপারেশন ব্লু স্টার' নামে পরিচিত।
- ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শিখ অধ্যুষিত এলাকায় খালিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় তৎপর শিখ মিলিশিয়ারা স্বর্ণমন্দিরে অস্ত্র মজুদ ও অবস্থান নেয়।
- এই প্রেক্ষিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী এ অভিযান পরিচালনা করে।
- এ অভিযানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর শিখ দেহরক্ষীদের গুলিতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী মারা যান।

উল্লেখ্য,
- 'খালিস্তান' শব্দের অর্থ বিশুদ্ধ ভূমি।
- ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় পাঞ্জাব প্রদেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। তবে সেখানকার শিখ ধর্মাবলম্বীদের দাবি ছিল নিজেদের স্বাধীন ভূখণ্ড। তারা চেয়েছিলেন ভারতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া পাঞ্জাবের অংশটিতে স্বাধীন ও সার্বভৌম খালিস্তান রাষ্ট্র।

⇒ পাঞ্জাবে অনেকের দৃষ্টিতে এটি স্বাধীনতা আন্দোলন হলেও ভারত সরকারের কাছে এটি ছিল রাষ্ট্রদ্রোহিতা। ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে নানা সময়ে সংঘাতে জড়িয়েছেন খালিস্তানপন্থীরা। স্বর্ণমন্দিরে অবস্থান নিয়ে থাকা খালিস্তান আন্দোলনের নেতা জারনাইল সিং ভিন্দ্রানওয়ালে ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে ১৯৮৪ সালে সেনা অভিযান চালায় ভারত সরকার।
- অপারেশন ব্লু স্টারের প্রতিশোধ নিতে ওই বছরের ৩১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে গুলি করে হত্যা করেন তারই শিখ দেহরক্ষীরা। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতে শিখবিরোধী দাঙ্গা শুরু হয়। 
অন্যদিকে,
- আফগানিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান - অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম।
- '১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ' অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম নামে পরিচিত।
- অপারেশন সিওর ভিক্টর - শ্রীলঙ্কার এলটিটিই দমনের অভিযান।

উৎস: Britannica.
১,১০৫.
তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।
১,১০৬.
কত সালে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯১৭ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯২৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৯ সালে
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি ১৯১৯ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তিটি ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই শহরে স্বাক্ষরিত হয়,
- এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটায়।
- চুক্তিটি ১০ জানুয়ারি ১৯২০ সালে কার্যকর হয়।
- চুক্তিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানির মধ্যে শর্তাবলী নির্ধারণ করা হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, জার্মানিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং তাদের উপর বিপুল পরিমাণ আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হয়। 
 
সূত্র:- ব্রিটানিকা ও দৈনিক যুগান্তর।
১,১০৭.
যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি সংক্রান্ত বর্ণনা রয়েছে কোনটিতে?
  1. মন্ট্রিল কনভেনশন
  2. জেনেভা কনভেনশন
  3. প্যারিস কনভেনশন
  4. রিও কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
জেনেভা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা

 জেনেভা কনভেনশন-১৯৪৯ হলো যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

১,১০৮.
সম্প্রতি, কোন দেশের মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. রাশিয়া
  2. ফ্রান্স
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের রাষ্ট্র আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। 
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
 
উল্লেখ্য,
- বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান কয়েক দশক ধরে বিবাদে লিপ্ত।
- অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডের ভেতরে অবস্থিত হলেও ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধের পর থেকে আর্মেনিয়ার সমর্থনে জাতিগত আর্মেনীয় বাহিনী ওই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
- আর্মেনিয়া নাগোর্নো কারাবাখের দখল নেয়ার পর কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় দুই দেশের মধ্যে।
- ২০২৩ সালে পুনরায় অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আজারবাইজান।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন।
১,১০৯.
যুক্তরাষ্ট্র কোন চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়?
  1. START-1
  2. ABM Treaty
  3. NEW START
  4. SALT-2
সঠিক উত্তর:
ABM Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ABM Treaty
ব্যাখ্যা
The Anti-Ballistic Missile (ABM) Treaty.
- কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে,
- অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল (ABM) চুক্তিটি ২৬ মে, ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- এবং ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে কার্যকর হয়।

• ২০০২ সালের ১৩ জুন যুক্তরাষ্ট্র  চুক্তিটি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়।
- চুক্তির প্রস্তাবনায়, উভয় পক্ষ জোর দিয়ে বলেছে যে ক্ষেপণাস্ত্র-বিরোধী ব্যবস্থার কার্যকর সীমাবদ্ধতা "কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়" হবে।
১,১১০.
“কোয়াড” (QUAD) কী হিসেবে পরিচিত?
  1. চতুর্ভুজীয় সামরিক নিরাপত্তা সংলাপ
  2. চতুর্ভুজীয় সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংলাপ
  3. চতুর্ভুজীয় নিরাপত্তা সংলাপ
  4. চতুর্ভুজীয় স্থল নিরাপত্তা সংলাপ
সঠিক উত্তর:
চতুর্ভুজীয় নিরাপত্তা সংলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্ভুজীয় নিরাপত্তা সংলাপ
ব্যাখ্যা

• কোয়াড:
- কোয়াড হলো-  চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ (Quadrilateral Security Dialogue)।
- সংক্ষেপে QUAD, হলো যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক নিরাপত্তা সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম। 
- বাংলায় একে চতুর্ভুজীয় নিরাপত্তা কথোপকথন বলা হয়।
- কোয়াডের সদস্য দেশ মোট চারটি, যথা- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান।
- কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হল: 
- একটি উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো- প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা এবং
- চীনের নয়া প্রভাবকে প্রতিহত করা ।

উৎস : Britannica. 

১,১১১.
'ANZUS' চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কী নামে পরিচিত?
  1. Allied Defense Treaty
  2. Pacific Security Treaty
  3. Transatlantic Security Treaty
  4. Alliance Defense Treaty
সঠিক উত্তর:
Pacific Security Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pacific Security Treaty
ব্যাখ্যা
আনজুস (ANZUS) চুক্তি:
- ANZUS পূর্ণরূপ- The Australia, New Zealand and United States Security Treaty.
- এই নিরাপত্তা চুক্তি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই ৩টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্ডে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিরাপত্তা চুক্তি (Pacific Security Treaty) নামে পরিচিত।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা প্রদান এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করা। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,১১২.
ডেটন চুক্তিতে অবসান হয়-
  1. ভারত -পাকিস্তান যুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. আরব - ইসরাইল যুদ্ধ
  4. বসনিয়া যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তি হয়: প্যারিস, ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয় তাই একে ডেটন চুক্তি বলা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়- ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে।
- বসনিয়া যুদ্ধ অবসানের জন্য ডেটন চু্ক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া মধ্য চু্ক্তি হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্থতা করেন: বিল ক্লিনটন।
- বসনিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন: প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
- ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে: প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
- সার্বিয়ার পক্ষে: স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

উৎস: History.com & Britannica.
১,১১৩.
‘সিন্ধু নদ’ চুক্তি স্বাক্ষর করে কোন দুই দেশ?
  1. ভারত ও বাংলাদেশ
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. বাংলাদেশ ও নেপাল
  4. পাকিস্তান ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- ১৯৬০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিন্ধু নদ চুক্তি (ইন্দুস ওয়াটার ট্রিটি- আইডব্লিউটি) স্বাক্ষর করে ভারত ও পাকিস্তান। 
- মধ্যস্থতাকারী এবং সাক্ষী হিসেবে বিশ্বব্যাংকও স্বাক্ষর করেছিল চুক্তিতে।

সিন্ধু নদ: 
• উৎপত্তি: তিব্বতের মালভূমি। 
• আরব সাগরে পতিত হয়েছে।
• পাকিস্তানের করাচি সিন্ধু নদীর তীরে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটিনিকা। 
১,১১৪.
P5+1 দেশগুলো ইরানের সঙ্গে যে চুক্তি করে তার নাম কী?
  1. CWC
  2. BWC
  3. JCPOA
  4. START-II
সঠিক উত্তর:
JCPOA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
JCPOA
ব্যাখ্যা

Joint Comprehensive Plan of Action:
- এটি সমঝোতা ‘ইরান ডিল’ নামেও পরিচিত।
- চুক্তিটি হয়েছিল ইরান ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশ তথা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে।
- এই চুক্তিতে স্থায়ী পাঁচ সদস্য দেশের সাথে জার্মানিও ছিল।
- এজন্য এই পক্ষকে ‘পি৫ + ১’ বলা হয়ে থাকে।

⇒ স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ জুলাই, ২০১৫।
- কার্যকর হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময় চুক্তিটি স্বাক্ষর ও কার্যকর হয়।

⇒ চুক্তি অনুযায়ী, ইরান পরবর্তী ১৫ বছর পর্যন্ত ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশের বেশি ইউরেনিয়ামসমৃদ্ধ করতে পারবে না। ইতিমধ্যেই সমৃদ্ধকৃত ১০ হাজার কেজি ইউরেনিয়ামের মজুদের মধ্যে মাত্র ৩০০ কেজি রেখে অবশিষ্ট ইউরেনিয়াম পারমাণবিক ক্ষমতাধর অন্য কোনো দেশের (রাশিয়া) কাছে হস্তান্তর করতে হবে। পরবর্তী ১৫ বছর পর্যন্ত ইরান এই ৩০০ কেজির চেয়ে বেশি আংশিক সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ রাখতে পারবে না। এছাড়াও চুক্তি অনুযায়ী ইরানের ২০ হাজার পারমাণবিক কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ৫ হাজার ৬০টি কেন্দ্র পরবর্তী ১০ বছর পর্যন্ত সক্রিয় রাখা যাবে। সীমিত পারমাণবিক চুল্লিগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় ভারি পানি রেখে বাকি সব পানি আন্তর্জাতিক বাজারে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে দিতে হবে এবং পরবর্তী ১৫ বছর পর্যন্ত নতুন কোনো ভারি পানি উৎপাদন করা যাবে না।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২০ সালের শুরুর দিকে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় ইরান।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।

১,১১৫.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. CWC
  2. ABM
  3. NPT
  4. CTBT
সঠিক উত্তর:
CWC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CWC
ব্যাখ্যা

Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

১,১১৬.
নিচের কোন দেশটি সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) বা সমন্বিত পারমাণবিক পরিক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি গৃহীত হয়।
চুক্তিটিতে বর্তমান পর্যন্ত স্বাক্ষরকারী দেশ ১৮৫টি এবং অনুমোদনকারী দেশ ১৭০টি।

চুক্তিটি কার্যকরের জন্যে চুক্তি অ্যানেক্স-২ অংশে উল্লিখিত ৪৪টি দেশের প্রত্যেকটির অনুমোদন আবশ্যক। কিন্তু অ্যানেক্স-২ অংশের ৩টি দেশ (ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া) এখনো চুক্তিটিতে স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেনি এবং ৫টি দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইসরাইল, মিশর ও ইরান) চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করলেও এখনো তা অনুমোদন করেনি। যার কারণে সিটিবিটি চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি।

বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০০০ সালের ৮ মার্চ অনুমোদন করে।

CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি এমন অন্যান্য দেশগুলো হলো:
- ভুটান
- ডমিনিকান
- মরিশাস
- সৌদি আরব
- সিরিয়া
- সোমালিয়া
- দক্ষিণ সুদান
- টোঙ্গা।

(তথ্যসূত্র: সিটিবিটিও এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,১১৭.
ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৬১ চুক্তির ধারা কয়টি ?
  1. ক) ৪৫
  2. খ) ৬০
  3. গ) ৫৫
  4. ঘ) ৫৩
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৩
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশন এর ধারা ৫৩ টি।
- ১৯৬১ সালের ১৮ এপ্রিল ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের কূটনৈতিক আদান-প্রদান ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিনিধি সম্মেলনে ভিয়েনার কূটনৈতিক সম্পর্কের কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৬৪ সালের ২৪ এপ্রিল এ কনভেনশনটি কার্যকর হয়।

সূত্র: Live MCQ Lecture ও ব্রিটানিকা।

১,১১৮.
'Treatment of prisoners of war and their safety and treatment' - Geneva Convention is the content of which agreement?
  1. ক) 1st Agreement
  2. খ) 2nd Agreement
  3. গ) 3rd Agreement
  4. ঘ) 4th Agreement
সঠিক উত্তর:
গ) 3rd Agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 3rd Agreement
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন
- জেনেভা কনভেনশন এবং তাদের অতিরিক্ত প্রোটোকলগুলি আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মূল গঠন করে, যা সশস্ত্র সংঘাত পরিচালনাকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর প্রভাব সীমিত করার চেষ্টা করে । 
- তারা এমন লোকদের রক্ষা করে যারা শত্রুতায় অংশ নিচ্ছে না এবং যারা আর তা করছে ।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল (যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়)।

কনভেনশনসমূহ:
- ১ম জেনেভা কনভেনশন : ১৮৬৪ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
- ২য় জেনেভা কনভেনশন : ১৯০৭ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ৩য় জেনেভা কনভেনশন : ১৯২৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।
- ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:  ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

প্রটোকলসমূহ:
- প্রটোকল : ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
- প্রটোকল : ২; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
- প্রটোকল : ৩; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: Encyclopedia Britannica, Geneva Convention.
১,১১৯.
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় পিএলও নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  2. মোলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তি
  3. অকাস চুক্তি
  4. অসলো চুক্তি
সঠিক উত্তর:
অসলো চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
১,১২০.
সল্ট-২ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৫ সালে
  3. গ) ১৯৭৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) ২৬শে মে, ১৯৭২ সালে এবং Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2) স্বাক্ষরিত হয় ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,১২১.
ব্রিটেন কত সালে হংকং কে চীনের নিকট হস্তান্তর করে?
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটেন চীনের নিকট হংকং কে হস্তান্তর করে।
এর আগে ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটেনের অধীনস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে চীন হংকংকে ৯৯ বছরের জন্যে ব্রিটেনের নিকট ইজারা দেয়।
হংকংয়ের পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে সচল রাখতে চীন পঞ্চাশ বছর মেয়াদী ‘এক দেশ দুই নীতি’ গ্রহণ করেছে যার মেয়াদ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১,১২২.
ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (ABM) বাতিল করা হয় কবে?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।

১,১২৩.
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া এবং সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম কী?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. সিমলা চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. ভার্সাই চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি: 
- ডেটন চুক্তি হলো ২১ নভেম্বর ১৯৯৫ সালে বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টদের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি শান্তিচুক্তি, যা বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- চুক্তিটি বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার জন্য একটি সাধারণ শান্তি কাঠামো নির্ধারণ করে।
- বসনিয়াকে একটি একক রাষ্ট্র হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়, যা দুটি অংশে বিভক্ত – বসনিয়াক-ক্রোয়াট ফেডারেশন এবং বসনিয়ান সার্ব প্রজাতন্ত্র।
- সারায়েভো অবিভক্ত রাজধানী হিসেবে বহাল রাখা হয়।
- এর ফলে বসনিয়ার দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই চুক্তি বসনিয়ার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করে, যা আজও বিদ্যমান।
- ডেটন চুক্তি বলকান অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফেরানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি প্রচেষ্টার একটি সফল উদাহরণ।

উৎস: Britannica.
১,১২৪.
UN Convention on the Law of the Sea স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ক) ১৯৮২ সালের ১০ নভেম্বর
  2. খ) ১৯৯২ সালের ১৬ নভেম্বর
  3. গ) ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৯৮২ সালের ১০ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮২ সালের ১০ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮২ সালের ১০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
১০ ডিসেম্বর ১৯৮২ জ্যামাইকার মন্টেগাে বে শহরে UN Convention on the Law of the Sea স্বাক্ষরিত হয়। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
১,১২৫.
আয়রন ডোম কী?
  1. ইহুদিদের পবিত্র স্থান
  2. আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  3. একটি অন্তরীপ
  4. বাণিজ্যিক ভবন
সঠিক উত্তর:
আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
- আয়রন ডোম হলো ইসরাইলের একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- এটির নির্মাতা রাফায়েল অ্যাডভান্স ডিফেন্স সিস্টেম।
- ২০১১ সালে এটি অপারেশনে আসে।
- লেবানন ও গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইলের দিকে লক্ষ্য করে ছোড়া রকেট হামলা প্রতিহত করতে ইসরাইল আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছে। এটি যেকোন আবহাওয়ায় ব্যবহারযোগ্য।
(তথ্যসূত্র: আল জাজিরা ওয়েবসাইট)
১,১২৬.
'চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি' মূলত কী সংক্রান্ত?
  1. ক) যুদ্ধকালীন সময়ে স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
  2. খ) যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।
  3. গ) যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।
  4. ঘ) যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
সঠিক উত্তর:
গ) যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention):
১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল (যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি রক্ষাকবচ/চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে “চারটি রেডক্রস কনভেনশন” বলা হয়।)
স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে-
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালের “হেগ চুক্তি সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি – জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।
৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com।
১,১২৭.
বসনিয়া সংকট সংক্রান্ত 'ডেটন চুক্তি' স্বাক্ষর হয় কোন দেশে-
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. আলজেরিয়া
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
-  পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- মধ্যস্থতায় নেতৃত্ব দেন তৎকালীন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- পক্ষসমূহ সমাঝোতায় পৌছান:ডেটন শহরের কাছে রাইট-প্যাটারসন বিমান বাহিনী ঘাঁটি, ওহাইও, যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়া সার্বিয়া এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্টগণ।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: OSCE.org. ও Britannica.
১,১২৮.
সামরিক ভাষায় WMD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Weapons of Modern Design
  2. World Military Defense
  3. World Medical Department
  4. Weapons of Mass Destruction
সঠিক উত্তর:
Weapons of Mass Destruction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Weapons of Mass Destruction
ব্যাখ্যা

WMD:
- সামরিক ভাষায় WMD-এর পূর্ণরূপ: Weapons of Mass Destruction.
- WMD বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে WMD আছে এমন আশঙ্কায় মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল।
- বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংসের ক্ষমতা বর্ণনা করতে ১৯৩৭ সালে এই শব্দের প্রথম ব্যবহার করা হয়।

⇒ Weapons of mass destruction অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রগুলো হলো:
- Nuclear Weapon,
- Chemical Weapon,
- Biological weapon.

উৎস: Britannica.

১,১২৯.
ANZUS-এর সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট।
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সদরদপ্তর : ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া।

উৎস: Britannica.
১,১৩০.
১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে কোন দুটি দেশ? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. তুরস্ক ও রোমানিয়া
  2. সাইপ্রাস ও বুলগেরিয়া
  3. রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া
  4. ক্রোয়েশিয়া ও রোমানিয়া
সঠিক উত্তর:
রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা

শেনজেন অঞ্চল (Schengen Area):
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশ: ২৯টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৫টি দেশ এবং ইইউর বাইরের চার দেশ সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিচেনস্টাইন শেনজেন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- সর্বশেষ শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া। [১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে]

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।  [Link]

১,১৩১.
প্রথম জেনেভা কনভেনশন কোন বিষয়ে সুরক্ষা প্রদান করে?
  1. বেসামরিক জনগণের
  2. স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের
  3. শিশু ও নারীদের
  4. যুদ্ধবন্দীদের
সঠিক উত্তর:
স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

১,১৩২.
ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮
  2. ১৩ নভেম্বর ১৯৯৪
  3. ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫
  4. ১৫ জানুয়ারি ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্দেশ্য ছিলো বসনিয়া সংকট সমাধান।
- বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

- ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। যার কারণে চুক্তিটি ডেটন চুক্তি নামে পরিচিত।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
১,১৩৩.
COP-28 কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. বাকু, আজারবাইজান
  2. শারম আল শেখ, মিশর
  3. দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- ২৮তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP-28) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ৩০ নভেম্বর, ২০২৩- ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখে।
- ২০২৪ সালে ২৯তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হবে – আজারবাইজান।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,১৩৪.
ওয়ারশ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে 
  3. ১৯৫৬ সালে 
  4. ১৯৫৭ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫ সালে 
ব্যাখ্যা

• ওয়ারশ চুক্তি:
- ওয়ারশ চুক্তি ছিল স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সাতটি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে গঠিত   একটি সামরিক জোট।
- ১৯৫৫ সালে পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মূল সদর দপ্তর ছিল পোল্যান্ডের ওয়ারশতে।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়াও আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া অন্তর্ভুক্ত   ছিল।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করা।
- এটি ছিল একটি সামরিক মৈত্রী যা মূলত উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো)-এর প্রতিক্রিয়ায় গঠিত হয়েছিল।
- ওয়ারশ চুক্তিটি ১৯৯১ সালের ১ জুলাই বিলুপ্ত হয়।

উৎস: Britannica.

১,১৩৫.
নিম্নের কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয় কিন্তু ভিসামুক্ত অবাধ চলাচল খ্যাত 'শেনজেন চুক্তির' অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) বুলগেরিয়া
  2. খ) নরওয়ে
  3. গ) ক্রোয়েশিয়া
  4. ঘ) গ্রিস
সঠিক উত্তর:
খ) নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নরওয়ে
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি
- অবাধ চলাচলের (ভিসামুক্ত ইউরোপ) জন্য ১৪ জুন, ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়  (“The Schengen Agreement”)।
- ১৯৯৫ সালের ১৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে ২৬টি দেশ শেনজেন এলাকাভুক্ত।  এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২২টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বহির্ভূত ৪টি দেশ।
- Norway, Iceland, Switzerland and Lichtenstein ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয় কিন্তু ভিসামুক্ত অবাধ চলাচল খ্যাত "শেনজেন চুক্তির' অন্তর্ভুক্ত।
- প্রথমে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ৫টি দেশ (France, Germany, Belgium, Luxemburg, and the Netherlands).
- শেনজেন চুক্তির আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত নয়। দেশগুলো হলো- বুলগেরিয়া, সাইপ্রাস, ক্রোয়েশিয়া, আয়ারল্যান্ড ও রোমানিয়া। 

উৎস- EU ওয়েবসাইট।
১,১৩৬.
'গানবোট কূটনীতি' সাধারণত কোন পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. শান্তি আলোচনা
  2. সামরিক আগ্রাসন প্রতিরোধ
  3. মানবিক সহায়তা প্রদান
  4. চাপ সৃষ্টি করে সুবিধা অর্জন
সঠিক উত্তর:
চাপ সৃষ্টি করে সুবিধা অর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপ সৃষ্টি করে সুবিধা অর্জন
ব্যাখ্যা
গানবোট কূটনীতি:
- এটি সাধারণত সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে কূটনৈতিক আলোচনা বা চুক্তি অর্জনের একটি মাধ্যম।
- এই কূটনৈতিক নীতিতে একটি রাষ্ট্র তার সামরিক শক্তি, বিশেষ করে নৌবাহিনীর শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে অন্য রাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করে।
- এটি মূলত সমুদ্রপথে সংশ্লিষ্ট দেশটির সীমানার আশেপাশে বিভিন্ন যুদ্ধ জাহাজ ও নৌবহর পাঠিয়ে চাপে রাখার একটি কৌশল।
- প্রাথমিকভাবে ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো দ্বারা দুর্বল দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উনিশ ও বিশ শতকে যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক সামরিক শক্তিধর দেশ এই ধরনের আচরণের মাধ্যমে নিজেদের চাহিদা পূরণের চেষ্টা করেছে।

উদাহরণ:
- ১৮৫৩ সালে জাপানে মার্কিন নৌবাহিনীর Commodore Matthew Perry-এর নেতৃত্বে জাহাজ প্রদর্শনের মাধ্যমে বাণিজ্য চুক্তি আদায়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,১৩৭.
’​ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি’ কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৭৪৭ সালে
  2. ১৬৪৮ সালে
  3. ১৬৩২ সালে
  4. ১৮৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৬৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৪৮ সালে
ব্যাখ্যা

​ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
-১৬৪৮ সালে সম্পন্ন ওয়েস্টফালিয়ার শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের ত্রিশ বছরের যুদ্ধ এবং স্পেন ও ডাচ প্রজাতন্ত্রের মধ্যে আশি বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটে।
চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়- ১৬৪৮ সালে।
স্থান- ওয়েস্টফেলিয়া, জার্মানি ।
স্বাক্ষরিত হয়- প্রোটেস্ট্যান্ট ও রোমান ক্যাথলিকদের মধ্যে।
ইউরোপের আর্থ-সামাজিক, ধর্ম এবং রাজনীতি নিয়ে ১৬১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে ১৬৪৮ সালের ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি মাধ্যমে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,১৩৮.
বসনিয়া সংকট অবসানে 'ডেটন চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ক) ১৯৮৩ সালে
  2. খ) ১৯৮৮ সালে
  3. গ) ১৯৯৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
- বসনিয়া সংকট অবসানে 'ডেটন চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় ফ্রান্সের প্যারিসে ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সালে।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, সার্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
১,১৩৯.
Global Center on Adaptation এর দক্ষিণ এশীয় কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নয়াদিল্লি
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) কাঠমুন্ডু
  4. ঘ) কলম্বো
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
Global Center on Adaptation (GCA) বা বিশ্ব অভিযোজন কেন্দ্রের দক্ষিণ এশীয় কার্যালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ এটি উদ্বোধন করা হয়।
GCA জলবায়ু অভিযোজন বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেক্টর ও উদ্যোগের মধ্যে সংলাপ আয়োজন ও সমন্বয় করে থাকে। GCA ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডের রটারডাম শহরে অবস্থিত।

(সূত্র: GCA এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন)
১,১৪০.
জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন" (JCPOA) কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইরান ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  2. ইরান ও পি-৫
  3. ইরান ও পি-৫ + ১
  4. ইরান ও পি-৪ + ইউরোপীয় ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
ইরান ও পি-৫ + ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান ও পি-৫ + ১
ব্যাখ্যা
• Joint Comprehensive Plan of Action:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ডেমোক্র্যাটিক প্রশাসন এবং P5+1 সহ বিশ্বশক্তিগুলির অংশগ্রহণে জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (JCPOA) নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।
- " জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন" (JCPOA) "ইরান পারমাণবিক চুক্তি" নামে বেশি পরিচিত।
 - ২০১৫ সালে ইরান এবং P5+1 মধ্যে চুক্তিটি হয়েছিল।
- যার মাধ্যমে ইরানের উপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা হয়।
- ২০১৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন এবং নিষেধাজ্ঞা পুনরায় আরোপ করেন।
- ২০১৯ সালে ইরান JCPOA-তে তার নিজস্ব প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসতে শুরু করে।

উল্লেখ্য:
•P5 হলো জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ টি দেশ
• P5+1 হলো - জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ টি দেশ + জার্মানি।

উৎস: U.S. Department of State (.gov).
১,১৪১.
অভিন্ন ইউরোপ গঠনের লক্ষ্যে ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য কোন দেশ দুবার গণভোটের আয়োজন করেছিল?
  1. লুক্সেমবার্গ
  2. আয়ারল্যান্ড
  3. গ্রিস
  4. ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি।
- স্বাক্ষরিত হয়: নেদারল্যান্ডের ম্যাসট্রিক্ট শহরে।
- চুক্তিটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষর করে ১২টি ইউরোপীয় দেশ।
- উদ্দেশ্য অভিন্ন ইউরো মুদ্রা প্রচলন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় পারস্পরিক সহযোগিতা।
- ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয়ান কমিউনিটির স্থলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- যার কারণে চুক্তিটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চুক্তি নামে পরিচিত।
- ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির ফলে ইউরো মুদ্রার চালুর পথ সুগম হয়।

উল্লেখ্য,
- অভিন্ন ইউরোপ গঠনের লক্ষ্যে ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য ডেনমার্ক মোট দুইবার গণভোটের আয়োজন করেছিল।
- প্রথম ২ জুন ১৯৯২ এবং দ্বিতীয় ১৮ মে ১৯৯৩ তারিখে।

⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি:
- Treaty of establishing the European Coal and Steel Community,
- স্বাক্ষর - ১৮ এপ্রিল, ১৯৫১।
- কার্যকর - ২৩ জুলাই, ১৯৫২।

⇒ The Treaty of Rome যার মাধ্যমে EEC গঠন।
- স্বাক্ষর - ২৫ মার্চ, ১৯৫৭।
- কার্যকর - ১ জানুয়ারি, ১৯৫৮।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
১,১৪২.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা FBI এর বর্তমান পরিচালক কে?
  1. তুলসী গ্যাবার্ড
  2. ক্যাশ প্যাটেল
  3. রবার্ট কিসেন
  4. ক্রিস্টোফার রে
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ প্যাটেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ প্যাটেল
ব্যাখ্যা

Federal Bureau of Investigation (FBI):
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল। 
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত। [ব্যাখ্যা আপডেট - ডিসেম্বর, ২০২৫]

উৎস: FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,১৪৩.
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত নিরসনে স্বাক্ষরিত তাসখন্দ চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেছিলেন কে?
  1. অ্যালেক্সি কোসিগিন
  2. জোসেফ স্টালিন
  3. দিমিত্রি মেদভেদেভ
  4. মিখাইল গর্বাচেভ
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্সি কোসিগিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্সি কোসিগিন
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী 'অ্যালেক্সি কোসিগিনের' মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

১,১৪৪.
প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭২
  3. ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৩
  4. ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
পারিস্য শান্তি চুক্ত:
- স্বাক্ষরিত হয় ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্থান: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম।
- উদ্দেশ্য: ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান।

উৎস: History Channel.
১,১৪৫.
ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় আরব বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. আব্রাহাম অ্যাকর্ডস
  2. আরব চুক্তি
  3. ওয়াশিংটন চুক্তি
  4. গুড ফ্রাইডে চুক্তি
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস:
- আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হলো ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের মধ্যে একটি চুক্তি।
- চুক্তিটি ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে কার্যকর হয়।
- সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সাথে ইসরায়েলের ঐতিহাসিক চুক্তির দিনটিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন 'নতুন মধ্যপ্রাচ্যের ভোর'।
- ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতাতেই এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়।
- ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ দ্বারা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন এ দুটি আরব রাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়।
- বিনিময়ে ইসরাইল পশ্চিমতীর ও গাজা উপত্যকায় তাদের সার্বভৌমত্ব স্থগিত করবে এবং সেখানে নতুনভাবে দখলিকরণ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখবে।
- আর তাদের সঙ্গে ইসরাইলের বিনিয়োগ, পর্যটন, সরাসরি ফ্লাইট, নিরাপত্তা, টেলিযোগাযোগ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতার চুক্তি সম্পাদন হবে।
- ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস' চুক্তিকে পশ্চিমা বিশ্ব স্বাগত জানালেও মুসলিম বিশ্বে এর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে।
- তবে চুক্তিটির কেন্দ্রবিন্দুতে যে পক্ষের অবস্থান তারা অর্থাৎ ফিলিস্তিনিরা পুরোপুরি অবহেলিতই রয়ে গেছে।

উল্লেখ্য,
- ইসরায়েলে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগঠন হামাসের চলতি আক্রমণের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সমঝোতামূলক চুক্তি উপেক্ষিত হতে পারে এবং অঞ্চলটি নতুন রাজনৈতিক কাঠামোয় রূপান্তরিত হতে পারে। 
- আরববিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাক্ষরিত ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হতে পারে, যার আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), বাহরাইনসহ কয়েকটি আরব রাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের দিকে এগিয়েছে। 
- ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের দিক থেকে ওই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।

অন্যদিকে -
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে তিন দশক ধরে চলা সহিংসতা বন্ধে ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড সরকার এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ১৯৯৮ সালের ১০ এপ্রিল গুড ফ্রাইডে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- শুক্রবারে স্বাক্ষরিত হওয়ায় এটিকে গুডফ্রাইডে চুক্তি বলা হয়।

 উৎস: i) ৫ অক্টোবর, ২০২০, যুগান্তর। [link]
          ii) ৯ অক্টোবর, ২০২৩, কালের কন্ঠ। [link]
১,১৪৬.
'উই রিভার চুক্তি' মধ্যস্থতাকারী ছিলেন কে?
  1. জন এফ কেনেডি
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. বিল ক্লিন্টন
  4. জন টাইলার
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিন্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিন্টন
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি:
- উই রিভার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে।
- ইসরাইল ও পিএলও এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১৪৭.
জেনেভা কনভেনশনের কত সালের চুক্তিতে যুদ্ধবন্দীদের প্রতি আচরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ক) ১৯৭৪
  2. খ) ১৯৪৭
  3. গ) ১৯৪৯
  4. ঘ) ১৯২৯
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯২৯
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

১,১৪৮.
কোন দুটি দেশের বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইরাক ও ইরান
  2. লিবিয়া ও জর্ডান
  3. ইউক্রেন ও রাশিয়া
  4. ফ্রান্স ও জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ইরাক ও ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক ও ইরান
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জুন, ১৯৭৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ইরাক-ইরান।
- মধ্যস্থতাকারী: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।

⇒ চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
• ইরান-ইরাক যুদ্ধ:
- ইরাক-ইরান যুদ্ধ শুরু হয়: ১৯৮০ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ - ২০ আগস্ট, ১৯৮৮ সাল।
- ফলাফল: জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি।

উৎস: Britannica.
১,১৪৯.
Yalta Conference এর একটি লক্ষ্য ছিল?
  1. ক) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয়
  2. খ) জিব্রাল্টার প্রণালী সুরক্ষা
  3. গ) জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
  4. ঘ) যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
গ) জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

ইয়াল্টা কনফারেন্সঃ 
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
জাতিসংঘ গঠনের পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন -
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
- সোভিয়েত নেতা - জোসেফ স্টালিন
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - উইনস্টন চার্চিল
এই সম্মেলনে জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ সদস্যদের 'ভেটো' ক্ষমতা দেওয়া হয়।

উৎসঃ ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।

১,১৫০.
জাতিসংঘ কর্তৃক পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. TPNW
  2. NTBT
  3. NPT
  4. CTBT
সঠিক উত্তর:
TPNW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TPNW
ব্যাখ্যা
TPNW:
- TPNW এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- TPNW-তে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই জাতিসংঘ কর্তৃক পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২শে জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৯৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

অন্যদিকে -
- CTBT চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- NPT হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- NTBT চুক্তি বায়ুমণ্ডলে, মহাকাশে এবং পানির নিচে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করে, ভূগর্ভস্থ ব্যতীত পারমাণবিক অস্ত্রের সমস্ত পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে। 
 
উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
১,১৫১.
আয়রন ডোম হচ্ছে ইসরাইলের -
  1. সাবমেরিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থা
  2. পারমাণবিক ওয়ারহ্যাড
  3. স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা
  4. সামরিক যুদ্ধ জাহাজ
সঠিক উত্তর:
স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
আয়রন ডোম: 
- আয়রন ডোম হলো ইসরায়েলের একটি অত্যাধুনিক স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
- এটি রকেট, মর্টার, আর্টিলারি শেল এবং ড্রোন হামলা প্রতিহত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- আয়রন ডোমের প্রধান তিনটি উপাদান হলো রাডার ব্যবস্থা (রকেট সনাক্ত ও ট্র্যাকিং), অস্ত্র নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা (মিসাইল পরিচালনা), এবং মিসাইল লঞ্চার (তামির ক্ষেপণাস্ত্র)।

উল্লেখ্য, 
- এটি শত্রু রকেটের গতিপথ বিশ্লেষণ করে জনবহুল বা কৌশলগত এলাকায় আঘাত হানার আগেই মাঝ আকাশে তা ধ্বংস করে। ২০১১ সালে প্রথম মোতায়েন করা হয় এই ব্যবস্থা। ইসরায়েলের রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস এটি তৈরি করে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় তৈরি হয়েছে। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো। 
১,১৫২.
আফগান যুদ্ধের অবসানে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে-
  1. ক) ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র ও হিজবুল্লাহ
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও জেরুজালেম
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তানে ১৮ বছরের যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে জঙ্গিগোষ্ঠী তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছে। কাতারের রাজধানী দোহায় এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ ছিল এটি। রেফারেন্সঃ ইনকিলাব
১,১৫৩.
Good Friday Agreement নামে পরিচিত -
  1. উই রিভার চুক্তি
  2. অসলো চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. অটোয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর:- ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর:- ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান:- বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ:- ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১৫৪.
উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
- স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তীতে সময়ে ১৯৯২ সালের ২৪ মার্চ ন্যাটো ও ওয়ারশ প্যাক্টভুক্ত দেশসমূহ নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উন্মুক্ত আকাশ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।
- ৩৫টি দেশ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর এবং ৩৪টি দেশ চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- চুক্তিটির অধীন দেশসমূহ পরস্পরকে নিজেদের ভূখণ্ডে নির্দিষ্ট সংখ্যক নিরস্ত্র পর্যবেক্ষণ ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ প্রদান করে থাকে। এতে করে দেশগুলোর একে অপরের সামরিক তৎপরতা ও কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে সক্ষম হয়। এর মাধ্যমে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা পাবে।
- রাশিয়া গত ৭ জুন ২০২১ এবং যুক্তরাষ্ট্র গত ২২ নভেম্বর ২০২০ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি থেকে নিজেদেরকে প্রত্যাহার করে নেয়।
(তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে এবং এনটিআই ওয়েবসাইট)
১,১৫৫.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কোন দেশে?
  1. অস্ট্রিয়া
  2. জার্মানি
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- এই সম্মেলন জার্মানির মিউনিখ শহরে সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয়।
- বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন এই সম্মেলনে।
- বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয় এই সম্মেলনে।
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে ১৯৬৩ সাল থেকে।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন। 

উৎস: সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট, প্রথম আলো।

১,১৫৬.
কোন দুটি আরব রাষ্ট্র ক্যাম্প ডেভিড (Camp David) চুক্তি স্বাক্ষরের ফলশ্রুতিতে ইসরাইলের সঙ্গে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে?
  1. জর্ডান ও মিশর
  2. কুয়েত ও বাহরাইন
  3. লিবিয়া ও ওমান
  4. তিউনিশিয়া ও আলজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
জর্ডান ও মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান ও মিশর
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- পক্ষসমূহ: মিশর - ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- উদ্দেশ্য: মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা নিরুপণ এবং শান্তি স্থাপন।

⇒ চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত চুক্তিটির জন্য ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম আরব দেশ হিসেবে মিশর ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করে। বিনিময়ে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে এবং সেখানে মিশরের অধিকার পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে ওআইসি ও আরবলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়।

• ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির আওতায় স্বাক্ষরিত পৃথক চুক্তি দুটি হচ্ছে -
1. A Framework for Peace in the Middle East ও
2. A Framework for the Conclusion of a Peace Treaty between Egypt and Israel

⇒  এই চুক্তির ফলশ্রুতিতে মিশর ছাড়াও আরেকটি আরব দেশ—জর্ডানের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- ১৯৯৪ সালে জর্ডান ইসরাইলের সঙ্গে একটি পৃথক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
- ১৯৭৯ সালে মিসর ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর জর্ডান ছিল স্বীকৃতি দানকারী দ্বিতীয় আরব মুসলিম দেশ।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
১,১৫৭.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (MSC) প্রথম কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫১ সালে 
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC) হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নিরাপত্তা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত।
- এর লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং সমাধান খোঁজা।
- এটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।

⇒ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক।
- প্রথম এক দশক এই সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।

⇒ ২০২৫ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- ২০২৫ সালে ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।

১,১৫৮.
“সানশাইন পলিসি” দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক কোন প্রেসিডেন্ট গ্রহন করেন?
  1. কিম ইয়ং-স্যাম
  2. কিম দায়ে-জং
  3. রোহ মু-হিউন
  4. লি মিউং-বাক
সঠিক উত্তর:
কিম দায়ে-জং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিম দায়ে-জং
ব্যাখ্যা
সানশাইন পলিসি (Sunshine Policy):
- সানশাইন পলিসি (Sunshine Policy) হল উত্তর কোরিয়ার সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার বৈদেশিক নীতি। 
- ১৯৯৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং এক নীতি গ্রহণ করেন।
- ২০০০ সালে এ নীতি বাস্তবায়নের ফলস্বরূপ  কিম দায়ে জং নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। 
- এই নীতির ফলশ্রুতিতে ২০০১ সালের ১৩ জুন দু দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- ২০০৮ সাল অবধি এই নীতিটি টিকে ছিল।
- কিম দায়ে-জং ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার অষ্টম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- কিম ইয়ং-স্যাম 1993 থেকে 1998 সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার 7 তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- রোহ মু-হিউন দক্ষিণ কোরিয়ায় 2003 থেকে 2008 সালের নবম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- লি মিউং-বাককে 2008 থেকে 2013 সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার 10 তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও দক্ষিণ কোরিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,১৫৯.
'NPT' চুক্তি হচ্ছে - 
  1. সামরিক সহযোগিতা চুক্তি
  2. অর্থনৈতিক চুক্তি
  3. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
  4. আন্তর্জাতিক পরিবেশ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ হলো "Nuclear Non-Proliferation Treaty", এটি "পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি" নামে পরিচিত।
- এই চুক্তিটি প্রথম ১ জুলাই, ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং এর কার্যকারিতা শুরু হয় ৫ই মার্চ, ১৯৭০ থেকে।
- চুক্তিটি মোট ১৯১টি দেশ দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।
১,১৬০.
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক স্বাধীনতা চুক্তিটি কী নামে পরিচিত?
  1. ক) প্রথম ভার্সাই চুক্তি
  2. খ) রোম চুক্তি
  3. গ) বার্লিন চুক্তি
  4. ঘ) ওয়াশিংটন চুক্তি  
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম ভার্সাই চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম ভার্সাই চুক্তি
ব্যাখ্যা
প্রথম ভার্সাই চুক্তি:
- প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরের দিন ফ্রান্সের ভার্সাইতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে আরেকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা 'প্রথম ভার্সাই চুক্তি' নামে পরিচিত।
- এটি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
- এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়- ৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সালে।
- এই চুক্তির ফলে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার স্বীকৃতি প্রদান করে এবং কানাডার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।

অন্যদিকে,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা মহাযুদ্ধের সমাপ্তির লক্ষ্যে ১৯১৯ সালে 'দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,১৬১.
ব্রেটন উডস চুক্তির মাধ্যমে কোন দুটি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. NATO ও WTO
  2. IMF ও IBRD
  3. UN ও UNESCO
  4. SAFTA ও BIMSTEC
সঠিক উত্তর:
IMF ও IBRD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IMF ও IBRD
ব্যাখ্যা
• ব্রেটন উডস চুক্তি (Bretton Woods Agreement): 
- স্থান: ব্রেটন উডস, নিউ হ্যাম্পশায়ার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- তারিখ: ১-২২, জুলাই, ১৯৪৪।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠন নিশ্চিত করা।
- সংশ্লিষ্ট সম্মেলন: আন্তর্জাতিক আর্থিক সম্মেলন (United Nations Monetary and Financial Conference)
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর: বিশ্ব অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত, নতুন আর্থিক নিয়মাবলী প্রয়োজন।
- প্রধান অংশগ্রহণকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ও অন্যান্য ৪৪ টি দেশ।
- লক্ষ্য: বৈশ্বিক বাণিজ্য পুনরুদ্ধার, মুদ্রার স্থিতিশীলতা, আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।

• চুক্তির মূল বিষয়বস্তু:
- IMF ও IBRD প্রতিষ্ঠিত হয়।

- আমেরিকান ডলারকে সোনার সঙ্গে নির্ধারিত মূল্য (১ আউন্স সোনার = ৩৫ ডলার) দিয়ে যুক্ত করা।
- মুদ্রার মান স্থির রাখার জন্য ফিক্সড এক্সচেঞ্জ রেট সিস্টেম প্রবর্তন।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) তহবিল গঠন।
- বিশ্বব্যাংক (IBRD) প্রতিষ্ঠা: যুদ্ধপীড়িত দেশগুলোর পুনর্গঠনের জন্য অর্থায়ন।

উৎস: Britannica.
১,১৬২.
ABM চুক্তি বাতিল হয় কত সালে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
১,১৬৩.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. ক) লুজান চুক্তি
  2. খ) ভিয়েনা চুক্তি
  3. গ) নানকিং চুক্তি
  4. ঘ) বেলফাস্ট চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) লুজান চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লুজান চুক্তি
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সাথে অটোমান সাম্রাজ্য তথা বর্তমান তুরস্কের প্রথমে সেভার্স চুক্তি (১০ আগস্ট ১৯২০) সম্পাদিত হয়। কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।

•১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়। লুজান চুক্তিই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি।  সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

লুজান চুক্তির ফলে-
• বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়।
• অটোমান সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন আরব প্রদেশ, আর্মেনিয়া, সাইপ্রাস, ঈজিয়ান সাগরের দ্বীপসমূহের উপর থেকে তুরস্ক তার অধিকার তুলে নেয়।
• এছাড়া আরো কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপিত হয়।

[আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে ২০২৩ সালে লুজান চুক্তির মেয়াদ অবসান হবে।]

(উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com)
১,১৬৪.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে ইসরায়েলের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. ডেভিড বেন গুরিয়ন
  2. গোল্ডা মেয়ার
  3. আইজ্যাক রবিন
  4. মেনাচেম বেগিন
সঠিক উত্তর:
মেনাচেম বেগিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেনাচেম বেগিন
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিনের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- ক্যাম্প ডেভিড যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত একটি অবকাশ যাপন কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তির মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের পর মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়, এবং এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তন আসে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
১,১৬৫.
কোন চুক্তির অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) গঠিত হয়েছিল?
  1. বার্লিন চুক্তি
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. ওয়াশিংটন চুক্তি
  4. রোম চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ভার্সাই চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্সাই চুক্তি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO):
- ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির অংশ হিসাবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) গঠিত হয়েছিল। 
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা নয়টি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত।
 দেশগুলে হলো: বেলজিয়াম, কিউবা, চেকোস্লোভাকিয়া, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, পোল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকাল–১৯ এপ্রিল, ১৯১৯।
- প্রতিষ্ঠার স্থান–প্যারিস, ফ্রান্স।
- সদর দপ্তর– জেনেভা।
- সদস্য সংখ্যা– ১৮৭টি দেশ।

উৎস: ILO ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১,১৬৬.
জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

সমঝোতা স্মারক:
- জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারত ও বাংলাদেশ দুই প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
- এগুলো হলো:
i. কৃষি গবেষণায় সহযোগিতা,
ii. সাংস্কৃতিক বিনিময়।
iii. দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক লেনদেন সহজীকরণ।

এছাড়াও,
- ১৯তম সম্মেলন জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

১,১৬৭.
SAFTA চুক্তিটি সাক্ষরিত হয় কোন শহরে?
  1. ইসলামাবাদ
  2. দিল্লী
  3. ঢাকা
  4. কাঠমুন্ডু
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ
ব্যাখ্যা
SAFTA:

- SAFTA এর পূর্ণরূপ: South Asian Free Trade Area (SAFTA)। 
- সাউথ এশিয়ান ফ্রি ট্রেড এরিয়া (সাফটা) সংক্রান্ত চুক্তি ইসলামাবাদে দ্বাদশ সার্ক সম্মেলনের সময় স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৬ জানুয়ারি ২০০৪।
- এটি কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি, ২০০৬ সালে। 
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ ৮টি।
- সাফটা স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সার্ক ওয়েবসাইট।
১,১৬৮.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখন আফগানিস্তান হতে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার সমাপ্ত করে?
  1. ক) ৩১ মে, ২০২১
  2. খ) ৩০ মে, ২০২১
  3. গ) ৩০ আগস্ট, ২০২১
  4. ঘ) ১ লা জানুয়ারি, ২০২১
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ আগস্ট, ২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ আগস্ট, ২০২১
ব্যাখ্যা

- গত ৩০ আগস্ট ২০২১ আফগানিস্তানের স্থানীয় সময় রাত ১১.৫৯ এ যুক্তরাষ্ট্রের অবশিষ্ট সৈন্যদের নিয়ে সর্বশেষ মার্কিন ফ্লাইট কাবুল বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
- এর মাধ্যমে ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ২০ বছর ব্যাপী রক্তক্ষয়ী আফগান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি দোহায় স্বাক্ষরিত মার্কিন-তালেবান শান্তি চুক্তি অনুযায়ী ২০২১ সালের ১ মে এর মধ্যে সকল মার্কিন সেনাদের আফগানিস্তান ত্যাগ করার কথা ছিলো। জো বাইডেন ১১ সেপ্টেম্বর মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করেন। কিন্তু ১৫ আগস্ট ২০২১ তালেবান বাহিনী কাবুল দখলের ফলে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।

তথ্য: আল জাজিরা ও রয়টার্স।

১,১৬৯.
New START চুক্তিটি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  3. চীন ও ভারত
  4. রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
New START চুক্তি:
- নিউ স্টার্ট চুক্তিটি ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের ওবামা প্রশাসন এবং রাশিয়ার পুতিন সরকার নতুন নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরু করে।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ৮ এপ্রিল ২০১০ সালে।
- কার্যকর: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে।
- স্বাক্ষরস্থল: প্রাগ, চেক প্রজাতন্ত্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ ছিল ১০ বছর, যা ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।
- যদিও ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি 'নিউ স্টার্ট চুক্তি' স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: হিস্টোরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
১,১৭০.
'মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের' প্রধান উদ্যোক্তা কারা?
  1. মায়া প্লিসেটস্কায়া ও মিখাইল গর্বাচেভ
  2. এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক
  3. জর্জ মাইকেলিস ও জর্জ ফন হার্টলিং
  4. ভিক্টর চেরনোমাইর্ডিন ও জর্জ ফন ব্রোকি
সঠিক উত্তর:
এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক
ব্যাখ্যা
• 'মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন':
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা - এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক।
- ৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪ সালের ১৬-১৮  ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন। 

উৎস: সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট, প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,১৭১.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যস্থতায় 'ডেটন শান্তি চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়?
  1. বারাক ওবামা
  2. জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ
  3. বিল ক্লিনটন
  4. রোনাল্ড রেগান
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
১,১৭২.
পিএলও-এর ন্যাশনাল কাউন্সিল কর্তৃক আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব সম্পর্কে ১৯৮৮ সনে জাতিসংঘ কোথায় রেজুলেশন গ্রহণ করে?
  1. নিউইয়র্ক
  2. প্যারিস
  3. জেনেভা
  4. ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। 

পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ ১৯৮৮ সনে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে (নিউইয়র্কে) পিএলও-এর ন্যাশনাল কাউন্সিল কর্তৃক আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব সম্পর্কে রেজুলেশন গ্রহণ করে।

উৎস: Britannica.
১,১৭৩.
‘রোম চুক্তি- ১৯৯৮’ দ্বারা কোন আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) The International Court of Justice
  2. খ) The Permanent Court of Arbitation
  3. গ) The International Criminal Court
  4. ঘ) The Permanent Court of International Justice
সঠিক উত্তর:
গ) The International Criminal Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) The International Criminal Court
ব্যাখ্যা
১৯৯৮ সালের ১৭ জুলাই স্বাক্ষরিত রোম চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়ঃ ১ জুলাই, ২০০২ সাল।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যাঃ ১২৩টি।
- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
উৎসঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ওয়েবসাইট।
১,১৭৪.
জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (JCPOA) চুক্তি কী নামে পরিচিত?
  1. ইরাক শান্তি চুক্তি
  2. সিরিয়া নিরাপত্তা চুক্তি
  3. ইসরায়েল- ফিলিস্তিন শান্তি চুক্তি
  4. ইরান পারমাণবিক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ইরান পারমাণবিক চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান পারমাণবিক চুক্তি
ব্যাখ্যা

Joint Comprehensive Plan of Action:
​- "জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন" (JCPOA)" ইরান পারমাণবিক চুক্তি" নামে বেশি পরিচিত।
​- ২০১৫ সালে ইরান এবং P5+1 মধ্যে চুক্তিটি হয়েছিল।
​- P5+1 হলো জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ টি দেশ (চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র) এবং জার্মানি।
​- যার মাধ্যমে ইরানের উপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা হয়।
​- ২০১৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন এবং নিষেধাজ্ঞা পুনরায় আরোপ করেন।
​- ২০১৯ সালে ইরান JCPOA-তে তার নিজস্ব প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসতে শুরু করে।

​উৎস: U.S. Department of State (.gov).

১,১৭৫.
জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ এর আওতায় কয়টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ১টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯: 
- জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ এর আওতায় ৪টি চুক্তি এবং ৩টি প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- এই চুক্তিগুলি যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক এবং স্বেচ্ছাসেবীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তৈরি করা হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্যে ৪টি রক্ষাকবচ/চুক্তি রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং রেডক্রসের কার্যক্রমের সাথে সম্পর্কিত।
- এই চুক্তি এবং প্রটোকলগুলির কারণে এই চুক্তিকে "চারটি রেডক্রস কনভেনশন" বলা হয়।  
 
সূত্র: ব্রিটানিকা ও রেডক্রস।

১,১৭৬.
নিচের কোন চুক্তিটি বর্তমানে বিলুপ্ত?
  1. ক) NAFTA
  2. খ) Warsaw Pact
  3. গ) NPT
  4. ঘ) APEC
সঠিক উত্তর:
খ) Warsaw Pact
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Warsaw Pact
ব্যাখ্যা
- ন্যাটো জোটের বিপরী জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- এই জোটের উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
১,১৭৭.
বিপজ্জনক বর্জ্যের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. কিয়োটো প্রোটোকল
  2. কার্টাগোনা প্রোটোকল
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. মন্ট্রিয়াল প্রোটোকল
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি হলো বাসেল কনভেনশন।
- এটি ১৯৮৯ সালের ২২ মার্চ সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকরী হয়: ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বাসেল কনভেনশন বলে।

অন্যদিকে,
- মন্ট্রিয়ল প্রটোকল: ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করা।
- কার্টাগেনা প্রটোকল হলো জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি।

উৎস: UN Basel Convention  ওয়েবসাইট।
১,১৭৮.
আটলান্টিক সনদ কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র
  2.  ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স
  3. রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইংল্যান্ড ও রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• আটলান্টিক সনদ ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়

আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে লড়াই করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে এই সনদ তৈরি করা হয়।

উৎস: Britannica.
১,১৭৯.
আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭০ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এই চুক্তিটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,১৮০.
জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (JCPOA) কোন দেশের পারমাণবিক চুক্তি হিসেবে পরিচিত?
  1. রাশিয়া
  2. ইরান
  3. পাকিস্তান
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

Joint Comprehensive Plan of Action:
​- "জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন" (JCPOA)" ইরান পারমাণবিক চুক্তি" নামে বেশি পরিচিত।
​- ২০১৫ সালে ইরান এবং P5+1 মধ্যে চুক্তিটি হয়েছিল।
​- P5+1 হলো জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ টি দেশ (চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র) এবং জার্মানি।
​- যার মাধ্যমে ইরানের উপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা হয়।
​- ২০১৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন এবং নিষেধাজ্ঞা পুনরায় আরোপ করেন।
​- ২০১৯ সালে ইরান JCPOA-তে তার নিজস্ব প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসতে শুরু করে।

​উৎস: U.S. Department of State (.gov).

১,১৮১.
অটোয়া চুক্তিটি কার্যকর হয় কবে?
  1. ১ জানুয়ারি ১৯৯৮
  2. ১ মার্চ ১৯৯৯
  3. ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০
  4. ৭ মে ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ ১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি:
- অটোয়া চুক্তি স্থলমাইনের উৎপাদন, ব্যবহার ও মজুদ নিষিদ্ধকরণের লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- অটোয়া চুক্তি ১৯৯৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কানাডার অটোয়ায় এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়।
- এটি ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে ১৬৬টি দেশ এই চুক্তির অংশীদার।[জুলাই - ২০২৫] 
- বাংলাদেশ এই চুক্তিতে ৭ মে ১৯৯৮ সালে স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে এটি কার্যকর করে।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,১৮২.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি অপর নাম কী? 
  1. CTBT 
  2. ABM Treaty
  3. Ottawa Treaty
  4. Vienna Treaty
সঠিক উত্তর:
Ottawa Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ottawa Treaty
ব্যাখ্যা

• স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি:
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি বা Anti-Personnel Landmines Convention।
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি বা Ottawa Treaty।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- চুক্তির উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

​​অন্যদিকে,
- CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) – পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী চুক্তি।
- ABM Treaty (Anti-Ballistic Missile Treaty) – যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সীমিত করার চুক্তি।
- Vienna Treaty – সাধারণভাবে ভিয়েনা কনভেনশন নামে পরিচিত, যা আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পর্কিত আইনি কাঠামো নির্ধারণ করে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

১,১৮৩.
অটোয়া কনভেনশনে কী নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. স্থলমাইন মজুদ
  2. স্থলমাইন উৎপাদন
  3. স্থলমাইন ব্যবহার
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• অটোয়া কনভেনশন
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি, যেটা অটোয়া কনভেনশন নামে পরিচিত, সেই চুক্তি অনুযায়ী কোন দেশের স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন, ও হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- কানাডার অটোয়ায় ১৯৯৭ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ।
- উদ্দেশ্য- স্থলমাইন মজুদ, উৎপাদন, হস্তান্তর ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা। 
- স্বাক্ষর করেনি- চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইসরাইল।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে এবং অনুমোদন করে ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে। 

উৎস: United Nations Office for Disarmament Affairs (UNODA).
১,১৮৪.
'ওয়েটাঙ্গি চুক্তি’ (Treaty of Waitangi) কোন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
  1. অ্যাবোরিজিনস
  2. মাওরি
  3. তুয়ারেগ
  4. মায়া
সঠিক উত্তর:
মাওরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওরি
ব্যাখ্যা

ওয়েটাঙ্গি চুক্তি (Waitangi Treaty):
- এটি নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, যা ১৮৪০ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সঙ্গে মাওরি জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি নিউজিল্যান্ডের প্রতিষ্ঠার মূল নথি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়েটাঙ্গি, নিউজিল্যান্ড।
- উদ্দেশ্য:নিউজিল্যান্ডে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠা।
- মাওরি জনগণের ভূমি অধিকার এবং সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।
- চুক্তিটি ইংরেজি এবং মাওরি ভাষায় রচিত, তবে উভয় ভাষার মধ্যে ব্যাখ্যাগত পার্থক্য আছে।
- মাওরি জনগণের ভূমি, সম্পদ এবং স্বায়ত্তশাসনের স্বীকৃতি দিলেও বাস্তবে ব্রিটিশ উপনিবেশ স্থাপনে মাওরি অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়।
- এই চুক্তি নিয়ে বিতর্ক এবং পুনর্বিবেচনার দাবি আজও চলছে।
- ওয়েটাঙ্গি চুক্তি নিউজিল্যান্ডের ইতিহাস, আইন এবং সংস্কৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: NZ History Gov Website.

১,১৮৫.
অসলো-১ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোন স্থানে?
  1. অসলো, নরওয়ে
  2. তেল আবিব, ইসরায়েল
  3. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ আগস্ট ১৯৯৩।
- স্থান: ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।
- ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইতিজহাক রাবিন এবং পিএলও চেয়ার ইয়াসির আরাফাত ওয়াশিংটন ডিসিতে চুক্তির স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১,১৮৬.
অটোয়া চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি:
- এর আরেক নাম স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention)।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, পাকিস্তান এবং রাশিয়াসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ল্যান্ডমাইন উৎপাদক এবং ব্যবহারকারী দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
- বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

১,১৮৭.
Who is the mediator of Oslo-1 peace agreement?
  1. James Buchan
  2. Reagan
  3. Jimmy Carter
  4. Bill Clinton
  5. Richard Nixon
সঠিক উত্তর:
Bill Clinton
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bill Clinton
ব্যাখ্যা
অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো-১ শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,১৮৮.
'উরুগুয়ে রাউন্ড' এর সময়কাল-
  1. ১৯৮৫-১৯৯০
  2. ১৯৮৬-১৯৯৪
  3. ১৯৮৮-১৯৯৪
  4. ১৯৯৪-১৯৯৬
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬-১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬-১৯৯৪
ব্যাখ্যা
GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- Uruguay Round (১৯৮৬ - ৯৪)। 
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তি হয় GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে World Trade Organization (WTO) -এর জন্ম হয়।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট।
১,১৮৯.
অটোয়া চুক্তি অনুযায়ী সদস্য দেশগুলোকে কত বছরের মধ্যে মজুদকৃত স্থলমাইন ধ্বংস করতে হবে?
  1. ৪ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৮ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা

স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ অটোয়া চুক্তি অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোকে চুক্তি কার্যকর হওয়ার ৪ বছরের মধ্যে তাদের মজুদকৃত স্থলমাইন ধ্বংস করতে হবে।
- এবং ১০ বছরের মধ্যে মাটির খনি ধ্বংস করতে হবে।
- ধ্বংসের বাধ্যবাধকতা পূরণের জন্য দেশগুলি ১০ বছর পর্যন্ত নবায়নযোগ্য সম্প্রসারণের অনুরোধ করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, পাকিস্তান এবং রাশিয়াসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ল্যান্ডমাইন উৎপাদক এবং ব্যবহারকারী দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
- বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে। চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট। [link]

১,১৯০.
'অসলো চুক্তি' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?  
  1. ১৯৭৮ সালে 
  2. ১৯৮৪ সালে 
  3. ১৯৯১ সালে 
  4. ১৯৯৩ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে 
ব্যাখ্যা

• অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.

১,১৯১.
Arms Trade Treaty (ATT) চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪
  2. ১ জানুয়ারি ২০১৩
  3. ২ এপ্রিল ২০১৪
  4. ২ এপ্রিল ২০১৩
সঠিক উত্তর:
২ এপ্রিল ২০১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ এপ্রিল ২০১৩
ব্যাখ্যা

Arms Trade Treaty (ATT):
- Arms Trade Treaty (ATT) হলো প্রচলিত আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- এর প্রস্তাবক হলো জাতিসংঘ।
- ATT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২ এপ্রিল ২০১৩ সালে (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে)।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ সংখ্যা: ১১৬টি।
- স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এখনও অনুমোদন দেয়নি: ২৬টি দেশ।
- চুক্তির উদ্দেশ্য: প্রচলিত অস্ত্রের অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও মানবাধিকার রক্ষা।
- ATT ধারণার মূল প্রবক্তা: নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কোস্টারিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অস্কার অ্যারিয়াস (Oscar Arias)।
- যুক্তরাজ্য ২০০৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ATT প্রস্তাব জাতিসংঘে উত্থাপন করে।
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং অক্সফাম ATT-এর পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালায়।
- ATT ২০১৩ সালে চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট এবং Arms Trade Treaty ওয়েবসাইট।

১,১৯২.
অটোয়া চুক্তি কী উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ
  2. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  3. ফিলিস্তিনে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৫টি। (জুলাই, ২০২৫)
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও হিউম্যান রাইট ওয়াচ ওয়েবসাইট।
১,১৯৩.
বাংলাদেশ কবে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
• 'NPT' চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।
১,১৯৪.
সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT) স্বাক্ষরিত দেশ কয়টি?
  1. ১৮১টি
  2. ১৮৩টি
  3. ১৮৭টি
  4. ১৯০টি
সঠিক উত্তর:
১৮৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭টি
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (এশিয়ায় ১ম)।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,১৯৫.
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কবে?
  1. জুলাই, ১৯৬১ সালে
  2. জুলাই, ১৯৭১ সালে
  3. জুলাই, ১৯৬৬ সালে
  4. জুলাই, ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
জুলাই, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি: 
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। 
- সময়: ২ জুলাই, ১৯৭২ সালে। (চুক্তির দলিল স্বাক্ষরের তারিখ রেকর্ড করা হয় ১৯৭২ সালের ২ জুলাই। তবে বাস্তবে ৩ জুলাই সকালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এই চুক্তি)
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ১৯৭১ সালের যুদ্ধ-পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং পারস্পরিক বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করা।
- এই চুক্তির মাধ্যমে কাশ্মীর সীমান্তে "লাইন অফ কন্ট্রোল" (এলওসি) প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং দুই দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সকল সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেওয়া হয়।

উৎস: প্রথম আলো
১,১৯৬.
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য প্রযোজ্য কাগজবিহীন বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয় -
  1. ২৯ আগস্ট, ২০১৭
  2. ১৩ অক্টোবর, ২০২০
  3. ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  4. ১৫ জুন, ২০২১
সঠিক উত্তর:
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
ব্যাখ্যা
কাগজবিহীন বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর:
জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে স্বাক্ষরিত হয় কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি।
- এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) সহায়তায় ২০১৬ সালের ১৯ মে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়।
- চুক্তিটির পূর্ণনাম - Framework Agreement on Facilitation of Cross - border paperless Trade in Asia and the Pacific.
- ESCAP-ভুক্ত ৫৩টি সদস্য দেশ এ চুক্তিতে অংশ নিতে পারবে।
- ২৯ আগস্ট, ২০১৭ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- ১৩ অক্টোবর, ২০২০ বাংলাদেশ চতুর্থ দেশ হিসেবে চুক্তিটি অনুসমর্থন করে।
- ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ চুক্তিটি কার্যকর হয়।
উৎস: ESCAP ওয়েবসাইট।
১,১৯৭.
রামসার কনভেনশন কার্যকর করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭১
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৯২
  4. ঘ) ২০০০
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 171

বাংলাদেশ ও রামসার:-
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র:- রামসার ওয়েবসাইট।
১,১৯৮.
'সানশাইন পলিসির' মূল লক্ষ্য কী ছিল?
  1. উত্তর কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন
  2. দক্ষিণ কোরিয়ার আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি
  3. উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ বন্ধ
  4. দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
Sunshine Policy:
• প্রবক্তা: দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
• সম্পর্কিত দেশ: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
• বাস্তবায়নকাল: ১৯৯০-এর দশক।
• লক্ষ্য: দুই কোরিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা।

বিশেষ তথ্য:
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,১৯৯.
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক কে?
  1. রবোর্টো অ্যাজভেদেব
  2. রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি
  3. মোহাম্মদ এল বারাদি
  4. ফ্রেডারিক পাসি
সঠিক উত্তর:
রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি
ব্যাখ্যা
IAEA:
- IAEA এর পূর্ণরূপ International Atomic Energy Agency বা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা।
- IAEA ১৯৫৭ সালের ২৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IAEA এর সদর দপ্তর ভিয়েনায় অবস্থিত।
- এর মোট সদস্য সংখ্যা বর্তমানে ১৭৮ টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক হলেন আর্জেন্টিনার রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি।
- IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করে।

তথ্যসূত্র - IAEA ওয়েবসাইট।
১,২০০.
কত সালে ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৬৪৮ সালে
  2. ১৭৪৮ সালে
  3. ১৮৪৮ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৬৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি (Peace of Westphalia): 
- ইউরোপে দীর্ঘ সময় ধরে চলা দুটি বড় যুদ্ধ শেষ করতে ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- দুটি যুদ্ধ শেষ হয় এই চুক্তিতে:
i) আশি বছরের যুদ্ধ (Eighty Years’ War) – স্পেন এবং নেদারল্যান্ডসের মধ্যে।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ৩০ জানুয়ারি ১৬৪৮

ii) তিরিশ বছরের যুদ্ধ (Thirty Years’ War) – মূলত জার্মান অঞ্চল, ফ্রান্স, সুইডেন এবং পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের মধ্যে।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ২৪ অক্টোবর ১৬৪৮

- ইউরোপে ধর্মীয় সহনশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রগুলোর আন্তর্জাতিক সার্বভৌমত্ব স্বীকৃতি পায়।
- আধুনিক জাতিরাষ্ট্র (nation-state) ধারণার ভিত্তি তৈরি হয়।
- শান্তিপূর্ণ কূটনীতিক আলোচনা ও চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধের সমাধান করার রীতি গড়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.