বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ২৭ / ৩০ · ২,৬০১২,৭০০ / ২,৯৯৩

২,৬০১.
ঘটনা বা দলিল সম্পর্কে স্বীকারোক্তিতে কে শপথনামা (Affidavit) প্রদান করলে তা যথেষ্ট প্রমাণ বলে গণ্য হবে?
  1. স্বীকারোক্তিকারী পক্ষ
  2. উকিল বা তার মুহুরী
  3. ৩য় যেকোনো পক্ষ
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
উকিল বা তার মুহুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উকিল বা তার মুহুরী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-

১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১]
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ  [বিধি-২]
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]

আদেশ ১২ বিধি ৭ঃ 

কোন ঘটনা বা দলিল সম্পর্কে স্বীকারোক্তির জন্য নোটিশ দেয়া হলে, তদনুসারে কোন স্বীকারোক্তি করা হলে যদি তার প্রমাণ আবশ্যক হয়, তবে উকিল বা তার মুহুরী উক্ত স্বীকারোক্তিতে প্রদত্ত স্বাক্ষরের শপথনামা প্রদান করলে তা যথেষ্ট প্রমাণ বলে গণ্য হবে।
[An affidavit of the pleader or his clerk, of the due signature of any admissions made in pursuance of any notice to admit documents or facts shall be sufficient evidence of such admissions, if evidence thereof is required.]
২,৬০২.
একটি জেলা জজ আদালত নিম্নে কোন বিচারিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে?
  1. কোন উচ্চতর আদালতের কার্যক্রম
  2. কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম
  3. কোনো অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতের কার্যক্রম
  4. কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
কোনো অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতের কার্যক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতের কার্যক্রম
ব্যাখ্যা
ধারাঃ ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা (General power of transfer and withdrawal):

মোকদ্দমার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকল পক্ষকে নোটিশ দিয়ে এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন সময়-

তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম-

১) প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
২) তা বিচার বা নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা
৩) অধীনস্ত কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তর করতে পারেন; অথবা
৪) যেই আদালত হতে তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২,৬০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ বিধি ২ অনুযায়ী- আদালত কার জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. পক্ষগণ
  2. পক্ষগণের সহযোগী
  3. ৩য় কোনো পক্ষের
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

আদেশ ১০ বিধি ২ (পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি)-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2 (Oral examination or party of companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
২,৬০৪.
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে,বিধি অনুযায়ী আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. উক্ত পক্ষকে ১০০০ টাকা জরিমানা
  2. উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা
  3. মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আদালত কর্তৃক অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ এবং দাখিল না করার ফলাফল:

দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

• প্রতিকার:

১০ বিধির নিয়মটি শুধুমাত্র প্রযোজ্য যখন ৯ বিধির অধীন বিবাদী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয় এবং উক্ত ব্যর্থতার কারণে আদালত রায় ঘোষণা করে আদেশ দিলে। ১০ বিধির অধীন রায় ঘোষণার আদেশ (An order pronouncing judgment) হলো আপীলযোগ্য আদেশ তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
২,৬০৫.
নিম্নের কোনটি প্লিডিংসে উল্লেখ থাকবে?
  1. আইন [Law]
  2. গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts]
  3. সাক্ষ্য [evidence]
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts]
ব্যাখ্যা
• প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts] উল্লেখ থাকবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]

• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• প্লিডিংস সম্পর্কে নিয়ম:
প্লিডিংসে শুধুমাত্র ঘটনা [Material Facts] উল্লেখ করতে হবে, আইন [Law] বা সাক্ষ্য [evidence] উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts] উল্লেখ থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। যেমন- মোকদ্দমার কারণ ইত্যাদি।

Order 6 rule 2: Pleading to state material facts and not evidence-
Every pleading shall contain, and contain only, a statement in a concise form of the material facts on which the party pleading relies for his claim or defence, as the case may be, but not the evidence by which they are to be proved, and shall, when necessary, be divided into paragraphs, numbered consecutively. Dates, sums and numbers shall be expressed in figures. 
২,৬০৬.
লিখিত জবাবের সাথে দাখিলকৃত দলিলাদি আদালত কখন ফেরত প্রদান করতে পারে?
  1. ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কপি আদালতে দাখিল করলে
  2. উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে
  3. ক এবং খ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
২,৬০৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত আদেশের কত বিধি অনুযায়ী প্লিডিংস কর্তন (Striking Out of Pleadings) এর আবেদন করতে হয়?
  1. Order VII, Rule XVII
  2. Order VI, Rule XVI
  3. Order VI, Rule XVII
  4. Order VI, Rule XV
সঠিক উত্তর:
Order VI, Rule XVI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order VI, Rule XVI
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের বিধানসমূহ রয়েছে।

প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• আদেশ-৬, বিধি-১৬: প্লিডিংস কর্তন (Strike out of pleadings)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে  প্লিডিংস কর্তনের (Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।

• আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
⇒ অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter) বা
⇒ কুৎসাজনক (Scandalous) হলে অথবা
⇒ বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice, embarras or delay fair trial of the suit)
২,৬০৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় রায়, ডিক্রী বা আদেশ সংশোধন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৫২ ধারায় বলা হয়েছে যে, রায়, ডিক্রী ও আদেশের করণিক বা গাণিতিক ভূল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তির কারনে কোন ভুল হলে যে কোন সময় আদালত নিজ উদ্যোগে বা কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তা সংশোধন করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২,৬০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় 'Res sub judice' এবং 'Res judicata' নীতি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৮ ধারা এবং ৯ ধারা
  2. ৯ ধারা এবং ১০ ধারা
  3. ১০ ধারা এবং ১১ ধারা
  4. ১১ ধারা এবং ১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০ ধারা এবং ১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারা এবং ১১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারা এবং ১১ ধারায় 'Res sub judice' এবং 'Res judicata' নীতি আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না।এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

এই নীতিগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো—
- আদালতের সময় ও সম্পদের সাশ্রয়: একই বিষয়ে বারবার মামলা দায়ের বন্ধ করে আদালতের মূল্যবান সময় ও সম্পদ রক্ষা করা।
- বিচারব্যবস্থার ধারাবাহিকতা ও সম্মান বজায় রাখা: একই বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন রায় এড়িয়ে ন্যায়বিচারের মর্যাদা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা।
- বিচারপ্রক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি: একই বিষয়ে একাধিক মামলা হলে বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যা প্রতিরোধ করা।
- পক্ষগুলোর অপ্রয়োজনীয় হয়রানি রোধ: বিরোধী পক্ষকে একই বিষয়ে বারবার মামলা লড়ার চাপ ও হয়রানি থেকে মুক্ত রাখা। 
২,৬১০.
একজন সিভিল জজের আপিল অযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হয় -
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা

রিভিশন (Revision)
রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে।


দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সিভিল জজ বা সিভিল জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সিভিল জজ বা সিভিল জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে - জেলা জজ আদালতে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর জারি করা Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025-এর মাধ্যমে ‘সহকারী জজ’ ও ‘সিনিয়র সহকারী জজ’ পদবি বাতিল করে যথাক্রমে ‘সিভিল জজ’ এবং ‘সিনিয়র সিভিল জজ’ নামকরণ করা হয়েছে।

২,৬১১.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কত নং আইন হিসেবে গৃহীত হয়?
  1. ১ নং
  2. ৩ নং
  3. ৫ নং
  4. ৭ নং
সঠিক উত্তর:
৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ নং
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।
→ The Code of Civil Procedure, 1908 (ACT NO. V OF 1908)

- সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়।
- বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে।
- এই আইনে দেওয়ানি আদালত এবং মামলার পক্ষগুলোর জন্য যেসব নিয়ম মানতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে জানা যায়:
- কিভাবে মামলা দায়ের করতে হয়।
- মামলার আবেদন বা জবাব কিভাবে দিতে হয়।
- কিভাবে সমন (জবানবন্দি বা উপস্থিতির আদেশ) জারি করতে হয়।
- কিভাবে আদালতে শুনানি হয়।
- রায় এবং ডিক্রি (আদালতের আদেশ) কিভাবে ঘোষণা এবং কার্যকর করা হয়।
- আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম।
- অর্থাৎ এটি মামলার প্রতিটি ধাপে আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।
২,৬১২.
কোন পারস্পরিক সহযোগিতাকারী (Reciprocating territory) দেশের কোন উচ্চ আদালতের কোন ডিক্রি বাংলাদেশে জারি করা যায়, যদি উক্ত ডিক্রির সইমোহর (সার্টিফাইড কপি) দাখিল করা হয়-
  1. আপীল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজের আদালতে 
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে 
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৪ক ধারার বিধান যুক্তরাজ্য বা অন্য কোন পারস্পরিক সম্বন্ধযুক্ত দেশ দ্বারা প্রদত্ত ডিক্রি জারি:
১) যখন পারস্পরিক সহযোগীতাকারী দেশের কোন ঊর্ধ্বতন আদালতের ডিক্রির সহিমোহরকৃত নকল কোন জেলা আদালতে পেশ করা হয়, তখন উক্ত ডিক্রি বাংলাদেশে এরূপে জারি করা হবে, যেন জেলা আদালত কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছিল।
২) এই সইমোহরকৃত ডিক্রির নকলের সঙ্গে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের একটি সার্টিফিকেট পেশ করতে হবে, যাতে ডিক্রিতে বর্ণিত দাবির কোন অংশ পরিশোধ বা সমন্বয় করা হলে বা সার্টিফিকেটে তার বিস্তারিত বিবরণ থাকলে এবং ঐরূপ সার্টিফিকেট এই ধারার কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে এরূপ পরিশোধ বা সমন্বয়ের ব্যাপারে চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য হবে।
৩) এই ধারা অনুসারে ডিক্রি জারিকারক জেলা আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ডিক্রির সহিমোহরকৃত নকল পেশ করার সময় থেকে ৪৭ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে; এবং যদি আদালতের সন্তুষ্টি মোতাবেক প্রমাণ করা যায় যে, ডিক্রিটি ১৩ ধারার (ক) থেকে (চ) দফা পর্যন্ত ব্যতিক্রমের কোন একটির অন্তর্ভুক্ত হয় তাহলে জেলা আদালত এরূপ কোন ডিক্রি জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবেন।
ব্যাখ্যা ২:-“পারস্পরিক সহযোগিতাকারী দেশ" বলতে এই ধারার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতাকারী বলে সরকার কর্তৃক ঘোষিত দেশ বা রাজ্যকে বুঝায় ও অনুরূপ কোন রাজ্য সম্পর্কে 'ঊর্ধ্বতন আদালত' বলতে উক্তরূপ বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত অনুরূপ আদালতসমূহকে বুঝায়।
ব্যাখ্যা ৩:- ঊর্ধ্বতন আদালত প্রসঙ্গে "ডিক্রি" বলতে কর বা একই ধরণের অন্যান্য দায় সম্পর্কিত বা অন্য শাস্তি সম্পর্কিত প্রদানযোগ্য অর্থ নয়, এরূপ প্রদানযোগ্য অর্থের জন্য নির্দেশকারী ঐরূপ আদালতের ডিক্রি বা রায়কে বুঝানো হয়; এবং

খ) ডিক্রি কিংবা রায় হিসাবে যদিও কার্যকরী হয় তথাপি সালিশের রোয়েদাদকে কোন ক্ষেত্রেই অন্তর্ভুক্ত করে না।
২,৬১৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমার ডিক্রিতে কোন করণিক বা গাণিতিক ভুল থাকলে, আদালত উক্ত ডিক্রি-
  1. শুধুমাত্র আবেদনকারীর অনুরোধে সংশোধন করতে পারে
  2. শুধুমাত্র নিজস্ব উদ্যোগে সংশোধন করতে পারে
  3. নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে সংশোধন করতে পারে
  4. কোনোভাবেই সংশোধন করতে পারে না
সঠিক উত্তর:
নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে সংশোধন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে সংশোধন করতে পারে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারা- রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।

Section 152- Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২,৬১৪.
মোকদ্দমার আরজিতে (plaint) তথ্য প্রমাণের জন্য শপথপত্রের প্রয়োজনীয়তা কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২৬(১)
  2. ধারা ২৬(২)
  3. আদেশ ৭, বিধি ১
  4. আদেশ ৬, বিধি ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬(২)
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬(২) সরাসরি নির্দেশ করে যে, "প্রতিটি আরজির তথ্য শপথপত্র দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে" (In every plaint, facts shall be proved by affidavit)। এটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া।

অন্যান্য অপশনগুলোর ভূমিকা ভিন্ন:
- ধারা ২৬(১) মোকদ্দমা দায়েরের সাধারণ পদ্ধতি (আরজি দাখিল) বর্ণনা করে।
- আদেশ ৭, বিধি ১ আরজির অন্তর্ভুক্ত বিষয়বস্তু সম্পর্কিত।
- আদেশ ৬, বিধি ১৪ লিখিত বিবৃতির (pleading) সাধারণ নিয়ম সম্পর্কিত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬- মোকদ্দমা দায়ের করা:
(১) প্রতিটি মোকদ্দমা (suit) আরজি (plaint) দাখিলের দ্বারা দায়ের করতে হবে অথবা সেইভাবে, যা আইনে নির্ধারিত হতে পারে।
(২) প্রতিটি আরজির (plaint) তথ্য (facts) শপথপত্র (affidavit) দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 26- Institution of Suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.

২,৬১৫.
ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হয় তাহলে ডিক্রি জারির জন্য __________ প্রেরণ করবেন।
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. সেই জেলার এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে
  3. সেই জেলার জেলা আদালতে
  4. সেই জেলার পলিশ কমিশনারের নিকট
সঠিক উত্তর:
সেই জেলার জেলা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেই জেলার জেলা আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫: স্থানান্তরের পদ্ধতি (Mode of transfer): ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।
------------------------
⇒ Order-21 Rule-5.(Mode of transfer):  Where the Court to which a decree is to be sent for execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district in which the decree is to be executed. 
২,৬১৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-২৫ অনুযায়ী, যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকে, তবে কী করা হবে?
  1. সমন জারি করা হবে না।
  2. স্থানীয় আদালতে সমন পাঠাতে হবে।
  3. তার বিদেশি ঠিকানায় সমন পাঠাতে হবে।
  4. শুধু সাক্ষীদের কাছে সমন পাঠাতে হবে।
সঠিক উত্তর:
তার বিদেশি ঠিকানায় সমন পাঠাতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার বিদেশি ঠিকানায় সমন পাঠাতে হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৫: বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করলে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোনো এজেন্ট না থাকলে, সমন বিবাদীর বিদেশস্থ ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ-৫, বিধি-২৫: যেখানে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করেন এবং কোনো এজেন্ট নেই:
(১) যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করেন এবং বাংলাদেশে তার সমন গ্রহণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো এজেন্ট না থাকে, তবে তার বসবাসস্থল অনুযায়ী সমন তার ঠিকানায় পাঠাতে হবে। এটি ডাকযোগে বা আদেশ-৫, বিধি-৯ এর উপবিধি (৪) অনুযায়ী কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রেরণ করা হবে, যদি আদালতের স্থানের সাথে তার বসবাসস্থলের মধ্যে ডাকযোগাযোগ ব্যবস্থা থাকে।
(২) আদালত, উপবিধি (১)-এর অধীনে সমন প্রেরণের পাশাপাশি, বাদীর আবেদনক্রমে বিবাদীর উপস্থিতির জন্য সমন ইস্যু করতে নির্দেশ দিতে পারে। এই ক্ষেত্রে, বাদী তার নিজের খরচে ফ্যাক্স মেসেজ বা ইলেকট্রনিক মেইল সার্ভিসের মাধ্যমে সমন প্রেরণ করতে পারবেন।
--------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5, Rule- 25. Service where the defendant resides out of Bangladesh and has no agent:
(1)Where the defendant resides out of Bangladesh and has no agent in Bangladesh empowered to accept service, the summons shall be addressed to the defendant at the place where he is residing and sent to him by post or through courier service as mentioned in sub-rule (4) of rule 9, if there is postal communication between such place and the place where the Court is situated.
(2) The Court may, in addition to the service of summons under sub-rule (1), on the application of the plaintiff for the issue of a summons for the appearance of the defendant, also direct the summons to be served by means of transmission of documents through fax massage or electronic mail service by the plaintiff at his own cost.
২,৬১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩৫(১) অনুযায়ী, কে দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তারযোগ্য নয়?
  1. সাক্ষী
  2. আইনজীবী
  3. বিচারক
  4. ডিক্রিদায়ক
সঠিক উত্তর:
বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮- ধারা ১৩৫: দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি:
(১) কোনো বিচারক, মেজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচারিক কর্মকর্তা তার আদালতে যাওয়া, আদালত পরিচালনা করা অথবা আদালত থেকে ফিরে আসার সময় দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তারযোগ্য হবেন না।

(২) যেখানে কোনো বিষয় যে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন, বা ভাল বিশ্বাসে বিশ্বাস করা হয় যে ঐ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার আছে, সেই বিষয় সংক্রান্ত পক্ষসমূহ, তাদের আইনজীবী, মুক্তার, রাজস্ব এজেন্ট, স্বীকৃত প্রতিনিধি এবং তারা যারা সমন অনুযায়ী সাক্ষ্য দিতে যান, তারা ঐ ট্রাইব্যুনালে যাওয়া বা হাজিরা দেওয়া এবং ফিরে আসার সময় দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি পাবেন; তবে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আদালত অবমাননার প্রসঙ্গে জারি করা প্রক্রিয়া ব্যতীত।

(৩) উপ-ধারা (২) অনুযায়ী দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি দাবি করার অধিকার বিচারপতি-ঋণগ্রহীতার (judgment-debtor) থাকবে না যদি তা তৎক্ষণাৎ কার্যকরী আদেশ বা ডিক্রি কার্যকর করার জন্য গ্রেপ্তারের আদেশ হয়, অথবা যখন তিনি কারাগারে পাঠানোর বিষয়ে কারণ দর্শানোর জন্য হাজির হন।
২,৬১৮.
মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত দিনে কোন পক্ষ প্রনোজনীয় সাক্ষ্য কোন কারণ ছাড়া দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত
  1. রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. শুনানি মুলতুবি রাখতে পারে
  3. মামলা খারিজ করতে পারে
  4. একতরফা ডিক্রি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ১৬ বিধি ২০ অনুযায়ী যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি জন্য সমন দেওয়া হয়েছে এবং কোন পক্ষ যে সকল সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে সেটা দাখিল করতে কোন কারণ ছাড়া উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়েছে,সেই ক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে।
২,৬১৯.
কত প্রকার দেওয়ানি আদালত আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ৩ অনুযায়ী ৫ প্রকারের দেওয়ানি আদালত আছে।

১. জেলা জজের আদালত (The Court of District Judge)
২. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত (The Court of Additional District Judge)
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালত (The Court of Joint District Judge)
৪. সিনিয়র সহকারী জজের আদালত (The Court of Senior Assistant Judge)
৫. সহকারী জজের আদালত (The Court of Assistant Judge)

⇒ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-(ধারা-১৮ ও ১৯)
১.সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge)- ১৫ লক্ষ পর্যন্ত।
২. সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)- ২৫ লক্ষ পর্যন্ত।
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)-২৫ লক্ষ এর উপরে।
২,৬২০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ অনুযায়ী স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারে কোনো সম্পত্তির-
  1. বাজার দর নির্ধারন করতে
  2. অন্তবর্তীকালীন মুনাফা নির্ধারনের জন্য
  3. বার্ষিক ক্ষতি বা মূল লাভ নির্ধারন করতে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ৯ অনুযায়ী স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারে।
⇒ মোকদ্দমার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির-
১) বাজার মূল্য বা
২) অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা (Mesne Profits )
৩) ক্ষতিপূরণ বা
৪) বাৎসরিক নীট মুনাফা নির্ণয় করা।
⇒ আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
⇒ তবে স্থানীয় তদন্তে সম্পত্তির দখলকার আছে তা নির্ধারন হয় না।
------------------
- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য।
- আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

আদেশ-২৬ বিধি-৯: স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন: যেকোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
-------------
CPC Order-26 Rule-9.Commissions to make local investigations:
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
২,৬২১.
'অস্থাবর সম্পত্তি সমর্পণ (delivery) সম্ভব না হলে, বিকল্প অর্থমূল্য ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে'- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন বিধিতে বলা হয়েছে?
  1. আদেশ ২০ বিধি-১০
  2. আদেশ ২০ বিধি-১১
  3. আদেশ ২০ বিধি-১৩
  4. আদেশ ২০ বিধি-১৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২০ বিধি-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২০ বিধি-১০
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.

২,৬২২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারায় কোন ধরনের সমন জারির বিধান রয়েছে?
  1. জেল সমন
  2. বিদেশি সমন
  3. সরকারি সমন
  4. প্রাতিষ্ঠানিক সমন
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারায় "Service of foreign summonses" উল্লেখ আছে। বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত আদালতের সমন কোন পদ্ধতিতে দেশের ভেতর জারি করা হবে, সেই পদ্ধতি দেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতি শুধুমাত্র দেওয়ানি সমনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ধারা ২৯- বিদেশি সমন জারি:
বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোন দেওয়ানি অথবা রাজস্ব আদালতের সমন এবং অন্যান্য ওয়ারেন্ট বাংলাদেশের আদালতসমূহে প্রেরণ করা যেতে পারে এবং উক্ত সমন অনুরূপ আদালত মারফত প্রদত্ত সমন হিসাবে জারি করা যেতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে অনুরূপ আদালত সমূহে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে ঘোষণা করবে।

Section 29: Service of foreign summons-
Summons and other processes issued by any Civil or Revenue Court situate outside Bangladesh may be sent to the Courts in Bangladesh and served as if they were summonses issued by such Courts:
Provided that the Government has by notification in the official Gazette declared the provisions of this section to apply to such Courts.
২,৬২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় আদেশ ও নোটিশ লিখিতভাবে প্রদানের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১৫০
  2. ধারা ১৪২
  3. ধারা ১০৭
  4. ধারা ৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারা অনুযায়ী, আদালতের যে কোনো আদেশ বা নোটিশ লিখিতভাবে প্রদান করতে হয়। এই বিধান নিশ্চিত করে যে আদালতের সমস্ত আদেশ ও নোটিশ স্পষ্টভাবে লিখিত থাকবে, যাতে পরবর্তীতে তা আইনগতভাবে প্রয়োগযোগ্য হয় এবং ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ না থাকে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারা অনুযায়ী, এই বিধির অধীনে যে কোনো আদেশ বা নোটিশ লিখিতভাবে প্রদান করতে হবে। এই বিধান আদালতের আদেশ ও নোটিশকে স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও আইনগতভাবে প্রয়োগযোগ্য করে তোলে।
সুতরাং, আদালতের আদেশ ও নোটিশ লিখিতভাবে প্রদানের বিধান দেওয়া আছে দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারায়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 142. Orders and notices to be in writing.
- All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.
২,৬২৪.
কোন আদালতের রিভিশন ক্ষমতা নেই?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে।
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ ও ২) হাইকোর্ট বিভাগ

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে যুগ্ম জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা নেই।
 
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী বিধান হলো রিভিশন । রিভিশন বলতে বুঝায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিশন করতে হয় উচ্চ আদালতে।
-এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। 
- যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না । আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয়।
২,৬২৫.
When the property is a negotiable instrument not deposited in a Court or in custody of a public officer, how is attachment made?
  1. By notice
  2. By actual seizure
  3. By the judge’s order only
  4. Without any permission
সঠিক উত্তর:
By actual seizure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By actual seizure
ব্যাখ্যা
⇒According to Order-21, Rule-51 of the Code of Civil Procedure, when the property is a negotiable instrument (like a promissory note, bill of exchange, etc.) and it is not deposited in a court or not in the custody of a public officer, then the attachment is made by actual seizure of the instrument. After seizure, it must be brought before the court and held subject to further orders.
So, the correct option is: খ) By actual seizure. 

⇒The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-51. Attachment of negotiable instruments:
-Where the property is a negotiable instrument not deposited in a Court, nor in the custody of a public officer, the attachment shall be made by actual seizure, and the instrument shall be brought into Court and held subject to further orders of the Court.

⇒দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ - আদেশ-২১, বিধি-৫১: হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments) ক্রোক (Attachment):
যেখানে সম্পত্তি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল (negotiable instrument), যা আদালতে জমা দেওয়া হয়নি বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার হেফাজতে নেই, সেখানে উক্ত দলিল ক্রোকের (attachment) কার্যক্রম প্রকৃত দখলের (actual seizure) মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে, এবং দলিলটি আদালতে নিয়ে আসা হবে এবং আদালতের পরবর্তী আদেশের অধীন রাখা হবে।
২,৬২৬.
আদেশ-১১ এর বিধি-২৩ অনুসারে নিম্নের কারা এই আদেশের আওতাভুক্ত?
  1. কেবলমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক বাদী ও বিবাদী
  2. কেবলমাত্র নাবালক বাদী ও বিবাদী
  3. শুধুমাত্র আদালতের আদেশ অনুযায়ী নিযুক্ত প্রতিনিধি
  4. নাবালক বাদী ও বিবাদী এবং অক্ষম ব্যক্তিদের আসন্ন বন্ধু ও অভিভাবকগণ
সঠিক উত্তর:
নাবালক বাদী ও বিবাদী এবং অক্ষম ব্যক্তিদের আসন্ন বন্ধু ও অভিভাবকগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালক বাদী ও বিবাদী এবং অক্ষম ব্যক্তিদের আসন্ন বন্ধু ও অভিভাবকগণ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধিতে প্রকাশ (Discovery) অর্থ হলো এক পক্ষ কর্তৃক অন্য পক্ষকে তার দখলে বা এখতিয়ারে যে বিষয় রয়েছে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা। বিরোধী পক্ষের দখলে আছে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত এমন কোন দলিল বা বিষয় বিরোধী পক্ষকে প্রকাশ করতে মোকদ্দমার কোন পক্ষ ১১ আদেশ অনুসারে আবেদন করতে পারে।

প্রকাশ [Discovery] ২ (দুই) প্রকার-
১. প্রশ্ন দ্বারা কোন ঘটনা বা বিষয় প্রকাশ করা[Discovery by Interrogatories]
২. কোন দলিল প্রকাশ করা [Discovery of Documents]

• ১১নং আদেশে উদঘাটন এবং পরিদর্শন সম্পর্কে যাবতীয় বিধি-বিধান রয়েছে। সেই সাথে উক্ত আদেশের বিধি ২৩ এ বলা হয়েছে-
এই আদেশ নাবালক বাদী এবং বিবাদীগণের ক্ষেত্রে এবং অক্ষম ব্যক্তিদের মোকদ্দমার জন্য তাদের আসন্ন বন্ধু ও অভিভাবকগণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
[This order shall apply to minor plaintiffs and defendants, and to the next friends and guardians for the suit of persons under disability.]
২,৬২৭.
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করা হলে,মোকদ্দমার খরচ প্রদান করবে-
  1. অস্বীকারকারী পক্ষ
  2. আদালত যাকে নির্দেশ দিবে
  3. মোকদ্দমায় যার বিপক্ষে রায় হবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে। তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে অস্বীকারকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে

আদেশ ১২, বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে, তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন এবং 
আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
২,৬২৮.
ক্ষতিপূরণমূলক খরচের আদেশ দেওয়া যায় কোন ক্ষেত্রে?
  1. মামলা পরিচালনায় বিবিধ খরচের ক্ষেত্রে
  2. মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য
  3. মধ্যবর্তী বিষয়ে বিলম্বে দরখাস্ত দাখিল করলে
  4. উপরিউক্ত সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির - ৩৫ক ধারা বিধান হল মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি বা জবাব সম্পর্কে ক্ষতিপূরণমূলক খরচঃ মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মোকদ্দমা বা দাবির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ ক্ষতিপূরণমূলক খরচের (Compensatory Cost ) জন্য আবেদন করতে পারে। আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন । এই ধারাটি আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
♦এই ধারায় কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে তাকে ফৌজদারি দায় হতে অব্যাহতি দিয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে না।
♦৩৫ক ধারায় প্রদত্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
♦৩৫ ধারার খরচ হল সাধারণ খরচ যা মামলার কারণে পক্ষদের খরচ হয় যেমন- কোর্ট ফি, আইনজীবীর ফি ও এই সংক্রান্ত অন্যান্য খরচ।
♦৩৫ক ধারায় মিথ্যা ও হয়রানিকর দাবির কারণে আদালত সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দিতে পারে।
♦৩৫খ তে যে খরচের আদেশ দেওয়া হয় তা মূলত interlocutory matter এ কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত সময়ে দাখিল না করে বিলম্বে দাখিল করার জন্য আরোপ করা হয়।
২,৬২৯.
'Affidavits' দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশের বিষয়বস্তু?
  1. আদেশ ১৯
  2. আদেশ ২৯
  3. আদেশ ২৮
  4. আদেশ ৩৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৯
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৯: Affidavits- এই আদেশটিতে শপথপূর্বক নিবন্ধন বা Affidavits সংক্রান্ত সকল বিষয়াবলী আলোচিত হয়েছে। যেমন:

শপথপূর্বক নিবন্ধন বা অ্যাফিডেভিট হল এমন একটি শপথসম্পন্ন বিবৃতি যা ঘটনা ও পরিস্থিতিগুলো সম্পর্কে অবগত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত হয়। এই বিবৃতি প্রদানকারী ব্যক্তিকে 'ডিপোনেন্ট' বলা হয়। ডিপোনেন্ট নিশ্চিত করেন যে বিবৃতির বিষয়বস্তু তার জ্ঞানমতে সঠিক এবং কোন তথ্য গোপন করা হয়নি। স্বাক্ষরিত হওয়ার পর, অ্যাফিডেভিটটি আইনগত ভাবে নিযুক্ত ওয়াথ কমিশনার বা নোটারি কর্তৃক প্রত্যায়িত হওয়া আবশ্যক।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
I. আদালত আদেশ দিতে পারে যে কোনো ঘটনা অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে। সাধারণভাবে ঘটনা মৌখিক প্রমাণের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়।
II. দেওয়ানি কার্যবিধিতে অ্যাফিডেভিটের সংজ্ঞা উল্লেখ নেই। তবে যদি যথেষ্ট কারণ থাকে, তাহলে অ্যাফিডেভিটকে আদেশ ১৯ এর আওতায় প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
III. নিয়ম ১ একটি ধরনের ব্যতিক্রম এবং আদালতকে কোন নির্দিষ্ট ঘটনা অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে প্রমাণের অনুমতি দেয়, তবে বিপরীত পক্ষের ডিপোনেন্টকে বাক্য-প্রতিবাক্য করার অধিকার থাকে।
IV. অ্যাফিডেভিটকে শুধু সেই ঘটনাগুলো উল্লেখ করা উচিত যা ডিপোনেন্ট ব্যক্তিগতভাবে জানেন, তবে আন্তঃকালীন আবেদনগুলোতে তার বিশ্বাসের বিবৃতি গৃহীত হতে পারে (নিয়ম ৩)।
V. যদি অ্যাফিডেভিটগুলো যথাযথভাবে সত্যায়িত এবং নিয়মানুগ না হয়, তবে আদালত তা বাতিল করবে। তবে বাতিল না করে আদালত দল কে সঠিক অ্যাফিডেভিট দাখিলের সুযোগ দিতে পারে।
VI. সাধারণভাবে আন্তঃকালীন আবেদনগুলো যেমন অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, রিসিভার নিয়োগ ইত্যাদি অ্যাফিডেভিটের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা যায়।
২,৬৩০.
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের সর্বোচ্চ আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. ৫০ হাজার
  2. ২৫ হাজার
  3. ৬০ হাজার
  4. ৪০ হাজার
সঠিক উত্তর:
২৫ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ হাজার
ব্যাখ্যা
• স্বল্প মূল্যমানের বিরোধ সমূহের জন্য The Small Cause Courts Act, 1887 অনুসারে ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালত স্থাপন করা হয়েছে। ত্বরিত বিচার ও দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার হবে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় নির্ধারণ, সাক্ষ্য প্রভৃতি ক্ষেত্রে সুদীর্ঘ প্রক্রিয়া বিচারকদের অনুসরণ করার প্রয়োজন নেই।

The Small Cause Courts Act, 1887 এর ১৫ ধারায় বলা হয়েছে-
২৫ হাজার টাকার অধিক নয় এমন যেকোনো মূল্যমানের মামলার বিচার করবে ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালত সমূহ। তবে সরকার চাইলে লিখিত আদেশ দ্বারা পরিমাণ ৩০,০০০ টাকা করতে পারে। Small Cause Courts কর্তৃক বিচার্য মামলা অন্য কোন এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত বিচার করতে পারবে না। ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালত জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন এবং হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে থাকবে। নিষেধাজ্ঞা, স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ, ডিক্রি সম্পাদন সহ নানা ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালতের কোন এখতিয়ার থাকবে না।

Section 15- Cognizance of suits by Courts of Small Causes:
(1) A Court of Small Causes shall not take cognizance of the suits specified in the second schedule as suits excepted from the cognizance of a Court of Small Causes. 
 
(2) Subject to the exceptions specified in that schedule and to the provisions of any enactment for the time being in force, all suits of a civil nature of which the value does not exceed twenty five thousand Taka shall be cognizable by a Court of Small Causes. 
 
(3) Subject as aforesaid, the Government may, by order in writing, direct that all suits of a civil nature of which the value does not exceed thirty thousand Taka shall be cognizable by a Court of Small Causes mentioned in the order.
২,৬৩১.
জেলা জজ আদালত সর্বোচ্চ কত টাকার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারবেন?
  1. ৫০ লাখ টাকা
  2. ১ কোটি টাকা
  3. ৫ কোটি টাকা
  4. ১০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 এর ২১ ধারায় আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার বিধান রয়েছে। ২১ ধারামতে শুধুমাত্র ২টি আদালত আপিলের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) জেলা জজ আদালত এবং
ii) হাইকোর্ট বিভাগ।

• এই আইন সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়। ২০২১ সালের দেওয়ানি আদালত সংশোধন আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালত ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারেন। অর্থাৎ জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা পর্যন্ত। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
২,৬৩২.
দেওয়ানি মামলায় ২০ জন বিবাদী আছে। ১৯ জন লিখিতভাবে ১ জনকে ক্ষমতা দিল যে সে তাদের পক্ষে সব কার্য করবে। এটা দেওয়ানি কার্যবিধির Order-1 এর কোন Rule এ সমর্থিত?
  1. Rule-8
  2. Rule-10
  3. Rule-11
  4. Rule-12
সঠিক উত্তর:
Rule-12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule-12
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ১, রুল ১২ বিশেষভাবে একাধিক বাদী বা বিবাদীর মধ্যে প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে। এই বিধি অনুসারে, যখন কোনো মামলায় একাধিক বাদী বা বিবাদী থাকে, তখন তারা তাদের মধ্য থেকে কোনো একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে লিখিতভাবে ক্ষমতা দিতে পারে যাতে সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ সকলের পক্ষে আদালতে উপস্থিত হতে, যুক্তিতর্ক প্রদান করতে এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
- প্রশ্নে উল্লিখিত পরিস্থিতিতে ২০ জন বিবাদীর মধ্যে ১৯ জন বিবাদী তাদের একজনকে লিখিতভাবে সকলের পক্ষে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দিয়েছে। এটি সরাসরি রুল ১২(১) এর অধীনে পড়ে, যা স্পষ্টভাবে বলে যে "Where there are more defendants than one, any one or more of them may be authorized by any other of them to appear, plead or act for such other in any proceeding"।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ১২ অনুযায়ী-
১) কোন মোকদ্দমায় অধিক সংখ্যক বাদি বিদ্যমান থাকলে তন্মধ্যে যেকোন এক ব্যক্তিকে অথবা একাধিক ব্যক্তিকে সকলে তাদের পক্ষে আদালতে উপস্থিত হয়ে মোকদ্দমাকেন্দ্রিক অভিযোগাদির উত্তর দিতে বা কার্য করতে তথা তদারক করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারবে,
অনুরূপভাবে কোন মোকদ্দমার অধিক সংখ্যক বিবাদি বিদ্যমান থাকলে, তন্মধ্যে যেকোন একজনকে বা একাধিক জনকে অপর সকলে তাদের পক্ষে আদালতে হাজির হয়ে মোকদ্দমাকেন্দ্রিক অভিযোগাদির উত্তর দিতে বা কার্য করতে তথা তদারক করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবে।
২) ক্ষমতা প্রদানকারী পক্ষের স্বাক্ষরে ক্ষমতা অর্পণ লিখিতভাবে করতে হবে এবং তা আদালতে দাখিল করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 1 Rule-12: Appearance of one of several plaintiffs or defendants for others-
(1) Where there are more plaintiffs than one, any one or more of them may be authorized by any other of them to appear, plead or act for such other in any proceedings; and in like manner, where there are more defendants than one, any one or more of them may be authorized by any other of them to appear, plead or act for such other in any proceeding.
(2) The authority shall be in writing signed by the party giving it and shall be filed in Court. 

২,৬৩৩.
In the suit of 'A' vs. 'B'- 'B', the defendant dies during the trial. B's husband and her adult daughter both want to be recognized as the legal representative for continuing the suit. According to Order 22 Rule 5, who has the authority to determine the question about legal representative of 'B'?
  1. Only 'A'
  2. Only The Court
  3. Both 'A' & Court
  4. The parties involved in the case
সঠিক উত্তর:
Only The Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Only The Court
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি ৫- বৈধ প্রতিনিধি সম্পর্কীত প্রশ্ন নিষ্পত্তি:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মৃত বাদী বা বিবাদীর বৈধ প্রতিনিধি কি-না তসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ প্রশ্ন আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত হবে।

Order 22 Rule 5: Determination of question as to legal representative:
Where a question arises as to whether any person is or is not the legal representative of a deceased plaintiff or a deceased defendant, such question shall be determined by the Court.

আদেশ ২২ বিধি ৫ অনুযায়ী,
যখন কোন পক্ষ, যেমন একজন মৃত বাদী বা বিবাদীর আইনগত প্রতিনিধি কে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে, তখন সেই প্রশ্নটি আদালত দ্বারা নির্ধারিত হবে। অর্থাৎ, যে কোন একজন ব্যক্তি মৃত বাদী বা বিবাদীর আইনগত প্রতিনিধি কিনা তা আদালত সিদ্ধান্ত নেবে। আইনগত প্রতিনিধিত্বের সিদ্ধান্তটি আদালতের একক এখতিয়ারাধীন।

প্রদত্ত প্রশ্নে যখন বিবাদী 'B', মারা যায় এবং তার আইনগত প্রতিনিধি স্বামী নাকি কন্যা হবে- তা নিয়ে বিতর্ক ওঠে, তখন এই সিদ্ধান্তটি কেবলমাত্র আদালত নিবে।
২,৬৩৪.
কোন ক্ষেত্রে বিবাদীকে সমন প্রেরণ করার প্রয়োজন নেই?
  1. বিবাদী মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বাস করলে
  2. বাদী মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বাস করলে
  3. বিবাদী আরজি দাখিলের সময় হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করলে
  4. উল্লিখিত যেকোনো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী আরজি দাখিলের সময় হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী আরজি দাখিলের সময় হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করলে
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মোকদ্দমায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হনতাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন। আরো শর্ত থাকে যে,যদি বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন,তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে, নিম্নোক্ত যেকোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
২,৬৩৫.
সমন জারির ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধানটি সংশোধিত হয়ে Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. Order V Rule 9(3)
  2. Order V Rule 9(5)
  3. Order V Rule 9(2)
  4. Order V Rule 9(4)
সঠিক উত্তর:
Order V Rule 9(3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order V Rule 9(3)
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী Order V, Rule 9, Sub-rule (3)-এ “transmission of documents through” শব্দগুচ্ছের পরিবর্তে যুক্ত হয়েছে:
"Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services,"
অর্থাৎ, এখন সমন বা কাগজপত্র পাঠানোর জন্য নিম্নলিখিত প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করা যাবে:
- Short Message Service (SMS)
- Voice Calls
- Instant Messaging Services (যেমন WhatsApp, Messenger ইত্যাদি)

এছাড়াও, উক্ত বিধানে আরও বলা হয়েছে:
“Provided that the proof of such service shall be kept in record.”
অর্থাৎ, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠানো সমনের প্রমাণ অবশ্যই রেকর্ডে রাখতে হবে।

⇒ সমন জারির ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ক) Order V Rule 9(3) বিধানটি সংশোধিত হয়ে Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services সন্নিবেশিত হয়েছে।

তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: ক) Order V Rule 9(3)। 

২,৬৩৬.
কিভাবে 'Restitution of conjugal rights' এর ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. কারাগারে আটক
  2. সম্পত্তি ক্রোক
  3. স্পেশাল ডিক্রি
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক
ব্যাখ্যা
⇒ দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রির ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি- দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের (restitution of conjugal rights) ডিক্রিজারি শুধুমাত্র সম্পত্তি ক্রোকের (attachment of property) মাধ্যমে করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি (Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction): দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
২,৬৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীনে বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, আরজি বা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেওয়ার জন্য __________ একটি সার্টিফিকেট জারী করতে পারবে।
  1. আদালত
  2. বাদীপক্ষ
  3. মধ্যস্থতাকারী
  4. মোকদ্দমার উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক(১১) ধারা-
⇒ ৮৯ক ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, আরজি বা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেওয়ার জন্য আদালত একটি সার্টিফিকেট জারী করতে পারবে এবং তৎপরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যেপক্ষসমূহ উক্ত পরিষোধিত কোর্ট ফি ফেরত পাওয়ার অধিকারী।

Section: 89A(11)-
Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.
২,৬৩৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় বাদী কর্তৃক কোর্ট ফি প্রদান না করার কারনে বিবাদীর উপর সমন জারি করা না হলে, সেক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. মোকদ্দমাটি খারিজ
  2. মোকদ্দমা শুনানীর নতুন দিন
  3. নতুন করে আদালতের খরচে সমন জারির সিদ্ধান্ত
  4. সমনের জন্য প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান করার আদেশ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ
ব্যাখ্যা
⇒ বাদী খরচ প্রদান না করার কারণে সমন জারি না হলে, মোকদ্দমা খারিজ করা যায়। 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি-২:
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।
-------------------------
CPC- Order-9 Rule-2: Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs:-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
২,৬৩৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী সমন দেওয়ার পরেও আদালতে হাজির না হলে কী দণ্ড দেওয়া যায়?
  1. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়
  2. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
  3. অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ৩২ ধারার বিষয়বস্তু হলো ৩০ ধারা অনুযায়ী সমন দেওয়া হলে হাজির না হলে দণ্ড।
যদি সমন দেওয়ার পরও হাজির না হলে ৪ ধরনের দণ্ড দেওয়া যায়।
- গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
- সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়
- অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
- হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ
----------------------------------------
CPC Section 32. Penalty for default.
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
(a) issue a warrant for his arrest;
(b) attach and sell his property;
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.
২,৬৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী "অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা" কী ধরনের পদক্ষেপে সাহায্য করে?
  1. সম্পত্তির বিক্রি বা সরানো বন্ধ করা।
  2. সম্পত্তির নষ্ট হওয়া বা ক্ষতি রোধ করা।
  3. চুক্তির লঙ্ঘন বা অন্য কোনো ক্ষতি রোধ করা।
  4. উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর  আদেশ ৩৯ বিধি-১: যে সকল ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায়:
- যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় শপথপত্র দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে প্রমাণিত হয় যে
ক) কোন মোকদ্দমায় বিরোধীয় কোন সম্পত্তি মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক অপচয়, ক্ষতিগ্রন্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিতে অন্যায়ভাবে বিক্রয় হওয়ার ঝুকির সম্মুখীন; অথবা
খ) বিবাদি তার পাওনাদারকে প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে তার সম্পত্তি অপসারণ বা হস্তান্তর করার হুমকি বা ইচ্ছা প্রকাশ করতেছে, সেক্ষেত্রে আদালত অনুরূপ কার্য রোধ করার জন্য আদেশ দিয়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে, অথবা মোকদ্দমা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বা পুনরাদেশ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত সম্পত্তি অপচয়, ক্ষতিগ্রস্থ করণ, হস্তান্তর, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ করতে স্থগিত ও বারণ করার উদ্দেশ্যে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারে।
------------
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-১: যেসব ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যেতে পারে:
১. যখন কোনো মামলায় প্রমাণিত হয় যে:
(ক) মামলা সংশ্লিষ্ট কোনো সম্পত্তি নষ্ট, ক্ষতিগ্রস্ত বা বিক্রি হয়ে যেতে পারে, অথবা
(খ) প্রতিপক্ষ তার সম্পত্তি সরানোর বা বিক্রি করার মাধ্যমে তার ঋণদাতাদের প্রতারণা করার পরিকল্পনা করে, তখন আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যাতে সম্পত্তির নষ্ট, ক্ষতি, বিক্রি, সরানো বা অন্য কোনোভাবে পরিবর্তন বন্ধ রাখা যায়, যতক্ষণ না মামলার নিষ্পত্তি হয় বা পরবর্তী আদেশ দেওয়া না হয়।

চুক্তির লঙ্ঘন বা ক্ষতির পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধের জন্য নিষেধাজ্ঞা:
২. যখন কোনো চুক্তি বা অন্য কোনো ক্ষতির জন্য প্রতিপক্ষকে বিরত রাখতে নিষেধাজ্ঞা চাইতে হয়:
(১) যদি বাদী প্রতিপক্ষকে চুক্তির লঙ্ঘন বা অন্য কোনো ক্ষতি করতে বাধা দিতে চায়, তাহলে সে মামলা শুরু হওয়ার পর যেকোনো সময়, বিচারাধীন বা পরবর্তী সময়ে আদালতের কাছে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আবেদন করতে পারে, যাতে প্রতিপক্ষ চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোনো ক্ষতি না করে, বা একই ধরনের নতুন ক্ষতি না ঘটে।
(২) আদালত এই নিষেধাজ্ঞা প্রদানে শর্ত দিতে পারে, যেমন নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা, হিসাব রাখা, সুরক্ষা প্রদান বা অন্য কোনো শর্ত।
(৩) যদি কেউ এই শর্ত ভঙ্গ করে, আদালত তার সম্পত্তি আটকাতে পারে এবং তাকে সিভিল কারাগারে ছয় মাস পর্যন্ত আটক রাখতে পারে, যদি না আদালত তার মুক্তির আদেশ দেয়।
(৪) যদি এক বছরের মধ্যে শর্ত ভঙ্গ অব্যাহত থাকে, আদালত আটকানো সম্পত্তি বিক্রি করতে পারে এবং বিক্রয়ের টাকা থেকে ক্ষতিপূরণ দিতে পারে। বাকি টাকা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে দেওয়া হবে।
------------------
The Code of Civil Procedure, 1908, Order XXXIX, Rule 1:  Temporary Injunctions: 
- Cases in which Temporary Injunction may be granted:
Where in any suit it is proved by affidavit or otherwise: (a) That any property in dispute in a suit is in danger of being wasted, damaged, or alienated by any party to the suit, or wrongfully sold in execution of a decree; or
(b) That the defendant threatens, or intends, to remove or dispose of his property with a view to defraud his creditors,
the Court may, by order, grant a temporary injunction to restrain such act, or make such other order for the purpose of staying and preventing the wasting, damaging, alienation, sale, removal, or disposition of the property, as the Court thinks fit, until the disposal of the suit or until further orders.

The injunction to restrain repetition or continuance of breach:
(1) In any suit for restraining the defendant from committing a breach of contract or other injury of any kind, whether compensation is claimed in the suit or not, the plaintiff may, at any time after the commencement of the suit, and either before or after judgment, apply to the Court for a temporary injunction to restrain the defendant from committing the breach of contract or injury complained of, or any breach of contract or injury of a like kind arising out of the same contract or relating to the same property or right.
(2) The Court may, by order, grant such injunction, on such terms as to the duration of the injunction, keeping an account, giving security, or otherwise, as the Court thinks fit.
(3) In case of disobedience or breach of any such terms, the Court granting an injunction may order the property of the person guilty of such disobedience or breach to be attached, and may also order such person to be detained in the civil prison for a term not exceeding six months, unless in the meantime the Court directs his release.
(4) No attachment under this rule shall remain in force for more than one year, at the end of which time, if the disobedience or breach continues, the property attached may be sold, and out of the proceeds, the Court may award such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance, if any, to the party entitled thereto.
২,৬৪১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এ কোন ধরনের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. Mediation and Compromise
  2. Mediation and Arbitration
  3. Mediation and Reconciliation
  4. Arbitration and Reconciliation
সঠিক উত্তর:
Mediation and Arbitration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mediation and Arbitration
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration).

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।
২,৬৪২.
প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে-
  1. এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বোচ্চ স্তরের আদালতে
  2. এখতিয়ারসম্পন্ন যেকোন আদালতে
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
  4. উপরের যেকোনো আদালতে
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, তা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়। ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
২,৬৪৩.
অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রথম রিভিশনে ভুল আদেশ দেয়া হলে, সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. জেলা জজ আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  3. জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  4. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় দ্বিতীয় রিভিশন এর বিধান রয়েছে।
 
এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ-
 
জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।
 
গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭৩] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
২,৬৪৪.
কিভাবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. স্পেশাল ডিক্রি
  2. কারাগারে আটক
  3. সম্পত্তি ক্রোক
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক
ব্যাখ্যা
⇒ দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রির ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি- দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের (restitution of conjugal rights) ডিক্রিজারি শুধুমাত্র সম্পত্তি ক্রোকের (attachment of property) মাধ্যমে করা যায়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।
যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
------------
Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
(2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.
২,৬৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(২) এ উল্লিখিত "mutatis mutandis" বলতে কী বোঝায়?
  1. শর্তসাপেক্ষে
  2. কোনো পরিবর্তন ছাড়াই
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
  4. সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(২) এ উল্লিখিত "mutatis mutandis" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ "প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ" (with the necessary changes)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ – আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি কোনো আপিল মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে Order XLI-এর অধীনে করা হয় এবং সেটি মূল মামলার একই পক্ষগণের মধ্যে হয় বা যেসব পক্ষগণ মূল মামলার প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ ছিল তাদের স্থলাভিষিক্ত (substituted) পক্ষগণের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত আপিলে মধ্যস্থতা করবে বা আপিলটি মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করবে যাতে উক্ত আপিলে বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি করা যায়।
(২) উপধারা (১)-এর অধীনে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে, ধারা ৮৯ক-এর বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) অনুসরণ করা হবে যতদূর তা প্রযোজ্য ও উপযুক্ত হয়।
---------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

২,৬৪৬.
আদেশ ২০ বিধি-১০ অনুযায়ী, যদি অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর সম্ভব না হয়, তবে ডিক্রিতে কী অন্তর্ভুক্ত করতে হয়?
  1. সম্পত্তির প্রকৃতি ও মূল্য
  2. সম্পত্তির পরিমাণ ও বিবরণ
  3. বিকল্প হিসেবে টাকার পরিমাণ
  4. সম্পত্তির নতুন মালিকের নাম
সঠিক উত্তর:
বিকল্প হিসেবে টাকার পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্প হিসেবে টাকার পরিমাণ
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.
২,৬৪৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় "Precepts" বিধান আছে?
  1. ৩৬
  2. ৪৪ক
  3. ৪৬
  4. ৪৮
সঠিক উত্তর:
৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৬ ধারার বিধান ডিক্রি জারির অনুরোধ:-
১) ডিক্রিদারের আবেদন অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করলে অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন।

২) যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সে আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ক্রোকের সময় বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত অথবা এরূপ ক্রোক নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে যে আদালত কর্তৃক ক্রোক করা হয়েছে, ঐ আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর করা না হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে অনুরোধলিপি অনুসারে কোন ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না।
-----------
- Section 46. Precepts:

(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept. 
(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree: 
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.
২,৬৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে মোকদ্দমা পুনঃদাখিলের অনুমতিতে প্রত্যাহার করা যায় কোন বিধান মতে?
  1. আদেশ ২২ বিধি ২
  2. আদেশ ২৩ বিধি ১
  3. আদেশ ২৩ বিধি ৪
  4. ধারা ২৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ২৩-এর বিধি ১ মতে আরজিতে ফরমাল ডিফেক্ট আছে এই কারণে পুনরায় দাখিলের শর্তে মোকদ্দমা প্রত্যাহারের বিধান আছে। তবে এইরূপে অনুমতি না নিয়ে প্রত্যাহার করলে পরবর্তীতে আর মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।
♦ আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে বাদী ঐ বিষয়ে নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না। তবে আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রত্যাহার করলে ঐ বিষয়ে নতুন মামলা দায়ের করা যাবে।
♦ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।
২,৬৪৯.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
- রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২,৬৫০.
জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে-
  1. বাদী এবং বিবাদী উভয়পক্ষ আবেদন করলে
  2. বাদী পক্ষ আবেদন করলে
  3. আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে
  4. বাদী পক্ষের আইনজীবী গুরত্বপূর্ণ মনে করলে
সঠিক উত্তর:
আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষীর আচরণ (demeanour of witness )-

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে যে, জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।
অর্থাৎ যদি কোন সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়,তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
২,৬৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ অনুযায়ী মামলার আপোষ বা মীমাংসার ক্ষেত্রে আদালত কী করবে?
  1. বিবাদীকে শাস্তি প্রদান করবে
  2. মামলাটি সরাসরি খারিজ করে দেবে
  3. বাদীকে নতুন মামলা দায়েরের নির্দেশ দেবে
  4. আপোষ বা চুক্তির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করে ডিক্রি প্রদান করবে
সঠিক উত্তর:
আপোষ বা চুক্তির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করে ডিক্রি প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপোষ বা চুক্তির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করে ডিক্রি প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ৩ অনুযায়ী, যদি আদালত পরিতুষ্ট হয় যে, মামলাটি আইনসম্মত কোনো আপোষ, চুক্তি বা পরিতুষ্টির মাধ্যমে পুরোপুরি বা আংশিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে, তাহলে আদালত সেই আপোষ, চুক্তি বা সমঝোতার বিষয়টি লিপিবদ্ধ করবে, এবং যতটুকু মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, সে অনুযায়ী একটি ডিক্রি প্রদান করবে।
- এটি করতে আদালতের অনুমোদন এবং আইনানুগতা যাচাই প্রয়োজন হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩, বিধি-৩: মামলার আপোষ: যেক্ষেত্রে আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক ইহা প্রমাণিত হয় যে, আইন সঙ্গতঃ চুক্তি বা আপোষমূলে কোন মামলা সামগ্রিক বা আংশিক ভাবে মীমাংসা হয়েছে, অথবা যদি বিবাদী মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে সামগ্রিক বা । আংশিকভাবে বাদীকে পরিতুষ্ট করে থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপোষ বা পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবেন এবং যতদূর মামলার সঙ্গে ইহা সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদনুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-3. Compromise of suit:
Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawful agreement or compromise, or where the defendant satisfies the plaintiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
২,৬৫২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৯০ অনুযায়ী, যদি নিলাম বিক্রয় রদের আবেদনকারী প্রমাণ করতে না পারে যে তার স্বার্থ যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাহলে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেবে?
  1. নিলাম বিক্রয় স্থগিত রাখবে।
  2. আবেদনটি খারিজ করবে।
  3. আবেদনকারীকে জরিমানা করবেন
  4. নিলাম বিক্রয় রদ করে দেবে।
সঠিক উত্তর:
আবেদনটি খারিজ করবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনটি খারিজ করবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৯০ অনুযায়ী, নিলাম বিক্রয়ের রদে আবেদন করতে হলে আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে, নিলাম বিক্রয়ের ফলে তার স্বার্থ যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদি আবেদনকারী তার ক্ষতির প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত আবেদনটি খারিজ করে দিবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৯০- অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:
যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

⇒ আইনগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে, নিলাম বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা রকম অনিয়ম বা প্রতারণা হতে পারে। এসব অনিয়ম বা প্রতারণার ফলে যাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়েছে, তারা নিলাম বিক্রয় রদের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে মূল শর্ত হল - আবেদনকারীর স্বার্থ প্রকৃতপক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তা পরিষ্কার প্রমাণ দিয়ে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।

অর্থাৎ, আদালত শুধু দাবি শোনা নিয়ে নিলাম বিক্রয় রদ করবে না। নিলাম বিক্রয়ে প্রকৃত অনিয়ম বা প্রতারণার কারণে যে আবেদনকারীর যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে, সেটা প্রমাণ করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন পড়বে নথিপত্র, প্রমাণাদি ইত্যাদি। শুধু দাবি করলেই চলবে না। আদালতকে প্রমাণে সন্তুষ্ট করাটাই প্রাথমিক শর্ত হবে।
২,৬৫৩.
রিভিউর (Review) ক্ষমতা কোন আদালতের?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের,
  2. অধস্তন আদালতের,
  3. উচ্চ আদালতের,
  4. ডিক্রি দানকারী আদালতের,
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দানকারী আদালতের,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দানকারী আদালতের,
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ (Review)- আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।
অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

⇒ আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে। কখন রিভিউ আবেদন করা যায়: দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে রিভিউ আবেদন করা যায়-

i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলেনা; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে; 
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
২,৬৫৪.
দেওয়ানি আদালত কয়টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
২,৬৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৫১ ধারা আদালতের ক্ষমতাকে বলা হয়-
  1. আপিল ক্ষমতা
  2. সাধারণ ক্ষমতা
  3. বিশেষ ক্ষমতা
  4. সহজাত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
সহজাত ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহজাত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

- ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।

- ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

- এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
-----------
⇒ CPC Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
২,৬৫৬.
কোন ক্ষেত্রে রেস সাবজুডিস নীতির ব্যতিক্রম আছে?
  1. মোকদ্দমাটি অর্থ আদায় সংক্রান্ত হলে
  2. বিচারাধীন আদালত বিচার করতে দেরি করলে
  3. বিদেশের কোনো আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন থাকলে
  4. আদালত একই বিষয়ের উপর আরেকটি মোকদ্দমা দায়েরের আদেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
বিদেশের কোনো আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশের কোনো আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন থাকলে
ব্যাখ্যা
• ল্যাটিন শব্দ রেস (Res) এবং সাবজুডিস (Subjudice) থেকে রেস সাবজুডিস শব্দটির উৎপত্তি। ল্যাটিন রেস (Res) অর্থ বিষয় এবং সাবজুডিস (Subjudice) অর্থ আদালতে বিচারাধীন অর্থাৎ Res subjudice অর্থ আদালতের বিচারাধীন বিষয়।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতিটির প্রতিফলন ঘটেছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় যদিও Res-subjudice শব্দটি একবারও ব্যবহার হয়নি তবে ১০ ধারায় Res-subjudice শব্দটির পরিবর্তে Stay of suit শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

সাবজুডিস নীতি অনুযায়ী একই বিচার্য বিষয়ে পক্ষগণের মধ্যে দুইটি পৃথক মামলার বিচার একই সময়ে চলতে পারে না। সে ক্ষেত্রে পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটির বিচার সাপেক্ষে পরবর্তী মামলার বিচার কার্য স্থগিত রাখতে হবে। কোন দেওয়ানী মামলায় রেস সাবজুডিস নীতি প্রয়োগ করতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়-
i) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে;
ii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা অবশ্যই সেই আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে, যেখানে পরবর্তী মামলা দায়ের করা হয়েছে;
iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হতে হবে;
iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হতে হবে অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।

ব্যতিক্রম ⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমা যদি কোন বৈদেশিক আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে, তাহলে মোকদ্দমার কারণ একই হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তী মোকদ্দমার বিচারে বাধা সৃষ্টি হবে না।
২,৬৫৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি কোন সালের, কত নম্বর আইন?
  1. ১৯০৯ সালের ৫নং আইন
  2. ১৮০৮ সালের ৬ নং আইন
  3. ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন
  4. ১৮০৯ সালের ৪ নং আইন
সঠিক উত্তর:
১৯০৮ সালের ৫ নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৮ সালের ৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি  ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।

• সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়। বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি। এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে, মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কিভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে, মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে, সমন জারি,পক্ষসমূহের শুনানীর সময় উপস্থিতি, মোকদ্দমার শুনানী, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি এবং বলবৎকরণ,আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। 
২,৬৫৮.
"Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes" - এই বিধানটি পাওয়া যায় কোন আদেশ ও বিধিতে?
  1. আদেশ-২০, বিধি-৮২
  2. আদেশ-২২, বিধি-৮০
  3. আদেশ-২১, বিধি-৮০
  4. আদেশ-২১, বিধি-৮২
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-৮২
ব্যাখ্যা

⇒ According to Order-21, Rule-82 of the Code of Civil Procedure, 1908,
“Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.”
This means all courts — except the Court of Small Causes — have the authority to order the sale of immovable property when executing a decree.

Sale of Immoveable Property:
⇒ Order XXI, Rule 82 – Code of Civil Procedure, 1908- What Courts may order sales:
- Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.

অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৮২ – যে আদালত বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে:
ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ Court of Small Causes আদালত ব্যতীত যেকোনো আদালত দিতে পারে।

২,৬৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১২ অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admission) হতে পারে না-
  1. মৌখিক ভাবে
  2. আরজি মাধ্যমে
  3. লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  4. লিখিত অন্য কোনো উপায়ে
সঠিক উত্তর:
মৌখিক ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি (Admission) বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষের দাবির সত্যতা সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে স্বীকার করলে তা আদালতকে ৩ ভাবে জানানো যেতে পারে অর্থাৎ ৩ ভাবে স্বীকৃতি (Admission) হতে পারে। যথা-
i) আরজি বা লিখিত জবাবের মাধ্যমে লিখিত স্বীকৃতি দিয়ে;
ii) সম্মতি দ্বারা স্বীকৃতির মাধ্যমে; এবং
iii) নোটিশ দ্বারা স্বীকৃতি দিয়ে।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১২ অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admission) 'মৌখিক ভাবে' হতে পারে না।

আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ- 
মোকদ্দমার যেকোন পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party. 
২,৬৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XVIII, Rule 4A অনুসারে, শপথনামার কপি কাকে আগে দিতে হবে?
  1. আদালতকে
  2. সাক্ষীকে
  3. আইনজীবীকে
  4. অপর পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষকে
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর অর্ডার XVIII – রুল 4A: শপথনামার মাধ্যমে প্রধান পরীক্ষা এবং দস্তাবেজের গ্রহণযোগ্যতা:
এই কোড অথবা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (অ্যাক্ট নং ১ অব ১৮৭২)–এর অন্য কোনো বিধান সত্ত্বেও—
বাদী বা বিবাদীর দ্বারা বিবৃত বা অস্বীকৃত করার জন্য প্লেইন্ট (plaint) বা লিখিত বিবৃতিতে (written statement) বর্ণিত তথ্যসমূহ মৌখিকভাবে বলা বা অস্বীকার করার প্রয়োজন হবে না। প্রতিটি ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদীর জবানবন্দী (Examination-in-chief) শপথনামার (affidavit) মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে তাকে জেরা (cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষা (re-examination) করা যেতে পারবে।

শর্তাবলি:
১। এ ধরনের শপথনামার একটি অনুলিপি অপর পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে, আদালতে জমা দেওয়ার পূর্বে।
২। যদি শপথনামার সঙ্গে কোনো দস্তাবেজ দাখিল করা হয় এবং পক্ষসমূহ সেই দস্তাবেজের উপর নির্ভর করে, তবে সেই দস্তাবেজের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশাধীন হবে।

২,৬৬১.
According to Section 26(2) of the Code of Civil Procedure, 1908, facts shall be proved by ___________ in every plaint.
  1. evidence
  2. affidavit
  3. witness
  4. statement
সঠিক উত্তর:
affidavit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
affidavit
ব্যাখ্যা
Section 26 of the Code of Civil Procedure, 1908: Institution of suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২৬: মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি:
(১) প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো উপায়ে দায়ের করতে হবে।
(২) প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ অবশ্যই এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
২,৬৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৬(২) অনুযায়ী, প্রিসেপ্টের অধীনে বাজেয়াপ্তকরণ সর্বোচ্চ কত দিন স্থায়ী হতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪৬ (২) অনুসারে বলা হয়েছে: “তবে শর্ত থাকে যে, অনুরোধপত্রের (precept) ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না, যদি না ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বাড়ায়, অথবা ক্রোক কার্যকরকারী আদালতের কাছে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয় এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন করেন।”

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান ডিক্রি জারির অনুরোধ:-

১) ডিক্রিদারের আবেদন অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করলে অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন।
২) যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সে আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ক্রোকের সময় বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত অথবা এরূপ ক্রোক নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে যে আদালত কর্তৃক ক্রোক করা হয়েছে, ঐ আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর করা না হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে অনুরোধলিপি অনুসারে কোন ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 46. Precepts:
(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept.
(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree:
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.

২,৬৬৩.
নিচের কোনটি Pleadings এর উপাদান নয়?
  1. গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
  2. সত্যতা প্রতিপাদন
  3. স্বাক্ষর
  4. গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায়। বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

Pleadings এর উপাদানগুলো সাধারণত এইরকম হয়:
ক) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: মামলা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য।
খ) সত্যতা প্রতিপাদন: মামলায় উত্থাপিত দাবীর সত্যতা প্রতিপাদন করা।
গ) স্বাক্ষর: Pleading-এর আইনগত স্বীকৃতি এবং আইনি মান্যতার জন্য পক্ষের স্বাক্ষর।

আদেশ ৬ বিধি-২ঃ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি আরজি জবাবে বিবৃত করতে হবে কিন্তু সাক্ষ্য নয়-
প্রত্যেক আরজি জবাব শুধুমাত্র যেসব তথ্যের উপর ভিত্তি করে দরখাস্তকারী (আবেদনকারী) তার দাবী উত্থাপন বা আত্মপক্ষ সমর্থন, করে, সেসব তথ্যাবলীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ দান করতে হবে, এতদসম্বন্ধীয় প্রমাণাদি দরখাস্তে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। আরজি জবাব প্রয়োজন মাফিক বিভিন্ন পংক্তিতে বিভক্ত হবে এবং পংক্তিগুলোতে ক্রমিক নম্বর দেয়া হবে। তারিখ, টাকার পরিমাণ ও সংখ্যা অংকে প্রকাশিত হবে

ঘ) গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য- হচ্ছে Trial (বিচার) পর্যায়ে ব্যবহৃত উপাদান, যা Pleadings-এর অংশ নয়।
২,৬৬৪.
কোন মোকদ্দমায় আইনগত ও ঘটনাগত বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হলে,আদালত-
  1. আইনগত ও ঘটনাগত বিচার্য বিষয় একত্রে নিষ্পত্তি করবেন
  2. প্রথমে আইনগত বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করতে পারে
  3. আইনগত বিচার্য বিষয়ের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, ঘটনাগত বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি স্থগিত রাখতে পারবেন
  4. 'খ' ও 'গ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'খ' ও 'গ' উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' ও 'গ' উভয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা।
কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৪ বিধি ২-
যেক্ষেত্রে একই মোকদ্দমায় আইন ও ঘটনা উভয়ের বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয় এবং আদালত এই মত পোষণ করে যে, শুধুমাত্র আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমাটি বা উহার কোন অংশ নিষ্পত্তি করা যেতে পারে,
সেক্ষেত্রে আদালত প্রথমে সেই বিচার্য বিষয় সম্পর্কে বিচার করবে এবং ঐ উদ্দেশ্যে আদালত যথার্থ মত দিলে আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় নির্ণীত না হওয়া অবধি ঘটনা সংক্রান্ত বিষয়ের নির্ধারণ স্থগিত রাখতে পারে।

[Where issues both of law and of fact arise in the same suit, and the Court is of opinion that the case or any part thereof may be disposed of on the issues of law only, it shall try those issues first, and for that purpose may, if it thinks fit, postpone the settlement of the issues of fact until after the issues of law have been determined.]
২,৬৬৫.
আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক তে কিসের কার্যপদ্ধতি দেয়া আছে?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা স্থগিত হলে কার্যপদ্ধতি
  2. নাবালক ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি
  3. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি
  4. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সফল হলে কার্যপদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি বাদির বা অন্য কোন ব্যক্তির, যিনি সহ-বাদি হিসাবে যুক্ত হয়েছিলেন, তার মারা যাওয়ার কারণে বাতিল হয় সেক্ষেত্রে আদালত এ মর্মে আদেশ প্রদান করবে যে, বাদি নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি বাদির সম্পত্তি হতে সরকার কর্তৃক আদায়যোগ্য হবে।

Rule.-11A: Procedure where pauper suit abates:
Where the suit abates by reason of the death of the plaintiff or of any person added as a co-plaintiff the Court shall order that the amount of court-fees which would have been paid by the plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper shall be recoverable by the Government from the estate of the deceased plaintiff.
২,৬৬৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 11 rule 21 অনুসারে আদালত কোনো আদেশ প্রচার করলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির প্রতিকার-
  1. Order 9 অনুসারে ছানি মামলা করা
  2. Section 115 এর বিধান অনুসারে রিভিশন দায়ের করা
  3. Order 43 rule 1 অনুসারে বিবিধ আপীল করা
  4. Section 96 এর বিধান অনুসারে আপীল দায়ের করা
সঠিক উত্তর:
Order 43 rule 1 অনুসারে বিবিধ আপীল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 43 rule 1 অনুসারে বিবিধ আপীল করা
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী,
প্রশ্নকারীপক্ষ অথবা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী আদালতে আবেদন করলে, আদালত অপরপক্ষকে নিম্নোক্ত আদেশ দিবেন-

• প্রশ্নমালার উত্তরদান (answer to interrogatories)- এর আদেশ, বা
> দলিলসমূহ প্রকাশ/উদঘাটন [discovery of documents]- এর আদেশ, বা
> দলিলসমূহ পরিদর্শন [inspection of documents]- এর আদেশ।

সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপরিউক্ত আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হলে বা অমান্য করলে (তার ফলাফল)-
> বাদীর ব্যর্থ হলে- বাদীর মোকদ্দমা খারিজ আদেশ দিবে এবং
> বিবাদী ব্যর্থ হলে- আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল (To strike out defence) আদেশ দিবে।

প্রতিকার: The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৪৩ আদেশে যেসকল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে, সে সম্পর্কে বলা আছে। আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, আদালত কোনো আদেশ দিলে তা আপিলযোগ্য আদেশ বলে গণ্য হবে। Order 43 rule 1(f) এর অধীন এই আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে।
২,৬৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী ________ আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
  1. গ্রাম আদালত
  2. রাজস্ব আদালত
  3. ক্ষুদ্র বিচার বিষয়ক আদালত
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারায় রাজস্ব আদালতের (Revenue Court) ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির প্রয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

উক্ত ধারার বিধান অনুযায়ী রাজস্ব আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, রাজস্ব আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ সাধারণভাবে প্রযোজ্য হবে না, কেবল যে যে বিষয়ে যে যে শর্তে নির্দেশিত হয় সেই সেই বিষয়ে সেভাবে প্রযোজ্য হবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৫(২) ধারায় রাজস্ব আদালতের (Revenue Court) বলতে- কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা, রাজস্ব বা মুনাফা সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝানো হয়েছে।

Section 5: Application of the Code to Revenue Courts-
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe. 
 
(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.

• উল্লেখ্য যে, দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts  ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির প্রয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
২,৬৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১২ অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তির দখল এবং মুনাফা (mesne profits) আদায়ের মামলায় আদালত কত বছর পর্যন্ত মুনাফা নির্ধারণের জন্য তদন্ত করতে পারেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১২(১)(গ) (Order XX Rule 12(1)(c)), স্থাবর সম্পত্তির দখল এবং মুনাফা (mesne profits) আদায়ের মামলায় আদালত মামলা দায়েরের তারিখ থেকে শুরু করে নিম্নলিখিত দুটি ঘটনার মধ্যে যা আগে ঘটে, সেই পর্যন্ত মুনাফা নির্ধারণের জন্য তদন্তের আদেশ দিতে পারেন: 
১. ডিক্রিধারীকে দখল বুঝিয়ে দেওয়া।
২. ডিক্রি তারিখ থেকে ৩ বছর অতিক্রান্ত হওয়া।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২০ বিধি ১২(১) অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তির দখল এবং ভাড়া বা মুনাফা (Mesne Profits) আদায়ের জন্য মামলায়, আদালত ডিক্রিতে নিম্নলিখিত বিষয়ে নির্দেশ দিতে পারে:
- সম্পত্তির দখল প্রদান;
- মামলা দায়েরের আগের সময়ের ভাড়া বা মুনাফার জন্য তদন্ত;
- মামলা দায়ের থেকে নিম্নলিখিত যেকোনো ঘটনা পর্যন্ত ভাড়া বা মুনাফার তদন্ত:
- ডিক্রিধারীকে দখল হস্তান্তর;
- ঋণগ্রহীতা আদালতের মাধ্যমে ডিক্রিধারীকে নোটিশ দিয়ে দখল ত্যাগ;
- অথবা ডিক্রির তারিখ থেকে তিন বছর অতিবাহিত হওয়া, যেটি আগে ঘটে।
অতএব, মুনাফা নির্ধারণের জন্য তদন্ত সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত করা যায়।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-20, Rule-12.Decree for possession and mesne profits:
(1) Where a suit is for the recovery of possession of immoveable property and for rent or mesne profits, the Court may pass a decree
(a) for the possession of the property;
(b) for the rent or mesne profits which have accrued on the property during a period prior to the institution of the suit or directing an inquiry as to such rent or mesne profits;
(c) directing an inquiry as to rent or mesne profits from the institution of the suit until
(i) the delivery of possession to the decree-holder, 
(ii) the relinquishment of possession by the judgmentdebtor with notice to the decree-holder through the Court, or
(iii) the expiration of three years from the date of the decree, whichever event first occurs.
(2) Where an inquiry is directed under clause (b) or clause (c), a final decree in respect of the rent or mesne profits shall be passed in accordance with the result of such inquiry.

২,৬৬৯.
আদালত কাউকে নিঃস্ব নয় ঘোষণা করতে হলে কতদিনের নোটিশ দিতে হয়?
  1. ৫ দিনের
  2. ৭ দিনের
  3. ১৫ দিনের
  4. ৩০ দিনের
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৩৩ বিধি-৯ এর বিধান নিঃস্ব হতে মুক্তি (Dispaupering): আদালত বাদীকে কমপক্ষে ৭ দিনের লিখিত নোটিশ দিয়ে নিঃস্ব ব্যাক্তি নয় মর্মে আদেশ দিতে পারেন যদি-
মোকদ্দমা চলাকালে বাদী বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়, বা  তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে যাতে তার নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করা উচিত নয়, বা
- সে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে এমন কোন চুক্তি করেছে যাতে অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে স্বার্থ লাভ করেছে। 
২,৬৭০.
আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষ তার আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিল না করলে, সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত ব্যয় আরোপ করা যায়?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ৩,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫খ: অন্তর্বর্তীকালীন (interlocutory) বিষয়সমূহে দেরিতে আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিলের কারণে ব্যয়:
(১) যদি মামলার কোনো পর্যায়ে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষ তার আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিল না করে, তাহলে ওই আবেদন বা লিখিত আপত্তি শুনানির জন্য গ্রহণযোগ্য হবে না, যতক্ষণ না উক্ত পক্ষ অপর পক্ষকে আদালত নির্ধারিত সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় পরিশোধ করে।

(২) যদি লিখিত বিবৃতি (Written Statement) দাখিলের পর কোনো পক্ষ এমন কোনো আবেদন করে, যা আদালতের মতে এর আগেই করা উচিত এবং সম্ভব ছিল, এবং যা মামলার মূল কার্যক্রমকে বিলম্বিত করার সম্ভাবনা রাখে, তাহলে আদালত আবেদনটি গ্রহণ করতে পারে; কিন্তু আবেদনটির শুনানি বা নিষ্পত্তি করবে না, যতক্ষণ না আবেদনকারী পক্ষ অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় পরিশোধ করে।

আর যদি ব্যয় পরিশোধ না করা হয়, তাহলে আবেদনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ (rejected) হিসেবে গণ্য হবে।

২,৬৭১.
When does Order 20 Rule 10 apply?
  1. When the suit is for movable property
  2. When the suit is for immovable property
  3. When the suit involves financial compensation
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
When the suit is for movable property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
When the suit is for movable property
ব্যাখ্যা
Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.

আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।
২,৬৭২.
'Mesne profit' বলতে কী বুঝায়?
  1. চুক্তি মোতাবেক দখল থেকে মুনাফা লাভ
  2. অস্থায়ী কোন সময়ের জন্য দখল করে লাভ
  3. বেআইনিভাবে দখল করে লাভ
  4. আইনগতভাবে দখল করে লাভ
সঠিক উত্তর:
বেআইনিভাবে দখল করে লাভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনিভাবে দখল করে লাভ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো,সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা(Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে,উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits,
but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.
২,৬৭৩.
আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি-
  1. আপিলযোগ্য ডিক্রি
  2. আপিলঅযোগ্য আদেশ
  3. আপিলযোগ্য আদেশ
  4. আপিলঅযোগ্য ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
ব্যাখ্যা
• আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর বিধি ১০ এ আরজি ফেরত এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
২,৬৭৪.
'অর্থ পরিশোধের ডিক্রির কার্যকরিতে কোনো বৃদ্ধা, দুর্বল, গর্ভবতী নারীকে গ্রেফতার বা আটক করা যাবে না'- দেওয়ানি কার্যিবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৪
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
ব্যাখ্যা
Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৫৬– অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকরে নারীদের গ্রেফতার বা আটক নিষিদ্ধ:
এই অধ্যায়ে অন্য যেই কিছুই বলা থাকুক না কেন, আদালত কোনো বৃদ্ধা, দুর্বল, গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীকে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যনির্বাহে দেওয়ানি কারাগারে আটক বা গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করতে পারবে না।

[Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of an old, infirm, pregnant or breast-feeding woman in execution of a decree for the payment of money.]
২,৬৭৫.
আরজি প্রত্যাখ্যাত হলে বাদী-
  1. নতুন আরজি দাখিল করতে পারবে না
  2. নতুন আরজি দাখিল করতে পারবে
  3. আরজি সংশোধন করতে পারবে না
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
নতুন আরজি দাখিল করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন আরজি দাখিল করতে পারবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর ১১ বিধিতে উল্লেখিত যে কোন কারণে আরজি প্রত্যাখ্যাত করা হলে, বাদী পরবর্তীতে একই মোকদ্দমার কারণ সমন্ধে নতুন আরজি দাখিল করতে পারবে।  

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখানের কারণগুলো দেয়া রয়েছে।দেওয়ানী আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে।
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে।
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে।
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।

• বিধি-১৩ঃ যেক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যাত হলে নতুন আরজি দাখিলে বাধা নেই-
পূর্বে উল্লেখিত যে কোন কারণে আরজি প্রত্যাখ্যাত করা হলে স্বীয় প্রভাবে একই মোকদ্দমার কারণ সমন্ধে নতুন আরজি দাখিলে বাদীকে বাধা প্রদান করবে না।

Where rejection of plaint does not preclude presentation of fresh plaint-
The rejection of the plaint on any of the grounds hereinbefore mentioned shall not of its own force preclude the plaintiff from presenting a fresh plaint in respect of the same cause of action.
২,৬৭৬.
নাবালক বাদী কর্তৃক প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার __________ দ্বারা দায়ের করতে হবে।
  1. আইনি প্রতিনিধি
  2. আসন্ন বন্ধু
  3. অভিভাবক
  4. নিকট আত্মীয়
সঠিক উত্তর:
আসন্ন বন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসন্ন বন্ধু
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ ৩২, বিধি-১ এ বলা হয়েছে every suit by minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor. নাবালকের পক্ষে তার হিতৈষী এমন আত্মীয় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।
⇒ বিধি-১ তে বলা আছে- আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়: নাবালক বাদী করে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

⇒ বিধি-২ তে বলা আছে- আসন্ন বন্ধু' ছাড়া মোকদ্দমা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসারণ করার জন্য বিবাদী আবেদন করতে পারবে।
----------
CPC Order-32 Rule-1. Minor to sue by next friend:
- Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.

CPC Order-32 Rule-2. Where suit is instituted without next friend, plaint to be taken off the file:
(1) Where a suit is instituted by or on behalf of a minor without a next friend, the defendant may apply to have the plaint taken off the file, with costs to be paid by the pleader or other person by whom it was presented.

(2) Notice of such application shall be given to such person, and the Court, after hearing his objections (if any), may make such order in the matter as it thinks fit.
২,৬৭৭.
মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করেন কে?
  1. আদালতের অফিসার
  2. আদালত
  3. পেশকার
  4. সেরেস্তাদার
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ১৪, বিধি ১(৫) মতে আদালত- অর্থাৎ বিচারক নিজেই বিচার্য বিষয় গঠন করবেন। আদালতের অফিসার সঠিক উত্তর নয়, কারণ- বিচারক, আইনজীবী ও সেরেস্তাদার- এরা সকলেই আদালতের অফিসার। আদালত অর্থ স্বয়ং বিচারক।
২,৬৭৮.
টাকার ডিক্রি জারির সময় জজমেন্ট-ডেবটর যদি ডিক্রির টাকা ও গ্রেপ্তারের খরচ পরিশোধ করেন, তাহলে গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তার কী করা উচিত?
  1. তাকে জেলে রাখতে হবে
  2. তাকে আদালতে নিয়ে যেতে হবে
  3. আদালতের অনুমতি লাগবে
  4. তাকে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
তাকে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দিতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর Section 55(1)-এর চতুর্থ প্রভিশন (Provided, fourthly) স্পষ্টভাবে বলা আছে: where the decree in execution of which a judgment-debtor is arrested, is a decree for the payment of money and the judgment-debtor pays the amount of the decree and the costs of the arrest to the officer arresting him, such officer shall at once release him.
- অর্থাৎ, গ্রেপ্তারের সময়ই যদি জজমেন্ট-ডেবটর পুরো ডিক্রির টাকা + গ্রেপ্তারের খরচ গ্রেপ্তারকারী অফিসারকে পরিশোধ করে, তাহলে অফিসারকে তৎক্ষণাৎ (at once) তাকে মুক্তি দিতে হবে। আদালতে নেওয়ার বা অনুমতি নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) তাকে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দিতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-55.- Arrest and detention:
(1) A judgment-debtor may be arrested in execution of a decree at any hour and on any day, and shall, as soon as practicable, be brought before the Court, and his detention may be in the civil prison of the district in which the Court ordering the detention is situate, or, where such civil prison does not afford suitable accommodation, in any other place which the Government may appoint for the detention of persons ordered by the Courts of such district to be detained:
Provided, firstly, that, for the purpose of making an arrest under this section, no dwelling-house shall be entered after sunset and before sunrise:
Provided, secondly, that no outer door of a dwelling-house shall be broken open unless such dwelling-house is in the occupancy of the judgment-debtor and he refuses or in any way prevents access thereto, but when the officer authorised to make the arrest has duly gained access to any dwelling-house, he may break open the door of any room in which he has reason to believe the judgment-debtor is to be found:
Provided, thirdly, that, if the room is in the actual occupancy of a woman who is not the judgement-debtor and who according to the customs of the country does not appear in public, the officer authorised to make the arrest shall give notice to her that she is at liberty to withdraw, and, after allowing a reasonable time for her to withdraw and giving her reasonable facility for withdrawing, may enter the room for the purpose of making the arrest:

Provided, fourthly, that, where the decree in execution of which a judgment-debtor is arrested, is a decree for the payment of money and the judgment-debtor pays the amount of the decree and the costs of the arrest to the officer arresting him, such officer shall at once release him.

(2) The Government may, by notification in the official Gazette, declare that any person or class of persons whose arrest might be attended with danger or inconvenience to the public shall not be liable to arrest in execution of a decree otherwise than in accordance with such procedure as may be prescribed by the Government in this behalf.
(3) Where a judgment-debtor is arrested in execution of a decree for the payment of money and brought before the Court, the Court shall inform him that he may apply to be declared an insolvent, and that he may be discharged if he has not committed any act of bad faith regarding the subject of the application and if he complies with the provisions of the law of insolvency for the time being in force.
(4) Where a judgment-debtor expresses his intention to apply to be declared an insolvent and furnishes security, to the satisfaction of the Court, that he will within one month so apply, and that he will appear, when called upon, in any proceeding upon the application or upon the decree in execution of which he was arrested, the Court may release him from arrest, and, if he fails so to apply and to appear, the Court may either direct the security to be realized or commit him to the civil prison in execution of the decree.

২,৬৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত কোন ক্ষেত্রে সাক্ষীদের প্রতি সমন জারি করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্য দান
  2. সাক্ষ্য দান বা দলিল পেশ
  3. সাক্ষ্য দান, দলিল পেশ অথবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় দাখিল
  4. শুধুমাত্র দলিল পেশ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য দান, দলিল পেশ অথবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় দাখিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য দান, দলিল পেশ অথবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় দাখিল
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

• সমনের উদ্দেশ্য- সমন জারি করা হয় বিবাদীকে মোকদ্দমার বিষয়টি অবহিত করে আদালতে বিবাদীর হাজিরা নিশ্চিত করা এবং মোকদম্মা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে তার বক্তব্য পেশের সুযোগ দেয়া।

দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ২৭-৩২, ৫ নং আদেশে, ২১ নং আদেশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বিধিতে এবং ১৬ নং আদেশের ৮ নম্বর বিধিতে সমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৩১ অনুযায়ী,
সাক্ষীদের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য দান বা দলিল পেশ অথবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় দাখিল করার জন্য সমনের ক্ষেত্রে ২৭, ২৮ ও ২৯নং ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদীর ক্ষেত্রে সমনের যে বিধানসমূহ প্রযোজ্য, সাক্ষীদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে।

Sec-31: Summons to witness
The provisions in sections 27, 28 and 29 shall apply to summonses to give evidence or to produce documents or other material objects.
২,৬৮০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১ অনুসারে, শুনানি শেষে আদালত কত দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে বাধ্য?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৪ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১ (Order XX Rule 1) অনুসারে, মোকদ্দমার শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে বাধ্য। বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে, যা সাতদিনের বেশি হবে না" (either at once or on some future day, not beyond seven days)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১:-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced:-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, not beyond seven days, of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.

২,৬৮১.
'একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৯৬
  2. ৯৭
  3. ১০৪
  4. ১০৩
সঠিক উত্তর:
৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারা- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

Section 96- Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
২,৬৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার অধীনে নিম্নলিখিত কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার মামলা
  2. স্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মামলা
  3. স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলা
  4. অস্থাবর সম্পত্তির ক্রয়বিক্রয়ের মামলা
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তির ক্রয়বিক্রয়ের মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তির ক্রয়বিক্রয়ের মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার অধীনে "অস্থাবর সম্পত্তির ক্রয়বিক্রয়" অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, ভাগ বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তির বিনা সংক্রান্ত মামলা, সেই আদালতে দায়ের করাতে হবে, যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান- বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, মামলা সেখানেই দায়ের করতে হবে:
- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য এখতিয়ার সাপেক্ষ -
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য,
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা জন্য,
গ) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা দায় (charge) উদ্ধারের অধিকার, হরণ, বিক্রয় বা
ঘ) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোনো প্রকার অধিকার বা স্বার্থ নির্ণয়ের জন্য,
ঙ) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে,
চ) আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য -
আনীত মামলাগুলি যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, ‘গ’ দফায় বর্ণিত মামলার ক্ষেত্রে যে স্থানে মামলার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়, সেসব আদালতেই দায়ের করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী কর্তৃক বা তার পক্ষে দাখিলী কোন স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত প্রতিকার বা উহার অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা, প্রার্থতি প্রতিকার যদি সম্পূর্ণরূপে বিবাদির ব্যক্তিগতভাবে আনুগতভাবে আনুগত্যের ফলে লাভ করা যায়, তবে তাহলে যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা (ঙ) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রে যে স্থানে পূর্ণ বা আংশিকভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হয়েছে অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে প্রকৃত পক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বিবাদী বাস করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় বা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কর্ম করে সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-16. Suits to be instituted where subject-matter situate.
Subject to the pecuniary or other limitations prescribed by any law, suits- 
(a) for the recovery of immovable property with or without rent or profits, 
(b) for the partition of immovable property, 
(c) for foreclosure, sale or redemption in the case of a mortgage of or charge upon immovable property, 
(d) for the determination of any other right to or interest in immovable property, 
(e) for compensation for wrong to immovable property, 
(f) for the recovery of movable property actually under distraint or attachment, 
shall be instituted in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen: 
Provided that a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property held by or on behalf of the defendant may, where the relief sought can be entirely obtained through his personal obedience, be instituted either in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen, or in the Court within the local limits of whose jurisdiction the defendant actually and voluntarily resides, or carries on business, or personally works for gain. 
Explanation.-In this section "property' means property situate in Bangladesh.
২,৬৮৩.
রায় ঘোষনার কত দিনের মধ্যে ডিক্রী প্রনয়ন করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ২০ বিধি ৫ (ক)  অনুযায়ী রায় ঘোষনার তারিখ হতে ০৭ দিনের মধ্যে আদালত ডিক্রী প্রণয়ন করবেন।
আদেশ ২০ বিধি ৭ অনুযায়ী যে তারিখে রায় ঘোষনা করবে ডিক্রিতে  সে তারিখ উলে­খ থাকবে এবং স্বাক্ষর থাকবে।
২,৬৮৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 9(1A) অনুসরণ না করে মোকদ্দমা দায়ের করলে কোন বিধানানুসারে বিবাদীর প্রতিকার আছে?
  1. Order 7 Rule 11
  2. Order 47 Rule 1
  3. Order 7 Rule 10
  4. Order 39 Rule 1
সঠিক উত্তর:
Order 7 Rule 11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 7 Rule 11
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ৯(১এ) নং বিধি অমান্য করলে অর্থাৎ আদালত বাদী পক্ষের উপর সমনের সাথে প্রয়োজনীয় আরজির কপি সরবরাহ করার আদেশ প্রদান করলে [ নির্দিষ্ট সময় বেধে দিলে এবং বাদী পক্ষ উহা পালনে ব্যর্থ হলে আদালত আরজি খারিজ করতে পারেন।] এবং বাদী পক্ষ আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে আরজিটি খারিজ হতে পারে। 

♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 9(1A) অনুসরে , আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল দাখিল করতে হবে। সুতরাং আরজির সাথে প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমন ও আরজির কপি না দিলে, আদালত প্রয়োজনীয় সমন ও আরজির কপি সরবরাহ করার জন্য সময় (অনধিক ২১ দিন) নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাদী প্রয়োজনীয় সমন ও আরজির কপি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

♦ উপরে উল্লেখিত কারণে আদালত নিজ উদ্যোগে বা বিবাদী পক্ষ আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন করলে, আদালত আরজিটি প্রত্যাখ্যানের আদেশ দিতে পারে।
বিবাদী কর্তৃক আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন নামঞ্জুর হলে-রিভিশন করা যাবে।

অর্থাৎ  The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 9(1A) অনুসরণ না করে মোকদ্দমা দায়ের করলে  বিবাদী আদেশ ৭ বিধি ১১ অনুযায়ী  আরজি প্রত্যাখ্যানের  আবেদন করতে পারবে।
২,৬৮৫.
The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারার অধীনে জেলা জজ কোন কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল স্থানান্তর করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ 
  2. শুধু যুগ্ম জেলা জজ
  3. শুধু অতিরিক্ত জেলা জজ
  4. যুগ্ম ও অতিরিক্ত জেলা জজ উভয়ের নিকট
সঠিক উত্তর:
শুধু যুগ্ম জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু যুগ্ম জেলা জজ
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২: জেলা জজের আপিল স্থানান্তরের ক্ষমতা:
(১) জেলা জজ, তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোনো যুগ্ম জেলা জজের নিকট, তার নিকটে মুলতুবি থাকা এবং সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত যে কোনো আপিল স্থানান্তর করতে পারবেন।

(২) জেলা জজ, এভাবে স্থানান্তরিত কোনো আপিল প্রত্যাহার করে তা নিজে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন অথবা তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন অন্য কোনো উপযুক্ত আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার অধীনে স্থানান্তরিত আপিলসমূহ সেই নিয়ম অনুসারে নিষ্পত্তি করা হবে, যেভাবে জেলা জজ কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত অনুরূপ আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

[Power of District Judge to transfer appeals]
(1) A District Judge may transfer to any Joint District Judge under his administrative control any appeals pending before him from the decrees or orders of Senior Assistant Judges or Assistant Judges.

(2) The District Judge may withdraw any appeal so transferred, and either hear and depose of it himself or transfer it to a Court under his administrative control competent to dispose of it. 
 
(3) Appeals transferred under this section shall be disposed of subject to the rules applicable to like appeals when disposed of by the District Judge.

২,৬৮৬.
আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না মঞ্জুর করে আদালত কোন আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশের ১১ বিধির অধীন মোকদ্দমার বিবাদী পক্ষ আরজি খারিজ করে দেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করতে পারবে ।

♦বিবাদীর আবেদনক্রমে বা আদালত নিজ উদ্যোগে আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। 

♦বিবাদী কর্তৃক আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন নামঞ্জুর হলে-রিভিশন করা যাবে

♦ অর্থাৎ আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না-মঞ্জুর করা হলে  রিভিশন করতে হবে।
২,৬৮৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৪ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত কয়টি উৎস থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৪ বিধি ৩ মতে- বিচার্য বিষয় প্রণয়নের তিনটি উৎস:
- শপথভিত্তিক মৌখিক অভিযোগ;
- আরজি-জবাব ও প্রশ্নমালার লিখিত অভিযোগ;
- দাখিলকৃত দলিলপত্র।

আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন [Materials from which issues may be framed]—
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উত্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ,
[allegations made on faith by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties]

খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূ্‌হ,
[allegations made in the pleadings or in answers to interrogatories delivered in the suit]

গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু। 
[the contents of documents produced by either party]

২,৬৮৮.
রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার এর বিধান আছে-
  1. আদেশ-৩৮, বিধি-৩
  2. আদেশ-৩৮, বিধি-৬
  3. আদেশ-৩৮, বিধি-৯
  4. আদেশ-৩৮, বিধি-১২
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৩৮, বিধি-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৩৮, বিধি-৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশের ৯ বিধি এর বিধান রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার।

-দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৩৮ বিধি-৯: ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার- আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা- ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

-দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
- যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।
-------- 
⇒ CPC Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
- Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
২,৬৮৯.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে প্রদত্ত আপস ডিক্রির কারণে কোন পক্ষ সংক্ষুদ্ধ হলে, তার প্রতিকার নিম্নের কোনটি?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপীল
  3. জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে,
মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।

Section 89A(12):
No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
২,৬৯০.
আপিল বিভাগের কোনো আদেশ কার্যকর করার পদ্ধতি কী?
  1. যে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সে আদালত করবে
  2. সংশ্লিষ্ট জেলা জজ আদালত কার্যকর করবে
  3. আপিল বিভাগে আবেদন করা
  4. হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা
সঠিক উত্তর:
যে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সে আদালত করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সে আদালত করবে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির  ১০৯ থেকে ১১২ ধারা এবং Order XLV - এ আপিল বিভাগে আপিল-সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
♦৪৫ অর্ডারের ১৫ রুলতে বলা হয়েছে:
♦কোনো ব্যক্তি আপিল বিভাগ প্রদত্ত কোনো আদেশ কার্যকর করতে চাইলে, তাকে 
•লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে।
•আপিলে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের সত্যায়িত নকল আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।
•আবেদন সেই আদালতেই করতে হবে; যে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছিল (to the court from which the appeal to Appellate Division was preferred)
অর্থাৎ আবেদন আপিল বিভাগে করবে না ,যে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সে আদালত করবে।
২,৬৯১.
Under Order 39 Rule 4, An injunction order may be discharged, varied, or set aside:
  1. Suo moto by the court without any application
  2. Only during final judgment
  3. Only when both parties consent
  4.  On application by a dissatisfied party
সঠিক উত্তর:
 On application by a dissatisfied party
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 On application by a dissatisfied party
ব্যাখ্যা

Rule.-4: Order for injunction may be discharged, varied or set aside:
Any order for an injunction may be discharged, or varied, or set aside by the Court, on application made thereto by any party dissatisfied with such order.

আদেশ ৩৯ বিধি-৪: নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত, পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে:
নিষেধাজ্ঞার কোন আদেশ অনুরূপ আদেশে কোন পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে সে পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত কর্তৃক উক্ত নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত বা পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে।

২,৬৯২.
'ক' এর ৩ শতক জমি খুলনায় ও ৩ শতক জমি যশোরে অবস্থিত। উক্ত ৬ শতক জমির মালিকানা বিষয়ে 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে যশোরে মোকদ্দমা দায়ের করলে 'খ' উক্ত মোকদ্দমা খুলনায় স্থানান্তর করতে চায়। এক্ষেত্রে 'খ' আবেদন করবে-
  1. যশোর জেলা জজ আদালতে
  2. খুলনার জেলা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

Sec.-23: To what Court application lies-
1) Where the several Courts having jurisdiction are subordinate to the same Appellate Court, an application under section 22 shall be made to the Appellate Court.
2) Where such Courts are subordinate to different Appellate Courts the application shall be made to the High Court Division.
২,৬৯৩.
________ ১২০ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে।
  1. আরজি দাখিলের
  2. বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের
  3. লিখিত জবাব দাখিলের
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা।কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
বিচার্য বিষয় দুই প্রকার। যথা-
- ঘটনা বা তথ্য সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of fact); এবং
- আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of law)

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে,তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে,  তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৮-
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ স্থিরীকৃত করবে।
[After the issues are framed,the Court shall within one hundred and twenty days thereof,fix a date for final hearing of the suit.]
২,৬৯৪.
যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে উক্ত সংশোধনীতে, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান অনুযায়ী কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. আপিলকারী
  2. আপিলকারীর উকিল
  3. আপিলের উভয়পক্ষ
  4. বিচারক বা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
বিচারক বা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক বা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।

Order 41 Rule-3: Rejection or amendment of memorandum:
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection.
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
২,৬৯৫.
নিঃস্ব হিসেবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য আবেদনকারীর সম্পত্তির পরিমাণ কত টাকার বেশি হলে তাকে নিঃস্ব হিসেবে গণ্য করা হবে না?
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ৩,০০০ টাকা
  3. ৫,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-১ এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হন অথবা তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ও মামলার বিষয়বস্তু ব্যতীত অন্য কোনো সম্পত্তি ৫,০০০ টাকার বেশি না থাকে, তাহলেই তাকে "নিঃস্ব (pauper)" হিসেবে গণ্য করা হয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান মতেঃ নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis: Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation−A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.
২,৬৯৬.
The Civil Courts Act, 1887 অনুযায়ী Hindus parties-এর ক্ষেত্রে religious usage বিষয়ে decision কীভাবে হবে?
  1. Common law অনুযায়ী
  2. Muslim law অনুযায়ী
  3. Hindu law অনুযায়ী
  4. International law অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
Hindu law অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hindu law অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে, কোনো মামলা বা কার্যক্রমে যদি উত্তরাধিকার (Succession), বিবাহ (Marriage), জাতি (Caste), বা ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান (Religious Usage or Institution) সংক্রান্ত কোনো প্রশ্নের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে পক্ষগুলোর ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আইন প্রয়োগ করা হয়। বিশেষ করে:
- যদি পক্ষগুলো মুসলিম হয়, তবে মুসলিম আইন প্রয়োগ করা হবে।
- যদি পক্ষগুলো হিন্দু হয়, তবে হিন্দু আইন প্রয়োগ করা হবে।
এই ক্ষেত্রে, প্রশ্নে উল্লিখিত হিন্দু পক্ষগুলোর (Hindu parties) ধর্মীয় প্রথা (Religious Usage) সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য হিন্দু আইন প্রযোজ্য হবে, যদি না সেই আইন কোনো আইনসভার দ্বারা পরিবর্তিত বা বাতিল করা হয়।

- ধারা ৩৭(২) অনুসারে, যদি ধারা ৩৭(১) বা অন্য কোনো প্রচলিত আইন প্রযোজ্য না হয়, তবে আদালত ন্যায়, ইক্যুইটি এবং সৎ বিবেক (Justice, Equity, and Good Conscience) অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। তবে, হিন্দু পক্ষগুলোর ধর্মীয় প্রথা সংক্রান্ত বিষয়ে হিন্দু আইনই প্রাথমিকভাবে প্রযোজ্য।

⇒ The Civil Courts Act,1887-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে, হিন্দু পক্ষগুলোর ধর্মীয় প্রথা সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে হিন্দু আইন প্রয়োগ করা হবে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Hindu law অনুযায়ী।
----------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.

২,৬৯৭.
'প্লিডিংস সংশোধন' সংক্রান্ত বিধান কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৬ বিধি ১৫
  2. আদেশ ৬ বিধি ১৬
  3. আদেশ ৬ বিধি ১৭
  4. আদেশ ৬ বিধি ১৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ বিধি ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ বিধি ১৭
ব্যাখ্যা
আদেশ ৬ বিধি ১৭: প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of Pleadings)-
⇒ মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে আরজি বা জবাবের ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন।
⇒ বাদী বা বিবাদী উভয় পক্ষের বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় সংশোধন করা যাবে।
⇒ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর আরজি জবাব সংশোধনের আদেশ নির্ভর করে।
⇒ প্লিডিংস সংশোধনের দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচারিক আদালতে।
⇒ প্লিডিংস মামলার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।
২,৬৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৬-এর মূল বিষয় কী?
  1. আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার
  2. দেওয়ানি মামলার ফি নির্ধারণ
  3. দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার
  4. আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমা
সঠিক উত্তর:
আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৬ মূলত আদালতের আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary Jurisdiction) নিয়ে আলোচনা করে।
- এই ধারার ভাষ্য অনুযায়ী, যদি অন্য কোনো আইন বা বিধানে স্পষ্টভাবে কিছু না বলা থাকে, তাহলে কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার করতে পারবে না যার বিষয়বস্তুর মূল্য (amount or value of subject-matter) তার সাধারণ আর্থিক সীমার (ordinary pecuniary jurisdiction) চেয়ে বেশি।
→ অর্থাৎ, প্রতিটি দেওয়ানি আদালতের একটি নির্দিষ্ট আর্থিক সীমা থাকে এবং সেই সীমার বাইরে মামলার বিচার করার এখতিয়ার সেই আদালতের নেই — যদি না অন্য কোনো আইন তাকে সে ক্ষমতা দেয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারায় আর্থিক এখতিয়ার সম্পর্কে বলা আছে:
অন্যত্র বর্ণিত সুস্পষ্ট বিধানসমূহ ছাড়া এই আইনের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার (যদি থাকে) বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 6: Pecuniary Jurisdiction:-
Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

২,৬৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী মধ্যস্থতা (Mediation) প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

মধ্যস্থতার শুরু: লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালত মামলার বিরোধ নিজেই মধ্যস্থতা করতে পারে বা মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে।

মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ:

- আদালতের আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে।
- যদি না পারেন, পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে আদালত নিয়োগ দিবে।
- অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ নিশ্চিত হবে।

মীমাংসার সময়সীমা:

- নিয়োগের ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করতে হবে।
- প্রয়োজনে আরও ৩০ দিন বাড়ানো যেতে পারে।
- সর্বাধিক সময়: ৬০ + ৩০ = ৯০ দিন।

পরবর্তী প্রক্রিয়া:

- মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবে।
সুতরাং, পুরো মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সর্বাধিক ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

- সঠিক উত্তর: গ) ৯০ দিন। 

২,৭০০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-20, Rule-1 অনুসারে মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত কখন রায় ঘোষণা করবে?
  1. শুনানির পরপরই বা ৭ দিনের মধ্যে
  2. শুনানির পরপরই বা ১৪ দিনের মধ্যে
  3. শুনানির পরপরই বা ২১ দিনের মধ্যে
  4. শুনানির পরপরই বা ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
শুনানির পরপরই বা ৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুনানির পরপরই বা ৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-20, Rule-1 অনুযায়ী, আদালত মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর তৎক্ষণাৎ বা ৭ দিনের মধ্যে পক্ষ অথবা তাদের উকিলদের যথাযথ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১- মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Order-20 Rule-1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.