বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ২৬ / ৩০ · ২,৫০১২,৬০০ / ২,৯৯৩

২,৫০১.
আপীল মেমো সংশোধনের সময়-
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ৩ দিনের মধ্যে
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule.-3: Rejection or amendment of memorandum.-
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
২,৫০২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কোন ধারায় “মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরে ক্ষমতা” বিধান রয়েছে?
  1. ২১ ধারা
  2. ২০ ধারা
  3. ২৪ ধারা
  4. ২২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ২২ ধারায় বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারবে।
• যদি মোকদ্দমাটি ২ বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।
• বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে সম্ভাব্য ১ম সুযোগে বা যে ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় বা পূর্বে মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়।
২,৫০৩.
'A', residing in Chittagong, publishes defamatory statements about 'B' in Dhaka. Where can 'B' file a lawsuit against 'A'?
  1. In any district court
  2. Only in Dhaka
  3. Only in Chittagong
  4. Either in Dhaka or in Chittagong
সঠিক উত্তর:
Either in Dhaka or in Chittagong
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Either in Dhaka or in Chittagong
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯: ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা:
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
উদাহরণঃ
ক) 'এ'-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে 'বি'-কে ঢাকায় মারধর করে। 'বি' ঢাকায় বা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
খ) চট্টগ্রামে বসবাসকারী 'এ' ঢাকায় 'বি' সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। 'বি' ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plaintiff in either of the said Courts.

Illustrations-
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka. B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
২,৫০৪.
একটি দেওয়ানি মামলায় বিবাদী সমনের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়। আদালত তাকে আরও ৩০ কার্যদিবস সময় দেয়, কিন্তু সে তাতেও লিখিত জবাব দাখিল করেনি। এই পরিস্থিতিতে আদালত কী পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করে দেবে
  2. পুনরায় সময় বৃদ্ধি করবে
  3. বিবাদীকে জরিমানা করবে
  4. একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
সঠিক উত্তর:
একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না। আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
২,৫০৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আপীলের স্মারকলিপির সাথে কোন নথি অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে?
  1. মামলার সমস্ত দলিল
  2. সাক্ষীদের হলফনামা
  3. নিম্ন আদালতের রেকর্ড 
  4. আপীলকৃত ডিক্রির নকল
সঠিক উত্তর:
আপীলকৃত ডিক্রির নকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীলকৃত ডিক্রির নকল
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪১, বিধি ১(১) অনুসারে, আপীলের স্মারকলিপির (memorandum) সাথে অবশ্যই যে ডিক্রি থেকে আপীল করা হচ্ছে তার একটি নকল (copy of the decree appealed from) সংযুক্ত করতে হবে। এছাড়া, (যদি না আপীল আদালত ছাড় দেয়) সেই রায়ের নকলও যার উপর ডিক্রি প্রতিষ্ঠিত, তা সংযুক্ত করতে হয়। অন্যান্য অপশনগুলো (মামলার সমস্ত দলিল, সাক্ষীদের হলফনামা বা নিম্ন আদালতের সম্পূর্ণ রেকর্ড) এই বিধির অধীনে বাধ্যতামূলক নয়; সেগুলো পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুসারে দাখিল করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
-(১) প্রত্যেকটি আপীল আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপির আকারে পেশকরতে হবে এবং আদালত বা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মচারীর নিকট দাখিল করতে হবে। যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে এবং (যদি না আপীল আদালত ইহার প্রয়োজনীয়তা শেষ করেন) যে রায়ের উপর উহা প্রতিষ্ঠিত, তার একটি নাকল স্বারকলিপির সঙ্গে প্রদান করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির সারমর্মঃ যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে, সেই ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির সঙ্গত কারণগুলি সংক্ষেপে এবং স্পষ্ট শিরোনামে স্বারকলিপিতে কোন তর্ক বা ধারাবাহিক বর্ণনা ব্যতিত ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং এরূপ সঙ্গত কারণগুলি ধারাবাহিক নম্বর যুক্ত হতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-1.Form of appeal. What to accompany memorandum:
(1) Every appeal shall be preferred in the form of a memorandum signed by the appellant or his pleader and presented to the Court or to such officer as it appoints in this behalf. The memorandum shall be accompanied by a copy of the decree appealed from and (unless the Appellate Court dispenses therewith) of the Judgment on which it is founded. 

- Contents of memorandum:
(2) The memorandum shall set forth, concisely and under distinct heads, the grounds of objection to the decree appealed from without any argument or narrative; and such grounds shall be numbered consecutively. 

২,৫০৬.
আপীল আদালত আপীল পুনঃশুনানীর [Re hearing of Appeal] আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, আপীলকারী-
  1. আপীল করতে পারবে
  2. রিভিশন করতে পারবে
  3. রিভিউ করতে পারবে
  4. পুনরায় শুনানী করত
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৪১ বিধি-১৯ আনুযায় বিধি ১১, ১৫, ১৭ বা ১৮ এর অধীন আপিল খারিজ করা হলে আপিলকারী আপিল আদালতে আপিল পুনঃগ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারে; এবং আদালত খরচ সম্পর্কিত শর্ত সাপেক্ষে আপিলটি পুনঃগ্রহণ করবেন।
আপিল পুনঃগ্রহণের আবেদন- নামঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান করা হলে- আপিল করা যাবে এবং মঞ্জুর করা হলে- রিভিশন করা যাবে।

♦ আদেশ ৪১ বিধি-২১ আনুযায় আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি করা হলে এবং রায় ঘোষণা করা হলে আপিলটি পুনঃশুনানির জন্য প্রতিবাদী (Respondent) যদি আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করে যে নোটিশটি যথারীতি জারি হয়নি বা যথেষ্ট কারণে উপস্থিত হতে পারেনি তাহলে আদালত আপিলটি পুনরায় শ্রবণ করবেন। আপিল পুনঃশুনানির আবেদন- প্রত্যাখ্যান হলে- আপিল করা যাবে এবং  মঞ্জুর হলে- রিভিশন করা যাবে

♦ আদেশ ৪৩ বিধি অনুযায়ী আপীল পুনঃগ্রহণ বা আপীল পুন:শুনানীর আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপীলযোগ্য আদেশ এবং ৪৩ বিধি অনুযায়ী এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। কিন্তু আপীল পুনঃগ্রহণ বা পুন:শুনানীর আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না। 
২,৫০৭.
No ___________ shall lie from any order passed in appeal under section 104 of The Code of Civil Procedure, 1908.
  1. revision
  2. appeal
  3. review
  4. reference
সঠিক উত্তর:
appeal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
appeal
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।
- কোন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩ তে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৪ ধারায় এবং ৪৩ আদেশে আপীলযোগ্য আদেশ  এর তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ যদি ১০৪ ধারায় বা ৪৩ আদেশে উল্লেখিত কোন আপীলযোগ্য আদেশ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০৪(২) অনুসারে আপিলে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল চলবে না। অর্থাৎ ২য় আপিলের সুযোগ নেই।
--------------------------------
⇒ CPC Section-104. Orders from which appeal lies.
(1) An appeal shall lie from the following orders, and save as otherwise expressly provided in the body of this Code or by any law for the time being in force, from no other orders:
(ff) an order under section 35A;
(g) an order under section 95; 
(h) an order under any of the provisions of this Code imposing a fine or directing the arrest or detention in the civil prison of any person except where such arrest or detention is in execution of a decree; 
(i) any order made under rules from which an appeal is expressly allowed by rules: 
Provided that no appeal shall lie against any order specified in clause (ff) save on the ground that no order, or an order for the payment of a less amount, ought to have been made. 
 
(2) No appeal shall lie from any order passed in appeal under this section.
২,৫০৮.
ধারা ৫১ অনুযায়ী, আদালত কোন পদ্ধতিতে ডিক্রি কার্যকর করতে পারে না?
  1. সম্পত্তি অপর্ণের মাধ্যমে
  2. সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করে
  3. মীমাংসার মাধ্যমে
  4. দেনাদারকে গ্রেফতারের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
মীমাংসার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীমাংসার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫১ অনুযায়ী, মীমাংসার মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা সম্ভব নয়। মীমাংসা মূলত একটি সমঝোতা বা সমাধানের প্রক্রিয়া, যা আদালতের দ্বারা নির্ধারিত রায়কে কার্যকর করতে সহায়তা করে না।

ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা:

নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণসাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোন উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অপর্ণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেনঃ
ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা
২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা

খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সঙ্গতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপণ করেছে বা করতেছে; বা

গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায়সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল।
ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সঙ্গতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না।
২,৫০৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১৩৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের আবেদন করা হয় এবং তিনি সংশ্লিষ্ট আদালতের এলাকার বাইরে অবস্থান করেন, তবে-
  1. গ্রেপ্তারের আবেদন অগ্রাহ্য হবে
  2. হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  4. সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 ধারা ১৩৬ – যেখানে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তি বা জব্দযোগ্য সম্পত্তি ভিন্ন জেলার মধ্যে অবস্থান করছে, সেই ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া:
(১) যদি কোন আবেদন এই মর্মে করা হয় যে, কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হোক বা কোন সম্পত্তি জব্দ করা হোক—এবং সেই আবেদন এমন কোনও বিধানের অধীনে হয় যা ডিক্রির বাস্তবায়ন সম্পর্কিত নয়—তাহলে, যদি ঐ ব্যক্তি বা সম্পত্তি আবেদনকৃত আদালতের এলাকার বাইরে অবস্থান করে, তবে আদালত তার বিবেচনায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে বা সম্পত্তি জব্দের আদেশ দিতে পারে এবং উক্ত পরোয়ানা বা আদেশের একটি অনুলিপি সেই জেলা আদালতে পাঠাতে পারে, যার বিচারিক এলাকার মধ্যে উক্ত ব্যক্তি বা সম্পত্তি অবস্থান করে, সেইসাথে সম্ভাব্য খরচের পরিমাণও পাঠাবে (গ্রেপ্তার বা জব্দ করার জন্য প্রযোজ্য)

(২) জেলা আদালত সেই অনুলিপি ও খরচ পাওয়ার পর নিজস্ব অফিসার বা তার অধীনস্থ আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তার বা জব্দ কার্য সম্পাদন করবে এবং যে আদালত পরোয়ানা বা আদেশ দিয়েছে তাকে বিষয়টি অবহিত করবে।

(৩) যে আদালত এই ধারা অনুযায়ী গ্রেপ্তার কার্য সম্পাদন করেছে, সে আদালত সেই গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে প্রেরণ করবে যেখান থেকে পরোয়ানা জারি হয়েছিল, যদি না ব্যক্তি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, তাকে সেখানে প্রেরণ করা অনুচিত; অথবা সে যদি যথাযথ জামিন দেয় তার হাজিরা নিশ্চিত করার জন্য কিংবা সম্ভাব্য ডিক্রি পূরণের জন্য, তবে সেই ক্ষেত্রে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারে।
২,৫১০.
দেওয়ানী মামলায় সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ দেয়া যায়?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ১৫,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-

 i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ;  এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ। 

ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
২,৫১১.
ডিক্রিতে কোন কোন বিষয় উল্লেখ থাকবে?
  1. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ
  2. মোকদ্দমার নম্বর
  3. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার
  4. উল্লেখিত সকল বিষয়
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

আদেশ ২০ বিধি ৬ঃ ডিক্রির বিষয়সমূহ (Contents of decree)-

১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে। এতে মোকদ্দমার নম্বর,পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিষ্কার উল্লেখ থাকবে।
[The decree shall agree with the judgment, it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.]

২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
[The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.]

৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
[The Court may direct that the costs payable to one party by the other shall be set-off against any sum which is admitted or found to be due from the former to the latter.]
২,৫১২.
ধারা-১২২ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্ট কোন বিষয়ে বিধিমালা প্রণয়ন করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের কার্যপদ্ধতি
  2. শুধুমাত্র অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
  3. নতুন আদালত প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত কার্যপদ্ধতি
  4. সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ধারা-১২২: বিধিমালা প্রণয়নে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা:
সুপ্রিমকোর্ট সময়ে সময়ে পূর্বকালীন প্রকাশনার পর তার প্রত্যেক বিভাগের কার্যপদ্ধতি এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণপূর্বক বিধি প্রণয়ন ও প্রকাশ করতে পারেন এবং এরূপ প্রণীত বিধিবলে প্রথম তফসিলের সমস্ত বা যে কোন বিধি রদ, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে।

[The Supreme Court may, from time to time after previous publication, make rules regulating the procedure of each Division of the Supreme Court and the procedure of Civil Courts subject to its Superintendence and may by such rules annul, alter or add to all or any of the rules in the First Schedule.]
২,৫১৩.
সেট অফ কে দাবি করতে পারে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. মোকদ্দমায় স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো পক্ষ
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত পক্ষ
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

• ৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—
১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদীর নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদী তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।

২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
২,৫১৪.
আদেশ ৪৬ বিধি ১ অনুসারে, আদালত কোন ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারে?
  1. আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
  2. আপিলযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
  3. উভয় ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে
  4. আবেদনকারী যে ডিক্রির ক্ষেত্রে আবেদন করে
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-১: হাইকোর্ট বিভাগে প্রশ্নের রেফারেন্স:
যেক্ষেত্রে ডিক্রি আপিলযোগ্য নয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় বা আপিলের শোননির সময় বা যেক্ষেত্রে ঐরূপ কোন ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত এমন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়, যার উপর মোকদ্দমা বা আপিল বিচারকারী বা ডিক্রি নির্বাহী আদালত যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ পোষণ করে, সেক্ষেত্রে এটা স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন পক্ষদের কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে মোকদ্দমাটির ঘটনাবলী ও সন্দেহের বিষয়সমূহ সম্বলিত একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগে সিদ্ধান্তের জন্য ঐ বিষয় নিজস্ব অভিমতসহ একই ধরণের বিবৃতি প্রেরণ করতে পারে।

সহজ ভাষায় বলা যায়:
যখন কোনো ডিক্রি (সিদ্ধান্ত) আপিল করা যায় না, তখন আদালতে বা আপিলের শুনানির সময় কিছু আইন বা আইনের নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। যদি বিচারক বা নির্বাহী আদালত সেই প্রশ্নে সন্দেহে থাকে, তাহলে তারা স্বতঃপ্রবৃত্তভাবে বা কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে মামলার ঘটনা ও সন্দেহগুলো লিখে রাখতে পারে। এরপর সেই বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে নিজের মতামতসহ পাঠাতে পারে।
২,৫১৫.
আদেশ ৭ বিধি ১১ এ আরজি প্রত্যাখ্যানের কয়টি কারণ উল্লেখ আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ নং বিধি অনুযায়ী আদালত ৪ (চার) টি কারণে আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান- আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-
ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;
খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে:
গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;

তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
২,৫১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ এর অধীন নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. উক্ত ধারায় শুধু বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
  2. উক্ত ধারায় বাদী এবং বিবাদী উভয়ে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
  3. একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়েরযোগ্য মোকদ্দমা হবে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
উক্ত ধারায় বাদী এবং বিবাদী উভয়ে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত ধারায় বাদী এবং বিবাদী উভয়ে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে, যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে,সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে,এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।

Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts,any defendant,after notice to the other parties, may,at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement,apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made,after considering the objections the other parties(if any), shall determine which of the several Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
২,৫১৭.
ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক করা যায় না? 
  1. চাষীর বাসগৃহ,
  2. কৃষিজাত দ্রব্য,
  3. গৃহভৃত্যের বেতন,
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ও ৬১ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না যা নিম্নরূপ-

⇒ ধারা-৬০: ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে (property liable to attachment & sale in execution of decree)- ৬০ ধারামতে নিম্নলিখিত সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে। যথা-জমি, গৃহ, দালান-কোঠা, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, Bill of Exchange, প্রমিসরি নোট, বন্ড, কোম্পানির শেয়ার। এছাড়া যে কোন বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি ক্রোকযোগ্য, যেমন- equity of redemption.

⇒ ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না- ৬০ ধারামতে চাষীর বাসগৃহ, হিসেবের খাতাপত্র, সরকারী পেনশন ভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরীকৃত বৃত্তি ও আনুতোষিক, দেনাদার (Judgement debtor) এবং তার স্ত্রী ও সন্তানগণের পরিধেয় বস্ত্র, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন- রান্নার বাসন, বিছানা ইত্যাদি সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬১ ধারামতে যে সব কৃষিজাত উৎপাদিত দ্রব্য কৃষকের জীবিকার জন্য প্রয়োজন সরকার তা ক্রোক থেকে মুক্তি দিতে পারে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ধারামতে ডিক্রি জারিতে ক্রোকযোগ্য এবং নিলামে বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি (Property liable to attachment and sale in execution of decree):  ডিক্রি জারির জন্য যে সকল সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে- জমি, বাসগৃহ অথবা অন্যান্য দালান কোঠা, মালপত্র, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ, হুন্ডি, প্রমিসরি নোট, সরকারি সিকিউরিটি বণ্ড বা অর্থের অন্য কোন প্রকার সিকিউরিটিস, দেনা, কর্পোরেশনের শেয়ার এবং দেনাদারের সকল বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি।

⇒ যে সকল সম্পত্তি ক্রোক বা বিক্রয় করা যাবে না- ডিক্রি দায়িকের, তার স্ত্রী এবং সন্তানগণের প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র, রান্নার বাসন-পত্রাদি, বিছানাপত্র, গহনাপত্র যা ধর্মীয় বিধান অনুসারে কোন মহিলার পক্ষে খুলে ফেলা উচিৎ নয়, দেনাদার কারিগর হলে কারিগরের যন্ত্রপাতি বা কৃষক হলে কৃষকের বা চাষির বাসগৃহ ও অন্যান্য গৃহ (তার সরঞ্জামসহ অবস্থান, তার সাথে সম্পর্কযুক্ত অন্য ভূমি) চাষের যন্ত্রপাতি, গো-মহিষাদি, বীজ ও হিসাবের খাতা-পত্র, ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার, ব্যক্তিগত সেবার অধিকার, সরকারি পেনশনভোগীদের বৃত্তি, এককালীন সাহায্য ইত্যাদি।
২,৫১৮.
রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল(Certified copies) দেয়া হবে-
  1. পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
  2. পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং আদালতের খরচে
  3. পক্ষগণের আবেদন ছাড়া এবং আদালতের খরচে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে। কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করা হয়।

• আদেশ ২০ বিধি-২০ঃ
আদালতে পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচায় রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল সরবরাহ করা হবে।
[Certified copies of the judgment and decree shall be furnished to the parties on application to the Court and at their expense.]
২,৫১৯.
জেলা জজ আদালতে নিচের কোন কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের হতে পারে?
  1. সহকারি জজ
  2. সিনিয়র সহকারি জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ এর মাধ্যমে কোনো যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত আপিলঅযোগ্য কোনো আদেশ প্রদান করলে, সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালতকে রিভিশন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
২,৫২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭, বিধি-১০ অনুযায়ী আদালত কখন আরজি ফেরত দিতে পারে?
  1. যদি আরজিতে ত্রুটি থাকে
  2. যদি বিবাদী অনুপস্থিত থাকে
  3. যদি আদালতের আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার না থাকে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
যদি আদালতের আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি আদালতের আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার না থাকে
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ১০(১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, যদি আরজিটি এমন একটি আদালতে দায়ের করা হয়, যার মোকদ্দমাটি বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তাহলে আদালত যেকোনো পর্যায়ে আরজিটি ফেরত দিতে পারবে, যাতে তা সঠিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করা যায়।

অন্যান্য অপশনগুলো এই বিধির আওতায় পড়ে না:
ক) আরজিতে ত্রুটি থাকলে আদালত সংশোধনের সুযোগ দিতে পারেন বা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন (আদেশ ৭, বিধি ১১)।
খ) বিবাদীর অনুপস্থিতি আরজি ফেরতের কারণ নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
(২) যখন আরজি ফেরত দেওয়া হয়, বিচারক তার ওপর আরজির দাখিলের এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারী পক্ষের নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-7, Rule-10. Return of plaint:
(1) The plaint shall at any stage of the suit be returned to be presented to the Court in which the suit should have been instituted.
-(2) Procedure on returning plaint: On returning a plaint the Judge shall endorse thereon the date of its presentation and return, the name of the party presenting it, and a brief statement of the reasons for returning it.

২,৫২১.
আদেশ ৪১ বিধি ৩ অনুসারে, যদি আপিলের স্মারকলিপি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে প্রণীত না হয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র প্রত্যাখ্যান করতে পারে
  2. শুধুমাত্র সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
  3. আদালতের কোন এখতিয়ার নেই
  4. প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
২,৫২২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুযায়ী, কমিশনাররা পৃথক প্রতিবেদন কখন প্রণয়ন করবেন?
  1. তাদের কার্য সম্পাদনে ব্যর্থ হলে
  2. তারা একমত না হলে
  3. আদালত নির্দেশ দিলে
  4. সময়সীমা অতিক্রম করলে
সঠিক উত্তর:
তারা একমত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারা একমত না হলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তারা একমত না হলে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুসারে, যদি একাধিক কমিশনার নিয়োগ করা হয় এবং তারা নিজেদের মধ্যে একমত না হন, অর্থাৎ কেউ কেউ একটি ভাগ বা সীমানা নির্ধারণের পক্ষে থাকেন, আর অন্যরা বিপক্ষে অবস্থান নেন, তখন তারা প্রত্যেকে পৃথক পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন করবেন।
এই পৃথক প্রতিবেদনগুলোতে, সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশ, প্রতিটি অংশের পরিমাণ ও সীমানা (যদি আদালতের আদেশে তা উল্লেখ থাকে), সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং প্রতিবেদনগুলো নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে।
- অর্থাৎ কমিশনারদের মধ্যে মতভেদ হলে প্রতিবেদন বিলম্বিত না করে প্রত্যেকে পৃথকভাবে প্রতিবেদন তৈরি ও দাখিল করবেন, যাতে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুযায়ী, যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তবে তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন ও স্বাক্ষর করবেন। প্রতিটি পৃথক প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশ এবং (যদি আদেশে উল্লেখ থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও সীমানা নির্ধারণ করবে এবং পরে এই প্রতিবেদনসমূহ আদালতে দাখিল করতে হবে।
এতে বলা হয়েছে যে, একাধিক কমিশনারের মধ্যে একমত না হলে, তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন এবং আদালতে তা দাখিল করবেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-26, Rule-14: -Procedure of Commissioner-
(1) Dividing Property and Allotting Shares:
The Commissioner, after conducting the necessary inquiry, will divide the property into as many shares as directed by the order under which the commission was issued. The Commissioner will allot these shares to the parties involved and may, if authorized by the order, award sums to equalize the value of the shares.

(2) Preparation of Report:
The Commissioner (or Commissioners, if the commission was issued to multiple persons and they cannot agree) will prepare and sign a report. The report will detail the share of each party, distinguishing each share with specific boundaries (if directed by the order). If multiple reports are prepared, they will be annexed to the commission and transmitted to the Court within the time fixed by the Court, not exceeding three months. After receiving the report(s), the Court will hear any objections from the parties and may confirm, vary, or set aside the report(s).
Provision for Extension of Time: The Court may extend the time upon a request from the Commissioner and upon sufficient cause being shown.

(3) Court's Action on the Report:
If the Court confirms or varies the report(s), it will pass a decree based on the report as confirmed or varied. However, if the Court sets aside the report(s), it may either issue a new commission or make any other order it deems fit.
২,৫২৩.
একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদ (Direct set aside) এর দরখাস্ত প্রত্যাখ্যান করা হলে এর বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রেফারেন্স
  3. রিভিশন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)- 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি; 
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।

⇒ আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে আপিল করা যাবে (বিধি-১, আদেশ-৪৩); আবেদন মঞ্জুর হলে রিভিশন করা যায়।

⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

⇒ আদেশ ৯ বিধি- ১৩ক অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের আবেদন মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান হলে রিভিশন দায়ের করা যায়।

অর্থাৎ একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদ (Direct set aside) এর দরখাস্ত প্রত্যাখ্যান করা হলে এর বিরুদ্ধে প্রতিকার রিভিশন দায়ের।
২,৫২৪.
কোন আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় কয়টি মামলা চূড়ান্ত শুনানীর জন্য ধার্য করতে পারে?
  1. ০৩টি
  2. ০৫টি
  3. ০৭টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
০৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৫টি
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, Order XVIII, Rule 20 দোতরফা শুনানীর মামলাসহ চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনন্দিন কার্যতালিকায় ৫ টির অধিক মোকদ্দমা রাখবে না।
♦অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুযায়ী চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনিক কার্যতালিকায় ৫টির বেশি মোকদ্দমা ধার্য্য করবেন না।
♦তবে আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় মোকদ্দমার চূড়ান্ত পর্যায়ে ১০০ টির অধিক মোকদ্দমা ধার্য্য করবে না।
♦যদি চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা ৭০ টির নীচে আসে তাহলে আবার চূড়ান্ত পর্যায়ে আরো মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করবেন।
২,৫২৫.
সহকারী জজ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, সংক্ষুদ্ধ পক্ষ জেলা জজের নিকট আপীল দায়ের করে। জেলা জজ উক্ত আপীল শুনানীর জন্য যুগ্ম জেলা জজের নিকট প্রেরণ করে। যুগ্ম জেলা জজ উক্ত আপীল খারিজ করে দেয়। এই ক্ষেত্রে-
  1. হাইকোর্টে আপীল দায়ের করতে হবে
  2. জেলা জজের নিকট আপীল দায়ের করতে হবে
  3. হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে
  4. জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু একবার আপীল খারিজ করে দেওয়া হয়েছে, তাই দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই। যেহেতু দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই, তাই যুগ্ম জেলা জজের উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে। এই ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে কারণ এখানে যুগ্ম জেলা জজের আদেশ জেলা জজের সমান। কারণ জেলা জজটি আপীলটি যুগ্ম জেলা জজ প্রেরণ করেছে এবং এই ক্ষেত্রে যুগ্ম জেলা জজ, জেলা জজের ক্ষমতা প্রয়োগ করে আপীলটি খারিজ করেছে।
অর্থাৎ হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
২,৫২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত কোন উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারে না?
  1. স্থানীয় তদন্ত পরিচালনা
  2. সম্পত্তি বাটোয়ারা
  3. সম্পত্তি বিক্রি
  4. হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ এর বিধান: কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।

⇒ সম্পত্তি বিক্রি–এর জন্য ধারা ৭৫–এ কমিশন ইস্যু করার ক্ষমতা নেই।

The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.

- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.

২,৫২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XV এর Rule-1 অনুযায়ী, আদালত যদি দেখে যে পক্ষগুলির মধ্যে কোনো বিরোধ নেই, তাহলে তিনি কী করতে পারেন?
  1. মামলা খারিজ করতে পারেন
  2. তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
  3. মামলা স্থগিত রাখতে পারেন
  4. পক্ষগুলিকে শাস্তি দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৫ বিধি-১ অনুযায়ী যদি প্রথম শুনানিতে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে কোনো আইনগত বা তথ্যগত বিরোধ নেই, তাহলে আদালত দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে রায় ঘোষণা করতে পারে। এর মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় বিচার প্রক্রিয়ার সময় নষ্ট রোধ করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-XV এর Rule-1 অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন পক্ষগণ কোন আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
২,৫২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে "Simultaneous execution"–এর বিষয়টি সম্পর্কে বিধান দেওয়া আছে?
  1. আদেশ-২১, বিধি-২০
  2. আদেশ-২১, বিধি-২১
  3. আদেশ-২০, বিধি-২১
  4. আদেশ-২২, বিধি-২১
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-২১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ২১ অনুযায়ী, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় একই সময়ে দায়িকের ব্যক্তি (ব্যক্তিগত স্বাধীনতা) এবং সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই নীতিকে বলা হয় Simultaneous execution।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২১ অনুসারে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় (in its discretion) সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে, একই সময়ে দায়িকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা (গ্রেফতার ও কারাবাস) এবং তার সম্পত্তির বিরুদ্ধে একযোগে (simultaneous) ডিক্রি কার্যকর না করাও যেতে পারে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-21. Simultaneous execution:
The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment-debtor.
২,৫২৯.
বর্তমানে নিম্নে লিখিত কোন পদ্ধতিতে সমন জারি করা যায়?
  1. পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে
  2. কুরিয়ার সার্ভিস
  3. বার্তা /ই-মেইল
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  ( সংশোধন ২০১২) অনুযায়ী আদেশ ৫ এর বিধি ৯ মতে আদালত তার অধঃস্তন অফিসার বা জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভূক্ত ডাকযোগে বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে, বার্তা বা ই মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট প্রেরণ করে সমন জারি করার আদেশ দিতে পারে।
⇒ উলে­খ্য যে, কোন কুরিয়ার সার্ভিস সমন প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে বিবাদীর নিকট তা প্রেরণ করতে হবে।
⇒ যদি ব্যর্থ হয় তাহলে তার অসদাচরনের জন্য তালিকা থেকে উক্ত কোরিয়ার সার্ভিসের নাম বাদ দিবে।
২,৫৩০.
দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্যমান ন্যূনতম কত হলে আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করা যায়?
  1. ২০ হাজার টাকা
  2. ৫০ হাজার টাকা
  3. ২০ লক্ষ টাকা
  4. ২৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান: বিষয়বস্তুর মূল্য:
- ১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে;
অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে;
এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে। 
---------------
⇒ CPC Section-110. Value of subject-matter.
 In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards, 
or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value, 
and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substantial question of law.
২,৫৩১.
ধারা ১৮(২) অনুসারে, আপিল আদালত কখন এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করবে?
  1. যখন এখতিয়ার নিয়ে যুক্তিসঙ্গত অনিশ্চয়তা ছিল
  2. যখন এখতিয়ার নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না
  3. যখন আপিলকারী পক্ষ পরিবর্তন করেছে
  4. যখন ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে নাই
সঠিক উত্তর:
যখন এখতিয়ার নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন এখতিয়ার নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ. যখন কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না।

ধারা ১৮(২) – Code of Civil Procedure, 1908 অনুসারে:
যদি কোনো মামলা দায়ের করা হয় যেখানে সম্পত্তির অবস্থান নিয়ে স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত ছিল, এবং উপধারা (১) অনুসারে কোনো বিবৃতি রেকর্ড করা হয়নি, এবং পরে আপিল বা পুনর্বিবেচনা আদালতে আপত্তি তোলা হয় যে মূল আদালত যার এখতিয়ার ছিল না, সেই মামলা নিষ্পত্তি করেছে- তাহলে আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না দেখা যায় যে:
- মামলা দায়েরের সময় এখতিয়ার নিয়ে কোনো যৌক্তিক অনিশ্চয়তা ছিল না,
- এবং এর ফলে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটেছে (failure of justice)।

অর্থাৎ, যদি পূর্বেই যৌক্তিক অনিশ্চয়তা থাকত, আপিল আদালত আপত্তি গ্রহণ করবে না। শুধুমাত্র ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ও অনিশ্চয়তার অনুপস্থিতি থাকলে আপত্তি গ্রহণযোগ্য।

ধারা ১৮- যেখানে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমা অনিশ্চিত, সেই ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান:
(১) যদি এ বিষয়ে অনিশ্চয়তা থাকে যে, কোনো অস্থাবর সম্পত্তি (immovable property) দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে কোথায় অবস্থিত, তাহলে ঐ আদালতগুলোর যেকোনো একটি আদালত, যদি সে অনিশ্চয়তার যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হয়, তবে সে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি (statement) রেকর্ড করতে পারবে এবং পরবর্তীতে সেই সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমাটি শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারবে। এবং সেই আদালতের প্রদত্ত ডিক্রি (decree) এমনভাবে কার্যকর হবে যেন সম্পত্তিটি তার এখতিয়ারভুক্ত এলাকায়ই অবস্থিত।
তবে শর্ত হলো- মামলাটির প্রকৃতি ও মূল্যের বিচারে আদালতটি এখতিয়ারপ্রাপ্ত হতে হবে।

(২) যদি উপধারা (১) অনুসারে কোনো বিবৃতি রেকর্ড করা না হয়, এবং পরবর্তীতে আপিল বা পুনর্বিবেচনা আদালতে আপত্তি তোলা হয় যে, মূল আদালত যার এখতিয়ার ছিল না সে মামলা নিষ্পত্তি করেছে - তাহলে আপিল বা পুনর্বিবেচনা আদালত সেই আপত্তি গ্রহণ করবে না, যদি না দেখা যায় যে - মামলা দায়েরের সময় এখতিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল না, এবং এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে।

২,৫৩২.
আপোষমূলক ডিক্রির [Compromise Decree] বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায়-
  1. আপীলে
  2. রিভিউতে
  3. রেফারেন্সে
  4. রিভিশনে
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপোষমূলক বা সোলে ডিক্রি [Compromise Decree] দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
- অন্যদিকে ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে মূল মোকদ্দমায় বা আপীলে প্রদত্ত যে সকল আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না, সেই সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। যেহেতু আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করা যায় না তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারায় রিভিশন দায়ের করা যায়।
--------------
⇒ CPC Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.

⇒ CPC Section-115.Revision:
(1) The High Court Division may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceedings, in which a decree or an order has been passed by a Court of District Judge or Additional District Judge, or a decree has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeal lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such decree or order occasioning failure of justice, the High Court Division may, revise such decree or order and, make such order in the suit or proceedings, as it thinks fit. 
 
(2) The Court of District Judge may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceeding, in which an order has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeals lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such order occasioning failure of justice, the Court of District Judge may, revise such order and, make such order as it thinks fit. 
 
(3) A Court of Additional District Judge shall have all the powers of the District Judge under sub-section (2) in respect of revision case which may be transferred to it by the District Judge.
২,৫৩৩.
'ক' একজন নিঃস্ব বাদী হিসেবে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। মামলার চলাকালীন, 'ক' মারা যায় এবং মামলাটি বাতিল হয়। আদালত আদেশ দেয় যে, 'ক'-এর সম্পত্তি থেকে সরকার কোর্ট ফি আদায় করতে পারবে। এই সিদ্ধান্ত কোন আদেশ ও বিধির অধীনে দেওয়া হয়েছে?
  1. আদেশ ৩৩, বিধি ৫
  2. আদেশ ৩৩, বিধি ৬
  3. আদেশ ৩৩, বিধি ৭
  4. আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক
ব্যাখ্যা
• এই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক বিধির অধীনে।

আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বাদী বা সহবাদী হিসাবে যুক্ত কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে মোকদ্দমাটি বাতিল হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এ মর্মে আদেশ প্রদান করবে যে, যদি বাদীকে নিঃস্ব হিসাবে মামলা করার অনুমতি না দেওয়া হতো, তবে যে পরিমাণ কোর্ট ফি পরিশোধ করতে হতো, তা সরকারের পক্ষ থেকে মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে আদায়যোগ্য হবে।

Order 33 Rule 11A- Procedure where pauper suit abates:
Where the suit abates by reason of the death of the plaintiff or of any person added as a co-plaintiff the Court shall order that the amount of court-fees which would have been paid bythe plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper shall be recoverable by the Government from the estate of the deceased plaintiff.
২,৫৩৪.
রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে কে?
  1. আদালত
  2. মামলার বাদী
  3. সম্পত্তির মালিক
  4. বাদী ও বিবাদীর সম্মতিতে
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-২ পারিশ্রমিক:
রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।

Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
২,৫৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ১৫ অনুযায়ী, সরাসরি বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা সম্ভব না হলে কাকে সমন প্রদান করা যাবে?
  1. যেকোনো পরিচিত ব্যক্তিকে
  2. শুধু পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যকে
  3. পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
  4. বিবাদীর ভৃত্যকে
সঠিক উত্তর:
পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ১৫: বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর সমন জারি:
আদেশ ৫, বিধি ১৫ অনুসারে, যদি বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর সরাসরি সমন জারি করা সম্ভব না হয়, তাহলে তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের (নারী বা পুরুষ) কাছে সমন জারি করা যেতে পারে। পরিবারের কোনো ভৃত্য (Servant) সদস্য হিসেবে গণ্য হবে না এবং তার কাছে সমন দেওয়া যাবে না।

২০১২ সালের সংশোধনী:
পূর্বে শুধুমাত্র পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যের (Adult Male Member) কাছে সমন দেওয়ার বিধান ছিল। তবে ২০১২ সালের সংশোধনের মাধ্যমে এখন পরিবারের যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের নিকট সমন প্রদান করা যেতে পারে।
২,৫৩৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২২ এর অধীনে মামলা হস্তান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে-
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. বিচারিক আদালত
  4. বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২২- একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য মামলা হস্তান্তর করার ক্ষমতা:
যদি কোনো মামলা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়ের করা যায় এবং তা এক আদালতে দায়ের করা হয়, তবে যে কোনো বিবাদী (defendant), অন্যান্য পক্ষকে নোটিশ দিয়ে, সর্বোত্তম সুযোগে (যখন মামলার ইস্যু স্থির হয় বা স্থির করার আগে), আবেদন করতে পারবে মামলাটি অন্য কোনো আদালতে হস্তান্তরের জন্য।
যে আদালতকে এই আবেদন করা হয়, সে অন্য পক্ষের আপত্তি বিবেচনা করার পর, নির্ধারণ করবে কোন আদালত যথাযথ এখতিয়ারসম্পন্ন, এবং মামলাটি সেই আদালতে স্থানান্তর করা হবে।

২,৫৩৭.
বাদী আরজির সাথে পেশকৃত দলিলসমূহ কোন পদ্ধতিতে জমা দিবে?
  1. আরজির উপর তালিকা লিখে
  2. আরজির সাথে সংযুক্ত করে
  3. ক বা খ
  4. আরজি জমা দেয়ার পর দলিল জমা দিবে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• বাদী আরজির সাথে যেসকল দলিল পেশ করে (যদি থাকে),আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে।

• দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে প্রথমে যে দলিল প্রস্তুত করতে হয়, সেটা হলো আরজি। আরজি দাখিলের মধ্য দিয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১ থেকে ১৮নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ নং বিধিতে আরজিতে কি কি বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তা  বলা হয়েছে। এই বিধি অনুসারে আরজিতে ৯টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়।
এছাড়া আদালতের এখতিয়ার ও কোর্ট ফি নির্ধারণের জন্য আরজিতে মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হয়। অর্থের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, আরজিতে দাবীকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ [Precise Amount] উল্লেখ হবে।স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সম্পত্তি সনাক্ত করার জন্য সম্পত্তির বর্ণনা, সীমানা, বা সেটেলমেন্ট পর্যায় উল্লেখিত নম্বর উল্লেখ করতে হবে।বাদী তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করে, সেক্ষেত্রে আরজিতে বাদী তামাদি হতে অব্যাহতির কারণ [Grounds for exemption] উল্লেখ করবে। [বিধি ২-৬]

• আদেশ ৭ বিধি ৯ (আরজি গ্রহণের পদ্ধতি)-

যেসকল দলিল বাদী আরজির সাথে পেশ করে (যদি থাকে), আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে। আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল পেশ করবে। বাদী আরজির সাথে যে তালিকা, সংক্ষিপ্ত বিবৃতি, নকল দাখিল করে তা আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষাপূর্বক সেগুলো সঠিক থাকলে সেইগুলোতে স্বাক্ষর করবে।

Order 7 Rule 9: Procedure of admitting plaint-
(1) The plaintiff shall endorse on the plaint, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or for any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.

Concise statements-
(2) Where the plaintiff sues, or the defendant or any of the defendants is sued, in a representative capacity, such statements shall show in what capacity the plaintiff or defendant sues or is sued.

(3) The plaintiff may, by leave of the Court, amend such statements so as to make them correspond with the plaint.

(4) The chief ministerial officer of the Court shall sign such list and copies or statements if, on examination, he finds them to be correct. 
২,৫৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক অনুযায়ী, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদানের পর শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক অনুযায়ী, যদি এক বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করা হয়, তবে আদালতকে সেই প্রতিপক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
- এটি করার উদ্দেশ্য হলো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার অপব্যবহার রোধ করা এবং প্রতিপক্ষকে ন্যায়সঙ্গতভাবে তার বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া।

- অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ হলে প্রতিপক্ষের উপস্থিতির পর ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
২,৫৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতির জন্য আদেশ ৩৭ কোন আদালতে প্রযোজ্য?
  1. হাইকোর্টে
  2. জেলা আদালতে
  3. সকল দেওয়ানি আদালতে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৩৭ বিধি-১ অনুসারে, হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতে প্রযোজ্য। এটি সকল দেওয়ানী আদালতে প্রযোজ্য নয়, কারণ এর সীমাবদ্ধতা নির্দিষ্ট আদালতের ক্ষেত্রে সীমিত।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-Summary Procedure on Negotiable Instruments:
Rule-1: Application of Order: This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.

২,৫৪০.
Under Order 16, who can request the Court to issue summons to witnesses?
  1. Only the plaintiff
  2. Only the defendant
  3. Any party to the suit
  4. Any third party to the suit
সঠিক উত্তর:
Any party to the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Any party to the suit
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আইন, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ এ সাক্ষীদের সমন জারি এবং হাজিরা নিশ্চিত করার বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশে বিস্তারিত নিম্নরূপ বিষয়গুলি আলোচিত হয়েছে-

১. সমন জারি করার প্রক্রিয়া (Summoning witnesses)
⇒ যে কোনো পক্ষ আদালতকে অনুরোধ করে সাক্ষীদের সমন জারি করতে পারবে।
⇒ সমনে সাক্ষীর নাম, ঠিকানা এবং হাজিরা দেওয়ার তারিখ ও সময় উল্লেখ থাকবে।

২. সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু (Form and contents of summons)
⇒ সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু আইনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত আছে।
⇒ সাক্ষীকে সমনের বিষয়বস্তু বুঝিয়ে দিতে হবে।

৩. সমন প্রেরণ ও তামিল (Serving and sending summons)
⇒ সমন প্রেরণ করার সঠিক পদ্ধতি আইনে বর্ণিত আছে।
⇒ প্রেরণ না করলে বা অনিয়মিতভাবে প্রেরণ করলে সমনের বৈধতা নেই।

৪. সাক্ষী উপস্থিত না হওয়া (Non-attendance of witnesses)
⇒ যদি সাক্ষী যথাযথভাবে সমন প্রাপ্ত হয়েও উপস্থিত না হয়, তাহলে তাকে শাস্তি হতে পারে।
⇒ তবে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে আদালত ক্ষমা করতে পারে।

৫. সাক্ষীদের ভাতা (Expenses of witnesses)
⇒ সাক্ষীরা প্রাপ্য ভাতা/খরচা আদালত থেকে পাবে।
⇒ এর নিয়ম আইনে নির্ধারিত করা আছে।
২,৫৪১.
আদেশ ১৬ বিধি ১৪ অনুসারে, কোন ব্যক্তিকে আদালত সমন দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমার পক্ষকে
  2. মোকদ্দমার আইনজীবীকে
  3. শুধুমাত্র স্বীকৃত সাক্ষীকে
  4. মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশের বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে।

আদেশ ১৬ বিধি ১৪-
হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল 

Order 16 Rule 14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document
২,৫৪২.
৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া আদালতের জন্য
  1. বিবেচনামূলক
  2. নিদর্শনামূলক
  3. বাধ্যতামূলক
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৩৫ক মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবী কিংবা আত্মপক্ষ সমর্থন সম্পর্কে আদালত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে যা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক
২,৫৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-৬ এর বিধান মতে ডিক্রিতে কোন বিষয়সমূহ উল্লেখ থাকবে?
  1. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার উল্লেখ থাকবে
  2. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে
  3. মোকদ্দমার যাবতীয় ব্যয় বিবৃত থাকবে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ (Contents of decree)-
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে। এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিষ্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
----------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order-20 Rule-6: Contents of decree:
-(1) The decree shall agree with the judgment; it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit. 
-(2) The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.
-(3) The Court may direct that the costs payable to one party by the other shall be set-off against any sum which is admitted or found to be due from the former to the latter.
২,৫৪৪.
নিম্নের কোনটি দেওয়ানি আদালত নয়?
  1. Court of District Judge
  2. Court of Assistant Judge
  3. Court of Metropolitan Magistrate
  4. Court of Senior Assistant Judge
সঠিক উত্তর:
Court of Metropolitan Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of Metropolitan Magistrate
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন, এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge];
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge];
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge];
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge];
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge].

অপশনে উল্লিখিত 'Court of Metropolitan Magistrate' ফৌজদারি আদালতের অন্তর্ভুক্ত।
২,৫৪৫.
যদি বাদী উপস্থিত না থাকে এবং বিবাদী বাদীর দাবি স্বীকার না করে, তাহলে আদালত কী করবেন?
  1. বিবাদীর পক্ষে রায় দেবেন
  2. মোকদ্দমা খারিজ করে দেবেন
  3. নতুন সাক্ষ্যগ্রহণের নির্দেশ দেবেন
  4. মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য স্থগিত করবেন
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ করে দেবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ করে দেবেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।

Order 9 Rule 8: Procedure where defendant only appears:
Where thedefendant appears and the plaintiff does not appear when the suit is called on for hearing, the Court shall make an order that the suit be dismissed, unless the defendant admits the claim, or part thereof, in which case the Court shall pass a decree against the defendant upon such admission, and, where part only of the claim has been admitted, shall dismiss the suit so far as it relates to the remainder.
২,৫৪৬.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ প্রদান করা হলে, নোটিশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে?
  1. ১০ দিনের মধ্যে
  2. ২১ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমার কোন পক্ষ,অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে,নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে। তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে,অস্বীকারকারী বা অবহেলাকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে।

• আদেশ ১২ বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে,তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।

Order 12 Rule 2: Notice to admit documents-
Either party may call upon the other party  to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
২,৫৪৭.
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে কাকে উল্লেখ করতে হবে?
  1. প্রজাতন্ত্র
  2. বাংলাদেশ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারা- সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা:
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদি বা বিবাদি হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'।


Section 79- Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.

২,৫৪৮.
The Code of Civil Procedure,1908 এর Order IX Rule II অনুসারে, আদালত নিম্নলিখিত কোন কারণে মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে?
  1. বাদী বা বিবাদী হাজির না হলে
  2. বিবাদী হাজির না হলে
  3. বাদী হাজির না হওয়ার কারণে
  4. বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে
সঠিক উত্তর:
বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ

নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed: 
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
২,৫৪৯.
প্রশ্নমালা কর্তন (Strike out) করা যেতে পারে যদি প্রশ্নমালাটি-
  1. দীর্ঘ শব্দবহুল হয় (profix)
  2. অপ্রয়োজনীয় হয় (unreasonably)
  3. যাতনাদায়ক হয় (oppressive)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
> প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
> দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

• ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে।বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।

• ১১ নং আদেশ বিধি-৭ঃ প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন-

কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে—এ অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, কিংবা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন আবেদন করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের মধ্যে পেশ করা যেতে পারে।

Rule.-7: Setting aside and striking out interrogatories-
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
২,৫৫০.
'প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা' এর বিধান The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 1 এর কোন বিধিতে উল্লেখ আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৮  মতে একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest)।

♦ যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।

♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
২,৫৫১.
বাদী প্রশ্নোত্তর প্রদানের আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে তার মামলা-
  1. ডিক্রি হবে
  2. প্রত্যাখ্যাত হবে
  3. খারিজ হবে
  4. ফেরত দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি-২১ এর বিধান আদেশ পালন না করা (Inspection of documents referred to in pleadings or affidavits): যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ মোকদ্দমা সম্পর্কিত প্রশ্নমালার উত্তর প্রদানে ব্যর্থ হয়, বা দলিল প্রকাশে ব্যর্থ হয়, বা দলিল পরিদর্শনে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে বা বিবাদীর ক্ষেত্রে তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বাতিলের আদেশ দিতে পারে।
২,৫৫২.
নাবালকের মোকদ্দমায় নতুন নেক্সট ফ্রেন্ড নিয়োগের ক্ষেত্রে শপথপত্রে কী দেখাতে হবে?
  1. ব্যক্তির পূর্বের অভিজ্ঞতা
  2. ব্যক্তির আর্থিক স্থিতি
  3. ব্যক্তির আইনি যোগ্যতা
  4. ব্যক্তির নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোন স্বার্থ নেই
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোন স্বার্থ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোন স্বার্থ নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৮: নেক্সট ফ্রেন্ড এর অবসর গ্রহণ:
১) আদালত ভিন্নরূপ কোন আদেশ প্রদান না করলে কোন নেক্সট ফ্রেন্ড তার স্থলে সমাসীন হওয়ার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি সংগ্রহ করে না দিয়ে এবং ইতোপূর্বে ব্যয়িত খরচাদির জন্য জামানত না দিয়ে অবসর গ্রহণ করতে পারবে না।

২) নতুন নেক্সট ফ্রেন্ডর নিয়োগের জন্য আবেদন প্রস্তাবিত ব্যক্তির যোগ্যতা দেখিয়ে একটি শপথপত্র দ্বারা সমর্থিত হতে হবে এবং নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে তার কোন স্বার্থ নেই এটারও দেখাতে হবে।
২,৫৫৩.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে সাক্ষীর সাক্ষ্য লিখিত ভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই?
  1. সকল ক্ষেত্রে বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে
  2. যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
  3. যে সকল মোকদ্দমায় রিভিউ অনুমোদিত নয়
  4. যে সকল মোকদ্দমায় আপিল এবং রিভিউ অনুমোদিত নয়
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো- আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• বিধি-১৩ (আপিল অযোগ্য মোকদ্দমায় সাক্ষীর স্মারক)-
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত হয় না, সে সকল মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে লিখিত, সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন হবে না, কিন্তু প্রত্যেক সাক্ষীর পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিচারক তার জবানবন্দির সারাংশের স্মারকলিপি তৈরী করবে এবং এরূপ স্মারকলিপি বিচারক কর্তৃক লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং সেটা নথির অংশভুক্ত হবে।

Order 18 Rule 13: Memorandum of evidence in unappealable cases-
In cases in which an appeal is not allowed, it shall not be necessary to take down the evidence of the witness in writing at length; but the Judge, as the examination of each witness proceeds, shall make a memorandum of the substance of what he diposes, and such memorandum shall be written and signed by the Judge and shall form part of the record.
২,৫৫৪.
মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. এক তরফা নিষ্পত্তি
  4. মোকদ্দমা চালিয়ে নেয়ার
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে, মোকদ্দমার কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে-

মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (বিধি ৪) :
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২- খারিজ আদেশ রদ করতে আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারে। 
২,৫৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি-৩ অনুযায়ী, রিসিভার যদি ইচ্ছাকৃত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলা করে সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে, তবে-
  1. আদালত তাকে দায়মুক্ত রাখবে
  2. ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
  3. তাকে শুধুমাত্র সতর্ক করা হবে
  4. দেওয়ানি কারাদণ্ড দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি-৩: দায়িত্ব:
অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক রিসিভার-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত কর্তৃক উপযুক্তবিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করবে;
গ) আদালতের নির্দেশ মত তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুন সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে তজ্জন্য দায়ী হবে।

Rule 3: Duties.
Every receiver so appointed shall-
a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
c) pay the amount due from him as the Court directs; and
d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.
২,৫৫৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী নিচের কোন আদালত রিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে?
  1. সহকারী জজ
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. 'খ' এবং 'গ'
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে।
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ ও ২) হাইকোর্ট বিভাগ

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে সহকারী জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা নেই। তাই সঠিক উত্তর 'খ' এবং 'গ'।
 
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী বিধান হলো রিভিশন । রিভিশন বলতে বুঝায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিশন করতে হয় উচ্চ আদালতে।
-এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। 
- যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না । আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয়।
২,৫৫৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারায় কত ধরনের আদালতকে ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. এক ধরনের
  2. দুই ধরনের
  3. তিন ধরনের
  4. চার ধরনের
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী, দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।
 
Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.

২,৫৫৮.
মামলার এখতিয়ার সম্পর্কিত আপত্তি যথাসময়ে না তোলার ফলে, আপীল বা রিভিশন আদালত তখনই তা গ্রহণ করবে যদি-
  1. ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
  2. বাদী ও বিবাদী উভয়ে সম্মত হয়
  3. নিম্ন আদালত ভুল স্বীকার করে
  4. আদালত নিজে থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২১- এখতিয়ারে আপত্তি:
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি থাকলে তা উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপীল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না।
কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপীল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

Sec.-21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
২,৫৫৯.
আরজি সংশোধন করা যাবে -
  1. ইস্যু গঠনের আগে
  2. চূড়ান্ত শুনানীর আগে
  3. যে কোন পর্যায়ে
  4. যুক্তিতর্কের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।
♦প্লিডিংস সংশোধনের সময়- ৬ নং আদেশের ১৮ নং বিধিমতে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অথবা সময় নির্ধারণ করে না দিলে আদালতের প্লিডিংস সংশোধনীর আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত সময় বর্ধিত না করলে প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।
২,৫৬০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারায় আদালত কখন বিচারাধীন কোনো মামলা স্থানান্তরিত করতে পারে?
  1. বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
  2. প্রথম শুনানির পূর্বে
  3. চূড়ান্ত শুনানির আগে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যেকোনো স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা

খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২,৫৬১.
কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা কোন আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সালিশ আইন, ২০০১
  3. আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  4. বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে

⇒ তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।

Section 89B- Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:
 
Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section. 
 
(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).
২,৫৬২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান মতে আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করার কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে?
  1. সরাসরি জরিমানা
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
  3. সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর করা
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান: বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা: (Enforcement of decree against legal representative)
কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য যদি উক্ত মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি দেয়া হয়, তাহলে অনুরূপ কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের দ্বারা উক্ত ডিক্রি জারি করা যেতে পারে।
 যখন ডিক্রি দায়িকের দখলে এরূপ কোন সম্পত্তি না থাকে এবং মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার দখলে এসেছে বলে প্রমাণ থাকে এবং তার যথাযথ ব্যবহার করেছে বলে যদি আদালতকে সন্তষ্ট করতে ব্যর্থ হয়, তখন সম্পত্তির যে পরিমাণের ব্যাপারে সে আদালতকে সন্তষ্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই পরিমাণ সম্পত্তির জন্য ডিক্রি দায়িকের বিরুদ্ধে ডিক্রিটি জারি করা যাবে, যেন ডিক্রিটি ব্যক্তিগতভাবে তারই উপর প্রদত্ত হয়েছিল।
-------------------
- Section 52. Enforcement of decree against legal representative.
(1) Where a decree is passed against a party as the legal representative of a deceased person, and the decree is for the payment of money out of the property of the deceased, it may be executed by the attachment and sale of any such property. 
 
(2) Where no such property remains in the possession of the judgment-debtor and he fails to satisfy the Court that he has duly applied such property of the deceased as is proved to have come into his possession, the decree may be executed against the judgment-debtor to the extent of the property in respect of which he has failed so to satisfy the Court in the same manner as if the decree had been against him personally.
২,৫৬৩.
যখন আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয়, তখন সংশোধনীতে কার স্বাক্ষর থাকতে হবে?
  1. আপিলকারীর
  2. কেবল বিচারকের
  3. নোটারি পাবলিকের
  4. বিচারক অথবা এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
বিচারক অথবা এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক অথবা এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।

২,৫৬৪.
দেওয়ানি আদালতকে কয় শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ৩ অনুযায়ী ৫ প্রকারের দেওয়ানি আদালত আছে।
১. জেলা জজের আদালত (The Court of District Judge)
২. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত (The Court of Additional District Judge)
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালত (The Court of Joint District Judge)
৪. সিনিয়র সহকারী জজের আদালত (The Court of Senior Assistant Judge)
৫. সহকারী জজের আদালত (The Court of Assistant Judge)

⇒ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-(ধারা-১৮ ও ১৯)
১.সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge)- ১৫ লক্ষ পর্যন্ত
২. সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)- ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)-২৫ লক্ষ এর উপরে
২,৫৬৫.
বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত হবে না যদি:
  1. রায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদত্ত হলে
  2. রায়ে কোনো প্রমাণের অভাব থাকলে
  3. মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া হলে
  4. উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১৩ঃ যখন বিদেশি রায় চূড়ান্ত হয় না-

কোন বিদেশি আদালত কোন বিষয়ে বিচার করলে এবং তা একই পক্ষসমূহ অথবা তাদের সূত্রে এক বা একের অধিক স্বত্ব দাবিকারীর মধ্যে একই বিষয় সম্পর্কিত মোকদ্দমা হলে বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে; তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত-

ক) যখন উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত হয় নি;
খ) মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া না হলে;
গ) আন্তর্জাতিক আইনের ভ্রান্ত ব্যাখা অথবা মোকদ্দমাটির প্রতি প্রযোজ্য বাংলাদেশের আইন অস্বীকার করে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে কার্যধারাসমূহ হতে বুঝা গেলে;
ঘ) যে রায় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে, তাতে অনুসৃত পদ্ধতি ও কার্যক্রম ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হলে;
ঙ) প্রবঞ্চনা দ্বারা রায় সংগ্রহ করা হলে;
চ) বাংলাদেশে প্রচলিত কোন আইনের বিরোধী কোন দাবি রায়ে বজায় রাখা হলে।
২,৫৬৬.
আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত কোন আদালতে দাখিল করা যাবে?
  1. রিভিশন আদালত
  2. রেফারেন্স আদালত
  3. আপিল আদালত
  4. উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
সঠিক উত্তর:
উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪১ নং আদেশের ৫ ও ৬ নং বিধিতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখা সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হলেই ডিক্রিটির জারি কর্ম স্থগিত থাকবেনা, তবে নিম্নলিখিত কারণে আদালত ডিক্রি জারির কাজ স্থগিত রাখতে পারে। যথা-
i) আবেদনকারীর গুরুতর ক্ষতির আংশকা;
ii) যথাসময়ে আবেদন করলে;
iii) আবেদনকারী চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য যথাযথ জামানত দাখিল করেছে;
iv) আবেদনকারীর শুনানী সাপেক্ষে আদালত একতরফাভাবেও ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

♦ আদেশ ৪১ বিধি-৫ মতে আপিল আদালত কর্তৃক স্থগিত রাখা (Stay by appellate Court): আপিল চললে বা আপিল করা হলেই কোন ডিক্রির কার্যকারিতা স্থগিত হবে না। বরং ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা আপিল চলাকালে আপিল আদালতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য প্রার্থনা করা হলে তখন উল্লেখিত আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

♦এছাড়া ২১ আদেশের ২৬ থেকে ২৯ বিধিমতেও ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি জারি কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে। ২৬ বিধি অনুসারে শুধুমাত্র দেনাদার ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা আপিল আদালতে কোন ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করতে পারেন। দেনাদার আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।

♦ যে ক্ষেত্রে আপীল করার জন্য নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই কোন আপীলযোগ্য ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়, তখন উপযুক্ত কারণ থাকলে ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত করার আদেশ দিতে পারে। সুতরাং আপীলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত উক্ত ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে দাখিল করা যাবে।
২,৫৬৭.
নিচের কোন আইনে সরাসরি Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত বিধান নেই?
  1. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩
  2. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ Alternative Dispute Resolution (ADR) বলতে বোঝায় আদালতের বাইরে আইনি স্বীকৃত উপায়ে (যেমন: মধ্যস্থতা, সালিশ, আপস) বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধ মেটাতে পারেন।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) সংক্রান্ত বিধান উল্লিখিত প্রশ্নের নিম্নলিখিত আইনগুলোতে রয়েছে:
- অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ – এই আইনে মামলা নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে ADR-এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
- পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ – এই আইনের ধারা ১১ ও ১৪-তে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে আপস ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে ADR পদ্ধতির বিধান রয়েছে।
- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ – ধারা ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) অনুযায়ী আদালতের সহায়তায় মধ্যস্থতা, সালিশ, সমঝোতার মাধ্যমে ADR বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অন্যদিকে, 
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ সাধারণভাবে Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত কোনো স্পষ্ট বা সরাসরি বিধান নেই।
- কারণ এটি মূলত অপরাধ সংক্রান্ত বিচারপ্রক্রিয়া পরিচালনা করে। কিছু ক্ষেত্রে আপস (compounding of offences) করার সুযোগ থাকলেও তা ADR নয়, বরং আইনসিদ্ধ নির্দিষ্ট আপসযোগ্য অপরাধের একটি সীমিত ক্ষেত্র।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৫-এ যেসব অপরাধ আপসযোগ্য, এটি ADR নয়, বরং ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার অংশ।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮।
২,৫৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. আদেশ
  2. ডিক্রি
  3. আপিল
  4. অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.
২,৫৬৯.
ফৌজদারী কার্যবিধি আইন কার্যকর হয়-
  1. ১লা মার্চ ১৯৯৮
  2. ১লা জুলাই ১৮৯৮
  3. ১লা জুলাই ১৮৬০
  4. ২২ মার্চ ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের আইন। ফৌজদারী কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন।
- কারণ এই আইনে ফৌজদারী আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, মামলার তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে।
- ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারী কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়।
- ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।

- অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধিটি প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এবং কার্যকর হয় ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই।
২,৫৭০.
আদালত নিম্নের কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন?
  1. পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  2. পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  3. পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন।

• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
২,৫৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির __________ অনুসারে রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে হয়।
  1. আদেশ-৪০, বিধি-১
  2. আদেশ-৪০, বিধি-২
  3. আদেশ-৪০, বিধি-৩
  4. আদেশ-৪০, বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-২
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) আদেশ-৪০, বিধি-২।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-২ এ বলা হয়েছে:
"The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver."
অর্থাৎ, আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের সেবার জন্য যে পরিমাণ অর্থ পারিশ্রমিক হিসেবে প্রদান করা হবে তা নির্ধারণ করতে পারে।
- এটি স্পষ্টভাবে রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান।

আদেশ ৪০ – রিসিভার নিয়োগ:
১. রিসিভার নিয়োগ:
১.(১) যদি আদালতের নিকট এটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা—
(ক) যে কোনো সম্পত্তির (ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে) রিসিভার নিয়োগ করতে পারে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে ঐ সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করতে পারে;
(গ) উক্ত সম্পত্তি রিসিভারের দখল, হেফাজত বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে; এবং
(ঘ) রিসিভারকে এমন সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ, সম্পত্তি উদ্ধার, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ, সেগুলোর প্রয়োগ ও ব্যয়, এবং দলিল সম্পাদন—যেমন মালিক নিজে করতে পারতেন, অথবা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে সেই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
১.(২) এই বিধানের কিছুই আদালতকে কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা প্রদান করে না, যদি না মামলার কোনো পক্ষ সেই ব্যক্তিকে বর্তমানে অপসারণ করার অধিকার রাখে।

২. পারিশ্রমিক: রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।

Order XL – Appointment of Receivers
1. Appointment of Receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order—
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property;
(c) commit the same to the possession, custody, or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation, and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

2. Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
২,৫৭২.
আদালত কোন কারণে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতির আবেদন অগ্রাহ্য করবে?
  1. যদি আবেদনকারীর সম্পত্তি কম থাকে
  2. আবেদনকারী অভিযোগের কারণ প্রদর্শন না করলে
  3. আবেদনকারী সম্পত্তির বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করলে
  4. আবেদনের পূর্বের ৩ মাসের মধ্যে তঞ্চকতামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারী অভিযোগের কারণ প্রদর্শন না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারী অভিযোগের কারণ প্রদর্শন না করলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৫: আবেদনপত্র অগ্রাহ্য:

নিম্নোক্ত উপায়ে নিঃস্ব ব্যক্তির ন্যায় আদালতে অভিযুক্ত করারআবেদন আদালত অগ্রাহ্য করতে পারে-
ক) যেক্ষেত্রে ২ এবং ৩ বিধিসমূহের নির্ধারিত পদ্ধতিতে এটি প্রণয়ন ও দাখিল করা হয়নি; বা
খ) যেক্ষেত্রে আবেদনকারী নিঃস্ব নয়; বা
গ) যেক্ষেত্রে সে আবেদনপত্র উপস্থাপনের অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে তঞ্চকতা-মূলকভাবে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে সমর্থ হওয়ার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে; বা
ঘ) যেক্ষেত্রে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ দেখানো হয় না; বা
ঙ) যেক্ষেত্রে যে প্রস্তাবিত মোকদ্দমার অধীনে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌঁছেছে, যার ফলে উক্ত বিষয়বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তি স্বার্থ অর্জন করেছে সে সকল ক্ষেত্রে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি লাভের প্রার্থনা আদালত অগ্রাহ্য করবে।
২,৫৭৩.
দেওয়ানী মোকদ্দমার আরজি ভুল আদালতে দাখিল করলে কী পরিণতি হবে?
  1. আরজি খারিজ হবে
  2. আরজি ফেরত হবে
  3. মোকদ্দমা ডিসমিস হবে
  4. মোকদ্দমার কার্যক্রম চলবে
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত হবে
ব্যাখ্যা
⇒ এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।
-দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
- আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১০-
- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
- আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
২,৫৭৪.
'খ' কর্তৃক দায়েরকৃত এক দেওয়ানী মোকদ্দমায় আদালত 'ক' এর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। 'ক' উক্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। এক্ষেত্রে আদালত Order 39 Rule 2 এর অধীন 'ক' এর বিরুদ্ধে নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. সম্পত্তি ক্রোক
  2. ১ বছরের কারাবাস
  3. ৬ মাসের কারাবাস
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাবাস
ব্যাখ্যা
• মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে, সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। বিধি ১ অনুযায়ী যখন নালিশী সম্পত্তি কোন পক্ষ কর্তৃক ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিমূলে অন্যায়ভাবে বিক্রি হতে পারে, অথবা বিবাদী যখন পাওনাদারকে বঞ্চিত, প্রতারিত করার জন্য তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার হুমকি প্রদান করে বা ইচ্ছা পোষণ করে, তখন আদালত উক্ত নালিশী সম্পত্তি ধ্বংসকরণ, ক্ষতিগ্রস্থকরণ, হস্তান্তর, নিলাম, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে বা আদালত কর্তৃক যেরূপ উপযুক্ত বিবেচিত হবে সেরূপ আদেশ দিতে পারেন।

আদেশ ৩৯ বিধি ২-

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

অর্থাৎ আদালত নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোক এবং অনধিক ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে। ৬ মাসের অধিক কারাবাস দেয়ার এখতিয়ার বিধিতে উল্লেখ নেই।
২,৫৭৫.
The Court of Small Causes is subordinate to-
  1. Only the District Court
  2. Only the High Court Division
  3. the Sessions Court
  4. Both the High Court Division and District Court
সঠিক উত্তর:
Both the High Court Division and District Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both the High Court Division and District Court
ব্যাখ্যা
Section-3: Subordination of Courts:
For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩ ধারার বিধান - আদালতের পর্যায়ক্রম:
এই কোডের উদ্দেশ্যে, জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ের সকল দেওয়ানি আদালত এবং সকল স্মল কজ কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ ও জেলা আদালতের অধস্তন।
২,৫৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. নাবালক,মানসিক ভারসাম্যহীন
  2. অক্ষম ব্যক্তিদের আসন্ন বন্ধু এবং অভিভাবক
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে।

• দেওয়ানী কার্যবিধিতে প্রকাশ (Discovery) অর্থ হলো এক পক্ষ কর্তৃক অন্য পক্ষকে তার দখলে বা এখতিয়ারে যে বিষয় রয়েছে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা। বিরোধী পক্ষের দখলে আছে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত এমন কোন দলিল বা বিষয় বিরোধী পক্ষকে প্রকাশ করতে মোকদ্দমার কোন পক্ষ ১১ আদেশ অনুসারে আবেদন করতে পারে।

প্রকাশ [Discovery] ২ (দুই) প্রকার-
১. প্রশ্ন দ্বারা কোন ঘটনা বা বিষয় প্রকাশ করা [Discovery by Interrogatories]
২. কোন দলিল প্রকাশ করা [Discovery of Documents]

• ১১নং আদেশে উদঘাটন এবং পরিদর্শন সম্পর্কে যাবতীয় বিধি-বিধান রয়েছে।সেই সাথে উক্ত আদেশের বিধি ২৩ এ বলা হয়েছে-
এই আদেশ নাবালক বাদি এবং বিবাদিগণের ক্ষেত্রে এবং অক্ষম ব্যক্তিদের মোকদ্দমার জন্য তাদের আসন্ন বন্ধু ও অভিভাবকগণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
[This order shall apply to minor plaintiffs and defendants, and to the next friends and guardians for the suit of persons under disability.]

২,৫৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিধান অনুসারে, যদি নির্ধারিত শুনানির দিনে বাদী ও বিবাদী উভয়েই অনুপস্থিত থাকে, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. নতুন সমন জারি করতে পারে
  2. মামলা স্থগিত রাখতে পারে
  3. একতরফা রায় দিতে পারে
  4. মামলা খারিজ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 3 অনুযায়ী, যদি নির্ধারিত শুনানির দিনে বাদী এবং বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকে, তাহলে আদালত মামলাটি খারিজ করতে পারে।

তবে, Order IX, Rule 4 অনুযায়ী, বাদী পরবর্তীতে নতুনভাবে মামলা দায়ের করতে পারেন অথবা আদালতের নিকট খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে এটি Limitation Act, 1908 অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে করতে হবে।

অর্থাৎ, শুনানির দিনে কোনো পক্ষই উপস্থিত না হলে আদালত একতরফা রায় দিতে পারে না বা নতুন সমনও জারি করতে পারে না—এটি মামলার কার্যধারার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং, আদালতের এখতিয়ার থাকবে মামলা খারিজ করার।
২,৫৭৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ১২ বিধি ৬
  2. আদেশ ১২ বিধি ৮
  3. আদেশ ১২ বিধি ৯
  4. আদেশ ১২ বিধি ২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে  "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
২,৫৭৯.
দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ প্রদানের পর যদি তা স্বীকার করতে অবহেলা করে,তাহলে
  1. ডিক্রিদায়িক মোকদ্দমার খরচ বহন করবে
  2. ডিক্রিদার মোকদ্দমার খরচ বহন করবে
  3. অবহেলাকারী পক্ষ মোকদ্দমার খরচ প্রদান করবে
  4. আদালত মোকদ্দমার খরচ বহন করবে
সঠিক উত্তর:
অবহেলাকারী পক্ষ মোকদ্দমার খরচ প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবহেলাকারী পক্ষ মোকদ্দমার খরচ প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার কোন পক্ষ,অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে।তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে, অস্বীকারকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে।

আদেশ-১২, বিধি-২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে, তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং
আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
২,৫৮০.
According to Order 20 Rule 3, what must the judge do with the judgment at the time of pronouncement?
  1. File the judgment with the court registry
  2. Date and sign the judgment in open court
  3. Send the judgment to the parties for review
  4. Review and amend the judgment before signing
সঠিক উত্তর:
Date and sign the judgment in open court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Date and sign the judgment in open court
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-৩: রায় স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে:
রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

Order 20 Rule 3: Judgment to be signed:
The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and, when once signed, shall not afterwards be altered or added to, save as provided by section 152 or on review.
২,৫৮১.
আদেশ ১২ বিধি ২ অনুযায়ী, দলিল স্বীকারের নোটিশ দেওয়ার কতদিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ১২ বিধি ২: দলিল স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে পারে, যাতে বলা হয় যে, তারা পনেরো দিনের মধ্যে কোনো দলিল স্বীকার করবে, তবে উপযুক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া। যদি অন্য পক্ষ তা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তবে দলিল প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যেহেতু তারা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে আদালত যদি অন্যভাবে নির্দেশ না দেয়।

Order-12 Rule-2: Notice to admit documents:

Either party may call upon the other party to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
২,৫৮২.
মোকদ্দমায় দাবিকৃত মূল্যমান কত দিনের মধ্যে সংশোধন করতে হয়?
  1. আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে
  2. সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে
  3. সর্বাধিক ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে, আদালতের নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন করতে হয়, তা না হলে আদালত আরজি খারিজের আদেশ দিবেন।

• আরজি হল মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১ নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১ থেকে ১৮নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।এখানে আরজি প্রত্যাখানের সংজ্ঞা দেয়া হয়নি। তবে দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারামতে আরজি প্রত্যাখান ডিক্রির অন্তর্ভুক্ত এবং ৭নং আদেশের ১১নং ধরে আরজি প্রত্যাখানের কারণগুলো দেয়া রয়েছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী, আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে।
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে।
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে।
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।
২,৫৮৩.
If there are many defendants and some do not appear, what will the court do?
  1. Stop the case
  2. Dismiss the case
  3. Restart the case
  4. proceed with the case
সঠিক উত্তর:
proceed with the case
উত্তর
সঠিক উত্তর:
proceed with the case
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ১১: কতিপয় বিবাদীর এক বা একাধিক অনুপস্থিত থাকলে কার্য পদ্ধতি [Procedure in case of nonattendance of one or more of several defendants]:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী রয়েছে, সেক্ষেত্রে একজন বা কয়েকজন বিবাদী উপস্থিত হয় এবং অন্যরা উপস্থিত না হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি অগ্রসর হবে এবং রায় ঘোষণার সময় আদালত অনুপস্থিত বিবাদীদের সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোনো আদেশ দান করবেন।

[Where there are more defendants than one, and one or more of them appear, and the others do not appear, the suit shall proceed, and the Court shall, at the time of pronouncing judgment, make such order as it thinks fit with respect to the defendants who do not appear.]
২,৫৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি অনুযায়ী, মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হলে কী সংশোধন করতে হবে?
  1. আরজি
  2. লিখিত জবাব
  3. মামলার ডিক্রি
  4. তামাদি ফরম
সঠিক উত্তর:
আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি- বিবাদী সংযোজিত হলে আরজি সংশোধন করতে হয়:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ প্রদান না করলে, আরজি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে এবং সংশোধিত সমন ও আরজির নকল নতুন বিবাদীর উপর জারি করতে হবে এবং আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে তাহলে মূল বিবাদীর উপরও জারি করতে হবে।

[Where defendant added, plaint to be amended:
Where a defendant is added, the plaint shall, unless the Court otherwise directs, be amended in such manner as may be necessary, and amended copies of the summons and of the plaint shall be served on the new defendant and, if the Court thinks fit, on the original defendant.]
২,৫৮৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় Cross decrees এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XXII, Rule 22
  2. Order XXI, Rule 18
  3. Order XXI, Rule 19
  4. Order XI, Rule 8
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 18
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 18 তে Cross decrees এর বিধান রয়েছে।

⇒ পাল্টা ডিক্রি (Cross decrees)- ২১ নং আদেশের ১৮ নং বিধি অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে একই পক্ষসমূহের মধ্যে পৃথক মোকদ্দমায় টাকার দুটি অংশ পরিশোধের নিমিত্তে ইতোপূর্বে দেয়া পাল্টা ডিক্রিসমূহ জারির নিমিত্তে আদালতে আবেদন পেশ করা হয়। এবং তা উক্ত আদালতের মাধ্যমে একই সময়ে জারিযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে-
i ) যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে মিটানোর ব্যাপারে উভয় ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ থাকবে; এবং
ⅱ) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে শুধু বৃহৎ অংকের ডিক্রিদার, ক্ষুদ্রতর অংক বিয়োজন করার পর ডিক্রিতে যা বাকী থাকে, তার নিমিত্তে ডিক্রি জারি করতে পারে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের সন্তুষ্টির ব্যাপারটি বৃহৎ অংকের ডিক্রিতে এবং ক্ষুদ্রতম অংকের ডিক্রিতেও লিপিবদ্ধ থাকতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
২,৫৮৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশে “সাময়িক, নৌ-বাহিনী বা বিমান বাহিনী কর্তৃক বা তাদের বিরুদ্ধে মামলার” বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ২৪
  2. আদেশ ৩২
  3. আদেশ ২৭
  4. আদেশ ২৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৮ অনুযায়ী “সাময়িক, নৌ-বাহিনী বা বিমান বাহিনী কর্তৃক বা তাদের বিরুদ্ধে মামলারবিধান আছে।
 আদেশ ২৮ বিধি ১ অনুযায়ী অফিসার, সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক কর্মকর্তারা যদি ছুটি না পায় তাহলে তাদের পক্ষে যে কোন লোককে মামলা পরিচালনার ক্ষমতা  দিতে পারবে।
২,৫৮৭.
একটি রায়ে থাকবে-
  1. রায়ে নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
  2. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  3. সিদ্ধান্ত এবং অনুরুপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  4. ক,খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
আদেশ ২০ বিধি ৪ অনুসারে,আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-
> মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case]
> নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination]
> ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon] এবং
> অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].

তবে, স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে শুধু নিম্নোক্ত বিষয়গুলো উল্লেখ থাকলেই চলবে-
> নির্ধারণের বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
> উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।
২,৫৮৮.
শুনানির সময় বাদী পক্ষ অনুপস্থিত ও বিবাদী উপস্থিত থাকলে তাহার ফলাফল কী?
  1. আদালত মামলা ফেরত দিবে
  2. মামলা স্থানান্তর করবে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে পাঠিয়ে দিবে
  4. মামলা খারিজ করে দিবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করে দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করে দিবে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ আদেশের ৮ বিধি মতে শুনানির সময় বাদী যদি অনুপস্থিত থাকে সেক্ষেত্রে বিবাদী যদি বাদীর দাবীর সম্পূর্ণ অংশ বা অংশ বিশেষ মেনে নেয়, তাহলে আদালত তদানুসারে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রী দান করবেন। আর বিবাদী যদি এটির কোন অংশই মেনে না নেয়, তাহলে আদালত সম্পূর্ণ মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিবেন।
২,৫৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী সমন দেওয়ার পরেও আদালতে হাজির না হলে কী দণ্ড দেওয়া যায়?
  1. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়
  2. অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ৩২ ধারার বিষয়বস্তু হলো ৩০ ধারা অনুযায়ী সমন দেওয়া হলে হাজির না হলে দণ্ড।
যদি সমন দেওয়ার পরও হাজির না হলে ৪ ধরনের দণ্ড দেওয়া যায়।
- গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
- সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়
- অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
- হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ
----------------------------------------
⇒ CPC Section 32. Penalty for default.
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
(a) issue a warrant for his arrest;
(b) attach and sell his property;
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.
২,৫৯০.
আপিল আদালতের ডিক্রিতে কোন তারিখ উল্লেখ থাকবে?
  1. আপিলে দায়েরের তারিখ
  2. রায় ঘোষণার তারিখ
  3. ডিক্রি প্রদানের তারিখ
  4. ডিক্রির কপি পাওয়ার তারিখ
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার তারিখ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি-৩৫: ডিক্রির তারিখ ও বিষয়বস্তু:
১) আপিল আদালতের ডিক্রিতে যে দিন রায় ঘোষণা করা হয়েছিল, সে ঘোষণার তারিখ উল্লেখ থাকবে।
২) ডিক্রিতে আপিলের নম্বর, আপিলকারী ও উত্তরদায়কের নাম ও পরিচিতি এবং মঞ্জুরকৃত প্রতিকার বা অন্যরূপ সাব্যস্থ হয়েছে তার একটি সুস্পষ্ট বিবরণ থাকতে হবে।
৩) ডিক্রিতে আপিলে ব্যয়িত খরচসমূহের পরিমাণ এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে এবং কিঅনুপাতে ঐ খরচ এবং মোকদ্দমার খরচ পরিশোধ করতে হবে সেটাও বিবৃত থাকবে।
৪) ডিক্রি প্রদানকারী বিচারক বা বিচারকবৃন্দ কর্তৃক ডিক্রিতে স্বাক্ষর করতে ও তারিখযুক্ত হতেহবেঃ ভিন্ন মত পোষণকারী বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হওয়ার প্রয়োজন নেইঃ

তবে শর্ত থাকে যে, যে ক্ষেত্রে একাধিক বিচারকবৃন্দ থাকেন এবং তাদের মধ্যে মতের ভিন্নতা থাকে সেক্ষেত্রে আদালতের রায় হতে ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক কর্তৃক ডিক্রিতে স্বাক্ষর করার প্রয়োজন নেই।

২,৫৯১.
কোন ক্ষেত্রে দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] প্রয়োগ করা যাবে?
  1. একটি পূর্বে চলমান মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
  2. একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
  3. উভয়টি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা
  4. একই সময়ে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

• শর্তসমূহ:
⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় একই;
⇒ পরবর্তী মোকদ্দমাটি যারা দায়ের করেছে, পূর্ববর্তী চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমাটি সেই একই পক্ষগণের মধ্যে ছিল বা সেই পক্ষগণের মধ্যে ছিল যাদের মাধ্যমে তারা বা তাদের কোন একজন প্রতিকার দাবী করে;
⇒ উক্ত পক্ষগণ পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় একই বিষয়বস্তু নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করেছে;
⇒ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করেছে।

• ১১ ধারার নিয়ম অনুসরণ করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
২,৫৯২.
আদেশ ৩৮ বিধি-৬ অনুযায়ী আদালত কখন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে?
  1. যখন বাদী জামানত প্রদান করে না
  2. যখন বিবাদী জামানত প্রদান করে না
  3. যখন বাদী মামলা প্রত্যাহার করে
  4. যখন বিবাদী কারণ দর্শায়
সঠিক উত্তর:
যখন বিবাদী জামানত প্রদান করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন বিবাদী জামানত প্রদান করে না
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৮ বিধি-৬: কারণ না দর্শালে বা জামানত না দিলে ক্রোক:
১) যেক্ষেত্রে বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয় বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর যে আংশিক প্রদেয় ডিক্রিটি মিটানোর জন্য পর্যাপ্ত বলে প্রতীয়মান, সেরূপ অংশ ক্রোক হওয়া মর্মে আদেশ প্রদান করতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি অনুরূপ কারণ দর্শায় অথবা আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে, এবং উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর কোন অংশ ক্রোক হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত ক্রোক প্রত্যাহারের আদেশ দিবে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।

২,৫৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে?
  1. ১০ ধারা
  2. ১১ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০,১১ এবং ১২ ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে।

• ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

• ধারা ১২ তে পুনরায় মোকদ্দমা করার বাধা (Bar to further suit) সম্পর্কে বিধান আছে। 
কোন বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না। অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না।
২,৫৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী শুনানি শেষে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে রায় ঘোষণার জন্য বাধ্য ?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন 
  3. ১৪ দিন
  4.  ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-১ (Order XX Rule 1) অনুসারে, মোকদ্দমার শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে বাধ্য। বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে, যা সাতদিনের বেশি হবে না" (either at once or on some future day, not beyond seven days)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-১:-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced:-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, not beyond seven days, of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.

২,৫৯৫.
একটি কোম্পানি আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আবার একই অনিয়মমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর অধীনে কোম্পানির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেওয়া হয়। সর্বোচ্চ কতদিন পর্যন্ত এই ক্রোক বলবৎ থাকবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. যতদিন আদালত চায়
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
২,৫৯৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল পুনজ্জীবিত করার আদেশ প্রত্যেক পক্ষের অনুকুলে সর্বোচ্চ কয়টি মঞ্জুর করা হয়?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
-কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
- কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
- অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
--------------------
⇒ CPC Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or  disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:

Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.


(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
২,৫৯৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক অনুযায়ী, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে কোনো পক্ষের অনুরোধে আদালত সর্বোচ্চ কতবার মুলতবি দিতে পারেন?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৬ বার
সঠিক উত্তর:
৩ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক (Order XLI, Rule 12A) অনুযায়ী, আপিলের শুনানি চলাকালে, কোনো পক্ষ যদি মুলতবির আবেদন করে, তাহলে সর্বোচ্চ ৩ বার পর্যন্ত আদালত শুনানি স্থগিত/মুলতবি দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধি ১২ক অনুসারে, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে আদালত কোনো পক্ষের অনুরোধে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বার মুলতবি (adjournment) দিতে পারবেন।
- তবে ৩ বারের বেশি মুলতবি দেওয়া হলে, আদালত ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দেবেন।
- যদি আপিলকারী এই খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- আর যদি প্রতিবাদী খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি হলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষ খারিজের তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পুনরুজ্জীবনের আবেদন করতে পারবে।
- এই আবেদনের সঙ্গে আদালতের নির্ধারিত ন্যূনতম ২০০ টাকা ও সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- প্রত্যেক পক্ষ এইরকম পুনরুজ্জীবনের সুযোগ একবারই পাবে।
- তবে আদালত যদি নিজে থেকে আপিল শুনানি মুলতবি করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে, নইলে মুলতবির আদেশ দেবেন না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.
(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.
(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.

২,৫৯৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 12 Rule 6 অনুযায়ী 'Judgment on admissions' কখন প্রদান করা যায়?
  1. মামলার যে-কোনো স্তরে
  2. উভয়পক্ষের সাক্ষ্য সমাপ্তির পর
  3. লিখিত বর্ণনা দাখিলের পূর্বে
  4. লিখিত বর্ণনা দাখিলের পর
সঠিক উত্তর:
মামলার যে-কোনো স্তরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যে-কোনো স্তরে
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 12 Rule 6 অনুযায়ী -
স্বীকারোক্তির উপর রায় (Judgment on Admission): আদালত স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে রায় ঘোষণা করতে পারে। আরজি জবাব বা অন্যকোনভাবে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে যেকোন পক্ষ আদালতে আবেদন করতে পারে যেন যতটুকু বিষয় স্বীকার করা হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে রায় ঘোষণা করে। এটাই Judgement on Admission. এ বিধানটি সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক। এক্ষেত্রে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারে।
২,৫৯৯.
According to Order 40, Rule 5, Under what condition does the Court consider appointing a Collector as the receiver?
  1. Approval from the government
  2. Consent of the Collector
  3. Permission from a higher court
  4. Consent of the property owner
সঠিক উত্তর:
Consent of the Collector
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Consent of the Collector
ব্যাখ্যা
Order 40 Rule 5- When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ৫-
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি, অথবা এমন জমি যার রাজস্ব বরাদ্দ বা মুক্ত করা হয়েছে, এবং আদালত মনে করে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বার্থ কালেক্টরের ব্যবস্থাপনায় উন্নত হবে, তখন আদালত কালেক্টরের সম্মতিতে তাকে সেই সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারে।
২,৬০০.
একটি মামলায় মুল্যমান সংশোধনের সর্বাধিক সময়কাল হবে-
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান:  নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-

ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;

খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে:

গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;

তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।

♦ধারা-২ (২) এর বিধান মতে আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে।

♦আরজি নাকচ / প্রত্যাখ্যানের কারণ ৪টি

১) মোকদ্দমার কারণ উল্লেখ না করলে (Cause of action)

২) দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেয়া হলে (undervalued)

৩) অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্প পেপারে লিখা হলে (insufficiency stamped)

৪) মোকদ্দমাটি আইন/তামাদিতে বারিত হলে (Barred by law)

দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেখালে বা অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্পের ক্ষেত্রে আদালত তা সংশোধনের জন্য অনধিক ২১ দিন সময় দিতে পারে।

♦ প্রতিকার
১) বিধি: ১৩ অনুযায়ী পুনরায় একই বিষয়ে নতুন আরজি দাখিল।
২) আপিল করা যাবে

♦ বিবাদীর আবেদনক্রমে বা আদালত নিজ উদ্যোগে আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
♦ বিবাদী কর্তৃক আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন নামঞ্জুর হলে রিভিশন করা যাবে।