বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ২৫ / ৩০ · ২,৪০১২,৫০০ / ২,৯৯৩

২,৪০১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট হলে কোন ধরনের "Set-off" দাবি করা যায়?
  1. Fixed Set-off
  2. Legal Set-off
  3. English Set-off
  4. Equitable Set-off
সঠিক উত্তর:
Equitable Set-off
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Equitable Set-off
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির Set-off দুই প্রকার যথা:
ক) Legal Set-off [Order VIII, Rule 6],
খ) Equitable Set-off 

যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট, সেক্ষেত্রে Legal Set-off দাবি করা যায়। কিন্তু, যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট সেক্ষেত্রে Equitable Set-off মঞ্জুর করা যেতে পারে (আদালতের Discretion-এর উপর)।

Equitable Set-off একটি বিশেষ ধরনের প্রতিরক্ষা, যা নিম্নলিখিত পরিস্থিতিগুলোতে প্রযোজ্য:
⇒ যখন বাদী ও বিবাদীর মধ্যে পারস্পরিক দাবী-দাওয়া থাকে এবং উভয় দাবীই একই উত্স থেকে উদ্ভূত হয়েছে। অর্থাৎ উভয়ের দাবী একই চুক্তি, লেনদেন বা ঘটনার সাথে জড়িত।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী বাদীর দাবীর চেয়ে কম। কারণ যদি বিবাদীর দাবী বেশি হয়, তাহলে বিবাদীকে ক্রস-মামলা দায়ের করতে হবে।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী নগদ টাকার নয়, বরং কোন অনিষ্পন্ন কাজের জন্য। যেমন - বাদী যদি বাকি বেতনের দাবী করে আর বিবাদী দাবী করে কিছু অসম্পূর্ণ কাজের জন্য।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী সুস্পষ্টভাবে অর্থগত মান নির্ণয় করা সম্ভব নয়। যেমন - ক্ষতিপূরণের চাহিদা ইত্যাদি।
২,৪০২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় "কর্মকর্তাগণ কর্তৃক নিলাম ডাকা বা খরিদে বাধা-নিষেধ" এর বিধান আছে?
  1. আদেশ-২১ বিধি-৬৭
  2. আদেশ-২১ বিধি-৬৮
  3. আদেশ-২১ বিধি-৭৩
  4. আদেশ-২১ বিধি-৭৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৭৩ এর বিধান কর্মকর্তাগণ কর্তৃক নিলাম ডাকা বা খরিদে বাধা-নিষেধ: কোন নিলাম বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কর্মকর্তা বা ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিলাম ডাকতে পারবে না বা উক্ত বিক্রীত সম্পত্তিতে কোন স্বার্থ অর্জন বা অর্জনের চেষ্টা করতে পারবে না।
--------------------
⇒ Order-21 Rule-73. Restriction on bidding or purchaser by officers:
No officer or other person having any duty to perform in connection with any sale shall, either directly or indirectly, bid for, acquire or attempt to acquire any interest in the property sold.
২,৪০৩.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে আদালত মামলাটি প্রত্যাহার করার অনুমিত দিতে পারে।
  1. অন্য বিবাদীর সম্মতিতে
  2. সরকারী কৌসুলীর অনুমতিতে
  3. অন্যান্য বাদীদের সম্মতি ছাড়া 
  4. অন্য বাদীদের সম্মতিতে
সঠিক উত্তর:
অন্য বাদীদের সম্মতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য বাদীদের সম্মতিতে
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে অথবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
-তবে একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবেন না।
⇒ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে আদালত মামলাটির দাবী প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারে- অন্য বাদীদের সম্মতিতে।

⇒ জবাদী আদালতের অনুমতি না নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে সে একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না, এবং খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-২ এর বিধান প্রথম মোকদ্দমা দ্বারা তামাদি আইন প্রভাবিত হয় না:- পূর্ববর্তী বিধির অধীনে আদালতের অনুমতিক্রমে যদি নূতনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করা হয়, তবে প্রথম মোকদ্দমাটি রুজু করা না হলে বাদি তামাদি আইন দ্বারা যেরূপ বাধ্য হত, ঠিক একই পদ্ধতিতে বাধ্য হবে।

⇒ Order 23 Rule.-2: Limitation law not affected by first suit:- In any fresh suit instituted on permission granted under the last preceding rule, the plaintiff shall be bound by the law of limitation in the same manner as if the first suit had not been instituted.
২,৪০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় কতিপয় নারীর ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতির বিধান রয়েছে?
  1. ১২৮ ধারা
  2. ১৩০ ধারা
  3. ১৩২ ধারা
  4. ১৩৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৩২ ধারায় বলা হয়েছে যেসব নারীকে দেশের প্রথা অনুযায়ী জনসমক্ষে আনতে বাধ্য করা উচিত নয়, সেই নারীরা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজিরা থেকে অব্যাহতি পাবেন।
- এই বিধান মূলত "পর্দানশীন নারী" বা ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিনীতির ভিত্তিতে জনসমক্ষে হাজির হওয়া যাদের জন্য সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য, তাদের সুরক্ষার জন্য প্রণীত।
- তবে, এই ধারা নারীদের গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি দেয় না, বরং কেবল ব্যক্তিগত হাজিরা (personal appearance) থেকে অব্যাহতি দেয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩২ ধারার বিধান: কতিপয় মহিলার ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:-
১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল মহিলাকে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন মহিলাকে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ মহিলা অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লেখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section: 132. Exemption of certain women from personal appearance.
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court. 
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
২,৪০৫.
নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্যান্য ডিক্রি জারির আবেদন কত বছরের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৬ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:
 নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনামতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
২,৪০৬.
একটি মামলার দাবিকৃত অর্থের পরিমাণ ২০ লক্ষ টাকা। এটি কোন আদালতে দায়ের করা যেতে পারে?
  1. সহকারী জজ আদালতে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭ – ধারা ১৯ : সিনিয়র সহকারী জজ প্রভৃতির এখতিয়ারের পরিসর-
(১) বর্তমানে কার্যকর অন্য কোনো আইনে ভিন্নভাবে উল্লেখ না থাকলে, সিনিয়র সহকারী জজের এখতিয়ার থাকবে এমন সব মামলা যা ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকার বেশি নয়, এবং সহকারী জজের এখতিয়ার থাকবে এমন সব মামলা যা ১৫ (পনের) লক্ষ টাকার বেশি নয়।

(২) জেলা জজকে বাধ্যতামূলকভাবে সিভিল কোর্টস (সংশোধন) আইন, ২০২১ কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে যুগ্ম জেলা জজ আদালত বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বিচারাধীন মামলা বা কার্যধারা যথাযথ আদালতে স্থানান্তর করতে হবে।

(৩) উপ-ধারা (২) অনুসারে যদি কোনো মামলা বা কার্যধারা স্থানান্তরিত হয়, তবে তা যে স্তর থেকে স্থানান্তরিত হয়েছে সেই স্তর থেকেই শুরু হবে।

⇒ দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭–এর ধারা ১৯(১) স্পষ্টভাবে বলেছে:
“সিনিয়র সহকারী জজের এখতিয়ার থাকবে এমন সব মামলা যা ২৫ লক্ষ টাকার বেশি নয়, এবং সহকারী জজের এখতিয়ার থাকবে এমন সব মামলা যা ১৫ লক্ষ টাকার বেশি নয়।”

যেহেতু ২০ লক্ষ টাকা ১৫ লক্ষের বেশি কিন্তু ২৫ লক্ষের কম, তাই এটি সহকারী জজের নয়, বরং সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত হবে।

২,৪০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) জন্য কোন পদ্ধতি উল্লেখ রয়েছে? 
  1. আপোষ ও মীমাংসা
  2. মীমাংসা ও সমঝোতা
  3. মধ্যস্থতা ও সালিশী
  4. সমঝোতা ও সালিশী
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশী
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির (Alternative Dispute Resolution - ADR) জন্য দুটি প্রধান পদ্ধতি উল্লেখ রয়েছে:
১) মধ্যস্থতা (Mediation);
২) সালিশী (Arbitration)।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল- মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

২,৪০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৯ ধারায় কার বিরুদ্ধে মামলার বিধান আছে?
  1. সরকার
  2. বিচারক
  3. সরকারি কর্মচারী
  4. বিদেশি রাষ্ট্রদূত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ৭৯ ধারা- সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা:
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে বাংলাদেশ

Section 79- Suits by or against the Government:

In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.
২,৪০৯.
কোন মামলায় আদালত চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে যে কোন এক পক্ষের প্রার্থনায় খরচসহ সময় প্রদান করতে পারে অনধিক
  1. ৩ বার
  2. ৬ বার
  3. ৯ বার
  4. ১২ বার
সঠিক উত্তর:
৩ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বার
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে দেওয়ানী মোকদ্দমায় মূলতবির আবেদন করতে হয়। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মূলতবীর আবেদন । আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মূলতবি রাখতে পারে। চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে। 
♦ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে; তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মূলতবি মঞ্জুর করেনা।
♦ মূলতবি খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে। মূলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
২,৪১০.
মোকদ্দমার অ্যাবেটমেন্ট আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য আদালত একজন দরখাস্তকারীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২২, বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ: বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
------------------
⇒ Order-22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
২,৪১১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে “Res Judicata” শব্দের অর্থ কী?
  1. অসম্পূর্ণ বিষয়
  2. অকার্যকর বিষয়
  3. বিচারাধীন বিষয়
  4. নিষ্পত্তিকৃত বিষয়
সঠিক উত্তর:
নিষ্পত্তিকৃত বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষ্পত্তিকৃত বিষয়
ব্যাখ্যা

⇒ "Res Judicata" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার আক্ষরিক অর্থ "a matter judged" বা "নিষ্পত্তিকৃত বিষয়"।
-  Res Judicata হলো একটি আইনি নীতি যা বলে, একটি মামলা যখন চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে, তখন একই ইস্যু, একই কারণ, এবং একই পক্ষদের নিয়ে সেই মামলা আবার উঠানো যাবে না। তাই এটিকে "নিষ্পত্তিকৃত বিষয়" বলা হয়। অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির Res Judicata নীতির মূল উদ্দেশ্য আদালতের একই বিষয়ে পুনরায় বিচার নিষিদ্ধ করা।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।
→ Res Judicata নীতি আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক, এটি মানা আদালতের দায়িত্ব।

Res Judicata (দোবারা দোষ) কার্যকর হওয়ার শর্তসমূহ:
→ দুইটি মামলা থাকতে হবে:
একটি মামলা আগে নিষ্পত্তি হয়ে থাকতে হবে।
অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত হতে হবে।
→ উভয় মামলার বিষয়বস্তু একই হতে হবে:
আগের মামলায় যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, নতুন মামলাতেও সেই একই বিষয় থাকতে হবে।
→ পক্ষগণ একই হতে হবে:
পরবর্তী মামলা যারা করেছে, তারা আগের মামলার পক্ষ হতে হবে।
অথবা তারা তাদের পক্ষের হয়ে মামলা করেছে।
→একই বিষয়ে পূর্বেও মামলা করা হয়েছে:
পূর্ববর্তী মামলার পক্ষগণ একই বিষয় নিয়ে মামলা করেছিল।
→ আগের মামলাটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নিষ্পত্তি করেছে:
যে আদালত আগের মামলা নিষ্পত্তি করেছে, তার বিচার করার ক্ষমতা (এখতিয়ার) থাকতে হবে।

২,৪১২.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করা হলে ভঙ্গকারীকে সর্বোচ্চ কতদিন civil prison-এ রাখার আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ বিধি ২ অনুযায়ী-

⇒ যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য (Civil prison) দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে। 

⇒ এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। 
২,৪১৩.
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য ডিক্রি কীভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে
  2. দেওয়ানি কারাগারে আটক করে
  3. আদালতে ক্ষতিপূরণ জমা দিয়ে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:

(১) যে পক্ষের বিরুদ্ধে কোনো চুক্তির নির্দিষ্ট পালন, বিবাহ সংক্রান্ত অধিকার পুনরুদ্ধার বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি জারি করা হয়েছে, সেই পক্ষ যদি ডিক্রি পালনের সুযোগ পেয়েও ইচ্ছাকৃতভাবে তা পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে:
- বিবাহ সংক্রান্ত অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রির ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে;
- চুক্তির নির্দিষ্ট পালন বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের মাধ্যমে, তার সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে, অথবা উভয় পদ্ধতিতে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে।

(২) যে পক্ষের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট পালন বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি জারি করা হয়েছে, যদি সেই পক্ষ কোনো কর্পোরেশন হয়, তবে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে:
- কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে; অথবা
- আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে কর্পোরেশনের পরিচালক বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাদের দেওয়ানি কারাগারে আটকের মাধ্যমে; অথবা
সম্পত্তি ক্রোক এবং আটক উভয় পদ্ধতিতে।

২,৪১৪.
দেওয়ানি আদালতের ১০৮ ধারায় ________ আদালতের ডিক্রি ও আদেশসমূহ হতে আপিলের পদ্ধতি বর্ণিত আছে।
  1. রিভিউ
  2. আপিল
  3. রিভিশন
  4. জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৮: আপিল আদালতের ডিক্রি ও আদেশসমূহ হতে আপিলের পদ্ধতি:
মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলসমূহ সম্পর্কিত এই খণ্ডের বিধানসমূহ যথাসম্ভব নিম্নোক্ত আপিলের ক্ষেত্রে প্রযুক্ত হবে-
ক) আপিল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল; এবং
খ) এই আইন অনুযায়ী প্রদত্ত কোন আদেশ কিংবা যে কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনে স্বাতন্ত্র্য কোন পদ্ধতির বিধান নেই, তদ্রূপ আইনবলে প্রদত্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল।

Sec.-108: Procedure in appeals from appellate decrees and orders:
The provisions of this Part relating to appeals from original decrees shall, so far as may be, apply to appeals-
a) from appellate decrees, and
b) from orders made under this Code or under any special law in which a different procedure is not provided.
২,৪১৫.
বাদীর আরজি সংশোধনীর দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
  1. রিভিশন
  2. রিভিউ
  3. আপীল
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের বিধান আছে।

⇒ আদেশর ৬ বিধি ১ অনুযায়ী প্রিডিং বলতে আরজি বা লিখিত জৰাৰ বুঝাবে। 
⇒ মামর্লা যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধণ হতে পারে।
⇒  প্লিডিংস সংশোধন করা বা না করা আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী আরজি জবাব সংশোধন বা প্লিডিংস সংশোধন বলতে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে ন্যায় সঙ্গত পদ্ধতিতে ও শর্তে তার আরজি জবাবে পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন এবং উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের উদ্দেশ্যেই এরূপ যাবতীয় প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যাবে।
⇒ তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর , সংশোধনের কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
⇒ যদি  আদালত অভিমত পোষণ করেন যে, পরিশ্রম করা সত্ত্বেও পার্টি  বিচারকার্য শুরু হওয়ার পূর্বে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেননি সেক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে।
⇒ আরো শর্ত থাকে যে, বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর যদি সংশোধনের আবেদন করা হয় এবং আদালত এই মত পোষণ করেন যে, বিচারকার্য পরিচালনাকে বিলম্ব করার জন্য এটি করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত আপত্তিকারীকে যেরূপ উপযুক্ত মনে তদ্রুপ ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধ করতে আদেশ দিবেন।
⇒ বাদীর আরজি সংশোধনীর দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশ আপীলযোগ্য আদেশ নয়, আদেশের বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন করা যাবে।
২,৪১৬.
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে কোন আদালতে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজের আদালতে
  3. যুগ্মজেলা জজের আদালতে
  4. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালতে
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে
ব্যাখ্যা
- রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

- দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে। 

- অর্থাৎ ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে। জেলা জজ আদালত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনানীর এখতিয়ার রাখে না। 
সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ ও যুগ্ম জেলা জজের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন জেলা জজের আদালতে দাখিল করতে হয়, তবে এই সকল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
২,৪১৭.
“Every suit shall be instituted in the court of the lowest grade competent to try it”- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
ব্যাখ্যা

• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করবেন সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫-
"Every suit shall be instituted in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী ।

২,৪১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ অনুযায়ী নিচের কোনটি আপীল আদালতের ক্ষমতার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ?
  1. চূড়ান্ত নিষ্পত্তি
  2. বিচারার্থে প্রেরণ
  3. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ না করা
  4. সবগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ না করা
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী কোন আপীল আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
(i) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার।
(ii) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার।
(iii) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেইগুলি বিচারার্থে প্রেরণ করার।
(iv) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ বা তলব করার ক্ষমতা। 
২,৪১৯.
"Enlargment of Time" সংক্রান্ত বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ১৪৬
  2. ধারা ১৪৭
  3. ধারা ১৪৮
  4. ধারা ১৪৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৮ ধারার বিধান সময় বাড়ানো (Enlargement of time)- আইনে অনুমোদিত কোন কাজ করার জন্য আদালত কোন সময় নির্ধারণ করে দেয়ার পরও (এমনকি নির্ধারিত সময় পার হলেও) ১৪৮ ধারা অনুযায়ী আদালত তার সুবিবেচনামূলক ক্ষমমতাবলে সময়ে সময়ে উক্ত সময়কাল বাড়াতে পারে।
- ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলে আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত উক্ত কাজ সম্পাদনের জন্য পক্ষদেরকে সময় মনজুর করতে পারেন। এটি আদেশ ১৭- এর adjournments সংক্রান্ত বিধান থেকে আলাদা। adjournments আদেশে শুধু শুনানী মূলতবীর জন্য সময় দেওয়ার বিধান আছে। কিন্তু ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক যে কোনো কাজের জন্য নির্ধারিত সময় বৃদ্ধির আবেদন করা যায়। 
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 148. Enlargement of time:
Where any period is fixed or granted by the Court for the doing of any act prescribed or allowed by this Code, the Court may, in its discretion, from time to time, enlarge such period, even though the period originally fixed or granted may have expired.
২,৪২০.
"Mesne Profits" এর সংজ্ঞা দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২(৮)
  2. ২(১০)
  3. ২(১২)
  4. ২(১৪)
সঠিক উত্তর:
২(১২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(১২)
ব্যাখ্যা
ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits.

ব্যতিক্রম-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
২,৪২১.
পক্ষদ্বয় লিখিত জবাবে উল্লেখিত তথ্যসমূহ স্বীকার বা অস্বীকার করে কিনা, তা আদালত নিশ্চিত করবে-
  1. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  2. মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময়
  3. ক বা খ
  4. রায় ঘোষণার পূর্বে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

বিধি-১ (আরজি জবাবের অভিযোগাদি স্বীকৃত না অস্বীকৃত তা নিশ্চিতকরণ)-
আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে প্রত্যেক পক্ষ কিংবা পক্ষের উকিল হতে নিশ্চিত করবে যে, সেই পক্ষ অপর পক্ষের আরজিতে কিংবা লিখিত বিবৃতিতে (যদি থাকে) রচিত তথ্যগত উক্তি সমূহ স্বীকার না কি অস্বীকার করে, এবং যা সংশ্লিষ্ট পক্ষ দ্বারা প্রকাশ্য কিংবা প্রয়োজনীয় অর্থে স্বীকৃত বা অস্বীকৃত হয়নি-আদালত একই ধরণের স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতিসমূহ রেকর্ড করবে।

Rule 1: Ascertainment whether allegations in pleadings are admitted or denied-
At the first hearing of the suit the Court shall ascertain from each party or his pleader whether he admits or denies such allegations of fact as are made in the plaint or written statement (if any) of the opposite party, and as are not expressly or by necessary implication admitted or denied by the party against whom they are made. The Court shall record such admissions and denials.
২,৪২২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১৫(৪) জেলা জজ প্রদত্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য?
  1. যেকোনো আদেশ
  2. আপিল আদেশ
  3. রিভিউ আদেশ
  4. রিভিশন আদেশ
সঠিক উত্তর:
রিভিশন আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন আদেশ
ব্যাখ্যা

ধারা ১১৫(৪): ২য় রিভিশন:
উপ-ধারা (২) বা (৩) অনুসারে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রিভিশন আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন আবেদন করা যাবে- যদি হাইকোর্ট বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ কোনো আইনগত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে মর্মে রিভিশনের অনুমতি (leave) প্রদান করে।

এক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ মামলার কার্যধারায় প্রয়োজনীয় যে কোনো আদেশ দিতে পারে।

২,৪২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩ ধারা অনুযায়ী, রুল কমিটির (Rule Committee) সদস্য হিসেবে নিচের কে বা কারা অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. সুপ্রিম কোর্টের তিনজন বিচারপতি
  3. সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করা দুইজন আইনজীবী
  4. হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন একজন সিভিল কোর্টের বিচারক
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১২৩(২) অনুসারে রুল কমিটির সদস্যপদ নিম্নরূপ:
(খ) সুপ্রিম কোর্টের তিনজন বিচারপতি। (যাদের মধ্যে অন্তত একজন তিন বছর জেলা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন)
(গ) সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করা দুইজন আইনজীবী।
(ঘ) হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন একজন সিভিল কোর্টের বিচারক। 
- কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল-এর কোনো উল্লেখ ধারা ১২৩-এ নেই। তাই তিনিও রুল কমিটির স্বাভাবিক সদস্য নন।
- সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল রুল কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩ ধারা অনুযায়ী রুল কমিটির (Rule Committees) গঠন:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারা অনুসারে, রুল কমিটি গঠিত হয়—
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, যাদের মধ্যে অন্তত একজন ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছেন।
- ২ জন আইনজীবী, যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক, যিনি উচ্চ আদালতের অধীনস্থ।
এই সমস্ত সদস্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি নিজেও চাইলে কমিটির সদস্য হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি কমিটির সভাপতি হবেন।

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 123. Constitution of Rule Committees.
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted for the purpose referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee.
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.

২,৪২৪.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হলে প্রতিকার কি?
  1. রিভিশন
  2. রিভিউ
  3. আপিল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
২,৪২৫.
The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ১৪(১) অনুসারে, আদালতের আসনস্থল নির্ধারণ বা পরিবর্তন কীভাবে করা হয়?
  1. মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত দ্বারা
  2. আদালতের আদেশ দ্বারা
  3. জেলা প্রশাসকের আদেশ দ্বারা
  4. সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
 (1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held. 
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.

২,৪২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ ধারার অধীন সমন অমান্যের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ কত?
  1. ৩০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে,
সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
২,৪২৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 17, rule 1 অনুযায়ী একটি দেওয়ানি মোকদ্দমায় চূড়ান্ত শুনানীর স্তরে বাদীর অনুপস্থিতির কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে কত টাকা খরচ দাখিল করলে মোকদ্দমা পনুঃবহাল হতে পারে?
  1. ১০০০
  2. ২০০০
  3. ৩০০০
  4. ৫০০০
সঠিক উত্তর:
২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ 17 বিধি ১ অনুযায়ী যদি মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয় তবে সেই পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে ২,০০০ টাকা ব্যয়সহ খরচ জয়া দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহালের ( Revival of Proceedings) আবেদন করতে পারেন।
২,৪২৮.
দেওয়ানি আপীলে মধ্যস্থতা করার বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ৮৩ ধারায়
  4. ৮৯গ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮৯গ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৯গ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
২,৪২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের কত বিধিতে স্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের ডিক্রির (Decree for recovery of immovable property) বিধান দেয়া হয়েছে?
  1. বিধি ৮
  2. বিধি ৯
  3. বিধি ১১
  4. বিধি ১৩
সঠিক উত্তর:
বিধি ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ৯
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ৯নং বিধিতে স্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের ডিক্রির (Decree for recovery of immovable property) বিধান দেয়া হয়েছে।

• আদেশ ১৮ বিধি ৯-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি হয় সেক্ষেত্রে তা সনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট এরূপ বর্ণনা থাকবে এবং যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি চৌহদ্দি দ্বারা কিংবা সেটেলমেন্ট রেকর্ডের নাম্বার বা জরিপের সংখ্যা দ্বারা সনাক্ত হতে পারে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিতে উত্তরূপ চৌহদ্দি বা সংখ্যা সঠিকভাবে বর্ণনা থাকবে।

[Where the subject-matter of the suit is immoveable property, the decree shall contain a description of such property sufficient to identify the same and where such property can be identified by boundaries or by numbers in a record of settlement or survey, the decree shall specify such boundaries or numbers.]
২,৪৩০.
আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে বসবাসকারী কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে হলে, আদালত ____________ বরাবর তা প্রেরণ করতে পারেন।
  1. মোকদ্দমার বিবাদী
  2. মোকদ্দমার বাদী
  3. ক বা খ
  4. যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার
সঠিক উত্তর:
যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-৩: আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সাক্ষী বসবাস করলে:
আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে বসবাসকারী কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে হলে আদালত যাকে কমিশন সম্পাদন করতে উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ কোন ব্যক্তি বরাবর তা প্রেরণ করা যাতে পারে।

Rule-3: Where witness resides within Court's jurisdiction.
A commission for the examination of a person who resides within the local limits of the jurisdiction of the Court issuing the same may be issued to any person whom the Court thinks fit to execute it.
২,৪৩১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৮ ধারার বিধান মতে  ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে _________ বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না।
  1. ৬ সপ্তাহের
  2. ৬ বছরের
  3. ৬ মাসের
  4. ১ বছরের
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৮ ধারার বিধান আটক ও মুক্তি:
 ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৬ মাসের বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না; এবং
 ৫০ টাকার কম হলে সে ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না।
 যে ডিক্রি জারিতে ডিক্রি দায়িক আটক থেকে মুক্তি পেয়েছেন, সেই বিষয়ে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।
____________
Section 58. Detention and release:
(1) Every person detained in the civil prison in execution of a decree shall be so detained,- 
(a) where the decree is for the payment of a sum of money exceeding fifty Taka, for a period of six months, and, 
(b) in any other case for a period of six weeks: 
Provided that he shall be released from such detention before the expiration of the said period of six months or six weeks, as the case may be,- 
(i) on the amount mentioned in the warrant for his detention being paid to the officer in charge of the civil prison, or 
(ii) on the decree against him being otherwise fully satisfied, or 
(iii) on the request of the person on whose application he has been so detained, or 
(iv) on the omission by the person, on whose application he has been so detained, to pay subsistence allowance: 
Provided, also, that he shall not be released from such detention under clause (ii) or clause (iii), without the order of the Court. 
 
(2) A judgment-debtor released from detention under this section shall not merely by reason of his release be discharged from his debt, but he shall not be liable to be re-arrested under the decree in execution of which he was detained in the civil prison.
২,৪৩২.
Who must sign or initial the amendments made in a memorandum of appeal?
  1. Only the court clerk
  2. The appellant
  3. Only the Judge
  4. The Judge or an officer appointed by him
সঠিক উত্তর:
The Judge or an officer appointed by him
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Judge or an officer appointed by him
ব্যাখ্যা

Order 41 Rule-3: Rejection or amendment of memorandum:
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection.
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।

২,৪৩৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩৫ক অনুযায়ী ক্ষতিপূরণমূলক খরচের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. সীমাহীন
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।

৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।

২,৪৩৪.
নিম্নের কোনটি বিচার্য বিষয়ের প্রকারভেদ?
  1. ঘটনাগত বিচার্য বিষয়
  2. আইনগত বিচার্য বিষয়
  3. উভয়ই
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয়ই
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-১ বিচার্য বিষয় প্রণয়ন:
(১) যখন কোন ঘটনার বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একপক্ষ দুঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

(২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে আইনগত বা তথ্যসংক্রান্ত সেই সমস্ত বিষয় বুঝাবে, বাদী কর্তৃক তার মামলা করার অধিকার প্রতিপন্ন করার জন্য যে বিষয়ে অভিযোগ আনয়ন করতে হবে, অথবা বিবাদী কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য যে বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে।

(৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করে।

(৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকার : ক) তথ্যগত বা ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইনগত বিচার্য বিষয়।
২,৪৩৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট কতটি তফসিল (Schedule) অন্তর্ভুক্ত আছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এ মূলত মোট ৫টি তফসিল (Schedules) অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এই তফসিলগুলো হলো:
→ প্রথম তফসিল (First Schedule): এতে রয়েছে আদেশ (Orders) এবং বিধি (Rules), যা দেওয়ানি মামলার প্রক্রিয়াগত বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তফসিল।
→ দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule): Arbitration সংক্রান্ত ছিল, কিন্তু এটি পরে বাতিল করা হয়।
→ তৃতীয় তফসিল (Third Schedule): ফর্ম বা দাখিলযোগ্য ফরমেট ছিল (Forms), বহু ক্ষেত্রেই এটি প্রয়োগে আসে না।
→ চতুর্থ তফসিল (Fourth Schedule): Court Fees নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয় ছিল।
→ পঞ্চম তফসিল (Fifth Schedule): Certain repeals ও transitional provisions ছিল।
- বর্তমানে কেবল ৩টি তফসিল কার্যকর বা বলবৎ আছে, কারণ কিছু তফসিল সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাতিল বা অপ্রয়োজনে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বলবৎ তফসিল: ৩টি (প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম তফসিলের কিছু অংশ)।
→ তবে প্রশ্নে মোট তফসিলের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর ৫টি।
২,৪৩৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৭ অনুযায়ী দাখিলী 'Summary Suit' নিষ্পত্তি করতে পারেন কে?
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম জেলা জজ
  3. সহকারী জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS
Rule-1: Application of Order. This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
২,৪৩৭.
মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময় যদি আদালত মনে করে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আইন বা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই, তাহলে আদালত রায় ঘোষণা করতে পারে দেওয়ানী কার্যবিধির .... এর অধীন।
  1. আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. আদেশ ১৫ বিধি ১
  3. আদেশ ১৪ বিধি ১
  4. আদেশ ১৬ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আাদেশ ১৫ এর বিধি ১ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময় যদি আদালত মনে করে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আইন বা ঘটনা সংক্রান্ত কোনবিচার্য বিষয় নেই, তাহলে আদালত রায় ঘোষনা করতে পারে।
২,৪৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর কত ধারায় ডিক্রি কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৩৯ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৪৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারা
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৪১: কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন:
যে আদালতে কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রিটি কার্যকর করার পর বা যদি কার্যকর করতে ব্যর্থ হয় তবে সেই ব্যর্থতার কারণসমূহ উল্লেখ করে যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে তাকে সে বিষয়ে প্রত্যয়ন (সার্টিফিকেট) প্রদান করবে।

[The Court to which a decree is sent for execution shall certify to the Court which passed it the fact of such execution, or where the former Court fails to execute the same the circumstances attending such failure.]

২,৪৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন তফসিলে আদেশসমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২টি অংশ-
প্রথম অংশ- ধারা [Sections]- মোট ১৫৮ টি ধারা।
দ্বিতীয় অংশ-তফসিল [Schedules]- মোট ৩ টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে।

• তফসিলসমূহ (Schedules)-
প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ। মোট ৫১টি আদেশ আছে।
দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল।
তৃতীয় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি।
চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ।
পঞ্চম তফসিল: বাতিল।
২,৪৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারার বিধান অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সংক্রান্ত মামলা কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে আদালতের নির্দেশ দেয়
  2. যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
  3. যেখানে বাদী বাস করে
  4. যেখানে বিবাদী বাস করে
সঠিক উত্তর:
যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ১৬ ধারা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সংক্রান্ত মামলা যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত, সেই আদালতে দায়ের করতে হবে। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো মামলার বিষয়বস্তুর সাথে সম্পত্তির অবস্থানের সরাসরি সম্পর্ক থাকায়, মামলার সুবিধাজনক স্থান নির্ধারণ করা।
- এই ধারায় উল্লেখিত মামলাগুলির মধ্যে স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, বাটোয়ারা, বন্ধক, ক্ষতিপূরণ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এই ধরনের মামলাগুলি সম্পত্তির অবস্থান অনুযায়ী নির্দিষ্ট আদালতে দায়ের করতে হয়, কারণ সম্পত্তির অবস্থান মামলার বিষয়বস্তুর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত।
২,৪৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩২ ধারার বিধান কি?
  1. হাজির না হলে দন্ড
  2. আরজি ফেরত
  3. বিদেশে সমন জারি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
হাজির না হলে দন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজির না হলে দন্ড
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ৩২ ধারার বিষয়বস্তু হলো ৩০ ধারা অনুযায়ী সমন দেওয়া হলে হাজির না হলে দন্ড।

যদি সমন দেওয়ার পরও হাজির না হলে ৪ ধরনের দন্ড দেওয়া যায়।

• গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি

• সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়

• অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা

• হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ
২,৪৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮ অনুসারে, ডিক্রি কার্যকরের জন্য আবেদনের সময়সীমা কত?
  1. ডিক্রির তারিখ থেকে ৩ বছর
  2. ডিক্রির তারিখ থেকে ৬ বছর
  3. ডিক্রির তারিখ থেকে ১২ বছর
  4. কোনো সময়সীমা নেই
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী, একটি ডিক্রি কার্যকর করার আবেদন সাধারণত ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে করতে হয়। এই ১২ বছরের পরে সাধারণত আর সেই ডিক্রি কার্যকর করা যায় না, যদি না আইন বা আদালতের বিশেষ আদেশে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution:
 Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from
(a) the date of the decree sought to be executed, or,
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.

(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.
২,৪৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারায় কী উল্লেখ আছে?
  1. Arbitration
  2. Mediation
  3. Special provisions for mediation
  4. Mediation in Appeal
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒  Section 89C Mediation in Appeal: (1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
২,৪৪৪.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা [Representative suit] দায়ের করা যেতে পারে-
  1. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  3. বিবাদীর অনুমতি সাপেক্ষে
  4. কারো অনুমতি নিষ্প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা [Representative suit] তে আদালতের অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-

1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
২,৪৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪ক অনুসারে, যদি কোনো মামলা পক্ষের আবেদনে স্থানান্তর করা হয়, তাহলে উপস্থিতির তারিখ কে নির্ধারণ করবে?
  1. উকিলরা নিজেরা স্থির করবে
  2. যে আদালত স্থানান্তর আদেশ দিয়েছে
  3. যে আদালতে মামলা স্থানান্তর করা হয়েছে
  4. মামলার পক্ষগণ নিজেরা স্থির করবে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত স্থানান্তর আদেশ দিয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত স্থানান্তর আদেশ দিয়েছে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪ক(১) এর মাঝে বলা আছে যে, যখন ধারা ২২ এর অধীনে কোন মামলা স্থানান্তর করা হয় অথবা ধারা ২৪(১) এর অধীনে কোন মামলা, আপিল বা অন্য কার্যক্রম পক্ষের আবেদনে স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়, তখন যে আদালত স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ দিয়েছে সেই আদালতই পক্ষদের উপস্থিতির তারিখ নির্ধারণ করবে। ("the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties")

সুতরাং, উকিল, পক্ষগণ বা স্থানান্তরিত আদালত নয়, বরং স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতই উপস্থিতির তারিখ নির্ধারণ করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪ক- মোকদ্দমা ইত্যাদি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপস্থিতি:
১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে, বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred.

(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.

২,৪৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির  ___________ অনুযায়ী প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন?
  1. ORDER-XV এর Rule-1
  2. ORDER-XIV এর Rule-1
  3. ORDER-XIV এর Rule-4
  4. ORDER-XV এর Rule-5
সঠিক উত্তর:
ORDER-XV এর Rule-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ORDER-XV এর Rule-1
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-XV এর Rule-1 অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন পক্ষগণ কোন আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।

⇒ ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
২,৪৪৭.
দেওয়ানি আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করার বিধান আছে-
  1. আদেশ-১৮ বিধি-৪
  2. আদেশ-১৮ বিধি-১৭
  3. আদেশ-১৮ বিধি-১২
  4. আদেশ-১৮ বিধি-১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৮ বিধি-১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৮ বিধি-১২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ১২ অনুযায়ী, কোন সাক্ষী জবানবন্দি প্রদান কালে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে আচরণ লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
বলা হয়েছে যে, জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি কোনো সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

⇒ আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়,এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
২,৪৪৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১ এর কোন বিধি অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারে?
  1. ১০(২)
  2. ১০(১)
সঠিক উত্তর:
১০(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০(২)
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর  বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

Order-1 Rule-10(2): The Court may strike out or add parties: 
The court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out, and that the name of any person who ought to have been joined, whether as plaintiff or defendant or whose presence before the Court may be necessary in order to enable the Court effectually and completely to adjudicate upon and settle all the questions involved in the suit, be added.
২,৪৪৯.
আদালত কখন একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি কার্যকর করতে অস্বীকার করতে পারে?
  1. দায়িকের অনুরোধে
  2. বাধ্যতামূলক নির্দেশ থাকলে
  3. ঐচ্ছিক ক্ষমতার ভিত্তিতে
  4. উভয় পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক ক্ষমতার ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক ক্ষমতার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ-২১ বিধি-২১ এর বিধান- যুগপৎ জারি:
আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি জারি করতে অস্বীকার করতে পারে।

Order-21 Rule-21. Simultaneous execution: 
The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment debtor.
২,৪৫০.
আদেশপত্র [Precept] এর অধীন কোন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ_____মাসের বেশি থাকবে না?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।
♦ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
২,৪৫১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৩৭(৩) ধারা অনুসারে, কোন নথি ইংরেজিতে প্রস্তুত করা যেতে পারে?
  1. শুধু রায়
  2. সাক্ষীর জবানবন্দি
  3. কেবল আপিল আবেদন
  4. সাক্ষীর জবানবন্দি ব্যতীত অন্য সব লিখিত নথি
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দি ব্যতীত অন্য সব লিখিত নথি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দি ব্যতীত অন্য সব লিখিত নথি
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতের ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজিতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

২,৪৫২.
Either party may call upon the other party to admit any document within _______ days from the date of service of notice.
  1. 7
  2. 10
  3. 15
  4. 21
সঠিক উত্তর:
15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15
ব্যাখ্যা
• Order 12 Rule 2: Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party  to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.

আদেশ ১২ বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ:
সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে,তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
২,৪৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ ধারায় কোন আদালতের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. জেলা জজ আদালত
  3. ডিক্রি দানকারী আদালত
  4. আপিল আদালত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:
“যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।

Section 37- Definition of Court which passed a decree:
The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,-
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
২,৪৫৪.
একজন সহকারী জজের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. আপিল বিভাগে
  3. দায়রা জজ আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
♦রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
♦১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
♦দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে।
♦অর্থাৎ ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার সহকারী জজের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে - হাইকোর্ট বিভাগে।
২,৪৫৫.
The summons mentioned in the Rule 4 of Order 15 must be issued for-
  1. Examination of witnesses
  2. Final disposal of the suit
  3. Settlement of preliminary issues
  4. Taking written statements
সঠিক উত্তর:
Final disposal of the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Final disposal of the suit
ব্যাখ্যা

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.

আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

২,৪৫৬.
আদেশ ২৬ বিধি ১৭ অনুযায়ী, কমিশনারের অধীনে সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে কমিশনারকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. আইনজীবী
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকারি কর্মচারী
  4. দেওয়ানি আদালত
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের উপস্থিতি ও জবানবন্দি প্রদান:
১) সমন, হাজিরা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর আরোপিত জরিমানাদি সংক্রান্ত এই আইনের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক না কেন উক্ত কমিশন কর্তৃক এ আদেশের অধীনে সাক্ষ্য প্রদান করার নিমিত্তে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানি আদালত বলে বিবেচিত হবে

২) যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোন সাক্ষী বসবাস করে তিনি প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলে সে সাক্ষী বরাবর বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট ডিভিশন নয়) কমিশনার আবেদন করতে পারেন এবং উক্ত আদালতের ঐচ্ছিক ক্ষমতায় যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে।
২,৪৫৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে কোন ধরণের মামলার ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে কোনো মহিলাকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না?
  1. অর্থ মামলা
  2. বাটোয়ারার মামলা
  3. অগ্রক্রয়ের মামলা
  4. স্বত্ত্বের ঘোষণার মামলা
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৬ ধারা- টাকার ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
এই খণ্ডে অন্য কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও আদালত টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেপ্তার বা আটক রাখার আদেশ প্রদান করবে না।
---------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
২,৪৫৮.
কোন আদালত এক তরফা অন্তবর্তীকালীন আদেশ প্রদান করবে না-
  1. যে-সরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে
  2. সরকারের বিরুদ্ধে
  3. বে-সরকারী বিবাদীর বিরুদ্ধে
  4. কারও বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
সরকারের বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক বিধান অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim or temporary injunction without hearing the opposite party):

কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।
২,৪৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় বিকল্প/লটকাইয়া সমন জারির বিধান আছে?
  1. আদেশ ৫ বিধি ১৫
  2. আদেশ ৫ বিধি ১৬
  3. আদেশ ৫ বিধি ২০
  4. আদেশ ৫ বিধি ২৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৫ বিধি ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৫ বিধি ২০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৫ এর বিধি ২০ অনুযায়ী বিকল্প বা লটকাইয়া সমন জারির বিষয়ে বিধান আছে।
⇒ আদালত যদি যুক্তি সঙ্গত কারনে বিশ্বাস করে যে, বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে আছে বা অন্য কোন কারনে সমন জারি করা যাচ্ছে না তাহলে আদালত সমন লটকাইয়া /বিকল্প জারির আদেশ দিতে পারেন।
⇒ বিবাদীর বাসগৃহে বা সর্বশেষ বসবাস স্থানে/ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে লটকাইয়া সমন জারি করা যায়।
⇒ যখন আদালত উপ-বিধি (১) অনুযায়ী সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমন জারির আদেশ দান করে, তখন উক্ত সংবাদপত্রটি হতে হবে দৈনিক সংবাদপত্র, যার প্রচার অনুরূপ স্থানে থাকতে হবে সেখানে বিবাদি সর্বশেষ জ্ঞাত ঠিকানায় প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে বা ব্যবসা পরিচালনা করে বা ব্যক্তিগত লাভের নিমিত্তে কাজ করে বলে জানা যায়।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে তা বিবাদির উপর ব্যক্তিগতভাবে জারি করার মতই কার্যকরী হবে।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে সেক্ষেত্রে আদালত ক্ষেত্রবিশেষে বিবাদির হাজিরার জন্য আদালত যথোপযুক্ত সময় নির্ধারিত করবে।
---------------
⇒ Order-5 Rule-20: Substituted service:
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit. 
(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.
⇒Effect of substituted service:
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.

⇒Where service substituted, time for appearance to be fixed:
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require.
২,৪৬০.
আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর বার্ষিক কত % হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. অনধিক ৫%
  2. অনধিক ৬%
  3. অনধিক ৮%
  4. অনধিক ৪%
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৬%
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

ধারা ৩৫ (মোকদ্দমার খরচ)-

১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
২,৪৬১.
নিম্নোক্ত দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় মোকদ্দমার খরচ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৩
  2. ধারা ৩৫
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৪০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে।খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

ধারা-৩৫ (মোকদ্দমার খরচ)

১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে।এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না,তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
২,৪৬২.
ডিক্রি তৈরির ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন বিষয়গুলো উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. মোকদ্দমার ব্যয়ের বিবরণ
  2. মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ
  3. দাবির বিবরণ এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।

২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।

৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।

Order 20 Rule 6: Contents of decree:
1) The decree shall agree with the judgment; it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.
2) The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.
3) The Court may direct that the costs payable to one party by the other set-off against any sum which is admitted or found to be due from the shall be set-off former to the latter.
২,৪৬৩.
একাধিক ব্যক্তিকে কখন মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করা যায়?
  1. দাবি করা প্রতিকার একই না হলে
  2. দাবি করা প্রতিকার একই কার্য থেকে সৃষ্টি হলে
  3. ন্যায় বিচার বিঘ্ন হলে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
দাবি করা প্রতিকার একই কার্য থেকে সৃষ্টি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবি করা প্রতিকার একই কার্য থেকে সৃষ্টি হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ
২. বিবাদী পক্ষ 

• মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-

১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। [বিধি ১-৩]

উদহারণ-'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে । এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
২,৪৬৪.
দেওয়ানী মামলার আরজি বাতিল (rejection of plaint) হবে কোন ক্ষেত্রে?
  1. তামাদি বারিত হলে
  2. পর্যাপ্ত কোর্ট ফি প্রদত্ত না দেয়া হলে
  3. Res judicata বারিত হলে
  4. এখতিয়ারবিহীন আদালতে মামলা করা হলে
সঠিক উত্তর:
তামাদি বারিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি বারিত হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখানের কারণগুলো দেয়া রয়েছে। দেওয়ানী আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে;
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে;
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে;
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।

উল্লেখ্য,
পর্যাপ্ত কোর্ট ফি প্রদত্ত না হলে আদালত নির্ধারিত সময় দিবে এর মধ্যে জমা দিতে, Res judicata দ্বারা বারিত হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে এবং এখতিয়ারবিহীন আদালতে মামলা করা হলে আরজি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া হবে। তাই অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে অপশন 'ক' উত্তর নেয়া হয়েছে।
২,৪৬৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী প্রতিটি সমনে __________ স্বাক্ষর করবেন।
  1. আদালত
  2. বিচারক
  3. জারিকারক
  4. জেলা নাজির
সঠিক উত্তর:
বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৫ বিধি ৩ অনুযায়ী " Every such summons shall be signed by the Judge or such officer as he appoints, and shall be sealed with the seal of the court" উপরোক্ত প্রত্যেকটি সমনে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকবে এবং উক্ত আদালতের সীলমোহরে মোহরাঙ্কিত থাকতে হবে।

♦ অর্থাৎ সমনে আদালতের সীল থাকবে এবং বিচারক বা নিযুক্ত অফিসারের কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
২,৪৬৬.
আদেশ-৩৫, বিধি-২ এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বাদীকে মামলার খরচ পরিশোধে বাধ্য করা
  2. বিবাদীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা
  3. আদালতের হেফাজতে দাবিকৃত বস্তুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা
  4. বাদীকে মামলার বিষয়ে সতর্ক করা
সঠিক উত্তর:
আদালতের হেফাজতে দাবিকৃত বস্তুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের হেফাজতে দাবিকৃত বস্তুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান-
যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে।

Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.

⇒ আদেশ-৩৫, বিধি-২ এর মূল লক্ষ্য হল আদালতের হেফাজতে দাবিকৃত বস্তুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা, যাতে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি পর্যন্ত সেটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং পরবর্তীতে সুষ্ঠুভাবে নিষ্পত্তি করা যায়।
২,৪৬৭.
দেওয়ানী আদালত কয়টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
২,৪৬৮.
স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন প্রেরণের ক্ষেত্রে কমিশনারের প্রধান কাজ কী?
  1. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করা
  2. সম্পত্তির তালিকা তৈরি করা
  3. সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করা
  4. সম্পত্তি বিভক্ত করে পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিভক্ত করে পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিভক্ত করে পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, Order 26, Rule 13 ও 14-এ স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা বিষয়ক বিধান দেওয়া হয়েছে।
-যেখানে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদান করা হয়, সেখানে আদালত একজন কমিশনার নিয়োগ করেন।
- কমিশনারের প্রধান দায়িত্ব হলো—আদালতের আদেশ অনুযায়ী সম্পত্তি বিভক্ত করে তা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা।

বাটোয়ারার জন্য কমিশন:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৩: স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন:
যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে, বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, তার নিকট উক্ত ডিক্রিতে ঘোষিত অধিকার অনুসারে বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৪: কমিশনের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার পয়োজনীয় তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশমূলে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সেই আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি বিভক্ত করবেন, এবং উক্ত অংশগুলি পক্ষগণের মধ্যে বন্টন করবেন এবং যদি উপরোক্ত আদেশমূলে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে থাকে, তবে বিভিন্ন অংশের মূল্যেল সমতা সাধনের জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারেন।
(২) কমিশনার তখন একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করবেন অথবা কমিশনারগণ (যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেতি হয়ে থাকে এবং তাকে একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষেরে অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উপরোক্ত আদেশের এরূপ নির্দেশিত হয়ে থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি পৃথক করে আলাদা প্রতিবেদনসমূহ প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করবেন। উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনগুলি কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালত কর্তক নির্ধারিত অনুর্ধ তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনগুলি কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনুর্ধ তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি প্রদান করলে তা শুনানির পরে আদলত উহা অনুমোদন পরিবর্তন বা বাতিল করবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদন ক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হলে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
২,৪৬৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির এর কত ধারায় "আইনজীবী" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২ (৮) ধারায়
  2. ২ (১০) ধারায়
  3. ২ (১৫) ধারায়
  4. ২ (১৮) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২ (১৫) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ (১৫) ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(১৫)- আইনজীবী:
"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"

Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.
২,৪৭০.
'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের মোকদ্দমা কুমিল্লার এক যুগ্ম জেলা জজ আদালত দায়ের করেছে। বিবাদী 'খ', মোকদ্দমাটি কুমিল্লার অন্য যুগ্ম জেলা জজ আদালতে স্থানান্তর করতে চায়। এক্ষেত্রে 'খ' কোথায় স্থানান্তরের আবেদন করবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. কুমিল্লা জেলা জজের নিকট
  3. মোকদ্দমা দায়েরকারী আদালতে
  4. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর করা হবে
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা জেলা জজের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা জেলা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারার ক্ষেত্রে বিবাদী কোথায় আবেদন করবে তা ২৩ ধারায় বলা হয়েছে-

১. যদি মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়ের করা যায়, এবং উক্ত আদালতগুলো একই আপীল আদালতের এখতিয়ারাধীন হয়, সেই ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন সেই আপীল আদালতে দায়ের করতে হবে, যে আপীল আদালতের অধীন উক্ত আদালতগুলো অবস্থিত।

২. যখন অনুরুপ আদালতসমূহ ভিন্ন ভিন্ন আপীল আদালতের আওতাধীন হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হয়। অর্থাৎ যে আদালত হতে মোকদ্দমা টি অন্য যে আদালতে স্থানান্তর করতে হবে, সেই দুইটি আদালত ভিন্ন ভিন্ন আপীল আদালতের এখতিয়ারাধীন হলে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে।

সহজে বলা যায়, একই জেলার অধীন এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর করতে হলে জেলা জজের নিকট আবেদন করতে হবে। কারণ জেলার মধ্যে দেওয়ানী আদালতসমূহ জেলা জজের আপীল এখতিয়ারাধীন থাকে । অন্যদিকে, এক জেলার দেওয়ানী আদালত হতে অন্য জেলার দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। কারণ ভিন্ন জেলায় অবস্থিত দেওয়ানী আদালতসমূহ হাইকোর্টের আপীল এখতিয়ারাধীন।

যেহেতু, প্রশ্নে উল্লিখিত দুইটি আদালত একই আপীল আদালত অর্থাৎ কুমিল্লা জেলা জজের অধীন, তাই ২২ ধারা অনুযায়ী কুমিল্লা জেলা জজের নিকট আবেদন করতে হবে।
২,৪৭১.
'Rejection of Plaint' মূলত একটি-
  1. ডিক্রি
  2. আদেশ
  3. প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
  4. চূড়ান্ত আদেশ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান (Rejection of Plaint) এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি।
 
• ধারাঃ ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144, but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default. 
২,৪৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের কোন বিষয় নিয়ে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে?
  1. কার্যপদ্ধতি
  2. এখতিয়ার
  3. বিচারক
  4. উপরের কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে। নিম্নে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার সাধারণ নিয়মগুলো দেয়া হলো-

⇒ ২১ ধারায় আদালতের আর্থিক (pecuniary) এবং আঞ্চলিক (territorial) উভয় এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলা যায়।
⇒ আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে পক্ষদের কোন আপত্তি থাকলে, উক্ত আপত্তি প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।
⇒ যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতেই এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি উত্থাপন করতে হয়।
⇒ সাধারণত আপিল বা রিভিশনে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলা যায় না, তবে শুধুমাত্র ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্যে আপিল বা রিভিশনের সময়ও এই দাবি উত্থাপন করা যায়। এছাড়া যদি আরজি উপস্থাপনের সময় আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা থাকে, তবে সেই অনিশ্চয়তা আপিল বা রিভিশন আদালতের নিকট যৌক্তিক মনে হলে এরকম প্রশ্ন আপিল বা রিভিশন আদালত গ্রহণ করতে পারে।
২,৪৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮নং বিধিতে ________________ মোকদ্দমার বিধান রয়েছে।
  1. ছানী
  2. প্রতিনিধিত্বমূলক
  3. স্বার্থবিহীন
  4. নাবালক কর্তৃক
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধিত্বমূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধিত্বমূলক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit এর বিধান রয়েছে।

সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ ১নং আদেশের ৮ নং বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা 'Representative suit' বলা হয়।

• Order 1 Rule-8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Court sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such persons either b personin service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct.

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
২,৪৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) অনুসারে, মামলা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) অনুসারে, যদি মোকদ্দমা মুলতবি (স্থগিতকরণ) সংক্রান্ত খরচ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে খারিজ বা একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হয়, তবে সেই মোকদ্দমা পুনরুজ্জীবনের জন্য দায়ী পক্ষকে ৩০ দিনের মধ্যে ২,০০০ টাকা খরচ সহ আদালতে আবেদন করতে হবে। আবেদন মঞ্জুর হলে মোকদ্দমা কোনো অতিরিক্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই পুনরুজ্জীবিত হবে, এবং জমাকৃত খরচ অন্য পক্ষকে প্রদান করা হবে।
অর্থাৎ, মুলতবি সংক্রান্ত খরচ না দেওয়ায় মামলা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে ২,০০০ টাকা খরচ জমা দিতে হবে।
--------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 17 Rule-1. Court may grant time and adjourn hearing:
(7) A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or disposed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application together with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for hearing without any further proceeding; and cost deposited into Court shall be paid to the other party.

২,৪৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এ কীসের তালিকা দেয়া হয়েছে?
  1. আপিলঅযোগ্য আদেশের
  2. আপিলযোগ্য ডিক্রির
  3. আপিলযোগ্য আদেশের
  4. হাইকোর্ট প্রদত্ত বিশেষ আদেশের
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।
২,৪৭৬.
আরজি- জবাব কর্তনের আদেশ আদালত কখন দিতে পারেন?
  1. শুনানির শুরুতে
  2. সাক্ষ্যগ্রহণের পরে
  3. কেবল রায় ঘোষণার পরে
  4. মামলার যে কোন পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মামলার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
২,৪৭৭.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করিবেন?
  1. Prohibitory Injunction,
  2. Temporary Injunction,
  3. Mandatory Injunction,
  4. Perpetual Injunction,
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction,
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
২,৪৭৮.
খ একটি ভূমির দখলে আছে। খ কে বাদ দিয়ে ক অন্যান্য ব্যক্তিকে বিবাদী শ্রেনীভুক্তকরে স্বত্ব ঘোষনার ডিক্রী ও খাস দখল প্রাপ্তির মামলা করে। খ এর প্রতিকার কি?
  1. খ কর্তৃক আলাদা মামলা করা
  2. আদেশ ১ বিধি ৯ মতে পক্ষভুক্ত হওয়া
  3. আদেশ ১ বিধি ১০ মোতাবেক পক্ষভুক্ত হওয়া
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ বিধি ১০ মোতাবেক পক্ষভুক্ত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ বিধি ১০ মোতাবেক পক্ষভুক্ত হওয়া
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১ এর ১০ (২) বিধি অনুযায়ী মামলা দায়েরের পর আদালত অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন করে প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ সংযুক্ত করার আদেশ দিতে পারে। মূলত এই বিধি আদালতকে মোকদ্দমার যেকোনো সময় পক্ষ সংশোধন করার ক্ষমতা দিয়েছে এবং এই ক্ষমতা আদালতের বিবেচনামূলক।
২,৪৭৯.
একতরফা ডিক্রী হলে তা সরাসরি বাতিলের জন্য বিবাদী কত দিনের মধ্যে আবেদন করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
♦  শুনানীর ধার্য তারিখে বাদী উপস্থিত এবং বিবাদী অনুপস্থিত থাকলে বাদীর পক্ষে এক তরফা ডিক্রী প্রদান করেন। একতরফা ডিক্রী রদের আবেদন করে বিবাদী; ডিক্রী প্রদানের তারিখ বা জ্ঞাত হবার ৩০ দিনের মধ্যে এই আবেদন করতে হয়। 

আদেশ ৯ বিধি ১৩ক অনুযায়ীয় একতরফা ডিক্রী  সরাসরি বাতিলের জন্য  বিবাদী  আবেদন করতে পারবেন।
২,৪৮০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, আদালতে কোনো পক্ষের পক্ষ থেকে উপস্থিতি, আবেদন বা কার্যক্রম কীভাবে করা যেতে পারে?
  1. ব্যক্তিগতভাবে
  2. আইনজীবীর মাধ্যমে
  3. স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে
  4. উল্লিখিত সকল ভাবে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩, বিধি-১.  উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত এজেন্ট বা আইনজীবীর মাধ্যমে হতে পারে:
→ আদালতে কোনো পক্ষের পক্ষ থেকে যে কোনো উপস্থিতি, আবেদন বা কার্যক্রম, যা আইনের দ্বারা অনুমোদিত বা প্রয়োজনীয়, তা করা যেতে পারে—
- সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
- তার স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে, অথবা
- আইনজীবীর মাধ্যমে, যিনি তার পক্ষে উপস্থিত থাকবেন, আবেদন করবেন বা কার্য পরিচালনা করবেন।
তবে আদালত যদি নির্দেশ দেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার-৩, রুল-১ অনুযায়ী, কোনো পক্ষ আদালতে—
- নিজে (ব্যক্তিগতভাবে) উপস্থিত হতে পারেন,
- আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা পরিচালনা করতে পারেন, এবং
- স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে আদালতে কার্য সম্পাদন করতে পারেন।
তবে, আদালত চাইলে ব্যক্তিগত উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করতে পারে।
- তাই সঠিক উত্তর "ঘ"।
২,৪৮১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুসারে, দৈনিক মামলার তালিকায় চূড়ান্ত শুনানির জন্য সর্বোচ্চ কতটি মামলা নির্ধারণ করা যাবে?
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুসারে, দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে নির্ধারিত বিধানে বলা হয়েছে যে, আদালত দৈনিক মামলার তালিকায় চূড়ান্ত শুনানি (Peremptory hearing) এর জন্য সর্বোচ্চ ১০টি মামলা নির্ধারণ করতে পারে, যার মধ্যে ৪টি অংশবিশিষ্ট (Part-heard) মামলা থাকতে পারে। এছাড়া, চূড়ান্ত পর্যায়ে মোট ২০০টি মামলার বেশি থাকবে না, এবং যখন মামলার সংখ্যা ১৪০টির নিচে নামবে, তখন মামলা দাখিলের তারিখের ক্রমানুসারে আরও মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে আনা হবে।
অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ২০ (Order XVIII Rule 20) অনুসারে, দৈনিক মামলার তালিকায় (daily cause list) চূড়ান্ত শুনানির (peremptory hearing) জন্য সর্বোচ্চ ১০ (দশ) টি মামলা নির্ধারণ করা যাবে। এই ১০টি মামলার মধ্যে আংশিক শুনানিকৃত (part-heard) মামলা সর্বোচ্চ ৪টি থাকতে পারে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-20.Fixation of suits in the daily cause list, etc:
Court shall not fix, more than ten suits, including four part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing, and more than two hundred suits in the peremptory stage; and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than one hundred forty, the Court shall then bring in more suits in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
Explanation.In this rule the word "peremptory" shall have the meaning with reference to the word used in Civil Rules and Orders.

২,৪৮২.
মামলার বিচারিক আদালত কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিল গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে, যেটি আপিলকারী পক্ষ দিতে চেয়েছিল। এক্ষেত্রে, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ২৭ অনুসারে আপিল আদালত কী করতে পারে?
  1. আপিল খারিজ করে দেবে
  2. আপিল স্থগিত রাখবে
  3. উক্ত দলিল গ্রহণ করতে পারে
  4. নতুন মামলা শুরু করবে
সঠিক উত্তর:
উক্ত দলিল গ্রহণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত দলিল গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা
খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করার অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।
২,৪৮৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬ বিধি ১০ এ কীসের কার্যপদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. অভিযুক্ত সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
  2. বাদী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
  3. মোকদ্দমার ৩য় পক্ষ সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
  4. সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৬ বিধি-১০: সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি-

১) যেক্ষেত্রে সাক্ষ্য দিতে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য যার উপর সমন দেয়া হয়েছে ঐ ব্যক্তি উক্তরূপ সমন মোতাবেক স্বয়ং হাজির হতে বা দলিল দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত জারিকারক অফিসারের প্রত্যয়নপত্রের সত্যতা শপথনামার মাধ্যমে নির্ণীত না হয়ে থাকে এবং যদি তা অনুরূপ সত্যায়িত না হয় তবে সমন জারি হওয়া বা না হওয়া সম্পর্কে জারিকারক অফিসারকে শপথের মাধ্যমে পরীক্ষা করবে কিংবা করতে পারে কিংবা অন্য আদালত কর্তৃক পরীক্ষা করাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত সঙ্গত কারণে মনে করে যে, অনুরূপ সাক্ষ্য বা দাখিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐ ব্যক্তি আইনসঙ্গত কোন অব্যাহতি ব্যতীত সমন মোতাবেক হাজির হতে বা দলিল হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছে বা ইচ্ছাকৃতভাবে জারি এড়িয়ে গেছে তদ্‌ক্ষেত্রে আদালত ইশতেহারে বর্ণিত সময়ে এবং নির্দিষ্ট স্থানে তাকে সাক্ষ্য প্রদান করতে হাজির হতে বা দলিল হাজির করতে আদেশ প্রদান করার ইশতেহার প্রচার করতে পারবেন; এবং উক্ত ইশতেহারের একটি নকল উক্ত ব্যক্তি যে স্থানে বসবাস করে এরূপ বাড়ীর বহির্দ্বারে বা অন্য কোন দৃষ্টি আকর্ষক স্থানে টাঙ্গিয়ে দিতে হবে।

৩) উক্ত ইশতেহার প্রচারের পরিবর্তে বা সময়ে বা তার পরে যে কোন সময় আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় উক্ত ব্যক্তির জামিন ব্যতীত গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারবে এবং ক্রোকের খরচা ১২ বিধি অনুসারে আরোপিত হতে এরূপ কোন জরিমানার অনূর্ধ্ব, আদালতের বিবেচনামত এইরূপ অংক পরিমিত তার সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের কোন আদেশ দিতে পারবে না।
২,৪৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ অনুযায়ী কে মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. উভয় পক্ষ
  4. আদালত নিজে থেকেই
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২২ অনুযায়ী, যদি একটি মামলা দুই বা ততোধিক আদালতের যেকোনো একটিতে দায়ের করা যায় এবং তা একটি নির্দিষ্ট আদালতে দায়ের করা হয়, তবে শুধুমাত্র বিবাদী অন্য পক্ষকে নোটিশ দিয়ে মামলাটি অন্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে। এই আবেদন প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে করতে হবে। আদালত অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) বিবেচনা করে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।

- ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।
- যখন আবেদন করতে পারে: যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made, after considering the objections the other parties (if any), shall determine which of the several 31 Courts having jurisdiction the suit shall proceed.

২,৪৮৫.
আদেশ ২০ বিধি ৬ অনুযায়ী ডিক্রির সাথে কোনটির সাদৃশ্য থাকতে হবে?
  1. রায়ের
  2. সাক্ষীর বয়ানের
  3. আরজি এবং লিখিত জবাবের
  4. আদালতের আদেশের
সঠিক উত্তর:
রায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের
ব্যাখ্যা

আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।

২,৪৮৬.
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির ক্ষেত্রে আদালত অভিযোগকারী পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে কত টাকা পর্যন্ত খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ২০,০০০ টাকা
  3. ৩০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

Code of Civil Procedure (CPC) এর ধারা ৩৫ক: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষার জন্য ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
(১) যদি কোনো মোকদ্দমা বা অন্য কোনো কার্যধারা (যেমনঃ পরিপালন কার্যধারা), যা আপিল নয়, তাতে কোনো পক্ষ কোনো দাবি বা প্রতিরক্ষার (বা তার কোনো অংশের) বিরুদ্ধ অভিযোগ করেন যে, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষা মিথ্যা বা হয়রানিমূলক, এবং পরবর্তীতে যদি সেই দাবি বা প্রতিরক্ষা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাতিল হয়, তাহলে আদালত, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষাকে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক বলিয়া ঘোষণার কারণসমূহ লিখিতভাবে উল্লেখ করিয়া, অভিযোগকারী পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে খরচ প্রদানের আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অতিক্রম না করিয়া, সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হইতে পারিবে।

(২) এই ধারায় যাহার বিরুদ্ধে খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া হইবে, সে ব্যক্তি কেবল উক্ত আদেশের কারণে তার দায়িত্বরত কোনো ফৌজদারি দায় হইতে অব্যাহতি পাইবেন না, যদি তিনি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা প্রদান করেন।

(৩) এই ধারায় প্রদত্ত খরচের পরিমাণ পরবর্তীকালে ক্ষতিপূরণ বা ক্ষতির দাবিতে দায়েরকৃত যেকোনো মোকদ্দমায় বিবেচনায় নেওয়া হইবে, যদি সেই মোকদ্দমা একই মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত হয়।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।

২,৪৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-২১ অনুযায়ী, যদি বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করে, তবে কী করা হবে?
  1. সমন জারি করা যাবে না।
  2. সমন সেই এলাকার আদালতে পাঠাতে হবে।
  3. সমন একটি সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে হবে।
  4. সমন সরাসরি ডাকযোগে বিবাদীর কাছে পাঠাতে হবে।
সঠিক উত্তর:
সমন সেই এলাকার আদালতে পাঠাতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন সেই এলাকার আদালতে পাঠাতে হবে।
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির পদ্ধতি:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২১: বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করলে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন কোনো সমন জারিকারী আদালত সমন পাঠাবে এবং সেই আদালত সমন জারি করবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৪: বিবাদী কারাগারে বন্দী থাকলে, তার কাছে সমন জারির জন্য কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সমন পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৫: বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করলে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোনো এজেন্ট না থাকলে, সমন বিবাদীর বিদেশস্থ ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৬: বিদেশে থাকা বিবাদীর ক্ষেত্রে, প্রয়োজনে সমন রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জারি করা যেতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৭: সরকারী কর্মকর্তা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার জন্য, সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৮: বিবাদী যদি সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারের কাছে সমন পাঠাতে হবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5, Rule-21.Service of summons where the defendant resides within the jurisdiction of another Court:
A summons may be sent by the Court by which it is issued either by one of its officers or by post or through courier service as mentioned in sub-rule (4) of rule to any Court (not being the High Court Division) having jurisdiction in the place where the defendant resides.
২,৪৮৮.
Who can exercise the power of inspection under Order 18 Rule 18 of the Code of Civil Procedure, 1908?
  1. The Court
  2. Police officer
  3. Advocate of the parties
  4. All of them
সঠিক উত্তর:
The Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Court
ব্যাখ্যা
Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.

আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
২,৪৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি ৩ এর অধীনে জারিকৃত নোটিশ জারির কত দিনের মধ্যে আদালতে ফেরত দিতে হবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৩ক (Rule 3A):
বিধি ৩ এর অধীনে জারি করা নোটিশ, তা প্রদান করা হোক বা না হোক, জারির ৭ দিনের মধ্যে আদালতে ফেরত দিতে হবে।
যদি নোটিশ প্রদান না করে ফেরত আসে (অর্থাৎ, বিপক্ষ পক্ষের কাছে পৌঁছানো না যায়), তবে আদালত নোটিশটি পুনরায় প্রেরণের ব্যবস্থা করবে, এবং এই পুনঃপ্রেরণের জন্য ৭ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত আছে।
পুনরায় প্রেরণের ক্ষেত্রে, আদেশ-৫, বিধি-২০ এর বিধান অনুসরণ করা হয়, যতদূর প্রযোজ্য। এই পুনঃপ্রেরিত নোটিশের প্রদানকে যথাযথ প্রদান হিসেবে গণ্য করা হয়।

২,৪৯০.
আদেশ ৪৭, বিধি ২ অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার জন্য ডিক্রি বা আদেশের আবেদন কার বরাবর করতে হবে?
  1. উচ্চতর আদালতের বিচারক
  2. আদেশদানকারী আদালতের রেজিস্ট্রার
  3. যে বিচারক ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছেন
  4. আদেশদানকারী আদালতের কর্মচারী
সঠিক উত্তর:
যে বিচারক ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে বিচারক ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৭ বিধি ২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি ১ এ উল্লেখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।

Order 47 Rule 2: To whom applications for review may be made:
An application for review of a decree or order of a Court, not being a the High Court Division, upon some ground other than the discovery of such new and important matter or evidence as is referred to in rule 1 or the existence of a clerical or arithmetical mistake or error apparent on the face of the decree, shall be made only to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed, but any such application may, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to issue under rule 4, sub-rule (2), proviso (a), be disposed of by his successor.
২,৪৯১.
বিবাদি যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আদালত আদেশ ৩৮ বিধি-৬ অনুসারে কী করতে পারেন?
  1. বিবাদিকে জেলে পাঠাতে পারেন
  2. সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান করতে পারেন
  3. সম্পত্তির মালিকানা স্থানান্তর করতে পারেন
  4. বিবাদির বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান করতে পারেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৬: কারণ না দর্শালে বা জামানত না দিলে ক্রোক:
১) যেক্ষেত্রে বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয় বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর যে আংশিক প্রদেয় ডিক্রিটি মিটানোর জন্য পর্যাপ্ত বলে প্রতীয়মান, সেরূপ অংশ ক্রোক হওয়া মর্মে আদেশ প্রদান করতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি অনুরূপ কারণ দর্শায় অথবা আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে, এবং উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর কোন অংশ ক্রোক হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত ক্রোক প্রত্যাহারের আদেশ দিবে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
২,৪৯২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৪ এর মূল বিষয় কী?
  1. মামলা স্থগিত করা
  2. রায় কার্যকর করা
  3. আদালতে জমা প্রদান
  4. মামলা প্রত্যাহার করা
সঠিক উত্তর:
আদালতে জমা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে জমা প্রদান
ব্যাখ্যা

উত্তর: আদালতে জমা প্রদান।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ এর বিধান হলো আদালতে জমা প্রদান। এই আদেশের মোট ৪টি বিধি রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-১ এর বিধান দাবী মিটানোর জন্য বিবাদি কর্তৃক টাকা আদালতের জমা দেয়া। ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদি মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তার বিবেচনা মত দাবীর সম্পূর্ণ মিটানোর অনুরূপ পরিমাণ অর্থ আদালত জমা প্রদান করতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-২ এর বিধান জমা প্রদানের নোটিশ। আদালতে টাকা জমা দেয়ার বিষয়ে বিবাদি কর্তৃক বাদি বরাবর আদালতের মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং বাদির আবেদনক্রমে উক্ত জমা দেয়া টাকা (আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে) বাদিকে পরিশোধ করা হবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-৩ এর বিধান নোটিশের পর বাদিকে জমার উপর সুদ নামঞ্জুর। বিবাদির জমা দেয়া টাকা দ্বারা দাবীর পূরণ হোক কিংবা কম হোক, অনুরূপ নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে বাদিকে উক্ত জমাকৃত টাকার উপর কোন সুদ মঞ্জুর করা যাবে না।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি ৪ এর বিধান আংশিক পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি এবং সম্পূর্ণ পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি।
-----------
ORDER XXIV: PAYMENT INTO COURT 
Rule-1: Deposit by defendant of amount in satisfaction of claim
The defendant in any suit to recover a debt or damages may, at any stage of the suit, deposit in Court such sum of money as he considers a satisfaction in full of the claim.
Rule-2: Notice of deposit
Notice of the deposit shall be given through the Court by the defendant to the plaintiff, and the amount of the deposit shall (unless the Court otherwise directs) be paid to the plaintiff on his application.
Rule-3: Interest on deposit not allowed to plaintiff after notice
No interest shall be allowed to the plaintiff on any sum deposited by the defendant from the date of the receipt of such notice, whether the sum deposited is in full of the claim or falls short thereof.

২,৪৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩ এর বিধি-২ অনুযায়ী আদেশ থেকে আপিলের ক্ষেত্রে কোন আদেশের বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. আদেশ ৪৭ এর বিধান
  2. আদেশ ৪৫ এর বিধান
  3. আদেশ ৪১ এর বিধান
  4. আদেশ ৩৯ এর বিধান
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১ এর বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১ এর বিধান
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২ (Order XLIII, Rule 2) এ বলা হয়েছে:
- "The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from orders."
- অর্থাৎ, আদেশ-৪৩ এর অধীনে যেসব আদেশ আপিলযোগ্য, সেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করলে আদেশ-৪১ (Order XLI) এর আপিল সংক্রান্ত সাধারণ বিধিগুলো প্রযোজ্য হবে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-১: যেসব আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, তার তালিকা দেয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২: তে বলা আছে এসব আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আদেশ-৪১ প্রযোজ্য।
২,৪৯৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২২ আদেশের অধীনে কোন মোকদ্দমা বিলুপ্তি বা খারিজ হলে-
  1. একই কারণে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে
  2. একই কারণে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না
  3. অন্য কারণে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না
  4. শুধুমাত্র আদালতের অনুমতিতে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে
সঠিক উত্তর:
একই কারণে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই কারণে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি ৯- বিলুপ্তি কিংবা খারিজের ফলাফল:

১) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্তি বা খারিজ হয় সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার একই কার্যকারণে নতুন কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

২) বাদি কিংবা মৃত বাদির বৈধ প্রতিনিধি হিসাবে দাবীদার ব্যক্তি বা অসচ্ছলতা বাদির ক্ষেত্রে বা রিসিভার বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করার আদেশের জন্য আবেদন করতে পারে এবং যদি এটি প্রমাণিত হয় যে, সে মোকদ্দমা পরিচালনা পর্যাপ্ত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খরচাদি সম্পর্কে তার বিবেচনায় এরূপ শর্তাধীনে বা অন্য কোনভাবে বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করবে।

৩) উপবিধি (২) এর অধীনে আবেদন পত্রের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৪ এবং ৫ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।

Rule.-9: Effect of abatement or dismissal.-

1) Where a suit abates or is dismissed under this Order, no fresh suit shall be brought on the same cause of action.

2) The plaintiff or the person claiming to be the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver in the case of an insolvent plaintiff may apply for an order to set aside the abatement or dismissal; and if it is that he was prevented by any sufficient cause from continuing the suit, the Court shall set aside the abatement or dismissal upon such terms as to costs or otherwise as it thinks fit.

3) The provisions of sections 4 and 5 of the Limitation Act, 1908 shall apply to application under sub-rule (2).
২,৪৯৫.
'বিরোধীয় স্থাবর সম্পত্তির অবস্থান সম্পর্কিত অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, মোকদ্দমা যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা যাবে'- বলা আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২৩
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২১
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির  ১৮ ধারায় আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে
দেয়া আছে- যখন আদালতের আঞ্চলিক সীমানা অনিশ্চিত অর্থাৎ যখন দাবী করা হয় কোন আদালতের আঞ্চলিক সীমানায় বিরোধীয় স্থাবর সম্পত্তি অবস্থিত তা অনিশ্চিত, তখন যে কোন একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়।

উল্লেখ্য যে, দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ এবং ১৮ ধারার মধ্যে মূল পার্থক্য হলো- বিরোধীয় সম্পত্তি ভিন্ন ভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত কিন্তু আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিশ্চিত হলে ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে। কিন্তু যদি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হয় তখন ১৮ ধারা প্রযোজ্য হবে।

Section 18: Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain-
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice. 
২,৪৯৬.
নিচের কোনটি দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় সংশোধনযোগ্য নয়?
  1. রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা
  2. রায়ে সংখ্যাগত হিসাবের ভুল
  3. আদেশে তারিখ লেখার ভুল
  4. ডিক্রিতে পক্ষকারের নামের বানান ভুল
সঠিক উত্তর:
রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫২ শুধুমাত্র করণিক বা গাণিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes) এবং আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতি (accidental slip or omission) সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ক) রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা – এটি একটি আইনগত বা সত্য সংক্রান্ত ভুল, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য নয়। এ ধরনের ভুল সংশোধনের জন্য পুনর্বিবেচনা (Review) বা আপিল (Appeal) এর পথ খোলা আছে।
খ) রায়ে সংখ্যাগত হিসাবের ভুল – এটি একটি গাণিতিক ভুল, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।
গ) আদেশে তারিখ লেখার ভুল – এটি একটি করনিক ভুল, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।
ঘ) ডিক্রিতে পক্ষকারের নামের বানান ভুল – এটি একটি করনিক ভুল বা আকস্মিক বিচ্যুতি, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।
সুতরাং, যে অপশনটি ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য নয়, তা হলো রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
- রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

২,৪৯৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি-৯ক অনুযায়ী, আদালত আবেদনকারীর উপর খরচ বা জরিমানা আরোপ করতে পারবে কত পরিমাণ পর্যন্ত?
  1. সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত
  2. সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা পর্যন্ত
  3. সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত
  4. সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি-৯ক এর বিধান অনুসারে, আদালত আবেদনকারীকে সর্বোচ্চ ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকা পর্যন্ত খরচ (cost) দিতে নির্দেশ করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক-এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ:
এই নিয়মের উদ্দেশ্য হলো মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা এবং দেরি এড়ানো। যদি কোনো মামলার বাদী মারা যান বা দেউলিয়া হয়ে যান, তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধি অথবা দেউলিয়া বাদীর অধিগ্রহণকারী বা রিসিভার আদালতে আবেদন করতে পারেন মামলা বাতিল বা খারিজের আদেশ বাতিল করার জন্য। তবে-
- এই আবেদন অবশ্যই ৬০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
- আদালত এই আবেদন মঞ্জুর করতে পারে, কোনো প্রমাণ চাওয়া ছাড়াই।
- আদালত আবেদনকারীকে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা খরচ দিতে বলতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order 22 Rule-9A- Directly setting aside abatement or dismissal: 
Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.

২,৪৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৯৭ অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা বা প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রে কী করা যেতে পারে?
  1. পুলিশে অভিযোগ করা
  2. আদালতে আবেদন করা
  3. স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা
  4. কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া
সঠিক উত্তর:
আদালতে আবেদন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে আবেদন করা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৯৭ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি আদালতের ডিক্রির ভিত্তিতে স্থাবর সম্পত্তির দখল পেতে গিয়ে বাধা বা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন, তখন তার করণীয় হচ্ছে, আদালতে একটি আবেদন দাখিল করা, যাতে তিনি ঐ বাধা বা প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে অভিযোগ করতে পারেন।
- অতএব, এক্ষেত্রে পুলিশে অভিযোগ বা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে যাওয়া, কিংবা কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া- এগুলো যথাযথ আইনানুগ পদ্ধতি নয়। আইন অনুসারে আদালতেই আবেদন করতে হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৯৭ – স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা:
(১) যিনি স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য একটি ডিক্রির অধিকারী, অথবা যিনি কোনো ডিক্রি কার্যকরির মাধ্যমে বিক্রিত ঐ সম্পত্তি ক্রয় করেছেন, তিনি যদি দখল পাওয়ার সময় কোনো ব্যক্তির দ্বারা বাধা বা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন, তাহলে তিনি উক্ত বাধা বা প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে অভিযোগ করে আদালতে একটি আবেদন করতে পারবেন।
(২) আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি দিন নির্ধারণ করবেন এবং যার বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে, তাকে আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগের জবাব দিতে সমন প্রদান করবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 21, Rule 97 – Resistance or Obstruction to Possession of Immovable Property:
(1) Where the holder of a decree for the possession of immovable property, or the purchaser of such property sold in execution of a decree, is resisted or obstructed by any person in obtaining possession of the property, he may make an application to the Court complaining of such resistance or obstruction.
(2) The Court shall fix a day for investigating the matter and shall summon the party against whom the application is made to appear and answer the same.

২,৪৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে যে, রাজস্ব আদালতের উপর দেওয়ানি কার্যবিধি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৫
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫-এ বলা হয়েছে যে, যখন রাজস্ব আদালতের জন্য প্রযোজ্য কোন বিশেষ আইন নীরব থাকে, তখন দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। তবে সরকার গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্ধারণ করতে পারে, কোন কোন বিধান প্রযোজ্য হবে বা হবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.
(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
২,৫০০.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক অনুসারে, জেলা জজ কার সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের প্যানেল প্রস্তুত করবেন?
  1. সরকারের আইন মন্ত্রণালয়
  2. স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি
  3. হাইকোর্ট বিভাগের প্রধান বিচারপতি
  4. জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীদের (Mediators) প্যানেল প্রস্তুত করার জন্য জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করবেন। এই প্যানেলে উকিল, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি এবং অন্যান্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের (যারা সরকারি চাকরিতে লাভজনক পদে নেই) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই প্যানেলটি সময়ে সময়ে হালনাগাদ করা হয় এবং জেলা জজের প্রশাসনিক এখতিয়ারের অধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.