বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ২৪ / ৩০ · ২,৩০১২,৪০০ / ২,৯৯৩

২,৩০১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি হাজিরার জন্য নির্দেশিত জামানত প্রদান করত ব্যর্থ হলে, আদালত-
  1. লিখিত নোটিশ পাঠাবে
  2. সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা জরিমানা করতে পারে
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে
  4. দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে,
-যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারেন।
২,৩০২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী ডিক্রিতে "টাকা ১০,০০০" এর পরিবর্তে "টাকা ১,০০,০০০" লেখা হয়েছে। এটি কোন ধারায় সংশোধনযোগ্য?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৪৪ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫২ অনুসারে, রায়, ডিক্রি বা আদেশে হওয়া করণিক বা গাণিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes) অথবা আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতি (accidental slip or omission) যেকোনো সময় আদালত নিজ উদ্যোগে বা কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে সংশোধন করতে পারেন।

- এখানে, ডিক্রিতে "টাকা ১০,০০০" এর পরিবর্তে "টাকা ১,০০,০০০" লেখা হয়েছে, যা একটি স্পষ্ট গাণিতিক বা করনিক ভুল এবং ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
- রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

২,৩০৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী বিবাদীকে সমন দিতে হয়।?
  1. ২১ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইনের  ২৭ ধারা অনুযায়ী সমন হলো আদালত কর্তৃক ইস্যুকৃত কোন নোটিশ যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট তারিখে আদালতে হাজির হওয়ার আদেশ থাকে এবং লিখিত জবাব দাখিল করার বিধান থাকে।

•মোকদ্দমার দায়ের করার ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে সমন ইস্যু করতে হয়। (আদেশ ৫ অনুযায়ী)
২,৩০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ৩৯, রুল ২(৩) (Order 39, Rule 2(3) of CPC) অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ ভঙ্গের শাস্তি নিম্নরূপ:
- সম্পত্তি ক্রোক (Attachment of Property), অথবা
- সিভিল কারাবাস (Civil Imprisonment), যার সর্বোচ্চ মেয়াদ ৬ মাস, অথবা
- উভয় দণ্ড (ক্রোক + কারাবাস)।
- অতএব, দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৬ মাসের কারাদণ্ড।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-২(৩) অনুসারে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের শাস্তি হলো: সম্পত্তি ক্রোক অথবা উক্ত অমান্যকারীকে ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটক অথবা উভয় প্রকার দণ্ড প্রদান করতে পারেন। 
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে হয় ৩৯ আদেশের ১ এবং ২ (১) বিধির অধীন। ৩৯ আদেশের ১ বা ২(১) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে তা যদি অমান্য করা হয় সেই ক্ষেত্রে অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে ।
- মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
২,৩০৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোথায় Cross-objection এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XLI rule 22
  2. Order XXI rule 22
  3. Order XLVII rule 4
  4. Order XL rule 2
সঠিক উত্তর:
Order XLI rule 22
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XLI rule 22
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২২ এর বিধান: শুনানিকালে উত্তরদায়ক তৎকর্তৃক ডিক্রীতে আপত্তি দিতে পারে, যেন সে স্বাতন্ত্র্য আপিল দায়ের কয়েছে। 
১) কোন উত্তরদায়ক যদিও কোন ডিক্রীর অংশ হতে আপিল করেনি, তথাপি সে শুধুমাত্র নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকৃত ডিক্রীর কোন সঙ্গত কারণ শুধু সমর্থন করেনি, বরং সে আপিলক্রমে যেভাবে পারত ঠিক সেভাবে উক্ত ডিক্রীর পাল্টা আপত্তি উত্থাপন করতে পারবে এ শর্তে যে, আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন সম্পর্কে তার উপর বা তার উকিলের উপর নোটিশ জারির তারিখ হতে সে আপিল আদালতে এক মাসের মধ্যে কিংবা আপিল আদালত মঞ্জুর করতে উপযুক্ত মনে করে এরূপ মঞ্জুরীকৃত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে অনুরূপ পাল্টা আপত্তি দাখিল করেছে।

২) আপত্তির ফরম এবং তাতে প্রযোজ্য বিধানসমূহ: অনুরূপ পাল্টা আপত্তি স্মারকের আকারে হতে হবে এবং আপিলের স্মারকের ফরম এবং বিষয়বস্তু সঙ্গে যতদূর সম্পর্কিত হয়, ততদূর ১ বিধির বিধানাবলী তাতে প্রযোজ্য হবে।
৩) আপত্তির নকল গ্রহণ সম্পর্কে ঐ আপত্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের বা তার উকিল কর্তৃক এটির নকল গ্রহণের লিখিত স্বীকৃতিপত্র উত্তরদায়ক আপত্তির সঙ্গে দাখিল না করলে আপিল আদালত এটির একটি নকল আপত্তি দাখিল হওয়ার পর যথা সম্ভব শীঘ্র উত্তরদায়কের খরচে উক্ত পক্ষের বা তার উকিলের প্রতি এটির নকল প্রদান করাবে।
৪) যে কোন ক্ষেত্রে এই বিধির অধীনে উত্তরদায়ক আপত্তির স্মারক দাখিল করে থাকলে যেক্ষেত্রে মূল আপিলটি প্রত্যাহৃত বা তদ্বিরের অভাবে খারিজ হলেও উপরোক্ত মতে দাখিলকৃত আপত্তির, অন্য পক্ষকে উপযুক্ত নোটিশ দেয়ার পর শুনানি এবং সিদ্ধান্ত করা যাবে।
৫) নিঃস্ব আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ যতদূর সম্ভব এ বিধির অধীনে আপত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
--------------
The Code of Civil Procedure, 1908 Order 41 Rule-22. Upon hearing, respondent may object to decree as if he had preferred separate appeal:
1) Any respondent, though he may not have appealed from any part of the decree, may not only support the decree on any of the grounds decided against him in the Court below but take any cross- objection to the decree which he could have taken by way of appeal, provided he has filed such objection in the Appellate Court within one month from the date of service on him or his pleader of notice of the day fixed for hearing the appeal, or within such further time as the Appellate Court may see fit to allow.

2) Form of objection and provisions applicable thereto:
- Such cross objection shall be in the form of a memorandum, and the provisions of rule 1, so far as they relate to the form and contents of the memorandum of appeal, shall apply thereto.

3) Unless the respondent files with the objection a written acknowledgment from the party who may be affected by such objection or his pleader of having received a copy thereof, the Appellate Court shall cause a copy to be served, as soon as may be after the filing of the objections, on such party or his pleader at the expense of the respondent.

4) Where in any case in which any respondent has under this rule filed a memorandum of objection, the original appeal is withdrawn or is dismissed for default, the objection so filed may neverthless be heared and determined after such notice of the other parties as the Court thinks fit.

5) The provisions relating to pauper appeals shall, so far as they can be made applicable, apply to an objection under this rule.
২,৩০৬.
“No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of the parties”- এটি দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারা/আদেশের বিধান?
  1. আদেশ ৪১
  2. ধারা ৯৫
  3. ধারা ৯৬
  4. ধারা ৯৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৬
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।

♦ অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না।

♦ দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
২,৩০৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ বিধি ৭ এর অধীন আদালত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কী আদেশ দিতে পারে?
  1. আটক
  2. সংরক্ষণ
  3. পরিদর্শন
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি [Detention, preservation, inspection, etc., of subject-matter of suit]:

১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত—

ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
২,৩০৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫১ অনুসারে আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা
  2. আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধ করা
  3. মামলার পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা বাধ্যতামূলক করা
  4. 'ক' এবং 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৫১ অনুযায়ী, আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা একটি সহজাত বা অলিখিত ক্ষমতা যা আদালত প্রয়োগ করতে পারে যখন-
(১) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন হয়, অথবা
(২) আদালতের কার্যপ্রণালীর অপব্যবহার প্রতিরোধ করতে হয়।
এই ক্ষমতা তখনই ব্যবহৃত হয় যখন দেওয়ানী কার্যবিধির কোনো নির্দিষ্ট বিধান সেই পরিস্থিতির জন্য যথেষ্ট নয় বা কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। তবে আদালত এই ক্ষমতা আইনের সীমার মধ্যে থেকে সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করবে, যেন তা স্বেচ্ছাচারিতা বা ক্ষমতার অপব্যবহারে পরিণত না হয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section:151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
২,৩০৯.
আপিল বা রিভিশন পর্যায়ে আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে-
  1. পক্ষদ্বয় আবেদন করলে
  2. ন্যায় বিচারের স্বার্থে
  3. পক্ষদ্বয়ের সুবিধা বিবেচনা করে
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচারের স্বার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচারের স্বার্থে
ব্যাখ্যা
ধারা ২১- এখতিয়ারে আপত্তি (Objections to jurisdiction):

যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়,সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে,আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

[No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement and unless there has been a consequent failure of justice].
২,৩১০.
'যদি প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে ব্যক্তিগত নোটিশ দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে আদালত গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নোটিশ প্রকাশ করতে পারে' বিধানটি রয়েছে-
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৬
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৭
  3. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৮
  4. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৯
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তিসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।
(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
--------------  
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in the same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plaintiff's expense, notice of the institution of the suit to all such personnel either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct.
2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
২,৩১১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ১০৪ ধারা
  3. ১০৭ ধারা
  4. ১০৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৯ ধারা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
২,৩১২.
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ [Interlocutory orders] দেয়া যেতে পারে যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু-
  1. স্থাবর সম্পত্তি হয়
  2. অস্থাবর সম্পত্তি হয়
  3. অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয় হয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale): কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
---------------------
Interlocutory Orders:
⇒ Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
২,৩১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ অনুযায়ী আদালত কয়টি বিষয়ে কমিশন নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. ৬টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
২,৩১৪.
যে মামলায় একজন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে সেই মামলার বিচার করতে হলে কার থেকে অনুমতি গ্রহণ করতে হবে?
  1. রিভিশন আদালতের
  2. হাইকোর্ট  বিভাগের
  3. আপিল আদালতের
  4. আপিল বিভাগের
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না।

♦ কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় ‘Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa.

♦ অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own cause' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
২,৩১৫.
ORDER-XII-এর Rule-2 অনুযায়ী দলিল স্বীকারের নোটিশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ৯ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
ORDER-XII এর Rule-2 অনুযায়ী, দলিল স্বীকারের নোটিশ পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে।
- এটি নির্দেশ করে যে, যদি এক পক্ষ অপর পক্ষকে দলিল স্বীকারের জন্য নোটিশ দেয়, তবে উক্ত নোটিশ পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই দলিল স্বীকার করার জন্য পক্ষটি বাধ্য থাকবে।
- যদি দলিলটি স্বীকার করতে অস্বীকার করা হয় অথবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো উত্তর না দেওয়া হয়, তবে সেই দলিলের প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকেই বহন করতে হবে, তবে আদালত যদি অন্য কোনো নির্দেশনা দেয়, তাহলে তা ভিন্ন হতে পারে।
------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-2. Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party, [to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document], saving all just exceptions. In case of refusal or neglect to admit the document after such notice, the costs of proving such document shall be paid by the party neglecting or refusing, regardless of the outcome of the suit, unless the Court directs otherwise. Additionally, no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the Court deems the omission to give notice as a saving of expense.
২,৩১৬.
স্থাবর সম্পত্তি থেকে ডিক্রিদার কর্তৃক দ্বারা বেদখল হলে আদেশ ২১ বিধি-১০০ এর অধীন কে আবেদন করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র দায়িক
  2. শুধুমাত্র নিলাম বিক্রির ক্রেতা
  3. সম্পত্তির বৈধ দখলদার শুধু
  4. দায়িক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
দায়িক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

আদেশ ২১ বিধি-১০০: ডিক্রিদার বা ক্রেতা কর্তৃক বেদখল-
১) যেক্ষেত্রে দায়িক ব্যতীত কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রাপ্ত ডিক্রির মালিক কর্তৃক কিংবা যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলামে বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে উহার খরিদ্দার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ বেদখলের অভিযোগ করে আদালতে একটি আবেদন করতে পারে।

২) আদালত বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দিন ধার্য করবে এবং যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে, সে পক্ষকে হাজির হওয়ার এবং উত্তর দেয়ার জন্য সমন প্রদান করবে।

২,৩১৭.
কমিশন জারির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিষয়টি সঠিক নয়?
  1. বন্টনের মোকদ্দমায় ছাহাম নির্ধারণ;
  2. মোকদ্দমার বিরোধীয় হিসাব পরীক্ষা;
  3. বিরোধীয় সম্পত্তির চৌহদ্দি নিরূপণ;
  4. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ।
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908,এর ৭৫ ধারা মতে নির্ধারিত শর্তাবলী ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
♦অর্থাৎ আদালত ৪ টি উদ্দেশ্যে আদালত কমিশন ইস্যু করতে পারেন। তা হলো – জবানবন্দি বা সাক্ষ্য গ্রহণ, সরেজমিন তদন্ত, হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় এবং সম্পত্তির বিভাগ বা বাটোয়ারা। ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ এর জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারবেন না।
২,৩১৮.
আপীল মেমো সংশোধনের সময়-
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ২১ দিনের মধ্যে
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন: ১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule.-3: Rejection or amendment of memorandum.-1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
২,৩১৯.
এ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার আরজিতে কার দস্তখত প্রয়োজন হবে?
  1. এ্যাডভোকেট
  2. বাদীর প্রতিনিধি
  3. বাদী
  4. এ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
এ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং অর্ডারের ১৪ নং বিধিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক প্লিডিংস (আরজি এবং জবাব) সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক এবং তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। অর্থাৎ আরজি স্বাক্ষরিত (দস্তখত) হবে বাদী বা বাদীর সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি এবং বাদীর উকিল দ্বারা। আবার লিখিত জবাব স্বাক্ষরিত হবে বিবাদী বা বিবাদীর পক্ষে তার প্রতিনিধি কর্তৃক এবং বিবাদীর উকিল কর্তৃক।
২,৩২০.
কোনো বিচারক কখন কোনো মোকদ্দমা বা আপিলের শুনানি করতে পারবে না?
  1. মোকদ্দমার পক্ষ হলে
  2. ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকলে
  3. নিজের ঘোষিত ডিক্রি হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-

(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested.
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
২,৩২১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৬টি
  3. ৪টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা].
২,৩২২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮(২) অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যার পক্ষে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা (Representative Suit) দায়ের করা হয়েছে, এরূপ মোকদ্দমায় পক্ষ হওয়ার জন্য-
  1. অন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  2. মোকদ্দমা দায়েরকারীর কাছে আবেদন করতে পারে
  3. মোকদ্দমা দায়েরকারীর অনুমতি নিতে পারে
  4. আদালতে আবেদন করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালতে আবেদন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তিসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।

(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।

২,৩২৩.
সম্পত্তি বাটোয়ারা সম্পর্কে আদালতকে রিপোর্ট দিতে হবে কত মাসের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৩ এর বিধান স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন (Commissions to make partition of immovable property): যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪ এর বিধান কমিশনের কার্যপদ্ধতি (Procedure of Commissioner) ১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত রে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনুর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
২,৩২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারার অধীনে যে মহিলারা জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য নন, তারা কী থেকে অব্যাহতি পাবেন?
  1. মামলা দায়ের করা থেকে
  2. মামলায় আসামি হওয়া থেকে
  3. আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে
  4. কোন আইনানুগ কার্যক্রম থেকে
সঠিক উত্তর:
আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারা: কতিপয় স্ত্রীলোকের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:

১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল স্ত্রীলোককে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন স্ত্রীলোককে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ স্ত্রীলোক অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লেখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।

Section 132: Exemption of certain women from personal appearance:
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court.
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
২,৩২৫.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হলে আদালত সার্টিফিকেট ইস্যুর কত দিনের মধ্যে পক্ষগণ কোর্ট ফি ফেরত পাবার অধিকারী হবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৪৫
  4. ৬০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
- মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হলে আদালত পক্ষগণকে কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার (Refund of court fees) জন্য একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করবে এবং সার্টিফিকেট ইস্যুর তারিখ থেকে ষাট (৬০) দিনের মধ্যে পক্ষগণ তা ফেরত পাবার অধিকারী হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (১১) কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ (১৮৭০ সালের ৭নং আইন) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধসমূহ এই ধারার অধীনে মীমাংসায় নিষ্পত্তি হলে পক্ষসমূহের মাধ্যমে আরজি কিংবা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কোর্ট একটি সার্টিফিকেট জারি করবে এবং সার্টিফিকেট জারির তারিখ থেকে ষাট দিনের ভিতর পক্ষসমূহ তা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।
----------------
- CPC Section 89A (11) Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.
২,৩২৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৭ ধারায় ___________ সম্পর্কিত মোকদ্দমা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
  1. একই আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত একাধিক অস্থাবর সম্পত্তি
  2. বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি
  3. বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর এবং অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
  4. একই আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত একাধিক স্থাবর সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৭: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.
২,৩২৭.
আরজি দাখিলের সময় বিবাদী যদি বাদীর দাবি স্বীকার করেন, তখন আদালত-
  1. সমন প্রেরণ করবে
  2. মোকদ্দমাটি খারিজ করবে
  3. সমন প্রেরণ করবে না
  4. মোকদ্দমার শুনানি স্থগিত করবে
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণ করবে না
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-
১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদীর নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
২,৩২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানী মোকদ্দমায় হাইকোর্ট বিভাগের রেফারেন্সের ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. ৯৬
  2. ১১৩
  3. ১১৪
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে।
-১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 113- Reference of High Court Division:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit.
২,৩২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ-
  1. সমন জারির তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবস
  2. আরজি দাখিলের তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস
  3. সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস
  4. আরজি দাখিলের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ১ বিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস

• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ৮ বিধি (১)-৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যাতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।

আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।
২,৩৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির _______ অনুসারে, মোকদ্দমার কোনো পক্ষ আরজি বা জবাবের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো লিখিত উপায়ে অপর পক্ষের মোকদ্দমার সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে।
  1. আদেশ ৮, বিধি ৩
  2. আদেশ ১০, বিধি ২ 
  3. আদেশ ১২, বিধি ১
  4. আদেশ ১৪, বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২, বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২, বিধি ১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ১ অনুসারে, মোকদ্দমার কোনো পক্ষ আরজি বা জবাবের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো লিখিত উপায়ে (যেমন চিঠি, নোটিশ ইত্যাদি) অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ-
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.

২,৩৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩ বিধি-১ অনুসারে আদালতে হাজিরা দেওয়ার কয়টি পদ্ধতি রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩, বিধি ১ (Order III, Rule 1 of the Code of Civil Procedure, 1908) অনুযায়ী,
- একটি পক্ষ আদালতে হাজিরা দিতে পারে তিনটি উপায়ে:
১. ব্যক্তিগতভাবে (In person)
২. স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে (By recognized agent)
৩. আইনজীবীর মাধ্যমে (By pleader)
তবে আদালত চাইলে পক্ষকে নিজে (personally) হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে।

- অতএব: মোট পদ্ধতি: ৩টি → সঠিক অপশন: গ) ৩টি।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ বিধি ১ (উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে)-
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 3 Rule 1: Appearances, etc. may be in person, by recognized agent or by pleader-
Any appearance, application or act in or to any Court, required or authorised by law to be made or done by a party in such Court, may, except where otherwise expressly provided by any law for the time being in force, be made or done by the party in person, or by his recognized agent, or by a pleader appearing, applying or acting, as the case may be, on his behalf:
Provided that any such appearance shall, if the Court so directs, be made by the in person.
২,৩৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ ধারা দেওয়ানি আদালতের কোন এখতিয়ারের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আর্থিক এখতিয়ার
  2. স্থানীয় এখতিয়ার
  3. বিষয়ভিত্তিক এখতিয়ার
  4. বিশেষ এখতিয়ার
সঠিক উত্তর:
আর্থিক এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে ১৫ ধারায় আদালতের বিবেচ্য বিষয় আদালতের আর্থিক এখতিয়ার।
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"
অর্থাৎ, প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে।
সুতরাং, কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 15. Court in which suits to be instituted.
 Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.
২,৩৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৮ অনুসারে একজন next friend বা guardian for the suit হিসেবে কাজ করতে হলে কোন শর্তটি অপরিহার্য?
  1. তিনি অবশ্যই আসামি হতে হবে
  2. তিনি minor-এর ভাইবোন হতে হবে
  3. তিনি অবশ্যই মামলার বাদী হতে হবে
  4. তিনি সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
সঠিক উত্তর:
তিনি সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(১) অনুসারে একজন Next Friend বা Guardian for the suit হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত শর্তগুলি অপরিহার্য:
- সুস্থ মস্তিষ্কের (sound mind) হতে হবে
- প্রাপ্তবয়স্ক (attained majority) হতে হবে
- নাবালকের স্বার্থের বিরোধী কোন স্বার্থ তার থাকা চলবে না
- Next Friend-এর ক্ষেত্রে তিনি মামলার বিবাদী হতে পারবেন না
- Guardian for the suit-এর ক্ষেত্রে তিনি মামলার বাদী হতে পারবেন না
অতএব, "সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া" এই শর্তটি অপরিহার্য।

অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) তিনি অবশ্যই আসামি হতে হবে → next friend হলে বিবাদী হওয়া যায় না, আর guardian for the suit হলে বাদী হওয়া যায় না।
খ) তিনি minor-এর ভাইবোন হতে হবে → কোথাও এমন শর্ত নেই।
গ) তিনি অবশ্যই মামলার বাদী হতে হবে → guardian for the suit হলে বাদী হওয়া যায় না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-4: Who may act as next friend or be appointed guardian for the suit. 
(1) Any person who is of sound mind and has attained majority may act as next friend of a minor or as his guardian for the suit: Provided that the interest of such person is not adverse to that of the minor and that he is not, in the case of a next friend, a defendant, or, in the case of a guardian for the suit, a plaintiff.
(2) Where a minor has a guardian appointed or declared by competent authority, no person other than such guardian shall act as the next friend of the minor or be appointed his guardian for the suit unless the Court considers for reasons to be recorded, that it is for the minor's welfare that another person be permitted to act or be appointed, as the case may be.
(3) No person shall without his consent be appointed guardian for the suit.
(4) Where there is no other person fit and willing to act as guardian for the suit, the Court may appoint any of its officers to be such guardian, and may direct that the costs to be incurred by such officer in the performance of his duties as such guardian shall be borne either by the parties or by any one or more of the parties to the suit, or out of any fund in Court in which the minor is interested, and may give directions for the repayment or allowance of such costs as justice and the circumstances of the case may require.

২,৩৩৪.
সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রতিপালনের ক্ষেত্রে যদি আদালত সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করে, তবে রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে উক্ত ডিক্রি কার্যকর করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা-৮২: ডিক্রি জারি:
১) সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।

Sec.-82: Execution of decree-
1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.

2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
২,৩৩৫.
'An appellate court shall have power to take additional evidence or require such evidence to be taken'- বিধানটি The Code of Civil Procedure,1908 এর কোথায় বর্ণিত আছে?
  1. Order XLI rule 27
  2. Order XLI rule 17
  3. Section 107
  4. Section 96
সঠিক উত্তর:
Section 107
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 107
ব্যাখ্যা
Section 107- Powers of Appellate Court:

(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
২,৩৩৬.
আদালত কর্তৃক কোনো সম্পত্তি বা বস্তু পরিদর্শনের ক্ষমতা বিষয়ে The Code of Civil Procedure, 1908 এর বিধান কোনটি?
  1. Order 26 rule 6
  2. Section 151
  3. Order 18 rule 18
  4. Order 49 rule 1
সঠিক উত্তর:
Order 18 rule 18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 18 rule 18
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

- আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:  
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন। 
-------------
Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
২,৩৩৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারার অধীনে নির্বাহী কর্তৃপক্ষকে 'compliance report' জমা দেয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৯০
  2. ধারা ৯১
  3. ধারা ৯৪
  4. ধারা ৯৪ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪ক
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯৪ক: আদেশ বা ডিক্রি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে:
 আদালত যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য নির্বাহী কর্তৃপক্ষ, যার মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অন্তর্ভুক্ত, তাদের নির্দেশ দিতে পারে যাতে তারা আদালত কর্তৃক মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সহায়তা করে এবং আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্মতি প্রতিবেদন (compliance report) জমা দেয়।

[For the purpose of execution of any decree or order, the Court may direct the executive authorities, including law enforcement agencies, to assist any person designated by it and to submit compliance report within the time specified by it.]

২,৩৩৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে কোনো ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, সাধারণত কতদিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে হয়?
  1. ৬ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৪ দিনের মধ্যে
  4. ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

• আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-
মোকদ্দমার কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
২,৩৩৯.
কোন রিভিউ দরখাস্ত না-মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারায় এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ধারা ১১৪ এবং ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন করা যায় যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান নেই বা যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান আছে কিন্তু আপীল করে নাই।

♦যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। অর্থাৎ রিভিউযোগ্য কোন ডিক্রি যে আদালত উক্ত ডিক্রিটি প্রদান করে সে আদালতে রিভিউ এর জন্য দায়ের করতে হবে এবং সেই ক্ষেত্রে উক্ত আদালত (ডিক্রি প্রদানকারী আদালত যার নিকট ডিক্রিটি রিভিউ এর জন্য বিবেচনা করার জন্য দাখিল করা হয়েছে) সেই আদালত উক্ত রিভিউ এর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারে।

♦ ৪৭ আদেশ ৪ বিধি এর বিধান যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র অগ্রাহ্য হয় (Application where rejected): আদালত যদি মনে করেন রিভিউ এর যথেষ্ট কারণ আছে তাহলে তা মঞ্জুর করতে এবং যদি মনে করেন যথেষ্ট কারণ নেই তাহলে তা না মঞ্জুর করতে পারেন।

♦ ৪৭ আদেশ ৭ বিধি এর বিধান প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য নয় ; আবেদন মঞ্জুর করার আদেশে আপত্তি (Order of rejection not appealable Objection to order granting application): রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে তবে রিভিউ আবেদন না মঞ্জুর করলে রিভিশন চলবে।

♦ অর্থাৎ রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে কিন্তু রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুর করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন দায়ের করতে পারে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ আদেশের ৪(১) বিধি অনুযায়ী আদালত রিভিউ আবেদন অগ্রাহ্য (না-মঞ্জুর) করতে পারে এবং ৪(২) বিধি অনুযায়ী আদালত রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করতে পারে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ আদেশে বলা হয়েছে, ৪৭ আদেশের ৪ বিধি অনুযায়ী রিভিউর আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে উক্ত আদেশ হবে আপীলযোগ্য আদেশ। অর্থাৎ উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। কিন্তু রিভিউ আবেদন না মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তা আপীলযোগ্য আদেশ নয়। তাই এর বিরুদ্ধে আপীল (আপত্তি) করা যায় না।দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল আদেশ এবং ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল চলে না তার বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে। সুতরাং যেহেতু রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুর কোন আপীলযোগ্য আদেশ নয়, তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন দায়ের করা যাবে। 

 রিভিউ সংক্রান্ত অন্যান্য বিধানাবলী-
♦আদালত রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে, তবে রিভিউর আবেদন না মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে রিভিশন চলবে।

♦কোন পক্ষ যদি কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল না করে, তবে সে পক্ষ অন্য পক্ষের আপিল বিচারাধীন থাকা সত্বেও রায় পুনঃনিরীক্ষণ করার জন্য দরখাস্ত করতে পারবে। কিন্তু যেক্ষেত্রে আপিলের কার্যক্রমের শর্তসমূহ দরখাস্তকারী ও আপিলকারীর জন্য একই বা যেক্ষেত্রে উত্তরদায়ক হিসেবে আদালতে হাজির হয়ে উক্ত ব্যক্তি স্বীয় বক্তব্য পেশ করতে পারবে, সেক্ষেত্রে রিভিউয়ের দরখাস্ত করা চলবে না।

♦সাধারণত রিভিউ শুধু দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রেও তার রায় বা আদেশ রিভিউ করতে পারবে।

♦৪৭ নং আদেশের ৭(২) বিধিমতে রিভিউ আবেদনকারী রিভিউ শুনানীর সময় আদালতে অনুপস্থিত থাকলে বা হাজির না হলে, আদালত রিভিউ আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
২,৩৪০.
'mutatis mutandis' means-
  1. without changes
  2. with necessary changes
  3. mutual relationship
  4. mediation in appeal
সঠিক উত্তর:
with necessary changes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
with necessary changes
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ ধারা ৮৯গ (আপিলে মধ্যস্থতা)-

১- আপিল আদালত আপিলের মধ্যস্থতা করবেন বা কোন আপিলের তর্কিত বিষয় বা বিষয়সমূহের নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে আপিলটিকে মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করতে পারেন, যদি আপিলটি আদেশ ৪১ (XLI) এর অধীন এবং আদি মোকদ্দমায় প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন এমন পক্ষসমূহের মধ্যে অথবা এরূপ আদি প্রতিদ্বন্দিতাকারী পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত কোন পক্ষের মধ্যকার আদি আপিল হয়ে থাকে।

২- উপধারা (১) এর অধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (mutatis mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section: 89C- Mediation in Appeal
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
২,৩৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ বিধি-২ অনুযায়ী, আদালত মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণের সময় কী বিবেচনা করে?
  1. সাক্ষীর সুপারিশ
  2. উকিলের সুপারিশ
  3. পক্ষগণের সুপারিশ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের সুপারিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের সুপারিশ
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০, বিধি ২ অনুযায়ী, আদালত যখন কোনো পক্ষ বা তার সঙ্গী ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করবে, তখন আদালত চাইলে পক্ষগণের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
এটি মানে, পক্ষগণ চাইলে আদালতের কাছে নির্দিষ্ট প্রশ্ন করার প্রস্তাব দিতে পারে, তবে আদালত সেটি গ্রহণ করবে কিনা তা তার নিজস্ব বিবেচনার ওপর নির্ভর করবে। তবে সাক্ষী বা কেবলমাত্র উকিলের সুপারিশের ভিত্তিতে আদালত বাধ্য নয় কোনো প্রশ্ন করতে। 

-অর্থাৎ আদালত মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী যে কোনো শুনানিতে। পক্ষগণ আদালতকে নির্দিষ্ট প্রশ্ন করার সুপারিশ করতে পারে।
আদালত চাইলে সেই সুপারিশকৃত প্রশ্ন করতে পারে, তবে এটি আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।

Order 10 Rule 2 (Oral examination or party of companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
২,৩৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় আপিল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ১০৭
  2. ১১৪
  3. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৭ ধারায় আপিল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা রয়েছে। ১০৭ ধারা  অনুযায়ী আপিল আদালতের ৪টি ক্ষমতা। 
১। মোকদ্দমা চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি করতে পারে
২। মোকদ্দমা পুনঃ বিচারের জন্য পাঠাতে পরে
৩। বিচার্য বিষয় গঠন এবং তা বিচারের জন্য প্রেরণ
৪। অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ ধারার বিধান-
(১) যে-রূপ শর্তাদি ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়, সাপেক্ষে কোন আপিল আদালতের নিম্নোক্ত ক্ষমতাগুলি থাকবে:
ক) কোন মামলা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মামলা পুনর্বিচারের জন্য পাঠানো;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলি বিচারের জন্য প্রেরণ এবং
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্যগ্রহণ বা এরূপ সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দেয়ার ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যে-রূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লিখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
২,৩৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের-
  1. এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  3. অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  4. ক এবং খ ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি।

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
২,৩৪৪.
একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সরাসরি আপিল পুনঃশুনানির জন্য সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিলে পুনঃশুনানি:
১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন। বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে কা পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
২,৩৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে 'যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির আবেদন' এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ২১, বিধি ৭
  2. আদেশ ২১, বিধি ১০
  3. আদেশ ২১, বিধি ১৩
  4. আদেশ ২১, বিধি ১৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১, বিধি ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১, বিধি ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ১৫-এর শিরোনামই হল "Application for execution by joint decree-holder" বা "যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির আবেদন"।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১৫: যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির জন্য আবেদন:
(১) যখন একাধিক ব্যক্তির অনুকূলে যৌথভাবে একটি ডিক্রি পাস করা হয়, তখন তাদের মধ্যে যেকোনো একজন বা একাধিক ব্যক্তি, যদি ডিক্রিতে বিপরীত কোনো শর্ত আরোপ করা না থাকে, তবে সকলের সুবিধার জন্য সম্পূর্ণ ডিক্রিটি জারির (execution) জন্য আবেদন করতে পারেন। অথবা, যদি তাদের মধ্যে কেউ মারা যান, তবে জীবিতদের এবং মৃত ব্যক্তির আইনি প্রতিনিধিদের সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারেন।
(২) যখন আদালত এই বিধির অধীনে করা কোনো আবেদন মঞ্জুর করার জন্য পর্যাপ্ত কারণ দেখতে পান, তখন আবেদন প্রক্রিয়ায় যারা যোগদান করেননি তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালত যেরূপ প্রয়োজন মনে করবেন, সেরূপ আদেশ প্রদান করবেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-15. Application for execution by joint decree-holder:
(1) Where a decree has been passed jointly in favour of more persons than one, any one or more of such persons may, unless the decree imposes any condition to the contrary, apply for the execution of the whole decree for the benefit of them all, or, where any of them has died, for the benefit of the survivors and the legal representatives of the deceased.
(2) Where the Court sees sufficient cause for allowing the decree to be executed on an application made under this rule, it shall make such order as it deems necessary for protecting the interests of the persons who have not joined in the application.

২,৩৪৬.
আদালত কখন মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারেন?
  1. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের পূর্বে
  3. মোকদ্দমার শেষে
  4. বাদীপক্ষ যখনই আবেদন করেন
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মূলতবীর আবেদন।

• ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

> আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে

> চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে।

> অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মূলতবি মঞ্জুর করেনা।

> মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

> মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
২,৩৪৭.
কোন দেওয়ানী আদালতের আদি এখতিয়ার নেই?
  1. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালতের আদি বা মূল এখতিয়ার [Original Jurisdiction]:
যে সকল দেওয়ানী আদালতের আদি এখতিয়ার আছে, সে সকল আদালত প্রাথমিকভাবে দেওয়ানী মামলা আমলে নিয়ে বিচার করে এবং রায় দেয়। সকল দেওয়ানী আদালতের দেওয়ানী মোকদ্দমা বিচারার্থে আমলে গ্রহণ করার আদি এখতিয়ার নেই। অর্থাৎ প্রাথমিকভাবে দেওয়ানী মোকদ্দমা বিচারের জন্য আমলে নিতে পারে না।

Civil Courts Act, 1887 এর ১৮ এবং ১৯ ধারা অনুসারে নিম্নলিখিত দেওয়ানী আদালতগুলোর আদি এখতিয়ার আছে-
১. জেলা জজ আদালত;
২. যুগ্ম জেলা জজ আদালত;
৩. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত;
৪. সহকারী জজ আদালত।

Civil Courts Act, 1887 এর ১৮ ধারা অনুসারে জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা জজ এবং ১৯ ধারা অনুসারে সিনিয়র সহকারী জজ ও সহকারী জজের এখতিয়ার মূল মামলা বিচারার্থে যেকোন দেওয়ানী মূল মোকদ্দমা আমলে নিতে পারে। কিন্তু অতিরিক্ত জেলা জজের কোন আদি এখতিয়ার নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে এবং আইনে উল্লেখ থাকলে জেলা জজ আদি এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে এবং প্রাথমিকভাবে মোকদ্দমা বিচার করতে পারে। যেমন- ট্রেডমার্ক আইন, কপিরাইট আইন বিষয়ে জেলা জজের আদি এখতিয়ার আছে। কিন্তু অতিরিক্ত জেলা জজের কোন আদি এখতিয়ার কোন আইনে দেওয়া হয় নি। অর্থাৎ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মূল মামলা দায়ের করা যায় না।
২,৩৪৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৪ বিধি ১- এ কার আপিলের বিধান আছে?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তির
  2. নাবালক ব্যক্তির
  3. অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তির
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-১: কে নিঃস্বভাবে আপিল করতে পারে:
যে ব্যক্তি আপিল করার অধিকার রাখেন, কিন্তু আপিলের স্মারকলিপির জন্য প্রযোজ্য কোর্ট ফি প্রদানে অক্ষম, তিনি একটি স্মারকলিপি-সহ একটি আবেদনপত্র দাখিল করে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে আপিল করার অনুমতি চাইতে পারেন। এই ধরনের আবেদনপত্র এবং প্রক্রিয়ার সব বিষয়ে, যতটুকু প্রযোজ্য হয়, নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়ের সংক্রান্ত বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে।

আপিল গ্রহণের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া:
তবে শর্ত থাকে যে- আদালত আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট রায় ও ডিক্রি পর্যবেক্ষণের পর যদি মনে করে যে:
- ডিক্রি আইনবিরুদ্ধ, অথবা
- আইনের বলবৎ কোনো রীতির পরিপন্থী, অথবা
- অন্যান্য কোনো কারণে অন্যায় বা ত্রুটিপূর্ণ - তবেই আবেদনটি গ্রহণ করবে, অন্যথায় আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
২,৩৪৯.
কম মূল্যমানের স্ট্যাম্পে আরজি লেখার কারণে আদালত আরজিটি প্রত্যাখ্যান বা খারিজ করে দেয়। বাদীপক্ষ আরজি খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেনি। এ ক্ষেত্রে বাদীপক্ষ অন্য কি প্রতিকার পেতে পারে?
  1. রিভিউ দায়ের করতে পারে
  2. রিভিশন দায়ের করতে পারে
  3. আপিল দায়ের করতে পারে
  4. রেফারেন্স এর আবেদন করতে পারে
সঠিক উত্তর:
রিভিউ দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারায় এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ধারা ১১৪ এবং ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন করা যায় যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান নেই বা যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান আছে কিন্তু আপীল করে নাই।
২,৩৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৪ অনুসারে কমিশনার আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে কত সময় পাবেন?
  1. অনূর্ধ্ব ১ মাস
  2. অনূর্ধ্ব ২ মাস
  3. অনূর্ধ্ব ৩ মাস
  4. অনূর্ধ্ব ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ৩ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি সংহিতা (CPC) ১৯০৮-এর আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুসারে, কমিশনারের প্রতিবেদন (বা প্রতিবেদনসমূহ) কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালত নির্ধারিত অনূর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে। তবে, কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দেখানো হলে আদালত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪- কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত রে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনূর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Order 26 Rule 14- Procedure of Commissioner:
(1) The Commissioner shall, after such inquiry as may be necessary, divide the property into as many shares as may be directed by the order under which the commission was issued, and shall allot such shares to the parties, and may, if authorized thereto by the said order, award sums to be paid for the purpose of equalizing the value of the shares.

(2) The Commissioner shall then prepare and sign a report or the Commissioners (where the commission was issued to more than one person and they cannot agree) shall prepare and sign separate reports appointing the share of each party and distinguishing each share (if so directed by the said order) by metes and bounds. Such report or reports shall be annexed to the commission and transmitted to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court; and the Court, after hearing any objections which the parties may make to the report or reports, shall confirm, vary or set aside the same:
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

(3) Where the Court confirms or varies the report or reports it shall pass a decree in accordance with the same as confirmed or varied; but where the Court sets aside the report or reports it shall either issue a new commission or make such other order as it shall think fit.

২,৩৫১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) সংজ্ঞায়িত করে?
  1. ধারা 2(9)
  2. ধারা 2(10)
  3. ধারা 2(12)
  4. ধারা 2(14)
সঠিক উত্তর:
ধারা 2(12)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা 2(12)
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 2(12)-এ "Mesne Profits" বা মধ্যবর্তী মুনাফা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এটি সেই মুনাফাকে বোঝায় যা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সম্পত্তি থেকে প্রকৃতপক্ষে অর্জন করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অর্জন করতে পারতো, তবে বেআইনীভাবে দখলদারের উন্নয়নের ফলে হওয়া মুনাফা এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:

২,৩৫২.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে "Compromise of suit" এর বিধান রয়েছে-
  1. আদেশ-২৩ বিধি-১
  2. আদেশ-২৩ বিধি-২
  3. আদেশ-২৩ বিধি-৩
  4. আদেশ-২৩ বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২৩ বিধি-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২৩ বিধি-৩
ব্যাখ্যা
 ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-৩ এর বিধান: মোকদ্দমার আপস:
যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।
---------------
 ⇒ CPC Order-23 Rule-3.Compromise Suit:
Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the plaintiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
২,৩৫৩.
The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ অনুযায়ী, আদালতের আসনস্থল (place of sitting) পরিবর্তন করতে পারে-
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সরকার
  3. জেলা জজ
  4. স্থানীয় প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।

(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

২,৩৫৪.
নিম্নের কোন আদেশটি আপিলযোগ্য?
  1. ২১ নং আদেশের ৬০ নং বিধি অনুসারে প্রদত্ত আদেশ
  2. ৮ নং আদেশের ১০ নং বিধি অনুসারে প্রদত্ত আদেশ
  3. ১০ নং আদেশের ৭ নং বিধি অনুসারে প্রদত্ত আদেশ
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

উক্ত আপিলযোগ্য আদেশের তালিকায় আদেশ-৮ বিধি-১০, আদেশ-২১ বিধি-৬০ অনুসারে প্রদত্ত আদেশ আছে। কিন্তু আদেশ ১০ বিধি-৭ অনুসারে প্রদত্ত আদেশ তালিকায় নেই।

- এই ২৫ প্রকারের আদেশ ব্যতীত দেওয়ানী আদালতের অপরাপর আদেশ-এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই, সেখানে রিভিশন করার বিধান আছে।
২,৩৫৫.
আদেশ ৯ বিধি ৮ মামলার শুনানীর কোন পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. বাদী ও বিবাদী উভয় অনুপস্থিত
  2. কেবল বিবাদী উপস্থিত, বাদী অনুপস্থিত
  3. কেবল বাদী উপস্থিত, বিবাদী অনুপস্থিত
  4. বাদী ও বিবাদী উভয় উপস্থিত
সঠিক উত্তর:
কেবল বিবাদী উপস্থিত, বাদী অনুপস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবল বিবাদী উপস্থিত, বাদী অনুপস্থিত
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯ বিধি ৮: যেখানে বিবাদী উপস্থিত থাকে কিন্তু বাদী অনুপস্থিত থাকে:
যখন মামলাটি শুনানির জন্য ডাকলে বিবাদী উপস্থিত থাকে কিন্তু বাদী উপস্থিত থাকে না, তখন আদালত মামলা খারিজ করার আদেশ দেবে।
কিন্তু, যদি বিবাদী বাদীর দাবি বা তার কোনো অংশ স্বীকার করে, তাহলে স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করবে, এবং দাবির যেই অংশ স্বীকার করা হয়নি, সেই অংশের জন্য মামলা খারিজ করবে।

২,৩৫৬.
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত কোন পক্ষকে অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশ করার আদেশ দিতে পারে?
  1. বাদী পক্ষকে
  2. বিবাদী পক্ষকে
  3. মোকদ্দমার বাইরে ৩য় কোনো পক্ষকে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যেকোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

• প্রতিকার:
১০ বিধির নিয়মটি শুধুমাত্র প্রযোজ্য যখন ৯ বিধির অধীন বিবাদী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয় এবং উক্ত ব্যর্থতার কারণে আদালত রায় ঘোষণা করে আদেশ দিলে। ১০ বিধির অধীন রায় ঘোষণার আদেশ (An order pronouncing judgment) হলো (আপীলযোগ্য আদেশ) তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
২,৩৫৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত নং আদেশে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ১ এর ৭ বিধিতে
  2. আদেশ ২ এর ৫ বিধিতে
  3. আদেশ ১ এর ৮ বিধিতে
  4. আদেশ ২ এর ৬ বিধিতে
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ এর ৮ বিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ এর ৮ বিধিতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।

• সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ ১নং আদেশের ৮ নং বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে।এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

• প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায় আদালতের অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-

1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
২,৩৫৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার অধীনে আদালত কখন ভুল সংশোধন করতে পারে?
  1. যে কোনো সময়
  2. ডিক্রি কার্যকর হওয়ার আগে
  3. ডিক্রির তারিখের ৩০ দিনের মধ্যে
  4. আপিল দাখিলের আগে
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারা- রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।

Section 152- Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

২,৩৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী প্রকৃতির মামলা সম্পত্তি বা পদের অধিকার সংক্রান্ত হয়?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ২০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৯ অনুযায়ী বলা হয়েছে:
“The Courts shall (subject to the provisions herein contained) have jurisdiction to try all suits of a civil nature excepting suits of which their cognizance is either expressly or impliedly barred.”
এবং এই ধারার ব্যাখ্যা (Explanation) অংশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
A suit in which the right to property or to an office is contested is a suit of a civil nature, notwithstanding that such right may depend entirely on the decision of questions as to religious rites or ceremonies.”
-অর্থাৎ, যদি কোনো মামলা সম্পত্তি বা কোনো পদ (যেমন– মন্দিরের সেবায়েত, মসজিদের ইমাম) নিয়ে হয়ে থাকে, এবং সে অধিকার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল হয়, তবুও সেটি “দেওয়ানি প্রকৃতির মামলা” হিসেবে গণ্য হবে এবং আদালত সেই মামলা গ্রহণ করতে পারবে।

সুতরাং, দেওয়ানী প্রকৃতির মামলা সম্পত্তি বা পদের অধিকার সংক্রান্ত হয় - এমন বিষয়ে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৯ প্রযোজ্য।
২,৩৬০.
`X’ `Y’ এর বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের দায়ে ক্ষতিপূরনের মামলা করেছে। আদালত মোকদ্দমাটি `Y’ এর পক্ষে রায় দেয়। পরবর্তীতে `X’ পুনরায় একই বিষয় নিয়ে `Y’ এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করেন। আদালত `X’ এর মোকদ্দমাটি?
  1. স্থগিত করবে
  2. আমলে নিবে
  3. খারিজ করবে
  4. ডিক্রী দিবে
সঠিক উত্তর:
খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১১ ধারায় বলা হয়েছে আদালত এমন কোন মোকদ্দমার বিচার করবেন না যা পূর্ববর্তী কোন মোকদ্দমার একই পক্ষগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে সমাপ্ত হয়েছে।
• এটি হলো Res Judicata (দোবারা দোষ)। `X’ এর দায়ের করা ১ম মোকদ্দমাটি চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে তাই `Y’ এর বিরুদ্ধে পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করবে।  এই নীতি আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
• এই নীতি আরো পাওয়া যায়- সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা, ফৌঃ কাঃ বিঃ ৪০৩ ধারা, সংবিধানের ৩৫ (২) অনুচ্ছেদ।
২,৩৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩২ আদেশের অধীনে নাবালকের পক্ষে কে মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. আদালত
  2. আসন্ন বন্ধু
  3. নাবালক নিজে
  4. নাবালক যে ব্যক্তিকে নির্ধারন করে
সঠিক উত্তর:
আসন্ন বন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসন্ন বন্ধু
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩২ আদেশে নাবালক এবং বিকৃত মস্তিক সম্পন্ন ব্যক্তি কিভাবে মামলা করবে বা তার পক্ষে কিভাবে মামলা দায়ের করা যায় তা আলোচনা করা হয়েছে। নাবালক কর্তৃক প্রত্যেক মামলা তার নামে আসন্ন বন্ধু [Next friend) কর্তৃক দায়ের করতে হবে [৩২ আদেশের বিধি-১]। যদি বিবাদী নাবালক হয় তাহলে উপযুক্ত যেকোন ব্যক্তিকে আদালত বিবাদীর অভিভাবক হিসাবে নিয়োগ দিতে পারে (বিধি-৩)।

সাবালক এবং সুস্থ মস্তিকসম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে আসন্ন বন্ধু হতে পারে বা বিবাদীর অভিভাবক হতে পারে। তবে হলো শর্ত হলো তার স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী হবেনা এবং সে মামলার বাদী এবং বিবাদী হবেনা। যেক্ষেত্রে নাবালক আসন্ন বন্ধু ছাড়া মোকদ্দমা দায়ের করে সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয়।নাবালকের পক্ষে কোন মামলা আসন্ন বন্ধু ছাড়া দায়ের করা হলে বিবাদী দরখাস্ত করতে পারে আরজিটি খরচাসহ নথি থেকে অপসারণের জন্য। [৩২ আদেশের বিধি-২]
২,৩৬২.
‘চ’, ‘ম’ এর বিরুদ্ধে তাদের পিতার সম্পত্তি বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। বিরোধীয় সম্পত্তির মূল্য ২৩,০০,০০০/- টাকা, তাহলে ‘চ’ কে ‘ম’ এর বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. সহকারী জজ আদালতে
  2. যুগ্ন জেলা জজ আদালতে
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
⇒ সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge ) = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত;
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত;
⇒ যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ এর উপরে।

অর্থাৎ, মোকদম্মার মূল্যমান ২৩,০০,০০০/- টাকা হওয়ায়, অত্র মোকদম্মাটি সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে দায়ের করতে হবে।
২,৩৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারা অনুযায়ী, ৫০ টাকার বেশি অর্থের ডিক্রির ক্ষেত্রে দেনাদারকে সর্বোচ্চ কতদিন দেওয়ানী জেলে আটক রাখা যায়?
  1. ১ বছর
  2. ৬ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ সপ্তাহ
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারা অনুযায়ী: যদি ডিক্রি অর্থ পরিশোধের জন্য হয় এবং ওই অর্থের পরিমাণ ৫০ টাকার বেশি হয়, তবে ডিক্রি-দায়িক (judgment-debtor) কে সর্বোচ্চ ৬ মাস দেওয়ানী জেলে আটক রাখা যাবে।
আর যদি অর্থের পরিমাণ ৫০ টাকার কম হয়, তবে তাকে সর্বোচ্চ ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত আটক রাখা যাবে।
 এই ধারা অনুযায়ী একজন রায়সিদ্ধ দেনাদার মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় তাকে একই ডিক্রির জন্য গ্রেফতার করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার বিধান আটক ও মুক্তি:
 ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৬ মাসের বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না; এবং
 ৫০ টাকার কম হলে সে ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না।
 যে ডিক্রি জারিতে ডিক্রি দায়িক আটক থেকে মুক্তি পেয়েছেন, সেই বিষয়ে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।
-------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 58. Detention and release:
(1) Every person detained in the civil prison in execution of a decree shall be so detained,- 
(a) where the decree is for the payment of a sum of money exceeding fifty Taka, for a period of six months, and, 
(b) in any other case for a period of six weeks: 
Provided that he shall be released from such detention before the expiration of the said period of six months or six weeks, as the case may be,- 
(i) on the amount mentioned in the warrant for his detention being paid to the officer in charge of the civil prison, or 
(ii) on the decree against him being otherwise fully satisfied, or 
(iii) on the request of the person on whose application he has been so detained, or 
(iv) on the omission by the person, on whose application he has been so detained, to pay subsistence allowance: 
Provided, also, that he shall not be released from such detention under clause (ii) or clause (iii), without the order of the Court. 
(2) A judgment-debtor released from detention under this section shall not merely by reason of his release be discharged from his debt, but he shall not be liable to be re-arrested under the decree in execution of which he was detained in the civil prison.
২,৩৬৪.
আদেশ ১৮ বিধি ১৮ অনুযায়ী, কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে, আদালত তা পরিদর্শন করতে পারে:
  1. কেবল সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে
  2. কেবল মামলার রায়ের আগে
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
  4. মোকদ্দমার শুরুতে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে, আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।

Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
২,৩৬৫.
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মধ্যস্থতা পদ্ধতিতে তৃতীয় পক্ষ কী ভূমিকা পালন করে?
  1. রায় প্রদান করে
  2. মামলা পরিচালনা করে
  3. পক্ষগণের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়
  4. আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা আনতে সাহায্য করে
সঠিক উত্তর:
আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা আনতে সাহায্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা আনতে সাহায্য করে
ব্যাখ্যা

• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
- আলাপ-আলোচনা (Negotiation);
- মধ্যস্থতা (Mediation);
- সালিশী (Arbitration)।

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-
এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে। আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-
এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-
সালিশ [Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়। সালিশ [Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।

২,৩৬৬.
একটি মামলা বর্তমানে জেলা আদালতে বিচারাধীন। হাইকোর্ট বিভাগ কী করতে পারে?
  1. মামলাটি প্রত্যাহার করে নিজে বিচার করতে পারে
  2. মামলাটি অন্য কোনো উপযুক্ত আদালতে স্থানান্তর করতে পারে
  3. মামলাটি পূর্ববর্তী আদালতে ফেরত পাঠাতে পারে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:
(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যেকোনো স্তরে -
ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা

খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২,৩৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশসমূহ (Orders) কত নং তফসিলে উল্লেখ আছে?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ১ম
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
১ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ৫১ টি আদেশ(Order) আছে। আদেশসমূহ ১ম তফসিলে উল্লেখ আছে

• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বর্তমানে মোট ১৫৮ টি ধারা এবং ৩টি তফসিল  বলবৎ আছে। তফসিলসমূহ (Schedules]-

প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ [Orders and Rules] 
দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল
তৃতীয় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি
চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ
পঞ্চম তফসিল: বাতিল
২,৩৬৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-১৩ক অনুযায়ী, একতরফা ডিক্রি রদের আবেদনের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদান করতে হবে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল:
(১) বিধি-১৩ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানোর এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে বিবাদীকে বিধি-১৩ অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি ডিক্রি রদ করতে পারবে, তবে আদালত বিবাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে:
শর্ত থাকে যে, আদালত এই বিধির অধীনে ডিক্রি রদ করবে না, যদি না বিবাদী, যিনি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করেছেন, ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রি রদের জন্য একটি আবেদনপত্র, অফিডেভিট সহ, আদালতে জমা দেন।
আরও শর্ত থাকে যে, একই বিবাদীর পক্ষ থেকে এই বিধির অধীনে একাধিকবার ডিক্রি রদ করা যাবে না।
(২) উপ-বিধি (১) অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হওয়ার সাথে সাথে আদালত বাদীকে এ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করবে, এবং এর খরচ বিবাদী বহন করবে।
------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 9 Rule 13A: Directly setting aside ex parte decree-
(1) Notwithstanding anything contained in rule 13 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the decree without requiring the defendant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 13 but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand take as it may deem appropriate and determine:
that the decree under this rule shall not be set aside unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the decree is made the Court within thirty days of the date on which the decree is passed by the defendant who appeared and filed written statement:
Provided further that no decree shall be set aside more than once under this rule at the instance of the same defendant.
2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside an ex parte decree, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the defendant upon the plaintiff.
২,৩৬৯.
আদেশ ৯, বিধি ৯ক এর বিধান মতে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল করতে কত বার আবেদন করতে পারবে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. নির্ধারিত সংখ্যা নেই
সঠিক উত্তর:
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বার
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )- বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
 খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
♦ সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
২,৩৭০.
যদি এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত বিভিন্ন আপিল আদালতের অধীন হয়, তবে দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীনে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন কোথায় পেশ করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. যেকোন জেলা জজ আদালতে
  3. যেকোন আপিল আদালতে
  4. বর্ণিত সকল আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।


• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

২,৩৭১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি ৩ এর অধীন যদি আপস বা চুক্তির মাধ্যমে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মিটমাট হয়, তবে আদালত কী করবে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত রাখবে
  2. মোকদ্দমা পুনরায় ফেরত পাঠাবে
  3. তদনুসারে ডিক্রি প্রদান করবে
  4. পক্ষগণকে পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ডাকবে
সঠিক উত্তর:
তদনুসারে ডিক্রি প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদনুসারে ডিক্রি প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা-আপস:
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ আদেশের ৩ বিধিতে সোলে বা মোকদ্দমা-আপস [Compromise of suit] বা আপস ডিক্রি [compromise decree] এর বিধান রয়েছে । এই বিধির অধীন আদালতকে পক্ষগণের মধ্যকার কোন আইনসম্মত চুক্তি বা আপস মীমাংসার মাধ্যমে কোন মোকদ্দমা সম্পূর্ণ বা আংশিক সম্বনয় করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এবং আদালত উক্ত চুক্তি বা আপস অনুযায়ী ডিক্রি প্রদান করতে পারে।

শর্তসমূহ-
১. পক্ষগণের মধ্যে আইনসম্মত চুক্তি বা আপস থাকতে হবে;
২. উক্ত চুক্তি বা আপস বা সন্তোষসাধন দ্বারা মোকদ্দমা যুক্তিসংগতভাবে সামগ্রিক বা আংশিকভাবে মিটমাট হয়েছে বা মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিবাদী সামগ্রিক বা আংশিকভাবে বাদীর সন্তুষ্টি সাধন করেছে;
৩. আদালত এমন চুক্তি, আপস বা সন্তুষ্টিসাধন লিপিবদ্ধ করবে এবং তদনুসারে একটি ডিক্রি দান করবে যা সোলে বা আপস ডিক্রি নামে পরিচিত।

প্রতিকার-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী সোলে বা আপস ডিক্রি বা সম্মতিসূচক ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যায় না। সুতরাং এই ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।
২,৩৭২.
আদালত কর্তৃক গৃহীত জবানবন্দীর সারমর্ম লিখিত হবে-
  1. বিচারক কর্তৃক
  2. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবীদের কর্তৃক
  3. আদালতের অফিসার কর্তৃক
  4. বাদী পক্ষের আইনজীবী কর্তৃক
সঠিক উত্তর:
বিচারক কর্তৃক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক কর্তৃক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

বিধি-৩ঃ জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত হতে হবে-
জবানবন্দির সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে এবং তা নথির অংশে পরিণত হবে।
[Rule.-3: Substance of examination to be written-
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record]
২,৩৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে?
  1. ৯৬ ধারা
  2. আদেশ ৪৩ বিধি ১
  3. ১০৬ ধারা
  4. আদেশ ৪১ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে। সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না তবে আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫ টি আদেশ উল্লেখ আছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল চলে।
২,৩৭৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ___________ অনুসারে আদালত নিলাম বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি মুলতুবি রাখলে নতুন ইশতেহার প্রচার করতে হবে।
  1. আদেশ-২১ বিধি-৬৪
  2. আদেশ-২১ বিধি-৬৬
  3. আদেশ-২১ বিধি-৬৮
  4. আদেশ-২১ বিধি-৬৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৬৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৯ এর বিধান মতে নিলাম বিক্রয় মুলতুবি অথবা বন্ধ করা: কোন নিলাম বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি মেয়াদের জন্য মুলতুবি রাখা হলে নতুন করে ইশতেহার প্রচার করতে হবে, যদি না দায়িক এটি বর্জন করে।
আদালত ইচ্ছা করলে কোন নিলাম বিক্রয় নির্দিষ্ট দিন বা সময় পর্যন্ত মুলতুবি রাখতে পারেন।

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৯ অনুসারে আদালত নিলাম বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি মুলতুবি রাখলে নতুন ইশতেহার প্রচার করতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-21 Rule-69. Adjournment or stoppage of sale:
(1) The Court may, in its discretion, adjourn any sale hereunder to a specified day and hour, and the officer conducting any such sale may in his discretion adjourn the sale, recording his reasons for such adjournment:
Provided that, where the sale is made in, or within the precincts of, the court-house, no such adjournment shall be made without the leave of the Court.

(2) Where a sale is adjourned under sub-rule (1) for a longer period than [thirty] days, a fresh proclamation under rule 67 shall be made, unless the judgment-debtor consents to waive it.
(3) Every sale shall be stopped if, before the lot is knocked down, the debt and costs (including the costs of the sale) are tendered to the officer conducting the sale, or proof is given to his satisfaction that the amount of such debt and costs has been paid into Court which ordered the sale.
২,৩৭৫.
আদালত কখন কমিশন নিয়োগ করতে পারে?
  1. স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে
  2. কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  3. উচ্চ আদালতের নির্দেশে
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
কখন কমিশন নিয়োগ করা হয়: (ধারা-৭৫+আদেশ-২৬, বিধি-২)

দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারায় আদালতের কমিশন নিয়োগের বিধান রয়েছে: আদালত নিজে বা কোন পক্ষের এফিডেভিটসহ আবেদনের ভিত্তিতে কমিশন নিয়োগ করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ: আদালত স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বা মোকদ্দমার কোন পক্ষের বা যাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে সে সাক্ষীর শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে কোন আবেদনক্রমে আদালত কোন সাক্ষীর কমিশন প্রেরণ করা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
----------
⇒ CPC  Order-26 Rule-2. Order for commission:  An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.

⇒CPC Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
২,৩৭৬.
দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭-এর ধারা ১৪(১) অনুসারে, দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার কার?
  1. সরকার
  2. জেলা জজ
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
 (1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held. 
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.

২,৩৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১(৬) অনুযায়ী, আদালত কখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করবে না?
  1. আপিল বিচারাধীন থাকলে
  2. বাদী উপস্থিত না থাকলে
  3. বাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
  4. বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১(৬) অনুযায়ী -
“মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে, এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করবে না।”

অর্থাৎ, যদি বিবাদী তার লিখিত জবাব দাখিল না করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন না করে, তবে আদালত বিচার্য বিষয় (Issues) নির্ধারণ করবে না, কারণ তখন বাদীর বক্তব্য একতরফা (ex parte) অবস্থায় থেকে যায় — বিরোধের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

আদেশ ১৪ বিধি ১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-
১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।

২,৩৭৮.
আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুযায়ী, যদি আদালত সময় নির্ধারণ না করে, তবে আদেশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে সংশোধিত প্লিডিংস দাখিল করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুযায়ী: যদি কোনো পক্ষ প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের অনুমতি (order for leave to amend) পায়, এবং আদালত সংশোধনের জন্য কোনো সময় নির্ধারণ না করে, তাহলে আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধিত প্লিডিংস আদালতে দাখিল করতে হবে।
- যদি নির্ধারিত এই ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন না করা হয়, তাহলে সংশোধনের অনুমতি বাতিল হয়ে যাবে যদি না আদালত সময় বৃদ্ধি করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৬, বিধি ১৮: আদেশ প্রাপ্তির পর সংশোধনে ব্যর্থতা:
যদি কোন পক্ষ তার প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের অনুমতি আদেশের মাধ্যমে পায় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধন না করে, অথবা আদেশে যদি কোন নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা না থাকে, তবে আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে সংশোধন না করে, তাহা হইলে উক্ত নির্ধারিত সময় বা উক্ত চৌদ্দ দিন অতিবাহিত হইলে সংশোধনের অনুমতি দেওয়া হইবে না; যদি না আদালত সময় বৃদ্ধি করিয়া দেয়।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order VI, Rule 18: Failure to Amend After Order: 
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited, then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.
২,৩৭৯.
আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মুলতবির খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে আদালত-
  1. মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
  2. মোকদ্দমাটি একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তি করতে পারে
  3. মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতুবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতুবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতুবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে [Adjournment] বা মূলতবির বিধানসমূহ রয়েছে।আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

• খরচ প্রদানে ব্যর্থতার ফলাফল- [আদেশ ১৭ বিধি ১(৩) এবং ১(৪) বিধি]

> ১৭ আদেশের ১নং বিধির অধীন আদালত বাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ [Dismissed the suit] করে দিতে পারে;

> আবার, বিবাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তির [Disposed of ex parte] আদেশ দিতে পারে।)
২,৩৮০.
একটি ডিক্রি বা আদেশ কখন সংশোধনের আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. আকস্মিক কোন বিচ্যুতি থাকলে
  2. করণিক ভুল থাকলে
  3. গানিতিক ভুল থাকলে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২,৩৮১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮ অনুযায়ী যদি আদালত কোনো সময় নির্ধারণ না করে, তবে পক্ষকে কত দিনের মধ্যে প্লিডিং সংশোধন করতে হবে?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১০ দিনের মধ্যে
  3. ১৪ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৪ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।

২,৩৮২.
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা অনুসারে খোরপোষ ভাতার হার কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. বার্ষিক ভিত্তিতে
  2. মাসিক ভিত্তিতে
  3. সাপ্তাহিক ভিত্তিতে
  4. দৈনিক ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
মাসিক ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাসিক ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫৭ (Section 57) অনুসারে, যখন কোনো দায়িক (Judgment-debtor)–কে দেওয়ানী মামলার আদেশের ভিত্তিতে জেলে আটক রাখা হয়, তখন তাঁর খোরপোষ বা জীবিকা নির্বাহের জন্য নির্দিষ্ট মাসিক ভাতা (monthly allowance) প্রদান করার বিধান রয়েছে।
- এই ভাতার হার নির্ধারণ করে সরকার, এবং এটি নির্ধারিত হয়, পদমর্যাদা (rank) গোত্র (race) জাতীয়তা (nationality) এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে।
- আইনটি স্পষ্টভাবে "monthly allowances" বা "মাসিক ভাতা" শব্দটি ব্যবহার করেছে।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা: সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
২,৩৮৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯খ ধারা মোতাবেক সালিস নিষ্পত্তিতে কোন আইন অনুরসরণ করতে হয়?
  1. সালিস আইন, ২০০০
  2. সালিস আইন, ২০০১
  3. সালিস আইন, ২০০২
  4. সালিস আইন, ২০০৩
সঠিক উত্তর:
সালিস আইন, ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিস আইন, ২০০১
ব্যাখ্যা

 দেওয়ানী কার্যবিধি ধারা-৮৯খ: সালিস:
১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিস আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে।

২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিস আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে।

২,৩৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ অনুযায়ী প্রত্যেকেটি দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে?
  1. আরজি দাখিলের মাধ্যমে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের মাধ্যমে
  3. প্লিডিংস দায়েরের মাধ্যমে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ২৬ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী মোকদ্দমার আরজি পেশ করে বা অন্য কোন নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়ের করতে হয়।

• প্রত্যেকটি আরজির সঙ্গে যতজন বিবাদী থাকে ততগুলো আরজির অবিকল নকল দিতে হয়।
২,৩৮৫.
Order 47 Rule 4 of The Code of Civil Procedure, 1908:
Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a ________, it shall reject the application.
  1. appeal
  2. revision
  3. review
  4. reference
সঠিক উত্তর:
review
উত্তর
সঠিক উত্তর:
review
ব্যাখ্যা
Order 47 Rule.-4: Application where rejected-
1) Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a review, it shall reject the application.

2) Application where granted: Where the Court is of opinion that the application for review should be granted, it shall grant the same: Provided that-
a) no such application shall be granted without previous notice to the opposite party. enable him to appear and be heard in support of the decree or order, a to review of which is applied for: and
b) no such application shall be granted on the ground of discovery of newmatter or evidence which the applicant alleges was not within his knowledge, or could not be adduced by him when the decree or order was passed or made.

আদেশ ৪৭ বিধি-৪: যেক্ষেত্রে আবেদন অগ্রাহ্য হয়:
১) যদি আদালতের নিকট দৃষ্টিগোচর হয় যে,পুনর্বিবেচনা করার মত যথেষ্ট অজুহাত নেই, তাহলে আদালত পুনর্বিবেচনার আবেদন অগ্রাহ্য করতে পারবে।

২) আবেদন মঞ্জুর হওয়ার ক্ষেত্রেঃ যদি আদালত মনে করেন যে, পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করা উচিতঃ তবে শর্ত থাকে যে,
ক) যে ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা করা হয়েছে, সে ডিক্রি বা আদেশ সম্পর্কে বিপরীত পক্ষকে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ প্রদানের জন্য পূর্বে নোটিশ প্রদান করা না হলে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না; এবং

খ) প্রার্থনাকারী এমন ধরনের নতুন তথ্য বা প্রমাণের উদঘাটন করেছে যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাতসারে ছিল না বা উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি, উক্ত অভিযোগের কারণে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা আবেদন করা হলে ঐরূপ অভিযোগ সম্বন্ধে দৃঢ় প্রমাণ ব্যতীত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না।
২,৩৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারায় কাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে?
  1. নাবালকদের
  2. অপ্রকৃস্থ ব্যক্তিদের
  3. সরকারি কর্মচারিদের
  4. কতিপয় স্ত্রীলোকের
সঠিক উত্তর:
কতিপয় স্ত্রীলোকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কতিপয় স্ত্রীলোকের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারার বিধান: কতিপয় স্ত্রীলোকের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:

১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল স্ত্রীলোককে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন স্ত্রীলোককে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ স্ত্রীলোক অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লেখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।

Section 132- Exemption of certain women from personal appearance:
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court.
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
২,৩৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯খ অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে মোকদ্দমা সালিশে পাঠানো যায়?
  1. জেলা জজের নির্দেশে
  2. আদালতের নিজস্ব উদ্যোগে
  3. পক্ষগণের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. সরকারের অনুমোদনের পর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯খ(১) অনুসারে, মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে পক্ষগণ যদি আদালতের নিকট আবেদন করেন যে তারা মোকদ্দমার বিরোধ বা বিষয়টি সালিশের (arbitration) মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে চান, তবে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দেবেন। এরপর বিরোধটি সালিশ আইন, ২০০১ অনুসারে নিষ্পত্তি করতে হবে। অর্থাৎ, মোকদ্দমা সালিশে পাঠানোর জন্য পক্ষগণের আবেদন প্রয়োজন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 89B- Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:
Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section.
(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).

২,৩৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order XLIII এ আপীলযোগ্য আদেশের তালিকায় মোট কয়টি আদেশের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৩টি
  2. ২৪টি
  3. ২৫টি
  4. ২৬টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপীল।
⇒ আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ এর মধ্যে আপীলযোগ্য আদেশ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
⇒ সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপীলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
⇒ আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।
২,৩৮৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কত ধারা অনুযায়ী কিছু নারী ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হওয়া থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ধারা ১৩০
  2. ধারা ১৩১
  3. ধারা ১৩২
  4. ধারা ১৩৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩২
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৩২: কিছু নারীর ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিতির দায় থেকে অব্যাহতি:
(১) যে সকল নারী দেশের প্রথা ও রীতিনীতি অনুযায়ী প্রকাশ্যে উপস্থিত হতে বাধ্য না হন, তাঁদের আদালতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে বাধ্য করা যাবে না। অর্থাৎ, ঐ নারীরা ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত হবেন।

(২) এই ধারার কোনো কিছু সেই নারীদের গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি প্রদান করে না, যদি না এই বিধিতে নারীদের গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ, যে ক্ষেত্রে এই বিধি নারীদের গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ করে না, সে ক্ষেত্রে বেসামরিক প্রক্রিয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা যেতে পারে।
২,৩৯০.
দেওয়ানি আদালত কখন রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. মামলাধীন বাদী নাবালক হলে
  2. মামলাধীন বাদী নিঃস্ব হলে
  3. মামলাধীন পক্ষদ্বয়ের সাক্ষ্য নিতে
  4. মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে
সঠিক উত্তর:
মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে
ব্যাখ্যা
• রিসিভার হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোন মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪০ এর ১ বিধিতে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে।

৪০ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে যে,
যে ক্ষেত্রে আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, সে ক্ষেত্রে আদালতের আদেশের মাধ্যমে-
ক) ডিক্রির আগে বা পরে কোন সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করতে পারে;
খ) সম্পত্তির দখল বা তত্ত্বাবধান হতে কোন লোককে অপসারণ করতে পারে;
গ) তা তত্ত্বাবধায়কের দখলে, তত্ত্বাবধায়কের ব্যবস্থাপনা রাখিতে পারে; এবং
ঘ) মামলা আনয়ন ও আত্মপক্ষ সমর্থন সম্পর্কে এবং সম্পত্তি আদায়করন, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়নের জন্য খাজনা এবং মুনাফা সংগ্রহ, অনুরূপ খাজনা ও মূনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আছে সেরূপ বা আদালত যে সব ক্ষমতা যথাযথ মনে করেন, তত্ত্বাবধায়ক বরাবর অনুরূপ সব ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।

৪০ আদেশের ২ বিধিতে, রিসিভার বা তত্বাবধায়কের কর্তব্য সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে। ৪০ আদেশের ২ বিধিতে বলা হয়েছে, অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক তত্ত্বাবধায়ক-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত দ্বারা যথাযথ বিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত দ্বারা নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি পেশ করবেন;
গ) আদালতের নির্দেশ মতো তার কাছে হতে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুণ সম্পত্তির ক্ষতিসাধন হলে তার জন্য দায়ী থাকবে।
২,৩৯১.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধি-বিধান কোথায় আছে?
  1. আদেশ ৩৮
  2. আদেশ ৩৬
  3. আদেশ ৩৯
  4. আদেশ ৪১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধানাবলী আদেশ ৩৯-এ বর্ণিত আছে।

- মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

-দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
২,৩৯২.
কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন মামলা অন্য কোন জেলায় অবস্থিত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থানান্তর করার দরখাস্ত কোন আদালতে করতে হবে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারার বিধান অনুযায়ী ফৌজদারি মামলা এক জেলার দায়রা আদালত থেকে অন্য জেলার দায়রা আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য সরাসরি হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। একই জেলার মধ্যে একই দায়রা জজ আদালতের এক ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য ফৌজদারি আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে দায়রা জজ আদালতে আবেদন করতে হবে, উক্ত দায়রা জজ আদালত আবেদন নাকচ করলে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে।
২,৩৯৩.
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর কত দিনের মধ্যে আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য্য করবে?
  1. ৬০
  2. ১২০
  3. ১৮০
  4. ১৭০
সঠিক উত্তর:
১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০
ব্যাখ্যা
• বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর ১২০ দিনের মধ্যে আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ ধার্য্য করবে।

• দেওয়ানী মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা।কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
বিচার্য বিষয় দুই প্রকার। যথা-

- ঘটনা বা তথ্য সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of fact); এবং
- আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় ( issues of law)।

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৮-
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ স্থিরীকৃত করবে।
[After the issues are framed, the Court shall within one hundred and twenty days thereof, fix a date for final hearing of the suit.]
২,৩৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(১) অনুসারে, কে নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ড হতে পারে?
  1. সরকারি কর্মচারী
  2. যেকোনো ব্যক্তি
  3. আদালতের কর্মচারী
  4. প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মনের ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মনের ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মনের ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(১) অনুসারে, প্রাপ্তবয়স্ক (adult) ও সুস্থ মনের (sound mind) ব্যক্তি নাবালকের (minor) নেকস্ট ফ্রেন্ড (next friend) বা মামলার অভিভাবক (guardian for the suit) হিসেবে কাজ করতে পারেন। তবে শর্ত থাকে যে তার স্বার্থ যেন নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী না হয়, এবং নেকস্ট ফ্রেন্ড হলে তিনি মামলার বিবাদী হতে পারবেন না, আর মামলার অভিভাবক হলে তিনি বাদী হতে পারবেন না।
অর্থাৎ, শুধুমাত্র এমন কেউ যিনি পরিপক্ব, সুস্থ মানসিক অবস্থা সম্পন্ন এবং যার স্বার্থে কোনো সংঘাত নেই, তিনি নাবালকের পক্ষে আইনগতভাবে দায়িত্ব নিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৪: মামলাকে পরবর্তী হিসাবে কাজ করতে বা নিযুক্ত হতে পারে:
(১) কোন ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকার এবং প্রাপ্ত বয়স্ক হলে কোন নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে অথবা মামলার জন্য তার অভিভাবক হিসাবে কাজ করতে পারে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে নহে এবং সে নেকস্ট ফ্রেন্ডের ক্ষেত্রে, কোন বিবাদী নহে, এবং মামলার অভিভাবকের ক্ষেত্রে কোন বাদী নহে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক আছে, সেক্ষেত্রে উক্ত অভিভাবক ব্যতিত অপর কোন ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে কাজ করতে বা মামলার জন্য তার অভিভাবক নিযুক্ত হতে পারবে, যদি না আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে বিবেচনা করেন যে, নাবালকের কল্যাণের জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ করতে বা অভিভাবক নিযুক্ত হতে অনুমতি দেয়া পয়োজন।
(৩) কোন ব্যক্তিকে তার অনুমতি ব্যতিত মামলার অভিভাবক নিয়োগ করা যাব না।
(৪) যেক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যক্তি মামলার অভিভাবক হিসাবে কাজ করার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক নাই, সেক্ষেত্রে আদালত তার কোন কর্মচারীকে অনুরূপ অভিভাবক নিযুক্ত করতে পানে এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত কর্মচারীকে বা কোন এক বা একাধিক পক্ষ কর্তৃক বহন করতে হবে, অথবা নাবালকের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল আদালতে থাকলে তা হতে খরচ হবে এবং ন্যায় বিচার ও অবস্থার পয়োজনে অনুরূপ খরচার পরিশোধ বা মেনে নেয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-XXXII, Rule-4: Who may act as next friend or be appointed guardian for the suit:
(1) Any person who is of sound mind and has attained majority may act as next friend of a minor or as his guardian for the suit:
Provided that the interest of such person is not adverse to that of the minor and that he is not, in the case of a next friend, a defendant, or, in the case of a guardian for the suit, a plaintiff.
(2) Where a minor has a guardian appointed or declared by competent authority, no person other than such guardian shall act as the next friend of the minor or be appointed his guardian for the suit unless the Court considers for reasons to be recorded, that it is for the minor's welfare that another person be permitted to act or be appointed, as the case may be.
(3) No person shall without his consent be appointed guardian for the suit.
(4) Where there is no other person fit and willing to act as guardian for the suit, the Court may appoint any of its officers to be such guardian, and may direct that the costs to be incurred by such officer in the performance of his duties as such guardian shall be borne either by the parties or by any one or more of the parties to the suit, or out of any fund in Court in which the minor is interested, and may give directions for the repayment or allowance of such costs as justice and the circumstances of the case may require.
২,৩৯৫.
কোন ব্যক্তির নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া কত টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, তাকে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে?
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ৫,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারন থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।
⇒ তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতারনামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।

অর্থাৎ কোন ব্যক্তির নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া ৫,০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে তাকে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে।
২,৩৯৬.
চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা ন্যূনতম কয়টি হলে, আদালত অতিরিক্ত মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করবে?
  1. ৫০ টি
  2. ৭০ টি
  3. ১০০ টি
  4. ৮০ টি
সঠিক উত্তর:
৭০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি ২০-
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

[Court shall not fix more than five suits including two part -heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.]
২,৩৯৭.
আরজি এবং লিখিত জবাব সংশোধনের নীতিসমূহ একই। উক্তিটিঃ-
  1. সত্য
  2. মিথ্যা
  3. আংশিক সত্য
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
সত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ আদেশে প্লিডিংস [Pleading]সংক্রান্ত যত নিয়ম আছে তা আরজি এবং লিখিত জবাব উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
♦দেওয়ানি কার্যবিধির যেখানে প্লিডিংস [Pleading] শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে পড়ার সময় আরজি বা লিখিত জবাব উভয় ধরে নিয়ে পড়তে হবে। দেওয়ানি কার্যবিধির  কোথাও বলা হয়নি যে আরজি সংশোধন বা লিখিত জবাব সংশোধন বরং বলা হয়েছে প্লিডিংস [Pleading] সংশোধন।
♦অর্থাৎ প্লিডিংস [Pleading] সংশোধন সংক্রান্ত সকল নিয়ম আরজি বা লিখিত জবাব উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই যদি বাদি আরজি সংশোধন করতে চায়, তাহলে তাকে ৬ আদেশের ১৭ বিধিতে আবেদন করতে হবে আবার বিবাদি লিখিত জবাব সংশোধন করতে চাইলে, তাকেও ৬ আদেশের ১৭ বিধি অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।
সুতরাং আরজি এবং লিখিত জবাব সংশোধনের নীতিসমূহ একই উক্তিটিঃ- সত্য।
২,৩৯৮.
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা _____ করতে পারেন।
  1. পরিদর্শন
  2. ক্রোক
  3. অনুসন্ধান
  4. তদন্ত
সঠিক উত্তর:
পরিদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিদর্শন
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ১৮ বিধি-১৮ঃ আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা (Power of court to inspect):

মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
[The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.]
২,৩৯৯.
আদেশ-১৫, বিধি-৩ অনুসারে, কখন আদালত অতিরিক্ত শুনানি স্থগিত রাখতে পারেন?
  1. যখন মামলার পক্ষগণ রায় মেনে নিতে অসম্মত হন
  2. যখন মামলায় নতুন করে সাক্ষী যুক্ত করা হয়
  3. যখন আদালত নতুন করে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করেন
  4. যখন আদালত মনে করেন যে পর্যাপ্ত প্রমাণ বা যুক্তি উপস্থাপিত হয়নি
সঠিক উত্তর:
যখন আদালত মনে করেন যে পর্যাপ্ত প্রমাণ বা যুক্তি উপস্থাপিত হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আদালত মনে করেন যে পর্যাপ্ত প্রমাণ বা যুক্তি উপস্থাপিত হয়নি
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১৫, বিধি ৩-
১) যদি মামলার পক্ষদের মধ্যে আইন বা ঘটনার কোনো প্রশ্ন বিচারযোগ্য হয় এবং আদালত আগে থেকেই বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করে থাকে, তবে আদালত যদি মনে করেন যে আরও যুক্তি বা প্রমাণের দরকার নেই এবং তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করলে কারো প্রতি অবিচার হবে না, তাহলে আদালত সরাসরি বিচার্য বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে রায় দিতে পারেন।

তবে, যদি শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য সমন দেওয়া হয়ে থাকে এবং মামলার পক্ষ বা তাদের উকিল উপস্থিত থেকে কোনো আপত্তি না করেন, তাহলে আদালত সেই অনুযায়ী রায় ঘোষণা করতে পারেন।

২) কিন্তু, যদি আদালত মনে করেন যে পর্যাপ্ত প্রমাণ বা যুক্তি উপস্থাপিত হয়নি, তাহলে তিনি মামলার অতিরিক্ত শুনানি স্থগিত রাখতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য বা যুক্তি উপস্থাপনের জন্য সময় নির্ধারণ করতে পারেন।
২,৪০০.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-VI, Rule-18 অনুসারে সংশোধনীর আদেশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে সংশোধন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুযায়ী: যদি কোনো পক্ষ প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের অনুমতি (order for leave to amend) পায়, এবং আদালত সংশোধনের জন্য কোনো সময় নির্ধারণ না করে, তাহলে আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধিত প্লিডিংস আদালতে দাখিল করতে হবে।
- যদি নির্ধারিত এই ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন না করা হয়, তাহলে সংশোধনের অনুমতি বাতিল হয়ে যাবে যদি না আদালত সময় বৃদ্ধি করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৬, বিধি ১৮: আদেশ প্রাপ্তির পর সংশোধনে ব্যর্থতা:
যদি কোন পক্ষ তার প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের অনুমতি আদেশের মাধ্যমে পায় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধন না করে, অথবা আদেশে যদি কোন নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা না থাকে, তবে আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে সংশোধন না করে, তাহা হইলে উক্ত নির্ধারিত সময় বা উক্ত চৌদ্দ দিন অতিবাহিত হইলে সংশোধনের অনুমতি দেওয়া হইবে না; যদি না আদালত সময় বৃদ্ধি করিয়া দেয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order VI, Rule 18: Failure to Amend After Order: 
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited, then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.