বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ২৩ / ৩০ · ২,২০১২,৩০০ / ২,৯৯৩

২,২০১.
বিচারকার্যে বিলম্ব ঘটাতে প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন করা হলে,আদালত কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে?
  1. আবেদনকারীকে কারাদণ্ড দিবে
  2. আপত্তিকারীকে ক্ষতিপূরণের আদেশ
  3. আবেদনকারীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান
  4. আবেদনকারীকে আদালত থেকে বহিষ্কার আদেশ
সঠিক উত্তর:
আপত্তিকারীকে ক্ষতিপূরণের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপত্তিকারীকে ক্ষতিপূরণের আদেশ
ব্যাখ্যা
• বিচারকার্যে বিলম্ব ঘটাতে প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন করা হলে,আদালত আপত্তিকারীকে যেরকম উপযুক্ত মনে করেন,সেই উপায়ে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন।

• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃতি নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে। উল্লেখ্য যে, প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হয় বিচারিক আদালতে। তবে বিচার শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনীর আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন সত্ত্বেও বিচার শুরুর আগে আবেদন না করার কারণ দেখিয়ে, আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।

• বিচারকার্য আরম্ভ হওয়ার পর যদি সংশোধনের আবেদন করা হয় এবং আদালত এই মত পোষণ করেন যে, বিচারকার্য পরিচালনাকে বিলম্ব করার নিমিত্তে ইহা করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত আপত্তিকারীকে যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন তদ্রুপ ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধ করতে আদেশ দিবেন।
[if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as if thinks fit."]
২,২০২.
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক করা হলে আদেশ ৩৮, বিধি ১০ এর বিধান অনুযায়ী তা কার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে না?
  1. আদালতের
  2. ডিক্রিদারের
  3. দায়িকের
  4. মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-১০: রায়ের পূর্বে ক্রোক আগন্তুকের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে না বা ডিক্রিদারকে বিক্রয়ের আবেদন করতে বারিত করে না:
রায়ের পূর্বে ক্রোক দ্বারা মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের ক্রোকের পূর্বে বিদ্যমান স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না, বা ডিক্রির অধিকারী কোন ব্যক্তির বিবাদীর বিরুদ্ধে উক্ত ডিক্রি জারিতে ক্রোকের অধীন সম্পত্তি বিক্রয়ে আবেদন করতে বারিত করবে না।

Order 38 Rule 10: Attachment before judgment not to affect rights of strangers not bar decree-holder from applying for sale:
Attachment before judgment shall not affect the rights, existing prior to the attachment, of persons not parties to the suit, nor bar any person holding a decree against the defendant from applying for the sale of the property under attachment in execution of such decree.
২,২০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কয়টি তফসিল বর্তমানে কার্যকর আছে?
  1. পাঁচটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি:
দেওয়ানি কার্যবিধি দুই ভাগ:
- ১. ধারা (Sections): মোট ১৫৮টি ধারা।
- ২. তফসিল (Schedules)।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট পাঁচটি তফসিল থাকলেও, বর্তমানে মাত্র তিনটি তফসিল কার্যকর রয়েছে, কারণ দ্বিতীয় ও চতুর্থ তফসিল বাতিল করা হয়েছে।
- বর্তমানে বলবৎ থাকা তফসিলগুলো হলো: প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম তফসিল।
- প্রথম তফসিলে মোট ৫১টি আদেশ ছিল, তবে ৫১ নম্বর আদেশটি বাতিল করা হয়েছে।

তফসিলসমূহ:
১. প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ (৫১টি আদেশ)।
২. দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল।
৩. তৃতীয় তফসিল: কালেক্টরের মাধ্যমে ডিক্রি জারি।
৪. চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ।
৫. পঞ্চম তফসিল: বাতিল।
২,২০৪.
কোন ধরনের দেওয়ানি ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে কোনো মহিলাকে গ্রেফতার বা আটক রাখা যাবে না?
  1. স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ত্ব দখলের
  2. অস্থাবর সম্পত্তি দখলের
  3. অর্থ পরিশোধের
  4. উল্লিখিত সকল ধরনের
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের
ব্যাখ্যা
•  The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৫৬- অর্থের ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
আদালত অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেফতার বা আটক রাখার কোন আদেশ প্রদান করবেন না।

Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
২,২০৫.
ক’ একটি মামলার আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়েছে। তাই ‘ক’ উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে চায়। এই ক্ষেত্রে আদালতের রিভিউ দায়ের করলে আদালত রিভিউ না-মঞ্জুর করে। পরবর্তীতে ‘ক’ কি পদক্ষেপ নিতে পারবে?
  1. রিভিউ
  2. আপীল
  3. রেফারেন্স
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭  অনুযায়ী রিভিউ করতে হয়।
⇒ যদি রিভিউ আবেদন নামঞ্জুর হয় তাহলে বাদী উক্ত না-মঞ্জুরের বিরুদ্ধে রিভিশন করবে ১১৫ ধারা অনুযায়ী। 
⇒ উলে­খ যে, রিভিউ মঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপীল করবে কেননা এটি একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
⇒ কিন্তু রিভিউ না-মঞ্জুরের বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হয়। কারন এটি আপীল অযোগ্য আদেশ।
 ⇒ পরবর্তীতে ‘ক’ রিভিশন করতে পারবে।
২,২০৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI rule 90 অনুযায়ী নিলাম রদের জন্য আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে-
  1. Dispossession by auction purchaser
  2. Bonafide claim of possession
  3. Saleable interest in the property sold
  4. Material irregularity or fraud in publishing or conducting auction
সঠিক উত্তর:
Material irregularity or fraud in publishing or conducting auction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Material irregularity or fraud in publishing or conducting auction
ব্যাখ্যা
Order XXI Rule 90-

Where any immovable property has been sold in Execution of a decree, the decree - holder, or any person entitled to share in a rateable distribution of assets, or whose interests are affected by the sale, may apply to the court to set aside the sale on the ground of a material irregularity or fraud in publishing or conducting it.

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯০- অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:

যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিজারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
২,২০৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১২ অনুযায়ী স্বীকারোক্তী কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১২ অনুযায়ী স্বীকারোক্তী ৩ প্রকার-
১) আরজি/জবাবের মাধ্যমে স্বীকারোক্তী [বিধি-১];
২) দলিল স্বীকারের নোটিশ [বিধি-২];
৩) ঘটনা স্বীকার করতে নোটিশ [বিধি ৪]
⇒ আদেশ ১২ বিধি ২ অনুযায়ী দলিল স্বীকারের জন্য নোটিশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করার জন্য আহবান করা যায়।
⇒ আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-
⇒ মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
অর্থাৎ বিধি ৪ অনুযায়ী শুনানীর ৯ দিন পূর্বে ঘটনার স্বীকারের নোটিশ দিবেন।
-----------------------------
⇒CPC Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.
⇒CPC Order-12 Rule-2:Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
⇒CPC Order-12 Rule-4: Notice to admit facts:
Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice. And in case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs: Provided that any admission made in pursuance of such notice is to be deemed to be made only for the purposes of the particular suit, and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favour of any person other than the party giving the notice: Provided also that the Court may at any time allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.
২,২০৮.
পক্ষগণের মধ্যে আইন বা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ বিধি ১ অনুসারে আদালত কখন রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন
  2. মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির দিন
  3. মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার ৭ দিন পর
  4. মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
২,২০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪ বিধি ১ অনুসারে দেওয়ানি মোকদ্দমা কীভাবে শুরু করতে হয়?
  1. পুলিশ রিপোর্টের মাধ্যমে
  2. মৌখিক অভিযোগের মাধ্যমে
  3. সাধারণ আবেদনের মাধ্যমে
  4. লিখিত আরজি দাখিলের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
লিখিত আরজি দাখিলের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত আরজি দাখিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪ এর বিধি-১ অনুযায়ী “প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হবে plaint (আরজি) দাখিলের মাধ্যমে।”
- এখানে "plaint" বলতে বোঝায় লিখিত অভিযোগপত্র বা আরজি, যা আদালতে দাখিল করে মামলার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
- অতএব, মৌখিক অভিযোগ, সাক্ষ্যের জবানবন্দি বা সাধারণ আবেদন দ্বারা নয়, দেওয়ানি মামলা শুরু করতে হয় লিখিত আরজি (plaint) দাখিল করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪, বিধি-১ অনুযায়ী, প্রতিটি দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু করার জন্য আদালতে একটি লিখিত আরজি (প্লেন্ট) দাখিল করতে হয়। এটি মৌখিক অভিযোগ বা সাধারণ আবেদনের মাধ্যমে করা যায় না। বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে,  "Every suit shall be instituted by presenting a plaint to the Court..."
আরজির সাথে বিবাদী সংখ্যা অনুযায়ী অতিরিক্ত কপি এবং সমন জারির জন্য প্রি-পেইড রেজিস্টার্ড ডাক কভার জমা দিতে হয়।

আদেশ-৪, বিধি-১(১খ) অনুসারে, সমন জারির ফি আরজি দাখিলের সময় পরিশোধ করতে হয়।
আদালত সিভিল স্যুট রেজিস্টারে মোকদ্দমার বিবরণ নথিভুক্ত করে (বিধি-২)।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order- IV INSTITUTION OF SUITS:
1.1 Every suit shall be instituted by presenting a plaint to the Court or such officer as it appoints in this behalf a plaint together with as many true copies of the plaint as there are defendants for service of summons upon such defendants. Suit to be commenced by plaint.
(1a) The Court fees chargeable for service of summons shall be paid in the case of suits when the plaint is filed, and in the case of all other proceedings when process is applied for.
(1b) A plaintiff shall file, along with the plaint, for each defendant a copy of the summons along with a pre-paid registered acknowledgment due cover with complete and correct address of the defendant written on it.
(2) Every plaint shall comply with the rules contained in Orders VI and VII, so far as they are applicable.

2. The Court shall cause the particulars of every suit to be entered in a book to be kept for the purpose and called the register of civil suits. Such entries shall be numbered in every year according to the order in which the plaints are admitted. Register of suits

২,২১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২ (১৫) ধারায় কাদের সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. বিচারক
  2. আইনজীবী
  3. ডিক্রিদার
  4. সরকারি কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবী
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(১৫)- আইনজীবী:
"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"

Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.
২,২১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XVI, Rule-17 অনুসারে, কোন Rules-এর বিধানগুলি সাক্ষীর বেআইনিভাবে প্রস্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. Rules 1-5
  2. Rules 6-9
  3. Rules 10-13
  4. Rules 14-16
সঠিক উত্তর:
Rules 10-13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rules 10-13
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XVI, Rule 17-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: Application of rules 10 to 13: "The provisions of rules 10 to 13 shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to any person who having attended in compliance with a summons departs, without lawful excuse, in contravention of rule 16."
- Rules 10 থেকে 13-এর বিধানাবলী, যতদূর applicable, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে, যে তলব মোতাবেক উপস্থিত হওয়ার পর বেআইনিভাবে Rule 16-এর লঙ্ঘন করে প্রস্থান করে।

- অর্থাৎ যে সাক্ষী সমন মেনে আদালতে এসেছে, কিন্তু Rule 16 ভঙ্গ করে (অর্থাৎ আদালতের অনুমতি ছাড়া বা বেআইনিভাবে) চলে গেলে তার বিরুদ্ধে Rule 10 থেকে Rule 13 পর্যন্ত যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আছে (প্রক্লামেশন, ওয়ারেন্ট, সম্পত্তি অ্যাটাচমেন্ট, জরিমানা ইত্যাদি)—সেগুলোই প্রযোজ্য হবে।
- সুতরাং, Order XVI, Rule 17 অনুসারে সাক্ষীর বেআইনিভাবে প্রস্থানের ক্ষেত্রে Rules 10-13-এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।

২,২১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ এর তালিকায় কতটি আপিলযোগ্য আদেশ উল্লেখ আছে?
  1. ১৫ টি
  2. ২৫ টি
  3. ৫১ টি
  4. ৪৩ টি
সঠিক উত্তর:
২৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১-এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ উল্লেখ আছে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।
⇒ আদেশ ৪৩ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ উভয়ই আপীলযোগ্য আদেশগুলোর বর্ণনা দিয়েছে।

⇒ আদেশ ৪৩: আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মামলা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।
⇒ ধারা ১০৪: অন্যদিকে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ একে অপরকে পরিপূরক করে। আদেশ ৪৩ তে ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা রয়েছে, যেমন অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মামলা বাতিল, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি। অন্যদিকে, ধারা ১০৪ আপিলযোগ্য আদেশের সামগ্রিক বর্ণনা দেয় এবং বলে যে, যদি কোনো আদেশ চূড়ান্ত না হলেও মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিষ্পত্তি করে, তাহলে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যেতে পারে। অর্থাৎ, আদেশ ৪৩ নির্দিষ্ট আদেশগুলোর তালিকা দেয়, আর ধারা ১০৪ আপিলযোগ্য আদেশের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করে।
২,২১৩.
ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি কার্যক্রম শুরু হতে পারে যদি ডিক্রিটি হয়-
  1. অগ্রক্রয়ের;
  2. অর্থের;
  3. বন্ধকের;
  4. বন্টনের;
সঠিক উত্তর:
অর্থের;
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থের;
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ১১ এর বিধান মৌখিক আবেদন (Oral application): অর্থ পরিশোধের ডিক্রি হলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে ডিক্রি দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত আদালত তাকে গ্রেফতারের মাধ্যমে তৎক্ষনাৎ ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারবেন। ডিক্রি জারির জন্য প্রত্যেকটি আবেদনপত্র লিখিত হতে হবে এবং আবেদনকারী বা মোকদ্দমার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে।
২,২১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৩, বিধি-৮ অনুসারে, যদি আদালত একটি দলিল আটক করার নির্দেশ দেয়, সেই দলিল কার হেফাজতে রাখা হবে?
  1. স্থানীয় পুলিশের হেফাজতে
  2. মামলার বিবাদীর হেফাজতে
  3. মামলার বাদীর হেফাজতে
  4. আদালতের অফিসারের হেফাজতে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অফিসারের হেফাজতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অফিসারের হেফাজতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১৩, বিধি ৮ অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো দলিল আটক (Impound) করার নির্দেশ দেয়, তাহলে সেই দলিল আদালতের কোনো অফিসারের হেফাজতে রাখা হবে। এই বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"the Court may... direct any document... to be impounded and kept in the custody of an officer of the Court."
অর্থাৎ, দলিলটি পুলিশ, বাদী বা বিবাদীর কাছে নয়, বরং আদালতের নিজস্ব অফিসারের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়। এটি দলিলের সুরক্ষা ও অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৩, বিধি ৮ অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো দলিল বা বই আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে সেই দলিল বা বই আদালতের অফিসারের হেফাজতে রাখা হবে। আদালত এ বিষয়ে সময় ও শর্ত নির্ধারণ করতে পারে, এবং যদি কোনো দলিল বা বই আদালতে উপস্থাপিত হয় এবং তা আটক করার প্রয়োজন হয়, তবে তা আদালতের অফিসারের হেফাজতে রাখা হবে।
২,২১৫.
According to Order 20 Rule 5A, within how many days must a decree be drawn up from the date of pronouncement of the judgment?
  1. 7 days
  2. 10 days
  3. 14 days
  4. 30 days
সঠিক উত্তর:
7 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7 days
ব্যাখ্যা
Order 20 Rule 5A- Time for drawn up a decree:
The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.

আদেশ ২০ বিধি ৫ক: ডিক্রি প্রণয়নের সময়:
রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।
২,২১৬.
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু _________ হলে আদালত অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা থাকে।
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল
  3. অস্থাবর সম্পত্তি
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয়
সঠিক উত্তর:
দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
- কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।

তাই উল্লিখিত প্রশ্নে 'দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল' অপশনটি অধিক গ্রহণযোগ্য।

--------------------
CPC Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
- The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
২,২১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ১৩ক এর অধীন দরখাস্তের সাথে অনধিক কত টাকা খরচ প্রদান করতে হয়?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-

বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
২,২১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, আপিল আদালতের ক্ষমতা নয় কোনটি?
  1. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা
  2. মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ
  3. চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি
  4. মামলা ফৌজদারি আদালতে প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
মামলা ফৌজদারি আদালতে প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা ফৌজদারি আদালতে প্রেরণ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘ) মামলা ফৌজদারি আদালতে প্রেরণ।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১০৭: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।

২,২১৯.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এ মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ২০
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
ব্যাখ্যা

⇒ অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৫ম পরিচ্ছেদ (বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি) এর অধীনে ধারা ২২-এ মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান ও বিস্তারিত বিধান প্রদান করা হয়েছে। এই ধারার বিভিন্ন উপ-ধারায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নির্ধারিত হয়েছে:
- মামলা মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণের সময় (লিখিত জবাব দাখিলের পর)
- মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের পদ্ধতি
- মধ্যস্থতার সময়সীমা (৬০ দিন + সর্বোচ্চ ৩০ দিন বর্ধিত)
- গোপনীয়তা রক্ষা
- সফল নিষ্পত্তিতে কোর্ট ফি ফেরত
- নিষ্পত্তির আদেশের চূড়ান্ততা ইত্যাদি।

অন্য অপশনগুলো:
ক) ধারা ২০ → এই ধারায় সাধারণত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সংক্রান্ত অন্য বিধান রয়েছে (প্রধান মধ্যস্থতার বিধান নয়)।
গ) ধারা ২৪ → আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মধ্যস্থতায় ক্ষমতা অর্পণ সংক্রান্ত।
ঘ) ধারা ২৫ → ৫ কোটি টাকার অধিক দাবির মধ্যস্থতা প্রতিবেদনের অনুমোদন সংক্রান্ত।

- সুতরাং মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান বিধান ধারা ২২-এ রয়েছে।

২,২২০.
আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর অধীন মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে মোকদ্দমা খারিজের কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি-৯ক: বাতিল বা খারিজ সরাসরি রহিতকরণ:
বিধি ৯ বা অন্য কোন কোন আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, বাতিল বা খারিজের ষাট দিনের মধ্যে যদি কোন মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বা স্বত্বনিয়োগী বা কোন দেউলিয়া বাদীর রিসিভার এই আইনের অধীন বাতিল বা খারিজের কোন আদেশকে রহিতকরণের নিমিত্তে আবেদন করে থাকেন, তাহলে আদালতে বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে, বিধি ৯ এর অধীন বর্ণিত বাদীকে যথেষ্ট কারণ বিষয়ে প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না প্রদান করে এরূপ বাতিল বা খারিজ সরাসরি রহিত করতে পারেন, তবে আদালত উপযুক্ত মনে করলে তাকে অনধিক তিন (৩) হাজার টাকার খরচা প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারেন।

২,২২১.
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হইলে আদালত তাহা সংশোধন (Corrected by the Court) করিতে পারে- 
  1. মোকদ্দমার শুরুতে,
  2. যে কোন সময়,
  3. শুনানি কালে,
  4. সংশোধন করিতে পারে না,
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়,
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন। রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders: Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২,২২২.
Which section of the Code of Civil Procedure, 1908 preserves the inherent powers of the Court?
  1. Section 150
  2. Section 151
  3. Section 152
  4. Section 153
সঠিক উত্তর:
Section 151
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 151
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮- ধারা ১৫১: আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সংরক্ষণ-
- এই বিধিতে এমন কিছু নেই যা আদালতের অন্তর্নিহিত (inherent) ক্ষমতা সীমিত করে বা অন্য কোনোভাবে প্রভাবিত করে, যে ক্ষমতার মাধ্যমে আদালত:
- ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারে, অথবা
- আদালতের কার্যপ্রণালীর অপব্যবহার রোধ করতে পারে।
২,২২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে পারে মোকদ্দমা দায়েরের পর-
  1. রায় ঘোষণার পূর্বে
  2. যে কোন সময়
  3. চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
-----------
⇒ Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim. 
২,২২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ১১ অনুসারে আদালত হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়ের জন্য কাকে কমিশন নিযুক্ত করতে পারেন?
  1. মামলার বাদীকে
  2. মামলার বিবাদীকে
  3. যাকে আদালত উপযুক্ত মনে করেন
  4. শুধুমাত্র একজন সরকারি হিসাবরক্ষককে
সঠিক উত্তর:
যাকে আদালত উপযুক্ত মনে করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাকে আদালত উপযুক্ত মনে করেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১১: হিসাব পরীক্ষা কিংবা সমন্বয় করার জন্য কমিশন:
কোন মোকদ্দমায় হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়নের প্রয়োজন হলে আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার নিকট কমিশন প্রেরণ করে উক্ত পরীক্ষা বা সমন্বয়নের নির্দেশ প্রদান করতে পারে।

Rule.-11: Commission to examine or adjust accounts:
In any suit in which an examination or adjustment of accounts is necessary, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such examination or adjustment.
২,২২৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ১৭
সঠিক উত্তর:
১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে।

- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
-------------------------------
-CPC Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, 61[or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
২,২২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৩৯ অনুসারে, কয় ধরনের ব্যক্তি হলফনামা (Affidavit) পরিচালনা করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৩৯ অনুসারে, হলফনামা (অ্যাফিডেভিট) পরিচালনার ক্ষমতা তিন ধরনের ব্যক্তি বা সত্তাকে দেওয়া হয়েছে: (ক) যেকোনো আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট; (খ) সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিয়োগকৃত যেকোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি; (গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত ব্যক্তি।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৯ ধারামতে তিন ধরনের ব্যক্তিগণ হলফনামা পরিচালনা করতে পারে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান: এই কোডের অধীনে কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে—
ক) যে কোন আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা
খ) যে কোন কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রীম কোর্ট এই কাজের জন্য নিয়োগ করতে পারেন, অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণভাবে বা বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন আদালত যে ব্যক্তিকে এই কাজের জন্য নিয়োগ করতে পারেন তারা সাক্ষ্যদাতার শপথ পরিচালনা করেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-139: Oath on affidavit by whom to be administered:
In the case of any affidavit under this Code- 
(a) any Court or Magistrate, or 
(b) any officer or other person whom the Supreme Court may appoint in this behalf, or 
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf, 
may administer the oath to the deponent.

২,২২৭.
জারিতে বাধাদানের ক্ষেত্রে ডিক্রিদারের আবেদনে আদালত দেনাদার বা অপর কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত মেয়াদে দেওয়ানী কয়েদে আটকের আদেশ দিতে পারিবেন?
  1. ২০ দিন,
  2. ৩০ দিন,
  3. ৪৫ দিন,
  4. ৬০ দিন,
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন,
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান: যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন। 
২,২২৮.
মিনস প্রফিট (Means Profit) এর শর্ত হচ্ছে কি?
  1. যেকোনো দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
  2. বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তির উন্নতি লাভ করতে হবে
  3. বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
  4. কোনটিই না
সঠিক উত্তর:
বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুযায়ী সম্পত্তির ওয়াশিলাত(mesne profit) বলতে: বে-আইনী দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তি হতে প্রকৃতপক্ষে যে মুনাফা লাভ করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে মুনাফা লাভ করতে পারত সুদসহ সেই মুনাফা বুঝায়, কিন্তু বে-আইনী দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তির কোন উন্নতি সাধন করে থাকলে ইহার ফলে সৃষ্ট মুনাফা অন্তর্ভুক্ত হবে না।
২,২২৯.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গের ফল কি হতে পারে ?
  1. ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
  2. জরিমানা
  3. দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা
  4. কোনটিই না
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা
ব্যাখ্যা
♦অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করা যায় এবং নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করলে, আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারে এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে অথবা উভয়
২,২৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী, আদালত কী কারণে আলাদা বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারে?
  1. যদি মামলার খরচ বেশি হয়
  2. যদি বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে চায়
  3. যদি বিবাদী মামলা পরিচালনা করতে অক্ষম
  4. যদি বাদীদের একত্রিত করা মামলার বিচারকে জটিল বা বিলম্বিত করে
সঠিক উত্তর:
যদি বাদীদের একত্রিত করা মামলার বিচারকে জটিল বা বিলম্বিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি বাদীদের একত্রিত করা মামলার বিচারকে জটিল বা বিলম্বিত করে
ব্যাখ্যা
→ সংযুক্তি মোকদ্দমায় যদি বাদীদের একত্রিত করা মামলার বিচারকে জটিল বা বিলম্বিত করে,  সেক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।
- সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে- ভিন্ন উপায়ে বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা। যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদিদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ আলাদা বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা:
- যে ক্ষেত্রে আদালতের নিকট ইহা প্রতীয়মান হয় যে বাদীদের একত্রীকরণ মামলার বিচার অনুষ্ঠানে অসুবিধায় ফেলতে বা বিলম্ব ঘটাতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদীগণকে তাদের স্বাধীন ইচ্ছায় রাখতে পারেন বা আলাদা বিচারানুষ্ঠানের আদেশ, প্রদান করতে পারেন অথবা এরূপ আদেশ যা সুবিধাজনক মনে হয়, প্রদান করতে পারেন।
----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-1, Rule-2: Power of Court to order separate trials-
- Where it appears to the Court that any joinder of plaintiffs may embarrass or delay the trial of the suit, the Court may put the plaintiffs to their election or order separate trials or make such other order as may be expedient. 
২,২৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXI এর rule 30A অনুসারে, ডিক্রিদায়িক ডিক্রির অন্তত কত শতাংশ টাকা জমা দিয়ে বন্ড প্রদান করলে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হবে?
  1. ১০%
  2. ১৫%
  3. ২৫%
  4. ৫০%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা

Order XXI এর rule 30A: অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিশেষ বিধান-

(১) এই বিধিতে অন্য কিছু বলা থাকলেও, আদালত ডিক্রিধারীর আবেদনের ভিত্তিতে, যে পরিমাণ টাকা এখনো পরিশোধ হয়নি তার সম্পূর্ণ বা আংশিক আদায়ের জন্য ডিক্রিদায়িককে (Judgment-debtor) দেওয়ানি কারাগারে আটক করতে পারে; তবে মেয়াদ ছয় মাসের বেশি হবে না বা টাকা পরিশোধের দিন পর্যন্ত—যেটি আগে ঘটে।

(২) এই বিধির অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকা ব্যক্তির জীবিকার ব্যয় সরকার বহন করবে।

(৩) নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখার বিধান প্রযোজ্য হবে না— যে নাবালক (অপ্রাপ্তবয়স্ক), মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি, যাকে যোগ্য আদালত দেউলিয়া (insolvent) ঘোষণা করেছে, যিনি মূল ডিক্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তির উত্তরাধিকারসূত্রে প্রতিস্থাপিত হয়েছেন।

(৪) যদি দেওয়ানি কারাগারে আটককৃত ব্যক্তি মোট ডিক্রির অন্তত ২৫% টাকা জমা দেয় এবং অবশিষ্ট টাকা ৬০ দিনের মধ্যে দেওয়ার জন্য একটি বন্ড প্রদান করে, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দেবে। কিন্তু যদি সেই ব্যক্তি বন্ডে উল্লেখিত শর্ত অনুযায়ী অবশিষ্ট টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে।

(৫) কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) বা (৪)-এর অধীনে দেওয়ানি কারাগারে সর্বোচ্চ মেয়াদ পর্যন্ত আটক থাকলে, সেই একই ডিক্রির একই কার্যকরী প্রক্রিয়ায় বা একই ডিক্রি থেকে উদ্ভূত অন্য কোনো কার্যকরী প্রক্রিয়ায় তাকে পুনরায় গ্রেফতার বা আটক করা যাবে না।

(৬) কোনো ব্যক্তি এই বিধির অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আংশিক বা সম্পূর্ণ মেয়াদ ভোগ করলেও, তার ওপর ডিক্রির বাকি টাকা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে এবং তিনি সেই অর্থ পরিশোধ থেকে অব্যাহতি পাবেন না।

২,২৩২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪১ বিধি ১৭(২) অনুযায়ী, আপিলকারী হাজির থাকলেও রেসপন্ডেন্ট অনুপস্থিত থাকলে কী হবে?
  1. শুনানি বন্ধ থাকবে
  2. আপিল খারিজ হয়ে যাবে
  3. একতরফাভাবে শুনানি চলবে
  4. মামলাটি পুনরায় নোটিশ দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে শুনানি চলবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে শুনানি চলবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
২,২৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে বলা হয়েছে যে বিদেশে অবস্থানরত সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন হলে আদালত কমিশন বা ‘Letter of Request’ ইস্যু করতে পারে?
  1. আদেশ ২৬, বিধি ৪
  2. আদেশ ২৬, বিধি ৫
  3. আদেশ ২৬, বিধি ৬
  4. আদেশ ২৬, বিধি ৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৬, বিধি ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৬, বিধি ৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬-এর বিধি ৫-এ স্পষ্টভাবে লেখা আছে: যদি কোনো সাক্ষী বাংলাদেশের বাইরে (অর্থাৎ বিদেশে) থাকেন এবং তার সাক্ষ্য মামলার জন্য খুব দরকারি হয়, তাহলে বাংলাদেশের আদালত দুটি জিনিসের যেকোনো একটা করতে পারে:
১) কমিশন জারি করতে পারে (যেমন অন্য দেশের আদালতে পাঠানো), অথবা
২) Letter of Request (অর্থাৎ আনুষ্ঠানিক চিঠি) পাঠাতে পারে।
- এই চিঠি বা কমিশন পেয়ে বিদেশের আদালত সেই সাক্ষীকে ডেকে তার জবানবন্দি নেবে এবং বাংলাদেশের আদালতে পাঠিয়ে দেবে।

অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬-এর বিধি ৫ অনুসারে বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রয়োজন হলে আদালত কমিশন (commission) বা অনুরোধপত্র (letter of request) জারি করতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-26 Rule-5.Commission or Request to examine witness not within Bangladesh:
- Where any Court to which application is made for the issue of commission for the examination of a person residing at any place not within Bangladesh is satisfied that the evidence of such person is necessary, the Court may issue such commission or a letter of request. 

২,২৩৪.
বাদী কর্তৃক সমন জারির খরচা প্রদানের ব্যর্থতার জন্য বিবাদির উপর সমন জারি করা না হলে, উক্ত দেওয়ানি মোকদ্দমা কী করা যেতে পারে?
  1. খারিজ
  2. স্থগিত
  3. মুলতবি
  4. একতরফা নিষ্পত্তি
সঠিক উত্তর:
খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-২:
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।
২,২৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে আরজি/জবাবের অপ্রয়োজনীয় অংশ কর্তনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. আদেশ ৬, বিধি ১৫
  2. আদেশ ৬, বিধি ১৬
  3. আদেশ ৬, বিধি ১৭
  4. আদেশ ৬, বিধি ১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৬
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.

২,২৩৬.
ডিক্রির তারিখ থেকে কত বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে নোটিশ দিতে হয়?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।

• The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases):

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i) ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।

তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
২,২৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XLI, Rule 21 অনুযায়ী আপিল কতবার পুনর্বিচার করা যাবে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. অসংখ্যবার
সঠিক উত্তর:
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XLI, Rule 21 এ সংশোধনের পর যুক্ত করা হয়েছে একটি নতুন proviso যা নির্দেশ করে যে, একই আপিল বিষয়ে পুনর্বিচার (re-hearing) শুধুমাত্র একবারই করা যাবে।
অর্থাৎ, একই বিষয়ে দ্বিতীয়বার বা তার বেশি পুনর্বিচার করার সুযোগ নেই। এর মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রিতা ও অপচয় রোধ করা হয় এবং দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৪১ বিধি-২১ আনুযায়ী আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি করা হলে এবং রায় ঘোষণা করা হলে আপিলটি পুনঃশুনানির জন্য প্রতিবাদী (Respondent) যদি আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করে যে নোটিশটি যথারীতি জারি হয়নি বা যথেষ্ট কারণে উপস্থিত হতে পারেনি তাহলে আদালত আপিলটি পুনরায় শ্রবণ করবেন। 
- তবে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 দ্বারা এই বিধির সংশোধন এনে বলা হয়েছে:
"Provided that no Appeal shall be re-heard more than once under this rule."
অর্থাৎ, একবারের বেশি আপিল পুনর্বিচার করা যাবে না। পূর্বে একাধিকবার পুনর্বিচারের সুযোগ থাকলেও এই সংশোধনীর মাধ্যমে তা সীমিত করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: ক) ১ বার।
২,২৩৮.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় কোন ধারার বিধান অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত সংশোধনের আবেদন করতে হয়?
  1. ১৫২ ধারা
  2. ১৫৩ ধারা
  3. ১৪৪ ধারা
  4. ১৫৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী মোকদ্দমায় ১৫৩ ধারার বিধান অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত সংশোধনের আবেদন করতে হয়।

⇒ ১৫৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আদেশ ৬ রুল ১৭ অনুসারে আরজি ও লিখিত বর্ণনা সংশোধনের বিধান আছে। অন্যান্য দরখাস্ত ১৫৩ ধারার ক্ষমতাবলে সংশোধন করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে - কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।

অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
----------------
⇒ CPC Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
২,২৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ XXIII, বিধি ১ অনুযাযী, বাদী কখন মামলা প্রত্যাহার করতে বা তার দাবির অংশ পরিত্যাগ করতে পারবেন?
  1. শুধুমাত্র মামলা দায়ের সময়
  2. বিবাদীর সম্মতি নিয়ে
  3. মামলা দায়ের পর যেকোনো সময়
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের পর যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের পর যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ১ অনুসারে:“মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারেন।”
- অর্থাৎ, মামলা দায়েরের পর যেকোনো সময় বাদী তার মামলা প্রত্যাহার করতে বা দাবির অংশ পরিত্যাগ করতে পারেন।
- তবে যদি বাদী পরবর্তীতে একই বিষয় নিয়ে নতুন মামলা করতে চান, তাহলে আদেশ-২৩, বিধি-১ অনুসারে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.

২,২৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ এর বিধান অনুযায়ী বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়?
  1. ১০ দিনের
  2. ৩০ দিনের
  3. ৭ দিনের
  4. ১৫ দিনের
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ এর বিধান মতে বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

- প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-11 Rule-1: Discovery by interrogatories:
In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may [, within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories when delivered shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons in required to answer: Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose: Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral crossexamination of a witness.
২,২৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ২২ অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক?
  1. ডিক্রি জারির আবেদন দাখিলের ৬ মাস পর
  2. ডিক্রি জারির আবেদন দাখিলের ১ বছর পর
  3. ডিক্রির তারিখ থেকে ১ বছর পর ডিক্রি জারি করা হলে
  4. ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে
ব্যাখ্যা
উত্তর: ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases): নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i) ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।
তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।

⇒ আদেশ-২১, বিধি-২২: ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথা- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়। ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-22: Notice to show cause against execution in certain cases:
(1) Where an application for execution is made−
(a) more than two years after the date of the decree, or
(b) against the legal representative of a party to the decree,
or where an application is made for execution of a decree filed under the provisions of section 44A, the Court executing the decree shall issue a notice to the person against whom execution is applied for requiring him to show cause, on a date to be fixed, why the decree should not be executed against him:
Provided that no such notice shall be necessary in consequence of more than two years having elapsed between the date of the decree and the application for execution if the application is made within two years] from the date of the last order against the party against whom execution is applied for, made on any previous application for execution, or in consequence of the application being made against the legal representative of the judgment-debtor, if upon a previous application for execution against the same person the Court has ordered execution to issue against him.
(2) Nothing in the foregoing sub-rule shall be deemed to preclude the Court from issuing any process in execution of a decree without issuing the notice thereby prescribed, if, for reasons to be recorded, it considers that the issue of such notice would cause unreasonable delay or would defeat the ends of justice.
(3) No order of execution of the decree shall be invalid by reason of the omission to issue a notice under sub-rule (1) or to record reasons in a case where notice is dispensed with under sub-rule (2) unless the judgment-debtor has sustained substantial injury by reason of such omission.
২,২৪২.
আদেশ ৯ বিধি ১৩ এর অধীন- এক তরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে ডিক্রি রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল দায়ের করতে পারে
  2. নতুন আবেদন দাখিল করতে হবে
  3. নতুন মামলার আবেদন করতে হবে
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি;
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।

⇒ আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী,
একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে, আপিল করা যাবে (বিধি-১, আদেশ-৪৩); আবেদন মঞ্জুর হলে রিভিশন করা যায়।
২,২৪৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩ অনুসারে কোনটি সঠিক?
  1. স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
  2. স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  3. স্মল কজ আদালত অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
ব্যাখ্যা
Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property.
Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
২,২৪৪.
প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক হলে তা জারির কত দিনের মধ্যে কর্তনের (striking out) আবেদন করতে হয়?
  1. ১৪ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক হলে প্রশ্নমালা জারির ৭ দিনের মধ্যে কর্তনের (striking out) আবেদন করতে হয়।

• আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১নং আদেশে এই সংক্রান্ত বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১১ বিধি-৭ঃ প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন-
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে—এ অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, কিংবা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন আবেদন করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের মধ্যে পেশ করা যেতে পারে।

Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories-
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
২,২৪৫.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে প্রদত্ত আপস ডিক্রির কারণে কোন পক্ষ সংক্ষুদ্ধ হলে, তার প্রতিকার নিম্নের কোনটি?
  1. জেলা জজ আদালতে আপিল
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  3. জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে,
মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
-------------------
- CPC Section 89A(12):
No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
২,২৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫ক অনুসারে, মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ হতে পারে?
  1. ২০,০০০ টাকা
  2. ৩০,০০০ টাকা
  3. ৫০,০০০ টাকা
  4. ১,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure (CPC) এর ধারা ৩৫ক: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষার জন্য ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
(১) যদি কোনো মোকদ্দমা বা অন্য কোনো কার্যধারা (যেমনঃ পরিপালন কার্যধারা), যা আপিল নয়, তাতে কোনো পক্ষ কোনো দাবি বা প্রতিরক্ষার (বা তার কোনো অংশের) বিরুদ্ধ অভিযোগ করেন যে, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষা মিথ্যা বা হয়রানিমূলক, এবং পরবর্তীতে যদি সেই দাবি বা প্রতিরক্ষা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাতিল হয়, তাহলে আদালত, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষাকে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক বলিয়া ঘোষণার কারণসমূহ লিখিতভাবে উল্লেখ করিয়া, অভিযোগকারী পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে খরচ প্রদানের আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অতিক্রম না করিয়া, সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হইতে পারিবে।
(২) এই ধারায় যাহার বিরুদ্ধে খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া হইবে, সে ব্যক্তি কেবল উক্ত আদেশের কারণে তার দায়িত্বরত কোনো ফৌজদারি দায় হইতে অব্যাহতি পাইবেন না, যদি তিনি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা প্রদান করেন।
(৩) এই ধারায় প্রদত্ত খরচের পরিমাণ পরবর্তীকালে ক্ষতিপূরণ বা ক্ষতির দাবিতে দায়েরকৃত যেকোনো মোকদ্দমায় বিবেচনায় নেওয়া হইবে, যদি সেই মোকদ্দমা একই মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত হয়।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।

২,২৪৭.
X, Y-এর বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করে এবং শুনানির জন্য মামলাটি ডাকা হলে কোনো পক্ষই আদালতে উপস্থিত হয়নি। আদালত Order 9, Rule 3 অনুযায়ী মামলাটি খারিজ করে দেয়। এক্ষেত্রে 'X'-
  1. নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে
  2. খারিজের আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারবে
  3. (ক) বা (খ)
  4. কোনো প্রতিকার পাবে না
সঠিক উত্তর:
(ক) বা (খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(ক) বা (খ)
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।

আদেশ ৯ বিধি ৪: বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে কিংবা আদালত কোন মোকদ্দমা পুনরায় চালু করতে পারবে:
উপরোক্ত ২ অথবা ৩ বিধি অনুযায়ী মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে; কিংবা খারিজের আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারবে; উক্ত ক্ষেত্রে বাদী যদি আদালতের সন্তুষ্টিক্রমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোর্ট ফি কিংবা সমন জারির ডাক মাশুল (যদি লাগে) দিতে না পারার বা উপস্থিত হতে না পারার যথেষ্ট কারণ দর্শাতে পারে, তবে আদালত মোকদ্দমার খারিজ রদের আদেশ দান করবে এবং মোকদ্দমার কার্যপদ্ধতি পরিচালনার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবে।

Order 9 Rule 4: Plaintiff may bring fresh suit or Court may restore suit to file:
Where a suit is dismissed under rule 2 or rule 3, the plaintiff may (subject to the law of limitation) bring a fresh suit or he may apply for an order to set the dismissal aside, and if he satisfies the Court that there was sufficient cause for his not paying the court-fee and postal charges (if any) required within the time fixed before the issue of the summons, or for his non- appearance, as the case may be, the Court shall make an order setting aside the dismissal and shall appoint a day for proceeding with the suit.
২,২৪৮.
কোন মামলার এবেটের আদেশ রদের জন্য মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধি সরাসরি দরখাস্ত করতে পারে-
  1. ১৫ দিনের মধ্যে
  2. ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ৬০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ (Directly setting aside abatement or dismissal): বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
২,২৪৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে পদাধিকারবলে কৃত কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তা গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি পাবেন?
  1. ৭৭
  2. ৭৯
  3. ৮১
  4. ৮৩
সঠিক উত্তর:
৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮১ ধারার বিধান: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যহতি:
-পদাধিকারবলে কৃত কোন কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-তাকে ডিক্রি জারি ব্যতীত গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না। আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারে।
----------------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-81. Exemption from arrest and personal appearance:
-In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity- 
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and, 
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
২,২৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী "দাবী-সমন্বয় (Set-off)" বলতে কী বোঝায়?
  1. বিবাদীর নতুন মামলা দায়ের
  2. আদালতের রায় পরিবর্তন
  3. মামলা স্থগিত করার আবেদন
  4. বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন
সঠিক উত্তর:
বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন।

⇒ দাবী-সমন্বয় (Set-off) হলো দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ -এর Order VIII, Rule 6-এ বর্ণিত একটি আইনি প্রক্রিয়া, যেখানে:
বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদী তার নিজস্ব আইনগতভাবে প্রাপ্য দাবি উত্থাপন করতে পারে।
এটি একই মামলায় উভয় পক্ষের আর্থিক দাবির সমন্বয় করে, যাতে আদালত একই রায়ে উভয় দাবি নিষ্পত্তি করতে পারে।

প্রয়োজনীয় শর্তাবলী:
- দাবী নির্দিষ্ট ও পরিশোধযোগ্য (ascertained money) হতে হবে।
- উভয় পক্ষের দাবি একই বৈশিষ্ট্যের হতে হবে ।
- দাবীর পরিমাণ আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের মধ্যে থাকতে হবে।
উদাহরণ:
বাদী বিবাদীর কাছ থেকে ৫০,০০০ টাকা দাবি করলে, বিবাদী যদি বাদীর কাছ থেকে ৩০,০০০ টাকা পাওনা থাকে, তাহলে সে দাবী-সমন্বয় করে মাত্র ২০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হতে পারে।

- দাবী-সমন্বয় হলো বিবাদীর জন্য একটি সুযোগ, যাতে সে বাদীর দাবি খণ্ডন করার পাশাপাশি নিজের দাবিও আদায় করতে পারে।
২,২৫১.
কালেক্টরকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালতকে কোন শর্ত পালন করতে হবে?
  1. সম্পত্তির মালিকের সম্মতি থাকতে হবে
  2. কালেক্টরের সম্মতি থাকতে হবে
  3. সরকারকে কর প্রদান করতে হবে
  4. সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরের সম্মতি থাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরের সম্মতি থাকতে হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি ৫: যখন কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়:
যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী ভূমি বা উক্ত ভূমির রাজস্ব হস্তান্তরিত বা মুক্ত করা হয়ে থাকে এবং আদালত যদি মনে করেন যে, কালেক্টর কর্তৃক ব্যবস্থপনা চালিত হলে সংশ্লিষ্ট সকলের স্বার্থ রক্ষা হবে, সেক্ষেত্রে আদালত কালেক্টরের সম্মতিক্রমে তাকে উক্ত সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
২,২৫২.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত কালেক্টরকে সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারে?
  1. যখন সম্পত্তিটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন
  2. যখন সম্পত্তিটি অব্যবহৃত থাকে
  3. যখন সম্পত্তিটির মূল্যমান অত্যাধিক হয়
  4. যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ৫-
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি, অথবা এমন জমি যার রাজস্ব বরাদ্দ বা মুক্ত করা হয়েছে, এবং আদালত মনে করে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বার্থ কালেক্টরের ব্যবস্থাপনায় উন্নত হবে, তখন আদালত কালেক্টরের সম্মতিতে তাকে সেই সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারে।

Order 40 Rule 5- When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
২,২৫৩.
আদালতের অনুমতি ছাড়া বাদী কোন ক্ষেত্রে আরজির সাথে দাখিল না করা দলিল পরবর্তীতে দাখিল করতে পারবেন?
  1. যেসব দলিল বিবাদীর সাক্ষীকে জেরা করার জন্য দাখিল করা হয়
  2. বিবাদী কর্তৃক উত্থাপিত কোনো বিষয়ের উত্তর প্রদানের জন্য দলিল
  3. যেসব দলিল কেবলমাত্র কোনো সাক্ষীকে তার স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য দাখিল করা হয়
  4. উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒  বাদী আরজির সাথে কি কি কাগজপত্র বা দলিল দাখিল করবে তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১৪ থেকে ১৭ বিধি পর্যন্ত আলোচনা করা হয়েছে।
- বাদী যেসব দলিলের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করে, তা দাখিলকরণ : বাদী যেসব দলিলের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করে, তা আরজির সাথে দাখিল করতে হবে।বাদী তার দাবির সমর্থন পূর্বক প্রমাণ হিসেবে অন্য কোন দলিলের উপর নির্ভর করলে এবং তা তার হস্তগত বা আওতাধীনে না থাকলে, সে ক্ষেত্রে উক্ত দলিলসমূহের একটি তালিকা প্রস্তুত করবে এবং উক্ত দলিল করি দখলে বা হস্তগত তা উল্লেখ করে আরজির সাথে যুক্ত করবে। (বিধি ১৪,১৫)

- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের বিধি-১৮ তে আরজি দাখিলের সময় যে সকল দলিল দাখিল করা হয়নি, তার অগ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বলা হয়েছে যে-
আরজির সাথে বাদী যে সকল দলিল দাখিল করেনি, আদালত সে সকল দলিল পরবর্তীতে দাখিলের অনুমতি দিবেনা। বিশেষ প্রেক্ষাপটে আদালত এমন দলিল দাখিলের অনুমতি দিতে পারে।তবে, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বাদী আদালতের অনুমতি ছাড়া দলিলসমূহ দাখিল করতে পারবে-
১. যেসব দলিল বিবাদির সাক্ষীকে জেরা করার জন্য দাখিল করা হয় বা
২. বিবাদী কর্তৃক উত্থাপিত কোন বিষয়ের উত্তর প্রদানের জন্য যে সব দলিল আদালতে হাজির করা
৩. যেসব দলিল কেবলমাত্র কোন সাক্ষীকে তার স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য দাখিল করা হয়।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 7 Rule 18: Inadmissibility of document not produced when plaint filed-
(1) A document which ought to be produced in Court by the plaintiff when the plaint is presented, or to be entered in the list to be added or annexed to the plaint, and which is not produced or entered accordingly, shall not, without the leave of the Court, be received in evidence on his behalf at the hearing of the suit
Provided that the Court shall not grant such leave save in exceptional circumstances.
(2) Nothing in this rule applies to documents produced for cross-examination of the defendant's witnesses, or in answer to any case set up by the defendant or handed to a witness merely to refresh his memory.
২,২৫৪.
২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী, দেওয়ানি কারাগারে আটক জজমেন্ট-ডেবটরকে মুক্তি দেওয়া হবে যদি তিনি ডিক্রিকৃত অর্থের কমপক্ষে _______  জমা দেন এবং বাকি অর্থ ৬০ দিনের মধ্যে প্রদানের জন্য বন্ড দেন।
  1. ১০ শতাংশ
  2. ২৫ শতাংশ
  3. ৫০ শতাংশ
  4. ৭৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
২৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XXI, Rule 30A(4) অনুসারে, ২০২৫ সালের সংশোধনী দ্বারা সন্নিবেশিত বিধান মতে, যদি কোনো বিচারিক দেনাদার (জজমেন্ট-ডেবটর) দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকাকালীন ডিক্রিকৃত অর্থের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ আদালতে জমা দেন এবং অবশিষ্ট অর্থ ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধের জন্য একটি বন্ড জমা দেন, তাহলে আদালত তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দিতে বাধ্য থাকবে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ২৫ শতাংশ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৩০ক বিধিতে নতুন সন্নিবেশিত হয়েছে। অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য বিশেষ বিধান (Special provisions for execution of decree for money):
(১) এই কোডে যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, ডিক্রিধারীর আবেদনের ভিত্তিতে আদালত রায় দেনাদারকে সম্পূর্ণ বা অপরিশোধিত ডিক্রিকৃত অর্থের কোনো অংশের জন্য অনূর্ধ্ব ছয় মাসের জন্য অথবা অর্থ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত, যেটি আগে ঘটবে, দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখতে পারেন।
(২) এই কোডের অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আটক রায় দেনাদারের ভরণপোষণের জন্য ব্যয় সরকার বহন করবে।
(৩) দেওয়ানি কারাগারে আটকের বিধান কোনো নাবালক বা বিকৃতমস্তিষ্ক রায় দেনাদারের ক্ষেত্রে অথবা যিনি কোনো উপযুক্ত আদালত দ্বারা দেউলিয়া (insolvent) ঘোষিত হয়েছেন অথবা যিনি উত্তরাধিকারসূত্রে মূল রায় দেনাদারের উত্তরাধিকারী হিসাবে স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যদি দেওয়ানি কারাগারে থাকা রায় দেনাদার ৬০ দিনের মধ্যে বাকি অর্থ পরিশোধের জন্য একটি মুচলেকা (bond) সহ ডিক্রিকৃত অর্থের অনূ্যন ২৫% জমা দেন, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দেবেন এবং যদি রায় দেনাদার মুচলেকাতে বর্ণিত শর্ত অনুযায়ী বাকি ডিক্রিকৃত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি পুনরায় গ্রেপ্তার এবং আরও ছয় মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকার জন্য দায়ী হবেন।
(৫) যদি কোনো রায় দেনাদার উপ-বিধি (১) বা (৪) এর অধীনে দেওয়ানি কারাগারে সম্পূর্ণ মেয়াদের জন্য আটক থাকেন, তাহলে তাকে একই জারি কার্যধারায় বা একই ডিক্রি থেকে উদ্ভূত অন্য কোনো জারি কার্যধারায় পুনরায় গ্রেপ্তার বা দেওয়ানি কারাগারে আটক করা যাবে না।
(৬) যদি কোনো রায় দেনাদার এই বিধির অধীনে দেওয়ানি আটকের সম্পূর্ণ বা আংশিক মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকেন, তাহলে তিনি ডিক্রির অপরিশোধিত অর্থ পরিশোধ করা থেকে অব্যাহতি পাবেন না।

২,২৫৫.
দেওয়ানি কার্যধারার কোনো ত্রুটি সংশোধনের জন্য আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করেন The Code of Civil Procedure, 1908 এর-
  1. ১৫১ ধারায়
  2. ১৫২ ধারায়
  3. ১৫৩ ধারায়
  4. ১১৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে - কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।

অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
----------------
⇒ CPC Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
২,২৫৬.
বাদী তার মামলার আরজিতে দীর্ঘ ও অপ্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করেছেন, যা মামলার বিচার প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করতে পারে। এক্ষেত্রে, দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬ এর অধীন আদালতের করণীয় কী?
  1. বাদীর বিরুদ্ধে জরিমানা ধার্য করবেন
  2. বাদীর মামলা খারিজ করবেন
  3. বাদীকে নতুনভাবে আরজি দাখিল করতে বলবেন
  4. অপ্রয়োজনীয় অংশ কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অপ্রয়োজনীয় অংশ কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রয়োজনীয় অংশ কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
২,২৫৭.
আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন দেয়া হয়েছে
  2. কোনো পক্ষ যে সকল সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে, তা কারণ ছাড়া দাখিল করতে ব্যর্থ হয়েছে
  3. ক এবং খ
  4. পক্ষদ্বয় আবেদন করলে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন দেওয়া হয়েছে এবং কোন পক্ষ যে সকল সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে সেটা দাখিল করতে কোন কারণ ছাড়া উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে।

আদেশ ১৫ বিধি ৪ মতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন বা আদালত সঙ্গত মনে করলে- উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে,এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

[Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment or may if it thinks fit,after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.]
২,২৫৮.
Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৫৬ অনুযায়ী, কোন ধরনের ডিক্রি কার্যকরে আটক বা গ্রেফতার করা যাবে না?
  1. বাটোয়ারার ডিক্রি
  2. নিলাম বিক্রির ডিক্রি
  3. অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
  4. দখল হস্তান্তরের ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
ব্যাখ্যা

Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৫৬- অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকরে নারীদের গ্রেফতার বা আটক নিষিদ্ধ:
এই অধ্যায়ে অন্য যেই কিছুই বলা থাকুক না কেন, আদালত কোনো বৃদ্ধা, দুর্বল, গর্ভবতী বা স্তন্যপান করানো নারীকে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকরে দেওয়ানি কারাগারে আটক বা গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করতে পারবে না।

[Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of an old, infirm, pregnant or breast-feeding woman in execution of a decree for the payment of money.]

২,২৫৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-১২ অনুসারে, কোনটি রায় পূর্বে ক্রোকের আওতাভুক্ত নয়?
  1. কৃষকের কৃষিপণ্য
  2. শিল্পকারখানা
  3. বাড়িঘর
  4. গাড়ি
সঠিক উত্তর:
কৃষকের কৃষিপণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষকের কৃষিপণ্য
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-১২ অনুযায়ী, রায়ের পূর্বে (অর্থাৎ বিচার শেষ হওয়ার আগেই) কৃষক বা কৃষিজাত মালিকের মালিকানাধীন কৃষি উৎপাদন (agricultural produce) ক্রোক করা যাবে না। অর্থাৎ, কৃষকের দখলে থাকা কোনো কৃষিপণ্য (agricultural produce) রায় পূর্বে ক্রোকের আওতাভুক্ত নয়।
অন্যদিকে, খ) শিল্পকারখানা, গ) বাড়িঘর, ঘ) গাড়ি - অন্য শর্ত পূরণ করলে রায়ের পূর্বেও ক্রোকের আওতায় আসতে পারে। কিন্তু কৃষকের কৃষিপণ্য রায়ের পূর্বে ক্রোক করা নিষিদ্ধ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদীকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-38 Rule-12: Agricultural produce not attachable before judgment:
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.

২,২৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-১২ অনুসারে, রায়ের পূর্বে কোনটি ক্রোক করা যায় না?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. কৃষি উৎপাদন
  4. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
সঠিক উত্তর:
কৃষি উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি উৎপাদন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-১২ অনুযায়ী, রায়ের পূর্বে (অর্থাৎ বিচার শেষ হওয়ার আগেই) কৃষক বা কৃষিজাত মালিকের মালিকানাধীন কৃষি উৎপাদন (agricultural produce) ক্রোক করা যাবে না। এই বিধানটি কৃষকদের অধিকার সুরক্ষার জন্য এবং তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থাবর (immovable) বা অস্থাবর (movable) সম্পত্তি, বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অন্য শর্ত পূরণ করলে রায়ের পূর্বেও ক্রোকের আওতায় আসতে পারে। কিন্তু কৃষি উৎপাদনকে রায়ের পূর্বে ক্রোক করা নিষিদ্ধ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদীকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-38 Rule-12.Agricultural produce not attachable before judgment:
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.
২,২৬১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৮ বিধি ৪ অনুযায়ী জামানতের পরিমাণ ৫০ টাকার বেশি হলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ডাদেশ দিতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ৬ সপ্তাহ
  3. ৩ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮, বিধি ৪ অনুযায়ী:
যদি বিবাদীকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আদালত নিম্নোক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারবেন:
১. যদি জামানতের পরিমাণ ৫০ টাকার বেশি হয়, তাহলে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হবে।
২. আর যদি জামানতের পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার কম হয়, তাহলে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ সপ্তাহের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হবে।

এই বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো বিবাদীকে জামানত প্রদানে বাধ্য করা, যাতে তিনি মামলা থেকে পালিয়ে না যেতে পারেন। দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকার মাধ্যমে জামানত প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া হয়।
২,২৬২.
পক্ষগণ মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন করতে ব্যর্থ হলে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবেন?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১০ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ২১ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, যদি লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালত মামলাটি মধ্যস্থতার জন্য পাঠান এবং পক্ষগণ ১০ (দশ) দিনের মধ্যে কোনো মধ্যস্থতাকারী (Mediator) নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে নিজে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবেন।

- অর্থাৎ পক্ষগণ যদি মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন করতে না পারে, তাহলে আদালত বাধ্যতামূলকভাবে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section: 89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
২,২৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০ অনুযায়ী, আদালত কোন পরিস্থিতিতে আরজি ফেরত দিতে পারে?
  1. আদালত যদি মামলার খরচ বেশি মনে করে
  2. আদালত যদি মামলার তথ্য অপ্রতুল মনে করে
  3. আদালত যদি মামলার প্রমাণ অসম্পূর্ণ মনে করে
  4. আদালত যদি মনে করে যে মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার নেই
সঠিক উত্তর:
আদালত যদি মনে করে যে মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত যদি মনে করে যে মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০ অনুযায়ী, "আদালত যদি মনে করে যে মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার নেই" তখন আরজি ফেরত দিতে পারে।
- অর্থাৎ এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
- আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

⇒দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
(২) যখন আরজি ফেরত দেওয়া হয়, বিচারক তার ওপর আরজির দাখিলের এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারী পক্ষের নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-7, Rule-10. Return of plaint:
(1) The plaint shall at any stage of the suit be returned to be presented to the Court in which the suit should have been instituted.
-(2) Procedure on returning plaint:
 On returning a plaint the Judge shall endorse thereon the date of its presentation and return, the name of the party presenting it, and a brief statement of the reasons for returning it.
২,২৬৪.
Which of the followings is not a 'Decree'?
  1. Rejection of a plaint
  2. Dismissal for default
  3. Determination of any question within section 144
  4. Both 'B' & 'C'
সঠিক উত্তর:
Dismissal for default
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dismissal for default
ব্যাখ্যা
• Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.

 দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।
২,২৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে কোন ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগ দেয়া যায় না?
  1. স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
  2. স্থানীয় তদন্তের জন্য
  3. বাটোয়ারা করার জন্য
  4. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে-
(১) সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য;
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য;
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য;
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
অর্থাৎ স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য ৭৫ ধারায় কমিশন নিয়োগ দেয়ার বিধান নেই।
-------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75:- Power of Court to issue commissions:
-Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts; or
(d) to make a partition.
২,২৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল পর্যায়ে মধ্যস্থতার (Mediation in Appeal) বিধান রয়েছে?
  1. ৮৯ক
  2. ৮৯খ
  3. ৮৯গ
  4. ৮৯ঘ
সঠিক উত্তর:
৮৯গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৯গ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ (Section 89C) আপিল আদালতে মধ্যস্থতার (mediation in appeal) বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আদেশ ৪১ এর অধীন কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হয় এবং তা মূল পক্ষগণ বা তাদের স্থলাভিষিক্তদের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা অন্য কারো মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে।

অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৮৯গ (Section 89C) ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal):
- যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
- (1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.
- (2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

২,২৬৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ৭ রুল ১১-এর বিধান মতে আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত মূলত: একটি-
  1. আদেশ
  2. রায়
  3. ডিক্রি
  4. চূড়ান্ত ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন(আরজি প্রত্যাখান) এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি।
 
• ধারাঃ ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে।উল্লেখ্য যে-
আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান এবং
১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।
২,২৬৮.
সর্বপ্রথম কখন সিভিল কোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়?
  1. ১৮৬৯ সালে
  2. ১৮৫৯ সালে
  3. ১৮৮৯ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৮৫৯ সালে প্রথম সিভিলকোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়।

১৮৫৯ সালের পূর্বে দেওয়ানি আইন ছিল না, এই সালেই সর্বপ্রথম দেওয়ানি আইন প্রণয়ন/ বিধিবদ্ধ/Codified করা হয়। এই আইনের ধারা ছিল- ৩৮৮টি।
পরবর্তীতে আরো দুই বার দেওয়ানি সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা হয়। সর্বশেষ দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ প্রণয়ন করা হয় করা হয়, যা বর্তমানে বলবৎ আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮:
পূর্বে প্রণীত দেওয়ানি সম্পর্কিত আইনগুলোকে একত্রীকরণ, সংশোধন ও পরিবর্তন করে চূড়ান্তভাবে ২১ মার্চ ১৯০৮ তারিখে (Act No. V) প্রণয়ন করা হয়; যা ১ জানুয়ারি ১৯০৯ হতে কার্যকর করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ধারা ১৫৮টি এবং মোট অর্ডার বা আদেশ রয়েছে ৫১টি।
২,২৬৯.
According to Order 20 Rule 1, if the judgment is not pronounced immediately after hearing, when should it be pronounced?
  1. Within 5 days
  2. Within 7 days
  3. Within 10 days
  4. Within 14 days
সঠিক উত্তর:
Within 7 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Within 7 days
ব্যাখ্যা
• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
২,২৭০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১। মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২। দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩। ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যে কোন পক্ষ তার প্লিডিংসের (আরজি বা লিখিত জবাবের) মাধ্যমে বা লিখিত অন্য কোন উপায়ে অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিক অংশের সত্যতা স্বীকার করতে পারে। অথবা অপর পক্ষকে মোকদ্দমার উদ্দেশ্যে নোটিশে উল্লেখিত কোন তথ্যকে স্বীকার করার জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিয়ে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। [আদেশ ১২ বিধি ১]।

দলিল স্বীকারের নোটিশ:
নোটিশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করার জন্য মোকদ্দমার একপক্ষ অন্য পক্ষকে আহ্বান করতে পারে [আদেশ ১২ বিধি ২]

ঘটনা স্বীকারের নোটিশ:
কোন পক্ষ শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনের পূর্বের ৯ দিনের মধ্যে যে কোন সময় মোকদ্দমার উদ্দেশ্যে নোটিশে উল্লেখিত কোন তথ্যকে স্বীকার করার জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিয়ে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। [আদেশ ১২ বিধি ৪] স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে আদালত রায় বা আদেশ দিতে পারে।
২,২৭১.
বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করার সময়সীমা কত?
  1. মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন
  2. লিখিত জবাব দাখিলের ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ক বা খ এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে
  4. ক বা খ এর মধ্যে যেটি পরে ঘটে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ এর মধ্যে যেটি পরে ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ এর মধ্যে যেটি পরে ঘটে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৪ বিধি ১- বিচার্য বিষয় প্রণয়ন:
১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত জবাব দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
২,২৭২.
'ক', একটি জমির মালিকানার উপর ভিত্তি করে 'খ' এর বিরুদ্ধে দখল প্রাপ্তির মোকদ্দমা দায়ের করে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে 'ক', উক্ত সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য 'খ' এর বিরুদ্ধে আরো একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে ২য় মোকদ্দমাটি কোন নীতি অনুসারে বারিত হবে?
  1. Res sub-judice
  2. Constructive Res judicata
  3. Constructive Res sub-judice
  4. কোনো নীতি অনুসারেই বারিত হবে না
সঠিক উত্তর:
Constructive Res judicata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Constructive Res judicata
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।

• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে,
''পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।''
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].

অর্থাৎ পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।

প্রথম মামলাটি মালিকানার ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছিল যা আদালত খারিজ করেছে। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, যা প্রথম মামলায় আত্মপক্ষসমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারতো। তাই, ২য় মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোবারা দোষ/পরোক্ষ রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে।
২,২৭৩.
আদেশ ৪০, বিধি ৪ অনুসারে সম্পত্তি বিক্রির পর অবশিষ্ট টাকা কাকে প্রদান করা হবে?
  1. রিসিভারকে
  2. আদালতকে
  3. মূল মামলার বাদীকে
  4. সরকারের কোষাগারে জমা হবে
সঠিক উত্তর:
রিসিভারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভারকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।
২,২৭৪.
ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সমন পাঠানোর খরচ কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বাদী
  3. বিবাদী
  4. আদালত নির্ধারণ করবে
সঠিক উত্তর:
বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী
ব্যাখ্যা

Order V, Rule 9 – Service of Summons (সমনের প্রেরণ):
(1) যদি বিবাদী (defendant) সেই আদালতের এখতিয়ারের (jurisdiction) মধ্যে বসবাস করেন, অথবা তার একজন অনুমোদিত প্রতিনিধি (agent) সেখানে বসবাস করেন যিনি সমন গ্রহণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত, তাহলে সমন পাঠানো হবে— আদালতের সংশ্লিষ্ট অফিসার (proper officer) বা তার অধীনস্থ কর্মচারীর মাধ্যমে, অথবা জেলা জজ কর্তৃক অনুমোদিত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে। (তবে আদালত চাইলে ভিন্ন নির্দেশ দিতে পারে।)

(2) যদি “proper officer” অন্য কোনো আদালতের কর্মকর্তা হন, তাহলে সমন তাকে ডাকযোগে বা আদালত নির্দেশিত অন্য কোনো উপায়ে পাঠানো যেতে পারে।

(3) আদালত চাইলে মামলাকারীর (plaintiff) আবেদনক্রমে, সমন পাঠানোর পাশাপাশি নিম্নলিখিত মাধ্যমেও সমন প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারে:
- Short Message Service (SMS)
- Voice Calls
- Instant Messaging (যেমন WhatsApp, Messenger ইত্যাদি)
- Fax Message
- E-mail
এগুলো মামলাকারী নিজের খরচে করবে, তবে প্রমাণ (proof of service) অবশ্যই নথিভুক্ত রাখতে হবে।

(4) জেলা জজ (District Judge) এক বা একাধিক কুরিয়ার সার্ভিসের তালিকা প্রস্তুত করবেন, এবং তা সময়ে সময়ে হালনাগাদ করে অধীনস্থ সকল দেওয়ানি আদালতকে জানাবেন।

(5) যখন সমন কোনো অফিসার বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো হবে, তারা ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সমন পৌঁছে দেওয়ার জন্য দায়বদ্ধ থাকবে এবং সে সম্পর্কে আদালতকে অবহিত করতে হবে।

শর্ত:
৩০ দিনের মধ্যে সমন পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে-
- সেই কর্মকর্তা দায়িত্বে অবহেলার (misconduct) জন্য দায়ী হবেন;
- কুরিয়ার সার্ভিস হলে, জেলা জজ তাকে অনুমোদিত তালিকা থেকে বাদ দেবেন।

২,২৭৫.
'ক'-চট্টগ্রামে বসবাস করে। একদা 'ক' ব্যবসায়িক কাজে ঢাকা যায় এবং সেখানে তর্কের জেরে 'খ'-কে মারধর করে। এক্ষেত্রে 'খ' কোথায় 'ক' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোন আদালতে
  2. চট্টগ্রামের এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  3. ঢাকার এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'খ' ঢাকা বা চট্রগ্রামের যেকোনো এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে 'ক' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। তবে ধারা ১৯ এ ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে  ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে তা বলা হয়েছে। 

• ধারা ১৯ (ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা)-
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে, এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-

Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plaintiff in either of the said Courts.
২,২৭৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ___________ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারবে।
  1. আদেশ-১, বিধি-৬
  2. আদেশ-১, বিধি-৯
  3. আদেশ-১, বিধি-১০
  4. আদেশ-১, বিধি-১২
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-১০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২) অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২) আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন: মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সংগত বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যের ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিষ্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

⇒ অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন (Striking out) বলতে বুঝায় যে, মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী বা বিনা আবেদনে এবং আদালতের নিকট সংগত মনে হলে, অসঙ্গতভাবে পক্ষভুক্ত বাদী বা বিবাদী কে বাদ দিতে এবং যে ব্যক্তিকে সংযুক্ত করা প্রয়োজন, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ এর বিধানের মূল বক্তব্য হলো:
আদালতের ক্ষমতা: দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১, বিধি ১০(২) অনুযায়ী, আদালত মামলার যে কোনো পর্যায়ে পক্ষ বাদ বা সংযোজন করতে পারেন।
অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন: যদি কোনো ব্যক্তি মামলার জন্য অসঙ্গতভাবে পক্ষভুক্ত হন, তাহলে আদালত তাকে বাদ দিতে পারেন।
প্রয়োজনীয় পক্ষ সংযোজন: আদালত মনে করলে, মামলার যথাযথ বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য যে ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন, তাকে বাদী বা বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।
আবেদন বা স্বপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত: আদালত পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বা নিজস্ব সিদ্ধান্তে এই পরিবর্তন করতে পারেন।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-1 Rule-10(2): The Court may strike out or add parties:
The court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out, and that the name of any person who ought to have been joined, whether as plaintiff or defendant or whose presence before the Court may be necessary in order to enable the Court effectually and completely to adjudicate upon and settle all the questions involved in the suit, be added.
২,২৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫০(১) অনুযায়ী ডিক্রি-দেনাদারের মৃত্যু হলে ডিক্রিদার কার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. মৃত ব্যক্তির ঋণদাতা
  3. মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি
  4. মৃত ব্যক্তির ব্যবসায়িক অংশীদার
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫০(১) স্পষ্টভাবে বলছে যে, "যদি ডিক্রি-দেনাদার (judgment-debtor) সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার (decree-holder) সেই আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, এবং এই ডিক্রিটি মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধির (legal representative) বিরুদ্ধে কার্যকর করার জন্য অনুরোধ করতে পারেন।"
- "আইনগত প্রতিনিধি" বলতে বোঝায় সেই ব্যক্তি যিনি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি, দায় বা অধিকার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন এবং তাঁকে আইনত প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার দেওয়া হয়েছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫০: আইনগত প্রতিনিধি বা উত্তরাধিকারী:
(১) যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর (legal representative) বিরুদ্ধে সেই ডিক্রি কার্যকর করার জন্য।
(২) যখন ডিক্রি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা হয়, তখন তিনি শুধুমাত্র সেই সম্পত্তির পরিমাণে দায়বদ্ধ থাকবেন যা মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে তার হাতে এসেছে এবং যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা হয়নি; এবং, এই দায় নির্ধারণের জন্য, ডিক্রি কার্যকরকারী আদালত, নিজ উদ্যোগে বা ডিক্রি ধারকের আবেদনের ভিত্তিতে, ওই উত্তরাধিকারীকে এমন হিসাবপত্র পেশ করার জন্য বাধ্য করতে পারে যা আদালত উপযুক্ত মনে করে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 50.Legal representative:
(1) Where a judgment-debtor dies before the decree has been fully satisfied, the holder of the decree may apply to the Court which passed it to execute the same against the legal representative of the deceased.
(2) Where the decree is executed against such legal representative, he shall be liable only to the extent of the property of the deceased which has come to his hands and has not been duly disposed of; and, for the purpose of ascertaining such liability, the Court executing the decree may, of its own motion or on the application of the decree-holder, compel such legal representative to produce such accounts as it thinks fit.
২,২৭৮.
আরজি সত্যাখ্যান (Verification) এর ক্ষেত্রে সঠিক নয়-
  1. আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী সত্যাখ্যান করবে
  2. লিখিত জবাবের অপর পৃষ্ঠায় বিবাদী সত্যাখ্যান করবে
  3. অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে আদালতের অনুমতিক্রমে সত্যাখ্যান করতে পারে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাবের অপর পৃষ্ঠায় বিবাদী সত্যাখ্যান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাবের অপর পৃষ্ঠায় বিবাদী সত্যাখ্যান করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৪ তে প্লিডিংস স্বাক্ষর এবং ১৫ বিধিতে প্লিডিংস সত্যাখ্যান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• বিধি ১৪- প্রত্যেক প্লিডিংস অর্থাৎ আরজি বা লিখিত জবাব স্বাক্ষরিত হতে হবে।
১. সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক এবং
২. তার উকিল বা Pleader কর্তৃক

অর্থাৎ আরজিতে বাদী এবং তার উকিল স্বাক্ষর করবে এবং লিখিত জবাবে বিবাদী এবং তার উকিল স্বাক্ষর করবে।

• বিধি ১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।
২,২৭৯.
দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে কোন আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. দেওয়ানি আইন
  2. ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
  3. বিশেষ অধিকার আইন
  4. আদালত কর্তৃক নির্দেশিত আইন
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

৩৭ ধারায় বলা হয়েছে-
"কোন মামলা বা কার্যধারায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশী, বিবাহ বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়ে পক্ষগন হিন্দু হলে হিন্দু আইন এবং মুসলিম হলে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে।"

Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.

(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.
২,২৮০.
রায় একবার স্বাক্ষরিত হয়ে গেলে, তা সংশোধন করা যাবে-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে
  2. রিভিশনের মাধ্যমে
  3. আপিলের মাধ্যমে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০ নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনঃরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

• আদেশ ২০ বিধি-৩ঃ 
রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনঃরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

Order 20 Rule 3: Judgment to be signed- 
The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and when once signed, shall not afterwards be altered or added to,save as provided by section 152 or on review.]

• উল্লেখ্য যে,দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
> করণিক বা গাণিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes) অথবা
> আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission); কারণে রায়,ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
২,২৮১.
আদেশ-৯, বিধি-৮ এর অধীন প্রদত্ত মামলার খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিল করতে চাইলে, কোন বিধির অধীনে আবেদন করতে হবে?
  1. আদেশ ৯, বিধি ৮ক
  2. আদেশ ৯, বিধি ৯
  3. আদেশ ৯, বিধি ৯ক
  4. আদেশ ৯, বিধি ১০
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯, বিধি ৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯, বিধি ৯ক
ব্যাখ্যা
আদেশ-৯, বিধি-৮: শুনানির দিন বিবাদী উপস্থিত, কিন্তু বাদী অনুপস্থিত:
যদি শুনানির দিন বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবি বা তার কোনো অংশ স্বীকার না করলে, আদালত মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দেবেন।
বিবাদী যদি বাদীর দাবি বা তার কোনো অংশ স্বীকার করে নেয়, তবে আদালত সেই অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দেবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দেবেন।

• ৮ বিধির অধীন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদীর প্রতিকারঃ
বাদী হাজির না হওয়ার কারণে ৮ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদী নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারে-
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের [For setting aside the order of dismissal] জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly Setting aside dismissal] জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।
২,২৮২.
“Result of execution proceedings to be certified” – এই বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ "Result of execution proceedings to be certified" বা "কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন করতে হইবে" – এটি সরাসরি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪১-এর শিরোনাম ও বিষয়বস্তু।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৪১: কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন:
যে আদালতে কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রিটি কার্যকর করার পর বা যদি কার্যকর করতে ব্যর্থ হয় তবে সেই ব্যর্থতার কারণসমূহ উল্লেখ করে যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে তাকে সে বিষয়ে প্রত্যয়ন (সার্টিফিকেট) প্রদান করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-41: Result of execution proceedings to be certified.
- The Court to which a decree is sent for execution shall certify to the Court which passed it the fact of such execution, or where the former Court fails to execute the same the circumstances attending such failure.

২,২৮৩.
"The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives." দেওয়ানী কার্যবিধির_______ এর বিধান।
  1. আদেশ-২১ বিধি-১০১
  2. আদেশ-২২ বিধি-১
  3. আদেশ-২২ বিধি-৮
  4. আদেশ-২২ বিধি-৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২২ বিধি-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২২ বিধি-১
ব্যাখ্যা
"The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives." দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২২ বিধি-১ এর বিধান।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২২ বিধি-১: মোকদ্দমা করার অধিকার উদ্ভব হয়ে থাকলে পক্ষের মৃত্যুতে মোকদ্দমা বিলোপসাধন হয় না:
মোকদ্দমা করার অধিকার যদি উদ্ভব হয়, তাহলে কোন বাদি বা বিবাদির মৃত্যু মোকদ্দমার বিলুপ্তি ঘটায় না।
-----------
⇒ Order-22 Rule-1: No abatement by party's death, if right to sue survives:
The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.
২,২৮৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুসারে স্বীকৃতির প্রেক্ষিতে রায় (Judgment on admissions) এর বিধান কোনটি?
  1. Order-XII, rule- 6
  2. Order-XXI, rule-3
  3. Order-XXII, rule-2
  4. Order-XXIII, rule-3
সঠিক উত্তর:
Order-XII, rule- 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-XII, rule- 6
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে  "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।

⇒ আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

⇒ Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
২,২৮৫.
At what stage of the suit can the court reject irrelevant or inadmissible documents under Order 13 Rule 3?
  1. Only at the initial stage
  2. Only at the final stage
  3. At any stage of the suit
  4. Before evidence is recorded
সঠিক উত্তর:
At any stage of the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
At any stage of the suit
ব্যাখ্যা
Order 13 Rule 3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.

আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।
২,২৮৬.
এক পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে দলিলের সত্যতা স্বীকারের নোটিশ প্রদান করা হলে, কত দিনের মধ্যে অপর পক্ষকে জবাব দিতে হবে?
  1. ১০ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৯ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে। তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে অস্বীকারকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে।

আদেশ ১২, বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে, তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং
আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
২,২৮৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারায় নিম্নের কোন আদালতকে মোকদ্দমা স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. জেলা জজ আদালত
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা জজ আদালত যে কোন স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২,২৮৮.
আদালতের অভিমত গ্রহণের উদ্দেশ্যে মোকদ্দমার বিবৃতি কীভাবে প্রদান করা হয়?
  1. মৌখিকভাবে
  2. লিখিতভাবে
  3. ই-মেইলের মাধ্যমে
  4. সাক্ষীর উপস্থিতিতে
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে
ব্যাখ্যা
ধারা-৯০: আদালতের অভিমতের জন্য মোকদ্দমায় বিবৃতি প্রদানের ক্ষমতা:
যখন কোন ব্যক্তিবর্গ আদালতের অভিমত গ্রহণের নিমিত্তে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ সম্পর্কে লিখিতভাবে বিবৃতি প্রদানে সম্মত থাকে, তখন আদালত নির্ধারিত পদ্ধতিতে ঐ মোকদ্দমার বিচার নিষ্পত্তি করবেন।

Sec.-90: Power to state case for opinion of Court:
Where any persons agree in writing to state a case for the opinion of the Court, then the Court shall try and determine the same in the manner prescribed.
২,২৮৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী, আপিল আদালতের কী ক্ষমতা রয়েছে?
  1. শুধুমাত্র মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা
  2. শুধুমাত্র চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এবং পুনর্বিচার
  3. কেবলমাত্র অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ এবং বিচার্য বিষয় গঠন
  4. চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, পুনর্বিচার, বিচার্য বিষয় গঠন এবং অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, পুনর্বিচার, বিচার্য বিষয় গঠন এবং অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, পুনর্বিচার, বিচার্য বিষয় গঠন এবং অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৭: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
২,২৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫৬-এর অধীনে সিভিল কারাগারে আটকের নিষেধাজ্ঞা কার জন্য প্রযোজ্য নয়?
  1. বৃদ্ধ মহিলার জন্য
  2. অসুস্থ মহিলার জন্য
  3. গর্ভবতী মহিলার জন্য
  4. সাধারণ যুবতী মহিলার জন্য
সঠিক উত্তর:
সাধারণ যুবতী মহিলার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ যুবতী মহিলার জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৬ অনুসারে, অর্থের ডিক্রির কার্যকরে শুধুমাত্র বৃদ্ধ, অসুস্থ, গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাদের গ্রেপ্তার বা সিভিল কারাগারে আটকের আদেশ দেয়া নিষিদ্ধ। সাধারণ যুবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়, যদি না তারা উপরোক্ত ধরনের মধ্যে পড়ে।
অর্থাৎ কোনো নারীকে টাকার রায় বাস্তবায়নে গ্রেপ্তার করা যাবে না, যদি তিনি বুড়ো, অসুস্থ, গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী হন। 

⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section- 56. Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money: Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of an old, infirm, pregnant or breast-feeding woman in execution of a decree for the payment of money.

২,২৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানমতে মোকদ্দমা খারিজ আদেশ সরাসরি রদ করার আবেদন করা যায়?
  1. আদেশ ৯ এর ৯ বিধিমতে
  2. আদেশ ৯ এর ৯ক বিধিমতে
  3. আদেশ ৯ এর ১৩ বিধিমতে
  4. আদেশ ৯ এর ১৩ক বিধিমতে
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ এর ৯ক বিধিমতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ এর ৯ক বিধিমতে
ব্যাখ্যা
আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )-
বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
- খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
- অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
- সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
২,২৯২.
সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি করবেন কে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 

২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
২,২৯৩.
''যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারেন''-দেওয়ানী কার্যবিধির কত বিধানের অধীন?
  1. আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. আদেশ ১৬ বিধি ১
  3. আদেশ ১৫ বিধি ১
  4. আদেশ ১৮ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫ বিধি ১
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
২,২৯৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৫, বিধি ৩(১) অনুযায়ী, আদালত কখন সরাসরি রায় দিতে পারেন?
  1. প্রমাণের অভাবে হলে
  2. যুক্তি-প্রমাণ যথেষ্ট হলে
  3. পক্ষগণ অনুপস্থিত হলে
  4. আপিল করা হলে
সঠিক উত্তর:
যুক্তি-প্রমাণ যথেষ্ট হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তি-প্রমাণ যথেষ্ট হলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৫, বিধি ৩(১) অনুযায়ী, যদি মামলার পক্ষগণ কোনো প্রশ্নে (আইনি বা প্রকৃত ঘটনা সংক্রান্ত) মতবিরোধে থাকেন এবং সেই বিষয়ে ইস্যু নির্ধারিত হয়ে থাকে, তখন আদালত নিচের দুটি শর্ত পূরণ হলে সরাসরি রায় দিতে পারেন:
১. মামলার নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় যে প্রমাণ বা যুক্তি আছে, তা পক্ষগণ সঙ্গে সঙ্গেই উপস্থাপন করতে সক্ষম এবং তার বাইরে আর কিছু দরকার নেই।
২. এভাবে তাৎক্ষণিকভাবে রায় দিলে কোনো পক্ষের প্রতি অবিচার হবে না।

এই দুই শর্ত পূরণ হলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় প্রদান করতে পারেন, এমনকি যদি মামলার জন্য সমন শুধু "ইস্যু নির্ধারণের" জন্যই জারি হয়ে থাকে, তবুও—যদি পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবী উপস্থিত থাকে এবং কেউ আপত্তি না করে।
-অতএব, “যুক্তি-প্রমাণ যথেষ্ট হলে” আদালত রায় দিতে পারেন — এটিই সঠিক উত্তর।

Order XV, Rule 3 — Parties at Issue:
(1) Where the parties are at issue on some question of law or of fact, and issues have been framed by the Court as hereinbefore provided, if the Court is satisfied that no further argument or evidence than the parties can at once adduce is required upon such of the issues as may be sufficient for the decision of the suit, and that no injustice will result from proceeding with the suit forthwith, the Court may proceed to determine such issues, and, if the finding thereon is sufficient for the decision, may pronounce judgment accordingly, whether the summons has been issued for the settlement of issues only or for the final disposal of the suit:
Provided that, where the summons has been issued for the settlement of issues only, the parties or their pleaders are present and none of them objects.
(2) Where the finding is not sufficient for the decision, the Court shall postpone the further hearing of the suit, and shall fix a day for the production of such further evidence, or for such further argument as the case requires.
২,২৯৫.
"Where a plaintiff is precluded by rules from instituting a further suit in respect of any particular cause of action he shall not be entitled to institute a suit in respect of such cause of action in any Court to which this Code applies."- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
ব্যাখ্যা
Section 12- Bar to further suit-
Where a plaintiff is precluded by rules from instituting a further suit in respect of any particular cause of action he shall not be entitled to institute a suit in respect of such cause of action in any Court to which this Code applies. 

ধারা ১২- পুনরায় মোকদ্দমা দায়েরে বাধা:
কোনো বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।
২,২৯৬.
আদি এখতিয়ার দ্বারা হাইকোর্ট ডিভিশনের দেয়া কোন রায় ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করতে হবে?
  1. আপিল করা যাবে না
  2. সুপ্রিম কোর্টে
  3. আপিল বিভাগে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------------
⇒ CPC Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
২,২৯৭.
'Subsequent pleadings' বলতে কী বোঝায়?
  1. প্লিডিংয়ের সাথে দলিলপত্র যুক্ত করা
  2. প্লিডিংয়ের সাথে ফিরিস্তি ফরম যুক্ত করা
  3. আপিল আদালতে রেসপন্ডেন্ট কর্তৃক ক্রস অবেজকশনের দাবি তোলা
  4. দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং 
সঠিক উত্তর:
দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো - (ঘ) দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং।

“Subsequent Pleadings” বলতে বোঝায় মূল লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিলের পর, আদালতের অনুমতিক্রমে বা বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন দাবি-সমন্বয় / Counter-claim) অতিরিক্ত বা পরবর্তী প্লিডিং (Additional Pleading) দাখিল করা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):
বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

২,২৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৪৯ কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. ডিক্রি জারি
  2. ডিক্রি হস্তান্তর
  3. ডিক্রি বাতিল
  4. ডিক্রি সংশোধন
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি হস্তান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির, ১৯০৮ এর ধারা ৪৯ (Section 49) হলো "Transferee" অর্থাৎ ডিক্রি হস্তান্তর সম্পর্কিত বিধান।
- এই ধারায় বলা হয়েছে "Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder."
- অর্থাৎ, যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তাহলে নতুন ডিক্রি-ধারী (Transferee) সেই ডিক্রিটি তেমনিভাবেই গ্রহণ করবেন, যেভাবে মূল ডিক্রি-ধারী (Original Decree-holder) তা ভোগ করতেন।
- ডিক্রি-দেনাদার (Judgment-debtor) যে প্রতিরক্ষা বা অধিকার মূল ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারতেন, তা হস্তান্তরিত ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধেও প্রযোজ্য হবে।
- কোনো অতিরিক্ত সুবিধা বা অধিকারের দাবী Transferee করতে পারবেন না।

⇒ অর্থাৎ ধারা ৪৯ মূলত ডিক্রির হস্তান্তর (Transfer of Decree) ও হস্তান্তরিত ব্যক্তির অধিকার সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করে।
------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-49. Transferee: 
 Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.
২,২৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১ম তফসিলে কয়টি আদেশ আছে?
  1. ৪৮ টি
  2. ৫১টি
  3. ৫০ টি
  4. ৪৯ টি
সঠিক উত্তর:
৫১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  মোট ৫ টি তফসিল রয়েছে।
⇒ তবে বর্তমানে বলবৎ তফসিল আছে ৩ টি।
⇒ তার মধ্যে ১ম তফসিলে মোট আদেশ রয়েছে ৫১ টি
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে।
⇒ প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয় সংশোধন করতে পারে। 
২,৩০০.
Mediation-এর আদেশ হওয়ার পর সর্বোচ্চ কতদিনের মধ্যে উত্তরূপ Mediation-এর কাজ শেষ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা যাবে।

- দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে:
i) মধ্যস্থতা (Mediation);
ii) সালিশী (Arbitration)।

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।