বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ২২ / ৩০ · ২,১০১২,২০০ / ২,৯৯৩

২,১০১.
আদেশ ১৪ বিধি ৪ অনুযায়ী, আদালত কখন বিচার্য বিষয় নির্ধারণ স্থগিত করতে পারে?
  1. বাদী আবেদন করলে
  2. বিবাদীর আবেদন সাপেক্ষে
  3. দলিল পরিদর্শন করা প্রয়োজন হলে
  4. মামলার সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে
সঠিক উত্তর:
দলিল পরিদর্শন করা প্রয়োজন হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল পরিদর্শন করা প্রয়োজন হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৪ বিধান আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
যদি আদালত মনে করে যে, কোনো ব্যক্তির জবানবন্দি ছাড়া বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথি পরিদর্শন ছাড়া বিচার্য বিষয় যথাযথভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তবে আদালত ১৫ দিনের মধ্যে বিষয় নির্ধারণ স্থগিত রাখতে পারে। একইসঙ্গে, প্রয়োজনীয় ব্যক্তিকে হাজির করতে বা সংশ্লিষ্ট নথি আদালতে উপস্থাপন করতে নির্দেশ দিতে পারে।

[Where the Court is of opinion that the issues cannot be correctly framed without the examination of some person not before the Court or without the inspection of some document not produced in the suit, it may adjourn the framing of the issues to a day not later than fifteen days, and may (subject to any law for the time being in force) compel the attendance of any person or the production of any document by the person in whose possession or power it is by summons or other process.]
২,১০২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৪২ অনুসারে, এই আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে প্রদত্ত বা জারিকৃত সকল আদেশ ও নোটিশ কীভাবে হতে হবে?
  1. লিখিতভাবে
  2. মৌখিকভাবে
  3. ইলেকট্রনিকভাবে
  4. মৌখিক বা লিখিত যেকোনোভাবে
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৪২ স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, এই কোডের বিধানাবলি অনুসারে কোনো ব্যক্তিকে জারিকৃত বা প্রদত্ত সমস্ত আদেশ এবং নোটিশ অবশ্যই লিখিত আকারে হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারার বিধান:- আদেশ ও নোটিশ লিখিত হতে হবে:
- এই আইনের বিধানানুযায়ী কোন ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section:142: Orders and notices to be in writing.
- All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.

২,১০৩.
কোন আদালত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে না?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. স্মল কজ কোর্ট
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮২ মতে কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে: স্মল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।
- সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।
-------------------
Order-21 Rule-82. What Courts may order sales:
- Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
২,১০৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫নং আদেশের কোন বিধি অনুযায়ী একাধিক বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয়?
  1. বিধি-১০
  2. বিধি-১১
  3. বিধি-১৩
  4. বিধি-১৫
সঠিক উত্তর:
বিধি-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-১১
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-১১ তে বিবাদী একাধিক হলে সমন প্রত্যেক বিবাদির উপর জারি করার বিধান উল্লেখ রয়েছে।
- মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর, নির্ধারিত তারিখে হাজির হতে এবং দাবির সমর্থনে জবাব দিতে, মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ (৫) কার্যদিবসের মধ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির কাছে সমন প্রেরণ করবেন। যদি মোকদ্দমায় একাধিক বিবাদী থাকে, তবে আদেশ ৫ এর বিধি ১১ অনুযায়ী সমন জারি করতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-১১ এর বিধান:
অনুরূপ নির্দেশ যদি না থাকে তবে ক্ষেত্রে বিবাদির সংখ্যা বহুসংখ্যক হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদিগণের প্রত্যেকের উপর সমন জারি করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-11: Service on several defendants:
- Save as otherwise prescribed, where there are more defendants than one, service of the summons shall be made on each defendant.
২,১০৫.
'Mediation in Appeal' দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৮৯খ
  2. ৮৯ক
  3. ৮৯গ
  4. ৮৯ঘ
সঠিক উত্তর:
৮৯গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৯গ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒  Section 89C Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
২,১০৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত দেওয়ার সময় বিচারককে আরজিতে কী লিখতে হবে?
  1. দাখিলের তারিখ
  2. ফেরতের তারিখ
  3. দাখিলকারীর নাম
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ১০(২) অনুসারে, আরজি ফেরত দেওয়ার সময় বিচারককে আরজির উপর নিম্নলিখিত তথ্যগুলো লিপিবদ্ধ করতে হবে:
- দাখিলের তারিখ
- ফেরতের তারিখ
- দাখিলকারী পক্ষের নাম
- ফেরত দেওয়ার একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি
সুতরাং, 'ক', 'খ' ও 'গ' উভয়ই সঠিক, যা ঘ) উল্লিখিত সবগুলো কে সঠিক উত্তর করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
(২) যখন আরজি ফেরত দেওয়া হয়, বিচারক তার ওপর আরজির দাখিলের এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারী পক্ষের নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-7, Rule-10. Return of plaint:
(1) The plaint shall at any stage of the suit be returned to be presented to the Court in which the suit should have been instituted.
-(2) Procedure on returning plaint: On returning a plaint the Judge shall endorse thereon the date of its presentation and return, the name of the party presenting it, and a brief statement of the reasons for returning it.

২,১০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৩) অনুসারে, Peremptory hearing-এর আগে প্রতি পক্ষ খরচ ছাড়া কতবার adjournment নিতে পারবে?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৬ বার
সঠিক উত্তর:
৪ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৩) (Order XVII Rule 1(3)) অনুসারে, Peremptory hearing-এর আগে কোনো মামলায় প্রতিটি পক্ষ সর্বোচ্চ ৪ (চার) বার adjournment (মুলতবি) নিতে পারবে। এই সীমার বেশি মুলতবি দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে খরচ দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৭ বিধি ১(৩) অনুসারে, দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে সংশোধিত বিধানে বলা হয়েছে যে, আদালত কোনো পক্ষের আবেদনে চূড়ান্ত শুনানি (Peremptory hearing) এর আগে সর্বোচ্চ চারবার স্থগিতকরণ (Adjournment) অনুমোদন করতে পারে। এই সীমা অতিক্রম করলে, স্থগিতকরণ প্রাপ্ত পক্ষকে ২০০ টাকা থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ পরিশোধ করতে হবে। তবে, এই বিধির শর্ত অনুযায়ী, খরচ সহও তিনবারের বেশি স্থগিতকরণ দেওয়া যাবে না।
---------
 ⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 17 Rule-1.Court may grant time and adjourn hearing:
(1) The Court may, if sufficient cause is shown, at any stage of the suit grant time to the parties or to any of them, and may from time to time adjourn the hearing of the suit.
Costs of adjournment:
(2) In every such case the Court shall fix a day for the further hearing of the suit, and may make such order as it thinks fit with respect to the costs occasioned by the adjournment:
Provided that, when the hearing of evidence has once begun, the hearing of the suit shall be continued from day to day until all the witnesses in attendance have been examined, unless the Court finds the adjournment of the hearing beyond the following day to be necessary for reasons to be recorded.

(3) Notwithstanding anything contained in sub-rules (1) and (2), the Court shall not grant more than four adjournments in a suit before peremptory hearing at the instance of either party to the suit, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay a cost of not less than two hundred taka and not more than one thousand taka to the other party, within time to be specified by it; noncompliance with which, by the plaintiff shall render the suit liable to be dismissed and, by the defendant shall render the suit liable to be disposed of ex parte:
Provided that the Court shall not grant more than three adjournments to a party even with cost under this rule.

২,১০৮.
যদি নিঃস্ব বাদীর মৃত্যুজনিত কারণে মোকদ্দমা বাতিল হয়ে যায়, তবে আদালত আদেশ ৩৩ বিধি ১১ক এর অধীন কোন বিষয়ে আদেশ দিতে পারে?
  1. নতুন বাদী নিযুক্ত করার
  2. বাদীর উত্তরাধিকারীদের দায়মুক্তির
  3. মৃত বাদীর কোর্ট ফি মওকুফের
  4. মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে কোর্ট ফি আদায়ের
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে কোর্ট ফি আদায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে কোর্ট ফি আদায়ের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি নিঃস্ব বাদী বা যুক্ত কোনো সহ-বাদীর মৃত্যুজনিত কারণে মোকদ্দমা বাতিল (abate) হয়ে যায়, তাহলে আদালত আদেশ দিবে যে, যদি বাদী নিঃস্ব হিসেবে মোকদ্দমা করার অনুমতি না পেতেন তবে যে পরিমাণ আদালত ফি (court-fee) প্রদান করতে হতো, তা সরকার মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে আদায় করতে পারবে।

Rule.-11A: Procedure where pauper suit abates:
Where the suit abates by reason of the death of the plaintiff or of any person added as a co-plaintiff the Court shall order that the amount of court-fees which would have been paid by the plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper shall be recoverable by the Government from the estate of the deceased plaintiff.
২,১০৯.
'কোনো আদালত নিজস্ব আর্থিক এখতিয়ারের অতিরিক্ত মূল্যমানের মোকদ্দমা গ্রহণ করবে না'- কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ৩, সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭
  2. ধারা ১৫, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮
  3. ধারা ৬, সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট ১৮৮৭
  4. ধারা ৬, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারায় (আর্থিক এখতিয়ার) সম্পর্কে বলা আছে-

অন্যত্র বর্ণিত সুস্পষ্ট বিধানসমূহ ছাড়া এই আইনের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার (যদি থাকে) বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।

• দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার। 

Section 6: Pecuniary Jurisdiction-

Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
২,১১০.
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলার কোন পক্ষ তলবকৃত লিখিত জবাব পেশ করতে ব্যর্থ হলে, আদেশ ৮ বিধি ১০ অনুযায়ী আদালত-
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. তার বিরুদ্ধে রায় দিতে পারে
  3. মামলা সম্পর্কে অন্য কোন আদেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী- আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধি- লিখিত জবাব আদালত কর্তৃক দাখিলের জন্য বলা হলে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে পদ্ধতিঃ
কোন পক্ষের থেকে লিখিত জবাব তলব করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে বা মোকদ্দমা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।
২,১১১.
স্বীকারোক্তির উপর রায় প্রদান করতে কোন পক্ষ দেওয়ানি আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. কেবলমাত্র বাদী
  2. কেবলমাত্র বিবাদী
  3. যে কোন পক্ষ
  4. কোন পক্ষই নয়
সঠিক উত্তর:
যে কোন পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন পক্ষ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
২,১১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারার শিরোনাম হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. Res Sub Judice
  2. Res Judicata
  3. Stay of suit
  4. Bar of suit
সঠিক উত্তর:
Stay of suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stay of suit
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-10. Stay of suit:
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in a previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court. 

Explanation. -The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন। এই নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-
১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হতে হবে;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

২,১১৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী নিচের কোনটি আপীল আদালতের এখতিয়ার?
  1. মামলা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা
  2. অধিকতর সাক্ষ্য গ্রহণ করা
  3. ইস্যু গঠন ও বিচারের জন্য প্রেরণ করা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৭: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।

Section 107- Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power-
(a) to determine a case finally;
(b) to remand a case;
(c) to frame issues and refer them for trial;
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken.

(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
২,১১৪.
Under Order 9 Rule 3 of CPC, what will happen if neither party appears when the suit is called on for hearing?
  1. The Court must adjourn the case
  2. The Court may dismiss the suit
  3. The Court shall pass an ex parte decree
  4. The Court will decide the case on merits
সঠিক উত্তর:
The Court may dismiss the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Court may dismiss the suit
ব্যাখ্যা

Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.

আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।

২,১১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন আদেশে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. Order XXXIX
  2. Order XL
  3. Order XLI
  4. Order XLIII
সঠিক উত্তর:
Order XXXIX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXXIX
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর Order XXXIX (আদেশ ৩৯)-এ “Temporary Injunctions and Interlocutory Orders” অর্থাৎ "অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ" সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- Rule 1 (বিধি ১):আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে যদি, বাদির একটি prima facie (প্রাথমিকভাবে গ্রহণযোগ্য) মামলা থাকে, অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, দেখা যায় উত্তরপক্ষ এমন কিছু করছে বা করতে যাচ্ছে, যা বাদির অধিকার ক্ষুণ্ণ করবে।

⇒ আদেশ ৩৯, দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) হল আদালত কর্তৃক প্রদত্ত একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ যার উদ্দেশ্য মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির স্থিতাবস্থা বজায় রাখা, অবৈধ ক্ষতি বা প্রতারণা রোধ করা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
- আদেশ ৩৯ এর বিধি ১ ও ২ অনুযায়ী, যদি শপথপত্র বা অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা দেখা যায় যে মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অপচয়, হস্তান্তর, ধ্বংস বা বেআইনিভাবে বিক্রয়ের আশঙ্কা রয়েছে কিংবা বিবাদী প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি অপসারণ বা হস্তান্তরের হুমকি দিচ্ছে, তাহলে আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে।
- এই নিষেধাজ্ঞা মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে এবং আদালত প্রয়োজনে শর্তযুক্ত আদেশ, সম্পত্তি ক্রোক, এমনকি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নিতে পারে।
- এছাড়া, একতরফা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পূর্বে সাধারণত প্রতিপক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়, তবে তা বিলম্বজনিত ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে অব্যাহত রাখা যেতে পারে।
- তাই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক হাতিয়ার যা আইনের শাসন, অধিকার রক্ষা ও ভবিষ্যৎ ক্ষতি প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
২,১১৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪১ আদেশের ______ বিধিতে পাল্টা আপত্তি [Cross-objection] সংক্রান্ত বিধান আছে।
  1. ২১
  2. ২২
  3. ২৪
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২
ব্যাখ্যা
পাল্টা আপীল বা পাল্টা আপত্তি [Cross-objection]:
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪১ আদেশের ২২ বিধিতে পাল্টা আপত্তি সংক্রান্ত বিধান আছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৪১ আদেশের ২২ বিধিতে বলা হয়েছে, রেসপন্ডেট বা প্রতিবাদী ডিক্রির কোনো অংশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের না করেও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীলে যে-আপত্তি উত্থাপন করতে পারতো, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অপর পক্ষের দায়েরকৃত আপিলের পাল্টা আপত্তি দাখিল করে তা করতে পারে। যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় আদালত সিদ্ধান্ত আংশিক বাদীর অনুকূলে এবং আংশিক বিবাদীর অনুকূলে প্রদান করে, সেই ক্ষেত্রে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আপীল দায়ের করতে পারে এবং বিরোধী পক্ষ নিম্নবর্ণিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে-

i. ডিক্রির যে অংশ তার বিরুদ্ধে সেই অংশের বিরুদ্ধে তিনি আপীল দায়ের করতে পারে। এই ক্ষেত্রে একই ডিক্রির বিরুদ্ধে ২টি আপীল হয়। একটি আপীল বাদী কর্তৃক এবং অন্যটি বিবাদী কর্তৃক। এটাই পাল্টা আপীল হিসাবে পরিচিত এবং উভয় আপীল একত্রে নিষ্পত্তি করা হবে।

ii. ডিক্রির যে অংশ তার বিরুদ্ধে সেই অংশের বিরুদ্ধে তিনি আপীল দায়ের না করে বরং তিনি উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপত্তি দাখিল করতে পারে। এমন আপত্তি 'পাল্টা আপত্তি' হিসাবে পরিচিত। 

iii. অথবা তার বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদানে বিচারিক আদালত যে যুক্তি দিয়েছে সেটা মেনে নিয়ে পাল্টা আপীল বা আপত্তি কোনটি দায়ের নাও করতে পারে।

প্রতিবাদী যে ক্ষেত্রে পৃথক আপীল করতে পারতো কিন্তু করেনি এবং নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে নিষ্পত্তিকৃত ডিক্রির কোন সঙ্গত কারণ সমর্থন না করলে, সেই ক্ষেত্রে তিনি পাল্টা আপত্তি দায়ের করতে পারে।
২,১১৭.
আদেশ ২১ বিধি ৩০ অনুসারে টাকা পরিশোধের ডিক্রি কিভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সম্পত্তি ক্রোক করে
  2. শুধুমাত্র দেওয়ানি জেলে আটক করে
  3. দেওয়ানি জেলে আটক, সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় উভয় প্রকারে
  4. উল্লিখিত কোনোভাবেই নয়
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি জেলে আটক, সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় উভয় প্রকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি জেলে আটক, সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় উভয় প্রকারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৩০: টাকা পরিশোধের ডিক্রি:
অন্য কোন প্রতিকারের বিকল্প হিসাবে টাকাপরিশোধের জন্য ডিক্রিসহ পরিশোধের প্রত্যেক ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি জেলে আটক করে কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করে কিংবা উভয় প্রকারে জারি হতে পারে।

Rule.-30: Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
২,১১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯, বিধি-৩ অনুযায়ী, যদি বাদী ও বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকেন, আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা খারিজ হবে
  2. নতুন সমন জারি হবে
  3. আদালত একতরফা রায় দিবে
  4. অনুপস্থিত মামলার কার্যক্রম চালাবেন
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৯, বিধি ৩ অনুসারে, শুনানির দিন মামলা ডাকা হলে বাদী ও বিবাদী কেউই উপস্থিত না হলে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা আছে যে, তিনি মামলাটি খারিজ (dismiss) করে দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৩ (Order IX, Rule 3): Where neither party appears, suit to be dismissed:
"Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed."
অর্থাৎ, শুনানির জন্য মামলা ডাকা হলে যদি বাদী ও বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে আদালত মামলা খারিজ (dismissed) করার আদেশ দিতে পারেন।

২,১১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৭ অনুযায়ী আদালত সাধারনত কয়টি পর্যায়ে মূলতবী করে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১৭ বিধি ১ অনুযায়ী সাধারনত ২টি পর্যায়ে আদালত মূলতবী হয় ।
(১) চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে। 
(২) চূড়ান্ত শুনানীর পর্যায়ে।
⇒ আদালত চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে প্রত্যেক পক্ষকে খরচ বাদে ৬ বার মূলতবী মঞ্জুর করবে এবং খরচসহ ৩ বার মূলতবী করবে।
⇒তবে চূড়ান্ত শুনানীর পর্যায়ে খরচবাদে কোন সময় মঞ্জুর করবে না, তবে খরচ সহ প্রত্যেক পক্ষগণকে ৩ বার মূলতবীর আবেদন মঞ্জুর করবে।
⇒ তবে যে পক্ষ আবেদন করবে তাকে সর্বনিম্ন খরচ ২০০ টকা এবং সর্বোচ্চ খরচ ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
২,১২০.
নিচের কোনটি ধারা ১০৯ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে আপিলের যোগ্য নয়?
  1. জেলা আদালতের রায় 
  2. হাইকোর্ট বিভাগের রায়
  3. সুপারিশকৃত মামলার রায়
  4. চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়
সঠিক উত্তর:
জেলা আদালতের রায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা আদালতের রায় 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ক. জেলা আদালতের রায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

কিন্তু জেলা আদালতের রায় সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আপিলযোগ্য নয়।

২,১২১.
দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৪ ভাগে
  2. ২ ভাগে
  3. ৩ ভাগে
  4. ৭ ভাগে
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
২,১২২.
দেওয়ানী আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power) কোন আদালত প্রয়োগ করিতে পারেন?
  1. আপীল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. দেওয়ানী সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী সকল আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী সকল আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে যে কোন দেওয়ানী আদালতই সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে শুধু হাইকোর্ট বিভাগ সহজাত ক্ষমতা (inherent power) প্রয়োগ করতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৮ থেকে ১৫৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতার বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় ফৌজদারি আদালতের সহজাত ক্ষমতার বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতাঃ আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা(Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানী আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫১ ধারাতে বলা আছে, ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে অথবা আদালতের পরোয়ানার অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের যে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, অত্র আইনের কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না। 
⇒ যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

⇒ অন্তর্নিহিত ক্ষমতার প্রয়োগঃ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারা বলে আদালত প্রধানত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের স্বার্থে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন-
(১) আপীলসহ অন্যান্য সকল মামলা একত্রিকরণ;
(২) কোন দরিদ্র ব্যক্তিকে নি:স্ব হিসেবে ( Pouper) কোন মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করার জন্য অনুমতি প্রদান;
(৩) পাল্টা মামলা রোধ;
(৪) রেস-জুডিকাটা নীতির প্রয়োগকরণ যেক্ষেত্রে এ ক্ষমতা দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারায় পড়ে না;
(৫) স্বীয় আদেশ স্থগিত করা বা কার্যকারিতা মূলতবী করা;
(৬) ১৪৪ ধারার বিধানাবলী ছাড়াও পুনরুদ্ধার অনুমোদন;
(৭) সঠিক মামলায় একটি পক্ষকে যুক্ত করা বা পক্ষসমূহের স্থান পরিবর্তন করা অথবা যেখানে মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে সেখানে মৃত ব্যক্তির বৈধ প্রতিনিধিকে মামলায় যুক্ত করার জন্য আপীলকারীকে অনুমতি প্রদান;
(৮) অপর একটি আদালতে মামলার কার্যধারা থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখা;
(৯) লক্ষ্যহীন ডিক্রীর বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ;
(১০) ১৫২ ধারা দ্বারা আওতাভূক্ত করা হয় নি এমন ডিক্রী বা আদেশ সংশোধন;
(১১) অবৈধ আদেশ বাতিল বা সংশোধন।

এছাড়া সকল প্রকার ভুলের প্রতিকারের জন্য আদালত সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন। আদালতের কাজ বা কোন পক্ষের কাজের পরিনামেও আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার ঘটতে পারে। অবশ্য সহজাত এখতিয়ার প্রয়োগ করার সময় আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, মামলা নিস্পত্তির জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির বিধানাবলী যথেষ্ট নয়। 

⇒ সীমাবদ্ধতাঃ আদালত যে সকল ক্ষেত্রে তার অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না তা মোটামুটি নিম্নরূপঃ
১. আইন কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে নিষিদ্ধ এমন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না; ও
২. এখতিয়ার নেই এমন বিষয়ে;
৩. আইনের সাধারণ নীতির পরিপন্থী কোন বিষয়ে;
৪. ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার নামে স্বেচ্ছাচারিতা প্রদর্শন বা ক্ষমতার অপব্যবহার করা যাবে না;
৫. প্রবঞ্চনার কারণে আদালত সোলে ডিক্রী (আপোষরফা ডিক্রী) বা অন্য কোন ডিক্রী অত্র ধারানুযায়ী রদ করতে পারবেন না,
কিন্তু প্রবঞ্চনার লক্ষ্য যদি আদালত হয় অর্থাৎ পক্ষগণের আচরণ দ্বারা প্রতারিত হয় তবে আদালত এরূপ প্রতারণার প্রতিকারের জন্য অন্তর্নিহিত ক্ষমতাবলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। বস্তুত এগুলি হচ্ছে আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধানাবলী।
২,১২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশে দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে?
  1. আদেশ ১১
  2. আদেশ ১৩
  3. আদেশ ১৬
  4. আদেশ ১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৩
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এ দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে।

 বিধি ৩- দলিল প্রত্যাখ্যান
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যকোনভাবে অগ্রহনযোগ্য, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।

বিধি-৪ অনুসারে, দলিল দাখিলের সময় প্রমান হিসেবে গৃহিত উল্টাপৃষ্ঠে নিম্নলিখিত বিষয় গুলো পৃষ্ঠাঙ্কন করতে হবে-
১. মোকদ্দমার নম্বর ও শিরোনাম
২. দলিল দাখিলকারীর নাম
৩. দলিল দাখিলের তারিখ
৪. দলিল গৃহিত হওয়ার মর্মে একটি বিবৃতি।

বিধি ৭(২)- দলিল ফেরত
যে সকল দলিল প্রমান হিসেবে গৃহিত হয় নাই সেগুলো মোকদ্দমার নথিপত্রের অংশ হিসেবে গন্য হবে না। এরূপ দলিল সমূহ দাখিলকারী ব্যক্তিগনের নিকট ফেরত দিতে হবে।

বিধি ৮- দলিল আটক
আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন তবে এর সম্মুখে কোন মোকদ্দমায় দাখিলকৃত কোন দলিল বা বই আটক করার এবং উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আদালতের কোন কর্মচারীর হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারবেন।
২,১২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে হাইকোর্টের রিভিশন ক্ষমতা কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ১১৬
  2. ধারা ১১৫
  3. ধারা ১১৪
  4. ধারা ১১৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন (Revision) সংক্রান্ত ক্ষমতা নির্ধারণ করে। এই ধারার আওতায়, হাইকোর্ট কোনো নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত বা আদেশে আইনগত ভুল (error of jurisdiction) হয়েছে কি না, তা পর্যালোচনা করতে পারে।
ধারা ১১৫ এর মূল বিষয়: যখন কোনো নিম্ন আদালত, নিজ এখতিয়ার অতিক্রম করে কোনো আদেশ দেয়, বা যার এখতিয়ার ছিল না তেমন কোনো বিষয় সম্পর্কে আদেশ দেয়, বা আইনের গুরুতর লঙ্ঘন করে অন্যায্য আদেশ দেয়, তখন হাইকোর্ট এই আদেশ রিভিশনের মাধ্যমে বাতিল বা সংশোধন করতে পারে। তবে সাধারণত যেখানে আপিল করা যায়, সেখানে রিভিশন গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন:
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃশ্যমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃশ্যমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারা প্রতিস্থাপিত হয়নি।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-115: Revision:
(1) The High Court Division may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceedings, in which a decree or an order has been passed by a Court of District Judge or Additional District Judge, or a decree has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeal lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such decree or order occasioning failure of justice, the High Court Division may, revise such decree or order and, make such order in the suit or proceedings, as it thinks fit.
(2) The Court of District Judge may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceeding, in which an order has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeals lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such order occasioning failure of justice, the Court of District Judge may, revise such order and, make such order as it thinks fit.
(3) A Court of Additional District Judge shall have all the powers of the District Judge under sub-section (2) in respect of revision case which may be transferred to it by the District Judge.
(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an (4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.
(5) Notwithstanding the substitution of this section, any proceeding commenced and pending under section 115 prior to such substitution shall be disposed of in such manner as if section 115 has not been substitute
২,১২৫.
নিম্মলিখিত কোন আদেশের অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরূদ্ধে আপীল করা যায়?
  1. ৬ আদেশের ১৭ বিধির অধীন
  2. ৭ আদেশের ১০ বিধির অধীন
  3. ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ মতে ৭ আদেশের ১০ বিধির অধীন আরজি ফেরতের বিরূদ্ধে এবং ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন বিবাদীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার ক্ষেত্রে আপিল করা যায়।
২,১২৬.
ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে এই বিধানটি রয়েছে দেওয়ানী কার্যবিধি -
  1. ৮৮ ধারায়
  2. আদেশ-৩৫ বিধি-১
  3. আদেশ-৩৫ বিধি-২
  4. আদেশ-৩৫ বিধি-৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৩৫ বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৩৫ বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।

⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আর্জি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবি করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজশ বা ষড়যন্ত্র নেই।
⇒আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান- যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে। 

অর্থাৎ আদেশ-৩৫, বিধি-২ অনুসারে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------------------------
⇒CPC Order-35 Rule-1: Plaint in interpleader suits:
-In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
(a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs; 
(b) the claims made by the defendants severally; and
(c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants. 

⇒ CPC Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
-Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit. 
২,১২৭.
কোনো দেওয়ানি আপিল একতরফাভাবে খারিজ বা নিষ্পত্তি হয়ে গেলে শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে গেলে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা খরচা প্রদানের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): 
আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
• আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
• প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
- কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
২,১২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে কয়টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়?
  1. ৫টি
  2. ১১টি
  3. ৯টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৭ এর বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে ৯টি বিষয়  উল্লেখ  করতে হয়।
১। আদালতের নাম
২। বাদীর নাম, ঠিকানা,
৩। বিবাদীর নাম ঠিকানা
৪। নাবালক হলে তার বিবরণ
৫। মামলার উৎপত্তি সময় ও কারন
৬। আদালতের এখতিয়ার
৭। বাদীর দাবিকৃত প্রতিকার
৮। আর্থিক মূল্য সংক্রান্ত বিবরণ
৯। যেক্ষেত্রে বাদী তার আংশিক দাবি পারস্পরিক পরিশোধে সম্মত হয়েছে বা বর্জন করেছে সেক্ষেত্রে অনুরূপ পরিশোধ বা বর্জন।
----------------
CPC-Order-7 Rule-1: Particulars to be contained in plaint:
-The plaint shall contain the following particulars:−
(a) the name of the Court in which the suit is brought;
(b) the name, description and place of residence of the plaintiff;
(c) the name, description and place of residence of the defendant, so far as they can be ascertained;
(d) where the plaintiff or the defendant is a minor or a person of unsound mind, a statement to that effect;
(e) the facts constituting the cause of action and when it arose;
(f) the facts showing that the Court has jurisdiction;
(g) the relief which the plaintiff claims;
(h) where the plaintiff has allowed a set-off or relinquished a portion of his claim, the amount so allowed or relinquished; and
(i) a statement of the value of the subject-matter of the suit for the purposes of jurisdiction and of court-fees, so far as the case admits.
২,১২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ৩নং বিধি অনুসারে, যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি হয়, তবে বাদীর দরখাস্তে কী থাকতে হবে?
  1. সম্পত্তির মূল্যের বিবরণ
  2. সম্পত্তির মালিকানার বিবরণ
  3. সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ৩নং বিধি-
যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি হয়, তবে উক্ত সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা বাদীর দরখাস্তে (plaint) উল্লেখ থাকতে হবে, এবং যদি উক্ত সম্পত্তি সীমানা বা জরিপ নথিতে নম্বর দ্বারা সনাক্ত করা যায়, তবে দরখাস্তে সেই সীমানা বা নম্বর নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

[Where the subject-matter of the suit is immoveable property, the plaint shall contain a description of the property sufficient to identify it, and, in case such property can be identified by bounderies or numbers in a record of settlement of survery, the plaint shall specify such bounderies or numbers.]
২,১৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কত আদেশে রিভিউ সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৪১ আদেশ
  2. ৪৩ আদেশ
  3. ৪৭ আদেশ
  4. ৪৫ আদেশ
সঠিক উত্তর:
৪৭ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭ এর মাঝে রিভিউ বিধান আছে।  এই আদেশ অনুযায়ী রিভিউ হলো ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক নিজের ভুল সংশোধনের জন্য বিচারিক পর্যালোচনা।
⇒ যে পক্ষ সংক্ষুব্ধ হবে সে পক্ষ রিভিউ করবে।
৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে হবে। (ধারা ১১৪)
২,১৩১.
দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে কোন আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. দেওয়ানি আইন
  2. সম্পত্তি সংক্রান্ত আইন
  3. বিশেষ অধিকার আইন
  4. ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

⇒ The Civil Courts Act,1887 এর ৩৭ ধারায় বলা হয়েছে-
"কোন মামলা বা কার্যধারায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশী, বিবাহ বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়ে পক্ষগন হিন্দু হলে হিন্দু আইন এবং মুসলিম হলে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে।"
----------------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.
২,১৩২.
What is the purpose of issuing a commission under Order 26 Rule 13 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. To examine or adjust accounts
  2. To examine witness
  3. To make partition of property
  4. To make local investigation
সঠিক উত্তর:
To make partition of property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To make partition of property
ব্যাখ্যা
Order 26 Rule 13: Commission to make partition of immovable property:
Where a preliminary decree for partition has been passed, the Court may, in any case not provided for by section 54, issue a commission to such person as it thinks fit to make the partition or separation according to the rights as declared in such decree.

আদেশ ২৬ বিধি-১৩: স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন:
যেক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার বিধান না হলে, আদালত যে ব্যক্তিকে উপযুক্ত মনে করবেন তার নিকট উক্ত ডিক্রিতে ঘোষিত অধিকার অনুসারে বণ্টন কিংবা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে।
২,১৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ এর ______  অনুযায়ী একাধিক কমিশনার যদি একমত না হন, তবে তারা পৃথক প্রতিবেদন জমা দেবেন।
  1. বিধি-৪
  2. বিধি-১২
  3. বিধি-১৩
  4. বিধি-১৪
সঠিক উত্তর:
বিধি-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-১৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুযায়ী, যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তবে তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন ও স্বাক্ষর করবেন। প্রতিটি পৃথক প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশ এবং (যদি আদেশে উল্লেখ থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও সীমানা নির্ধারণ করবে এবং পরে এই প্রতিবেদনসমূহ আদালতে দাখিল করতে হবে।

এতে বলা হয়েছে যে, একাধিক কমিশনারের মধ্যে একমত না হলে, তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন এবং আদালতে তা দাখিল করবেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-26, Rule-14: -Procedure of Commissioner-
(1) Dividing Property and Allotting Shares:
The Commissioner, after conducting the necessary inquiry, will divide the property into as many shares as directed by the order under which the commission was issued. The Commissioner will allot these shares to the parties involved and may, if authorized by the order, award sums to equalize the value of the shares.

(2) Preparation of Report:
The Commissioner (or Commissioners, if the commission was issued to multiple persons and they cannot agree) will prepare and sign a report. The report will detail the share of each party, distinguishing each share with specific boundaries (if directed by the order). If multiple reports are prepared, they will be annexed to the commission and transmitted to the Court within the time fixed by the Court, not exceeding three months. After receiving the report(s), the Court will hear any objections from the parties and may confirm, vary, or set aside the report(s).
Provision for Extension of Time: The Court may extend the time upon a request from the Commissioner and upon sufficient cause being shown.

(3) Court's Action on the Report:
If the Court confirms or varies the report(s), it will pass a decree based on the report as confirmed or varied. However, if the Court sets aside the report(s), it may either issue a new commission or make any other order it deems fit.
২,১৩৪.
হাইকোর্টের রেফারেন্স সম্পর্কে নিচের কোন বাক্যটি সঠিক নয়?
  1. আদালত নিজ উদ্যোগে কোনো রেফারেন্স চাইতে পারে
  2. সংক্ষুব্ধ পক্ষগণ রেফারেন্সের আবেদন করতে পারেন না
  3. রেফারেন্স কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে
  4. বর্ণিত সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
সংক্ষুব্ধ পক্ষগণ রেফারেন্সের আবেদন করতে পারেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষুব্ধ পক্ষগণ রেফারেন্সের আবেদন করতে পারেন না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।

- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

- ৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে। অর্থাৎ, Reference কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে।
২,১৩৫.
'ক' একজন নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে একটি জমি সংক্রান্ত মোকদ্দমায় বাদী হয় এবং জয় লাভ করে। আদালত নির্ধারণ করে যে, 'ক' যদি নিঃস্ব হিসেবে মামলা না করতো, তাকে কোর্ট ফি দিতে হতো। এক্ষেত্রে আদালত কার কাছ থেকে কোর্ট ফি আদায় করবে?
  1. বাদী 'ক' থেকে
  2. সরকার থেকে
  3. বিবাদীর নিকট হতে
  4. ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া তার থেকে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া তার থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া তার থেকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-১০: নিঃস্ব ব্যক্তি সফল হলে খরচাদি:
যেক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমায় কৃতকার্যতা অর্জন করে সেক্ষেত্রে আদালত, বাদী যদি নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতিপ্রাপ্ত না হত, তবে তাকে যে অংকের কোর্ট ফি প্রদান করতে হত, সে পরিমাণ কোর্ট ফি গণনা করবে; অনুরূপ অংক ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়, সে পক্ষের নিকট থেকে সরকার কর্তৃক আদায় যোগ্য হবে এবং তা মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে প্রথম দায় হবে।
২,১৩৬.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা
  3. সীমাহীন
  4. সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
২,১৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নের কোন বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ারভুক্ত নয়?
  1. স্বত্বের বিরোধ
  2. কৃষি জমির ভাড়া
  3. কৃষি জমির খাজনা
  4. কৃষি জমির মুনাফা
সঠিক উত্তর:
স্বত্বের বিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্বের বিরোধ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।

উল্লিখিত প্রশ্নের ‘স্বত্বের বিরোধ’ বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ার ভুক্ত নয়।
-----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
২,১৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, দাখিলের পর লিখিত জবাবে নতুন তথ্য যোগ করতে হলে কী করতে হবে?
  1. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  2. বাদীর আইনজীবীর স্বাক্ষর নিতে হবে
  3. বাদীকে শুধুমাত্র অবহিত করতে হবে
  4. শুনানির সময় মৌখিকভাবে উল্লেখ করলেই চলবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order VIII, Rule 9 অনুসারে, লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিলের পর যদি বিবাদী নতুন কোনো তথ্য বা যুক্তি যোগ করতে চান, তবে তাকে আদালতের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।

→ Order VIII, Rule 9 of the Code of Civil Procedure (CPC), 1908:
"No pleading subsequent to the written statement of a defendant shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit."
অর্থাৎ, প্রাথমিক লিখিত জবাব দাখিলের পর কোনো অতিরিক্ত বিবৃতি (Subsequent Pleading) দাখিল করতে হলে আদালতের অনুমতি আবশ্যক। আদালত প্রয়োজন মনে করলে অনুমতি দিতে পারেন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত আরোপ করতে পারেন।

প্রক্রিয়া:
আবেদন দাখিল: বিবাদীকে আদালতে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন (Application) দাখিল করতে হবে, যেখানে ব্যাখ্যা করা হবে কেন নতুন তথ্য যুক্ত করা জরুরি।
কারণ দর্শানো: আদালত বিবেচনা করবেন যে নতুন তথ্য বা যুক্তি যুক্ত করা ন্যায়সঙ্গত কিনা।
বিপক্ষ পক্ষের সুযোগ: প্রয়োজনে আদালত বাদীকে প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ দিতে পারেন।
আদালতের অনুমতি: আদালত যথাযথ মনে করলে নতুন তথ্য বা দাবি যুক্ত করার অনুমতি দেবেন।
২,১৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীনে কোনো মোকদ্দমা সমঝোতায় (compromise) নিষ্পত্তি হলে, আদালত প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কী জারি করবে?
  1. ডিক্রি
  2. অন্তর্বর্তী আদেশ
  3. সার্টিফিকেট
  4. নোটিশ
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (১১):
কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ (১৮৭০ সালের ৭নং আইন) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধসমূহ এই ধারার অধীনে মীমাংসায় নিষ্পত্তি হলে পক্ষসমূহের মাধ্যমে আরজি কিংবা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কোর্ট একটি সার্টিফিকেট জারি করবে এবং সার্টিফিকেট জারির তারিখ থেকে ষাট দিনের ভিতর পক্ষসমূহ তা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।

Section 89A (11)-
Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.

২,১৪০.
ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন যদি মামলার প্রক্রিয়া বিলম্বের জন্য করা হয়, আদালত কী করতে পারে?
  1. আবেদনকারীর মামলা বাতিল করবে
  2. আবেদনকারীকে মামলা থেকে বাদ দিতে পারে
  3. আবেদনকারীকে কারাদণ্ডাদেশ দিবে
  4. ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা

Order 6, Rule 17 – Amendment of Pleadings:
মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে আদালত পক্ষগুলিকে তাদের প্লিডিং (pleadings) পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারে এমনভাবে এবং শর্তে যা ন্যায়সঙ্গত মনে হয়। এই সংশোধনগুলো করা হবে যাতে পক্ষগুলোর মধ্যে মূল বিতর্কিত বিষয়গুলি সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়।

শর্ত ১:
ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর কোনো সংশোধনের আবেদন গৃহীত হবে না, যদি না আদালত মনে করে যে, দায়িত্বপূর্ণ যত্ন (due diligence) সত্ত্বেও, পক্ষটি ট্রায়ালের আগে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেনি।

শর্ত ২:
যদি ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর সংশোধনের আবেদন করা হয়, এবং আদালত মনে করে যে, আবেদনটি মামলার প্রক্রিয়া বিলম্ব করার জন্য করা হয়েছে, তাহলে আদালত আবেদনকারীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে।

২,১৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-৪ অনুযায়ী, রিভিউ আবেদন কখন প্রত্যাখ্যান করা হয়?
  1. আবেদন দেরিতে জমা দিলে
  2. আবেদনকারী উপস্থিত না হলে
  3. বিপক্ষ পক্ষের আপত্তি থাকলে
  4. আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
সঠিক উত্তর:
আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
ব্যাখ্যা
উত্তর: আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৪৭ বিধি-৪: রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান ও মঞ্জুরের শর্তাবলী:
(১) আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, রিভিউ আবেদনের জন্য যথেষ্ট কারণ নেই, তাহলে আদালত আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করবে।

(২) আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা উচিত, তাহলে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করবে: তবে শর্ত থাকে যে−
(ক) বিপক্ষ পক্ষকে পূর্ব নোটিশ না দিয়ে এবং তাকে ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে শুনানির সুযোগ না দিয়ে কোনো রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না; এবং
(খ) নতুন তথ্য বা প্রমাণের ভিত্তিতে কোনো রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না, যদি আবেদনকারী এই মর্মে কঠোর প্রমাণ না দেয় যে, উক্ত তথ্য বা প্রমাণ তার জানা ছিল না বা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তা উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল না।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-47 Rule-4. Application where rejected:
(1) Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a review, it shall reject the application.
Application where granted:
(2) Where the Court is of opinion that the application for review should be granted, it shall grant the same: Provided that−
(a) no such application shall be granted without previous notice to the opposite party, to enable him to appear and be heard in support of the decree or order, a review of which is applied for: and
(b) no such application shall be granted on the ground of discovery of new matter or evidence which the applicant alleges was not within his knowledge, or could not be adduced by him when the decree or order was passed or made, without strict proof of such allegation.
২,১৪২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৫ এর বিধান কি?
  1. রায়ের পূর্বে ক্রোকাদেশ
  2. আর্জি খারিজ
  3. লিখিত জবাব
  4. বিকল্প সমন জারী
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে ক্রোকাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে ক্রোকাদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি ৫ এ রায়ের পূর্বে যে যে ক্ষেত্রে ক্রোক এবং গ্রেফতারের আদেশ দেয়া তা আলোচনা করা হয়েছে।
২,১৪৩.
আদেশ ১০ বিধি ২ এর অধীন কার থেকে মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করা যেতে পারে?
  1. কেবল বাদীর থেকে
  2. কেবল বিবাদী থেকে
  3. কেবল প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম কোনো পক্ষের সাক্ষী থেকে
  4. প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে
ব্যাখ্যা

উত্তর: ঘ) প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে।

আদেশ ১০ বিধি ২- পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

২,১৪৪.
আদেশ ১২, বিধি ৬ এর অধীনে রায় প্রদান করা যেতে পারে-
  1. শুধুমাত্র চূড়ান্ত শুনানির পর
  2. যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
  3. যখন কোনো পক্ষ অনুরোধ করে
  4. উচ্চতর আদালত আদেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১২ বিধি ৬- স্বীকারোক্তির উপর রায়:
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order-12 Rule-6: Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
২,১৪৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১- এর অধীনে কোন ক্ষেত্রে বাদীর মোকদ্দমা খারিজ হতে পারে?
  1. প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে
  2. আদালতে হাজির না হলে
  3. প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
  4. অপর পক্ষের সঙ্গে আপস করতে না চাইলে
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
ব্যাখ্যা
• যদি কোনো পক্ষ যাকে মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার (to answer Interrogatories) বা কোন দলিল প্রকাশ (discovery of documents) বা দলিল নিরীক্ষণের (inspection of documents) আদেশ দেয়া হয়েছে, যদি সে বাদী হয় এবং সে যদি উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত তার মামলা খারিজ (Dismissed the suit) করে দিবে এবং যদি সে বিবাদী হয় তাহলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন (Right to defence) বাতিল করবে।

• আদেশ ১১ বিধি ২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Order 11 Rule-21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
২,১৪৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোথায় দেওয়ানি আদালতকে বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. আদেশ ১৪ বিধি-৩
  2. আদেশ ১৪ বিধি-৫
  3. আদেশ ১৪ বিধি-৬
  4. আদেশ ১৪ বিধি-৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি-৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি-৫
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদীর আরজি এবং লিখিত বর্ণনা (যদি থাকে) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিষয় লিপিবদ্ধ করবে। 

• আদেশ ১৪ বিধি-৫: বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা-
১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে।
২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।

Order 14 Rule 5: Power to attend and strike out issues-
(1) The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.
(2) The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.
২,১৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় 'Judgment on admissions' এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ১২ বিধি ৪
  2. আদেশ ১২ বিধি ৮
  3. আদেশ ১২ বিধি ৬
  4. আদেশ ১২ বিধি ৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ এ 'Judgment on admissions' এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি ৬ (স্বীকারোক্তির উপর রায়)-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

CPC Order-12 Rule-6 :Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
২,১৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, আপিল আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাগুলোর মধ্যে কোনটি নয়?
  1. বিচার্য বিষয় গঠন করা
  2. বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা
  3. মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করা
  4. মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০৭ অনুসারে, আপিল আদালতের ক্ষমতাগুলোর মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
ক) বিচার্য বিষয় গঠন করা: ধারা ১০৭(১)(গ) অনুসারে, আপিল আদালত বিচার্য বিষয় গঠন করতে এবং তা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারে।
গ) মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করা: ধারা ১০৭(১)(খ) অনুসারে, আপিল আদালত মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করতে পারে।
ঘ) মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা: ধারা ১০৭(১)(ক) অনুসারে, আপিল আদালত মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করতে পারে।

কিন্তু খ) বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা ধারা ১০৭-এর অধীনে আপিল আদালতের ক্ষমতার মধ্যে পড়ে না। আপিল আদালতের কাজ হলো নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশ পর্যালোচনা করা, পুনর্বিচারে প্রেরণ করা, বিচার্য বিষয় গঠন করা, অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা বা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করা। নতুন মামলা দায়েরের আদেশ দেওয়া আপিল আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে নয়, কারণ এটি মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের কাজ।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।
২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power-
(a) to determine a case finally;
(b) to remand a case;
(c) to frame issues and refer them for trial;
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken.
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.

২,১৪৯.
সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, যদি উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে ধারা ৮১ অনুযায়ী আদালত-
  1. কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন
  2. কর্মচারীকে তাৎক্ষনিক গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারেন
  3. মোকদ্দমাটি অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারেন
  4. মোকদ্দমার তারিখ অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৮১- গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদীকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং
খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

Section 81: Exemption from arrest and personal appearance:
In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
a) the defendant shall not be liable to arrest not his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
২,১৫০.
আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করার আদেশ-
  1. আপিলযোগ্য
  2. আপিলঅযোগ্য
  3. রিভিশনযোগ্য
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
ব্যাখ্যা

আদেশ-৪৭ বিধি-৪ মোতাবেক রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করার আদেশ → আপিলযোগ্য।

আদেশ ৪৩ বিধি-১ (ব) স্পষ্টভাবে বলে:
“রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করে আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য।” অর্থাৎ CPC-তে এটিকে সরাসরি appealable order হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

আদেশ ৪৩ বিধি-১- আদেশসমূহ হতে আপিল:
১০৪ ধারা অনুযায়ী নিম্নোক্ত আদেশসমূহের বিরুদ্ধে আপিল করা চলবে, যথা-
ক) আদেশ-৭ এর বিধি-১০ মোতাবেক উপযুক্ত আদালতে দাখিল করার জন্য আরজি ফেরত প্রদানের আদেশ;
খ) আদেশ-৮ এর বিধি-১০ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায়সহ আদেশ;
গ) আদেশ-৯ এর বিধি-৯ মোতাবেক মোকদ্দমা বাতিল রদ করার জন্য আবেদন (আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়) অগ্রাহ্য করে প্রদত্ত আদেশ;
ঘ) আদেশ-৯ এর বিধি-১৩ মোতাবেক একতরফা প্রদত্ত ডিক্রি রদ করতে আদেশের জন্য আবেদন (আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়) অগ্রাহ্য করে প্রদত্ত আদেশ;
ঙ) আদেশ-১০ এর বিধি-৪ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায় সম্বলিত আদেশ;
চ) আদেশ-১১ এর বিধি-২১ মোতাবেক আদেশ;
ছ) আদেশ-১৬ এর বিধি-১০ মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোকের জন্য প্রদত্ত আদেশ;
জ) আদেশ-১৬ এর বিধি-২০ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় সম্বলিত আদেশ;
১) আদেশ-২১ এর বিধি-৩৪ মোতাবেক কোন দলিলের বা পৃষ্ঠালিপির আরজির বিরুদ্ধে আপত্তি প্রসঙ্গে আদেশ।
২) আদেশ-২১ এর বিধি-৬০ মোতাবেক ক্রোক হতে সম্পত্তি মুক্ত করা;
৩ ) আদেশ-২১ এর বিধি-৬১ মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোকের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা
ঞ) আদেশ-২১ এর বিধি-৭২ বা নিয়ম-৯২ মোতাবেক নিলাম বিক্রয় রদ করে বা রদ করতে অস্বীকার করে আদেশ;
ট) আদেশ-২২ এর বিধি-৯ মোতাবেক বিলুপ্তিকরণ বা মোকদ্দমা বাতিল রদ করতে অস্বীকার করে আদেশ;
ঠ) আদেশ-২২ এর বিধি-১০ মোতাবেক অনুমতি দিয়ে বা অনুমতি দিতে অস্বীকার করে কোন আদেশ;
ড) আদেশ-২৩ এর বিধি-৩ মোতাবেক কোন চুক্তিপত্র, আপসনামা বা পরিতুষ্টি লিপিবদ্ধ করে বা লিপিবদ্ধ করতে অস্বীকার করে কোন আদেশ;
চ) আদেশ-২৫ এর বিধি-২ মোতাবেক মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ রদ করার জন্য কোন আবেদনপত্র (আপিলের উন্মোক্ত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে) নাকচ করে কোন আদেশ;
ণ) আদেশ-৩৪ এর বিধি-২, ৪ বা ৭ মোতাবেক বন্ধকী অর্থ পরিশোধের সময়সীমা বর্ধিত করা অগ্রাহ্য করে কোন আদেশ;
ত) আদেশ-৩৫ এর বিধি-৩, ৪ বা ৬ মোতাবেক স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় কোন আদেশ;
থ) আদেশ-৩৮ এর বিধি-২ বা বিধি-৬ মোতাবেক কোন আদেশ;
দ) আদেশ-৩৯ এর বিধি-১, ২, ৪ বা ১০ মোতাবেক কোন আদেশ;
ধ) আদেশ-৪০ এর বিধি-১ বা বিধি-৪ মোতাবেক কোন আদেশ;
ন) আদেশ-৪১ এর বিধি-১৯ মোতাবেক পুনঃ গ্রহণ বা আদেশ-৪১ এর বিধি-২১ মোতাবেক কোন আপিলের পুন শুনানি অস্বীকার সম্বলিত কোন আদেশ;
প) যেক্ষেত্রে আপিল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা চলে, সেক্ষেত্রে আদেশ-৪১ এর বিধি-২৩ মোতাবেক মোকদ্দমা পুনঃবিচারের জন্য প্রেরণের আদেশ;
ফ) আদেশ-৪৫ এর বিধি-৬ মোতাবেক প্রত্যয়নপত্র প্রদান করতে অস্বীকার করে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ;
ব) রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করে আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত আদেশ।

২,১৫১.
বিচারক কখন ডিক্রিতে স্বাক্ষর করবেন?
  1. পক্ষদ্বয়ের ইচ্ছানুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
  2. ইংরেজি ভাষায় ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
  3. রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
  4. আদালতের ভাষায় ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
সঠিক উত্তর:
রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
ব্যাখ্যা
• ডিক্রি হচ্ছে-
> আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত (Formal expression of an adjudication); এবং
> পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারন করে (To determine the Rigths of the parties conclusively)।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ,বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
• আদেশ ২০ বিধি ৭ অনুসারে-
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, ডিক্রিতে ঐ তারিখ উল্লেখ থাকবে এবং বিচারক যদি স্বয়ং পরিতুষ্ট হন যে, রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হয়েছে তবে তিনি ডিক্রি স্বাক্ষর করবেন।
[The decree shall bear date the day on which the judgment was pronounced, and when the Judge has satisfied himself that the decree has been drawn up in accordance with the judgment, he shall sign the decree]
২,১৫২.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে কোনো আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ করতে হয় কোন আদালতে?
  1. আদেশ দানকারী আদালতে
  2. উর্ধ্বতন আদালতে
  3. যে আদালতে আপিল করা যায় সেই আদালতে
  4. অবস্থাপ্রেক্ষিতে যে কোনো আদালতে।
সঠিক উত্তর:
আদেশ দানকারী আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ দানকারী আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১১৪ ধারায় বলা হয়েছে “….may apply for a review of judgment  to the court which passed the decree or order”. অর্থাৎ যে আদালত রায় বা আদেশ দিয়েছে রিভিউ-এর আবেদন সেই আদালতেই করতে হবে।

♦ দেওয়ানি মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে হবে রায়ের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে। (তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৭৩)
২,১৫৩.
আদালত কর্তৃক গৃহীত জবানবন্দির ক্ষেত্রে কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. মোকদ্দমার নথির অংশে পরিণত হবে
  2. বাদীর আইনজীবী কর্তৃক সারমর্ম লিখিত হবে
  3. পক্ষগণকে প্রদান করা বাধ্যতামূলক
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার নথির অংশে পরিণত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার নথির অংশে পরিণত হবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে। আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি বা করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০(২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি-৩ঃ জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত হতে হবে-
জবানবন্দির সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে এবং তা নথির অংশে পরিণত হবে।

Order 10 Rule 3: Substance of examination to be written-
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record
২,১৫৪.
"Oral examination of party or companion of party" - নিম্নোক্ত কোন বিধির শিরোনাম?
  1. আদেশ ১০ বিধি ১
  2. আদেশ ১১ বিধি ২
  3. আদেশ ১০ বিধি ২
  4. আদেশ ১০ বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১০ বিধি ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১০ বিধি ২
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি ২ (পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি)-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে, এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে, আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2 (Oral examination or party of companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.

২,১৫৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VII Rule 10 অনুসারে প্রদত্ত আর্জি ফেরতের আদেশ _______ যোগ্য।
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা

⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
 সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।

- উল্লিখিত প্রশ্নের Order 7 rule 10 আদেশটি আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর আপিল যোগ্য আদেশের তালিকায় রয়েছে। 

আদেশ ৭ বিধি-১০: আরজি ফেরত (Return of plaint)-
⇒ বাদী যদি এখতিয়ারহীন আদালতে আরতি দায়ের করে, তাহলে আদালত উক্ত আরজি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করার জন্য বাদীকে ফেরত প্রদান করবে।
⇒ আরজি ফেরত প্রদানের সময় বিচারক আরজি পেশ করার এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, আরজি দাখিলকারির নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সংক্ষেপে লিখবেন।

প্রতিকার: আরজি ফেরতের আদেশটি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)। [বিধি-১, আদেশ ৪৩] ।

২,১৫৬.
স্থাবর সম্পত্তি কোন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত উক্ত বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে মামলা দায়ের সম্পর্কে বিধান কোন আইনের কত ধারায়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪২
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৪
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain): স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।

♦ আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।
২,১৫৭.
ইস্যু গঠনের _______ দিনের মধ্যে 'প্রশ্নাবলির মাধ্যমে আবিষ্কার' এর দরখাস্ত প্রদান করতে হয়।
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২১
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি-১:
প্রশ্নমালা দ্বারা আবিষ্কার (Discovery by interrogatories):
কোন মোকদ্দমার বাদী বা বিবাদীপক্ষ অপর পক্ষগণকে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে বিচার্য বিষয় গঠনের তারিখ হতে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারবে এবং এরূপ প্রশ্নমালা প্রদান করা হলে কোন প্রশ্নের উত্তর এরূপ ব্যক্তিদের কাকে প্রদান করতে হবে তা প্রশ্নমালার পাদটিকায় লেখা থাকবে। এখানে আদালতের অনুমতি দেয়া বিবেচনামূলক। আদালতের আদেশ ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে একটির বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারবে না।
২,১৫৮.
কোন বিদেশী রাষ্ট্রের শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে কী করতে হবে?
  1. সরকারের সম্মতি লাগবে
  2. যোগ্য আদালতে মামলা করতে হবে
  3. সরকারের কোন সেক্রেটারী কর্তৃক সার্টিফায়েড হতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৬ ধারার বিধান-: বিদেশী শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মামলা (Suits against Foreign Rulers)- সরকারের অনুমতি নিয়ে অর্থাৎ সরকারের কোন সচিবের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট সম্বলিত সরকারের সম্মতিক্রমে কোন বিদেশী শাসন কর্তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের উপযুক্ত আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়।
⇒সরকারের অনুমতি ব্যতীত বিদেশী শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায় না।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৭ ধারা অনুযায়ী কোন বিদেশী শাসনকর্তা মোকদ্দমা দায়ের করতে চাইলে বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে ঐ বিদেশী রাষ্ট্রের নামে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়। তবে উক্ত শাসন কর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা তার কোন প্রতিনিধি বা অন্য কারো বিরুদ্ধেও দায়ের করা যায়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৬ক ধারার বিধান: কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরূদ্ধে মোকদ্দমা (Suit against diplomatic agent)- কোন রাষ্ট্রের কুটনৈতিক প্রতিনিধি বলতে বাংলাদেশে অবস্থানরত সংশ্লিষ্ট মিশনের প্রধান এবং ঐ মিশনের কূটনৈতিক পদ মর্যাদার অধিকারী কর্মচারীদের কোন সদস্যকেও বোঝাবে।

⇒ কোন কূটনৈতিক প্রতিনিধি তার কূটনৈতিক ক্ষমতাবলে কূটনৈতিক কার্যাবলীর অংশ হিসেবে কোন কিছু করলে সেজন্য ঐ কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আদালতে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক প্রতিনিধি ব্যক্তিগত যোগ্যতায় কোন কিছু করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে মোকদ্দমা করা যাবে-
ⅰ) ব্যক্তিগত যোগ্যতায় বাংলাদেশে অবস্থিত কোন স্থাবর সম্পত্তির অধিকারী হলে;
ii) বেসরকারি ব্যক্তির মত (private person) কোন উত্তরাধিকারের নিবন্ধক, অছি, ওয়ারিশ বা উইলগ্রহীতা হলে এবং প্রেরণকারী রাষ্ট্রের পক্ষে না হলে;
iii) কূটনৈতিক কার্যাবলির বাহিরে ব্যক্তি যোগ্যতায় বাংলাদেশে কোন বৃত্তিমূলক বা বানিজ্যিক কর্ম-তৎপরতা প্রয়োগ করলে।
-------------------
⇒CPC Section-86.Suits against Rulers:
(1) Any Ruler of foreign State may, with the consent of the Government, certified by the signature of a Secretary to that Government but not without such consent, be sued in any competent Court. 
(2) Such consent may be given with respect to a specified suit or to several specified suits or with respect to all suits of any specified class or classes, and may specify, in the case of any suit or class of suits, the Court in which the Ruler may be sued; but it shall not be given unless it appears to the consenting authority that the Ruler 
(a) has instituted a suit in the Court against the person desiring to sue him, or 
(b) by himself or another trades within the local limits of the jurisdiction of the Court, or 
(c) is in possession of immovable property situated within those limits and is to be sued with reference to such property or for money charged thereon. 
(3) No such Ruler shall be arrested under this Code, and, except with the consent of the Government certified as aforesaid, on decree shall be executed against the property of any such Ruler. 
(5) A person may, as a tenant of immovable property, sue, without such consent as is mentioned in this section, a Ruler from whom he holds or claims to hold the property.

⇒CPC Section-86A.Suits against diplomatic agents:
(1) No proceeding in any Court shall lie against a diplomatic agent except in a case relating to- 
(a) any private immovable property situated in Bangladesh held by him in his private capacity and not on behalf of the sending State for the purpose of the mission; 
(b) a succession in which the diplomatic agent is involved as executor, administrator, heir or legatee as a private person and not on behalf of the sending State; 
(c) any professional or commercial activity exercised by the diplomatic agent in Bangladesh outside his official functions. 
(2) No measures of execution shall be taken in respect of a diplomatic agent except in cases which come under clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1) and in which such measures can be taken without infringing the inviolability of his person or of his residence. 
(3) The initiation of any proceedings in a Court by a diplomatic agent shall preclude him from invoking immunity from jurisdiction under this section in respect of any counter-claim directly connected with the principal claim. 
(4) The immunity of a diplomatic agent under sub- (4) The immunity of a diplomatic agent under sub-section (1) or sub-section (2) may be waived by the sending State; and any such waiver shall be express. 
(5) Waiver of immunity in respect of any proceedings shall not be held to imply waiver of immunity in respect of any measure of execution for which a separate waiver shall be necessary. 
(6) In this section, 'diplomatic agent' in relation to a State means the head of the mission in Bangladesh of that State and includes a member of the staff of that mission having diplomatic rank.

⇒CPC Section-87:Style of Rulers as parties to suits:
The Ruler of a foreign State may sue, and shall be sued, in the name of his State:
Provided that in giving the consent referred to in the foregoing section the Government, or the Government, as the case may be, may direct that any such Ruler shall be sued in the name of an agent or in any other name.
২,১৫৯.
আদেশ ৪৪ বিধি ২ অনুযায়ী, কোন আদালত আবেদনকারীর নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত করতে পারে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগ
  2. কেবলমাত্র আপিল আদালত
  3. কেবলমাত্র যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে সেই আদালত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

২,১৬০.
'A' নিম্নলিখিত কোন আদালতে ৩৫ লক্ষ টাকা মূল্যমানের জমির মালিকানা বিরোধজনিত মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করবেন সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
⇒ The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ার-
- সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
- সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
- যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে "A" উক্ত ৩৫ লক্ষ টাকা মূল্যমানের জমির মালিকানা বিরোধজনিত মোকদ্দমা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দায়ের করতে পারে। 
২,১৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত হচ্ছে একটি-
  1. আদেশ
  2. প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
  3. ডিক্রি
  4. চুড়ান্তসিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) মোতাবেক- আরজি ত্রুটিযুক্ত হলে আদালত আরজি খারিজ বা আরজি নাকচ  করেন এবং আরজি খারিজ একটি ডিক্রি। উল্লেখ্য আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আদেশ। আদেশ অন্তবর্তীকালীন বা চূড়ান্ত হতে পারে। ডিক্রী প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে।
♦ আরজি নাকচের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলঃ ধারা ২(২) অনুযায়ী আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যানের আদেশ একটি ডিক্রি তাই এর বিরুদ্ধে ধারা ৯৬(১) অনুযায়ী আপীল করা যায়। আপীল না করলে ধারা ১১৪/Order XLVII অনুযায়ি রিভিউ করা যায় এবং আদেশ ৭ বিধি ১৩ এর অধীন পুনরায় একই কারণে নতুন আরজি দাখিল করা যায়।
২,১৬২.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করার বিরুদ্ধে মামলা করার বিধান রয়েছে-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের ২ নিয়মে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৫ আদেশের ১ নিয়মে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ৩ নিয়মে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
ব্যাখ্যা
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে হয় ৩৯ আদেশের ১ এবং ২ (১) বিধির অধীন। ৩৯ আদেশের ১ বা ২(১) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে তা যদি অমান্য করা হয় সেই ক্ষেত্রে অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে ।

- মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
২,১৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯(ক) ধারা অনুযায়ী, আদালত কবে মধ্যস্থতার জন্য মামলা পাঠাতে পারেন?
  1. আরজি দাখিলের সময়
  2. লিখিত জবাব দাখিলের আগে
  3. লিখিত জবাব দাখিলের পর উভয় পক্ষ হাজির হলে
  4. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর উভয় পক্ষ হাজির হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর উভয় পক্ষ হাজির হলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯(ক) ধারায় বলা হয়েছে, লিখিত জবাব দাখিলের পর উভয় পক্ষ আদালতে উপস্থিত হলে বিচারক শুনানি মুলতবি রেখে মধ্যস্থতা শুরু করতে পারেন।
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৯(ক) অনুযায়ী যখন মোকদ্দমার উভয় পক্ষ (বাদী ও বিবাদী) লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালতে হাজির হয়, তখন আদালত শুনানি মুলতবি রেখে ওই বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতার ব্যবস্থা করতে পারেন।
- এই সময় আদালত হয় নিজে মধ্যস্থতা করতে পারেন, অথবা একজন মধ্যস্থতাকারীর (Mediator) কাছে বিষয়টি পাঠাতে পারেন।
- এটি আদালতের জন্য একটি বাধ্যতামূলক করণীয় যাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) পদ্ধতিকে উৎসাহিত করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৯ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে / আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয় তাহলে আদালত শুনানী মুলতবী রেখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
- মধ্যস্থতার ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে আদালত পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
- মধ্যস্থতার সময় হবে ৬০ দিন তবে সর্বাধিক ৯০ দিনের বেশি নয়।

⇒ মধ্যস্থতার সংজ্ঞা (Definition of Mediation)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতার সংজ্ঞা রয়েছে। ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতা বলতে প্রসারিত অনানুষ্ঠানিক, অবাধ্যতামূলক, গোপনীয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং সমঝোতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী মীমাংসার কোন শর্তে নির্দেশ না করে কিংবা তৎসম্পর্কে কোন আদেশ না দিয়ে পক্ষগণের মধ্যকার বিরোধগুলো নিষ্পত্তির সুযোগ করে দেন।
২,১৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি ১ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করবে না?
  1. বাদী উপস্থিত না থাকলে
  2. মামলা আপিলঅযোগ্য হলে
  3. কোনো পক্ষ নতুন আবেদন করলে
  4. বিবাদী প্রথম শুনানিতে আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী প্রথম শুনানিতে আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী প্রথম শুনানিতে আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১(৬) অনুযায়ী -
“মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে, এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করবে না।”

অর্থাৎ, যদি বিবাদী তার লিখিত জবাব দাখিল না করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন না করে, তবে আদালত বিচার্য বিষয় (Issues) নির্ধারণ করবে না, কারণ তখন বাদীর বক্তব্য একতরফা (ex parte) অবস্থায় থেকে যায় - বিরোধের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

২,১৬৫.
'Pro-forma defendant' বলতে কাদের বুঝায়?
  1. যাদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় প্রতিকার চাওয়া হয়
  2. যাদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়
  3. যাদেরকে প্রয়োজনে মোকদ্দমা থেকে বাদ দিতে হয়
  4. স্বার্থ ব্যতীত যাদেরকে প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়
সঠিক উত্তর:
স্বার্থ ব্যতীত যাদেরকে প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বার্থ ব্যতীত যাদেরকে প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়
ব্যাখ্যা
• মোকাবেলা পক্ষ (Pro-forma defendant )-
অনেক সময় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয় যে, বিবাদী ব্যতীত অন্যান্য কতিপয় ব্যক্তিকে মোকদ্দমা বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিকার চাওয়া হয় না বা মোকদ্দমায় তাদের কোনো স্বার্থ নেই। তাদের মোকাবেলা পক্ষ বা (Pro-forma defendant ) বলা হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৫নং বিধি অনুযায়ী-
"বিবাদিগণের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় যেসকল প্রতিকার দাবী করা হয়, তন্মধ্যে সবগুলোই প্রত্যেক বিবাদির স্বার্থসম্পর্কিত হওয়ার দরকার নেই।"
It shall not be necessary that every defendant shall be interested as to all the relief claimed in any suit against him.

উক্ত বিধি দ্বারা পরোক্ষ ভাবে (Pro-forma defendant) নীতির বৈধতা দেয়া হয়েছে।
২,১৬৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪৭ বিধি-৭ অনুযায়ী, আদালত যদি পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা অগ্রাহ্য করে, তাহলে-
  1. আপত্তি তোলা যাবে
  2. আপিল করা যায়
  3. আপিল করা যায় না
  4. হাইকোর্টে আবেদন করা বাধ্যতামূলক
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যায় না
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৭ বিধি-৭: প্রত্যাখ্যাত আদেশ আপিলযোগ্য নয়, আবেদন মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি:
১) আদালত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না; কিন্তু প্রার্থনা কবুলের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত কারণে আপত্তি পেশ করা যাবে-
ক) বিধি-২ তে বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
খ) বিধি-৪ এ বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
গ) আবেদনের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ অতীত হওয়ার পর এবং যথেষ্ট কারণ ব্যতীত সেটি করা হয়েছিল বলে আপত্তি উত্থাপন করা যেতে পারে; আবেদন মঞ্জুর করে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে, বা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় প্রদত্ত চূড়ান্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করে ঐরূপ আপত্তি উত্থাপন করা চলবে।
২,১৬৭.
'Mesne profits' এর সংজ্ঞা দেওয়ানি কার্যবিধিতে কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ২ এর ২ উপধারায়
  2. ধারা ২ এর ৬ উপধারায়
  3. ধারা ২ এর ১২ উপধারায়
  4. ধারা ২ এর ১৪ উপধারায়
সঠিক উত্তর:
ধারা ২ এর ১২ উপধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২ এর ১২ উপধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ২(১২)- “অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা” (mesne profits):
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits.

ব্যতিক্রম-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
২,১৬৮.
আদেশ ১৬ বিধি ১৪ এর অধীন আদালত কোন ধরনের ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে?
  1. যে ব্যক্তি মামলার পক্ষ
  2. যে ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত
  3. যে ব্যক্তি মামলার পক্ষের আইনজীবী
  4. যে ব্যক্তি মামলার পক্ষ নয় এবং সাক্ষী হিসেবেও ডাকা হয়নি
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি মামলার পক্ষ নয় এবং সাক্ষী হিসেবেও ডাকা হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি মামলার পক্ষ নয় এবং সাক্ষী হিসেবেও ডাকা হয়নি
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৬ বিধি ১৪-

হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল
২,১৬৯.
মামলার যে-কোনো পর্যায়ে কোনো সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোনো প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত _________ করতে পারবেন।
  1. পরিদর্শন
  2. অনুসন্ধান
  3. তদন্ত
  4. ক্রোক
সঠিক উত্তর:
পরিদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিদর্শন
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ১১ বিধি ১৮ মতেঃ পরিদর্শনের আদেশঃ (১) যেক্ষেত্রে ১৫ বিধি অনুসারে নোটিশ প্রাপ্ত পক্ষ পরিদর্শনের জন্য সময় নির্দেশ করে নোটিশ না দেয়, বা পরিদর্শনের সুযোগ প্রদানে আপত্তি করে, অথবা উকিলের কার্যালয় ব্যতিত অন্য কোন স্থানে পরিদর্শনে প্রস্তাব করে, সেক্ষেত্রে ইহা প্রত্যাশী পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত সেরূপ স্থানে এবং পন্থায় পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন, যেরূপ তিনি সঙ্গত মনে করেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত যদি মনে করেন যে, মামলার সুষ্ঠু বিচারের জন্য বা মামলার খরচ বাচানোর জন্য ইহা প্রয়োজনীয় নহে, তবে আদালত সেরূপ আদেশ প্রদান করবেন না।
২,১৭০.
মোকদ্দমায় নতুন বিবাদী সংযুক্ত করলে সংশোধন করতে হবে-
  1. আরজির ধারা
  2. লিখিত জবাব
  3. আরজি
  4. লিখিত জবাবের নকল
সঠিক উত্তর:
আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ১০ (২) আনুযায় আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন (Court may strike out or add parties): যদি সরল বিশ্বাসে ভুলের মাধ্যমে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয় বা মোকদ্দমার বিরোধের বিষয় নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন হয় তাহলে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত অন্যায়ভাবে যুক্ত যে কোন পক্ষের নাম কাটতে পারবে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম যুক্ত করা উচিত অথবা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

♦ আদেশ ১ বিধি ১০(৪) আনুযায় নতুন বিবাদী সংযুক্ত হলে বা বিবাদীর নাম যুক্ত করলে আরজি সংশোধন করতে হবে এবং সংশোধিত আরজি ও সমনের নকল নতুন বিবাদীর নিকট প্রেরণ করতে হবে। (Where defendant added, plant to be amended)

♦ আদেশ ১ বিধি ১০(৫) আনুযায় তামাদি আইন ১৯০৮ এর ধারা ২২ অনুযায়ী যে ব্যক্তিকে বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে সমন প্রাপ্তির তারিখ থেকে আইনগত কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে গণ্য করতে হবে।
২,১৭১.
আদেশ ৩৮, বিধি ৯ এর অধীনে কোন পরিস্থিতিতে ক্রোক প্রত্যাহার করা যেতে পারে?
  1. বিবাদী অনুরোধ করলে
  2. মোকদ্দমা খারিজ হলে
  3. বিবাদী আপিল করলে
  4. মোকদ্দমা স্থগিত হলে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ হলে
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
২,১৭২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশে রায় ও ডিক্রী বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ১৭ আদেশ
  2. ১৮ আদেশ
  3. ১৯ আদেশ
  4. ২০ আদেশ
সঠিক উত্তর:
২০ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ২০ অনুযায়ী রায়, ডিক্রী ও আদেশ বিষয়ে বলা আছে।
⇒ মোকদ্দমার শুনানী শেষে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীগণকে বিজ্ঞপ্তির পর সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে আদালতে রায় ঘোষনা করতে হবে।
২,১৭৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) নীতি উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ১১ ধারার ৪নং ব্যাখ্যায়
  2. ১১ ধারার ৩নং ব্যাখ্যায়
  3. ১১ ধারার ২নং ব্যাখ্যায়
  4. ১১ ধারার ১নং ব্যাখ্যায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারার ৪নং ব্যাখ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারার ৪নং ব্যাখ্যায়
ব্যাখ্যা
পরোক্ষ বা Constructive Res Judicata:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারার ৪নং ব্যাখ্যায় অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) নীতি উল্লেখ করা হয়েছে। পরোক্ষ রেস জুডিকাটা বলতে বোঝায়, যে বিষয় পূর্ববর্তি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তি খণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারত বা হওয়া উচিৎ ছিল সেটাও উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ ও মূল বিচার্য বিষয় বলে ধরে নিতে হবে। অর্থাৎ, যেখানে পূর্বের মামলায় কোনো পক্ষের পক্ষে এমন যুক্তি ছিল, যা সেই মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি, কিন্তু উপস্থাপন করা উচিত ছিল। এমন পরিস্থিতিতে, পরবর্তী মামলায় সেই যুক্তি আর উপস্থাপন করা যাবে না।

যেমন, ক্রেতা এবং বিক্রেতার মধ্যে জমির মালিকানার বিরোধ জনিত এক মোকদ্দমায় আদালত রায় দিলেন যে, জমিটি বিক্রেতার। কিন্তু ক্রেতা আদালতে উল্লেখ করেন নি যে, জমিতে গোপন ত্রুটি রয়েছে। পরে আবার নতুন করে এই গোপন ত্রুটির ভিত্তিতে আরেকটি মামলা দায়ের করা যাবে না। এক্ষেত্রে অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটাকে (Constructive Res Judicata) পরোক্ষ রেস জুডিকাটাও বা Indirect Res Judicata বলে।
২,১৭৪.
কোনো ব্যক্তি আদালতের সমনে নির্দেশ সত্ত্বেও দলিল দাখিল না করলে দেওয়ানী আদালত The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারার অধীনে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে?
  1. ৩২
  2. ৩০
  3. ৩১
  4. ২৯
সঠিক উত্তর:
৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, ৩০ ধারা অনুযায়ী আদালতের আদেশে সমন জারি সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তি দলিল উপস্থাপনে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত ব্যক্তির উপর গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে, তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারে, অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে কিংবা তার হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।

ধারা ৩০। আবিস্কার ও অনুরূপ বিষয়ের আদেশ দানের ক্ষমতা:
যেরূপ নির্ধারণ করা হয়, সেরূপ শর্ত এবং সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে কোন আদালত যে কোন সময় স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অথবা কোন একপক্ষের আবেদনক্রমে -
ক) প্রশ্নাবলী সরবরাহ ও জবাবদান, দলিল ও তথ্য গ্রহণ এবং সাক্ষ্য হিসেবে দাখিলযোগ্য দলিল বা অন্য কোন বস্তু আবিস্কার, পরিদর্শন, দাখিল, অন্তরীণ বা ফেরৎ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় বা সংগত আদেশ দিতে পারেন;
খ) স্বাক্ষদান বা দলিল দাখিল বা উপরোক্ত অন্য কোন উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তির হাজির হওয়া দরকার তার প্রতি সমন প্রদান করতে পারেন;
গ) কোন তথ্য শপথনামা দ্বারা প্রমাণের আদেশ দিতে পারেন।
২,১৭৫.
The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে দেওয়ানী আদালত বসার স্থান নির্ধারণের এখতিয়ার কার?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. জেলা জজ
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
 (1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held. 
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.

২,১৭৬.
Under Order 7, Rule 2 of The Code of Civil Procedure, 1908, when a plaintiff files a money suit, what must the plaint specify?
  1. The defendant’s income
  2. The source of money
  3. The date of transaction
  4. The precise amount claimed
সঠিক উত্তর:
The precise amount claimed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The precise amount claimed
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-7, Rule-2: In money suits:
- Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed. But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮- আদেশ ৭, বিধি ২: অর্থ পাওনা সম্পর্কিত মামলা:
যেখানে বাদী টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে মামলা করেন, সেখানে বাদীকে মামলার আরজিতে (plaint) নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দাবির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
তবে, যদি মামলা অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা বা এমন কোনো অর্থ দাবির জন্য হয়, যা বিবাদীর সাথে হিসাবনিকাশের পর নির্ধারিত হবে, তাহলে বাদীকে আনুমানিকভাবে দাবিকৃত টাকার পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।

মূল কথা:
১. নির্দিষ্ট টাকার জন্য মামলা হলে → সুনির্দিষ্ট টাকার পরিমাণ লিখতে হবে।
২. হিসাব নির্ধারিত নয় এমন ক্ষেত্রে → আনুমানিক টাকার পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।
২,১৭৭.
ORDER XII, Rule 4 অনুযায়ী, স্বীকারোক্তির জন্য নোটিশ দিতে হবে শুনানির কতদিন আগে?
  1. ৭ দিন
  2. ৯ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XII, Rule 4 অনুযায়ী, কোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে লিখিতভাবে একটি নোটিশ দিতে পারে, যাতে সে নির্দিষ্ট কিছু ঘটনা স্বীকার করে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে প্রদান করতে হয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ORDER-XII, Rule-4 অনুযায়ী: কোনো পক্ষ ঘটনা স্বীকারের জন্য লিখিত নোটিশ পেলে, তাকে ৬ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। এই সময়সীমা নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে গণনা করা হয়। আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 4 অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ লিখিতভাবে অপর পক্ষকে নির্দিষ্ট ঘটনা বা ঘটনাবলী স্বীকার করার জন্য নোটিশ দিতে পারে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে দিতে হবে।
- এ ধরনের নোটিশ পাওয়ার পর ছয় (৬) দিনের মধ্যে বা আদালতের অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে উত্তর প্রদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বীকারোক্তি না করা হয় বা উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঘটনা প্রমাণ করার জন্য যে ব্যয় হবে, তা সেই পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোনো নির্দেশ দেন।
- এছাড়া, এই স্বীকারোক্তি কেবল সংশ্লিষ্ট মামলার জন্যই প্রযোজ্য হবে এবং এটি অন্য কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। আদালত উপযুক্ত মনে করলে, শর্তসাপেক্ষে স্বীকারোক্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-4: Notice to Admit Facts:
- Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice.
- In case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs.
Provided that any admission made in pursuance of such notice shall be deemed to be made only for the purposes of the particular suit and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favor of any person other than the party giving the notice.
Provided also that the Court may, at any time, allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.

২,১৭৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর কোন বিধি অনুযায়ী বিবাদীর গরহাজিরার ক্ষেত্রে একতরফা শুনানি নির্ধারিত হয়?
  1. বিধি-১
  2. বিধি-৬
  3. বিধি-১২
  4. বিধি-১৩
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) বিধি-৬
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৬ অনুযায়ী, যখন বাদী উপস্থিত হন এবং বিবাদী উপস্থিত না থাকেন, তখন আদালত একতরফা শুনানি পরিচালনা করতে পারে যদি প্রমাণিত হয় যে সমন সঠিকভাবে বিবাদীকে প্রেরণ করা হয়েছে। এই বিধি অনুযায়ী, আদালত বিভিন্ন পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে, যেমন দ্বিতীয় সমন প্রেরণ করা বা শুনানি স্থগিত রাখা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯, বিধি-৬. শুধুমাত্র বাদী উপস্থিত হলে কার্যপ্রণালী: 
(১) যখন বাদী উপস্থিত হন এবং বিবাদী শুনানির জন্য উপস্থিত হন না, তখন:
যখন সমন সঠিকভাবে প্রেরিত হয়:
(ক) যদি প্রমাণিত হয় যে সমন সঠিকভাবে প্রেরিত হয়েছে, তবে আদালত একতরফা শুনানি পরিচালনা করতে পারে।
যখন সমন সঠিকভাবে প্রেরিত হয়নি:
(খ) যদি প্রমাণিত না হয় যে সমন সঠিকভাবে প্রেরিত হয়েছে, তবে আদালত বিবাদীর প্রতি দ্বিতীয় সমন প্রেরণ এবং সঠিকভাবে প্রেরণের নির্দেশ দেবে।
যখন সমন প্রেরিত হলেও যথাযথ সময়ে পৌঁছায়নি:
(গ) যদি প্রমাণিত হয় যে সমন বিবাদীর প্রতি প্রেরিত হয়েছে, কিন্তু সঠিক সময়ে তাকে উপস্থিত হতে এবং উত্তর দিতে সুযোগ দেয়নি, তবে আদালত শুনানি স্থগিত করে ভবিষ্যতে একটি নতুন তারিখ নির্ধারণ করবে এবং সেই তারিখ সম্পর্কে বিবাদীকে নোটিশ প্রদান করতে নির্দেশ দেবে।
(২) যদি বাদীর গাফিলতির কারণে সমন সঠিকভাবে প্রেরিত না হয় বা যথাযথ সময়ে প্রেরিত না হয়, তবে আদালত বাদীকে স্থগিত হওয়া শুনানির খরচ পরিশোধের আদেশ দেবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-9 Rule-6. Procedure when only plaintiff appears:
(1) Where the plaintiff appears and the defendant does not appear when the suit is called on for hearing, then-
 When summons duly served:
(a) if it is proved that the summons was duly served, the Court may proceed ex parte,
When summons not duly served:
(b) if it is not proved that the summons was duly served, the Court shall direct a second summons to be issued and served on the defendant;
When summons served, but not in due time:
(c) if it is proved that the summons was served on the defendant, but not in sufficient time to enable him to appear and answer on the day fixed in the summons, the Court shall postpone the hearing of the suit to a future day to be fixed by the Court, and shall direct notice of such day to be given to the defendant.
(2) Where it is owing to the plaintiff's default that the summons was not duly served or was not served in sufficient time, the Court shall order the plaintiff to pay the costs occasioned by the postponement.

২,১৭৯.
রিভিউ আবেদন কোথায় দাখিল করতে হবে?
  1. উচ্চ আদালতে
  2. আপিল বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
ব্যাখ্যা

ধারা ১১৪- রিভিউ:
উপরিউক্ত বিধানসমূহের অধীন, যে কোনো ব্যক্তি নিজেকে ক্ষুব্ধ মনে করলে—
(a) এই কোড অনুযায়ী যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার আছে, কিন্তু কোনো আপিল করা হয়নি,
(b) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই কোডে কোনো আপিলের বিধান নেই, অথবা
(c) স্মল কজেস কোর্ট (Small Causes Court) থেকে রেফারেন্স করা মামলায় প্রদত্ত সিদ্ধান্ত—

এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ডিক্রি প্রদানকারী বা আদেশ প্রদানকারী আদালতে রায় পুনর্বিবেচনার (review) জন্য আবেদন করতে পারে।

এবং আদালত সেই আবেদন নিয়ে যে কোনো উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে, আদালত যেমনটি উপযুক্ত মনে করে।

২,১৮০.
আরজি ফেরতের সময় আদালত আরজির উপর নিচে বর্ণিত কোন তথ্যটি লিখবেন না?
  1. দাখিলের তারিখ
  2. ফেরতের তারিখ
  3. মোকদ্দমাটির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বিবৃতি
  4. ফেরতের কারণ সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বিবৃতি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো- (গ) মোকদ্দমাটির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বিবৃতি।

আদেশ ৭: বিধি ১০, দেওয়ানি কার্যবিধি:

আরজি ফেরত অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

• আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিবিচারক আরজি ফেরত প্রদানের সময় উহার উপর;
- আরজি পেশ করার ও ফেরত নেয়ার তারিখ,
- দাখিলকারক পক্ষের নাম এবং
- তা ফেরত নিয়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিপিবদ্ধ করবে।

কিন্তু আদালত মোকদ্দমাটির গ্রহণযোগ্যতা (admissibility) সম্পর্কে কোনো বিবৃতি লিখবেন না।

২,১৮১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬, বিধি-১৭ মতে-
  1. শুধু আরজি সংশোধন করা যায়
  2. শুধু লিখিত বর্ণনা সংশোধন করা যায়
  3. আরজি ও লিখিত জবাব উভয়ই সংশোধন করা যায়
  4. উপরের সবগুলো সঠিক।
সঠিক উত্তর:
আরজি ও লিখিত জবাব উভয়ই সংশোধন করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ও লিখিত জবাব উভয়ই সংশোধন করা যায়
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৬, বিধি ১৭ অনুসারে প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of pleadings)- প্লিডিংস বলতে যেহেতু আরজি বা লিখিত জবাবকে বোঝায়, সুতরাং প্লিডিংস সংশোধন বলতে আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনকে বোঝাবে অর্থাৎ আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের জন্য ৬নং আদেশের ১৭নং বিধি প্রযোজ্য হবে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।
♦প্লিডিংস সংশোধনের সময়- ৬ নং আদেশের ১৮ নং বিধিমতে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অথবা সময় নির্ধারণ করে না দিলে আদালতের প্লিডিংস সংশোধনীর আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত সময় বর্ধিত না করলে প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।
২,১৮২.
What is the primary purpose of Order 7 Rule 5 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. To determine the jurisdiction of the court
  2. To establish the plaintiff's legal standing
  3. To show that the defendant has an interest and liability in the case
  4. To allow the defendant to refuse to answer the plaintiff’s demand
সঠিক উত্তর:
To show that the defendant has an interest and liability in the case
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To show that the defendant has an interest and liability in the case
ব্যাখ্যা
Order 7 Rule 5: Defendant's interest and liability to be shown:
The plaint shall show that the defendant is or claims to be interested in the subject-matter,and that he is liable to be called upon to answer the plaintiff's demand.


আদেশ ৭ বিধি ৫: বিবাদীর স্বার্থ ও দায়িত্ব দেখাতে হবে:
আরজিতে দেখাতে হবে যে, মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিবাদী অনুরূপ স্বার্থ দাবী করে এবং আরও দেখাতে হবে যে, বিবাদীর দাবীর উত্তর দিতে বাদী বাধ্য।
২,১৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি ২ এর অধীন ক্রোক আদেশ সর্বোচ্চ কত দিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে, সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। বিধি ১ অনুযায়ী যখন নালিশী সম্পত্তি কোন পক্ষ কর্তৃক ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিমূলে অন্যায়ভাবে বিক্রি হতে পারে, অথবা বিবাদী যখন পাওনাদারকে বঞ্চিত, প্রতারিত করার জন্য তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার হুমকি প্রদান করে বা ইচ্ছা পোষণ করে, তখন আদালত উক্ত নালিশী সম্পত্তি ধ্বংসকরণ, ক্ষতিগ্রস্থকরণ, হস্তান্তর, নিলাম, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে বা আদালত কর্তৃক যেরূপ উপযুক্ত বিবেচিত হবে সেরূপ আদেশ দিতে পারেন।

আদেশ ৩৯ বিধি ২-

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
২,১৮৪.
নিচের কোন সম্পত্তি ডিক্রি জারির সময় ক্রোক করা যায় না?
  1. কৃষিজাত দ্রব্য
  2. চাষীর বাসগৃহ
  3. গৃহভৃত্যের বেতন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ও ৬১ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না যা নিম্নরূপ-

⇒ ধারা-৬০: ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে:- ৬০ ধারামতে নিম্নলিখিত সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে। যথা-জমি, গৃহ, দালান-কোঠা, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, Bill of Exchange, প্রমিসরি নোট, বন্ড, কোম্পানির শেয়ার। এছাড়া যে কোন বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি ক্রোকযোগ্য, যেমন- equity of redemption.

⇒ ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না- ৬০ ধারামতে চাষীর বাসগৃহ, হিসেবের খাতাপত্র, সরকারী পেনশন ভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরীকৃত বৃত্তি ও আনুতোষিক, দেনাদার (Judgement debtor) এবং তার স্ত্রী ও সন্তানগণের পরিধেয় বস্ত্র, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন- রান্নার বাসন, বিছানা ইত্যাদি সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬১ ধারামতে যে সব কৃষিজাত উৎপাদিত দ্রব্য কৃষকের জীবিকার জন্য প্রয়োজন সরকার তা ক্রোক থেকে মুক্তি দিতে পারে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ধারামতে ডিক্রি জারিতে ক্রোকযোগ্য এবং নিলামে বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি:  ডিক্রি জারির জন্য যে সকল সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে- জমি, বাসগৃহ অথবা অন্যান্য দালান কোঠা, মালপত্র, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ, হুন্ডি, প্রমিসরি নোট, সরকারি সিকিউরিটি বণ্ড বা অর্থের অন্য কোন প্রকার সিকিউরিটিস, দেনা, কর্পোরেশনের শেয়ার এবং দেনাদারের সকল বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি।

⇒ যে সকল সম্পত্তি ক্রোক বা বিক্রয় করা যাবে না- ডিক্রি দায়িকের, তার স্ত্রী এবং সন্তানগণের প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র, রান্নার বাসন-পত্রাদি, বিছানাপত্র, গহনাপত্র যা ধর্মীয় বিধান অনুসারে কোন মহিলার পক্ষে খুলে ফেলা উচিৎ নয়, দেনাদার কারিগর হলে কারিগরের যন্ত্রপাতি বা কৃষক হলে কৃষকের বা চাষির বাসগৃহ ও অন্যান্য গৃহ (তার সরঞ্জামসহ অবস্থান, তার সাথে সম্পর্কযুক্ত অন্য ভূমি) চাষের যন্ত্রপাতি, গো-মহিষাদি, বীজ ও হিসাবের খাতা-পত্র, ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার, ব্যক্তিগত সেবার অধিকার, সরকারি পেনশনভোগীদের বৃত্তি, এককালীন সাহায্য ইত্যাদি।
২,১৮৫.
বাদীর অনুকূলে মামলার ডিক্রি হওয়ার পর আদালতের প্রস্তুতকৃত ডিক্রিতে ভুল থাকলে কি করণীয় -
  1. আপীল আদালতে আপীল করবে।
  2. ডিক্রি প্রদানকারী বিচারিক আদালতে আপীল করবে।
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিশান করবে ।
  4. বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
সঠিক উত্তর:
বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় কোন দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন করার বিধান রয়েছে। সাধারণত রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ একবার আদালত কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও ঘোষিত হওয়ার পর কেবলমাত্র ১৫২ ধারা বা রিভিউ ব্যতীত কোনভাবে সংশোধন করা যাবে না।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারায় আদালতের রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫২ ধারামতে আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes), আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission ) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারে।

♦ বাদীর অনুকূলে মামলার ডিক্রি হওয়ার পর আদালতের প্রস্তুতকৃত ডিক্রিতে ভুল থাকলে বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারেন।
২,১৮৬.
'The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.'- এই বিধান কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ORDER-21, Rule-1
  2. ORDER-22, Rule-1
  3. ORDER-23, Rule-1
  4. ORDER-24, Rule-1
সঠিক উত্তর:
ORDER-22, Rule-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ORDER-22, Rule-1
ব্যাখ্যা
ORDER-22 Rule-1: No abatement by party's death, if right to sue survives:
The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.

বিধি-১: মোকদ্দমা করার অধিকার উদ্ভব হয়ে থাকলে পক্ষের মৃত্যুতে মোকদ্দমা বিলোপসাধন হয় না -
মোকদ্দমা করার অধিকার যদি উদ্ভব হয়, তাহলে কোন বাদি বা বিবাদির মৃত্যু মোকদ্দমার বিলুপ্তি ঘটায় না।
২,১৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী ডিক্রি জারির লিখিত আবেদনে কোন তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে না?
  1. মামলার নম্বর
  2. ডিক্রির তারিখ
  3. দায়িকের ব্যক্তিগত জীবনের বিবরণ
  4. ডিক্রির উপর কোনো আপিল দায়ের করা হয়েছে কিনা
সঠিক উত্তর:
দায়িকের ব্যক্তিগত জীবনের বিবরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িকের ব্যক্তিগত জীবনের বিবরণ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-১১(২) অনুযায়ী, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য লিখিত আবেদন করলে সেটি একটি টেবুলার (tabular) ফরম্যাটে প্রস্তুত করতে হয় এবং নিচের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো এতে থাকতে হয়:
- মামলার নম্বর (Suit Number)
- পক্ষসমূহের নাম (Names of the parties)
- ডিক্রির তারিখ (Date of the decree)
- ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে কিনা
- পূর্বে কোনো আবেদন করা হয়েছে কিনা এবং তার ফলাফল
- পরিশোধ বা মীমাংসার তথ্য
- ডিক্রির মাধ্যমে কী পরিমাণ অর্থ বা প্রতিকার চাওয়া হয়েছে
- কোন পদ্ধতিতে আদালতের সহায়তা চাওয়া হচ্ছে (যেমন: সম্পত্তি হস্তান্তর, গ্রেফতার, রিসিভার নিয়োগ ইত্যাদি)

→ তবে ডিক্রি কার্যকর করার লিখিত আবেদনে দায়িকের ব্যক্তিগত জীবনের বিবরণ আবশ্যক নয়। বরং এটি অপ্রাসঙ্গিক ও অপ্রয়োজনীয় তথ্য।
---------------
Order XXI – Execution of Decrees and Orders
Rule 11 – Application for Execution
(1) Oral Application
Where a decree is for the payment of money, the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant, if he is within the precincts of the Court.

(2) Written Application:
Save as otherwise provided by sub-rule (1), every application for the execution of a decree shall be in writing, signed and verified by the applicant or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case, and
shall contain, in a tabular form, the following particulars:
(a) The number of the suit;
(b) The names of the parties;
(c) The date of the decree;
(d) Whether any appeal has been preferred from the decree;
(e) Whether any, and (if any) what, payment or other adjustment of the matter in controversy has been made between the parties subsequently to the decree;
(f) Whether any, and (if any) what, previous applications have been made for the execution of the decree, the dates of such applications and their results;
(g) The amount with interest (if any) due upon the decree, or other relief granted thereby, together with particulars of any cross-decree, whether passed before or after the date of the decree sought to be executed;
(h) The amount of the costs (if any) awarded;
(i) The name of the person against whom execution of the decree is sought;
(j) The mode in which the assistance of the Court is required, whether:

(i) By the delivery of any property specifically decreed;
(ii) By the attachment and sale, or by the sale without attachment, of any property;
(iii) By the arrest and detention in prison of any person;
(iv) By the appointment of a receiver;
(v) Otherwise, as the nature of the relief granted may require.

(3) Certified Copy of the Decree:
The Court to which an application is made under sub-rule (2) may require the applicant to produce a certified copy of the decree.
২,১৮৮.
আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. আপিল পর্যায়ে
  3. মোকদ্দমার শেষে
  4. উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• প্লিডিংসের সংজ্ঞা (Definition of Pleadings)-দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে।প্লিডিংস(Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]।

• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে।এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে।লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি(Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে,সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। 

• প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of pleadings)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃতি নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হয় বিচারিক আদালতে। তবে বিচার শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনীর আবেদন করা যায়।এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন সত্ত্বেও বিচার শুরুর আগে আবেদন না করার কারণ দেখিয়ে,আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।
২,১৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে বিদেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ না করে কী করতে পারেন?
  1. তার নিকট আত্মীয়র সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. তাকে অনুরোধপত্র প্রেরণ
  3. তার প্রতিনিধি সাক্ষ্য গ্রহণ
  4. বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
তাকে অনুরোধপত্র প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে অনুরোধপত্র প্রেরণ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারার বিধান অনুরোধপত্র:  বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, এরূপ যে কোন দেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার নিমিত্তে আদালত কমিশন প্রেরণ করার বিপরীতে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।
---------------------
Section 77: Letter of request: In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.
২,১৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীর প্যানেল তৈরি করবেন কার সাথে পরামর্শ করে?
  1. জেলা প্রশাসকের সাথে
  2. জেলা পুলিশ সুপারের সাথে
  3. স্থানীয় সরকার চেয়ারম্যানের সাথে
  4. জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে
সঠিক উত্তর:
জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীদের (Mediators) প্যানেল প্রস্তুত করার জন্য জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করবেন। এই প্যানেলে উকিল, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি এবং অন্যান্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের (যারা সরকারি চাকরিতে লাভজনক পদে নেই) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই প্যানেলটি সময়ে সময়ে হালনাগাদ করা হয় এবং জেলা জজের প্রশাসনিক এখতিয়ারের অধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.

২,১৯১.
Local Investigation (সরেজমিনে তদন্ত) এর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় আছে?
  1. ১৭ আদেশের ৩ নিয়মে
  2. ১৮ আদেশের ৫ নিয়মে
  3. ১৯ আদেশের ১ নিয়মে
  4. ২৬ আদেশের ৯ নিয়মে
সঠিক উত্তর:
২৬ আদেশের ৯ নিয়মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ আদেশের ৯ নিয়মে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য । আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
২,১৯২.
কতিপয় বাদীর মধ্যে হতে যে কোন একজন বা একাধিকজন সকলের পক্ষে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে অনুমতি লাগবে-
  1. আদালতের
  2. বাদীগণের
  3. বিবাদীর
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১ আদেশ-১২ বিধি অনুযায়ী একাধিক বাদী থাকলে তাদের পক্ষে যেকোন একজন বাদীদের লিখিত সম্মতি নিয়ে সকলের পক্ষে মামলা পরিচালনা করতে পারেন। এই লিখিত সম্মতি আদালতে জমা দিতে হবে এবং ১ আদেশ-১২ বিধি অনুযায়ী আদালতের অনুমতি নিতে হবে।
এক্ষেত্রে ১ আদেশের ৮ বাদী অনুযায়ী নিজ খরচে
১) ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে বা
২) গণ-বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকলকে নোটিশ প্রদান করবেন। 
২,১৯৩.
কোন বিদেশী রাষ্ট্রের শাসকের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে কী করতে হবে?
  1. সরকারের সম্মতি লাগবে
  2. সরকারের কোন সেক্রেটারী কর্তৃক সার্টিফায়েড হতে হবে
  3. যোগ্য আদালতে মামলা করতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৬ ধারার বিধান-: বিদেশী শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মামলা (Suits against Foreign Rulers)- সরকারের অনুমতি নিয়ে অর্থাৎ সরকারের কোন সচিবের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট সম্বলিত সরকারের সম্মতিক্রমে কোন বিদেশী শাসন কর্তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের উপযুক্ত আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়।
⇒সরকারের অনুমতি ব্যতীত বিদেশী শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায় না।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৭ ধারা অনুযায়ী কোন বিদেশী শাসনকর্তা মোকদ্দমা দায়ের করতে চাইলে বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে ঐ বিদেশী রাষ্ট্রের নামে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়। তবে উক্ত শাসন কর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা তার কোন প্রতিনিধি বা অন্য কারো বিরুদ্ধেও দায়ের করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৬ক ধারার বিধান: কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরূদ্ধে মোকদ্দমা (Suit against diplomatic agent)- কোন রাষ্ট্রের কুটনৈতিক প্রতিনিধি বলতে বাংলাদেশে অবস্থানরত সংশ্লিষ্ট মিশনের প্রধান এবং ঐ মিশনের কূটনৈতিক পদ মর্যাদার অধিকারী কর্মচারীদের কোন সদস্যকেও বোঝাবে।

⇒ কোন কূটনৈতিক প্রতিনিধি তার কূটনৈতিক ক্ষমতাবলে কূটনৈতিক কার্যাবলীর অংশ হিসেবে কোন কিছু করলে সেজন্য ঐ কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আদালতে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক প্রতিনিধি ব্যক্তিগত যোগ্যতায় কোন কিছু করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে মোকদ্দমা করা যাবে-

ⅰ) ব্যক্তিগত যোগ্যতায় বাংলাদেশে অবস্থিত কোন স্থাবর সম্পত্তির অধিকারী হলে;
ii) বেসরকারি ব্যক্তির মত (private person) কোন উত্তরাধিকারের নিবন্ধক, অছি, ওয়ারিশ বা উইলগ্রহীতা হলে এবং প্রেরণকারী রাষ্ট্রের পক্ষে না হলে;
iii) কূটনৈতিক কার্যাবলির বাহিরে ব্যক্তি যোগ্যতায় বাংলাদেশে কোন বৃত্তিমূলক বা বানিজ্যিক কর্ম-তৎপরতা প্রয়োগ করলে।
২,১৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদালত রায় ঘোষণার আদেশ [An order pronouncing judgment] দিতে পারে-
  1. সমনের তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল না করলে
  2. সমনের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল না করলে
  3. ৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে
  4. উপরের সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের বিধি ১ এর অধীন একতরফা নিষ্পত্তি এবং ১০ বিধির অধীন রায় ঘোষণা করে প্রদত্ত আদেশের মধ্যে পার্থক্য হলে; ১ বিধি প্রযোজ্য হয় যখন বিবাদি নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয় এবং ১০ বিধি প্রযোজ্য হয় যখন বিবাদী আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ৯ বিধির অধীন অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদালত রায় ঘোষণার আদেশ [An order pronouncing judgment] দিতে পারে- কোন পক্ষ  ৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে।
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধির বিধান হল; লিখিত জবাব আদালত কর্তৃক দাখিলের জন্য বলা হলে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে পদ্ধতিঃ কোন পক্ষের থেকে লিখিত জবাব তলব করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে বা মোকদ্দমা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।
২,১৯৫.
"Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court." This provision relates to-
  1. Section 152
  2. Section 151
  3. Section 150
  4. Section 157
সঠিক উত্তর:
Section 151
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 151
ব্যাখ্যা
Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
২,১৯৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে দলিল স্বীকারের নোটিশ জারির পর কত দিনের মধ্যে অপর পক্ষকে দলিলটি স্বীকার বা অস্বীকার করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ৯ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১। মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২। দলিল স্বীকার নোটিশ  [বিধি-২];
৩। ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ২ (Order 12 Rule 2) অনুসারে, মোকদ্দমার এক পক্ষ অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে কোনো দলিলের সত্যতা স্বীকার করার জন্য আহ্বান করতে পারে। এই নোটিশ জারির পর অপর পক্ষকে ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত দলিলটি স্বীকার বা অস্বীকার করতে হবে।

⇒ আদেশ ১২ বিধি ২: দলিল স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে পারে, যাতে বলা হয় যে, তারা পনেরো দিনের মধ্যে কোনো দলিল স্বীকার করবে, তবে উপযুক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া। যদি অন্য পক্ষ তা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তবে দলিল প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যেহেতু তারা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে আদালত যদি অন্যভাবে নির্দেশ না দেয়।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-2: Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.

২,১৯৭.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত পারস্পরিক দায় শোধ বা সেট অফের দাবি কখন জানাতে পারে?
  1. যেকোনো সময়
  2. বাদীর সম্মতির ভিত্তিতে
  3. মামলার রায় ঘোষণার পর
  4. মামলার প্রথম শুনানির তারিখে
সঠিক উত্তর:
মামলার প্রথম শুনানির তারিখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার প্রথম শুনানির তারিখে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি-৬: লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে-
১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।

২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
২,১৯৮.
কোন পরিস্থিতিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা প্রযোজ্য হবে?
  1. যখন দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়
  2. যখন অনেক লোকের একই স্বার্থ থাকে
  3. যখন মোকদ্দমা দায়েরের জন্য সময় কম থাকে
  4. যখন কেউ মোকদ্দমা করতে ইচ্ছুক থাকে না
সঠিক উত্তর:
যখন অনেক লোকের একই স্বার্থ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন অনেক লোকের একই স্বার্থ থাকে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।

সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
২,১৯৯.
আদালত কাউকে নিঃস্ব ব্যক্তি (Pauper) নয় ঘোষণা করতে হলে কতদিনের নোটিশ দিতে হয়?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-৯ এর বিধান: নিঃস্ব মুক্তি:  আদালত বিবাদি বা সরকারি উকিলের আবেদনক্রমে যে সম্পর্কে বাদিকে কমপক্ষে সাত দিনের লিখিত স্পষ্ট নোটিশ দিয়ে বাদি নিঃস্ব নয় মর্মে আদেশ দিতে পারে- 
ক) যদি মোকদ্দমা চলাকালে সে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী হয়; বা 
খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে যাতে তার নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা পরিচালনা করা উচিত নয়; বা
গ) যদি সে মোকদ্দমার অধীনে বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকে যাতে অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে একটি স্বার্থ অর্জন করেছে।
--------------- 
⇒ CPC Order-33 Rule-9. Dispaupering:
The Court may, on the application of the defendant, or of the Government pleader, of which seven days' clear notice in writing has been given to the plaintiff, order the plaintiff to be dispaupered−
(a) if he is guilty of vexatious or improper conduct in the course of the suit;
(b) if it appears that his means are such that he ought not to continue to sue as a pauper; or
(c) if he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
২,২০০.
প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন কখন করা যায়?
  1. আরজি দাখিলের সময়
  2. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  3. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  4. মোকদ্দমার শুরুতে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• প্লিডিংসের সংজ্ঞা (Definition of Pleadings)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]

• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। 

প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of pleadings)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃতি নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।
প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হয় বিচারিক আদালতে। তবে বিচার শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনীর আবেদন করা যায়। এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন সত্ত্বেও বিচার শুরুর আগে আবেদন না করার কারণ দেখিয়ে, আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।