বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ২১ / ৩০ · ২,০০১২,১০০ / ২,৯৯৩

২,০০১.
যদি মূল আদালতের এখতিয়ার রহিত হয়ে যায়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারার অধীন কোন আদালত "ডিক্রি দানকারী আদালত" হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. কেবলমাত্র উচ্চ আদালত
  2. যে আদালত মূল আদালতের পরিবর্তে ডিক্রি জারি করার ক্ষমতা পায়
  3. যে আদালত ডিক্রি আবেদন করার সময় মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার ছিল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি আবেদন করার সময় মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি আবেদন করার সময় মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার ছিল
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:
“যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।

Section 37- Definition of Court which passed a decree:
The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,-
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
২,০০২.
দেওয়ানি কারাগারে Judgement Debtor কে আটক রাখা হলে এর খোরপোষ দিবে কে?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  2. মোকদ্দমার বাদী
  3. সরকার
  4. Judgement Debtor নিজেই
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বাদী
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩৯ এর বিধান জীবন নির্বাহ দাতা (Subsistence-allowance): দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হলে তার খোরপোষ বাদীকে দিতে হবে।

⇒ বিধি-৩৯। জীবন নির্বাহ ভাতা।১) কোন দায়িককেই ডিক্রি জারিতে গ্রেফতার করা যাবে না, যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ডিক্রিদার দায়িককে গ্রেফতার করার তারিখ হতে তাকে আদালতে হাজিরের তারিখ পর্যন্ত তার খোরাকীর জন্য বিচারক কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ টাকা ডিক্রিদার আদালতে জমা দেয়।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে কোন দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার খোরাকীর জন্য ৫৭ ধারার অধীনে নির্ধারিত হার অনুসারে যেরকম অধিকারী সেরকম মাসিক ভাতা নির্ধারণ করবে কিংবা যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোন হার নির্ধারিত না হয়, সেক্ষেত্রে তার শ্রেণীর সূত্রে আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করে করে।
৩) যে পক্ষের আবেদনক্রমে দায়িককে গ্রেফতার করা হয়, আদালত কর্তৃক নির্ধারিত মাসিক ভাতা সে পক্ষ মাসিক পরিশোধের দ্বারা প্রতি মাসের প্রথম দিনের পূর্বে অগ্রিম সরবরাহ করবে।
৪) দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোর্পদ করার পূর্বে চলতি মাসের অবশিষ্ট অসমাপ্ত অংশের জন্য আদালতের সঠিক কর্মকর্তার নিকট প্রথম প্রদেয় টাকা প্রদান করতে হবে এবং তৎপরবর্তীকালে দেয় (যদি কোন) টাকা দেওয়ানি জেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রদান করা হবে।
৫) দেওয়ানি জেলে আটক দায়িকের খোরাকী বাবদ ডিক্রিদারের খরচ মোকদ্দমার খরচ হিসাবে বিবেচিত হবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ঐ অর্থ ব্যয়ের নিমিত্তে দায়িককে গ্রেফতার বা দেওয়ানি জেলে আটক করা যাবে না।
২,০০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় প্লিডিংস সংশোধনের জন্য সর্বোচ্চ সময়সীমা উল্লেখ্য আছে?
  1. আদেশ-৬ বিধি-১৪
  2. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৮
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৮
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৬, বিধি-১৮ অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ না করেন, তবে সংশোধনী আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। তবে, আদালত চাইলে সময় বর্ধিত করতে পারেন। আদালত সময় না বাড়ালে নির্ধারিত সময়ের পর আর সংশোধন করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.
২,০০৪.
যদি মুলতবির আবেদনের সাথে খরচ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বাদী তা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে মামলার পরিণতি কী হবে?
  1. আরজি নাকচ
  2. মোকদ্দমা স্থগিত
  3. মোকদ্দমা খারিজ
  4. একতরফা ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ১৭ বিধি ১(৪):
দেওয়ানি কার্যবিধির অন্যান্য বিধানের যে কোনো কিছু থাকা সত্ত্বেও, কোনো মামলার চূড়ান্ত শুনানির পর্যায়ে এবং তার পরবর্তীকালে, মামলার কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত মুলতবি (স্থগিত) প্রদান করতে পারবে না।

তবে শর্ত থাকে যে,
যদি ন্যায়বিচারের স্বার্থে এই উপ-বিধির অধীনে কোনো পক্ষকে মুলতবি (স্থগিতাদেশ) দেওয়া হয়, তাহলে আদালত উক্ত পক্ষকে অন্য পক্ষের জন্য সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ পরিশোধের নির্দেশ দিবে, যা আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
- যদি বাদী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খরচ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে মামলাটি খারিজ (Dismiss) হয়ে যাবে।
- যদি বিবাদী পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে মামলাটি একতরফাভাবে (Ex-parte) নিষ্পত্তি করা হবে।
২,০০৫.
'The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.'- The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ৩৬ ধারায়
  3. ৩৮ ধারায়
  4. ৩৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.

The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
২,০০৬.
আদেশ-২১, বিধি ৮৯ অনুসারে বিক্রয় রদের আবেদনপত্রের সাথে ক্রয়মূল্যের কী পরিমাণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৯ এর বিধান টাকা জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন (Application to set aside sale on deposit): ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত সম্পত্তির মালিক নিলাম বিক্রয়ের রদের জন্য নিম্নোক্ত টাকা আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে-
 ক্রয় মূল্যের ৫% অর্থ ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
 ডিক্রিদার পূর্বে কোন টাকা গ্রহণ করলে তা বাদ দিয়ে যে পরিমাণ টাকার জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য।

তামাদি আইনের  অনুচ্ছেদ: ১৬৬ মতে উক্ত আবেদন নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
------------------------- 
Order-21 Rule-89.Application to set aside sale on deposit:
(1) Where immovable property has been sold in execution of a decree, any person, either owing such property or holding an interest therein by virtue of a title acquired before such sale, may apply to have the sale set aside on his depositing in Court,−
(a) for payment to the purchaser, a sum equal to five per cent. of the purchase-money, and
(b) for payment to the decree-holder, the amount specified in the proclamation of sale as that for the recovery of which the sale was ordered, less any amount which may, since the date of such proclamation of sale, have been received by the decree-holder.

(2) Where a person applies under rule 90 to set aside the sale of his immovable property, he shall not, unless he withdraws his application, be entitled to make or prosecute an application under this rule.

(3) Nothing in this rule shall relieve the judgment-debtor from any liability he may be under in respect of costs and interest not covered by the proclamation of sale. 
২,০০৭.
মোকদ্দমা শুনানীর নির্ধারিত তারিখে বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হলে, আদালত মোকদ্দমা-
  1. এক তরফা নিষ্পত্তি করতে পারেন
  2. স্থগিত করতে পারেন
  3. চালিয়ে যাবেন
  4. খারিজ করে দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
খারিজ করে দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ করে দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ আদেশে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীতে পক্ষগণের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতির সম্পর্কিত পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে, মোকদ্দমার কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে-

মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (বিধি ৪) :
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২- খারিজ আদেশ রদ করতে আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারে। 
২,০০৮.
রিভিশন মামলায় একটি ডিক্রী হাইকোর্ট বিভাগে বহাল হলে তা জারীর জন্য কোন আদালতে দরখাস্ত করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. মামলার বিষয়বস্তু যে আদালতের সীমানায় ঐ আদালতে
  3. জেলা আদালতে
  4. ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৩৮ এর বিধান যে আদালত কর্তৃক ডিক্রি জারি করা যায়: যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, ঐ আদালত বা যে আদালতে তা জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, ঐ আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে।

⇒ জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।

⇒ ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

⇒ ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে (all questions arising between the parties to the suit, relating to execution, discharge or satisfaction of the decree have to be decided by the executing court)।

⇒ An executing court can't modify the terms of the decree.
⇒ Executing court cannot question the legality, correctness or validity of the decree.
⇒  Executing court cannot go into the question whether decree has been obtained by fraud.
২,০০৯.
Mesne Profit বলতে বুঝায় একজন ব্যক্তি কর্তৃক কোন সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত মুনাফা, যে সম্পত্তিতে উক্ত ব্যক্তির-
  1. বৈধ দখল আছে
  2. অনুমিত দখল আছে
  3. আইনসঙ্গত দখল আছে
  4. অন্যায়ভাবে দখল আছে
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে দখল আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে দখল আছে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) মতে বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তিসাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne profits] বলে।
♦ তবে বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profits] বলে গণ্য হবে না।
♦ সুতরাং মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profits] এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে  বিবাদীর  বেআইনী দখল এবং স্বাভাবিকভাবে লাভ।

♦ অর্থাৎ আমরা বলে পারি যে; Mesne Profit বলতে বুঝায় একজন ব্যক্তি কর্তৃক কোন সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত মুনাফা, যে সম্পত্তিতে উক্ত ব্যক্তির অন্যায়ভাবে দখল আছে।
২,০১০.
স্বার্থবিহীন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. বাদী ও কোনো বিবাদীর মধ্যে বিরোধ নেই
  2. বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিগুলো স্বতন্ত্রভাবে প্রণীত হতে হবে
  3. বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে বিরোধ থাকা আবশ্যক
  4. বাদী শুধুমাত্র মামলার ব্যয়াদি ও দায় সংক্রান্ত স্বার্থ রাখতে পারেন
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে বিরোধ থাকা আবশ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে বিরোধ থাকা আবশ্যক
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:
স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

Rule-1: Plaint in interpleader-suits-
In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs;
b) the claims made by the defendants severally; and
c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants.
২,০১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারায় নারীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি থেকে অব্যাহতির বিধান কিসের উপর নির্ভর করে?
  1. নারীর বয়সের উপর
  2. নারীর আয়ের উপর
  3. নারীর শিক্ষাগত যোগ্যতার উপর
  4. নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
সঠিক উত্তর:
নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারায় নারীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি থেকে অব্যাহতির বিধান  "নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর" উপর নির্ভর করে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩২ ধারায় কতিপয় স্ত্রী লোকের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতির বিধান রয়েছে।
- প্রথা অনুযায়ী যে সকল মহিলাকে জনসমক্ষে হতে বাধ্য করা যায় না সেই সকল মহিলা আদালতে হাজিরা থেকে অব্যাহতি পাবেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩২ ধারার বিধান: কতিপয় মহিলার ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:-
১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল মহিলাকে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন মহিলাকে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ মহিলা অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লিখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 132. Exemption of certain women from personal appearance.
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court.
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
২,০১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১ম তফসিলে মোট কতটি আদেশ অন্তর্ভুক্ত আছে?
  1. ৪৪ টি
  2. ৫১ টি
  3. ৫৪ টি
  4. ৫৬ টি
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি:
মোট আদেশ (Order): দেওয়ানি কার্যবিধিতে ৫১টি আদেশ রয়েছে, যা প্রথম তফসিলে উল্লেখ করা হয়েছে।
দেওয়ানি কার্যবিধি দুই ভাগ:
- ১. ধারা (Sections): মোট ১৫৮টি ধারা।
- ২. তফসিল (Schedules): মোট ৩টি তফসিল বর্তমানে প্রযোজ্য।

তফসিলসমূহ:
১. প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ (৫১টি আদেশ)।
২. দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল।
৩. তৃতীয় তফসিল: কালেক্টরের মাধ্যমে ডিক্রি জারি।
৪. চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ।
৫. পঞ্চম তফসিল: বাতিল।
২,০১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-V Rule-28 অনুসারে, যদি বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, তবে সমন কার নিকট পাঠানো হয়?
  1. তার পরিবারের নিকট
  2. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিকট
  3. তার অধিনায়কের নিকট
  4. তার বাহিনীর প্রধানের নিকট
সঠিক উত্তর:
তার অধিনায়কের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার অধিনায়কের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order V, Rule 28-এর সরাসরি বিধান হলো: Service on soldiers, sailors or airmen: "Where the defendant is a soldier, sailor or airman, the Court shall send the summons for service to his commanding officer together with a copy to be retained by the defendant."
- "যখন বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, আদালত তার অধিনায়কের (Commanding Officer) নিকট সমন জারির জন্য প্রেরণ করবেন, বিবাদীর জন্য রাখার একটি কপিসহ।"
- অর্থাৎ যদি বিবাদী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বা বিমানবাহিনীর কর্মরত সদস্য হন (soldier, sailor or airman), তবে আদালত সমন সরাসরি তার নিজের হাতে পাঠাবে না। সমনটি তার কমান্ডিং অফিসারের (যিনি তার ইউনিট/জাহাজ/স্কোয়াড্রনের দায়িত্বে আছেন) কাছে পাঠাতে হবে। কমান্ডিং অফিসার সমনটি বিবাদীর হাতে পৌঁছে দেবেন এবং একটি কপি তার কাছে রেখে দেবেন।
- সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধির Order V, Rule 28 অনুযায়ী বিবাদী সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হলে তার সমন তার অধিনায়কের (Commanding Officer) নিকট পাঠানো হয়।

২,০১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ মামলার কোন পক্ষ আদালতের অনুমতিতে, ইস্যু গঠনের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে লিখিত প্রশ্নাবলী (Interrogatories) দিতে পারে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ (Order XI Rule 1) Discovery by interrogatories:
"In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may, within ten days from the date of framing of issues, deliver interrogatories in writing..."
অর্থাৎ, মামলার ইস্যু (issues) গঠনের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে বাদী বা বিবাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে লিখিত প্রশ্নাবলী (Interrogatories) দিতে পারে।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার কোনো পক্ষ আদালতের অনুমতিতে, ইস্যু গঠনের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নাবলী (Interrogatories) দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 11 Rule 1: Discovery by interrogatories:
- In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may, within ten days from the date of framing of issues, deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories when delivered shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer: Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose: Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.

২,০১৫.
অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্প পেপারে আরজি লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে আদালত কী করতে পারে?
  1. আরজি স্থগিত করবে
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান করবে
  3. আরজির শুনানি চালিয়ে যাবে
  4. আরজি ফেরত দিবে
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান করবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী, আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে।
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে।
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে।
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।

২,০১৬.
'Bar to further suit'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার শিরোনাম?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২-পুনরায় মোকদ্দমা দায়েরে বাধা

কোন বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।

Bar to further suit-
Where a plaintiff is precluded by rules from instituting a further suit in respect of any particular cause of action he shall not be entitled to institute a suit in respect of such cause of action in any Court to which this Code applies. 

অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে মোকদ্দম দায়ের  করা যায় না।
২,০১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর কোন আদেশে দেওয়ানি মামলার পক্ষের মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়া সংক্রান্ত বিধানসমূহ অন্তর্ভুক্ত আছে?
  1. আদেশ-২০
  2. আদেশ-২১
  3. আদেশ-২২
  4. আদেশ-২৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ দেওয়ানি মামলার চলাকালীন সময় কোনো পক্ষ (plaintiff বা defendant) যদি মৃত্যুবরণ করেন, বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন (বিশেষত মহিলা পক্ষের ক্ষেত্রে), কিংবা দেউলিয়া (insolvent) হয়ে পড়েন, সে ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম কিভাবে পরিচালিত হবে — তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ "Death, Marriage and Insolvency of Parties" সংক্রান্ত বিধানসমূহ অন্তর্ভুক্ত আছে।

•এই আদেশে যা বলা হয়েছে:
মৃত্যু: যদি কোনো পক্ষ (plaintiff বা defendant) মারা যান, এবং মামলার অধিকার (right to sue) টিকে থাকে, তাহলে মামলা বাতিল হবে না। তবে, তার আইনগত প্রতিনিধি (legal representative) কে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
বিবাহ: কোনো নারী পক্ষ বিবাহিত হলে মামলায় তার অবস্থান অকার্যকর হয় না। বিবাহের কারণে মামলা বাতিল হয় না।
দেউলিয়াত্ব: যদি কোনো পক্ষ দেউলিয়া হয়ে যায়, তাহলে মামলা চালিয়ে নেওয়ার অধিকার receiver বা assignee-র থাকে। তবে সে মামলা চালাতে অনিচ্ছুক হলে, মামলা খারিজ হতে পারে।
→ এই আদেশ মূলত মামলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে কোনো পক্ষের ব্যক্তিগত অবস্থার পরিবর্তনের কারণে মামলা বাতিল না হয়ে যায় এবং আইনগত প্রতিকার পাওয়া যায়।
২,০১৮.
ORDER-XII-এর Rule-4 অনুসারে ঘটনা স্বীকারের নোটিশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৬ দিন
  3. ৯ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ৬ দিন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ORDER-XII, Rule-4 অনুযায়ী: কোনো পক্ষ ঘটনা স্বীকারের জন্য লিখিত নোটিশ পেলে, তাকে ৬ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। এই সময়সীমা নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে গণনা করা হয়। আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 4 অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ লিখিতভাবে অপর পক্ষকে নির্দিষ্ট ঘটনা বা ঘটনাবলী স্বীকার করার জন্য নোটিশ দিতে পারে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে দিতে হবে।
- এ ধরনের নোটিশ পাওয়ার পর ছয় (৬) দিনের মধ্যে বা আদালতের অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে উত্তর প্রদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বীকারোক্তি না করা হয় বা উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঘটনা প্রমাণ করার জন্য যে ব্যয় হবে, তা সেই পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোনো নির্দেশ দেন।
- এছাড়া, এই স্বীকারোক্তি কেবল সংশ্লিষ্ট মামলার জন্যই প্রযোজ্য হবে এবং এটি অন্য কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। আদালত উপযুক্ত মনে করলে, শর্তসাপেক্ষে স্বীকারোক্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-4: Notice to Admit Facts:
- Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice.
- In case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs.
Provided that any admission made in pursuance of such notice shall be deemed to be made only for the purposes of the particular suit and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favor of any person other than the party giving the notice.
Provided also that the Court may, at any time, allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.
২,০১৯.
প্রশ্নমালা সম্পর্কে আপত্তি কীভাবে জানাতে হয়?
  1. লিখিত আবেদনের মাধ্যমে
  2. মৌখিকভাবে আদালতে জানাতে হয়
  3. হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে
  4. আইনজীবীর মাধ্যমে মৌখিক আপত্তি জানাতে হয়
সঠিক উত্তর:
হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে।যথা-
১- প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং
২- দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

• প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।

• আদেশ-১১, বিধি-৬:
প্রশ্নমালা সম্পর্কে আপত্তি-প্রশ্নমালা সম্পর্কে কোন আপত্তি (objections) হলফনামার (affidavit) মাধ্যমে করতে হয়।
২,০২০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ অনুসারে কয়টি পদ্ধতিতে ডিক্রির টাকা পরিশোধের বিধান আছে?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।
 
⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলি আলোচনা করা হয়েছে।
 
⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।
 
⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোনো উপায়ে।
-------------------------
Payment under Decree:
CPC Order-21 Rule-1.Modes of paying money under decree:
(1) All money payable under a decree shall be paid as follows, namely:−
(a) into the Court whose duty it is to execute the decree; or
(b) out of Court to the decree-holder; or
(c) otherwise as the Court which made the decree directs.

(2) where any payment is made under clause (a) of subrule (1), notice of such payment shall be given to the decreeholder.
২,০২১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪১ এর বিধান কি?
  1. রিসিভার
  2. মূল ডিক্রী হতে আপীল
  3. আদেশ হতে আপীল
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রী হতে আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রী হতে আপীল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১  এর মাঝে মূল ডিক্রী হতে আপীল বিষয় বিধান আছে।
আদেশ ৪১-৪৫ এবং ধারা ৯৬-১১২ পর্যন্ত আপীল সংক্রান্ত বিধান আছে।
২,০২২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী কয়টি আদালত ডিক্রী জারী করতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী জারি অর্থ আদালতের প্রকিয়ার মাধ্যমে কোন ডিক্রী বা আদেশ বলবৎ করা যেন ডিক্রীদার ডিক্রীর ফল ভোগ করবে। দুটি আদালত ডিক্রী জারী করবে।
১। যে আদালত ডিক্রী জারী করেছে সে আদালত
২। যে আদালতে ডিক্রী জারী করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সে আদালত।

• আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন: ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।
• ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি ডিক্রি জারিকারক আদালতই নিষ্পত্তি করবে।

• ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই ডিক্রি জারি করবে।
------
• Section 38. Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
২,০২৩.
সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে কত টাকা খরচ প্রদান করতে হবে?
  1. অনধিক ১০০০
  2. অনধিক ৩০০০
  3. অনধিক ১৫০০
  4. অনধিক ২০০০
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)- 

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি; 
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।

আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-

বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
২,০২৪.
কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ কতটি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন?
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১৫টি
  4. ৭০টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ ৫টি এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০০টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন।

⇒ মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ আদেশ ১৮ বিধি ২০:-
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।
-----------------------------------
⇒ CPC-Order-18 Rule-20: Fixation of suits in the daily cause list, etc:
-The court shall not fix more than five suits including two part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
২,০২৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সমন অমান্যের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারেন না?
  1. গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন
  2. অনধিক এক হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন
  3. তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
অনধিক এক হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক এক হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশ গুলো দিতে পারে-

ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec. 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
২,০২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫১ অনুযায়ী, হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instrument) ক্রোক (attachment) কীভাবে করা হবে?
  1. আদালতে জমা না দিয়ে
  2. প্রকৃত দখলের মাধ্যমে
  3. লিখিত নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে
  4. শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তার হেফাজতে রেখে
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত দখলের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত দখলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) প্রকৃত দখলের মাধ্যমে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫১ অনুসারে, যেখানে সম্পত্তি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল (negotiable instrument), যা আদালতে জমা দেওয়া হয়নি বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার হেফাজতে নেই, সেখানে ওই দলিল ক্রোক বা আটকানোর কার্যক্রম প্রকৃত দখলের (actual seizure) মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ দলিলটি সরাসরি দখলে নিয়ে আদালতে নিয়ে আসতে হবে এবং পরবর্তী আদেশ পর্যন্ত আদালতের তত্ত্বাবধানে রাখতে হবে।
অতএব, দলিল জমা না দেওয়া বা লিখিত নোটিশ দিয়ে ক্রোক করা হবে না, বরং সরাসরি দলিলটি জব্দ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ - আদেশ-২১, বিধি-৫১: হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments) ক্রোক (Attachment):
যেখানে সম্পত্তি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল (negotiable instrument), যা আদালতে জমা দেওয়া হয়নি বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার হেফাজতে নেই, সেখানে উক্ত দলিল ক্রোকের (attachment) কার্যক্রম প্রকৃত দখলের (actual seizure) মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে, এবং দলিলটি আদালতে নিয়ে আসা হবে এবং আদালতের পরবর্তী আদেশের অধীন রাখা হবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-51. Attachment of negotiable instruments:
-Where the property is a negotiable instrument not deposited in a Court, nor in the custody of a public officer, the attachment shall be made by actual seizure, and the instrument shall be brought into Court and held subject to further orders of the Court.

২,০২৭.
একই জেলার অধীন এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে হলে কোন আদালতের নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. যে আদালতে মামলা দায়ের করা আছে
  2. আপিল আদালতে
  3. যে আদালতে স্থানান্তর করা হবে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-২৩ তে মামলা স্থানান্তরের জন্য কোন আদালতে আবেদন করতে হবে তা বলা আছে।

১। যখন এখতিয়ার সম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারা অনুসারে আবেদন পেশ করতে হবে।

২। যখন এখতিয়ার সম্পন্ন একাধিক আদালত ভিন্ন ভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীন হয়, তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হয়।

 ♦ দেওয়ানি মামলার আপিল আদালত দুটিঃ

১। জেলা জজ আদালত;
২। হাইকোর্ট বিভাগ;

♦ একই জেলার অধীন এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে হলে আপিল আদালতের নিকট আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে কখনো কখনো জেলা জজ বা হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে। কারণ দেওয়ানী মামলার আপিল আদালত হচ্ছে জেলা জজ বা হাইকোর্ট বিভাগ।
♦ অপরদিকে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় দেওয়ানী আদালতে মামলা স্থানান্তর জন্য আবেদন করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারার বিধান একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য মোকদ্দমা স্থানান্তরের ক্ষমতা: একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য মোকদ্দমা কোন একটি আদালতে দায়ের করা হলে, বিবাদী অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা হস্তান্তর করতে চাইলে নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে-
অপর পক্ষকে নোটিশ দিবে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ ও বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা পূর্বে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে হবে । 
আদালত এরূপ আবেদনপত্র পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে কোন আদালতে মামলার বিচার হবে, তা স্থির করবেন।
২,০২৮.
________ হতে ৭ দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।
  1. রায় প্রস্তুতের তারিখ
  2. চূড়ান্ত শুনানির তারিখ
  3. রায় ঘোষণার তারিখ
  4. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষের তারিখ
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার তারিখ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।
• কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে।
রায় হল ডিক্রির ভিত্তি তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৫ক তে ডিক্রি প্রণয়নের সময় দেয়া হয়েছে। এ বিধিমতে-
''রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।''
[The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.]
২,০২৯.
অধস্তন আদালতের ভাষা এবং কার্যধারার লিখিত রীতি কে নির্ধারণ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সরকার
  3. উক্ত আদালতের বিচারক
  4. আদালতের রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) সরকার।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজিতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজির সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজির অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যে-রূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

২,০৩০.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে ৫০,০০০/- টাকার দাবীতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। উক্ত মোকদ্দমায় ‘খ’ লিখিত জবাব দিয়ে জবাবে দাবী উত্থাপন করে যে, ‘খ’ ‘ক’ এর নিকট ৪০,০০০/- টাকা পাওয়ান আছে। ‘খ’ এর এই দাবিটি হলো?
  1. পাল্টা দাবী (Counter claim)
  2. পারাস্পরিক দায় শোধ (Set off)
  3. মধ্যস্থতা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
পারাস্পরিক দায় শোধ (Set off)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারাস্পরিক দায় শোধ (Set off)
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি  আদেশ ৮ এর বিধি ৬ অনুযায়ী পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ (Set off) হলো বিবাদীর বিরুদ্ধে বাদী যখন অর্থ আদায়ের মামলা করে তখন বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার দাবী/আবেদন। সহজ ভাষায়, সেট অফ অর্থ হল কোন দাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আরেকটি দাবী।
⇒ অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
⇒সেট অফের আবেদনের সময়- ৮ নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়।
⇒ প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পরও Set off এর দাবি করা যায়।
সেট অফের আবেদনের শর্ত- 
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে।
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে।
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না।
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না।
⇒ সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
⇒ যদি বাদীর দাবীর চেয়ে বিবাদী দাবী বেশি হয় তাহলে এটি Counter claim


২,০৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি ২ অনুসারে, যদি মোকদ্দমায় আইনগত ও তথ্যগত উভয় ইস্যু থাকে, তবে আদালত কোনটি প্রথমে বিচার করবে?
  1. তথ্যগত ইস্যু
  2. আইনগত ইস্যু
  3. উভয় ইস্যু একসাথে
  4. পক্ষগণের সম্মতি অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
আইনগত ইস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত ইস্যু
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৪ বিধি ২ অনুসারে, যদি কোনো মোকদ্দমায় আইনগত এবং তথ্যগত উভয় প্রকারের ইস্যু উত্থাপিত হয় এবং আদালত মনে করে যে মোকদ্দমা বা এর কোনো অংশ শুধুমাত্র আইনগত ইস্যুর ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা যায়, তবে আদালত আইনগত ইস্যুগুলো প্রথমে বিচার করবে। এই উদ্দেশ্যে আদালত তথ্যগত ইস্যু নির্ধারণ স্থগিত রাখতে পারে। এটি মোকদ্দমার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করার জন্য করা হয়, যদি আইনগত ইস্যু দ্বারা মোকদ্দমা সমাধান করা সম্ভব হয়।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-2.Issues of law and of fact: 
Where issues both of law and of fact arise in the same suit, and the Court is of opinion that the case or any part thereof may be disposed of on the issues of law only, it shall try those issues first, and for that purpose may, if it thinks fit, postpone the settlement of the issues of fact until after the issues of law have been determined.

২,০৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির Section 35B(1) অনুযায়ী, আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিল না করলে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ দিতে হবে?
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৩,০০০ টাকা
  4. ৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির Section 35B(1) অনুযায়ী, যদি আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো আবেদন (application) বা লিখিত আপত্তি (written objection) দাখিল না করা হয়, তাহলে পরবর্তীতে সেই আবেদন বা আপত্তি শুনানির জন্য গৃহীত হতে পারে না, যতক্ষণ না দায়ী পক্ষ অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা খরচ প্রদান করে।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 35B. Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters.
(1) If at any stage of a suit or proceeding, an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be, shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka.
(2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which, in the opinion of the Court, could and ought to have been made earlier, and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit, but shall not hear and dispose of the application, without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.

২,০৩৩.
এক দেওয়ানি মোকদ্দমায় বিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কারণে, আদালত আদেশ ১৭ বিধি ৩ এর অধীন মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি করে দেয়। বিবাদী কতদিনের মধ্যে মোকদ্দমা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারবে?
  1. ১৫ দিনের মধ্যে
  2. ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ৬০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৭ বিধি ১(৭): মোকদ্দমার কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত বা পুনরুদ্ধারের আবেদন:
খরচ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কারণে যদি ১৭ আদেশের বিধি ১ এর ৩ এবং ৪ এর অধীন কোন মোকদ্দমা খারিজ কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, যে পক্ষের কারণে খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে সেই পক্ষ খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির তারিখ হতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা খরচা জমা দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনরায় চালুর জন্য বা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করলে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থাৎ ৩০ দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা খরচ দিয়ে মোকদ্দমার কার্যক্রমটি পুনর্বহালের আবেদন করতে হবে। অধিকতর কোন কার্যক্রম গ্রহণ ছাড়া মোকদ্দমাটি শুনানীর জন্য পুনরুজ্জীবিত হবে এবং আদালতে জমাকৃত খরচ অন্যপক্ষকে দেওয়া হবে।
২,০৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২ বিধি-১ অনুসারে, নাবালকের পক্ষে মামলা কে দায়ের করবেন?
  1. স্বয়ং নাবালক
  2. নেক্সট ফ্রেন্ড 
  3. সরকারি অভিভাবক
  4. আদালতের কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
নেক্সট ফ্রেন্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেক্সট ফ্রেন্ড 
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC), আদেশ ৩২, বিধি ১ অনুযায়ী: “Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.”
অর্থাৎ, নাবালক (যিনি আইনত মামলা করার যোগ্য নন) যদি কোন দেওয়ানি মামলা করতে চান, তাহলে সেই মামলা তার নিজ নামে, কিন্তু একজন প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে দায়ের করতে হবে, যাকে বলা হয় "নেক্সট ফ্রেন্ড (Next Friend)"। এই ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এবং তার স্বার্থ রক্ষা করেন।

- নাবালক নিজে মামলা দায়ের করতে পারে না।
- নেক্সট ফ্রেন্ডের মাধ্যমে মামলাটি দায়ের করতে হয়।
- নেক্সট ফ্রেন্ড হতে হবে এমন একজন ব্যক্তি যার স্বার্থ নাবালকের বিপরীত নয়।
- যদি কোন নেক্সট ফ্রেন্ড না থাকে, আদালত বিবাদীর আবেদনের ভিত্তিতে মামলাটি খারিজ করতে পারে (বিধি ২)।
২,০৩৫.
কোন ডিক্রি রিভিশন মামলায় হাইকোর্ট বিভাগে বহাল থাকলে তা জারির জন্য কোন আদালতে দরখাস্ত করতে হয়?
  1. আপিল আদালতে
  2. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. জেলা আদালতে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে
ব্যাখ্যা
• জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।
• ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

• আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।
• ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে।
২,০৩৬.
Which court is empowered to order restitution under Section 144?
  1. Any Civil Court
  2. Appellate Court
  3. Court of first instance
  4. High Court Division
সঠিক উত্তর:
Court of first instance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of first instance
ব্যাখ্যা

Section: 144- Application for restitution:
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

২,০৩৭.
অভিমত গ্রহণের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের কাছে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারে-
  1. যেকোনো আদালত
  2. কেবল জেলা জজ আদালত
  3. কেবল আপিল আদালত
  4. কেবল রিভিশনাল আদালত
সঠিক উত্তর:
যেকোনো আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো আদালত
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী,
যেকোনো আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 113: Reference of High Court Division:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit.

২,০৩৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী সাক্ষ্য প্রদানের জন্য কোনো ব্যক্তিকে সমন দেওয়া সত্ত্বেও তিনি হাজির না হলে আদালত তাকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারেন?
  1. ২০০
  2. ৫০০
  3. ১০০০
  4. ২০০০
সঠিক উত্তর:
৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি-১২ সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি। যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়, কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।
২,০৩৯.
কখন ডিক্রি জারির আবেদন করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হয়?
  1. দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে
  2. ডিক্রির ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে
  3. রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases): নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i)  ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।
তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।

⇒ আদেশ-২১, বিধি-২২: ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথা- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।  ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
২,০৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধির __________ অনুসারে, আরজি দাখিলের মাধ্যমে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  1. আদেশ ১, বিধি ১
  2. আদেশ ২, বিধি ১
  3. আদেশ ৩, বিধি ১
  4. আদেশ ৪, বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪, বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪, বিধি ১
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:

১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
২,০৪১.
Under Section 57 of the Code of Civil Procedure, who has the authority to fix the scale of subsistence allowance of judgment-debtors?
  1. The Court
  2. The Government
  3. The Jail Authority
  4. The Decree holder
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা:
সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।

Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
২,০৪২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি ১২ তে কোন কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. ফরিয়াদি হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  2. সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  3. অভিযুক্ত হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি-১২: সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি:

যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়  কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।
২,০৪৩.
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ [Interlocutory orders] দেয়া যেতে পারে যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু-
  1. স্থাবর সম্পত্তি হয়
  2. অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
  3. অস্থাবর সম্পত্তি হয়
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয় হয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale): কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
২,০৪৪.
উভয় পক্ষের মুলতবির দরখাস্ত মঞ্জুর হলে এবং ব্যয়াদির খরচসহ আদেশসমূহ অনুমোদন করা হলে, আদালত কী নির্দেশ দেবে?
  1. খরচ বাদ দেওয়া হবে
  2. বাদীকে খরচ প্রদান করতে
  3. খরচ রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে জমা দিতে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খরচ রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে জমা দিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরচ রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে জমা দিতে
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

• আদেশ ১৭ বিধি ১(৫)-
যেক্ষেত্রে উভয় পক্ষ কর্তৃক মুলতবির দরখাস্ত দাখিল করা হয় এবং ব্যয়াদির খরচসহ আদেশসমূহ অনুমোদন করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত প্রতিটি পক্ষকে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে অনুরূপ খরচাদি জমা প্রদান করার আদেশ দিবে।

[Where applications are made by both the parties for any adjournment the applications are allowed with costs, the court shall direct each party to pay such cost as revenue to the state.]
২,০৪৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-২২, বিধি-৭(১) অনুযায়ী, মহিলা পক্ষের বিবাহ হলে মামলা কী হয়?
  1. স্বামী পক্ষ হয়।
  2. মামলা বাতিল হয়।
  3. ডিক্রি বাতিল হয়।
  4. মামলা চলতে থাকে।
সঠিক উত্তর:
মামলা চলতে থাকে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা চলতে থাকে।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) মামলা চলতে থাকে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি-৭ এর প্রথম অংশ অনুযায়ী, কোনো মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ হলে মামলাটি স্থগিত বা বাতিল হয় না। অর্থাৎ, মহিলা পক্ষের বিবাহ হলেও মামলাটি অব্যাহত থাকে এবং রায় প্রদান করা যায়।
দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে, যদি স্বামী আইনগতভাবে স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী হয়, তবে আদালতের অনুমতিতে সেই রায় স্বামীর বিরুদ্ধেও কার্যকর করা যেতে পারে। তাই, মহিলা পক্ষের বিবাহ মামলার অব্যাহতিপ্রক্রিয়ায় কোন প্রভাব ফেলে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির, আদেশ-২২, বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে মামলা স্থগিত হবে না:
(১) কোনো মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ হলেও মামলাটি স্থগিত হবে না, বরং মামলা অগ্রসর হয়ে রায় প্রদান করা যাবে; এবং যেখানে রায় মহিলা বিবাদীর বিরুদ্ধে থাকে, সেখানে রায় শুধুমাত্র তার বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে।
(২) যেখানে স্বামী আইন অনুসারে তার স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী, সেখানে আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় স্বামীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে; এবং স্ত্রীর পক্ষে রায় হলে, স্বামীর আবেদনপত্রে, যেখানে স্বামী আইন অনুযায়ী রায়ের বিষয়ভিত্তিক অধিকারী, সেখানে রায় কার্যকর করার জন্য অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

⇒ Order-XXII, Rule-7 of the Code of Civil Procedure, 1908:Suit not abated by marriage of female party:
(1) The marriage of a female plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate, but the suit may notwithstanding be proceeded with to judgment, and, where the decree is against a female defendant, it may be executed against her alone.
(2) Where the husband is by law liable for the debts of his wife, the decree may, with the permission of the Court, be executed against the husband also; and, in the case of judgment for the wife, execution of the decree may, with such permission, be issued upon the application of the husband, where the husband is by law entitled to the subject-matter of the decree.
২,০৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের অন্তুর্ভুক্ত যেকোনো নিয়ম পরিবর্তন, সংশোধন বা রদবদল করার ক্ষমতা কোন কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয়েছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. আইন মন্ত্রনালয়
  3. জেলা জজ আদালত
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের অন্তর্গত নিয়মসমূহ পরিবর্তন, সংশোধন বা রদবদল করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতকে। সুপ্রিম কোর্ট হচ্ছে সর্বোচ্চ আদালত।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় এ বিষয়ে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। ১২২ ধারায় বলা হয়েছে:
"সর্বোচ্চ আদালত, সময় সময় সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত কোন বিষয়ের জন্য নিয়ম প্রণয়ন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে।"
অর্থাৎ প্রথম তফসিলের আওতাধীন নিয়মসমূহ প্রণয়ন, সংশোধন এবং বাতিলের ক্ষমতা শুধুমাত্র সর্বোচ্চ আদালতের নিকট নিহিত রয়েছে। এই ক্ষমতা কোন নিম্ন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষকে প্রদান করা হয়নি।

সুতরাং সর্বোচ্চ আদালত ছাড়া অন্য কেউ দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের নিয়মসমূহ পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে না।
২,০৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীন প্রত্যার্পণ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হলে সেটি হবে একটি?
  1. রায়
  2. আদেশ
  3. ডিক্রি
  4. রিভিউ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে- আরজি প্রত্যাখ্যান বা নাকচের সিদ্ধান্ত ও প্রত্যার্পণ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হচ্ছে ডিক্রি। ডিক্রী বা আদেশের ভিত্তিসমূহকে রায় বলে। Order এবং ডিক্রী উভয়ই আদালত কর্তৃক কোন সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ। আদেশের মাধ্যমে পক্ষ সমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ণয় হতেও পারে, নাও পারে। আদালতের কোন রায়কে একই আদালতে পুনঃবিবেচনার আবেদন কে রিভিউ বলে।
২,০৪৮.
বিচার্য বিষয় নির্ধারণের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা পরিচালনার সময় বৃদ্ধি করা
  2. উভয় পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি করা
  3. মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নির্ধারণ করা
  4. বাদীর মামলা প্রতিষ্ঠিত করা
সঠিক উত্তর:
মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নির্ধারণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা

বিচার্য বিষয়:
আরজি দাখিল এবং লিখিত জবাব দাখিলের পর মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো বিচার্য বিষয় নির্ধারণ এবং নিষ্পত্তি করা। দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৪ অনুযায়ী ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যখন একপক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অন্য পক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয় উদ্ভব হয়। বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্য হলো মামলার প্রধান বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো স্পষ্ট করে তোলা, যাতে আদালত সেই বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

যেমন: মোকদ্দমার বিবাদী পক্ষ দাবী করলো যে মোকদ্দমাটি বিচার করার এখতিয়ার আদালতের নেই। তাহলে বিচার্য বিষয় হলো আদালতের মোকদ্দমাটি বিচার করার এখতিয়ার আছে কিনা? আবার বিবাদী পক্ষ দাবী করলো মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা নীতি অনুযায়ী খারিজ হবে। তাহলে বিচার্য বিষয় হতে পারে মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা নীতি অনুযায়ী খারিজ হবে কিনা?

বিচার্য বিষয় দুই প্রকার:
১. ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় [Issues of fact];
২. আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় [Issues of Law]।

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

২,০৪৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে কার লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. এটর্নি জেনারেলের
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে যে, এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন ।
⇒বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
------------
CPC Section: 91. Public nuisances:

(1) In the case of a public nuisance the Attorney General, or two or more persons having obtained the consent in writing of the Attorney General, may institute a suit, though no special damage has been caused, for a declaration and injunction or for such other relief as may be appropriate to the circumstances of the case. 
 
(2) Nothing in this section shall be deemed to limit or otherwise affect any right of suit which may exist independently of its provisions.
২,০৫০.
What does Section 2(2) exclude from the definition of "Decree"?
  1. Rejection of a plaint
  2. A final decision in a suit
  3. Orders of dismissal for default
  4. Determination of any question within section 144
সঠিক উত্তর:
Orders of dismissal for default
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Orders of dismissal for default
ব্যাখ্যা
• Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.

ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।
২,০৫১.
নিচের কোন ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) প্রযোজ্য নয়?
  1. অর্থ প্রদানের ডিক্রি
  2. নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
  3. সম্পত্তি হস্তান্তরের ডিক্রি
  4. স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) অনুসারে, একটি ডিক্রির জারি (এক্সিকিউশন) এর জন্য আবেদন করার সময়সীমা সাধারণত ১২ বছর।
তবে এই সময়সীমা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না:
- নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি (decree granting an injunction)
- যদি জজমেন্ট-ডেবটর প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ডিক্রি জারি বাধাগ্রস্ত করে (ধারা ৪৮(২)(ক) অনুযায়ী)
- তামাদি আইনের ১৮৩ ধারা প্রযোজ্য হয় এমন ক্ষেত্রে। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution:
 Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from
(a) the date of the decree sought to be executed, or,
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.

(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.

২,০৫২.
রায় স্বাক্ষরিত হলে পরবর্তীতে তা কখন সংশোধন করা যাবে?
  1. পক্ষগুলোর সম্মতির ভিত্তিতে
  2. ১৫২ ধারা অথবা পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
  3. আদালত যদি অনুমতি দেয়
  4. রায় কখনই সংশোধন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা অথবা পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা অথবা পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে। এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
২,০৫৩.
কয়টি ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে।
- ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ CPC Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
২,০৫৪.
প্লিডিংসে শুধুমাত্র ঘটনা [facts] উল্লেখ করতে হবে, সাক্ষ্য [ evidence] উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশের কত বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৬ এর বিধি ১
  2. আদেশ ৬ এর বিধি ২
  3. আদেশ ৬ এর বিধি ৩
  4. আদেশ ৬ এর বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ এর বিধি ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ এর বিধি ২
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ২ মতে প্লিডিংসে শুধুমাত্র ঘটনা [Material Facts] উল্লেখকরতে হবে, আইন [Law] বা সাক্ষ্য [evidence] উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts] উল্লেখ থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts] যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। যেমন মোকদ্দমার কারণ।
২,০৫৫.
'X', 'Y' এর বিরুদ্ধে একটি জমি বিক্রয়ের বায়নাপত্র সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করে। মোকদ্দমাটি ঢাকার অন্য যুগ্ম জেলা জজের নিকট ও দায়ের করা যায়। 'Y' যদি মোকদ্দমাটি স্থানান্তর করতে চায়, তাহলে 'Y’ এর উকিল হিসেবে, আপনি কোথায় মোকদ্দমা দায়ের করবেন?
  1. ঢাকা জেলা জজের নিকট
  2. ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট
  3. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  4. যুগ্ম জেলা জজের নিকট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা জেলা জজের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা জেলা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী মামলা বা আপিল স্থানান্তর ও প্রত্যাহার- যে কোন সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ আদালত অধঃস্তন আদালতের কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অপর কোন কার্যক্রম স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করতে পারেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২, ২৩ ও ২৪ ধারা এবং The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমা ও আপিল স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ও ২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র বিবাদী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যখন কোন মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়েরযোগ্য বা বিচারযোগ্য। কিন্তু ২৪ ধারার আওতায় মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা আদালত স্বতঃ প্রবৃত্ত হয়ে নিজে (own motion) কোন মামলা বা আপিল স্থানান্তর করতে পারে।
♦সুতরাং বিবাদী হলে ২২ ধারা, অন্যদিকে মামলার যে কোন পক্ষ অথবা আদালত নিজে হলে ২৪ ধারা প্রযোজ্য হবে।

♦যেহেতু ঢাকার মধ্যে একাই জেলার এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে হবে। সেহেতু আমাকে ঢাকা জেলা জজের নিকট মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে হবে।
২,০৫৬.
ধারা-৭৫ অনুযায়ী, আদালত কোন উদ্দেশ্যে কমিশন নিয়োগ করতে পারে না?
  1. স্থানীয় তদন্ত করার জন্য
  2. ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণের জন্য
  3. ডিক্রি জারির জন্য
  4. হিসাব পরীক্ষা বা সংশোধনের জন্য
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত 'ডিক্রি জারির' জন্য কমিশন নিয়োগ করতে পারে না।

ধারা-৭৫: আদালত কর্তৃক কমিশন নিয়োগ করার ক্ষমতা:

নির্ধারিত শর্তাবলী ও সীমাসাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন নিয়োগ করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণের জন্য;
খ) স্থানীয় তদন্ত করার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সংশোধনের জন্য;
ঘ) বাটোয়ারা করার জন্য।
২,০৫৭.
পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করার আগে আবশ্যিক শর্ত কী?
  1. আপিল দাখিল
  2. হাইকোর্টের অনুমতি
  3. আদালতকে নোটিশ প্রদান
  4. বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান।

The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order-47 Rule-4:
(১) আবেদন প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে:
যদি আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে পুনর্বিবেচনার জন্য পর্যাপ্ত কারণ নেই, তাহলে আদালত উক্ত আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে।

(২) আবেদন গৃহীত হলে:
যদি আদালতের মত হয় যে পুনর্বিবেচনার আবেদন গৃহীত হওয়া উচিত, তাহলে আদালত উক্ত আবেদন অনুমোদন করবে;

তবে শর্ত থাকে যে-
(ক) এমন কোন আবেদন বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান ছাড়া অনুমোদন করা যাবে না, যাতে তারা আদালতে হাজির হয়ে ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে শুনানি করতে পারে, যার পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হয়েছে;

(খ) এমন কোন আবেদন শুধুমাত্র নতুন বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের ভিত্তিতে অনুমোদন করা যাবে না, যদি না আবেদনকারী এই বিষয়ে কঠোরভাবে প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেন যে, উক্ত বিষয় বা প্রমাণ তার জ্ঞাত ছিল না বা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তা উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল না।
২,০৫৮.
প্লিডিংস কর্তনের (Striking out of Pleadings) আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতে কোন বিষয়টি বিবেচ্য নয়?
  1. অসত্য তথ্য।
  2. কুৎসাজনক
  3. মোকদ্দমার সুষ্ঠ বিচার বাধাগ্রস্ত করতে পারে এমন বিষয়।
  4. অপ্রয়োজনীয়
সঠিক উত্তর:
অসত্য তথ্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসত্য তথ্য।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, Order 6, Rule 16 অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংসের যে কোন বিষয় কর্তন বা সংশোধন করতে আদেশ দিতে পারে যদি উল্লেখিত বিষয়টি অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হয় কিংবা মোকদ্দমার সুষ্ঠ বিচার বাধাগ্রস্থ, বা বিলম্বিত করতে পারে এমন হয়।
২,০৫৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৮ বিধি ১৮ অনুযায়ী, আদালত কোন ক্ষেত্রে সম্পত্তি পরিদর্শন করতে পারে?
  1. সম্পত্তি বিক্রির জন্য
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের জন্য
  3. সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য
  4. সম্পত্তি সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন উদ্ভব হলে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন উদ্ভব হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন উদ্ভব হলে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৮ বিধি ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।

CPC Order-18 Rule-18 Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.

২,০৬০.
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে-
  1. লিখিত জবাব দাখিলের পূর্বে
  2. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে 
  4. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮নং আদেশের ১ থেকে ৪ বিধিতে রায় ঘোষণার পূর্বে বিবাদীকে কতিপয় ক্ষেত্রে গ্রেফতার এবং আদালতে হাজিরার জন্য কেন তাকে জামানত দিতে হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে। আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে। তবে বিবাদী যদি বাদীর দাবিযোগ্য অর্থ জামানত হিসেবে আদালতে জমা দেয় তবে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না।

⇒ বিধি-১: বিবাদীকে হাজিরার জন্য জামানত প্রদান- বিবাদী আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানো বা তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রিজারি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি-
ⅰ) আত্মগোপন বা আদালতের আঞ্চলিক সীমানা ত্যাগ করে বা এর উদ্যেগ গ্রহণ করে: অথবা
ii) তার সম্পত্তি বা এর অংশ হস্তান্তর করে বা আদালতের স্থানীয় সীমা থেকে অপসারন করে; অথবা
iii) বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করে; তাহলে এসব ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বেই আটক বা আদালতে হাজির হয়ে কেন জামানত দেয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তবে পর্যাপ্ত জামানত দিতে চাইলে আদালত আটকের আদেশ দিবেন না।

⇒ বিধি-২: কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে জামানত- ১ বিধি অনুযায়ী বিবাদী উপযুক্ত কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে, আদালত বিবাদীকে প্রয়োজনীয় অর্থ বা সম্পদ জামানত হিসাবে আদালতে জমা প্রদানের নির্দেশ দিবেন।

⇒ বিধি-৩: জামিনদার দায়মুক্তির আবেদন করলে- জামিনদার রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় স্বীয় দায়মুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন/ওয়ারেন্ট দিতে পারেন।  বিবাদী আদালতে হাজির হওয়ার পরে আদালত উক্ত জামিনদারকে জামিননামার দায় থেকে মুক্তি দিবেন এবং বিবাদীর নিকট নতুন জামানত তলব করবেন।

⇒  প্রতিকার- সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে (আদেশ ৪৩ বিধি ১)।

⇒ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
 ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং  ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
⇒ স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।

⇒ অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
Rule-1: Where defendant may be called upon to furnish security for appearance. Where at any stage of a suit, other than a suit of the nature referred to in section 16, clauses a) to (d), the Court is satisfied, by affidavit or otherwise-
a) that the defendant, with intend to delay the plaintiff, or to avoid any process of the Court or to obstruct or delay the execution of any decree that may be passed against him-
i) has absconded or left the local limits of the jurisdiction of the Court, or
ii) is about to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
iii) has disposed of or removed from the local limits of the jurisdiction of the Court his property or any part thereof, or

b) that the defendant is about to leave Bangladesh under circumstances affording reasonable probability that the plaintiff will or may thereby be obstrusted or delayed in the execution of any decree that may be paased against the defendant in the suit,
the Court may issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not furnish security for his appearance
Provided that the defendant shall not be arrested if he pays to the officer entrusted with the execution of the warrant any sum specified in the warrant as sufficient to satisfy the plaintiff's claim; and such sum shall be held in deposit of or until the further order of the Court.
২,০৬১.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত ক্রোক আদেশ দিলে তা সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ মাস
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধে নিষেধাজ্ঞা (Injunction to restrain repetition or continuance of breach): চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
 ⇒যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

  ⇒এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।

 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা। ১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।
৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।
৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
২,০৬২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ আদেশের ৯ক বিধির অধীন মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ সরাসরি বাতিলের আবেদনের ক্ষেত্রে আদালত অনধিক কত টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ (Directly setting aside abatement or dismissal): বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
---------------
⇒ Order 22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
- Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
২,০৬৩.
দেওয়ানী মামলায় আরজি ভুল আদালতে দাখিল করার পরিণাম কি?
  1. মামলা ডিসমিস
  2. আরজি খারিজ
  3. আরজি ফেরত
  4. মামলার কার্যক্রম চলবে
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

আদেশ ৭ বিধি ১০-
যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
২,০৬৪.
“ক” চট্টগ্রামে বসবাস করেন এবং ঢাকায় “খ” কে মারধর করেন, “খ” কোথায় মামলা করতে পারবে- এই সম্পর্কিত বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৬
  2. ধারা ১৭
  3. ধারা ১৮
  4. ধারা ১৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারায় বলা হয়েছে,
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে, এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবে।

অন্যদিকে, 
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়ে দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পর্কে ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা দায়েরের  দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারা অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে ও মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 19. Suits for compensation for wrongs to person or movables:
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts. 
 
Illustrations:
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka.  B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
২,০৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫-এর কোন বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service) বিধান রয়েছে?
  1. বিধি ৮
  2. বিধি ১০
  3. বিধি ২০
  4. বিধি ২৫
সঠিক উত্তর:
বিধি ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ২০
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৫, বিধি ২০-এ বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service) বিধান বর্ণিত আছে। এই বিধি অনুযায়ী, যদি আদালত বিশ্বাস করে যে বিবাদী সমন এড়াতে আত্মগোপন করছে বা অন্য কোনো কারণে সাধারণভাবে সমন জারি করা সম্ভব নয়, তবে আদালত নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে সমন জারির নির্দেশ দিতে পারে:
- সমনের একটি নকল আদালত ভবনের দৃশ্যমান স্থানে এবং বিবাদীর শেষ পরিচিত বাসস্থান, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থলের দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে দেওয়া।
- অথবা, বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে।
------------
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ ৫, বিধি ২০: বিকল্প বা পরিবর্তিত জারি (Substituted Service):
(১) যেখানে আদালত সন্তুষ্ট যে, বিবাদী সেবা এড়ানোর জন্য উড়াল দেয়ার চেষ্টা করছে বা অন্য কোনো কারণে সমন সাধারাণভাবে প্রেরণ করা সম্ভব নয়, তখন আদালত সমনকে আদালতের ভবনে কোনো দৃশ্যমান স্থানে সেঁটে দেওয়ার নির্দেশ দিবে এবং যেখানে বিবাদী শেষবার বসবাস বা ব্যবসা চালিয়েছেন, বা যেখানে তিনি নিজে উপার্জনের জন্য কাজ করতেন, সেই স্থানের কোনো দৃশ্যমান জায়গাতেও সেঁটে দেবেন, অথবা আদালত যেভাবে উপযুক্ত মনে করবে সেইভাবে সমন প্রেরণের ব্যবস্থা করবেন।
(১এ) যদি আদালত উপবিধি (১) অনুযায়ী সমন প্রেরণের জন্য সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়ার নির্দেশ দেন, তবে সেই সংবাদপত্রটি দৈনিক হতে হবে এবং ওই এলাকার মধ্যে যার মধ্যে বিবাদী শেষবার বসবাস করতেন বা ব্যবসা পরিচালনা করেছিলেন, সেই এলাকাতে প্রচারিত হতে হবে।
বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির প্রভাব:
(২) আদালতের আদেশে করা বিকল্প বা পরিবর্তিত জারি, বিবাদীর ব্যক্তিগত জারির মতোই কার্যকর হবে।যেখানে বিকল্প বা পরিবর্তিত জারি করা হয়েছে, সেসময় উপস্থিতির জন্য সময় নির্ধারণ:
(৩) যদি আদালত বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির আদেশ দেয়, তাহলে আদালত বিবাদীর উপস্থিতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় নির্ধারণ করবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 5 Rule 20: Substituted service-
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.
(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.
Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.
Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require. 

২,০৬৬.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও ৬ মাসের জেল
  2. ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
  3. ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
ব্যাখ্যা
♦অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে আদালত ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে।
২,০৬৭.
Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025 এর অধ্যাদেশ নম্বর কত?
  1. ২৫ নং
  2. ৪৫ নং
  3. ৫৫ নং
  4. ৬৫ নং
সঠিক উত্তর:
৫৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ নং
ব্যাখ্যা

⇒ Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025 ( ২০২৫ সনের ৫৫ নং অধ্যাদেশ )
অধ্যাদেশ নম্বর: ২০২৫ সনের ৫৫ নং অধ্যাদেশ।
জারির তারিখ: ২ নভেম্বর, ২০২৫
অর্থাৎ ২০২৫ সালে প্রণীত এই অধ্যাদেশটির ক্রমিক নম্বর হলো ৫৫।

অধ্যাদেশটির প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য:
- এই অধ্যাদেশটি প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য হলো Civil Courts Act, 1887 আইনে ব্যবহৃত কিছু পদবী (Designation) আধুনিকীকরণ ও পরিবর্তন করা। ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসা "অ্যাসিস্ট্যান্ট জজ" (Assistant Judge) পদবীটিকে "সিভিল জজ" (Civil Judge) পদবী দ্বারা প্রতিস্থাপন করা এই সংশোধনীর মূল বিষয়। রাষ্ট্রপতির সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে।

আইনে কী ছিল এবং কী পরিবর্তন করা হয়েছে (মূল সংশোধনীসমূহ)
- এই অধ্যাদেশটি মূলত একটি শব্দগত পরিবর্তন করেছে। পুরো আইন জুড়ে যেখানেই "Assistant" শব্দটি (যেমন: Assistant Judge, Senior Assistant Judge) ব্যবহৃত হয়েছে, সেখানে "Civil" শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
- পদবীর আধুনিকীকরণ: "Assistant Judge" পদবীটি একটি সহায়ক (Assistant) ভাবাপন্ন, যেখানে "Civil Judge" পদবীটি স্পষ্ট এবং স্বতন্ত্র ক্ষমতার পরিচয় দেয়। এটি বিচারকদের মর্যাদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নতুনভাবে যোগকৃত বা প্রতিস্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ ধারা:
ধারা ১১: এই ধারা দ্বারা পুরনো ধারা ২৫এক -কে সম্পূর্ণভাবে প্রতিস্থাপন করে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
- নতুন ধারা ২৫ক-এর বিষয়বস্তু: অন্যান্য আইনে জজদের নির্দেশনা (Reference of Judges in other laws):
- যখন কোনো প্রচলিত আইনে অ্যাডিশনাল জজ (Additional Judge), সাব-অর্ডিনেট জজ (Subordinate Judge), সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট জজ (Senior Assistant Judge), বা অ্যাসিস্ট্যান্ট জজ (Assistant Judge)-এর উল্লেখ থাকবে, তখন সেই উল্লেখকে যথাক্রমে অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ (Additional District Judge), জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জজ (Joint District Judge), সিনিয়র সিভিল জজ (Senior Civil Judge), বা সিভিল জজ (Civil Judge) হিসেবে ব্যাখ্যা করতে হবে।

২,০৬৮.
বাদী কর্তৃক কোর্ট ফি প্রদান না করার কারনে বিবাদীর উপর সমন জারি করা না হলে, সেক্ষেত্রে আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা শুনানীর নতুন দিন
  2. মোকদ্দমাটি খারিজ
  3. নতুন করে সমন জারির সিদ্ধান্ত
  4. সমনের জন্য প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান করার আদেশ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ
ব্যাখ্যা
বাদী খরচ প্রদান না করার কারণে সমন জারি না হলে, মোকদ্দমা খারিজ করা যায়। 

• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
২,০৬৯.
কুরিয়ার সার্ভিস বা উপযুক্ত কর্মকর্তা সমন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে তা প্রেরণ করবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -

(৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সার্ভিস বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে,জেলা জজ প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।

২,০৭০.
আদেশ ১৫ বিধি ২ অনুযায়ী, বহু বিবাদীর মধ্যে যদি কোন একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. সকল বিবাদীদের বিরুদ্ধে মামলা চালাবে
  2. উক্ত বিবাদীর পক্ষে রায় ঘোষণা করবে
  3. উক্ত বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. উক্ত বিবাদীর পক্ষে মামলাটি বাতিল করবে
সঠিক উত্তর:
উক্ত বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-২: বহু বিবাদীর মধ্যে কোন একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকলে:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে এবং আইন কিংবা ঘটনার কোন প্রশ্নে বিবাদীদের কোন একজনের সাথে বাদীর সঙ্গে কোন বিরোধ না থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত তখনই ঐ বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং মোকদ্দমা শুধু অন্যান্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে।

Order 15 Rule-2: One of several defendants not at issue:
Where there are more defendants than one, and any one of the defendants is not at issue with the plaintiff on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment for or against such defendant and the suit shall proceed only against the other defendants.
২,০৭১.
জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্ধারিত দিনে পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে,আদালত-
  1. উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মোকদ্দমা বাতিল করতে পারে
  3. মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
  4. উল্লেখিত যেকোনো একটি সিদ্ধান্ত নিতে পারে
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি ৪ অনুসারে- যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কোন পক্ষ নিজে না এসে কোন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত হাজিরা দেয় সেই ক্ষেত্রে আইনজীবী কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে অক্ষম হলে বা উত্তর দিতে অস্বীকার করলে, আদালত মোকদ্দমার শুনানী মুলতুবি রেখে উক্ত পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারে। উক্ত নির্ধারিত দিনে এমন পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে

• উল্লেখ্য যে, আদেশ ১০ এর ৪ বিধির অধীন কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার আদেশ হলো একটি আপীলযোগ্য আদেশ। 
২,০৭২.
A person who intermeddles with the estate of a deceased person is included in the definition of: 
  1. Public officer
  2. Decree-holder
  3. Judgment-debtor
  4. Legal representative
সঠিক উত্তর:
Legal representative
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Legal representative
ব্যাখ্যা

⇒ The definition of "legal representative" in Section 2(11) explicitly states: "(11) "legal representative" means a person who in law represents the estate of a deceased person, and includes any person who intermeddles with the estate of the deceased and where a party sues or is sued in a representative character the person on whom the estate devolves on the death of the party so suing or sued."
Therefore, a person who intermeddles with the estate of a deceased person is specifically included in the definition of a Legal Representative.

Other options are incorrect:
ক) Public officer: This is defined in Section 2(17) and refers to various government and court officials. It has no connection to someone dealing with a deceased person's estate.
খ) Decree-holder: This is defined in Section 2(3) as a person in whose favour a decree has been passed. It is not related to the status of handling an estate.
গ) Judgment-debtor: This is defined in Section 2(10) as a person against whom a decree has been passed. This is also unrelated to the administration of a deceased person's estate.
------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১১) অনুসারে "আইনানুগ প্রতিনিধি" (Legal Representative) বলতে মূলত তিন ধরনের ব্যক্তিকে বোঝায়:
- যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করে;
- যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করে; এবং
- যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি হিসেবে মোকদ্দমা করতে পারে বা যার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায়।

সুতরাং, "যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করে" সে নিশ্চিতভাবেই এই সংজ্ঞার আওতায় পড়ে এবং তাকে আইনানুগ প্রতিনিধি গণ্য করা হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১১) অনুসারে, "আইনগত প্রতিনিধি" বলতে বোঝায় সেই ব্যক্তিকে, যিনি আইন অনুযায়ী কোনো মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করেন। এবং এর মধ্যে সেই ব্যক্তিও পড়েন, যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির সাথে অনধিকার হস্তক্ষেপ (Intermeddle) করেন।

অর্থাৎ যদি কেউ মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি নিয়ে নিজে থেকে নাড়াচাড়া করে বা ব্যবস্থা নেয় (যদিও তার সেই সম্পত্তিতে কোনো আইনগত অধিকার নেই), তাকেও এই আইনের দৃষ্টিতে "আইনগত প্রতিনিধি" ধরা হবে।

২,০৭৩.
ডিক্রি জারি মূলে কোন সম্পত্তির নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির কত দিনের মধ্যে ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় :
- ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
-----------
Order-21 Rule-85.Time for payment in full of purchase-money:
The full amount of purchase-money payable shall be paid by the purchaser into Court before the Court closes on the fifteenth day from the sale of the property:
Provided that, in calculating the amount to be so paid into Court, the purchaser shall have the advantage of any setoff to which he may be entitled under rule 72.
২,০৭৪.
আদেশ ১২ বিধি ১ অনুযায়ী, মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ কীভাবে স্বীকারোক্তি প্রদান করতে পারে?
  1. মৌখিকভাবে
  2. শুধু আদালতে উপস্থিত হয়ে
  3. আইনজীবীর মাধ্যমে
  4. লিখিত আরজি বা জবাবের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
লিখিত আরজি বা জবাবের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত আরজি বা জবাবের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ-
মোকদ্দমার যেকোন পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.
২,০৭৫.
Interpleader Suit-এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. বিবাদীদের পরস্পরের মধ্যে বিরোধ থাকে
  2. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে না
  3. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
  4. বাদীর মামলার খরচ ব্যতীত কোন স্বার্থ থাকে না
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।
অর্থাৎ Interpleader Suit-এর ক্ষেত্রে বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে কথাটি সত্য নয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।
⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।
⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-৫। প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।

⇒ উদাহরণ:
A-তার প্রতিনিধি B-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। C-অভিযোগ করে যে A-তার নিকট হতে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলি লাভ করেছে এবং B-এর নিকট হতে এইগুলি দাবী করে। B. A এবং C-এর বিরুে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
২,০৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩ বিধি-৫(গ) অনুসারে, 'দরিদ্র' (pauper) হিসেবে আবেদন দাখিলের আগের কত মাসের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে আবেদন খারিজ হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারণ থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে। নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে। তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতিরোধমূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।

অর্থাৎ, দরিদ্র হিসেবে মামলা দায়েরের আবেদন জমা দেওয়ার ২ মাসের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে বা দরিদ্র হিসেবে আবেদন করতে সক্ষম হওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করেন, তাহলে তার আবেদন খারিজ করা হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩ বিধি-৫ এর বিধান: আবেদন পত্র প্রত্যাখ্যান (Rejection of application): নিম্নোক্ত কারণে নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদনপত্র প্রত্যাখ্যান করা যায়-
- নির্ধারিত বিধান অনুসারে আবেদনপত্র গঠন ও দাখিল করা হয়নি; বা  আবেদনকারী নিঃস্ব নয়; বা সে আবেদনপত্র দাখিলে অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি লাভের জন্য আবেদন করতে সমর্থ হওয়ার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে; বা সে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ উল্লেখ না করে, বা সে প্রস্তাবিত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌঁছেছে যার ফলে উক্ত বিষয় বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তির স্বার্থ সৃষ্ট হয়েছে।
-------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-33 Rule-5: Rejection of application:
The Court shall reject an application for permission to sue as a pauper:
(a) where it is not framed and presented in the manner prescribed by rules 2 and 3, or
(b) where the applicant is not a pauper, or
(c) where he has, within two months next before the presentation of the application, disposed of any property fraudulently or in order to be able to apply for permission to sue as a pauper, or
(d) where his allegations do not show a cause of action, or
(e) where he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the proposed suit under which any other person has obtained an interest in such subjectmatter.

২,০৭৭.
চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
• CPC'র ৯৭ ধারানুযায়ী প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান: প্রাথমিক ডিক্রিতে যে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হলে তখন উক্ত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা/বৈধতা অস্বীকার করা যাবে না।

অর্থাৎ প্রাথমিক ডিক্রি দেওয়া হলে, প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে- যখন চূড়ান্ত ডিক্রি দেওয়া হবে তখন প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না অথবা চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও প্রাথমিক ডিক্রির বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

এ ধারার সারমর্ম হচ্ছে-
প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রি উভয় ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
২,০৭৮.
প্লিডিংস কর্তন (Strike out) করা যেতে পারে, যদি প্লিডিংস এ উল্লিখিত কোনো বিষয়-
  1. কুৎসাজনক হয় (Scandalous)
  2. অপ্রয়োজনীয় হয় (Unnecessary matter)
  3. বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice,embarrass or delay fair trial of the suit)
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের বিধানসমূহ রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে।লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

আদেশ-৬,বিধি-১৬: প্লিডিংস কর্তন (Strike out of pleadings)-

দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে প্লিডিংস কর্তনের(Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।
আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
> অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter) বা
> কুৎসাজনক (Scandalous) হলে অথবা
> বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice,embarrass or delay fair trial of the suit)।
২,০৭৯.
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক করা হলে, আদেশ ৩৮ বিধি-১০ এর অধীন কার স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না?
  1. সাক্ষীর
  2. আদালতের
  3. বিবাদীর
  4. মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত নয় এমন ব্যক্তির
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত নয় এমন ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত নয় এমন ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-১০: রায়ের পূর্বে ক্রোক আগন্তুকের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে না বা ডিক্রিদারকে বিক্রয়ের আবেদন করতে বারিত করে না:
রায়ের পূর্বে ক্রোক দ্বারা মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের ক্রোকের পূর্বে বিদ্যমান স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না, বা ডিক্রির অধিকারী কোন ব্যক্তির বিবাদীর বিরুদ্ধে উক্ত ডিক্রি জারিতে ক্রোকের অধীন সম্পত্তি বিক্রয়ে আবেদন করতে বারিত করবে না।

Order 38 Rule 10: Attachment before judgment not to affect rights of strangers not bar decree-holder from applying for sale:
Attachment before judgment shall not affect the rights, existing prior to the attachment, of persons not parties to the suit, nor bar any person holding a decree against the defendant from applying for the sale of the property under attachment in execution of such decree.
২,০৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ৪০, বিধি ৫ অনুসারে কোন ক্ষেত্রে কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়?
  1. যে ভূমির জন্য সরকারকে রাজস্ব দেওয়া হয়
  2. যে ভূমির রাজস্ব মুক্ত করা হয়েছে
  3. যে ভূমির রাজস্ব বরাদ্দ করা হয়েছে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার-৪০, বিধি-৫ অনুসারে, কালেক্টরকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করা যায় এমন ভূমির ক্ষেত্রে যেগুলো নিম্নলিখিত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত:
- যে ভূমির জন্য সরকারকে রাজস্ব দেওয়া হয় (Revenue-paying land to the Government)।
- যে ভূমির রাজস্ব বরাদ্দ করা হয়েছে (Land of which the revenue has been assigned)।
- যে ভূমির রাজস্ব মুক্ত করা হয়েছে (Land of which the revenue has been redeemed)।
এছাড়া, আদালতকে অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে যে কালেক্টরের ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের স্বার্থ রক্ষিত হবে। তবে, কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগের জন্য কালেক্টরের সম্মতি প্রয়োজন।

⇒ অর্ডার-৪০, বিধি-৫ অনুযায়ী, যদি ভূমিটি সরকারের কাছে রাজস্ব প্রদান করে অথবা যার রাজস্ব রিডিম (মুক্ত) বা বরাদ্দ (অ্যাসাইন) করা হয়ে থাকে, এবং আদালত মনে করে যে সংশ্লিষ্ট পক্ষদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য কালেক্টরের ব্যবস্থাপনা দরকার, তখন আদালত কালেক্টরকে সেই ভূমির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারে। তাই রাজস্ব প্রদেয়, রাজস্ব মুক্ত বা বরাদ্দকৃত যে কোনো ভূমির ক্ষেত্রে কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়। এজন্য সঠিক উত্তর “উপরের সবগুলো”।

⇒ Order-40 Rule-5.When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
২,০৮১.
আদালতের সমন জারিতে বাধা দিলে শাস্তি হতে পারে-
  1. ৬ মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড
  3. ৩ মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড
  4. ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
দন্ডবিধির ১৭৩ ধারা অনুযায়ী, সমন জারিতে বাধা সৃষ্টি করলে তার শাস্তি হতে পারে ১ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দন্ড এবং উক্তরূপ সমনে বা বিজ্ঞপ্তিতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়া বা কোন দলিল উপস্থাপনের নির্দেশ থাকলে তার শাস্তি হতে পারে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা ১০০০ টাকা।
২,০৮২.
'অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ' এর ক্ষেত্রে সঠিক বিবৃতি কোনটি?
  1. শুধুমাত্র চূড়ান্ত ডিক্রির সময় এই আদেশ দেয়া হয়
  2. মোকদ্দমার চূড়ান্ত রায় হওয়ার পর এই আদেশ জারি করা হয়
  3. এই আদেশ চূড়ান্তভাবে পক্ষদ্বয়ের অধিকার নির্ধারণ করে
  4. মোকদ্দমা দায়ের এবং চূড়ান্ত রায় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে এই আদেশ দেয়া যায়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা দায়ের এবং চূড়ান্ত রায় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে এই আদেশ দেয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা দায়ের এবং চূড়ান্ত রায় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে এই আদেশ দেয়া যায়
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ [Ad-inerim Orders]:
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ হলো মোকদ্দমার কার্যক্রম চলমান থাকার সময়, আদালত কর্তৃক জারিকৃত আদেশ যে গুলো চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে পক্ষদ্বয়ের অধিকার এবং দায় নির্ধারণ করে না। মোকদ্দমা দায়ের পর এবং চূড়ান্ত রায়ের আগে, আদালত প্রয়োজনীয় অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিতে পারে। মোকদ্দমা দায়ের এবং চূড়ান্ত রায় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে, আদালত মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের অধিকার রক্ষা করার জন্য, অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিতে পারে।

দেওয়ানী আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশসমূহ:
- আদালতে জমাদানের আদেশ;
- ব্যয়ের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ;
- কমিশন জারির আদেশ;
- রায়ের পূর্বে আটক আদেশ;
- রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ;
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ;
- অন্তবর্তীকালীন আদেশ;
- রিসিভার নিয়োগের আদেশ।
২,০৮৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানমতে নিঃসম্বল ব্যক্তি মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ২১ আদেশ মতে
  2. ২৫ আদেশ মতে
  3. ৩৩ আদেশ মতে
  4. ৩৪ আদেশ মতে
সঠিক উত্তর:
৩৩ আদেশ মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ আদেশ মতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৩ আদেশের বিধান মতে নিঃসম্বল ব্যক্তি মামলা দায়ের (Suit by Paupers] করতে পারে। যে ব্যক্তি মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারণ থাকে না, সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য হবে।
২,০৮৪.
আদেশ-৯ বিধি-৪ অনুযায়ী, মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী কী করতে পারেন?
  1. আপিল করতে পারেন
  2. মামলাটি স্থগিত করতে পারেন
  3. নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৪: বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে কিংবা আদালত কোন মোকদ্দমা পুনরায় চালু করতে পারবে:
উপরোক্ত ২ অথবা ৩ বিধি অনুযায়ী মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে; কিংবা খারিজের আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারবে; উক্ত ক্ষেত্রে বাদী যদি আদালতের সন্তুষ্টিক্রমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোর্ট ফি কিংবা সমন জারির ডাক মাশুল (যদি লাগে) দিতে না পারার বা উপস্থিত হতে না পারার যথেষ্ট কারণ দর্শাতে পারে, তবে আদালত মোকদ্দমার খারিজ রদের আদেশ দান করবে এবং মোকদ্দমার কার্যপদ্ধতি পরিচালনার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবে।

⇒ যদি আদেশ-৯ বিধি-২ বা বিধি-৩ অনুযায়ী কোনো মোকদ্দমা খারিজ হয়ে যায়, তবে বাদী তামাদি আইনের শর্তসাপেক্ষে নিম্নলিখিত দুটি পদক্ষেপ নিতে পারেন—
- নতুন মোকদ্দমা দায়ের করা;
- মোকদ্দমা খারিজের আদেশ রদের আবেদন করা।

বাদী যদি যথাযথ কারণ দেখাতে পারেন যে-
- নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোর্ট ফি বা সমন জারির ফি দিতে পারেননি, অথবা
- আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি,

এবং আদালত যদি এই কারণগুলো যথেষ্ট বলে মনে করে, তাহলে-
- আদালত মোকদ্দমা পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন;
- নতুন শুনানির জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন।
২,০৮৫.
যেসকল দলিলাদি লিখিত জবাব দাখিলের সময় বিবাদীর দাখিল করার প্রয়োজন ছিল কিন্তু দাখিল করেনি, উক্ত দলিলসমূহ বিবাদী-
  1. পরবর্তীতে দাখিল করতে পারবে না
  2. পরবর্তীতে দাখিল করতে পারবে
  3. ব্যতিক্রম প্রেক্ষাপটে আদালতে অনুমতি নিয়ে দাখিল করতে পারবে
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৮ বিধি (১)-
যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
২,০৮৬.
মোকদ্দমার শুনানি মুলতুবি করে আদালত পরবর্তীতে যে দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করে, সেই দিন পক্ষগণ হাজির হতে ব্যর্থ হলে, আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশের বিধান অনুসরণ করবে?
  1. আদেশ ৫
  2. আদেশ ৯
  3. আদেশ ১১
  4. আদেশ ১৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি-২ অনুযায়ী,
মোকদ্দমার শুনানি মুলতুবি করে আদালত পরবর্তীতে যে দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করে, সেই দিন পক্ষগণ বা তাদের কোন এক পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে, আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশ অনুযায়ী আদেশ দিতে পারে।

অর্থাৎ, যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় হাজির না হয় বা যদি শুধুমাত্র বাদী হাজির না হয় তাহলে মোকদ্দমা খারিজ করবে এবং বিবাদী হাজির না হলে একতরফা ডিক্রি দিবে বা আদালত যেমন মনে করে তেমন আদেশ দিতে পারবে। এই ক্ষেত্রে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ৯ আদেশে যে রকম প্রতিকার আছে তেমন প্রতিকার পাবে। অর্থাৎ বাদী হলে মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলে আবেদন করতে পারবে বা বিবাদী হলে একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করবে বা আপীল করতে পারবে।
২,০৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৩ অনুযায়ী, যখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতায় থাকে, তখন মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন কোথায় করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  2. উক্ত আপিল আদালতে
  3. আপিল বিভাগে
  4. জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা

 দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

২,০৮৮.
নিম্নের কোন মোকদ্দমাটি দেওয়ানি প্রকৃতির?
  1. ঋণ উদ্ধারের অধিকার
  2. স্বত্ব ঘোষণার
  3. সরকারী কর্মকর্তার বকেয়া বেতন উদ্ধারের অধিকার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৯ অনুযায়ী নিষেধ না থাকলে আদালত সকল প্রকার দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করবেন।
এই আইনে বর্ণিত বিধান সাপেক্ষে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ না থাকলে সকল প্রকার দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আদালতের থাকবে।
একই ধারার ব্যাখায় বলা হয়েছে- যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সেই মোকদ্দমা দেওয়ানি প্রকৃতির।

• সুতরাং ৯ ধারায় নিম্নলিখিত ২ ধরনের অধিকার বিষয়ক মোকদ্দমাকে দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে-

১. সম্পত্তির অধিকার (right to property)- এই সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পত্তি উদ্ধারের অধিকার বা ঋণ উদ্ধারের অধিকার বা সরকারী কর্মকর্তার বকেয়া বেতন উদ্ধারের অধিকার ইত্যাদি দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা বা হয় এমন মোকদ্দমা। 

২.
পদের অধিকার (right to office)- এই সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় এমন মোকদ্দমা ।
২,০৮৯.
দেওয়ানী আদালত The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন বিধান অনুযায়ী একটি দলিল impound করতে পারেন?
  1. Order XI, rule 18
  2. Order XII, rule 8
  3. Order XIII, rule 8
  4. Order VII, rule 17
সঠিক উত্তর:
Order XIII, rule 8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XIII, rule 8
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৩ বিধি-৮ এর বিধান: আদালত কোন দলিল আটক করার আদেশ দিতে পারে: এই আদেশের ৫ কিংবা ৭ বিধি অথবা ৭ম আদেশের ১৭ বিধিতে কোন বিধান নিহিত থাকা সত্ত্বেও আদালত যদি পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে বলে মনে করেন, তবে আদালত যথার্থ মনে করে এরূপ সময়ের জন্য এবং শর্ত সাপেক্ষে মোকদ্দমায় ইহার সম্মুখে পেশকৃত কোন দলিল বা বহি আটক করার এবং আদালতের কোন অফিসারের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারে।
------------------
Rule.-8: Court may order any document to be impounded.- Notwithstanding anything contained in rule 5 or rule 7 of this Order or in rule 17 of Order VII, the Court may, if it sees sufficient cause, direct any document or book produced before it in any suit to be impounded and kept in the custody of an officer of the Court, for such period and subject to such conditions as the Court thinks fit. 
২,০৯০.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে, উক্ত বাদী আদেশ ২৩ বিধি-১ অনুসারে -
  1. দণ্ডিত হবে
  2. মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে
  3. মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে না
  4. মামলা পুনরায় রুজু করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৩ বিধি-১: মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট এটি সন্তোষজনক হয় যে,-
ক) কিছু রীতিসিদ্ধ ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে; অথবা
খ) মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর জন্য বা কোন দাবীর অংশের জন্য নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজুর জন্য বাদীকে অনুমতি প্রদান করার অন্যান্য যথেষ্ট অজুহাত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বাদীকে উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা কোন বাদীর উক্ত অংশ সম্পর্কে নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজু করার স্বাধীনতাসহ উক্ত মোকদ্দমা থেকে প্রত্যাহার করার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে উপবিধি (২) এ দায়েরে অনুমতি ব্যতীত বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করে সেক্ষেত্রে সে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা আংশিক দাবী সম্পর্কে নতুনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করতে বারিত হবে।

৪) এই বিধির কোন কিছুই আদালতকে কতিপয় বাদীর মধ্যে থেকে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতীত মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
২,০৯১.
দেওয়ানী মোকদ্দমা মিথ্যা ও বানোয়াট প্রমাণ হলে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচা আরোপ করতে পারে?
  1. ৫০,০০০/- টাকা
  2. ৫০০০/-টাকা
  3. ২০,০০০/-টাকা
  4. ১০,০০০/- টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০/- টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০/- টাকা
ব্যাখ্যা

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারা অনুযায়ী, কোনো পক্ষ যদি মিথ্যা বা উৎপীড়নমূলক মামলা দায়ের করে, তাহলে আদালত প্রতিপক্ষকে ক্ষতিপূরণ বাবদ নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
- আগে এই সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল “twenty” অর্থাৎ ২০ হাজার টাকা, কিন্তু— দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী, ৩৫A ধারার উপ-ধারা (১)-এ “twenty” শব্দের পরিবর্তে “fifty” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
অর্থাৎ এখন সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ধার্য করা যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।

৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 35A. Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences.
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto fifty thousand taka.
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him.
(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.

২,০৯২.
প্রত্যেকটি আপিল মেমোতে উল্লেখ থাকবে_____।
  1. ডিক্রির আপিলের প্রয়োজনীয়তা;
  2. ডিক্রির যুক্তিতর্ক এবং বর্ণনা;
  3. যুক্তিতর্ক এবং বর্ণনা ব্যতীত আপিলকৃত ডিক্রির আপত্তির কারণসমূহ;
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
যুক্তিতর্ক এবং বর্ণনা ব্যতীত আপিলকৃত ডিক্রির আপত্তির কারণসমূহ;
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিতর্ক এবং বর্ণনা ব্যতীত আপিলকৃত ডিক্রির আপত্তির কারণসমূহ;
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, এর আদেশ ৪১ বিধি ১ মতে:
-প্রত্যেকটি আপিল স্মারকলিপির আকারে আদালতে দাখিল করতে হবে। যে ডিক্রি বা রায় হতে আপিল করা হচ্ছে তার একটি নকল স্মারকলিপির সঙ্গে প্রদান করতে হবে।
- প্রত্যেক আপিল আপিলকারী বা তার উকিল দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে।
- যে ডিক্রি হতে আপিল করা হচ্ছে, সেই ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির কারণগুলি সংক্ষেপে এবং স্পষ্ট শিরোনামে ব্যাখ্যা করতে হবে এবং কারণগুলি ধারাবাহিক নম্বর যুক্ত হতে হবে।
- অর্থাৎ আপিল মেমোতে আপীলকৃত ডিক্রির আপত্তির কারণসমূহ যুক্তিতর্ক এবং বর্ণনা ব্যতীত সংক্ষেপে এবং স্বতন্ত্র শিরোণামে উল্লেখ থাকতে হবে।
--------------
CPC Order-41 Rule-1.Form of appeal. What to accompany memorandum:
(1) Every appeal shall be preferred in the form of a memorandum signed by the appellant or his pleader and presented to the Court or to such officer as it appoints in this behalf. The memorandum shall be accompanied by a copy of the decree appealed from and (unless the Appellate Court dispenses therewith) of the Judgment on which it is founded. 

- Contents of memorandum:
(2) The memorandum shall set forth, concisely and under distinct heads, the grounds of objection to the decree appealed from without any argument or narrative; and such grounds shall be numbered consecutively. 
২,০৯৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারায় কয় ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ১ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ২ ধরণের
সঠিক উত্তর:
২ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরণের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।
 
Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
২,০৯৪.
'B'-এর বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে বসবাসকারী 'A' যদি ঢাকায় মানহানিকর বক্তব্য দেয়, তবে মামলার এখতিয়ার কোন আদালতে থাকবে?
  1. কেবল চট্টগ্রাম
  2. কেবল ঢাকা
  3. ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম
  4. উভয় জায়গার বাইরে অন্যত্র
সঠিক উত্তর:
ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯ এ ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে  ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে তা বলা হয়েছে। 

• ধারা ১৯-
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

উদাহরণঃ
ক) 'এ'-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে 'বি'-কে ঢাকায় মারধর করে। 'বি' ঢাকায় বা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
খ) চট্টগ্রামে বসবাসকারী 'এ' ঢাকায় 'বি' সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। 'বি' ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
২,০৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারায় বিবাদী কী স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে?
  1. আপিল
  2. মোকদ্দমা
  3. জারি কার্যক্রম
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।

• Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made, after considering the objections the other parties (if any), shall determine which of the several 31 Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
২,০৯৬.
‘A’, ‘B’ এর বিরুদ্ধে তাদের পিতার সম্পত্তি বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। বিরোধীয় সম্পত্তির মূল্য ২৩,০০,০০০/- টাকা, তাহলে ‘A’ কে ‘B’ এর বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. সহকারী জজ আদালতে
  2. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
  3. যুগ্ন জেলা জজ আদালতে
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
⇒The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
- সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge ) = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ এর উপরে।

 অর্থাৎ, মোকদম্মার মূল্যমান ২৩,০০,০০০/- টাকা হওয়ায়, অত্র মোকদম্মাটি সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে দায়ের করতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-6 :Pecuniary Jurisdiction:
-Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-15.Court in which suits to be instituted:
-Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.
২,০৯৭.
Restitution-এর আবেদন কোন ধারা অনুসারে আনয়ন করা হয়?
  1. ৪৪
  2. ১৪৪
  3. ১১৪
  4. ৫৪
সঠিক উত্তর:
১৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪
ব্যাখ্যা
♦ কোনো রায়-ডিক্রি পরিবর্তন বা উল্টে গেলে পূর্বোক্ত ভুল রায়-ডিক্রি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি ১৪৪ ধারার অধীনে restitution এর আবেদন করতে পারেন।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির  ১৪৪ ধারা পুনরুদ্ধারের বিধান আছে। এই ধারায় বলা আছেঃ-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ডিক্রির যতদূর পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে পুনরুদ্ধার বা অন্য কোনভাবে কোনরূপ সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদন ক্রমে প্রাথমিক আদালত এরূপ পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা একদম প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন, সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালতে মামলার খরচ প্রদান এবং সুদ, খেসারত ও ক্ষতিপূরণ এবং মধ্যবর্তী কালীন মুনাফা পরিশোধের আদেশসহ এরূপ পরিবর্তন বা রদের কারণে যেরূপ উপযুক্ত হয় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে পুনরুদ্ধার বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে এই উদ্দেশ্যে কোন মামলা দায়ের করা চলবে না।

♦ দখল প্রত্যর্পণ বা পুনরুদ্ধারের আদেশ ডিক্রির অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে। তাই এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
২,০৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা রোধ করার জন্য আদালত কোন ধারা অনুসারে সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental proceedings) গ্রহণ করতে পারে?
  1. ধারা ৯০
  2. ধারা ৯৪
  3. ধারা ৯৪ক
  4. ধারা ৯৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ অনুযায়ী, ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা রোধ করতে আদালত নিম্নলিখিত সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental Proceedings) গ্রহণ করতে পারে:
(a) বিবাদীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা ও তার উপস্থিতির জন্য জামিন নিতে আদেশ দেওয়া,
(b) বিবাদীর সম্পত্তি আদালতের অধীন রাখার জন্য নিরাপত্তা আদেশ বা সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া,
(c) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান,
(d) রিসিভার নিয়োগ এবং তার দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা,
(e) আদালতের কাছে যথাযথ ও ন্যায়সঙ্গত মনে হলে অন্তর্বর্তীকালীন (interlocutory) আদেশ প্রদান।
এই ধারা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালতের হাতে বিভিন্ন অন্তর্বর্তী ও রক্ষামূলক ক্ষমতা প্রদান করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪: সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental Proceedings):
ন্যায়বিচার ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আদালত, যদি প্রযোজ্য হয়, নিম্নলিখিত আদেশসমূহ দিতে পারে—
(ক) বিবাদীকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত করাতে, যাতে সে ব্যাখ্যা দিতে পারে কেন তাকে জামিনে না রাখা হবে; এবং যদি সে জামিনের আদেশ মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে সিভিল হাজতে প্রেরণ করা যেতে পারে।
(খ) বিবাদীকে নির্দেশ দিতে পারে যে, সে যেন তার নিজস্ব কোনো সম্পত্তি আদালতের নিকট উপস্থাপন করতে জামিন প্রদান করে; অথবা আদালত তার সম্পত্তি সংযুক্ত (attachment) করার আদেশ দিতে পারে।
(গ) আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) প্রদান করতে পারে এবং যদি তা অমান্য করা হয়, তাহলে দোষী ব্যক্তিকে সিভিল হাজতে পাঠানো যেতে পারে এবং তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের আদেশ দেওয়া যেতে পারে।
(ঘ) কোনো সম্পত্তির রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে এবং তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালিত না হলে, তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে।
(ঙ) আদালত এমন অন্যান্য অন্তর্বর্তী আদেশ (Interlocutory Orders) প্রদান করতে পারে যা ন্যায়সংগত ও উপযুক্ত বলে মনে হয়।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 94. Supplemental proceedings:
In order to prevent the ends of justice from being defeated the Court may, if it is so prescribed,- 
(a) issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not give security for his appearance, and if he fails to comply with any order for security commit him to the civil prison; 
(b) direct the defendant to furnish security to produce any property belonging to him and to place the same at the disposal of the Court or order the attachment of any property; 
(c) grant a temporary injunction and in case of disobedience commit the person guilty thereof to the civil prison and order that his property be attached and sold; 
(d) appoint a receiver of any property and enforce the performance of his duties by attaching and selling his property; 
(e) make such other interlocutory orders as may appear to the Court to be just and convenient.
২,০৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪ক(১) অনুযায়ী, স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ প্রদানকারী আদালতের দায়িত্ব কী?
  1. মামলার নথি পাঠানো
  2. হাজিরার তারিখ নির্ধারণ
  3. মামলার নোটিশ প্রেরণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাজিরার তারিখ নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজিরার তারিখ নির্ধারণ
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ধারা ২৪ক – মামলার স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের সময় পক্ষগুলোর হাজিরা:
১. যদি কোনো মামলাকে ধারা ২২ অনুযায়ী স্থানান্তর করা হয়, অথবা কোনো মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম ধারা ২৪(১) অনুযায়ী কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়, তবে স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ প্রদানকারী আদালত পক্ষগুলোর হাজিরার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবে।

যদি মামলাটি বা আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম সেই আদালতেই বিচার বা নিষ্পত্তি হবে, তাহলে পক্ষগুলিকে সেই আদালতের সামনে হাজির হতে হবে।

যদি মামলাটি অন্য আদালতে স্থানান্তরিত হয়, তাহলে স্থানান্তরিত আদালতের সামনে হাজির হওয়ার জন্য নির্ধারিত দিন ঠিক করা হবে।

২. যদি কোনো মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম কোনো পক্ষের আবেদন ছাড়া একটি আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তরিত হয়, পক্ষগুলিকে মূল আদালতের জন্য ইতিমধ্যেই নির্ধারিত হাজিরা দিনে হাজির হতে হবে। সেই আদালত স্থানান্তরের আদেশ পক্ষগুলোর কাছে জানাবে এবং নির্দেশ দেবে যে তারা স্থানান্তরিত আদালতের সামনে হাজির হবে, হয় একই দিন, বা, যেখানে আদালত অবস্থিত তার দূরত্ব বিবেচনা করে যত দ্রুত সম্ভব পরবর্তী দিনে।

২,১০০.
সহকারী জজের রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদালতে রিভিউ (Review) দায়ের করা যায়?
  1. রায় প্রদানকারী সহকারী জজ আদালত
  2. জেলা জজ আদালত
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
রায় প্রদানকারী সহকারী জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় প্রদানকারী সহকারী জজ আদালত
ব্যাখ্যা
রিভিউ (Review)-

আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।

অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে রায় প্রদানকারী সহকারী জজ আদালতেই রিভিউ করতে হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে রিভিউ আবেদন করা যায়-
i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলেনা; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে; 
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।