বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ২৮ / ৩০ · ২,৭০১২,৮০০ / ২,৯৯৩

২,৭০১.
According to Section 2(2) of The Code of Civil Procedure, 1908, which of the following is not included in the definition of “decree”?
  1. Rejection of a plaint
  2. Any order of dismissal for default
  3. Determination of question under section 144
  4. Both 'A' & 'B'
সঠিক উত্তর:
Any order of dismissal for default
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Any order of dismissal for default
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে "ডিক্রি" এর সংজ্ঞাটি স্পষ্টভাবে কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত এবং বাদ দিয়েছে।
- এটি নিম্নলিখিত বিষয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করবে বলে গণ্য করা হয়:
ক) আরজি বাতিল (Rejection of a plaint)
গ) ধারা ১৪৪-এর অধীন কোনো প্রশ্নের নির্ধারণ (Determination of question under section 144)
- এটি নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করবে না:
খ) ত্রুটির জন্য খারিজের কোনো আদেশ (any order of dismissal for default) এটি সরাসরি অপশন খ এর সাথে মিলে যায়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-  আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

⇒ তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না:
- যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
- কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

২,৭০২.
‘A’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া কত টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, ‘A’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ৫০,০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারন থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।
⇒ তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতারনামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।

অর্থাৎ ‘A’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া ৫,০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, ‘A’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে।
২,৭০৩.
আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী অস্বীকার করবে-
  1. সাধারণভাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে
  3. চাতুরীপূর্ণভাবে
  4. যেকোনো এক ভাবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে
ব্যাখ্যা
আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে।

• আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-
ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেওয়া হবে।

[Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.]
২,৭০৪.
আদেশ ২১ বিধি ৭৪(২) অনুসারে, কৃষিজাত দ্রব্যের নিলাম কখন স্থগিত করা যায়?
  1. যদি নিলামের সময় পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়
  2. যদি আদালত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে নির্দেশ দেন
  3. যদি নিলামে অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত না থাকেন
  4. যদি ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হয় এবং মালিক স্থগিতের আবেদন করেন
সঠিক উত্তর:
যদি ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হয় এবং মালিক স্থগিতের আবেদন করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হয় এবং মালিক স্থগিতের আবেদন করেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) যদি ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হয় এবং মালিক স্থগিতের আবেদন করেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) অনুযায়ী, কৃষিজাত দ্রব্যের নিলামে যদি ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হয় এবং মালিক বা তার প্রতিনিধি নিলাম স্থগিত করার আবেদন করেন, তবে আদালত নিলাম স্থগিত করে পরবর্তী নির্ধারিত দিনে পুনরায় নিলাম পরিচালনা করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) এ বলা হয়েছে: 
(২) যখন ফসল বিক্রয়ের জন্য তোলা হবে, তখন−
(ক) যদি বিক্রির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি মনে করেন যে ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত হয়নি, এবং
(খ) মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধে বিক্রয় পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে স্থগিত করার আবেদন করা হয়,
তাহলে বিক্রয় স্থগিত থাকবে এবং পরবর্তী নির্ধারিত দিনে যে মূল্যই হোক, তা অনুসারে বিক্রয় সম্পন্ন হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21,Rule-74 (2) Where, on the produce being put up for sale,−
(a) a fair price, in the estimation of the person holding the sale, is not offered for it, and
(b) the owner of the produce or a person authorized to act in his behalf applies to have the sale postponed till the next day or, if a market is held at the place of sale, the next market-day,
the sale shall be postponed accordingly and shall be then completed, whatever price may be offered for the produce.
২,৭০৫.
কোন আদেশ অনুসারে দায়িক কর্তৃক বাদী/ডিক্রিদারকে বাধা না দেওয়ার জন্য দরখাস্ত করা যায়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯৪
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯৮
  3. আদেশ ২১ বিধি ৯১
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
২,৭০৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় ডিক্রি হস্তান্তরের বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৪৮ ধারা
  2. ৪৯ ধারা
  3. ৫০ ধারা
  4. ৫২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী, ডিক্রি হস্তান্তর (Transfer of Decree) সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ধারার মূল বক্তব্য হলো—
যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তাহলে নতুন ডিক্রি-ধারী সেই ডিক্রিটি সেইসব শর্ত ও সীমাবদ্ধতার অধীনে গ্রহণ করবে, যেসব শর্ত বিচার-দেনাদার (Judgment Debtor) মূল ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে পারত।
অর্থাৎ, নতুন ডিক্রি-ধারী (Transferee) কোনো নতুন সুবিধা দাবি করতে পারবে না এবং পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর শর্তেই ডিক্রি কার্যকর করতে পারবে।

⇒ অর্থাৎ ডিক্রি হস্তান্তরের (Transfer of Decree) সুনির্দিষ্ট বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৯ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।
------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-49. Transferee: 
 Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.
২,৭০৭.
একজন বিচারক কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রিকে একই বিচারক কর্তৃক পূনরায় বিবেচনা করাকে কী বলা হয়?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।
- অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। 
-  আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে।
২,৭০৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩৫ক কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. আপিলে
  2. মূল মামলায়
  3. জারির কার্যক্রমে
  4. দায়েরকৃত মোকদ্দমায়
সঠিক উত্তর:
আপিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩৫ক (Section 35A of the Code of Civil Procedure) মিথ্যা বা হয়রানিমূলক (false or vexatious) দাবি বা জবাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory Cost) পাওয়ার সুযোগ দেয়।
তবে এই ধারা “কোনো আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়” — এটি স্পষ্টভাবে আইনে উল্লেখ আছে।
অর্থাৎ, যদি একটি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি মূল মামলায়, জারির কার্যক্রমে, অথবা দায়েরকৃত মোকদ্দমায় করা হয়, তাহলে ধারা ৩৫ক প্রযোজ্য হবে।
কিন্তু আপিলের পর্যায়ে এই ধারা প্রয়োগ করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।
২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।
৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 35A. Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences:
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto twenty thousand taka.
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him.
(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.
২,৭০৯.
ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত কোনো বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে-
  1. বিবাদী এবং বাদী পক্ষ আবেদনের সাপেক্ষে
  2. বাদী পক্ষের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত হয়েছে বলে মনে হলে এবং বাদীর আবেদন সাপেক্ষে
  3. আদালতের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে মনে হলে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে মনে হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে মনে হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি ৫ঃ বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা (Power to attend and strike out issues)-

১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে। 
[The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.]

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
[The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.]
২,৭১০.
বহু বিবাদির মধ্যে কোনো একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকলে, আদালত-
  1. উক্ত বিবাদির পক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. উক্ত বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. সকল বিবাদির পক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. উক্ত বিবাদির বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
উক্ত বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING).

আদেশ ১৫ বিধি ২- 

যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদি থাকে এবং আইন কিংবা ঘটনার কোন প্রশ্নে বিবাদিদের কোন একজনের সাথে যদির সঙ্গে কোন বিরোধ না থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত তখন ঐ বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং মোকদ্দমা শুধু অন্যান্য বিবাদিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে।
[Where there are more defendants than one and any one of the defendants is not at issue with the plaintiff on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment for or against such defendant and the suit shall proceed only against the other defendants.]
২,৭১১.
আদালত কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে?
  1. পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় না থাকলে
  2. পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় না থাকলে
  3. ক বা খ
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
২,৭১২.
Principle of Res judicata একটি ________ বিষয়।
  1. আইনগত
  2. ঘটনাগত
  3. আইন ও ঘটনার সম্মিলিত
  4. আদালতের স্বেচ্ছাধীন
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার সম্মিলিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার সম্মিলিত
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে  Principle of Res judicata আছে।  একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।

♦ অর্থাৎ Principle of Res judicata হল আইন ও ঘটনার সম্মিলিত একটি বিষয়।
২,৭১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে যদি ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় কেউ ডিক্রিদারকে ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধা প্রদান করে, তবে কোন বিধান প্রযোজ্য?
  1. আদেশ ২১, বিধি ৯৮
  2. আদেশ ২১, বিধি ৯৭
  3. আদেশ ২১, বিধি ৯৫
  4. আদেশ ২১, বিধি ১০১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১, বিধি ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১, বিধি ৯৮
ব্যাখ্যা

​⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৯৮ এটি প্রযোজ্য হয় যখন ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় কেউ ডিক্রির বাস্তবায়নে বাধা দেয়, এবং সে বাধার কোন ন্যায়সঙ্গত কারণ নেই। এই অবস্থায়, ডিক্রিদার আদালতে দরখাস্ত করতে পারেন, এবং আদালত তাকে দখল নিশ্চিত করার আদেশ দিতে পারে, এবং প্রয়োজন হলে দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে পাঠাতে পারে।

​⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21 Rule-97.Resistance or obstruction to possession of immovable property:
(1) Where the holder of a decree for the possession of immovable property or the purchaser of any such property sold in execution of a decree is resisted or obstructed by any person in obtaining possession of the property, he may make an application to the Court complaining of such resistance or obstruction.
(2) The Court shall fix a day for investigating the matter and shall summon the party against whom the application is made to appear and answer the same.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21 Rule-98.Resistance or obstruction by Judgmentdebtor:
Where the Court is satisfied that the resistance or obstruction was occasioned without any just cause by the judgment-debtor or by some other person at his instigation, it shall direct that the applicant be put into possession of the property, and where the applicant is still resisted or obstructed in obtaining possession, the Court may also, at the instance of the applicant, order the judgment-debtor, or any person acting at his instigation, to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days.

২,৭১৪.
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে দায়িকের (judgment-debtor) সম্পর্কে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা যায় না?
  1. সিভিল জেলে আটক করা
  2. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় করা
  3. উভয় পদ্ধতি একসাথে ব্যবহার করা
  4. দায়িকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা
সঠিক উত্তর:
দায়িকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৩০ অনুসারে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারি করার জন্য শুধুমাত্র সিভিল প্রক্রিয়া অনুসরণ করা যায়, যেমন দায়িককে সিভিল জেলে আটক করা (ক), সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় করা (খ), অথবা উভয় পদ্ধতি একসাথে (গ)। কিন্তু ফৌজদারি মামলা দায়ের করা (ঘ) এর আওতায় পড়ে না, কারণ এটি সিভিল এক্সিকিউশনের অংশ নয় এবং ফৌজদারি আইনের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান: অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।
-----------

⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Order-21 Rule-30- Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.

২,৭১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুসারে দেওয়ানি মোকদ্দমার অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধি-বিধান কোথায় আছে?
  1. আদেশ ৩৬
  2. আদেশ ৩৯
  3. আদেশ ৪১
  4. আদেশ ৪৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়।
-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধানাবলী আদেশ ৩৯-এ বর্ণিত আছে।


- মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
-দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
২,৭১৬.
আদালত সর্বোচ্চ কত বার সরাসরি মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন মঞ্জুর করবে?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ১ বার
  4. ৪ বার
সঠিক উত্তর:
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বার
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৯কঃ সরাসরি খারিজ রদকরণ —
১) বিধি ৯ কিংবা অন্য কোন আইনে যা কিছুই থাকে না কেন, আদালতে বিলম্ব এড়ানো ও বিচার নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর উদ্দেশ্যে বিধি ৯ এর অধীন বাদিকে আদালতকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করানোর জন্য প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য উপস্থাপন করার সুযোগ না দিয়ে সরাসরি খারিজ নিষ্পত্তি করে দিতে পারেন।
তবে উক্ত বাদিকে অনধিক এক হাজার টাকার খরচ যা যথাযথ ও নির্ধারিত বলে মনে করবেন, প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, বিধি ৮ এর অধীন কোন খারিজ এই বিধির অধীন রহিত করা যাবে না, যদি না খারিজের আদেশ প্রদানের তারিখ হতে ত্রিশদিনের মধ্যে খারিজের আদেশ রহিতকরণের উদ্দেশ্যে এফিডেবিট সহযোগে আদালতে আবেদন দাখিল করা না হয়ে থাকেঃ

আরো শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন খারিজের আদেশ একাধিকবার রহিত করা যাবে না।

২) উপ-বিধি (১) এর অধীন কোন একতরফা খারিজ রহিতকরণের আবেদন দর্শিত হওয়ার সঙ্গে আদালতে বাদির খরচায় মোকদ্দমায় উপস্থিত হয়েছেন এমন বিবাদির বরাবরে নোটিশ জারির ব্যবস্থা করাবেন।
২,৭১৭.
কত দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা: 
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
২,৭১৮.
ORDER-XII-এর Rule-6 অনুযায়ী স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আদালত কী করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্য নিতে পারেন
  2. মামলা খারিজ করতে পারেন
  3. আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন
  4. জরিমানা আরোপ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 6 অনুযায়ী, যদি কোনো পক্ষ মামলার প্লিডিং বা অন্য কোনো উপায়ে কোনো ঘটনা স্বীকার করে, তবে যে কোনো পর্যায়ে আদালত সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন, অন্য কোনো বিরোধপূর্ণ প্রশ্ন নিষ্পত্তির অপেক্ষা না করেই।

ORDER XII, Rule 6-এর মূল বক্তব্য:
- যদি মামলার পক্ষগণ কোনো ঘটনা স্বীকার করে, তবে অন্য বিষয়গুলোর নিষ্পত্তির অপেক্ষা না করেই আদালত উক্ত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রায় বা আদেশ দিতে পারেন।
- আদালত নিজ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন, যা ন্যায়সংগত বলে মনে হয়।

এ কারণে, আদালত শুধুমাত্র সাক্ষ্য নিতে পারেন (ক), মামলা খারিজ করতে পারেন (খ), কিংবা জরিমানা আরোপ করতে পারেন (ঘ)—এই অপশন গুলো সঠিক নয়।
- বরং আদালত আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় (গ) দিতে পারেন, যা ORDER XII, Rule 6-এর মূল উদ্দেশ্য।

ORDER XII, Rule 6:- Judgment on Admissions:
At any stage of a suit, if any party has made admissions of fact—either in pleadings or otherwise—another party may apply to the Court for a judgment or order based on those admissions. The Court does not need to wait for the resolution of other disputed matters between the parties. Upon such an application, the Court has the discretion to pass any order or give judgment as it deems just.
২,৭১৯.
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বাদী মোকদ্দমার আরজিতে উল্লেখ করবে-
  1. দাবীকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ
  2. মূল অর্থসহ জরিমানার পরিমাণ
  3. মূল অর্থ এবং সুদ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দাবীকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবীকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ
ব্যাখ্যা
• অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বাদী মোকদ্দমার আরজিতে দাবীকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ (precise amount) উল্লেখ করবে।

• আরজি হল মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আরজিতে যে যে বিষয়গুলো সাধারণত উল্লেখ থাকে-

⇒ যে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার নাম
⇒ বাদী ও বিবাদীর নাম, পরিচয়, বাসস্থান
⇒ বাদী বা বিবাদী নাবালক অথবা মানসিক বিকারগ্রস্ত হলে, সেই মর্মে বিবৃতি
⇒ মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হবে
⇒ কারণ (Cause of action) এবং কারণ উদ্ভবের সময়
⇒ প্রার্থিত প্রতিকার (relief claimed) ও দাবির কোন অংশ বর্জন করা হলে সেই মর্মে বিবৃতি ইত্যাদি।

• ৭নং আদেশের ২নং বিধিমতে অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আরজিতে দাবিকৃত অর্থের যথাযথ পরিমান (precise amount), কিন্তু অমিমাংসীত অর্থ ক্ষেত্রে আনুমানিক অর্থ (approximate) লিখতে হবে।

Order 7 Rule 2: In money suits-
Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed: But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.
২,৭২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে জেলা জজ রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগকালে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. কোনো প্রতিকার নেই
  2. সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন করা যাবে
  3. অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন করা যাবে
  4. জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন করা যাবে
সঠিক উত্তর:
অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন করা যাবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
২,৭২১.
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক অনুযায়ী, আদালত কোন পরিস্থিতিতে আপিল সরাসরি পুনঃশুনানি করতে পারেন?
  1. আপিলকারী পক্ষের অনুরোধে
  2. বিবাদী পক্ষের অনুরোধে
  3. প্রাথমিক শুনানির সময় ভুলত্রুটি থাকলে
  4. বিলম্ব এড়ানোর জন্য এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার জন্য
সঠিক উত্তর:
বিলম্ব এড়ানোর জন্য এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলম্ব এড়ানোর জন্য এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার জন্য
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিলে পুনঃশুনানি:

১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন। বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃতবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ

তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
২,৭২২.
মোকদ্দমা ভুল আদালতে দায়ের করা হলে বিচারাক কী করবেন?
  1. আরজি ফেরত দিবেন
  2. আরজি খারিজ করবেন
  3. স্থানান্তর করবেন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত দিবেন
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১০ নং বিধিতে আরজি ফেরতের বিধান রয়েছে। কোন আরজি এখতিয়ারবিহীন আদালতে দায়ের করা হলে, আরজিটি সঠিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেওয়াকে আরজি ফেরত বা Return of plaint বলে।

♦ সঠিক আদালতে মামলা দায়ের করা না হলে অর্থাৎ এখতিয়ার বহির্ভূত আদালতে মামলা দায়ের করা হলে, উক্ত আদালত আরজিটি উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দায়ের করার জন্য দাখিলকারী অ্যাডভোকেটের নিকট ফেরত পাঠাবে।

♦ আরজি ফেরতের সময় আদালত দাখিল ও ফেরতের তারিখ, দাখিলকারকের নাম ও ফেরতের কারণ সম্পর্কে বিবৃতি লিখবেন ।
২,৭২৩.
আদালত কর্তৃক বিক্রয়ের ঘোষণা আদালত প্রাঙ্গনে লটকিয়ে দেওয়ার সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে দায়িকের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না?
  1. স্থাবর সম্পত্তি হলে ৩০ দিন
  2. অস্থাবর সম্পত্তি হলে ১৫ দিন 
  3. স্থাবর বা অস্থাবর উভয় ক্ষেত্রে ৩০ দিন
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময় (Time of sale): বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে-  স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান: বিক্রয়ের সময়। ৪৩ বিধির শর্তে বর্ণিতরূপ সম্পত্তির ক্ষেত্র ব্যতীত নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল সংযুক্ত দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ত্রিশ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে পনের দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে এ আইনের অধীনে কোন নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
--------
⇒ Order 21 Rule.-68: Time of sale. --Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of moveable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
২,৭২৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশের কোথায় অপসংযোগ ও অসংযোগ (Mis-joinder, Non-joinder) বিষয়ে বিধান আছে?
  1. আদেশ ১ বিধি ০২
  2. আদেশ ১ বিধি ০৮
  3. আদেশ ১ বিধি ০৯
  4. আদেশ ১ বিধি ০৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ বিধি ০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ বিধি ০৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১ এবং বিধি ৯ এর মাঝে অপসংযোগ ও অসংযোগ (Mis-joinder, Non-joinder) বিষয়ে বিধান আছে।
অপসংযোগ (Mis-joinder) হল প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি যার প্রয়োজন নেই তাকে পক্ষভূক্ত করা।
অসংযোগ (Non-joinder) হল মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষকে মোকদ্দমার পক্ষ হিসেবে অন্তুর্ভূক্ত না করা।
⇒ কোন মামলায় পক্ষ সমূহের অপসংযোগ ও অসংযোগ এর কারনে আদালাত মামলা খারিজ করবেন না।
২,৭২৫.
স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় হওয়ার সাথে সাথে ক্রেতা ক্রয়মূল্যের কত টাকা নিলাম পরিচালনাকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদান করবে?
  1. ১৫%
  2. ২৫%
  3. ৫০%
  4. ৫%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮২ এর বিধান কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে (What Courts may order sales): খুল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে। সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনঃবিক্রয় (Deposit by purchaser and re-sale on default): স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ এর বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনর্বিক্রয়।-১) স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ে সময় খরিদ্দার বলে ঘোষিত ব্যক্তি বিক্রয় পরিচালনাকারী কর্মচারী কিংবা অপর ব্যক্তির নিকট উক্ত ঘোষণা অব্যবহিত পরই তার ক্রয় মূল্যের টাকার শতকরা পঁচিশ ভাগ টাকা জমা প্রদান করবে এবং অনুরূপ প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার ক্রেতা এবং ৭২ বিধির অধীনে ক্রয় মূল্যের দাবী সমন্বয়ের অধিকারী, সেক্ষেত্রে আদালত এই বিধির আবশ্যকতা পরিত্যাগ করতে পারে।
--------------
⇒ Order 21 Rule-84: Deposit by purchaser and re-sale on default-1) On every sale of immovable property the person declared to be the purchaser shall pay immediately after such declaration a deposited of twenty-five per cent. on the amount of his purchase-money to the officer or other person conducting the sale, and in default of such deposit, the property shall forthwith be re-sold.
2) Where the decree-holder is the purchaser and is entitled to set-off the purchase-money under rule 72, the Court may dispense with the requirements of this rule.
২,৭২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৩৮ এর অধীন দেওয়ানি আদালত রায়ের পূর্বে কয় ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. ৪ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ২ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৩৮ অনুযায়ী আদালত ২ ধরনের আদেশ দিতে পারে-
১. রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment);
২. রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment).      .

রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment):
এই আদেশে বিবাদী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী ব্যক্তি মামলার রায় পাওয়ার পর দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বা তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন এবং বাদীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্য রাখেন, তাহলে আদালত বিবাদীকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারে। এই আদেশের লক্ষ্য হল বিবাদী ব্যক্তিকে আদালতের আওতায় রাখা যাতে রায়ের পরে তিনি প দালিয়ে যেতে না পারেন।

রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment):
এই আদেশে বিবাদীর সম্পত্তি আটক বা জব্দ করা হয়। যদি আদালত এমন সন্দেহ করে যে, বিবাদী তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন বা নষ্ট করতে পারেন যাতে বাদী রায় পেলেও ক্ষতিপূরণ পাওয়া না যায়, তাহলে আদালত বিবাদীর সম্পত্তি আটক করার আদেশ দিতে পারে। এর উদ্দেশ্য হল বিবাদীকে তার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা না যাতে বাদী রায় পেলে সেখান থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব হয়।
২,৭২৭.
কোন পারস্পরিক সহযোগিতাকারী (Reciprocating territory) দেশের কোন উচ্চ আদালতের কোন ডিক্রি বাংলাদেশে জারি করা যায় যদি উক্ত ডিক্রির সইমোহর (সার্টিফাইড কপি) দাখিল করা হয়।
  1. জেলা জজের আদালতে 
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. আপীল বিভাগে
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে 
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৪ক ধারার বিধান যুক্তরাজ্য বা অন্য কোন পারস্পরিক সম্বন্ধযুক্ত দেশ দ্বারা প্রদত্ত ডিক্রি জারি। ১) যখন পারস্পরিক সহযোগীতাকারী দেশের কোন ঊর্ধ্বতন আদালতের ডিক্রির সহিমোহরকৃত নকল কোন জেলা আদালতে পেশ করা হয়, তখন উক্ত ডিক্রি বাংলাদেশে এরূপে জারি করা হবে, যেন জেলা আদালত কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছিল।

২) এই সইমোহরকৃত ডিক্রির নকলের সঙ্গে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের একটি সার্টিফিকেট পেশ করতে হবে, যাতে ডিক্রিতে বর্ণিত দাবির কোন অংশ পরিশোধ বা সমন্বয় করা হলে বা সার্টিফিকেটে তার বিস্তারিত বিবরণ থাকলে এবং ঐরূপ সার্টিফিকেট এই ধারার কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে এরূপ পরিশোধ বা সমন্বয়ের ব্যাপারে চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য হবে।

৩) এই ধারা অনুসারে ডিক্রি জারিকারক জেলা আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ডিক্রির সহিমোহরকৃত নকল পেশ করার সময় থেকে ৪৭ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে; এবং যদি আদালতের সন্তুষ্টি মোতাবেক প্রমাণ করা যায় যে, ডিক্রিটি ১৩ ধারার (ক) থেকে (চ) দফা পর্যন্ত ব্যতিক্রমের কোন একটির অন্তর্ভুক্ত হয় তাহলে জেলা আদালত এরূপ কোন ডিক্রি জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবেন।

ব্যাখ্যা ২।-“পারস্পরিক সহযোগিতাকারী দেশ" বলতে এই ধারার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতাকারী বলে সরকার কর্তৃক ঘোষিত দেশ বা রাজ্যকে বুঝায় ও অনুরূপ কোন রাজ্য সম্পর্কে 'ঊর্ধ্বতন আদালত' বলতে উক্তরূপ বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত অনুরূপ আদালতসমূহকে বুঝায়।

ব্যাখ্যা ৩। ঊর্ধ্বতন আদালত প্রসঙ্গে "ডিক্রি" বলতে কর বা একই ধরণের অন্যান্য দায় সম্পর্কিত বা অন্য শাস্তি সম্পর্কিত প্রদানযোগ্য অর্থ নয়, এরূপ প্রদানযোগ্য অর্থের জন্য নির্দেশকারী ঐরূপ আদালতের ডিক্রি বা রায়কে বুঝানো হয়; এবং

খ) ডিক্রি কিংবা রায় হিসাবে যদিও কার্যকরী হয় তথাপি সালিশের রোয়েদাদকে কোন ক্ষেত্রেই অন্তর্ভুক্ত করে না।
২,৭২৮.
ধারা-৮৪ অনুযায়ী বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাদেশে মোকদ্দমা করতে পারে, যদি রাষ্ট্রটি-
  1. বাংলাদেশে ব্যবসা করে
  2. বাংলাদেশে অর্থ বিনিয়োগ করে
  3. বাংলাদেশে তার দূতাবাস স্থাপন করে
  4. বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়
ব্যাখ্যা
ধারা-৮৪: বিদেশি রাষ্ট্র কখন মোকদ্দমা করতে পারে: 

১) কোন বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাদেশে যেকোন আদালতে মোকদ্দমা করতে পারবেঃ তবে শর্ত এই যে, ঐ রাষ্ট্র সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়েছেঃ আরও শর্ত এই যে, ঐরূপ রাষ্ট্রের প্রধান বরাবরে বা সরকারি ক্ষমতায় ঐ রাষ্ট্রে যে কোনকর্মকর্তা বরাবরে ন্যস্ত কোন ব্যক্তিগত অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই মোকদ্দমার উদ্দেশ্য হবে।

২) কোন বিদেশি রাষ্ট্র সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়েছে কি-না, তা সম্পর্কে প্রত্যেক আদালত বিচারিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করবে।

Sec. 84: When foreign States may sue-

1) A foreign State may sue in any Courin Bangladesh: Provided that such State has been recognized by the Government: Provided, also, that the object of the suit is to enforce a private right vested in the head of such State or in any officer of such State in his public capacity.

2) Every Court shall take judicial notice of the fact that a foreign State has or has not been recognized by the Government.
২,৭২৯.
'কোনো নিলাম বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা উক্ত নিলামে বিক্রীত সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ অর্জন বা অর্জনের চেষ্টা করতে পারবে না।'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. আদেশ-২১ বিধি-৭৩
  2. আদেশ-২১ বিধি-৭৫
  3. আদেশ-২১ বিধি-৭০
  4. আদেশ-২১ বিধি-৭৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৭৩
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৭৩: কর্মকর্তাগণ কর্তৃক নিলাম ডাকা বা খরিদে বাধা-নিষেধ:
কোনো নিলাম বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কর্মকর্তা বা ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিলাম ডাকতে পারবে না বা উক্ত বিক্রীত সম্পত্তিতে কোন স্বার্থ অর্জন বা অর্জনের চেষ্টা করতে পারবে না।

Order-21 Rule-73: Restriction on bidding or purchaser by officers:
No officer or other person having any duty to perform in connection with any sale shall, either directly or indirectly, bid for, acquire or attempt to acquire any interest in the property sold.
২,৭৩০.
কোন কারণে interrogatory–র বিরুদ্ধে আপত্তি তোলা যেতে পারে?
  1. প্রশ্নটি অশালীন হলে
  2. প্রশ্নটি অপ্রাসঙ্গিক হলে
  3. প্রশ্নটি bona fide উদ্দেশ্যে না করা হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

আদেশ ১১ বিধি ৬: জিজ্ঞাসাবাদের (interrogatories) উত্তরে আপত্তি তোলার বিধান:
কোনো interrogatory (লিখিত প্রশ্ন) এর উত্তর না দেওয়ার জন্য যদি কোনো পক্ষ মনে করে যে- প্রশ্নটি অশালীন / কুরুচিপূর্ণ (scandalous), অথবা অপ্রাসঙ্গিক (irrelevant), অথবা মামলার স্বার্থে সৎ উদ্দেশ্যে (bona fide) করা হয়নি, অথবা মামলার সেই পর্যায়ে প্রশ্নটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নয়, অথবা অন্য যে কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে উত্তর দেওয়া প্রয়োজন নেই, তাহলে সে পক্ষ তার উত্তর-শপথনামা (affidavit in answer)-এ এই আপত্তিগুলো উল্লেখ করতে পারবে।

২,৭৩১.
অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন (Striking out)  করে প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ সংযুক্ত করার জন্য আবেদন করতে হবে?
  1. আদেশ ১ বিধি ০৯ (১)
  2. আদেশ ১ বিধি ১০ (১)
  3. আদেশ ১ বিধি ১০ (৪)
  4. আদেশ ১ বিধি ১০ (২)
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ বিধি ১০ (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ বিধি ১০ (২)
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১  এবং বিধি ১০ (২) অনুযায়ী আদালাত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারবে।
অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন (Striking out)  বলতে বুঝায় যে, মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী বা বিনা আবেদনে এবং আদালতের নিকট সংগত মনে হলে, অসঙ্গতভাবে পক্ষভূক্ত বাদী বা বিবাদী কে বাদ দিতে এবং যে ব্যক্তিকে সংযুক্ত করা প্রয়োজন, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।
২,৭৩২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. আদেশ-৬ বিধি-১০
  2. আদেশ-৬ বিধি-১৩
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬, বিধি-১৫ অনুযায়ী, প্লিডিংস (আরজি বা লিখিত জবাব) সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এখানে পক্ষদের আরজি বা লিখিত জবাবের সত্যতা প্রতিপাদনের পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোন আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতিত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখ পূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
২,৭৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, বাদী যদি নাবালক হয় তবে বাদী লিখনে কী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে?
  1. বাদী ও বিবাদীর সম্পর্ক
  2. বাদীর অভিভাবকের নাম
  3. নাবালক হওয়ার বিষয়টি
  4. বাদীর শিক্ষাগত যোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
নাবালক হওয়ার বিষয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালক হওয়ার বিষয়টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC) অনুযায়ী, যদি বাদী নাবালক (minor) হন, তবে বাদী লিখনে (plaint) নাবালক হওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। এটি আদেশ-৭, বিধি-১(ঘ)-এ উল্লেখিত।

- দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ-৭, বিধি-১. Plaint-এ নিম্নলিখিত বিষয়গুলো থাকতে হবে:
(a) মামলাটি যেখানে আনা হয়েছে সেই আদালতের নাম;
(b) বাদীর নাম, বর্ণনা এবং বাসস্থানের ঠিকানা;
(c) বিবাদীর নাম, বর্ণনা এবং বাসস্থানের ঠিকানা, যতটা সম্ভব জানা যায়;
(d) যদি বাদী বা বিবাদী নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ হন, তবে সেই বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে;
(e) মামলা দায়েরের কারণের বিস্তারিত বর্ণনা এবং তার উত্পত্তি কবে হয়েছে;
(f) যে আদালত এই মামলা শোনার জন্য এখতিয়ার রাখে, সেই বিষয়টি দেখানোর জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্য;
(g) বাদী যে আর্থিক বা অন্যান্য সহায়তা চায়, তা সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে;
(h) যদি বাদী তার দাবি থেকে কিছু পরিমাণ টাকা কমিয়েছেন বা মেনে নিয়েছেন, তবে সেই পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে;
(i) মামলার বিষয়বস্তুর মূল্য, যা আদালতের এখতিয়ার এবং আদালত ফি নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন, সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি থাকতে হবে, যতটা সম্ভব।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-7 Rule-1: contained in plaint:
1. The plaint shall contain the following particulars:−
(a) the name of the Court in which the suit is brought;
(b) the name, description and place of residence of the plaintiff;
(c) the name, description and place of residence of the defendant, so far as they can be ascertained;
(d) where the plaintiff or the defendant is a minor or a person of unsound mind, a statement to that effect;
(e) the facts constituting the cause of action and when it arose;
(f) the facts showing that the Court has jurisdiction;
(g) the relief which the plaintiff claims;
(h) where the plaintiff has allowed a set-off or relinquished a portion of his claim, the amount so allowed or relinquished; and
(i) a statement of the value of the subject-matter of the suit for the purposes of jurisdiction and of court-fees, so far as the case admits.
২,৭৩৪.
এক নাবালকের পক্ষে তার নেক্সট ফ্রেন্ড আদালতের অনুমতি ছাড়াই বিবাদীর সঙ্গে চুক্তি করে। পরে বিবাদী চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে। এই ক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. চুক্তিটি কার্যকর থাকবে
  2. চুক্তিটি কেবল নাবালকের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
  3. আদালত উভয় পক্ষকে জরিমানা করবে
  4. চুক্তিটি নাবালক ব্যতীত অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি নাবালক ব্যতীত অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি নাবালক ব্যতীত অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৭: মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপস:
১) মোকদ্দমার কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের কার্যধারায় স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে যে মোকদ্দমায় যে নেক্সট ফ্রেন্ড কিংবা অভিভাবক হিসাবে কার্য করে সে মোকদ্দমা প্রসঙ্গে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হতে পারবে না।

২) আদালতের অনুরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে উক্ত নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে তা বাতিলযোগ্য হবে।

Rule.-7: Agreement or compromise by next friend or guar-dian for the suit-
1) No next friend or guardian for the suit shall, without the leave of the Court, expressly recorded in the proceedings, enter into any agreement or compromise on behalf of a minor with reference to the suit in which he acts as next friend or guardian.

2) Any such agreement or compromise entered into without the leave of the Court so recorded shall be võidable against all parties other than the minor.
২,৭৩৫.
'ক' এবং 'খ' দুই ভাই। 'ক' কুমিল্লায় এবং 'খ' ঢাকায় বাস করে। যৌথ মালিকানায় তাদের একটি জমি খুলনায় রয়েছে। 'ক', সেই জমিতে তার ভাই 'খ' এর স্বত্ব অস্বীকার করে। এমতাবস্থায় 'খ', কোন আদালতে তার স্বত্বের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করবে?
  1. খুলনার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  2. ঢাকার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  3. বাংলাদেশের এখতিয়ারভুক্ত যেকোনো আদালতে
  4. কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
সঠিক উত্তর:
খুলনার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

ধারা ১৬ অনুযায়ী- যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়। উক্ত ধারায় দেয়া আছে- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,

ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) হাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই রুজু করতে হবে।
২,৭৩৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী আদালত কী কারণে কমিশন প্রেরণ করতে পারে না?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য
  2. বাটোয়ারা করার জন্য
  3. হিসাব পর্যালোচনার জন্য
  4. পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত চারটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে কমিশন প্রেরণ করতে পারে, যেগুলো হল—
(ক) কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য
(খ) স্থানীয় তদন্ত করার জন্য
(গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য
(ঘ) বাটোয়ারা (partition) করার জন্য
- এই চারটি উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে ধারা ৭৫-এ উল্লেখ আছে এবং এই কাজগুলো কমিশনের মাধ্যমে আদালতের পক্ষে সম্পাদন করা যেতে পারে।
কিন্তু "পক্ষগণের মধ্যস্থতা (mediation)" করার জন্য আদালত ধারা ৭৫ এর অধীনে কমিশন প্রেরণ করতে পারে না।
মধ্যস্থতার বিষয়টি সাধারণত সিপিসির ধারা ৮৯ এবং সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়, যা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (Alternative Dispute Resolution - ADR) এর অন্তর্গত।
অর্থাৎ পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য কমিশন প্রেরণের ক্ষমতা ধারা ৭৫-এ নেই। তাই এটি কমিশনের বৈধ উদ্দেশ্যের বাইরে। এই কারণে "ঘ" অপশনটি সঠিক উত্তর।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা: ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.
- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
২,৭৩৭.
প্রত্যেক শপথনামার খরচ দাখিলকারী পক্ষ বহন করবে, যদি উক্ত শপথনামায় অপ্রয়োজনীয়ভাবে-
  1. জনশ্ৰুতিমূলক বিষয় বর্ণনা করা হয়
  2. বিতর্কমূলক বিষয় বর্ণনা করা হয়
  3. কোন দলিলের অংশ বর্ণনা করা হয়
  4. 'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত যে কোন ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত যে কোন ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত যে কোন ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• শপথনামা (Affidavit): শপথ নেয়ার ক্ষমতা আছে এমন কোনো কর্তৃপক্ষের সামনে স্বেচ্ছায় শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি দাখিল করা। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৯ তে এ বিষয়ে বিধি-বিধান রয়েছে। কোন আদালত যেকোন কারণে যথেষ্ট যুক্তি থাকলে আদেশ দিতে পারে যে কোন বিশেষ তথ্য বা তথ্যসমূহ শপথনামার মাধ্যমে প্রমাণ করা যেতে পারে। কোন আবেদনপত্রের উপর শপথনামা দ্বারা সাক্ষ্য প্রদান করা যেতে পারে, কিন্তু যে কোন পক্ষের অনুরোধক্রমে আদালত জবানবন্দিকারকের জেরার জন্য হাজির হওয়ার জন্য আদেশ দিতে পারে। 

• আদেশ ১৯ বিধি ৩ (যেসকল বিষয়ে শপথনামা সীমাবদ্ধ থাকবে)-

১) জবানবন্দিকারকের বিশ্বাস সম্পর্কিত বিবৃতি যে আবেদন পত্রের উপর গৃহীত হতে পারে উক্ত অন্তবর্তী আবেদন পত্রের ক্ষেত্র ব্যতীত জবানবন্দিকারক নিজস্ব জ্ঞানমতে প্রমাণ করতে সমর্থ হয়, এরূপ ঘটনাবলীতে শপথনামা সীমাবদ্ধ রাখতে হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, উহার কারণসমূহ উল্লেখ করতে হবে।

২) যে শপথনামায় জনশ্রুতিমূলক বিষয় কিংবা বিতর্কমূলক কোন বিষয়, কিংবা দলিলের নকল বা অংশ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বর্ণনাকারে থাকে, উক্ত শপথনামার ব্যয় (যদি না আদালত অন্যরকম কোন আদেশ দিলে) যে পক্ষ তা দাখিল করেছে তাকেই বহন করতে হবে।

Order 19 Rule 3: Matters to which affidavits shall be confined-
1) Affidavits shall be confined to such facts as the deponent is able of his own knowledge to prove, except on interlocutory applications, on which statements of his belief may be admitted: Provided that the grounds thereof are stated.

2) The costs of every affidavit which shall unnecessarily set forth matters of hearsay or argumentative matter, or copies of or extracts from documents, shall (unless the Court otherwise directs) be paid by the party filing the same.
২,৭৩৮.
ORDER-XII-এর Rule-1 অনুসারে মামলার কোন পক্ষ কীভাবে অপর পক্ষের দাবির সত্যতা স্বীকার করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্য প্রদানের সময়
  2. শুধুমাত্র মৌখিকভাবে আদালতে
  3. শুধুমাত্র মিডিয়া বিবৃতির মাধ্যমে
  4. লিখিতভাবে প্লিডিং বা অন্য কোন মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে প্লিডিং বা অন্য কোন মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে প্লিডিং বা অন্য কোন মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XII, Rule 1 অনুযায়ী, মামলার যেকোনো পক্ষ তার প্লিডিং (আরজি বা জবাব) বা অন্য কোনো লিখিত মাধ্যমে অপর পক্ষের দাবির সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে। এটি আদালতের কার্যক্রম সহজতর করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।
এতে বলা হয়েছে যে, “Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.”
অর্থাৎ, মামলার পক্ষ তার লিখিত জবাবের মাধ্যমে বা আলাদাভাবে লিখিত নোটিশ দিয়ে এই স্বীকারোক্তি প্রদান করতে পারে।

⇒ ORDER-XII-এর Rule-1 অনুযায়ী, মামলার যেকোনো পক্ষ তার লিখিত প্লিডিং (আরজি/জবাব) বা অন্য কোনো লিখিত মাধ্যমে অপর পক্ষের মামলার সত্যতা স্বীকার করতে পারে। এটি মৌখিকভাবে বা সাক্ষ্য প্রদানের সময় করা যায় না।
- স্বীকারোক্তি অবশ্যই লিখিত হতে হবে এটি প্লিডিং-এর মাধ্যমে (আরজি/জবাব) অথবা পৃথক নোটিশ আকারে দেওয়া যেতে পারে
-তবে মৌখিক স্বীকারোক্তি (ক অপশন) বা মিডিয়া বিবৃতি (গ অপশন) ORDER-XII-এর আওতায় গ্রহণযোগ্য নয়। 

উদাহরণ:
- যদি বিবাদী বাদীর দাবিকৃত ঘটনা স্বীকার করে, তাহলে সে তার লিখিত জবাবে বা পৃথক নোটিশের মাধ্যমে তা জানাতে পারে।
--------------
ORDER XII- ADMISSIONS
Rule-1: Notice of Admission of Case: 
Any party to a suit may give notice, either in their pleading or in writing, admitting the truth of the whole or any part of the case of the opposing party.
২,৭৩৯.
বিবাদী নাবালক হলে মামলার ফল কী হবে?
  1. মামলা স্থগিত থাকবে
  2. একতরফা ডিক্রি হবে
  3. মামলা খারিজ হবে
  4. উপযুক্ত ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে অভিভাবক নিযুক্ত হবে
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে অভিভাবক নিযুক্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে অভিভাবক নিযুক্ত হবে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ আদেশের ৩ বিধি অনুসারে- বিবাদী নাবালক হলে (১৮ বছরের কম বয়স্ক) তার পক্ষে আদালত একজন অভিভাবক নিযুক্ত করবেন। নাবালক বিবাদীর পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অভিভাবক নিযুক্ত করেন আদালত।
২,৭৪০.
নিচের কোনটি দেওয়ানি মোকদ্দমায় রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না?
  1. জমি
  2. ব্যাংকের টাকা
  3. জমির ফসল
  4. কোম্পানির শেয়ার
সঠিক উত্তর:
জমির ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির ফসল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ নং আদেশের এর ১২ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত কৃষি পণ্য আটকের আদেশ দিতে পারে না যদি উক্ত কৃষি পণ্য কৃষকের দখলে থাকে।
- দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদিকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
অর্থাৎ জমির ফসল রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না।
------------------
⇒ CPC Order-38 Rule-12.Agricultural produce not attachable before judgment:
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.
২,৭৪১.
এক ব্যক্তি তার বাড়ির দখল সংক্রান্ত মামলা দায়ের করতে চান এবং বাড়ির কিছু অংশ ঢাকা এবং কিছু অংশ কুমিল্লা আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত। মামলাটি কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. হাইকোর্টে
  2. ঢাকা আদালতে
  3. কুমিল্লা আদালতে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৭: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

ধারা ১৭ অনুযায়ী,
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তির কিছু অংশ এক আদালতের অধিক্ষেত্রে এবং অন্য অংশ অন্য আদালতের অধিক্ষেত্রে থাকে, তখন সেই সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা যে আদালতে দায়ের করা হবে, সেখানে সম্পত্তির অংশ অবস্থিত থাকে। অর্থাৎ, একাধিক আদালতেও মামলাটি দায়ের করা যেতে পারে, কিন্তু আদালতটি সেই আদালত হবে যেখানে সম্পত্তির অংশ রয়েছে।

অতএব, এই ক্ষেত্রে ব্যক্তি তার বাড়ির দখল সংক্রান্ত মামলা ঢাকা আদালতেও দায়ের করতে পারেন (যেখানে সম্পত্তির কিছু অংশ অবস্থিত) অথবা কুমিল্লা আদালতেও (যেখানে অন্য অংশ অবস্থিত)। দুটো ক্ষেত্রেই মামলা দায়ের করা যেতে পারে।
২,৭৪২.
কোন আদেশ অনুসারে দায়িক কর্তৃক বাদী/ডিক্রিদারকে বাধা না দেওয়ার জন্য দরখাস্ত করা যায়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯৪
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯৫
  3. আদেশ ২১ বিধি ৯৬
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
২,৭৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-২ অনুযায়ী কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশের পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সিভিল জজ আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. যুগ্ম-জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭, বিধি-২ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, “হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ” পুনর্বিবেচনার জন্য ডিক্রি বা আদেশ প্রদানকারী বিচারকের কাছেই আবেদন করতে হবে।
অর্থাৎ, এই বিধান হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। হাইকোর্ট বিভাগের পুনর্বিবেচনার পদ্ধতি ও এখতিয়ার বিধান এবং নিজস্ব বিধিমালার মাধ্যমে আলাদাভাবে নির্ধারিত।
অন্যদিকে, জেলা জজ, যুগ্ম-জেলা জজ, সিভিল জজ আদালত—এসব নিম্ন আদালতের ক্ষেত্রে আদেশ ৪৭, বিধি ২ প্রযোজ্য হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি-১ এ উল্লিখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 47, Rule 2: To Whom Applications for Review May Be Made: 
An application for review of a decree or order of a Court (other than the High Court Division) may be made on grounds other than the discovery of new and important matter or evidence, or the existence of a clerical or arithmetical mistake or an error apparent on the face of the decree. Such an application must be made to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed. However, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to be issued under Rule 4, Sub-rule (2), proviso (a), the application may be disposed of by his successor.

২,৭৪৪.
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলায় সরকার পক্ষকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. রাষ্ট্র
  2. সরকার
  3. বাংলাদেশ
  4. প্রজাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারা- সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা: 
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদি বা বিবাদি হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'

Section 79- Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.
২,৭৪৫.
পুনর্বিবেচনার (Review) আবেদন কোন আদালতে করা হয়?
  1. উচ্চ আদালতে
  2. যে আদালত আপিল শুনেছে
  3. যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
  4. ক্ষুদ্র বিচার বিষয়ক আদালতে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
ব্যাখ্যা
পুনর্বিবেচনা (Review) – ধারা ১১৪, দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮:
উপরে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীনতা সাপেক্ষে, যে কোনো ব্যক্তি যদি নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করেন:
(ক) এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা, যা থেকে এই কোড অনুযায়ী আপিল করা যায়, কিন্তু এখনো আপিল করা হয়নি, অথবা

(খ) এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা, যা থেকে এই কোড অনুযায়ী আপিল করা যায় না, অথবা

(গ) ক্ষুদ্র বিচার বিষয়ক আদালত (Court of Small Causes) থেকে পাঠানো কোনো রেফারেন্সের ওপর প্রদত্ত সিদ্ধান্ত দ্বারা,

তিনি রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারেন, সেই আদালতে, যে আদালত উক্ত ডিক্রি প্রদান করেছে বা আদেশ জারি করেছে, এবং সেই আদালত উক্ত আবেদনের উপর যে কোনো উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে, যা তার বিবেচনায় উপযুক্ত মনে হয়।
২,৭৪৬.
আদেশ ১৮ _____ এর অধীনে, মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে, আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
  1. বিধি ১৮
  2. বিধি ১৯
  3. বিধি ২০
  4. বিধি ২২
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৮
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে, আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।

Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
২,৭৪৭.
Set-off দাবি করা হলে ডিক্রির আপিলের অধিকার-
  1. বাতিল হয়ে যায়
  2. পরিবর্তিত হয়
  3. কেবল বাদীর থাকে
  4. পরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তিত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা

Order 20, Rule 19- Decree when set-off is allowed:
(১) Set-off গ্রহণযোগ্য হলে ডিক্রি কীভাবে হবে-
যখন বিবাদীর set-off (বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর পাল্টা দাবির সমন্বয়) গ্রহণ করা হয়, তখন আদালতের ডিক্রিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে- বাদীর প্রতি কত টাকা প্রাপ্য, এবং বিবাদীর প্রতি কত টাকা প্রাপ্য। এবং ডিক্রি হবে যে পক্ষের পাওনা থাকে, সেই পক্ষের পাওনা আদায়ের জন্য।

(২) Set-off সম্পর্কিত ডিক্রির আপিলযোগ্যতা
যে মামলায় set-off দাবি করা হয়েছে, সেই মামলার ডিক্রি একইভাবে আপিলযোগ্য, যেমনটি হতো যদি কোনো set-off দাবি না করা হতো। অর্থাৎ, set-off দাবি করার কারণে ডিক্রির আপিলের অধিকার বদলায় না।

(৩) এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে-set-off Order 8, Rule 6 অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হোক বা অন্য কোনো কারণে হোক সবক্ষেত্রেই এই বিধান প্রযোজ্য।

২,৭৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় এটর্নি জেনারেল (Attorney General) এর ক্ষমতা প্রদানের বিধান রয়েছে?
  1. ৮৮(গ) ধারা
  2. ৯০ ধারা
  3. ৯৪ উভয়
  4. ৯৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯৩ ধারায় এটর্নি জেনারেল (Attorney General) এর ক্ষমতা প্রদানের বিধান রয়েছে।
• ৯২ ও ৯৩ ধারা অনুযায়ী এটর্নি জেনারেল (Attorney General) কে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তা সরকারের অনুমতিক্রমে কালেক্টর বা সরকার নিযুক্ত অন্য কর্মকর্তাও তা প্রয়োগ করতে পারবে।
২,৭৪৯.
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত আদেশ ১৫ বিধি ৪-এর অধীনে-
  1. পক্ষকে জরিমানা করতে পারে
  2. মামলা পরিত্যাগ করতে পারে
  3. তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. কেবলমাত্র বাদীর বক্তব্য গ্রহণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৫ বিধি ৪ মতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন বা আদালত সঙ্গত মনে করলে- উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে, এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

[Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment or may if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.]
২,৭৫০.
আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি নিঃস্ব হতে মুক্তি (Dispaupering) হওয়ার কারণ-
  1. মোকদ্দমা চলাকালে অসঙ্গত আচরণ
  2. মোকদ্দমা চলাকালে বিরক্তিকর আচরণ
  3. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে অন্য কাউকে স্বার্থ প্রদান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-৯ এর বিধান: নিঃস্ব মুক্তি:  আদালত বিবাদি বা সরকারি উকিলের আবেদনক্রমে যে সম্পর্কে বাদিকে কমপক্ষে সাত দিনের লিখিত স্পষ্ট নোটিশ দিয়ে বাদি নিঃস্ব নয় মর্মে আদেশ দিতে পারে- 
ক) যদি মোকদ্দমা চলাকালে সে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী হয়; বা 
খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে যাতে তার নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা পরিচালনা করা উচিত নয়; বা
গ) যদি সে মোকদ্দমার অধীনে বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকে যাতে অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে একটি স্বার্থ অর্জন করেছে।
--------------- 
⇒ CPC Order-33 Rule-9. Dispaupering:
The Court may, on the application of the defendant, or of the Government pleader, of which seven days' clear notice in writing has been given to the plaintiff, order the plaintiff to be dispaupered−
(a) if he is guilty of vexatious or improper conduct in the course of the suit; 
(b) if it appears that his means are such that he ought not to continue to sue as a pauper; or 
(c) if he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
২,৭৫১.
কোনো ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য মোকদ্দমার এক পক্ষ অপর পক্ষকে কখন নোটিশ প্রদান করবে?
  1. ইস্যু গঠনের ৯ দিন পূর্বে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের ৯ দিনের মধ্যে
  3. মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে
  4. আরজি দাখিলের ৯ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

• আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-
মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
২,৭৫২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order IX, Rule 13-এর Proviso অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে আদালত অন্য বিবাদীদের বিরুদ্ধেও ডিক্রি বাতিল করতে পারে?
  1. যদি বাদী চায়
  2. যদি ডিক্রি কেবল আর্থিক হয়
  3. যদি অন্য বিবাদীরা অনুপস্থিত থাকে
  4. যদি ডিক্রি কেবল একজনের বিরুদ্ধে বাতিল করা যায় না
সঠিক উত্তর:
যদি ডিক্রি কেবল একজনের বিরুদ্ধে বাতিল করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি ডিক্রি কেবল একজনের বিরুদ্ধে বাতিল করা যায় না
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order IX, Rule 13:
(১) কোনো মামলায় যদি বিবাদীর বিরুদ্ধে ex parte ডিক্রি জারি করা হয়, তবে সে আদালতের কাছে আবেদন করতে পারে যা ডিক্রি জারি করেছে, যাতে সেই ডিক্রি বাতিল (set aside) করা হয়।

আদালত সেই বিবাদীকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে— সমন (summons) যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া হয়নি, অথবা সে যথাযথ কারণে উপস্থিত হতে পারেনি, যখন মামলার শুনানি হয়েছে।

এই শর্ত পূরণ হলে, আদালত সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে জারি ডিক্রি বাতিল করবে এবং প্রযোজ্য হলে খরচ (costs) সম্পর্কিত শর্ত নির্ধারণ করবে। আদালত মামলার শুনানির জন্য নতুন দিনও নির্ধারণ করবে।

Proviso (শর্তাবলী):
- যদি ডিক্রি এমন প্রকৃতির হয় যে শুধুমাত্র সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে বাতিল করা সম্ভব নয়, তাহলে আদালত তা অন্য সকল বা যেকোনো অন্যান্য বিবাদীর বিরুদ্ধেও বাতিল করতে পারে।

- একই বিবাদী এই রুলের মাধ্যমে একাধিকবার ডিক্রি বাতিল করতে পারবে না।

(২) সাব-রুল (১) অনুযায়ী করা আবেদনগুলিতে Limitation Act, 1908-এর ধারা ৫ প্রযোজ্য হবে।

২,৭৫৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ অনুসারে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে নিম্নের কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না?
  1. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক
  2. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক করা
  3. দায়িকের সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা
  4. দায়িককে জরিমানা করা
সঠিক উত্তর:
দায়িককে জরিমানা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িককে জরিমানা করা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান:

অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে। 

Order-21 Rule-30- Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
২,৭৫৪.
একটি সহকারী জজ আদালত নিম্নের কোন সম্পত্তি রায় প্রদানের পূর্বে অগ্রিম ক্রোকের আদেশ দিতে পারে না?
  1. কৃষকের জমি/বাড়ি
  2. কৃষকের স্থাবর সম্পত্তি
  3. কৃষকের ফসল
  4. ব্যাংকে রক্ষিত কৃষকের টাকা
সঠিক উত্তর:
কৃষকের ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষকের ফসল
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৮ এর বিধান হলো-রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক ও আটক করা।

 অনেক সময় রায় প্রদানের পূর্বেই বিবাদীকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন হতে পারে এবং সম্পত্তি ক্রোক করার প্রয়োজন হতে পারে যেন বাদীর প্রতিকারে কোন বিলম্ব না হয়। আদেশ ৩৮ অনুযায়ী ২ ধরনের আদেশ হতে পারে-
১) রায়ের পূর্বে গ্রেফতার,
২) রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক।

আদেশ ৩৮ বিধি ১২- রায়ের পূর্বে কৃষিজ দ্রব্য ক্রোক-অযোগ্য:

আদালত কৃষকের দখলে থাকা কৃষি পণ্য (যেমন- জমির ফসল) রায়ের পূর্বে ক্রোকের আদেশ দিতে পারবে না। এককথায়- রায়ের পূর্বে কৃষিজ দ্রব্য ক্রোক-অযোগ্য।
২,৭৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৯ ধারায় কোন ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করা যায়?
  1. ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  2. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  3. ব্যক্তি বা স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  4. স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯ এ ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে  ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে তা বলা হয়েছে। 

• ধারা ১৯-
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

উদাহরণঃ
ক) 'এ'-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে 'বি'-কে ঢাকায় মারধর করে। 'বি' ঢাকায় বা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
খ) চট্টগ্রামে বসবাসকারী 'এ' ঢাকায় 'বি' সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। 'বি' ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts. 
 
Illustrations-
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka. B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
২,৭৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কয় নং আইন?
  1. ১নং
  2. ৫নং
  3. ৯নং
  4. ৭নং
সঠিক উত্তর:
৫নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫নং
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫নং আইন। সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়। বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি। এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে:
- দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে,
- মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কিভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে,
- মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে,
- সমন জারি,
- পক্ষসমূহের শুনানীর সময় উপস্থিতি,
- মোকদ্দমার শুনানী, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি; এবং
- বলবৎকরণ, আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।
২,৭৫৭.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে Additional Judge এবং Assistant Judge এর Court কে কার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে অধীনস্থ বলে গণ্য করা হয়?
  1. High Court এর
  2. District Judge এর
  3. Supreme Court এর
  4. Attorney General এর
সঠিক উত্তর:
District Judge এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
District Judge এর
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।
- ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা (Administrative control of Courts):
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

- সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর সাথে সিভিল প্রসিডিউর কোড (CPC)-এর ধারা ২৪(২) অনুসারে, Additional Judge এবং Assistant Judge-এর আদালতকে District Judge-এর অধীনস্থ হিসেবে গণ্য করা হয়এই বিধানটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, District Judge-এর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকা আদালতগুলোর মধ্যে Additional Judge এবং Assistant Judge-এর আদালত অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও, সিভিল কোর্টস অ্যাক্টের ধারা ২২ অনুসারে, District Judge-এর কাছে মুনসেফ আদালতের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হস্তান্তরের ক্ষমতা রয়েছে, এবং এই ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে Additional এবং Assistant Judge-এর আদালতগুলো তার অধীনস্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।

- Muhammad Zulfikar vs Abul Kalam Chowdhury 42 DLR 21, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিভিল প্রসিডিউর কোডের ধারা ২৪(১) এবং ২৪(২) অনুসারে District Judge-এর অধীনস্থ আদালতগুলোতে মামলা হস্তান্তর বা প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে, এবং এই আদালতগুলোর মধ্যে Additional এবং Assistant Judge-এর আদালত অন্তর্ভুক্ত।
- তাই, সঠিক উত্তর হলো খ) District Judge এর।

২,৭৫৮.
আদেশ ২০ বিধি ১৪ অনুযায়ী, যদি বাদী ডিক্রিতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা না দেয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. নতুন সময় নির্ধারণ করতে পারে
  2. আদালত পুনরায় শুনানি করবে
  3. মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে
  4. মোকদ্দমা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১৪: অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমার ডিক্রি:
অগ্রক্রয় মোকদ্দমার সম্পত্তি বিক্রয় এর বিরুদ্ধে আদালত ডিক্রি প্রদান করলে, যদি উক্ত সম্পত্তির মূল্য আদালতে জমা দেয়া না হয় তাহলে আদালত টাকা জমা দেয়ার দিন অথবা সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। ডিক্রিতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে বাদী যদি সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দেয় তাহলে টাকা জমা দেয়ার তারিখ থেকে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। ডিক্রিতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে বাদী যদি সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা না দেয় বা ব্যর্থ হয় তাহলে আদালত উক্ত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারেন।

আদালত যদি দুই বা ততোধিক দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান করেন তাহলে প্রত্যেক দাবিদারকে আনুপাতিক হারে সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দিতে হবে। সকল দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান না করে আদালত বিশেষ দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দিতে সক্ষম হলে অন্যান্য দাবিদারের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে না।
২,৭৫৯.
নিম্ন বর্ণিত কোন মামলায় Ad valorem কোর্ট ফি দিতে হয়না?
  1. দলিল বাতিল
  2. বন্টন মামলা
  3. চুক্তি বলবৎকরণ
  4. দখল পুনরূদ্ধার
সঠিক উত্তর:
বন্টন মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্টন মামলা
ব্যাখ্যা
♦বন্টন মামলা  মামলায় Ad valorem কোর্ট ফি দিতে হয়না।
২,৭৬০.
বাদী ক-এর দরখাস্তের ভিত্তিতে বিবাদীর বরাবরে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় যে বাদী যে কারণে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করেছেন তা অপর্যাপ্ত। এমতাবস্থায় আদালত কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. বাদীকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারেন
  2. অনধিক ১০ হাজার টাকার খরচের আদেশ দিতে পারেন
  3. অনধিক ২০ হাজার টাকার খরচের আদেশ দিতে পারেন
  4. বাদীকে মোকদ্দমার পরবর্তী ধাপে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করা হতে বারিত করা হবে
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০ হাজার টাকার খরচের আদেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০ হাজার টাকার খরচের আদেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৫ ধারা মতে অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে খেসারত (Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds): কোন মোকদ্দমায় অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার বা ক্রোক কার্যকর বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়ে থাকলে বা বাদী মোকদ্দমায় হেরে যাওয়ার পর আদালত যদি দেখে যে উক্ত মোকদ্দমা দায়েরের জন্য বাদীর কোন সঙ্গত কারণ ছিলনা, তখন বিবাদী তার ব্যয় ও ক্ষতির জন্য বাদীর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চাইলে আদালত বিবাদীকে অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বাদীকে আদেশ দিতে পারবেন। উল্লেখ্য যে, আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের চেয়ে বেশি ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করবেন না।
২,৭৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা কী সম্পর্কিত?
  1. আপিল পদ্ধতি
  2. মামলা স্থানান্তর
  3. ডিক্রি কার্যকরকরণ
  4. অধস্তন আদালতের ভাষা
সঠিক উত্তর:
অধস্তন আদালতের ভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধস্তন আদালতের ভাষা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৩৭ "অধস্তন আদালতে ভাষা" (Language of subordinate Courts) নামে পরিচিত। এটি হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ, লিখিত কার্যধারা এবং ইংরেজী অনুবাদের বিধান করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 137. Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs. 
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written. 
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.

২,৭৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-V Rule-9A অনুসারে বাদী কর্তৃক সমন ব্যক্তিগতভাবে সার্ভ করার ক্ষেত্রে কোন রুলগুলো প্রযোজ্য হবে?
  1. Rule-10 ও 11
  2. Rule-16 ও 18
  3. Rule-19 ও 20
  4. Rule-25 ও 26
সঠিক উত্তর:
Rule-16 ও 18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule-16 ও 18
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order V Rule 9A(3) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"(3) The provisions of rules 16 and 18 shall apply to a summons personally served under this rule as if the person effecting the service were a serving officer and the plaintiff shall submit a report to the Court accompanied by an affidavit."
অর্থাৎ বাদী কর্তৃকৃত ব্যক্তিগত সমন সার্ভের ক্ষেত্রেও Rule 16 (Person served to sign acknowledgment) এবং Rule 18 (Endorsement of time and manner of service) পুরোপুরি প্রযোজ্য হবে – যেন সার্ভ করছে কোনো আদালতের সার্ভিং অফিসার।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order-V Rule-16 - স্বীকারোক্তি সংগ্রহ: এই রুল অনুযায়ী, সমন যার কাছে জারি করা হচ্ছে, তাকে সমনের মূল কপিতে স্বীকারোক্তি (acknowledgment) স্বাক্ষর করতে হবে। বাদী যখন সমন জারি করেন, তখন তাঁকেও এই একই নিয়ম মেনে বিবাদীর কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নিতে হবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order-V Rule-18 - জারির বিবরণী দাখিল: এই রুল অনুসারে, জারিকারককে সমন জারির সময়, পদ্ধতি এবং সাক্ষীর নাম-ঠিকানা সমনের মূল কপিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে। Rule 9A-এর অধীনে বাদীকেও এই বিবরণী সহ একটি অ্যাফিডেভিট জমা দিতে হয়।
অতএব, দেওয়ানি কার্যবিধির Order V Rule 9A অনুসারে বাদী কর্তৃক সমন ব্যক্তিগতভাবে জারির ক্ষেত্রে Rule 16 ও 18 প্রযোজ্য হবে।

২,৭৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১২৩ অনুযায়ী বিধি কমিটি গঠনের সদস্য কত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১২৩ ধারা অনুযায়ী বিধি কমিটি গঠনের সদস্য হবে ৬ জনের।
• সুপ্রিম কোর্টের ৩ জন বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের ২ জন আইনজীবী, হাইকোর্টের অধস্তন দেওয়ানী আাদালতের ১ জন বিচারক, মোট ৬ জন।
• এদের নিয়োগ দিবেন প্রধান বিচারপতি।
২,৭৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি কি ধরনের আইন?
  1. মূল আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. মূল আইন ও পদ্ধতিগত আইন
  4. অস্থায়ী আইন
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
♦আইনের প্রকৃতি প্রধানত ধরনের হয়ে থাকে।
যথা-(১) পদ্ধতিগত আইন এবং (২) তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন।
♦পদ্ধতিগত আইন: যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার নিয়ম বা পদ্ধতি সম্পর্কে উল্লেখ থাকে, সেই আইনকে পদ্ধতিগত আইন বলে। যেমন: দেওয়ানী কার্যবিধি-১৯০৮, ফৌজদারী কার্যবিধি-১৮৯৮।
♦তত্ত্বগত আইন: যে আইনে কোন অধিকার বা শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে, সেই আইনকে তত্ত্বগত আইন বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭, দণ্ডবিধি, ১৮৬০।
২,৭৬৫.
আদেশ-১১ বিধি-১ অনুসারে, প্রশ্নমালা প্রদানের জন্য কত দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ-১১ বিধি-১ অনুযায়ী, প্রশ্নমালা প্রদানের জন্য ১০ দিন সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
- এটি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, কোন পক্ষ (অভিযোগকারী বা প্রতিপক্ষ) আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলার ইস্যু নির্ধারণের দিন থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারবে। এর মধ্যে, প্রশ্নমালার শেষে কোন ব্যক্তি বা পক্ষকে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তা উল্লেখ করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, [within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
২,৭৬৬.
‘ক’ একজন মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা। ‘ক’ এর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে মন্ত্রনালয়ের বরাবরে নোটিশ দিতে হবে মোকদ্দমা দায়েরের কত দিন পূর্বে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮০ ধারায় বলা হয়েছে যে, সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে মামলা দায়ের করা ২ মাস পূর্বে সরকারে সচিব বা জেলা কালেক্টরের বরাবর নোটিশ দিতে হবে।

• ‘ক’ যেহেতু মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা তাই মামলা দায়েরর ২ মাস পূর্বে তাকে নোটিশ দিতে হবে।
২,৭৬৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XVII এর rule 3 এর অধীনে খারিজ হওয়া কোনো মোকদ্দমা rule 7 এর অধীনে সকল শর্ত পূরণ করলে সেটি সরাসরি পুনর্জীবিত করতে আদালত-
  1. স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
  2. বাধ্য নয়
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
  4. বাধ্য
সঠিক উত্তর:
বাধ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্য
ব্যাখ্যা
⇒  আদেশ ১৭ বিধি ১(৭): উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে।

⇒ Order-17 Rule-1(7) A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or dispossed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte, disposal, an application fogether with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for bearing without any further proceeding, and cost deposited into Court shall be paid to the other party

- খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে করণীয় হচ্ছে; Order 17, Rule 1(7) মোতাবেক- খরচ প্রদানের ব্যর্থতার কারণে Rule 1(3) ও Rule 1(4) এর অধীনে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে, যে পক্ষের কারণে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির হয়েছে সেই পক্ষ আদালতে-
ⅰ). খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে, এবং
ii). ২০০০ টাকা খরচসহ মোকদ্দমাটি পুনঃবহালের আবেদন করবে।

- আদালতের করণীয়: পুনঃবহালের আবেদনের প্রেক্ষিতে পুনঃবহালের (Revival) জন্য আদালত মোকদ্দমাটি করতে গ্রহণ করবেন [the suit shall be revived] এবং জমাকৃত খরচ ২০০০ টাকা অন্যপক্ষকে [Court shall be paid to another party] প্রদান করবে। এককথায়, সকল শর্ত পূরণ করে পুনঃবহালের আবেদন করলে সরাসরি পুনজ্জীবিত করতে আদালত বাধ্য। কারণ may be এর পরিবর্তে shall be রয়েছে।

- Order 17 অনুযায়ী কোনো মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে- রিভিশন করা যাবে।
২,৭৬৮.
অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক রিভিশন মামলায় প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগে-
  1. আপিল করতে পারে
  2. অনুমতি সাপেক্ষে আপিল করতে পারে
  3. অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
  4. সরাসরি রিভিশন দায়ের করতে পারে
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় দ্বিতীয় রিভিশন এর বিধান রয়েছে।

এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ-

জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।
২,৭৬৯.
আপীল আদালত আপীল পুনশুনানীর [Re-hearing of Appeal] আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, আপীলকারী
  1. আপীল করতে পারবে
  2. রিভিশন করতে পারবে
  3. রিভিউ করতে পারবে
  4. পুনরায় শুনানি করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦আপীল খারিজ বা আপীল একতরফা শুনানি করে রায় ঘোষণা করা আপীলযোগ্য আদেশ না। আপীল পুনঃগ্রহণ বা আপীল পুনঃশুনানির আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ এবং ৪৩ বিধি অনুযায়ী এর বিরূদ্ধে আপীল করা যায়। কিন্তু আপীল পুনঃগ্রহণ বা পুনঃশুনানীর আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরূদ্ধে আপীল করা যাবে না।
২,৭৭০.
যে আদালতে ডিক্রি জারি করতে হবে তা যদি অন্য জেলায় অবস্থিত হয়, তাহলে ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রি কোথায় প্রেরণ করবেন?
  1. হাইকোর্টে
  2. সংশ্লিষ্ট জেলার যেকোন পুলিশ থানায়
  3. সরাসরি সংশ্লিষ্ট আদালতে
  4. সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা আদালতে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা আদালতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৫: স্থানান্তর করার পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে তা এবং যে আদালতে ঐ ডিক্রি প্রেরণ করতে হবে তা একই জেলায় অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত আদালত সরাসরি উক্ত ডিক্রি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবে। কিন্তু যে আদালতে জারির নিমিত্তে ডিক্রি প্রেরণ করতে হয় ঐ আদালতে অন্য কোন জেলায় অবস্থিত হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রিদানকারী আদালত যে জেলায় আদালতে ডিক্রি জারি করতে হবে তথাকার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।

Mode of transfer:
Where the Court to which a decree is to be sent fof execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district is to be executed.
২,৭৭১.
আদেশ ৮ এর বিধি ৯ অনুসারে, লিখিত জবাব দাখিলের পরে নতুন কোন আরজি-জবাব সাধারণত-
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়াই গ্রহণযোগ্য
  2. শুধুমাত্র বিবাদী দাখিল করতে পারবেন
  3. আদালতের অনুমতি ব্যতীত দাখিল করা যাবে না
  4. বাদী ও বিবাদী উভয়ই স্বাধীনভাবে দাখিল করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি ব্যতীত দাখিল করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি ব্যতীত দাখিল করা যাবে না
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ. আদালতের অনুমতি ব্যতীত দাখিল করা যাবে না।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):

বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

২,৭৭২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 39,rule 2 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালত কর্তৃক আরোপিত নিষোধাজ্ঞার আদেশ ক্রমাগত লংঘনকারীকে কতদিন দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখার বিধান আছে?
  1. অনধিক ৬ মাস
  2. সর্বোচ্চ ১ বছর
  3. অনধিক ৯০ দিন
  4. সর্বোচ্চ ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ বিধি-২ বিধান হল লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধে নিষেধাজ্ঞা (Injunction to restrain repetition or continuance of breach):ও
♦‌ চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

♦ যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

♦ এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।

♦নোট: বিধি ২ এর অধীন যেকোন আদেশই আপিলযোগ্য
২,৭৭৩.
আদেশ ৩৯, বিধি ৬-এর অধীনে আদালত কোন ধরনের সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তি
  2. শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
  3. স্থাবর এবং অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
  4. কোনো সম্পত্তিই নয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ ৩৯, বিধি ৬. অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা:
আদালত, মামলার কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে, এমন কোনো অস্থাবর সম্পত্তি, যা মামলার বিষয়বস্তু বা মামলায় রায়ের আগে ক্রোক করা হয়েছে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, বা অন্য কোনো ন্যায্য ও পর্যাপ্ত কারণে যা অবিলম্বে বিক্রয় করা কাম্য বলে মনে হয়, সেই সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে। এই বিক্রয় আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং আদালত যে শর্তাবলি উপযুক্ত মনে করে তা মেনে সম্পন্ন হবে।

২,৭৭৪.
আদেশ ১২ বিধি ৬ অনুযায়ী আদালত কি করতে পারে?
  1. রায় বা আদেশের জন্য কোন আবেদন গ্রহণ করতে পারে না
  2. আদালত শুধুমাত্র মামলা শেষ করার পর রায় দিতে পারে
  3. আদালত পক্ষের আবেদন মেনে স্বীকারোক্তির উপর রায় দিতে পারে
  4. আদালত কোনো ক্ষেত্রেই রায় দিতে পারে না
সঠিক উত্তর:
আদালত পক্ষের আবেদন মেনে স্বীকারোক্তির উপর রায় দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত পক্ষের আবেদন মেনে স্বীকারোক্তির উপর রায় দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১২ বিধি ৬- স্বীকারোক্তির উপর রায়:
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order-12 Rule-6 :Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
২,৭৭৫.
লিখিত জবাব দাখিলের কতদিনের মধ্যে বিচার্য বিষয় গঠন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৪ বিধি ১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-
১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
২,৭৭৬.
The Civil Courts Act,1887 আইনের কত ধারায় আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ধারা ১৯,২০
  2. ধারা ২১,২২
  3. ধারা ২০,২১
  4. ধারা ১৯,২০,২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০,২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০,২১
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 

২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
২,৭৭৭.
একটি আরজিতে সত্যাখ্যান (Verification) স্বাক্ষর করবে কে?
  1. বাদী
  2. বাদীর উকিল
  3. বিবাদী
  4. রিভিউ
সঠিক উত্তর:
বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৫ নং বিধিতে প্লিডিংস সত্যাখ্যানের (Verification of pleadings) বিধান রয়েছে। ১৫ নং বিধিমতে প্রত্যেক Pleadigns-এর শেষে সংশ্লিষ্ট পক্ষ অর্থাৎ আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী সত্যপাঠে স্বাক্ষর করবে, যাকে প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন (Verification of pleadigns) বলে।
অর্থাৎ আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখান বা সত্যতা প্রতিপাদন করবে।

♦ আদেশ ৬, বিধি ১৫ তে এই বিষয়ে বলা আছে। …every pleading shall be verified at the foot by the party or one of the parties….”

♦ আরজির সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি তাতে একেবারে শেষে স্বাক্ষর দিবেন এবং স্বাক্ষরে তারিখ ও স্থান উল্লেখ করবেন।
২,৭৭৮.
আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৪১
  2. ধারা ১০৪
  3. আদেশ ৪৩
  4. ধারা ১০৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

⇒ আদেশ ৪৩ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ উভয়ই আপীলযোগ্য আদেশগুলোর বর্ণনা দিয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

ধারা ১০৪:
অন্যদিকে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।

সুতরাং, আদেশ ৪৩ প্রধানত আপীলযোগ্য আদেশগুলোর একটি তালিকা দিয়েছে আর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা ও বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছে। এভাবে আদেশ ৪৩ ও ধারা ১০৪ পরস্পরকে পরিপূরক করে আদালতের আপীলযোগ্য আদেশগুলো সম্পর্কে পুরোপুরি চিত্র দিয়েছে।
২,৭৭৯.
আদেশ ৩৮ বিধি-১২ অনুসারে কোন সময়ে কৃষিজাত দ্রব্য ক্রোক করা যাবে না?
  1. রায়ের পরে
  2. রায়ের পূর্বে
  3. রায় কার্যকরের পর
  4. আপিল চলাকালীন
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোনো বিধানই বাদীকে কৃষকের দখলে থাকা কোনো কৃষিজাত দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না, অথবা আদালতকে এমন কৃষিজাত দ্রব্য ক্রোক বা হাজির করার আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

২,৭৮০.
আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতসমূহের আর্থিক এখতিয়ার সর্বশেষ কবে সংশোধন করা হয়েছে?
  1. ২০১২
  2. ২০১৬
  3. ২০২১
  4. ২০১৭
সঠিক উত্তর:
২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act, 1887 সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়।

• এই আইনের ২১ ধারায় আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার বিধান রয়েছে। ২১ ধারামতে শুধুমাত্র ২টি আদালত আপিলের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) জেলা জজ আদালত এবং
ii) হাইকোর্ট বিভাগ।

২০২১ সালের দেওয়ানি আদালত সংশোধন আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালত ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারেন। অর্থাৎ জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা পর্যন্ত। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
২,৭৮১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা আছে যে, মামলা সর্বনিম্ন আর্থিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ২০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫-এ স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে যে, প্রত্যেক মোকদ্দমা এমন সর্বনিম্ন গ্রেডের আদালতে দায়ের করতে হবে যা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

⇒The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
- সিভিল জজের আদালতে (The Court of civil Judge ) = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- সিনিয়র সিভিল জজের আদালতে (The Court of Senior civil Judge) = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ এর উপরে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-6 :Pecuniary Jurisdiction:
-Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-15: Court in which suits to be instituted:
-Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.

২,৭৮২.
যদি ডিক্রি অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয় এবং সমর্পণ সম্ভব না হয়, তাহলে ডিক্রিতে কী উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক?
  1. সম্পত্তির মালিকের অনুমতি
  2. সম্পত্তির দখলদারের নাম
  3. সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য
  4. বিকল্প হিসাবে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
বিকল্প হিসাবে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্প হিসাবে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে প্রদেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.
২,৭৮৩.
কোনো ভুল ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে, তাকে_____বলা হয়?
  1. Wrong- Joinder of Parties
  2. Mis- Joinder of Parties
  3. Non- Joinder of Parties
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Mis- Joinder of Parties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mis- Joinder of Parties
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)- 

মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ভুল ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• ১ নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে, বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।
১ নং আদেশের ১০(২) নং বিধিমতে, ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।
অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও,বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
২,৭৮৪.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আদেশ ৩৯ বিধি ২ এর অধীন আদালত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. নিষেধাজ্ঞা জারি করা পুনর্বিবেচনা করবে
  2. দোষী ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারে
  3. দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা:
১) বিবাদীকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদী অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
২,৭৮৫.
দেওয়ানি আপিল শ্রবণের এখতিয়ারাবান আদালত সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান কোন আইনে বলা আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭
  3. সিভিল কোর্ট রুলস এন্ড অর্ডারস
  4. কোনোটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 

২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
২,৭৮৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় রায় বা ডিক্রির করণিক ও গাণিতিক ভুল সংশোধন করা যায় The Code of Civil Procedure, 1908 ______
  1. ১৫১
  2. ১৫২
  3. ১৫৩
  4. Order VI, Rule-17 অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
১৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫২ ধারা মতে রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক [Clerical] বা গাণিতিক (Arithmetical) ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি [Accidental slip] বা বিচ্যুতির [Omission] কারণে কোন ভুল হলে যে কোন সময় আদালত নিজ উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ বা সংশোধন করতে পারে।
২,৭৮৭.
মোকদ্দমার কোন পক্ষের মৃত্যুজনিত কারণে পক্ষভুক্তি না করায় মোকদ্দমা বাতিল হলে উক্ত বাতিল আদেশ সরাসরি রদ করার জন্য কত টাকা খরচ দিতে হয়?
  1. অনধিক ২০০ টাকা।
  2. অনধিক ১০০০ টাকা।
  3. অনধিক ২০০০ টাকা।
  4. অনধিক ৩০০০ টাকা।
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০ টাকা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০ টাকা।
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ২২ বিধি-৯ক অনুযায়ী সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ (Directly setting aside abatement or dismissal): বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
♦অর্থাৎ মৃত্যুজনিত কারণে পক্ষভুক্তি না করায় মোকদ্দমা বাতিল [Abatement] হলে ৬০ দিনের মধ্যে উক্ত বাতিল আদেশ সরাসরি রদ [Set aside] করার আবেদনের ক্ষেত্রে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ দিতে হয়।
♦মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে- আপিল এবং মঞ্জুর করলে- রিভিশন।
২,৭৮৮.
কোনো পক্ষের আয়ত্তাধীন দলিলসমূহ আদালত কখন দাখিল করার আদেশ প্রদান করতে পারেন?
  1. মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকাকালীন যেকোনো সময়
  2. আরজি দাখিলের সময়
  3. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  4. রায় ঘোষণাকালে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকাকালীন যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকাকালীন যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
 • আদেশ ১১ বিধি ১৪ঃ দলিলাদি দাখিল —

কোন মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকাকালে যেকোনো সময়
কোন পক্ষ কর্তৃক আদালত যথোপযুক্ত মনে করবে এরূপ উক্ত মোকদ্দমায় কোন বিতর্কিত বিষয় সম্পর্কিত তার আয়ত্তাধীন দলিলসমূহ, শপথমূলে দাখিল করার আদেশ প্রদান করা আদালতের পক্ষে আইনসঙ্গত হবে; এবং
দাখিল করা হলে ন্যায়সঙ্গত হবে এরূপ প্রক্রিয়ায় আদালত উক্ত দলিলসমূহ সম্পর্কে বিবেচনা করতে পারে।

[It shall be lawful for the Court at time during the pendency of any suit to order the production by any party any thereto, upon oath of such of the documents in his possession or power relating to any matter in question in such suit, as the Court shall think right; and the Court may deal with such documents when produced in such manner as shall appear just.]
২,৭৮৯.
একজন অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রচারিত আপিলঅযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে, সাধারণতঃ রিভিশন দায়ের করা যায়-
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. বিভাগীয় জজ আদালতে
  3. আপিল বিভাগে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
♦রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

♦১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

♦দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে।

♦অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার একজন অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রচারিত আপিলঅযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে, সাধারণত রিভিশন দায়ের করা যায় - হাইকোর্ট বিভাগে।
২,৭৯০.
নিচের কোনটি দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে
  2. ডিক্রিদারকে আদালতের বাইরে টাকা দিয়ে
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়
  4. দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
সঠিক উত্তর:
দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে 'দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে' ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে।
২,৭৯১.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে নোটিশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-১২ বিধি-২০ এর বিধান দলিল স্বীকারের নোটিশ:
- সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিস জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে, তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক, অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদিনা অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
---------------------------------
- CPC Order-12 Rule-2. Notice to admit documents: 
- Either party may call upon the other party to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
২,৭৯২.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন সহকারী জজ আদালতে পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্তের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা: 
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।

- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
২,৭৯৩.
সমন ফেরত আসার কত দিনের মধ্যে বাদী নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে?
  1. ২ মাসের
  2. ৪ মাসের
  3. ১ মাসের
  4. ৬ মাসের
সঠিক উত্তর:
১ মাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাসের
ব্যাখ্যা
যখন সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং অতঃপর এক মাস পর্যন্ত বাদী নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, তখন মোকদ্দমা খারিজ হয়
 
আদেশ ৯ বিধি-৫ঃ
১) বিবাদিকে কিংবা কতিপয় বিবাদির কোন একজনের প্রতি সমন দেয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারি বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদি যদি নতুন সমন দেয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদির বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিবে। যদি না উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদি নিম্নলিখিত যে কোন কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদির উপর সমন জারি হয়নি, বাদি যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও ঐ বিবাদির ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা

খ) উক্ত বিবাদি পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলতেছে; অথবা

গ) সময়ের মেয়াদ বাড়াতে কোন সঙ্গত কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নূতন সমন দেয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদি (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২,৭৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় 'Representative suit' এর বিধান রয়েছে?
  1. Rule-8, Order-2
  2. Rule-1, Order-8
  3. Rule-8, Order-1
  4. Rule-4, Order-1
সঠিক উত্তর:
Rule-8, Order-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule-8, Order-1
ব্যাখ্যা
Rule-8, Order-1: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.

⇒  দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।
২,৭৯৫.
'মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. আদেশ ১ বিধি ২
  2. আদেশ ২ বিধি ২
  3. আদেশ ২ বিধি ৫
  4. আদেশ ২ বিধি ৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২ বিধি ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২ বিধি ২
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে,
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

• আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ 
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
 বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

উদাহরণ-
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক' পরে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না।
২,৭৯৬.
ধারা ১৪৪(১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, উক্ত উদ্দেশ্যে-
  1. নতুন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে
  2. পুনঃবিচারের আবেদন করা যাবে
  3. আদালত পুনরায় রায় দিতে বাধ্য হবে
  4. কোন নতুন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
কোন নতুন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন নতুন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

২,৭৯৭.
স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য গঠিত কমিশন অনূর্ধ্ব কত দিনের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৩ এর বিধান স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন (Commissions to make partition of immovable property): যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪ এর বিধান কমিশনের কার্যপদ্ধতি:
১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত করে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনূর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
------------------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-26 Rule-14: Procedure of Commissioner:
(1) The Commissioner shall, after such inquiry as may be necessary, divide the property into as many shares as may be directed by the order under which the commission was issued, and shall allot such shares to the parties, and may, if authorized thereto by the said order, award sums to be paid for the purpose of equalizing the value of the shares.
(2) The Commissioner shall then prepare and sign a report or the Commissioners (where the commission was issued to more than one person and they cannot agree) shall prepare and sign separate reports appointing the share of each party and distinguishing each share (if so directed by the said order) by metes and bounds. Such report or reports shall be annexed to the commission and transmitted to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court; and the Court, after hearing any objections which the parties may make to the report or reports, shall confirm, vary or set aside the same:

Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

(3) Where the Court confirms or varies the report or reports it shall pass a decree in accordance with the same as confirmed or varied; but where the Court sets aside the report or reports it shall either issue a new commission or make such other order as it shall think fit.
২,৭৯৮.
রায় প্রচারের পূর্বে শর্তধীনে বিবাদী পক্ষের কোনো সম্পত্তি ক্রোক সংক্রান্ত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. Order XXXVIII rule 5
  2. Order XXI rule 54
  3. Order XXI rule 32
  4. Order XXXVIII rule 4
সঠিক উত্তর:
Order XXXVIII rule 5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXXVIII rule 5
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৫ অনুযায়ী যেক্ষেত্রে বিবাদী তার বিরুদ্ধে জারিকৃত ডিক্রি জারিকরণে বাধাদান বা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে তার সম্পত্তির সমগ্র বা কোন অংশ হস্তান্তর করতে উপক্রম করেছে (ইত্যাদি), সেই ক্ষেত্রে আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জামানত হিসাবে দাখিল করার জন্য বা উক্ত সম্পত্তি বা উহার মূল্য বা ডিক্রি পরিশোধ হওয়ার মতো উপযুক্ত অংশ আদালতের এখতিয়ারে ন্যস্ত করার জন্য; বা বিবাদী কেন জামানত দাখিল করবেনা, উহার কারণ দর্শাতে হাজির হওয়ার জন্য বিবাদীকে নির্দেশ দিতে পারে। আদালত উক্ত আদেশের সাথে এইরুপ নির্দিষ্ট সম্পত্তির সমগ্র বা উহার কোন অংশ শর্ত সাপেক্ষে ক্রোকেরও নির্দেশ দিতে পারে।
২,৭৯৯.
সমন জারি সংক্রান্ত আদেশ ৫, বিধি ৯-এর উদ্দেশ্যে জেলা জজ কী প্রস্তুত করবেন?
  1. ফি কাঠামো
  2. বিচারক তালিকা
  3. পুলিশি সহায়তা ব্যবস্থা
  4. কুরিয়ার সার্ভিসের তালিকা
সঠিক উত্তর:
কুরিয়ার সার্ভিসের তালিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরিয়ার সার্ভিসের তালিকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ৯(৪) অনুসারে, সমন (Summon) দ্রুত এবং কার্যকরভাবে জারি করার জন্য জেলা জজকে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে, যেটি নিয়মিত হালনাগাদ (update) করতে হবে।
- এই তালিকা তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রভুক্ত সকল দেওয়ানি আদালতকে অবহিত করতে হবে।
- এই তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেই আদালত সমন প্রেরণ করতে পারবে।
- যদি কোনো কুরিয়ার নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে জেলা জজ তালিকা থেকে সেই কুরিয়ারকে বাদ দিতে পারবেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -
(১) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে, বিবাদী সেটির এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাস করে বা সমন গ্রহণ করার ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি বিবাদীর পক্ষে যদি এরূপ এলাকার ভিতর বসবাস করে, তবে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ না দিলে হয় উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট স্বয়ং জারি করার লক্ষ্যে বা তাদের অধঃস্তন কোন ব্যক্তি দ্বারা অথবা উপ-ধারা(৪) এর বিধান অনুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সমন অর্পিত বা প্রেরিত হবে।
(২) উপযুক্ত কর্মকর্তা যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে সেখানকার না হয়ে অন্য কোন আদালতের কর্মকর্তাও হতে পারেন, এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তার নিকট ডাকযোগে বা আদালত যেভাবে নির্দেশ দিতে পারে অনুরূপ অন্য যে কোন উপায়ে প্রেরণ করা যাবে।
(৩) আদালত উপ-বিধি (১) তে বর্ণিত বিধানের অতিরিক্ত হিসেবে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারে এবং একইসঙ্গে ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে বা ইলেক্ট্রনিক মেইল সার্ভিস এর মাধ্যমে নিজ খরচে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিবেন।
(৪) জেলা জজ উপ-বিধি(১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় হালনাগাদসহ) এবং তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতসমূহকে তা অবহিত করবেন।
(৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সার্ভিস বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে,জেলা জজ প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।
২,৮০০.
নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসেবে কাজ করার জন্য কোন শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. ব্যক্তি অবশ্যই বিবাদী পক্ষ হতে হবে
  2. ব্যক্তি সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
  3. ব্যক্তি অবশ্যই আদালতের কর্মচারী হতে হবে
  4. ব্যক্তির স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূল হতে হবে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(১) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি নাবালকের “নেকস্ট ফ্রেন্ড” হিসেবে মামলায় কাজ করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কিছু নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। এই শর্তগুলো হলো:
১) সুস্থ মনের অধিকারী হতে হবে- মানসিক ভারসাম্য থাকতে হবে।
২) প্রাপ্তবয়স্ক (Adult) হতে হবে- নাবালক নয়।
৩) নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো স্বার্থ থাকা চলবে না।
৪) যদি তিনি নেকস্ট ফ্রেন্ড হন, তাহলে তিনি বিবাদী হতে পারবেন না।
৫) যদি তিনি মামলার অভিভাবক হিসেবে নিয়োগ পেতে চান, তাহলে তিনি বাদী হতে পারবেন না।
অতএব, “সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি” হওয়াটাই হলো নেকস্ট ফ্রেন্ড হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৪: মামলাকে পরবর্তী হিসাবে কাজ করতে বা নিযুক্ত হতে পারে:
(১) কোন ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকার এবং প্রাপ্ত বয়স্ক হলে কোন নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে অথবা মামলার জন্য তার অভিভাবক হিসাবে কাজ করতে পারে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে নহে এবং সে নেকস্ট ফ্রেন্ডের ক্ষেত্রে, কোন বিবাদী নহে, এবং মামলার অভিভাবকের ক্ষেত্রে কোন বাদী নহে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক আছে, সেক্ষেত্রে উক্ত অভিভাবক ব্যতিত অপর কোন ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে কাজ করতে বা মামলার জন্য তার অভিভাবক নিযুক্ত হতে পারবে, যদি না আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে বিবেচনা করেন যে, নাবালকের কল্যাণের জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ করতে বা অভিভাবক নিযুক্ত হতে অনুমতি দেয়া পয়োজন।
(৩) কোন ব্যক্তিকে তার অনুমতি ব্যতিত মামলার অভিভাবক নিয়োগ করা যাব না।
(৪) যেক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যক্তি মামলার অভিভাবক হিসাবে কাজ করার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক নাই, সেক্ষেত্রে আদালত তার কোন কর্মচারীকে অনুরূপ অভিভাবক নিযুক্ত করতে পানে এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত কর্মচারীকে বা কোন এক বা একাধিক পক্ষ কর্তৃক বহন করতে হবে, অথবা নাবালকের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল আদালতে থাকলে তা হতে খরচ হবে এবং ন্যায় বিচার ও অবস্থার পয়োজনে অনুরূপ খরচার পরিশোধ বা মেনে নেয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারেন।