বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

মোট প্রশ্ন৯৩৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

PrepBank · পাতা / ১০ · ৪০১৫০০ / ৯৩৬

৪০১.
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু-
  1. বিচার বিভাগ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনসভা
  4. নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম অধ্যায়- আইনসভা।
- এই অধ্যায়ের পরিচ্ছেদ: তিনটি, 
- ১ম পরিচ্ছেদ: সংসদ,
- ২য় পরিচ্ছেদ: আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি।
- ৩য় পরিচ্ছেদ: অধ্যাদেশপ্রণয়ন-ক্ষমতা।

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় প্রজাতন্ত্র।
- দ্বিতীয় অধ্যায় রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায়- মৌলিক অধিকার।
- চতুর্থ অধ্যায় নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায়- আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায়- বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায় বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
- দশম অধ্যায় সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়- বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪০২.
সংবিধানের সপ্তম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু কী?
  1. নির্বাচন
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি;
তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ;
পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা;
ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ;
সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন;
অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক;
নবম - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
দশম - সংবিধানের সংশোধন;
একাদশ - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪০৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের' মুক্তির কথা বলা আছে?
  1. ১৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৬ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৫ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৪ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ:
• রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি:
- কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা।

অন্যদিকে,
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- ১৫ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪০৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়ার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৬৫ অনুচ্ছেদে
  2. ৬৬ অনুচ্ছেদে
  3. ৬৭ অনুচ্ছেদে
  4. ৬৮ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৬৭ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হতে পারে নিম্নলিখিত কারণে:

- নির্বাচনের পর ৯০ দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ করতে না পারলে। তবে স্পীকার বিশেষ কারণে সময় বাড়াতে পারেন।
- সংসদের অনুমতি ছাড়া টানা ৯০টি বৈঠকে অনুপস্থিত থাকলে। 
- সংসদ ভেঙে গেলে।
- সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অযোগ্য হলে।
- সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতি তৈরি হলে।
⇒ কোনো সংসদ সদস্য স্পীকারকে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। স্পীকার পত্র গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে তার আসন শূন্য হয়ে যাবে।
⇒ যদি স্পীকার পদ শূন্য থাকে বা দায়িত্ব পালন করতে অক্ষম হন, সেক্ষেত্রে ডেপুটি স্পীকার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করবেন, এবং তা গ্রহণের পর ওই সদস্যের আসন শূন্য বলে গণ্য হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪০৫.
সংবিধান অনুযায়ী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয় কোনটি? 
  1. সরকারি কর্ম কমিশন
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষক
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা

- দুর্নীতি দমন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়।

• সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
- যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- বাংলাদেশে এ ধরণের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা সাংবিধানিক উপায়ে প্রতিষ্ঠিত।
- এরূপ প্রতিষ্ঠান হল-
- এটর্নি জেনারেল
- নির্বাচন কমিশন
- মহাহিসাব নিরীক্ষক
- সরকারি কর্ম কমিশন

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 

৪০৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের তফসিলের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
  2. মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা
  3. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী
  4. শপথ ও ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের তফসিলের অন্তর্ভুক্ত নয় - মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা। 

• সংবিধানের তফসিল:

- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে।

৭টি তফসিল:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
৪০৭.
’জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ১১
  2. অনুচ্ছেদ- ১৮
  3. অনুচ্ছেদ- ১৭
  4. অনুচ্ছেদ- ১৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১৮
ব্যাখ্যা

সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ:
- অনুচ্ছেদ - ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- (১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

- (২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪০৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২২
  2. অনুচ্ছেদ ১২৩
  3. অনুচ্ছেদ ১২৪
  4. অনুচ্ছেদ ১২৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৩
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১১৬ - অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা।
- অনুচ্ছেদ ১১৬(ক) - বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন।
- অনুচ্ছেদ ১১৭ - প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২১ - প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৬ - নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৪০৯.
সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদে কোন বিষয় সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়
  2. নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা
  3. ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
  4. নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান
সঠিক উত্তর:
ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
১. প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
২. কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষণা বহাল না থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ - ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
অনুচ্ছেদ - ১২৫: নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
অনুচ্ছেদ - ১২৬: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪১০.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা কার কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রী
  4. সচিব
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ।
২য় পরিচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা। 

অনুচ্ছেদ-৫৫: মন্ত্রিসভা: 
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
৪১১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ ‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত? 
  1. অনুচ্ছেদ - ১২৩
  2. অনুচ্ছেদ - ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ - ১২২
  4. অনুচ্ছেদ - ১২১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১২২
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ ‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত। 

ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা: 

- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার যোগ্য হবেন, যদি তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন এবং তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়। এছাড়াও, যোগ্য আদালত কর্তৃক তিনি অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষিত না হয়ে থাকেন এবং ঘোষণাটি বহাল না থাকে। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী হিসেবে তার বসবাস থাকতে হবে বা আইনের দৃষ্টিতে তিনি ঐ এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হতে হবে। উপরন্তু, তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে না থাকলে, তিনি ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ - ১২১ : প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ - ১১৮ : নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা। 
- অনুচ্ছেদ - ১২৩ : নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
৪১২.
সংবিধানে নির্বাহী বিভাগের কোন পরিচ্ছেদে প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগের উল্লেখ রয়েছে?
  1. দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
  2. চতুর্থ পরিচ্ছেদ
  3. তৃতীয় পরিচ্ছেদ
  4. প্রথম পরিচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ পরিচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

- ৪র্থ পরিচ্ছেদ:  প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ।

• চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ। 
- ১ম পরিচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি।
- ২য় পরিচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা।
- ৪র্থ পরিচ্ছেদ:  প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ।
- ৩য় পরিচ্ছেদ: স্থানীয় শাসন।
- ৫ম পরিচ্ছেদ: অ্যাটর্নি-জেনারেল।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪১৩.
সংবিধানের কোন ভাগে মৌলিক অধিকারগুলো লিপিবদ্ধ আছে?
  1. দ্বিতীয় ভাগ
  2. পঞ্চম ভাগ
  3. তৃতীয় ভাগ
  4. চতুর্থ ভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা
সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- বাংলাদেশ সংবিধানের — তৃতীয় ভাগে ২৬ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
---------------------------- 
• মৌলিক অধিকার:
- মৌলিক অধিকার বলতে বুঝায় নাগরিক জীবনের বিকাশ ও ব্যক্তির জন্য সে সমস্ত অপরিহার্য শর্তাবলি, যা সার্বভৌম রাষ্ট্রের সংবিধান হতে প্রাপ্ত এবং অলঙ্ঘনীয়।
- নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলো রাষ্ট্রের সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকলে তা সাংবিধানিক আইনের মর্যাদা লাভ করে।

• মৌলিক অধিকার রক্ষা:
মৌলিক অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কোন ব্যক্তির যদি মৌলিক অধিকার খর্ব হয় এবং তিনি যদি আইনের আশ্রয় নেন তাহলে বিচার বিভাগ তাঁর মৌলিক অধিকার রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। এভাবে বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৪.
’প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ১১৮
  2. অনুচ্ছেদ- ১২১
  3. অনুচ্ছেদ- ১২০
  4. অনুচ্ছেদ- ১২২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১২১
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ১২১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে  প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।

- সপ্তম ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ:
- অনুচ্ছেদ-১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ-১১৯:নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ-১২১: প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ-১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪১৫.
বাংলাদেশ সংবিধানে ’মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক’ কোন ভাগে দেওয়া আছে?
  1. পঞ্চম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. নবম ভাগে
  4. অষ্টম ভাগে
সঠিক উত্তর:
অষ্টম ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম ভাগে
ব্যাখ্যা
→ অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক।
- ১২৭ (১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর "মহা হিসাব-নিরীক্ষক" নামে অভিহিত) থাকবেন এবং তাঁকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন।

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৪১৬.
সংবিধান অনুযায়ী জেলা বিচারক বলতে-
  1. অতিরিক্ত দায়রা জজ অন্তর্ভুক্ত হবেন
  2. অতিরিক্ত জেলা বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবেন
  3. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত হবেন
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত হবেন
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবেন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের একাদশ ভাগের ১৫২ নং অনুচ্ছেদে বিভিন্ন বিষয় যেমন- অধিবেশন, অনুচ্ছেদ, অর্থ-বৎসর, আইন, আদালত ইতাদির অর্থ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে যে-
'জেলা - বিচারক বলিতে অতিরিক্ত জেলা - বিচারক অন্তর্ভুক্ত হইবেন';
৪১৭.
বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানের উল্লেখিত মূলনীতিগুলি কী কী?
  1. সমাজতন্ত্র, সাম্য, মুক্তি, ন্যায়বিচার
  2. জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্ম
  3. সাম্য, স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার
  4. জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

• সংবিধানের চারটি মূলনীতি হলো:
- জাতীয়তাবাদ,
- সমাজতন্ত্র,
- গণতন্ত্র ও
- ধর্মনিরপেক্ষতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
৪১৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি কার দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক নিয়োগ:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।

(২) কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হলে, এবং (ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোনো বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করে থাঢ়লে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকলে;তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোনো সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করেছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪১৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের কততম তফসিল ’ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী’ সম্পর্কিত?
  1. ৫ম তফসিল
  2. ৪র্থ তফসিল
  3. ৭ম তফসিল
  4. ৬ষ্ঠ তফসিল
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
ব্যাখ্যা

সংবিধানে তফসিল: 
- সংবিধানের মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিলঃ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪২০.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৪ অনুযায়ী, 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম কত চরণ জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত?
  1. শেষের দশ চরণ
  2. প্রথম আট চরণ
  3. প্রথম দশ চরণ
  4. প্রথম চার চরণ
সঠিক উত্তর:
প্রথম দশ চরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম দশ চরণ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

অনুচ্ছেদ - ০৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
 
১. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ।
২. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
৩. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
৪. উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪২১.
'নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১১৯
  4. অনুচ্ছেদ ১২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৯
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:

- অনুচ্ছেদ ১১৫ - অধস্তন আদালতে নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ১১৬ - অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা।
- অনুচ্ছেদ ১১৬(ক) - বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন।
- অনুচ্ছেদ ১১৭ - প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২১ - প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪২২.
মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত? 
  1. দ্বিতীয় তফসিল
  2. পঞ্চম তফসিল
  3. সপ্তম তফসিল
  4. ষষ্ঠ তফসিল
সঠিক উত্তর:
সপ্তম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে।
যথা:
• প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)।
• তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
• পঞ্চম তফসিল : শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল : শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
• ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে প্রথম চারটি তফসিল ছিলো। ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তফসিল যুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪২৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরীর ক্ষমতা পায়?
  1. ২৮(১) অনুচ্ছেদ
  2. ২৮(২) অনুচ্ছেদ
  3. ২৮(৩) অনুচ্ছেদ
  4. ২৮(৪) অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৮(৪) অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮(৪) অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার অংশে বিশেষ উদ্দেশ্যে মৌলিক অধিকার রহিত করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
- সংবিধানের ২৮(৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'নারী ও শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হতে এ অনুচ্ছেদের কোনোকিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করবে না।'

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ২৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, বাসস্থান বা পেশাগত কারণে রাষ্ট্র কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।
- সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষ সমান অধিকার লাভ করবে। 
- সংবিধানের ২৮(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী- পুরুষভেদে বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না’।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪২৪.
বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ১৬ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
------------------------ 
সপ্তম ভাগ: নির্বাচন - 

অনুচ্ছেদ-১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা-

(১) প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।  
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি 
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন; 
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়; 
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে; 
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং  
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন। 

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৪২৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদবলে বাংলাদেশের নাগরিকগণ “বাংলাদেশী” বলে পরিচিত হন?
  1. ৬ (২) নং
  2. ৭ক নং
  3. ৪ নং
  4. ১০ নং
সঠিক উত্তর:
৬ (২) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ (২) নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১ম ভাগের প্রজাতন্ত্র ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব
- ৬ (১) নং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- ৬ (২) নং বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী হিসেবে পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১০ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৭ক নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪২৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতিকরণের লক্ষ্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন?
  1. ১৪নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৬নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৫নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৭নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৬নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৬নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করবার উদ্দেশ্যে কৃষিবিপ্লবের বিকাশ, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতিকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ-ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।  

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ - ১৪: কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি। 
- অনুচ্ছেদ - ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা। 
- অনুচ্ছেদ - ১৭: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৪২৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জোরপূর্বক শ্রম থেকে নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪
  4.  অনুচ্ছেদ ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৪: মৌলিক অধিকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ 

(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারী অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনতঃ দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৩৭ হলো সমাবেশের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩২ হলো জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
 অনুচ্ছেদ ৩৫ হলো  বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪২৮.
'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সম্পর্কে সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১৪৬ নং
  2. ৭৫ নং
  3. ৮৭(১) নং
  4. ১৪৫ক নং
সঠিক উত্তর:
১৪৫ক নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫ক নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- 'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সম্পর্কেবাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৫ক নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৪৫ক। নং অনুচ্ছেদ:
- বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪৬ নং অনুচ্ছেদে 'বাংলাদেশের নামে মামলা' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৮৭(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি'। সংবিধানে বলা হয়েছে, 'প্রত্যেক অর্থবছর সম্পর্কে উক্ত অর্থবছরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয় - সংবলিত একটি বিবৃতি সংসদে উপস্থাপিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪২৯.
“জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।” –এটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে? 
  1. ২৮(২)
  2. ২৯(২) 
  3. ২৮(৩
  4. ১৯(৩)
সঠিক উত্তর:
১৯(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯(৩)
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।
- ১৯ (৩)নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
“জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।”

অপরদিকে,
- ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভের কথা বলা হয়েছে।
- ২৮(৩) নং অনুচ্ছেদে বিনোদন, বিশ্রাম ও শিক্ষাক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী ও লিঙ্গগত পার্থক্যের কারণে বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে।
- ২৯(২) নং অনুচ্ছেদে ধর্ম, বর্ণ ও লিঙ্গগত পার্থক্যের কারণে কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৩০.
সংবিধানের কততম সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে গণভোটের বিধান পুনরুজ্জীবিত হয়েছে?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. একাদশ সংশোধনী
  3. দ্বাদশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে গণভোটের বিধান পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।

⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও গণভোট পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয় এই রায়ের মাধ্যমে।
- ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান বাতিল করাকে বাতিল করা হয়েছে। সংবিধানের প্রস্তাবনা ও কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধনে গণভোটের বিধান ফিরে আসছে।
- ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ বাতিল ঘোষণা করে হাই কোর্ট।
-  ২৭ নভেম্বর ২০২৫ পুরো পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের দাবিতে হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়।

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।

উৎস: বিবিসি [লিংক] এবং বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৩১.
বাংলাদেশ সংবিধানের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিধান বর্ণিত আছে–
  1. ১১৮ অনুচ্ছেদে
  2. ১২০ অনুচ্ছেদে
  3. ১২২ অনুচ্ছেদে
  4. ১২১ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১২২ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ম অধ্যায় ( নির্বাচন ) এর ১২২ অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিধান বর্ণিত আছে।

অনুচ্ছেদ ১২২ –ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা

(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।]

১১৮ অনুচ্ছেদ – নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
১২০ অনুচ্ছেদ – নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
১২১ অনুচ্ছেদ – প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
বাংলাদেশ সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন , যা ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ কার্যকর হয়। বাংলাদেশ সংবিধানে,

১ টি প্রস্তাবনা
৪ টি মূলনীতি
১১ টি ভাগ বা অধ্যায়
৭ টি তফসিল এবং
১৫৩ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে ।

তথ্যসূত্র – গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান, বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
৪৩২.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. ১৪২ নং
  2. ১৪৩ নং
  3. ১৪৬ নং
  4. ১৪৮ নং
সঠিক উত্তর:
১৪৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬ নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা: 
- 'বাংলাদেশ'-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে। 

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ-১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ-১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৩৩.
সংবিধানের কোন অধ্যায়ে মৌলিক অধিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. দ্বিতীয় অধ্যায়
  2. তৃতীয় অধ্যায়
  3. চতুর্থ অধ্যায়
  4. পঞ্চম অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
প্রথম অধ্যায়- প্রজাতন্ত্র (The Republic);
দ্বিতীয় অধ্যায়- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (Principles of State Policy);
তৃতীয় অধ্যায়- মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights);
চতুর্থ অধ্যায়- নির্বাহী বিভাগ (The Executive);
পঞ্চম অধ্যায়- আইনসভা (The Legislature);
ষষ্ঠ অধ্যায়- বিচার বিভাগ (The Judiciary);
সপ্তম অধ্যায়- নির্বাচন (Elections);
অষ্টম অধ্যায়- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (Comptroller and Auditor General);
নবম অধ্যায়- বাংলাদেশের কর্মবিভাগ (Public Service of Bangladesh);
নবম-ক ভাগ- জরুরী বিধানাবলী (Emergency Provisions);
দশম অধ্যায়- সংবিধানের সংশোধন (Amendment of the Constitution);
একাদশ অধ্যায়- বিবিধ (Miscellaneous).
৪৩৪.
সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের মূল আলোচ্য বিষয় কী?
  1. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  2. সমাবেশের স্বাধীনতা
  3. সংগঠনের স্বাধীনতা
  4. বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ
সঠিক উত্তর:
সংগঠনের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংগঠনের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদসমূহ : 
অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৩৫.
'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি? 
  1. ১৬ নং অনুচ্ছেদে 
  2. ১৮ (১) নং অনুচ্ছেদে 
  3. ১৮ ক নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৯ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৮ ক নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ক নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় ভাগ
• রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি

সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।

অন্যদিকে -
- ১৮ (১) নং অনুচ্ছেদ: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- ১৯ নং অনুচ্ছেদ: সুযোগের সমতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৩৬.
বাংলাদেশ সংবিধানে ’শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত’ করা হয়েছে কত নং অনুচ্ছেদে?
  1. ১৪ নং
  2. ২১ নং
  3. ১৭ নং
  4. ২৩ নং
সঠিক উত্তর:
১৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ নং
ব্যাখ্যা
→ ১৭ নং অনুচ্ছেদে ’শিক্ষা অধিকার  নিশ্চিত’ করা হয়েছে।

• অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:

- (ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদান করতে হবে।
- (খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং
- সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
- (গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য;কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷

এছাড়াও,
- ২৩ নং: জাতীয় সংস্কৃতি।
- ২১ নং: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- ১৪ নং: কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৪৩৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ:
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
 - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবেন; 
 - প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবেন।
 - সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবেন৷ 

অন্যদিকে,
-
অনুচ্ছেদ- ২২: রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন৷
- অনুচ্ছেদ- ২৪: বিশেষ শৈল্পিক কিংবা ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বা তাৎপর্যমন্ডিত স্মৃতিনিদর্শন, বস্তু বা স্থান-সমূহকে বিকৃতি, বিনাশ বা অপসারণ হইতে রক্ষা করিবার জন্য রাষ্ট্র ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷
- অনুচ্ছেদ- ১৯ (১): সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৩৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে?
  1. ২৪ নং
  2. ২২ নং
  3. ২৫ নং
  4. ২১ নং
সঠিক উত্তর:
২২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ নং
ব্যাখ্যা

•সংবিধান: 
 - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ কথা বলা হয়েছে ২২ নং অনুচ্ছেদে।
 - ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে ‘রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।
 - মূলত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য;
 - ১৯৯৪ সালে একটি রিট মামলা করেছিলেন জেলা জজ ও জুডিশিয়াল এসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেন।
 - সেই মামলাটি 'মাসদার হোসন মামলা' নামে পরিচিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে যার চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
 - রায়ের আট বছর পর ২০০৭ সালে মূল নির্দেশনাটি বাস্তবায়ন করে বিচার বিভাগকে আলাদা করা হয়েছিল। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৩৯.
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে -
  1. ১৪১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৪১ক নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫২ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৪২ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংশোধন:

- সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের জন্যে জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- সংবিধান সংশোধনী বিলে রাষ্টপতিকে সাত দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়।

- সংবিধান সংশোধন হয়েছে ১৭ বার।
- এর মধ্যে চারটি সংশোধনী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৪০.
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ৮৩নং
  2. ৮৫নং
  3. ৮৭নং
  4. ৮২নং
সঠিক উত্তর:
৮৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৭নং
ব্যাখ্যা

• বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ- ৮৭নং।
৮৭(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।

৮৭(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে

(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৪১.
হাইকোর্ট কর্তৃক Quo Warranto জারি করা হয় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে?  
  1. অনুচ্ছেদ ১০৫
  2. অনুচ্ছেদ ১০৮ 
  3. অনুচ্ছেদ ১০২  
  4. অনুচ্ছেদ ১০৬  
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০২  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০২  
ব্যাখ্যা

- হাইকোর্ট কর্তৃক Quo Warranto জারি করা হয় সংবিধানের ১০২(২)(খ)(আ)- অনুচ্ছেদের আলোকে। 
- কোনো ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কোনো দায়িত্বে অবৈধভাবে অধিষ্ঠিত থাকলে বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২(২)(খ)(আ)-এর অধীনে হাইকোর্ট কর্তৃক Quo Warranto জারি করা হয়।   

• Quo Warranto বা কারণ দর্শাও রিট: 
- Quo Warranto একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ "By what authority?" বা "কোন অধিকারে?"। 
- এটি একটি রিট যা সরকারি বা সর্বজনীন পদ অবৈধভাবে দখল বা দাবি করার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। 
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২(২)(খ)(আ)-এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- এর মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগ সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করে যে সে 'কোন আইনি অধিকার' বা warrant-এর ভিত্তিতে সেই পদ ধারণ করছে। 
- যদি অধিকার অবৈধ প্রমাণিত হয়, তাহলে আদালত তাকে পদ থেকে অপসারণ করতে পারে।
- সাধারণত নিয়োগ প্রক্রিয়া আইনবিরোধী হলে এটি করা হয়। 


• সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২: সুপ্রীম কোর্ট কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।

১০২।(১) কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের দ্বারা অর্পিত অধিকারসমূহের যে কোন একটি বলবৎ করিবার জন্য প্রজাতন্ত্রের বিষয়াবলীর সহিত সম্পর্কিত কোন দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিসহ যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে হাইকোর্ট বিভাগ উপযুক্ত নির্দেশাবলী বা আদেশাবলী দান করিতে পারিবেন।

 (২) হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তাহা হইলে
(ক) যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(অ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা অনুমোদিত নয়, এমন কোন কার্য করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য কিংবা আইনের দ্বারা তাঁহার করণীয় কার্য করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা

(আ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তির কৃত কোন কার্য বা গৃহীত কোন কার্যধারা আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে করা হইয়াছে বা গৃহীত হইয়াছে ও তাঁহার কোন আইনগত কার্যকরতা নাই বলিয়া ঘোষণা করিয়া  উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন; অথবা

 (খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-

 (অ) আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে বা বেআইনী উপায়ে কোন ব্যক্তিকে প্রহরায় আটক রাখা হয় নাই বলিয়া যাহাতে উক্ত বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইতে পারে, সেইজন্য প্রহরায় আটক উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত বিভাগের সম্মুখে আনয়নের নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা

(আ) কোন সরকারি পদে আসীন বা আসীন বলিয়া বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন্ কর্তৃত্ববলে অনুরূপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করিতেছেন, তাহা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করিয়া উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ১০৫: আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।
- অনুচ্ছেদ ১০৬: সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৮: কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশের সংবিধান। 
ii) JURISDICTION OF WRITS AND IT'S EXECUTION IN BANGLADESH. (Link) 
iii) Bangladesh Legal Research Platform (Link) 

৪৪২.
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৬
  2. অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
  3. অনুচ্ছেদ-৩৯(১)
  4. অনুচ্ছেদ-৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
ব্যাখ্যা

• ’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান: 
- অনুচ্ছেদ:৩৯:  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- ৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

• ৩৯।(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
- অনুচ্ছেদ: ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৪৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি তফসিল আছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান তফসিলঃ
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৪৪.
সাংবিধানিক ভাবে বাংলাদেশের সম্পদের মালিকানা কয় ধরনের হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ: মালিকানার নীতি।
- বাংলাদেশের সম্পদের মালিকানা তিন ধরনের। যথা:

(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷ত

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 
৪৪৫.
জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের কোন কোন অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিত থাকবে?
  1. ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২
  2. ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২, ৪৩ ও ৪৩
  3. ৩৯, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪ ও ৪৫
  4. ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪৫ ও ৪৬
সঠিক উত্তর:
৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। এই সংবিধান কার্যকর করা হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবসে। সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, এটি ১১টি ভাগ বা অধ্যায়ে বিভক্ত। সংবিধানের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস, মৌলিক অধিকার, রাষ্ট্রের মূলনীতি ও নাগরিকের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১খ - অনুযায়ী,

- এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্ভুক্ত বিধানসমূহের ফলে যে আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্র অক্ষম হয়ে পড়ে, জরুরি অবস্থার কার্যকালে এই সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদ সমূহের কোনও বিষয় উক্তরূপ আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না; তবে এভাবে প্রণীত কোনও আইনের আওতায় যা করা হয়েছে বা না করা হয়েছে সেটা ব্যতীত উক্তরূপ আইন যতটুকু কর্তৃত্বহীন, জরুরি অবস্থার ঘোষণা অকার্যকর হওয়ার পর ঠিক ততটুকু কার্যকর থাকবে না।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৪৬.
সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ কতদিন?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
আইন বিভাগে আলোচ্য সময়সূচি:
- পুনর্বিবেচিত বিল রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিবেন।
- কোনো বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের সর্বোচ্চ সময় ১৫ দিন।
- নির্বাচলের পর সংসদের অভিবেশন আহবান করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে।
- অধ্যাদেশকে অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন দিতে হবে।
- সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ ৬০ দিন।
- সংসদের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিন অনুপস্থিত থাকলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।
- নির্বাচিত হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৪৭.
সংবিধান কত নম্বর অনুচ্ছেদে, ’সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’ উল্লেখ করেছে?
  1. ১৫০ নং
  2. ১৪৮ নং
  3. ১৪২ নং
  4. ১৪৬ নং
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
ব্যাখ্যা

- ১৪২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’।

• সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
- ১৪২ নং:  এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও-
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে।
- তবে শর্ত থাকে যে,
- অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হবে বলে স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হলে;
- অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন।
- এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করছেন বলে গণ্য হবে।

এছাড়াও,
- ১৪৫ নং: চুক্তি ও দলিল;
- ১৪৬ নং"বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারবে।
- ১৪৮ নং: পদের শপথ;
- ১৫০ নং: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৪৮.
'শপথ ও ঘোষণা' সংবিধানের কত নং তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা

তফসিলসমূহ:
- সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৪৯.
বাংলাদেশের নামে মামলা করার বিধান রয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী?
  1. অনুচ্ছেদ-১৫০
  2. অনুচ্ছেদ - ১৪৬
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১৪৬
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা: 
- 'বাংলাদেশ'-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ-১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী, 
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ : চুক্তি ও দলিল, 
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ : পদের শপথ, 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৫০.
নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪০
  2. অনুচ্ছেদ ৪১
  3. অনুচ্ছেদ ৪২
  4. অনুচ্ছেদ ৪৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪১
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশ সংবিধানের   ধর্মীয় স্বাধীনতা কথা রয়েছে।

» অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা
- (১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে
 - (ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।
 - (খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।
- (২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না।

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ-৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ-৪২: সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ-৪৩:  গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৫১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, প্রজাতন্ত্রের রাজধানী হবে ঢাকা?
  1. ২ নং
  2. ৫ নং
  3. ৩ নং
  4. ৬ নং
সঠিক উত্তর:
৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্ধারণ হয়।

• সংবিধানের ৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা ।

• সংবিধানের ৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা।

• সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের সকল মালিক জনগণ।

• সংবিধানের ৬ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি, ও নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশি বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৫২.
বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি কয়টি? [মে, ২০২৫]
  1. ২ টি
  2. ৫ টি
  3. ৪ টি
  4. ৩ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি ৪ টি।

• সংবিধানের মূলনীতি:
- আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হবে।
- সংবিধানের মূলনীতি ৪ টি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩ টি ।
- সংবিধানে তফসিল: ৭টি,
- সংবিধানে প্রস্তাবনা: ১টি।
- সংবিধানে মোট ভাগ: ১১টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৪৫৩.
সাংসদের নিজ দলের বিপরীতে ভোট বা দল থেকে পদত্যাগে আসন শূন্য হওয়ার বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৭০ নং
  2. ৭১ নং
  3. ৬৭ নং
  4. ৬৬ নং
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ: 
- কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি- 
- (ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
- (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
- তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ফ্লোর ক্রসিং৷

অন্যদিকে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদ: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- ৬৭ নং অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- ৭১ নং অনুচ্ছেদ: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৫৪.
বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি-
  1. মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা
  2. মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা
  3. প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা ও প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অর্থাৎ উপরের সবকটি।

→ বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের ১১ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
- প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে৷

⇒ মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা: 
- এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানুষের সম্মান ও অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে।
-  এটি বাংলাদেশের প্রজাতন্ত্রের একটি মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

⇒ মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে।
-  এর মধ্যে রয়েছে বাকস্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমতা, এবং আইনের দৃষ্টিতে সমান সুরক্ষা।
-  সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণের জন্য মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য।

⇒ প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ এবং ১১-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে। 
- এটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মূলনীতি, যেখানে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।
-  স্থানীয় সরকার, সংসদীয় নির্বাচন, এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই অংশগ্রহণ বাস্তবায়িত হয়।

∴ সুতরাং সঠিক ‍উত্তর উপরের সবগুলো।


উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৫৫.
'মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ' সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ৪৪
  2. ৪৫
  3. ৪৬
  4. ৪৭
সঠিক উত্তর:
৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ - ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
১. এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করার  জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হল।
২. এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটিয়ে সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা তার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ - ৪৫ : শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।
- অনুচ্ছেদ - ৪৬ : দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ - ৪৭ : কতিপয় আইনের হেফাজত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৪৫৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১০৮ নং
  2. ১১৪ নং
  3. ১১৭ নং
  4. ১২৩ নং
সঠিক উত্তর:
১১৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪ নং
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদসমূহ: 
অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ ৯৫ - প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন
অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকের পদের মেয়াদ
অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসরের পর বিচারকের অক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রিম কোর্টের আসন।
অনুচ্ছেদ ১০২ - হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ১০৮ - 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
অনুচ্ছেদ ১১৪ - অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা।
অনুচ্ছেদ ১১৭ - প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৫৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭১ নং
  2. ৭২ নং
  3. ৭৩ নং
  4. ৭৬ নং
সঠিক উত্তর:
৭১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১ নং
ব্যাখ্যা
দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭১ নং অনুচ্ছেদে ‘দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সংবিধানের ৭১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
(১) কোনো ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকার সংসদ-সদস্য হবেন না।
(২) কোনো ব্যক্তির একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচনপ্রার্থী হওয়ায় এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বর্ণিত কোনো কিছুই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না, তবে তিনি যদি একাধিক নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হন তা হলে-
(ক) তাঁহার সর্বশেষ নির্বাচনের ত্রিশ দিনের মধ্যে তিনি কোন নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করতে ইচ্ছুক, তা জ্ঞাপন করে নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণা প্রদান কঢ়বেন এবং তিনি অন্য যে সকল নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হয়েছিলেন, অতঃপর সেই সকল এলাকার আসনসমূহ শূন্য হবে;
(খ) এই দফার (ক) উপ-দফা মান্য করতে অসমর্থ হলে তিনি যে সকল আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন, সেই সকল আসন শূন্য হবে।

এছাড়া,
- ৭২ নং অনুচ্ছেদ সংসদের অধিবেশন,
- ৭৩ নং অনুচ্ছেদ সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী, 
- ৭৪ নং অনুচ্ছেদ সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৫৮.
'প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত'-এটি উল্লেখ আছে সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে -
  1. ৪ (১) নং
  2. ৪ (২) নং
  3. ৪ (৩) নং
  4. ৪ (৪) নং
সঠিক উত্তর:
৪ (২) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ (২) নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হলো উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৫৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২১
  3. অনুচ্ছেদ ১৯
  4. অনুচ্ছেদ ২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৯
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯-এ সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য দূর করতে সচেষ্ট থাকবে।
- সম্পদের সুষম বণ্টন ও জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও এর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে: 
অনুচ্ছেদ ২৩ - জাতীয় সংস্কৃতি। 
অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য। 
অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৪৬০.
Which article of the constitution of Bangladesh ensure the separation of the judiciary from the executive organs of the state?
  1. article 23
  2. article 22
  3. article 36
  4. article 29
  5. article 24
সঠিক উত্তর:
article 22
উত্তর
সঠিক উত্তর:
article 22
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদটি বাহাত্তরের মূল সংবিধানের অংশ হলেও তা কার্যকর হয় ২০০৭ সালে। 
 
অন্যদিকে,
- ২৩নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ : সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৪নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদ: চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৬১.
’প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’ সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে রয়েছে- 
  1. অনুচ্ছেদ- ৩
  2. অনুচ্ছেদ- ২
  3. অনুচ্ছেদ- ২(ক)
  4. অনুচ্ছেদ- ৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৩
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ- ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ : 
- অনুচ্ছেদ- ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ- ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ- ২(ক): রাষ্ট্রধর্ম।
- অনুচ্ছেদ- ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷
- অনুচ্ছেদে- ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৬২.
সংবিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ বা গ্যারান্টি প্রদানের বিল
  2. সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা সংক্রান্ত বিল
  3. সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ সংক্রান্ত বিল
  4. স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
ব্যাখ্যা

- স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে না। 

অর্থবিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সরকার যদি দেশের উন্নয়নের জন্য কোন ঋণ গ্রহণ করেন এবং এই সম্পর্কিত কোন বিল সংসদে উত্থাপন করেন তাহলে সেই বিলকে অর্থবিল বলে। 

⇒ ৮১ (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝবে:
- (ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
- (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টি দান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
- (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
- (ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
- (ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
- (চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

⇒ ৮১ (২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হয়েছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলে গণ্য হবে না।

⇒ ৮১ (৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁর নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৪৬৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে?
  1. ১৬টি
  2. ১৮টি
  3. ১৯টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮টি
ব্যাখ্যা

সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং - ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- সেখানে মোট অনুচ্ছেদ আছে ২২টি। এর মধ্যে ১৮টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদে যে ১৮টি অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে, সেগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে মৌলিক অধিকার।
- সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য। এই অধিকারগুলো ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র প্রতিকার প্রদানে বাধ্য থাকে।
- সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই অধিকারগুলোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
- মৌলিক অধিকারগুলো হলো: আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য, সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা, বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ, আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার, জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ, গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ, বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ, চলাফেরার স্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা, সংগঠনের স্বাধীনতা, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা, পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ, দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৬৪.
”সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার”-সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১০১নং
  2. ১০৯নং
  3. ১০৩নং
  4. ১০৬নং
সঠিক উত্তর:
১০৬নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬নং
ব্যাখ্যা

• ”সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার”-সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের ১০৬নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

⇒ ১০৬নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

অন্যদিকে,
⇒ ১০১নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে- হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
⇒ ১০৩নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে- আপীল বিভাগের এখতিয়ার
⇒ ১০৯নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে- আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৬৫.
সংবিধানে জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ৬৪ অনুচ্ছেদে
  2. ৬৫ অনুচ্ছেদে
  3. ৬৭ অনুচ্ছেদে
  4. ৬৮ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে ৬৫ অনুচ্ছেদে।
- ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
১. বাংলাদেশের সংসদের নাম হবে “জাতীয় সংসদ”। দেশের আইন তৈরি করার দায়িত্ব এই সংসদের।
২. সংসদ চাইলে কোনো ব্যক্তি বা সংস্থাকে নিয়ম-কানুন বা আইন তৈরি করার ক্ষমতা দিতে পারবে।
৩. সংসদ গঠিত হয় ৩০০ জন নির্বাচিত সদস্য নিয়ে, যারা দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সরাসরি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন।
৪. আরও ৫০টি আসন শুধু নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এসব আসনে নারীরা নির্বাচিত হবেন সংসদের সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক পদ্ধতিতে।
তবে, নারীরা চাইলে সরাসরি ভোটেও (৩০০ আসনের মধ্যে) নির্বাচন করতে পারবেন।
৫. সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে সংসদে ৩০০ জন সাধারণ সদস্য + ৫০ জন নারী সদস্য, মোট ৩৫০ জন সদস্য রয়েছেন।
৬. রাজধানীতে সংসদের আসন থাকবে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৬৬.
'জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২২
  3. অনুচ্ছেদ ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৪
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- 'জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন' সংবিধানের ২৪নং অনুচ্ছেদে বলা আছে। 

অন্যদিকে,
- ২৩নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি। 
- ২১নং অনুচ্ছেদ : নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য।
- ২২নং অনুচ্ছেদ : নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৬৭.
সংবিধানের কোন তফসিলে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলীর উল্লেখ রয়েছে?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলীর উল্লেখ রয়েছে। 

তফসিলসমূহ: 
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন, 
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত), 
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা, 
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী, 
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭-ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ, 
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা, 
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৪৬৮.
সংবিধানের তৃতীয় তফসিলের বিষয়বস্তু-
  1. অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  2. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি
  3. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. শপথ ও ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
শপথ ও ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শপথ ও ঘোষণা
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তফসিল: 
- প্রথম তফসিল- অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল- রাষ্ট্রপতি নির্বাচন [বিলুপ্ত]
- তৃতীয় তফসিল- শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল- ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি।
- পঞ্চম তফসিল- ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষন।
- ষষ্ঠ তফসিল- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ এ মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৪৬৯.
অনুচ্ছেদ ৭০ অনুযায়ী, কোন সংসদ সদস্য তাঁর দলের বিপক্ষে ভোট দিলে ফলাফল কী হবে?
  1. জরিমানা দিতে হবে
  2. তার আসন শূন্য হবে
  3. পুনরায় শপথ নিতে হবে
  4. পরবর্তী নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
তার আসন শূন্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার আসন শূন্য হবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭০: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,

তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।

⇒ অনুচ্ছেদ ৭০ অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তি একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তাহলে তিনি সেই দলের প্রতি অনুগত থাকতে হবে। যদি তিনি:
১. দল থেকে পদত্যাগ করেন, অথবা
২. সংসদে নিজের দলের বিপক্ষে ভোট দেন,
তাহলে তাঁর সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হয়ে যাবে (অর্থাৎ, তিনি আর সংসদ সদস্য থাকবেন না)। তবে, তিনি পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৭০.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৪নং
  2. ২৭নং
  3. ২৫নং
  4. ২৮নং
সঠিক উত্তর:
২৫নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদ: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তি।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৪ নং: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৭ নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।।
- অনুচ্ছেদ ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৭১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৭ নং
  2. ১৮ নং
  3. ১৯ নং
  4. ২১ নং
সঠিক উত্তর:
১৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ১৯ নং অনুচ্ছেদে '‘সুযোগের সমতা’' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• ১৯ নং অনুচ্ছেদ:
- ১৯ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২১ নং: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৭২.
'বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন' এটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১০৬ নং
  2. ১১২ নং
  3. ১১৬ নং
  4. ১১৬ক নং
সঠিক উত্তর:
১১৬ক নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৬ক নং
ব্যাখ্যা

বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
- সংবিধানের ১১৬ক নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন। 
- অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।
- ১১২ নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা। 
- সংবিধানের ১১৬ নং অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়েছে, অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৭৩.
'প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে'- সংবিধানের কোন ধারায় বর্ণণা করা হয়েছে?
  1. ৪১ নং
  2. ৩৮ নং
  3. ৪৮ (১) নং
  4. ৬৫ (১) নং
সঠিক উত্তর:
৪১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ নং
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ ৪১ নং অনুযায়ী,

⇒ ধর্মীয় স্বাধীনতা,
১। আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে,
- প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে;
- প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।
২। কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না।

অন্যদিকে -
- অনুচ্ছেদ ৩৮: জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ (১): "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হবে:
- অনুচ্ছেদ ৪৮(১): বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৭৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সংসদের অধিবেশন' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭২
  2. অনুচ্ছেদ ৭৩
  3. অনুচ্ছেদ ৭৪
  4. অনুচ্ছেদ ৭৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭২
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৭৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলােকে বাংলাদেশে বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৩
  3. অনুচ্ছেদ ২৪
  4. অনুচ্ছেদ ২৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫ নং অনুচ্ছেদে — বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ২৫: 
- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন, 
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
- অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা,
এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র -

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৪৭৬.
অনুপার্জিত আয় সম্পর্কে বলা আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১৭ নং
  2. ২০ নং
  3. ১৫ নং
  4. ২৭ নং
সঠিক উত্তর:
২০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২০ নং অনুচ্ছেদ ’অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম’ সংবলিত।

২০(১)- অনুসারে, কর্ম হইতেছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং "প্রত্যেকের নিকট হইতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী”-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

২০(২) অনুসারে, রাষ্ট্র এমন অবস্থাসৃষ্টির চেষ্টা করিবেন, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করিতে সমর্থ হইবেন না এবং যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক-সকল প্রকার শ্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হইবে৷।

অন্যদিকে,
• ১৭ নং অনুচ্ছেদ ‘অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা’ সম্পর্কিত।
• ১৫ নং অনুচ্ছেদ ‘মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা’ সম্পর্কিত।
• ২৭ নং অনুচ্ছেদ ‘আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ সম্পর্কিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৭৭.
’নির্বাহী বিভাগ’ সংবিধানের কোন ভাগে উল্লেখ রয়েছে?
  1. পঞ্চম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. চতুর্থ ভাগে
  4. দ্বিতীয় ভাগে
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ভাগে
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ রয়েছে।
- এর পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে যথা: 
- ১ম পরিচ্ছেদ রাষ্ট্রপতি।
- ২য় পরিচ্ছেদ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা।
- ৩য় পরিচ্ছেদ স্থানীয় শাসন।
- ৪র্থ পরিচ্ছেদপ্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ।
- ৫ম পরিচ্ছেদ অ্যাটর্নি-জেনারেল।

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৪৭৮.
সংবিধানে প্রস্তাবনার ৩য় ভাগের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. মূলনীতি গ্রহণ
  2. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
  3. গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা
  4. শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৭৯.
জাতীয় সংসদে কাস্টিং ভোট কি?
  1. সংসদ নেতার ভোট
  2. হুইপের ভোট
  3. স্পিকারের ভোট
  4. রাষ্ট্রপতির ভোট
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের ভোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের ভোট
ব্যাখ্যা
কাস্টিং ভোট: (Casting Vote):
- জাতীয় সংসদে কাস্টিং ভোট হলো স্পিকারের ভোট। 

⇒ সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন। একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

উল্লেখ্য,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী: ”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পীকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৮০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী “বাংলাদেশ” এই নামে সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. অনুচ্ছেদ - ১৪৩
  2. অনুচ্ছেদ - ১৪৬
  3. অনুচ্ছেদ - ১৪৫
  4. অনুচ্ছেদ - ১৪৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১৪৬
ব্যাখ্যা
১৪৬নং অনুচ্ছেদ: বাংলাদেশের নামে মামলা:
"বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে।

অন্যদিকে: 
→ অনুচ্ছেদ - ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি, 
→ অনুচ্ছেদ - ১৪৫: চুক্তি ও দলিল, 
→ অনুচ্ছেদ - ১৪৯: প্রচলিত আইনের হেফাজত। 

বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- তফসিল আছে ৭টি।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৮১.
'বিচারক-নিয়োগ' বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৯৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৯৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৯৬ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৯৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৯৫ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ সমূহ:

- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৮২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অভিশংসন সম্ভব?
  1. ৫১নং অনুচ্ছেদ
  2. ৫৩নং অনুচ্ছেদ
  3. ৫২নং অনুচ্ছেদ
  4. ৫৪নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫২নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির অভিশংসন:
- সংবিধানের ৫২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারবে; তার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করবেন।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
অনুচ্ছেদ ৫৪- অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
অনুচ্ছেদ ৫৩- অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৮৩.
'প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ'-এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৭(১) নং
  2. ৭(২) নং
  3. ৭ক নং
  4. ৭খ নং
সঠিক উত্তর:
৭(১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭(১) নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৭ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।

• সংবিধানের ৭ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।

• সংবিধানের ৭ক নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ বিষয়ে বলা হয়েছে।

• সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য বিষয়ে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৮৪.
বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী পরিচয়ে পরিচিত হবেন - সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ৫নং
  2. ৬নং
  3. ৭নং
  4. ৯নং
সঠিক উত্তর:
৬নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬নং
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে নাগরিকত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে, "বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন"।  

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ৫-এ রাজধানী সম্পর্কে বলা হয়েছে।  
- অনুচ্ছেদ ৭-এ সংবিধানের প্রাধান্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।  
- অনুচ্ছেদ ৯-এ জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৪৮৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জোরপূর্বক শ্রম থেকে নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৪: মৌলিক অধিকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ 

(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারী অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনতঃ দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৩৭ হলো সমাবেশের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩২ হলো জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
 অনুচ্ছেদ ৩৫ হলো  বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৮৬.
বাংলাদেশ সংবিধানে ’বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ সম্পর্কে বলা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে? 
  1. ৮৫নং অনুচ্ছেদে
  2. ৮৭নং অনুচ্ছেদে
  3. ৮৬নং অনুচ্ছেদে
  4. ৮৮নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৮৭নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৭নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম ভাগ: আইনসভা।
- ২য় পরিচ্ছেদ: আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি।
- বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:  ৮৭। (১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হবে।
- (২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে: 
- (ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
- (খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ
প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হবে।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ-৮৫। সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ।
- অনুচ্ছেদ-৮৬। প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ।
- অনুচ্ছেদ- ৮৮। সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়,
- অনুচ্ছেদ-৮৯। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি,

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৮৭.
সংসদের অনুমতি ব্যতীত একাধারে কত কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে আসন শূন্য হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
 
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি,

(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
 
(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
==================

আইন বিভাগে আলোচ্য সময়সূচি:

- পুনর্বিবেচিত বিল রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিবেন।
- কোনো বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের সর্বোচ্চ সময় ১৫ দিন।
- নির্বাচলের পর সংসদের অভিবেশন আহবান করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে।
- অধ্যাদেশকে অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন দিতে হবে।
- সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ ৬০ দিন।
- সংসদের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিন অনুপস্থিত থাকলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।
- নির্বাচিত হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৮৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ কতটি?
  1. ১৫০টি
  2. ১৫৩টি
  3. ১৫১টি
  4. ১৪৯টি
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ/অধ্যায়- ১১টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৮৯.
‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত সংবিধানের অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনুচ্ছেদ - ১২৪
  2. অনুচ্ছেদ - ১২১
  3. অনুচ্ছেদ - ১২৩
  4. অনুচ্ছেদ - ১২২ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১২২ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১২২ 
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ - ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
১. প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
২. কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষণা বহাল না থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের (দালাল আইন) অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ - ১২১ : প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ - ১২৪ : নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা। 
- অনুচ্ছেদ - ১২৩ : নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৯০.
কোন সংশোধনী দ্বারা ‘সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা’ প্রবর্তিত হয় 
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. চতুর্থ সংশোধনী
  3. দ্বাদশ সংশোধনী
  4. অষ্টম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী:
- চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি।
- সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।
- বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থলে আনা হয় একদলীয় ব্যবস্থা।
- জাতীয় সংসদের কর্তৃক ক্ষমতা খর্ব করা হয়।
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেকটা খর্ব হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষা ও প্রয়োগের এখতিয়ার থেকে বঞ্চিত হয়।

অপরদিকে,
- দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- অষ্টম সংশোধনীর ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়; এবং ঢকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
- পঞ্চম সংশোধনী আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৯১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৩৭নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৩৮নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৩৯নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৪১নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৩৭নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
১৩৭নং অনুচ্ছেদ: কমিশন-প্রতিষ্ঠা 
- আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে। 

অন্যদিকে:
- ১৩৮নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৯নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪১নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৯২.
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. নির্বাচন
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. আইনসভা
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৯৩.
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে, প্রধান বিচারপতিকে কে শপথ বাক্য পাঠ করায়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে, রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান। 

​বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ] শপথ ও ঘোষণা।

- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৯৪.
সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কত বছরের জন্য নির্বাচিত হন?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. নির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন।
- সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে ৫ বছর।
- উল্লেখ্য, দুই মেয়াদের অধিক কেউ রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত হতে পারবেন না।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৯৫.
দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে-
  1. নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  2. আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  3. সংশ্লিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  4. কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
সঠিক উত্তর:
কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
• গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বা The representation of the peoples Order (RPO) এ বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার না হলে সে জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

• সংসদ নির্বাচনে যোগ্যতা ও অযোগ্যতা: 

• সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

এই বিধান অনুসারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা সমূহ হলো:
- বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া, 
- বয়স ২৫ বৎসর পূর্ণ হওয়া, 

- আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত না হওয়া, 
- দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ার পর দায় থেকে অব্যাহতি না পাওয়া, 
- বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন বা আনুগত্য ঘোষণা, 
- ১৯৭২ সালের যোগসাজশকারী আদেশের অধীন কোন অপরাধে দণ্ডিত না হওয়া, 
- আইনে উল্লিখিত নির্দিষ্ট পদাধিকারী না হওয়া, 
- নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে অন্যূন দুই বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবার পর পাঁচ বৎসর অতিবাহিত না হওয়া।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৯৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন করা যাবে না?
  1. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৬ নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৮ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৬ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২৬ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগ মৌলিক অধিকরের শুরুতেই ২৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন করা যাবে না।
- আর যদি করা হয়, তবে তা স্বতঃসিদ্ধভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী পূর্বেকার সকল আইন সাংবিধানিকভাবে অবৈধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৯৭.
সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নিম্নের কাকে অভিশংসন করা যেতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি 
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি 
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি-কে অভিশংসন করা যেতে পারে।

রাষ্ট্রপতির অভিশংসন (Impeachment of the President):

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ৫২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসন (Impeachment of the President) সম্পর্কে বলা আছে।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ৫২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসন সম্পর্কে বলা আছে।
- ৫২ (১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারবে; এর জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করবেন।
- ৫২ (২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করতে পারবেন।
- ৫২ (৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকবে।
- ৫২ (৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করে সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে প্রস্তাব গৃহীত হবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।
- ৫২ (৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৯৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে অ্যাটর্নি-জেনারেল পদের মেয়াদকাল-
  1. ১ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. সুনির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
• অ্যাটর্নি-জেনারেল:
৬৪। (১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৯৯.
সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন কে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।

প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও শাসনসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি: 
- সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
- তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫০০.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ’কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি ' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১০
  2. অনুচ্ছেদ-১৪
  3. অনুচ্ছেদ-১২
  4. অনুচ্ছেদ-১৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৪
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে-এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা।
-  সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে ১০ নং অনুচ্ছেদে 'সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের শোষণমুক্ত, ন্যায়সঙ্গত ও সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।