বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

মোট প্রশ্ন৯৩৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

PrepBank · পাতা / ১০ · ৩০১৪০০ / ৯৩৬

৩০১.
’সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’ কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ১৪১ নং
  2. ১৪২ নং
  3. ১৫১ নং
  4. ১৪৭ নং
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা কথা বলা হয়েছে।

- এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,
- (অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
- (আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- (খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ: ১৪১নং -সরকারী কর্ম কমিশনের বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ: ১৪৭ নং - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
-  অনুচ্ছেদ: ১৫১ নং- রহিতকরণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩০২.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স কত বছর?
  1. ২২ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩৩ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর। 

উল্লেখ্য,
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স পঁচিশ বছর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন।
- যেহেতু বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার, তাই স্পিকার হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩০৩.
'সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য' বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং ধারায় বলা হয়েছে? 
  1. ২১ (১) নং
  2. ২১ (২) নং
  3. ২২ নং
  4. ২৩ নং
সঠিক উত্তর:
২১ (২) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ (২) নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের -
- ২১ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২১ (১) নং: সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
- ২১ (২) নং: সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

উল্লেখ্য,
- ২২ নং অনুচ্ছেদ নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা আছে।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ জাতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩০৪.
কততম অনুচ্ছেদ দ্বারা সংবিধানের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে?
  1. ৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৯ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১১ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
- ৭ নং অনুচ্ছেদ দ্বারা সংবিধানের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সংবিধানের প্রাধান্য:

৭৷ (১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 
 
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷

৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ

৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য

- সংবিধানের প্রাধান্য (Supremacy of the Constitution) বলতে বুঝায় সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- অর্থাৎ অন্য সকল আইন সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
- অন্যথায় আইনের সস্পূর্ণ অংশ বা যতটুকু অংশ অসমঞ্জস্যপূর্ণ ততটুকু অংশ বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৩০৫.
সংবিধানের চতুর্থ ভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. আইনসভা
  2. মৌলিক অধিকার
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. বিচার বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১টি ভাগের বিষয়াবলি:
- সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা ,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৬.
সংবিধানে 'প্রজাতন্ত্রের হিসাব রক্ষার আকার ও পদ্ধতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে -
  1. ১২৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৩০ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৩১ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৩২ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৩১ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩১ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ১৩১ নং অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্রের হিসাব রক্ষার আকার ও পদ্ধতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

⇒ ১৩১ নং অনুচ্ছেদ:
- রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে মহা হিসাব-নিরীক্ষক যেমন নির্ধারণ করবেন, তেমন আকার ও পদ্ধতিতে প্রজাতন্ত্রের হিসাব রক্ষিত হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১২৯ নং: মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৩০ নং: অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক।
- অনুচ্ছেদ ১৩২ নং: সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩০৭.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ কত দিন বিরতি থাকে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি।
- সংবিধানে বর্ণিত কয়েকটি পরিস্থিতিতে যেমন রাষ্ট্রপতির অভিশংসন এর ক্ষেত্রে স্পিকার সংসদ আহ্বান করতে পারেন।
- প্রতিবছর সংসদের অন্যূন দুটি অধিবেশন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩০৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. বিচারক-নিয়োগ
  2. সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ
  3. অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিচারক-নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক-নিয়োগ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯০ - নির্দিষ্টকরণ আইন।
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩০৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'বিচারকদের পদের মেয়াদ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৬
  2. অনুচ্ছেদ ৯৭
  3. অনুচ্ছেদ ৯৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৬
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯০ - নির্দিষ্টকরণ আইন।
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩১০.
সংবিধান অনুযায়ী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয় কোনটি? 
  1. সরকারি কর্ম কমিশন
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষক
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা

- দুর্নীতি দমন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়।

• সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
- যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- বাংলাদেশে এ ধরণের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা সাংবিধানিক উপায়ে প্রতিষ্ঠিত।
- এরূপ প্রতিষ্ঠান হল-
- এটর্নি জেনারেল
- নির্বাচন কমিশন
- মহাহিসাব নিরীক্ষক
- সরকারি কর্ম কমিশন

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। [লিঙ্ক]

৩১১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ১১৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১৭ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১১৯ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।

⇒ নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
৩১২.
সংবিধানের কোন অধ্যায় ’রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি’ সংবলিত?
  1. প্রথম অধ্যায় 
  2. পঞ্চম অধ্যায়
  3. ষষ্ঠ অধ্যায়
  4. দ্বিতীয় অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় অধ্যায়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩১৩.
'প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা' কত নং অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ৩ নং
  2. ৪ নং
  3. ৫ নং
  4. ৬ নং
সঠিক উত্তর:
৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ নং
ব্যাখ্যা

• ৫) রাজধানী:
(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 
(২) রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

উল্লেখ্য,
২৷ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা
২(ক)৷ রাষ্ট্রধর্ম।
৩৷ রাষ্ট্রভাষা।
৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
৫৷ রাজধানী।
৬৷ নাগরিকত্ব।
৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩১৪.
সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নাগরিকদের কোন মৌলিক উপকরণগুলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে?
  1. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
  2. অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা
  3. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
  4. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
সঠিক উত্তর:
অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত মৌলিক প্রয়োজনসমূহ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে:
- অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা
- কর্মের অধিকার ও ন্যায্য মজুরীর ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা।
- যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার।
- সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, যা বেকারত্ব, ব্যাধি, বার্ধক্য, এবং অনুরূপ পরিস্থিতিতে সরকারি সাহায্য লাভের নিশ্চয়তা প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩১৫.
সংবিধানের সপ্তম তফসিলে কী বর্ণিত রয়েছে?
  1. স্বাধীনতার ঘোষণা
  2. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  3. শপথ ও ঘোষণা
  4. ৭ই মার্চের ভাষণ
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩১৬.
সংবিধানের কোন তফসিলে শপথ ও ঘোষণা বিষয়ক বিধানাবলীর উল্লেখ আছে? 
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা

- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা বিষয়ক বিধান।

অন্যদিকে,
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধানের সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানসমূহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩১৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের কতনং অনুচ্ছেদে, ’প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল’ বিষয়টি সন্নিবেশিত?
  1. অনুচ্ছেদ- ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ- ১১৫
  3. অনুচ্ছেদ- ১১৮
  4. অনুচ্ছেদ- ১২১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৭
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান: 
 - ষষ্ঠ ভাগ: বিচারবিভাগ।
- ৩য় পরিচ্ছেদ: অনুচ্ছেদ-১১৭, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। 
• প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ: 
- অনুচ্ছেদ: ১১৭। (১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারবেনঃ

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১১৫। অধস্তন আদালতে নিয়োগ;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা;
- অনুচ্ছেদ- ১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব;
- অনুচ্ছেদ- ১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ;
- অনুচ্ছেদ- ১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৬। অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩১৮.
বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন গঠিত হয় সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুসারে?
  1. ১৩৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত।

উল্লেখ্য যে,
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

• বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে:
- ১৩৬ নং: কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন।
- ১৩৭ নং: সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- ১৩৮ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ।
- ১৩৯ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ।
- ১৪০ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব।
- ১৪১ নং: সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।

উৎস:
i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

৩১৯.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের কোন অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতা
  2. মামলা করার অধিকার 
  3. ধর্মীয় স্বাধীনতা 
  4. কোনোটি নয় 
সঠিক উত্তর:
চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

সংবিধান: 
- বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
- সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সকল নাগরিকের চিন্তা ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
- এছাড়া, মত প্রকাশের অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও স্বীকৃত।
- তবে, এই স্বাধীনতা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা, আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধপ্ররোচনার ক্ষেত্রে আইনানুগ সীমাবদ্ধতার মধ্যে থাকবে।

অন্যদিকে,
সংবিধান ৪৪ -মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ:
- সংবিধানের ৪৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য নাগরিকদের হাইকোর্টে মামলা করার অধিকার রয়েছে।
- একই সঙ্গে, সংসদ আইন প্রণয়ন করে অন্যান্য আদালতকেও সীমিতভাবে এই ক্ষমতা ব্যবহার করার সুযোগ দিতে পারে, তবে এটি হাইকোর্টের ক্ষমতার ক্ষতি করবে না।

সংবিধান ৪১ -ধর্মীয় স্বাধীনতা:
- বাংলাদেশের নাগরিকরা যে কোনো ধর্ম মানার, পালন করার ও প্রচার করার অধিকার রাখে।
- এছাড়া, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায় নিজেদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গঠন, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার অধিকারও রাখে।
- কোনো ব্যক্তি যদি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়, তার নিজস্ব ধর্ম না হলে তাকে কোনো ধর্মীয় শিক্ষা বা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করা যাবে না।

উৎস: Laws Of Bangladesh. 

৩২০.
সংবিধানের ১০০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগের অধিবেশন কার অনুমোদনক্রমে রাজধানী ব্যতীত অন্য কোনো স্থানে অনুষ্ঠিত হতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান মন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের - ষষ্ঠ ভাগ - বিচারবিভাগ- ১ম পরিচ্ছেদ
• সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্টের আসন
- সংবিধানের ১০০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন রাজধানীতে থাকবে।
- তবে, হাইকোর্ট বিভাগের অধিবেশন রাষ্ট্রপতি অনুমোদনক্রমে, প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো স্থান বা স্থানে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
- অর্থাৎ, সুপ্রিম কোর্টের মূল কার্যালয় (স্থায়ী আসন) ঢাকায় থাকবে, কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগের বিচার কার্যক্রম প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির সম্মতিতে দেশের অন্য যেকোনো স্থানেও অনুষ্ঠিত হতে পারবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩২১.
জরুরি অবস্থার সময় বাংলাদেশের সংবিধানের কোন কোন অনুচ্ছেদসমূহ স্থগিত হয়?
  1. ৩৬,৩৭,৩৮,৪০,৪১,৪২
  2. ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪১
  3. ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪১,৪২
  4. ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২
সঠিক উত্তর:
৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২
ব্যাখ্যা

- জরুরি অবস্থার সময় বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২  অনুচ্ছেদসমূহ স্থগিত হয়।

সংবিধান: 

- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১খ অনুযায়ী,
- এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্ভুক্ত বিধানসমূহের ফলে যে আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্র অক্ষম হয়ে
পড়ে, জরুরি অবস্থার কার্যকালে এই সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদ সমূহের কোনও বিষয় উক্তরূপ আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না; তবে এভাবে প্রণীত কোনও আইনের আওতায় যা করা হয়েছে বা না করা হয়েছে সেটা ব্যতীত উক্তরূপ আইন যতটুকু কর্তৃত্বহীন, জরুরি অবস্থার ঘোষণা অকার্যকর হওয়ার পর ঠিক ততটুকু কার্যকর থাকবে না।

উল্লেখ্য, 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩২২.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১ (১) নং অনুসারে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কার কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সংসদ সচিবালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
- সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
• ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৪১ নং অনুচ্ছেদদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন তার বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতিকে জমা দেয়। সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে -
- প্রত্যেক কমিশনকে প্রতি বছর মার্চ মাসের শুরুর দিনে বা তার আগেই, আগের বছরের (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) সব কাজকর্মের একটা রিপোর্ট তৈরি করে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিতে হবে।
(২) এই রিপোর্টের সঙ্গে একটা ছোট নোট (মেমো) থাকবে, যেখানে লেখা থাকবে—
(ক) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের পরামর্শ মানা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন মানা হলো না, তার কারণ;
(খ) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল, কিন্তু করা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন আলোচনা করা হলো না, তার কারণ;
কমিশন যতটা জানে, ততটা সব লিখে রাখবে।
(৩) যে বছর এই রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে, সেই বছর ৩১ মার্চের পর সংসদের যে প্রথম বৈঠক হবে, সেখানে রাষ্ট্রপতি এই রিপোর্ট আর সেই নোটটা সংসদে উপস্থাপন করবেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

৩২৩.
কোন আদালতকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. সুপ্রীম কোর্ট
  2. ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
  3. জজ কোর্ট
  4. নিম্ন আদালত
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা

• 'কোর্ট অব রেকর্ড’: 
 - সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে, সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব রেকর্ড" হবে।
- তাই "কোর্ট অব রেকর্ড"  বলা হয় সুপ্রীম কোর্ট কে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দ্বি-স্তর বিশিষ্ট।
- উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত।
- উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট আবার আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হবেন।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারক নিয়োগ করবেন।
- প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগের বিচারকদের নিয়ে আপিল বিভাগ এবং অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ ও স্থায়ী বেঞ্চ গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ কোনো কারণে শূন্য হলে আপিল বিভাগের জ্যৈষ্ঠতম বিচারক অস্থায়ীভাবে প্রধান বিচারপতির কার্যভার গ্রহণ করবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিএসএস উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সকল সময়ে _____ চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।
  1. সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
  2. জনগণের সেবা করিবার
  3. রাষ্ট্রের সেবা করিবার
  4. সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করিবার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের -
⇒ ২১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, একজন নাগরিকের কর্তব্য হলো -
i. সংবিধান ও আইন মান্য করা;
ii. শৃঙ্খলা রক্ষা করা;
iii. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং
iv. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা।

⇒ ২১ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।
- অর্থাৎ, সরকারী কর্মকর্তা বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে উল্লেখিত কর্তব্য পালন করবে। শুধুমাত্র সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে, জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩২৫.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) এর আলোচ্য বিষয় নিচের কোনটি?
  1. জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
  2. জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ
  3. প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
  4. সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪২ -  সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৩ - প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৪ - সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ - চুক্তি ও দলিল।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩২৬.
সংবিধানের প্রস্তাবনায় কোনটি ঘোষণা হিসেবে উল্লেখিত?
  1. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
  2. মূলনীতি গ্রহণ
  3. শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩২৭.
কোনটি অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব বা কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা
  2. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করা
  3. রাষ্ট্রের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করা
  4. জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
সঠিক উত্তর:
জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা বা কার্যাবলির মধ্যে পড়ে না- জনস্বার্থে স্বার্থে আইনি লড়াই করা।
- অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।- অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য,
- - বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ রয়েছে।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভকরবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

তথ্যসূত্র: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৩২৮.
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সর্বাধিক কতজনকে Technocrat মন্ত্রী নিয়োগ করা যায়?
  1. এক-চতুর্থাংশ
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. এক-দশমাংশ
  4. এক-পঞ্চমাংশ
সঠিক উত্তর:
এক-দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন
- সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩২৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগে নিচের কোনটি রয়েছে?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাচন
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. কর্ম কমিশন
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচনের কথা রয়েছে।
- সপ্তম ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ: 
- অনুচ্ছেদ-১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ-১১৯:নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ-১২১: প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ-১২২:ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৩৩০.
সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে কী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1.  অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
  2. জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা
  3. পররাষ্ট্রনীতি
  4. মালিকানার নীতি
সঠিক উত্তর:
জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৮ (১) নং দফায় বলা হয়েছে,
- জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
• ১৮ (২) নং দফায় বলা হয়েছে,
- গনিকাবৃত্তি এবং জুয়াখেলা নিরোধের জন্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে,
- মালিকানার নীতি সম্পর্কে বলা আছে ১৩ নং অনুচ্ছেদে।
- অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম সম্পর্কে উল্লেখ আছে ২০ নং অনুচ্ছেদে।
- ২৫ নং অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্রনীতির কথা সম্পর্কে উল্লেখ। উক্ত অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৩১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'ফ্লোর ক্রসিং' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২৯
  2. অনুচ্ছেদ-৪৭
  3. অনুচ্ছেদ-৫২
  4. অনুচ্ছেদ-৭০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৭০
ব্যাখ্যা
ফ্লোর ক্রসিং:
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ফ্লোর ক্রসিং৷
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে সেই দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান বা সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

⇒ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি -
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ-২৯: সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা, 
- অনুচ্ছেদ-৪৭: কতিপয় আইনের হেফাজত। 
- অনুচ্ছেদ-৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৩২.
'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী' সংক্রান্ত তফসিল কোনটি?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৩৩৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০১ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. সুপ্রীম কোর্টের আসন
  2. হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
  3. আপীল বিভাগের এখতিয়ার
  4. সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপীল বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৪ - আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ।
- অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।
- অনুচ্ছেদ ১০৬ - সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৭ - সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৮ - "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১০৯ - আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ।
- অনুচ্ছেদ ১১০ - অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৩৪.
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৬
  2. অনুচ্ছেদ-৩৯
  3. অনুচ্ছেদ-৪১
  4. অনুচ্ছেদ-৪৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯
ব্যাখ্যা

• ’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান: 
- অনুচ্ছেদ:৩৯:  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- ৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

• ৩৯।(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
- অনুচ্ছেদ: ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৩৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। 

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। [link]
৩৩৬.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া রাষ্ট্রপতি কাকে এককভাবে নিয়োগ দান করতে পারবেন?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. মন্ত্রী
  3. উপমন্ত্রী
  4. সংসদ সদস্য
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত রাষ্ট্রপতি সর্বদা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসারে কার্যনির্বাহ করেন।

রাষ্ট্রপতি:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে 'রাষ্ট্রপতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ চতুর্থ ভাগের ৪৮ নং অনুচ্ছেদ -
• ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।
• ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবেন।
• ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।
• ৪৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বছরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত হয়ে থাকেন।

• ৪৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যেকোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৩৭.
'গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ' - সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের প্রতিনিধিত্ব করে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেদ ১৪
  3. অনুচ্ছেদ ১৬
  4. অনুচ্ছেদ ১৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব:
অনুচ্ছেদ ১৬৷ নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিবিপ্লবের বিকাশ, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ-ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷

অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য
অনুচ্ছেদ ১৪: কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
অনুচ্ছেদ ১৮:  পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৩৩৮.
সংবিধান অনুযায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল কতদিন স্বপদে বহাল থাকতে পারেন?
  1. রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
  2. ৬৫ বছর পর্যন্ত
  3. ৬৭ বছর পর্যন্ত
  4. কার্যভার গ্রহণ হতে ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ। 
- ৫ম পরিচ্ছেদ: অ্যাটর্নি-জেনারেল।
• অ্যাটর্নি-জেনারেল: 
- ৬৪(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- ৬৪(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- ৬৪(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
- ৬৪(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৩৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার" এর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৩২ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৩ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৫ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩২ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
• আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না।

অন্যদিকে,
​- ৩৩ নং অনুচ্ছেদ: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
- ৩৪ নং অনুচ্ছেদ: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
​- ৩৫ নং অনুচ্ছেদ: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৪০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা' দেওয়া হয়েছে?
  1. ৩৬ নং
  2. ৪০ নং
  3. ৪১ নং
  4. ৪২ নং
সঠিক উত্তর:
৪০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ নং
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।

• অনুচ্ছেদ- ৪০: 

- আইনের দ্বারা আরোপিত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে কোন পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের কিংবা কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার জন্য আইনের দ্বারা কোন যোগ্যতা নির্ধারিত হয়ে থাকলে;
- অনুরূপ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন আইনসঙ্গত পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের এবং যে কোন আইনসঙ্গত কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার অধিকার থাকিবে।

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭: সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮: সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাকস্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২: সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৪১.
বাংলাদেশ সংবিধানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-১১৯
  2. অনুচ্ছেদ-১০২
  3. অনুচ্ছেদ-১১৮
  4. অনুচ্ছেদ-১১৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৭
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ-১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ।
- অনুচ্ছেদ-১১৭(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ
- (ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;
- (খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;
- (গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের 1[(৩)] দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।

অপরদিকে
- অনুচ্ছেদ-১০৮। "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট;
- অনুচ্ছেদ-১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ-১০২। কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৪২.
'ফ্লোর ক্রসিং' এর বিধান সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ৭৭নং অনুচ্ছেদে
  2. ৭০নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৯নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৯নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৭০নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ৭০ তম অনুচ্ছেদে ফ্লোর ক্রসিং সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটি সংসদ সদস্যদের নিজের দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া বোঝায়।
- এর মাধ্যমে একজন সংসদ সদস্য যদি নিজ দলের পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের পক্ষে ভোট দেন, এটাকে ফ্লোর ক্রসিং হিসেবে গণ্য করা হয়।

অন্যদিকে: 
- ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পালদের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভের সুযোগের সমতা কথা বলা হয়েছে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৪৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. নির্বাহী বিভাগ
  2. উপজাতি
  3. সুযোগের সমতা
  4. বিচার বিভাগ
সঠিক উত্তর:
উপজাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপজাতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:
 
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২৩নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
- ২৩(ক) অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৪৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সংসদ-প্রতিষ্ঠা' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৩
  2. অনুচ্ছেদ ৬৪
  3. অনুচ্ছেদ ৬৫
  4. অনুচ্ছেদ ৬৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৫
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ - সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬ - সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৪৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৭
  2. অনুচ্ছেদ ৯৮
  3. অনুচ্ছেদ ৯৯
  4. অনুচ্ছেদ ১০০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপীল বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৪ - আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৪৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৬
  2. অনুচ্ছেদ ৩৭
  3. অনুচ্ছেদ ৩৮
  4. অনুচ্ছেদ ৩৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
ব্যাখ্যা
চলাফেরার স্বাধীনতা:
- জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থান এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। [অনুচ্ছেদ-৩৬]

সমাবেশের স্বাধীনতা:

জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তি সঙ্গত বাধা নিষেধ সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। [অনুচ্ছেদ-৩৭]

সংগঠনের স্বাধীনতা:
জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। [অনুচ্ছেদ-৩৮]

চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্স্বাধীনতা:
বাংলাদেশ সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিককে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হয়েছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অন্যান্য আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হয়। [অনুচ্ছেদ- ৩৯(১), ৩৯ ২ক), ৩৯ ২খ)]

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৪৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১১৯
  4. অনুচ্ছেদ ১২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন আছে।
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠন কথা বলা হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্রপ্রধান নিয়োগ দান করেন।
অন্যদিকে,
- ১১৭ নং অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত।
- ১১৯ নং অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কিত।
- ১২০ নং অনুচ্ছেদ  নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ সম্পর্কিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৪৮.
সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
  2. মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল
  3. উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২২৷ নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ:
রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে৷

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা:
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদলত 'সুপ্রিম কোর্ট' নামে অভিহিত হবে।
- আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্টে বিভাগ নিয়ে গঠিত এই সুপ্রিম কোর্ট শাসন বিভাগ থেকে কার্যকরভাবে পৃথক থাকবে।
- সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অর্থাৎ প্রশাসনিক অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়া,
- অনুচ্ছেদ ২৩।ক: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
- অনুচ্ছেদ ২৬: মৌলিক অধিকারের সাথে অসমঞ্জস আইন বাতিল

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৪৯.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১১৮নং
  2. ১১৭নং
  3. ১২০নং
  4. ১১৪নং
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কথা উল্লেখ আছে।

বিচারবিভাগ:

- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বিচারবিভাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে।
- যথা:
১ম পরিচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ: ৯৪ - ১১৩];
২য় পরিচ্ছেদ: অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ: ১১৪ থেকে ১১৬];
৩য় পরিচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ: ১১৭]।

অন্যদিকে,
- ১১৪ নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত প্রতিষ্ঠা।
- ১১৮ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- ১২০ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৫০.
সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নিচের কোনটির কথা বলা হয়েছে?
  1. মৌলিক অধিকার
  2. নির্বাচন
  3. বিচার বিভাগ
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৩৫১.
’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৬
  2. অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
  3. অনুচ্ছেদ-৩৯(১)
  4. অনুচ্ছেদ-৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
ব্যাখ্যা

 - ’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান: 

- অনুচ্ছেদ:৩৯:  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- ৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

• ৩৯।(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
- অনুচ্ছেদ: ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৫২.
বাংলাদেশের সংবিধানে কত ধরনের মালিকানার কথা বলা আছে?
  1. ১ ধরনের
  2. ২ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা
মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানে তিন ধরনের মালিকানার কথা বলা হয়েছে। 
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই মালিকানাগুলোর মধ্যে রয়েছে: রাষ্ট্রীয় মালিকানা, সমবায় মালিকানা এবং ব্যক্তিগত মালিকানা।

উল্লেখ্য,  
অনুচ্ছেদ-১৩ অনুযায়ী, উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীর মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা তিনভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
- প্রথমত, রাষ্ট্রীয় মালিকানা, এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র রাষ্ট্রায়ত্ত করা হবে, যাতে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্র মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয়ত, সমবায় মালিকানা, যা আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়ের সদস্যদের পক্ষে মালিকানা প্রতিষ্ঠা করে।
- তৃতীয়ত, ব্যক্তিগত মালিকানা, যেখানে আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা স্বীকৃত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৫৩.
কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে?
  1. ১১৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১২৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১২৮ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১২৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অষ্টম ভাগ - মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক: 
মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা: 
১২৭। (১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর "মহা হিসাব-নিরীক্ষক" নামে অভিহিত) থাকিবেন এবং তাঁহাকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন। 

মহা হিসাব-নিরীক্ষক: 
- ১২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। 

- মহা হিসাব-নিরীক্ষক রাষ্ট্রপতির দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- তাঁর কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি নির্ধারণ করেন।
- ১২৮ নং অনুচ্ছেদে মহা-হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
- দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকবেন না।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ৫ বছর বা ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।
- অপসারণের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের মতো প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
- কর্মাবসানের পর তিনি সরকারি অন্য কোনো পদে নিযুক্ত হতে পারবেন না।
- পদ শূন্য বা অনুপস্থিত থাকলে রাষ্ট্রপতি অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক নিয়োগ দিতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে মহা হিসাব-নিরীক্ষক প্রজাতন্ত্রের হিসাবের আকার ও পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
- বর্তমান কন্ট্রোলার জেনারেল অব একাউন্টস: জনাব এস এম রেজভী

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৫৪.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।

⇒ বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।

⇒ সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৩৫৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তির কথা বলা হয়েছে?
  1. ১১নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৪নং অনুচ্ছেদে
  3. ২২নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৬নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা।

অন্যদিকে, 
- সংবিধানের ১১নং অনুচ্ছেদে বলা আছে 'গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা'।
- সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে বলা আছে 'নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ'।
- সংবিধানের ১৬নং অনুচ্ছেদে গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লবের কথা বলা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৫৬.
’’বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী বলে পরিচিত হবেন’’- এটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ৬(১)
  2. অনুচ্ছেদ- ৬(২)
  3. অনুচ্ছেদ- ৫
  4. অনুচ্ছেদ- ৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৬(২)
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ-৬:  নাগরিকত্ব: 
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- ৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ: ৫(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 
- অনুচ্ছেদ ৫(২) রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে৷
- অনুচ্ছেদ-৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- ৭(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৫৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৮ক নং
  2. ২৩ (ক) নং
  3. ২৪ নং
  4. ২০ নং
সঠিক উত্তর:
২৩ (ক) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ (ক) নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- ১৮ক নং অনুচ্ছেদ: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- ২০ নং অনুচ্ছেদ: অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
- ২৩ (ক) নং অনুচ্ছেদ: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৫৮.
মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হলে সংবিধানের কোন ধারায় মামলার ক্ষমতা দেয়া আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০১ 
  2. অনুচ্ছেদ ১০২
  3. অনুচ্ছেদ ১০৫
  4. অনুচ্ছেদ ১০৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান: 
- অনুচ্ছেদ: ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- ৪৪ (১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 
 - ৪৪ (২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৫৯.
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয় কোন সংশোধনী মাধ্যমে?
  1. দ্বাদশ সংশোধনী 
  2. একাদশ সংশোধনী 
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী 
  4. নবম সংশোধনী 
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী 
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ত্রয়োদশ সংশোধনী আইন সংবিধান আইন,পাস হয় ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ।
- এর দ্বারা একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়।
- যা একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন হিসেবে কাজ করবে এবং সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সর্বতোভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করবে।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা ও অনূর্ধ্ব ১০ জন উপদেষ্টার সমন্বয়ে গঠিতব্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার সমষ্টিগতভাবে রাষ্ট্রপতির নিকট দায়বদ্ধ থাকবে এবং নতুন সংসদ গঠনের পর নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের তারিখে বিলুপ্ত হবে।

অন্যদিকে, 
- তৃতীয় সংশোধনী: ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন ও রাষ্ট্রীয় সীমানা পুনঃনির্ধারণ, বেডুবাড়িকে ভারতের কাছে হস্তান্তর।
- চতুর্থ সংশোধনী: সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন। 
- ষষ্ঠ সংশোধনী: উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বহাল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের নিশ্চিতকরণ।
- সপ্তম সংশোধনী: ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ই নভেম্বর পর্যন্ত সামরিক আইন বলবৎ থাকাকালীন সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বৈধতা দান।
- অষ্টম সংশোধনী: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতিদান।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৩৬০.
সংসদের কোরাম সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৭১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৭৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৭৫ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৭৮ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৭৫ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• কোরাম:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- জাতীয় সংসদের বৈঠক চলাকালে কোনো সময়ে উপস্থিত সংসদ সংখ্যা ৬০ জনের কম বলে যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় তাহলে তিনি অনূন্য ৬০ জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখবেন কিংবা মুলতবি করবেন।

উল্লেখ্য,
- কোরাম বলতে বুঝায় একটি বৈধ সভার শুরু হতে শেষ পর্যন্ত ভোটদানের অধিকারী সদস্যের একটি নূন্যতম সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা প্রতিনিধি উপস্থিত থাকা এবং নূন্যতম এই সংখ্যা সংগঠনের আইন নিয়ম দ্বারা পূর্বেই নির্ধারিত করে দেওয়া।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ৭১: দ্বৈত সংসদ-সদস্যতায় বাধা।  
- অনুচ্ছেদ ৭৩: সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী
- অনুচ্ছেদ ৭৮: সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৩৬১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হয়েছে?
  1. ৯৪ (১) নং
  2. ৯৫ (১) নং
  3. ৯৬ (১) নং
  4. ১০৮ নং
সঠিক উত্তর:
৯৪ (১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪ (১) নং
ব্যাখ্যা
সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
- সংবিধানের ৯৬ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।'
- সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব্ রেকর্ড' হবেন এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৬২.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution] এর বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪ক
  2. অনুচ্ছেদ ৭
  3. অনুচ্ছেদ ৭ক
  4. অনুচ্ছেদ ৭খ
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা
সংবিধানের প্রাধান্য:
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের বিধান:সংবিধানের প্রাধান্য:
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷ 

-সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution]
- সংবিধানের প্রাধান্য অর্থ হলো সংবিধানের আদেশসমূহ সকল প্রেক্ষাপটে বহাল থাকবে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
- এছাড়া কোন কার্য সংবিধানের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তাহলে উক্ত কার্য অবৈধ হবে এবং কোন অবস্থাতে তার বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই।
- যদি কোন আইন অসাংবিধানিক হয়, তাহলে অসামঞ্জস্যতা দূর করে তা পুনরায় প্রণয়ন করা যায়।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ-৪ক এর বিধান→ জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
অনুচ্ছেদ-৭ক এর বিধান → সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
অনুচ্ছেদ-৭খ এর বিধান → সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৬৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সংবিধানের প্রাধান্য' উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৮ নং
  2. ৭ নং
  3. ৬ নং
  4. ৫ নং
সঠিক উত্তর:
৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ৭নং অনুচ্ছেদে 'সংবিধানের প্রাধান্যের' কথা বলা হয়েছে। 

• বাংলাদেশ সংবিধান:
-  অনুচ্ছেদ- ৭(১): প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ;
- এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷ 
- (২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন;
- এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে৷

• সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ:
 ১। প্রজাতন্ত্র;
২। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা;
২ক। রাষ্ট্রধর্ম;
৩। রাষ্ট্রভাষা;
৪। জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক;
৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি;
৫। রাজধানী;
৬। নাগরিকত্ব;
৭। সংবিধানের প্রাধান্য;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৬৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'মন্ত্রিসভা' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫০
  2. অনুচ্ছেদ ৫২
  3. অনুচ্ছেদ ৫৫
  4. অনুচ্ছেদ ৫৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৬৫.
বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের চুক্তি কার্যকর করার জন্য সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে পরিবর্তন করা হয়?
  1. ২নং অনুচ্ছেদ
  2. ১২নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৮নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৩নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
তৃতীয় সংশোধনী:
- তৃতীয় সংশোধনী আইন সংবিধান (তৃতীয় সংশোধনী) আইন, ১৯৭৪ বলবৎ হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর।
- এর দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতিপয় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে একটি চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়

২নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা 
১. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার আগে পূর্ব পাকিস্তানের যে সব এলাকা ছিল, তা বাংলাদেশের সীমানায় অন্তর্ভুক্ত। তবে ১৯৭৪ সালের সংবিধান (তৃতীয় সংশোধনী) অনুযায়ী, অন্তর্ভুক্ত ও বহির্ভূত এলাকার উল্লেখ অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২. ভবিষ্যতে যে কোনো নতুন এলাকা বাংলাদেশের সীমানায় যুক্ত হলে তা-ও অন্তর্ভুক্ত হবে।

 বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ -
- ১ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্র,
- ২ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রভাষা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীক,
- ৪ক নং অনুচ্ছেদ: জাতির পিতার প্রতিকৃতি,
- ৫ নং অনুচ্ছেদ: রাজধানী,
- ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব,
- ৭ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের প্রাধান্য,
- ৭ক নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ,
- ৭খ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ সংবিধান।
৩৬৬.
নিচের কোন বিবৃতিটি সঠিক নয়?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্যের কথা উল্লেখ আছে।
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৫নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানীর কথা উল্লেখ আছে।
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের কথা উল্লেখ আছে।
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্মের কথা উল্লেখ আছে।
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের কথা উল্লেখ আছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের কথা উল্লেখ আছে।
ব্যাখ্যা
- "বাংলাদেশের সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের কথা উল্লেখ আছে।"- বিবৃতিটি সঠিক নয়। 
- সঠিক বিবৃতিটি হবে- ৬ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকত্বের কথা উল্লেখ আছে। 

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের,
- ২ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক,
- ৫ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানীর কথা উল্লেখ আছে।
- ৬ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকত্বের কথা উল্লেখ আছে। 
- ৭ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্যের কথা উল্লেখ আছে।  

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৬৭.
”ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী” সংবিধানের কততম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত?
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. প্রথম তফসিল
  3. দ্বিতীয় তফসিল
  4. তৃতীয় তফসিল
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে।
এগুলো হলো:

- প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে প্রথম চারটি তফসিল ছিলো।
- ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তফসিল যুক্ত করা হয়।


উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৬৮.
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-
  1. আইন সচিব
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী। 
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের সম্মানীয় জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

তথ্যসূত্র:
i) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
iii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৩৬৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা
  2. বিচারকদের পদের মেয়াদ
  3. সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
  4. বিচারক-নিয়োগ
সঠিক উত্তর:
বিচারকদের পদের মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকদের পদের মেয়াদ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৭০.
সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- 
  1. চলাফেরার স্বাধীনতা
  2. জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
  3. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  4. বিদেশী খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ
সঠিক উত্তর:
সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ- ২৯: সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- ২৯(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- (২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

 অন্যদিকে,
- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
- ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৩৭১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৩৬নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩৭নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৮নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৯নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৩৯নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

৩৯নং অনুচ্ছেদ: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা - 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদের ১ম উপধারায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্র নাগরিকদের চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে।
- ২য় উপধারায় বলা হয়েছে, বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা থাকবে।
- তবে এগুলো রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতা ইত্যাদি কারণে যুক্তিসঙ্গত আইনি সীমাবদ্ধতার আওতাভুক্ত হতে পারে।
- এই অনুচ্ছেদটি ব্যক্তি স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
- সংবিধানের এই ধারার মাধ্যমে মতপ্রকাশ ও সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

অন্যদিকে: 
→ ৩৬নং অনুচ্ছেদে - চলাফেরার স্বাধীনতা, 
→ ৩৭নং অনুচ্ছেদে - সমাবেশের স্বাধীনতা
→ ৩৮নং অনুচ্ছেদে - সংগঠনের স্বাধীনতা। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৩৭২.
সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে কী উল্লেখ রয়েছে?
  1. সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ
  2. বাংলাদেশের নামে মামলার বিধান
  3. মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা
  4. সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ১৩৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে-  সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা।
• সংবিধানের ১৩৮নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ।
• সংবিধানের ১৪৬নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- বাংলাদেশের নামে মামলার বিধান।
• সংবিধানের ১২৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৭৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়েছে? 
  1. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ 
  2. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ 
  3. ১৩৯ নং অনুচ্ছেদ 
  4. ১৪০ নং অনুচ্ছেদ 
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ 
ব্যাখ্যা

সংবিধান ও সরকারি কর্ম কমিশন:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) হলো একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- এই সংস্থাটি দেশের বিভিন্ন সরকারি চাকরি ও পদে নিয়োগ প্রদান করে।
- কমিশন সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা এবং আপিল সংক্রান্ত বিষয়েও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকে। - বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দেন।
- এবং প্রধান বিচারপতি তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
---------------------------------------
উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সম্পর্কিত মোট ৫টি অনুচ্ছেদ উল্লেখ রয়েছে।
• ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সদস্য নিয়োগ সংক্রান্ত নিয়মাবলী দেওয়া হয়েছে।
• ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
• ১৪০ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিষয়বস্তু বলা হয়েছে।
• ১৪১ নং অনুচ্ছেদে কমিশন কীভাবে বার্ষিক রিপোর্ট জমা দেবে তার নিয়ম উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: Laws Of Bangladesh ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট। 

৩৭৪.
সংবিধানের ৩৭নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয় সম্পর্কে উল্লেখ আছে?
  1. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  2. সমাবেশের স্বাধীনতা
  3. সংগঠনের স্বাধীনতা
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
- ৩৭নং অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ আছে।
- জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হবার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

অন্যদিকে:
- ৩৬নং অনুচ্ছেদ: চলাফেরার স্বাধীনতা। 
- ৩৮নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা। 
- ৪০নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৭৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব উল্লেখ আছে?
  1. ১১৮
  2. ১১৯
  3. ১২১
  4. ১২৩
সঠিক উত্তর:
১১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের ১১৯নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব উল্লেখ রয়েছে।

• নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব:
১১৯(১) রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণের তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং নির্বাচন কমিশন এই সংবিধান ও আইনানুযায়ী 
 
(ক) রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 (খ) সংসদ-সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 (গ) সংসদে নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ করিবেন; এবং 
 (ঘ) রাষ্ট্রপতির পদের এবং সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুত করিবেন।] 
 
১১৯(২) উপরি-উক্ত দফাসমূহে নির্ধারিত দায়িত্বসমূহের অতিরিক্ত যেরূপ দায়িত্ব এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে, নির্বাচন কমিশন সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৭৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পরিবেশ উন্নয়ন ও বন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৬(১) নং
  2. ৭খ নং
  3. ১৮ক নং
  4. ১৯(১) নং
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।

• সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

অন্যদিকে -
- ৬(১) নং - বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে।
- ১৯(১) নং- সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।
- অনুচ্ছেদ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৭৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কী?
  1. আইনসভা
  2. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
  3. প্রজাতন্ত্র
  4. মৌলিক অধিকার
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৭৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ১১৮নং
  2. ১২১নং
  3. ১৩৭নং
  4. ১২৩নং
সঠিক উত্তর:
১১৮নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮নং
ব্যাখ্যা
•নির্বাচন কমিশনের গঠন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্র প্রধান নিয়োগ দান করবেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৭৯.
জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক এর কথা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২
  2. অনুচ্ছেদ ৩
  3. অনুচ্ছেদ ৪
  4. অনুচ্ছেদ ৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক এর কথা বলা হয়েছে। 

প্রথম ভাগ - প্রজাতন্ত্র
অনুচ্ছেদ ৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
- প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত হলো "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ।
- জাতীয় পতাকা সবুজ রঙের, যার ওপর একটি লাল বৃত্ত স্থাপিত।
- জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান শাপলা ফুল, শাপলার চারপাশে ধানের শীষ দিয়ে বেষ্টিত, এর শীর্ষে পাটগাছের তিনটি সংযুক্ত পাতা,  দু’পাশে দুটি করে তারকা রয়েছে।
- জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত সকল বিধান আইন দ্বারা নির্ধারিত হবে।

এছাড়াও -
- ৩ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ভাষার কথা বলা হয়েছে। 
- ২ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার কথা বলা হয়েছে।
- ৫ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানীর কথা বলা হয়েছে।

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৮০.
’আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান’ – সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২৭
  2. অনুচ্ছেদ-২৬
  3. অনুচ্ছেদ-২৫
  4. অনুচ্ছেদ-২৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৭
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ- ২৭: সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-২৬: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ-২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
- অনুচ্ছেদ-২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ-২৯: সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৮১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কতনং অনুচ্ছেদে, ’প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল’ বিষয়টি সন্নিবেশিত?
  1. অনুচ্ছেদ- ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ- ১১৫
  3. অনুচ্ছেদ- ১১৮
  4. অনুচ্ছেদ- ১২১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৭
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান: 
 - ষষ্ঠ ভাগ: বিচারবিভাগ।
- ৩য় পরিচ্ছেদ: অনুচ্ছেদ-১১৭, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। 
• প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ: 
- অনুচ্ছেদ: ১১৭। (১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারবেনঃ

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১১৫। অধস্তন আদালতে নিয়োগ;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা;
- অনুচ্ছেদ- ১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব;
- অনুচ্ছেদ- ১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ;
- অনুচ্ছেদ- ১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা;
- অনুচ্ছেদ- ১২২। ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৬। অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা;
- অনুচ্ছেদ- ১১৬ক। বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৮২.
নিচের কোন ব্যক্তির কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
- কার্যভার গ্রহণের পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়।

সাংবিধানিক পদ গ্রহণের পূর্বে শপথ:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানে সাংবিধানিক পদের মূলভিত্তি ১৪৮ অনুচ্ছেদ'র আলোকে ৩য় তফসিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- ৩য় তফসিল অনুযায়ী ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথ গ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- যেখানে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের নাম উল্লেখ নাই।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

উল্লেখ্য,
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী:
- রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ মন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র: - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৮৩.
'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র' সংবিধানের কত নং তফসিলে বর্ণিত হয়েছে?
  1. সপ্তম তফসিল
  2. ষষ্ঠ তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. পঞ্চম তফসিল
সঠিক উত্তর:
সপ্তম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল সমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৮৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. স্পিকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: 
• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৮৫.
সংবিধানের ১৩৪ নং অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন
  2. নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী
  3. কর্মের মেয়াদ
  4. অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত
সঠিক উত্তর:
কর্মের মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মের মেয়াদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৩ - নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী।
অনুচ্ছেদ ১৩৪ - কর্মের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ১৩৫ - অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি।
অনুচ্ছেদ ১৩৬ - কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৩৮৬.
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান- বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে? 
  1. ২৭ নং অনুচ্ছেদ 
  2. ১৭ নং অনুচ্ছেদ 
  3. ৪১ নং অনুচ্ছেদ 
  4. ১১ নং অনুচ্ছেদ 
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদ 
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ, সংবিধান রচনার লক্ষ্যে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, সংবিধান গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধান ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, ১১টি ভাগ এবং ৭টি তফসিল নিয়ে গঠিত, যা দেশের প্রশাসনিক ও আইনগত কাঠামোকে সংজ্ঞায়িত করে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান সুরক্ষা লাভের অধিকারী। 
- এটি নিশ্চিত করে যে, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা অন্য কোনো পরিচয় নির্বিশেষে সবাই আইনের চোখে সমান এবং
- এবং সবাই সমান আইনি সাহায্য ও সুরক্ষা পাবে।

অন্যদিকে, 
• বাংলাদেশের সংবিধানে ১৭ নং অনুচ্ছেদে সকল শিশুর জন্য বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার কথা বলা আছে।

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪১- প্রত্যেক নাগরিককে তাদের নিজস্ব ধর্ম পালন, চর্চা বা প্রচারের অধিকার দেয়, তবে তা জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও অন্যান্য মৌলিক অধিকারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

• অনুচ্ছেদ ১১-তে প্রজাতন্ত্রকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়।
- এতে প্রশাসনের সব স্তরে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের নিশ্চয়তার কথা উল্লেখ আছে।
- যদিও চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এটি বাতিল হয়েছিল তবে পরবর্তীতে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আবার পুনঃস্থাপন করা হয়।

উৎস:
১. বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান;
২. পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৭.
বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়?
  1. ২৩
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৬
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি  সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। 

• সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ:

- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, 
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
 - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবেন; 
 - প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবেন।
 - সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবেন৷ 

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি।
- অনুচ্ছেদ- ২৪: বিশেষ শৈল্পিক কিংবা ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বা তাৎপর্যমন্ডিত স্মৃতিনিদর্শন, বস্তু বা স্থান-সমূহকে বিকৃতি, বিনাশ বা অপসারণ হইতে রক্ষা করিবার জন্য রাষ্ট্র ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷
- অনুচ্ছেদ- ২৬: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৮৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে। এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৮৯.
‘জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে’ সংবিধানের -
  1. ১৩ নং অনুচ্ছেদে
  2. ২৩ক নং অনুচ্ছেদে
  3. ৪৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ১৯ নং অনুচ্ছেদে '‘সুযোগের সমতা’' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ ১৯ নং অনুচ্ছেদ:
- ১৯ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

অন্যদিকে,
- ১৩ নং অনুচ্ছেদে 'মালিকানার নীতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৩ক নং অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৪৩ নং অনুচ্ছেদে গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৯০.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে গনতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ১১
  2. অনুচ্ছেদ- ১২
  3. অনুচ্ছেদ- ১৩
  4. অনুচ্ছেদ- ১৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১
ব্যাখ্যা

• গণতন্ত্র ও মানবাধিকার: 
 অনুচ্ছেদ- ১১: প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে।
 
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১১। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
- অনুচ্ছেদ- ১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৩। মালিকানার নীতি;
- অনুচ্ছেদ- ১৪। কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১৫। মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা;
- অনুচ্ছেদ- ১৬। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব;
- অনুচ্ছেদ- ১৭। অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮। জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৯১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন?
  1. ৯৪নং অনুচ্ছেদ
  2. ৯৫নং অনুচ্ছেদ
  3. ৯৬নং অনুচ্ছেদ
  4. ৯৭নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৯৫নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- সংবিধানের ৯৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শপূর্বক অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন আবু সাদাত মো. সায়েম।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
- ১১ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে তাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৯২.
'অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ' বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ৫১
  2. ৫৩
  3. ৫৪
  4. ৫৫
সঠিক উত্তর:
৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩
ব্যাখ্যা
অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ(৫৩):
৫৩। (১) শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতিকে তাঁহার পদ হইতে অপসারিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে কথিত অসামর্থ্যের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে।
(২) সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে নোটিশ প্রাপ্তিমাত্র স্পীকার সংসদের অধিবেশন আহবান করিবেন এবং একটি চিকিৎসা-পর্ষদ (অতঃপর এই অনুচ্ছেদে "পর্ষদ" বলিয়া অভিহিত) গঠনের প্রস্তাব আহবান করিবেন এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তাব উত্থাপিত ও গৃহীত হইবার পর স্পীকার তৎক্ষণাৎ উক্ত নোটিশের একটি প্রতিলিপি রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণের ব্যবস্থা করিবেন এবং তাঁহার সহিত এই মর্মে স্বাক্ষরযুক্ত অনুরোধ জ্ঞাপন করিবেন যে, অনুরূপ অনুরোধ জ্ঞাপনের তারিখ হইতে দশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি যেন পর্ষদের নিকট পরীক্ষিত হইবার জন্য উপস্থিত হন।
(৩) অপসারণের জন্য প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদানের পর হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর প্রস্তাবটি ভোটে দেওয়া যাইবে না, এবং অনুরূপ মেয়াদের মধ্যে প্রস্তাবটি উত্থাপনের জন্য পুনরায় সংসদ আহবানের প্রয়োজন হইলে স্পীকার সংসদ আহবান করিবেন।
(৪) প্রস্তাবটি বিবেচিত হইবার কালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।
(৫) প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপনের পূর্বে রাষ্ট্রপতি পর্ষদের দ্বারা পরীক্ষিত হইবার জন্য উপস্থিত না হইয়া থাকিলে প্রস্তাবটি ভোটে দেওয়া যাইতে পারিবে এবং সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে তাহা গৃহীত হইলে প্রস্তাবটি গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।
(৬) অপসারণের জন্য প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হইবার পূর্বে রাষ্ট্রপতি পর্ষদের নিকট পরীক্ষিত হইবার জন্য উপস্থিত হইয়া থাকিলে সংসদের নিকট পর্ষদের মতামত পেশ করিবার সুযোগ না দেওয়া পর্যন্ত প্রস্তাবটি ভোটে দেওয়া যাইবে না।
(৭) সংসদ কর্তৃক প্রস্তাবটি ও পর্ষদের রিপোর্ট (যাহা এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুসারে পরীক্ষার সাত দিনের মধ্যে দাখিল করা হইবে এবং অনুরূপভাবে দাখিল না করা হইলে তাহা বিবেচনার প্রয়োজন হইবে না) বিবেচিত হইবার পর সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হইলে তাহা গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হইবে।

অন্যদিকে,
- ৫১। রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- ৫৪। অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- ৫৫। মন্ত্রিসভা।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৯৩.
সংবিধানের কোন অধ্যায় ’মৌলিক অধিকার’ সম্বলিত?
  1. দ্বিতীয় অধ্যায়
  2. পঞ্চম অধ্যায়
  3. চতুর্থ অধ্যায়
  4. তৃতীয় অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৯৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে, অসচ্ছল তথা প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান করা হয়?
  1. ১৯(১) নং
  2. ৩৯ নং
  3. ১৫(ঘ) নং
  4. ১৮ক নং
সঠিক উত্তর:
১৫(ঘ) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫(ঘ) নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫(ঘ) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, অসচ্ছল তথা প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান করা হয়।

সংবিধানের ১৫(ঘ) নং অনুচ্ছেদ:
- সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার৷


অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
- ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ প্রণয়ন করা হয়।
- এ আইন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সংরক্ষণে অনন্য দলিল।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫, ১৭, ২০ এবং ২৯ অনুচ্ছেদে অন্যান্য নাগরিকদের সাথে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমসুযোগ ও অধিকার প্রদান করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ দায়-দায়িত্বের অংশ হিসেবে ২০০৫-০৬ অর্থ বছর হতে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- শুরুতে ১,০৪,১৬৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ২০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদফতর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-০৬ অর্থবছর।

কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রতি পূরণ;
- ২. অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
- ৩. দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
- ৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
- ৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অমত্মর্ভুক্তকরণ।

⇒ ২০২৩-২৪ বাজেটে, ভাতাভোগীর মাসিক ভাতার হার:
- বয়স্ক ভাতাভোগী: ৬০০ টাকা।
- বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতাভোগী: ৫৫০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রীদের মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তির হার: ৯০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৯৫০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৯৫০ টাকা।
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কার্যক্রমে উপকারভোগীর ভাতার হার: ৪০০ টাকা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।
- ১৯(১) নং অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
         ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৩৯৫.
সংবিধান কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন করার বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-  ১৪৭ 
  2. অনুচ্ছেদ- ১৪২
  3. অনুচ্ছেদ- ১৪৫
  4. অনুচ্ছেদ- ১৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১৪২
ব্যাখ্যা

- ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন করার বিধান রয়েছে।

• সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা: 
-  ১৪২ নং:  সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারে।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবে।
- এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
- ১৪১ ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা;
- ১৪১ খ: জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ;
- ১৪১গ: জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ;
- ১৪৫: চুক্তি ও দলিল;
- ১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি;
- ১৪৭: কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৯৬.
সংবিধানের ৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকগণ কী বলে পরিচিত হবেন?
  1. বাংলাদেশী
  2. বাঙালী
  3. বাঙাল
  4. বাংলা
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশী
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের মোট এগারটি ভাগ রয়েছে। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগ প্রজাতন্ত্র -(১-৭খ)।
- অনুচ্ছেদ ৬(১) অনুযায়ী -  বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- অনুচ্ছেদ ৬(২)  অনুযায়ী - বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ।

৩৯৭.
বাংলাদেশে কোন সাংবিধানিক পদে এখনও নিয়োগ দেওয়া হয়নি?
  1. ন্যায়পাল
  2. নির্বাচন কমিশনার
  3. মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
ব্যাখ্যা
ন্যায়পাল:
- স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরের বেশী সময় অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশে এখনও ন্যায়পাল নিয়োগ করা হয় নি। 
- সরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের ঈপ্সিত সেবামূলক কার্যাবলী, জনগণের প্রতি সরকারী কর্মচারীগণের জবাবদিহি ও সর্বোপরি সরকারী প্রশাসনব্যবস্থার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে যথাশীঘ্র ন্যায়পাল পদে নিয়োগদান বাঞ্ছনীয়।
- উপযুক্ত ন্যায়পাল নিয়োগের পর তাঁকে আইনানুগভাবে কাজ করতে দিলে দেশে সরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের দক্ষতা, জবাবদিহি ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৮.
কোনটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. প্রজাতন্ত্র
  2. গণতন্ত্র
  3. সমাজতন্ত্র
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• প্রজাতন্ত্র - বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভূক্ত নয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে।
- ৮নং অনুচ্ছেদে ১নং দফানুসারে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হলো চারটি।

• এগুলো হলো:
- জাতীয়তাবাদ,
- সমাজতন্ত্র,
- গণতন্ত্র ও
- ধর্মনিরপেক্ষতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৯৯.
রাষ্ট্র প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন - এটি সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ১৬
  2. অনুচ্ছেদ - ২৫
  3. অনুচ্ছেদ - ১৪
  4. অনুচ্ছেদ - ১৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

• অনুচ্ছেদ - ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন: 
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র- 

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪০০.
সংবিধান অনুযায়ী মালিকানা কয় ধরনের হয়?
  1. ১১
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
মালিকানার নীতি: বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদের বিধান রয়েছে। মোট ৩ ধরনের মালিকানার কথা উল্লেখ করা আছে।
-উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।