বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

মোট প্রশ্ন৯৩৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

PrepBank · পাতা / ১০ · ২০১৩০০ / ৯৩৬

২০১.
’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২৭
  2. অনুচ্ছেদ-২৯
  3. অনুচ্ছেদ-৩২
  4. অনুচ্ছেদ-৩৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
ব্যাখ্যা

সংবিধান: অনুচ্ছেদ-২৯: ’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’।
- অনুচ্ছেদ ২৯ (১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।
- অনুচ্ছেদ ২৯(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

 এছাড়াও,
- সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে, "সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী"।
- সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে, জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ।
- সংবিধানের ৩৪ নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে, জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ"।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২০২.
সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ৬ জন
  2. ৫ জন
  3. ৮ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সদস্য সংখ্যা ৫ জন। 

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।ি
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ প্রদান করেন।

⇒ বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দীন।
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- অন্য চার নির্বাচন কমিশনার হলেন অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, জেলা ও দায়রা জজ (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুর রহমানেল মাসুদ, যুগ্ম সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) বেগম তহমিদা আহমদ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
২০৩.
সংবিধানের ৩৬নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয় সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. সমাবেশের স্বাধীনতা
  2. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  3. সংগঠনের স্বাধীনতা
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
চলাফেরার স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলাফেরার স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• ৩৬নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে:
-  ৩৮নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা। 
- ৩৭নং অনুচ্ছেদ : সমাবেশের স্বাধীনতা।
- ৪০নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২০৪.
‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকার’ বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আলোচিত হয়েছে?
  1. ১১ নং
  2. ১৭ নং
  3. ১৮ নং
  4. ২১ নং
সঠিক উত্তর:
১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

⇒ সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
- প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে৷
- সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। যেখানে মৌলিক মানবাধিকার, স্বাধীনতার নিশ্চয়তা এবং মানবসত্তার মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে। রাষ্ট্রীয় সকল কাজে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সরকার নির্বাচিত হবে।
- সমাজজীবন হতে সর্বপ্রকার বৈষম্য দূরীভূত করে নাগরিকদের মৌলিক মানবিক অধিকার এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করা হবে।

অন্যদিকে,
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা বিষয়ে বর্ণিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি, বাংলাদেশের সংবিধান, এস এস সি প্রোগ্রাম।

২০৫.
’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৩
  2. অনুচ্ছেদ-২৭
  3. অনুচ্ছেদ-২৯
  4. অনুচ্ছেদ-২৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হবেন না;
- কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁর প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

• সংবিধানের কয়েকটি  অনুচ্ছেদ:
- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
- ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২০৬.
গণভোটের বিধান বিলুপ্ত করে পঞ্চদশ সংশোধনীর কোন ধারা প্রণয়ন করা হয়েছিল?
  1. ৩৭ ধারা
  2. ৪৭ ধারা
  3. ৫৭ ধারা
  4. ৬৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ ধারা
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে থাকা গণভোটের বিধান বিলুপ্তি করে পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৪৭ ধারা করা হয়েছিলো।
- এটিকে সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ উল্লেখ করে বাতিল করে দিয়েছে হাইকোর্ট।
- এর আগে ১৯৯১ সালে হওয়া সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীতে যেভাবে গণভোটের বিধান সংযুক্ত হয়েছিলো সেভাবেই আবার পুনর্বহাল হলো।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
২০৭.
’স্থানীয় শাসন’ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের কোন পরিচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ১ম পরিচ্ছেদ
  2. ২য় পরিচ্ছেদ
  3. ৩য় পরিচ্ছেদ
  4. ৪র্থ পরিচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩য় পরিচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান: 
- সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ ৫টি পরিচ্ছেদ রয়েছে।
- ১ম পরিচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি।
- ২য় পরিচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা,
- ৩য় পরিচ্ছেদ: স্থানীয় শাসন,
- ৪র্থ পরিচ্ছেদ: প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ,
- ৫ম পরিচ্ছেদ: অ্যাটর্নি-জেনারেল।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
২০৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের তফসিল কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ৭টি
  3. ৬টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের তফসিল - ৭টি ।

• বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।

২০৯.
"ধর্মীয় স্বাধীনতা" বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. অনুচ্ছেদ - ৩৬ 
  2. অনুচ্ছেদ - ৩৭ 
  3. অনুচ্ছেদ - ৪১
  4. অনুচ্ছেদ - ৩৯ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৪১
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা
(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে। 
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে ।
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না। 
- জরুরি অবস্থার সময়ও এই বিধানটি রহিত করা যায় না। 

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ৩৬- চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭- সমাবেশের স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

২১০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৪নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৪৩নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৪১নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৪২নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪২নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের দশম ভাগের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- ১৪২নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও -
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে:
তবে শর্ত থাকে যে,
- অনুরুপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হক]ব বলে স্পষ্টরুপে উল্লেখ না থাকলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরুপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন, এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে।

অন্যদিকে:
- ১৪১নং অনুচ্ছেদে জরুরী বিধানাবলী,
- ১৪৩নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি এবং
- ১৪৪নং অনুচ্ছেদে সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব সম্পর্কে উল্লেখ আছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২১১.
সংবিধানের ২৪নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন
  2. উপজাতি
  3. জাতীয় সংস্কৃতি
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ২৪নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু-  জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।

• সংবিধানের ৯নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- জাতীয়তাবাদ।
• সংবিধানের ২৩নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- জাতীয় সংস্কৃতি।
• সংবিধানের ২৩(ক)নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২১২.
'নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ' কোন অনুচ্ছেদের বিষয়?
  1. অনুচ্ছেদ - ২১
  2. অনুচ্ছেদ - ২২
  3. অনুচ্ছেদ - ২৩
  4. অনুচ্ছেদ - ২৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
 - অনুচ্ছেদ ২২: ‘নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ’  - রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে ।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২৪: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২১৩.
’সমাবেশের স্বাধীনতা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৩৭ নং
  2. ৩৬ নং
  3. ৩৫ নং
  4. ৩৩ নং
সঠিক উত্তর:
৩৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭ নং
ব্যাখ্যা
→ ৩৭নং অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতা কথা বলা হয়েছে।

• সমাবেশের স্বাধীনতা:
-
৩৭ নং অনুচ্ছেদে,  জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

• কয়েকটি অনুচ্ছেদ:

- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
- ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
২১৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৪২
  2. ৩৯
  3. ৪০
  4. ৪১
সঠিক উত্তর:
৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪০ নং অনুচ্ছেদে পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। 
• আইনের দ্বারা আরোপিত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে কোন পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের কিংবা কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার জন্য আইনের দ্বারা কোন যোগ্যতা নির্ধারিত হইয়া থাকিলে অনুরূপ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন আইনসঙ্গত পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের এবং যে কোন আইনসঙ্গত কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার অধিকার থাকিবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৩৯- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২১৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৮ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১১ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৭ নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১১ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধানের​ ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

​উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২১৬.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. সংবিধান
  4. আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান
ব্যাখ্যা
• সাংবিধানিক প্রাধান্য:
- সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
- এবং জনগণের পক্ষে ঐসব ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল সংবিধানের অধীনে ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংবিধানে বাংলাদেশের জন্য একটি সর্বোচ্চ আদালত গঠনের ব্যবস্থা করা হয়।
- সুপ্রীম কোর্ট হবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- এই আদালত সংবিধানের প্রাধান্য নিশ্চিত করবে এবং তার স্বাধীনতা সংরক্ষণ করবে।

এছাড়াও,
- সংসদীয় পদ্ধতির সরকার মূল সংবিধানে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী করে।
 - এবং মন্ত্রিপরিষদকে দেশের প্রকৃত শাসক করা হয়।
- মন্ত্রিপরিষদ সকল কাজের জন্য সংসদের নিকট জবাবদিহি করবে।

 উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৭.
সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- 
  1. জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার
  2. সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
  3. সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান
  4. সকল নাগরিকের চাকুরী লাভের সুযোগ
সঠিক উত্তর:
সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ২৮। ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ২৮। (১): কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না। 
- অনুচ্ছেদ: ২৮ (২): রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৯। (১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- অনুচ্ছেদ ২৭। সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
- অনুচ্ছেদ ৩২। আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২১৮.
’বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হবে’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদে-৬(২)
  2. অনুচ্ছেদে-৫(২)
  3. অনুচ্ছেদে- ৫(১) 
  4. অনুচ্ছেদে-৬(১)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে-৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে-৬(২)
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ-৬:  নাগরিকত্ব: 
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- ৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ: ৫(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 
- অনুচ্ছেদ ৫(২) রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২১৯.
সংবিধানে জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের উল্লেখ রয়েছে কোন অংশে?
  1. ভূমিকা
  2. প্রস্তাবনা
  3. তফসিল
  4. তৃতীয় অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনা
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের উল্লেখ রয়েছে প্রস্তাবনা অংশে। 

প্রস্তাবনার অংশবিশেষ: 
 "আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি"

উল্লেখ্য,
- তৃতীয় অধ্যায়ে মৌলিক অধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২২০.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
- স্পিকার সংসদ অধিবেশনের কাজকর্ম পরিচালনা করেন।
- তিনি সভার নিয়মশৃঙ্খলা রক্ষা করেন।
- কোনো সদস্য নিয়মবহির্ভূত আচরণ করলে তাকে সভাধ্যক্ষবরখাস্ত করতে পারেন।
- তিনি অনাস্থা প্রস্তাব, মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব ও নিয়মানুযায়ী দৃষ্টি-আকর্ষণী বিজ্ঞপ্তি সহ বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপনের অনুমতি দেন।
- অধিবেশনে কোন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে তাও স্পিকার স্থির করেন।
- তিনি জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে, রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান: প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার।
- অর্থাৎ, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট।
২২১.
’নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ’- বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২২নং
  2. ২৩নং
  3. ২৯নং
  4. ২৭নং
সঠিক উত্তর:
২২নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২নং
ব্যাখ্যা

• ’নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ’ -বিষয়টি সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
’উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি’ -বিষয়টি সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।
’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ -বিষয়টি সংবিধানের ২৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।
’আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ -বিষয়টি সংবিধানের ২৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২২২.
'ত্রয়ী শাসন' ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন কারা?
  1. সিজার, ব্রুটাস, ক্যাসিয়াস
  2. অক্টেভিয়াস, মার্ক এন্টনি, লেপিডাস
  3. কনস্টানটাইন, জাস্টিনিয়ান, অগাস্টাস
  4. সিজার, অক্টেভিয়াস, কনস্টানটাইন
সঠিক উত্তর:
অক্টেভিয়াস, মার্ক এন্টনি, লেপিডাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্টেভিয়াস, মার্ক এন্টনি, লেপিডাস
ব্যাখ্যা

রোমান সম্রাজ্য:
- জুলিয়াস সিজার ছিলেন প্রাচীন রোমের সবচেয়ে খ্যাতিমান সম্রাট। তাঁর মৃত্যুর পর রোমে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। ৪৪-৪২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত এ যুদ্ধের ব্যাপ্তি ছিল।

- যুদ্ধে জয়ী হয়ে একযোগে ক্ষমতায় আসেন তিন নেতা – অক্টেভিয়াস ‍সিজার, মার্ক অ্যান্টনি এবং লেপিডাস। প্রাচীন রোমে তিনজনের মিলিত এ শাসন ‘ত্রয়ী শাসন’ নামে খ্যাত। ‘ত্রয়ী শাসন’ বেশি দিন টেকেনি।

- ৩১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমান সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে অক্টোভিয়াস সিজার ‘অগাস্টস (প্রথম সম্রাট) সিজার’ উপাধি গ্রহণ করেন। অগাস্টাস সিজারের রাজত্বকালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যীশুখ্রিস্টের জন্ম। রোমের শেষ সম্রাট ছিলেন রোমিউলাস অগাস্টুলাস।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি(উন্মুক্ত)

২২৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৮০নং 
  2. ৮১নং
  3. ৮৭নং
  4. ৯৩নং 
সঠিক উত্তর:
৮১নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১নং
ব্যাখ্যা

৮১। অর্থবিল: 
(১) এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, “অর্থবিল” বলতে সেই সব বিলকে বোঝায়, যেগুলোর মধ্যে কর আরোপ, রদবদল বা মওকুফ, সরকারি ঋণ গ্রহণ বা গ্যারান্টি দেওয়া, সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ ব্যয় বা বরাদ্দ, তহবিলের হিসাব-নিকাশ ও সরকারের আর্থিক দায়দায়িত্বের বিষয় থাকে। এ ছাড়া এসব বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় থাকলেও সেটি অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে।

(২) কোনো জরিমানা, ফি, উসুল বা স্থানীয় সরকারের কর সংক্রান্ত বিষয় থাকলেই কোনো বিলকে অর্থবিল বলা যাবে না—এই কারণে সেটা অর্থবিল হবে না।

(৩) অর্থবিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানোর সময় স্পীকারকে অবশ্যই একটি সনদ দিতে হবে যে, এটি একটি অর্থবিল। এই সনদ চূড়ান্ত হবে, এবং এ বিষয়ে আদালতে কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ ৮০: আইন প্রণয়ন পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

২২৪.
সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি ও সদস্যদের নিয়োগের ক্ষমতা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনুচ্ছেদ ১৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ১৪০
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৮
  4. অনুচ্ছেদ ১৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৮
ব্যাখ্যা
- ১৩৮নং অনুচ্ছেদ সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি ও সদস্যদের নিয়োগের ক্ষমতা সংক্রান্ত। 

কর্ম কমিশন:

- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭-১৪১নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩৭নং ধারায় বলা হয়েছে, 'আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্মকমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেইরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।'
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য-নিয়োগ দেয়া হয়।
(১) প্রত্যেক সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রত্যেক কমিশনের যতদূর সম্ভব অর্ধেক (তবে অর্ধেকের কম নহে) সংখ্যক সদস্য এমন ব্যক্তিগণ হইবেন, যাঁহারা কুড়ি বৎসর বা ততোধিককাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন সময়ে কার্যরত কোন সরকারের কর্মে কোন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

(২) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।

অন্যদিকে: 
অনুচ্ছেদ - ১৩৭: কর্ম কমিশন কমিশন-প্রতিষ্ঠা, 
অনুচ্ছেদ - ১৪০: কমিশনের দায়িত্ব, 
অনুচ্ছেদ - ১৪১: বার্ষিক রিপোর্ট। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২২৫.
 বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বাক-স্বাধীনতা
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. চলাফেরার স্বাধীনতা
  4. সমাবেশের স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
→  বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদ ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা

(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে।
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে ।
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না।
- জরুরি অবস্থার সময়ও এই বিধানটি রহিত করা যায় না।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ ৩৯- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭- সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৬- চলাফেরার স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২২৬.
সংবিধানের কোন তফসিল অনুসারে, প্রধান বিচারপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ পাঠ করান?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি।
- যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার।
• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।
• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্যবৃন্দ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
২২৭.
অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়ে কোন বিভাগে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. নির্বাহী
  2. বিচার
  3. আইন
  4. কর্ম বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ:
অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা। 
অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি। 
অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ। 
অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি জেনারেল। 

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।
২২৮.
”জনস্বাস্থ ও নৈতিকতা” সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৫ নং
  2. ৩৭নং
  3. ১৮নং
  4. ৩৯নং
সঠিক উত্তর:
১৮নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮নং
ব্যাখ্যা
 “জনস্বাস্থ ও নৈতিকতা”  সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

- ২৫ নং অনুচ্ছেদ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক ।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ সমাবেশেরে স্বাধীনতা  বিষয়ক ।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা  বিষয়ক ।

উল্লেখ্য:

সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির  সমন্বয়  একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩ ‍টি।

উৎস
: বাংলাদেশ সংবিধান।
২২৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সর্বাধিনায়কতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৮
  2. অনুচ্ছেদ ৫৯
  3. অনুচ্ছেদ ৬০
  4. অনুচ্ছেদ ৬১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৪৯ - ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৩০.
সংবিধানের কোন অংশগুলো সংশোধনের অযোগ্য?
  1. প্রস্তাবনা
  2. জাতীয় সংগীত
  3. নাগরিকত্ব
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের সংশোধন অযোগ্য: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে বলা হয়:
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা,
- প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ: (অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব, অনুচ্ছেদ ০৪ : জাতীয় সঙ্গীত)
- দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হবে।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
২৩১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অধ্যায় কতটি?
  1. ৭টি
  2. ১৩টি
  3. ১১টি
  4. ৫৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ/অধ্যায়- ১১টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৩২.
বাংলাদেশে সংবিধানের পঞ্চম ভাগ কী সম্পর্কিত?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. আইনসভা
  4. নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগ: সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
২৩৩.
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা-
  1. আইন মন্ত্রণালয়ের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. স্পিকারের
  4. জাতীয় সংসদের
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যা
• আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে — জাতীয় সংসদের।

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ৬৫(১) ধারায় বলা হয়েছে:
"জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে।

• তবে শর্ত থাকে যে,
সংসদের আইন দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
২৩৪.
সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৬
  2. অনুচ্ছেদ ৬৭ 
  3. অনুচ্ছেদ ৬৮ 
  4. অনুচ্ছেদ ৬৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৬
ব্যাখ্যা

সংবিধান: 
- সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণ করে।
- সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ বলে, সংসদে নির্বাচিত হতে হলে একজন প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে.
- এবং বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হতে হবে।
- কিন্তু কোনো ব্যক্তি নির্বাচিত হতে পারবে না, যদি তিনি:
• কোনো আদালত দ্বারা অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা প্রাপ্ত হন,
• দেউলিয়া থাকেন এবং দায় মুক্তি পাননি,
• অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন বা অন্য দেশের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেছেন,
• গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন এবং কারাদণ্ডের পাঁচ বছর পূর্ণ না হয়,
• ১৯৭২ সালের যোগসাজশী মামলায় দণ্ডিত হন, অথবা
• কোনো আইন অনুযায়ী নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
সংবিধানের ৬৭ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানের ৬৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে যদি:
- শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করার ৯০ দিনের মধ্যে তা করতে না পারেন,
- অনুমতি ছাড়া ৯০ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকেন,
- সংসদ ভাঙে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে অযোগ্য হন, বা
- ৭০ নং অনুচ্ছেদের শর্ত পূরণ হয়।
- সদস্য চাইলে স্পীকারের কাছে লিখিতভাবে পদত্যাগ করতে পারবেন, এবং স্পীকার পত্র প্রাপ্ত হলে তার আসন শূন্য ধরা হবে।

সংবিধানের ৬৮ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানের ৬৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ-সদস্যদের পারিশ্রমিক, ভাতা ও বিশেষ অধিকার নির্ধারণ করা হবে সংসদের আইন বা রাষ্ট্রপতির আদেশ অনুযায়ী।

সংবিধানের ৬৯ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানের ৬৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কেউ শপথ গ্রহণের আগে বা অযোগ্য অবস্থায় আসন গ্রহণ বা ভোট দিলে, প্রতি দিনের জন্য এক হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।

উৎস: Laws Of Bangladesh. 

২৩৫.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স -
  1. ২৫ বছর
  2. ২৮ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।

উল্লেখ্য,
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স পঁচিশ বছর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন।
- যেহেতু বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার, তাই স্পিকার হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৩৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘চলাফেরার স্বাধীনতা‘ বিষয়টি উল্লেখ আছে?
  1. ৩৪নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৫ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৬ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চলাফেরার স্বাধীনতা।

এছাড়াও, 
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
২৩৭.
প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে কার নিকট দায়ী থাকিবে?
  1. সুপ্রিমকোর্ট
  2. সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা

• মন্ত্রিসভা সম্পর্কিত বিষয়বলি সংবিধানের ৫৫নং অনুচ্ছেদে উল্লিখিত।

⇒ ৫৫(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।
⇒ ৫৫(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে।
⇒ ৫৫(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
⇒ ৫৫(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে।
⇒ ৫৫(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
⇒ ৫৫(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৩৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে "মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক" সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. নবম ভাগে
  2. অষ্টম ভাগে
  3. সপ্তম ভাগে
  4. ষষ্ঠ ভাগে
সঠিক উত্তর:
অষ্টম ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম ভাগে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
২৩৯.
১৪৬নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন নামে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. বাংলাদেশ সরকার
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ
  4. মামলা করা সম্ভব নয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।

১৪৬নং অনুচ্ছেদ: বাংলাদেশের নামে মামলা: 
"বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৪০.
বাংলাদেশের সংবিধানে কত ধরনের মালিকানা ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. সাত
সঠিক উত্তর:
তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
- বাংলাদেশের সংবিধানে তিন ধরনের মালিকানা ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে: রাষ্ট্রীয়, সমবায়ী এবং ব্যক্তিগত মালিকানা।

- অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও উৎপাদন ও সম্পদের সুষম বণ্টনের লক্ষ্যে এই মালিকানার নীতিগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- রাষ্ট্রীয় মালিকানার মাধ্যমে জনগণের পক্ষে সরকার প্রধান অর্থনৈতিক খাতগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে। 
- সমবায়ী মালিকানায় একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সদস্যরা মিলিতভাবে মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় অংশ নেন।
- ব্যক্তিগত মালিকানা সীমিত পরিসরে স্বীকৃত, তবে তা আইন দ্বারা নির্ধারিত।  

বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

২৪১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার হওয়ার যোগ্যতা ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫২ নং
  2. ৭২(১) নং
  3. ১০৮ নং
  4. ১২২ নং
সঠিক উত্তর:
১২২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদে ভোটার হওয়ার যোগ্যতা ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।

ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
⇒ সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদ:
- ১২২ (১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

- ১২২ (২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থেকে থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব্ রেকর্ড' হবেন এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।
- সংবিধানের ৭২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ৫২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসন সম্পর্কে বলা আছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৪২.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কয়টি তফসিল আছে?
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২৪৩.
’প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ’- এ ঘোষণাটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লিখিত হয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ৭(২)
  2. অনুচ্ছেদ-৭(১)
  3. অনুচ্ছেদ-৫(১)
  4. অনুচ্ছেদ-৫(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৭(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৭(১)
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ ০৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- ৭(১) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।
- ৭(২) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।

অন্যদিকে,
- ৫(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 
- ৫(২) রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৪৪.
সংবিধানের-১৮(ক) অনুচ্ছেদে কী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য
  2.  সম্পত্তির অধিকার।
  3. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
  4. গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি-বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ - ১৮ নং: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- ১৮(১): জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করা হবে।
-  বিশেষত আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
 - ১৮(২):  গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
- ১৮(ক): রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবে।

⇒ অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা কথা বলা হয়েছে।
- ১৬নং গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি-বিপ্লব কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
২৪৫.
সংবিধানের ৩৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. সংগঠনের স্বাধীনতা
  2. সমাবেশের স্বাধীনতা
  3. চলাফেরার স্বাধীনতা
  4. বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ
সঠিক উত্তর:
চলাফেরার স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলাফেরার স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩৩ - গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ - জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৪৬.
রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ৫০ অনুচ্ছেদ
  2. ৫১ অনুচ্ছেদ
  3. ৫২ অনুচ্ছেদ
  4. ৫৩ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫১ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো আইনি দায়বদ্ধতার সম্মুখীন হবেন না।
•  সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি:
১) ফৌজদারি মামলা করা যাবে না:
- রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের বা চালু রাখা যাবে না।
- কোনো আদালত রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারবে না।
২) রাষ্ট্রপতি সরকারি দায়িত্ব পালনকালে দায়মুক্ত থাকবেন:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় কোনো কাজ করলে বা না করলে, সে জন্য তাঁকে কোনো আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না।
- তবে এই দায়মুক্তির বিধান সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তি মামলা দায়েরের অধিকার বাতিল করে না।

• রাষ্ট্রপতি সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৪৮ - রাষ্ট্রপতি।
- অনুচ্ছেদ ৪৯ - ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- ৫২নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৪৭.
ফ্লোর ক্রসিং সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ৬8নং অনুচ্ছেদে
  2. ৬৯নং অনুচ্ছেদে
  3. ৭০নং অনুচ্ছেদে
  4. ৭১নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৭০নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

- ফ্লোর ক্রসিং সংবিধানের ৭০নং অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে?

• সংবিধান:
- ৭০ তম অনুচ্ছেদে ফ্লোর ক্রসিং সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটি সংসদ সদস্যদের নিজের দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া বোঝায়।
- এর মাধ্যমে একজন সংসদ সদস্য যদি নিজ দলের পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের পক্ষে ভোট দেন, এটাকে ফ্লোর ক্রসিং হিসেবে গণ্য করা হয়।

অন্যদিকে: 
- ৬৮নং অনুচ্ছেদে:  সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি, 
- ৬৯নং অনুচ্ছেদে: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড, 
- ৭১নং অনুচ্ছেদে: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা। 

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

২৪৮.
‘গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়ণের ব্যবস্থা’ বিষয়টিকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫
  2. অনুচ্ছেদ ১৬
  3. অনুচ্ছেদ ১৭
  4. অনুচ্ছেদ ১৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ১৬ অনুচ্ছেদে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়নের ব্যবস্থাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- সংবিধানের ১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূর করার জন্য গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়ন, কৃষি বিপ্লব, এবং কুটির শিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশসহ গ্রামাঞ্চলে আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।" 

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৪৯.
বাংলাদেশের সংবিধানে কত ধরণের মালিকানার কথা বলা আছে?
  1. ৪ ধরণের
  2. ৫ ধরণের
  3. ২ ধরণের 
  4. ৩ ধরণের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
ব্যাখ্যা

মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশের সংবিধানে তিন ধরণের মালিকানার কথা বলা আছে।
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই মালিকানাগুলো হলো:
১. রাষ্ট্রীয় মালিকানা
২. সমবায় মালিকানা
৩. ব্যক্তিগত মালিকানা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২৫০.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'চলাফেরার স্বাধীনতা'র কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩৬ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩৮ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৯ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চলাফেরার স্বাধীনতা।

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা: 
জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।

• অন্যদিকে: 
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে কোন খেতাব গ্রহণ করতে পারবে না?
  1. ২১ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২২ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩০ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩০ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৩০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে কোন উপাধি, খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করবেন না।

অন্যদিকে,
- ২১নং অনুচ্ছেদ : নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য।
- ২২নং অনুচ্ছেদ : নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ।
- ২৪নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫২.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট' প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৯৪ নং
  2. ৯৫ নং
  3. ১২২ নং
  4. ১২৩ নং
সঠিক উত্তর:
৯৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪ নং
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।

২৫৩.
সংবিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকগণ কী নামে পরিচিত হবেন?
  1. বাংলাদেশী
  2. বাংলাদেশী নাগরিক
  3. বাঙ্গালী
  4. নাগরিক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নাগরিকতা:
- বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকত্ব আইনের ৬নং ধারা, ১৯৫১ সালে আইন এবং ১৯৮৫ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকতা অর্জন ও বিলোপ নির্ধারিত হয়।

⇒ সংবিধানের ১ম ভাগের প্রজাতন্ত্র ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব
- ৬ (১) নং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- ৬ (২) নং বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী হিসেবে পরিচিত হবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫৪.
'মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ' বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৪২
  3. অনুচ্ছেদ ৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৪
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ ন্যায়পাল সম্পর্কিত?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৭
  2. অনুচ্ছেদ ৭৭
  3. অনুচ্ছেদ ৮৭
  4. অনুচ্ছেদ ৯৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
ব্যাখ্যা
ন্যায়পাল:
৭৭। (১) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন।

ন্যায়পাল পদের মূল উদ্দেশ্য:
- সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজের সমতা, সততা ও স্বচ্ছতা বিধান এবং
- সুনির্দিষ্টভাবে প্রশাসনের যে কোনো ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের গতিবিধির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ।

• Ombudsman শব্দের বাংলা ন্যায়পাল করা হয়েছে।
• ন্যায়পাল এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের ক্ষমতার রাশ টেনে ধরা সম্ভব হয় অর্থাৎ তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫৬.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন গঠিত হয়?
  1. ১৩৭ অনুচ্ছেদ 
  2. ১৩৮ অনুচ্ছেদ 
  3. ১১১ অনুচ্ছেদ
  4. ১৩৯ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৩৭ অনুচ্ছেদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ অনুচ্ছেদ 
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

• বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে:
- ১৩৭ নং: সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- ১৩৮ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ।
- ১৩৯ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ।
- ১৪০ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব।
- ১৪১ নং: সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
১১১ অনুচ্ছেদ হলো:  সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

২৫৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জরুরী-অবস্থা ঘোষণার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪১(ক)
  2. অনুচ্ছেদ ১৪১(খ)
  3. অনুচ্ছেদ ১৪২(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ১৪২(খ)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪১(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪১(ক)
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪২ -  সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৩ - প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৪ - সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ - চুক্তি ও দলিল।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।
- অনুচ্ছেদ ১৪৯ - প্রচলিত আইনের হেফাজত।
- অনুচ্ছেদ ১৫০ - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- অনুচ্ছেদ ১৫১ - রহিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৫২ - ব্যাখ্যা।
- অনুচ্ছেদ ১৫৩ - প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২৫৮.
বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা কে ঘোষণা করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রিসভা
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
জরুরি অবস্থা (Emergency):
- বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা (Emergency) ঘোষণা সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত একটি বিশেষ ব্যবস্থা, যা সাধারণত দেশের নিরাপত্তা বা স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি পরিস্থিতিতে নেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- বাংলাদেশের নিরাপত্তা, যুদ্ধ বা বাহ্যিক আক্রমণ, বা অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা (যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে বিবেচিত) সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- তবে এরূপ ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়।
- জরুরি অবস্থার সময়কালে রাষ্ট্রপতি কিছু সাংবিধানিক অধিকার স্থগিত করতে পারেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের বিষয়বস্তু- 
  1. বিচার বিভাগ
  2. মৌলিক অধিকার
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. কর্ম কমিশন
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

২৬০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জনগণের সেবা করাকে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্তব্য হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
  1. ২০নং 
  2. ১৯(১)নং 
  3. ২১নং 
  4. ২২নং 
সঠিক উত্তর:
২১নং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১নং 
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ: ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য: 
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷  
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য। 

অন্যদিকে,
- ১৯(১) নং অনুচ্ছেদ : সকল নাগরিকের জন্যে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।
- ২২ নং অনুচ্ছেদ : নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২০ নং অনুচ্ছেদ : অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

২৬১.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি
  2. জরুরি অবস্থার ঘোষণা
  3. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
  4. আন্তর্জাতিক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু হলো সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধন করতে হলে জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়। 

⇒ ১৪২ নং অনুচ্ছেদ:
- এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও—
(ক) সংসদের আইন দিয়ে এই সংবিধানের যেকোনো অংশ যোগ করা, বদলানো, নতুন করে লেখা বা বাদ দেওয়ার মাধ্যমে সংশোধিত হতে পারবে:
তবে শর্ত আছে যে,
(অ) এমন সংশোধনির জন্য আনা কোনো বিলের পুরো শিরোনামে এই সংবিধানের কোনো অংশ সংশোধন করা হবে বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে সেই বিলটি আলোচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাস না হলে এমন কোনো বিল রাষ্ট্রপতির কাছে সম্মতির জন্য পাঠানো যাবে না;
(খ) উপরোক্ত উপায়ে কোনো বিল পাস হয়ে সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হলে, পাঠানোর সাত দিনের মধ্যে তিনি সেই বিলে সম্মতি দিতে হবে, এবং তিনি তা করতে না পারলে সেই সময়ের শেষে তিনি সম্মতি দিয়েছেন বলে গণ্য হবে।]

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৬২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০
  2. অনুচ্ছেদ ১১
  3. অনুচ্ছেদ ১২
  4. অনুচ্ছেদ ১৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১০ - সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১১ - গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
- অনুচ্ছেদ ১২ - ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ১৩ - মালিকানার নীতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪ - কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৫ - মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- অনুচ্ছেদ ১৬ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- অনুচ্ছেদ ১৮ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- অনুচ্ছেদ ১৮(ক) - পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২৬৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার চতুর্থ ভাগের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা
  2. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
  3. শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. মূলনীতি গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৬৪.
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকদের 'বাংলাদেশী' হিসেবে পরিচয়ের স্বীকৃতি কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদে- ৬(১)
  2. অনুচ্ছেদে- ৭(১)
  3. অনুচ্ছেদে- ৬(২)
  4. অনুচ্ছেদে- ৭(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে- ৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে- ৬(২)
ব্যাখ্যা

• নাগরিকত্ব:
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- ৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- ৭(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷ 
 - ৭(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে৷

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৬৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫১
  2. অনুচ্ছেদ ৫২
  3. অনুচ্ছেদ ৫৩
  4. অনুচ্ছেদ ৫৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৪৬ - দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৭ - কতিপয় আইনের হেফাজত।
- অনুচ্ছেদ ৪৭(ক) - সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৮ - রাষ্ট্রপতি।
- অনুচ্ছেদ ৪৯ - ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২৬৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিধান রয়েছে কতটি পদের জন্য?
  1. ৭টি 
  2. ৮টি 
  3. ৯টি 
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৯টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। 

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। (Link) 

২৬৭.
বাংলাদেশের সংবিধানে অনুচ্ছেদ কতটি?
  1. ১৫১ ‍টি
  2. ১৫৩ ‍টি
  3. ১৪৭ ‍টি
  4. ১৫২ ‍টি
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ‍টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ‍টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির সমন্বয় একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩ ‍টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফুল ইসলাম।

২৬৮.
’বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট’ গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ৯৪
  2. অনুচ্ছেদ- ৬৬
  3. অনুচ্ছেদ- ৪৮
  4. অনুচ্ছেদ- ৬৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৯৪
ব্যাখ্যা

’বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট’:  
- অনুচ্ছেদ ৯৪(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হবে।
- ৯৪(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।- - ৯৪ (৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৬৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে কোন পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেনা?
  1. ২৪নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩০নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩২নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৪নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩০নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ সংবিধানের ৩০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে কোন উপাধি, খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করবেন না।

অন্যদিকে,
- ২৪নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।
- ৩২নং অনুচ্ছেদ : জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
- ৩৪নং অনুচ্ছেদ : জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৭০.
’প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত তথ্য’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-১০২
  2. অনুচ্ছেদ-১০৮
  3. অনুচ্ছেদ-১১৯
  4. অনুচ্ছেদ-১১৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ-১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ।
- অনুচ্ছেদ-১১৭(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ
- (ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;
- (খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;
- (গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের 1[(৩)] দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-১০২। কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা;
- অনুচ্ছেদ-১০৮। "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট;
- অনুচ্ছেদ-১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৭১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ২৯ (২)
  2. ২৮ (২)
  3. ৩৯ (১)
  4. ৩৯ (২)
সঠিক উত্তর:
২৮ (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ (২)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায় হচ্ছে - মৌলিক অধিকার বিষয়ক।
- এই অধ্যায়ের অন্তর্গত ২৮ (২) অনুচ্ছেদটি নারী-পুরুষের সমতা বিষয়ক।

অনুচ্ছেদ - ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য - 
(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ - ২৯ (২): 
কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।

অনুচ্ছেদ - ৩৯ (১): 
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

অনুচ্ছেদ - ৩৯ (২): 
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৭২.
জনগণের মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিলের বিষয়ে বলা হয়েছে বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ২৬নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৭নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৮নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৯নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৬নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।

সংবিধানের ২৬ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগ মৌলিক অধিকরের শুরুতেই ২৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন করা যাবে না।
- আর যদি করা হয়, তবে তা স্বতঃসিদ্ধভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী পূর্বেকার সকল আইন সাংবিধানিকভাবে অবৈধ।

অন্যদিকে: 
২৭নং অনুচ্ছেদ - আইনের দৃষ্টিতে সমতা। 
২৮নং অনুচ্ছেদ -  ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
২৯নং অনুচ্ছেদ - সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

২৭৩.
'শপথ ও ঘোষণা' সংবিধানের কত নং তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান তফসিল:  
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

• তফসিলসমূহ-
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৭৪.
সংবিধানের কোন ভাগে মূলনীতিগুলো বর্ণিত হয়েছে?
  1. প্রথম
  2. চতুর্থ
  3. দ্বিতীয়
  4. তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতগুলো মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নীতিগুলো রাষ্ট্র শাসনের মূলসূত্র।
- মূল সংবিধানের 'দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি শিরোনামে ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি হলো:
• জাতীয়তাবাদ,
• সমাজতন্ত্র,
• গণতন্ত্র ও
• ধর্মনিরপেক্ষতা।

এছাড়াও,
⇒ সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৭৫.
According to which article of the constitution a state of emergency can be declared?
  1. 140 A
  2. 140 B
  3. 141 A
  4. 141 B
  5. 142
সঠিক উত্তর:
141 A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
141 A
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১৪০ - কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪১ - বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪২ - সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৩ - প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৪ - সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ - চুক্তি ও দলিল।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।
- অনুচ্ছেদ ১৪৯ - প্রচলিত আইনের হেফাজত।
- অনুচ্ছেদ ১৫০ - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- অনুচ্ছেদ ১৫১ - রহিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৫২ - ব্যাখ্যা।
- অনুচ্ছেদ ১৫৩ - প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৭৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. ১৪১ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৪২ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৪৩ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৪৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের বিধান উল্লেখ রয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, সংসদের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে অনুমোদিত হলে সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ সংশোধন, সংযোজন বা রহিত করা যেতে পারে।

অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের দশম ভাগের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- ১৪২নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও -
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে:

তবে শর্ত থাকে যে,
- অনুরুপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হক]ব বলে স্পষ্টরুপে উল্লেখ না থাকলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরুপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন, এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে।

অন্যদিকে, 
- ১৪৩নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি, 
- ১৪১নং অনুচ্ছেদে জরুরী বিধানাবলী,
- ১৪৪নং অনুচ্ছেদে সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব সম্পর্কে উল্লেখ আছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৭৭.
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সর্বোচ্চ আইনগত পরামর্শ প্রদান ও প্রধান আইন কর্মকর্তার দায়িত্ব কে পালন করে থাকেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. আইন সচিব
  4. আইন উপদেষ্টা
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল: 
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক ও প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। সাধারণত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মধ্য থেকে সরকার তাকে নিয়োগ দেয়। এ পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি হন। তাকে যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা সহায়তা করেন।

উল্লেখ্য,
-মো. আসাদুজ্জামান বর্তমানে বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
-তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, এবং রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতা অনুযায়ী তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।

২৭৮.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ ছাড়া করতে পারে?  
  1. জরুরি অবস্থা ঘোষণা
  2. সংসদ অধিবেশন আহ্বান
  3. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  4. সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 
- এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।
- সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।

- ৫৬(৩): যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।
- ৯৫(১): প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৭৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৭ (ক)
  2. অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
  3. অনুচ্ছেদ ৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭খ:
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হবে।]

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগ:

- অনুচ্ছেদ ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম।
- অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী।
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৭ক:সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
- অনুচ্ছেদ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৮০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫২
  2. অনুচ্ছেদ ৫৩
  3. অনুচ্ছেদ ৫৪
  4. অনুচ্ছেদ ৫৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৩
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২৮১.
সংবিধানের ৭২নং অনুচ্ছেদ অনুসারে জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন কে?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• সংসদ অধিবেশন:
- ৭২ (১) নং অনুচ্ছেদে, সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করবেন করবেন।
- এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময়  স্থান নির্ধারণ করবেন।
- (২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হবে।
- (৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

২৮২.
সংবিধানের ৩৪নং অনুচ্ছেদের সাথে সম্পর্ক রয়েছে কোনটির? 
  1. সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা
  2. আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
  3. জবরদস্তি শ্রম
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
জবরদস্তি শ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবরদস্তি শ্রম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- তফসিল আছে ৭টি।

সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- অনুচ্ছেদ ৩৪ (১), ৩৪ (২ ক) অনুযায়ী সকল প্রকার জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ।
- এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হলে তা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।
- তবে ফৌজদারি অপরাধের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

এছাড়াও,
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা,
- ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার,
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৮৩.
রেফারেন্ডাম সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৪৮ নং
  2. ১৪২ নং
  3. ৫৬ নং
  4. রেফারেন্ডামের কোন অনুচ্ছেদ নেই
সঠিক উত্তর:
রেফারেন্ডামের কোন অনুচ্ছেদ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেফারেন্ডামের কোন অনুচ্ছেদ নেই
ব্যাখ্যা
গণভোট (Referendum):
- আক্ষরিক অর্থে গণভোট বলতে জনগণের কাছে উপস্থাপিত করা (refer to the people)-কে বোঝায়।
- আইনসভার দ্বারা প্রণীত আইনকে ভোটের মাধ্যমে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করার জন্য জনসাধারণের কাছে উপস্থাপিত করাকে বলে গণভোট (Referendum)।
- অর্থাৎ গণভোট হল এমন এক উপায় বা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোন একটি আইন চূড়ান্তভাবে গৃহীত হওয়ার আগে জনসাধারণের মতামত নেওয়া হয়।
- সংবিধানে গণভোট (Referendum) সংক্রান্ত কোনো অনুচ্ছেদ নেই।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের সুনির্দিষ্ট নিয়ম বা পদ্ধতি উল্লেখিত রয়েছে।
- সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তন এবং গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নে গণভোটের বিধান রয়েছে, তবে চাইলেই যেকোন বিষয়ে গণভোট করা যায় না।
- সংবিধানের ৮, ৪৮, ৫৬, ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে গণভোট প্রয়োজন হবে, তবে অন্য অনুচ্ছেদগুলো সংশোধন করতে এর প্রয়োজন নেই। 

উল্লেখ্য,
- গণভোটের বিধান নিয়ে রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী মাধ্যমে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান যুক্ত করা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান বাদ দেওয়া হয়।
- এ ছাড়া জনমত বা জন- আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ৮, ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদ অসংশোধনযোগ্য ঘোষণা করা হয়, যা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোবিরোধী এবং অসংগতিপূর্ণ। তাই পঞ্চদশ সংশোধনী আইন, ২০১১-এর ৪৭ ধারার মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে গণভোটের বিধান বাতিল করাকে বাতিল ঘোষণা করা হলো। ফলে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদে যুক্ত করা গণভোটের বিধান পুনরুদ্ধার হলো।

উৎস: i) গণভোট আইন, ১৯৯১।
ii) Surendranath Evening College।
২৮৪.
জাতীয় সংসদে কে কাস্টিং ভোট প্রদানের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে থাকেন?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. বিরোধীদলীয় নেতা
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা

⇒ সংসদের কার্যপ্রণালী, কোরাম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদে সংসদের কার্যপ্রণালী, কোরাম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ বিষয়ে বলা হয়েছে:
১. কার্যপ্রণালী-বিধি:
- সংসদ তার কার্যপ্রণালী-বিধি প্রণয়ন করবে। তবে, বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি প্রণীত বিধি অনুযায়ী সংসদের কার্যক্রম চলবে।
২. সিদ্ধান্ত গ্রহণ:
- সংসদে উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
- সভাপতি সাধারণত ভোট দেবেন না, তবে সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।
৩. কার্যধারা বৈধতা:
- কোনো সদস্যপদ শূন্য থাকা, বা কোনো ব্যক্তির সংসদে উপস্থিতি বা কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও, তা সংসদের কার্যধারাকে অবৈধ করবে না।
৪. কোরাম:
- যদি সংসদে উপস্থিত সদস্যের সংখ্যা ৬০-এর কম হয় এবং সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহলে তিনি বৈঠক স্থগিত বা মুলতবী করবেন, যতক্ষণ না ৬০ জন সদস্য উপস্থিত হন।

⇒ অনুচ্ছেদ ৭৫:- কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
- (খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করবেন না কিন্তু সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।

উল্লেখ্য,
⇒ সংসদে সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি হলেন স্পিকার।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো স্পিকারের সভাপতিত্ব।
- স্পিকার শুধু সভাপতিত্বকারী নন, তিনি পার্লামেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও।
- তাঁর কর্তৃত্ব সবাই মেনে চলেন ও শ্রদ্ধা করেন।
- স্পিকারকে পার্লামেন্টের অভিভাবক বলা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৮৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অ্যাটর্নি-জেনারেল' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬১
  2. অনুচ্ছেদ ৬৪
  3. অনুচ্ছেদ ৬৭
  4. অনুচ্ছেদ ৭০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৪
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬০: স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১: সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২: প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩: যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮: সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৮৬.
নিম্নোক্ত কোন অনুচ্ছেদে 'জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের স্থগিতের কথা বলা হয়েছে? 
  1. ৩৭
  2. ২৭
  3. ৪১
  4. ১৪১
সঠিক উত্তর:
১৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১
ব্যাখ্যা

সংবিধান - 
সংবিধানের ১৪১(খ) উপ দফায় জরুরি অবস্থার সময় সরকারকে সংবিধানে উল্লিখিত কিছু মৌলিক অধিকার রহিত করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদ : চলাফেরার স্বাধীনতা
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ : সমাবেশের স্বাধীনতা
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা
- ৩৯ নং স্বাধীনতা : চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ : সম্পত্তির অধিকার।

সূত্র -  বাংলাদেশ সংবিধান।

২৮৭.
’বাংলাদেশের নামে মামলা’ কথাটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ১৪৩ নং
  2. ১৪৬ নং
  3. ১৫০ নং
  4. ১৩৭ নং
সঠিক উত্তর:
১৪৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান: 
 - সংবিধানের ১৪৬ নং অনুচ্ছেদে ’বাংলাদেশের নামে মামলা’ কথাটি বর্ণিত রয়েছে।
- "বাংলাদেশ"- এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।
-  এটি  একাদশ ভাগে বিবিধ রয়েছে। 

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদে ১৩৭: সরকারী কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদে ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদে ১৪৪: সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব,
- অনুচ্ছেদে ১৪৫:  চুক্তি ও দলিল,
- অনুচ্ছেদে ১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি,
- অনুচ্ছেদে১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা,
- অনুচ্ছেদে ১৪৮: পদের শপথ।
- অনুচ্ছেদে১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
২৮৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনা কয়টি?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
একটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

সংবিধানের প্রস্তাবনা:
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।

এগুলো হলো:
→ ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
→ ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
→ ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
→ ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
→ ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান
২৮৯.
'আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে এটি বর্ণিত আছে?
  1. ১৭ নং
  2. ১৯ নং
  3. ২১ নং
  4. ২৭ নং
সঠিক উত্তর:
২৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৭ নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- ১৯ নং অনুচ্ছেদ: সুযোগের সমতা,
- অনুচ্ছেদ ২১ নং: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯০.
সংবিধানের সপ্তম ভাগে কোন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. বিচার বিভাগ
  2. মৌলিক অধিকারসমূহ
  3. মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক
  4. নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচনের কথা রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

২৯১.
বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা (Preamble), ১১টি অধ্যায়, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ (Articles) ও ৭টি তফসিল (Schedule) সন্নিবেশিত রয়েছে।

সংবিধানের ১১টি ভাগের বিষয়াবলি:
- সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান। 
২৯২.
প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি সম্পর্কে বলা আছে -
  1. অনুচ্ছেদ ১৪২
  2. অনুচ্ছেদ ১৪১
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
২৯৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'বিচারকের পদের মেয়াদ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৫
  2. অনুচ্ছেদ ৯৬
  3. অনুচ্ছেদ ৯৭
  4. অনুচ্ছেদ ৯৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৬
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপীল বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৪ - আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ।
- অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯৪.
সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ হবেন?
  1. আপীল বিভাগের বিচারকের মধ্যে যে কোন একজন
  2. রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে যাকে দায়িত্ব দিবেন তিনি
  3. হাইকোর্ট বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
  4. আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
ব্যাখ্যা

অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
- প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হলে, বা তিনি অনুপস্থিত, অসুস্থ, বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে রাষ্ট্রপতি সন্তুষ্ট হলে—
- আপীল বিভাগের বিচারকদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে কর্মে প্রবীণ, তিনি অস্থায়ীভাবে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
- নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত বা বর্তমান প্রধান বিচারপতি তাঁর দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।

২৯৫.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করতে হবে, তা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ৪ (১)
  2. ৪ক
  3. ৫ (১)
  4. ১৭
সঠিক উত্তর:
৪ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ক
ব্যাখ্যা
• জাতির পিতার প্রতিকৃতি:
→ ৪ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সকল সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করত হবে।

অপরদিকে, 
→ ৪ (১) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের।
→ ৫ (১) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - রাজধানী সর্ম্পকে।
→ ১৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা সর্ম্পকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯৬.
’অর্থবিল’ সম্পর্কিত বিধানাবলী সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখিত আছে?
  1. ৮৬ নং
  2. ৮১নং
  3. ৮০ নং
  4. ৮৭ নং
সঠিক উত্তর:
৮১নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদ অর্থবিল সম্পর্কিত।

• অর্থবিল:
৮১(১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
- কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
- সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
- সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
- সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
- সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
- উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

৮১(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না।

৮১(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

অন্যদিকে,
৮০। আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি
৮৬। প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ।
৮৭। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৯৭.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. ১১৩ নং
  2. ১১৪ নং
  3. ১১৬ নং
  4. ১১৭ নং
সঠিক উত্তর:
১১৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭ নং অনুচ্ছেদের ১ এবং ২ নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা সন্নিবেশিত হয়েছে।

বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বিচারবিভাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে। যথা:
• ১ম পরিচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ: ৯৪ - ১১৩];
• ২য় পরিচ্ছেদ: অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ: ১১৪ থেকে ১১৬];
• ৩য় পরিচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ: ১১৭]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯৮.
সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. বিচার বিভাগ
  2. আইনসভা
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. মৌলিক অধিকার
সঠিক উত্তর:
মৌলিক অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক অধিকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯৯.
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ২২ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২৮ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকবার যোগ্য হবেন না, যদি
- কোন উপযুক্ত আদালত তাঁকে অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষণা করেন,
- তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হবার পর দায় হতে অব্যাহতি লাভ না করে থাকেন;
- তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
- তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হয়ে থাকে;
- তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে থাকেন;
- আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা
- তিনি কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।
 
• যেহেতু সংসদের সংখ্যা গরিষ্ঠ দলের সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, তাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩০০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন?
  1. ৭২(১)
  2. ৭৩
  3. ৭৩(ক)
  4. ৭৪ 
সঠিক উত্তর:
৭২(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২(১)
ব্যাখ্যা

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের - ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি।
- তবে এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করবেন।
- নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে ও নতুন বছরের অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণদান করেন।
- রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে আলোচনা হয়।
- সময়ে সময়ে রাষ্ট্রপতি সংসদে বাণী প্রেরণ করেন।
- তিনি সংসদ মুলতবি রাখতে পারেন এবং প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শে তিনি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- সংবিধানে বর্ণিত কয়েকটি পরিস্থিতিতে যেমন — রাষ্ট্রপতির অভিশংসন এর ক্ষেত্রে স্পিকার সংসদ আহ্বান করতে পারেন।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ: ৭৩(ক) - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ: ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।