• ‘আমাকে কি মাল্য দেবে দাও’ কবিতাটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।
---------------------------------
• কবিতা- আমাকে কি মাল্য দেবে দাও।
• কবি- নির্মলেন্দু গুণ।
"তোমার পায়ের নিচে আমিও অমর হব,
আমাকে কী মাল্য দেবে দাও।
এই নাও আমার যৌতুক, এক বুক রক্তের প্রতিজ্ঞা।
ধুয়েছি অস্থির আত্মা শ্রাবণের জলে, আমিও প্লাবন হব,
শুধু চন্দনচর্চিত হাত একবার বোলাও কপালে।
আমি জলে
স্থলে
অন্তরীক্ষে উড়াব গাণ্ডীব,
তোমার পায়ের কাছে নামাবো পাহাড়।
আমিও অমর হব, আমাকে কী মাল্য দেবে দাও"।
-------------------------
• ‘আমাকে কি মাল্য দেবে দাও’:
- ‘আমাকে কি মাল্য দেবে দাও’ কবিতাটি নির্মলেন্দু গুণের রচনা।
- এটি মূলত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও একুশে ফেব্রুয়ারির প্রেক্ষাপটে রচিত।
- কবিতায় শহীদদের আত্মত্যাগ, বীরত্ব ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে।
- কবিতায় “মাল্য” প্রদানের মাধ্যমে শহীদদের বীরত্বকে সম্মান জানানো হয়েছে।
-----------------------------------
• নির্মলেন্দু গুণ:
- নির্মলেন্দু গুণ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় কবি।
- তিনি ১৯৪৫ সালে নেত্রকোণার বারহাট্টার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর ডাকনাম ছিল রতন।
- তাকে “বাংলাদেশের কবিদের কবি” হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- তাঁর কবিতায় প্রেম, বিপ্লব, গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রা, সমাজের বাস্তবতা এবং রাজনৈতিক চেতনা গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
- কবিতা ছাড়াও তিনি অনুবাদকৃত কবিতা এবং ছোটগল্প রচনা করেছেন।
• তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে-
- প্রেমাংশুর রক্ত চাই,
- না প্রেমিক না বিপ্লবি,
- চাষাভূষার কাব্য,
- নিশিকাব্য।
• তাঁর অনুবাদকৃত কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
- রক্ত আর ফুলগুলি,
- তোহু,
- রাজনৈতিক কবিতা।
• তাঁর উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প-
- অন্তর্জাল,
- আপনদলের মানুষ।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
দৈনিক ইনকিলাব;
বাংলাপিডিয়া।