বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ১২৬ · ৬০১৭০০ / ১২,৬০৫

৬০১.
'কোনো দেওয়ানি আদালত তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করবে না।'- উক্ত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারায় (আর্থিক এখতিয়ার) সম্পর্কে বলা আছে-
অন্যত্র বর্ণিত সুস্পষ্ট বিধানসমূহ ছাড়া এই আইনের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার (যদি থাকে) বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।

Section 6: Pecuniary Jurisdiction-
Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
৬০২.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে তামাদি (limitation) কখন শুরু হয়?
  1. প্রথমবার চুক্তিভঙ্গ হলে
  2. চুক্তি সম্পাদনের দিন থেকে
  3. চুক্তিভঙ্গ চলমান থাকলে প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
  4. চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গ চলমান থাকলে প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গ চলমান থাকলে প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
ব্যাখ্যা

 The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

৬০৩.
বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কোন কার্যক্রমের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন?
  1. রিভিউ
  2. আপিল
  3. দণ্ড কার্যকর
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুসারে, বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন। অর্থাৎ কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে তা জানাবেন।

• তামাদি আইন,১৯০৮ সালের ১ম তফসিলের বিধি ১৫০ অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মৃত্যুদণ্ড আদেশের বিরুদ্ধে রায়ের ৭ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে।

Section 371- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application. Case of person sentenced to death

 ⇒ On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a case under Chapter XX, be given free of cost. 

⇒ When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
৬০৪.
দেওয়ানি মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের রায়ের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, যেকোনো দেওয়ানী আদালতের নিকট দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
রিভিউ: কোনো আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনক্রমে সেই আদালত কর্তৃক পুনরায় বিবেচনা করাকে রিভিউ বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ আদেশে এ সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে।সকল রায় বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ করা যায় না। তবে-
(ক) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে কিন্তু আপিল করা হয়নি,
(খ) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না, এবং
(গ) স্বল্প এখতিয়ার আদালতের রেফারেন্স অনুযায়ী গৃহীত সিদ্ধান্ত এর বিরুদ্ধে রিভিউ এর আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা:
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।

উল্লিখিত প্রশ্নে যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে ঐ আদালতে রায়ের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
৬০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ অনুসারে, তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের নিকট বিবৃতি দিলে তা লিপিবদ্ধ করা হলে বিবৃতিদাতা কী করবেন?
  1. বিবৃতিতে স্বাক্ষর করবেন
  2. বিবৃতিটি সংশোধন করবেন
  3. বিবৃতিটি প্রত্যাখ্যান করবেন
  4. বিবৃতিতে স্বাক্ষর করবেন না
সঠিক উত্তর:
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করবেন না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-
(১) তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয়, তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না;
-এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না:
তবে শর্ত এই যে, যে ব্যক্তির বিবৃতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, তাকে সরকার পক্ষের সাক্ষী হিসাবে তলব করা হলে উক্ত লিখিত বিবৃতি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ১৬২: পুলিশকে প্রদত্ত বিবৃতি স্বাক্ষরিত হবে না; ওই বিবৃতির ব্যবহার প্রমাণে:
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্তের সময় পুলিশের কাছে কোনো ব্যক্তি যে বিবৃতি প্রদান করবে, সেটি যদি লিখিত আকারে নথিবদ্ধ করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি তা স্বাক্ষর করবেন না; এবং এমন কোনো বিবৃতি বা তার কোনো অংশ, যা পুলিশ-ডায়েরি বা অন্য কোন নথিতে লেখা রয়েছে, তা কোনো তদন্ত বা বিচারে (এখানে প্রদত্ত কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া) কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
প্রকৃতপক্ষে, যদি কোনো সাক্ষী যে বিবৃতি দিয়েছে এবং যার বিবৃতি লিখিত আকারে নেওয়া হয়েছে, তাকে অভিযুক্ত পক্ষের দ্বারা উক্ত বিচারে বা অনুসন্ধানে উপস্থিত করা হয়, তবে আদালত অভিযুক্তের অনুরোধে ওই লিখিত বিবৃতি পর্যালোচনা করবে এবং সেই বিবৃতির একটি কপি অভিযুক্তকে প্রদান করবে, যাতে কোনো অংশ যদি যথাযথভাবে প্রমাণিত হয় তবে তা সেই সাক্ষীকে পরিপন্থীভাবে প্রশ্ন করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন প্রমাণ আইন, ১৮৭২, ধারা ১৪৫ অনুযায়ী। যখন সেই বিবৃতির কোনো অংশ ব্যবহৃত হয়, তখন সেই অংশের একটি অংশ আবার সাক্ষীর পুনঃপরীক্ষণেও ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র তার পাল্টা-প্রশ্নে উল্লিখিত বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করার জন্য:
এছাড়া, আদালত যদি মনে করেন যে, বিবৃতির কোনো অংশ তদন্ত বা বিচারের বিষয়ে প্রাসঙ্গিক নয় বা অভিযুক্তের প্রতি তার প্রকাশ অপ্রয়োজনীয় এবং জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাহলে আদালত সে সম্পর্কে তার মতামত রেকর্ড করবে (কিন্তু এর জন্য কোনো কারণ প্রকাশ করবে না) এবং সে অংশকে অভিযুক্তকে প্রদত্ত বিবৃতির কপি থেকে বাদ দেবে।

(২) এই ধারার কোনো কিছু ১৮৭২ সালের প্রমাণ আইন, ধারা ৩২, উপধারা (১) বা ১৮৭২ সালের প্রমাণ আইন, ধারা ২৭-এ উল্লিখিত বিবৃতির ওপর প্রযোজ্য হবে না।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-162: Statements to police not to be signed; use of such statements in evidence:
(1) No statement made by any person to a police officer in the course of an investigation under this Chapter shall, if reduced into writing, be signed by the person making it; nor shall any such statement or any record thereof, whether in a police-diary or otherwise, or any part of such statement or record, be used for any purpose (save as hereinafter provided) at any inquiry or trial in respect of any offence under investigation at the time when such statement was made:

Provided that, when any witness is called for the prosecution in such inquiry or trial whose statement has been reduced into writing as aforesaid, the Court shall on the request of the accused, refer to such writing and direct that the accused be furnished with a copy thereof, in order that any part of such statement, if duly proved, may be used to contradict such witness in the manner provided by section 145 of the Evidence Act, 1872. When any part of such statement is so used, any part thereof may also be used in the re-examination of such witness, but for the purpose only of explaining any matter referred to in his cross-examination:

Provided, further that, if the Court is of the opinion that any part of any such statement is not relevant to the subject matter of the inquiry or trial or that its disclosure to the accused is not essential in the interests of justice and is inexpedient in the public interests, it shall record such opinion (but not the reasons therefor) and shall exclude such part from the copy of the statement furnished to the accused.

(2) Nothing in this section shall be deemed to apply to any statement falling within the provisions of section 32, clause (1), of the Evidence Act, 1872 or to affect the provisions of section 27 of that Act.
৬০৬.
বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ কোন শর্তে বাংলাদেশে বিচারযোগ্য?
  1. যদি অপরাধ গুরুতর হয়
  2. যদি তা আন্তর্জাতিক আদালতে যায়
  3. যদি অপরাধী বাংলাদেশি নাগরিক হয়
  4. যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করে
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধী বাংলাদেশি নাগরিক হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধী বাংলাদেশি নাগরিক হয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৪ ধারা এবং ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৮ ধারার অনুযায়ী, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ বাংলাদেশে বিচারযোগ্য হয় যদি:
- অপরাধ বাংলাদেশী নাগরিকের দ্বারা সংঘটিত হয়, অথবা
- বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে যেকোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটন করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:
- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক;
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
- ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়:
যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

৬০৭.
আদেশ ৪০ বিধি ১ এর অধীন আদালত কোন শর্তে রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. সরকারের অনুমতিতে
  2. ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক মনে হলে
  3. মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের আবেদন সাপেক্ষে
  4. আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল থাকলে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক মনে হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক মনে হলে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি ১- রিসিভার নিয়োগ:
(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া-
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরূপ ভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।

৬০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে?
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. তৃতীয় তফসিল
  3. দ্বিতীয় তফসিল
  4. প্রথম তফসিল
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ১৮৯৮ সালের আইনে মোট পাঁচটি তফসিল ছিল, যার মধ্যে প্রথম তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে।
- বর্তমানে কার্যকর রয়েছে চারটি তফসিল।
- প্রথম তফসিলটি বাতিল হওয়ার ফলে বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট চারটি তফসিল রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিলসমূহ:
→ প্রথম তফসিল: বর্তমানে বাতিল। 
→ দ্বিতীয় তফসিল: আমলযোগ্য/অযোগ্য অপরাধ ও জামিন সংক্রান্ত বিধান।
→ তৃতীয় তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা।
→ চতুর্থ তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা।
→ পঞ্চম তফসিল: বিভিন্ন ফরমের ফরম্যাট।

সুতরাং, প্রথম তফসিলটি বাতিল হওয়ায় বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট চারটি তফসিল রয়েছে।
৬০৯.
দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুসারে, অবৈধ অবরোধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারায় উল্লেখ আছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে, তাহলে তাকে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে তিন বছর পর্যন্ত দণ্ডিত করা যাবে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 344- Wrongful confinement for ten or more days:
 Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

৬১০.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে সাক্ষী উত্তর প্রদানে বাধ্য?
  1. মামলা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশ্ন করলে
  2. সাক্ষীর পরিচয় আবিষ্কার করার উদ্দেশ্যে উপস্থাপিত প্রশ্ন
  3. সাক্ষীকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করতে পারে এমন মামলা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ১৪৬ ধারায় উল্লেখিত জেরায় যে সকল প্রশ্ন করা আইনসম্মত হয়, উক্তরূপ কোন প্রশ্ন যদি এমন বিষয় সম্পর্কিত হয়, যা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমা বা কার্যক্রমের সাথে প্রাসঙ্গিক, তবে সেক্ষেত্রে ১৩২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে।

⇒ কারণ ১৩২ ধারায় বিধান করা হয়েছে, জেরায় যে সকল প্রশ্ন করা আইনসম্মত এরূপ প্রশ্নের উত্তর সাক্ষীকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করবে এই অজুহাতে উত্তর দান করা হতে সাক্ষীকে অব্যাহতি দেওয়া যায় না। অর্থাৎ তিনি উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে।
৬১১.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলার ক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত না থাকলে, কবে থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে?
  1. চুক্তি কার্যকরের তারিখ হতে
  2. চুক্তি সম্পাদনের তারিখ হতে
  3. অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে
  4. চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের কোন মামলায় যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে শুরু হবে।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৩:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা দায়েরর তামাদির মেয়াদ ১১৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে- ১ বছর - যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে শুরু হবে।
৬১২.
'ক' ও 'খ' কর্তৃক দায়েরকৃত  চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলার  'গ' কে পক্ষভুক্ত করা হলে 'গ' এর তামাদির মেয়াদ কখন শুরু হবে?
  1. ক যখন মামলা দায়ের করেছিল তখন থেকে
  2. ক যখন আরজি দাখিল করেছিল তখন থেকে
  3. গ কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছিল তখন থেকে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
গ কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছিল তখন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছিল তখন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২২ ধারা অনুসারে মামলা দায়েরের পর যদি কোনো নতুন বাদী বা বিবাদী যুক্ত বা প্রতিস্থাপিত হয়, তবে তাদের ক্ষেত্রে মামলাটি সেই তারিখ থেকে দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে যখন তারা পক্ষ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।

তামাদি আইন ১৯০৮,ধারা ২২,নূতন বাদী বা বিবাদীকে কাহারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করিবার ফলাফল:
উপধারা-(১) যেইক্ষেত্রে মামলা দায়ের করিবার পর নূতন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কাহারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেইক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হইয়াছে, তাহার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
উপধারা-(২) যেইক্ষেত্রে মামলা মুলতবী থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাহাকেও পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেইক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেইক্ষেত্রে ১ উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।
------------------
⇒ The Limitation Act 1908, Section 22, Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.

৬১৩.
'Character as affecting damages' এর বিধান আছে কত ধারায়?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৫২ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে (Character as affecting damages)- সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারামতে দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ Character as affecting damages:
Section 55. In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
 
⇒ Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
৬১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত শতাংশ সুদ মামলার খরচের উপর আদালত দিতে পারে?
  1. ৬%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২০%
সঠিক উত্তর:
৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Civil Procedure Code, 1908) এর ধারা ৩৫(৩) অনুযায়ী "আদালত মামলার খরচের উপর সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হারে সুদ দিতে পারবে, এবং এই সুদ খরচের অংশ হিসাবে আদায়যোগ্য হবে।"
- সুতরাং, সঠিক উত্তর ক) ৬%।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ ধারা- মোকদ্দমার খরচ:
১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।
২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে, মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।
৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 35. Costs:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, and to the provisions of any law for the time being in force, the costs of and incident to all suits shall be in the discretion of the Court, and the Court shall have full power to determine by whom or out of what property and to what extent such costs are to be paid, and to give all necessary directions for the purposes aforesaid. The fact that the Court has no jurisdiction to try the suit shall be no bar to the exercise of such powers.
(2) Where the Court directs that any costs shall not follow the event, the Court shall state its reasons in writing.
(3) The Court may give interest on costs at any rate not exceeding six per cent. per annum, and such interest shall be added to the costs and shall be recoverable as such.
৬১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৭ অনুযায়ী, চুক্তি রদ করার আর্জি কে করতে পারেন?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. আদালত
  4. চুক্তির স্বার্থ সংশ্লিষ্ট তৃতীয় ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) বাদী।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা অনুযায়ী, বাদী (Plaintiff) যিনি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা করেছেন, তিনি বিকল্পভাবে আদালতের কাছে চুক্তি রদের জন্য আবেদন করতে পারেন।
- এই ধারা অনুসারে, বাদী যদি দেখতে পান যে চুক্তি কার্যকর করা সম্ভব নয়, তাহলে তিনি বিকল্পভাবে চুক্তি রদের জন্য প্রার্থনা করতে পারেন।
এছাড়া, যদি আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকর করতে অস্বীকার করে, তাহলে আদালত চুক্তিটি রদের আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------  
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৬১৬.
যদি কোন শিশুর দেহের অংশ মাতৃগর্ভ থেকে নিষ্ক্রান্ত হওয়ার পর হত্যা করা হয়, তবে সেটি কী ধরনের অপরাধ হবে?
  1. সাধারণ হত্যা
  2. দুর্ঘটনা
  3. শাস্তিবিহীন নরহত্যা
  4. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সেই কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ১:
যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ২:
যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:
মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
৬১৭.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৪ ধারায় কোন দলিলসমূহকে “সরকারি দলিল” বলা হয়েছে?
  1. ব্যক্তিগত দলিল
  2. ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
  3. বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নথি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান- সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৬১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা অনুসারে, চুক্তির বৃহত্তর অংশটির জন্য আদালত কী ধরনের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. চুক্তি বাতিল
  2. সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  4. নতুন চুক্তি সম্পাদন
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান: কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

The Specific Relief Act, 1877, Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
৬১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচারিক কর্মকর্তাকে দেওয়ানী প্রক্রিয়ায় গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৩২ ধারায়
  2. ১৩৫ক ধারায়
  3. ১৩৫ ধারায়
  4. ১৩৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৫ ধারার বিধান: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:-
১) কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।
------------
⇒ CPC Section: 135. Exemption from arrest under civil process:
(1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court. 
 
(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal. 
 
(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
৬২০.
আসামীকে রিমান্ডে পাঠানোর সর্বোচ্চ মেয়াদ কতদিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

৬২১.
দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জালিয়াতি
  2. বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ
  3. অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. গর্ভপাত সংঘটন
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৫ ধারা "Criminal Breach of Trust" বা "অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ"-এর সংজ্ঞা প্রদান করে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি কারো সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পায়, এবং সেই দায়িত্বপূর্ণ সম্পত্তি অসাধুভাবে (dishonestly) আত্মসাৎ করে, অথবা আইনের নির্দেশ বা কোনো চুক্তির বিরুদ্ধে গিয়ে তা ব্যবহার বা বিতরণ করে, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে সে কাজ করতে দেয় তাহলে সে ব্যক্তি "অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের" অপরাধে দোষী বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনোভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 405- Criminal breach of trust:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
৬২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় কোন পদ্ধতিতে মামলা দায়ের করা যায়?
  1. FIR এর মাধ্যমে
  2. আদালতে হাজির হওয়ার মাধ্যমে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে
  4. অভিযুক্ত সহ হাজির হওয়ার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
FIR এর মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FIR এর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে সেটা পুলিশ থানায় একটি এফআইআর (First Information Report) দায়ের করা যায়। এফআইআর হলো সেই অপরাধের প্রাথমিক তথ্য যা পুলিশকে অপরাধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়।

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি নালিশ/কমপ্লেইন দায়ের করতে পারেন। এই নালিশের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় পুলিশের নিকট এফআইআর মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়।
৬২৩.
সুখাধিকার ভোগের গণনার ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী কত বছরের মধ্যে সমাপ্ত ২০ বছর বিবেচনা করা হবে?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।

(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

৬২৪.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal conspiracy) সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে দণ্ডবিধির কত নং ধারায়?
  1. ধারা ১২০
  2. ধারা ১২০ক
  3. ধারা ১২০খ
  4. ধারা ১২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২০ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে [criminal conspiracy] কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে [to do a legal act by illegal means] সম্মত হয়, তখন উক্ত ব্যক্তিরা 'অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র' করেছে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।

শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

৬২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানমতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন মুচলেকা বাতিল করতে পারেন?
  1. ১২২ ধারা
  2. ১২৩ ধারা
  3. ১২৫ ধারা
  4. ১২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারার বিধান: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁহার নিজ জেলায় তাঁর আদালতের উচ্চ নহে এরূপ আদালতের আদেশ কর্তৃক এই অধ্যায়ের বিধানমতে সম্পাদিত শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের কোন মুচলেকা যথেষ্ট পরিমাণ হেতু থাকলে তা লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ে অকার্যকর করতে পারবেন।

-------------
♦ Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
Section 125. The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
৬২৬.
ফৌজদারি মামলায় কোন স্বীকারোক্তি (Confession) গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. কর্তৃপক্ষের প্রভাব থাকলে
  2. সুবিধা বা ক্ষতি এড়ানোর আশায় হলে
  3. ভয়, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে হলে
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, একটি স্বীকারোক্তি (Confession) অগ্রহণযোগ্য হবে যদি—
- কর্তৃপক্ষের ব্যক্তি (Person in authority) দ্বারা প্রভাবিত হয় (যেমন: পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট),
- কোনো সুবিধা পাওয়া বা শাস্তি এড়ানোর লোভ/ভয় (Temporal advantage/evil) থাকে,
- প্রলোভন, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি (Inducement, threat, promise)-এর ভিত্তিতে দেওয়া হয়।
উপরের তিনটি কারণই স্বীকারোক্তিকে অগ্রহণযোগ্য করে তোলে। তাই সঠিক উত্তর "ঘ) উপরের সবগুলোই"।

সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা - প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি, যখন ফৌজদারি কার্যবিধিতে অপ্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো আসামী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন এবং আদালত মনে করেন যে, এই স্বীকারোক্তি কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আসামীকে লাভ বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানোর জন্য প্রদান করা হয়েছে, তবে সেই স্বীকারোক্তি ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রাসঙ্গিক হবে না।
----------
⇒The Evidence Act, 1872, Section- 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding: 
- A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
৬২৭.
যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত ৫ বছরের অধিক কারাদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল হবে ________।
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. আপীল বিভাগে
  4. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
৬২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কত বছরের কম বয়সের কোনো শিশুর অপরাধ (মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করতে পারেন?
  1. ১২ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ১৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।

৬২৯.
"Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, ________________."
  1. temporary and perpetual
  2. mandatory or perpetual
  3. mandatory and temporary
  4. temporary or perpetual
সঠিক উত্তর:
temporary or perpetual
উত্তর
সঠিক উত্তর:
temporary or perpetual
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 52. Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 
-----------
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) হলো সর্বত্তোম পন্থা।
৬৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর অধীন বেদখল হওয়া সম্পত্তি থেকে দখলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য, দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ২০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬৫

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর অধীন বেদখল হওয়া সম্পত্তি থেকে দখলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য দরখাস্ত বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে - ৩০ দিন এর মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৬৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৭ অনুযায়ী, পুলিশ হেফাজতে সর্বোচ্চ কত দিন আসামিকে রাখা যেতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৭(২) অনুযায়ী, যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে সময় সময় হেফাজতে রাখার আদেশ দিতে পারেন, তবে পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের বেশি হতে পারবে না
অর্থাৎ, যেকোনো পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে রাখা যাবে সর্বোচ্চ ১৫ দিন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮–এর ধারা ১৬৭(২) অনুযায়ী কোনো আসামিকে পুলিশ হেফাজতে সর্বমোট ১৫ দিনের বেশি রাখা যাবে না।
- এই ১৫ দিন একবারে নাও হতে পারে; তা ভেঙে ভেঙে দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু সব মিলিয়ে ১৫ দিনের সীমা অতিক্রম করা যাবে না।
- ১৫ দিনের পর যদি আরও আটক রাখার প্রয়োজন হয়, তখন পুলিশ হেফাজত নয়, বিচারিক হেফাজত (জেল কাস্টডি) দেওয়া হবে।

৬৩২.
এক মোকদ্দমায় আদালত ঘোষণামূলক রায় প্রদান করেছে। এই ঘোষণামূলক রায় কার উপর বাধ্যকর হবে?
  1. শুধুমাত্র মামলার পক্ষদের উপর
  2. শুধুমাত্র পক্ষদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর
  3. মামলার পক্ষ এবং পক্ষদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর
  4. ঘোষণামূলক রায় কারো উপর বাধ্যকর নয়
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ এবং পক্ষদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ এবং পক্ষদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

এই ধারায় বলা হয়েছে যে,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);

অর্থাৎ, ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।
৬৩৩.
পেনাল কোডের কোন অধ্যায়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)। গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম: দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ, তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি, চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ, পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা, পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র, ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ, ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ, সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
♦পেনাল কোডের ষষ্ঠ অধ্যায় অধ্যায়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
৬৩৪.
“Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it” – এই বিধান কোন ধারার?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯-এর মূল বিধানই হলো: “Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it.”
- অর্থাৎ একবার তামাদির মেয়াদ শুরু হয়ে গেলে পরবর্তীতে কোনো অক্ষমতা (যেমন: নাবালক হওয়া, পাগল হওয়া, দেশের বাইরে থাকা ইত্যাদি) দিয়ে সেই মেয়াদ আর বন্ধ বা স্থগিত হবে না।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তী কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
--------
⇒ The Limitation Act, 1908- Section 9:- Continuous running of time:
-Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:

Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

৬৩৫.
তদন্তের সময় তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে তা ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুসারে করা হয়?
  1. ধারা ১৬৫
  2. ধারা ৯৯
  3. ধারা ১০০
  4. ধারা ১৬১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
ব্যাখ্যা
• তদন্তের সময় তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৫ অনুযায়ী কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের সময় যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করেন যে-
অপরাধ সম্পর্কে তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় কোন জিনিস কোন স্থানে পাওয়া যাবে এবং অহেতুক বিলম্ব ব্যতীত অন্য কোনভাবে উক্ত জিনিস সংগ্রহ করা যাবে না,তখন উক্ত কর্মকর্তা তার এরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করে উক্ত থানার সীমানার মধ্যে অবস্থিত যে কোন স্থানে সেই জিনিসের জন্য তল্লাশি করবেন বা করাবেন।

• তিনি যদি নিজে তল্লাশি,পরিচালনা করতে অসমর্থ হন তাহলে তার অধস্তন কোন কর্মকর্তাকে তল্লাশি করতে বলবেন।
• ১০২ ও ১০৩ ধারায় বর্ণিত তল্লাশি সম্পর্কিত সাধারণ বিধানসমূহ যথাসম্ভব এই ধারানুসারে পরিচালিত তল্লাশির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
৬৩৬.
কোনো সম্পত্তির ________ জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে তামাদি আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
  1. স্বত্ত্ব প্রাপ্তির
  2. দখল প্রাপ্তির
  3. বিক্রয়ের
  4. মালিকানার
সঠিক উত্তর:
দখল প্রাপ্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল প্রাপ্তির
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৬৩৭.
Which Article of The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 governs the term of the Bar Council?
  1. Article 3
  2. Article 4
  3. Article 5
  4. Article 6
সঠিক উত্তর:
Article 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 4
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 4:
Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.

অনুচ্ছেদ ৪ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে,
বার কাউন্সিলের মেয়াদকাল হবে তিন বছর যা বার কাউন্সিলের নির্বাচনের পরবর্তী জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে গণনা করা হবে; এবং প্রতিটি মেয়াদের শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ তাদের পদ হারাবেন।
৬৩৮.
প্রথম তফসিলের ১৫৪ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত
  2. জেলা জজ আদালতে দেওয়ানি আপিলের সাধারণ সময়সীমা সংক্রান্ত
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত
  4. হাইকোর্ট ভিন্ন অন্য যেকোনো ফৌজদারি আপিল আদালতে আপিল সংক্রান্ত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ভিন্ন অন্য যেকোনো ফৌজদারি আপিল আদালতে আপিল সংক্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ভিন্ন অন্য যেকোনো ফৌজদারি আপিল আদালতে আপিল সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫৪

১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ভিন্ন যে কোন আদালতে আপিল 
তামাদি- ৩০ দিন
সময় গণনা শুরু- যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
৬৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  2. ঘোষণামূলক প্রতিকার
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা 
  4. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা

বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে প্রতিকার প্রদানে আদালত আইনত বাধ্য নয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা  প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারায় পাওয়া প্রতিকারগুলো পক্ষগণের অধিকার।তাই ৮ ও ৯ ধারার অধীনে স্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।

৬৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(৩) ধারা অনুযায়ী, Rule Committee-এর সদস্যদের কে নিয়োগ করেন?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(৩) ধারা অনুযায়ী, রুল কমিটির সদস্যদের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন এবং তিনি কমিটির একজন সদস্যকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করেন।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১২৩(৩) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে: "The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice"
- অর্থাৎ, রুল কমিটির সদস্যগণ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।এছাড়াও প্রধান বিচারপতি কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে সভাপতিও নিয়োগ করেন।

রুল কমিটির (Rule Committees) গঠন:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারা অনুসারে, রুল কমিটি গঠিত হয়—
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, যাদের মধ্যে অন্তত একজন ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছেন।
- ২ জন আইনজীবী, যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক, যিনি উচ্চ আদালতের অধীনস্থ।
এই সমস্ত সদস্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি নিজেও চাইলে কমিটির সদস্য হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি কমিটির সভাপতি হবেন।
- সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুসারে রুল কমিটির সদস্যদের নিয়োগের দায়িত্ব একমাত্র প্রধান বিচারপতির।

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 123. Constitution of Rule Committees.
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted for the purpose referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee.
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.

৬৪১.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোন অপরাধের ক্ষেত্রে পাঁচ জনের কম সদস্য থাকে?
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. বেআইনি সমাবেশ
  4. দাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।
⇒ দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
-দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে সঠিক উত্তর (খ)। দস্যুতার ক্ষেত্রে ৫ জনের কম সদস্য থাকে।
৬৪২.
ধারা ১৪ এর অধীন কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত-
  1. চুক্তির অসম্পাদিত অংশ পুনরায় যাচাই করবে
  2. সম্পূর্ণরূপে পুনঃচুক্তি করবে
  3. চুক্তির সামগ্রিক মূল্য পুনঃনির্ধারণ করবে
  4. অসম্পাদিত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে
সঠিক উত্তর:
অসম্পাদিত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসম্পাদিত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে-
কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।

১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
৬৪৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী, কে সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারে?
  1. সম্পত্তির দাবীদার যেঁ কেউ
  2. দখলদার নয় এমন তৃতীয় পক্ষ
  3. কেবলমাত্র প্রকৃত মালিক
  4. দখলের অধিকারী পক্ষ
সঠিক উত্তর:
দখলের অধিকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখলের অধিকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

৬৪৪.
‘B’ একজন রাজস্ব কর্মকর্তা, যিনি সরকারি টাকা সংরক্ষণের জন্য অর্পিত। তিনি সেই টাকা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে নিয়ে নেন। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যিনি সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের জন্য অর্পিত হয়েছেন, সেই সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তর করলে তা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘B’ একজন রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি টাকা সংরক্ষণের জন্য অর্পিত ছিলেন এবং তা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে নিয়েছেন, যা ধারা ৪০৫-এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪০৯ অনুসারে, সরকারি কর্মচারী হিসেবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘B’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৯ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা অনুযায়ী,
‘যে ব্যক্তি তার সরকারি কর্মচারীজনিত ক্ষমতার বা একজন ব্যাংকার, বণিক, আড়তদার, দালাল, অ্যাটর্নি বা প্রতিভূ হিসাবে তাহার ব্যবসায় ব্যাপদেশে যে কোনও প্রকারে কোনও সম্পত্তি বা কোনও সম্পত্তির ওপর আধিপত্যের ভারপ্রাপ্ত হইয়া সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেন, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।’
------- 
⇒The Penal Code, 1860- Section 409- Criminal breach of trust by public servant, or by banker, merchant or agent:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property in his capacity of a public servant or in the way of his business as a banker, merchant, factor, broker, attorney or agent, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৬৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮০-এর অধীনে অর্থদণ্ড না দিলে সর্বোচ্চ কতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ৪৮০ অনুযায়ী আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা অর্থদণ্ড বা অর্থদণ্ড না দিলে সর্বোচ্চ ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
 -------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid. 

৬৪৬.
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় করে যা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর, তার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ৩,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় করে যা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর, তার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড ১,০০০ টাকা হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৬৪৭.
"এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় ব্যয়িত সময় গণনা থেকে বাদ দিতে হবে" এটি তামাদি আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১১
  4. ধারা ১৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সমুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হবে:
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, বাদী কোনো আদিম বা আপিল আদালতে বিবাদির বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানী কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাইতে থাকে। তবে সেক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যেই আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করিবার ক্ষমতা সম্পন্ন নহে, সেই আদালতে যদি সদবিশ্বাসে উহা দায়ের করা হইয়া থাকে, তবে শেষোক্ত কার্যক্রমে যেই সময় ব্যয়িত হয়, প্রথমোক্ত মামলার মেয়াদ গণনা হইতে তাহা বাদ দিতে হইবে।
যথাযথ সতর্কতা ও সচেষ্ট প্রয়োগ সত্ত্বেও একজন যুক্তিবান ও পরিণামদর্শী মানুষের পক্ষে যেইধরনের ভুল হওয়া স্বাভাবিক, শুধুমাত্র ঐ ধরনের ভুলের ব্যাপারে জড়িত মামলার ক্ষেত্রেই এইধারার বিধান অনুসারে সুবিধাদান করা যাইতে পারে। নিম্নতর আপিল আদালত যেইক্ষেত্রে যথাযথভাবে অত্র ধারার আওতায় উহার স্ববিচার ক্ষমতা প্রয়োগ করে, সেক্ষেত্রে হাইকোর্ট উহাতে হস্তক্ষেপ করিয়া থাকে না।
আপিলের জন্য সময় গণনাকালে অত্র ধারাটি প্রয়োগ ঘটে না। তবে ইহার যুক্তিযুক্ত মূলনীতি এবং এই ধারায় ভাবিত পরিস্থিতি যথাসময়ে আপিল উপস্থাপন করিবার জন্য ৫ ধারার অর্থ অনুসারে পর্যাপ্ত কারণ হিসাবে সাধারণত গ্রাহ্য হইতে পারে।
-----------------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-14: Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.

Explanation I - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted.
Explanation II - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.
Explanation III - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction.
৬৪৮.
একজন সরকারি কর্মচারী আইনত ব্যবসায় জড়িত না থাকার বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও যদি তিনি ব্যবসায় জড়িত হন, তবে এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধের আওতায় পড়ে?
  1. ১৬৭ ধারা
  2. ১৬৮ ধারা
  3. ১৬৯ ধারা
  4. ১৭০ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৮ ধারা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১৬৮ ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী যদি আইনত ব্যবসায় জড়িত না থাকার বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও ব্যবসা পরিচালনা করেন, তাহলে এটি একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
এই অপরাধের শাস্তি হলো:
- সর্বোচ্চ ১ বছর মেয়াদে সাধারণ কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

অন্য অপশনগুলো:
- ১৬৭ ধারা: সরকারি কর্মচারীর দ্বারা বেআইনি রিপোর্ট প্রদান সংক্রান্ত।
- ১৬৯ ধারা: সরকারি কর্মচারীর বেআইনি সম্পত্তি ক্রয় সংক্রান্ত।
- ১৭০ ধারা: সরকারি কর্মচারী হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দেওয়ার অপরাধ সংক্রান্ত।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-168. Public servant unlawfully engaging in trade: 
Whoever, being a public servant, and being legally bound as such public servant not to engage in trade, engages in trade, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৬৪৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে কোন বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. আপীল দায়ের
  2. মোকদ্দমা দায়ের
  3. দরখাস্ত দায়ের
  4. রিভিশন দায়ের
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিল তিনটি বিভাগে বিভক্ত, যেখানে প্রতিটি বিভাগ বিভিন্ন ধরনের আইনি কার্যক্রমের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বা তামাদির মেয়াদ (limitation period) নির্ধারণ করেছে।
- প্রথম বিভাগ (First Division):
এখানে উল্লেখ আছে "Limitation for Filing Suits" — অর্থাৎ মোকদ্দমা দায়েরের সময়সীমা। এই বিভাগে অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত মোকদ্দমা দায়েরের বিভিন্ন বিষয় যেমন: চুক্তি, জমি সংক্রান্ত মামলা, পাওনা আদায়, মালিকানা দাবি ইত্যাদি ক্ষেত্রে তামাদির সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তাই, প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগ সরাসরি মোকদ্দমা দায়ের-এর সময়সীমা বা তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করে।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৩টি বিভাগ:
১) প্রথম বিভাগ (First Division):
→ মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Suits)
- এই বিভাগের অধীনে ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
২) দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
→ আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Appeals)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত বিভিন্ন আপীলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
৩) তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
→ বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Applications and Petitions)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিভিন্ন দরখাস্ত বা পিটিশনের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
৬৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৩ অনুসারে, বাদী ও বিবাদী উভয় অনুপস্থিত থাকলে কী হবে?
  1. নতুন সমন জারি হবে
  2. মামলা খারিজ হবে
  3. মামলা মুলতবি থাকবে
  4. আদালত একতরফা রায় দিবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৩ (Order IX, Rule 3): Where neither party appears, suit to be dismissed:
"Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed."
অর্থাৎ, শুনানির জন্য মামলা ডাকা হলে যদি বাদী ও বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে আদালত মামলা খারিজ (dismissed) করার আদেশ দিতে পারেন।

৬৫১.
"প্রাথমিক সাক্ষ্য হল মূল দলিল বা নথি যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়"— এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬২ ধারা
  3. ৬৪ ধারা
  4. ৬৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৬২ ধারা অনুযায়ী প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) হল মূল দলিল বা নথি যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

৬২ ধারার সংজ্ঞা:
"Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court."
অর্থাৎ, যে কোনো মূল দলিল বা নথি যদি সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তবে সেটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
প্রাথমিক সাক্ষ্যের কিছু বৈশিষ্ট্য:
- এটি মূল দলিল বা নথির সরাসরি উপস্থাপনা।
- এটি দলিল বা নথির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ।
- যখন কোনো দলিল একাধিক খণ্ডে থাকে, তখন প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
- যদি কোনো দলিলের একাধিক প্রতিলিপি (Copy) থাকে এবং তা একাধিক পক্ষের মধ্যে সম্পাদিত হয়, তবে প্রতিটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 62. Primary evidence:
Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court.
Explanation 1.-Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document.
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it.
Explanation 2.-Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original.

Illustration
A person is shown to have been in possession of a number of placards, all printed at one time prove one original. Any one of the placards is primary evidence of the contents of any other, but no one of them is primary evidence of the contents of the original.
৬৫২.
কোন মামলায় যে কোন পক্ষে একজনের অধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, মামলা পরিচালনার অধিকার থাকবে-
  1. অ্যাডভোকেট যিনি সর্বপ্রথম নিযুক্ত
  2. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
  3. যিনি পক্ষ কর্তৃক মনোনীত অ্যাডভোকেট
  4. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যে কোন একজন
সঠিক উত্তর:
নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette]  ১ম অধ্যায় আইনজীবীদের পারস্পরিক আচরণ[Conduct with regard to other Advocates] বিধি ১১ এর বিধান যদি কোন মামলায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে অধিকার বলে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উক্ত মামলা পরিচালনা করবে এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী তাকে সহযোগিতা করবে।
অর্থাৎ কোন মামলায় একপক্ষে একাধিক আইনজীবী নিয়োজিত হলে, সেই ক্ষেত্রে জৈাষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবে।
---------------------
Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.
৬৫৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক-এর অধীনে বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর প্রধান কর্তব্য কী?
  1. সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সাহায্য করা
  2. আদালতকে সাহায্য করা
  3. নিজস্ব মতামত গোপন রাখা
  4. অপরাধের প্রতিবেদন সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ, শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষী দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৬৫৪.
ডাকাতি করার প্রস্তুতি হিসেবে অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই ঘটনা প্রাসঙ্গিক?
  1. ৭ ধারায়
  2. ৮ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

• The Evidence Act, 1872-এর Section 8 অনুযায়ী, কোনো ঘটনার প্রস্তুতি (Preparation), অভিপ্রায় (Motive) এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। এখানে অপরাধী ডাকাতি করার জন্য পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল, যা প্রস্তুতির প্রমাণ, সুতরাং এটি Section 8-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।

৬৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী আদালত সমন অমান্যের জন্য অনধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ২০০
  2. ৫০০
  3. ১০০০
  4. ১০০
সঠিক উত্তর:
৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।
--------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
৬৫৬.
অতিরিক্ত দায়রা জজ কোন আপীল শুনানী করবেন?
  1. যেকোনো আপীল
  2. শুধুমাত্র দায়রা জজের অনুমোদিত আপীল
  3. শুধুমাত্র সরকারের নির্দেশিত আপীল
  4. দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি:
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।

শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
৬৫৭.
'ক' একটি বিল অব এক্সচেঞ্জে নিজের নাম স্বাক্ষর করে। তার উদ্দেশ্য, বিলটিতে নিজের নাম স্বাক্ষর করে তা একই নামের অপর একজন ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি করবে। 'ক' _________ করেছে।
  1. প্রতারণা
  2. মানহানি
  3. জালিয়াতি
  4. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: জালিয়াতি।

দণ্ডবিধির ধারা ৪৬৪: মিথ্যা দলিল তৈরি-
একজন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈরি করে বলে গণ্য হবে, যদি সে নিচের যেকোনো এক বা একাধিক উপায়ে কাজ করে:

প্রথমতঃ
যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে বা প্রতারণার মাধ্যমে কোনো দলিল বা দলিলের অংশ নিজে তৈরি করে, স্বাক্ষর করে, সীল দেয় বা কার্যকর করে বা এ ধরনের কোনো চিহ্ন তৈরি করে, যাতে এটি বিশ্বাসযোগ্য হয় যে উক্ত দলিলটি এমন একজন ব্যক্তি দ্বারা বা তার অনুমতিতে তৈরি, স্বাক্ষরিত, সীলযুক্ত বা কার্যকর হয়েছে—যার দ্বারা বা অনুমতিতে এটি বাস্তবে করা হয়নি, বা যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, সে সময় এটি করা হয়নি—তাহলে এটি মিথ্যা দলিল তৈরি।

দ্বিতীয়তঃ
যে ব্যক্তি আইনানুগ কর্তৃত্ব ছাড়া, অসৎ বা প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে, নিজের বা অন্য কারো দ্বারা তৈরি করা একটি দলিলে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অংশে বদল বা পরিবর্তন করে (যেমন কেটে দেওয়া বা যোগ করা), তা সে ব্যক্তি জীবিত হোক বা মৃত—তাও মিথ্যা দলিল তৈরি হিসেবে গণ্য হবে।

তৃতীয়তঃ
যে ব্যক্তি কারো মানসিক ভারসাম্যহীনতা, মাতলামি বা প্রতারণার কারণে তাকে বুঝতে না দিয়েই দলিলে স্বাক্ষর, সীল বা পরিবর্তন করায়—তবুও এটি মিথ্যা দলিল তৈরির অপরাধ।

ব্যাখ্যা ১:
একজন ব্যক্তি যদি নিজের নামেই স্বাক্ষর করেন, তবুও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সেটি জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য হতে পারে।

উদাহরণ (ক):
A একটি বিল অব এক্সচেঞ্জে নিজের নামেই স্বাক্ষর করে, এই উদ্দেশ্যে যে, যেন লোকে মনে করে বিলটি অন্য একজন (যার নাম A-এর সঙ্গে মিলে যায়) তৈরি করেছে। এইভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে নিজের নাম ব্যবহার করায়, A জালিয়াতি করেছে।
৬৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করেন?
  1. ১৪৪ ধারায়
  2. ১৪৫ ধারায়
  3. ১৪৬ ধারায়
  4. ১৪৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
৬৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, দায়রা আদালতে চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে অপরাধ স্বীকার করা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয় কোন ধারা অনুসারে?
  1. ধারা ২৬৫ক
  2. ধারা ২৬৫ঘ
  3. ধারা ২৬৫চ
  4. ধারা ২৬৫ঙ
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৫ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৫ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী দায়রা আদালতে বিচার সংক্রান্ত ধারাগুলোর মধ্যে ধারা ২৬৫ঘ (Section 265D) বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারায় বলা হয়েছে—
“When a charge has been framed, the charge shall be read and explained to the accused and the accused shall be asked whether he pleads guilty or claims to be tried.”
- অর্থাৎ, চার্জ গঠনের সময়, বিচারক: অভিযোগ পড়ে শোনাবেন এবং ব্যাখ্যা করবেন। এরপর অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবেন— সে অপরাধ স্বীকার করে কিনা।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
৬৬০.
কত বছরের পুরাতন ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে সরকার ৯০ক ধারা মতে অনুমান করতে পারেন?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ২০২২ সালে সাক্ষ্য আইনে যে সংশোধনী আনা হয়েছে তাতে ডিজিটাল ডকুমেন্ট এর বিষয়ে ৯০ক ধারায় অনুমান করার ক্ষমতা দিয়েছে আদালত কে। 

৫ বছরের পুরানো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন। ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে। ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
৬৬১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৬১
  2. ধারা ৬২
  3. ধারা ৬৩
  4. ধারা ৬৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৩-এই স্পষ্টভাবে মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence)-এর সংজ্ঞা উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্য ধারাগুলোর বিষয়:
- ধারা ৬১ → দলিলী সাক্ষ্যের সংজ্ঞা (Documentary Evidence)
- ধারা ৬২ → প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা (Primary Evidence)
- ধারা ৬৪ → দলিল সাধারণত প্রাথমিক সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হবে।
সুতরাং মাধ্যমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা শুধুমাত্র ধারা ৬৩-এ দেওয়া আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলি রয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 63. Secondary evidence:
-"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."

৬৬২.
যদি একাধিক ব্যক্তিবর্গ লিখিতভাবে একমত হয়ে একটি বিষয় সম্পর্কে আদালতের মতামত জানার জন্য উপস্থাপন করে, তাহলে দেওয়ানি আদালত নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে-
  1. বিষয়টি পরীক্ষা করবে
  2. মতামত প্রদান করবে
  3. পরীক্ষা ছাড়া মতামত প্রদান করবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
Section 90- Power to state case for opinion of Court:
Where any persons agree in writing to state a case for the opinion of the Court, then the Court shall try and determine the same in the manner prescribed.

বাংলা অর্থ:
যদি কোনো ব্যক্তিরা লিখিতভাবে একমত হয়ে একটি বিষয়কে আদালতের মতামত জানার জন্য উপস্থাপন করে, তাহলে আদালত নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেই বিষয়টি পরীক্ষা করবে এবং মতামত প্রদান করবে।

অর্থাৎ, যদি দুই বা তদধিক ব্যক্তি লিখিতভাবে একটি বিষয়কে আদালতের কাছে উপস্থাপন করে এবং সেই বিষয়ে আদালতের মতামত জানতে চায়, তাহলে আদালত নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেই বিষয়টি পরীক্ষা করবে এবং তার মতামত প্রদান করবে।
৬৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা সাক্ষীর লিখিত বা ইশারায় প্রদত্ত সাক্ষ্যকে কী হিসেবে গণ্য করা হয়? 
  1. লিখিত সাক্ষ্য 
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. বিশেষ সাক্ষ্য
  4. দলিল সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ বিশেষভাবে বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ধারা ১১৯-এর অনুসারে বোবা সাক্ষী: একজন সাক্ষী যিনি কথা বলতে অক্ষম, তিনি যেকোনো উপায়ে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন যাতে তা বোধগম্য হয়, যেমন লিখে বা ইশারায়; কিন্তু এই ধরনের লিখিত সাক্ষ্য অবশ্যই লিখিত হতে হবে এবং ইশারা খোলা আদালতে করতে হবে। এভাবে দেওয়া সাক্ষ্য মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

⇒The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:
লিখিত সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
--------
⇒The Evidence Act, 1872-Section-119. Dumb witnesses: A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

৬৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় “সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ”-এর বিধান রয়েছে?
  1. ৬৫ ধারায়
  2. ৬২ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৫৪ নম্বর ধারা (Section 54) বিশেষভাবে “অবিভক্ত সম্পত্তির বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ” বিষয়ক বিধান প্রদান করে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে: যদি ডিক্রি হয়- সরকারি রাজস্বের আওতাভুক্ত অবিভক্ত সম্পত্তির বাটোয়ারা, বা ঐ ধরনের সম্পত্তির নির্দিষ্ট অংশ পৃথকভাবে দখলের জন্য, তবে এই বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণের কার্য সম্পাদন করবে:
- কালেক্টর, অথবা কালেক্টরের মনোনীত গেজেটেড অধস্তন কর্মকর্তা,
এবং এটি সম্পন্ন করতে হবে তৎকালীন প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী (যেমন ভূমি বাটোয়ারা আইন)।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিধান সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ (Partition of estate or separation of share): সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-54: Partition of estate or separation of share:
- Where the decree is for the partition of an undivided estate assessed to the payment of revenue to the Government, or for the separate possession of a share of such an estate, the partition of the estate or the separation of the share shall be made by the Collector or any gazetted subordinate of the Collector deputed by him in this behalf, in accordance with the law (if any) for the time being in force relating to the partition, or the separate possession of shares, of such estates.
৬৬৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় আপোসযোগ্য মামলার বিষয় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ২০২
  2. ২৫৬
  3. ৩৪০
  4. ৩৪৫
সঠিক উত্তর:
৩৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৫
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৫ ধারায় আপোসযোগ্য মামলার বিষয় বর্ণিত হয়েছে। 
৬৬৬.
'ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়'- এই বক্তব্যের ব্যতিক্রম কোনটি?
  1. এজাহার দায়ের
  2. পুলিশ রিপোর্ট দাখিল
  3. চার্জ গঠন
  4. আপিল দায়ের
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) আপিল দায়ের।

তামাদি অর্থ বিলুপ্ত বা অচল। তামাদি শব্দটি আরবি ভাষা হতে উদ্ভূত। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনগত দাবী আদায় না করলে উক্ত দাবী বাতিল হয়েছে বলে গণ্য হবে এটাই তামাদি।

প্রশ্নে উল্লিখিত বক্তব্যটি হলো - “ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইন (Limitation Act) প্রযোজ্য নয়।”
অর্থাৎ, সাধারণভাবে ফৌজদারী মামলায় মামলা দায়ের, তদন্ত, চার্জ গঠন ইত্যাদির ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হয় না। অর্থাৎ এগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলেও মামলা চলতে পারে।

কিন্তু ব্যতিক্রম হলো- আপিল (Appeal) দায়েরের ক্ষেত্রে। ফৌজদারী মামলার রায় ঘোষণার পর আপিল দায়েরের নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে, যা Limitation Act, 1908 অনুযায়ী নির্ধারিত। যেমন- তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য ৭ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। এই সময়সীমা দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।

৬৬৭.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন দুটি ধারার বিধানকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারা প্রভাবিত করবে না?
  1. ১৭ ও ১৮ ধারা
  2. ২১ ও ২৩ ধারা
  3. ২৭ ও ৩২(১) ধারা
  4. ৪০ ও ৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৭ ও ৩২(১) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ও ৩২(১) ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারা: পুলিশকে দেওয়া বিবৃতি স্বাক্ষর করা যাবে না এবং এসব বিবৃতির প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্ত চলাকালীন পুলিশের কাছে কোনো বিবৃতি প্রদান করেন, তাহলে সেটি লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ হলেও তিনি তা স্বাক্ষর করতে পারবেন না। এছাড়া, পুলিশ ডায়েরি বা অন্য কোনো নথিতে থাকা এমন কোনো বিবৃতি তদন্তাধীন অপরাধের বিচার বা তদন্তে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না, যদি না নিম্নলিখিত শর্ত প্রযোজ্য হয়:

প্রথম শর্ত: যদি কোনো সাক্ষী প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আসেন এবং তার পূর্বে লিপিবদ্ধ করা বিবৃতি থাকে, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুরোধে আদালত উক্ত বিবৃতি পর্যালোচনা করতে পারে। সেই অনুযায়ী, অভিযুক্তকে তার একটি অনুলিপি সরবরাহ করা হবে, যাতে সাক্ষীকে বিপরীত প্রমাণ প্রদানের জন্য জেরা করা যায় (প্রমাণ আইন, ১৮৭২-এর ১৪৫ ধারা অনুসারে)। যদি উক্ত বিবৃতির কোনো অংশ বিপরীত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে সেই সাক্ষীর পুনঃজিজ্ঞাসাবাদ (re-examination) চলাকালীন শুধুমাত্র ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

দ্বিতীয় শর্ত: যদি আদালত মনে করে যে উক্ত বিবৃতির কোনো অংশ মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, অথবা সেটির প্রকাশ অভিযুক্তের জন্য প্রয়োজনীয় নয় এবং জনস্বার্থে তা অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর, তাহলে আদালত তার মতামত লিপিবদ্ধ করবে (কিন্তু কারণ উল্লেখ করবে না) এবং অভিযুক্তকে সরবরাহকৃত অনুলিপি থেকে সেই অংশ বাদ দেবে।

(২) এই ধারা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩২(১) ধারা (মৃত্যুর আগে প্রদত্ত বিবৃতি) বা ২৭ ধারা (অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আবিষ্কৃত প্রমাণ) সংক্রান্ত বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

৬৬৮.
বেআইনি সমাবেশে যোগদান করার জন্য একজনের সর্বোচ্চ কত সময়ের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান- বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া:
যে ব্যক্তি এমন কিছু ঘটনার বিষয়ে অবগত থাকা সত্ত্বেও, যা কোনো সমাবেশকে অবৈধ সমাবেশ (unlawful assembly) হিসেবে পরিণত করে, ইচ্ছাকৃতভাবে সেই সমাবেশে যোগ দেয় অথবা তাতে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখে, সে ব্যক্তি অবৈধ সমাবেশের সদস্য বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- শাস্তি: 
কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

৬৬৯.
কোনটি অপরাধমূলক প্রবেশ বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. কোন ব্যক্তির কোন সম্পদের উপর কোন অপরাধ অনুষ্ঠানে অভিপ্রায় প্রবেশ করে,
  2. সম্পত্তির দখলদার কোন ব্যক্তিকে ভীতিপ্রদর্শন করিবার অভিপ্রায় প্রবেশ করে,
  3. সম্পত্তি দখলদার কোন ব্যাক্তিকে অপমান করিবার অভিপ্রায়ে প্রবেশ করে,
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'-এর বর্ণিত যে কোন একটি।
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এর বর্ণিত যে কোন একটি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এর বর্ণিত যে কোন একটি।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-----------
Section 441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
৬৭০.
আদালত নিম্নলিখিত কোন বিষয়ের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (judicial notice) গ্রহণ করবে?
  1. অপ্রকাশিত আইন
  2. ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনা
  3. মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম
  4. বিদেশি ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ কাজ
সঠিক উত্তর:
মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২–এর ধারা ৫৭ অনুসারে, আদালত শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ই বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণ করে। এগুলি সাধারণত এমন বিষয় যা সরকারি, রাষ্ট্রীয়, বা বিশেষভাবে স্বীকৃত এবং জনসাধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক।
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫৭ অনুযায়ী, আদালত বিচারিকভাবে লক্ষণীয় (Judicial Notice) হিসেবে গ্রহণ করবে, অর্থাৎ এগুলোর জন্য আলাদা প্রমাণের প্রয়োজন নেই:
- মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবীর নাম (ধারা ৫৭(১২)): আদালত নিজেই মামলার সঙ্গে জড়িত আইনজীবী, বিচারক ও আদালতের কর্মকর্তাদের নাম ও পদবী স্বীকার করে নেয়।

বিচারিক দৃষ্টিগোচর গ্রহণযোগ্য:
- মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম (গ): আদালত মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবীর নাম এবং তার ভূমিকা প্রমাণ করার জন্য বিশেষভাবে দৃষ্টিগোচর নিতে পারে, কারণ এটি আদালতের প্রক্রিয়ার একটি অংশ।

অন্যদিকে, নিচের বিষয়গুলো বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়:
- অপ্রকাশিত আইন (ক): কোনো আইন যদি প্রকাশিত না হয়, তাহলে তা আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। আদালত শুধুমাত্র প্রকাশিত আইন ও বিধি অনুসরণ করবে।
- ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনা (খ): ব্যক্তিগত ঘটনা বা তথ্য সাধারণত বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এগুলি আদালতে প্রমাণযোগ্য হওয়া উচিত এবং প্রকাশ্যে আদালতের বিবেচনায় আনা যায় না।
- বিদেশি ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ কাজ (ঘ): বিদেশি ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ কাজ আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এই ধরনের বিষয় আন্তর্জাতিক বা রাষ্ট্রীয় বিবেচনায় পড়ে, যেগুলি সাধারণত আদালতের পরিধির বাইরে থাকে।
৬৭১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় ঘোষণার ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪২ধারা
  3. ৪৩ ধারা 
  4. ৪৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৩ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩ ধারা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ৪৩:,ঘোষণার ফলাফল: এই অধ্যায়ের অধীনে প্রদত্ত ঘোষণা শুধু মামলার পক্ষগণ, এবং তাহাদের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণের উপর, এবং, যেক্ষেত্রে পক্ষগণের মধ্যে কোনো ট্রাস্টি থাকেন, সেক্ষেত্রে এইরূপ ব্যক্তিগণের উপর যাহারা ঘোষণার দিন পর্যন্ত বাঁচিয়া থাকিতেন, তাহা হইলে এইরূপ পক্ষগণ যাহাদের জন্য ট্রাস্টি হইতেন তাহাদের উপর, অবশ্য পালনীয় হইবে।
উদাহরণ ক একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী, তাহার কথিত স্ত্রী খ এবং তাহার মাকে বিবাদি করিয়া দায়েরকৃত মামলায় তাহার বিবাহ যথারীতি সম্পন্ন হইয়াছে এই ঘোষণা প্রদান এবং তাহার দাম্পত্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আদেশ প্রদানের আবেদন জানান। আদালত সেইরূপ ঘোষণা ও আদেশ প্রদান করে। গ, খ কে তাহার স্ত্রী দাবি করেন এবং খ-কে উদ্ধার করিবার জন্য ক-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পূর্ববর্তী মামলায় প্রদত্ত ঘোষণা গ-এর উপর বাধ্যকর নহে।
-----------
The Specific Relief Act, 1877, Section 43, Effect of declaration: A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.
Illustration: A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

৬৭২.
সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান কী?
  1. সরকারি দলিল
  2. বেসরকারি দলিল
  3. ব্যক্তিগত দলিল
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার অনুযায়ী বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
------------------------ 
⇒ Private documents
Section 75. All other documents are private.

⇒ Public documents
Section 74. The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৬৭৩.
ক” চুরির দায়ে খ” কে ফৌজদারীতে সৌপর্দ করে। ক” আদালতকে বিস্বাস করতে চায় যে, খ” চুরির কথা গ’ এর নিকট স্বীকার করেছিল। স্বীকৃতির বিষয়টি প্রমাণের দায়ভার-
  1. ক” এর উপর
  2. খ” এর উপর
  3. ক” এর পরিচিত ব্যক্তির
  4. আসামী পক্ষের
সঠিক উত্তর:
ক” এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক” এর উপর
ব্যাখ্যা
♦কোনো ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ করতে চাইলে, তাকে অবশ্যই তা প্রমাণ করতে হবে। যেহেতু ক” আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, খ” চুরির কথা গ” এর নিকট স্বীকার করেছিল, তাই এই নির্দিষ্ট স্বীকৃতির বিষয়টি ক- কে প্রমাণ করতে হবে।
৬৭৪.
দায়রা আদালত কোন ধরণের চার্জ গঠন করবে?
  1. মৌখিক
  2. লিখিত
  3. মৌখিক বা লিখিত
  4. আদালতের ইচ্ছানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
লিখিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫(ঘ) তে অভিযোগ গঠন সম্পর্কে বলা আছে-
বিবেচনা ও শুনানির পর যদি আদালত অভিমত ব্যক্ত করেন যে, অভিযুক্ত একটা অপরাধ করেছে বা এরূপ মনে করার কারণ আছে,তাহলে আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ (চার্জ) গঠন করবেন।
যেক্ষেত্রে আদালত অভিযোগ গঠন করেন,সেক্ষেত্রে অভিযোগ অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে ও ব্যাখা করতে হবে এবং অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে,সে দোষ স্বীকার করে কিংবা বিচার প্রার্থনা করে কিনা।
৬৭৫.
'Supplemental proceedings' - দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ৭৪
  2. ধারা ৮৪
  3. ধারা ৯৪
  4. ধারা ৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৪: সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental Proceedings):
ন্যায়বিচার ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আদালত, যদি প্রযোজ্য হয়, নিম্নলিখিত আদেশসমূহ দিতে পারে—

(ক) বিবাদীকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত করাতে, যাতে সে ব্যাখ্যা দিতে পারে কেন তাকে জামিনে না রাখা হবে; এবং যদি সে জামিনের আদেশ মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে সিভিল হাজতে প্রেরণ করা যেতে পারে।

(খ) বিবাদীকে নির্দেশ দিতে পারে যে, সে যেন তার নিজস্ব কোনো সম্পত্তি আদালতের নিকট উপস্থাপন করতে জামিন প্রদান করে; অথবা আদালত তার সম্পত্তি সংযুক্ত (attachment) করার আদেশ দিতে পারে।

(গ) আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) প্রদান করতে পারে এবং যদি তা অমান্য করা হয়, তাহলে দোষী ব্যক্তিকে সিভিল হাজতে পাঠানো যেতে পারে এবং তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের আদেশ দেওয়া যেতে পারে।

(ঘ) কোনো সম্পত্তির রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে এবং তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালিত না হলে, তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে।

(ঙ) আদালত এমন অন্যান্য অন্তর্বর্তী আদেশ (Interlocutory Orders) প্রদান করতে পারে যা ন্যায়সঙ্গত ও উপযুক্ত বলে মনে হয়।
৬৭৬.
'ক' জমি বিক্রি করেন। বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রি হয় ৫ জানুয়ারি, ২০২১। ক্রেতা ১০ জানুয়ারি, ২০২১ জমিতে দখল গ্রহণ করেন। অগ্রক্রয়ের মামলা করার সময় শুরু হবে-
  1. ৫ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে
  2. ১০ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে
  3. চুক্তির দিন থেকে
  4. বিক্রয়ের নোটিশের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে
ব্যাখ্যা

 ⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে,
অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।

এই মেয়াদ গণনা শুরু হয়:
→ ক্রেতা যদি সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে।
→ যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

এ ঘটনায় ক্রেতা ১০ জানুয়ারি, ২০২১ দখল গ্রহণ করেছেন, তাই  তামাদি সময় শুরু ১০ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে।

৬৭৭.
সাক্ষীকে বিরক্তি উদ্রেগকারী প্রশ্ন করা হতে কে নিষেধ করতে পারে?
  1. সাক্ষী নিজেই
  2. আইনজীবী
  3. আদালত
  4. উপরের সকলেই
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৪৯ ধারামতে যুক্তি সংগত কারন ছাড়া (Without reasonable Grounds) সাক্ষীকে কোন প্রকার প্রশ্ন করা যাবে না।
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারামতে আদালত সাধারণত অশালীন ও মানহানিকর (indecent and scandalous question) প্রশ্ন করতে বাধা দিতে পারেন।

• তবে বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক হলে অশালীন ও মানহানিকর প্রশ্নও করা যায়।
সাক্ষ্য আইনের ১৫২ ধারামতে সাক্ষীকে কোনভাবেই অপমানজনক বা বিরক্তিকর প্রশ্ন করা যাবেনা।

আদালত অপমানজনক বা বিরক্তিকর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে।
৬৭৮.
সাক্ষ্য আইনের নিয়ম অনুসারে, নিচের কোনটি সঠিক?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য কখনই গ্রহণযোগ্য নয়
  3. মাধ্যমিক সাক্ষ্য সবসময় অগ্রাধিকার পায়
  4. দলিলের বিষয়বস্তু শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্যে প্রমাণযোগ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারাসমূহ (বিশেষত ৬১–৬৫) অনুযায়ী,
যদি কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে হয়, তা প্রধানত প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) দ্বারা করতে হবে।
ধারা ৬১ বলে:
- “The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.”
কিন্তু এর পরের ধারা ৬২ স্পষ্ট করে দেয়:
- Primary Evidence অর্থাৎ মূল দলিল বা তার আসল কপি – এটিই হলো সর্বোত্তম প্রমাণ।

- সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬১ (Section 61: Proof of contents of documents) এবং সংশ্লিষ্ট ধারা ৬২ (Primary evidence) ও ধারা ৬৩-৬৫ (Secondary evidence) এর বিধান অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence) এবং মাধ্যমিক সাক্ষ্য (secondary evidence) উভয়ই ব্যবহার করা যায়।
- তবে, সাক্ষ্য আইনের মূল নীতি হলো "সর্বোত্তম প্রমাণের নিয়ম" (Best Evidence Rule), যার অর্থ হলো যে কোনো ঘটনা বা দলিল প্রমাণের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও মূল উৎস থেকে প্রাপ্ত সাক্ষ্যই অগ্রাধিকার পাবে। এই ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্যকে সর্বোত্তম প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

- সাক্ষ্য আইনের নিয়ম অনুসারে, প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এটি আদালতে প্রাধান্য পায়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ।
৬৭৯.
মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালতে কখন আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে?
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
  2. বাদী বা বিবাদী যখনই আবেদন করে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পর যেকোন সময়
  4. বাদী যখনই আবেদন করে
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
ব্যাখ্যা
• যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত  আপত্তি উত্থাপন করা যায়।

• ধারা ২১: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপীল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপীল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

Sec 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
৬৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে কোন ধরণের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. Mediation and Reconciliation
  2. Mediation and Arbitration
  3. Arbitration and Reconciliation
  4. Mediation and Compromise
সঠিক উত্তর:
Mediation and Arbitration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mediation and Arbitration
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা মোতাবেক mediation বা মধ্যস্ততার বিধান ও ৮৯খ ধারা মোতাবেক Arbitration বা  সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

- তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।

- সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯৫) সংশোধন করা হয়। এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
৬৮১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় গ্রেফতারী অফিসারকে অপরাধজনক অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৩ ধারার বিধান: আপত্তিকর অস্ত্রশস্ত্র আটক করার ক্ষমতা: এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে আটককারী অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি আটককৃত ব্যক্তির নিকট কোন আক্রমণাত্মক অস্ত্র থাকলে তা তার কাছ থেকে নিতে পারবেন এবং এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে যে আদালত বা অফিসার বরাবর তাকে ঐ আটকরকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করতে হবে সেই আদালত বা অফিসার বরাবর তিনি উক্তরূপে গৃহীত সমস্ত অস্ত্র প্রত্যর্পণ করবেন।

---------------------
♦ Section 53. Power to seize offensive weapons: The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.
৬৮২.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত তার কর্মচারীকে নাবালকের অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারে?
  1. যখন বাদী অনুপস্থিত থাকে
  2. যখন বিবাদী অনুপস্থিত থাকে
  3. যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
  4. যখন নাবালক সাক্ষ্য দিতে পারে না
সঠিক উত্তর:
যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(৪) অনুযায়ী যদি কোনো নাবালকের মামলার জন্য অভিভাবক হিসাবে কোনো যোগ্য ও ইচ্ছুক ব্যক্তি না পাওয়া যায়, তাহলে আদালত তার কোনো কর্মচারীকে (যেমন: কোর্ট অফিসার) নাবালকের পক্ষে মামলার অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারেন।
- সেই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিতে পারেন যে,ওই কর্মচারীর খরচ এক বা একাধিক পক্ষ বহন করবে, অথবা, যদি আদালতে নাবালকের জন্য কোনো তহবিল থাকে, সেখান থেকেও খরচ বহন করা যেতে পারে।

- সুতরাং, যখন মামলার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক কেউ পাওয়া যায় না, তখনই আদালত তার কর্মচারীকে নাবালকের অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৪: মামলাকে পরবর্তী হিসাবে কাজ করতে বা নিযুক্ত হতে পারে:
(১) কোন ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকার এবং প্রাপ্ত বয়স্ক হলে কোন নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে অথবা মামলার জন্য তার অভিভাবক হিসাবে কাজ করতে পারে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে নহে এবং সে নেকস্ট ফ্রেন্ডের ক্ষেত্রে, কোন বিবাদী নহে, এবং মামলার অভিভাবকের ক্ষেত্রে কোন বাদী নহে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক আছে, সেক্ষেত্রে উক্ত অভিভাবক ব্যতিত অপর কোন ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে কাজ করতে বা মামলার জন্য তার অভিভাবক নিযুক্ত হতে পারবে, যদি না আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে বিবেচনা করেন যে, নাবালকের কল্যাণের জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ করতে বা অভিভাবক নিযুক্ত হতে অনুমতি দেয়া পয়োজন।
(৩) কোন ব্যক্তিকে তার অনুমতি ব্যতিত মামলার অভিভাবক নিয়োগ করা যাব না।
(৪) যেক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যক্তি মামলার অভিভাবক হিসাবে কাজ করার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক নাই, সেক্ষেত্রে আদালত তার কোন কর্মচারীকে অনুরূপ অভিভাবক নিযুক্ত করতে পানে এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত কর্মচারীকে বা কোন এক বা একাধিক পক্ষ কর্তৃক বহন করতে হবে, অথবা নাবালকের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল আদালতে থাকলে তা হতে খরচ হবে এবং ন্যায় বিচার ও অবস্থার পয়োজনে অনুরূপ খরচার পরিশোধ বা মেনে নেয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারেন।
৬৮৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী কত ধরনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী, চুক্তির সুনির্দিষ্ট পারফরমেন্স আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নলিখিত চারটি ক্ষেত্রে আদায়যোগ্য:
১) যখন চুক্তিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত কোনো ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত থাকে।
২) যখন চুক্তিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি হবে তার মানদণ্ড নির্ধারণের কোন উপায় নেই।
৩) যখন চুক্তিভুক্ত কাজ এমন যে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে যথেষ্ট প্রতিকার পাওয়া যায় না।
৪) যখন সম্ভাবনা থাকে যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
সুতরাং, মোট ৪টি পৃথক পরিস্থিতিতে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ আদায় করতে পারে।

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) When it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

Explanation- Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.

৬৮৪.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ২য় বিভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  2. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  3. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  4. পিটিশন সংক্রান্ত তামাদির মেয়াদ
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division):
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits];
অনুচ্ছেদ: ১-১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals];
অনুচ্ছেদ: ১৫০-১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions];
অনুচ্ছেদ: ১৫৮-১৮৩ পর্যন্ত।
৬৮৫.
একজন অভিযোগকারী একটি মামলায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, এবং মামলা চলাকালে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি তার অভিযোগ প্রত্যাহার করবেন। তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে নালিশ প্রত্যাহার করেন। এক্ষেত্রে, নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল কী?
  1. মামলা স্থগিত করা হবে
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নতুন মামলা শুরু হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
  4. অভিযোগকারীকে জরিমানা করা হবে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
৬৮৬.
"পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা" এর মোট কতটি অধ্যায় আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional conduct & Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় আছে।
যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ।
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ।
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ।
--------------------
 Chapter-1: Conduct with regard to other advocates:
Chapter-2: Conduct with regard to clients:
Chapter-3: Duty to the court:
Chapter-4: Conduct with regard to the public generally:
৬৮৭.
অপরাধী স্বামীকে লুকিয়ে রাখলে বা আশ্রয় দিলে স্ত্রী দোষী হবে না এটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৭৩ ধারায়
  2. ১৭১ ধারায়
  3. ১৬৫ ধারায়
  4. ২১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ২১২ ধারার ব্যতিক্রম অনুযায়ী অপরাধী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অভিযুক্ত অপরাধীকে লুকিয়ে রাখলে বা আশ্রয় দিলে এই ধারায় সে দোষী হবে না;

♦ দন্ডবিধির ২১৬ ধারায় হাজত হতে পলায়নকারীকে স্বামী বা স্ত্রীকে আশ্রয় দান করলে দায়ী হবে না ।

♦ দন্ডবিধির ২১৬ক ধারায় ডাকাত/দস্যু ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী তাকে লুকিয়ে রাখলে বা আশ্রয় দিলে এই ধারায় সে দোষী হবে না।
৬৮৮.
A কে জখম করে হত্যার জন্য B অভিযুক্ত। C, E, F এবং G হলো সাক্ষী। C জানায় সে B কে দেখেছে A কে জখম করতে। E বলে যে, সে B কে দেখেছে একটি রক্ত মাখা ছুরি নিয়ে দৌড়াতে এবং A কে রক্ত মাখা জামা পরিধান অবস্থায় দেখেছে। F একজন ডাক্তার। F বলে যে, যে ব্যবহৃত ছুরি B এর দখলে পাওয়া গেছে সেই অস্ত্র দিয়ে সম্ভবত A কে জখম করা হতে পারে যা A এর মৃত্যু ঘটিয়েছে। G বলে যে, সে C এর নিকট হতে শুনেছে যে C দেখেছে B, A কে জখম করেছে। কাদের সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. C, E
  2. C, E, F
  3. C, E, F, G
  4. C, E, G
সঠিক উত্তর:
C, E, F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C, E, F
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ৬০ ধারা অনুযায়ী মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। G প্রত্যক্ষ সাক্ষী নয়, সে C এর নিকট থেকে শুনেছে। তাই C, E, F এর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হলেও G এর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না। (ব্যতিক্রম ধারাঃ ৩২, ৩৩, ১৫৮)
৬৮৯.
কোন ক্ষেত্রে আপিল বা রিভিশন আদালতে বিচারিক আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পর্কে আপত্তি গ্রাহ্য হবে?
  1. অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল
  2. ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে
  3. ক এবং খ
  4. কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

•  আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে দেওয়ানী কার্যবিধির  ১৮ ধারাতে- 

১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সঙ্গত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যেরূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকতঃ
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপ-ধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
৬৯০.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
  1. ৩ টি ক্ষেত্রে
  2. ৪ টি ক্ষেত্রে
  3. ৬ টি ক্ষেত্রে
  4. ৮ টি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
৬ টি ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:  

      (i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
      (ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
      (iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
      (vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
-----------------------
Section 100. When the right of private defence of the body extends to causing death:
 The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:- 
Firstly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault; 
Secondly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault; 
Thirdly.-An assault with the intention of committing rape; 
Fourthly.-An assault with the intention of gratifying unnatural lust; 
Fifthly.-An assault with the intention of kidnapping or abducting; 
Sixthly.-An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.
৬৯১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বাদী সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে অথবা সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনসহ অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. ১৭ ধারা
  2. ১৮ ধারা 
  3. ১৯ ধারা
  4. ২০ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.

৬৯২.
পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পর কত দিনের মধ্যে যদি তিনি উপস্থিত হন, তবে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া যেতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৮৯ (Restoration of attached property) অনুসারে, কোনো পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (attachment) করার পর, যদি তিনি ২ (দুই) বছরের মধ্যে স্বেচ্ছায় উপস্থিত হন বা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয় এবং তিনি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে সক্ষম হন যে:
১. তিনি পরোয়ানা এড়ানোর জন্য পলাতক ছিলেন না বা আত্মগোপন করেননি, এবং
২. তিনি proclamation-এর এমন কোনো নোটিস পাননি যা তাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপস্থিত হতে সক্ষম করত,
তাহলে তার সম্পত্তি, অথবা সম্পত্তি বিক্রি হয়ে গেলে তার নীট বিক্রয়লব্ধ অর্থ, সমস্ত ক্রোক-সংক্রান্ত খরচ বাদ দিয়ে তাকে ফেরত দেওয়া হবে।অতএব, সঠিক সময়সীমা হল ২ বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে,
সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-89: Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.

৬৯৩.
According to Section 53, if an offender is sentenced to life imprisonment, it is considered to be:
  1. Without labor
  2. Rigorous imprisonment
  3. Simple imprisonment
  4. Conditional imprisonment
সঠিক উত্তর:
Rigorous imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rigorous imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);

(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);
(v) অর্থদণ্ড (fine).

ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

Section 53: The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,- Imprisonment, which is of two descriptions, namely:
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;

Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.

Explanation.- In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
৬৯৪.
যার বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করা হয়, তাকে বলা হয়-
  1. ডিক্রিপ্রত্যাশী
  2. ডিক্রিদার
  3. দায়িক
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
দায়িক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১০) তে “দায়িক” (Judgment-debtor) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-
"দায়িক বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে বা জারিযোগ্য আদেশ প্রদান করা হয়েছে।"
"Judgment-debtor" means any person against whom a decree has been passed or an order capable of execution has been made"
 
• অপরদিকে, ধারা ২(৩) অনুসারে-
"ডিক্রিদার বলতে এমন একজন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার অনুকূলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে অথবা জারিযোগ্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে।"
"Decree-holder means any person in whose favour decree has been passed or an order capable of execution has been made"

• ডিক্রিপ্রত্যাশী বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার অনুকূল বা প্রতিকূলে ডিক্রি অথবা জারিযোগ্য কোন আদেশ প্রদান করা হতে পারে।
৬৯৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী প্রত্যেকটি সমনের উপরে কার স্বাক্ষর থাকবে?
  1. বাদী ও বিবাদীর আইনজীবীর
  2. বাদী বা তার কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবীর
  3. বিচারক বা তার কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার
  4. সমন জারীকারক পুলিশ অফিসারে
সঠিক উত্তর:
বিচারক বা তার কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক বা তার কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-
১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদির দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।
২) বিবাদির উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদি হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদি হাজিরা দিতে পারে।
৩) প্রত্যেকটি সমনে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকবে এবং আদালতের সীলমোহরে মোহরাঙ্কিত থাকতে হবে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-1.Summons:
When a suit has been duly instituted a summons shall be issued by the officer of the Court appointed in this behalf to the defendant within five working days from the date of filing the suit to appear and answer the claim on a day to be therein specified: Provided that if the officer of the Court fails to issue the summons within the said period of time, he shall be liable for misconduct: Provided further that no such summons shall be issued when the defendant has appeared at the presentation of the plaint and admitted the plaintiff's claim.
(2) A defendant to whom a summons has been issued under subrule (1) may appear− (a) in person, or (b) by a pleader duly instructed and able to answer all material questions relating to the suit, or (c) by a pleader accompanied by some person able to answer all such questions.
(3) Every such summons shall be signed by the Judge or such officer as he appoints, and shall be sealed with the seal of the Court.
৬৯৬.
অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য ফৌজদারী আদালতের নির্দেশে বিক্রি করার বিধান আছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ________।
  1. ৫২২ ধারায়
  2. ৫২৩ ধারায়
  3. ৫২৪ ধারায়
  4. ৫২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-

আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 525- Power to sell perishable property
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৬৯৭.
দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের  সিডিউল ১, আর্টিকেল ৯১ মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৩৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে এই দলিলের বিষয়ে জানার ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৬৯৮.
সরকারি কর্মচারী হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করার শাস্তি-
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি- ১৭০ ধারা মতে সরকারি কর্মচারী হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করার শাস্তি হলো ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৬৯৯.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ২৫ কোন নিয়মের ব্যতিক্রম?
  1. Res gestae rule
  2. Hearsay rule
  3. Confession rule
  4. Opinion rule
সঠিক উত্তর:
Confession rule
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Confession rule
ব্যাখ্যা

সাধারণত Confession Rule অনুযায়ী-
একজন অভিযুক্ত যদি নিজের অপরাধ স্বীকার করে (confession), তবে সেই স্বীকারোক্তি আদালতে অত্যন্ত শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে গণ্য। অর্থাৎ, অভিযুক্তের নিজের মুখে বলা দোষ স্বীকার- সাধারণত স্বীকারোক্তির (confession) নিয়ম অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য প্রমাণ।

কিন্তু Evidence Act-এর ধারা ২৫ একটি ব্যতিক্রম সৃষ্টি করে। ধারা ২৫ বলে-
“কোনো পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।”

অর্থাৎ, অভিযুক্ত নিজের মুখে অপরাধ স্বীকার করলেও ➡ যদি তা পুলিশের সামনে করা হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য নয়। এটাই Confession Rule-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম।

৭০০.
'ক' তার ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের সুনাম ১০০০ টাকায় বিক্রয়ের জন্য 'খ'-এর সাথে চুক্তি করে এবং এই শর্তে রাজি হয় যে, 'ক' উক্ত ব্যবসা চিটাগং-এ পরিচালনা করবেনা। 'খ' ১০০০ টাকা 'ক'-কে পরিশোধ করে কিন্তু ক' চিটাগং-এ উক্ত ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকে। এই ক্ষেত্রে 'খ'________ আদেশ পেতে পারে।
  1. ‘ক’-কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
  2. 'ক' কে তার কাস্টমারদের 'খ'-এর নিকট পাঠাতে বাধ্য করতে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
  3. ‘ক’-এর নিকট হতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পেতে পারে
  4. ‘ক’-এর ব্যবসার উপর চুক্তি বলবৎকরণের আদেশ পেতে পারে।
সঠিক উত্তর:
‘ক’-কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘ক’-কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারার বিধান হল নেতিবাচক চুক্তি পালন করার জন্যে ইনজাংশনঃ ৫৬ ধারার (চ) অনুচ্ছেদ 'যে চুক্তির কার্য সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না, তেমন চুক্তি নিরোধের উদ্দেশ্যে'- বিধান থাকা সত্ত্বেও যেখানে একটি চুক্তি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করার সম্মতির সমন্বয় যেখানে হ্যা সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কার্যসম্পাদনের ব্যাপারে ইনজাংশন মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না। তবে শর্ত হচ্ছে বাদী দার উপর যতটুকু অবশ্য পালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালন করতে ব্যর্থ হয়নি।
♦অর্থাৎ 'ক' কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।