বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ১২৬ · ৫০১৬০০ / ১২,৬০৫

৫০১.
শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ কত বছরের জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ৩ বছরের
  2. ৫ বছরের
  3. ৭ বছরের
  4. ১০ বছরের
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:
-শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
৫০২.
আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের পূর্ব শর্ত কোনটি?
  1. ক্রোক (৮৮ ধারা)
  2. জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি
  3. হুলিয়া (৮৭ ধারা)
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী- যে ক্ষেত্রে আসামী পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং কখনই আদালতে উপস্থিত হয় নাই সে ক্ষেত্রে তার অনুপস্থিতি বিচার শুরু করার আগে- প্রথমে কমপক্ষে ৩০ দিনের সময় দিয়ে হুলিয়া জারি করতে হবে, অতপর ম্যাজিস্ট্রেট তার সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিবেন এবং সর্বশেষে বহুল প্রচারিত ২ টি বাংলা পত্রিকায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দিবেন

♦ উল্লেখ্য, যে ক্ষেত্রে আসামী হাজির হওয়ার পর বা জামিন নেওয়ার পর পলায়ন করে বা হাজির হতে ব্যর্থ হয়- সেক্ষেত্রে উপরোক্ত বিধান প্রযোজ্য নয়।
৫০৩.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে কার দ্বারা প্রদত্ত বিবৃতিকে ‘Admission’ হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. শুধুমাত্র বিচারক
  2. পুলিশ অফিসার
  3. মামলার পক্ষ বা তার এজেন্ট
  4. তৃতীয় পক্ষ যারা মামলার সাথে সম্পর্কিত নয়
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ বা তার এজেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ বা তার এজেন্ট
ব্যাখ্যা
⇒ Evidence Act, 1872-এর Section 17 ও 18 অনুযায়ী, Admission বলতে বোঝানো হয় মামলার পক্ষ বা তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুমোদিত এজেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্য, যা মামলার প্রাসঙ্গিক তথ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।
- শুধুমাত্র মামলার পক্ষ বা তার অনুমোদিত এজেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্যই আইনিভাবে "Admission" হিসেবে গণ্য হয়।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৮ অনুসারে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের বিবৃতিকে Admission হিসেবে গণ্য করা হয়:
- মামলার কোনো পক্ষ (Plaintiff বা Defendant), পক্ষের এজেন্ট (Agent), যদি আদালত মনে করে যে এজেন্ট ঐ পক্ষের পক্ষে বিবৃতি দিতে স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
- Admission মৌখিক, লিখিত বা ডিজিটাল হতে পারে (ধারা ১৭)।
- প্রতিনিধিত্বমূলক ক্ষমতায় দেওয়া বিবৃতিও Admission হয়, যদি তা সেই চরিত্রে দেওয়া হয় (ধারা ১৮-এর দ্বিতীয় অংশ)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) মামলার পক্ষ বা তার এজেন্ট।
-----------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-
ⅰ)) মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি;
ii) প্রতিনিধিত্বমূলক মামলার ক্ষেত্রে মামলার বাদী বা বিবাদীর প্রতিনিধি হিসেবে প্রদত্ত স্বীকৃতি;
iii) মামলার বিষয় বস্তুতে মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য অথবা তাদের নিকট থেকে স্বার্থ প্রাপ্ত ব্যক্তিতে বক্তব্য অর্থাৎ মামলার বিষয়বস্তুতে কোনভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি; অথবা
iv) মামলার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে যার অবস্থান বা দায় রয়েছে তেমন ব্যক্তির স্বীকৃতি বা বক্তব্য।

⇒The Evidence Act, 1872, Section-18:
- Admission -by party to proceeding or his agent-
Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.
- by suit or in representative character-
Statements made by parties to suits suing or sued in a representative character, are not admissions, unless they were made while the party making them held that character.
- by party interested in subject-matter;Statements made by–
(1) persons who have any proprietary or pecuniary interest in the subject-matter of the proceeding, and who make the statement in their character of persons so interested, or
- by person from whom interest derived-
(2) persons from whom the parties to the suit have derived their interest in the subject-matter of the suit, are admissions, if they are made during the continuance of the interest of the persons making the statements.
৫০৪.
দেওয়ানি আদালত কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে।
অর্থাৎ The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act,1887 এর ৩ ধারায় ৫ প্রকার দেওয়ানি আদালতের কথা উল্লেখ আছে।
- সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেওয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
৫০৫.
The Evidence Act, 1872 এর ৩০ ধারা অনুযায়ী একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির দোষ স্বীকারোক্তি অন্যান্য সহ-অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ______
  1. গ্রহণযোগ্য হবে
  2. গ্রহণযোগ্য হবে না
  3. আংশিক গ্রহনযোগ্য হবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩০- যখন দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের [co-accused) বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়:

সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে অন্যকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম।

সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

শর্তসমূহ:
১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে:
২. উক্ত একই অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Tried jointly) করা হবে:
৩. উক্ত অভিযুক্তদের মধ্যে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকেসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করবে;
৪. এমন দোষ স্বীকারোক্তি প্রমাণিত হলে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে আমলে নিতে পারে।
৫০৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় "প্রত্যেক মোকদ্দমা সর্বনিম্ন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে হবে" এই নীতি বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ২০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫-এ স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে যে, প্রত্যেক মোকদ্দমা এমন সর্বনিম্ন গ্রেডের আদালতে দায়ের করতে হবে যা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

⇒The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
- সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge ) = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ এর উপরে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-6 :Pecuniary Jurisdiction:
-Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-15.Court in which suits to be instituted:
-Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.

৫০৭.
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত, সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে কয়জন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না?
  1. ২ জন
  2. ১ জন
  3. ৩ জন
  4. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
 
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
 
Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৫০৮.
According to The Code of Civil Procedure, 1908, "Pleading" shall mean:
  1. plaint
  2. written statement. 
  3. plaint or written statement. 
  4. plaint and written statement. 
সঠিক উত্তর:
plaint or written statement. 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
plaint or written statement. 
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-1. Pleading "Pleading" shall mean plaint or written statement. 
- প্লিডিংস বলতে আরজি (Plaint) বা লিখিত জবাব (Written Statement) বোঝায়।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের বিধানসমূহ রয়েছে।
- প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]।
- বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে।
- এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।
৫০৯.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান অনুসারে কোন ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. ফরেনসিক সাক্ষ্য 
  2. টাইপ রাইটিং
  3. বিদেশী আইন
  4. বিক্রয় দলিল
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ অনুযায়ী বিশারদের (Expert) মতামত শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ১৩টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। এর মধ্যে রয়েছে: বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, ফরেনসিক সাক্ষ্য, ডিজিটাল রেকর্ড, হস্তলিপি, আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ট্রেড বা টেকনিকাল শব্দের, ব্যবহার, ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় ইত্যাদি।
কিন্তু বিক্রয় দলিল (Sale Deed) এর সত্যতা, বৈধতা বা বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য বিশারদের মতামতের প্রয়োজন হয় না। এটি একটি প্রাথমিক দলিল (Primary Document) এবং এর বিষয়বস্তু ধারা ৬১-৬৬ অনুযায়ী প্রাথমিক বা গৌণ সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়, বিশারদের মতামত দিয়ে নয়।
- সুতরাং, প্রশ্নের চারটি অপশনের মধ্যে যেটি ধারা ৪৫-এর আওতায় পড়ে না তা হলো: ঘ) বিক্রয় দলিল।

⇒The Evidence Act, 1872- Section- 45. Opinion of Experts:
  When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts. Such persons are called experts.

৫১০.
‘ক’, ‘খ’-এর কাছে একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে ‘ক’-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর কাছে লুকিয়ে রাখল। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক' চুক্তি রদ করে নেবার অধিকারী
  2. 'খ' চুক্তি রদ করে নেবার অধিকারী
  3. 'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবী করতে পারে
  4. 'খ' চুক্তি রদ করার অধিকারী নয়
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তি রদ করে নেবার অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তি রদ করে নেবার অধিকারী
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫- যখন বিচারপূর্বক রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদের লক্ষ্যে মােকদ্দমা রুজু করতে পারে এবং আদালত নিম্নে বর্ণিত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন-
ক) যেক্ষেত্রে চুক্তি বাতিলযােগ্য বা বাদীর মাধ্যমে সমাপনীয়;
খ) যেক্ষেত্রে আপাততঃ দৃশ্যমান নয় এমন কোন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর তুলনায় প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
গ) যেক্ষেত্রে একটি বিক্রয় চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশােধে অক্ষম হয়েছে, যা আদালত তাকে পরিশােধের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন, সেখানে আদালত তাকে, তেমন দখলকারী হিসেবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মােকদ্দমায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমােতাবেক কাজ করা হয় নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মােকদ্দমার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা অনুসারে রদ করে দিতে পারেন।

উপধারা-ক এর-
‘ক’, ‘খ’-এর কাছে একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে ‘ক’-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে খ-এর কাছে লুকিয়ে রাখল। 'খ' চুক্তি রদ করে নেবার অধিকারী।

উপধারা-খ এর-
একজন এটর্নি ক তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা খ-কে খ-এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তরে প্ররােচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং খ হস্তান্তরের দলিল রদ করে নেওয়ার অধিকারী।
৫১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারার অধীন পুলিশের নিকট প্রদত্ত সাক্ষ্য কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. যেকোনো অনুসন্ধানে
  2. যেকোনো অনুসন্ধানে বা বিচারে
  3. উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য
  4. কোনো ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-

(১) তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয়, তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না; এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না:
তবে শর্ত এই যে, যে ব্যক্তির বিবৃতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, তাকে সরকার পক্ষের সাক্ষী হিসাবে তলব করা হলে উক্ত লিখিত বিবৃতি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। প্রদত্ত ধারা অনুসারে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

• পুলিশ সাক্ষীর যে জবানবন্দি ১৬১ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে, তা বিচার বা অনুসন্ধানে নিম্নলিখিত ২ টি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়-

i. জবানবন্দিটি যদি মৃত্যুকালীন ঘোষণা হয়। [সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা]
ii. জবানবন্দিটির উপর ভিত্তি করে পুলিশ কোন বিষয় উদঘাটন করলে। [সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা]
৫১২.
"ক" ১০০ মণ গম "খ"  এর নিকট বিক্রয় করার চুক্তি করে। "ক" উক্ত গম সরবরাহ করে নাই। "খ" এর প্রতিকার কি?
  1. "খ" সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারে
  2. চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে
  3. "খ" ক্ষতিপূরণ মামলা করতে পারবে
  4. চুক্তিটি প্রকৃতিগত ভাবে প্রত্যাহারযোগ্য
সঠিক উত্তর:
"খ" ক্ষতিপূরণ মামলা করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"খ" ক্ষতিপূরণ মামলা করতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦ চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ২ ধরনের প্রতিকার পাওয়া যায়। যথা- ক) ক্ষতিপূরণ এবং খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন।
♦ তবে উভয় ধরনের প্রতিকার থাকলেও চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ক্ষতিপূরণের প্রতিকার প্রদান করা হয়। কিন্তু যেক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না অথবা যেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয় না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের প্রতিকার প্রদান করে থাকে।  
♦ আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯, ৩৮ এবং ৪১ ধারায় ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে।
♦ চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে অথবা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মোকদ্দমা দায়েরের সময় চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত বা বিকল্প হিসেবে ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারে।
♦ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় ক) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয়, অথবা খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে কেবল ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারবে।
♦ অর্থাৎ এখানে "খ" চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে কেবল ক্ষতিপূরণ দাবী করেতে পারবে। তাই উত্তর হবে "খ" ক্ষতিপূরণ মামলা করতে পারবে।
৫১৩.
বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে কেউ অপরাধ করলে, তা বাংলাদেশে বিচারযোগ্য—এই বিধান কোথায় রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৪ ধারা
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারা
  4. খ + গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ + গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ + গ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে কেউ অপরাধ করলে, তা বাংলাদেশে বিচারযোগ্য তা দণ্ডবিধির ৪ ধারা এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারাতে রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:
- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক;
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
- ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়:
যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২ ধারার বিধান বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত অপরাধ এর সাজা:
- বাংলাদেশের মধ্যে এই বিধির আওতায় প্রণীত বিধানের পরিপন্থি কোন কার্য করলে অথবা বিধানের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কার্য না করলে প্রত্যেক ব্যক্তি এই বিধির আওতায় সাজার জন্য দায়ী হবেন এবং অপর কোনভাবে নয়।
৫১৪.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কোন ধরনের সংস্থা-
  1. বেসরকারী সংস্থা
  2. সরকারী নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা
  3. সাংবিধানিক সংস্থা
  4. স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা
সঠিক উত্তর:
স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ৩ : বিবিসি অর্ডারঃ ৩(২) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট বলা আছে যে, The Bar Council shall be a Body Corporate অর্থাৎ বার কাউন্সিল হবে আইনসৃষ্ট সংস্থা। আবার, বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইট বলা আছে- The Bangladesh Bar Council is a Statutory Autonomus Body [সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা] of the Government.' বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে আরও উল্লেখ আছে যে- Bangladesh Bar council is a licensing and Regulatory Body [নিয়ন্ত্রক সংস্থা] constituted under the Bangladesh Legal Practianers and Bar Council Order, 1972. এছাড়া আমরা জানি যে, আইনসভা তথা সংসদ কর্তৃক আইন সৃষ্ট/ প্রণীত হয়, এরূপ প্রণীত আইনকে সংবিধিবদ্ধ আইন বা বিধিবদ্ধ আইন বলা হয়। বার কাউন্সিল যেহেতু বিধিবদ্ধ আইন দ্বারা গঠিত, সেহেতু এটি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা; যা স্বাধীন।
৫১৫.
ধারা ৩২৬ক ধারা বিশেষত কোন প্রকার পদার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. আগুন
  2. ধারালো অস্ত্র
  3. এসিড জাতীয় পদার্থ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
এসিড জাতীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিড জাতীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারা: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:
যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে-
(ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা
(খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

Section 326A- Voluntarily causing grievous hurt in respect of both eyes, head or face by means of corrosive substance, etc:
Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt of the kind mentioned in-
(a) clause secondly of section 320 in respect of both the eyes either by gouging out the same or by means of any corrosive substance; or
(b) clause sixthly of section 320 by means of any corrosive substance, shall be punished with death, or imprisonment for life and shall also be liable to fine.
৫১৬.
The Civil Courts Act,1887 এর কত ধারায় দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া আছে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৫
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ  দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
৫১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুসারে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ঘরের বাইরে অন্য কোথাও থেকে গ্রেপ্তার করলে কত ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের জানাতে হবে?
  1. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৫১৮.
অভিযোগ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতিতে কোনো মামলা প্রত্যাহার করলে আসামীকে ________ দিতে হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. অব্যাহতি
  4. নিষ্কৃতি
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারামতে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষনার পূর্বে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।

♦ অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি অব্যাহতি পাবে, তবে অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি খালাস পাবে।
৫১৯.
আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনাবশত কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে বা কোন সন্দেহজনক মৃত্যু হলে বা পুলিশ হেফাজতে কোন ব্যক্তির মৃত্যুর হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুসারে সুরতহাল পরিচালনা করতে পারে?
  1. ১৭৫ ধারা
  2. ১৭৪ ধারা
  3. ১৭৩ ধারা
  4. ১৭৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭৪(৫) ধারা অনুসারে নিম্নলিখিত ম্যাজিষ্ট্রেটগণ সুরতহাল তদন্ত পরিচালনা করতে ক্ষমতাবান যথা চীফ মেট্রোপলিটনম্যাজিষ্ট্রেট, যে কোন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এবং সরকার, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক এই বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট।
♦ অর্থাৎ ধারা ১৭৪(৫) অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল করতে ক্ষমতাবান।
♦ Section 174 sub-section(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Govern- ment or the District Magistrate.

(Sub-section (5) was substituted by The Code of Criminal Procedure (Amendment) Act 2009)
৫২০.
মানহানির জন্য সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা-৫০০ অনুযায়ী মানহানির শাস্তি হলো অনধিক ২ বছর 'বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
• দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মানহানির অপরাধের শাস্তি হিসেবে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হলে তা সম্পূর্ণরূপে বেআইনী হবে।
৫২১.
দেওয়ানি কার্যবিধি কোন সালে সর্বপ্রথম বিধিবদ্ধ (Codified) হয়?
  1. ১৮৫৭ সালে 
  2. ১৮৫৯ সালে 
  3. ১৮৭৮ সালে
  4. ১৮৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (The Code of Civil Procedure) প্রথমবারের মতো বিধিবদ্ধ (Codified) হয় ১৮৫৯ সালে।
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশে দেওয়ানি বিচারিক পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত প্রথম আইন।
- এরপর এই আইনটি বিভিন্ন সময়ে সংশোধন ও পুনঃপ্রণয়ন করা হয়েছে, যেমন:
- ১৮৭৮ সালে: দ্বিতীয়বার প্রণয়ন।
- ১৮৮২ সালে: তৃতীয়বার প্রণয়ন, যেখানে মোট ৬৫৩টি ধারা ছিল।
- ১৯০৮ সালে: বর্তমান দেওয়ানি কার্যবিধি প্রণীত হয়, যা ১৯০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধি সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে বিধিবদ্ধ হয়েছিল। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ১৮৫৯ সালে।

৫২২.
আপিলের দরখাস্তের সাথে কি দাখিল করতে হবে?
  1. আপিলকৃত রায় বা আদেশের কপি
  2. আপিলকৃত মামলার আরজির কপি
  3. সাক্ষ্যের বিবরণ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
আপিলকৃত রায় বা আদেশের কপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকৃত রায় বা আদেশের কপি
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৯- আপিলে দায়েরের পদ্ধতি

প্রত্যেকটি আপিল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপিলের পিটিশন আপিলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে তার কপি আপিলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।

Section 419: Petition of Appeal
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.
৫২৩.
বিবাদী যদি সরকারী কর্মচারী হয়ে থাকে, তবে সমনটি জারির জন্য কার নিকট পাঠানো হবে?
  1. বিবাদীর প্রতিনিধিকে
  2. বিবাদীর অফিসের প্রধান কে
  3. বিবাদীর পরিবারের সদস্যকে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর অফিসের প্রধান কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর অফিসের প্রধান কে
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশে, ২১ নং আদেশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বিধিতে এবং ১৬ নং আদেশের ৮ নম্বর বিধিতে সমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ৫নং আদেশে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির বিশেষ পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে।যেমনঃ

(বিধি ২১)
যেক্ষেত্রে বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করে সেই ক্ষেত্রে বিবাদী যে এলাকায় বসবাস করে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন যেকোন সমন জারিকারী আদালত সমনটি পাঠাতে পারে এবং উক্ত আদালত তখন সমন জারি করবে।

(বিধি ২৪)
যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট সমন পাঠাতে হবে।

(বিধি ২৫,২৬)
যেক্ষেত্রে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোন এজেন্ট নেই, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী দেশের বাইরে যেখানে বসবাস করে সেখানে পাঠাতে হবে। এই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা এমন সমন জারির জন্য প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত কর্তৃক সমনটি জারি করা যেতে পারে। 

(বিধি ২৭)
সরকারী কর্মকর্তা বা রেলওয়ে বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার প্রতি সমন জারির জন্য উক্ত অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে।

(বিধি ২৮)
যেক্ষেত্রে বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক, বা বৈমানিক, সেই ক্ষেত্রে সমন জারি করতে উক্ত বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারের নিকট সমন পাঠাতে হবে।
৫২৪.
‘A’ একটি সম্পত্তির মালিক এবং ‘B’ তার নিচের মাটির মালিক। ‘B’ কয়লা খনন করে, যার ফলে কোনো তাৎক্ষণিক ক্ষতি হয় না, কিন্তু পরে মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়। এই ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তামাদি সময় কখন থেকে গণনা করা হবে?
  1. যখন ‘B’ কয়লা বিক্রি করে।
  2. যখন মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়।
  3. যখন কয়লা খনন শুরু হয়।
  4. যখন ‘A’ মামলা দায়ের করে।
সঠিক উত্তর:
যখন মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়।
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৪ অনুসারে, যদি কোনো কাজের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো কারণে মামলার কারণ (cause of action) সৃষ্টি না হয় এবং নির্দিষ্ট ক্ষতি প্রকাশ পাওয়ার পরই মামলার কারণ সৃষ্টি হয়, তবে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে যখন সেই ক্ষতি প্রকাশ পায়। প্রশ্নে বলা হয়েছে, ‘B’-এর কয়লা খননের ফলে তাৎক্ষণিক কোনো ক্ষতি হয়নি, কিন্তু পরে মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়। সুতরাং, তামাদি সময় গণনা শুরু হবে যখন মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়, কারণ এই সময়েই ক্ষতি প্রকাশ পায় এবং মামলার কারণ সৃষ্টি হয়।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
-----------
⇒ The limitation Act-1908, Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage:-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.

৫২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারার (৪) উপধারায় সরকার কাকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা
• আমলে নেয়া অর্থ হলো- অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:

i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট;
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট।

• ১৯০ ধারার উপধারা (৪) এ দেয়া আছে-
সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন।

Section 190(4)-
Notwithstanding anything contained to the contrary in this section or elsewhere in this Code, the Government may, by an order specifying the reasons and period stated therein, empower any Executive Magistrate to take cognizance under clause (a), (b) or (c) or sub-section (1), of offences and the Executive Magistrate shall send it for trial to the court of competent jurisdiction.
৫২৬.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  3. ডিজিটাল সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  4. ফরেনসিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে:

"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."

অর্থাৎ এই ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে যেমন:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
৫২৭.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় সরকার নিম্নলিখিত কোন অপরাধটি যেকোন দণ্ডে হ্রাস করতে পারে-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের অধিক কারাবাস
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন। 
----------------------------
⇒The Penal Code, 1860-Section  54: Commutation of sentence of death:
- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
৫২৮.
দেওয়ানি আইন, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ এ ________ প্রতি সমন জারি এবং হাজিরা নিশ্চিত করার বিধি-বিধান রয়েছে।
  1. সাক্ষীদের
  2. পক্ষদ্বয়ের
  3. বিবাদীর
  4. পক্ষদ্বয়ের প্রতিনিধির
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আইন, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ এ সাক্ষীদের সমন জারি এবং হাজিরা নিশ্চিত করার বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশে বিস্তারিত নিম্নরূপ বিষয়গুলি আলোচিত হয়েছেঃ

১. সমন জারি করার প্রক্রিয়া (Summoning witnesses)
⇒ যে কোনো পক্ষ আদালতকে অনুরোধ করে সাক্ষীদের সমন জারি করতে পারবে।
⇒ সমনে সাক্ষীর নাম, ঠিকানা এবং হাজিরা দেওয়ার তারিখ ও সময় উল্লেখ থাকবে।

২. সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু (Form and contents of summons)
⇒ সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু আইনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত আছে।
⇒ সাক্ষীকে সমনের বিষয়বস্তু বুঝিয়ে দিতে হবে।

৩. সমন প্রেরণ ও তামিল (Serving and sending summons)
⇒ সমন প্রেরণ করার সঠিক পদ্ধতি আইনে বর্ণিত আছে।
⇒ প্রেরণ না করলে বা অনিয়মিতভাবে প্রেরণ করলে সমনের বৈধতা নেই।

৪. সাক্ষী উপস্থিত না হওয়া (Non-attendance of witnesses)
⇒ যদি সাক্ষী যথাযথভাবে সমন প্রাপ্ত হয়েও উপস্থিত না হয়, তাহলে তাকে শাস্তি হতে পারে।
⇒ তবে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে আদালত ক্ষমা করতে পারে।

৫. সাক্ষীদের ভাতা (Expenses of witnesses)
⇒ সাক্ষীরা প্রাপ্য ভাতা/খরচা আদালত থেকে পাবে।
⇒ এর নিয়ম আইনে নির্ধারিত করা আছে।
৫২৯.
In which section of the Code of Criminal Procedure is it stated that 'Separate charges for distinct offences'?
  1. 233
  2. 234
  3. 235
  4. 236
সঠিক উত্তর:
233
উত্তর
সঠিক উত্তর:
233
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের (Separate charges for distinct offences) বিধান রয়েছে।
উক্ত ধারা অনুসারে- ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে, প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।
-------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-233: Separate charges for distinct offences:
- For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge, and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235, 236 and 239. 
Illustration 
A is accused of a theft on one occasion, and of causing grievous hurt on another occasion. A must be separately charged and separately tried for the theft and causing grievous hurt.
৫৩০.
‘E’ একজন পরিবহনকারী হিসেবে ‘Z’-এর মাল (সম্পত্তি) পরিবহন করার জন্য নিযুক্ত হয়, কিন্তু 'E' সেই মাল (সম্পত্তি) অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী, এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যিনি সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের জন্য অর্পিত হয়েছেন, সেই সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তর করলে তা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হিসেবে গণ্য।
- এখানে, ‘E’ একজন পরিবহনকারী হিসেবে ‘Z’-এর সম্পত্তি বহনের জন্য অর্পিত ছিলেন এবং তা 'E' অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেছেন, যা ধারা ৪০৫-এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪০৭ অনুসারে, পরিবহনকারী হিসেবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
সুতরাং, ‘E’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৭ অনুসারে অপরাধের নাম অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।
---------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৫৩১.
কখন অপরাপধমূলক নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবে?
  1. মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় নিয়ে মৃত্যু ঘটালে
  2. কোন দৈহিক জখম যা মৃত্যু ঘটাতে পারে জেনেও এমন দৈহিক জখমে মৃত্যু ঘটালে
  3. যে কার্য দ্বারা সম্ভাব্য মৃত্য ঘটবে সেই কার্য দ্বারা মৃত্য ঘটালে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ৩০০ ধারা মতে ৪ ভাবে মৃত্যু ঘটালে অপরাধমূলক নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে।
(i) মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় নিয়ে মৃত্যু ঘটালে
(ii) কোন দৈহিক জখম যা মৃত্যু ঘটাতে পারে জেনেও এমন দৈহিক জখমে মৃত্যু ঘটালে
(iii) এমন কোন আঘাত যা স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু ঘটায় তা করা যদিও তাতে হত্যা করার উদ্দেশ্য থাকে না
(iv) যে কার্য দ্বারা সম্ভাব্য মৃত্য ঘটবে সেই কার্য দ্বারা মৃত্য ঘটালে
৫৩২.
দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা আমলে নেওয়ার বিধান The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় উল্লেখ রয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯ এর বিধান  বারিত না হলে আদালত সকল দেওয়ানী মামলার বিচার করবেন: 

আদালতের (এখানে বর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে) সকল দেওয়ানী প্রকৃতির মামলা বিচার করার এখতিয়ার থাকবে, কেবল সে সকল মামলা ব্যতিত যেগুলির বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) প্ৰত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বারিত হয়েছে।

♦ ব্যাখ্যা: যে মামলায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সে মামলা দেওয়ানী প্রকৃতির, যদিও অধিকার সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কীত প্রশ্নের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় বলা হয়েছে, বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকার দেওয়ানী মামলার বিচার করবে। যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা। এখানে দেওয়ানী আদালতের সাধারণ এখতিয়ার বলতে দেওয়ানী আদালতসমূহের দেওয়ানী মামলার বিচার করার এখতিয়ার কে বোঝানো হয়েছে।
৫৩৩.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে, গুরুতর আঘাতের ধরন কতগুলি?
  1. ছয়টি
  2. সাতটি
  3. আটটি
  4. নয়টি
সঠিক উত্তর:
আটটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটটি
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt)-এর সংজ্ঞায় মোট আটটি ধরন উল্লেখ করা হয়েছে:
১. প্রথমত – পুরুষত্বহীন করণ (Emasculation)
২. দ্বিতীয়ত – চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা
৩. তৃতীয়ত – কানের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা
৪. চতুর্থত – কোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির বঞ্চনা
৫. পঞ্চমত – কোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির শক্তি ধ্বংস বা স্থায়ীভাবে খর্ব করা
৬. ষষ্ঠত – মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করা
৭. সপ্তম – হাড় বা দাঁত ভাঙা বা স্থানচ্যুত করা
৮. অষ্টম – জীবনসংশয়কারী আঘাত বা বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা বা সাধারণ কাজ করতে অপারগতা

সুতরাং, গুরুতর আঘাতের মোট আটটি ধরন রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৫৩৪.
কোন সাল হতে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির অরেজিস্ট্রিকৃত চুক্তিনামা বলবৎ যোগ্য নয়?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৪
  3. ২০০৫
  4. ২০০৬
সঠিক উত্তর:
২০০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারায় বিক্রয় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিধান রয়েছে। ২১ক ধারামতে স্থাবর সম্পত্তির অরেজিস্ট্রিকৃত বা অনিবন্ধিত বিক্রয় চুক্তি (unregistered contract for sale) সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি (contract for sale) সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়-

i) চুক্তিটি লিখিত ও রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীনে রেজিষ্ট্রিকৃত বা নিবন্ধিত হতে হবে; এবং
ii) মামলা দায়েরের সময় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারাটি ২০০৪ সালের সংশোধনী দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে যা ১লা জুলাই ২০০৫ থেকে কার্যকর রয়েছে অর্থাৎ ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পূর্বে সম্পাদিত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি অরেজিস্ট্রিকৃত বা অনিবন্ধিত হলেও সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেত, কিন্তু ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পর ২১ক ধারার শর্তাবলি পূরণ করতে হবে।

উল্লেখ্য যে, ২১ক ধারাটি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির জন্য প্রযোজ্য কিন্তু স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক, লিজ বা দান ইত্যাদি চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ বন্ধক, লিজ বা দান ইত্যাদি চুক্তি লিখিত এবং রেজিষ্ট্রিকৃত বা নিবন্ধিত না হলেও তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে; কিন্তু স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি (contract for sale) অবশ্যই লিখিত এবং নিবন্ধিত হতে হবে অন্যথায় তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।
৫৩৫.
'চ' একজন সরকারি কর্মচারী, তিনি 'ছ'-এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির অভিযোগ দায়ের করেন। হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'ছ' হাজির থাকলেও, 'চ' অনুপস্থিত থাকে। এক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. 'ছ' কে খালাস দিবে
  2. 'ছ' কে অব্যাহতি দিবে
  3. মামলা স্থগিত রাখবে
  4. মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
ব্যাখ্যা
উক্ত ক্ষেত্রে আদালত মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে, নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন; তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন। তবে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন; ও
⇒ মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

Section 247: Non-appearance of complainant-
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
৫৩৬.
দেওয়ানি আপিলের মেমোতে কোন একটি হেতু উল্লেখ না করলে, শুনানীকালে তাহা উত্থাপন করা যাবে শুধুমাত্র-
  1. বিচারিক আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. সরকারি কৌসুলির অনুমতি সাপেক্ষে
  3. আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. হাইকোর্টের আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-২ এর বিধান  আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে: আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি এমন কোন বিষয় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উত্থাপন করা যাবে।
- আদেশ ৪১ বিধি-২ হল আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবেঃ
আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপীলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না;
কিন্তু আপীল আদালত আপীল নিষ্পত্তিকালে আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন না,
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।

- আপীলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপীলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবেনা। অর্থাৎ একমাত্র আপীল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপীলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
--------------
⇒ CPC Order-41 Rule-2. Grounds which may be taken in appeal:
- The appellant shall not, except by leave of the Court, urge or be heard in support of any ground of objection not set forth in the memorandum of appeal; but the Appellate Court, in deciding the appeal, shall not be confined to the grounds of objection set forth in the memorandum of appeal or taken by leave of the Court under this rule: 

- Provided that the Court shall not rest its decision on any other ground unless the party who may be affected thereby has had a sufficient opportunity of contesting the case on that ground.
৫৩৭.
আপিল আদালতে পাল্টা আপত্তি (Cross-objection) দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২২ এর বিধান: শুনানিকালে উত্তরদায়ক তৎকর্তৃক ডিক্রীতে আপত্তি দিতে পারে, যেন সে স্বাতন্ত্র্য আপিল দায়ের কয়েছে। 
১) কোন উত্তরদায়ক যদিও কোন ডিক্রীর অংশ হতে আপিল করেনি, তথাপি সে শুধুমাত্র নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকৃত ডিক্রীর কোন সঙ্গত কারণ শুধু সমর্থন করেনি, বরং সে আপিলক্রমে যেভাবে পারত ঠিক সেভাবে উক্ত ডিক্রীর পাল্টা আপত্তি উত্থাপন করতে পারবে এ শর্তে যে, আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন সম্পর্কে তার উপর বা তার উকিলের উপর নোটিশ জারির তারিখ হতে সে আপিল আদালতে এক মাসের মধ্যে কিংবা আপিল আদালত মঞ্জুর করতে উপযুক্ত মনে করে এরূপ মঞ্জুরীকৃত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে অনুরূপ পাল্টা আপত্তি দাখিল করেছে।

২) আপত্তির ফরম এবং তাতে প্রযোজ্য বিধানসমূহ: 
অনুরূপ পাল্টা আপত্তি স্মারকের আকারে হতে হবে এবং আপিলের স্মারকের ফরম এবং বিষয়বস্তু সঙ্গে যতদূর সম্পর্কিত হয়, ততদূর ১ বিধির বিধানাবলী তাতে প্রযোজ্য হবে।

৩) আপত্তির নকল গ্রহণ সম্পর্কে ঐ আপত্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের বা তার উকিল কর্তৃক এটির নকল গ্রহণের লিখিত স্বীকৃতিপত্র উত্তরদায়ক আপত্তির সঙ্গে দাখিল না করলে আপিল আদালত এটির একটি নকল আপত্তি দাখিল হওয়ার পর যথা সম্ভব শীঘ্র উত্তরদায়কের খরচে উক্ত পক্ষের বা তার উকিলের প্রতি এটির নকল প্রদান করাবে।

৪) যে কোন ক্ষেত্রে এই বিধির অধীনে উত্তরদায়ক আপত্তির স্মারক দাখিল করে থাকলে যেক্ষেত্রে মূল আপিলটি প্রত্যাহৃত বা তদ্বিরের অভাবে খারিজ হলেও উপরোক্ত মতে দাখিলকৃত আপত্তির, অন্য পক্ষকে উপযুক্ত নোটিশ দেয়ার পর শুনানি এবং সিদ্ধান্ত করা যাবে।

৫) নিঃস্ব আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ যতদূর সম্ভব এ বিধির অধীনে আপত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
৫৩৮.
রায় একবার স্বাক্ষরিত হলে, পরবর্তীতে তা কখন সংশোধন করা যাবে?
  1. পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
  2. পক্ষগণের সম্মতির ভিত্তিতে
  3. মামলাকারীর অনুমতি পেলে
  4. কখনোই সংশোধন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে। এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

৫৩৯.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
  1. দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দিতে অযোগ্য
  2. দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন
  3. দুষ্কর্মের সহযোগী শুধুমাত্র নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন
  4. দুষ্কর্মের সহযোগী কোনভাবেই সাক্ষ্য দিতে পারবেন না
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন এবং এর উপর ভিত্তি করে যদি আসামিকে সাজা দেওয়া হয়, তবে তা বেআইনি হবে না।
- এটির মানে হল, দুষ্কর্মের সহযোগীকে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে, এবং তার সাক্ষ্য শুধুমাত্র সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে নয়, বরং অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার জন্য যথাযথ প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য। তবে, তার সাক্ষ্য যদি একমাত্র প্রমাণ হিসেবে নেওয়া হয়, তাহলে আসামিকে সাজা দেওয়া হতে পারে।
অতএব, সঠিক উত্তর: খ) দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

- এটি সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, দুষ্কর্মের সহযোগী একজন যোগ্য সাক্ষী হতে পারেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলিয়া গণ্য হইবেন। দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেওয়া হইলে কেবল সেই কারণেই উক্ত সাজা বেআইনি হইবে না।

⇒ ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনি হবে না।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৫৪০.
নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক অনুসারে কোর্ট-ফি কোথা থেকে আদায় করা হবে?
  1. মৃত বিবাদীর সম্পত্তি
  2. মৃত বাদীর সম্পত্তি
  3. আদালতের তহবিল
  4. মৃত বাদীর উত্তরাধিকারীদের থেকে
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যে কোনো মোকদ্দমা বাদীর বা সহ-বাদী হিসাবে যুক্ত কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে বিলুপ্ত হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত আদেশ দিবে যে, যদি বাদীকে নিঃস্ব (pauper) হিসেবে মামলা করার অনুমতি না দেওয়া হতো, তখন যে পরিমাণ কোর্ট-ফি প্রদান করতে হতো, তা মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে সরকারের পক্ষ থেকে আদায়যোগ্য হবে।

৫৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫১ অনুযায়ী, নিম্নের কোনটি ডিক্রি কার্যকর করার একটি বৈধ পদ্ধতি নয়?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. ফৌজদারি মামলা দায়ের করে
  3. নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলামের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা দায়ের করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা দায়ের করে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫১ অনুযায়ী, আদালত ডিক্রি কার্যকর করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতিতে আদেশ দিতে পারে। এসব পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে:
১. নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে (Clause a)
২. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম/বিক্রয়ের মাধ্যমে (Clause b)
৩. দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটক করার মাধ্যমে (Clause c)
৪. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে (Clause d)
৫. প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্যান্য উপায়ে (Clause e)
- তবে ‘ফৌজদারি মামলা দায়ের করা’ দেওয়ানী ডিক্রি কার্যকরের কোনো বৈধ বা নির্ধারিত উপায় নয়। ফৌজদারি প্রক্রিয়া ভিন্ন আইন দ্বারা পরিচালিত হয় (যেমন দণ্ডবিধি বা ফৌজদারি কার্যবিধি), এবং তা দেওয়ানী ডিক্রির enforcement-এর জন্য প্রযোজ্য নয়।
- অতএব, ফৌজদারি মামলা দায়ের করে ডিক্রি কার্যকর করা ধারা ৫১-এর আওতায় আবশ্যক বা বৈধ পদ্ধতি নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোনো উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন:
ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা
২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা
খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সংগতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপন করেছে বা করেছে; বা
গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায় সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল।
ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সাঙাতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section -51. Powers of Court to enforce execution.
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree-
(a) by delivery of any property specifically decreed;
(b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property;
(c) by arrest and detention in prison;
(d) by appointing a receiver; or
(e) in such other manner as may be provided hereinafter in the Code or as the nature of the relief granted may require:
Provided that, where the decree is for the payment of money, execution by detention in prison shall not be ordered unless, after giving the judgment-debtor an opportunity of showing cause why he should not be committed to prison, the Court, for reasons recorded in writing, is satisfied-
(a) that the judgment-debtor, with the object or effect of obstructing or delaying the execution of the decree,-
(i) is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
(ii) has, after the institution of the suit in which the decree was passed, dishonestly transferred, concealed, or removed any part of his property, or committed any other act of bad faith in relation to his property; or
(b) that the judgment-debtor has, or has had since the date of the decree, the means to pay the amount of the decree or some substantial part thereof and refuses or neglects or has refused or neglected to pay the same, or
(c) that the decree is for a sum for which the judgment-debtor was bound in a fiduciary capacity to account.
Explanation: -In the calculation of the means of the judgment-debtor for the purposes of clause (b), there shall be left out of account any property which, by or under any law or custom having the force of law for the time being in force, is exempt from attachment in execution of the decree.
৫৪২.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ এজাহারে অনেক সময় আসামির নাম উল্লেখ না করে অভিযোগকারী আসামিকে দেখলে চিনবেন এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন। তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা এই আসামি সনাক্তকরণ মহড়ার জন্য আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন।

⇒ P.R.B-282 অনুযায়ী TI Parade বলতে বুঝায় যে, “কোন সন্দেহভাজন আটককৃত অপরাধের সাথে জড়িত অভিযুক্ত আসামিকে জেলখানার  ভিতরে বাদী এবং সাক্ষী কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে  নির্ধারিত দিন ও তারিখে সনাক্তকরণের জন্য যে মহড়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয় তাহাকেই টি আই প্যারেড বা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেড বা সনাক্তকরণ মহড়া বলে।”

⇒ নির্ধারিত তারিখে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারীকে হাজির করার এবং সেই সাথে যারা সন্দেহজনক ভাবে অভিযুক্ত (একাধিক ব্যক্তি) তাদের হাজির করার নির্দেশ দেন আদালত। তখন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জেলহাজতে রাখার আদেশ প্রদান পূর্বক সনাক্তকরণ মহড়ার তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করে আদেশ দেন। লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এখানে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারী যেন টিআই প্যারেড এরপূর্বে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কে কোনক্রমে দেখার সুযোগ না পায়। শুধুমাত্র এই টি আই প্যারেড চলাকালীন সময়ে তাদেরকে দেখবেন। তারপর সাক্ষী বা ভিকটিম বা অভিযোগকারী শনাক্ত করবেন আসল অপরাধী কে? এই মহড়াকে টি আই প্যারেড বলে।
৫৪৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে আক্রমণ বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৫২
  2. ধারা ৩৫৩
  3. ধারা ৩৫৪
  4. ধারা ৩৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৫৪–এ নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে আক্রমণ বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগের শাস্তির বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারীর শালীনতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা সে জানে যে তার কাজের ফলে নারীর শালীনতা নষ্ট হতে পারে, তখন সে নারীর প্রতি আক্রমণ করে বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তবে সে অপরাধী হবে। এর শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ধারা ৩৫৪।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে- 
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354- Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৫৪৪.
'ক' ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুরি, চোরাইমাল গ্রহন, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ সহ একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার শেষে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হয়। তাহলে 'ক' উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে-
  1. অব্যাহতি পাবে
  2. খালাস পাবে
  3. মুক্তি পাবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
ব্যাখ্যা
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং কোনো এক অপরাধে দণ্ড দেয়া হয়, তখন অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হলে অভিযুক্ত উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে খালাস বলে গণ্য হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-

যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়, তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে; যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।

Section 240: Withdrawal of remaining charges on conviction on one of several charges-
When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges. Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.
৫৪৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী একজন সাধারণ ব্যক্তি কেউ non- bailable ও cognizable অপরাধ করে তখন তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ৫৪
  2. ৫৬
  3. ৫৮
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-

ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender]।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

৫৪৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৭ কোন বিষয়ের উপর প্রযোজ্য?
  1. সাধারণ মামলার কার্যপ্রণালী
  2. সম্পত্তি হস্তান্তরের কার্যপ্রণালী
  3. পারিবারিক বিরোধ সংক্রান্ত মামলার কার্যপ্রণালী
  4. হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৭ (Order XXXVII of the Code of Civil Procedure, 1908) একটি সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি (summary procedure) যা শুধু নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক দলিল সম্পর্কিত মামলার জন্য প্রযোজ্য। এটি মূলত— বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bill of Exchange), হুন্ডি (Hundi), প্রমিসরি নোট (Promissory Note) —এই ধরণের হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments)-এর ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রবর্তিত হয়েছে।
- এই আদেশের মাধ্যমে বাদী (Plaintiff) চাইলে একটি নির্ধারিত ফরমে মামলা করতে পারেন এবং বিবাদীকে আদালতের অনুমতি ছাড়া আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয় না। যদি বিবাদী সেই অনুমতি না পান, তাহলে মামলার অভিযোগ প্রমাণিত ধরে ডিক্রি প্রদান করা হয়।
অর্থাৎ, আদেশ ৩৭ সাধারণ দেওয়ানি মামলা নয়, বরং বিশেষ ধরনের আর্থিক মামলার জন্য সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS
Rule-1: Application of Order. This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
৫৪৭.
The Penal Code, 1860 এ প্রদত্ত বর্ণনানুযায়ী কোনটি সাধারন আঘাত?
  1. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  2. কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
  3. মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ;
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ;
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ;
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন;
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ;
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি;
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা;
(viii) এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
৫৪৮.
ফৌজদারি আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. দায়রা জজের নিকট আপীল
  2. দায়রা জজের নিকট রিভিশন
  3. হাইকোটের নিকট রিভিশন
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট রিভিশন
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৯৪ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে পারে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন জারির বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারামতে আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করতে পারেন।
৫৪৯.
দণ্ডবিধির ধারা ২৭৩ এর অধীনে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৭৩ অনুসারে, ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়ের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাস (যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড: সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা ১,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, বা উভয়।

⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৫৫০.
'ক' একজন ফরিয়াদি,'খ'-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযুক্ত হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'খ' হাজির থাকলেও 'ক' হাজির হননি।উক্ত মামলার ফলাফল হতে পারে-
  1. ফরিয়াদীকে পরের দিন উপস্থিত হতে বলবেন
  2. অভিযুক্ত অব্যাহতি পাবেন
  3. অভিযুক্ত খালাস পাবেন
  4. মামলা যথারীতি চলবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত খালাস পাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত খালাস পাবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে,নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে(শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।

• তবে,যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে,অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।
৫৫১.
কমিশন প্রেরণের পূর্বে আদালত কাকে কমিশনের খরচ জমা দিতে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. সাক্ষীকে
  2. যার অনুরোধে কমিশন প্রেরিত হবে
  3. যার বিরুদ্ধে কমিশন প্রেরিত হবে
  4. আদালতের কর্মকর্তাকে
সঠিক উত্তর:
যার অনুরোধে কমিশন প্রেরিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার অনুরোধে কমিশন প্রেরিত হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১৫: কমিশনের খরচ আদালতে জমা দিতে হবে:
এই আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরণের পূর্বে যে পক্ষের অনুরোধ বা যে পক্ষের হিতার্থে কমিশন প্রেরিত হবে আদালত সে পক্ষকে তার বিবেচনা মত যুক্তিযুক্ত মনের করা হয় এরূপ অংক (যদি কোন) কমিশনের খরচা বাবদ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে জমা দিতে নির্দেশ প্রদান করতে পারে।

Rule.-15: Expenses of Commission to be paid into Court:
Before issuing any commission under this Order, the Court may order such sum (if any) as it thinks reasonable for the expenses of the commission to be, within a time to be fixed, paid into Court by the party at whose instance or for whose benefit the commission is issued.
৫৫২.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি গুরুতর আঘাতের উদাহরণ নয়?
  1. দাঁত ভাঙা
  2. হাড় ভাঙা
  3. সামান্য কাটা ছেঁড়া
  4. চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা
সঠিক উত্তর:
সামান্য কাটা ছেঁড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামান্য কাটা ছেঁড়া
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী, "গুরুতর আঘাত" (Grievous hurt) হিসেবে কয়েকটি নির্দিষ্ট আঘাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে দাঁত ভাঙা, হাড় ভাঙা এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হয়।
- তবে, সামান্য কাটা ছেঁড়া সাধারণত গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হয় না, এটি সাধারণ আঘাত হিসেবে পরিগণিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৫৫৩.
দেওয়ানী মামলায় Peremptory hearing- এর পূর্ব পর্যন্ত cost ছাড়া কতটি মুলতবি আদেশ দেয়া যায়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে। আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। ১৭নং আদেশ অনুযায়ী মুলতবির কিছু সাধারন বিধান-

⇒ আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
⇒ চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।
⇒ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।
⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৫৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে "Sentence of death" সম্পর্কিত ধারা কোনটি?
  1. ধারা ৩৬৭
  2. ধারা ৩৬৮
  3. ধারা ৩৬৯
  4. ধারা ৩৭০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৮: মৃত্যুদণ্ড ও নির্বাসন সংক্রান্ত বিধান:
(১) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ: যখন কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন সেই দণ্ডাদেশে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে যে তাকে “গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে”।
(২) নির্বাসন (Transportation) এর আদেশ: নির্বাসনের আদেশে যে স্থানে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে প্রেরণ করা হবে, তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 368. Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
- Sentence of transportation:
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
৫৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে মানসিকভাবে অসুস্থ আসামিকে কার দ্বারা পরীক্ষা করানো হবে?
  1. পুলিশ সার্জন
  2. সিভিল সার্জন
  3. সরকার নির্ধারিত মেডিকেল অফিসার
  4. 'খ' অথবা 'গ'
সঠিক উত্তর:
'খ' অথবা 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' অথবা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অস্বাভাবিক (উন্মাদ/unsound mind) এবং সে কারণে আত্মপক্ষ সমর্থনে অক্ষম, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই তদন্ত শুরু করবেন অভিযুক্তের মানসিক অবস্থার বিষয়ে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামির বিরুদ্ধে বিচার চলাকালে আদালতের মনে হয় যে সে মানসিকভাবে অসুস্থ ও বিচার মোকাবিলা করার মত অবস্থায় নেই, তাহলে বিচারক আসামিকে একজন সিভিল সার্জন অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোনো মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিতে পারেন।
- তাই সঠিক উত্তর: 'খ' অথবা 'গ' — অর্থাৎ সিভিল সার্জন অথবা সরকার নির্ধারিত মেডিকেল অফিসার।

⇒ কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে অর্থাৎ উক্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ থেকে ৪৭৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামী মানসিকভাবে অসুস্থ বা উন্মাদ(পাগল) হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবেন। যথা-
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন এবং মানসিকভাবে অসুস্থ আসামীকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন এবং
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 464- Procedure in case of accused being lunatic:
(1) When a Magistrate holding an inquiry or a trial has reason to believe that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defense, the Magistrate shall inquire into the fact of such unsoundness, and shall cause such person to be examined by the Civil Surgeon of the district or such other medical officer as the Government directs, and thereupon shall examine such Surgeon or other officer as a witness, and shall reduce the examination to writing.
(1A) Pending such examination and inquiry the Magistrate may deal with the accused in accordance with the provisions of section 466.
(2) If such Magistrate is of opinion that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defence, he shall record a finding to that effect and shall postpone further proceedings in the case.
৫৫৬.
কোন অপরাধের বিচারের এখতিয়ার দায়রা আদালতের নাই?
  1. ডাকাতি
  2. হত্যা
  3. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
  4. শিশু পাচার
সঠিক উত্তর:
শিশু পাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশু পাচার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,
দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

উল্লেখিত অপরাধগুলোর মধ্যে শিশু অপরাধের বিচার আমলে নেয়ার এখতিয়ার শুধু 'মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল' এর আছে, বাকি গুলো দায়রা আদালত নিতে পারে।
৫৫৭.
তামাদি আইনের কোন ধারায় তঞ্চকতা বা প্রতারণার কথা বলা আছে?
  1. ২০ ধারায়
  2. ১৮ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ২৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল 
 
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-

১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

Section 18: Effect of fraud
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application- 
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,  

shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
৫৫৮.
সরকারের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিক্রি জারি নিষ্পত্তি না হলে, সেক্ষেত্রে আদালত সরকারকে রিপোর্ট করবে। উক্ত রিপোর্ট করার কত দিন পরও ডিক্রি জারি নিষ্পত্তি করা না হলে, এরূপ ডিক্রি জারি করা যাবে না?
  1. ৩ মাস
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি: সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না। 

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধর ৮২ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে। আদালত কোন মোকদ্দমায় সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারী অফিসারের বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করলে উক্ত ডিক্রি জারি করা যায়-
- সরকার কত সময়ের মধ্যে ডিক্রিটি নিষ্পত্তি করবে তা আদালত ডিক্রিতে নির্দিষ্ট করে দিবে, সরকার যদি আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিক্রিটি নিষ্পত্তি না করে, সেক্ষেত্রে আদালত সরকারকে রিপোর্ট করবে।
- আদালত সরকারকে রিপোর্ট করার ৩ মাস পরও ডিক্রিটি নিষ্পত্তি করা না হলে, এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।
-----------
CPC Section 82. Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.
(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
৫৫৯.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৫ অনুসারে “গৃহভঙ্গ” (House-breaking) সংঘটিত হয় কতগুলি নির্দিষ্ট উপায়ের মাধ্যমে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫ অনুসারে, "House-breaking" বা "গৃহভঙ্গ" সংঘটিত হয় যখন কেউ house-trespass commits করে নিম্নলিখিত ৬টি নির্দিষ্ট উপায়ের যে কোনো একটিতে প্রবেশ বা প্রস্থান করার মাধ্যমে:
প্রথমত: নিজে বা অপরাধের সহায়ক দ্বারা তৈরি করা passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
দ্বিতীয়ত: কোনো এমন passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা মানুষের প্রবেশের জন্য উদ্দেশ্য নয় (যেমন: ছাদ, চিমনি) বা দেয়াল টপকে প্রবেশ করা।
তৃতীয়ত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser বা তার সহায়ক দ্বারা খোলা হয়েছে এবং যা গৃহowner দ্বারা খোলার উদ্দেশ্য ছিল না (যেমন: জানালা ভাঙা)।
চতুর্থত: তালা ভেঙে বা খুলে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
পঞ্চমত: criminal force বা assault ব্যবহার করে বা assault-এর threat দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
ষষ্ঠত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser জানে যে বন্ধ ছিল এবং সে বা তার সহায়ক এটি খুলেছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ৬টি উপায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
------
⇒ The Penal Code,1860-Section: 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.

৫৬০.
যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হবেন এবং অনাদায়ের কারণে কারাদণ্ড ভোগ করেন, তাহলে আদালত-
  1. অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের পরোয়ানা জারি করবে
  2. দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিবে
  3. স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক পরোয়ানা জারি করবে
  4. উপরের কোনো আদেশ দিতে পারে না
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনো আদেশ দিতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনো আদেশ দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারামতে, 

(১) যে ক্ষেত্রে কোনো আসামিকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়, তখন শাস্তি দানকারী আদালত দুটি বা উভয় উপায় মোতাবেক জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন—

(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা

(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের ক্ষমতা দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন। 

তবে শর্ত থাকে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হবেন এবং যদি অনাদায়ের কারণে কারাদণ্ড ভোগ করেন, তাহলে কোনো আদালত (ক) ও (খ)-এ উল্লেখিত পরোয়ানা দেবেন না। তবে বিশেষ কোনো কারণবশত আবশ্যক মনে করলে আদালত ওই কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দেবেন।

(২) সরকার (১) উপধারার (ক) অনুচ্ছেদ পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ছাড়া ওই পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অপর কোনো ব্যক্তির কোনো দাবি থাকলে সেটি নির্ধারণের ব্যবস্থা করার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবে সরকার।

(৩) আদালত যখন (১) উপধারার (খ) অনুচ্ছেদ মোতাবেক কালেক্টরকে পরোয়ানা দেন তখন ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, ওই পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার বলে গণ্য করতে হবে। নিকটতম যে দেওয়ানি আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন, ওই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে ওই ডিক্রিদাতা আদালত বলে গণ্য করতে হবে। ডিক্রি জারির ব্যাপারে কার্যবিধির বিধানগুলোও একই ভাবে প্রযোজ্য হবে।

তবে শর্ত থাকে যে, অপরাধীকে গ্রেপ্তার বা কারাগারে আটক রেখে এমন কোনো পরোয়ানা বলবৎ করা যাবে না। 
৫৬১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বিশেষজ্ঞদের মতামত সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২৫ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৪৫ ধারায়
  4. ৬০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):

যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒ উল্লেখ্য যে পরবর্তীতে সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারাইয় বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
৫৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীকে সমন দিলে, সমন তার কর্মস্থলে পাঠাতে হবে -
  1. তার অফিস বরাবর
  2. তার মন্ত্রণালয় বরাবর
  3. তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
  4. সেই কর্মচারীকে ব্যক্তিগতভাবে
সঠিক উত্তর:
তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে।
- যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেথা
-অর্থাৎ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর উপর সমন জারির ক্ষেত্রে, সমন জারি করতে হবে, সে যে অফিসে চাকরী করে-তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-72. Service on servant of Republic:
(1) Where the person summoned is in the active service of the Republic, the Court issuing the summons shall ordinarily send it in duplicate to the head of the office in which such person is employed; and such head shall thereupon cause the summons to be served in manner provided by section 69, and shall return it to the Court under his signature with the endorsement required by that section. 
(2) Such signature shall be evidence of due service.
৫৬৩.
‘ক’ অজ্ঞাত মালিকের একটি সোনার আংটি পায়। মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা না করেই ‘ক’ তা বিক্রি করে। 'ক' যে অপরাধ দোষী হবে?
  1. চুরি
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. অসাধুভাবে আত্মসাৎ
  4. দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে আত্মসাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ধারা ৪০৩ মতে- এখানে 'ক’ আংটি ঘটনাক্রমে পেয়েছে। 'ক'সেটার মালিককে আবিষ্কার না করে আংটি বিক্রয় করেছে অর্থাৎ সে অসাধুভাবে আংটিটি নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে। তাই 'ক' অসাধুভাবে আংটিটি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে। ‘ক’ 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের জন্য দোষী হতো যদি সে আংটি অন্যকোন ব্যক্তির নিকট হতে বিশ্বাসভরে গ্রহণ করতো এবং উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া বিক্রি করে দিতো।
৫৬৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার অধীন আদালত কয়টি ক্ষেত্রে প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি (Person entitled to immediate possession) কোন অস্থাবর সম্পত্তির দখলকারী কিন্তু মালিক নন এমন ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তি প্রদানে বাধ্য করতে পারে। ১১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে আদালত বাদীকে প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে। যথা-
ⅰ) যদি বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসাবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে;
ii) অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হলে;
iii) অস্থাবর সম্পত্তির প্রকৃত ক্ষতি নিরূপণ করা কঠিন হলে;
iv) যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর অস্থাবর সম্পত্তিটি বেআইনিভাবে দখল করে।
---------------------
Section 11 Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৫৬৫.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী। তার সরকারি কর্তব্যপালনে বাধা দেবার উদ্দেশ্যে 'খ' তাকে আক্রমণ করে। 'খ' এর সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে,
সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক:

কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৫৬৬.
মৃত্যুকালীন বিবৃতি (Dying Declaration) কার নিকট করা যায়?
  1. শুধু পুলিশ
  2. যেকোনো ব্যক্তি
  3. শুধু ডাক্তার
  4. শুধু ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়।
- ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 
- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
 
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;
৫৬৭.
যখন একই অপরাধের জন্য অভিযোগের ভিত্তিতে সি.আর কেস এবং পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে অন্য একটি মামলা চলমান থাকে, সেই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্তটি সঠিক?
  1. পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলাটি চলমান থাকবে
  2. একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রে অনুসন্ধান এবং বিচার করা যাবে 
  3. উভয় মামলার বিচার এবং অনুসন্ধান স্থগিত থাকবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রে অনুসন্ধান এবং বিচার করা যাবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রে অনুসন্ধান এবং বিচার করা যাবে 
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ এ একই অপরাধ বিষয়ে নালিশী মামলা ও পুলিশ তদন্ত চলতে থাকলে তখন যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তা উল্লেখ করা হয়েছে-

নালিশের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান বা বিচারকালীন সময়ে যদি এটা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করা হয় যে- ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধান শুরু করেছেন উক্ত অপরাধের বিষয়ে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত চলমান আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তার অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম স্থগিত করবেন এবং তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হতে রিপোর্ট তলব করবেন।

এই ক্ষেত্রে একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রিত করণ এবং বিচার করা যাবে যেন উভয় মোকদ্দমা পুলিশ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে [ধারা ২০৫(ঘ)(২)]
৫৬৮.
কোন অপরাধের প্রস্তুতির জন্য শাস্তি প্রদানের বিধান আছে?
  1. দস্যুতা
  2. ডাকাতি
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. ধর্ষণ
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ৩৯৯ ধারায় ডাকাতির প্রস্তুতিকেও শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে। সাধারণত অপরাধ সংঘটন, এর সংঘটনে সহযোগিতা বা অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টা কে শাস্তিযোগ্য করা হয়। কিন্তু ৩৯৯ ধারায় ডাকাতির প্রস্তুতিকেও শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে।
৫৬৯.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের উদাহরণ হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মৌখিক বিবরণ
  2. মূল দলিলের অনুলিপি
  3. মূল দলিলের ফটোগ্রাফ
  4. মূল দলিলের উপস্থিতি
সঠিক উত্তর:
মূল দলিলের উপস্থিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল দলিলের উপস্থিতি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায়, মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে মৌখিক বিবরণ, মূল দলিলের অনুলিপি, এবং মূল দলিলের ফটোগ্রাফ অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে মূল দলিলের উপস্থিতি কখনোই মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে না।
মাধ্যমিক সাক্ষ্য এমন সাক্ষ্য যা মূল দলিল বা মূল প্রমাণের অনুলিপি বা বিকল্প উপায়ে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু, মূল দলিলের উপস্থিতি তখনই প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় যখন সেটা মূল দলিল হিসাবে আদালতে সরাসরি উপস্থাপন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্য- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলি অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌক্ষিক বিবরণ।

উদাহরণ:
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
---------
The Evidence Act, 1872: Section- 63. Secondary evidence:
Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.

Illustrations:
(a) A photograph of an original is secondary evidence of its contents, though the two have not been compared, if it is proved that the thing photographed was the original.
৫৭০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, সাক্ষ্য গ্রহণের সঠিক ক্রম কী?
  1. জেরা → জবানবন্দি → পুনঃজবানবন্দি
  2. জবানবন্দি → জেরা → পুনঃজবানবন্দি
  3. পুনঃজবানবন্দি → জবানবন্দি → জেরা
  4. জেরা → পুনঃজবানবন্দি → জবানবন্দি
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি → জেরা → পুনঃজবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি → জেরা → পুনঃজবানবন্দি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) জবানবন্দি → জেরা → পুনঃজবানবন্দি। 
→ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, সাক্ষ্য গ্রহণের সঠিক ক্রম হলো:
- জবানবন্দি: প্রথমে, যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করেছে, সে পক্ষ সাক্ষীকে প্রশ্ন করে (Examination-in-chief)।
- জেরা: তারপর, বিরোধী পক্ষ (যদি চায়) সাক্ষীকে জেরা করতে পারে (Cross-examination)।
- পুনঃজবানবন্দি: শেষে, যদি সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ চায়, তবে তাকে পুনরায় প্রশ্ন করা হয় (Re-examination)।
এই ক্রমটি সাক্ষ্য গ্রহণের নিয়মিত প্রক্রিয়া এবং আইনি প্রক্রিয়ায় সাক্ষীর বক্তব্য এবং তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৫৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক কোনো সংবাদপত্র বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য, কত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে?
  1. ২ মাসের
  2. ১ মাসের
  3. ৬ মাসের
  4. ৩ মাসের
সঠিক উত্তর:
২ মাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাসের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য ২ মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারা:
৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।

Section 99B: Application to High Court Division to set aside order of forfeiture-
Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.
৫৭২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় Cross Claims এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XXII, Rule 15
  2. Order XXI, Rule 18
  3. Order XXI, Rule 19
  4. Order XI, Rule 13
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 19
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 19 তে Cross Claims এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৯ এর বিধান একই ডিক্রির অধীন পাল্টা দাবির ক্ষেত্রে জারি (Execution in case of cross-claims under same decree): যেক্ষেত্রে পরস্পরের নিকট হতে অর্থ আদায়ের জন্য দুই পক্ষ একটি ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে-
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান হলে, ডিক্রিতে উভয় পক্ষের প্রাপ্য টাকার পরিশোধ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান না হলে, বৃহত্তম অঙ্কের অধিকারী পক্ষ কর্তৃক এই ক্ষুদ্রতম অঙ্ক বাদ দেওয়ার পর যা থাকে তার জন্য জারি কার্য পরিচালিত হতে পারে, এবং ক্ষুদ্রতম অঙ্কের মিটানো সম্পর্কে ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ হবে।

⇒ পাল্টা দাবী (Cross claims)- ২১ নং আদেশের ১৯ নং বিধি অনুযায়ী, যে ডিক্রি অনুসারে দুইপক্ষ পরষ্পরের নিকট টাকা আদায়ের অধিকার লাভ করে, সেই ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করা হলে, তখন-
ⅰ)যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে উভয়টির পরিতুষ্টি ডিক্রির উপর লিখতে হবে; এবং
ii) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে যে পক্ষ বৃহত্তর পরিমাণ অংকের অধিকারী, ঐ পক্ষ ক্ষুদ্রতর অংশ বাদে শুধু অবশিষ্ট অংকের টাকার জন্য ডিক্রি জারি করাতে পারবে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের জন্য ডিক্রিতে পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রি (Cross decrees)- ২১ নং আদেশের ১৮ নং বিধি অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে একই পক্ষসমূহের মধ্যে পৃথক মোকদ্দমায় টাকার দুটি অংশ পরিশোধের নিমিত্তে ইতোপূর্বে দেয়া পাল্টা ডিক্রিসমূহ জারির নিমিত্তে আদালতে আবেদন পেশ করা হয়। এবং তা উক্ত আদালতের মাধ্যমে একই সময়ে জারিযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে-
i ) যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে মিটানোর ব্যাপারে উভয় ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ থাকবে; এবং
ⅱ) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে শুধু বৃহৎ অংকের ডিক্রিদার, ক্ষুদ্রতর অংক বিয়োজন করার পর ডিক্রিতে যা বাকী থাকে, তার নিমিত্তে ডিক্রি জারি করতে পারে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের সন্তুষ্টির ব্যাপারটি বৃহৎ অংকের ডিক্রিতে এবং ক্ষুদ্রতম অংকের ডিক্রিতেও লিপিবদ্ধ থাকতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
৫৭৩.
রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক কত সময়ের জন্য হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৮: রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণের জন্য মুচলেকা প্রদান-
যখনই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত, জানতে পারেন যে তাঁর এখতিয়ারের মধ্যে এমন কোনো ব্যক্তি আছেন, যিনি ওই এখতিয়ারের ভেতরে বা বাইরে ইচ্ছাকৃতভাবে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক বিষয় প্রচার করেন বা প্রচারের চেষ্টা করেন, অথবা প্রচারে সহায়তা করেন-**
(ক) এমন কোনো বিষয়, যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ধারা ১২৩ক বা ১২৪ক অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য;
(খ) এমন কোনো বিষয়, যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ধারা ১৫৩ক অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য;
(গ) বিচারক সম্পর্কিত এমন কোনো বিষয়, যা দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শন বা মানহানির সামিল;

তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যদি তাঁর মতামত অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ থাকে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে একটি বন্ডে স্বাক্ষর করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যা ভালো আচরণ নিশ্চিত করার জন্য, সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য হতে পারে।

তবে, কোনো নিবন্ধিত প্রকাশনা, যা "মুদ্রণ যন্ত্র ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৩" অনুযায়ী সম্পাদিত, মুদ্রিত এবং প্রকাশিত হয়েছে, তার সম্পাদক, প্রকাশক, মুদ্রক বা মালিকের বিরুদ্ধে এই ধারার অধীনে কোনো কার্যক্রম নেওয়া যাবে না, যদি না সরকার বা সরকারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার নির্দেশ বা অনুমোদন থাকে।
৫৭৪.
কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার অধীনে একই বিচারে একাধিক অপরাধের শাস্তি প্রদান করেন, তবে মোট শাস্তির পরিমাণ-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ এখতিয়ারের দ্বিগুণের বেশী হবে না
  2. ২০ বছরের অধিক কারাদণ্ড হবে না
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ এখতিয়ারের তিন গুণের বেশী হবে না
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ এখতিয়ারের দ্বিগুণের বেশী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ এখতিয়ারের দ্বিগুণের বেশী হবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:

(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
 
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
 
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
 
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
৫৭৫.
সর্বনিম্ন কত বছর বয়সী শিশু আদালতে সাক্ষী হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারে?
  1. ১২
  2. ১৬
  3. ১৮
  4. কোনো বয়সসীমা নেই
সঠিক উত্তর:
কোনো বয়সসীমা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো বয়সসীমা নেই
ব্যাখ্যা
♦ আদালতের বিচার কার্যক্রমে কারা সাক্ষ্য দিতে পারবে সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।

♦ সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না; তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা ।
৫৭৬.
'মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে' এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৫৯ ধারা
  2. ৬০ ধারার
  3. ৬১ ধারার
  4. ৬২ ধারার
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী-মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে অর্থাৎ সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে হবে বা শুনতে হবে বা উপলব্ধি করতে হবে। অন্যের মারফত শোনা ঘটনা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অথাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
-------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৫৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে আসামির দোষ স্বীকারের প্রেক্ষিতে দণ্ডিত করার ক্ষমতা কোন আদালতের রয়েছে?
  1. দায়রা আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. 'ক' অথবা 'খ' উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঙ বিশেষভাবে দায়রা আদালত (Court of Session)-এর জন্য প্রযোজ্য। এটি অধ্যায় XXIIA-এর অধীন একটি বিশেষ বিধান যা শুধুমাত্র দায়রা আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট।
- ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ পর্যন্ত বিধানগুলো দায়রা আদালতের বিচার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে। 
অন্যদিকে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার পদ্ধতি অধ্যায় XX (ধারা ২৪১-২৫০)-এ বর্ণিত হয়েছে। 
- ধারা ২৬৫ঙ-তে  "দায়রা আদালতে দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে দণ্ড" নির্দেশ করে। 
সুতরাং, শুধুমাত্র দায়রা আদালতই ধারা ২৬৫ঙ-এর অধীন আসামির দোষ স্বীকারের প্রেক্ষিতে তাকে দণ্ডিত করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে, দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা অপরাধ স্বীকার করেন বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না, তাহলে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু (সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265E. Conviction of plea of guilty:
- If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.

৫৭৮.
দণ্ডবিধি ২৯৫ ধারার অধীনে অপরাধ সংঘটিত হয় যদি —
  1. কোনো ব্যক্তিকে অপমান করা হল্র
  2. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হলে
  3. ধর্মীয় উপাসনালয়কে ক্ষতিগ্রস্ত বা অপবিত্র করা হলে
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় উপাসনালয়কে ক্ষতিগ্রস্ত বা অপবিত্র করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় উপাসনালয়কে ক্ষতিগ্রস্ত বা অপবিত্র করা হলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপব্রিত করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 295⇒ Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৫৭৯.
অ্যাডভোকেট ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি যদি আইন ব্যবসা করেন, তাহলে তাকে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে-
  1. ৬ মাস পর্যন্ত
  2. ৪ মাস পর্যন্ত
  3. ৩ মাস পর্যন্ত
  4. ২ মাস পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦একজন ব্যক্তি আইনজীবী না হয়ে আইন চর্চা/প্র্যাকটিস করতে পারবে না । যদি আইনজীবী না হয়ে আইন পেশা প্র্যাকটিস করে তার শাস্তি: ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড। আইনজীবী না হয়ে আইন চর্চা করে তারা 'টাউট' নামে অধিক পরিচিত।
৫৮০.
অ্যাডভোকেট না হয়েও আইন পেশা চর্চাকারীর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৪১:
“যে কোনো ব্যক্তি, যে একজন অ্যাডভোকেট নয় এবং আইন পেশা চর্চা করে, অথবা যে ব্যক্তি এই আদেশ অনুযায়ী হাইকোর্টে আইন চর্চার অধিকারী নয়, অথচ সে হাইকোর্টে আইন চর্চা করে- তাকে অনধিক ছয় মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।”
৫৮১.
The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 কার্যকর হওয়ার তারিখ কোনটি?
  1. ৮ জুন, ২০২৫
  2. ৮ মে, ২০২৫ 
  3. ৮ জুলাই, ২০২৫
  4. ৮ এপ্রিল, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ 
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, প্রশ্নটি The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কার্যকর হওয়ার তারিখ সম্পর্কে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ১(২) তে বলা হয়েছে যে এটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।
- এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

৫৮২.
ধারা ১০৮ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করতে হলে, তাকে কত বছর নিখোঁজ থাকতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।

Section 108 ⇒ Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৫৮৩.
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৮৩:
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা আপিল বিভাগ [Appellate Division] কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা:

তামাদি মেয়াদ: ১২ বছর।

সময় গণনার শুরু:
যেদিন সেই ব্যক্তি, যিনি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করতে পারেন, প্রথমবারের মতো তা কার্যকর করার অধিকার লাভ করেন, সেদিন থেকে।

৫৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় 'Application for execution by joint decree-holder' এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XXII, Rule 22
  2. Order XXI, Rule 15
  3. Order XXI, Rule 16
  4. Order XXI, Rule 18
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 15
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 15 তে 'Application for execution by joint decree-holder' এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৫: যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির আবেদন (Application for execution by joint decree holder): একাধিক ব্যক্তির অনুকূলে যৌথভাবে কোন ডিক্রি প্রদান করা হলে, একজন বা একাধিক ব্যক্তি তাদের সকলের উপকারার্থে সমগ্র ডিক্রি জারি করার জন্য আবেদন করতে পারে।
------------
⇒ Order-21 Rule-15. Application for execution by joint decree-holder:
(1) Where a decree has been passed jointly in favour of more persons than one, any one or more of such persons may, unless the decree imposes any condition to the contrary, apply for the execution of the whole decree for the benefit of them all, or, where any of them has died, for the benefit of the survivors and the legal representatives of the deceased.
(2) Where the Court sees sufficient cause for allowing the decree to be executed on an application made under this rule, it shall make such order as it deems necessary for protecting the interests of the persons who have not joined in the application.
৫৮৫.
'বিচারাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে খবরের কাগজে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।'- একজন আইনজীবীর কোন দায়িত্বের মধ্যে পড়ে?
  1. মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
  2. জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব
  3. আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
  4. আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
ব্যাখ্যা

• "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে। অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য;
২য় অধ্যায়- মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব।

আদালতের প্রতি কর্তব্য-
১. আদালতে ভদ্রতার সাথে উপস্থিত হতে হবে।
২. মামলার বিরুদ্ধে উপদেশ দিবেন না।
৩. কখনো কোনো ভুল তথ্য বা অপব্যাখ্যা দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করবেন না।
৪. বিচারকের খাস কামরায় মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব ন্যায় বিচারের সহায়তা করা, অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া নয়। তাই সরকারি আইনজীবী সাক্ষ্য গোপন বা চাপিয়ে রাখবেন না।
৬. বিচারাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে খবরের কাগজে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।
৭. বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে যাতে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করা না হয় সেই দিকে আইনজীবীদের চেষ্টা বা তা প্রতিহত করা উচিত।
৮. আইনজীবীর সময়মতো আদালতে উপস্থিত হওয়া উচিত।
৯. আদালত আহ্বান করলে নিরপেক্ষ আইনগত মতামত উপস্থাপন করা।

৫৮৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৬৩ অনুযায়ী, দলিল প্রদর্শন ও পরিদর্শনের পরে দলিলকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়-
  1. যদি দলিলটি সরকারি হয়
  2. যদি উভয় পক্ষ সম্মত হয়
  3. যদি আদালত আদেশ দেয়
  4. যদি দলিল প্রদানকারী পক্ষ চায়
সঠিক উত্তর:
যদি দলিল প্রদানকারী পক্ষ চায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি দলিল প্রদানকারী পক্ষ চায়
ব্যাখ্যা
Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৬৩- নোটিশে তলব করা ও প্রদত্ত দলিলকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার:
যখন কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে কোনো দলিল তলব করে, এবং সেই দলিল প্রদর্শন করা হয় ও তলবকারী পক্ষ তা পরিদর্শন করে, তখন যদি দলিল প্রদানকারী পক্ষ চায়, তাহলে তলবকারী পক্ষ বাধ্য থাকবে সেই দলিলকে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে।

"When a party calls for a document which he has given the other party notice to produce, and such document is produced and inspected by the party calling for its production, he is bound to give it as evidence if the party producing it requires him to do so."
৫৮৭.
আদালতের স্থানীয় সীমার বাইরে সমন জারি করতে হবে আসামী যার এখতিয়ারভুক্ত সেই-
  1. পুলিশ সুপার বরাবর
  2. ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  4. সরাসরি ঐ ব্যক্তি বরাবর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭৩ অনুযায়ী- আদালতের স্থানীয় সীমার বাইরে সমন জারি করতে হবে সমনকৃত ব্যক্তির স্থানীয় সীমার দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট সমনের ২টি কপি পাঠিয়ে। উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সমনকৃত ব্যক্তির উপর সমন জারি করবেন।
৫৮৮.
কোন ধরনের অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯(খ) অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না?
  1. জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত অভিযুক্ত
  2. আদালতে হাজির হওয়ার পর অভিযুক্ত পলাতক হলে
  3. পরোয়ানা জারির পর স্বেচ্ছায় হাজির না হওয়া অভিযুক্ত
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে; অর্থাৎ পলাতক বা আত্মগোপন করেছে এমন অভিযুক্তকে সর্বনিম্ন ৩০ দিনের সময় দিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে এবং লিখিত হুলিয়া জারি করেছে। তবে উক্ত লিখিত হুলিয়া জারির পরও অভিযুক্ত হাজির হয়নি এবং এই কারণে ৮৮ ধারা অনুসারে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিয়েছে।

২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অনুপস্থিতিতে বিচারের পদ্ধতি:
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।

জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার:
পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান নিম্ন লিখিত ক্ষেত্রে অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না। ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, যেক্ষেত্রে-
i. অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার পর বা
ii. অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করার পর বা

জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি পলাতক হয় বা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে এমন পলাতক ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করতে তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার প্রয়োজন নেই।
৫৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার অধীনে কোন ধরনের মোকদ্দমা দায়ের করা হয়?
  1. স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
  2. অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
  3. ফৌজদারি অপরাধ সম্পর্কিত
  4. প্রশাসনিক বিষয় সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

সুতরাং দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার অধীনে স্থাবর সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারাধীন হয়, তাহলে তার সম্পর্কিত মামলা কোনো একটি আদালতে করা যেতে পারে।
-----------
→ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.
৫৯০.
According to the rule given under Section 135, what regulates the order of witnesses being produced and examined?
  1. The discretion of the witnesses
  2. The preference of the plaintiff
  3. The availability of the witnesses
  4. The law and practice relating to civil and criminal procedure
সঠিক উত্তর:
The law and practice relating to civil and criminal procedure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The law and practice relating to civil and criminal procedure
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারা: সাক্ষীদের উপস্থাপনের ও পরীক্ষা করার ক্রম:
সাক্ষীদের উপস্থাপন এবং পরীক্ষা করার যে ক্রম তা দেওয়ানী ও ফৌজদারী কার্যক্রমের জন্য প্রযোজ্য আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। যদি কোন আইন না থাকে, তবে আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করবে।

[The order in which witnesses are produced and examined shall be regulated by the law and practice for the time being relating to civil and criminal procedure respectively, and, in the absence of any such law, by the discretion of the Court.]
৫৯১.
‘A’ একজন সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা দেয়, যাতে তিনি তার কাজে বাধা পান। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫৩ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারার বিধান:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, এমনকি উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৫৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার অধীনে কে দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. পুলিশ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আদালত
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৪০১ ধারা মতে সরকার দণ্ড হ্রাস, মওকুফ ও পরিবর্তন করতে পারেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার বিধান দণ্ড স্থগিত অথবা মওকুফ করার ক্ষমতা (Power to suspend or remit sentences): সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা শর্তসাপেক্ষে দণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখতে পারেন বা সম্পূর্ণ দত্ত বা দণ্ডের অংশবিশেষ মওকুফ করতে পারেন।
- যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হলে, সরকার আদালতের প্রিজাইডিং জজকে আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিনা, সে সম্পর্কে মতামত জানাতে বলতে পারে এবং বিচারের নথি নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
- যে সকল শর্তে দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছে তার কোনটি পালন করা হয়নি বলে মনে করলে সরকার স্থগিত বা মওকুফের আদেশ বাতিল করতে পারেন। উক্ত ব্যক্তি তখন মুক্ত থাকলে পুলিশ তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবে।
- রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, দণ্ড স্থগিত রাখা বা কার্যকরে বিলম্ব ঘটানো বা মওকুফ করার অধিকার অক্ষুন্ন থাকবে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-401.Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
৫৯৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী মোকদ্দমা দায়েরের এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি কখন উত্থাপন করতে হবে?
  1. প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে
  2. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময়
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত আপত্তি উত্থাপন করা যায়।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ ধারার বিধান: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
৫৯৪.
The Evidence Act 1872 এর কত ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ১৩১ ধারায়
  2. ১৩২ ধারায়
  3. ১৩৩ ধারায়
  4. ১৩৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৩৩ ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য অর্থাৎ একই অপরাধে অভিযুক্ত একাধিক ব্যক্তির মধ্যে কেউ যদি নিজেকে এবং অন্য অভিযুক্তদের জড়িয়ে দোষ স্বীকার করে সে বিষয়ে বলা হয়েছে।
⇒  ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনী হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান: দুষ্কর্মের সহযোগীঃ-আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।

-------------------
Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৫৯৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৯৭৭-এর ধারা ৩৫ অনুযায়ী, চুক্তি রদের মামলা দায়ের করার সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩৫ এবং তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১১৪ অনুসারে চুক্তি রদের (rescission of contract) মামলা দায়ের করার সর্বোচ্চ সময়সীমা ১ বছর।

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪ অনুযায়ী, চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার‌ প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।

৫৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুসারে, ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের কাস্টডিতে থাকা জিনিসের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিতে পারেন কে?
  1. যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যেকোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৯৬(২) স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছে যে, ডাক বিভাগ বা টেলিগ্রাফ বিভাগের কাস্টডিতে থাকা কোনো দলিল, পার্সেল বা বস্তু সম্পর্কে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করার ক্ষমতা কেবলমাত্র তিন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেটের আছে:
১) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
২) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM)
৩) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM)
- এই ক্ষমতা সাধারণ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition,
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person,
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection,
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৫৯৭.
দেওয়ানি মামলায় কোন পক্ষের অনুরোধে বিনা খরচে সর্বোচ্চ কতবার আপিল শুনানি মুলতুবি আদেশ দেয়া যায়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
-কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
- কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
- অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
--------------------
⇒ CPC Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or  disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
৫৯৮.
"trustee" includes every person holding, expressly, by implication, or constructively, a fiduciary character.- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় এই সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Section 3- Interpretation-clause:
"trustee" includes every person holding, expressly, by implication, or constructively, a fiduciary character:

এর অর্থ হল:
"ট্রাস্টি" শব্দটি শুধুমাত্র সরাসরি নিযুক্ত ট্রাস্টিদেরই নয়, পরোক্ষভাবে বা প্রকৃতপক্ষে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য এমন সকল ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করে যারা আস্থাভাজন চরিত্র বহন করে। এখানে "আস্থাভাজন চরিত্র" বলতে বোঝায় অন্য কারও স্বার্থ বা মঙ্গল রক্ষা করার দায়িত্ব। যেমন - অভিভাবক, এগজিকিউটর, এডমিনিস্ট্রেটর ইত্যাদি।
অর্থাৎ, ট্রাস্টি শুধু সে নয় যাকে সরাসরি এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, বরং যারা পরোক্ষভাবে বা প্রকৃতপক্ষে অন্যের স্বার্থ বা মঙ্গল রক্ষার দায়িত্বে আছে তারাও ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য হবে।
৫৯৯.
A, Z কে হুমকি দেয় যে, তাকে টাকা না দিলে Z সম্পর্কে সে মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করবে। A যে অপরাধ করেছে তা -
  1. মানহানি
  2. অনিষ্টসাধন
  3. বলপূর্বক আদায়
  4. বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক আদায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে ‘সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

♦দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়ের সাজা (Punishment for extortion):- কোন ব্যক্তি যদি বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৬০০.
কত বছর বয়সের শিশু কোন অপরাধ করলে তা অপরাধ গণ্য হয় না?
  1. ১০
  2. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮২ ধারা অনুযায়ী-
৯ বছরের কম বয়স্ক কোন শিশুর কার্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হয় না।

এবং ৮৩ ধারা অনুযায়ী-
৯ বছরের বেশী কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিনত বোধ সম্পন্ন শিশুর কোন কার্যই অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

অর্থাৎ ৭ বছর বয়সী শিশু কোন অপরাধ করলে তা অপরাধ গণ্য হয় না।