বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ১২৬ · ৭০১৮০০ / ১২,৬০৫

৭০১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ হওয়ার কত দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ১০
  2. ৬০
  3. ৩০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে, তবে আদালত নিজ উদ্যোগে বা পক্ষগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে আরো অনধিক ৩০ দিন পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

সুতরাং মধ্যস্থতা নিষ্পত্তির সাধারণ সময়সীমা ৬০ দিন কিন্তু সর্বোচ্চ সময়সীমা ৯০ দিন।

অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
-------------------
The Code of Civil Procedure, 1908 Section 89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, [or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
৭০২.
The Specific Relief Act, 1877 এর 21A ধারায় ‘স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অরেজিস্ট্রিকৃত কোনো ‍চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়’ - বিধান সংযোজন করা হয় কোন সালে?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৪
  3. ২০০৫
  4. ২০১২
সঠিক উত্তর:
২০০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১(ক) ধারাটি ২০০৪ সালের সংশোধনী দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে যা ১লা জুলাই ২০০৫ থেকে কার্যকর রয়েছে অর্থাৎ ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পূর্বে সম্পাদিত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি অরেজিস্ট্রিকৃত বা অনিবন্ধিত হলেও সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেত, কিন্তু ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পর ২১(ক) ধারার শর্তাবলি পূরণ করতে হবে। 

- উল্লেখ্য যে, ২১(ক) ধারাটি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির জন্য প্রযোজ্য কিন্তু স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক, লিজ বা দান ইত্যাদি চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

- অর্থাৎ বন্ধক, লিজ বা দান ইত্যাদি চুক্তি লিখিত এবং রেজিষ্ট্রিকৃত বা নিবন্ধিত না হলেও তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে; কিন্তু স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি (contract for sale) অবশ্যই লিখিত এবং নিবন্ধিত হতে হবে অন্যথায় তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।

- সহজভাবে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কিন্তু অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অরেজিষ্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

- The Specific Relief Act, 1877 এর 21A ধারাটি সংযুক্ত হয় ২০০৪ সালের ২৭ নং আইন দ্বারা। আর কার্যকর হয় ১ জুলাই ২০০৫ তারিখ হতে। কার্যকরের তারিখ হতে চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য জমা প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়।
৭০৩.
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারায় কী বলা আছে?
  1. অবৈধ আবরোধ
  2. বল প্রয়োগের সংজ্ঞা
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. আক্রমণ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা
• ৩৫০ ধারা মতে সম্মতি ছাড়া বা অপরাধ করার উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগের ফলে জখম, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টি করা হলে তাকে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে।
৭০৪.
'ক' একজন নিলামকারীর কাছে কিছু জমি বিক্রির নির্দেশ দেয়। পরে 'ক' ২০ বিঘা জমির জন্য নিলামকারীর ক্ষমতা বাতিল করে, কিন্তু নিলামকারী অজান্তে সমস্ত জমি 'খ' কে বিক্রি করে দেয়। 'খ' জানত না যে ক্ষমতা বাতিল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, 'খ' কোন ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারবে না?
  1. ধারা ২৬(গ)
  2. ধারা ২৭(গ)
  3. ধারা ২৮(গ)
  4. ধারা ২৩(গ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮(গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮(গ)
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮- যে পক্ষগণকে কার্যসম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না:
নিম্ন বর্ণিত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না –
ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার চেয়ে তৎকর্তৃক গৃহীতব্য‌ প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে তা নিজেই বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযােগে প্রতারণা বা বাদীর মাধ্যমে অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;

খ) যদি চুক্তির আওতাধীন যে পক্ষের মাধ্যমে কার্যসম্পাদন করা কর্তব্য হয় সে পক্ষের সম্মতি ভুল বিরবণ (ইচ্ছাকৃত হােক বা অনিচ্ছাকৃত হােক) গােপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযােগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয় নি;

গ) যদি ভুল তথ্যের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে। তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে সেক্ষেত্রে তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হলে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যেতে পারে।

উদাহরণ: উপধারা-গ এর-
ক একজন নিলামকারীকে নির্দিষ্ট জমি বিক্রয়ের নির্দেশ প্রদান করে। ক পরবর্তী সময়ে এই জমির ২০ বিঘার ব্যাপারে নিলামকারীর প্রাধিকার খারিজ করে, কিন্তু নিলামকারী অসতর্কতাবশতঃ সমগ্র জমিটাই খ-এর কাছে বিক্রয় করে, যে খারিজের ব্যাপারটি সম্পর্কে জানত না। খ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করতে পারবে না।
৭০৫.
অর্থদন্ড কত বছরের মধ্যে যেকোন সময় আদায় করা যায়-
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

♦অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী, দণ্ডাজ্ঞা প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য । যদি অপরাধী ৬ বৎসরের বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হয়, তাহলে উক্ত দণ্ডের মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পূর্বে যেকোন সময়ে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য হবে।
৭০৬.
কোন মামলায় আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য?
  1. রেজিস্টার্ড দলিল বেআইনিমর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. রেজিস্টার্ড দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা
  3. রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
  4. রেজিস্টার্ড দলিল রদরহিতের মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী নিবন্ধিত দলিল বাতিল করা হলে, ডিক্রির একটি কপি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধিত হয়েছিলো।

• দলিল বাতিল সংক্রান্ত তথ্য:

⇒ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা করতে পারে:
১) দলিলের যেকোনো পক্ষ;
২) দলিলের পক্ষ নয় এমন ব্যক্তি, কিন্তু যার ক্ষতিগ্রস্ত [Serious Injury] হওয়ার সম্ভাবনা আছে;
৩) যেকোনো ব্যক্তি; যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য।

⇒ আদালত বিবেচনামূলক/স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নোক্ত আদেশ দিবে বা প্রতিকার মঞ্জুর করবে:
১. বাতিল বা বাতিলযোগ্য বলে আইনানুযায়ী নিষ্পত্তি করবে,বা
২. দলিলটি অর্পণের আদেশ দিবে, বা
৩. দলিলটি বাতিলের আদেশ দিবে।

তামাদির মেয়াদ: অবগত হওয়ার সময় থেকে ৩ বছর (অনুচ্ছেদ ৯১, তামাদি আইন)।
কোর্ট ফিস: মূল্যানুপাতিক [অ্যাড-ভ্যালোরেম]।

৭০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আপিল আদালত নিম্নে উল্লিখিত কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. দণ্ডাদেশ স্থগিত করতে পারে
  2. আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  3. ক এবং খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। 
 
উক্ত ধারা অনুযায়ী আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপিল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপীল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপীল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
৭০৮.
তপন, একজন উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করে এবং সেই ব্যক্তি আত্মহত্যা করে। তপন দণ্ডবিধির কোন ধারার আওতায় অপরাধ করেছে এবং তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা; মৃত্যুদণ্ড
  2. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা; যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা; অনধিক ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা; অনধিক ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা; মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা; মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৭০৯.
“প্রতিবেশীর জমি দখলের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা”- এটি কোন প্রকার প্রাসঙ্গিকতা?
  1. প্রস্তুতি
  2. অভিপ্রায়
  3. পরবর্তী কার্য
  4. পূর্ববর্তী কার্য
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
৭১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির  ১০ ধারার বিধান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট: (১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন  প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
৭১১.
ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ:
-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

- অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে সর্বোচ্চ ৩ বছর।
৭১২.
'ক' একটি রাস্তায় বাধার সৃষ্টি করে, যে রাস্তা 'খ' এর অতিক্রম করার অধিকার রয়েছে। 'ক' সরল বিশ্বাসে মনে করে যে, তার উক্ত পথ বন্ধ করার অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে, 'ক' এর অপরাধ কী?
  1. অন্যায় আটক
  2. অন্যায়ভাবে বাধা
  3. অবৈধ অবরোধ
  4. কোনো অপরাধ নয় 
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ নয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ নয় 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : কোনো অপরাধ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:
যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

৭১৩.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে "জামিনযোগ্য অপরাধ" বলতে কী বোঝায়?
  1. যে কোনো অপরাধ যা জামিনযোগ্য
  2. শুধুমাত্র পুলিশ কর্তৃক জামিনযোগ্য অপরাধ
  3. যে অপরাধে আদালত জামিন দিতে বাধ্য
  4. দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজধারী কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(খ) অনুসারে "জামিনযোগ্য অপরাধ" এর সংজ্ঞা নিম্নরূপ: "bailable offence" means an offence shown as bailable in the second schedule, or which is made bailable by any other law for the time being in force.
অর্থাৎ, "জামিনযোগ্য অপরাধ" বলতে সেই অপরাধকে বোঝায় যা দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অথবা কোনো সক্রিয় আইন দ্বারা যাকে জামিনযোগ্য করা হয়েছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হল ঘ) দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ।

৭১৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৪ ধারার অধীন হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য কোনো আদালতের আদেশ কেমন হতে হবে?
  1. মৌখিক
  2. লিখিত
  3. বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৭১৫.
The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকার বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬
  2. অনুচ্ছেদ ৬(ক)
  3. অনুচ্ছেদ ৫(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৬ (ক) অনুযায়ী বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবেন।
-----------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.
৭১৬.
আদালত কোন ক্ষেত্রে ধারা ৪৭ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করতে পারে?
  1. যখন সাক্ষ্য মৌখিক হয়
  2. যখন দলিল জাল বলে দাবি করা হয়
  3. যখন সাক্ষীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
  4. যখন হস্তলিপি বা স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তলিপি বা স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তলিপি বা স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারা- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক:
একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যা- এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।

⇒ উক্ত ধারামতে, একজন ব্যক্তির অভিমত অন্য ব্যক্তির হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে তখন প্রাসঙ্গিক হবে, যখন কোন ব্যক্তি-
- অপর ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে;
- অপর ব্যক্তির লিখিত কোন দলিল পেয়েছে;
- স্বাভাবিক কাজকর্ম হিসেবে যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত হয়েছে।

৭১৭.
নিম্নলিখিত কোনটি The Evidence (Amendment) Act, 2022 অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হবে-
  1. ম্যাগনেটিক রেকর্ড
  2. ড্রোন ডেটা
  3. ক ও খ উভয়ে
  4. ক বা খ কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ে
ব্যাখ্যা
• The Evidence(Amendment) Act, 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে।

ধারা ৩: The Evidence(Amendment) Act, 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৭১৮.
একতরফাসূত্রে আপিল শুনানী হলে পুনঃশুনানীর জন্য আবেদনের সময়সীমা কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১৬৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একতরফাসূত্রে আপিল শুনানী হলে পুনঃশুনানীর জন্য আবেদনের সময়সীমা হল ৩০ দিন।
৭১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে, রুল কমিটির সদস্যদের কে নিয়োগ করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(৩) ধারা অনুযায়ী, রুল কমিটির সদস্যদের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন এবং তিনি কমিটির একজন সদস্যকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করেন।

রুল কমিটির গঠন:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারা অনুসারে, রুল কমিটি গঠিত হয়—
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, যাদের মধ্যে অন্তত একজন ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছেন।
- ২ জন আইনজীবী, যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক, যিনি উচ্চ আদালতের অধীনস্থ।
এই সমস্ত সদস্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি নিজেও চাইলে কমিটির সদস্য হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি কমিটির সভাপতি হবেন।

সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুসারে রুল কমিটির সদস্যদের নিয়োগের দায়িত্ব একমাত্র প্রধান বিচারপতির।

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 123. Constitution of Rule Committees.
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted for the purpose referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee.
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.
৭২০.
ভিন্ন কোনো বিধান না থাকার সাপেক্ষে, দণ্ডবিধি ব্যতীত অন্য আইনের অধীন কোন ধরনের অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনযোগ্য হবে?
  1. ৫ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
  2. ৭ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
  3. ৩ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
  4. ২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
ব্যাখ্যা
• জামিনযোগ্য অপরাধ:
ফৌজদারি কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে,
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয় তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
৭২১.
তামাদি আইন অনুসারে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হলে, উক্ত নতুন কোন বাদী বা বিবাদীর বিরুদ্ধে কখন তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পর থেকে
  2. বিচার্য বিষয় গঠনের সময় থেকে
  3. যখন আরজি দাখিল করেছিল তখন থেকে
  4. যখন নতুন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
সঠিক উত্তর:
যখন নতুন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন নতুন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
ব্যাখ্যা

ধারা ২২: নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবী থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।
-----------
Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.

৭২২.
তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কার্যক্রমের জন্য তামাদির নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই?
  1. আপিল
  2. দরখাস্ত
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই।

- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

⇒ সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৩০ দিনের মধ্যে।
৭২৩.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৩ অনুযায়ী, তিন বা ততোধিক দিনের অবৈধ অবরোধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৪৩ অনুসারে, যে ব্যক্তি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তার শাস্তি হলো দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড। সুতরাং সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ২ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৭২৪.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪৪ অনুযায়ী, বেআইনি সমাবেশে মারাত্মক অস্ত্রসহ অংশগ্রহণ করলে সর্বাধিক কী দণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি সমাবেশে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে যোগদান করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে, অথবা তাকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে, অথবা উভয় দণ্ডই দেওয়া হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা- মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান করা:
কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 144- Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:
Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৭২৫.
নিঃসম্বল ব্যক্তির আপিলের ক্ষেত্রে নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত কে করবে?
  1. শুধু আপিল শ্রবণকারী আদালত
  2. শুধু ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  3. সংশ্লিষ্ট বার এসোসিয়েশন
  4. আপিল শ্রবণকারী অথবা ডিক্রি প্রদানকারী যেকোনো আদালত 
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণকারী অথবা ডিক্রি প্রদানকারী যেকোনো আদালত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণকারী অথবা ডিক্রি প্রদানকারী যেকোনো আদালত 
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

৭২৬.
"একজন আইনজীবী কোন মক্কেলকে মামলা করতে প্ররোচিত করতে পারবেন না" এটি Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর কোন অধ্যায়ের বিধান?
  1. প্রথম অধ্যায়
  2. দ্বিতীয় অধ্যায়
  3. তৃতীয় অধ্যায়
  4. চতুর্থ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় অধ্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
- প্রথম অধ্যায়ে ১১ টি, দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৪টি, তৃতীয় অধ্যায়ে ৯টি, চতুর্থ অধ্যায়ে ৮টি।

⇒ Canons of Professional conduct & Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় আছে। যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ।
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ।
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
⇒ দ্বিতীয় ভাগ-মক্কেলের প্রতি আইনজীবীদের আচরণ এর (ছ) মতে একজন আইনজীবী কোন মক্কেলকে মামলা করতে প্ররোচিত করতে পারবেন না।
---------------------------
CHAPTER II
CONDUCT WITH REGARD TO CLIENTS:
7. An Advocate shall not advise the commencement of prosecution or defence of case, unless he has been consulted in reference thereto, except when his relation to a party or to the subject matter is such as to make it proper for him to do so.
৭২৭.
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুসারে, আদালত কিভাবে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি সম্পর্কে ধরে নেবে?
  1. The Court may presume the presence of such circumstances
  2. The Court may presume the absence of such circumstances
  3. The Court shall presume the presence of such circumstances
  4. The Court shall presume the absence of such circumstance
সঠিক উত্তর:
The Court shall presume the absence of such circumstance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Court shall presume the absence of such circumstance
ব্যাখ্যা
Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.

• ধারা ১০৫ - অভিযুক্তের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমের অধীনে প্রমাণের দায়িত্ব:
যখন কোনো ব্যক্তি অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হন, তখন সে ব্যক্তি (অভিযুক্ত) এর দায়িত্ব যে, পেনাল কোডের সাধারণ ব্যতিক্রম বা অন্য কোনো বিশেষ ব্যতিক্রম বা proviso (যে কোনো বিশেষ বিধি বা শর্ত যা একই কোড বা অন্য কোনো আইনে অপরাধের সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে) অনুসারে তার মামলার ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।

এছাড়া, আদালত এই পরিস্থিতির অনুপস্থিতি (absence of such circumstances) অনুমান করবে, অর্থাৎ, অভিযুক্তকে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি প্রমাণ করতে হবে এবং আদালত এই পরিস্থিতি না থাকার বিষয়টিকে স্বাভাবিক ধরে নেবে।
৭২৮.
আদেশ-৯, বিধি-১৩ক কী সম্পর্কিত?
  1. আপিল দায়ের করা
  2. নতুন মামলা দায়ের করা
  3. একতরফা ডিক্রি প্রদানের শর্তসমূহ
  4. একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল করা
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল করা
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
৭২৯.
'ক' এর দ্বারা 'গ' এর দাঁত ভাঙার ঘটনায় 'ক' এর কৃত অপরাধ কী?
  1. সাধারণ জখম
  2. ইচ্ছাকৃত জখম
  3. মারাত্মক জখম
  4. হত্যা চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী, দাঁত ভাঙা গুরুতর আঘাত বা মারাত্মক জখম হিসেবে গণ্য হয়।
- এটি ৩২০ ধারার সপ্তম দৃষ্টান্ত, যা বলে যে, "হাড় বা দাঁত ভাঙা" গুরুতর আঘাত হিসাবে পরিগণিত হবে।
- এছাড়া, ইচ্ছাকৃত জখম বা সাধারণ জখম এসবের মধ্যে দাঁত ভাঙার মতো গুরুতর আঘাত অন্তর্ভুক্ত নয়। দাঁত ভাঙার ঘটনা মারাত্মক জখম হিসেবেই বিবেচিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৭৩০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এ ‘প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা দায়েরের ধারণা পাওয়া যায় _________
  1. Order 1, rule 8
  2. Order 1, rule 13
  3. Order 5, rule 7
  4. Order 6, rule 3
সঠিক উত্তর:
Order 1, rule 8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 1, rule 8
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৮  মতে একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest)।

♦ যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।

♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
৭৩১.
বাদী একটি ফৌজদারী বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। এক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞার আবেদন ________।
  1. স্থগিত রাখবেন
  2. মঞ্জুর করবেন
  3. আংশিক মঞ্জুর করবেন
  4. নামঞ্জুর করবেন
সঠিক উত্তর:
নামঞ্জুর করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নামঞ্জুর করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না এমন ১১টি ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে। 
- The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৬(e) (Section 56(e)) অনুযায়ী, আদালত ফৌজদারী কার্যধারা স্থগিত রাখার উদ্দেশ্যে কোনো নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করবেন না।
- ধারা ৫৬(e) এর ভাষ্য:"An injunction cannot be granted to stay proceedings in any criminal matter."
- অর্থাৎ, কোনো ফৌজদারী বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারবেন না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা-তে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। এই ধারা অনুযায়ী ১১টি নির্দিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণিত হয়েছে, যেখানে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হবে না। তা হলো:
১. যখন বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে হবে না।
২. যখন কোনো অধীনস্থ আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৩. যখন কোনো ব্যক্তি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে চায়।
৪. যখন সরকারের কোনো সরকারি কার্যক্রম বা বিদেশি সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতে হবে না।
৫. যখন কোনো ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৬. যখন কোনো চুক্তি ভঙ্গের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৭. যখন উৎপাত নয় এমন কাজ নিষেধ করতে হবে না।
৮. যখন বাদী সম্মতি দিয়েছে এমন ক্রমাগত লঙ্ঘন নিষেধ করতে হবে না।
৯. যখন জিম্মা ভঙ্গের প্রতিকার অন্য কোনো সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারীর আবেদন এমন যে তাকে আদালতের সাহায্য থেকে বঞ্চিত করবে।
১১. যখন মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 56. Injunction when refused:
An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
৭৩২.
ধারা _________ অনুসারে, কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না
  1. ৩৬
  2. ৩৯
  3. ৪৩
  4. ৫১
সঠিক উত্তর:
৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
৭৩৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে "Trustee" বলে অন্তর্ভুক্ত হবে কোন ধরনের ব্যক্তি?
  1. শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কিত ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র ব্যবসায়িক সম্পর্কিত ব্যক্তি
  3. আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র ধারণকারী ব্যক্তি
  4. শুধুমাত্র ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র ধারণকারী ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র ধারণকারী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারা অনুসারে "ট্রাস্টি" শব্দটি প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝায় যারা স্পষ্টভাবে, গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে বা কাঠামোগতভাবে আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র বহন করে।
---------------------------
The Specific Relief Act, 1877, Section 3, Interpretation clause: "trustee" includes every person holding, expressly, by implication, or constructively, a fiduciary character.

৭৩৪.
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো উপাসনালয় ধ্বংস বা অপবিত্র করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. এক বছরের কারাদণ্ড
  2. দুই বছরের কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র জরিমানা
সঠিক উত্তর:
দুই বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৫ অনুযায়ী যদি কেউ কোনো উপাসনালয় বা ধর্মীয় প্রতীক ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করে, এমন উদ্দেশ্যে যে, এতে কোনো শ্রেণির ধর্মীয় অনুভূতি আহত হবে, অথবা এমন জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও যে এতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগবে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো দুই বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপব্রিত করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 295, Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৭৩৫.
ক একটি ঘরে ঢুকে দস্যুতা করার জন্য খ ও গ কে প্ররোচনা দিলো এবং এই উদ্দেশ্যে অস্ত্র সরবরাহ করলো। দস্যুতা সংঘটনের সময় ঘরের মালিক ‘ম’ তাদেরকে প্রতিহত করায় খ তাঁকে হত্যা করলো। ক এই ক্ষেত্রে ____?
  1. ক শুধু দস্যুতার প্ররোচনার দায়ে দোষী হবে
  2. ক খুনের প্ররোচনার দায়ে দোষী হবে
  3. ক এর কোনো অপরাধ হবে না, খ ও গ খুনের দায়ে অভিযুক্ত হবে
  4. ক সাধারণ উদ্দেশ্য না থাকার কারণে শাস্তি পাবে না।
সঠিক উত্তর:
ক খুনের প্ররোচনার দায়ে দোষী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক খুনের প্ররোচনার দায়ে দোষী হবে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ১১১ ধারায় বলা হয়েছে যে কোনো একটি অপরাধের জন্য প্ররোচনা দিলে এবং বাস্তবে ভিন্ন অপরাধ হলে এবং এই ভিন্ন অপরাধ প্ররোচিত অপরাধের সম্ভাব্য পরিণাম (probable consequence) হলে প্ররোচনাদানকারী (abettor) এমনভাবে শাস্তি পাবে যেন উক্ত কাজের জন্যই প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। দস্যুতা সংঘটনে বাঁধা দেওয়া এবং সেখানে হত্যাকাণ্ড ঘটা সম্ভাব্য পরিণাম হওয়ায় abettor কে দস্যুতার জন্য নয় বরং খুনের প্ররোচনার জন্য দোষী করা যাবে।
৭৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় প্রদত্ত তল্লাশি পরোয়ানার বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে।
- ১০০ ধারা অনুযায়ী বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
-  ১০০ ধারার অধীন জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারার বিধান যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section-100: Search for persons wrongfully confined:
-If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
৭৩৭.
যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় যাবে, যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ২১(১)(ক) অনুসারে, যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের নিয়ম নিম্নরূপ:
- যদি মূল মামলার মূল্য বা সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মূল্য ৫ কোটি টাকার বেশি না হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে দায়ের করতে হবে।
- যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে (ধারা ২১(১)(খ))।
প্রশ্নে উল্লেখিত মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম, তাই আপিল জেলা জজ আদালতে যাবে। এছাড়াও, ধারা ২১(৩) অনুসারে, জেলা জজের কাছে যাওয়া এই ধরনের আপিলের দায়িত্ব অতিরিক্ত জেলা জজকে অর্পণ করা যেতে পারে, তবে আপিলের প্রাথমিক গন্তব্য হলো জেলা জজ আদালত।
------------ 
⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 21.Appeal from Joint District Judge, etc.
(1) Save as aforesaid, an appeal from a decree or order of a Joint District Judge shall lie-
(a) to the District Judge where the value of the original suit in which or in any proceeding arising out of which the decree or order was made did not exceed 5 (five) crore Taka; and
(b) to the High Court Division in any other case.

৭৩৮.
নিচের কোনটি দেওয়ানী কার্যবিধির বিধান মতে 'Interpleader Suit'-এর ক্ষেত্রে সঠিক নয়?
  1. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
  2. বাদীর মামলার খরচ ব্যতীত কোন স্বার্থ থাকে না
  3. বিবাদীদের পরস্পরের মধ্যে বিরোধ থাকে
  4. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে না
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন। তখন প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে তিনি স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) দায়ের করেন। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন। এই মামলায়-
১) বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে্লায়
২) বিবাদীদের পরস্পরের মধ্যে বিরোধ থাকে
৩) বাদীর মামলার খরচ ব্যতীত কোন স্বার্থ থাকে না

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-৫। প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।

⇒ উদাহরণ:
A-তার প্রতিনিধি B-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। C-অভিযোগ করে যে A-তার নিকট হতে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলি লাভ করেছে এবং B-এর নিকট হতে এইগুলি দাবী করে। B. A এবং C-এর বিরুে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
৭৩৯.
জামিন অযোগ্য অপরাধ হলেও নিম্নের কোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করা যেতে পারে?
  1. অক্ষম
  2. স্ত্রীলোক
  3. ১৫ বছরের পুরুষ
  4. পূর্বোক্ত সবার
সঠিক উত্তর:
পূর্বোক্ত সবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বোক্ত সবার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায় জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান রয়েছে। জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান সমূহ নিম্নরূপ-

♦ জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামী ১৬ বৎসরের নিম্ন বয়স্ক বা স্ত্রীলোক বা পীড়িত বা অক্ষম হলে অথবা আদালত উপযুক্ত মনে করলে জামিন দিতে পারেন (May be released on bail)। এক্ষেত্রে জামিন দেওয়া আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)।

♦অভিযুক্ত আসামি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে দোষী হতে পারে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারন থাকলে, আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করবেনা।

♦ অর্থাৎ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে জামিনে মুক্তি পেতে পারে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি i) ১৬ বছরের কম (any person under the age of sixteen years), ii) স্ত্রীলোক (any woman) অথবা, iii) অসুস্থ বা অক্ষম (any sick or infirm person ) হয়।
৭৪০.
নিম্নের কোন বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রি দেওয়া যায় না?
  1. পদের অধিকার
  2. চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকার
  3. সম্পত্তির অধিকার
  4. আইনগত মর্যাদা
সঠিক উত্তর:
চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
 
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ কিন্তু চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকারে বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রি দেওয়া যায় না।

⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৭৪১.
দেওয়ানি মামলার আরজিতে উত্থাপিত বক্তব্য বিবাদীর জবাবে নির্দিষ্টভাবে অস্বিকার না করা হলে তার ফল হবে-
  1. উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য
  2. তদবিষয়ে পাল্টা সাক্ষ্য দেয়া যাবে
  3. তা অস্বীকৃত বলে গণ্য
  4. তা প্রমাণিত বলে গণ্য
সঠিক উত্তর:
উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৩ নং বিধিতে বলা হয়েছে বিবাদীকে আরজির প্রত্যেক বিষয়সমূহকে (ক্ষতিপূরণ ছাড়া) সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করতে হবে। আবার ৫ নং বিধিতে বলা হয়েছে আরজিতে বিবৃত অভিযোগসমূহ বিবাদী তার লিখিত জবাবে সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার না করলে, তা বিবাদী স্বীকার করেছে বলে গন্য হবে।
৭৪২.
According to Section 140 of the Evidence Act, witnesses to character-
  1. Cannot be cross-examined
  2. Can only be examined-in-chief
  3. Can only provide written statements
  4. Can be cross-examined and re-examined
সঠিক উত্তর:
Can be cross-examined and re-examined
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Can be cross-examined and re-examined
ব্যাখ্যা
Section 140- Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.

ধারা ১৪০: চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষী:
চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষীদের জেরা (cross-examination) এবং পুনরায় জেরা (re-examination) করা যেতে পারে।
৭৪৩.
কোন অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির নিকট প্রাপ্ত অর্থ নিরাপরাধ ক্রেতাকে প্রদান করা যায়?
  1. ক্ষতি
  2. চুরি
  3. চোরাই মাল গ্রহণ
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৯ ধারার বিধানঃ আসমির নিকট প্রাপ্ত অর্থ নিরাপরাধ ক্রেতাকে প্রদান (Payment to innocent purchaser of money found on accused)- যদি চুরি বা চোরাই মাল গ্রহণ সংক্রান্ত অপরাধে দন্ডিত ব্যক্তির নিকট থেকে গ্রেফতারের সময় টাকা পাওয়া যায় এবং প্রমাণিত হয় যে, চোরাই বলে না জেনে অন্য কোন ব্যক্তি তার নিকট থেকে উক্ত চোরাইমাল ক্রয় করেছে, তাহলে উক্ত ক্রেতার আবেদনক্রমে এবং উক্ত চোরাইমাল দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের পর আদালত নির্দেশ দিতে পারেন যে, ক্রেতা যে মূল্য দিয়েছিল, দন্ডিত ব্যক্তির নিকট প্রাপ্ত অর্থের মধ্য থেকে তার অনধিক পরিমাণ অর্থ ক্রেতাকে প্রদান করা হোক।
৭৪৪.
What does Section 41 allow the Court to do?
  1. Rewrite the cancelled instrument
  2. Automatically restore the cancelled instrument
  3. Close the case without further action
  4. Require the party to pay compensation to the other party
সঠিক উত্তর:
Require the party to pay compensation to the other party
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Require the party to pay compensation to the other party
ব্যাখ্যা
Section 41- Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা: যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
৭৪৫.
'চ' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল। কিন্তু দেখা গেল যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে। এক্ষেত্রে 'চ' কে-
  1. চুরির অপরাধেই দণ্ডিত করতে হবে
  2. চোরাইমাল গ্রহণের অপরাধে দণ্ডিত করা যাবে
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এর অপরাধে দণ্ডিত করা যাবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
 
• ধারা ২৩৭ এ বলা আছে-
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়, সাক্ষ্য- প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো, তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।
 
উদহারণ-
'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল। কিন্তু দেখা গেল যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে। উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।
৭৪৬.
A কোনো নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলকারী। B দাবি করছে যে, সে ওই সম্পত্তির মালিক এবং A-কে তা হস্তান্তর করার নির্দেশ দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, A কী প্রতিকার পেতে পারে?
  1. কেবল ক্ষতিপূরণ আদায়
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের
  4. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা

⇒ A তার দখল বা স্বত্বের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আদালতে ঘোষণামূলক মামলা (Declaratory Suit) করতে পারে, যাতে আদালত ঘোষণা দেয় যে A সত্যিই সেই সম্পত্তি রাখার অধিকারী।

ঘোষণামূলক মামলা ও ডিক্রির সংজ্ঞা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। আদালত ঘোষণামূলক মামলায় যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে "ঘোষণামূলক ডিক্রি" (Declaratory Decree) বলে। এই ডিক্রির মাধ্যমে বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার ঘোষণা করা হয়।

ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি:
i) বাদীকে আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হতে হবে।
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে- চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট পরিচয় এখানে প্রযোজ্য নয়।
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হতে হবে বা অস্বীকারের উদ্যোগ নিতে হবে।

মোকদ্দমা দায়েরের যোগ্যতা:
১. যিনি আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. যিনি সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী, কিন্তু তার অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে।
৩. যাঁর পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৭৪৭.
Canons of Professional Conduct and Etiquette- অনুযায়ী একজন আইনজীবী তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
- প্রথম অধ্যায়ে ১১ টি, দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৪টি, তৃতীয় অধ্যায়ে ৯টি, চতুর্থ অধ্যায়ে ৮টি।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
সেখানে ১৪টি বিধি রয়েছে যেখানে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি কী কী দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন তা উল্লেখ আছে।
৭৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকতে পারে?
  1. আদালত কর্তৃক উল্লেখিত নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত
  2. আদালতের পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত
  3. অনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত
  4. ক ও খ উভয় 
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয় 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৩ অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা - অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হইল এইরূপ নিষেধাজ্ঞা যাহা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো সময় ইহা মঞ্জুর করা যাইবে, এবং দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।- কেবল শুনানির পর এবং মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাইবে: ইহার মাধ্যমে বিবাদিকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ, অথবা এমন একটি কাজ করা হইতে বিরত থাকিবার নির্দেশ দেওয়া হয় যাহা বাদির অধিকারের বিপরীতে হইবে।
-----------------
Temporary injunctions section ,53. Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunction: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

৭৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে, রুল কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের কতজন বিচারক থাকবেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারায় বলা হয়েছে যে, রুল কমিটিতে ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক থাকতে হবে, এবং তাদের মধ্যে অন্তত একজনকে ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

রুল কমিটির গঠন:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারা অনুসারে, রুল কমিটি গঠিত হয়—
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, যাদের মধ্যে অন্তত একজন ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছেন।
- ২ জন আইনজীবী, যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক, যিনি উচ্চ আদালতের অধীনস্থ।
এই সমস্ত সদস্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি নিজেও চাইলে কমিটির সদস্য হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি কমিটির সভাপতি হবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 123. Constitution of Rule Committees.
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted for the purpose referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee.
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.
৭৫০.
'কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা' (Constructive Res Judicata) ধারা ১১-এর কোন ব্যাখ্যায় আলোচিত হয়েছে?
  1. ১ম ব্যাখ্যা
  2. ৩য় ব্যাখ্যা
  3. ৪র্থ ব্যাখ্যা
  4. ৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:
৪র্থ ব্যাখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১-এর চতুর্থ ব্যাখ্যা (Explanation IV) অনুসারে, কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) আলোচিত হয়েছে। এই ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে, পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় যে বিষয়টি উত্থাপিত হওয়া উচিত এবং হওয়া সম্ভব ছিল, তা সরাসরি এবং মূলত বিচারিত বিষয় হিসেবে গণ্য হবে, যাতে পরবর্তী মোকদ্দমায় তা পুনরায় উত্থাপন না করা যায়। এটি পরোক্ষ দোবারা দোষ নীতির অংশ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা]
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-11. Res Judicata:
- No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 
 
Explanation I.-The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II.-For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III.-The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV.-Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V.-Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.

৭৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নালিশি দরখাস্ত গ্রহণকালে নালিশকারীকে পরীক্ষা করা একজন ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য-
  1. স্বেচ্ছাধীন
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নির্দেশমূলক
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নালিশি দরখাস্ত গ্রহণ করে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট ২০০ ধারার অধীন ফরিয়াদি বা অভিযোগকারী বা নালিশি দরখাস্তকারীকে এবং উপস্থিত সাক্ষীদের (যদি থাকে) শপথপূর্বক পরীক্ষা করবে বা তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করবে এবং তারা অভিযোগ মৌখিকভাবে দিলে, তা লিখিত আকারে রেকর্ড করবে। এই ধারায় নালিশকারীকে পরীক্ষা করা ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য বাধ্যতামূলক।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার বিধান বাদীর জবানবন্দি: নালিশের প্রেক্ষিতে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট যত দ্রুত সম্ভব বাদীর এবং উপস্থিত যদি থাকে, সাক্ষীবৃন্দের মধ্যে যে কয়জনকে সঠিকরূপে গণ্য করেন তাহাদের শপথ গ্রহণ করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারবস্তু নথিবদ্ধ করবেন এবং বাদী বা যে-সব সাক্ষীর জবানবন্দি গৃহীত হয়েছে, তারা ও ম্যাজিস্ট্রেট তাতে সই করবেন:
(ক) লিখিত নালিশ দায়ের করা হলে ধারা-১৯২ এর বিধানমতে মামলাটি হস্তান্তরের পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্তভাবে জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই;
(কক) যখন লিখিত নালিশ দায়ের করা হয় এবং আদালত বা সরকারি কর্মচারী তাঁদের সরকারি কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় বা সরকারি হিসাবে কথিত কর্তব্য সম্পাদনের সময় এই নালিশ দায়ের করেন, সেক্ষেত্রে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই।
(গ) যখন ধারা-১৯২ এর বিধান মতে মামলা হস্তান্তরের করা হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট আগেই বাদীর ও সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে যে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলা হস্তান্তরিত হয়, তিনি পুনরায় তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন না।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 200. Examination of complainant:
- A Magistrate taking cognizance of an offence on complaint shall at once examine upon oath the complainant and such of the witnesses present, if any, as he may consider necessary, and the substance of the examination shall be reduced to writing and shall be signed by the complainant or witness so examined, and also by the Magistrate:
Provided as follows:-
(a) when the complaint is made in writing, nothing herein contained shall be deemed to require such examination before transferring the case under section 192;
(aa) when the complaint is made in writing nothing herein contained shall be deemed to require such examination in any case in which the complaint has been made by a Court or by a public servant acting or purporting to act in the discharge of his official duties;
(c) when the case has been transferred under section 192 and the Magistrate so transferring it has already examined the complainant and witness if any, the Magistrate to whom it is so transferred shall not be bound to re-examine them.
৭৫২.
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোনো মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে, উক্ত মোকদ্দমার পক্ষদের হাজিরার দিন কে নির্ধারণ করবে?
  1. উক্ত মোকদ্দমার বাদী
  2. স্থানান্তরের আদেশদানকারী আদালত
  3. যে পক্ষের আবেদনে স্থানান্তরের আদেশ দেয়া হয়েছে, সেই পক্ষ
  4. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হয়েছে, সেই আদালত
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তরের আদেশদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তরের আদেশদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-
১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে, বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred.

(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.
৭৫৩.
বিচারক কর্তৃক সাক্ষীকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের বিষয়ে জেরা ________।
  1. করা যায় না
  2. অপরপক্ষের অনুমতিক্রমে করা যায়
  3. আদালতের অনুমতিক্রমে করা যায়
  4. করা যায়
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতিক্রমে করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতিক্রমে করা যায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৬৫ অনুযায়ী, বিচারক কর্তৃক সাক্ষীকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাবের বিষয়ে জেরা (cross-examination) সংক্রান্ত নিয়ম হলো: পক্ষগুলো বা তাদের এজেন্টরা বিচারকের প্রশ্ন বা আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি করতে পারবে না, এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষীর দেওয়া জবাবের উপর জেরা করতে পারবে না।

ধারা ১৬৫-এর প্রাসঙ্গিক অংশ:
"...and neither the parties nor their agents shall be entitled to make any objection to any such question or order, nor, without the leave of the Court, to cross-examine any witness upon any answer given in reply to any such question."
অর্থাৎ, বিচারকের প্রশ্নের জবাবের উপর জেরা করতে হলে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন।

উত্তর: গ) আদালতের অনুমতিক্রমে করা যায়

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।
- এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।
⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
অর্থাৎ বিচারকের এই ক্ষমতা আইন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রমাণিত এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য আবিষ্কার বা সঠিকভাবে প্রমাণ করার জন্য যে কোনো সাক্ষী বা পক্ষের কাছে যে কোনো সময়, যে কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি দেয়। বিচারক প্রশ্নগুলি যেকোনো আকারে এবং প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক যে কোনো বিষয় সম্পর্কে করতে পারেন। এছাড়াও, বিচারক যেকোনো দলিল বা জিনিসের উত্পাদন করতে আদেশ দিতে পারেন।

এই প্রসঙ্গে, পক্ষগুলোর বা তাদের এজেন্টদের জন্য এই প্রশ্ন বা আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি করার অধিকার নেই। তাছাড়া, আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষীকে তার উত্তরের ভিত্তিতে জেরা করারও অধিকার নেই।
-----------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-165: Judge’s power to put questions or order production:
The Judge may, in order to discover or to obtain proper proof of relevant facts, ask any question he pleases, in any form, at any time, of any witness, or of the parties about any fact relevant or irrelevant; and may order the production of any document or thing: and neither the parties nor their agents shall be entitled to make any objection to any such question or order, nor, without the leave of the Court, to cross-examine any witness upon any answer given in reply to any such question:
Provided that the judgment must be based upon facts declared by this Act to be relevant, and duly proved:
Provided also that this section shall not authorize any Judge to compel any witness to answer any question or to produce any document which such witness would be entitled to refuse to
answer or produce under sections 121 to 131, both inclusive, if the question were asked or the document were called for by the adverse party; nor shall the Judge ask any question which it would be improper for any other person to ask under section 148 or 149; nor shall he dispense with primary evidence of any document, except in the cases herein- before excepted.
৭৫৪.
একজন স্বাক্ষীকে আইনগতভাবে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যেতে পারে-
  1. জবানবন্দির সময়
  2. জেরার সময়
  3. পুনঃজবানবন্দির সময়
  4. প্রাথমিক সাক্ষ্য দানের সময়
সঠিক উত্তর:
জেরার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরার সময়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তাহার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয় ৷

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাইবে নাঃ বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।

যেসকল বিষয় ভুমিকামূলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হইয়াছে বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই সকল বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করিবার অনুমতি আদালত অবশ্যই দিবেন।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন করা যাইতে পারেঃ জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।

♦ অর্থাৎ জেরার সময় একজন স্বাক্ষীকে আইনগতভাবে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যেতে পারে।
৭৫৫.
"পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা" এর ১ম অধ্যায়ের বিধি ১০ মূলত কোন বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেয়?
  1. মক্কেল এবং আইনজীবীদের মধ্যে সম্পর্ক
  2. বিচারক এবং আইনজীবীদের মধ্যে সম্পর্ক
  3. আইনজীবী সহকারী এবং আইনজীবীদের মধ্যে সম্পর্ক
  4. জুনিয়র এবং নবীন সদস্যদের সিনিয়র এবং প্রবীণ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা
সঠিক উত্তর:
জুনিয়র এবং নবীন সদস্যদের সিনিয়র এবং প্রবীণ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুনিয়র এবং নবীন সদস্যদের সিনিয়র এবং প্রবীণ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা
ব্যাখ্যা
পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা: ১ম অধ্যায়: অন্যান্য আইনজীবীর সাথে আচরণ (Conduct with advocates):
বিধি ১০: জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীন আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে।

Rule 10:
Junior and younger members should always be respectful to senior and older members.
৭৫৬.
The Specific Relief Act, -এর অধীনে "obligation" বলতে কী বোঝায়?
  1. নৈতিক দায়িত্ব
  2. স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব
  3. শুধুমাত্র চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব
  4. আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য প্রতিটি দায়িত্ব
সঠিক উত্তর:
আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য প্রতিটি দায়িত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য প্রতিটি দায়িত্ব
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর: আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য প্রতিটি দায়িত্ব। 

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ৩ এর বিধান: ব্যাখ্যামূলক ধারা: এই আইনের উদ্দেশ্যে, যদি বিষয়বস্তু বা প্রসঙ্গের সাথে সাংঘর্ষিক কিছু না থাকে, তাহলে "দায়বদ্ধতা বা বাধ্যবাধকতা" বলতে আইনের দ্বারা বলবৎযোগ্য প্রতিটি দায়িত্বকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
------------- 
→ The Specific Relief Act, section- 3. Interpretation-clause: In this Act, unless there be something repugnant in the subject or context,- "obligation" includes every duty enforceable by law.
৭৫৭.
ধারা ৬৭ক কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. দলিলের অনুবাদ
  2. শারীরিক প্রমাণ
  3. ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রমাণ
  4. প্রাথমিক সাক্ষ্যের প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রমাণ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক - ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সম্পর্কিত বিধান:
সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ব্যতীত, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে কোনো গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়, তবে এটি প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সেই গ্রাহকের স্বাক্ষর।

৭৫৮.
মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে না পারলে, আদালত অভিযুক্তকে-
  1. যেকোনো অপরাধের ক্ষেত্রে অব্যাহতি দিতে পারে
  2. জামিনঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  3. জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনে খালাস দিতে পারে
  4. যেকোনো অপরাধের ক্ষেত্রে খালাস দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
জামিনঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)।উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়, তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
৭৫৯.
মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হতে পারে এমন বেপরোয়াভাবে রাজপথে গাড়ি চালানোর দায়ে অভিযুক্ত বক্তির দণ্ডবিধির ২৭৯ ধারা অনুসারে সর্বোচ্চ কোন মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. এক বৎসর
  2. ছয় মাস
  3. তিন বৎসর
  4. দশ বৎসর
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৭৯ ধারায় বেপরোয়া গাড়ি চালানোর শাস্তির বিধান রয়েছে- অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বনিম্ন ১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

♦ দণ্ডবিধির ২৭৯ ধারার বিধান জনসাধারণের ব্যবহৃত সড়কে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালনা বা আরোহণ :- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের ব্যবহৃত কোন সড়কের উপর দিয়ে এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলক ভাবে কোন গাড়ি চালায় বা চড়িয়ে বেড়ায়, যাতে মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আহত বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা সর্বনিম্ন এক হাজার টাকার শর্তে যা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

-ব্যাখ্যা (Explanation):- কোন ব্যক্তি প্রকাশ্য রাস্তায় যদি এইরূপ দ্রুত কোন যান বা অশ্ব চালনা করেন যার গতি আপাতত বলবৎ কোন আইনের কর্তৃক বা আওতায় এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে, তবে তিনি এই ধারার উদ্দেশ্যে মনুষ্য জীবন বিপন্ন করা কিংবা অপর কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা বা আহত করার মত বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে যান বা অশ্ব চালনা করেছেন বলে গণ্য হবেন।

-----------
♦ Rash driving or riding on a public way
Section 279. Whoever drives any vehicle, or rides, on any public way in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine which may, subject to the minimum of one thousand taka, extend to five thousand taka or with both. 
 
Explanation. Any person driving any vehicle, or riding, on any public way, in a speed which exceeds the limit prescribed in this behalf by or under any law for the time being in force shall, for the purpose of this section, be deemed to have driven so rashly or negligently as to endanger human life, or cause hurt or injury to any other person.
৭৬০.
'ম' এর বিরুদ্ধে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক মিথ্যা ও তুচ্ছ অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করেন এবং অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। অভিযোগকারী যদি যথাযথ কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. অভিযোগকারীকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন
  2. অনধিক ৩০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
  3. অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
  4. কেবলমাত্র মৌখিকভাবে সতর্ক করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে, ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৭৬১.
দণ্ডবিধিতে ‘অপরাধ’ এর সংজ্ঞা কত ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ২৭ ধারা
  2. ২৮ ধারা
  3. ৪০ ধারা
  4. ৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ধারা ৪০- "Offence" (অপরাধ):
এই ধারার ২ ও ৩ নম্বর উপধারায় উল্লেখিত অধ্যায় ও ধারাসমূহ ব্যতীত, "অপরাধ" বলতে এই দণ্ডবিধি দ্বারা দণ্ডনীয় কোনো কার্যকে বোঝানো হয়েছে।

অধ্যায় IV, অধ্যায় VA এবং নিম্নলিখিত ধারাসমূহে, যথা ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৭১, ১০৯, ১১০, ১১২, ১১৪, ১১৫, ১১৬, ১১৭, ১৮৭, ১৯৪, ১৯৫, ২০৩, ২১১, ২১৩, ২১৪, ২২১, ২২২, ২২৩, ২২৪, ২২৫, ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩০, ৩৩১, ৩৪৭, ৩৪৮, ৩৮৮, ৩৮৯ এবং ৪৪৫-এ "অপরাধ" বলতে দণ্ডবিধির অধীনে দণ্ডনীয় কোনো কার্য বা যে কোনো বিশেষ বা স্থানীয় আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় কার্য বোঝানো হয়েছে।

এছাড়া, ধারা ১৪১, ১৭৬, ১৭৭, ২০১, ২০২, ২১২, ২১৬ এবং ৪৪১-এ "অপরাধ" সেই একই অর্থ বহন করে যদি বিশেষ বা স্থানীয় আইনের অধীনে উক্ত কার্য ছয় মাস বা তার অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে (জরিমানাসহ বা ছাড়াও) দণ্ডনীয় হয়।
৭৬২.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা বৈরী সাক্ষী সম্পর্কিত?
  1. ১৫২
  2. ১৫৩
  3. ১৫৪
  4. ১৫৫
সঠিক উত্তর:
১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

♦  যেমনঃ মামলার অভিযোগকারী পক্ষ A -কে সাক্ষী হিসাবে তলব করলো। সাধারণত A অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। কিন্তু A ইচ্ছাকৃতভাবে অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করলো। এই ক্ষেত্রে A -কে বৈরী সাক্ষ্য হিসাবে ঘোষণা করা যেতে পারে।

♦ অর্থাৎ The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা বৈরী সাক্ষী সম্পর্কিত বিধান আছে।
৭৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫২ ধারায় আদালত বেআইনীভাবে আটক কোন ধরনের ব্যক্তিকে অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে
  2. কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৮ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে
  3. ২১ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালক বা বালিকাকে
  4. ১২ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালক বা বালিকাকে
সঠিক উত্তর:
কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫২: অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা-

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বেআইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
৭৬৪.
ক” খ” কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং খ” সেখান থেকে বালি নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। খ” কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখার উদ্দশ্যে ক” নিম্মলিখিত মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. বালি নুড়ি পাথর দখলের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারবে
  4. নুড়িপাথর বা বালি উত্তোলনের কোন অধিকার নেই মর্মে ঘোষণার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦ক এবং খ এর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুসারে খ এর বাধ্যবাকতা আছে বালি বা নুরিপাথর উত্তোলন না করার। এই বাধ্যবাদকতা লঙ্ঘন করে যেন নুড়িপাথর তুলতে না পারে,সেই কাজ থেকে বিরত রাখতে ৫৪ ধারার অধীন আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে।
৭৬৫.
A, ২০১৯ সালে এক দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়েরের অধিকারী হন। কিন্তু তামাদি আইনে উক্ত মোকদ্দমা কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। তিনি কখন পর্যন্ত আদালতে মামলা করতে পারবেন?
  1. ২০২০ সালের মধ্যে
  2. ২০২২ সালের মধ্যে
  3. ২০২৩ সালের মধ্যে
  4. ২০২৫ সালের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালের মধ্যে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।

A, ২০১৯ সালে মোকদ্দমা দায়েরের অধিকারী হন। 
সেই অনুযায়ী ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে → ২০১৯ + ৬ = ২০২৫ সালের মধ্যে মামলা দায়েরযোগ্য থাকবে।

৭৬৬.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "May Presume" বলতে কী বোঝায়?
  1. আদালত অবশ্যই উক্ত তথ্যকে প্রমাণিত বলে গ্রহণ করবে
  2. আদালত ইচ্ছা করলে উক্ত তথ্যকে প্রমাণিত বলে গ্রহণ করতে পারে
  3. আদালত উক্ত তথ্যকে কোনো প্রকার প্রমাণ ছাড়াই সত্য বলে গণ্য করবে
  4. আদালত কোনো পরিস্থিতিতেই উক্ত তথ্যকে সত্য বলে মেনে নিতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
আদালত ইচ্ছা করলে উক্ত তথ্যকে প্রমাণিত বলে গ্রহণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত ইচ্ছা করলে উক্ত তথ্যকে প্রমাণিত বলে গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: খ) আদালত ইচ্ছা করলে উক্ত তথ্যকে প্রমাণিত বলে গ্রহণ করতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ নং ধারা অনুসারে, "May Presume" এর অর্থ হলো আদালত ইচ্ছা করলে কোনো নির্দিষ্ট তথ্যকে প্রমাণিত বলে ধরে নিতে পারে, অথবা চাইলে সেটির জন্য প্রমাণ চাইতে পারে। তবে, এটি বাধ্যতামূলক নয়—আদালত তার বিবেচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।
অর্থাৎ "May Presume" বলতে বোঝানো হয় যে আদালত ইচ্ছা করলে কোনো তথ্যকে সত্য ধরে নিতে পারে, তবে চাইলে সেটির জন্য প্রমাণও চাইতে পারে। এটি বাধ্যতামূলক নয়।
উদাহরণ:
যদি কোনো দলিল আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তবে আদালত ইচ্ছা করলে সেটিকে প্রামাণ্য দলিল বলে ধরে নিতে পারে, অথবা দলিলের সত্যতা সম্পর্কে অতিরিক্ত প্রমাণ চাইতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।
⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।
⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 4:
"May presume" - Whenever it is provided by this Act that the Court may presume a fact, it may either regard such fact as proved, unless and until it is disproved, or may call for proof of it:
“Shall presume” - Whenever it is directed by this Act that the Court shall presume a fact, it shall regard such fact as proved, unless and until it is disproved:
“Conclusive proof” - When one fact is declared by this Act to be conclusive proof of another, the Court shall, on proof of the one fact, regard the other as proved, and shall not allow evidence to be given for the purpose of disproving it.
৭৬৭.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
  1. স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
  2. সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।
  3. সরকারের বিরুদ্ধে হলে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ ধারাঃ ২৩। দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক (Admissions in civil cases when relevant): দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যাঃ কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না। 

⇒  অর্থাৎ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
১. স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
২. সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

------------
Admissions in civil cases when relevant:
Section
23. In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.

Explanation.–Nothing in this  section shall be taken to exempt any 17[Advocate] from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
৭৬৮.
ক্রোক সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য কোনটি প্রমাণ করতে হয়?
  1. পরোয়ানা কার্যকরীকরণ এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করে নাই
  2. সে পলাতক ছিল না
  3. হুলিয়ার নোটিশ পায় নাই
  4. সবগুলাই
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৮৯ ধারা মতে ক্রোকী সম্পত্তি ফেরৎ পাওয়ার জন্য ৮৮(৭) ধারা অনুযায়ী হুলিয়াধীন ব্যক্তি যদি ২ বৎসরের মধ্যে হাজির হয়ে প্রমাণ করতে পারেন যে, তিনি পলাতক ছিলেন না বা আত্মগোপন করেন নাই বা হুলিয়ার নোটিশ পান নাই, তাহলে আদালত ক্রোক সম্পর্কিত খরচ কেটে রেখে বাকি সম্পত্তি অবমুক্ত করতে পারেন।
৭৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে Res Sub Judice নীতি কার্যকর হতে হলে পূর্ববর্তী মোকদ্দমার কী অবস্থা থাকতে হবে?
  1. বাতিল হতে হবে
  2. বিচারাধীন থাকতে হবে
  3. নিস্পত্তি হয়ে যেতে হবে
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
বিচারাধীন থাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারাধীন থাকতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০-এ বর্ণিত Res Sub Judice নীতি কার্যকর হওয়ার জন্য একটি মৌলিক শর্ত হলো পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি বিচারাধীন (pending) থাকতে হবে।

Res Sub Judice কার্যকর হওয়ার শর্তসমূহ:
১. দুইটি পৃথক মোকদ্দমা - একটি পূর্বে দায়েরকৃত, অপরটি পরে দায়েরকৃত
২. একই বিষয়বস্তু - উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় (subject matter) প্রত্যক্ষ ও মৌলিকভাবে একই হতে হবে
৩. একই পক্ষগণ - উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বিচারাধীন - পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, বিচারাধীন অবস্থায় আছে
৫. একই আদালতের এখতিয়ার - পূর্ববর্তী আদালতের পরবর্তী মোকদ্দমার প্রতিকার দানের এখতিয়ার থাকতে হবে

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বাতিল বা নিষ্পত্তি হয়ে গেলে Res Sub Judice প্রযোজ্য হবে না
বিদেশি আদালতে বিচারাধীন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য নয়
উদ্দেশ্য: বিরোধী রায় এড়ানো এবং আদালতের সময় সাশ্রয় করা
অতএব, পূর্ববর্তী মোকদ্দমার বিচারাধীন অবস্থাই Res Sub Judice নীতি কার্যকর হওয়ার প্রধান শর্ত।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-10. Stay of suit:
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in a previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court. 

Explanation. -The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

৭৭০.
আইনে যদি কোন দলিল প্রত্যয়ন (Attested) করার বিধান থাকে, তবে উহা প্রমাণে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসরণ করতে হবে?
  1. ৬৭ ধারা
  2. ৬৮ ধারা
  3. ৬৯ ধারা
  4. ৬৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:

যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৭৭১.
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে দণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ভুয়া সাক্ষী হওয়া
  2. জালিয়াতি করা
  3. ঘুষ গ্রহণ করা
  4. মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত স্বীকৃত কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা স্বাক্ষর করে এবং তা বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা জেনেও বা বিশ্বাস করেও করে, তাহলে তিনি মিথ্যা সাক্ষ্যের শাস্তির অনুরূপ দণ্ডযোগ্য হবেন।
অতএব, সঠিক উত্তর: ঘ) মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
৭৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারা অনুসারে অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি কীভাবে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে?
  1. আদালতের নির্দেশ ছাড়াই পেশীশক্তিতে
  2. সাধারণ আইনের বিধান অনুসারে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী
  4. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-10. Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed bythe Code of Civil Procedure.

Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৭৭৩.
ডাকাতি সংঘটিত হতে হলে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 391- Dacoity:
When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৭৭৪.
যে ব্যক্তি কোনো প্রার্থীর সাধারণ বা বিশেষ লিখিত অনুমতি ছাড়া নির্বাচনী প্রচারের জন্য অর্থ ব্যয় করেন, তাকে কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৭১জ অনুসারে, যে ব্যক্তি কোনো প্রার্থীর সাধারণ বা বিশেষ লিখিত অনুমতি ছাড়া নির্বাচনী প্রচারের জন্য অর্থ ব্যয় করেন, তাকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই ধারা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অবৈধ ব্যয়কে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে, যাতে কোনো ব্যক্তি প্রার্থীর অনুমতি ছাড়াই নির্বাচনী প্রচারে অর্থ ব্যয় না করেন। 
তবে, যদি কোনো ব্যক্তি ১০ টাকার কম ব্যয় করে এবং পরে প্রার্থীর লিখিত অনুমোদন নেন, তবে তাকে অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যয়কারী হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সে ক্ষেত্রে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 171H. Illegal payments in connection with an election:
Whoever without the general or special authority in writing of a candidate incurs or authorises expenses on account of the holding of any public meeting, or upon any advertisement, circular or publication, or in any other way whatsoever for the purpose of promoting or procuring the election of such candidate, shall be punished with fine which may extend to five hundred taka:
Provided that if any person having incurred any such expenses not exceeding the amount of ten taka without authority obtains within ten days from the date on which such expenses were incurred the approval in writing of the candidate, he shall be deemed to have incurred such expenses with the authority of the candidate.
৭৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কার নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. জেলা জজ আদলত
  2. দায়রা জজ আদলত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. এটর্নী জেনারেল
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 99B. Application to High Court Division to set aside order of forfeiture:
-Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain 121[any such matter, word or visible representation,] as is referred to in sub-section (1) of section 99A.
৭৭৬.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করা হলে ভঙ্গকারীকে সর্বোচ্চ কতদিন Civil prison এ রাখার আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ বিধি ২ অনুযায়ী 
⇒ যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য  ( Civil prison ) দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।
⇒ চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে। 
⇒ এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। 
৭৭৭.
দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী কাউকে দশ বা ততোধিক দিন অবৈধভাবে আটক রাখার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ কাউকে ১০ দিন বা তার বেশি সময় অবৈধভাবে আটক বা অবরুদ্ধ রাখে, তবে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৭৭৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারা অনুযায়ী ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিল করা যায়?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩৪ ধারা
  3. ৩৯ ধারা
  4. ৪০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারা
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী,
- ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন
(কোন লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, যদি বাদীর চুক্তি সম্পর্কে আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিস্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে)।এটি আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।
৭৭৯.
আইন শিক্ষা কমিটির সদস্য কতজন?
  1. ৫ জন
  2. ৬ জন
  3. ৯ জন
  4. ১১ জন
সঠিক উত্তর:
৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ জন
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী আইন শিক্ষা কমিটি গঠিত হয় এই কমিটির সদস্য ৯ জন
♦ এই কমিটির সদস্য নয়জনের মধ্যে পাঁচজন বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য, দুইজন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষক, অপর দুজন বার কাউন্সিলের সদস্য নয় এমন যে কোন ব্যক্তি হতে পারেন।
৭৮০.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৮ ধারায় কেরানি বা ভৃত্য যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ১০ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৮ ধারা অনুযায়ী যদি কেরানি বা ভৃত্য হিসেবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তার দায়িত্বে অর্পিত সম্পত্তির জিম্মাদার হয়ে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারার বিধান: কেরানি বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:- কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা কেরানি বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 408. Criminal breach of trust by clerk or servant:- Whoever, being a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৭৮১.
সাক্ষ্য আইনে যেখানে May Presume ব্যবহার করা হয়েছে সেই ক্ষেত্রে আদালত
  1. বিষয়টি প্রমাণিত বলে অনুমান করা আদালতের জন্য বিবেচনামূলক।
  2. বিষয়টি অপ্রমাণিত বা খন্ডন করতে সাক্ষ্য আহ্বান করতে পারে।
  3. আদালত কোন সাক্ষ্য দিয়ে বিষয়টি প্রমাণ করতে অনুমোদন করবে না।
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৭৮২.
A-এর বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে অপরাধের অভিযোগ উঠে। যদি প্রমাণ হয় সে একই দিনে ঢাকায় ছিল, সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১ অনুসারে এটা কী?
  1. প্রাসঙ্গিক
  2. অপ্রাসঙ্গিক
  3. সিদ্ধান্তমূলক
  4. অনুমানযোগ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১ অনুযায়ী, সাধারণভাবে অপ্রাসঙ্গিক যেসব তথ্য রয়েছে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক হয়ে যায় যখন:
- তা বিচার্য বিষয় (fact in issue) বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, অথবা
- তা নিজে অথবা অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্বকে অত্যন্ত সম্ভাব্য বা অসম্ভব করে তোলে।

প্রাসঙ্গিক উদাহরণ (Illustration [a] of Section 11):
- প্রশ্ন হলো, A কি নির্দিষ্ট দিনে চট্টগ্রামে অপরাধ করেছিল?
- যদি দেখা যায়, A সেই দিনে ঢাকায় অবস্থান করছিল, তবে তা সেই অপরাধে তার জড়িত থাকার সম্ভাবনাকে খুব কমিয়ে দেয়।
- ফলে, A-এর ঢাকায় থাকা প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে, যদিও তা সরাসরি অপরাধের অংশ নয়।

অর্থাৎ A যদি অপরাধের দিনে অন্য শহরে থাকে, তবে তার উপস্থিতির তথ্য সেই অপরাধে জড়িত থাকার সম্ভাবনা হ্রাস করে, তাই এটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-11. When facts not otherwise relevant become relevant: 
- Facts not otherwise relevant are relevant–
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact;
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.

Illustrations: 
(a) The question is whether A committed a crime at Chittagong on a certain day.
The fact that, on that day, A was at [Dhaka] is relevant.
The fact that, near the time when the crime was committed, A was at a distance from the place where it was committed, which would render it highly improbable, though not impossible, that he committed it, is relevant.
(b) The question is, whether A committed a crime.
The circumstances are such that the crime must have been committed either by A, B, C or D. Every fact which shows that the crime could have been committed by no one else and that it was not committed by either B, C or D, is relevant.
৭৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় Release of accused when evidence deficient এর বিধান আছে?
  1. ১৫৯ ধারা
  2. ১৬৯ ধারা
  3. ১৭৯ ধারা
  4. ১৬৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
- If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate,
- such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offense on a police-report and to try the accused or send him for trial.
৭৮৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. বাদী আইন বহির্ভূতভাবে দখলচ্যুত হয়েছে
  2. উক্ত সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব থাকতে হবে
  3. বাদী অসম্মতিতে বাদীকে দখলচ্যুত করা হয়েছে
  4. সম্পত্তি অবশ্যই স্থাবর হতে হবে
সঠিক উত্তর:
উক্ত সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব থাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব থাকতে হবে
ব্যাখ্যা
 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোন প্রয়োগযোগ্য নেই। আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।

⇒আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে। ৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন।
 ⇒ কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।উল্লেখিত প্রশ্নের 'উক্ত সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব থাকতে হবে' কথাটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে সঠিক নয়। 
৭৮৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী চূড়ান্ত মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি করা হলে, সেক্ষেত্রে অপর পক্ষকে কত টাকা পর্যন্ত খরচ প্রদানের আদেশ দেয়া যাবে?
  1. ৩০০০
  2. ২০,০০০
  3. ২০০০
  4. ১০,০০০
সঠিক উত্তর:
২০,০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩৫ক অনুসারে যদি কোন মামলায় কোন ব্যক্তি মিথ্যা বা বিরক্তকর দাবি বা জবাব প্রদান করে তাহলে আদালত তাকে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন এবং এই আদেশের বাহিরে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও দায়ের করা যেতে পারে।
৭৮৬.
সরকার কর্তৃক অশ্লীল বই বাজেয়াপ্ত হলে, স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কতদিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট বাজেয়াপ্ত ঘোষণা বাতিলের আবেদন করতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৯৯ক ধারায় সরকারকে কতিপয় প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

সংবাদপত্র বা পুস্তক বা দলিলসমূহে নিম্নোক্ত বিষয়বস্তু বিদ্যমান থাকলে তা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারে এবং তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে:
১) রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর;
২) মারাত্মক শিষ্টাচারহীন বা গালিগালাজপূর্ণ বা অশ্লীল;
৩) আমলযোগ্য অপরাধ করতে উত্তেজিত করে এমন শব্দ বা তিরস্কার;
৪) যা প্রকাশ করা পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ধারা ১২৩৩, ১২৪এ, ১৫৩৩, ১৯২,২৯৫এ, ৫০৫, ৫০৫এ অনুযায়ী দণ্ডণীয়।

৯৯খ ধারা অনুযায়ী-
উপরিউক্ত উপাদানযুক্ত সংবাদপত্র, পুস্তক, দলিল বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হলে, স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দুই মাসের মধ্যে HCD এর নিকট ঘোষণা বাতিলের আবেদন করতে পারে।

৯৯গ ধারা অনুযায়ী-
৩ জন বিচারক নিয়ে গঠিত HCD এর স্পেশাল বেঞ্চ আবেদন শ্রবণ করে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন।
৭৮৭.
স্বীকারোক্তির ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারায় কার মতামতের ভিত্তিতে প্রলোভন, ভয় বা প্রতিশ্রুতির প্রভাব দূর হয়েছে বলে বিবেচনা করা হয়?
  1. অভিযুক্তের
  2. আদালতের
  3. পুলিশের
  4. সরকারি উকিলের
সঠিক উত্তর:
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ২৮ ধারা অনুযায়ী,
"যদি ২৪ ধারায় উল্লিখিত এমন কোনো স্বীকারোক্তি, যেকোনো প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির ফলে সৃষ্ট প্রভাব, আদালতের মতে, সম্পূর্ণরূপে দূরীভূত হওয়ার পর করা হয়, তবে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য হবে।"

⇒ যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রথমে প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে কোনো ধারণা দেওয়া হয়, কিন্তু পরবর্তীতে সেই ধারণা আদালতের মতে পূর্ণরূপে অপসারিত হয়ে গেলে এবং তার পরে অভিযুক্ত স্বেচ্ছায় কোনো স্বীকারোক্তি করেন, তাহলে সেই স্বীকারোক্তিটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে।

Section 28- Confession made after removal of impression caused by inducement, threat or promise, relevant:
If such a confession as is referred to in section 24 is made after the impression caused by any such inducement, threat or promise has, in the opinion of the Court, been fully removed, it is relevant.
৭৮৮.
The Evidence (Amendment) Act, 2022 অনুসারে, কোনটি ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ডিজিটাল গেজেট
  2. প্রিন্টেড কাগজ
  3. ড্রোন দ্বারা সংগৃহীত তথ্য
  4. মোবাইল ফোনে ধারণকৃত ভিডিও
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টেড কাগজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টেড কাগজ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) প্রিন্টেড কাগজ।
⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে গণ্য হবে এমন সমস্ত রেকর্ড, যা ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল ফরম্যাটে ধারণ করা হয়েছে। এটি বিভিন্ন ধরনের ডাটা বা রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করে, যেমন:
- ম্যাগনেটিক বা ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক রেকর্ড
- অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল ডিস্ক (DVD)
- ড্রোন দ্বারা সংগৃহীত তথ্য
- মোবাইল ফোনে ধারণকৃত ভিডিও
- ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি)
- কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত মাইক্রোফিল্ম বা মাইক্রোফিচ
→ এই আইন অনুসারে, প্রিন্টেড কাগজ ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে গণ্য হয় না, কারণ এটি ম্যানুয়ালি বা হাতে লেখা বা মুদ্রিত উপাদান, যা ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল মিডিয়াতে রেকর্ড করা হয়নি।
→ সুতরাং, প্রিন্টেড কাগজ ডিজিটাল রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৭৮৯.
'ক' 'খ' কে এমন একটি ছুরিকাঘাত করে যা হৃৎপিণ্ডে আঘাত করে এবং 'খ' এর তাৎক্ষণিক মৃত্যু হয়। 'ক' জানত যে এই ধরনের আঘাত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' এর এই কাজটি কী অপরাধ হবে?
  1. খুন
  2. হত্যার চেষ্টা
  3. দোষযোগ্য নরহত্যা
  4. দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০০ অনুসারে, এই কাজটি হত্যা (Murder) হিসেবে গণ্য হবে। ধারা ৩০০-এর দ্বিতীয় খণ্ডে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কাজ করে যা সে জানে মৃত্যু ঘটাতে পারে (যেমন: হৃদয়ে ছুরিকাঘাত), এবং তাতে মৃত্যু ঘটে, তাহলে তা হত্যা। এখানে ‘ক’ জানত যে আঘাতটি মৃত্যুর কারণ হতে পারে, এবং তাৎক্ষণিক মৃত্যু ঘটেছে, তাই উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহ হত্যা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

৭৯০.
নিম্নলিখিত কোনটি দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পরিবেশগত ক্ষতি
  2. মানসিক ক্ষতি
  3. সম্পত্তির ক্ষতি
  4. শারীরিক ক্ষতি
সঠিক উত্তর:
পরিবেশগত ক্ষতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশগত ক্ষতি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী "Injury" বলতে শারীরিক ক্ষতি, মানসিক ক্ষতি ও সম্পত্তির ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত কিন্তু পরিবেশগত ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত নয়।
- পরিবেশগত ক্ষতি (Environmental Injury): প্রাকৃতিক সম্পদ বা পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব। যেমন: বন উজাড়, জলদূষণ।
- দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান ক্ষতি:- যদি কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয় তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।
- দণ্ডবিধির ধারা ৪৪: "ক্ষতি": "ক্ষতি" শব্দটি এমন যে কোনো ধরনের ক্ষতি বা হানি বোঝায়, যা অবৈধভাবে কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, খ্যাতি বা সম্পত্তির ওপর ঘটানো হয়।
----------
- The Penal Code, 1860 Section-44: “Injury”- The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.

৭৯১.
'Inculpatory Confessional Statement' বলতে কী বোঝায়?
  1. অন্যের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়া
  2. দুষ্কর্মের সহযোগী কর্তৃক সাক্ষ্য দেয়া
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক নিজের বিরুদ্ধে দোষ অস্বীকার করা
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক নিজের বিরুদ্ধে দোষ স্বীকার করা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক নিজের বিরুদ্ধে দোষ স্বীকার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক নিজের বিরুদ্ধে দোষ স্বীকার করা
ব্যাখ্যা
• কোন ফৌজদারী মামলার অভিযুক্ত তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে স্বীকারোক্তি বা Confession বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

Inculpatory Confessional Statement এর অর্থ হল এমন একটি স্বীকারোক্তি বা বিবৃতি যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্পষ্টভাবে তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধের স্বীকারোক্তি করেন।
এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ:

১/ স্বীকারোক্তির মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার নিজের বিরুদ্ধেই অপরাধের কথা স্বীকার করেন।
২/ এটি একটি আত্ম-অপরাধমূলক (self-incriminatory) বিবৃতি যা অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করতে সহায়তা করে।
৩/ Inculpatory Confessional Statement কে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা হয় যদি এটি যথাযথভাবে এবং আইনগতভাবে গৃহীত হয়।

⇒ আর অভিযুক্ত নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে, অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।
৭৯২.
ফৌজদারি মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কয়টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।
-কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুযায়ী,ম্যাজিস্ট্রেটগণ ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে নিতে পারেন-
- অভিযোগ [ (ধারা ১৯০(১)(ক) ]
- পুলিশের লিখিত রিপোর্ট [ ধারা ১৯০(১)(খ) ]
- তথ্য,নিজস্ব জ্ঞান বা সন্দেহবশত কোন তথ্য পেলে [ ধারা ১৯০(১)(গ) ] ।
তবে এই উৎসের উপর ভিত্তি করে ৩য় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারবেন না।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-190.Cognizance of offences by Magistrates:
(1) Except as hereinafter provided, any Chief Metropolitan Magistrate, Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Magistrate of the first class, and any other Magistrate specially empowered in this behalf under sub-section (2) or (3)], may take cognizance of any offence- 
(a) upon receiving a complaint of facts which constitute such offence; 
(b) upon a report in writing of such facts made by any police-officer; 
(c) upon information received from any person other than a police-officer, or upon his own knowledge or suspicion, that such offence has been committed. 

(2) the Government may, and subject to any general or special order issued in this behalf by the High Court Division, the Chief Judicial Magistrate may empower any Magistrate of the second or third class to take cognizance under sub-section (1) clause (a) or clause (b) of offences which he may try or send for trial.

(3) The Government may empower any Magistrate of the second class to take cognizance under sub-section (1), clause (c), of offences for which he may try or send for trial. 
(4) Notwithstanding anything contained to the contrary in this section or elsewhere in this Code, the Government may, by an order specifying the reasons and period stated therein, empower any Executive Magistrate to take cognizance under clause (a), (b) or (c) or sub-section (1), of offences and the Executive Magistrate shall send it for trial to the court of competent jurisdiction.
৭৯৩.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় কত ধরনের সম্পত্তিকে চোরাই মাল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাইমালঃ
চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

♦ ৫টি উপায়ে প্রাপ্ত সম্পত্তি চোরাইমাল বলে গণ্য হবে। যথা:
১. চুরি (Theft)
২. বলপূর্বক গ্রহণ (Extortion)
৩. দস্যুতা (Robbery)
৪. অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal Misappropriation)
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust)
তবে চোরাইমাল যদি মালিকের দখলে চলে আসে তাহলে তা আর চোরাইমাল বলে গণ্য হবে না। ডাকাতির মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি চোরাইমাল বলে গণ্য হবে না।

♦অর্থাৎ চুরি, বলপূর্বক গ্রহণ, দস্যুতা, অপরাধমূলক আত্মসাৎ এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে যে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা হয় তা চোরই মাল বলে গণ্য হবে।
৭৯৪.
কিভাবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. কারাগারে আটক
  2. সম্পত্তি ক্রোক
  3. স্পেশাল ডিক্রি
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
------------
Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.

 (2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.
৭৯৫.
'ক' তার বাড়ি থেকে 'খ' কর্তৃক জোরপূর্বক বেদখল হয়। 'ক' কত দিনের মধ্যে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৬ বছর
  2. ৬ মাস
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
'ক' ১২ বছরের মধ্যে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করতে পারবে।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে।এক্ষেত্রে,

⇒ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে
⇒ বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে (তামাদি আইনের ১৪২ ও ১৪৪ অনুচ্ছেদ)
⇒ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

• তামাদি আইন,১৯০৮ অনুচ্ছেদ ১৪২-
যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে, তখন বাদী বেদখল হলে অথবা বাদী তার দখল ত্যাগ করলে সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য দখলের তারিখ হতে ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হয়।
৭৯৬.
“ন্যায়বিচার ব্যাহত নাহলে, ভুল আদালতে অনুষ্ঠিত বিচারে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত বাতিল হবে না'- বিধানটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ৫৩০ ধারায়
  2. ৫৩১ ধারায়
  3. ৫৩৩ ধারায়
  4. ৫৩৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩১ ধারার বিধানঃ ভূল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারাঃ কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভূল দায়রা বিভাগে, জেলায়, বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।
৭৯৭.
বার কাউন্সিলের সভাপতি কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. মানবাধিকার কমিশনের সদস্য
  4. বাংলাদেশ অ্যাটর্নি-জেনারেল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ অ্যাটর্নি-জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ অ্যাটর্নি-জেনারেল
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর আর্টিকল ৬(২) অনুসারে, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল বার কাউন্সিলের সভাপতি (চেয়ারম্যান) হিসেবে এক্স-অফিসিও (ex officio) দায়িত্ব পালন করেন।

⇒ The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুচ্ছেদ ৬ এ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর বিষয়ে আলোচনা করা আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
(১) বার কাউন্সিলে একজন চেয়ারম্যান এবং একজন সহ-চেয়ারম্যান (ভাইস-চেয়ারম্যান) থাকবেন।
(২) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে (ex officio) বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।
(৩) সহ-চেয়ারম্যান বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্বাচন করে বেছে নেওয়া হবে।
(৪) চেয়ারম্যান ও সহ-চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
----------
⇒ Article 6. (1) There shall be a Chairman and a Vice-Chairman of the Bar Council.
(2) The Attorney-General for Bangladesh shall be the Chairman ex officio of the Bar Council.
(3) The Vice-Chairman of the Bar Council shall be elected in the prescribed manner by the members of the Council from amongst themselves.
(4) The Chairman and the Vice-Chairman of the Bar Council shall have such powers and functions as may be prescribed.]

৭৯৮.
বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর তামাদি আইনের প্রভাব কী?
  1. বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
  2. সকল ক্ষেত্রে বিদেশের আদালতের তামাদির বিধান বিধান প্রযোজ্য হবে
  3. দুই দেশের তামাদির বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
  4. পক্ষদ্বয়ের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো এক দেশের বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,

বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লেখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।

⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

Section 11: Suits on foreign contracts
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act. 
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
৭৯৯.
দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ অনুযায়ী যে ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারী বা তার সম্পর্কিত কাউকে আঘাতের হুমকি দিয়ে তাকে কোনো কাজ করতে বা বিলম্ব করতে প্ররোচিত করে, তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারী বা তার সম্পর্কিত কাউকে আঘাতের হুমকি দিয়ে তাকে কোনো কাজ করতে বা বিলম্ব করতে প্ররোচিত করে, তাকে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি দেওয়া হতে পারে।
-----
⇒ The Penal Code, 1860- Section-189. Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৮০০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায় বাদী নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না?
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  3. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলা করেছে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশি সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে।
-এই ধারায় ( স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায়) স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।
ধারাঃ ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার (স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধার/মামলা করার সময়সীমা ৬ মাস)
-------------------------
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.