বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২৯ / ১২৬ · ২,৮০১২,৯০০ / ১২,৬০৫

২,৮০১.
আদালত কর্তৃক অনুমোদিত হলে ধারা ৪৯৯(৩) অনুযায়ী মুচলেকা দেয়া যেতে পারে-
  1. শুধুমাত্র কাগজে
  2. মৌখিকভাবে
  3. ফোনে জানিয়ে
  4.  অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে 
সঠিক উত্তর:
 অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে 
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত এবং জামিনদারদের মুচলেকা:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দেওয়ার আগে, ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত যে পরিমাণ অর্থ যথেষ্ট মনে করেন, সেই পরিমাণ অর্থের জন্য ওই ব্যক্তি কর্তৃক একটি মুচলেকা সম্পাদিত হবে, এবং যখন তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট জামিনদার কর্তৃক এই শর্তে মুচলেকা সম্পাদিত হবে যে, ওই ব্যক্তি মুলেকায় উল্লিখিত সময় এবং স্থানে উপস্থিত থাকবেন, এবং ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত কর্তৃক অন্য কোনো নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকতে থাকবেন।

(২) যদি মামলার প্রয়োজন হয়, তবে মুচলেকাটি জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত বা অন্য কোনো আদালতে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য যখনই ডাকা হবে তখনই হাজির হওয়ার জন্যও বাধ্য করবে।

(৩) এই ধারায় উল্লিখিত মুচলেকাটি অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে, বা তার উকিলের মাধ্যমে, অথবা আদালত কর্তৃক অনুমোদিত হলে অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য কোনো উপযুক্ত মাধ্যমে জামিনদারদের পরিচয় এবং যোগ্যতা যাচাই সাপেক্ষে, আদালতে জমা দিতে পারেন।

২,৮০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার অধীন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কার কাছে কমিশনের দায়িত্ব অর্পণ করতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. হাইকোর্টের বিচারক
  3. যেকোনো পুলিশ অফিসার
  4. তার অধীনস্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
তার অধীনস্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার অধীনস্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার উপ-ধারা (২) অনুসারে, যদি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-কে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রদান করা হয়, তাহলে তিনি নিজে এই কাজ করতে পারেন অথবা কমিশনের অধীনে থাকা ক্ষমতা ও দায়িত্ব তার অধীনস্থ যেকোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে অর্পণ করতে পারেন।
অর্থাৎ, এই দায়িত্ব অন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া যাবে, তবে সেটি হতে হবে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট—অন্য কোন পর্যায়ের কর্মকর্তা বা আদালতকে নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার বিধান: মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন:
(১) সাক্ষী যদি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন করতে নির্দেশ দিবেন এবং তিনি এরূপভাবে সাক্ষীকে হাজির করে তার সাক্ষ্য এমনভাবে গ্রহণ করবেন যাতে তার নিজের কাছেই মামলাটি পেন্ডিং আছে।
(২) এই ধারার অধীন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন দেয়া হলে তিনি কমিশনে প্রদত্ত যাবতীয় ক্ষমতা ও কর্তব্য তার অধীনস্ত কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর ন্যস্ত করতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-504: Commission in case of witness being within a Metropolitan Area:
(1) If the witness is within the local limits of the jurisdiction of any Metropolitan Magistrate, the Magistrate or Court issuing the commission may direct the same to such Metropolitan Magistrate, who thereupon may compel the attendance of, and examine, such witness as if he were a witness in a case pending before himself.
(2) When a commission is issued under this section to the Chief Metropolitan Magistrate, he may delegate his powers and duties under the commission to any Metropolitan Magistrate subordinate to him.
২,৮০৩.
কত বিধি অনুযায়ী আপিল আদালত আপিলকারীর নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত করতে পারে?
  1. আদেশ ৩৩ বিধি-২
  2. আদেশ ৪১ বিধি-২
  3. আদেশ ৪৪ বিধি-২
  4. আদেশ ৪৫ বিধি-২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৪ বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৪ বিধি-২
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।
২,৮০৪.
তামাদি আইনের ধারা ২৬ অনুযায়ী, সুখাধিকার অর্জনের জন্য সরকারি সম্পত্তিতে কত বছর শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৬ অনুযায়ী সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে সুখাধিকার (Easement) অর্জনের জন্য ২০ বছর শান্তিপূর্ণ, অবিরাম ও বিরোধপূর্ণভাবে ভোগ করতে হয়।
সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই সময়সীমা ৬০ বছর।
অতএব, সরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জনের জন্য সঠিক উত্তর ৬০ বছর।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: অধিকার অর্জন (ইজমেন্ট):
(১) যদি কোনো ভবনের সাথে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার শান্তিপূর্ণভাবে ইজমেন্ট হিসেবে এবং আইনগত অধিকারের মাধ্যমে কোনো বিরতি ছাড়াই বিশ বছর ধরে উপভোগ করা হয়, তাহলে সেই ভবনের জন্য আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার একটি পরম ও চূড়ান্ত অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
এছাড়াও, যদি কোনো রাস্তা, জলাধার, পানির ব্যবহার বা অন্য কোনো ইজমেন্ট (ইতিবাচক বা নেতিবাচক) শান্তিপূর্ণভাবে এবং প্রকাশ্যে, দাবি করা অধিকার হিসেবে এবং কোনো বিরতি ছাড়াই বিশ বছর ধরে উপভোগ করা হয়, তাহলে সেই রাস্তায় যাতায়াতের অধিকার, জলাধার বা পানির ব্যবহারের অধিকার, বা অন্য ইজমেন্টও চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয় অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
এই বিশ বছরের প্রতিটি সময়কালটি সেই মামলার দুই বছরের মধ্যে শেষ হতে হবে, যার মাধ্যমে এই অধিকারটি আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।
(২) যদি যে সম্পত্তির উপর অধিকার দাবি করা হয়, সেটি সরকারের মালিকানাধীন হয়, তবে বিশ বছরের স্থলে ষাট বছর বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা: এই ধারা অনুযায়ী, কোনো বাধা তখনই "বিরতি" হিসেবে গণ্য হবে, যখন আসল ব্যবহার বা ভোগ বন্ধ হয়ে যাবে এবং বাধাটি কোনো ব্যক্তির দ্বারা সৃষ্ট হবে যিনি দাবি করা অধিকারী নন। তাছাড়া, এই বাধাটি দাবি করা ব্যক্তির নজরে আসার এক বছরের মধ্যে সেই ব্যক্তি তা মেনে নিলে, সেটিকে বাধা হিসেবে গণ্য করা হবে।
---------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-26. Acquisition of right to easements:
(1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an easement, and as of right, without interruption, and for twenty years,
and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years,
the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible.
Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested.
(2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words “twenty years” the words “sixty years” were substituted.
Explanation: Nothing is an interruption within the meaning of this section, unless where there is an actual discontinuance of the possession or enjoyment by reason of an obstruction by the act of some person other than the claimant, and unless such obstruction is submitted to or acquiesced in for one year after the claimant has notice thereof and of the person making or authorising the same to be made.
২,৮০৫.
সকল দেওয়ানি কার্যক্রম কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে
  1. যোগ্য স্বাক্ষী
  2. অযোগ্য স্বাক্ষী
  3. সংশ্লিষ্ট স্বাক্ষী
  4. নিশ্চিত স্বাক্ষী
সঠিক উত্তর:
যোগ্য স্বাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগ্য স্বাক্ষী
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রীঃ সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হইবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

♦ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
 In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
২,৮০৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোন পর্যায়ে কোনো সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে প্রশ্নের উদ্ভব হলে, আদালত তা পরিদর্শন করতে পারে?
  1. যেকোনো পর্যায়ে
  2. তদন্তকালীন পর্যায়ে
  3. সমন জারিকালীন
  4. বিচারকালীন সময়ে
সঠিক উত্তর:
যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
-------------
Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
২,৮০৭.
রিসিভার নিয়োগের বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ৩৬
  3. ধারা ৪২
  4. ধারা ৪৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৪৪-এ রিসিভার নিয়োগের বিধান রয়েছে। আদালতের এই ক্ষমতা একটি discretionary power বা বিচারাধীন ক্ষমতা, যা ন্যায়বিচার ও প্রাসঙ্গিক পরিস্থিতির প্রয়োজনে প্রয়োগ করা হয়।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.

২,৮০৮.
আদালতের কর্ম সময়ের পর যে কোন জরুরি বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে একজন নিযুক্তির এডভোকেটের যোগাযোগ করার উপযুক্ত পন্থা হলো-
  1. বিচারকের সরকারি খাস কামরায় দেখা করা
  2. এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
  3. প্রতিপক্ষের অ্যাডভোকেটের সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
  4. স্থানীয় বারের সভাপতিকে সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
সঠিক উত্তর:
এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ৩ অধ্যায়ে ‘আদালতের প্রতি দায়িত্ব' শিরোনামে ৯টি বিধি আছে।
-৪নং বিধির বিধান- একজন আইনজীবী ব্যক্তিগত সম্পর্ক ব্যতিরেকে কোন বিচারক কিংবা কোন বিচারিক কর্মকর্তার প্রতি লক্ষণীয় আগ্রহ ও আতিথেয়তা পরিহার করবে অন্যথায় উক্ত আগ্রহ ও আতিথেয়তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে।
-কোন বিচারাধীন মামলার বিষয়ে কোন আইনজীবী বিচারকের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ কিংবা মামলার গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে যুক্তি প্রদর্শন করতে পারবেনা। উক্তরূপ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোন বিচারকের বিশেষ অনুগ্রহ পাওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত আইনজীবী ভর্ৎসনা ও ঘৃণা লাভের যোগ্য।
-বিচারকের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্ব নিজের স্বীয় মর্যাদা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই আইনজীবী ও বিচারকের মধ্যে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুসম্পর্ক যথাযথভাবে স্থাপন করা যেতে পারে।
 
- ৪নং বিধিতে যা বলা হয়েছে যে, তার সারসংক্ষেপ হলো: আদালতের কর্ম-সময়ের পর যেকোনো জরুরি বিরোধীর বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে সংশ্লিষ্ট মামলার অ্যাডভোকেট যোগাযোগ করা থেকে বিরত থাকবে।
--------------------
CHAPTER -III
DUTY TO THE COURT:
Rule-4. Marked attention and unusual hospitality on the part of an Advocate to a judge or judicial officer not called for by the personal relations of the parties, subject both the judge and the Advocate to misconstructions of motive and should be avoided. An Advocate should not communicate or argue privately with the judge as to the merits of a pending cause and he deserves rebuke and denunciation for any device or attempt to gain from a judge special consideration or favour. A self-respecting independence in the discharge of professional duty, without denial or diminution of courtesy and respect due to the Judge's station, is the only proper foundation for cordial personal and official relations between the Bench and the Bar.
২,৮০৯.
বোবা ব্যক্তি আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য কোন পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র লিখিত সাক্ষ্য
  2. শুধুমাত্র ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য
  3. লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য
  4. বোবা ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে উপযুক্ত নয়
সঠিক উত্তর:
লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
২,৮১০.
দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারা অনুসারে চুরি হওয়া সম্পত্তি লুকানোতে সহায়তা করার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর:গ) ৩ বছরের কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী, "যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কোনো সম্পত্তি গোপন করা, অপসারণ বা ধ্বংস করার কাজে সহায়তা করে, যার ব্যাপারে সে জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে তা চুরি করা হয়েছে—সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।"

- দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে (voluntarily), চুরিকৃত সম্পত্তি লুকানো, অপসারণ বা বিক্রয়ে সহায়তা করে, এ সময় জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে সম্পত্তিটি চুরিকৃত, তাহলে তার শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সাধারণ বা কঠোর) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি।

⇒The Penal Code, 1860 – Section 414. Assisting in concealment of stolen property:
- Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

২,৮১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে তা কে নির্ধারন করে?
  1. সরকার
  2. ফরিয়াদি
  3. বিচারিক আদালত
  4. কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিজে
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪১- কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা-

(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দেওয়ানি কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানি কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-

(ক) ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানি জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারি জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
২,৮১২.
স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করলে দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা: ৩২৩ - স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি:
যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Punishment for voluntarily causing hurt-
Whoever, except in the case provided for by section 334, voluntarily causes hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
২,৮১৩.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী সর্বনিম্ন কতজনের অংশগ্রহণে বেআইনি সমাবেশ সংঘটিত হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
- দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে। যথা-
i) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান।
ii) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
iii) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
iv) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত।
v) কোনো ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।
 
- বেআইনি সমাবেশ হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন ৫ জন ব্যক্তি এবং ১৪১ ধারায় উল্লিখিত ৫ ধরনের সাধারণ উদ্দেশ্যের (common object) যে কোন একটি উদ্দেশ্য অবশ্যই থাকতে হবে।
-------------------
The Penal Code- Section141: Unlawful assembly:
-An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
 
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
 
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
২,৮১৪.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭ অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. ঘটনার স্থান সম্পর্কিত পরিবেশ
  2. ঘটনার সুযোগ সৃষ্টি করে এমন অবস্থা
  3. ঘটনার আগে বা পরে ঘটিত কারণ বা ফলাফল
  4. ঘটনার পূর্ববর্তী বিবৃতি সম্পর্কিত তথ্য
সঠিক উত্তর:
ঘটনার পূর্ববর্তী বিবৃতি সম্পর্কিত তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনার পূর্ববর্তী বিবৃতি সম্পর্কিত তথ্য
ব্যাখ্যা

ধারা ৭- যে সমস্ত ঘটনা মূল ঘটনা বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার কারণ, উপলক্ষ, বা ফলাফল, সেগুলি প্রাসঙ্গিক:
যে সমস্ত ঘটনা মূলত বিতর্কিত ঘটনা (facts in issue) বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার উপলক্ষ, কারণ বা ফলাফল, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, অথবা যে সমস্ত ঘটনা সেই অবস্থার অংশ যেখানে মূল ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, বা যা সেই ঘটনার সংঘটনের সুযোগ বা পরিবেশ সৃষ্টি করেছে, সেগুলো প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ কিন্তু “ঘটনার পূর্ববর্তী বিবৃতি সম্পর্কিত তথ্য” ধারা ৭-এর অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি সাধারণত ধারা ৬ (res gestae) বা ধারা ৮ (conduct, motive, preparation)–এর অধীনে আসতে পারে, তবে ধারা ৭ নয়।

উদাহরণসমূহ:
(ক) প্রশ্ন হলো -“A কি B-কে ডাকাতি করেছে?”
এক্ষেত্রে, এই বিষয়গুলি প্রাসঙ্গিক -
ডাকাতির কিছুক্ষণ আগে B যে টাকাপয়সা নিয়ে মেলায় গিয়েছিল, এবং সে যে বিষয়টি অন্য লোকদের সামনে বলেছিল বা দেখিয়েছিল- এই তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক।

(খ) প্রশ্ন হলো- “A কি B-কে হত্যা করেছে?”
ঘটনাস্থল বা তার কাছাকাছি জায়গায় মাটিতে যে দাগ বা চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা কোনো রকম লড়াই বা সংঘর্ষের ইঙ্গিত দেয়- তা প্রাসঙ্গিক তথ্য।

(গ) প্রশ্ন হলো- “A কি B-কে বিষ দিয়েছে?”
B-এর স্বাস্থ্য, বিষক্রিয়ার উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগের সময়ের স্বাস্থ্যাবস্থা, এবং B-এর যে অভ্যাসগুলো A জানত- যা A-কে বিষ প্রয়োগের সুযোগ দিয়েছে- সেগুলোও প্রাসঙ্গিক তথ্য।

২,৮১৫.
নতুনভাবে পক্ষভুক্ত বিবাদীর জন্য কোন তারিখে মামলার দায়ের হয়েছে বলে গণ্য করতে হবে?
  1. যেদিন মূল মামলাটি দায়ের করা হয়েছিলো
  2. যেদিন বিবাদী স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলো
  3. যেদিন মূল মামলার প্রথম শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো
  4. যেদিন স্থলাভিষিক্তের জন্য আবেদন করা হয়েছিলো
সঠিক উত্তর:
যেদিন বিবাদী স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেদিন বিবাদী স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলো
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ২২ এ নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে।

যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয় বা কারও স্থলাভিষিক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির জন্য পক্ষভুক্তির তারিখেই মামলাটি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তবে, যেক্ষেত্রে মামলা স্থগিত থাকার সময় স্বত্বাপণ কিংবা কোন স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত কিংবা স্থলাভিষিক্ত করা হয় বা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদীতে কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয় সেক্ষেত্রে ১ উপধারার কোন কিছুই প্রয়োগযোগ্য হবে না।

Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party. 
 
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
২,৮১৬.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কখন অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে?
  1. রায় কার্যকরের পূর্ব পর্যন্ত
  2. অপরাধের বিচারের যেকোন পর্যায়ে
  3. অপরাধের তদন্ত বা অনুসন্ধানের যেকোন পর্যায়ে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ও ৩৩৮ ধারায় সত্য সাক্ষ্যদানের শর্তসাপেক্ষে দুষ্কর্মের সহযোগীকে ক্ষমা করার বিধান করা হয়েছে। দুষ্কর্মের সহযোগী বা রাজসাক্ষীর বিচারের পদ্ধতি ৩৩৯ক ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অপরাধের সহযোগীকে বা দুষ্কর্মের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করা হয় যে, সে অপরাধ সম্পর্কে তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।

৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট; বা
২. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

৩৩৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের তদন্ত বা অনুসন্ধানের বা বিচারের যেকোন পর্যায়ে সাক্ষ্য প্রমাণ প্রাপ্তির জন্য অপরাধের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করতে পারে যে, উক্ত সহযোগী অপরাধ সম্পর্কিত তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।
২,৮১৭.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় আপীল মেমো সংশোধনের সময়-
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২১ দিন
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule-3: Rejection or amendment of memorandum:-
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
২,৮১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় মধ্যস্থতা (Mediation) এর বিধান রয়েছে?
  1. ৭৯ক ধারা
  2. ৮৯ক ধারা
  3. ৮৯খ ধারা
  4. ৮৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮৯ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৯ক ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ Mediation, যার বাংলা হচ্ছে মধ্যস্থতা। কোন একটি দেওয়ানী মামলার বিচারকার্য আদালতে উপস্থাপন করা হলে আদালত উভয় পক্ষের প্লিডিংস দেখার পর শুনানিতে যাওয়ার আগেই উভয় পক্ষকে উক্ত মামলাটি আদালত ব্যতীত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি করতে বলবেন। এটা ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ সংশোধনের মাধ্যমে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৯ক ধারায় বলা হয়েছে যে, লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে / আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয় তাহলে আদালত শুনানী মুলতবী রেখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
- মধ্যস্থতার ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে আদালত পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
- মধ্যস্থতার সময় হবে ৬০ দিন তবে সর্বাধিক ৯০ দিনের বেশি নয়।
২,৮১৯.
'প্রলোভন, ভীতি ও প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা অপসারণের পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক'- এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ২৪ ধারা
  2. ২৬ ধারা
  3. ২৭ ধারা
  4. ২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা
ব্যাখ্যা

The Evidence Act, 1872 এর ২৮ ধারা অনুযায়ী,
"যদি ২৪ ধারায় উল্লিখিত এমন কোনো স্বীকারোক্তি, যেকোনো প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির ফলে সৃষ্ট প্রভাব, আদালতের মতে, সম্পূর্ণরূপে দূরীভূত হওয়ার পর করা হয়, তবে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য হবে।"

⇒ যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রথমে প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে কোনো ধারণা দেওয়া হয়, কিন্তু পরবর্তীতে সেই ধারণা আদালতের মতে পূর্ণরূপে অপসারিত হয়ে গেলে এবং তার পরে অভিযুক্ত স্বেচ্ছায় কোনো স্বীকারোক্তি করেন, তাহলে সেই স্বীকারোক্তিটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে।

Section 28- Confession made after removal of impression caused by inducement, threat or promise, relevant:
If such a confession as is referred to in section 24 is made after the impression caused by any such inducement, threat or promise has, in the opinion of the Court, been fully removed, it is relevant.

২,৮২০.
নন-জি-আর মামলা কী?
  1. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশি মামলা
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এর নিকট দখল সংক্রান্ত মামলা
  3. পুলিশের নিকট আমলযোগ্য অপরাধের মামলা
  4. পুলিশের নিকট আমল অযোগ্য অপরাধের মামলা
সঠিক উত্তর:
পুলিশের নিকট আমল অযোগ্য অপরাধের মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশের নিকট আমল অযোগ্য অপরাধের মামলা
ব্যাখ্যা
♦ নন-জি-আর মামলা হলো ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৫৫ এর অধীনে কোন সংবাদদাতা কর্তৃক পুলিশের নিকট আমলঅযোগ্য অপরাধ সম্পর্কে কোন সংবাদ দেওয়া। পুলিশ তখন উক্ত সংবাদ জিডি আকারে লিপিবদ্ধ করে ও সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করে। এটিই নন-জি-আর মামলা নামে পরিচিত। ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট করা মামলাকে সি.আর মামলা বলা হয়। পুলিশের নিকট আমলযোগ্য অপরাধের মামলাকে জি.আর মামলা বলা হয়।
২,৮২১.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ অনুসারে, মৃত্যু ঘটাবার কাজ খুন হবে যদি—
  1. কাজটি দুর্ঘটনাবশত হয়
  2. ব্যক্তি আত্মরক্ষার্থে কাজ করে
  3. আঘাতের অভিসন্ধি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয়
  4. সরকারী কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে
সঠিক উত্তর:
আঘাতের অভিসন্ধি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঘাতের অভিসন্ধি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ (তৃতীয়ত) অনুসারে, খুন হবে যদি কোন ব্যক্তি: দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, এবং সেই আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটানোর পক্ষে যথেষ্ট হয়।
অর্থাৎ, অপরাধীর আভিসন্ধি (intention) এমন একটি আঘাত দেওয়ার ছিল, যা স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু ঘটানোর জন্য পর্যাপ্ত। এটি খুনের একটি স্পষ্ট সংজ্ঞা।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হল গ) আঘাতের অভিসন্ধি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয়, যা ধারা ৩০০ এর "তৃতীয়ত" এর সরাসরি প্রতিফলন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

২,৮২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ কতটি প্রধান ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898)-এর ধারা ৫৬১ক (Section 561A) হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত (inherent) ক্ষমতার কথা উল্লেখ করে।
- এই ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ তিনটি প্রধান উদ্দেশ্যে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১. To give effect to any order under this Code.
অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ কার্যকর করা।
২. To prevent abuse of the process of any Court.
অর্থাৎ, কোনো আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা।
৩. To secure the ends of justice.
অর্থাৎ, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
- এগুলো হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার প্রয়োগের তিনটি মূল ভিত্তি।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
-Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
২,৮২৩.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে বোবা সাক্ষীর দ্বারা লিখে বা ইশারার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্য কী ধরনের সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. লিখিত সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. গোপন সাক্ষ্য
  4. অনুমানভিত্তিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১৯ অনুযায়ী, যদি কোনো সাক্ষী (যেমন বোবা ব্যক্তি) কথা বলতে অক্ষম হন, তবে তিনি লিখে বা ইশারার মাধ্যমে তাঁর সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন —
- তবে শর্ত হলো, এই লেখা বা ইশারা আদালতে উন্মুক্তভাবে (Open Court) হতে হবে।
- এইভাবে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে “মৌখিক সাক্ষ্য” (Oral Evidence) হিসেবেই গণ্য করা হয়, যদিও সেটা মুখে উচ্চারণ না করে অন্যভাবে প্রকাশিত।
অর্থাৎ যদিও মুখে বলা সম্ভব না, তবুও আদালতের কাছে বোঝাতে সক্ষম যেকোনো মাধ্যম (যেমন ইশারা বা লেখা) মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবেই গণ্য হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
২,৮২৪.
দণ্ডবিধিতে বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি:
কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশের সদস্য হয়, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ Section 143- Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
২,৮২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ অনুসারে, কোন সাক্ষীর জবানবন্দি সরাসরি তাকে আদালতে হাজির না করেও প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
  1. সরকারি কর্মকর্তা
  2. সিভিল সার্জন
  3. অন্য কোনো চিকিৎসক সাক্ষী
  4. খ অথবা গ 
সঠিক উত্তর:
খ অথবা গ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ অথবা গ 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারার (১) উপধারা অনুসারে, সিভিল সার্জন বা অন্য কোনো চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি, যদি আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত হয় বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত হয়, তবে তাকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজির না করেও ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।
(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.

২,৮২৬.
মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান করার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা- মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান করা:
কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 144- Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:
Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

২,৮২৭.
বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির কোন পন্থায় ৩য় পক্ষ উপস্থিত থাকে না?
  1. Mediation
  2. Arbitration
  3. Negotiation
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Negotiation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Negotiation
ব্যাখ্যা
• আদালত বা সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আইনসিদ্ধ পদ্ধতি মেনে ও সহমত পোষণ করে বিকল্পভাবে পক্ষগণের বিরোধ বা সমস্যার নিষ্পত্তিকরণই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, যাকে ইংরেজিতে Alternative Dispute Resolution (ADR) বলা হয়।

• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
আলাপ-আলোচনা (Negotiation);
মধ্যস্থতা (Mediation);
সালিশী (Arbitration)।

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-
এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে। আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-
এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়। সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।
২,৮২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো দলিল বাতিল ঘোষণা করে এবং সেটি নিবন্ধিত হয়, তাহলে আদালতের কী করা উচিত?
  1. শুধুমাত্র পক্ষগুলিকে নোটিশ দেওয়া
  2. দলিলটি ধ্বংস করার আদেশ দেওয়া
  3. দলিলটি সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া
  4. রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে ডিক্রির একটি কপি পাঠানো
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে ডিক্রির একটি কপি পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে ডিক্রির একটি কপি পাঠানো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩৯ অনুসারে, যদি কোনো লিখিত দলিল অবৈধ (void) বা বাতিলযোগ্য (voidable) হয় এবং এমন আশঙ্কা থাকে যে তা নিষ্পন্ন (outstanding) অবস্থায় থাকলে কারও গুরুতর ক্ষতি হতে পারে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আদালতে মামলা করে সেই দলিলটি বাতিল ঘোষণা করাতে পারেন।
- যদি ঐ দলিলটি নিবন্ধনকৃত হয় (i.e., registered under the Registration Act, 1908), তবে আইন স্পষ্টভাবে বলে—
“The Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.”
- অর্থাৎ দলিল বাতিল ঘোষণা করা হলে, আদালত বাধ্যতামূলকভাবে ডিক্রির একটি কপি রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে পাঠাবে, যাতে রেজিস্ট্রার অফিসে রাখা দলিলের কপিতে "বাতিল" বলে নথিভুক্ত করা হয়।
২,৮২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭০(২) অনুযায়ী, অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানোর সময় পুলিশ কর্মকর্তা কী পাঠাবেন?
  1. অভিযোগপত্র
  2. সাক্ষীর তালিকা
  3. আদালতের আদেশ
  4. অস্ত্র বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বস্তু
সঠিক উত্তর:
অস্ত্র বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ত্র বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭০(২) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই ধারা অনুযায়ী কোন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করেন অথবা তার উপস্থিতির জন্য জামানত গ্রহণ করেন, তিনি উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যে কোন অস্ত্র বা অন্য কোন নিবন্ধ প্রেরণ করিবেন যাহা তাহার নিকট উপস্থাপনের প্রয়োজন হইতে পারে"

সুতরাং, পুলিশ কর্মকর্তা অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানোর সময় অস্ত্র বা অন্য কোন প্রাসঙ্গিক বস্তু (যেমন: চোরাই মাল, অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি প্রমাণ হিসেবে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-170.Case to be sent to Magistrate when evidence is sufficient:
(1) If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer-in-charge of the police-station that there is sufficient evidence or reasonable ground as aforesaid, such officer shall forward the accused under custody to a Magistrate empowered to take cognizance of the offence upon a police-report and to try the accused or send him for trial or, if the offence is bailable and the accused is able to give security, shall take security from him for his appearance before such Magistrate on a day fixed and for his attendance from day to day before such Magistrate until otherwise directed. 
(2) When the officer-in-charge of a police-station forwards an accused person to a Magistrate or takes security for his appearance before such Magistrate under this section , he shall send to such Magistrate any weapon or other article which it may be necessary to produce before him, and shall require the complainant (if any) and so many of the persons who appear to such officer to be acquainted with the circumstances of the case as he may think necessary, to execute a bond to appear before the Magistrate as thereby directed and prosecute or give evidence (as the case may be ) in the matter of the charge against the accused. 
(3) If the Court of the Chief Metropolitan Magistrate, or the Chief Judicial Magistrate is mentioned in the bond, such Court shall be held to include any Court to which such Magistrate may refer the case for inquiry or trial, provided reasonable notice of such reference is given to such complainant or persons.
(5) The officer in whose presence the bond is executed shall deliver a copy thereof to one of the persons who executed it, and shall then send to the Magistrate the original with his report.

২,৮৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XXI, Rule-1(1)  অনুযায়ী, ডিক্রি অনুযায়ী টাকা পরিশোধের কয়টি পদ্ধতি রয়েছে?
  1. একটি 
  2. দুইটি
  3. তিনটি 
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি 
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XXI, Rule 1(1) অনুসারে ডিক্রি অনুযায়ী প্রদেয় অর্থ পরিশোধের তিনটি পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো:
(a) ডিক্রি জারির দায়িত্বে নিয়োজিত আদালতে টাকা জমা দেওয়া;
(b) আদালতের বাইরে সরাসরি ডিক্রিধারীকে (decree-holder) টাকা পরিশোধ করা; অথবা
(c) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোনও পদ্ধতি নির্দেশ করলে সেভাবে পরিশোধ করা।
সুতরাং, ডিক্রি অনুযায়ী টাকা পরিশোধের মোট তিনটি পদ্ধতি রয়েছে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21, Rule-1: Modes of paying money under decree:
(1) All money payable under a decree shall be paid as follows, namely:
(a) into the Court whose duty it is to execute the decree; or
(b) out of Court to the decree-holder; or
(c) otherwise as the Court which made the decree directs.

(2) where any payment is made under clause (a) of subrule (1), notice of such payment shall be given to the decreeholder.

২,৮৩১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুসারে কোন ধারার অধীন কমিশন জারি হলে অনুসন্ধান মুলতবি করা যায়?
  1. ৪৯৪ ধারা বা ৪৯৫ ধারা
  2. ৫০৩ ধারা বা ৫০৬ ধারা
  3. ৫০৭ ধারা বা ৫০৯ ধারা
  4. ৫০১ ধারা বা ৫০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০৩ ধারা বা ৫০৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৩ ধারা বা ৫০৬ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০৮ অনুযায়ী, ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীনে কমিশন জারি হলে সেই কমিশন কার্যকরীকরণ এবং ফেরত দেওয়ার জন্য অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য মুলতবি রাখা যেতে পারে।
- অন্যান্য ধারার ক্ষেত্রে ধারা ৫০৮-এর মুলতবিকরণের বিধান প্রযোজ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

২,৮৩২.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা এর Explanation-1 অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দেওয়ার মাধ্যমে কাউকে অপরাধ করতে উৎসাহিত করলে তাকে কী বলে?
  1. সহায়তা (Aid)
  2. ষড়যন্ত্র (Conspiracy)
  3. প্ররোচনা (Instigation)
  4. উদ্বুদ্ধকরণ (Incitement)
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনা (Instigation)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনা (Instigation)
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার Explanation-1 এ স্পষ্ট বলা হয়েছে:
"ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রদান (wilful misrepresentation) অথবা গোপন করা বাধ্যতামূলক কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (wilful concealment) দ্বারা কাউকে অপরাধ করতে প্ররোচিত করলে তা Instigation বা প্ররোচনা হিসেবে গণ্য হবে।"
এখানে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা হয়েছে, যা প্ররোচনার (Instigation) সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়।

Explanation-1 অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেওয়া বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা, যা ফলে অপরাধ সংঘটিত হয়, সেটিকে প্ররোচনা (Instigation) বলা হবে। এখানে, কোনো ব্যক্তি অন্যকে অপরাধ করতে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে ভুল তথ্য প্রদান বা গোপন তথ্য প্রকাশ না করা—এটি প্ররোচনার অংশ হিসেবে ধরা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার বিধান: কোন ব্যাপারে সহায়তা প্রদান:
কোন ব্যক্তি কোন ব্যাপারে সহায়তা দান করেছে বলে পরিগণিত হয়, যদি সে ব্যক্তি-
প্রথমত :- কোন ব্যক্তিকে উক্ত ব্যাপারে প্ররোচনা দেয়;
দ্বিতীয়ত :- উক্ত কাজটি করার জন্য কোন ব্যক্তির বা ব্যক্তিদের সাথে কোন চক্রান্তে লিপ্ত হয়, যার ফলে চক্রান্ত অনুযায়ী কোন কাজ করা হয় অথবা কোন কাজ করা হতে বেআইনিভাবে বিরত থাকা হয় এবং উক্ত কাজ করার জন্য তা করা হয়;
তৃতীয়ত :- কোন কাজ করে অথবা বেআইনিভাবে কোন কাজ করা হতে বিরত থেকে উপযুক্ত কার্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক কোন বাস্তব গুরুত্বসম্পন্ন ঘটনার, যা প্রকাশ করতে সে বাধ্য-ভ্রান্ত বিবরণ প্রকাশ করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক উহা গোপন করে কোন কাজ করে বা করায় অথবা কোন কাজ করার বা করানোর চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সংঘটনে প্ররোচনা দেয় বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদনের সময় বা তার পূর্বে উক্ত কাজ সম্পাদন সুগমকল্পে কোন কিছু করে, এবং তদ্বারা উহার সম্পাদন সুগম করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদনের সহায়তা করে বলে অভিহিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

Explanation 2.-Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.

২,৮৩৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৯ক অনুযায়ী আদালত কী অনুমান করতে পারে?
  1. শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য সর্বদা সত্য
  2. শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য অগ্রহণযোগ্য
  3. শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য সর্বদা গ্রহণযোগ্য
  4. শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ যার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার অন্তর্গত বা তৈরি
সঠিক উত্তর:
শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ যার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার অন্তর্গত বা তৈরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ যার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার অন্তর্গত বা তৈরি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৮৯ক: শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:

আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।
[The court may presume, unless the contrary is proved, that the physical or forensic evidence was contained in or made by the person from whom it was obtained.]

অর্থাৎ, শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য যার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে।
২,৮৩৪.
হাইকোর্ট বিভাগ ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ১০৬ ধারা
  2. ১০৭ ধারা
  3. ১০৮ ধারা
  4. ৪২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দণ্ড প্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দন্ড প্রদানের সময় দন্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারনত রিভিশন ক্ষমতাবলে ১০৬ ধারামতে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

♦ যে দন্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দত্ত বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে । আদালত যে কোন পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারন করতে হবে তবে কোনভাবেই অত্যধিক হবে না।
২,৮৩৫.
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় মামলা প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. আদালতের সম্মতিতে অভিযুক্ত
  2. আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. আদালতের অনুমতি ছাড়া পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
২,৮৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৩ ধারার অধীনে কোন ধরনের মামলার নথি লিপিবদ্ধ করার বিধান রয়েছে?
  1. আপিলযোগ্য
  2. আপিলঅযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য
  4. জামিনযোগ্য
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-২৬৩: আপিল অযোগ্য মামলার নথি-

আপিল অযোগ্য মামলার সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ (Record) ও চার্জ গঠনের প্রয়োজন নেই। তবে নিম্নলিখিত তথ্য লিপিবদ্ধ করতে হবে-
ক) ক্রমিক সংখ্যা, অপরাধ সংঘটনের তারিখ, এজাহার বা নালিশের তারিখ, ফরিয়াদীর (যদি থাকে) নাম: ও ঠিকানা, নালিশী অপরাধ এবং প্রমাণিত অপরাধ (যদি থাকে);
খ) আসামীর নাম, পিতার নাম, ঠিকানা;
গ) আসামীর বক্তব্য এবং তার জবানবন্দি (যদি থাকে), অভিমত এবং দন্ডের ক্ষেত্রে তার কারণ সমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ;
ঘ) শান্তি অথবা অন্য চূড়ান্ত আদেশ এবং কার্যক্রম শেষ হওয়ার তারিখ।

২,৮৩৭.
তামাদি আইনের ধারা ৮ অনুযায়ী কোন মামলায় ধারা ৬ ও ৭–এর সুবিধা প্রযোজ্য নয়?
  1. ঘোষণামূলক মামলা
  2. ক্ষতিপূরণ মামলা
  3. দখল পুনরুদ্ধার মামলা
  4. অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎকরণের মামলা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎকরণের মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎকরণের মামলা
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মামলা খারিজ হবে।

২,৮৩৮.
মৃত্যুকালীন ঘোষণার সময় নিম্নের কোন বিষয় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না?
  1. মৃত্যুর কারণ
  2. সম্পত্তি দান
  3. বৈবাহিক সম্পর্ক
  4. পিতৃত্বের দাবি
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি দান
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি।

অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সম্পত্তি দান বিষয় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না।
২,৮৩৯.
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করবেন?
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  3. যাতায়াত সময় বাদে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবেঃ
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
২,৮৪০.
Before dismissing an appeal under Section 421, the Appellate Court:
  1. Must call for the record of the case
  2. Is prohibited from calling for the record
  3. May call for the record but is not bound to do so
  4. Must hear all prosecution witnesses again
সঠিক উত্তর:
May call for the record but is not bound to do so
উত্তর
সঠিক উত্তর:
May call for the record but is not bound to do so
ব্যাখ্যা

Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.

ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।

২,৮৪১.
রায় স্বাক্ষর করার পর আদালতের রায়ে কোন ধরনের পরিবর্তন করা যায়?
  1. সম্পূর্ণ রায় পরিবর্তন
  2. রায়ে প্রকাশিত দণ্ডের পরিবর্তন
  3. চার্জ সংক্রান্ত তথ্য পরিমার্জন
  4. শুধু করণিক ভুল সংশোধন
সঠিক উত্তর:
শুধু করণিক ভুল সংশোধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু করণিক ভুল সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার বিধান- আদালত রায় পরিবর্তন করবেন না:
এই কার্যবিধি বা বর্তমানে কার্যকর অপর কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ব্যতীত তা পরিবর্তন বা রিভিউ করবেন না।

Section-369: Court not to alter judgment: 
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
২,৮৪২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় আদালত কয় ভাবে 'Preventive relief' মঞ্জুর করতে পারে?
  1. দুই ভাবে
  2. চার ভাবে
  3. তিন ভাবে
  4. পাঁচ ভাবে
সঠিক উত্তর:
দুই ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ভাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:

আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
 
⇒ Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 
২,৮৪৩.
দণ্ডবিধিতে বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ৩ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনী সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ Section 142. Being member of unlawful assembly:

 Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
⇒ Section 143. Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.

২,৮৪৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারা অনুসারে দেওয়ানী মোকদ্দমায় মধ্যস্থতা করতে পারে
  1. আদালত নিজে
  2. জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা
  3. অবসরপ্রাপ্ত কোন বিচারক
  4. উপরোক্ত সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবাই
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী মোকদ্দমায় মধ্যস্থতা করতে পারে
ক. আদালত নিজে;
খ. লিগ্যাল এইড অফিসার;
গ. পক্ষগণ কর্তৃক নিযুক্ত উকিলদের [Pleaders] মাধ্যমে নিযুক্ত অন্য কোন উকিল যে উক্ত মোকদ্দমায় কোন পক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত হয়নি;
ঘ. অবসরপ্রাপ্ত কোন বিচারক;
ঙ. জেলা জজ কর্তৃক তৈরীকৃত প্যানেল থেকে কোন একজন মধ্যস্থতাকারী;
চ. জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা;
ছ. অন্যকোন ব্যক্তি যাকে তারা মধ্যস্থতাকারী হিসাবে উপযুক্ত মনে করে।
২,৮৪৫.
স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬১ এর বিধান: [Court of Small Causes] স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের রায় অথবা স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হিসাবে বিচার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন আদালত কর্তৃক অনুরূপ এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ ১৫ দিন

সময় গণনা শুরু- ডিক্রি বা আদেশের প্রদানের তারিখ হতে।
২,৮৪৬.
একজন মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট একটি নালিশ মামলায় কারাদণ্ড প্রদান করেন। উক্ত দণ্ডাদেশ বৃদ্ধির জন্য অভিযোগকারী নিচের কোন আদালতে আপিল দায়ের করবে?
  1. মহানগর দায়রা জজ আদালত
  2. হাইকোট বিভাগ
  3. চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট
  4. দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
মহানগর দায়রা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানগর দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ৪০৭-
দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল করতে হবে। 

ধারা ৪০৮-
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা যুগ্ম দায়রা জজ (৫ বা ৫ বছরের কম মেয়াদে কারাদণ্ড দিলে) প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ক্ষেত্রবিশেষে, দায়রা জজ বা মহানগর দায়রা জজ আদালতের নিকট আপিল করতে হবে।

তবে যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড দিলে অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা অপরাধের শাস্তি দিলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

ধারা ৪১০-
দায়রা আদালত প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
২,৮৪৭.
আরজি ফেরতের আদেশ-
  1. চূড়ান্ত আদেশ
  2. আপিলঅযোগ্য আদেশ
  3. আপিলযোগ্য আদেশ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি-১০: আরজি ফেরত (Return of plaint)-
⇒ বাদী যদি এখতিয়ারহীন আদালতে আরতি দায়ের করে, তাহলে আদালত উক্ত আরজি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করার জন্য বাদীকে ফেরত প্রদান করবে।
⇒ আরজি ফেরত প্রদানের সময় বিচারক আরজি পেশ করার এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, আরজি দাখিলকারির নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সংক্ষেপে লিখবেন।

প্রতিকার:
আরজি ফেরতের আদেশটি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)। [বিধি-১, আদেশ ৪৩] ।
২,৮৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ কোথায় প্রযোজ্য নয়?
  1. জেলা শহরে
  2. গ্রামীণ এলাকায়
  3. মহানগর এলাকায়
  4. উপজেলা শহরে
সঠিক উত্তর:
মহানগর এলাকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানগর এলাকায়
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  

⇒ ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌

⇒ ১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌

⇒ এই ধারার বিধানসমূহ মহানগর এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
২,৮৪৯.
ডিক্রির অন্তর্ভূক্ত মর্মে গণ্য হবে
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  2. আরজি ফেরতের আদেশ
  3. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
  4. আরজি গ্রহণের আদেশ
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারার বিধান: ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-

ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

♦ব্যাখ্যাঃ ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে; মোকদ্দমা যখন চূড়ান্তরূপে নিষ্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

♦অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত হলো আপীলযোগ্য আদেশ। কিন্তু ২(২) ধারা অনুযায়ী আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ হলো একটি ডিক্রি।
২,৮৫০.
No confession made to ____________ shall be proved as against a person accused of any offence.
  1. a police-officer
  2. a Magistrate
  3. Ordinary people
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
a police-officer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a police-officer
ব্যাখ্যা
⇒ Confession to police-officer not to be proved
Section 25. No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

⇒ ধারাঃ-২৫। পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদান করা স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা হবে নাঃ- পুলিশ কর্মকর্তার নিকট অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি দেয় স্বীকার করে থাকলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।

⇒ পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি- সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারামতে পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) অগ্রহনযোগ্য হবে, তবে সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারামতে পুলিশের নিকট আসামীর প্রদত্ত confession বা তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত উদ্ধার হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ যেমন- আসামীর দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করলে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত Confession প্রাসঙ্গিক হবে, যাকে Judicial confession বলে।
২,৮৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় সাক্ষীকে কিসের জন্য বাধ্য করা যাবে না?
  1. মামলার ঘটনার বিবরণ দেওয়ার জন্য
  2. সাক্ষী হিসেবে লিখিত বিবৃতি দেওয়ার জন্য
  3. তদন্ত কর্মকর্তার সামনে উপস্থিত হওয়ার জন্য
  4. নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণযোগ্য উত্তর দেওয়ার জন্য
সঠিক উত্তর:
নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণযোগ্য উত্তর দেওয়ার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণযোগ্য উত্তর দেওয়ার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুসারে, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং সাক্ষী মামলার বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য। তবে, যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদান সাক্ষীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ, দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা সৃষ্টি করে, তাহলে সাক্ষী সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারি অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case.
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture.
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
২,৮৫২.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল কোন অ্যাডভোকেটকে অসদাচরণের জন্য নিবন্ধন বাতিলের আদেশ দিলে, অ্যাডভোকেট কী পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. শুধু আপিল করতে পারে
  2. শুধু রিভিউ করতে পারে
  3. শুধু রিভিশন করতে পারে
  4. আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদের অধীন বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ করা যেতে পারে বা ৩৬ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারে।

অর্থাৎ বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল কোন অ্যাডভোকেটকে অসদাচরণের জন্য নিবন্ধন বাতিলের আদেশ দিলে, অ্যাডভোকেট আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারেন। 
------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-34:
(8) The Tribunal may, of its own motion or on application made to it in this behalf, review any order passed under clause (4) or (6) and maintain, vary or rescind the same, as it thinks fit.
(9) When any advocate is reprimanded or suspended under this Order, a record of the punishment shall be entered against his name in the roll and when an advocate is removed from practice his name shall forthwith be struck off the roll; and the certificate of any advocate so suspended or removed shall be re-called.
 
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 Article-36:
(1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
২,৮৫৩.
চুক্তি বাতিল (Rescission) করার মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা (For recession of a contract) দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪ অনুযায়ী,
চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার‌ প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।
২,৮৫৪.
‘ক’, ‘খ’-কে একটি দেওয়ানি মামলা পরিচালনা হতে বিরত করার উদ্দেশ্যে ‘খ'-এর ঘর পুড়িয়ে দেওয়ায় ভয় দেখায়। ‘ক’এর অপরাধ কি
  1. ঘরে আগুন দেয়া
  2. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  3. অনিষ্ট সাধন
  4. ভয় দেখানো
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
দন্ডবিধির ৫০৩ ধারা অনুযায়ী দেহের, সম্পত্তির বা সুনামের ক্ষতি কিংবাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য কোন ব্যক্তিরদেহের বা সুনামের ক্ষতির ভয় দেখালে তা অরাধজনক ভীতি প্রদর্শন হিসাবে পরিগণিত হবে। 

♦এখানে 'A' দন্ডবিধির ৫০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করেছে

♦ দন্ডবিধির ৫০৬
ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
২,৮৫৫.
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক এর অধীনে আপিল কতবার পুনঃশুনানি করা যাবে?
  1. এক বার
  2. দুই বার
  3. পক্ষের অনুরোধে যত বার প্রয়োজন
  4. আদালতের বিবেচনায় যত বার প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
এক বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বার
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিলে পুনঃশুনানি:

১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন। বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে কা পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
২,৮৫৬.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৯ অনুযায়ী দত্তক গ্রহণ বৈধ হয়েছে এই মর্মে ঘোষণার মামলার তামাদি কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৯ ধারা অনুযায়ী দত্তক গ্রহণ বৈধ হয়েছে এই মর্মে ঘোষণার মামলার তামাদি ৬ বছর।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৯ অনুযায়ী: পোষ্য বা দত্তক গ্রহণ( adoption) গ্রহণ বৈধ হয়েছে এই মর্মে ঘোষণার মামলা করতে হবে ৬ বছরের মধ্যে। এই সময় গণনা শুরু হবে দত্তক পুত্ররূপে দত্তক পুত্রের অধিকার যখন হস্তক্ষেপ করা হয়।

⇒ According to Article 119 of the Limitation Act,1908, The period of Limitation  to obtain a declaration that an adoption is valid is 6 years. The period begins when the rights of the adopted son, as such, are interfered with.

২,৮৫৭.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী আত্মহত্যার সহায়তাকরণের অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------------------------
⇒The Penal Code, 1860: Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
২,৮৫৮.
'Equitable set off' এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. অনির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের ক্ষেত্রে দাবী করা যেতে পারে
  2. আইনগত অধিকার হিসাবে বিবাদী দাবী করতে পারে না
  3. নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের ক্ষেত্রে দাবী করা যেতে পারে
  4. এই প্রতিকার আদালত মঞ্জুর করতে বাধ্য না
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের ক্ষেত্রে দাবী করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের ক্ষেত্রে দাবী করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
ন্যায়সঙ্গত দাবী সম্বনয় (Equitable set off]:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ৬ বিধি শুধুমাত্র legal set-off নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট শুধুমাত্র সেই ক্ষেত্রে legal set-off প্রযোজ্য। কিন্তু এমন অনেক ক্ষেত্র আছে, যেক্ষেত্রে আদালত অনির্দিষ্ট অর্থের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক দায় শোধ মঞ্জুর করতে পারে। এটাই ন্যায়সঙ্গত দাবী সমন্বয় বা Equitable set off. ২০ আদেশের ১৯(৩) বিধিতে Equitable set-off স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

Legal set-off এবং Equitable set-off এর মধ্যে পার্থক্য:
১. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৬ বিধিতে Legal set-off নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে ২০ আদেশের ১৯(৩) বিধিতে Equitable set-off স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

২. Legal set-off নির্দিষ্ট অর্থের দাবীর ক্ষেত্রে এবং অনির্দিষ্ট অর্থের ক্ষেত্রে Equitable set-off দাবী করা যেতে পারে।

৩. Legal set-off আইনগত অধিকার হিসাবে বিবাদী দাবী করতে পারে এবং আদালত মঞ্জুর করতে বাধ্য। কিন্তু Equitable set-off আইনগত অধিকার হিসাবে বিবাদী দাবী করতে পারেনা এবং আদালত মঞ্জুর করতে বাধ্য না।

৪. Legal set-off এর ক্ষেত্রে একই লেনদেন বা কার্যধারা হতে দাবীর উদ্ভব হওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু Equitable set off মঞ্জুর করা যেতে পারে, শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে দাবী একই লেনদেন হতে উদ্ভব হয়।
২,৮৫৯.
Complaint প্রত্যাহার করা হলে আসামী-
  1. মুক্তি পাবে
  2. অব্যাহতি পাবে
  3. দন্ড পাবে
  4. খালাস পাবে
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৮ ধারা বিধান অভিযোগ প্রত্যাহারঃ এই অধ্যায়ের অধীন যে কোন মামলার চূড়ান্ত আদেশ প্রদানের আগে যে কোন সময় নালিশকারী (ফরিয়াদী) যদি ম্যাজিস্ট্রেটকে এমর্মে সন্তুষ্ট করেন যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ (নালিশ) প্রত্যাহার করতে অনুমতি দেয়ার যথেষ্ট কারণ বিদ্যমান আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস দিতে পারে।
২,৮৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, আদালতের সামনে অবমাননাকর আচরণের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৮০ (Section 480 of the CrPC) অনুযায়ী, আদালতের সম্মুখে বা উপস্থিতিতে যদি কেউ দণ্ডবিধির ধারা ১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ অথবা ২২৮ অনুযায়ী আদালত অবমাননাকর অপরাধ করেন, তাহলে: আদালত তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধীকে আটক করতে পারে।
- এবং আদালত উঠার পূর্বে (same day) অপরাধটি আমলে নিয়ে সাজা দিতে পারে।
- এই সাজার মধ্যে সর্বোচ্চ: ২০০ (দুইশত) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, এবং জরিমানা অনাদায়ে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।

→ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারা অনুযায়ী, আদালতের সামনে অবমাননাকর আচরণের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.

২,৮৬১.
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে অপরাধ সংক্রান্ত কোন তথ্যটি উল্লেখের প্রয়োজন নাই ?
  1. সময়
  2. স্থান
  3. আইন
  4. শাস্তি
সঠিক উত্তর:
শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ২২১ এবং ২২২ অনুযায়ী অভিযোগে (চার্জে) অপরাধের বিবরণ, অপরাধের নাম, যে আইনের অধীন অপরাধ করেছে, অপরাধের স্থান, সময় ও ব্যক্তি সম্পর্কে উল্লেখ করতে হবে। কিন্তু শাস্তি কি তা উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই।
২,৮৬২.
রহিম একটি পুরনো সেতুর কিছু লোহার অংশ খুলে নিয়ে গেল। এর ফলে সেতুটি দুর্বল হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে রহিম :
  1. ৪৩১ ধারায় অপরাধী
  2. শুধু চুরির অপরাধে দোষী
  3. কোনো অপরাধ হয়নি
  4. শুধু জরিমানা দিতে বাধ্য
সঠিক উত্তর:
৪৩১ ধারায় অপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩১ ধারায় অপরাধী
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩১:
কোনো ব্যক্তি কোনো সরকারি সড়ক, সেতু, নদী এবং খালের এমনভাবে কোনো অনিষ্ট করে, যার ফলে যোগযোগব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়, ভ্রমণ কিংবা পারাপারের জন্য কম নিরাপদ হয় বা হতে পারে, তাহলে সেটি অপরাধ। এ অপরাধের জন্য দায়ী ব্যক্তি পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম জেলসহ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

[Whoever commits mischief by doing any act which renders or which he knows to be likely to render any public road, bridge, navigable river or navigable channel, natural or artificial, impassable or less safe for traveling or conveying property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.]
২,৮৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক অনুসারে কোন মামলায় ফরিয়াদির ফি প্রদানের আদেশ দেওয়া যায়?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. আমলযোগ্য মামলা
  3. আমল অযোগ্য মামলা
  4. পুলিশি তদন্ত মামলা
সঠিক উত্তর:
আমল অযোগ্য মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমল অযোগ্য মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক (Section 546A) অনুযায়ী, যদি কোনো আমল অযোগ্য (non-cognizable) অপরাধে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে, তাহলে আদালত আসামিকে আদেশ দিতে পারেন যে, তিনি ফরিয়াদির প্রদত্ত কিছু ফি পরিশোধ করবেন। এই ফিগুলো হতে পারে:
- অভিযোগপত্র বা জবানবন্দির জন্য প্রদত্ত আদালত ফি,
- সাক্ষী বা আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির জন্য প্রদত্ত ফি।
এটি দেওয়ানি মামলা নয় বরং ফৌজদারি মামলা এবং শুধুমাত্র "আমল অযোগ্য" মামলার ক্ষেত্রেই এই ধারা প্রযোজ্য। আদালত চাইলে অর্থ না পরিশোধ করলে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারেন।
- অতএব, ধারা ৫৪৬ক শুধুমাত্র "আমল অযোগ্য মামলা"র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৬ক ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদি কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ:
(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামি সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থদানের জন্য আসামিকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদির জবানবন্দির জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং
(খ) ফরিয়াদি কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।
(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
--------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 546A: Order of payment of certain fees paid by the complainant in non-cognizable cases:
(1) Whenever any complaint of a non-cognizable offence is made to a Court, the Court, if it convicts the accused, may in addition to the penalty imposed upon him, order him to pay to the complainant–
(a) the fee (if any) paid on the petition of complaint or for the examination of the complainant, and
(b) any fees paid by the complainant for serving processes on his witnesses or on the accused,
and may further order that, in default of payment, the accused shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days.
(2) An order under this section may also be made by an Appellate Court, or by the High Court Division, when exercising its powers of revision.
২,৮৬৪.
How many witnesses are required to prove a Criminal case beyond all reasonable doubts?
  1. Minimum Two
  2. Minimum Three
  3. Minimum four
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
None of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
None of the above
ব্যাখ্যা
Section 134⇒ Number of witnesses:
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।
⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।
⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
২,৮৬৫.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে কোন মামলা এ্যাবেট হবার কারণ উদ্ভব হতে পারে?
  1. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের মৃত্যু
  2. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেশান্তর
  3. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেওয়ালিয়াত্ব
  4. পূর্বোক্ত সবগুলোর কারণে
সঠিক উত্তর:
প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেওয়ালিয়াত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেওয়ালিয়াত্ব
ব্যাখ্যা
• এ্যাবেট অর্থ হলো বাতিল। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ নং আদেশের ৮ নং বিধিতে বলা হয়েছে বাদীর দেওলিয়াত্ব মামলাটি বাতিল হবে না এবং এই ক্ষেত্রে বাদীর স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মামলাটি চালিয়ে নিতে পারে। কিন্তু এই নিয়মটি প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের (বিবাদীর) দেওলিয়াত্বর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

অর্থাৎ বিবাদী যদি দেওলিয়া হয়ে যায়, তাহলে মামলা এ্যাবেট হতে পারে। যেমন 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে ২০০০০০ টাকার মামলা দায়ের করেছে। 'খ' কে আদালত দেওলিয়া ঘোষণা করেছে। সুতরাং 'খ' এর বিরুদ্ধে আর মামলা চলতে পারে না। কিন্তু এই মামলায় 'খ' যদি মারা যায়, তাহলে আদালত এই মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধিদের কে বিবাদী হিসেবে যুক্ত করে মামলায় অগ্রসর হতে পারবে। (আদেশ ২২ বিধি ৪)
২,৮৬৬.
অপরাধের সংজ্ঞা দেয়া আছে কত ধারায়?
  1. ৩১ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪৪ ধারায়
  4. ৪৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪০ ধারায় অপরাধের সংজ্ঞা রয়েছে,
'যে সমস্ত কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকা দেশে বলবৎ কোন আইনের শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে তাকে অপরাধ বলে  অর্থাৎ যে সকল কার্য করা বা না করা প্রচলিত আইনের শাস্তিযোগ্য তাকে অপরাধ বলে। অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ বা চেষ্টা বা সহায়তা করাও অপরাধ।'
২,৮৬৭.
একজন মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1.  ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২ (সংশোধিত): ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত সাজা:
(১) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিম্নলিখিত সাজা প্রদান করতে পারবেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড;
- দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো সাজার সমন্বয়ে একটি বৈধ সাজা প্রদান করতে পারবেন।
২,৮৬৮.
সরকারি কোনো সম্পত্তি ছাড়া অন্যকোনো সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত জমি একনাগাড়ে কত বছর ধরে ভোগ করতে হবে?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ Easement Right মানে হল সুখাধিকার। সুখাধিকার বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির সম্পত্তি অন্য ব্যক্তি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।
- তামাদি আইনের ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জনের বিধান রয়েছে।
-২৬ ধারা অনুযায়ী কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অথবা যে কোন সুখাধিকার অব্যাহতভাবে ২০ বছর (সরকারি সম্পত্তিতে ৬০ বছর) ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে উক্ত সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

⇒ অর্থাৎ ২৬ ধারামতে কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অব্যাহতভাবে ২০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।

⇒ সুখাধিকারের ক্ষেত্রে ২০ বছর বলতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববর্তী ২ বছরের মধ্যে সমাপ্ত ২০ বছরকে বুঝায় । তবে সরকারি সম্পত্তির উপর সুখাধিকার অর্জন করতে হলে ৬০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করতে হবে। ২৬ ধারায় সুখাধিকার বলতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের সুখাধিকারকে বোঝায়।

⇒ ২৬ ধারা অনুযায়ী সুখাধিকার আলো, বায়ু প্রবেশ ও ব্যবহার, স্থল ও জল পথের ব্যবহার এবং পানির ব্যবহারকে অন্তর্ভুক্ত করে।

⇒ সুখাধিকার বা ব্যবহার স্বত্ব (ইজমেন্ট রাইট)- ১৮৮২ সালের ইজমেন্ট রাইট অ্যাক্ট এর ৪ ধারায় সুখাধিকারের (ইজমেন্ট রাইট) সংজ্ঞা রয়েছে। সুখাধিকার বলতে এমন এক সুবিধাভোগী স্বত্বের অধিকারকে বুঝায় যা দ্বারা কোনো জমির মালিক বা দখলকার তার জমির সুবিধাজনক ভোগের জন্য অপর কোনো ব্যক্তির জমির উপর দিয়ে কিছু করতে বা করা অব্যাহত রাখতে, কোনো কিছু নিবৃত্ত করতে বা নিবৃত্ত অব্যাহত রাখতে পারে।


⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জন [ Acquisition of right to easements) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- মালিক না হয়েও অন্যের জমি ব্যবহার করার অধিকার হলো সুখাধিকার। সুখাধিকার [Easement] এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে যেমন আলো বাতাসের অধিকার, চলাচলের অধিকার ইত্যাদি।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।
(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।

(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।
২,৮৬৯.
সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুসারে, আদালতের অনুমান কার্যকর হবে কখন?
  1. যখন সনদের সব তথ্য যাচাই করা হয়
  2. যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক গৃহীত হয়
  3. যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক প্রত্যাখ্যান করা হয়
  4. যখন আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনদ যাচাই করে
সঠিক উত্তর:
যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক গৃহীত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক গৃহীত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী, আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের তথ্য সঠিক বলে অনুমান করবে যখন সনদটি গ্রাহক (সাবস্ক্রাইবার) কর্তৃক গৃহীত হয়। অর্থাৎ, গ্রাহক যদি স্বেচ্ছায় সনদটি গ্রহণ করে, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে সনদের উল্লিখিত তথ্য (গ্রাহকের যাচাইকৃত নয় এমন তথ্য ছাড়া) সঠিক, যতক্ষণ না বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫গ (Section 85C: Presumption as to Digital Signature Certificates) অনুযায়ী,
"The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct,
except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber."
অর্থাৎ—
- যদি গ্রাহক (subscriber) তার ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদটি গ্রহণ করে (accepted),
-  তাহলে আদালত বিপরীত কিছু প্রমাণ না আসা পর্যন্ত ধরে নেবে (presume করবে) যে সনদের তথ্য সঠিক,
- কিন্তু যেসব তথ্য গ্রাহকের এবং যাচাই করা হয়নি, সেগুলো বাদে।
২,৮৭০.
কে সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির চেয়ে আবেদন করে?
  1. সাক্ষী নিজেই
  2. প্রতিপক্ষ
  3. সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ
  4. মোকদ্দমা সংশ্লিষ্ট যে কেউ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার সাক্ষীকে পরীক্ষা করলে তা জবানবন্দি বলে গণ্য হয়। এরপর বিরুদ্ধ পক্ষ সেই সাক্ষীকে জেরা করে। তবে ১৫৪ ধারার অধীন যদি সাক্ষী আনয়নকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেরা করা শুরু করে তখন সেই সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী বলে। বৈরী সাক্ষী যে সাক্ষ্য দেয় সেটা হল বৈরী সাক্ষ্য। সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒  যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
২,৮৭১.
একই দায়রা বিভাগের এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে মামলা স্থানান্তরের আবেদন কখন হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যায়?
  1. সরাসরি
  2. অনুমতি সাপেক্ষে
  3. দায়রা আদালত এমন আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত এমন আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত এমন আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫২৬খ এবং ধারা ৫২৬ মতে- একই দায়রা বিভাগের এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে হয় সংশ্লিষ্ট দায়রা জজের নিকট। যদি দায়রা জজ এমন আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, তারপর হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে।
২,৮৭২.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুসারে, অ্যাডভোকেটের জন্য কোনটি সঠিক?
  1. সরকারি মামলা গ্রহণ করতে বাধ্য
  2. সব ক্লায়েন্টকে গ্রহণ করতে বাধ্য
  3. শুধুমাত্র ধনী ক্লায়েন্টদের সেবা দিতে হবে
  4. পেশাগত দায়িত্বে ইচ্ছামতো ক্লায়েন্ট বাছাই করতে পারে
সঠিক উত্তর:
পেশাগত দায়িত্বে ইচ্ছামতো ক্লায়েন্ট বাছাই করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেশাগত দায়িত্বে ইচ্ছামতো ক্লায়েন্ট বাছাই করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট নিজের পেশাগত দায়িত্বে ক্লায়েন্ট বাছাই করতে পারেন। এই বিষয়টি Chapter IV: Conduct with Regard to the Public Generally- Rule-4 এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
"No Advocate is obliged to act either as adviser or advocate for every person who may wish to become his client. He has right to decline professional employment."
অর্থাৎ, একজন অ্যাডভোকেট পেশাগতভাবে ইচ্ছামতো ক্লায়েন্ট বাছাই করতে পারেন, এবং কোনো ক্লায়েন্ট গ্রহণ না করার জন্য তার অধিকার রয়েছে। এর মানে, অ্যাডভোকেটদের কোনো নির্দিষ্ট ক্লায়েন্টকে গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয় না।

এছাড়া, সরকারি মামলা গ্রহণ করতে বাধ্য (ক), সব ক্লায়েন্টকে গ্রহণ করতে বাধ্য (খ), এবং শুধুমাত্র ধনী ক্লায়েন্টদের সেবা দিতে হবে (গ) — এসব ঠিক নয়। অ্যাডভোকেট তাদের পেশাগত নীতিমালা অনুসরণ করে নিজের চাহিদা, ইচ্ছা এবং শর্তে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

অতএব, অ্যাডভোকেটের জন্য সঠিক হল: "পেশাগত দায়িত্বে ইচ্ছামতো ক্লায়েন্ট বাছাই করতে পারে"।
২,৮৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটগণকে প্রধানতঃ কত প্রকারে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৪ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালতসমূহ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি” (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর বিধান দ্বারা গঠিত। ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।
♦ ৬ ধারামতে বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালতসমূহকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
i) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (Court of Magistrates); এবং
ii) দায়রা আদালত (Court of Sessions).
২,৮৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে ADR–এর কয়টি পন্থা আছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR)–এর দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে:
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration)।

সাধারন নিয়মসমূহ-
⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

২,৮৭৫.
যেদিন তামাদির মেয়াদ শেষ হয় সেদিন আদালত বন্ধ থাকলে এর ফলাফল কী?
  1. আদালত যে কয়দিন বন্ধ থাকবে আদালত খোলার ততোদিনের মধ্যে মামলা করা যাবে
  2. আদালত যেদিন খুলবে ঠিক সেদিনই মামলা করতে হবে।
  3. আদালত বন্ধ হওয়ার আগেই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে
  4. আদালত খোলার পর ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
সঠিক উত্তর:
আদালত যেদিন খুলবে ঠিক সেদিনই মামলা করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত যেদিন খুলবে ঠিক সেদিনই মামলা করতে হবে।
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ৪ ধারার বিধান মোতাবেক কোনো মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে (সরকারি ছুটির বন্ধ) উক্ত মোকদ্দমা যেদিন আদালত খুলবে সেদিন দায়ের করতে হবে।
২,৮৭৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুসারে, প্রতিরোধমূলক প্রতিকার কীভাবে প্রদান করা হয়?
  1. ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে
  2. সম্পত্তি দখলের মাধ্যমে
  3. ইনজাংশনের মাধ্যমে
  4. চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে 
সঠিক উত্তর:
ইনজাংশনের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনজাংশনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual." (প্রতিরোধমূলক প্রতিকার আদালতের বিবেচনায় ইনজাংশনের মাধ্যমে, যা অস্থায়ী বা স্থায়ী হতে পারে, মঞ্জুর করা হয়।)
- অর্থাৎ, প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদানের মাধ্যম হলো ইনজাংশন (Injunction)। এটি দু'প্রকার: ১) অস্থায়ী ইনজাংশন (Temporary Injunction) ২) স্থায়ী ইনজাংশন (Perpetual Injunction)।
অন্য অপশনগুলো যেমন ক্ষতিপূরণ, সম্পত্তি দখল বা চুক্তি সংশোধন এই ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হিসেবে উল্লেখিত নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

⇒ The Specific Relief Act, 1877,- Section 52 Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

২,৮৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৯ অনুযায়ী, নতুন ডিক্রি-ধারী নিম্নলিখিত কোনটি দাবি করতে পারবে না?
  1. ডিক্রির অর্থ আদায়
  2. মূল ডিক্রি-ধারীর সমস্ত অধিকার
  3. আদালতে আবেদন করার অধিকার
  4. দায়ীকের বিরুদ্ধে নতুন শর্ত আরোপ
সঠিক উত্তর:
দায়ীকের বিরুদ্ধে নতুন শর্ত আরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়ীকের বিরুদ্ধে নতুন শর্ত আরোপ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নতুন ডিক্রি-ধারী (Transferee) মূল ডিক্রি-ধারীর অধিকার ও শর্তেই ডিক্রি কার্যকর করবে। তবে, সে নতুন কোনো শর্ত আরোপ করতে পারবে না বা বিচার-দেনাদারের (দায়ীক) বিরুদ্ধে অতিরিক্ত দাবি উত্থাপন করতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী, ডিক্রি হস্তান্তর (Transfer of Decree) সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ধারার মূল বক্তব্য হলো—
যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তাহলে নতুন ডিক্রি-ধারী সেই ডিক্রিটি সেইসব শর্ত ও সীমাবদ্ধতার অধীনে গ্রহণ করবে, যেসব শর্ত দায়ীকের (Judgment Debtor) মূল ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে পারত।
অর্থাৎ, নতুন ডিক্রি-ধারী (Transferee) কোনো নতুন সুবিধা দাবি করতে পারবে না এবং পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর শর্তেই ডিক্রি কার্যকর করতে পারবে।
-----------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-49. Transferee: 
 Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.
২,৮৭৮.
The mandatory requirement "In every plaint, facts shall be proved by affidavit" is a part of which section of the Code of Civil Procedure, 1908?
  1. Section 23
  2. Section 26
  3. Section 30
  4. Section 51
সঠিক উত্তর:
Section 26
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 26
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Civil Procedure, 1908 (CPC) এর Section 26-এ বলা হয়েছে:
Sub-section (1): "Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed."
Sub-section (2): "In every plaint, facts shall be proved by affidavit."
এই বিধানটি ২০২৫ সালের সংশোধনী অধ্যাদেশ (Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে। Section 26-এর মূল বিধানটি (Sub-section 1) ইতিমধ্যেই ছিল, যা মামলা দায়ের করার পদ্ধতি বর্ণনা করে। সংশোধনীতে Sub-section (2) যোগ করে Plaint-এর facts গুলো Affidavit (শপথনামা) এর মাধ্যমে প্রমাণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) Section 26।

২,৮৭৯.
ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের নালিশের ক্ষেত্রে নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করেন?
  1. শুধুমাত্র লিখিত নালিশ
  2. শুধুমাত্র মৌখিক নালিশ
  3. মৌখিক এবং লিখিত উভয় ধরনের নালিশের ক্ষেত্রেই
  4. কোন ধরনের নালিশের ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মৌখিক নালিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মৌখিক নালিশ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১[Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case]- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

(Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case)-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case,he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing,such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
২,৮৮০.
সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন কে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০ মোতাবেক গুরুতর অপরাধ নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেইসব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করতে পারেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এর ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট এর বেঞ্চ।
২,৮৮১.
দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা অনুযায়ী অপরাধ সংঘটিত হয় কখন?
  1. যখন সরকারী কর্মচারী দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করে
  2. যখন কেউ সরকারী আদেশ অমান্য করে
  3. যখন আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করা হয় না
  4. যখন সরকারি কর্মচারীর কাজে বাধা প্রদান করা হয়
সঠিক উত্তর:
যখন আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করা হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করা হয় না
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

২,৮৮২.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ কয়টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ২টি ক্ষেত্রে
  2. ৩টি ক্ষেত্রে
  3. ৪টি ক্ষেত্রে
  4. ৫টি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
৩টি ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সেই বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে।
 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
 
Section 561A- Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
২,৮৮৩.
অ্যাডভোকেট সনদের জন্য আবেদনকারীর Pupilage Diary তে অন্যূন কয়টি দেওয়ানি মামলার নোট থাকতে হবে-
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ১০ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
-অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
-শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
-হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
২,৮৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুসারে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন- 
  1. অভিযুক্ত
  2. অভিযোগকারী
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষণার পূর্বে মামলার কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলার পুরো অংশ বা নির্দিষ্ট এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারেন।
- অভিযুক্ত, অভিযোগকারী বা পুলিশ কর্মকর্তা এই ধারা অনুসারে মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা রাখেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

২,৮৮৫.
কোন বিবাহিতা নারীর সাথে তার স্বামীর সম্মতি ব্যতীত যৌন সঙ্গম করলে তা কি বলে গণ্য হবে?
  1. ধর্ষণ
  2. প্রতারণা
  3. ব্যভিচার
  4. সম্মানহানি
সঠিক উত্তর:
ব্যভিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যভিচার
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৯৭ ধারা মতে কোন বিবাহিতা নারীর সাথে তার স্বামীর সম্মতি ব্যতীত যৌন সঙ্গম করলে তা ব্যভিচার বলে গণ্য হবে।
২,৮৮৬.
Section 55A of The Penal Code deals with-
  1. Saving for President prerogative.
  2. Commutation of sentence of death.
  3. Commutation of sentence of imprisonment for life.
  4. Fractions of terms of punishment.
সঠিক উত্তর:
Saving for President prerogative.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Saving for President prerogative.
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ডাজ্ঞা হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

--------------------------
♦ Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

♦ Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

♦ Section 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

♦ Section 57. Fractions of terms of punishment: In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.
২,৮৮৭.
যে পক্ষকে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে বাধ্য করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারামতে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (What parties cannot be compelled to perform)- ভুল তথ্য বা ধারনা তথা প্রতারণার মাধ্যমে কোন চুক্তি হলে, প্রতারনার স্বীকার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।

⇒  যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারায়, অন্যদিকে যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৪ ধারায়।
⇒  যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৭ ধারায়, অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৮ ধারায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে নাঃ নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে নাঃ

(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;

(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;

(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।

তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।
----------------
⇒ Against whom Contracts cannot be specifically enforced:

⇒ Section 28 What parties cannot be compelled to perform: Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:- 
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff; 
(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled; 
(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced. 
 
⇒ Illustrations 
to clause (c)- 
A, one of two executors, in the erroneous belief that he had the authority of his co-executor, enters into an agreement for the sale to B of his testator's property. B cannot insist on the sale being completed. 
 
A directs an auctioneer to sell certain land. A afterwards revokes the auctioneer's authority as to 20 bighas of this land, but the auctioneer inadvertently sells the whole to B, who has not notice of the revocation. B cannot enforce specific performance of the agreement.
২,৮৮৮.
জেলা পর্যায়ে সাধারণতঃ কয় প্রকারের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থাকে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৬(২) ম্যাজিস্ট্রেট দুই প্রকার,
- জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 
- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

আবার, ধারা ৬(৩) অনুযায়ী চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ

(ক) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
২,৮৮৯.
‘D’ একজন ব্যক্তিকে ১১ দিন ধরে একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে এবং পালানোর চেষ্টা করলে হুমকি দেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৪৪ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৪ অনুসারে, কেউ যদি কাউকে অবৈধভাবে ১০ দিন বা তার বেশি আটকে রাখে, সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় শাস্তি হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

২,৮৯০.
"Notice to Produce" সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আলোচিত হয়েছে?
  1. ধারা ৬৫
  2. ধারা ৬৬
  3. ধারা ৬৭
  4. ধারা ৬৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৬
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৬ "নোটিশ টু প্রোডিউস" (Notice to Produce) সম্পর্কিত নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা করে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, ধারা ৬৫(ক)-এ উল্লিখিত দলিলের বিষয়বস্তুর গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence) উপস্থাপন করতে হলে, যে পক্ষ গৌণ সাক্ষ্য দিতে চায় তাকে অবশ্যই মূল দলিলের অধিকারী পক্ষ বা তার আইনজীবীকে আইন দ্বারা নির্ধারিত নোটিশ দিতে হবে। যদি কোনো আইনে নোটিশের নির্দিষ্ট ব্যবস্থা না থাকে, তবে আদালত যে পরিমাণ সময় যুক্তিসঙ্গত মনে করে তা নোটিশ হিসেবে বিবেচিত হবে।
ধারা ৬৬-এর শর্তাংশে (Proviso) ছয়টি ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। এই ব্যতিক্রমগুলি হলো:
১) যখন দলিলটি নিজেই একটি নোটিশ।
২) যখন মামলার প্রকৃতি অনুসারে বিপক্ষীয় পক্ষ জানে যে তাকে মূল দলিল উপস্থাপন করতে হবে।
৩) যখন প্রমাণিত হয় যে বিপক্ষীয় পক্ষ জালিয়াতি বা জোরপূর্বক মূল দলিল দখল করেছে।
৪) যখন বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার এজেন্টের কাছে মূল দলিল আদালতে থাকে।
৫) যখন বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার এজেন্ট দলিলটি হারিয়ে ফেলেছে বলে স্বীকার করে।
৬) যখন দলিলের অধিকারী ব্যক্তি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে থাকে বা আদালতের প্রক্রিয়ার আওতায় নেই।

- অর্থাৎ "নোটিশ টু প্রোডিউস" সম্পর্কিত বিধান সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬-এ আলোচিত হয়েছে। এই ধারা গৌণ সাক্ষ্য উপস্থাপনের পূর্বশর্ত হিসেবে নোটিশের প্রয়োজনীয়তা এবং এর ব্যতিক্রমগুলি স্পষ্ট করে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৬৬।
----------
⇒ The Evidence Act,1872- Section- 66. Rules as to notice to produce:
Secondary evidence of the contents of the documents referred to in section 65, clause (a), shall not be given unless the party proposing to give such secondary evidence has previously given to the party in whose possession or power the document is, or to his Advocate, such notice to produce it as is prescribed by law; and if no notice is prescribed by law, then such notice as the Court considers reasonable under the circumstances of the case: 
Provided that such notice shall not be required in order to render secondary evidence admissible in any of the following cases, or in any other case in which the Court thinks fit to dispense with it:– 
(1) when the document to be proved is itself a notice; 
(2) when, from the nature of the case, the adverse party must know that he will be required to produce it; 
(3) when it appears or is proved that the adverse party has obtained possession of the original by fraud or force; 
(4) when the adverse party or his agent has the original in Court; 
(5) when the adverse party or his agent has admitted the loss of the document; 
(6) when the person in possession of the document is out of reach of, or not subject to, the process of the Court.

২,৮৯১.
একটি সমুদ্রগামী জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমার মধ্যে প্রবেশ করার পর কক্সবাজার মহেশখালীর নিকট আটক করা হয় এবং চট্টগ্রাম-এ নিয়ে যাওয়া হয়। ওই জাহাজে প্রচুর চোরাচালানের মাল পাওয়া যায়। উপরোক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে মামলা দায়ের করা যাবে________।
  1. কক্সবাজারের স্পেশাল ট্রাইবুনালে।
  2. চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইবুনালে।
  3. কক্সবাজার কিংবা চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইবুনালে।
  4. কোনোটি নয়।
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার কিংবা চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইবুনালে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার কিংবা চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইবুনালে।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৮৩ ধারা মতে ভ্রমণকালে বা সমুদ্র যাত্রায় অপরাধী কর্তৃক সংঘটিত কোন অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার অপরাধী, অথবা যে ব্যক্তি বস্তুর বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে, সে অপরাধী, ব্যক্তির বা বস্তু যে আদালতের স্থানীয় এলাকার মধ্য দিয়া অতিক্রম করে সেই আদালতে হতে পারবে।
♦অর্থাৎ কক্সবাজার এলাকায় জাহাজটি আটক করা হলেও চট্টগ্রামে জাহাজ হতে চোরাচালানের মাল পাওয়া যায় এবং জব্দ করা হয়। কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম যাত্রাপথে অপরাধটি চলতে থাকে বিধায় দু’স্থানের যেকোনো একস্থানের স্পেশাল ট্রাইবুনালে মামলাটি চলবে।
২,৮৯২.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী কয়টি গ্রাউন্ডে রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান: পুনর্বিচার: উল্লিখিত শর্ত ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে কোন ব্যক্তি যদি নিম্নবর্ণিত কোন হেতুবশত অসন্তুষ্ট হয়-

ক) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই আইনমতে আপিল চলে, কিন্তু আপিল করা হয়নি, তদ্রূপ কোন ডিক্রি বা আদেশহেতু;
খ) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই আইনমতে কোন আপিল করা চলে না, তদ্রূপ কোন ডিক্রি বা আদেশহেতু; কিংবা
গ) কোন স্বল্প-এখতিয়ার আদালতের রেফারেন্স অনুযায়ী গৃহীত আদালতের প্রদত্ত সিদ্ধান্ত দ্বারা সংক্ষুব্ধ মনে করেন-

তবে, উক্ত ব্যক্তি ডিক্রি বা আদেশদানকারী আদালতের নিকট এর রায় পুনর্বিচারের জন্য আবেদন করতে পারবে এবং আদালত তৎসম্পর্কে যথোপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী এই ৩টি গ্রাউন্ডে রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করা যায়। 
--------------
CPC Section 114. Review:
- Subject as aforesaid, any person considering himself aggrieved:
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed by this Code, but from which no appeal has been preferred, 
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed by this Code, or 
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes 
may apply for a view of judgment to the Court which passed the decree or made the order, and the Court may make such order thereon as it thinks fit.
২,৮৯৩.
'A', 'Z'-এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত করার উদ্দেশ্যে বা জানার পরেও তাকে একটি ঘুষি মারল। যদিও 'Z'-এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়নি, তবে সে বিশ দিন ধরে তীব্র শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগেছে। এক্ষেত্রে, 'A' ________ প্রদান করেছে বলে গণ্য হবে।
  1. স্বেচ্ছায় আঘাত
  2. স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত
  3. দুর্ঘটনাজনিত আঘাত
  4. স্বল্প আঘাত
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা-৩২২: স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দান:
যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় আঘাত করে, যদি সে এমন আঘাত করার ইচ্ছা পোষণ করে বা জানে যে তার আঘাতের ফলে গুরুতর আঘাত (grievous hurt) হতে পারে এবং বাস্তবে সেই আঘাত গুরুতর আঘাতের কারণ হয়, তবে তাকে "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদানকারী" বলা হয়।

ব্যাখ্যা:
কোনো ব্যক্তি তখনই "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদানকারী" হিসেবে গণ্য হবে, যদি সে একদিকে গুরুতর আঘাত প্রদান করে এবং অন্যদিকে তার সেই আঘাত প্রদান করার অভিপ্রায় থাকে বা সে জানে যে তার আঘাত গুরুতর হতে পারে। তবে, যদি কেউ এক ধরনের গুরুতর আঘাত করার উদ্দেশ্যে আঘাত করে, কিন্তু বাস্তবে অন্য ধরনের গুরুতর আঘাত ঘটে, তাহলেও তাকে "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদানকারী" বলা হবে।

উদাহরণ:
'A', 'Z'-এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত করার উদ্দেশ্যে বা জানার পরেও তাকে একটি ঘুষি মারল। যদিও 'Z'-এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়নি, তবে সে বিশ দিন ধরে তীব্র শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগেছে। সুতরাং, 'A' স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদান করেছে বলে গণ্য হবে।
২,৮৯৪.
দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারার অধীনে অপরাধ কোনটি?
  1. পরিচয় প্রকাশ করে হুমকি দেয়া
  2. মজা করে হুমকি দেয়া
  3. নিজের নাম গোপন রেখে হুমকি দেয়া
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
নিজের নাম গোপন রেখে হুমকি দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের নাম গোপন রেখে হুমকি দেয়া
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।

Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.
২,৮৯৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী যদি বিবাদী কারাগারে বন্দী থাকে, তাহলে সমন কীভাবে প্রদান করা হবে?
  1. বিবাদীর আইনজীবীর নিকট
  2. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
  3. বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের নিকট
  4. বিবাদীর পরিবারের প্রধান সদস্যের নিকট
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি ২৪- যদি বিবাদী কারাগারে বন্দী থাকেন, তাহলে সমন কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে বিবাদীর কাছে জারির জন্য সরাসরি প্রদান বা ডাকযোগে বা বিধি ৯ এর উপবিধি (৪)-এ উল্লিখিত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে।
→ অর্থাৎ যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট সমন পাঠাতে হবে।
------------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-7 Rule- 24. Service on the defendant in prison:
Where the defendant is confined in prison, the summons shall be delivered or sent by post or through courier service as mentioned in sub-rule (4) of rule 9 or otherwise to the officer in charge of the prison for service on the defendant.

২,৮৯৬.
তামাদি আইনের ১৬ ধারা কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. ফৌজদারি মামলায়
  2. চুক্তি সম্পর্কিত মামলায়
  3. বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলায়
  4. নিলাম বিক্রয় রদ সম্পর্কিত মামলায়
সঠিক উত্তর:
নিলাম বিক্রয় রদ সম্পর্কিত মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিলাম বিক্রয় রদ সম্পর্কিত মামলায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৬ ধারা নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
’ডিক্রি জারির জন্য কোন সম্পত্তি বিক্রয়’ অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহীতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে, তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending:
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
২,৮৯৭.
নিম্নের কোন ধরণের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিলের সময়সীমার ব্যতিক্রম দেয়া হয়েছে-
  1. মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে
  2. নাবালকের বিরুদ্ধে
  3. সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি (১)-
৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে, তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।

ধারা ৮০ (২) তে সরকার কর্তৃক লিখিত জবাব দাখিলের সময়সীমা দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে-

৮০ ধারা অনুযায়ী সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করার পূর্বে ২ মাসের নোটিশ দিতে হয়। ২ মাসের নোটিশ দেওয়ার পর মোকদ্দমাটি দায়ের করতে হবে। যদি নোটিশ দিয়ে মোকদ্দমাটি দায়ের করা হয়, তাহলে সরকার লিখিত জবাব দাখিল করার সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবস সময় পেতে পারে। কিন্তু যেক্ষেত্রে নোটিশ না দিয়ে মোকদ্দমাটি দায়ের করা হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য আদালত সরকারকে সর্বনিম্ন ৩ মাসের সময় দিতে হবে।
২,৮৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৯ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণ
  2. আপিলের শুনানি
  3. জামিন আবেদন
  4. পরোয়ানা কার্যকর
সঠিক উত্তর:
আপিলের শুনানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের শুনানি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৯ (Section 409 of the Code of Criminal Procedure, 1898) মূলত দায়রা আদালতে আপিলের শুনানির পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে: দায়রা আদালতে (Court of Session) বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপিল শুনানির অধিকার রাখেন,
- দায়রা জজ (Sessions Judge) অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge)।
- তবে অতিরিক্ত দায়রা জজ শুধুমাত্র সরকারের সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কিংবা দায়রা জজ কর্তৃক অর্পিত আপিল শুনবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
২,৮৯৯.
What type of evidence mistake is covered by Section 167 of The Evidence Act, 1872?
  1. Evidence that is unclear.
  2. Evidence that is unrelated to the case.
  3. Improper admission or rejection of evidence.
  4. Evidence presented after the trial ends.
সঠিক উত্তর:
Improper admission or rejection of evidence.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Improper admission or rejection of evidence.
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।

Section 167⇒ No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
২,৯০০.
কোন ব্যক্তিকে একই অপরাধের বিচারের জন্য পুনরায় আদালতে হাজির করা যায়-
  1. খালাস প্রাপ্ত ব্যক্তি
  2. অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি
  3. দণ্ডিত ব্যক্তি
  4. কাউকে না
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৩ মতে- কোন ব্যক্তি একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত হলে একই অপরাধের জন্য তাকে পুন:বিচার করা যাবে না। তবে, আসামীকে পূর্বে অব্যাহতি দেওয়া হয়ে থাকলে নতুন সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় আদালতে হাজির করা যাবে। অর্থাৎ একই অপরাধের বিচারের জন্য পুনরায় আদালতে হাজির করা যায় না,  এই বিধান শুধু দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত আসামীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, অব্যাহতিপ্রাপ্ত আসামীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।