বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২৮ / ১২৬ · ২,৭০১২,৮০০ / ১২,৬০৫

২,৭০১.
“অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা” (mesne profits) এর দাবিতে মামলা করলে বাদী অভিযোগে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. সঠিক পরিমাণ
  2. আনুমানিক পরিমাণ
  3. সর্বোচ্চ সম্ভাব্য পরিমাণ
  4. পূর্ববর্তী বছরের পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
আনুমানিক পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনুমানিক পরিমাণ
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: খ) আনুমানিক পরিমাণ।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-৭, বিধি-২ অনুসারে, "অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা" (mesne profits) বা অপরিষ্কৃত হিসাবের ভিত্তিতে টাকা আদায়ের মামলা করলে, বাদী লিখনে আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করাই যথেষ্ট।
অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা: এটি সম্পত্তি থেকে বেআইনিভাবে অর্জিত আয় বা লাভ, যা প্রকৃত মালিক পেতে পারতেন যদি সম্পত্তি তার দখলে থাকত।
উদাহরণ: জমি দখলদার কর্তৃক ভাড়া আদায় করা।

- আদেশ-৭, বিধি-২-এ স্পষ্ট বলা হয়েছে:
"where the plaintiff sues for mesne profits... the plaint shall state approximately the amount sued for."
("অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা" (mesne profits) এর দাবিতে আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে)।

- "অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা" (mesne profits) এর সঠিক হিসাব মামলার প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় (হিসাব নিরূপণের মাধ্যমে)। আদালত হিসাব রিপোর্ট (Commission for Accounts) নির্দেশ দিতে পারে।
- আনুমানিক পরিমাণ যুক্তিসঙ্গত হতে হবে (মূল দাবির সাথে সাংঘর্ষিক না হলে)। আদালত স্টাম্প ফি আনুমানিক মূল্য অনুযায়ী নির্ধারণ করবে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) আনুমানিক পরিমাণ।
২,৭০২.
বার কাউন্সিল অর্ডারের কোন অনুচ্ছেদে বার অ্যাসোসিয়েশন অনুমোদনের বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ৩৯
  3. অনুচ্ছেদ ৪০
  4. অনুচ্ছেদ ৩৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
ব্যাখ্যা
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৯ তে বার অ্যাসোসিয়েশন অনুমোদনের বিষয়ে বলা আছে।
- শর্তসাপেক্ষে বার কাউন্সিল বার এসোসিয়েশনকে অনুমোদন করে। 
--------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-39. The Bar Council may recognise a bar association in such manner and subject to such conditions as may be prescribed.
২,৭০৩.
খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা
  2. ১৮ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা
ব্যাখ্যা
• ৩০৪ ধারায় অপরাধমূলক নরহত্যার ২ ধরনের শাস্তির কথা বলা আছে।
(i) মৃত্যুর অভিপ্রায় ব্যতীত নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
(ii) মৃত্যুর অভিপ্রায় নিয়ে নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
২,৭০৪.
ঘোষণামূলক মামলা কে করতে পারে?
  1. আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তি
  2. কোন সম্পত্তিতে অধিকার আছে এমন ব্যক্তি
  3. মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে অধিকারী ব্যক্তি
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

♦ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

♦ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

♦ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

♦ এখানে আইনানুগ পরিচয় বলতে আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝায়।
২,৭০৫.
ধারা ৩৩৬ অনুযায়ী, কোন শর্তে অন্যদের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্নকারী কাজের জন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা যেতে পারে?
  1. যদি কাজটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত হয়
  2. যদি কাজটি বেপরোয়াভাবে করা হয়
  3. যদি কাজটি অবহেলামূলকভাবে করা হয়
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৬ ধারা - অন্যদের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্নকারী কার্য:
যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা অতিরিক্ত বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে করা হয় এবং এতে মানবজীবন বা অন্যদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তাকে তিন মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ দুইশত পঞ্চাশ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 336- Act endangering life or personal safety to others:
Whoever does any act so rashly or negligently as to endanger human life or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to two hundred and fifty taka, or with both.
২,৭০৬.
Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৫(৮) ধারায় আদালত কখন সমঝোতা চুক্তি বাস্তবায়নের আদেশ দেবে না?
  1. যদি চুক্তি বৈধ না হয়
  2. যদি অভিযুক্ত চুক্তি অস্বীকার করে
  3. যদি তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়
  4. যদি উভয় পক্ষ রাজি থাকে
সঠিক উত্তর:
যদি তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩৪৫:
(৮) এই ধারায় যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, যেখানে উভয় পক্ষ কোনো আপসযোগ্য মামলা আপস করতে সম্মত হয়, সেখানে আদালত পক্ষগুলির মধ্যে আপসের প্রক্রিয়া সহজতর করতে পারেন অথবা Legal Aid Act, 2000 (২০০০ সালের আইন নং ২০)-এর অধীনে নিযুক্ত সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের কাছে, বা পক্ষগণ কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবীদের কাছে, অথবা যেখানে কোনো আইনজীবী নিযুক্ত হননি সেখানে পক্ষ বা পক্ষদের নিজেদের কাছে আপসের জন্য বিষয়টি পাঠাতে পারেন; এবং যদি আদালত সন্তুষ্ট হন যে, এই ধরনের আপসের সমর্থনে পক্ষগণ একটি আইনানুগ চুক্তি সম্পাদন করেছেন, তবে আদালত সেই চুক্তিটি নথিতে সংরক্ষণ করতে পারেন এবং এর শর্তাবলী বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন, তবে শর্ত থাকে যে, এই ধরনের বাস্তবায়ন কোনো তৃতীয় পক্ষের অধিকার বা স্বার্থের প্রতি ক্ষতিকর হবে না। 

ব্যাখ্যা: এই উপ-ধারার উদ্দেশ্যে, "পক্ষ" (party) শব্দটি বলতে বোঝাবে যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ কর্তৃক অপরাধটি আইনানুগভাবে আপসযোগ্য হতে পারে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকেও।"

২,৭০৭.
‘ক’ একজন পার্লামেন্ট সদস্য। ‘ক’ কে পার্লামেন্ট চলাকালীন সময় দেওয়ানী প্রক্রিয়ায়-
  1. গ্রেফতার করা যাবে
  2. গ্রেফতার করা যাবে না
  3. কারাগারে আটক রাখা যাবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৫ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, সংসদের অধীবেশন চলাকালীন সময়ে সংসদ সদস্যকে দেওয়ানী পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে না বা কারাগোরে আটক রাখা যাবে না।

• ‘ক’ যেহেতু সংসদ সদস্য তাই সংসদ চলাকালীন সময়ে গ্রেফতার করা যাবে না।
২,৭০৮.
স্বত্বঘোষণার মামলায় বাদীকে কী প্রমাণ করতে হয়?
  1. সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার
  2. আইনগত চরিত্র সম্পর্কে অধিকার
  3. চুক্তির অধিকার
  4. ক+খ
সঠিক উত্তর:
ক+খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+খ
ব্যাখ্যা
♦ Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying……৪২ ধারায় legal character, right to property যদি কেউ অস্বীকার করে তখন স্বত্বঘোষণার মামলা করা যায়।
২,৭০৯.
কোনো মোকদ্দমায় যদি আদালত মনে করে বাদীদের সংযুক্তি বিচার বিলম্বিত করতে পারে, তাহলে আদালত ১নং আদেশের বিধি ২ অনুসারে কী আদেশ দিতে পারে?
  1. একত্রিত বিচারের আদেশ
  2. পৃথক বিচারের আদেশ
  3. মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  4. স্বতঃস্ফূর্তভাবে রায় প্রদান করবে
সঠিক উত্তর:
পৃথক বিচারের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথক বিচারের আদেশ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

• তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন। সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে-
যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।

Rule-2: Power of Court to order separate trials-
Where it appears to the Court that any joinder of plaintiffs may embarrass or delay the trial of the suit, the Court may put the plaintiffs to their election or order separate trials or make such other order as may be expedient.
২,৭১০.
আদেশ ২১ বিধি-৬৫ অনুযায়ী, যদি অন্য কিছু নির্ধারিত না হয়, তবে কার দ্বারা নিলাম বিক্রয় পরিচালিত হবে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. বাদীর আইনজীবী
  4. আদালতের কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৬৫: কার দ্বারা এবং কিভাবে নিলাম বিক্রয় পরিচালিত হবে:
অন্যরূপ নির্ধারণ ব্যতীত ডিক্রি জারির দরুন প্রত্যেক নিলাম বিক্রয় আদালতের কোন কর্মকর্তা কিংবা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত হবে এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রকাশ্য নিলামে সম্পন্ন করতে হবে।

Rule.-65: Sales by whom conducted and how made-
Save as otherwise prescribed, every sale in execution of a decree shall be conducted by an officer of the Court or by such other person as the Court may appoint in this behalf, and shall be made by public auction in manner prescribed.
২,৭১১.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় সহকারী জজের কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
  4. দায়রা আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
- রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

- দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে। 

- অর্থাৎ ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে। জেলা জজ আদালত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনানীর এখতিয়ার রাখে না।
সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ ও যুগ্ম জেলা জজের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন জেলা জজের আদালতে দাখিল করতে হয়, তবে এই সকল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
২,৭১২.
The Code of Civil Procedure, 1908 ধারা ৯৪(ক) কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. মামলা খারিজ
  3. আপিল নিষ্পত্তি
  4. ডিক্রি কার্যকর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকর
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ক- আদেশ/ডিক্রি কার্যকর করার নির্দেশ:
যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার উদ্দেশ্যে, আদালত নিম্নলিখিত নির্দেশ দিতে পারবে— যে কোনো নির্বাহী কর্তৃপক্ষ, যার মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অন্তর্ভুক্ত, তাকে আদালতের নির্ধারিত ব্যক্তিকে সহায়তা করতে নির্দেশ দিতে পারবে এবং আদালত সেই সহায়তা প্রদানের অনুপালনের প্রতিবেদন আদালতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দাখিল করতে বলতে পারবে।

২,৭১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৭ অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উদাহরণ নয়?
  1. হুন্ডি
  2. চেক
  3. প্রমিসরি নোট
  4. জমির দলিল
সঠিক উত্তর:
জমির দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির দলিল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৭ (Order XXXVII of the Code of Civil Procedure, 1908) শুধু মাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments)-সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি প্রবর্তন করে।
- হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments) বলতে বোঝায় এমন আর্থিক দলিল যা এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয় এবং যেটি হস্তান্তরযোগ্য অর্থাৎ সহজেই অন্য কারো নামে স্থানান্তর করা যায়।
আদেশ ৩৭ এর আওতাভুক্ত হস্তান্তরযোগ্য দলিলসমূহ:
ক) হুন্ডি (Hundi): ঐতিহ্যবাহী এক ধরনের অর্থনৈতিক দলিল, বিশেষ করে উপমহাদেশে ব্যবহৃত হয়।
খ) চেক (Cheque): একটি প্রচলিত ব্যাংক দলিল যা হস্তান্তরযোগ্য।
গ) প্রমিসরি নোট (Promissory Note): এক ব্যক্তি অন্যকে নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের লিখিত প্রতিশ্রুতি।

ঘ) জমির দলিল (Deed of Land): হস্তান্তরযোগ্য দলিল নয়।
- এটি একটি অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল, অর্থাৎ জমি বা স্থাবর সম্পত্তি কারো নামে লিখে দেওয়ার দলিল। এটি আর্থিক প্রতিশ্রুতির দলিল নয় এবং সহজে হস্তান্তরযোগ্য দলিল হিসেবেও গণ্য হয় না।

-  অর্থাৎ জমির দলিল আদেশ ৩৭ এর অধীনে দায়েরকৃত মামলার অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটি হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উদাহরণ নয়।
২,৭১৪.
ইতালি বসবাসকারী ‘A’ একজন বাংলাদেশি নাগরিক সে ভারতের এক নাগরিককে ইতালিতে হত্যা করে। দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত ‘A’ এর বিচার করতে পারে, যদি তাকে পাওয়া যায়-
  1. ইতালি
  2. ভারত
  3. যেকোনো দেশে
  4. বাংলাদেশে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধি অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই দণ্ডবিধির অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা দণ্ডবিধিতে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
অর্থাৎ বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘ক’ এর বিচার করতে পারে, যদি তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়।

-যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-2: Punishment of offences committed within Bangladesh:
-Every person shall be liable to punishment under this Code and not otherwise for every act or omission contrary to the provisions thereof, of which he shall be guilty within Bangladesh.

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 3: Punishment of offences committed beyond, but which by law may be tried within Bangladesh:
- Any person liable, by any Bangladesh Law, to be tried for an offence committed beyond Bangladesh shall be dealt with according to the provisions of this Code for any act committed beyond Bangladesh in the same manner as if such act had been committed within Bangladesh.

⇒ The Penal Code, 1860, Section-4: Extension of Code to extra-territorial offences:
-The provisions of this Code apply also to any offence committed by- 
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh; 
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be. 
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code. 
 
Illustrations:
(a) A, a Bangladesh subject, commits a murder in Uganda. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found. 
২,৭১৫.
একজন সিনিয়র সিভিল জজের আর্থিক মূল্যমান ক্ষমতা (Pecuniary Jurisdiction) কত টাকা পর্যন্ত?
  1. ৫ লক্ষ টাকা
  2. ১৫ লক্ষ টাকা
  3. ২৫ লক্ষ টাকা
  4. ৩৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ১৯ (সিভিল কোর্টস (সংশোধন) আইন, ২০২১ দ্বারা সংশোধিত) অনুসারে, সিনিয়র সিভিল জজ এর আর্থিক মূল্যমান ক্ষমতা (Pecuniary Jurisdiction) ২৫ (পচিশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এটি সিভিল মামলাগুলোর জন্য প্রযোজ্য, যদি না অন্য কোনো আইন দ্বারা ভিন্নতর বিধান থাকে।

⇒ দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ার (কোন আদালতে কত টাকার মামলা হবে):
- সিভিল জজ: ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলা।
- সিনিয়র সিভিল জজ: ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলা।
- যুগ্ম জেলা জজ: ২৫ লক্ষ টাকার বেশি যেকোনো মূল্যের মামলা (সীমাহীন)।
- জেলা জজ: সীমাহীন মামলা।

২,৭১৬.
চার্জে 'ক' এর বিরুদ্ধে কোন বিশেষ সময়ে ও স্থানে 'খ' নামক জনৈক সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারী কার্যে বাধা দানের অভিযোগ করা হয়েছে।কিন্তু 'ক' তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে সন্দিহান।সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
  1. 'খ' কে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে
  2. চার্জে অপরাধ সংঘটনের পদ্ধতি উল্লেখ করতে হবে
  3. অভিযোগ খারিজের আবেদন করা যাবে
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
চার্জে অপরাধ সংঘটনের পদ্ধতি উল্লেখ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জে অপরাধ সংঘটনের পদ্ধতি উল্লেখ করতে হবে
ব্যাখ্যা
• অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে। সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে। ধারা ২২৩ এ কখন অপরাধ সংঘটনের পদ্ধতি অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে (When manner of committing offence must be stated) সেই বিধান দেয়া আছে-

যখন ঘটনার প্রকৃতি এরূপ যে, ২২১ ও ২২২ ধারায় উল্লেখিত তথ্যাবলী দ্বারা অভিযুক্তকে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে পর্যাপ্তরূপে জ্ঞাত করা যায় না, তখন যেভাবে অভিযোগকৃত অপরাধটি করা হয়েছিল, অভিযোগে সে সম্পর্কে এরূপ তথ্য দিতে হবে যেন তা জ্ঞাত করার উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত হয়।
[When the nature of the case is such that the particulars mentioned in sections 221 and 222 do not give the accused sufficient notice of the matter with which he is charged, the charge shall also contain such particulars of the manner in which the alleged offence was committed as will be sufficient for that purpose.]

প্রশ্নে উল্লেখিত অভিযুক্ত 'ক' চার্জে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে পর্যাপ্তরূপে জ্ঞাত নয়। এক্ষেত্রে 'ক' কবে,কখন এবং কিভাবে 'খ' এর সরকারী কার্যে বাধা দান করেছে তা চার্জে উল্লেখ করতে হবে।
২,৭১৭.
কোন ধারা অনুযায়ী প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার বিচার করার এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ ধারা
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারা
  3. Civil Courts Act, 1887 এর ১৮ ধারা
  4. Civil Courts Act, 1887 এর ১৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
আর্থিক এখতিয়ার বা Pecuniary Jurisdiction:
আর্থিক এখতিয়ার বলতে মোকদ্দমার মূল্যমানের ভিত্তিতে কোন মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ারকে বোঝায়। দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৬, ১৫ ধারা এবং দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৮৭ এর ১৮, ১৯ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার আলোচনা করা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ ধারা অনুযানী কোন আদালত তার এখতিয়ার অতিরিক্ত মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করতে পারবেনা এবং ১৫ ধারা অনুযায়ী, প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার বিচার করার এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অন্যদিকে,
দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৮৭ এর ১৯ ধারা অনুযায়ী, যুগ্ম জেলা জজ আদালত ২৫ লক্ষ থেকে অসীম মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করতে পারবেন। একই আইনের ১৮ ধারার বিধান অনুযায়ী, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ১৫ থেকে ২৫ লক্ষ পর্যন্ত এবং সহকারী জজ আদালত ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মোকদ্দম্র বিচার করতে পারবে।
২,৭১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) কবে থেকে কার্যকর হয়েছে?
  1. ৪ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  2. ৬ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  3. ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  4. ১০ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে ৮ মে, ২০২৫ তারিখে। অধ্যাদেশের ধারা ১(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে জারি করা হয়েছে এবং এর মূল উদ্দেশ্য দেওয়ানি মামলার প্রক্রিয়া দ্রুততর করা, যেমন ডিজিটাল সামনস সার্ভিস, অ্যাফিডেভিটভিত্তিক সাক্ষ্য ইত্যাদি সংশোধনের মাধ্যমে।
⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।

- অর্থাৎ, প্রশ্নটি The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কার্যকর হওয়ার তারিখ সম্পর্কে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ১(২) তে বলা হয়েছে যে এটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর: গ) ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।

- এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

২,৭১৯.
দণ্ডবিধির ২১৫ ধারা অনুসারে, যদি কেউ চোরাই সম্পত্তি উদ্ধারের নামে পারিতোষিক গ্রহণ করে তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ চোরাই সম্পত্তি উদ্ধারের নামে পারিতোষিক গ্রহণ করে এবং অপরাধীকে গ্রেফতার ও দণ্ডিত করানোর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে তাকে ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২১৫ ধারার বিধান: চোরাই সম্পত্তি ইত্যাদি উদ্ধারে সহায়তা করার জন্য উপহার গ্রহণ করা:
-কোন ব্যক্তি এই বিধি বলে দণ্ডনীয় কোন অপরাধহেতু যে সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হয়েছে তাকে সে সম্পত্তি উদ্ধারে সহায়তার ভান করে বা সহায়তা করার জন্য যদি কেউ কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে কিংবা গ্রহণ করতে স্বীকৃত বা সম্মত হয়, তবে সে যদি না অপরাধীকে গ্রেফতার ও অপরাধের জন্য দণ্ডিত করানোর জন্য তার সাধ্যায়ও সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 215. Taking gift to help to recover stolen property, etc:
- Whoever takes or agrees or consents to take any gratification under pretence or on account of helping any person to recover any moveable property of which he shall have been deprived by any offence punishable under this Code, shall, unless he uses all means in his power to cause the offender to be apprehended and convicted of the offence, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২,৭২০.
'বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' অপরাধের মূল উপাদান কী?
  1. চুরি করা
  2. ভয় দেখানো
  3. মিথ্যা বলা
  4. সম্পত্তি নষ্ট করা
সঠিক উত্তর:
ভয় দেখানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয় দেখানো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section 383 - Extortion: 
Whoever intentionally puts any person in fear of any injury to that person, or to any other, and thereby dishonestly induces the person so put in fear to give donation or subscription of any kind or to deliver to any person any property or valuable security or anything signed or sealed which may be converted into a valuable security, commits "extortion". 
২,৭২১.
রায়ে অন্তর্ভুক্ত থাকে না নিচের কোন বিষয়টি?
  1. বিচার্য বিষয়সমূহ।
  2. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ।
  3. আসামীকে যে অপরাধে ও কোন আইনের কোন ধারায় দণ্ডিত করা হলো এবং যে শাস্তি দেয়া হলো।
  4. আসামীর অপরাধ সংঘটনের কারণ ও পূর্ব ইতিহাস।
সঠিক উত্তর:
আসামীর অপরাধ সংঘটনের কারণ ও পূর্ব ইতিহাস।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীর অপরাধ সংঘটনের কারণ ও পূর্ব ইতিহাস।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৬৭ ধারা মোতাবেক রায়ের বিষয়বস্তু হলো-
১. বিচার্য বিষয়সমূহ।
২. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ।
৩. আসামীকে যে অপরাধে ও কোন আইনের কোন ধারায় দণ্ডিত করা হলো এবং যে শাস্তি দেয়া হলো।
৪. আসামীকে খালাস দেওয়া হলে যে অপরাধ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে তা উল্লেখ করতে হবে।
৫. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কয়েক বছর এর কারাদণ্ড দেয়া হলে আদালতকে উক্ত শাস্তির কারণ উল্লেখ করতে হবে।
২,৭২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালত অবমাননার শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ৪৭৫ ধারায়
  2. ৪৮০ ধারায়
  3. ৪৮৫ ধারায়
  4. ৪৯০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৮০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
২,৭২৩.
বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ কত বছরের?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৫

আমানত গ্রহীতা বা বন্ধক গ্রহীতার নিকট থেকে‌ আমানতী বা বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা
তামাদি- ৩০ বছর
সময় গণনা শুরু- আমানত রাখা বা বন্ধক দেওয়ার তারিখ হতে।
২,৭২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারার (২) উপধারা অনুসারে আদালতের ক্ষমতা কী?
  1. জবানবন্দি বাতিল করা
  2. সাক্ষীকে সমন ও পরীক্ষা করা
  3. বিচারে উপস্থিতির বাধ্যবাধকতা
  4. সাক্ষীকে জামিনে মুক্তি দেওয়া
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে সমন ও পরীক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে সমন ও পরীক্ষা করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারার (২) উপধারা অনুসারে, আদালত যদি সঠিক মনে করে, তবে চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করতে পারে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে পরীক্ষা করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।
(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.

২,৭২৫.
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়া বা সমন–খরচ জমা না দেওয়ার ফলে মামলা খারিজ হলে সেই খারিজ আদেশ বাতিলের দরখাস্ত দাখিলের তামাদি সময়-
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।

২,৭২৬.
ক-এর পক্ষে স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের অধিকার সৃষ্টি হওয়ার ১১ বছর পর সে সাবালকত্ব অর্জন করে। সাধারণ নিয়ম অনুসারে ক-এর হাতে মামলা দায়ের করার জন্য আরও ১ বছর সময় আছে। ক- অতিরিক্ত আরও কত বছর সময় পাবে?
  1. সময় পাবে না
  2. ১১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮ অনুসারে- যে মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তা কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করেছে বলে গণ্য হবে না।
♦সাধারণত স্বত্বের মামলার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর,  যেহেতু ক ১১ বছর পর সাবালক হয়েছে ও মামলা করার অধিকারী হয়েছে। আইনগত ভাবে মামলা করার শুধু মাত্র এক বছর সময় বাকি থাকে।
♦কিন্তু তামাদি আইনের ৮ ধারার বিশেষ ব্যতিক্রম অনুযায়ী আইনগত অপারগতা অবসান হওয়ার পর মামলা করার জন্য তিন বছর সময় পাবে । অর্থাৎ সাবালক হওয়ার পরে ক মামলা করার জন্য মোট  তিন বছর সময় পাবে। এক্ষেত্রে ক তার স্বত্বের অধিকারের মামলার এক বছর মেয়াদের সাথে অতিরিক্ত  দুই বছর সময় বেশি পাবে।
বি:দ্র: ৮ ধারার উদাহরণ: (ক)
⇒ 'ক' নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্ৰ অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে৷
২,৭২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত আদেশের কত বিধি অনুযায়ী আপীল আদালত আপীলের স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ২
  2. আদেশ ৪১, বিধি ৩
  3. আদেশ ৪১, বিধি ৪ 
  4. আদেশ ৪১, বিধি ৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন: ১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule.-3: Rejection or amendment of memorandum.-1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
২,৭২৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৬ অনুযায়ী, যদি ভাষা এমন হয় যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে কেবল একজনের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে, তাহলে–
  1. দলিল অবৈধ বলে গণ্য
  2. সকলের ক্ষেত্রেই দলিল কার্যকর
  3. কে উদ্দেশ্য ছিল তা প্রমাণযোগ্য
  4. কেবল প্রাপক পক্ষ ব্যাখ্যা দিতে পারবে
সঠিক উত্তর:
কে উদ্দেশ্য ছিল তা প্রমাণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কে উদ্দেশ্য ছিল তা প্রমাণযোগ্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) কে উদ্দেশ্য ছিল তা প্রমাণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী—
- যদি দলিলের ভাষা এমন হয় যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে কেবল একজনের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে এবং তা আরও কারো জন্য প্রযোজ্য হতে পারে না, তাহলে: আদালত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে, যা থেকে বোঝা যাবে, ঠিক কোন ব্যক্তি বা বস্তু আসলে উদ্দেশ্য ছিল।

 অর্থাৎ যখন ভাষা একাধিক ব্যক্তির উপর প্রযোজ্য হতে পারে কিন্তু বাস্তবে কেবল একজনের উদ্দেশ্যে ব্যবহার হয়, তখন সেই নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা যায় (ধারা ৯৬)।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 96. Evidence as to application of language which can apply to one only of several persons:
- When the facts are such that the language used might have been meant to apply to any one, and could not have been meant to apply to more than one, of several persons or things, evidence may be given of facts which show which of those persons or things it was intended to apply to.
২,৭২৯.
আদেশ ২৩-এর বিধান কখন প্রযোজ্য হবে না?
  1. মামলা দায়েরের কার্যক্রমে
  2. ডিক্রি কার্যকর করার কার্যক্রমে
  3. দাবির আংশিক পরিত্যাগের সময়
  4. মামলার আপোষ মীমাংসার কার্যক্রমে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকর করার কার্যক্রমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকর করার কার্যক্রমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ এর বিধি ৪ স্পষ্টভাবে বলে:
"এই আদেশের কোনো কিছুই ডিক্রি বা আদেশের জারির কোন কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে না।"
অর্থাৎ, একবার ডিক্রি হয়ে গেলে সেটি কার্যকর করার বা execution চালানোর জন্য আদেশ ২৩-এর বিধান প্রযোজ্য নয়। এ জন্য আলাদা বিধান রয়েছে।

Order-23 Rule-4. Proceedings in execution of decrees not affected:
Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.

২,৭৩০.
লিখিত দলিল বা চুক্তির ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।

- প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়। দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
- দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
- চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
২,৭৩১.
কোন পরিস্থিতিতে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক? 
  1. যখন ডিজিটাল রেকর্ড আদালতে দাখিল করা হয়
  2. যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠে
  3. যখন ডিজিটাল রেকর্ড কপি করা হয়
  4. যখন ডিজিটাল রেকর্ডকে সত্য বলে ধরে নেওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:
দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ অর্থাৎ, ডিজিটাল রেকর্ডের authenticity (বিশুদ্ধতা) চ্যালেঞ্জ করা হলে তবেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হয়।

২,৭৩২.
'Suit of Civil nature' is Defined in-
  1. Section 6 of CPC
  2. Section 9 of CPC
  3. Section 15 of CPC
  4. Section 13 of CPC
সঠিক উত্তর:
Section 9 of CPC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 9 of CPC
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারার ব্যাখায় কোন ধরনের মোকদ্দমাসমূহ দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা, তা উল্লেখ আছে।

ধারা- ৯ঃ নিষেধ না থাকলে আদালত সকল প্রকার দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করবেন-
এই আইনে বর্ণিত বিধান সাপেক্ষে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ না থাকলে সকল প্রকার দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আদালতের থাকবে ।
ব্যাখা- যে সকল মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা; উক্ত অধিকার ধর্মীয় কার্য বা উৎসব সম্পর্কিত প্রশ্নের মীমাংসার উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করলেও তার ফলে দেওয়ানি প্রকৃতি নষ্ট হয় না।

Section 9: Courts to try all Civil suits unless barred-
The Courts shall (subject to the provisions herein contained) have jurisdiction to try all suits of a civil nature excepting suits of which their cognizance is either expressly or impliedly barred.

Explanation- A suit in which the right to property or to an office is contested is a suit of a civil nature, notwithstanding that such right may depend entirely on the decision of questions as to religious rites or ceremonies.
২,৭৩৩.
The Evidence Act 1872 এর ৭৪ ধারায় কোন দলিল সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ব্যক্তিগত
  2. সরকারী
  3. বেসরকারী
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
সরকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।

ধারা ৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)-
সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- এর ৭৪ ধারা অনুসারে,
১. যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোনো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের,
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোনো অংশের বা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয়, শাসন বিভাগীয় কোনো অফিসারের কার্য,

২. সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিল (আদালতের আরজি ও লিখিত জবাব, রায়, রেজিস্ট্রিকৃত দলিল) ইত্যাদি Public Document।
২,৭৩৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার অধীনে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়?
  1. ৯ ধারা
  2. ১২ ধারা
  3. ২১ ধারা
  4. ২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
 
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী ১২ ধারার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য: 
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
 
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
SR Act: Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
 
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
২,৭৩৫.
নিচের কোন শর্ত পূরণ হলে দণ্ডবিধির ৪০৪ ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ
  2. জীবিত ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ
  3. মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৪ – মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ:
যে ব্যক্তি অসাধুভাবে (dishonestly) মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তার দখলে থাকা সম্পত্তি নিজের ব্যবহারের জন্য নেয় বা পরিণত করে,
যা তখন কোনো আইনসিদ্ধ অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির দখলে যায়নি, তাকে শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে।

শাস্তি:
- কারাদণ্ড (Imprisonment) – সর্বোচ্চ ৩ বছর, এবং
- অর্থদণ্ড (Fine) প্রযোজ্য।

বিশেষ নিয়ম:
যদি অপরাধী ওই মৃত ব্যক্তির ক্লার্ক বা চাকর হিসেবে কাজ করত, তবে কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

২,৭৩৬.
কোন ধরণের দলিল সম্পর্কে আদালত অনুমান করে যে তাতে থাকা তথ্য সঠিক, যদি তা ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট হিসেবে গৃহীত হয়?
  1. ব্যক্তিগত তথ্য
  2. যাচাইকৃত তথ্য
  3. যাচাইবিহীন তথ্য
  4. তৃতীয় পক্ষের তথ্য
সঠিক উত্তর:
যাচাইকৃত তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাচাইকৃত তথ্য
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৮৫গ (85C) অনুযায়ী, আদালত ধরে নেবে যে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটে থাকা যাচাইকৃত তথ্য সঠিক, যদি তা স্বাক্ষরকারী গ্রহণ করে থাকে।
⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের "যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য" সঠিক বলে অনুমান করে।
- গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়।
------------
⇒ The Evidence Act, Section 85C- Presumption as to Digital Signature Certificates.-
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the subscriber accepted the certificate.
২,৭৩৭.
A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a _________.
  1. Trade mark
  2. Property mark
  3. Service Mark
  4. Certification Mark
সঠিক উত্তর:
Property mark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Property mark
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860: Section 479. Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.

⇒ দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারার বিধান সম্পত্তি চিহ্ন:- কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝাবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে।
২,৭৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-২০ অনুযায়ী আদালত যদি বিকল্প/লটকাইয়া সমন জারির আদেশ দেয়, তবে কতদিনের মধ্যে বিবাদীকে উপস্থিত হতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৫ এর বিধি ২০ অনুযায়ী বিকল্প বা লটকাইয়া সমন জারির বিষয়ে বিধান আছে।
⇒ আদালত যদি যুক্তি সঙ্গত কারনে বিশ্বাস করে যে, বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে আছে বা অন্য কোন কারনে সমন জারি করা যাচ্ছে না তাহলে আদালত সমন লটকাইয়া /বিকল্প জারির আদেশ দিতে পারেন।
⇒ বিবাদীর বাসগৃহে বা সর্বশেষ বসবাস স্থানে/ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে লটকাইয়া সমন জারি করা যায়।
⇒ যখন আদালত উপ-বিধি (১) অনুযায়ী সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমন জারির আদেশ দান করে, তখন উক্ত সংবাদপত্রটি হতে হবে দৈনিক সংবাদপত্র, যার প্রচার অনুরূপ স্থানে থাকতে হবে সেখানে বিবাদি সর্বশেষ জ্ঞাত ঠিকানায় প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে বা ব্যবসা পরিচালনা করে বা ব্যক্তিগত লাভের নিমিত্তে কাজ করে বলে জানা যায়।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে তা বিবাদির উপর ব্যক্তিগতভাবে জারি করার মতই কার্যকরী হবে।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে সেক্ষেত্রে আদালত ক্ষেত্রবিশেষে বিবাদির হাজিরার জন্য আদালত যথোপযুক্ত সময় নির্ধারিত করবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-20: Substituted service:
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit. 
(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.
⇒ Effect of substituted service:
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.

⇒ Where service substituted, time for appearance to be fixed:
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require.
২,৭৩৯.
‘D’ পাবলিক রাস্তায় দ্রুতগতিতে গাড়ি চালায়, যার ফলে ‘Y’-এর পা ভেঙে যায় এবং সে ২০ দিনের বেশি সময় কাজে অক্ষম থাকে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘D’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৩৬
  2. ধারা ৩৩৭
  3. ধারা ৩৩৫
  4. ধারা ৩৩৮ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৮ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৮ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৮ক অনুসারে, পাবলিক রাস্তায় দ্রুতগতি বা অবহেলায় গাড়ি চালিয়ে বা চড়ে গুরুতর আঘাত (যেমন পায়ের অস্থিভঙ্গ) করলে শাস্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারা: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 338A- Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

২,৭৪০.
তামাদি আইনের ৫ ধারা প্রযোজ্য হবেনা -
  1. ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ এর ক্ষেত্রে
  3. মূল ফৌজদারী মামলায়
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন
বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

উল্লেখ্য যে, মূল ফৌজদারী মামলায় তামাদি আইনের ৫ ধারা প্রযোজ্য হবেনা।

২,৭৪১.
'Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.' এটি The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারার বিধান?
  1. ১২
  2. ১৬
  3. ১৫
  4. ১৭
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা
'Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.' এটি The Civil Courts Act, 1887 এর ১৬ ধারার বিধান।
--------
⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 16. Seals of Courts: Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government. 
২,৭৪২.
A, B-এর পকেটে এই উদ্দেশ্যে কিছু অলংকার রাখে যে, উক্ত অলংকার উক্ত পকেটে পাওয়া যেতে পারে, এবং এই ঘটনার জন্য B চুরির অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে। A দণ্ড বিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ১৯১ধারার অধীন
  2. ১৯২ধারার অধীন
  3. ১৯৩ধারার অধীন
  4. ১৯৪ধারার অধীন
সঠিক উত্তর:
১৯৩ধারার অধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩ধারার অধীন
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার সংজ্ঞা অনুযায়ী A এই ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন বা তৈরি করার অপরাধ করেছে। মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা ১৯৩ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য। তাই A ১৯৩ ধারার অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে বলে গণ্য।
২,৭৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী সাধারণ নাগরিকদের ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে সহায়তা করার দায়িত্ব কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৩৪
  2. ধারা ৪২
  3. ধারা ৪৬ 
  4. ধারা ৫০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪২ অনুযায়ী, যে কোনো নাগরিককে ম্যাজিস্ট্রেট (চূড়ান্ত বা কার্যনির্বাহী) বা পুলিশ অফিসার আইনসঙ্গতভাবে সহায়তার জন্য অনুরোধ করলে তাকে সহায়তা করতে হবে।
- যেমন: কাউকে গ্রেফতার করা বা পালিয়ে যাওয়া রোধ করা।
শান্তি রক্ষা করা বা রেলওয়ে, নৌকানাল, টেলিগ্রাফ বা পাবলিক সম্পত্তিতে কোনো আঘাত বা হানিকারক কাজ রোধ করা।
অতএব, নাগরিকদের এই ধরনের সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব ধারা ৪২-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
১: গ্রেফতার বা পলায়ন প্রতিরোধ-
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২(ক) মোতাবেক পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
২: অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা-
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২(খ) তে বলা আছে যে, কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের  চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.

২,৭৪৪.
'ক' ইচ্ছাকৃতভাবে 'খ' কে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। এই ঘটনায় 'ক' এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
এই ঘটনাটি ধারা ৩২৪ (স্বেচ্ছায় আঘাত প্রদান, বিপজ্জনক অস্ত্র দ্বারা) এর অধীনে পড়ে।
এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ গুলি চালানোর, ছুরি মারার, আগুন, বিষ বা অনুরূপ বিপজ্জনক উপায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে: ৩ বছরের জেল, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড।

The Penal Code, 1860 এর ধারা ৩২৪ – বিপজ্জনক অস্ত্র বা উপায় দ্বারা স্বেচ্ছায় আঘাত প্রদান:
যে কেউ, ধারা ৩৩৪-এ উল্লিখিত ক্ষেত্রে ব্যতীত, যদি ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে- কোনো গুলি চালানোর, ছুরিকাঘাত করার বা কাটার উপযোগী যন্ত্র ব্যবহার করে, অথবা এমন কোনো যন্ত্র ব্যবহার করে যা আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যুর সম্ভাবনা তৈরি করে, অথবা আগুন বা উত্তপ্ত বস্তু, বিষ বা দাহ্য পদার্থ, বিস্ফোরক দ্রব্য, এমন কোনো পদার্থ যা শ্বাস নেওয়া, গেলা বা রক্তে প্রবেশ করানো মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর, বা কোনো প্রাণী ব্যবহার করে, তবে তাকে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
২,৭৪৫.
‘A’ যদি ‘B’-কে ‘Z’-কে খুন করতে প্ররোচনা দেয়, কিন্তু ‘B’ খুন না করে, তবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘A’-এর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1.  ১৪ বছর কারাদণ্ড
  2.  ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী, যদি কেউ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে উস্কানিদাতা সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
প্রশ্নে বলা হয়েছে, ‘A’ যদি ‘B’-কে ‘Z’-কে খুন করতে প্ররোচনা দেয় কিন্তু ‘B’ খুন না করে, তবে অপরাধ সংঘটিত হয়নি। তাই এই ক্ষেত্রে ‘A’-এর সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
 সঠিক উত্তর হলো: গ) ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেওয়া - যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়; যদি ক্ষতি সৃষ্টিকারী কার্য সম্পাদিত হয়:
যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু উস্কানির ফলে ওই অপরাধ সংঘটিত না হয় এবং এই দণ্ডবিধিতে উস্কানির শাস্তির জন্য কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে;
এবং যদি কোনো এমন কার্য, যার জন্য উস্কানিদাতা দণ্ডনীয়, এবং যার কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সংঘটিত হয়, তাহলে উস্কানিদাতা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 115.  Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
-and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine. 

Illustration
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 32[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.

২,৭৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি ডিক্রির অন্তর্ভুক্ত করা যায়?
  1. প্রাথমিক ডিক্রি
  2. চূড়ান্ত ডিক্রি
  3. আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারার বিধানমতে ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক রীতিসিদ্ধভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মামলার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই ডিক্রি" প্রাথমিক বা চুড়ান্তও হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে না
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের মত আপীল করা যায়; অথবা
খ) কোন ক্রটির জন্য খারিজের আদেশ।

ব্যাখ্যা: ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে, মামলা যখন চূড়ান্তরূপে নিস্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারাতে ৩ ধরনের ডিক্রির কথা বলা হয়েছে।
১। প্রাথমিক ডিক্রি
২। চূড়ান্ত ডিক্রি
৩। আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন থাকে। মামলা যখন চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি হয় তখন তাকে চূড়ান্ত ডিক্রি বলে।
২,৭৪৭.
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত দণ্ডাদেশ শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে, যেক্ষেত্রে অপরাধটি-
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
  2. অনধিক ১০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
  3. অনধিক ৫০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
  4. অর্থদণ্ড এবং কারাদণ্ড উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৬৭ ধারায় বলা হয়েছে,

যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আসামীকে যে কারাদণ্ড প্রদান করা হয় বিনাশ্রম হবে এবং নিম্নলিখিত হারে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে:

এক্ষেত্রে,
⇒ অর্থদণ্ড ৫০ টাকার অধিক না হলে, ২ মাসের কারাদণ্ড;
⇒ অর্থদণ্ড ১০০ টাকার অধিক না হলে, ৪ মাসের কারাদণ্ড;
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বা অর্থদণ্ডের পরিমাণ ১০০ টাকার বেশি হলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

সুতরাং যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে।
২,৭৪৮.
'একজন আইনজীবী কেবল কেউকে হয়রানি বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত কোনো মোকদ্দমায় নিযুক্ত হবেন না'- Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৪র্থ অধ্যায়ের কোন বিধিতে বলা হয়েছে?
  1. বিধি–১
  2. বিধি–২
  3. বিধি–৩
  4. বিধি–৪
সঠিক উত্তর:
বিধি–১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি–১
ব্যাখ্যা

একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য: “Canons of Professional Conduct and Etiquette” অংশের চতুর্থ অধ্যায়ের ১-৮ বিধি অনুযায়ী একজন আইনজীবীর জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কী তা উল্লেখ করা হয়েছে-
- একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ৮টি:
[বিধি-১]-কোন ব্যক্তিকে হয়রানির উদ্দেশ্যে নিযুক্তি না নেওয়া: কোন ব্যক্তিকে বিরক্ত করা, হয়রানি করা বা মোকদ্দমা বিলম্বিত করা ইত্যাদি উদ্দেশ্যে বাদী বা বিবাদী কোন পক্ষে একজন আইনজীবী নিযুক্ত হবেন না।
[বিধি-২]- ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করা: একজন আইনজীবী সর্বদা তার ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করবেন। বিচার চলাকালে আইন বহির্ভুত কাজ করবেন না।
[বিধি-৩]- ক্ষতির উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মোকদ্দমা দায়ের বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।
[বিধি ৪]- পরামর্শ প্রদানে বাধ্যবাধকতা: কোন আইনজীবী প্রত্যেককে পরামর্শ প্রদান করতে বা আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য নন।
[বিধি-৫]-  মোকদ্দমা গ্রহণ বা বর্জন করতে পারেন: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তি বা সংস্থা যতই ক্ষমতাবান হোক অথবা রাজনৈতিক মোকদ্দমা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক তিনি পেশাগত নিযুক্তি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন।
[বিধি-৬]- পরিচয় প্রকাশ করা: কোন আইনজীবী কোন সরকারি অফিসার, বোর্ড কমিটি ইত্যাদির নিকট পেশাগত দায়িত্বে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি তার পরিচয় দিবেন।
[বিধি-৭]- পূর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে: কোন আইনজীবী যদি কোন বিষয়ে পূর্বে বিচারক পদমর্যাদায় কাজ করেন তাহলে তিনি সেই বিষয়ে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ লাভ করবেন না।
[বিধি-৮]- ব্যবসা, চাকুরি বা অন্য পেশার সাথে জড়িত না হওয়া: একজন আইনজীবী নিজের আইন পেশা ব্যতীত অন্য কোন ব্যবসা, চাকুরি বা পেশার সাথে জড়িত হবে না।

২,৭৪৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি ১৪ অনুসারে, মোকদ্দমার বহিরাগত ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে কে তলব করতে পারে?
  1. শুধু বাদী
  2. শুধু বিবাদী
  3. আদালত নিজ উদ্যোগে
  4. মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষ
সঠিক উত্তর:
আদালত নিজ উদ্যোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত নিজ উদ্যোগে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৬ বিধি ১৪: আদালত নিজ উদ্যোগে মোকদ্দমার বহিরাগত ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে তলব করতে পারে:
উপস্থিতি ও হাজিরা সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানাবলী এবং বলবৎ যে কোন আইন সাপেক্ষে, আদালত যদি যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এবং মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয়নি এমন কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করা প্রয়োজন মনে করে, তাহলে আদালত নিজ উদ্যোগে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত দিনে সাক্ষ্য প্রদান বা তার দখলে থাকা কোন দলিল উপস্থাপনের জন্য সাক্ষী হিসেবে তলব করতে পারে এবং তাকে সাক্ষী হিসেবে পরীক্ষা করতে বা উক্ত দলিল উপস্থাপন করতে বলতে পারে।

২,৭৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির কোন কোন পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে?
  1. মীমাংসা ও আপিল
  2. মধ্যস্থতা ও সালিশী
  3. আপোষ ও মীমাংসা
  4. আপিল ও মধ্যস্থতা
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১/ মধ্যস্থতা (Mediation);
২/ সালিশী (Arbitration).

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
২,৭৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারেন?
  1. মামলাটি স্থগিত করবেন
  2. অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করবেন
  3. অভিযোগকারীকে হাজির করবেন
  4. অভিযোগকারীকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি অভিযোগকারী সরকারি কর্মচারী হন এবং তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন এবং মামলার শুনানি অব্যাহত রাখতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী:- নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানি মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানি মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।
শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-247: Non-appearance of complainant:
- If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day:
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
২,৭৫২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬০ অনুযায়ী, কোন ধরনের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. সাক্ষী নিজে যা দেখেছে তার বিবরণ
  2. সাক্ষী নিজে যা শুনেছে তার বিবরণ
  3. সাক্ষী নিজে যা অনুভব করেছে তার বিবরণ
  4. অন্য কারো কাছ থেকে শোনা ঘটনার বিবরণ
সঠিক উত্তর:
অন্য কারো কাছ থেকে শোনা ঘটনার বিবরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য কারো কাছ থেকে শোনা ঘটনার বিবরণ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০-এ বলা হয়েছে,
"Oral evidence must, in all cases whatever, be direct."
অর্থাৎ, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। যদি সাক্ষ্য এমন বিষয়ে হয় যা—
→ দেখা যায়: সাক্ষীকে বলতে হবে "সে নিজে দেখেছে"
→ শোনা যায়: সাক্ষীকে বলতে হবে "সে নিজে শুনেছে"
→ অন্য কোনো ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করা যায়: সাক্ষীকে বলতে হবে "সে নিজে অনুভব করেছে"

কিন্তু, যদি কেউ এমন কিছু বলেন যা তিনি অন্য কারো কাছ থেকে শুনেছেন – সেটি শুনাশোনা সাক্ষ্য (Hearsay evidence), এবং তা গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ সেটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)।
- অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে;
- এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে।
- অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
---------
⇒ The Evidence Act,1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
২,৭৫৩.
কোন নাবালকের বিরুদ্ধে মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ দেয়া হলে সেক্ষেত্রে উক্ত মুচলেকা কে সম্পাদন করবে?
  1. সরকার
  2. জামিনদার
  3. পিতা-মাতা
  4. আইনগত অভিভাবক
সঠিক উত্তর:
জামিনদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনদার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার বিধান মুচলেকা প্রদানের আদেশঃ এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে,

প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;

দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;

তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
২,৭৫৪.
স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলায় কত টাকা কোর্ট ফি প্রদান করতে হয়?
  1. ৩০০ টাকা
  2. মূল্যানুপাতিক
  3. মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির অর্ধেক
  4. মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির এক-তৃতীয়াংশ
সঠিক উত্তর:
মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির অর্ধেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির অর্ধেক
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মূল কথা হচ্ছে-
⇒ যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে।
⇒ তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
⇒ সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোন প্রয়োগ নেই।
⇒ এই ধারার অধীন আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউর আবেদন করা যাবে না।
এই ধারার অধীন মামলায় আদালতে প্রদেয় কোর্ট ফি হবে মূল্যানুপাতিক (ad-valorem) কোর্ট ফির অর্ধেক।
২,৭৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার অনুসারে মামলায় মূল বিবেচ্য বিষয় কী?
  1. দখলের প্রশ্ন
  2. চুক্তির পালন
  3. স্বত্বের প্রমাণ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দখলের প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখলের প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ অনুযায়ী, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় দখল প্রধান ও মূল বিবেচ্য বিষয়। এই ধারার উদ্দেশ্য হলো, কোনো ব্যক্তি যাতে তার দখলকৃত সম্পত্তি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে পারে এবং অন্যায়ভাবে কেউ যেন তার দখলে হস্তক্ষেপ না করে।
- দখল প্রমাণিত হলে, স্বত্ব না থাকলেও আদালত দখল রক্ষার্থে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন। স্বত্বের প্রশ্ন গৌণ; এটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় মুখ্য বিষয় নয়।সুতরাং, সঠিক উত্তর ক) দখলের প্রশ্ন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানত দখলের প্রমাণ (Proof of Possession) বিবেচনা করা হয়। এই ধারা অনুসারে, আদালত সাধারণত বাদীর সম্পত্তির উপর দখলের অবস্থা পরীক্ষা করে, স্বত্ব (Title) নিয়ে জটিল বিষয়ে না গিয়ে। যদি বাদী প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি সম্পত্তির উপর বৈধভাবে দখলে আছেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারেন, এমনকি তার স্বত্ব(Title) বিতর্কিত হলেও।

- ধারা ৫৪ এর বিধান: ধারা ৫৪ এ বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে যখন কোনো ব্যক্তি সম্পত্তির উপর বাদীর অধিকারে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে বা হুমকি দেয়। এই ক্ষেত্রে, আদালত প্রধানত বাদীর দখলের অবস্থা বিবেচনা করে।
Manindra Nath Sen Sarma Vs. Bangladesh (4 BLD (AD) 285) এবং Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others (4 BLD (HCD) 127) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য স্বত্ব প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই, যদি বাদী দীর্ঘ সময় ধরে দখলে থাকেন এবং তা প্রমাণ করতে পারেন। এমনকি একজন অবৈধ দখলদারও (Trespasser) দীর্ঘ দখলের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন।

কেন দখলের প্রমাণ প্রধান বিবেচনা?
- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো বাদীর বর্তমান দখলকে সুরক্ষিত করা, যাতে বিবাদী বা অন্য কেউ তাকে বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করতে না পারে।
- Ansar Ali and others Vs. Sundar Ali and others (4 BLD (HCD) 140) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় আদালত স্বত্ব বা শিরোনামের জটিল প্রশ্নে প্রবেশ করে না, বরং কে স্পষ্টভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করে।
- দীর্ঘ দখল (Long Possession) এমনকি সত্যিকারের মালিকের বিরুদ্ধেও সুরক্ষিত হতে পারে, যদি না তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্ছেদ করা হয় (Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others)।
- Pasharuddin Mir Vs. Ismail Mir and others (6 BLD (HCD) 155) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় স্বত্বের জটিল প্রশ্নের পরিবর্তে কে বাস্তবে এবং একচেটিয়াভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করা যথেষ্ট।
- Sheikh Ahmed and others Vs. Abdul Alim (9 BLD (HCD) 368) মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সহ-শেয়ারার (Co-sharer) ক্ষেত্রেও, যদি বাদী একচেটিয়া দখলে থাকেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারেন।

অর্থাৎ ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আদালত প্রধানত বাদীর দখলের প্রমাণ বিবেচনা করে, স্বত্বের প্রমাণ বা চুক্তির বৈধতার উপর নয়। এটি নিশ্চিত করে যে বাদীর শান্তিপূর্ণ দখল বেআইনি হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত থাকে।

২,৭৫৬.
বার কাউন্সিলের কোন সদস্য পদত্যাগ করতে পারে-
  1. আইনমন্ত্রী বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
  2. বার কাউন্সিল সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
  3. প্রধান বিচারপতি বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
  4. অ্যাটর্নী জেনারেল বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিল সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিল সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৯১ অনুসারে বার কাউন্সিলের কোন সদস্য বার কাউন্সিল সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে  পদত্যাগ করতে পারে।

বিধি ৯১: সদস্যপদ শূন্য হওয়া
(১) বার কাউন্সিলের কোনো সদস্যের আসন শূন্য হবে, যদি-
(ক) তিনি বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে পদত্যাগ করেন (উক্ত পদত্যাগপত্র দাখিলের সময় থেকে তা কার্যকর হবে); অথবা
(খ) তিনি আইনজীবীদের তালিকা থেকে অপসারিত হন; অথবা
(গ) তিনি বার কাউন্সিলের তিনটি ধারাবাহিক সভায় অনুপস্থিত থাকেন, তবে শর্ত থাকে যে প্রথম ও শেষ সভার মধ্যে কমপক্ষে চার মাসের ব্যবধান থাকতে হবে;
তবে যদি কোনো সভায় অনুপস্থিত থাকার পূর্বে সদস্য চেয়ারম্যানের অনুমতি গ্রহণ করেন, তাহলে সেই সভায় অনুপস্থিতিকে অনুপস্থিতি হিসেবে গণ্য করা হবে না;
(ঘ) তিনি যদি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হন।
(২) কোনো সদস্য যদি আইনজীবী হিসেবে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হন, তবে বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে কাজ করতে পারবেন না;
তবে তিনি কেবল তখনই আসন হারাবেন যদি বরখাস্তকাল এক বছরের সমান বা তার বেশি হয় অথবা বরখাস্তের মেয়াদ তার বাকি মেয়াদকে সম্পূর্ণরূপে আবৃত করে ফেলে।
------------------------------------------------------
Rule-91. (1) A member of the Bar Council shall vacate his seat if - (a) he resigns his seat by delivery of his resignation to the Secretary (the resignation being effective from the time it is so delivered); or
(b) he is removed from the roll; or
(c) he is absent for three consecutive meetings of the Bar Council, the interval between the first and the last meeting being of not less than four months; Provided that a meeting for the absence from which the member has taken permission of the Chairman shall not be regarded as a meeting from which he is absent.
(d) he is elevated as a Judge of the Supreme Court.
(2) A member of the Bar Council who is suspended as a Advocate shall not act as a member during the period o his suspension but shall vacate his seat only if his suspension is for a year or more or covers the whole of his remaining terms as a member.

২,৭৫৭.
ধারা ২(৭) অনুসারে 'সরল বিশ্বাসে করা কাজ' হিসেবে কোনটি বিবেচিত হবে না?
  1. যথাযথ মনোযোগের সাথে করা কাজ
  2. যথাযথ সাবধানতা ও মনোযোগ ছাড়া করা কাজ
  3. উদ্দেশ্যহীনভাবে করা কাজ
  4. যথাযথ সাবধানতার সাথে করা কাজ
সঠিক উত্তর:
যথাযথ সাবধানতা ও মনোযোগ ছাড়া করা কাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাযথ সাবধানতা ও মনোযোগ ছাড়া করা কাজ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(৭)-
‘সরল বিশ্বাস' অর্থে যথার্থ যত্ন কিংবা সাবধানতা ও মনোযোগের সহিত করা হয়নি- এমন কোন কিছুই সরল বিশ্বাসে করা হয়েছে বলে পরিগণিত হবে না।

Section 2(4)
“good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention.
২,৭৫৮.
হুলিয়া যথাযথভাবে জারি হয়েছে, তা চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে কখন গণ্য হবে?
  1. পুলিশের প্রতিবেদনের মাধ্যমে
  2. সাক্ষীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে
  3. আদালতের লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে
  4. সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
আদালতের লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারার বিধান:
(১) যদি কোন আদালতের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে (সাক্ষ্য গ্রহণ করার পরে অথবা পূর্বে) যে, উক্ত আদালত যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রদান করেছেন সেই ব্যক্তি পলাতক হয়েছে অথবা পরোয়ানা কার্যকর না হতে পারে সেজন্য আত্মগোপন করছে, তাহলে উক্ত আদালত তাকে একটি নিদিষ্ট স্থানে এবং হুলিয়া জারীর তারিখ হতে ত্রিশ দিনের কম নহে, এমন নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হবার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত হুলিয়া জারী করতে পারবেন।

(২) হুলিয়া নিম্নলিখিতভাবে জারী করতে হবে:
ক) উক্ত ব্যক্তি সাধারণতঃ যেখানে বাস করে সেই শহরে অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা প্রকাশ্যভাবে পাঠ করতে হবে;
খ) উক্ত ব্যক্তি সাধারণতঃ যেখানে বাস করে, সেই বাড়ি অথবা বস্তু অথবা শহর অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা লটকায়ে দিতে হবে; এবং
গ) উহার একটি কপি আদালত ভবনের প্রকাশ্য স্থানে লটকায়ে দিতে হবে।

(৩) হুলিয়া প্রদানকারী আদালত যদি এই মর্মে একটি লিখিত বিবৃতি দেন যে, হুলিয়া একটি নির্দিষ্ট দিনে যথাযথভাবে জারী হয়েছে তাহলে উহা চূড়ান্ত সাক্ষ্য হবে যে, এই ধারার নির্দেশ সম্বলিত হিসাবে এবং উক্ত দিনে হুলিয়া প্রকাশিত হয়েছে।
২,৭৫৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য ৭ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। এই সময়সীমা দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
- এই বিধানটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার সময়সীমা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত (৭ দিন) হওয়ার কারণ হলো, মৃত্যুদণ্ড একটি গুরুতর শাস্তি এবং এর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি প্রতিকার পাওয়া জরুরি।
- এই সময়সীমা দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

উদাহরণ:
যদি কোনো ব্যক্তিকে দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করে, তাহলে সেই ব্যক্তি বা তার আইনগত প্রতিনিধি দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

⇒ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ৭ দিন।
২,৭৬০.
A তার স্ত্রী B-কে হত্যার জন্য অভিযুক্ত। B কিভাবে স্বামীর বাড়ীতে মৃত্যুবরণ করেছে তা প্রমাণের বাধ্যবাধকতা কার?
  1. অভিযোগকারী পক্ষের
  2. রাষ্ট্রপক্ষের
  3. A এর উপর
  4. যে ব্যক্তি হত্যাকাণ্ড দেখেছে তার উপর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ১০৬ ধারার বিধান যে ঘটনা বিশেষভাবে কারও অবগতির মধ্যে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব: কোন ঘটনা যখন বিশেষভাবে কোন ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপর ন্যাস্ত।
কোন ব্যক্তি যখন এমন ইচ্ছা প্রণোদিত হয়ে একটি কাজ করে, যা উক্ত কাজের প্রকৃতি ও পরিস্থিতি হতে অনুমিত ইচ্ছা অপেক্ষা ভিন্ন, তখন ঐ ইচ্ছা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যাস্ত।
♦কোন বিষয় বিশেষভাবে কারো অবগতিতে বা জ্ঞানে থাকলে তা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির।
♦যেমন: স্ত্রী খুন মামলায় (Wife killing Case) স্ত্রী স্বামীর কাছে থাকাকালীন কিভাবে মারা গেল বা স্বামী স্ত্রীকে মারেনি তা প্রমাণের দায়িত্ব স্বামীর উপর। অনুরূপ স্বামী খুন মামলায় (Husband killing Case) স্ত্রী ও তার পরিবারের উপর প্রমাণের দায়িত্ব বর্তায়।
♦যেহেতু স্ত্রী হত্যা মামলা, সেহেতু স্বামী A কে ব্যাখ্যা করতে হবে কিভাবে তার স্ত্রী B এর মৃত্যু হলো।
২,৭৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলের বিষয়বস্তু কী?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
  2. দায়রা আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
  3. ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের সাধারণ ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
 
১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা।
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
২,৭৬২.
তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে, নিচের কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. ঋণ আদায়ের মোকদ্দমা
  2. চুক্তি আইনের অধীনে মোকদ্দমা
  3. ডিভোর্স আইনের অধীনে মোকদ্দমা
  4. সম্পত্তি আইনের অধীনে মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
ডিভোর্স আইনের অধীনে মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিভোর্স আইনের অধীনে মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী, ডিভোর্স আইন (Divorce Act) এর অধীনে দায়ের করা কোনো মোকদ্দমা তামাদি আইনের আওতায় আসে না।
- এই আইন অনুযায়ী, ডিভোর্স সম্পর্কিত মামলাগুলির জন্য আলাদা তামাদি আইন প্রযোজ্য হতে পারে এবং তামাদি আইনের সাধারণ বিধানগুলি এই ধরনের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা সংরক্ষণ:
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Limitation Act:- Section- 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
২,৭৬৩.
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারায় সামরিক আদালতে বিচার কার্যক্রমকে কী বলা হয়েছে?
  1. সাধারণ অনুসন্ধান
  2. প্রশাসনিক কার্যক্রম
  3. অসাংবিধানিক বিচার
  4. বিচারবিভাগীয় কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
বিচারবিভাগীয় কার্যক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারবিভাগীয় কার্যক্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার ব্যাখ্যা-১-এ বলা হয়েছে যে, সামরিক আদালতে (Court-martial) বিচার কার্যক্রম একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হবে।
- ব্যাখ্যা-১: "সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।"
- অর্থাৎ, সামরিক আদালতের বিচার কার্যক্রমও একইভাবে বিচারবিভাগীয় কার্যক্রম হিসেবে গণ্য করা হয় এবং সেখানে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য একই শাস্তির বিধান প্রযোজ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
-ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-193. Punishment for false evidence: Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation 1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation 2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation 3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
২,৭৬৪.
The Penal Code,1860 এর ৪২৫ ধারার বিধান কী?
  1. Mischief
  2. Cheating
  3. Cheating by personation
  4. Criminal trespass
সঠিক উত্তর:
Mischief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mischief
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
--------------------------
⇒ Section 425: Mischief:
-Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
২,৭৬৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. যে কোনোটি
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারায় বলা আছেঃ যথাযথ আইগত পন্থা ব্যতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
♦এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না ।
♦এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
♦এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যাবে না, অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রী পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
♦এই আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed. যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
২,৭৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮, বিধি ৯ অনুসারে, আদালত কখন কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধু মামলার শুরুতে
  2. শুধু সাক্ষ্যগ্রহণের পর
  3. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের আগে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ৯ অনুসারে, আদালত যে কোনো সময় (at any time) প্রয়োজন মনে করলে যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি (written statement or additional written statement) পেশের আদেশ দিতে পারেন এবং তার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিতে পারেন। আদালতের এই ক্ষমতা মামলার যেকোনো পর্যায়ে প্রযোজ্য, শুধুমাত্র শুরুতে বা বিচার্য বিষয় গঠনের আগে সীমাবদ্ধ নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী- আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):
বিবাদির লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-8 Rule-9: Subsequent pleadings:
No pleading subsequent to the written statement of a defendant other than by way of defence to a set-off shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit, but the Court may at any time require a written statement or additional written statement from any of the parties and fix a time for presenting the same.

২,৭৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে কোন বিষয় সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. প্লিডিংস সংশোধন
  2. প্লিডিংস কর্তন
  3. প্লিডিংস সত্যাখ্যান
  4. প্লিডিংস পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
প্লিডিংস সত্যাখ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লিডিংস সত্যাখ্যান
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সই হলে, অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন, যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

[Verification of pleadings.-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2 ) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.]
২,৭৬৮.
দণ্ডবিধি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত ১৮৩৭ সালের প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সদস্য ছিলেন না কে?
  1. J.M. Macleod,
  2. G.W. Anderson,
  3. J.F. Stephen
  4. F. Millet
সঠিক উত্তর:
J.F. Stephen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
J.F. Stephen
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮০৭ সাল হতে দণ্ডবিধি বলবৎ (১৮৬১) হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজ এ তিনটি প্রেসিডেন্সী শহরে ইংল্যান্ডের দণ্ডবিধি অনুসৃত হতো। অবশিষ্ট মফস্বল এলাকায় ইসলামী ফৌজদারী আইন মোতাবেক নিজামত/সার্কিট জজ/ম্যাজিষ্ট্রেট বিচার ও দণ্ডবিধান করতেন।

⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। যা নিম্নরুপ :-

i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকুলে। (Lord Macaulay)
ii) সদস্য- মিঃ ম্যাকলিউড। (J.M. Macleod)
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন। (G.W. Anderson)
iv) সদস্য-মিঃ মিলার। (F. Millet)

⇒ এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

⇒ ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর ভারতে দণ্ডবিধি নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় ইন্ডিয়ান পেনাল কোর্ড (আইপিসি) পাকিস্তান নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় পেনাল কোড (পিপিসি) ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ অভূদ্যয়ের পর প্রেসিডেন্ট আদেশ নং-৮ তারিখ ৩০/০৬/১৯৭৩ মূলে পাকিস্তান দণ্ডবিধি নামের পাকিস্তান শব্দটি তুলে নিয়ে এই আইনের পুনঃ নামকরণ হঃয় দণ্ডবিধি। এতে আছে মোট ২৩টি অধ্যায় ৫১১টি ধারা আছে।

⇒  ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।
⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে (James Fitzjames Stephen) সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়। অর্থাৎ স্যার জেমস স্টিফেন ছাড়া বাকি সবায় দণ্ডবিধি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত ১৮৩৭ সালের প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সদস্য ছিলেন।
২,৭৬৯.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে কোনটি ইলেকট্রনিক রেকর্ড?
  1. ড্রোন ডাটা
  2. মাইক্রোফিল্ম
  3. সিসিটিভি ফুটেজ
  4. ক,খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-

ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।

• রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের সমস্ত উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ), আঙ্গুলের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরূপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু, শরীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদান বা বস্তুসমূহ-
প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং কোন ঘটনা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারে।
২,৭৭০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩ এর কোন বিধি অনুসারে আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে আদেশ-৪১ এর নিয়ম প্রযোজ্য হয়?
  1. বিধি-১
  2. বিধি-২
  3. বিধি-৩
  4. বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২ হলো সেই বিধান যেখানে বলা হয়েছে যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আদেশ-৪১ প্রযোজ্য হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২ (Order XLIII, Rule 2) অনুযায়ী: "The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from orders."
- অর্থাৎ, আদেশ-৪৩ এর আওতাভুক্ত আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে যখন আপিল করা হয়, তখন আদেশ-৪১ (Order XLI)–এর নিয়মাবলি প্রযোজ্য হয়, যতদূর প্রয়োগযোগ্য হয়।
২,৭৭১.
'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী আদালত প্রদত্ত নিম্নের কোন রায়টি প্রাসঙ্গিক?
  1. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় দণ্ডিত পেয়েছে
  2. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায়
  3. 'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  4. 'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় খালাস পেয়েছে
সঠিক উত্তর:
'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১ (৭) অনুসারে,পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যখন উল্লেখ করতে হবেঃ

আসামি পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হওয়ার কারণে পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির সঙ্গে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়ােজন হলে, অভিযােগে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা,তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে। যদি উক্তরূপ উল্লেখ না করা হয়ে থাকে,তবে আদালত দণ্ড দানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যুক্ত করতে পারেন।

এছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪০-৪৪ ধারায় আদালতের রায় কখন প্রাসঙ্গিক হবে এ সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে। এর মধ্যে ৪৩ ধারার বিধান হলো- যে সকল রায়, আদেশ, ডিক্রি ইত্যাদির বিচার্য বিষয় [Fact in Issue] চলমান মামলায় প্রাসঙ্গিক, সেগুলো প্রাসঙ্গিক।

অর্থাৎ উল্লিখিত দুই ধারা অনুযায়ী, পূর্ববর্তী একই মামলার দণ্ডের রায় প্রাসঙ্গিক।
২,৭৭২.
সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারায় কে কোনো অপরাধ সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্য বা সংবাদ প্রকাশ করতে বাধ্য নয়?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. রাজস্ব কর্মকর্তা
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারা:
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো অপরাধের সংঘটনের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, এবং কোনো রাজস্ব কর্মকর্তাকেও এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে বোঝানো হয়েছে রাজস্বের যেকোনো শাখায় নিযুক্ত যেকোনো কর্মকর্তাকে।

Section 125: Information as to commission of offences-
No Magistrate or Police-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence, and no Revenue-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence against the public revenue.
Explanation.–"Revenue-officer" in this section means any officer employed in or about the business of any branch of the public revenue.
২,৭৭৩.
রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় মামলা প্রত্যাহার করতে পারে কে?
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া অভিযোগকারী
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. আসামী
সঠিক উত্তর:
আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারামতে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষনার পূর্বে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।
♦অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি অব্যাহতি পাবে, তবে অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি খালাস পাবে।
♦অর্থাৎ রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।
২,৭৭৪.
একজন সাংবাদিক একটি ম্যাগাজিনে ‘প’-এর সম্পর্কে একটি মিথ্যা খবর ছাপায়, যা তার সামাজিক ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করে। যদি ‘প’ মানহানির ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করতে চায়, তবে তাকে খবর ছাপানোর কতদিনের মধ্যে মামলা করতে হবে?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ২ বছরের মধ্যে
  4. ৩ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮: অনুচ্ছেদ ২৪:
লিখিত কুৎসা (Libel) দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা;
তামাদি মেয়াদ - ১ বছর;
গণনা শুরু - মানহানিকর বিষয় যখন প্রকাশিত হয় তখন থেকে।
২,৭৭৫.
আদেশ ৪১ বিধি ২৩ এর অধীন আপিল আদালত মোকদ্দমার কোন বিষয়ে আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা বাতিলের
  2. মোকদ্দমা স্থগিত করার
  3. মোকদ্দমা উচ্চ আদালতে পাঠানোর
  4. মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণের
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩- বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:

যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রী রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রী হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

Order 41 Rule 23- Remand of case by Appellate Court:
Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand.
২,৭৭৬.
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে, অনুসন্ধান বা বিচারের স্থান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে?
  1. ধারা ১৮০
  2. ধারা ১৮১
  3. ধারা ১৮২
  4. ধারা ১৮৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮২
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮২ – অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত বা একাধিক স্থানে হওয়া / অপরাধ চলমান বা বিভিন্ন কাজ নিয়ে গঠিত হলে বিচারস্থল:

যখন নির্দিষ্ট নয় যে কোন স্থানীয় এলাকায় কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যখন কোনো অপরাধ আংশিকভাবে এক স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য এলাকায় সংঘটিত হয়, অথবা যখন কোনো অপরাধ চলমান এবং একাধিক স্থানীয় এলাকায় ক্রমাগত সংঘটিত হচ্ছে, অথবা যখন অপরাধটি বিভিন্ন স্থানীয় এলাকায় করা কতিপয় কাজের সমষ্টি নিয়ে গঠিত, তাহলে সেই ধরনের অপরাধ যে কোনো একটিতে এখতিয়ার থাকা আদালতে অনুসন্ধান বা বিচার করা যেতে পারে।

Section 182: Place of inquiry or trial where scene of offence is uncertain or not in one district only or where offence is continuing or consists of several acts-
When it is uncertain in which of several local areas an offence was committed, or where an offence is committed partly in one local area and partly in another, or where an offence is a continuing one, and continues to be committed in more local areas than one, or where it consists of several acts done in different local areas, it may be inquired into or tried by a Court having jurisdiction over any of such local areas.

২,৭৭৭.
X, Y এর নিকট ১টি গরু বিক্রয়ের চুক্তি করেন যা পালনে X অস্বীকার করলে Y মামলা করেন। Y এর উপযুক্ত প্রতিকার _________।
  1. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন
  2. ঘোষণা
  3. আংশিক কার্যসম্পাদন
  4. ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১৯ ধারায় আদালত কতিপয় ক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রতিকার দিতে পারে। চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ২ ধরনের প্রতিকার পাওয়া যায়। যথা- ক) ক্ষতিপূরণ এবং খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন।

♦ তবে উভয় ধরনের প্রতিকার থাকলেও চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ক্ষতিপূরণের প্রতিকার প্রদান করা হয়। কিন্তু যেক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না অথবা যেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয় না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের প্রতিকার প্রদান করে থাকে । আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯, ৩৮ এবং ৪১ ধারায় ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে।

♦ চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে অথবা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মোকদ্দমা দায়েরের সময় চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত বা বিকল্প হিসেবে ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারে।

♦ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় ক) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয়, অথবা খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে কেবল ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালত ২ ধরণের প্রতিকার দিতে পারে-

i) ন্যায়বিচার স্বার্থে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয় ধরনের প্রতিকার প্রদান করতে পারে। 
ii) বাদী ও বিবাদীর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য বিবাদী দায়ী হলে, এবং আদালত চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন যথাযথ নয় বলে বিবেচনা করলে আদালত বাদীকে কেবল ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবাদীকে বাধ্য করতে পারবে।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।

♦ যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট সেহেতু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারা ও ২১ ধারা অনুযায়ী Y এর উপযুক্ত প্রতিকার হবে ক্ষতিপূরণ
২,৭৭৮.
একজন আইনজীবী তার মক্কেলের সম্পত্তি সম্পর্কে কী ধরনের আচরণ করবেন?
  1. সম্পত্তিতে আগ্রহ দেখাবেন
  2. সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করবেন
  3. সম্পত্তির প্রতি আসক্ত হবেন না
  4. সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নেবেন
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির প্রতি আসক্ত হবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির প্রতি আসক্ত হবেন না
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে বিধি-১ এ বলা হয়েছে, একজন আইনজীবী তার মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলার সঙ্গে জড়িত কোনো সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত বা আগ্রহী হতে পারেন না।
- এটি পেশাগত সততা ও স্বার্থবিরোধের (conflict of interest) নীতির পরিপন্থী। আইনজীবীর দায়িত্ব কেবলমাত্র আইনগত সহায়তা প্রদান, ব্যক্তিগত লাভের চিন্তা নয়।

⇒ CANONS OF PROFESSIONAL CONDUCT AND ETIQUETTEE- অধ্যায়- ২ [মক্কেলগণের প্রতি আচরণ]:
বিধি-১. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।
২,৭৭৯.
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু _________ হলে আদালতের অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা থাকে।
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল
  4. মাদক বা চোরাইমাল
সঠিক উত্তর:
দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
- কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।

তাই উল্লিখিত প্রশ্নে 'দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল' অপশনটি অধিক গ্রহণযোগ্য।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908,Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
- The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
২,৭৮০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় 'Doctrine of Transfer of Malice' নীতির প্রতিফল হয়েছে?
  1. ২৯৯ ধারা
  2. ৩০০ ধারা
  3. ৩০১ ধারা
  4. ৩০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
ব্যাখ্যা

'Doctrine of Transfer of Malice' নীতি দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কাজ করে যা মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে বা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জেনে করা হয়, কিন্তু তার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে (যার মৃত্যু উদ্দেশ্য বা জ্ঞাত ছিল না), তবে অপরাধী শাস্তিযোগ্য নরহত্যার জন্য দায়ী হবে। এই নীতি মূলত উদ্দেশ্য বা মনোভাবের স্থানান্তর (Transfer of Malice) বোঝায়, যেখানে অপরাধীর দুরভিসন্ধি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

২,৭৮১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিন
  2. সাক্ষ্যগ্রহণ
  3. মামলা প্রত্যাহার
  4. দণ্ডাদেশ স্থগিত
সঠিক উত্তর:
মামলা প্রত্যাহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা প্রত্যাহার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা পাবলিক প্রসিকিউটর কর্তৃক মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষণার পূর্বে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা এক বা একাধিক অপরাধের জন্য প্রত্যাহার করতে পারেন। প্রত্যাহারের ফলে অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে অব্যাহতি এবং পরে খালাস দেওয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

২,৭৮২.
নিম্নের কোনটি দণ্ডনীয় নরহত্যা নয়?
  1. দৈহিক জখমের ফলে মৃত্যু
  2. মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়ে কৃত কাজ
  3. মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে জেনেও কৃত কাজ
  4. মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা ৩ অনুযায়ী-
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু (death of a child in the mother's womb)- মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না।

তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর (if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born) জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
২,৭৮৩.
সেলিনা বিদেশ থেকে জেনেশুনে বাংলাদেশের জাল মুদ্রা দেশে নিয়ে এসেছে। এক্ষেত্রে সেলিনাকে সর্বোচ্চ কী ধরনের শাস্তি দেয়া যেতে পারে?
  1. ১ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ২ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারা- জাল বাংলাদেশের মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানি করা:
কোন জাল মুদ্রা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহা রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 238- Import or export of counterfeits of Bangladesh coin:
Whoever imports into Bangladesh, or exports therefrom, any counterfeit coin which he knows or has reason to believe to be a counterfeit of Bangladesh coin, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
২,৭৮৪.
ডিক্রি জারীর জন্য প্রথম দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908 এর ১৮২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-

ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা আবেদন করার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর। তবে উক্ত ডিক্রি বা আদেশের সইমোহুরি নকল (Certified Copy) যদি রেজিস্টার্ড হয় সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৬ বছর।

সাধারনত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্যান্য ডিক্রির ক্ষেত্রে জারির জন্য আবেদনের সময়সীমা সর্বোচ্চ ১২ বছর। তবে প্রতারণা, প্রবঞ্চনা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলে ১২ বছরের পরও ডিক্রি জারির আবেদন করা যায়।
২,৭৮৫.
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় না কোন ধারা মতে?
  1. তামাদি আইনের ৪ ধারা মতে
  2. তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে
  3. তামাদি আইনের ৩ ধারা মতে
  4. তামাদি আইনের ৬ ধারা মতে
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইনের ৪ ধারা মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইনের ৪ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়েরের নির্ধারিত সময়ের শেষ দিন অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার দিন যদি আদালত বন্ধ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন পুনরায় খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত/আবেদন দায়ের বা রুজু করা যাবে।
২,৭৮৬.
কত দিন পূর্বে প্রতারণামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করলে নিঃসম্বল ব্যক্তির আবেদন পত্র প্রত্যাখ্যান হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারন থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।
⇒ তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতারনামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৩ বিধি-৫ এর বিধান: আবেদন পত্র প্রত্যাখ্যান (Rejection of application): নিম্নোক্ত কারণে নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদনপত্র প্রত্যাখ্যান করা যায়-
- নির্ধারিত বিধান অনুসারে আবেদনপত্র গঠন ও দাখিল করা হয়নি; বা  আবেদনকারী নিঃস্ব নয়; বা

-সে আবেদনপত্র দাখিলে অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি লাভের জন্য আবেদন করতে সমর্থ হওয়ার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে; বা 

-সে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ উল্লেখ না করে, বা
- সে প্রস্তাবিত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌঁছেছে যার ফলে উক্ত বিষয় বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তির স্বার্থ সৃষ্ট হয়েছে।
২,৭৮৭.
যদি কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত বা অপরাধ সংঘটন নিরোধ সংক্রান্ত বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করা সংক্রান্ত কোন সংবাদ দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও মিথ্যা সংবাদ দেয়, তবে সেই ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কি হইবে?
  1. ১ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার বিধান মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

-অথবা উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

------------------
♦ Furnishing false information
Section 177. Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both; 
 
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২,৭৮৮.
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন পদের পুলিশ কর্মকর্তাগণ কোন ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. উক্ত এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
  2. উক্ত এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তার থেকে কম
  3. উক্ত এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
উক্ত এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫১- ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের ক্ষমতা

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাঁর থানার এলাকার মধ্যে যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন পদের পুলিশ কর্মকর্তাগণও তারা যে স্থানীয় এলাকায় নিযুক্ত সেই এলাকার সর্বত্র সেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

Section 551- Power of superior officers of police
Police officers superior in rank to an officer in charge of a police-station may exercise the same powers, throughout the local area to which they are appointed, as may be exercised by such officer within the limits of his station.
২,৭৮৯.
দেওয়ানী মামলায় যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা
  3. সর্বোচ্চ ৪ লক্ষ টাকা
  4. সীমাহীন
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
২,৭৯০.
দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমার খরচার ওপর সুদ প্রদান করতে পারে অনধিক-
  1. মাসিক ৬%
  2. বার্ষিক ৬%
  3. মাসিক ১২%
  4. বার্ষিক ১২%
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক ৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক ৬%
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ ধারা- মোকদ্দমার খরচ:
১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে, মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
২,৭৯১.
যে সাক্ষী যাহার পক্ষে আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করিতে আসে এ সাক্ষ্য প্রদানের সময় যদি তাহার বিপক্ষে চলিয়া যায়, তবে সেই ক্ষেত্রে সাক্ষীকে কী বলা হয়?
  1. ইঙ্গিতবাহী সাক্ষী (Leading witness)
  2. অসমর্থনসূচক সাক্ষী (Uncorroborated witness)
  3. অপরাধের সহচর (Accomplice)
  4. বৈরি সাক্ষী (Hostile witness)
সঠিক উত্তর:
বৈরি সাক্ষী (Hostile witness)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈরি সাক্ষী (Hostile witness)
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

⇒ ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
২,৭৯২.
কোনো দলিলের জাবেদা নকল কী ধরনের সাক্ষ্য?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য 
  3. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য
  4. অগ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলি অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

২,৭৯৩.
বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালনা বা অশ্ব চালনার ফলে কারো মৃত্যু ঘটিলে দণ্ডবিধির কত ধারা অনুসারে তার শাস্তি হবে?
  1. ৩০০
  2. ৩০৪
  3. ৩০৪ক
  4. ৩০৪খ
সঠিক উত্তর:
৩০৪খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৪খ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪খ ধারার বিধান বেপরোয়াভাবে যান চালনা বা অশ্বরোহণের কর্তৃক মৃত্যু ঘটানো:- কোন ব্যক্তি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে জনপথে যান চালিয়ে বা অশ্বারোহণের কর্তৃক নিন্দনীয় নরহত্যা নয় এমন মৃত্যু ঘটাইলে, সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থ দণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ Section 304B: Causing death by rash driving or riding on a public way:
-Whoever causes the death of any person by rash or negligent driving of any vehicle or riding on any public way not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
২,৭৯৪.
দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা অনুযায়ী 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ' বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. জোরপূর্বক কারো সম্পত্তি বিক্রি করা
  2. সম্পত্তি আত্মসাৎ করা বা অসাধুভাবে ব্যবহার করা
  3. কোনো সম্পত্তি ব্যবহারের জন্য আইনত অনুমতি প্রাপ্ত হওয়া
  4. কোনো ব্যক্তির প্রতি বিশ্বাস রেখে তার কাছ থেকে ভুল পরামর্শ গ্রহণ করা
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি আত্মসাৎ করা বা অসাধুভাবে ব্যবহার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি আত্মসাৎ করা বা অসাধুভাবে ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:-
-কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
২,৭৯৫.
Which of the following is true as per Section 96 of the Penal Code?
  1. Exercising the right of private defence is a crime
  2. Exercising the right of private defence is against the law
  3. The right of private defence applies only in specific situations
  4. An act done in the exercise of the right of private defence is not an offence
সঠিক উত্তর:
An act done in the exercise of the right of private defence is not an offence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An act done in the exercise of the right of private defence is not an offence
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা আছে,

ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।
"Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence."
২,৭৯৬.
যে মামলার তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে তামাদি আইনের তফসিলে কোন বিধান নেই সে মামলার তামাদির সময়সীমা কত?
  1. ২ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৮ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা

যে মামলার তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে তামাদি আইনের তফসিলে কোন বিধান নেই সে মামলার তামাদির সময়সীমা-৬ বছর।

তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।
----------------------------
Article 120-
Suit for which no period of limitation is provided elsewhere in this schedule  is -6 years from the time when the right to sue accrues.

২,৭৯৭.
'কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়' এইটি কিসের মূলনীতি?
  1. Double Jeopardy
  2. Res Gestae
  3. Estoppel
  4. Joint liability
সঠিক উত্তর:
Estoppel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Estoppel
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত।

⇒মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না"।

⇒ প্রতিবন্ধঃ- যেক্ষেত্রে এক ঘোষণা, কার্য বা কার্যবিররিত দ্বারা স্বেচ্ছায় অপর ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন অতবা বিশ্বাস করতে দিয়েছেন এবং সে বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করতে দিয়েছেন, সেক্ষেত্রে এদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মোকদ্দমায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি উক্ত প্রসঙ্গের সত্যতা অস্বীকার করতে পারবেন না।

Section-115. Estoppel: When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing.
২,৭৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. মামলার তদন্ত
  3. গ্রেফতারের পদ্ধতি
  4. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারা অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে কেবল নিজের মুচলেকা, জামিন, বা ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশে অব্যাহতি দেওয়া যায়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি:-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
২,৭৯৯.
সহকারী জজের বিচারিক এখতিয়ার কত টাকার পর্যন্ত মামলা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ১৫ লাখ টাকা
  3. ২৫ লাখ টাকা
  4. ৫০ লাখ টাকা
সঠিক উত্তর:
১৫ লাখ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সিভিল কোর্টস (সংশোধন) আইন, ২০২১ অনুযায়ী, সহকারী জজ (Assistant Judge) সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারেন।
- অন্যদিকে, সিনিয়র সহকারী জজ (Senior Assistant Judge) ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারেন।
- এই সীমাবদ্ধতা বর্তমান কার্যকর আইনের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়েছে, যা পূর্ববর্তী সীমার তুলনায় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
২,৮০০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৫নং বিধির মূল বক্তব্য কী?
  1. সকল বিবাদীর স্বার্থ সব প্রতিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে হবে
  2. সকল প্রতিকার সব বিবাদীর বিরুদ্ধে দাবি করতে হবে
  3. সকল বিবাদীর স্বার্থ সব প্রতিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়া প্রয়োজন নেই
  4. মামলা দায়েরের জন্য সকল বিবাদীর সম্মতি থাকতে হবে
সঠিক উত্তর:
সকল বিবাদীর স্বার্থ সব প্রতিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়া প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল বিবাদীর স্বার্থ সব প্রতিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়া প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৫নং বিধি অনুযায়ী-

"বিবাদীগণের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় যেসকল প্রতিকার দাবী করা হয়, তন্মধ্যে সবগুলোই প্রত্যেক বিবাদির স্বার্থসম্পর্কিত হওয়ার দরকার নেই।"
It shall not be necessary that every defendant shall be interested as to all the relief claimed in any suit against him.