বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৩০ / ১২৬ · ২,৯০১৩,০০০ / ১২,৬০৫

২,৯০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করার কারণ জানাতে বাধ্য?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৪ক
  3. ধারা ৪৫ক
  4. ধারা ৪৫ঘ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪ক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুসারে, প্রত্যেক পুলিশ অফিসার ওয়ারেন্ট ছাড়া যে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলে গ্রেফতারের সময়ই তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার হলে পুলিশ অফিসারকে অবশ্যই তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করতে হবে। এটি অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার এবং বেআইনি আটক প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54A. Person arrested to be informed of reason of arrest:
- Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

২,৯০২.
কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না?
  1. ২০০ টাকা
  2. ১০০ টাকা
  3. ৫০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৪১৩ মতে- দায়রা আদালত কেবলমাত্র অনধিক একমাত্র কারাদণ্ড দিলে অথবা দায়রা আদালত বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করলে দণ্ডিত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।
২,৯০৩.
'ক', 'খ' কে হত্যা করেছে। এই হত্যাকাণ্ড সকলের অগোচরে হলেও, 'গ' তার অবস্থান থেকে গুলির শব্দ এবং 'খ'- এর আর্তনাদ শুনতে পেয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে 'গ' রক্তের দাগ ও বন্দুক দেখতে পেয়েছে। এক্ষেত্রে 'গ' যদি সাক্ষ্য দেয়, তবে তার সাক্ষ্য-
  1. গ্রহণযোগ্য হবে না
  2. শোনা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
  3. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
  4. অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
এখানে 'গ' যদি সাক্ষ্য দেয়, তবে তার সাক্ষ্য অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

অবস্থাগত সাক্ষ্য (Circumstantial Evidence) হল এমন প্রকার প্রমাণ বা সাক্ষ্য যা প্রত্যক্ষভাবে কোনো ঘটনাকে প্রমাণিত না করলেও পরোক্ষভাবে সেই ঘটনার অস্তিত্বকে ইঙ্গিত করে।

উদাহরণ:
আলাদা বস্তু: যেমন রক্তাক্ত কাপড়, অস্ত্র, গাড়ির ট্র্যাক মার্ক ইত্যাদি যা ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়।
আচরণগত সাক্ষ্য: অপরাধীর সন্দেহজনক আচরণ, পলাতক অবস্থা ইত্যাদি।
সাক্ষী বক্তব্য: প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা যা পরোক্ষভাবে ঘটনার সাথে জড়িত।
মোটিভ: অপরাধের কারণ বা উদ্দেশ্য যা অবস্থাগত সাক্ষ্য হিসাবে কাজ করতে পারে।

অবস্থাগত সাক্ষ্য সাধারণত ফরেনসিক বা প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের সাথে যুক্ত হয়ে একটি শক্তিশালী প্রমাণের সৃষ্টি করে। তবে একক অবস্থাগত সাক্ষ্য দ্বারা কোনো রায় দেওয়া সম্ভব হয় না।
২,৯০৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫৩ অনুযায়ী সংশোধনের ক্ষমতা কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. আদালতকে
  2. সরকারকে
  3. আইনজীবীকে
  4. বাদীপক্ষকে
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫৩ অনুযায়ী, আদালতকে “সাধারণ সংশোধনের ক্ষমতা” (general power to amend) দেওয়া হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী, আদালত যেকোনো সময়, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ বা অন্য শর্ত আরোপ করে, মোকদ্দমার কার্যক্রমে যে কোনো ভুল বা ত্রুটি সংশোধন করতে পারে।
- এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হলো মামলার প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণে সহায়তা করা।
অতএব, সংশোধনের ক্ষমতা সরকার বা পক্ষসমূহের নয়, বরং শুধুমাত্র আদালতের।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।
অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
২,৯০৫.
আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করতে বাধ্য নয়
  3. আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকতে পারবে না
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা বিচারকারী আদালতকে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিতে পারে।

ধারা ৪২৮- আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন

(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপীল বিবেচনার সময় আপীল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপীল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপীল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপীল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপীল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
২,৯০৬.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৫২ অনুসারে ধারে বিক্রিত পণ্যের মূল্য আদায়ের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো পণ্য ধারে বিক্রি বা অর্পণ করা হয় এবং তার মূল্য পরিশোধের সময় নির্ধারিত না থাকে, তবে মূল্য আদায়ের জন্য মামলা পণ্য অর্পণের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।
- অর্থাৎ, যদি বিক্রেতা বা মালিক পণ্য বিক্রি করেন, কিন্তু ক্রেতা মূল্য পরিশোধে দেরি করেন এবং নির্দিষ্ট সময় না জানান, তাহলে ৩ বছরের মধ্যে সেই মূল্য আদায়ের জন্য মামলা করতে হবে।

উদাহরণ:
- আপনি কাউকে কোনো মালামাল বা পণ্য দেন, কিন্তু দাম দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় বলেননি। তাহলে তিনি যদি দাম না দেন, আপনি ডেলিভারির তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে পারবেন।
২,৯০৭.
কোন দলিলটি পাবলিক দলিল Public document?
  1. প্রকাশিত কবিতা
  2. প্রকাশিত পত্র
  3. মামলার আরজি
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
মামলার আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার আরজি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।
♦ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে ।
♦বাংলাদেশ সরকারের হেফাজতে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের নথিপত্র যেমন- রেজিস্ট্রি দলিলের বিবরণ, আদালতের রায়, ডিক্রি, আদেশ, মামলার আরজির জবাব, খতিয়ান, Crpc ১৬৪ ধারার confessional statement সবই সরকারী দলিল বা Public Document.
♦ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
২,৯০৮.
ক” একটি নির্দিষ্ট জমি বিক্রয় করতে এবং খ” তা ক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। কিন্তু বন্যা হতে উক্ত জমি রক্ষা করার জন্য উহার মালিক কর্তৃক ব্যয়বহুল বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণ করা আবশ্যক। খ” এ পরিস্থিতির কথা জানতো না এবং ক” বিষয়টি গোপন রেখেছিল। চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন-
  1. ক” এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যাখ্যাত হবে
  2. ক” এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রদত্ত হবে
  3. খ” এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যাখ্যাত হবে
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
ক” এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যাখ্যাত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক” এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যাখ্যাত হবে
ব্যাখ্যা
♦বাঁধ রক্ষাণাবেক্ষণ করা সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ না করে বা তথ্য গোপন করে বাদী ক” বিবাদী খ” এর নিকট হতে একটি অন্যায় সুবিধা [Unfair Advantage] নিয়েছে এবং এই কারণে বাদী ক” চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আবেদন করলে তা অবশ্যই প্রত্যাখ্যান হবে।
২,৯০৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর _________ অনুযায়ী, সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চকে সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
  1. ধারা ২৬০
  2. ধারা ২৬১
  3. ধারা ২৬২
  4. ধারা ২৬৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬১
ব্যাখ্যা
• সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)-
গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ২৬১ অনুযায়ী,
সরকার যে কোনো দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চকে সংক্ষিপ্তভাবে নিম্নলিখিত অপরাধসমূহ বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে:

(ক) দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারার অধীনে অপরাধসমূহ: ধারা ২৭৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৯, ২৯০, ২৯২, ২৯৩, ২৯৪, ৩২৩, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১, ৩৫২ , ৪২৬ , ৪৪৭, এবং ৫০৪।
(খ) পৌরসভা আইনের অধীনে এবং পুলিশ আইনের স্বাস্থ্যবিধির ধারাসমূহের অধীনে অপরাধসমূহ, যা শুধুমাত্র জরিমানা বা এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (জরিমানা সহ বা ছাড়া) দ্বারা শাস্তিযোগ্য।
(গ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা প্রদান।
(ঘ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধ করার চেষ্টা, যখন সেই চেষ্টা নিজেও একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
২,৯১০.
আইনানুগ অভিভাবকত্ব হইতে মনুষ্য হরণের ক্ষেত্রে হরণকৃত ব্যক্তির বয়সসীমা কত?
  1. পুরুষের ক্ষেত্রে ১৪ বৎসরের কম বয়স্ক
  2. নারীর ক্ষেত্রে ১৬ বছরের কম বয়স্ক
  3. যে কোন বয়সের অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ' এ বর্ণিত সবগুলি।
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ' এ বর্ণিত সবগুলি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ' এ বর্ণিত সবগুলি।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান  বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------------
⇒ Section 360. Kidnapping from Bangladesh:-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
২,৯১১.
তামাদি আইনের ১৫ ধারায় নির্দেশিত সময় কিভাবে গণনা করা হবে?
  1. মামলার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার দিন থেকে
  2. মামলার পিটিশন জমা দেওয়ার দিন থেকে
  3. নিষেধাজ্ঞা বা আদেশের বলবৎ থাকা সময় যোগ করে
  4. নিষেধাজ্ঞা বা আদেশের বলবৎ থাকা সময় বাদ দিয়ে
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা বা আদেশের বলবৎ থাকা সময় বাদ দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা বা আদেশের বলবৎ থাকা সময় বাদ দিয়ে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবে-
(১) যেই মামলা বা ডিক্রি জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উক্ত নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেদিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেদিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।

(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।

Section 15: Exclusion of time during which proceedings are suspended-
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded. 

(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.
২,৯১২.
অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি কী?
  1. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. শুধু অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৪২ ধারায় অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি হিসেবে অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে।
• কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধ এলাকার বাহিরে গমনে বাধা প্রদান করাকে অবৈধ আটক বা অবরোধ বলে।
২,৯১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকরের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. ৩৫৯ ধারায়
  2. ৩৬১ ধারায়
  3. ৩৬৮ ধারায়
  4. ৩৭০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৬৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

Section- 368:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
২,৯১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় অপরিপক্ক বা অকালীয় উদঘাটনের (premature discovery) বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-১১, বিধি-১৮
  2. আদেশ-১১, বিধি-১৯
  3. আদেশ-১১, বিধি-২০
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১১, বিধি-২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১১, বিধি-২০
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ২০ নং বিধিতে অপরিপক্ক বা অকালীয় উদঘাটনের (premature discovery) বিধান রয়েছে।

• আদালত যখন উদঘাটন বা আবিষ্কারের প্রশ্ন স্থগিত রেখে, আগে অন্য কোন বিচার্য বিষয় বা প্রশ্নের নিষ্পত্তি করার নির্দেশ প্রদান করে তখন তাকে অপরিপক্ষ উদঘাটন (premature discovery) বলে।

যখন উদঘাটন বা আবিষ্কারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে অন্য কোনো বিচার্য বিষয় বা প্রশ্নের নিষ্পত্তি হওয়া উচিত বলে আদালত মনে করেন, তখন উক্ত আদেশ প্রদান করবেন।
২,৯১৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য?
  1. রেজিস্টার্ড দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা
  2. রেজিস্টার্ড দলিল রদ রহিতের মোকদ্দমা
  3. রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
  4. রেজিস্টার্ড দলিল বেআইনীমর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমায়
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের বিধান উল্লেখ আছে। ৩৯ ধারা অনুযায়ী রেজিস্টার্ড দলিল বাতিল হলে আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে হবে। দলিল নিবন্ধন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তা বাতিলের বিষয়াবলি লিপিবদ্ধ করবেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

 
অর্থাৎ নিবন্ধিকৃত দলিল বা রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য।
উল্লিখিত প্রশ্নের অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালতকে এমন নির্দেশ দেওয়া নাই।
 
(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।
(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বিলুপ্তি পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
----------------------
SR Act- Section-39. When cancellation may be ordered:
Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
 
Illustrations
(a) A, the owner of a ship by fraudulently representing her to be seaworthy, induces B, an underwriter, to insure her. B may obtain the cancellation of the policy.
(b) A conveys land to B, who bequeaths it to C and dies. Thereupon D gets possession of the land and produces a forged instrument stating that the conveyance was made to B in trust for him. C may obtain the cancellation of the forged instrument.
 
(c) A, representing that the tenants on his land were all at will, sells it to B, and conveys it to him by an instrument, dated the 1st January, 1877. Soon after that day, A fraudulently grants to C a lease of part of the lands, dated the 1st October, 1876, and procures the lease to be registered under the Indian Registration Act. B may obtain the cancellation of this lease.
 
(d) A agrees to sell and deliver a ship to B, to be paid for by B's acceptances of four bills of exchange, for sums amounting to taka 30,000, to be drawn by A on B. The bills are drawn and accepted, but the ship is not delivered according to the agreement. A sues B on one of the bills. B may obtain the cancellation of all the bills.
২,৯১৬.
The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারার অধীনে, যদি একজন ব্যক্তি অপারগ হন, তবে তার অপারগতার অবসানের পর সর্বোচ্চ কত বছর সময় তিনি মামলা দায়ের করতে পারবেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
→ The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে যদি কোনো ব্যক্তি অপারগ (যেমন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি) অবস্থায় থাকে, তাহলে তার অপারগতা অবসানের পর (যেমন নাবালক সাবালক হলে বা উন্মাদ/জড়বুদ্ধি ব্যক্তি সুস্থ হলে) সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে।

⇒ The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অপারগ (disability) হন, যেমন—নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি, তবে তার অপারগতার অবসানের পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৮ ধারার মূল বক্তব্য:
- তামাদি আইনের ৬ ও ৭ ধারা সাধারণত অপারগ ব্যক্তিদের জন্য সময়সীমা বাড়ানোর সুবিধা দেয়।
- কিন্তু ৮ ধারা অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে কাজ করে।
- এই ধারা অনুযায়ী, অপারগতার অবসানের পর সর্বোচ্চ ৩ বছর সময় পাওয়া যাবে, এর বেশি নয়।
- যদি ব্যক্তির মৃত্যু হয় এবং তার আইনানুগ প্রতিনিধি অপারগ না হয়, তবে প্রতিনিধি মৃত্যুর পর ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে।

উদাহরণ:
"ক" একজন নাবালক, যিনি অগ্রক্রয়ের অধিকার লাভ করেন।
-  সে ১১ বছর পর সাবালক হয়।
- অপারগতার অবসানের পর (অর্থাৎ সাবালক হওয়ার পর) সে সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে।

সুতরাং, The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা অনুসারে, অপারগতার অবসানের পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। এই সময়সীমা অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলায় ৬ ও ৭ ধারার প্রভাবকে সীমিত করে। ৩ বছরের বেশি সময়সীমা দেওয়া যাবে না, এমনকি ব্যক্তি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অপারগ থাকলেও।
২,৯১৭.
একটি দেওয়ানী আদালত প্রদত্ত রায়ের বিষয়ে কোন আদালতে রিভিউ মামলা দায়ের করা যায়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যে আদালত রায় দেয়
  4. জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত রায় দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত রায় দেয়
ব্যাখ্যা
⇒ যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়।
-যেমন সহকারী জজ ডিক্রি দিলে, সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে উক্ত সহকারী জজের নিকট রিভিউ আবেদন করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
------------
CPC- Section-114: Review:
-Subject as aforesaid, any person considering himself aggrieved- 
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed by this Code, but from which no appeal has been preferred, 
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed by this Code, or 
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes 
may apply for a view of judgment to the Court which passed the decree or made the order, and the Court may make such order thereon as it thinks fit.
২,৯১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ________ ধারার বিধান অনুসারে, কোনো ব্যক্তির প্রতি জারিকৃত বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।
  1. ১৪০
  2. ১৪২
  3. ১৪৪
  4. ১৪৮
সঠিক উত্তর:
১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারা: আদেশ ও নোটিশ লিখিত হতে হবে:
এই আইনের বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।

Section 142: Orders and notices to be in writing:
All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.
২,৯১৯.
কে ফৌজদারি আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারে?
  1. বিচারক
  2. সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।
 
• ধারা ৫৫৮ (আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা)-
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
 
Section 558- Power to decide language of Courts
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
২,৯২০.
যদি সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার না পাওয়া যায়, তাহলে গ্রেপ্তারকৃত অসুস্থ বা আহত ব্যক্তির পরীক্ষা কে করবেন?
  1. একজন স্বাস্থ্যকর্মী
  2. একজন ফার্মাসিস্ট
  3. পুলিশের মেডিকেল ইউনিট
  4. একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার
সঠিক উত্তর:
একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৬ঙ(১) অনুসারে, সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার না পাওয়া গেলে একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার (registered medical practitioner) কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত অসুস্থ বা আহত ব্যক্তির পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬ঙ - মেডিকেল অফিসার কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরীক্ষা:
(১) যখন কোনো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে অসুস্থ মনে হয় বা তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন থাকে, তখন গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে একটি সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করতে হবে; এবং যদি এই ধরনের মেডিকেল অফিসার পাওয়া না যায়, তবে একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা তা করাতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি একজন নারী, সেখানে তার শরীরের পরীক্ষা, যদি সম্ভব হয়, একজন নারী মেডিকেল অফিসার বা একজন নারী মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা বা তাদের তত্ত্বাবধানে, অথবা ক্ষেত্রমত একজন নারী স্টাফ নার্স বা একজন নারী অ্যাটেনডেন্টের উপস্থিতিতে পরিচালিত হবে।
(২) যেখানে উপ-ধারা (১) এর অধীনে পরীক্ষা এবং চিকিৎসা করা হয়, সেখানে ক্ষেত্রমত মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার কর্তৃক এই ধরনের পরীক্ষা এবং চিকিৎসার প্রতিবেদনের সাথে একটি সার্টিফিকেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারকে, সেইসাথে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বা তার দ্বারা মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সরবরাহ করতে হবে।
(৩) যেখানে একজন অসুস্থ বা আহত গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট তার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত বা অসুস্থ যার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন এবং শারীরিকভাবে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেটের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত শর্তাবলী অনুযায়ী তাকে ইলেকট্রনিক ভিডিও লিংকেজের মাধ্যমে হাজির করা যেতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46E - Examination of arrested person by medical officer:
(1) When any person arrested appears to be sick or bears any mark of injury, he shall, soon after the arrest is made, be examined and provided with first aid treatment by a medical officer of a Government hospital; and if such medical officer is not available, by a registered medical practitioner:
Provided that where the arrested person is a female, the examination of her body shall, if practicable, be conducted by or under the supervision of a female medical officer or a female medical practitioner, or in the presence of a female staff nurse or a female attendant, as the case may be.
(2) Where an examination and treatment are conducted under sub-section (1), a certificate along with the report of such examination and treatment shall be furnished by the medical officer or registered medical practitioner, as the case may be, to the concerned police-officer, as well as to the arrested person or to a person nominated by him.
(3) Where an arrested person, being sick or injured, is produced before the Magistrate, the Magistrate may pass necessary orders for his medical treatment: 
Provided that where the arrested person is severely injured or sick in a manner which requires his admission into a hospital and renders his physical production before the Magistrate impracticable, he may be produced through electronic video linkage, subject to the satisfaction of the Magistrate and to such terms as the Magistrate may determine.

২,৯২১.
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে,ম্যাজিস্ট্রেট কাকে কারণ দর্শানোর আদেশ দিবেন?
  1. সাক্ষীকে
  2. অভিযােগকারিকে
  3. ক এবং খ উভয়কে
  4. অভিযোগ গ্রহণকারী পুলিশকে
সঠিক উত্তর:
অভিযােগকারিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযােগকারিকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন।তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
২,৯২২.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে 'Facts _______ need not be proved'।
  1. asserted
  2. confessed
  3. acknowledged
  4. admitted
সঠিক উত্তর:
admitted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
admitted
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:

- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:

Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
--------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
 
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন। 
২,৯২৩.
কোন ধারায় বলা হয়েছে যে আদালতের আদেশ অনুযায়ী কৃত কাজ অপরাধ নয়?
  1. দণ্ডবিধির ৭৫ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৭৭ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৭৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা মতে আদালতের আদেশে কৃত কাজ অপরাধ নয় অর্থাৎ আদালতের রায় বা আদেশ মোতাবেক সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ নয় আদালতের আদেশ বাস্তবায়িত করার জন্য সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ যে সমস্ত কার্য করবেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:- কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।
-------------------
⇒ Section 78. Act done pursuant to the judgment or order of Court:
 Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
২,৯২৪.
আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হলে, তা দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত কোন উপায়ে আদায় করতে পারবে?
  1. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে
  2. অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে
  3. স্থাবর সম্পত্তিতে ফৌজদারি পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে
  4. ক এবং খ উভয় ভাবে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয় ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয় ভাবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৬- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানা

(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-
(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা
(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশতঃ সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।

(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবী সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রীদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
২,৯২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আপিল আদালত রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে?
  1. ৬০
  2. ৯০
  3. ১২০
  4. ১৮০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
---------------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision: 
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
২,৯২৬.
Fact judicially noticeable _______________________.
  1. need be proved
  2. need not be proved
  3. must be proved
  4. should not be proved
সঠিক উত্তর:
need not be proved
উত্তর
সঠিক উত্তর:
need not be proved
ব্যাখ্যা
⇒ Fact judicially noticeable need not be proved.

জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)-

যে-সব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে।
- সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী- যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
--------------
⇒ The Evidence Act, Section 56. Fact judicially noticeable need not be proved:
- No fact of which the Court will take judicial notice need be proved.
২,৯২৭.
অন্যান্য আইনজীবীদের উপর কার প্রাক-শ্রোতা অধিকার রয়েছে?
  1. সংশ্লিষ্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতির 
  2. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের 
  3. এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যানের
  4. বাংলাদেশের এটর্নী জেনারেলের
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের এটর্নী জেনারেলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের এটর্নী জেনারেলের
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৬:
(১) বাংলাদেশের এ্যাটর্নি জেনারেলের সকল এডভোকেটের উপর প্রাক-শ্রোতার (pre-audiance) অধিকার থাকিবে।
(২) আন্তঃজ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অন্যান্য এডভোকেটের উপর প্রাক-শ্রোতার অধিকার নির্ধারিত হইবে।
------------
26. (1) The Attorney-General for Bangladesh shall have the right of pre-audience over all other advocates.
(2) The right of pre-audience among other advocates shall be determined by seniority interse.

২,৯২৮.
যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি এইরুপ দাবী উত্থাপন করে যে অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থল হইতে এত দূরে অবস্থান করিয়াছিল যে তাহার পক্ষে এই অপরাধে অংশগ্রহণ সম্ভব নয়, এইরুপ আর্জিকে কী বলা হয়?
  1. Admission
  2. Plea of Alibi
  3. Plea of Credibility
  4. Plea of immunity
সঠিক উত্তর:
Plea of Alibi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plea of Alibi
ব্যাখ্যা
⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে।
-নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
২,৯২৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪২ ধারার অধীন জনসাধারণের সাহায্য করার বাধ্যবাধকতা কখন প্রযোজ্য হয়?
  1. যখন শুধুমাত্র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাহায্য চান
  2. যখন শুধুমাত্র পুলিশ অফিসার সাহায্য চান
  3. যখন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার অযৌক্তিকভাবে সাহায্য চান
  4. যখন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চান
সঠিক উত্তর:
যখন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চান
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২- জনসাধারণ যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশকে সাহায্য করবেন (Public when to assist):
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট (জুডিসিয়াল বা নির্বাহী) অথবা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চাইলে প্রত্যেকটি লোক তাকে সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
ক. উক্ত জুডিসিয়াল বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যে লোককে গ্রেফতার করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছেন, সে লোককে গ্রেফতার করতে অথবা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে;
খ. শান্তিভঙ্গের আশংকা প্রতিরোধ অথবা শান্তিভঙ্গ দমন করতে অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ অথবা সম্পত্তির প্রতি ক্ষতির প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ব্যাপারে সাহায্য করতে বাধ্য।

Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
২,৯৩০.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় রিভিউ আবেদন মঞ্জুর হলে, এর বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. পুনঃবহালের আবেদন করা যাবে
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপীল করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল করা যাবে
ব্যাখ্যা
রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান এবং মঞ্জুরের বিরুদ্ধে প্রতিকার:

রিভিউ আবেদন মঞ্জুর হলে:
আদালত যদি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ (১) আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে। অর্থাৎ, রিভিউ আবেদন মঞ্জুর একটি আপীলযোগ্য আদেশ।

রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে:
যদি রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা আপত্তি দায়ের করা যায় না। তবে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয়, তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারার অধীনে রিভিশন করা যেতে পারে।

অনুপস্থিতির কারণে রিভিউ প্রত্যাখ্যান:
যদি রিভিউ আবেদনকারী আদালতে উপস্থিত না হন এবং আদালত রিভিউ আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে, তবে ৪৭ আদেশের ৭(২) বিধির অধীনে রিভিউটি পুনঃবহালের জন্য আবেদন করা যেতে পারে।
২,৯৩১.
আঠারো বছরের কম বয়সী শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যার সহায়তা বা প্ররোচনা দিলে, দণ্ডবিধির কোন ধারার আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ৩০৪
  2. ৩০৫
  3. ৩০৬
  4. ৩০৮
সঠিক উত্তর:
৩০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫-এ শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় প্ররোচনা বা সহায়তা-কে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যদি কোনো ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু, উন্মাদ, প্রলাপগ্রস্ত, নির্বোধ বা মদ্যপ অবস্থায় থাকা ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত বা সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
 
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305. Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
২,৯৩২.
পাওনাদারকে ঠকানোর উদ্দেশ্যে সম্পত্তি প্রতারণামূলকভাবে হস্তান্তর বা গোপনের শাস্তি রয়েছে কত ধারায়?
  1. ৪২০ ধারায়
  2. ৪২১ ধারায়
  3. ৪২২ ধারায়
  4. ৪২৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪২১ ধারা অনুযায়ী  পাওনাদারকে ঠকানোর উদ্দেশ্যে সম্পত্তি প্রতারনামূলকভাবে হস্তান্তর বা গোপনের শাস্তি হলো অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
২,৯৩৩.
বেঞ্চ সহকারী কর্তৃক আদালতের রায় পরিবর্তন করে নথিতে সামিল করলে তার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ধারা ২১৯ মতে বিচার বিষয়ক কার্যক্রম আইন বিরোধী বলিয়া জানা সত্ত্বেও সরকারী কর্মচারী কর্তৃক দুর্নীতিমূলক উপায়ে আদেশ, রির্পোট, রায় বা সিদ্ধান্ত প্রণয়ন বা ঘোষণা করাঃ
♦ কোন ব্যক্তি যদি কর্মচারী হিসেবে কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে কোন রিপোর্টক, আদেশ, রায় বা দুর্নীতিমূলকভাবে বা দুরভিসন্ধিমূলকভাবে প্রণয়ন করে বা ঘোষণা করে, যা আইন বিরুদ্ধ বলে সে জানে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
২,৯৩৪.
নি:স্ব ব্যক্তির আপিল করার অনুমতি চেয়ে দরখাস্ত দাখিলের তামাদি-
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭০:

বিষয়: নি:স্ব হিসাবে আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত [for leave to appeal as pauper];
তামাদির মেয়াদ- ৩০ দিন;
গণনা শুরু- যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হবে, সেই তারিখ হতে।
২,৯৩৫.
কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে কোনো কাজ করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ গ্রহণ করলে তিনি The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটন করেন?
  1. 161
  2. 165A
  3. 162
  4. 163
সঠিক উত্তর:
162
উত্তর
সঠিক উত্তর:
162
ব্যাখ্যা
কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে কোনো কাজ করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ গ্রহণ করলে তিনি The Penal Code, 1860 এর ১৬২ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটন করেন।

ধারা ১৬২ অনুযায়ী,
সরকারি কর্মচারীকে যে ঘুষ প্রদান করবে সে (দালাল/ঘুষ প্রদানকারী) অভিযুক্ত হবে এবং শাস্তি পাবে: ৩ বছর কারাদণ্ড/অর্থদণ্ড/উভয়দণ্ড।

এছাড়া,
সরকারি কর্মচারি (নিজে/অন্যজনের মাধ্যমে) ঘুষ/পারিতোষিক পারিশ্রমিক গ্রহণ করলে ১৬১ ধারা অনুযায়ী, ৩ বছর কারাদণ্ড/অর্থদণ্ড/উভয়দণ্ড এ দণ্ডিত হতে পারে।
২,৯৩৬.
দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুসারে, অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী _____ এর মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে।
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
২,৯৩৭.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যাবে না?
  1. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে 
  2. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি নষ্ট হয়েছে
  3. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি সরকারি দলিল 
  4. যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে
সঠিক উত্তর:
যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ যে ক্ষেত্রে মূল দলিলটি বর্তমান থাকে সেসকল ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের ৬৫ধারা অনুসারে মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যাবে না।
কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৬৫: যে সকল দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে: নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কোনো দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
(ক) দলিলটি যাহার বিরুদ্ধে প্রমাণ করিতে চাওয়া হইতেছে, মূল দলিলটি তাহার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে, কিংবা আদালতের সমনের আওতার বাহিরে এখতিয়ারের বাহিরে কোনো লোকের দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে বলিয়া যদি দেখান হয় বা প্রতীয়মান হয়, কিংবা যদি এমন লোকের দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে উহা থাকে, যে লোক উপস্থাপিত করিতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারায় বর্ণিত নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও সেই লোক যদি উহা উপস্থাপিত না করে।
(খ) দলিলটি যাহার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা হইবে, সেই লোকের বা তাহার কোনো স্বার্থসংশিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে স্বীকার করিয়াছে বলিয়া যখন প্রমাণ করা হয়।
(গ) মূল দলিল যেইক্ষেত্রে বিনষ্ট হইয়াছে বা হারাইয়া গিয়াছে, কিংবা যেইক্ষেত্রে মূল দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক লোক তাহার নিজের ত্রুটি বা অবহেলা ব্যতীত অন্য কোনো কারণে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে উহা উপস্থাপিত করিতে পারে না।
(ঘ) মূল দলিলটির প্রকৃতি সেইক্ষেত্রে এইরূপ যে সহজে উহা স্থানান্তর করা যায় না।
(ঙ) মূল দলিলটি যেইক্ষেত্রে ৭৪ ধারায় উল্লিখিত সর্বসাধারণের দলিলের আওতাভুক্ত।
(চ) মূল দলিলটি যেইক্ষেত্রে এমন যে, এই আইন বা বাংলাদেশে বলবৎ অপর কোনো আইনে উহার জাবেদা নকল
সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করিবার বিধান আছে।
(ছ) কোনো মূল দলিলে যখন অন্যান্য এমন বহু সংখ্যক দলিলের বিবরণ যেইগুলি আদালতে পরীক্ষা করিয়া দেখা সুবিধাজনক নহে এবং যেই ঘটনা প্রমাণ করিতে হইবে, তাহা ঐ সমস্ত দলিলের সাধারণ ফলস্বরূপ।
------------------------------------
⇒ The Evidence Act 1872, Section 65, Cases in which secondary evidence relating to documents may be given: Secondary
evidence may be given of the existence, condition or contents of a document in the following cases:-
(a) when the original is shown or appears to be in the possession or power- of the person against whom the document is sought to be proved, or of any person out of reach of, or not subject to, the process of the Court, or of any person legally bound to produce it, and when, after the notice mentioned in section 66, such person does not produce it:
(b) when the existence, condition or contents of the original have been proved to be admitted in writing by the person against whom it is proved or by his representative in interest;
(c) when the original has been destroyed or lost, or when the party offering evidence of its contents cannot, for any other reason not arising from his own default or neglect, produce it in reasonable time;
(d) when the original is of such a nature as not to be easily moveable;
(e) when the original is a public document within the meaning of section 74;
(f) when the original is a document of which a certified copy is permitted by this Act, or by any other law in force in Bangladesh to be given in evidence;
(g) when the originals consist of numerous accounts or other documents which cannot conveniently be examined in Court, and the fact to be proved is the general result of the whole collection.

২,৯৩৮.
ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত ফৌজদারি কার্যধারার কারণে কোনো আদেশ বাতিল হবে না যদি-
  1. বিচারক ভুল স্বীকার করেন
  2. আপিলকারী লিখিত আপত্তি তোলে
  3. ন্যায়বিচারকে প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত না করে
  4. বিচার প্রক্রিয়া ন্যায়সঙ্গত না হয়
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারকে প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত না করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারকে প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত না করে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮‑এর ধারা ৫৩১ বলছে—
মামলা ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা অন্য স্থানীয় এলাকায় চললেও কেবল সেই কারণেই রায়, আদেশ বা তদন্ত বাতিল হবে না, যতক্ষণ না দেখা যায় যে এই ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত (failure of justice) হয়েছে। অর্থাৎ বিচার প্রক্রিয়া ন্যায়সঙ্গত ও পক্ষসমূহ পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েছে—এটা নিশ্চিত হলে শুধুমাত্র স্থানের ত্রুটি রায় বাতিল করে না।
২,৯৩৯.
নিচের কোন ক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন?
  1. কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
  2. কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে
  3. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ২য় অধ্যায়ে বিধি-১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা।

অর্থাৎ মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-১৩ অনুযায়ী কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে, কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে, অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে, একজন অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করতে হয় না।
-------------------------
⇒ Rule-13. When an Advocate is a witness for his client except as to merely formal matters, such as the attestation or custody, of an instrument and the like, he should leave the trial of the case to other Advocates. Except when essential to the ends of justice, an Advocate should avoid testifying in court on behalf of his client.
২,৯৪০.
সাক্ষ্য আইনে একজন স্বাক্ষীকে পুন: জেরা করা যায়
  1. ১৩৫ ধারায়
  2. ১৩৬ ধারায়
  3. ১৩৭ ধারায়
  4. ১৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ মতে- প্রথমে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হবে। তারপর (বিরুদ্ধপক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করবে, তারপর (সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করাতে পারবে। সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে হতে হবে। কিন্তু সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে সকল বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, কেবল সেই সকল বিষয়েই জেরা করা চলবে, এমন নয়। জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দীতে সেইগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে, পুনঃজবানবন্দী গ্রহণের সময় যদি আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন নতুন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে বিরুদ্ধপক্ষ সেই সকল বিষয়ে স্বাক্ষীকে আরও জেরা করতে বা পুন: জেরা করতে পারবে। 
♦অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায়  একজন স্বাক্ষীকে পুন: জেরা করা যায়।
২,৯৪১.
পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি The Evidence Act, 1872 এর ধারা অনুযায়ী প্রহণযোগ্য নয়?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. ২৭
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারামতে পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) অগ্রহনযোগ্য হবে, তবে সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারামতে পুলিশের নিকট আসামীর প্রদত্ত confession বা তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত উদ্ধার হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে।

♦ যেমন- আসামীর দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করলে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

♦ পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত Confession প্রাসঙ্গিক হবে, যাকে Judicial confession বলে।
২,৯৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ______ ধারায় বলা আছে বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের অপরাধের বিচার করতে পারবে এবং _______ ধারায় বলা আছে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কতটুকু সাজা দিতে পারবে।
  1. ২৯, ২৯গ
  2. ২৯খ, ৩৩
  3. ২৯গ, ৩৩ক
  4. ২৯গ, ৩৩খ
সঠিক উত্তর:
২৯গ, ৩৩ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯গ, ৩৩ক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৯গ ধারায় বলা আছে বিশেষক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের অপরাধের বিচার করতে পারবে
• ৩৩ক ধারায় বলা আছে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কতটুকু সাজা দিতে পারবে।
• ২৯গ ধারায় ক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন।
২,৯৪৩.
Habeas Corpus এর আদেশ দিতে পারে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. সরকার
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করতে পারে। যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাব আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট [ writ of habeas corpus] পিটিশন দায়ের করা যায়। যে কোন ব্যক্তি বন্দী হাজির রিট দায়ের করতে পারবে। বন্দী হাজির অর্থ হলো বন্দীকে আদালতে হাজির করা।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধানঃ (১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং
চ) বাদ দেয়া হয়েছে।

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।

♦ অর্থাৎ ৪৯১ ধারামতে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির আদেশ প্রদান করতে পারে, যথা 
i) আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করতে।
ii) বেআইনী বা অযৌক্তিকভাবে সরকারি বা বেসরকারী হেফাজতে আটক ব্যক্তির মুক্তিত
iii) জেলখানা বা কারাগারে আটক কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দী দেয়ার জন্য আদালতে হাজির করতে
iv) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট বিচার বা সাক্ষাৎ দেয়ার জন্য হাজির;
v) এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে বিচারের জন্য কোন বন্দিকে স্থানান্তর।
২,৯৪৪.
চার্জে পূর্ববর্তী মামলার দণ্ডের বিষয় কেন উল্লেখ করতে হবে?
  1. পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য
  2. চার্জ গঠনে জন্য
  3. অভিযোগকারী আবেদন করার জন্য
  4. উল্লেখ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য
ব্যাখ্যা
পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়ােজন হলে অভিযােগে বা চার্জে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী- চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারী বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর যা অনুসন্ধান (inquiry) এবং বিচার (trial) কে পৃথক করে। একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে। সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।ধারা-২২১ এ চার্জের বিষয়বস্তু উল্লেখ করা আছে।একটি চার্জে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো থাকবে-

> অপরাধের নাম।
> অপরাধের নির্দিষ্ট নাম না থাকলে উক্ত অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে।
> উক্ত অপরাধ যে আইনে এবং কত ধারায় আওতায় পড়ে তা উল্লেখ করতে হবে।
> অভিযােগ গঠন হলে ধরে নেওয়া হবে অপরাধটি সংঘটিত করার সকল উপাদান বিদ্যমান বা শর্ত পূরণ হয়েছে।
> অভিযােগ ইংরেজিতে বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয় ।
> পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়ােজন হলে অভিযােগে বা চার্জে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে। চার্জে আদালত শাস্তিদানের পূর্বে যে কোন সময় পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন।
২,৯৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক থাকলে অনুপস্থিতিতে বিচারের জন্য কোন শর্তটি আবশ্যক?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ও ৭৮ ধারার শর্তপূরণ
  2. যেকোনো একটি বাংলা দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
  3. কমপক্ষে দুটি জাতীয় বাংলা দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
  4. সরকারি গেজেটে প্রকাশ করে তা পত্রিকার বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে দুটি জাতীয় বাংলা দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে দুটি জাতীয় বাংলা দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে। উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
- আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

- অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো-
অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে। একে বলা হয় ''Trial in absentia'' বা অনুপস্থিতিতে বিচার।
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure-Section 339B: Trial in absentia-
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.

(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
২,৯৪৬.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে 'Plea of Alibi' প্রমাণের ভার কার উপর বর্তায়?
  1. সাক্ষীর উপর
  2. আদালতের উপর
  3. অভিযোগকারীর উপর
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৩ অনুসারে, যখন কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি 'Plea of Alibi' (অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত ছিল) এর দাবি করে, তখন সেই দাবি প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজের উপরই বর্তায়। এটি একটি মৌলিক আইনি নীতি যে, যে ব্যক্তি কোনো বিশেষ তথ্য বা অবস্থা দাবি করে, সে-ই তার প্রমাণ উপস্থাপনের দায়িত্ব বহন করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 - প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof)-
দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং, প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৩-এর অধীন, 'Plea of Alibi' (অন্যত্র অবস্থানের দাবি) প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়। অর্থাৎ, অভিযুক্তকে প্রমাণ করতে হয় যে অপরাধের সময় সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না। এটি একটি বিশেষ তথ্যের প্রমাণের ভার, যা সাধারণত অভিযোগকারীর উপর থাকে না।

২,৯৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯(৩ক) অনুসারে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয় কোন অনুচ্ছেদের অধীনে?
  1. সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ
  2. সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ
  3. সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদ
  4. সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৯(৩ক) এ বলা হয়েছে:
“...সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যগণ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ নিযুক্ত হইবেন।”
 অর্থাৎ, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের নিয়োগ ও তাদের কর্মস্থল নির্ধারণের জন্য রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিধি তৈরি করেন, এবং সেই বিধির আলোকে তাদের দায়রা আদালতে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (The Code of Criminal Procedure), ১৮৯৮–এর ধারা ৯(৩ক) (Subsection 3A) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে:
“The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the Constitution...”
অর্থাৎ, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের অধীন রাষ্ট্রপতির দ্বারা প্রণীত বিধি অনুসরণ করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারার বিধান দায়রা আদালত:
(১) সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবেন এবং এই আদালতে একজন জজ নিয়োগ করবেন; এবং মহানগরীর জন্য সৃষ্ট দায়রা আদালত মহানগরী দায়রা আদালত নামে অভিহিত হবে।
(২) সরকার সরকারি গেজেটে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ জারী করে নির্দেশ দিতে পারেন যে কোন স্থানে বা স্থানসমূহে দায়রা আদালত বসবে; কিন্তু এরূপ আদেশ না দেয়া পর্যন্ত দায়রা আদালতসমূহ পূর্বের ন্যায় বসবে।
(৩) এরূপ এক বা একাধিক আদালতে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করার জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজ ও নিয়োগ করতে পারবেন।

(৩ক) - অনুরূপ এক বা একাধিক এলাকার দায়িত্ব পালনের জন্য সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যগণ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ নিযুক্ত হইবেন।
(৪) সরকার এক দায়রা বিবাগের দায়রা জজকে অপর একটি বিভাগের অতিরিক্ত দায়রা জজ নিয়োগ করতে পারেন, এবং এরূপ ক্ষেত্রে তিনি সরকারের নির্দেশানুসারে দুইটি বিভাগের যে কোন একটির এক বা একাধিক স্থানে মামলা নিস্পত্তির জন্য বসতে পারবেন।
(৫) এই আইন বলবৎ হবার সময় যে সকল দায়রা আদালত বিদ্যমান ছিল তার সমস্ত গুলিই এই আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে ধরতে হবে।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 9. Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court; and the Court of Session for a Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore.
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
২,৯৪৮.
কোন অবস্থায় একজন সাক্ষীর পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তী মামলায় প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই হতে হবে
  2. সাক্ষী প্রতিপক্ষের প্রতিনিধি হতে হবে
  3. মামলাটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির হতে হবে
  4. সাক্ষীকে পুনরায় জেরা করতে হবে
সঠিক উত্তর:
উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই হতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩: যখন পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তীতে মামলায় প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে:
কোন মামলায় কেউ আইন অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার পর যদি তার-
ক) মৃত্যু হয়; বা
খ) সন্ধান পাওয়া না যায়; বা
গ) যে পরে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হয়ে পড়ে; বা
ঘ) প্রতিপক্ষ তাকে আটকিয়ে রাখে;
ঙ) যুক্তিসংগত কারনে তাকে আদালতে উপস্থিত করা সময় এবং ব্যয়সাপেক্ষ;

তাহলে এই ধরনের সাক্ষীর পূর্বে দেওয়া প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য পরবর্তী পর্যায়ে প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হবে। তবে নিম্নে বর্ণিত ৩টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
১। পরবর্তী মামলা একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে অথবা তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
২। পূর্বে সাক্ষ্য দেয়া সাক্ষীকে প্রতিপক্ষ জেরা করার সুযােগ পেতে হবে; এবং
৩। উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই ধরনের হতে হবে।
২,৯৪৯.
'ফৌজদারী মামলা শুরুর ক্ষেত্রে তামাদি প্রযোজ্য নয়'- এই বক্তব্যের ব্যতিক্রম কোনটি?
  1. এজাহার দায়ের
  2. চার্জশীট দাখিল
  3. চার্জ গঠন
  4. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল-দায়ের
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল-দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল-দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনটি হচ্ছে পদ্ধতিগত আইন।
⇒ ১৮৫৯ সালে প্রথম তামাদি আইন প্রণয়ন করা হয় এবং ১৮৬২ সালে তা কার্যকর করা হয়।
⇒ পরবর্তীতে ১৯০৮ সালে বর্তমান তামাদি আইন প্রণয়ন করা হয় এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়।
⇒ এই আইনটি বিশেষ আইনের তামাদির জন্য এবং ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না।
⇒ যেহেতু তামাদি আইন ফৌজদারী মূল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না এবং যেহেতু এজাহার দায়ের বা অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে ফৌজদারী মূল মামলা দায়ের করা হয়, তাই এজাহার, এফআইআর বা অভিযোগ (সিআর)এর ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়।
তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়।
যেমন
-তামাদি আইনের ১৫৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ফৌজদারী মামলায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল-দায়ের করতে হয় ৬০ দিনের মধ্যে।
- কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে তামাদি আইনের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সে ৭ দিনের মধ্যে আপীল করতে হবে।
২,৯৫০.
দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ অনুসারে, কয়টি উপায়ে কোনো ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ২৯৯ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি তিনটি উপায়ে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হতে পারে-
১) মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কাজ করা → যদি কারও উদ্দেশ্যই হয় মৃত্যু ঘটানো এবং সেই কাজের ফলে মৃত্যু ঘটে।
২) মৃত্যু ঘটাতে পারে এমন দৈহিক জখম ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করা → যদি কারও উদ্দেশ্য হয় এমন আঘাত দেওয়া যা মৃত্যু ঘটাতে পারে এবং সেই আঘাতের ফলে মৃত্যু ঘটে।
৩) মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জেনে কাজ করা → যদি কেউ জানে যে তার কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে, তবুও তা করে এবং মৃত্যু ঘটে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ৩টি উপায়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
- ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
- ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
- ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 299. Culpable homicide:
Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
- Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
- Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
- Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.

২,৯৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে, ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা (wrong place of trial) শুধুমাত্র সেই কারণে বাতিল হবে না, যদি না ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫৩১
  3. ধারা ৫৩৩
  4. ধারা ৫৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩১ ধারা অনুসারে, কোনো ফৌজদারি আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যদি না প্রতীয়মান হয় যে এই ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা:
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 531: Proceedings in wrong place:
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.

২,৯৫২.
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (inherent power) ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সংরক্ষিত আছে?
  1. ৫৬১
  2. ৫৬১ক 
  3. ৫৬০ 
  4. ৫৬৫ 
সঠিক উত্তর:
৫৬১ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬১ক 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (inherent power) সংরক্ষণের বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে ধারা ৫৬১ক-এ উল্লেখ আছে, যার শিরোনামই হলো "Saving of inherent power of High Court Division"।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ক-এ হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (inherent power) সংরক্ষণ করা হয়েছে, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার প্রতিরোধ করা এবং কোডের অধীনে প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারার বিধান হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ:
- এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য, বা কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য বা অন্য কোন ভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন আদেশ প্রদানের নিমিত্ত হাইকোর্ট বিভাগের যে সহজাত ক্ষমতা আছে এই বিধির কোন কিছু তা সীমাবদ্ধ বা ক্ষুণ্ন বা প্রভাবিত করবে বলে অভিহিত করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- section 561A. Saving of inherent power of High Court Division:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

২,৯৫৩.
দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে-
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. দায়রা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭ ধারার বিধানঃ ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল- ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হয়। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট স্বয়ং নিজে আপিলটি শুনানী ও নিষ্পত্তি করতে পারেন অথবা অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হস্তান্তর করতে পারবেন। উক্ত হস্তান্তরিত আপিল প্রয়োজনে তিনি প্রত্যাহার করতে পারবেন।
২,৯৫৪.
আদালত যখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করে, তখন কোনটি প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. স্বাক্ষীর বক্তব্য
  2. অভিযোগকারীর অভিযোগ
  3. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
  4. অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক:
যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

Section 47A- Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
২,৯৫৫.
নির্দিষ্ট বর্ণনার কিছু সংখ্যক রেলওয়ের শেয়ার A বিক্রয় করতে এবং B ক্রয় করতে চুক্তি করেছে। A বিক্রয় করতে অস্বীকার করে। এই ক্ষেত্রে B এর প্রতিকার হতে পারে-
  1. B শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাবে।
  2. B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
  3. চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
  4. B, A-কে শেয়ার বিক্রয় করতে বাধ্য করতে পারেনা।
সঠিক উত্তর:
B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা-১২. ব্যাখ্যা গ  অনুযায়ী, এই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করতে A কে বাধ্য করতে পারে। কারণ শেয়ারগুলোর সংখ্যা সীমিত এবং সর্বদা মার্কেটে পাওয়া যায় না এবং শেয়ারগুলোর দখল শেয়ারের মালিকানা নির্ধারণ করে যা অন্যকোনভাবে অর্জন করা সম্ভব না।

♦ সুতরাং যেহেতু শেয়ার দুষ্প্রাপ্য প্রকৃতি, তাই এই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য, যদিও শেয়ার অস্থাবর সম্পত্তি এবং B, A-কে শেয়ার বিক্রয় করতে বাধ্য করতে পারে।
২,৯৫৬.
পাঁচজন ব্যক্তি একটি ব্যাংকে ডাকাতি করার জন্য একত্রিত হয়। ডাকাতির সময় তাদের একজন নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যা করে। এই পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 396- Dacoity with murder:
If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
২,৯৫৭.
রিসিভারের নিয়োগ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব কোন আইনে বিস্তারিত বলা আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪০-১৬৫ ধারা
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ১৮ অধ্যায়ে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, রিসিভার নিয়োগের বিষয়টি আদালতের বিবেচনাধীন। তবে রিসিভারের নিয়োগের ধরন, তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া আছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
অতএব, রিসিভারের নিয়োগ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশে।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
২,৯৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৬ অনুসারে, প্রতিরোধমূলক প্রতিকার কোন ধারার অধীনে পড়ে?
  1. ধারা ৫(ঘ)
  2. ধারা ৫(গ)
  3. ধারা ৫(খ)
  4. ধারা ৫(ক)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(গ)
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫(গ) ধারার অধীনে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) প্রদান করা হয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫(গ) ধারা অনুযায়ী:
- “কোনো পক্ষকে এমন কিছু করা থেকে বিরত রাখা, যা করা তার জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতার পরিপন্থী।”
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৬ অনুযায়ী:
- এই প্রতিরোধমূলক প্রতিকার-কে "Preventive Relief" বলা হয়। এটি সাধারণত আদালতের আদেশের (Injunction) মাধ্যমে প্রদান করা হয় যাতে কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ অন্যের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে।

⇒ উদাহরণ:
- কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে অন্যের জমিতে প্রবেশ করতে চায়, আদালত প্রতিরোধমূলক আদেশ জারি করে তাকে তা করতে নিষেধ করতে পারে।
- কোনো সংস্থা যদি অবৈধভাবে কপিরাইট লঙ্ঘন করে, আদালত প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হিসাবে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করতে পারে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
 Specific relief is given- 
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.

⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-6. Preventive relief:
- Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

২,৯৫৯.
রাষ্ট্রদ্রোহিতা সংঘটিত করতে হলে, কোন ধরনের উক্তি বা প্রকাশ ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. মৌখিক উক্তি
  2. লিখিত উক্তি
  3. দৃশ্যমান প্রতীক
  4. উপরের সবই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান- রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।

ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না। 
২,৯৬০.
যদি কোনো পক্ষকে দলিল পেশ করার নোটিশ দেওয়া হয় এবং সেই পক্ষ তা উপস্থাপনা করতে অস্বীকার করে, তবে ঐ পক্ষ পরবর্তীতে উক্ত দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে-
  1. প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
  2. দলিল রেজিস্ট্রি‑কৃত হলে
  3. সরকারি দলিল হলে
  4. ব্যক্তিগত দলিল হলে
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬৪ – নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও না‑উপস্থাপিত দলিল‑প্রমাণ পরে ব্যবহার‑নিষেধ:
যদি কোনো পক্ষকে দলিল পেশ করার নোটিশ দেওয়া হয় এবং সেই পক্ষ তা উপস্থাপনা করতে অস্বীকার করে, তবে ঐ পক্ষ পরবর্তীতে ওই দলিলকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না- যতক্ষণ না
(‌i) প্রতিপক্ষের সম্মতি অথবা
(ii) আদালতের আদেশ পাওয়া যায়।

[When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.]
২,৯৬১.
বিবাহ অথবা জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩৬ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারার বিধান: কর্তব্য সম্পাদন প্রসঙ্গে সরকারী দলিলে বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিপিবদ্ধ বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty)- সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী কোন সরকারী বা অন্য অফিসের কোন খাতায়, রেজিস্টারে বা নথিতে যদি কোন বিচার্য ঘটনা বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকে এবং কোন সরকারী কর্মচারী যদি তার চাকরির কর্তব্য পালনকালে তা লিখে থাকে অথবা অপর কোন ব্যক্তি যদি যে দেশে উক্ত খাতা, রেজিষ্টার বা নথি রাখা হয়েছে সেখানকার আইনের বিধান অনুসারে তার উপর আরোপিত কর্তব্য পালন প্রসঙ্গে তা লিখে থাকে তবে উক্ত লেখাই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা। 

⇒ যেমন- সরকারী বই, এজাহার বা এফ, আই, আর বিবরণ, বিবাহ, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড, বিদ্যালয়ের খাতা, নথি ও প্রমাণপত্র, মিউটেশন, বেতার বার্তা প্রভৃতি সরকারী দলিলের বিষয় ৩৫ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক।

----------------
⇒ Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty.
Section 35. An entry in any public or other official book, register or record ,or digital record, stating a fact in issue or relevant fact, and made by a public servant in the discharge of his official duty, or by any other person in performance of a duty specially enjoined by the law of the country in which such book, register , record or digital record is kept, is itself a relevant fact.
২,৯৬২.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় কিশোর অপরাধীর বিচারের এখতিয়ার বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ২৮ ধারায়
  2. ২৯ ধারায়
  3. ২৯গ ধারায়
  4. ২৯খ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৯খ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯খ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির  ২৯খ ধারার বিধান কিশোরদের বেলায় এখতিয়ারঃ কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

-----------------------------------
Jurisdiction in the case of juveniles
29B. Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
২,৯৬৩.
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কোন শ্রেণিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় "মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" হিসেবে পরিচিত?
  1. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দ্বিতীয় শ্রেনির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC), 1898 অনুসারে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মূলত তিন শ্রেণিতে বিভক্ত—প্রথম শ্রেণি, দ্বিতীয় শ্রেণি ও তৃতীয় শ্রেণি। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় এই শ্রেণিবিভাগে কিছু পরিবর্তন রয়েছে। সেখানে "প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট" কে বলা হয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। অর্থাৎ, মেট্রোপলিটন শহরে যারা বিচার কার্য পরিচালনা করেন, তারা মূলত প্রথম শ্রেণির বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট হলেও তাদের আইন অনুযায়ী "মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" নামে উল্লেখ করা হয়। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটরা মেট্রোপলিটন এলাকায় নেই। এছাড়া, জেলার জন্য যিনি প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকেন, মেট্রোপলিটন এলাকায় তিনি "চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" নামে পরিচিত।
সুতরাং, প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো— ক) প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে;
যথা: (ক) দায়রা আদালত; এবং (খ) ম্যাজিস্ট্রেট-এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা: (ক) বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।ঃ
(৩) চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথা:
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
(খ) মহানগর এলাকায় স্থাপিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 6. Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 

Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

২,৯৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারায় অনুসন্ধানের আদেশ কে দিতে পারেন?
  1. দায়রা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. শুধুমাত্র জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারার বিধান- অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা:
৪৩৫ ধারা অনুসারে অথবা অন্যভাবে পরীক্ষা করে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা ২০৩ ধারা বা ২০৪ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে খারিজক্ত যেকোনো নালিশ বা কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আরও তদন্ত করবেন, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ তদন্ত করতে পারবেন বা তার অধস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে এরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত এই যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কোন উক্তরূপ আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শানোর সুযোগ দেয়া হয়।
২,৯৬৫.
তামাদি আইনের ধারা ২০ অনুসারে নিচের কোনটি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য?
  1. মৌখিক প্রতিশ্রুতি
  2. ঋণের সুদ পরিশোধ
  3. ভবিষ্যতে পরিশোধের আশ্বাস
  4. ঋণ আছে তা আস্বীকার
সঠিক উত্তর:
ঋণের সুদ পরিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণের সুদ পরিশোধ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২০(১) অনুযায়ী:
- ঋণ বা লিগ্যাসির সুদের অর্থপ্রদান যদি তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে করা হয়, তাহলে তা একটি বৈধ স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে।
- এই অর্থপ্রদানের ফলে তামাদি মেয়াদ পুনরায় গণনা শুরু হবে (Payment refreshes the limitation period)।

- ধারা ২০ তে বলা হয়েছে, যদি কোনো ঋণগ্রহীতা তার ঋণের সুদ পরিশোধ করে, তবে এটি ঋণ সম্পর্কিত দায় স্বীকার করার সমতুল্য এবং এর ফলে তামাদি মেয়াদ পুনরায় শুরু হতে পারে। অর্থাৎ, ঋণের সুদ পরিশোধে ঋণগ্রহীতা তার দায় স্বীকার করেছে এবং তামাদি আইনের অধীনে এই পদক্ষেপকে স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

অর্থাৎ, ঋণের সুদ পরিশোধ হলো তামাদি আইনের ধারা ২০ এর অধীনে সঠিক স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হওয়া পদক্ষেপ।

COMPUTATION OF PERIOD OF LIMITATION 
⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made: 
 
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
২,৯৬৬.
যে সিভিল সার্জন বা চিকিৎসক ময়না তদন্তের প্রতিবেদন প্রদান করে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে তার অনুপস্থিতিতেও উক্ত প্রতিবেদন সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. যদি তিনি মারা যায়,
  2. সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে যায়
  3. বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করে এবং তাকে আনা সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক মতে- এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা দরকার হয় এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন অথবা অন্য মেডিকেল অফিসার মারা গেলে অথবা সাক্ষ্য দিতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাইরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী হিসাবে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
২,৯৬৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪২১ ধারার আওতায় আপিল সংক্ষিপ্ত খারিজ করার পূর্বে-
  1. নতুন সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে
  2. আপিলকারীকে অবশ্যই আদালতে হাজির থাকতে হবে
  3. নতুন অভিযোগ দায়ের করতে হবে
  4. আপিলকারীকে বক্তব্যের সুযোগ দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
আপিলকারীকে বক্তব্যের সুযোগ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারীকে বক্তব্যের সুযোগ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-

শর্ত থাকে যে,
ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
২,৯৬৮.
একই পক্ষ একই বিষয়ে দুটি মামলা একই সঙ্গে চালাতে পারবে না—এটি কোন নীতি?
  1. Estoppel
  2. Res Judicata
  3. Res Sub Judice
  4. Constructive Res Judicata
সঠিক উত্তর:
Res Sub Judice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Res Sub Judice
ব্যাখ্যা

⇒ "Res Sub Judice" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ "a matter under judgment" বা "বিচারাধীন বিষয়"। এই নীতিটি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০-এ বর্ণিত আছে।
- Res Sub Judice নীতির মূল কথা: একই পক্ষদের মধ্যে একই কারণ থেকে উদ্ভূত একই বিষয় নিয়ে একই সময়ে একাধিক মামলা চলতে পারে না। যদি একই বিষয়ে একটি মামলা ইতিমধ্যে কোনো উপযুক্ত আদালতে বিচারাধীন থাকে, তাহলে অন্য কোনো আদালত পরবর্তীতে দায়ের করা একই রকম মামলা পরিচালনা করতে পারবে না।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল:
বিরোধপূর্ণ সিদ্ধান্ত রোধ করা: ভিন্ন ভিন্ন আদালত থেকে একই বিষয়ে ভিন্ন রায় না আসা।
আদালতের সময় ও সম্পদের সদ্ব্যবহার: একই মামলা বারবার বিচার করা থেকে বিরত থাকা।
- অর্থাৎ Res Sub Judice নীতিটি মামলা চলাকালীন সময়ে প্রযোজ্য হয় এবং একই সাথে একাধিক মামলা চলা বন্ধ করে। অন্যদিকে, Res Judicata নীতিটি মামলা শেষ হওয়ার পর প্রযোজ্য হয় এবং একই মামলা আবার দায়ের করা বন্ধ করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।
- এই নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-
১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হতে হবে;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

- বিদেশি আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে Res-Subjudice নীতি প্রযোজ্য হবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Section 10: Stay of suit-
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh Established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court.

Explanation-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

২,৯৬৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(৫) ধারার
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(৯) ধারার
  3. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
  4. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১৩) ধারার
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা।

⇒ ধারা-৮৯ক(৫): মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
⇒ আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
------------------
⇒ Section 89A(12) No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
২,৯৭০.
তামাদি আইনের অনুসারে মিথ্যা কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বৎসর
  3. ২ বৎসর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বৎসর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৯ মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড [False Imprisonment] ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা।
- তামাদি- ১ বৎসর।
- সময় গণনা শুরু- কারাদণ্ড যখন সমাপ্ত হয়।

২,৯৭১.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে ৩০৭ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ১২ বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------
⇒ Attempt to murder Attempts by life-convicts
Section 307.
Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
 
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
২,৯৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৮ ধারা অনুযায়ী, আদালত কোন ক্ষেত্রে অভিযোগ পরিবর্তনের পর বিচার অবিলম্বে চালিয়ে যেতে পারে?
  1. যদি অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করে
  2. যদি বিচারক নতুন অভিযোগ গ্রহণ করেন
  3. যদি প্রসিকিউশন নতুন অভিযোগে রাজি হয়
  4. যদি অভিযুক্ত বা প্রসিকিউশন পক্ষের অসুবিধা না হয়
সঠিক উত্তর:
যদি অভিযুক্ত বা প্রসিকিউশন পক্ষের অসুবিধা না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি অভিযুক্ত বা প্রসিকিউশন পক্ষের অসুবিধা না হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৮ ধারা অনুযায়ী, যদি অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজনের ফলে অভিযুক্ত বা প্রসিকিউশনের কোনো অসুবিধা না হয়, তাহলে আদালত নতুন বা পরিবর্তিত অভিযোগকে মূল অভিযোগ ধরে বিচার চালিয়ে যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৮ ধারার বিধান: পরিবর্তনের পর বিচার অবিলম্বে চলতে পারার শর্ত:
যদি কোনো অভিযোগ গঠন বা ২২৭ ধারার অধীনে কোনো পরিবর্তন বা সংযোজন করা হয় এবং আদালতের মতে, তৎক্ষণাৎ বিচারকার্য চালিয়ে গেলে অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনে বা প্রসিকিউশনের মামলা পরিচালনায় কোনো অসুবিধা হবে না, তাহলে আদালত তার বিবেচনামতো, নতুন বা পরিবর্তিত অভিযোগকে মূল অভিযোগ হিসেবে ধরে বিচার চালিয়ে যেতে পারে।
---------
→ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 228. When trial may proceed immediately after alteration:
If the charge framed or alteration or addition made under section 227 is such that proceeding immediately with the trial is not likely, in the opinion of the Court, to prejudice the accused in his defence or the prosecutor in the conduct of the case, the Court may, in its discretion, after such charge or alteration or addition has been framed or made proceed with the trial as if the new or altered charged had been the original charge.
২,৯৭৩.
"ক" একজন ফরিয়াদি ১ম শ্রেনির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে "খ"-এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযুক্ত হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে ''খ'' হাজির থাকলেও,ফরিয়াদি ''ক'' হাজির হননি।এক্ষেত্রে আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. "খ" কে অব্যাহতি দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
  2. "ক" কে পরের দিন উপস্থিত হতে বলবেন
  3. "খ" কে খালাস দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
  4. "খ" কে মুক্তি দিবে
সঠিক উত্তর:
"খ" কে খালাস দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"খ" কে খালাস দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে, নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে,অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট,অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।
শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে,অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

[If the summons has been issued on complaint,and upon the day appointed for the appearance of the accused,or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned,the complainant does not appear,the Magistrate shall,notwithstanding anything herein before contained,acquit the accused,unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that,where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required,the Magistrate may dispense with his attendance,and proceed with the case.]
২,৯৭৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন কোনো সরকারী কর্মকর্তা কোন সম্পত্তি বিক্রয়ে কোন দায়িত্বে থাকলে উক্ত সরকারী কর্মকর্তা উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করবে না। ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫৬
  2. ধারা ৫৫৭
  3. ধারা ৫৬০
  4. ধারা ৫৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬০
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ ধারা ৫৬০ মতে- কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের ব্যাপারে যে সরকারী কর্মচারীকে কোন কর্তব্য সম্পাদনের দায়িত্ব দেয়া হয় তিনি উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করবেন না বা উহার নীলাম ডাকবেন না।
২,৯৭৫.
দণ্ডবিধির অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. পাঁচজন
সঠিক উত্তর:
দুইজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (Criminal Conspiracy) সংজ্ঞায়িত হয়েছে যে, যখন দুই বা তার বেশি ব্যক্তি (two or more persons) কোনো অবৈধ কাজ করার বা অবৈধ উপায়ে আইনসম্মত কাজ করার জন্য চুক্তি করে, তখন তা ষড়যন্ত্র হয়। একজন ব্যক্তির একক চুক্তি ষড়যন্ত্র হতে পারে না, কারণ এতে চুক্তির উপাদান (agreement) থাকে না। তাই ন্যূনতম দুইজন ব্যক্তির প্রয়োজন। অন্য অপশনগুলো (একজন, তিনজন বা পাঁচজন) এই সংজ্ঞার সাথে মিলে না।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।

শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

২,৯৭৬.
আদেশ ৪৭ বিধি-৭ অনুযায়ী, পুনর্বিবেচনার (Review) প্রার্থনা অগ্রাহ্য হলে, তার বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. আপিল করা যাবে না
  4. নতুন মামলা দায়ের করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৭ বিধি-৭: প্রত্যাখ্যাত আদেশ আপিলযোগ্য নয়, আবেদন মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি:
১) আদালত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না; কিন্তু প্রার্থনা কবুলের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত কারণে আপত্তি পেশ করা যাবে-
ক) বিধি-২ তে বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
খ) বিধি-৪ এ বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
গ) আবেদনের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ অতীত হওয়ার পর এবং যথেষ্ট কারণ ব্যতীত সেটি করা হয়েছিল বলে আপত্তি উত্থাপন করা যেতে পারে; আবেদন মঞ্জুর করে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে, বা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় প্রদত্ত চূড়ান্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করে ঐরূপ আপত্তি উত্থাপন করা চলবে।

২,৯৭৭.
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ?
  1. PRESIDENT'S ORDER NO. 36 OF 1972
  2. PRESIDENT'S ORDER NO. 46 OF 1972
  3. PRESIDENT'S ORDER NO. 56 OF 1972
  4. PRESIDENT'S ORDER NO. 26 OF 1972
সঠিক উত্তর:
PRESIDENT'S ORDER NO. 46 OF 1972
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PRESIDENT'S ORDER NO. 46 OF 1972
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ।
♦ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের পূর্ব পর্যন্ত অস্থায়ী সংবিধান আদেশের অধীনে রাষ্ট্রপতি অনেক আইন প্রণয়ন করেছেন। এই সময়ের আইনগুলো President’s Order বা PO হিসেবে পরিচিত।
২,৯৭৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ১০৬ ধারা
  3. আদেশ ৪১ বিধি ১
  4. আদেশ ৪৩ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩ বিধি ১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে।
- সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে।আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

অর্থাৎ সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না তবে আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫ টি আদেশ উল্লেখ আছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল চলে। 
২,৯৭৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর ১২ ধারানুসারে কতটি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বলবতযোগ্য?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
 ♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
২,৯৮০.
সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ কোন ধরনের অপরাধের তদন্ত করতে পারে?
  1. আমলযোগ্য অপরাধের
  2. আমলঅযোগ্য অপরাধের
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধের
ব্যাখ্যা
• সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে।

• প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে।এমনকি যদি প্রয়োজনীয় হয় অপরাধীকে গ্রেফতার এবং আটকের ব্যবস্থা করতে পারবে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ ঘোষণা করলে সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন।প্রয়োজন হলে অপরাধীকে খুঁজে বের ও গ্রেফতার করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন বা অধস্তন অফিসারকে দায়িত্ব দিবেন।তবে অপরাধ সংঘটনকারীর নাম উল্লেখ করে সংবাদ দিলে এবং ঘটনাটি গুরুতর প্রকৃতির না হলে তখন সরেজমিনে তদন্তের প্রয়োজন নেই।তবে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে,তখন ঘটনাটি সম্পর্কে তদন্ত করবেন না।

[If,from information received or otherwise,an officer in charge of a police-station has reason to suspect the commission of an offence which he is empowered under section 156 to investigate,he shall forthwith send a report of the same to a Magistrate empowered to take cognizance of such offence upon a police-report,and shall proceed in person,or shall depute one of his subordinate officers not being below such rank as the Government may,by general or special order,prescribe in this behalf to proceed,to the spot,to investigate the facts and circumstances of the case,and,if necessary,to take measures for the discovery and arrest of the offender]
২,৯৮১.
স্বত্বের দাবী উত্থাপন ব্যতিরেকে দখল পুনরুদ্ধারের মামলার কোন আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:

যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।

[এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.]

রিভিশন দায়েরে শর্ত: কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।

৯ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
২,৯৮২.
ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০ টাকার বেশি হলে সাব্যস্ত দেনাদারকে কত দিন আটক রাখা যাবে?
  1. ৬ সপ্তাহ
  2. ৩মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫৮ অনুসারে,ডিক্রি জারির জন্য সাব্যস্ত দেনাদারকে আটক করার ক্ষেত্রে ২টি ভাগ রয়েছে। যথা:

ক) ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০ টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং 

খ) ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০ টাকার বেশি হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।

♦ তবে উক্ত ব্যক্তিকে আটকের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্বে মুক্তি দেয়া যাবে যদি- যেকোন উপায়ে ডিক্রির দেনা পরিশোধ করে দেয় কিংবা যাহার আবেদনের প্রেক্ষিতে আটক রাখা হয়েছে তিনি অনুরোধ করলে।

♦ এই ক্ষেত্রে যে ডিক্রি জারিতে মুক্তি দেয়া হবে সেই বিষয়ে তাকে পুনরায় আটক করা যাবে না।
২,৯৮৩.
"কোনো ব্যক্তির মানসিক অবস্থা (যেমন ইচ্ছা, জ্ঞান, বিশ্বাস) যখন মামলার বিষয়বস্তু হয়, তখন সেই অবস্থা প্রমাণকারী তথ্য প্রাসঙ্গিক" — এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার মূলনীতি?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪-এর মূলনীতি হলো: যখন কোনো ব্যক্তির মানসিক অবস্থা (যেমন ইচ্ছা/intention, জ্ঞান/knowledge, সদ্ভাব/good faith, অবহেলা/negligence, দুরাগ্রহ/ill-will ইত্যাদি) বা শারীরিক অবস্থা/অনুভূতি ইস্যুতে (fact in issue) বা প্রাসঙ্গিক (relevant) হয়, তখন সেই অবস্থা প্রমাণকারী ফ্যাক্টগুলো প্রাসঙ্গিক হয়। এই ধারা স্পষ্টভাবে মানসিক অবস্থা (state of mind) প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যগুলোকে প্রাসঙ্গিক করে তোলে, যাতে কোর্ট নির্দিষ্ট বিষয়ের সাপেক্ষে (not generally) সেই অবস্থা বিশ্লেষণ করতে পারে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-14. Facts showing existence of state of mind, or of body, or bodily feeling:
Facts showing the existence of any state of mind, such as intention, knowledge, good faith, negligence, rashness, ill-will, or good-will towards any particular person, or showing the existence of any state of body or bodily feeling, are relevant, when the existence of any such state of mind or body or bodily feeling is in issue or relevant.

Explanation 1.– A fact relevant as showing the existence of a relevant state of mind must show that the state of mind exists, not generally, but in reference to the particular matter in question.
Explanation 2.–But where, upon the trial of a person accused of an offence, the previous commission by the accused of an offence is relevant within the meaning of this section, the previous conviction of such person shall also be a relevant fact.

২,৯৮৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা মতে কিছু অনিয়ম সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রম বাতিল হয় না?
  1. ৫৬০
  2. ৫৬১
  3. ৫৩০
  4. ৫২৯
সঠিক উত্তর:
৫২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৯ ধারার বিধান: যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না:
যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-
(ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন;
(খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন;
(গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন;
(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন;
(চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন;
(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
(জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা
(ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,

তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না।
২,৯৮৫.
Volante non-fit injuria মতবাদটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৮৭ ধারায়
  2. ৮৮ ধারায়
  3. ৮৯ ধারায়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ধারা ৮৭, ৮৮ এবং ৮৯ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত  ব্যক্তি বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির অভিভাবকের সম্মতি নিয়ে গঠিত কোনো ক্ষতি অপরাধ বলে গণ্য হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
• সম্মতি বা ভলেনটি নন্ ফিট ইনজুরিয়া (Consent or Volante non-fit injuria): কারো সম্মতিক্রমে কোন কার্য সম্পাদিত হলে এবং এর ফলে কোন ক্ষতি হলে সম্মতিদানকারী কোন অভিযোগ করতে পারে না।
• এটা যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তাকে বলে ভলেন্টি নন্ ফিট্ ইনজুরিয়া।
• বাদী যে অধিকার স্বেচ্ছা প্রণোদিত ভাবে পরিত্যাগ করেছে সে অধিকার আর সে বলবৎ করতে পারে না।
• তাই মুষ্ঠিযুদ্ধে আহত হলে বা ডাক্তার অস্ত্রোপচার করলে টর্ট আইনে কাউকে দায়ী করা যায় না।
• এ মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বাদীর অবগতি ও সম্মতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
২,৯৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে Legal Set-off সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. আদেশ ৮, বিধি ৬
  2. আদেশ ৯, বিধি ৬
  3. আদেশ ১১, বিধি ৭
  4. আদেশ ১১, বিধি ৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির Set-off দুই প্রকার যথা:
ক) Legal Set-off [Order VIII, Rule 6],
খ) Equitable Set-off

যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট, সেক্ষেত্রে Legal Set-off দাবি করা যায়। কিন্তু, যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট সেক্ষেত্রে Equitable Set-off মঞ্জুর করা যেতে পারে (আদালতের Discretion-এর উপর)।
২,৯৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় খরচ (Costs) বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৬ ধারা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
৩৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী আদালত সাধারন খরচের আদেশ দিতে পারে।
• যে খরচ নির্ধারন করা হবে তার উপর সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক সুদ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।
• ৩৫ (ক) ধারায় মিথ্যা বা হয়রানী মূলক মোকদ্দমার ক্ষতিপূরন সর্বোচ্চ ২০০০০ টাকা। ৩৫ (খ)/১ বিলম্বের জন্য খরচ ২০০০ টাকা এবং ৩৫(খ)/২ অনুযায়ী ৩,০০০ টাকা জরিমানা করা যায়।
২,৯৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুসারে, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের নকল কোথায় প্রেরণ করবে না?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. পুলিশ সুপারের কাছে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ সুপারের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ সুপারের কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুযায়ী, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি কপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং মহানগর হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য ক্ষেত্রে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করে। তবে পুলিশ সুপারের কাছে এই নকল প্রেরণের বিধান নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ- দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন। অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.

২,৯৮৯.
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ২য় অধ্যায় 'মক্কেলের প্রতি আচরণ' অধ্যায়ে মোট কয়টি বিধি রয়েছে?
  1. 11 টি
  2. 14 টি
  3. 9 টি
  4. 8 টি
সঠিক উত্তর:
14 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14 টি
ব্যাখ্যা

উত্তর:14 টি 

Canons of Professional Conduct and Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় এবং ৪২টি বিধি আছে।
অধ্যায় ও বিধি সংখ্যা:
→ ১ম অধ্যায়: অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ – ১১টি বিধি।
→ ২য় অধ্যায়: মক্কেলদের প্রতি আচরণ– ১৪টি বিধি।
→ ৩য় অধ্যায়: আদালতের প্রতি কর্তব্য– ৯টি বিধি।
→ ৪র্থ অধ্যায়: জনসাধারণের প্রতি আচরণ– ৮টি বিধি।

২,৯৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ অনুযায়ী আদালত কাকে সমন করতে পারে?
  1. কেবল ফরিয়াদিকে
  2. কেবল অভিযুক্তকে
  3. যেকোনো আইনজীবীকে
  4. যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে
সঠিক উত্তর:
যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার ক্ষমতা:
এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোনো ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোনো ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দি গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন। 

২,৯৯১.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অধীন আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তি আইনচর্চা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ডাদেশ পেতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে,
আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তির আইনচর্চা করলে অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ডাদেশ।

Article- 41:
Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.
২,৯৯২.
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করা যাবে?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশন
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. যুগ্ম দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান -যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।

নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় (রাষ্ট্রদ্রোহিতা) উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

২,৯৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪(২) ধারার বিধান অনুযায়ী, _______________ ব্যতিরেকে, অন্য কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেকটি স্থগিত বা মুলতবি সংক্রান্ত আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল বিভাগ
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
২,৯৯৪.
প্রাণীর প্রতি অবহেলার কারণে মানবজীবন বিপন্ন হলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

ধারা ২৮৯ – প্রাণীর প্রতি অবহেলার কারণে মানবজীবন বিপন্ন করা:
যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে তার দখলে থাকা কোনো প্রাণীর ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, যা মানবজীবনের সম্ভাব্য বিপদ বা গুরুতর আঘাতের সম্ভাব্য বিপদ রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয়, তাহলে তিনি দোষী বলে গণ্য হবেন।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা
- সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা, অথবা
- উভয় দণ্ড।

২,৯৯৫.
একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যোগ্য সাক্ষী। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৩২ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৩৬ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৪০ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান: দুষ্কর্মের সহযোগীঃ-আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।

-------------------
Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
২,৯৯৬.
আদালতের এখতিয়ারের বিষয়ে কোন পক্ষের আপত্তি থাকলে তা কখন উত্থাপন করা যায়?
  1. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
  2. ডিক্রি ঘোষণার পর্যায়ে
  3. প্রথম সম্ভব‍্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে 
  4. আপত্তি করা যায় না
সঠিক উত্তর:
প্রথম সম্ভব‍্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সম্ভব‍্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে 
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা- ২১ মতে আদালতের এখতিয়ারের বিষয়ে কোন পক্ষের আপত্তি থাকলে যে আদালতে প্রথম মামলা করা হয়, সে আদালতে প্রথম সম্ভব‍্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে উথাপন করতে হবে।

♦ আদালতের আর্থিক এখতিয়ার সম্পর্কে শীঘ্রতম সন্ধিক্ষণে বা প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (as earliest as possible opportunity) আপত্তি উথাপন না করলে তা পরিত্যক্ত (waived) হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। এমনকি পরিবর্তীতে আপিল বা রিভিশন বা আদালত মামলা দায়েরের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি মঞ্জুর করবে না। তবে ন্যায় বিচার বিঘ্ন হলে বা ন‍্যায় বিচারের স্বার্থে  আপিল বা  রিভিশন আদালত দায়েরের স্থান সম্পর্কে আপত্তি করতে পারে।
২,৯৯৭.
বন্ধকদাতার দ্বারা বন্ধক সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১ম তফসিলের ১৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদ:
বন্ধকদাতার দ্বারা বন্ধকগ্রাহকের বিরুদ্ধে বন্ধক সম্পত্তি মুক্ত করার বা দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের;
তামাদি মেয়াদ: ৬০ (ষাট) বছর;
সময় গণনার শুরু: যেদিন বন্ধক সম্পত্তি মুক্ত করার বা দখল পুনরুদ্ধারের অধিকার সৃষ্টি হয়, সেদিন থেকে।
২,৯৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে রায় ঘোষণা করতে আদালতকে সর্বোচ্চ কত দিন সময় দেওয়া আছে?
  1. শুনানি শেষে তৎক্ষণাৎ
  2. শুনানি শেষে ৭ দিনের মধ্যে
  3. শুনানি শেষে ১৫ দিনের মধ্যে
  4. শুনানি শেষে ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
শুনানি শেষে ৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুনানি শেষে ৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার XX, রুল ১ অনুযায়ী, মামলার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ বা অনধিক সাত (৭) দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবেন।
- এটি বিচারিক কার্যক্রমকে দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার জন্য নির্ধারিত একটি সময়সীমা, যাতে পক্ষগণ অযথা বিলম্বের সম্মুখীন না হন। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে আদালত কিছু ব্যতিক্রম করতে পারেন।

→ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার-২০, বিধি-১ (Order XX, Rule 1) অনুযায়ী: আদালতকে মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পর অনধিক ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে হবে।
এই সময়সীমা বাধ্যতামূলক, তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখিয়ে আদালত এটি বাড়াতে পারেন।
- রায় প্রকাশ্য আদালতে ঘোষণা করতে হবে। পক্ষদের বা তাদের আইনজীবীকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে (যদি রায় পরবর্তী কোনো দিনে ঘোষণা করা হয়)।

- পূর্ববর্তী বিচারক লিখিত রায় না দিয়ে থাকলে, নতুন বিচারক তা ঘোষণা করতে পারেন (বিধি-২)। 
- তবে জটিল মামলায় আদালত লিখিত কারণ দর্শিয়ে সময় বাড়াতে পারেন।
- রায়ে স্বাক্ষর ও তারিখ দিতে হবে (বিধি-৩)।
- ৭ দিনের বেশি বিলম্ব করলে বিলম্বের কারণ রেকর্ড করতে হবে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) শুনানি শেষে ৭ দিনের মধ্যে।
২,৯৯৯.
হাইকোর্ট বিভাগ কি কি কারণে ফৌজাদারী মামলা স্থানান্তরের কার্যক্রম গ্রহণ করেন?
  1. ন্যায় বিচার ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে
  2. আইনের জটিল প্রশ্ন থাকলে
  3. বিচার দ্রুত হওয়ার জন্য
  4. ক, খ, গ-এ বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক, খ, গ-এ বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক, খ, গ-এ বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা-৫২৬ এ হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে।যার উপর ভিত্তি করে মামল হস্তান্তরের আদেশ দিবেন-

১. নিম্ন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে, অথবা
২. মামলার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, অথবা
৩. হাইকোর্ট বিভাগ Suo motu এরূপ আদেশ দিতে পারবেন।

মামলা হস্তান্তরের শর্তসমূহ-

১. অধস্তন কোন ফৌজদারি আদালতে ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
২. কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে।
৩. কোন স্থান বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হলে।
৪. এই ধারায় প্রদত্ত কোন আদেশে পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগনের সাধারণ সুবিধার দিকে নিয়ে যাবে।
৫. ন্যায় উদ্দেশ্যে বা এই কার্যবিধির কোন বিধান অনুসারে এরূপ কোন আদেশ প্রয়োজন হলে
৩,০০০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতে কয়টি স্তরের বিচারক থাকতে পারে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ২টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।

-অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।

- ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.] 

(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
 (3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.] 
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct. 
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.